<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | সাব্বির হোসেন। | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/shadowhunter3d/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/shadowhunter3d/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for সাব্বির হোসেন।.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 07 Sep 2026 02:10:44 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">63b7b042e5d1d2f1479c4cc58dda4ce0</guid>
				<title>[&quot;ছদ্মবেশী তস্কর&quot;]

ছদ্মবেশী তস্কর তোমরা, লুণ্ঠনে লিপ্ত অবিরাম,
দম্ভের আবরণে ঢেকে রাখো কদর্য কুৎসিত নাম।
ধড়াচূড়া পরা এই সভ্যতার আড়ালে লুকিয়ে পাপাচার,
নিঃস্বের রক্তের মূল্যে করো মিথ্যার স্বর্ণ অলংকার।

​আঁধারের বিষাক্ত ছোবলে চোষো জনতার তাজা প্রাণ,
মুখে তুলে ধরো মিছে ন্যায়ের রঙিন সাজানো বয়ান।
শোষণের ভীতে গড়া প্রাসাদেতে হাসো উদ্ধত হাসিতে,
মেকি ভালোবাসার বিষ ঢালিয়াছো আশার মিষ্টি বাঁশিতে।
​
​সিংহাসনে বসি নিজেকে ভাবো এ পৃথিবীর অধিপতি,
পাপের সাগরে সাঁতার কেটে ভাবো হবে না কোনো ক্ষতি।
বঞ্চনার এই নীরব দীর্ঘশ্বাস জমা হয় মেঘের কোণে,
বিপ্লবের আগুন যে জ্বলে ওঠে নিপীড়িত রক্ত-কণে।

​কিন্তু ভুলে যেও না তোমাকেও গুনতে হবে শেষ দাম,
সময় যখন লিখে দেবে তোমার করুণ পতন-পয়গাম।
ছাই হয়ে উড়ে যাবে অহংকার, চূর্ণ হবে জাঁকজমক,
পাপের আঁধারে মিলিয়ে যাবে তোদের এই মেকি চমক।

[ সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267602/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 17:26:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;ছদ্মবেশী তস্কর&#8221;]</p>
<p>ছদ্মবেশী তস্কর তোমরা, লুণ্ঠনে লিপ্ত অবিরাম,<br />
দম্ভের আবরণে ঢেকে রাখো কদর্য কুৎসিত নাম।<br />
ধড়াচূড়া পরা এই সভ্যতার আড়ালে লুকিয়ে পাপাচার,<br />
নিঃস্বের রক্তের মূল্যে করো মিথ্যার স্বর্ণ অলংকার।</p>
<p>​আঁধারের বিষাক্ত ছোবলে চোষো জনতার তাজা প্রাণ,<br />
মুখে তুলে ধরো মিছে ন্যায়ের রঙিন সাজানো বয়ান।<br />
শোষণের ভীতে গড়া প্রাসাদেতে হাসো উদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-267602"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/267602/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f6c0e9f0f634f45ef17bbfb22192e72</guid>
				<title>[নোট: সাধু ভাষায় লেখার ছোট্ট একটা প্রয়াস, ভুলত্রুটি ক্ষমা সুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই।]

যাহাকে ফিরিয়া পাইবার কোনো উপায় নাই,
তাহার শূন্যতাটুকু আগলাইয়া রাখাই বোধহয় এই জীবনের একমাত্র নিয়তি।
​স্মৃতিরা তো আর নিছক কোনো ছায়া নয়—
উহারা নিশিরাতে বুকে বিঁধিয়া থাকা এক নীরব হাহাকার,
যাহা ভুলিতে চাহিলেই আরও দ্বিগুণ তীব্রতায় জানান দেয় আপন অস্তিত্ব।
​যদি এই নিদারুণ শূন্যতাই শেষ পরিণতি হয়,
তবে সেই নিঃশব্দ ভালোবাসাই আমার চিরন্তন সঙ্গী হইয়া থাক।
​[— সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267298/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 04:24:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[নোট: সাধু ভাষায় লেখার ছোট্ট একটা প্রয়াস, ভুলত্রুটি ক্ষমা সুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই।]</p>
<p>যাহাকে ফিরিয়া পাইবার কোনো উপায় নাই,<br />
তাহার শূন্যতাটুকু আগলাইয়া রাখাই বোধহয় এই জীবনের একমাত্র নিয়তি।<br />
​স্মৃতিরা তো আর নিছক কোনো ছায়া নয়—<br />
উহারা নিশিরাতে বুকে বিঁধিয়া থাকা এক নীরব হাহাকার,<br />
যাহা ভুলিতে চাহিলেই আরও দ্বিগুণ তীব্রতায় জানান দেয় আপন অস্তি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-267298"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/267298/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0504e83ffec03d6745c2254e34afc140</guid>
				<title>[&quot;শ্রাবণ মেঘের শেষে&quot;]

একলা ঘরে ঝুম বৃষ্টি নামার শব্দ,
কদমের বোঁটায় জমে থাকা একফোঁটা জল—
তুমি ফিরে এলে, ঠিক যেমন করে
হঠাৎ বদলে যায় শ্রাবণের নীল কাজল।

মানুষ কেন দূরে যায়, কেনই বা ফিরে আসে?
রূপার জানালায় জমে থাকা যে দীর্ঘশ্বাস—
আজ তা মিলিয়ে গেল ভিজে যাওয়া বাতাসে,
ফিরে আসার আনন্দে থমকে গেল রাত।

​বলার ছিল অনেক কথা, জমে ছিল অভিমান,
হিমুর মতো খালি পায়ে হেঁটে যাওয়া বহুদূর;
অথচ তোমার চেনা হাতের ছোঁয়ায়
হঠাৎ হারিয়ে গেল সব বিষণ্ণ সুর।

​হলুদ পাঞ্জাবির হাতা ভিজে একাকার,
হাত বাড়িয়ে দিলে চুপচাপ।
যেন কত শতাব্দী কেটে গেছে,
যেন এইমাত্র ভাঙল সব অভিশাপ।

হাত বাড়িয়ে দিলে যখন চুপচাপ,
মনে হলো কত শতাব্দী কেটে গেছে মিছে;
ময়ূরাক্ষীর জলে কি এখনো জল-জোছনা জ্বলে?
নাকি সব অভিশাপ জমা ছিল পিছনের পথ জুড়েই?

​তুমি এসেছ, শেষ পর্যন্ত তাহলে তুমি এলে,
হলুদ পাঞ্জাবিটায় আজ বৃষ্টির গন্ধ ছড়ায়;
ফিরে আসার এই অনুভূতির কোনো নাম নেই,
শুধু নীরবতায় ডুবে থমকে দাঁড়ায়।

ফিরে আসার অনুভূতির কোনো ব্যাকরণ হয় না—
শুধু থমকে যাওয়া একটা দীর্ঘশ্বাস রেখে দেওয়া তোমার ভিজে হাতে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265943/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 08:48:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;শ্রাবণ মেঘের শেষে&#8221;]</p>
<p>একলা ঘরে ঝুম বৃষ্টি নামার শব্দ,<br />
কদমের বোঁটায় জমে থাকা একফোঁটা জল—<br />
তুমি ফিরে এলে, ঠিক যেমন করে<br />
হঠাৎ বদলে যায় শ্রাবণের নীল কাজল।</p>
<p>মানুষ কেন দূরে যায়, কেনই বা ফিরে আসে?<br />
রূপার জানালায় জমে থাকা যে দীর্ঘশ্বাস—<br />
আজ তা মিলিয়ে গেল ভিজে যাওয়া বাতাসে,<br />
ফিরে আসার আনন্দে থমকে গেল রাত।</p>
<p>​বলার ছিল অনেক কথা, জমে ছিল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265943"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265943/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6175974556843e11bdf17d9a24f99ea8</guid>
				<title>[&quot;রিক্ত&quot;]

​সবাই তো ফিরে গেল আপন আলোতে,
পথের ধূলিরে শুধু কেউ সুধালো না।
প্রদীপের নিচে যেই অন্ধকারটুকু—
সেখানে আমার বাস, কেউ তো জানো না।

​আকাশ ভরানো এত তারার আলো যে,
আমার ভাঙা এ ঘরে এক তিল পড়ে না।
সবাই তো কিছু না কিছু নিয়ে ফেরে,
আমার যে শূন্য হাত, তাও তো ভরে না।

​বলার তো ছিল কত সহস্র কথা,
জিহ্বায় বেঁধে আছে বোবা হাহাকার।
চোখের কোণেই শুকায় তপ্ত অশ্রু,
শব্দ মেলে না আর কাঁদিবার।

​ওগো জগতের নাথ, সব কেড়ে নিয়ে
এইটুকু শুধু কেন রাখিলে মহিমা—
দিয়েছ অসীম এই বুকের বেদনা,
দাওনি তো তারে কোনো ভাষা, কোনো সীমা।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264607/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 13:07:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;রিক্ত&#8221;]</p>
<p>​সবাই তো ফিরে গেল আপন আলোতে,<br />
পথের ধূলিরে শুধু কেউ সুধালো না।<br />
প্রদীপের নিচে যেই অন্ধকারটুকু—<br />
সেখানে আমার বাস, কেউ তো জানো না।</p>
<p>​আকাশ ভরানো এত তারার আলো যে,<br />
আমার ভাঙা এ ঘরে এক তিল পড়ে না।<br />
সবাই তো কিছু না কিছু নিয়ে ফেরে,<br />
আমার যে শূন্য হাত, তাও তো ভরে না।</p>
<p>​বলার তো ছিল কত সহস্র কথা,<br />
জিহ্বায় বেঁধে আছে বোবা হাহাকার।<br />
চোখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264607"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264607/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">12b4b5b8d0301b54e69bd531da7abb3a</guid>
				<title>[&quot;শেষ অর্ঘ্য&quot;]

​তোমার এ ভুবনে সবার তরেই আছে
আঁধার শেষে একটুখানি আলো,
আমার ভাগ্যে কেবল তুমি দিলে
নিশীথ-রাতের মরণ-কালো।

​সবার পাত্র ভরেছ সম্পদে,
হেসে খেলে সবাই ফেরে ঘরে;
আমি কেবল শূন্য বাটি হাতে
দাঁড়িয়ে আছি তোমার পথের &#039;পরে।

​বুকের মাঝে আছড়ে পড়ে ঢেউ,
মুখ ফুটে তো বলতে নারি কথা—
পাথরের মতো থমকে আছে আজ
আমার যত বোবা ব্যাকুলতা।

​নয়ন-কোণে অশ্রু নাহি ঝরে,
কণ্ঠ ছিঁড়ে আসে না কোনো গান—
সব নিয়েছ, এবার তবে নাও
আমার এই নীরব অভিমান।

​যা কিছু ছিল, ধুলায় হলো লীন,
রিক্ত হাতে দাঁড়ালেম এসে—
নেভে যদি তবে নিভে যাক এই প্রাণ
তোমার ওই চরম উদাস দেশে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264606/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 12:45:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;শেষ অর্ঘ্য&#8221;]</p>
<p>​তোমার এ ভুবনে সবার তরেই আছে<br />
আঁধার শেষে একটুখানি আলো,<br />
আমার ভাগ্যে কেবল তুমি দিলে<br />
নিশীথ-রাতের মরণ-কালো।</p>
<p>​সবার পাত্র ভরেছ সম্পদে,<br />
হেসে খেলে সবাই ফেরে ঘরে;<br />
আমি কেবল শূন্য বাটি হাতে<br />
দাঁড়িয়ে আছি তোমার পথের &#8216;পরে।</p>
<p>​বুকের মাঝে আছড়ে পড়ে ঢেউ,<br />
মুখ ফুটে তো বলতে নারি কথা—<br />
পাথরের মতো থমকে আছে আজ<br />
আমার যত বোবা ব্যাকুলতা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264606"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264606/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8a1e881be658b2e959a5826665f7c05f</guid>
				<title>সাব্বির হোসেন। and চিন্তাতরঙ্গিনী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257547/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 18:57:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6801e3479a462986383acc8767dd2344</guid>
				<title>[&quot;জীবনমৃত&quot;]

​কতবার ভেঙেছি, কতবার চূর্ণ হয়েছি,
কেউ তা দেখেনি, কেউ তা রাখেনি মনে।
হতাশার কালো মেঘে কতবার ডুবেছি,
মরে গেছি কত সহস্র নির্জন ক্ষণে।
​আশাহত বুকে যখন নেমেছে আঁধার,
স্বপ্নগুলো যখন পুড়ে হয়েছে ছাই—
সে তো এক মৃত্যু, এক নীরব হাহাকার,
যার কোনো চিতা কিংবা সমাধি নাই।
​প্রতিটি হারানো যুদ্ধে, প্রতিটি ক্ষতে,
ভেতরের মানুষটা মরেছে বারবার।
তবুও হেঁটেছি জীবনের চেনা পথে,
ভেঙে ফেলে মন খারাপের অন্ধকার।
​এই যে হার না মানা অবাধ্য দেহটা,
লড়ে যায় প্রতিদিন নিয়তির সাথে—
শেষবারের মতো যখন আসবে মৃত্যুটা,
মিশিয়ে দেবে শুধু মাটির ও পাড়ে।
​মৃত্যু সেতো বহুবার এসেছে,
নিত্যদিনের হারানো ও ভাঙার ছলে।
শুধু শেষ চিতাটুকু জ্বলতে বাকি আছে,
সব শেষ হবে যেদিন মাটির অতলে।
আদতে মৃত্যু কখনো একবার আসে না,
সে বারবার আসে, ছোট ছোট মৃত্যু হয়ে।
আর শেষটায় শুধু দেহটাকে ফিরিয়ে দেয়
যেখান থেকে সবকিছু এসেছিল— ধুলোয়।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257239/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 03:15:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;জীবনমৃত&#8221;]</p>
<p>​কতবার ভেঙেছি, কতবার চূর্ণ হয়েছি,<br />
কেউ তা দেখেনি, কেউ তা রাখেনি মনে।<br />
হতাশার কালো মেঘে কতবার ডুবেছি,<br />
মরে গেছি কত সহস্র নির্জন ক্ষণে।<br />
​আশাহত বুকে যখন নেমেছে আঁধার,<br />
স্বপ্নগুলো যখন পুড়ে হয়েছে ছাই—<br />
সে তো এক মৃত্যু, এক নীরব হাহাকার,<br />
যার কোনো চিতা কিংবা সমাধি নাই।<br />
​প্রতিটি হারানো যুদ্ধে, প্রতিটি ক্ষতে,<br />
ভেতরের মানুষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257239"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257239/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bac225c8e60346f5dae6286d4185651c</guid>
				<title>[&quot;শেষ চিঠি&quot;]

অভিমানের আড়ালে বসে আছো তুমি,
জানালার পাশে বৃষ্টি পড়ছে টুপটাপ।
আমি চুপ করে চা বানাচ্ছি, দুধটা একটু বেশি দিয়ে,
যেমন তুমি পছন্দ করো। কিন্তু জানি না,
এই চা আর ঠান্ডা হওয়ার আগেই তুমি কথা বলবে কি না।
জীবনটা কী অদ্ভুত, না?
একদিন হাসতে হাসতে কথা বলি, পরদিন অভিমানের পাহাড় গড়ি।
ছোট ছোট কথায় কেটে যায় সময়,
আর সেই কথাগুলোই একদিন আর বলা হয় না।
মনে পড়ে, সেই বিকেলে তুমি বলেছিলে,
“আজ আর রাগ করব না।”
কিন্তু রাগ তো মানুষের ছায়ার মতো,
সূর্য ডোবার সাথে সাথে লম্বা হয়।
আমি জানি, তোমার চোখের কোণে এখনো জল জমে আছে,
যেমন পুরোনো খাতায় জমে থাকে অসমাপ্ত গল্প।
অভিমান ভেঙে ফেলো, একটু ডাকো আমায়।
বলো, “কেমন আছো?”
যদিও জানি, উত্তরটা সবসময় সহজ নয়।
আজ আমি আছি এই ঘরে, এই চেয়ারে বসে,
কাল হয়তো থাকব না। হয়তো চলে যাব কোনো দূরের শহরে,
যেখানে বৃষ্টির শব্দও আলাদা।
অথবা তুমিই চলে যাবে,
কোনো এক সকালে, চুপচাপ।
ব্যাগ গুছিয়ে, দরজায় তালা দিয়ে।
তখন এই ঘরটা খালি হয়ে যাবে,
শুধু তোমার ফেলে যাওয়া চুলের কাঁটা পড়ে থাকবে টেবিলে।
মানুষের জীবন তো এমনই—
একটু হাসি, একটু কান্না, অনেক অনেক অপেক্ষা।
রাতের আকাশে তারা ঝরে,
কিন্তু আমরা ধরতে পারি না।
তাই বলছি, এই যে সামান্য সময়,
এটুকু অন্তত নষ্ট করো না অভিমানে।
একটু কথা বলো।
বলো সেই পুরোনো গল্প, যেটা তুমি হাসতে হাসতে বলতে।
বলো, কী খেতে ইচ্ছে করছে আজ।
বলো, রাতে ঘুম হয় না কেন।
আমি শুনব, চুপ করে।
কারণ কাল হয়তো এই সুযোগ আর থাকবে না।
অভিমানের দরজাটা একটু ফাঁক করো।
দেখো, বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে।
আকাশটা এখন পরিষ্কার,
কিন্তু মনের আকাশটা এখনো মেঘলা।
একটু হাসো, একটু কাঁদো,
যা ইচ্ছে। কিন্তু চুপ করে থেকো না।
আমরা দুজন মিলে বাকি রাতটুকু কাটাই।
গল্প করি, চা খাই, কিংবা শুধু চুপ করে বসে থাকি।
কারণ জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যটা তো এটাই—
আজ আছি, কাল নাও থাকতে পারি।
আর যদি কাল না থাকি,
তাহলে আজকের এই কথাগুলোই হয়ে থাকুক
আমাদের শেষ চিঠি।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255665/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Jun 2026 05:46:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;শেষ চিঠি&#8221;]</p>
<p>অভিমানের আড়ালে বসে আছো তুমি,<br />
জানালার পাশে বৃষ্টি পড়ছে টুপটাপ।<br />
আমি চুপ করে চা বানাচ্ছি, দুধটা একটু বেশি দিয়ে,<br />
যেমন তুমি পছন্দ করো। কিন্তু জানি না,<br />
এই চা আর ঠান্ডা হওয়ার আগেই তুমি কথা বলবে কি না।<br />
জীবনটা কী অদ্ভুত, না?<br />
একদিন হাসতে হাসতে কথা বলি, পরদিন অভিমানের পাহাড় গড়ি।<br />
ছোট ছোট কথায় কেটে যায় সময়,<br />
আর সেই কথাগুলোই একদিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255665"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255665/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f461146866ff148e0c48921dba1f6bf6</guid>
				<title>[&quot;একটু আদর&quot;]

তোমার একটু আদর পেলে
হৃদয়টা হঠাৎ শান্ত হয়ে যায়।
পৃথিবীটা আর তেমন জটিল লাগে না।
শুধু মনে হয়—এই তো জীবন।

চোখের কোণে তোমার হাসির আলো পড়লে
সব পুরোনো দুঃখগুলো চুপ করে যায়।
বুকের ভেতর একটা নরম উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে,
যেন অনেক অনেক দিন পর বাড়ি ফিরেছি।

তোমার আঙুল যখন একবার ছুঁয়ে যায়,
সময়টা থেমে যায় কিছুক্ষণ।
ইচ্ছে করে হাজার বছর বেঁচে থাকি—
শুধু তোমার এই ছোট ছোট আদরগুলো জমিয়ে রাখার জন্য।

রাতের অন্ধকারে যখন তুমি কাছে এসে বসো,
তখন মনে হয় পৃথিবীর সব আলো জড়ো হয়েছে তোমার চোখে।
আমি তখন সবচেয়ে সুখী মানুষ।
না চাইলেও মনে হয়—এই সুখটা চিরকাল থাকুক।

তোমার কাছে একটু কাছে থাকলেই
জীবনটা আর এতটা ফাঁকা লাগে না।
হাজার বছর?
হাজার বছর নয়, যদি বলো—
আমি চিরকাল বেঁচে থাকব শুধু তোমার এই আদরে। &#x2764;&#xfe0f;

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254326/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Jun 2026 02:47:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;একটু আদর&#8221;]</p>
<p>তোমার একটু আদর পেলে<br />
হৃদয়টা হঠাৎ শান্ত হয়ে যায়।<br />
পৃথিবীটা আর তেমন জটিল লাগে না।<br />
শুধু মনে হয়—এই তো জীবন।</p>
<p>চোখের কোণে তোমার হাসির আলো পড়লে<br />
সব পুরোনো দুঃখগুলো চুপ করে যায়।<br />
বুকের ভেতর একটা নরম উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে,<br />
যেন অনেক অনেক দিন পর বাড়ি ফিরেছি।</p>
<p>তোমার আঙুল যখন একবার ছুঁয়ে যায়,<br />
সময়টা থেমে যায় কিছুক্ষণ।<br />
ইচ্ছে করে হাজার বছর ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254326"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254326/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d565f43c477e3bb97e79f4b58279613e</guid>
				<title>[&quot;জলপট্টি&quot;]

এই গ্রামে বৃষ্টি নামলে শুধু মাটি ভেজে না,
ভিজে যায় পুরনো ঘরের স্যাঁতসেঁতে দেয়াল,
ভিজে যায় তোমার চোখের কোণে জমে থাকা
না-বলা কথার অভিমান।

তুমি দাওয়ায় বসে চাল বাছো,
আমি দেখি তোমার আঙুল বেয়ে জল গড়ায়,
যেন প্রতিটা ফোঁটা একেকটা বছর —
যে বছরগুলো আমরা পাশাপাশি থেকেও
ছুঁতে পারিনি একে অন্যকে।

টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ এখন আর গান না,
মনে হয় কেউ হিসেব চাইছে।
কতটা দিলাম, কতটা পেলাম,
কতটা বাকি রয়ে গেল কাদামাখা উঠোনে।

তবু যখন কারেন্ট চলে যায়,
হারিকেনের আলোয় তোমার মুখটা দেখি,
মনে হয় এই অন্ধকার, এই বৃষ্টি, এই গ্রাম —
সবই উসিলা।
আসলে আমরা দুজন শুধু একটু উষ্ণতা খুঁজি
পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো শীতে।

বৃষ্টি থামলে তুমি উঠে যাও,
ভেজা শাড়ির আঁচল নিংড়াতে নিংড়াতে বলো,
&quot;ভাত বেড়েছি&quot;।
আমি বুঝি, এইটুকুই প্রেম।
বড় কোনো কবিতা না,
শুধু ভাত, বৃষ্টি, আর ফিরে আসার একটা উঠোন।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254289/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 10:56:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;জলপট্টি&#8221;]</p>
<p>এই গ্রামে বৃষ্টি নামলে শুধু মাটি ভেজে না,<br />
ভিজে যায় পুরনো ঘরের স্যাঁতসেঁতে দেয়াল,<br />
ভিজে যায় তোমার চোখের কোণে জমে থাকা<br />
না-বলা কথার অভিমান।</p>
<p>তুমি দাওয়ায় বসে চাল বাছো,<br />
আমি দেখি তোমার আঙুল বেয়ে জল গড়ায়,<br />
যেন প্রতিটা ফোঁটা একেকটা বছর —<br />
যে বছরগুলো আমরা পাশাপাশি থেকেও<br />
ছুঁতে পারিনি একে অন্যকে।</p>
<p>টিনের চাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254289"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254289/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f082030a0f03f93d467ee878227312d</guid>
				<title>[&quot;আধখানা কথা&quot;]

তুমি ছিলে আমার বিকেলের চা,
ধোঁয়ার সাথে গল্প, আধখানা কথা।
চিনি কম দিলেও মিষ্টি লাগতো,
কারণ ঠোঁটে তোমার নাম জড়াতো।

তারপর এক সন্ধ্যায় ঝড় এলো,
তুমি ছাতা বন্ধ করে চলে গেলে।
আমি ভিজলাম—বৃষ্টিতে না,
তোমার না-থাকায়।

এখনো রাতে ফোনটা হাতে নিই,
টাইপ করি, আবার মুছে দিই।
“কেমন আছো?”—এই লাইনটা
তিন মাস ধরে অসমাপ্ত।

লোকে বলে, “ভুলে যাও”,
আমি হাসি। ভুলে যাওয়া যদি
এতই সোজা হতো,
তাহলে কবিরা কি আর কবিতা লিখতো?

তবু জানো, আজ ভোরে বারান্দায়
একটা শালিক এসে ডেকেছিল দু’বার।
মনে হলো, তুমি বললে, “বাঁচো”।
আমি তাই বাঁচার চেষ্টা করি—
তোমাকে ছাড়াই, তোমাকে নিয়েই।

তোমাকে হারাইনি আমি,
শুধু পাওয়ার সময়টা ফুরিয়েছে।
প্রেমটা এখনো বেঁচে আছে—
বিরহের অক্সিজেনে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254075/</link>
				<pubDate>Fri, 12 Jun 2026 13:36:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;আধখানা কথা&#8221;]</p>
<p>তুমি ছিলে আমার বিকেলের চা,<br />
ধোঁয়ার সাথে গল্প, আধখানা কথা।<br />
চিনি কম দিলেও মিষ্টি লাগতো,<br />
কারণ ঠোঁটে তোমার নাম জড়াতো।</p>
<p>তারপর এক সন্ধ্যায় ঝড় এলো,<br />
তুমি ছাতা বন্ধ করে চলে গেলে।<br />
আমি ভিজলাম—বৃষ্টিতে না,<br />
তোমার না-থাকায়।</p>
<p>এখনো রাতে ফোনটা হাতে নিই,<br />
টাইপ করি, আবার মুছে দিই।<br />
“কেমন আছো?”—এই লাইনটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254075"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254075/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a55914879d4ffa3b10baf5b46bd7393c</guid>
				<title>[&quot;কাঁটাহীন ঘড়ি&quot;]

ঘড়ির কাঁটাটা থেমে গেছে কবে,
দেয়ালের ছায়া লম্বা হয়ে পড়ে।
চায়ের কাপে জমে থাকা শেষ চুমুক,
ঠান্ডা হয়ে গেছে—তোমার ফেরার মতো।

জানালার গ্রিলে মাথা রেখে দেখি,
বৃষ্টি আসে, ভিজিয়ে দিয়ে যায় রাস্তা।
কেউ হেঁটে যায় ছাতা মাথায়,
আমি ভাবি, ওটা কি তুমি? না, ভুল...

দরজার কড়া নড়লে বুক কাঁপে,
পায়ের শব্দে থমকে যায় নিঃশ্বাস।
বারবার উঠে গিয়ে দেখি,
শুধু হাওয়া এসে ফিরে যায় খালি হাতে।

অপেক্ষা মানে বোঝো?
একটা গোটা জীবন একটা বিকেলের কাছে বন্ধক রাখা।
আলো নিভে আসে, সন্ধ্যা নামে,
তবু দিয়া জ্বালিয়ে রাখি—
যদি পথ ভুলে না যাও।

আমার সব কথা জমে আছে ঠোঁটের কোণে,
শুকিয়ে কাগজ হয়ে গেছে।
তুমি এলে পড়তে দেবো,
ততদিন আমি শুধু বিষন্নতার নামতা পড়ি—
এক তুমি, দুই শূন্যতা, তিন...

আসবে তো?

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253421/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 06:55:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;কাঁটাহীন ঘড়ি&#8221;]</p>
<p>ঘড়ির কাঁটাটা থেমে গেছে কবে,<br />
দেয়ালের ছায়া লম্বা হয়ে পড়ে।<br />
চায়ের কাপে জমে থাকা শেষ চুমুক,<br />
ঠান্ডা হয়ে গেছে—তোমার ফেরার মতো।</p>
<p>জানালার গ্রিলে মাথা রেখে দেখি,<br />
বৃষ্টি আসে, ভিজিয়ে দিয়ে যায় রাস্তা।<br />
কেউ হেঁটে যায় ছাতা মাথায়,<br />
আমি ভাবি, ওটা কি তুমি? না, ভুল&#8230;</p>
<p>দরজার কড়া নড়লে বুক কাঁপে,<br />
পায়ের শব্দে থমকে যায় নিঃশ্বাস।<br />
বারবার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253421"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253421/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb3a4ed9057c3af5d25b1d97a6ad0597</guid>
				<title>মানুষ চাওয়া থেকে সরে আসে না হঠাৎ করে। প্রতিটি প্রত্যাক্ষান, প্রতিটি অপেক্ষার রাত, প্রতিটি নীরবতা—ধীরে ধীরে একেকটা করে খণ্ডিত করে ফেলে সেই চাওয়ার ইচ্ছাকে।
যে জিনিস একসময় মনে হতো জীবন-মরণের প্রশ্ন, তা-ই একসময় আর কিছুই মনে হয় না।
আর ঠিক সেই সময়েই, পুরোনো চাওয়া ফিরে আসে—দ্বিগুণ হয়ে, রক্তিন হয়ে, এমনভাবে যেন কিছুই হয়নি। কিন্তু সময় তো পিছিয়ে যায় না। আর মনও আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে না।
তখন প্রাপ্তির অর্থ বদলে যায়।
যা একসময় ছিল হৃদয়ের মূল আকাঙ্ক্ষা, তা-ই এখন নিছক এক ক্ষণ স্মৃতি।

“চাওয়া যখন হৃদয় ছেঁড়ে চলে যায়,
ফিরে আসা প্রস্তুতি তখন শুধুই অতীতের প্রতিধ্বনি!”

[সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252966/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 13:57:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষ চাওয়া থেকে সরে আসে না হঠাৎ করে। প্রতিটি প্রত্যাক্ষান, প্রতিটি অপেক্ষার রাত, প্রতিটি নীরবতা—ধীরে ধীরে একেকটা করে খণ্ডিত করে ফেলে সেই চাওয়ার ইচ্ছাকে।<br />
যে জিনিস একসময় মনে হতো জীবন-মরণের প্রশ্ন, তা-ই একসময় আর কিছুই মনে হয় না।<br />
আর ঠিক সেই সময়েই, পুরোনো চাওয়া ফিরে আসে—দ্বিগুণ হয়ে, রক্তিন হয়ে, এমনভাবে যেন কিছুই হয়নি। কিন্তু সময় তো পিছিয়ে যায় ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252966"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252966/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">68da32f761247ff26d7c91046b04b304</guid>
				<title>কিছু মানুষ চলে যায়।
তারা চলে যাওয়ার সময় শুধু নিজেকে নিয়ে যায় না, সাথে করে নিয়ে যায় আমাদের একটা বড় অংশ। আর যে ফাঁকা জায়গাটা রেখে যায়, সেটা কখনো পূরণ হয় না। সেই শূন্যতা ধীরে ধীরে হৃদয়ের এক কোণে বাসা বেঁধে থাকে। সময়ের সাথে সাথে সেটা একটা অভ্যাস হয়ে যায়—যেন সেটা না থাকলেই অস্বস্তি লাগে।
রাতের নিস্তব্ধতায়, জানালা দিয়ে আসা বৃষ্টির শব্দে, পুরোনো কোনো গানের লাইনে, হঠাৎ করেই সেই ফাঁকা জায়গাটা জেগে ওঠে। বুকের ভিতরটা হঠাৎ করে ভারী হয়ে যায়। মনে হয়, সে এখনো আছে। তার হাসি, তার কথা, তার চোখের দৃষ্টি—সবকিছু যেন এইমাত্র চলে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা নির্মমভাবে মনে করিয়ে দেয়—সে আর ফিরবে না।
যাকে একদিন অসম্ভব ভালোবেসেছিলাম, যার জন্য হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দন তার নামে ছিল, আজ তাকে ফিরে পাওয়ার কোনো ইচ্ছেই আর অবশিষ্ট নেই। কারণ সময় আমাদের শিখিয়েছে—কিছু জিনিস ফিরে পেলেও আর আগের মতো হয় না। তবুও তাকে পুরোপুরি ভুলে যেতেও পারি না। সে আমার স্মৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।
সময় সব ক্ষত সারিয়ে দেয় না।
সে শুধু ক্ষতের উপর একটা পাতলা চামড়া টেনে দেয়। যাতে বাইরে থেকে দেখে বোঝা না যায় কতটা গভীর ছিল সেই আঘাত। সে আমাদের সহ্য করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু ভিতরের ব্যথাটা চিরকালের জন্য থেকে যায়।
আর আমরা শিখে নিই এক কঠিন সত্য—
কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকাটাও একরকম বেঁচে থাকা। হাসতে হাসতে, কাজ করতে করতে, জীবন চালাতে চালাতে ভিতরে ভিতরে সেই শূন্যতাকে বয়ে বেড়ানো।
“কেউ চলে গেলে যে শূন্যতা রেখে যায়,
সেটা আর কখনো পূর্ণ হয় না।
সেটা শুধু অভ্যস্ত হয়ে যায়।
আর আমরা অভ্যস্ত হয়ে যাই নিজের অসম্পূর্ণতার সাথে বেঁচে থাকতে।”

[সাকির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252862/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 02:36:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু মানুষ চলে যায়।<br />
তারা চলে যাওয়ার সময় শুধু নিজেকে নিয়ে যায় না, সাথে করে নিয়ে যায় আমাদের একটা বড় অংশ। আর যে ফাঁকা জায়গাটা রেখে যায়, সেটা কখনো পূরণ হয় না। সেই শূন্যতা ধীরে ধীরে হৃদয়ের এক কোণে বাসা বেঁধে থাকে। সময়ের সাথে সাথে সেটা একটা অভ্যাস হয়ে যায়—যেন সেটা না থাকলেই অস্বস্তি লাগে।<br />
রাতের নিস্তব্ধতায়, জানালা দিয়ে আসা বৃষ্টির শব্দে, পুরোন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252862"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252862/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9929ebd3dc876b20fc889789474b5a58</guid>
				<title>[&quot;হাসিও তুমি&quot;]

যদি কখনো মাঝরাতে হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ে,
তাহলে হাসিও একটু।
চাঁদের আলোয় জানালার পাশে বসে
নিজেকে একা একা বুঝে নিও।
যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, কেন এমন দূরে সরে গেলে,
তাহলে বলে দিও—
সব দোষ আমার।
আমিই তোমার সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম।
যদি কখনো হাত বাড়াতে ইচ্ছে করে,
তাহলে জোরে ডেকে উঠো।
চিৎকার করে বলো—
দূরে যাও, আর কাছে এসো না।
যদি মিথ্যা বলতে হয় কখনো,
তাহলে আমার নাম নিয়ে বলো।
সেই মিথ্যেটাও আমার হয়ে যাক।
আর যদি কোনোদিন ফিরে আসে সেই পুরোনো দিনগুলো,
চোখ নামিয়ে নিও।
কথা বলো না।
শুধু চুপ করে থেকো।
আর যদি একদমই না পারো,
তাহলে জোর করে আমাকে বুকে টেনে নিও।
একবারের জন্য হলেও।
যত জোরে পারো।
আমি তো শুধু এইটুকুই চেয়েছি—
তুমি যেন কষ্ট না পাও।
আর আমি...
আমি এই ব্যথাটুকু নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে পারব।
তুমি শুধু হাসিও।
আমার কথা মনে পড়লে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252770/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 09:21:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;হাসিও তুমি&#8221;]</p>
<p>যদি কখনো মাঝরাতে হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ে,<br />
তাহলে হাসিও একটু।<br />
চাঁদের আলোয় জানালার পাশে বসে<br />
নিজেকে একা একা বুঝে নিও।<br />
যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, কেন এমন দূরে সরে গেলে,<br />
তাহলে বলে দিও—<br />
সব দোষ আমার।<br />
আমিই তোমার সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম।<br />
যদি কখনো হাত বাড়াতে ইচ্ছে করে,<br />
তাহলে জোরে ডেকে উঠো।<br />
চিৎকার করে বলো—<br />
দূরে যাও, আর কাছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252770"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252770/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">757e398a4324fd45a33afa2f1f90ed90</guid>
				<title>[&quot;অনন্তের পথে&quot;]

এইবেলা যখন সন্ধ্যা নামে,
জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়াই আমি একা,
তুমি এসো হে অমৃত, এসো নীরবে।
কতকাল ধরে ছুটে বেড়ালাম এই ধুলার পথে,
সোনার খাঁচায় বন্দী করে রাখলাম নিজের আত্মাকে।
যশের ফুল তুলতে গিয়ে ভুলে গেলাম
তোমার বাগানের সেই অম্লান ফুলটির কথা।
এখন যখন দেহের তার ছিঁড়ে যায় একে একে,
তখন শুনতে পাই দূরের সেই বাঁশির সুর—
“ভয় নাই, ভয় নাই, আমি আছি তোমারই সাথে।”
জীবন কি শুধু জন্ম আর মৃত্যুর মাঝের খেলা?
না, তুমি যে আমায় পাঠিয়েছিলে তোমারই আলো
এই অন্ধকার পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে।
কিন্তু আমি আলো ভুলে ছায়ার পিছে ছুটেছি,
সুখের পিছে, দুঃখের পিছে,
নিজেকে ভুলে।
এবার বিদায়ের বেলায় ফিরে চাই,
সব ঋণ শোধ করি—
যাকে ভালোবাসিনি, তাকে ভালোবাসি,
যাকে ক্ষমা করিনি, তাকে ক্ষমা করি।
যা আঁকড়ে ধরেছিলাম, সব ছেড়ে দিই
নদীর মতো, মুক্ত, নির্ভার।
হে অনন্ত, হে আমার চিরপ্রিয়,
মৃত্যু তোমারই বাহুবন্ধন—
সেখানে আর “আমি” নেই, শুধু “তুমি” আছে।
জীবনের এই শেষ গানে
শুধু একটি কথাই বলি—
“তোমাতে মিলাইয়া যাই,
যেমন নদী মেশে সাগরে,
যেমন সুর মেশে অনন্ত নীরবে।”
এই দেহের প্রদীপ নিভুক,
কিন্তু আত্মার আলো জ্বলুক চিরকাল—
তোমারই মাঝে, তোমারই মাঝে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249361/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 15:28:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;অনন্তের পথে&#8221;]</p>
<p>এইবেলা যখন সন্ধ্যা নামে,<br />
জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়াই আমি একা,<br />
তুমি এসো হে অমৃত, এসো নীরবে।<br />
কতকাল ধরে ছুটে বেড়ালাম এই ধুলার পথে,<br />
সোনার খাঁচায় বন্দী করে রাখলাম নিজের আত্মাকে।<br />
যশের ফুল তুলতে গিয়ে ভুলে গেলাম<br />
তোমার বাগানের সেই অম্লান ফুলটির কথা।<br />
এখন যখন দেহের তার ছিঁড়ে যায় একে একে,<br />
তখন শুনতে পাই দূরের সেই বাঁশির সুর—&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249361"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249361/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a58e45f66ffdfc412efcc37447b65284</guid>
				<title>[&quot;সমর্পণ”]

আমার কপালের উপর দুঃখের যে অক্ষর
খোদা নিজ হাতে খোদাই করে দিয়েছেন,
সেই লেখা মুছতে চাই না, মুছবার সাধ্যও নেই আমার।
আমি তো শুধু মাটির এক কণা, তাঁর নিঃশ্বাসে গড়া
এক সামান্য বান্দা, তাঁর ইচ্ছার সামনে
আমার ‘কেন’ বলার কোনো অধিকার নেই।
চোখের ভিতর ঝড় বয়ে যায় প্রতি রাতে,
বুকের খাঁচায় আগুন জ্বলে নিঃশব্দে,
তবু আমি চুপ করে থাকি। কারণ যিনি
আমার প্রতিটি ফোঁটা অশ্রু গুনেছেন,
তিনিই জানেন সেই অশ্রুর মূল্য কতখানি।
যিনি দুঃখের বীজ বপন করেছেন মাটিতে,
তিনিই একদিন তার মিষ্টি ফল তুলে দেবেন।
এই কষ্টের প্রতিটি মুহূর্ত আমাকে আরও নত করে,
আরও অসহায় করে, আরও নির্ভরশীল করে তোলে
তোমার উপর, ইয়া রব।
যত গভীরে ডুবি দুঃখের সাগরে,
ততই বুঝতে পারি— এই দুনিয়া শুধু পরীক্ষার মাঠ,
আর আমি এক অসহায়, নগণ্য যাত্রী।
কখনো রাত এত গভীর হয় যে মনে হয়
আর সূর্য উঠবে না,
কখনো ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয়
হৃদয়টা টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।
তবু আমি মাথা নিচু করে বলি—
“যা দিয়েছো তা-ই আমার জন্য কল্যাণ,
যে ব্যথা দিয়েছো, সেই ব্যথাতেও লুকিয়ে আছে
তোমার অসীম রহমতের ছায়া।”
ভাঙা হৃদয়ের প্রতিটি টুকরোয় তুমি নিজ হাতে
সোনা মিশিয়ে দিও, ইয়া আল্লাহ।
যেন একদিন এই ভাঙা থেকেই তোমার নূর ছড়িয়ে পড়ে,
যেন এই অশ্রুর নদী একদিন তোমার সন্তুষ্টির
ঝরনায় পরিণত হয়।
আমি তোমার দাস, তোমার অধম বান্দা।
তোমার ইচ্ছায় জন্ম নিয়েছি,
তোমার ইচ্ছায় কাঁদছি,
তোমার ইচ্ছায় প্রতিটি শ্বাস নিচ্ছি।
যতক্ষণ এই দেহে প্রাণ আছে,
ততক্ষণ বলে যাবো—
“আলহামদুলিল্লাহ” প্রতিটি দুঃখের জন্য,
প্রতিটি রাতের জন্য, প্রতিটি অশ্রুর জন্য।
একদিন যখন সব অন্ধকার কেটে যাবে,
যখন তুমি আমার চোখের পানি মুছে দিয়ে
হাসি ফুটিয়ে দেবে,
সেদিন বুঝবো— সব দুঃখের পেছনে
কী অপার্থিব সুন্দর একটা পরিকল্পনা লুকিয়ে ছিল।
আমি শুধু অপেক্ষায় আছি,
মাথা নত করে, হৃদয় ভরে,
তোমারই ইচ্ছার সামনে সমর্পিত হয়ে। 

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248786/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 05:53:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;সমর্পণ”]</p>
<p>আমার কপালের উপর দুঃখের যে অক্ষর<br />
খোদা নিজ হাতে খোদাই করে দিয়েছেন,<br />
সেই লেখা মুছতে চাই না, মুছবার সাধ্যও নেই আমার।<br />
আমি তো শুধু মাটির এক কণা, তাঁর নিঃশ্বাসে গড়া<br />
এক সামান্য বান্দা, তাঁর ইচ্ছার সামনে<br />
আমার ‘কেন’ বলার কোনো অধিকার নেই।<br />
চোখের ভিতর ঝড় বয়ে যায় প্রতি রাতে,<br />
বুকের খাঁচায় আগুন জ্বলে নিঃশব্দে,<br />
তবু আমি চুপ করে থাকি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248786"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248786/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9d6a95861d1fd5d7e078fc7c7ae850c4</guid>
				<title>[&quot;স্মৃতির ছাই&quot;]

একদিন সব সইতে হয় বাবু
চোখের জল গড়িয়ে পড়ে চুপচাপ
তুমি শুধু জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকো।
বুকের ভিতরটা কাঁপে,
যেন অনেক দূরের ঢোল বাজছে
কেউ শোনে না, শুধু তুমি জানো।

সইতে হয় সেই ব্যথা,
যে ব্যথা কাউকে বলা যায় না
রাতে বালিশ চেপে ধরে থাকো,
আর চুপ করে কাঁদো।

না পাওয়ার যে কষ্ট
সেটা গলায় আটকে থাকে,
তবু সকালে উঠে চা বানাতে হয়
হাসতে হয়।

চেনা মানুষটা একদিন
অচেনা হয়ে যায়,
সে সামনে দাঁড়ায়
চোখ দুটো চেনা, হাসিটা চেনা
কিন্তু ভিতরের মানুষটা আর নেই।

হারিয়ে যাওয়া মানুষের স্মৃতি
বুকের ভিতর জমে জমে পাথর হয়,
সেই পাথর নিয়েই হাঁটো
বৃষ্টিতে ভিজো,
আবার চা খাও।

একদিন সব সইতে হয়,
চোখের জল, বুকের কম্পন
বোবা হাহাকার, না পাওয়ার জ্বালা
সব সইতে হয়।

তারপরেও সূর্য ওঠে
রাত নামে
জীবন চলে যায়,
একা একা, নীরবে
তুমি শুধু বসে থাকো
এক কাপ চা হাতে
জানালার পাশে।

ভাবো—
জীবনটা আসলে এরকমই।
কিছু আসে, কিছু চলে যায়।
যা যায়, তাকে সইতে হয়।
আর যা থাকে, তাকে নিয়েই বেঁচে থাকতে হয়।
নীরবে।
একা।
অনেক অনেক দিন।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248239/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 11:33:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;স্মৃতির ছাই&#8221;]</p>
<p>একদিন সব সইতে হয় বাবু<br />
চোখের জল গড়িয়ে পড়ে চুপচাপ<br />
তুমি শুধু জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকো।<br />
বুকের ভিতরটা কাঁপে,<br />
যেন অনেক দূরের ঢোল বাজছে<br />
কেউ শোনে না, শুধু তুমি জানো।</p>
<p>সইতে হয় সেই ব্যথা,<br />
যে ব্যথা কাউকে বলা যায় না<br />
রাতে বালিশ চেপে ধরে থাকো,<br />
আর চুপ করে কাঁদো।</p>
<p>না পাওয়ার যে কষ্ট<br />
সেটা গলায় আটকে থাকে,<br />
তবু সকালে উঠে চা বানাতে হয়<br />
হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248239"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248239/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad10ad590f3c7a6d46ec6f04e51ae901</guid>
				<title>[&quot;বর্ষার বিরহ&quot;]

এসো হে বৃষ্টি, এসো অঝোর ধারায়,
ভাসিয়ে দাও এই শূন্য হৃদয়তট।
তুমি যে এসেছিলে সেই আষাঢ়ের রাতে,
যেদিন সে চলে গেল নীরবে, অশ্রুবিহীন।
মেঘের ছায়ায় ঢেকে দাও আকাশের মুখ,
আমার চোখের জলে মিশে যাক তোমার জল।
কোন্‌ দূরের বাতাসে ভেসে আসে তার গান,
যে গান শুনেছিলাম প্রথম বর্ষণের ছন্দে।
ওগো প্রিয়তমা, তুমি কোথায় আজ?
এই বৃষ্টিরই মতো কি তুমিও নামো না আর?
আমার বুকের ভিতরে যে ব্যথা জেগে আছে,
তারই সুরে বাজে বিরহের অনন্ত বাঁশি।
ধানের শীষ নুয়ে পড়ে জলের স্পর্শে,
আমার প্রাণও নুয়ে পড়ে তোমার স্মৃতিতে।
নদী উথলিয়া উঠে ডাকে যেন তোমায়,
আর আমি দাঁড়াইয়া থাকি একা, ভিজিতে ভিজিতে।
কে বলে বৃষ্টি আনে নবজীবন?
আমার কাছে সে শুধু বিচ্ছেদের বার্তা।
তুমি চলিয়া গেলে, রহিল শুধু এই বর্ষা—
যে বৃষ্টি কাঁদে আমারই হয়ে, বারম্বার।
যদি কখনো ফিরিয়া আসো এই মেঘলা সন্ধ্যায়,
দেখিবে আমি এখনো আছি, প্রতীক্ষায় মগ্ন।
বৃষ্টির ফোঁটায় ফোঁটায় লিখিয়া রাখিব তোমার নাম,
যতদিন না মিলে যায় আমার প্রাণ তোমার প্রাণে।
হে বর্ষা, তুমি আসিয়ো বারে বারে,
আমার বিরহকে করিয়ো অমর।
যতক্ষণ না সে ফিরে আসে,
ততক্ষণ তুমি ঝরো—অঝোরে, নিরন্তর। &#x2614;

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247310/</link>
				<pubDate>Mon, 11 May 2026 04:59:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;বর্ষার বিরহ&#8221;]</p>
<p>এসো হে বৃষ্টি, এসো অঝোর ধারায়,<br />
ভাসিয়ে দাও এই শূন্য হৃদয়তট।<br />
তুমি যে এসেছিলে সেই আষাঢ়ের রাতে,<br />
যেদিন সে চলে গেল নীরবে, অশ্রুবিহীন।<br />
মেঘের ছায়ায় ঢেকে দাও আকাশের মুখ,<br />
আমার চোখের জলে মিশে যাক তোমার জল।<br />
কোন্‌ দূরের বাতাসে ভেসে আসে তার গান,<br />
যে গান শুনেছিলাম প্রথম বর্ষণের ছন্দে।<br />
ওগো প্রিয়তমা, তুমি কোথায় আজ?<br />
এই বৃষ্টিরই মতো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247310"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247310/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26d348f1fa5ab32278e66814af56b733</guid>
				<title>[&quot;নিরাভরণ জলরঙের কাব্যে তুমি&quot;]

তোমার ওই রূপ যেন কোনো শিল্পীর মগ্নচৈতন্যে আঁকা,
যেখানে রঙের প্রলেপ নয়, বরং স্নিগ্ধতাই এক অনন্য রেখা।
পার্থিব সাজের কৃত্রিমতা তোমায় ছোঁয়নি বলে—
তুমি যেন নির্জন হ্রদে ফুটে থাকা এক স্থির জলপদ্ম,
তোমার ওই প্রসাধনহীন ললাট যেন কোনো
অপ্রকাশিত কাব্যের সবচেয়ে গভীর শব্দ।
​ঠোঁটের কিনারে লেগে থাকে না কোনো কৃত্রিম আভা,
তবু সেখানে ফুটে ওঠে হেমন্তের প্রথম শিশিরের বিভা।
কাজলহীন চোখের মায়াবী সেই ক্লান্ত চাহনি
যেন মহাকালের বুকে এক অলৌকিক চয়ন,
তোর এই অনাড়ম্বর অবয়বেই সারাক্ষণ
বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে মুগ্ধ দুই নয়ন।
​বিলাসিতার তুলি দিয়ে তোমায় রাঙানো অসম্ভব,
তুমি তো শরতের মেঘে ঢাকা এক অবারিত নীরবতা।
মেকআপের আবরণে সবাই যখন নিজের ছায়া খোঁজে,
তুমি তখন ধুলোমাখা পৃথিবীতে এক শাশ্বত ধ্রুবতা।
​তোর এই অযত্নে রাখা রূপের কারুকাজে
নেই কোনো ম্লান হওয়ার ভয় কিংবা সীমা,
কারণ—
তুমি যে বিধাতার হাতে আঁকা
এক অবিনশ্বর জলরঙের উপমা।

[সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246928/</link>
				<pubDate>Wed, 06 May 2026 18:39:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;নিরাভরণ জলরঙের কাব্যে তুমি&#8221;]</p>
<p>তোমার ওই রূপ যেন কোনো শিল্পীর মগ্নচৈতন্যে আঁকা,<br />
যেখানে রঙের প্রলেপ নয়, বরং স্নিগ্ধতাই এক অনন্য রেখা।<br />
পার্থিব সাজের কৃত্রিমতা তোমায় ছোঁয়নি বলে—<br />
তুমি যেন নির্জন হ্রদে ফুটে থাকা এক স্থির জলপদ্ম,<br />
তোমার ওই প্রসাধনহীন ললাট যেন কোনো<br />
অপ্রকাশিত কাব্যের সবচেয়ে গভীর শব্দ।<br />
​ঠোঁটের কিনারে লেগে থাকে না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246928"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246928/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9ff174b8848bc7a24b2f3e44f214c5a1</guid>
				<title>[আঁচলের কান্না।]

একটা পুরনো বাড়ি,
ছাদের কার্নিশে জল জমে আছে।
বৃষ্টি পড়ে, পড়ে,
কিন্তু ভেতরটা শুকনো।
বাবা বসে আছে চেয়ারে,
সিগারেটের ধোঁয়া উঠছে আস্তে আস্তে।
চোখ দুটো যেন অনেক দূরের কোনো নদী দেখছে,
যেখানে আর নৌকা চলে না।
মা রান্নাঘরে চুপচাপ,
চামচ নাড়ছে, কিন্তু কোনো শব্দ নেই।
শুধু ঘড়ির টিকটিক।
ছেলে ফিরেছে অফিস থেকে,
মুখে হাসি নেই, শুধু ক্লান্তি।
বোনের ঘরের দরজা বন্ধ।
ভেতর থেকে ফোনের আলো জ্বলছে,
কিন্তু কেউ কথা বলছে না।
টেবিলে ভাত ঠান্ডা হয়ে যায়।
কে কাকে জিজ্ঞাসা করে,
“কেমন আছো?”
কথাটা বললেও তো উত্তর আসবে না।
শুধু চোখাচোখি হয়,
একটুক্ষণ।
তারপর আবার চোখ নামিয়ে যায়।
রাত বাড়ে।
বারান্দায় একটা পুরনো চেয়ার খালি পড়ে আছে।
যেখানে একসময় দাদু বসে গল্প বলতেন।
এখন শুধু হাওয়া বয়।
কেউ কাউকে ধরে রাখতে চায়,
কিন্তু হাতগুলো সরে যায়।
এই টানাপোড়েনের মাঝে
একটুকরো বিষাদ বাসা বেঁধেছে।
যেন পুরনো আলবামের ছবি—
হাসছে সবাই,
কিন্তু কেউ আর সেই হাসি খুঁজে পায় না।
বাড়িটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে।
দেয়ালে ফাটল ধরেছে,
কিন্তু ভেঙে পড়েনি।
শুধু ভেতরে,
একটা নরম, অদৃশ্য কান্না
রাতের পর রাত
চুপচাপ জমে যায়।
আমরা একসাথে থাকি,
অথচ কত দূরে চলে গেছি।
পরিবার মানে এখন
একটা ভাঙা আয়না—
প্রতিবিম্বগুলো আছে,
কিন্তু কেউ আর পুরো নয়।
শুধু বিষাদের একটা পাতলা চাদর
সবাইকে ঢেকে রেখেছে।
আর আমরা চুপচাপ শুয়ে আছি,
যেন ঘুমের ভান করে
জেগে থাকার অভ্যাসটা লুকিয়ে রাখি।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246526/</link>
				<pubDate>Sat, 02 May 2026 05:35:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[আঁচলের কান্না।]</p>
<p>একটা পুরনো বাড়ি,<br />
ছাদের কার্নিশে জল জমে আছে।<br />
বৃষ্টি পড়ে, পড়ে,<br />
কিন্তু ভেতরটা শুকনো।<br />
বাবা বসে আছে চেয়ারে,<br />
সিগারেটের ধোঁয়া উঠছে আস্তে আস্তে।<br />
চোখ দুটো যেন অনেক দূরের কোনো নদী দেখছে,<br />
যেখানে আর নৌকা চলে না।<br />
মা রান্নাঘরে চুপচাপ,<br />
চামচ নাড়ছে, কিন্তু কোনো শব্দ নেই।<br />
শুধু ঘড়ির টিকটিক।<br />
ছেলে ফিরেছে অফিস থেকে,<br />
মুখে হাসি নেই,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246526"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246526/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe385875771daadf03584819d453d0f9</guid>
				<title>[&quot;ছদ্মবেশী বসন্ত&quot;]

বসন্ত নয়
আমার দরজায় প্রথম কড়া নেড়েছিল অবহেলা।
তখনও চিনিনি তার পায়ের শব্দ।
ভেবেছিলাম—
অনেকগুলো বর্ষা শেষ হয়েছে,
মেঘের ভার নেমে গেছে মাটিতে,
শরতের সোনালি উষ্ণতা মিশিয়ে
এলো বুঝি বসন্ত!
দরজা খুললাম।
হাওয়ায় ফুলের গন্ধ নেই,
শুধু একটা চেনা ঠান্ডা স্পর্শ।
চোখ তুলে দেখি—
সে দাঁড়িয়ে আছে,
চুপচাপ, নীরব,
অথচ চোখে অদ্ভুত এক ভালোবাসা।
অবহেলা।
সে এসেছে আমাকে ভালোবেসে।
কোনো ফুল নিয়ে নয়,
কোনো প্রতিশ্রুতি নিয়ে নয়—
শুধু নিজেকে নিয়েই এসেছে।
যেন বলতে চায়,
“আমিই তো তোর চিরকালের সঙ্গী,
তুই যতবারই অন্য কিছু ভেবে দরজা খুলিস।”
এখন আমি জানি,
বসন্ত আসে না দরজায় কড়া নেড়ে।
সে আসে হঠাৎ,
আর চলে যায় হঠাৎ।
কিন্তু অবহেলা থেকে যায়।
ধীরে ধীরে,
নিঃশব্দে,
ভালোবেসে।
সে আমার ঘরের কোণে বসে,
চা-এর কাপে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া চুমুকের মতো।
সে আমার বিছানায় শুয়ে,
রাতের নীরবতার মতো।
সে আমার আয়নায় দেখা নিজের চোখের মতো—
যেখানে কেউ আর তাকায় না।
তবু সে ভালোবাসে।
যেভাবে শুধু অবহেলাই পারে—
পুরোপুরি, নিঃস্বার্থ,
আর কখনো ছেড়ে না যাওয়ার প্রতিজ্ঞায়।
এখন দরজা বন্ধ করে দিয়েছি।
বাইরে বসন্তের হাওয়া বয়ে যাক।
ভিতরে আমি আর অবহেলা—
দুজনে মিলে
একটা পুরোনো, আরামের অন্ধকার তৈরি করছি।
যেখানে আর কোনো ঋতু আসে না।
শুধু আমরা থাকি।
চিরকাল।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245849/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 19:55:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;ছদ্মবেশী বসন্ত&#8221;]</p>
<p>বসন্ত নয়<br />
আমার দরজায় প্রথম কড়া নেড়েছিল অবহেলা।<br />
তখনও চিনিনি তার পায়ের শব্দ।<br />
ভেবেছিলাম—<br />
অনেকগুলো বর্ষা শেষ হয়েছে,<br />
মেঘের ভার নেমে গেছে মাটিতে,<br />
শরতের সোনালি উষ্ণতা মিশিয়ে<br />
এলো বুঝি বসন্ত!<br />
দরজা খুললাম।<br />
হাওয়ায় ফুলের গন্ধ নেই,<br />
শুধু একটা চেনা ঠান্ডা স্পর্শ।<br />
চোখ তুলে দেখি—<br />
সে দাঁড়িয়ে আছে,<br />
চুপচাপ, নীরব,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245849"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245849/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">adea77b95a5952433a431f4c94db7160</guid>
				<title>সাব্বির হোসেন। and Syed Farah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245819/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 12:18:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7d2eef690934ec920ac8213472fdf05e</guid>
				<title>[&quot;আত্মকথন&quot;]

আমি সাব্বির হোসেন।
ঢাকার একটা ছোট ভাড়া ঘরে বসে এই লাইনগুলো লিখছি। বাহিরে কুকুর ডাকছে। আমার ঘরের ফ্যানটা ঘুরছে, কিন্তু আমার ভিতরটা থমকে আছে। লেখালেখি আমার জীবনে কখনো শখ ছিল না। এটা ছিল বেঁচে থাকার শেষ অস্ত্র।
যখন আমি প্রথম লিখতে শুরু করি, তখন আমার বয়স ছিল উনিশ। সবে কলেজে ভর্তি হয়েছি।
 
আমি যখন লিখি, তখন আমি আর আমি থাকি না।
আমি হয়ে যাই একটা খোলা ক্ষত। একটা জানালা। একটা সেতু। যে সেতু আমার ভিতরের অন্ধকার আর বাইরের পৃথিবীর মাঝে তৈরি হয়।
লেখালেখি আমার কাছে থেরাপি না।
এটা আমার অস্তিত্বের প্রমাণ। যখন চারপাশে কেউ বুঝতে চায় না, যখন নিজেকেই নিজে চিনতে পারি না, তখন কলমটা হাতে নিলেই মনে হয় — ঠিক আছে, অন্তত একজন তো আছে যে আমাকে পুরোপুরি শুনছে। সে আমি নিজেই।
অনেকে বলে, “লেখো তো, কী এমন কঠিন?”
কিন্তু যারা সত্যি লেখে, তারা জানে — প্রতিটা লাইন লেখার আগে নিজের ভিতরে একটা ছুরি চালাতে হয়। রক্ত না বেরোলে কথাগুলো সত্যি হয় না। আর সেই রক্ত যখন কাগজে পড়ে, তখন আর সেটা শুধু শব্দ থাকে না, হয়ে যায় প্রার্থনা।

লেখালেখি আমাকে শিখিয়েছে যে, আমি ভাঙা।
আমি অনেকবার ভেঙেছি। চাকরি হারিয়েছি। সম্পর্ক ভেঙেছে। স্বপ্নগুলো একে একে মাটিতে পড়েছে। প্রতিবার যখন মনে হয়েছে আর পারব না, তখন কলমটা হাতে নিয়েছি। লিখতে লিখতে কেঁদেছি। কখনো এত জোরে কেঁদেছি যে, পাশের ঘরের ভাইয়া এসে জিজ্ঞেস করেছে, “কী হয়েছে রে?”
কিন্তু আমি বলতে পারিনি।
কারণ কী হয়েছে তা কাউকে বলা যায় না। সেটা শুধু লেখায় বলা যায়।
আমি অনেকবার লেখা ছেড়ে দিয়েছি।
মাসের পর মাস কলম ছুঁয়েও দেখিনি। মনে হয়েছে — আর পারব না। কেউ পড়বে না, কেউ বুঝবে না, কোনো লাভ নেই। কিন্তু প্রতিবারই ফিরে এসেছি। কারণ লেখা না লিখলে আমি শ্বাস নিতে পারি না।
লেখালেখি আমাকে শিখিয়েছে —
সাফল্যের চেয়ে সততা বড়।
পছন্দ হওয়ার চেয়ে নিজেকে চেনা বড়।
আর সবচেয়ে বড় কথা — যন্ত্রণাকে সুন্দর করে বলতে পারাটাই হয়তো সবচেয়ে বড় বিজয়।
আমার লেখায় অনেকবার মৃত্যুর কথা এসেছে।
অনেকবার নিজেকে শেষ করে দেওয়ার কথা ভেবেছি। কিন্তু প্রতিবারই লিখতে লিখতে বেঁচে গেছি। লেখা আমার সুইসাইড নোট হতে দেয়নি, বরং বেঁচে থাকার কারণ হয়ে উঠেছে।
লেখালেখি আমাকে একা করে দিয়েছে, আবার একা থাকার শক্তিও দিয়েছে।
বন্ধুরা বলে, “তুই তো এখন আর আগের মতো নেই।”
আমি হাসি। বলি না যে — হ্যাঁ, আমি আর আগের মতো নেই। কারণ আমি এখন নিজেকে দেখতে শিখেছি। আর নিজেকে দেখতে পারাটা খুব কষ্টের।
আমি লিখি বলে অনেকে আমাকে “সেনসিটিভ” বলে।
কিন্তু আমি জানি, এটা সেন্সিটিভিটি না। এটা বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়। যদি আমি না লিখতাম, তাহলে হয়তো এতদিন টিকে থাকতে পারতাম না।
যারা লেখে, তারা জানে —
আমরা লিখি না শুধু গল্প বলার জন্য।
আমরা লিখি নিজেকে বাঁচানোর জন্য।
আজও যখন রাতে ঘুম আসে না, তখন আমি লিখি।
যখন কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে না, তখনও লিখি।
যখন নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তখনও লিখি।
আমি জানি না আমার লেখা কখনো বড় কোনো প্রকাশকের কাছে যাবে কি না। জানি না কেউ পড়বে কি না। কিন্তু একটা জিনিস খুব ভালো করে জানি — যতদিন আমি লিখব, ততদিন আমি মরব না।
যারা লেখো, তাদের বলি —
তোমরা একা নও।
তোমাদের যন্ত্রণা অর্থহীন না।
তোমাদের কথাগুলো কোথাও না কোথাও কারো হৃদয়ে পৌঁছাবে।

আমার লেখার সবচেয়ে কঠিন অংশ হলো নিজেকে স্বীকার করা।
আমি অনেকবার লিখেছি যে আমি ভালোবাসতে পারি না। আমি অনেকবার লিখেছি যে আমি নিজেকে ঘৃণা করি। আমি লিখেছি আমার বাবা-মাকে কতটা কষ্ট দিয়েছি। লিখেছি যে আমি একজন ভালো ছেলে হতে পারিনি।
এসব লিখতে গিয়ে অনেকবার মনে হয়েছে — এগুলো কেউ পড়লে আমাকে ঘৃণা করবে। কিন্তু তারপরেও লিখেছি। কারণ সত্য না লিখলে লেখাটা মিথ্যে হয়ে যায়।
একটা কথা খুব সত্যি:
লেখালেখি আমাকে জনপ্রিয় করেনি। বরং আরও একা করে দিয়েছে। কখনো মনে হয় আমি পিছিয়ে পড়ছি। কখনো মনে হয় আমি আসলে সামনে এগোচ্ছি — শুধু অন্য পথে।
তবু আমি লিখি।
কারণ যেদিন আমি লিখব না, সেদিন আমি সত্যি মরে যাব।
আমি এখনো জানি না আমার লেখা কোথায় গিয়ে থামবে। শুধু জানি — যতদিন শ্বাস নেব, ততদিন লিখব।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245800/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 09:34:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;আত্মকথন&#8221;]</p>
<p>আমি সাব্বির হোসেন।<br />
ঢাকার একটা ছোট ভাড়া ঘরে বসে এই লাইনগুলো লিখছি। বাহিরে কুকুর ডাকছে। আমার ঘরের ফ্যানটা ঘুরছে, কিন্তু আমার ভিতরটা থমকে আছে। লেখালেখি আমার জীবনে কখনো শখ ছিল না। এটা ছিল বেঁচে থাকার শেষ অস্ত্র।<br />
যখন আমি প্রথম লিখতে শুরু করি, তখন আমার বয়স ছিল উনিশ। সবে কলেজে ভর্তি হয়েছি।</p>
<p>আমি যখন লিখি, তখন আমি আর আমি থাকি না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245800"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245800/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cb50579ae638e4789c5c56156b833b2</guid>
				<title>সাব্বির হোসেন। and সা দি য়া (নন্দিনী) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245784/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 06:23:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26dd44df20533451f8be031998bd0ce7</guid>
				<title>[&quot;ইশকে আমানত&quot;]

পিপাসায় বুক ফেটে হোক মরুভূমি,
তবুও মিছে মরীচিকায় হারিও না তুমি।
হৃদয় পাত্রটি শূন্য থাকুক, হাহাকার করুক প্রাণ,
তবুও বেসুরো কণ্ঠে গেয়ো না অনুরাগের গান।
সবাই তো আর বুঝবে না এই চোখের জলের ভাষা,
বালুচরে বৃথা খুঁজো না কেউ তৃষ্ণার ভালোবাসা।
​যেখানে মানুষ রূপ দেখে শুধু, গুণের খবর রাখে না,
যেখানে আবেগ পণ্য কেবল, হৃদয়ে দাগ কাটে না—
সেখানে তোমার পবিত্র এই অনুভবের দান,
ব্যর্থ হবে, ধুলোয় মিশবে প্রাণের সব সম্মান।
জহুরি ছাড়া রত্ন চেনা কি আর সবার সাধ্য আছে?
বৃথাই তবে কেন দাঁড়াবে অন্ধ কোনো জহুরির কাছে?
​মরুভূমি হয়ে যাক এ বুক, তবুও সইবে এই দেহ,
যদি না জোটে যোগ্য কোনো পরশ পাথরের স্নেহ।
ভুল মানুষের ছায়ায় বসে কাটানোর চেয়ে বেলা,
তপ্ত রোদে একলা চলো—সেও তো ভালো খেলা।
তোমার ইশক তোমার আমানত, রেখো তা যতনে তুলে,
বিলিও না তা পথের ধারে, ভুল কোনো বাঁক ফুলে।
​সাগর যেমন ধৈর্য ধরে মেঘের আগমনের তরে,
তেমনি তুমি থেকো বসে আপন আপন ঘরে।
মালিক যদি লিখে রাখেন সঠিক কারো নাম,
তবেই পাবে তোমার ওই ত্যাগের পূর্ণ দাম।
যোগ্য সমর্পণে যদি না মেলে কাঙ্ক্ষিত সাড়া,
তবে সেই ভালো—থাকা নিভৃতে দিশেহারা।

&#039;ততদিন তবে মৌন থাকুক ব্যথার এই শহর—
অপেক্ষায় কেটে যাক শত প্রহর&#039;।


[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245639/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:12:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;ইশকে আমানত&#8221;]</p>
<p>পিপাসায় বুক ফেটে হোক মরুভূমি,<br />
তবুও মিছে মরীচিকায় হারিও না তুমি।<br />
হৃদয় পাত্রটি শূন্য থাকুক, হাহাকার করুক প্রাণ,<br />
তবুও বেসুরো কণ্ঠে গেয়ো না অনুরাগের গান।<br />
সবাই তো আর বুঝবে না এই চোখের জলের ভাষা,<br />
বালুচরে বৃথা খুঁজো না কেউ তৃষ্ণার ভালোবাসা।<br />
​যেখানে মানুষ রূপ দেখে শুধু, গুণের খবর রাখে না,<br />
যেখানে আবেগ পণ্য কেবল, হৃদয়ে দাগ ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245639"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245639/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">965006a565707efd60a7551a250a88b7</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245290/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 10:57:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48207c620b9ae2499bf33d498a571a75</guid>
				<title>[&quot;সীমাহীন সুষমা&quot;]

কোন এক মেঘাচ্ছন্ন বিকেলে,নদীতীরের নির্জনতায় কিংবা জনারণ্যের ফুটপাত বেয়ে ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে হতে,সমস্ত অব্যক্ত কথা উন্মোচন করব তোমার সম্মুখে। তোমার পরিধানে থাকবে অফ-হোয়াইট পাঞ্জাবির স্নিগ্ধ প্রশান্তি, আর আমি আবৃত থাকব একখানি বোরকায়; হাতে ধরা থাকবে এক গুচ্ছ টিউলিপ__নির্মল অনুভূতির প্রতীক হিসেবে। সেই মুহূর্তেই হয়তো দুঃসাহস করব তোমার সৌন্দর্য নিয়ে কিছু বলার।

তবু ভাবি, কোন উপমায় তোমাকে ধারণ করব? কোন রূপকই বা ধারণ করতে পারে তোমার ঐশ্বর্যশীল সুষমা? পৃথিবীর সমস্ত উপমা যেন তোমার প্রান্তদেশ ছুঁয়েও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তুমি এক অমলিন প্রভাত,যার স্বচ্ছ আলোকচ্ছটায় আকাশ নিজেই বিস্মিত; তুমি এক স্নিগ্ধ সায়াহ্ন,যার প্রশান্ত আবেশে মন নিভৃত আশ্রয় খুঁজে পায়।

তোমার নয়নদ্বয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে অনুভব করি, যেন অতল সমুদ্রের গভীরে নিমজ্জিত হচ্ছি,যেখানে শব্দেরা স্তব্ধ, সময় নিশ্চল। তোমার হাসির ধ্বনি ভেসে আসে প্রাতঃকালের পাখির কলতানের মতো,নির্মল, নির্ভার, হৃদয়-উদ্বাসিত। তোমার কণ্ঠস্বর এক অনুপম সুরলহরী, যা অন্তরের গহীনে প্রতিনিয়ত প্রতিধ্বনিত হয়, অবিরাম ও অবিনশ্বর।তোমার সত্তা যেন এক দ্যুতিময় নক্ষত্র, যার দীপ্তি অনাবিল অথচ প্রখর; 

আবার তুমি যেন শিউলিফোটা ভোর,নিঃশব্দ অথচ গভীরভাবে অনুভবযোগ্য। তোমার উপস্থিতি কেবল দৃষ্টিনন্দন নয়, তা আত্মার পরিসরে এক অপার্থিব আলোড়ন। তোমাকে ভাবলেই মনে হয়, সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তার নান্দনিকতার চূড়ান্ত নির্যাস ঢেলে তোমাকে নির্মাণ করেছে। ঠিক এই কারণেই তোমার সৌন্দর্যের তুলনা হয় না; কারণ তুলনা মানেই সীমারেখা টানা, আর তুমি তো সীমাহীন।

তুমি এক অনন্ত সমুদ্র__যার তীরে এসে সমস্ত চিন্তা, সমস্ত সংশয়, সমস্ত ক্লান্তি বিলীন হয়ে যায়। তোমার মাঝে ডুবে থাকা মানেই এক নির্মল প্রশান্তির অধিষ্ঠান। হয়তো সেদিন, সেই মেঘলা বিকেলে, সব কথা বলা হবে না,কিছু কথা রয়ে যাবে নীরবতার অন্তরালে। কারণ কিছু অনুভূতি শব্দের ঊর্ধ্বে; তারা শুধু হৃদয়ে লিখিত হয়, অনন্তের কাব্যে। &#x1f90d;&#x1f33b;

(সংগ্রহীত)
লেখায়: মাহমুদা তাসনিম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245217/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Apr 2026 19:57:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;সীমাহীন সুষমা&#8221;]</p>
<p>কোন এক মেঘাচ্ছন্ন বিকেলে,নদীতীরের নির্জনতায় কিংবা জনারণ্যের ফুটপাত বেয়ে ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে হতে,সমস্ত অব্যক্ত কথা উন্মোচন করব তোমার সম্মুখে। তোমার পরিধানে থাকবে অফ-হোয়াইট পাঞ্জাবির স্নিগ্ধ প্রশান্তি, আর আমি আবৃত থাকব একখানি বোরকায়; হাতে ধরা থাকবে এক গুচ্ছ টিউলিপ__নির্মল অনুভূতির প্রতীক হিসেবে। সেই মুহূর্তেই হয়তো দুঃসাহস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245217"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245217/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8e1da224712c7efeb6b05fb6a5260ede</guid>
				<title>[&quot;মৌনতা&quot;]

তোমাকে নিয়ে লিখতে বসলে কলম থমকে দাঁড়ায় শব্দের কিনারে। অভিধানের প্রতিটি পাতা উল্টে পাল্টে দেখি, কিন্তু কোথাও সেই বিশেষ্য বা বিশেষণ খুঁজে পাই না যা তোমার উপস্থিতিকে ব্যাখ্যা করতে পারে।

​আসলে তুমি তো কোনো বর্ণনা নও, তুমি এক অদ্ভুত অনুভূতি। ঠিক যেমন তপ্ত দুপুরে হঠাৎ ধেয়ে আসা এক পশলা বৃষ্টির ঘ্রাণ, কিংবা মাঝরাতে জানলার গ্রাস গলিয়ে আসা এক ফালি ম্লান জ্যোৎস্না—যাকে ছোঁয়া যায় না, শুধু অনুভব করা যায়।

​মাঝে মাঝে মনে হয়, তোমাকে সংজ্ঞায়িত করতে চাওয়াটাই বোধহয় এক ধরণের ব্যর্থতা। কারণ যা অসীম, তাকে সসীম শব্দে কি আর ধরা যায়? তাই এখন আর ডায়েরির পাতায় তোমাকে শব্দে বাঁধার চেষ্টা করি না। বরং আমাদের এই যে নৈশব্দ, এই যে না বলা কথাগুলোর জমে থাকা পাহাড়—তারাই এখন তোমার গল্প বলে।

​তুমি তো ভাষার অতীত কোনো এক নীরব সুর, যা কেবল হৃদস্পন্দনের লয়ে পড়া যায়। তাই লিখতে না পারার এই অক্ষমতাটুকুও আজ আমার কাছে এক পরম প্রাপ্তি। সব কিছু শব্দে প্রকাশ করতে নেই, কিছু থাক না অনুভবের নিভৃত কোণে।

কীভাবে লিখি তোমায়, যখন তুমি ভাষার বাইরে..!!

[ সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245214/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Apr 2026 19:25:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;মৌনতা&#8221;]</p>
<p>তোমাকে নিয়ে লিখতে বসলে কলম থমকে দাঁড়ায় শব্দের কিনারে। অভিধানের প্রতিটি পাতা উল্টে পাল্টে দেখি, কিন্তু কোথাও সেই বিশেষ্য বা বিশেষণ খুঁজে পাই না যা তোমার উপস্থিতিকে ব্যাখ্যা করতে পারে।</p>
<p>​আসলে তুমি তো কোনো বর্ণনা নও, তুমি এক অদ্ভুত অনুভূতি। ঠিক যেমন তপ্ত দুপুরে হঠাৎ ধেয়ে আসা এক পশলা বৃষ্টির ঘ্রাণ, কিংবা মাঝরাতে জানলার গ্রাস গলিয়ে আসা এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245214"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245214/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8e855899d82bc194d357c0590b2b5240</guid>
				<title>&quot;ছদ্মবেশী তস্কর তোমরা, লুণ্ঠনে লিপ্ত অবিরাম,
দম্ভের আবরণে ঢেকে রাখো কদর্য কুৎসিত নাম&quot;।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245084/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 15:25:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;ছদ্মবেশী তস্কর তোমরা, লুণ্ঠনে লিপ্ত অবিরাম,<br />
দম্ভের আবরণে ঢেকে রাখো কদর্য কুৎসিত নাম&#8221;।</p>
<p>[সাব্বির হোসেন।]</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8ac3deef7e37f0e4f9791fe739817b0f</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244808/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 13:20:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f880eae959fd8aa736f315b993ebaf74</guid>
				<title>সাব্বির হোসেন। changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244806/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 13:18:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ab8c96dc3afd5b22851d991503656de</guid>
				<title>​[&quot;লাঞ্ছিত ধরিত্রী&quot;]

অন্ধকার যেথা গূঢ় হয়ে আসে লালসার হাহাকারে,
মানুষের বেশে পশু জাগে আজ লোকালয়-প্রান্তরে।
নারীর অঙ্গে যে আঁচলখানি পবিত্রতার টানে,
পশুত্ব তারে ছিন্ন করিল পাশবিক অভিমানে।

অন্ধকারে লুকানো পিশাচ মানবের রূপ ধরি,
পবিত্রতার পুণ্য আলোক নিল যে আজি হরি।
যে নারী ধরণীর মমতা-মূর্তি, সহিষ্ণুতার প্রাণ,
তারি অঙ্গে বিঁধিল আজিকে কলুষিত অপমান।
হায় বিধাতা, তোমার ভুবনে একি এ নিদারুণ খেলা!
বিবেক যেথা লুপ্ত আজিকে, হীন স্বার্থের মেলা।
পশুত্বের উদ্ধত নখ যখন বিঁধে রে কোমল গায়,
তখন কি তব ন্যায়ের দণ্ড পথের ধুলায় লুটায়?
ওগো মানবী, তুমি কেন আজি সহিবে এ লাঞ্ছনা?
তোমার ধৈর্য যেন না হয় ভীরুর আত্মপ্রবঞ্চনা।
ভিতরে তোমার যে তেজ নিহিত, যে অনল অনিবাণ,
তারে জাগাও বজ্রনিঘোষে, করো পিশাচেরে খানখান।
উড়াও তোমার আঁচল-পতাকা ন্যায়ের রুদ্র বায়ে,
পাপের তিলক মুছে দাও আজ ধরণীর ধূলি-গায়ে।
যে হস্ত পাষণ্ড, যে আঁখি লোলুপ— হোক তারা ছারখার,
তোমার তেজে মুক্ত হউক আগামীর পথদ্বার।
ভয় কি তোমার? জাগো মহীয়সী, জাগো তব নিজ শক্তিতে,
বিচারের বাণী যেন না কাঁদে নীরব নিভৃত ভক্তিতে।
অন্যায়ের সাথে সন্ধি যে করে, সে-ও সমান অপরাধী,
তোমার তেজে স্তব্ধ হউক এই পৈশাচিক ব্যাধি।

 [ সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244595/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 16:22:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>​[&#8220;লাঞ্ছিত ধরিত্রী&#8221;]</p>
<p>অন্ধকার যেথা গূঢ় হয়ে আসে লালসার হাহাকারে,<br />
মানুষের বেশে পশু জাগে আজ লোকালয়-প্রান্তরে।<br />
নারীর অঙ্গে যে আঁচলখানি পবিত্রতার টানে,<br />
পশুত্ব তারে ছিন্ন করিল পাশবিক অভিমানে।</p>
<p>অন্ধকারে লুকানো পিশাচ মানবের রূপ ধরি,<br />
পবিত্রতার পুণ্য আলোক নিল যে আজি হরি।<br />
যে নারী ধরণীর মমতা-মূর্তি, সহিষ্ণুতার প্রাণ,<br />
তারি অঙ্গে বিঁধিল আজিকে কলু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244595"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244595/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f9463816603be93e148e14db2492958</guid>
				<title>[&#039;জলপদ্ম ও মেঘের অভিমান&#039;]

একটু বৃষ্টি নামলে মন্দ হতো না,
বৃষ্টির শব্দে মানুষ নিজের দীর্ঘশ্বাস শুনতে পায় না।
​হলদেটে হয়ে যাওয়া সেই পুরনো ডায়েরি,
যাতে আমাদের এক পৃথিবী অভিমান জমানো ছিল—
আজ তার পাতাগুলো ওল্টাতেও ভয় হয়।
ভয় হয়, যদি আবার সেই ঘ্রাণটা ফিরে আসে!
​মুক্তির পথ খুঁজি আঁধারের ভিড়ে,
তবু কেন বারেবার সেই স্মৃতি ফেরে?
হয়তো কিছু স্মৃতি আসলে মুক্তির জন্য নয়,
সারাজীবন হৃদয়ের কোনো এক অন্ধকার কোণে
একলা থাকার জন্যই জন্মেছে।
​রাত বাড়ছে। হিমু হলে হয়তো এখন পথে নামতাম,
কিংবা মিসির আলি হয়ে যুক্তি দিয়ে বুঝতাম—
স্মৃতি আসলে কিছুই না, মস্তিষ্কের নিউরনের খেলা।
কিন্তু আমি তো সাধারণ মানুষ,
আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244456/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 14:04:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8216;জলপদ্ম ও মেঘের অভিমান&#8217;]</p>
<p>একটু বৃষ্টি নামলে মন্দ হতো না,<br />
বৃষ্টির শব্দে মানুষ নিজের দীর্ঘশ্বাস শুনতে পায় না।<br />
​হলদেটে হয়ে যাওয়া সেই পুরনো ডায়েরি,<br />
যাতে আমাদের এক পৃথিবী অভিমান জমানো ছিল—<br />
আজ তার পাতাগুলো ওল্টাতেও ভয় হয়।<br />
ভয় হয়, যদি আবার সেই ঘ্রাণটা ফিরে আসে!<br />
​মুক্তির পথ খুঁজি আঁধারের ভিড়ে,<br />
তবু কেন বারেবার সেই স্মৃতি ফেরে?<br />
হয়তো কিছু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244456"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244456/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e34405d7e375abea1c410a5cf077aff</guid>
				<title>[&quot;শেষ বিকেলের মায়া&quot;]

​দরজার কড়া নাড়ার শব্দ শুনে আনিস সাহেব চশমাটা টেবিলের ওপর রাখলেন। এ সময় কার আসার কথা? কেউ তো আসার কথা নয়। এই শহরে মানুষের দরজায় কড়া নাড়ার অভ্যাসটা কমে যাচ্ছে। সবাই এখন ফোনে &#039;টুং&#039; করে মেসেজ পাঠায়। কড়া নাড়ার মধ্যে একটা মানবিক ব্যাপার আছে, যা মোবাইলের স্ক্রিনে নেই।
​আনিস সাহেব দরজা খুললেন। বাইরে কেউ নেই। কেবল এক ঝলক তপ্ত বাতাস হু হু করে ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ল। বৈশাখ মাস আসছে, প্রকৃতির মেজাজ এখন বেশ চড়া। আনিস সাহেব বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন। আকাশটা কেমন যেন ছাই রঙের হয়ে আছে। বৃষ্টির কোনো লক্ষণ নেই, অথচ গুমোট একটা ভাব।
​মধ্যবিত্ত জীবনের বাস্তবতা অনেকটা এই বিকেলের আকাশের মতো। না রোদ, না বৃষ্টি। একটা দীর্ঘ অপেক্ষা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। আনিস সাহেব ভাবলেন, জীবনের এই যে চুয়ান্নটা বছর তিনি পার করলেন, তার প্রাপ্তি কী? একটা নীল রঙের হাউজিংয়ের ফ্ল্যাট, যার কিস্তি শোধ করতেই জীবনটা অর্ধেক ফুরিয়ে গেল। অথচ ছোটবেলায় তিনি স্বপ্ন দেখতেন জঙ্গলঘেরা এক ছন ছনে বাড়িতে থাকবেন, যেখানে জ্যোৎস্না পড়লে উঠোনটা দুধের মতো সাদা হয়ে যাবে।
​এখনকার জ্যোৎস্না বড় ভেজাল। শহরের নিয়ন আলোর দাপটে আকাশের চাঁদটা এখন খুব ফ্যাকাশে দেখায়।
​তার বড় ছেলেটা এখন দূরে থাকে। কত দূরে? আনিস সাহেব মনে মনে হিসেব মেলাতে পারেন না। ছেলেটা যখন ছোট ছিল, তখন বৃষ্টি নামলেই বাবার হাত ধরে ছাদে যাওয়ার বায়না করত। এখন ছেলেটা ফোন দিয়ে বলে, &quot;বাবা, শরীরটা সাবধানে রেখো, ঠিকমতো ওষুধ খেও।&quot; ব্যস, ওটুকুই। বাস্তবতার রুক্ষতা আমাদের আবেগগুলোকেও কেমন যেন কেজো করে দেয়। ওষুধের প্রেসক্রিপশন আর ইনস্যুরেন্সের পলিসিতেই আটকে যায় সব ভালোবাসা।
​নিচে রাস্তায় একটা জটলা দেখা যাচ্ছে। হয়তো কোনো রিকশাওয়ালা আর যাত্রীর মধ্যে দুই টাকা নিয়ে তুমুল তর্ক চলছে। আমরা সবাই খুব অদ্ভুত। লাখ টাকার ফ্ল্যাটে থেকেও দুই টাকার জন্য আমাদের গলা চড়ে যায়। এটাই হয়তো মানুষের চিরন্তন স্বভাব।
​আনিস সাহেবের হঠাৎ মনে হলো, এক কাপ চা হলে মন্দ হতো না। চিনি ছাড়া কড়া চা। চিনি খাওয়া তার বারণ, ডাক্তার কড়া গলায় বলে দিয়েছেন। কিন্তু আজ তার খুব মনে হচ্ছে, এক চামচ চিনি বেশি দিয়ে চা খেলে কি খুব ক্ষতি হতো? জীবনে নিয়ম মেনে চলতে চলতে আমরা জীবনের স্বাদটাই নিতে ভুলে যাই।
​তিনি অন্ধকার ঘরে একা বসে রইলেন। জানালার বাইরে ল্যাম্পপোস্টের আলো জ্বলে উঠেছে। একটা ফিঙে পাখি কার্নিশে বসে লেজ ঝাপটাচ্ছে। আনিস সাহেব মৃদু হেসে নিজেকেই বললেন, &quot;জীবনটা আসলে খুব ছোট নয়, আবার খুব বড়ও নয়। জীবনটা হলো জুতোর ভেতর ঢুকে পড়া ছোট এক টুকরো কাঁকরের মতো। হাঁটতে গেলে খচখচ করবে, কিন্তু ওই কাঁকর নিয়েই আমাদের বহুদূর যেতে হবে।&quot;
​তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে চায়ের কেতলিটা চুলায় বসালেন। বাস্তবতার রুক্ষতা এক নিমেষে উড়ে যায় যদি মনের ভেতর এক টুকরো শৈশব আর খানিকটা মায়া বাঁচিয়ে রাখা যায়।

[ সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244319/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 04:43:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;শেষ বিকেলের মায়া&#8221;]</p>
<p>​দরজার কড়া নাড়ার শব্দ শুনে আনিস সাহেব চশমাটা টেবিলের ওপর রাখলেন। এ সময় কার আসার কথা? কেউ তো আসার কথা নয়। এই শহরে মানুষের দরজায় কড়া নাড়ার অভ্যাসটা কমে যাচ্ছে। সবাই এখন ফোনে &#8216;টুং&#8217; করে মেসেজ পাঠায়। কড়া নাড়ার মধ্যে একটা মানবিক ব্যাপার আছে, যা মোবাইলের স্ক্রিনে নেই।<br />
​আনিস সাহেব দরজা খুললেন। বাইরে কেউ নেই। কেবল এক ঝলক তপ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244319"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244319/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c4bf0b491b263a06bdb27a9e98186acb</guid>
				<title>[&quot;দহনবেলা&quot;]

​তুমি এমনভাবে পোড়ালে আমাকে,
অগ্নিশিখা নয়, যেন এক নীরব তুষারপাত—
যা বাইরে দেখায় শীতল, কিন্তু ভেতরে হাড়কাঁপানো ক্ষত।
পুড়তে পুড়তে এখন আমি এমন এক ছাই,
যার কোনো ওড়ার আকাশ নেই, কেবল পড়ে থাকা আছে।
​ক্ষিধের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে গলার কাছে আটকে থাকা পাথর,
যখন থালায় রাখা কয়েকদানা সাদা ভাত—
স্মৃতিদের মতো বিস্বাদ আর ভারী মনে হয়।
এক গ্রাস অন্ন যখন মুখে তুলি,
মনে হয় যেন এক দলা বিষাদ গিলছি সজোরে।
​চোখ থেকে ঝরে পড়ে অবাধ্য নোনা জল,
ভাতের থালায় আল্পনা আঁকে হাজার ফোঁটা অশ্রু।
তুমি নেই, অথচ তোমার দেওয়া দহনের স্বাদ—
প্রতিটি নিঃশ্বাসে, প্রতিটি গ্রাসে মিশে আছে।
বেঁচে থাকার এই আয়োজনটুকুও এখন
অসহ্য এক যন্ত্রণার নাম।

[ সাব্বির হোসেন। ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244128/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 06:52:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;দহনবেলা&#8221;]</p>
<p>​তুমি এমনভাবে পোড়ালে আমাকে,<br />
অগ্নিশিখা নয়, যেন এক নীরব তুষারপাত—<br />
যা বাইরে দেখায় শীতল, কিন্তু ভেতরে হাড়কাঁপানো ক্ষত।<br />
পুড়তে পুড়তে এখন আমি এমন এক ছাই,<br />
যার কোনো ওড়ার আকাশ নেই, কেবল পড়ে থাকা আছে।<br />
​ক্ষিধের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে গলার কাছে আটকে থাকা পাথর,<br />
যখন থালায় রাখা কয়েকদানা সাদা ভাত—<br />
স্মৃতিদের মতো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244128"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244128/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a56f2ff832418646ff00b6a1e2791b36</guid>
				<title>[&quot;বিবর্ণ বিস্ময়&quot;]

মুগ্ধতার মৃত্যু হলে ফুলেরাও ঝরে যায়,
পার্থিব সব আয়োজন তখন অর্থহীনতায় হারায়।
যে কুঁড়িটি ফুটেছিল ভোরের মায়াবী আলোয়,
সেও যেন স্তব্ধ হয় কোনো এক অশুভ কালোয়।

​হয়তো কোনো এক বিকেলে ঝরে যাওয়া সেই পাপড়ি,
বলতে চেয়েছিল এক আকাশ সমান আকুতি।
কিন্তু মরে যাওয়া বিস্ময়ে কার বা কী আসে যায়?
বিবর্ণ সময় তখন কেবল দীর্ঘশ্বাস জমায়।

​স্মৃতির ধুলোয় ঢাকা পড়ে অকারণের হাসি,
সুর হারিয়ে যায় যেখানে বেজেছিল বাঁশি।
মুগ্ধতা নেই বলে আজ বৃক্ষও তো নিঃস্বর,
ভেঙে যায় সাজানো বাগান, হয়ে যায় একলা ঘর।

[ সাব্বির হোসেন ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243500/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 07:10:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;বিবর্ণ বিস্ময়&#8221;]</p>
<p>মুগ্ধতার মৃত্যু হলে ফুলেরাও ঝরে যায়,<br />
পার্থিব সব আয়োজন তখন অর্থহীনতায় হারায়।<br />
যে কুঁড়িটি ফুটেছিল ভোরের মায়াবী আলোয়,<br />
সেও যেন স্তব্ধ হয় কোনো এক অশুভ কালোয়।</p>
<p>​হয়তো কোনো এক বিকেলে ঝরে যাওয়া সেই পাপড়ি,<br />
বলতে চেয়েছিল এক আকাশ সমান আকুতি।<br />
কিন্তু মরে যাওয়া বিস্ময়ে কার বা কী আসে যায়?<br />
বিবর্ণ সময় তখন কেবল দীর্ঘশ্বাস জম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243500"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243500/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47ad1e5d608bc26deb4261a3fce638f1</guid>
				<title>[&quot;শূণ্যতার ইশতেহার&quot;]

​আমি গেলে এই শহরটা কি একটুও থমকে যাবে?
নাকি চেনা রিকশার টুংটাং শব্দে আগের মতোই মেতে থাকবে?
আমি চাই না আমার বিদায়ে কারো চোখে এক ফোঁটা জল আসুক,
কিংবা বাতাসের কোনো কোণে আমার দীর্ঘশ্বাস লেগে থাকুক।
​খুব সহজে আমায় পেয়েছিলে বলে হয়তো চেনা হয়নি,
মুক্তার দাম জহুরি চেনে, সাধারণের হাতে সে শুধুই নুড়ি।
চেয়েছিলাম অনেক মূল্য চুকিয়ে তোমার হৃদয়ে ঠাঁই নিতে,
কিন্তু তুমি দিলে এক সমুদ্র অবহেলা, দু’হাত উজাড় করে দিতে।
​এখন আমার শেষ শখ— একদম বিলীন হয়ে যাওয়া,
কুয়াশার মতো ভোরের আলোয় স্রেফ মিলিয়ে যাওয়া।
আমার মৃত্যুর খবরটা যেন তোমার কানে কোনোদিন না পৌঁছায়,
তুমি আমায় খুঁজে ফিরবে, অথচ আমি থাকব অন্য কোনো ঠিকানায়।
​এমনকি আমার কবরের মাটিটুকুও চিনে রেখো না তুমি,
সেখানেও যেন তোমার ছায়া না পড়ে, ওটা একান্তই আমার ভূমি।
জীবিত আমায় বোঝনি তুমি, মৃত আমায় পাওয়ার নেই অধিকার,
আমার হারিয়ে যাওয়াই হোক তোমার জন্য আজীবনের হাহাকার।
​অনুভব করো সেই শূন্যতা, যা আমি প্রতিদিন বয়ে বেড়াই,
আমি নেই জেনেও তুমি খুঁজবে আমায়— এই হোক তোমার শেষ সাজাই।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242808/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 09:02:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;শূণ্যতার ইশতেহার&#8221;]</p>
<p>​আমি গেলে এই শহরটা কি একটুও থমকে যাবে?<br />
নাকি চেনা রিকশার টুংটাং শব্দে আগের মতোই মেতে থাকবে?<br />
আমি চাই না আমার বিদায়ে কারো চোখে এক ফোঁটা জল আসুক,<br />
কিংবা বাতাসের কোনো কোণে আমার দীর্ঘশ্বাস লেগে থাকুক।<br />
​খুব সহজে আমায় পেয়েছিলে বলে হয়তো চেনা হয়নি,<br />
মুক্তার দাম জহুরি চেনে, সাধারণের হাতে সে শুধুই নুড়ি।<br />
চেয়েছিলাম অনেক মূল্য চুকিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242808"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242808/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f4114394e02e68ed0060b8a53f988780</guid>
				<title>[&quot;নির্ভরতা&quot;]

​দিনশেষে যখন সব কোলাহল থেমে যায়,
জানলার ওপাশে ঝাউগাছটা একা দাঁড়িয়ে থাকে—
আমিও তখন বসি হিসেবের খাতা নিয়ে,
কতটুকু পেলাম, আর কতটুকু রয়ে গেল অবহেলায়।
​আমার দুশ্চিন্তারা সব অবাধ্য পাখির মতো ডানা ঝাপটায়,
অন্ধকারে পথ খুঁজে না পেয়ে বারবার ফিরে আসে বুকে।
আমি ভাবি, এই যে মুঠোবন্দি করে রাখতে চাইছি জীবন—
এ কি আদৌ আমার? নাকি কোনো বিশাল পরিকল্পনার অংশ?
​তারপর মনে পড়ে সেই পাখির কথা,
যে শূন্য হাতে নীড় ছাড়ে ভোরের আলোয়;
সে জানে না কোথায় তার আহার, কোন ডালে তার বিশ্রাম—
তবুও তার ডানায় ক্লান্তি নেই, মনে নেই কোনো সংশয়।
​হে আমার অস্থির মন, তুমিও তবে একটু জিরিয়ে নাও,
সবটুকু ভার তুলে দাও সেই মহান সত্তার হাতে—
যিনি মরুভূমির বালুকণা থেকে আকাশের নক্ষত্র,
সবকিছুকে আগলে রাখেন এক অলক্ষ্য মায়ায়।
​যা আমার হওয়ার, তা ঠিকই আসবে বৃষ্টির মতো ঝরে,
আর যা আমার নয়, তা হারিয়ে যাক ধূসর দিগন্তে।
এই ছেড়ে দেওয়ার নামই তো শান্তি,
এই সমর্পণের নামই— তাওয়াক্কুল।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242581/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 10:53:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;নির্ভরতা&#8221;]</p>
<p>​দিনশেষে যখন সব কোলাহল থেমে যায়,<br />
জানলার ওপাশে ঝাউগাছটা একা দাঁড়িয়ে থাকে—<br />
আমিও তখন বসি হিসেবের খাতা নিয়ে,<br />
কতটুকু পেলাম, আর কতটুকু রয়ে গেল অবহেলায়।<br />
​আমার দুশ্চিন্তারা সব অবাধ্য পাখির মতো ডানা ঝাপটায়,<br />
অন্ধকারে পথ খুঁজে না পেয়ে বারবার ফিরে আসে বুকে।<br />
আমি ভাবি, এই যে মুঠোবন্দি করে রাখতে চাইছি জীবন—<br />
এ কি আদৌ আমার? নাকি কোনো বিশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242581"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242581/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1638700e43688529405208a442b66fc2</guid>
				<title>[&quot;অপেক্ষা ও সমর্পণ&quot;]

​আমরা সারাজীবন কেবল &#039;পাবো না&#039;র হিসেব মেলাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। অথচ ইসলামিক জীবনবোধ আমাদের শেখায়—যা হারিয়ে গেছে তা কখনোই আমার ছিল না, আর যা আমার ভাগ্যে আছে তা পুরো পৃথিবী মিলেও আটকে রাখতে পারবে না। এই যে এক ধরণের গভীর নির্ভরতা, এটাই হলো তাওয়াক্কুল।
​আমাদের জীবনের প্রতিটি ছোট ছোট পরীক্ষা আসলে নিজেকে চেনার একেকটি মাধ্যম। যখন চারপাশ অন্ধকার মনে হয়, তখন সেজদায় লুটিয়ে পড়াটাই হতে পারে সবচেয়ে বড় মুক্তি। স্রষ্টার কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়ার মধ্যে এক ধরণের অদ্ভুত স্বাধীনতা আছে। সেখানে কোনো লৌকিকতা নেই, নেই কোনো হারানোর ভয়।
​হযরত আলী (রা.)-এর একটি চমৎকার কথা আছে— &quot;আমার দোয়া কবুল হলে আমি খুশি হই কারণ ওটা আমার চাওয়া ছিল, আর দোয়া কবুল না হলে আমি আরও বেশি খুশি হই কারণ সেটা আমার রবের ইচ্ছা ছিল।&quot;
​প্রকৃতপক্ষে, দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী জীবনটা একটা মুসাফিরখানার মতো। এখানে আমরা সবাই যাত্রী। পথের ধুলোবালি বা কাঁটা দেখে থেমে গেলে চলে না। বরং অন্যের পথে একটু আলো ছড়িয়ে দেওয়া আর নিজের মনের ভেতর বিনয় ধরে রাখাটাই হলো প্রকৃত ইবাদত।
​শৈল্পিক দৃষ্টিতে দেখলে, এই মহাবিশ্বের বিশালতার সামনে আমরা কতোটা ক্ষুদ্র! অথচ সেই মহান সত্তা আমাদের প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস শোনেন। এই বিশ্বাসটাই একজন মানুষকে চরম বিপদেও স্থির রাখতে পারে।

[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242578/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 10:18:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;অপেক্ষা ও সমর্পণ&#8221;]</p>
<p>​আমরা সারাজীবন কেবল &#8216;পাবো না&#8217;র হিসেব মেলাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। অথচ ইসলামিক জীবনবোধ আমাদের শেখায়—যা হারিয়ে গেছে তা কখনোই আমার ছিল না, আর যা আমার ভাগ্যে আছে তা পুরো পৃথিবী মিলেও আটকে রাখতে পারবে না। এই যে এক ধরণের গভীর নির্ভরতা, এটাই হলো তাওয়াক্কুল।<br />
​আমাদের জীবনের প্রতিটি ছোট ছোট পরীক্ষা আসলে নিজেকে চেনার একেকটি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242578"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242578/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e8f3a8dfdb67748d7640c7ce81efef9</guid>
				<title>[&quot;প্রবঞ্চনার দহন ও নির্বাসন&quot;]

​আত্মজের দোষ স্খলনে, জনকের জঘন্য অপলাপ,
মিথ্যার কষাঘাতে আমার চরিত্রে নিদারুণ অভিশাপ।
সমাপ্তি বিরচিত হলো, প্রীতির হলো নির্বাসন,
সেই প্রবঞ্চকের হাতেই কন্যার পুনঃ সমর্পণ।

​সমাজ নিরন্তর বিতরিত করে কটু তিরস্কার,
আমিই হলাম যজ্ঞের আহুতি, সর্বনাশের ভার।
আশ্রয়ের উৎস মূর্ত, জীর্ণ অট্টালিকা হতে
সহসা উৎখাত হলাম, গৃহহারা একাকীত্বে।

​অবিশ্বাস, যন্ত্রণা আর সামাজিক বঞ্চনারে
রুদ্ধ কণ্ঠে বরণ করি, এই সুকঠিন প্রহরে।

​ __[সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242361/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 11:39:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;প্রবঞ্চনার দহন ও নির্বাসন&#8221;]</p>
<p>​আত্মজের দোষ স্খলনে, জনকের জঘন্য অপলাপ,<br />
মিথ্যার কষাঘাতে আমার চরিত্রে নিদারুণ অভিশাপ।<br />
সমাপ্তি বিরচিত হলো, প্রীতির হলো নির্বাসন,<br />
সেই প্রবঞ্চকের হাতেই কন্যার পুনঃ সমর্পণ।</p>
<p>​সমাজ নিরন্তর বিতরিত করে কটু তিরস্কার,<br />
আমিই হলাম যজ্ঞের আহুতি, সর্বনাশের ভার।<br />
আশ্রয়ের উৎস মূর্ত, জীর্ণ অট্টালিকা হতে<br />
সহসা উৎখাত হলাম, গৃ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242361"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242361/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">99b6a46efc615ca5f101ff9d6207ca12</guid>
				<title>সাব্বির হোসেন। and Anik Biswas are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242282/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 08:04:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f1b81f9013d24db00fe9c826b7028ab</guid>
				<title>[&quot;জোছনা ও মায়ার খেলা&quot;]

​প্রিয়তমা,
আকাশের ওই চাঁদটা দেখছ?
মেঘের আড়ালে কেমন মুখ লুকিয়ে আছে!
ঠিক যেন তোমার ওই অভিমানী মুখ,
যা নীল শাড়ির আঁচলে ঢাকা।

​তুমি তো জানো—
দূর থেকে আকাশ, সমুদ্র আর নারী—
সবই কী ভীষণ সুন্দর!
অথচ একটু কাছে গেলেই ভয়,
ডুবে যাওয়ার ভয়, পুড়ে যাওয়ার ভয়।

​আজ এই রাতে তুমি পাশে থাকলে—
হয়তো এক কাপ চা খেতাম দুজন,
কিংবা হিমুর মতো কোনো এক নির্জন রাস্তায়
জুতো হাতে হেঁটে বেড়াতাম।

আমি বলতাম, &quot;চাঁদটা আজ বড় মায়াবী।&quot;
তুমি হাসতে, আর সেই হাসিতে
হাজারটা পূর্ণিমা হার মেনে যেত।

​মায়া বড় কঠিন জিনিস।
আর এই মেঘলা রাতের মায়া তো আরও বিষাক্ত।
কাছে এলেই ধ্বংস নিশ্চিত,
তবুও কেন জানি বার বার তোমার কাছেই যেতে ইচ্ছে করে।

[লেখায়: সাব্বির হোসেন।]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242210/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 03:43:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>[&#8220;জোছনা ও মায়ার খেলা&#8221;]</p>
<p>​প্রিয়তমা,<br />
আকাশের ওই চাঁদটা দেখছ?<br />
মেঘের আড়ালে কেমন মুখ লুকিয়ে আছে!<br />
ঠিক যেন তোমার ওই অভিমানী মুখ,<br />
যা নীল শাড়ির আঁচলে ঢাকা।</p>
<p>​তুমি তো জানো—<br />
দূর থেকে আকাশ, সমুদ্র আর নারী—<br />
সবই কী ভীষণ সুন্দর!<br />
অথচ একটু কাছে গেলেই ভয়,<br />
ডুবে যাওয়ার ভয়, পুড়ে যাওয়ার ভয়।</p>
<p>​আজ এই রাতে তুমি পাশে থাকলে—<br />
হয়তো এক কাপ চা খেতাম দুজন,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242210"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242210/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>