-
কবিতা দুটো আশাকরি ভালো লাগবে।
মাটি ও ইমানের টানে
যে মাটিতে প্রথম মেলেছি দুই আঁখি,
যেখানে ভোরের পাখি
ডাকে সুমধুর তান তুলিয়া সুরে,
মাথার ওপর সঘন আকাশ নীল বহুদূরে।
এই মাটিকে ভালোবাসি বুকের গভীর থেকে,
যেথা আমার জীবনপ্রদীপ জ্বেলেছে বিধাতাকে ডেকে।ভোরের আজানে জাগে এ মাটির মেঠো পথ,
মন্দিরে বাজে কাঁসর, পূজার মহা সংকল্প।…Read More5 Comments-
তাহমিনা মোরশেদ, “দেশপ্রেম আর ধর্মবোধ একই সূতোয় বাঁধা” এই লাইনটা পড়ার সময় খুব ভালো লাগল। আপনার লেখা কবিতা দুটোর মধ্যে এক ধরনের অদ্ভুত প্রশান্তি আছে যা খুব সহজেই মন ছুঁয়ে যায়। আমাদের এই শ্যামল বাংলাকে নিয়ে আপনার এমন সুন্দর চিন্তাগুলো আরও কি কি বিষয় নিয়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন?
-
খান মোঃ এমদাদুল হক নিসু and
তাহমিনা মোরশেদ are now friends
-
বৃষ্টির তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ নেই, বরং বাতাসের বেগ বেড়ে গিয়ে পাহাড়ের ঢালে এক তাণ্ডব শুরু করেছে। এসইউভি-র ইঞ্জিনটা আর্মার্ড কেসিংয়ের ভেতর গোঙানির মতো শব্দ করে কেঁপে উঠল।
জাহিদ স্টিয়ারিং হুইলটা শক্ত করে চেপে ধরল। ড্যাশবোর্ডের সব ডিজিটাল ডিসপ্লে এখন আর কোনো তথ্য দেখাচ্ছে না—কেবল জ্যামিতিক কিছু বিকৃত রেখা আর দ্রুত বদলে যাওয়া কি…Read More
9 Comments-
“খেলাটা তো এখন শুরু”—এই লাইনটা পড়ে থামতে ইচ্ছে করছিল না। এবার আরিয়ান কীভাবে এই নতুন রহস্যের মুখোমুখি হয়, সেটাই জানার অপেক্ষায়!
-
তাহমিনা মোরশেদ, আপনার লেখা এই টানটান উত্তেজনাময় কাহিনিটি পড়ে আমি একদম মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেছি। বিশেষ করে, “ড. ভার্ন আরিয়ানের দিকে ফিরে তাকালেন। তার মুখে এক বিষাদময় শান্ত হাসি” —এই অংশটি যেমন আবেগপ্রবণ, তেমনি গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য দারুণ একটি মুহূর্ত। আপনার এই চমৎকার লেখনী নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ রইল।
-
সময় ও স্মৃতির ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে আত্মত্যাগ আর সত্যের লড়াই গল্পটিকে গভীর রহস্যে জড়িয়ে দিয়েছে…..🤍🖤
-
বৃষ্টির ধারাগুলো যেন রাতের শহরটাকে ধুয়ে মুছে অচেনা করে দিয়েছিল।
কালো আর্মার্ড এসইউভিটা সদর দপ্তরের ভূগর্ভস্থ গ্যারেজ থেকে বেরিয়ে আসতেই পেছনে ধাতব দরজাটা শব্দ করে বন্ধ হয়ে গেল। গাড়ির ভেতরে কেউ কথা বলছিল না।
শুধু ইঞ্জিনের গর্জন আর রেডিওর ক্ষীণ স্ট্যাটিক শব্দ।
স্টিয়ারিংয়ে জাহিদ। পাশে বসে আরিয়ান। পেছনের সিটে ড্রাভি তার রাইফ…Read More
5 Comments -
কাঁচের পাত্রে জলের নৃত্য, রঙের কোমল ছোঁয়া,
কাগজের বুকে বিষাদ-আবেশে ঝাপসা ধোঁয়ার ধোঁয়া।
নেই কোনো ঝাঁঝ, নেই কোনো চাপ, শান্ত নদীর সুর,
জলরং নিয়ে যায় যে আমাদের অন্য এক অচিনপুর।
স্বচ্ছতায় বাঁধা যার প্রাণ, আলো-ছায়ার খেলা,
বিন্দুর মাঝে ভেসে উঠে আসে মেঘের মায়াবী ভেলা।
ভুল হলে তারে যায় না তো মোছা, মেনে নেয় নিজের মতো,
ত্র…Read More
7 Comments -
ব্রিফিং কক্ষের ভারী নীরবতা ভাঙলেন ডিরেক্টর ব্র্যানসন। তিনি ফাইলের ওপর আঙুল ঠুকে গম্ভীর স্বরে বললেন, “প্রজেক্ট ৭০৭ কোনো সাধারণ নথি নয়। আজ থেকে প্রায় বছর আগে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়া আমাদের প্রথম সারির প্রধান গবেষক ড. সাইমন ক্লার্কের গোপন ফাইল এটি। এতদিন সংস্থা জানত তিনি ১৯৫১ সালের এক অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন। কিন্তু এই গোপন ছবি আর এনক্রিপ্টেড…Read More
3 Comments -
আরিয়ান খুব দ্রুত গলির শেষ মাথায় পৌঁছে যায়। একটা ট্যাক্সি ডেকে উঠে পরে। তার হাতের ব্যাগটা সযত্নে আগলে রাখে।
সে মনে মনে ভাবে এতো সহজে ওরা তার পিছু ছাড়বে না। যতো দ্রুত সম্ভব তাকে গাড়ি পাল্টাতে হবে। আর খুব দ্রুত কোয়ার্টারে পৌঁছাতে হবে। সে তার রেডিও ট্রান্সমিটার এর সাহায্যে হেড কোয়ার্টারে সিগন্যাল পাঠাই।
গাড়িটা সামনে টার্ন নিতেই পিছনে…Read More2 Comments -
সরু গলিটা বিকেলের কোলাহল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। দু’পাশে পুরোনো ইটের দেয়াল, মাথার ওপরে ঝুলে থাকা মরিচা ধরা ফায়ার এস্কেপ আর মাঝে মাঝে পানির ফোঁটা পড়ার শব্দ—পরিবেশটাকে আরও ভারী করে তুলেছে।
আরিয়ান দ্রুত পা চালিয়ে সামনে এগোচ্ছিল। তার ডান হাতে শক্ত করে ধরা ব্যাগটি। কিন্তু তার চোখ ছিল চারপাশে। বহু বছরের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে—যখন কোনো ডেলিভারি এত…Read More3 Comments -
শাহ্ সাকিরুল ইসলাম and
তাহমিনা মোরশেদ are now friends
-
রাত দুটো। ব্ল্যাকরিজ টাওয়ার।
আরিয়ান বসে আছে একটা সুসজ্জিত স্ক্রিনের সামনে। চারিদিকে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। একটা লুকানো চেম্বার যেখানে সে তার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর কাজ করে। আসলে, আরিয়ান একজন আন্তর্জাতিক অপরাধ গবেষক আর ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসার। তার কাছে যে ফাইল এসেছিলো “৭০৭” সেটা খুলে দেখছে আর স্ক্রিনের দিকে নজর রাখছে।
হঠাৎ ই ফ্যাক্স মেশিনে…Read More7 Comments -
-
Syed Farah and
তাহমিনা মোরশেদ are now friends
-
বৃষ্টি থামতে থামতে সন্ধ্যা যেনো নেমে এসেছে শহরের ওপর।
ক্যাফের কাঁচে জমে থাকা পানির রেখাগুলো ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে। বাইরে রাস্তার বাতিগুলো জ্বলে উঠেছে, ভেজা রাস্তায় তাদের আলো ঝাপসা হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
নন্দিনী ব্যাগটা কাঁধে তুলে দাঁড়ালো।
“আমার যেতে হবে।”আরিয়ান মাথা নাড়লো।
“আমারও একটা মিটিং আছে।”কথাটা খুব স…Read More
4 Comments-
“বৃষ্টির ফোঁটা এসে পড়ছিল আরিয়ানের কাঁধে “__এ ধরনের বর্ণনাগুলো আমার ভালো লাগে। আপনার বর্ণনাগুলো সুন্দর। প্রকৃতি সঙ্গে দুজন মানুষ :নারী ও পুরুষ য্যানো মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। সুন্দর লিখেছেন। ভালো লাগলো। শুভকামনা, আপনার জন্য।
-
-
-
চারপাশে মানুষ আছে, কফির গন্ধ আছে, নিচুস্বরে গান বাজছে— তবু নন্দিনীর মনে হচ্ছিল যেন পুরো জায়গাটা নিঃশব্দ হয়ে গেছে।
আরিয়ান তার সামনে বসে আছে। বহুদিন পর এমনভাবে। কোনো তর্ক নেই। কোনো তীক্ষ্ণ কথা নেই। শুধু চোখদুটো ক্লান্ত… আর ভীষণ সত্যি।
ওয়েটার এসে জিজ্ঞেস করলো, “স্যার, অর্ডার?”
আরিয়ান চোখ না সরিয়েই বললো, “দুটো কফি। আগের মতো।”
নন্দ…Read More3 Comments -
Neel tripura and
তাহমিনা মোরশেদ are now friends
-
ওয়াশরুমের আয়নায় মুখে পানি ছিটাতেই আরিয়ানের ঠোঁটের কোণের সেই চওড়া হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল।
আয়নার ওপাশে যে মানুষটা দাঁড়িয়ে আছে— তার চোখে দুষ্টুমি নেই। আছে ক্লান্তি। আর এক ধরনের অদ্ভুত শূন্যতা।
তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে সে কিছুক্ষণ নিজের প্রতিচ্ছবির দিকে তাকিয়ে রইলো। নন্দিনীর চোখের সেই চিকচিকে জলটা তার মাথা থেকে কিছ…Read More6 Comments -
abrar and
তাহমিনা মোরশেদ are now friends
-
মেয়ে মানুষের সামনে একটা গোটা জাতি
যদি বেঁধে রাখা হয়! ব্যাপারটা অচিন্তনীয় হলেও, এক্সপেরিমেন্ট করতে দোষ কোথায়?
মেয়েদের বিচার বুদ্ধি নিয়ে যদি এতই নিচো মনের পরিচয় পাওয়া যায়।
তবে দোষ কোথায়?
দোষটা হয়তো সেকেলে কিছু নিয়ম আর
আরেকটি মেয়ের রোষানল,
হয়তোবা পরিচয়টাও মেয়ে বলেই,
এই জাতির জন্য অভিশাপ থেকে যাবে।এই চরণগুলির কোনো…Read More
8 Comments -
-
“নাহ্!” নন্দিনীর একরকম কাঠখোট্টা জবাব শুনে আরিয়ান তাকিয়ে থাকে। নন্দিনী তার মুখ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়।
আরিয়ান হাত দুটো ছেড়ে দেয়। নন্দিনী হাত দুটো ঘষতে থাকে। চাইলে সে ওকে থাপ্পড় মারতে পারতো কিন্তু সে মনের ইচ্ছাকে সেখানেই দমিয়ে রাখলো।
আরিয়ান একটা সিগারেট ধরালো। সেটা মুখে করে জানালার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে।
নন্দিনী ওর দিকে বাঁকা…Read More3 Comments -
আরিয়ান মিটিং রুমের থেকে বের হয়ে তার রুমে যাওয়ার জন্য লিফটের দিকে এগোতে থাকে। মি. ফেডারেল এর সাথে পরবর্তী মিটিং নিয়ে আলোচনা হচ্ছিলো বলে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তারা কথা বলতে থাকে। হোটেলের ম্যানেজার তার পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন। এই লোকটা এতো অসহ্যকর মনে মনে আরিয়ান প্রমাদ গুণে। কথা ফাইনাল হলে সে মি. ফেডারেলকে ধন্যবাদ জানাই আর ম্যানেজারকে ন…Read More
2 Comments -
আরিয়ান যখন মিটিং রুমের দিকে আসছিলো তখন লিফটের দরজা হঠাৎ খুলে যায় সেখানে একজনকে দেখে কিছুক্ষণের জন্য পাথর হয়ে যায়। হঠাৎ করে কিছু স্মৃতির কেমোথেরাপি চলতে থাকে মনে। কিন্তু বিপরীতের মানুষটির মুখে কোনো অভিব্যক্তি না দেখতে পেয়ে একটু অবাক হয়। কেনো সেটা নিয়ে আর মাথা না ঘামিয়ে সে চলে যায় রুমে।
প্রথমে কেউ গুরুত্ব না দিয়ে গল্প করতে ব্যস্ত হয়ে পর…Read More2 Comments-
রুমের ভেতর আরিয়ানের প্রবেশ এবং রাশিয়ান ও ইংরেজি ভাষার সংমিশ্রণে যে নাটকীয় পরিবেশ আপনি তৈরি করেছেন, তা গল্পে একটি আন্তর্জাতিক বা গ্লোবাল থ্রিলার-এর আমেজ দিচ্ছে।
-
- Load More Posts
হ্যাঁ বা না শব্দ দুটি সবচেয়ে পুরনো এবং ছোট। কিন্তু এ কথা দুটো বলতেই সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়।
পীথাগোরাস
Friends
Tariqul Sazzib
@tariqulsazzib
Ashaduzzaman-Khokon
@ashaduzzaman-khokon
মিথিলা কনক
@methila06
Mehedy Hasan
@mehedyhasan
খান মোঃ এমদাদুল হক নিসু
@khannisu
Joy Iqbal
@joyiqbal
Subani News
@subaninews
ম পানা উল্যাহ্
@panaullah63gmail-com
Najir Hossain
@najirhossain





মাটি, সবুজ আর প্রার্থনার মিলনে স্বদেশ এখানে স্রষ্টার দয়ার এক পবিত্র ঠিকানা হয়ে উঠেছে…..🤍🖤