<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Abrar Jahin Ratul | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/abrar123/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/abrar123/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Abrar Jahin Ratul.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 07 Jun 2026 02:59:37 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">5941378557f74cd04bea57697b5613f0</guid>
				<title>সেদিনের নভেম্বর মাসটা অন্যরকম ছিলো। তাতে শীত ছিলো। সেই শীত খুঁজতে গ্রামের বাড়ি যেতে হত না। তার সাথে ছিল শিউলি আর ছাতিম ফুলের ঘ্রাণ। আর ছিল ধান পাকার ঘ্রাণ। কার্তিকের শেষ সন্ধ্যায় বাড়ির বারান্দায় গিয়ে দাড়াতাম। একটা জলজ গন্ধ বাড়ির হাওয়ায় ভেসে বেড়াতো। সেই গন্ধটা যেখানে দাড়িয়ে থাকতাম তার থেকে অনেক দূর, দূরান্তে নিয়ে যেত। কোথাও হয়তো সেই জায়গাটা আছে, অথবা ছিল এখন নেই । সেটা হয়তো দুরাতীত জীবনের কোন মেঠোপথ যা স্মৃতির বাতাবরণের সমারোহে পূর্ণ। 

ঠান্ডা চাঁদের আলোয় গন্ধরাজ ফুলের ফুটে থাকা ছিলো বাড়ির উঠানে। আজকের নভেম্বরের কাছে যেটা শুধু রূপকথা। তখনকার শীত শীত রাতে আমরা বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস শেষবারের মত রিভিশন করতাম। আমাদের মায়েরা সারাদিনের কাজ গুছিয়ে নিরিবিলি সন্ধ্যায় আমাদের সাথে বই নিয়ে বসতো। বাবারা বসতো টেলিভিশন এর সামনে। কারেন্ট চলে গেলে মোমের আলো। সেই আলোয় শীত পোকাদের পুড়ে যাওয়া। বুক আর পিঠ জুড়ে গরম কাথার প্যাচ। পাড়ার বন্ধুদের সাথে দেখা হলে শুনতাম কার কতদূর হলো, কার আর কতটুকু বাকি। 

দূরের কোনো মসজিদের মাঠ থেকে মাহফিলের সুর ভেসে আসতো। ভাবতাম পরীক্ষাটা শেষ হলে কোথাও যেতে আর ঠেকাই কে। পড়া শেষ করে রাত দশটার ভিতরে ঘুম। তারমধ্যেই একটু টিভি দেখা। বিটিভি। বিছানায় শুয়ে ভাবতাম শার্টের উপরে কোন রঙের সোয়েটারটা পরবো। পিতা পুত্রের বয়সের অংকটা কার কাছ থেকে ভালভাবে বুঝে নেব। কাল বিকেলবেলায় সাইকেলে কার বাগানে যেয়ে পৌঁছাব। 

পরীক্ষার বাকি আর মাসখানেক। তারপর লম্বা ছুটি। শীতের ছুটি। তারপর কোন শাসন নেই। বারণের প্রতিবন্ধকতা নেই। 

কিন্তু সেই যে শুরু পরীক্ষার।এখনও পরীক্ষা। ক্লাসের পরীক্ষা, জীবিকার পরীক্ষা, প্রেমের পরীক্ষা, ঈমানের পরীক্ষা। একসময় ক্লাসের সেরা পরীক্ষা দিব ভাবতাম। আর এখন পাসমার্কটা চাই। আলোয়-ভালোয় মিশে যেতে পারলে তাতে প্রাণটা জুড়ায় ভাই। জটিল ভাগের অংক না মিললে কোনোমতে যোগ বিয়োগের হিসাবটা বুঝে দিনান্তে ঘরে ফিরতে পারলে তাতেই জীবনের স্বাদ। আর কোথাও কিছু বাকি পড়ে থাকলে তাতে আমারই বা কি_____ 

_____________________
Late Autumn &#x1f342; Diary</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222932/</link>
				<pubDate>Sat, 16 Nov 2024 07:13:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেদিনের নভেম্বর মাসটা অন্যরকম ছিলো। তাতে শীত ছিলো। সেই শীত খুঁজতে গ্রামের বাড়ি যেতে হত না। তার সাথে ছিল শিউলি আর ছাতিম ফুলের ঘ্রাণ। আর ছিল ধান পাকার ঘ্রাণ। কার্তিকের শেষ সন্ধ্যায় বাড়ির বারান্দায় গিয়ে দাড়াতাম। একটা জলজ গন্ধ বাড়ির হাওয়ায় ভেসে বেড়াতো। সেই গন্ধটা যেখানে দাড়িয়ে থাকতাম তার থেকে অনেক দূর, দূরান্তে নিয়ে যেত। কোথাও হয়তো সেই জায়গাটা আছে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-222932"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/222932/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5687364d1b395ae782533f29fec0d424</guid>
				<title>কোনো কোনদিন ভাবি আমার ঘরটা যদি একটা ধানক্ষেতের মাঝখানে হত। অথবা পাশে। আমার বোন এখন যে বাড়িতে  থাকে তেমন। মুখ বাড়ালে শস্যের ঘ্রাণ। হাত বাড়ালেই ক্ষেতের বাতাস। ফোনে কথা হলে কিম্বা বাড়িতে আসলে গল্প করতে করতে জিজ্ঞেস করি ওখানে হেমন্তের গন্ধটা কেমন। ভোরের কুয়াশা কতখানি গাঢ়। অন্ধকারে বন্ধ জানালা খুললে রাতের আকাশের নক্ষত্র কি হাতের কাছে চলে আসে। জীবনের সমস্ত কোলাহল আর ক্লান্তি কি তখন সেই শস্যক্ষেতের আইল পেয়ে সেখানটায় বসে একটু জিরিয়ে নিয়ে দিনান্তে মিশে যায়! 

পথ চলতে গিয়ে যে গন্ধ পেয়ে পথের চলাটা থেমে গেছে সেটাই তো হেমন্তের গন্ধভরা শিউলিফুলতলা। অথবা যে কালে সূর্যের উত্তাপটুকু নেই শুধু আভাটুকু আছে, নদীর ঢেউ নেই শুধু তরংগটুকু আছে। 
যে কালে বনের গাছ, ঘাস, পাতা, ধানের মাঠ সবুজের আবেষ্টনী থেকে বের হয়ে ধূসরতায় মিশে যেয়ে শীতের শরীরে মেখে যায়। 
যে কাল স্বল্পায়ু, অথচ স্বপ্নময়ী___ অথবা যে কাল ছোটগল্পের শেষ হয়েও হইলো না শেষের মত বরাবর একটা আবেদন রেখে যায় তাকেই তো হেমন্ত বলে চিনি। 

পৃথিবীর সব গল্প সবাই একটু আধটু করে বললো। কিন্তু কার কতটুকু হেমন্তের গল্প আছে সেটা কেউ শোনালো না। কার্তিকের কুয়াশায় কার কতদূর হেটে চলে যাওয়া আছে, হাটতে হাটতে মাঝপথে থেমে যাওয়া আছে, দিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়া আছে সেটাও তো বললো  না কেউ কাউকে।

গভীর রাতে বারান্দায় দাড়ালে কুয়াশার হালকা গন্ধটা নিঃশ্বাসের খুব গভীরে যেয়ে ঘা মারে। মনে মনে কোনো স্মৃতির উদ্যানে চলতে ফিরতে থাকি। খারাপ লাগে না। শান্ত লাগে। ভালও লাগে কিন্তু সে ভালোর সাথে থাকে বিস্তর স্মৃতিময়তা। যা বিষাদকে জাগিয়ে দেয় আবার প্রসন্নও কম করে না। 

আমরা জানি জীবন আর কালের আবর্তে একদিন মুছে যাবে জীবনের আস্বাদ। ম্লান হবে স্মৃতিবিলাসিতা। 

এটাও ভেবেছি মাঝে মাঝে____বেহেশতে কি একটা হেমন্তকাল থাকবে? থাকতে পারে নাহ! সোনালি ধানের হাল্কা কুয়াশাজড়ানো হেমন্ত। শিউলি ফোটা ভোরের শিশিরভেজা হেমন্ত। উত্তরের হিম হাওয়ায় ভেসে আসা অপার্থিব গন্ধজড়ানো হেমন্ত।  স্বল্পআলোর বিকেলবেলায় সাইকেলে ঘুরে বেড়ানো হেমন্ত। নবান্নের ধান ছড়ানো মাঠের আইলপথ দিয়ে হিমেল কুয়াশায় পরস্পর হেটে ঘরে ফেরা হেমন্ত। 

আমরা হেটে চলি। চলতে চলতে থামি। আবার হেটে চলি। একটা সময় ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরি। তখন আবার পথের কথা মনে হয়। পথ চলতি মানুষের কথা মনে হয়। এই হেটে চলা, থেমে যাওয়া, ঘরে ফেরার মধ্যে যতখানি পারি কেউ বর্ষার গল্প বলে, কেউ বসন্তের কথা শোনায় । আর আমি শুধু হেমন্তের কথা বলে যায়___ জীবনানন্দ দাশ যেমন বলেছিল___ যদি আমি ঝরে যাই একদিন কার্তিকের নীল কুয়াশায়/যখন ঝরিছে ধান বাংলার ক্ষেতে-ক্ষেতে ম্লান চোখ বুজে___ যখন চড়াই পাখি কাঁঠালীচাপাঁর নীড়ে ঠোটঁ আছে গুজে/যখন হলুদ পাতা মিশিতেছে খয়েরী পাতায়। 

আমার সামনে একশো কোটি ঘ্রান রাখা ছিলো। তার মধ্য থেকে আমি হেমন্তের ঘ্রাণকে আনিশ্বাস গ্রহণ করেছি অবলীলায় ____

___________________
Late Autumn &#x1f342; Diary</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222852/</link>
				<pubDate>Thu, 14 Nov 2024 07:59:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কোনো কোনদিন ভাবি আমার ঘরটা যদি একটা ধানক্ষেতের মাঝখানে হত। অথবা পাশে। আমার বোন এখন যে বাড়িতে  থাকে তেমন। মুখ বাড়ালে শস্যের ঘ্রাণ। হাত বাড়ালেই ক্ষেতের বাতাস। ফোনে কথা হলে কিম্বা বাড়িতে আসলে গল্প করতে করতে জিজ্ঞেস করি ওখানে হেমন্তের গন্ধটা কেমন। ভোরের কুয়াশা কতখানি গাঢ়। অন্ধকারে বন্ধ জানালা খুললে রাতের আকাশের নক্ষত্র কি হাতের কাছে চলে আসে। জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-222852"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/222852/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bbe1f915e7265dc52f396074c06a2f2c</guid>
				<title>ছোটবেলায় রমাদান মাসটা শীতকালে পড়তো। প্রায় স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যেত। অথবা হাফ বেলা ক্লাস হত। তখনকার রমাদান মাসের দিনগুলোতে আছরের পরের সময়টা খুব প্রশান্তিময় ছিল। বন্ধুদের সাথে হাটাহাটি করা, গল্প করা আর ইফতারির খাবার নিয়ে কথা বলা। আমি খেয়াল করে দেখতাম বিকেলবেলা খুব ছিমছাম একটা ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশ, ঝিরঝির একটা শীতল হাওয়া, আর সেই হাওয়ায় কেমন একটা পবিত্র ঘ্রাণ। আর মানুষগুলোর মধ্যেও কেমন শান্ত শান্ত একটা ভাব। 

শীতের বেলা ছোট হত তাই সেই বয়সে রোজা রাখতে বাসা থেকে বারণ করতো না। আমরা পড়তাম, খেলতাম, ঘুরে বেড়াতাম, সালাত পড়তাম। একজন আর একজনের সাথে দিন মিলিয়ে রোজা রাখতাম। 

অনেক অনেকদিন সেহরির সময় কারেন্ট থাকতো না। মোমের আলোয়, হারিকেনের আলোয় শীত শীত আলো আধারির ভিতর পরিবারের সবাই মিলে সেহরি খাওয়ার সেইসব দিনগুলো ভুলার না। 

আজ জীবনের চিত্র, পরিবেশের চিত্রগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। আজকের জেনারেশন যারা রোজা রাখতে শুরু করলো তারা হয়তো এই স্বাদগুলো পাবে না। 

তবুও রমাদানের তাৎপর্য থেকে যাবে। এই মাসের তাৎপর্য, এর নির্যাস আমাদের জীবনের জন্য অপরিসীম। আমাদের নবী রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই রমাদানকে মৃদুমন্দ শীতল বাতাসের সাথে তুলনা করেছেন। যার শীতল পরশ আমাদের অন্তরের দহন জ্বালা কে প্রশমিত করবে, আমাদের দুঃখ, বেদনাগুলো দূর করে দেবে। 

এই রমাদানে আল্লাহ যেন আমাদেরকে সেই সুশীতল বাতাসটা গায়ে মাখার তৌফিক দেন। আল্লাহ সুবহানাহু তা&#039;য়ালা যেন তার রহমত দিয়ে আমাদের ভাল আমলগুলোর মাধ্যমে আমাদেরকে সেই ছোটবেলার মত নিষ্পাপ বানিয়ে দেন। 

যখনই এই রোজার মাস আসে, চোখ বন্ধ করলে ছোটবেলার সেই ভালবাসাময় শীত শীত রোজার দিনের কথাগুলো আজও স্মৃতিকাতর করে দেয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/197462/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Mar 2023 09:44:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোটবেলায় রমাদান মাসটা শীতকালে পড়তো। প্রায় স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যেত। অথবা হাফ বেলা ক্লাস হত। তখনকার রমাদান মাসের দিনগুলোতে আছরের পরের সময়টা খুব প্রশান্তিময় ছিল। বন্ধুদের সাথে হাটাহাটি করা, গল্প করা আর ইফতারির খাবার নিয়ে কথা বলা। আমি খেয়াল করে দেখতাম বিকেলবেলা খুব ছিমছাম একটা ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশ, ঝিরঝির একটা শীতল হাওয়া, আর সেই হাওয়ায় কেমন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-197462"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/197462/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17d8519aca9880ab67c9d01d52175c66</guid>
				<title>আল্লাহর করুণা 
……………………………….

আশ্বিনের বিকেল। নিশিন্দার চরে শরতের মেলা বসেছে। প্রতি বছর এই মধ্য শরতের সময়ে মেলা বসে। নদীর পাড়ের মানুষগুলোর কাছে এই মেলা মানে উৎসব। সোনালি বালুর চরে তখন সেইসব মানুষগুলোর আসা যাওয়া বেড়ে যায়। অনেক দূরের চর থেকেও নৌকায় করে মানুষ আসে।

শামসুদ্দীন গরীব কৃষক। তার একমাত্র সন্তানকে নিয়ে সে মেলায় আসে। এই নদী, নদীর বাতাস, নদীর মানুষ, নদীর চর, আর চারপাশের পরিবেশের  সাথে তার সন্তানকে সে নিবিড়ভাবে পরিচয় করিয়ে রাখতে চাই। মেলার মধ্যে ঘোরার সময় খেলনা আর খাবারের দিকে তার সন্তানের চোখ চলে যায় সেটা শামসুদ্দীন খুব খেয়াল করে। আর তার সন্তানও এই অতি অল্প বয়সে তার বাপের অপারগতা বুঝতে পারে। সে তার বাপের চোখের দিকে তাকিয়ে বলে আব্বা, মা জান আইজকে কইছে রাত্রে শালুক ফুলের ঘণ্ট পাক করবে। এই বয়সে সন্তানের বোধ শক্তিতে শামসু বড় আশ্চর্যবোধ করে। সে তার সন্তানকে কোলে তুলে নিয়ে মেলার মধ্য থেকে বের হয়ে চরে নেমে আসে। 

এই চরের জন্য ওর বুকে খুব মায়া। সে যেন এই চরেরই সন্তান। আর তার বুকের মধ্যে নিজের সন্তান এই সব মিলে তখন সব একাকার হয়ে যায়। সে খেলনা আর মেলার খাবারের কথা ভুলাতে তার সন্তানকে কিছু কাশফুল ছিঁড়ে দেয়। চরের বালিতে ছোট্ট একটা গর্ত করে তাতে পানি ঢালে। নদী থেকে একটা চাপিলা মাছ এনে সেই গর্তের মধ্যে ছেড়ে দেয়। মানুষের সন্তান আর মাছের সন্তানের খেলা চলে পড়ন্ত বিকেলে নিশিন্দার চরে। 

শামসুদ্দীন ডুবে যাওয়া সূর্যের প্রতিফলন দেখে নদীর পানিতে। নদীর মধ্যে মনে হয় আর এক রাজ্য আছে। সে নদীর পানিতে অযু করে আবার চরে উঠে আসে। চরের একপাশে যেখানে কিছু ঘাস,লতা সেইখানে কাঁধের গামছাটা পাতে। আল্লাহু আকবার বলে নামাযে দাঁড়ায়। একটু দূরেই তার সন্তান সেই কাশফুলগুলো নিয়ে মাছের পিঠে বুলিয়ে আদর করার চেষ্টা করে। এটাই খেলা। ভালবাসার খেলা। ভালবাসতে পারবে কিন্তু ধরতে গেলেই ডুবে যাবে। খেলা করতে করতে সে তার বাপকে দ্যাখে। সে দ্যাখে এই নির্জন চরে তার বাপ কার সামনে যেন মাথা নিচু করে পড়ে আছে। এই দৃশ্য দেখতে তার ভাল লাগে। সে আস্তে আস্তে পিছন থেকে যেয়ে তার বাপকে জড়িয়ে ধরে বলে আল্লাহ, আল্লাহ। কখনো কখনো  গামছার চারদিকে গোল হয়ে ঘুরতে থাকে। 

শামসুদ্দীন নামায শেষ করে নিজের সন্তানকে জড়িয়ে ধরে চুমু খায়। এই সন্তানের পবিত্র আর কোমল মুখের দিকে তাকিয়ে সে কোন ফেরেশতার মুখ মনে করার চেষ্টা করে। সে একবার সন্তানের মুখ দ্যাখে, একবার দ্যাখে এই বিস্তীর্ন চর, আর চরে নামতে থাকা সন্ধ্যা। শামসুদ্দীনের চোখে তখন আল্লাহর করুণার দৃশ্য স্পষ্ট হয়ে ফুটে ওঠে। সে তার বুকের সন্তান আর এই পৃথিবীর জন্য আল্লাহর প্রশংসা করে। সে বুঝতে পারে তার বুকের মধ্যে তার সন্তানের মুখের মত, অথবা এই চরের বালুর মত, অথবা নদীর পানির মত, কিম্বা সেই চাপিলা মাছের শরীরের মত একটা নরম জায়গা এই মাত্র তৈরি হয়েছে। 

সে সন্ধ্যার আকাশে তাকায়। সন্ধ্যাতারাটা স্পষ্ট। কিছু বাদুড় উড়ে যেতে যেতে অদৃশ্য হয়ে যায়। কিছু জোনাকিপোকা সেই ঘাসলতার উপরে উড়তে থাকে। নদীর জল এখন শান্ত। নক্ষত্ররাজির ছায়া শান্ত নদীর জলে। মনে হয় যেন অসংখ্য তাঁরার ফুল ফুটে আছে পানিতে। আর নদীর বাতাসে শিশিরের ঘ্রাণ। রাত যত অন্ধকার হবে শিশিরের গন্ধ তত গভীর হবে। তার মনে হয় এইসবই আল্লাহর করুণা। সে গামছার পরে হাটুমুড়ে বসে আল্লাহর করুণা উপলব্ধি করে। দিনের সব ক্লান্তি তার নিমিষে ভাল হয়ে যায়। 

এসব দেখতে দেখতে কিছু সময় পার হয়ে যায়। মেলার ভিতর থেকে কোলাহল কমে আসে। শামসুদ্দীন দ্যাখে তার সন্তান তার বুকে ঘুমিয়ে পড়েছে। সে আস্তে করে তাকে গামছার উপর শুইয়ে দিয়ে মোনাজাত ধরে। এই নিষ্পাপ সন্তানের ভালোর জন্য। এই পৃথিবীর মানুষের ভালোর জন্য। সে দরিদ্র, প্রায় নিঃস্ব, অথচ এই সন্তানকে যা যা কিছু ভালো তাই তাই দিয়ে যেতে চাই সে। তার জন্য সে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই, সামর্থ্য চাই। তার অর্থের অভাব যেন কোনদিন তার সন্তানের মধ্যে কোন দুঃখবোধের জন্ম না দেয়। তার সন্তান যেন তার সৃষ্টিকর্তার অপার করুণা উপলব্ধি করতে পারে। সে যেন মানুষকে হৃদয় দিয়ে, ভালবাসা দিয়ে বিচার করতে পারে। সে যেন তার যে সন্তান হবে তাকেও তার রবের অনুগ্রহের কথা উপলব্ধি করাতে পারে। এই বিস্তীর্ন চরে এসে এরকমই কোন এক সুন্দর সন্ধ্যাবেলায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141695/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Sep 2022 15:35:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আল্লাহর করুণা<br />
……………………………….</p>
<p>আশ্বিনের বিকেল। নিশিন্দার চরে শরতের মেলা বসেছে। প্রতি বছর এই মধ্য শরতের সময়ে মেলা বসে। নদীর পাড়ের মানুষগুলোর কাছে এই মেলা মানে উৎসব। সোনালি বালুর চরে তখন সেইসব মানুষগুলোর আসা যাওয়া বেড়ে যায়। অনেক দূরের চর থেকেও নৌকায় করে মানুষ আসে।</p>
<p>শামসুদ্দীন গরীব কৃষক। তার একমাত্র সন্তানকে নিয়ে সে মেলায় আসে। এই নদী, নদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-141695"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/141695/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c4fe8edca7a4ed1b9c73f1ba8ca6ad8f</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and Soma are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137189/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Aug 2022 17:26:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e7518db6d561cead34f99bf0cd5cbd95</guid>
				<title>মানুষের ভালবাসা দেখলে বোঝা যায় কে সত্যিকারের ভালবাসল আর কে অভিনয় করল। জগতে এমন অনেক মানুষই বিদ্যমান যারা সত্যিকারের ভাল না বেসে ভালবাসা দেখিয়ে কার্য উদ্ধার করতে চাই। ভালবাসার মত একটা পবিত্র জিনিসকে লাভ ক্ষতি দিয়ে বিচার করতে যায়। সবসময় সব বিষয়ে জিততে পারাটাই তাদের কাছে মুখ্য বিষয়। ভালবাসা প্রকাশ করে তারা মহৎ হতে চায়। কিন্তু ভালবাসতে গেলে মহৎ কেউ হওয়া লাগে না। খুব সাধারণ গোছের একজন হলেই হয়। সাধারণ মানুষগুলো অসাধারণভাবে ভালবাসার ক্ষমতা রাখে। 

আর যারা সত্যিকারের ভালবাসতে পারে, তারা সেই ভালবাসায় আহত হলেও কাউকে আঘাত করে না। সবাই যখন জিততে ব্যস্ত, তারা তখন ক্ষমা করতে উদগ্রীব। সবাই যখন লাভ ক্ষতির হিসাব নিয়ে কাতর হয়, তারা তখন দুঃখগুলো ঐশ্বর্য্যের মত করে ভোগ করে। 

আমরা সারাজীবন একটা ভুল খুব করে করি। সেটা হল সত্যিকারের ভালবাসার মানুষটাকে চিনতে দেরি করে ফেলা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137177/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Aug 2022 16:14:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষের ভালবাসা দেখলে বোঝা যায় কে সত্যিকারের ভালবাসল আর কে অভিনয় করল। জগতে এমন অনেক মানুষই বিদ্যমান যারা সত্যিকারের ভাল না বেসে ভালবাসা দেখিয়ে কার্য উদ্ধার করতে চাই। ভালবাসার মত একটা পবিত্র জিনিসকে লাভ ক্ষতি দিয়ে বিচার করতে যায়। সবসময় সব বিষয়ে জিততে পারাটাই তাদের কাছে মুখ্য বিষয়। ভালবাসা প্রকাশ করে তারা মহৎ হতে চায়। কিন্তু ভালবাসতে গেলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137177"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137177/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9d170359fc711c2e0d596c115182b1fc</guid>
				<title>খালামনির বাসায় দুটো বেলি ফুল ছেঁড়া ছিল শোকেসের উপর। ছাদের গাছের। মাগরিবের নামাজ শেষে হাটাহাটি করছিলাম লম্বা বারান্দা দিয়ে। বৃষ্টি হচ্ছিল। বারান্দার গ্রিলের সামনে কলাগাছে বৃষ্টির টুপটুপ শব্দ। সন্ধ্যার নাস্তায় গরম কিছু খেতে খুব ইচ্ছে করছিল। গরম গরম চীনাবাদাম এর কল্পনা করছিলাম। বৃষ্টি ঝরে গেলে হাতে করে একটা বেলি ফুল নিয়ে বের হলাম বাজারের উদ্দেশ্যে। 

হালকা হালকা বৃষ্টি তখনও ঝরছে। আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি। বেলি ফুলটা হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘ্রাণ নিতে নিতে ভেজা রাস্তা দিয়ে হাটছি। বাজারে বাদামওয়ালা চাচারা কিঞ্চিৎ পরিচিত। বাদাম কিনে দাম দিলাম। টাকা নিয়ে বস্তার নিচে চাচা রেখে দিলেন। তারপর সাদা বেলিফুলটা চাচার দিকে এগিয়ে ধরলাম। চাচা হাতে নিলেন প্রথমে। তারপর নাকের কাছে ধরে লম্বা শ্বাস নিলেন। মুহূর্তের মধ্যে তার মুখের রং পাল্টে গেল। তিনি আমাকে যে হাসিটা উপহার দিলেন বহুবার বহু টাকার বাদাম, ছোলাবুট কিনেও আমি তাকে কখনো এমন গালভরে হাসতে দেখিনি। বুঝলাম টাকা দিয়ে কতকিছু হয়, আবার অনেককিছুই হয় না। যেটা একটা ফুল দিয়ে হয়, একটা হাসিমুখ দিয়ে হয়, সুন্দর কথা দিয়ে হয়। 

পরের দিনের ঘটনা। গন্তব্য আবার সেই বাদাম বিক্রেতা। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। বাদাম কিনে চাচাকে বললাম, সেই ফুল দিয়ে কি করলে চাচা? চাচীরে দিলে? চাচা বললেন, তোমার চাচি জামা ধুতি যেয়ে পকেটে পেইলো। বলে আবার লজ্জামিশ্রিত একটা হাসি। এতটা আশা করিনি। ভেবেছিলাম চাচা হয়তো ফুল শুকে পরে ফেলে দিয়েছেন কোথাও। 

আমিও হাসলাম তার হাসিতে। আবার বুঝলাম, সামান্য একটা ফুলের গন্ধের জন্য মানুষের বুকের মধ্যে কত মায়া, কেমন ভালবাসা। মানুষের মন ভালো করতে, মানুষকে ভালবাসতে আর কি লাগে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134876/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 08:56:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খালামনির বাসায় দুটো বেলি ফুল ছেঁড়া ছিল শোকেসের উপর। ছাদের গাছের। মাগরিবের নামাজ শেষে হাটাহাটি করছিলাম লম্বা বারান্দা দিয়ে। বৃষ্টি হচ্ছিল। বারান্দার গ্রিলের সামনে কলাগাছে বৃষ্টির টুপটুপ শব্দ। সন্ধ্যার নাস্তায় গরম কিছু খেতে খুব ইচ্ছে করছিল। গরম গরম চীনাবাদাম এর কল্পনা করছিলাম। বৃষ্টি ঝরে গেলে হাতে করে একটা বেলি ফুল নিয়ে বের হলাম বাজারের উদ্দেশ্যে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134876"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134876/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8200677ea0ca749c22e4851bc68a31d0</guid>
				<title>ছোটবেলায় লোডশেডিং এর রাতগুলোতে আম্মু হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতো। আমি আধোঘুমে আধো জাগরণে তা অনুভব করতাম। ঘরময় অন্ধকার। বাহিরে ঝি ঝি পোকার একটানা শব্দ। দূরের মাঠ থেকে একটা দুটো শিয়াল ডেকে উঠতো। কোন কোনদিন অনেক দূরের অস্পষ্ট কোন মাহফিলের আওয়াজ শোনা যেত। 

তখনকার দিনগুলোতে একটু বৃষ্টি হলেই কারেন্ট থাকতো না। মোমবাতি অথবা হারিকেনের আলোয় পড়তাম, হাতের লিখা লিখতাম। মা পাশে বসে সেই হাতপাখা দিয়ে ধীরে ধীরে বাতাস করতো। পড়া শেষ হলে উঠানের লম্বা বেঞ্চিতে যেয়ে বসতাম। সাথে আরো অনেকে। আকাশে মেঘের ভাজে ভাজে চাঁদের আলো। বৃষ্টিভেজা বাতাসে কামিনী ফুলের গন্ধ আর মাটিতে আমরা কিছু বন্ধুর মত মানুষ। গল্প হতো, গান হতো। এই সব মিলিয়ে লোডশেডিংটা কাটিয়ে দিতাম। 

আজকের শহুরে শিশু কিশোররা এসব চিন্তাও করে না। এখন কত রকমের চার্জার ফ্যান, চার্জার লাইট, এল.ই.ডি লাইট। কত রকমের আলো। অথচ ছোটবেলায় সেই মোমবাতির আলোয় দেখা দারিদ্র্যটুকু এখন জীবনের পরম ঐশ্বর্য্য বলে বোধ হয়। মনে হয় শৈশবের সেই দরিদ্রতাটুকুর উপর ভালবাসা অনুভব করি বলে আজও মাটির কাছাকাছি যেয়ে খালি পায়ে দাঁড়াতে পারি।ঘাসের বক্তব্য শুনতে পারি। নিজের শিকড়কে স্বীকৃতি দিতে পারি নির্দ্বিধায়। 

সেইসব সময়, সেই ছোট ছোট আনন্দের সংগ্রহগুলো আর সেইসব কাছের মানুষেরা আজ কোথায়! 

প্রিয় মানুষ, প্রিয় জিনিসগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। সুখের মুহূর্তগুলো ছোট হয়ে আসছে। হারানোর তালিকাটা লম্বা হচ্ছে আস্তে আস্তে। তবুও জীবন থেমে নেই। হয়তো পুরনো জিনিস হারায় বলে নতুন জিনিস জায়গা পায়।

আহা! কবিতার মত ছন্দময় জীবনটা গল্প আর উপন্যাসে কেমন জানি খরচ হয়ে যায়...

হাতপাখা
২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134401/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Aug 2022 16:39:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোটবেলায় লোডশেডিং এর রাতগুলোতে আম্মু হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতো। আমি আধোঘুমে আধো জাগরণে তা অনুভব করতাম। ঘরময় অন্ধকার। বাহিরে ঝি ঝি পোকার একটানা শব্দ। দূরের মাঠ থেকে একটা দুটো শিয়াল ডেকে উঠতো। কোন কোনদিন অনেক দূরের অস্পষ্ট কোন মাহফিলের আওয়াজ শোনা যেত। </p>
<p>তখনকার দিনগুলোতে একটু বৃষ্টি হলেই কারেন্ট থাকতো না। মোমবাতি অথবা হারিকেনের আলোয় পড়তাম, হা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134401"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134401/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0c5200cad76a0098e88497fa8be4bfbd</guid>
				<title>পৃথিবীতে হয়তো কোনকিছুই তার অবস্থান থেকে সরে না, শুধু আমরা আমাদের অবস্থান বদলে ফেলি। তবুও পৃথিবীতে ভালবাসা থেকে যায়।

একটা নির্দিষ্ট বয়সে পা রাখলে আমরা শরীরের চেয়ে আত্মার প্রতি যত্নবান হই বেশি। তখন আমরা জীবনটাকে একটু অন্যরকম ভাবে দেখি। নিজেদের একটা আলাদা জগত সৃষ্টি হয়। একটা সবুজ গন্ধ মাখা ঠান্ডা ঠান্ডা জগত। যেখানে মনের প্রশান্তিই আসল। যেখানে হেরে যাওয়ার ভয়ের চেয়ে কাউকে ক্ষমা করতে পারার আনন্দটা বেশি। নিজেকে নিয়ে বাহিরের কেউ কি ভাবলো সেটা নিয়ে চিন্তা হয় না। 

একটা সময়ে এসে আমরা অনেককিছুতে ছাড় দিয়ে চলি। যা কিছু মনের জন্য সুখকর দেখি, যা কিছু চোখের জন্য প্রশান্তিময় হয় তা অতি তুচ্ছ হলেও আমরা আমাদের কাছে রেখে দিই। আর যা কিছু মনের শান্তি নষ্ট করে, 
বেঁচে থাকার সময়কালকে ছোট করে দেয় তা অতি দামি হলেও আমাদের ভাল লাগে না। 

আবার দেখা যায় যে, একটা বয়সে এসে কিছু বন্ধু শুধু বন্ধুই থাকে না, পরিবারের অংশ হয়ে যায়। সেই একই বয়সে আমরা ঈশ্বরপ্রেমী হয়ে উঠি। আমরা প্রার্থনা করি  আমাকে আমার সৃষ্টিকর্তা, আমার রব্ব যা দিয়েছেন তা আমার জন্য যথেষ্ট হোক। পৃথিবীর ভালো হোক। মানুষের ভালো হোক। ভালবাসারা বেঁচে থাকুক। মিথ্যা, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার, দুর্নীতি ধংস হোক। 

একটা বয়সে এসে ভালবেসে আঘাত পেলেও আমরা সহ্য করে নিতে পারি। ভালবাসায় ব্যর্থ হলে তখন আমরা হয়তো দুঃখ পাই, কিন্তু খুব বেশি কষ্ট পায় না। আমরা মানিয়ে নিতে পারি। এই বোধশক্তিটুকু বয়স আমাদেরকে দেয়। 

একটা বয়স পর্যন্ত আমরা জীবনকে উপভোগ করি। একটা বয়সে এসে আমরা সেই জীবনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করি। একটা সময় এসে নিজেকে নিজের বড় বন্ধু বলে মনে হয়। 

একটা বয়সে আমাদের গাছ ভাললাগে, ফুল ভাল লাগে, সবুজ একটা পরিবেশ ভাললাগে।একা একা বহুদূর হেটে যেতে ভাললাগে।পথের কুকুরকে বিস্কুট খেতে দিতে ভাল লাগে।
একজন ভিক্ষুককে রুটি খাওয়াতে পারলে খুব প্রশান্তি পাওয়া যায়।রিকশাচালককে পাঁচটা টাকা বেশি দিতে পারলে ভাল লাগে।নিজে সঠিক জেনেও  ঝগড়া করতে ভাল লাগেনা।অহেতুক তর্কে জড়াতে ভাল লাগেনা। 

এই বয়সের সাথে সাথে সবকিছু ঠিক না হলেও অনেককিছু ঠিক করে নিতে হয় আমাদের।এই ক্ষুদ্র জীবনে যা পাওয়া গিয়েছে তার জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি  কৃতজ্ঞ হওয়াতেই জীবনের পরমসুখ, তাতেই অনাবিল আনন্দ।জীবনের আর যতখানি ঠিক হয়না তা ঠিক না হওয়ারই।যতখানি পাওয়া যায় না সেটুকু না পাওয়ারই। 
ওপারেও তো একটা জীবন অপেক্ষা করে! ওপারের জীবনে যদি অপূর্ণতা বলে কিছুনা থাকে তাহলে তাই হবে জীবনের চরম পাওয়া।

৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৯</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/125328/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Jul 2022 08:40:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পৃথিবীতে হয়তো কোনকিছুই তার অবস্থান থেকে সরে না, শুধু আমরা আমাদের অবস্থান বদলে ফেলি। তবুও পৃথিবীতে ভালবাসা থেকে যায়।</p>
<p>একটা নির্দিষ্ট বয়সে পা রাখলে আমরা শরীরের চেয়ে আত্মার প্রতি যত্নবান হই বেশি। তখন আমরা জীবনটাকে একটু অন্যরকম ভাবে দেখি। নিজেদের একটা আলাদা জগত সৃষ্টি হয়। একটা সবুজ গন্ধ মাখা ঠান্ডা ঠান্ডা জগত। যেখানে মনের প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-125328"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/125328/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e170ed8ca573e21edabd6cc03b52fb0b</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122050/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jun 2022 10:29:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1743625dda77d6738490c0d18ccc3a9d</guid>
				<title>এই পৃথিবীর মাটি, জল, হাওয়ায় আমরা বেড়ে উঠি। রাতের আকাশের নিচে দাড়িয়ে নক্ষত্র দেখি, বৃষ্টি এলে বৃষ্টিতে ভিজি। খোলা মাঠের হাওয়া গায়ে মাখি। মানুষ হয়েও পাখির সাথে, পশুর সাথে আমাদের মিতালি। সেই কোন সুদূর অতীতে আমাদের পূর্বপুরুষগণ জংগল কেটে বসতি করেছিল কোন কুঁড়েঘরে। আলো বলতে তখনকার দিনে শুধু আগুন, হাওয়া বলতে আম,জাম,নিম,কাঁঠালের দোলাচল। আজকের দিনে সেখানটায় সুবৃহৎ অট্টালিকা, ইলেকট্রিক আলো-হাওয়া। 

এই পৃথিবীতে আমাদের কত আত্মীয়, স্বজন, বান্ধব। ভালবাসা, বিচ্ছেদ, মন খারাপ, দুঃখ পাওয়া, সুখের ছন্দে মেতে ওঠা। একদিন এসব কিছুই থাকবে না। আবার একদিন আমি থাকবো না, আমরা থাকবো না। সবকিছু তার জায়গায় রেখে আমাদের চলে যেতে হবে অনন্তের পথে।চিরস্থায়ী শান্তি নতুবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি এই দুই গন্তব্যে। 

জীবনের ছোট, বড়, অধিক, অল্প, ভাল, মন্দ কাজের নিখুঁত বিচার হবে অদৃশ্য সেই জগতে। বিচারক একজন। আহকামুল হাকিমীন। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ। নিজেদের সবকিছু স্বচ্ছজলের মত তিনি আমাদেরকে দেখিয়ে ছাড়বেন। কেউ যদি জাররা  পরিমাণ ভাল কাজ করে সে তা দেখতে পাবে, আর জাররা পরিমাণ খারাপ করলে তাও দেখবে। 

আবার শুধু সৎকাজ করেও কেউ চিরস্থায়ী শান্তির বাগানে প্রবেশ করতে পারবে না যদি রাহমানুর রহিম তার বান্দার প্রতি অনুগ্রহ না করেন। আহা ! সেই কঠিন পরিস্থিতে যদি তার অনুগ্রহের ছায়ায় হৃদয় শীতল করতে পারি আমরা !!!

আনার বাগানের তল দিয়ে প্রবাহিত দুধের নহরের সামনে যদি দেখা হয়ে যায় আমাদের! সবুজ পাহাড়ী ঝর্ণার পাশে শীতল পাথরের &#039;পর মুখোমুখি বসে হয়তো কেটে যাবে অনন্ত প্রহর !!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122041/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jun 2022 08:02:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই পৃথিবীর মাটি, জল, হাওয়ায় আমরা বেড়ে উঠি। রাতের আকাশের নিচে দাড়িয়ে নক্ষত্র দেখি, বৃষ্টি এলে বৃষ্টিতে ভিজি। খোলা মাঠের হাওয়া গায়ে মাখি। মানুষ হয়েও পাখির সাথে, পশুর সাথে আমাদের মিতালি। সেই কোন সুদূর অতীতে আমাদের পূর্বপুরুষগণ জংগল কেটে বসতি করেছিল কোন কুঁড়েঘরে। আলো বলতে তখনকার দিনে শুধু আগুন, হাওয়া বলতে আম,জাম,নিম,কাঁঠালের দোলাচল। আজকের দি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122041"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122041/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d41dae11357b719e09706053e1537fca</guid>
				<title>অফিস শেষ করে বিকেল থাকতেই আজ বাসায় ফিরেছে মুকুল। আসর এর নামাজ পড়ে ঝুলবারান্দাটায় গিয়ে পায়চারি করছিল সে। আকাশে আষাঢ়ে মেঘ। এই কয়েকটা দিনের গরম খুবই অসহনীয়। আজ যদি খানিক বৃষ্টি হয়। 
 
ফেইসবুকের স্ক্রলিং একঘেয়ে লাগছিল ওর কাছে। ইউটিউবে গিয়ে কখনো গুলজার কখনো বা জাভেদ আখতার এর শায়েরির সাথে মনের সমঝোতা করতে চাচ্ছিল সে। বৃষ্টির কথা ভাবতে ভাবতে ঝুম বৃষ্টি নামলো। বারান্দায় সে ভিজে যাচ্ছিল বৃষ্টির ছাটে।বারান্দায় অলকানন্দা, বেলিফুলের টবগুলো বৃষ্টির দিকে ঘুরিয়ে দিল সে। কিছু সময় পর নিজের ঘরে এসে জানালা খুলে বৃষ্টি দেখতে লাগলো মুকুল। 

তার ঘরে এখন বৃষ্টি আর মাটির একরকম সোঁদাগন্ধ।ছেলেবেলায় এই গন্ধটা পাওয়ার জন্য সে কেমন উন্মাদ হয়ে থাকতো। বৃষ্টি শেষে গ্রামের বাড়ির খোলা উঠানে জমে থাকা জলের গন্ধের মত একটা ভেজা গন্ধ। হয়তো কোন গাছের বুক থেকে, অথবা মাটির গভীরে যে জায়গা সেখান থেকে, না হয় দূরের কোন ভেজা সবুজ মাঠ থেকে বাতাসে মিশে ভেসে ভেসে আসে। সেই মিষ্টি গন্ধে মুকুলের চোখ বুঁজে আসে আর মনের ক্যানভাসে ভাসে অস্পষ্ট কিছু ছবি। এই এমন দিনেই কি কবিগুরু লিখেছিলেন &quot;ঝরঝর মুখর বাদল দিনে&quot;, হূমায়ূন আহমেদ কি এই বৃষ্টিবিলাস চেয়েছিলেন , কবি আল মাহমুদ কি এই বৃষ্টির দোহাই দিয়েছিলেন তার প্রিয়তমার সোনালি কাবিনের কালিতে।

শহরজুড়ে একটানা বৃষ্টির শব্দ আর হেডফোনে গুলজারের &quot;দের তাক ব্যাঠে হুয়ে দোনো নে বারিশ দেখা&quot; শায়েরি বেজে চলছিল। এতদিন তার মনের মধ্যে মেঘের মত যে অভিমান জমা হয়েছিল এই ঝুমবৃষ্টিতে মুকুল সেই অভিমান ধুয়ে নিচ্ছে! তার আজ আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। কিচ্ছু করার নেই!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121931/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jun 2022 06:24:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অফিস শেষ করে বিকেল থাকতেই আজ বাসায় ফিরেছে মুকুল। আসর এর নামাজ পড়ে ঝুলবারান্দাটায় গিয়ে পায়চারি করছিল সে। আকাশে আষাঢ়ে মেঘ। এই কয়েকটা দিনের গরম খুবই অসহনীয়। আজ যদি খানিক বৃষ্টি হয়। </p>
<p>ফেইসবুকের স্ক্রলিং একঘেয়ে লাগছিল ওর কাছে। ইউটিউবে গিয়ে কখনো গুলজার কখনো বা জাভেদ আখতার এর শায়েরির সাথে মনের সমঝোতা করতে চাচ্ছিল সে। বৃষ্টির কথা ভাবতে ভাবতে ঝুম বৃষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121931"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121931/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4810f0ed7158e754903d8f857d23e0c</guid>
				<title>এই যে আমাদের ফোনের ফটো গ্যালারী তে এত ছবি, এত সেলফি তারপরেও পুরনো ছবির এ্যালবাম খুললে সবার সাথে সবার কাড়াকাড়ি লেগে যায়। আমাদের টেবিলের পুরনো ড্রয়ারটা ভরে থাকে তার চেয়ে পুরনো প্রিয় কিছু জিনিসে। পুরনো হরলিক্সের বোয়েমে গরম মসলা , চা পাতির কেমন নিরবচ্ছিন্ন বসবাস। 

অনেকদিনের ফেলে আসা পুরনো স্থানে গিয়ে বসলে দমবন্ধ ভাবটা আস্তে আস্তে কমে যায়। মনে হয় যে, স্থানটা আমাকে চিনে ফেলেছে।আমার সাথে কথা বলছে, কুশল জিজ্ঞেস করছে। পুরনো বন্ধুকে পেয়ে নির্ভাবনায় জড়িয়ে ধরে কেমন নির্ভার হয়ে যাওয়া যায় আজও। পুরনো পথেই চেনা মানুষের ঘর থাকে। 

বেগুন আর বড়ির তরকারীটা পুরনো হলে স্বাদে বাড়ে। পুরনো বইয়ের হলদে খসখসে পাতায়, ডায়েরির বিভাজনে অন্তরীন শুকনো ফুলে আমাদের ভালবাসারা জমে থাকে। বাবার পুরনো শল গায়ে রাস্তায় বের হয়ে টং দোকানে এক কাপ কফি খাওয়া, মায়ের পুরনো কার্ডিগান গায়ে বিকেলবেলায় বারান্দার ফুলগাছে পানি দেওয়া সন্তানেরা জানে তারা এই পৃথিবীর উত্তরাধিকারী, এই পরিবেশের অতিথি, এই পরিবারের সাথি। 

পুরাতন হলেই সব আমরা ফেলে দিতে পারি না। কিছু জিনিস যত পুরনো হয় সেসবের প্রতি আমাদের নির্ভরতা, মমতা, আকুলতা, দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পাই। এই সংসারের বিষয়টা তেমনই। এখানে আমরা যত পুরনো হই তত বলিষ্ঠ হই। যত ভালবাসি তত উদার হই। যতখানি দুঃখ পাই ততখানি নরম হই। সংসারে যে যত প্রাচীন তার ছায়া তত দীঘল। 

..............................

যে জিনিসগুলোর সাথে আমাদের স্মৃতি তীব্রভাবে মিশে আছে তা ঘরে যতই জঞ্জাল করুক আমরা তা ফেলে দিতে পারি না। যে জিনিসগুলোর সাথে আমাদের প্রচন্ড ভাললাগা মিশে থাকে আমরা সারাজীবন চাই সে জিনিসগুলো আমাদের সাথে থাকুক, আমাদের চোখে চোখে থাকুক। হোক সেটা বন্ধ হয়ে যাওয়া ঘড়ি, ভেঙে যাওয়া ফুলদানি, কালি শুকানো পাইলট কলম, ছিদ্র হয়ে যাওয়া সোয়েটার অথবা হরলিক্সের বোয়েম। 

আমরা যতই নতুন হই না কেন, মনের মিউজিয়ামে আমরা পুরাতনকে যত্ন করি। আমরা হয়তো এখন একটু অবস্থাসম্পন্ন হয়েছি, কিন্তু এখনো আমরা আমাদের পুরনো দরিদ্রতাকে ভালবাসি। বয়স যত বাড়ে জীবন তত পুরনো হয়, জমিন পুরনো হয়, ঘর পুরনো হয়, সম্পর্ক পুরনো হয় তাই বলে কি আমরা তা ফেলে দিই !

পুরনো মানুষগুলো কেউ ঘাসে ঢাকা কবরের গহীনে আছে, কেউ কেউ অনেকদিন দৃষ্টির সীমানা পেরিয়েছে। পুরনো জিনিসগুলো ড্রয়ারের কোন কোণে এলোমেলো পড়ে আছে। তবু তারা আছে। জীবনের পরতে পরতে...

“স্মৃতিগন্ধা”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121207/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jun 2022 05:47:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই যে আমাদের ফোনের ফটো গ্যালারী তে এত ছবি, এত সেলফি তারপরেও পুরনো ছবির এ্যালবাম খুললে সবার সাথে সবার কাড়াকাড়ি লেগে যায়। আমাদের টেবিলের পুরনো ড্রয়ারটা ভরে থাকে তার চেয়ে পুরনো প্রিয় কিছু জিনিসে। পুরনো হরলিক্সের বোয়েমে গরম মসলা , চা পাতির কেমন নিরবচ্ছিন্ন বসবাস। </p>
<p>অনেকদিনের ফেলে আসা পুরনো স্থানে গিয়ে বসলে দমবন্ধ ভাবটা আস্তে আস্তে ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121207"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121207/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">89b88281a66b57213986f2282d71f05a</guid>
				<title>অনেক ছোট জিনিস আমাদের জন্য সময়ভেদে অনেক শান্তি বয়ে আনতে পারে। আবার অনেক বড় কিছু পাওয়ার মধ্যেও কিছু আক্ষেপ থেকে যায়।জীবনের একটা লম্বা পথ থাকে। সেই পথে সবাইকে চলতে হয়। চলতে চলতে আবার একদিন থামতে হয়। মানুষের ঘরবাড়ি, জায়গাজমীন, আর জীবনের সেই পথ একসূত্রে গাঁথা। সেই পথের ধারে জীবন আর জীবিকার যে হাট একদিন জমজমাট হয়ে ওঠে, কোন একদিন আবার সেই হাটে জীবনের সব লেনদেন শেষ হয়। 

এই পৃথিবীতে আমরা বাঁচবো, ভালবাসবো। 
হাসবো, দুঃখ পাবো। 
হাত ধরে হাটবো, হারিয়ে যাবো। 
এভাবেই একদিন আমরা ফুরিয়ে যাবো। 

ভাল-খারাপ মিশিয়ে শুধু কিছু স্মৃতি থেকে যাবে। আমাদের সেই স্মৃতির কথা ভেবে কেউ যদি মহান রব্বুল আলামীন এর কাছে আমাদের সুখের জন্য দুআ করে, কেউ যদি আমাদের স্পর্শের কথা মনে করে নীরবে চোখের একটু জল ফেলে, কারো যদি আমাদের নামটা মনে পড়ে দুঃখের সময়ও একটু আনন্দ হয়, তাতেই এই আত্মা শান্তি পাবে। ছায়া পাবে, জল পাবে। নিশ্চিন্তে নিদ্রা যাবে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/82524/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Dec 2021 17:48:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেক ছোট জিনিস আমাদের জন্য সময়ভেদে অনেক শান্তি বয়ে আনতে পারে। আবার অনেক বড় কিছু পাওয়ার মধ্যেও কিছু আক্ষেপ থেকে যায়।জীবনের একটা লম্বা পথ থাকে। সেই পথে সবাইকে চলতে হয়। চলতে চলতে আবার একদিন থামতে হয়। মানুষের ঘরবাড়ি, জায়গাজমীন, আর জীবনের সেই পথ একসূত্রে গাঁথা। সেই পথের ধারে জীবন আর জীবিকার যে হাট একদিন জমজমাট হয়ে ওঠে, কোন একদিন আবার সেই হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-82524"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/82524/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bc71887c7a40d178ceb92aec626d34bb</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and Umme Tabassum Taiyeba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/82326/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Dec 2021 09:02:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88e84d9e8021eaabd5ed06bc19fb0ea1</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and MD.RAKIB HASAN ONTO are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/77944/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Dec 2021 14:25:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">11e9ab1dd9f9fd9e4c9eda7c0127cedf</guid>
				<title>দুঃখের উপকারিতা অনেক। আমরা যখন দুঃখ পাই, তখন অন্তর থেকে আমাদের রব্ব আল্লাহকে ডাকি। আমার আমি কে অন্তর দিয়ে অনুভব করি। তখন আমাদের অন্তর আগের তুলনায় আরও নরম হয়। আমরা ভালবাসতে পারি আগের চেয়ে বেশি।আমরা ক্ষমা করতে শিখি। অভিযোগ ভুলে কৃতজ্ঞতায় সিক্ত হই আমরা একটু একটু করে এই দুঃখের উপস্থিতিতে।জগতে যারা দুঃখ পাইনি, সুখের সন্ধানও তাদেরকে দেওয়া হয়নি। যারা ভালবেসে ভালবাসার আঘাত সহ্য করে নেয়, যারা দুঃখ পেয়ে কোন অভিযোগ না রেখে দুঃখের অনুভূতিকে আপন করতে জানে, সংসারে তাদের মত সুন্দর মানুষ আর হয় না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/76641/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Dec 2021 14:23:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুঃখের উপকারিতা অনেক। আমরা যখন দুঃখ পাই, তখন অন্তর থেকে আমাদের রব্ব আল্লাহকে ডাকি। আমার আমি কে অন্তর দিয়ে অনুভব করি। তখন আমাদের অন্তর আগের তুলনায় আরও নরম হয়। আমরা ভালবাসতে পারি আগের চেয়ে বেশি।আমরা ক্ষমা করতে শিখি। অভিযোগ ভুলে কৃতজ্ঞতায় সিক্ত হই আমরা একটু একটু করে এই দুঃখের উপস্থিতিতে।জগতে যারা দুঃখ পাইনি, সুখের সন্ধানও তাদেরকে দেওয়া&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-76641"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/76641/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2b01fbc8486ae333edbc4d62bbc62b52</guid>
				<title>অঘ্রান মাসের এক ধোয়া ধোয়া বিকেলে আম্মু ঘুম থেকে ডেকে হাত মুখ ধুইয়ে দিয়ে একটা গোলাপি-সবুজ রং এর সোয়েটার পরিয়ে দিচ্ছিল। খুব পুরনো আর ঝাঝালো একটা গন্ধ পাচ্ছিলাম সোয়েটারে। তখন পরতে চাচ্ছিলাম না। মুখ ভার করে ছিলাম সবটুকু বিকেল। কিছুদিন পরে দেখলাম ছাদে লেপ,কম্বল রোদে দেওয়া। সেখানেও ওরকম বহুদিনের পুরনো, কটকটে একটা গন্ধ। 

এখন বুঝতে পারি। সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, লেপ,তোষক, কম্বল এর এই গন্ধটা না পেলে শীতকালটাকে শীতই মনে হত না। এখনও মেলাতে পারি না আসলে গন্ধটা কিসের। মিলিয়ে নিতে পারি না। কাউকে জিজ্ঞেস করলে বলতেও পারতো না। আমি মনে মনে ধরে নিতাম যে ন্যাপথলিন, কাঠ, সুতো আর শরীরের গন্ধের একটা মিশ্রণ। তার সাথে মিশে থাকে অতীতের ভাসা ভাসা একটা ঘ্রাণ। এই সব মিলিয়ে মনটাও কুয়াশায় ভেজা ঘাসের মত ভারী হয়ে ওঠে। 

জীবন থেকে একটা গ্রীষ্ম, বর্ষা, একটা শরৎ, একটা হেমন্ত আবার ফুরিয়ে গেল। ছোটবেলার শীত শীত বিকেলে বন্ধুদের সাথে মনোমালিন্য হলে, অথবা শীত শীত রাতে পড়া নিয়ে আম্মু বকলে যখন মন খারাপ হত সেই সবুজ, গোলাপি রং সোয়েটারটা দেখলে মন ভাল হয়ে যেত; তাতে মিকি মাউসের একটা ছবি ছিল।তখন অল্পতেই কেমন মন ভাল হয়ে যেত। রং দেখে, ছবি দেখে, কলম দেখে, মা&#039; কে দেখে। 

রোদে রাখলে, কিছুক্ষণ বাতাসের স্পর্শ পেলে শীতবস্ত্রের গন্ধগুলো মিইয়ে যাবে। আর পানি পেলে গন্ধগুলো একদম থাকবে না। আমরাও এমন। বহু বছরের রোদ পেয়ে, হাওয়া পেয়ে, জলের স্পর্শ পেতে পেতে আমাদের শরীরের পুরনো ঘ্রাণ সব মিলিয়ে যাবে, ম্লান হবে। আমরা বেঁচে থাকবো না চিরকাল।কোন এক শীতের শেষ রাতে, অথবা হেমন্তের বিকেলে, কিম্বা শরতের সন্ধ্যায় হাটতে হাটতে, আনন্দ করতে করতে, অথবা মুখ গুঁজে বিছানায় শুয়ে আমরা  বিদায় নেব। আমাদের শীতবস্ত্র থাকবে, লেপ, কম্বল, বিছানার চাদর থাকবে। আর থাকবে এই শিহরিত শরীরের ঘ্রাণ। আমাদের ঘরে আসলে, বিছানায় বসলে, আলমারি খুললে, ড্রয়ার টানলে খুব কাছের মানুষেরা সেই গন্ধটা পাবে। আর কেউ পাবে না। আর কেউ না। ন্যাপথলিন, কাঠ, সুতো, শরীর আর ক্ষয়ে যাওয়া সময়ের সেই গন্ধটা !!!

হাফহাতা সোয়েটার
২ অঘ্রাণ, ১৪২৮</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75955/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Dec 2021 11:13:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অঘ্রান মাসের এক ধোয়া ধোয়া বিকেলে আম্মু ঘুম থেকে ডেকে হাত মুখ ধুইয়ে দিয়ে একটা গোলাপি-সবুজ রং এর সোয়েটার পরিয়ে দিচ্ছিল। খুব পুরনো আর ঝাঝালো একটা গন্ধ পাচ্ছিলাম সোয়েটারে। তখন পরতে চাচ্ছিলাম না। মুখ ভার করে ছিলাম সবটুকু বিকেল। কিছুদিন পরে দেখলাম ছাদে লেপ,কম্বল রোদে দেওয়া। সেখানেও ওরকম বহুদিনের পুরনো, কটকটে একটা গন্ধ। </p>
<p>এখন বুঝতে পারি। সোয়েটার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-75955"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/75955/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47a07ac2a656dc8b27d3802fee353b02</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and রাদ আহমদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39055/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 08:32:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">364537e61dd71a7b34c592f7a7530429</guid>
				<title>বাবা একবার খুব অসুখে পড়লেন। 
আমি তখন খুব ছোট। 

ছোট বলতে একটা ছোট মাছ ধরে বোতলে ভরে খেলতে খেলতে রেখে দিতাম বোতলের মুখ বন্ধ করে। 
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম আমার সোহাগি মাছ আর বেঁচে নেই। এমনই অবুঝ বয়স তখন আমার। 

আর তখনই আমার বাবার ভয়ংকর অসুখ হলো। 
সারাদিন তিনি বিছানায় শুয়ে থাকতেন আর লম্বা নিঃশ্বাস নিতেন। বাবাকে দেখে আমার দুঃখ হত, কষ্ট হত। 

বাবা ভাল থাকতে ভালবাসার কথা বলতেন। আমি বুঝতে পারতাম না কিছুই। 

আমি খাটের পাশে জানালায় বসে আকাশ দেখতাম আর আমার মা সবুজ জায়নামাজে বসে কাঁদতেন। 
আমার মার পয়সা ছিল না। 
তিনি জায়নামাজে বসে জগতের সমস্ত মমতা নিয়ে অস্ফুট স্বরে কাঁদতেন। 

একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি আমার বাবা আমার মা&#039;কে নিয়ে সেই জায়নামাজে বসে আছে। 
আমি সেদিন থেকে বিশ্বাস আর ভালবাসার অর্থ বুঝতে শিখেছিলাম। 

বিশ্বাস, ভালবাসার অর্থ
১০ /০৭/২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21960/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Jul 2021 17:45:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাবা একবার খুব অসুখে পড়লেন।<br />
আমি তখন খুব ছোট। </p>
<p>ছোট বলতে একটা ছোট মাছ ধরে বোতলে ভরে খেলতে খেলতে রেখে দিতাম বোতলের মুখ বন্ধ করে।<br />
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম আমার সোহাগি মাছ আর বেঁচে নেই। এমনই অবুঝ বয়স তখন আমার। </p>
<p>আর তখনই আমার বাবার ভয়ংকর অসুখ হলো।<br />
সারাদিন তিনি বিছানায় শুয়ে থাকতেন আর লম্বা নিঃশ্বাস নিতেন। বাবাকে দেখে আমার দুঃখ হত, কষ্ট হত।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21960"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21960/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc80bccc995133d000ff9cccc6c931ad</guid>
				<title>হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে সেখানে
যেখানে হারালে বকার কেউ নেই। 

একটা কাউকে খুব ভালবাসতে ইচ্ছে হয়
যাকে ভালবাসলে নরম বিছানায় ঘুমিয়ে আছি বলে মনে হবে। 

কয়েকটা অপরাহ্ণ মনে হয় দাঁড়িয়ে থাকি সেই ধানক্ষেতে যেখানে চাষিরা ধানগাছে হাত দিয়ে আদর করে। 

কোন কোনদিন পথে হাটতে হাটতে খুব ক্ষিদে পেলে ইচ্ছে করে ঝুপড়ি হোটেলে যেয়ে এক প্লেট গরম ভাতে ঝাল ডলে পুঁটি মাছেরঝোল দিয়ে পেটভরে খেতে। 

অমলকান্তির মত রোদ্দুর হতে ইচ্ছে করে। ক্ষান্তবর্ষন কাকডাকা বিকেলের সেই লাজুক রোদ্দুর। 

মন খারাপ করে থাকতে ভাল লাগে না। 
হাসতে ইচ্ছে করে। হাসাতে ইচ্ছে করে। 

ক্ষমা করে কাঁদতে ভাল লাগে।
খুব সাধারণভাবে বাঁচতে ভাল লাগে। 

ইচ্ছে করে সেখানে ছুটে যায় যেখানে ভুল হলে মানুষ মানুষকে ভুল বোঝে না।
তোমরা বড্ড ভুল বোঝো। 

ইচ্ছে করে সেখানটায় যেয়ে বসি যেখানে উপেক্ষা আর দুঃখ নিয়েও মানুষ মানুষকে ভালবাসে। পাশে এসে গায়ে হাত রেখে দাড়ায়। 

মনে হয় এখানটায় আর না থাকি! 
এখানে অর্থ দিয়ে, অলংকার দিয়ে, পদ আর পদবী দিয়ে তোমরা একে অপরকে বিচার করো,যাচাই করে নাও।

হৃদয় দিয়ে আর কবে বিচার করবে!
ভালবাসা দিয়ে যাচাই করবে আর কবে বলতে পারো?

.............
ইচ্ছে ও ভাললাগা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/15094/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Jun 2021 17:11:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে সেখানে<br />
যেখানে হারালে বকার কেউ নেই। </p>
<p>একটা কাউকে খুব ভালবাসতে ইচ্ছে হয়<br />
যাকে ভালবাসলে নরম বিছানায় ঘুমিয়ে আছি বলে মনে হবে। </p>
<p>কয়েকটা অপরাহ্ণ মনে হয় দাঁড়িয়ে থাকি সেই ধানক্ষেতে যেখানে চাষিরা ধানগাছে হাত দিয়ে আদর করে। </p>
<p>কোন কোনদিন পথে হাটতে হাটতে খুব ক্ষিদে পেলে ইচ্ছে করে ঝুপড়ি হোটেলে যেয়ে এক প্লেট গরম ভাতে ঝাল ডলে পু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-15094"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/15094/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1bb728fc923f669228151c592fca5461</guid>
				<title>আজকাল বিদায় জিনিসটা খুব করে ভাবায়। 
আগে এমন হতো না। 
তখন অনেক কিছুই উপেক্ষার দৃষ্টি দিয়ে দেখতাম। 
এখন খুব সহজেই ভালবেসে ফেলি। 

জাগতিক সুখ খুঁজতে খুঁজতে শূন্যতায় ভরে যায় অবুঝ হৃদয়টা। 
সময়ের পরিক্রমায় হারিয়ে ফেলেছি প্রিয়জনদের। 
আমি যদি পাখি হতাম অথবা হতাম যদি কপোতাক্ষের জল! 
তাতেও কি হৃদয়ে অল্পতেই রক্তক্ষরণ হতো?
আচ্ছা! ভালবাসলেই কি দুঃখ বাড়ে!

তবুও অপেক্ষায় থাকি শীতরাতের, ঝরা শিউলি ফুলের। 
ভালবাসি রবের সান্নিধ্য, পবিত্র ধর্মগ্রন্থের বাণী, হেমন্তের বিকেল, 
কবিতার বই, আর কিছু ডাকনাম। 

ভালবাসতে চাই ভালবেসে যারা দুঃখ পেল তাদেরকে। যাতে ভালবাসার অপমান না হয়। 
আজকাল ভালবাসার বড্ড বেশি বদনাম। 
আজকাল খুব সহজেই ভালবেসে ফেলি সবকিছু

খুব সহজে ভালবাসি
৩রা অঘ্রাণ, ১৪২৭</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/11202/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Jun 2021 17:55:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজকাল বিদায় জিনিসটা খুব করে ভাবায়।<br />
আগে এমন হতো না।<br />
তখন অনেক কিছুই উপেক্ষার দৃষ্টি দিয়ে দেখতাম।<br />
এখন খুব সহজেই ভালবেসে ফেলি। </p>
<p>জাগতিক সুখ খুঁজতে খুঁজতে শূন্যতায় ভরে যায় অবুঝ হৃদয়টা।<br />
সময়ের পরিক্রমায় হারিয়ে ফেলেছি প্রিয়জনদের।<br />
আমি যদি পাখি হতাম অথবা হতাম যদি কপোতাক্ষের জল!<br />
তাতেও কি হৃদয়ে অল্পতেই রক্তক্ষরণ হতো?<br />
আচ্ছা! ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-11202"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/11202/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f53666581f9a595cd3754246375b090b</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and Mahmuda Sultana are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/10639/</link>
				<pubDate>Sat, 29 May 2021 05:49:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9f58bb17a5dd61dfd18d1bc7569c5369</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and Israt Lamia are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/10555/</link>
				<pubDate>Tue, 25 May 2021 17:50:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7437f59774f502bf5abf2fbf32763bcd</guid>
				<title>পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর তিনটি উপহার হল ভালবাসা, বই, ফুল। জ্ঞানীরা, বড়রা তাই শিখিয়েছেন। যুগে যুগে সেটাই প্রমাণিত। আর এই তিনটি জিনিসের প্রতিই মানুষের অনীহা আর অবজ্ঞা সবথেকে বেশি। 

এই ভালবাসার কথাই ধরা যাক। ভালবাসা দিলে মানুষ ভাবে এটা এক ধরণের অভিনয়। আর তাতে করে সে অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। নিতে চায় না। ভাবে ভালবাসলাম তো ঠকলাম। মনে করে ভালবাসার চিরকাল ঐ একটায় মানে! 

আবার ভাল বই দিলে শোকেসে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রেখে দেয়। মাঝে মাঝে অন্যান্য শোপিসের মত ধূলো ঝেড়ে পরিষ্কার করে, দুই এক পাতা উল্টিয়ে দেখে আবার আগের জায়গায় রেখে দেয়। শুধু বইয়ের নামটা মনে রাখে যাতে করে বলতে পারে এরকম কিছু একটা উপহার পেয়েছিলাম। 

অনেকের ফুলের গন্ধে আবার আল্যার্জি। তাই খুব সাবধানে ধরতে হয় ফুলেল উপহার। রাস্তা দিয়ে আসতে আসতে তার অর্ধেক ঝরে পড়ে কোন অজ্ঞাত কারনে। ঘ্রাণ যতদিন থাকে ফুলগুলোও ততদিন ফুলদানিতে আশ্রয় পায়। রং আর গন্ধ ম্লান হলে সেগুলোর স্থান হয় ময়লার বালতিতে। তবে তার সুবাস মনে লেগে থাকে কতদিন সেটাও একটা বড় বিষয়। 

খুব অবাক লাগে এটা ভাবতে যে, পৃথিবীর সব সুন্দর সুন্দর জিনিসগুলো আজীবন একরকম অবহেলিত আর উপেক্ষিতই রয়ে গেল...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/10460/</link>
				<pubDate>Sun, 23 May 2021 06:03:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর তিনটি উপহার হল ভালবাসা, বই, ফুল। জ্ঞানীরা, বড়রা তাই শিখিয়েছেন। যুগে যুগে সেটাই প্রমাণিত। আর এই তিনটি জিনিসের প্রতিই মানুষের অনীহা আর অবজ্ঞা সবথেকে বেশি। </p>
<p>এই ভালবাসার কথাই ধরা যাক। ভালবাসা দিলে মানুষ ভাবে এটা এক ধরণের অভিনয়। আর তাতে করে সে অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। নিতে চায় না। ভাবে ভালবাসলাম তো ঠকলাম। মনে করে ভালবাসার চিরকাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-10460"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/10460/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">835c434946fb8d5b9b87564d87fdf241</guid>
				<title>দিতে পারো শেষরাতের ঠান্ডা হাওয়ায় নকশীকাঁথার পরম উষ্ণতা
কিম্বা একগুচ্ছ কাশফুল আমার নামে বেনোজলে ভাসাতে। 
তুমি শুধু অভিমান করতে পারো। 

যতটুকু অভিমান জমলে কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে না, ভালবাসতে ইচ্ছে করে না, একদিন 
আমিও ঠিক ততটুকু অভিমানী হব

যতখানি অভিমান করলে বৃষ্টি ভাল লাগবে না, দখিনা জানালায় দাড়াতে ইচ্ছে করবে না, আকাশ দেখলে আনন্দ লাগবে না একদিন ঠিক ততখানি অভিমান নিয়ে আমি শহর ছেড়ে চলে যাব। 

আমাকে ছাড়া তোমার ভালবাসতে কষ্ট হবে। 
আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিয়েও আর আমাকে খুঁজে পাবে না। 

...................
অভিমানী হলে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/10309/</link>
				<pubDate>Wed, 19 May 2021 06:42:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিতে পারো শেষরাতের ঠান্ডা হাওয়ায় নকশীকাঁথার পরম উষ্ণতা<br />
কিম্বা একগুচ্ছ কাশফুল আমার নামে বেনোজলে ভাসাতে।<br />
তুমি শুধু অভিমান করতে পারো। </p>
<p>যতটুকু অভিমান জমলে কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে না, ভালবাসতে ইচ্ছে করে না, একদিন<br />
আমিও ঠিক ততটুকু অভিমানী হব</p>
<p>যতখানি অভিমান করলে বৃষ্টি ভাল লাগবে না, দখিনা জানালায় দাড়াতে ইচ্ছে করবে না, আকাশ দেখলে আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-10309"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/10309/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0cddc9529c6e85c98e1b868dd29b8961</guid>
				<title>তোমাদের শহরে কামিনী ফুল নেই, হাসনাহেনার ঘ্রাণ নেই তা আমাকে আগে বলোনি কেন। 

বৃষ্টিতে তোমাদের শহর ধুয়ে গেলেও তাতে ভেজা মাটির গন্ধ নেই সে কথাটাও লুকিয়েছ আমার কাছে। 

তোমাদের শহরের ট্রাফিক সিগন্যালে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে যে ছোট্ট মেয়েটা গোলাপ ফুল বিক্রি করে ভাতের পয়সা যোগায় তাকে দেখে তোমরা গাড়ির গ্লাস তুলে দাও। 

তোমরা তোমাদের বুকে অক্সিজেনের অভাব পুষে পকেটে টাকার পাহাড় জমাও। 

তোমরা কেন ভেবেছিলে যে তোমরা যা কিছু নিয়ে ভাল থাকার অভিনয় করে বেঁচে আছো 
আমিও তাই নিয়ে তোমাদের মতন মৃত্যুর আগেই মরে যাবো।

...
তোমাদের শহরে আমি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/9619/</link>
				<pubDate>Sun, 02 May 2021 23:05:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমাদের শহরে কামিনী ফুল নেই, হাসনাহেনার ঘ্রাণ নেই তা আমাকে আগে বলোনি কেন। </p>
<p>বৃষ্টিতে তোমাদের শহর ধুয়ে গেলেও তাতে ভেজা মাটির গন্ধ নেই সে কথাটাও লুকিয়েছ আমার কাছে। </p>
<p>তোমাদের শহরের ট্রাফিক সিগন্যালে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে যে ছোট্ট মেয়েটা গোলাপ ফুল বিক্রি করে ভাতের পয়সা যোগায় তাকে দেখে তোমরা গাড়ির গ্লাস তুলে দাও। </p>
<p>তোমরা তোমাদের বুকে অক্সিজেনের অভা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-9619"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/9619/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">649e3567a19c19b658c432609381164e</guid>
				<title>ভাবুন তো আজ থেকে ১০০ বছর আগের কথা।এই উপমহাদেশ। ভাবতে গেলে ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলাতে হয়। ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া রেলপথ, ব্রিজ, পুরান ঢাকার নান্দনিক মুঘল স্থাপত্য, কিংবা বরেন্দ্রভূমি, পুন্ড্রনগরের পুরাকীর্তি যা একবিংশ শতাব্দীর শিল্পায়নকে তাক লাগিয়ে দেয়। তবুও সবকিছু সমানভাবে চিরদিন থাকে না। ক্ষয়ে যায়। খসে পড়ে। 

পাল বংশের রাজত্ব ছিল চারশ বছরের অধিক। তার আগে গুপ্ত সাম্রাজ্য, মৌর্যবংশ। তারও আগে যদি দেখি আদ, সামুদ, বনী ইসরায়েল। কত বিশালতার সাক্ষী তাদের রাজ্য, তাদের কর্ম। আবার কত বর্বর আর নিকৃষ্ট। যারা ভেবেছিল সুবিশাল সাম্রাজ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো।অথচ আজ সেসবের ধবংসাবশেষও নেই। শুধু কিছু শব্দ আছে তাদেরকে ঘিরে ইতিহাসের পাতায়। আর কিছু নাম। 

সময়ের স্রোত সামনের দিকে বয়ে বয়ে যায়। পিছনে থাকে শুধু স্মৃতি। কখনো তা অম্ল, কখনো মধুর। কিছুটা ভালবাসার, কিছুটা বেদনার। জীবনের পরিসর যতটুকু, স্মৃতির পরিধি তার অধিক। আবার জীবনকে ছাড়িয়ে স্মৃতি অসম্ভব। 

চলার পথে অসংখ্য মুখ। 
তার নেপথ্যে মুখোশও কিছু কম নয়। তাতে জড়িয়ে আছে হাসি, অভিমান। আর থাকে মন খারাপ, আর কিছু কান্নার দাগ। 

তবুও বয়ে চলা। কখনো সবেগে, কখনো ধীর, স্থির। কখনো সবাই মিলে, কখনো সঙগীহীন। মাঝ রাস্তায় থেমে থেমে একটু বিশ্রাম। চোখ বন্ধ করে। তখন আবার আর একটা রাজ্য। স্বপ্নদুয়ার খুলছে একটা একটা করে। প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির মিলন চাই। আকাঙক্ষা কে ঘিরে যে আয়োজন তা নিয়ে যেন কোন আক্ষেপ না থাকে। শুধু আশার আলো দেখে যেন ঘুমটা ভাঙে। তাতেই জীবনের সৌন্দর্য্য। তাতেই মনের সুখ। 

আর সেই আশা নিয়ে বয়ে চলে মানুষ জীবন নামের রেলগাড়িতে ভর করে... আর একটু পথ এগোলেই হয়তো তার সমাপ্তির স্টেশনটা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/9186/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Apr 2021 22:14:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাবুন তো আজ থেকে ১০০ বছর আগের কথা।এই উপমহাদেশ। ভাবতে গেলে ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলাতে হয়। ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া রেলপথ, ব্রিজ, পুরান ঢাকার নান্দনিক মুঘল স্থাপত্য, কিংবা বরেন্দ্রভূমি, পুন্ড্রনগরের পুরাকীর্তি যা একবিংশ শতাব্দীর শিল্পায়নকে তাক লাগিয়ে দেয়। তবুও সবকিছু সমানভাবে চিরদিন থাকে না। ক্ষয়ে যায়। খসে পড়ে। </p>
<p>পাল বংশের রাজত্ব ছিল চারশ বছরে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-9186"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/9186/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>18</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9077df9659376753d830080227ae788</guid>
				<title>Abrar Jahin Ratul and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/9179/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Apr 2021 19:03:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">82c175f6c10136a4e79f805ba1d1552a</guid>
				<title>একদিন শহর জুড়ে খুব বৃষ্টি হবার পর একটা বাসে উঠে জানালার পাশে বসে যাব। 
ভেজা রাস্তায় বাস চলবে...
আমি জানালার বাইরে মুখ বের করে 
ভেজা পরিবেশের ঘ্রাণ নেব। 
মাঝে মাঝে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টিগুলো ছুঁয়ে দেব। 

একদিন এই ভেজা ভেজা গন্ধে ফুসফুসটা ভরাতে বাসের জানালার পাশের সিটে 
বসে একা একা  সুদূরে হারিয়ে যাব...
প্রাণহীন নগরীর নোনাধরা দেয়ালে বিজ্ঞাপন এঁকে আমাকে মিছেমিছি খুঁজতে এসো না। 
আমি বরং বৃষ্টি আর একরাশ কামিনী ফুল নিয়ে ভাল থাকবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/8928/</link>
				<pubDate>Sat, 24 Apr 2021 23:21:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদিন শহর জুড়ে খুব বৃষ্টি হবার পর একটা বাসে উঠে জানালার পাশে বসে যাব।<br />
ভেজা রাস্তায় বাস চলবে&#8230;<br />
আমি জানালার বাইরে মুখ বের করে<br />
ভেজা পরিবেশের ঘ্রাণ নেব।<br />
মাঝে মাঝে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টিগুলো ছুঁয়ে দেব। </p>
<p>একদিন এই ভেজা ভেজা গন্ধে ফুসফুসটা ভরাতে বাসের জানালার পাশের সিটে<br />
বসে একা একা  সুদূরে হারিয়ে যাব&#8230;<br />
প্রাণহীন নগরীর নোনাধরা দেয়ালে বি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-8928"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/8928/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e3f6a50268c367e6ef0417dc5677a09a</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/8927/</link>
				<pubDate>Sat, 24 Apr 2021 23:14:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc92ae993ef65509515e478298eda845</guid>
				<title>শহরের উষ্ণতম দিনে সাধারণ মানুষের বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা । অতঃপর অবিশ্রান্ত বৃষ্টি । নিজেকে বৃষ্টিতে ছুঁড়ে দিতে চাওয়া; কিন্তু জানালার গ্রিলে বাঁধা পেয়ে থমকে যাওয়া । কারো কারো কফির পেয়ালা হাতে বারান্দাতে পায়চারি করা, কারো কারো জানালার কাঁচ গলিয়ে বৃষ্টির স্পর্শ নিয়ে নিজেকে শীতল করতে চাওয়া, ছাদে দাঁড়িয়ে খোলা মাঠের বৃষ্টিতে ভেজার কৃত্তিম স্বাদ নেওয়া। কারো কারো আবার নামাজের পাটিতে বসে দু’হাত তুলে আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা) এর কাছে দু’আ করা, কারণ বৃষ্টির সময়টা দু’আ কবুল হওয়ার মোক্ষম সময় । 
ধুলোজমা ধূসর Rhododendron’ গুলোর ক্ষণিকের জন্য আবার সবুজ হয়ে ওঠা। বৃষ্টিতে ভিজতে অনিচ্ছুক অবলা পশুপাখিগুলোর নিরুপায় হয়ে আশ্রয় খুঁজতে চাওয়া। রিক্সাওালার ঘামেভেজা শরীরে নতুন প্রাণের সঞ্চার হওয়া । আর সন্ধ্যাবেলায় ঘরমুখো মানুষগুলোর কাকভেজা হয়ে ঘরে ফিরে প্রিয়মুখের সাক্ষাৎ পাওয়া। অতঃপর রাত গভীর হওয়া। 
হাজার বছরের পুরানো সেই বৃষ্টিস্নাত রাত.........।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7262/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Apr 2021 19:04:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শহরের উষ্ণতম দিনে সাধারণ মানুষের বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা । অতঃপর অবিশ্রান্ত বৃষ্টি । নিজেকে বৃষ্টিতে ছুঁড়ে দিতে চাওয়া; কিন্তু জানালার গ্রিলে বাঁধা পেয়ে থমকে যাওয়া । কারো কারো কফির পেয়ালা হাতে বারান্দাতে পায়চারি করা, কারো কারো জানালার কাঁচ গলিয়ে বৃষ্টির স্পর্শ নিয়ে নিজেকে শীতল করতে চাওয়া, ছাদে দাঁড়িয়ে খোলা মাঠের বৃষ্টিতে ভেজার কৃত্তিম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7262"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7262/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>