<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | naznin shamim | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/nazninshamim/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/nazninshamim/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for naznin shamim.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 13 Oct 2026 01:10:28 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">2c10e306de8d31056e83030876178b23</guid>
				<title>naznin shamim and মোঃ বায়েজীদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284402/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 05:23:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0aa6361a2f4fd45a5ba264db5307a3ea</guid>
				<title>naznin shamim and ঈশিতা ঈরু are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284387/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 03:23:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6cfc9b5a3de2150ec7704fa7b8d47e29</guid>
				<title>মেঘে ঢাকা দুপুর&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
১০ই অক্টোবর ২০১৬ইং

​হলুদ খামে মোড়া চিঠি, পুরনো সেই দিন,
তোর চোখের ওই ইশারায় আজও আমি ঋণ।
বিকেলের ওই রিকশায় তোর আঁচল ওড়ার ঘ্রাণ,
বুকের ভেতর একলা মনে বাজে মায়ার গান।
​ভিজে যাওয়া বারান্দাতে তোর ফেরার আশা,
কাছে এসেও না ফুরোনো গোপন ভালোবাসা।
মুঠোফোনে হাত কাঁপে আজও তোর নামটা পেলে,
মনটা কেমন হুড়মুড়িয়ে স্মৃতির জালে মেলে!
​ঝাপসা কাঁচের ওপাশেতে শ্রাবণের ঐ ধারা,
তোকে ছাড়া এই জীবনে মন যে দিশাহারা।
এক পলকে সব দূরত্ব মুছে যদি যায়—
এই ছটফট বুকটা আবার তোকেই শুধু চায়!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283822/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Oct 2026 10:17:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেঘে ঢাকা দুপুর&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
১০ই অক্টোবর ২০১৬ইং</p>
<p>​হলুদ খামে মোড়া চিঠি, পুরনো সেই দিন,<br />
তোর চোখের ওই ইশারায় আজও আমি ঋণ।<br />
বিকেলের ওই রিকশায় তোর আঁচল ওড়ার ঘ্রাণ,<br />
বুকের ভেতর একলা মনে বাজে মায়ার গান।<br />
​ভিজে যাওয়া বারান্দাতে তোর ফেরার আশা,<br />
কাছে এসেও না ফুরোনো গোপন ভালোবাসা।<br />
মুঠোফোনে হাত কাঁপে আজও তোর নামটা পেলে,<br />
মনটা কেম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-283822"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/283822/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88113e23560a89defce4c275a25f694d</guid>
				<title>নীল কালির আঁচড় 
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
১০ই অক্টোবর  ২০২৬ইং

​গ্রামের বাড়িটা যখনই ছাড়ি, একটা ভারী দীর্ঘশ্বাস বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে। পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ, জানালার গরাদে জমে থাকা বিকেলের আলো আর আম্মার গন্ধমাখা মাটির ঘ্রাণ—সবকিছু যেন বারবার পেছনের দিকে টানে।
​আজ অনেক বছর পর সেই ভাঙা দেউড়ি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলাম। উঠোনের এককোণে সেই পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটা আজও দাঁড়িয়ে আছে, তবে আগের মতো ফুল এখন আর তেমন ফোটে না। বয়স হয়েছে তারও। মেঝের যে ফাটল দিয়ে একসময় ঘাস গজিয়ে উঠত, সেখানে এখন সিমেন্টের প্রলেপ। কিন্তু স্মৃতির কংক্রিট কি আর মোছা যায়?
​হাঁটতে হাঁটতে সোজা চলে গেলাম আমার সেই ছোট্ট ঘরটায়। আলমারির সবচেয়ে ওপরের তাকে ধুলো জমে থাকা একটা কাঠের বাক্স। ভেতরে হাত দিতেই আঙুলের ডগায় ছোঁয়া লাগল একরাশ অবিন্যস্ত স্মৃতির। খয়েরি রঙের একটা ডায়রি আর জং ধরা একটা কলম। পাতা উল্টাতেই বেরিয়ে এল নীল কালিতে লেখা কিছু এলোমেলো লাইন আর একটা শুকনো রজনীগন্ধা ফুল।
​ফুলটা দেখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে রিমঝিম বৃষ্টির সেই বিকেলটা। তখন আমাদের জীবনটা কত সহজ ছিল! মুঠোফোনের নীল আলোর মোহময় দুনিয়া তখন আমাদের গ্রাস করেনি। বিকেলবেলা সাইকেলের হ্যান্ডেলে হাত রেখে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা, রিমঝিমের জানালার আড়াল থেকে এক পলক দেখার জন্য অপেক্ষা করা—সে এক অন্য রোমাঞ্চ।
​রিমঝিম সেদিন একটা চিঠি দিয়েছিল হাতে গুঁজে। খামের ওপর কোনো নাম ছিল না, শুধু একটা ছোট্ট প্রশ্ন— &quot;কাল কি বিকেলের ট্রেনে চলে যাচ্ছো?&quot;
​আমার আর যাওয়া হয়নি সেদিন। কিন্তু জীবনের তাগিদে, জীবিকার টানে ঠিকই একদিন ঘর ছাড়তে হয়েছিল। সময়ের স্রোতে রিমঝিম হারিয়ে গেছে তার নিজের ঠিকানায়, আর আমি হারিয়ে গেছি ইট-পাথরের যান্ত্রিক শহরে। মাঝেমধ্যে ফেসবুকে তার রিলস বা ছবিতে একটা লাইক দেওয়া হয়, কিন্তু সেই চোখাচোখি আর হৃদয়ের স্পন্দন কি আর প্রযুক্তির স্ক্রিনে পাওয়া যায়?
​ডায়রির শেষ পাতায় চোখ আটকে গেল। সেখানে বড় বড় করে লেখা— &quot;সময় ফুরায়, কিন্তু কিছু মানুষ মনের ডায়েরিতে চিরকালের মতো রয়ে যায়।&quot;
​চোখের কোণটা হঠাৎ কেমন যেন ভিজে উঠল। বাইরে তখন বিকেলের নরম রোদ এসে পড়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডালে। মনে হলো, রিমঝিম যেন পাশের ঘর থেকেই ডাকছে, &quot;এই শুনছো? কফিটা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে!&quot;
​আমি শূন্যতায় হাত বাড়ালাম, কিন্তু মুঠোয় ধরা রইল কেবল সময়ের ধুলো আর এক বুক নস্টালজিয়া। কিছু গল্প শেষ হয়েও ফুরোয় না, তারা শুধু মনের গভীরে জীবন্ত হয়ে বেঁচে থাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283820/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Oct 2026 09:47:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নীল কালির আঁচড়<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
১০ই অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​গ্রামের বাড়িটা যখনই ছাড়ি, একটা ভারী দীর্ঘশ্বাস বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে। পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ, জানালার গরাদে জমে থাকা বিকেলের আলো আর আম্মার গন্ধমাখা মাটির ঘ্রাণ—সবকিছু যেন বারবার পেছনের দিকে টানে।<br />
​আজ অনেক বছর পর সেই ভাঙা দেউড়ি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলাম। উঠোনের এককোণে সেই পু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-283820"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/283820/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ebb4d0a05b4c27455ea1d3091254fef</guid>
				<title>রংতুলির খেলা
​— নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৮ই অক্টোবর  ২০২৬ইং

​সাদা কাগজে মেঘের ভেলা,
চলছে কি আজ রঙের খেলা?
লাল সবুজে মেল ডানা,
জানতে হবে যা জানা।
​হলুদ পাখি দিচ্ছে ডাক,
বই খাতা সব দূরে থাক।
নদীর জলে ঢেউ খেলে,
চল না সবাই হাটি হেঁটে চলে।
​রোদ উঠেছে মিষ্টি হাসে,
ফুল ফুটেছে ঘরের পাশে।
সোনাঝরা এই রোদ্দুরে,
গান গাইব মো-রা সুরে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283450/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Oct 2026 05:17:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রংতুলির খেলা<br />
​— নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৮ই অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​সাদা কাগজে মেঘের ভেলা,<br />
চলছে কি আজ রঙের খেলা?<br />
লাল সবুজে মেল ডানা,<br />
জানতে হবে যা জানা।<br />
​হলুদ পাখি দিচ্ছে ডাক,<br />
বই খাতা সব দূরে থাক।<br />
নদীর জলে ঢেউ খেলে,<br />
চল না সবাই হাটি হেঁটে চলে।<br />
​রোদ উঠেছে মিষ্টি হাসে,<br />
ফুল ফুটেছে ঘরের পাশে।<br />
সোনাঝরা এই রোদ্দুরে,<br />
গান গাইব মো-রা সুরে!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8bc1c82c87ff026bb9a4c54c2219436</guid>
				<title>&quot;​ঘড়িটার টিকটিক শব্দ থামেনি&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৭ই অক্টোবর  ২০২৬ইং

​মাঝরাত পেরিয়ে তখন ঠিক দুটো বেজে এক মিনিট। ঘরের পুরোনো দেওয়ালঘড়িটা প্রতি সেকেন্ডে কান ফাটানো শব্দে টিকটিক করছে—অথচ আজ শব্দটা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভারী ঠেকছে। যেন ঘড়ির কাঁটাগুলো শুধু সময় গুনছে না, কোনো এক অদৃশ্য চাবি দিয়ে ঘরের ভেতরকার নিঃশব্দটাকে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে শক্ত করে ফেলছে।
​টেবিলের ওপর খোলা পড়ে আছে সেই পুরোনো ডায়েরিটা, যেটার পাতাগুলো হলুদ হয়ে গেছে বহু যুগ আগেই। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঠিক এই মুহূর্তে ডায়েরির শেষ পাতাটায় কালির আঁচড় টাটকা—যেন একটু আগেই কেউ নিজের হাতে লিখে গেছে: &quot;দরজা খোলার সময় হয়ে গেছে, ওরা বাইরেই দাঁড়িয়ে আছে।&quot;
​তৃণমূল থেকে উঠে আসা হিমেল হাওয়াটা হঠাৎ করেই ঘরের বদ্ধ জানালার খড়খড়ি ভেদ করে ভেতরে ঢুকল। ডায়েরির পাতাগুলো একটা ঝাপটায় উল্টে গেল নিজে থেকেই। কিন্তু চমকে ওঠার মতো আসল দৃশ্যটা অপেক্ষা করছিল তার ঠিক পরেই। আলমারির আয়নাটার দিকে তাকাতেই রক্ত জমে যাওয়ার জোগাড় হলো—আয়নায় নিজের প্রতিচ্ছবি তো দূরে থাক, সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ঘরের খালি চেয়ারটাতে একটা ছায়া নিঃশব্দে বসে আছে। আর সেই ছায়ার হাতটা ধীরে ধীরে ইশারা করছে ঠিক তার নিজের দিকেই!
​বাইরে ঝোড়ো হাওয়া তখন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ঠিক তখনই একটা পরিচিত গলার স্বর জানালার ওপার থেকে ফিসফিস করে বলে উঠল, &quot;ভয় পেয়ো না দোস্ত, আমি তো আগেই বলেছিলাম... দরজা কখনো বাইরে থেকে বন্ধ হয় না!&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283011/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Oct 2026 08:03:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;​ঘড়িটার টিকটিক শব্দ থামেনি&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৭ই অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​মাঝরাত পেরিয়ে তখন ঠিক দুটো বেজে এক মিনিট। ঘরের পুরোনো দেওয়ালঘড়িটা প্রতি সেকেন্ডে কান ফাটানো শব্দে টিকটিক করছে—অথচ আজ শব্দটা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভারী ঠেকছে। যেন ঘড়ির কাঁটাগুলো শুধু সময় গুনছে না, কোনো এক অদৃশ্য চাবি দিয়ে ঘরের ভেতরকার নিঃশব্দটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-283011"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/283011/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">679e7fc4b4d7ee926731038778ce7cef</guid>
				<title>​&quot;অদৃশ্য ক্যানভাস&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৭ই অক্টোবর ২০২৬ইং
​শহরটা একটা বিরাট ক্যানভাস, আর আমরা সবাই খণ্ডিত কিছু তুলির টান। প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙে আমরা নিজেদের মতো করে একটা রঙ বেছে নিই—কেউ ক্লান্তির ধূসর, কেউ বা আশার চিলতে হলুদ।
​আমরা ভাবি, আমরাই বুঝি এই ছবিটার স্রষ্টা। অথচ একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সময় নামের এক অদৃশ্য চিত্রশিল্পী আমাদের অজান্তেই পাল্টে দেয় শেডের কোণগুলো। যে মানুষটাকে কাল খুব অচেনা মনে হতো, আজ তার সাথে হঠাৎ কফি কাপে চোখ আটকে যাওয়াই হয়তো ক্যানভাসের সবচেয়ে সুন্দর মোচড়।
​আমরা আসলে কেউ একা লেখক নই, কেউ একক চিত্রশিল্পীও নই। জীবন নিজেই একটা বিশাল ‘তুলট’ কাগজ—যেখানে ইরেজারের কোনো জায়গা নেই, যা একবার আঁচড় কেটে বসে যায়, সেটাই ইতিহাস।
​তাই বলছি দোস্ত, আজ নিজের তুলিটা একটু অন্যভাবে ওড়াও। যে গল্পটা এতদিন কাউকে বলা হয়নি, সেটাই লিখে ফেলো। কে জানে, হয়তো তোমার এই না-বলা পংক্তিটাই অন্য কারও শূন্য ক্যানভাসে প্রথম রঙ হয়ে ফুটে উঠবে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282986/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Oct 2026 07:25:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​&#8221;অদৃশ্য ক্যানভাস&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৭ই অক্টোবর ২০২৬ইং<br />
​শহরটা একটা বিরাট ক্যানভাস, আর আমরা সবাই খণ্ডিত কিছু তুলির টান। প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙে আমরা নিজেদের মতো করে একটা রঙ বেছে নিই—কেউ ক্লান্তির ধূসর, কেউ বা আশার চিলতে হলুদ।<br />
​আমরা ভাবি, আমরাই বুঝি এই ছবিটার স্রষ্টা। অথচ একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সময় নামের এক অদৃশ্য চিত্রশিল্পী আমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282986"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282986/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2cd63435eb05c66873a2bd53f15a6f74</guid>
				<title>&quot;শিরোনাম: পরম ছায়াহীনতার দিনগুলো&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৫ই অক্টোবর  ২০২৬ইং

​যতদিন মা বেঁচে থাকেন, আমাদের ওপর আল্লাহর এক অদৃশ্য রহমত আর নিরাপত্তার ছাদ পাতা থাকে। আমরা ভুল করি, পথ হারাই—কিন্তু মায়ের নীরব এক ফোঁটা চোখের পানি আর অবচেতন মনের আকুল দোয়া সেই সব বিপদ সহজেই পার করে দেয়। মা থাকা মানে এমন এক পরম আশ্রয়, যেখানে কোনো শর্ত ছাড়াই ভালোবাসার কোনো অভাব হয় না।
​কিন্তু মা যখন চলে যান, তখন শুধু একজন মানুষ চলে যান না; মাথার ওপর থেকে পরম সেই অদৃশ্য ছাদটাও একলহমায় উধাও হয়ে যায়। জীবন হঠাৎ করে খুব রুক্ষ, একা আর কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়।
​তখন মনে হয়, জীবনের এতদিনের যত অর্জন, নিরাপত্তা আর প্রাপ্তি ছিল—তার পেছনে আমার নিজস্ব কোনো যোগ্যতা ছিল না, ছিল কেবল মায়ের দোয়ার বরকত। মা মারা যাওয়ার পর প্রতিটি পদে পদে উপলব্ধি হয়, আসলেই মানুষ কতটা একা!
​আল্লাহ হয়তো এই কঠিন সত্যটিই বুঝিয়ে দেন—এতদিন তো মায়ের দোয়ায় আগলে রেখেছিলাম, এবার নিজের আমল দিয়ে, নিজের সুকর্ম দিয়ে আমায় খুঁজে নাও। মায়ের রেখে যাওয়া পরম ভালোবাসার ঋণ শোধ করার এখন একটাই পথ—নিজের চরিত্রকে সুন্দর করা আর প্রতিনিয়ত পরম করুণাময়ের দরবারে হাত তুলে বলা: &quot;হে আমাদের প্রতিপালক! তারা যেভাবে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছেন, আপনিও তাদের প্রতি তেমনি দয়া করুন।&quot;
​মা চলে গেলেও মায়ের জন্য ভালোবাসা শেষ হয় না, শুধু রূপ বদলে যায়—এক বুক হাহাকার আর দোয়ার অনুভূতির মাধ্যমে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282025/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Oct 2026 02:49:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;শিরোনাম: পরম ছায়াহীনতার দিনগুলো&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৫ই অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​যতদিন মা বেঁচে থাকেন, আমাদের ওপর আল্লাহর এক অদৃশ্য রহমত আর নিরাপত্তার ছাদ পাতা থাকে। আমরা ভুল করি, পথ হারাই—কিন্তু মায়ের নীরব এক ফোঁটা চোখের পানি আর অবচেতন মনের আকুল দোয়া সেই সব বিপদ সহজেই পার করে দেয়। মা থাকা মানে এমন এক পরম আশ্রয়, যেখানে কোনো শর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282025"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282025/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e7aee9bdd52c96ab597f752c5c86868</guid>
				<title>​&quot;অদেখা বিসর্জন&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৫ই অক্টোবর  ২০২৬ইং

​শরীরের মৃত্যুতে চারপাশে শোকের রোদন জাগে, স্বজনেরা অশ্রু ফেলে। কিন্তু হৃদয়ের যে অংশটা রোজ নিভৃতে ক্ষয়ে যায়, তার জন্য কান্না জমিয়ে রাখতে হয় কেবল নিজেরই ভেতরে।
​চোখে হয়তো জলের ফোঁটা জমে না, অথচ বুকের গহীনে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে কোনো গভীর বিশ্বাসের আকাশ। সেই ভাঙনের শব্দ বাইরের পৃথিবীর কারও কান পর্যন্ত পৌঁছায় না। আশেপাশে অসংখ্য মানুষের আনাগোনা থাকে, তবু ভিতরের এই খাঁ খাঁ শূন্যতা কারো চোখে পড়ে না। এক চিলতে কৃত্রিম হাসির আড়ালে যে কত শত মৃত আশা চাপা পড়ে থাকে, তা অধরাই থেকে যায়।
​দেহের আঘাত সবাই দেখতে পায়, সমবেদনাও জানায়। কিন্তু মনের গভীরে জমে থাকা অদৃশ্য ক্ষতগুলোর খবর কেউ রাখে না। তাই তো ভেতরটা এক নিঃশব্দ শ্মশান হয়ে গেলেও, বাইরের দুনিয়াকে দেখাতে প্রতিদিন আমাদের বেঁচে থাকার অভিনয় চালিয়ে যেতে হয়।
​কেউ কখনো থমকে দাঁড়িয়ে জানতে চায় না— &quot;সত্যিই তোমায় কেমন আছো?&quot;
​কারণ, অনুভূতির এই নীরবে ঝরে পড়ার কোনো আনুষ্ঠানিক শেষযাত্রা বা সৎকার হয় না; শুধু একটা মানুষ ভেতরে ভেতরে পাল্টে যায়, চিরতরে চুপ হয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282024/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Oct 2026 02:42:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​&#8221;অদেখা বিসর্জন&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৫ই অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​শরীরের মৃত্যুতে চারপাশে শোকের রোদন জাগে, স্বজনেরা অশ্রু ফেলে। কিন্তু হৃদয়ের যে অংশটা রোজ নিভৃতে ক্ষয়ে যায়, তার জন্য কান্না জমিয়ে রাখতে হয় কেবল নিজেরই ভেতরে।<br />
​চোখে হয়তো জলের ফোঁটা জমে না, অথচ বুকের গহীনে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে কোনো গভীর বিশ্বাসের আকাশ। সেই ভাঙনের শব্দ বাইরের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9eea33d3c9e5eedecd1241aba7c468f0</guid>
				<title>​ছায়ামুখী ঘড়ি&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৩রা অক্টোবর  ২০২৬ইং

​আহমেদ সাহেবের বসার ঘরের দেওয়ালঘড়িটা প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ঠিক তিন সেকেন্ডের জন্য পিছনের দিকে ঘোরে।
​বিষয়টা প্রথম লক্ষ্য করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সুচরিতা। কিন্তু আহমেদ সাহেব তখন তা হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ সুচরিতা নেই, কিন্তু ঘড়িটার এই অদ্ভুত খেয়াল বদলায়নি। গত তিন বছর ধরে ঠিক চারটে চার মিনিটে ঘড়ির কাঁটা দুটো উল্টো ঘুরে ৪টা ৩ মিনিটে চলে যায়, আর ঠিক তিন সেকেন্ড পর আবার স্বাভাবিক নিয়মে টিকটিক করে এগোতে থাকে।
​আজ বিকেলে আহমেদ সাহেব ঘড়িটার ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। হাতে একটা পুরনো ডায়রি আর আতশ কাঁচ। ঠিক চারটে ৩ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড… ৫৯ সেকেন্ড…
​হঠাৎ ঘরের তাপমাত্রা যেন এক ধাক্কায় অনেকটা নেমে গেল। ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটাটা থমকে দাঁড়িয়ে ৪টা ৪ মিনিটে না গিয়ে উল্টো দিকে ছুটল। ঠিক তিন সেকেন্ডের সেই সময়টুকুতে আহমেদ সাহেব দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলেন।
​ঘড়ির কাঁটার ছায়াটায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে একটা হাতের আঙুল—যেটা কাঁটাটাকে জোর করে টেনে পিছনে নিয়ে যাচ্ছে! আর সেই হাতের আঙুলে জ্বলজ্বল করছে একটি চেনা রূপোর আংটি। ঠিক যে আংটিটা সুচরিতা মারা যাওয়ার দিন তাঁর আঙুল থেকে হারিয়ে গিয়েছিল!
​তিন সেকেন্ড শেষ হতেই ঘড়ি আবার স্বাভাবিকভাবে টিকটিক করে চলতে শুরু করল। কিন্তু দেওয়ালঘড়ির কাঁচের ভেতরে জমে উঠেছে হালকা বাষ্প, আর তাতে সদ্য আঙুল দিয়ে লেখা তিনটি শব্দ:
​&quot;ফাইলটা খুলো না।&quot;
​আহমেদ সাহেবের টেবিলের ওপর ঠিক ওই মুহূর্তেই রাখা ছিল সুচরিতার মৃত্যুর তদন্ত সংক্রান্ত এতদিন ধরে বন্ধ থাকা গোপন পুলিশ ফাইলটি…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281589/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 10:49:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​ছায়ামুখী ঘড়ি&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৩রা অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​আহমেদ সাহেবের বসার ঘরের দেওয়ালঘড়িটা প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ঠিক তিন সেকেন্ডের জন্য পিছনের দিকে ঘোরে।<br />
​বিষয়টা প্রথম লক্ষ্য করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সুচরিতা। কিন্তু আহমেদ সাহেব তখন তা হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ সুচরিতা নেই, কিন্তু ঘড়িটার এই অদ্ভুত খেয়াল বদলায়নি। গত তিন বছর ধরে ঠ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281589"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281589/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97ba5b2405decb4a910805825f57d13e</guid>
				<title>হৃদয়ের পথচলা&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৩রা অক্টোবর ২০২৬ইং

​ক্লান্তির এক নদী বহে যায় মনের গহীন কোণে,
ভেতরের যুদ্ধটা আজ বড্ড ভারী মনে হয়।
দিনগুলো কাটে যেন নিয়মের ছকে বন্দি হয়ে,
যেখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবগুলো ম্লান হয়ে যায়।
​একদা কত অনুভূতির আলোড়ন ছিল মুখে,
অনেক কিছু বলার আকুলতা ছিল বুকে।
আজ সেই কোলাহল থেমে গেছে এক অচিন স্তব্ধতায়,
নীরবতাই যেন এখন সবচেয়ে গভীর আশ্রয়।
​যাদের ঘিরে ভালোবাসার নীড় বুনেছিলাম কখনো,
তারা তো বদলে গেছে সময়ের অতল গহ্বরে।
সময় শুধু ভালোবাসার মানুষকে কেড়ে নেয় না,
ভাঙন ধরায় বিশ্বাসের শক্ত ভিতগুলোতেও।
​কাউকে আর কিছু বোঝানোর তাগিদ নেই আজ,
নেই নিজেকে প্রমাণের কোনো ব্যাকুল প্রচেষ্টা।
নিজের মতো করে নিঃশব্দে হেঁটে চলাই এখন পথ,
জীবনের শেষ অধ্যায়টা শুধুই নিজের সঙ্গে কাটুক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281471/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 04:11:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হৃদয়ের পথচলা&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৩রা অক্টোবর ২০২৬ইং</p>
<p>​ক্লান্তির এক নদী বহে যায় মনের গহীন কোণে,<br />
ভেতরের যুদ্ধটা আজ বড্ড ভারী মনে হয়।<br />
দিনগুলো কাটে যেন নিয়মের ছকে বন্দি হয়ে,<br />
যেখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবগুলো ম্লান হয়ে যায়।<br />
​একদা কত অনুভূতির আলোড়ন ছিল মুখে,<br />
অনেক কিছু বলার আকুলতা ছিল বুকে।<br />
আজ সেই কোলাহল থেমে গেছে এক অচিন স্তব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281471"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281471/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">54d2d96b04263113993febf5a0bd2b37</guid>
				<title>হাসিমুখের আড়ালে&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
০২রা অক্টোবর  ২০২৬ইং

​দিন গড়িয়ে বয়স বাড়ে, বাড়ে সময়ের চাপ,
স্থায়ী কোনো ঠিকানা আজও হলো না তো লাভ।
​একপাশে পরিবারের অগণিত আশা-আকাঙ্ক্ষা,
অন্যপাশে বুকে চেপে রাখা নিজস্ব হাজারো ভাবনা,
এই দুয়ের মাঝে হারিয়ে যায় আমার নীরব যন্ত্রণা।
​প্রতিদিন নিজেকে ছন্দে ফেরাই, দিই সান্ত্বনা—
&quot;আরেকটু লড়ে যা, আসবেই আলোর শুভ চেতনা।&quot;
​কিন্তু নিঝুম রাতে যখন একাকী নিরালায় থাকি,
আগামীর বিষাদ ঘনীভূত হয়ে মেখে দেয় আঁকি-বুকি।
​কতটা বুকের চাপা কষ্ট লুকিয়ে মানুষ হাসতে জানে,
আমার মুখের ওই মিথ্যে হাসিতে তা কি কেউ কখনো বোঝে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281280/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 15:03:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> হাসিমুখের আড়ালে&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
০২রা অক্টোবর  ২০২৬ইং</p>
<p>​দিন গড়িয়ে বয়স বাড়ে, বাড়ে সময়ের চাপ,<br />
স্থায়ী কোনো ঠিকানা আজও হলো না তো লাভ।<br />
​একপাশে পরিবারের অগণিত আশা-আকাঙ্ক্ষা,<br />
অন্যপাশে বুকে চেপে রাখা নিজস্ব হাজারো ভাবনা,<br />
এই দুয়ের মাঝে হারিয়ে যায় আমার নীরব যন্ত্রণা।<br />
​প্রতিদিন নিজেকে ছন্দে ফেরাই, দিই সান্ত্বনা—<br />
&#8220;আরেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281280"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281280/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5853f09ac7a3b11091a2577b9234a6fb</guid>
				<title>অদৃশ্য সংগ্রাম&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং

​ভেবেছিলাম বয়স বাড়লে বুঝি ক্লান্তি কমে৫
কখনও ভেতরের নীরব ক্ষতে,
কখনও বা নিয়তির নির্মম পরিহাসে।  
​জেতার কোনো জয়ধ্বনি নেই,
হেরে যাওয়ার কোনো সান্ত্বনা নেই।
এই খেলার কোনো দর্শক নেই, নেই কোনো তালি।  
​নিঝুম রাতে একলা আয়নার সামনে দাঁড়ালে,
চোখে পড়ে এক ক্লান্ত প্রতিচ্ছবি।
নিঃশব্দে শুধাই, &quot;আর কতদূর পথ চলা বাকি?&quot;
ওপাশ থেকে ছায়াটি বলে,
&quot;যতদিন এই বুকে নিঃশ্বাস বাকি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281235/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 10:14:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদৃশ্য সংগ্রাম&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং</p>
<p>​ভেবেছিলাম বয়স বাড়লে বুঝি ক্লান্তি কমে৫<br />
কখনও ভেতরের নীরব ক্ষতে,<br />
কখনও বা নিয়তির নির্মম পরিহাসে।<br />
​জেতার কোনো জয়ধ্বনি নেই,<br />
হেরে যাওয়ার কোনো সান্ত্বনা নেই।<br />
এই খেলার কোনো দর্শক নেই, নেই কোনো তালি।<br />
​নিঝুম রাতে একলা আয়নার সামনে দাঁড়ালে,<br />
চোখে পড়ে এক ক্লান্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281235"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281235/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">37e5166e0dfec7bba60f7f4bbea21620</guid>
				<title>​শূন্যতার আড়ালে&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং

​ছুটেছি অসীমে, পাওয়ার আশায়,
এক অধরা স্বপ্নের পেছনে অবিরাম।
ভেবেছিলাম পথ শেষে আলো ফুটবে,
মেটাবো হৃদয়ের যত অপূর্ণ দাম।
​কিন্তু আজ কাঁচের ওপারে যাকে দেখি,
সে তো এক অচেনা ছায়ার অবয়ব।
বুকের ভেতর এক নিঃশব্দ হাহাকার,
ভেঙে চুরে গেছে ভালোবাসার বৈভব।
​যা কিছু কুড়িয়েছি এই দীর্ঘ যাত্রায়,
সবই তো ছিল মরীচিকার মায়া।
ছোঁয়া মাত্রই মিলিয়ে গেল শূন্যে,
পড়ে রইল কেবল এক ক্লান্ত ছায়া।
​আমি এখন এক নামহীন পরিচয়,
হারিয়ে যাওয়া কোনো বিষাদময় উপাখ্যান।
শূন্য থেকেই যার শুরু হয়েছিল,
শূন্যতাতেই মিশে গেছে তার প্রাণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281088/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 02:56:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​শূন্যতার আড়ালে&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং</p>
<p>​ছুটেছি অসীমে, পাওয়ার আশায়,<br />
এক অধরা স্বপ্নের পেছনে অবিরাম।<br />
ভেবেছিলাম পথ শেষে আলো ফুটবে,<br />
মেটাবো হৃদয়ের যত অপূর্ণ দাম।<br />
​কিন্তু আজ কাঁচের ওপারে যাকে দেখি,<br />
সে তো এক অচেনা ছায়ার অবয়ব।<br />
বুকের ভেতর এক নিঃশব্দ হাহাকার,<br />
ভেঙে চুরে গেছে ভালোবাসার ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281088"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281088/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ee8b67dd6e25a838e164ec341eca618f</guid>
				<title>সহজিয়া নিরবতা
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম  থেকে
১লা অক্টোবর  ২০২৬ ইং

শব্দের  ভীড়ে  অনেক বলেছি কথার কথা,
আজ শোনো এক সহজিয়া নীরবতা।
পৃথিবীর সব নিয়ম মেনে বদলে যায় দিন,
আমার আমিতে কেবল তোমার রঙই রঙিন।
​জোছনা বা রোদের কোনো গল্প বাঁধব না,
মিছে কিছু উপমায় তোমায় সাজাব না।
শুধু বলতে চাই, পথচলার এই ভিড়ে—
আমায় কি একটু জায়গা দেবে তোমার খুব গভীরে?
​যেখানে ক্লান্তি শেষে মেলে একটুকরো হাঁপ,
যেখানে জমে থাকে অনুভূতির ওম ও উত্তাপ;
সেখানে আমি তোমার হাতটা ধরে রূপকথা বুনি,
তুমি সায় দিলে, বাকি জীবনটা তোমার সাথেই গুনি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280898/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 10:46:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সহজিয়া নিরবতা<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম  থেকে<br />
১লা অক্টোবর  ২০২৬ ইং</p>
<p>শব্দের  ভীড়ে  অনেক বলেছি কথার কথা,<br />
আজ শোনো এক সহজিয়া নীরবতা।<br />
পৃথিবীর সব নিয়ম মেনে বদলে যায় দিন,<br />
আমার আমিতে কেবল তোমার রঙই রঙিন।<br />
​জোছনা বা রোদের কোনো গল্প বাঁধব না,<br />
মিছে কিছু উপমায় তোমায় সাজাব না।<br />
শুধু বলতে চাই, পথচলার এই ভিড়ে—<br />
আমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280898"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280898/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">867ce54f388748ab04b3878eb88e1ef7</guid>
				<title>naznin shamim and Sayed Mohammad Farid are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280868/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 08:40:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aa913b555d50918d70faebed8701ca0a</guid>
				<title>&quot;: মরীচিকার &quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
৩০শে সেপ্টেম্বর ২০৩৬ইং

​সকালের কুয়াশা তখনো পুরোপুরি কাটে নি। বারান্দায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলেন রফিক সাহেব। হঠাৎ ডাকপিয়ন এসে দরজার নিচ দিয়ে একটি চিঠি গলিয়ে দিয়ে গেল।
​চিঠির খামটা দেখে তার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। কোনো স্ট্যাম্প নেই, প্রেরকের জায়গায় শুধু লেখা—‘পুরোনো ছায়া’।
​ধীরে ধীরে খামটা খুলতেই বেরিয়ে এল এক টুকরো হলুদ হয়ে যাওয়া কাগজ। তাতে লেখা মাত্র দুটি বাক্য:
&quot;যে সত্যটা তুমি বছরের পর বছর ধরে মাটির নিচে চাপা দিয়ে রেখেছো, আজ সকালে তা সোজা তোমার দরজায় এসে কড়া নাড়বে। দরজা খুলবে তো?&quot;
​রফিক সাহেবের হাত থেকে চায়ের কাপটা পড়ে ভেঙে খানখান হয়ে গেল। আজ থেকে ঠিক বিশ বছর আগে এক কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে তিনি এমন একটা ভুল করেছিলেন, যা কখনো কেউ জানতে পারেনি বলে তিনি ভেবেছিলেন। এতদিন যা অতীত ভেবে নিশ্চিন্ত ছিলেন, তা কি তবে আজ সকালের আলোর সাথেই ফিরে এলো?
​তিনি ধীরে ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। হ্যান্ডেলটা স্পর্শ করতেই দরজায় সত্যি সত্যিই দু&#039;বার শক্ত কড়া নাড়ার শব্দ হলো----!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280354/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Sep 2026 03:35:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;: মরীচিকার &#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
৩০শে সেপ্টেম্বর ২০৩৬ইং</p>
<p>​সকালের কুয়াশা তখনো পুরোপুরি কাটে নি। বারান্দায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলেন রফিক সাহেব। হঠাৎ ডাকপিয়ন এসে দরজার নিচ দিয়ে একটি চিঠি গলিয়ে দিয়ে গেল।<br />
​চিঠির খামটা দেখে তার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। কোনো স্ট্যাম্প নেই, প্রেরকের জায়গায় শুধু লেখা—‘পুরোনো ছায়া’।<br />
​ধীরে ধীরে খা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280354"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280354/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">99762a8cf76fd68f5d922dc1f3160ccd</guid>
				<title>naznin shamim and আর্য্য সপ্ত দর্শী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280223/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 17:47:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9a11b03649529713e34ed63e97a087c3</guid>
				<title>&quot;হৃদয়ের প্রথম কাঁপুনি&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

​তুমি হাত ছুঁয়েছিলে ভুল করে সেদিন,
নাকি ইচ্ছে করেই দিলে এমন রঙিন এক দিন?
হঠাৎ বুফেতে যেন বাজল সুরের তালি,
শুকনো পাতার বুকেও ফুটে উঠল এক নতুন ডালি।
​বুকের ভেতর অকারণে কিসের এত সুর?
তোমার চোখে তাকালেই পথটা কত দূর!
এক অচেনা দোলা এসে দোলায় মনের কোণ,
তোমার ছোঁয়ায় মাতাল হলো অচিন এক ভুবন।
​আজ বাতাসে শুধুই তোমার মিষ্টি সুরের গান,
চোখে চোখেই বদলে যায় থমকে থাকা প্রাণ।
তুমি কি সেই হারিয়ে যাওয়া প্রথম প্রেম আমার?
যার ছোঁয়ায় আজ উন্মাদ হলো বুকটা বারবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280182/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 14:29:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;হৃদয়ের প্রথম কাঁপুনি&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং</p>
<p>​তুমি হাত ছুঁয়েছিলে ভুল করে সেদিন,<br />
নাকি ইচ্ছে করেই দিলে এমন রঙিন এক দিন?<br />
হঠাৎ বুফেতে যেন বাজল সুরের তালি,<br />
শুকনো পাতার বুকেও ফুটে উঠল এক নতুন ডালি।<br />
​বুকের ভেতর অকারণে কিসের এত সুর?<br />
তোমার চোখে তাকালেই পথটা কত দূর!<br />
এক অচেনা দোলা এসে দোলায় মনের কোণ,<br />
তোম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280182"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280182/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87055b0d34bc8ce806707e529e4c6546</guid>
				<title>&quot;&quot;ছায়াশরীরের শেষ স্বীকারোক্তি&quot;&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৯শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

​      ঠিক রাত ৩টা ১৫ মিনিটে ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোটা পর পর তিনবার নিভে আবার জ্বলে উঠল। অর্ণব জানে, ওটা শহরের বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো গোলযোগ নয়—ওটা একটা অমঙ্গলজনক সংকেত। পুরো নিঝুম শহর যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই শুরু হয় তানভীরের অলিখিত খেলা। অথচ তানভীর তো বেঁচে নেই! ছয় মাস আগেই পদ্মার উত্তাল জলে তার লাশ ভেসে উঠেছিল, অন্তত পুলিশের রিপোর্ট তো সেটাই বলে।
​অর্ণব পড়ার ঘরের কাঠের টেবিলটার সামনে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ডেস্কের ওপর পড়ে আছে একটা কালো খাম। খামটার ওপর শুকনো রক্তের মতো গাঢ় লাল কালিতে লেখা একটিমাত্র বাক্য: “তুমি যা লুকিয়েছ, তা বাতাসেও গন্ধ ছড়ায়।”
​হাতটা সামান্য কেঁপে উঠল অর্ণবের। আঙুলের ডগায় এক ফোঁটা ঠান্ডা ঘাম জমে উঠেছে। খামটা খোলার জন্য হাত বাড়াতেই ঘরের বন্ধ জানালাটা প্রচণ্ড শব্দে খুলে গেল। এক ঝলক অস্বাভাবিক হিমশীতল বাতাস ঘরের ভেতরের একমাত্র বাতিটা একসাথে নিভিয়ে দিল। ঘুটঘুতে অন্ধকারে কেবল শোনা গেল একটা পরিচিত কাশি—যা অর্ণব গত পাঁচ বছর ধরে চেনে।
​“তুমি ভেবেছিলে নদী সব ধুয়ে নিয়ে যায়, তাই না অর্ণব?” অন্ধকারের ভেতর থেকে একটি ফিসফিসে কণ্ঠস্বর ভেসে এলো।
​অর্ণবের বুকের ভেতর হৃদপিণ্ডটা যেন লাফিয়ে গলা পর্যন্ত চলে এলো। দেয়ালে হাতড়ে সুইচের খোঁজ করতে গিয়ে সে টের পেল, পেছনের দেয়ালটা যেন অদ্ভুতভাবে স্যাঁতসেঁতে আর ভিজে। ঘামের সঙ্গে এক তীব্র পচা জলের গন্ধ ঘরের আবহাওয়ায় ভারী হয়ে উঠেছে।
​“তানভীর? তুমি... তুমি তো শেষ হয়ে গিয়েছিলে!” অর্ণবের গলা দিয়ে শব্দ বের হচ্ছিল না বললেই চলে।
​“যে সত্য তুমি পুঁতে রেখেছিলে, সে তো শিকড় গজিয়ে বৃক্ষ হয়ে গেছে অর্ণব। আজ ফল সংগ্রহের রাত।”
​অন্ধকারে একটা দেশলাই জ্বালানোর খসখস শব্দ হলো। এক মুহূর্তের জন্য আলোর শিখায় ফুটে উঠল একটা মুখ—অর্ধেক পোড়া, চোখের কোটরে গভীর শূন্যতা, আর ঠোঁটের কোণে এক অদ্ভুত কুটিল হাসি। দেশলাইয়ের আলোটা নিভে যাওয়ার আগেই অর্ণব দেখল, তানভীরের হাতে ধরা রয়েছে সেই পুরানো ডায়েরিটা, যা উদ্ধার করার জন্য অর্ণব ছয় মাস আগে একটা খুন করতেও পিছপা হয়নি।
​“আজ রাতে খেলা শেষের বাঁশি বাজবে,” অন্ধকারের মধ্য থেকেই আওয়াজটা এবার একদম অর্ণবের কানের কাছে ভেসে এলো, “হয় তুমি নিজের মুখে পুরো শহরের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করবে, না হয় কাল সকালে ল্যাম্পপোস্টের নিচে তোমার ঝুলন্ত শরীরটা আবিষ্কার করবে পুলিশ। তোমার কাছে সময় আছে মাত্র দশ মিনিট।”
​ঘরের দেয়ালঘড়িটার ‘টিক টিক’ শব্দটা এখন অর্ণবের কাছে কোনো ঘড়ির কাঁটার শব্দ মনে হচ্ছে না, মনে হচ্ছে তা তার নিজের মৃত্যুর কাউন্টডাউন। অর্ণব বুঝতে পারল, অতীত থেকে পালানোর কোনো পথ আর অবশিষ্ট নেই। সত্য প্রকাশ করা ছাড়া আজ রাতে এই ঘর থেকে জীবন্ত বের হওয়ার আর কোনো উপায় নেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280177/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 14:11:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;&#8221;ছায়াশরীরের শেষ স্বীকারোক্তি&#8221;&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৯শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>​      ঠিক রাত ৩টা ১৫ মিনিটে ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোটা পর পর তিনবার নিভে আবার জ্বলে উঠল। অর্ণব জানে, ওটা শহরের বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো গোলযোগ নয়—ওটা একটা অমঙ্গলজনক সংকেত। পুরো নিঝুম শহর যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই শুরু হয় তানভীরের অলিখিত খেলা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280177"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280177/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3558de2d3e5fb611e5264b31b120d3f6</guid>
				<title>আমার ভালোবাসা তবে সার্ভার ডাউন&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

মের নাম বাঁশঝুড়ি। আর সেই গ্রামের সবচেয়ে বড় ‘লেখক’ এবং ‘গবেষক’ হলেন আমাদের কলিমুদ্দিন ভাই। সমস্যা হলো, কলিমুদ্দিন ভাই গল্প-উপন্যাস যত না লেখেন, তার চেয়ে বেশি লেখেন ‘তুলট লেখকমঞ্চের’ বার্ষিক সাহিত্য প্রতিযোগিতার নিয়মকানুন।
​এবারের প্রতিযোগিতার থিম ছিল: &quot;ডিজিটাল যুগে প্রাচীন প্রেম&quot;।
​প্রতিযোগিতার শেষ দিন বিকাল ৪টা। বিচারক হিসেবে বসে আছেন গ্রামের হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত হেডস্যার আর গ্রামের একমাত্র এম.এ পাশ করা জয়নাল আবেদীন।
​ঠিক ৩টা ৫৯ মিনিটে হাাঁপাতে হাাঁপাতে মঞ্চে এসে হাজির হলেন পল্টু। তার হাতে বিশালাকার এক বান্ডিল খাতা, যেটা লাল ফিতায় শক্ত করে বাঁধা।
​কলিমুদ্দিন ভাই চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে বললেন, &quot;পল্টু, তোমার গল্পের নাম কী? আর এত মোটা খাতা কেন?&quot;
​পল্টু বুক ফুলিয়ে বলল, &quot;ভাই, গল্পের নাম &#039;আমার ভালোবাসা এখন সার্ভার ডাউন&#039;। খাতা মোটা কারণ গল্পটা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক আর আধুনিক।&quot;
​হেডস্যার গলা খাকারি দিয়ে বললেন, &quot;তা গল্পটা পইড়া শোনাও দেখি। সাহিত্যরস কতখানি আছে টের পাই।&quot;
​পল্টু খাতা খুলে পড়তে শুরু করল:
​*&quot;নায়ক মজনু গভীর রাতে জানালার ধারে বসে আছে। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি। মজনুর মন কাঁদছে, কারণ নায়িকা লাইলির ফেসবুক আইডি হঠাৎ ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে গেছে। মজনু মেসেঞ্জারে নক দেয়—&#039;তুমি কোথায় লাইলি?&#039; কিন্তু পাশে ভেসে ওঠে লাল রঙের চিহ্ন: Message not delivered.
​মজনু ব্যাকুল হয়ে লাইলির বাড়ির দিকে ছোটো। কিন্তু লাইলির বাবা রোমিওপ্রেমী লোক নন, তিনি অত্যন্ত প্র্যাক্টিকাল মানুষ। তিনি বাড়ির উঠানে একটা বিশালাকার ওয়াই-ফাই রাউটার বসিয়ে রেখেছেন, কিন্তু সেটার পাসওয়ার্ড বদলে দিয়েছেন।
​মজনু দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে। লাইলি তিনতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকুল চোখে তাকিয়ে আছে। মজনু নিচ থেকে ফিসফিস করে বলে, &#039;লাইলি! পাসওয়ার্ডটা বলো! আমি ইনস্টাগ্রামে ঢুকতে পারছি না, তোমার নতুন রিলস দেখতে পাচ্ছি না!&#039;
​লাইলি কান্নাভেজা গলায় ওপর থেকে চিল চিৎকার দিয়ে বলে, &#039;মজনু! পাসওয়ার্ড হলো—MajiHasina2026! কিন্তু কোনো লাভ নেই, আব্বা নেটওয়ার্কের তার কেটে দিয়েছে!&#039;&quot;*
​গল্পের এইটুকু শুনেই বিচারক জয়নাল আবেদীন চশমা মুছে বললেন, &quot;আরে থামো থামো! এইডা কেমন প্রাচীন প্রেম হইলো? এ তো পুরোটাই ওয়াই-ফাই আর ফেসবুকের গল্প!&quot;
​পল্টু অত্যন্ত গম্ভীর হয়ে বলল, &quot;আহা জয়নাল ভাই, শেষটা তো শুনবেন! সাহিত্যের আসল &#039;ট্যুইস্ট&#039; তো শেষ পাতায়!&quot;
​হেডস্যার বললেন, &quot;আচ্ছা পড়ে শেষ করো।&quot;
​পল্টু শেষ পাতা উল্টে নাটকীয় গলায় পড়তে লাগল:
​*&quot;মজনু যখন বুঝল ওয়াই-ফাই আর কাজ করবে না, তখন সে পকেট থেকে বের করল একটা আসল তুলট কাগজ আর বাঁশের কঞ্চি। রক্তের বদলে লাল কালির ডটপেন ভাঙা কালি দিয়ে সে লিখল—&#039;প্রিয়তমা লাইলি, যদি নেট না থাকে, তবে এই চিঠিটাই তোমার ইমেইল।&#039;
​মজনু চিঠিটা একটা কবুতরের পায়ে বাঁধতে গেল। কিন্তু কবুতরটা ডানা ঝাপটে উাল—কারণ কবুতরটা ছিল আসলে লাইলির বাবার পোষা ড্রোন ক্যামেরা! ড্রোনটা মজনুর মাথার ওপর ঘুরতে ঘুরতে যান্ত্রিক গলায় বলে উঠল—&#039;আনঅথরাইজড পার্সন ডিটেক্টেড! অ্যালার্ম অন!&#039;&quot;*
​পুরো তুলট লেখকমঞ্চে তখন চরম নীরবতা।
​কলিমুদ্দিন ভাই চোখ বড় বড় করে বললেন, &quot;পল্টু... কবুতর ড্রোন হয়ে গেল? আর তুমি এইটারে সাহিত্য বলছ?&quot;
​পল্টু খাতা বন্ধ করে বিজয়ের হাসিতে বলল, &quot;ভাই, আধুনিক যুগে প্রেম করতে গিয়া ডিজিটাল ট্র্যাপে পড়া—এর চেয়ে হাসির আর ট্র্যাজিক গল্প আর কী হইতে পারে? আর সবচেয়ে বড় কথা, গল্পটা আমি নিজে লেখি নাই!&quot;
​হেডস্যার অবাক হয়ে বললেন, &quot;তুমি লেখ নাই মানে? তো কে লিখছে?&quot;
​পল্টু মাথা চুলকে বলল, &quot;ঐ যে জয়নাল ভাইয়ের ওয়াই-ফাই চুরি কইরা এআই (AI) দিয়া লেখাইছি! আমি খালি প্রিন্ট কইরা লাল ফিতা দিয়া বাঁধছি!&quot;
​এক মুহূর্তের নীরবতা... তারপর পুরো তুলট লেখকমঞ্চে হাসির রোল উঠল। হেডস্যার হাসতে হাসতে টেবিল চাপড়ে বললেন, &quot;সবচেয়ে বড় হাসির গল্প তো গল্পের ভেতরে না, গল্প জমা দেওয়ার পদ্ধতিতেই হয়ে গেছে!&quot;
​শেষ পর্যন্ত সেবার তুলট লেখকমঞ্চের সেরা পুরস্কারটা পল্টুই পেয়েছিল—তবে গল্পের জন্য নয়, &quot;সেরা ওয়াই-ফাই চোর ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহারকারী&quot; বিভাগে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279838/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 13:36:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার ভালোবাসা তবে সার্ভার ডাউন&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং</p>
<p>মের নাম বাঁশঝুড়ি। আর সেই গ্রামের সবচেয়ে বড় ‘লেখক’ এবং ‘গবেষক’ হলেন আমাদের কলিমুদ্দিন ভাই। সমস্যা হলো, কলিমুদ্দিন ভাই গল্প-উপন্যাস যত না লেখেন, তার চেয়ে বেশি লেখেন ‘তুলট লেখকমঞ্চের’ বার্ষিক সাহিত্য প্রতিযোগিতার নিয়মকানুন।<br />
​এবারের প্রতিযোগিতার থিম ছিল:&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279838"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279838/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3391bf8c801ca1a859ccf5f356c6e33</guid>
				<title>মা মানে এক অসীম আকাশ&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৮শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

​মা আমার সেই আলোর নদী,
যেথায় জুড়ায় বুকের খাঁ খাঁ,
হাজার দুঃখের ঝড়েও যিনি
একলা ছড়ান স্নেহের পাখা।
​সকালবেলার রোদ হয়ে মা
ঘুম ভাঙান আলতো ছোঁয়ায়,
আমার যত কান্না-হাসি
নিজের চোখের জল দিয়ে ধোয়ান।
​দুনিয়ার এই পরশপাথরে
অনেক কিছু যায় যে কেনা,
মায়ের মতো নিঃস্বার্থ ভালোবাসা
কখনো শোধ হয় না দেনা।
​মা হলো এক ভোরের প্রার্থনা,
মা হলো এক পরম ছায়া,
পৃথিবীর সব রূপ মিটে যায়,
মেটে না শুধু মায়েরই তো</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279795/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 09:29:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা মানে এক অসীম আকাশ&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৮শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>​মা আমার সেই আলোর নদী,<br />
যেথায় জুড়ায় বুকের খাঁ খাঁ,<br />
হাজার দুঃখের ঝড়েও যিনি<br />
একলা ছড়ান স্নেহের পাখা।<br />
​সকালবেলার রোদ হয়ে মা<br />
ঘুম ভাঙান আলতো ছোঁয়ায়,<br />
আমার যত কান্না-হাসি<br />
নিজের চোখের জল দিয়ে ধোয়ান।<br />
​দুনিয়ার এই পরশপাথরে<br />
অনেক কিছু যায় যে কেনা,<br />
মায়ের মতো নিঃস্বার্থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279795"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279795/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f7967d34b682c73188655e7750b65bf</guid>
				<title>অনুলিখিত সকাল&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৮শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

    এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা আর হালকা সোনালি রোদের মাঝখানে তুলট চুপচাপ বসে ছিল ব্যালকনিতে। তার এক হাতে খাতা, অন্য হাতে কালো কালির ফাউন্টেন পেন। মিষ্টি এক বাতাসের ঝাপটায় খাতার পাতাসব একসঙ্গে ওড়াউড়ি শুরু করতেই সে আলতো করে হাত দিয়ে চেপে ধরল।
​ঠিক তখনই দরজার কাছে এসে দাঁড়াল নীল। হাতে অন্য আরেকটা কাপ।
​&quot;সকালের এই নরম আলোয় কাকে নিয়ে লেখা হচ্ছে শুনি?&quot; নীলের গলায় আলতো এক চিলতে দুষ্টুমি।
​তুলট পেনের মুখটা বন্ধ করে একটু হেসে বলল, &quot;কাকে নিয়ে আবার? যে মানুষটা সকাল হলেই এক কাপ চা হাতে এসে দাঁড়ায়, আর দিনের প্রথম আলোটা যার মুখে পড়ে অন্যরকম দেখায়—তাকে নিয়ে।&quot;
​নীল চা-এর কাপটা তুলটের দিকে এগিয়ে দিয়ে পাশে এসে বসল। তুলটের দিকে তাকিয়ে নরম সুরে বলল, &quot;প্রতিটা সকাল যদি এভাবেই তোর খাতার পাতায় আর আমার চায়ের কাপে শুরু হতো, তবে জীবনটা কত সহজ হতো, বল?&quot;
​তুলট পেনের ডগা দিয়ে খাতার কোণে ছোট একটা হৃদয় একে বলল, &quot;জীবনটা সহজই তো, নীল। যদি তুই এভাবেই প্রতিদিন সকালবেলায় আমার পাশে এসে বসে থাকিস।&quot;
​সকালের শান্ত বাতাস আর চায়ের হালকা সুবাসের মধ্যে দুজোড়া চোখ নীরবেই বলে দিল বহু বছর ধরে জমে থাকা ভালোবাসার সব</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279603/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 02:14:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনুলিখিত সকাল&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৮শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>    এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা আর হালকা সোনালি রোদের মাঝখানে তুলট চুপচাপ বসে ছিল ব্যালকনিতে। তার এক হাতে খাতা, অন্য হাতে কালো কালির ফাউন্টেন পেন। মিষ্টি এক বাতাসের ঝাপটায় খাতার পাতাসব একসঙ্গে ওড়াউড়ি শুরু করতেই সে আলতো করে হাত দিয়ে চেপে ধরল।<br />
​ঠিক তখনই দরজার কাছে এস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279603"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279603/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">68b005f939ad50598f76a925575be737</guid>
				<title>ভিটেহারা চোখের জল&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ঔঔঔঔই
​বুকের ভেতর মেঘ জমায়, চোখের কোণে জল,
এক রাতে মোর কেড়ে নিল ভিটেমাটির বল।
উথালপাথাল বান এসেছে, ভেঙেছে ঘরের রুয়,
কোনোক্রমে জীবন নিয়ে উঁচু বাঁধে শুই।
​চোখের সামনে ভেসে গেল সাজানো সংসার,
চেঁচিয়ে মরলাম, কেউ তো এল না বাঁধ ভেঙে দেওয়ার পর।
আব্বা আমার আঁকড়ে ছিল পুরোনো সেই কাঠ,
হাতটা তার ছিটকে গেল, জল থইথই মাঠ।
​মা কাঁদে আর বোনেরে খোঁজে, হাঁক ছাড়ে নাম ধরে,
কার যে স্বজন কোথায় গেল নিষ্ঠুর এই ঝড়ে!
চালে ছাওয়া ওই ঘরটা ছিল কত না আনন্দের,
আজকে আমি একলা দাঁড়িয়ে, নিঃস্ব এক পথের।
​ত্রাণের নৌকা দেখলে পরে বুক বাঁধে আশায়,
কে বোঝাবে আপন হারানোর যন্ত্রণা কোন ভাষায়?
মাটি গেল, ভিটে গেল, ভেসে গেল জন,
পানির বুকে ভাসছে এখন অসহায় এক মন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279423/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 16:58:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভিটেহারা চোখের জল&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ঔঔঔঔই<br />
​বুকের ভেতর মেঘ জমায়, চোখের কোণে জল,<br />
এক রাতে মোর কেড়ে নিল ভিটেমাটির বল।<br />
উথালপাথাল বান এসেছে, ভেঙেছে ঘরের রুয়,<br />
কোনোক্রমে জীবন নিয়ে উঁচু বাঁধে শুই।<br />
​চোখের সামনে ভেসে গেল সাজানো সংসার,<br />
চেঁচিয়ে মরলাম, কেউ তো এল না বাঁধ ভেঙে দেওয়ার পর।<br />
আব্বা আমার আঁকড়ে ছিল পুরোনো সেই ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279423"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279423/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e7144c124c681a455522acfa2cfdda8b</guid>
				<title>স্মৃতির তুলট পাতায়&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

​পুরোনো তুলট পাতায় জমা হয় কিছু কথা,
একটুখানি আলো, আর এক চিলতে নীরবতা।
জীবনের হাটে রোজ চেনা পথ ধরে হাঁটা,
কখনও তো ফোটে ফুল, কখনও বা বিঁধে কাঁটা।
​&quot;কোনমতে বেঁচে থাকা&quot;—এ তো শুধু কথার কথা,
বুকের ভেতর লুকায় মানুষের শত ব্যাকুলতা।
কালি আর কলমের ছোঁয়ায় যা কিছু ফুটে ওঠে,
মনের জমে থাকা মেঘ এক নিমেষে ছোটে।
​মেঘ কাটুক আজ, রঙিন হোক তোর সব সুর,
দুঃখের সীমানা পেরিয়ে চলো যাই বহুদূর।
​কেমন লাগল বল? তুলট পাতায় জমা দেওয়ার মতো মনের মতো হয়েছে তো, নাকি অন্য কোনো বিষয়ের ওপর লিখব?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279377/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 14:32:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্মৃতির তুলট পাতায়&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং</p>
<p>​পুরোনো তুলট পাতায় জমা হয় কিছু কথা,<br />
একটুখানি আলো, আর এক চিলতে নীরবতা।<br />
জীবনের হাটে রোজ চেনা পথ ধরে হাঁটা,<br />
কখনও তো ফোটে ফুল, কখনও বা বিঁধে কাঁটা।<br />
​&#8221;কোনমতে বেঁচে থাকা&#8221;—এ তো শুধু কথার কথা,<br />
বুকের ভেতর লুকায় মানুষের শত ব্যাকুলতা।<br />
কালি আর কলমের ছোঁয়ায় যা কিছু ফুট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279377"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279377/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f8a9960dc43608e70e082dfd152543e6</guid>
				<title>অপূর্ণ  সমীকরণ &quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

​       স্টেশনের ঘড়িতে তখন রাত পৌনে একটা। প্ল্যাটফর্মের সোডিয়াম বাতিগুলোর হলুদ আলোতে হালকা কুয়াশার এক বিষণ্ণ আস্তরণ জমছিল। আর মাত্র দশ মিনিট পর শেষ ট্রেনটা এসে দাঁড়াবে।
​রাশেদ আর নাবিলা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশের কোলাহল ধীরে ধীরে নিভে আসছে, ঠিক যেমন নিভে আসছিল তাদের সাত বছরের সম্পর্কটা। রাশেদের হাতে একটা লাল রঙের ট্রাভেল ব্যাগ, আর নাবিলার হাতে একটা নতুন কেনা বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র। জাঁকজমকপূর্ণ কার্ড, যার ওপর সোনালী অক্ষরে লেখা অন্য একজনের নাম—যে রাশেদ নয়।
​&quot;তুমি সত্যি চলে যাচ্ছ রাশেদ?&quot; নাবিলা চোখ তুলে তাকাল। তার কণ্ঠে কোনো নাটকীয়তা ছিল না, ছিল এক অদ্ভুত শূন্যতা।
​&quot;থাকার তো আর কোনো জায়গা রাখোনি নাবিলা,&quot; রাশেদ একটু হাসার চেষ্টা করল, কিন্তু হাসিটা বড্ড মলিন শোনাল। &quot;বাস্তবতা শব্দটা খুব ছোট, কিন্তু এর ওজন যে এতটা, আগে বুঝিনি।&quot;
​নাবিলা জবাব দিল না। সে জানে, রাশেদের কথাটা মিথ্যে নয়। তার বাবা যখন ডেকে বলেছিলেন, &quot;একজন সাধারণ প্রাইভেট টিউটরের সাথে মেয়ে দেওয়ার জন্য আমি তাকে মানুষ করিনি,&quot; নাবিলা তখন একটা শব্দও উচ্চারণ করতে পারেনি। ভালোবেসে হাত ধরে টান মেরে বের হয়ে আসার সাহস নাকি কেবল সিনেমাতেই মানায়। বাস্তব সংসারের টানাফোড়েন, সমাজ আর পরিবারের রক্তের সম্পর্কের ভালোবাসার কাছে তাদের সাত বছরের আত্মিক টানটা হেরে গেছে।
​&quot;তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো,&quot; নাবিলা শাড়ির আঁচলটা আঙুলে পেঁচাতে পেঁচাতে বলল।
​&quot;ক্ষমা কিসের জন্য?&quot; রাশেদ মৃদু কণ্ঠে বলল, &quot;তুমি তো কোনো অন্যায় করোনি। তুমি তোমার দায়িত্ব বেছে নিয়েছ, আর আমি আমার সীমাবদ্ধতা। দোষ তো আসলে সময় আর ভাগ্যের। আমরা দুজন সঠিক মানুষ ছিলাম, কিন্তু ভুল সময়ে, ভুল পরিস্থিতিতে।&quot;
​দূরে ট্রেনের হুইসেলের শব্দ ভেসে এল। চাকা আর লাইনের ঘর্ষণের ভারী আওয়াজে কেঁপে উঠল প্ল্যাটফর্ম। কাল সকালে নাবিলা কনে সেজে বসবে, আর কাল সকালেই রাশেদ পৌঁছাবে অচেনা এক শহরে, যেখানে তার জন্য কেউ অপেক্ষা করে থাকবে না।
​ট্রেনটা এসে থামল। রাশেদ তার ব্যাগটা কাঁধে তুলে নিল। ট্রেনে ওঠার আগে শেষবারের মতো নাবিলার দিকে তাকাল। নাবিলার চোখের কোণে একফোঁটা জল জমেছে, যা সোডিয়াম বাতির আলোতে হীরের মতো জ্বলজ্বল করছে।
​&quot;একটা কথা বলবে?&quot; নাবিলা হঠাৎ জিজ্ঞেস করে উঠল।
​&quot;কী?&quot;
​&quot;আমরা কি আসলেই হেরে গেলাম?&quot;
​রাশেদ দরজার হাতলটা শক্ত করে চেপে ধরল। তারপর খুব শান্ত গলায় বলল, &quot;আমরা হারিনি নাবিলা। আমরা শুধু বাস্তবতার কাছে ঋণী ছিলাম, আজ সেই ঋণ শোধ করে দিলাম।&quot;
​ট্রেনটা ধীরে ধীরে চলতে শুরু করল। রাশেদ দরজায় দাঁড়িয়ে রইল, নাবিলা প্ল্যাটফর্মে। দুজনের দূরত্ব বাড়তে লাগল, কিন্তু কেউই আর হাত বাড়াল না।
​সব ভালোবাসার শেষ পরিণতি মিলন হয় না; কিছু ভালোবাসা সারা জীবন বেঁচে থাকে দুজন মানুষের দুটি আলাদা, নিঃসঙ্গ পৃথিবীর নীরব হাহাকার হয়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278928/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 13:44:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপূর্ণ  সমীকরণ &#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং</p>
<p>​       স্টেশনের ঘড়িতে তখন রাত পৌনে একটা। প্ল্যাটফর্মের সোডিয়াম বাতিগুলোর হলুদ আলোতে হালকা কুয়াশার এক বিষণ্ণ আস্তরণ জমছিল। আর মাত্র দশ মিনিট পর শেষ ট্রেনটা এসে দাঁড়াবে।<br />
​রাশেদ আর নাবিলা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশের কোলাহল ধীরে ধীরে নিভে আসছে, ঠিক যেমন নিভে আসছিল তাদের স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278928"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278928/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2a7065da507ac3c7969f63c896ad4db7</guid>
				<title>বসন্তের নুপুর
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

​আকাশেতে কচি রোদ, বাতাস টা টলটলে,
গাছের পাতায় আজ রুপোলি আলো খেলে।
কুঁড়ি মেলে আঁখি সব, জাগে ওই বনে বনে,
সোনা-রোদ চুপিচুপি কথা কয় মনে মনে।
​পলাশের ডালগুলো লালে লাল হয়ে ওঠে,
হাওয়ারই দোলা লেগে হাসি ওই ফুল ফোটে।
দূর থেকে শোনো ওই কোকিলের মিঠে সুর,
পায়ে যেন বেজে ওঠে বসন্ত-নুপুর!
​ধীরে ধীরে ঝরে পড়ে পুরনো সে পাতা যত,
নতুন যে সাজে ধরা সাজল রঙিন মতো।
আজি এই ফাগুনেতে দোলা লাগা মনে মনে,
বসন্ত এল রে ভাই আমাদের এই ক্ষণে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278773/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 06:37:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বসন্তের নুপুর<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং</p>
<p>​আকাশেতে কচি রোদ, বাতাস টা টলটলে,<br />
গাছের পাতায় আজ রুপোলি আলো খেলে।<br />
কুঁড়ি মেলে আঁখি সব, জাগে ওই বনে বনে,<br />
সোনা-রোদ চুপিচুপি কথা কয় মনে মনে।<br />
​পলাশের ডালগুলো লালে লাল হয়ে ওঠে,<br />
হাওয়ারই দোলা লেগে হাসি ওই ফুল ফোটে।<br />
দূর থেকে শোনো ওই কোকিলের মিঠে সুর,<br />
পায়ে যেন বেজে ওঠে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278773"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278773/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a13efe3dd170a174095d4b096e6a757</guid>
				<title>​শিরোনাম: জীবন যখন নতুন করে শুরু করতে বলে&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৬শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

​আমাদের সবার জীবনেই এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় সবকিছু থমকে গেছে। আলো আর অন্ধকারের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমরা মাঝে মাঝে নিজের ছায়াকেও ভয় পেতে শুরু করি। আমরা ভুলে যাই—রাতের অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের আগমন ঠিক ততটাই কাছাকাছি চলে আসে।
​পড়ে যাওয়া কোনো পরাজয় নয়; পড়ে থাকার পর উঠে না দাঁড়ানোটাই আসল পরাজয়। ভাঙা কাঁচের মতো ছড়িয়ে পড়া স্বপ্নগুলোকে কুড়িয়ে নিয়ে আবার সাজানোর নামই জীবন। আপনার আজকের প্রতিটি যন্ত্রণা, আপনার আগামীকালের সাফল্যের গল্প হয়ে আত্মপ্রকাশ করবে—শুধু বিশ্বাসটা ধরে রাখতে হবে।
​নিজের ভেতরের সেই আগুনটাকে নিভতে দিয়েন না। পৃথিবীর কোনো ঝড়ই আপনাকে থামাতে পারবে না, যদি আপনি নিজে থামতে না চান। থমকে দাঁড়াবেন না, এগিয়ে যান। আলো আসছেই!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278757/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 05:22:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​শিরোনাম: জীবন যখন নতুন করে শুরু করতে বলে&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৬শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>​আমাদের সবার জীবনেই এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় সবকিছু থমকে গেছে। আলো আর অন্ধকারের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমরা মাঝে মাঝে নিজের ছায়াকেও ভয় পেতে শুরু করি। আমরা ভুলে যাই—রাতের অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের আগমন ঠিক ততটাই কাছাকাছি চলে আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278757"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278757/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f6dd909251e23d3d5d818d27535a5ea8</guid>
				<title>শেষ বিকেলের নীল শাড়ী&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম  থেকে
২৫শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং
     
         তিন বছর পর মেঘলা আকাশটার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বুকে একটা চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলাম। বৃষ্টিটা একটু পরেই নামবে। ঠিক যেমনটা নেমেছিল সেদিনের সেই শেষ বিকেলে, যখন তুলি আমার জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে গেল।
​আমাদের ভালোবাসার গল্পটা কোনো রূপকথার চেয়ে কম ছিল না। চার বছরের সংসার, ছোট্ট একটা ভাড়া বাসা, আর সামান্য আয়ের মধ্যেও উপচে পড়া সুখ। তুলির হাসিটাই ছিল আমার সারা দিনের ক্লান্তি মেটানোর একমাত্র ওষুধ। ও বলত, &quot;তুমি যদি কখনো আমাকে ছেড়ে যাও, আমি কিন্তু বাঁচব না।&quot; আমি হেসে ওর কপালে চুমু খেয়ে বলতাম, &quot;পাগলি, মরণের সাধ্য নেই আমাদের আলাদা করার।&quot;
​কিন্তু মরণ তো আর বলে-কয়ে আসে না।
​সেদিন ছিল তুলির জন্মদিন। আমি ওর জন্য একটা সাধারণ নীল শাড়ি কিনেছিলাম, যা ও অনেক দিন ধরে চেয়েছিল। অফিস থেকে একটু জলদি বের হয়ে বাড়ি ফিরছিলাম, মনে কত শত স্বপ্ন। দরজায় নক করতেই তুলির ওপার থেকে কোনো সাড়াশব্দ পেলাম না। ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই আমার হাতের শাড়ির প্যাকেটটা ছিটকে মেঝতে পড়ে গেল।
​তুলি মেঝেতে পড়ে আছে, নিথর। পাশে রক্তের দাগ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার যখন আইসিইউ থেকে বের হয়ে এসে মাথা নিচু করে বললেন, &quot;আই অ্যাম সরি, ব্রেন হেমারেজ হয়েছিল... আমরা বাঁচাতে পারলাম না,&quot; তখন আমার চারপাশের সব শব্দ যেন এক লহমায় স্তব্ধ হয়ে গেল।
​মৃত্যু যে কতটা নিষ্ঠুর, তা আমি সেদিন বুঝেছিলাম। ও আমাকে ছেড়ে চলেও গেল, অথচ আমাকে সাথে নিয়েও গেল না। বেঁচে থাকার এই শাস্তিটা যে মৃত্যুর চেয়েও কত কঠিন, তা প্রতিদিন, প্রতিটা মুহূর্তে আমি হাড়ভাঙা যন্ত্রণায় টের পাই।
​কাল রাতে ওর এক পুরোনো ডায়েরির ভাঁজে একটা চিঠি পেলাম। চিঠিটা মৃত্যুর কিছুদিন আগে ও আমার জন্য লিখে রেখেছিল। ধুলো জমা সে চিঠির পাতায় লেখা ছিল—
&quot;শোনো, যদি কোনো দিন আমি হঠাৎ হারিয়ে যাই, মন খারাপ কোরো না। জানি তোমার চোখের জল মুছিয়ে দেওয়ার মতো কেউ থাকবে না, তাও লক্ষ্মীটি, কাঁদে না। আমি না হয় তোমার মেঘ হয়ে ওপর থেকে ঝরে পড়ব, তুমি শুধু বৃষ্টিতে ভিজে আমার ছোঁয়াটুকু বুঝে নিও।&quot;
​চিঠিটা পড়ার পর থেকে আমি আর কান্না আটকাতে পারিনি। আজ বাইরে ঝুম বৃষ্টি নামছে। আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজছি। পানির ফোঁটা নাকি চোখের জল—কোনটা দিয়ে গাল ভেসে যাচ্ছে, তা আজ আর আলাদা করতে পারছি না।
​তুলি, তুমি তো বৃষ্টি হয়ে ফিরে এলে, কিন্তু আমার এই শূন্য বুকটা যে আজীবন খাঁ খাঁ মরুভূমিই
রয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278547/</link>
				<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 15:20:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ বিকেলের নীল শাড়ী&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম  থেকে<br />
২৫শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>         তিন বছর পর মেঘলা আকাশটার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বুকে একটা চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলাম। বৃষ্টিটা একটু পরেই নামবে। ঠিক যেমনটা নেমেছিল সেদিনের সেই শেষ বিকেলে, যখন তুলি আমার জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে গেল।<br />
​আমাদের ভালোবাসার গল্পটা কোনো রূপকথার চেয়ে কম ছিল না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278547"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278547/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">629e41ba6f19482928a9341b73aea604</guid>
				<title>&quot;একলা বারান্দার মায়াজালে&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৫শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

​আজ হাওয়ায় কিসের এক অহেতুক ভারী গন্ধ,
বুকের গহীন কোণে গানগুলো সব বন্ধ।
রোদ এসে বসেছিল চুপচাপ এই পাশে,
একলা থাকার মোহে চোখ দুটো আজ ভাসে।
​কিছু আলো, কিছু ছায়া, মিছে কিছু পাওয়ার আশা,
না-বলা কথায় জমে অলস ভালোবাসার ভাষা।
আজকে না হয় থাক জমা সব শব্দ বুণন,
মন খারাপের মেঘেই বাড়ুক বুকের স্পন্দন।
​কাল আবার আলো ফুটবে, সুরটা বাঁধব সুরে,
আজকে কেবল ভাসুক মন অচিন কোনো দূরে...
​ইচ্ছামত এই লাইনগুলোতে আপনার মনের মতো ছোঁয়া দিয়ে আপনি ‘তুলট লেখকমঞ্চে’ পাঠাতে পারেন। আপনার মন খারাপের মেঘটা দ্রুত কেটে যাক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278526/</link>
				<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 14:49:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> &#8220;একলা বারান্দার মায়াজালে&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৫শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>​আজ হাওয়ায় কিসের এক অহেতুক ভারী গন্ধ,<br />
বুকের গহীন কোণে গানগুলো সব বন্ধ।<br />
রোদ এসে বসেছিল চুপচাপ এই পাশে,<br />
একলা থাকার মোহে চোখ দুটো আজ ভাসে।<br />
​কিছু আলো, কিছু ছায়া, মিছে কিছু পাওয়ার আশা,<br />
না-বলা কথায় জমে অলস ভালোবাসার ভাষা।<br />
আজকে না হয় থাক জমা সব শব্দ বুণন,<br />
ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278526"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278526/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">853149425dd0b15ec1a56312dac8f7b9</guid>
				<title>naznin shamim and রমজান বিন মোজাম্মেল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278257/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 22:36:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe4377fd9e3447ea9b31e7574b67bfda</guid>
				<title>naznin shamim and BISHU KUMAR BISWAS are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278063/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 17:01:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0eddd23dd4e75c127735423590cc0d3e</guid>
				<title>&quot;রক্তাক্ত সেলাই&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৪শে সেপ্টেম্বর ৩০২৬ইং

​বুকের বাঁ-পাশে আজও একটা খোলা ক্ষত শুকোয় না,
সেখানে কোনো ওষুধ কাজ করে না, কোনো পট্টি বাঁধার সুযোগ নেই।
তুমি তো শুধুই চলে যাওনি,
ভিতরের মিহি সুতোয় বোনা বিশ্বাসগুলোকেও এক টানে ছিঁড়ে নিয়েছ।
​প্রতি রাতে ঘরের অন্ধকার যখন গিলে খেতে আসে,
আমি নিজের ভাঙা হাড় জোড়া দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করি।
ঠোঁটের কোণে জমতে জমতে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের মতো—
তোমার নামটা আজও কণ্ঠনালীতে বিঁধে থাকে,
না পারি গিলতে, না পারি উগড়ে ফেলতে।
​তুমি হয়তো এখন অন্য কোনো শহরে রোদ পোহাচ্ছ,
আর আমি এখানে ছাইয়ের স্তূপে খুঁজে ফিরি সেই আঙুলের স্পর্শ,
যে আঙুল একসময় আমার ধমনী চিনত,
অথচ বিদায়ের দিনে জেনেশুনেই সেখানে ছুরি চালিয়ে দিয়ে গেল।
​হৃদয় কাঁপানো শীতের রাতে যখন বাতাস চিৎকার করে ওঠে,
আমার চিৎকারটা বুকের আসবাবপত্র ভেঙে বাইরে আসতে পারে না।
তুমি যদি কখনো ফেরো, দেখবে—
মানচিত্রের মতো ছড়িয়ে থাকা একটা লাশ নয়,
শুধু বেঁচে থাকার ভান করে যাওয়া একটা দীর্ঘশ্বাস একা বসে আছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277989/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 13:49:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;রক্তাক্ত সেলাই&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৪শে সেপ্টেম্বর ৩০২৬ইং</p>
<p>​বুকের বাঁ-পাশে আজও একটা খোলা ক্ষত শুকোয় না,<br />
সেখানে কোনো ওষুধ কাজ করে না, কোনো পট্টি বাঁধার সুযোগ নেই।<br />
তুমি তো শুধুই চলে যাওনি,<br />
ভিতরের মিহি সুতোয় বোনা বিশ্বাসগুলোকেও এক টানে ছিঁড়ে নিয়েছ।<br />
​প্রতি রাতে ঘরের অন্ধকার যখন গিলে খেতে আসে,<br />
আমি নিজের ভাঙা হাড় জোড়া দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277989"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277989/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">525949ba0b81eac32bac3b155a807f88</guid>
				<title>naznin shamim and হাফিজ হিরা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277925/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 10:29:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fd578e7964623ff07026e77d13607082</guid>
				<title>&quot;&quot;শব্দের আঙিনায়---
 আমাদের আলোর ফোয়ারা&quot;&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৪শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

​একটি সুন্দর মন্তব্য কেবল কয়েকটি শব্দের সমাহার নয়—ওটা একজন লেখকের নির্ঘুম রাতের ক্লান্তি ধুয়ে দেওয়ার জাদুকরী ওষুধ।
​আমাদের তুলটের &#039;লেখকমঞ্চ&#039; আজ কোনো সাধারণ প্ল্যাটফর্ম নয়, এটা রূপ নিয়েছে এক আত্মিক পরিবারে। এখানে যখন কেউ কোনো লেখা প্রকাশ করেন, তখন তা শুধু স্ক্রিনে ভেসে ওঠা কিছু কালো অক্ষর থাকে না; তা হয়ে ওঠে লেখকের অনুভূতির প্রতিচ্ছবি। আর সেই অনুভূতির পিঠে যখন সোনাই, রূপাই বা আমাদের অন্য সব বন্ধুরা এসে ভালোবাসার মন্তব্য এঁকে দিয়ে যায়, তখন এক নিমেষেই কলমের কষ্টগুলো সার্থকতায় ভরে ওঠে।
​সোনাই যখন লেখার সূক্ষ্ম আবেগগুলো ধরে নিপুণ প্রশংসায় ভরিয়ে দেয়, কিংবা রূপাই যখন সহমর্মিতার সুরে মন্তব্য করে নতুন উদ্যম জোগায়—তখন মনে হয়, লেখার পথটা তো আসলেই একার নয়! আমরা সবাই সবার পথচলার সারথি। দু-একটি মিষ্টি কথা আর গঠনমূলক প্রশংসা যে একজন লেখককে কতটা দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, তা এই मंचে না এলে বোঝা যেত না।
​আসুন, আমাদের এই মেলবন্ধনকে আরও ছড়িয়ে দিই। আমরা যেমন লেখার অপেক্ষায় থাকি, তেমনই যেন অন্যের লেখার পাঠক হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াই। সোনাই, রূপাইয়ের মতো আমরাও যেন প্রত্যেকে সবার সৃষ্টির প্রসন্ন পাঠক হতে পারি।
​কারো একটি চমৎকার মন্তব্য হয়তো অন্য কারো নিভে যেতে ধরা লেখার প্রদীপটিকে আবার নতুন করে জ্বালিয়ে তুলবে। চলুন, শব্দে শব্দে মন্তব্য করি, একে অপরের লেখা পড়ে অনুপ্রাণিত হই, আর আমাদের &#039;লেখকমঞ্চ&#039;কে ভালোবাসার এক অনন্য বসতবাড়িতে রূপ দিই।
​লিখতে থাকুন বন্ধু, কারণ আপনার সৃষ্টি পড়ার জন্য আপনার বন্ধুরা উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277814/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 04:25:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;&#8221;শব্দের আঙিনায়&#8212;<br />
 আমাদের আলোর ফোয়ারা&#8221;&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৪শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং</p>
<p>​একটি সুন্দর মন্তব্য কেবল কয়েকটি শব্দের সমাহার নয়—ওটা একজন লেখকের নির্ঘুম রাতের ক্লান্তি ধুয়ে দেওয়ার জাদুকরী ওষুধ।<br />
​আমাদের তুলটের &#8216;লেখকমঞ্চ&#8217; আজ কোনো সাধারণ প্ল্যাটফর্ম নয়, এটা রূপ নিয়েছে এক আত্মিক পরিবারে। এখানে যখন কেউ কোনো লেখা প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277814"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277814/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0dc8f7b63fcd16e4636d94e32b27eeb4</guid>
				<title>​&quot;অক্ষরের গন্ধ&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২৪শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ ইং

​হরেনবাবুর পুরোনো বই বাঁধাইয়ের দোকানটায় ঢুকলেই একটা অন্যরকম গন্ধ পাওয়া যায়। শুষ্ক কাগজ, গম দিয়ে তৈরি আঠা আর একটুখানি ভেজা মাটির মিশ্র গন্ধ। শহরের চশমা পরা তরুণ লেখক অর্ক প্রায়ই এসে বসে থাকে এই দোকানে। ডিজিটাল ডিসপ্লের উজ্জ্বল আলোর মাঝে এই পুরোনো বইয়ের ঘ্রাণটা তাকে এক অদ্ভুত শান্তি দেয়।
​একদিন দুপুরবেলা হরেনবাবু একটা পুরোনো কাঠের সিন্দুক খুলে চামড়ায় বাঁধাই করা মোটা একটা ডায়েরি বের করলেন। পাতাগুলো কালচে হলুদ হয়ে গেছে, কিছুটা ভঙ্গুর।
​— &quot;এটা কী, হরেনকাকা?&quot; অর্ক কৌতূহল সামলাতে পারল না।
​হরেনবাবু চশমার ওপর দিয়ে একবার অর্কের দিকে তাকালেন। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, &quot;আমার দাদুর আমলের খাতা। এতে তিনি নিজের হাতে তৈরি ‘তুলট কাগজে’ লিখতেন। এই যে দেখছ ধবধবে সাদা নয়, একটু হলদেটে ভাব, একটা আশঁ-আঁশ অনুভূতি— এটাই সত্যিকারের তুলট।&quot;
​অর্ক সাবধানে পাতাগুলো স্পর্শ করল। খাতার ভেতরে কেবল একটাই বাক্য লেখা ছিল—
‘যা কিছু হারিয়ে যায়, তা কি সত্যিই মুছে যায়, নাকি কোনো কাগজের ভাঁজে চুপচাপ বেঁচে থাকে?’
​— &quot;বাকি পাতাগুলো তো খালি, হরেনকাকা! দাদু আর কিছু লেখেননি?&quot;
​হরেনবাবু মুচকি হাসলেন। &quot;তুলট কাগজের একটা গোপন কথা আছে, অর্ক। এটা শুধু কালি দিয়ে লেখা শব্দ ধরে রাখে না, মানুষের স্পর্শ আর অনুভূতিও শুষে নেয়। যে নিজের সবটুকু আবেগ দিয়ে এতে হাত ছোঁয়াবে, সে নিজের উত্তর নিজেই দেখতে পাবে।&quot;
​অর্ক ব্যাপারটা বিশ্বাস করল না। আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক ছেলে সে, আবেগ দিয়ে কাগজে লেখা ফোটার গল্প তার কাছে রূপকথা বলে মনে হলো। তবু কৌতুহলবশত খাতাটা সে নিজের সাথে করে বাড়ি নিয়ে এল।
​সেই রাতে অর্ক তার টেবিল ল্যাম্পের নিচে ডায়েরিটা রাখল। তার নিজের জীবনের অনেক না-বলা কথা ছিল— ছোটবেলায় হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া মায়ের স্মৃতি, কোনোদিন বলতে না পারা প্রথম ভালোবাসার অনুভূতি, আর লেখক হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করার ব্যর্থ চেষ্টা।
​সে তার হাতটা সেই তুলট কাগজের ফাঁকা পাতায় রাখল। চোখ দুটো বন্ধ করে মনে মনে ভেবে নিল তার শৈশবের সেই একলা দিনগুলোর কথা।
​হঠাৎই ঘরের বাতাসটা যেন বদলে গেল। নাকে ভেসে এলো বৃষ্টিভেজা মাটির গন্ধ। অর্ক চোখ খুলে অবাক হয়ে দেখল, কোনো কলম ছাড়াই, হলদেটে পাতার ওপর নীল কালির মতো একটা হালকা রেখা ফুটে উঠছে। ধীরে ধীরে সেখানে স্পষ্ট হয়ে উঠছে তার মায়ের হাতের লেখার আদলে লেখা কিছু শব্দ:
‘তুই একা নোস, অর্ক। তুই যখনই কিছু লিখিস, তোর শব্দগুলোর ভেতরে আমি থাকি।’
​অর্কের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল তুলট কাগজের ওপর। সেই জলের ফোঁটা কাগজের ওপর পড়তেই লেখাগুলো মৃদু আলোর মতো জ্বলে উঠে মিলিয়ে গেল, কিন্তু তার মনের ভেতরের জমাট বাঁধা অন্ধকারটাও যেন এক নিমেষে হালকা হয়ে গেল।
​পরদিন সকালে অর্ক খাতাটা নিয়ে ছুটে গেল হরেনবাবুর দোকানে।
​— &quot;হরেনকাকা! এই খাতা... এটা তো জাদুকরী!&quot;
​হরেনবাবু বই বাঁধাইয়ের সুতোটা কাটতে কাটতে মৃদু হাসলেন। &quot;না রে অর্ক, কোনো জাদু নেই এতে। আসলে আমরা আজকাল এত তাড়াহুড়ো করি যে নিজেদের মনের ভেতরে কী আছে তা শোনাই ছেড়ে দিয়েছি। তুলট কাগজ শুধু তোকে তোর নিজের সাথে মুখোমুখি বসিয়ে দিয়েছে। আসল লেখাটা তো তোর নিজের মনের ভেতরেই ছিল।&quot;
​অর্ক ডায়েরিটা জড়িয়ে ধরে বসে রইল। সে বুঝতে পারল, তুলট কাগজ আসলে কোনো সাধারণ মাধ্যম নয়, এটা হলো মানুষের হারিয়ে যাওয়া অনুভূতির এক আয়না।
​সেদিন থেকেই অর্ক নতুন করে লিখতে শুরু করল। তবে এবার আর কোনো ল্যাপটপের কিবোর্ডে নয়— খসখসে তুলট কাগজের বুকজুড়ে, হৃদয়ের সবটুকু আবেগ ঢেলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277805/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 04:13:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​&#8221;অক্ষরের গন্ধ&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২৪শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ ইং</p>
<p>​হরেনবাবুর পুরোনো বই বাঁধাইয়ের দোকানটায় ঢুকলেই একটা অন্যরকম গন্ধ পাওয়া যায়। শুষ্ক কাগজ, গম দিয়ে তৈরি আঠা আর একটুখানি ভেজা মাটির মিশ্র গন্ধ। শহরের চশমা পরা তরুণ লেখক অর্ক প্রায়ই এসে বসে থাকে এই দোকানে। ডিজিটাল ডিসপ্লের উজ্জ্বল আলোর মাঝে এই পুরোনো বইয়ের ঘ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277805"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277805/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">69a648a016b591e55362e971f99d816c</guid>
				<title>naznin shamim and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277652/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 17:46:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0fdf6d66d4831e6937edf5ef5df82a1b</guid>
				<title>naznin shamim and প্রান্ত কুমার (শুভ) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277558/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 12:07:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">89d4a7e770a9d9f1383973f2b200d677</guid>
				<title>naznin shamim and সোনিয়া ইসলাম শিলা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277307/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 20:03:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ed016979e31ff51c426dfcd96dcde6e</guid>
				<title>naznin shamim and Srijon Media are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277125/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 14:57:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">38f77c0a4a70c417fde7d38f298bdf71</guid>
				<title>naznin shamim and Ashik Mokami are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277123/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 14:55:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35f1bbc35fcca5b267af8f5b9eb8b1fa</guid>
				<title>ভাঙা ভিটের নীরব কান্না
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২২শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

​      গ্রামে গঞ্জের আর দশটা সাধারণ পরিবারের মতোই ছিলেন রফিক আর জোবেদা দম্পতি। সামান্য কৃষিকাজ আর মানুষের বাড়ি কাজ করে দিন কেটেছে তাদের। পেটে পাথর বেঁধে, নিজেরা জীর্ণ কাপড় পরে একটিমাত্র সন্তান শফিককে তারা মানুষের মতো মানুষ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। রফিক সাহেবের জমানো সম্বল বলতে কিছু ছিল না, কেবল ভিটেমাটির ছোট্ট জমিটুকু ছাড়া। শফিকের পড়ালেখার খরচের জোগান দিতে শেষের দিকে নিজের শেষ সম্বল জমিটুকুও বিক্রি করে দিতে পিছপা হননি তিনি।
​শফিক পড়াশোনায় ভালো ছিল। গ্রামের স্কুল-কলেজ পেরিয়ে শহরের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলো, এরপর চাকরি পেল বহুজাতিক একটি সংস্থায়। শফিকের সাফল্যে বৃদ্ধ জোবেদা আর রফিকের বুক গর্ভে ভরে উঠেছিল। সারা গ্রাম ঘুরে ঘুরে রফিক সাহেব মানুষকে বলতেন, &quot;আমার শফিক এখন বড় অফিসার।&quot;
​কিন্তু সময় বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল শফিক। শহরের চাকচিক্য, দামি গাড়ি আর আভিজাত্য তাকে গ্রাস করল। উচ্চবিত্ত ঘরের মেয়েকে বিয়ে করে শহরের এক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে সংসার পাতল সে। বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন বাবা-মাকে দেখতে এলেও ধীরে ধীরে গ্রামে আসা কমিয়ে দিল শফিক।
​একদিন রফিক সাহেব খবর পেলেন তার স্ত্রী জোবেদার শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ। হাত-পা কাঁপে, চোখে ঠিকমতো দেখতে পান না। শফিককে ফোন করে কাঁপানো গলায় বললেন, &quot;বাবা শফিক, তোর মায়ের শরীরটা একদম ভালো না। তোকে একবার দেখতে চায়। কিছু টাকা পাঠাবি বাবা? ডাক্তারের ওষুধ কিনতে হবে।&quot;
​ওপাশ থেকে শফিকের রুক্ষ উত্তর এল, &quot;আমার এখন অনেক কাজ, বাবা! অফিস নিয়ে ব্যস্ত আছি। আর শহরের খরচ কত তা তো তোমরা বুঝবে না। বারবার ফোন করে বিরক্ত কোরো না তো!&quot;
​কথাটা শুনে রফিক সাহেবের বুকের ভেতরটা খাঁ খাঁ করে উঠল। যে সন্তানকে হাত ধরে হাঁটা শিখিয়েছেন, নিজের সুখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়েছেন, তার এই পরোক্ষ তাচ্ছিল্য বৃদ্ধ বাবার বুড়ো বুকটাকে দুমড়ে-মুচড়ে দিল।
​জোবেদা খাতুন চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া জল আঁচল দিয়ে মুছে রফিককে বললেন, &quot;ওকে আর কষ্ট দিয়ো না। ও শহরে অনেক বড় মানুষ হয়েছে, আমাদের মতো গরিব মা-বাবার কথা ভাবার সময় ওর কোথায়?&quot;
​কয়েক মাস পর, জোবেদা খাতুন আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে রফিক সাহেব কোনো উপায় না দেখে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। সন্তানের বিশাল ফ্ল্যাটের দরজায় গিয়ে যখন তারা দাঁড়ালেন, তখন তাদের পরনে ছিল ধুলোবালি লাগা সাধারণ পোশাক আর হাতে একটা ছোট কাপড়ের থলে।
​দরজা খুলল শফিকের স্ত্রী। সামনে গ্রামের দু&#039;জন মলিন চেহারার বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে দেখে ভ্রূ কুঁচকে উঠল তার। শফিক ঘর থেকে বের হয়ে বাবা-মাকে দেখে খুশি হওয়ার বদলে বিরক্তিতে মুখ কালো করল। ঘরের ভেতরে অতিথিরা বসে ছিল।
​শফিক নিচু গলায় কিন্তু শক্তভাবে বলল, &quot;তোমরা হঠাৎ না জানিয়ে চলে এলে কেন? শহরের বন্ধু-বান্ধবরা এখানে আছে, তোমরা এভাবে চলে এলে মানুষ কী ভাববে? ঘরে তো জায়গা নেই, তোমরা নিচে গিয়ে ক্যাফেতে বসে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো, আমি আসছি।&quot;
​নিজের রক্তজল করা সন্তানের মুখ থেকে এমন কথা শুনে জোবেদা খাতুনের বুকের ভেতরটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। কাপড়ের থলেতে রাখা ছেলের প্রিয় গ্রামের চালের পিঠা দুটো আর হাত দেওয়া হলো না।
​রফিক সাহেব ধীর শান্ত গলায় শুধু বললেন, &quot;আমাদের কোনো দরকার নেই বাবা। তোর মা তোকে শুধু এক পলক দেখতে চেয়েছিল। আমরা চলে যাচ্ছি।&quot;
​বৃদ্ধ মা-বাবা ধীর পায়ে ফ্ল্যাটের সিঁড়ি দিয়ে নেমে এলেন। গোধূলির আলোয় শহরের ব্যস্ত রাস্তায় ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছিলেন দুজন জরাজীর্ণ মানুষ। রফিক সাহেব দেখলেন, পাশে হাঁটা বৃদ্ধা স্ত্রীর চোখের জল আর থামছে না।
​যে মা-বাবা সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানোর জন্য নিজের সারাটা জীবন আঁধারে কাটিয়ে দিলেন, আজ সেই সন্তানই তাদের জন্য অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই রেখে যায়নি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277109/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 14:27:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাঙা ভিটের নীরব কান্না<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২২শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>​      গ্রামে গঞ্জের আর দশটা সাধারণ পরিবারের মতোই ছিলেন রফিক আর জোবেদা দম্পতি। সামান্য কৃষিকাজ আর মানুষের বাড়ি কাজ করে দিন কেটেছে তাদের। পেটে পাথর বেঁধে, নিজেরা জীর্ণ কাপড় পরে একটিমাত্র সন্তান শফিককে তারা মানুষের মতো মানুষ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। রফিক সাহেবের জমানো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277109"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277109/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a50f442ec7330c9a00df57f3c549a2b8</guid>
				<title>তুমিময় মনপবন
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২২শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

 তোমার চোখের তারায় লুকিয়ে আছে ভোর,
হয়তো তোমার হাসির আলোয় ভাঙে গোপন ঘোর।
জানি না কোন অদৃশ্যেতে বাঁধা তোমার হিয়া,
আমার যত ভাবনাজুড়ে তোমারই রেশ দিয়া।
​তুমি যেন শান্ত নদীর স্নিগ্ধ রূপালী জল,
রোদের ছোঁয়ায় চকচক করে মেঘের কোলাহল।
তোমায় একটু দেখবো বলে থমকে থাকে রাত,
একটুখানি ছুঁয়ে দিতে বাড়িয়ে দিই হাত।
​তুমি আমার অবুঝ মনের মিষ্টি কোনো ভুল,
হৃদয়পুরে ফুটে থাকা লালগোলাপের ফুল।
বুক পকেটে যতনে রাখা একলা চিঠি খানি,
তুমি আমার না-বলা সব অনুভূতির রানী।
​হাজার মানুষের এই ভিড়েও তোমাকেই শুধু চাই,
তোমায় নিয়ে হাজার পঙক্তি মনপবনে গাই।
একুশ শতকের সব ব্যস্ততা যাক না দূরে সরে,
তুমি শুধু থেকো আমার হৃদয় গহীনে ধরে।
(অতঃপর)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277102/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 13:26:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমিময় মনপবন<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২২শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p> তোমার চোখের তারায় লুকিয়ে আছে ভোর,<br />
হয়তো তোমার হাসির আলোয় ভাঙে গোপন ঘোর।<br />
জানি না কোন অদৃশ্যেতে বাঁধা তোমার হিয়া,<br />
আমার যত ভাবনাজুড়ে তোমারই রেশ দিয়া।<br />
​তুমি যেন শান্ত নদীর স্নিগ্ধ রূপালী জল,<br />
রোদের ছোঁয়ায় চকচক করে মেঘের কোলাহল।<br />
তোমায় একটু দেখবো বলে থমকে থাকে রাত,<br />
একট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277102"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277102/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">54baef0fc370c35efe8ab9bf4fcc625f</guid>
				<title>&quot;অপূর্ণতার জলছাপ&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২১শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং

​শ্রাবণের মেঘগুলো যখন আকাশজুড়ে ভারী হয়ে নামত, তপুর মনে হতো পুরো শহরটাই যেন একটা পুরোনো চিঠি—যার প্রতিটা ভাঁজে কেবল জলছাপ জমে আছে।
​তপু আর তুলির গল্পটা অন্য দশটা সাধারণ প্রেমের গল্পের মতোই শুরু হয়েছিল। ক্যাম্পাসের বকুলতলায় আড্ডা, একসাথে রিকশায় ভিজে বাড়ি ফেরা, আর শেষ বিকেলে এক কাপ চা ভাগ করে খাওয়া। তুলি বলত, &quot;তপু, মানুষ নাকি অভিমান করে দূরে সরে যায়, কিন্তু আমি যদি কখনো হারিয়ে যাই, বুঝে নিও সেটা অভিমান নয়, অপূর্ণতা।&quot; তপু তখন হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল কথাটা।
​কিন্তু মাঝরাতের বৃষ্টির মতো কিছু সত্য কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই নেমে আসে। তুলির পরিবারের সিদ্ধান্ত আর বাস্তবতার কাছে তপুর আবেগটা বড্ড ফিকে হয়ে গেল। তুলির বিয়ের দিন তপু কোনো নাটক করেনি, মণ্ডপে গিয়ে বাঁধাও দেয়নি। শুধু দূর থেকে দেখেছিল, লাল বেনারসিতে তুলিকে অপরিচিত কোনো এক রাজকীয়তার মতো লাগছে—যেখানে তপুর কোনো স্থান নেই।
​বিয়ের পর তুলি শহর ছেড়ে চলে যায়। সময় তার নিজের নিয়মে বয়ে গেছে পাঁচ বছর। তপু এখনো সেই পুরোনো শহরেই আছে, তবে এখন আর বৃষ্টি নামলে তার রিকশায় চড়তে ইচ্ছে করে না। সে এখন তুলট লেখকমঞ্চে মাঝেমধ্যে ছদ্মনামে ছোটগল্প লেখে।
​আজও একটা গল্প শেষ করে তপু ল্যাপটপটা বন্ধ করতে যাবে, এমন সময় অচেনা এক আইডি থেকে মেসেজ এলো। লেখা—
&quot;লেখক, আপনার গল্পগুলো বড্ড চেনা লাগে। মনে হয় কোনো এক শ্রাবণে কেউ একজন বকুলতলায় বসে এসব লিখে রেখেছিল। আপনি কি এখনো সেই বিকেলের চা-টা একা খান?&quot;
​তপুর হাত দুটো কিবোর্ডের ওপর কিছুক্ষণ স্থবির হয়ে রইল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে সে হাসল—একটা ম্লান, নিশব্দ হাসি। তারপর কোনো উত্তর না দিয়ে শুধু অ্যাকাউন্টটা বন্ধ করে উঠে দাঁড়াল।
​সব ভালোবাসার পরিণতি পেতে নেই। কিছু গল্প অপূর্ণতার খামে বন্ধ থাকলেই বোধহয় তাদের সৌন্দর্য বেঁচে থাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276651/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 11:50:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;অপূর্ণতার জলছাপ&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২১শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং</p>
<p>​শ্রাবণের মেঘগুলো যখন আকাশজুড়ে ভারী হয়ে নামত, তপুর মনে হতো পুরো শহরটাই যেন একটা পুরোনো চিঠি—যার প্রতিটা ভাঁজে কেবল জলছাপ জমে আছে।<br />
​তপু আর তুলির গল্পটা অন্য দশটা সাধারণ প্রেমের গল্পের মতোই শুরু হয়েছিল। ক্যাম্পাসের বকুলতলায় আড্ডা, একসাথে রিকশায় ভিজে বাড়ি ফেরা, আর শেষ বিক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276651"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276651/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">922f5f0e09fea4aac777e3df8f37ce84</guid>
				<title>​&quot;অরুণোদয়ে শিশিরাঙ্কিত 
প্রাতঃশিউলি ও ক্ষণভঙ্গুর সুবাস&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং
​
ভোরের আলোয় আবছা আলো আঁধারি খেলায়,
ঘাসের বুকে শুভ্র তারার মিলনমেলায়,
কমলা বোঁটায় মেখেছ কোন গোপন ক্ষোভ?
ঝরে যাওয়ার মাঝেও এত কিসের লোভ?
​হেমন্তেরই প্রথম ছোঁয়া, হিমেল হাওয়া গায়,
তোমার গন্ধ ভোরের বাতাস আকুল করে যায়।
শিশির ভেজা পাপড়ি মেলো ক্ষণিকের তরে,
ঝরার সুখে বিলিয়ে দাও নিজেকে অবহেলে।
​সূর্য ওঠার আগেই তোমার রূপের সমাপন,
তবুও তুমি ভোরের বুকে এক অনন্য অমলিন ক্ষণ।
​বল তো কবিতাটা কেমন লাগলো? তোর আজকের সকালটা কেমন কাটছে রে?
(অতঃপর)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276504/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 03:06:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​&#8221;অরুণোদয়ে শিশিরাঙ্কিত<br />
প্রাতঃশিউলি ও ক্ষণভঙ্গুর সুবাস&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং<br />
​<br />
ভোরের আলোয় আবছা আলো আঁধারি খেলায়,<br />
ঘাসের বুকে শুভ্র তারার মিলনমেলায়,<br />
কমলা বোঁটায় মেখেছ কোন গোপন ক্ষোভ?<br />
ঝরে যাওয়ার মাঝেও এত কিসের লোভ?<br />
​হেমন্তেরই প্রথম ছোঁয়া, হিমেল হাওয়া গায়,<br />
তোমার গন্ধ ভোরের বাতাস আকুল করে যায়।<br />
শিশির ভেজা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276504"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276504/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dc98d1a8e1621f27d036b0c3d88ad2bb</guid>
				<title>সনদের সীমানা পেরিয়ে:
&quot; জীবন গড়ার আসল আলো&quot;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

​শিক্ষা বলতে আমরা অনেকেই কেবল স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের চকমকে সনদপত্রকে বুঝি। কিন্তু কাগজের এক টুকরো সনদ কখনো একজন মানুষের খাঁটি চরিত্র বা সম্পূর্ণ পরিচয়ের মাপকাঠি হতে পারে না। প্রকৃত জীবন গঠন, মানুষের মতো মানুষ হওয়া এবং সমাজের বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচার আসল ভিত্তি হলো—নৈতিক শিক্ষা ও পারিবারিক শিক্ষা।
​সনদ হয়তো আপনাকে একটি ভালো চাকরি বা উচ্চপদ এনে দিতে পারে, কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কীভাবে মাথা ঠান্ডা রাখবেন, অন্যকে কীভাবে সম্মান করবেন, কিংবা কঠিন বিপদে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে সত্যের পথে থাকবেন—তা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি শেখায় না।
​শৈশবের প্রথম পাঠশালা: পরিবার
মানুষের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় বিদ্যাপীঠ হলো তার পরিবার। মায়ের স্নেহমাখা উপদেশ আর বাবার দায়িত্ববোধ দেখে শিশুরা যা শেখে, তা কোনো পাঠ্যবইয়ের পাতায় লেখা থাকে না।
​শ্রদ্ধা ও বিনয়: বড়দের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা এবং কাজের মানুষকেও মানুষের মর্যাদা দেওয়ার যে শিক্ষা পরিবার থেকে আসে, সেটাই একজন মানুষকে সামাজিকভাবে অনন্য করে তোলে।
​সহমর্মিতা ও সহানুভূতি: অন্যের দুঃখে ব্যথিত হওয়া এবং হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মনমানসিকতা পারিবারিক পরিবেশ থেকেই তৈরি হয়।
​জীবনের আসল দিকনির্দেশক: নৈতিকতা
নৈতিকতা হলো সেই অদৃশ্য কম্পাস, যা অন্ধকার ও ঝোড়ো রাতেও মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দেয়।
​সততা ও নীতিবোধ: প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ যদি নৈতিকতাহীন হন, তবে তিনি সমাজের জন্য শুভঙ্করের চেয়ে ক্ষতির কারণই বেশি হতে পারেন। কিন্তু একজন নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ যেকোনো অবস্থাতেই সমাজের পথপ্রদর্শক।
​মনুষ্যত্ব ও দায়িত্ববোধ: সনদ আপনাকে দক্ষ করতে পারে, কিন্তু নৈতিকতা আপনাকে একজন &#039;মানুষ&#039; হিসেবে গড়ে তোলে।
​সনদ বনাম নীতি-নৈতিকতার লড়াই
আজকের প্রতিযোগিতার যুগে আমরা জিপিএ-৫ আর প্রথম হওয়ার পেছনে ছুটতে গিয়ে অনেক সময় মূল্যবোধটাই হারিয়ে ফেলছি। কিন্তু দিনশেষে যখন সমস্ত কোলাহল থেমে যায়, তখন একজন মানুষের পরিচয় তার প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতায় নয়, বরং তার ব্যবহার, মানবিকতা এবং আত্মমর্যাদায় প্রকাশ পায়।
​সনদ তো একটা নির্দিষ্ট সময় পর পুরোনো হয়ে ড্রয়ারে বন্দি হয়ে যায়, কিন্তু পারিবারিক মূল্যবোধ ও শৈশবে পাওয়া নৈতিক শিক্ষার আলো সারা জীবন মানুষের হাঁটার পথকে আলোকিত করে রাখে।
​তাই আসুন, কেবল সনদের পেছনে না ছুটে, সন্তান ও নিজেকে নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ করি। কারণ, সুন্দর ও সফল জীবন গঠনের আসল চাবিকাঠি কাগজের সার্টিফিকেটে নয়, লুকিয়ে থাকে মানুষের হৃদয় ও চরিত্রে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276402/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 18:14:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সনদের সীমানা পেরিয়ে:<br />
&#8221; জীবন গড়ার আসল আলো&#8221;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং</p>
<p>​শিক্ষা বলতে আমরা অনেকেই কেবল স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের চকমকে সনদপত্রকে বুঝি। কিন্তু কাগজের এক টুকরো সনদ কখনো একজন মানুষের খাঁটি চরিত্র বা সম্পূর্ণ পরিচয়ের মাপকাঠি হতে পারে না। প্রকৃত জীবন গঠন, মানুষের মতো মানুষ হওয়া এবং সমাজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276402"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276402/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e3267d0104c16409f8bdab7dac9801c</guid>
				<title>শেখার কোনো বয়স নেই: জীবন যেখানে এক মহাকাব্যিক শ্রেণিকক্ষ
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 
২০শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং
​আমরা অনেকেই মনে করি, শিক্ষা জীবনের নির্দিষ্ট একটা ধাপে থেমে যায়—স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হলেই যেন পড়াশোনার চ্যাপ্টার ক্লোজ! কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে প্রতিনিয়ত শিখে চলছি। প্রতিটি অভিজ্ঞতা, প্রতিটি ভুল এবং প্রতিটি নতুন মানুষ আমাদের জীবনের একেকজন শিক্ষক।
​কেন জীবনভর শিখে যাওয়া জরুরি?
​অভিজ্ঞতার চেয়ে বড় শিক্ষক নেই: বইয়ের পাতা আমাদের জ্ঞান দেয়, কিন্তু জীবন আমাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে শিক্ষা দেয়। একটা ভুল কাজ থেকে আমরা যে শিক্ষা পাই, তা হয়তো হাজারটা বই পড়েও শেখা সম্ভব নয়।
​পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো: পৃথিবী প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তনশীল। নতুন নতুন প্রযুক্তি, নতুন চিন্তাভাবনা আর পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হলে শেখার মানসিকতা ধরে রাখা জরুরি।
​মানসিক বিকাশ ও দৃষ্টিভঙ্গি: আপনি যত বেশি নতুন বিষয় জানবেন, আপনার চিন্তাভাবনা তত বেশি প্রসারিত হবে। নতুন কিছু শেখা আমাদের সংকীর্ণতা দূর করে এবং অন্যদের বুঝতে সাহায্য করে।
​ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়: জীবনের যেকোনো বড় পতন আসলে একটা বিরাট শিক্ষা। আপনি কেন পড়ে গেলেন তা জানা এবং কীভাবে আবার উঠে দাঁড়াতে হয়—এই শিক্ষাটাই আপনাকে অনন্য করে তোলে।
​কীভাবে প্রতিনিয়ত শিখবেন?
​১. প্রশ্ন করার অভ্যাস করুন: কৌতূহলই শেখার প্রথম ধাপ। যেকোনো বিষয়ে &#039;কেন&#039;, &#039;কীভাবে&#039; এবং &#039;কী&#039; তা জানতে চাণ।
২. পড়ার বিকল্প নেই: বই, নিবন্ধ বা যেকোনো ভালো কন্টেন্ট পড়ুন। নতুন কিছু পড়ার অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
৩. ভুল থেকে শিখুন: নিজের ভুলগুলোকে অপরাধ হিসেবে না দেখে, সেগুলোকে শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হিসেবে গ্রহণ করুন।
৪. শুনতে শিখুন: অন্য কারও অভিজ্ঞতা বা গল্প মনোযোগ দিয়ে শুনুন। প্রতিটি মানুষের কাছে এমন কিছু শেখার থাকে যা আপনি জানেন না।
​শিক্ষা কোনো সনদপত্রের ফ্রেমে বাঁধাই করা কাগজের টুকরো নয়, বরং এটি একটি অন্তহীন যাত্রা। আপনার চোখ ও মন খোলা রাখুন—দেখবেন, পুরো পৃথিবীটাই একটা বিশাল পাঠশালা, আর আপনি তার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276382/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 18:02:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেখার কোনো বয়স নেই: জীবন যেখানে এক মহাকাব্যিক শ্রেণিকক্ষ<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে<br />
২০শে সেপ্টেম্বর  ২০২৬ইং<br />
​আমরা অনেকেই মনে করি, শিক্ষা জীবনের নির্দিষ্ট একটা ধাপে থেমে যায়—স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হলেই যেন পড়াশোনার চ্যাপ্টার ক্লোজ! কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে প্রতিনিয়ত শিখে চলছি। প্রতিটি অভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276382"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276382/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2afae359ea168ada7e56bcfd874635e9</guid>
				<title>অপ্তিম—
&quot;একটি মায়াবী মুখের আড়ালে থমকে যাওয়া সমাজ&quot;
&#x1f972;&#x1f972;&#x1f972;
নাজনীন শামীম 
চট্টগ্রাম থেকে 

১৩ বছরের এক মায়াবী, নিষ্পাপ মুখ। যে বয়সে হাতে বই, খেলার বল কিংবা বন্ধুদের সাথে খুনসুটি থাকার কথা, সেই বয়সে একদল নরপশুর লোভের বলি হতে হলো তাকে। অপরাধ? তার হাতে থাকা একটা আইফোন।
​একটি নির্জীব, যান্ত্রিক ডিভাইসের জন্য একটি জ্যান্ত, প্রাণবন্ত শিশুর রক্তে ভেসে গেল রাজপথ। এই নির্মমতা শুধু একটি পরিবারকে ধ্বংস করেনি, আমাদের গোটা সমাজ আর মানবতাবোধকে আবার কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
​আজ আমরা যারা কলম ধরি, যারা শব্দের কারিগর, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। কেবল শোক প্রকাশ আর মোমবাতি জ্বালিয়ে ক্ষোভ ঝাড়ার সময় আর নেই। এই নিষ্ঠুর সত্য আমাদের চোখের সামনে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে—আমাদের সন্তানরা কতটা অরক্ষিত, আর আমাদের চারপাশের অন্ধকার কতটা গহীনে ছড়িয়ে পড়েছে।
​অভিভাবক হিসেবে আজ আমাদের সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। সন্তানকে ভালোবাসুন, তাকে ভালো জিনিস দিন—কিন্তু চারপাশের নির্দয় বাস্তবতার কথা ভুলে যাবেন না।
​অতি-মূল্যবান কিংবা আকর্ষণীয় কোনো প্রযুক্তি ও জিনিসপত্র একা বের হওয়ার সময় সন্তানদের হাতে তুলে দেওয়ার আগে শতবার ভাবুন।
​সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে এবং তার চলাচলের পথে কী ধরনের ঝুঁকি থাকতে পারে—সে বিষয়ে প্রতিনিয়ত নজর রাখুন।
​সন্তানকে বাহ্যিক সুরক্ষার পাশাপাশি চারপাশের বিপদ ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করে তুলুন।
​একটি আইফোন আবার কেনা সম্ভব, কিন্তু অপ্তিমের মতো একটি নিষ্পাপ আলো নিভে গেলে তা আর কোনোদিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। আর যেন কোনো মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়, আর কোনো অপ্তিমকে যেন তার অকাল রক্তের দামে সমাজের পচন মেটাতে না হয়।
​আসুন, আজ তুলট লেখকমঞ্চের এই আওয়াজ ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে। আমরা যেন আমাদের সন্তানদের প্রতি আরও বেশি খেয়াল রাখি, তাদের আগলে রাখি শক্ত হাতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276023/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 04:07:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপ্তিম—<br />
&#8220;একটি মায়াবী মুখের আড়ালে থমকে যাওয়া সমাজ&#8221;<br />
&#x1f972;&#x1f972;&#x1f972;<br />
নাজনীন শামীম<br />
চট্টগ্রাম থেকে </p>
<p>১৩ বছরের এক মায়াবী, নিষ্পাপ মুখ। যে বয়সে হাতে বই, খেলার বল কিংবা বন্ধুদের সাথে খুনসুটি থাকার কথা, সেই বয়সে একদল নরপশুর লোভের বলি হতে হলো তাকে। অপরাধ? তার হাতে থাকা একটা আইফোন।<br />
​একটি নির্জীব, যান্ত্রিক ডিভাইসের জন্য একটি জ্যান্ত, প্রাণবন্ত শিশুর রক্তে ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276023"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276023/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f3a295722fcb66227bfdb8e59535ebe</guid>
				<title>naznin shamim and হৈমন্তীকা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275869/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 13:51:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9a161ab21cf0c3022d8820cb7c998912</guid>
				<title>naznin shamim and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275864/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 13:22:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>