-
আমি ধরে রাখতে পারিনি
মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পিভুলে থাকার নামই যদি,ভালোবাসা হয়
তাহলে আমি কাল,যুগ,শতাব্দী
তোমাকে ভুলে থাকতে চাই অনায়াসে।
কিছু কথা,
কাউকে সহজেই বুঝানো যায় না
কিছু ব্যাথা,
কাউকে মনন্তরে,দেখানো যায় না
স্মৃতির পাতায় লুকানো থাকে
এমন হাজারো,আক্ষেপ ঝরানোর গল্প।
ভুলে থাকতে চাই,
আমার প্রথম পছন্দ,সেই তোমা…Read More12 Comments-
-
‘ভুলে থাকার নামই যদি ভালোবাসা হয়’—এই লাইনটা একদম মনের মতো হয়েছে, খুব চমৎকার ফুটিয়ে তুলেছেন অনুভূতিগুলো। গ্রুপে অন্যদের লেখাতেও মাঝে মাঝে একটু লাইক-কমেন্ট দিয়েন, তাহলে সবাই মিলে বেশ আড্ডা জমে উঠবে।
-
-
-
মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি, আপনার এই লেখাটিতে বিরহ আর অভিমানের যে গভীর অনুভূতি ফুটে উঠেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, আর আমার মনে হয় অনুভূতির এমন সুন্দর প্রকাশ অব্যাহত রাখলে আপনার লেখনী ভবিষ্যতে আরও অনেক বেশি মানুষের মনের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।
-
-
সাদা পায়রা
লেখক – মো: নাজমুল আখতার।পায়রা সাদা ক্যানভাসে কালো
ধূসর কালো সীমানায় উড়ন্ত,
উঁচু ফাঁকা পালকে নিত্য
পায়রা সখা পেখমে প্রেমে নিত্য।ক্যানভাসে উড়ি আদরে যত্ন
পোষ মানিয়েছে মানবে অদ্য,
আদরে যত্ন রুমালে পরিষ্কার
চকচকে ক্যানভাস গ্লাসে উদীয়মান।পথচারী যায় হেঁটে
পায়ে চলে এই পথে,
ভাবুক পথিক থেমে যায় নীরবে
পায়রার রঙ্গ…Read More8 Comments-
আপনার লেখা এই “কালো আকাশ কালোর জগতে আঁকিয়েছে শিল্পী তুলির কালিতে” লাইনটা একদম দারুণ এক ছবি এঁকে দিয়েছে, খুব ভালো লাগলো পড়ে!
-
-
মো: নাজমুল আখতার, আপনার এই সৃষ্টিতে কালো ক্যানভাস আর সাদা পায়রার যে বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে তা অত্যন্ত চমৎকার, তাই শব্দের ছন্দ ও ভাবের গভীরতা বজায় রেখে আপনি কলম চালিয়ে যান, কারণ আপনার লেখনী সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।
-
-
-
“কাগজের পথ ধরে বিশ্বজয়: পান্ডুলিপি ও তুলট কাগজের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি”
— নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
২৪শে অক্টোবর ২০২৬ইংশতবর্ষ আগের এক নিঝুম আঁধার রাত। মাটির প্রদীপের মিটিমিটি আলোয় ঝুঁকে বসে আছেন এক নিবিষ্ট পুথিকার। বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি কলম তিনি ডোবাচ্ছেন কাচপোকা আর হরিতকীর ক্বাথ দিয়ে প্রস্তুত ক…Read More
5 Comments-
“যন্ত্র হয়তো উৎপাদনের গতি বাড়িয়েছে, কিন্তু মানুষের হাতের ছোঁয়া ও প্রাণের গভীরতা তাতে থাকে না” —আপনার লেখাটি পড়ে এই লাইনটিতে এসেই এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করলো। তুলট কাগজের এই হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
-
নাজনীন শামীম, আপনার লেখায় “শতবর্ষ আগের এক নিঝুম আঁধার রাত” এবং মাটির প্রদীপের আলোর যে বর্ণনা আপনি তুলে ধরেছেন, তা পাঠকের মনের মণিকোঠায় এক অমলিন চিত্রকল্প ফুটিয়ে তোলে। প্রাচীন ঐতিহ্যের হারানো গৌরব নিয়ে আপনার এই গবেষণাধর্মী কাজটিকে আরও সমৃদ্ধ করতে আপনি চাইলে তুলট কাগজ তৈরির বিশেষ কারিগরদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আরও কিছু ছোট গল্প…Read More
-
-
তোমাকে চাইনি অধিকার করে
আমি তোমাকে ভালোবেসেছি,
তাই বলে তোমাকে আমার হতেই হবে
এমন কোনো ফরমান তো জারি করিনি হৃদয়ের আদালতে।
প্রেমের নামে তোমার স্বাধীনতার গলায় নিজের ইচ্ছের শিকল পরাতে আসিনি আমি,
আমি শুধু চেয়েছি,
তোমার পৃথিবীতে আমার কোনো স্থান না থাকলেও আমার পৃথিবীতে তুমি অনন্তকাল বেঁচে থেকো।তুমি হয়তো জানো না,
কাউকে ভালোবাসার চেয়…Read More4 Comments-
আপনার এই অসামান্য লেখায় প্রিয় মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার যে গভীর চিত্র ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। সম্পর্কের স্বাধীনতা ও সম্মানের এমন সুন্দর বহিঃপ্রকাশ আমাদের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে, তাই এমন আরও সুন্দর সব লেখা উপহার দিয়ে আপনি নিয়মিত আমাদের মাঝে থাকবেন বলে আশা করছি।
-
-
ভালোবাসি-খুব বেশি
~বর্ণহলে অভিমান হোক
হলে হোস নির্বাক,
তবু বাঁকিয়েই চোখ
তুই তাকিয়েই থাক।হলে অমানিশা হোক
তবু জ্বেলে রাখ মন,
শুধু চোখাচোখি হোক
হলে হোকনা মরণ।বর্ণ
4 Comments -
-
Borno, আপনার লেখা ‘চোখের ভেতর মায়া’ অংশটি এক গভীর আবেগের প্রতিচ্ছবি হয়ে ফুটে উঠেছে যা পাঠকের হৃদয়ে মৃদু দোলা দিয়ে যায়। প্রকৃতি কিংবা শরতের মেঘ যেমন মনের অজান্তে ছায়া ফেলে, আপনার এই কথামালাও ঠিক তেমনি এক সুন্দর স্নিগ্ধতায় পূর্ণ। অন্য সদস্যদের লেখার নিচে আপনার ভালোবাসা বা মতামত জানাতে পারেন, এতে আমাদের এই পুরো আঙিনাটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
-
-
তোমার চোখে,তোমার ঠোঁটে,
তোমার ভেতর ডুব-
তোমার ছায়ায়,তোমার মায়ায়,
রাত্রি উদাস খুব-তোমার পাড়ায় দুচোখ হারায়,
ভীষণ হারায় মন-
তোমার হাসি সর্বনাশী,
জাগায় শিহরণ-তোমার চুলে বারণ ভুলে,
ঘ্রাণ শুঁকবার তাড়া-
কেমন করে একলা তুমি,
বাঁচবে আমায় ছাড়া?~বর্ণ
4 Comments-
আপনার লেখাটির ‘আপনার হাসি সর্বনাশী, জাগায় শিহরণ’ অংশটুকু এক অদ্ভুত মায়ায় ভরা এবং পড়তে দারুণ লেগেছে। ভালোবাসার গভীর অনুভূতিগুলো খুব সহজ ও সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা এক নিমেষেই পাঠকের মন ভালো করে দেয়। এমন চমৎকার লেখা নিয়মিত পড়ার আশায় আছি, আর আমাদের এই গ্রুপের অন্যান্য বন্ধুদের লেখাতেও আপনার মতামত বা ভালোবাসা প্রকাশ করলে আমাদের আড্ডাটা আরও জমে উঠবে।
-
-
খালেদা আক্তার and
রহমান শিবলু are now friends
-
সভ্যতার কাপড়
…….রহমান শিবলুশকুনের কাপড় নেই , মানুষ
কাপড় পরে…সারা দেহে
লম্বা গালায় চামড়া নেই
পাখনাই একমাত্র সম্বল।
শকুনকে তাড়িয়ে দিয়েছে মানুষ
গরুর নাড়ি,ভুড়ি চামড়াও সিদ্ধ করে খাচ্ছে মানুষ।
মানুষ শকুন সেজে গলায় ঝুলিয়েছে
বার হাতি কাপড়…
খাচ্ছে
মানুষের নাড়ি,ভুড়ি, চামড়া
মনন, মগজ।
কাপড় না পরেও শকুন সভ্য
পরিবেশ বান্ধব…অসভ্য মানুষ ।4 Comments -
একটি অসমাপ্ত চিঠির খসড়া
দিনশেষে শহর যখন নিয়ন আলোর কৃত্রিম মেকআপে নিজের ক্লান্তি ঢাকতে চায়,
আমি তখন বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে দেখি এক অদ্ভুত শূন্যতা।
মানুষগুলো সব ঘরে ফিরছে ঠিকই,
কিন্তু কতটা মানুষ সত্যি পৌঁছাতে পারে নিজের কাছে?টেবিলের কোণে আধপোড়া সিগারেটের ছাই আর এক কাপ জুড়িয়ে যাওয়া চা—
ঠিক তোমার ফেলে যাওয়া প্রতিশ্রুতির মতোই শ…Read More4 Comments -
সাদা পাঞ্জাবির দাগ
মিহির চৌধুরী ইমনবাহ্! কী চমৎকার দেশপ্রেম—
সাদা পাঞ্জাবিতে
বিন্দুমাত্র দাগ নেই,
অথচ ইতিহাসের আয়নায় মুখ লুকানোর ঠাঁই নেই!কালিমা পড়লেই মুসলিম হওয়া যায় না,
যদি ঈমান না থাকে;দেশপ্রেমের বুলি আওড়ালেই
দেশপ্রেমিক
হওয়া যায় না,
যদি বিবেকের কাঠগড়ায় নিজেকেই অপরাধী লাগে।দেশপ্রেমহীন শিক্ষা,বিবেকহীন জ…Read More
5 Comments -
কেনো খুঁজিতেছি ভূধরে হন্যে হয়ে
মিছেই মরি ভালেবাসা চেয়ে চেয়ে
শুদ্ধ প্রেম খুঁজিতেছে আকাশ বাতাস
নিখাদ ভালোবাসা উড়িছে অন্য কোনো গ্রহে
মানুষ মরিছে, মরিছে সকল প্রাণ
মায়াহীন নিষ্ঠুর দ্রোহে
কান্না আর আকুতিতে কীই-বা হয় বদল
সচল চাকা, আলো নেই আপন বিশ্বাসে
চিন্তার বিকাশ নেই মনন হতে মগজে
দেখিছে যাহা, চলিছে যে স্রোত
মিথ্যে মোহ আশ্বাসে…Read More6 Comments-
রকেট মণ্ডল, আপনার লেখাটিতে ‘শুদ্ধ প্রেম খুঁজিতেছে আকাশ বাতাস’ অংশটি অত্যন্ত গভীর এক আকুতি প্রকাশ করেছে। বিষয়ের গাম্ভীর্য ও শব্দচয়নের এই সাবলীল প্রকাশ পাঠক হিসেবে আমাকে বেশ গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। আপনি যদি শব্দের বুননে আরও কিছুটা বিরতি বা নতুন অলঙ্কার যোগ করার কথা ভেবে দেখেন, তবে তা হয়তো পাঠক হৃদয়ে আরও স্থায়ী ছাপ ফেলবে।
-
রকেট মণ্ডল, “শুদ্ধ প্রেম খুঁজিতেছে আকাশ বাতাস” লাইনটা পড়তে পড়তে একদম ভেতরে গেঁথে গেল। বর্তমান সময়ের এই মায়াহীন পৃথিবীতে আসলেই কি আমরা সত্যিকারের মানুষ খুঁজে পাচ্ছি বলে আপনি মনে করেন?
-
নিষ্প্রাণ পৃথিবীতে শুদ্ধ ভালোবাসার সন্ধানে ক্লান্ত আত্মা মায়ার ওপারে এক নির্মল আশ্রয় খুঁজে ফেরে…..🤍🖤
-
-
রাতের সাফারি
কবি ইমদাদ শাহ্অঘ্রানের বিমর্ষ শেষ রাত—আমি তখন একাকি নিশাচর সাফারিতে
গ্রামে জঙ্গলে বনে নদী ও পাহাড়ে–হিজল তমাল বড়াল মৃনাল বটে
খুব দূরে নয় –যেখানে গ্রাম ও শহর একাকারে মিশে রয়
তার থেকে অদূরে — একা একা হাঁটছিলাম মধ্য রাতের প্রহরেনীলিমার নীলে জোছনা করেছিল খেলা
আধার রাতে তারার বসিয়েছিল আলোর মেলা
মৃদু মৃ…Read More3 Comments-
কবি ইমদাদ শাহ্, ‘ঘাসের ডগায় শিশির ঝরে নক্ষত্রের মতো নীরবে’—আপনার এই পঙক্তিটিতে প্রকৃতির যে মায়াবী ছবি ফুটে উঠেছে, তা এক কথায় অপূর্ব। বর্ণনার সাথে অনুভূতিগুলো মিলিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি আরও কিছুটা পরিমিতিবোধের চর্চা করলে লেখাটি হয়তো পাঠককে আরও গভীরভাবে ছুঁয়ে যেতে পারত। আপনার লেখনীর এই স্নিগ্ধতা ও কল্পনার জগৎ যেন সবসময় এভাবেই পাঠকের মনে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
-
”শব্দের ক্যানভাসে স্বপ্নের রঙ”
!! মেঘের খামে রোদ পাঠালাম, পাঠাই মনের আলো,তুলট মঞ্চে শব্দ বুনে কাটুক প্রহর ভালো। 🌿✨!!!
কিছু অনুভূতি থাকে যা কেবল শব্দেই প্রাণ পায়। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝে যে গল্পগুলো আমরা বুনে চলি, তুলটের এই আঙিনা যেন তাদেরই এক সুন্দর ঠিকানা।
এখানে প্রতিটি লেখাই জীবনের একেকটি আলাদা রঙের ক্যানভাস। আসুন, আমরা আমাদের…Read More5 Comments-
মানুষের ভিড়েও নিঃসঙ্গ হৃদয় কখনো এমন নিঃশেষ হয়ে যায় যে বেঁচে থাকাটাই হয়ে ওঠে এক নীরব ক্লান্তি…..🤍🖤
-
নাজনীন শামীম, আপনার লেখায় স্বপ্নের রঙের যে অপূর্ব সমন্বয় ফুটে উঠেছে তা মনকে ভীষণভাবে ছুঁয়ে যায়। শব্দের প্রতি আপনার এমন গভীর ভালোবাসা আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণার এক সুন্দর উৎস হয়ে থাকুক।
-
-
ক্ষুধায় চরম সত্য
— পি কে সরকারক্ষুধা মানুষকে এমন এক সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়, যে সত্যের সামনে দর্শন নীরব, অহংকার পরাজিত, আর সভ্যতার সমস্ত আভিজাত্য অর্থহীন হয়ে পড়ে।
পেটের ক্ষুধা যখন অন্ত্রের গভীরে হাহাকার তোলে, তখন নীতিকথার চেয়ে একমুঠো ভাতের মূল্য বেড়ে যায়; ধর্মীয় বাণীর চেয়ে অন্নের প্রয়োজন বড় হয়ে ওঠে; আর আত্মসম্মানের দে…Read More
4 Comments-
পি কে সরকার, আপনার লেখা এই লাইনটা খুব ভালো লেগেছে যে, “ক্ষুধার্ত মানুষের অপরাধ খুঁজে বের করার আগে ক্ষুধার কারণ অনুসন্ধান করাই সভ্যতার প্রথম দায়িত্ব।” ক্ষুধার কষ্টটা যে কতটা গভীর তা আপনি খুব সহজ কিন্তু শক্তিশালী ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। এমন বাস্তবধর্মী লেখা আমাদের চারপাশের জগতটাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।
-
আপনার এই লেখনীটি সমাজ ও জীবনের এক কঠিন ও অকাট্য সত্যকে খুব গভীর অনুভূতির সাথে ফুটিয়ে তুলেছে। ক্ষুধার্ত মানুষের অস্তিত্বের লড়াই নিয়ে আপনার এই পর্যবেক্ষণগুলো পড়ে পাঠক হিসেবে আমি গভীরভাবে আলোড়িত বোধ করেছি। সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে আপনার এই চমৎকার চিন্তাধারা পাঠকদের হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে, আপনি এভাবেই কলম চালিয়ে যান।
-
[শ্রাবণ সন্ধ্যার কাব্য]
[পর্ব – ১০]
রাহা ঈশানের যাওয়ার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মায়া রাহাকে পায়ে আরেকটা খোঁচা দিয়ে ফিসফিস করে বললো তোরই তো জামাই এতো দেখার কি আছে। রাহা বললো, “চুপ করে খা”।
কিছুক্ষণ পরেই নিহাল নিচে নামলো নিচে নেমে কোনো দিকে না তাকিয়ে চলে যেতে লাগলো। মালিহা ডেকে বললো তুমিও কি না খেয়ে চলে যাবে নাকি নিহাল। মালিহা…Read More
3 Comments-
নুসরাত জাহান, আপনার লেখায় উঠে আসা ‘নিহাল যে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখলো মায়ার চলে যাওয়াকে’—এই দৃশ্যটি অত্যন্ত জীবন্ত ও বেশ চমৎকার ছিল। গল্পের প্রতিটি বাঁক খুব সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তাই আমাদের গ্রুপের অন্যদের লেখাগুলোতেও সুন্দর সব মন্তব্য ও ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করতে আপনি ভুলবেন না।
-
চিঠি—৪
মিহির চৌধুরী ইমনপ্রিয়তমেষু,
পৃথিবীতে সব ফুলের ভাগ্যে বসন্ত জোটে না,
তোমার খোঁপায় গাঁথা ফুল এইবার বসন্ত পেয়েছে।
যেন তার ক্ষণিকের জীবনেও পূর্ণতার
একটুখানি ছোঁয়া লেগেছে।তোমার হাতের চুড়ি আর সাদা শাড়িতে বসন্ত
আজ আর বৃষ্টির অপেক্ষা করেনি,
প্রকৃতি বুঝি আজ নিজেই সেজেছে
তোমার সৌন্দর্যের অনুকরণে।বিকেলের পড়ন্ত রোদ এসে থেমে গেছে
তোম…Read More5 Comments-
আপনার এই লেখায় বসন্তের স্নিগ্ধতা এবং প্রিয়জনের প্রতি গভীর আবেগের যে চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। ছায়াতলে আশ্রয় পাওয়ার কথাটি পড়ার সময় মনে এক দারুণ প্রশান্তি অনুভূত হলো, যা এই পুরো পরিবেশটিকে অত্যন্ত মায়াবী করে তুলেছে। আমাদের এই সুন্দর গ্রুপে অন্যদের লেখাগুলোতেও ভালোবাসা বা লাইক দিয়ে এবং মন্তব্য করে সবার সাথে নিয়মিত…Read More
-
মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি and
Shohel Nawaz are now friends
- Load More Posts







বাহ, চমৎকার কবিতা!! আমি ধরে রাখতে পারিনি
ধরে রাখতে চাই না,
আমি আঘাতে,আঘাতে,পাথর হয়েছি
এখন আর কষ্ট পাই না!