Profile Photo

Rokeya KhanamOffline

  • rokeyakhanam
  • গোলবাহারী
    রোকেয়া খানম
    ——————————————
    পার্ট:-০২ এর অবশিষ্টাংশ
    (পার্ট:-০২ এর অবশিষ্টাংশ)
    দেশের নামে শপথ করে পোশাক গায়ে চড়িয়েছি।
    দেশের বিপদে পালিয়ে যেতে পারব না।
    গোলবাহারী, কোনো কথা বলছ না কেন?
    আমার কথায় খারাপ লাগছে?”
    গোলবাহারী বললেন,
    “না। তোমাকে স্বামী হিসেবে যতটুকু ভালোবাসি…Read More

    3
    2 Comments
    • দেশের প্রতি কর্তব্য আর দাম্পত্য ভালোবাসার এই অঙ্গীকার গল্পটিকে গভীর মহিমায় উজ্জ্বল করেছে…🖤

    • Rokeya Khanam, “তোমার ঘরে বাতি আমি জ্বালাব”—এই লাইনটিতে গোলবাহারীর প্রতিজ্ঞা ও ভালোবাসার গভীর বহিঃপ্রকাশ আমাকে ভীষণ আবেগপ্রবণ করেছে। আপনাদের এমন সুন্দর আর হৃদয়স্পর্শী লেখনী আমাদের নিয়মিত উপহার দিতে থাকুন, আপনি নিশ্চয়ই অনেক দূর এগিয়ে যাবেন।

  • মায়ের স্বপ্ন
    রোকেয়া খানম
    ——————————-
    রত্নগর্ভা মা হব আমি
    সকাল-সন্ধ্যা, ঝড়-বৃষ্টি
    থামাতে পারেনি চরণখানি।
    জয়ের মশাল হাতে নিয়ে
    ছুটছি আমি পাগলবেশে;
    দাঁড়াবার সময় নাই,
    রত্নগর্ভা মা আমি হতে চাই।
    পরনে আছে স্নিগ্ধ শাড়ি, পায়ে চটি,
    সাইড ব্যাগ আর ছেঁড়া ছাতা;
    তবুও মনে অনেক বাহাদুরি।
    কয়েক দিন পর হব আ…Read More

    6
    4 Comments
    • Rokeya Khanam, লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগল আর মায়ের পরিশ্রমের চিত্রটা দারুণ ফুটে উঠেছে। আপনার নিজের মায়ের এমন স্বপ্ন পূরণের গল্প কি কোনো বিশেষ ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত?

    • Rokeya Khanam, মায়ের প্রতি আপনার গভীর মমত্ববোধ এবং সন্তানের সফলতাকে ঘিরে যে সুন্দর স্বপ্নটি আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। প্রতিটি ছত্রে মায়ের ত্যাগ ও ভালোবাসার যে চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা পাঠকের মনে এক অনন্য আবেদন তৈরি করে। নিজের এই অসাধারণ লেখার ধারাটি আপনি নিরন্তর বজায় রাখুন, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

  • মামার বিয়ে
    রোকেয়া খানম
    —————————————-
    তাকডুম তাকডুম ঢোল বাজে,
    পাড়া-প্রতিবেশীর ঘুম ভাঙে।

    শিয়াল মামার নাচ দেখে
    সবার হাসি পায়।

    হাতি মামার বিয়ে আজ,
    বাঘটা সঙ্গে যায়।

    ভালুকটা আজ বেয়ারা সেজেছে,
    পালকি কাঁধে তার।

    পিঁপড়া, ফড়িং দল বেঁধে
    বরযাত্রী যায়।

    3
    2 Comments
    • আপনার লেখা ছড়াটা পড়ে একদম ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, কী দারুণ মিষ্টি! সব পশুপাখিদের নিয়ে এমন বিয়ের আয়োজন সত্যি খুব অদ্ভুত আর মজার। পুরো লেখাটা পড়তে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে।

    • আপনার লেখাটিতে বিভিন্ন প্রাণীর এমন মজার ও ছন্দময় উপস্থাপন মন ভালো করে দেওয়ার মতো। এমন চমৎকার কল্পনাশক্তির ছোঁয়ায় সাজানো প্রতিটি লাইন পড়ে খুব আনন্দ পেলাম, আপনি এভাবেই নিয়মিত লিখে যান।

  • খোকন সোনা
    রোকেয়া খানম
    ———————————-
    খোকন সোনা চাঁদের কণা
    ভোরবেলাতে উঠে না।
    শিশির ভেজায় পা ভেজাবে
    সূর্যদয়ে স্নান করিবে।
    শরতের শিউলি কুড়াবে
    হরেক পাখির ডাক শুনাবে।
    ফুলের বাগানে যাবে খেলিতে
    প্রজাপতি ধরিতে।
    খোকন সোনা চাঁদের কণা
    ভোরবেলাতে উঠে না।

    3
    2 Comments
    • আপনার লেখা কবিতাটা পড়ে একদম ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, দারুণ মিষ্টি একটা অনুভূতি। খোকন সোনার দুষ্টুমির এই চিত্রটা চোখের সামনে ভেসে উঠছে। আপনার এই মিষ্টি কবিতার পরের কোনো পর্ব কি আপনি লিখেছেন?

    • রোকেয়া খানম, আপনার এই রচনায় শিশির ভেজা সকাল আর প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপগুলো দারুণভাবে ফুটে উঠেছে যা আমার খুব ভালো লেগেছে। আপনি যদি ছন্দ ঠিক রেখে শেষে আরো একটি আশাবাদী পঙক্তি যোগ করেন, তবে লেখাটি পূর্ণতা পেতে পারে; আপনি নিয়মিত এভাবে আপনার মিষ্টি অনুভূতিগুলো লিখে আমাদের মুগ্ধ করতে থাকুন।

  • গোলবাহারী
    রোকেয়া খানম

    পার্ট :-০২
    ভাবির কথায় হাবীবের মনে শান্তি ফিরে আসে।
    মনস্থির করে—যতদিন থাকবে, হাসি-খুশির মধ্যে দিন কাটাবেন।
    বিকালবেলা বাজারে গিয়ে অনেক সদাইপাতি করেছেন।
    গোলবাহারীর জন্য চুড়ি, আলতা, কপালের টিপ, পাউডার, সুগন্ধী তেল কিনেছেন।
    রহমতকে বাজারে পেয়ে জিলাপি, খই আর রসগোল্লা কিনে দিয়েছেন।
    বাড়ি ফিরে হ…Read More

    6
    7 Comments
    • ভালোবাসার আড়ালে বিচ্ছেদের আশঙ্কা গল্পটিকে করেছে গভীর মায়াময়…..🤍🖤

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা ভালো লাগা কাজ করছে, হাবীব আর গোলবাহারীর এই আবেগপূর্ণ মুহূর্তগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

    • আপনার লেখায় চরিত্রগুলোর মধ্যকার সহজ-সরল আবেগগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে, যা পড়ে মন ভরে যায়। সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রিয়জনের প্রতি জমে থাকা অনুভূতির বহিঃপ্রকাশগুলো আপনি চাইলে আরও কিছুটা দীর্ঘ করে বর্ণনা করতে পারেন। গোলবাহারী ও হাবীবের মধ্যকার এই স্নিগ্ধ সম্পর্কের পরবর্তী অংশগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম, দারুণ লিখছেন আপনি!

    • যাক এতদিন পরে গোলবাহারি ভালবাসা পেলো,তাই বা কম কিসে

  • গোলবাহারী
    (রোকেয়া খানম)
    পার্ট :-০১
    মা বাবার একমাত্র মেয়ে গোলবাহারী। অনেক দেখেশুনে পাশের গ্রামে বিয়ে ঠিক করেছেন।সবাই খুবই খুশি – যখন তখন মেয়ে আসতে পারবে। ছেলের সরকারি চাকরি।গোলাভরা ধান,গোয়াল ভরা গরু,খানদানী পরিবার। দশ গ্রামের মধ্যে নামকরা পরিবার।

    রঙ বেরঙের কাগজ দিয়ে বাড়ি সাজানো হয়েছে। বর আসবে পালকি চড়ে। আজ বিয়ে আত্মীয় স্বজনে বাড়ি ভরে গেছ…Read More

    6
    7 Comments
    • পোস্টের সাথে কি ছবি যুক্ত করা যায়? কারো জানা থাকলে জানাবেন

    • “যদি আমার কিছু হয়ে যায়—গোলবাহারীর কী হবে?”—এই কথাটাই পরের পর্বের জন্য কৌতূহল বাড়িয়ে দিলো।

    • আপনার এই রচনায় গ্রামীণ আবহের চিত্রগুলো এবং চরিত্রগুলোর মধ্যকার সরল কথোপকথনগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে, যা পড়ে মন ভরে যায়। গল্পের পরবর্তী অংশে গোলবাহারীর মানসিক অবস্থা এবং হাবীবের অনিশ্চয়তার টানাপোড়েনকে আরও খানিকটা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন। আপনি চমৎকার লিখছেন, তাই এভাবেই কলম চালিয়ে যান এবং আমাদের সাথে এমন…Read More

    • নবদাম্পত্যের আনন্দের আড়ালে অজানা আশঙ্কা গল্পটিকে দিয়েছে গভীর মায়া…..🤍🖤

    • লেখাটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল যেন কোনো পুরনো দিনের গল্প শুনছি। গল্পের প্লটটা বেশ সুন্দর এবং পরের পর্বে কী হবে তা জানার জন্য বেশ আগ্রহ কাজ করছে। আপনি কি খুব দ্রুত দ্বিতীয় পর্বটা শেয়ার করতে পারবেন?

  • আমাদের নবীন বল
    রোকেয়া খানম
    ——————————
    তোমার তুলনা তুমি,
    প্রতিঘরের আয়না তুমি।
    নীল আকাশের চাঁদ—
    সবার মাঝে বিলিয়ে দিলে
    তোমার সুপ্রভাত।
    তোমার দু’চোখের সুন্দর হাসি,
    লক্ষ-কোটি জন্ম তোমায় ভালোবাসি।
    অরণ্য, সাগর, পাহাড়, সমতল—
    সবাই বলে, হাদি, তুমি
    আমাদের নবীন বল।

    4
    12 Comments
  • শেষ গল্পটা
    রোকেয়া খানম
    ————————————-
    সূর্যের মতো আলো দিয়ে,
    বহু রূপে খেলার ছল করিয়ে,
    রঙিন বাগান, ঘরবাড়ি
    মাটিতে মিশিয়ে দিলে।
    দেখতেছি তোমার ভঙ্গিমা,
    সব বাজিমাত তোমার।
    ঘুড়ির মতো করতেছ খেলা—
    সব বাজিমাত তোমার।
    রঙিন সব ফুল দিয়ে
    মালা গেঁথে নিলে,
    আমার গায়ে সব
    রঙ নীরবে মাখালে।
    মনে…Read More

    7
    12 Comments
    • বাহ বেশ তো লিখেছেন ।

    • এক চাপা অভিমান লুকিয়ে আছে কবিতাজুড়ে, ঠিক ধরতে পারছিনা তবে, অনুভব করা যায়!

    • “শুরুটা তুমি করেছ, শেষ গল্পটা না হয় আমি লিখব”—শেষের দৃঢ়তাটুকু হৃদয়ছোয়া

    • আপনার এই লেখায় বসন্তের রঙিন আবেশ আর শেষটুকু নিজের মতো করে সাজানোর আকুতি ভীষণভাবে হৃদয় ছুঁয়ে গেছে, বিশেষ করে “শেষ গল্পটা না হয় আমি লিখব”—এই অংশটি অত্যন্ত চমৎকার। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজের জীবনের চিত্রনাট্য নিজেই তৈরি করার এই ভাবনাটি রবার্ট ফ্রস্টের কবিতার মতো এক গভীর স্বাবলম্বী অনুপ্রেরণা জোগায়। আপনি দারুণ গুছিয়ে মনের ভাব প্রক…Read More

    • অনেক শুভকামনা

    • Rokeya Khanam, “শেষ গল্পটা না হয় আমি লিখব”—এই লাইনটা খুব সুন্দর আর আত্মবিশ্বাসী একটা রেশ রেখে গেল। পুরো কবিতাটা পড়ে একদম ফ্রেশ একটা ফিল পাচ্ছি, দারুণ লিখেছেন আপনি।

  • Profile picture of Rokeya Khanam

    Rokeya Khanam changed their profile picture

    5
    3 Comments
Skip to toolbar