Profile Photo

D K MAHANTAOffline

  • DKMAHANTA01718942602
  • Profile picture of D K MAHANTA

    D K MAHANTA

    5 years ago

    “দুঃখ কষ্ট তুমি অতঃপর আমি”
    ___________________________

    অতঃপর:- যত’ই দুঃখ কষ্ট পাই না কেন প্রিয়-
    শূন্যতা’র উদ্বেলিত হৃদয়’র,
    রংধনু ভালবাসা শুধু’ই তোর জন্য-!

    দুঃখ:- প্রতীক্ষার যন্ত্রণাময় –
    নীল কষ্ট গুলো বু’কে নিয়ে,
    তোমার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া;
    আজ তার কাছে আর তেমন কিছু নেই-!

    :- হুঁম বন্ধু দুঃখবিলাস!
    অতঃপর বড্ড ক্লান্ত-
    ……………নিভৃতে বিশ্রাম প্রয়োজন।

    অতঃপর:- তাই –
    ছুটির দিন তারপরওও এতো ক্লান্তি?

    :- ডাক্তার বাবুর কাছে গিয়েছিলাম গো,
    ______অসুস্থ আমি!
    কিছু’টা তাই-

    দুঃখ:- ও,
    ঠিক আছে বিশ্রাম নাও!
    কারণ বিশ্রামেরও তো প্রয়োজন আছে-

    কষ্ট:- আজ কাব্য-বিলাসী নীরব স্তব্ধতা,
    পান্ডুলিপির বিক্ষত এক অব্যক্ত কবিতা…….!

    অতঃপর:- শান্ত প্রকৃতির,
    অশান্ত কলরবে –
    ব্যস্ত তুমি হৃদিকা;
    শেষ গোধূলির আলোয় যখন তুমি-
    ঝাপসা আলেয়ার প্রতিচ্ছায়া!

    দুঃখ:- বারবার আমিও আসবো,
    সে প্রতিক্ষা’র অবসানে-
    কোন এক বিকালের ধূসর গোধূলি হয়ে;
    অথবা নীরবতার কোন রাতে……..যখন আবারো কথা হবে।

    কষ্ট:- অতঃপর,
    এই অতঃপর………
    এমন কখনো যদি ভালোই না লাগে!
    কোন কিছু’ই-
    তো;
    কি করব-আমি……………?

    দুঃখ:- কি গো মেঘবালিকা?
    শুভ্র আকাশে-
    জেঁগেছো যখনি শুভ্র মেঘে’র ভীরে মেঘালয়া তুমি!
    নীরব কেন অশান্ত প্রণয়ী?

    :- সমাধান খুঁজছি,
    জটিল সমস্যা-
    উত্তর নেই,
    কেননা আমি চিন্তা করতে পারছিনা!
    না অতিত, না বর্তমান, না ভবিষ্যত।

    অতঃপর:- আজ কি হয়েছে তোমার-
    খুলে বলবে তো?
    সমস্যা থাকলে-সমাধানও আছে নিঃশ্চয়-

    :- আমাকে কতটুকু চিনেছো তুমি?
    একদম অন্যরকম আর পাঁচজন স্বাভাবিক থেকে আলাদা-
    কিন্তু এক্সসেপশোনাল নই।

    অতঃপর:- আমি জানি তো,
    তুমি কাব্য ভালবাস -!

    কষ্ট:- আর কি জান তুমি?

    দুঃখ:- জানার তো অনেককিছু’ই আছে ,
    ______ তবে এতটুকু বলতে পারি তোমার সুন্দর একটি মনও আছে!

    অতঃপর:- এই…….,
    তোমার ঘুম পাচ্ছে নাকি?

    :- আরে না,
    ঘুম এলে তো ভাল হতো-!
    এই……,
    শোননা- আচ্ছা,
    একটা ভুল মানুষ কে কোথায় নিয়ে যায়?
    …….বলতে পারো?

    কষ্ট:-হয়তো অনেক দূর!
    কি হয়েছে…….. বলো আমায়,
    আমাকে বলা যায় না কি?

    :- একদিন আন্টি’কে প্রশ্ন করেছিলাম,
    ভুল করেছি,
    …………এর ফলও ভোগ করছি!
    আচ্ছা কতদিন লাগবে এর প্রায়সচিত্ত করতে?
    উনি কিন্তু বলেছিলেন,
    ________মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত;
    যখনই ভুলের কথা মনে পড়বে দেখবে তখনই তোমার কষ্ট হবে!
    আর আজ সত্যি সত্যি ভুল করে খুব কষ্ট পাচ্ছি!
    জানো,
    আমিনা আর…….. কাঁদতে পারিনা!
    মন চায়-চিৎকার করে কাঁদি!
    হালকা করে দেই এই অশান্ত হৃদয়টা’কে-
    কিন্তু পারিনা;
    ….পারলে হয়তো আমার ভাল লাগতো গো।

    অতঃপর:- ______ বিশ্বাস রাখতে পারছো না!
    শুধু কাঁদলেই তো আর হালকা হওয়া যায় না-

    :- না সেটা নয় গো সেটা নয়-
    বিশ্বাস শব্দটা শুনতে আমার ভালো লাগেনা…..
    আর কবি’কে না বোঝার মন আমার নয়।

    কষ্ট:- হালকা হতে হলে অন্যকোন উপায় খুৃঁজতে হবে তো-

    :- আমি এমন একটা মেয়ে-
    ……..সততা যার অলংকৃত-অহংকার,
    কিন্তু….এই সততা’য় আমায় রিক্ত করে ছেড়েছে!
    আমি অবশেষে অসহ্য একটা প্রাণী’তে পরিনত হয়েছি গো-
    ………..যার আগে-পরে বলতে কিচ্ছু’টি নেই।

    দুঃখ:- কি আর বলি….. তোমায়-
    অ’জানার আবেগে সীমাহীন দিগন্তে-
    আজ ছুটে চলে নিরাশা,
    তেমনি কিছু মুহূর্তের অনুভূতি;
    _____ এভাবেই চলছে-!
    তেমনি’ই হওয়া উচিৎ-
    সততার অলংকারে অলংকৃত তুমি হে হৃদিকা -!

    :- তুমি জাননা গো,
    আমি আর পাঁচ জন মানুষ থেকে-
    মনের দিক দিয়ে বোধ করি কঠিন!
    তা না হলে,
    দুটো কিডনি ইনজুরি-!
    হাসপাতাল থেকে ফিরে আসার এক সপ্তাহ বাদে ছোট ভাইয়ের মুত্যু!
    তবুও চোখে অশ্রু নেই-
    পাষান আরকি….!
    তারপর নিজের জীবনের শুরুটা অন্যকিছু হাঃ হাঃ হায়ঃ-

    দুঃখ:- বল কি তুমি?

    কষ্ট:- হুম,
    ……বাস্তবতার চরম মুহূর্ত।

    অতঃপর:- বলার ভাষা টা মনে হয় হারিয়ে যাচ্ছে গো!

    কষ্ট:- তাইতো গুছিয়ে কথা হয়না তোমার সাথে-

    অতঃপর:- জানিনা মুহূর্তের কি যেন দুমড়ে-মুচড়ে গেলো!

    :- এই,……..
    এভাবে ভাবতে হবেনা তোমায়,
    জানো তুমি?
    গত ১১টা বছর পর আবার কবিতা পড়ি-
    ভাললাগে-পড়তে,
    পড়তে খুব’ই ভালবাসি-
    শুনীলের বই,
    তারাশংকরের বই…… আরো কতো বই!
    পড়তে সত্যি’ই ভাল লাগতো।

    অতঃপর:- জানিনা কি….. তুৃমি !
    কিন্তু আমি এমনি হয়তো,
    সত্যি’ই-
    অন্যের কষ্টে ব্যথিত হয়েও নিজের সুখটুকু’ই শুধু খুঁজি;
    কি অদ্ভুত আমি-তাই না?

    কষ্ট:- বলনা,
    কি হয়েছে তোমার?
    নিঃচুপ কেন?
    তুৃমি তো জেনেই গেছ-
    অতঃপর এমনি -!

    :- বন্ধু সেতো বন্ধু’ই…… নয়কি?
    কেন জানিনা তোমার লেখা/ভাষায় এক ধরনের আর্ট আছে গো-
    …………গভীরে না যাওয়া পর্যন্ত বোঝা মুসকিল!
    আমি মর্মকথায় মরিয়া হই,
    বান ভাসা কথায় নই;
    আজ ভরসার ডানা ভেংগে গেছে,
    চোখদুটো রক্তলাল-ক্ষীণ আয়ু!
    ……..দৌড়চ্ছে সময়।

    কষ্ট:- কি যে বলোনা,
    _____ কবিতার পান্ডুলিপি গুলোই তো এমনি হয়!

    দুঃখ:- খুঁজে ফিরি প্রিয় –
    কিছু ভাষা,
    যা হৃদয়ের অলিগলি তড়পায়!

    অতঃপর:- আসলে গাঢ় নীল গুলো আমাকে,
    আবারও বারবার চমকিয়ে দেয়-!
    সত্যি বলছি;
    তোমার বাহিরেও আমি’টা আমিই থেকে যাই-!

    কষ্ট:- সেতো বুঝ-মানে না আপন হিয়া,
    রক্তাক্ত-পান্ডুলিপি শুধু মরীচিকা!
    ……সাহারার তৃষা মোর জীবন আঙ্গিনা।

    অতঃপর:- আজকের কবিতার পান্ডুলিপি কব্যহীনতা’য় তৃষ্ণাপ্ত!
    আবেগ নাকি যেখানে প্রবল!
    _____ ভাষা নাকি সেখানে অসহায় –
    জ্যাম বাঁধা না’বলা কথা বলতে;
    …………আমার…ও তো ইচ্ছে হয়।

    :- কে বলে বর্ষা শুধু শ্রাবনে ঝরে,
    বারমাস-কাল হৃদয়ে ঝরে-
    পাহাড় ক্ষয়ে যেমন পাথর সাঁজে!
    নদী বয়ে যেমন সাগরে মেশে;
    আর দুঃখ’রা কেঁদে তবে আমাতে মেশে।

    দুঃখ:- আবারও বলছি,
    নীরব প্রিয়া’র মতো প্রেয়সী তুমি-
    তুমি নন্দিনী;
    _____নন্দিনী তুমি অস্পর্শী-!

    কষ্ট:- আমি ঝরা পাতা গো,
    অবহেলিত নাম না-জানা বন্য ফুল!
    ……….যা দিয়ে মালা হয়না কখনো।

    দুঃখ:- দেখ,
    দেখো না তুমি –
    আবারো লুকিয়ে ফেললে নিজেকে!
    অজানা অনুভূতি’র আড়ালে-
    তবুও জানতে আমার ইচ্ছ হয়;
    অজানা সেই সুরভিত ফুলে’র নাম।

    কষ্ট:- লুকোচুরি নেশা নয়,
    সবাই মিথ্যে দিয়ে জয়ী হতে চায়!
    …….আমি;
    আমি কিন্তু সে দলের নই।

    অতঃপর:- হয়তো বাস্তবতা সে রকমেই,
    তারপরও অতঃপর আমি এমনি-!

    :- আমি তোমার আরাত্রিকা নই-
    আমি অমাবস্যা,
    আমি আলো নই আলেয়া……!
    আমি বৃষ্টি নই মেঘবালিকা।

    অতঃপর:- ভুল বলছো তুমি-
    আলো ছাড়া আলেয়া পূর্ণতা পায় না;
    ______ কখনওই নয়।

    :- আর পারছিনা,
    জানো প্রচন্ড মাথা ধরেছে-
    হয়তো জার্নিতে ঠান্ডা লেগেছে!
    আজ তবে এই;
    নিঃশ্বাস যদি থাকে তবে আবার আসবো ফিরে-

    অতঃপর:- তবুও ক্ষণিকের সমাপ্তি’তে হে প্রিয়, স্বপ্নের রং-এ!
    এমনি কোন রাঙ্গানো নীরব রজনী’তে-
    রাগিণী তুমি শুভরাত্রি;
    সু-চেতনা’য় ভরে উঠুক এক হৃদয়ের আঁখি অমৃত প্রণয়-এ।

    ডি কে মহন্ত/-

    1 Share
    11
    10 Comments

D K MAHANTA

VILLAGE DOCTOR https://www.facebook.com/dk.mahanta.58 01718942602

"আমি কবি নই, আমি তোমার রচনা'র সংক্ষিপ্ত পান্ডুলিপি মাত্র!"

Skip to toolbar