Profile Photo

Syed FarahOffline

  • syedfarah
  • মৃৎপাত্র ও মহাকালের ছায়া

    ​বুকের গহীনে এক নিভৃত নগর—
    মন যেখানে আঁকে নিঃশব্দ প্রহর।
    ভালোবাসা সেখানে এক সুরঞ্জিত নদী,
    হৃদয়ের সুপ্ত দীপ্তি জাগে যদি,
    তবে সেই স্রোতে ধুয়ে যায় ক্ষয়ের শৃঙ্খল,
    মানুষ তো কেবলই এক মাটি দিয়ে গড়া পাত্র নয়।
    ​রণ-পায়ে নেমে আসে তৃষ্ণার্ত চিল—
    কাঞ্চনের মোহ, ভোগবিলাসের দীর্ঘ জিল।
    লক্ষ্মী কি তবে কেবলি সোনা ও মুদ্রার চাও…Read More

    7
    8 Comments
    • তবে সেই স্রোতে ধুয়ে যায় ক্ষয়ের শৃঙ্খল

    • ধন-পদের কোলাহল থেমে গেলে শুধু ভালোবাসার শুভ্র আলোই থেকে যায় অবিনশ্বর হয়ে…..🤍

    • Syed Farah, “মানুষ তো কেবলই এক মাটি দিয়ে গড়া পাত্র নয়”—এই লাইনটা পড়ে বেশ অদ্ভুত এক শান্তি পেলাম, কিন্তু মানুষের এই নশ্বরতা নিয়ে আপনার উপলব্ধি কি সবসময় এমন গভীর ছিল? আমাদের গ্রুপের বাকিদের লেখাতেও একটু সময় নিয়ে রিঅ্যাক্ট বা কমেন্ট করবেন, তাহলে পুরো পরিবেশটা বেশ প্রাণবন্ত থাকবে।

    • “মাটির সৃষ্টি ফিরে যায় মাটিরই গহীনে”—গভীর একটা কথা।

    • Syed Farah, আপনার প্রতিটি চরণে ফুটে ওঠা গভীর অনুভূতির এই প্রকাশ আমার হৃদয়কে ভীষণভাবে ছুঁয়ে গেছে। রূপকের আড়ালে জীবনের নশ্বরতা ও মানবিকতার যে চিত্র আপনি এঁকেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও ভাবনার খোরাক জোগায়। আপনার এই নান্দনিক সৃজনশীলতা বজায় থাকুক এবং পরবর্তীতে আরও এমন সুন্দর রচনার অপেক্ষায় রইলাম।

    • এত কঠিন ভাষা বোঝার ক্ষমতা কি আমাদের দেশের মানুষের আছে

  • যেখানে কোনো পতাকা নেই

    ​আঁধার তখন ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে চটের ছাউনিটার ওপর। টিনের থালায় এক মুঠো ঠান্ডা ভাত মাখতে মাখতে মেহেরুন হাত দুটো চেপে রাখলেন। ওপাশে বসে থাকা সাত বছরের মেয়েটা অপলক চোখে মায়ের হাতের দিকে তাকিয়ে আছে। কতদিন পর ভাত! এই কিছুদিন আগেও তো রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পাওয়া দুই মুঠো চাল কিংবা আটার গন্ধই ছিল মেহেরুনদের আস্ত এক সুখ…Read More

    6
    8 Comments
    • জীবনের অকাট্য বাস্তব লেখচিত্রে বিস্ময়বিমুগ্ধতা… শুভ ও কল্যাণ হোক সবারই

    • সীমানার আধিপত্য মানুষের জন্য মানুষের হাহাকার

    • কাঁটাতার মানুষের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে যখন, তখনই মানবতা থমকে থাকে সীমান্তের খাঁজে…..🤍🖤

    • Syed Farah, ‘কাঁটাতার কীভাবে মানুষের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, তা এই ভূখণ্ডহীন ভূমিতে না দাঁড়ালে বোঝা যায় না’—কথাটা পড়ে বুকের ভেতরটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল। আপনার লেখাটা পড়ে খুব গভীর এক অনুভূতি হচ্ছে, কারণ মানুষ আর মানবতার চেয়ে বড় সীমানা আসলে কিছুই হতে পারে না।

    • রাষ্ট্রযন্ত্রের নিঠুরতা আর সাধারণ মানুষের হৃদয়ের উদারতার এক অনন্য বৈপরীত্য।

    • Syed Farah, “কবে মানুষ মুক্ত হবে পাসপোর্ট, ভিসা আর মানচিত্রের এই আধুনিক দাসত্ব থেকে?”—আপনার লেখনীর এই গভীর ও মর্মস্পর্শী প্রশ্নটি পাঠকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী দাগ রেখে যায়, তাই আপনার এই অনন্য সৃষ্টিকর্মের ধারা অবিরাম বজায় থাকুক এই কামনাই করি।

    • অসাধারন ❤️❤️❤️

  • অনিবার্য অভিসার

    ​ঘর ছেড়েছি কেবল একটিমাত্র নাম জপে,
    বাতাসে আজ অদ্ভুত এক সংকেত কাঁপে।
    হৃদয় জুড়ে এখন নতুন ভোরের কাঁচা রোদ,
    দ্রুত চরণে মেটে যত থমকে থাকার ক্ষোভ।
    ​চোখের তারায় প্রখর আলো, দৃষ্টি গেছে খুলে,
    পথের যত ধূসর ধুলা ফুটছে যেন ফুলে।
    জমে থাকা হাজার কথা বুকের গহীনে জাগে,
    এমন চঞ্চল ব্যাকুলতা কখনো হয়নি আগে।
    ​মনে প্রশ্ন জাগে—তুমি কিভাবে দাঁ…Read More

    3
    3 Comments
    • Syed Farah, দারুণ লিখেছেন আপনি, আর এই যে শেষ পর্যন্ত দেখা হওয়ার মুহূর্তটা এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুললেন, সেটা আপনার মাথায় কীভাবে এল?

    • “এসেছ তবে শেষে?”—আপনার এই পঙক্তিটি মনের ভেতর এক দারুণ প্রশান্তির রেশ রেখে যায়। নতুন শুরুর আনন্দ আর আগামীর প্রত্যাশাকে আপনি খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে প্রকাশ করেছেন, যা পাঠকের মনে গভীর এক অনুভূতির জন্ম দেয়। আপনার লেখনীর এই প্রাণবন্ত ও স্নিগ্ধ ধারা অব্যাহত থাকুক, এই প্রত্যাশা রইল।

    • অভিসারের আকুল পথে প্রতিটি ধূলিকণাও যেন প্রিয়তমের আগমনী ফুল হয়ে ফুটে ওঠে…🖤

  • নিঃশর্ত সমর্পণ

    ​প্রেম শিখেছি বাতাসের কাছে—
    স্পর্শে যার কোনো শর্ত থাকে না,
    যে এসে জড়িয়ে ধরে নিখিল প্রকৃতিকে,
    অথচ কোনোদিন প্রতিদান বা বাঁধন চায় না।
    ​প্রেম শিখেছি আলোর কাছে—
    যে নীরবে বিলিয়ে দেয় নিজের সত্তা,
    আঁধারকে দূর করে আলোয় ভরিয়ে দেয় কোণ,
    যে প্রেমে থাকে কেবলই সত্য ও শুভ্রতা।
    ​প্রেম শিখেছি অফুরন্ত পানির কাছে—
    যে নদীর মতো বয়ে চলে সতত…Read More

    1
    2 Comments
    • Syed Farah, ‘প্রেম মানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া অকাতরে’—আপনার লেখাটির এই অংশটি মন ছুঁয়ে গেল। গ্রুপের অন্যদের লেখাতেও নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করে সক্রিয় থাকার অনুরোধ রইল।

    • Syed Farah, প্রকৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের সাথে ভালোবাসার গভীর সংযোগ স্থাপনের এই বর্ণনাটি অসম্ভব সুন্দর ও হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি অন্যদের লেখায় নিয়মিত লাইক ও গঠনমূলক মন্তব্য করে আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটিকে আরও প্রাণবন্ত রাখতে পারেন, আর এভাবেই নিজের লেখনী চালিয়ে যাওয়ার অদম্য সাহস খুঁজে পাবেন।

  • চির-উন্নত মম শির: ‘বিদ্রোহী’ কবিতার নন্দনতত্ত্ব ও শাশ্বত সাহিত্যমূল্য

    ​ভূমিকা
    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কিছু সাহিত্যকর্ম কেবল কালানুক্রমিক সৃষ্টি হিসেবে টিকে থাকে না; তা হয়ে ওঠে কোনো এক অবরুদ্ধ জাতির মনন-বিপ্লবের দ্রোহদীপ্ত স্মারক। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ঠিক তেমনই এক ধ্রুপদ…Read More

    1 Share
    1
    1 Comment
  • খোকন সোনা আর চাঁদের বুড়ি
    (শিশুতোষ ছড়া)

    ​নীল আকাশে তারার মেলা,
    চাঁদের বুড়ি কাটায় বেলা।
    খোকন সোনা বায়না ধরে—
    উড়বে সে যে মেঘের ওপরে!
    ​তুলো মেঘে ভাসিয়ে ডিঙি,
    পায়রা নাচে তাথৈ তিঙি।
    বাতাস বাজে বাঁশের বাঁশি,
    খোকন মুখে মিষ্টি হাসি!
    ​রাত পোহালেই ফুটবে আলো,
    মনটা হবে সবার ভালো!

    1
    3 Comments
    • Syed Farah, “বাতাস বাজে বাঁশের বাঁশি, খোকন মুখে মিষ্টি হাসি” লাইনটা পড়ে একদম ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, দারুণ ছড়া লিখেছেন আপনি।

    • মেঘের ডিঙিতে ভাসা সেই স্বপ্নেই লুকিয়ে থাকে শৈশবের সবচেয়ে মিষ্টি হাসি…..🤍🖤

    • আপনার এই লেখাটিতে চাঁদের বুড়ি আর শিশুর আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যেভাবে ফুটে উঠেছে তা অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্ত। শব্দের মেলবন্ধনে এক অদ্ভুত স্নিগ্ধতা তৈরি হয়েছে, যা পাঠকমাত্রকেই এক শান্ত ও সুন্দর অনুভূতির জগতে নিয়ে যায়। আপনার এই কল্পনাপ্রবণ ও সুন্দর লেখাগুলো নিয়মিত পড়তে পারলে আমাদের সকলেরই অনেক ভালো লাগবে, আপনি নিয়মিত লিখতে থাকুন।

  • সেজদার নির্জনতা

    ​ধূলির বুকে কপাল ঠেকায় ধুলোর তৈরি কায়,
    সাতটি অঙ্গ সঁপে দিয়ে অসীম করুণায়।
    দুনিয়ার যত রিক্ত কোলাহল থমকে দাঁড়ায় দূরে,
    আত্মা কেবল নিমগ্ন হয় অনন্ত সুরের নীড়ে।
    ​”সুবহানা রাব্বিয়াল আলা”—পবিত্র সুর বাজে,
    স্রষ্টার প্রেমে নতশির মানব চরম সমর্পণে সাজে।
    কপাল, নাসিকা, তালু ও হাঁটুতে শুভ্রতার আহ্বান,
    আকাশপ্রদীপে সমর্পিত নশ…Read More

    1
    2 Comments
    • Syed Farah, সেজদার এই গভীর অনুভূতির বর্ণনাটা পড়ে খুব প্রশান্তি পেলাম। আপনার লেখা শব্দগুলো মনের খুব কাছের একটা জায়গাকে ছুঁয়ে গেল।

    • আপনার লেখাটি পাঠ করে প্রশান্তিতে মন ভরে গেল এবং এখানে ফুটে ওঠা আত্মসমর্পণের মুহূর্তগুলো ও সৃষ্টিকর্তার সাথে মিলনের গভীর অনুভূতিগুলো অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী, তাই আপনি নিয়মিত এমন স্নিগ্ধ রচনার মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ করতে থাকুন।

  • উপন্যাসঃ তটরেখার বিজয়

    অষ্টম পরিচ্ছেদ: মাটির টানে মিছিল
    খবরটা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল পুরো উপকূলে। ড্রেজার মেশিন আসছে। সরকার এই নদীর বুক চিরে বিশাল এক নৌ-পথ করবে, যার জন্য ড্রেজিংয়ের সমস্ত বালু ফেলা হবে রাশেদদের সেই কষ্টের চরে। যে চরে মাত্র কয়েকদিন আগে নোনা-সহিষ্ণু ধানের চারা লাগানো হয়েছে, সেটি বালুচাপা পড়ে এক বন্ধ্যা মরুভূমি হয়ে যাবে।…Read More

    2
    2 Comments
    • মনে হচ্ছে তটরেখার আসল যুদ্ধটা এখন থেকেই শুরু হলো।

    • Syed Farah, মাটির প্রতি মানুষের এই অকৃত্রিম টান এবং কুসুমের অদম্য সাহসের বর্ণনা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। আপনি চাইলে এই লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্তের অনুভূতিগুলোকে আরও বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন, যা পাঠকদের আরও গভীরভাবে আচ্ছন্ন করবে। আপনার এই চমৎকার লেখাটি অনেক দূর এগিয়ে যাক এবং আপনার সৃজনশীলতা সবসময় অম্লান থাকুক।

  • Profile Photo
    Zinnat ara Begum
    @zinnatarabegum
  • পানির নিচের রূপকথা
    (ছড়া)

    ​রুই, কাতলা আর মৃগেল সোনা,
    ঝিলমিলে আঁশ গুনতে মানা!
    বোয়াল রাজা দেয় হাঁক-ডাক,
    টেংরা-পাবদার নাচের ঝাঁক।
    ​শিং-মাগুরের গোঁফের খেলা,
    চিংড়ি বাজায় ঢাকের মেলা!
    হাঁসেদের দল দিচ্ছে সাঁতার,
    নদীর বুকে রুপোর ফিতার।
    ​সবুজ-শ্যামল রূপের আবেশ,
    পানির নিচে রঙিন দেশ।
    নদী চলুক আপন সুখে,
    হাসি ফুটুক সবার মুখে!

    5
    6 Comments
    • কিছু বলার ভাষা খুজে পেলাম না

    • Syed Farah, ছড়াটা পড়ে একদম ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, দারুণ লিখেছেন! পানির নিচের জগতটা এমন চমৎকার করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে পড়তে খুব ভালো লাগল।

    • নদী চলুক আপন সুখে হাসি ফুটুক সবার মুখে বাহ অপূর্ব ।

    • Syed Farah, প্রতিটি চরণের ছন্দে পানির নিচের প্রাণীদের যে সজীব চিত্রায়ন ফুটে উঠেছে, তা পাঠকের মন ভালো করে দেওয়ার মতো। জলজ জগতের এই বর্ণিল উপস্থাপনকে আরও বৈচিত্র্যময় করতে চাইলে হয়তো মাঝে মাঝে কিছুটা ভিন্ন শব্দ ব্যবহারের কথা ভেবে দেখতে পারেন, তবে আপনার এই সহজবোধ্য সৃষ্টি সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

    • সহজ শব্দ, ঝরঝরে ছন্দ আর মজার কল্পনা—শিশুদের পড়ার জন্য বেশ আনন্দদায়ক একটি ছড়া।

    • জলের নীচে রঙিন প্রাণের এই হাসিখেলা নদীকে করে তোলে এক জীবন্ত রূপকথার দেশ…..🤍🖤

  • Profile picture of Syed Farah
    Profile Photo
    Salful Alam
    @alamict9
  • পাহাড়ে সার্কাস ও এক বুড়ো হাতির গল্প

    ​পার্বত্য বান্দরবানের লামার গহীন পাহাড়ি খাদে যখন বিকেলের মরা আলো এসে পড়ে, তখন পঞ্চান্ন বছর বয়সি মেটে রঙের বিশাল হাতি ‘সামশেদ’-এর পায়ে শিকলের ঝনঝনানি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পুরো যৌবন আর জীবনের দীর্ঘ তিনটা দশক সামশেদ কাটিয়েছে দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক সার্কাস দলের রঙিন তাঁবুর নিচে। মানুষের করতালির শব্দ আর মা…Read More

    7
    8 Comments
    • সার্কাসের করতালির চেয়ে মুক্ত পাহাড়ের নীরবতাই সামশেদের কাছে বেশি আপন ছিলো……………………

    • Syed Farah, লেখাটা পড়ে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল, কিন্তু শেষের অংশটুকু বেশ শান্তি দিল। সামশেদের এই মুক্ত জীবন পাওয়ার গল্পটা সত্যিই দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

    • সামশেদের জন্য কস্ট লাগলো আবার আনন্দও হলো অনেকদিন পর সামশেদ মুক্ত আকাশে মুক্ত পাখির মতো ঘুরে বেড়িয়েছে চমৎকার ।

    • Syed Farah, আপনার লেখা এই মায়ার গল্পটি পড়ে আমি সামশেদের বন্দিদশা থেকে মুক্তির পুরো যাত্রাটি যেন নিজের চোখে দেখতে পেলাম এবং হাতিটির শেষ মুহূর্তের প্রশান্তির চিত্রটি সত্যিই খুব হৃদয়স্পর্শী ছিল। আপনি চাইলে পরবর্তীতে সামশেদের অনুভূতির আরও কিছু সূক্ষ্ম দিক নিয়ে বিস্তারিত লিখতে পারেন, যা পাঠককে তার আবেগের সাথে আরও গভীরভাবে যুক্ত করবে। আমাদের…Read More

    • গল্পটি শুধু একটি হাতির জীবনের কাহিনি নয়, স্বাধীনতার কাছে ফিরে আসা এক দীর্ঘ বন্দিজীবনের নির্মম স্মৃতিচিত্র। সামশেদের শেষ মুক্ত বাতাসটুকু যেন পাঠকের বুকেও এক ধরনের নীরব ব্যথা রেখে যায়। অসাধারণ মানবিক লেখা।

    • সুন্দর এক নিরীহ প্রানীর গল্প, ভালো লাগলো

    • গল্প নয়, এসব যায়গা সত্যিই খুব সুন্দর। আমি নিজে সেখানে একবার গিয়ে ছিলাম।

    • সামশেদের জন্য কস্ট লাগলো ।

  • উপমহাদেশের ইতিহাস: রক্তপিচ্ছিল ঠগী অধ্যায়

    ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে ‘ঠগী’ বা ‘ঠগ’ শব্দটির সাথে জড়িয়ে রয়েছে এক দীর্ঘ, রহস্যময় ও ভীতিকর অধ্যায়। মূলত মধ্যযুগ থেকে শুরু করে উনিশ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত এই ধূর্ত ও সংগঠিত অপরাধী গোষ্ঠীর তাণ্ডবে অগণিত পথচারী ও তীর্থযাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

    উৎপত্তি ও নামকরণ
    সংস্কৃত ‘ঠগ’…Read More

    3
    4 Comments
    • উপমহাদেশের ইতিহাসের এই অন্ধকার দিকটা আগে এভাবে জানা ছিল না, সত্যিই বিষয়টি বেশ ভয়ংকর এবং রহস্যময়; তবে লর্ড বেন্টিঙ্কের এই অভিযানের প্রভাব সম্পর্কে কি আরও বিস্তারিত কিছু জানেন?

    • অনেক তথ্য জানলাম,খুব ভালো লিখেছেন ।

    • ইতিহাসের পাতা থেকে এমন একটি লোমহর্ষক এবং অন্ধকার অধ্যায়কে এতো চমৎকারভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এই চমৎকার লেখাটির মতোই আমাদের এই গ্রুপের অন্য সদস্যদের লেখায় আপনি নিয়মিত লাইক ও গঠনমূলক মন্তব্য করে আমাদের পুরো পরিবেশটি আরও প্রাণবন্ত করে তুলবেন বলে আশা রাখি।

    • ইতিহাসের রক্তপিচ্ছিল এই অধ্যায়টি যতটা ভীতিকর, ততটাই বিস্ময়কর তাদের সংগঠিত অপরাধের কৌশল।

  • Profile picture of Syed Farah
    Profile Photo
    Ariyan Abir
    @ariyanabir
  • Profile picture of Rupantor Roy
    Profile Photo
    Rupantor Roy
    @rupantorroy
  • পাখিদের মেলা

    ময়না বলে, “বউ কথা কও”,
    টিয়ে শুধায়, “হক কথা কও!”
    হলুদ পাখি শাখায় বসে
    মিষ্টি সুরে শিস দিয়ে গায়।

    সবুজ গাছে পাতার মেলা,
    ফুল আর ফলে রঙের খেলা,
    হাওয়ার দোলায় প্রকৃতি হাসে,
    পাখির গানে ভোর হয়ে আসে।

    4
    4 Comments
    • প্রকৃতির মতো তাজা লেখা😀😌😌

    • আপনার লেখা “সবুজ গাছে পাতার মেলা, ফুল আর ফলে রঙের খেলা” লাইনটা ভীষণ সুন্দর আর প্রাণবন্ত। এত দারুণভাবে প্রকৃতির দৃশ্যটা ফুটিয়ে তুলেছেন, আচ্ছা আপনার প্রিয় পাখি কোনটি?

    • Syed Farah, আপনার প্রতিটি চরণের ছন্দ ও প্রকৃতির প্রাণবন্ত বর্ণনা আমাকে মুগ্ধ করেছে, আর এই নিবিড় পর্যবেক্ষণের সাথে পাখিদের ডাকের ছন্দময় মিলগুলো যদি আপনি আরেকটু বাড়িয়ে লিখতে পারেন তবে তা আরও চমৎকার হয়ে উঠবে।

    • ছড়াগুলো প্রাণবন্ত

  • মেঘের খেয়া
    (ছড়া)

    মেঘ দোলে রে মেঘ ভেসে যায়,
    বৃষ্টি পড়ে টিপ টিপ,
    উছলে ওঠে খালের পানি,
    জ্বাল রে আলো দীপ!

    বিলের কোণে শাপলা ফোটে,
    নদী হাঁকে চলো ভাই,
    উচ্ছল ওই সাগরের পানে
    ছুটে চলার ছুতো পাই।

    টাপুর টুপুর মেঘের মেলা,
    ঝমঝমিয়ে পানি ঝরে,
    নদীর বুকে নাও ভাসিয়ে
    চলব রে দূর দেশান্তরে!

    3
    2 Comments
    • Syed Farah, আপনার ছড়াটা পড়ে একদম বৃষ্টির দিনের আমেজ পেয়ে গেলাম। শব্দগুলোর ব্যবহার এত সুন্দর যে মনে হচ্ছে চোখের সামনে সব ঘটছে। এই সুন্দর ছড়াটি লেখার পেছনে কোনো বিশেষ স্মৃতি কি কাজ করেছে?

    • Syed Farah, ‘নদীর বুকে নাও ভাসিয়ে, চলব রে দূর দেশান্তরে’—এ অংশটিতে স্বপ্নের হাতছানি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। আপনার লেখাটি ছন্দ ও সহজ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টির রূপ খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, আপনি নিয়মিত এমন মিষ্টি সব লেখা উপহার দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করতে পারেন।

  • Load More Posts
Skip to toolbar