<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | পি.কে. সরকার | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/pksarker/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/pksarker/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for পি.কে. সরকার.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 08:59:52 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">2e2a65865518267c2925d934ba4c43b5</guid>
				<title>পরমতসহিষ্ণুতা : সভ্যতার অন্তর্লীন প্রজ্ঞা
__ পি কে সরকার

মানুষ একা বাঁচে না। সে পরিবারে বাঁচে, সমাজে বাঁচে, রাষ্ট্রে বাঁচে, এবং সর্বোপরি একটি বৃহত্তর মানবসমাজের অংশ হিসেবে বাঁচে। এই সহাবস্থানের জগতে সকল মানুষের চিন্তা, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, রুচি, সংস্কৃতি ও জীবনদর্শন কখনোই একরকম হতে পারে না। প্রকৃতির মতো মানবসমাজও বৈচিত্র্যময়। ফুলের বাগানে যেমন কেবল একটি ফুল থাকলে সৌন্দর্য পূর্ণতা পায় না, তেমনি সমাজও একমাত্রিক চিন্তায় প্রাণবন্ত হতে পারে না। ভিন্নতা তাই কোনো দুর্বলতা নয়; বরং মানবসভ্যতার অন্যতম শক্তি। আর এই ভিন্নতাকে সম্মান করার যে মহান মানবিক গুণ, তারই নাম পরমতসহিষ্ণুতা।

পরমতসহিষ্ণুতা কেবল একটি সামাজিক আচরণ নয়; এটি এক গভীর নৈতিক চেতনা। এর অর্থ এই নয় যে, অন্যের মতের সঙ্গে অবশ্যই একমত হতে হবে। বরং এর প্রকৃত অর্থ হলো— আমি তোমার মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু তোমার মত প্রকাশের অধিকারকে সম্মান করব। এই বোধের মধ্যেই নিহিত রয়েছে সভ্যতার পরিণত রূপ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, পৃথিবীর অধিকাংশ সংঘাত, যুদ্ধ, রক্তপাত এবং বিভেদের মূল কারণ ছিল অসহিষ্ণুতা। যখন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাষ্ট্র মনে করে যে কেবল তার চিন্তাই সত্য এবং অন্য সকল চিন্তা ভ্রান্ত, তখনই শুরু হয় দমন, নিপীড়ন ও সংঘর্ষের পথচলা। মতের ভিন্নতাকে যখন শত্রুতা হিসেবে দেখা হয়, তখন সমাজে অবিশ্বাস জন্ম নেয়; আর অবিশ্বাসের মাটি থেকেই ঘৃণার বিষবৃক্ষ বেড়ে ওঠে।

অন্যদিকে, যে সমাজে পরমতসহিষ্ণুতা বিদ্যমান থাকে, সেখানে মতের পার্থক্য বিভাজনের কারণ হয় না; বরং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করে। সেখানে বিতর্ক থাকে, কিন্তু বিদ্বেষ থাকে না; মতভেদ থাকে, কিন্তু মনভেদ থাকে না। কারণ একটি পরিণত সমাজ জানে, সত্যের একক মালিক কেউ নয়। সত্যের অনুসন্ধান বহু কণ্ঠ, বহু অভিজ্ঞতা এবং বহু দৃষ্টিভঙ্গির সম্মিলিত যাত্রা।

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো মতের প্রতি অসহিষ্ণুতা। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি সংযুক্ত হলেও হৃদয়ের দূরত্ব অনেক ক্ষেত্রে বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা প্রায়ই দেখি, ভিন্নমত প্রকাশ করলেই মানুষ একে অপরকে অপমান করে, হেয় করে, ঘৃণা ছড়ায়। যুক্তির পরিবর্তে ব্যক্তিগত আক্রমণকে গুরুত্ব দেয়। ফলে সংলাপের সংস্কৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বিভাজনের দেয়াল ক্রমেই উঁচু হতে থাকে।

কিন্তু সভ্যতার অগ্রযাত্রা কখনো একক কণ্ঠের মাধ্যমে সম্ভব হয়নি। বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য, রাজনীতি কিংবা সংস্কৃতি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই নতুন চিন্তার জন্ম হয়েছে প্রশ্ন, মতভেদ এবং মুক্ত আলোচনার মধ্য দিয়ে। যে সমাজ প্রশ্নকে ভয় পায়, ভিন্নমতকে দমন করে, সে সমাজ সাময়িকভাবে স্থির থাকতে পারে; কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তার চিন্তার বিকাশ থেমে যায়। কারণ স্বাধীন চিন্তার বাতাস ছাড়া জ্ঞানের বৃক্ষ বিকশিত হয় না।

পরমতসহিষ্ণুতা মানুষের ব্যক্তিগত জীবনেও অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারে, কর্মক্ষেত্রে কিংবা সামাজিক সম্পর্কে অধিকাংশ দ্বন্দ্বের মূল কারণ হলো— আমরা শুনতে চাই কম, বলতে চাই বেশি। আমরা বুঝতে চাই কম, বিচার করতে চাই বেশি। অথচ একজন মানুষ যখন অন্যের অবস্থান থেকে বিষয়কে দেখার চেষ্টা করে, তখন তার মধ্যে সহমর্মিতা জন্ম নেয়। আর সহমর্মিতাই সহিষ্ণুতার প্রথম পাঠ।

সত্যিকার অর্থে পরমতসহিষ্ণুতা দুর্বলতার পরিচয় নয়; এটি আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ। যে ব্যক্তি নিজের বিশ্বাস সম্পর্কে নিশ্চিত, সে ভিন্নমতকে ভয় পায় না। ভয় পায় সে-ই, যার বিশ্বাসের ভিত দুর্বল। তাই ইতিহাসে দেখা যায়, মহান চিন্তাবিদরা কখনো প্রশ্নকে দমন করেননি; বরং প্রশ্নকে স্বাগত জানিয়েছেন। কারণ তারা জানতেন, সত্যের শক্তি যুক্তির মধ্যেই নিহিত, জবরদস্তির মধ্যে নয়।
রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও পরমতসহিষ্ণুতা একটি অপরিহার্য মূল্যবোধ। গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি হলো মতের বহুমাত্রিকতা। বিরোধী মতকে শত্রু হিসেবে নয়, বরং বিকল্প চিন্তার উৎস হিসেবে গ্রহণ করার মধ্যেই একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রকাশ পায়। যেখানে ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত থাকে, সেখানে নাগরিক স্বাধীনতা বিকশিত হয়; আর যেখানে ভিন্নমতকে ভয় করা হয়, সেখানে স্বাধীনতার পরিসর সংকুচিত হতে থাকে।

মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাস আমাদের একটি গভীর শিক্ষা দেয়— শক্তি দিয়ে মানুষকে নীরব করা যায়, কিন্তু সম্মান অর্জন করা যায় না। ভয় দেখিয়ে আনুগত্য আদায় করা যায়, কিন্তু হৃদয়ের বিশ্বাস অর্জন করা যায় না। প্রকৃত শান্তি আসে তখনই, যখন মানুষ নিজেকে নিরাপদ মনে করে, নিজের কথা বলার অধিকার অনুভব করে এবং অন্যের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকেও সমানভাবে মর্যাদা দেয়।

পরমতসহিষ্ণুতা তাই কেবল একটি সামাজিক গুণ নয়; এটি সভ্যতার আত্মা। এটি মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে, বিভেদের দেয়াল ভেঙে দেয় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তি নির্মাণ করে। যে সমাজ এই মূল্যবোধকে ধারণ করে, সে সমাজে মতের বৈচিত্র্য থাকে, কিন্তু সংঘাত কমে; প্রতিযোগিতা থাকে, কিন্তু বিদ্বেষ জন্ম নেয় না; স্বাধীনতা থাকে, কিন্তু বিশৃঙ্খলা নয়।
অতএব, আমাদের মনে রাখতে হবে— সভ্যতার প্রকৃত পরিচয় একমতের আধিপত্যে নয়, বরং ভিন্নমতের সহাবস্থানে। পরমতসহিষ্ণুতা সেই মহৎ প্রজ্ঞা, যা মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে শেখায়, মতের কারণে শত্রু নয়। কারণ শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতার যে বৃক্ষ আমরা সমাজে রোপণ করতে চাই, তার প্রথম বীজটির নামই হলো পরমতসহিষ্ণুতা। এটি শুধু একটি শব্দ নয়; এটি সভ্য সমাজ ও সুস্থ রাষ্ট্র নির্মাণের চিরন্তন বীজমন্ত্র।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253131/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 13:39:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরমতসহিষ্ণুতা : সভ্যতার অন্তর্লীন প্রজ্ঞা<br />
__ পি কে সরকার</p>
<p>মানুষ একা বাঁচে না। সে পরিবারে বাঁচে, সমাজে বাঁচে, রাষ্ট্রে বাঁচে, এবং সর্বোপরি একটি বৃহত্তর মানবসমাজের অংশ হিসেবে বাঁচে। এই সহাবস্থানের জগতে সকল মানুষের চিন্তা, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, রুচি, সংস্কৃতি ও জীবনদর্শন কখনোই একরকম হতে পারে না। প্রকৃতির মতো মানবসমাজও বৈচিত্র্যময়। ফুল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253131"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253131/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6b194c433bbbabbeb512c86885f81954</guid>
				<title>&quot;ক্ষমতার প্রকৃতি চিরকালই এমন যে, সে আনুগত্য ভালোবাসে, প্রশ্ন নয়।&quot;
___ পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248623/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 13:26:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;ক্ষমতার প্রকৃতি চিরকালই এমন যে, সে আনুগত্য ভালোবাসে, প্রশ্ন নয়।&#8221;<br />
___ পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8675e9f09e2ba66a84e6c725219c9ca3</guid>
				<title>প্রশ্নের অধিকার ও সত্যের আলো
___ পি কে সরকার 

যে সমাজে প্রশ্নের অধিকার সংকুচিত হয়, সেখানে সত্য ধীরে ধীরে নির্বাসিত হয়; আর যেখানে প্রশ্ন বেঁচে থাকে, সেখানেই মুক্ত চিন্তার আলো জ্বলে ওঠে। এই সত্যটি যেকোনো সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন করার স্বাধীনতা কেবল ব্যক্তির অধিকার নয়, বরং সমগ্র জাতির অগ্রগতি ও জ্ঞানচর্চার মূল চালিকাশক্তি।

যখন কোনো সমাজে প্রশ্ন করাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয়, প্রচলিত ধারণা, ক্ষমতা বা প্রথাকে চ্যালেঞ্জ করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন সেই সমাজ ধীরে ধীরে সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সত্য কখনো স্থির নয়, এটি নিরন্তর অনুসন্ধানের ফসল। প্রশ্ন না থাকলে ভুল ধারণা, কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস গভীর শেকড় গেড়ে বসে। ইতিহাস তার সাক্ষী। মধ্যযুগীয় ইউরোপে গির্জার কর্তৃত্ব যখন প্রশ্নের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল, তখন বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চা স্তব্ধ হয়ে পড়ে। গ্যালিলিওকে শাস্তি দিয়ে সত্যকে দমন করা হয়নি, বরং সমাজ নিজেকেই অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিল। একইভাবে, যেসব সমাজে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সামাজিক ক্ষমতা প্রশ্ন এড়িয়ে চলে, সেখানে সুবিধাজনক মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে সৃজনশীলতা মরে যায়, উন্নয়ন ব্যাহত হয় এবং মানুষের চিন্তা দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি হয়।

অপরদিকে, যেসব সমাজ প্রশ্নকে উৎসাহিত করে এবং লালন করে, সেখানে মুক্ত চিন্তার আলো ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন হলো জ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ। সক্রেটিস যথার্থই বলেছিলেন, অনুসন্ধানহীন জীবন বেঁচে থাকার যোগ্য নয়। প্রশ্নের মাধ্যমে মানুষ অজানাকে জানে, ভুলকে সংশোধন করে এবং নতুন পথ আবিষ্কার করে। আধুনিক বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ভিত্তি এই প্রশ্নের সংস্কৃতির উপরেই নির্মিত। রেনেসাঁ ও আলোকিত যুগে যখন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছিল, তখনই ইউরোপে বিজ্ঞান, দর্শন, শিল্প ও গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছিল। আজকের উন্নত সমাজগুলোতে যেখানে শিক্ষা, গবেষণা ও গণমাধ্যমে প্রশ্নের স্বাধীনতা বেশি, সেখানে উদ্ভাবন ও সামাজিক ন্যায়বিচারও তত বেশি।
প্রশ্ন শুধু বৈজ্ঞানিক সত্য আবিষ্কার করে না, সমাজের অসঙ্গতি, অন্যায় ও অবিচারকেও উন্মোচিত করে। এটি ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনে। যে সমাজে নাগরিকেরা নির্ভয়ে সরকারের নীতি, সামাজিক রীতি বা প্রচলিত বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে, সেই সমাজই সত্যিকার অর্থে অগ্রসর।

তাই প্রশ্নের অধিকার সংরক্ষণ কোনো বিলাসিতা নয়, বরং সমাজের বেঁচে থাকা ও এগিয়ে চলার অপরিহার্য শর্ত। যে সমাজ প্রশ্নকে ভয় পায়, সে আসলে নিজের অস্তিত্বকেই ভয় পায়। আর যে সমাজ প্রশ্নকে স্বাগত জানায়, সে সমাজ নিজেকে আলোকিত করার পথ খুঁজে পায়। আমাদের সমাজেও যদি শিক্ষা, পরিবার, রাজনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে প্রশ্নের সংস্কৃতি গড়ে তোলা যায়, তাহলে সত্যের পথ প্রশস্ত হবে এবং মুক্ত চিন্তার আলোয় অন্ধকার নিজে থেকেই সরে যাবে। প্রশ্ন করুন, প্রশ্নকে উৎসাহিত করুন—কারণ প্রশ্ন যেখানে বেঁচে থাকে, সেখানেই মানবসভ্যতার সত্যিকারের অগ্রযাত্রা সম্ভব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248331/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 15:50:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রশ্নের অধিকার ও সত্যের আলো<br />
___ পি কে সরকার </p>
<p>যে সমাজে প্রশ্নের অধিকার সংকুচিত হয়, সেখানে সত্য ধীরে ধীরে নির্বাসিত হয়; আর যেখানে প্রশ্ন বেঁচে থাকে, সেখানেই মুক্ত চিন্তার আলো জ্বলে ওঠে। এই সত্যটি যেকোনো সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন করার স্বাধীনতা কেবল ব্যক্তির অধিকার নয়, বরং সমগ্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248331"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248331/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e0de5d978db30b272caec45e2da3068</guid>
				<title>সত্য ও সাহস
 ___ পি কে সরকার

মানবসভ্যতার ইতিহাসে সত্য সর্বদাই এক দ্বিমুখী বাস্তবতা—
একদিকে তা মুক্তির দীপশিখা, অন্যদিকে তা ভয়ের কারণ। মানুষ মুখে সত্যের বন্দনা করলেও, অন্তরে সে প্রায়শই সত্যের পরিণামকে ভয় পায়। কারণ সত্য কেবল শব্দ নয়; সত্য এক অন্তর্দাহ, এক আত্মিক জাগরণ, যা মানুষকে নিজের মুখোমুখি দাঁড় করায়। আর নিজের অন্তরের অন্ধকারের দিকে তাকানোর সাহস সকলের থাকে না।

ক্ষমতার প্রকৃতি চিরকালই এমন যে, সে আনুগত্য ভালোবাসে, প্রশ্ন নয়। ক্ষমতা চায় প্রশংসার প্রতিধ্বনি, বিবেকের প্রতিবাদ নয়। তাই ইতিহাসের প্রতিটি যুগে দেখা যায়— যে ব্যক্তি সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করে ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, সে বাহ্যিকভাবে পরাজিত হলেও আত্মিকভাবে মহিমান্বিত হয়েছে। কারণ সত্যের শক্তি বাহুর বল থেকে জন্ম নেয় না; তা জন্ম নেয় আত্মার গভীর নির্ভীকতা থেকে।

আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে সত্য কেবল নৈতিক আচরণ নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধি। মানুষ যখন মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তখন সে শুধু অন্যকে প্রতারণা করে না; সে নিজের অস্তিত্বকেও বিভক্ত করে ফেলে। বাহ্যিক মুখোশ আর অন্তর্গত সত্তার মধ্যে এক গভীর ফাটল সৃষ্টি হয়। সেই ফাটল থেকেই জন্ম নেয় অস্থিরতা, ভয়, এবং আত্মিক শূন্যতা। তাই উপনিষদের ঋষিরা বলেছিলেন— “সত্যমেব জয়তে” — সত্যের জয় কেবল সামাজিক বিজয় নয়, আত্মার মুক্তিও বটে।

কিন্তু সত্যের পথে চলা কেন এত কঠিন? কারণ সত্য মানুষকে একাকী করে দেয়। মিথ্যার বাজারে সত্যবাদী মানুষ প্রায়শই অপরিচিত, অবাঞ্ছিত, এমনকি বিপজ্জনক হিসেবেও বিবেচিত হয়। সমাজ অনেক সময় সত্যকে গ্রহণ করে না; বরং তাকে শাস্তি দেয়। তবুও কিছু মানুষ সত্যের পাশে দাঁড়ায়। কেন? কারণ তারা জানে— মিথ্যার আশ্রয়ে নিরাপদ জীবন পাওয়া গেলেও, সেখানে আত্মমর্যাদার মৃত্যু ঘটে।

দার্শনিকভাবে সত্য এক গভীর অস্তিত্ববোধ। সত্য মানে কেবল ঘটনার সঠিক বর্ণনা নয়; সত্য মানে নিজের বিবেকের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা। যে ব্যক্তি সকল ভয়, লোভ ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সত্যকে ধারণ করতে পারে, সে এক প্রকার আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা অর্জন করে। বাহ্যিক শৃঙ্খল তাকে আবদ্ধ করতে পারে, কিন্তু তার অন্তরকে পরাজিত করতে পারে না।

ক্ষমতার সামনে সত্য বলা তাই নিছক সাহসিকতা নয়; এটি আত্মার পরীক্ষা। কারণ সেখানে মানুষকে নির্বাচন করতে হয়— সে কি নিরাপত্তার বিনিময়ে নীরব থাকবে, নাকি ঝড় জেনেও সত্যের প্রদীপ হাতে এগিয়ে যাবে। অধিকাংশ মানুষ প্রথম পথটি বেছে নেয়; অল্প কিছু মানুষ দ্বিতীয় পথের যাত্রী হয়। আর ইতিহাস শেষ পর্যন্ত সেই অল্প কয়েকজনের নামই স্মরণ রাখে, যারা ভয়কে অতিক্রম করে সত্যকে বরণ করেছিল।

অতএব, সত্য কেবল উচ্চারণের বিষয় নয়; সত্য এক সাধনা। এটি এমন এক আধ্যাত্মিক যাত্রা, যেখানে মানুষ ধীরে ধীরে মুখোশ ত্যাগ করে নিজের নির্মল সত্তার দিকে অগ্রসর হয়। আর সেই পথের শেষেই হয়তো মানুষ উপলব্ধি করে— সত্যের সবচেয়ে বড় শক্তি পৃথিবীকে বদলানো নয়, বরং মানুষের আত্মাকে জাগ্রত করা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247969/</link>
				<pubDate>Fri, 15 May 2026 15:15:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সত্য ও সাহস<br />
 ___ পি কে সরকার</p>
<p>মানবসভ্যতার ইতিহাসে সত্য সর্বদাই এক দ্বিমুখী বাস্তবতা—<br />
একদিকে তা মুক্তির দীপশিখা, অন্যদিকে তা ভয়ের কারণ। মানুষ মুখে সত্যের বন্দনা করলেও, অন্তরে সে প্রায়শই সত্যের পরিণামকে ভয় পায়। কারণ সত্য কেবল শব্দ নয়; সত্য এক অন্তর্দাহ, এক আত্মিক জাগরণ, যা মানুষকে নিজের মুখোমুখি দাঁড় করায়। আর নিজের অন্তরের অন্ধকারের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247969"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247969/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1a76fac6ed835a32cba991d859e11311</guid>
				<title>দায়বোধের সংকটে সমাজের নীরব পতন
___ পি কে সরকার

মানুষের সভ্যতা কেবল প্রযুক্তির উৎকর্ষে গড়ে ওঠেনি; এটি নির্মিত হয়েছে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং জবাবদিহিতার উপর। অথচ বর্তমান সময়ের এক অদ্ভুত বৈপরীত্য হলো—আমরা যত উন্নত হচ্ছি বাহ্যিকভাবে, ততই ভেতর থেকে শূন্য হয়ে পড়ছি দায়বোধের অভাবে। যেন এক অদৃশ্য ক্ষয় আমাদের ভেতর থেকে সমাজের ভিত্তিকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে। এই দায়বোধের সংকটই আজ আমাদের নীরব পতনের প্রধান সূচনা বিন্দু।
আর্থসামাজিক বাস্তবতায় এই সংকট সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনকে সংকুচিত করে ফেলে, তখন আমরা প্রত্যেকে কোনো না কোনোভাবে দায় এড়িয়ে যেতে চাই। ব্যবসায়ী বাজারকে দোষ দেয়, বাজার বৈশ্বিক প্রভাবকে, আর সাধারণ মানুষ দোষ দেয় রাষ্ট্রকে। কিন্তু এই দোষারোপের ভিড়ে কেউই নিজের ভূমিকার দিকে ফিরে তাকাতে চায় না। ফলে সমস্যার মূল কারণ অনাবিষ্কৃত থেকে যায়, আর সমাধানও অধরা হয়ে পড়ে।
রাজনৈতিক পরিসরে দায়বোধের অভাব যেন এক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ধারণ করেছে। ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দায়ের সংজ্ঞাও পাল্টে যায়। শাসকগোষ্ঠী নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে অতীতকে দায়ী করে, আর বিরোধী শক্তি বর্তমানের প্রতিটি সংকটকে নিজেদের পক্ষে ব্যবহার করতে গিয়ে নিজেদের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করতে অনিচ্ছুক থাকে। এই দ্বন্দ্বের মধ্যে জনগণ কেবল একটি সংখ্যায় পরিণত হয়—যাদের জীবনের বাস্তব সংকট রাজনৈতিক কৌশলের আড়ালে চাপা পড়ে যায়।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই দায়হীনতা আরও সূক্ষ্মভাবে কাজ করে। একজন উদ্যোক্তা যখন অনৈতিক লাভের পথে হাঁটে, তখন সে পরিস্থিতিকে দায়ী করে; একজন কর্মী নিজের দায়িত্বে অবহেলা করলে প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করে; আবার ভোক্তাও অনেক সময় অযৌক্তিক চাহিদার দায় নিজের উপর নিতে চায় না। এই পারস্পরিক দায় এড়িয়ে চলা অর্থনীতিকে একটি অনির্ভরযোগ্য কাঠামোয় পরিণত করে, যেখানে আস্থা এবং নৈতিকতা ক্রমশ বিলুপ্ত হয়।
পারিবারিক জীবনে দায়বোধের সংকট সবচেয়ে নিঃশব্দ কিন্তু গভীর ক্ষত তৈরি করে। একটি শিশুর চরিত্র গঠনে ব্যর্থ হলে আমরা সহজেই শিক্ষাব্যবস্থা বা সমাজকে দায়ী করি, কিন্তু নিজের ভূমিকার দিকে তাকাই না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে কেউই নিজের ভুল স্বীকার করতে চায় না। ফলে সম্পর্কগুলো ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে—কোনো বিস্ফোরণ ছাড়াই, নিঃশব্দে। এই নিঃশব্দ ভাঙনই সমাজের বৃহত্তর কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়।
সামাজিক পরিসরে দায়হীনতা আমাদের নৈতিক চেতনার অবক্ষয় ঘটায়। আমরা অন্যায় দেখি, কিন্তু প্রতিবাদ করি না; আমরা দুর্নীতি জানি, কিন্তু নীরব থাকি। এই নীরবতাই আসলে এক ধরনের দায় এড়িয়ে চলা। আমরা মনে করি, “এটা আমার কাজ নয়,” কিন্তু ভুলে যাই—এই নীরবতার মধ্য দিয়েই অন্যায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সমাজের প্রতিটি অন্যায়ের পেছনে তাই কেবল অপরাধীর দায় নয়, নীরব দর্শকের দায়ও কম নয়।
পেশাগত ক্ষেত্রে দায়বোধের অভাব দক্ষতার পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায়। যে কর্মী নিজের ভুল স্বীকার করতে পারে না, সে কখনো উন্নতি করতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠান নিজের ব্যর্থতার বিশ্লেষণ না করে বাহ্যিক কারণকে দায়ী করে, সে প্রতিষ্ঠানও স্থায়ী সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। কারণ উন্নতির পূর্বশর্ত হলো আত্মসমালোচনা, আর আত্মসমালোচনার প্রথম ধাপই হলো দায় স্বীকার।
মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকেও দায় এড়িয়ে চলা একটি আত্মপ্রবঞ্চনার রূপ, যা প্রায়ই “Blame Shifting” নামে পরিচিত। এটি মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তাকে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলে ব্যক্তি নিজের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ হারায়, আর সমাজ তার সামষ্টিক শক্তি হারাতে থাকে।
তবে এই অন্ধকারের মধ্যেও সম্ভাবনার আলো রয়েছে। দায় স্বীকার করার মধ্যেই লুকিয়ে আছে পরিবর্তনের সূচনা। যে ব্যক্তি নিজের ভুলের দায় নিতে পারে, সে নিজের ভেতরে নতুন এক শক্তির জন্ম দেয়—একটি সৎ সাহস, যা তাকে উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়। একইভাবে, একটি সমাজ যদি তার ভুলগুলোকে স্বীকার করতে শেখে, তবে সেই সমাজই একদিন তার সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাবে।
অতএব, দায়বোধের সংকট কেবল একটি ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়; এটি একটি সামষ্টিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস। এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের প্রত্যেককে নিজের অবস্থান থেকে দায় গ্রহণের চর্চা শুরু করতে হবে। কারণ সমাজের নীরব পতন থামাতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন—নিজের ভেতরের নীরব অস্বীকারকে ভেঙে ফেলা।
শেষ পর্যন্ত, দায় এড়িয়ে চলা মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু দায় গ্রহণই মানুষকে প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী করে। আর শক্তিশালী মানুষ দিয়েই গড়ে ওঠে একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ—যেখানে পতন নয়, সৃষ্টি হয় অগ্রগতির নতুন ইতিহাস।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246066/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 08:11:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দায়বোধের সংকটে সমাজের নীরব পতন<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>মানুষের সভ্যতা কেবল প্রযুক্তির উৎকর্ষে গড়ে ওঠেনি; এটি নির্মিত হয়েছে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং জবাবদিহিতার উপর। অথচ বর্তমান সময়ের এক অদ্ভুত বৈপরীত্য হলো—আমরা যত উন্নত হচ্ছি বাহ্যিকভাবে, ততই ভেতর থেকে শূন্য হয়ে পড়ছি দায়বোধের অভাবে। যেন এক অদৃশ্য ক্ষয় আমাদের ভেতর থেকে সমাজের ভিত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246066"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246066/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bb64d042249c3dc1bde02c8416c74953</guid>
				<title>নিখোঁজ আত্মা, ছিন্ন মস্তক
___ পি কে সরকার

নয়ন—নামটির মধ্যেই যেন ছিল এক অদ্ভুত দীপ্তি, এক অমলিন চাঞ্চল্য।
আমাদের ক্লাসে সে ছিল এক ব্যতিক্রমী উপস্থিতি—যাকে এড়িয়ে যাওয়া যেত না, যাকে ভুলে থাকা যেত না।
জন্ম থেকেই তার ডান হাতটি ছিল অকেজো। কিন্তু আশ্চর্য এই যে, নয়নের জীবনে এই সীমাবদ্ধতা কোনোদিন প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারেনি—অন্তত সে নিজে তা হতে দেয়নি।
তার এক হাতেই ছিল অদ্ভুত দক্ষতা।
সেই এক হাতেই সে দ্রুত লিখতে পারতো, সাইকেল চালাতে পারতো, এমনকি ক্রিকেটের মাঠেও তার উপস্থিতি ছিল ঈর্ষণীয়।
কিন্তু তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল—তার হাসি।
সে কথা বলতো কম, কিন্তু এমনভাবে বলতো—যে আশেপাশের সবাই যেন এক অদৃশ্য আনন্দের বৃত্তে আবদ্ধ হয়ে যেত।

২০০০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার পর, জীবন তার স্বাভাবিক নিয়মেই আমাদের ছড়িয়ে দিল ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্যে।
কেউ শহরে পাড়ি জমালো উচ্চমাধ্যমিকের খোঁজে, কেউ থেকে গেল গ্রামের কলেজে, কেউবা ব্যর্থতার ভার কাঁধে নিয়ে নেমে পড়লো জীবিকার সংগ্রামে।
নয়ন গেল পাশের শহরের একটি সরকারি কলেজে।
তারপর ধীরে ধীরে, দৃঢ় পায়ে এগিয়ে গিয়ে ভর্তি হলো রাজশাহী কলেজে অনার্সে।

পঞ্চবটীর সেই ছাত্রাবাস—যেখানে গোপাল মামার স্নেহময় উপস্থিতি ছিল—ছিল আমাদের যৌবনের এক নির্লোভ আশ্রয়।
সেই দিনগুলোতে অর্থ ছিল না, কিন্তু অভাব ছিল না স্বপ্নের।
ভাতের সাথে ডাল, কখনো একটু ভর্তা—তবুও সেই খাবারেই ছিল অদ্ভুত তৃপ্তি।
রাত জেগে গল্প, হাসি, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা—সব মিলিয়ে জীবন তখন ছিল এক নির্মল উচ্ছ্বাস।
কিন্তু সময়, তার নিজস্ব নিয়মে, ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে ওঠে।

মাস্টার্স শেষ হওয়ার পর, যখন কর্মজীবনের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করলো নয়ন, তখনই সে প্রথমবারের মতো অনুভব করলো—
এই সমাজ তাকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়।
বারবার ইন্টারভিউ, বারবার প্রত্যাখ্যান।
প্রতিটি ব্যর্থতা যেন তার ভেতরের আত্মবিশ্বাসকে একটু একটু করে ক্ষয় করে দিচ্ছিল।
অবশেষে বহু চেষ্টার পর সে রেলওয়ের সহকারী স্টেশন মাস্টার হিসেবে নিয়োগ পেল।

সেই দিনটি ছিল তার জীবনের এক বিরল প্রাপ্তি—
সে ভেবেছিল, এবার হয়তো সবকিছু বদলে যাবে।
কিন্তু বাস্তবতা, কখনো কখনো, স্বপ্নের চেয়েও নির্মম হয়।
পরিবার থেকে যখন বিয়ের কথা উঠলো, তখন আবারও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি তাকে আঘাত করলো।
“ছেলেটা ভালো, কিন্তু…”—এই ‘কিন্তু’ শব্দটিই যেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়ালো।
অবশেষে অনেক চেষ্টার পর সে একটি ছোট্ট সংসার গড়ে তোলে।

কিন্তু সুখ, তার জীবনে, যেন স্থায়ী হওয়ার আগেই বিদায় নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল।
রাজশাহীতে ছাত্রজীবনের এক ভুল সম্পর্ক, বহু বছর পর ফিরে এলো এক ভয়ংকর বাস্তবতা হয়ে।
অভিযোগ, মামলা, অপমান—সবকিছু মিলিয়ে তার জীবন যেন এক অদৃশ্য শিকলে বাঁধা পড়ে গেল।
কর্মক্ষেত্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার—
পরিবারের চোখে সন্দেহ—
সমাজের চোখে প্রশ্ন—
সব মিলিয়ে নয়ন বুঝতে পারলো—
একটি ভুল, কখনো কখনো পুরো জীবনকে গ্রাস করে নিতে পারে।

বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরে, অবশেষে অর্থের বিনিময়ে সেই মামলা নিষ্পত্তি হলো।
সে আবার কাজে ফিরে গেল—
কিন্তু সে আর আগের সেই নয়ন ছিল না।
তার ভেতরে তখন জমে উঠেছে ক্লান্তি, হতাশা, আর এক অদৃশ্য শূন্যতা।
পরিবারের ভেতরেও শুরু হলো নতুন এক দ্বন্দ্ব।
মা-বাবা একদিকে, স্ত্রী অন্যদিকে।
দুই পক্ষের চাওয়া-পাওয়া, অভিমান আর অভিযোগ—সবকিছু মিলিয়ে নয়নের জীবন হয়ে উঠলো এক অন্তহীন টানাপোড়েন।
সে চেয়েছিল—সবাইকে নিয়েই বাঁচতে।
কিন্তু বাস্তবতা তাকে সেই সুযোগ দেয়নি।
এই মানসিক যন্ত্রণার ভার সহ্য করতে না পেরে, সে খুঁজতে লাগলো সাময়িক মুক্তি—
যা ধীরে ধীরে তাকে টেনে নিয়ে গেল আরও গভীর অন্ধকারে।

একদিন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছালো—
তার স্ত্রী তাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বললো।
“আমাকে বেছে নাও, অথবা তোমার মা-বাবাকে।”
এই এক প্রশ্ন—
যার কোনো উত্তর নেই।
নয়ন, যে সবসময় সবাইকে একসাথে রাখতে চেয়েছিল, সেই নয়নই হয়ে উঠলো সবচেয়ে একা।
শেষ দিনটি ছিল অদ্ভুত শান্ত।
সে তার ছোট্ট ছেলেকে নিয়ে সারাদিন ঘুরলো।
খেলনা, খাবার, হাসি—সবকিছুতে ভরিয়ে দিল তার ছোট্ট পৃথিবী।

কিন্তু তার নিজের ভেতরে তখন চলছিল এক নিঃশব্দ বিদায় আয়োজন।
সন্ধ্যার দিকে ছেলেকে মায়ের কাছে পৌঁছে দিয়ে, শুধু একবার তাকিয়েছিল তার দিকে।
তার চোখে ছিল অদ্ভুত এক কোমলতা—
যেন সে কিছু বলতে চায়, কিন্তু শব্দ খুঁজে পাচ্ছে না।
শুধু বলেছিল—
“বাবা, আমি হয়তো একটু দূরে চলে যাবো…”

তারপর—
সে হারিয়ে গেল।
পরদিন ভোরে, শহরের এক পরিত্যক্ত প্রান্তে, রেললাইনের পাশে মানুষের ভিড় জমেছিল।
কেউ ফিসফিস করে বলছিল,
কেউ চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল—
কারণ তারা বুঝতে পারছিল—
এটি কেবল একটি মৃত্যুর ঘটনা নয়।
এটি এক নিখোঁজ আত্মার গল্প—
যে ধীরে ধীরে হারিয়ে গিয়েছিল আমাদের চোখের সামনেই।

নয়ন আজ নেই—
কিন্তু তার গল্প রয়ে গেছে।
একটি প্রশ্ন হয়ে—
আমরা কি সত্যিই মানুষকে তার মতো করে গ্রহণ করতে শিখেছি?
নাকি আমরা এখনও খুঁজে বেড়াই—
তার অসম্পূর্ণতাকে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244980/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 05:15:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিখোঁজ আত্মা, ছিন্ন মস্তক<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>নয়ন—নামটির মধ্যেই যেন ছিল এক অদ্ভুত দীপ্তি, এক অমলিন চাঞ্চল্য।<br />
আমাদের ক্লাসে সে ছিল এক ব্যতিক্রমী উপস্থিতি—যাকে এড়িয়ে যাওয়া যেত না, যাকে ভুলে থাকা যেত না।<br />
জন্ম থেকেই তার ডান হাতটি ছিল অকেজো। কিন্তু আশ্চর্য এই যে, নয়নের জীবনে এই সীমাবদ্ধতা কোনোদিন প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারেনি—অন্তত সে ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244980"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244980/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3435c1f1fcac92270638f70b57a9bbb4</guid>
				<title>পি.কে. সরকার changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244829/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 17:01:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf90b8996b57dfeebbba453c1ca4f005</guid>
				<title>প্রয়োজনের মহিমা
___ পি কে সরকার

প্রয়োজন—মানুষের সম্পর্কের এক নিঃশব্দ নিয়ন্ত্রক শক্তি।
যখন কারো জীবনে আমাদের উপস্থিতি কোনো শূন্যতা পূরণ করে, কোনো সংকটে ভরসা হয়ে দাঁড়ায়, কিংবা কোনো অজানা পথের দিশা দেখায়—তখনই আমরা হয়ে উঠি “গুরুত্বপূর্ণ”। তখন আমাদের কথা মূল্য পায়, আমাদের অস্তিত্বের চারপাশে তৈরি হয় এক ধরনের প্রয়োজনের বলয়। সেই বলয়ের ভেতরে আমরা আদর পাই, সম্মান পাই, এমনকি কখনো কখনো অযৌক্তিক গুরুত্বও পেয়ে যাই। কারণ, মানুষ তখন আমাদের নয়—আমাদের প্রয়োজনটাকেই ভালোবাসে।
কিন্তু প্রয়োজনের এই উজ্জ্বলতা চিরস্থায়ী নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়, পরিস্থিতি বদলায়, মানুষের চাহিদার রূপান্তর ঘটে। যে হাত একদিন প্রয়োজনের তাগিদে আমাদের আঁকড়ে ধরেছিল, সেই হাতই একদিন আলগা হয়ে আসে। তখন আমরা হঠাৎই আবিষ্কার করি—আমাদের গুরুত্ব আসলে আমাদের নিজের ছিল না; তা ছিল কেবল প্রয়োজনের ধার করা আলো।
অপ্রয়োজনের মুহূর্তটি সবচেয়ে নির্মম। সেখানে কোনো তর্ক নেই, কোনো অভিযোগের স্থান নেই—শুধু নিঃশব্দ দূরত্ব। মানুষ তখন আর দূরে ঠেলে দেয় না প্রকাশ্যে; বরং ধীরে ধীরে সরে যায়, যোগাযোগ কমিয়ে দেয়, উপস্থিতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে তোলে। আমরা বুঝতে পারি, সম্পর্কের মূলে ছিল না হৃদয়ের টান, ছিল কেবল প্রয়োজনের হিসাব।
তবুও এই বাস্তবতা মানুষকে তিক্ত করে তোলার জন্য নয়, বরং সচেতন করার জন্য। কারণ, যদি আমরা কেবল প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে নিজের মূল্য নির্ধারণ করি, তবে আমরা বারবার ভেঙে পড়ব। কিন্তু যদি নিজের ভেতরে এমন এক সত্তা গড়ে তুলি, যা প্রয়োজনের ঊর্ধ্বে—তবে আমরা কারো কাছে গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, নিজের কাছে কখনোই অপ্রয়োজনীয় হব না।
সত্যি কথা হলো—প্রয়োজন মানুষকে কাছে আনে, কিন্তু ভালোবাসা মানুষকে ধরে রাখে। তাই সম্পর্কের গভীরতা যাচাই করতে হলে প্রয়োজন নয়, প্রয়োজন ফুরানোর পরের আচরণটিই আসল পরীক্ষা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244828/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 16:59:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রয়োজনের মহিমা<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>প্রয়োজন—মানুষের সম্পর্কের এক নিঃশব্দ নিয়ন্ত্রক শক্তি।<br />
যখন কারো জীবনে আমাদের উপস্থিতি কোনো শূন্যতা পূরণ করে, কোনো সংকটে ভরসা হয়ে দাঁড়ায়, কিংবা কোনো অজানা পথের দিশা দেখায়—তখনই আমরা হয়ে উঠি “গুরুত্বপূর্ণ”। তখন আমাদের কথা মূল্য পায়, আমাদের অস্তিত্বের চারপাশে তৈরি হয় এক ধরনের প্রয়োজনের বলয়। সেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244828"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244828/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab5a4ed077035a81578234433f0baa44</guid>
				<title>বৈচিত্র্যের মহিমা: অদ্বৈত সত্তার বহুত্ববাদী স্পন্দন
  ___ পি কে সরকার

সৃষ্টির অনাদি আঙিনায় যদি আমরা দৃষ্টিপাত করি, তবে দেখব মহাবিশ্বের প্রতিটি ধূলিকণা থেকে শুরু করে সুদূর নীহারিকা পর্যন্ত সবকিছুই এক অখণ্ড বৈচিত্র্যের সুতোয় গাঁথা। প্রকৃতির এই যে অনন্ত রূপ—কোথাও পাহাড়ের মৌন গাম্ভীর্য, কোথাও সমুদ্রের চপল গর্জন, কোথাও অরণ্যের নিবিড় ছায়া—এই আপাত বৈপরীত্যই মূলত মহাজাগতিক ভারসাম্যের মূল চাবিকাঠি। প্রকৃতিতে যদি কেবল একটি ঋতু থাকত, কিংবা কেবল একটি বর্ণের ফুল ফুটত, তবে সেই একঘেয়েমি হত সৃষ্টির অপমৃত্যু। আধ্যাত্মিক দর্শনে এই বৈচিত্র্যই হলো সেই পরমাত্মার বহু রূপে আত্মপ্রকাশের লীলা।
ঠিক একইভাবে, মানব সমাজও এক একটি জীবন্ত অরণ্যের মতো। সেখানে চিন্তার ভিন্নতা, আদর্শের সংঘাত এবং দর্শনের বিচিত্র ধারা থাকা কেবল কাম্য নয়, বরং অপরিহার্য। সমাজের শক্তিমত্তা তার একরৈখিকতায় নয়, বরং তার বহুমুখিতায়। যখন আমরা ভিন্ন মতাদর্শকে ধ্বংস করতে উদ্যত হই, তখন আমরা আসলে সেই মহাসত্যকেই অস্বীকার করি যা আমাদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে। একটি বাগানে যেমন কাঁটা এবং ফুল সহাবস্থান করে পূর্ণতা পায়, একটি সুস্থ সমাজেও তেমনি পরস্পরবিরোধী মতবাদগুলো একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
আধ্যাত্মিক চেতনার উচ্চমার্গ থেকে দেখলে বোঝা যায়, ভিন্নমত কোনো শত্রুতা নয়, বরং সত্যের সন্ধানে ভিন্ন ভিন্ন পথ মাত্র। প্রতিটি মানুষের চেতনা এক একটি স্বতন্ত্র দর্পণ, যেখানে সত্যের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবিম্ব ধরা পড়ে। যখন কোনো সমাজ বা রাষ্ট্র ক্ষমতার দম্ভে এই দর্পণগুলোকে চূর্ণ করে দিয়ে কেবল একটিমাত্র প্রতিচ্ছবি দেখতে চায়, তখন সেখানে ধসে পড়ে সভ্যতার মেরুদণ্ড। ভিন্নমতের বিনাশ মানেই হলো সৃজনশীলতার সমাধি এবং এক প্রকার আত্মিক দেউলিয়াত্ব।
প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলে যেমন মহাপ্রলয় অনিবার্য, তেমনি সমাজের বৈচিত্র্যময় চিন্তাধারাকে রুদ্ধ করলে সেখানে নেমে আসে অন্ধকারের প্লাবন। তাই প্রকৃত প্রজ্ঞা হলো সেই ভিন্নতাকে শ্রদ্ধা করা, সেই বৈচিত্র্যকে আলিঙ্গন করা। কারণ, যেখানে সংঘাত নেই, সেখানে সত্যের মন্থন অসম্ভব; আর যেখানে বৈচিত্র্য নেই, সেখানে জীবনের স্পন্দনও অনুপস্থিত। সৃষ্টির এই অপার রহস্যকে উপলব্ধি করাই হলো প্রকৃত মনুষ্যত্ব এবং উচ্চতর আধ্যাত্মিক জাগরণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243874/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 13:14:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৈচিত্র্যের মহিমা: অদ্বৈত সত্তার বহুত্ববাদী স্পন্দন<br />
  ___ পি কে সরকার</p>
<p>সৃষ্টির অনাদি আঙিনায় যদি আমরা দৃষ্টিপাত করি, তবে দেখব মহাবিশ্বের প্রতিটি ধূলিকণা থেকে শুরু করে সুদূর নীহারিকা পর্যন্ত সবকিছুই এক অখণ্ড বৈচিত্র্যের সুতোয় গাঁথা। প্রকৃতির এই যে অনন্ত রূপ—কোথাও পাহাড়ের মৌন গাম্ভীর্য, কোথাও সমুদ্রের চপল গর্জন, কোথাও অরণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243874"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243874/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">49610f4fc5d851927063cd974deb45c3</guid>
				<title>“তিনারা বি-শেষ-অজ্ঞ…”
___ পি কে সরকার

তিনারা বি-শেষ-অজ্ঞ...
ভর সন্ধ্যায় তিনাদের নাম নিতে নাই;
তাই....!!??
কারণ, নাম নিলেই নাকি বিপদ।
কেউ বলে—তারা শুনে ফেলে।
কেউ বলে—তারা দেখে ফেলে।
আর যারা একটু বেশি জানে, তারা চুপ করে থাকে—কারণ তারা জানে, “তিনারা” শুধু শোনে না, শোনানোর ব্যবস্থাও করে।
এই “তিনারা” কারা—সে প্রশ্ন করা আজকাল ভীষণ দুঃসাহসের কাজ।
কারণ প্রশ্ন মানেই সন্দেহ, সন্দেহ মানেই বিরোধিতা, আর বিরোধিতা মানেই—অদৃশ্য এক তালিকায় নিজের নাম তুলে দেওয়া।
সময়ের কী অদ্ভুত পরিহাস—
একসময় মানুষ সন্ধ্যায় ভূতের ভয় পেত,
এখন মানুষ সন্ধ্যায় মানুষকেই ভয় পায়।
তিনারা আজ সর্বত্র—
ক্ষমতার অলিন্দে,
নীতির আড়ালে,
আইনের ভাষ্যে,
এমনকি ন্যায়ের মঞ্চেও তাদের অদৃশ্য উপস্থিতি।
তারা বলে—সবকিছু জনগণের জন্য।
কিন্তু জনগণ কোথায়?
জনগণ দাঁড়িয়ে থাকে লাইনে,
আর “তিনারা” দাঁড়িয়ে থাকে লাইনের বাইরে।
তারা উন্নয়নের গল্প শোনায়,
আর বাস্তবতা নিঃশব্দে কাঁদে।
তারা নীতির কথা বলে,
আর নীতি লজ্জায় মুখ লুকায়।
অর্থনীতি তাদের হাতে এক জাদুর কাঠি—
যেখানে সংখ্যাগুলো বাড়ে,
কিন্তু মানুষের পকেট ফাঁকা থাকে।
রাজনীতি তাদের কাছে এক মঞ্চ—
যেখানে অভিনয় চলে,
আর দর্শক করতালি দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
কেউ যদি প্রশ্ন তোলে—
“কেন?”
তখন উত্তর আসে—
“সময়টা ভালো না।”
“এখন এসব বলা ঠিক না।”
“দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।”
তাই মানুষ শিখে গেছে—
ভর সন্ধ্যায় নয়,
দুপুরে নয়,
রাতে নয়—
কখনোই “তিনাদের” নাম নিতে নাই।
কারণ,
এখানে অজ্ঞ হওয়াটাই সবচেয়ে বড় জ্ঞান,
নীরব থাকাটাই সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তা,
আর ভুলে যাওয়াটাই সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।
তিনারা বি-শেষ-অজ্ঞ...
তবুও সব জানে,
সব দেখে,
সব শোনে।
আর আমরা—
সব জেনেও,
না জানার ভান করে বেঁচে থাকি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243128/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 06:18:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“তিনারা বি-শেষ-অজ্ঞ…”<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>তিনারা বি-শেষ-অজ্ঞ&#8230;<br />
ভর সন্ধ্যায় তিনাদের নাম নিতে নাই;<br />
তাই&#8230;.!!??<br />
কারণ, নাম নিলেই নাকি বিপদ।<br />
কেউ বলে—তারা শুনে ফেলে।<br />
কেউ বলে—তারা দেখে ফেলে।<br />
আর যারা একটু বেশি জানে, তারা চুপ করে থাকে—কারণ তারা জানে, “তিনারা” শুধু শোনে না, শোনানোর ব্যবস্থাও করে।<br />
এই “তিনারা” কারা—সে প্রশ্ন করা আজকাল ভীষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243128"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243128/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">797d4b0bd23fa5d91ba9a120b1aa5935</guid>
				<title>পি.কে. সরকার and Khondkar Mostaque Ahmed are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240523/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 20:54:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">898945a0cbeb52ef2562eebe276af9b0</guid>
				<title>“মাঝে মাঝে নিঃস্ব হওয়াও মন্দ নয়; কারণ সেই নিঃস্বতার নির্জন মুহূর্তেই মানুষ নিজের প্রকৃত সত্তাকে আবিষ্কার করতে শেখে। প্রাচুর্যের কোলাহলে যে সত্যগুলো আড়াল হয়ে থাকে, অভাবের নীরবতায় সেগুলোই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তখনই বোঝা যায়—আমি কে, আমার অবস্থান কোথায়, আর সমাজ ও পরিবারের বৃত্তে আমার প্রকৃত মূল্য কতটুকু।”

___ পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/238616/</link>
				<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 11:28:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“মাঝে মাঝে নিঃস্ব হওয়াও মন্দ নয়; কারণ সেই নিঃস্বতার নির্জন মুহূর্তেই মানুষ নিজের প্রকৃত সত্তাকে আবিষ্কার করতে শেখে। প্রাচুর্যের কোলাহলে যে সত্যগুলো আড়াল হয়ে থাকে, অভাবের নীরবতায় সেগুলোই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তখনই বোঝা যায়—আমি কে, আমার অবস্থান কোথায়, আর সমাজ ও পরিবারের বৃত্তে আমার প্রকৃত মূল্য কতটুকু।”</p>
<p>___ পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1cbfaddf919680ac92d981564db84495</guid>
				<title>কেন? — অস্তিত্বের অন্তরাল অনুসন্ধান
পি কে সরকার

অস্তিত্বের গভীর রহস্যে নিমজ্জিত হয়ে মানবচেতনা যুগে যুগে এক অনিবার্য প্রশ্নের সামনে এসে দাঁড়ায়—কেন? কেন এই বিশ্বে আমাদের আবির্ভাব? জীবনের গূঢ় সারাংশ কী? কোন অদৃশ্য প্রক্রিয়ার অন্তর্লীন স্পন্দনে জন্ম নেয় এই সত্তা, আর কেনই বা একদিন তার অন্তর্ধান অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে? জন্মের পূর্ববর্তী অন্ধকারে কোথায় ছিল আমাদের চেতনার বীজ, আর মৃত্যুর পরবর্তী অসীম নীরবতায় কোথায় বিলীন হবে তার আলোকরেখা?
এই মহাবিশ্ব যেন এক অনন্ত নাট্যমঞ্চ—যেখানে সময়, শক্তি ও পদার্থের অগণিত কণিকা অবিরাম এক মহাজাগতিক নৃত্যে মগ্ন। সেই আদিম শক্তির গূঢ় পরিক্রমায়, অদৃশ্য নিয়মের সুষমায়, উদ্ভূত হয়েছে আমাদের ক্ষণস্থায়ী অস্তিত্ব। আমরা কেউই এই বিশ্বনাট্যের কেন্দ্রবিন্দু নই; আমরা কেবল সেই অসীম প্রবাহের ক্ষণিক তরঙ্গ—যে তরঙ্গ মুহূর্তের জন্য আলো ছড়িয়ে আবার মিলিয়ে যায় অনন্তের গভীরতায়।
আমাদের আগমন কোনো পূর্বনির্ধারিত নির্দেশের ফল নয়। এটি যেন সম্ভাবনার অসীম সমুদ্র থেকে উঠে আসা এক বিস্ময়কর সুযোগ—একটি বিরল ঘটনা, যেখানে পদার্থের নিস্তব্ধ কণিকাগুলো একদিন চেতনার দীপ্তিতে জেগে ওঠে। এই কারণেই জীবনের উদ্দেশ্য কোনো বাহ্যিক বিধানে নির্ধারিত নয়; তার অর্থ নিহিত রয়েছে মানুষের নিজস্ব সৃষ্টিশীলতায়। মানুষ নিজেই তার জীবনের উদ্দেশ্য নির্মাণ করে—ভালোবাসার গভীরতায়, জ্ঞানের আলোকময় অনুসন্ধানে, সৃজনশীলতার অনির্বচনীয় আনন্দে এবং অপরের সঙ্গে আত্মিক সংযোগের মধ্য দিয়ে।
এই পৃথিবীতে আমাদের উপস্থিতি তাই এক অসামান্য সৌভাগ্য। সীমিত সময়ের ক্ষুদ্র পরিসরে অসীমকে স্পর্শ করার এক বিরল সম্ভাবনা। অর্থহীনতার অন্ধকার থেকে অর্থের আলোকশিখা জ্বালিয়ে তোলার এক দুর্লভ সুযোগ। প্রতিটি অনুভূতি, প্রতিটি স্বপ্ন, প্রতিটি সম্পর্ক—সবকিছুই এই সংক্ষিপ্ত জীবনের ভেতরেই তার গভীরতা ও মহিমা লাভ করে।
যে অদৃশ্য নিয়মে আমাদের অস্তিত্বের সূচনা, সেই একই নিয়মে তার অবসানও ঘটে। মৃত্যু কোনো শাস্তি নয়, কোনো ব্যর্থতার পরিণতিও নয়; এটি জীবনেরই অপরিহার্য ছায়া—যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় সময়ের অমূল্যতা। প্রতিটি মুহূর্ত যে অনন্য, প্রতিটি শ্বাস যে অনির্বচনীয় এক উপহার—এই উপলব্ধি জন্ম নেয় মৃত্যুর অনিবার্যতার মধ্য দিয়েই।
জন্মের পূর্বে আমরা ছিলাম না—ছিল কেবল সম্ভাবনার অগম্য অন্ধকার। মৃত্যুর পরও ফিরে যাই সেই নীরবতায়। চেতনার দীপশিখা নিভে গেলে শরীরের কণিকাগুলো আবার মিশে যায় মহাবিশ্বের অন্তহীন চক্রে—মাটি, জল, বায়ু ও আগুনের উপাদানে। ব্যক্তিগত সত্তার সীমারেখা তখন বিলীন হয়ে যায়; থাকে শুধু অসীম প্রবাহের এক অবিচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা।
এই সীমাবদ্ধতাই জীবনকে অপরূপ করে তোলে। যদি অনন্তকাল আমাদের জন্য উন্মুক্ত থাকত, তবে হয়তো কোনো তাড়না থাকত না, কোনো গভীরতা জন্ম নিত না অনুভূতির। মৃত্যুর ছায়াই মানুষকে জাগিয়ে তোলে—প্রতিটি দিনকে উদযাপন করতে, প্রতিটি সম্পর্ককে লালন করতে, প্রতিটি স্বপ্নকে সাহসের সঙ্গে অনুসরণ করতে।
আমরা এসেছি অর্থ নির্মাণ করতে—নিজের জীবনের ভেতরেই সৃষ্টি করতে এক আলোকিত ব্যাখ্যা। আবার একদিন আমরা চলে যাই, সেই অর্থের অঙ্গার অন্য মানুষের হৃদয়ে রেখে। এই ধারাবাহিকতায় কোনো হতাশা নেই; আছে এক অনির্বচনীয় সৌন্দর্য—এক সৃষ্টিশীল উত্তরাধিকার, যা মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রাকে আলোকিত করে।
অতএব, হে মানবসত্তা, তোমার প্রশ্নের উত্তর দূরবর্তী কোনো আকাশে লুকিয়ে নেই। তার বীজ নিহিত রয়েছে তোমার নিজের চেতনার গভীরে। জীবনের উদ্দেশ্য তুমি নিজেই লিখে যাও—প্রেম দিয়ে, সহমর্মিতা দিয়ে, জ্ঞানের দীপ্ত আলো দিয়ে।
জন্ম ও মৃত্যুর মাঝের এই ক্ষণিক আলোকিত পথটুকুতেই যতটুকু সম্ভব উজ্জ্বল হয়ে ওঠো। কারণ এই ক্ষণস্থায়ী অস্তিত্বই আমাদের একমাত্র দৃশ্যমান সত্য—আর তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে সমস্ত রহস্যের সম্ভাব্য মুক্তি।
এই বিশ্বব্যাপী চেতনার স্রোতে আমরা সকলে এক—
একই প্রশ্নের যাত্রী, একই অনন্তের অংশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/238261/</link>
				<pubDate>Sat, 07 Mar 2026 13:38:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেন? — অস্তিত্বের অন্তরাল অনুসন্ধান<br />
পি কে সরকার</p>
<p>অস্তিত্বের গভীর রহস্যে নিমজ্জিত হয়ে মানবচেতনা যুগে যুগে এক অনিবার্য প্রশ্নের সামনে এসে দাঁড়ায়—কেন? কেন এই বিশ্বে আমাদের আবির্ভাব? জীবনের গূঢ় সারাংশ কী? কোন অদৃশ্য প্রক্রিয়ার অন্তর্লীন স্পন্দনে জন্ম নেয় এই সত্তা, আর কেনই বা একদিন তার অন্তর্ধান অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে? জন্মের পূর্ববর্তী অন্ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-238261"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/238261/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c350bd2e233a6e2f7082c7761906875</guid>
				<title>হয়তো আমি সেই অরণ্য

হয়তো আমি সেই অরণ্য,
যার পাতায় আজও জমা আছে কান্নার শিশির;
অথবা সেই বিবাগী নদী,
যে নিজের মোহনা ভুলে সাগরে বিলীন।
আমি তো খুঁজিনি জৌলুস,
চেয়েছি কেবল নিজের সাথে একটু নির্জন আলাপ;
অথবা সেই পুরনো ডায়েরি,
যেখানে ধুলোবালি মেখে ঘুমিয়ে আছে শৈশব।
প্রতিদিন যে মুখোশ পাল্টাই,
সে তো এক ক্লান্ত অভিনয়ের মহড়া—
অথচ গোধূলি বেলায় যখন একাকী দাঁড়াই,
ছায়ার দৈর্ঘ্যে দেখি এক আদিম হাহাকার।
নিজেকে পাওয়া কি তবে অসাধ্য?
নাকি নিজেকে হারানোর মাঝেই লুকিয়ে আছে প্রাপ্তি?
হয়তো কোনো একদিন,
সব প্রত্যাশার ঋন শোধ করে—
আমি ফিরব নিজের কাছে,
যেখানে নাম নেই, পরিচয় নেই,
আছে কেবল এক শান্ত সমুদ্রের ধ্রুব নিস্তব্ধতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237751/</link>
				<pubDate>Fri, 13 Feb 2026 19:46:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হয়তো আমি সেই অরণ্য</p>
<p>হয়তো আমি সেই অরণ্য,<br />
যার পাতায় আজও জমা আছে কান্নার শিশির;<br />
অথবা সেই বিবাগী নদী,<br />
যে নিজের মোহনা ভুলে সাগরে বিলীন।<br />
আমি তো খুঁজিনি জৌলুস,<br />
চেয়েছি কেবল নিজের সাথে একটু নির্জন আলাপ;<br />
অথবা সেই পুরনো ডায়েরি,<br />
যেখানে ধুলোবালি মেখে ঘুমিয়ে আছে শৈশব।<br />
প্রতিদিন যে মুখোশ পাল্টাই,<br />
সে তো এক ক্লান্ত অভিনয়ের মহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237751"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237751/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d1fb0fecc92a4c55bc603bfbc14b811b</guid>
				<title>কোনো বসন্ত গোধূলিতে...
__ পি কে সরকার 

যদি হারিয়ে-যাওয়া স্বপ্নেরা ফিরে আসে কখনো,
কোনো নিঝুম বসন্ত-গোধূলির অবেলায়—
মেঠোপথের ধুলো-ভাঙা বাঁকে,
যেখানে সূর্য ডুবে যায় রক্তাক্ত চুম্বনে,
তখন নিঃশব্দে দাঁড়ায় তারা—
ধূসর শাড়ির আঁচলের মতো,
বুকের পুরোনো অভিমানের মতো।

চিনতে পারবে তুমি তাদের?
যে স্বপ্নগুলো একদিন তোমার বুকের উঠোনে
অভিমানের কাঁটাতারে জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে
দূর আকাশে উড়ে গিয়েছিল—
শালিকের ক্লান্ত ডানায় চেপে,
কিংবা কৃষ্ণচূড়ার লাল-জ্বলা পাপড়িতে লুকিয়ে,
যেন রক্তের দাগ মুছে ফেলতে চেয়েছিল সময়।

আজ যদি ফিরে আসে সেই সব,
অবহেলার ছায়ায় ঢাকা,
অবেলায়, অসময়ে,
যখন বাতাসে শুধু শীতলতার কাঁপন—
তবে কি আবার হাত বাড়াবে তুমি?
আঙুলে আঙুল জড়িয়ে বলবে—
“আয়, ফিরে আয়, আমার বুক এখনো তোর জন্য খোলা”?

নাকি চোখ নামিয়ে বলবে,
গলা ভেঙে,
“সময় তো চলে গেছে, বন্ধু...
এখন আর বসন্ত নয়—
শুধু সন্ধ্যার নীল-কালো শ্বাস,
যেখানে ফুল ঝরে, আর কেউ তোলে না।
যেখানে স্বপ্ন ফিরলেও
আমার হাত আর তোলার শক্তি নেই...”

তবু যদি এক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে ধুলোয়,
আর সেই ধুলো থেকে উঠে আসে একটা পুরোনো গন্ধ—
তখন কি তুমি থমকে যাবে?
কি জড়িয়ে ধরবে সেই হারানোকে,
যেন শেষবারের মতো?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237697/</link>
				<pubDate>Tue, 10 Feb 2026 14:50:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কোনো বসন্ত গোধূলিতে&#8230;<br />
__ পি কে সরকার </p>
<p>যদি হারিয়ে-যাওয়া স্বপ্নেরা ফিরে আসে কখনো,<br />
কোনো নিঝুম বসন্ত-গোধূলির অবেলায়—<br />
মেঠোপথের ধুলো-ভাঙা বাঁকে,<br />
যেখানে সূর্য ডুবে যায় রক্তাক্ত চুম্বনে,<br />
তখন নিঃশব্দে দাঁড়ায় তারা—<br />
ধূসর শাড়ির আঁচলের মতো,<br />
বুকের পুরোনো অভিমানের মতো।</p>
<p>চিনতে পারবে তুমি তাদের?<br />
যে স্বপ্নগুলো একদিন তোমার বুকের উঠোনে<br />
অভিমানের কাঁট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237697"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237697/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d9daa95a203e2a00023316faafca9bf4</guid>
				<title>পি.কে. সরকার and Kazi Fahim hossin are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237627/</link>
				<pubDate>Sun, 08 Feb 2026 05:11:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a74f065c7c839248c6ae0563b2023661</guid>
				<title>আমি আছি...
তবু যেন নেই
___ পি কে সরকার

কখনো হারাই, কোথায় যে হারাই,
নিজেরই গভীরে, ছায়ার অন্ধকারে।
পথ নয়, লোক নয়, শুধু নীরব ডাকে,
আমি হারাই যেন নিজেরই ভেতরে।

শ্বাস পড়ে যায় অভ্যাসের ছন্দে,
দিন গুনি ক্যালেন্ডারের মৃত পাতায়।
মন দাঁড়িয়ে থাকে কোনো এক নির্জন ঘাটে,
যেখানে নদী আর আসে না কখনো।

সময় চলে যায় নিষ্ঠুর পায়ে এগিয়ে,
আমি ফিরে তাকাই পিছনের দিকে।
অতীতের জানালায় জ্বলে নিভু আলো,
বর্তমান বসে আছে অন্ধকার কোলে।

ভবিষ্যৎ দূরে—নামহীন অপেক্ষা,
ধূসর পাহাড়ের ওপারে লুকিয়ে।
এ প্রশ্ন কি দুর্বলতা? না, না—
এ তো জীবনেরই গভীর নিঃশ্বাস।

যে অনুভব করে না, প্রশ্নও জানে না,
যে জাগে না মনে, সে শুধু বেঁচে থাকে।

নিঝুম দুপুরে, ভিড়ের মাঝখানে,
হঠাৎ একা হয়ে যাই আমি।
মনে হয়—আমি আছি,
তবু যেন নেই…
ছায়ার মতো, ধোঁয়ার মতো,
কেউ দেখে না, আমিও দেখি না নিজেকে।

আমি আছি…
তবু যেন নেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237563/</link>
				<pubDate>Thu, 05 Feb 2026 13:49:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি আছি&#8230;<br />
তবু যেন নেই<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>কখনো হারাই, কোথায় যে হারাই,<br />
নিজেরই গভীরে, ছায়ার অন্ধকারে।<br />
পথ নয়, লোক নয়, শুধু নীরব ডাকে,<br />
আমি হারাই যেন নিজেরই ভেতরে।</p>
<p>শ্বাস পড়ে যায় অভ্যাসের ছন্দে,<br />
দিন গুনি ক্যালেন্ডারের মৃত পাতায়।<br />
মন দাঁড়িয়ে থাকে কোনো এক নির্জন ঘাটে,<br />
যেখানে নদী আর আসে না কখনো।</p>
<p>সময় চলে যায় নিষ্ঠুর পায়ে এগিয়ে,<br />
আমি ফিরে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237563"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237563/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a7fd5e50089874677e893493b80816f3</guid>
				<title>বাস্তবতাবিমুখ অবিবেচনা : এক সামাজিক আত্মবিনাশের দলিল

বাস্তবতা কোনো দর্শনগ্রন্থের বিমূর্ত ধারণা নয়, কোনো কবিতার অলংকারও নয়। বাস্তবতা নির্মম, নিরাবরণ এবং আপসহীন। সে কাউকে ভালোবাসে না, কাউকে ঘৃণাও করে না—সে কেবল ফল দেয়। অথচ এই সুস্পষ্ট সত্য জেনেও মানুষ যখন অবিবেচকের মতো সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সেই মানুষ একা নিজের নয়, সমাজের ভবিষ্যৎকেও বিপন্ন করে তোলে।
আজকের সমাজের সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাধি অজ্ঞানতা নয়—বরং সচেতন অবহেলা। মানুষ জানে কোন পথে মূল্যবোধ ক্ষয় হয়, তবু সেই পথেই হাঁটে। জানে কোন সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করে, তবু সুবিধার লোভে চোখ বুজে নেয়। এই অবিবেচনা কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়; এটি একটি সামষ্টিক চরিত্রদোষ, যা ধীরে ধীরে সমাজকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে দেয়।
বাস্তবতা বোঝা মানে কেবল তথ্য জানা নয়; বাস্তবতা বোঝা মানে দায়িত্বশীল বোধের জন্ম হওয়া। যে ব্যক্তি বাস্তবতাকে উপলব্ধি করেও বিবেককে নিষ্ক্রিয় রাখে, সে আসলে সমাজের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। কারণ তার প্রতিটি দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত কেবল তার নিজের জীবনকেই নয়—তার পরিবার, তার প্রজন্ম, তার চারপাশের সামাজিক কাঠামোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আমরা এমন এক সময়ের বাসিন্দা, যেখানে মানুষ জানে—পরিশ্রম ছাড়া সাফল্য নেই, নৈতিকতা ছাড়া স্থায়িত্ব নেই, শৃঙ্খলা ছাড়া মুক্তি নেই। তবু আমরা শর্টকাট খুঁজি, তবু আমরা আত্মপ্রবঞ্চনাকে বুদ্ধিমত্তা ভেবে নিই। এই মানসিকতা থেকেই জন্ম নেয় ভণ্ড সফলতা, কৃত্রিম মর্যাদা, এবং শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ শূন্যতা।
সমাজ যখন ব্যক্তির অবিবেচনাকে প্রশ্রয় দেয়, তখন অবক্ষয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়। তখন শিক্ষা কেবল সনদে সীমাবদ্ধ থাকে, নৈতিকতা হয়ে ওঠে বক্তৃতার বিষয়, আর দায়িত্ব শব্দটি হারিয়ে যায় দৈনন্দিন আচরণ থেকে। এই সমাজে ভবিষ্যৎ আর স্বপ্ন নয়—সে হয়ে ওঠে এক কঠিন হিসাবনিকাশের খাতা, যেখানে কোনো আবেগের ছাড় নেই।
ভবিষ্যৎ কাউকে শাস্তি দেয় না—এ কথা ভুল। ভবিষ্যৎ শাস্তি দেয় না বলেই সে ভয়ংকর। সে কেবল সুযোগ ফিরিয়ে নেয়, সম্ভাবনার দরজা বন্ধ করে দেয়, এবং নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বলে—“তুমি নিজেই এই পরিণতি বেছে নিয়েছিলে।” এই নির্লিপ্ত প্রত্যাখ্যানই হলো সেই ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’, যা কোনো চিৎকার ছাড়াই মানুষকে চূর্ণ করে দেয়।
শিক্ষণীয় সত্য একটিই—
অজ্ঞতার ভুল মানুষকে শিক্ষা দেয়,
কিন্তু জেনেও করা অবিবেচনা সমাজকে ধ্বংস করে।
যে ব্যক্তি বাস্তবতাকে অবহেলা করে সিদ্ধান্ত নেয়, সে ভবিষ্যতের কাছে ক্ষমা চাইবার নৈতিক অধিকার হারায়। কারণ ভবিষ্যৎ কোনো করুণার প্রতিষ্ঠান নয়; সে বিবেকের আদালত, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তের রায় আগে থেকেই লেখা থাকে।
অতএব, যদি সমাজকে বাঁচাতে হয়, তবে প্রথমে অবিবেচনাকে বুদ্ধিমত্তার মুখোশ খুলে ফেলতে হবে। বাস্তবতাকে সম্মান করতে হবে—কারণ বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা মানেই ভবিষ্যৎকে অস্বীকার করা।
আর যে ভবিষ্যৎকে অস্বীকার করে—
সে একদিন নিজেকেই ইতিহাসের অপ্রয়োজনীয় টীকায় পরিণত করে।

— পি কে সরকার
সহকারী শিক্ষক
রামচন্দ্রপুর আদিবাসী সপ্রাবি।
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237328/</link>
				<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 08:06:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাস্তবতাবিমুখ অবিবেচনা : এক সামাজিক আত্মবিনাশের দলিল</p>
<p>বাস্তবতা কোনো দর্শনগ্রন্থের বিমূর্ত ধারণা নয়, কোনো কবিতার অলংকারও নয়। বাস্তবতা নির্মম, নিরাবরণ এবং আপসহীন। সে কাউকে ভালোবাসে না, কাউকে ঘৃণাও করে না—সে কেবল ফল দেয়। অথচ এই সুস্পষ্ট সত্য জেনেও মানুষ যখন অবিবেচকের মতো সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সেই মানুষ একা নিজের নয়, সমাজের ভবিষ্যৎকেও ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237328"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237328/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4241c43003647cfffa9f77fb4caa222a</guid>
				<title>সময়, মানুষ ও বন্ধুত্ব

রফিকের জীবনটা একসময় খুব সাধারণ ছিল। ছোট একটি দোকান, সামান্য আয়, আর সীমিত স্বপ্ন। তবু তার মুখে অভিযোগ ছিল না। সময় তখন তার অনুকূলে ছিল না, কিন্তু প্রতিকূলতার মধ্যেও সে মানুষকে আঁকড়ে ধরেছিল। দোকানের পাশে যে ক’জন মানুষ নিয়মিত বসে কথা বলত—কেউ কাজহীন, কেউ দিনমজুর, কেউ বা নিছক সঙ্গী—তাদের সঙ্গেই রফিক তার সময় ভাগ করে নিত। বিপদের দিনে তারা তাকে সাহস দিত, পরামর্শ দিত, কখনো কখনো সামান্য সাহায্যও করত।
সময় বদলাতে শুরু করল। রফিকের ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় হলো। পরিচিতি বাড়ল, সম্মান এলো, অর্থও এলো। অনুকূল সময় তার দরজায় কড়া নাড়ল। ব্যস্ততার অজুহাতে সে আর আগের মতো পুরোনো বন্ধুদের কাছে যায় না। নতুন সময়, নতুন মানুষ—সবই যেন বেশি প্রয়োজনীয় মনে হলো।
কিন্তু জীবন কেবল অনুকূলতার গল্প নয়। হঠাৎ এক দুর্যোগে ব্যবসায় বড় ক্ষতি হলো। যারা অনুকূল সময়ে চারপাশে ভিড় করেছিল, তারা একে একে সরে গেল। তখন রফিক আবার ফিরে তাকাল প্রতিকূল দিনের দিকে। দেখল—সেই পুরোনো বন্ধুরাই নিঃশব্দে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। কোনো প্রশ্ন নেই, কোনো হিসাব নেই—শুধু মানুষের পাশে মানুষের দাঁড়ানো।
সেদিন রফিক বুঝল, সময় কখনোই চিরকাল এক রকম থাকে না। সময় কখনো অনুকূলে আসে, কখনো প্রতিকূলে যায়। কিন্তু প্রতিকূল মুহূর্তের সময়টুকুকে যদি শেখার, গড়ে ওঠার ও সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখার কাজে লাগানো যায়, তবে অনুকূল সময়ও অর্থবহ হয়। আর প্রতিকূল সময়ের বন্ধুদের ভুলে গেলে, অনুকূল সময় একদিন নিঃসঙ্গ করে দেয়।
এই কারণেই জীবনে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—সময়কে নয়, মানুষকে মূল্য দেওয়া। প্রতিকূল সময়ে যারা পাশে থাকে, তাদের অনুকূল সময়েও কাছে রাখা—এটাই প্রকৃত মানবিকতা।

— পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237256/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 12:31:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময়, মানুষ ও বন্ধুত্ব</p>
<p>রফিকের জীবনটা একসময় খুব সাধারণ ছিল। ছোট একটি দোকান, সামান্য আয়, আর সীমিত স্বপ্ন। তবু তার মুখে অভিযোগ ছিল না। সময় তখন তার অনুকূলে ছিল না, কিন্তু প্রতিকূলতার মধ্যেও সে মানুষকে আঁকড়ে ধরেছিল। দোকানের পাশে যে ক’জন মানুষ নিয়মিত বসে কথা বলত—কেউ কাজহীন, কেউ দিনমজুর, কেউ বা নিছক সঙ্গী—তাদের সঙ্গেই রফিক তার সময় ভাগ করে নিত।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237256"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237256/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ee517d0c8c820a891698c1fe6bc86d6d</guid>
				<title>&quot;এই পথে হাঁটছি, 
নিঃশব্দের স্রোতে,
যেখানে সময়ও থেমে থাকে, 
চোখের কোণে জমে।
স্মৃতি যেমন বাতাসে ভেসে যায়, 
তেমনই অনুভূতির ঢেউ... 
আমাকে বয়ে নিয়ে যায়।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237163/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 14:32:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;এই পথে হাঁটছি,<br />
নিঃশব্দের স্রোতে,<br />
যেখানে সময়ও থেমে থাকে,<br />
চোখের কোণে জমে।<br />
স্মৃতি যেমন বাতাসে ভেসে যায়,<br />
তেমনই অনুভূতির ঢেউ&#8230;<br />
আমাকে বয়ে নিয়ে যায়।&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">778b58caaa97b1820006f430586b1203</guid>
				<title>( এই কবিতাটি আমার মেয়ে অন্নপূর্ণা সরকার কে উৎসর্গ
  ___ পি কে সরকার) 

আজ অন্নপূর্ণার জন্মদিন

অন্নপূর্ণা এলো—
ভোরের নিঃশব্দ ব্রহ্মমুহূর্তে,
সূর্য তখনও চোখ মেলেনি,
ক্ষুদ্র হাসির একটি টুকরো
আকাশের কালো পর্দা ছিঁড়ে—
অন্নপূর্ণা—
যেন একটি প্রাচীন মন্ত্র,
যার প্রতিটি অক্ষরে লুকিয়ে আছে
শূন্য থালার পূর্ণতা,
ক্ষুধার্ত বুকের
নিঃশব্দ কান্নার উত্তর।
নরম পায়ের ছোঁয়ায়
ঘরের মেঝে
ফুলের বিছানা হয়ে ওঠে,
চোখের তারায় জ্বলে ওঠে
আগামী সকালের
প্রথম আলোর প্রতিশ্রুতি।
সে আসে—
মমতার ভাত রান্না করতে করতে,
দুধের গন্ধ মাখা হাতে
জীবনের সবচেয়ে
সরল আশীর্বাদ ছড়িয়ে।
এক মুহূর্তের জন্য
সময় নিঃশ্বাস নেয়।
আজ তার জন্মদিন।
পিতার নীরব প্রার্থনা আর
মায়ের অশ্রু-ভেজা হাসি—
একসঙ্গে মিলে যায়
অনন্তের একটি ছোট্ট বিন্দুতে।
অন্নপূর্ণা,
নামে যেন সারা জীবন ধরে
অন্ন হয়ে থাকে ভালোবাসা,
দান হয়ে থাকে ক্ষমা,
আর আলো হয়ে থাকে—
যে আলো কখনো নিভবে না।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা,
ছোট্ট দেবী। &#x1f338;&#x2728;
@highlight  #everyone</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237130/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 05:36:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>( এই কবিতাটি আমার মেয়ে অন্নপূর্ণা সরকার কে উৎসর্গ<br />
  ___ পি কে সরকার) </p>
<p>আজ অন্নপূর্ণার জন্মদিন</p>
<p>অন্নপূর্ণা এলো—<br />
ভোরের নিঃশব্দ ব্রহ্মমুহূর্তে,<br />
সূর্য তখনও চোখ মেলেনি,<br />
ক্ষুদ্র হাসির একটি টুকরো<br />
আকাশের কালো পর্দা ছিঁড়ে—<br />
অন্নপূর্ণা—<br />
যেন একটি প্রাচীন মন্ত্র,<br />
যার প্রতিটি অক্ষরে লুকিয়ে আছে<br />
শূন্য থালার পূর্ণতা,<br />
ক্ষু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237130"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237130/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">81b6b76bb9adaebb6bc2c6f2f1bb01d1</guid>
				<title>( স্মৃতির পাতা থেকে, ২০০৩ সালের লেখা, তখন ঢাকায় থাকতাম)

ভেজা বই, শুকনো বাস্তবতা
 __ পি কে সরকার

নীলক্ষেতের বইয়ের দোকানগুলো একেকটা ছোট রাষ্ট্র—কাগজের গন্ধে মোড়া, স্বপ্ন আর অভাব পাশাপাশি বসবাস করে। দুপুরের দিকে ভিড় বাড়ে, সন্ধ্যার দিকে কথারা একটু ধীর হয়।
সেদিনও তাই।
নিলম প্রথমে তাকে খেয়ালই করেনি। সে বইয়ের তাকের আড়ালে দাঁড়িয়ে ছিল—মলিন শার্ট, চোখে ক্লান্তি, মুখে অপ্রয়োজনীয় নীরবতা। রুদ্রম।
— “এই বইটা আছে?”
নিলম প্রশ্ন করেছিল হালকা বিরক্তিতে।
রুদ্রম তাক থেকে বই নামাতে নামাতে বলল,
— “আছে… কিন্তু এই সংস্করণটা নয়। আগেরটা আছে। শব্দগুলো একই, শুধু প্রচ্ছদটা একটু বেশি সৎ।”
নিলম থমকে তাকাল।
— “সৎ?”
রুদ্রম হালকা হাসল।
— “নতুন বইগুলো অনেক সময় সত্য ঢাকে। পুরোনো বই—সে আর লুকোতে শেখেনি।”
এই প্রথম চোখে চোখ পড়ল।
সেদিন আর কথা বাড়েনি। কিন্তু পরদিন নিলম আবার এল। বই কিনতে নয়—কথা শুনতে।
দিন যায়। কথাগুলোও বাড়ে।
রুদ্রম বই দিতে দিতে হঠাৎ বলে ওঠে—
— “জানো,
‘কিছু মানুষ বইয়ের মতো,
প্রথম অধ্যায়ে ধৈর্য লাগে,
শেষ অধ্যায়ে নেশা।’”
নিলম অবাক হয়।
— “তুমি সাহিত্য পড়ো?”
— “সাহিত্য আমাকে পড়ে,” রুদ্রম বলে, “আমি শুধু পালাতে পারিনি।”
নিলম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। তত্ত্ব, এসাইনমেন্ট, জমা দেওয়ার তারিখ—সব মিলিয়ে একদিন সে ভেঙে পড়ে। শেষ সময় এসে গেছে, লেখা হয়নি।
চুপচাপ দোকানে বসে থাকে।
— “মন খারাপ?”
— “খুব।”
— “দেখি?”
— “কি?”
— “তোমার বিষয়।”
রুদ্রম রাতভর লেখে। সকালে কাগজ এগিয়ে দেয়।
নিলম পড়ে। স্তব্ধ হয়ে যায়।
— “এটা… এটা তো…”
— “জানি,” রুদ্রম থামায়, “এটা আমার না। জ্ঞান ক্ষুধার কাছে বিক্রি করলে এমনই হয়।”
সেই দিন থেকে নিলম বুঝতে শুরু করে—এই সাধারণ মানুষটার ভেতরে অসাধারণ কিছু লুকানো আছে। আগ্রহ বাড়ে। তারপর ভালো লাগা। তারপর নীরব ভালোবাসা।
রুদ্রম সব বুঝে ফেলে।
আর তখনই ভয় পায়।
কারণ নিলম ক্ষুধা চেনে না।
অভাবের গন্ধ জানে না।
যে রাতে পেট খালি থাকলে কবিতাও চুপ করে যায়—সে রাত নিলম জানে না।
একদিন রুদ্রম দোকানে আর আসে না।
নিলম ছুটে আসে। খোঁজ নেয়। কেউ কিছু জানে না।
শুধু দোকানের টেবিলে পড়ে থাকে একটা কাগজ—
“ভালোবাসা মানে পাওয়া নয়।
ভালোবাসা মানে—
নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সাহস।”
সেদিনই নিলম হাতে এক গোঁছা ফুল নিয়ে এসেছিল।
ফুলগুলো ভিজে যায়।
রুদ্রম নেই।
নীলক্ষেতের বইগুলো আজও আছে।
কিছু বই ভেজা।
কিছু বাস্তবতা শুকনো।

======[
Copyright ©
© পি কে সরকার
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237118/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jan 2026 11:30:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>( স্মৃতির পাতা থেকে, ২০০৩ সালের লেখা, তখন ঢাকায় থাকতাম)</p>
<p>ভেজা বই, শুকনো বাস্তবতা<br />
 __ পি কে সরকার</p>
<p>নীলক্ষেতের বইয়ের দোকানগুলো একেকটা ছোট রাষ্ট্র—কাগজের গন্ধে মোড়া, স্বপ্ন আর অভাব পাশাপাশি বসবাস করে। দুপুরের দিকে ভিড় বাড়ে, সন্ধ্যার দিকে কথারা একটু ধীর হয়।<br />
সেদিনও তাই।<br />
নিলম প্রথমে তাকে খেয়ালই করেনি। সে বইয়ের তাকের আড়ালে দাঁড়িয়ে ছিল—মলিন শার্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237118"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237118/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be8f9fb929a59041ca8d336ccadeb2bd</guid>
				<title>চেনা মানুষের অচেনা রূপ...

&quot;মানুষ চেনা&quot;-- এক অর্জনীয় যোগ্যতা এবং প্রত্যাশার ফাঁদ;
জীবনের একটা সত্য এই যে, আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের সাথে মেলামেশা করি—পরিবারে, কর্মক্ষেত্রে, বন্ধুত্বে, সমাজে। কিন্তু এই মেলামেশার মধ্যে লুকিয়ে থাকে একটা অদৃশ্য যুদ্ধ: মানুষকে চেনার যুদ্ধ। “মানুষ চিনতে পারাও একটি যোগ্যতা, যে যোগ্যতার ব্যাপক ঘাটতি আমার মাঝে... এই ঘাটতিতে নব নব অভিজ্ঞতা যুক্ত করছে।” এই কথাটা শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটা আমাদের সকলের জীবনের একটা সার্বজনীন সত্য।
মানুষ চেনা কেন এত কঠিন? কারণ মানুষ স্থির নয়। মানুষ বদলায়—সময়ের সাথে, পরিস্থিতির সাথে, স্বার্থের সাথে। আজ যে মানুষটা তোমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে, কাল সে হয়তো অন্যরকম হয়ে যেতে পারে। আমরা প্রায়শই চেহারা দেখে, কথা শুনে, প্রথম ছাপে বিচার করে ফেলি। কিন্তু চেহারা বা প্রথম ছাপ মানুষের আসল রূপ নয়—এটা শুধু একটা মুখোশ। বিপদে পড়লে, স্বার্থের সময়ে, চাপের মুহূর্তে আসল মানুষটা বেরিয়ে আসে। তখনই বোঝা যায়, যাকে আমরা চিনেছি বলে ভেবেছিলাম, সে আসলে কতটা অচেনা ছিল।
এই অচেনা মানুষের সাথে আমরা প্রত্যাশা জড়িয়ে ফেলি। “এই মানুষটা এমন করবে না”, “সে আমার জন্য এটা করবেই”, “আমি যা দিয়েছি তার প্রতিদান পাবই”—এই প্রত্যাশাগুলো আমাদের মনে গেঁথে যায়। কিন্তু যখন প্রত্যাশা ভাঙে, তখন হতাশা আসে। আর এই হতাশা থেকে জন্ম নেয় রাগ, অভিমান, দূরত্ব। মনোবিজ্ঞান বলে, অপূর্ণ প্রত্যাশা (unmet expectations) আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে অস্থিরতা, উদ্বেগ, এমনকি সম্পর্কের ভাঙনও ঘটে। “যদি পরিহার না করেন, তবে... আর একটি নতুন অভিজ্ঞতার জন্য প্রস্তুত আছেন তো?” এখানেই লুকিয়ে আছে জীবনের একটা গভীর শিক্ষা।
প্রত্যাশা পরিহার করা মানে সবকিছু ছেড়ে দেওয়া নয়। এটা মানে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। আমরা যখন মানুষকে “যেমন আছে” তেমনি গ্রহণ করতে শিখি, তখনই হতাশা কমে। প্রত্যাশা রাখব, কিন্তু সেটা নমনীয় রাখব। জানব যে, মানুষ নিখুঁত নয়—তারা ভুল করে, স্বার্থ দেখে, বদলায়। এই স্বীকৃতি আমাদের মুক্ত করে। আমরা আর নিজেকে দোষ দিই না যে “আমি কেন চিনতে পারলাম না”। বরং প্রত্যেকটা হতাশা থেকে শিখি—একটা নতুন অভিজ্ঞতা যোগ হয়।
সামাজিক দিক থেকে দেখলে, এই যোগ্যতার অভাব আমাদের সমাজকে আরও বিভক্ত করে। আমরা অতি দ্রুত বিচার করি, লেবেল লাগাই, সম্পর্ক ভাঙি। কিন্তু যদি আমরা সবাই একটু ধৈর্য ধরে মানুষকে চেনার চেষ্টা করি, তাদের প্রত্যাশা না চাপিয়ে তাদের আসল রূপ দেখার সুযোগ দিই—তাহলে সমাজটা আরও সহানুভূতিশীল হবে। বন্ধুত্ব, প্রেম, পরিবার—সবকিছুতে গভীরতা আসবে।
মানুষ চেনা একটা যোগ্যতা, যা অর্জন করতে হয়। এতে ভুল হবে, হতাশা হবে—কিন্তু প্রত্যেক ভুলই একটা শিক্ষক। প্রস্তুত থাকো নতুন অভিজ্ঞতার জন্য। কারণ জীবন তো থামে না—সে তোমাকে আরও চেনার, আরও বোঝার সুযোগ দেয়। আর সেই সুযোগগুলোকে গ্রহণ করলেই তুমি নিজেকে আরও ভালোভাবে চিনতে পারবে।

পি কে সরকার
সহকারী শিক্ষক
রামচন্দ্রপুর আদিবাসী সপ্রাবি
রামচন্দ্রপুর, বাংলাদেশ।
১৫.০১.২০২৬ খ্রিঃ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237060/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 05:53:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চেনা মানুষের অচেনা রূপ&#8230;</p>
<p>&#8220;মানুষ চেনা&#8221;&#8211; এক অর্জনীয় যোগ্যতা এবং প্রত্যাশার ফাঁদ;<br />
জীবনের একটা সত্য এই যে, আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের সাথে মেলামেশা করি—পরিবারে, কর্মক্ষেত্রে, বন্ধুত্বে, সমাজে। কিন্তু এই মেলামেশার মধ্যে লুকিয়ে থাকে একটা অদৃশ্য যুদ্ধ: মানুষকে চেনার যুদ্ধ। “মানুষ চিনতে পারাও একটি যোগ্যতা, যে যোগ্যতার ব্যাপক ঘাটতি আমার মাঝে&#8230; এই ঘা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237060"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237060/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e04f5d462ae39f8fca7dd7d6e3eb72a</guid>
				<title>মাস্টারদা সূর্য সেন
___ পি কে সরকার

তুমি কোনো একক মানব নও—
তুমি অগ্নিময় স্বপ্নের নাম,
যে স্বপ্ন বন্দুকের নল অপেক্ষা কঠিনতর,
যে স্বপ্ন ফাঁসির মঞ্চেও শির নত করে না কভু।
চট্টগ্রামের ধূলিমাখা পথে
তোমার পদচিহ্ন বিদ্রোহের স্বাক্ষরিত মানচিত্র,
স্কুলঘরের চক-ধূসর ব্ল্যাকবোর্ড থেকে
জেগে উঠেছিল স্বাধীনতার রক্তাক্ত অক্ষরাবলী।
তুমি শিখিয়েছিলে—
ভয়ের ভাষা শাসকের কণ্ঠে জন্ম নেয়,
আর সাহস উৎসারিত হয়
নিপীড়িতের নিঃশব্দ বক্ষের গভীর গহ্বরে।
ফাঁসির রজ্জু তোমার কণ্ঠরোধ করেনি,
ও ছিল সাম্রাজ্যের গলায় পরানো অভিশাপ—
কারণ তুমি মৃত্যুর পরেও প্রমাণ করেছিলে:
একটি আদর্শকে কখনো হত্যা করা যায় না।
আজও যখন অন্যায় দাঁত বের করে হাসে অন্ধকারে,
তোমার নাম উচ্চারণমাত্র
ইতিহাসের বক্ষ কেঁপে ওঠে বিদ্যুৎস্পন্দনে—
মাস্টারদা, তুমি এখনো যুদ্ধ করো, নীরবে, অনন্তকাল।
তুমি শুধু বিপ্লবী ছিলে না—
তুমি ছিলে বিবেকের শিক্ষক, চিরন্তন গুরু।
সূর্য অস্ত যায় দিগন্তে,
কিন্তু সূর্য সেন কখনো অস্ত যায় না—
তিনি জ্বলেন, জ্বলবেন, চিরকাল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236921/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 11:50:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাস্টারদা সূর্য সেন<br />
___ পি কে সরকার</p>
<p>তুমি কোনো একক মানব নও—<br />
তুমি অগ্নিময় স্বপ্নের নাম,<br />
যে স্বপ্ন বন্দুকের নল অপেক্ষা কঠিনতর,<br />
যে স্বপ্ন ফাঁসির মঞ্চেও শির নত করে না কভু।<br />
চট্টগ্রামের ধূলিমাখা পথে<br />
তোমার পদচিহ্ন বিদ্রোহের স্বাক্ষরিত মানচিত্র,<br />
স্কুলঘরের চক-ধূসর ব্ল্যাকবোর্ড থেকে<br />
জেগে উঠেছিল স্বাধীনতার রক্তাক্ত অক্ষরাবলী।<br />
তুমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236921"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236921/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a2ff26019a18d2657ed0811b59e3643</guid>
				<title>নৈতিক দীনতা ও মানসিক দারিদ্রতা
  __ পি কে সরকার

যে সমাজ অন্যের ভালো কাজ দেখতেই পায় না, সেই সমাজ নিজের ভালো করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে। 
মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত ভালো ও মন্দের দ্বন্দ্বে নির্মিত। কিন্তু এই দ্বন্দ্বের চেয়েও গভীর এক সংকট তখনই জন্ম নেয়, যখন কোনো সমাজ ধীরে ধীরে অন্যের ভালো কাজ দেখার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। এমন সমাজে ভালো কাজ আর মূল্য পায় না, বরং অবহেলা, সন্দেহ কিংবা বিদ্রূপের শিকার হয়। ফলে ভালো করার প্রবণতা শুধু যে নিরুৎসাহিত হয় তা নয়—সমাজ নিজেই একসময় ভালো করার নৈতিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এই অবক্ষয় নিঃশব্দ, কিন্তু তার পরিণতি ভয়াবহ।
একটি সুস্থ সমাজের প্রথম শর্ত হলো—স্বীকৃতি। যে সমাজ অন্যের সৎ প্রচেষ্টা, মানবিক উদ্যোগ বা নিঃস্বার্থ কর্মকে স্বীকার করতে জানে, সেই সমাজেই নৈতিক চর্চা টিকে থাকে। কিন্তু যখন সমাজের চোখ কেবল ত্রুটি খোঁজে, সন্দেহে অভ্যস্ত হয়, তখন ভালো কাজও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। কেউ যদি আলো জ্বালাতে চায়, সমাজ তখন আলো নয়—আলোর উৎসের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই মানসিকতা ধীরে ধীরে ভালো কাজকে অপরাধের মতো করে তোলে।
অন্যের ভালো কাজ না দেখার প্রবণতা মূলত ঈর্ষা, আত্মকেন্দ্রিকতা ও নৈতিক দীনতার বহিঃপ্রকাশ। যে সমাজ নিজে ভালো করতে অক্ষম, সে সমাজ অন্যের ভালো দেখলে নিজের দৈন্য আরও স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করে। তাই সে ভালোকে অস্বীকার করে, ছোট করে দেখে, কিংবা নানাভাবে কলুষিত করার চেষ্টা করে। এতে সমাজ সাময়িকভাবে আত্মতৃপ্তি পেলেও দীর্ঘমেয়াদে সে নিজের বিবেককে হত্যা করে।
ভালো কাজের স্বীকৃতি না থাকলে সমাজে আদর্শের মৃত্যু ঘটে। তখন চরিত্র নয়, চাতুর্য মূল্য পায়; সততা নয়, সুবিধাবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়। মানুষ আর ভালো হতে চায় না, কারণ ভালো হওয়ার কোনো সামাজিক পুরস্কার নেই—বরং রয়েছে অপমান ও অবিশ্বাস। ফলে সমাজে জন্ম নেয় এক ধরনের নৈতিক শূন্যতা, যেখানে মানুষ কেবল নিজেকে বাঁচাতে শেখে, সমাজকে নয়।
এই সংকট সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর। শিশু ও তরুণরা যখন দেখে—ভালো মানুষ উপেক্ষিত, আর অসৎ মানুষ প্রশংসিত—তখন তারা স্বাভাবিকভাবেই ভুল পথকে সাফল্যের পথ বলে মনে করে। এভাবেই একটি সমাজ নিজের ভবিষ্যৎকে নিজ হাতে অন্ধকারে ঠেলে দেয়।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—যে সমাজ মহৎ মানুষকে চিনতে পারেনি, সেই সমাজ কখনো দীর্ঘদিন আলোকিত থাকতে পারেনি। সক্রেটিস থেকে শুরু করে বহু মনীষী সমাজের অবহেলার শিকার হয়েছেন, অথচ পরবর্তীকালে সেই সমাজই তাদের অনুপস্থিতিতে নিজের শূন্যতা অনুভব করেছে। ভালো মানুষকে জীবিত অবস্থায় না চিনতে পারা সমাজ আসলে নিজের আত্মাকে চিনতে ব্যর্থ হয়।
অতএব, অন্যের ভালো কাজ দেখার ক্ষমতা কেবল সৌজন্যের বিষয় নয়—এটি একটি সমাজের নৈতিক সুস্থতার মানদণ্ড। যে সমাজ ভালোকে স্বীকার করতে জানে, সে সমাজ ভালো উৎপাদনও করতে পারে। আর যে সমাজ ভালোকে অস্বীকার করে, সে সমাজ ধীরে ধীরে নিজের মানবিকতা, বিবেক ও নৈতিক শক্তি হারিয়ে ফেলে।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়—ভালো কাজ দেখা মানে আলোকে স্বীকার করা। আর যে সমাজ আলোকে অস্বীকার করে, সে সমাজ অন্ধকারেই নিজের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236903/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 21:07:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নৈতিক দীনতা ও মানসিক দারিদ্রতা<br />
  __ পি কে সরকার</p>
<p>যে সমাজ অন্যের ভালো কাজ দেখতেই পায় না, সেই সমাজ নিজের ভালো করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে।<br />
মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত ভালো ও মন্দের দ্বন্দ্বে নির্মিত। কিন্তু এই দ্বন্দ্বের চেয়েও গভীর এক সংকট তখনই জন্ম নেয়, যখন কোনো সমাজ ধীরে ধীরে অন্যের ভালো কাজ দেখার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। এমন সমাজে ভালো কাজ আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236903"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236903/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2b5891f87e0e0d04ac7c53b0603a1fe4</guid>
				<title>সময়ের নির্মম পরিহাস: মহাকালের এক অবাধ্য দর্পণ
কলমে: পি কে সরকার

মানুষের অস্তিত্বের ক্যানভাসে সময় হলো সেই নিপুণ শিল্পী, যে কোনো রং ছাড়াই জীবনের ছবি আঁকে। আমরা সময়কে ঘড়ির কাঁটায় কিংবা দিনপঞ্জিকার পাতায় বন্দি করতে চাই, কিন্তু সময় আসলে এক অবাধ্য ও আদিম স্রোত। সময় কোনো নিরুত্তাপ সাক্ষী নয়; বরং সে এক নিষ্ঠুর পরিহাসক। জীবনের প্রতিটি বাঁকে সময় আমাদের যেমন উজাড় করে দেয়, তেমনি নিঃশব্দে কেড়ে নেয় সবটুকু অধিকার। মহাকালের এই দর্পণে আমরা যখন নিজেদের দেখি, তখন আয়নার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সময় আমাদের দিকে তাকিয়ে বিদ্রূপের হাসি হাসে।

সময়ের বৈষম্য ও মানসিক আপেক্ষিকতা
সময়ের পরিহাসের প্রথম রূপটি হলো এর বৈষম্যমূলক আচরণ। সময় সবার জন্য সমান বেগে চলে না। যাকে সে দহন করতে চায়, তাকে দেয় অফুরন্ত অবসর। এই অবসর আশীর্বাদ নয়, বরং দণ্ড। দীর্ঘ প্রহর মানুষকে তার অতীতের ভুলগুলোর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়—সেখানে প্রতিটি স্মৃতি এক একটি দগদগে ক্ষত হয়ে ফিরে আসে। অথচ যাকে সময় ঘৃণা করে, তার থেকে সে কেড়ে নেয় প্রতিটি মুহূর্ত। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই, প্রিয়জনকে একটিবার ক্ষমা করার বা ভালোবাসার কথা বলার আগেই জীবনের যবনিকা টেনে দেয় সে। এই যে অসময়, এটাই মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।

সম্পর্কের হাহাকার ও না বলা কথা
সময়ের সবচেয়ে নির্মম পরিহাস ফুটে ওঠে আমাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনে। যে সন্তানটি সারাজীবন বাবার সাথে অভিমানে বা ঔদ্ধত্যে দূরত্ব বজায় রেখে চলেছে, বাবার চিরপ্রস্থানের পর সে বুঝতে পারে—হৃদয়ে জমানো কথাগুলো বলার মতো আশ্রয়টি আর নেই। সময় তাকে কথা বলার সুযোগ দেয়নি। আমরা ভাবি &quot;এখনো অনেক সময় আছে&quot;, কিন্তু সময় আমাদের সেই ভুল ভাঙিয়ে দেয় ঠিক শেষ মুহূর্তে, যখন ফেরার সব পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। স্বপ্নের পেছনে ছুটতে ছুটতে যে কিশোরী একদিন বড় হয়, সে দেখে তার হাতে সাফল্য আছে কিন্তু সেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মতো শৈশব বা উদ্যম আর অবশিষ্ট নেই। সময় কেবল চলেই যায় না, সে আমাদের সক্ষমতাকেও কুরে কুরে খেয়ে ফেলে।

সময়ের অপচয়: এক আত্মঘাতী বিলাসিতা
সময়ের সদ্ব্যবহার যেখানে জীবনের প্রতিটি স্পন্দনকে অর্থবহ করে তোলে, সেখানে এর অপচয় হলো এক ধীরগতির আত্মহত্যা। আমরা যখন সময় নষ্ট করি, তখন আসলে আমরা আমাদের পরমায়ুকেই নিঃশেষ করি। অপচয়িত সময় ফিরে আসে না, কিন্তু সে রেখে যায় অনুশোচনার এক তীক্ষ্ণ বিষদাঁত। যখন শরীরের শক্তি ও মনের তেজ ফুরিয়ে আসে, তখন মানুষ পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখে—তার অর্জনের ঝুড়িতে কেবল শূন্যতা। সময় হলো এক অত্যন্ত অভিমানী পথিক; একবার তাকে অবহেলা করে ফিরিয়ে দিলে সে এমন এক দিগন্তে গিয়ে হারায়, যেখান থেকে কোনো কাকুতি-মিনতিতেই তাকে আর ফেরানো যায় না।

নিঃশব্দ হরণকারী ও চূড়ান্ত পরিণতি
সময় আমাদের সবকিছু দান করে—শক্তি, সৌন্দর্য, মেধা এবং ভালোবাসা। কিন্তু এই দানে কোনো স্থায়িত্ব নেই। সময় যখন এগুলো ফেরত নিতে আসে, তখন সে কোনো আগাম বার্তা দেয় না। সে কোনো অনুমতি প্রার্থনা করে না। সে অত্যন্ত নিঃশব্দে এবং নির্মমভাবে আমাদের সমস্ত অহংকার কেড়ে নিয়ে আমাদের রিক্ত করে দেয়। সময়ের সাথে ঝগড়া করা বৃথা, কারণ সে কারো যুক্তির ধার ধারে না। সে শুধু তার নিজস্ব ছন্দে চলে এবং আমাদের ভুলগুলো নিয়ে হাসতে হাসতে আমাদের পেছনে ফেলে এগিয়ে যায়।

উপসংহার: বর্তমানই পরম সত্য
সময়ের এই নির্মম পরিহাস থেকে নিষ্কৃতির একটাই পথ—বর্তমানকে আলিঙ্গন করা। পরের মুহূর্তটি আমাদের নয়, সেটি মহাকালের একান্ত নিজস্ব সম্পত্তি। তাই যা করার, যাকে ভালোবাসার বা যার জন্য লড়াই করার—তা এখনই করতে হবে। সময়ের দয়ার ওপর নির্ভর করে বসে থাকা মানেই চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত করা। সময় কাউকে ক্ষমা করে না, কিন্তু যে বর্তমানকে সম্মান করতে জানে, সময় তাকে অন্তত আক্ষেপের অনলে পুড়িয়ে মারে না। মনে রাখা প্রয়োজন, সময় কারো জন্য কাঁদে না, কিন্তু সময় মানুষকে কাঁদাতে জানে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236892/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 09:15:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময়ের নির্মম পরিহাস: মহাকালের এক অবাধ্য দর্পণ<br />
কলমে: পি কে সরকার</p>
<p>মানুষের অস্তিত্বের ক্যানভাসে সময় হলো সেই নিপুণ শিল্পী, যে কোনো রং ছাড়াই জীবনের ছবি আঁকে। আমরা সময়কে ঘড়ির কাঁটায় কিংবা দিনপঞ্জিকার পাতায় বন্দি করতে চাই, কিন্তু সময় আসলে এক অবাধ্য ও আদিম স্রোত। সময় কোনো নিরুত্তাপ সাক্ষী নয়; বরং সে এক নিষ্ঠুর পরিহাসক। জীবনের প্রতিটি বাঁকে সময় আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236892"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236892/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">18bb701befc48cceeeecfa775b6fd28f</guid>
				<title>নিঃসময় প্রান্তরে
  ___ পি কে সরকার

সময়, তোমারেই ছুটি দিলেম,
আর আমি চললেম—
যেখানে তুমি নেই, যেখানে তোমার ঘড়ি চলে না,
যেখানে তোমার শাসন পৌঁছয় না—
ক্লান্ত নিয়মের সীমান্ত পেরিয়ে,
মুহূর্তের ভার নামিয়ে রেখে,
চেতনার নিঃশব্দ দিগন্তে দাঁড়িয়ে,
আমার শেষবেলাকার সেই পরম অবেলায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236839/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Jan 2026 07:28:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিঃসময় প্রান্তরে<br />
  ___ পি কে সরকার</p>
<p>সময়, তোমারেই ছুটি দিলেম,<br />
আর আমি চললেম—<br />
যেখানে তুমি নেই, যেখানে তোমার ঘড়ি চলে না,<br />
যেখানে তোমার শাসন পৌঁছয় না—<br />
ক্লান্ত নিয়মের সীমান্ত পেরিয়ে,<br />
মুহূর্তের ভার নামিয়ে রেখে,<br />
চেতনার নিঃশব্দ দিগন্তে দাঁড়িয়ে,<br />
আমার শেষবেলাকার সেই পরম অবেলায়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7306af42b193346898c47e4cf64ba924</guid>
				<title>হুবহু মানুষের মতই দেখতে

ওরা মানুষের মতো দেখতে—
কিন্তু মনুষ্যত্বহীন,
বিবেক বর্জিত---
নিজস্বতা নেই—
অন্যের চোখে দেখে,
অন্যের কানে শোনে,
অন্যের সম্মোহনে হাঁটে---
ওরা চিন্তা করে না,
অনুসরণ করে---
প্রশ্ন তোলে না,
শুধু মাথা নোয়ায়;
ওদের থেকে—
সহস্র আলোকবর্ষ দূরে থাকো&#039;
কিন্তু দূর্ভাগ্য...
এই বিকৃত বিষাক্ত মস্তিষ্কের, 
অভিশপ্ত দেহীহীন দেহদের...
সাথেই থাকতে হয়.....!!

_____ পি কে সরকার
রামচন্দ্রপুর
২৪.১২.২০২৫ খ্রিঃ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236399/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 08:53:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হুবহু মানুষের মতই দেখতে</p>
<p>ওরা মানুষের মতো দেখতে—<br />
কিন্তু মনুষ্যত্বহীন,<br />
বিবেক বর্জিত&#8212;<br />
নিজস্বতা নেই—<br />
অন্যের চোখে দেখে,<br />
অন্যের কানে শোনে,<br />
অন্যের সম্মোহনে হাঁটে&#8212;<br />
ওরা চিন্তা করে না,<br />
অনুসরণ করে&#8212;<br />
প্রশ্ন তোলে না,<br />
শুধু মাথা নোয়ায়;<br />
ওদের থেকে—<br />
সহস্র আলোকবর্ষ দূরে থাকো&#8217;<br />
কিন্তু দূর্ভাগ্য&#8230;<br />
এই বিকৃত বিষাক্ত মস্তিষ্কের,<br />
অভিশপ্ত দেহীহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236399"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236399/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1bbf7a6bb73c9fa89f4d7942d589a0cb</guid>
				<title>উদ্দণ্ড স্বপ্নের নির্লজ্জ আস্ফালনে,
বিবেকহীন আবেগ নাচে—
ঘন ঘোর আঁধারে।

ইতিহাসের বুকে, নগ্ন প্রহার,
ইতিহাসের ভাগাড়েও...
হবে না জায়গা তোমার।

মহাকালের মহাপ্রলয়ে,
দ্রোহের অনলে—
পুড়ে হবে ছারখার।

__ পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236157/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 08:36:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উদ্দণ্ড স্বপ্নের নির্লজ্জ আস্ফালনে,<br />
বিবেকহীন আবেগ নাচে—<br />
ঘন ঘোর আঁধারে।</p>
<p>ইতিহাসের বুকে, নগ্ন প্রহার,<br />
ইতিহাসের ভাগাড়েও&#8230;<br />
হবে না জায়গা তোমার।</p>
<p>মহাকালের মহাপ্রলয়ে,<br />
দ্রোহের অনলে—<br />
পুড়ে হবে ছারখার।</p>
<p>__ পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">34c3c4e71326190bfcca349bfda4a1f9</guid>
				<title>বিকৃত প্রজন্ম
  __পি কে সরকার

উদ্ভট প্রজন্ম ঝড়ে,
পড়েছে স্বদেশ...
অশালীন শব্দ স্লোগানে,
নির্বাক জাতি, দূষিত বিবেক।

বেপরোয়া উল্লাস দাউ দাউ জ্বলে
অসভ্যতার বিষাক্ত অনলে;
খড়কুটো ছাই হয়ে শালীনতা উড়ে—
ব্যঙ্গক্লান্ত মেঘ নামে আকাশ ভরে।

যেখানে শব্দ ছিল সুরের মুকুট—
আজ সেখানে বিষের গর্জন-দাপট;
মুখোশ খুলে দিলো, দেখো প্রকাশ্য—
দুর্নীতির ঝড়, দিগ্‌বিদিক সর্বনাশ্য।

তবু সেই অনলেই দূষিত প্রজন্ম
একদিন পাবে শুদ্ধ জন্ম;
দ্রোহের অনলে পুড়ে যা ঝরে—
ফিরে আসে আলো, পুণ্য সম্ভ্রমে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235725/</link>
				<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 12:24:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিকৃত প্রজন্ম<br />
  __পি কে সরকার</p>
<p>উদ্ভট প্রজন্ম ঝড়ে,<br />
পড়েছে স্বদেশ&#8230;<br />
অশালীন শব্দ স্লোগানে,<br />
নির্বাক জাতি, দূষিত বিবেক।</p>
<p>বেপরোয়া উল্লাস দাউ দাউ জ্বলে<br />
অসভ্যতার বিষাক্ত অনলে;<br />
খড়কুটো ছাই হয়ে শালীনতা উড়ে—<br />
ব্যঙ্গক্লান্ত মেঘ নামে আকাশ ভরে।</p>
<p>যেখানে শব্দ ছিল সুরের মুকুট—<br />
আজ সেখানে বিষের গর্জন-দাপট;<br />
মুখোশ খুলে দিলো, দেখো প্রকাশ্য—<br />
দুর্নীতির ঝড়,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235725"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235725/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e30790819748170b6cf29a2beeee6fa0</guid>
				<title>ঘুনে ধরা স্বপ্ন
   _ পি কে সরকার

রঙিন স্বপ্নে ঘুন ধরেছে,
মরিচা পড়েছে স্মৃতিতে—
বুকে আগুন রাখি লুকায়ে, 
ঝড়েরই নিষ্ঠুর ভীতিতে।

নিভে যাওয়া প্রদীপ জ্বালায়,
জেগে ওঠে বিদ্রোহী শিখা;
অন্ধকার রাত ফুঁড়ে উঠে
রক্তিম রোদ্দুরের দীক্ষা।

ভাঙা বুকেতে শৃঙ্খল থাকে,
তবু মন জেগে ওঠে তেজে—
মাটির মানুষ দাঁড়ায় আবার
অগ্নিবীণার সুরে সুরে।

হে বিসর্জিত স্বপ্নেরা সব,
ফিরে এসো বুকে রুদ্র ডাকে—
মানুষের বুকে আগুন জ্বলে, 
মাটি কাঁপে বিদ্রোহ শাঁকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235689/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 16:01:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘুনে ধরা স্বপ্ন<br />
   _ পি কে সরকার</p>
<p>রঙিন স্বপ্নে ঘুন ধরেছে,<br />
মরিচা পড়েছে স্মৃতিতে—<br />
বুকে আগুন রাখি লুকায়ে,<br />
ঝড়েরই নিষ্ঠুর ভীতিতে।</p>
<p>নিভে যাওয়া প্রদীপ জ্বালায়,<br />
জেগে ওঠে বিদ্রোহী শিখা;<br />
অন্ধকার রাত ফুঁড়ে উঠে<br />
রক্তিম রোদ্দুরের দীক্ষা।</p>
<p>ভাঙা বুকেতে শৃঙ্খল থাকে,<br />
তবু মন জেগে ওঠে তেজে—<br />
মাটির মানুষ দাঁড়ায় আবার<br />
অগ্নিবীণার সুরে সুরে।</p>
<p>হে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235689"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235689/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe71f65e78bfb47ae8307206b1305372</guid>
				<title>পি.কে. সরকার and Meghdipe (মেঘদ্বীপ) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233769/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 07:59:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9238693c7c28686ed013f9296cbc624c</guid>
				<title>দ্রোহের চিত্রপট
— পি কে সরকার

এত আলো, তবু আঁধার,
নিষ্প্রভ সময়ের নিঃশব্দ আর্তনাদে—
বাতাসেও জ্বলে শুধু
চোখের ভাষাহীন আগুন।

বিভীষিকাময় পথ বেয়ে,
চলে আসে অবরুদ্ধ যাত্রা,
বুকের মধ্যে চূর্ণ শিলা,
তবু মুখে রেখেছো সুধাভরা হাসি।

বিবর্ণ ক্যানভাসে,
তুমি এঁকে চলেছো—
জ্বলন্ত প্রশ্নের রেখা,
যেখানে রঙেরা আর রঙ নয়,
শুধুই রক্তের ছোপ।

তোমার তুলি নয়,
এ এক জেগে-ওঠা ক্ষোভ,
সময়ের অনিয়মে গড়া
একান্ত ব্যক্তিগত যুদ্ধদিন।

কে বলেছিল— শিল্প শান্তি আনে?
তুমি তো আঁকছো বিদ্রোহ!
চিত্রপটে তুমি যে রেখেছো—
একটি নিঃশ্বাসহীন কাতর মানবতা।

এত আলো, তবু আঁধার,
এই দৃশ্যপটেই তুমি জাগিয়ে তুলেছো
একটি নতুন ভোর—
যেখানে সূর্য ওঠে চোখের আগুনে,
আর দ্রোহই হয়
শিল্পের একমাত্র সংলাপ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230991/</link>
				<pubDate>Sat, 05 Jul 2025 13:16:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দ্রোহের চিত্রপট<br />
— পি কে সরকার</p>
<p>এত আলো, তবু আঁধার,<br />
নিষ্প্রভ সময়ের নিঃশব্দ আর্তনাদে—<br />
বাতাসেও জ্বলে শুধু<br />
চোখের ভাষাহীন আগুন।</p>
<p>বিভীষিকাময় পথ বেয়ে,<br />
চলে আসে অবরুদ্ধ যাত্রা,<br />
বুকের মধ্যে চূর্ণ শিলা,<br />
তবু মুখে রেখেছো সুধাভরা হাসি।</p>
<p>বিবর্ণ ক্যানভাসে,<br />
তুমি এঁকে চলেছো—<br />
জ্বলন্ত প্রশ্নের রেখা,<br />
যেখানে রঙেরা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230991"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230991/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">293af2fd7bd03468a8fd2e0911ef0594</guid>
				<title>বৃষ্টি যখন তোমার মতো
    -- পি কে সরকার

মুষলধারায় বৃষ্টি হচ্ছে,
দাঁড়িয়ে ব্যালকনিতে,
হালকা হাওয়ায় যাচ্ছে ছুঁয়ে,
আমায় ভালোবেসে।

ভেজা পাতার করতালি,
জাগে প্রাণে মধুর স্মৃতি,
এ যেন সেই তুমি--
নরম, স্নিগ্ধ, বৃষ্টি তুমি।

দূর আকাশে মেঘের শব্দে,
মন চায় ফিরে যেতে,
সেই প্রথম ছোঁয়ার রাতে,
যেখানে তুমি ছিলে, ছিল বৃষ্টি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230964/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Jul 2025 13:13:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টি যখন তোমার মতো<br />
    &#8212; পি কে সরকার</p>
<p>মুষলধারায় বৃষ্টি হচ্ছে,<br />
দাঁড়িয়ে ব্যালকনিতে,<br />
হালকা হাওয়ায় যাচ্ছে ছুঁয়ে,<br />
আমায় ভালোবেসে।</p>
<p>ভেজা পাতার করতালি,<br />
জাগে প্রাণে মধুর স্মৃতি,<br />
এ যেন সেই তুমি&#8211;<br />
নরম, স্নিগ্ধ, বৃষ্টি তুমি।</p>
<p>দূর আকাশে মেঘের শব্দে,<br />
মন চায় ফিরে যেতে,<br />
সেই প্রথম ছোঁয়ার রাতে,<br />
যেখানে তুমি ছিলে, ছিল বৃষ্টি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ff133d96106953cfe1bb3e78cd67140</guid>
				<title>চেতনার শবযাত্রা

... পি কে সরকার

আলোকিত শহরে দেখি বিজ্ঞাপনের কাঁচের দালান,
ভেতরে বসে মানুষ, মুখে হাসি—হৃদয় নির্জন।
বন্ধুতা সীমাবদ্ধ এখন স্ক্রিনের ভেতরকার আলোয়,
শরীর ছুঁয়ে হাসে, মন খুঁজে ফিরে একাকী কাকলীতে।

বিকিয়ে গেছে মেধা, বিক্রি হয় স্বপ্নও ছাঁকা মূল্যে,
নৈতিকতা অলঙ্কার, যা ঝুলে দেয়ালে মাত্র চিত্র।
প্রতিদিন পোড়ানো হয় হৃদয়ের সব আবেগ-বাক্য,
সংবেদন বদলায় রিয়েল-টাইম রেটিংয়ের আলোচনায়।

রাগে-ঘৃণায় ভরে উঠেছে আমাদের নিত্য আপডেট,
ভবিষ্যৎ মানেই এখন আত্ম-প্রপঞ্চের এক নতুন অ্যাপ।
শ্রদ্ধা নেই, বিশ্বাস নেই—আছে শুধু &quot;আমি&quot; নামের দেবতা।

ঈশ্বরও ক্লান্ত হয়ে মুখ ফিরিয়ে নেন নিরুত্তর চোখে—
এই সভ্যতা কোথায় যাবে, মৃত্যু না মুক্তির পথে?
নাকি মানুষ নিজেই হয়ে উঠেছে নিজের শেষ শত্রু?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230619/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 21:22:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চেতনার শবযাত্রা</p>
<p>&#8230; পি কে সরকার</p>
<p>আলোকিত শহরে দেখি বিজ্ঞাপনের কাঁচের দালান,<br />
ভেতরে বসে মানুষ, মুখে হাসি—হৃদয় নির্জন।<br />
বন্ধুতা সীমাবদ্ধ এখন স্ক্রিনের ভেতরকার আলোয়,<br />
শরীর ছুঁয়ে হাসে, মন খুঁজে ফিরে একাকী কাকলীতে।</p>
<p>বিকিয়ে গেছে মেধা, বিক্রি হয় স্বপ্নও ছাঁকা মূল্যে,<br />
নৈতিকতা অলঙ্কার, যা ঝুলে দেয়ালে মাত্র চিত্র।<br />
প্রতিদিন পো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230619"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230619/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a197d83d1133ef3a75eab68d9f8269f</guid>
				<title>ঝিলের রাজা কে?
        .....  পি কে সরকার

এক বিশাল ঝিলে পুঁটি আর বোয়ালের মধ্যে ভয়ানক তর্ক শুরু হলো—কে বেশি বুদ্ধিমান আর কার জনপ্রিয়তা বেশি!

পুঁটি বুক ফুলিয়ে বললো, &quot;আমার গতির কাছে সবাই হার মানে, আমিই সেরা; তাই আমিই এই ঝিলের রাজা হবার যোগ্য।&quot;

বোয়াল বিকট হাঁ করে বলল, &quot;তোর মতো হাজারটাকে আমি এক গিলে খেয়ে ফেলি, শক্তিই আসল বুদ্ধি, তাই রাজত্ব আমার।&quot;

তারা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে একে অপরকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে শুরু করলো আর আশপাশের মাছদের সাক্ষী মানতে লাগলো।

পুঁটি এক ট্যাংরা মাছকে দেখিয়ে চেঁচিয়ে বলল, &quot;তুই-ই বল, সেদিন জেলের জালটা আমি কী চালাকির সাথে কাটিয়েছিলাম!&quot;

বোয়ালও এক কই মাছকে ধমক দিয়ে বলল, &quot;শোন, আমি যে এই ঝিলের সবচেয়ে সম্মানিত, তুই সেটা সবাইকে বলবি না?&quot;

তাদের এই মূর্খতা দেখে অন্য মাছেরা আড়ালে হাসাহাসি ও ফিসফাস করছিল, আর কেউ তাদের থামাতেও যাচ্ছিল না।

চালাক রুইমাছ তো আড়াল থেকে ইশারায় দুজনকেই আরও উস্কে দিচ্ছিল, যাতে লড়াইটা আরও জমে ওঠে।

ঠিক তখনই ওপর থেকে এক বিরাট জাল এসে পড়ল, কিন্তু তর্কে মত্ত দুই মহারথী তা একটুও খেয়াল করলো না।

বাকি মাছেরা বিপদ বুঝে আগেই সরে যেতে থাকে। 

কিন্তু ঝিলের দুই সবচেয়ে বুদ্ধিমান বোকার পাল্লায় পড়ে&#039; আরও কিছু মাছ একসঙ্গে জেলের জালে বন্দী হয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230579/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 13:01:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝিলের রাজা কে?<br />
        &#8230;..  পি কে সরকার</p>
<p>এক বিশাল ঝিলে পুঁটি আর বোয়ালের মধ্যে ভয়ানক তর্ক শুরু হলো—কে বেশি বুদ্ধিমান আর কার জনপ্রিয়তা বেশি!</p>
<p>পুঁটি বুক ফুলিয়ে বললো, &#8220;আমার গতির কাছে সবাই হার মানে, আমিই সেরা; তাই আমিই এই ঝিলের রাজা হবার যোগ্য।&#8221;</p>
<p>বোয়াল বিকট হাঁ করে বলল, &#8220;তোর মতো হাজারটাকে আমি এক গিলে খেয়ে ফেলি, শক্তিই আসল ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230579"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230579/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3eeb91bd13f8cadc73c65a18d5c40d67</guid>
				<title>গল্পেরা স্মৃতি হয়ে,
পড়ছে চাপা...
জীবনের ভাঁজে। 

বিস্তর গল্পের ভিড়ে,
অব্যক্ত গল্পেরা... 
অগোচরে।

জীবন চলেছে ছুটে,
পাপী পেটের...
নির্মম পরিহাসে।
------ পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230538/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 19:10:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পেরা স্মৃতি হয়ে,<br />
পড়ছে চাপা&#8230;<br />
জীবনের ভাঁজে। </p>
<p>বিস্তর গল্পের ভিড়ে,<br />
অব্যক্ত গল্পেরা&#8230;<br />
অগোচরে।</p>
<p>জীবন চলেছে ছুটে,<br />
পাপী পেটের&#8230;<br />
নির্মম পরিহাসে।<br />
&#8212;&#8212; পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6c87be571cd73a1207431c5331ad7aa3</guid>
				<title>আস্ত তিমি নিছে গিলে,
পুঁটি মাছের ছায়ে,
তাই শুনে নাচ্ছে দেখো,
ডানকানার ঐ মায়ে।।
       .......  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226387/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Feb 2025 05:15:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আস্ত তিমি নিছে গিলে,<br />
পুঁটি মাছের ছায়ে,<br />
তাই শুনে নাচ্ছে দেখো,<br />
ডানকানার ঐ মায়ে।।<br />
       &#8230;&#8230;.  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">50a8305a860f25ce8597d92b6f1deff5</guid>
				<title>তপ্ত চিত্ত অন্ধ নেত্র,
উন্নত মানুষ,
বৈরাগ্য মনুষ্যত্ব...!

সৃষ্টির সৃষ্টিরা...
ব্যস্ত সদা,
রূপান্তরে, 
পেতে পূর্ণতা;
এ চেষ্টায়....
মানুষ তবে কোথা!

মানুষের ভিড়ে,
মনুষ্যত্ব হারিয়ে,
অন্ধ বিবেক,
মনুষ্যত্ব খোঁজে।
     ....  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226329/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 18:40:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তপ্ত চিত্ত অন্ধ নেত্র,<br />
উন্নত মানুষ,<br />
বৈরাগ্য মনুষ্যত্ব&#8230;!</p>
<p>সৃষ্টির সৃষ্টিরা&#8230;<br />
ব্যস্ত সদা,<br />
রূপান্তরে,<br />
পেতে পূর্ণতা;<br />
এ চেষ্টায়&#8230;.<br />
মানুষ তবে কোথা!</p>
<p>মানুষের ভিড়ে,<br />
মনুষ্যত্ব হারিয়ে,<br />
অন্ধ বিবেক,<br />
মনুষ্যত্ব খোঁজে।<br />
     &#8230;.  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1838ed81b90649073aded16a82c9f9b6</guid>
				<title>হায়! সে পাখি....
পথভোলা
    ....  পি কে সরকার

আগুন পাখিরা মিলেছে ডানা,
শুরু সবার স্বপ্ন দেখা,
হায়! সে পাখি পথভোলা,
মেতেছে খেলা সর্বনাশা।
     
ভেবেছিনু পাখি, পথ দেখাবে,
আঁধার পথ আলোয় ভরবে,
হায়! সে পাখি পথভোলা,
মেতেছে খেলা সর্বনাশা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226303/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 02:07:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হায়! সে পাখি&#8230;.<br />
পথভোলা<br />
    &#8230;.  পি কে সরকার</p>
<p>আগুন পাখিরা মিলেছে ডানা,<br />
শুরু সবার স্বপ্ন দেখা,<br />
হায়! সে পাখি পথভোলা,<br />
মেতেছে খেলা সর্বনাশা।</p>
<p>ভেবেছিনু পাখি, পথ দেখাবে,<br />
আঁধার পথ আলোয় ভরবে,<br />
হায়! সে পাখি পথভোলা,<br />
মেতেছে খেলা সর্বনাশা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">34641c2e2e63b218e0c1ab84dd2636ac</guid>
				<title>উদ্ভট প্রাণী মানুষ
    ....  পি কে সরকার

উদ্ভট  প্রাণী মানুষ;
উন্মত্ত বেহুশ...
ইহারা.... 
ইহাদের মারতে,
করেছে, করছে....
কত কত আয়োজন!

মানুষ মারতে কি....
এটম বোম লাগে!!
এ ধরাধামে...
কাকে খায়নে,
কাকের মাংস...
কিন্তু মানুষ খায়, 
মানুষের...
রক্ত মাংস,
শ্রেষ্ঠ তবে কে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226210/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Feb 2025 19:26:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উদ্ভট প্রাণী মানুষ<br />
    &#8230;.  পি কে সরকার</p>
<p>উদ্ভট  প্রাণী মানুষ;<br />
উন্মত্ত বেহুশ&#8230;<br />
ইহারা&#8230;.<br />
ইহাদের মারতে,<br />
করেছে, করছে&#8230;.<br />
কত কত আয়োজন!</p>
<p>মানুষ মারতে কি&#8230;.<br />
এটম বোম লাগে!!<br />
এ ধরাধামে&#8230;<br />
কাকে খায়নে,<br />
কাকের মাংস&#8230;<br />
কিন্তু মানুষ খায়,<br />
মানুষের&#8230;<br />
রক্ত মাংস,<br />
শ্রেষ্ঠ তবে কে?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">38b68b731638ef0db83a53fe7cb5abcd</guid>
				<title>যে পাপে হলো সে পাপী,
সে পাপ তোমায় ধরলো আজি,
ভাবছো তুমি...
আমিতো ঠিক আছি...
দিচ্ছি পাপের শাস্তি,
পাপ তোমায় ছাড়বে কি,
প্রলয়ের উল্লাসে মাতলে কি,
প্রলয় তোমায় ছাড়বে কি?
আগুন যখন ছড়িয়ে পরে,
পোড়ে কি বাদ দিয়ে?

    .......  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226176/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Feb 2025 04:04:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যে পাপে হলো সে পাপী,<br />
সে পাপ তোমায় ধরলো আজি,<br />
ভাবছো তুমি&#8230;<br />
আমিতো ঠিক আছি&#8230;<br />
দিচ্ছি পাপের শাস্তি,<br />
পাপ তোমায় ছাড়বে কি,<br />
প্রলয়ের উল্লাসে মাতলে কি,<br />
প্রলয় তোমায় ছাড়বে কি?<br />
আগুন যখন ছড়িয়ে পরে,<br />
পোড়ে কি বাদ দিয়ে?</p>
<p>    &#8230;&#8230;.  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0cc3f090b0a527b937fe3e95091c2e75</guid>
				<title>প্রাণহীন নিথর দেহে,
কি ফল লভিলে আঘাতে!
তপ্ত চিত্ত শীতল হলে,
একদণ্ড নিবে ভেবে।
অনুতপ্তের সময় কি পাবে,
যখন সময় যাবে চলে?
তুমি যে মনে রেখেছ তারে,
কর্মে তার প্রমাণ দিলে।
আঘাত,মন ভুলে যাবে,
চিহ্ন কিন্তু রয়ে যাবে।

            ......  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226090/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Feb 2025 04:38:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রাণহীন নিথর দেহে,<br />
কি ফল লভিলে আঘাতে!<br />
তপ্ত চিত্ত শীতল হলে,<br />
একদণ্ড নিবে ভেবে।<br />
অনুতপ্তের সময় কি পাবে,<br />
যখন সময় যাবে চলে?<br />
তুমি যে মনে রেখেছ তারে,<br />
কর্মে তার প্রমাণ দিলে।<br />
আঘাত,মন ভুলে যাবে,<br />
চিহ্ন কিন্তু রয়ে যাবে।</p>
<p>            &#8230;&#8230;  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d2ff39d5125a826642dea9887225cc79</guid>
				<title>স্বপ্নেরা দূরে যায়,
মানুষগুলো পর হয়,
কুঞ্চিত মনের গহীনে,
আত্মতৃপ্তি বাসা বাঁধে;
কালো মেঘ ধেয়ে আসে,
মন গগনে প্রলয় নৃত্যে।

তবু প্রাণ...
গেয়ে ওঠে,
প্রেমের জয় গাণ,
আঁধার যাবে কেটে,
শূন্য কানন...
পুষ্পে পুষ্পে উঠবে ভরে।

      ..... ......  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225521/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jan 2025 17:36:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নেরা দূরে যায়,<br />
মানুষগুলো পর হয়,<br />
কুঞ্চিত মনের গহীনে,<br />
আত্মতৃপ্তি বাসা বাঁধে;<br />
কালো মেঘ ধেয়ে আসে,<br />
মন গগনে প্রলয় নৃত্যে।</p>
<p>তবু প্রাণ&#8230;<br />
গেয়ে ওঠে,<br />
প্রেমের জয় গাণ,<br />
আঁধার যাবে কেটে,<br />
শূন্য কানন&#8230;<br />
পুষ্পে পুষ্পে উঠবে ভরে।</p>
<p>      &#8230;.. &#8230;&#8230;  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f388faf05c95256047a6b798eddc411</guid>
				<title>&quot;সময় তো একই গতিতে চলছে...
শুধু পরিস্খিতি একই গতিতে চলে না।
যত খারাপ পরিস্থিতি,
তত নিজেকে, তাকে, ওকে, 
ওদেরকে জানবে এবং চিনবে। 
খারাপ পরিস্খিতিতে... 
মনকে স্থির রাখতে পারলেই,
দেখবে...
সময়, পরিস্থিতি পাল্টে দিবে।&quot;   
        ......... পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225349/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jan 2025 19:26:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;সময় তো একই গতিতে চলছে&#8230;<br />
শুধু পরিস্খিতি একই গতিতে চলে না।<br />
যত খারাপ পরিস্থিতি,<br />
তত নিজেকে, তাকে, ওকে,<br />
ওদেরকে জানবে এবং চিনবে।<br />
খারাপ পরিস্খিতিতে&#8230;<br />
মনকে স্থির রাখতে পারলেই,<br />
দেখবে&#8230;<br />
সময়, পরিস্থিতি পাল্টে দিবে।&#8221;<br />
        &#8230;&#8230;&#8230; পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">757d0c31be0e7fa5229b86c25f51670e</guid>
				<title>একটা সময়...
বন্ধু সবে এক সাথে,
আড্ডা দিতেম যেখানে;
বহু সময় পেরিয়ে গেল...
আর... 
আড্ডা দেই না সেখানে।
তাই বলে কি...
শূন্য পড়ে আছে,
সেখানে...?
না...
নতুন প্রাণ আড্ডা দেয়...
নতুন আলোয় ভরে।

     ......  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225209/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Jan 2025 15:12:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটা সময়&#8230;<br />
বন্ধু সবে এক সাথে,<br />
আড্ডা দিতেম যেখানে;<br />
বহু সময় পেরিয়ে গেল&#8230;<br />
আর&#8230;<br />
আড্ডা দেই না সেখানে।<br />
তাই বলে কি&#8230;<br />
শূন্য পড়ে আছে,<br />
সেখানে&#8230;?<br />
না&#8230;<br />
নতুন প্রাণ আড্ডা দেয়&#8230;<br />
নতুন আলোয় ভরে।</p>
<p>     &#8230;&#8230;  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42d9daddd2abf35d18491efe601762c8</guid>
				<title>দিকভ্রান্ত পরম্পরা
   .......  পি কে সরকার

উদ্বাস্তু স্বপ্নেরা...
দিকভ্রান্ত পরম্পরা ;
লালসার মেলা...
নেশাতুর মরীচিকা,
চলছে শব্দ বাণ খেলা।

ফাঁকা কলস...
বাজে সারা বেলা,
একি শুধুই..
দায় এড়িয়ে, 
দায় দেওয়ার পালা!!

কালক্ষেপণে...
চলে যায় বেলা,
কামাতুর পথিক...
পথভোলা।
গ্রহণ লেগেছে চোখে...
পশুত্ব জেগেছে,
বিপন্ন মনে...!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225141/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Jan 2025 16:49:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিকভ্রান্ত পরম্পরা<br />
   &#8230;&#8230;.  পি কে সরকার</p>
<p>উদ্বাস্তু স্বপ্নেরা&#8230;<br />
দিকভ্রান্ত পরম্পরা ;<br />
লালসার মেলা&#8230;<br />
নেশাতুর মরীচিকা,<br />
চলছে শব্দ বাণ খেলা।</p>
<p>ফাঁকা কলস&#8230;<br />
বাজে সারা বেলা,<br />
একি শুধুই..<br />
দায় এড়িয়ে,<br />
দায় দেওয়ার পালা!!</p>
<p>কালক্ষেপণে&#8230;<br />
চলে যায় বেলা,<br />
কামাতুর পথিক&#8230;<br />
পথভোলা।<br />
গ্রহণ লেগেছে চোখে&#8230;<br />
পশুত্ব জেগেছে,<br />
বিপন্ন মনে&#8230;!!!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87ea074ed00d78ee0a25aa881bac75bd</guid>
				<title>&quot; মানুষ চিনতে পারাও একটি যোগ্যতা,
যে যোগ্যতার ব্যাপক ঘাটতি আমার মাঝে...
আমি প্রতিনিয়ত তা উপলব্ধি করছি।
যা প্রতি মুহূর্তে...
এই ঘাটতিতে নব নব অভিজ্ঞতা যুক্ত করছে।
কোন ধরণের মানুষের কাছে প্রত্যাশা করছেন?
সেই মানুষটাকে কতটুকু জানেন?
এই প্রশ্নের উত্তর যদি না জানেন, 
তবে...
প্রত্যাশা পরিহার করায় শ্রেয়।
যদি পরিহার না করেন,
তবে...
আর একটি নতুন অভিজ্ঞতার জন্য 
প্রস্তুত আছেন তো?&quot;
    .....  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/225040/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Jan 2025 19:12:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221; মানুষ চিনতে পারাও একটি যোগ্যতা,<br />
যে যোগ্যতার ব্যাপক ঘাটতি আমার মাঝে&#8230;<br />
আমি প্রতিনিয়ত তা উপলব্ধি করছি।<br />
যা প্রতি মুহূর্তে&#8230;<br />
এই ঘাটতিতে নব নব অভিজ্ঞতা যুক্ত করছে।<br />
কোন ধরণের মানুষের কাছে প্রত্যাশা করছেন?<br />
সেই মানুষটাকে কতটুকু জানেন?<br />
এই প্রশ্নের উত্তর যদি না জানেন,<br />
তবে&#8230;<br />
প্রত্যাশা পরিহার করায় শ্রেয়।<br />
যদি পরিহার না করেন,<br />
তবে&#8230;<br />
আর একটি নত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-225040"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/225040/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42f6dc2d225a61502b607e515cf662fa</guid>
				<title>হয়তো প্রলয়,
নয় তো দূরে...
দেখনা চেয়ে,
ঐ যে দূরে...
আসছে ধেয়ে,
কালো যত...
যাবে ভেসে।

সময়ের মহাপ্রলয়ে,
মিথ্যা যত...
যাবে ভেসে,
দ্রোহের অনলে,
পুড়ে হবে ছারখার,
হাসবে ধরা...
নবারুণে আরবার।


        ....... পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224848/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Jan 2025 09:04:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হয়তো প্রলয়,<br />
নয় তো দূরে&#8230;<br />
দেখনা চেয়ে,<br />
ঐ যে দূরে&#8230;<br />
আসছে ধেয়ে,<br />
কালো যত&#8230;<br />
যাবে ভেসে।</p>
<p>সময়ের মহাপ্রলয়ে,<br />
মিথ্যা যত&#8230;<br />
যাবে ভেসে,<br />
দ্রোহের অনলে,<br />
পুড়ে হবে ছারখার,<br />
হাসবে ধরা&#8230;<br />
নবারুণে আরবার।</p>
<p>        &#8230;&#8230;. পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2846a99eac119241e8322ec61ba689f3</guid>
				<title>সকলে জ্ঞান দিতেছে,
কেহো কি নিতেছে! 
কুজনে সুজন সাজিয়া,
নিজেরে তিমিরে রাখিয়া,
অন্ধজনে...
আলো দেখাবার,
অভিনয়ে অনিবার,
পিদিম তলে অন্ধপথে,
আপনারে লুকায়ে,
আলোর পাখি...
স্বঘোষিত মরকটে;
উদ্ভট নৃত্যে...
আপনারেই বিপন্ন করিছে,
বুদ্ধিজীবী...
দুরাত্মার বুদ্ধি কি কাজে!!
  ........  পি কে সরকার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224328/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Dec 2024 20:25:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সকলে জ্ঞান দিতেছে,<br />
কেহো কি নিতেছে!<br />
কুজনে সুজন সাজিয়া,<br />
নিজেরে তিমিরে রাখিয়া,<br />
অন্ধজনে&#8230;<br />
আলো দেখাবার,<br />
অভিনয়ে অনিবার,<br />
পিদিম তলে অন্ধপথে,<br />
আপনারে লুকায়ে,<br />
আলোর পাখি&#8230;<br />
স্বঘোষিত মরকটে;<br />
উদ্ভট নৃত্যে&#8230;<br />
আপনারেই বিপন্ন করিছে,<br />
বুদ্ধিজীবী&#8230;<br />
দুরাত্মার বুদ্ধি কি কাজে!!<br />
  &#8230;&#8230;..  পি কে সরকার</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>