<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/wuqbabinrafigmail-com/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/wuqbabinrafigmail-com/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 06 Jun 2026 17:38:46 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">8ea0949cc0693f679371b167d7a500f3</guid>
				<title>দুই স্রোতের টান &#124;(2)


আমি রূপকথাকে পাষাণ বলি না—রূপকথা নিজেই নিজেকে পাষাণ করে রাখে ,সে এক অদ্ভুত নারী। রূপকথার চোখ আছে, তবু দেখে না আমার অন্তরের আরাধনা।

কণ্ঠ আছে, তবু গায় না আমায় ঘিরে ভালোবাসার গীতবিতান।

আমি তাকে ফুল দিই—সে ফুল ফিরিয়ে দেয় না, কিন্তু শুধু দেখিয়ে দেয় সেসব ফুল কেবলই মরবে। রূপকথা আমায় দেখায় এক অদ্ভুত দর্শন—ভালোবাসা মানে তপস্যা, আর তপস্যা মানে পাথর হয়ে বসে থাকা।

সে আমায় শেখায়—যেখানে যন্ত্রণা নেই, প্রেম সেখানে পতঙ্গমাত্র।

আমি যন্ত্রণা নিই, তবু পাষাণ হই না। কারণ জানি, পাষাণেরও গলনাঙ্ক আছে তবে সেটা আমার ভালোবাসার তাপে নয়, কারণ জানি, পাষাণেরও গলনাঙ্ক আছে—তবে সেটা আমার ভালোবাসার তাপে নয়, বাসন্তী নরম পায়রা হয়ে তুমি আমার সম্মুখে উড়ে বেড়াও;তাই একাকিত্ব এলেও আমি সম্পূর্ণ অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠি না।

অথচ বাসন্তী। ওর মন নরম। শিউলি ফুলের পাপড়ির মতো নরম। ও ক্ষমা করতে পারে।

আমায় বোঝে আমার শুভচিন্তক কিন্তু তারপরও কেন আমি ওকে বুঝতে পারি না? কেন ও আমার চেনা থাকা সত্ত্বেও অচেনা থেকে যায়?

আমি কেন যা চাই, তা পাই না? কেন যে নিজের জীবনকে রূপকথার পাতায় লিখতে চেয়েছিলাম, আজ আর তার উত্তর পাই না।

কারণ আমি সেই বিচ্ছিরি যুগে বাঁচি—যেখানে পাষাণ ভালোবাসাকে মহিমা দেয় আর নরম ভালোবাসাকে তুচ্ছ করে।

উত্তর নেই। শুধু এই স্বীকারোক্তি—আমি অসুস্থ।এই দ্বন্দ্বের নাম পুঁজিবাদ। পাষাণের রূপকথা এক বুর্জোয়া প্রেমের আদর্শ, যে আদর্শ মানুষকে পাথর বানায়।

আর বাসন্তী এক প্রলেতারিয় মেয়ে, সে গুরুত্ব দেয়, যত্নে রাখে, অবহেলা করে না তবু মানুষ হয়ে থাকে। কিন্তু আমি তার প্রতি শ্রদ্ধার যে ঋণ ছিল, তা আমি শোধ করতে পারিনি।

আর আমি মাঝরাতে জেগে থাকা শহরের শেষ বাতি।নিভে যাওয়ার আগে যে এখনও অন্ধকারের সঙ্গে কথা বলে।

এই শহরে প্রেমও শ্রেণিবিভক্ত; কেউ পাষাণ হওয়ার অধিকার পায়, কেউ পায় দ্বন্দ্বের ভেতরেই ভালোবাসার জন্ম।” যাওয়ার নিয়তি।&quot;

হুমায়ুন ফরিদী বলেছিলেন— “তুমি যখন কাউকে ভালোবাসবে, এক বুক সমুদ্র নিয়ে তাকে ভালোবাসবে।

তা নাহলে প্রেমের কোন অর্থ নাই।
সেই সমুদ্রটাকে পাথরের কঠিন ঢেউ দিয়ে বাঁধতে নেই। তাকে খোলা রেখে দিতে হয়, বৃষ্টি নামুক আর নৌকা ভাসুক।

আমি সেই খোলা সাগরের স্রোত হতেও পারি না, আবার বাঁধ হয়ে বসেও থাকতে পারি না।

শুধু দাঁড়িয়ে আছি—বাসন্তী ও রূপকথার দুই তীরের মাঝে।

এই দাঁড়িয়ে থাকাটাই আমার প্রেম, আমার পরিণত বোধ।আমি মরলে তোরা আমায় ভুলবি না রে
আমার ভালোবাসা ছিল পাগলের মতো
আর সেটাই ছিল আমার একমাত্র পরিচয়।

হ্যাঁ,
আমার পরিচয় এই—
আমি চেনা বাসন্তীকে চিনতে চাইনি।
আমি অচেনা রূপকথাকে বারবার ডেকেছি। এখন কে আমার কথা ভাবে?
বাসন্তী ভাবে
রূপকথা পাষাণ— ভাবেও না।
আর আমি বসে আছি—
দুটো হাতে ওদের দুজনের নাম লিখে
মুছে ফেলছি নিজের নাম।

এই আমার শেষ স্বীকারোক্তি।

চেনা অচেনার মাঝে কেবল এই দোলাচলটুকুই বাকি।
কেন? প্রশ্নটা আমার নিজের কাছেও ফিরে আসে বারবার।

আমি ওকে চিনি বলেই কি ও অচেনা? নাকি চিনতে চাই না বলেই ও দূরে সরে যায়? আমি বাসন্তীকে দেখি চোখের সামনে হাঁটতে।

আর পৃথিবী বদলে যায় সত্যি কিন্তু আমি সেই বদলটাকে চিনতে চাই না।

কারণ রূপকথা আমায় শিখিয়েছে—যন্ত্রণা ছাড়া প্রেম অর্থহীন। আর বাসন্তী আমার যন্ত্রণা দেয় না, দেয় শুধু আরাম, দেয় হেসে ওঠার মতো চাঁদ।

একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে, এই পথিকের কী কষ্ট, পথ আছে কিন্তু পা নেই।

আমার পা আছে বাসন্তী পথ দেখিয়ে দিয়েছে—সহজ সরল ভালোবাসার পথ।

কিন্তু আমি সেই পথে হাঁটতে চাই না আমি হাঁটতে চাই রূপকথার কাঁটার ওপর।

যেখানে পা ফুটে রক্ত ঝরে, সেই রক্তকে বলে দিই—এই তো প্রেমের আসল রং।

—বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে। 
 কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252792/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 13:18:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুই স্রোতের টান |(2)</p>
<p>আমি রূপকথাকে পাষাণ বলি না—রূপকথা নিজেই নিজেকে পাষাণ করে রাখে ,সে এক অদ্ভুত নারী। রূপকথার চোখ আছে, তবু দেখে না আমার অন্তরের আরাধনা।</p>
<p>কণ্ঠ আছে, তবু গায় না আমায় ঘিরে ভালোবাসার গীতবিতান।</p>
<p>আমি তাকে ফুল দিই—সে ফুল ফিরিয়ে দেয় না, কিন্তু শুধু দেখিয়ে দেয় সেসব ফুল কেবলই মরবে। রূপকথা আমায় দেখায় এক অদ্ভুত দর্শন—ভালোবাসা মানে তপস্যা, আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252792"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252792/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">06dbd99a42d403b1f9e237022b684437</guid>
				<title>হে বাসন্তী,
তুমি  তোমার রাগের অগ্নিকুণ্ডে লুকানো জুঁই,
হে রূপকথা,
তুমি মায়ার পুতুল  &#124;


 বাসন্তী যখন রেগে যায়, তখন  তার কথা শুনতে সুন্দর লাগে,  তার কণ্ঠে তখন বাজে মর্মর বেদনার সুর, যেন কোন এক বিরহী বাঁশি কাঁদছে মধ্যাহ্নের রোদে। অথচ এই সুর শুনতে আমার যে কী সুন্দর লাগে—সেই সৌন্দর্যই আমার বুকের ভিতর এক অশ্রু-সরোবর তৈরি করে। 


বাসন্তীর রাগের রঙ  আগুনের না   ফাল্গুনের পলাশের  মত রং ধারণ করে  কিন্তু আমার বাসন্তীর রাগে বা তার কঠিন কথায় কিছুই মনে হয় না কারণ আমি নষ্ট মানুষ—বেদনাকে ভালোবাসতে শিখেছি।

আমি দাঁড়িয়ে থাকি দুই নারীর মাঝে রূপকথা আমার প্রিয়তম ব্যাথা বাসন্তী  আমার আশ্রয়।                                                                                                                                               


তাই আমি লিখি—রূপকথাকে লিখি। হ্যাঁ, আমার  রূপকথাকে তাকে কখনো অস্বীকার করতে পারবো না তার প্রতি আমার  বিশুদ্ধ অনুভূতিকে &#124;  



যত বয়স বাড়বে আমার তত রূপকথা আমার অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে থাকবে বিলীন  হওয়ার কোন গন্ধ থাকবে না &#124; সে নেই কোথাও, আবার সবার মাঝে &#124;            


                                                                                                                                

প্রিয় রূপকথা, 
তুমি কি জানো, রূপকথা, বাসন্তী যখন তার চোখের পল্লব নামিয়ে দেয়, আমায় দেখতে চাই না তার কিছু অভিমান বাচক কথা বলে তখন পৃথিবীতে যেন এক অন্ধকার সুনীল জোছনা নেমে আসে। 


আমি সেই জোছনায় হাঁটি, কিন্তু পায়ের তলায় মাটি নেই।      রূপকথা তুমি আমার ভালোবাসার প্রথম ঠিকানা কিন্তু কেন জানো,তুমি বাসন্তীর থেকেও বেশি সত্যি। 



কারণ বাসন্তীকে আমি ভয় পাই— এ ভয়টা গোপন ভয়  হ্যাঁ, সেই সামাজিক ভয়! যে ভয় বলে, “বাসন্তীকে রাগাতে নেই, বাসন্তীর কাছে নিজের দুর্বলতা দেখাতে নেই, বরং এক নীরব নারীকে ভালোবাসো, যার নাম রূপকথা, যার অস্তিত্ব নেই কোনো সমাজের রায়েতে।”

রূপকথা চিরকালীন, নিখুঁত, কল্পনার উজ্জ্বল পাখি। 
তাকে ভাবলেই মন ভরে যায়, কিন্তু তাকে ছোঁয়া যায় না।  বাসন্তী তার হাসির মধ্যে আছে শীতের শেষের উষ্ণতা, কিন্তু তার চোখে সমাজের ভয় জমে আছে। 


সে আমার চেয়ে কয়েকটি বসন্ত বড়, তাই সে জানে—এই পুরনো সমাজের দৃষ্টিতে বয়সের ব্যবধান যেন এক ঢোক বিষ। আমি দুজনকে নিয়েই ভাবতে বসি। 


একাধারে পেতে চাই রূপকথার অনন্ত আশ্বাস, আর পেতে চাই বসন্তরীর স্পর্শ। 


কিন্তু ভাবতে ভাবতে দেখি, আমি যেন গোলকধাঁধায় পড়ে গেছি। প্রতিটি পথেই দেওয়াল, প্রতিটি দেওয়ালে লেখা: &quot;রূপকথাকে চিরকালিন পাবে না।&quot;

তা হলে বাসন্তীকে কী করে পাই? সে নিজেই বলে দেয়— &quot;এত সহজ না, রূপক। আর তখনই সে এক অদ্ভুত উপমা দেয়: &quot;এই বিষ পান করলে মৃত্যু আবশ্যক।&quot;

কি কারনে বলছে তা আমি হয়তো বুঝি &quot; কারণ সমাজের  কিছু অন্ধ অনুকরণ আছে,  যা সবাই মানে। যে সকল নিয়ম মানুষের চিত্তকে বন্দী করে, প্রথার বেড়াজাল ভেঙে বেরিয়ে আসো, সত্য আপন পথ দেখাবে। ছোটবেলা থেকে  আমরা দেখে যাচ্ছি যা সমাজে অহরহ ঘটে বয়সে বড় নারী যখন ছোট পুরুষকে ভালোবাসে, তখন সমাজ তাকে কী হাস্যকর, কী পাপিষ্ঠ করে তোলে। সেই লজ্জা, সেই ভীতি আজও তার কণ্ঠে কাঁপুনি আনে।

হ্যাঁ, বাসন্তী ঠিক বলে এই বিষ পান করলে মৃত্যু আবশ্যক।

হ্যাঁ, যেন এক পেয়ালা বিষ। কে দিয়েছে এই বিষ? সময়? সমাজ? নাকি নিজেদের মনেই তৈরি ভয়? তা যাই হোক, একবার এই বিষ পান করলে, মৃত্যু নিশ্চিত। কিন্তু মৃত্যু কী? এখানে মৃত্যু হয়তো ভালোবাসার, অথবা বেঁচে থাকলেও তারা মরে যায় সমাজের চোখে। 

আমি এখন সেই গোলকধাঁধার মাঝে দাঁড়িয়ে। এক দিকে রূপকথা, উড়ে চলে যায় হাতছানি দিয়ে। অন্যদিকে বাসন্তী, হাজির হয় আমার সামনে এক অদ্ভুত হাসি নিয়ে আর বলে: &quot;পিয়ো না, রূপক বিষের সুরা। আমিও যেন অধৈর্য হয়ে কোন কিছু না মেনে কোন কিছু না ভেবে বাসন্তী বাসন্তীর প্রেমে পড়ে যায়  &#124;

তবু মনে হয়, সমস্ত বিষ যদি একসাথে পান করি, তবে হয়তো মৃত্যুর বদলে জেগে ওঠে কোনো মহামন্ত্র। যে মন্ত্র ভেঙে দেয় &#039;আবশ্যক&#039;-এর শৃঙ্খল। কিন্তু সে সাহস কি আমার আছে? নাকি রূপকথা হলো, আর বাসন্তী থাকলো শুধু স্বপ্নের মতো? তার উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই গোলকধাঁধা বাড়ছে। 


আমি নতুন করে বাঁচতে চাইলে রূপকথার দেওয়া কষ্ট  ভুলতে গেলে আমি চাই পুরো  সাগর পান করি (সব বাধা উপেক্ষা করি), কিন্তু ভয় হয়, এই ঢেউগুলো (সমাজের লোকে) সেই বিষই বমি করে দেবে আমার মুখে।                                                                                                           


—দুই স্রোতের টান &#124;
 বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
 “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252424/</link>
				<pubDate>Fri, 29 May 2026 17:24:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হে বাসন্তী,<br />
তুমি  তোমার রাগের অগ্নিকুণ্ডে লুকানো জুঁই,<br />
হে রূপকথা,<br />
তুমি মায়ার পুতুল  |</p>
<p> বাসন্তী যখন রেগে যায়, তখন  তার কথা শুনতে সুন্দর লাগে,  তার কণ্ঠে তখন বাজে মর্মর বেদনার সুর, যেন কোন এক বিরহী বাঁশি কাঁদছে মধ্যাহ্নের রোদে। অথচ এই সুর শুনতে আমার যে কী সুন্দর লাগে—সেই সৌন্দর্যই আমার বুকের ভিতর এক অশ্রু-সরোবর তৈরি করে। </p>
<p>বাসন্তীর রাগের র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252424"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252424/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f2b250721c2fb40b8b276e3b5156e07a</guid>
				<title>&#039;&#039;হয়তো দেখেছো চারপাঁচ ফোঁটা জলে
চার সেকেন্ডে চড়ুই পাখির স্নান
আমিও এখন সেই পাখিটার দলে
শুনিয়ে দিলাম চার লাইনের গান।”
—কবীর সুমন
আমি ভাবি—চড়ুইটির কী অসামান্য সাবলীলতা! চার ফোঁটা জলে চার সেকেন্ডেই শেষ হয়ে যায় তার স্নান।
 কোনো আয়োজন নেই, কোনো দীর্ঘ প্রস্তুতি নেই সে ডানা ঝটঝটিয়ে যেভাবে জল ঝাড়ে, ঠিক সেভাবেই মুছে ফেলে দিনের ধুলো, ক্লান্তি, বিষণ্নতা। 
আমি সেই চড়ুইটির দলে ভিড়তে চেয়েছিলাম বলেই হয়তো কবীর সুমনের এই চারটি লাইন বারবার মনে পড়ে।
তারপর নিজের দিকে তাকাই। দেখি, আমার স্নানটা আট থেকে দশ মিনিট লেগে যায়, অথচ তার মধ্যেও মাথায় উদ্বেগের সাবানের ফেনা লেগে থাকে। 
চড়ুইটি তো চার সেকেন্ডেই ঝাঁকুনি দিয়ে উড়ে যায়—যেমন কবিতা হঠাৎ এক লাইন থেকে আরেক লাইনে লাফিয়ে ওঠে, কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই।
চার লাইনের ওই গান আসলে চার লাইনে থেমে থাকে না; ওটা এক ভাঙা যোগাযোগের ইতিহাস। আমার চাওয়া সেই নারী—যার সঙ্গে বহুদিন কোনো কথা হয় না—সে হয়তো কোনোদিন ভালোবাসেইনি আমাকে।
 অথবা ভালোবেসেও স্বীকার করার সাহস তার ছিল না। সে বাস্তবের চেয়ে বেশি স্বপ্ন, নিত্যকালের চেয়ে বেশি ক্ষণিকের। যোগাযোগের সব পথ একদিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ প্রথমে বাকরুদ্ধ হয়, তারপর ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। তবু আশ্চর্য, মানুষ ভুলে যায় না।
যে মানুষটির সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ নেই, সে-ই কখনো কখনো ভিতরের সবচেয়ে দীর্ঘ সংলাপ হয়ে বেঁচে থাকে, মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে মনে হয়, পৃথিবীর সমস্ত চড়ুই পাখি বুঝি অল্প কয়েক ফোঁটা জলে তাদের অসমাপ্ত প্রেম ধুয়ে নিচ্ছে। 
আর আমি—আট-দশ মিনিটের দীর্ঘ স্নান নিয়েও—আজও এক ফোঁটা অসমাপ্ত প্রেম ধুয়ে ফেলতে পারিনি।
তোমার মস্তিষ্কের নিউরনের বাঁশিবাদক হিসেবে আমি কোনো উপাধি পাইনি—এ কি আমারই অক্ষমতা? সেই কারণেই কি আমি তোমার কাছে অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে উঠতে পারিনি? 
হয়তো অন্য কেউ তোমার মনের ভিতরে সুর তোলে পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া -র মতো—প্রাচ্যের  শাস্ত্রীয় সংগীতের এক কিংবদন্তি 
বাঁশিবাদক &#124; 


আর তাই আমি থেকে যাই এক বেকার প্রেমিক; তোমার প্রাণভূমিতে আমার জন্য কোনো আমার জন্য কোনো স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করে না&#124;
















                                                                                              —ভাঙা যোগাযোগের ব্যাকরণ&#124;
   “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।                                                                                       
বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251533/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 02:41:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221;হয়তো দেখেছো চারপাঁচ ফোঁটা জলে<br />
চার সেকেন্ডে চড়ুই পাখির স্নান<br />
আমিও এখন সেই পাখিটার দলে<br />
শুনিয়ে দিলাম চার লাইনের গান।”<br />
—কবীর সুমন<br />
আমি ভাবি—চড়ুইটির কী অসামান্য সাবলীলতা! চার ফোঁটা জলে চার সেকেন্ডেই শেষ হয়ে যায় তার স্নান।<br />
 কোনো আয়োজন নেই, কোনো দীর্ঘ প্রস্তুতি নেই সে ডানা ঝটঝটিয়ে যেভাবে জল ঝাড়ে, ঠিক সেভাবেই মুছে ফেলে দিনের ধুল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251533"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251533/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">206c0ae5d80ca5c158f59a5638d92f1b</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and Hasina Sultana Rima Rima are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250898/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 13:03:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a5ad2ed0c45d0ca33c27a60a05b2436</guid>
				<title>আমরা সবাই ভাড়াটিয়া নিজের দেশে থেকেও,
এখানে Democracy উচ্ছন্নে গেছে।
মানুষের Fundamental Rights,
বেঁচে থাকার অধিকার ধীরে ধীরে তলানিতে চলে যাচ্ছে।
লাল-সবুজের পতাকার লাল বৃত্তটা
লকলকিয়ে বেড়ে উঠছে নিয়মিত—
কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পলাশ, জবা;
এই বিরহ লাল রঙে যেন আর কোনো স্বপ্ন না পোড়ে।
এই দেশমাতৃকায় মানুষ আবার মানুষের মতো বাঁচুক,
প্রকৃতির অভয়ারণ্য আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ
সব দূষণ থেকে মুক্ত হোক—
মানুষ, মাটি আর মানবতার নিঃশ্বাসে আবার শান্তি ফিরুক।


—আমরা সবাই ভাড়াটিয়া &#124;
কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250722/</link>
				<pubDate>Sat, 23 May 2026 16:24:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমরা সবাই ভাড়াটিয়া নিজের দেশে থেকেও,<br />
এখানে Democracy উচ্ছন্নে গেছে।<br />
মানুষের Fundamental Rights,<br />
বেঁচে থাকার অধিকার ধীরে ধীরে তলানিতে চলে যাচ্ছে।<br />
লাল-সবুজের পতাকার লাল বৃত্তটা<br />
লকলকিয়ে বেড়ে উঠছে নিয়মিত—<br />
কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পলাশ, জবা;<br />
এই বিরহ লাল রঙে যেন আর কোনো স্বপ্ন না পোড়ে।<br />
এই দেশমাতৃকায় মানুষ আবার মানুষের মতো ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250722"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250722/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56f5066f91390882df43ff06232d98d3</guid>
				<title>মহাকালের বুকে নক্ষত্রেরা জন্মায়, বেড়ে ওঠে, থেমে যায়।
তাদের জ্বলার বয়স কোটি কোটি বছর।আর মানুষের? তার আশিটি বসন্ত।

তবুও মানুষই প্রেমে পড়ে সবচেয়ে গভীরভাবে—
কারণ সে জানে, সময় খুব অল্প ,এই অল্প সময়ের মাঝেই কেউ কেউ একজন মানুষের ভেতর পুরো একটা মহাবিশ্ব খুঁজে পায়।


   নক্ষত্রেরা দেখে, লোকেরা আসে আর যায়। কোনো সম্রাট পিরামিড বানায়, কোনো কবি লাইন লিখে অমর হওয়ার আশায়—কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা কবিতাও নক্ষত্রের চেয়ে বেশি দিন টেকে না। তবু কবি জানত, এই ক্ষণিকের শ্বাস-প্রশ্বাসের মাঝেও আছে অসীম। 

একটা চোখের ইশারায় আছে গ্যালাক্সি পেরোনোর ম্যাজিক।    এই বিস্তীর্ণ মহাকালের তুলনায় আমাদের জীবন এক মুহূর্তের আলোকপাত মাত্র। 

প্রজাপতির ডানার কম্পন, শিশিরবিন্দুর পতন, নিশ্বাসের উষ্ণতা,
এতটুকুই আমাদের থাকা। 
আমরা ইতিহাসের পাতায় নিজেদের সংরক্ষিত করতে চাই, কিন্তু সেই পাতাও একদিন ধূলিসাৎ হবে। 


তবুও মানুষ বারবার প্রেম করে, সৃষ্টি করে, স্বপ্ন দেখে। কারণ নশ্বরতার মর্মে লুকিয়ে আছে এক অদ্ভুত সৌন্দর্য—যা অনন্তকালকে মূল্যহীন করে দেয় এক মুহূর্তের সত্যিকারের অস্তিত্বের কাছে।         

                                                                                                                                      সময় ফুরাবার আগে এই বোকা প্রেমিক তুমি ওয়াদা করে প্রেমের বাতিঘরে কিশোরী তুমি সংরক্ষিত আছো ইতিহাস হতে মহাকাল নক্ষত্রপুঞ্জ মহাবিশ্ব যেমন দীর্ঘ যেমন দূরত্ব “তোমার প্রতি আমার প্রেমও তেমনি দীর্ঘায়ু”


করা হয়েছে।আমার প্রেম—শুধু আমার এ প্রেম শুধু তোমারই জন্য আমার মন শুধু বলে তুমি পাশে থাকলে মহাবিশ্বের এত অন্ধকারও আর ভয় লাগে না।                                                                                                       




জীবন যেন নদীর তীর কোথায় গিয়ে থামে, তা কেউ জানে না। তেমনি জীবনেরও কোনো নির্দিষ্ট ছন্দ নেই; সব সময় তা সুরেলা হয় না। 


আত্মউপলব্ধি, আত্মসমালোচনা আর আত্মদ্বন্দ্বের ভেতর দিয়েই সেই হারানো ছন্দকে খুঁজে নিতে হয়।


আমার মনে হয়, আমরা হারালেও পুরোপুরি হারাতে পারি না; ভুলতে চাইলেও সত্যি বলতে কখনোই পুরোপুরি ভুলতে চাই না। এই হারানো, ছেড়ে যাওয়া, ভুলে যেতে চাওয়া এসবই যেন মানুষের জীবনের সমীকরণ।


সবকিছু ছেড়ে দিতে পারাটাও এক ধরনের মানসিক শক্তি নিজের সঙ্গে নিজের লড়াই, যা সবাই পারে না। 

আর এই আত্মদ্বন্দ্ব এটাই হয়তো জীবনের সবচেয়ে সত্য অংশ। 

হয়তো বদলে যাওয়াটাই উত্তর; আর আমরা শুধু মানিয়ে নিতে শিখি। 

সেই মানিয়ে নেওয়ার মধ্যেই একধরনের নীরব শান্তি জন্ম নেয়।



                                                         —নক্ষত্রের নীরব বিস্তারে মানুষের অল্প আয়ুর স্বপ্ন &#124;







শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন

কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247978/</link>
				<pubDate>Fri, 15 May 2026 16:44:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মহাকালের বুকে নক্ষত্রেরা জন্মায়, বেড়ে ওঠে, থেমে যায়।<br />
তাদের জ্বলার বয়স কোটি কোটি বছর।আর মানুষের? তার আশিটি বসন্ত।</p>
<p>তবুও মানুষই প্রেমে পড়ে সবচেয়ে গভীরভাবে—<br />
কারণ সে জানে, সময় খুব অল্প ,এই অল্প সময়ের মাঝেই কেউ কেউ একজন মানুষের ভেতর পুরো একটা মহাবিশ্ব খুঁজে পায়।</p>
<p>   নক্ষত্রেরা দেখে, লোকেরা আসে আর যায়। কোনো সম্রাট পিরামিড বানায়, কোনো কবি লাইন লিখে অমর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247978"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247978/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ac621cca48313aa45ea30dfd0ec81e2</guid>
				<title>নিজেরে আজকাল কেমন যেন অপরিচিত লাগছে ঠিক আমি নিজেরই চিনতে পারি না&#124; 

আয়না দেখতে গেলেও নিজেই চমকে যায় রূপের পিছনে আমি অন্য রূপ দেখি সেই একটা অপরিচিত ভাব সেজন্য আয়না দেখা বাদ দিব  &#124;

আতরের শিশি ভেঙ্গে গেলে সুগন্ধ থাকে না তেমনি দিন দিন মনে হয় আমি আর নিজের মধ্যে নাই &#124;

পৃথিবীর মোহ এবং আমার নিজের জীবন নিয়ে বিতর্ক চলে ,এই বিতর্ক কোন মীমাংসা করে না ,শুধু বিবাদ করতে চাই ,আর সমাধান দিতে চাই আমায় গিলে চিবিয়ে খেয়ে &#124; 

বিষণ্ণতা আত্মহরনে মাতোয়ারা হতে চাই কিন্তু আত্মহত্যা কাপুরুষরা করে আমি চাই সুপুরুষ হিসেবে  বাঁচতে চাই &#124;

আমি বাঁচতে চাই যত বীভৎস ও বিস্ময়করভাবে ততটুকুই বাঁচতে চাই যতটুকু মৃত্যু আমাকে এড়িয়ে চলুক।

 আমি চাই স্বাভাবিক মৃত্যু আর মৃত্যুর আগে যেন সমস্ত দুঃখ ,হতাশা ,মরিয়া ভাব বিলুপ্তি পাক যেন &#124; 

মানুষ বাঁচে একাকী মানুষের প্রতিনিয়ত লড়াই চলে বাঁচার জন্য মানুষ আসলে নিজের ভেতরেই নির্বাসিত থাকে।

ক্রমাগত ভাবে একটা বয়স আসলে তখন এই অবস্থার সঙ্গে পরিচিতি হয়&#124;

এই যে চারপাশের এত মানুষের ভিড়ে যারা আমায় চিনে আমায় ডাকে কুশল জিজ্ঞেস করত; অথচ আমি জানতাম, তারা যাকে ডাকছে সে আমি না &#124;

সে মানুষটা সমস্ত ব্যর্থতার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন তার চোখে ঘুম নেই,  শুধু এক ধরনের ধ্বংসস্তূপ পড়ে আছে।

কখনো মনে হয় আমার মধ্যে কোনো সন্ধি নেই। 
শরীরটা শুধু বহন করে নিয়ে বেড়াচ্ছে এক ক্লান্ত আত্মাকে, যে বহুদিন আগেই পৃথিবীর প্রতি আকর্ষণ হারিয়েছে।

ইদানিং নিজেকে ভালো করে খেয়াল করতে গিয়ে দেখতে পায় আমার ভিতরে আরেকজন মানুষ বাস করে সে আমি না আমার চেয়ে সাহসী আমি যখন ভেঙে পড়ি, সে ঠান্ডা চোখে তাকিয়ে থাকে। 

আমি কান্না লুকাতে চাই, সে কান্নাকেই ঘৃণা করে সে প্রায়ই আমাকে বলে:

    এখনো বেঁচে আছো? 
  তাহলে মৃত মানুষের মতো কেন হাঁটো? 
    বাঁচতে হলে বাঁচার মতো বাঁচো।

 তার কথা শুনে মাঝে মাঝে মনে হয়, মানুষ আসলে এক শরীরে দুই বিপরীত প্রাণী বহন করে আমি জানি না আমার ভিতরের মানুষটা আত্মা, বিভ্রম, নাকি বহুদিন জমে থাকা ক্রোধ। 

শুধু জানি, সে আমাকে প্রতিদিন একটু একটু করে পুরোনো মানুষটা থেকে আলাদা করে দিচ্ছে। 

আর যদি কোনোদিন সত্যিই শান্তি নামে, তবে সে নিশ্চয় খুব অপ্রত্যাশিত হয়ে ধরা দিবে তবুও-তো আসবে আসলে ভোরের আজানের সময় আসুক সেই শান্তি&#124; 

তখন শান্তির মাত্রা বেড়ে যাক,তখন হয়তো আমি প্রথমবারের মতো নিজের ভেতরে ফিরে যাব&#124;
 এবং বহুদিন পর নিজেকেই চিনতে পারব একজন মানুষ হিসেবে &#124;

— মানুষ শেষ পর্যন্ত নিজের কাছেই নির্বাসিত হয়।




বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
     “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247193/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 19:17:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিজেরে আজকাল কেমন যেন অপরিচিত লাগছে ঠিক আমি নিজেরই চিনতে পারি না| </p>
<p>আয়না দেখতে গেলেও নিজেই চমকে যায় রূপের পিছনে আমি অন্য রূপ দেখি সেই একটা অপরিচিত ভাব সেজন্য আয়না দেখা বাদ দিব  |</p>
<p>আতরের শিশি ভেঙ্গে গেলে সুগন্ধ থাকে না তেমনি দিন দিন মনে হয় আমি আর নিজের মধ্যে নাই |</p>
<p>পৃথিবীর মোহ এবং আমার নিজের জীবন নিয়ে বিতর্ক চলে ,এই বিতর্ক কোন মীমাংসা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247193"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247193/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9e340e469eb279c53429fac83657cf02</guid>
				<title>“শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন যদি অগ্নি হয়, তবে সেই আগুন এখন আর পোড়ায় না  পোড়াতে পোড়াতে প্রদীপ হয়ে ওঠে। আমি সেই প্রদীপের শিখায় দেখছি এক অদ্ভুত দৃশ্য: গাছ পুড়ে যায়, কিন্তু তার ছাইয়ের ভেতর লুকিয়ে থাকে আরেক বনের বীজ।” 

“রূপকথার শেষ পঙ্ক্তিতে লেখা থাকে ‘তারা সুখে-দুঃখে বাস করে’।

 কিন্তু গাছের রূপকথা সেরকম নয় ,গাছের রূপকথায় লেখা থাকে ‘তারা শিকড়ের ভেতর অমৃত জমিয়ে রাখে, যাতে কোনো এক ভয়ংকর খরায় বাঁচতে পারে হারিয়ে যাওয়া জাতি।’ 

আমি কী সেই অমৃতের সন্ধান করছি?হয়তো তুমিও সেই অমৃতের একটি ফোঁটা।

পদ্মা যখন শুকোয়, তখন তার বুকে চর জাগে।
চরে জন্ম নেয় কাশবন, আর কাশফুল উড়ে যায় শহরের দিকে।



নদী চিরকাল প্রবাহ চায়, কিন্তু চর চায় থিতু হতে আমার ভেতরেও তেমনি এক দ্বন্দ্ব চলে কোনো অংশ প্রবাহ হয়ে সব ভাসিয়ে নিতে চায়,আর কোনো অংশ চর হয়ে গাছের মতো দাঁড়াতে চায়।








উপড়ে যাওয়া গাছের নাম হয় ‘পতিত’।
 কিন্তু পতিত গাছেরাও এক ইতিহাস লেখে  যে ইতিহাস দাঁড়িয়ে থাকা গাছেরা জানে না। 

উপড়ে যাওয়া গাছের নাম হয় ‘পতিত’। 

কিন্তু পতিত গাছেরাও এক ইতিহাস লেখে  যে ইতিহাস দাঁড়িয়ে থাকা গাছেরা জানে না।

 আমি আজ দেখলাম, শহর ছুঁয়ে যাওয়া পথের কিনারে, এক পরিত্যক্ত চরের ধারে একটা সালগাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। কালকের ঝড়ে পড়েছিল নাকি, নাকি মানুষ কেটেছে  কেউ জানে না।

 বৈশাখ এলেই মনে পড়ে সেই কালবৈশাখীর কথা, “বৈশাখের ঝড়ে যেদিন আমগাছটা উপড়ে গেল, সেদিন আমি ভেবেছিলাম শুধু একটি গাছ চলে গেল।


 
আজ জানি—সেই ঝড়ের রেশ ধরে আমি লিখছি ‘পাঁচা’র গল্প। এখন বুঝি—সেদিন শুধু গাছ পড়েনি, আমারও কিছু শিকড় ছিঁড়ে গিয়েছিল। 


গাছটা এখন শুয়ে আছে, তার শিকড় আকাশের দিকে তুলে ধরা। শিকড়ের ভেতর এখন ধুলো জমছে, আর গাছের বুকে যে ক্ষতচিহ্ন ছিল, তা এখন আর লুকোতে পারে না।


 আমি সেই গাছের পাশে দাঁড়িয়ে ভাবলাম  তোমাকে হারানোর পর আমিও তো এমন শুয়ে আছি। উপড়ে ফেলা গাছের মতো, শিকড় উল্টো করে, মাটি ছেড়ে। বিরহের প্রথম দিনে আমি ভেবেছিলাম, এটা একটা ক্ষত। 


দ্বিতীয় দিনে ভেবেছিলাম, এটা একটা অভিশাপ। কিন্তু আজ, এই উপড়ে পড়া সালগাছের সামনে দাঁড়িয়ে বুঝলাম—বিরহ একটা পাঁচা। 


যেদিন তুমি চলে গেলে, সেদিন আমার সব শিকড় ছিঁড়ে গিয়েছিল। 


আমি তখনও দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি উপড়ে যেতে শুরু করেছিলাম এখন আমি এই গাছের মতো—আমার সবুজ নেই, আমার ছায়া নেই, শুধু শিকড়গুলো বাতাসে দুলছে, যেন বলছে, ‘আমরা মাটি চাই।’


 কিন্তু গাছের মহত্ত্ব কোথায়?
 উপড়ে পড়া সালগাছটার দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার এক ডালে এখনও বাবুই পাখির বাসা আছে। 


বাসাটা ফাঁকা, কিন্তু পড়ে যায়নি গাছ উপড়ে গেছে, অথচ বাসাটা ধরে রেখেছে। 



আমি বুঝলাম  ,
গাছের মহত্ত্ব এই যে, উপড়ে যাওয়ার পরও সে অন্যকে আশ্রয় দেওয়ার ভান করে না, কিন্তু দেয়।



 তার ডাল ভাঙেনি, শিকড় উল্টো হলেও বাসাটা পড়তে দেয়নি। তেমনি আমার মহত্ত্ব কোথায়?

 
আমি শিকড় উল্টো করে রেখেছি, কিন্তু তোমার বাসাটা বুকে ধরে রেখেছি।

 একটা সময় ভাবতাম, গাছের মহত্ত্ব তার দাঁড়িয়ে থাকায়। আজ জানলাম,গাছের আসল মহত্ত্ব তার পড়ে থাকাতেও। 


কারণ পড়ে থাকা গাছ শেখায় কীভাবে ভাঙার ভেতরও অটুট থাকা যায়। 

শেখায় কীভাবে শিকড় উল্টো হলেও মাটি খোঁজা যায়।
 আর শেখায়  যে বাসা কেউ বুনে গেছে, সে বাসা রক্ষা করা দাঁড়িয়ে থাকার চেয়েও বড় কাজ। আমি এখন উপড়ে পড়া সালগাছ।


 আমার সব পাতা ঝরে গেছে, ছায়া নেই, ফুল নেই, ফল নেই।

 শুধু শিকড়গুলো হাতছানি দেয় আকাশের দিকে। তুমি ভাবতে পারো, আমি শেষ। 

কিন্তু না,
আমার বুকে এখনও বাবুইয়ের বাসা আছে, আর সেই বাসার ভেতর হয়তো একদিন আবার ডিম পাড়বে কোনো পাখি। 

তখন আমি জানব, উপড়ে যাওয়ার পরও আমি মরেনি। 

আমি শুধু নতুন করে শুয়ে পড়েছি  যাতে অন্য কেউ আমার বুকে উড়তে শেখে।

 বিরহের এই দীর্ঘ রাতটা আমার শিকড়গুলোকে শিখিয়েছে  মাটি ছাড়াও বেঁচে থাকা যায়। আলো ছাড়াও বেঁচে থাকা যায়। 


কিন্তু আশ্রয় দেওয়ার সংকল্প ছাড়া বেঁচে থাকা যায় না। গাছের মহত্ত্ব তার সবুজে নয়, তার দেওয়ার মন্ত্রে।


 আর আমি সেই মন্ত্রের দীক্ষা নিয়েছি উপড়ে যাওয়ার পর। 

এখন আমি শুধু শুয়ে থাকা একটা গাছ। কিন্তু আমার ছায়া নেই বটে, কিন্তু তুমি যদি ফিরে এসো, তবু আমি বলব   ‘এসো, আমার বুকে বসো।

 পাতা নেই, কিন্তু শিকড় দিয়ে ছাতা বানিয়ে দেব। ফুল নেই, কিন্তু ক্ষতচিহ্ন দিয়ে রঙ ছড়িয়ে দেব।’

 গাছের মহত্ত্ব শেষ হয় না তার পতনে, গাছের মহত্ত্ব শুরু হয় তার পতনের পরের দেওয়া—যে দেওয়া হিসেবের বাইরে, হিসেবের উর্ধ্বে। আমি এখন সেই দেওয়ার দীক্ষায় আছি। 



তুমি এসো বা না এসো, আমি শিখে গেছি—উপড়ে ফেলা গাছও একদিন বনে পরিণত হতে পারে, যদি সে নিজের শিকড়ের ভেতর অমৃত জমিয়ে রাখতে জানে। আর আমার শিকড়ের ভেতর এখন শুধু অমৃত নয়, আছে রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন, আছে বাবুইয়ের ফাঁকা বাসা, আছে তোমার চোখ রাঙানির স্মৃতি। 



সেই সব মিলিয়ে আমি এখন উপড়ে পড়া এক বিরাট সাল, যে শুয়ে শুয়েও শেখাচ্ছে  ‘পাঁচা মানে শেষ নয়, পাঁচা মানে নতুন করে শিকড় বেরোনোর পাঠ।


  আম গাছতলায় তোমারে ডাকি সজনী, দুপুর গড়ায় বেলা পার হয়। টুপ কইরা পড়ে কাঁচা আম পইড়া— তুই পড়োস না রে, মোর কোলের ভিতর! বাতাস বলে, আসবে না সজনী, ও পলাতক অ-প্রেমিকা। এই ফলের মৌসুম আমার কাছে শুধু একটাই শিক্ষা দেয়—যত মিষ্টি, তত কাঁটায় জড়ানো। যেমন কাঁঠাল, যেমন আমের আঁটি, যেমন জামের রঙ। তেমনই ভালোবাসা। 


তুই এসেছিলি একটা মৌসুমের জন্য, চলে গেলে আরেক মৌসুমে। আর আমি এখন শুধু মৌসুম গুনি  কবে আসবে সেটা, যে ফিরবে না।

ক্যাকটাসটা সবার চেয়ে অদ্ভুত!  তুমি চলে যাওয়ার পর আমি ওকে জল দেইনি মনে হয়।



 সে কুঁকড়ে গেছে, শিকড় শুকিয়ে মাটি ফাটিয়ে বেরিয়ে এসেছে। তার গায়ে এখনও কাঁটা, কিন্তু একেবারে প্রান্তে একটি ছোট ফুলের মুকুল। 



ক্যাকটাস জানে—পানি না পেলেও ফুল ফোটাতে হয়, কারণ সে মরুভূমির সন্তান। 



আমিও যেন তেমন তোমার জল না পেয়েও একদিন হয়তো  ফুটবো  অনেক দেরিতে, কিন্তু  ফুটবো &#124;

আমি যদি জল হতাম, তবে তোমার চোখের পাতায় শুয়ে থাকতাম।” আমি জল হইনি। আমি গাছ হয়েছি। 

তবুও তোমার চোখের পাতায় শুয়ে থাকার চেষ্টা করি। আমার পাতা ঝরে পড়ে তোমার স্মৃতির ওপর, পাতা সিক্ত হয় শিশিরে  সেই শিশির কি তোমার চোখের জল নয়? 

আমি এখন আর শুধু গাছ নই আমি জল খাওয়া শিকড়। 

আমি অগ্নি-স্নাত ক্ষত,আমি বৃষ্টির জন্য মুখ তুলে থাকা পৃথিবী। তুমি যদি এসো, এসো জল হয়ে। এসো বৃষ্টি হয়ে। এসো আমার শিকড় ভেজাতে।

আমি জানি,
 তুমি এলে আমার ভেতরের সেই পুড়ে যাওয়া বীজ একদিন তোমার নামে ডাকবে। 
আর তখন রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন হবে না—হবে অঙ্কুরের প্রথম সবুজ।


  —পতনের পর যে গাছ বনে পরিণত হতে শেখে &#124;



শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন

কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247101/</link>
				<pubDate>Fri, 08 May 2026 14:23:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন যদি অগ্নি হয়, তবে সেই আগুন এখন আর পোড়ায় না  পোড়াতে পোড়াতে প্রদীপ হয়ে ওঠে। আমি সেই প্রদীপের শিখায় দেখছি এক অদ্ভুত দৃশ্য: গাছ পুড়ে যায়, কিন্তু তার ছাইয়ের ভেতর লুকিয়ে থাকে আরেক বনের বীজ।” </p>
<p>“রূপকথার শেষ পঙ্ক্তিতে লেখা থাকে ‘তারা সুখে-দুঃখে বাস করে’।</p>
<p> কিন্তু গাছের রূপকথা সেরকম নয় ,গাছের রূপকথায় লেখা থাকে ‘তারা শিকড়ের ভে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247101"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247101/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6313d7f732283c8026798fe771ec4c68</guid>
				<title>নব্বইয়ের নূপুরের শেষ সুর ভোরের বাতাসে হারিয়ে গেলেও—
আমার ভেতরে জন্ম নেয় আরেকটি অচেনা স্বরলিপি।
এটুকু নীরবতা, এতটা শূন্যতা, এতটা শোক। 
আর যা, 
শ্যাওলার ছ্যাছছেতে গন্ধে,
কিংবা প্রজাপতি হয়ে উড়ে।



জীবনানন্দের মতোই আমি র্নিসঙ্গতার বাক্সে বন্দী দুই হাতে হাতকড়া পড়া বিরহ আর ত্যাগ স্বিকার করা।
কিন্তু আমার বুকের ভেতরে রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন
যা বলে ওঠে:
একাকিত্ব কোনো দুর্বলতা নয় এ এক ধৈর্যের পরীক্ষা! 



যখন চারপাশের মানুষ আমার শূন্য বুকের গভীরতা বোঝে না,
আমি তখন আরও একা হই।
আর সেই একাকিত্বই আমার গোপন বিদ্রোহ।
কেউ জানে না,
কতটুকু বেঁচে আছি একজন সাধারণ মানুষের মতো।
 নতুন কোনো কবিতা হয়ে রহস্য লিখি আর বেঁচে থাকি।



রবি ঠাকুর লিখেছিলেন— 
এসো হে বৈশাখ, 
এসো, এসো।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা,
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা

আমি বলি—আমি &quot;বৈশাখ&quot; নয় একাকিত্বই আমার সমস্ত &quot;গ্লানি&quot; ধুয়ে নেয়।


—একা দাঁড়িয়ে থাকা
—উচ্ছেদ করা দোকানের মতো ,
—আমি দেখি ছেঁড়া পোস্টার, ফেলে যাওয়া সিগারেটের ছাই। 
আধভাঙা পুরনো দালান, 
সব কিছুতেই লেগে আছে আমার ভেতরের, শূন্যতার-জানালা।


আমি হেঁটে যাই—জীবনানন্দের পায়ে হেঁটে যাই,
রুদ্রের কণ্ঠে —চিৎকার হয়ে ফিরে আসি,
রবী ঠাকুরের —গানে থামি। 

এই শূন্য শহর আমাকে থামাতে পারে না &quot;তেজী ঘোড়া&quot; করে তুলে।

এই শূন্য শহর আমাকে কিছু দিতেও পারে না শূন্যতা ছাড়া।
কারণ আমার একাকিত্ব কোনো, 
অভিশাপ নয়— এ এক সাদা ভ্রম।


পথে পড়ে থাকে বিঙ্গাপনের কাগজ,তাও হাতে তুলে মানুষ পড়ে, খবরের কাগজ পড়ে মানুষ কিন্তু,আমার মনের গোপন খবর কেউ পড়ে না।

কেবল আমার একাকিত্ব যেই পড়বে,
সে-ই জানবে,আমি আজও বাঁচি প্রতিটি ভোরের জন্য, বিদ্রোহের জন্য, ভালোবাসার জন্য। “কারণ এ-ই তো আমার শূন্যতার সত্য।”

তুমি এক অন্য নারী তোমার রূপে ফুটে ওঠে জীবনানন্দ দাশ এর গোটা রূপসী বাংলা। 

কখনও তুমি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সুরে জ্বলে ওঠা অগ্নিকন্যা, কখনও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর গীতাঞ্জলি-র প্রার্থনার মতো শান্ত, স্নিগ্ধ, নির্মল।

 তোমার হাসিতে লুকিয়ে থাকে সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর অদম্য স্বপ্ন, আর অগ্নিযুগের অমলিন ডাক সব মিলিয়ে তুমি যেন এক জীবন্ত কবিতা, যাকে শব্দে নয়, অনুভবে পড়তে হয়।


তুমি আমার চোখে দেখা অন্যতম সম্পদ চোখ মেললেই দেখি শিকড়ের ফাঁকে ফাঁকে কেউ আঁচড়ে গেছে অগ্নিবাণ। 
রুদ্রের নামে কত শতাব্দী ঝরে গেছে মাটির গভীরে, তবুও দাগটা শুকোয়নি, বরং সিক্ত হয়েছে রসে। 


এই সম্পদটাকে আমি দেখি গাছের চোখে। গাছ জানে কীভাবে নিঃশব্দে বয়ে বেড়াতে হয় শতাব্দীর সব অবহেলা—যে অবহেলা তার নিজেরও, যে অবহেলা আমাদের মতো মানুষকেও শিকড় থেকে উপড়ে ফেলতে চায়।


 গাছের কাণ্ডে জমে থাকা আঁচড়গুলো রুদ্রের নৃত্য থেকে ফিরে আসা ক্ষতচিহ্নের মতো; প্রতিটি দাগ যেন এক একটি বিরহের নাম, যেখানে নিজেকে রেখে এসেছে গাছ, আর আমাদের রেখে গেছে আমরা নিজের কাছেই। 

একাকীত্ব গাছের ভাষা যে একাকীত্ব গাছ নিজের পাতার ফাঁকে ফাঁকে পুষে রাখে, কারণ সে জানে  পৃথিবীর যত অবহেলিত মানুষ, যারা কোনো শাখায় আশ্রয় পায়নি, যাদের অশ্রু ফসলের মতো শুকিয়ে গেছে মাটির নিচে, তাদের জন্যই এই শিকড় এত গভীরে নামে। 


গাছ আর মানবতার মূল কথা এখানেই: গাছ সেই সত্তা, যে নিজের অবহেলাকে পুঁজি করে অন্যের বসবাস গড়ে দেয়। ছায়া দেয়, ফল দেয়, নিজের শরীর ভাঙা দিয়ে ঘর বানায়  অথচ কেউ জিজ্ঞেস করে না, তার কী যন্ত্রণা ছিল সেই সব ক্ষতের ভেতর।


 রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন মানে শুধু ধ্বংস নয়, বরং সৃষ্টির এক অদ্ভুত দীক্ষা। গাছের শিকড় সেই দীক্ষাকে ধারণ করে প্রতিটি অবহেলিত মানুষের হাতে তুলে দেয় বাঁচার বীজ। 


তুমি যখন আমার চোখে সেই সম্পদ হয়ে এলে, আমি বুঝেছিলাম   গাছ যেমন নিজের শিকড়কে কখনো অস্বীকার করে না, আমিও যেন সেই অবহেলার মধ্যেও তোমাকে সম্পদ হিসেবে দেখতে পারি।




 আর তখনই বিরহের গভীরতম বেদনা অমৃত হয়ে ওঠে, আর যারা অবহেলিত হয়ে যায়, তারা ফিরে পায় এক ফোঁটা মাটির আত্মীয়তা। কারণ গাছের গভীরে যতই ধ্বংসের দাগ থাকুক, সেখান থেকেই জন্মায় সবচেয়ে শক্ত ডালপালা, আর মানুষের ভেতরেও তেমনি ক্ষতচিহ্নই হয়ে ওঠে সংযোগের বীজ। 



তুমি সেই সংযোগের প্রথম স্বাদ, তুমি আমার চোখে দেখা অন্যতম সম্পদ আপনার বলা কথাগুলো ধরে নিচের অংশটি তৈরি করলাম। এটি আগের লেখার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেতে পারে, অথবা নতুন অনুচ্ছেদ হিসেবে বইয়ের ভেতরে জায়গা নিতে পারে। 




 কখনো কখনো মানুষের ভেতর দীর্ঘ বিরহ, একাকিত্ব, মানুষের মনের জমিনে শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন দেখতে দেয়—ঠিক যেমন গাছের গায়ে বিবিধ ক্ষতচিহ্ন থাকে।




 মানুষ বা কোনো হিংস্র প্রাণীর মাধ্যমেই হোক না কেন, তবু সব বাধার পরেও গাছ লিখে যায় নিজের অদেখা প্রেমের কথা  যার প্রথম অক্ষর তুমি। তেমনি মানুষের সম্পর্কগুলোও যেন এক একটি গাছ। 



বহু ঋতু, বহু ঝড়, বহু অবহেলা এসে আঁচড় কাটে শাখায়-প্রশাখায়। কেউ ছাল ছিঁড়ে নেয়, কেউ ফল পেড়ে চলে যায়, কেউ শুধু ছায়াটুকু নিয়ে বসে থাকে  তবুও সেই গাছের ভেতরকার রস শুকোয় না। 



কারণ শিকড়ের গভীরে রুদ্রের সেই ক্ষতচিহ্নই একদিন অঙ্কুরিত হয় প্রেমের নতুন ভাষায়। 


আর সেই ভাষার প্রথম উচ্চারণ যেন তুমি। মানুষের মনের জমিনেও তেমনই শিকড় নামে। 



যেখানে একাকিত্বের লম্বা রাত, সেখানে অদেখা এক হাত ধরে রাখে। যেখানে দীর্ঘ বিরহের ঘা, সেখানেই ফুটে ওঠে সংযোগের বীজ।

 আর আমি লিখে যাই তোমাকে  শুধু তোমাকেই।

 কারণ তুমি সেই সংযোগের প্রথম স্বাদ, তুমি আমার চোখে দেখা অন্যতম সম্পদ, তুমি সেই মানবতার চেয়েও বড়ো এক সম্পদ, যে মানবতা গাছ লিখে যায় নিজের অদেখা প্রেমের কথা—যার প্রথম অক্ষর তুমি।



আমার অনুরাগের ব্যাপ্তি ঠিক যেন বৃক্ষমূলের মতো; যা লোকচক্ষুর অন্তরালে মাটির গহীনে এক গভীর নিবিড়তা খুঁজে নেয়। 


একটি মহীরুহ যেভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরিত্রীর বুক আগলে রাখে, পরম মমতায় তাকে স্পর্শ করে নিজের অস্তিত্বের জানান দেয়  আমার ভালোবাসা ঠিক তেমনই মৃত্তিকাসক্ত।

 অথচ নিয়তির কী অদ্ভুত পরিহাস! যে অমোঘ টানে গাছ মাটিকে আঁকড়ে ধরে, আমি সেই একই আকুলতাকে প্রেম ভ্রম করে অবলীলায় নিজেকে কণ্টকজালের সুতীক্ষ্ণ বাঁধনে সঁপে দিই।




 যেখানে প্রশান্তি পাওয়ার কথা ছিল, সেখানেই আমি প্রতিনিয়ত ক্ষতবিক্ষত হই; তবুও এই রক্তক্ষরণ আর দহনটুকুকেই আমি আমার ভালোবাসার একমাত্র সার্থকতা বলে মেনে নিয়েছি।



                    —শূন্য শহরের নিচে ধুকপুক করা শিকড়ের ভাষা &#124;



— শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন
কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247100/</link>
				<pubDate>Fri, 08 May 2026 14:19:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner">
<p>নব্বইয়ের নূপুরের শেষ সুর ভোরের বাতাসে হারিয়ে গেলেও—<br />
আমার ভেতরে জন্ম নেয় আরেকটি অচেনা স্বরলিপি।<br />
এটুকু নীরবতা, এতটা শূন্যতা, এতটা শোক।<br />
আর যা,<br />
শ্যাওলার ছ্যাছছেতে গন্ধে,<br />
কিংবা প্রজাপতি হয়ে উড়ে।</p>
<p>জীবনানন্দের মতোই আমি র্নিসঙ্গতার বাক্সে বন্দী দুই হাতে হাতকড়া পড়া বিরহ আর ত্যাগ স্বিকার করা।<br />
কিন্তু আমার বুকের ভেতরে রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন<br />
যা বলে ওঠ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247100"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247100/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea9c6a6eb89c61394abcddc3937a102f</guid>
				<title>পৃথিবীর প্রতিটি বৃক্ষ এক একটি শব্দের মতো,
যা ভাষা গড়তে জানে অথচ নিজে নীরব এক একটি প্রাণের মতো, যা রক্তে না হলেও রসে অশ্রু-জলে না হলেও পাতার কম্পনে কাঁদে।


এক একটি মানুষ,
—যারা মানুষের ভিড়ে থেকেও মানুষ নয়, যাদের জীবন বহমান নদীর মতো নয় বরং স্থবির এক জলাশয়ের —মতো যেখানে প্রতিটি ঢেউ অর্থহীন হাহাকার।


এ পৃথিবী যখন শহরের অদ্ভুত মৃগয়া তার চোয়ালে সবুজকে বিদ্ধ করে, তখনও একটি গাছ
—যেমন শিমুল, তেঁতুল, কিংবা একাকী কড়ই
—জীবনের স্তব্ধ নাট্যমঞ্চে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে।

যেন বলে,
—আমি আছি,
—যতক্ষণ না তোমরা নিঃশেষ করে ফেলো আমার
—মূলমন্ত্র।


একজন কৃষকের কথা ভাবো, যার নাম কেউ জানে না।
পদ্মা পাড়ের চরে তার খুপরি ঘর, আর তার পাঁজরের হাড় গাছের শুকনো ডাল হয়ে উঠেছে বহু আগেই, সে জানে গাছ কেমন করে বাঁচে।
—বৃষ্টি না পড়লেও শিকড় মাটি আঁকড়ে ধরে
— জল খুঁজে নেয়।


সেই কৃষক প্রতিদিন একটি পুরাতন নিম গাছের নিচে বসে এক কাপ লবণ ছাড়া ভাত খায়,
—শুধু এ জন্যে নয় যে তা তার রুচি বরং সে জানে
—গাছের মতো মানুষও একদিন অভ্যাসে পরিপক্কতা লাভ করে বেঁচে থাকা শিখে যায়।


আমরা যাদের &quot;অসহায়&quot; বলি,
—আসলে তারাই আমাদের সমাজের
—মৌলিক গাছপালা।


আমরা কাগজে লিখি &quot;সামাজিক বনায়ন&quot;,
—আর তারা রোজ রোদের নিচে
— ঝলসে যায়।

একটি শিশু যাকে আমরা পথশিশু বলি, একদিন ঢাকার ফুটপাতে একটি মেহগনি গাছের ছায়ায় বসে তার মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে গাছ তাকে ভালোবেসেছিল, কারণ মানুষ তাকে তাড়িয়েছিল।


—গাছগুলো যেমন দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি এই হারিয়ে ফেলা মানুষকে তাদের দেওয়া স্মৃতি কে ঘিরে
—মানুষগুলোও দাঁড়িয়ে থাকে অপেক্ষায়।

কেবল তাদের ছায়া কাউকে ছুঁয়ে যায় না, তাদের ফুল কেউ গন্ধ নেয় না, কারণ তারা ফল দেয় না, নয়তো তাদের শেকড়ের গল্প কেউ বোঝে না।
আর যারা বোঝে তারা কবি হয়ে ওঠে,
—পথে বসে গাছের দিকে চেয়ে ভাবেন,
—জীবন তো এইরকমই
—শিকড়বিহীন প্রাণ নয়, শিকড়বদ্ধ যন্ত্রণার নাম।
একটি বটগাছ,
—যার বয়স চার শতাব্দী
—তার নিচে এক বৃদ্ধা নারী রোজ বসেন।


তার পুত্র শহরের ব্যস্ত ট্রাফিককে নিখোঁজ,
আর তার চোখের পাতা শুকনো পাতার মতো ঝরে পড়ে সন্ধ্যায়।


বটগাছটি তাকে চেনে, যেমন চেনে সে সেই নারীর জীবনের প্রতিটি ক্রন্দন মানুষ যেমন ইতিহাস ধারণ করতে ভুলে যায়, গাছ তা পারে।
গাছ নিজের শরীরে বয়ে রাখে শত শত শোক, শীত, শুকায়া যাওয়া সন্ধ্যার স্মৃতি।


একটি পাতা ঝরার মধ্যেও কত &quot;দুঃখগাঁথা&quot; কবিতা লুকিয়ে থাকে, সাথে হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠস্বর।

একটি তালগাছ,
—যার মাথায় বিদ্যুৎ চলে এসেছে সে কাঁপে না,
—কারণ সে জানে, মরে যাওয়াও এক
— ধরনের প্রতিবাদ।


একজন শ্রমিক,
যিনি দিন শেষে ধুলায় সেজে বাড়ি ফেরেন, জানেন না তার ঘরের উঠোনে যে লিচুগাছটা আছে,তা বছরের পর বছর তার মায়ের না বলা গল্প শুনেছে।

সেই গাছও কাঁদে, শুধু কান্নার ভাষা 
পাতা হয়ে ঝরে পড়ে,
—যা আমরা পরিচ্ছন্নতার নামে ঝাড়ু দিয়ে সরিয়ে দিই।
—আমাদের পৃথিবী এখন এমন এক সমীকরণে
—দাঁড়িয়ে, যেখানে মানুষ গাছকে মনে করে
বাতাসের মেশিন ।


অথচ গাছ কেবল বাতাস দেয় না,
—সে দেয় আশ্রয়, দেয় আত্মীয়তা,দেয় নিঃশব্দে কান্নার স্বীকৃতি।


একজন প্রবাসীর মতো,
—যে দূরদেশে নিজেকে পুঁতে দেয় সে জানে না আদৌ ফেরত আসতে পারবে কি না মাতৃকূলে?তারা সবসময়ই দ্বিধাদন্ডে ভুগে।


গাছেরও কোনো নিশ্চয়তা নেই,
—একদিন হয়তো বুলডোজারের নিচে অথবা আড়ির সাথে ঘসাঘসি তার মায়া চাপা পড়বে, যেমন সমাজ  চাপা দেয় একটি মেয়ে শিশুর 

স্বপ্ন, একটি বয়জোষ্ঠ —মানুষের বেঁচে থাকার আগ্রহ।
গাছেরও আত্মা আছে,
এ কথা বিজ্ঞান নাও যদি মানে কিন্তু একজন প্রকৃত প্রেমিক জানে কোনো এক মধুর লগনে সে যে গাছের ছালে প্রেমিকার নাম খুঁচিত করে লিখেছিল সেই গাছ তাকে আজও চেনে।



যেমন এক তেঁতুলগাছ জানে,
—সেখানে প্রতিদিন একটি বালক পড়ে কাঁদে
—যার মা-কে ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কারোও নেই
—চলে গিয়েছে বিধাতার ডাকে সাড়া দিয়ে আকাশপুঞ্জের তারা হয়ে ।
তবে সব গাছ একরকম নয়,
— সব মানুষও নয় মানুষের মন উননাভের জালের
— মতো এত বিভ্রান্তি এত জটিলতা,যতটুকু কাটা
—ততটুকু মুক্তি এটা এক গোলকধাঁধাঁর মতো চলতে
—চলতে হারিয়ে ফেলে দিশা,সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া কখনো সহজ নয় দেখাও মেলে অনেক দূরত্বের ক্ষন-গননার মধ্যে ।


আর শব্দগুলো?তারা যেন মানচিত্রের মতো,
—প্রতিটি রাস্তায় আলাদা গল্প,বিভিন্ন দিক থেকে
—আপন মনে হইলে কিন্তু একসাথে গিয়ে শেষ হয় অন্য এক প্রান্তরে অস্তিত্বের সাথে লড়াই এর মুখোমুখি করে ।


কিন্তু কিছু গাছ বিদ্রোহী,শিকড়ে মাটিকে স্পর্শ করে ,
—যেমন বট, সেগুন তারা দাঁড়িয়ে
—থাকে মৃত্যুকে চ্যালেঞ্জ করে তাদের দেখে আমি
—ভাবি, আমার বাবা বলেন মানুষ গাছের মতো হতে
—শেখে না বলেই মানুষের পতন কারণ গাছ মরেও রেখে যায় ভবিষ্যৎ।



আজকের এই নিঃস্বতা, কেন এই নিসর্গের চুরি হয় যা মানবসমাজ-কে একাকিত্বের অতল-সাগরে তলিয়ে ফেলে, এই সমাজে কখনও কারোর খোঁজ নিলে বা কাউকে পর্যবেক্ষন করলে তার মধ্যে একাকিত্বের ছাপ থাকবে সেগুলো সমাজের লুকায়িত চিত্র।
এই প্রকৃতির রক্তপাতের স্রোতের ভেতর দাঁড়িয়ে,
—গাছ আমাদের শেখায় কীভাবে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা যায় কীভাবে নিজের ছায়া বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই মহত্ব।



আর আমরা এই তথাকথিত সভ্য মানুষ,
— র্নিবিচারে গাছ কাটি গাছ কেটে কাগজ বানাই, সেই কাগজে লিখি সভ্যতার গল্প কিন্তু কাগজ কাঁদে না গাছ কাঁদত মানুষ যে তারা গাছের ব্যাথা কি বুঝে যদি বুঝতো আজও র্নিবিচারে গাছ কাটা লাগতো না &#124;

গাছ কাঁদতো না,তাহলে প্রকৃতি-কে এতো বির্পযয়ের  মধ্যে সম্মুখীন হতে হতো না ।



ভালোবাসা,
এই শব্দটি কি কেবল মানব হৃদয়ের একমাত্র অভিজ্ঞান? 
গাছ কি ভালোবাসতে জানে না?


প্রশ্নটি হয়তো হাস্যকর মনে হতে পারে তাদের কাছে, যারা প্রেমকে কেবল চিঠির অক্ষরে কিংবা শরীরের ঊষ্ণতায় সীমাবদ্ধ ভাবে।
অথচ একটি গাছ, দিনের পর দিন, রাতের পর রাত একটানা দাঁড়িয়ে থাকে,
—কোনো এক হারিয়ে যাওয়া ছায়ার প্রতীক্ষায়
—কোনো এক ফেলে আসা পাতার স্মৃতিতে, যেমন 
—দাঁড়িয়ে থাকে একজন বুড়ো প্রেমিক, তার প্রেয়সীর স্মৃতি ধারণ করা রুমাল হাতে, বারান্দায়, নিঃশব্দে।


যে প্রেমিকা একদিন হারিয়ে যায়, 
—তার চলে যাওয়ার পরেও একটি কদমগাছ অনবরত ফুল ফোটায় সে জানে না, তার সৌরভ কাকে
—ডাকছে, কাকে ভুলছে না।


মানব প্রেম কখনো কখনো আত্মসমর্পণ নিয়ে আসে, 
অথচ গাছের প্রেম একান্ত নিঃস্বার্থ,
—যে প্রেম ছায়া হয়ে ঝরে পড়ে, ফল হয়ে পচে যায়, 
তবুও কারও জন্য ক্লান্ত হয় না,এমনকি আত্মাহুতি দিতেও দ্বিধা করে না তারা যেমন একজন মা তার সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দিতে নিজের শেষ রুটিটুকুও বিলিয়ে দেয়। 




গাছের মাতৃত্ব, 
—প্রতিটি ডালে দুলতে থাকা বাসার মাঝে খুঁজে পাওয়া —যায়, যে বাসায় একটি চড়ুই প্রতিদিন ফিরে আসে ক্লান্তি নিয়ে।



হেই মানুষ তোমারা দু চক্ষু মেলিয়া দেখতে যদি পাও তবে দেখিতে পারিবে, 
—একটি গাছ তার প্রতিটি পাতা হারিয়ে ফেলেও বসে থাকে তবুও সে বলে না, “আমি শেষ।”


সে জানে, আবার পাতা আসবে আবার দিন আসবে,
—ঠিক যেমন একজন প্রেমিক, হারানোর মধ্যেও আশা পুষে রাখে, “তুমি একদিন ফিরবে” বলে।


এখানে গাছ হয়ে ওঠে সবচেয়ে ধৈর্যশীল প্রেমিক, 
—সবচেয়ে বিশ্বাসভরা সঙ্গী মানুষ বিশ্বাস ভাঙে, গাছ ভাঙে না।
মানুষ মুখে বলে ভালোবাসি &#124;


—গাছ কোনোদিন বলে না তবুও তার ছায়া, তার রস, তার ছুঁয়ে থাকা বাতাস সব বলে, &quot;তুমি যদি থাকো, আমি থাকবো তুমি না থাকলেও তোমার জন্য
—থাকবো।&quot;

গভীর রাতের একাকিত্বেও গাছের পাত্রপল্লব ফিসফিস করে যেন কথা বলে বাতাসের সঙ্গে,
—যেমন একা মানুষ কথা বলে তার নিজের প্রতিচ্ছবির সঙ্গে আয়নায়।
যাদের কেউ নেই, তাদের একমাত্র বন্ধু হয়ে ওঠে গাছ,
—যেমন অনাথ বালিকার একমাত্র শ্রোতা হয় আঙিনার শুকনো পাতা একাকিত্বের প্রতীক গাছ ।


—সেই বালিকা ভাবে, এই গাছটি অন্তত তাকে ফেলে যাবে না।
এ এক নিঃসঙ্গতার ভাষা, 
—যে ভাষায় কাঁদে গাছ আর কাঁদে মানুষ যার নীরবতা কেউ কখনও বুঝতে চাই না &#124;


—মানুষ যখন একা হয়, তখন সে ছায়া খোঁজে
—গাছ সেই ছায়া হয়ে তার কাঁধে মাথা রাখতে দেয়।
—অথচ কেউ কোনোদিন গাছের কাঁধে মাথা রাখে না। 
—সেই নিঃসঙ্গতা যে স্তব্ধতা নিয়ে জন্ম নেয়, তা এক
—একটি শেকড়ের মতো সময়কে আঁকড়ে ধরে।

মানবধর্ম বলে সহমর্মিতা, 
করুণা, 
ক্ষমা,
—এই শব্দগুলো কি আমরা গাছের মাঝে খুঁজে দেখি?

না! 

&quot;কেউ তো এই ভাবধারার মাঝেও নাই
তারা শুধু বৃক্ষ নিধনের খেলায় মেতেছে।&quot;
একটি আমগাছ, যার ফল শিশুরা পাথর ছুড়ে খায়, 
সে কি কখনো প্রতিশোধ নেয়?


একটি শিমুল, যার ফুল নিয়ে উৎসব হয় অথচ মূল উপেক্ষিত, সে কি ক্ষোভে তার ডাল ফেলে দেয়?


&quot;মানবধর্ম যা শিক্ষা দেয় মৌখিক
গাছ তা পালন করে মৌনভাবে।&quot;


গাছ বিশ্বাসঘাতকতা করে না,
গাছের ছায়া-তলে যতবারই ফিরে আসা যাবে ততবারই দাঁড়িয়ে থাকবে একাকিত্বের প্রতীকি চিহ্ন হয়ে । 


এমনকি গাছ-কে কেটে ফেললেও গোঁড়ায় এক নতুন চারা পাঠিয়ে দেবে—বলে, “আমি আবার ফিরব, আবার তোমার পাশে দাঁড়াব পরিবেশ-কে রক্ষা করিবো।”


এ যেন সেই প্রেমিকের মতো,

— যে দূর থেকে প্রিয়জনকে দেখে
—কিন্তু তার অস্তিত্বকে বিরক্ত না করে, 
—শুধু প্রতীক্ষা করে যায়।
জীবন শেষে, 
—মানুষ যেমন একা পড়ে, গাছও পড়ে তার ডাল ভেঙে পড়লে, কেউ তুলে নেয় না।


—তার গায়ে আঁচড় কাটে, কেউ মলম দেয় না। 
মানুষ যেমন মৃত্যুর পরে কবরে চলে যায়, 
—গাছের লাশ পড়ে থাকে রোদে, বৃষ্টিতে। 


তবুও গাছের শরীর থেকেই আবার জন্ম নেয় আরেক জীবন।
&quot;যেখানে মানুষের পূর্নজন্ম নেয়&quot;সেখানে গাছ যেন 
বলে ওঠে,


—একাকিত্ব আমার শেষ নয়, 
—আমি একাকিত্ব থেকেই জন্ম দেব নতুন কোনো গল্প।

আমরা যাকে সভ্যতা বলি, 
তা হয়তো আসলে গাছের শিক্ষা থেকেই জন্ম নেবার কথা ছিল।

কিন্তু আমরা বেছে নিয়েছি কৃত্রিম আলো, কৃত্রিম প্রেম, 
গাছ—
যে এখনো সত্যিকার প্রেমিক, মহান আল্লাহ তায়ালার অপরূপ সৃষ্টি , এবং নিঃসঙ্গতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।


—সে আজ কত শত মানুষের সবচেয়ে অবহেলিত সঙ্গী।

একদিন মানুষ ঠিকই বুঝবে,
—গাছের ছায়াতলের শান্তি আমরা ভুলে গেছি,
—তাদের শীতলতাই ছিল প্রকৃত ভালোবাসা।
—গাছ তখন আর আমাদের জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে না।



আরও একদিন, 
সেই গাছটি, যার ছায়ায় কখনো আমাদের আবেগ মাখা ছিল,
শাখা হারিয়ে পড়ে যাবে,
আর তার ডালগুলো একে একে অবলুপ্ত হয়ে যাবে। 



আমরা হয়তো তাকে দুঃখের প্রতীক হিসেবে দেখব, 
—একটি নিঃশেষিত প্রাণী, যে আর দাঁড়াতে পারে না। 
কিন্তু বাস্তবে, সে ‘নিঃশেষ’ নয়। 

—তার এই মৃত্যুর মধ্যেও এক অপরিচিত সুর রয়েছে, এক রহস্যময় জীবন যা শেষ হয়ে যায় না, শুধুমাত্র —এক অন্যভাবে রূপান্তরিত হয়।


এটাই হলো প্রকৃত সত্য,
—নিঃশেষতা কোনো চিরস্থায়ী অবস্থা নয়, 
—এটি কেবল অন্তরালের প্রতিফলন।


একটি গাছ,
যখন তার পাতা হারায়,
—তখন তা মনে করে না যে, সে শেষ হয়ে গেছে। 


তার শিকড়ের মধ্যে একটি অদৃশ্য শক্তি লুকানো থাকে, যেটি জানে

—আমার অন্তরঙ্গ মৃত্যুর মধ্যে নিহিত রয়েছে
—পুনর্জন্মের অমর চক্র।
—মানুষের মতো নয়, 


যারা অন্তর্গত ক্ষতির মাঝে নিঃশেষ হতে যায়,
গাছ জানে,
—একদিন নতুন পাতা আসবে, কড়ি,ফুল ফল নতুন শাখা বের হবে, 
মানুষ, যদিও বিশ্বাস করে
—শেষ বলে কিছু নেই,
প্রকৃতপক্ষে, 

—তার অন্তরে এক অব্যাখ্যিত আতঙ্ক বিরাজ করে 
—তাকে বিশ্বাস করতে দেয় না নিজের শেষের সঙ্গীকে। 

মানুষ কখনোই সম্পূর্ণভাবে পরিপূর্ণ নয় , 

—তার মধ্যে একটি অভ্যন্তরীণ শূন্যতা বরাবরই
—সঞ্চালিত থাকে আর সে শূন্যতা থেকেই জন্ম নেয়
—তার দ্বন্দ্ব, তার আবেগ, তার ক্ষোভ। 


তাই কখনো শান্তি, 
এবং তৃপ্তি , 
&quot;মানুষ আর তার অন্তরে খুঁজে পায় না, চিরকাল ঘুরে ফিরে আসে তার অক্ষমতার পথে।&quot;
তবে, 

—গাছ তার নিঃশেষতাকে আলিঙ্গন করে।
—কারণ যত বড়ই তার কষ্ট বা অবস্থা হোক না কেন, তার অস্তিত্ব 

কোনো প্রকার সংকটের কারণে 
—সংকুচিত হয় না।



তার একাকিত্ব,কোনো মনের কোণে এসে স্থির হয় না &#124;

—একটি গাছ একাকী হয়ে পরিপূর্ণ নিজের ভেতর 
—এতটা শক্তি ধারণ করে, যে কোনো কিছু হারানোর 
—পরও তার মধ্যে নতুন জীবন বয়ে আনে, তার
—সাথে ডাল-পালা আবারও প্রস্ফুটিত হয়।


প্রকৃত জীবনের মূলেই, সঙ্গী হওয়া হলো আত্মার পূর্ণতা। 
প্রেম, সম্পর্ক, অর্থ এসব বাইরে, রূপান্তরিত হয়। কিন্তু আত্মা, সে অন্তর্দৃষ্টি থেকে একে অপরকে দেখতে শিখে প্রকৃতি থেকে, গাছ থেকে, কোনো এক নীরবতার মধ্যে। 



তাই, এই পৃথিবীতে আমরা যা দেখছি, 
তা প্রকৃত নয় এগুলো কেবলই এক সাময়িক অভিনয়। আমাদের আর কিছু প্রয়োজন নেই  কেবল নিজেকে জানার প্রয়োজন, নিজে থেকেই আলো পেতে, বুঝে যেতে, সবকিছুই এক সূক্ষ্ম বৃত্তে ফিরে আসে।


গাছের শাখায় ছায়া, 
তার পাতায় বাতাস, তার মাটির গভীরে শিকড়এই সকলই এক অন্তর্নিহিত যোগফল। 
মানুষের মতো, গাছও কখনো নিজেকে ‘নিঃশেষ’ মনে করে না সে জানে, তার প্রতিটি শ্বাসে পৃথিবী বেঁচে থাকে, প্রতিটি ধুলোর মাঝে নতুন একটি জীবন বেঁচে থাকে। 



নিঃশেষতা, প্রকৃতপক্ষে একটি প্রবাহ  এটি কোনো শেষ নয়, বরং স্রোতের ধারায় প্রবাহিত হতে থাকা অমৃত।


—আরও একদিন, আমরা সব বুঝব  গাছের নিঃশব্দ  সমর্থন আমাদের প্রাণের গভীরে গেঁথে থাকে &#124;


—এটাই প্রকৃত প্রেম, প্রকৃত একাকিত্ব যেখানে নিঃশেষিতা আর পুনর্জন্ম একই সুতায় গাঁথা।



প্রিয় জাতি! তোমরা তো জানো, এ পৃথিবী সেই অদৃশ্য বাতাসের মতো যা শুধু ঊর্ধ্বে উঠে, কখনো দেখতে পাও না তবু তা অনুভব হয় যেমন এক হাওয়ার গতি, আর তেমনি এক বিদ্যুৎ যা জানে না গন্তব্য কিন্তু তার থেমে যাওয়া নাই।



গাছের যে শিকড়,
সে তো জানে না কই পৌঁছাবে,তবে সে জানেএ মাটি, যা নষ্ট করবে না,অথবা সে অনুভব করে তাকে ভাঙবে না,কারণ তার আসল শক্তি মাটি যে মাটির প্রেরণায় সৃষ্টি।


তবে, 
এখনকার মানুষ, যারা পাথরের মত শক্তি খুঁজে,তারা কি জানে—মাটির মায়ায় নড়াচড়া থাকে না!



বড় বড় স্বপ্নের মতো ছড়ানো আঁকা ছবি,তবে স্বপ্ন তো চিরকাল সেই আশার মতো তারা কি জানে, গাছের যেমন জীবনের গল্প থাকে,মানুষেরও এমন এক অদৃশ্য প্রেম থাকে যা কখনো কেটে যায় না, ঝরে না!


যে কৃষক,যে প্রত্যন্ত গ্রামে বেঁচে থাকে দানের স্নেহে,
তার জীবনও জানে  অসহায় হওয়ার পরেও সে শিকড়ের ভেতর দেবে পূর্ণ জীবন।


কিন্তু, সে কোনোদিন গাছ কাটে না,কোনোদিন একটি দুঃখের চিহ্ন পুঁতে রাখে না অন্তর্দ্বন্দ্বের মাটির ভেতর।
হে মানবজাতি! তুমি যখন দেখতে পাও,
যখন একটি গাছ,বসন্তের উষ্ণতায় এক মৃদু হাওয়ায় দুলে ওঠে,সে তখন গাছ তোমাকে জানাতে চায়,
“আমি বেঁচে আছি,তবে আমি এক দৃষ্টিতে তোমাকে শিখিয়ে যাচ্ছি,
যতবার তুমি আমার ছায়া আঁকো,
ততবার তুমি নতুন করে এক জীবন পাও।
এই মাটি, এই জল, এই আলো—
এগুলো শুধু তোমার নয়,
এগুলো সবার জন্য।
তবে, আজকের এ পৃথিবী,আজকের উন্মাদ সমাজ
খুব দ্রুত ভুলে যাচ্ছে।


তারা জানে না, গাছের ঠাণ্ডা ছায়া,এক জীবনের ইশারা!
যারা ভেবেছিল পাথরের নীচে বেঁচে থাকা,তারা এখন আমাদের কাছে ফিরে আসছে,এ কেবল আমাদের শিকড়ই জানে  কীভাবে আমাদের পৃথিবী গড়তে হবে।


তবে তারা ভুলে যায়,যতই উঁচুতে উঠুক না কেন,
তাদের পায়ের নিচে যদি মাটি না থাকে,তবে তারা কখনো শক্ত হবে না,যেমন একটি গাছ যদি মাটির শিকড় না পায়,তবে সে কখনো দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না,তবে সে কখনো ফুল ছড়াতে পারবে না।


তবে, যে গাছের শিকড়ে এমন কত শত যন্ত্রণা, কত শত রক্ত জমে থাকে,সে জানে না তার পথে মৃত্যুর ধ্বনি,কিন্তু জানে সে কখনো হারাবে না,কারণ তার বেঁচে থাকার গল্প প্রতিটি মাটির কণায় ধ্বনিত হবে।


এ পৃথিবী, যার প্রতিটি স্তরে,
আছে শান্তি এবং বিপর্যয় নিয়ে মিশ্রিত,
এ পৃথিবী, যার প্রতিটি রন্ধ্রে,
আছে এক বিরক্তি এবং ভালবাসা। 


কিন্তু একে অপরকে জানতে হবে প্রকৃতি, গাছ, জল, মাটি এগুলো শুধু তোমার নয়,এগুলো এক সুরে বেঁচে থাকে।




তবে আজ থেকে তুমি গাছ হয়ে দাঁড়াও,
যতই ঝড় আসুক না কেন,
তুমি জানো—এই ঝড়ের পর
নতুন পাতা আসবে,
নতুন গতি আসবে।
তুমি গাছের মতো দাঁড়াও,
প্রতিটি যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে
তুমি গড়ে তুলবে নতুন পৃথিবী,
এই পৃথিবী এক নতুন পরিচয়ে বিকশিত হবে—
তুমি যখন জীবনকে মাটির মতো আবৃত করবে,
তুমি যখন ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দেবে,তখন শুধু গাছ নয় তখন প্রচুর শান্তি অনুভূতির সঞ্চার হবে । 



&quot;তখন মনে বিষাদ থাকবে না,
শুধু আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখো,
তিনি যিনি সব দুঃখের পরও শান্তি দেন,
তাঁর কৃপায় জীবন সুরেলা হয়ে ওঠে।



কেউ তো এই ভাবধারার মাঝেও নাই,যে গাছের কাছে ক্ষমা চাওয়া যায়।
যে জানে—
পাতারা ঝরে না শুধু ঋতুর ডাকে,
ঝরে অবহেলায়, বিস্মৃতির ধুলোয় ঢাকা পড়ে।
কেউ কি কখনও থেমে বলে,
—“তোমার ছায়া আমাকে একদিন বাঁচিয়ে রেখেছিল?”
যেদিন রোদের ঘাম শরীর ছেঁকে নিত,
আর তুমি নীরবে হাতে ছায়া তুলে দিতে।




আমরা কেবলই ছুটে চলি,
—গতি আর উচ্চতার দম্ভে আরও উঁচুতে উঠতে গিয়ে নিচের সবুজ ভুলে যাই।
আর সেই সবুজ অরন্য?


—চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে,
—আকাশের দিকে তাকিয়ে,
—শিকড় ডুবে থাকে মাটির ভেতর,
—জানে, মানুষ একদিন হয়তো ফিরে আসবে,
—হয়তো তার ছায়া খুঁজবে,
—হয়তো আবার কারো একজন 


বলবে,
“এই গাছটা একদিন আমার মায়ের মতো ছিল মা যেমন সত্নানের জন্য অপেক্ষা করে ঠিক সেই গাছটা, যে অপেক্ষা করত।


শুকনো ছায়া নিয়ে,
—ঝড়ে পড়েও দাঁড়িয়ে থাকত মায়ার প্রতীক্ষায়।
সে জানে না মানুষ ফিরে আসবে কিনা,তবুও সে ঝরে না আজও,সে নিজেকে ছায়া করে রাখে।
কারো একদিন বলা কথার আশায়
“তুমি ছিলে আমার একদিনের আশ্রয়।”
“কিন্তু মানুষ সভ্যতায় বৃক্ষের মর্যাদা করেই বা কইজন,
মর্যাদা যদি বুঝিতো, সারা দুনিয়া সবুজে ঢেকে যেত,
যে বৃক্ষ একলা দাঁড়িয়ে, শত ঝড়-তুফানে অটুট থাকে,
মানুষের সাধনায় যেমন, তার আশাও কখনো পূর্ণ হয় না তেমনি বৃক্ষেরও মুখে হাসি।


আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘যতটুকু বাতাস, আমি ততটুকু স্পর্শ করতে চাই!’
তবে, সভ্যতা যদি বৃক্ষকে না জানে, তবে সে কখনো সভ্য হতে পারে না।


আর যে বৃক্ষ দাঁড়িয়ে থাকে, সে তো শুধু প্রকৃতিরই নয়,
সে তো সভ্যতার পুরাণ, সমাজের বুকে নতুন আশা—
বৃক্ষের কোলেই তো প্রকৃতির মহাশক্তি। 



ফুল গাছ, 
যাকে আমরা প্রকৃতির সৌন্দর্য বলে জানি, তার কাছে মানুষ কেবল এক ক্ষুদ্র পরিচয় একটা নাম।



এক সময় গাছের শাখায় শোভিত ছিল হাজার হাজার ফুল, যা প্রকৃতির অমিত সৌন্দর্যকে প্রকাশ করত। কিন্তু আজ, সেই ফুল মানুষের হাতে চলে আসে, এবং তার সজীবতা, তার রঙিনতা, তার প্রাণ, একে একে হুমকির মুখে পড়ে।



মানুষ চায় যতটুকু ফুল, ততটুকু—
কিন্তু সে ভুলে যায় যে, ফুলের আসল সৌন্দর্য গাছের মধ্যে নিহিত গাছের শরীরে, তার শাখায় এটাই তার &quot;প্রকৃত রূপ, তার পূর্ণতা&quot;।



কিন্তু যখন মানুষ ফুল ছিঁড়ে নেয়,
তখন সে একেবারেই ভুলে যায় যে, ফুল তার পূর্ণতা পায় গাছের শাখায় যে ফুল গাছের শাখায় ছিল, তা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তার মধ্যে ছিল গাছের জীবনদানের প্রতিফলন। 



ঝড়ে যখন ফুল পড়ে যায়, তখনও গাছের সঙ্গে তার এক অমোঘ সম্পর্ক থাকে, কারণ গাছ তার শাখায় সেই ফুলকে শৃঙ্খলাবদ্ধ রেখেছে  এবং ফুলের রঙিন পাপড়ির মধ্যে গাছের ত্যাগ ফুটে ওঠে।


মানুষ কি জানে, ফুলের সৌন্দর্যের পেছনে গাছের অগণিত ত্যাগ? গাছ তার প্রাণের অঙ্গ দিয়ে, নিজের সমস্ত রস দিয়ে ফুলকে সজীব রাখে। 


কিন্তু মানুষ সেই ফুল ছিঁড়ে নেয়, কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চায়  অথচ ভুলে যায় যে, ফুলের এই সৌন্দর্য তার শিকড়, তার হৃদয় থেকে আসে।


 ফুল ছিঁড়ে নেওয়ার এই অস্থিরতা, মানুষের অব্যবহৃত চাহিদা, যে চাহিদা কখনোই শেষ হয় না।


তবে গাছ কখনো অভিশাপ করে না,
সে জানে, তার জীবন শুধু নেয় না, বরং সে সবকিছু দেয় গাছের কাছে, প্রকৃতি তার সার্বজনীন দান দিয়ে চলে এক টুকরো পৃথিবী, এক টুকরো রূপ, এক টুকরো জীবন।



&quot;বসন্ত আসে, নতুন ফুল ফুটে, নতুন শাখা গজায় এটাই তার অমল প্রার্থনা।&quot;
তাহলে,
মানুষকে শিক্ষা দেওয়া উচিত যে প্রকৃতির সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত না করে, তা যেন সে গ্রহণ করে তার অন্তর্গত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দিয়ে। 
প্রকৃতি কখনোই তার প্রেমের গভীরতা, তার ত্যাগের শাশ্বততা বুঝতে দেয় না কারণ মানুষ শুধু নিত্য নতুন চাহিদা ও উপভোগের মাঝে দৃষ্টি হারিয়ে ফেলে। 


প্রকৃতির এই বর্ধিত নিয়ম, এই অমিত দান, একমাত্র তখনই প্রকৃত শিক্ষা লাভ করবে, যখন মানুষ জানবে যে প্রকৃতি শুধু নেয়ার নয়, বরং নিজেকে দেবার অপরিসীম ক্ষমতা রাখে। 


ফুলের গাছ শিখিয়ে দেয়—

নিঃস্ব হয়ে দিয়েও কত মহৎ হওয়া যায়,
পাপড়ি ঝরিয়ে দেয় সে, সুবাস বিলায়
তবু চায় না কিছু ফেরত;
মানুষের উচিত,
তার দানশীলতা থেকে শেখা —
নিজের ভোগে নয়,
অপচয়হীন নিঃস্বর্গে হোক জীবন পরিপূর্ণ।”




                           

                                      — একটি গাছ, বহু জীবনের গল


















    — শিকড়ের ভেতর রুদ্রের ক্ষতচিহ্ন
কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246986/</link>
				<pubDate>Thu, 07 May 2026 08:04:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পৃথিবীর প্রতিটি বৃক্ষ এক একটি শব্দের মতো,<br />
যা ভাষা গড়তে জানে অথচ নিজে নীরব এক একটি প্রাণের মতো, যা রক্তে না হলেও রসে অশ্রু-জলে না হলেও পাতার কম্পনে কাঁদে।</p>
<p>এক একটি মানুষ,<br />
—যারা মানুষের ভিড়ে থেকেও মানুষ নয়, যাদের জীবন বহমান নদীর মতো নয় বরং স্থবির এক জলাশয়ের —মতো যেখানে প্রতিটি ঢেউ অর্থহীন হাহাকার।</p>
<p>এ পৃথিবী যখন শহরের অদ্ভুত মৃগয়া তার চোয়ালে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246986"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246986/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">13ab468b69ea266e3ac27a0ef703f15d</guid>
				<title>জীবনানন্দের কবিতা বনলতা সেন এই কবিতা পড়ার সময়ও রূপকথা তোমার রূপের মাধুর্যের কথা আমার মনে পড়ে  &#124;
যখন বেশি মনে পড়ে তখন আমি আবার এই কবিতাটা পড়ি রূপকথা তুমি বনলতা সেন না হলেও 
বনলতা সেন কবিতার মত চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর হাল ভেঙে হারায়েছে দিশা &#124;



আমি সেই নাবিক এর মত  অতিদূর সমুদ্রের ’পর হাল ভেঙে হারায়েছে দিশা &#124; 
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর, তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
 পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।




 রূপকথা আমারে তো জিগাতে পারতে বনলতা সেন কবিতার মত এতদিন কোথায় ছিলেন কিন্তু তুমি তো বনলতা সেন না তুমি তো রূপকথাই যার ওপরে কারো তুলনা হয় না&#124; 
বৃক্ষের সাথে আমার মানব-অবতারের সম্পর্ক গভীর যেমন শিকড় মাটির গভীরে যায়, তেমনি নিমগাছ আমায় টানে তার গভীরতায়, অযত্নের কোমল হাওয়ায়। 
   


শূন্যতা শূন্যতা !
 নিঃসঙ্গতা একাকীত্ব !
অসহায়ত্ব অনাহারি !



 দুর্ভিক্ষের মতো অবস্থা সৃষ্টি করে পৃথিবী যেমন ঘুরতে থাকে তেমনি শূন্যের কোন শূন্যস্থান পূরণ হয় না &#124;
জীবনটা কেমন যেন এই নিত্যনৈমিত্তিক ভাবে জলাতঙ্কর রোগের মত চুপসে দেয় জলাতঙ্ক রোগ যেমন আহার কেড়ে নেয়
 তৃষ্ণা নিবারনের পানি কেড়ে নেয় বেচে থাকার জন্যই 
তো আহার ,পানি &#124;





তেমনি তুমি তো আমার পুরো মনটাই কেড়ে নিলে, তোমার থেকে আমার দুদন্ড ও মন উঠে না সেই জলাতঙ্ক রোগের কষ্ট আমি সহ্য করতে পারি।
হিয়া কান্দে আমার জলোচ্ছ্বাস বয়ে চলে পূর্ণিমা দেখিনা দেখি শুধু অমাবস্যা বসন্ত দেখিনা দেখি শুধু শ্বাসকষ্ট &#124;



 বিষক্রিয়া ঘটে তবু এই বিষক্রিয়ার মধ্যেও আমি ভালোবাসি, কারণ তুমি বিষকে অমৃত বানিয়ে দিতে জানো।
নেশা কাটে না তোমাকে ঘিরে কামনার !
তোমার ভাবনায় জেগে ওঠে বনলতা সেনের চোখে দেখা সেই দারুচিনি-দ্বীপের সবুজ ঘাস।
 তুমি যদি বনলতা না হও, তবু তুমি তার চেয়েও বেশি— কারণ নেশার শেষ নেই, কারণ তোমারই অভিপ্রায় ভাবনায় জেগে ওঠে বনলতা সেনের চোখে দেখা সেই দারুচিনি-দ্বীপের সবুজ ঘাস।



                                                                       —জলাতঙ্কের ভেতর হারানো,দারুচিনি-ঘ্রাণ 




— বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে &#124;
কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246760/</link>
				<pubDate>Mon, 04 May 2026 19:57:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনানন্দের কবিতা বনলতা সেন এই কবিতা পড়ার সময়ও রূপকথা তোমার রূপের মাধুর্যের কথা আমার মনে পড়ে  |<br />
যখন বেশি মনে পড়ে তখন আমি আবার এই কবিতাটা পড়ি রূপকথা তুমি বনলতা সেন না হলেও<br />
বনলতা সেন কবিতার মত চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর হাল ভেঙে হারায়েছে দিশা |</p>
<p>আমি সেই নাবিক এর মত  অতিদূর সমু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246760"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246760/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">631a57bc0e4b3782751b33f3b55fd039</guid>
				<title>আমরা কেউই নিখুঁত মানুষ নই ভুল মানুষকেই ভালোবাসি, আর সেই ভালোবাসার ভেতরেই বারবার আহত হই। 

মানুষ নিখুঁত না হলেও, অনুভূতি সত্য হতে পারে।নিখুঁত হওয়াটা আসলে একটা মিথ—যেটা আমরা নিজেদের শান্ত রাখার জন্য বিশ্বাস করতে চাই।ভালোবাসা কোনো পুরস্কার না,
এটা একটা ঝুঁকি।


একটা নীরব চুক্তি—যেখানে আমরা জানি, আঘাত পাবো, তবুও এগিয়ে যাই।তবুও আমরা সেই অসম্ভব “নিখুঁত” ধারণার ভেতরেই ভালোবাসা খুঁজি।


যেখানে মানুষ ভাঙা নয়, ক্লান্ত নয়, দ্বিধাগ্রস্ত নয়—শুধু সুন্দরভাবে সাজানো একটা কল্পিত রূপ।
কিন্তু বাস্তব মানুষ কখনো সেই রূপে থাকে না।মানুষ মানেই অসম্পূর্ণতা।


তার ভেতরে থাকে পুরনো ক্ষত, না বলা গল্প, চাপা অভিমান, আর এমন কিছু দিক—যেগুলো সে নিজেও ঠিকভাবে বোঝে না।একসময় আমরা বুঝতে শিখি,
যাকে আমরা সবচেয়ে বেশি “আপন” ভেবেছিলাম,
তার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি “অচেনা” লুকিয়ে থাকে।
আর সেই অচেনাই একদিন আমাদের ভিতরে শূন্যতা তৈরি করে।

তবুও মানুষ থেমে যায় না।
কারণ হৃদয় যুক্তি বোঝে না।
সে শুধু টান বোঝে, শুধু অনুভব বোঝে।

এভাবেই আমরা বারবার ভুল মানুষকে ভালোবাসি—
আর সেই ভুলের ভেতরেই নিজেদের খুঁজে পাই।আহত হই, আবার ঠিকও হই।
ভেঙে যাই, আবার জোড়া লাগি।              


   We are not perfect souls upon this earth, 
Yet love we place where flaws are born and bred. 
And thus we bleed, through every tender birth Of love misplaced,
 by hearts misled.   


    আমরা ভাঙি, তবু থামি না।যেন জীবনের পথেই লেখা আছে—ভাঙা দিয়েই গড়তে হবে নতুন অর্থ।  মানুষ তবু মানুষকে খোঁজে,    কারণ একা থাকার মধ্যে কোনো পূর্ণতা নেই। 
আমরা এমন কাউকে চাই, যে আমাদের ভাঙা অংশগুলো বুঝবে&#124;                                                                       








—মানুষ নিখুঁত না হলেও, অনুভূতি সত্য হতে পারে।

কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245905/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Apr 2026 17:59:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমরা কেউই নিখুঁত মানুষ নই ভুল মানুষকেই ভালোবাসি, আর সেই ভালোবাসার ভেতরেই বারবার আহত হই। </p>
<p>মানুষ নিখুঁত না হলেও, অনুভূতি সত্য হতে পারে।নিখুঁত হওয়াটা আসলে একটা মিথ—যেটা আমরা নিজেদের শান্ত রাখার জন্য বিশ্বাস করতে চাই।ভালোবাসা কোনো পুরস্কার না,<br />
এটা একটা ঝুঁকি।</p>
<p>একটা নীরব চুক্তি—যেখানে আমরা জানি, আঘাত পাবো, তবুও এগিয়ে যাই।তবুও আমরা সেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245905"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245905/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ecb7dd095a7b9a3af556088f0070f341</guid>
				<title>&#039;বৈশাখ এল&#039;&#039;
বৈশাখ উপলক্ষ্যে অনেক মেলা হত, এখনো হয়  গ্রাম-বাংলার &#124;
তালপাখা—লাল সুতোয় বাঁধা, হাতলের গোড়ায় পোড়া দাগ দেওয়া,
 বাতাস করলে শব্দ করে এমন পাখা।


এক সময় যার বাতাসে জুড়াতো ক্লান্ত গ্রীষ্মের দুপুর, আজ সেই পাখা যেন শুধুই বৈশাখের তালপাখা নামেই নয়, বিরহের পাখা।
বৈশাখ মাসের তালপাতার তৈরি পাখাটি যেন বিরহের বেদনাকে বাতাসে মেলানো একটি হাতা।
এটি কেবল শরীরের দাবদাহ নিবারণ করে না, বরং মনের বিচ্ছেদের তাপও যেন ছড়িয়ে দেয় 
চারদিকে।

বাংলার এই গ্রীষ্ম,
এই কাঁঠালপাতার রোদ,
এই পুকুরধারের নিঃশব্দ দুপুর—
সব কিছু যেন একটি পাখার ভিতর
খুঁজে পায় তার অস্পষ্ট নিজের মুখ।
এককালে,
 গ্রাম-বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে বৈশাখ মানেই নতুন তালপাখা। 


নদীর ধারের তালগাছ থেকে কেটে আনা কচি পাতা, রোদে শুকিয়ে, ছাঁচে কেটে, লাল সুতোয় বাঁধা—সবটাই যেন এক মৌসুমি শিল্প। 

বুড়ো শিল্পীরা বলতেন, তালপাতার পাখা কেবল বাতাস করে না,
 সে কথা বলে।


ঊনিশ শতকের শেষ দিকে  ফরাসি পর্যটক ও লেখক এমিল গিমে এক লেখায় লিখেছিলেন, “বাংলার তালপাখা যেন একটি বাদ্যযন্ত্র।
 বাতাসে তার কর্কশ শব্দ গ্রামের একাকিত্বকে সঙ্গত করে।


তখনকার জমিদারবাড়ির বৈশাখী মেলায় সেরা তালপাখার প্রতিযোগিতা হতো। 
কিছু পাখা আবার যৌতুকের সামগ্রী হতো—বরের বাড়ি যেত নববধূর হাতে। 
সেসব পাখার গায়ে পোড়া দাগ দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হতো মনসা-বিদ্যার মন্ত্র বা পাঁচালি।
ভালোবাসার পথ একটি  পরীক্ষা, যেখানে মানুষ প্রস্তুতি ছাড়াই বিরহের কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়।


কারণ অধিকাংশ পবিত্র ভালোবাসাই হারিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়, যেখানে প্রেমিক হৃদয়ের অনুভূতিকে অবহেলা করে।



আমরা মানুষ যেন অস্তিত্বের গভীরে ,পরস্পরের প্রতিপক্ষ সাপে-নেউলের মতো 
তাই জীবনে চাওয়ার মধ্যে পাওয়ার মধ্যে সাপে-নেউলের সমীকরণ ঘটে &#124;
 


বিসমিল্লাহ খানের সুর যেমন শব্দ ছাড়াই মানুষের মনকে নাড়িয়ে দেয়, তেমনি আমার জীবনের অনেক অনুভূতিও প্রকাশ পায় না। 


আমি বাইরে থেকে স্বাভাবিক হলেও, ভেতরে এক অসমাপ্ত গল্পের মতো বেঁচে আছি। 
বিসমিল্লাহ খানের বাঁশির সুর আর বিরহ—দুটোই আলাদা জগৎ নয়; বরং একই অনুভূতির দুই ভিন্ন প্রকাশ, যেখানে কষ্ট শব্দ হয়ে নয়, অনুভব হয়ে বেঁচে থাকে। 

এই দ্বৈত অনুভূতিই আমাকে বিরহের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে।
 

হুমায়ূন আহমেদের চরিত্রগুলোর মতো আমিও এক ধরনের নিঃসঙ্গতা বহন করি, যেখানে হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে অজানা এক বিষণ্ণতা।                                                                         

বিসমিল্লাহ খানের  গানটি:
দিল কা খেলোনা, হায়ে টুট গয়া
কোঈ লুটেরা আকে লুট গয়া
দিল কা খেলোনা, হায়ে টুট গয়া
হুয়া ক্যা কুসুর অ্যায়সা সাঁইয়া হামারা
জাত্যে হুয়ে জো তুনে হামেঁ না পুকারা &#124;                                                                                                               



কোথাও কেউ নেই। তবু মনে হয়, কেউ একজন ঠিক ছিল… ! 
ছিল না শুধু আমার জন্য।                                                           


তুমি যে ছিলে না—
তা সত্য নয়,
তুমি যে ছিলে—
তাও অসত্য,
তুমি যে “থাকতে পারতে”—
এইটিই আমার বেঁচে থাকার সবচেয়ে নিষ্ঠুর কারণ।

হে অন্তরালের গর্ভে গুমরে ওঠা সম্ভাবনা,
তুমি আসো নাই, তবু আমি প্রতিদিন প্রস্তুত ছিলাম,
যেন কোনও বিধবা বধূ—
শ্মশানে স্বামীর অপেক্ষায়।

তোমার নাম জানে না ইতিহাস,
তবুও আমার দিনলিপির প্রতিটি পাতায়
তোমার জন্য রাখা আছে একখানা খালি গদ্য,
যেখানে তুমি এলেই—
সমস্ত বাক্য নিজেকে সাজিয়ে নেবে
তোমার মতো করে।

 
                                                   — বৈশাখের তালপাখা : বিরহের পাখা
 
  কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245011/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 08:56:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8216;বৈশাখ এল&#8221;<br />
বৈশাখ উপলক্ষ্যে অনেক মেলা হত, এখনো হয়  গ্রাম-বাংলার |<br />
তালপাখা—লাল সুতোয় বাঁধা, হাতলের গোড়ায় পোড়া দাগ দেওয়া,<br />
 বাতাস করলে শব্দ করে এমন পাখা।</p>
<p>এক সময় যার বাতাসে জুড়াতো ক্লান্ত গ্রীষ্মের দুপুর, আজ সেই পাখা যেন শুধুই বৈশাখের তালপাখা নামেই নয়, বিরহের পাখা।<br />
বৈশাখ মাসের তালপাতার তৈরি পাখাটি যেন বিরহের বেদনাকে বাতাসে মেলানো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245011"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245011/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e5cf2d0b7164485ad8b5a40cd47c5de</guid>
				<title>আমার দেশ  বাংলাদেশের ছয় ঋতু একসময় প্রতিটিতেই ছিল আলাদা ভালোলাগা।  
“আমি ভাবতাম, আনন্দের শেষ নেই।  
গ্রীষ্ম মানে আম-জামের গন্ধ, বর্ষা মানে কাগজের নৌকা
গ্রীষ্মের দুপুরে ডাবের জল খেয়ে ছায়ায় শুয়ে থাকাটা এক রকম স্বর্গ। 
বর্ষার সকালে জানলা খুলে বৃষ্টি দেখাটা এক রকম প্রেম। 


শরতের রাতে পূর্ণিমার আলোয় হাঁটাটা এক রকম জাদু। হেমন্তের বিকেলে খেতে খেতে ধানের গন্ধ নেওয়াটা এক রকম উৎসব। 
শীতের সকালে গরম চা হাতে কুয়াশায় ঢাকা ঘাসে পা রেখে হাঁটাটা এক রকম কবিতা। আর বসন্ত?

 বসন্ত তো ছিল আমার শ্বাস নেওয়ার কারণ।  
কিন্তু আজ?  


আজ গ্রীষ্ম মানে শুধু পোড়া মাংসের গন্ধ—আমার বুকের ভেতরটা পুড়ছে। 
বর্ষা মানে শুধু কর্দম—আমার চোখের জল মাটিতে মিশে যায়।

 শরৎ মানে শুধু ফাঁকা আকাশ—ওই আকাশে তুমি নেই বলে মনে হয় যেন আকাশ কাঁদছে।
 হেমন্ত মানে শুধু কাটা ধানের ক্ষেত—আমার ভালোবাসার ফসল কেউ কেটে নিয়ে গেছে।


 শীত মানে শুধু কাঁপা শরীর—তোমার গরম ছোঁয়া না পেয়ে শরীর জ্বর জ্বর করে। আর বসন্ত?
 বসন্ত মানে এখন শুধু পাগলামি নয়, 

বসন্ত মানে এখন শুধু ‘তুই কোথায়?’—এই একটা প্রশ্ন, 
যার উত্তর দিতে কেউ আসে না।  
তাই বলছি, এখন কোন ঋতুতেই শান্তি নেই।  
আনন্দ নেই। উপভোগ করতে পারি না।  
সব ঋতু এখন শুধু তোমার অনুপস্থিতির নানা রূপ। 


 
গ্রীষ্ম তোমার রাগের রূপ, বর্ষা তোমার কান্নার রূপ, শরৎ তোমার নীরবতার রূপ, হেমন্ত তোমার ফিরে না আসার রূপ, শীত তোমার দূরত্বের রূপ, আর বসন্ত? 


বসন্ত এখন শুধু ‘আমি আছি বলেই জানি, অথচ নেই বলেই কাঁদি’—এই বটগাছের পাতার মতো ঝরে পড়া অপেক্ষার রূপ।


বসন্তে বেশিরভাগ আমি দরজা বন্ধ করে দিই—ওই হাওয়ায় আর পারি না শ্বাস নিতে   কোন ঋতুতেই শান্তি নেই। কোন ফুলে নেই সুখ। কোন হাওয়ায় নেই উড়ান।  
 সব ঋতু এখন তোমার অনুপস্থিতির আলামত। সব ঋতু এক রঙ—বিরহের কালো।



তবুও মাঝে মাঝে ভাবি—যদি একদিন তুমি ফিরে এসে বলো, ‘এই নাও, তোমার ছয় ঋতু ফিরিয়ে দিলাম’
তাহলে আমি হয়তো প্রথমে কাঁদব, তারপর বলব—‘আমাকে একটু সময় দাও, আমি ভুলে গেছি কীভাবে আনন্দ করতে হয়।


আমি এখন আর ঋতু চিনতে পারি না। চোখ বন্ধ করে শুধু শুনি—তোমার পায়ের শব্দ কোথাও নেই। নিঃশ্বাসের ভেতর শুধু একটি নাম জপা হয়, আর সব ফাঁকা&#124;



“এমন না যে বাঁচতে চাই না—বাঁচতে চাই। কিন্তু কীভাবে বাঁচি, যখন গ্রীষ্মের রোদে তোমার ঘামের গন্ধ নেই, শীতে তোমার গলা জড়ানোর উষ্ণতা নেই? আমি যেন একটি ঘড়ি, যার কাঁটা সব ঋতুতে এক জায়গায় আটকে গেছে—সেই জায়গাটির নাম ‘তুমি’।”



“তাই আজ আমি ঋতুদের অভিশাপ দিই। বলি, তোদের সব রং ফিকে হোক। 
তুই ফিরে না আসা পর্যন্ত যেন সব ফুল শুধু কাঁটা দিয়ে হাসে। 



“তবে কি ঋতু ফিরে পেতে হলে তোমাকে ফিরে পেতেই হবে?
 না কি কোনো দিন এমন হবে, আমি একা একাই সব ঋতুর রং মেখে নিতে পারব? পারব না জানি। তবু চেষ্টা করি—তোমাকে ছাড়া বাঁচার।”

তুমি-ছাড়া ঋতুরা একরঙা ছয় ঋতুর একটাই সুর 
 তুমি কোথায়?






  —শুধু একটি প্রশ্নের ছয়টি উত্তরহীন ঋতু &#124;
কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি &#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243968/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 08:49:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার দেশ  বাংলাদেশের ছয় ঋতু একসময় প্রতিটিতেই ছিল আলাদা ভালোলাগা।<br />
“আমি ভাবতাম, আনন্দের শেষ নেই।<br />
গ্রীষ্ম মানে আম-জামের গন্ধ, বর্ষা মানে কাগজের নৌকা<br />
গ্রীষ্মের দুপুরে ডাবের জল খেয়ে ছায়ায় শুয়ে থাকাটা এক রকম স্বর্গ।<br />
বর্ষার সকালে জানলা খুলে বৃষ্টি দেখাটা এক রকম প্রেম। </p>
<p>শরতের রাতে পূর্ণিমার আলোয় হাঁটাটা এক রকম জাদু। হেমন্তের বিকেলে খেতে খেতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243968"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243968/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">867cdac6005989c23662bf82e12b7b58</guid>
				<title>8.

কিছু বিদায় কখনো কখনো সম্পন্ন বিদায় হয় না ,
অনুভূতি নতুন নাম নেয়—
কখনো দীর্ঘশ্বাস,
কখনো অভ্যাস !


আজ নিজের ভেতরে বিচার বসালাম।
হৃদয় — অভিযুক্ত।
স্মৃতি — সাক্ষী।
সময় — বিচারক।
অভিযোগ একটাই—
ভালোবাসা।
সময় জিজ্ঞেস করল,


“তুমি কি জেনে শুনে ভালোবেসেছিলে তুমি কি জানতে?
যে একদিন তুমি শূন্যতার পার্কে দোলনা দুলবো আর সেখানে দেখবে কিছু যত্নহীন ফুলকে ফুলগুলো পর্যাপ্ত পানি পায় না শুকিয়ে গেছে &#124;


হৃদয় মাথা নিচু করে বলল—
“আমি অপরাধ বুঝিনি,
শুধু সত্য মনে হয়েছিল।”
স্মৃতি তখন দাঁড়িয়ে বলল—
“সে ছিল…
অন্তত অনুভূতিতে ছিল।” 
রায় এখনো ঘোষণা হয়নি।
কারণ ভালোবাসা কখনো পুরোপুরি
দোষী প্রমাণিত হয় না।
রাতের গভীরে হঠাৎ প্রশ্ন জাগে—
সে কি সত্যিই ছিল?
সে কি মানুষ ছিল?
নাকি আমার নিঃসঙ্গতার ভিতরে
আমি নিজেই নাকি তারে আমি আমার গল্পে রূপকথা চরিত্র সৃষ্টি
করছিলাম ?


হয়তো সে ছিল অন্ধকার বাসীদের আলো দেখাতো ,
যাকে আমি নাম দিয়েছিলাম মানুষ।

মেঘ যেমন চাঁদকে ঢেকে নেই তেমনি আমার জীবন রেখায় পূর্ণিমা নেই
 মেঘে ঢাকা পড়ছে &#124;



— মেঘে ঢাকা পূর্ণিমা &#124;





বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
       “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243161/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 15:46:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>8.</p>
<p>কিছু বিদায় কখনো কখনো সম্পন্ন বিদায় হয় না ,<br />
অনুভূতি নতুন নাম নেয়—<br />
কখনো দীর্ঘশ্বাস,<br />
কখনো অভ্যাস !</p>
<p>আজ নিজের ভেতরে বিচার বসালাম।<br />
হৃদয় — অভিযুক্ত।<br />
স্মৃতি — সাক্ষী।<br />
সময় — বিচারক।<br />
অভিযোগ একটাই—<br />
ভালোবাসা।<br />
সময় জিজ্ঞেস করল,</p>
<p>“তুমি কি জেনে শুনে ভালোবেসেছিলে তুমি কি জানতে?<br />
যে একদিন তুমি শূন্যতার পার্কে দোলনা দুলবো আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243161"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243161/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0acd700916fb73cd4d867e3b00b60889</guid>
				<title>7.

বিস্তীর্ণ বিরাণভূমির মাঝখানে বসানো ,লাইন ধরে ছুটে চলা ঝিকঝিক ট্রেনের শব্দের মত কানে বাজে:
তুমি নির্ঝরিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছো 
নিজ থেকে&#124;
তুমি কেন আত্মগোপনে গেলে,
আমায় না জানিয়ে ? 


যেমন কোমায় থাকা মানুষ সহজে আর দু -চারটে মানুষের মতো,
সুস্থ জীবনে ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষুদ্র শিল্পের মতো দেখা দেয়&#124;
তেমনি তোমারও আত্মগোপন থেকে ফেরা এক প্রকার মৃৎশিল্প &#124;


মায়াবণের হরিণী আমি তো তোমাকে , 
&#039;&#039; শিকারির মত হরণ করতে চাইনি&#039;&#039; তুমি কেন ভয় পাও 
আমারে ?
একটু দুই পা এগিয়ে আসো :
নতুন বইয়ের মত মিষ্টি সুগন্ধ নিয়ে আসো ;আসো আমায় ভালোবাসো &#124;


তোমার দুই বাহুর অভয়ারণ্যে,
আমি এক টুকরো নিশ্চিন্ত চাঁদ হয়ে ভাসতে চাই।





মৈত্রী দেবীর বই ‘ন হন্যতে’, যার অর্থ ‘It does not die’ বা যার ‘ক্ষয় নেই, মৃত্যু নেই’ তেমনি তোমার প্রতি ভালোবাসায় ,আমার ‘ক্ষয় নেই ;মৃত্যু নেই’ &#124; 



সকলেই চলে যায়—থাকা যায় না বলেই হয়তো,
নিয়মটা ভঙ্গ করতে পারতে তোমার ক্ষেত্রে এমন হতে পারতো অনুকরণীয় বিবেচ্য নয় &#124; 


কতদিন আর রাখবে একা করে, আমায় ?
এই মনের সাধক বলে তোর মন নিয়ে সাধনা করি &#124; 
কেন যেন হঠাৎ একটা ,পাগলামো ইচ্ছেটা মাথায় চেপেছে,খাঁচায় বন্দি ময়না পাখি পুষবো জানি ;আমি খাঁচায় বন্দি পাখি পোষা পাপ &#124;

যেমন মানুষ জেলে থাকলে কষ্ট ,কাউকে একঘরে করে রাখলে কষ্ট
তেমনি খাঁচায় বন্দি পাখিরও কষ্ট লাগে &#124;



তবুও পাগলামো ইচ্ছেটাকে পূরণ করতে খুবই তাড়া দিচ্ছে,
কারন ময়না পাখি দেখলে মনে হবে আমার ময়না পাখি আমার সামনে আছে ,ময়না পাখির মতো তোমাকে পুষে রাখি মনে &#124;





                                                                   —অন্তর্লোকের বোবা টানেল 




বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
           “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242781/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 06:54:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>7.</p>
<p>বিস্তীর্ণ বিরাণভূমির মাঝখানে বসানো ,লাইন ধরে ছুটে চলা ঝিকঝিক ট্রেনের শব্দের মত কানে বাজে:<br />
তুমি নির্ঝরিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছো<br />
নিজ থেকে|<br />
তুমি কেন আত্মগোপনে গেলে,<br />
আমায় না জানিয়ে ? </p>
<p>যেমন কোমায় থাকা মানুষ সহজে আর দু -চারটে মানুষের মতো,<br />
সুস্থ জীবনে ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষুদ্র শিল্পের মতো দেখা দেয়|<br />
তেমনি তোমারও আত্মগোপন থে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242781"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242781/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2759efa50fe165d6352ee6d48a8e332</guid>
				<title>6.

Pablo Neruda অভিব্যক্ত করেছেন,
&quot;So I wait for you like a lonely house
till you will see me again and live in me.&quot;

অর্থাৎ—&quot;আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করি, যেমন এক নিঃসঙ্গ ঘর অপেক্ষা করে, যতক্ষণ না তুমি আমাকে আবার দেখবে এবং আমার ভেতরে ফিরে আসবে।&quot;
Neruda-এর শব্দগুলো যেন আমার সেই নীরব ঘরের দেয়াল, যেখানে দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অভিমান, এবং বিরহ একসাথে বসবাস করে।


এই উক্তি যেন আমার নিজের হৃদয়ের কথা বলছে।
বুকের মধ্যভাগে খড়কুটো জমা হতে হতে বিরহের বাসা তৈরি হয়ে গেছে, কেঁচো খুঁড়তে আর কেউ বের হয় না। 

আমি যে এক অভিমানী কবি,
 জানি—
অভিমান করে কোনও মতিগতি হবে না,কিন্তু ধৈর্যেরও সীমা আছে।
 
&#039;&#039;আমার ভালোবাসার কোনো মুনাফা নেই&#039;&#039;
তবুও চাতক-চাতকীর মতো— এখন আর বৃষ্টির জলে মেটে না পিপাসা। 
তুমি জলধরার সন্ধান দিতে পারলে না, যে।
পার্থ ঘোষ :এর লেখা আধুনিক গান শুনেছিলাম গানটির 
ভাষা যেন আবেগের তাঁত শিল্প রচয়িতা করেছে , ধরো যদি হঠাৎ সন্ধ্যে,


তোমার দেখা আমার সঙ্গে।
মুখোমুখি আমরা দু&#039;জন,
মাঝখানে অনেক বারণ।
বাইরে তখন হাওয়া ঝোড়ো,
তুমি হয়তো অন্য কারো।
&#039;&#039;বাইরে তখন হাওয়া ঝোড়ো,


‘’তুমি হয়তো অন্য কারো&#039;&#039; এ লাইনের মত আসলেই তুমি অন্য কারোর হবে হয়তো এটা মেনে নিতে গেলে আমার বক্ষ মাঝে খাঁজ কাটা হয়ে যায় &#124; 

বাঙালি মেয়েরা যেমন আট পেড়ে শাড়ি পড়ে ,শাড়ির প্রতিটি পার শক্ত হয় আটকে থাকে &#124; তেমনি আমার জীবনে ,
রবি ঠাকুরের গান : 
আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীন তোমাতে করিব বাস দীর্ঘ দিবস,
 দীর্ঘ রজনী দীর্ঘ বরষ মাস &#124;

খোয়ারে আটকপালে বন্দি দশা অনুযায়ী একজন বন্দিনী তার শুদ্ধ প্রেমের দায়ে যাবজ্জীবন কারা দন্ডিত হয়ে গানের মত বলে ওঠে আমার বিরহ দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী দীর্ঘ বরষ মাস &#124;


ভাস্কর চক্রবর্তী এর লেখা আছে :এইসব সারেগামা পেরিয়ে তোমার কাছে ,
দু-দন্ড বসতে ইচ্ছে করে।
আমার তৃতীয় চোখ হারিয়ে গিয়েছে। 
সেজন্যই তোমারে আর কল্পনায় বহুদিন খুঁজে পাচ্ছি না মননের অপহরণ হয়েছে &#124; 


নিঃসঙ্গ ঘরে বিরহের গান বাজে ;দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও
প্রেমের বন্দিত্ব দাসত্ব পরাধীনতা স্বাধীনতার সাথে 
ছিনিমিনি খেলে &#124;

   
                                        —     শেষমেশ ইচ্ছেগুলো উধাও হয়েছে &#124;
        























বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।     
      “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242780/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 06:51:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>6.</p>
<p>Pablo Neruda অভিব্যক্ত করেছেন,<br />
&#8220;So I wait for you like a lonely house<br />
till you will see me again and live in me.&#8221;</p>
<p>অর্থাৎ—&#8221;আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করি, যেমন এক নিঃসঙ্গ ঘর অপেক্ষা করে, যতক্ষণ না তুমি আমাকে আবার দেখবে এবং আমার ভেতরে ফিরে আসবে।&#8221;<br />
Neruda-এর শব্দগুলো যেন আমার সেই নীরব ঘরের দেয়াল, যেখানে দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অভিমান, এবং বিরহ একসাথ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242780"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242780/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b0be0616a3a6768439d073c2fbac639d</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and Rodoranjana Binte Anamika are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242600/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 15:10:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3018625e16a22ca187e023e38d2e1b34</guid>
				<title>5.

হায় বিরহিনী, তোর কি তরী এল না তীরে?
ওগো বিদেশিনী, আজি বসন্তে
এ পারাবারে ও পারাবারে— 
মিলন কি হয় স্বপ্নে?
বসন্ত জাগে, হৃদয় থাকে প্রতীক্ষায় &#124;

&quot;রবীন্দ্রনাথের দর্শনে বসন্ত শুধু ঋতু নয়&#039;&#039; এটি হৃদয়ের জাগরণের প্রতীক। 
  কিন্তু যখন এই জাগরণ ঘটে না, 
তখন মন দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে কাকে ডাকে? 


&quot;রবীন্দ্রনাথের আজকে যে গানটি নিয়ে আলোচনা করব, 
সেখানে বসন্ত দরজায় কড়া নাড়লেও মন সাড়া দেয় না,
শোনেন: 


&quot;আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে,
তবু কেন রে মন নাহি উতরে?
ওই দূর সমুদ্রের পানে,
কে ডাকে তোরে অশ্রু-গানে?&quot;


&quot;জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন,
&#039;হয়তো বসন্তের এই নীল সমুদ্রের ভালোবাসা বুকে নিয়েই হারিয়ে যাব কুয়াশায়।&#039;
এই একটি লাইনেই ধরা পড়ে যায় তাঁর কবিতার মূল সুর—
ভালোবাসা, প্রকৃতি ও মৃত্যুর এক অপরূপ মিলন।
হয়তো একদিন আমি চলে যাব ,কিন্তু তার আগে বসন্তের এই নীল সমুদ্রের মতো অসীম ভালোবাসা বুকে নিয়ে&#124;



জীবনানন্দের কবিতায় সাগর আর বসন্তের মধ্যে এক
বিষণ্ণ বিরহ আছে: 

&quot;আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে,
হয়তো মানুষ নয়— হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এ-কার্তিকের নদীটির কাছে&#124;
এই ভোরের মধ্যে ডুব দিয়ে,
হয়তো বা বসন্তের এই নীল সমুদ্রের ভালোবাসা নিয়ে
মরে যাব— কুয়াশায় মিশে যাব তবু আবার আসিব।&quot;

&quot;তুমি ছিলে বলে পলাশ এত লাল হতো,বসন্তের আগুন বুকে নিয়েও 
কেন আমি জ্বলি না? 

পলাশের রং দেখে ভেবেছিলাম, ভালোবাসা চিরকাল 
এমন রক্তিম থাকবে।
জানতাম না, রক্তিম বর্ণ একদিন রক্তশূন্যতা হবে &#124; 
&#039;&#039;বসন্ত প্রতিবারের মতো আসলেও কিন্তু যার জন্য হৃদয়
জেগেছিল, সে এখন গ্রীষ্ম ঋতুতে। &#039;&#039; 


                                             
কিছু সূর্যমুখী শুকিয়ে যায়,
রঙের উজ্জ্বলতা যায়, শক্তিও ফিকে হয়।
তবু নিয়ম ভাঙে না,
শুকিয়েও তারা মুখ করে সূর্যের দিকে। 
হয়তোবা আমরা মানুষরা তেমনি,
কোনো এক অপেক্ষার নামে দাঁড়িয়ে থাকি।


হয়তো আমরা আসলে কোনো কিছু পাওয়ার জন্যই অপেক্ষা করি না, হয়তো আমরা অপেক্ষা করি নিজেকেই খুঁজে পাওয়ার জন্য। 


শুকিয়ে যাওয়া প্রতিটি দিন আমাদের কাঠামোকে শক্ত করে, আমাদের শেকড়কে মাটির আরও গভীরে পাঠিয়ে দেয়।


আর একদিন আমরা দেখি, সেই শুকনো কাঠই হয়তো জ্বলে উঠেছিল প্রদীপ হয়ে, কাউকে আলো দিতে। 
আমরা দেখি, সেই অপেক্ষাই আমাদের ভাস্কর্য করে তুলেছে— ক্ষণিকের আবেগ নয়, চিরন্তন এক সত্তায় পরিণত করেছে।

প্রশ্নটা আরও এগোয়: সার্থকতার আলো কি বাইরে থেকে আসে? 
নাকি আমরা নিজেরাই, দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্ত শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, হঠাৎ বুঝতে পারি যে ভোর হয়েছে?

 
যে শুকিয়ে যাওয়া মানেই মৃত্যু নয়, বীজের সুপ্তাবস্থা—যে একদিন ফিরে পাওয়া মানে ফুল ফোটানো নয়, বরং ফুল হয়ে ওঠা?


হয়তো অপেক্ষার অন্তিম সার্থকতা এই নয় যে আমরা যা চেয়েছি, তা পেয়েছি।


বরং এই যে, অপেক্ষা করতে করতেই আমরা এমন কেউ হয়ে উঠেছি, যার কাছে আর পাওয়া-না-পাওয়া অর্থহীন। 
আমরা তখন নিছক দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ নই; আমরা নিজেরাই এক আলোকিত স্তম্ভ, যে জানে—দিনগুলো শুকিয়ে গিয়েছিল বলেই আজ এত গভীর করে বুঝতে পারি শিশিরের মূল্য।


অপেক্ষাটাই শেষ পর্যন্ত &#039;আমি&#039; হয়ে ওঠার নাম।
 
কারণ প্রতিটি অপেক্ষা আমাদের ভেতরের কাউকে না কাউকে মেরে ফেলে আর কাউকে না কাউকে জন্ম দেয় : 
&#039;&#039;যত দূরেই থাকো, ভালোবাসা অপরাজেয়!&#039;&#039;


এই বসন্ত বাতাস বলে ওঠে—প্রতিবাদে ফুঁড়ে ফুঁড়ে,
শুধু দখলদার বিরহের শেষ চিহ্ন মুছে দাও রে!
ফিরিয়ে দাও আমার প্রাপ্য আলো, এই ব্যথা আমার অস্ত্র,
এই প্রেম আমার অধিকার &#124;


&#039;&#039;শোনো—রূপকথা&#039;&#039;
প্রেমের মিছিল থামে না, থামবে না!
এই মিছিলের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছো?

এই শব্দ কেবল পায়ের নয়, এটি আমাদের বুকের গভীর থেকে ওঠা রাগের গর্জন!
যে প্রেম মরে গিয়ে নতুন করে বাঁচতে শেখায় &#124;
সেই প্রেমের ইনকিলাব জিন্দাবাদ!





                                                                   —বসন্তের বাতাসে উচ্চারিত অন্তরের ঘোষণা &#124;


















— বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
     “কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242563/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 04:37:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>5.</p>
<p>হায় বিরহিনী, তোর কি তরী এল না তীরে?<br />
ওগো বিদেশিনী, আজি বসন্তে<br />
এ পারাবারে ও পারাবারে—<br />
মিলন কি হয় স্বপ্নে?<br />
বসন্ত জাগে, হৃদয় থাকে প্রতীক্ষায় |</p>
<p>&#8220;রবীন্দ্রনাথের দর্শনে বসন্ত শুধু ঋতু নয়&#8221; এটি হৃদয়ের জাগরণের প্রতীক।<br />
  কিন্তু যখন এই জাগরণ ঘটে না,<br />
তখন মন দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে কাকে ডাকে? </p>
<p>&#8220;রবীন্দ্রনাথের আজকে যে গানটি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242563"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242563/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd989cfae2120e5352ceb46746f3e5ac</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and পিপীলিকা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242320/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 09:45:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9fb414c1a6545fd878959e902ca2e7b9</guid>
				<title>4.

10/02/26 থেকে 15/02/26—এই পাঁচ দিনের দীর্ঘ অন্তরালে মাইগ্রেন রাতে উড়ে বেড়ানো বাদুড়ের মতো আমার চোখে দানা বেঁধেছিল। 

বলা হয়, বসন্ত মানেই পুনর্জন্মের ঋতু—আমার কাছে তা অবর্তমানদের আনুষ্ঠানিক প্রত্যাবর্তন।
বসন্তের রঙে সবার মনে উল্লাস ,অথচ আমার মন অবিচারের রোষে ভিজে &#124; 

&#039;&#039; বহির্জগৎ পুষ্পিত, রঙিন, উচ্ছল; কিন্তু আমার অন্তঃস্থলে এখনো হিমঋতুর স্থবিরতা&#039;&#039; 

এ যেন ঋতুচক্রের মাঝখানে আমার ব্যক্তিগত অনশন; অনুভূতির এক দীর্ঘ উপবাস।


চশমা ছাড়া সবকিছু ঝাপসা, অস্পষ্ট, অমীমাংসিত মনে হয়,প্রকৃতির প্রতিটি তরঙ্গছন্দ, ফুলের সুগভীর সুবাস—সবই মিলিত হয়ে ,অনাবিষ্কৃত এক অজ্ঞাত অনুভূতি সবই আমার চোখে মিলিয়ে যায় &#124;




অতৃপ্ত প্রতীক্ষার অন্তঃস্বরেই জন্ম নেয় এক আর্ত সংগীত:

গানের নামঃ এসো, এসো প্রিয়া
স্তবক ১
কৌকিলা ডাকে কুহু কুহু করে,
শুধু তুমিই ডাকো না, ওগো প্রিয়,
এসো রে, আমারি দুয়ারে।
কবে যে শুনিবো তোমারি সেই অমীয় বানী,
এসো এসো প্রিয়া, আমারি দুয়ারে।
স্তবক ২
কুসুম ফোটেরে কাননে, গন্ধ ছড়ায় হাওয়ায়,
বসন্ত বসে আছে তোমারে ভাবনায়।
বাসন্তী রঙে রঙে, মন করে প্রিয়া প্রিয়া
এসো রে, এসো প্রিয়া।
এসো, এসো, প্রিয়া
খুলে দাও তোমার হৃদয়ের দুয়ার।
স্তবক ৩
আমার প্রহর গোনে অন্ধ বালকের মতো,
পৃথিবীর আলো দেখে সে আশার চোখে।
প্রতীক্ষা নিঃশব্দ সুরে, গোপন ব্যথা গায়
এসো, এসো প্রিয়া,
খুলে দাও তোমার হৃদয়ের দুয়ার।
স্তবক ৪
তুমি না এলে
বাঁশির সুর কাঁদে, নিঃশব্দ রাত জাগে,
রাখাল আর নেই, বংশীও বোবা বনে।
স্তবক ৫
তুমি না এলে
মধুর হাঁড়ি ভাঙে মৌমাছির হাহাকারে,
ফুলহীন বাগানে কাঁদে প্রজাপতির গানে।
স্তবক ৬
তুমি না এলে
সমুদ্র ঢেউ ফোটায় নিঃশব্দ কান্নার ঢেউ,
এসো, এসো প্রিয়া,
খুলে দাও তোমার হৃদয়ের দুয়ার &#124;


এসো প্রিয়া, 
যেখানে শেষ হয় না আর কোনো দিন।
মায়াবী স্বপ্ন পূরণ কর কাঁচি দিয়ে কেটে দাও দুর্ধর্ষ রাত্রি &#124;
তোমারে নিয়ে কোন সমুদ্র কেন্দ্রিক উপমা দিতে গেলে আমি তোমারে,সমুদ্র কন্যা বলতে পারি &#124;

কেন বলবো ?
 কারণ ,সমূদ্র যেমন সুন্দর শান্তি আনে এবং গর্জনে আলোড়ন সৃষ্টি করে তেমনি তুমিও ?
জলরাশির মত রহস্যময় দূরবর্তী শুভ্র নভোচারিনী &#124;


তুমি সমুদ্র স্রোতের মতো দ্রুতগামী হয়ে বয়ে চলো তাই
তোমারে ধরতে পারি না সহজে &#124;


আমি এখনও সমুদ্রের ঢেউ গুনি একা একা,প্রতিটি ঢেউ জিজ্ঞাসা করে— সে আসবে কী রে?
আর বসন্ত চলে যায় চোখের জল ফেলে। 


সমুদ্র শুধু গর্জন জানে, বসন্ত জানে ফুল ফোটানো,
তুমি কি শুধু, প্রস্থান জানো &#124;
কেন জানতে শিখলে না?
মনের ভিতর মন থাকে &#124;

কেন জানতে শিখলে না ?সেই অজানা মানুষকে সে কিনা আগে বসন্ত &#039;ভালবাসত &#039; কিন্তু এখন আর ভালোবাসে না &#124;
আমার বসন্ত তুমি ছিলে বাসন্তী রূপে ,তোমার রূপের কাছে 
এই বসন্ত কিছুই না &#124;
একটু অজানার বাইরেও ঘাটাঘাটি করতে হয় , এটা তো অন্তত সাধারণ জ্ঞানে তোমার জানা লাগতো &#124;





                       

                                    —  ওগো অনাগতা, বসন্ত কি তবে একাকীই রইল?
                                              









— বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
     কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242217/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 05:32:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>4.</p>
<p>10/02/26 থেকে 15/02/26—এই পাঁচ দিনের দীর্ঘ অন্তরালে মাইগ্রেন রাতে উড়ে বেড়ানো বাদুড়ের মতো আমার চোখে দানা বেঁধেছিল। </p>
<p>বলা হয়, বসন্ত মানেই পুনর্জন্মের ঋতু—আমার কাছে তা অবর্তমানদের আনুষ্ঠানিক প্রত্যাবর্তন।<br />
বসন্তের রঙে সবার মনে উল্লাস ,অথচ আমার মন অবিচারের রোষে ভিজে | </p>
<p>&#8221; বহির্জগৎ পুষ্পিত, রঙিন, উচ্ছল; কিন্তু আমার অন্তঃস্থলে এখনো হিমঋ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242217"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242217/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">145e71214b4e5c8186107530d7bb46d7</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and Sajibul Alam — সজীবুল আলম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241840/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 08:49:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4520c2574feb3cacbc77a7302dd99956</guid>
				<title>3.

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল প্রেমের কারণে রূপকথার পাষাণ ভার মানসিকতা আমাকে
 ধ্বংস করেছে &#124;



তুমি এখনও বহন করো।কেন ফেলে দাও না পাষাণ ভার?
কারণ পাষাণ ভার যদি ফেলে দাও,
তবে আর রূপকথা থাকে না , এই প্রশ্নের উত্তর নেই?
এখন তুমি রোগও, রোগীও, ওষুধও, অভিশাপও।





শকুন মাংস খায়, পিঁপড়ে রা লাশের ওপর জড়ো হয়,
 কারণ একবার লাশ হয়ে গেলে,
আর কখনো আগের মানুষ হওয়া যায় না।


&#039;&#039;তুমি যদি ধ্বংস যোগ্য না চালাতে
ভালোবাসার পবিত্র এই চারণভূমিতে&#039;&#039;
তাহলে বসন্তের আলাদা ঘ্রান থাকতো 
বিলাস ও থাকতো,কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক কিছুই নেই &#124;


এখন আর কোকিলের কলকাকলিতে মুগ্ধতা তেমন নেই &#124;
একবার যখন মানুষ নিজের মন ও হৃদয়কে ভাঙা কাচের আকারে দেখার শাস্তি পায়, তখন তার আগের অচেতন স্বচ্ছতা আর ফিরে আসে না &#124;

অন্তঃস্বর হরতালে বাধা প্রাপ্ত আর হৃদয় রঙ ঘোলাতে,তাই বলি—প্রেম রসের মূল্য কোথায়?

যেমন : কৃষকদের লোকসানের খাতায় শুধুই ঠেকছে সর্বনাশ,তেমনি সমাজে উচ্চ শ্রেণীর মানুষরা নিম্ন শ্রেণীর মানুষদের,মূল্য দেয় না।



যতোই থাকুক, বসন্তের রঙ ও সৌন্দর্য শুধু দেখার জন্য থাকে কিন্তু কেউ তার গভীরতার মূল্য না বোঝে।
সেজন্য কেন আমি বসন্তকে দাম দেব ?
&#039;&#039;বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।&#039;&#039;



                                             — নতুন পাতার নিচে পুরনো ইতিহাস














বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
 কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241696/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 13:42:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>3.</p>
<p>ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল প্রেমের কারণে রূপকথার পাষাণ ভার মানসিকতা আমাকে<br />
 ধ্বংস করেছে |</p>
<p>তুমি এখনও বহন করো।কেন ফেলে দাও না পাষাণ ভার?<br />
কারণ পাষাণ ভার যদি ফেলে দাও,<br />
তবে আর রূপকথা থাকে না , এই প্রশ্নের উত্তর নেই?<br />
এখন তুমি রোগও, রোগীও, ওষুধও, অভিশাপও।</p>
<p>শকুন মাংস খায়, পিঁপড়ে রা লাশের ওপর জড়ো হয়,<br />
 কারণ একবার লাশ হয়ে গেলে,<br />
আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241696"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241696/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c8da86adfcfa0ed7f38dbe105ff9bdb</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and ইফতিশা খানম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240801/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 23:56:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">28eb6f2893ac9cfb1d19bdaca5aeb243</guid>
				<title>2.

বসন্তের পাতা ঝরে যায় নতুন পাতা গজায় ,চারদিকে নতুন ফুল ধরে,রঙ্গিলা ভাব নিয়ে &#124;

নিজের মাঝে কোন রঙ্গিলা ভাব নেই আছে শুধু ,সার্কাসের মতো ভারসাম্যর রক্ষার খেলা &#124;


আমার জীবনে বসন্ত আসে যায় —এভাবে অনেকবার পালাবদল করেছে,
তবু বসন্তের সেই পুরনো মাত্রা,থেতো হয়ে গিয়েছে &#124;



বসন্ত কেমন যেন নরকের ঋতু নিয়ে আসে যতই আনুক সৌন্দর্যতা ,তবুও প্রত্যেকটা সৌন্দর্যের মধ্যে থাকে গভীর বেদনা &#124; 

গোলাপ যতই মোহময় হোক,তার কাঁটা চুপচাপ অন্তর ছিঁড়ে দেয়। 


ভালোবাসা—সবচেয়ে সুন্দর কাঁটাযুক্ত ফুল।
মধু — মিষ্টি, কিন্তু অতিরিক্ত হলে বিষের মতো।
জেলিফিশ—স্বচ্ছ ও সুন্দর, অথচ স্পর্শেই দাহ।
বনজুঁইয়ের — গন্ধ মধুর,কিন্তু ছোঁয়া রক্তাক্ত।
জঙ্গল—সবুজের গভীরে লুকিয়ে থাকে অচেনা মৃত্যু।
তারাভরা আকাশ — বিস্ময় জাগায়, তবু তার বুকজুড়ে ভীষণ নিঃসঙ্গতা।
ময়ূরের পালক — অপূর্ব,অথচ সেই রূপই পাখির ভারী বোঝা।
জোনাকি — আলো দেয়,কারণ তার আয়ু ক্ষণস্থায়ী।
আর চাঁদ—আলো দেয় ঠিকই,কিন্তু টান সৃষ্টি করে জোয়ার-ভাটার মতো &#124;


তাই বুঝেছি —
পৃথিবীর সব চমৎকার জিনিসের ভিতরে লুকিয়ে থাকে ঠিক যেন বসন্ত এবং কালবৈশাখীর যুগলবন্দী &#124;


আমার জীবনযজ্ঞে রাগ রাগেশ্বরীতে প্রথম উদ্বোধনী সুর তুলেছিল, বসন্তের এক কোকিল কিন্তু এক বসন্ত আসতে না আসতে আসতেই অপর অপর বসন্তে ফ্লপ অভিনয়ের মত অবকাশ যাপন হলো না আমার কাছে ,বসন্ত এখন অর্থহীন &#124;


মেলায় বা হুট করে বাচ্চা বা ছেলেপেলে হারিয়ে গেলে হাউমাউ করে কাঁদে তখন অর্থহীন ভাষা হয়ে দাঁড়ায় তাদের করুন চাহনি অনেকের কাছে &#124;

তেমনি আমার এই অর্থহীনতা কিনে দিয়েছে ,নিরস শুষ্ক বাবলা গাছ &#124;
 

                                                                            
                                                                           ( রঙের ঋতুতে রঙহীন আত্মকথা )
 




বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240707/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 10:54:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>2.</p>
<p>বসন্তের পাতা ঝরে যায় নতুন পাতা গজায় ,চারদিকে নতুন ফুল ধরে,রঙ্গিলা ভাব নিয়ে |</p>
<p>নিজের মাঝে কোন রঙ্গিলা ভাব নেই আছে শুধু ,সার্কাসের মতো ভারসাম্যর রক্ষার খেলা |</p>
<p>আমার জীবনে বসন্ত আসে যায় —এভাবে অনেকবার পালাবদল করেছে,<br />
তবু বসন্তের সেই পুরনো মাত্রা,থেতো হয়ে গিয়েছে |</p>
<p>বসন্ত কেমন যেন নরকের ঋতু নিয়ে আসে যতই আনুক সৌন্দর্যতা ,তবুও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240707"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240707/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">437cc8ce6ac22ae8a2c8d661d24394fa</guid>
				<title>দেশ  স্বাধীনের পর, আকাশ সীমার ওপর দিয়ে বিজয় নিশান উত্তোলিত হয়েছিল;চির শান্তি নিয়ে তেমনি আমিও চাই যুদ্ধের বলয় স্থবির হয় যেন শান্তি চুক্তি হোক &#124; 
নিপাত যাক , &#039;&#039;মন বেদনার  মরমী কথার বলি&#039;&#039;
শান্ত  আত্মার মানুষরা চিৎকার করে না , তাই মানুষ বোঝেনা তার মন কাদা নয়, কাঁচ কিন্তু শান্ত জলকে  পাথর ছুড়ে মারে সবাই &#124; 
ভূপেন হাজারিকা অনেক আগেই তার বার্তা প্রেরণ করে গিয়েছেন মানুষ, মানুষের জন্য গানে&#124; মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য একটু, সহানুভূতি কি পেতে পারে না ও বন্ধু...!
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামাজিকতার সেই ধারা আর অব্যাহত নেই ,
আবেগ বিবেকবোধ বঞ্চিত অনেকেই বিক্রি করে দিয়েছে কিছু
 মানবতার -বিশ্বাসঘাতকদের কাছে&#124;
তাদের , &#039;&#039;প্রিয় পোশাক মুখোশ&#039;&#039;  
চুপ থাকা মানুষগুলো এই দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি আহত হয়  চুপ থাকা মানুষগুলো চাই অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধগুলো থেমে যাক 
&#039;&#039;নবান্নের উৎসবে &#039;&#039;  মেতে উঠুক সবাই&#124;
সে আসলে কারোর ; করুণার নয় সে  নিজের  প্রজ্ঞার অধিকারী&#124;
 এই লেখার শেষ অংশে সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে:
 এ প্রজন্মের  রুপক কবি-
দীপ্ত কন্ঠে বলেন,  
মানুষ হও প্রকৃতিকে অনুসরণ করে,
 ঝড় না হলেও বদলে , 
  দাও-
 পরিবেশের পরিস্থিতি&#124;
 &#039;&#039;সৌন্দর্য হোক  তোমার আচরণে&#039;&#039; &#124; 



কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240626/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 14:16:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেশ  স্বাধীনের পর, আকাশ সীমার ওপর দিয়ে বিজয় নিশান উত্তোলিত হয়েছিল;চির শান্তি নিয়ে তেমনি আমিও চাই যুদ্ধের বলয় স্থবির হয় যেন শান্তি চুক্তি হোক |<br />
নিপাত যাক , &#8221;মন বেদনার  মরমী কথার বলি&#8221;<br />
শান্ত  আত্মার মানুষরা চিৎকার করে না , তাই মানুষ বোঝেনা তার মন কাদা নয়, কাঁচ কিন্তু শান্ত জলকে  পাথর ছুড়ে মারে সবাই |<br />
ভূপেন হাজারিকা অনেক আগেই তার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240626"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240626/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1b038f7bb662a69f968f9d810e3556c2</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and ভাস্কর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239791/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Mar 2026 03:50:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17e4e33ae57c07faafe15e740c8aabea</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি and সায়মা নোর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239746/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 18:02:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1fdb7c661d49d8d13af4f62ce47506b</guid>
				<title>1.
 
দ্বিধার কথাও কখনো কখনো শোনা উচিত কারণ মন যা বলে, তা সবসময় সঠিক হয় না ,বেশিরভাগ সময় মনের কথা অপরিণত থাকে—আর দ্বিধাই তখন আমাদের থামিয়ে ভুল থেকে বাঁচায়। 

দ্বিধার কঠিন ডাক—
প্রশ্ন তোলে,
ভাঙে অযথা আবেগের ফাঁক &#124;


কবিদের প্রধান খাদ্য দুঃখ যদি আংশিক সুখ থাকে , সুখের সন্ধান মিললেও আবার দুঃখের পুনরাবৃত্তি ঘটে ; দুঃখগুলো জমা হতে হতে দুর্ধর্ষ পাহাড়ে পরিণত হয়েছে &#124;

&#039;&#039;নকল অভিনয়ের আড়ালে নিজের ভেতর চেপে ধরি কালো প্রলাপ&#039;&#039;
আমার মনের গহীনে শতবর্ষের দুঃখ চাপা এই দুঃখগুলো হঠাৎ করে,
এই নব বসন্তের সূচনা লগ্নে চাঁপা ফুল হয়ে ফুটেছে ,
বাসন্তী তোমার অপেক্ষা মিটিলে এই বট-বৃক্ষের পাতা ঝরা বন্ধ  হয়ে যাবে, ফাগুন বনে আনন্দধারা বয়ে যাবে &#124;


তুমি আমার পাশে থাকলে ,পায়ে পায়ে তাল রেখে চললে শহরের সব রূপরেখা ভেসে যেত &#124;

তুমি আছো ঠিক আমার চোখের সামনেই, কিন্তু হায়— তোমার বসে থাকা এই অদৃশ্যতা তোমার ছায়ার মতো আমাকে ছুঁতে পারে না।

প্রতিটি অটোমেটিক যানের রোলিং শব্দ যেন তোমার পদক্ষেপের সাথে মিশে যায়, আর আমি শুধু তোমার দিকে তাকাই, অচেতনভাবে &#124;

একাকীত্ব আর বিরহের মাঝে যোগসূত্র কি বিদ্যমান?
থাকে বোধহয়,
তুমি না থাকলেই আমি একা &#124;



                                                                                                                                     


                                                                        


                     (বসন্ত আসে, কিন্তু মন আর জাগে না)          
 









বাসন্তীর অপেক্ষায় দিনরাত, বটবৃক্ষের পাতা ঝরে।
    কলমে: মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239662/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 05:00:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>1.</p>
<p>দ্বিধার কথাও কখনো কখনো শোনা উচিত কারণ মন যা বলে, তা সবসময় সঠিক হয় না ,বেশিরভাগ সময় মনের কথা অপরিণত থাকে—আর দ্বিধাই তখন আমাদের থামিয়ে ভুল থেকে বাঁচায়। </p>
<p>দ্বিধার কঠিন ডাক—<br />
প্রশ্ন তোলে,<br />
ভাঙে অযথা আবেগের ফাঁক |</p>
<p>কবিদের প্রধান খাদ্য দুঃখ যদি আংশিক সুখ থাকে , সুখের সন্ধান মিললেও আবার দুঃখের পুনরাবৃত্তি ঘটে ; দুঃখগুলো জমা হতে হতে দুর্ধর্ষ পাহাড়ে প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-239662"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/239662/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf192ea8c7bba94b0373cf17b1282025</guid>
				<title>কবি পরিচিতি

নাম:মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি 
জন্ম: ১৮ জুলাই ২০০৬ 
স্থান:সাহাপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা, বাংলাদেশ 

পরিচিতি: 

মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি  বাংলা সাহিত্যের এক  নবীন অথচ গভীরতাবাহী কণ্ঠ, 
 যিনি রূপকের আড়ালে বাস্তবতার নির্মম সত্যকে উন্মোচন করেন। 
তাঁর কবিতায় প্রেম নিছক অনুভূতি নয়, বরং এক অন্তর্লীন সংগ্রাম; প্রকৃতি শুধুই দৃশ্য নয়, বরং অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি। 

জীবনদর্শন, একাকিত্ব, হারানোর বেদনা এবং সমাজবাস্তবতার সূক্ষ্ম বুননে তাঁর প্রতিটি লেখা হয়ে ওঠে চিন্তার এক অন্তহীন ভ্রমণ।

সাহিত্যজীবন:
মাত্র ১৫ বছর বয়সে লেখালেখির জগতে পদার্পণ, শুরু থেকেই তাঁর কলমে ধরা পড়ে রূপক, অনুভব ও দর্শনের এক অনন্য সংমিশ্রণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর লেখনী হয়ে উঠেছে আরও পরিণত, আরও অন্তর্মুখী, আরও তীক্ষ্ণ।

  লেখার বৈশিষ্ট্য:
রূপকের আড়ালে বাস্তবতার প্রকাশ 
 নব্বইয়ের প্রেম ও বেদনার আবহ 
একাকিত্বের গভীর মানসিক অন্বেষণ 
অস্তিত্ববাদী ভাবনার প্রতিফলন 

কবিতার পাশাপাশি তিনি লিখছেন উপন্যাস, প্রবন্ধ, চিঠি, ছোটগল্প, গদ্য, সংগীত ও দিনলিপি—যেখানে প্রতিটি শব্দই বহন করে অনুভূতির ভার।

 
দর্শন : 

“রূপকের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে বাস্তবতার নগ্ন ছবি।”
তাঁর কাছে কবিতা কেবল শব্দের বিন্যাস নয়, বরং আত্মার নিঃশব্দ আর্তনাদ—এক গভীর আত্মকথন, যা উচ্চারিত হয় না, কিন্তু অনুভূত হয়।

 বিশ্বাস:
“ভালোবাসা মরে না, শুধু রূপ বদলায়;
আর কবিতা সেই রূপের ছায়া ধরে রাখে সময়ের আয়নায়।”

 একান্ত কথা:

মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি নিজেকে কবি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন না। 
তিনি বিশ্বাস করেন, তিনি কেবল শব্দের পথিক যিনি শব্দের ভেতর দিয়ে নিজের একাকিত্বকে অতিক্রম করেন এবং রূপকথার আবরণ ভেদ করে বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়ান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239660/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 04:43:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবি পরিচিতি</p>
<p>নাম:মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি<br />
জন্ম: ১৮ জুলাই ২০০৬<br />
স্থান:সাহাপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা, বাংলাদেশ </p>
<p>পরিচিতি: </p>
<p>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি  বাংলা সাহিত্যের এক  নবীন অথচ গভীরতাবাহী কণ্ঠ,<br />
 যিনি রূপকের আড়ালে বাস্তবতার নির্মম সত্যকে উন্মোচন করেন।<br />
তাঁর কবিতায় প্রেম নিছক অনুভূতি নয়, বরং এক অন্তর্লীন সংগ্রাম; প্রকৃতি শুধুই দৃশ্য নয়, বরং অস্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-239660"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/239660/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b9cad3938692720c7b633b931e2a6971</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239657/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 04:38:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dc91c52838568cf4bd5a2d515a236605</guid>
				<title>মোঃ রুবায়েত রহমান রাফি changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239649/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 04:29:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>