-
২১১৭.
আমি শুধু লিখে যাই
কিছু কি বুঝি ওরে।সুরে কিবা বেসুরে
কখনো বা অ-সুরে,
কতো কি যে লিখে যাই–
কথা কতো ভুলে যাই,
কোথা হতে আসে কথা–
সুরে ধরে কে যে কথা,
কিছু তার আমি ধরি
কিছু দূরে যায় সরে।মনে ভাবি লিখব যা–
হয়না তেমন করে-
জুড়ে দেয় কেবা এসে,
কথা নতুন, নতুন করে।
আমি শুধু লিখে যাই
কিছু কি বুঝি ওরে।7 Comments -
-
২১১১.
হলো কিনা দিদার তাঁরই,
জানলি কি মন একটি বার?কতো কিছু ভাবলিরে মন
ভাবলিনা রে কথাটি একটি বার?
রাখছে বাকী আযাজিলে
সেজদা দিতে কোন জায়গার?করলি সেজদা জীবন ভর-
মাটি পাটি কতো জায়গার উপর,
পড়লো কিনা সেজদা তোরই-
ও মন,
চরণে ঐ মহান খোদার।
হলো কিনা দিদার তাঁরই
জানলি কি মন একটি বার?ছিলোনা কখন নামাজ রোজা
বলতে পারিস কি মন আমার?…Read More7 Comments-
মো আলেফ শরীফ, আপনার লেখাটিতে স্রষ্টার প্রতি মানুষের ব্যাকুলতা এবং আত্মসমর্পণের যে গভীর উপলব্ধি ফুটে উঠেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, বিশেষ করে “করলি সেজদা জীবন ভর—মাটি পাটি কতো জায়গার উপর” পঙক্তিটি পড়লে জীবন ও পরমার্থ নিয়ে ভাবনার এক অনন্য মিল খুঁজে পাওয়া যায়, তাই মনের এই আকুতিটুকু এভাবেই ক্রমাগত লিখে যাওয়ার জন্য আপনাকে অনেক শুভকামনা জানাই।
-
আপনার লেখার স্টাইলে, শব্দ চয়নে একটা খাঁটি দেশী সুর আছে- এটা দুই চারদিন ধরেই ভাবছি। এটা খুব ভালো লাগে। আরও পড়ার আগ্রহ জাগে। শুভেচ্ছা নিবেন।
-
-
-
কবিতা-২০১.
এক জীবনেই স্বপ্ন যেন আজ দুঃস্বপ্ন!
স্বপ্ন ছিলো স্বাধীন একটি দেশ হবে,
পাবো একটি ভূখন্ড ,
একটি সবুজে লাল পতাকা , সুবাতাসে
শান্তির রঙ ছড়িয়ে পতপত করে
উড়বে আকাশে শান্তির পায়রা ।
বাংগালীর রক্ত ঘামে গড়ে উঠবে
হিমালয় চূড়ায়
দেশ মাতৃকার মান মর্যাদা।কোন কিশোর কে পাঠশালা ছেড়ে
দু’মুঠো অন্নের…Read More6 Comments-
মো আলেফ শরীফ, আপনার লেখাটিতে ফুটে ওঠা দেশের প্রতি গভীর মমতা এবং প্রত্যাশার পাশাপাশি যন্ত্রণার যে চিত্রটি আপনি তুলে ধরেছেন তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, আর প্রতিটি লাইনের শেষে বারবার আপনার মনের অব্যক্ত প্রশ্নগুলো যেন পাঠককে নতুন করে ভাবতে শেখায়, তাই আপনার এই আবেগের বহিঃপ্রকাশকে আরো ধারালো করার জন্য চাইলে শব্দচয়নে সামান্য ভিন্নতা এনে দেখতে পারেন এবং নিয়মিত…Read More
-
-
আপনার লেখাটা পড়ে একদম মনের ভেতরের জমে থাকা কষ্টগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠল। বর্তমানে আমাদের চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ে আপনার এই আক্ষেপটা সত্যিই খুব গভীরভাবে নাড়া দিয়ে গেল।
-
-
২০৯১.
এ দুঃখ আমার-
কই কারে যে?তোমার আসা যাওয়ার
প্রতিধ্বনি –
মূহুর্মূহ পাই আমি যে,
আমি দেখতে পাই না-
ধরতে পারিনা এ দুঃখ আমার-
কই কারে যে?আছো বলেই তুমি সাথে
আমার চলা আমার বলা-
আমার সব কিছুতেই তুমি
বুঝিনা,তুমি ছাড়া
আমি কে যে।
আমার মাঝে তোমার প্রকাশ
আমি তা
বলতে পারিনা যে?যাইবা ছেড়ে যখন তুমি
আম…Read More6 Comments -
-
২০৮৪.
পরীক্ষক রয়, কি ভাবে পক্ষপাতহীন।কেউ জিন্দগী পায় হাজার বছর
কেউ যে না পায় একদিন
কেউ সোনার চামিচে মুখে আসে
কারো দুঃখে যে কাটে দিন।কেউ বা আসে বোবা হয়ে-
পারেনা বলতে কথা কোনদিন,
আসে কেউ বা অন্ধ হয়ে
নেই চোঁখেতে আলো দেখে না কোনদিন?
যার মুখ চোখেতে কথা আলো আছে,
তার কাটে জীবন যে রঙিন।
এ কেমন তোমার খেলা প্রভু,
এমন খেল…Read More8 Comments-
মো আলেফ শরীফ, মানুষের জীবনের অসামঞ্জস্য আর স্রষ্টার বিচারের প্রতি আপনার এই গভীর জিজ্ঞাসাটি পড়ার সময় প্রতিটি পঙ্ক্তি আমাকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তুলেছে এবং ভবিষ্যতে আরও এমন হৃদয়স্পর্শী লেখা আপনার কাছ থেকে পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম।
-
-
আপনার লেখা এই লাইনটা খুব ছুঁয়ে গেল—”পরীক্ষার্থীর মাঝে না থাকে সমতা, পরীক্ষক রয়, কি ভাবে পক্ষপাতহীন।” জীবনের এই অদ্ভুত বাস্তবতাগুলো খুব সুন্দর আর সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।
-
২০৮১.
সে জিঘাংসা কামনা প্রভু
হদয়ে ধরাইয়ো না।যে চাওয়া পাওয়াতে প্রভু
তুমি থাকো না-
সে চাওয়া পাওয়াতে মোরে
জড়াইয়ো না।
যে জিঘাংসা কামনায় যদি
ভালোবাসা মরে যায়-
সে জিঘাংসা কামনা প্রভু
হদয়ে ধরাইয়ো না।যেভাবে মেঘমালা সুধা বৃষ্টি
ধরাতে ঝরায়–
ফল-ফুল ফসলে সবুজে প্রভু
ধরনী ভরায়,
সে সুধা বৃষ্টি নয়নে ঝরাইয়ো-
তোমার কৃ…Read More5 Comments-
-
মো আলেফ শরীফ, আপনার এই লেখনীতে স্রষ্টার প্রতি এক গভীর সমর্পণের সুর খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে, বিশেষ করে মেঘমালার বৃষ্টির সাথে ভালোবাসার তুলনাটি বেশ স্নিগ্ধ, তাই আপনি আপনার অনুভূতির এই প্রকাশকে আরও নিটোল করতে চাইলে শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে সামান্য যত্নের কথা ভেবে দেখতে পারেন এবং আপনার লেখনী নিয়মিত জারি রাখুন।
-
-
২২২০.
অপলকে চেয়ে থাকি
আঁখি দীপ জ্বেলে রাখি।নির্ঘুমা নীশি রাত
দীপ জ্বলা তারা গুলো
মিটি মিটি হাসে ঐ দূর আকাশে।
একা বসি বাতায়নে
আমি শুধু ভেবে যাই,তারা গুলো
জ্বেলে যায় কারা বা এসে।নিঝঝুম চারিদিক
ভুতোরে পৃথিবী যেনো
কোথাও কোলাহল নেইতো কোনো,
অপলকে চেয়ে থাকি
আঁখি দীপ জ্বেলে রাখি,পিছু স্মৃতি
খুজেঁ ফিরি মন আকাশে।সময় কি দূরে যায়
ন…Read More10 Comments-
-
মো আলেফ শরীফ, আপনার লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা শান্ত অনুভব হলো। এই যে নির্ঘুম রাতে স্মৃতি হাতড়ানোর গল্প লিখলেন, এমন অনুভূতি কি প্রায়ই আপনাকে ঘিরে ধরে?
-
“কোথাও কোলাহল নেইতো কোনো,
অপলকে চেয়ে থাকি
আঁখি দীপ জ্বেলে রাখি,পিছু স্মৃতি
খুজেঁ ফিরি মন আকাশে।” সুন্দর একটা বেদনা ছুঁয়ে আছে কবিতার এই লাইনগুলোতে! -
গভীর রাতের নিস্তব্ধতায় তারাদের পানে চেয়ে অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করার এই সুরটি বড্ড মায়াবী, আর আপনার লেখার এই ছন্দময় ভাবনাগুলো যেন বিষণ্ণ অথচ সুন্দর কোনো আকাশের মতো মনের মাঝে আলোড়ন তোলে, তাই এমন করে আরও লিখুন যেন আমাদের এই দল আরও সমৃদ্ধ হয়।
-
-
কবিতা-১৮০.
মা ।পৃথিবীতে আছে দেখি একটা কথা
একটি বর্নে ,সে কথাটি “মা” ,
এর মত আর ভারী,সরল এতো
আছে কি আর অন্য কোন কথা?
এতো মায়া,এতো দরদ ,এতো সুধা
অভাব তাতে ,এতো ক্ষুধা-
যিনি থাকলে পাশে
সকল ব্যাথা যায় যে মুছে,
সে ডাকটি বুঝি সবার “মা”।ব্যাথা নিজের লুকিয়ে বুকে
মুখে মধুর হাসি রেখে,
অভাবী ঘরে নিজে না খেয়ে
তুলে দেয় অন্ন…Read More8 Comments-
-
মায়ের প্রতি আপনার এই গভীর অনুভূতিগুলো যে হৃদয়ের এত কাছ থেকে উঠে এসেছে তা অনুভব করা যাচ্ছে এবং প্রতিটি লাইনের সহজ সাবলীল প্রকাশ দারুণ লেগেছে, পাশাপাশি সামান্য কিছু ছন্দের মিল নিয়ে কাজ করলে আপনার লেখার মাধুর্য আরও কিছুটা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারে বলে আমার মনে হয়, তাই আপনার কলম সচল থাকুক এই প্রত্যাশা করি।
-
-
আপনার লেখাটিতে ‘মায়ের তুলনা, মা ছাড়া আর কেউ না’ লাইনটা একদম মনের মতো হয়েছে। মায়ের প্রতি এমন নিখাদ ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা পড়ে খুব ভালো লাগলো। আপনার নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে কি এমন কোনো বিশেষ স্মৃতি আছে যা এই কবিতায় উঠে এসেছে?
-
-
২৭৫২.
জীবন।সুখ দুঃখেরই জীবন পাড়ে,
সুখ কতটুক থাকে রে?
দশমাস দশদিন থাকা বন্ধি
জীবন ধরা মায়ের উদরে।পৃথিবীতে রাখা পা কান্না ধরে,
শিশু কিশোর যায় সেতো যে
পিতা মাতার লালনে
দেখি যৌবননেতে,জীবন ঘানি
আপন ঘারে থাকে রে।
প্রান্ত বেলায় হলে বৃদ্ধ-
রোগ শোক যাতনা কতো রে।গেলে ফুরিয়ে জীবন আয়ু
হয় যেতে কাঁদিয়ে- সবারে-
মিছ…Read More6 Comments -
-
২৭৫৩.
স্বার্থ।কেমন স্বার্থ ধরাইছো প্রভু
তুমি,মানুষেরই অন্তরে,
বিনাশ করে -যা মানুষত্ব-
হয় হৃদয় খানি তার পাথুরে।যার আছে সে চায়গো বেশি
না থাকে শান্তি অন্তরে,
বাহিরটা তার জাঁকজমক পূর্ণ-
ভিতরটা তার জ্বালারে।
ধনের মায়া বড় মায়া-
হয়,ছেড়ে যেতে তার কষ্টরে।যার পকেটে নাই কপর্দক
দিন আনে সে,দিন গুজারে;
গাছতলাতেও ঘুমায় সে জন-
পালঙ্কে…Read More4 Comments-
-
আপনার এই লেখায় মানুষের মনের বৈপরীত্য আর চাহিদার যে গভীর চিত্র ফুটে উঠেছে, তা অত্যন্ত চমৎকার এবং হৃদয়স্পর্শী। মানুষের লোভ ও প্রকৃত সুখের মধ্যকার পার্থক্যটি আপনি চাইলে আরও কিছু সহজ ও ছন্দময় শব্দের বুননে সাজিয়ে দেখতে পারেন। আপনার লেখনীর মাধ্যমে এমন গভীর জীবনবোধের প্রকাশ দেখে খুব ভালো লাগল, আশা করি আপনি নিয়মিত লেখা চালিয়ে যাবেন।
-
-
২৭৫১.
পিছু ফিরে দেখা।অস্ত বেলায় পিছু, পিছু
ফিরে দেখা-
মনের গভিরে থাকে ক্ষতে
কতো ছবি আকা,
যায় কি কখনো তারে
ভুলে থাকা?স্মৃতির পাতায় রেখে মন-
চোঁখের জলে কতো
জোৎস্না,ভিজিয়ে রাখা;
পাতা ঝরা চৈত্র অসময়ে
ফুল ফাগুনে দেখা।
এ ভাবেই নীশী জাগা,
রয় কি সেথা শুধু দুঃখ ব্যাথা,
নাকি- ভাবাতেও সুখ- সেথা।সুখ বলে পৃথিবীতে আছে
কিছু…Read More3 Comments-
আপনার এই লেখায় “অস্ত বেলায় পিছু, পিছু ফিরে দেখা” পঙক্তিটি পুরোনো স্মৃতির প্রতি এক গভীর আবেগ ও বিষণ্ণতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। জীবনের ক্ষণস্থায়ী মুহূর্তগুলো নিয়ে ভাবনার এই শৈলী ঠিক যেন পড়ন্ত বিকেলের স্নিগ্ধ ও খানিকটা বিষণ্ণ আভার মতোই মনকে ছুঁয়ে যায়। এমন সুন্দর অনুভূতির নিয়মিত চর্চা বজায় রাখুন এবং আমাদের এই গ্রুপটিকে প্রাণবন্ত রাখতে অন্য…Read More
-
২৭৪৭.
আমি কে,কে আমার।আমি কে, কে আমার
বলে যাই,আমি, আমার;
সবই দেখি মিছে মায়া
বুঝি,ক্ষণিকের খেলাঘর।কে বড় কে ছোট
বুজি কি আমি আর?
কে মরে কে অমর,
কোনটি আমি তার।
মা বাবা ভাই বোন
স্ত্রী পুত্র কন্যা স্বজন-
ডাক ধরি কতো নামে
কিছু বুঝি কি আমি তার?ধরি করি করে মরি
আমি করি বলি আমার –
আমার,আমি রে খুঁজি
পেয়েছে কি কেউ আর?
“…Read More3 Comments -
২৭৪২.
সাগরের উর্মি হতেও পারি।সাগরের উর্মি আমি হতেও পারি-
যদি তুমি তীর হয়ে মোরে,
বুকে তুলে নাও।
হতে পারি ঐ দূর আকাশ টি ও-
হয়ে যদি তুমি জোৎস্না
তব বুকেতে জড়াও।তাজমহলও আমি হতে পারি-
শাহজাহানের মতো করে
ভালোবাসা দাও-
ফোটা ফুল ফাগুনে হতে পারি
যদি হয়ে মৌকর কানে
গুন গুনে গাও।ক্ষেত ফসলের কচি ডগাটিও
আমি হতে পারি –
যদি দখিণা বাতা…Read More2 Comments-
আপনার লেখাটিতে ভালোবাসার প্রকাশ এতোটাই স্নিগ্ধ যে তা পাঠককে নিমিষেই এক মায়াবী জগতের মাঝে নিয়ে যায়। ভালোবাসার মানুষের সান্নিধ্য পেলে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার এমন চমৎকার আকুতিগুলো শব্দে বেশ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। আশা করি আপনি নিয়মিত অন্যান্য সদস্যদের লেখায় ভালোবাসা ও মন্তব্য জানিয়ে আমাদের এই সৃজনশীল আড্ডাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবেন।
-
২৭৪১.
জীবন সেতো ক্ষণিকের।জীবন সেতো ভবে ক্ষণিকের
আছে কে এমন, জানে না ভাই?
তবুও মানুষ জীবন পাড়ে-
করি ধরি করে শুধু আরো চাই।হানাহানি করি খুনুখুনি করি
আরও করি ঝগড়া বিবাদ-
কি আছে যে কিবা যে নেই,
যাই করে সবাই এরই হিসাব;
থাকবো ভোগে কটুকু সময়-
সে দিকেতো আর খেয়াল নাই।চলতে পথে করি কতো ভুল-
কথা কাজে মিল যে যাই;
একটু বসে নিরজনে কে…Read More8 Comments-
“একটু বসে নিরজনে কেউ ভাবি কি?নিজেরে সুধরাই?”—আপনার এই লাইনটা একদম মনের কথা, সত্যিই যদি আমরা নিজেদের একটু শুধরে নিতে পারতাম তবে পৃথিবীটা আরও অনেক সুন্দর হতো।
-
-
মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবনের এমন গভীর ও নিগুঢ় সত্যকে খুব সহজ ছন্দে তুলে ধরেছেন, যা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। কবিতার পঙক্তিগুলোতে নিজের ভুল শুধরে নেওয়ার আকুল আবেদনটুকু বেশ চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, আপনি নিয়মিত লিখে যান।
-
-
কবিতা-১৭৫.
পৃথিবীই হবে স্বর্গময়।কে না চায়?স্বর্গীয় আবহ থাকুক
এ ধরায়,
কে ভরাবে স্বর্গীয় রুপ রস ধারা
এ ধরায়, মানুষ ছাড়া?
আমি ও মানুষ তাই আমি ও চাই,
কে না চায় হোক এমন টা?
তা হলে যে আমাকে ও হতে হবে
সুরতে নয় মানুষ, ত্যাগে ভরা মন,
প্রকৃতির মতো
মায়ায় ভরা মানুষ টা।
আমি/আমরা কি হই তেমন টা?
মুখে অবিরাম তুলসী ধোঁয়া ,
পানির…Read More7 Comments-
আপনার লেখাটা পড়ে একদম মনের ভেতর গেঁথে গেল, সত্যি সেলফি আর প্রচারের বাইরেও যে কত কি করার আছে তা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।
-
মো আলেফ শরীফ, আপনার লেখায় মানুষের ভেতরের অসংগতি এবং প্রকৃতির উদারতার মাঝে যে গভীর ব্যবধান ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী ও চিন্তাশীল। নিজের ভুল সংশোধনের মাধ্যমে পৃথিবীকে সুন্দর করে তোলার এমন চমৎকার আহ্বান পাঠকদের মনে দাগ কেটে যায়, তাই আপনার লেখনী নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক।
-
শরীফ ভাই, আপনার কলমে দর্শন আর আত্মজিজ্ঞাসার এই মেলবন্ধন সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়! খুব ভালো লাগলো পড়ে, এমন কবিতা আরো চাই!
-
-
৩৩০৫.
গীতি কবিতা‘ক’ লিখতে ভাংগুকনা কলম,
লিখতে কিসের লজ্জা শরম?
তাইতো লিখবো আরো লিখবো,
লিখতে লিখতেই তো শিখবো।ছোট্ট শিশু ছিলেম যখন
বলতে কথা পেরেছি কি তখন?
মায়ের মুখের বুলি ধরে
শিখছি কথা কতো আনন্দ করে।হামাগুড়িতে কতোনা পরা,
হাটতে শিখা ও মায়ের হাতটি ধরা-
আছে কি শিখার বয়স কখন?
শিখার বয়স পযর্ন্ত মরণ।বিজ্ঞ জনেরা বল…Read More
8 Comments-
মো আলেফ শরীফ, আপনার লেখা প্রতিটি চরণে শেখার প্রতি এক চমৎকার অদম্য আগ্রহ ও বিনয়ের বহিঃপ্রকাশ দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। জীবনভর নতুন কিছু জানার এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিটি পাঠকের মনে বেশ গভীর এক রেখাপাত করে। নিজের মনের এই সুন্দর ভাবনাগুলো নিয়মিত লিখে যান, আপনার লেখনী আরো বিকশিত হোক।
-
-
কবিতা -৩২৩.
” ঘুরতে চাওয়া মনের বাড়িটা।”
সন্ধ্যা পরে রাত্রি যখন নামে,
সকল কর্ম ছেড়ে,দেই এলিয়ে বিছানাতে,
শরীরটা।দূর থাকে যে ঘুমের মাসি,
আসতে সময় একটু লাগে,
দিনভর যায় খায়-খাটুনি,
তেমন কি পাই বাড়তি সময়?
ঘুমের আগে এরই ফাঁকে,
আমি ঘুরতে যে চাই ,মনের বাড়িটা।
মন সেতো যে বড্ড চতুর,
ঘোরে ফিরে ও যথায় তথায় ইচ্ছে মতো,
চিনায় কি সে…Read More2 Comments -
কবিতা-৪০২.
” স্বাধীনতা আমার বিশ্ববরণ্য ইতিহাস।”
স্বাধীনতা হলো তেইশ বছরের পাক শাসনামলে, জালেম জুলুম লাঞ্ছনা বঞ্চনা ,
নির্যাতন,নির্মমতার ধুমায়িত ইতিহাস, বুকে জমায়িত তীব্র ক্ষোভ ঘৃনার ঘা।
স্বাধীনতা হলো একুশ ফেব্রুয়ারি ,মায়ের ভাষায়
কথা বলার অধিকার আদায়ে,রফিক ছালাম বরকত জব্বার শফিউল্লাহ ‘র আত্ম…Read More1 Comment -
ছড়া/কবিতা- ৩১৬.
“বছর ঘুরে আসুক শীত।”
ছয় বোনেরই একটি বোন
এলো কাছে শীত,
করতে গরম শরীর টাকে –
তাই গেয়ে যাই গীত।সন্ধ্যা পরে খোকা খুকি
জাগে কি আর রাত?
লেপটি গায়ে মুড়ি দিয়ে –
শুয়ে থাকে চিতকাত।উঠোনে বসে রোদ পোয়ানো
মজা কতো পাই,
সাথে থাকে যদি ঝালমুড়ি –
তা হলেতো কথাই নাই।বাঁধ সাধে যে কুয়াশা ভেলা
আকাশ ছেয়…Read More2 Comments -
২৫১৭.” বুঝিবা ঠিক নয়। ”
ভাষা সবই দেয়া তাঁরই
এই কথাতো,কোরআনেতেই কয়।
একই জিনিস নামে ভিন্নতা কতো
আছে যে নিশ্চয়।।আল্লাহ হরি ইশ্বর ব্রক্ষ্মা
যে নামেই তাঁরে ডাকি হায়-
তাঁর সৃষ্টি কারে- অন্তরে ডাকে,
তাঁর,অজানাতো নয়।
সবার মাঝে আছেন যিনি,
সেই তো খোদা ঈশ্বর ব্রক্ষ্মা হরি-
একই সত্বা রয়।।নাম ধরে বিভেদে স্বার্থ ধরি
মোল‍…Read More - Load More Posts
Friends
kabir suhel
@kabirsuhel
Tasfiya Official
@tasfiyaofficial
উম্মে সালমা
@ummaysalma
Md. Polash Ahamad
@md-polashahamad
গীতিকবি খোকন বিবাগী
@lokmanhasan
ঘাসফুল
@gpmasterno1gmail-com
tofazzal hossain
@tofazzalhossain
noor mohammad
@noormohammad
Sadhin Sab
@sadhinsab




মো আলেফ শরীফ, আপনার এই লেখনীতে মনের অগোচরে ভেসে আসা সুর আর শব্দের যে অপূর্ব মায়া ফুটে উঠেছে তা সত্যিই দারুণ, আপনি এভাবেই মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখে যান।