<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Kawser hamid (usman) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/usman/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/usman/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Kawser hamid (usman).</description>
	<lastBuildDate>Wed, 22 Jul 2026 12:10:44 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e0b7c2a700718538010fed1e21523518</guid>
				<title>Kawser hamid (usman) and Mahmuda Sultana are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/197492/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Mar 2023 19:26:24 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">668cdcfbc57b35303428268aff49cce5</guid>
				<title>Kawser hamid (usman) and Prithula Zaman are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174341/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Nov 2022 08:54:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35559c04d40b8be727dbdfbe4b0fb382</guid>
				<title>অভিনয়।

বাবা আজক এনো প্লিজ, অনেকদিন ধরে বলছো এনে দিবে তবু দিচ্ছোনা।

কথা গুলো শুনে মুখ কেমন শুকিয়ে যায় উসমান সাহেবের। মেয়েটা অনেকদিন হলো একটা নতুন জামা চাচ্ছে। অথচ সংসারের যে অবস্থা, চাল আছে তো ডাল নেই। তেল আছে তো নুন নেই। এই অবস্থায় মেয়েকে জামা কিভাবে কিনে দিবে সেই চিন্তায় মুখ শুকিয়ে যায় উসমান সাহেবের। প্রতিদিন মিথ্যে আশায় আশাবাদী করে রাখতেও ভালো লাগেনা তার অথচ মেয়েকে সাহস করে বলবে যে টাকা নেই সেই সাহস ও করে উঠতে পারছেনা উসমান সাহেব। এ কি বিপাকে ফেলেছো খোদা, কি করি আমি এখন, মনে মনে বিড় বিড় করতে থাকেন উসমান সাহেব।

উসমান সাহেবের মুখ দেখে কিছু একটা আচ করতে পারে সদ্য কৈশরে পা রাখা আরু। বাবার শুকিয়ে যাওয়া মুখ দেখে তার ছোট্ট মন আচ করে নেয় বাবার অবস্থা।
ক্ষীন কন্ঠে বলে উঠে, থাক বাবা আমার জামা লাগবেনা, আগের গুলো এখনো নতুন এর মতই আছে। একটু ধুয়ে আয়রন করে নিলেই দিব্যি আরো একবছর পার করে দেওয়া যাবে। আমি এমনি মজা করেছি বাবা আমার জামা লাগবেনা তুমি চিন্তা করোনাতো তোমার চিন্তিত মুখ দেখতে ভালো লাগেনা। এই দেখো তুমি আবার ছাতা নিতে ভুলে গেছো মেঘের অবস্থা খারাপ বাবা, যেকোনো সময় বৃষ্টি হতে পারে। থামো ছাতাটা এনে দেই। বলেই ভিতর ঘরে চলে যায় আরু। তার চিৎকার করে কাদতে ইচ্ছে করছে,  কেনো এত গরিব তারা, কেনো। ছোট্ট আরু খুব অভিমান করে তবে বাবার উপরে নয়, কার ওপরে তার অভিমান সে নিজেও জানেনা।

উসমান সাহেব অবাক চোখে তাকিয়ে থাকেন আরুর দিকে, মা মরা মেয়েটা কবে এত বড় হয়ে গেলো বুঝতেই পারেননি তিনি। বুক ফেটে কান্না আসে তার, মেয়ে শখ করে একটা জামা চেয়েছে তাও দেওয়ার মত ক্ষমতা তার নেই এত অপয়া কেনো তিনি। মনে মনে ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখের কোণে জল এসে পরেছিলো খেয়াল করেননি।

একি বাবা তুমি কাদছো নাকি?
তড়িঘড়ি করে চোখ মোছেন উসমান সাহেব। নারে মা, ওই চোখে আসলে পোকা পরেছিলো তো বড্ড পোকা হয়েছে আজকাল। 
আরু বুঝতে পারে বাবা কাদছিলো, তবে সে কিছু বললোনা, বলবেই বা কি,  সে নিজেই অতি কষ্টে চেপে রেখেছে তার উথলে আসা কান্নার ঢেউ।

আসিরে মা, সাবধানে থাক। দেখি কিছু জোগার যন্ত্র করতে পারি নাকি। মাথা নিচু করে উঠোন বেয়ে রাস্তায় নামেন উসমান সাহেব। আজকের দিনের ব্যাবস্থা করতে হবে।

বিশাল এক অভিনয় ঘটে গেলো বাবা- মেয়ের মাঝে। তাদের মত মানুষদের এই সংসারে অভিনয় টাই ভরসা নইলে কবেই বিলীন হয়ে যেতেন।

বেলা পরছে, তাড়াতাড়ি পা চালাতে লাগলেন উসমান সাহেব গন্তব্য জানা নেই।
লেখাঃ উসমান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/168554/</link>
				<pubDate>Fri, 28 Oct 2022 10:51:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিনয়।</p>
<p>বাবা আজক এনো প্লিজ, অনেকদিন ধরে বলছো এনে দিবে তবু দিচ্ছোনা।</p>
<p>কথা গুলো শুনে মুখ কেমন শুকিয়ে যায় উসমান সাহেবের। মেয়েটা অনেকদিন হলো একটা নতুন জামা চাচ্ছে। অথচ সংসারের যে অবস্থা, চাল আছে তো ডাল নেই। তেল আছে তো নুন নেই। এই অবস্থায় মেয়েকে জামা কিভাবে কিনে দিবে সেই চিন্তায় মুখ শুকিয়ে যায় উসমান সাহেবের। প্রতিদিন মিথ্যে আশা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-168554"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/168554/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">28c1af41133b41642ca6c47d9525794f</guid>
				<title>একটি সংকীর্ণ কবর, কৃষ্ণ চুড়ার লাল ফুলগুলোতে আচ্ছাদিত হয়ে থাকে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় আগুনের শিখা। কোনো এক গোধুলি বিকেলে তুমি এলে, কবরের পাশে দাড়ালে, বিষন্ন মুখে হাসলে, ভাবলে,  কত সৃতি বিজড়িত করে তোমার চোখ দুটি ছলছলে।

আফসোস করে ভাবলে, মানুষটাকে তার প্রাপ্য ভালোবাসা টুকূ ও দিতে পারিনি হাইরে অভাগীনি।

আফসোস করোনা, হয়তো এতেই সুখ খুজে নিয়েছিলো সে।

কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুলগুলো তোমাকেও আলিংগন করে গেলো হয়তো বলতে চাই, কবরবাসি টির না বলা কথা গুলো। কান পেতে শোনো বালিকা, মন দিয়ে শোনো। পাতার মর্মরের মাঝেও শুনতে পাবে আমার আর্তনাদ।

এলোমেলো।

লেখাঃউসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/168238/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Oct 2022 09:17:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি সংকীর্ণ কবর, কৃষ্ণ চুড়ার লাল ফুলগুলোতে আচ্ছাদিত হয়ে থাকে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় আগুনের শিখা। কোনো এক গোধুলি বিকেলে তুমি এলে, কবরের পাশে দাড়ালে, বিষন্ন মুখে হাসলে, ভাবলে,  কত সৃতি বিজড়িত করে তোমার চোখ দুটি ছলছলে।</p>
<p>আফসোস করে ভাবলে, মানুষটাকে তার প্রাপ্য ভালোবাসা টুকূ ও দিতে পারিনি হাইরে অভাগীনি।</p>
<p>আফসোস করোনা, হয়তো এতেই সুখ খুজে নি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-168238"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/168238/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">afbc8f46943c3771deedc34df89b884a</guid>
				<title>রাতনামা।
নিঃসংগ এক যুবক ঘুরে ফেরে, রজনীর মধ্যভাগে নির্জন পথ ধরে। ল্যাম্পপোস্ট টার নিচে এসে থমকে দাঁড়ায় যুবক, ল্যাম্পপোস্টের রহস্যময় আলোর নিচে অপেক্ষমান এক যুবতী। ভালো করে পরখ করতে আরেকটু এগিয়ে যায় যুবক, নিমিষেই চমকে ওঠে, তার মস্তিষ্কের দেয়ালে বয়ে যায় বিশাল এক সাইক্লোন। 

এই মেয়ে শোনো, চমকে ঘুরে তাকায় যুবতী। বলতে থাকে যুবক, অনেক বছর আগে এই ল্যাম্পপোস্টের নিচে আমি বিসর্জন দিয়েছিলাম একটুকরো সুখের। তুমি কি খুজে পেয়েছো? খুজে পেয়েছো? সত্যি করে বলবে কিন্তু।

এই ল্যাম্পপোস্ট আমার বহু চেনা, এই ল্যাম্পপোস্টের নিচে কাটিয়ে দিয়েছি কতশত নির্ঘুম রজনী।  বলতে বলতে হেসে ওঠে যুবক, সাধারন হাসি নয় কেমন যেনো ঘোর লাগা সেই হাসি, যুবতীর শরীর শিউরে ওঠে। 

রজনীর নিস্তব্ধতা ভেংগে খান খান করে দিয়ে, হেসে যাচ্ছে এক যুবক আর হন্যে হয়েখুজে বেড়াচ্ছে বহু বছর আগে বিসর্জন দেওয়া সুখ। যুবতীর চোখ বিস্ফারিত।

লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/167709/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Oct 2022 06:44:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাতনামা।<br />
নিঃসংগ এক যুবক ঘুরে ফেরে, রজনীর মধ্যভাগে নির্জন পথ ধরে। ল্যাম্পপোস্ট টার নিচে এসে থমকে দাঁড়ায় যুবক, ল্যাম্পপোস্টের রহস্যময় আলোর নিচে অপেক্ষমান এক যুবতী। ভালো করে পরখ করতে আরেকটু এগিয়ে যায় যুবক, নিমিষেই চমকে ওঠে, তার মস্তিষ্কের দেয়ালে বয়ে যায় বিশাল এক সাইক্লোন। </p>
<p>এই মেয়ে শোনো, চমকে ঘুরে তাকায় যুবতী। বলতে থাকে যুবক, অন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-167709"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/167709/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9697cf2a907c3910b8db0d61ae784a8</guid>
				<title>ফুচকা বিলাস

দাড়িয়ে  আছি একটা ফুচকার দোকানের সামনে, না না আমি এসব ফুচকা টুচকা পছন্দ করিনা, আমার জীবনে খাওয়া যেসব বাজে খাবার আছে তার মধ্যে ফুচকা একটা, এখানে এসেছি আমার প্রেমিকা মিথিলার কারণে। এসেছি বললে ভুল হবে একপ্রকার জোর করেই নিয়ে এসেছে ও, আসতে চাচ্ছিলামনা তবুও কিন্তু ও মুখ টা এমন কালো করে ফেললো যে আর উপায় না পেয়ে আসতেই হলো, সে আর কিছু পারুক আর না পারুক আমাকে কিভাবে মানাতে হয় তা তার খুব ভালো করেই জানা আছে। শুধু সে না আমার মনে হয় সমস্ত প্রেমিকা জানে কিভাবে তাদের প্রেমিক দের মানাতে হয়।
এখানে এসে মেজাজ টা আরো খারাপ হয়ে গেছে, সে কখন থেকে বসে আছি অথচ শালা এখনো খাবার(ফুচকা) দিয়ে যাইনি, আর দিবে কিভাবে দোকানে এতই ভীড় যে কাকে ছেড়ে কাকে দিবে এটাই বুঝতে পারছেনা দোকানের লোকজন।
আর কাষ্টমার বলতে প্রায় সবাই মেয়ে, খুব কম ছেলেমানুষ দেখা যাচ্ছে, এই খাবার টার মধ্যে যে এমন কি আছে আমি আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলামমা। আর ফুচকা খাওয়ার সময় একেকজনের মুখের ভংগি দেখার মতো, চোখ দুটো ইয়া বড় বড় করে, মুখটা বিশাল হা করে টুপ করে পুরে দেই মুখের মধ্যে, আর বস্তু টা মুখে যেতেই মনে হয় অমৃত খেয়ে ফেলেছে।  দেখার মত বিষয়, ভাবছি এরপর থেকে ফুচকা না খেতে আসলেও, খাওয়া দেখতে আসবো।
বসে বসে এসব ভাবছি, কিছুক্ষন পর খেয়াল করলাম আমাদের পাশের টেবিল এ এসে বসেছে একটি মহিলা এবং একটি ১৯-২০ বছরের একটি মেয়ে, খুব সম্ভবত তারা মা, মেয়ে।
মা তার মেয়েকে বলছে আবার এখানে আসতে গেলি কেনো শুধু শুধু, কি দরকার ছিলো বল। মায়ের এই কথা শুনে মেয়ে বলে উঠলো, মা বেশি কথা বলোনা তো, আমি আজ জীবনে প্রথমবার টাকা ইনকাম করেছি, আর সেই টাকা দিয়ে তোমাকে খাওয়াতে নিয়ে আসছি, এখানে তো অসাভাবিক কিছু দেখতে পাচ্ছিনা, তুমি এমন করছো কেনো।
কিন্তু মা এটা তোর টিউশনির টাকা, এই টাকা টা জমিয়ে রাখলে, পরে তোর কাজে লাগতো, কতদিন হয়ে গেলো তোকে নতুন জামা কাপড় কিনে দিতে পারিনা, তুই এই টাকা দিয়ে একটা নতুন জামা কিনতে পারতি।
মা তুমি কিন্তু এবার বেশি কথা বলছো বুঝলে, কে বলেছে আমার জামা নেই, কত্ত জামা আছে আমার,  আর নতুন কেনার কি দরকার মা, ওগুলো আবার ধুয়ে আয়রন করে নিলেই তো নতুন হয়ে যাই।
মা, মেয়ের এমন কথাবার্তা শুনে, আমি কিছুটা চমকে গেলাম, তাদের দিকে ভালোমত তাকাতেই বুঝলাম তাদের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নই, মেয়ের গায়ে একটা বহু বছরের পুরোনো জামা, মায়ের ও সেরকম অবস্থা। 
দেখতে দেখতে আমাদের খাবার চলে আসলো, সাথে সাথে পাশের টেবিল এর ও খাবার চলে এসেছে। আমি অনেক আগ্রহ নিয়ে পাশের টেবিল এর দিকে তাকিয়ে থাকলাম, যে দেখি মা, মেয়ে কি করে।
মা তুমি খাচ্ছনা কেনো, বলোতো দেখো না খেলে কিন্তু আমি খুব রাগ করবো, দেখি হা করো, হা করো বলে মেয়েটি একটি ফুচকা হাতে তুলে নিয়ে মায়ের মুখে তুলে দিলো, এবার স্পষ্ট দেখলাম, মায়ের চোখে পানি, অবশ্য সে পানি কষ্টের পানি নয়, আনন্দের পানি, আর আনন্দ হবেইবানা কেনো, মেয়ে তার জীবনের প্রথম ইনকাম নিজে না খরচ করে, মাকে নিয়ে এসেছে খাওয়াতে। এর চেয়ে আনন্দের বিষয় একজন মায়ের কাছে আর কি হতে পারে।
একি মা কাদছো কেনো তুমি, এটা কিন্তু ঠিক না এত মানুষ জন এখানে আর তুমি কাদছো।
কইরে  কাদছিনারে মা, কাদছিনা, বলে খুব সাবধানে,  মা তার চোখের জল মুছে নিলো। বলেই মা একটি ফুচকা তুলে নিয়ে বললো নে দেখি এবার তুই খা তো দেখি কখন থেকে আমাকেই খাওয়াচ্ছিস, বলে তিনি খাইয়ে দিলেন তার মেয়েকে, এই খাওয়ানোর মধ্যে যে কি পরিমান ভালোবাসা আছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা, পৃথিবীর যে কোনো ভালোবাসার চেয়ে এই ভালোবাসা সবচেয়ে বড়।
ইস আমার ও যদি এমন মা থাকতো, জন্মের পরেই মাকে হারিয়েছি, তাই মায়ের আদর যে কি জিনিস তা কখোনো বুঝতে পারিনি, এ নিয়ে অবশ্য তেমন কোন আফসোস ও ছিলোনা, কিন্তু আজ জীবনে প্রথমবার মনে হলো, আল্লাহ যদি আমাকেও এমন একটা মা দিতো।
তাদের এমন আনন্দময় মুহুর্ত দেখে কখন যে চোখের কোনে জল এসে গেছে বুঝতেই,  পারিনি। বুঝতে পারলাম প্রেমিকার ডাকে, 
একি কাদছো কেনো তুমি কি হয়েছে, কোনো সমস্যা।
আমি তারাতারি চোখের জল মুছতে মুছতে বললাম, আরে না না কিছু হয়নি চোখে মনে হয় কিছু পরেছে।
জীবনে প্রথমবার মনে হচ্ছে, যে আসলেও কিছু একটা মিসিং রয়েছে, আর সেটা হলো মায়ের ভালোবাসা, কতইনা সৌভাগ্যবান তারা, যারা মায়ের আদর পাই।
এখানে আর বেশিক্ষন থাকলে হয়তো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে, তাই প্রেমিকা কে বললাম, তুমি খাওয়া শেষ করে আসো, আমি বাইরে দাড়াচ্ছি, বলে আর বেশিক্ষন সেখানে থাকলাম না উঠে বেড়িয়ে আসলাম সেখান থেকে।  বেচে থাকুক এমন ভালোবাসা, সারাজীবন।

লেখা: উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/166785/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Oct 2022 09:50:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফুচকা বিলাস</p>
<p>দাড়িয়ে  আছি একটা ফুচকার দোকানের সামনে, না না আমি এসব ফুচকা টুচকা পছন্দ করিনা, আমার জীবনে খাওয়া যেসব বাজে খাবার আছে তার মধ্যে ফুচকা একটা, এখানে এসেছি আমার প্রেমিকা মিথিলার কারণে। এসেছি বললে ভুল হবে একপ্রকার জোর করেই নিয়ে এসেছে ও, আসতে চাচ্ছিলামনা তবুও কিন্তু ও মুখ টা এমন কালো করে ফেললো যে আর উপায় না পেয়ে আসতেই হলো, সে আর কিছু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-166785"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/166785/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8fe259e76035b0c4df8fea428abfd12b</guid>
				<title>ঝগড়া


সকাল সকাল ঘুমটা ভাংলো মায়ের চিৎকারে, বুড়া ধামড়া ছেলে এত বেলা করে ঘুমাস লজ্জা করেনা এই সমস্ত কথা শুনে প্রতিদিন আমার ঘুমটা ভাংগে, আজো তার ব্যাতিক্রম হলোনা।
মা ডাকলে আমি সাথে সাথে উঠিনা, কিছুক্ষন শুয়ে শুয়ে মায়ের বলা কথা গুলো শুনি, কথা গুলো তিক্ত হলেও মায়ের মুখে শুনতে বড়ই মধুর লাগে। চিল্লাতে চিল্লাতে যখন মা রনেভংগ দিয়ে আমাকে মারতে চলে আসে ঠিক তখনি আমি লাফ মেরে উঠে দৌড়ে  পালিয়ে যাই বাথরুমে। মোটামুটি এটা এখন আমার প্রতিদিন সকালের রুটিন হয়ে দাড়িয়েছে। 
বর্তমানে আমি একজন বেকার, লেখা পড়ার পাঠ অনেক আগেই চুকিয়েছি, চাকরির জন্য অনেক জায়গায় চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু কোন লাভ হয়নি, বাংলাদেশে চাকরির বাজার খুব খারাপ।
ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে সোজা বেরিয়ে পরলাম রাস্তায়, ইদানিং রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে ভালোই লাগে, আজব কিসিমের মানুষের দেখা পাওয়া যাই।
কিছুদুর হাটতেই একটা ছোটখাটো জটলা চোখে পরলো, জটলা দেখলেই আমার কেন জানি সেখানে যেতে ইচ্ছে করে, যেখানেই আমি জটলা দেখতে পাই সাথে সাথে সেখানে গিয়ে বুঝার চেষ্টা করি ব্যাপার টা কি, তবে বেশির ভাগ সময় দেখা যাই সামান্য কারনে মানুষ জন জটলা পাকিয়ে আছে। বাংলাদেশের মানুষ জন বোধ হয় খুব জটলাপ্রিয়, অতিথিপ্রিয় সম্বোধনের পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষ দের জটলা প্রিয় বলেও সম্বোধন করা যেতে পারে।
অনেক কষ্টে ঠেলাঠুলি করে একেবারে জটলার মধ্যেখানে উপস্থিত হলাম, আশে পাশের মানুষ জনকে দেখে মনে হচ্ছে তারা খুব মজা পাচ্ছে।
দেখা গেলো জটলা টি হচ্ছে একটি ছেলে এবং মেয়েকে ঘিরে খুব সম্ভবত তারা কাপল, বিষয়টি হচ্ছে এই যে ছেলেটি মেয়েটিকে তার বাইকে উঠতে বলছে কিন্তু মেয়েটি উঠতে চাচ্ছেনা এবং মেয়েটি খুব জোরে জোরে চিল্লাচ্ছে। খুব সম্ভবত তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে কারন ঝগড়া হওয়ার পর মেয়েরা এমন চিল্লাপাল্লা করে, মেয়েটি বার বার একটি কথায় বলছে &quot;আসিফ আমি তোমার সাথে যাবোনা তুমি চলে যাও&quot; ছেলেটি অনেক বার বুঝানোর পরেও মেয়েটি কিছুতেই বুঝার চেষ্টা করছেনা, এদিকে যে তাদের ঘিরে এতবড় ভীড় জমে গেছে মেয়েটির সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, আমার মনে ক্ষীন সন্দেহ হলো মেয়েটি মনে হয় এতে মজায় পাচ্ছে। 
আস্তে আস্তে ভীর একটু পাতলা হতে থাকলো, মানুষ জন মনে হয় আর মজা পাচ্ছেনা। সবাই যখন চলে যেতে শুরু করেছে আমি মনে মনে ভাবলাম এই সুযোগ এখনি ঝোপ বুঝে কোপ টা মারতে হবে।
আস্তে আস্তে হেলতে দুলতে ছেলেটির সামনে যেয়ে হঠাৎ দেখা হয়েছে এমন ভংগিতে বললাম আরে আসিফ ভাইযে, কি অবস্থা ভালো আছেন, নুসরাত ভাবী কেমন আছে  আপনাদের যা মানিয়েছিলো না ভাই চরম একটা কাপল ছিলেন, সবাই প্রশংসা করে, আর এই মেয়েটি কে আপনার বন্ধু  নাকি, নুসরাত ভাবী কি জানে? যে আপনি এই মেয়ের সাথে ঘুরছেন, একনাগারে কথা গুলো বলে আমি থামলাম। আসিফ নামের ছেলেটি একরকম হতভম্ব হয়ে গেলো, একেই তার অবস্থা খারাপ এরমধ্যে আবার আমি লাগিয়ে দিয়েছি প্যাচ,  ছেলেটি কি বলবে বুঝতে পারলোনা, সে কোনরকমে শুধু বললো কে ভাই আপনি চিনলামনা আপনাকে, আমি ছেলেটিকে আর কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে বললাম আচ্ছা ভাই আসি হ্যা অনেক কাজ আছে, বলেই হাটা ধরলাম সামনের দিকে।
পিছন থেকে এখন মেয়েটির জোর গলা ভেসে আসছে, কুত্তার বাচ্চা নুসরাত কে, তুই একসাথে কয়টা প্রেম করিস, তোর আজকে খবর আছে হারমজাদা,তোর সাথে আমার আর কোন সম্পর্ক নাই। ঠাস করে একটি চরের আওয়াজ ও পাওয়া গেলো পেছনে তাকিয়ে দেখি মেয়েটি উঠে হাটা ধরেছে আর ছেলেটি গালে হাত দিয়ে হতভম্ব হয়ে বসে আছে, মনে হচ্ছে কি যে হচ্ছে সে কিছুই বুঝসেনা।
মনটা আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেলো। মনে মনে খুব একচোট হেসে নিলাম, মাঝে মাঝে মানুষ কে বিভ্রান্ত করতে মজাই লাগে, যাক সারাটাদিন ভালোই কাটবে।
সামনের দিকে হাটা শুরু করলাম, সকালের মিঠা রোদ গায়ে এসে পড়ছে।
দেখি সামনে আবার কোন জটলা পাওয়া যায় নাকি।
লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165235/</link>
				<pubDate>Fri, 21 Oct 2022 04:19:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝগড়া</p>
<p>সকাল সকাল ঘুমটা ভাংলো মায়ের চিৎকারে, বুড়া ধামড়া ছেলে এত বেলা করে ঘুমাস লজ্জা করেনা এই সমস্ত কথা শুনে প্রতিদিন আমার ঘুমটা ভাংগে, আজো তার ব্যাতিক্রম হলোনা।<br />
মা ডাকলে আমি সাথে সাথে উঠিনা, কিছুক্ষন শুয়ে শুয়ে মায়ের বলা কথা গুলো শুনি, কথা গুলো তিক্ত হলেও মায়ের মুখে শুনতে বড়ই মধুর লাগে। চিল্লাতে চিল্লাতে যখন মা রনেভংগ দিয়ে আমাকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165235"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165235/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42debedd8fbefd346ff5b87c3ee7946a</guid>
				<title>টার্গেট।

দুপুরের কড়া রোদে, তাতিয়ে আছে পুরো শহর। তার মধ্যে দিয়ে হেটে চলেছেন উসমান সাহেব, ঘামে তার শরীর পুরো ভিজে গেছে মাথাটাও কেমন জানি ঘুরাচ্ছে একটু বিশ্রাম করে নিতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু বিশ্রাম করার কোনো উপায় নেই, বসের দেওয়া টার্গেট টা আজকের দিনের মধ্যেই শেষ করতে হবে নাহলে বস খুব রাগ করবেন। এমনিতে উসমান সাহেব কাজের দিক দিয়ে কোনো গাফিলতি করেননা কিন্তু কয়েকদিন ধরে তার শরীর টা ভালো যাচ্ছেনা তাই কিছুটা দেরি হয়ে গিয়েছে।
ভেবেছিলেন রিকশায় করে যাবেন কিন্তু এই তপ্ত রোদের ঝাঝ এ কোনো রিকশাওয়ালা যেতে চাইনা, অগত্যা উপায় না পেয়ে হেটে যাওয়াই মনস্থির করেছেন তিনি।
আজকের টার্গেট টা পূরন হয়ে গেলে কয়েকদিনের জন্য ছুটি নিতে হবে, মনে মনে বললেন উসমান সাহেব। যে ধকল যাচ্ছে শরীরের ওপর দিয়ে, কবে বলে একটা বড়সড় অসুখ না বেধে যাই।
এতসব চিন্তাভাবনা করতে করতে অবশেষে পৌছে গেলেন নির্ধারিত ঠিকানাই, যাক বাবা অবশেষে পাওয়া গেলো, এই বলেই সস্তির নিঃশাস ফেললেন তিনি।
টিং টং, পর পর দুইবার কলিং বেল বাজালেন উসমান সাহেব, কিন্তু কারো দেখা পাওয়া যাচ্ছেনা,  কিছুক্ষন হাত কচলা কচলি করে আরেকবার কলিংবেল বাজাতে যাবেন ঠিক এমন সময় খুট করে শব্দ হলো, বুঝলেন কেও এসেছে দরজার কাছে।
দরজা খুলে বেড়িয়ে এলো এক তরুনী, বয়েস মোটামুটি ২৩-২৪ হবে, কিন্তু দেখতে যেনো অপরুপ, এতো সুন্দর চেহারা আগে কখোনো দেখেছেন বলে মনে পরলোনা উসমান সাহেবের, কেমন যেন সম্মোহিতের মত হয়ে তাকিয়ে রইলেন তরুনীর দিকে, আহা কতইনা সুন্দর।
এই যে আপনার সমস্যা কি? একে তো এই মাঝ দুপুরে এসে দরজার কলিংবেল বাজাচ্ছেন, আবার এখন হা করে তাকিয়ে আছেন কোনোদিন কি মেয়ে দেখেননি যত্তসব, বেশ বিরক্তি ও রাগের সাথেই কথাগুলো বলে উঠলো মেয়েটি, বোঝা যাচ্ছে মেয়েটি খুব বিরক্ত।
মেয়েটির এমন ঝাঝালো কন্ঠে যেনো সম্বিত ফিরে পেলো উসমান সাহেব, কিছুটা লজ্জাই পরে গেলেন, বয়স তো আর কম হলোনা এই বয়েসে এমন ভাবে তাকিয়ে থাকার কোনো মানে হয়না।
নিজেকে কোনোরকম সামলে, মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বললেন আপনার নাম কি মিথিলা আহমেদ?
জী, আমি মিথিলা আহমেদ, বলেন কি বলবেন, তাড়াতাড়ি বলেন, ওত সময় নেই আমার, বোঝাই যাচ্ছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই আপদটাকে দূর করতে পারলেই খুশি হবে সে।
জী, আপনার জন্য একটা জিনিস আছে একটু দাড়ান, বলে উসমান সাহেব তার কাধে ঝোলানো ব্যাগটার দিকে মনোযোগ দিলেন, কিছুক্ষন হাতাহাতি করার পর, তার হাতে উঠে এলো সাইলেন্সার লাগানো একটি পিস্তল।
কোনো কথা না বলে সরাসরি মেয়েটির কপাল বরাবর গুলি চালালেন তিনি। কাটা কলাগাছের মত ধুপ করে পরে গেলো মেয়েটি।
পিস্তল টি ব্যাগ এ ঢুকিয়ে, মেয়েটির পরে থাকা মৃতদেহের নাকের কাছে আংগুল ঠেকিয়ে sure হয়ে নিলেন, হ্যা মরে গেছে। যাক বেশি গুলি খরচ করতে হয়নি, মনে মনে বললেন তিনি।
মেয়েটিকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে সে মারা গেছে, মনে হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুর মত ঘুমিয়ে আছে, না বাবা আর বেশিক্ষন তাকিয়ে থাকা যাবেনা, বলে তিনি বেরিয়ে এলেন বাড়ির মেইন গেট দিয়ে।
আহ, কি যে শান্তি লাগছে, মনটা যেনো প্রশান্তিতে ভরে গেলো। অবশেষে বসের দেওয়া টার্গেট টা পূরণ করতে পেরেছেন বলে মুখ টা হাসিতে ভরে গেলো উসমান সাহেবের, এই কয়দিন বস যেভাবে বকাঝকা করেছে, ভয়ে ভয়ে ছিলেন উসমান সাহেব আবার তার চাকরী টা না চলে যাই।
রাস্তা দিয়ে হেটে কিছুদুর এগুতেই একটা রিকশার দেখা পেলেন তিনি, এই রিকশা যাবে নাকি বলে রিকশা কে ডাকলেন তিনি।
না স্যার যাবোনা বলেই রিকশাওয়ালা একটুও না থেমে সোজা চালিয়ে চলে গেলো। 
না আজকে দেখছি ভাগ্য খারাপ, মনে মনে বেশ বিরক্তি প্রকাশ করলেন তিনি, তবে বাইরে সেটার প্রকাশ পেলোনা, তিনি মানুষটা খুব চুপচাপ।
বাসায় যেয়ে গোসল দিয়ে, শান্তির একটা ঘুম দিতে হবে, এই কয়দিন ঠিক মত ঘুমাতে পারেননি তিনি।
বাড়ির উদ্দেশ্যে হাটা শুরু করলেন উসমান সাহেব, ঘুমন্ত নগরীর মাঝে দিয়ে একা একা হেটে চলেছেন উসমান সাহেব, তার মনে আজ বড্ড প্রশান্তি। 

লেখা: উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/164379/</link>
				<pubDate>Tue, 18 Oct 2022 20:33:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>টার্গেট।</p>
<p>দুপুরের কড়া রোদে, তাতিয়ে আছে পুরো শহর। তার মধ্যে দিয়ে হেটে চলেছেন উসমান সাহেব, ঘামে তার শরীর পুরো ভিজে গেছে মাথাটাও কেমন জানি ঘুরাচ্ছে একটু বিশ্রাম করে নিতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু বিশ্রাম করার কোনো উপায় নেই, বসের দেওয়া টার্গেট টা আজকের দিনের মধ্যেই শেষ করতে হবে নাহলে বস খুব রাগ করবেন। এমনিতে উসমান সাহেব কাজের দিক দিয়ে কোনো গাফিল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-164379"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/164379/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4d05e509c439cfdfd361063c86ed150b</guid>
				<title>প্রচন্ড জর আর মাথা ব্যাথা নিয়ে যখন ছটফট করছি ক্রমাগত হঠাৎ একধরনের ঘোর তৈরি হলো। দেখলাম তুমি নীল শাড়িতে বসে আছো আমার সে ছোট্ট চেনা জগতটার বট তলায় হাত বাড়িয়ে ডাকছো আমায়, মুগ্ধ হয়ে এগুতে লাগলাম, কপালে ঠান্ডা হাতের স্পর্শ আহ কি শান্তি। ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিলে, হাত ধরে আমরা বিষন্ন নদীর পাড়ে হাটলাম। কপাল টা এতক্ষন মনে হচ্ছিলো ফেটে যাবে। তুমি এসে হাত বুলিয়ে দিলে। ঘোর কেটে গেলো, প্রচন্ড মাথাব্যাথা আবার ফিরে আসছে কোনো এক নিষ্ঠুর রাক্ষষ এর মত।

অনেক্ষন থেকে চেষ্টা করছি সেই ঘোর টা ফিরিয়ে আনার হচ্ছেনা। যন্ত্রনা যেনো চৌচির করে ফেলবে আপাদ মস্তক।

এসো আরেকবার এসো, তোমার ঠান্ডা হাতের নরম স্পর্শ দিয়ে যাও আমার কপালে।

 #ঘোর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/164075/</link>
				<pubDate>Tue, 18 Oct 2022 04:49:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রচন্ড জর আর মাথা ব্যাথা নিয়ে যখন ছটফট করছি ক্রমাগত হঠাৎ একধরনের ঘোর তৈরি হলো। দেখলাম তুমি নীল শাড়িতে বসে আছো আমার সে ছোট্ট চেনা জগতটার বট তলায় হাত বাড়িয়ে ডাকছো আমায়, মুগ্ধ হয়ে এগুতে লাগলাম, কপালে ঠান্ডা হাতের স্পর্শ আহ কি শান্তি। ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিলে, হাত ধরে আমরা বিষন্ন নদীর পাড়ে হাটলাম। কপাল টা এতক্ষন মনে হচ্ছিলো ফেটে যাবে। তুমি এস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-164075"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/164075/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c6e128816db2480d7dcf56116a8c6a61</guid>
				<title>রজনি ফুরায়ে যায়

মা, ও মা খেতে দাওতো খুব খিধে পেয়েছে। ঘরে ঢুকেই বলে ওঠে উসমান। সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রম শেষ এ ক্লান্ত সে। ভিতর ঘর থেকে বেরিয়ে আসে উসমানের মা, চোখে মুখে বিস্তর চিন্তার ছাপ।  এত রাত করে বাড়ি ফিরলি যে,  প্রতিদিন এত রাত করে বাড়ি ফিরিস বাবা চিন্তা হয়তো। অনুযোগের সুরে কথা গুলো বলে উঠে উসমানের মা।
কি করবো মা বলো, আজকাল কাজের চাপ বেশি থাকে, তাছাড়া রাতের বেলা কাজ করলে টাকাটাও বেশি পাওয়া যায়, তুমি চিন্তা করো না, এইতো মাত্র কয়েকটা দিন তারপর আর রাতে কাজ করবোনা।
এবার কিছু খেতে দাওতো খুব খিদে পেয়েছে।
আচ্ছা বাবা যা তুই হাত মুখ ধুয়ে নে, খাবার তোলাই আছে গরম করে দিচ্ছি।
বাবাহীন এক পংগু সংসার উসমানদের, এই তো কয়েক মাস আগেই মারা গেলো তার বাবা। সংসারের জন্য কিছুই রেখে যেতে পারেনি মানুষটা। তাইতো বাধ্য হয়ে কলেজের পাট চুকিয়ে কাজে নেমে পরেছে উসমান। সারাদিন হাড় ভাংগা খাটুনি আর দিনশেষে বাসায় এসে মায়ের সাথে খেতে খেতে খানিকটা গল্পগুজব। এইতো দিন পার হয়ে যাচ্ছে। নিজেকে মাঝে মাঝে কোনো বিজ্ঞানির ল্যাব এ থাকা রোবট এর মত মনে হয় উসমানের। সকালে উঠে সুইচ অন করে দাও সারাদিন চলবে রাতের বেলা সুইচ অফ ব্যাস। মাকে যে একটা শাড়ি কিনে দেবে সেই উপায় ও নেই, সেই কবে থেকে এক জরাজীর্ণ শাড়ি একমাত্র সম্বল তার মায়ের। মায়ের দিকে তাকালে দুঃখে মন কেদে উঠে তার, জীবনের সমস্ত রস যেনো শুষে নেওয়া হয়েছে তার মায়ের মুখ থেকে, কেমন যেনো প্রানহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন সবসময়। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মা কেমন যেনো নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন, নিজের চারিধারে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব এক জগত। খ্যাতা পুরি শালা এমন জীবনের। মুখ ধুতে ধুতে কথা গুলো বিড় বিড় করে বলে উঠে উসমান।

খাবারের আয়োজন খুব বেশি নয়, আটাশ চালের ধোয়া উঠা ভাত, আলু ভাজি, কলমি শাক। সারাদিনের পরিশ্রমের কারণেই হোক অথবা মায়ের হাতের জাদুর কারণেই হোক। ভাতের প্রথম নলা মুখে দিতেই উসমানের মনে হলো সে অমৃত খাচ্ছে। আহা। অপুর্ব। মনে মনে বলতে থাকে সে। 
কিরে খাওয়ার সময় ওমন কি বিড় বিড় করছিস বাবা, মন দিয়ে খা তো। 
উসমান হতচকিত হয়ে পরে।  বিষয় টা সামাল দিতে সে বলে উঠে, মা তুমি খেয়েছো? কই তোমার প্লেট তো দেখছিনা।যাও প্লেট নিয়ে এসো দুই মা ছেলে মিলে একসাথে খাই।
নারে বাবা তুই খেয়ে নে, আমার টা তোলা আছে আমি পরে খাবো এখন তুই আরাম করে খা তো, তুই আরাম করে খাচ্ছিস সেটা দেখতে খুব ভাললাগে বলেই মিটি মিটি হাসতে থাকেন উসমানের মা। 
সন্দেহের ছোট্ট দানা উকি দেই উসমানের মনের কোণে। তার স্পষ্ট মনে হলো মা তার থেকে কিছু লুকাচ্ছে। কথা গুলো বলার সময় মায়ের চোখের পলক গুলো খুব দ্রুত উঠানামা করছিলো। বিষয় টা চোখ এড়ায়না উসমানের। 
মা, সত্যি তোমার খাবার তোলা আছে তো। 
আরে হ্যা রে বাবা, তুই চিন্তা করিসনা তো অনেক বেলা হয়ে গেলো, খেয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যা কাল সকালে উঠে আবার কাজে যেতে হবে।
উসমান আর কথা না বলে, খাওয়া শেষ করে উঠে পরলো, তবে একটা চিন্তা তার মাথায় বার বার খোচা দিয়েই যাচ্ছিলো। 
গভীর রাত,
উসমানের ঘুম ভেংগে গেছে, তবে কি কারণে তার ঘুম টা ভাংলো এখনো বুঝে উঠতে পারছেনা সে। হঠাৎ তার কানে আসে কিছু শব্দ কেও যেনো কিছু একটা চাবাচ্ছে, একটু ভালো করে কান পাতলো উসমান, হ্যা তাইতো চাবানোর শব্দ। ব্যাপার টা কি দেখতেই বিছানা থেকে সন্তপর্ণে নেমে, এগুতে থাকে সে শব্দের উৎস লক্ষ করে। শব্দ টা রান্না ঘর থেকে আসছে। রান্না ঘরে ঢুকে তাকাতেই সে থমকে গেলো, তার মা রান্নাঘরের মেঝে তে বসে কিছু একটা চিবোচ্ছে, পাশেই একটি গ্লাসে পানি ও দেখতে পেলো সে। উসমান তখন রিতীমত হতভম্ব, ব্যাপার টা কি এই রাতের বেলা মা রান্নাঘরে এসে কি চিবোচ্ছে। আর সহ্য করতে পারলোনা উসমান।
মা ও মা,  কি ব্যাপার বলোতো, তুমি এতরাতে এখানে কি করছো।
চমকে উঠে উসমানের মা, ছেলের এমন আচানক উপস্থিতি আশা করেননি তিনি। খানিক্ষন নিজেকে ধাতস্থ করে নিয়ে বললেন, খুব খুধা লাগসে রে বাবা, আইজ সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি, পেটে টান দিতাসে। তাই একটু কয়টা শুকনা চাল চিবাইয়া পানি খাইতেসি, এতে খুধা মিটে ভালো। একমুঠ চাল আর এক গেলাস পানি ব্যাস পেট ঠান্ডা।
উসমান কি বলবে বুঝতে পারছিলোনা, তার হাটু কাপছে। মা এসব কি বলছে। অতি কষ্টে নিজেকে সামলে নিয়ে বলে সে, ক্যান মা তুমি যে বললা তোমার জন্য ভাত তোলা আছে পরে খাইবা। ভাত খাইলেই তো পারতা। চাল খাইতেসো কেন। অমন শক্ত চাল।
মাথা নিচু করে থাকেন উসমানের মা, ছেলের প্রশ্নের জবাব তার কাছে নেই। ভাত খাবে কি করে তিনি, ভাত তো যা ছিলো সবই ছেলের পাতে তুলে দিয়েছেন, চাল ও ছিলো অল্প। অল্প এক মুঠ চাল রেখে দিয়েছিলেন রাতে পানির সাথে খাবেন তাই। ছেলেটা সারাদিন বড্ড পরিশ্রম করে, খুধার্ত থাকে খুব। ছেলে জানলে তখন আর সবটা ভাত খেতোনা। তাই ইচ্ছে করেই মিথ্যে বলতে হয়েছে উসমানের মা কে। তিনি ধারনাই করেননি ছেলে এত রাতে এসে উপস্থিত হবে রান্নাঘরে।

মায়ের জবাবহীন জবান দেখে সবটা বুঝে নিতে আর কষ্ট হয়না উসমানের। বুক ফেটে কান্না আসতে থাকে তার।  তার মা এত সুন্দর অভিনয় শিখলো কিভাবে। চিৎকার করে কাদতে ইচ্ছে হয় তার। আর সহ্য করতে পারেনা সে, ছুটে এসে মাকে জড়িয়ে ধরে হু হু করে কাদতে থাকে উসমান। মা তুমি আমারে বলনাই কেন মা, তুমি এভাবে না খাইয়া কষ্ট পাইতাসো আমারে বলোনাই কেন। তীব্র অভিযোগ ফেটে পরে উসমানের গলায়। 
পরম মমতায় উসমানের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলতে থাকেন উসমানের মা, আরে বোকা ছেলে কানতাসোস ক্যান, আমার তো প্যাট ভইরা গেছে রে। একদিন না ভাত খাইলে কিচ্ছু হয়না। তুই অত কষ্ট করিস সারাদিন তোর তো ভাত খাওয়া দরকার। আমার আর কি এতটুকুন একটা প্যাট। বলতে বলতে চোখের কোণে জল চলে আসে উসমানের মায়ের ও।

রজনীর অন্ধকার গভীর থেকে গভীর তম হচ্ছে। অন্ধকার রজনীর মাঝে যেনো এক সর্গীয় দৃশ্যের অবতারনা হয়েছে। মা-ছেলে দুজন দুজনাকে জড়িয়ে ধরে ক্রমাগত কেদে যাচ্ছে। অভিমান টা যে বড্ড তীব্র। মৃদু বাতাস বয়ে যায় প্রকৃতির কোল বেয়ে টিপ টিপ বৃষ্টি পরছে। কে জানে বিধাতা ও হয়তো তার দুঃখ প্রকাশ করলেন।
লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/162909/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Oct 2022 08:31:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রজনি ফুরায়ে যায়</p>
<p>মা, ও মা খেতে দাওতো খুব খিধে পেয়েছে। ঘরে ঢুকেই বলে ওঠে উসমান। সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রম শেষ এ ক্লান্ত সে। ভিতর ঘর থেকে বেরিয়ে আসে উসমানের মা, চোখে মুখে বিস্তর চিন্তার ছাপ।  এত রাত করে বাড়ি ফিরলি যে,  প্রতিদিন এত রাত করে বাড়ি ফিরিস বাবা চিন্তা হয়তো। অনুযোগের সুরে কথা গুলো বলে উঠে উসমানের মা।<br />
কি করবো মা বলো, আজকাল কাজের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-162909"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/162909/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4b69547fb0c708fcd5f48f37ec994237</guid>
				<title>তোমার শরীরের ঝাঝালো মিষ্টি গন্ধ আজো ঘুরে বেড়ায়, ছেলেটির শার্ট এর আনাচে কানাচে, ভালো করে তাকালে লিপস্টিক এর হালকা আবরন দেখতে পাওয়া যায়। ছেলেটি আজো, গভীর রাতে তোমার স্মরনে, শার্ট নাকে চেপে ধরে অশ্রুবর্ষণ করে, তোমাকে অনুভব করার ব্যার্থ চেষ্টা সে বারে বারে করে যায়। ছেলেটা কি বোকা তাইনা, সে বলে শার্ট এ তোমার শরীরের গন্ধে, তোমাকে নাকি খুজে পায়। 
বোকা ছেলে বুঝতেই পারলোনা, যে চলে যায় সে ফিরে আসেনা। এটাই নিয়ম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/162387/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Oct 2022 06:57:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমার শরীরের ঝাঝালো মিষ্টি গন্ধ আজো ঘুরে বেড়ায়, ছেলেটির শার্ট এর আনাচে কানাচে, ভালো করে তাকালে লিপস্টিক এর হালকা আবরন দেখতে পাওয়া যায়। ছেলেটি আজো, গভীর রাতে তোমার স্মরনে, শার্ট নাকে চেপে ধরে অশ্রুবর্ষণ করে, তোমাকে অনুভব করার ব্যার্থ চেষ্টা সে বারে বারে করে যায়। ছেলেটা কি বোকা তাইনা, সে বলে শার্ট এ তোমার শরীরের গন্ধে, তোমাকে নাকি খুজে পায়।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-162387"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/162387/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4890ea18ae4c7963c61bf2d910d3b852</guid>
				<title>অপরাজিত আমি, একগুচ্ছ নীল বর্নের অপরাজিতা ফুল নিয়ে গিয়েছিলাম তোমার কাছে, শেষ চেষ্টা করতে, শুনেছিলাম নীল শান্তির প্রতিক, তাইতো অনেক ভেবে অপরাজিতা ঠিক করলাম।
তুমি অবশ্য পছন্দ করতে পারলেনা, ফুলের গুচ্ছ তোমার সামনে ধরতেই, ভ্রু কুচকে ফেললে, বিরক্তির ছাপ মুখে স্পষ্ট হয়ে ধরা দিলো। বিরক্ত হওয়ারি কথা। তুমি লাল গোলাপের ভক্ত, অপরাজিতা তোমার ভালো লাগবে কেনো। আমার আর শেষ রক্ষা হলোনা, শেষ চেষ্টা ব্যার্থ হলো। 
এই শহরের মানুষ কি তাহলে অপরাজিতার সৌন্দর্য ভুলে গিয়েছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/161045/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Oct 2022 05:21:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপরাজিত আমি, একগুচ্ছ নীল বর্নের অপরাজিতা ফুল নিয়ে গিয়েছিলাম তোমার কাছে, শেষ চেষ্টা করতে, শুনেছিলাম নীল শান্তির প্রতিক, তাইতো অনেক ভেবে অপরাজিতা ঠিক করলাম।<br />
তুমি অবশ্য পছন্দ করতে পারলেনা, ফুলের গুচ্ছ তোমার সামনে ধরতেই, ভ্রু কুচকে ফেললে, বিরক্তির ছাপ মুখে স্পষ্ট হয়ে ধরা দিলো। বিরক্ত হওয়ারি কথা। তুমি লাল গোলাপের ভক্ত, অপরাজিতা তোমার ভালো লাগব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-161045"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/161045/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7dd401f0fc6bcf7d212de21430b5cf98</guid>
				<title>আমরা সবসময় এমন একজন মানুষকে ভালোবাসি, যে অনেকটা জোস্ন্যা রাতের চাদের মত, তার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়, মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকা যায়, সুন্দর কল্পনা করা যায়, তবে ছুয়ে দেখা যায়না।
লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/160660/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Oct 2022 13:23:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমরা সবসময় এমন একজন মানুষকে ভালোবাসি, যে অনেকটা জোস্ন্যা রাতের চাদের মত, তার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়, মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকা যায়, সুন্দর কল্পনা করা যায়, তবে ছুয়ে দেখা যায়না।<br />
লেখাঃ উসমান।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d3d4921a6b0aafc2aa149c606fbb9b3</guid>
				<title>চলে যায় বসন্তের দিন।

প্রচন্ড জর নিয়ে ভর্তি হয়েছি হাসপাতালে, কড়া এক গন্ধে আমার ঘুম ভেংগেছে। সম্ভবত গতকাল সারারাত জ্ঞান ছিলোনা। অবশ্য তার যুক্তিযুক্ত কারন আছে, কাল রাতে খুব জোর বৃষ্টি হচ্ছিলো, ঢাকা শহরে এমন বৃষ্টি খুব একটা দেখা যায়না। আমি বৃষ্টিপ্রেমি মানুষনা। বৃষ্টি হলে আমি খুব জোর জানালা বেয়ে চেয়ে থাকি, ইট পাথরের দেয়াল বেয়ে বৃষ্টির পানি পরছে, ম্যানহোলের পানি বৃষ্টির পানি সব মিশে একাকার এমন পরিবেশে বৃষ্টিতে ভেজার কোনো মানে হয়না। তবুও কাল কোনো এক অজ্ঞাত কারনে আমার মধ্যে অদ্ভুত খেয়াল চেপে বসে, বলা যেতে পারে একপ্রকার উত্তেজনা অনুভব করছিলাম, ভেবে দেখলাম সব কিছুর অভিজ্ঞতা থাকা ভালো, এই অভিজ্ঞতাও নেওয়া যাক। ইট পাথরের শহরে বৃষ্টিতে ভিজতে কেমন লাগে তা পরখ করার জন্য, নেমে পরলাম বৃষ্টিতে। 
বৃষ্টিতে নেমেই মনে হলো খুব বড় ভুল হয়ে গেছে, পানি অসম্ভব ঠান্ডা, ঠান্ডা পানির কণা গুলো শড়িরে ছুচের মত বিধছে। যেকোনো সাধারন মানুষ এই সময় দৌড়ে আশ্রয় খোজার চেষ্টা করবে, আতংক নিয়ে ছুটাছুটি করবে মাথার ওপর একটা আশ্র&#x200d;য় পাওয়ার জন্য। তবে আমি সাধারন মানুষনা, আমি কঠিন চিজ, যাকে বলে hard material। অন্তত আমার পরিচিতজনদের তাই ভাবনা। আমি শরীরে বিধে যাওয়া, ঠান্ডা পানির কণা গুলোকে একপ্রকার অগ্রাহ্য করে হাটতে শুরু করলাম। কতক্ষন হেটেছি মনে নেই, কখন হাসপাতালে এসেছি তাও মনে পরছেনা, সব কিছু ধোয়া ধোয়া। প্রকৃতি অবহেলা সহ্য করেনা, তাকে অবহেলা করলে সেও তা ফিরিয়ে দেয়, আমাকেও দিয়েছে।

আমি খুব সম্ভবত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আশে পাশের পরিবেশ অন্তত তাই বলছে, সরকারি হাসপাতাল গুলোতে প্রায় সময় দেখা যায়,  রুগির চেয়ে তাদের আত্মীয় সজনদের সংখ্যা বেশি, রুগির বিছানার বেশির ভাগ এরাই দখল করে থাকে। দিনের পর দিন চলে যায়, তবু তাদের হাসপাতাল ছেড়ে যাওয়ার নামগন্ধ থাকেনা। সকালের নাস্তা দেওয়া হয়েছে, একপ্যাকেট মোটা পাউরুটি, তার সাথে একচামচ থকথকে একটি পদার্থ ( খুব সম্ভবত জেলি) সাথে দুটো রুগ্ন কলা। অতি সামান্য খাবার তবু খেয়াল করলে দেখা যাবে, কেও কেও এই অতি সামান্য খাবার পরম আগ্রহে খাচ্ছে। 
ভাইজান আপনি মনে হয় খাইবেননা,  কিছু যদি মনে না করেন আমি লইয়া যায়, আমার পুলাপানে খাবে, তারা সারারাত কিছু খায়নায়। মাঝ বয়েসি একলোক, এসে আমাকে বললো কথাগুলো। আমি তার দিকে তাকিয়ে হ্যা সুচক ভাবে মাথা নাড়াতেই, সে আর কোনো কথা বললোনা, খাবার গুলো নিয়েই চলে গেলো পাশের বিছানায়। তার ছোট্ট ছেলে খুব আগ্রহের সাথে খাবার গুলো গলাধঃকরণ করতে করতে আমার দিকে তাকিয়ে,  মিষ্টি একটি হাসি উপহার দিলো, ছেলেটির চোখ আনন্দে চকচক করছে। কত সামান্য খাবার অথচ,  এটুকুতেই সে সন্তুষ্ট, অথচ এমনও মানুষ পাওয়া যাবে যাদের কাড়ি কাড়ি আছে, তারপরেও মন ভরছেনা তাদের আরো চাই। দুনিয়াটা বড়ই আজিব।
এই যে ইয়াংম্যান,  তোমার জ্ঞান ফিরেছে, তুমি তো ভয়ংকর দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলে, ভেবেছিলাম তোমাকে হয়তো আর বাচাতে পারবোনা, ফুসফুসে অতিরিক্ত পানি ঢুকে গিয়েছিলো। নিউমোনিউয়াও হতে পারতো, ভাগ্য কে ধন্যবাদ দাও এ যাত্রায় বেচে গেছো। তোমার নাম কি? একনাগাড়ে কথা গুলো বললেন সকালের ডিউটিতে আসা ডাক্তার। সুদর্শন চেহারার ডাক্তার, এমন ডাক্তার খুব একটা দেখা যায়না তাও আবার সরকারি হাসপাতালে, বেপারটা খুবি বেমানান। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার হবে বদখত চেহারার, যেনো রুগি দেখলেই ভয় পেয়ে যায়। উনি যদি ডাক্তার না হতেন অনায়াসে ফিল্মের হিরো হিসেবে চালিয়ে দেওয়া যেতো। ফিল্মের জগতে এমন সুদর্শন চেহারার মানুষের দাম আছে। দিনের শুরু হলো বেমানান জিনিস দেখে, সারাদিন কেমিন কাটবে কে জানে।
আমি আস্তে আস্তে বললাম, আমার নাম উসমান।
শুধু উসমান?
না বাবা, মার দেওয়া আরেকটা নাম আছে তবে সেটা আমি ব্যাবহার করিনা। 
ডাক্তারের ভুরু কুচকে গেলো, খুব সম্ভবত আম্র কথাটা তিনি সাভাবিক ভাবে নিতে পারেননি, এদেশের ৯৯% মানুষ তার বাবা, মার দেওয়া নাম ব্যাবহার করে থাকে, সেখানে কেও যদি বলে সে তার বাবা, মার দেওয়া নাম ব্যাবহার করেনা অসাভাবিক লাগার কথা।
আপনাকে কাল রাতে রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ফুটপাতের ওপর সংগাহীন ভাবে পরেছিলেন, রাস্তায় কি করছিলেন এই ঝড় বৃষ্টির মদ্ধ্যে?
আমি অনেকটা ভাবলেশ হীন গলায় বললাম, পরখ করছিলাম।
ডাক্তারের ভ্রু আবার কুচকে গেলো, খুব সম্ভবত ইনি খুব ঘন ঘন ভ্রু কুচকান। পরখ করছিলেন মানে বুঝলামনা।
ইট পাথরের শহরের বৃষ্টিতে ভিজতে কেমন লাগে তাই পরখ করছিলাম, কবি সাহিত্যিক রা বৃষ্টিতে ভিজার যে বর্ননা দিয়েছেন তার বেশির ভাগই, সবুজ পরিবেশে, কিংবা গ্রাম বাংলার মধ্যে, ইট পাথরে ঘেরা,  ঘিঞ্জি জায়গায়, বৃষ্টিতে ভেজার অনুভুতি কেমন তা তারা বলেননি। আমি সেটাই পরখ করতে গিয়েছিলাম। আপনিও একবার চেষ্টা নিতে পারেন, প্রথম প্রথম খুব ঠান্ডা লাগবে, তবে গা সওয়া হয়ে গেলে দেখবেন আরাম আর আরাম।
ডাক্তার আমার কথা শুনে অবাক চোখে চেয়ে রইলেন, সম্ভবত উনার ডাক্তারি মাথায়, আমার কাজকর্ম স্রেফ পাগলামি ছাড়া আর কিছুই মনে হলোনা। স্পষ্ট শুনতে পেলাম উনি বিড়বিড় করে বললেন, mad man, mad man। 

মোটামুটি ৩-৪ দিন হাসপাতালে থেকেই, হাফিয়ে উঠেছিলাম, এক জায়গায় বেশিদিন থাকতে আমার ভালো লাগেনা, নিজেকে কেমন খাচায় আটকে থাকা পাখির মত মনে হয়। তার উপরে হাসপাতালের মত জায়গায়, এতদিন থাকা অসম্ভব। ৫ম দিনের দিন কাওকে কিছু না বলে বিছানা থেকে উঠে, হাটা ধরলাম, কোথায় যাবো তা এখনো ঠিক করিনি হাটতে থাকবো, ক্লান্ত লাগলে, কাছে পিঠে কোনো পার্ক দেখলে ঢুকে পরে,  পার্কের বেঞ্চি তে শুয়ে পরলেই হবে। 

বাংলাবাজার সরনির ফুটপাত ধরে এগুচ্ছি, রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম, এই রাস্তা আমি কখোনো ফাকা দেখিনি, সবসময় জ্যাম লেগেই আছে। সাথে চৈত্র মাসের কাটফাটা গরম, যদিও এখন চৈত্র মাস না তবুও কেনো এত গরম পরেছে কেনো কে জানে, অবশ্য আমাদের পৃথিবির জলবায়ু যেভাবে পরিবর্তন হচ্ছে তাতে, এখন গরম পরা খুব সাভাবিক। আমার পরনে নীল পাঞ্জাবি, ঘামে লেপ্টে গেছে শরীরের সাথে, গলা শুকিয়ে কাঠ, মুখের লালা পর্যন্ত শুকিয়ে গেছে। যদি ঠান্ডা একগ্লাস পানি খাওয়া যেতো। কিছু দুরেই একলোক ভ্যানে করে আখের রস বিক্রি করছে, অসংখ্য মাছি সেই ভ্যান ঘিরে ভনভন করে উড়ে বেড়াচ্ছে। ভ্যানকে ঘিরে মোটামুটি ছোটো খাটো এক ধরনের জটলা তৈরি হয়েছে, এরা সবাই প্রচন্ড তৃষ্ণায় তৃষিত। গরমে এদের ব্যাবসা ভালো যায়, প্রতি গ্লাস ২০ টাকা, উপাদান খুবি সামান্য, একচিমটি লবন, আর কুচি কুচি বরফ, অথচ এই একগ্লাস শরবত মানুষ কত তৃপ্তি নিয়ে খাচ্ছে, শরবতের গ্লাস হাতে পাওয়া মাত্রই মানুষ গুলোর চোখ চকচক করে উঠছে, যেনো বহু মুল্যবান কোনো বস্তু হাতে এসে পরেছে। যেকোনো ফোটোগ্রাফার লুফে নিবে এই দৃশ্য। বলা যায়না হয়ত বড়ধরনের পুরষ্কার ও পেয়ে যেতে পারে।
তাদের আখের রস খাওয়া এবং প্রচন্ড পিপাসার কারনেই আমারো একগ্লাস আখের রস খেতে ইচ্ছে করলো, কিন্তু মুশকিল হলো পকেটে একপয়সাও নেই, উনি নিশ্চয় আমাকে বিনে পয়সায় খাওয়াবেননা, আমি তেমন কেওনা যে আমাকে বিনে পয়সায় সে আখের রস খাওয়াবে। দেখা যাক চেষ্টা করে খেতে পারি নাকি।
 কত করে গ্লাস? 
২০ ট্যাকা।
গ্লাস কি পরিষ্কার আছে, দেখে তো মনে হচ্ছে ময়লা, ভালো করে ধোওনি।
গেলাস ভালো করে ধুয়া আছে ভাইজান, আপনি লইবেন, একগেলাস খাইয়া দেখেন, পরম শান্তি, দিল ঠান্ডা হয়া যাইবো। 
দেখি দাও একগ্লাস,  খেয়ে দেখি দিল ঠান্ডা হয় নাকি।
ভাইজান যে কি বলেননা, দিল ঠান্ডা হইবোনা মানি, হয়তে বাধ্য, না হইলে আমার নাম কালাম না।
গলা বেয়ে শরবত টা নামতেই, সব যেনো ঠান্ডা হয়ে গেলো, লোকটা ভুল বলেনি দিল আসলেই ঠান্ডা হয়েছে।
আরেক গ্লাস দেও, দিল ঠান্ডা হয়েছে, heart cool.
দিতাসি ভাই, কইসিলামনা দিল ঠান্ডা হইবো, হাসিতে কালামের মুখ ২ ইঞ্চি বেশি চোড়া হয়ে গেছে।
শোনো কালাম আমার কাছে একটা পয়সাও নাই, এই আখের শরবতের টাকা আমি তোমাকে দিতে পারবোনা, এখন বাকিটা তোমার বিবেচনা, তুমি চাইলে আমারে ক্ষমা দিতে পারো, নাহলে কষে দুটো চড় দিয়ে শরবতের দামের শোধ তুলতে পারো।
কি যে কন ভাইজান, আপনেরে আমার পছন্দ হয়সে, আপনারে চড় দিমু ক্যান, আপনের ট্যাকা দেওন লাগবোনা, আপনার উপর আমার দিলখোশ হয়েছে, এই কালামের যার ওপর দিলখোশ হয়, কালাম সারাজীবন তারে ভালোবাসে। আইজ থেইকা আপনের জন্য শরবত ফিরি, যখনি আপনের গলা শুকাইয়া যাইবো, আপনি আমার কাছে চইলা আসবেন, আমি আপনার দিল ঠান্ডা কইরা দিবো।
আমি একসাথে স্তম্ভিত ও হতভম্ব, কোথায় দুটো প্রমান সাইজের থাবড়া আর extra ভাবে কিছু গালাগালি আশা করেছিলাম, এখন তো দেখা যাচ্ছে বিষয় উলটা, অন্য কেও হলে বিনয়ে গলে যেতো এতক্ষন, কিন্তু আমি তো অন্য কেও না আমি তো আমি। আমি আচ্ছা বলেই সোজা হাটা ধরলাম, এমন ভাব যেনো তার এই সামান্য বিনয়ে আমার কিছু যায় আসেনা।

রমনা পার্কের একটা বেঞ্চি দখল করে শুয়ে আছি, চোখে মুখে প্রচন্ড রোদের তীব্র আলো এসে পরছে, তাতে অবশ্য আমার যে খুব একটা সমস্যা হচ্ছে তা নয়, যেকোনো জায়গায় মানিয়ে নেওয়ার অভ্যেস আমার আছে। মানুষ মাত্রই সে মানিয়ে নিবে, মানিয়ে নেওয়ার ধর্ম সে জন্মলগ্ন থেকেই পেয়ে যায়। চোখ বন্ধ করে আমি আমার তৈরি করা ছোট্ট জগতে ঢুকার চেষ্টা করছি, হচ্ছেনা। আমার সেই জগতে ঢুকতে খুব একটা সমস্যা হয়না, একটু চোখ বন্ধ করে ভাবলেই ঢুকে পরা যায়, অতি সামান্য জগত, একটা টলটলে পানির পুকুর, আর বিশাল বড় একটা বটগাছ, প্রায় সময় আমি এই বটগাছের তলায় বিসে থাকি আর চেয়ে রই পুকুরের পানে। পুকুরটার একটা নাম দেওয়া দরকার, জুতসই নাম খুজে পাচ্ছিনা, পেলেই দিয়ে দেবো।
বেশ কিছুক্ষন চেষ্টা করেও, শেষে না পেরে উঠে বসলাম, খানিকটা বিরক্ত লাগছে। 
আশে পাশে তাকাতেই হঠাৎ চোখে পরলো, একটু তফাতে এক বেঞ্চে,  আপাদমস্তক বোরকায় ঢাকা এক রমনি বসে আছে, পায়ের কাছে মাঝারি সাইজের একটা সুটকেস। খুন সম্ভবত সে কারো জন্য অপেক্ষা করছে, এভাবে ভরদুপুরে একজন রমনী একা একা বসে আছে,  বিষয় টা আমাদের দেশে একটু অসাভাবিক। নিশি কন্যাও হতে পারে, আমাদের দেশের নিশি কন্যারা বেশির ভাগ বোরকা পরে থাকে, রমনা পার্কে এদের বেশ আনাগোনা আছে, এদের থেকে আমি একটু দূরত্ব বজায় রেখে চলার চেষ্টা করি, না তাদের পেশার কারনে নয়, এই পেশায় আসার পর থেকে এদের সভাব চরিত্র পালটে যেতে থাকে, অচিরেই এরা চুরি, ছিনতায়ে জড়িয়ে পরে।

আচ্ছা শোনেন আপনাকে অনেক্ষন থেকে দেখছি আমার দিকে তাকাচ্ছেন, আপনার মতলব টা কি পরিষ্কার করে বলেন? আমাকে কিন্তু যতটা অবলা ভাবছেন ততটা আমি না।
আমি হতবাক, মানুষের কন্ঠ এত সুন্দর হতে পারে আমার জানা ছিলোনা, কোনো কবি সাহিত্যিক,  এই মেয়ের কন্ঠ শুনলে নিঃসন্দেহে কবিতা ফেদে বসতো, কেও কেও উপমা ও দিয়ে ফেলতো কিন্নর কন্ঠ। 
এমন হা করে চেয়ে আছেন কেনো জীবনে কি মেয়ে মানুষ দেখেননি, আপনাদের পুরুষদের এই এক সমস্যা বুঝলেন, মেয়ে দেখলেন ওমনি চোয়াল ঝুলে গেলো, চক্ষু শরম বলতে কিছু নেই।
একটা কাজ করলে কেমন হয়। মেয়েটাকে বিভ্রান্ত করা যাক।
আমি গলা যতসম্ভব গম্ভীর করে বললাম, দেখুন আপনি আমাকে কি ভাবছেন আমি জানিনা, তবে আপনার প্রতি আমার কোনো আগ্রহ নেই, আমি আসলে আপনার বোরখা টা দেখছিলাম খুব পছন্দ হয়েছে আমার, এরকম বোরখা বাংলাদেশে খুব একটা দেখা যায়না,  আমার এক আত্মীয় আছে উনার জন্য নিয়ে যাবো ভাবছিলাম, উনি খুব খুশি হবেন, উনাকে উপহার দেওয়ার মানুষ নেই। বোরখা টা মনে হয় অনেক দামি তাইনা, কত দাম হতে পারে একটু বলবেন, যেভাবেই হোক আমি উনার জন্য নিয়ে যাবো, দরকার হলে চুরি, ডাকাতি করতেও রাজি আছি।

রমনী চুপসে গেছে। বেলুন থেকে সমস্ত গ্যাস বের করে নিলে বেলুন যেমন চুপসে যায়, ঠিক তেমন ভাবেই চুপসে গেছে। মনে হচ্ছে তার প্রতি আমার অনাগ্রহ টা সে সহজ ভাবে নিতে পারেনি, মেয়েদের এই এক সমস্যা, কেও যদি বেশি আগ্রহ দেখায় তাতেও তারা অখুশি, আবার কেও আগ্রহ না দেখালেও অখুশি। এজন্যই কবি বলেছেন নারীর মন বোঝা, আর ক্যালকুলাসের অংক বোঝা সমান।
কি হলো চুপ করে আছেন ন কেনো বলুন তাড়াতাড়ি, আমার বেশি সময় নেই, আপনার কাছে দাম টা শুনেই কাজে নেমে পরতে হবে, ৪-৫ টা মোবাইল চুরি করতে পারলেই কাজ হয়ে যাওয়ার কথা, না হলে বিকল্প ব্যাবস্থা আছে।
রমনী থমকে গেছে, কি বলবে বুঝতে পারছেনা। অতি কষ্টে আমতা আমতা করে বললো,  সরি আমি আসলে বুঝতে পারিনি, আসলে বুঝতেই পারছেন আমাদের সমাজে তো পুরুষরা এখন, এমন পর্যায়ে চলে গেছে, পারলে যেনো গিলে খায়। আমাকে একটু সাহায্য করতে পারেন,  আমি আসলে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছি, না কোনো ছেলের জন্য নয়, বাসায় বাবা মা খুব অশান্তি করছে আমাকে বিয়ে দিবে তাই, বার বার বোঝানো সত্তেও বোঝেনা, তাই ঠিক করেছি তাদের কে উচিত শিক্ষা দিবো। ভেবেছিলাম বাসা থেকে বের হয়ে কয়দিন বান্ধবীর বাসায় থাকবো, তারা কান্নাকাটি করবে, হুলুস্থুল ফেলে ফিবে চারিদিকে। কয়েকদিন পর, খুব সকাল বেলা ব্যাগ পত্র নিয়ে আবার বাসায় উপস্থিত হবো। এখিন সমস্যা হচ্ছে আমার বান্ধবীর আমাকে এইখান থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো, সে আসছেনা অনেকবার ফোন দিয়েছি ধরেন। খুব সম্ভবত সে ঝামেলা ঘাড়ে নিতে চাচ্ছেনা। আপনি কি দয়া করে আমাকে আবার আমার বাসা পর্যন্ত পৌছে দিতে পারবেন, আসলে আমি একা যেতে সাহস পাচ্ছিনা।
আমি, বেশ ভাবলেশ হীন গলায় বললাম, আপনাকে আমি নিয়ে যেতে পারবোনা বারণ আছে, তবে আমি আপনাকে খুব জোর একটা রিকশা ঠিক করে দিতে পারি। চলুন বলেই হাটা শুরু করলাম আমি, বেশ বুঝতে পারছি মেয়েটির চোখে স্পষ্ট হতাশার ছাপ, তবুও তার ভারী ব্যাগটা সে কাধে নিয়ে আমার পিছ পিছ পিছ আসতে শুরু করলো। হয়তো মনে মনে আফসোস করছে, কেনো যে সাহায্য চাইতে গেলাম, কত অভদ্র একবারো বললোনা দিন ব্যাগ টা আমাকে দুন আমি নিয়ে যাচ্ছি।

মেয়েটাকে একটা রিকশা ঠিক করে দিয়ে, বললাম উঠে পরুন, আর এভাবে সব কিছু ঠিক না করে বাসা থেকে পালাবেননা, পালাতেই যদি হয় ভালো করে প্ল্যান করে তারপর পালাবেন, আর এমন দিন দুপুরে বের হবেননা, দিন দুপুরে পালিয়ে মজা নাই, কোনো এক জ্যোৎস্না রাত দেখে তল্পিতল্পা গুছিয়ে পগার পার। এমন কোথাও যাবেন যে আপনার ঝামেলা ঘাড়ে নিতে রাজি আছে। তাহলে দেখবেন আর সমস্যা হবেন। মেয়েটি যথেষ্ট বিভ্রান্ত হয়েছে, আমার উদ্দেশ্য সফল, সে পাথরের মত নিশ্চুপ হয়ে গেছে, যেনো বুঝে উঠতে পারছেনা কি বলা উচিত। আমার সুক্ষ ধারনা হচ্ছে, এই মেয়ের সাথে এটাই শেষ দেখা নয়, এই মেয়ের সাথে আমার আবার দেঝা হবে, এবং বার বার হবে।

মেয়েটিকে হতভম্ব অবস্থায় রেখেই আমি আমি উল্টা পথে হাটা ধরলাম। তাকে অবশ্য দোষ দেওয়া যায়না, মানুষ হিসেবে আমরা হতভম্ব হতে পছন্দ করি, হরহামেশাই হচ্ছি।
লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/160212/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Oct 2022 18:48:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চলে যায় বসন্তের দিন।</p>
<p>প্রচন্ড জর নিয়ে ভর্তি হয়েছি হাসপাতালে, কড়া এক গন্ধে আমার ঘুম ভেংগেছে। সম্ভবত গতকাল সারারাত জ্ঞান ছিলোনা। অবশ্য তার যুক্তিযুক্ত কারন আছে, কাল রাতে খুব জোর বৃষ্টি হচ্ছিলো, ঢাকা শহরে এমন বৃষ্টি খুব একটা দেখা যায়না। আমি বৃষ্টিপ্রেমি মানুষনা। বৃষ্টি হলে আমি খুব জোর জানালা বেয়ে চেয়ে থাকি, ইট পাথরের দেয়াল বেয়ে বৃষ্টির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-160212"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/160212/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">23a2b68041c6dab7a1162240ee4c9bab</guid>
				<title>লাল ফিতে

প্রতিদিনের মত আজো সেই চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছে, উসমান। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এই দোকানে এসে চা খেয়ে যাই সে, থাকে চকবাজার এলাকার একটি ছোট্ট গলিতে, চকবাজার এলাকার একটি ছোটখাটো খাবারের দোকানে কাজ করে সে।
আজ প্রায় ২ বছর হয়ে গেলো ঢাকা শহরে এসেছে উসমান, বলা যাই একরকম বাধ্য হয়েই এসেছে। বাবা মারা যাওয়ার পর তার মা অনেকদিন এই সংসারের হাল টেনেছে কিন্তু হঠাৎ করেই তার মা মারাত্তক রকম অসুস্থ হয়ে পরে, এখন তার মা প্রায় শয্যাশায়ী, উসমানের একটা ১০ বছরের ছোট বোন ও আছে, মা অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর বেচারির পড়াশোনা ও করা আর হলোনা, অনেক শখ ছিলো বোনটার স্কুলে পড়ার কিন্তু তা আর হলো কই, মায়ের অসুস্থতা যেনো কেড়ে নিলো তার ছোট্ট বুকে দেখা সপ্নটি।
দিনের পর দিন খেয়ে না খেয়ে যখন সহ্যের শেষ সীমায় পৌছে গেছে, তখনি উসমান সিদ্ধান্ত নেই সে ঢাকা যাবে, সে শুনেছে ওখানে গেলে নাকি ভালো ভালো কাজ পাওয়া যায়, এদিকে মায়ের অসুখ টাও যেনো দিন কে দিন বেড়ে যাচ্ছে, সাত পাচ চিন্তা না করে সে একদিন বোচকা বুচকি বেধে রওয়ানা দিয়ে দেই ঢাকার উদ্দেশ্য, ঢাকাতে এসে কয়েকদিন কাজের জন্য, এদিক ওদিক অনেক ঘুরেছে সে, অবশেষে কোনরকম হাতে পায়ে ধরে এই খাবারের হোটেলে চাকরি টা জুটিয়ে নেই সে, আর মাসে মাসে যে টাকা টা পাই তার কিছুটা নিজের জন্য রেখে সমস্ত টাই পাঠিয়ে দেই বাসাই।
কয়েকদিন হলো তার মাহাজন তাকে মাসের বেতন টা দিচ্ছেনা, চাইতে গেলেই এমন গালিগালাজ করে যে শোনার মতনা, এদিকে বাসাই যে তার টাকা পাঠানোই লাগবে, টাকা না পাঠালে, তার মা, বোন যে না খেয়ে থাকবে, এই চিন্তা যেনো উসমান কে ঠেলে দেয় গভীর অন্ধকারে।
চা খেতে খেতে হঠাৎ ভুম ভুম করে বেজে ওঠে তার মোবাইল ফোনটা, পকেট থেকে বের করে দেখে মা ফোন দিয়েছে, কিছুক্ষন নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে থেকে, ফোনটা ধরে সে,
বাবা অনেকদিন তো হয়ে গেলো টাকা পাঠাবিনা, তোর বোনটা যে না খেতে পেয়ে খুদার জালাই কাদে, এদিকে আমার শরীর টাও দিনে দিনে আরো খারাপ হয়ে যাচ্ছে, ওষুধ গুলো শেষ, মায়ের কন্ঠে স্পষ্ট কষ্ট দেখতে পাই উসমান।
কিছুক্ষন চুপ করে থেকে আস্তে আস্তে বলে ওঠে সে, মা তুমি একদম চিন্তা করবেনা মা আমি কালকেই তোমাকে টাকা পাঠিয়ে দেবো, কোন সমস্যা নাই।
আচ্ছা বাবা পাঠিয়ে দিস, এই নে তোর বোন কথা বলবে, বলে ফোনটা ধরিয়ে দেয়
 উসমানের একমাত্র আদরের ছোট্ট বোন, যুথীর কানে।
ভাইয়া তোমার সাথে কথা নাই, গত বার আসার সময় বলেছিলাম আমার জন্য একটা লাল ফিতা আনতে, অথচ তুমি আনোনি, অনেক পচা তুমি, এক অজানা অভিমান ঝরে পরে যুথীর কন্ঠ থেকে।
নারে বোন রাগ করিস না, এবার বাসাই আসলে তোর জন্য একটা না দুইটা লাল ফিতা আনবো ঠিক আছে, খুশি হয়েছিস বোন।
আচ্ছা ভাইয়া, এবার কিন্তু এনো, ভুলে যেওনা যেনো, আচ্ছা রাখি বলে ফোনটা কেটে  যায় ওপার থেকে।
উসমান ঠিক করে তার জমানো যে কয়টা টাকা আছে সেখান থেকে কিছু টাকা আপাতত বাসাই পাঠিয়ে দেবে।
চা টা শেষ করে, চায়ের বিল মিটিয়ে সে হাটতে থাকে সামনের দিকে, রাস্তার মোড় টাতে  একটা লোক ঝুড়ি তে করে চুরি, ফিতা, আলতা এসব বিক্রি করে, উসমান সেইদিকে উদ্দেশ্য করেই হাটতে থাকে, কিছুদুর এগুতেই দেখা পাওয়া যাই লোকটার, দরদাম করে দুটো ফিতে কিনে ফেলে সে, পরে যদি আবার ভুলে যায় তাই এখনি কিনে ফেললো সে, বড্ড মন ভোলা হয়েছে সে ইদানিং।
হাতে ফিতা দুটো নিয়ে রাস্তার একপাশ দিয়ে হাটতে থাকে উসমান, মনে হাজারো রকম চিন্তা, হঠাৎ সে শুনতে পেলো কিছুটা সামনেই অনেক মানুষের চেচামেচির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে, একটু উৎসুক হয়ে সেই আওয়াজ লক্ষ করে এগিয়ে যাই সে, 
হঠাৎ কি থেকে কি হয়ে গেলো বুঝতে পারলোনা উসমান, একটা বিদ্যুৎ এর খুটি তে আগুন ধরে গেছে আর সেই খুটি টা এসে পরে একদম উসমানে পাশেই, সাথে সাথে তার গায়েও আগুন ধরে যাই, হতভম্ব উসমান কি করবে বুঝতে না পেরে এদিক ওদিক দৌড়াতে থাকে আর সমস্ত শরীর বেয়ে বাড়তে থাকে আগুনের লকলকে শিখাটা, সারা শহর যেনো এক পৈচাশিক হলুদ আলোই ভরে গেছে, আস্তে আস্তে পুরো এলাকাই আগুন ধরে যাই, এ যেনো আগুন নয় এক মস্ত বড় দানব।
সমস্ত শরীর টা যেনো জলে পুরে যাচ্ছে তার, কিন্তু এতকিছুর পরেও, বোনের জন্য কেনা ফিতা দুটি হাত ছাড়া করেনা সে, দৌড়াতে দৌড়াতে অবশেষে অজ্ঞান হয়ে পরে যায় উসমান।
উদ্ধারকারী দল এসে আগুনে পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ গুলোকে উদ্ধার করতে আসার সময় দেখতে পাই, একটি কম বয়েসে ছেলে রাস্তাই শুয়ে কাতরাচ্ছে, তার শরীরের বেশির ভাগ অংশই পুড়ে গেছে, কয়েকজন উদ্ধারকারী দৌড়ে চলে যায় ছেলেটির কাছে,
স্যার ও স্যার স্যারগো আমাকে বাচান স্যার,  আমার যে এই ফিতা গুলো আমার বোনকে দিতে হবে স্যার, আমার মা যে আমার জন্য অপেক্ষা করছে স্যার, এই দেখেন স্যার আমার বোনের জন্য কিনেছিলাম এই ফিতা গুলি, স্যার ওকে না দিলে যে অনেক অভিমান করবে স্যার।
উদ্ধারকারী দলটি নিরব হয়ে শুনছিলো ছেলেটির কথা, তাদের বুক টা যেনো পাথরের মত ভারী হয়ে গিয়েছে, কি পরিমান ভালোবাসা থাকলে একটা মানুষ মৃত্যুশয্যায় এসেও এমন কথা বলতে পারে।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায় উসমান, শুধু রেখে গেছে তার বোনের জন্য কেনা লাল ফিতা দুটি, নিষ্ঠুর প্রকৃতি টা  কিছুতেই দিতে দিলোনা সেই ফিতা গুলো।
উসমানের মা যে এখনো অপেক্ষা করে আছে তার ছেলের জন্য।।

লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/159123/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Oct 2022 13:28:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লাল ফিতে</p>
<p>প্রতিদিনের মত আজো সেই চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছে, উসমান। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এই দোকানে এসে চা খেয়ে যাই সে, থাকে চকবাজার এলাকার একটি ছোট্ট গলিতে, চকবাজার এলাকার একটি ছোটখাটো খাবারের দোকানে কাজ করে সে।<br />
আজ প্রায় ২ বছর হয়ে গেলো ঢাকা শহরে এসেছে উসমান, বলা যাই একরকম বাধ্য হয়েই এসেছে। বাবা মারা যাওয়ার পর তার মা অনেকদিন এই সংসার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-159123"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/159123/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c64cabdb8c94f6769ab57fe8697da609</guid>
				<title>গন্ধ।।

গত ২ মাস ধরে লকডাউনে থেকে সব কিছুর প্রতি কেমন যেনো বিরক্ত ধরে গেছে, সব কিছুই পানসে লাগে। বিছানাই এখন আমার জগত হয়ে গিয়েছে,  কখোনো কখোনো জানালা দিয়ে একমনে তাকিয়ে থাকি আর ভাবি কবে বের হতে পারবো, একটু মুক্ত হাওয়ায় মন ভরে  নি:শ্বাষ নিতে পারবো।
আজ সারাটাদিন বৃষ্টি পরেছে, প্রায় সারাদিন জানালার পাশে বসে বসে বৃষ্টি দেখেছ।, সন্ধ্যার দিকে ঘুমিয়ে পরেছিলাম, ঘুম ভাংলো কলিংবেলের আওয়াজে, চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে আছে। বিছানায় বসে কিছুক্ষন নিজেকে ধাতস্থ করে নিলাম। কলিংবেলটা অনবরত বেজেই চলেছে, কে রে বাবা,  একটু ধৈর্য ধরতে পারেনা নাকি। মনে  মনে কিছুটা বিরক্তই হলাম।  ধিরে ধিরে বিছানা থেকে উঠে দরজা খুলে দেখি বন্ধু ফরিদ এসেছে, চোখে মুখে কেমন জানি বিদ্ধস্ত ভাব। আমি কিছুটা উচ্ছসিত হয়ে বললাম কিরে, কোথাই কামলা।দিয়ে আসছিস চোখ মুখের এই অবস্থা কেনো, ভিতরে আয়। 
আর বলিসনা মেডিকেল এ গেছিলাম একটু দরকারি কাজ ছিলো, বলতে বলতে ঘরে প্রবেশ করলো ও। ফরিদ ঘরে প্রবেশ করতেই ঘরটা কেমন যেনো কটু গন্ধে ভরে উঠলো, না না খারাপ বা পচা গন্ধ নয়। গন্ধটা চেনা চেনা লাগছে।
কিরে মামা কি মেখেছিস বলতো এমন গন্ধ বের হচ্ছে কেনো, ফরিদের উদ্দেশ্যে কথা গুলো বললাম আমি।
আতর মেখেছি গন্ধটা খুব সুন্দর না?  আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন টা করলো ও, ওর চোখের দিকে তাকাতেই  কেমন জানি অন্যরকম মনে হলো, অনেকটা প্রানহীন চোখ।  মনে মনে ভাবলাম হয়তাও বেচারার সারাদিন খুব খাটুনি গেছে, ক্লান্ত তাই অমন মনে হচ্ছে, বিষয়টাকে খুব একটা পাত্তা দিলামনা।
ধুস শালা  কিসের সুন্দর গন্ধ আমার তো নাক কেমন জলছে।

ও কিছু বললোনা, কিছুক্ষন পর বলে উঠলো ফরিদ, বন্ধু একটু গোসল দিবো রে  একটা লুংগি হবে। অবশ্যই হবে, বলে ওর হাতে আমার সদ্য ধোয়া লুংগি টা দিলাম।  
কিছু না বলেই  ও গোসল দিতে চলে গেলো।
বাথরুম থেকে ঝর ঝর করে পানির আওয়াজ আসছে, আর আমি বিছানায় বসে আকাশ পাতাল চিন্তা করছি, ফরিদের হয়েছেটা কি, যে ছেলে আমার বাসায় আসলে সবসময় প্রানবন্ত থাকে, বকতে বকতে মাথা ধরিয়ে দেই, গোসলে গেলে গলা ছেড়ে গান ধরে সে ছেলে এমন চুপচাপ কেনো। এসব কথা ভাবতে ভাবতেই গন্ধটা আবার এসে নাকে ধাক্কা দিলো,  গন্ধ বিষয়ে আমার একটু সমস্যা আছে, অতি কড়া গন্ধে আমার মাথা ধরে যাই, এবারেও তাই হলো। গন্ধটা  আমার কেনো যেনো খুব পরচিত মনে হচ্ছে, কিন্তু ধরতে পারছিনা কিছুতেই।

এসব আকাশ পাতাল ভাবছি,এমন সময় ফরিদ বের হলো বাথরুম থেকে,  ওকে এখন ফ্রেশ দেখাচ্ছে মুখে আগের মত সজীবতা ফিরে এসেছে, কিছুটা খুশি হয়ে ওর দিকে এগিয়ে গেলাম। চল ভাত খেয়ে নিবি, বলে ওর হাতটা ধরতেই চমকে উঠলাম, হাত অস্বাভাবিক রকম ঠান্ডা, পরক্ষনেই মনে পরলো আরেহ কেবল ই তো গোসল করে আসলো হয়তো সে জন্য ঠান্ডা হয়ে আছে।

নারে খাবোনা খুব ঘুম পাচ্ছে, একটু ঘুমুবো, বলেই বিছানায় শুয়ে পরলো ফরিদ। কিছুটা অবাক হলাম, আরেহ ওর হয়েছেটা কি, না শালা আবার ছ্যাক ট্যাক খাইসে, বিছানার কাছে এসে ওকে ডাকতে যাবো দেখি গভীর ঘুমে তলিয়ে পরেছে। আহারে বেচারা মনে হয় খুব ক্লান্ত,  শোয়া মাত্র কেমন ঘুমিয়ে পরেছে, আর ঘাটালামনা ওকে। লাইট ওফ করে আস্তে আস্তে ওর পাশে গিয়ে শুয়ে পরলাম, যাতে শব্দ না হয়, এমনি বেচারা ক্লান্ত এখন  শব্দ করে ওর ঘুম ভাংগানো ঠিক হবেনা। গন্ধটা  বেড়েছে খুব, মাথা যন্ত্রনা করছে গন্ধের কারণে, ওটাকে একরকম ignore করেই ঘুমানোর চেষ্টা করতে থাকলাম।

চোখে সকালে মিষ্টি রোদ পরতেই ঘুম টা ভাংলো, বহুদিনের অভ্যাস বশেই, চোখ খুলেই ফোন টা হাতে নিলাম তাকিয়ে দেখি, বন্ধু মেহেদি ৮ বার কল দিয়েছে, কি ব্যাপার কোনো সমস্যা হলো নাকি আবার এত বার ফোন। ফোনের লক টা খুলে,  কল ব্যাক করতে করতে পাশ ফিরে দেখি ফরিদ নেই, ভাবলাম হয়তো বাথরুমে গেছে।

হ্যালো,  হ্যা মেহেদি বল, এতবার ফোন দিয়েছিস কেনো কি হয়েছে। 
ওপাশ থেকে মেহেদির করুন গলার আওয়াজ শোনা গেলো, ফুপিয়ে ফুপিয়ে কিছু একটা বলছে।  বিস্ময়ে বললাম কি হয়েছে কাদছিস কেনো। এরপরে মেহেদি যা বললো তা শোনার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলামনা, কথাটা শুনতেই মেরুদন্ড বেয়ে শীতল স্রোত নেমে এলো যেনো।  কলটা শেষ হতেই ধপ করে বসে পরলাম।  
ফরিদ কাল রাতে auto accident এ মারা গেছে,  মেডিকেল থেকে ফেরার সময় accident করে, spot dead।

মাথায় দ্রুত কিছু চিন্তা খেলতে লাগলো,  ফরিদ যদি কাল রাতেই মারা যাই,  তাহলে তাহলে কাল রাতে যে ও......  এবার বুঝতে পারলাম কাল রাতে কিসের গন্ধ পাচ্ছিলাম, লোবানের গন্ধ, মানুষ মারা গেলে তাকে গোসল দেওয়ানোর পরে আতর, লোবান এইসব দেওয়া হয়, এই জন্যই গন্ধটা খুব পরিচিত মনে হচ্ছিলো।  তাহলে কাল রাতে আমি কার সাথে ঘুমিয়ে ছিলাম। কথাটা মাথায় আসতেই ভয়ে শরীর সিটিয়ে গেলো।  দৌড়ে বাথরুমে গেলাম একি বাথরুমে তো আমার লুংগি টা পরে আছে,  লুংগিটা ভাজ করাই আছে, দেখে বোঝাই যাচ্ছে লুংগি টা কেও পরেনি। 
গন্ধটা হঠাৎ বেড়ে  উঠেছে, পেছনে তাকাতেই দেখি ফরিদ দাঁড়িয়ে আছে, মুখে হাসি, চোখ টা আগের মতই প্রানহীন। গা কেমন যেনো  শিউড়ে উঠলো, ওর হাসিটা এখন আমার কাছে পৈচাশিক, মনে হচ্ছে। 
আসিরে বন্ধু, আর দেখা হবেনা তোদের সাথে, জানিস  মাথাটা যখন থেতলে গেলো, খুব কষ্ট হচ্ছিলো, তোর মুখ টা চোখের সামনে খুব ভাসছিলো, মনে হচ্ছিলো শেষ দেখাটা মনে হয় আর হলোনা। আসিরে বন্ধু দেরি হয়ে যাচ্ছে,  বলতে বলতে ফরিদের অবয়ব টা কেমন জানি মিলিয়ে গেলো বাতাসে।  বাতাসে শুধুই ভেসে রইলো তার ক্ষীন কন্ঠস্বর, আর সেই  কড়া লোবানের গন্ধ। 
মনের অজান্তেই চোখ ভরে উঠলো পানিতে। আহারে বেচারা।।

লেখা: উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/158436/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Oct 2022 10:17:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গন্ধ।।</p>
<p>গত ২ মাস ধরে লকডাউনে থেকে সব কিছুর প্রতি কেমন যেনো বিরক্ত ধরে গেছে, সব কিছুই পানসে লাগে। বিছানাই এখন আমার জগত হয়ে গিয়েছে,  কখোনো কখোনো জানালা দিয়ে একমনে তাকিয়ে থাকি আর ভাবি কবে বের হতে পারবো, একটু মুক্ত হাওয়ায় মন ভরে  নি:শ্বাষ নিতে পারবো।<br />
আজ সারাটাদিন বৃষ্টি পরেছে, প্রায় সারাদিন জানালার পাশে বসে বসে বৃষ্টি দেখেছ।, সন্ধ্যার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-158436"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/158436/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">477e6c97051dd09bda6105ecf13bfc5f</guid>
				<title>Kawser hamid (usman) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157957/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 10:53:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f7ea4a654e65e302bb29e983577eada</guid>
				<title>বিভ্রান্ত।
আজ ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ৯ টার মধ্যেই ঘুম ভেংগে যায়।
ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি ১২ টা বাজে, এতো দেরি যে কেনো হলো বুঝতে পারছিনা। কাল রাতে কি দেরি করে ঘুমিয়েছিলাম, কই মনে পরছেনাতো, ঝিম মেরে বসে আছি বিছানাই আর চিন্তা করছি কেনো দেরি হলো, চিন্তা করতে আমার খুব ভালো লাগে, সবসময় কোনো না কোনো চিন্তাই ডুবে থাকি।
খুব মন দিয়ে চিন্তা করছি এমন সময় পেটটা মোচড় দিয়ে উঠলো, বুঝলাম খুব খিধে পেয়েছে। বালিশের পাশ থেকে মানিব্যাগ টা বের করে দেখি মাত্র ১৭ টাকা আছে, মনে মনে হিসাব করতে লাগলাম, একটা লাড্ডু ৫ টাকা, একগ্লাস পানি২ টাকা, একটা চা, ৫ টাকা, আর একটা সিগারেট। বাহ একদম কাটাই কাটাই ১৭ টাকা হয়েছে, কিন্তু আজ যদি সব টাকা শেষ হয়ে যায় কাল কি খাবো। ধুরো এত চিন্তা করে লাভ আছে,  আজকের টা হোক তারপর কালকের ব্যাবস্থা করা যাবে, নিজেই নিজেকে বোঝালাম। যেভাবে পেট মোচড় দিচ্ছে বেশি দেরি করা যাবেনা, কোনোরকম মুখ ধুয়ে নিচে চলে এলাম, দুলাল মামুর চায়ের দোকানে।  মামুকে ঝটপট চা বানাতে  বলে, দোকানের সামনে ঝোলানো পলিথিন থেকে একটা লাড্ডু নিয়ে চিবুতে লাগলাম, লাড্ডু টা কেমন যেনো চিমসে মেরে গেছে, খেয়ে মজা পাচ্ছিনা, কিন্তু কি আর করা পকেটে আর টাকাও নেই যে অন্য কিছু খাবো। বাসি লাড্ডুটা চিবুতে চিবুতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছি হঠাৎ একটা দৃশ্য চোখে পরলো, একটি ১৪-১৫ বছরের স্কুলের বালিকা, দুই পাশে করা বেণি দোলাতে দোলাতে হেটে চলেছে আর একটু পর পর পেছনে তাকিয়ে হাসছে। হাসিটা আমার চেনা, এই বয়সের বালিকারা যখন প্রেমে পরে তখন এমন করে হাসি দেই, এই হাসির মধ্যে একধরনের পবিত্রতা আছে। 
বালিকাটির হাসি আমার কাছে খুব ভালো লাগলো, এমন পবিত্র হাসি, চারুলতার মুখে দেখা যায় প্রাই সময়, বিশেষ করে যখন সে আমার সাথে দেখা করতে আসে, এই মেয়েটি আমাকে খুব ভালোবাসে, বুঝতে পারি। আমিও হয়তো একটু একটু বাসি কিন্তু কখোনো প্রকাশ করিনা, আমার দারা চারুলতার মতো মেয়েকে কখোনো খুশি রাখা সম্ভব না। 
সেই বালিকার দৃষ্টি অনুসরণ করে পেছনে তাকাতেই বুঝতে পারলাম মেয়েটি কেনো হাসছিলো, রোগা,পাতলা একটি লম্বা ছেলে, খুব সম্ভবত সে, সেই বালিকার স্কুলেই পরে, তাদের গায়ে একই ধরনের পোশাক দেখা যাচ্ছে।
তাদের এমন প্রেমময় মুহুর্ত দেখছি হঠাৎ মাথায় শয়তানি বুদ্ধি খেলে গেলো, অনেকদিন পর কাওকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পেয়েছি। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আমার খুব ভালো লাগে।
লাড্ডু টা তাড়াতাড়ি শেষ করে, উঠে দাড়ালাম মাথায় সব সাজিয়ে নিয়েছি।
গুটি গুটি পায়ে হেটে হেটে বালিকার পাশে গিয়ে তার সাথে তাল মিলিয়ে হাটতে লাগলাম।
তুমি কিন্তু অনেক সুন্দর, কত সুন্দর করে বেণি দুলিয়ে হাটছো, তোমার বেণি দুলানো দেখে আমি কেমন যেনো ঘোরের মধ্যে পরে গেছি, একবারে কথা গুলো বলে চুপ করে গেলাম, এখন বালিকার রিয়েকশন দেখার পালা। চোখে মুখে একরাশ বিরক্তি ফুটে উঠলো বালিকার, তারপর সেই কমন ডায়লোগ টি ঝেড়ে দিলো, আপনি কি আমাকে চিনেন,  হুদাই আইসা বকবক করতাসেন, ফাউল লোক কোথাকার, নিজের বয়স দেখেছেন,যত্তসব। মনটা খুশিতে ভরে উঠলো, যাক তাকে রাগাতে পেরেছি, এবার তাকে একয়া বড়সড় ধাক্কা দিতে হবে, এমন ধাক্কা যাতে তার চোখমুখ দেখার মত হয়ে যায়। মুখের মধ্যে কিছুটা গম্ভির ভাব এনে, খুব সিরিয়াস ভংগিতে বললাম, তুমি যে রাস্তায় দাড়িতে দাঁড়িয়ে প্রেম করছো, তোমার বাবা, জানে, আর যে ছেলেটির সাথে লাইন মারছো সে কে জানো, জানো বলো? এরকম ভাবে কথা বলায় বালিকা একদম ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে, ভয়ে ভয়ে বললো না ভাইয়া, আসলে ওই ছেলেটা আমাদের স্কুলে পড়ে, প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর সে আমার পিছে পিছে আসে। আমি বালিকার কথা কেড়ে নিয়ে বললাম তোমার পিছে পিছে আসে বলে তুমিও লাইন মারা শুরু করে দিলে বাহ বাহ খুব ভালো। এবার মেয়েটি একটু জোরের সাথে বললো কিন্তু আপনি কে ওকে চিনেন। চিনেন মানে আমার একমাত্র আপন ভাই ও, আজ বাসায় আসুক তারপর ওর মজা দেখাচ্ছি, আর তোমার বাসায় জানানোর ব্যাবস্থা করছি থামো, এটুকু বলেই সোজা হাটা ধরলাম, মেয়েটি খুব ভালোভাবেই বিভ্রান্ত হয়েছে, কেমন যেনো উদিগ্ন সরে পেছন থেকে বলেই যাচ্ছে, ভাইয়া শোনেন, প্লিজ আমার ভাসায় বলবেননা, প্লিজ আমাকে মেরেই ফেলবে। বালিকাটির জন্য মায়া লাগছে আহারে বেচারি, হয়তো আর কোনোদিন সেই ছেলেটির দিকে ঘুরেও তাকাবেনা, আর বেচারা ছেলেটিও হয়তো জানতে পারবেনা কেনো সেই মেয়ে তারে আর পাত্তা দিচ্ছেনা। এসব চিন্তা করেই মনটা আনন্দে ভরে উঠলো, অনেকদিন পর কাওকে বিভ্রান্ত করে কেমন যেনো পৈচাশিক আনন্দ পাচ্ছিলাম।
আজকে সারাদিন হাটবো, হাটতে খুব ইচ্ছে করছে, দেখি আবার কাওকে বিভ্রান্ত করতে পারি কিনা।
লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157775/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 05:41:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিভ্রান্ত।<br />
আজ ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ৯ টার মধ্যেই ঘুম ভেংগে যায়।<br />
ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি ১২ টা বাজে, এতো দেরি যে কেনো হলো বুঝতে পারছিনা। কাল রাতে কি দেরি করে ঘুমিয়েছিলাম, কই মনে পরছেনাতো, ঝিম মেরে বসে আছি বিছানাই আর চিন্তা করছি কেনো দেরি হলো, চিন্তা করতে আমার খুব ভালো লাগে, সবসময় কোনো না কোনো চিন্তাই ডুবে থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157775"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157775/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d57362e3ea4f480153d0f73740abfc19</guid>
				<title>মধ্যদুপুর ও একগুচ্ছ অপরাজিতা।

কাল একবার দেখা করতে পারবে? সেম প্লেস, সেম টাইম।
গত ১০ মিনিট যাবত আমি ফোনটা হাতে নিয়ে মেসেজ টার দিকে তাকিয়ে আছি, এই অবস্থার বাংলায় একটা খুব সুন্দর নাম আছে, হতভম্ব, আমি এখন হতভম্ব। হতভম্ব হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, মেসেজ টা এসেছে, বিশেষ এক ব্যাক্তির কাছ থেকে। এই ব্যাক্তির সাথে আমার যোগাযোগ নেই প্রায় ৬ মাস হয়ে গেলো। কোনো এক ভুল বুঝাবুঝির কারণে ভাংন ধরেছিলো, আমাদের ৩ বছরের সম্পর্কের।

আমার মাথায় এখন অনেক চিন্তা খেলা করছে, অস্বাভাবিক কিছু নয়, এ পরিস্থিতিতে যে কারো মাথায় চিন্তা খেলা করা সাভাবিক। যুক্তির সিড়ি দিয়ে মেলাতে চাচ্ছি ঘটনা কি, কথা নেই বার্তা নেই হঠাৎ দেখা করতে চাইলো। ধাপে ধাপে সিড়ি পেরোতে হবে।

সকাল ১০ টা।
একগুচ্ছ অপরাজিতা ফুল হাতে দাঁড়িয়ে আছি, কাংখিত সেই জায়গায়, বিশেষ ব্যাক্তির জন্য অপেক্ষমান। বাইরে থেকে দেখে আমাকে খুব স্বাভাবিক ও সহজ মনে হলেও ভেতরে হাজার হাজার চিন্তা ছুটাছুটি করছে, আচ্ছা এই চিন্তাগুলোর ছুটাছুটি বন্ধ করার কোনো উপায় নেই? এমন সিস্টেম থাকলে ভালো হতো, কোনো এক নির্দিষ্ট সুইচ এ চাপ দেওয়া মাত্রই চিন্তা গুলো ছুটো ছুটি বন্ধ করে, এক কোনায় চুপটি মেরে বসে থাকবে like a good boy. 
নাহ কি সব ভাবছি, আমিতো রোবট না,  রোবট এর সুইচ থাকে, তাকে সময়মত বোতাম টিপে সজাগ, নিষ্ক্রিয় করা যায়। মানুষের বোতাম থাকেনা, তাই এসব নিয়ন্ত্রনের ও ব্যাবস্থা নেই। একটা সুইচ থাকলে মন্দ হতোনা।

ফোন বাজছে,
আমার চিন্তার সুতা কেটে গেলো, অন্যসময় হলে খুবই বিরক্তবোধ হতো, হয়তো ফোন দেওয়া মানুষটাকে মনে মনে দু চার টা টুট টুট ও দিয়ে ফেলতাম। আমি জানি কে ফোন দিয়েছে, কাজেই বিরক্ত হওয়ার প্রশ্ন ওঠেনা।
ফোন কানে নিতেই সেই, সুমুধুর কন্ঠ, তবে রাগ মেশানো। 
কই তুমি?
এইতো রাস্তার এপাড়ে, তুমি কই?
গাধার মত রাস্তার ওপাড়ে যেয়ে দাড়িয়েছো কেনো? জানোনা আমি একা রাস্তা পার হতে পারিনা।
ওহ হ্যা সরি ভুলে গেছিলাম।
তড়িঘড়ি করে ফোন টা রেখেই, ছুটলাম রাস্তার ওপাড়ে, না জানি কপালে কি আছে।
 এই বিশেষ ব্যাক্তিকে আমি অজানা কোনো কারণে খুব ভয় পাই।

সেই পরিচিত রেস্তোরা, যেখানে প্রায় আমাদের সুন্দর কিছু মুহুর্ত ভাগাভাগি হতো, যেখানে একে অন্যের কাধে মাথা রেখে ভরসা খুজে নিতাম, গুনগুন করে গান গাইতাম।
আজো সেই পরিচিত জায়গা, তবে মাঝে অনেক দুরত্ব,  আজ পাশাপাশি নয়, সামনাসামনি বসেছি। আজ চাইলেও হাতে হাত রেখে মুচকি হাসি দিতে পারবোনা। প্রকৃতি মাঝে মাঝে নিষ্ঠুর খেলা খেলে, মানবসন্তান দের নিয়ে।

কি ব্যাপার আজ এত জরুরি তলব? ঘটনা আছে নাকি কোনো।
কোনো ঘটনা নাই, আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই ডেকেছি, তোমার যদি থাকতে না ইচ্ছে করে চলে যেতে পারো, you can go anytime.

হাতে ওটা কি,  কি এনেছো? তোমার সাথে তো আমি প্রেম করতে আসিনাই যে তুমি আমার জন্য গিফট নিয়ে আসবা, এসব আলগা পিরিতি আমাকে দেখাবানা বিরক্ত লাগে। একসময় ভালো লাগতো, কারন তখন আমি ছিলাম মহা বোকা।

এখন কি চালাক হয়েছো?

কি, কি বললে তুমি চালাক? চালাক হয়েছি কিনা জানিনা, তবে চোখে আংগুল অবশ্যই পরেছে নাহলে তোমার মত লম্পট ছেলেকে কোনোদিনো চিনতে পারতামনা।

আমার মন তিক্ততায় ভরে উঠলো, বিশেষ ব্যাক্তি তাহলে সেই ঘটনার কথা ভোলেনি। অসস্তিবোধ হতে লাগলো।

এত রাগ পুষে রেখেছো তাহলে ডেকেছো কেনো?  আসার পর থেকে যে পরিমান রেগে আছো, যেকোনো সময় একটা কিছু হয়ে যেতে পারে। হার্ট এটাক হলেও অবাক হবোনা।

তাকে পালটা জবাব দেওয়ার সুযোগ না দিয়েই, অপরাজিতার গুচ্ছ সামনে বাড়িয়ে দিলাম।

বিরক্তিতে ভ্রু কচকে ফেলেছে সে, যেনো তার সামনে কোনো ফুল নয়, আবর্জনা রাখা হয়েছে।

অপরাজিতা ফুল আনলে কোন আক্কেলে, তুমি জানোনা আমার গোলাপ ফুল পছন্দ।
হ্যা জানিতো, তুমি গোলাপ ফুলের ভক্ত। একসময় গোলাপ ফুল এনে দিলে, তুমি দুটো পাপড়ি ছিড়ে চোখের উপর দিয়ে রাখতে, অকারনেই বার বার গোলাপের গন্ধ নিতে, যদিও গোলাপের গন্ধ তেমন একটা পাওয়া যায়না। একবার তো গোলাপের পাপড়ি ছিড়ে, মুখে দিয়ে কচ কচ করে চিবুতে লাগলে, ভাবখানা এমন যেনো অমৃত চিবুচ্ছো। চোখ বন্ধ করে টানা ৩ মিনিট গোলাপের পাপড়ি চিবিয়ে, চোখ খুলেই বললে একটু বিট লবন হলে ভালো হতো, তাইলে টেস্ট টা আরেকটু জমতো।
বিশেষ ব্যাক্তি পুরোপুরি হতাশ, এই মুহুর্তে সে হয়তো আমাকে ৪-৫ টা টুট টুট ও দিয়ে ফেলেছে। দৃষ্টি দিয়ে যদি কাওকে ভস্ম করে দেওয়া যেতো সে হয়তো আমাকে সেটাই করে দিতো। 
দাতে দাত চিবিয়ে সে বলল, আমি কখোনোই এরকম কাজ করিনি, তারপরেও তুমি কেনো এই কথা বললে।
আমি ভাবলেশ হীন গলায় বললাম, আমার ইচ্ছা।  শুধু যে তোমার ইচ্ছে আছে তা তো না ইচ্ছে নামক বস্তু টি আমার মধ্যেও ভরপুর আছে, কিলবিল করছে।
 
রসিকতা করবেনা একদম, তোমার সংগে এখানে আমি রসিকতা করতে আসিনাই।
আচ্ছা আচ্ছা, বাবা, আর রসিকতা করবোনা, no রসিকতা।
এখন বলো অপরাজিতা কেনো এনেছো?

আসলে আমি যতদুর জানি নীল শান্তির প্রতিক, তাই ভাবলাম যেহেতু তোমার সাথে আজ একটা শান্তিচুক্তিতে যাচ্ছি সেহেতু, নীল কিছু নিয়ে যাওয়া যাক। ফুল সম্পর্কে আমার ধারনা কম, নীল ফুল বলতে আমি অপরাজিতাই চিনি, ব্যাস নিয়ে এলাম।
শোনো উসমান তোমার সাথে এখানে আমি শান্তিচুক্তি করতে আসিনাই, তোমাকে আমি একবার বলেছি রসিকতা বন্ধ করতে,  তোমার এসব সস্তা রসিকতা অন্য কারো কাছে কপচিও, আমার মাথা ধরে যায়। তোমার কাছে আমি দুটি বিষয়ে এসেছি, একটা জানতে আরেকটা জানাতে।
আচ্ছা।
আচ্ছা মানে, আচ্ছা মানে কি? তোমার মধ্যে একটুও কৌতুহল হচ্ছেনা কি জানতে আর কি জানাতে এসেছি আমি এত দিন পর।
প্রথমে হচ্ছিলো এখন আর হচ্ছেনা।
তুমি যে একটা আজিব আদমি তুমি কি এটা জানো উসমান? তুমি আজিব চিড়িয়া।
হুম জানি। এবার বলে ফেলো কথা  বলতে চাও। 
কৌতুহল যে আমি বোধ করছিনা তা নয়, যথেষ্ট কৌতুহল হচ্ছে, তবে প্রকাশ করছিনা, ব্যাপারটা সম্পুর্ন তাকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। সে একটু বিভ্রান্ত হোক।

আমি একটা ছেলেকে পছন্দ করি, কিছুদিন পরেই তার সাথে আমার বিয়ে, মোটামুটি সব ঠিকঠাক আছে। কথা গুলো বলেই সে আমার দিকে তাকালো, আমার মুখভংগি পরিবর্তন হয় কিনা সেটা দেখার আশায়।
আমি বড়সড় ধাক্কার মত খেলাম। বলে কি, এত তাড়াতাড়ি আরেকজন কে পছন্দ হয়ে গেলো, বিয়েটা পর্যন্ত ঠিক। চাপা কষ্ট অনুভব হলো, তাহলে সোনার হরিণ হাতছাড়া হয়েই যাচ্ছে।
তবে সেই কষ্টভাব চোখে মুখে প্রকাশ হলোনা, বলা যেতে পারে ইচ্ছে করেই করলামনা। 
ভাবলেশহীন গলায় বললাম ও আচ্ছা,
ও আচ্ছা মানে? তোমার খারাপ লাগছেনা?
খারাপ লাগবে কেনো, জন্ম, বিয়ে এসবি আল্লাহপাকের হাতে, সমস্তটাই পূর্বনির্ধারিত। 
বিশেষ ব্যাক্তি মনে হচ্ছে রেগে যাচ্ছে, রেগে যাওয়ার পূর্বলক্ষন তার মাঝে ভালো করেই প্রকাশ পাচ্ছে, নিচের ঠোট কামড়ে ধরে প্রানপনে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা সে করে যাচ্ছে।
তার এই ভংগির সাথে আমি খুবই পরিচিত, খানিকটা মজাও লাগে, এই সময় ইচ্ছে করে তাকে আরো রাগিয়ে দিতে, অন্যসময় হলে অবশ্যই দিতাম, এখন ইচ্ছে করছেনা।

তাহলে তুমি বলতে চাচ্ছো এ নিয়ে তোমার কিছু বলার নেই?

নাহ, কি বলার থাকবে, বিচ্ছেদের ৬ মাসের মধ্যে যদি তুমি আরেকজনকে পছন্দ করে, বিয়ের পাকাপাকি করে ফেলতে পারো তাহলে সেখানে আমার কিছু বলার দরকার থাকতে পারেনা। তাছাড়া ছেলে হিসেবে আমি খুবই অপদার্থ টাইপ, ভবিষ্যত নিয়ে কোনো চিন্তা নেই, কিছু করার উদ্যোগ নেই। এমন ছেলেদের সাথে প্রেম করা যায়, তবে বিয়ে নয়, এরা marrige material নয়। এদের সস্তা ধরনের রসিকতা গুলো একসময় খুব ভালো লাগে, মুগ্ধ হয়ে শুনতে ইচ্ছে করে, একসময় আর ভালো লাগেনা, বিরক্তি আসে। মুগ্ধ রসিকতা তখন হয়ে যায়, ভ্যাজর ভ্যাজর।

তুমি এত কথা বলছো কেনো? তোমাকে তো এত কথা বলতে বলা হয়নি।
সরি, ভুলে বলে ফেলেছি, আর হবেনা, never ever.
তুমি তো ছেলেটার নাম একবারো জানতে চাইলেনা বা সে কি করে না করে।
ও আচ্ছা, ছেলের নাম কি, কি করে?
আমি বললাম বলে জানতে চাচ্ছো? তোমার নিজের আগ্রহ নেই?
আমি হাই তুলতে তুলতে বললাম, নাহ, আগ্রহ পাচ্ছিনা, ছেলের ঠিকুজি কুলুজি দিয়ে আমি কি করবো, আমি তো আর তাকে বিয়ে করছিনা, করছো তুমি। তুমি এসব জানলেই হবে।

তোমাকে এখানে ডাকাটাই আমার ভুল হয়েছে।

 বিশেষ ব্যাক্তি যে চরম রেগে গেছে, তা বোঝার জন্য মনোবিজ্ঞানি হওয়া লাগেনা, তার দিকে তাকালেই যে কেও বুঝে যাবে এই মেয়ে, রাগান্বিত। গালে ফুলে থাকা মাংস, ঈষৎ লাল বর্ন ধারন করেছে, চোখ দুটি কেমন বিষন্ন হয়ে আছে তার। হঠাৎ করেই তাকে অনেক সুন্দর লাগছে, যেনো, রূপবতী রাজকন্যা বিষন্ন চোখে অপেক্ষা করে আছে প্রিয় মানুষটার, আমি মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইলাম, আহা, কত সুন্দর, প্রকৃতি তার সমস্ত রুপ, রহস্য যেনো খুব যত্ন করে ঢেলে দিয়েছে তার মাঝে। এই অসম্ভব সুন্দরী তরুনী কি আমার হতে পারতোনা? কি জানি, প্রকৃতির খেলা বোঝা কঠিন, যাকে যার জন্য তৈরী করেনি তাকে তার প্রতি কেনো গভীর ভালোবাসা দিতে হবে। এই ভালোবাসার মুল্য কি। প্রকৃতি নিষ্ঠুর বড়ই নিষ্ঠুর।

কি হলো চুপ করে গেলে যে? 
কি বলবো?
তোমার কিছু বলার নেই তাহলে?
একবার বলেছি নেই, তবে তোমার  যদি কিছু শোনার ইচ্ছে হয়  তাহলে বলতে পারি।
না, শুনতে চাচ্ছিনা কিছু। তুমি প্লিজ এখান থেকে বিদেয় হও৷ তোমাকে আর সহ্য হচ্ছেনা।
তাড়িয়ে দিচ্ছ?
হ্যা দিচ্ছি, দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছি বলেই দিচ্ছি।
অপরাজিতা গুলো নিবেনা? 
না, অমন বিদঘুটে ফুল আমার পছন্দ নয়।
অনেক ঝামেলা করে এনেছি।
খুব ভালো করেছো, এবার যেয়ে রাস্তার পাশের নর্দমায় ফেলে দাও। 
আমি, উঠে পরলাম, যদিও চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছিলো, আমি তোমায় ভালোবাসি, গভীর মমতায়, যত্ন করে তোমাকে জায়গা দিয়েছি, আজ তুমি শুন্য করে দিয়ে চলে যাচ্ছো। প্লিজ থেকে যাও, আমার অগোছালো, জীবনে তোমার খুব দরকার। ইচ্ছে করলেও  বলতে পারলামনা। ইচ্ছেমত সব কিছু করার ক্ষমতা আমাদের নেই, বিধাতা আমাদের সেই ক্ষমতা দেননি।
যাই, ভালো থেকো। কখোনো যদি, সময় পাও, তপ্ত দুপুরবেলা কাটফাটা রোদে আমার কথা স্মরন করো, এক পাগলা ছেলে দাঁড়িয়ে থাকতো ব্যাকুল নয়নে শুধুমাত্র, তোমাকে একপলক দেখার জন্য।

এখন মধ্যদুপুর, তপ্ত রোদ এসে জালিয়ে, পুড়িয়ে দিচ্ছে পুরো শহরটাকে। রোদে পুড়ছি আমিও, ফুটপাতের ধার বেয়ে ঘেসে চলা, এলোমেলো চুলের যুবক। হাতে ধরা একগুচ্ছ অপরাজিতা ফুল, ফুলগুলো নর্দমায় ফেলে দিতে হবে, হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কোনো মানে হয়না।
পেছন থেকে, বিশেষ ব্যাক্তির গলা শোনা যাচ্ছে, উসমান এই উসমান শোনো, এই উসমান।
উসমান, তার গলা শুনতে পেয়েছে বলে মনে হচ্ছেনা, অথবা শুনেও সে হয়তো না শোনার ভান করছে, কি লাভ পেছনে ফিরে, কিছু তো পরিবর্তন হবেনা। উসমান হন্য হয়ে নর্দমা খুজছে, ফুলগুলো ফেলে দিতে হবে। এই শহরের মানুষ অপরাজিতার সৌন্দর্য ভুলে গিয়েছে। তপ্ত রোদে, নিজেকে পোড়াতে, পোড়াতে  এগিয়ে চলেছি আমি, গন্তব্য নেই।
লেখাঃ উসমান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/154983/</link>
				<pubDate>Sun, 02 Oct 2022 07:54:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মধ্যদুপুর ও একগুচ্ছ অপরাজিতা।</p>
<p>কাল একবার দেখা করতে পারবে? সেম প্লেস, সেম টাইম।<br />
গত ১০ মিনিট যাবত আমি ফোনটা হাতে নিয়ে মেসেজ টার দিকে তাকিয়ে আছি, এই অবস্থার বাংলায় একটা খুব সুন্দর নাম আছে, হতভম্ব, আমি এখন হতভম্ব। হতভম্ব হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, মেসেজ টা এসেছে, বিশেষ এক ব্যাক্তির কাছ থেকে। এই ব্যাক্তির সাথে আমার যোগাযোগ নেই প্রায় ৬ মাস হয়ে গে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-154983"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/154983/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>