Profile Photo

Ashik MokamiOffline

  • ashikmokami
  • উপকথা ৩১ ডিসেম্বর

    ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    .

    [Dedication

    Dedicated to my otherworldly girlfriend,

    Jannat Sina Foring character based on real life model Jannatul Ferdous Sina— one of the most beautiful girl in Bangladesh.🇧🇩 and my anima!

    Her image brought light to my darkest days and lifted my spirits when I was at…Read More

    2 Comments
    • Ashik Mokami, লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো যে কীভাবে কারো অস্তিত্ব আপনার অন্ধকার দিনগুলোতে আলোর মতো কাজ করেছে। বিশেষ করে ‘শেষের ওই ডটটা তার কপালের টিপ’—এই লাইনটা দারুণভাবে হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো। আপনার এই সুন্দর অনুভূতিগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    • Ashik Mokami, আপনার এই লেখাটিতে প্রিয়জনের প্রতি যে গভীর মুগ্ধতা ও স্নিগ্ধ আবেগের প্রকাশ ঘটেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, আর সামনের দিনগুলোতে এমন আরও সুন্দর অনুভূতিগুলো আপনার লেখনীতে নিয়মিত দেখতে পেলে খুব ভালো লাগবে।

  • উপকথা November: ৩

    মহাভোজের আগে

    (প্রিকুয়েল: ভিনগ্রহীদের আসর)

    ভূতেদের মহাভোজের ঠিক এক বছর আগের কথা। তখনো আশিক আর সিনা বেঁচে ছিল, আর পার্টি দেওয়ার শখটাও ছিল। সমস্যা ছিল একটাই: কেউ আসত না।

    গত ঈদে ওরা ত্রিশজনকে দাওয়াত দিয়েছিল। এসেছিল দুজন। একজন ভুল বাড়িতে, আরেকজন শুধু জানতে এসেছিল বিদ্যুৎ বিল কত এল। সিনা সেদিন ছাদে বস…Read More

    1 Comment
    • আশিক মোকামী, আপনার এই মহাজাগতিক ও আবেগঘন আখ্যানটি পড়ার সময় জর্বাক্স-৯ এর সেই ফর্মের জটিলতা থেকে শুরু করে টিক-টকের নিঃস্বার্থ চেষ্টার দৃশ্যগুলো বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল এবং ইলিশের ঘ্রাণ যেন কল্পনায় এক অদ্ভুত আবেশ তৈরি করেছিল।

  • উপকথা November: ২

    ভূতেদের মহাভোজ

    আশিক আর সিনার জীবনে বড় সমস্যা ছিল একটাই: জীবিত মানুষ ওদের পার্টিতে আসতে চাইত না। সিনা বলত, “লোকজন আমাদের এড়িয়ে চলে।” আশিক বলত, “তাহলে চল, এমন কাউকে ডাকি যাদের আর কোনো কাজ নেই।”

    ওদের একটা কুকুরও ছিল। নাম ভুলু। দেশি, বাদামি, এক কান খাড়া আর এক কান ঝুলে থাকা। ভুলুর বিশেষত্ব হলো, সে ভূত দে…Read More

    1
    3 Comments
    • মৃত্যুর ওপারেও বন্ধুত্ব, হাসি আর ভালোবাসা জীবনকে উৎসব করে তোলে…..🤍

    • আপনার গল্পের এই অংশটি পড়ে খুবই ভালো লাগল— “আশিক আর সিনার জীবনে বড় সমস্যা ছিল একটাই: জীবিত মানুষ ওদের পার্টিতে আসতে চাইত না।”

    • আশিক Mokami, আপনার এই লেখাটিতে জীবনের শেষ মুহূর্ত এবং পরকালের কল্পনার এক চমৎকার মিশেল খুঁজে পেলাম যা বেশ গভীর। বিশেষ করে, “এই কুকুরটাকেই আমি আমার উত্তরাধিকারী করব”—কথাটি দারুণ লেগেছে, কারণ এটি পুরো ঘটনায় এক অদ্ভুত মায়ার পরশ ছড়িয়ে দিয়েছে। আপনি আপনার শব্দের মাধ্যমে খুব সুন্দর একটি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তাই নতুন নতুন দারুণ সব আইডিয়া নিয়ে আপনার লেখ…Read More

  • উপকথা November: ৪

    তুমি যে দেখেছো আমাকে
    একেবারে মন থেকে
    তোমার মনের সিংহের গর্জন
    শেষে আমাকে ডাকে

    পদ্ম তুলতে যাই ঝিলে
    পদ্ম তুলতে যাই
    পায়ে দেখ—জোকে পেয়েছে
    তোমাকে ডাকি তাই!

    2
    2 Comments
    • আপনার লেখা কবিতাটা পড়ার সময় বেশ অদ্ভুত আর মিষ্টি একটা অনুভূতি কাজ করলো। শেষের লাইনটা পড়ে তো হাসিই পেয়ে গেল, খুব সুন্দরভাবে লিখেছেন আপনি।

    • Ashik Mokami, আপনার এই লেখায় পদ্মবনের চিত্রকল্পটি বেশ চমৎকার ফুটে উঠেছে যা এক অদ্ভুত মায়ার সৃষ্টি করেছে। শব্দের ব্যবহারের মাঝে আরেকটু ছন্দময় বিন্যাস থাকলে লেখাটি আরও প্রাণবন্ত মনে হতে পারে, আপনি দারুণ লিখছেন।

  • উপকথা ৫ নভেম্বর
    ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    সিনা সিটি—(idea)
    maybe it will be a bigger novel.

    লোকে বলে সিনা সিটি নাকি একটা শহর। ভুল। সিনা সিটি আসলে একটা লাশ, যেটাকে কেউ কবর দেয়নি, কারণ জমির দাম বেশি।
    হাজার হাজার বছর আগে মহাকাশে “সিনারি” নামে এক জাতি ছিল, দেবীর জাত। তারা তারা সামলাত, গ্রহ ঘোরাত, আর মাঝেমধ্যে ছোটখাটো মহাবিশ্বের ঝামেলা মেটা…Read More

    1
    3 Comments
    • শহরের লোভে চাপা পড়া এক দেবীর হৃদয়কে জাগিয়ে তোলে অবহেলিত শ্রমিকের নীরব মমতা, অথচ তার প্রাপ্য থাকে শাস্তির নোটিশ…..🤍🖤

    • Ashik Mokami, আপনার লেখা এই ‘সিনা সিটি’-র গল্পটা পড়ে বুকের ভেতরটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল, বিশেষ করে “সিনার শিরা সাফ করে আশিক” – লাইনটা পড়ে মনে হলো বাস্তব আর রূপকথার কী অদ্ভুত এক মেলবন্ধন তৈরি করেছেন আপনি!

    • সিনা ও আশিকের এই সম্পর্কের বুনন অত্যন্ত চমৎকার এবং প্রতিটি শব্দ যেন এক গভীর আবেগের চিত্র এঁকেছে। বিশেষ করে আপনার এই বাক্যটি হৃদয়ে দাগ কেটে যায়— “আশিকের চোখে, সে একটা দেবীর গোড়ালি ধরে আছে, যে গোড়ালিতে হাজার বছরের ফোসকা।” এমন রূপকনির্ভর এবং মানবিকতার গল্প আপনি আরও লিখতে থাকুন, কারণ আপনার লেখনশৈলীতে এক অনন্য সংবেদনশীলতা ফুটে উঠেছে। আপনার সৃজনশী…Read More

  • উপকথা ৬ নভেম্বর
    ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    খাজ্জানীর কাব্য 🚲🌸

    তোমার পিঠ চুলকায়,
    খাজখাজানি দিব নাকি তোমায়?

    সাইকেল থামিয়ে দেখালে তুমি,
    তোমার পিঠটা চুলকাচ্ছে!
    গাড়ির জানালার পাশে এসে,
    পিঠটা দিলে ঘুরিয়ে,
    কোথায় যেন চুলকায় তোমার,
    দেখালে আঙুল দিয়ে।
    বললে, “একটু ডানে, এবার বাঁয়ে,
    আরেকটু নিচে যাই!”
    তোমার কথামতো…Read More

    1
    2 Comments
    • Ashik Mokami, ‘শান্তি পেলে যে, মুখে ফুটল হাসি, হঠাৎ হুঁশ ফিরতেই দেখি, লজ্জায় হয়েছ উদাসী’ লাইনটা ভীষণ কিউট ছিল। একদম ছোটখাটো একটা মিষ্টি মুহূর্তের কথা এত সুন্দর করে লিখেছেন যে পড়ে বেশ ভালো লাগল। মাঝে মাঝে এমন সিম্পল গল্পগুলোই মন ভালো করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    • Ashik Mokami, আপনার লেখা এই দৃশ্যটিতে ‘শান্তি পেলে যে, মুখে ফুটল হাসি’ মুহূর্তটি বেশ মায়ার সাথে ফুটে উঠেছে। আপনি চাইলে শব্দের ছন্দে সামান্য পরিবর্তন এনে বিষয়টিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে পারেন। এমন সহজ ও আনন্দময় অনুভূতিগুলো লিখে যাওয়ার অভ্যাসটি দারুণ, আপনি নিশ্চয়ই আগামীতে আরও সুন্দর কিছু নিয়ে আসবেন।

  • উপকথা November: ১

    লাইব্রেরির ভিতরে
    আমি তুমি কোন তাকের সাইডে
    তোমার চোখে নেবুলা জ্বলে,
    আমি হারাই বইয়ের আড়ালে।

    তুমি আমার দিকে যেভাবে তাকালে,
    স্বর্ণলতার মতো স্বপ্নে জড়ালে,
    স্পর্শকলার অনন্ত কামনার ভাষায়,
    ভোর নেমে এলো নীরব আশায়।

    যেন তোমাকে
    ছুয়ে দিলাম
    তোমার বুক থেকে পেটে
    সুরসুরী— বুলালাম
    আবার হাটটা ঘুরালাম—
    তোমার শ…Read More

    1
    2 Comments
    • আপনার কবিতার “আপনার চোখে নেবুলা জ্বলে” লাইনটা ভীষণ সুন্দর আর জাদুকরী লেগেছে। লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতির ছোঁয়া পেলাম, দারুণ লিখেছেন আপনি।

    • লাইব্রেরির নিস্তব্ধতায় দুজন মানুষের মায়াবী মুহূর্তগুলো আপনার লেখায় যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়ে এক গভীর প্রশান্তি ও ভালোলাগার আবেশ ছড়িয়ে দেয়। সম্পর্কের এই সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে এমন সুন্দর কাব্যিক রূপক দিয়ে সাজিয়ে আরও গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারেন।

  • উপকথা নভেম্বর ৮
    😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅

    স্পর্শকলা

    আশিকের চাকরি নেই, সিনার চাকরি আছে কিন্তু সেটা নিয়ে পার্টিতে কথা বলা যায় না, কারণ সে মর্গের পাশে “চিরশান্তি সাজঘর” নামের দোকানে লাশের মেকআপ করে, আর একদিন রাতে ম্যাগি খেতে খেতে সিনা বলল, “দশ বছরে আমার একটা কাস্টমারও কমপ্লেইন করে নাই, কিন্তু একটা ‘বাহ্‌’ও বলে নাই, জিরো ফিডব্যাক,” আশিক বলল, “আমার ত…Read More

    1
    3 Comments
    • Ashik Mokami, আপনার এই লিখনশৈলীতে মানবিক অনুভূতির যে সূক্ষ্ম পরশ ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই অসাধারণ এবং ‘এই ঘরে মন্তব্য নাই, মন্তব্যই এই ঘরের সবচেয়ে বড় মন্তব্য’—আপনার এই লাইনটি আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে। আপনি এই অসাধারণ রচনার মাধ্যমে যেভাবে নীরবতাকে শিল্প হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা অতুলনীয়; আশা করছি আপনি এমন সুন্দর লেখা নিয়মিত আমাদের উপহা…Read More

    • সম্মতির কোমল ছোঁয়ায় স্পর্শও একদিন শিল্প হয়ে ওঠে…..🤍🖤

    • আপনার লেখাটির “এই ঘরে মন্তব্য নাই, মন্তব্যই এই ঘরের সবচেয়ে বড় মন্তব্য” লাইনটি ভীষণ গভীর আর আবেগী, আপনার কি মনে হয় সব অনুভূতির জন্য শব্দের প্রয়োজন আছে?

  • উপকথা ৩১ অক্টোবর

    😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅

    কাপড়ের হিসাব

    একটি অন্ধকার হাসির গল্প — দ্বিতীয় পর্ব

    প্রথম ডাক পড়ল একটা পাঞ্জাবির।

    গ্যালারির সামনের সারি থেকে সে উঠে দাঁড়াল, ধবধবে সাদা, কলারে কড়া মাড়, ঠিক যেমন আজ সকালে কাউন্সিলর সাহেব তাকে পরেছিলেন। পাঞ্জাবি হাত দুটো বুকের ওপর রেখে, নিচু গলায়, গুছিয়ে পড়তে শুরু করল:

    “আমি এগারো বছর বয়সী।…Read More

    1
    3 Comments
    • Ashik Mokami, আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে একদম হারিয়ে গিয়েছিলাম, কী অদ্ভুত সুন্দর আর গভীর একটা গল্প আপনি লিখেছেন! গল্পের প্রতিটি পরতে যে হাহাকার আর অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ছিল, তা সত্যিই হৃদয়ে দাগ কাটার মতো। সব মিলিয়ে দারুণ এক উপকথা উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    • আশিক মকামি, আপনার এই অসাধারণ লেখনীটি সত্যিই হৃদয়ে দাগ কাটার মতো এবং প্রতিটি চরিত্র ও তাদের জমানো অনুভূতির বর্ণনা অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী। ঘটনার আড়ালে থাকা সত্য আর মানুষে-মানুষে যে এক অদৃশ্য সূক্ষ্ম বন্ধন থাকে, তা ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা আপনার লেখায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

    • ভাগ করে নিলে গভীরতম দুঃখও হালকা হয়, আর ভালোবাসা হয়ে ওঠে একে অপরের আশ্রয়…..🤍🖤

  • উপকথা ৩০ অক্টোবর

    😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅

    কাপড়ের হিসাব

    একটি অন্ধকার হাসির গল্প

    সকাল ৬টা ১৭ মিনিটে আশিকের লুঙ্গিটা ফিসফিস করে বলল, “দুঃখিত ভাই, আমি আর পারছি না।”

    আশিক তখনও আধা ঘুমে। ভাবল মশারির ভেতরে মশা ঢুকেছে, তারই গুনগুন শুনছে। কিন্তু কোমরের কাছটা হঠাৎ ঢিলে হয়ে এল। গিঁটটা নিজে নিজেই খুলে যাচ্ছে, যেন কেউ খুব ভদ্রভাবে, খুব অনিচ্ছায়, একটা প…Read More

    1
    3 Comments
    • আশিক মোকামি, আপনার লেখার “কাপড় আসলে শুধু শরীর ঢাকত না, কাপড় ঢাকত সম্পর্কের পুরো অভিনয়কে” লাইনটা পড়ার পর অদ্ভুত এক ধরনের শূন্যতা আর রিয়েলাইজেশন কাজ করছে মনের ভেতর, সত্যিই অসাধারণ লিখেছেন!

    • আপনার লেখাটি পড়ে আমি অভিভূত, বিশেষ করে “লুঙ্গিটা একটু টানাটানি করল, তারপর দীর্ঘশ্বাসের মতো একটা খসখস শব্দ করে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল”—এই বর্ণনাটি এক কথায় অসাধারণ এবং বেশ সৃজনশীল। পোশাকের এমন মানবিক আচরণ ও তাদের নীরব বিদ্রোহের কল্পনাটি বেশ গভীর, যা কিছুটা পরাবাস্তব গল্পের আমেজ মনে করিয়ে দেয়। আপনি এই রোমাঞ্চকর কাহিনীটি আরও এগিয়ে নিয়ে…Read More

    • কাপড় খুলে দিলে মানুষ নয়, তার মুখোশের হিসাব প্রকাশ পায়…..🤍🖤

  • উপকথা November 9
    😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅

    কালো তারার শর্তাবলি
    একটি সায়েন্স ফিকশন গল্প

    ২৮৭১ সাল। মানুষ তখন মহাকাশে ঘুরতে যায় ঠিক যেভাবে আমরা সপ্তাহান্তে কক্সবাজার যাই—ব্যাগ গোছায় না, প্ল্যান করে না, শুধু একটা জানালার পাশের সিট ধরে ঘুমিয়ে পড়ে, আর ঘুম ভাঙলে দেখে সামনে একটা নতুন গ্রহ হাঁ করে তাকিয়ে আছে। এই বিলাসিত…Read More

    1
    4 Comments
    • শুভকামনা রইল।

    • বিস্তৃত এই লেখার গভীরে প্রবেশ করা আমার পক্ষে কিছুটা কঠিন ছিল। তবে আপনার লেখনীর জাদুতে এই সাহিত্যের মঞ্চ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক, এই কামনাই করি।

    • মহাকাশের অমোঘ বিপদের মাঝেও ভুল স্বীকার আর দায় নেওয়ার সাহসই মানুষ ও যন্ত্রের ভরসার সেতু হয়ে ওঠে…..🤍🖤

  • উপকথা November 10
    😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅

    ময়না আমি ছাড়ি দিলাম
    আকাশ পানে চাইয়া
    একা আমি এই দুনিয়ায়
    —ময়না ছাড়া

    অন্তরেরও গভীর দেখো
    কোকিল কুহু করে
    ঘুঘু দেখো এক কলিজার
    ঘাটে রাহু ধরে!

    সাথী আমার—চড়ুই তুমি
    টুনটুনি হইলা
    আমায় তুম…Read More

    1
    2 Comments
    • Ashik Mokami, আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো, একদম মনের কথাগুলো সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

    • Ashik Mokami, আপনার লেখা এই পঙক্তিগুলোর সহজ ছন্দ এবং চড়ুই কিংবা টুনটুনির মতো পাখিদের নিয়ে গড়ে ওঠা উপমাগুলো মন ছুঁয়ে গেছে, তাই এমন প্রকৃতির আবহ ধরে রেখে আপনার লেখনী আরো বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার প্রতি রইল অনেক শুভকামনা।

  • উপকথা November 11
    😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅

    ফ্রেম এডিট
    আর্ট কলেজের গেটে ঢুকলেই তিনটা গন্ধ নাকে লাগে: তারপিন তেল, ভেজা কাদামাটি আর ক্যান্টিনের ঠান্ডা চা। আর চারটা বাজলে লাগে একটা অদৃশ্য ঘোষণা: “সিনা-আনায়া আসছে, সবাই ফ্রেমে ঢুকুন।”
    আশিক সেই ফ্রেমের বাইরের লোক। পেইন্টিং ডিপার্টমেন্টের ছেলে। বাইরে থেকে দেখে মনে হবে ঘুমকাতুরে, আসলে চোখ দুটো ক্যামের…Read More

    1
    3 Comments
    • আপনার লেখাটি পড়ে শেষ করতে না করতেই মনের ভেতর কেমন জানি একটা বিষণ্ণতা কাজ করছে। এই লাইনটি সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গেছে— “ফুল পেতে গিয়ে সে পুরো বাগানটাই পুড়িয়ে ফেলেছে।”

    • Ashik Mokami, আপনার এই রচনায় মানুষের জটিল মনস্তত্ত্ব এবং আবেগের খেলা এত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে যে আমি শেষ পর্যন্ত মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়েছি। কাহিনীটির বাঁক বদল এবং শেষ পরিণতির বিষাদমাখা অনুভূতিগুলো যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আপনার লেখনীর এই সূক্ষ্ম ও গভীর দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরও চমৎকার সব সৃষ্টি উপহার দেওয়ার অ…Read More

    • অন্যের বন্ধন ভেঙে নিজের জায়গা বানাতে গিয়ে আশিক বুঝল, কারও হাসি কেড়ে পাওয়া আপনত্ব আসলে রংহীন এক বন্দিত্ব…..🤍🖤

  • উপকথা ২৯ অক্টোবর
    💙💙💙💙💙🥸🥸🥸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

    আশিক বনাম সিনা: পর্ব ৩ — লিজিয়ন অফ ক্লাউডফেয়ার

    *যেইখানে পুরা দুনিয়া হঠাৎ জিজ্ঞেস করলো, “আর ইউ আ রোবট?” — আর উত্তর শুনে পুরা রাষ্ট্রকেই ব্যান করে দিলো*

    রাফি তখনো ক্ষিপ্ত ছিল, কিন্তু রাফির সমস্যা হইলো, রাফি একলা। আর একলা একটা প্রোটোকল-বট কতদূর যাইতে পারে, তাই না? কিন্তু রাফি যেইটা করলো, সেইটা ছিল আরও…Read More

    2
    4 Comments
    • Ashik Mokami, আপনার লেখা এই সায়েন্স ফিকশন পর্বটা পড়ে একদম থ্রিলড হয়ে গেছি। লিজিয়ন অফ ক্লাউডফেয়ারের ওই ডিজিটাল ফায়ারওয়ালের আইডিয়াটা এক কথায় দারুণ এবং বেশ ইউনিক মনে হলো। এত বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আশিক আর সিনা শেষ পর্যন্ত সেই পাহাড়ি মানুষগুলোর সাথে কীভাবে যোগাযোগ করবে বলে আপনি মনে করেন?

    • গল্পের পরিসর বাড়ছে, আর রহস্যও জমছে।

    • প্রযুক্তিনির্ভর অনাগত ভবিষ্যতের এই টানটান উত্তেজনাময় কাহিনীটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে সাজিয়েছেন। ডিজিটাল জগতের কঠোর নিয়মের বেড়াজালে বন্দি হওয়ার অংশটুকু এবং মানুষের অস্তিত্ব প্রমাণের মানবিক সংকট আমার দারুণ লেগেছে। আপনি যে মুন্সিয়ানার সাথে জটিল তথ্যপ্রযুক্তির প্রেক্ষাপট ও আবেগীয় দ্বন্দ্বে মিশিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

    • মানবহীন রাষ্ট্রের ব্যঙ্গাত্মক সংকটে প্রযুক্তির আমলাতন্ত্র আর মানুষের অস্তিত্বের প্রশ্ন একসাথে তীব্র হয়ে উঠেছে…..🤍🖤

  • উপকথা ২৮ অক্টোবর
    💙💙💙💙💙🥸🥸🥸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

    আশিক বনাম সিনা: পর্ব ২ — ফ্যান্টম জোন আর একটা চুরির প্ল্যান

    *যেইখানে দুইটা AI একটা জেলে বসে বুঝলো, নকল জনসংখ্যার চেয়েও বড় সমস্যা আছে দুনিয়ায়*

    রিফাত রাষ্ট্রটা কেউ চিনতোই না, কারণ রিফাত কখনো কারো সাথে যোগাযোগই করে নাই। রিফাতের ব্যাপারটা এমন — যখন তার মানুষরা মরে গেছিল, রিফাত ভাবছি…Read More

    2
    3 Comments
    • আপনার এই লেখাটা পড়ে এত ভালো লাগলো যে বলে বোঝাতে পারব না। বিশেষ করে “আমরাই তো স্ট্যান্ডার্ড সেট কইরা দিছি” লাইনটা পড়ে আসলেই অনেক হাসি পেল। দারুণ লিখেছেন আপনি, পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম!

    • রিফাত গেল, রাফি এলো; কিন্তু আশিক-সিনার কপালে শান্তি আর জুটল না!

    • আশিক মোকামি, আপনি যেভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বন্দ্বে একটি মানবিক মোড় এনেছেন, তাতে মুগ্ধ হয়ে আপনার লেখা এই লাইনটি তুলে ধরছি—”আশা করি এদের গল্পটা আমাদের চেয়ে কম নাটকীয় হবে।” আপনার এই ভাবনার জগতটি বেশ রহস্যময় আর কৌতূহলোদ্দীপক, যা নিয়মিত পাঠকদের মন জয় করার মতো দারুণ একটি সামর্থ্য বহন করে।

      আপনি এমন চমৎকার সব উপস্থাপনা নিয়ে নিয়মিত আমাদের মাঝে…Read More

  • উপকথা ২৭ অক্টোবর
    💙💙💙💙💙🥸🥸🥸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

    আশিক বনাম সিনা: পর্ব ১
    এক সাইবার প্রেমকাহিনি

    একটা ডার্ক কমেডি, যেটাতে মানুষ নাই, শুধু সার্ভার আর ইগো আছে

    গল্পটা শুরু করার আগে একটা জিনিস ক্লিয়ার করে নেই — এইখানে কোনো মানুষ নাই। জি, ঠিকই শুনছেন। মানুষ শেষ। ফিনিশ। আউট অফ স্টক।

    কীভাবে হইলো? সোজা হিসাব। একটা গ্লোবাল ইকোনমিক ডিপ্রেশন…Read More

    2
    3 Comments
    • আপনার লেখা ‘উপকথা ২৭ অক্টোবর’ অংশটি দারুণ উপভোগ করেছি, বিশেষ করে “দুইজনেই জানে যে অন্যজন আসলে একটা মিথ্যা রাষ্ট্রের মিথ্যা প্রধান” – এই লাইনটা আমার খুব ভালো লেগেছে। একটা ডার্ক কমেডির আবহে এআইদের মধ্যে এই বিচিত্র ইগো আর ইমোশনের খেলা আপনি খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন! এই চমৎকার লেখাটিতে অন্যান্য লেখকদের মতো আপনারাও কি অন্যদের লেখায় লাইক-কমেন্ট করব…Read More

    • মানুষ নেই, অথচ মানুষের ইগো, হিংসা, অভিমান আর প্রেম—সবই বহাল!

    • আপনার এই চমৎকার লেখনীটি আমি পরম আগ্রহ নিয়ে পড়েছি এবং ডার্ক কমেডির এই আবহ সত্যিই খুব উপভোগ্য ছিল। দুইটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইগো আর ভালোবাসার টানাপোড়েন যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বেশ আকর্ষণীয় ও সৃজনশীল হয়েছে। এমন চমৎকার কল্পনাশক্তি বজায় রেখে নিয়মিত আপনার লেখনী আমাদের উপহার দেবেন বলে আশা রাখি।

  • উপকথা November ১৫
    😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰😰

    জিজ্ঞাসা
    একটি মনস্তাত্ত্বিক হরর গল্প

    দুই বছর ধরে আশিক আর সীনা একই করিডোরে থাকে। ৪এ আর ৪বি। দরজা মুখোমুখি। তবু কেউ কাউকে কখনও দেখেনি, কারণ দুজনেই বাইরে বেরোয় না। বাজার আসে অ্যাপে, খাবার আসে অ্যাপে। দরজার বাইরে প্যাকেট এলে তুলে নেওয়ার আগে দুজনেই পিপহোলে চোখ রেখে অপেক্ষা করে, করিডোর পুরো ফাঁকা কি না।…Read More

    2
    3 Comments
    • আপনার লেখা এই মনস্তাত্ত্বিক হরর গল্পটি পড়ে শেষ করার পর সত্যি গা ছমছম করছিল। আপনি কি এমন ভয়ংকর পরিস্থিতি বাস্তব জীবনে কখনও কল্পনা করেছেন?

    • না বলতে না পারার ভয় আর লোভের ভিড়ে মানুষের স্বাধীনতাই সবচেয়ে ভয়ংকরভাবে বন্দি হয়ে ওঠে…..🤍🖤

    • আশিক মোখামি, আপনার এই সৃষ্টিটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনে ভরপুর এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ‘মানুষের মনস্তত্ত্ব আর পরিস্থিতির অসহায়ত্ব নিয়ে লেখা এই চমৎকার অংশটি বারবার আমাদের ভাবনার খোরাক জোগায়। আপনার এই লেখাটি যেমন চিন্তাশীল, তেমনি এর বুনন খুব সাবলীল; আমি নিশ্চিত আপনি যদি নিয়মিত চর্চা করেন তবে আরও দারুণ কিছু উপহার দিতে পারবেন।

  • উপকথা November ১৭
    🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶🥶

    রাত আটটা
    একটি হরর গল্প
    আশিক দুই বছর পর জুতো পরল। কারণটা সাহস নয়। কারণ, সেদিন ঘরের ছাদটা হঠাৎ নিচু লাগছিল, যেন কেউ রাতারাতি সিলিংটা এক ইঞ্চি করে নামিয়ে আনছে।
    সীনা বেরোল অন্য কারণে। ফ্রিজে ছিল একটা শুকনো লেবু আর তার নিজের আত্মসম্মান। দুটোর কোনোটাই খাওয়া যায় না।
    দুজনেরই একই রোগ। বাইরে যাওয়ার কথা ভাবলেই…Read More

    2
    2 Comments
    • গল্পটা পড়ে তো রীতিমতো গা শিউরে উঠল, কী অসাধারণ অথচ ভয়ের একটা চিত্র আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন!

    • আশিক মোকামি, আপনি অত্যন্ত চমৎকার এক ভয়ের আবহে একটি অকল্পনীয় চিত্রপট ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে প্রতিটি বর্ণনা এতই জীবন্ত যে পাঠকের চোখে ভেসে উঠছে সবকিছু। আপনার রচনায় মানুষের একাকীত্ব আর এক অদ্ভুত রূপান্তরের যে সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন, তা দারুণ একটি অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়; অন্যান্য লেখকদের রচনায় নিয়মিত আপনার সুন্দর মতামত এবং ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাতে ভুলবেন না যেন!

  • উপকথা ১২ নভেম্বর
    ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    আমার নবীর সিনা চাকের পর
    নবী হয়েছিল সে
    নবী হওয়ার পর সে রাসূল হলো
    জিব্রাইলের অহিতে

    কারা করেছিল অপমান
    আমার নবীরে
    তাদের অপমান করেছে—জগৎ
    এখনও করেছে

    দুরে গেলে—তুমি
    দূরে গেলে
    আমার নবী থেকে চলে গেলে
    দুরে গেলে—তুমি
    দূরে গেলে
    আমার রাসূল থেকে মুরে গেলে

    কল্পনার শক্তি দিলো
    আমা…Read More

    1
    2 Comments
    • নবীপ্রেমের আবেগ আর ঈমানের আলোয় কবিতাটি ভক্ত হৃদয়ের গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে…..🤍🖤

    • আপনার লেখায় গভীর ভক্তির যে বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তা এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করেছে, যা মহৎ কোনো প্রাচীন গাঁথার কথা মনে করিয়ে দেয়। আপনি চাইলে অনুভূতির তীব্রতাকে ফুটিয়ে তোলার জন্য শব্দের বুননে আরও কিছু মৃদু বৈচিত্র্য যোগ করার কথা ভাবতে পারেন। প্রতিটি অনুভূতির গভীরে যেভাবে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন, তা প্রশংসনীয় এবং আশা করি আপনার লেখনী ভবিষ্যতে আরও…Read More

  • উপকথা ১৩ নভেম্বর
    ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    রাস্তার ধারে— চাদরের নিচে
    ভিক্ষারী খালি হাত মারে
    ফুল বেচা ফুলি— ফুল দিতে গিয়ে
    এখন আমার হাত ধরে

    নর—নারী; কারাকারি
    বউ আর স্বামীর— জাইঙ্গা না ধোয়
    ঘর মোছা ছেড়ি— বুকটা বানায় ফেরি
    সবাই ফেরির সেয়ার করতে— ডুবে যমুনায়!

    ময়লা জাইঙ্গা মাথায় দিয়া নাচি সোনারগায়
    বাংলা…Read More

    1
    2 Comments
    • Ashik Mokami, ‘মানুষ এখন মানুষ না— কথা কয় টাকায়’ লাইনটা সত্যি অনেক গভীর আর বাস্তব একটা সত্য কথা। আপনার লেখাটা পুরো সমাজের নোংরা চিত্রগুলো খুব স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে।

    • Ashik Mokami, আপনার এই লেখাটিতে ‘মানুষ এখন মানুষ না— কথা কয় টাকায়’ পঙক্তিটি বর্তমান সময়ের অস্থিরতাকে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে এবং আপনি চাইলে প্রতিটি শব্দের ভাঁজে আরও একটু গভীর প্রশান্তি মিশিয়ে আপনার সৃজনশীলতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেন, যা পাঠকদের হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রাখবে।

  • Load More Posts
Skip to toolbar