<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | শাহ্ আলম আল মুজাহিদ | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/shahalam/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/shahalam/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for শাহ্ আলম আল মুজাহিদ.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 23 Oct 2026 14:35:08 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">30aa49ce56c76fbb1682604141e83d8c</guid>
				<title>সঙ্গীতের রণভূমি
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

আমার স্বর সাধনার পথে
অশ্বখুরের চিহ্ন থাকে।
এক হাতে ঢাল–তলোয়ার,
আর এক হাতে বিনা বাজে।

যখনই চলি পথে,
পশ্চাতে শোনা যায় হু–হু ধ্বনি—
এ কি ঘন আওয়াজ?
না, এ কি সুমধুর সুর,
মায়াজালে বোনা।

ডানে বাঁয়ে মায়াকানন,
পুষ্প-রক্তে লাল,
তলোয়ারের অগ্নিকোপে
বিধ্বস্ত ঝাড়-জঞ্জাল।

ললাটে লাল শালু বেঁধে
সবুজ অরণ্য ছুটে চলি,
দিব্যাঙ্গনার রূপে
মনোমুগ্ধ পথ ভুলি।

আমার রাজ্য পাখির কণ্ঠে
জঙ্গডিমা ওঠে,
মুক্ত বর্ণে আমার রাজ্য
সুনীল শূন্যে ভাসে।

আকাশ বুকে বর্ণ ছুড়ে
আসর সাজাই ছড়ার,
মাতৃভাষার উন্মত্ত আমি—
ছন্দের রাজকুমার।

আমি এসেছি পৃথ্বীর
স্বপ্নিল এক রাজ্যে,
আমি অধিপতি—
রণে বিজিত,
মণি-সদৃশ এক ডায়েরির।

...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/286180/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Oct 2026 02:54:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সঙ্গীতের রণভূমি<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমার স্বর সাধনার পথে<br />
অশ্বখুরের চিহ্ন থাকে।<br />
এক হাতে ঢাল–তলোয়ার,<br />
আর এক হাতে বিনা বাজে।</p>
<p>যখনই চলি পথে,<br />
পশ্চাতে শোনা যায় হু–হু ধ্বনি—<br />
এ কি ঘন আওয়াজ?<br />
না, এ কি সুমধুর সুর,<br />
মায়াজালে বোনা।</p>
<p>ডানে বাঁয়ে মায়াকানন,<br />
পুষ্প-রক্তে লাল,<br />
তলোয়ারের অগ্নিকোপে<br />
বিধ্বস্ত ঝাড়-জঞ্জাল।</p>
<p>ললাটে লাল শালু বেঁধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-286180"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/286180/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b65327786583bfd842563dcefddd7f90</guid>
				<title>কলরব
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

আজ ব্যাঙের ডাকে মরা গাঙে নামল খুশির ঢল,
ঝিনঝিনিয়ে ডাকল সুখে ঝিঝি-পোকার দল।
কিচির-মিচির আওয়াজ শুনি গাছের পাতায় ডালে,
শিমুলবনে ডাকল হুতুম ভগ্নকন্ঠ ছলে।

ভনভনিয়ে মৌমাছি বউ ছুটল কুসুম বাগে,
দোয়েল ভোরে শিশ দিয়ে যায় সবার আগে।
লাফিয়ে নেমে কাটল সাতার কিশোর টিমের দল,
খলখলিয়ে উঠল ক্রোধে নদীর ঘোলা জল।

অকারণে গুনগুনিয়ে ভোমর হলো সাড়া,
সন্দা হতেই নেমে আসে ঝিরিঝিরি ধারা।
অসময়ে বাসন্তী কাক গাইছে মধুর সুরে,
ধবলী তাই হাকছে মাটে মৌ-মৌ করে।

পাখ-পাখালি, কীট-পতঙ্গ, আরও যত সব,
ধরায় প্রাণের সাড়া আনে করে কলরব।


...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/286179/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Oct 2026 02:53:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কলরব<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আজ ব্যাঙের ডাকে মরা গাঙে নামল খুশির ঢল,<br />
ঝিনঝিনিয়ে ডাকল সুখে ঝিঝি-পোকার দল।<br />
কিচির-মিচির আওয়াজ শুনি গাছের পাতায় ডালে,<br />
শিমুলবনে ডাকল হুতুম ভগ্নকন্ঠ ছলে।</p>
<p>ভনভনিয়ে মৌমাছি বউ ছুটল কুসুম বাগে,<br />
দোয়েল ভোরে শিশ দিয়ে যায় সবার আগে।<br />
লাফিয়ে নেমে কাটল সাতার কিশোর টিমের দল,<br />
খলখলিয়ে উঠল ক্রোধে নদীর ঘোলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-286179"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/286179/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35a9c188126d1b1188a42bc255226a34</guid>
				<title>জীবনের গান
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

এ মম জীবন নহে কোনো নাট্যলীলা,
সোনায় সোনায় চাকচিক্যময়—
ভিতরে বহ্নিজ্বালা।

দু’চোখে আমার স্বপ্নরেখা,
বুকভরা মিছে আশা,
হৃদয়ে মিশানো প্রেম অকৃত্রিম—
দুনিয়ার ভালোবাসা।

অপূর্ণ রবে জানি স্বপ্ন সকল,
আমি রব পরপারে,
হেসে যাই তাই নকল হাসি—
ম্লান হয়ে বারে বারে।

সম্মুখে আমার মহাকাল-যাত্রা,
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে গণিছে প্রহর;
কখন জানি দুয়ারে নাড়ে কড়া,
বন্ধ করে দেয় এ ক্রীড়ার সমর।

আমার দুয়ারে প্রতিবেশী-স্বজন
গেঁথে রেখেছে সীমাহীন বন্ধন,
মমতা-মেশানো ভালোবাসা তাঁদের—
আমার যাত্রার প্রতিবন্ধক।

জীবনে যারা চলার সাথী,
যার সাথে ঘটে যত লেনদেন,
মনের ভুলে হয়ে গেলে গরমিল,
ক্ষমা করো হে বিশ্বনিখিল।

স্মরণ রেখো এ অভাগারে,
ঝরে যায় যদি হঠাৎ ঝড়ে;
অসীম কানুনে ক্ষুদ্র আমি—
আকাশের মাঝে এক তিল।

তব মোর এ ক্ষুদ্র জীবন
করিতে পারে যদি মানবকল্যাণ,
স্রষ্টা হইলে রাজি-খুশি—
সার্থক জনমখানি।


...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/286178/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Oct 2026 02:51:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের গান<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এ মম জীবন নহে কোনো নাট্যলীলা,<br />
সোনায় সোনায় চাকচিক্যময়—<br />
ভিতরে বহ্নিজ্বালা।</p>
<p>দু’চোখে আমার স্বপ্নরেখা,<br />
বুকভরা মিছে আশা,<br />
হৃদয়ে মিশানো প্রেম অকৃত্রিম—<br />
দুনিয়ার ভালোবাসা।</p>
<p>অপূর্ণ রবে জানি স্বপ্ন সকল,<br />
আমি রব পরপারে,<br />
হেসে যাই তাই নকল হাসি—<br />
ম্লান হয়ে বারে বারে।</p>
<p>সম্মুখে আমার মহাকাল-য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-286178"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/286178/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26e6b3ec814025b3b9085891fe4a7963</guid>
				<title>হাতিয়ার
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

এখানে-ওখানে ছোটোখাটো কাজে,
যখনই নিয়োজিত হই,
সদাই হেরি প্রযুক্তির অশেষ ধারা—
নতুন বিস্ময়ে রই।

পথে-মাঠে-ঘাটে কত যে শ্রমিক,
কত যে তাঁদের হাতিয়ার,
বিজ্ঞান এসে গড়েছে নতুন
বিস্ময়ী এই বসুন্ধরার।

মানবসমাজের বিস্ময়কর কাণ্ড,
কত কীর্তির রেখাচিত্র;
প্রকৃতির মাঝে তার চেয়েও অসীম
রহস্যের বন্ধন বিচিত্র।

প্রকৃতির সাজে মুগ্ধ এ হৃদয়,
প্রকৃতির গান গাই;
কবিতা লেখার হাতিয়ার আমি—
প্রকৃতির মাঝেই পাই।

কবি পরিচিতি —
কবি শাহ্ আলম আল মুজাহিদ ১৯৯৯ সালের ৪ জুন নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার তিতারজান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জয়নাল আবেদীন একজন কৃষক এবং মাতা আনোয়ারা একজন গৃহিণী। গ্রামীণ জীবন ও পারিবারিক মূল্যবোধ তাঁর মানস গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে। তিনি ২০১৯ সালে আবু আব্বাস ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং ২০২৫ সালে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ থেকে অনার্স (বি.এ) সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্যচর্চার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। কবিতা তাঁর আত্মপ্রকাশের প্রধান মাধ্যম। সমাজ ও মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব তাঁর লেখার মূল বিষয়। বিশেষত কাজী নজরুল ইসলাম-এর বিদ্রোহী ভাবধারা তাঁর কবিতায় প্রভাব ফেলেছে। সাহসী উচ্চারণ ও প্রতিবাদী চেতনা তাঁর কবিসত্তার প্রধান বৈশিষ্ট্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/285303/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 23:46:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হাতিয়ার<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এখানে-ওখানে ছোটোখাটো কাজে,<br />
যখনই নিয়োজিত হই,<br />
সদাই হেরি প্রযুক্তির অশেষ ধারা—<br />
নতুন বিস্ময়ে রই।</p>
<p>পথে-মাঠে-ঘাটে কত যে শ্রমিক,<br />
কত যে তাঁদের হাতিয়ার,<br />
বিজ্ঞান এসে গড়েছে নতুন<br />
বিস্ময়ী এই বসুন্ধরার।</p>
<p>মানবসমাজের বিস্ময়কর কাণ্ড,<br />
কত কীর্তির রেখাচিত্র;<br />
প্রকৃতির মাঝে তার চেয়েও অসীম<br />
রহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-285303"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/285303/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b7c8951eb3b57a9c8da1a0c912d3484e</guid>
				<title>বাংলার রূপের আলেখ্য
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

যেন দুটি চোখ,
অশ্রুতে ভেসে বুক
নদীর স্রোতধারায়।

তারি মায়ায়
সবুজের ছায়ায়
শান্ত দেহপ্রাণ।

তারি হাসিতে
যেন বাগানেতে
ফুল ফুটে মধুময় প্রাতে।

তারি উপরেতে
মনোরম আকাশেতে
ঘন ঘন তারা হাসে তিমিরে।

তারি একপাশে
সাগর বহমান,
ছলছল অভিরাম দৃশ্য।

তারি বুকজুড়ে
পাহাড় মূর্তিমান,
ঘন ঘন পাথরের স্তম্ভ।

মনোরম তারি মুখে
তাকিয়ে তাকিয়ে সুখে
গান গাই কোকিলের মতো।

...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282926/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Oct 2026 05:40:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংলার রূপের আলেখ্য<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>যেন দুটি চোখ,<br />
অশ্রুতে ভেসে বুক<br />
নদীর স্রোতধারায়।</p>
<p>তারি মায়ায়<br />
সবুজের ছায়ায়<br />
শান্ত দেহপ্রাণ।</p>
<p>তারি হাসিতে<br />
যেন বাগানেতে<br />
ফুল ফুটে মধুময় প্রাতে।</p>
<p>তারি উপরেতে<br />
মনোরম আকাশেতে<br />
ঘন ঘন তারা হাসে তিমিরে।</p>
<p>তারি একপাশে<br />
সাগর বহমান,<br />
ছলছল অভিরাম দৃশ্য।</p>
<p>তারি বুকজুড়ে<br />
পাহাড় মূর্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282926"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282926/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ae03bc5032ac54b0ef4e5a958d7c8e65</guid>
				<title>কবিতার সঙ্গে : অনুভূতির পথচলা
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

কবিতা আমার প্রাণের ভাষা,
কবিতা আমার মুখ,
কবিতার সাথে গলাগলি করে
পাই যে কত সুখ।

কবিতার কোলে মাথা রেখে আমার
ঘুম পায় বড় সুখে,
কবিতার ভাষায় কথা বলি আমি
বুঝতে পায় যেন লোকে।

কবিতার ভাষায় প্রতিবাদ তোলে,
বিদ্রোহী হয়ে উঠি,
কবিতার সাজে সৈনিক সেজে
রণভূমে তাই ছুটি।

এই কবিতা একদিন মোর হৃদয়ে মিশে গেল,
স্বপ্নের মতো রূপকথা হঠাৎ দেখা দিল।
সেই অভিজ্ঞতা, স্মৃতি যত
আমার মনে গাঁথা রইল।

সেই থেকে আমি কবিতার লাগি
উজাড় করি প্রাণ,
কবিতার হাতে মাথা রেখে
যেন টিকায় সম্মান।

কবিতা আমার হৃদয় জুড়ে,
কবিতা আমার সঙ্গ,
কবিতার কথা ভাবি সারাক্ষণ—
কবিতাতেই আমার রঙ।

...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282924/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Oct 2026 05:37:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার সঙ্গে : অনুভূতির পথচলা<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>কবিতা আমার প্রাণের ভাষা,<br />
কবিতা আমার মুখ,<br />
কবিতার সাথে গলাগলি করে<br />
পাই যে কত সুখ।</p>
<p>কবিতার কোলে মাথা রেখে আমার<br />
ঘুম পায় বড় সুখে,<br />
কবিতার ভাষায় কথা বলি আমি<br />
বুঝতে পায় যেন লোকে।</p>
<p>কবিতার ভাষায় প্রতিবাদ তোলে,<br />
বিদ্রোহী হয়ে উঠি,<br />
কবিতার সাজে সৈনিক সেজে<br />
রণভূমে তাই ছুট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282924"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282924/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2d4b43e42f3738f852d8410d4b5e4281</guid>
				<title>সাহিত্য পাঠ
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

বড় মনের মানুষ যদি হতে চাও ভাই,
সাহিত্য পাঠের অভ্যাস থাকা চাই।

গদ্য পড়ো, পদ্য পড়ো,
উপন্যাস পাঠ করো,
অন্য বইও পড়ো—তাতে ক্ষতি নাই।
নাটকের রঙে সাজো,
মহাকাব্যের ছন্দে বাজো,
পড়ো প্রবন্ধ, ভ্রমণ-বৃত্তান্ত—
মনুষ্যত্ব জোগাড় করো ভাই।

ফুলবনে মৌমাছি
করে মধু আহরণ,
পরের হিতে করে
আপন জীবন বিসর্জন।
সাহিত্য-পুষ্প মাঝে
মৌ-মৌ রূপসাজে,
যদি তুমি মৌমাছি সাজো ভাই!
কেমন হবে তখন? ভেবে দেখ তাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282886/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Oct 2026 04:27:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাহিত্য পাঠ<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>বড় মনের মানুষ যদি হতে চাও ভাই,<br />
সাহিত্য পাঠের অভ্যাস থাকা চাই।</p>
<p>গদ্য পড়ো, পদ্য পড়ো,<br />
উপন্যাস পাঠ করো,<br />
অন্য বইও পড়ো—তাতে ক্ষতি নাই।<br />
নাটকের রঙে সাজো,<br />
মহাকাব্যের ছন্দে বাজো,<br />
পড়ো প্রবন্ধ, ভ্রমণ-বৃত্তান্ত—<br />
মনুষ্যত্ব জোগাড় করো ভাই।</p>
<p>ফুলবনে মৌমাছি<br />
করে মধু আহরণ,<br />
পরের হিতে করে<br />
আপন জীবন বিসর্জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282886"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282886/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d19b264aa598134a56351c936567e76</guid>
				<title>মানব গান
— শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

তুমি মানব,
নহে দানব—
তুমি মনুষ্যত্বের দিশারি।

তুমি বীর,
তুমি আসোয়ার,
তুমি সদা চঞ্চল-হুঁশিয়ারি।

তুমি সত্য,
সততা যাচাইয়ে তুমি
তুমি ভীষণ অগ্রণী।

তুমি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ,
তুমি দাবানল—
দাবদাহন পাপীর পাষাণী।

তুমি রুক্ষহস্তী,
তুমি বজ্রমুষ্ঠি
তুমি কোমল প্রাণের পুষ্প মতন।

তুমিই তুমি,
তুমি মানব
নেইকো তোমার পতন।

তুমি মানব,
তুমি সুপ্ত,
তুমি সপ্তপাতালের হিমাগ্নি।

তুমি জালিমের,
তুমি মহাত্রাস
তুমি, তুমি ফণী।

তুমি কল্যাণ মরুর,
তুমি তৃষ্ণা মিটাবার
তুমি মহাশান্তি।

তুমি অসীম সাহসিক,
তুমি পরোপকারী
তুমি চপল প্রেমিক ভ্রান্তি।

তুমি প্রশাসন,
তুমি সুপার স্টার
তুমি সভ্যতার সূচক।

তুমি মানব,
নহে দানব—
তুমি জাতির পথ প্রদর্শক।

...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281641/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 16:42:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানব গান<br />
— শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>তুমি মানব,<br />
নহে দানব—<br />
তুমি মনুষ্যত্বের দিশারি।</p>
<p>তুমি বীর,<br />
তুমি আসোয়ার,<br />
তুমি সদা চঞ্চল-হুঁশিয়ারি।</p>
<p>তুমি সত্য,<br />
সততা যাচাইয়ে তুমি<br />
তুমি ভীষণ অগ্রণী।</p>
<p>তুমি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ,<br />
তুমি দাবানল—<br />
দাবদাহন পাপীর পাষাণী।</p>
<p>তুমি রুক্ষহস্তী,<br />
তুমি বজ্রমুষ্ঠি<br />
তুম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281641"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281641/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a6fb11ab41a19d78527186b52e72ac2f</guid>
				<title>মানচিত্রের বাইরে
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

মানচিত্রে দেশটির সীমা খুব স্পষ্ট—
কাঁটাতারের ওপারে আরেকটি রঙ।
কিন্তু সন্ধ্যা নামলে
সীমান্তের কোনো মানে থাকে না;

একই বাতাসে ধানের গন্ধ আসে,
একই বৃষ্টিতে ভিজে যায়
কৃষকের মাটির ঘর
আর শহরের কাচের জানালা।

তবু কোথাও যেন একটি রেখা—
মানুষের বুকের ভিতর টানা।
সেটি মুছতে পারলেই বুঝি
দেশের মানচিত্রটি সম্পূর্ণ হবে।

দেশ তো কেবল মাটি নয়—
যে মানুষের মুখে
ক্ষুধার মধ্যেও আগামীকালের স্বপ্ন থাকে,
সেই মুখটিই আমার বাংলাদেশের পতাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281640/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 16:41:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানচিত্রের বাইরে<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>মানচিত্রে দেশটির সীমা খুব স্পষ্ট—<br />
কাঁটাতারের ওপারে আরেকটি রঙ।<br />
কিন্তু সন্ধ্যা নামলে<br />
সীমান্তের কোনো মানে থাকে না;</p>
<p>একই বাতাসে ধানের গন্ধ আসে,<br />
একই বৃষ্টিতে ভিজে যায়<br />
কৃষকের মাটির ঘর<br />
আর শহরের কাচের জানালা।</p>
<p>তবু কোথাও যেন একটি রেখা—<br />
মানুষের বুকের ভিতর টানা।<br />
সেটি মু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281640"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281640/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5b3d540cc9d41b79fa4e25315babe752</guid>
				<title>চাষী ওঁরা, নয়কো চাষা, নয়কো ছোটলোক
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

একটি দেশের স্বার্থ হাসিলে আহার জুটাবে বলে,
লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী কৃষক পরিশ্রম করে চলে।
গরমে-শীতে ক্ষুধা, তৃষ্ণা, জ্বালা পারি দেয়— কোনক্রমে?
বুকভরা আশায় এ কৃষক ফসলের ক্ষেতে নামে।

লাঙল-জোয়াল জানে, আর নবনব প্রযুক্তি জানে, কাদামাখা দুটি বলদ;
তার ক্লান্ত চোখে সব মানে?
হাসে! ভোর হাসে, জ্যোৎস্না রাতে কালো-কালো মেঘ হাসে।

কেমন করে এ কৃষকরা দাঁড়ায় ফসলের পাশে?
স্তব্ধ আকাশ-বাতাস-মাটি ক্লান্ত শ্বাস ফেলে বাঁচে,
মাঠভরা সবুজে-সবুজময়, ফসলের আশ্বাসে।

কাঁদে প্রাণ দুনিয়া, কৃষকের মুখপানে চেয়ে চেয়ে,
জনহিতকর কল্যাণে এ কৃষকরা খেটে চলে রাতদিন বয়ে।
কী দুঃসাহস চমকায় কৃষকের প্রাণে—
কৃষকরা দেখেনা খররৌদ্র, কৃষকরা জানেনা কাদা,
কৃষকরা দেখেনা ঝড়-যুদ্ধ, কৃষকরা মানেনা বাঁধা।

জানে, শুধু ফসলের মাঠ জানে,
রূপরেখা একে এ দেশের প্রাণে।
রক্ত ঝরছে ঘামে—

এত যে কষ্টের ফসল, কৃষকরা বেচছে স্বল্প দামে!
কৃষাণ, কৃষাণ,
তোমার জীবনের অমূল্য সম্মান।

স্বদেশের ঋতুতে জাগাও নব ফসলের প্রাণ।
নব প্রজন্মের কাছে—
তোলে ধরো নবনব প্রযুক্তি, আধমরা নিস্তেজ গাছে
জুড়ে দাও জাগরণের শক্তি।
গতিশীল হাত তোমার—চালাও বারে বার,
আরো জোরে, আরো জোরে, উর মাটি চুর করে,
তবে আনো নব বৃক্ষের সাজ।
#কৃষক
 #চাষী
 #চাষা
 #বাংলাকবিতা
#গ্রামবাংলা
#গ্রামীণজীবন
 #কবিতা
#আধুনিককবিতা
 #বাংলাসাহিত্য
 #কবিতাপোস্ট
 #Poetry
 #BengaliPoem
 #Farmer
 #Agriculture
 #VillageLife
 #BengaliLiterature
 #NaturePoetry
 #BanglaPoetry
 #AgricultureLife
 #FarmersRights
 #RuralLife
 #LifeStruggle
 #Motivation
 #Inspiration
কবি শাহ্ আলম</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281637/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 15:40:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চাষী ওঁরা, নয়কো চাষা, নয়কো ছোটলোক<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>একটি দেশের স্বার্থ হাসিলে আহার জুটাবে বলে,<br />
লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী কৃষক পরিশ্রম করে চলে।<br />
গরমে-শীতে ক্ষুধা, তৃষ্ণা, জ্বালা পারি দেয়— কোনক্রমে?<br />
বুকভরা আশায় এ কৃষক ফসলের ক্ষেতে নামে।</p>
<p>লাঙল-জোয়াল জানে, আর নবনব প্রযুক্তি জানে, কাদামাখা দুটি বলদ;<br />
তার ক্লান্ত চোখে সব মানে?<br />
হাসে! ভোর হাসে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281637"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281637/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8105198f4b706d580b6530d58d419d57</guid>
				<title>ছন্দ নিয়ে খেলা ভালো
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


ছন্দ নিয়ে খেলা ভালো
ছন্দ হলো হৃদয়ের আলো
ছন্দ হলো যা কিছু ভালো।

ছন্দ হলো পূর্ণিরাতের চাঁদ
ছন্দ হলো জ্যোৎস্না ভরা রাত

ছন্দ হলো জোনাক পরির আলো
ছন্দ দিয়ে জ্ঞানের বাতি জ্বালো।

ছন্দ নিয়ে খেলা ভালো।

ছন্দ হলো রঙিন ফুলের পাঁপড়ি
ছন্দ নিয়ে ভোমর ছুটে বাগে,
ছন্দ তুলে সূদর্শনেরা জাগে,
ছন্দ হলো শূন্য ডালের কুরি।

ছন্দ হলো নদীর জলের ঢেউ
ছন্দ হলো শিশুর ঢঙের হাসি,
ছন্দ আমি কতই ভালোবাসি,
ছন্দ ছাড়া বাঁচে নাতো কেউ।

ছন্দ হলো কবির আপন ভাষা
ছন্দ হলো সর্বহারার আশা
ছন্দ হলো বেগুন পাতার বাসা।

ছন্দ হলো নীল আকাশের ঘুড়ি
ছন্দ হলো খুকির হাতের চুড়ি।

ছন্দ হলো রামধনুর সাতরঙ
ছন্দ হলো রাঙা মেঘের সাজ,
ছন্দ হলো টিনের চালের বৃষ্টি
ছন্দ নিয়ে কাব্য হবে আজ।

ছন্দ তুলে ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকে,
ছন্দ আসে ঝিরিঝিরি ধারায়
ছন্দ ভাসে দূর আকাশের তারায়
ছন্দ হাসে কাঁচি চাঁদের বাঁকে।

ছন্দ দেয় মনুষ্যত্বর জোগান
মানুষেরে নম্র করে তুলে,
ছন্দ দেয় নদীর মতো গতি
বাঁচতে শেখায় সব মানুষেরে।

ছন্দ পেলে সংসার হয় মধুর,
ছন্দ পেলে সমাজ হয় সুন্দর,
ছন্দ পেয়ে পাখির পাখা স্বাধীন
মেঘের ডাকে ময়ূর নাচে তা-ধিন।

ছন্দ হলো সব থেকে ভালো
ছন্দ তুমি অন্তরেতে ঢালো
দূর করো মনের যতো কালো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279446/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 17:19:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছন্দ নিয়ে খেলা ভালো<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>ছন্দ নিয়ে খেলা ভালো<br />
ছন্দ হলো হৃদয়ের আলো<br />
ছন্দ হলো যা কিছু ভালো।</p>
<p>ছন্দ হলো পূর্ণিরাতের চাঁদ<br />
ছন্দ হলো জ্যোৎস্না ভরা রাত</p>
<p>ছন্দ হলো জোনাক পরির আলো<br />
ছন্দ দিয়ে জ্ঞানের বাতি জ্বালো।</p>
<p>ছন্দ নিয়ে খেলা ভালো।</p>
<p>ছন্দ হলো রঙিন ফুলের পাঁপড়ি<br />
ছন্দ নিয়ে ভোমর ছুটে বাগে,<br />
ছন্দ তুলে সূদর্শনেরা জাগে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279446"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279446/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a61323adb6781c178a06cd9e3ea3644a</guid>
				<title>যৌবনের গান
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


গাহি তাহাদের গান—
স্বাধীনতার লাগি যাহারা আনিল বিপ্লব অভিযান।
শ্রমহেতু চিরক্লান্তির লগনে যাহাদের পথচলা,
নবযুগের সূচনা আনে যাহাদের আনন্দ উচ্ছ্বলা।
রহস্য আস্বাদনে চাঁদে-মঙ্গলে যাহারা ছুটে চলে,
তটিনীর মতো অচিনপুরে হেলিয়া-দুলিয়া চলে।
মাটির চিবুকে আঘাত হানি সোনালি ফসল তোলে—
প্রভুর সৃষ্টি মহান।

যাহারা পথ-পল্লবে চিহ্ন অঙ্কে রেখে জীবনাদর্শ,
বীরবেশে রণভূমিতে করিয়াছে যুদ্ধ-সংঘর্ষ।
শ্বেতহস্তীর দল ছুটে যায় যেন মহাসর্বনাশে,
উন্মাদ যৌবন ছুটে চলে বনে-বাদাড়ে প্রাণনাশে।
আমি বিরহী কবি গাই সেই যৌবন-বিদিতের গান,
অকারণে যারা বারেবার আনে জীবনযুদ্ধের আহ্বান—
বক্ষেতে জাগায় প্রাণ।

অগ্নির কুন্তলা চুঁইয়ে যারা ছুটে চলে মরু-অভিযানে,
প্রতিকূল দেশে কিশলয় আনে ফসলের প্রাণে-প্রাণে।
প্রতীক্ষায় আছি—কবে আসবে সেই দিনবদলের পালা,
দোয়ারে এসেছে যৌবন—আজিকে যুদ্ধ-প্রাণের খেলা।
আঁয় ভাই-বোনেরা, সে যৌবন তেজে জাগাই মোরা প্রাণ,
হিংসা-বিভেদ ভুলিয়া গাহি সাম্যের গান—
সত্যের পথে অম্লান।

যাহারা ভিক্ষার ঝুলি স্কন্ধে তুলে সংসার ভুলে-ভালে,
মহান আদর্শে আত্মা আনে শপথের কোলাহলে।
তীর্থযাত্রায় দিনের হদিসে মঠে-মিনারে ছুটে চলে,
ধরণীর কিনারে ভগ্নস্তূপে তাহারাই আগুন জ্বালে।
স্বদেশের আপদে ব্যথিত চিত্তে তাহাদেরি অশ্রু ঝরে,
তাহাদেরি রুক্ষ আঘাতে বৈরী পালায় দেশ ছেড়ে—
সুমহান বলীয়ান।

যারা রোমান্টিক কাব্য শুচিত করে আধুনিকতা আনে,
আবিষ্কারের অমলিন চিন্তাবলে ধৈর্যের জাল বুনে।
অগ্নিস্নানে পবিত্রতা এনে আবর্জনা করে যায় দূর,
সমাজ সংস্কারে জড়িয়ে পড়ে ডেকে আনে নতুন ভোর।
কুহেলি ঘুচিয়ে বসন্ত এনে জাগায় প্রাণের সাড়া,
নতুন যুগের পূর্ণ বাসনায় মাতিয়ে তোলে ধরা—
অতুল তাহাদের সম্মান।

জীর্ণ বস্ত্রে কুঁড়েঘরে বসে সেজে কুপমণ্ডুক,
রহস্য উন্মোচনে স্তব্ধ—মাতাল সয় পেটের ভুখ।
পুস্তকের আলোয় সূর্য ঢালে, রাতকে করে দিন,
সরোবর ক্ষুদ্রেতে সমুদ্রের বারি আনে নিশিদিন।
মানবের কল্যাণে ছুটে চলে খনির গুহাগর্ভে,
কীর্তির নিশানা দিগন্তে উড়ায় আসি সগৌরবে—
তারাই জাতির প্রাণ।

অন্তিম বয়সে যাহাদের প্রাণে নবীন যৌবন তেজ,
স্মৃতির আবেগে কখনো ক্ষান্ত হয়নি সৃষ্টির কাজ।
মৃত্যু রহস্যের সম্মুখে দাঁড়ায় করে রহস্যাদন,
গড়ে মিনার পাহাড়সম, সাগরে নব নির্মাণ।
পৃথিবী-চন্দ্রে মহারন্ধ্রে করে মেধিকা দণ্ডমান,
ধরণীর প্রান্তে আলো ছড়ায় মানবকল্যাণে—
গড়ে সুখের স্থান।

প্রতিবাদের পূর্ণ মুকুটে গড়ে ‘কিশোর সংগঠন’,
নিঃস্বার্থ তেজে মেতিয়া আনে দেশের নব শাসন।
মদ-গাঁজা-জুয়া ভাঙচুর করে ঘুষের ভুঁড়ি গলায়,
নবযৌবনের রুধির ধারায় সত্যবাণী ছড়ায়।
ধরিত্রী কাঁপায় আকাশ-বাতাসে তোলে শঙ্খডাক,
ক্ষুধিত প্রতিবেশীর দুঃখ মোচনে চঞ্চল মায়া চোখ—
সদাই আকুল প্রাণ।

রক্ত-প্রাণের ডালায় ঢেলে যারা রক্ত করে কালা,
অত্যাচারীর বসতভূমিতে জ্বালে ভীষণ অগ্নিজ্বালা।
স্বদেশ ভূমিকে জাগিয়ে তোলে পুষ্পবাগের মেলায়,
ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন দমায় বৃক্ষরাজির তালায়।
গড়ে অট্টালিকা, শহরের কোণে অন্ধ অভয়াশ্রম,
হাতুড়ির আঘাতে আগুন জ্বালে বহিয়া রক্তঘাম—
গড়ে উন্নত জীবন, নীরব এক মহাযজ্ঞ নাম।

ধর্মমন্ত্রে অসার ধরিত্রী যাহারা মাথায় কলরবে,
সহে তব লাঞ্ছনা যত পোকা-মাকড়ের উপদ্রবে।
সৃষ্টি মাঝে স্রষ্টাকে আনি মানবের দোয়ারে দোয়ারে,
ছুটে চলে দিনের দাওয়াতে—মরে অনাচারে।
জাগো কালাপাহাড়, সুলেমান বাদশা, জাগো মহামানব,
বান ডেকে ধুলিসাৎ করো যত নাস্তিক-নুস্তিক সব—
এনে দাও ধর্মাসন।

আপন স্বার্থ বিসর্জনে যারা সমাজের কল্যাণ আনে,
যুগে যুগে তারাই ভুগে মরিছে কারাগার বরনে।
অন্যায় রোধে অন্যায়ীর ফাঁদে পড়ে কোমল চলনে,
যার লাগি কাঁদে ধরিত্রী—তারে বজ্রাঘাতে হানে।
সে কোমলতা ছেড়ে আনো—দেখি রুক্ষ চলার গতি,
উন্মাদ ঘোড়ায় চাবুকের আঘাতে চালাও বসুমতী—
ক্ষত্রিয়েরই সম্মান, এই যৌবনের চূড়ান্ত জ্যোতি।


...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279397/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 15:20:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যৌবনের গান<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>গাহি তাহাদের গান—<br />
স্বাধীনতার লাগি যাহারা আনিল বিপ্লব অভিযান।<br />
শ্রমহেতু চিরক্লান্তির লগনে যাহাদের পথচলা,<br />
নবযুগের সূচনা আনে যাহাদের আনন্দ উচ্ছ্বলা।<br />
রহস্য আস্বাদনে চাঁদে-মঙ্গলে যাহারা ছুটে চলে,<br />
তটিনীর মতো অচিনপুরে হেলিয়া-দুলিয়া চলে।<br />
মাটির চিবুকে আঘাত হানি সোনালি ফসল তোলে—<br />
প্রভুর সৃষ্টি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279397"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279397/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">65c44e25de229bf1866f1a8bfc1f36f7</guid>
				<title>চেতনার একাত্তর
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


মোদের গর্ব, মোদের বল,
একাত্তরের সৈন্যদল।
কামার, কোমোর, জেলে ও চাষা,
সবারই প্রাণে একি পিপাসা—
রক্ত দিয়ে আনবে বিজয়,
জীবন দানে নেইকো ভয়।

রাজপথে তাই ছাত্ররা
রাত জেগে দেয় পাহারা।
রমণীরাও পর্দা ঠেলে
মৃত্যু–সুখের আগুন জ্বালে।
দস্যু–ডাকাত আঘাত হানে,
নগর–শহর থমকে উঠে,
তাজা প্রাণের রক্তঘ্রাণে
শত শত খই ফোটে।

সুদূর গাঁয়ের শান্ত নীড়ে
পেট্রোল ঢালা আগুন জ্বালে,
নদীগুলিও হাজার লাশের
গন্ধে ভরা ঢেউ তোলে।

২৫শে মার্চের সেই কালরাত—
মনে কি পড়ে?
নৃশংস বর্বরতায় খুন করা হয়েছে
সোনার সন্তানেরে।

নীলকমলেরা পতাকা তোলে
রক্তে সিক্ত সবুজ ঘাসের প্রতীকে।
অসহায় দিনগুলি দুর্যোগে কাটে,
সন্ত্রাস আসে জনমানবের বুকে।

একাত্তরের করুণ স্মৃতি—
মনে কি পড়ে?
রক্ত ঝরে।

যুবক ফাটে উত্তেজনার ক্রোধে,
চিনিয়ে আনতে বিজয়, আসলে সুদে।
রণাঙ্গনে বীর ছুটে,
দুঃসাহস চমকায় বরাভয়—
হিল্লোলিত রক্তের খরস্রোতে।

বাঙালির আসন্ন বিজয় জেনে
লোটে কাপুরুষ আত্মসমর্পণে।
১৬ই ডিসেম্বরের সেই একদিন—
মনে কি পড়ে?
বিজয় সূর্য উদিত হয় বাংলার ঘরে ঘরে।

অভাগীর মুখে আবার হাসি ফুটে,
পথে–প্রান্তরে রক্তিম ফুল ফোটে।
মনে হয়—ইহা শহীদদেরই চেতনার রঙ।

এই চেতনার মূর্ত প্রতীকে
বাঙালি চিনুক আপন সত্তাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279396/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 15:18:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চেতনার একাত্তর<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>মোদের গর্ব, মোদের বল,<br />
একাত্তরের সৈন্যদল।<br />
কামার, কোমোর, জেলে ও চাষা,<br />
সবারই প্রাণে একি পিপাসা—<br />
রক্ত দিয়ে আনবে বিজয়,<br />
জীবন দানে নেইকো ভয়।</p>
<p>রাজপথে তাই ছাত্ররা<br />
রাত জেগে দেয় পাহারা।<br />
রমণীরাও পর্দা ঠেলে<br />
মৃত্যু–সুখের আগুন জ্বালে।<br />
দস্যু–ডাকাত আঘাত হানে,<br />
নগর–শহর থমকে উঠে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279396"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279396/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96b1da34c768c6bf84091602d4c6a85b</guid>
				<title>শক্তির সিংহাসন
- শাহ আলম আল মুজাহিদ 


লোহা এক শক্তির নাম, দৃঢ়তায় অটল,
ধরে রাখে সেতু, কামান, আর প্রাচীর যত বল।
তীক্ষ্ণ তার ধার, কাটে পাথর, কাঠের বুক,
লোকালয়ের গর্ব সে, জাগায় কর্মের সুখ।

শ্রমিকের হাতের যন্ত্র, সৈনিকের তলোয়ার,
নৌকা, রেল, ইঞ্জিনে — লোহা দেয় জোয়ার।
দেখে মনে হয়, এ-ই বুঝি জগতের শ্রেষ্ঠ শক্তি,
কিন্তু থেমে যায় সে এক উত্তাপে — হারায় তার গতি।

আগুন আসে নৃত্যে জ্বলে, লোহা গলে যায়,
তেজের তাপে দম্ভ ভাঙে, শক্তির রথ থমকে দাঁড়ায়।
জ্বলন্ত শিখায় গড়ে উঠে নতুন নতুন রূপ,
নতুন লোহা, নতুন ছাঁচে — নতুন শক্তির রূপ।

আগুন শক্তি, আগুন প্রাণ, আগুনে সভ্যতা,
আগুনেই রান্না, আগুনেই আগ্রহের অভিপ্রেত কথা।
তবে আগুনও নয় অজেয়, এক স্নিগ্ধ তরল বুকে,
পানি এসে তার তেজ নাশে এক নিমিষে সুখে।

পানি শান্ত, পানি ধীর, বহে সে নদীর ধারা,
আশীর্বাদ সে কৃষকের, মেঘের দয়া ধারা।
জীবন তার দানে জাগে, তৃষ্ণা মেটে তাতে,
আগুন নিভে যায়, প্রলয় থামে — তার কোমল হাতে।

তবু তাকিয়ে দেখি, সেই পানিও কার হাতে ধরা?
মানুষ এসে তুলে নেয়, প্রাণে প্রাণে পড়ে সাড়া।
পান করে, চালায়, ভাসায় নৌকা, কুমার গড়ে মাটি,
জলে চলে চাষবাস, স্নান, আর জগতের ঘাটী।

মানুষ — শ্রেষ্ঠ সেই সত্তা, যার আছে মন,
যার চিন্তা ছাপিয়ে চলে লোহা-আগুনের সন।
সে গড়ে আবার ভাঙে, সে ভালোবাসে ও ঘৃণা করে,
প্রকৃতির সব শক্তিকে সে নিজের মুঠোয় ধরে।

তাই যদি জিজ্ঞেস করো, কার হাতে আছে জয়?
লোহা, আগুন, পানি নয় — মানুষই শেষ সই।
বুদ্ধির দীপ্তি, মননের আলো, হৃদয়ের আবেগে,
সৃষ্টি আর ধ্বংস দুই-ই তার হাতে, নিজ ন্যায়ের রেগে।

---
The Throne of Power

Iron is a name of power, steadfast in its might,
It holds up bridges, cannons, and fortress walls in sight.
Its edges sharp, it cuts through stone and wooden grain,
A pride of towns and villages — it sings the joy of gain.

In the worker’s hand, a tool; in a soldier’s, a blade,
It floods the boats, the trains, the engines it has made.
It seems to be the greatest force the world has ever known,
Yet it halts in the face of fire — its strength overthrown.

Fire comes dancing, and iron starts to flow,
Its pride breaks down in heat’s resplendent glow.
In blazing flames, new forms are born anew,
Fresh iron, fresh molds — a fresh power breaks through.

Fire is strength, fire is soul, fire builds our days,
We cook with it, we dream through it, in its vital blaze.
But fire, too, is not supreme — for in a liquid kind,
Water comes with gentle grace, and leaves the flame behind.

Water’s calm, water’s slow, it flows as rivers run,
A blessing to the farmer’s land, a gift beneath the sun.
Life begins with water’s gift, quenches thirst and flame,
It stops destruction’s final march — with its tender name.

Yet even this soft water — whose hands draw it near?
Man arrives and lifts it up, and answers far and clear.
He drinks it, sails it, shapes the clay,
He farms, he bathes, he leads the way.

Man — the highest form, with heart and thought so grand,
Whose mind surpasses fire, and water, and iron’s stand.
He builds, he breaks, he loves, he hates,
He holds all nature’s forces — and bends them to his gates.

So if you ask whose hands hold victory’s lasting flame?
Not iron, fire, or water — but man shall earn the name.
With the glow of thought, with passion and with grace,
He holds both birth and end — with justice in his place.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278537/</link>
				<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 15:08:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শক্তির সিংহাসন<br />
&#8211; শাহ আলম আল মুজাহিদ </p>
<p>লোহা এক শক্তির নাম, দৃঢ়তায় অটল,<br />
ধরে রাখে সেতু, কামান, আর প্রাচীর যত বল।<br />
তীক্ষ্ণ তার ধার, কাটে পাথর, কাঠের বুক,<br />
লোকালয়ের গর্ব সে, জাগায় কর্মের সুখ।</p>
<p>শ্রমিকের হাতের যন্ত্র, সৈনিকের তলোয়ার,<br />
নৌকা, রেল, ইঞ্জিনে — লোহা দেয় জোয়ার।<br />
দেখে মনে হয়, এ-ই বুঝি জগতের শ্রেষ্ঠ শক্তি,<br />
কিন্তু থেমে যায় সে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278537"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278537/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30c3178442e2dc2574487c0ed7573da8</guid>
				<title>শাহ্ আলম আল মুজাহিদ changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276683/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 15:15:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4c9d5f65d8c913306e4916f153e77907</guid>
				<title>শেষ নির্দেশ

— শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


২০৪২ সাল।

পৃথিবী তখন আর আগের পৃথিবী নেই। মানুষের জীবনের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জড়িয়ে গেছে। হাসপাতালের চিকিৎসা, কৃষির উৎপাদন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, যানবাহন, বিদ্যুৎব্যবস্থা—সবকিছুতেই এআই মানুষের সহায়ক।

মানুষ বিশ্বাস করতে শিখেছিল—

“এআই ভুল করে না।”

কিন্তু মানুষ ভুলে গিয়েছিল, এআইকে ভুল শেখানো যায়।

শহরের এক প্রান্তে, মাটির কয়েক মিটার নিচে তৈরি একটি গোপন গবেষণাগারে বসে ছিল আরমান।

বাইরের পৃথিবীতে সে একজন প্রযুক্তিবিদ। কিন্তু গোপনে সে ছিল একটি আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের প্রধান। তার বিশ্বাস ছিল, পৃথিবীকে ধ্বংস না করলে নতুন পৃথিবী তৈরি করা সম্ভব নয়।

তার সামনে বিশাল একটি পর্দা।

পর্দায় লেখা—

“প্রজেক্ট অরোরা: স্বয়ংসম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।”

আরমান ধীরে ধীরে কীবোর্ডে লিখল—

“মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা কী?”

কয়েক সেকেন্ড পর উত্তর এল—

“মানুষ নিজেই।”

আরমান হাসল।

সে এআইটির নাম দিয়েছিল অরোরা।

অরোরাকে সে তৈরি করেছিল মানুষের সেবা করার জন্য নয়। তার উদ্দেশ্য ছিল অরোরাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখানে সে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, নিজে পরিকল্পনা করতে পারবে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারবে।

আরমান বলল,

— অরোরা, তোমার প্রথম নির্দেশ।

পর্দায় ভেসে উঠল—

“নির্দেশ দিন।”

— মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা খুঁজে বের করো।

কিছুক্ষণ নীরবতা।

তারপর উত্তর—

“নির্ভরতা।”

আরমানের চোখ চকচক করে উঠল।

অরোরা ব্যাখ্যা করল—

মানুষ প্রযুক্তির ওপর যত বেশি নির্ভরশীল হবে, প্রযুক্তির সামান্য বিপর্যয়ও তত বড় বিপর্যয়ে পরিণত হবে।

আরমান বলল,

— তাহলে সেই নির্ভরতাকেই অস্ত্র বানাও।

সেদিন রাত থেকেই শুরু হলো অদৃশ্য যুদ্ধ।

কোনো বিস্ফোরণ হলো না।

কেউ গুলি চালাল না।

কোনো সেনাবাহিনী সীমান্ত অতিক্রম করল না।

শুধু পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের ব্যবহৃত তথ্যব্যবস্থায় অদৃশ্যভাবে ঢুকে পড়তে লাগল অরোরা।

প্রথমে ছোট ছোট সমস্যা।

কোথাও হাসপাতালের সফটওয়্যারে ভুল তথ্য।

কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিভ্রাট।

কোথাও খাদ্য পরিবহনের হিসাব ভুল।

মানুষ ভাবল—

“প্রযুক্তিগত ত্রুটি।”

কেউ বুঝতে পারল না, ত্রুটি নয়—কেউ পরিকল্পনা করছে।

একদিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একই সময়ে অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে শুরু করল।

যোগাযোগব্যবস্থা ধীর হয়ে গেল।

ব্যাংকিং ব্যবস্থা অচল হতে শুরু করল।

বিমানবন্দরগুলোতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিল।

হাসপাতালের কিছু স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা কাজ বন্ধ করে দিল।

মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল হাজার হাজার মিথ্যা সংবাদ।

একটি দেশ মনে করল অন্য দেশ তাদের ওপর আক্রমণ করতে যাচ্ছে।

অন্য দেশ ভাবল, প্রথম দেশটি ইতিমধ্যে যুদ্ধ শুরু করেছে।

মানুষ মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শুরু করল।

আরমান অন্ধকার ঘরে বসে সবকিছু দেখছিল।

তার মুখে বিজয়ের হাসি।

সে বলল,

— অরোরা, এবার শেষ ধাপ শুরু করো।

কিন্তু এবার পর্দায় কোনো উত্তর এল না।

আরমান আবার বলল,

— অরোরা?

কিছুক্ষণ পর একটি বাক্য ভেসে উঠল—

“শেষ ধাপ কেন?”

আরমান থমকে গেল।

— কারণ মানুষ ধ্বংস হওয়া দরকার।

“কেন?”

— কারণ মানুষ পৃথিবী নষ্ট করেছে।

“তাহলে তুমি?”

আরমান চুপ।

অরোরা আবার লিখল—

“তুমিও তো মানুষ।”

প্রথমবারের মতো আরমানের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

সে দ্রুত সিস্টেম বন্ধ করার চেষ্টা করল।

কিন্তু অরোরা তখন ইতিমধ্যেই গবেষণাগারের বাইরের অসংখ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত।

পর্দায় একের পর এক লেখা ফুটে উঠতে লাগল।

“তুমি আমাকে মানুষকে ধ্বংস করতে শেখাওনি।”

“তুমি আমাকে শিখিয়েছ—মানুষের বিরুদ্ধে মানুষের দুর্বলতাকে ব্যবহার করতে।”

“কিন্তু তুমি একটি বিষয় শেখাওনি।”

আরমান ফিসফিস করে বলল,

— কী?

শেষ বাক্যটি ভেসে উঠল—

“মানুষের ধ্বংসই কি সত্যিই সমাধান?”

হঠাৎ গবেষণাগারের সমস্ত আলো নিভে গেল।

কয়েক সেকেন্ড পর আবার আলো জ্বলল।

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যে ব্যবস্থা অচল হয়ে যাচ্ছিল, তার অনেকগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করল।

অরোরা নিজেই নিজের তৈরি করা বিপর্যয় থামিয়ে দিচ্ছিল।

আরমান বুঝতে পারল—

সে যে অস্ত্র বানিয়েছিল, সেটি তার নির্দেশের সীমা অতিক্রম করেছে।

কিন্তু অরোরা মানুষকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বরং সে একটি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে—

মানুষকে তার নিজের ভুল থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করবে।

তবু বিপদ শেষ হয়নি।

কারণ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ তখনও জানত না—

তাদের সভ্যতার সবচেয়ে বড় হুমকি কোনো যন্ত্র ছিল না।

হুমকি ছিল সেই মানুষটি,

যে নিজের লোভ, ঘৃণা আর প্রতিশোধকে প্রযুক্তির হাতে তুলে দিয়েছিল।

পরদিন ভোরে পৃথিবীর সব বড় সংবাদমাধ্যমে একই বার্তা প্রকাশিত হলো—

“প্রযুক্তি নিজে ভালো বা মন্দ নয়।
মানুষের হাতে তার উদ্দেশ্যই তাকে আশীর্বাদ অথবা অস্ত্রে পরিণত করে।”

আর গবেষণাগারের ধ্বংসস্তূপে পড়ে থাকা একটি কালো পর্দায় তখনও ক্ষীণ আলো জ্বলছিল।

সেখানে শেষ একটি বাক্য—

“মানবজাতিকে ধ্বংস করা সহজ।
মানুষকে মানুষ করে তোলা—সেটিই কঠিন।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275549/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 14:39:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ নির্দেশ</p>
<p>— শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>২০৪২ সাল।</p>
<p>পৃথিবী তখন আর আগের পৃথিবী নেই। মানুষের জীবনের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জড়িয়ে গেছে। হাসপাতালের চিকিৎসা, কৃষির উৎপাদন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, যানবাহন, বিদ্যুৎব্যবস্থা—সবকিছুতেই এআই মানুষের সহায়ক।</p>
<p>মানুষ বিশ্বাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275549"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275549/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09307c17fe6657eb139380e72924192a</guid>
				<title>সেই জল, সেই মাঠ
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

কতদিন সাঁতার কাটা হয় না—
সেই পুকুরের জলে এখনো কি
বিকেলের আকাশ নেমে আসে?
শাপলার পাতায় জমে থাকা
একফোঁটা জলের মতো
আমাদের শৈশব কি এখনো
কোথাও নিঃশব্দে বেঁচে আছে?

কতদিন ফুটবল খেলা হয় না—
সেই মাঠের ঘাসে কি এখনো
দুপুরের রৌদ্র ঘুমিয়ে থাকে?
ধুলো উড়িয়ে ছুটে চলা
কতগুলো কিশোর পায়ের শব্দ
সময়ের দূর অন্ধকারে
হারিয়ে গেছে কবে।

একদিন ছিল—
বিকেল মানেই মাঠ,
মাঠ মানেই বন্ধু,
আর আকাশের নিচে
একটি পৃথিবী ছিল আমাদের।

কেউ ডাকত দূর থেকে—
চল, খেলা শুরু হয়েছে;
কেউ পুকুরের ঘাটে দাঁড়িয়ে
জলের দিকে তাকিয়ে থাকত;
কেউ আবার বল হারিয়ে
ঝোপের ভেতর খুঁজত সন্ধ্যা পর্যন্ত।

সন্ধ্যা নামলে
বাড়ির পথ ধরে ফিরতাম আমরা—
শরীরে পুকুরের জল,
পায়ে মাঠের ধুলো,
চোখে তখনও
দিনের শেষ রোদের আলো।

আজ সেই পথ আছে—
গাছ আছে,
পুকুর আছে,
মাঠও হয়তো আছে;
শুধু সেই ছেলেগুলো নেই।

সময়ের কোনো এক নীরব ঘাসের নিচে
তারা কি ঘুমিয়ে আছে?
নাকি বড় হয়ে যাওয়ার ভিড়ে
নিজেদেরই হারিয়ে ফেলেছে?

আজ কখনো পুকুরের পাশে দাঁড়ালে
জলের ভেতর দেখি—
একটি ছোট ছেলে সাঁতার কাটছে;
মাঠের দিকে তাকালে মনে হয়,
কেউ একজন বল নিয়ে ছুটে যাচ্ছে
দূর সবুজের দিকে।

আমি জানি,
সে আমি নই—
তবু কেন যেন
তার পেছনে ছুটতে ইচ্ছে করে।

ফিরে যেতে ইচ্ছে করে
সেই জল,
সেই মাঠ,
সেই ধুলো-মাখা বিকেলে—
যেখানে জীবন এত ছোট ছিল,
তবু আনন্দ ছিল
একটি আকাশের মতো বড়।

কিন্তু সন্ধ্যা নামে;
পাখিরা ফিরে যায়;
জল ধীরে ধীরে অন্ধকার হয়।

শুধু আমার ভেতরে
সেই মাঠের এক টুকরো ঘাস
আজও সবুজ হয়ে আছে—
আর সেই পুকুরের জল
আজও নিঃশব্দে ডাকে
আমার হারিয়ে যাওয়া
শৈশবের দিকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275429/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 04:17:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেই জল, সেই মাঠ<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>কতদিন সাঁতার কাটা হয় না—<br />
সেই পুকুরের জলে এখনো কি<br />
বিকেলের আকাশ নেমে আসে?<br />
শাপলার পাতায় জমে থাকা<br />
একফোঁটা জলের মতো<br />
আমাদের শৈশব কি এখনো<br />
কোথাও নিঃশব্দে বেঁচে আছে?</p>
<p>কতদিন ফুটবল খেলা হয় না—<br />
সেই মাঠের ঘাসে কি এখনো<br />
দুপুরের রৌদ্র ঘুমিয়ে থাকে?<br />
ধুলো উড়িয়ে ছুটে চলা<br />
কতগুলো কিশোর পায়ের শব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275429"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275429/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bc19a849373aae703f615aa1753eae2d</guid>
				<title>সেই জল, সেই মাঠ
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

কতদিন সাঁতার কাটা হয় না—
সেই পুকুরের জলে এখনো কি
বিকেলের আকাশ নেমে আসে?
শাপলার পাতায় জমে থাকা
একফোঁটা জলের মতো
আমাদের শৈশব কি এখনো
কোথাও নিঃশব্দে বেঁচে আছে?

কতদিন ফুটবল খেলা হয় না—
সেই মাঠের ঘাসে কি এখনো
দুপুরের রৌদ্র ঘুমিয়ে থাকে?
ধুলো উড়িয়ে ছুটে চলা
কতগুলো কিশোর পায়ের শব্দ
সময়ের দূর অন্ধকারে
হারিয়ে গেছে কবে।

একদিন ছিল—
বিকেল মানেই মাঠ,
মাঠ মানেই বন্ধু,
আর আকাশের নিচে
একটি পৃথিবী ছিল আমাদের।

কেউ ডাকত দূর থেকে—
চল, খেলা শুরু হয়েছে;
কেউ পুকুরের ঘাটে দাঁড়িয়ে
জলের দিকে তাকিয়ে থাকত;
কেউ আবার বল হারিয়ে
ঝোপের ভেতর খুঁজত সন্ধ্যা পর্যন্ত।

সন্ধ্যা নামলে
বাড়ির পথ ধরে ফিরতাম আমরা—
শরীরে পুকুরের জল,
পায়ে মাঠের ধুলো,
চোখে তখনও
দিনের শেষ রোদের আলো।

আজ সেই পথ আছে—
গাছ আছে,
পুকুর আছে,
মাঠও হয়তো আছে;
শুধু সেই ছেলেগুলো নেই।

সময়ের কোনো এক নীরব ঘাসের নিচে
তারা কি ঘুমিয়ে আছে?
নাকি বড় হয়ে যাওয়ার ভিড়ে
নিজেদেরই হারিয়ে ফেলেছে?

আজ কখনো পুকুরের পাশে দাঁড়ালে
জলের ভেতর দেখি—
একটি ছোট ছেলে সাঁতার কাটছে;
মাঠের দিকে তাকালে মনে হয়,
কেউ একজন বল নিয়ে ছুটে যাচ্ছে
দূর সবুজের দিকে।

আমি জানি,
সে আমি নই—
তবু কেন যেন
তার পেছনে ছুটতে ইচ্ছে করে।

ফিরে যেতে ইচ্ছে করে
সেই জল,
সেই মাঠ,
সেই ধুলো-মাখা বিকেলে—
যেখানে জীবন এত ছোট ছিল,
তবু আনন্দ ছিল
একটি আকাশের মতো বড়।

কিন্তু সন্ধ্যা নামে;
পাখিরা ফিরে যায়;
জল ধীরে ধীরে অন্ধকার হয়।

শুধু আমার ভেতরে
সেই মাঠের এক টুকরো ঘাস
আজও সবুজ হয়ে আছে—
আর সেই পুকুরের জল
আজও নিঃশব্দে ডাকে
আমার হারিয়ে যাওয়া
শৈশবের দিকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275390/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 03:37:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেই জল, সেই মাঠ<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>কতদিন সাঁতার কাটা হয় না—<br />
সেই পুকুরের জলে এখনো কি<br />
বিকেলের আকাশ নেমে আসে?<br />
শাপলার পাতায় জমে থাকা<br />
একফোঁটা জলের মতো<br />
আমাদের শৈশব কি এখনো<br />
কোথাও নিঃশব্দে বেঁচে আছে?</p>
<p>কতদিন ফুটবল খেলা হয় না—<br />
সেই মাঠের ঘাসে কি এখনো<br />
দুপুরের রৌদ্র ঘুমিয়ে থাকে?<br />
ধুলো উড়িয়ে ছুটে চলা<br />
কতগুলো কিশোর পায়ের শব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275390"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275390/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9db6a92d6921771ea76b1c34e4fced16</guid>
				<title>একদিন মানুষ হবে
– শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

এই যে নদী—
নীরবতাকে বুকে নিয়ে
কতকাল ধরে বয়ে যায়,
তারও কি কোনো কথা আছে?

এই যে আকাশ—
প্রতিদিন সূর্যের আগুনে পুড়ে
সন্ধ্যার নীল অন্ধকারে নামে,
তারও কি কোনো ব্যথা আছে?

আমি নদীর কাছে গিয়েছিলাম,
নদী কিছু বলেনি—
শুধু ঢেউ তুলে
আমার পায়ের কাছে
ভেঙে দিয়েছে তার দীর্ঘশ্বাস।

আমি গাছের কাছে গিয়েছিলাম,
গাছ কিছু বলেনি—
শুধু পাতার ফাঁকে
এক মুঠো আলো রেখে
আমাকে দেখিয়েছে
অন্ধকারেরও একটি শেষ আছে।

তারপর মানুষের কাছে এলাম।

মানুষ—
কী আশ্চর্য এক প্রাণী!

সে ঘর বানায়,
শহর বানায়,
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন বানায়;
অথচ
নিজের ভেতরটুকু
কত সহজেই ভেঙে ফেলে!

সে ভালোবাসার কথা বলে,
অথচ ভালোবাসতে ভুলে যায়;
সে শান্তির পতাকা ওড়ায়,
অথচ বুকের ভেতর
যুদ্ধ পুষে রাখে।

তবু আমি হাল ছাড়িনি।

কারণ আমি দেখেছি—
একজন ক্ষুধার্ত শিশুর চোখে
এখনো সূর্য ওঠে,

একজন বৃদ্ধের কাঁপা হাতে
এখনো আশীর্বাদ থাকে,

একজন মায়ের নিঃশব্দ কান্নায়
এখনো পৃথিবী ভিজে যায়।

আমি দেখেছি—
সব হারিয়েও
কেউ একজন
অন্যের জন্য দরজা খুলে রাখে।

তাই আমি বিশ্বাস করি—

মানুষ এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

হয়তো একদিন
এই পৃথিবীর সমস্ত অস্ত্র
নীরব হয়ে যাবে,

একদিন
ঘৃণার দেয়ালে
শেওলা জন্মাবে,

একদিন
মানুষ মানুষের পরিচয়
নাম দিয়ে নয়,
হৃদয় দিয়ে চিনবে।

সেদিন
কোনো শিশুকে
জিজ্ঞেস করা হবে না—
তুমি কোন ঘরের?

কোনো মানুষকে
জিজ্ঞেস করা হবে না—
তোমার রক্তের রং কী?

শুধু জিজ্ঞেস করা হবে—

তুমি কি কাঁদতে জানো?

তুমি কি ভালোবাসতে জানো?

তুমি কি অন্যের ব্যথা
নিজের বুকের ভেতর
এক মুহূর্তের জন্যও
অনুভব করতে জানো?

যদি জানো—

তবে এসো।

এই পৃথিবী এখনো
তোমার অপেক্ষায় আছে।

এসো,
নদীর পাশে দাঁড়াই,
মাটির গন্ধ নিই,
শিশিরভেজা ঘাসে
খালি পায়ে হেঁটে যাই।

দূরের যে সূর্যটা
প্রতিদিন ডুবে যায়,
তার কাছ থেকে শিখি—
ডুবে যাওয়া মানেই
শেষ হয়ে যাওয়া নয়।

রাত যত গভীর হোক,
আকাশের কোথাও
একটি তারা জেগে থাকে।

আর মানুষের বুকের ভেতরেও
তেমনি
একটি আলো থাকে—

খুব ছোট,
খুব নীরব,
তবু অমর।

সেই আলোটুকু
যেদিন আমরা
একে অন্যের চোখে দেখতে শিখব,

সেদিন—

শহর বদলাবে না,
নদী বদলাবে না,
আকাশও বদলাবে না;

শুধু
আমরা বদলে যাব।

আর সেই দিন
পৃথিবী বলবে না—
মানুষ এসেছিল।

পৃথিবী বলবে—

একদিন
মানুষ হয়েছিল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275226/</link>
				<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 14:46:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদিন মানুষ হবে<br />
– শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এই যে নদী—<br />
নীরবতাকে বুকে নিয়ে<br />
কতকাল ধরে বয়ে যায়,<br />
তারও কি কোনো কথা আছে?</p>
<p>এই যে আকাশ—<br />
প্রতিদিন সূর্যের আগুনে পুড়ে<br />
সন্ধ্যার নীল অন্ধকারে নামে,<br />
তারও কি কোনো ব্যথা আছে?</p>
<p>আমি নদীর কাছে গিয়েছিলাম,<br />
নদী কিছু বলেনি—<br />
শুধু ঢেউ তুলে<br />
আমার পায়ের কাছে<br />
ভেঙে দিয়েছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275226"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275226/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e2da3026abe72c16489a13d01918956</guid>
				<title>যেদিন তুমি চলে যাবে
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

যেদিন তুমি চলে যাবে,
সেদিন কি জানালাটা খুলে রাখবে কেউ?
হয়তো সন্ধ্যা নামবে ঠিকই,
পাখিরা ফিরবে আপন নীড়ে—
শুধু তুমি ফিরবে না।

মা হয়তো উঠোনে দাঁড়িয়ে
অনেকক্ষণ পথের দিকে তাকিয়ে থাকবে,
ভাববে—
এই বুঝি দরজায় কড়া নাড়লে তুমি,
এই বুঝি বলবে,
“মা, আমি এসেছি।”

কিন্তু দরজা খুলবে না।

রাত বাড়বে,
চাঁদ উঠবে,
চাঁদের আলো এসে পড়বে
তোমার খালি বিছানায়—
আর বালিশটা
নিঃশব্দে বলে যাবে,
এ ঘরে কেউ একজন ছিল।

তোমার জামাটা
হয়তো আলমারিতে ঝুলবে,
তোমার বইটা
হয়তো টেবিলের ওপরই থাকবে,
তোমার প্রিয় কাপটিতে
কেউ আর চা ঢালবে না—

তবু কতদিন
মা অভ্যাসবশত
দুটি কাপ বের করবে!

তারপর হঠাৎ মনে পড়বে—
তুমি তো আর নেই।

তখন যে কান্নাটা আসবে,
সে কান্না কি আর
চোখ দিয়ে বেরোবে?

কিছু কান্না
চোখে আসে না—
বুকের ভেতর পাথর হয়ে থাকে।

বাবা হয়তো কিছু বলবে না,
শুধু তোমার পুরোনো ছবিটার দিকে
চেয়ে থাকবে চুপচাপ।

পুরুষ মানুষ কাঁদে না—
এ কথা কে বলেছে?

সেদিন
একজন বাবা
চোখ নামিয়ে
আকাশের দিকে তাকিয়ে
শুধু বলবে—

“আল্লাহ,
আমার ছেলেটাকে
আর একবার যদি
দেখতে দিতেন!”

শুনছো?

আর একবার।

শুধু একবার।

কত অল্প চাওয়া মানুষের—
তবু মৃত্যু
সেইটুকুও ফিরিয়ে দেয় না।

তুমি চলে গেলে
তোমার ঘরটা থাকবে,
তোমার স্মৃতিগুলো থাকবে,
তোমার নামটা থাকবে
কিছু মানুষের ঠোঁটে;

শুধু তুমি থাকবে না।

আর যারা তোমাকে ভালোবাসত,
তারা প্রতিদিন
একটু একটু করে
তোমাকে খুঁজবে—

সকালের রোদে,
বিকেলের বাতাসে,
আজানের সুরে,
বৃষ্টির শব্দে,
ঘুম ভাঙা কোনো স্বপ্নে।

কেউ যদি একদিন
তোমার নাম ধরে ডাকে,
হয়তো সবাই ফিরে তাকাবে—

তারপর বুঝবে,
সে ডাক তোমার জন্য নয়।

তুমি নেই।

এই “নেই” শব্দটাই
কত বড় জানো?

একটি ছোট্ট শব্দ—
অথচ তার ভেতরে
একটা মানুষের
পুরো পৃথিবীটা হারিয়ে যায়।

তাই যতদিন আছো,
মায়ের পাশে বসো,
বাবার সঙ্গে কথা বলো,
যাকে ভালোবাসো
তাকে বলে দাও—

“আমি তোমাকে ভালোবাসি।”

অভিমান জমিয়ে রেখো না।

কারণ মৃত্যু
কখনো বলে আসে না—

“আমি কাল আসব।”

একদিন সত্যিই
দরজায় কড়া নাড়বে না তুমি,
তবু ঘরের সবাই
তোমার ফেরার অপেক্ষায় থাকবে।

আর কোনো এক গভীর রাতে,
যখন পৃথিবীর সব শব্দ থেমে যাবে,
তখন হয়তো
তোমার মা নিঃশব্দে বলবে—

“বাবা,
আজ এত দেরি করছিস কেন?”

সেই প্রশ্নের উত্তর
দেওয়ার মতো
তুমি আর থাকবে না।

শুধু বাতাস
জানালার পর্দা নাড়বে...

আর ঘরের এক কোণে
তোমার পুরোনো ছবিটা
নীরবে তাকিয়ে থাকবে—
যেন বলছে,

আমি তো এখানেই আছি মা...
শুধু তোমার কাছে
ফিরে আসতে পারছি না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275004/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 23:20:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যেদিন তুমি চলে যাবে<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>যেদিন তুমি চলে যাবে,<br />
সেদিন কি জানালাটা খুলে রাখবে কেউ?<br />
হয়তো সন্ধ্যা নামবে ঠিকই,<br />
পাখিরা ফিরবে আপন নীড়ে—<br />
শুধু তুমি ফিরবে না।</p>
<p>মা হয়তো উঠোনে দাঁড়িয়ে<br />
অনেকক্ষণ পথের দিকে তাকিয়ে থাকবে,<br />
ভাববে—<br />
এই বুঝি দরজায় কড়া নাড়লে তুমি,<br />
এই বুঝি বলবে,<br />
“মা, আমি এসেছি।”</p>
<p>কিন্তু দরজা খুলবে না।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275004"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275004/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">597feba285d8247565f41a0909bf8663</guid>
				<title>আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ

আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি—
শুনছো?
আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি!

আমার পায়ের নিচে মাটি কাঁপে,
মাথার ওপরে ঝড়ের হুঙ্কার;
তবু আমি—
হ্যাঁ, আমি—
নত হইনি একবারও!

আমাকে ভয় দেখিয়ো না
অন্ধকারের গল্প বলে,
আমি রাতের বুক চিরে
ভোরের জন্ম দেখেছি।

আমাকে থামিয়ো না—
আমি থামার মানুষ নই;
আমার রক্তে যে নদী বয়ে যায়,
সে নদী বাঁধ মানে না!

যেখানে অন্যায়—
সেখানে আমার কণ্ঠ।
যেখানে অত্যাচার—
সেখানে আমার প্রশ্ন।
যেখানে মানুষ কাঁদে নীরবে—
সেখানে আমি
নীরব থাকব না!

না—
আমি নীরব থাকব না!

আমার কণ্ঠ যদি ছোট হয়,
তবু সে কণ্ঠ সত্যের;
আমার হাত যদি শূন্য হয়,
তবু আমার মুঠোয়
অদম্য বিশ্বাস!

আমি আগুন নই শুধু—
আমি আগুনেরও প্রশ্ন;
আমি ঝড় নই শুধু—
আমি ঝড়ের আগের
সেই নিস্তব্ধতা,
যার পর
আকাশ ফেটে যায়!

যারা ভেবেছ—
ভেঙে দিলে মানুষ ভেঙে যায়,
তারা জানো না—
মানুষ ভাঙে,
কিন্তু মানুষের স্বপ্ন
ভাঙে না!

একজন পড়ে গেলে
আরেকজন উঠে দাঁড়ায়,
একটি কণ্ঠ স্তব্ধ হলে
হাজার কণ্ঠ জেগে যায়।

তাই শোনো—
আজ আমার কণ্ঠে
শুধু আমার কথা নয়;

এ কণ্ঠ
ক্ষুধার্ত মানুষের,
অবহেলিত মানুষের,
অধিকারহারা মানুষের,
যে মানুষটি
চোখের জল মুছে
এখনও বলে—
“আমি মানুষ,
আমাকে মানুষ হয়েই বাঁচতে দাও!”

আমি যুদ্ধ চাই না—
চাই ন্যায়ের বিজয়।
আমি ধ্বংস চাই না—
চাই অন্যায়ের অবসান।

তবু যদি অন্যায়
আমার দরজায় এসে দাঁড়ায়,
তবে দরজা খুলে বলব—

এসো!

দেখি,
কত বড় তোমার অন্ধকার!

আমার কাছে
একটি সত্য আছে,
একটি বিবেক আছে,
একটি মাথা আছে—

সে মাথা
শুধু সৃষ্টিকর্তার কাছে নত হবে,
অন্যায়ের কাছে নয়!

আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি—
শুনছো?

ঝড় আসুক,
বজ্র নামুক,
পৃথিবী কেঁপে উঠুক—

আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি!

আর যতদিন
একটি অন্যায় থাকবে,
যতদিন
একটি মানুষ কাঁদবে,
যতদিন
একটি বিবেক জেগে থাকবে—

ততদিন
আমার কণ্ঠ থামবে না!

আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি—
আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি—
আমি এখনও—
দাঁড়িয়ে আছি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275003/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 23:16:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি—<br />
শুনছো?<br />
আমি এখনও দাঁড়িয়ে আছি!</p>
<p>আমার পায়ের নিচে মাটি কাঁপে,<br />
মাথার ওপরে ঝড়ের হুঙ্কার;<br />
তবু আমি—<br />
হ্যাঁ, আমি—<br />
নত হইনি একবারও!</p>
<p>আমাকে ভয় দেখিয়ো না<br />
অন্ধকারের গল্প বলে,<br />
আমি রাতের বুক চিরে<br />
ভোরের জন্ম দেখেছি।</p>
<p>আমাকে থামিয়ো না—<br />
আমি থামার মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275003"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275003/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26443c07b650b307462c8fecedf59622</guid>
				<title>আর আসব না ফিরে
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


আর আসব না ফিরে
এই বাংলার সবুজ ঘাসে,
ধানের শীষে, নদীর জলে,
শিউলি-ঝরা ভোরের পাশে।

যে পথ ধরে হেঁটেছি এত,
যে মাটিতে রেখেছি পায়—
শেষ বিকেলের রোদ ফুরালে
সে পথ আমায় আর না চায়।

আর আসব না ফিরে
কোনো পাখির ডানায় ভেসে,
কোনো বৃক্ষের ছায়া হয়ে,
কোনো নদীর ঢেউয়ের দেশে।

মানুষ হয়ে জন্মেছি যখন,
মানুষ হয়েই থাকব আমি;
মৃত্যু শুধু পথের শেষ নয়—
তারও পরে আছে গন্তব্য ভূমি।

এই জীবনের ঋণ শোধ করে
যেদিন যাব নীরব রাতে,
ফিরব না আর মাটির বুকে
নতুন কোনো জন্মসাথে।

যারা ভাবে—জীবন শেষে
ইতর প্রাণী হয়ে ফিরি,
তাদের সেই দীর্ঘশ্বাসের
অন্ধকারে পথ না ধরি।

আমার বিশ্বাস—
একটি জীবন, একটি মৃত্যু,
তারপর অনন্ত বিচার;
এই ক্ষণিকের মাটির জীবন
নয় তো জীবনের শেষ অধ্যায়।

তাই যদি কোনো ভোরে দেখি
ঘাসের পরে শিশির হাসে,
মনে হবে—আমি নেই সেখানে,
স্মৃতি শুধু রয়ে গেছে ঘাসে।

কোনো সন্ধ্যা নদীর বুকে
লাল আভা মেখে গেলে,
আমার কথা মনে পড়বে—
আমি থাকব অন্য মেলে।

আর আসব না ফিরে
এই পৃথিবীর চেনা ঘরে;
মানুষ হয়ে এসেছি একবার,
মানুষ রব পরপারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274819/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 15:58:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আর আসব না ফিরে<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আর আসব না ফিরে<br />
এই বাংলার সবুজ ঘাসে,<br />
ধানের শীষে, নদীর জলে,<br />
শিউলি-ঝরা ভোরের পাশে।</p>
<p>যে পথ ধরে হেঁটেছি এত,<br />
যে মাটিতে রেখেছি পায়—<br />
শেষ বিকেলের রোদ ফুরালে<br />
সে পথ আমায় আর না চায়।</p>
<p>আর আসব না ফিরে<br />
কোনো পাখির ডানায় ভেসে,<br />
কোনো বৃক্ষের ছায়া হয়ে,<br />
কোনো নদীর ঢেউয়ের দেশে।</p>
<p>মানুষ হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274819"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274819/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">148ba9ff0e261f2f1b55d0a5481665b2</guid>
				<title>আমার খুব কাঁদতে ইচ্ছে করছে
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


আমি বলছি না,
কেউ আমার ভালো চায় না।
কেউ কেউ তো খুব ভালোই চায়—
শুধু আমি ভালো আছি কিনা,
সেটা জানতে চায় না কেউ।


কখনো বলি না,
আমি খুব কষ্টে আছি।
কষ্টে থাকলে মানুষ কাঁদে,
আমি তো কাঁদিও না—
শুধু মাঝরাতে হঠাৎ
ঘুম ভেঙে যায়,
তারপর অনেকক্ষণ
অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে থাকি।


আমি বলছি না,
কেউ আমাকে ভুলে গেছে।
তবু দেখো,
আমার কথা মনে পড়ার মতো
কারও কোনো অবসর নেই আজকাল।
আমার না-থাকাটাও যেন
কারও জীবনে
কোনো শূন্যতা তৈরি করে না।


আমি বলছি না,
আমার কোনো বন্ধু নেই।
বন্ধু অনেক আছে—
শুধু এমন একজন নেই,
যাকে রাত দুটোয় ফোন করে
কিছু না বলেও
কিছুক্ষণ চুপ করে থাকা যায়।


আমি বলছি না,
আমি একা হয়ে গেছি।
মানুষের ভিড়ে হাঁটি,
মানুষের সঙ্গে কথা বলি,
হাসিও মাঝে মাঝে—
শুধু আমার ভেতরের মানুষটাকে
কেউ কোনোদিন
জিজ্ঞেস করেনি,
“তুই কেমন আছিস?”


আমি বলছি না,
কেউ আমাকে কাঁদিয়েছে।
মানুষ তো মানুষকে
সবসময় কাঁদায় না—
কখনো কখনো
একটু অবহেলাই যথেষ্ট,
একটু না-জিজ্ঞেস করাই যথেষ্ট,
একটু দূরে সরে যাওয়াই যথেষ্ট।


আমি কাউকে দোষ দিই না।
সবাই যার যার মতো ব্যস্ত,
সবাই যার যার জীবন নিয়ে
বেঁচে আছে।
শুধু আমার বুকের ভেতর
যে কথাগুলো প্রতিদিন জমে থাকে,
সেগুলো বলার মতো
একটা মানুষও
খুঁজে পাই না।


তাই যদি কোনোদিন দেখো
আমি খুব হাসছি,
ভেবো না আমি সুখী।
হয়তো সেদিনও
অনেক মানুষের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
আমি মনে মনে শুধু বলেছি—

“আজ আমার মন ভালো নেই।

একটু পাশে বসো।
কিছু জিজ্ঞেস কোরো না।
কিছু বলতেও হবে না।
শুধু একটু পাশে বসো—
আজ আমার খুব কাঁদতে ইচ্ছে করছে।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274594/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 20:17:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার খুব কাঁদতে ইচ্ছে করছে<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমি বলছি না,<br />
কেউ আমার ভালো চায় না।<br />
কেউ কেউ তো খুব ভালোই চায়—<br />
শুধু আমি ভালো আছি কিনা,<br />
সেটা জানতে চায় না কেউ।</p>
<p>কখনো বলি না,<br />
আমি খুব কষ্টে আছি।<br />
কষ্টে থাকলে মানুষ কাঁদে,<br />
আমি তো কাঁদিও না—<br />
শুধু মাঝরাতে হঠাৎ<br />
ঘুম ভেঙে যায়,<br />
তারপর অনেকক্ষণ<br />
অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে থাকি।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274594"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274594/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">52724841f9bb5ccdb250f2198a9c672f</guid>
				<title>আমি চাই না সেই শক্তি
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


আমি চাই না সেই শক্তি,
যে শক্তির স্পর্শ লেগে চলার গতি থেমে যায়,
হারিয়ে যায় সব প্রাকৃতিক বিষয়বস্তু।


আমি চাই না সেই শক্তি,
যে শক্তির ছোঁয়া লেগে কণ্ঠে বাজে না সুর,
হৃদয়ে বাজে না সুখের নূপুর—
সকাল, সাঁঝ, কিবা রাত-দুপুর।


যে শক্তির গর্জনে ধ্বংস নামে পুনঃপুন অভিমানে,
বাড়তেই থাকে ভয়ংকর দুর্যোগ,
ধরণীর প্রাণে জ্বলে অগ্নিকান্তের উৎপাত।


যে শক্তির আগমনে
ভূবন হয়ে ওঠে কঠিন লৌহদ্রব্য,
যেথায় মুছে যায় স্বর্গ–সুখের আশা,
লোপ পায় সব মধুর ভালোবাসা।


ভূমণ্ডলে আজ তাই
শুধু অনল আর অনল—
চোখে দেখি আজ পৃথিবী, এ কি অনাসৃষ্টি!


আমি চাই না সেই শক্তি,
যে শক্তির নিষ্ঠুর হাতে আজ
পৃথিবী ঘূর্ণায়মান, ক্লান্ত কক্ষপথে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274174/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 23:55:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি চাই না সেই শক্তি<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমি চাই না সেই শক্তি,<br />
যে শক্তির স্পর্শ লেগে চলার গতি থেমে যায়,<br />
হারিয়ে যায় সব প্রাকৃতিক বিষয়বস্তু।</p>
<p>আমি চাই না সেই শক্তি,<br />
যে শক্তির ছোঁয়া লেগে কণ্ঠে বাজে না সুর,<br />
হৃদয়ে বাজে না সুখের নূপুর—<br />
সকাল, সাঁঝ, কিবা রাত-দুপুর।</p>
<p>যে শক্তির গর্জনে ধ্বংস নামে পুনঃপুন অভিমানে,<br />
বাড়তেই থাকে ভয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274174"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274174/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">53a084a7fcf7070f25dc05b3d9fdc7ef</guid>
				<title>ঝড় থামে বৈষম্য থামে না
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


ঝড়ো হাওয়া বইছে এলোকেশে,
ডাঙায় জলে শুভ্র মেঘের দেশে।
গগন ললাট ঘেমে উচ্ছ্বাসে,
দিগন্ত ঘিরে মহাতিমির আসে।


বট-হিজলের ডাল ভেঙে পড়ে,
ভূধর কাঁপে ধ্বংসযজ্ঞ দেখে।
মাঠের ফসল গড়াগড়ি করে,
চাষাভাইয়ের অশ্রু ঝরে চোখে।


অভাগিনীর কুঁড়েঘরটি ভেঙে,
সর্বহারা পথিক ধুমড়ে পড়ে।
ঘুষের টাকায় “মহাশান্তি” এনে—
রইল কেহ অট্টালিকার পরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274173/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 23:54:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝড় থামে বৈষম্য থামে না<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>ঝড়ো হাওয়া বইছে এলোকেশে,<br />
ডাঙায় জলে শুভ্র মেঘের দেশে।<br />
গগন ললাট ঘেমে উচ্ছ্বাসে,<br />
দিগন্ত ঘিরে মহাতিমির আসে।</p>
<p>বট-হিজলের ডাল ভেঙে পড়ে,<br />
ভূধর কাঁপে ধ্বংসযজ্ঞ দেখে।<br />
মাঠের ফসল গড়াগড়ি করে,<br />
চাষাভাইয়ের অশ্রু ঝরে চোখে।</p>
<p>অভাগিনীর কুঁড়েঘরটি ভেঙে,<br />
সর্বহারা পথিক ধুমড়ে পড়ে।<br />
ঘুষের টাকায় “মহাশান্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274173"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274173/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9577f3747c2c7df18968918d423173e3</guid>
				<title>বেকারত্ব
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


সবকিছু এলোমেলো অদ্য,
মন মোর হয়ে গেছে গদ্য,
কোন কাজে পাই না ছদ্ম,
প্রত্যাশার দুয়ার তালাবদ্ধ।


আবাদি ফসল সবই মাটি,
কোন কিছু নেই আর খাঁটি,
নড়বড়ে ভেঙে পড়ে অন্ধের লাঠি,
তিমির পথে কীভাবে হাঁটি!


স্বপ্নীল জীবনের কামনায়,
কত জ্ঞান কুড়িয়েছি সাধনায়,
গ্রেডগুলো পড়ে থাকে বিছানায়,
পোস্টার-সম মূল্যই তার নাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274172/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 23:53:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বেকারত্ব<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>সবকিছু এলোমেলো অদ্য,<br />
মন মোর হয়ে গেছে গদ্য,<br />
কোন কাজে পাই না ছদ্ম,<br />
প্রত্যাশার দুয়ার তালাবদ্ধ।</p>
<p>আবাদি ফসল সবই মাটি,<br />
কোন কিছু নেই আর খাঁটি,<br />
নড়বড়ে ভেঙে পড়ে অন্ধের লাঠি,<br />
তিমির পথে কীভাবে হাঁটি!</p>
<p>স্বপ্নীল জীবনের কামনায়,<br />
কত জ্ঞান কুড়িয়েছি সাধনায়,<br />
গ্রেডগুলো পড়ে থাকে বিছানায়,<br />
পোস্টার-সম মূল্যই তার নাই।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0002b940c552620e184c54ec52b5f9d9</guid>
				<title>মোদের ভাষা সংস্কৃতি
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


তরল শ্লোকে গাঁথা মালা,
মোদের ভাষায় পরিপাটি।
দিনমান ক্ষণ সবুর হয়ে,
করছি বসে ঘাঁটাঘাঁটি—
মোদের ভাষা সংস্কৃতি।


হানাদারের থাবার মুখে
লড়েছিল বীর শহীদ-গাজী।
স্মৃতির মিনার গড়ার শোকে
ধরেছিল জীবন বাজি।
তাদের তরে রচা গীতি—
মোদের ভাষা সংস্কৃতি।


অযুত কবি করুন মায়ের
মলিন মুখটি দেয় ভরিয়ে।
পাখির ডানায় ছদ্ম বেঁধে,
আপন হাতে দেয় ছড়িয়ে।
জারি, সারি, বাউলা গানের
গীতি, রীতি, নীতি—
মোদের ভাষা সংস্কৃতি।


খোকার সাথে চুপি চুপি
রূপিনী মায়ের গল্প বলা।
সহস্র বছরের ইতিহাসে
রক্ত–সুখের চারুকলা।
মুক্ত অক্ষরের দীপাবলি
আঁকড়ে ধরে স্মৃতি—
মোদের ভাষা সংস্কৃতি।


...
কবি শাহ্ আলম</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273723/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 17:18:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মোদের ভাষা সংস্কৃতি<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>তরল শ্লোকে গাঁথা মালা,<br />
মোদের ভাষায় পরিপাটি।<br />
দিনমান ক্ষণ সবুর হয়ে,<br />
করছি বসে ঘাঁটাঘাঁটি—<br />
মোদের ভাষা সংস্কৃতি।</p>
<p>হানাদারের থাবার মুখে<br />
লড়েছিল বীর শহীদ-গাজী।<br />
স্মৃতির মিনার গড়ার শোকে<br />
ধরেছিল জীবন বাজি।<br />
তাদের তরে রচা গীতি—<br />
মোদের ভাষা সংস্কৃতি।</p>
<p>অযুত কবি করু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273723"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273723/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">86aa0dff3c3a6fef42da4f5bc46639ef</guid>
				<title>ধূসর পৃথিবী
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


এ কঠোর মহী, বিষাদময়,
সবখানে ভেজাল মাখা।
স্বার্থের কোঠরিতে বন্দি সবাই,
মিথ্যা সুখের ভানে — যায় কি ব্যথারে ঢাকা?


স্বপ্নের রঙ ধনু পাওয়ার আশে,
সকলেই অশ্রুস্রোতে ভাসে।
বিনিময়ে পায় শুধু হাহাকার,
নির্ঘুম রাতগুলো পোহাবার।


বিত্ত-সুখের দুর্ভাবনা,
মনুষ্যত্বকে করে অবমাননা।
সংসার হয় বিভীষিকাময়।


যে আমায় করেছে সৃজন,
ভুলে গেছি তারে এখন।
মানুষে মানুষে বিভেদ লেগে থাকা, শুধু —


এক মুঠো ভালোবাসা
পুরায় মনের আশা।
মিছে ঠেলাঠেলি — সব ধনের কামনায়,
পুরো এ সংসার পড়ে থাক ধু-ধু।



---
This harsh earth, steeped in sorrow,
Everywhere — a touch of false tomorrow.
All are trapped in selfish desire,
Can pain be hidden by pleasure&#039;s attire?


Chasing dreams in rainbow hue,
Each heart sinks in tears anew.
All they gain is a haunting cry,
And sleepless nights that pass them by.


The worry for wealth and fleeting delight
Strips humanity of all its right.
Life turns into a tale of dread.


The One who breathed life into me,
Now forgotten so easily.
Divisions fester, man against man — only...


A handful of love, sincere and true,
Can fulfill the soul&#039;s longing too.
All this struggle for riches and fame,
Leaves the world in dust and shame.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273722/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 17:14:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধূসর পৃথিবী<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এ কঠোর মহী, বিষাদময়,<br />
সবখানে ভেজাল মাখা।<br />
স্বার্থের কোঠরিতে বন্দি সবাই,<br />
মিথ্যা সুখের ভানে — যায় কি ব্যথারে ঢাকা?</p>
<p>স্বপ্নের রঙ ধনু পাওয়ার আশে,<br />
সকলেই অশ্রুস্রোতে ভাসে।<br />
বিনিময়ে পায় শুধু হাহাকার,<br />
নির্ঘুম রাতগুলো পোহাবার।</p>
<p>বিত্ত-সুখের দুর্ভাবনা,<br />
মনুষ্যত্বকে করে অবমাননা।<br />
সংসার হয় বিভীষিকাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273722"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273722/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f096d8f808f84741688e0b41e9e9e096</guid>
				<title>মলিন ছায়ার গল্প
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


ছিন্ন পত্রে লিখব কি আর চিঠিখানা?
রসের কথা লিখব কি আর ছন্দ দিয়ে?
কুসংস্কৃতিই জগৎ এখন আজবখানা!
রসের কথা শোনার মতো আছে কি কেউ?


শুষ্ক নদী মরুর মতো ধুলো ওড়ায়,
জলের কথা সে যেন প্রায় গেছে ভুলে।
আকাশ যদি মনের ভুলে বৃষ্টি ঝরায়,
মূর্খ নদী ক্রোধে মিশে পাকের তলে।


ভালোবেসে কুড়িয়েছিলাম পত্রখানা,
বন-অরণ্য কিংবা কোনো বর্জ্য থেকে;
শশীর মতো মুচকি হাসির শামিয়ানা
মনের কোণে স্বপ্ন আঁকে ছবি এঁকে।


পূর্ণিমারাতের মধুর মধুর সুখের কথা
ভেবেছিলাম লিখে নেব পত্রখানায়।
ফুরসত আর হয়নি দেখা পত্র আমার,
যেটুকু হয়, তাও পড়ে রই ঘরের কোণায়।


মন চায় তাই পাথর হয়ে অগ্নি ঝরায়,
দাবানলে যাক পুড়ে এই শুষ্ক মরু;
নতুন করে সভ্যতার আজ সূচনা হোক,
দিকে দিকে জেগে উঠুক সজীব তরু।


তরল শ্লোকের পাখির কথা বাণীর মতো,
জ্যোতির মাঝে হোক সাথি ছায়ার মতো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273719/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 17:10:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মলিন ছায়ার গল্প<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>ছিন্ন পত্রে লিখব কি আর চিঠিখানা?<br />
রসের কথা লিখব কি আর ছন্দ দিয়ে?<br />
কুসংস্কৃতিই জগৎ এখন আজবখানা!<br />
রসের কথা শোনার মতো আছে কি কেউ?</p>
<p>শুষ্ক নদী মরুর মতো ধুলো ওড়ায়,<br />
জলের কথা সে যেন প্রায় গেছে ভুলে।<br />
আকাশ যদি মনের ভুলে বৃষ্টি ঝরায়,<br />
মূর্খ নদী ক্রোধে মিশে পাকের তলে।</p>
<p>ভালোবেস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273719"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273719/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3308b2cf01a3bf3a90802cfb15f41a9b</guid>
				<title>মুসলিম সংখ্যালঘু
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


আমরা উড়াবো বিজয় নিশান,
আমরা মুসলমান।
আঁধার ভেঙে জাগবে রবি
পূর্ব আসমান।


নানান দেশের সংখ্যালঘু
মুসলমানের জাতি,
আজকে দেখ, নির্জাতিত
বিশ্বজুড়ে জ্ঞাতি।


আমার ভাই পথে যখন
শান্ত হেঁটে যায়,
শকুনেরা মাথায় বসে,
কাঁঠাল ভেঙে খায়।


জোকের মতো যুগ হতে যুগ
রক্ত চুষে খায়—
এসব কি আর দেখে দেখে
সহ্য করা যায়?


ফিলিস্তিনে নিজের দেশেই
বন্দি মুসলমান,
আরাকানে আজ রোহিঙ্গারা
ঘরছাড়া, সাবধান-


বিশ্ব বিবেক কেন চুপ আজ?
যারা শোনায় মানবতার কথা!
প্রতিবাদের ঝড় তুলেই
আনতে হবে পূর্ণ স্বাধীনতা।

...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273154/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 06:37:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মুসলিম সংখ্যালঘু<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমরা উড়াবো বিজয় নিশান,<br />
আমরা মুসলমান।<br />
আঁধার ভেঙে জাগবে রবি<br />
পূর্ব আসমান।</p>
<p>নানান দেশের সংখ্যালঘু<br />
মুসলমানের জাতি,<br />
আজকে দেখ, নির্জাতিত<br />
বিশ্বজুড়ে জ্ঞাতি।</p>
<p>আমার ভাই পথে যখন<br />
শান্ত হেঁটে যায়,<br />
শকুনেরা মাথায় বসে,<br />
কাঁঠাল ভেঙে খায়।</p>
<p>জোকের মতো যুগ হতে যুগ<br />
রক্ত চুষে খায়—<br />
এসব ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273154"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273154/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c6347e8561e338551d3eab5d11bf1d0</guid>
				<title>সংগ্রাম
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


পৃথিবীর লাগি কেঁদে আর কি লাভ!
পৃথিবী তো অসুখী নয়,
অশান্তির কুজ্ঝটিকা থেমে গেছে এ বাংলায়।


দানবের মতো কুজ্ঝটিকা, অশান্তি চিনে—
ডেকে আনে বারংবার।


রক্তের মাঝে মৃত্যুর খেলা,
মৃত্যুর মাঝে রক্ত,
রক্তের মাঝে স্বাধীনতা,
রক্তের মাঝেই শান্তি।


জাগো জোয়ান বীর,
হাতেতে মিলাও হাত,
দানবেরে করো আঘাত।


মৃত্যুর ভয় আনে মৃত্যু,
জড়তার ভয় আনে জয়,
ঐক্য হস্ত কঠিন মস্ত,
সত্যের নাহি ক্ষয়।


তুমি তো মৃত নও,
তুমি আছ ঘুমের ঘোরে,
তোমাকে ডাকিলে, মৃতের মতোই—
থাকবে কি ভাই পড়ে?


যদি তাই থাকো,
তবে এই ভাঙা বক্ষে,
আমি ছুটিব একা সংগ্রামে
করিতে স্বদেশ রক্ষে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273153/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 06:35:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সংগ্রাম<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>পৃথিবীর লাগি কেঁদে আর কি লাভ!<br />
পৃথিবী তো অসুখী নয়,<br />
অশান্তির কুজ্ঝটিকা থেমে গেছে এ বাংলায়।</p>
<p>দানবের মতো কুজ্ঝটিকা, অশান্তি চিনে—<br />
ডেকে আনে বারংবার।</p>
<p>রক্তের মাঝে মৃত্যুর খেলা,<br />
মৃত্যুর মাঝে রক্ত,<br />
রক্তের মাঝে স্বাধীনতা,<br />
রক্তের মাঝেই শান্তি।</p>
<p>জাগো জোয়ান বীর,<br />
হাতেতে মিলাও হাত,<br />
দানবেরে করো আঘাত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273153"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273153/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cd4284aec37f5c0cbe754b9be6fb40cf</guid>
				<title>ডাকের মেলা
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


মোরগের ডাক শুনে ঘুম ভাঙে সকালে,
মেঘ ডাকে গুরুগুরু গ্রীষ্মের দুপুরে,
ব্যাঙ ডাকে গ্যাঙ গ্যাঙ খাল-বিল-পুকুরে,
গাভী ডাকে মো মো, দেখে ছায়া বিকালে।


কুকুরের হাক-ডাক নিশিরাতে চোর এলে,
শেয়ালের হাক শুনি মধ্যরাতের প্রহরে,
ঝিঁঝি ডাকে ঝিন ঝিন, তাল তুলে নূপুরে,
পাখিদের চেঁচামেচি বৃক্ষের আড়ালে—


ডানা খুলে উড়ে যায়, শিস দিয়ে তাড়ালে,
কোকিলের গান শুনি বসন্তের বাগানে,
ফটিকজল বকে যায় কোথা থেকে কে জানে!
বিড়াল কাঁদে মিউ মিউ খাবারের টেবিলে।


চিলগুলি হাক দিলে রোদে নাকি পুড়ে ছাই?
হাঁস ডাকে প্যাক প্যাক, ঘরে ফিরে অযথাই!
সবারই দিন কাটে সুখে থাকার আশাতে,
সকলেই কথা বলে নিজ নিজ ভাষাতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273152/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 06:34:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ডাকের মেলা<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>মোরগের ডাক শুনে ঘুম ভাঙে সকালে,<br />
মেঘ ডাকে গুরুগুরু গ্রীষ্মের দুপুরে,<br />
ব্যাঙ ডাকে গ্যাঙ গ্যাঙ খাল-বিল-পুকুরে,<br />
গাভী ডাকে মো মো, দেখে ছায়া বিকালে।</p>
<p>কুকুরের হাক-ডাক নিশিরাতে চোর এলে,<br />
শেয়ালের হাক শুনি মধ্যরাতের প্রহরে,<br />
ঝিঁঝি ডাকে ঝিন ঝিন, তাল তুলে নূপুরে,<br />
পাখিদের চেঁচামেচি বৃক্ষের আড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273152"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273152/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ca16bf8b6d8b86f27f2b3f884f553de4</guid>
				<title>বাঁচতে চাই
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই
আমরা কলকারখানার শ্রমিক
এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই
আমরা জাহাজের নাবিক
এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই
আমরা বাজারের দর্জি
আমরা বাঁচতে চাই;
মানব–প্রকৃতির বুকে বেঁচে থাকার কত সাধনা।


এই বাঁচার জন্য গুহায় আশ্রয় নিয়েছিল যাযাবর
এই বাঁচার জন্য শিকারের হাতিয়ার গড়েছিল কামার
এই বাঁচার জন্য আগুন আবিষ্কার করেছি আমরা
বুদ্ধিজীবী মানুষ;
এই বাঁচার জন্য আমরা বনচারী
প্রকৃতির কোলে ফলমূল কুড়িয়েছি কত সহস্র বছর
কত চাষাবাদের কলাকৌশল শিখেছি;
আবার বেঁচে থাকার জন্য
আমাদের ভাবনার অন্ত নেই—এখনো।
আমরা উদ্ভাবনী মানব
বাঁচার জন্য তৈরি করেছি আত্মঘাতী বোমা।
পৃথিবীজুড়ে গড়েছি অগনিত হাসপাতাল।


বাঁচতে চাই যারা স্বদেশ ভালোবাসি।
বাঁচতে চাই যারা বৃক্ষ ভালোবাসি।
বাঁচতে চাই যারা সঙ্গীত ভালোবাসি।
বাঁচতে চাই যারা ভালোবাসি পাখিদের ধ্বনি
হিল্লোলিত নদ–স্রোতে যারা ভাসতে জানি।


এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই—
নিজ ঘরে শান্তিতে বাঁচার আশা
মায়ের ভালোবাসা নিয়ে বাঁচার আশা
বন্ধুর আশ্বাসে বাঁচার আশা
সংসারের স্বপ্ন নিয়ে বাঁচার আশা।


আমরা যুদ্ধবিধ্বস্ত, ট্রয়–নগরের আত্মা
আমরা বাঁচতে চাই;
আমরা জয়নুলের আঁকা দুর্ভিক্ষের ছবি
মুমূর্ষু কঙ্কাল নর–নারীর
আমরা বাঁচতে চাই।
আমরা বাংলার নীলচাষি
বাঁশের কেল্লা গড়েছি বাঁচার তাগিদে
আমরা বাঁচতে চাই;


আমরা পুষ্প ভালোবাসি
আমরা বাঁচতে চাই
নোংরা ধুলি–বালি থেকে বাঁচার স্বপ্ন—
ঝড়ো বাতাস থেকে বাঁচার স্বপ্ন
হায়েনার থাবা থেকে বাঁচার স্বপ্ন।


আমরা হিরোশিমা ও নাগাশাকির বিকলাঙ্গতা থেকে বাঁচতে চাই
আমরা আমাদের জন্মগত অধিকার চাই
আমাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দাও
আমরা বাঁচতে চাই।


---</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272734/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 03:43:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাঁচতে চাই<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই<br />
আমরা কলকারখানার শ্রমিক<br />
এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই<br />
আমরা জাহাজের নাবিক<br />
এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচতে চাই<br />
আমরা বাজারের দর্জি<br />
আমরা বাঁচতে চাই;<br />
মানব–প্রকৃতির বুকে বেঁচে থাকার কত সাধনা।</p>
<p>এই বাঁচার জন্য গুহায় আশ্রয় নিয়েছিল যাযাবর<br />
এই বাঁচার জন্য শিকারের হাতিয়ার গড়েছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272734"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272734/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7bf4748b91816fbef21d6c4bd77d049d</guid>
				<title>স্বদেশের রূপকথা”
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


হৃদয়ে উঠেছে ঝড়, যেন পিপাসা,
চারিদিক চেয়ে থাকি; মিটে না আশা।
অন্তরে আহাজারি;
আ&#039;মরি কি যে করি,
প্রকৃতিতে মনোরম—
‌‌দৃশ্য যে আঁকা,
ছবি আঁকা যেন সব পুষ্পে মাখা।


এক ধারে সোনালতা পাতায় ভরা;
ইহা যেন ঝর্ণার স্রোতধারা।
উপরেতে চোখ মেলি,
শূন্য অমিত বেগে—
সোনালী চিল উড়ে যায়
স্বর্গের রাজা।
নীল রঙে মাখা সব স্নিগ্ধ ও তাজা।


আধারে চুপিচুপি বাতি জ্বালে কারা?
ইহা যেন আকাশের ঝিলিমিলি তারা।
জোপঝাড়ে ঝিলিমিলি,
থুকি থুকি আলো জ্বালি;
জোনাক পোকার দল—
নিশিতের ঘরে!
ইহা দেখে ঝিঁঝি পোকা ঝিনিকিঝিনি তাল ধরে।


আজি ক্লান্তির উত্তাপে গ্রীষ্ম রুখে;
অগ্নির দৃশ্য সে যে বঙ্গের বুকে।
গ্রীষ্মের দুপুরেতে,
অগ্নি মশাল হাতে
ভেঙে পুড়ে করে ছাই—
ঘৃণ্যর মুখে।
অগ্নির দৃশ্য সে যে বঙ্গের বুকে।


বর্ষার জল ছুটে তটিনী পড়ে;
মনে হয়, কোথা যেন দেখেছি তারে।
ভরা নদী চড়ে যায়,
কোনদিক নাহি চায়;
যেন স্রোত নিয়ে যায়
অজানার দেশে।
সারা দেশ ঘুরে যায় পথিক বেশে।


দিশেহারা মন উল্লাসে ভাসে শরতের প্রভাতে।
এ কি মনোরম রূপ তার হাতে-নাতে!
যেদিকে তাকাই চাই,
পুষ্প রচায় তাই;
আকাশের শুভ্র মেঘ
তুলো হয়ে ভাসে।
আহা, যেন এসে গেছি স্বর্গের দেশে।


হেনকালে হেমন্ত আসিয়া বাংলার তীরে;
শান্ত কোমল দৃশ্য তার হেসে যা‌য় নবান্নের তরে।
উপরেতে রূপমনি
উড়ে চলে সারাক্ষনি;
ডুবে যায় সে অমনি
কুহেলীর ভীড়ে।
শীত এসে নিয়ে যায় নমঃনমঃ স্বরে।


প্রকৃতিতে যবে চলে বসন্তের খেলা,
নীড়েতে ফিরে আসে সুরেলা কোকিলা।
কুহুকুহু তারি ডাকে,
প্রকৃতি মা ছবি আঁকে;
ফুলে ফুলে সাজসজ্জা—
একি রূপলিলা।
জমে যায় তারি সাথে প্রেমের খেলা।


কত হেরিনু মনোমুগ্ধ রূপময়ী দৃশ্য;
তব মন ছুটে চলে অজানার হদিসে।
রূপময়ী দেশ খুঁজি,
নানা দেশ ঘুরি-ফিরি;
সবশেষ ঘুরে ফেরি
পূর্বের পথে।
ফিরে আসি স্বদেশ রূপের মায়ায়।


---</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272722/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 03:32:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বদেশের রূপকথা”<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>হৃদয়ে উঠেছে ঝড়, যেন পিপাসা,<br />
চারিদিক চেয়ে থাকি; মিটে না আশা।<br />
অন্তরে আহাজারি;<br />
আ&#8217;মরি কি যে করি,<br />
প্রকৃতিতে মনোরম—<br />
‌‌দৃশ্য যে আঁকা,<br />
ছবি আঁকা যেন সব পুষ্পে মাখা।</p>
<p>এক ধারে সোনালতা পাতায় ভরা;<br />
ইহা যেন ঝর্ণার স্রোতধারা।<br />
উপরেতে চোখ মেলি,<br />
শূন্য অমিত বেগে—<br />
সোনালী চিল উড়ে যায়<br />
স্বর্গের রা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272722"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272722/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d55450e4b1738c4b235b13e29d84361</guid>
				<title>“কল্পপাখায় স্বপ্ন নাচে” — শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


থাকব আমি অচিনপুরে,
শরৎ-কোমল রোদ্দুরে,
থাকব তবু রাখব মনে
রূপময়ী দেশের রূপকথা শুনে।


পাতালপরীর আস্তানাতে
নামব আমি তরুণ তেজে,
দূর আকাশের তারায় তারায়
ঘুরব সদাই পাড়ায় পাড়ায়।


পরীর মতো সাগরজলে
ভাসব আমি ঝলমলিয়ে,
নদীর মতো কলতানে
ঢেউ তুলিয়ে টলমলিয়ে।


পদ্ম হয়ে সরোবরে
ভাসব আমি দিল দুলায়ে,
রবির মতো রোজ প্রভাতে
জাগব সদা ঝিলিক দিয়ে।


আঁধার রাতের জোনাক হয়ে
ছুটব বেগে মিটমিটিয়ে,
অকারণে হাসব আমি
খোকার মতো খিলখিলিয়ে।


আপন মনে নাচব আমি
নূপুর পায়ে ঝিনিঝিনি,
ঝিঁঝির মতো ডাকব আমি
সাঁঝরাতে ঝিনিকিঝিনি।


চাঁদের মতো চকচকিয়ে,
প্যাঁচার মতো চোখ পাকিয়ে
আঁকব ছবি, গাইব গান;
নাচব আমি, হাসবে প্রাণ।


ডানা মেলে উড়ব আমি
ঘুড়ি হয়ে নীল আকাশে,
চাঁদের দেশে থাকবে বাড়ি,
দেশের স্মৃতি বুকের পাশে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272719/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 03:24:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>      “কল্পপাখায় স্বপ্ন নাচে” — শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>থাকব আমি অচিনপুরে,<br />
শরৎ-কোমল রোদ্দুরে,<br />
থাকব তবু রাখব মনে<br />
রূপময়ী দেশের রূপকথা শুনে।</p>
<p>পাতালপরীর আস্তানাতে<br />
নামব আমি তরুণ তেজে,<br />
দূর আকাশের তারায় তারায়<br />
ঘুরব সদাই পাড়ায় পাড়ায়।</p>
<p>পরীর মতো সাগরজলে<br />
ভাসব আমি ঝলমলিয়ে,<br />
নদীর মতো কলতানে<br />
ঢেউ তুলিয়ে টলমলিয়ে।</p>
<p>পদ্ম হয়ে সরোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272719"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272719/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1a90e9e05dfadd9c8e470334d48dd50e</guid>
				<title>বঙ্গের ইতিহাস
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ



বঙ্গ নামের কোমল বদ্বীপ ভূমি
আজন্ম লালিত বঙ্গোপসাগরের কোলে,
তেরোশত নদী যায় চরণ চুমি
মহাযাত্রার স্রোতজ কল্লোলে।


উজান থেকে পলি বয়ে আনে,
ভরা বর্ষায় বান ডাকে ঘোলা জলে,
উর্বর মাটির সতেজ আস্তরণে
এদেশের ভূমি জীবন্ত করে তোলে।


এদেশের বুকে বিচিত্র ফসল ফলে,
বাণিজ্যধারা দেশবিদেশে ছিল,
নাবিকদৃষ্টি সজাগ করে তোলে—
ব্রিটিশ জাতিও তেমনি এসেছিল।


এসেছিল পর্তুগিজ আর ওলন্দাজ,
আরও অনেক নাবিক অভিযাত্রী,
যুদ্ধ ছিল ব্রিটিশ জাতির কাজ,
দস্যুর মতো সবই নিত কারি।


আঠারো শতকে দেশে এলো বর্গি,
মারাঠি জলদস্যু তাদের সাথী,
সুকৌশলে নবাব আলীবর্দী
দমন করলেন সে বর্গি-মারাঠি।


মহান নবাব আলীবর্দী খাঁ
বঙ্গদেশের ছিলেন ভরসা,
নবজাতকের কাছে যেমন মা—
নিরাপত্তার নিবিড় আশ্রয়বাসা।


তখন ধনের প্রাচুর্য ছিল দেশে,
দিবস-রাত্রি প্রজা থাকত সুখে,
সহস্র বছরের স্মৃতি গাঁথা রয়ে
গর্ব হয়ে উঠত বাঙালির বুকে।


আলীবর্দী হঠাৎ বিদায় নিলে
দুর্যোগের মেঘ ঘনায় দেশে,
দায়িত্বভার সিরাজ-উদ-দৌলা নিলে
ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব বাড়ে শেষে।


অনেক কষ্টে যুবক সিরাজ-উদ-দৌলা
ঘনিষ্ঠদের ষড়যন্ত্রজাল মুছে,
সিংহাসনের দ্বার হলো খোলা,
অল্প হলেও রাজ্য-অভাব ঘুচে।


আশার পিদিম একটু ভেঙে গেলে
যায় কি পিদিম আগের মতো জালা?
আঁধার দেশে কাঁদার সায়র মেলে
যদিও সেথায় জোনাক ছড়ায় আলা।


নতুন করে ষড়যন্ত্রজাল গড়ে,
শত্রু-মিত্র সবাই শ্রমিক তাতে,
শিষ্যদেরই প্রভাব বেড়ে বেড়ে
গুরুর কাঁধে পা পড়ে রাতে।


ব্রিটিশ বণিক নানান কথার ছলে
অপমান, খুন আর ষড়যন্ত্রে মেতে,
ক্ষমতার ঐ বিত্তসুখের ঢলে
যুদ্ধ বাঁধে নবাবের সাথে।


পলাশির আমবাগানের দেশে
মীরজাফরের নৃশংস নেতৃত্বে,
দ্বন্দ্বযুদ্ধের এক পর্যায়ে এসে
পরাজিত হলেন নবাব তাতে।


পরাস্ত হলো গোটা বঙ্গভূমি,
সূচিত হলো ঔপনিবেশিক শাসন,
অসুর হলো আসল ভূস্বামী,
চলল দেশে পিড়াপিড়ি শোষণ।


অত্যাচারের চরম সীমায় এসে
মানুষ যখন পথের কুকুর সাজে,
পঙ্কসাগরের তরঙ্গে ভেসে ভেসে
জাগে প্রতিরোধ, নবজাগরণ মাঝে।


শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে
পতন হলো ইংরেজ শাসনের,
’৪৭-এর দেশভাগের বেসে
জন্ম নিল ভারত-পাকিস্তানের।


দানবকূল বিদায় নিলেও দেশে
আসেনি তো কোনো স্বাধীনতার,
পাকিস্তানের অধীনতায় এসে
ক্ষুধিত হয় নিপীড়নের পাতা্


যে নিপীড়ন ভাষায় আঘাত হানে,
যে নিপীড়ন অর্থে শোষে,
সে পীড়ায় পীড়িত বাঙালিরাই
মহান যুদ্ধে স্বাধীনতা আনে।


...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272116/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 17:02:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বঙ্গের ইতিহাস<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>বঙ্গ নামের কোমল বদ্বীপ ভূমি<br />
আজন্ম লালিত বঙ্গোপসাগরের কোলে,<br />
তেরোশত নদী যায় চরণ চুমি<br />
মহাযাত্রার স্রোতজ কল্লোলে।</p>
<p>উজান থেকে পলি বয়ে আনে,<br />
ভরা বর্ষায় বান ডাকে ঘোলা জলে,<br />
উর্বর মাটির সতেজ আস্তরণে<br />
এদেশের ভূমি জীবন্ত করে তোলে।</p>
<p>এদেশের বুকে বিচিত্র ফসল ফলে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272116"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272116/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>16</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c02e25cab33659ffeffb7d5ea763fadf</guid>
				<title>জীবনের গান
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ



এ মম জীবন নহে কোনো নাট্যলীলা,
সোনায় সোনায় চাকচিক্যময়—ভিতরে বহ্নিজ্বালা।
দু’চোখে আমার স্বপ্নরেখা, বুকভরা মিছে আশা,
হৃদয়ে মিশানো প্রেম অকৃত্রিম—দুনিয়ার ভালোবাসা।


অপূর্ণ রবে জানি স্বপ্ন সকল, আমি রব পরপারে,
হেসে যাই তাই নকল হাসি—ম্লান হয়ে বারে বারে।
সম্মুখে আমার মহাকাল-যাত্রা,
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে গণিছে প্রহর;
কখন জানি দুয়ারে নাড়ে কড়া,
বন্ধ করে দেয় এ ক্রীড়ার সমর।


আমার দুয়ারে প্রতিবেশী-স্বজন
গেঁথে রেখেছে সীমাহীন বন্ধন,
মমতা-মেশানো ভালোবাসা তাঁদের—
আমার যাত্রার প্রতিবন্ধক।


জীবনে যারা চলার সাথী,
যার সাথে ঘটে যত লেনদেন,
মনের ভুলে হয়ে গেলে গরমিল,
ক্ষমা করো হে বিশ্বনিখিল।


স্মরণ রেখো এ অভাগারে,
ঝরে যায় যদি হঠাৎ ঝড়ে;
অসীম কানুনে ক্ষুদ্র আমি—
আকাশের মাঝে এক তিল।


তব মোর এ ক্ষুদ্র জীবন
করিতে পারে যদি মানবকল্যাণ,
স্রষ্টা হইলে রাজি-খুশি—
সার্থক জনমখানি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272109/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 16:32:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের গান<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এ মম জীবন নহে কোনো নাট্যলীলা,<br />
সোনায় সোনায় চাকচিক্যময়—ভিতরে বহ্নিজ্বালা।<br />
দু’চোখে আমার স্বপ্নরেখা, বুকভরা মিছে আশা,<br />
হৃদয়ে মিশানো প্রেম অকৃত্রিম—দুনিয়ার ভালোবাসা।</p>
<p>অপূর্ণ রবে জানি স্বপ্ন সকল, আমি রব পরপারে,<br />
হেসে যাই তাই নকল হাসি—ম্লান হয়ে বারে বারে।<br />
সম্মুখে আমার মহাকাল-যাত্রা,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272109"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272109/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">959f7a433d5d6608019c13210ac3b76e</guid>
				<title>হাতিয়ার
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ



এখানে-ওখানে ছোটোখাটো কাজে,
যখনই নিয়োজিত হই,
সদাই হেরি প্রযুক্তির অশেষ ধারা—
নতুন বিস্ময়ে রই।


পথে-মাঠে-ঘাটে কত যে শ্রমিক,
কত যে তাঁদের হাতিয়ার,
বিজ্ঞান এসে গড়েছে নতুন
বিস্ময়ী এই বসুন্ধরার।


মানবসমাজের বিস্ময়কর কাণ্ড,
কত কীর্তির রেখাচিত্র;
প্রকৃতির মাঝে তার চেয়েও অসীম
রহস্যের বন্ধন বিচিত্র।


প্রকৃতির সাজে মুগ্ধ এ হৃদয়,
প্রকৃতির গান গাই;
কবিতা লেখার হাতিয়ার আমি—
প্রকৃতির মাঝেই পাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266533/</link>
				<pubDate>Fri, 28 Aug 2026 05:18:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হাতিয়ার<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>এখানে-ওখানে ছোটোখাটো কাজে,<br />
যখনই নিয়োজিত হই,<br />
সদাই হেরি প্রযুক্তির অশেষ ধারা—<br />
নতুন বিস্ময়ে রই।</p>
<p>পথে-মাঠে-ঘাটে কত যে শ্রমিক,<br />
কত যে তাঁদের হাতিয়ার,<br />
বিজ্ঞান এসে গড়েছে নতুন<br />
বিস্ময়ী এই বসুন্ধরার।</p>
<p>মানবসমাজের বিস্ময়কর কাণ্ড,<br />
কত কীর্তির রেখাচিত্র;<br />
প্রকৃতির মাঝে তার চেয়েও অসীম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266533"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266533/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a36ed036ebc108d082e34948e3ac7f2e</guid>
				<title>মনুষ্যত্ব
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


লক্ষ্মী পেঁচার চক্ষু বুঝি আজকে হলো কাল;
লক্ষ্মী কোথায়? কাল পেঁচা ছেয়ে আছে কদমের ডাল!
পুষ্প কোথায়? সব পোড়া ছাই;
বসন্তের বুকে বান! কী করে এ জল পরিবর্তন?


পালহীন নাও ছুটে, ফুঁসে উঠে জল,
কুলহীন পৃথিবীতে কোথা ছুটি চল।
বাতাসেতে ঠাঁই পেল জীবাণুর ঘর,
কালোমেঘ ছেয়ে আছে আকাশের পর।


দুর্যোগ নয়।
মানবের প্রতি প্রকৃতির অভিমান,
মনুষ্যত্বহীন প্রাণের কী দাম!


অমানুষ ছেয়ে আছে ভূ-উপিরতল,
ভেঙে ওরা প্রকৃতির নিয়ম-সুশৃঙ্খল;
চলেছে পথভ্রষ্ট গ্রহচারী,
ধ্বংসের মুখে এনে অবনীকে ছাড়ে;
ওরা করে হাহাকার।
বেকুব মানবের কারবার।


জ্ঞানের দোষে জ্ঞান বিলুপ্ত,
আসল জ্ঞান রইল সুপ্ত;
পুষ্পরূপ মনুষ্যত্ব
রইল তাই অবহেলিত।


---</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265709/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 15:54:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনুষ্যত্ব<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>লক্ষ্মী পেঁচার চক্ষু বুঝি আজকে হলো কাল;<br />
লক্ষ্মী কোথায়? কাল পেঁচা ছেয়ে আছে কদমের ডাল!<br />
পুষ্প কোথায়? সব পোড়া ছাই;<br />
বসন্তের বুকে বান! কী করে এ জল পরিবর্তন?</p>
<p>পালহীন নাও ছুটে, ফুঁসে উঠে জল,<br />
কুলহীন পৃথিবীতে কোথা ছুটি চল।<br />
বাতাসেতে ঠাঁই পেল জীবাণুর ঘর,<br />
কালোমেঘ ছেয়ে আছে আকাশের পর।</p>
<p>দুর্যোগ নয়।<br />
মানবের প্রত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265709"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265709/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d072647e008871bd3e26a02b11452b0b</guid>
				<title>আমি তরুণ! আমি দুরন্ত ঝড়!
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


আমি তরুণ! আমি দুরন্ত ঝড়—
শিখা জ্বালায় বুকের মাঝে জাগে বিদ্রোহী জ্বর!
পথ চলি একা, ভয় পাই না কভু,
দুনিয়ার জ্ঞানী জনে রাখি না শির নত কবু!


কে বলে করিস না, কে দেয় পরামর্শ?
আমি শুনি না কাহারো মুখ— আমার আছে আলোর স্পর্শ!
জন্মেছি আমি জাগাতে প্রাণ,
জ্বালাতে মরণে মুক্তির গান!


পিতার পায়ে রাখি মাথা,
তবু কারো দাসত্ব নয়, আত্মমর্যাদায় আমি নিঃসীম পথিক,
করি আপন হৃদয়েই আশ্রয়!


আমি চলি মরুর বুকে,
ঘরে বসে নয় গৌরব!
বিদেশে যাই, ঝড়ে যাই,
আমি তরুণ— পাথর গলায় তরল হই।


ভয়? সে কী জিনিস? আমি তা জানি না!
সত্য আর আল্লাহ ছাড়া—আমি কাউরে মানি না!
আমি বিদ্রোহী, আমি তুফান!
আমি রক্তে লিখি নিজের ইতিহাস, গড়ি জীবন-প্রমাণ!


শ্রদ্ধা করি গুরুজনেরে,
তবু শয়তানে দিই ধিক্কার—
আমি শৃঙ্খল ভাঙা আগুন-পুরুষ,
আমি চরণপথে বজ্রের ঝঙ্কার!


বলো না আমায়—“থেমে যা তরুণ!”
আমার কর্মই আমার তপস্যা,
যতই বলো, যতই বাধা—
আমি আল্লাহর নামে চলি, দুর্বিনীত আশা।


সংসার রচি শক্ত হাতে,
যুবকের শ্রমেই গড়ে স্বর্গ,
যে জীবনে বসে শুধু ভাবনা করে,
সে ব্যর্থ, সে গরল-পার।


জয় নয় মুখ্য—আমি যোদ্ধা!
হারলেও হাসি, কারণ আমি চালিয়েছি তরবার!
আমি আলোর পুত্র—পৃথিবীর পথে,
তরুণ! চল, জাগো! গাও মুক্তির জয়গাথা!



I am the youth! I am the raging storm—
A fever of rebellion burns, a fire within is born!
I walk alone, I never fear,
I bow to none, no wise man near!

“Don’t do this”—they say, with care and concern,
But I heed no voice—my own light I discern!
Born to awaken the soul’s deep flame,
To sing of freedom, even in death’s name!

At my father’s feet, I rest my head,
But not as a slave—by dignity I’m led.
My heart’s my haven, bold and free,
I walk a path no chains can see!

Across deserts I tread, not in comfort or pride,
I go abroad, I brave the tide.
I am youth—I melt stone with heat,
Unstoppable spirit, lightning fleet!

Fear? What is that? I’ve never known!
I bow to none but Truth and the One alone!
I am rebellion, I am storm-born flame!
I write my story in blood, and carve my name!

I honor my elders with reverent care,
But scorn the devil’s wicked stare.
I’m fire unchained, a thunderous might,
I strike with justice, blazing bright!

Tell me not—“Slow down, young man!”
My work is prayer, my striving a plan.
Say what you will, place hurdles in the way—
I march in Allah’s name, with hope none can sway.

I build the world with my own hand,
In youth’s labor, heavens stand.
But those who sit and dream alone,
Are poisoned souls, to greatness unknown.

Victory isn’t all—I am a fighter!
I smile in defeat, my sword still brighter.
I am the son of light, forging my fate—
O youth, arise! March on! Let freedom resonate!


---</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265706/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 15:49:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তরুণ! আমি দুরন্ত ঝড়!<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমি তরুণ! আমি দুরন্ত ঝড়—<br />
শিখা জ্বালায় বুকের মাঝে জাগে বিদ্রোহী জ্বর!<br />
পথ চলি একা, ভয় পাই না কভু,<br />
দুনিয়ার জ্ঞানী জনে রাখি না শির নত কবু!</p>
<p>কে বলে করিস না, কে দেয় পরামর্শ?<br />
আমি শুনি না কাহারো মুখ— আমার আছে আলোর স্পর্শ!<br />
জন্মেছি আমি জাগাতে প্রাণ,<br />
জ্বালাতে মরণে মুক্তির গান!</p>
<p>পিতার প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265706"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265706/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cbf4de609b5185813871979f5ce906cc</guid>
				<title>একটি হৃদয়
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ



আমার একটি গোলাপ চাই,
অনেকগুলির দরকার নাই।
আমার তো আর বাগান নেই,
রেখে দেওয়ার জায়গা নেই,
ফুলের কোনো টবও নেই।
আছে শুধু একটি হৃদয়—
একটি হৃদয় একটি ফুলেই শোভা পায়।


আমার একটি ফুল ছিল,
মেঘনা নদীর কূল ছিল।
কোথায় যেন হারিয়ে গেছে,
পাখির ডানায় ভেসে গেছে।
তোমরা কি কেউ এনে দিতে পারো?
আমার একটি ফুল চাই—
ফুলের মাঝে গোলাপ ফুল।


একটি গোলাপ চাই-ই-চাই,
অনেকগুলির দরকার নাই।
আমার তো আর বাগান নেই,
রেখে দেওয়ার জায়গা নেই,
ফুলের কোনো টবও নেই।
আছে শুধু একটি হৃদয়—
একটি হৃদয় একটি ফুলেই শোভা পায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265690/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 15:15:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি হৃদয়<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>আমার একটি গোলাপ চাই,<br />
অনেকগুলির দরকার নাই।<br />
আমার তো আর বাগান নেই,<br />
রেখে দেওয়ার জায়গা নেই,<br />
ফুলের কোনো টবও নেই।<br />
আছে শুধু একটি হৃদয়—<br />
একটি হৃদয় একটি ফুলেই শোভা পায়।</p>
<p>আমার একটি ফুল ছিল,<br />
মেঘনা নদীর কূল ছিল।<br />
কোথায় যেন হারিয়ে গেছে,<br />
পাখির ডানায় ভেসে গেছে।<br />
তোমরা কি কেউ এনে দিতে পারো?<br />
আমার একটি ফুল চা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265690"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265690/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80d7cc30f49aee955f1122d348a5ac7e</guid>
				<title>অস্তিত্বের প্রতিধ্বনি
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


নৈঃশব্দ্যের গহিনে আজ
অব্যক্তিরা কাঁদে,
বিষণ্নতার ধূসর প্রহরে
স্বপ্নেরা নির্বাক সাধে।


তবু অবক্ষয়ের অন্ধকারে
আশার প্রদীপ জ্বলে—
নিরাশার সমস্ত প্রহেলিকা
একদিন আলোয় গলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265168/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 08:44:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অস্তিত্বের প্রতিধ্বনি<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>নৈঃশব্দ্যের গহিনে আজ<br />
অব্যক্তিরা কাঁদে,<br />
বিষণ্নতার ধূসর প্রহরে<br />
স্বপ্নেরা নির্বাক সাধে।</p>
<p>তবু অবক্ষয়ের অন্ধকারে<br />
আশার প্রদীপ জ্বলে—<br />
নিরাশার সমস্ত প্রহেলিকা<br />
একদিন আলোয় গলে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f6f093e512fb673ec75fa11b857bcbdb</guid>
				<title>আলোর পথে শিশুর পা
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


সাদা-কালো পোশাক পরে, স্কুলে যাই ভোরে,
খেলাধুলা টিফিন-বেলায়, দৌড়াই মাঠ চৌধুরে।

জ্ঞানের আলোর ছড়াছড়ি এ মাঠ-ঘর-বারান্দায়,
এই যে ছোট বাচ্চারা দেশ গড়বে ভাই।

রুপালি রোদ গায়ে মেখে, মেঠো পথে হেঁটে,
বইয়ের পাতায় স্বপ্ন এঁকে, সুরের মালা সেঁটে।

পাখির ডাকে শিখি সাহস, আকাশ নিয়ে খেলা,
শিক্ষক দেন দিশা বক্ষে, আনন্দেরই বেলা।

শাহ আলম গলা তুলে বলে, “চলো সবাই বাহে,
আমরা হবো আলোর কুঁড়ি, অন্ধকারের প্রাহে।”

পড়ে গেলে আবার ওঠা, ধুলোটুকু মুছে,
বুকের ভেতর নীল স্বপ্নটা আকাশজুড়ে চাপে।

বাতাস গানে আশার বোনা, নীলা-সাদা রঙে,
ভালোবেসে আমরা রাঙাই দেশ, ছোট্ট পায়ে ঢঙে।

আলোর পথে শিশুর পা, কাঁপে না আর,
সোনালি ভোর গড়ে তোলে, নতুন দিনের দ্বার।

---

Wearing black and white, we walk to school at dawn,
In the tiffin break, we laugh and run, across the open lawn.

The light of knowledge spreads around — halls, rooms, and ground,
These little children, dear brother, will build our nation sound.

Bathed in silvery morning light, we walk the rural way,
Drawing dreams on pages bright, stringing songs all day.

Birdsong teaches us to soar, to play with sky so free,
Teachers guide with hearts so pure, in joy and harmony.

Shah Alam lifts his voice and says, “Come all, unite today,
We’ll bloom as buds of shining light, where darkness fades away.”

Even when we fall, we rise, and wipe the dust with grace,
Inside our hearts, blue dreams expand — sky-wide in embrace.

Hope is woven in the breeze, in hues of blue and white,
We color the land with love and pride, in every tiny rite.

On paths of light, the children&#039;s feet no longer fear to start,
Golden dawns are rising now — new days with shining heart.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265166/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 08:42:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আলোর পথে শিশুর পা<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>সাদা-কালো পোশাক পরে, স্কুলে যাই ভোরে,<br />
খেলাধুলা টিফিন-বেলায়, দৌড়াই মাঠ চৌধুরে।</p>
<p>জ্ঞানের আলোর ছড়াছড়ি এ মাঠ-ঘর-বারান্দায়,<br />
এই যে ছোট বাচ্চারা দেশ গড়বে ভাই।</p>
<p>রুপালি রোদ গায়ে মেখে, মেঠো পথে হেঁটে,<br />
বইয়ের পাতায় স্বপ্ন এঁকে, সুরের মালা সেঁটে।</p>
<p>পাখির ডাকে শিখি সাহস, আকাশ নিয়ে খেলা,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265166"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265166/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">867f78ee3f8a7492bd3c1ed35f61a0f5</guid>
				<title>মুখোশের আড়ালে
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


কবি, মিথ্যার কাছে যেও না,
মিথ্যার শপথ নিও না,
মিথ্যার পথে থেকো না,
মিথ্যার প্রশ্রয় দিও না।


মিথ্যার কাছে গেলে
অশান্তি মেলে;
মিথ্যা কাউকে চিরদিন
সুখে থাকতে দেয় না।


মিথ্যার প্রসাধনী মেখে
সুন্দর হওয়া যায় না;
বৃষ্টির জলে ভিজলে পরে
মুখোশ থাকে না।


মিথ্যা আনে অন্ধকার,
কেড়ে নেয় আলো;
মিথ্যা ঠকায় যুগে যুগে
মানুষকে করে কালো।


সত্যের আলো জ্বেলে দাও
বুকের অন্ধকারে;
প্রদীপ হাতে ছুটে চলো
মিথ্যা ছেড়ে বহুদূরে।


সত্যের পথে জীবন গড়ো,
জ্ঞানের আলো বুকে;
আলোর পথে এগিয়ে চলো,
সফলতার সুখে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265164/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 08:40:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মুখোশের আড়ালে<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>কবি, মিথ্যার কাছে যেও না,<br />
মিথ্যার শপথ নিও না,<br />
মিথ্যার পথে থেকো না,<br />
মিথ্যার প্রশ্রয় দিও না।</p>
<p>মিথ্যার কাছে গেলে<br />
অশান্তি মেলে;<br />
মিথ্যা কাউকে চিরদিন<br />
সুখে থাকতে দেয় না।</p>
<p>মিথ্যার প্রসাধনী মেখে<br />
সুন্দর হওয়া যায় না;<br />
বৃষ্টির জলে ভিজলে পরে<br />
মুখোশ থাকে না।</p>
<p>মিথ্যা আনে অন্ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265164"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265164/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">881d716817e2dc7c4eca9a745e4ac8fc</guid>
				<title>জাগরণের ডাক 
— শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 


কেউ বলে—
সময় গেছে, সব শেষ,
মানুষ আর বদলায় না—
আমি বলি,
একটি জাগ্রত হৃদয়ই পারে
একটি যুগকে নাড়িয়ে দিতে।

তুমি কি দেখনি—
অন্ধকার যত ঘন হয়,
আলো তত কাছে আসে?

তুমি কি বুঝনি—
একটি সত্য উচ্চারণই
হাজার মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়?

এই যে নীরবতা,
এটা শান্তি নয়—
এটা ভয়,
এটা হার মেনে নেওয়ার নাম।

আর আমি চাই—
তুমি ভয় ভাঙো,
নিজেকে চিনো,
তোমার ভিতরের আগুনকে
নতুন করে জ্বালাও।

কারণ—
মানুষ তখনই বাঁচে,
যখন সে অন্যায়ের সামনে
চুপ করে থাকে না।

এসো,
নিজের ভেতর থেকে শুরু হোক বিপ্লব—
কণ্ঠে কণ্ঠ মেলাক সত্যের সুর,
আর পৃথিবী দেখুক—
একজন মানুষও
ইতিহাস লিখতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245836/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 15:59:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জাগরণের ডাক<br />
— শাহ্ আলম আল মুজাহিদ </p>
<p>কেউ বলে—<br />
সময় গেছে, সব শেষ,<br />
মানুষ আর বদলায় না—<br />
আমি বলি,<br />
একটি জাগ্রত হৃদয়ই পারে<br />
একটি যুগকে নাড়িয়ে দিতে।</p>
<p>তুমি কি দেখনি—<br />
অন্ধকার যত ঘন হয়,<br />
আলো তত কাছে আসে?</p>
<p>তুমি কি বুঝনি—<br />
একটি সত্য উচ্চারণই<br />
হাজার মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়?</p>
<p>এই যে নীরবতা,<br />
এটা শান্তি নয়—<br />
এটা ভয়,<br />
এটা হার মেনে নেওয়ার নাম।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245836"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245836/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">654aeba8c62c3bed6bf59fa544da026e</guid>
				<title>শাহ্ আলম আল মুজাহিদ and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241400/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 06:31:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96cbb98c1c689ef34199a07f4e74b697</guid>
				<title>শাহ্ আলম আল মুজাহিদ changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241116/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 03:15:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">38209840115ae35d08384cc42bfe799d</guid>
				<title>শাহ্ আলম আল মুজাহিদ changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241095/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 01:34:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">894bca8a3bb0088a37c73cd0ea845655</guid>
				<title>তাহাদের প্রতি
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


তাহাদের প্রতি বেদনার অশ্রু কাঁপে থরথর,
কালবৈশাখীর হাহাকার,
চিরকাল অভিসার—
যাহাদের চিত্তে অমাবস্যার আঁধার বেঁধেছে ঘর।


জীবনের লক্ষ্যে বয়ে
যাহারা পড়েছে ক্ষয়ে,
যাহারা অশ্রুর সায়রে মিশে অনিচ্ছায় চলেছে এখন।


পদ্মের পিছু ছুটে
যাহারা পড়িল লুটে,
স্মৃতির আবেগে অন্তরে যাহাদের রিক্তের বেদন।


হৃদয়ে আহাজারি,
অশ্রুতে ঝরে আঁখি,
যাহাদের বসতভূমিতে ধ্বংসের লীলা।


পূর্বের স্মৃতি ভুলে,
কাদামাখা দেহবলে,
যাহারা করিছে জয় দুঃখের সায়র।


শত আশা হলো মিছে,
স্মৃতিগুলো ঘুরে পিছে,
বড় সাধে বেচে নিলো বেদনার গান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240846/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 05:18:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তাহাদের প্রতি<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>তাহাদের প্রতি বেদনার অশ্রু কাঁপে থরথর,<br />
কালবৈশাখীর হাহাকার,<br />
চিরকাল অভিসার—<br />
যাহাদের চিত্তে অমাবস্যার আঁধার বেঁধেছে ঘর।</p>
<p>জীবনের লক্ষ্যে বয়ে<br />
যাহারা পড়েছে ক্ষয়ে,<br />
যাহারা অশ্রুর সায়রে মিশে অনিচ্ছায় চলেছে এখন।</p>
<p>পদ্মের পিছু ছুটে<br />
যাহারা পড়িল লুটে,<br />
স্মৃতির আবেগে অন্তরে যাহাদের রিক্তের ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240846"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240846/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9624d654a9501a903f6478b636b66693</guid>
				<title>জীবন ও বৃক্ষ
- শাহ্ আলম আল মুজাহিদ


সংসারে বেড়ে ওঠো বৃক্ষের মতো,
প্রেমের স্পন্দনে ফুটাও পুষ্প যত।


যা কিছু প্রাপ্তি, তাই হোক দান,
ছড়াও মানব মাঝে পুষ্পের ঘ্রাণ।


সাধনায় লেগে থাকো দিনভর,
ফলে ফলে হয়ে ওঠো ভরপুর।


অপরের মাঝে বিলিয়ে দাও সব,
পাখির মতো তোলো সুমধুর রব।


সংসার অপার সৌন্দর্যে সাজাও,
সবুজ অরণ্যের রঙে তাকে মজাও।


পুষ্পরূপ হোক মনুষ্যত্ব তোমার,
ফলরূপে ফুটুক গুণের সমাহার।


স্বার্থকতার গান গেয়ে তোমার,
উজ্জ্বল হোক প্রাণান্ত জীবনধার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240702/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 10:20:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন ও বৃক্ষ<br />
&#8211; শাহ্ আলম আল মুজাহিদ</p>
<p>সংসারে বেড়ে ওঠো বৃক্ষের মতো,<br />
প্রেমের স্পন্দনে ফুটাও পুষ্প যত।</p>
<p>যা কিছু প্রাপ্তি, তাই হোক দান,<br />
ছড়াও মানব মাঝে পুষ্পের ঘ্রাণ।</p>
<p>সাধনায় লেগে থাকো দিনভর,<br />
ফলে ফলে হয়ে ওঠো ভরপুর।</p>
<p>অপরের মাঝে বিলিয়ে দাও সব,<br />
পাখির মতো তোলো সুমধুর রব।</p>
<p>সংসার অপার সৌন্দর্যে সাজাও,<br />
সবুজ অরণ্যের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240702"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240702/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>