<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | পরিমল রায় | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/parimal-roy/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/parimal-roy/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for পরিমল রায়.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 24 Jun 2026 01:00:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a9f532ccb4833a667e866a7d55a0e60c</guid>
				<title>শুভ শারদীয়ার শুভেচ্ছা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233616/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Sep 2025 17:37:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শুভ শারদীয়ার শুভেচ্ছা। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17eb267b436f876f13176fdd5d37d068</guid>
				<title>হাছন রাজার গান শুনি --
আত্মশুদ্ধি ছাড়া আমি বা আপনি বড়ই একলা। যতক্ষণ না নিজের ভিতরকার  কু-সত্ত্বাকে মেরে না ফেলতে পারবেন, ততদিন দিন পর্যন্ত আপনি হাছন রাজার গানই শুনেই যাবেন...  কি আর করা ? 
&quot;  উন্দুরা মারিবার লাগি বিলাই আনলাম ঘরো
বিলাই আর উন্দুরা বেটায় একলাই বাস করে ।
রঙের বাড়ই---
রঙের বাড়ইরে বেষম উন্দুরায় নাগাল পাইলো ।।
হাছন রাজায় কয়রে বাড়ই ভিত্রের উন্দুর মারো
সবকিছু ছাড়িয়া দিয়া পন্থের চরণ ধরো ।
রঙের বাড়ই---
রঙের বাড়ইরে বেষম উন্দুরায় নাগাল পাইলো ।।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231880/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 04:54:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                       হাছন রাজার গান শুনি &#8212;<br />
আত্মশুদ্ধি ছাড়া আমি বা আপনি বড়ই একলা। যতক্ষণ না নিজের ভিতরকার  কু-সত্ত্বাকে মেরে না ফেলতে পারবেন, ততদিন দিন পর্যন্ত আপনি হাছন রাজার গানই শুনেই যাবেন&#8230;  কি আর করা ?<br />
&#8221;  উন্দুরা মারিবার লাগি বিলাই আনলাম ঘরো<br />
বিলাই আর উন্দুরা বেটায় একলাই বাস করে ।<br />
রঙের বাড়ই&#8212;<br />
রঙের বাড়ইরে বেষম উন্দুরায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231880"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231880/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6b1fb2146140cd4d8d59ecfe0bd58aad</guid>
				<title>পরিমল রায় changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231878/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 04:29:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">822184c8059f204d986b3989705a8e97</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231877/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 04:26:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1fc37476e2bd78de3f0b76690a7862b2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230671/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Jun 2025 08:50:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed7c564839ad2501b6e48cdd8a848605</guid>
				<title>পরিমল রায় changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230668/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Jun 2025 08:45:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e329cbe4c52ad84a8525e9a110d84d40</guid>
				<title>পরিমল রায় and সা দি য়া (নন্দিনী) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230113/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Jun 2025 19:06:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c1094050c9b1af91f5eaf9b17ae07c87</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229238/</link>
				<pubDate>Fri, 16 May 2025 16:53:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b694a07164df14f64d89253fd6d35820</guid>
				<title>নিঃশব্দের কান্না

মোমবাতিটি স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে পড়ে ছিল, দুধের হিমায়িত ফোঁটার মতো ছড়িয়ে পড়েছিল গলে পড়া মোমবাতির ফোঁটাগুলো। ছোট্ট মেয়ে লাজিনা হাতে একটা মুক্তার মালা নিয়ে কাঁদছিল। তার মা মোমের গলে পড়া বিন্দু/ফোঁটা  দিয়ে একটি  পুঁতির মালা তৈরি করে লাজিনার গলায় ঝুলিয়ে দিলেন। লাজিনা তার মোমের মালা গলায় পরে আনন্দে হাততালি দিতে দিতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।
রাত নেমে গেল। গ্রামের একটি আধা ভাঙ্গা ঘরে মোমবাতিটি জ্বলে উঠল। এর একচোখা আলো ঘরের অন্ধকার  উবে গেল এবং কিছু মুহূর্তের জন্য ঘর আলোকিত হয়ে উঠল। কিন্তু কিছু সময় পরে, ঘরটি আবারো ভয়ঙ্কর  অন্ধকার পরিবেশের সাথে খাপ খেয়ে গেলো, যেন একটি অবিচলিত অস্পষ্ট দৃষ্টি চারদিকে তাকাতে শুরু করে অনিশ্চয়তায় । 
ছোট্ট লাজিনা খাটের উপর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে, স্বপ্নে তার বন্ধু বিন্দুর সাথে লড়াই করে, এবং তাদের পুতুলের ছেলে -মেয়েদের বিয়ে দিবে না বলে তারা ঝগড়া করতে থাকে।
লাজিনার মা জানালার কাছে দাঁড়িয়ে নিঃশব্দ এবং ম্লান আলোকিত কাদামাখা মাটির রাস্তার দিকে আকুলভাবে তাকিয়ে ছিলেন। রাস্তার ওপারে লোহার খুঁটিতে ঝুলে থাকা একটি লণ্ঠন ডিসেম্বরের শীতের রাতে ঘুমন্ত প্রহরীর মতো নিভু নিভু। লাজিনার মা দেখছে, তার সামনে একটি বন্ধ রেস্তোরাঁ,ঘুমন্ত শহরে কুয়াশাছন্ন আকাশ,বারোটা বেজে গেলো ; সে কেঁপে উঠল, তারপর নিজের উপর নীরবতার কম্বল টেনে ঘুমিয়ে গেল। ঘুমের মাঝে মিষ্টি গানের সুর লাজিনার মায়ের কানে ভেসে উঠল কিন্তু ততক্ষণে তার মাথায় আরেকটি কথা ঢুকে গেছে। ভোরের ঠাণ্ডা বাতাস তার কানে পৌঁছল। লাজিনার মা গান শুনছে, সে তার সমস্ত ইচ্ছা শক্তি দিয়ে তাতে মনোযোগ করছিল।
রাতের নিস্তব্ধতায়, নিঃশ্বাসের শব্দ যেন শেষ বিন্দুর মতো ঘণ্টায়বেজে উঠতে লাগল। লাজিনার মা তৃপ্তি নিয়ে বসলেন, যেন  একটি  ক্লান্ত ঘোড়া নিঃশব্দে  এসে লণ্ঠনের পাশে দাঁড়াল। এরপর সওয়ার নামলেন, ঘোড়াকে চাপ দিলেন এবং জানালার দিকে তাকালেন। জানালার ফাঁক গলিয়ে  ভিতরের ছায়ামূর্তি দেখতে পেয়ে থমকে দাঁড়ালেন।
এরপর সে শীতার্ত রাতের গুণ্ঠিত হাত খুলে পকেটে হাত দিয়ে  দেখতে পেল তার কাছে সাড়ে তিন টাকা আছে, যার মধ্যে তিনি এক টাকা এবং চার আনা নিজের জন্য আলাদা করে রেখে এবং বাকিটা তিনি ঘোড়ার সিটের কুশনের নীচে লুকিয়ে রাখলেন। অতঃপর সে পতিতালয়ে ওঠার সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল — 
লাজিনার মা, দরজা খুলতে কয়েক কদম এগিয়ে গেলেন -- 
সেই কোচম্যান — মাধো, ভিতরে এসে দরজা বন্ধ করে চান্দো সুনিয়ারিকে তার বুকে জড়িয়ে ধরে , কানে  বিড়বিড় করে বলতে লাগলেন — 
&quot;আল্লাহ জানেন আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি! যৌবনে তোমার সাথে দেখা হলে আমার ঘোড়া আর গাড়ি অনেক আগেই বিক্রি হয়ে যেত&quot;  বলে তার হাতে এক টাকা গুঁজিয়ে দিলেন। 
চান্দো সুনিয়ারি জিজ্ঞেস করল, ‘এটুকুই কী?&#039; 
&#039;এটাও নাও,&#039; এবং  এবার সে তার অন্য হাতে সাথে থাকা বাকি চার আনাও দিয়ে — ঠোঁটে ঠোঁট রেখে অস্ফুট স্বরে  বলল  ‘তোমার জীবনের শপথ, এইটুকুই আমার কাছে আছে।’
ঘোড়াটা শীতের রাতে জমে আছে ভিতরে, আর মৃদুভাবে বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে সেই ঘোড়াটি। এবং তার খুঁটির উপরে  রাখা লণ্ঠনটি আগের মতোই নিভে গেল। অন্ধকার — হিস হিস শব্দ --- 
মাধো লোহার খাটের উপর শুয়ে আছে, ক্লান্ত! পৃথিবীর কাছে মৃত যেন। তার পাশেই চন্দো সুনিয়ারি চোখ মেলে শুয়ে রইল,গলিত মোমের ফোঁটাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখছিল, যেগুলো স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে পড়ে ছোট ছোট দুধের বল হয়ে জমে গেছে। হঠাৎ মাধো, সে তার বিছানা থেকে উঠে এসে লাজিনার বিছানার পাশে গিয়ে বসল। মোমের ফোঁটায় লাজিনার বুক কেঁপে উঠল। চন্দো সুনিয়ারি ঝাপসা চোখ দেখছে কেউ যেন ছোট্ট লাজিনার সদ্য ফুটে উঠা শিমুল কাঁটার ন্যায় বক্ষ যুগল উপড়ে ফেলতে চাইছে  --  ঠিক যেন নিজের শৈশবে জমাট বাঁধা অশ্রুর ফোঁটার মধ্যে লুকিয়ে  থাকা কাহিনীর পুনরাবৃত্তি সে দেখছে। চন্দো সুনিয়ারি  কাঁপা কাঁপা হাত তুলে ছিঁড়ে ফেলল
লাজিনার গলা থেকে মোমের পুঁতি — । 
সুতোটি ছিঁড়ে গলিত মোমের পুঁতিগুলো মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়; পাথরের আলিঙ্গনে ঘুমিয়ে যায় চন্দো সুনিয়ারি। এখন, ঘরটি কেবল শান্ত নয়, অন্ধকারও হয়ে উঠেছে-- আলোর চাইতে আঁধার  এখানে ঢের ভালো লাগে । 
 ( Short Drafted and Translated from  Manto&#039;s  story).</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229237/</link>
				<pubDate>Fri, 16 May 2025 16:46:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিঃশব্দের কান্না</p>
<p>মোমবাতিটি স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে পড়ে ছিল, দুধের হিমায়িত ফোঁটার মতো ছড়িয়ে পড়েছিল গলে পড়া মোমবাতির ফোঁটাগুলো। ছোট্ট মেয়ে লাজিনা হাতে একটা মুক্তার মালা নিয়ে কাঁদছিল। তার মা মোমের গলে পড়া বিন্দু/ফোঁটা  দিয়ে একটি  পুঁতির মালা তৈরি করে লাজিনার গলায় ঝুলিয়ে দিলেন। লাজিনা তার মোমের মালা গলায় পরে আনন্দে হাততালি দিতে দিতে ঘর থে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229237"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229237/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ae2a1de402403e7ec25b1d61e54d7c07</guid>
				<title>প্রিয় ,
প্রায় দুই বছরের পর ফিরে এলাম এই মঞ্চে। পিএইচডি শেষ;  আশা করি এখন থেকে নিয়মিত হবো। 
ইচ্ছা রইল এখানে পিএইচডি যাত্রার গল্প লিখবো। 
ধন্যবাদ ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229232/</link>
				<pubDate>Fri, 16 May 2025 06:08:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয় ,<br />
প্রায় দুই বছরের পর ফিরে এলাম এই মঞ্চে। পিএইচডি শেষ;  আশা করি এখন থেকে নিয়মিত হবো।<br />
ইচ্ছা রইল এখানে পিএইচডি যাত্রার গল্প লিখবো।<br />
ধন্যবাদ । </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">647bd43e1c1537cb07dc5ff407557f93</guid>
				<title>প্রেমিকা চায় , প্রেমিকের বুক, 
প্রেমিক চায় টাকার সুখ । 
সুখের সাগরে , দুঃখের ভেলা, 
মেঘে মেঘে অনেক বেলা। 
এর পরেও  বলবো  তোমায় , 
ভালোবাসা কি দিবে আমায় ???</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195886/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Mar 2023 10:58:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেমিকা চায় , প্রেমিকের বুক,<br />
প্রেমিক চায় টাকার সুখ ।<br />
সুখের সাগরে , দুঃখের ভেলা,<br />
মেঘে মেঘে অনেক বেলা।<br />
এর পরেও  বলবো  তোমায় ,<br />
ভালোবাসা কি দিবে আমায় ???  </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe6ce1af97ed6ee0d365b11bbc4f76d4</guid>
				<title>পরিমল রায় and Farzana Bobi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/159648/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Oct 2022 09:41:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6403839d405ebd5f0feec1b21c8b2d84</guid>
				<title>হবে কি একমুঠো প্রেম ,
                      দুই ইঞ্চি জায়গা ? 
আমার ইচ্ছেমতো ফলাতে ফসল  কিংবা 
তোমার প্রয়োজনে চাষাবাদে জুড়িয়ে দিবো লাঙ্গল ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/159388/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Oct 2022 02:37:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হবে কি একমুঠো প্রেম ,<br />
                      দুই ইঞ্চি জায়গা ?<br />
আমার ইচ্ছেমতো ফলাতে ফসল  কিংবা<br />
তোমার প্রয়োজনে চাষাবাদে জুড়িয়ে দিবো লাঙ্গল । </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">27697a70576d03ff060f144dcf44ab17</guid>
				<title>শুভহোক পূজার যাত্রা --- বধ হোক অসুর শক্তি । 

পূজার সেই ছোটবেলার দিনগুলো, ২ টাকার ৮ টা রসগোল্লা কিনে খাওয়া , ১—-১.৫ টাকায় লাল চশমা কিনে খাল আর ডাঙ্গা সমান দেখে রাস্তায় আছাড় খাওয়া , প্রতিদিন কে কয়টা প্রতিমা দেখলো তার হিসাব রাত্রে বসে করা, খড়ে বসে মাড়া ঘুরান গান, রাত জেগে শোনা, দিনাজপুর শহরে প্রতিমা দেখাতে যাওয়ার বায়না ধরা, দল বেধে পাপড় খাওয়া, সাইকেল উঠে ভোরবেলায় কবির পালা গান শুনতে যাওয়া ... এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাস। স্মৃতিময় গোপালপুর নামক সেই গ্রামটি, বেতুড়া স্কুল ভাবতে বসলে এখন চোখের কোনায় একফোঁটা জল জমে; মায়ের আঁচল নয় , দামি টিস্যু দিয়ে মুছে আবার ব্যাস্ত হয়ে পরতে হয় নাগরিক জীবনের অবিছেদ্য অংশে ... এটাই জীবন । আহারে জীবন ...।
শারদ শুভেছা ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/153802/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Sep 2022 15:56:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শুভহোক পূজার যাত্রা &#8212; বধ হোক অসুর শক্তি । </p>
<p>পূজার সেই ছোটবেলার দিনগুলো, ২ টাকার ৮ টা রসগোল্লা কিনে খাওয়া , ১—-১.৫ টাকায় লাল চশমা কিনে খাল আর ডাঙ্গা সমান দেখে রাস্তায় আছাড় খাওয়া , প্রতিদিন কে কয়টা প্রতিমা দেখলো তার হিসাব রাত্রে বসে করা, খড়ে বসে মাড়া ঘুরান গান, রাত জেগে শোনা, দিনাজপুর শহরে প্রতিমা দেখাতে যাওয়ার বায়না ধরা, দল বেধে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-153802"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/153802/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb2c234250b2794c13406ab405634c0e</guid>
				<title>পরিমল রায় and Nilufar Ghani are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144581/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 17:47:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dc63a3e40bd6fd07f07ed0a32ce4b321</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144568/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 16:43:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ce94e44156603127110ab6b2c2b26a11</guid>
				<title>পিতার পত্র—২০
প্রিয় পুত্র, 
আমার সহস্র আর্শিবাদ রইল । এমন পরিবার থেকে তুমি যে ভার্সিটিতে  ভর্তি হতে পেরেছো সেটাই তো সুখের কথা। তোমাকে যে ভার্সিটিতে ভর্তি করাতে পারলাম এটাই তো গৌরব। ------------- মধ্যে থেকে এমন আর্থিক দৈন্যের মধ্যে টিকে আছ, এটাই তো আশ্চর্য। তোমার সবোর্চ্চ সাফল্য কামনা করছি। 
মনে রেখো অর্জুন যখন যুদ্ধের প্রাক্কালে দ্বিধাগ্রস্ত, শোক বিহ্বল, হতবাক কি করবে স্থির করতে পারছে না, তখনই শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন –” মামনুস্মর যুধ্য এব চ” অর্থ্যাৎ আমাকে স্মরণ কর এবং যুদ্ধ কর, আমিই সব করব।&quot;  তাই, বলি তুমিও ভগবানকে স্মরণ কর এবং কর্ম করে যাও, ফল তোমার হাতে নাই । 
আগামী মাসের ২/৩ তারিখে গনেশ শরেন ঢাকায় যাবে এবং তোমার সঙ্গে দেখা করবে। তার সাথে আলাপ করিও । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এ ভালভাবে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নাও, সফলতা আসবেই। 
যদি আমাকে যেতে হয় যাবো। তুমি পরে জানাবে। আর না হয় পরীক্ষা দিয়ে বাড়ী এসো। তখন সবকিছু আলাপ  হবে। গত কয়েকদিন বৃষ্টি বাদলের পর আকাশ এখন মুক্ত। ধান কাটা হয়েছে।  সিলেটে সেনানিবাসে  মোশাররফ হোসেন আছেন তার সাথে যোগাযোগ করিও। 
আমরা বাড়ীতে সকলেই ভাল আছি। তোমার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করি। ” উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই।” প্রতিদিন গীতা পাঠ করিও । বিদেশে তুমিই ছাত্র এবং তুমিই অভিভাবক। তোমাকেই সবকিছু  ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
    ইতি 
তোমারই পিতা ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144442/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 10:36:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র—২০<br />
প্রিয় পুত্র,<br />
আমার সহস্র আর্শিবাদ রইল । এমন পরিবার থেকে তুমি যে ভার্সিটিতে  ভর্তি হতে পেরেছো সেটাই তো সুখের কথা। তোমাকে যে ভার্সিটিতে ভর্তি করাতে পারলাম এটাই তো গৌরব। &#8212;&#8212;&#8212;&#8212;- মধ্যে থেকে এমন আর্থিক দৈন্যের মধ্যে টিকে আছ, এটাই তো আশ্চর্য। তোমার সবোর্চ্চ সাফল্য কামনা করছি।<br />
মনে রেখো অর্জুন যখন যুদ্ধের প্রাক্কালে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-144442"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/144442/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f63d4f1890fc07be97276fa7a94cb1b2</guid>
				<title>ঘসেটি বেগমের একটি গর্ভপাত 
না!এটার পতন ঘটাতেই হবে। ঘটনার আকস্মিকতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় তারা দুজনেই। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিশ্বাস আর রাখা যাচ্ছে না।তবে উত্তেজনায় বিস্ফোরণ ঘটেনি তো?  হয়তো?  আবেগের গতি বিজ্ঞানের বেগ সামলাতে পারেনি বলে ছিন্ন-ভিন্ন হতে যাচ্ছে আজ আমাদের মান মর্যাদা। দাদা চুপচাপ; কি করবে বলে নয় বরং ভাবছে অন্য কথা।কিন্তু ঘসেটি বেগম অভ্যাসবশতঃ কথা বলেই চলেছে।  আপনি কম দামের জিনিশ কিনেন ;কোন দোকান থেকে কেনা হয়েছিল, মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল কিনা? না, দাদা বিরক্ত  এতে হচ্ছেনা আবার উত্তর দেয়ারও চেষ্টা করছে না। দেশ, পাত্র , কাল ভেদে ঘসেটি বেগমের জ্ঞানের উচ্চতা গণ বিনোদনের উপায়ও বটে।তাই দাদা বিনোদিত হচ্ছে কিংবা হবার চেষ্টা করছে বটে! 

সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উর্দ্ধমূখী আর সম্প্রসারিত পেটের কথাটির কথাটি মনে হলে দাদা, হো হো করে হেসে উঠে। পাশে বসে থাকা ডক্টরেট করা সহকর্মীটি আগুনটি যে জ্বলেছে সেটা বুঝে নিল। পাবলিক বাসে প্রাইভেট কথা বলায় ইঙ্গিতে ডক্টরেট জানতে চাইল – ”ধোঁয়ার চেয়ে আধার ভালো।”  তাই ছেড়ে দেন। ওটা আপনার, আপনি নিশ্চিত হলেন কি করে?  এ রুম;  ও রুম, তারপর স্বামী তো আছেই। দাদার পছন্দ হলো কথাটি। স্বামীর বলে চালাতেই সমস্যা কোথায়?  কিছুদিন আগে অফিসে এরকম ঘটনা ঘটেছে। যদিও স্বামী পরিত্যক্তা ছিল আর ছেলেটি বর্জনীয় দোষে দুষ্টু।  কিন্তু আমাদের দুজনেরই তো সামাজিক রক্ষাকবচ আছে – এটা মনে করে একধরনের সুখানুভূতিতে ভাসতে লাগল দাদা। সম্বিৎ ফিরে পেল ঘসেটি বেগমের ফোনে।মৃদু চাপ অনুভব করল হাতে , ডক্টরটির হাতের, তা আর বুঝতে বাকী রইল না এবং কি বুঝাতে চায় তাও দুবোর্ধ্য নয়। হ্যালো বলতেই ওপার হতে বলে উঠল- আর চাপ নিতে হবে না।  সবকিছু ম্যানেজ করা হয়েছে।কেবল পাশে চাই তোমাকে ওই দিন, যেদিন --------- পতন ঘটাতে হবে। না, দাদা  অবাক হয়নি। আবেগ কিংবা আবেশে থাকলে নাতনি আমার, তুমি বলে সম্বোধন করে উঠে। বিষয়টিকে একেবারে উপভোগ্যহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না বরং শিরায় একধরনের শিহরণ কাজ করে বটে। 

আজ শনিবার। অফিস বন্ধ। ইতিমধ্যে মোবাইলে ফোন এসেছে কয়েকবার। ক্লিনিকে যেতে হবে। ঘসেটি বেগম অফিস থেকে ছুটি নিয়েছে আর বাসায় বলেছে ভিন্ন কথা যা স্বভাবের দোষে হয়ে গেছে  সে টেরই পায়নি। মীন যেমন সলিলের উপস্থিতি টের পায় না। তাই তিন দিনের অফিস ট্যুরের কথা বলে বাসা হতে বেরিয়েছে সে। ফলে এতো তাড়া। সহকর্মী ডক্টরেটটিও ফোন করেছে বার কয়েক।  তাই বাসা হতে হন্ত দন্ত হয়ে ছুটতে হলো ক্লিনিকে। পতন ঘটানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে হবে ; এ টেবিল হতে ওই টেবিল। অবশেষে অপারেশন টেবিলে। না । উদ্বেগ নয় বরং উচুঁ দাত দুটো কেলিয়ে হাসছে। আমি কি শোনাবো সান্ত্বনার বাণী তার বদলে সে আমাকেই হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় করছে উদ্বেলিত।  

ঘষেটি বেগম এখন অপারেশন টেবিলে। শীতের সকালে পায়াচারী করছে। নার্সটি পাশের কক্ষে বসার তাড়া দিয়ে গেলো কয়েকে বার। কিন্তু ভাবনার জগতে কতকিছুই তো আসছে মনে। আমরা পুরুষরা বিশুদ্ধতার কথা বলি কেবল নারীদের জন্যই । এক নারীর জন্য কত রকম উপায় আবিষ্কার  করছে পুনরুৎপাদন বন্ধ করার করার জন্য। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে কয়টা ? ফসলটি কি আমারই নাকি  অন্যকারো----- এমন সময় নার্সের ডাকে সম্বিৎ ফিরে পেলাম। নার্সটি বলছে – আপনার মতো স্বামী পাওয়া বড়ই ভাগ্যের ব্যাপার । অর্ধাঙ্গীনির জন্য এতো ব্যাকুলতা। অর্ধাঙ্গীনি না, সেতো কুলাঙ্গীনি  আর – আমার এমন অস্ফুটস্বরে নার্সটি – ”ভাই কিছু বললেন ?”  না, তেমন নয় – আমি বলে উঠলাম। আর কতোক্ষণ লাগবে?  সে দৃঢ় চিত্তে বলে উঠল- আরো ঘন্টা দুয়েক লাগবে। ও!  আমি  ওটি রুমের সামনে হতে চলে আসলাম। আমি শান্ত আর ধীর । নিচে নেমে সিগারেট ধরালাম। কুণ্ডলীকৃত ধোঁয়ার ন্যায় আমার চিন্তাগুলোর আলু–থালু অবস্থা। ঠিক যেন রাবনের মৃত্যুর পর মন্দোদরীর দশা। হায়রে মন্দোদরী,স্বামী অন্তঃপ্রান। এমন সময় আমার অর্ধাঙ্গীনির ফোনে মনটা আরো ছন্দময় হয়ে উঠল। কি সব জঙ্গলের পিছনে ঘুরছি, মিথ্যাময় ছলনায় সময় কাটাচ্ছি। আর না ।ওপার হতে জানতে চাইলে, বললাম দুই  থেকে তিন দিন বাসায় ফিরবো না । বউ জানে অফিসেই থাকবো, দাপ্তরিক ব্যস্ততায় যা হয়ে থাকে। কিন্তু আসলেই কি তাই? যা আমার মন জানে আর জানেন অন্তর্যামি।  
(কৈফিয়ৎ: কাল্পনিক গল্প ,চারিত্রিক সাদৃশ্যতা অনভিপ্রেত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143981/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Sep 2022 09:04:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘসেটি বেগমের একটি গর্ভপাত<br />
না!এটার পতন ঘটাতেই হবে। ঘটনার আকস্মিকতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় তারা দুজনেই। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিশ্বাস আর রাখা যাচ্ছে না।তবে উত্তেজনায় বিস্ফোরণ ঘটেনি তো?  হয়তো?  আবেগের গতি বিজ্ঞানের বেগ সামলাতে পারেনি বলে ছিন্ন-ভিন্ন হতে যাচ্ছে আজ আমাদের মান মর্যাদা। দাদা চুপচাপ; কি করবে বলে নয় বরং ভাবছে অন্য কথা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-143981"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/143981/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f372fda5d8d7eb651910a9561475487c</guid>
				<title>পরিমল রায় and Moimi Khondoker are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143878/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Sep 2022 03:01:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b0afcd28aea49672b01d8b5bf968e5b</guid>
				<title>পিতার পত্র—১৯ 

প্রিয় পুত্র ,
পত্রে শুভেচ্ছা ও  আর্শিবাদ রইল। পর সংবাদ  কন্টিনন্টোল কুরিয়ার সার্ভিসে -------------- টাকা পাঠালাম । তুলে নিও। মনে রেখো ভ&#039;ক্তের অধীন ভগবান।&#039; তাই,  জাবি এর ফল  প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকো। আরো টাকা পাঠাইতাম । কিন্তু সামনে মনসা পূজা তাই কম করে দিলাম। সামনে মাসে ------------ টাকা পাঠাবো। 
তোমার সঙ্গে আরো আলাপ হবে। 
তোমার কুশল কামনা করে এখানেই শেষ করছি।                                        

   ইতি 
তোমারই পিতা ।
 
                                    পিতার পত্র—১৮ 
 কল্যাণীয়,
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার পত্র পেয়েছি। কিন্তু বদিউজ্জামানের কাছ থেকে টাকা ও জিনিষগুলো পেলে  কি না ? তা খবর পেলাম  না। তুমি পত্র পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিবে। এবারে ----টাকা দিলাম । 
মনোযোগের সাথে লেখাপড়া কর। ভয় পেয়োনা। সাহসী হও। স্থির লক্ষ্যে ক্রমাগত এগিয়ে যাও। এবার এলাকায় অনাবৃষ্টি । ধান হয়তো সুবিধা হবে না। 
আমরা বর্তমানে সকলেই ভাল আছি। তোমার বইয়ের জন্য লোক গেলে নিয়ে আসবে। এলেই পাঠাব। তোমার কুশল কামনা করে শেষ করছি।  

ইতি 
তোমারই পিতা ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143750/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Sep 2022 18:14:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র—১৯ </p>
<p>প্রিয় পুত্র ,<br />
পত্রে শুভেচ্ছা ও  আর্শিবাদ রইল। পর সংবাদ  কন্টিনন্টোল কুরিয়ার সার্ভিসে &#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211; টাকা পাঠালাম । তুলে নিও। মনে রেখো ভ&#8217;ক্তের অধীন ভগবান।&#8217; তাই,  জাবি এর ফল  প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকো। আরো টাকা পাঠাইতাম । কিন্তু সামনে মনসা পূজা তাই কম করে দিলাম। সামনে মাসে &#8212;&#8212;&#8212;&#8212; টাকা পাঠাবো।<br />
তোমার সঙ্গে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-143750"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/143750/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6e6bb2e731b10479def4f867117aa3c</guid>
				<title>পিতার পত্র—১৭
প্রিয় বৎস,
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। পর সংবাদ পর পর দুইটি পত্র ও টাকা পাঠানোর কোন সংবাদ না পাওয়ায় বেশ চিন্তিত। কেমন আছ?  কিভাবে পড়াশুনা হচ্ছে এ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। 
টাকার জন্য কি রাগ করে পত্র দিচ্ছ না নাকি  অন্যকোন কারনে। যাই হোক পত্র পাওয়া মাত্র  উত্তর দিয়ে মনের চিন্তা দূর করবে। আমি ভাল আছি। আগামী ১৫/১১ তারিখের মধ্যে টাকা পাঠাতে পারি। তোমার শুভ কামনায় এখানেই শেষ করছি ।

ইতি 
তোমারই পিতা ।
  
                                                 পিতার পত্র—১৬ 
 
প্রিয় পুত্র,
শারদীয় শুভেচ্ছা দিয়ে শুরু করছি। আশা করি মায়ের কৃপায় ভাল আছ এবং ভাল থাক। নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা মনকে বড় আঘাত দিয়েছে। যদিও আমাদের এলাকায় তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি। পূজা হয়তো তেমন ভাল হবে না। কোন রকমে দায়সারা গোছের। 
যাই হোক তোমার পত্র পেয়েছি এবং সবকিছু অবগত হলাম। তুমি মনোযোগ সহ ভালভাবে লখোপড়া কর। সামনে পরীক্ষা তোমার লক্ষ্য সেটাই। 
এবারে কেবল ------ টাকা দিলাম। বেতনের কোন খবর নাই। বেতন এলে আবারো পাঠাব। আমরা বাড়ীতে সকলেই মোটামুটি ভাল আছি।  তোমার কুশল কামনায় এখানেই শেষ করছি। 

ইতি 
তোমারই পিতা ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/142438/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Sep 2022 05:29:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র—১৭<br />
প্রিয় বৎস,<br />
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। পর সংবাদ পর পর দুইটি পত্র ও টাকা পাঠানোর কোন সংবাদ না পাওয়ায় বেশ চিন্তিত। কেমন আছ?  কিভাবে পড়াশুনা হচ্ছে এ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত।<br />
টাকার জন্য কি রাগ করে পত্র দিচ্ছ না নাকি  অন্যকোন কারনে। যাই হোক পত্র পাওয়া মাত্র  উত্তর দিয়ে মনের চিন্তা দূর করবে। আমি ভাল আছি। আগা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-142438"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/142438/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a4a743209413efbf7f1cdce2b0a3e082</guid>
				<title>পিতার পত্র—১৫   
প্রিয় পুত্র, 
পত্রে আমার শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। ঢাকা থেকে তোমার পত্র পেয়েছি। যাই হোক একটু দেরী হলেও ব্যস্ততা সম্পর্কে কিছুটা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছো। হয়তো জেনে থাকবে দু’মাসের বেতন নাই। তদুপরি তোমার কাকার হালের গোরু কিনেছি। তবে এ পর্যন্ত আকাশে বৃষ্টি নাই। সামনে আবাদ কেমন হবে বলা যাবে না?
তোমার লেখাপড়া হয়তো ভালভাবে চলছে। তুমি হয়তো পথ চেয়ে অস্থির হয়েছো, তাতে মনে করো না। তোমাকে সঠিক সময়ে --------------- টাকা দিলাম। এ মাসের শেষে বেতন এলে আবার টাকা পাঠাবো।তুমি কি শাহপরান হলে সিট নিয়েছো? এ মাসের প্রথম সপ্তাহে বেতন স্কেলের জন্য ঢাকা যাবো অথবা কাগজপত্র পাঠাতে হবে? তুমি একটু ধৈর্য্য ধরে চলো।সমস্ত বিপদ কেটে যাবে। অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে কাল যাপন করছি।  বাড়ীতে সকলেই ভাল আছি। 
তুমি মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া কর । যেন সামান্য একটু ভুলের জন্য পরে অসুবিধা না হয়। ঈশ।বর সহায় হোক , তোমার মনস্কামনা পূরণ হোক।

                                                                                    ইতি 
                                                                            তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/140515/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Aug 2022 07:07:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> পিতার পত্র—১৫<br />
প্রিয় পুত্র,<br />
পত্রে আমার শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। ঢাকা থেকে তোমার পত্র পেয়েছি। যাই হোক একটু দেরী হলেও ব্যস্ততা সম্পর্কে কিছুটা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছো। হয়তো জেনে থাকবে দু’মাসের বেতন নাই। তদুপরি তোমার কাকার হালের গোরু কিনেছি। তবে এ পর্যন্ত আকাশে বৃষ্টি নাই। সামনে আবাদ কেমন হবে বলা যাবে না?<br />
তোমার লেখা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-140515"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/140515/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3303e6ec5a359052ff83a47483372108</guid>
				<title>কাপুরুষ  (COWARD)
মূল সাদাত হাসান মান্টো 
[নোটঃ উর্দু ভাষার খ্যাতিমান গল্পকার Sadat Hasan Manto এর নামে ব্রিটিশ সরকার অশ্লীলতার অভিযোগ আনলে; তিনি বলেন –‘লেখায় অশ্লীলতা থাকলে বুঝতে হবে, আমরা সেই সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি (“If you find my stories dirty,the society you are living in is dirty. With my stories, I only expose the truth)।” ব্রিটিশ সরকার তাকে শাস্তি দিতে না পারলেও, দেশান্তরিত মান্টোকে পাকিস্তান সরকার ঠিকই এ অপরাধে তাকে সাজা দেন । পাকিস্তানে বসে মান্টো লিখেন – আমার মৃত্যুর পর আমাকে পুরস্কৃত করা হবে, আর সেদিন আমি বিজয়ী; হেসে বলব –কে বড় ছোট গল্পকার —আমি না ঈশ্বর ? হয়েছিলও তাই!]
এদিকে সাভার, ওদিকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লী; মাঝখানে প্রমত্ত পদ্মা নদী। শীতের সকালে বেড়িয়ে পৌঁছালো  সেই গোধূলি বেলায়,ভাবছিল রাতের কাম দিনেই শেষ করে সাভারে ফিরবে সন্ধ্যা বেলায়।তা আর হয়ে উঠল না তার। পাটুরিয়া ফেরিঘাটের অভ্যাস মতো যানজট আজকে তাকে এখানে নিয়ে আসল প্রায় ৫ ঘণ্টা পর। গাড়ী থেকে নেমে চৌরাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে সিগারেট কিনে আগুন দিলো তাতে; একটু এগিয়ে যেতেই সে বাঁশের পুলটা  দেখতে পেল। না এবারই প্রথম নয়। এখানকার ঘরগুলো, রাস্তা, এমনকি ল্যাম্প পোস্টের বাল্বগুলোও তাকে চিনতে পারে, যদি না পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের বদলিয়ে থাকে;  ভাবছে ধীরে ধীরে এগুবে সে। খালের ধারে মাঠটি পরিষ্কার আর ফাঁকা আছে, শীতের গোধূলি তাই হাল্কা কুয়াশা পরছে বলে মনে হয়। ডঃ জারিফুর রহমান পি এইচডি, একবার এদিক ওদিক তাকিয়ে হন হন করে হেঁটে বাঁশের সাঁকোটি পার হতে না হতেই, হাতের সিগারেটটিকে পায়ের তলায় পিষিয়ে মারল, যেভাবে সে নিজের বিবেক, নীতি,মূল্যবোধ,আর চরিত্রকে পিসে ফেলেছে ৫০ বছর আগে। এ জন্যই কেউ কেউ তাকে জাউরা জারিফ বলে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্যে; ডঃজারিফ নিশ্চিত যে মিউনিসিপ্যালিটির ল্যাম্প পোস্টে লাগানো বৈদ্যুতিক বাতিটি তার দিকেই তাকিয়ে হাসছে। সে দেখতে পেলো একটা খোলা উঠান— ভাগাড়ও বটে, কত শিশু! হয়তো এরাও আজ আমার মতো খয়রাতি টাকায় পি এইচ ডি করে নামের আগে ডঃ আর পিছে পি এইচ ডি লিখতে পারতো! যাকগে। সে এগুতে লাগলো ; পাতলা, মোটা , হাল্কা অথবা ভারী নিতম্বের নারীরা এখানে, ওখানে শুয়ে আছে  কেউ বেঞ্চে, কেউ খাটে। নানা জন, নানা বর্ণ, হরেক রকম সাজ,ক্রিস-ক্রস ফ্যাশনে পাকা, সামনে এবং শুয়ে আছে - যেন সাদা কালো ভুবন থেকে দূরে আরেক রঙ্গিন জগতে আসলো। সে উঠোন পেরিয়ে কোণার বাড়িতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।কিন্তু সেই বাল্বটি যেটি তার অস্পষ্ট সূঁচ-তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে ছিল, তার সংকল্পকে নড়বড় করে দিল এবং সে কয়েক পা দূরে বড় বাড়ীটি হতে; এ বাড়ীর পাশেই একটি ছোট নর্দমা। এ নর্দমা দিয়েই পৌর কর্তৃপক্ষ যৌন পল্লীর নিষ্কাশন ব্যবস্থা ধরে রাখছে। নর্দমা পেরিয়ে উঠান পার হতে মাত্র কয়েক কদমের ব্যাপার। তারপর সেই কাঙ্ক্ষিত বাড়ীটি।
জারিফুর রহমান সেই সাভার হতে যানজটের তীব্র যন্ত্রণা পেরিয়ে কিন্তু এখানে পৌঁছে গিয়েছিল। তার চিন্তা,তার পদক্ষেপের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলছিল। চলতি পথের মাঝে অনেক কিছুতেই তার মন বসছে না। না সে কোন অস্থির প্রকৃতির মানুষ নয়। সে খুব ভাল করেই জানত যে সে একজন পতিতার কাছে যাচ্ছে এবং কেন সে  তার কাছে যাচ্ছে তা সে আরও ভালভাবে জানতো।
তার দরকার একজন নারী—একজন নারী, তা সে যে ধরনের নারীই হোক না কেন— বুড়ি, ছুড়ি, কচি, ডিভোর্সি , মোটা,কালো, ফর্সা। একজন নারীর প্রয়োজন হঠাৎ করে দেখা দেয়নি; এটিই তার বর্তমান রূপ; না পাওয়া পর্যন্ত সদা তৎপর থেকেছে – বাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি কর্মক্ষেত্রেও সে সুযোগকে  হাত ছাড়া করেনি। হঠাৎ, কেন জানি তার মনে হল যে সে আজ  একজন মহিলা ছাড়া আর একটি মুহূর্তও বাঁচতে পারবেন না। এমনটা মনে হলেই সে প্রমত্ত পদ্মা পাড়ি দিয়ে এখানে চলে আসে। তাকে অবশ্যই একজন মহিলা পেতে হবে - এমন একজন মহিলা, যার ঊরুতে সে হালকা থাপ্পড় মারতে পারবে, যার কণ্ঠস্বরে সে  শুনতে পাবে যৌনতা, এমন একজন মহিলা, যার সাথে সে সবচেয়ে অশ্লীলভাবে কথা বলতে পারবে।
জারিফ একজন শিক্ষিত, বিচক্ষণ ধরনের মানুষ; চাকরি করেন। সে অধিকার-অন্যায় জানে।কিন্তু এ বিষয়ে আর ভাবতে পারছিলনা। তার গভীরে একটা আকাঙ্ক্ষা জেগেছিল; এটা কোনোভাবেই নতুন ইচ্ছা ছিল না। এটি এর আগে বেশ কয়েকবার মাথা চাড়া দিয়েছিল এবং প্রতিবার তার পক্ষ থেকে অসংখ্য প্রচেষ্টা সত্ত্বেও হতাশার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাকে। পরাজিত হয়ে, সে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছল  যে সে একজন নারী না পাওয়া পর্যন্ত  সন্ধান চালিয়ে যাবে।সে উদ্ভ্রান্ত হয়ে উঠল এবং কোন একদিন দেখা যাবে যে সে একদিন রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকা কোনও মহিলার উপর আক্রমণ করে বসতে পারে; ঠিক যেমন একটি পাগলা কুকুর যে কোনও পথচারীকে কামড়াতে পারে।
এতক্ষণে সেই প্রতিচ্ছবি তার মন থেকে চলে গেছে - একজন মহিলার প্রতিমূর্তি যার ঠোঁটে, সে ভেবেছিল, সে ফুলের উপর প্রজাপতির মতো করে নিজেকে বিশ্রাম দেবে। এবার সে তার গরম ঠোঁট দিয়ে সেই ঠোঁটগুলোকে ছুঁয়ে দেখতে চাইল। মহিলার কানে মিষ্টি কিছু বকবক করার চিন্তাও তাকে এতক্ষণে ধরে বসেছে। সে জোরে কথা বলতে চেয়েছিল- যা নগ্ন ছিল।
এখন তার মনে একক, সম্পূর্ণ একটি সেক্সি নারী। সে এমন একজন মহিলাকে চায় যাকে দেখতে সেক্সি মনে হয়। সে আসলে এমন একজনকে খুঁজছিল সে হবে অর্ধেক মহিলা এবং অর্ধেক পুরুষ ।
একটা সময় ছিল যখন জারিফ ‘নারী’ শব্দটি মুখে নিলেই তার চোখে এক বিশেষ ধরনের আর্দ্রতা অনুভব করত, বিশেষ অঙ্গে ভেজা অনুভব করতো; যখন নারীর কথা ভাবলেই সে আনমনা হয়ে যেত। সে উচ্চারণ করত - &#039;নারী&#039; - অত্যন্ত যত্ন সহকারে, যেন এই নিষ্প্রাণ শব্দটি অসতর্ক  উচ্চারণে ভেঙে যেতে পারে। দীর্ঘকাল ধরে সে  এই নির্ভেজাল আনন্দটি উপভোগ করে চলেছে আজ অবধি। 
জারিফ এবার স্বপ্নের জগৎ ছেড়ে বাস্তবে। অনেক দিন ধরে সে তার এলোমেলো চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে কিন্তু এখন তার শরীর ভয়ানকভাবে জেগে উঠেছে। তার কল্পনার দ্রুততা তার শারীরিক সংবেদনগুলিকে অনুভূতির এমন সূক্ষ্ম অঞ্চলে পরিণত করেছিল যে, জীবন তার জন্য সূঁচের বিছানায় পরিণত হয়েছিল। প্রতিটি চিন্তা এক একটি বর্শায়  পরিণত হয়েছে এবং কল্পিত মহিলাটি এমন একটি আকৃতি ও রূপ ধারণ  করেছিল সে চাইলেও, তার বর্ণনা করা কঠিন ছিল।

জারিফ একসময় মানুষ ছিল; কিন্তু এখন সে মানুষকে ঘৃণা করে, এতটাই যে সে নিজেকেও ঘৃণা করে এখন। আর সেজন্যই সে নিজেকে এমনভাবে হেয় করতে চায় । সে বলে উঠে — “আমি নিজেকে পরিমার্জনা করতে ব্যর্থ হয়েছি, কারণ আমার চারপাশেই নোংরা। আমি এখন এই ময়লা দিয়ে আমার দেহ ও আত্মার প্রতিটি পরমাণু এবং ছিদ্র ধ্বংস করতে চাই। আমার নাক, যেটা একসময় সুগন্ধের খোঁজে বেড়াতো এখন সেটা দুঃগন্ধ শুঁকবার আশায় কাঁপছে। আর তাই আজ পুরানো চিন্তার চাদর ত্যাগ করে এই পাড়ায় চলে এসেছি, যেখানে সব কিছু একটা রহস্যময় দুর্গন্ধে ঢেকে আছে। এই পৃথিবী ভয়ংকর সুন্দর! আমি এখানেই স্নান করবো ।” 
বাতির আলোয় জারিফ ধান্দার চোখে উঠানের দিকে তাকাল। দেখে মনে হয়েছিল যেন বেশ কিছু নগ্ন মহিলা সেখানে শুয়ে আছে-কারো খোলা পিঠ, অন্যরা মুখ নিচু করে; এলো মেলো শাড়ি আঁচল, অন্তর্বাস খুল্লাম খুলা ।সে সংকল্প করল কোনমতে মাঠ পেরিয়ে কোণার বাড়ির সিঁড়ি বেয়ে উঠবে। কিন্তু মিউনিসিপ্যালিটির বাল্বটি তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। সে এগুবার সাহস না পেয়ে পিছিয়ে গেল এবং থমকে দাঁড়ালো। ব্যর্থ হয়ে ভাবতে লাগলো —“ বাতিটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে কেন? কেনইবা আজ পথে পথে পাথর ছড়ানো।“ 
সে জানত যে এটি তার কল্পনার ছবি এবং বাস্তবতার সাথে এর কিছুই মিল নেই। তবুও, সে  পিছু হটল এবং সে তার মাথার সমস্ত কুৎসিত চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলার জন্য নর্দমার পাশে দাঁড়িয়ে রইল। সে বিশ্বাস করতে শুরু করল যে যে বিগত পঞ্চাশ বছরের এই দ্বিধা যা তাকে উত্তরাধিকার হিসাবে দান করা হয়েছিল সেটা আজ বাতির মধ্যে ঢুকে গেছে। সেই সঙ্কুচিত দ্বিধা, যা সে ভেবেছিল সেই ফেলে আসা দ্বিতীয় চামড়ার মতো বাড়িতে রেখে আসা মুখোশ, তার আসার অনেক আগেই এখানে পৌঁছে গেছে –এখানে সে তার জীবনের সবচেয়ে নোংরা খেলা খেলতে চলেছে। এমন একটি খেলা যা তাকে পতিতাদের বিসটা দিয়ে ঢেকে দেবে এবং তার এ দিয়েই তার আত্মাকে করে ফেলবে পুত -পবিত্র ? 
এই বাড়িতে এক মধ্য বয়স্ক মহিলা বাস করে ।সে সকল সময় কালো চশমা পরে থাকে; তার সাথে  চার-পাঁচজন যুবতী থাকে , এরা রূপের পসরা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে - তা দিনের আলোতে হোক বা রাতের অন্ধকারে। এই মহিলারা সারা দিন রাত মেশিনের মতো কাজ করে। এক বন্ধু জাউরা জারিফকে তাদের কথা বলেছিল, সেখানে অসংখ্যবার প্রেম ও সৌন্দর্যের লাশ দাফন করতে দেখেছে সে। বন্ধুটি জারিফকে বলত, “যখনই আমি একজন মহিলার প্রয়োজন অনুভব করি তখনই আমি দৌলতদিয়ার পতিতালয়ের সবচেয়ে পছন্দের সঙ্গী খুঁজে পাই। ঈশ্বরের কসম, এখানকার নারী যেন নারী নয়; এক একটা ডানা কাঁটা ----!  আল্লাহ যেন তাকে কেয়ামত পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখেন!” 
চার-পাঁচজন নারীর মধ্যে জারিফের মনে বিশেষ কোনো কিছু নাই। “আমি কোনটা পাব তাতে আমার আপত্তি নেই। আমি নগদ টাকা তুলে দিবো আর বিনিময়ে দু দণ্ড শান্তি নিয়ে সাভারে ফিরে যাবো! ... একজন মহিলাকে আমার হাতে তুলে দিলে , আমার এক সেকেন্ড বিলম্ব করা উচিত নয় । কোন অলস সময় নষ্ট না করে কাজে নেমে পরা উচিত। সামান্যতম ভদ্র কথোপকথনও নয়। ধরো তক্তা, মারো পেরেক অবস্থা।“ 
অস্থির হয়ে ওঠে ডঃ জারিফ। তার মধ্যে একটা কোলাহল ওঠে। সে এখন এতটাই দৃঢ়ভাবে মনস্থির করে ফেলেছে যে, যদি পাহাড় তার পথ বন্ধ করে দেয়, সেগুলিও সে ডিঙ্গিয়ে ওই বাড়িতে যাবে। কিন্তু মিউনিসিপ্যাল কর্তৃপক্ষের লাগানো বাতি, যা বাতাসের স্বল্প ঝাঁকুনিতে ছিঁড়ে যেতে পারে, সেই বাতির আলো তার সামনে একটি অপ্রতিরোধ্য বাধা হয়ে দাঁড়ালো। জারিফুর রহমান, নিজের লালিত অভ্যাস মতো পৌর কর্তৃপক্ষকে গালাগাল দিতে না দিতেই বাতিটি যেন প্রতিধ্বনি করতে লাগলো – “জারিফ তুই একটা খবিশ?” 
সে দেখতে পেলো পাশেই একটা পানের দোকান খোলা। আলো ছিল। নগ্ন বাল্বের আলোর চারপাশে মাছিগুলো  ভনভন করে যেন তাদের ডানাগুলো আগুণখেকো হয়ে গেছে। জারিফ মাছিগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখার পর তার জ্বালা যেন বেড়ে গেল। &#039;এটা করার&#039; সংকল্প, যা নিয়ে সে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। বারবার সেই মাছিগুলির সাথে পরস্পরের সংঘর্ষের ধাক্কা তাকে এতটাই বিচলিত করেছিল যে তার মাথার ভিতর একটা ঝড় বয়ে যেতে থাকে। “আমি ভয় পাচ্ছি... আমি আতঙ্কিত... আমি আলোকে ; বাতিকে ভয় পাচ্ছি... এটা আমার সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিচ্ছে ! আমি কাপুরুষ... আমি কাপুরুষ... আমার লজ্জিত হওয়া উচিত আমার নিজের জন্য।“ 
জীবনের কিছু চিহ্ন তখনও জারিফুর রহমানের সামনে, অর্থাৎ অন্য দিকে দৃশ্যমান ছিল পতিতালয়ের দোকানগুলোর উপরে সারিবদ্ধভাবে যৌনশিল্পীদের ঘর খানিকটা খালের ওপাশে। সরাসরি তার সামনে, একটি কালোমতন মহিলা একটি জানালার পাশে বসে একটি বৈদ্যুতিক আলোর তীক্ষ্ণ ঝলকানিতে নিজের উন্নত বক্ষ উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। একটি নগ্ন বাল্ব সরাসরি বেশ্যার উপরে ঝুলছে এবং ঠিক যেন আগুনের একটি সাদা-গরম বলের মতো দেখাচ্ছিল যা ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে এবং জারিফুরের মাথার উপর দিয়ে গলে গলে পরছে । 
জারিফ সেই কালো মহিলার কথা গুরুত্বের সাথে ভাবতে শুরু করছিল যখন সে বাজারের দূরপ্রান্ত থেকে কিছু মোটা কণ্ঠস্বর সবচেয়ে অশ্লীল শ্লোগান শুনেছিল সে দাঁড়িয়ে ছিল বটে কিন্তু ওই প্রান্তটি তার কাছে দৃশ্যমান ছিল না। কিন্তু অশ্লীল কিছু শব্দ আর গালাগাল কানে এসেছিল। 
জারিফ এখন নিজেকে আগের চেয়ে বেশি তুচ্ছ মনে করতে লাগলো। “তুমি... তুমি... তুমি... তুমি কী? আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করি ... সব পরে, তুমি কি? তুমি এও নও ,ওটাও নও... তুমি মানুষও নও, জানোয়ারও না... তোমার শিক্ষা, তোমার পি এইচ ডি, তোমার বুদ্ধি, তোমার ভালো থেকে মন্দ বলার ক্ষমতা- সবই নষ্ট হয়ে  গেছে। দেখ , তিনজন মাতাল লোক আসে। তোমার মত নয়, তারা কোন স্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আসেনি। কিন্তু কোন ভয় বা দ্বিধা ছাড়াই, তারা বেশ্যার সাথে কথা বলে, তারা হাসে, তারা খুনসুটি করে এবং তারা আমার খাদে উঠে যায় ,আমার নদীতে সাঁতার কাটে ইচ্ছেমত; যেমন সহজ ... যেন তারা একটি ঘুড়ি উড়াতে যাচ্ছে। আর তুমি... তুমি... তুমি....  ভালো করেই জানো, তোমার কী করা উচিত, বাতির ভয়ে বাজারের মাঝখানে স্টুপিডের মতো দাঁড়িয়ে থাক! তোমার ইচ্ছা ,এতই পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ, তবুও তোমার পা তোমাকে এগিয়ে নিতে অস্বীকার করে... তোমার লজ্জা!&#039; এটা তোমার কাপুরুষতা।“ 
পতিতার এমন খেদোক্তিতে এক মিনিটের জন্য নিজের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার চিন্তা তার মধ্যে জেগে উঠল। তার পা কেঁপে উঠল এবং সে সরে গেল, এক লাফে নর্দমা পার হয়ে পতিতালয়ের দিকে যেতে লাগল। সে সিঁড়িতে উঠতে চলেছে এমন সময়  একজন লোক নেমে আসছে। জারিফ দ্রুত পিছিয়ে গেল। সে নিজেকে আড়াল করার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল কিন্তু সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসা লোকটি তাকে কোনও কর্ণপাত করলো না ।
লোকটি তার মূল কুর্তা খুলে তার কাঁধে রেখেছিল। তার ডান হাতের কব্জিতে সুগন্ধি। ঘামে তার শরীর ভিজে গেছে। জারিফের অস্তিত্ব অস্বীকার করে লোকটি উঠান পেরিয়ে নর্দমা লাফিয়ে চলে গেল। জারিফ ভাবতে লাগলো কেন লোকটা তার দিকে একবারও তাকালো না।
এদিকে, সে বাতির দিকে যেই তাকাল অমনি প্রতিধ্বনি শুনতে পেলো— “তুমি কখনই তোমার পরিকল্পনায় সফল হবে না কারণ তুমি কাপুরুষ। তোমার কি মনে আছে, গত বছর, যখন তুমি তোমার সহকর্মীটিকে বউ ঘোষণা করেছিলে, মেপেছিলে শরীরের ভাঁজ, কিন্তু বিয়ের প্রসঙ্গ তুলতেই তোমার শরীরের প্রতি আউন্স শক্তি কেমন করে হারিয়ে গিয়েছিল? তুমি কতটা ভয় পেয়েছিলে? ক্যান্টনমেন্ট এ ডেটিং করতে গিয়ে এমপি  পুলিশের কাছে থতমত খেয়ে ভয়ে কাপড় ভিজিয়েছিলে কিংবা তোমারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পরে তুমি সাহস দেখাতে পারনি? মনে আছে? সেই চিন্তা কীভাবে তোমাকে ভয় দেখিয়েছিল? তুমি ভয় পেয়েছিলে? আজ আমি দেখব, তুমি সিঁড়ি বেয়ে কিভাবে উপরে উঠো ... আমি দেখব তুমি কিভাবে সাহস যোগাও।“ 
জারিফের সংকল্পে যা কিছু ছিল তা নিমিষেই উবে গেল। তার মনে হতে থাকে যে সে সত্যিকারের প্রথম শ্রেণীর একজন কাপুরুষ। অতীতের ঘটনাগুলো ভেসে উঠতে থাকে একে একে ।তার মন, বইয়ের পাতার মতো একটা তীব্র দমকা হাওয়ায় এবং প্রথমবারের মতো সে সম্পূর্ণ নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারলো যে তার অস্তিত্বের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অস্থিরতা লুকিয়ে রেখেছে এবং এটি তাকে করুণ কাপুরুষে পরিণত করেছে।
সিঁড়ি দিয়ে কারো নামার শব্দ জারিফুর শুনতে পেলো । সে কেঁপে উঠলো। একটি  মেয়ে যে রাতেও কালো চশমা পরেছিল এবং যার সম্পর্কে সে তার বন্ধুর কাছ থেকে অনেক কিছু শুনেছিল। জারিফ ঘাবড়ে গেল। সে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলো; মেয়েটির দরাজ কণ্ঠে জারিফ ভড়কে গেলো , “তুমি, ওখানে কেন সোনা , একটুও ... ভয় পেওনা, আমার ভালোবাসা... এসো... এসো ।“  সে এবার জোরে ডাক দিল, “এসো... এসো।“ 
সে ভয়ে কুঁকড়ে গেলো , আবার শুনতে পেলো , “এসো, আমার প্রিয় সোনা, এখন এসো।“ 
জাভেদ দৌড় দিলো আতংকগ্রস্থ হয়ে। লাফিয়ে নর্দমা পার হতে গিয়ে ,সে নর্দমার মাঝখানে উপুড় হয়ে পরে গেলো;পুরোমুখ পতিতাদের মলমূত্রে ভরে গেলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139507/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 20:35:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাপুরুষ  (COWARD)<br />
মূল সাদাত হাসান মান্টো<br />
[নোটঃ উর্দু ভাষার খ্যাতিমান গল্পকার Sadat Hasan Manto এর নামে ব্রিটিশ সরকার অশ্লীলতার অভিযোগ আনলে; তিনি বলেন –‘লেখায় অশ্লীলতা থাকলে বুঝতে হবে, আমরা সেই সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি (“If you find my stories dirty,the society you are living in is dirty. With my stories, I only expose the truth)।” ব্রি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-139507"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/139507/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35a05879f01311ae5fc982690ba7262c</guid>
				<title>পিতার পত্র—১৪ 
 

স্নেহের পুত্র,
শত শত শুভেচ্ছা দিয়ে পত্র দিলাম। ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুক। পর সংবাদ তোমার পত্র পেয়েছি এবং তোমার রেজাল্ট শুনে খুশী হয়েছি। প্রার্থনা করি , দয়াময় ঈশ্বরের কাছে তোমার মনস্কামনা যেন পূর্ণ করেন। বিশ্বাস করি তিনি ভক্তের অধীন । প্রথম শ্রেণী নিয়ে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবে এটাই তো লক্ষ্য। 
তবে শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন, তুমি শুধু আমাকে স্মরণ কর, ফলের আশা ত্যাগ কর। তাই তোমাকে বলছি তুমি সেভাবেই চলবে। মহৎ অর্জনের জন্য মহৎ কিছু ত্যাগ করতে হয়। নিরাশ হবার কোন কারণ নাই। এখনো অনেক সময় আছে,তুমি এগিয়ে যাও , ভগবান সাথে আছে। স্যারদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, কারো প্রতি বিদ্বেষ ভাব দেখাবেনা। কিংবা কাউকে তুচ্ছ মনে করবেনা।সমভাবাপন্ন মন নিয়ে থাকতে হয়। অদৃষ্টে যাহা আছে তাহাই হয়। এ কথাটা বিশ্বাস করতেই হবে। 
লেখাপড়ায় মনোযোগী হও, তিনিই সব করবেন। তুমি কেবল নিমিত্ত মাত্র।
                                                                                             ইতি 
                                                                                        তোমারই পিতা 
 
পিতার পত্র—১৩ 
 
 

প্রিয়পুত্র,
শত সহস্র আর্শিবাদ রইল। তোমার পত্র পেয়েছি। তোমার পরীক্ষার খবরে চিন্তামুক্ত হলাম। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানাই পরীক্ষা তোমার ভাল হোক। তোমার কামনা পূর্ণ করুক। ঈশ্বরের নাম নিয়ে পরীক্ষা দিতে থাক। কখনো আত্মবিশ্বাস হারাবেনা। দুর্বলতা যেন ক্ষতি করতে না পারে। ভক্তের অধীন ভগবান। ভাল মন্দ তার হাতে। 
যাই হোক বর্তমানে ইরি আবাদ শুরু করব এবং গম এখনো মাঠে। 
আগেই বলেছি তোমার সুখেই আমি সুখী, যত দূরে আছ তত নিকটেই অবস্থান করছ। এতো দুর্বল কনে হও। এগুলো কিছুই না। মনকে সর্বদা সবল ও সতেজ রাখিও। তাই নিয়মিত গীতা পাঠ সুফল বয়ে আনে এবং তৎসঙ্গে পরিমিত বিশুদ্ধ খাদ্যবস্তু। 
তাই বিধি পূর্বক আহার করা উচিৎ। পারতপক্ষে নিয়মিত হরিতকী সেবন করিও। 
আমরা সবাই ভালো আছি। সত্যম, শিবম, সুন্দরম। 
                                                                                                ইতি 
                                                                                        তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139301/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 13:59:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র—১৪ </p>
<p>স্নেহের পুত্র,<br />
শত শত শুভেচ্ছা দিয়ে পত্র দিলাম। ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুক। পর সংবাদ তোমার পত্র পেয়েছি এবং তোমার রেজাল্ট শুনে খুশী হয়েছি। প্রার্থনা করি , দয়াময় ঈশ্বরের কাছে তোমার মনস্কামনা যেন পূর্ণ করেন। বিশ্বাস করি তিনি ভক্তের অধীন । প্রথম শ্রেণী নিয়ে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবে এটাই তো লক্ষ্য।<br />
তবে শ্রী কৃষ্ণ ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-139301"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/139301/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">254b8978fe808217c9bf3ec4a98bd76b</guid>
				<title>পিতার পত্র—১২ 
প্রিয় পুত্র,
পত্রে আর্শিবাদ ও শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। পর সংবাদ তোমার লেখাপড়া ভাল ভাবে করে যাও। বর্তমানে গোটা এলাকা জুড়ে অনাবৃষ্টি চলছে। সামান্যটুকু চাষাবাদ বন্ধ হতে চলছে। জন জীবন অতীষ্ট। প্রচন্ড গরমে জীবকুল ক্লান্ত ও ক্লীষ্ট। 
সামনে আবার নির্বাচন। সবকিছু মিলিয়ে এক বিব্রতকর অবস্থা। 
তুমি শুধু জেনে রাখ । এগুলো তোমার দ্বায়িত্ব পূর্ণভাবে পালন কর। অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে। সামনে কয়েকটা মাস , অত্যন্ত মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ।  এতদিনের শ্রম ও সাধনা যেন বিফলে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখিও। 
তোমার কুশল ও মঙ্গল কামনা করে শেষ করলাম। তুমি সুখী হও। 
       ইতি 
তোমারই পিতা 

                               পিতার পত্র—১১
স্নেহের পরিমল,
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ঈম্বর তোমাকে ভালভাবে রেখেছে। নূতন ঠিকানা সহ তোমার পত্র পেয়েছি। 
পরীক্ষা ভালভাবে দাও। ভগবান তোমার আশা  পূর্ণ করুক। মনে রেখো যুদ্ধে হাত পা ভাঙ্গলে ক্ষতি নাই। মন ভাঙ্গলেই বিপদ। লক্ষ্য যেন ঠিক থাকে। ভক্তের অধীন ভগবান; তার প্রতি বিশ্বাস রেখো। 
আমরা বাড়ীতে সকলেই ভাল আছি। তুমি সুন্দর ও থাক, সুস্থ থাকো। তোমার কুশল কামনায় –
  ইতি 
তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/136603/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Aug 2022 15:34:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                            পিতার পত্র—১২<br />
প্রিয় পুত্র,<br />
পত্রে আর্শিবাদ ও শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। পর সংবাদ তোমার লেখাপড়া ভাল ভাবে করে যাও। বর্তমানে গোটা এলাকা জুড়ে অনাবৃষ্টি চলছে। সামান্যটুকু চাষাবাদ বন্ধ হতে চলছে। জন জীবন অতীষ্ট। প্রচন্ড গরমে জীবকুল ক্লান্ত ও ক্লীষ্ট।<br />
সামনে আবার নির্বাচন। সবকিছু মিলিয়ে এক বিব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-136603"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/136603/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">feebef909725ba091c70639012d8b2b4</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/136232/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 19:52:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5fd13d24b34dbe0fe04138449b8863b3</guid>
				<title>পিতার পত্র- ১০ 
প্রিয় পুত্র,
পত্র শত সহস্র শুভেচ্ছা রইল। আশা কর ভাল আছ। তোমার প্রেরিত পত্র পেয়েছি এবং সবকিছু অবগত হলাম। 
শুধু এটুকুই বলতে পারি , তুমি যথেষ্ট ধৈর্য্য ধরে যে ভাবে মানসিক দুঃখে লেখাপড়া করছ, এটা যেমন আশ্চর্য্য ,তার চেয়ে আরো আশ্চর্য্য যে এমন পরিবারের ছেলে হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছ। তবে জেনে রাখ এ অবস্থা চিরদিন থাকবেনা। দুঃখের পর সুখ আসবেই এটা প্রকৃতির নিয়ম। আমি কেবল ঢাকার কাজটা সেরে  ফেলি। হয়তো নভেম্বর বা ডিসেম্বরে সম্পূর্ণ হবে। 
যাদের কাছ থেকে সাহায্য ও সহযোগিতা পাচ্ছ তাদের সঙ্গে সৎব্যবহার করে বন্ধুর ঋণ  পরিশোধ করিও। আর বলিও সেদিন বেশী দূরে নয় এমন দিন চিরদিন থাকবে না।  তোমার প্রতি শুধু এটুকুই বলব শুরু যখন করেছ তা যেন ভালভাবেই সম্পন্ন হয়। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হয়েই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়ী ফিরে আসতে পারো। তোমার জন্য সমাজ ও দেশের অনেক কাজ বাকী আছে। যা সম্পাদনের জন্য তোমাকে উপযুক্ত দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে। 
এ মাসেই টাকা পাঠাব, যত টাকা ধার হোক তা দিতে আমি বদ্ধ পরিকর। তবে একটু সময়ের ব্যাপার মাত্র। অন্যদিকে এলাকায় এবারে আশানুরূপ বৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে, লোকজন বিশেষভাবে চিন্তিত; তদুপরি নির্বাচনের ক্রিয়া –প্রতিক্রিয়া। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ না করাই ভাল। যতদূর সম্ভব নিজেকে সমান দূরত্ব বজায় রেখে চলবে। 
 আনিসুরের ভাই আমজাদকে পত্র দিলাম। তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলিও , দূর বিদেশ সে হবে তোমার আপনজন। 
”নিশি দিন ভরসা রাখিস ওরে মন হবেই হবে।” ”আমার ভক্ত কোনদিন বিনষ্ট হয়না। আমিই তার সমস্ত বোঝা বহন করি। এটা কথা নয় বরং জীবনে প্রমাণিত।” সুতারাং হতাশা বা ভয়ের কারণ নাই। পলায়ন বা ত্যাগের বিষয় নয়। বরং যেভাবে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছ এটা শুধু  তোমার নয় বরং পরিবারের আগামী দিনের দৃষ্টান্ত। এমনি করেই দুঃখে কষ্টের মাধ্যমেই বড় হতে হয়। পৃথিবীতে যারা বড় হয়েছেন তারা তো এভাবেই বিশ্বের মানুষকে ঋণে আবদ্ধ করেছনে। এভাবেই অনেক বলা যায়। সবই এখন বুঝতে পারছ। শুধু স্মরণ করে দিলাম। যা হোক সামনে মনসা পূজা , সেদিকে একটু ব্যস্ত আছি। মা কে স্মরণ করে এমন দুর্দিনে যদি কৃপা পাই। তোমার সুখ, স্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করে শেষ করছি। 
  ইতি 
তোমারই পিতা 
https://diarybpatc.blogspot.com</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135548/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 12:32:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র- ১০<br />
প্রিয় পুত্র,<br />
পত্র শত সহস্র শুভেচ্ছা রইল। আশা কর ভাল আছ। তোমার প্রেরিত পত্র পেয়েছি এবং সবকিছু অবগত হলাম।<br />
শুধু এটুকুই বলতে পারি , তুমি যথেষ্ট ধৈর্য্য ধরে যে ভাবে মানসিক দুঃখে লেখাপড়া করছ, এটা যেমন আশ্চর্য্য ,তার চেয়ে আরো আশ্চর্য্য যে এমন পরিবারের ছেলে হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছ। তবে জেনে রাখ এ অবস্থা চিরদিন থাকবেনা। দুঃখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135548"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135548/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">79edd34ec51460da303fcced570bf072</guid>
				<title>শব্দের নগ্নতা (Naked Voice)
মূলঃ  সাদাত হাসান মান্টো 
অনুবাদঃ পরিমল রায় 
ভোলু আর গামা দুই ভাই । দু’জনেই ছিলেন খুব পরিশ্রমী। ভোলু সারাদিন গ্রামের এ পাড়া -ও পাড়া ঘুরে হাড়ি পাতিল কেনা-বেচা করার পাশাপাশি মেরামতেরও কাজ করে বেড়ায়। রোজ সকালে মাথায় ছোট্ট একটা টুকরি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় । সে গ্রাম কিংবা শহরের রাস্তা-ঘাটে ঘুরে বেড়াতো এবং লোকজনকে তাদের পুরাতন থালা-বাসনগুলো মেরামত বা বিক্রির করার সাথে নতুন থালা বাসন কেনার জন্য লম্বা করে হাঁক ছাড়ত । প্রতি সন্ধ্যায় যখন সে বাসায় ফিরে আসত তখন তার পকেটে বেশ ভালোই টাকা থাকত ।
গামাও একজন ফেরিওয়ালা। সেও মাথায় ঝুড়ি নিয়ে সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। সেও প্রতিদিন ভালোই রোজগার করে , কিন্তু মদ্যপানের অভ্যাস ছিল তার। প্রতি সন্ধ্যায় তার সন্ধ্যার খাবার কেনার পর তাকে দেশীয় মদ কিনে গিলতে হতো। মদ তাকে মাতাল করে ফেলে, এতে সে যাছেতাই ব্যবহার করে । সবাই জানত যে গামা মদ পান করার জন্যই বেঁচে আছেন ।
ভোলু তার দুই বছরের বড় ভাই -গামাকে বোঝানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতো এই বলে যে - মদ্যপান একটি ভাল অভ্যাস নয়; তুমি একজন বিবাহিত পুরুষ; তোমার বউ আছে ? তুমি কেন টাকা নষ্ট কর? তুমি প্রতিদিন মদ খাওয়ার জন্য যে টাকা নষ্ট কর, তা জমা করলে তোমরা আরও ভাল জীবনযাপন করতে পারো ;তুমি কি চোখে দেখতে পাওনা যে – তোমার বউ সেই ছেঁড়া -ন্যাকড়া পরে অর্ধনগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু মজার বিষয় হল — ভোলুর কথা গামার এক কানে ঢুকে, অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে যেত। শেষ পর্যন্ত ভোলু ত্যাক্ত- বিরক্ত হয়ে এ বিষয়ে তার সাথে কিছু বলা বন্ধ করে দিল।
যা হোক – দু’জনেই শরণার্থী ছিলেন। তারা একটি পরিত্যাক্ত বড় দালান খুঁজে পেয়েছিল যেখানে তারা ভবনের একটি ফ্লোরে কোন রকম মানবেতর জীবন যাপন করতো ; কেননা গনরুমে কোন রকম কাপড়ের পর্দা তুলে রুম বানিয়ে এরা সবাই বসবাস করতো।
স্বাভাবিক গতিতেই শীতকাল খুব সহজে চলে গেল কিন্তু গ্রীষ্ম এলেই দরিদ্র গামার জীবন কঠিন হয়ে গেল। ভোলু ছাদে খাট বিছিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর ব্যাবস্থা করে ফেললো; কিন্তু বেচারা গামা? তার স্ত্রী ছিল এবং উপরের তলায় কোন প্রকার পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। এরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি গামার সাথে অন্য বাসিন্দাদেরও করতে হতো । এই ভবনের বসবাসকারী সকল বিবাহিত পুরুষের একই ধরনের সমস্যা হতে লাগলো।
একদিন প্রতিবেশী কালান একটি অভিনব ধারণা নিয়ে এলেন। সে তার খাটের চারপাশে চটের পর্দা দিয়ে এক ধরনের বেড়া তৈরি করল । যাতে করে স্বামী-স্ত্রী গোপনীয়তা কিছুটা হলেও রাখ ঢাক থাকে।এটি ছাদের উপরে জনপ্রিয় পদ্ধতি হয়ে উঠল বিশেষ করে দম্পতিদের ক্ষেত্রে। এভাবে, অন্যরা তাদের স্ত্রীদের সাথে ভাগ করে নেওয়া বিছানার চারপাশে একই ধরনের পর্দা স্থাপন করেছিল। ভোলুও তার ভাইকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে গেল এবং কয়েক দিনের মধ্যে দু’ জনে বাঁশ খুঁড়ে পাটের বস্তা এবং পুরানো কম্বলের পর্দা তৈরি করল। যদিও এটি সত্য ছিল যে পর্দাটি বাতাসকে অবরুদ্ধ করেছে বটে কিন্তু শব্দের নিয়ন্ত্রণ এই পর্দা নিতে পারেনি তবুও এটি ভবনের নীচের গরম -যন্ত্রণা থেকে ঢেঁড় ভালো ছিল।
ছাদে ঘুমানোর ফলে ভোলুর চরিত্রে অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। এখন পর্যন্ত, সে বিয়েতে খুব বেশি বিশ্বাসী ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, সে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে সে কখনই বৈবাহিক ফাঁদে পড়বে না। গামা যখনই তার বিয়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন করত, সে সর্বদা বলত, &#039;না ভাই, আমি অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা করতে চাই না।&#039; কিন্তু গ্রীষ্মের আগমন এবং দশ বা পনেরো দিন ছাদে ঘুমানোর সাথে সাথে সে তার মন পরিবর্তন করল. একদিন সন্ধ্যায় সে তার ভাইকে বলল, &#039;আমাকে বিয়ে করে দাও না হলে আমি পাগল হয়ে যাব।&#039;
গামা জিজ্ঞেস করল &#039;এটা কোনো ধরনের রসিকতা?&#039;
কিন্তু ভোলু আরও গম্ভীর হয়ে বলল, &#039;তুমি জানো না... আমি পনেরো রাত জেগে আছি।&#039; শব্দের জ্বালায় একটুও ঘুমাতে পারিনা।
গামা জিজ্ঞেস করল, &#039;কেন? কি হয়েছে?&#039;
‘কিছুই না, শুধু বাম, ডান... সব দিকেই কিছু না কিছু ঘটছে... সব দিক থেকে অদ্ভুত আওয়াজ আসছে। এমন পরিস্থিতিতে কেউ কি ঘুমাতে পারে?&#039;
গামা তার মোটা গোঁফের আড়াল থেকে মনে মনে হেসে উঠল ।
ভোলু হঠাৎ লাজুক হয়ে গেল। তারপর বলে উঠল , ‘ওই কলান , ব্যাটা নির্লজ্জ ! সে সারারাত এমন বাজে কথা বলে... আর তার সেই বউ... সে তার মতোই বেহায়া ! তাদের বাচ্চারা খাটের আশেপাশে শুয়ে আছে, কিন্তু তাদের কি সেদিকে খেয়াল আছে !&#039;
বরাবরের মতো গামা বসে মদ গিলছিলেন । ভোলু চলে যাওয়ার পর সে তার বন্ধুদের জড়ো করে খুব আনন্দের সাথে বলেছিল যে তার ভাই আজকাল ঘুমাতে পারে না। আর যখন সে বেচারা ভোলু ঘুমাতে না পারার কারণ নিয়ে এসে তার অনবদ্য স্টাইলে কিছুক্ষণ ব্যাখ্যা করতে লাগল, তখন তার শ্রোতারা—আনন্দে গড়াগড়ি দিতে লাগল। পরের বার গামার সাথে মদ্যপানকারীরা ভোলুর সাথে দেখা হলে তারা তাকে বেসুরো নানা বিধ কথা বলে জ্বালাতন করে। একজন তো বলেই বসল, &#039;আমাদের বল, কালান তার স্ত্রীকে কী বলে?&#039; আরেকজন - &#039;তাহলে,তুমি বিনামূল্যে মজা নাও ... তুমি সারারাত ধরে সিনেমা দেখ! ... তাও আবার এক টিকেটে দুই ছবি !&#039; দুষ্টু -মিষ্ট কোথায় ভোলু তাদের বাজে ঠাট্টায় বিরক্ত হলেও কিছুই করার ছিলনা।
পরের দিন সে গামাকে এ জন্য গালাগালি করে বলে উঠল , &#039;তুমি আমাকে রসিকতায় পরিণত করেছ।আমি তোমাকে সত্যিটাই বলেছি, তা আমার কল্পনার কথা নয়। আমি তোমাকে বলছি, আমি ঘুমাতে পারি না! কুড়ি দিন হয়ে গেল জেগে আছি। তুমি আমাকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দাও, নইলে আমি পাগল হয়ে যাবো। তোমার বউয়ের কাছে যে টাকা আমি জমা রেখেছি... তা দিয়ে বিয়ের ব্যবস্থা ব্যবস্থা কর ।
গামা ভেবেচিন্তে গোঁফ পাকিয়ে বললেন, ‘ঠিক আছে, সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ রাতে তোমার বউদির সাথে সাথে কথা বলব এবং তাকে তার বন্ধুদের মধ্যে থেকে একটি ভালো মেয়ে খুঁজে বের করতে বলব।
দেড় মাসের মধ্যে পাত্রী পাওয়া গেল এবং বিয়ের প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্নও হল। গামার স্ত্রী হিসাবে ফেরিওয়ালা সামাদের মেয়ে আয়েশাকে সবাই পছন্দ করে ধুমধাম করে বিয়ে দিয়ে দিল। সে খুব সুন্দর মেয়ে, ঘরের কাজ জানত এবং সামাদও ভদ্র প্রকৃতির । আশপাশের লোকজন তাকে শ্রদ্ধা করত। ভোলু একটি ভাল ছেলে – সে কঠোর পরিশ্রমী এবং সুস্থ সবল যুবক। সামাদ প্রতিবাদ করেছিলেন যে তিনি গ্রীষ্মে তার মেয়েকে বিয়ে দিতে চান না, কিন্তু গামা যখন নাছোড়বান্দা , তখন তাকে হার মানতে - হল মেয়ের বাপ বলে ।
বিয়ের চারদিন আগে ভোলু খাটের চারপাশে পাটের বস্তা দিয়ে তার কনের জন্য ব্যবস্থা করে রাখল । সে শক্ত বাঁশের খুঁটি কিনে আনে এবং নিশ্চিত হয় যে খুঁটি ও বস্তার পর্দা নিরাপদে বাঁধা আছে। ভোলু খুব যত্ন এবং বিয়ের উদ্যমে এই সব করতে লাগলো ।
প্রথম রাতে সে বস্তার পর্দার আড়ালে ঘুমাতে, সে কিছুটা অদ্ভুত অনুভূতি অনুভব করে । সে তাজা শীতল বাতাসে অভ্যস্ত ছিল কিন্তু সিদ্ধান্ত নিলো যে সে এটিতে অভ্যস্ত হবে। বিয়ের চারদিন আগে থেকেই পর্দার আড়ালে ঘুমাতে শুরু করল সে । প্রথম রাতে সে সেখানে শুয়ে তার স্ত্রীর কথা ভেবে ঘামে ভিজে গেল। ভেসে আসা শব্দও গুলো তার কানে প্রতিধ্বনি হতে লাগল – অস্ফুট কণ্ঠস্বরগুলো তাকে ঘুমোতে দেয় না এবং তার মাথার মধ্যে অদ্ভুততম চিন্তার আবেশ তাকে আরও চিন্তিত করে ফেলে।
“আমরাও কি একই ধরনের নগ্ন শব্দ উৎপন্ন করব?... আমাদের চারপাশের লোকেরা কি আমাদের শব্দ শুনবে? ... তারাও কি সারারাত জেগে থাকবে; কারণ আমাদের শব্দ বা অস্ফুট স্বরও কি তাদের ঘুমাতে দেবে না? ----“
বেচারা ভোলু আরও উত্তেজিত হয়ে উঠল। শুধু একটাই দুশ্চিন্তা তাকে দূরে সরিয়ে দিল: বস্তার কাপড় কি আদৌ কোন ধরনের পর্দা? চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মানুষ; রাতের স্থিরতায় শোনা যায় সবচেয়ে ছোট পিন পতনের শব্দ। মানুষ কিভাবে এমন নগ্ন জীবন যাপন করে? একটি মাত্র ছাদ আছে মাথার উপর ; স্ত্রী - স্বামী শুয়ে থাকে এক খাটে । অগণিত চোখ-কান সব দিকেই খোলা। অন্ধকারে দেখতে না পেলেও সব শুনতে পায়। ক্ষুদ্রতম শব্দ একটি সম্পূর্ণ ছবিকে জীবন্ত করে তুলতে পারে ... বস্তার পর্দা কী করতে পারে? সূর্য উঠার মুহুর্তে, সমস্ত কিছু খালি হয়ে যায় ... সেখানে কালান তার স্ত্রীর স্তন মর্দন করছেন ... সেই কোণে তার ভাই গামা রয়েছে।সব কিছুই পূর্বাবস্থায় এক কোণায় পড়ে আছে। দেখতে পাওয়া যাছে মিষ্টি দোকানদারের অবিবাহিত কন্যাটির -এর উন্মুক্ত পেট, উন্নত স্তন -- হাওয়ায় দুলছে বস্তার পর্দা ------ ফাঁক দিয়ে ------- দিচ্ছে।
বিয়ের দিন ভোর হয়ে গেল আর ভোলু মনে মনে ভাবল পালিয়ে যাবে ; সে আর বিয়ে করবে না , কিন্তু সে যাবে কোথায়? নিজের তৈরি ফাঁদে আটকা পরেছে সে ! পালিয়ে গেলে নিশ্চয়ই আত্মহত্যা করতে হবে ! কিন্তু বেচারা হতভাগ্য মেয়েটির জন্য সমাজে এটা কী অপমান বয়ে আনবে না ! আর সবাই হৈচৈ করবে। কলঙ্কিত করবে মেয়েটিকে। অপবাদ রটাবে।
“ ঠিক আছে, বিয়ে তা আগে হোক। সবাই এটা করে। আমিও এতে অভ্যস্ত হয়ে যাব।“ ভোলু যথাসম্ভব নিজেকে সাহস জোগাতে চেষ্টা করে এবং বিয়ের দিন কনেকে বাড়িতে নিয়ে আসে।
উত্তেজনার ঢেউ বয়ে গেল সবার মঝে। লোকেরা গামা এবং ভোলু উভয়কে অভিনন্দন আর আশীর্বাদ জানাতে লাগলো। ভোলুর কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাকে উত্যক্ত করার পাশাপাশি, বিয়ের রাতে তাকে দু-একটা কৌশলও বলে দিল যে বিড়াল বিয়ের রাতেই মারতে হবে। ভোলু নীরবে তাদের কথা শুনল।
গামার স্ত্রী বস্তার পর্দা বিশিষ্ট ঘরে নববধূর জন্য বিছানা বিছিয়ে দিলেন। গামা বালিশের পাশে সুগন্ধি জুঁই ফুলের চারটি বড় মালা রাখলেন। এক বন্ধু দুধে ডুবিয়ে কিছু জিলাপিও রাখল----- ।
তারা ছাদের সেই বস্তা ঘেরা ঘরে পৌঁছে সম্পূর্ণ নিস্তব্ধতা দেখতে পেল। নববধূ বিছানার দিকে নির্দ্বিধায় হেঁটে যাওয়ার সাথে সাথে তার রূপার পায়ের গোড়ালি প্রতিটি লাজুক পদক্ষেপের সাথে কথা বলতে শুরু করল। ভোলুর মনে হল, যে ঘুমটা তাদের সমস্ত কিছুকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল, তা যেন জীবনের জন্য ধাক্কা খেয়েছে। লোকেরা তাদের খাটের শব্দ করতে শুরু করে দিল , কেউ কাশি এবং গলা পরিষ্কার করতে শুরু করে দিল । ফিসফিস আর গোঙানি ভেসে উঠতে থাকে উত্তাল বাতাসে। হতভম্ব হয়ে ভোলু তার বউয়ের হাত ধরে দ্রুত বস্তার পর্দার দিকে টেনে নিয়ে গেল। মৃদু হাসির আওয়াজ কানে পৌছালো। তার দুশ্চিন্তা বেড়ে গেল। সে তার স্ত্রীর সাথে কথা বলার চেষ্টা করতেই কিন্তু চারপাশে ফিসফিসানি বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। হঠাৎ দূরের কোণে যেখানে কালানের বিছানা, তার খাটটি হতে জোরে জোরে শব্দ আসতে শুরু করে দিল : চুর-ছু, চুর-ছু--- উঃ আঃ --- । এক সময় কালান এর খাট নিশ্তব্দ হয়ে গেলে; গামার লোহার খাট কথা বলতে শুরু করে দিল একই শব্দ , একই গোঙ্গানি ---- হিস ! হিস! --- উঃ আঃ --- ।
মিষ্টি বিক্রেতার অবিবাহিত মেয়েটি কয়েকবার জল খেতে উঠেছিল। যতবারই তার গ্লাসটি পাত্রের সাথে ঠেকেছে, ততবারই ভোলুর কানে বিস্ফোরণের মতো শব্দ হচ্ছে – যেন পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ।কসাইয়ের ছেলের খাট থেকে বারবার ভেসে আসছে ম্যাচ জ্বালানোর শব্দ। ভোলু তার নববধূর সাথে আলাপ করার সমস্ত চেষ্টা ত্যাগ করে বসে আছে। সে ভয় পেয়ে গেলো যে তার চারপাশের কানগুলি তার কথা গিলে ফেলবে এবং সমস্ত খাট চুর-ছু, চুর-ছুর! উঃ আঃ --- এর কোরাস শুরু করবে। দীর্ঘ শ্বাস ফেলে ; নিঃশব্দে শুয়ে রইল। মাঝে মাঝে, সে তার স্ত্রীর দিকে চুরি বা লাজুক ও ভীতু দৃষ্টিতে দেখতে লাগলো, যে তার কাছে খাটে শুয়ে আছে । বউ কিছুক্ষণ জেগে থাকার পর ঘুমিয়ে পড়ে।
ভোলু ঘুমাতে চাইলো কিন্তু পারলো না। প্রতি কয়েক মিনিটে কোনো না কোনো শব্দ তার কানে পৌছে যেত... আওয়াজের ফলে পুরো জীবন-সদৃশ ছবিগুলো প্রাণবন্ত হয়ে তার সামনে দাঁড়ায় ।
বিবাহের আশায় তার হৃদয় এমন আশা এবং এত উত্তেজনায় ভরে গিয়েছিল; যেদিন সে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেদিন থেকেই তার মাথায় সেই সব উত্তেজনাপূর্ণ আনন্দের কথা গুনগুন করছিল যা অজানা ছিল। বিয়ের চিন্তা তার শরীরে এক অদ্ভুত রকমের তাপ প্রবাহিত করত, একটি সুন্দর, আনন্দদায়ক উষ্ণতা। কিন্তু এখন তার ‘প্রথম রাত’ ভাবতেই সে ঠাণ্ডা হয়ে গেল! সেই উষ্ণতা-প্ররোচিত অনুভূতিগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সেই শব্দ - সেই ছবি আঁকা কণ্ঠ - সবকিছু ভেঙ্গে চুড়ে দিল । সে নগ্ন, একেবারে নগ্ন বোধ করতে শুরু করল , এবং মনে হতে লাগলো চারপাশের সকলেই তার দিকে বড় চোখে তাকিয়ে হাসছে ।
ভোর ৪টার দিকে সে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ঠান্ডা জল পান করেন। সে একটু ভাবল। সে বউকেআঁকড়ে ধরে জমে থাকা উদ্বেগ দূর করার চেষ্টা করেছিলেন। একটা ঠান্ডা হাওয়া বইছিল। ভোলু কালানের দিকে ঘুরে গেল। তার বস্তার পর্দার ঝাপসা প্রান্তগুলো হাওয়ায় নড়ছে। কালান তার স্ত্রীর পাশে একেবারে নগ্ন হয়ে শুয়ে ছিল। এটা তাকে রাগান্বিত করেছিল: কেন এখন ছাদে বাতাস বইতে হবে? এবং, যদি এটা ফুঁ দিতেই হবে, তাহলে কেন এই ধরনের বস্তার পর্দাগুলোকে জ্বালাতন করতে হবে? তার মনে হল সব বস্তার পর্দা টেনে নিজের জামা কাপড় ছিঁড়ে ছাদে উলঙ্গ হয়ে নাচছে। ভোলুর বমি হতে লাগলো । ছিঃ ।
তার বন্ধুরা জেনেশুনে তার দিকে তাকিয়ে তার প্রথম রাতের কথা জিজ্ঞেস করে।, “ তাহলে, কেমন লাগলো? আশা করি, তুমি আমাদের নাম মুছে দাও নি &#039; ইত্যাদি ইত্যাদি । 
একটুপরে একজন ফেরিওয়ালার সাথে দেখা হলে সে রহস্যময় উপায়ে জিজ্ঞাসা করল , ‘এখানে দেখ; আমার কাছে এই দুর্দান্ত রেসিপিটি রয়েছে যা বিস্ময়করভাবে কাজ করে।&#039;
আরেকজন তাকে কাঁধে ধাক্কা দিয়ে চিৎকার করে বললো, &#039;তাহলে, আমার প্রিয় কুস্তিগীর, খেলা কেমন হলো?&#039;
ভোলু চুপ করে রইল।
কয়েদিন পর রীতি অনুযায়ী ভোলুর বউ তার বাবা-মায়ের বাড়িতে যায়।
সে পাঁচ-ছয় দিন পর ফিরে আসে এবং আবারও ভোলু নিজেকে একই দ্বিধায় পড়ে যায়। ছাদে শুয়ে থাকা সবাই যেন তার স্ত্রীর ফিরে আসার অপেক্ষায় ছিল। গত কয়েকটা রাত শান্ত ছিল কিন্তু যে রাতে সে তার স্ত্রীর সাথে সেখানে ঘুমাতে এসেছিল, সেই রাতেই আবার একই কথা শুরু হয়: ফিসফিস আর বকবক, চুর-চু, চুর-ছু, কাশি এবং গলা পরিষ্কার করা, ঠকঠক করা। পাত্রের বিপরীতে গ্লাস, টসিং এবং ক্রি! কিং বিছানার উপর দুম দাম শব্দ! দম বন্ধ করা হাসি। ভোলু সারারাত জেগে শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত। মাঝে মাঝে, সে গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলত এবং তার স্ত্রীর দিকে আকুলভাবে তাকাত , এবং বউও বিরক্ত হত। ভোলু বলতে লাগত, &#039;আমার কী হয়েছে? ... আমার কি কি হয়েছে? ... ওহ, আমার কি হয়েছে?&#039;
এভাবে চলতে থাকে সাত রাত অবধি। শেষ পর্যন্ত, ভোলু তার বধূকে তার বাবা-মায়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিশ দিন কেটে গেল। গামা একদিন ভোলুকে বলল, ‘তুমি অদ্ভুত লোক! তুমি কীভাবে তোমার নববধূকে তার পিতামাতার কাছে পাঠাতে পারো ? সে তো এত দিন চলে গেছে, তুমি একা ঘুমাও কী করে?
ভোলু সংক্ষেপে উত্তর দিল, &#039;সব ঠিক আছে।&#039;
গামা জিজ্ঞেস করল, ‘কি ঠিক আছে? আমাকে বলো না কেন? ব্যাপারটা কি? তুমি কি আয়েশাকে পছন্দ করো না?
&#039;এটা তা নয়।&#039;
‘ তাহলে কোনটা ? ‘
ভোলু উত্তর দিল না। কয়েকদিন পর গামা আবার প্রসঙ্গ তুলল ভাইয়ের কাছে । ভোলু উঠে বাসা থেকে বেরিয়ে গেল। তাদের বাড়ির বাইরে একটি খাট রাখা হয়েছিল। সে বাইরে গিয়ে তার উপর বসল । সে তার এক আত্মীয়র গলা শুনতে পেল। সে গামার সাথে ভিতরে কথা বলছিল এবং বলছে, ‘তুমি জানো না , তুমি ভুল বলেছ ; যখন তুমি বলো যে ভোলু আয়েশাকে পছন্দ করে না।
ভোলু গামাকে জিজ্ঞেস করতে শুনেছে, ‘তাহলে কী হলো? সে আয়েশার প্রতি মোটেও আগ্রহী বলে মনে হয় না।‘
&#039;কেন না?&#039;
ভোলু শুনতে পেল না, আত্মীয়াটি তাকে কি বললো, তবুও তার মনে হলো কেউ যেন তার অস্তিত্ব, তার পরিচয়কে ব্লেন্ডার এর মধ্যে ফেলে দিয়েছে এবং তা ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। তারপর গামাকে জোরে বলতে শুনলেন, ‘না, না! তোমাকে সেটা কে বললো?&#039;
গামার আত্মীয়াটি উত্তর দিল, ‘আয়শা তার এক বন্ধুকে বলেছিল... এটা আমার কাছে এক কান দুই কান হয়ে পৌঁছেছে।‘
গামা হতভম্ব ভঙ্গিতে বললেন, &#039;এটা ভয়ানক!&#039;
বাইরে বসে ভোলু অনুভব করল একটা ছুরি তার হৃদয়ে ঢুকে গেছে। তার ভিতরে কিছু একটা ছিটকে পড়ল। সে ছাদে উঠে গেল। খুঁটিতে ঝোলানো সমস্ত বস্তার পর্দা সে টেনে ছিঁড়তে শুরু করল। হট্টগোল শুনে লোকজন ছুটে আসতে লাগল । তারা তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে, সে তাদের সাথে মারামারি শুরু করে দিল। বিষয়টি নোংরামিতে গড়াল ।কালান একটি খুঁটি তুলে তার মাথায় জোড়ে আঘাত করে। ভোলু অজ্ঞান হয়ে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। যখন তিনি এসেছিলেন, তিনি তার মন হারিয়েছিলেন। জ্ঞান ফিরলে দেখা যায় – ভোলু পাগল হয়ে গেছে ?
ভোলু এখন নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ায়। আর যখনই সে একটি বস্তার পর্দা দেখতে পায়, সে তাতে ধাক্কা দেয় এবং ছিঁড়ে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা করে ......।
[উর্দু ভাষার খ্যাতিমান গল্পকার Sadat Hasan Manto এর নামে ব্রিটিশ সরকার অশ্লীলতার অভিযোগ আনলে; তিনি বলেন – ‘লেখায় অশ্লীলতা থাকলে বুঝতে হবে, আমরা সেই সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি (“If you find my stories dirty,the society you are living in is dirty. With my stories, I only expose the truth)।” ব্রিটিশ সরকার তাকে শাস্তি দিতে না পারলেও , দেশান্তরিত মান্টোকে পাকিস্তান সরকার ঠিকই এ অপরাধে তাকে সাজা দেন । পাকিস্তানে বসে মান্টো লিখেন – আমার মৃত্যুর পর আমাকে পুরস্কৃত করা হবে, আর সেদিন আমি বিজয়ী; হেসে বলব – কে বড় ছোট গল্পকার — আমি না ঈশ্বর ? হয়েছিলও তাই!]
www.diarybpatc.blogspot.com</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135058/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 16:11:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শব্দের নগ্নতা (Naked Voice)<br />
মূলঃ  সাদাত হাসান মান্টো<br />
অনুবাদঃ পরিমল রায়<br />
ভোলু আর গামা দুই ভাই । দু’জনেই ছিলেন খুব পরিশ্রমী। ভোলু সারাদিন গ্রামের এ পাড়া -ও পাড়া ঘুরে হাড়ি পাতিল কেনা-বেচা করার পাশাপাশি মেরামতেরও কাজ করে বেড়ায়। রোজ সকালে মাথায় ছোট্ট একটা টুকরি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় । সে গ্রাম কিংবা শহরের রাস্তা-ঘাটে ঘুরে বেড়াতো এবং ল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135058"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135058/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e33dfc7672d4e6d2e086304a45e9b305</guid>
				<title>পিতার পত্র- ৯ 
প্রাণাধিক পুত্র,
পত্রে  আমার শত শত শুভেচ্ছা রইল। তোমার প্রেরিত পত্র –মারফত সুসংবাদ জেনে শুধু আমি নই সকলেই পরম খুশী। তোমার আশাতীত সাফল্য চিরদিন অটুট ও অক্ষুন্ন থাকুক এটাই কামনা করি। যার্ ,তোমার জন্য প্রতিটি মুহূর্ত অনুভব করি। তুমি যাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হইতে না হইতে ব্যর্থ হয়ে যায়। আবার বিকল্প পথ খুঁজতে থাকি। যাক , সমাধানের পথে এসেছি। তোমার জন্য আপাতঃত অতুলের মাধ্যমে ------ টাকা দিলাম। আর আগামী ১৬ মার্চ বেতন তুলে ------ টাকা কুরিয়ার সার্ভিসরে মাধ্যমে পাঠাব। 
তুমি আর কোন চিন্তা করবে না। আমরা বাড়ীতে সকলেই ভাল আছি। তোমার সুখই আমার সুখ। অর্জুন যখন দ্বিধাদ্বন্দে ছিল তখন কৃষ্ণ বলেছেন- ” মামনুস্মর যুধ্য চ” অর্থ্যাৎ আমাকেই স্মরণ কর এবং যুদ্ধ কর। সমস্ত কর্মের ভার আমিই বহন করি। তোমার কুশল কামনায় –
ইতি
প্রফুল্ল কুমার রায়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134810/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 06:16:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র- ৯<br />
প্রাণাধিক পুত্র,<br />
পত্রে  আমার শত শত শুভেচ্ছা রইল। তোমার প্রেরিত পত্র –মারফত সুসংবাদ জেনে শুধু আমি নই সকলেই পরম খুশী। তোমার আশাতীত সাফল্য চিরদিন অটুট ও অক্ষুন্ন থাকুক এটাই কামনা করি। যার্ ,তোমার জন্য প্রতিটি মুহূর্ত অনুভব করি। তুমি যাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হইতে না হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-134810"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/134810/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">32ab5f183e71a73b6faf12f7f6e39721</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134101/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Aug 2022 05:51:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3db05317751e3cff53485937658bcefb</guid>
				<title>পরিমল রায় changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/134097/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Aug 2022 05:40:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d05ba6758f4e5cc5cab39f3e1a6fc7bf</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133794/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Aug 2022 15:25:24 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d395a9b8fa2f2d2f5a07109c0aa39eb7</guid>
				<title>পিতার পত্র- ৮
স্নেহের পরিমল,
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার মোবাইল নম্বর পেয়েছি। যা হোক এবারে ---- টাকা দিলাম । ভূট্টা ও ধান এখনো পাকেনি। এক সপ্তাহ পরে হয়তো হতে পারে। 
সামনে পরীক্ষা, তাই মনোযোগ সহকারে পরীক্ষা দিবে। কারণ কোন পরীক্ষাই তুচ্ছ বা অবহেলার বস্তু নয়। তাছাড়া এ পরীক্ষার ফলাফল তোমার জীবনে অভাবনীয় পরিবর্তন এনে দিতে পারে। তাই একটু পরিশ্রম করে ভালভাবে প্রস্তুতি নিবে। বহুদিনের শ্রম ও সাধনা যেন ব্যর্থ না হয়। মুখ যেন আগের মতো উজ্জ্বল থাকে। 

তোমার শুভ কামনায় এখানেই শেষ করছি। 
  ইতি 
তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133599/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Aug 2022 04:59:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র- ৮<br />
স্নেহের পরিমল,<br />
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার মোবাইল নম্বর পেয়েছি। যা হোক এবারে &#8212;- টাকা দিলাম । ভূট্টা ও ধান এখনো পাকেনি। এক সপ্তাহ পরে হয়তো হতে পারে।<br />
সামনে পরীক্ষা, তাই মনোযোগ সহকারে পরীক্ষা দিবে। কারণ কোন পরীক্ষাই তুচ্ছ বা অবহেলার বস্তু নয়। তাছাড়া এ পরীক্ষার ফলাফল তোমার জীবনে অভাবনীয় পরিবর্তন এনে দিতে পারে। ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-133599"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/133599/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">faddbc0b984883260384d8bf52d7a1dd</guid>
				<title>পিতার পত্র- ৭ 

প্রিয় পুত্র, 
নূতন বছরের শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ,ভাল আছ। টাকা সংগ্রহ করতে দেরী হওয়ায় টাকা পাঠাতে  দেরি হল। এবারের ভর্তি ফিস সহ ------ টাকা পাঠালাম। সামনে মাসে প্রথম দিকে আবার টাকা পাঠাতে পারব। কালব সমিতির টাকা এ মাসের শেষের দিকে হবে। 
 তুমি মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করতে থাক। সাফল্য এখন নাগালের মধ্যেই। প্রবল শৈত্য প্রবাহে জন জীবন বিপন্ন। আগামী রবি ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা । 
আমরা সকলে একরুপ ভাল  আছি। তোমার সুস্বাস্থ্য এবং মঙ্গল কামনা করে শেষ করছি। 

  ইতি 
তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/133598/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Aug 2022 04:58:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র- ৭ </p>
<p>প্রিয় পুত্র,<br />
নূতন বছরের শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ,ভাল আছ। টাকা সংগ্রহ করতে দেরী হওয়ায় টাকা পাঠাতে  দেরি হল। এবারের ভর্তি ফিস সহ &#8212;&#8212; টাকা পাঠালাম। সামনে মাসে প্রথম দিকে আবার টাকা পাঠাতে পারব। কালব সমিতির টাকা এ মাসের শেষের দিকে হবে।<br />
 তুমি মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করতে থাক। সাফল্য এখন নাগালের মধ্যেই। প্রবল শৈত্য প্রব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-133598"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/133598/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f3e66bd381126c95343a142eb3142065</guid>
				<title>পিতার পত্র- ৬ 
প্রিয়পুত্র,
পত্রে শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার পড়াশোনা ভালভাবে চলছে এবং সামনে পরীক্ষার জন্য হয়তো প্রস্তুতি নিচ্ছ। তোমার আশা পূর্ণ হোক । ভালভাবে পরীক্ষা দাও। তবে এ কথাও বলে রাখি পরীক্ষা মানেই পরীক্ষা । সদা সতর্ক থাকতে হবে। আত্মতুষ্টির কোন অবকাশ নাই। সামান্য একটু ভুল পরে সংশোধন নাও হতে পারে। 
যাই হোক এতদিন হয়তো কষ্টে আছ তা অনুভব করছি । কিন্তু চেষ্টার কোন ত্রুটি করি নাই। সীমিত সম্পদের মাঝে তোমাকে টাকা দিবার চেষ্টা চালাচ্ছি। এবারে --- টাকা দিলাম। এ মাসের শেষে হয়তো আরো দিতে পারব। 
এদিকে সকল দেনা পাওনা পরিশোধ করতে হচ্ছে। তাই একটু সময় লাগবে। ঋণের টাকা এখনও হয় নাই । তবে কথা দিচ্ছি ---।  আমরা বাড়ীতে মোটামুটি ভাল আছি। বাড়ী এলে  চা ও চায়ের চারা নিয়ে এসো। তোমার শুভ কামনায় শেষ করছি। 
  ইতি 
তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132659/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Aug 2022 20:08:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র- ৬<br />
প্রিয়পুত্র,<br />
পত্রে শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার পড়াশোনা ভালভাবে চলছে এবং সামনে পরীক্ষার জন্য হয়তো প্রস্তুতি নিচ্ছ। তোমার আশা পূর্ণ হোক । ভালভাবে পরীক্ষা দাও। তবে এ কথাও বলে রাখি পরীক্ষা মানেই পরীক্ষা । সদা সতর্ক থাকতে হবে। আত্মতুষ্টির কোন অবকাশ নাই। সামান্য একটু ভুল পরে সংশোধন নাও হতে পারে।<br />
যাই হোক এতদিন হয়তো কষ্টে আছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-132659"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/132659/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">708ee6a9e9753df584b2b675d7de7f0d</guid>
				<title>পিতার পত্র- ৫ 
প্রিয় পুত্র,
শত সহস্র নন্দন বিকশিত  পারিজাত তোমার মস্তকে বর্ষিত হোক। আশা করি ঈশ্বর তোমাকে ভাল রেখেছে। দীর্ঘ ব্যবধানে পত্র পাঠাচ্ছি। বহু চেষ্টা ও সাধনা করে তোমার নিকট পত্র ও টাকা পাঠাচ্ছি। 
টাকা পাঠাতে বড্ড দেরী হল। হয়তো রাগ করেছ কিংবা ভুল বুঝে আছ। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মেই এটা ঘটে গেল। তুমি কখনো সাহস হারাবে না। হতাশার  কোন কারণ নাই। শুরু যখন করেছ তাহলে যেভাবেই হোক তা শেষ করতে হবে। তুমি পূর্ণ উদ্যমে পরীক্ষা দাও। ফল ঈশ্বরে সমর্পণ কর। এবার ----- টাকা দিলাম এবং এ মাসের শেষে আরো কমপক্ষে ---- টাকা দিব।  তুমি পত্র পেয়ে উত্তর দিবে। পরীক্ষা শেষে বাড়ী না এলে তা জানাবে। 
গোটা আষাঢ় মাস বৃষ্টি খুব কম। চাষাবাদ খুব কষ্টে হচ্ছে।কি যে হবে বলা যায় না। 
 সাবধানে থাকিও। তুমিই শুধু আমার নও সকলের ভরসা। এ আশা যেন ভগবান পূর্ণ করেন। তোমার সুখী ও সুন্দর  কামনা করছি। 
  ইতি 
তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132658/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Aug 2022 20:06:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র- ৫<br />
প্রিয় পুত্র,<br />
শত সহস্র নন্দন বিকশিত  পারিজাত তোমার মস্তকে বর্ষিত হোক। আশা করি ঈশ্বর তোমাকে ভাল রেখেছে। দীর্ঘ ব্যবধানে পত্র পাঠাচ্ছি। বহু চেষ্টা ও সাধনা করে তোমার নিকট পত্র ও টাকা পাঠাচ্ছি।<br />
টাকা পাঠাতে বড্ড দেরী হল। হয়তো রাগ করেছ কিংবা ভুল বুঝে আছ। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মেই এটা ঘটে গেল। তুমি কখনো সাহস হারাবে না। হতাশার  কোন কারণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-132658"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/132658/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6e8d162e785d6d410d1bd04662eb9fd6</guid>
				<title>গ্রামীণফোনের Instant Service, আর আমার বিবর্তন এর Practical  Class 

আমি ০৪  আগস্ট, ২০২২  তারিখে  এক ব্যাংক কর্মকর্তার অনুরোধে, মাই জিপি অ্যাপ থেকে &#039; Instant become GP star&#039; প্যাকেজ কিনেছিলাম।  কিন্তু এখনও এটি মুলতুবিই রয়েছে। তারপরে আমি ৭  আগস্ট, 2022-এ  ১২১ নম্বরে  একটি অভিযোগ উত্থাপন করি; নম্বরটি হল 08202207211227। ১২১ থেকে জানানো হল যে, &#039;স্যার একটু অপেক্ষা করেন&#039; ১০ তারিখের মধ্য হয়ে যাবে ; বুঝলাম একটু মানে ৩দিন । Instant থেকে একটু  ক্রমশ জটিল হচ্ছে ;  টের  পাচ্ছি এখন আফজাল স্যার  বিবর্তনের সংজ্ঞা পড়িয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে— Evolution is a complex process  and  it will become more complex day by day। আর এটাই উন্নয়নের সাথে বিবর্তনের  একটা মোটা দাগের পার্থক্য। তাই ১০ তারিখে ১২১ মনে করিয়ে দিতেই বলল, &#039; স্যার একটু অপেক্ষা করেন&#039; ।তারপর আমি আবার 121 এ রিং করেছি ১২  তারিখে এবং আজ ১৪ তারিখে। কিন্তু স্ট্যাটাস পেন্ডিং আছে। ব্যাংক কর্মকর্তার  প্রতিনিয়ত ফোন , ভাবলাম দেখি ।। লাইভ চ্যাট, linkedin সব জায়গায় knock করে ক্রমশ জটিল করে ফেলেছি - বিবর্তনের একদম practical class  এর সিরিয়াস ছাত্র  বটে ! বিশ্ববিদ্যালয়ে বুঝিনি বলে এখন তো আর ছাড় দিতে পারি না। 
প্যাকেজটি আমি কিনেছিলাম ব্যাংক এর পরামর্শে  সহজ ব্যাংকিং সুবিধার জন্য ।  
কিন্তু এখনও এটি পেন্ডিং আছে / আমার প্রশ্ন জিপি কর্তৃপক্ষের কাছে &quot;তাত্ক্ষণিক বলতে আপনি কী বোঝেন?&quot; যদিও ১২১ আমাকে  নিশ্চিত করেছে  -- instant meaning — সাথে সাথে । 
শরীরে একবার চিমটি কাটলাম — না, এখনো দুনিয়ায় আছি?  এই তো  ঢেঁড়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132378/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Aug 2022 14:50:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গ্রামীণফোনের Instant Service, আর আমার বিবর্তন এর Practical  Class </p>
<p>আমি ০৪  আগস্ট, ২০২২  তারিখে  এক ব্যাংক কর্মকর্তার অনুরোধে, মাই জিপি অ্যাপ থেকে &#8216; Instant become GP star&#8217; প্যাকেজ কিনেছিলাম।  কিন্তু এখনও এটি মুলতুবিই রয়েছে। তারপরে আমি ৭  আগস্ট, 2022-এ  ১২১ নম্বরে  একটি অভিযোগ উত্থাপন করি; নম্বরটি হল 08202207211227। ১২১ থেকে জানানো হল যে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-132378"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/132378/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">033f295943227821f09f70ef34b9c12a</guid>
				<title>পরিমল রায় changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132034/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 16:13:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f6c3ef2ffa757477b53bfd4ba3a8c44</guid>
				<title>পরিমল রায় and Soma are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131991/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 14:37:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">acc339184112a2bedf483243a6e3b108</guid>
				<title>পিতার পত্র—৪ 
প্রিয়পুত্র,
পত্রে শত সহস্র আর্শিবাদ রইল। তোমার প্রেরিত পত্র  পেয়েছি। পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারলাম না। হতাশা বা ক্ষোভ নয়, সামনে আরো অনেক কিছু আছে। তুমি শুধু এগিয়ে যাও। ভয় করো না বা হতাশ হয়ো না। অদৃষ্টে যা আছে তাতো মেনে নিতে হবে। 
যাই হোক , তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, হয়তো বাড়ী আসবে। যখন এলেনা। তাই ---- টাকা দিলাম। আর সামনে মাসে ২০ তারিখের পূর্বেই টাকা পেয়ে যাবে। ভালভাবে লেখাপড়া করো। নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ভাবে অংশগ্রহণ না করাই উচিত। আগে ”সাধন সিদ্ধি পরে সম্পদ বৃদ্ধি”। 
আমরা বাড়ীতে ভাল আছি। তুমি ভাল থাক , সুখে থাক, পত্র পেয়ে পত্র দিবে। 
  ইতি 
তোমারই পিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131988/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 14:23:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র—৪<br />
প্রিয়পুত্র,<br />
পত্রে শত সহস্র আর্শিবাদ রইল। তোমার প্রেরিত পত্র  পেয়েছি। পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারলাম না। হতাশা বা ক্ষোভ নয়, সামনে আরো অনেক কিছু আছে। তুমি শুধু এগিয়ে যাও। ভয় করো না বা হতাশ হয়ো না। অদৃষ্টে যা আছে তাতো মেনে নিতে হবে।<br />
যাই হোক , তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, হয়তো বাড়ী আসবে। যখন এলেনা। তাই &#8212;- টাকা দিলাম। আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131988"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131988/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d5aa97f8b477ac74301ce0c57a173ff6</guid>
				<title>পিতার পত্র—৩
প্রিয় পুত্র,
পত্রে শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। আর তোমার পত্র পেয়েছি। এবার পত্রে একটু উত্তাপ ছিল যা আগেকার পত্রে ছিল না। হয়তো জানো দুঃখকে বরণ করা এবং সত্যের আদর্শে অটল থাকাই হল সনাতন ধর্মের বৈশিষ্ঠ্য। 
তোমার পরীক্ষা নিশ্চয় ভাল হচ্ছে। আর্শিবাদ করি ঈশ্বরের কৃপায় পরীক্ষা ভাল হোক। রাগ বা ক্রোধ করে তো থাকা চলবেনা। বরং বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই তো আসল কাজ। 
আজকেই বেতন তুলে এবার ---- টাকা পাঠানো হল। তুমি তুলে নিও। এগিয়ে যাও, সমস্ত বাধা অবসানের পথে। এ মুহুর্তে ভিন্ন চিন্তা  বা (---)  হওয়া মোটেই সমীচীন হবে না। জুনের বেতন এ মাসের শেষে হতে পারে। কাজেই হতাশা বা দুর্ভাবনার কোন কারণ নাই। 
বৃষ্টি ভাল হচ্ছে, বন্যা হয় নাই। জমিতে চারা লাগানো কিছু বাকী আছে। বাড়ীতে সকলেই ভাল আছি। 
তোমার শুভ কামনায় এখানেই শেষ করছি। 
  ইতি 
তোমারই পিতা 
বিঃদ্রঃ বাড়ীতে যখন আসবে তখন চা [ আমি  সিলেট এর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র]  গাছের চারা নিয়ে আসবে। যা তোমার স্মৃতি আগামীতে বহন করবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131987/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 14:21:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিতার পত্র—৩<br />
প্রিয় পুত্র,<br />
পত্রে শুভেচ্ছা রইল। আশা করি ভাল আছ। আর তোমার পত্র পেয়েছি। এবার পত্রে একটু উত্তাপ ছিল যা আগেকার পত্রে ছিল না। হয়তো জানো দুঃখকে বরণ করা এবং সত্যের আদর্শে অটল থাকাই হল সনাতন ধর্মের বৈশিষ্ঠ্য।<br />
তোমার পরীক্ষা নিশ্চয় ভাল হচ্ছে। আর্শিবাদ করি ঈশ্বরের কৃপায় পরীক্ষা ভাল হোক। রাগ বা ক্রোধ করে তো থাকা চলবেনা। বরং বাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131987"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131987/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">955b0ff79b9b7a1fa94dafe26e785372</guid>
				<title>পিতার পত্র-২ 
 প্রিয় পুত্র,  
পত্রে শত শুভেচ্ছা ও আর্শিবাদ  রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার প্রেরিত পত্র পেয়েছি। পড়ে সবকিছু অবগত হলাম। তুমি ফলাফল সম্পর্কে হতাশ কখনো হবে না। তুমি তোমার দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাও। আর ঈশ্বর অবশ্যই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবেই। 
ক্যাম্পাসে লেখাপড়া ঐভাবেই চলে। তুমি নিজেকে ম্যানেজ করে দ্বায়িত্ব , কর্তব্যে অবিচল থাকবে। সামনের পরীক্ষা ভালভাবে দাও, তবে অতি উচ্চাশা অনেক সময় ক্ষতির দিকে টেনে আনে। 
যাই হোক, বেতন না পাওয়ার জন্য তোমার কাছে টাকা কিংবা পত্র পাঠাইনি। জুনের বেতন কেবল ২৭ তারিখে পেলাম। বিয়ের ব্যাপারে বাহিরের ধার দেনাগুলো পরিশোধ করতে হচ্ছে , যার জন্য  নিজেকে অনেক সময় ভেঙ্গে পড়ছিলাম। যাই হোক বেতন আবার আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর পাব। আগামী ৭/৮ তারিখে আবার টাকা পাঠাব। তুমি এই কয়েকটা দিন কোন রকমে চালিয়ে নাও। 
এদিকে লোনের কাজ এখনো সমাধান হয়নি।  ---- এ জন্য কয়েক দিনের জন্য মাত্র --- টাকা দিলাম। যা কখনো দেওয়া হয় নাই এবং ভবিষ্যতে হয়তো হবে না। 
তোমার কাকাসহ [ ২০০১ সালের নির্বাচন -উত্তর সাম্প্রদিক সহিংসতার পর ভারতে যায় ১০-১২ জন, যারা ধরা পরে কারাবাস ভোগ করেন ]   সকলেই ৩রা আগস্ট রায়গঞ্জ থেকে নিঃশর্তে বাড়ী এসেছে। 
নূপুর [ সদ্য বিবাহিত  বোন]   ও জামাই বাড়ী এসেছিল। তারা বর্তমানে ভাল আছে।  
তোমার কুশল কামনা করে এখানেই শেষ করছি। 

                                                                                                              ইতি 
                                                                                                     তোমারই পিতা 
পুনশ্চঃ দুঃখটাকে পুষি জীবনের স্বপ্ন দিয়ে, ইচ্ছের ব্যর্থতা দিয়ে, বোধের গ্লানিটুকু দিয়ে, উপদেশ আর আশ্বাস দিয়ে, অনাগত দিনের রঙ দিয়ে...। দুঃখ জীবনের প্রধান শিক্ষক: তার কাছে প্রাপ্তির সমান ঋণ, অপ্রাপ্তির চেয়ে বেশি আবেদন, অনুভূতির ফলাফল আর আরেকটু আশ্বাস। সবথেকে দীর্ঘ  প্রতিবেশী আর উপস্থিতির নাম দুঃখ ..........।

লেখকের নোটঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় , বাবা আমাকে পত্র লিখতেন ; ২০১৮ সালে বাবার মৃত্যুর পর , পুরাতন কাগজ পত্র খুঁজতে গিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্রের মাঝে আমার লিখা ও আমাকে লেখা পত্রগুলো খুঁজে পাই , দেখতে পাই একজন মধ্যবিত্ত ও শিক্ষক পিতার হা-হা -কার! সাহিত্য মূল্য বিবেচনায় সেগুলো প্রকাশ করছি – আমার পিএইচডি শেষ হলে বই আকারে প্রকাশ করার ইচ্ছা ; বাবা চেয়ে ছিল আমি যেন পিএইচডি করি দেশের বাহির হতে, যা সম্পন্ন করছি, বাবা মা কেউ আমার এ ডিগ্রী দেখে যেতে পারলো না , সেই দুঃখ আমাকে জ্বালায় প্রতি রাতে প্রতিনিয়ত । কিছুটা সম্পাদন করে প্রকাশ করা হবে ধারাবাহিকভাবে ।

https://diarybpatc.blogspot.com</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131232/</link>
				<pubDate>Thu, 11 Aug 2022 10:12:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                          পিতার পত্র-২<br />
 প্রিয় পুত্র,<br />
পত্রে শত শুভেচ্ছা ও আর্শিবাদ  রইল। আশা করি ভাল আছ। তোমার প্রেরিত পত্র পেয়েছি। পড়ে সবকিছু অবগত হলাম। তুমি ফলাফল সম্পর্কে হতাশ কখনো হবে না। তুমি তোমার দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাও। আর ঈশ্বর অবশ্যই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবেই।<br />
ক্যাম্পাসে লেখাপড়া ঐভাবেই চলে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131232"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131232/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e93155c8a4eda9182233d64bcf4f3148</guid>
				<title>পিতার পত্র- ১ 
স্নেহের পুত্র, 
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। তুমি হয়তো টাকাগুলো পেয়েছো। বেতন তুলতে দেরী হল এবং অফিস বন্ধ থাকার কারনে তোমার কাছে টাকা পাঠানো হলো না। সফিউলের [ সে একজন আমার বাবার ছাত্র, ঢাকায় থাকে এখনো ]  সাথে আলাপ হয়েছে । সে আগামী ৪/৪/১৯৯৯ ই তারিখে ঢাকা যাবে। তাই তার হাতে হাতে ---- টাকা পাঠাবো। ---- --
আমাদের এলাকায় দারুণ খরা, এখনো কোন বৃষ্টি নাই। ইরি  আবাদ প্রায় বন্ধ। আমরা বাড়ীতে সকলেই ভাল আছি। তুমি হয়তো দারুণ কষ্টের মধ্যেই আছ। কিন্তু কি করবে? সবকিছুই মেনে চলতে হয়। বাড়ী আসো । পরবর্তীতে যেন এ অবস্থা না হয় সে চেষ্টা করা যাবে। শুধু প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন তোমার মনোবাঞ্চা পূর্ণ করে। 
তোমার অসাধারণ সাফল্যে আমরা খুশী।তোমার এ সফলতা যেন চিরদিন বজায় থাকে। মনেরেখো ”ভক্ত বাঞ্চা পূর্ণ করে নন্দের নন্দন।” শুধু ধর্ম মেনে চলবে; নীতিতে অটল থাকবে। তবেই উন্নতি। ”

তোমার কুশল কামনায় শেষ করছি। 
                                                                                        ইতি
 											তোমারই পিতা। 
নোটঃ  বিশ্ববিদ্যালয়ে  পড়ার সময় , বাবা আমাকে পত্র লিখতেন ;  ২০১৮ সালে বাবার  মৃত্যুর  পর , পুরাতন কাগজ পত্র খুঁজতে গিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ  কাগজ পত্রের মাঝে আমার লিখা ও আমাকে লেখা পত্রগুলো খুঁজে পাই , দেখতে পাই একজন মধ্যবিত্ত ও শিক্ষক পিতার হা-হা -কার! সাহিত্য মূল্য বিবেচনায়  সেগুলো  প্রকাশ করছি - আমার পিএইচডি শেষ হলে বই আকারে প্রকাশ করার ইচ্ছা ; বাবা  চেয়ে ছিল আমি যেন  পিএইচডি করি দেশের বাহির হতে, যা সম্পন্ন করছি, বাবা মা  কেউ  আমার এ  ডিগ্রী  দেখে যেতে পারলো না , সেই  দুঃখ আমাকে  জ্বালায় প্রতি রাতে প্রতিনিয়ত । কিছুটা সম্পাদন করে প্রকাশ করা  হবে ধারাবাহিকভাবে ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131200/</link>
				<pubDate>Thu, 11 Aug 2022 09:26:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                              পিতার পত্র- ১<br />
স্নেহের পুত্র,<br />
পত্রে আর্শিবাদ রইল। আশা করি ভাল আছ। তুমি হয়তো টাকাগুলো পেয়েছো। বেতন তুলতে দেরী হল এবং অফিস বন্ধ থাকার কারনে তোমার কাছে টাকা পাঠানো হলো না। সফিউলের [ সে একজন আমার বাবার ছাত্র, ঢাকায় থাকে এখনো ]  সাথে আলাপ হয়েছে । সে আগামী ৪/৪/১৯৯৯ ই তারিখে ঢাকা যাবে। তাই তার হাতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131200"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131200/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e7627f32277eef0ed3804698c6cfa5d</guid>
				<title>একটি গর্ভপাত ও আমি 
না এটার পতন ঘটাতেই হবে। ঘটনার আকস্মিকতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় তারা দুজনেই। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিশ্বাস আর রাখা যাচ্ছে না।তবে উত্তেজনায় বিস্ফোরণ ঘটেনি তো?  হয়তো?  আবেগের গতি বিজ্ঞানের বেগ সামলাতে পারেনি বলে ছিন্ন-ভিন্ন হতে যাচ্ছে আজ আমাদের মান মর্যাদা। দাদা চুপচাপ; কি করবে বলে নয় বরং ভাবছে অন্য কথা।কিন্তু ঘসেটি বেগম  অভ্যাসবশতঃ কথা বলেই চলেছে।  আপনি কম দামের জিনিশ কিনেন ;কোন দোকান থেকে কেনা হয়েছিল, মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল কিনা? না, দাদা বিরক্ত  এতে হচ্ছেনা আবার উত্তর দেয়ারও চেষ্টা করছে না। দেশ, পাত্র , কাল ভেদে ঘসেটি বেগমের জ্ঞানের উচ্চতা গণ বিনোদনের উপায়ও বটে।তাই দাদা বিনোদিত হচ্ছে কিংবা হবার চেষ্টা করছে বটে! 
সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উর্দ্ধমূখী আর সম্প্রসারিত পেটের কথাটির কথাটি মনে হলে দাদা, হো হো করে হেসে উঠে। পাশে বসে থাকা ডক্টরেট করা সহকর্মীটি আগুনটি যে জ্বলেছে সেটা বুঝে নিল। পাবলিক বাসে প্রাইভেট কথা বলায় ইঙ্গিতে ডক্টরেট জানতে চাইল – ”ধোঁয়ার চেয়ে আধার ভালো।”  তাই ছেড়ে দেন। ওটা আপনার, আপনি নিশ্চিত হলেন কি করে?  এ রুম;  ও রুম, তারপর স্বামী তো আছেই। দাদার পছন্দ হলো কথাটি। স্বামীর বলে চালাতেই সমস্যা কোথায়?  কিছুদিন আগে অফিসে এরকম ঘটনা ঘটেছে। যদিও স্বামী পরিত্যক্তা ছিল আর ছেলেটি বর্জনীয় দোষে দুষ্টু।  কিন্তু আমাদের দুজনেরই তো সামাজিক রক্ষাকবচ আছে – এটা মনে করে একধরনের সুখানুভূতিতে ভাসতে লাগল দাদা। সম্বিৎ ফিরে পেল ঘসেটি বেগমের ফোনে।মৃদু চাপ অনুভব করল হাতে , ডক্টরটির হাতের, তা আর বুঝতে বাকী রইল না এবং কি বুঝাতে চায় তাও দুবোর্ধ্য নয়। হ্যালো বলতেই ওপার হতে বলে উঠল- আর চাপ নিতে হবে না।  সবকিছু ম্যানেজ করা হয়েছে।কেবল পাশে চাই তোমাকে ওই দিন, যেদিন --------- পতন ঘটাতে হবে। না, দাদা  অবাক হয়নি। আবেগ কিংবা আবেশে থাকলে নাতনি আমার, তুমি বলে সম্বোধন করে উঠে। বিষয়টিকে একেবারে উপভোগ্যহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না বরং শিরায় একধরনের শিহরণ কাজ করে বটে। 
আজ শনিবার। অফিস বন্ধ। ইতিমধ্যে মোবাইলে ফোন এসেছে কয়েকবার। ক্লিনিকে যেতে হবে। ঘসেটি বেগম অফিস থেকে ছুটি নিয়েছে আর বাসায় বলেছে ভিন্ন কথা যা স্বভাবের দোষে হয়ে গেছে  সে টেরই পায়নি। মীন যেমন সলিলের উপস্থিতি টের পায় না। তাই তিন দিনের অফিস ট্যুরের কথা বলে বাসা হতে বেরিয়েছে সে। ফলে এতো তাড়া। সহকর্মী ডক্টরেটটিও ফোন করেছে বার কয়েক।  তাই বাসা হতে হন্ত দন্ত হয়ে ছুটতে হলো ক্লিনিকে। পতন ঘটানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে হবে ; এ টেবিল হতে ওই টেবিল। অবশেষে অপারেশন টেবিলে। না । উদ্বেগ নয় বরং উচুঁ দাত দুটো কেলিয়ে হাসছে। আমি কি শোনাবো সান্ত্বনার বাণী তার বদলে সে আমাকেই হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় করছে উদ্বেলিত।  

ঘসেটি বেগম এখন অপারেশন টেবিলে। শীতের সকালে পায়াচারী করছে। নার্সটি পাশের কক্ষে বসার তাড়া দিয়ে গেলো কয়েকে বার। কিন্তু ভাবনার জগতে কতকিছুই তো আসছে মনে। আমরা পুরুষরা বিশুদ্ধতার কথা বলি কেবল নারীদের জন্যই । এক নারীর জন্য কত রকম উপায় আবিষ্কার  করছে পুনরুৎপাদন বন্ধ করার করার জন্য। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে কয়টা ? ফসলটি কি আমারই নাকি   অন্যকারো----- এমন সময় নার্সের ডাকে সম্বিৎ ফিরে পেলাম। নার্সটি বলছে – আপনার মতো স্বামী পাওয়া বড়ই ভাগ্যের ব্যাপার । অর্ধাঙ্গীনির জন্য এতো ব্যাকুলতা। অর্ধাঙ্গীনি না, সেতো কুলাঙ্গীনি  আর – আমার এমন অস্ফুটস্বরে নার্সটি – ”ভাই কিছু বললেন ?”  না, তেমন নয় – আমি বলে উঠলাম। আর কতোক্ষণ লাগবে?  সে দৃঢ় চিত্তে বলে উঠল- আরো ঘন্টা দুয়েক লাগবে। ও!  আমি  ওটি রুমের সামনে হতে চলে আসলাম। আমি শান্ত আর ধীর । নিচে নেমে সিগারেট ধরালাম। কুণ্ডলীকৃত ধোঁয়ার ন্যায় আমার চিন্তাগুলোর আলু–থালু অবস্থা। ঠিক যেন রাবনের মৃত্যুর পর মন্দোদরীর দশা। হায়রে মন্দোদরী,স্বামী অন্তঃপ্রান। এমন সময় আমার অর্ধাঙ্গীনির ফোনে মনটা আরো ছন্দময় হয়ে উঠল। কি সব জঙ্গলের পিছনে ঘুরছি, মিথ্যাময় ছলনায় সময় কাটাচ্ছি। আর না ।ওপার হতে জানতে চাইলে, বললাম দুই  থেকে তিন দিন বাসায় ফিরবো না । বউ জানে অফিসেই থাকবো, দাপ্তরিক ব্যস্ততায় যা হয়ে থাকে। কিন্তু আসলেই কি তাই? যা আমার মন জানে; আর জানেন অন্তর্যামি।  
(কৈফিয়ৎ: কাল্পনিক গল্প ,চারিত্রিক সাদৃশ্যতা খোঁজা অনভিপ্রেত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/130260/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Aug 2022 18:51:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                একটি গর্ভপাত ও আমি<br />
না এটার পতন ঘটাতেই হবে। ঘটনার আকস্মিকতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় তারা দুজনেই। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিশ্বাস আর রাখা যাচ্ছে না।তবে উত্তেজনায় বিস্ফোরণ ঘটেনি তো?  হয়তো?  আবেগের গতি বিজ্ঞানের বেগ সামলাতে পারেনি বলে ছিন্ন-ভিন্ন হতে যাচ্ছে আজ আমাদের মান মর্যাদা। দাদা চুপচাপ; কি করবে বলে নয় বরং ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-130260"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/130260/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aef23cf0266d16aa96fa3cdca8b8e6b5</guid>
				<title>পরকীয়া: পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শের শিকার নারীর শরীর
আমরা যারা পুরুষ, নারীর কাছে শতভাগ বিশুদ্ধতা কিংবা সততা চাই তারা নিজে কতোটা শুদ্ধ অথবা পরিশুদ্ধ? কার মানদন্ডে সঠিক তা নিয়ে কখনোই প্রশ্ন তুলিনা। যদি কেউ এতদসংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে তাহলে বিষয়টিকে কেবল নারীর জন্য সযত্নে আগলে রাখি। শব্দের গাঁথুনী কিংবা বাক্যবানে অথবা যুক্তির বেড়াজালে নারীকে করি তুলি অপাঙ্তেয়। নারী পবিত্র বা অপবিত্র যাই হোক না- আলোচনা বিষয়বস্তু- নারীর শরীর ও তার ব্যবহারের মনস্তাত্তিক প্রেক্ষাপটের নীতিদীর্ঘ রচনা লেখা।
কৃষির সূচনা নারীর হাতে তাহলে বলা যেতেই পারে- অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার ভিত্তি নারী। কিন্তু নারী তার দৃঢতায় পথ চলতে পারেনি। বারবার পথচ্যুত হয়েছে, হারিয়েছে তার সততা ও বিশুদ্ধতার উপাধিটি। প্রখ্যাত মার্ক্সসিস্ট ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস পরিবারের বিবর্তনের যে ধারাটি দেখিয়েছেন সেখানে নারীর যৌন স্বাধীনতা হরণের বিষয়টি স্পষ্টতঃ ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। তাই তো যৌনবৃত্তিতে নারীর কলঙ্ক তিলক থাকলেও পুরুষ পরিচয় দেয় এটাই পৌরুষত্ব কিংবা শৌর্ষ-বীর্যের লক্ষণ হিসেবে। রেবতী বর্মন বলুন কিংবা ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসই বলুন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বিলোপই নারীকে টেনেছে পিছনে। এ বিষয়ে দ্বিমতের কোনও অবকাশ নেই।
মার্কসীয় ধারায় অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্যের আড়ালে উদারনৈতিকতার নামে যৌনবৃত্তির বৈধতা দিলেও সমাজ-সংস্কার একে বৈধতা না দিয়ে বরং টেনেছে আরো পিছনে। উত্তরোত্তর প্রযুক্তির বিকাশে নারীর শরীর বরাবরই লক্ষ্যবস্তু। তাই ইস্টার বশেরাফের- নারী ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন নারীর শরীর থেকে পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গী সরাতে তো পারেনি বরং দৃষ্টি দিয়েছে আরো সতর্কভাবে। পুরুষ নারীকে পেতে চায় বিভিন্ন উপায়ে এমনকি ফ্রয়েডিয়ান তত্ত্বে হলেও।
পরকীয়া এমনই একটি সামাজিক প্রপঞ্চ যা নারীকে বিবেচনা করে ভোগ্য পণ্য হিসেবে। এই ভোগ্য পণ্যের সরব উপস্থিতি আমরা হাজার বছরের বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্যাপদেও পাই এভাবে-  “যে বঁধুটি দিনের বেলায় কাকের শব্দে ভয় পায়। সেই বঁধুটিই আবার রাতের বেলায় অভিসারে যায়।” চর্যাপদের কবি ঢেগুনপার কবিতায় পাওয়া যায়- “টলেত মোর ঘোর নাহি পড়াবেষী হাড়িত ভাত নাহি নিতি আবেশী।” অর্থ্যাৎ- ঘরে ভাত না থাকলেও প্রেমিক এসে ঘরে ভিড় করে। আহা! কী শান্তি পরকীয়ায়? অন্যের দখলে থাকা ভূমিতে চাষাবাদ করো ইচ্ছেমতো?
নারীর অঙ্গ বর্ণনা বাংলা গানের বিশেষ স্থান দখল করে রেখেছে। কবিতায় উপন্যাসে, গীতি নাট্য, প্রবন্ধ, মহাকাব্যে। নারীর অঙ্গ বর্ণনায়- হাজারো শব্দের সমাহার। কিন্তু গানে পরকীয়ার সন্ধান বিশেষ অঙ্গের বিশেষ ব্যবহার পাওয়া যায় এভাবে- “ভ্রমর কইও গিয়া, শ্রীকৃষ্ণের বিচ্ছেদে অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর, কইও গিয়া।” ভ্রমরের দূতিয়ালিতে রাধার ব্যাকুলতা নিরসনে কৃষ্ণের উপস্থিতি পরকীয়া প্রেমের উদাহরণে এই বিশেষ অঙ্গের কি যে জ্বলুনি তা সহসাই অনুমেয়। কিংবা ঐ শুনো কদম্ব তলায় বংশী বাজায় কেরে সখী, বংশী বাজায় কে? এখানেও পরকীয়া প্রেমের সরস উপস্থিতি পাওয়া যায়। রাধা যখন সখীর সনে জল  ভরতে নদীতে যায় তখন কৃষ্ণ বাঁশী বাজায়ে চায় রাধাকে আকৃষ্ট করতে। রাধা বিবাহিত বলে কলঙ্কের ভাগ তাকেই নিতে হয়। যেমনটা বলা হয়েছে এ লেখার শুরুতে।
গানে আমরা আরো পাই যে, যখন শুনি- “চল বিয়াইন আজ মন কুড়াতে যাই” শীর্ষক বাংলার লোক সঙ্গীতে (বিয়াইন সর্ম্পকটিকে বিবেচনা করুন) যখন বিয়াইনকে মন কুড়ানোর প্রস্তাব দেয়া, তখন স্পষ্টতই পরকীয়া প্রেমের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। কিংবা আমরা পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের গানের সুরে বলতে পারি যে, ”আমায় এতো রাতে কেনে ডাক দিলা, প্রাণ কোকিলা রে; শিয়রে শ্বাশুড়ী ঘুমায়, জ্বলন্ত ডাকিনী; পইঠানে ননদী শুয়ে দুরন্ত নাগিনী।” পুরো গানটি শুনলে ধ্রুপদী বাংলার চিত্র পাওয়ার পাশাপাশি আপনি প্রেমের চিরন্তন পরকীয়ার রসায়নটি পাবেন। তখন মনে হবে কোজাগরি জ্যোসনায় আপনি শরৎ চন্দ্রের দেবদাস হয়ে কেরু এন্ড কোং এর পানীয় হাতে কাজী নজরুল ইসলাম- পূজারিণী কবিতার ‘‘নারী, এরা লোভী, এরা দেবী/ এরা একা কারো নাহি হতে চায়, যত পূজা পায়, চায় তত আরো” বারবার আবৃত্তি করবেন। অর্থ্যাৎ নারীর প্রেমকে দেখা হয়েছে অবজ্ঞাভরে। অথচ একই কাজে পুরুষকে দেখা হয়  সুপুরুষ হিসেবে। যার কারণে বলা যায় প্রেম শব্দটি উভয় লিঙ্গের কাছে কোন ভাবেই একই অর্থ বোঝায় না। (পুরোটাই সংক্ষিপ্ত)
বই — প্রেম, পরকীয়া ও ফোক গানে কিছু নমুনা ( ২০২১) ; আদিত্য আনিক প্রকাশনী।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129000/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 17:00:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                   পরকীয়া: পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শের শিকার নারীর শরীর<br />
আমরা যারা পুরুষ, নারীর কাছে শতভাগ বিশুদ্ধতা কিংবা সততা চাই তারা নিজে কতোটা শুদ্ধ অথবা পরিশুদ্ধ? কার মানদন্ডে সঠিক তা নিয়ে কখনোই প্রশ্ন তুলিনা। যদি কেউ এতদসংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে তাহলে বিষয়টিকে কেবল নারীর জন্য সযত্নে আগলে রাখি। শব্দের গাঁথুনী কিংবা বাক্যবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-129000"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/129000/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">333e615bc7adaccf24daac96170048e3</guid>
				<title>আমার ভালোবাসার নায়িকাগণ
 উচ্চ মাধ্যমিকে যেদিন বাংলা ক্লাশের ম্যাডাম ”অভিসার” বুঝাল এবং আমি বুঝলাম। সেদিন হতে যে সকল নায়িকার সাথে আমার প্রায়ই অভিসার হয়। তাদের মধ্যে জুলেখা অন্যতম। প্রায়ই আমি আর জুলেখা কফি হাউসে আলো আধাঁরির মাঝে মুখোমুখী বসে থাকি।আমরা এমনটাই চেয়েছিলাম ২০০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে ৫০ টাকার কফি খেতে যাই দূর বহু দূর।চুপচাপ বসে থাকা।নিঃশব্দে কফি পান,কোন উচ্চারণ নয়।আমাদের দুজনেরই ভীষণ প্রিয় এ রকম সময় কাটানো। শান্তির প্রলেপে হয়ে উঠি দুজনেই সিক্ত, ফিরে পাই কর্ম স্পৃহা। জুলেখা আজও মিস করি সেদিনগুলো আর কাটানো মুহূর্তগুলো (ভালোবাসা প্রেম নয়-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)।উড়নচণ্ডী হেনাকে আমি প্রচণ্ড ভালোবাসী। হৃদয় উত্তপ্ত করার জন্য নয় বরং সময় গরম করার জন্য হেনার জুড়ি মেলা ভার(জীবন পথের যাত্রী –আবুল ফজল)। সারাদিন ক্লান্ত শেষে প্রায়ই আমি মিলিকে সুমনের ভাষায় বলি–প্রথমতঃ আমি তোমাকে চাই -------- শেষ পর্যন্ত আমি তোমাকে চাই। প্রেম আর ভালোবাসা যাই বলি,আমি তার প্রেমে মশগুল (বরফ গলা নদী –জহির রায়হান)।  জয়িতা অনেকটাই হেনার মতো।তবে জয়িতার একটা প্রমিজিং, কেয়ারিংও ডেয়ারিং ভাব আছে যা আমার  ভীষণ পছন্দ(গর্ভধারিনী- সমরেশ মজুমদার)।মাধবীলতাকে আমি কেন আপনিও না ভালোবেসে পারবেন না?আমি এখনো অভিসারের উন্মত্ততায় মেতে উঠি মাধবীলতাকে নিয়ে।একজন সংগ্রামী নারীর সংসারী হয়ে উঠা আপদামস্তক ভালোবাসাময় নারী যাকেই কেবল ভালোবাসা যায়(কালবেলা ও কালপুরুষ)  এরকমভাবেই ভালোবাসা যায় আনোয়ারাকে যেন ভালোবাসার স্রোতস্বিনী ধারা( আনোয়ারা- নজিবুর রহমান)। লাবণ্য এর চাইতে আমি কেটিকে ঢের বেশী ভালোবাসী। সময় ও ফ্যাশনে এগিয়ে থাকা কেটি পার্টি মাতাতে বরাবরই হালনাগাদ(শেষের কবিতা- রবি ঠাকুর)।শয্যা সাজাতে কিংবা মাতাতে নায়িকা মৈত্রেয়ী দেবীর মতো আপনি হয়ত  অনেককেই পাবেন তবে ভালোবাসার ছলা কলায় পারদর্শী বলে আমি আজও তাকে ভালোবাসী(লা নুই বেঙ্গলী ও ন হণ্যতে–মির্চা এলিয়াদ ও মৈত্রেয়ী দেবী)।আপনি যদি  সৈয়দ শামসুল হকের খেলারাম খেলে যা উপন্যাসের নায়ক বাবরের মতো মনে করেন –”ভালোবাসা হলো কাপড় খোলার প্রস্তুতি আর প্রেম হলো বিছানায় যাওয়ার নাম” তাহলে আমার মতোই আপনি জাহেদা ,লতিফার মতোই কনকলতাকে ভালো না বেসে পারবেন না। পরতে পরতে যৌনতা নাকি পুনরৎপাদন প্রক্রিয়ার সাজগোছ বুঝে উঠতে না উঠতেই মামলা ডিশমিশ (পাক সার জমিন সাদ বাদ- হুমায়ুন আজাদ)।হুমায়ুন আজাদের ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ উপন্যাসের নায়িকা একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। শহুরে কোলাহল পেরিয়ে চা বাগানে যায় বিদ্যায়তনিক মাঠকর্ম গবেষণায়। বৈদ্যুতিক আলোর আড়ালে দীপ্যমান মাটির প্রদীপে নিবু নিবু আলোয় ক্ষণিক তৃষ্ণা নিবারণে আদিম খেলায় মেতে উঠা এ শিক্ষিকাকে আপনার ন্যায় আমিও ভালো না বেসে পারিনি। মনে হবে রাত ভর বৃষ্টি (বুদ্ধদেব বসু) উপন্যাসের নায়ক এর হতো – ”এটা হয়ে গেছে।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128995/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 16:57:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার ভালোবাসার নায়িকাগণ<br />
 উচ্চ মাধ্যমিকে যেদিন বাংলা ক্লাশের ম্যাডাম ”অভিসার” বুঝাল এবং আমি বুঝলাম। সেদিন হতে যে সকল নায়িকার সাথে আমার প্রায়ই অভিসার হয়। তাদের মধ্যে জুলেখা অন্যতম। প্রায়ই আমি আর জুলেখা কফি হাউসে আলো আধাঁরির মাঝে মুখোমুখী বসে থাকি।আমরা এমনটাই চেয়েছিলাম ২০০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে ৫০ টাকার কফি খেতে যাই দূর বহু দূর।চু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128995"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128995/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ebaea062baee3eb81de27ff487ed14a7</guid>
				<title>এ ধর্ষণ উপত্যাকা আমার স্বদেশ নয়।
 
হাল নাগাদ যৌন নির্যাতন আর নিপীড়ন সর্বোপরি ধর্ষনের খবর পড়ে নবারুন ভট্টাচার্যের ন্যায় আমারো চিৎকার বলতে ইচ্ছে করছে এ ধর্ষণ উপত্যাকা আমার স্বদেশ নয় ( এ মৃত্যু উপত্যাকা আমার স্বদেশ নয়)। তিন বছরের শিশু হতে ষাট বছরের বৃদ্ধা সবাই যেন কাম লালসার শিকার। তখন নিজের অজান্তেই বলে উঠি – তবে কি আমরা ক্রমাগত একটি মনো বিকলাঙ্গ জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছি? না হলে গণমাধ্যমের টকশোতে কিভাবে ধর্ষণের অভিনয়ে স্বাছ্ছন্দ্য বোধের কথা অবলীলায় বলতে পারি আবার উপস্থাপকের নাম বলায় নারী উপস্থাপিকাটি লজ্জার বদলে যেন মজাই পেল আর তাতেই সে হেসে কুটিকুটি। অথচ বল প্রয়োগের চরম এ রূপটিতে উপস্থাপক ও উত্তরদাতা উভয়েই লজ্জায় কুকঁড়ে যাওয়ার কথা। 
 
যৌন প্রবৃত্তি একটি সহজাত বিষয় যা সকল প্রাণির মাঝে বিরাজমান।এই সহজাত প্রবৃত্তিটিকে যখন আমরা তার বিরুদ্ধ প্রয়োগ করি তখন আর এটি স্বাভাবিকতার মাঝে থাকে না। যার কারনে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হিসাবে ধর্ষনের বিষয়টি সামনে আসে। বাংলাদেশের প্রচলতি আইনের আলোকে ধর্ষনের সঙ্গা নিরুপনে নারীর শরীরের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ও শরীরের ইচ্ছাবিরুদ্ধ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এ পরেও আমরা কি কামলা, আমলা, শিক্ষক, চিকিৎসক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ,কর্তা, চাকর সবাই যেন ধর্ষনের অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নেমেছি। কিন্তু কেন? এর পিছনে দায়ী কারা ? আপনি অনেক উত্তর পাবেন। এ সকল উত্তর খোঁজা এ নিবন্ধের লক্ষ্য নয়। বরং ঐতিহাসিক প্র্রেক্ষাপট তুলে ধরার পাশাপাশি সমসাময়িক ঘটনার চিন্তার খোরাক যোগানই হবে এ লেখার মূল লক্ষ্য। কারণ  নারী গ্রন্থের আলোকে অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের মতে – ”পৃথিবীতে পৌরাণিক কাল আর নাই, দেবতারা আর ধর্ষণ করে না; তবে দেবতাদের স্থান নিয়েছে আজ পুরুষরা; প্রায় অবাধ ধর্ষণ চলছে পৃথিবী জুড়ে। ধর্ষণ এখন দেখা দিয়েছে মারাত্মক মড়করুপে;আমেরিকার মতো শিল্পোন্নত সমাজে যেমন চলছে ধর্ষণ, তেমনি চলছে বাঙলাদেশের মতো অনুন্নত সমাজে। বাঙলাদেশ এখন সবচেয়ে ধর্ষণ প্রবণ সমাজের একটি।” গণ মাধ্যমে পরিবেশিত সংবাদেই এর সত্যতা পাওয়া যায়। গণহারে সংঘটিত ধর্ষণে মনে হয় আমরা ধর্ষণকারীদের দ্বারা অবরুদ্ধ এবং এরকম ধর্ষণভীতির মধ্য দিয়ে বসবাসরত নারীর দিন কাটছে প্রতিনিয়ত।   
 
শুরুতেই যেমনটা এক অভিজ্ঞতার কথা বলছিলাম যে আমরা বৈধতার ভিতরে থেকেও যৌনতার বিষয়ে যেন অল্পতেই অধৈর্য্য হয়ে পড়ি। মনে হচ্ছে আমরা ধীরে ধীরে একটি অধৈর্য্য জাতিতে পরিণত হচ্ছি। অথচ পরিবার-দাম্পত্য জীবনে যৌন মিলনে স্বাচ্ছন্দ্যমূলক ও উর্বরক্ষেত্রও বটে।  এর পরেও আমরা অফিস ,আদালত ,হাসপাতাল এমনকি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেও ধর্ষণের জায়গা হিসাবে ব্যবহার করছি।নারী যেন সর্বত্রই অনিরাপদ আর অরক্ষিত। ফলে নারী নিরন্তর বাস করছে ধর্ষণ ভীতির মধ্যে ।ধর্মীয় আবরন আর নৈতিকতার বাতাবরণ সবকিছুই যেন কর্পূরের ন্যায় উড়ে যাচ্ছে।তবে কি আমরা কবি সুকান্তের বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার বদ্ধ পরিকর হতে দূরে সরে যাচ্ছি।বিদ্যমান আইনিক কাঠামোর যথাযথ প্রয়োগ না করা,পারিবারিক অনুশাসন না মেনে চলা,স্বার্থের সংঘাত ঘটা আর আধুনিক প্রযুক্তির সহজলভ্যতা আমাদেরকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? আমরা কি এ ব্যাপারে সচেতন? 
 
ধর্ষণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিলে বলা যেতে পারে সংবেদনশীল এ অঙ্গটিকে আমরা ক্ষমতা প্রয়োগের মোক্ষম ক্ষেত্র বলে মনে করি। মহাভারতেও পাণ্ডব পরিবারের উপর চরম আঘাত হানার জন্য নারীর শরীরকেই বেছে নেওয়া হয়। খোদ আমলের ধর্ষনের সঙ্গার আলোকে দুঃশাসন কর্তৃক দ্রোপদীর বস্ত্র হরণকে আপনি কি বলবেন? যুক্তির খাতিরে আমরা ধরে নিতে পারি যে দৈব শক্তির বলে চূড়ান্ত পর্যায়ে বস্ত্র হরণ না করার কারনেই দ্রোপদীর সাথে শারীরিক জবরদস্তি কিংবা হালের ধর্ষণ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু লক্ষ্মণ কর্তৃক সুর্পনখার নাক কাটাকে আপনি কোন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখবেন?প্র্রেমে নিবেদন এ প্রত্যাখাত হওয়ার পরেও সুর্পনখা কি নাক পেতে রেখেছিল আর ভাবছিল যে কখন আর কত কোমলে নাক কর্তন করা হবে? তেমনটি নিশ্চয় ঘটেনি। তাহলে কি ঘটেছে? নরম শরীরের উপর কঠোর পুরুষাধিপত্যের প্রভাব পড়েছে।যেমনভাবে রাবন সীতাকে হরণ করে তথাকথিত বন্দী করে রেখেছে।কালক্রমে এভাবেই আমরা লিঙ্গীয় শক্তি প্রয়োগে আবেগকে বিসর্জন দিয়ে বেগকে করেছি আরো বেগবান।ফলে নারীর মনের উপর ইতিঃপূর্বে মতাদর্শিক প্রভাব বিস্তার করার পর এখন তাদের শরীরের উপর আধিপত্য দখলের প্রক্রিয়া হিসাবে ধর্ষনকে আমরা করে তুলেছি অনিবার্য। ঘর কিংবা বাহির , শিশু বা বৃদ্ধ হয়তো বিবাহিত নয়তো অবিবাহিত কোন বিষয় নয় বরং ভূমি দখলের ন্যায় শরীর দখলই মুখ্য ব্যাপার। আর নারীর অর্থনৈতিক পরাধীনতা এ যাত্রার সূচনা করলেও পুজিঁবাদ এ যাত্রাকে করে তুলেছে বেগবান। ফলে নারীর শরীর হয়ে উঠেছে ভোগ্যপন্য যা অর্থের বিনিময়ে পাওয়ার প্রত্যাশা ও অধিকার সকল ক্রেতা সংরক্ষণ করে। কিন্তু সমস্যা হয়ে যায় যখন নারী নিজেকে পুজিঁবাদী পন্য নয় বরং স্বাধীন সত্বা হিসেবে বিবেচনা করে বেচা–কেনায় অংশ নিতে চায় না; তখন ক্রেতা যেভাবেই হোক পণ্যটিকে পেতে চায় এবং ধর্ষণের মতো পাশবিক ও অমানবিক ইচ্ছা বিরুদ্ধ কাজটি করে নিজের পৌরুষত্ব বা শক্তি জাহির করতে চায়। পুজিঁবাদী বিকাশের সাথে আমাদের মননের বিকাশ সেভাবে না ঘটাও একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার ফল শ্রুতিতে ধর্ষণ এখন একটি মামুলী হয়ে উঠেছে। পুজিঁবাদী শক্তির নিয়ামক অর্থই এখন এর নিয়ন্ত্রক।
 
ধর্ষণ নামক এ অপরাধটিকে আপনি রুখবেন কি করে? আর শুরু করবেনই বা কোথা থেকে? অপরাধ বিজ্ঞান আর মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করার পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগের এখনই সময়। নচেৎ এ ধর্ষণ উপত্যাকাই আমার স্বদেশ বলে ভাবতে হবে – যেদিন টি আর বেশি দূরে নয়?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128993/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 16:55:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এ ধর্ষণ উপত্যাকা আমার স্বদেশ নয়।</p>
<p>হাল নাগাদ যৌন নির্যাতন আর নিপীড়ন সর্বোপরি ধর্ষনের খবর পড়ে নবারুন ভট্টাচার্যের ন্যায় আমারো চিৎকার বলতে ইচ্ছে করছে এ ধর্ষণ উপত্যাকা আমার স্বদেশ নয় ( এ মৃত্যু উপত্যাকা আমার স্বদেশ নয়)। তিন বছরের শিশু হতে ষাট বছরের বৃদ্ধা সবাই যেন কাম লালসার শিকার। তখন নিজের অজান্তেই বলে উঠি – তবে কি আমরা ক্রমাগত একটি মন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128993"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128993/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a3783b70ebe02fe6503d494520961b5</guid>
				<title>পরিমল রায় and Kabi Doctor Mohammad Zakir Hossain Biplob are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128532/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 06:38:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">44bc3bfe8ff51a6ffe351f14bbc0d170</guid>
				<title>প্রশ্ন 

দুর্ভাগ্য আমার ,  আপনার কিংবা আমাদের-----
চরম বেয়াদব নির্ধারণ করে আদবের সঙ্গা
পতিতা সৎ উপার্জনের বিচারক
আর নৈতিকতার সবক দেয় দুর্নীতিবাজ  কর্মকর্তা 
প্রশ্ন — এসবের শেষ কোথায়----??</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128375/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 17:30:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রশ্ন </p>
<p>দুর্ভাগ্য আমার ,  আপনার কিংবা আমাদের&#8212;&#8211;<br />
চরম বেয়াদব নির্ধারণ করে আদবের সঙ্গা<br />
পতিতা সৎ উপার্জনের বিচারক<br />
আর নৈতিকতার সবক দেয় দুর্নীতিবাজ  কর্মকর্তা<br />
প্রশ্ন — এসবের শেষ কোথায়&#8212;-?? </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9e813d6f20a3796e5617196283ee0eea</guid>
				<title>পরিমল রায় and জাহিদসিরাজ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128366/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 17:25:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>