<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মোঃ রাকিবুল হাসান | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rakibwriter/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rakibwriter/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মোঃ রাকিবুল হাসান.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 08 Sep 2026 10:07:21 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">87601e1185167612e6e893c539c2fe76</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269650/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 10:39:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a49c964b85c2152f314252b1a131c50c</guid>
				<title>ভাঙা সেতু ও এক অচেনা পৃথিবী

​তুলি নামের চঞ্চলা মেয়েটার এখন একাই বেড়ে উঠতে হবে। সে যখন ঘরে দৌড়ে বেড়াত, পুরো ঘরটাই যেন এক টুকরো জান্নাত হয়ে উঠত। কখনো সে লুকিয়ে থাকত শোকেসের পেছনের ছোট্ট জায়গাটিতে, কখনো-বা ওয়্যারড্রবের খোলা কেবিনে। বাবা-মা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজত; আর সে হুট করে বেরিয়ে আসত খাট কিংবা আলনার পেছনের সরু গলি থেকে। আবার কখনো হয়তো খাটের তলায় শুয়ে নিঝুম হয়ে খেলত। ঘরের কাজ করতে করতে হঠাৎ তানহার মনে পড়লে সে ঘরময় খুঁজেও তুলিকে পেত না। আর ঠিক তখনই খাটের তল থেকে বেরিয়ে এসে মা-কে চমকে দিত তুলি। মা হেসে উঠতেন, সঙ্গে তুলিরও খিলখিল হাসি।

​তবে তুলির জন্মের পর থেকেই ছবিটা বদলাতে শুরু করে। তুলির প্রতি তানহা এতটাই মগ্ন হয়ে পড়লেন যে স্বামী আদবানের দিকে তাকানোর অবকাশটুকুও আর রইল না। ওদিকে আদবানও স্ত্রীর কাছে ঘেঁষতে পারতেন না। তুলির আগমনের পর থেকে কেন যেন আদবানকে আর সহ্যই করতে পারতেন না তানহা। ভালোবাসার এই তীব্র শুষ্কতা সহ্য করতে না পেরে আদবানও ঘরে ফেরার তাগিদ হারিয়ে ফেললেন। দূরত্ব বাড়ে, বাড়তে থাকে তাদের পারস্পরিক মনোমালিন্য। একসময় দুজনেরই মনে হতো—এই সংসারটা টিকে আছে কেবল তুলির জন্য। তুলিই তাদের ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের একমাত্র সেতু, নতুবা ঘরটা বহু আগেই চুরমার হয়ে যেত।

​এক গভীর রাতে নামল এক প্রলয়ঙ্করি ঝড়। কোনো গাছ ভাঙেনি সে ঝড়ে, উত্তাল হয়নি সমুদ্র, উড়িষ্ণু কাগজ কিংবা মাঝনদীর নৌকাও ডুবেনি; কেবল নীরবে ভাঙলো একটি মাত্র ঘর, উইপোকার মতো নি:শব্দে তছনছ করে দিয়ে গেল একটি পৃথিবী। 

​সেদিন রাতে মনের অশান্তি ভুলতে বন্ধুদের আড্ডায় আদবান জীবনে প্রথমবারের মতো এলকোহলের গ্লাসে চুমুক দিয়েছিলেন। কিন্তু মদ দু:খ ভুলিয়ে দেওয়ার বদলে তাকেই গিলে খেল। প্রথমবার পানের অনিয়ন্ত্রণে আদবানের মাতলামি সীমা ছাড়াল। 
কাকতালীয়ভাবে, সেই বারেই বার-গার্ল হিসেবে কাজ করছিল আদবানের ভার্সিটির জুনিয়র নন্দিতা, যে ছাত্রজীবন থেকেই আদবানকে ভালোবাসত। আদবানকে ওভাবে ভেঙে পড়তে দেখে নন্দিতা এগিয়ে এল। তাকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে গেল নিজের কাছেই—বারের থেকে কয়েক কদম দূরের এক ছোট্ট বাসায়। নন্দিতা নিজেই আদবানের ভেজা, অগোছালো পোশাক পরিষ্কার করে দিল।
​দীর্ঘদিন স্ত্রীর উত্তাপ না পাওয়া আদবান নেশাগ্রস্ত চোখে তীব্র দৃষ্টিভ্রমে পড়লেন। তার মনে হলো, সামনে তানহাই দাঁড়িয়ে। সুপ্ত আদিম তীব্রতা তাকে আচ্ছন্ন করল, আর নন্দিতারও তাতে কোনো সমস্যা ছিল না।
​ঝড় থামলে আদবান যখন ক্লান্ত হয়ে বিছানায় ঢলে পড়লেন, নন্দিতা তখন চট করে তার মানিব্যাগ থেকে তুলে নিল পনেরো হাজার টাকা—মাত্রই তোলা আদবানের পুরো মাসের বেতনের চার ভাগের এক ভাগ। নন্দিতাদের এক রাতের মূল্য এমনই।

​পরদিন খুব ভোরে ঘুম ভাঙল আদবানের। অচেনা ঘর আর পাশে তানহার বদলে নন্দিতাকে দেখে আঁতকে উঠলেন তিনি। ধাতস্থ হতে কিছুটা সময় লাগল, কাল রাতের আবছা স্মৃতিগুলো ভিড় করে আসতেই ভুলটা বুঝতে পারলেন। সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে গেছে। দ্রুত শার্ট আর আধভেজা প্যান্টটা গায়ে জড়িয়ে, মানিব্যাগ আর ফোন সামলে তিনি বেরিয়ে এলেন। বাইরের লক আটকে দিয়ে একটা অটোরিকশায় চেপে সোজা নিজের বাসায়।
​কিন্তু পাপ যেন বাতাস হয়ে ছড়ায়। আদবানের বারে যাওয়া এবং নন্দিতার বাসায় রাতে থাকার খবর ততক্ষণে পৌঁছে গেছে তানহার কানে। কারণ বারে আদবানের বন্ধুদের সঙ্গে তানহার সহপাঠী নিহাও উপস্থিত ছিল।
​ঘরে ঢুকতেই আদবান টের পেলেন নিস্তব্ধ গুমোট এক আবহাওয়া।
তানহা নিজেই নীরবতা ভাঙলেন, &quot;আমি বাবার বাড়ি যাচ্ছি।&quot;
&quot;হঠাৎ?&quot;
&quot;সব তো হঠাৎই হয়।&quot;
&quot;মানে কি তানহা?&quot;
&quot;মানেটা তুমি ভালো করেই জানো।&quot;
&quot;তবুও বলো...&quot;
&quot;গতকাল রাতে কার কাছে ছিলে?&quot;
&quot;এক বন্ধুর জন্মদিন ছিল।&quot;
&quot;বন্ধুটা কে, নন্দিতা?&quot;
​আদবান চমকে উঠলেন। আর কিছু লুকানোর উপায় নেই বুঝে নিস্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তানহা বিশাল সুটকেসটি টেনে দরজার বাইরে নিয়ে এলেন।
​আদবান শুধালেন, &quot;এত বড় লাগেজ? কতদিনের জন্য যাচ্ছ?&quot;
&quot;সময়ই বলে দেবে,&quot; উষ্মা ভরা কণ্ঠে জবাব দিয়ে তানহা বেরিয়ে গেলেন।

​মাসখানেক পর আদবানের নামে আদালতের সমন এল—তানহা খোরপোশ ও ডিভোর্সের আবেদন করেছেন। আদবান স্তম্ভিত হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হলেন। তারা আলাদা হলেও তুলিকে তো তার কাছে রাখা যায়! কিন্তু তানহা তাতেও নারাজ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তুলিকে সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিল।
​সেদিন রাতের ঝড় আদবান-তানহার ঘর ভাঙলেও তছনছ করেছিল তুলির পুরো পৃথিবী।

​তিন মাস পর আদালতের চূড়ান্ত রায়ে তুলির অভিভাবকত্ব পেল তার নানা-নানি। এর কিছুদিন পর তানহার অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে গেল, আদবানও নতুন করে গুছিয়ে নিতে লাগলেন নিজের জীবন।
​কেবল যে অবোধ শিশুটা বুঝল না সংসার কী, ডিভোর্স কী, আদালত কী কিংবা কেনই-বা জন্মদাতা বাবা-মা আলাদা হয়ে যায়—সেই তুলি রয়ে গেল এক অজানা অন্ধকারে। এই বিশাল পৃথিবীর জঞ্জাল না বোঝা ফুটফুটে মেয়েটার এখন থেকে একাই বেড়ে ওঠার গল্প শুরু হলো।

রাকিবুল হাসান
০৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269065/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 04:55:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাঙা সেতু ও এক অচেনা পৃথিবী</p>
<p>​তুলি নামের চঞ্চলা মেয়েটার এখন একাই বেড়ে উঠতে হবে। সে যখন ঘরে দৌড়ে বেড়াত, পুরো ঘরটাই যেন এক টুকরো জান্নাত হয়ে উঠত। কখনো সে লুকিয়ে থাকত শোকেসের পেছনের ছোট্ট জায়গাটিতে, কখনো-বা ওয়্যারড্রবের খোলা কেবিনে। বাবা-মা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজত; আর সে হুট করে বেরিয়ে আসত খাট কিংবা আলনার পেছনের সরু গলি থেকে। আবার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269065"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269065/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f22563b228a4dda1470a9d74e9c980e1</guid>
				<title>লেখাটা ১১ই জুন-২৬ এ প্রথম ফেসবুকে লিখেছিলাম। তুলটের বন্ধুদের জন্য কিছুটা সংস্কার করে আবার দিলাম।

দুনমেহ: বিশ্বজুড়ে খিলাফাহ পতনের গোপন কারিগর।
দুনমে বা দোনমেহ, একটি বিশেষ ইহুদী গোত্র। ​ইতিহাসে এরা ‘ক্রিপ্টো-জিউ’ (Crypto-Jews) বা ছদ্মবেশী ইহুদি হিসেবে পরিচিত। এই গোপন গোষ্ঠিটি মুসলিম ছদ্মবেশে থাকতো কিন্তু আদতে তারা ছিল ইহুদী। এরাই ইসলামী খিলাফাহর শেকড় ভেতর থেকে কেটে দিয়েছিল।

​তুর্কি ভাষায় ‘Dönmeh’ (দোনমে) শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো &quot;যে ফিরে এসেছে&quot; বা &quot;ধর্মান্তরিত&quot;। তবে উসমানীয় সমাজে এটি কিছুটা নেতিবাচক বা &#039;দলত্যাগী/বিশ্বাসঘাতক&#039; অর্থেও ব্যবহৃত হতো। তারা প্রকাশ্যে নিজেদের মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিত, কিন্তু গোপনে তাদের আদি ইহুদি বিশ্বাস ও বিশেষ কিছু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলত।

​শভতাই জেভি (Shabbetai Tzevi) নামের এক ইহুদীরাব্বি ও কাবালা (ইহুদীদের গোপন আধ্যাত্মিক বিদ্যা) সাধক এর  মাধ্যমে ​এই গোষ্ঠীর সূত্রপাত ঘটে ১৭ শতকে উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইজমির (Izmir) নামক শহরে। সে সময় সংগঠনটি কেবলই একটি গোপন আধ্যাত্মিক সংগঠন হিসেবে মনে করা হতো। তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রথমেই প্রকাশ করা হয়নি।

১৬৪৮ সালে শবতাই জেভি নিজেকে ইহুদিদের বহু প্রতীক্ষিত &#039;মসীহ&#039; (Messiah) বা ত্রাণকর্তা হিসেবে ঘোষণা করেন। তৎকালীন ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের লাখ লাখ ইহুদি তাকে সত্য মনে করে তার অনুসারী হয়ে ওঠে। ফলে অটোমান সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিবাদ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। একটা সময় সংগঠনটিতে পর্যাপ্ত সদস্য হয়ে গেলে তারা উসমানী সালতানাতের বিভিন্ন আইন-কানুন অমান্য করতে শুরু করে। উসমানীয় খেলাফতে তারা শান্তিতে বসবাস করলেও ক্ষমতার লোভ এবং জন্মগত কূটিলতার কারণে এরা শান্তি বিনষ্ট করতে সর্বাত্মক প্রয়াস চালায়।

বিষয়টি খলিফার দৃষ্টিগোচর হলে ১৬৬৬ সালে উসমানীয় সুলতান চতুর্থ মেহমেদ-এর দরবারে শবতাই জেভিকে গ্রেপ্তার করে হাজির করা হয়। সুলতান তাকে দুটি পথ দেন: হয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা, না হয় মৃত্যুদণ্ড।

নিজের জীবন বাঁচাতে শবতাই জেভি তখন খলিফার সামনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখে &#039;আজিজ মেহমেদ এফেন্দি&#039;। তার এই ধর্মান্তর দেখে সাধারণ ইহুদিরা স্তব্ধ হয়ে যায়, বহু ইহুদী তার অনুসরণ থেকে সরে যায়। কিন্তু তার একদল কট্টর অনুসারী ইহুদী বিশ্বাস করত যে, এটি মসীহের একটি গোপন ঐশ্বরিক কৌশল। ফলে ১৬৮৩ সালের দিকে প্রায় ৩০০টি ইহুদি পরিবার একসঙ্গে মনে ইহুদীবাদ রেখে প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। এরাই দোনমে গোষ্ঠীর জন্ম দেয়। 

​দোনমে গোষ্ঠী উসমানীয় সাম্রাজ্যের সিলোনিকা (Salonica)—যা বর্তমানে গ্রিসের থেসালোনিকি শহর—সেটিকে তাদের মূল কেন্দ্র বানায়। তাদের জীবনযাত্রা তারা কঠোর ভাবে গোপন রাখতো।

এদের প্রত্যেক সদস্যের দুটি করে নাম থাকত। একটি তুর্কি বা মুসলিম নাম (যা বাইরের দুনিয়া দেখত) এবং একটি হিব্রু নাম (যা কেবল নিজেদের সম্প্রদায়ের ভেতর ব্যবহৃত হতো)। তারা প্রকাশ্যে মসজিদে যেত, রমজানের রোজা রাখত এবং হজেও যেত। কিন্তু ঘরের ভেতর তারা হিব্রু ভাষায় প্রার্থনা করত, সাবাথ (শনিবারের পবিত্র দিন) পালন করত এবং উসমানীয় সুফিবাদের (বিশেষ করে বেকতাশি তরিকা) সাথে ইহুদীবাদী কাবালা বিদ্যা মিশিয়ে তৈরি করা নিজস্ব কিছু আচার পালন করত।

মৃত্যুর আগে শবতাই জেভি দোনমেহ এর সদস্যদের জন্য ১৮টি গোপন আদেশ দিয়ে যান। যার অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল—তারা নিজেদের সম্প্রদায়ের বাইরে কোনো খাঁটি মুসলমান বা সাধারণ ইহুদি পরিবারে বিয়ে করতে পারবে না। আমি লেখার শেষে তাদের ১৮টি গোপন আদেশ লিখে দিয়েছি। তার আগে অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লিখি।

​১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের শুরুতে দোনমে সম্প্রদায়ের সদস্যরা শিক্ষা, ব্যবসা এবং রাজনীতিতে প্রচণ্ড প্রভাবশালী হয়ে ওঠে।

উসমানীয় সুলতান আব্দুল হামিদ (দ্বিতীয়)-কে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে যে ‘কমিটি অব ইউনিয়ন অ্যান্ড প্রোগ্রেস’ বা ইয়ং তুর্কস আন্দোলন কাজ করেছিল, তার অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও বুদ্ধিজীবী এই দোনমে সম্প্রদায় থেকে এসেছিলেন। সুলতানকে হঠিয়ে তথাকথিত আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ তুরস্ক গড়ার পেছনে তাদের বড় ভূমিকা ছিল। আজ যে আমরা কাউকে সাহসিকতার জন্য শাবাশ দিতে গিয়ে &quot;তরুণ তুর্কী&quot; বলি, এই শব্দবন্ধটি আসলে এখান থেকেই প্রচলিত। মুসলিম খেলাফতের দু:খজনক পরাজয় ও গাদ্দারীর সাক্ষী এই শব্দবন্ধ।

১৯০৯ সালে সুলতান ২য় আব্দুল হামিদকে উৎখাত করার পরিকল্পনা করেছিল এই দোনমেরা, কারণ সুলতান ইহুদীদের জন্য ফিলিস্তিনের ভূমি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। এইসব দোনমেরা সিলোনিকার ইতালীয় ফ্রীম্যাসনারি লজ যেমন ম্যাকডোনিয়া রিসোর্ট এর মতো বিভিন্ন লজ বা রিসোর্টে এদের গোপন আস্তানা পেতেছিল।  সেখানে তারা খেলাফতের উৎখাত এবং তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানানোর নামে ইহুদী কর্তৃত্ত্ব প্রতিষ্ঠার গোপন পরিকল্পনা করতো। আধুনিক তূর্কি জাতীয়তাবাদও তাদেরই সৃষ্টি। এই জাতীয়তাবাদের নামেই তারা খেলাফতকে ধ্বংস্ব করার ছক কষেছে।

​পরবর্তীতে ১৯২৩ সালে যখন গ্রিস খেলাফত শাসন থেকে বেরিয়ে যায় তখন গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে জনসংখ্যা বিনিময় (Population Exchange) হয়, সেসময় গ্রিসের সিলোনিকায় থাকা দোনমেদের ‘মুসলিম’ হিসেবে গণ্য করে ইস্তাম্বুলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা তখনও নিজেদের ইহুদী পরিচয় প্রকাশ করেনি। 

​বর্তমানে আধুনিক তুরস্কে দোনমেদের সংখ্যা খুবই সীমিত (ধারণা করা হয় কয়েক হাজার)। বহু বছর ধরে মূলধারার তুর্কি সমাজের সাথেমিশে যাওয়ার কারণে তাদের গোপন ধর্মীয় আচারগুলো প্রায় বিলুপ্তির পথে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন এবং আধুনিক তুরস্কের উত্থানের পেছনে এই দোনমে বা ছদ্মবেশী ইহুদিদের ভূমিকা নিয়ে আজও ব্যাপক আলোচনা হয়। দোনমেরা এখন সংখ্যায় সীমিত হলেও তারা তাদের স্বার্থ ঠিকই হাসিল করে নিয়েছে। ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদের নামে মুসলিম খেলাফতকে টুকরো টুকরো করার মিশনে এরা সফল। আফসোস হয়, আজও মুসলিমরা ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদের নামে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। ইহুদীদের জন্মগত কূটিলতা ও গাদ্দারীর কারণেই বিশ্বব্যাপি বিশৃঙ্খলা আজও চলমান। 

১৯২৪ সালে খেলাফতের পতনের পর কামাল আতাতুর্ক বা তথাকথিত আধুনিক তুরস্কের জনক কামাল পাশা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই যে সকল কাজ করেন (যেমন, আরবী ভাষা শিক্ষা, আরবী আযান, ইসলামী পোশাক ও হিজাব ইত্যাদি নিষিদ্ধকরণ ইত্যাদি) তা সহজেই তার দোনমে পরিচয় প্রকাশ করে দেয়। এই কামাল পাশা পড়াশুনা করেছিল সিলোনিকায় এবং তার শিক্ষক ছিল শামসুদ্দিন এফেন্দি, যিনি দোনমেদের মধ্যে সেরা শিক্ষক হিসেবে ইহুদীদের নিকট পরিচিত হয়েছিল। কামাল পাশার ইহুদী দোনমে পরিচয় প্রকাশের আগে সে একবার সুলতান ২য় আব্দুল হামিদের নিকট এসেছিল। তাকে রাস্তা দিয়ে আসতে দেখেই সুলতান আব্দুল হামিদ ২য় বলেছিলেন, &quot;আমি তার চোখে এমন এক কালো আভা দেখতে পেয়েছি, যা অচিরেই সব কিছু তছনছ করে দিবে।&quot; পরবর্তীতে ঠিক তাই হয়েছিল যা একটু আগে বললাম। 

এখন আমি দোনমেদের ১৮টি গোপন আদেশ লিখে দিচ্ছি, বাহ্যিক ভাবে এই আদেশগুলোকে খুবই আলাভোলা টাইপ গোপনীয়তা রক্ষার আদেশ মনে হলেও এর ফলাফল কত ভয়ঙ্কর, তা আজ বিশ্বের সামনে পরিস্কার। ইতিহাসে এই আদেশগুলো দি এইটিন কমান্ডমেন্টস(The Eighteen Commandments) বা মিযভোট (Mitzvot) নামে পরিচিত। ​এই আদেশগুলোর মূল উদ্দেশ্যই ছিল—কীভাবে প্রকাশ্যে একজন খাঁটি মুসলমানের ছদ্মবেশ বজায় রেখেও গোপনে ইহুদি কাবালাবাদী বিশ্বাস বাঁচিয়ে রাখা যায় এবং বিশ্বব্যাপি ইসলামের ক্ষতিসাধন করা যায়। নিচে ১
শবতাই জেভির ১৮টি আদেশ :

​১. এক ঈশ্বরে বিশ্বাস
​আল্লাহ বা ঈশ্বর এক, এবং শবতাই জেভিই তাঁর প্রেরিত সত্য মসীহ (ত্রাণকর্তা)। এই দ্বৈত বিশ্বাসে অটল থাকতে হবে।

​২. ছদ্মবেশ ধারণ (পবিত্র কপটতা)
​বাইরের জগতের সামনে নিজেদের মুসলিম হিসেবে প্রকাশ করতে হবে। মাথায় পাগড়ি বা তুর্কি টুপি (Fez) পরা, মসজিদে যাওয়া এবং ইসলামের বাহ্যিক আচারগুলো নিখুঁতভাবে পালন করা বাধ্যতামূলক, যাতে কেউ সন্দেহ না করে। এগুলোকে তারা পবিত্র কপটতা হিসেবে বিবেচনা করত।

​৩. আল্লাহর নামের আড়ালে মসীহকে স্মরণ:
​যখনই মুখে আল্লাহর নাম বা ইসলামের কোনো পবিত্র শব্দ উচ্চারণ করা হবে, মনে মনে তখন শবতাই জেভি এবং তাঁর গোপন ঐশ্বরিক সত্ত্বাকে স্মরণ করতে হবে।

​৪. ইহুদিদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা:
​সাধারণ (সনাতনপন্থী) ইহুদিদের সাথে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক সম্পর্ক রাখা যাবে না। তাদের সাথে মেলামেশা করলে গোপন পরিচয় ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

​৫. কোনো ইহুদিকে হত্যা না করা:
​যদি কোনো ইহুদি দোনমেদের শত্রুও হয়, তবুও তাকে হত্যা করা যাবে না। কারণ তারা একই বংশের অবশিষ্টাংশ।

​৬. মুসলিমদের সাথে সামাজিক দূরত্ব:
​তুর্কি বা সাধারণ মুসলমানদের সাথে ব্যবসায়িক ও সামাজিক সম্পর্ক রাখা যাবে, কিন্তু তাদের সাথে হৃদয়ের সম্পর্ক বা গভীর আত্মিক যোগাযোগ করা নিষিদ্ধ।

​৭. কঠোর অন্তর্বিবাহ (অনন্য সামাজিক নিয়ম):
​দোনমে সম্প্রদায়ের বাইরে (কোনো সাধারণ মুসলিম বা সাধারণ ইহুদি পরিবারে) বিয়ে করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিজেদের রক্তধারা এবং গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এটি ছিল সবচেয়ে কঠোর নিয়ম।

​৮. খতনা বা মুসলমানি প্রথা:
​দোনমে পরিবারের প্রতিটি কন্যাসন্তান ও পুত্রসন্তানের ধর্মীয় শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে মুসলিমদের মতো করেই খতনা বা মুসলমানি করাতে হবে (যা ইহুদি ধর্মেও প্রচলিত)।

​৯. রমজানের রোজা ও কুরবানি:
​প্রকাশ্যে মুসলমানদের মতো রমজান মাসের রোজা রাখতে হবে এবং ঈদুল আজহায় পশু কুরবানি দিতে হবে। এটি ছিল সমাজে নিজেদের &#039;খাঁটি মুসলমান&#039; প্রমাণ করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

​১০. হিব্রু ও তোরাহ্ চর্চা:
​প্রকাশ্যে তুর্কি ভাষা বললেও, ঘরের ভেতরে গোপনে তোরাহ্ (Torah) অধ্যয়ন করতে হবে এবং হিব্রু ভাষায় প্রার্থনা সচল রাখতে হবে।

​১১. সাবাথ (শনিবার) পালন:
​শনিবার বা সাবাথ (Sabbath) হলো ইহুদিদের পবিত্র দিন। মুসলমানদের দেখানোর জন্য শুক্রবার জুম্মার নামাজে অংশ নিলেও, শনিবার দিনটিকে গোপনে পবিত্র মনে করতে হবে এবং সম্ভব হলে গোপন আচারের মাধ্যমে তা উদযাপন করতে হবে।

​১২. মিথ্যা সাক্ষ্যের বৈধতা:
​বাইরের জগতের কেউ যদি তাদের ধর্ম বা পরিচয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তবে নিজেদের ও সম্প্রদায়ের সুরক্ষার্থে মিথ্যা বলা বা মিথ্যা কসম খাওয়া সম্পূর্ণ বৈধ (যাকে ইসলামের &#039;তাকিয়া&#039; বা গোপন করার ধারণার সাথে মেলানো যায়)।

​১৩. মুসলিমদের গোপনীয়তা না ছড়ানো:
​মুসলমানদের কোনো ধর্মীয় গোপন বিষয় বা রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য বাইরে পাচার করা যাবে না, যেন দোনমেরা উসমানীয় রাষ্ট্রের বিশ্বস্ত নাগরিক হিসেবে টিকে থাকতে পারে।

​১৪. পরনিন্দা ও হিংসা বর্জন:
​নিজেদের সম্প্রদায়ের ভেতরে একে অপরের প্রতি হিংসা, পরনিন্দা বা শত্রুতা করা যাবে না। সবাইকে একতাবদ্ধ থাকতে হবে।

​১৫. দাতব্য কাজ ও সাহায্য:
​সম্প্রদায়ের কোনো সদস্য পিছিয়ে পড়লে বা দরিদ্র হলে, অন্য ধনী সদস্যদের তাকে গোপনে সাহায্য করতে হবে। দোনমেদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাখার পেছনে এই নিয়মটি বড় ভূমিকা রেখেছিল।

​১৬. শবতাই জেভির জন্মদিন উদযাপন:
​প্রতি বছর শবতাই জেভির জন্মদিন এবং তার জীবনের বিশেষ দিনগুলো (যেমন—১৬৬৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, যেদিন তিনি ধর্মান্তরিত হন) গোপনে উৎসবের মতো পালন করতে হবে।

​১৭. ব্যভিচার ও অনৈতিকতার বাহ্যিক বর্জন:
​প্রকাশ্যে কোনো ধরনের অনৈতিক কাজ বা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া যাবে না, যা সমাজে তাদের মুসলিম পরিচয়কে কলঙ্কিত করতে পারে।

​১৮. &#039;পবিত্র পাপ&#039; বা আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার গোপন আচার:
​ঘরের চার দেয়ালের ভেতর স্রষ্টার সাথে মিলনের উদ্দেশ্যে এমন কিছু গোপন রহস্যময় আচার (Mystical Rituals) পালন করা যাবে, যা সাধারণ শরিয়ত বা আইনে নিষিদ্ধ। (এই নিয়মটির ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে দোনমেদের বিরুদ্ধে গোপনে সুফি ও কাবালা আচারের মিশ্রণে উৎসব করার বিষয় জানা যায়)।

এখনো যে দুমনেদের কাজ থেমে গেছে আমার তা মনে হয় না। বিশ্বের অস্থিরতার দিকে তাকালে আমার সন্দেহ হয়, বিশ্বব্যাপী এখনো দোমনেদের কাজ চলমান।

রাকিবুল হাসান 
১১ই জুন-২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269021/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 21:57:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লেখাটা ১১ই জুন-২৬ এ প্রথম ফেসবুকে লিখেছিলাম। তুলটের বন্ধুদের জন্য কিছুটা সংস্কার করে আবার দিলাম।</p>
<p>দুনমেহ: বিশ্বজুড়ে খিলাফাহ পতনের গোপন কারিগর।<br />
দুনমে বা দোনমেহ, একটি বিশেষ ইহুদী গোত্র। ​ইতিহাসে এরা ‘ক্রিপ্টো-জিউ’ (Crypto-Jews) বা ছদ্মবেশী ইহুদি হিসেবে পরিচিত। এই গোপন গোষ্ঠিটি মুসলিম ছদ্মবেশে থাকতো কিন্তু আদতে তারা ছিল ইহুদী। এরাই ইসলামী খিলাফা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269021"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269021/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8bde8a9c702a84b686766eed3f027c63</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257311/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 12:03:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c49f58efd304c1397b07fa56b6d9bfe</guid>
				<title>দীর্ঘদিন পর আবার তুলটে ফিরলাম। তুলটের কলা-কুশলী, শুভাকাঙ্খী, লেখক সমাজ সবার প্রতি রইলো সালাম ও শুভেচ্ছা।
আজ চমৎকার বৃষ্টিস্নাত একটা দিন কাটলো। অলস এই দিনটার প্রায় পুরোটাই কেটে গেলো ফোন স্ক্রীন আর বইয়ের পাতায় চোখ বুলিয়ে। এমন ঘন ঘোর বরষায় দুপুরের মেনুতে ছিলো খিচুড়ি, আচার, গরুর গোশত আর শেষে চমচম। এমন দিনে এই লাঞ্চ আসলেই রাজকীয় মনে হয়, অন্তত বাঙালীর কাছে। বাংলা ও বাঙালীর সেই চিরচেনা বৃষ্টিস্নাত দিনগুলো আজ কোথায়? কোথায় সে গ্রাম যার বর্ণনা জসিম উদ্দিন দিয়েছিলেন।
&quot;বউদের আজ কোনো কাজ নাই বেড়ায় বাঁধিয়া রশি
সমূদ্রকলি শিকা বুনাইয়া নীরবে দেখিছে বসি&quot;
আহা কোথায় সে দিন, আজকাল বউরা শিকা বানায় না, বৃষ্টির দিনেও তাদের কাজের অন্ত নেই। কেউ টিকটকে শর্টস বানায়, কেউ ফেসবুকে রিলস, কেউবা আবার ইউটিউবে আপলোড করে কাপল ভ্লগ। 
আর কি ফিরে পাবো বৃষ্টির সেই দিন, যে দিন গুলোতে কাঁথা মুড়ি দিয়ে তিন গোয়েন্দা কিংবা ফেলুদা সিরিজের কোনো বইয়ে ডুব দিতাম। কবে আসবে? নাকি আদৌ আর আসবে না!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257215/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Jul 2026 17:37:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দীর্ঘদিন পর আবার তুলটে ফিরলাম। তুলটের কলা-কুশলী, শুভাকাঙ্খী, লেখক সমাজ সবার প্রতি রইলো সালাম ও শুভেচ্ছা।<br />
আজ চমৎকার বৃষ্টিস্নাত একটা দিন কাটলো। অলস এই দিনটার প্রায় পুরোটাই কেটে গেলো ফোন স্ক্রীন আর বইয়ের পাতায় চোখ বুলিয়ে। এমন ঘন ঘোর বরষায় দুপুরের মেনুতে ছিলো খিচুড়ি, আচার, গরুর গোশত আর শেষে চমচম। এমন দিনে এই লাঞ্চ আসলেই রাজকীয় মনে হয়, অন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257215"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257215/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47713e0929bd63ae640feac450ec3947</guid>
				<title>কতদিন পর আজ লেখক মঞ্চে এলাম। কত নতুন মুখ, কত চেনা অচেনা লেখক-পাঠকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রিয় তুলট।
আমি ঘুমিয়েছিলাম, আমার সব হারালো। সব হারালো মানে, আমার প্রিয় মোবাইল ফোনটা, প্রিয় ল্যাপটপটা, সব চুরি হয়ে গেল।
আমার তুলটে আসার পথ হয়ে গেল বন্ধ।
আমার কিনেছি ফোন, আবার ফিরেছি তুলটে। 
পরতে পরতে মুগ্ধ হচ্ছি, নতুন মুখের দেখা পেয়ে হচ্ছি আভিভূত!
প্রিয় তুলট, আমি আর তোমাকে হারাতে চাই না, আমাকে হারাতে দিও না আর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147532/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 15:17:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কতদিন পর আজ লেখক মঞ্চে এলাম। কত নতুন মুখ, কত চেনা অচেনা লেখক-পাঠকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রিয় তুলট।<br />
আমি ঘুমিয়েছিলাম, আমার সব হারালো। সব হারালো মানে, আমার প্রিয় মোবাইল ফোনটা, প্রিয় ল্যাপটপটা, সব চুরি হয়ে গেল।<br />
আমার তুলটে আসার পথ হয়ে গেল বন্ধ।<br />
আমার কিনেছি ফোন, আবার ফিরেছি তুলটে।<br />
পরতে পরতে মুগ্ধ হচ্ছি, নতুন মুখের দেখা পেয়ে হচ্ছি আভি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147532"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147532/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e61c0c9dc366e30118281f377aaf9812</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and আবির রাইয়ান সামি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147497/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 12:46:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bfcf29674f4d8a997a18e7164293e3fd</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138530/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 06:50:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ac933def615eea2eca9be2ac4ac07d98</guid>
				<title>জনতার পুঁথি
রাকিবুল হাসান
27-08-2022

শোনেন শোনেন জনগণ শোনেন দিয়া মন
দেশবাসীর হাল-হাকিকত করতেছি বর্ণন।

অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা-চিকিৎসা
এই সব কিছু মানুষের মৌলিক চাহিদা,
সাথে আছে বিনোদন আর যা যা প্রয়োজন
সব কিছুরই মূল্যবৃদ্ধির চলছে আয়োজন।
চাল-ডাল আর তেল-ফলের দামটা বেশ চড়া,
বিদ্যূৎ-গ্যাসের দাম বাড়াতে সরকার বেশ কড়া,
জলের দামটাও  জলের মতো এখন তো আর নাই,
পঞ্চাশ পার্সেন্ট বেশি দামে ওষুধ কিনে খাই।
গরুর গোশত ধরা-ছোঁয়ার সীমা ছাড়িয়েছে,
মুরগীটাও নাগালের বাইরে চলে গেছে।
ডিমের মূল্যবৃদ্ধিতে ডিম কিনাই বন্ধ,
মূল্যস্ফীতির ভারে কুঁজো জনতার স্কন্ধ।
স্টেশনারী আর প্রসাধনীরও বাজার,
পাঁচশো টাকার পণ্য কিনতে লাগে এখন হাজার।
পোশাকের বাজারে আগুন কাপড় কেনা দায়,
নিম্ন-মধ্যবিত্তের বাঁচার হবে কী উপায়।
একটা শ্রেণী কেবল ধনী বাড়াইছে তার ধন,
আর বাকীরা চোখের জলে শান্ত করে মন।

শোনেন শোনেন দেশবাসী শোনেন দিয়া মন,
জনতারো হাল-হাকিকত করি যে বর্ণন।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি বাড়াইছে হাশ-ফাস,
গরীবের আজ বেঁচে থাকাটাই সর্বনাশ।
কেমন করে বাঁচবে গরীব ধনীদের এই দেশে,
তারপরেও জীবন চলে ভীষণ কষ্ট-ক্লেশে।

অনেক হল মানুষের জীবন বর্ণনা,
বর্ণনাতে হবে কি শেষ জীবন যাতনা।
হৃদয়েতে রয়ে গেছে বহু কষ্ট জমা,
দোয়া করবেন এই রাকিবে পায় যেন গো ক্ষমা।

  #রাকিবুল হাসান
27.08.2022</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138462/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 05:23:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জনতার পুঁথি<br />
রাকিবুল হাসান<br />
27-08-2022</p>
<p>শোনেন শোনেন জনগণ শোনেন দিয়া মন<br />
দেশবাসীর হাল-হাকিকত করতেছি বর্ণন।</p>
<p>অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা-চিকিৎসা<br />
এই সব কিছু মানুষের মৌলিক চাহিদা,<br />
সাথে আছে বিনোদন আর যা যা প্রয়োজন<br />
সব কিছুরই মূল্যবৃদ্ধির চলছে আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138462"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138462/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">00e5b05cd4c0f9d53f75f8f1a1bf3391</guid>
				<title>#নাম
রাকিবুল হাসান
21-08-2022খ্রি.

গল্প লিখিবার পূর্বে গল্পের নাম ঠিক করা লইয়া বড়ই যন্ত্রণায় পড়িয়া যাই আমি। গল্প আগে লিখিব নাকি তাহার নাম। নানান রকম চিন্তা ঘুরপাক খায় আমার মাথার ভেতর। এই যেমন- মানুষ যাহা কিছু পয়দা করে, আগে কি তাহার নাম ঠিক করে নাকি আগে পয়দা করে? 
বাজার হইতে কুকুর কিনিয়া লইয়া আসিবার পর তাহার নাম হয় টমি, জনি, ডেমি, মমি আরো কত কি। অথচ বাজারে সে কুকুর হইয়াই থাকে।
আবার দেখা গেল ঘরে কেউ এক জোড়া খরগোশ পালিয়াছে। সেই জোড়া হইতে আবার একখানা তুলতুলে ধবধবে সাদা খরগোশ পয়দা হইল, ব্যাস মালকিন তাহার নাম রাখিয়া দিল ওলুবুলু।
এইগুলা নাম তো পরেই ঠিক করা হইলো। বাজারে যাইবার আগে তো কেউ নামটা ঠিক করিয়া লইয়া যায় না, গিয়া বলে না, আমারে একখানা টমি নামের সারমেয় দেন।
যাক গে, পশু-পাখি ছাড়িয়া মানব সমাজে নামিয়া আসি। এই যে দুনিয়া জোড়া কত দম্পতি তাহাদের সন্তান পয়দা দিয়া থাকে। তাহারা কি আগেই নাম ঠিক করিয়া রাখে নাকি সন্তানটা পয়দা হইবার পর মৌলুভী বা পুরোহিত ডাকিয়া বিশাল আয়োজন করিয়া তাহার নাম ঠিক করা হয়।
কেউ কেউ আবার অবশ্য সন্তান পয়দা হইবার আগেও নাম ঠিক করিয়া রাখে, পুত্র হইলে এই নাম, কন্যা হইলে ঐ নাম। অনেকেরই জন্মের পূর্বে ঠিক করা নাম টিকিয়া যায়, কাহারো যায় বদলাইয়া।
কেউ কেউ তো আবার সন্তান জন্মের পূর্বে তো পূর্বে, বরং বিবাহেরও পূর্বে সন্তানের নাম ঠিক করিয়া ফেলে দু’জনে আলোচনা করিয়া। পরে কারো কারো হয়ত বিবাহ হয়, কারো কারো সংসারই করা হয় না। তবে যে তাহারা বিবাহের পূর্বে তাহাদের অনাগত সন্তানের নাম ঠিক করিয়া ফেলিল, সেই সন্তানের কী হইবে?
একজন লেখকের সৃষ্টি তো তাহার লেখা, লেখা লিখিবার পূর্বে কি লেখক নাম ঠিক করেন নাকি নাম ঠিক করিয়া লেখা শুরু করেন? আমি এই বিষয়গুলো লইয়া বড়ই পেরেশান হইয়া আছি। এযাবত কালে আমার যত লেখা, তার প্রায় সবই পূর্বে নাম ঠিক করিয়া লেখা, কোন কোনটা আবার লিখিয়া পর নাম ঠিক করা। যেমন, এই লেখাটার কথাই বলি। বক্ষমান এই লেখাটা লিখিবার পূর্বেও আমি জানিতাম না, লেখাটার শিরোনাম কী হইবে? লেখা প্রায় শেষের দিকে আসিবার পর আমার মাথার ভেতরকার নানান চিন্তা ঘুরপাক খাইয়া অবশেষে “নাম” শিরোনামে আসিয়া স্থির হইল। শিরোনাম ঠিক হইয়া যাইবা মাত্রই আমার লেখাও বন্ধ হইয়া গেল, আর কিছুই মাথায় আসিতেছে না, তাই এইখানেই এই লেখাটার ইতি টানিয়া দিলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135554/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 13:04:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ন" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ন</a>াম<br />
রাকিবুল হাসান<br />
21-08-2022খ্রি.</p>
<p>গল্প লিখিবার পূর্বে গল্পের নাম ঠিক করা লইয়া বড়ই যন্ত্রণায় পড়িয়া যাই আমি। গল্প আগে লিখিব নাকি তাহার নাম। নানান রকম চিন্তা ঘুরপাক খায় আমার মাথার ভেতর। এই যেমন- মানুষ যাহা কিছু পয়দা করে, আগে কি তাহার নাম ঠিক করে নাকি আগে পয়দা করে?<br />
বাজার হইতে কুকুর কিনিয়া লইয়া আসিবার পর তাহার নাম হয় টমি, জনি, ডেমি, মম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135554"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135554/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">499f09d065acce5cfbf0f908f0506b86</guid>
				<title>আমার জীবনের একটি মজার ঘটনা
রাকিবুল হাসান

আমি তখন মাত্র ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি। কিছুদিনের জন্য ঢাকার বাইরে একটা ক্যাম্পেইনে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে একটা কক্ষে আমি সহ 7জন ছেলে থাকতাম।
একদিন বাহার নামে একটা ছেলের মানিব্যাগ থেকে 2000 টাকা হারায় গেল। আমাদের সুপারিন্টেনডেন্ট এর কাছে বিষয়টা উপস্থাপন করা হল।
বাহার খুব বিমর্ষ হয়ে পড়েছিল। আমাদের সুপার সবাইকে খুব ভালো করে জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু কেউ স্বীকার করলো না। সুপার বললেন, ঠিক আছে, এটা রাতেই বের হবে।
সন্ধ্যার দিকে সুপার সাহেব 7টা কাঠের কাঠি নিয়ে আসলেন। আমাদের প্রত্যেককে একটা করে দিয়ে বললেন, আয়না শাহ বাবার দরগাহের একজন পীর সাহেবের পড়া কাঠি এগুলো। প্রত্যেকে নিজের কাঠি নিজের কাছে রাখবে আজ রাতে। কারণ যে বাহারের 2000 টাকা নিয়েছে তার কাঠিটা আজ রাতের মধ্যেই মাপা 1ইঞ্চি লম্বা হয়ে যাবে।
আমরা সবাই খুব সতর্কতার সাথে নিজেদের কাঠি হেফাজত করে রাখলাম। সকালে যখন সুপার সাহেব সবার কাঠি নিয়ে ডাকলেন, তখন দেখা গেল কারো কাঠিই লম্বা হয়নি তবে বিনোদ(ছদ্মনাম) এর কাঠি ঠিক 1ইঞ্চি খাটো হয়ে গেছে।
ব্যস, পুরো বিষয় পরিস্কার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133300/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Aug 2022 07:14:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার জীবনের একটি মজার ঘটনা<br />
রাকিবুল হাসান</p>
<p>আমি তখন মাত্র ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি। কিছুদিনের জন্য ঢাকার বাইরে একটা ক্যাম্পেইনে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে একটা কক্ষে আমি সহ 7জন ছেলে থাকতাম।<br />
একদিন বাহার নামে একটা ছেলের মানিব্যাগ থেকে 2000 টাকা হারায় গেল। আমাদের সুপারিন্টেনডেন্ট এর কাছে বিষয়টা উপস্থাপন করা হল।<br />
বাহার খুব বিমর্ষ হয়ে পড়েছিল। আমাদের সুপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-133300"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/133300/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">993fc1099a667c2be3fb743bad69648d</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Muhammad-Jahidul-Islam-Hawlader are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133141/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Aug 2022 16:21:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2d340ff4a4b70944cd96c353616ac044</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and মোহাম্মদ নুরুল হোছাইন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133139/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Aug 2022 16:20:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7e287f2ad251a8122c8f4fa734154a4c</guid>
				<title>মনটা বদল হয় না মোদের, রয়না মনে ভয়,
নিত্য দিনই মৃত্যু নিয়ে বিবেক কথা কয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132803/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Aug 2022 04:49:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনটা বদল হয় না মোদের, রয়না মনে ভয়,<br />
নিত্য দিনই মৃত্যু নিয়ে বিবেক কথা কয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56392bcd86f9abd0adbdd776bfc17ce6</guid>
				<title>একটা সিনেমা নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশে হাইপ উঠেছে খুব। হাইপ উঠার মূল কারণ যে শুধু সিনেমাটা, আমি তা বলবো না। অন্তত আমার এটা মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছে, সিনেমাটা যতটা না সিনেমার জন্য, তার চেয়ে বেশি মার্কেটিং পলিসির জন্য হাইপ উঠাতে পেরেছে।
বলছিলাম রাঁধুনি নিবেদিত হাওয়া সিনেমাটির কথা।
সুকর্ণ শাহেদ ধীমানের সংলাপে, মেজবাউর রহমান সুমনের রচনা ও পরিচালনায় মুভিটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরীফুল রাজ, নাসিরুদ্দিন সহ অনেকেই।
মুভির গল্পটার আইডিয়াটা যে বেহুলা-লক্ষিন্দরের গল্প থেকে নেয়া হয়েছে একথা সত্য তবে বেহুলা-লক্ষিন্দরের গল্পের সাথে “হাওয়া”র গল্পের কোন মিল নেই। সত্যি বলতে হাওয়া মুভির গল্পটা আসলে কতটুকু গল্প সেটাই আমার কাছে কনফিউজিং মনে হয়েছে।
যাক গে, গল্পে পরে আসছি, আগে হাওয়া মুভিটা নিয়ে হাইপ উঠার সম্ভাব্য কারণগুলো বিশ্লেষণ করা যাক।
হাওয়া মুভিটার প্রমোশনে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে রাঁধুনি কোম্পানী। তাদের নিবেদিত এই ছবিটির প্রচারে তারা প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে। ইউনিভার্সিটিগুলোতে কুইজ ক্যাম্পেইন করেছে, ফেসবুকে কুইজ ক্যাম্পেইন করেছে, প্রত্যেকটা জায়গায় তারা হাওয়া এবং রাঁধুনিকে যুগপত ভাবে উপস্থাপন করেছে। ব্যবসায়ীক একটা প্রতিষ্ঠানের পুরোদস্তুর ব্যবসায়ীক ছবি, ব্যবসায়ীক চিন্তা-ভাবনায় কমার্শিয়াল মার্কেটিং পলিসি পুরোপুরিই কাজে লাগিয়েছে তারা। তাই ছবি যেমনই হোক, ছবিটাকে যেন ভালো বলতেই হয়, তার সব পদ্ধতিই তারা গ্রহণ করেছে।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে, নবাগতা তুষিকে তারা পরিচিত করে তুলছে এই মুভির প্রমোশনাল প্রোগ্রাম আর বিশেষ প্রদর্শনী গুলোর মাধ্যমে। আমি যখন ব্লকবাস্টার সিনেমা’স এ মুভিটি দেখতে গেলাম, তখনও সেখানে উৎসব স্ক্রীণে “হাওয়া” মুভির বিশেষ প্রদর্শনী চলছিল, যেখানে তুষি এসেছিল এবং সাথে সাদা সাদা কালা কালা গানের গীতিকার হাশিম মাহমুদও এসেছিলেন, কিন্তু চঞ্চল চৌধুরী আসেন নি, দরকারও ছিলো না, কারণ তিনি ইতিমধ্যেই পরিচিত সবার কাছে।

হাজার খানেক ফ্রি টিকেট দিয়েছে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে, যেখানে আলোচনা হয়েছে শুধুই হাওয়া এবং রাধুঁনি নিয়ে। এত বেশি তারা আলোচনা করেছে যে, মানুষ অবচেতন মনেই হাওয়া মুভি ও রাঁধুনির কথা আরো একবার শুনেছে। হিউম্যান সাইকোলজি অনুযায়ী বারবার রাঁধুনীর নাম শোনার কারণে মানুষ বাজারে গিয়ে মশলার প্যাকেট কেনার সময় অবচেতন মনেই কিনবে রাধুঁনী মশলার প্যাকেট, কোন সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখতে গেলে অবচেতন মনেই পছন্দের প্রথমে রাখবে হাওয়া মুভিকে।
1.25 কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করা মুভিটা ইতিমধ্যেই 7.12কোটি টাকারও বেশি উপার্জন করে নিয়েছে, এটা কিন্তু তাদের মার্কেটিং পলিসির জন্যই।

এবার আসি সিনেমার গল্পে। যদি অল্প কথায় গল্পটা বলতে চাই বা হাওয়া মুভিতে কী আছে বলতে চাই তাহলে ৬টি বাক্যই যথেষ্ট।
1. বন্দর থেকে সাগরে জেলে নৌকায় যাওয়া।
2. জেলে নৌকায় জেলেদের মাছ ধরা ও কয়েকটি নৌকা একসাথে হয়ে গান-বাদ্য করা।
3. কিছু বেশি লাভের জন্য জেলেদের মাছ চুরি।
4. মাছের জালে নারীর দেহ।
5. এক নারীর জন্য জেলে নৌকায় নানান ঘটনা ঘটা।
6. স্বার্থের জন্য জেলেদের মাঝে পরস্পর খুনোখুনি।
এখানেই মুভির গল্প শেষ।

মুভিতে দুইটা বিষয় গভীর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে। 
1. পুরুষ চরিত্রের অন্ধকার দিক।
2. সাগরের জেলেদের মাঝে জেঁকে বসা কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাস।

মুভির সিনেমাটোগ্রাফী, চরিত্রগুলোর অভিনয়, নতুন হয়েও তুষির চরিত্রে রহস্যময়তা ফুটিয়ে তোলার কাজ, সাউন্ড কোয়ালিটি, কালার গ্রেডিং নিয়ে কোন কথা হবে না, চমৎকার এবং এতই চমৎকার যে, আমি 10 এর মধ্যে 10ই দিবো। একটা স্ক্রীণেই পুরো মুভিটাকে শেষ করে দেয়া এই চমৎকার কাজের জন্য তারা ফুল মার্কস পেতেই পারে।

যে বিষয়গুলো খারাপ লেগেছে, তার মধ্যে বলা যেতে পারে অতিরিক্ত পরিমাণ আঞ্চলিক গালাগালি ও বাজে ভাষার প্রয়োগ, ছোট একটা স্টোরিকে টেনেটুনে লম্বা করার প্রবণতা, মানুষরূপী সাপ এর মতো আজগুবি বিষয়কে সত্যের মতো করে উপস্থাপন করা, এন্ডিং এ কোন ইউনিকনেস না থাকা।

সব মিলিয়ে মুভিটি ভালো লাগবে এটা ঠিক কথা, যদি আপনি কোন সিনেপ্লেক্সে বসে দেখেন। স্মার্টফোন বা পিসিতে দর্শক ধরে রাখার মতো মুভি “হাওয়া” নয় বলেই আমার মনে হয়েছে।
যা হোক, মুভিটিতে যারা কাজ করেছেন, সবাই যে খুবই পরিশ্রম করেছেন, তা বুঝাই যায়। মুভিটির সকল কলা-কুশলীকে তাই ধন্যবাদ দিতেই হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131992/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 14:46:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটা সিনেমা নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশে হাইপ উঠেছে খুব। হাইপ উঠার মূল কারণ যে শুধু সিনেমাটা, আমি তা বলবো না। অন্তত আমার এটা মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছে, সিনেমাটা যতটা না সিনেমার জন্য, তার চেয়ে বেশি মার্কেটিং পলিসির জন্য হাইপ উঠাতে পেরেছে।<br />
বলছিলাম রাঁধুনি নিবেদিত হাওয়া সিনেমাটির কথা।<br />
সুকর্ণ শাহেদ ধীমানের সংলাপে, মেজবাউর রহমান সুমনের রচনা ও পরি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131992"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131992/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e7cd8552e2837540089e11acf435caa4</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Jannatul-Tanzeem-Rahman are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131599/</link>
				<pubDate>Fri, 12 Aug 2022 15:27:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">039039559d271b11cbc8895d964cb72b</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (সবুজ) সিকদার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129377/</link>
				<pubDate>Sat, 06 Aug 2022 09:25:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd2eadaf8b0cc507496b5271b0d4d3c1</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and TASBIUL HASAN TAMIM are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129306/</link>
				<pubDate>Sat, 06 Aug 2022 07:13:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6234f5c32497b231343ffc62a189c759</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129067/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 19:20:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">763c0b5fa7cb8257dae66305b224c795</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129066/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 19:19:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c52c3376584bb3e627e6abae810c535</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Mushfiquzzaman Mushfiq are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128889/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 10:07:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cd986d6954defc5a75aeb787e2e2e60</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Shanendra Ramen are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128671/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 17:14:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a5b71a25f5e5180370334e4407e4688</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and স্বরব্যঞ্জন বর্ণস্বর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128654/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 16:24:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6e4931a817a44e8754ba4d3c506e911</guid>
				<title>ভয়ের শক্তি
(ছোট শিক্ষণীয় রম্য)
রাকিবুল হাসান
04-08-2022

তখনও পৃথিবীতে ব্যাংক ব্যবস্থা চালু হয়নি। বাদশাহী শাসন চলতো দুনিয়া জুড়ে। মানুষের মাঝে বিশ্বাস ছিল, শাসকের মাঝে ন্যায় পরায়ণতা ছিল, বিচারকের মাঝে বিচক্ষণতা ছিল।
তাই লোকজন দূরে কোথাও গেলে নিজের সম্পদ কোন বন্ধু-বান্ধবের কাছে রেখে যেতো।
সে সময়ে হারুন নামে এক সওদাগর তার বন্ধু কম্বল ব্যবসায়ী মিরনের কাছে বেশ কিছু টাকা জমা রেখে সওদাগরী করতে সাগরে গেল।
তিন-চার মাস পর এসে সেই সওদাগর কম্বল ব্যবসায়ী বন্ধুর কাছে নিজের আমানতের টাকা ফেরত চাইল। কম্বল ব্যবসায়ী এমন ভাব করলো যেন, জীবনে তার কাছে কেউ কোন টাকাই রাখেনি। এদিকে সওদাগর তো নাছোড় বান্দা।
অবশেষে বিচার উঠল কোর্টে। কোর্ট থেকে প্রমাণের অভাবে কম্বল ব্যবসায়ী বেকসুর খালাস পেয়ে গেল। 
সওদাগর মনক্ষুন্ন হয়ে বিচার দিলো রাজার কাছে। রাজা সব শুনে বলল, তুমি গিয়ে কম্বল ব্যবসায়ীর দোকানে বসে থাকো। আমি কাল ঐ পথ দিয়ে একটা সমাবেশে যাবো, তোমাকে দেখে আমি যা ই বলি, তুমি কিছু বলবা না, আমাকে দেখে দাঁড়াবাও না, কোন সম্মানও করবা না।
সওদাগর চলে গেল।
কথা অনুযায়ী পরদিন নির্দিষ্ট টাইমে কম্বল ব্যবসায়ীর দোকানে গিয়ে বসে রইল সওদাগর। রাজাও সময় মতো সেই রাস্তা ধরে সমাবেশে যাচ্ছিলেন। সওদাগরকে কম্বলের দোকানে দেখে খুব সম্মান জানালেন,সালাম কালাম দিয়ে সওদাগরের কাছ থেকে আশীর্বাদ নিয়ে এরপর আবার চলতে শুরু করলেন। সওদাগর টু শব্দটি করল না, শুধু নিঃশব্দে রাজার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করে দিল।
এই দেখে তো কম্বল ব্যবসায়ীর জানে আর পানি নেই, ভাবলো, সর্ব্বনাশ! এই রকম ক্ষমতাবান লোকের টাকা আমি মেরে খাচ্ছিলাম, রাজা তো মাথার মুন্ডুটাই কেটে দিবে আমার। এই ভয়েই সে সওদাগরকে বলল, দোস্ত, কবে যেন টাকা রাখছিলা? আমাকে আবার দিনটা মনে করিয়ে দাও, বুঝই তো, ব্যবসা করি, কত টাকা পয়সা এদিক সেদিক হয়, ভুলে গেছিলাম তোমার টাকার কথা।
পরে সওদাগর এই ভয়ের শক্তি দিয়েই তার টাকা আদায় করে নিলো।
ভয় এমন এক শক্তি , পুরো দুনিয়ার রাজত্ব করতে পারে সে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128652/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 15:46:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভয়ের শক্তি<br />
(ছোট শিক্ষণীয় রম্য)<br />
রাকিবুল হাসান<br />
04-08-2022</p>
<p>তখনও পৃথিবীতে ব্যাংক ব্যবস্থা চালু হয়নি। বাদশাহী শাসন চলতো দুনিয়া জুড়ে। মানুষের মাঝে বিশ্বাস ছিল, শাসকের মাঝে ন্যায় পরায়ণতা ছিল, বিচারকের মাঝে বিচক্ষণতা ছিল।<br />
তাই লোকজন দূরে কোথাও গেলে নিজের সম্পদ কোন বন্ধু-বান্ধবের কাছে রেখে যেতো।<br />
সে সময়ে হারুন নামে এক সওদাগর তার বন্ধু কম্বল ব্যবসায়ী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128652"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128652/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f17001c200c08f87fa3684eb6eb2afea</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Rahnuma Nira are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128513/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 05:51:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f908ddadb8d7cd9c29abaf342a8b6c9</guid>
				<title>নিত্য ভাবনা
রাকিবুল হাসান
৪-৮-২২

রাত করে বাড়ি ফিরি
অফিস থেকে নিত্যদিন,
পথের পাশে বিরাট ভবন
গভীর রাতে আলোহীন।

সব দরোজা বন্ধ তার
জানালায়ও লক কপাট,
বৃহৎ ভবন ভুতের বাড়ি
নীরব পুরো বাজার-হাট।

তারই তলায় অসহায় আর
দীনহীনদের রাত্রিবাস,
পিঠের তলায় বিছানা পলির
উর্ধ্বে অসীম কৃষ্ণাকাশ।

এত্ত বড় ভবন তাও
হয়নি এদের একটু ঠাঁই,
বিশাল দালান লাভ কী তাতে
এদের যদি জায়গা নাই!?

গৃহহীনের কষ্ট বুঝ
বুঝ ছাদের কী অভাব?
বৃষ্টি কিংবা ভয়াল শীতে
তাদের কেমন অনুভব?

বিত্তবাণে পূর্ণ শহর
গৃহহীনের নাইরে ঠাঁই,
সম্পদের কী ফায়দারে ভাই
ফলটা যদি শুন্য পাই!?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128384/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 18:14:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিত্য ভাবনা<br />
রাকিবুল হাসান<br />
৪-৮-২২</p>
<p>রাত করে বাড়ি ফিরি<br />
অফিস থেকে নিত্যদিন,<br />
পথের পাশে বিরাট ভবন<br />
গভীর রাতে আলোহীন।</p>
<p>সব দরোজা বন্ধ তার<br />
জানালায়ও লক কপাট,<br />
বৃহৎ ভবন ভুতের বাড়ি<br />
নীরব পুরো বাজার-হাট।</p>
<p>তারই তলায় অসহায় আর<br />
দীনহীনদের রাত্রিবাস,<br />
পিঠের তলায় বিছানা পলির<br />
উর্ধ্বে অসীম কৃষ্ণাকাশ।</p>
<p>এত্ত বড় ভবন তাও<br />
হয়নি এদের একটু ঠাঁই,<br />
বিশাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128384"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128384/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">614091c10eababe4b4be84e249c0fb02</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and তুবা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128127/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 04:56:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f3f7dec44e19aa4058c7689c820c5eb6</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128041/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 20:47:34 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd2928869854b5c473f3ae9bb0fdfc1f</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128023/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 19:19:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d8745ee2ca1a65a72e5b37249f8392e4</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and G M Harun Rashid are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128019/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 18:22:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">71a6967e36c5844941381b515839da9c</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Md Nurnabi Sarker are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127986/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 17:15:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">033911c22fa6717f7d89aba22864562a</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and Shohel Nawaz are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127982/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 16:56:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62675f055dda49ad6c7091dbd6891bb9</guid>
				<title>জজ ও চোর
(ছোট্ট রম্য)
রাকিবুল হাসান

একবার একটা কর্পোরেট অফিসের একাউন্টস থেকে একাউন্টেন্ট ফরিদ আলী টাকা-পয়সা নিয়ে পালালো। গিয়ে সে গাজীপুরের এক গাঁয়ে ব্যবসা ফেঁদে বসলো। একদিন সেই অফিসের মালিক শরীফ খান অবকাশ যাপন করতে গাজীপুরের এক রিসোর্টে গিয়ে সেই চোর একাউন্টেন্ট ফরিদ আলীকে দেখতে পেলেন।
দেখেই শরীফ খান ফরিদ আলীর কলার চেপে ধরলেন। সাথে সাথে ফরিদ আলীও শরীফ খানের কলার ধরে বসলো আর চিৎকার করে বলল, এই ব্যটা চোর, আমার টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়েছিস কেন?  ব্যাস, লেগে গেল হুলস্থুল কান্ড, লোকজন জড়ো হয়ে গেল। কিছুক্ষণ চলল হাতাহাতি। উৎসুক জনতা কনফিউজড হয়ে গেল কার পক্ষ নিবে এটা ভেবে। পুলিশ এল। মামলা উঠলো কোর্টে।
বিচারক ছিলেন নিতান্ত  বুদ্ধিমান, বয়োজ্যাষ্ঠ ব্যক্তি। তিনি খুব সংক্ষেপে বিষয়টা ফায়সালা করতে চাইলেন। নানান প্রমাণাদি হাজির করতে করতে অনেক সময় লাগতে পারতো। বিচারক এত টাইম নিলেন না। আসল চোর কে সেটা বের করতে তিনি এক কৌশল নিলেন।
দুজনকেই চোখ বেঁধে ফায়ারিং স্কোয়াডে দাঁড় করিয়ে দিলেন আর পুলিশকে বললেন, চোরের কপাল বরাবর গুলি চালায় দেও।
বন্দুকের লোড করার শব্দ শোনা মাত্রই ফরীদ আলী মাটিতে শুয়ে পড়লো কিন্তু শরীফ খান চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন।

ব্যাস, বিচারক বুঝে গেলেন কে আসল চোর, বিচার ডিসমিস।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127936/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 15:43:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জজ ও চোর<br />
(ছোট্ট রম্য)<br />
রাকিবুল হাসান</p>
<p>একবার একটা কর্পোরেট অফিসের একাউন্টস থেকে একাউন্টেন্ট ফরিদ আলী টাকা-পয়সা নিয়ে পালালো। গিয়ে সে গাজীপুরের এক গাঁয়ে ব্যবসা ফেঁদে বসলো। একদিন সেই অফিসের মালিক শরীফ খান অবকাশ যাপন করতে গাজীপুরের এক রিসোর্টে গিয়ে সেই চোর একাউন্টেন্ট ফরিদ আলীকে দেখতে পেলেন।<br />
দেখেই শরীফ খান ফরিদ আলীর কলার চেপে ধরলেন। সাথে সাথে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127936"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127936/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d77b32e2f40f387940a24b55e3de5e6b</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান and হাসনাত সৌরভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127928/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 15:22:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a330bbd40fc09e6bcfd6ea9b4131772</guid>
				<title>অন্ধ বিচারক ও তিন কারণ
রাকিবুল হাসান

তখন ভারত উপমহাদেশে মোঘল শাসনের সোনালী যুগ চলছে। ন্যায় বিচার, সমৃদ্ধি আর সম্পদের প্রাচুর্যে পূর্ণ মোঘল সাম্রাজ্য। শাহী তখতে আছেন বাদশাহ নুরুদ্দিন মুহাম্মদ সেলিম। ন্যায় পরায়ণতায় দুনিয়ার মানুষের হৃদয় জয় করে নেয়ায় তাঁর উপাধি হয়েছে “জাহাঙ্গীর”।

এক স্নীগ্ধ সকালে শাহ এর দরবারে হাজির হয়েছেন এক জীর্ণ-শীর্ণ হিন্দু মহিলা। জীর্ণ-শীর্ণ তবে দরিদ্র নয়, মহিলার গোয়ালে গরু আছে, গোলায় ধান আছে, পুকুরে মাছও আছে, কিন্তু মনে শান্তি নেই। শান্তি নেই কারণ এক ধর্ষক। সেই বিচারের জন্যই মহিলার আগমন।

সম্রাট শুনতে চাইলেন অভিযোগ, মহিলা বলল, হে সম্রাট, আমার বাড়ি আপনার প্রাসাদের পেছনে খুব কাছেই। প্রতি রাতে একজন ধর্ষক আমার গৃহে প্রবেশ করে এবং আমার মেয়ের সাথে অপকর্ম করে চলে যায়। আমি তাকে ধরতে পারি না।
সম্রাট তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন বটে, তবে কিছুই না বলে দরবার ছেড়ে চলে গেলেন অন্দরে।
মহিলা বিচার না পাওয়ায় ভগ্ন হৃদয়ে ফিরে গেল নিজ বাড়িতে।

রাতের প্রথম প্রহরে এক পর্দানেশিন নারী নেকাবে মুখ ঢেকে মহিলার বাড়িতে হাজির হয়ে আশ্রয় চাইলো। মহিলা তাঁকে আশ্রয় দিলেন বটে, তবে বলে দিলেন, তার কোন ক্ষতি হলে তিনি দায়ী নন। আশ্রয়প্রার্থী মহিলা ঘরে প্রবেশ করেই ঘরের সব বাতি নিভিয়ে দিয়ে ঘর অন্ধকার করে ফেললো। মালকিন মহিলা জিজ্ঞেস করেও কোন উত্তর পেলো না আর বাতি জ্বালাবারও সাহস পেলো না, কারণ সেই মহিলা ধারালো তরবারী নিয়ে এসেছিল।

রাত্রি দ্বিপ্রহরে সেই ধর্ষক প্রবেশ করলো মহিলার মেয়ের ঘরে। এক মূহুর্ত পরেই বিকট এক আর্তচিৎকার দিয়ে নিশ্চুপ হয়ে গেল সব। ঘরের বাতিও জ্বললো তখন।

বাড়ির মালকিন মহিলা দেখেন তাঁর সামনে রক্তাক্ত তরবারী হাতে দাঁড়িয়ে আছেন স্বয়ং বাদশাহ জাহাঙ্গীর আর সম্মুখেই নিথর হয়ে পড়ে আছে  ধর্ষকের ধর আর ছিন্নমুণ্ডু। মহিলা তো অবাক।
বাদশাহ জাহাঙ্গীর তখন বললেন “আলহামদুলিল্লাহ!” এরপর মহিলার কাছে এক বাটি পানি চেয়ে পান করলেন।

মহিলা অবাক হয়ে সব দেখছিলো, তার মনে চলছিল তিনটি প্রশ্ন।
-কেন বাদশাহ ঘরে ঢুকে বাতি নিভালেন?
-কেন বাদশাহ বাতি জ্বালিয়ে আলহামদুলিল্লাহ পড়লেন?
-কেন বাদশাহ পানি চেয়ে এতটা তৃষ্ণার্তের মতো পান করলেন?

বাদশাহ মহিলার অভিব্যাক্তি বুঝতে পেরে বললেন, আমি বুঝতে পারছি তুমি কী ভাবছো। আমি কেন ঘরে ঢুকেই বাতি নিভালাম? ভেবেছিলা ডাকাতি করবো? আসলে তা না, আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, আমার প্রাসাদের এত কাছে এমন অন্যায় আমার ছেলে ছাড়া আর কারো করার সাহস হবে না, তাই অপরাধী যদি আমার ছেলে হয়ে থাকে আর আলোতে তার মুখ দেখে শাস্তি দিতে যদি আমার হাত কেঁপে যায়? এই আশঙ্কায় আমি বাতি নিভিয়ে দিয়েছিলাম।

যখন বাতি জ্বালিয়ে দেখলাম অপরাধী আমার ছেলে নয়, তখন আলহামদুলিল্লাহ পড়লাম।

আর আজ সকালে যখন তুমি আমার কাছে বিচার চাইতে গিয়েছিলে, তখনই আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তোমার ন্যায় বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমি পানি পান করবো না। তাই এখন তোমাদের বিশ্বাস অনুসারে তোমার পাত্র এক মুসলমানের ছোঁয়ায় অশুচি হবে জেনেও তৃষ্ণা সইতে না পেরে বিচার সম্পন্ন করেই পানি পান করলাম।

এই হচ্ছে ন্যায় বিচার, বিচারককে এমনই অন্ধ হতে হয়। আমরা কি আবার পাবো এমন অন্ধ বিচারক যে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় এমন তৃষ্ণা-পণ করতে পারে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127901/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 14:43:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্ধ বিচারক ও তিন কারণ<br />
রাকিবুল হাসান</p>
<p>তখন ভারত উপমহাদেশে মোঘল শাসনের সোনালী যুগ চলছে। ন্যায় বিচার, সমৃদ্ধি আর সম্পদের প্রাচুর্যে পূর্ণ মোঘল সাম্রাজ্য। শাহী তখতে আছেন বাদশাহ নুরুদ্দিন মুহাম্মদ সেলিম। ন্যায় পরায়ণতায় দুনিয়ার মানুষের হৃদয় জয় করে নেয়ায় তাঁর উপাধি হয়েছে “জাহাঙ্গীর”।</p>
<p>এক স্নীগ্ধ সকালে শাহ এর দরবারে হাজির হয়েছেন এক জীর্ণ-শীর্ণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127901"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127901/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d79912b8ba7599aa8cba5ac95486db2</guid>
				<title>শেষ ইচ্ছা
রাকিবুল হাসান

কোর্টে মামলা উঠেছে চুরির। মামলা চলছে, দু পক্ষের উকিলের বিতর্ক চলছে হাড্ডাহাড্ডি।
অবশেষে আসামীর ফাঁসি সাব্যস্ত হলো। মামলা ছিল চুরির, বাদী পক্ষের উকিল সেটাকে নিয়ে ঠেকিয়েছে মার্ডারে।
আসামীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাইল জজ। আসামী বলল, মাননীয় আদালত, আমি শুধু আমার নাতির মুখটা দেখতে চাই।
আদালত অনুমতি দিলো, আসামী বাড়ি গেল, সাথে পুলিশ।
পুলিশও ফিরে না, আসামীও ফিরে না।
একদিন গেল, দুদিন গেল, পুলিশের খোঁজে গেল আরো পুলিশ।
সবাই গিয়ে দেখলো, আসামীর বাড়িতে আগের পুলিশ। সবাই অপেক্ষা করছে আসামীর নাতির মুখ দেখার।
আসামী তাহলে কই?
আসামী গেছে বিয়ে করতে, বিচারের কালে সে ছিল ব্যচেলর। জজ সেটা জানতো না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127512/</link>
				<pubDate>Mon, 01 Aug 2022 14:44:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ ইচ্ছা<br />
রাকিবুল হাসান</p>
<p>কোর্টে মামলা উঠেছে চুরির। মামলা চলছে, দু পক্ষের উকিলের বিতর্ক চলছে হাড্ডাহাড্ডি।<br />
অবশেষে আসামীর ফাঁসি সাব্যস্ত হলো। মামলা ছিল চুরির, বাদী পক্ষের উকিল সেটাকে নিয়ে ঠেকিয়েছে মার্ডারে।<br />
আসামীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাইল জজ। আসামী বলল, মাননীয় আদালত, আমি শুধু আমার নাতির মুখটা দেখতে চাই।<br />
আদালত অনুমতি দিলো, আসামী বাড়ি গেল,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127512"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127512/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f7fae43bfbd207435957b0497c2d6ba</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127316/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Jul 2022 18:12:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">99c298e2c5c06f4ecaabe0ed103c8dd1</guid>
				<title>মধ্যরাতের কাব্য
রাকিবুল হাসান

রাত নেমে যখন
    পৃথিবী হয় নিশ্চুপ
     ক্লান্ত সূর্য থাকে বিশ্রামে
নিশাচরেরা দেয় নিজের জানান
সজোরে ঝাঁপটে ডানা,
      নিশিতের সেই মোহনীয়িতায়
                 আমার ঘুমাতে মানা।

তোমার স্মরণ, তোমার ভাবনা
            নিদ্রামগ্ন দেয় না হতে,
অবিরত শুনি তব ঝংকার
          হৃদয়ের স্তরে স্তরে
নীশিথের গভীরতা যত বাড়ে
                       প্রতি মূহুর্তে।

নিশুতি রাতের শুন্যতায়
              দেখি তোমায়,
চোখ খুলে দেখি, চোখ বন্ধ করে দেখি,
                  জেগে দেখি, দেখি ঘুমিয়ে,
নিরেট আঁধারে, কবরের মতো নির্জনতায়
        তোমার অদৃশ্য ঠোঁটজোড়া করি অনুভব
                                                 দেই চুমিয়ে।

নীরব রাতের নৈশব্দকে ভেদ করে
      আচমকা ছুটে যাওয়া ট্রাকের ইঞ্জিন,
                  পুরোনো রিক্সার বডির ঝনঝন
                     কিংবা ফ্যানের পাখার একটানা ঘুর্ণন
এসব কিছুতে আমি তোমায় শুনি,
শব্দের প্রতিটি কণা যেন বহে তোমায়,
         বহে তোমার হাসির রিনিঝিনি।

নির্জন রজনীর খা খা করা শুন্যতায়ও
        আমি তোমার অস্তিত্ব টের পাই,
                            তোমায় ছুঁয়ে দেই,
তোমার মসৃণ গাল, রসালো ওষ্ঠাধর,
মখমলবত কোমল স্তন,
আমি দলাই মলাই করি,
       তোমায় পাঁজরে বিলীন করে নেই।

তুমি আমার আঁখিতে রডকোষ
কিংবা ট্যাপেটাম লুসিডামের মতো,
    জীবন পথের ঘন আঁধারেও
    তুমি থাকলে আমি দেখতে পাই,
    হোক সে দেখা রঙহীন,
                    হোক বিড়ালের মতো।

তুমি আমার কর্ণে প্রতিফলিত
                 শব্দতরঙ্গের মতো,
তাই চোখ হলেও আলোহীন,
বাঁদুড়ের মতো সব বাঁধা এড়িয়ে
           পারি চলতে বিরামহীন।

তুমি আমার স্বপ্ন, চেতনা, নিমগ্নতা,
আমার হৃদয়াকাশ জুড়ে তাই
                       তব প্রেমের শুভ্রতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127272/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Jul 2022 13:56:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মধ্যরাতের কাব্য<br />
রাকিবুল হাসান</p>
<p>রাত নেমে যখন<br />
    পৃথিবী হয় নিশ্চুপ<br />
     ক্লান্ত সূর্য থাকে বিশ্রামে<br />
নিশাচরেরা দেয় নিজের জানান<br />
সজোরে ঝাঁপটে ডানা,<br />
      নিশিতের সেই মোহনীয়িতায়<br />
                 আমার ঘুমাতে মানা।</p>
<p>তোমার স্মরণ, তোমার ভাবনা<br />
            নিদ্রামগ্ন দেয় না হতে,<br />
অবিরত শুনি তব ঝংকার<br />
          হৃদয়ের স্তরে স্তরে<br />
নীশিথের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127272"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127272/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1d0b2c89d3d330784e1ec4bea6025193</guid>
				<title>মোঃ রাকিবুল হাসান changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127270/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Jul 2022 13:47:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>