Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • কষ্টের অপর নাম

    আমার দুঃসময়গুলো বড় বেশী সুন্দর।
    ব্যথার নিপুণ তুলিতে
    কষ্টের আলপনায় ভরে উঠছে
    আমার প্রতিটি মুহূর্ত।

    আমার স্বপ্নের রাজ্যে
    এখন দুঃস্বপ্নের পদচারণ।
    চোখ দুটো বন্ধ করলেই
    ওরা আসে
    ওদের সবটুকু সৌন্দর্য নিয়ে
    আমার রাতের পৃথিবীকে
    বেদনায় রাঙিয়ে দিতে।

    হৃদয় কেমন আমি দেখিনি।
    অথচ প্রতিটি মুহূর্তেই
    আমি অনুভ…Read More

    2
    2 Comments
    • দুঃখকে দূরে ঠেলে না দিয়ে তাকে বুকে জড়িয়ে নেয়ার বিষয়টা মন ছুয়ে গেলো। কবিতাটি কেবল পড়া নয়, অনুভব করলাম।

    • সুন্দর কষ্টে ভরা জীবন…..🖤

  • চোখে চোখে

    সে তাকাল। একবার, দুইবার, পর পর বেশ ক’বার।
    আমি ঘার ফিরিয়ে পেছনে তাকালাম। কই, তেমন কাউকেই তো চোখে পড়ছে না। তবে কি আমিই !
    আবার মুখ ঘুরিয়ে সামনে ফিরতেই চোখে চোখ পড়ল। সে তাকিয়ে আছে অপলক। দৃষ্টিতে মুগ্ধতা। ঠোঁটের কোণে চাপা দুষ্ট হাসি। আমি চমকিত হলাম। আমার এই ২২ বছর জীবনে নিঃসন্দেহে এই ঘটনা ব্যতিক্রম।
    মানুষটা আমি দেখতে আহামরি কিছু নই…Read More

    4
    4 Comments
    • চোখাচোখিতেই শুরু গল্প….🖤

    • টি-শার্টে নম্বর লিখে দেওয়ার আইডিয়াটা জাস্ট ফাটাফাটি ছিল।
      আর শেষ দিকে মেয়েটির ওই সার্ফ এক্সেলের খোঁচাটা দারুণ লেগেছে।
      খুব চমৎকার , চালিয়ে যান

      • অনেক ধন্যবাদ ভাই। ওটা আসলে অনেক আগে আমার লিখা সার্ফএক্সেলের এড ছিল। কিন্তু, ৩০ সেকেন্ডের বেশী হয়ে যাওয়ায় ওরা শুট করেনি।

    • ভাইটা আসলে ভালোবাসার জন্য একটু বেশি ক্রিয়েটিভ হয়ে গেছে 😅

  • অমানুষ

    একদিন আমিও ভালোবেসেছিলাম।
    সেদিন থেকে একটা মৌচাক আমার বুক জুড়েছিল ।
    অহর্ণিশ মৌমাছিগুলোর আনাগোনায়
    বুকের ভেতরটা আমার ছেড়াফাড়া হয়ে গিয়েছিল।

    একদিন আমিও প্রেমে পড়েছিলাম।
    সেদিন থেকে আমার বুকটা পোড়ে গিয়েছিল।
    ছাইচাপা আগুনের দাপাদাপিতে
    বুকের ভেতরটা আমার খাঁক হয়ে জ্বলছিলো।

    একদিন আমিও লোভী হয়েছিলাম।
    সেদিন থেকেই তুমি আমা…Read More

    4
    3 Comments
  • শিরোনামহীন

    মায়ের প্রচন্ড চেচামেচিতে ঘুম ভাঙ্গলো আমার। সকাল বেলায় দিনের শুরুতেই এমন চিৎকার চেচামেচি কারোই ভালো লাগার কথা না। আমারো লাগলো না। বরং এতো সাধের ঘুমটা ভেঙ্গে গেছে বলে মনটাই খারাপ হয়ে গেল। মা যে কি, সারাক্ষণ পিচ্চিটার পেছনে লেগে থাকে। আর পিচ্চিটাও পারে বটে। এতো বকা, এতো মার খাবার পরও ওর মাঝে কোনো পরিবর্তন নেই। যতই বলা হোক না ক…Read More

    4
    4 Comments
  • হোক তবে নতুন কিছু

    এই শোন ।

    আমাকে বলছো ?

    নয় তো কি ।
    তুমি ছাড়া আর কাকেই বা
    আমার না বলা কথাগুলো শোনাবো ?

    বাহ্ রে ! আমি কি তেমন কেউ ?

    হয়তো নও ; কিন্তু হতে তো পারো।

    ঈশ ! আমার বয়েই গেছে ।

    জানো, তোমাকে একটা কিছু দিতে ইচ্ছে করে ।

    আমাকে দেবে ? অবাক করলে !
    আমায় কিছু দেবার মত সামর্থ্য কি তোমার আছে ?
    তোমার তো আ…Read More

    3
    3 Comments
    • ‘আমার আকাশটাতে তোমার পাখিকে ওড়তে দেবো। ওর গায়ে স্বর্ণালী আলোর গুড়ো মেখে দেব।’—কী দুর্দান্ত এবং নিখাদ ভালোবাসার প্রকাশ!

    • ভালোবাসা যে কখনও খাঁচা নয়, বরং উড়ার স্বাধীনতা
      সেটাই মনে করিয়ে দিল।
      এমন লেখাই পড়তে চাই।
      খুব ভালো লিখেছেন।

  • উপহার

    বাম পা’টা অনেকক্ষণ যাবত চুলকাচ্ছে। কিন্তু চুলকোবার উপায় নেই। একটু নড়লেই ডোবারম্যানটা মাথা খাড়া করছে। ওটার হিংস্র দাঁত কেলানো দেখে চুলকানোর ইচ্ছে উবে গেছে জিয়ার। প্রায় ৫ ঘণ্টা হলো এভাবে ঠায় বসে আছে ও। ভেতর থেকে এখনো কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে না। ঘড়ি দেখার ইচ্ছে হলো। কিন্তু উপায় নেই। তবে রাত ১২টা বেজে গেছে, এটা টাহর করা গেল। ক্লিন…Read More

    4
    3 Comments
    • ডবারম্যানের ভয় থেকে সন্তানের নরম স্পর্শ—একটানে পড়ে ফেলার মতো মন ছুঁয়ে যাওয়া একটি গল্প। মুগ্ধতা রইল!

    • সন্তানেই ফেরে হারানো ভালোবাসা…..🤍

    • শেষটা যেন পুরো গল্পটাকে নতুন অর্থ দিয়েছে।
      জিয়া যে ‘উপহার’-এর অপেক্ষায় ছিল, শেষ পর্যন্ত বুঝলো সবচেয়ে বড় উপহারটা তার নিজের জীবনেই এসে গেছে।

  • আকাশ তোমায় নমস্কার

    আকাশ তোমাকে আজ হাত ধরি
    মেঘের বুকেতে দাও জল গড়ি।

    তাপদাহে দেখ পুড়ছে জীবন
    ভয় পাই বুঝি আসলো মরন।
    ঘামের জলে করি সদাই স্নান
    তেষ্টায় সবার ওষ্ঠাগত প্রাণ।

    শুকায়েছে মাঠ জলের অভাবে
    বৃক্ষলতা সব পুড়ছে তান্ডবে।
    নেই কোথাও এতটুকু বাতাস
    বুক চিড়ে আসে গরম নিঃশ্বাস।

    তোমার বুকেতে নীলে ভরা ছল
    সাদা মেঘে ভাসে জলকণা দল।
    ছল ভুলে যদি…Read More

    3
    3 Comments
  • জীবন যেখানে যেমন

    মানুষটা হাত-পা ছড়িয়ে উপুর হয়ে অনড় পড়ে আছে। সারা পিঠে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। জায়গায় জায়গায় থেতলানো। কানের পিছে মাথার কাছে জমাট বেধে আছে রক্ত। ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বুঝা যায়। মুখের বামপাশটা মেঝেয় ঠেকানো। ঈষৎ হ্যাঁ হয়ে আছে ঠোঁটজোড়া। কষা বেয়ে রক্ত পড়ছে। চোখদুটো আধ-বোজা। পরনের লুঙ্গিটা কোমর অব্দি উঠানো।…Read More

    4
    3 Comments
    • পাগলের বুকেই লুকিয়ে ছিল মানুষ….🤍

    • গল্পটি পড়তে পড়তে পাঠকের বিচারবোধ বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ে।

    • সত্যি, মানুষের ভেতরের গল্পটা কেউ দেখে না। গল্পটা পড়ার পর নূরা পাগলার রক্তাক্ত অনড় লাশের সেই দৃশ্যটা মাথা থেকে সরছেই না।

  • আলো আসবেই

    জেগেছে নির্জন রাতের অমোঘ চাদর
    ফসফরাসের ডানায় নির্মল আচড়।
    আমার বাধভাঙ্গা উচ্ছাসে আকাশ ফাঁটে
    মলিন সমুদ্রে জ্বলে আলো তরঙ্গ ঠোঁটে।

    মরিচিকা দেখি আমি দিগন্তের বলয়ে
    রাতের চাদরের বুকে তমসা মলয়ে।
    খুবলে দেয়াল ফুঁটে শ্যাওলার কুসুম
    ফসফরাস গিলে খেয়ে সেও নিঝুম।

    আকাশ ফাঁটুক নামুক বৃষ্টি জোরেসোরে
    মুছুক রাত কাটুক ঘোর তমসা ডোরে…Read More

    4
    4 Comments
  • নন্দিত নরকে আমার স্বর্গবাস

    মাঝে মাঝে আমার কি যে হয়
    আমি সব ভুলে যাই।
    উন্নাসিক নেশার হঠাৎ আবির্ভাব
    আমার স্মৃতিতে ফাটল ধরায়।
    বাগানের দূর্বা ঘাস
    মায়ের টোল পড়া হাসি
    কিম্বা হারিয়ে ফেলা একটা সুন্দর সকাল
    কিছুই মনে থাকে না আমার।
    হৃদয়ের ক্যানভাস থেকে
    সবগুলো ছবিই বিম্মৃত হয়ে যায়।

    নরকের গাড় অন্ধকারে…Read More

    4
    4 Comments
  • দায়ভার

    চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে পত্রিকার পাতায় চোখ বুলাচ্ছিলেন হক সাহেব। সহসা শেষ পৃষ্ঠার এক কোণায় ঠাই পাওয়া একটা খবর তার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। তড়িৎ হাতের কাপটা নামিয়ে রাখলেন টেবিলে। হাতের কাঁপুনিতে কিছুটা চা ছলকে উঠলো । ছিটকে এসে এক ফোঁটা চা আছড়ে পড়ল পত্রিকার পাতায়। দুই হাতে কাগজটাকে টেবিলে ঠেসে ধরে হাত দিয়ে ডলে ডলে চায়ের ফোঁটা’…Read More

    4
    3 Comments
  • ওম

    এই হুনছেন। জ্বলদি উডেন। মাইয়া জানি কেমন করতাছে। কানের কাছে শরীফার রীতিমত চিতকার শুনতে পেয়ে ধড়মড়িয়ে জেগে উঠলো মনির মিয়া। সবে চোখটা লেগে এসেছিল। আজ ক’দিন দিন যাবত বলতে গেলে পুরোটা রাত’ই মেয়েকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে হচ্ছে। ফলে ঘুমোবার সুযোগ হচ্ছে না মোটেই। অসম্ভব ঠান্ডা পড়েছে এবার। দু’চালা বেড়ার ঘর। ফাক গলে হু-হু করে ঠান্ডা বাতাস ঢুকছে…Read More

    3
    4 Comments
  • কে বলে তুমি নেই

    কোন স্তব্ধ বিকেলে
    জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আমি।

    সদ্য ফোঁটা গোলাপের বুকে
    সেই কখন থেকে
    চুমুকে চুমুকে নিংড়ে নিচ্ছে
    সবটুকু মৌ
    কোন সে অলী।

    কে বলে তুমি নেই।

    আমার ভাবনা বিলাসে
    ছবি হয়ে আছো তুমি।
    জড়িয়ে আছো হৃদয় জুড়ে
    তোমার সবটুকু স্মৃতি হয়ে।
    আমার খেয়ালের পৃথিবীতে
    কেবলি তোমারী পদধ্বনি শুনি।…Read More

    2
    2 Comments
  • লাল জামা

    ভোরের মৃদু আলো বেড়ার ফাঁক গলে ঘরে ঢুকবার ফুরসত পাচ্ছে কেবল, এমনি সময় ঘুম ভেঙ্গে গেল রাহেলার। হালকা আলো আধারীর মায়ায় আবিষ্কার করলো, বিছানায় সে একেলাই শুয়ে আছে। বশীর ঘরে নেই, ব্যাপারটা পুরোপুরি বোধগম্য হবার সাথে সাথেই লাফিয়ে বিছানা ছাড়লো। চৌকির নীচ থেকে চপ্পল জোড়া টেনে নিয়েই শশব্যাস্তভাবে ঘর ছেড়ে বেড়িয়ে এলো। এতটুকুন…Read More

    4
    3 Comments
    • লাল জামার আড়ালে নীল দহন….💙

    • সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা কতটা নিঃস্বার্থ হতে পারে,
      তা আপনি খুব নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
      অনন্য সৃষ্টি, শুভকামনা কবি

    • এক বুক দীর্ঘশ্বাস রেখে গেল গল্পটা।

  • বর্ষার জলে

    অসীম চরাচর বুকে ছুটে ধুর্ত শেয়াল
    সূর্যের প্রতাপে হতে চায় মহাসেন।
    দিবানিশী চলে তার’ই দীপিকার বয়ান
    দীক্ষাগুরু তার দীধিতিমান হলেন।

    আকাশ-কুসুম ব্যঞ্জনা বাজিয়ে
    বিবেকের রাখাল করে শব যাত্রা।
    ফলাও করে তার চলে হুল্লোর
    মিথ্যের পাঁচালী তবু পায়না মাত্রা।

    এক মুঠো বৃষ্টি যদি গেলই ঝরে
    আকাশের বুকে তবু উঠে না ঝড়।
    রাশি রাশি…Read More

    3
    1 Comment
    • সত্যের বারিধারায় ধরণী উর্বর হওয়ার এই যে চিরন্তন বিশ্বাস, এটাই তো কবিমন!সত্যের বারিধারায় ধরণী উর্বর হওয়ার এই যে চিরন্তন বিশ্বাস, এটাই তো কবিমন!

  • বৃষ্টি ও মানুষ

    আকাশের বুক থেকে আর কতটুকুই বৃষ্টি ঝরে
    এর চেয়ে ঢের বেশী বৃষ্টি ঝরে মানুষের বুকে ।

    সুনীল আকাশের বুকে ভাসে নিঃসঙ্গ মেঘের দল।

    তার শুভ্র দেহের ভাজে
    বয়ে বেড়ায় এক রাশ জলকণা।
    অসীম কষ্টের দাহনে কখনো
    এই শুভ্রতাই হয়ে উঠে কালো।
    ভারী হয়ে যায় আকাশের বুক
    তখনি ঝরে পড়ে অঝোরে।
    অঢেল কান্নার স্রোতের ভীড়ে
    অবিরাম বৃষ্টির…Read More

    3
    4 Comments
  • শিকার

    ঘুম থেকে জেগেই আসমার প্রথম যে অনুভুতিটা জাগলো, তা হলো ক্ষুধার। অপুষ্টিতে ভোগা রোগা শরীর। এমনিতে চৌকি থেকে নামতে তার যথেষ্ট বেগ পোহাতে হয়। তবুও কি এক শক্তি বলে সে বেশ দ্রুতই বিছানা থেকে নেমে গেল। ত্বরিৎ এগিয়ে গেল ঘরের এক কোণে বসানো মাটির চুলাটার দিকে। ওটার উপর চড়িয়ে রাখা ঢেবা-ঢোবা পাতিলটা দৃষ্টি আকর্ষণ করল ওর। হাতের এক ঠেলায় পাত…Read More

    4
    6 Comments
  • আত্ন জন

    আজতক আমি নিজেকেই চিনতে পারিনি।

    একটা সবাক দেহের আবডালে
    অচেনা আমাকেই মনে হয় আত্ন জন।
    অযাচিত সম্পর্কের টানা-পোড়েন
    আমাকে সবার কাছে আড়াল করে তোলে।

    সহজাত কথার ফল্গুধার
    নদীর মত ছোটে অবিরাম।
    মোহনায় হারাবার পথ না পেয়ে
    উৎসের বিবর্তনে খোঁজে অমৃত আশ্রয়।

    অথচ সদা বর্ণচোরা লাম্পট্যের ভীড়ে
    কত সহজেই না কাছে আসি সবার।
    বুকের পা…Read More

    3
    2 Comments
    • ‘সহজাত কথার ফল্গুধার / নদীর মত ছোটে অবিরাম’—আপনার কবিতার শব্দচয়ন সবসময়ই এক অন্যরকম ধ্রুপদী আভিজাত্য বহন করে। পড়তে পড়তে শব্দের এক মায়াবী ঘোরে আটকে যেতে হয়।

    • চমৎকার লেখা

  • যে জলে তৃষ্ণা মেটেনা

    আজ দুইদিন যাবত টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে আমাদের বাড়ীর চারপাশ মাঠ-ঘাট ডুবে একাকার। যেদিকেই তাকাই শুধুই পানি আর পানি। এরকম বৃষ্টিতে মানুষের জীবনযাত্রা বিশেষ করে গ্রামীন জনপদ একদম স্থবির হয়ে যায়। আমাদের অবস্থাও তাই। মা তো কেবল লাগোয়া রান্নাঘর আর বড় ঘর এই দু’য়ের মাঝে দৌড়াদৌড়ি করেই সময় পার করছেন। বাড়ীর উঠো…Read More

    2
    1 Comment
    • ছোট ভাইটির মাঝে বাবার অবয়ব থাকলেও, বাবার সেই শূন্যস্থান যে কোনোদিন পূরণ হয় না, এই নিষ্ঠুর সত্যটা স্তব্ধ করে দেয়।

  • Load More Posts
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Friends

Skip to toolbar