-
মুখোশ/১
গ্রামীণ যুগে ডাকাতি ছিল ভয়ানক পেশা। এরা চিঠি পাঠিয়ে জোতদার বাড়িতে আসতো সর্বস্ব লুটে নিতে। আরো ছিল ঠগ, শিদেল চোর, জোচ্চোর।
আধুনিক যুগে এসে এরা পিছে পড়ে গেছে। এদের জায়গায় দেখলাম চিটার, বাটপার, প্রতারক, দালাল, লুম্পেন।
এদের দৌরাত্ম্যে শহর-বন্দরে লোকজন তটস্থ থাকতো।
এরপর এলো ক্যাডাররা।
মার্কসবাদী শ্রেনিসংগ্রামীদের ক্যাডার পদবী…Read More14 Comments-
মুখোশগুলো একে একে টেনে খুলে ফেলুন গুরু। শুভেচ্ছা নেবেন।
আমার মনে হয় এটি একটি প্রবন্ধ কিন্তু মঞ্চগুরু মঞ্চে লেখাটি ছোট ছোট ভাগে প্রকাশ করছেন। @haradhan-sharma -
@ovimanimon বাস্তবতা ……কিছু করার নেই তামাশা দেখা ছাড়া
-
বৃষ্টি বৃষ্টি
এই বর্ষায় একজন মাতাল
রাস্তার পাশে হিস্যু করে, আর বলে—যীশু, যীশুকে তো
কোথাও দেখি না!
যীশু বড়ুয়া, আমার বন্ধু
সে ছিলো বাসায়
ডিম ভাজা দিয়ে পান্তাভাত খাবে, এই আশায়
ডাইনিং টেবিলে বসে পেপার দেখতেছিলো
জানালার ওপাশে দুইটা ভেজাকাক
গোত্তা খেয়ে ইলেক্ট্রিক তারের উপর যেইনা বসে—
বিকট আওয়াজ তুলে বিদ্যুৎ চলে যায়
এই বর্ষা-দুপুরে…Read More15 Comments -
চিহ্ন থাকে সাহিত্য
চিহ্ন বিজ্ঞান বিকশিত হতে হতে ছাপাখানার যুগ থেকে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে। এখনতো সফট কপি সেল ফোনে হাতের মুঠোয় রেখে পড়ে ফেলা যায়। আজকের সাহিত্য হচ্ছে চিহ্ন-বিজ্ঞানের অনুপম সৃষ্টি। নানান চিহ্ন সাজিয়ে লেখকরা গড়ে তোলেন সাহিত্য সম্ভার; যা জ্ঞান ও কল্পনাকে সহজেই অপরের কাছে পৌঁছে দেয়।
মৌখিক সাহিত্যের যুগে এই চিহ্ন ছিলো ‘ধ্বণি খন্…Read More13 Comments -
* আমি সেই অভিমানী/ আমি সেই হতভাগা মন/ কখনো পড়লে মনে/
লিখো তুমি যাখন তখন *
অভিমানী তোমার কাছে চিঠিরাগ করেছো বুঝি? রাগ করো না।
এখনো ঘাসফুলে শিশির জমে
হাস্নাহেনা গন্ধ ছড়ায়
কালো কাক কার্নিশে বসে ডাক দেয় প্রত্যুষে
আমারো ঘুম ভাঙ্গে; তোমার কথা? সেও
মনে পড়ে ঠিকই; কিন্তু লেখা হয় না!
হ্যাঁ, আজই লিখলাম, অনেকদিন পর বলতে
পারো। ভু…Read More11 Comments-
মান অভিমানের চাপে পড়ে আজ ভালোবাসা ছেড়ে দূরে-বহুদুরে।
তোমায় ভেবে এখনও বুক পকেটে বেলিফুলের মালা নিয়ে ঘুরি রোজ।
কিন্তু ইট-পাথরের এই নিঠুর শহরে কে রাখে কার খোঁজ।
প্রতিনিয়তই প্রভাতে ডাকা পাখিদের থেকে জেনে নেই তোমার খবর।
কিন্তু কাছে যাওয়ার সাহস করে উঠতে পারিনা।
কারণ অভিমানের দেয়ালে যে বন্দী আমি।
ভালো থেকো, অনেক ভালো থেকো।
-
শ্লোক-১
যেতে যেতে পথে
যত কিছু পাও
ঝরে পড়া ফুল
বাউলের ভুল
হোক তা তুচ্ছ
হাতে তুলে নাও।
হতে পারে রাত
মূর্খের আঘাত
মারী ও মড়কে
চরাচর হায়
পুঁতিগন্ধময়!
কাল নয়, দেখ
পরশুও হতে পারে
শ্রেষ্ঠ সময়।13 Comments -
আমরা দু’টি ভাই, শিবের গাজন গাই
কল্লোল হঠাৎ ফোন করে বলে—ভাই, আর বাঁচতে পারবো না।
কেনো?
অফিস আমার বিরুদ্ধে দুর্ণীতির চার্জ আনতেছে; কোনো বেনিফিট না দিয়ে ফায়ার করে দেবে…।
বলো কী!
হ্যাঁ, ভাই। চলেন তো, বিদেশে যাই গিয়া।
এইটা ভালো কইছো; ‘চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস আমার প্রানে বাজায় বাসি…’ বইলা এই গার্বেজে পইড়া থাকার মানে হয় না। দুনিয়…Read More12 Comments -
শিশুর হাসি
আজকাল গণহত্যা দেখি নির্বিকার
মহল্লার কুকুরগুলো মেরে ফেলা হচ্ছে মানুষকে
আরো নিরাপদ রাখবে বলে!
যেন পৃথিবীটা অন্য প্রানীদের নয়!
বাউল কী ভুল বলে—মানুষ মারার কল বসাইছে জগৎ জুড়িয়া!
পাহাড়ে গিয়ে দেখি, গাছের গোড়ায় বসে আছে
নিষ্ঠুর কাঠুরিয়া!
সাগর জলে ভাসে মৎস বিজ্ঞানী; অথচ অমার
নানীর বিছানায় দেখেছি বিড়ালের নিরাপদ নি…Read More11 Comments -
* আমি সেই অভিমানী/ আমি সেই হতভাগা মন/ কখনো পড়লে মনে/ লিখো তুমি যাখন তখন *
অভিমানী তোমার কাছে চিঠিরাগ করেছো বুঝি? রাগ করো না।
এখনো ঘাসফুলে শিশির জমে
হাস্নাহেনা গন্ধ ছড়ায়
কালো কাক কার্নিশে বসে ডাক দেয় প্রত্যুষে
আমারো ঘুম ভাঙ্গে; তোমার কথা? সেও
মনে পড়ে ঠিকই; কিন্তু লেখা হয় না!
হ্যাঁ, আজই লিখলাম, অনেকদিন পর বলতে
পারো। ভু…Read More11 Comments -
গনতন্ত্র
শিক্ষক ব্লাক বোর্ডে লেখে—কলা।
ওটা কলা নয়। কয়েকটা চিহ্ন কেবল।
শিক্ষক এরপর হলুদ রঙের একটা পাঁকা কলার ছবি আঁকে।
ওটাও কলা নয়।
কলা গাছে ধরে।দোকানে কিনতে পাওয়া যায়।।
ছাত্ররা কলা খাওয়ার তুমুল বায়না ধরে।
শিক্ষক ওদের দিকে কলার স্বাদযুক্ত চকলেট ছুড়ে মারে।
ছেলেমেয়েরা কাড়াকাড়ি মারামারি জুড়ে দেয়।
আসল কলার কথা ওদের মনে থাকে না।।9 Comments -
সাহিত্য ছিলো শ্রুতিভাষ্য
আদিতে কবিতাই ছিলো সাহিত্য। শ্লোক, ধর্মকথা, রূপকথা, প্রেমকথা, জ্ঞানকথা—সবই হতো কাব্যে।
কবিতা ছিলো মৌখিক। কবিরা বলতেন; আর জনে জনে মুখে মুখে বিস্তার ঘটতো সর্বত্র।ধরা যাক, পাঁচ হাজার বছর ধরে; পুরো সামন্ত যুগজুড়ে কবিতা ছিলো বাচনিক।
শুধু ভারতবর্ষে নয়; পৃথিবীব্যপি এই মৌখিক সাহিত্য মানবসভ্যতার বিকাশ ঘটায়।
গুরুগৃহে, হাট-বাজ…Read More7 Comments -
দাম্পত্য/ ২
আমরা পাঁচ তলয় দুই রুমের ছোট্ট ফ্লাটে থাকি। রাতে দাপাদাপি করলে লোহার খাটটা ও-আল্লা, ও-আল্লা বলে কোঁকাতে থাকে। মিথিলা বলে—বালের খাট! এইটা পাল্টাও।
আমি বলি—ভাঙ্গারীর দোকানে বেচে দিয়ে চলো, ফ্লোরিং করি।
মিথিলা ক্ষেপে যায়—ফকিরের ঘরের ফকির; তোরে কে কইছে সংসার পাততে! যা পার্কে গিয়া পইড়া থাক।
সকাল বেলায় ছোট্ট ড্রেসিং টেবিলের…Read More12 Comments-
বাস্তবতা’র খন্ড চিত্র ; অসাধারণ……@ovimanimon
-
শব্দই মোক্ষ
কবিতার মূল উপদান হলো ‘শব্দ’।
কবির সাধনায় ‘শব্দ’ই মোক্ষ। কবি শব্দের অন্বেষী। চিন্তাকে প্রকাশের জন্য মোক্ষম শব্দটি খুঁজে খুঁজে হয়রান কবি; তখনি ক্ষান্ত হন যখন মুক্তার মতন শব্দটি বসাতে পারেন কাব্য মালায়।
মনে রাখা দরকার, যেকোন ভাষায় শব্দ সীমিত। সামান্য শব্দের ভান্ডার ঘেঁটে অসীম চিন্তাকে সজ্জিত করে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করেন ক…Read More9 Comments -
মৃদঙ্গ
আমি বৃষ্টিতে ভিজি
কেউ যেন আমার অশ্রু না দেখে।
যেদিন হাসি না
দিনটা পঁচা ফলের মতন
নর্দমায় গড়ায়।
আমি হাসতে হাসতে
বৃষ্টি মাথায় ফুটপাত ধরে হাঁটি।
লোকে আঙ্গুল তুলে বলে—
ঐযে, ঐ মানুষটা পাগল।
আমি বৃষ্টিতে হাটি
কেউ যেন আমার কান্না না বোঝে।13 Comments -
শ্যামল পাতা
কোন ফাগুনে কখন যেন নেই তা মনে
মনের মাঝে গোপন মনে ঠাঁই নিয়েছো
ঠাঁই নিয়েছো ঘর বেধেঁছো শ্যামল পাতা।
ঠোঁটের হাসি চোখের ভাষা তীরের ফলা
উড়াল পাখি মনের মাঝে খুন ঝরালো
খুন ঝরালো ঘুন ধরালো বুকের মাঝে
কোমলতার ছোঁয়া নেবার ইচ্ছেগুলো।
মেঘলাকাশে রোদের মতো ঝিলিক তুলে
যখন তুমি ক্ষণিক চেয়ে যাও লুকিয়ে
যাও লুকিয়ে জড়িয়ে থাকো দ…Read More11 Comments -
ছুঁয়ে দাও কোমলতা
ছুঁয়ে দাও কোমলতা, ছুঁয়ে দাও এই দুটি হাত।
ছুঁয়ে দিয়ে মুছে ফেলো কিংকর্তব্যবিমূঢ়তার
সমূহ নিপাত। ছুঁয়ে দাও এই ঠোঁট,খুব বেশি পিপাসা
কাতর। কঙ্কাল পাজর ছোঁও, মুছে যাবে অনির্বাদ
ঊদ্যায়ি অনুর মতো ভ্রান্তি-পাথর। কাছে এসে বসো
একবার; চেয়ে দেখো কোমলতা, শরীরে আমার
নিস্ফলা ঘাম; ক্লান্তিতে ছেয়ে আছে আমার
আনন। ভ…Read More10 Comments -
গোলাপ তুমি
( ২৫ শে মার্চ কালো রাত্রিতে
রোকেয়া হলে নির্যাতিতা ছাত্রীদের স্মরণে )
হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দিই
ঝরে পড়ো কয়েকটি পাপড়ি
ও মেয়ে, যেতে যেতে আঁড় চাও
নওতো সেই গোলাপ কুঁড়ি
ঝড়ো হাওয়া চাবুক চালায়
লণ্ডভণ্ড চরাচর
হানাদার হামলে পড়ে
বিশ্ববিদ্যালয় রক্তাক্ত প্রান্তর
পত্রিকার ফিচার ফটো তুমি
নির্লিপ্ত নয়না…Read More11 Comments -
দাম্পত্য
বহুবছর আমি একা ঘুমাতাম। ইদানিং একটা মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে থাকি। মেয়েটার আপনজনরা ঘটা করে ওকে আমার সঙ্গে দিয়ে দেয়। আমরা একসাথে খাই, ঘুমাই, টিভি দেখি; বিয়ে এবং জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বেড়াতে যাই।
আমরা যা যা কথা বলি তা হলো—খাইতে আসো; জ্বর কেমন দেখি; বাজার শেষ, ফর্দ দেইখা সদাই কিনবা; আমাকে কেমন লাগতেছে, দেখতো; মশারি খাটাও; এখনো কম্পিউটারে কি করো!…Read More12 Comments -
শ্লোক-১
যেতে যেতে পথে
যত কিছু পাও
ঝরে পড়া ফুল
বাউলের ভুল
হোক তা তুচ্ছ
হাতে তুলে নাও।
হতে পারে রাত
মূর্খের আঘাত
মারী ও মড়কে
চরাচর হায়
পুঁতিগন্ধময়!
কাল নয়, দেখ
পরশুও হতে পারে
শ্রেষ্ঠ সময়।17 Comments-
অসম্ভব ভালো লাগল @ovimanimon
-
যুদ্ধ
কী বলবো বলো, নদীতীরে এসে!
নীলিমায় ডানামেলা একজোড়া চিল
জলে ফেলে ছায়া।
ছায়ার মায়ায় নাচে ঝাঁকেঝাঁকে মীন।
রূপালী আভাস পেয়ে জেলে ডিঙ্গি
ভেসে ভেসে সেই দিকে যায়!
বুকে হাঁটা কাদামাখা মেছো উদ্গুলো
জেলেদের নাও দেখে গর্তে লুকায়বেপারীরা চেয়ে থাকে মেছোদের দিকে
মরা মাছ কড়া করে ভেজে খেতে হয়।
কী বলবো বলো,
আমার বসতবাটি বেপারী পাড়ায়।14 Comments-
আপনি আমাকে চেনেন না। আমিও আপনাকে চিনি না। তুলটে এসেই যতটুকু। আমি বেশ লক্ষ করছি, আপনি না পড়েই আমার লেখায় আবোলতাবোল মন্তব্য করে চলেছেন।এতে করে আমি নিয়মিত এখানে আসতে পারছি না। দয়া করে আপনি আমার লেখায় মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।নতুবা সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ হয়ে গঠনমূলক মন্তব্য করুন। আমার বয়স ৫০ এর বেশী। আমি আপনার উপহাসের পাত্র নই।আমি…Read More
-
ফিফটি/ ফিফটি
বেঁচে আছি, এইতো বেশ
চেয়ে দেখি, নর্দমার কিনারে হাঁটু গেড়ে
ঈশ্বরকে অভি্বাদন জানাচ্ছে
কয়েকজন জোচ্চোর!
টিভির টকশোতে বসে হাসতে হাসতে
কাবুলের নারীদের দুর্দশার কিচ্ছা শোনাচ্ছে
দুইজন লম্পট
আমার স্ত্রী করনার টিকা নিলো; নাইলে সে
চাকুরীটা হারাবে! আমি দাঁড়িয়ে ছি…Read More9 Comments-
খুব প্রস্রাব পাচ্ছিলো
লকডাউন উঠে যাওয়ায়
ছবির হাটে গিয়ে দেখি, লেকপাড়ে জড় হয়ে
হা-ভাতে কবিগুলো মেতে আছে
মুজিব বন্দনায়
যেনো কেউ এসে লাঞ্চ প্যাকেট দিয়ে যাবে!
আমাকে দেখে একজন বলে ওঠে
—শুধু গাঁঞ্জা! চা-টা হবে না!
আমার প্রস্টেট ফুলে গেছে মনে হয়
স্বাধীনতা উদ্দ্যানে গাছের গোড়ায় মুতে দেওয়া
নিশ্চয় বড় কোনো অপরাধ না; কী বলেন?“অসাধারণ কবি বন্ধু” বাস্তবতার ঝড়
- Load More Posts
Friends
Kishor Kanok
@kishorkanok-2
Shahajahan Tapu
@shahajahantapu
জুলহাজ আলী জীবন
@julhaj
গোলাম রাব্বানী
@rabbi-2
Reazul Kabir
@reazul-kabir
পিপীলিকা
@abujubair
আজহারুল ইসলাম তালহা
@ajharul
Rashed Rahman Abir
@rashed-rahman-abir
নতুন করে শুরু
@amrin-shimu




‘শশুর হিসাবে ছেলে/মেয়ে উভয়ের কাছে এরা সমান নন্দিত।’ এখানে এসে যেন একটি হাতুড়ির বাড়ী খেলাম মাথায়। মাথাটা ঝিম ঝিম করছে। যাই হোক আপনি অনেক পুরানো বুঝাই যাচ্ছে লেখায়। মঞ্চগুরুটা পরে দেখা গেলো। হয়তো চিনিও। কিন্তু সাহিত্যের এটা কোন ফর্মেট নাকি জাস্ট একটি স্টাটাস বুঝা গেলোনা।