-
হিসেব চলছে
আমার সাথে দুনিয়ার
দুনিয়ার সাথে আমার
সে এক কঠিন হিসেব
যাকে বলে গণিতের কঠিন সমাধান
একের সাথে এক কি করে দুই হয়¿
আমি আমার হিসাব টা বুঝাইছি।
আর দুনিয়ার হিসাবে সবে শুরু হইছে,
আমি তো ভাই শুরুতেই খাচ্ছি কট।2 Comments -
-ঘরে কয়েকজন থাকো¿
-আমরা ছয়জন।
-সেই ছয়জন টা কে কে¿
-চারটা দেয়াল,মাথার উপরের ছাঁদ আর আমি।3 Comments-
আপনার লেখাটি নিঃসঙ্গতার এক গভীর ও চমৎকার রূপ ফুটিয়ে তুলেছে, যা অনেকটা নির্জন দুপুরে একাকী জানালার পাশে বসে থাকার অনুভূতির মতো। ঘর যে কেবল ইট-কাঠের কাঠামো নয়, বরং একান্ত আপন সঙ্গী হতে পারে—এমন ভাবনা পাঠকের মনে এক ধরনের মৃদু বিষণ্ণতা ও ভালো লাগার রেশ রেখে যায়।
-
-
ভুল টা কোথায়¿
হিসেব করতে করতে গিয়ে দেখি,
ভুল¿
সেটা ছিল একদম দোরগোড়ায়।
যেমন টা থাকে অহেতুক অতিথির আনাগোনায়।
আমি শুধু দরজা দেখিয়েছি।
এখন সে আমার অস্তিত্বের অস্থিমজ্জায়।
জীবন থেকে প্রাণ গেলেও,দেখা যাবে
ভুল কোথাও যায় নাই।
মরে যাওয়াটাও একটা ভুল মনে হবে,মনে হয়।
ভুলের অংক না মেলায়
আমি রোজ একটা করে ভুল,ফুল মনে করে
গলায় মালার মতো জড়িয়ে বেড়াই।3 Comments -
আপনার জানেন কি¿
রাতের আকাশের দুটো উজ্জ্বল নক্ষত্র আছে।যাদের নাম অলটার এবং ভেগা।
কথিত আছে তারা ঢুবে ছিল বিচ্ছেদহীন এক গভীর ভালোবাসায়।
কিন্তু ভাগ্যের রসিকতায় তাদের মাঝে ছিল স্যালেস্টিয়াল রিভার মিল্কিওয়ে।
বিশাল এক দূরত্ব।
এক রাতে ভেগা এই দূরত্বের জন্য এতোটাই কেঁদেছিল তখন পৃথিবীর সমস্ত ম্যাগপাই পাখি একটা সেতু বানিয়েছিল য…Read More1 Comment -
যা পেয়েছি তা হারিও দেখেছি
কারো সব হয়েও দেখেছি
দিন শেষে দেখেছি
ভিক্ষা চেয়েও কারো আপন হওয়া যায় না।
আমি তার সামনে কেঁদেও দেখেছি
চাইলেও সব কিছু পাওয়া যায় না।4 Comments -
মরে গিয়েছিল এই হাতেই
একটি শিঁউলি ফুল
অনেকদিন হলো আমি তার
মৃত্যুর ভার কাধে বয়ে বেড়াই।2 Comments -
“এই পৃথিবীর মানুষেরা হচ্ছে আগুনের সামনে উড়তে থাকা তিনটি প্রজাপতির মতন।
প্রথম প্রজাপতিটি আগুনের খুব কাছে যায়। এবং বলে, ভালোবাসা কী, তা আমি জানি।
দ্বিতীয় প্রজাপতিটি তার পাখা দিয়ে আগুনের শিখাটি সামান্য স্পর্শ করে। তারপর বলে, ভালোবাসার আগুন কীভাবে পুড়িয়ে দেয়, তা আমি জানি।
তৃতীয় প্রজাপতিটি আগুনে ঝাঁপ দেয় এবং পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সে আর কিছু বলে…Read More
4 Comments -
আমি মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছি|
শুনেছি সব আমাকে ছেড়ে যাবে|
অনেকটা সম্মতিতেই সব চলে যাবে|
রাতের আধারে মত অন্ধকারে|
চুপিচুপি যাওয়ার পথে
সূক্ষ্ম আর্তনাদ রেখে|
আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি এক অসম যুদ্ধের,
অন্ধকারে বেঁচে থাকার
শূন্যতায় লড়ে যাবার…..!!!2 Comments -
-
আমার হয়তো তোমাকে পাওয়া হবে না
পাওয়া হবে না বলেই আমি এখন
বিশাল এই আকাশের সখ্যতা পাওয়ার আশায়
দিন রাত এক করে চুক্তি করি
যা কিছু শূন্যতা থাকবে,তা নিয়ে বিনিময় হবে
আমি দিব কিছু না পাওয়া,আর
আকাশ আমায় কৃষ্ণপক্ষেও কিছু জোসনা।3 Comments -
সমস্যাগুলো যখন প্রখর রোদের উত্তাপ হয়ে যায় তখন তুমি আমার কাছে আসতে পারো।আমি বিশাল বৃক্ষের মতো তোমায় ছায়া দিব।সমাধান না পেলেও স্বস্তি পাবে।আমি হয়ত তোমার জন্য একটা এক চিলতে বারান্দা নিয়ে ছোট্ট একটা ঘর হতে পারি।ক্লান্ত হয়ে পরলে তুমি সেই ছোট্ট বাড়িতে দিন শেষে ফিরে আসতে পারো বুক ভরে নিশ্বাস নিতে।নয়তো আমি একটা নদী,সমুদ্র,না হলে কোলাহল…Read More
4 Comments -
-ঘুমাও না কতোদিন?
-এইসবের কি আর হিসেব থাকে?তবে এতোটুকু বলতে পারি যেদিন করে জোসনার রাত হয় সেদিন আমি একদম ঘুমাতে পারি না।
-কেনো?জোসনায় সমস্যা কোথায়?
-সমস্যা কোথাও না।শুধু সেই রাত গুলোতে তোমাকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছা টা তীব্র হয়ে যায়।মনে হয় তোমার কোলে মাথা রেখে শুতে পারলেই অসুখ টা আমার সেড়ে যেতো।
-তাহলে তো তোমার এই অসুখ যতদিন তুমি বাঁচবে ততদিন…Read More3 Comments -
মাত্র একটা দিনের জন্য আমাকে আমার শৈশব ফিরিয়ে দেয়া যায় না ঈশ্বর¿
বিনিময়ে একটা গোটা জীবনে যতটা দিন থাকে তার সব নিয়ে নাও।2 Comments -
যেদিন আমি হাঁটতে শিখলাম,প্রথম হোঁচটে আমাকে বলা হলো উঠে দাঁড়াও,আবার হাঁটো।
যেদিন আমি বুঝতে শিখলাম,হোঁচটে পড়ে গেলাম।কাঁদব কি কাঁদবো না এটা ভেবে দ্বিধায় পরায় আগেই সবই বলে উঠল”ছেলেদের কাঁদতে নেই।”
সেই থেকে শুরু,
পরীক্ষায় ফেল,প্রেমে ব্যর্থতা,কখনো কারণে,কখনো অকারণে বাবার মার,বন্ধুর ব্যাঙ্গ আর এই যে সো কল্ড সুশিল সমাজের বিদ্রুপ,
যাই আসুক না কেনো;…Read More2 Comments -
আমিও স্বপ্ন দেখতাম।
বড় বড় সব স্বপ্ন।
বুকের বাঁ-পাশে আশার বসবাস ছিল।
মগজ এ ছিল গোটা দুনিয়া জয়ের পরিকল্পনা।
আমি ভবিষ্যতে বাঁচতাম না,বাঁচতাম প্রত্যেক টা আজে।
হায়রে বাস্তবতা!
আমাকে ধীরে ধীরে বদলে দিল।
ব্যর্থতা, হতাশা আর পরাজয়,
যে আগুন আমার মস্তিষ্ক এর চালক ছিল,
সেটা নিভে গেছে।
এখন রাত হলে সিলিং এর দিকে অপলক তাকিয়ে থাকি।
মগ্ন হয়ে…Read More6 Comments -
যদি কেউ তোমাকে জিজ্ঞেস করে
তুমি বলবে তেমন বিশেষ কেউ না।
একটা বন্ধু ছিল, আর আধা পাগল ছিল।
একটা মিথ্যে ছিল, আবার সম্পূর্ণ সত্যিই ছিল।
জীবনের একমাত্র সাথী ছিল সে;
তার পাশে থেকেও পাশে নেই
সে সময়ের কাঁধে মাথা রাখার আস্থা ছিল সে।
কেউ যদি তোমায় জিজ্ঞেস আমি কে¿
তুমি বলবে তেমন কেউ বিশেষ না।
তুমি বলবে মন খারাপের বন্ধু ছিল সে।3 Comments -
সিগারেট কেনো খাও¿
হাসি মুখে বললাম সহ্য করার জন্য।
আমার ধৈর্য ধরো মুটামুটি রবার্ট ব্রুশের মতো।
তবুও ধৈর্য হাতে ধরা দিচ্ছে না।।
এই দিবো,এই দিচ্ছে,হবে হবে করেও হচ্ছে না।
তবুও কতদিন ধরে ধরা দিচ্ছে না¿
আন অফিশিয়ালি দুই আর অফিশিয়ালি এক দশক।
আর প্রেয়সীর ঠোঁট,চুম্বন¿
হাসালেন বটে,
এই ঠোঁটে আর যাই মানাক,প্রেয়সীর ঠোঁট¿
মানায় না মশাই মানায় না।7 Comments-
-
এই দিবো, এই দিচ্ছে, হবে হবে করেও হচ্ছে না”
এই লাইনটা পড়ে মনে হলো এটা শুধু ধৈর্যের কথা না,
একটা পুরো জীবনের গল্প।
শেষের ঠোঁটের অংশটুকু পড়ে হাসি থামাতে পারলাম না।
চমৎকার লেখা। -
-
-
দিন দিন অমানুষ হয়ে যাচ্ছি।
এই অমানুষের গন্ধ শরীর থেকে বের হয়,
বোঝা যায় আমার আশেপাশের মানুষ
আমাকে দেখলেই চোখ নাক কুঁচকে ফেলে।
তেষ্ক্রিয়তার মতো এটা ছড়াচ্ছে।
বোঝা যায় ফোন দিলে ইগনরে পরি যখন।
অমানুষ যে হচ্ছি তার বড় প্রমাণ আমার,
প্রিয় মানুষ গুলো।
তারা আমাকে দেখলেই এই উটকো গন্ধ থেকে
পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।…Read More1 Comment -
Poly Alam and
ছন্নছাড়া মহাপ্রান are now friends
- Load More Posts
Friends
Mehedy Hasan
@mehedyhasan
মৈনাক
@mainak
ঈশিতা ঈরু
@eshitabiswaseru15
আর্য্য সপ্ত দর্শী
@nandini
খালেদা আক্তার
@khaledaakhter
শান্ত
@shanrisky
MI Shaikh
@mishaikh
Faridul Islam
@faridulislam
Khusi Moni
@khusimoni




প্রিয় ছন্নছাড়া মহাপ্রান, জীবনের জটিল সমীকরণগুলো যেভাবে সাধারণ কথার ভাঁজে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বেশ চমৎকার ও হৃদয়গ্রাহী হয়েছে। আপনার এই ভাবনাগুলো অনেকটা রবার্ট ফ্রস্টের সেই চিরচেনা পথ হারানোর দোলাচলের মতোই, যেখানে ব্যক্তিগত উপলব্ধির সাথে বাস্তবতার অমিল স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আপনার লেখনীর এই সহজ-সরল ভঙ্গিটি পাঠকের মনে এক গভীর রেশ রেখে যায়।