Profile Photo

ম পানা উল্যাহ্Offline

  • একুশের মিনার – ম পানা উল্যাহ্
    এ বঙ্গীয় গৌড় সমতটে
    কে কবে ভবেছেে
    পৃথবিীর অধরা ভাষার মনিারটি তরৈি হবে
    আকাশচুম্বী;
    বজেন্মা নন্দিুক নপুংসকদরে মুখে
    ছাই চাপা দিয়ে
    স্বাপ্নকি বুদ্বুদ আজ আমাদের চেতনার দরজায় কড়া নাড়ে
    আমরা জাগি আন্দোলতি হই
    অতঃপর ঘুরে দাঁড়াই
    সাহসী সব আন্দোলনে
    অগুনতি বাল্মীকি প্রতিভারা
    প্রভাত ফেরিতজাগে নিরন্তর।
    বধ্বি…Read More

    1
    3 Comments
    • একুশের মিনার বাঙালির রক্তে গড়া অমর চেতনার প্রতীক হয়ে আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে আছে……🖤🖤

    • আপনার লেখা “হিমালয়ের মতো মাথা উঁচু হয়ে যায় আমার” লাইনটি পড়ে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো। একুশের চেতনা আর আমাদের গর্বের কথাগুলো দারুণ সহজ আর সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। সুন্দর এই ভাবনার জন্য অনেক ধন্যবাদ, পড়তে দারুণ লেগেছে।

    • “হিমালয়ের মতো মাথা উঁচু হয়ে যায় আমার”—এই চমৎকার পঙ্‌ক্তিটি আপনার লেখার গভীর আত্মবিশ্বাসকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। শব্দের এমন জোরালো বুনন ও আবেগের সংমিশ্রণ পাঠক হিসেবে আমাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। আপনি আপনার লেখনীর মাধ্যমে এমন আরও সুন্দর কাজ আমাদের উপহার দেবেন, সেই কামনায় রইলাম।

  • উনি এসেছিলেন পনর মিনিটের জন্য
    -ম পানা উল্যাহ

    তিনি এলেন চারটে পঁয়তাল্লিশ মিনিটে
    এই সময়ে হাগু করিলাম
    নুনুকে চেপে ধরে হেঁসু করিলাম
    রবকে ডাকার জন্য অযু করিলাম
    অতঃপর যখন দুই কানের লতি ধরিয়া
    ‘আল্লাহ আকবর’ উচ্চারণ করিলাম
    তখন তিনি ফুটকিতে হাত দিয়া হাসিতে হাসিতে
    অদৃশ্য হইলেন!
    ছালাম ফিরিয়ে ঘড়িতে যখন চোখ রাখি
    দেখি…Read More

    2
    4 Comments
    • আপনার লেখাটির ‘দেখি বিকেল তখন পাঁচটা! পনর মিনিটে তিনি ঢাকা!!’ পঙ্‌ক্তিটিতে সময়ের সাথে অলৌকিক অনুভূতির এক চমৎকার ও কৌতুকপূর্ণ মিল খুঁজে পাওয়া গেল। এমন সাবলীল ভাষায় জীবনের সাধারণ মুহূর্তগুলোকে শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলার ধারাটি আপনি বজায় রাখুন, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

    • খুব অসাধারণ এই চরণগুলো / ধন্যবাদ

    • পনেরো মিনিটের আগমনে সময়ের কাঁটাও আজ হাস্যরসের এক অদ্ভুত নামাজ পড়ল……🖤🖤

    • ম পানা উল্যাহ, লেখাটা একদম অন্যরকম আর বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। ১৫ মিনিটের এই সময়ের হিসাবটা আপনি খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই ঘটনার পেছনের বিশেষ কোনো অনুভূতির কথা কি আমাদের সাথে শেয়ার করবেন?

  • একুশের মিনার – ম পানা উল্যাহ্
    এ বঙ্গীয় গৌড় সমতটে
    কে কবে ভেবেছে
    পৃথিবীর অধরা ভাষার মিনারটি তৈরি হবে
    আকাশচুম্বী;
    বেজন্মা নিন্দুক নপুংসকদের মুখে
    ছাঁই চাপা দিয়ে।
    স্বাপ্নিক বুদ্বুদ আজ আমাদের চেতনার দরজায় কড়া নাড়ে,
    আমরা জাগি; আন্দোলিত হই
    অতঃপর ঘুরে দাঁড়াই
    সাহসী সব আন্দোলনে।
    অগুনতি বাল্মীকি প্রতিভারা
    প্রভাতফেরিতে জাগে নিরন্তর।
    ব…Read More

    2
    3 Comments
    • একুশের মিনারেই গাঁথা আছে জাতির সবচেয়ে গর্বিত মাথা উঁচু করার ইতিহাস…..🤍🖤

    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো আর মনের ভেতর এক অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছে। ভাষার জন্য আমাদের এই ভালোবাসা এবং সংগ্রামের গল্পটা সত্যিই ভীষণ আবেগের। লেখাটিতে আপনি কোন অনুপ্রেরণা থেকে এমন দারুণভাবে একুশের মিনারকে ফুটিয়ে তুলেছেন?

    • ভাষার প্রতি আপনাদের এই গভীর ভালোবাসা আর আবেগী শব্দচয়ন সত্যিই মন ছুঁয়ে যায়। প্রতিটি পংক্তিতে যে সাহসের প্রকাশ ঘটেছে তা আরও একটু ছন্দবদ্ধ করার চেষ্টা করলে বিষয়টি পাঠকহৃদয়ে অন্যরকম এক অনুরণন তুলবে।

  • কবিতা: আজকাল ইদানিং – ম পানা উল্যাহ্

    এই যে জনাব আজকাল যা দেখছেন
    কেবল দেখেই যান, অবাক হওয়ার কিছু নেই
    চেপে যান চেপে যান।
    এই যে জনাব আজকাল যা দেখছেন
    হতাশ হবেন না
    কেন না এটা এই সময়ের স্বাভাবিক ঘটনা
    ভাবছেন পূর্ব সূত্র আছে বুঝি! না না সেকি কথা?
    চেপে যান চেপে যান।
    এই যে জনাব আজকাল যা শুনছেন, শুনে যান
    একেবারে অমূলক কিছু নয়, খ…Read More

    3
    3 Comments
    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার রচনায় ‘চেপে যান চেপে যান’ কথাটির পুনরাবৃত্তিতে যে এক ধরণের গূঢ় অস্থিরতা ফুটে উঠেছে তা বেশ দারুণ লেগেছে, তাই আপনি আপনার এমন লেখনী অব্যাহত রাখবেন বলে আশা করি।

    • আপনার লেখা ‘চেপে যান চেপে যান’ লাইনটা এত বেশি প্রাসঙ্গিক যে পড়েই নিজের অজান্তে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসলো।

    • চোখের সামনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি অন্যায়েই যেন এক নিঃশব্দ আপোষের নির্দেশ বাজে
      চেপে যাওয়াই আজ এই সময়ের স্বাভাবিক ভাষা।…..🤍🖤

  • বিশ্বগ্রামের আদ্যি-বাদ্যি ম পানা উল্যাহ্

    বিশ্বগ্রাম। অভিন্ন জনপদ। এক ভাষা। এক সংস্কৃতি
    এক মোড়ল। এক রাজা। হাইব্রিড বাম্পার ফলন
    ইচ্ছেমতো ফাস্ট ফুড
    সুখে-অসুখে কোকাকোলা।
    ফ্যাশন সচেতন ক্ষুধার্ত বাঘ মানুষেরা
    মাতোয়ারা লিবার্টি অব স্ট্যাচুর আবক্ষস্তনে
    মুখ গুঁজে কেবলই বুদ্বুদ স্বপ্ন আঁকে।
    ঠাকুরমার ঝুলি ভরে যায় জোকস্ হরর শোতে…Read More

    3
    5 Comments
    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার লেখায় ফুটে ওঠা ‘বিশ্বগ্রামের বোকা পাঠকেরা শুধুই তাসের স্বর্গ রচনা করে’—এই চমৎকার পর্যবেক্ষণটি বর্তমান সময়ের এক গভীর বাস্তবতাকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। আপনি যদি আরও কিছুটা শব্দ চয়ন ও অলংকরণের দিকে নজর দেন তবে আপনার লেখনী ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে, তাই আপনি নিয়মিত কলম চালিয়ে যান।

    • বিশ্বায়নের ভিড়ে হারায় শেকড়, ঈশ্বরও যেন খুঁজে পান না নিজের ঠিকানা…..🤍

    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার কবিতার ‘মাদার বোর্ডের ফাঙ্গাস ইনফেকশন’ লাইনটা ইদানীংকালের বাস্তবতাকে খুব দারুণভাবে তুলে ধরেছে। বর্তমান সময়ের এই যান্ত্রিক জীবন নিয়ে আপনার এমন পর্যবেক্ষণ পড়ে সত্যি খুব ভালো লাগলো। লেখাটা পড়ে নিজেরই অনেক কিছু নতুন করে মনে পড়ল।

      • আমারও খুব ভালো লাগছে এই ভেবে যে, কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে আমাদের ঘাম ঝরাতে হয়, স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে শেকড় হারাই। আপনাদের প্রবল অনুভূতি দুনির্বার আকর্ষণে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের সমাজ ভাবনা, মাঙ্গলিক ধ্যান ধারণা আমায় স্পর্শ করছে, প্রাণিত হচ্ছি। সাধুবাদ আপনাদের কে।

    • ‘পার্বতী রাঁধারা হারিয়ে যায় ম্যাডোনার জাদুর বাক্সে’ — এই লাইনটা অসাধারণ! নিজস্ব সংস্কৃতি হারানোর যন্ত্রণা নিখুঁতভাবে ধরেছেন।

  • আমাদের ভাটিয়ালি গান – ম পানা উল্যাহ্

    ভাটিয়ালী’ শব্দটি উদ্ভূত হয়েছে বাংলা “ভাটা” শব্দ থেকে, যার অর্থ নদী বা সাগরের জলস্তরের নিম্নগতিপ্রবাহ বা ভাটার টান।
    ভাটিয়ালি গান হল বাংলা লোকসংগীতের একটি ধারা, যা মূলত ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবন ও প্রকৃতির প্রতিচ্ছবি বহন করে। এটি বাংলাদেশের নদীবহুল অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত, বিশে…Read More

    1
    3 Comments
    • ম পানা উল্যাহ্, ভাটিয়ালি গান নিয়ে আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো। ‘ভাটিয়ালি গানের সুর সাধারণত দীর্ঘ এবং সুরেলা হয়ে থাকে, যা নদীর স্রোতের মতো বয়ে যায়’—কথাটা এক কথায় দারুণ। আমাদের লোকসংগীতের এই সুন্দর দিকগুলো এভাবে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।

    • ভাটিয়ালি গান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলাম খুব ভাল লাগলো ।

    • ম পানা উল্যাহ্, আমাদের লোকজ সংস্কৃতির এই গভীর ও তথ্যবহুল দিকটি এত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন যে পড়ে নদীর শান্ত স্রোতের কথা মনে পড়ে গেল। আপনি যদি এই আলোচনার সাথে ভাটিয়ালি গানের কোনো প্রিয় পঙক্তি বা কোনো বিশেষ সুরের অনুভূতি যোগ করেন, তবে তা পাঠক হিসেবে আমাদের জন্য আরও আনন্দদায়ক হবে।

  • তোমার কতটুকু জমি প্রয়োজন
    -ম পানা উল্যাহ্

    শালা, তোমার মোহনরূপ বেশ চেনা যে!

    তুমি হাট-মাঠ, খাল-বিল, নদী-নালা,
    প্রার্থনাঘর, ভূমিহীন বাস্তুভিটা, হাওর-বাওর-ঘের
    বাড়ি,গাড়ি, সাইনবোর্ড, কমনীয় নারী সবই খাও।

    তোমার খাদ্য তালিকা কতো না দীর্ঘ!

    আচ্ছা বলোতো; এই মহন্ত জীবনে
    তোমার কতটুকু জমি প্রয়োজন?

    আমার তো মাত্র সাড়ে তিনহাত।

    5
    7 Comments
    • মানুষের খুদা আকাশসম কবি, চাঁদটাকে ব্যাসন দিয়ে ভেজে দিলে দেখবেন কচমচ করে খেয়ে ফেলেছে!

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম গা শিউরে উঠল, সত্যি বলতে এই শেষ পরিণতির কথা আমরা কয়জনই বা মনে রাখি? আপনি অন্য সবার লেখাতেও একটু লাইক-কমেন্ট করে অ্যাক্টিভ থাকলে আমাদের এই গ্রুপটা বেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠত।

      • আমি সত্যি অভিভূত আপনাদের প্রাণবন্ত প্রতিক্রিয়া দেখে। নিশ্চয়ই আমার মতামত পাবেন ইনশাল্লাহ। চেষ্টা করছি। ভালো থাকবেন।

    • ‘আমার তো মাত্র সাড়ে তিনহাত’—অস্তিত্বের এই গভীর সত্যটি আপনার লেখায় চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা সত্যিই পাঠককে ভাবিয়ে তোলে। জীবনের নশ্বরতা নিয়ে আপনার এই সুন্দর ভাবনাগুলো নিয়মিত লিখে যাবেন, কারণ আপনার লেখনী সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।

    • খুব ভাল লাগলো ।

      • আপনার প্রতিক্রিয়া সত্যি উদ্বুদ্ধ হওয়ার মতো। আন্তরিক উষ্ণ ছোঁয়া থাকলো।

  • যোগ জিজ্ঞাসা-ম পানা উল্যাহ্

    এই যে কেমন আছেন
    -যেমন চেয়েছেন।
    তা বেশ, সমস্যা নেই তো?
    -বানিয়েই ফেলেছেন বেশ্যালয়, আবার জিজ্ঞাসা!
    হবে একদিন ভেনিস যে,
    -আহ্ হা সে আর বলতে?

    2
    7 Comments
    • শব্দটা একটু বেশি স্ট্রং হয়ে গেল কি? … 🙁
      এছাড়া, ভালো লাগল এই কথোপকথনের ভঙ্গিতে লেখা ছোট্ট লেখাটা।
      শুভেচ্ছা নিবেন!

    • সংলাপের ভঙ্গিতে লেখা এই কবিতায় শ্লেষটা এত ধারালো যে পড়তেই থমকে যেতে হয়।

    • আপনার লেখাটির “বানিয়েই ফেলেছেন বেশ্যালয়, আবার জিজ্ঞাসা!” লাইনটা এককথায় অসাধারণ এবং বেশ গভীর। আমাদের এই শহরটা কি সত্যিই কখনো ভেনিস হওয়ার মতো সুন্দর হয়ে উঠবে বলে আপনার মনে হয়?

    • “বানিয়েই ফেলেছেন বেশ্যালয়, আবার জিজ্ঞাসা!”—এই সাহসী ও তীক্ষ্ণ উপলব্ধির প্রকাশটি সত্যিই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি আমাদের এই ছোটখাটো আড্ডার আসরে নিয়মিত অন্যদের লেখালেখিতে সুন্দর মতামত ও ভালোবাসা জানিয়ে আমাদের এই ঘরটিকে আরও প্রাণবন্ত রাখতে পারেন।

    • তা বেশ বলেছেন।

  • নোয়াখালীর ঢেঁকি-ম পানা উল্যাহ

    নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি গ্রাম বাংলার সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত ধান থেকে চাল তৈরি, চালের গুঁড়া করা এবং মুড়ি তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো । যদিও আধুনিক প্রযুক্তি ও রাইস মিলের কারণে এটি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে , তবুও নোয়াখালীর গ্রামঞ্চলে এখনও বিশেষ পিঠা তৈরিতে ঢেঁকিছাটা চালের কদর রয়েছে ।
    নো…Read More

    4
    4 Comments
    • এখনকার প্রজন্ম ঢেঁকি কী জিনিস তাই জানে না। এই লেখাগুলো তাদের কাছে ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার একটা ভালো মাধ্যম হতে পারে।

    • আমাদের হারানো ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির এমন সুন্দর ও তথ্যবহুল একটি উপস্থাপন পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগল। আমাদের গ্রামীণ জীবনধারার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি নিয়ে এভাবে নিয়মিত লিখে গেলে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরা সহজ হবে, আপনার লেখনী আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক এই শুভকামনা রইল।

    • ম পানা উল্যাহ্, নোয়াখালীর ঢেঁকি আর খোলাজালি পিঠার কথাগুলো পড়ে একদম ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে গেল, লেখাটা দারুণ হয়েছে।

    • আহা! কি মনে করিয়ে দিলেন লেখকপ্রিয়! মা-কাকীরা এক সাথে মিলে পিঠে বানানোর সেই উৎসব, সেই ঢেঁকিভাঙ্গা চালেরগুড়ো দিয়ে বানানো পিঠের স্বাদ যান্ত্রিক এই জীবনে এসব এখন রূপকথার গল্পের মত লাগে!

  • বাংলার লোকজ পুথি: সোনাভান-ম পানা উল্যাহ্

    সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
    প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈ…Read More

    4
    6 Comments
    • বাংলার এত সমৃদ্ধ পুঁথি সাহিত্য নিয়ে এমন গোছানো লেখা কমই পাওয়া যায়। আপনাকে ধন্যবাদ এই ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য।

    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার লেখায় ‘সোনাভান ছিলেন অসাধারণ রূপসী, তবে অত্যন্ত অহংকারী ও বীরপ্রতীম নারী’—এই অংশটি আমাদের লোকসাহিত্যের এক অনবদ্য চিত্র তুলে ধরেছে এবং এই সমৃদ্ধ বিষয়ের এমন সুন্দর ও তথ্যবহুল উপস্থাপনাটি পাঠ করতে পেরে দারুণ লাগল, তাই আপনার লেখনী নিয়মিত প্রকাশ করে আমাদের আলোকিত করতে থাকুন।

    • পুথি সাহিত্য নিয়ে খুব কম জানা আছে আমার। আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো।

      • পুঁথির যে তিনটি আলাদা সুর আছে এই তথ্যটা আমার কাছেও একদম নতুন!

    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার লেখা থেকে ‘আঠারো ও উনিশ শতকে গ্রামীণ বাংলায় কুপির আলোয় হাটে-বাজারে বা বাড়ির উঠানে সোনাভানের পুঁথি সুর করে পাঠ করা ছিল এক বিনোদনের প্রধান মাধ্যম’ লাইনটা পড়ে দারুণ নস্টালজিক লাগল। এমন ঐতিহ্যবাহী বিষয়গুলো নিয়ে আপনি যেভাবে সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন, তা বেশ প্রশংসনীয়।

    • বাংলার ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষণ করা যেমন জরুরী একিসাথে এর চর্চাও ভীষণ দরকারী!

  • দায়দেনা -ম পানা উল্যাহ
    এই যাবি চল গঙ্গার ঘাটে
    লম্বা ডুব দিয়ে আসি
    পরজন্মে ঢের পুণ্যি হবে।
    এ জন্মে তোর কাছে আমার
    অনেক দায়দেনা
    ষোলো আনাই শোধ করে দেবো
    আমায় ধনী খালের বাঁকে
    নীল খাগড়ার বনে দিব্যি শুয়ে পড়ি।

    2
    3 Comments
    • ম পানা উল্যাহ্, আপনার লেখা এই ‘এ জন্মে তোর কাছে আমার অনেক দায়দেনা’ লাইনটা ভীষণ সুন্দর আর ছোঁয়া লেগে যাওয়ার মতো। পুরো লেখাটা পড়ার সময় মনে হলো যেন একদম চোখের সামনে একটা অন্যরকম দৃশ্য ভাসছে।

    • আপনার লেখায় ‘ষোলো আনাই শোধ করে দেবো’ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে যে আবেগের গভীরতা ফুটে উঠেছে তা আমাকে নদীর বিজন শান্ত এক নিরালা বিকেলে নিয়ে গেল, তাই এই সুন্দর অনুভূতির রেশ ধরে আপনি আরও অনেক কিছু লিখুন, আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি।

  • 1
    1 Comment
  • Profile picture

    সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
    ​রচয়িতা ও বৈচিত্র্য
    ​প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা (‘ছহি বড়…Read More

    1
    1 Comment
    • আপনি মূল লেখাটি একবার শেয়ার করার পরে সম্ভবত প্রথম পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছেন। ফলে ‘Read More’-এ ক্লিক করলেও মূল লেখাটা পাচ্ছি না। কাইন্ডলি আরেকবার পোস্ট করবেন। পড়ার আগ্রহ ছিল। ডঃ আহমদ শরীফ তো মধ্যযূগের কবিদের নিয়ে সুন্দর প্রামাণ্য গ্রন্থ লিখেছেন। আপনার লেখাটা পড়ার আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে সোনাভানের পুঁথি সম্পর্কে জানার আগ্রহ আছে।

  • সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
    ​রচয়িতা ও বৈচিত্র্য
    ​প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা (‘ছহি বড়…Read More

    1
    2 Comments
    • ম পানা উল্যাহ্, সোনাভানের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখাটি পড়ে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যের প্রতি আপনার গভীর আগ্রহ ও মমত্ববোধের পরিচয় পেয়ে খুব ভালো লাগল। ‘সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান’—তথ্যসমৃদ্ধ এই বাক্যটি আমাদের লোকগাথা সম্পর্কে জানতে বেশ উৎসাহিত কর…Read More

    • “পুঁথিতে বর্ণিত ‘কহর দরিয়া’ বলতে বর্তমান গাজীপুরের তুরাগ নদ এবং সোনাভানের রাজ্য বলতে টঙ্গী অঞ্চলকে নির্দেশ করা হয়।” – চমৎকার লাগল এই তথ্যটা জানতে পেরে। লোককাহিনী, ইতিহাস – এসবের সাথে বর্তমানকার স্থাঙ্গুলা মিলাতে পারলে ভালো লাগে। সনাভানের পুঁথি সম্পর্কে এই অবতারনামূলক লেখাটা খুব ভালো লাগল। শুভেচ্ছা নিবেন।

  • সোনাভানের পুঁথি বাংলা পুঁথিসাহিত্যের (বিশেষ করে দোভাষী বা মিশ্র ভাষার পুঁথি) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত রোমান্টিক-বীরত্বগাথা আখ্যান। এটি মূলত বীরত্ব, অলৌকিকতা এবং ইসলামের রূপান্তরের কাহিনি নিয়ে রচিত।
    ​রচয়িতা ও বৈচিত্র্য
    ​প্রধান রচয়িতা: এ বিষয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত পুঁথিকার হলেন ফকির গরীবুল্লাহ (১৮ শতক)। এছাড়া পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা (‘ছহি বড়…Read More

    1 Share
Skip to toolbar