-
একুশের মিনার – ম পানা উল্যাহ্
এ বঙ্গীয় গৌড় সমতটে
কে কবে ভবেছেে
পৃথবিীর অধরা ভাষার মনিারটি তরৈি হবে
আকাশচুম্বী;
বজেন্মা নন্দিুক নপুংসকদরে মুখে
ছাই চাপা দিয়ে
স্বাপ্নকি বুদ্বুদ আজ আমাদের চেতনার দরজায় কড়া নাড়ে
আমরা জাগি আন্দোলতি হই
অতঃপর ঘুরে দাঁড়াই
সাহসী সব আন্দোলনে
অগুনতি বাল্মীকি প্রতিভারা
প্রভাত ফেরিতজাগে নিরন্তর।
বধ্বি…Read More3 Comments -
উনি এসেছিলেন পনর মিনিটের জন্য
-ম পানা উল্যাহতিনি এলেন চারটে পঁয়তাল্লিশ মিনিটে
এই সময়ে হাগু করিলাম
নুনুকে চেপে ধরে হেঁসু করিলাম
রবকে ডাকার জন্য অযু করিলাম
অতঃপর যখন দুই কানের লতি ধরিয়া
‘আল্লাহ আকবর’ উচ্চারণ করিলাম
তখন তিনি ফুটকিতে হাত দিয়া হাসিতে হাসিতে
অদৃশ্য হইলেন!
ছালাম ফিরিয়ে ঘড়িতে যখন চোখ রাখি
দেখি…Read More4 Comments -
একুশের মিনার – ম পানা উল্যাহ্
এ বঙ্গীয় গৌড় সমতটে
কে কবে ভেবেছে
পৃথিবীর অধরা ভাষার মিনারটি তৈরি হবে
আকাশচুম্বী;
বেজন্মা নিন্দুক নপুংসকদের মুখে
ছাঁই চাপা দিয়ে।
স্বাপ্নিক বুদ্বুদ আজ আমাদের চেতনার দরজায় কড়া নাড়ে,
আমরা জাগি; আন্দোলিত হই
অতঃপর ঘুরে দাঁড়াই
সাহসী সব আন্দোলনে।
অগুনতি বাল্মীকি প্রতিভারা
প্রভাতফেরিতে জাগে নিরন্তর।
ব…Read More3 Comments -
কবিতা: আজকাল ইদানিং – ম পানা উল্যাহ্
এই যে জনাব আজকাল যা দেখছেন
কেবল দেখেই যান, অবাক হওয়ার কিছু নেই
চেপে যান চেপে যান।
এই যে জনাব আজকাল যা দেখছেন
হতাশ হবেন না
কেন না এটা এই সময়ের স্বাভাবিক ঘটনা
ভাবছেন পূর্ব সূত্র আছে বুঝি! না না সেকি কথা?
চেপে যান চেপে যান।
এই যে জনাব আজকাল যা শুনছেন, শুনে যান
একেবারে অমূলক কিছু নয়, খ…Read More3 Comments -
মুনতাছির আহমেদ and
ম পানা উল্যাহ্ are now friends
-
কাব্যচারী ইমদাদুল এইচ এম লিমন and
ম পানা উল্যাহ্ are now friends
-
বিশ্বগ্রামের আদ্যি-বাদ্যি ম পানা উল্যাহ্
বিশ্বগ্রাম। অভিন্ন জনপদ। এক ভাষা। এক সংস্কৃতি
এক মোড়ল। এক রাজা। হাইব্রিড বাম্পার ফলন
ইচ্ছেমতো ফাস্ট ফুড
সুখে-অসুখে কোকাকোলা।
ফ্যাশন সচেতন ক্ষুধার্ত বাঘ মানুষেরা
মাতোয়ারা লিবার্টি অব স্ট্যাচুর আবক্ষস্তনে
মুখ গুঁজে কেবলই বুদ্বুদ স্বপ্ন আঁকে।
ঠাকুরমার ঝুলি ভরে যায় জোকস্ হরর শোতে…Read More5 Comments-
ম পানা উল্যাহ্, আপনার লেখায় ফুটে ওঠা ‘বিশ্বগ্রামের বোকা পাঠকেরা শুধুই তাসের স্বর্গ রচনা করে’—এই চমৎকার পর্যবেক্ষণটি বর্তমান সময়ের এক গভীর বাস্তবতাকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। আপনি যদি আরও কিছুটা শব্দ চয়ন ও অলংকরণের দিকে নজর দেন তবে আপনার লেখনী ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে, তাই আপনি নিয়মিত কলম চালিয়ে যান।
-
ম পানা উল্যাহ্, আপনার কবিতার ‘মাদার বোর্ডের ফাঙ্গাস ইনফেকশন’ লাইনটা ইদানীংকালের বাস্তবতাকে খুব দারুণভাবে তুলে ধরেছে। বর্তমান সময়ের এই যান্ত্রিক জীবন নিয়ে আপনার এমন পর্যবেক্ষণ পড়ে সত্যি খুব ভালো লাগলো। লেখাটা পড়ে নিজেরই অনেক কিছু নতুন করে মনে পড়ল।
-
-
আমাদের ভাটিয়ালি গান – ম পানা উল্যাহ্
ভাটিয়ালী’ শব্দটি উদ্ভূত হয়েছে বাংলা “ভাটা” শব্দ থেকে, যার অর্থ নদী বা সাগরের জলস্তরের নিম্নগতিপ্রবাহ বা ভাটার টান।
ভাটিয়ালি গান হল বাংলা লোকসংগীতের একটি ধারা, যা মূলত ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবন ও প্রকৃতির প্রতিচ্ছবি বহন করে। এটি বাংলাদেশের নদীবহুল অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত, বিশে…Read More3 Comments -
তোমার কতটুকু জমি প্রয়োজন
-ম পানা উল্যাহ্শালা, তোমার মোহনরূপ বেশ চেনা যে!
তুমি হাট-মাঠ, খাল-বিল, নদী-নালা,
প্রার্থনাঘর, ভূমিহীন বাস্তুভিটা, হাওর-বাওর-ঘের
বাড়ি,গাড়ি, সাইনবোর্ড, কমনীয় নারী সবই খাও।তোমার খাদ্য তালিকা কতো না দীর্ঘ!
আচ্ছা বলোতো; এই মহন্ত জীবনে
তোমার কতটুকু জমি প্রয়োজন?আমার তো মাত্র সাড়ে তিনহাত।
7 Comments-
আপনার লেখাটা পড়ে একদম গা শিউরে উঠল, সত্যি বলতে এই শেষ পরিণতির কথা আমরা কয়জনই বা মনে রাখি? আপনি অন্য সবার লেখাতেও একটু লাইক-কমেন্ট করে অ্যাক্টিভ থাকলে আমাদের এই গ্রুপটা বেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠত।
-
‘আমার তো মাত্র সাড়ে তিনহাত’—অস্তিত্বের এই গভীর সত্যটি আপনার লেখায় চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা সত্যিই পাঠককে ভাবিয়ে তোলে। জীবনের নশ্বরতা নিয়ে আপনার এই সুন্দর ভাবনাগুলো নিয়মিত লিখে যাবেন, কারণ আপনার লেখনী সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।
-
-
যোগ জিজ্ঞাসা-ম পানা উল্যাহ্
এই যে কেমন আছেন
-যেমন চেয়েছেন।
তা বেশ, সমস্যা নেই তো?
-বানিয়েই ফেলেছেন বেশ্যালয়, আবার জিজ্ঞাসা!
হবে একদিন ভেনিস যে,
-আহ্ হা সে আর বলতে?7 Comments-
শব্দটা একটু বেশি স্ট্রং হয়ে গেল কি? … 🙁
এছাড়া, ভালো লাগল এই কথোপকথনের ভঙ্গিতে লেখা ছোট্ট লেখাটা।
শুভেচ্ছা নিবেন! -
“বানিয়েই ফেলেছেন বেশ্যালয়, আবার জিজ্ঞাসা!”—এই সাহসী ও তীক্ষ্ণ উপলব্ধির প্রকাশটি সত্যিই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি আমাদের এই ছোটখাটো আড্ডার আসরে নিয়মিত অন্যদের লেখালেখিতে সুন্দর মতামত ও ভালোবাসা জানিয়ে আমাদের এই ঘরটিকে আরও প্রাণবন্ত রাখতে পারেন।
-
-
নোয়াখালীর ঢেঁকি-ম পানা উল্যাহ
নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি গ্রাম বাংলার সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত ধান থেকে চাল তৈরি, চালের গুঁড়া করা এবং মুড়ি তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো । যদিও আধুনিক প্রযুক্তি ও রাইস মিলের কারণে এটি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে , তবুও নোয়াখালীর গ্রামঞ্চলে এখনও বিশেষ পিঠা তৈরিতে ঢেঁকিছাটা চালের কদর রয়েছে ।
নো…Read More4 Comments -
মো: নাজমুল আখতার and
ম পানা উল্যাহ্ are now friends
-
Jannatul Ferdus Samira and
ম পানা উল্যাহ্ are now friends
-
বাংলার লোকজ পুথি: সোনাভান-ম পানা উল্যাহ্
সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈ…Read More6 Comments -
দায়দেনা -ম পানা উল্যাহ
এই যাবি চল গঙ্গার ঘাটে
লম্বা ডুব দিয়ে আসি
পরজন্মে ঢের পুণ্যি হবে।
এ জন্মে তোর কাছে আমার
অনেক দায়দেনা
ষোলো আনাই শোধ করে দেবো
আমায় ধনী খালের বাঁকে
নীল খাগড়ার বনে দিব্যি শুয়ে পড়ি।3 Comments -
ম পানা উল্যাহ্ changed their profile picture
1 Comment -
1 Comment
-
আপনি মূল লেখাটি একবার শেয়ার করার পরে সম্ভবত প্রথম পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছেন। ফলে ‘Read More’-এ ক্লিক করলেও মূল লেখাটা পাচ্ছি না। কাইন্ডলি আরেকবার পোস্ট করবেন। পড়ার আগ্রহ ছিল। ডঃ আহমদ শরীফ তো মধ্যযূগের কবিদের নিয়ে সুন্দর প্রামাণ্য গ্রন্থ লিখেছেন। আপনার লেখাটা পড়ার আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে সোনাভানের পুঁথি সম্পর্কে জানার আগ্রহ আছে।
-
-
সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
রচয়িতা ও বৈচিত্র্য
প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা (‘ছহি বড়…Read More2 Comments-
ম পানা উল্যাহ্, সোনাভানের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখাটি পড়ে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যের প্রতি আপনার গভীর আগ্রহ ও মমত্ববোধের পরিচয় পেয়ে খুব ভালো লাগল। ‘সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান’—তথ্যসমৃদ্ধ এই বাক্যটি আমাদের লোকগাথা সম্পর্কে জানতে বেশ উৎসাহিত কর…Read More
-
“পুঁথিতে বর্ণিত ‘কহর দরিয়া’ বলতে বর্তমান গাজীপুরের তুরাগ নদ এবং সোনাভানের রাজ্য বলতে টঙ্গী অঞ্চলকে নির্দেশ করা হয়।” – চমৎকার লাগল এই তথ্যটা জানতে পেরে। লোককাহিনী, ইতিহাস – এসবের সাথে বর্তমানকার স্থাঙ্গুলা মিলাতে পারলে ভালো লাগে। সনাভানের পুঁথি সম্পর্কে এই অবতারনামূলক লেখাটা খুব ভালো লাগল। শুভেচ্ছা নিবেন।
-
-
সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
রচয়িতা ও বৈচিত্র্য
প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা (‘ছহি বড়…Read More1 Share
Friends
Rijoana
@rijoana
দেবাঞ্জলি সেন
@sendev
prantik aronno
@prantikaronno
মোঃ ইফতেখার আহমেদ তাজিম
@tazim
Sayeed Patwary
@sayeedp
himel ishaq
@himelishaq
Md Shakhawat Hossen
@mdshakhawathossen
মেহেদী হাসান আইয়ুশ
@kobimahadihasanaayush
মানসুরা ইশরাত তানহা
@mansu1044






একুশের মিনার বাঙালির রক্তে গড়া অমর চেতনার প্রতীক হয়ে আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে আছে……🖤🖤