<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | রবিউল আলম মাজেদ | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/majed1997/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/majed1997/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for রবিউল আলম মাজেদ.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 23 Oct 2026 21:26:07 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">bafb1d09e5a7cc4de9d36dc2f3ebd2e8</guid>
				<title># কেন আমার ছদ্মনাম ‘অপরাধী মাজেদ &#039; 

*— নিজের কাছে নিজের জবানবন্দি*

অনেকেই আমার কাছে জানতে চান, আমি কেন আমার নামের পাশে ‘অপরাধী’ শব্দটি ব্যবহার করি। নামের সঙ্গে এমন একটি শব্দ জুড়ে দেওয়ার কারণ কী? আমি কি সত্যিই কোনো অপরাধ করেছি, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো গল্প?

আজ সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই।

আমি জানি না, আমার এই ব্যাখ্যা পাঠকের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে। তবে এটুকু জানি, এই নামের সঙ্গে আমার জীবনের উপলব্ধি, আমার সীমাবদ্ধতা, আমার ব্যর্থতা, আমার অনুশোচনা এবং আমার একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলো গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

আমি প্রায়ই নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে ভাবি। নিজের প্রতি অবহেলা, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালনে অপূর্ণতা, ভালোবাসার মানুষের প্রতি যত্ন ও অনুভূতি প্রকাশের ঘাটতি, কর্মক্ষেত্রে নিজের দায়িত্ব পালনের সীমাবদ্ধতা—সবকিছুই আমাকে ভাবায়, পীড়া দেয়। সমাজের অসংগতি, বৈষম্য ও অনিয়ম দেখেও যখন প্রত্যাশিত প্রতিবাদ করতে পারি না, কিংবা কোনো সমস্যার সমাধানে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হই, তখন সেই ব্যর্থতার ভারও আমাকে বহন করতে হয়।

একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি আমার দায়িত্ব, একজন মানুষ হিসেবে সমাজের প্রতি আমার দায়, একজন পরিবারের সদস্য হিসেবে আমার কর্তব্য, ভালোবাসার মানুষের প্রতি আমার অনুভূতি ও দায়বদ্ধতা—এমনকি সৃষ্টিকর্তার দেওয়া নিয়ামত ভোগ করেও তাঁর প্রতি আমার কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে না পারার উপলব্ধি আমাকে নিজের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আমি যখন নিজের দিকে তাকাই, তখন শুধু আমার অর্জনগুলো দেখি না; দেখি আমার অপূর্ণতাগুলোও। দেখি, কত কিছু করতে চেয়েও করতে পারিনি, কত দায়িত্ব পালন করতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত পালন করতে ব্যর্থ হয়েছি, কত মানুষের প্রাপ্যটুকু হয়তো আমার কাছ থেকে তারা পায়নি।

বিশেষ করে যখন মনে হয়, আমার সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ তার প্রাপ্যটুকু পায়নি, তখন সেই উপলব্ধি আমাকে গভীরভাবে পীড়া দেয়। কারণ, সেখানে শুধু আমার ব্যর্থতা নেই; রয়েছে অন্য একজন মানুষের না-পাওয়া, তার প্রত্যাশার অপূর্ণতা, তার কষ্টের সম্ভাবনাও।

তখন নিজেকে প্রশ্ন করি—আমি কেন পারলাম না? কেন নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দায়িত্বশীল হয়ে উঠতে পারলাম না? কেন আমার ইচ্ছা আর বাস্তবতার মধ্যে এত ব্যবধান রয়ে গেল?

এই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হতে গিয়েই আমি নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে করি।

আমি নিজের কাছে অপরাধী। পরিবারের কাছে অপরাধী। ভালোবাসার মানুষের কাছে অপরাধী। সমাজের কাছে, কর্মক্ষেত্রে, পরিবেশের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি নিজের দায়িত্ব পালনে অপূর্ণতার জন্য অপরাধী। ধর্ম পালনে নিজের সীমাবদ্ধতা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিজের কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে না পারার জন্যও নিজের কাছে অপরাধী।

এই অপরাধবোধের বিচার করার জন্য আমার জীবনে আলাদা কোনো আদালত নেই। এখানে আমিই বিচারক, আমিই সাক্ষী, আমিই অভিযুক্ত। নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো আমিই উত্থাপন করি, নিজের কাজের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি আমিই খুঁজি, আবার সেই যুক্তির বিচারও আমাকেই করতে হয়। নিজের অপরাধের স্বীকৃতি দিয়ে নিজেকেই জবাবদিহির মুখোমুখি দাঁড় করাই।

কিন্তু এই আত্মবিচারের মধ্যেও আমার একটি আক্ষেপ রয়ে গেছে।

আমি জানি, আমার সীমাবদ্ধতা আছে। আমার পরিস্থিতি আছে, সামর্থ্যের সীমা আছে, অসহায়ত্ব আছে। আমারও এমন কিছু বাস্তবতা আছে, যেগুলো হয়তো বাইরে থেকে দৃশ্যমান নয়। কিন্তু আমার জীবনে এমন কাউকে খুঁজে পাইনি, যিনি আমার ব্যর্থতার হিসাব করার আগে একবার জানতে চাইবেন—কেন আমি পারিনি? কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে? আমার সামর্থ্য কতটুকু ছিল? আমি কি চেষ্টা করিনি, নাকি চেয়েও পরিস্থিতির কাছে পরাজিত হয়েছি?

মানুষ সাধারণত তার না-পাওয়ার হিসাব করে। সে কী প্রত্যাশা করেছিল, কী পায়নি, কে তার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি—সেই হিসাবগুলো সামনে আসে। কিন্তু যার কাছ থেকে প্রত্যাশা ছিল, তার পরিস্থিতি কী ছিল, তারও কোনো সীমাবদ্ধতা ছিল কি না, সে কেন দিতে পারেনি—সেই প্রশ্নগুলো অনেক সময় অনুচ্চারিত থেকে যায়।

আমি বলছি না, আমার সব ব্যর্থতার জন্য অন্যরা দায়ী। আমি আমার দায় অস্বীকার করতে চাই না। আমি শুধু মনে করি, কোনো মানুষকে বিচার করতে গেলে তার ব্যর্থতার পাশাপাশি সেই ব্যর্থতার পেছনের বাস্তবতাকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। একজন মানুষ তার দায়িত্ব পালন করতে পারেনি—এটি যেমন সত্য হতে পারে, তেমনি সেই দায়িত্ব পালন করতে না পারার পেছনে তার সীমাবদ্ধতাও সত্য হতে পারে।

কিন্তু আমার জীবনে নিজের সেই পরিস্থিতিগুলো ব্যাখ্যা করার সুযোগ খুব কমই হয়েছে। নিজের ভেতরের কথাগুলো বলতে গেলেও অনেক সময় মনে হয়েছে, সেখানে আমার কষ্ট বোঝার চেয়ে কষ্টের তুলনা করার প্রবণতাই বেশি। ফলে নিজের কথাগুলো নিজের ভেতরেই রেখে দিতে শিখেছি।

একসময় ভাবতাম, পৃথিবীতে নিশ্চয়ই এমন কেউ আছেন, যিনি আমার না-বলা কথাগুলো বুঝবেন। আমার নীরবতার পেছনের কারণগুলো অনুভব করবেন। আমার ব্যর্থতার বিচার করার আগে আমার পরিস্থিতিটাও বোঝার চেষ্টা করবেন।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই প্রত্যাশা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। এখন আর মনে হয় না, আমার মনের সমস্ত কথা বোঝার মতো কাউকে পৃথিবীতে খুঁজে পাবই। আমার অনুভূতিগুলো শেষ পর্যন্ত আমার নিজের কাছেই ফিরে আসে।

সব কথা তো হৃদয় বলে না; কিছু কথা বুঝে নিতে হয়। কিন্তু সেই বুঝে নেওয়ার মানুষটিকে এখনো খুঁজে পাইনি।

তাই একসময় নিজের মনের কথাগুলো প্রকাশ করার জন্য কলমকে বেছে নিয়েছি। আমার না-বলা কথা, আমার অনুশোচনা, আমার ব্যর্থতা, আমার ক্ষোভ, আমার ভালোবাসা, আমার প্রতিবাদ—সবকিছুর জন্য কবিতার কাছে আশ্রয় নিয়েছি।

কবিতা আমার কাছে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমি চাই, আমার মনের কথাগুলো কবিতা হয়ে থাকুক। জীবনের যে অনুভূতি আমাকে নাড়া দেয়, যে উপলব্ধি আমাকে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়, যে ঘটনা আমাকে আনন্দিত কিংবা ব্যথিত করে, তা-ই আমার লেখার বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

সেই কবিতায় কখনো আমি সমাজের অসংগতি দেখি, কখনো মানুষের মুখোশ উন্মোচন করি, কখনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলি। আবার কখনো নিজের দিকেও তাকাই। নিজের সীমাবদ্ধতা, নিজের ব্যর্থতা, নিজের অপরাধবোধের মুখোমুখি দাঁড়াই।

কারণ, সমাজের অন্যায় নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে নিজের কাছেও আমার প্রশ্ন আছে। অন্যের দায় নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি নিজের দায়ের হিসাবও আমাকে রাখতে হয়।

আর এই সবকিছুর মধ্য দিয়েই আমার নামের পাশে এসে বসেছে একটি শব্দ—‘অপরাধী’।

এই নামের অর্থ শুধু আমি অপরাধ করেছি, এতটুকু নয়। এটি আমার নিজের কাছে নিজের জবাবদিহির একটি পরিচয়। আমার অপূর্ণতার স্বীকৃতি, আমার দায়িত্ববোধের যন্ত্রণা, নিজের প্রত্যাশিত মানুষটি হয়ে উঠতে না পারার আক্ষেপ এবং নিজের বিবেকের সামনে দাঁড়ানোর একটি প্রতীক।

আমি জানি না, আমার কবিতাগুলো কোনো দিন আমার এই আত্মবিচারের সাক্ষী হয়ে থাকবে কি না। জানি না, কোনো পাঠক আমার লেখার ভেতর দিয়ে আমার না-বলা কথাগুলো কতটুকু বুঝতে পারবেন। তবে আমি বিশ্বাস করি, আমার প্রতিটি অনুভূতি, আমার প্রতিটি কথা, আমার প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার অজানা নয়।

তিনি আমার সীমাবদ্ধতা জানেন, আমার সামর্থ্য জানেন, আমার চেষ্টা ও ব্যর্থতা জানেন। আমি তাঁর কাছে আশাবাদী—তিনি সবকিছু দেখেন, বোঝেন এবং তাঁর প্রজ্ঞা অনুযায়ী সবকিছুর সমাধান করবেন।

আমি আমার অপরাধবোধকে অস্বীকার করতে চাই না। নিজের দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যেতে চাই না। কিন্তু আমার এই নামের পেছনে যে মানুষটি রয়েছে, তার অনুভূতি, তার সীমাবদ্ধতা, তার না-পারা এবং তার না-বলা কথাগুলোও আমার কাছে সত্য।

আমি সেই মানুষটিকেই আমার কবিতায় ধরে রাখতে চাই।

তাই আমার নামের পাশে ‘অপরাধী’ শব্দটি ব্যবহার করি।

এটি আমার কাছে শুধু একটি ছদ্মনাম নয়; এটি নিজের কাছে নিজের জবানবন্দি, নিজের বিবেকের সামনে দাঁড়ানোর একটি পরিচয় এবং আমার অন্তর্গত কথোপকথনের প্রতিফলন।

**আমি অপরাধী—কারণ আমি নিজের দায়িত্বের হিসাব এড়িয়ে যেতে চাই না। আমি অপরাধী—কারণ আমার অপূর্ণতাগুলো আমাকে পীড়া দেয়। আর আমি অপরাধী—কারণ আমার ভেতরের মানুষটি এখনো নিজের কাছে জবাবদিহি করতে চায়।**

এই পরিচয়ের বিচার আমি পাঠকের ওপর ছেড়ে দিলাম।

— *অপরাধী মাজেদ*</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/285976/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Oct 2026 09:48:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p># কেন আমার ছদ্মনাম ‘অপরাধী মাজেদ &#8216; </p>
<p>*— নিজের কাছে নিজের জবানবন্দি*</p>
<p>অনেকেই আমার কাছে জানতে চান, আমি কেন আমার নামের পাশে ‘অপরাধী’ শব্দটি ব্যবহার করি। নামের সঙ্গে এমন একটি শব্দ জুড়ে দেওয়ার কারণ কী? আমি কি সত্যিই কোনো অপরাধ করেছি, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো গল্প?</p>
<p>আজ সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই।</p>
<p>আমি জানি না, আম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-285976"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/285976/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">19db6970405e59f58032c28f8e011e81</guid>
				<title>পরিণাম
— অপরাধী মাজেদ

জীবনে কত পাপ করেছি,
আজ তারই পরিণাম ভোগ করছি নীরবে।
হয়তো কারো পাকা ধানে মই দিয়েছি,
কারো অশ্রুর আড়ালে হেসেছি গোপনে,
ক্ষতবিক্ষত করেছি কত হৃদয়—
তার হিসাব রাখিনি কোনোদিন।

নইলে আঘাতে আঘাতে
ক্ষতবিক্ষত হয় কেন এ হৃদয়?
সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও
কেন বারবার পিছলে যায় পা?
কেনই-বা পতন ডেকে নেয় আমাকে
অতল অন্ধকারের খাদে?

হয়তো আঘাত দিয়েছি অনেককেই,
হয়তো তাদের ক্ষত শুকায়নি আজও।
হয়তো আমার দেওয়া পুরোনো ক্ষত
এখনো রক্ত ঝরায় কারো অন্তরে।

নইলে কেন বারবার
আমার শুকিয়ে যাওয়া ক্ষতে জোয়ার আসে?
কেন অকারণেই স্যাঁতসেঁতে হয়ে ওঠে
এ হৃদয়ের গোপন দেয়াল?

আমি কাকে যেন খুন করেছি—
নিভিয়ে দিয়েছি তার বেঁচে থাকার আলো,
ভেঙে দিয়েছি সর্বস্ব আশা-ভরসা,
কেড়ে নিয়েছি স্বপ্ন দেখার অধিকার।
নয়লে কেন মরে যাওয়া এ হৃদয়
বারবার মৃত্যুর স্বাদ পায়?

হয়তো কারো মৃত্যুযন্ত্রণা দেখে
একদিন অট্টহাসিতে মেতেছিলাম।
তাই কি আজ আমার মৃত্যুর করুণ দৃশ্য
আমাকে নিঃস্ব করে দেয়?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/285387/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 17:31:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরিণাম<br />
— অপরাধী মাজেদ</p>
<p>জীবনে কত পাপ করেছি,<br />
আজ তারই পরিণাম ভোগ করছি নীরবে।<br />
হয়তো কারো পাকা ধানে মই দিয়েছি,<br />
কারো অশ্রুর আড়ালে হেসেছি গোপনে,<br />
ক্ষতবিক্ষত করেছি কত হৃদয়—<br />
তার হিসাব রাখিনি কোনোদিন।</p>
<p>নইলে আঘাতে আঘাতে<br />
ক্ষতবিক্ষত হয় কেন এ হৃদয়?<br />
সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও<br />
কেন বারবার পিছলে যায় পা?<br />
কেনই-বা পতন ডেকে নেয় আমাকে<br />
অতল অন্ধকার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-285387"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/285387/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d0d919e7d486ff1c3cb60c5d561fd87</guid>
				<title># অন্তিম প্রহর

— অপরাধী মাজেদ


হয়তো কিছুদিন পর...

কবে, কখন, কীভাবে—
কেউ জিজ্ঞেস করবে না, কেউ না...

হঠাৎ, কোনো একদিন—
অগোছালো হয়ে থাকবে হাত-পা,
অবশ হয়ে আসবে পুরো শরীর।

পরিত্যক্ত পাখির নীড়ের মতো দেখাবে
মাথার আধাপাকা চুলগুলো।

ধীরে ধীরে নীল হতে থাকবে মুখমণ্ডল,
যার ঠোঁটের কোণে সর্বদা হাসি লেগে থাকত—
সুখে কিংবা দুঃখে।

বাঁশির মতো সরু নাকটাও
কেমন জানি দেখাবে।

নিস্তেজ হয়ে যাবে মস্তিষ্ক,
মুখ দিয়ে নিঃসৃত হবে জীবনের তিক্তরস।

হয়তো এমনই,
এমনই হবে আমার অন্তিম প্রহর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284748/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 14:41:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p># অন্তিম প্রহর</p>
<p>— অপরাধী মাজেদ</p>
<p>হয়তো কিছুদিন পর&#8230;</p>
<p>কবে, কখন, কীভাবে—<br />
কেউ জিজ্ঞেস করবে না, কেউ না&#8230;</p>
<p>হঠাৎ, কোনো একদিন—<br />
অগোছালো হয়ে থাকবে হাত-পা,<br />
অবশ হয়ে আসবে পুরো শরীর।</p>
<p>পরিত্যক্ত পাখির নীড়ের মতো দেখাবে<br />
মাথার আধাপাকা চুলগুলো।</p>
<p>ধীরে ধীরে নীল হতে থাকবে মুখমণ্ডল,<br />
যার ঠোঁটের কোণে সর্বদা হাসি লেগে থাকত—<br />
সুখে কিংবা দুঃখে।</p>
<p>বাঁশি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-284748"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/284748/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7141499e75ada1494877e77483ace57d</guid>
				<title>আমি এবং কবিতা
অপরাধী মাজেদ 


সে হয়তো জানে,  
আমি তাকে দিয়েছি সাময়িক অব্যাহতি,  
দিয়েছি ফিরে আসার ইঙ্গিত।

কিন্তু জানে না—  
আমি তাকে চিরতরে ছেড়ে দিয়েছি।

আমি ছোটবেলা থেকেই অগোছালো,  
বেখেয়ালি এবং উদাসীন।  
হয়তো এটাই আমার প্রকৃতিগত সত্তা।  
আর সেই সত্তার সমস্ত দায়  
যখন কবিতার ওপর এসে পড়ে,  
তখন নিজেরই লেখা শব্দগুলোর দিকে  
আর ফিরে তাকাতে ইচ্ছে করে না।

আমার পরিবার,  
প্রিয়জন,  
কর্মক্ষেত্রের বন্ধুরা—  
যখন আমার উদাসীনতার দোষ  
আমার কবিতাকে দেয়,  
তখন সেটা আমি সহ্য করতে পারি না।

কর্মক্ষেত্রে,  
জীবনের চলার পথে—  
কার না ভুল হয়?

আমার ব্যক্তিগত ভুল,  
আমার পারিবারিক ভুল,  
কর্মক্ষেত্রের সমস্ত দোষত্রুটি—  
সবকিছুর দায়  
যখন আমার কবিতার ওপর এসে পড়ে,  
তখন মনে হয়,  
আমার ভুলের ভারে  
আমার শব্দগুলোকে আর নত করা উচিত নয়।

তাই আজ  
আমার সবচেয়ে প্রিয় আশ্রয়টাকেই  
নিজের কাছ থেকে সরিয়ে দিচ্ছি।

যে শব্দগুলো এতদিন  
আমার না-বলা কথাগুলোকে ভাষা দিয়েছে,  
যে অনুভূতিগুলোকে  
নীরবে কাগজে রেখে এসেছি,  
আজ তাদের কাছ থেকেই  
আমি সরে দাঁড়াচ্ছি।

হয়তো আর কোনোদিন  
কোনো অনুভূতিকে কবিতার ভাষা দেব না।  
হয়তো কোনো অসমাপ্ত বাক্য  
আর পঙ্‌ক্তি হয়ে উঠবে না।  
হয়তো বুকের ভেতর জমে থাকা কথাগুলো  
সেখানেই থেকে যাবে—  
শব্দহীন,  
নিঃশব্দ।

তবু কোনো অভিযোগ নেই।

কারণ আমার ভুলের দায়  
আমারই থাকুক।  
আমার ব্যর্থতার ভার  
আমিই বহন করব।  
আমার জীবনের অগোছালো গল্পে  
কবিতার আর কোনো দায় নেই।

তাই আমি চিরতরে  
কবিতাকে ছেড়ে দিলাম।

আজ থেকে  
আমার নীরবতাই থাকুক আমার ভাষা।

ভালো থেকো, কবিতা।  
ভালো থেকো আমার শব্দেরা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278573/</link>
				<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 17:04:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি এবং কবিতা<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>সে হয়তো জানে,<br />
আমি তাকে দিয়েছি সাময়িক অব্যাহতি,<br />
দিয়েছি ফিরে আসার ইঙ্গিত।</p>
<p>কিন্তু জানে না—<br />
আমি তাকে চিরতরে ছেড়ে দিয়েছি।</p>
<p>আমি ছোটবেলা থেকেই অগোছালো,<br />
বেখেয়ালি এবং উদাসীন।<br />
হয়তো এটাই আমার প্রকৃতিগত সত্তা।<br />
আর সেই সত্তার সমস্ত দায়<br />
যখন কবিতার ওপর এসে পড়ে,<br />
তখন নিজেরই লেখা শব্দগুলোর দিকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278573"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278573/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2867b270ed94c621d6f845f2782fe2a8</guid>
				<title># মৃত্যুর ইশতেহার  
অপরাধী মাজেদ 


পৃথিবীর মানুষ নানা আয়োজনের জন্য
নানা রকম ইশতেহার লেখে—
কেউ ভবিষ্যতের স্বপ্নের,
কেউ পরিবর্তনের,
কেউ বিজয়ের।

আর আমি লিখতে বসেছি
আমার মৃত্যুর ইশতেহার।

আমার চলে যাওয়াটা কোনো দুর্ঘটনা হবে না,
কোনো আকস্মিকতার গল্পও নয়।
আমার মৃত্যুর দায়
অন্য কারও ঘাড়ে চাপিয়ে
আমি চলে যেতে চাই না।

তাই আমার মৃত্যুর ইশতেহারে
কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই,
কাউকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোরও ইচ্ছা নেই।

যত অভিযোগ,
যত অভিমান,
যত না-পাওয়ার হিসাব—
সবই আমার নিজের কাছে।

কেউ আমাকে প্রশ্ন করবেন না—
কেন এমন পথ বেছে নিলাম।
হয়তো কিছু প্রশ্নের উত্তর
মানুষ সারাজীবন খুঁজেও পায় না।

শুধু এটুকু মনে রাখবেন—
আমার চলে যাওয়ার গল্পে
অন্য কারও নাম লিখে
তাকে দায়ী করবেন না।

আমার গল্পের সবচেয়ে কঠিন বিচারক
আমি নিজেই।

আর আমার মৃত্যুর ইশতেহারে
শেষ স্বাক্ষরটিও—
আমার নিজের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277167/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 16:28:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p># মৃত্যুর ইশতেহার<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>পৃথিবীর মানুষ নানা আয়োজনের জন্য<br />
নানা রকম ইশতেহার লেখে—<br />
কেউ ভবিষ্যতের স্বপ্নের,<br />
কেউ পরিবর্তনের,<br />
কেউ বিজয়ের।</p>
<p>আর আমি লিখতে বসেছি<br />
আমার মৃত্যুর ইশতেহার।</p>
<p>আমার চলে যাওয়াটা কোনো দুর্ঘটনা হবে না,<br />
কোনো আকস্মিকতার গল্পও নয়।<br />
আমার মৃত্যুর দায়<br />
অন্য কারও ঘাড়ে চাপিয়ে<br />
আমি চল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277167"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277167/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ef66990877a039f31b8430712d5f883a</guid>
				<title>### তুমি আসবে বলে
অপরাধী মাজেদ 

তুমি আসবে বলে
আমি চেয়ে রয়
অচেনা এই পথের পানে।
তুমি আসবে বলে
আমি জেগে রই
পূর্ণিমাময় জোছনার টানে।

তুমি আসবে বলে
রাত হয় দিন,
দিন হয় রাত।
তুমি আসবে বলে
আমি, এই ভীরু,
হই সাহসী, করি প্রতিবাদ।

তুমি আসবে বলে
উড়ন্ত পাখির মতো
আমি উড়তে থাকি।
তুমি আসবে বলে
আশার বাহুডোরে
আমায় বেঁধে রাখি।

তুমি আসবে বলে
ভাঙবে নীরবতা,
হবে কোলাহল।
তুমি আসবে বলে
আমার এই মনে
নামে খুশির ঢল।

তুমি আসবে বলে
নদীগুলো হাসে,
পাখিরা গায় গান।
তুমি আসবে বলে
সতেজ হয়ে ওঠে
শুকনো খড়ের মতো
নিস্তেজ এই প্রাণ।

তুমি আসবে বলে
খরকুটোর এই ঘরে
আশার প্রদীপ জ্বলে।
তুমি আসবে বলে
মম হৃদয়-বাগিচা
ভরে ওঠে ফুলে ফুলে।

তুমি আসবে বলে
খুশি এই মনে,
খুশি আমার মন।
তুমি আসবে বলে—
শুধু আশার ছলে
থাকব কতক্ষণ?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275415/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 04:11:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>### তুমি আসবে বলে<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>তুমি আসবে বলে<br />
আমি চেয়ে রয়<br />
অচেনা এই পথের পানে।<br />
তুমি আসবে বলে<br />
আমি জেগে রই<br />
পূর্ণিমাময় জোছনার টানে।</p>
<p>তুমি আসবে বলে<br />
রাত হয় দিন,<br />
দিন হয় রাত।<br />
তুমি আসবে বলে<br />
আমি, এই ভীরু,<br />
হই সাহসী, করি প্রতিবাদ।</p>
<p>তুমি আসবে বলে<br />
উড়ন্ত পাখির মতো<br />
আমি উড়তে থাকি।<br />
তুমি আসবে বলে<br />
আশার বাহুডোরে<br />
আমায&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275415"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275415/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a3f90eadcb6fae2bccb6ad27a0fe4b29</guid>
				<title>### ব্যর্থ
অপরাধী মাজেদ

আমি বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যর্থ
এবং দায়িত্বহীন মানুষ।

যার প্রতি প্রিয় মানুষের
সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষা,
কিন্তু তার সফলতার পরিসংখ্যান
শূন্যের কোঠায়।

এমন একজন গর্দভ,
অপদার্থ,
কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষের
পৃথিবীরই বা কী প্রয়োজন?

যে কি না
পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষের প্রতি
দায়িত্ববোধের জায়গাতেও
প্রচণ্ড রকমের ব্যর্থ।

মাঝে মাঝে ভাবি,
এই পৃথিবী বোধহয় আমার জন্য নয়।

পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়াটাই
বোধহয় আমার জন্য
সর্বোৎকৃষ্ট সিদ্ধান্ত হবে।

ঠিক তখনই
যমদূত আমায় দেখে
তাচ্ছিল্যের হাসি হাসে।

আর বলে—

“তুই সেখানেও ব্যর্থ হবি।
তোর মতো ভিতুর ডিমের দ্বারা
সেটা আদৌ সম্ভব নয়।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274456/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 16:35:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>### ব্যর্থ<br />
অপরাধী মাজেদ</p>
<p>আমি বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যর্থ<br />
এবং দায়িত্বহীন মানুষ।</p>
<p>যার প্রতি প্রিয় মানুষের<br />
সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষা,<br />
কিন্তু তার সফলতার পরিসংখ্যান<br />
শূন্যের কোঠায়।</p>
<p>এমন একজন গর্দভ,<br />
অপদার্থ,<br />
কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষের<br />
পৃথিবীরই বা কী প্রয়োজন?</p>
<p>যে কি না<br />
পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষের প্রতি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274456"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274456/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5284aabd1a505815a2cb339ae063125a</guid>
				<title>তোমারই দিদার
&#x270d;&#xfe0f; অপরাধী মাজেদ 


 তোমার মিলাদ পেয়ে, তোমারি উম্মত
মাতিয়া উল্লাসে হয়েছে মশগুল,
আঁধার করে দূর, আরবের মক্কায়
ফুটেছে এ কেমন ফুল!
যাহার খুশবুতে আমি অধম
হয়েছি ব্যাকুল,
দিদারে তোমার পূর্ণ করো মোর
মনোবাসনা, হে প্রিয় মোর রাসুল।
আমি অধম, পাপী-তাপী,
ক্ষমা করে মোরে নাও না কোলে,
দূর করো মোর যত পাপ,
তোমারই ছোঁয়ায় দূর হয় আঁধার,
দূর করো যত অভিশাপ।
পায় যদি কভু তোমারই দিদার,
জান্নাত আমার কী-বা দরকার!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274052/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 16:41:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমারই দিদার<br />
&#x270d;&#xfe0f; অপরাধী মাজেদ </p>
<p> তোমার মিলাদ পেয়ে, তোমারি উম্মত<br />
মাতিয়া উল্লাসে হয়েছে মশগুল,<br />
আঁধার করে দূর, আরবের মক্কায়<br />
ফুটেছে এ কেমন ফুল!<br />
যাহার খুশবুতে আমি অধম<br />
হয়েছি ব্যাকুল,<br />
দিদারে তোমার পূর্ণ করো মোর<br />
মনোবাসনা, হে প্রিয় মোর রাসুল।<br />
আমি অধম, পাপী-তাপী,<br />
ক্ষমা করে মোরে নাও না কোলে,<br />
দূর করো মোর যত পাপ,<br />
তোমারই ছোঁয়ায় দূর হয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274052"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274052/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8877a45a6fbaf47317056090b009ed69</guid>
				<title># দেয়ালিকায় ফটো
অপরাধী মাজেদ

তুমি আমায় বুঝো না,
বুঝবে না আর কভু—
কত দুঃখ পুষি মনে,
দুঃখ অনেক তবু।

আকাশ আমায় ডেকে বলে,
কেন এত চুপ?
তোমার দেহে এক দেখি,
আর মনে অন্যরূপ।

পাহাড় আমায় শেখায় সদা
ধৈর্য ধরতে অনেক,
ভালোবাসায় আছে কত
মান-অভিমান হরেক।

গাছগুলো আজ উচ্ছ্বসিত,
পাখির মুখে হাসি—
কী করে বোঝাই তোমায়,
কত ভালোবাসি?

হয়তো তুমি বুঝবে না আজ,
বুঝবে তবে সেদিন—
দেয়ালিকায় ফটো হয়ে
থাকব আমি যেদিন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272919/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 15:07:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p># দেয়ালিকায় ফটো<br />
অপরাধী মাজেদ</p>
<p>তুমি আমায় বুঝো না,<br />
বুঝবে না আর কভু—<br />
কত দুঃখ পুষি মনে,<br />
দুঃখ অনেক তবু।</p>
<p>আকাশ আমায় ডেকে বলে,<br />
কেন এত চুপ?<br />
তোমার দেহে এক দেখি,<br />
আর মনে অন্যরূপ।</p>
<p>পাহাড় আমায় শেখায় সদা<br />
ধৈর্য ধরতে অনেক,<br />
ভালোবাসায় আছে কত<br />
মান-অভিমান হরেক।</p>
<p>গাছগুলো আজ উচ্ছ্বসিত,<br />
পাখির মুখে হাসি—<br />
কী করে বোঝাই তোমায়,<br />
কত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272919"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272919/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07b7dd0e71dd234b04ab6dbe3257dc8f</guid>
				<title>সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা থেকেই কলম ধরা। কোনো স্বীকৃতির প্রত্যাশায় নয়। তবুও যখন নিজের লেখা কোনো বৃহত্তর সাহিত্যযাত্রার অংশ হয়ে সম্মাননা অর্জন করে, তখন আনন্দটা একটু অন্যরকম হয়।
যৌথ কাব্যগ্রন্থ **“গোধূলি লগ্নে”**-এর একজন কবি/লেখক হিসেবে **বাংলাদেশ প্রকাশনী** থেকে পাওয়া এই সম্মাননা আমার সাহিত্যচর্চার পথে একটি স্মরণীয় প্রাপ্তি।
আজকের এই সম্মাননা আমাকে মনে করিয়ে দেয়—
**লেখা শুধু শব্দের সমষ্টি নয়,
লেখা মানুষের অনুভূতির কাছে পৌঁছানোর এক নীরব পথ।**
সেই পথেই হাঁটতে চাই।
আরও লিখতে চাই।
আরও ভালো লিখতে চাই।
**স্বপ্ন থাকুক, কলম থাকুক,
আর শব্দের সঙ্গে পথচলাটা অব্যাহত থাকুক।** &#x270d;&#xfe0f;
— **অপরাধী মাজেদ**
*কবি ও লেখক* &#x1f4d6;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272115/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 16:53:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা থেকেই কলম ধরা। কোনো স্বীকৃতির প্রত্যাশায় নয়। তবুও যখন নিজের লেখা কোনো বৃহত্তর সাহিত্যযাত্রার অংশ হয়ে সম্মাননা অর্জন করে, তখন আনন্দটা একটু অন্যরকম হয়।<br />
যৌথ কাব্যগ্রন্থ **“গোধূলি লগ্নে”**-এর একজন কবি/লেখক হিসেবে **বাংলাদেশ প্রকাশনী** থেকে পাওয়া এই সম্মাননা আমার সাহিত্যচর্চার পথে একটি স্মরণীয় প্রাপ্তি।<br />
আজকের এই সম্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272115"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272115/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">36fdd934ab39561ad3edc7768b0765fa</guid>
				<title>**তুমিহীনা**
অপরাধী মাজেদ 
আমি হয়তো তুমিহীনা
কোনো একদিন
নিঃশব্দ কোনো দূরত্বে হারিয়ে যাব—
যা থাকবে তোমার ভাবনারও বাইরে।
অমাবস্যার মতো নিকষ কালো
দেখাবে তোমার পবিত্র মুখখানি;
নিস্তব্ধতার বাতায়নে
দুলতে থাকবে তোমার মন।
নিঃশব্দতার সাথে
লড়ে যেতে হবে তোমাকে—
নিরবে, নিভৃতে।
কখনো কখনো পুরোনো কোনো স্মৃতি
হয়তো দু’ফোঁটা জল হয়ে
তোমার তীক্ষ্ণ আঁখি পেরিয়ে
কোমলমতি গালে এসে পড়বে।
সেটা লুকানোর
ব্যর্থ চেষ্টা করবে তুমি—
যেন কিছুই মনে পড়েনি,
যেন কোনোদিন
আমি ছিলামই না।
হয়তো কোনো এক অবসন্ন বৈকালে
আমায় মনে করে বিবশ হয়ে যাবে তুমি;
কিছু সময়ের জন্য
স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে
তোমার পুরো পৃথিবী।
খুব অল্প সময়েই
সামলে নেবে সবকিছু—
সেটা আমি জানি।
তুমি খুব বুদ্ধিমতী।
সময়ের পরিক্রমায়
নিজেকে মানিয়ে নিও—
সেটাই আমি চাই।
আর আমি—
ক্ষণকালের সীমান্ত পেরিয়ে
অনন্তকাল ধরে
স্মরণে রাখব তোমায়।
হয়তো একদিন
তোমার জীবনে আমি
শুধুই একটি পুরোনো স্মৃতি হবো,
কোনো মলিন বৈকালের
হারিয়ে যাওয়া গল্প।
তবুও—
আমার সমস্ত স্মৃতির শেষে
তুমি থেকে যাবে,
নিঃশব্দ কোনো প্রার্থনার মতো,
অমলিন কোনো ভালোবাসার মতো,
অপূর্ণ কোনো কবিতার
শেষ না-হওয়া পঙ্‌ক্তির মতো</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271290/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 18:08:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> **তুমিহীনা**<br />
অপরাধী মাজেদ<br />
আমি হয়তো তুমিহীনা<br />
কোনো একদিন<br />
নিঃশব্দ কোনো দূরত্বে হারিয়ে যাব—<br />
যা থাকবে তোমার ভাবনারও বাইরে।<br />
অমাবস্যার মতো নিকষ কালো<br />
দেখাবে তোমার পবিত্র মুখখানি;<br />
নিস্তব্ধতার বাতায়নে<br />
দুলতে থাকবে তোমার মন।<br />
নিঃশব্দতার সাথে<br />
লড়ে যেতে হবে তোমাকে—<br />
নিরবে, নিভৃতে।<br />
কখনো কখনো পুরোনো কোনো স্মৃতি<br />
হয়তো দু’ফোঁটা জল হয়ে<br />
তোমার তীক্ষ্ণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271290"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271290/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cdde3ace72aaf3c4cc800cc913e507c</guid>
				<title>অসঙ্গতি
&#x270d;&#xfe0f;অপরাধী মাজেদ 


আমি আর কবিতা লিখব না,
হ্যাঁ—কথা দিচ্ছি, আমি আর লিখব না।
যদি সবকিছু ভুলে গিয়ে
আমার হয়ে যাও তুমি,
যদি ফিরে আসো আমার কাছে—
ওগো প্রিয়া, অনন্যা, নীলাম্বরী  ।
হ্যাঁ, আমি আর কবিতা লিখব না—
যদি চিরতরে বন্ধ হয়
নামধারী তৌহিদ জনতার বুনো উল্লাস,
যদি আর কোথাও দেখা না যায়
প্রতিবাদের নামে মব সন্ত্রাস।
আমি লিখব, লিখে যাব—
আমাকে থামাতে পারবে না কেউ, আমি জানি।
যদি বন্ধ না হয় এই সমাজের
কুসংস্কারের হাতছানি,
যদি বন্ধ হয়ে যায়
সভ্যতার নামে বন উজাড়,
লাঠিসোটা নিয়ে কেউ
ভাঙবে না আর মাজার।
ধর্মের নামে যদি
করে না কেউ আর ভণ্ডামি,
যদি বন্ধ হয়ে যায়
ওরসের নামে মাদক সেবন, অশ্লীলতা আর নষ্টামি।
যদি এমন না হয় কভু—
নিজের বেলায় সব ঠিক,
অপরের বেলায় রাগ করে প্রভু।
যদি আর কোথাও শোনা না যায়
মা-বোনদের আর্তনাদ,
যদি তারা ভোগ করতে পারে
পূর্ণ স্বাধীনতার স্বাদ।
সীমান্তে হত্যা যদি বন্ধ হয়,
আর নয় ঠেলাঠেলি,
সবাই মিলে মিশে রয়।
যদি সূর্য উঠে ঠিকঠাক,
ধান শুকাতে পাই রোদ,
নরপশুরা যদি যায় মরে,
জাগ্রত হয় মানুষের মনুষ্যত্ববোধ।
আমি আর লিখব না,
হ্যাঁ—কথা দিচ্ছি, আমি আর লিখব না।
যদি রাস্তায় অবাধে
রাতদুপুরে করা যায় চলাফেরা,
ছিনতাইকারীর ভয়
মানুষের মনে দেয় না আর নাড়া।
যদি আর না শুনি
খুন, গুম আর ধর্ষণের সংবাদ,
যদি আর শোনা না যায়
নিরীহদের আর্তনাদ।
যদি আর না দেখি কভু
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ,
মিলেমিশে থাকে যদি সবাই—
যেন না পোহাতে হয় কোনো দুর্ভোগ।
যদি আর কেউ মারা না যায়
লঞ্চ দুর্ঘটনা কিংবা নৌকাডুবিতে,
যদি কৃষক খুশি মনে পারে
সোনালি ফসল ঘরে তুলিতে।
যদি আর কোথাও কখনো
না হয় নিয়োগ-বাণিজ্য,
সৎ জীবন যদি হয় সম্মানিত—
মানুষ বেছে নেয় ন্যায়ের ঐশ্বর্য।
যদি সুশীল হয়ে যায় সবাই,
করে না কভু বেহায়াপনা,
কথা দিচ্ছি—আমি লিখব না,
আমি আর কবিতা লিখব না।
যদি হয় সেবার নামে
জালিয়াতি কিংবা প্রতারণা,
তাদের বিরুদ্ধে লিখতে
কেউ আমায় থামাতে পারবে না।
শিক্ষার নামে যদি চলতে থাকে
কোচিং বাণিজ্য,
বল, আর কতকাল থাকবো চুপ—
ধরবো কত ধৈর্য!
যদি সেবার নামে সুদ কষে 
কেউ সাজে মহাজন 
শোধ না হলে দেনা 
চলে বর্বর নির্যাতন 
যদি চাঁদার বিনিময়ে
চলে যায় প্রাণ,
যদি আজ পথে পথে
জ্ঞানী লোক হয় অপমান।
যদি এভাবেই চলতে থাকে
ব্যবসা চেতনার,
যদি আজও শোনা যায়
ছেলে-হারা মায়ের হাহাকার।
যদি আর বেঁচে না থাকি,
মৃত্যু হয় আমার নির্ঘাত,
তবু থামবে না এ কলম—
করবে, করবেই প্রতিবাদ।
যদি কোনো ব্যর্থ প্রেমিক
আর না কাঁদে,
যদি ফিরে আসে সেই প্রিয়তমা
ভালোবাসার রাধে।
যদি আর বলি না হয়
অবুঝ বালক পরকীয়ার নামে,
নরপশু না হয় যদি কোনো পুরুষ
বিকৃত লালসার কামে।
টেস্ট রিপোর্ট কিংবা প্রেসক্রিপশনে
যদি না হয় কোনো ডাকাতি,
যদি সব ঠিকঠাক থাকে,
দেখা না যায় কোথাও অসঙ্গতি—
আমি কথা দিচ্ছি,
আমি আর কবিতা লিখব না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269832/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:11:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অসঙ্গতি<br />
&#x270d;&#xfe0f;অপরাধী মাজেদ </p>
<p>আমি আর কবিতা লিখব না,<br />
হ্যাঁ—কথা দিচ্ছি, আমি আর লিখব না।<br />
যদি সবকিছু ভুলে গিয়ে<br />
আমার হয়ে যাও তুমি,<br />
যদি ফিরে আসো আমার কাছে—<br />
ওগো প্রিয়া, অনন্যা, নীলাম্বরী  ।<br />
হ্যাঁ, আমি আর কবিতা লিখব না—<br />
যদি চিরতরে বন্ধ হয়<br />
নামধারী তৌহিদ জনতার বুনো উল্লাস,<br />
যদি আর কোথাও দেখা না যায়<br />
প্রতিবাদের নামে মব সন্ত্রাস।<br />
আমি লিখব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269832"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269832/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">95bb083b19496294315e985459670f92</guid>
				<title>ফাঁসি হোক 
&#x270d;&#xfe0f; অপরাধী মাজেদ 


আমি চাই, কেউ একজন
 আমার হয়ে থাকুক। 
আমার দুঃখে না কাঁদলেও, 
আমার সুখে হাসুক।
আমায় ভালো না বাসলেও, 
ভুলগুলো সে ধরুক।
 তার হাসিতেই সেরে উঠুক
 আমার মনের রোগ।
আমার মনটা মলিন হলেও
হৃদয় তার উচ্ছ্বসিত হোক,
তার চোখের মায়ায় যেন
আমার ফাঁসি হোক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269831/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:10:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফাঁসি হোক<br />
&#x270d;&#xfe0f; অপরাধী মাজেদ </p>
<p>আমি চাই, কেউ একজন<br />
 আমার হয়ে থাকুক।<br />
আমার দুঃখে না কাঁদলেও,<br />
আমার সুখে হাসুক।<br />
আমায় ভালো না বাসলেও,<br />
ভুলগুলো সে ধরুক।<br />
 তার হাসিতেই সেরে উঠুক<br />
 আমার মনের রোগ।<br />
আমার মনটা মলিন হলেও<br />
হৃদয় তার উচ্ছ্বসিত হোক,<br />
তার চোখের মায়ায় যেন<br />
আমার ফাঁসি হোক।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a0e3847815dc22f935ddb4165d1cd90</guid>
				<title>আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি
&#x270d;&#xfe0f;অপরাধী মাজেদ 

কিরে গর্দভ, অপদার্থ,
সজনে ডাঁটার মতো
 নুয়ে পড়েছিস কেন? 
কুঁজো হয়ে না থেকে 
শিরদাঁড়া উঁচু করে 
বীরের মতো দাঁড়া।


আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি— 
আর এভাবে নমঃ নমঃ 
হয়ে না থেকে, 
বীর সাহসীর মতো
 চির-উন্নত কর ঐ শির।


আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি— 
তুই বাঙালি, বীর, সাহসী; 
তোর দুঃসাহসে সমস্ত অপশক্তি
 নাস্তানাবুদ হয়ে যায়।


আমি আবারও বলছি—
 বীরপুরুষের মতো 
উন্নত কর তোর শির, 
যেমনটা করেছিলাম
 আমরা পলাশীর প্রান্তরে।
মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ভিড়ে
 মাথা নত করিনি কভু, 
দিয়েছি আত্মবলিদান, 
রেখেছি স্বাধীনতার মান।


তোর কি মনে নেই— 
বাঁশের কেল্লা গড়েছিলাম মোরা, 
জালিম শাসকের 
প্রাচীর ভেদ করতে।
যুগে যুগে এভাবেই মোরা 
করেছি বিপ্লব, 
রুখেছি কত অপশক্তি, 
ভেঙেছি শোষণের প্রাচীর।


যুগে যুগে মোরা হয়েছি
 হাজী শরীয়তুল্লাহ, 
তিতুমীরের দুর্জয় সাহস, 
শেরে বাংলার বজ্রকণ্ঠ, 
ভাষাশহীদ আবুল বরকতের 
অমর আত্মত্যাগ।


ছি! ছি! তোকে দেখে 
লজ্জা হয় মোর, 
লজ্জায় ভাসে অচিনপুর।
আজাদির স্বপ্ন ছেড়ে
 গোলামির নেশায় মশগুল, 
হয়েছিস বড় নির্লজ্জ চাটুকার—
 এ কেমন পুজোয় মশগুল?


তুই শত্রু-শকুন, হায়েনার
 ভয় কেন করিস বল?
 এখনো সময় আছে—
 জেগে ওঠ, বিদ্রোহ কর, 
কথা বল, হয়ে ওঠ জনতার কণ্ঠস্বর।


তুই তো আমারই রক্ত,
 তবে কেন হলে চাটুকার?
দেখিসনি কেমন করে 
রক্ত দিয়েছি একাত্তরে? 
ভাসিয়েছি রক্তের বন্যায়
 পাকসেনাদের—


মনে রাখিস, তোর পূর্বপুরুষ 
কারও গোলাম ছিল না; 
তারা ছিল আজাদির সৈনিক, 
তারা ছিল বিপ্লবী।


তবে তুই কেন মেরুদণ্ডহীন, 
সরীসৃপের মতো 
মাথা ঠুকে মরিস?
কেন দুর্নীতি আর অন্যায়ের
বিরুদ্ধে তুই নিশ্চুপ?

  
কেন বন্ধু নামের শত্রুরা 
বানের জলে ভাসিয়ে দিলেও
তুই তাদের পা চাটিস?


তুই কি দেখিসনি— 
ভিনদেশি হায়েনা
 বিরুদ্ধে কথা বলেই 
কতজন অকালে জীবন দিল?


ভুলে গেলি কী করে 
নব্বইয়ের গণজোয়ার, 
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান?
ভুলে গেলি সেই রক্ত, 
সেই আত্মত্যাগ,
 সেই বিদ্রোহের ইতিহাস?


জেগে উঠ, ওঠে দাঁড়া, 
বিদ্রোহ কর!
তুই তো সেই রক্তের উত্তরাধিকারী—
 যে রক্ত কখনো 
গোলামির কাছে মাথা নত করেনি।


তাই বলছি তোকে— 
বীরের মতো দাঁড়া, 
শিরদাঁড়া উঁচু কর।
মাথা নত করিস না 
অন্যায়ের কাছে, 
অত্যাচারের কাছে,
 চাটুকারিতার কাছে।


তুই বাঙালি—
 তোর রক্তে বিদ্রোহ, 
তোর শিরায় স্বাধীনতা।


আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি—
 আজও সময় আছে।
জেগে ওঠ!
শিরদাঁড়া উঁচু কর!
চিৎকার করে বল 
ইনকিলাব জিন্দাবাদ  ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269829/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:08:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি<br />
&#x270d;&#xfe0f;অপরাধী মাজেদ </p>
<p>কিরে গর্দভ, অপদার্থ,<br />
সজনে ডাঁটার মতো<br />
 নুয়ে পড়েছিস কেন?<br />
কুঁজো হয়ে না থেকে<br />
শিরদাঁড়া উঁচু করে<br />
বীরের মতো দাঁড়া।</p>
<p>আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি—<br />
আর এভাবে নমঃ নমঃ<br />
হয়ে না থেকে,<br />
বীর সাহসীর মতো<br />
 চির-উন্নত কর ঐ শির।</p>
<p>আমি তোর পূর্বপুরুষ বলছি—<br />
তুই বাঙালি, বীর, সাহসী;<br />
তোর দুঃসাহসে সমস্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269829"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269829/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0857dd1f4f7b9d424f77f7d16cb46a80</guid>
				<title>বলো না, ভালোবাসি
&#x270d;&#xfe0f; অপরাধী মাজেদ 


আর কতদিন, আর কতদিন বলো,
এইভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করব?
চুপি চুপি, নিঃশব্দে, নিভৃতে কথা বলব?
তোমার কোমল হাতের স্পর্শ পেতে
আমার জরাজীর্ণ, শুষ্ক হাতযুগল বাড়িয়ে
কতবারই বা চুপিসারে গুটিয়ে নেব?
দুনিয়ার সমস্ত ব্যস্ততা দূরে ঠেলে দিয়ে
তোমার হরিণীর মতো কাজল চোখে
আমার তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।
আমার ইচ্ছে করে
তোমার হাতে হাত রেখে
পাশাপাশি হেঁটে চলতে,
চলতে চলতে হারিয়ে যেতে
দিকশূন্যপুরে।
চলো, চলো না, আমরা এক হই,
আমরা দুইয়ে মিলে এক হই।
হাতে হাত রেখে হেঁটে চলি,
চোখে চোখ রেখে কথা বলি,
বলি এতদিনের না-বলা কথাগুলো।
তোমার মিষ্টি ঠোঁটের মৃদু ছোঁয়ায়
মুছে যাক তোমার তরে জমানো
আমার সব অভিমান।
তোমার কোলে মাথা রেখে
তোমার মায়াবী বদনখানি
দেখতে আমার খুব ইচ্ছে করে।
তোমার হাতের আলতো ছোঁয়ায়
দূর হয়ে যাক আমার জীবনের
হতাশার সব কালো অধ্যায়।
পড়ন্ত বিকেলে সোনালি প্রান্তরে
উপভোগ করব প্রকৃতির অনিন্দ্য শোভা 
চাললা ঘাসের নরম বিছানায়
পাশাপাশি বসে শুনব
তোমার ঠোঁটে জন্ম নেওয়া রূপকথার গল্প।
ঘাসের শিশিরমাখা কোমলতা
ছুঁয়ে যাবে আমাদের ভালোবাসা,
আর তুমি ধীরে ধীরে
আরও মায়াবী হয়ে উঠবে।
গোধূলির রঙ গায়ে মেখে
ফিরব আমরা দুজন,
একই পথের দুটি নীরব পথিক হয়ে।
রাতের খাবার খেতে গিয়ে
তরকারির ঝালে যখন
চোখে জল এসে যাবে আমার,
তুমি মুচকি হেসে
ঠোঁটের আলতো ছোঁয়ায়
সব কষ্ট ভুলিয়ে দেবে।
তারপর বাড়ির উঠোনে
মাদুর পেতে পাশাপাশি বসে
গল্পে হারিয়ে যাব দুজন।
তুমি শোনাবে
আকাশভরা তারাদের উজ্জ্বলতার গল্প,
আমি বলব—
সেই সব তারার আলোও
তোমার ভালোবাসার কাছে
হার মেনে যায়।
তুমি চুপি চুপি বলবে—
&quot;বলো না, ভালোবাসি।&quot;
আমি রাতের নীরবতা ভেঙে,
সমস্ত পৃথিবীকে সাক্ষী রেখে
এক উত্তাল চিৎকারে বলে উঠব—
ভালোবাসি তোমায়,
ভালোবাসি তোমায়,
ভালোবাসি...
যতদিন পৃথিবীর অস্তিত্ব থাকবে,
প্রকৃতি তার নিজস্ব রঙে রঙিন হয়ে থাকবে।
যতদিন চাললা ঘাসের কোমলতায়
বেঁচে থাকবে আমাদের স্বপ্ন,
ততদিন তোমার হাতটি
আমার হাতেই থাকবে।
সময় যদি দুজনার চুলে
রূপালি রঙ মেখে দেয়,
দাড়িগুলো যদি সাদা হয়ে যায়,
তবুও তোমার চোখে চোখ রেখে
আমি বলে যাব
চিরন্তন সেই সত্যবাক্য—
ভালোবাসি তোমায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269369/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:54:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বলো না, ভালোবাসি<br />
&#x270d;&#xfe0f; অপরাধী মাজেদ </p>
<p>আর কতদিন, আর কতদিন বলো,<br />
এইভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করব?<br />
চুপি চুপি, নিঃশব্দে, নিভৃতে কথা বলব?<br />
তোমার কোমল হাতের স্পর্শ পেতে<br />
আমার জরাজীর্ণ, শুষ্ক হাতযুগল বাড়িয়ে<br />
কতবারই বা চুপিসারে গুটিয়ে নেব?<br />
দুনিয়ার সমস্ত ব্যস্ততা দূরে ঠেলে দিয়ে<br />
তোমার হরিণীর মতো কাজল চোখে<br />
আমার তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।<br />
আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269369"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269369/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4581cbf7025e72015651d4ee108b0f8</guid>
				<title>ক্ষুধার্ত
&#x270d;&#xfe0f;অপরাধী মাজেদ 


আমি চক্ষুসম্মুখে যা পাই,
তাই গিলে খাই।
আমি ক্ষুধার্ত—
ক্ষুধার্ত কুকুর যেমন
রাস্তার পাশে পড়ে থাকা
আবর্জনা থেকে খাবার খোঁজে,
আমিও ঠিক তেমনি।
ক্ষুধার জ্বালায়
 এমন কিছু আমি ভক্ষণ করি,
যা আদৌ খাদ্য নয়।
মাংসাশী ক্ষুধার্ত বাঘ যেমন
ক্ষুধার তাড়নায় আর কিছুই দেখে না,
আমিও ঠিক তেমনি।
নিজের কাঁথা, কম্বল, বালিশের খোল—
ক্ষুধার উন্মাদনায়
খুবলে খুবলে ছিঁড়ে খাই।
আমি এতটাই ক্ষুধার্ত—
হয়তো কোনো একদিন
পুরো মানচিত্রটাই ছিঁড়ে খাব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269367/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:53:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্ষুধার্ত<br />
&#x270d;&#xfe0f;অপরাধী মাজেদ </p>
<p>আমি চক্ষুসম্মুখে যা পাই,<br />
তাই গিলে খাই।<br />
আমি ক্ষুধার্ত—<br />
ক্ষুধার্ত কুকুর যেমন<br />
রাস্তার পাশে পড়ে থাকা<br />
আবর্জনা থেকে খাবার খোঁজে,<br />
আমিও ঠিক তেমনি।<br />
ক্ষুধার জ্বালায়<br />
 এমন কিছু আমি ভক্ষণ করি,<br />
যা আদৌ খাদ্য নয়।<br />
মাংসাশী ক্ষুধার্ত বাঘ যেমন<br />
ক্ষুধার তাড়নায় আর কিছুই দেখে না,<br />
আমিও ঠিক তেমনি।<br />
নিজের কাঁথা, কম্বল, বালিশের খোল—<br />
ক্ষুধার উন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269367"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269367/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">13cbcfae28cdc74a73b9e153263eb487</guid>
				<title>আরজি 
অপরাধী মাজেদ 

খোদার কাছে শুধু এক আরজি—
জাহান্নামের দাবানলে
যেদিন পুড়ব,
যেদিন আগুনের লেলিহান শিখায়
ছটফট করবে এই প্রাণ,
ঠিক সেদিন—
তোমার হাসিমাখা  পবিত্র মুখখানি
যেন ভাসে আমার চোখের পাতায়।
জানি না,
আমার এ আরজি
কবুল হবে কি না—
খোদা জানেন,
শুধু খোদাই জানেন।
তবু বলি,
তোমার মুখের একটুখানি হাসি
যদি সেদিন সঙ্গী হয়,
তবে জাহান্নামের আগুনও
হয়তো আমার কাছে
ফুলের মতোই সয়ে যাবে।
আর যদি কোনোদিন
আল্লাহর রহমতে
জান্নাতের দুয়ার খুলে যায়,
ফেরেশতারা এসে
যদি শোনায়
জান্নাতি হুরদের কথা—
আমি মৃদু হেসে বলব,
“না...
আমার কোনো হুর চাই না।
তোমরা শুধু
আমার প্রিয়তমাকে
আমার কাছে নিয়ে এসো।”
কারণ—
জান্নাতের হাজারো ফুলের মাঝেও
আমার চোখ খুঁজবে শুধু
একটি মুখ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269362/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:48:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আরজি<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>খোদার কাছে শুধু এক আরজি—<br />
জাহান্নামের দাবানলে<br />
যেদিন পুড়ব,<br />
যেদিন আগুনের লেলিহান শিখায়<br />
ছটফট করবে এই প্রাণ,<br />
ঠিক সেদিন—<br />
তোমার হাসিমাখা  পবিত্র মুখখানি<br />
যেন ভাসে আমার চোখের পাতায়।<br />
জানি না,<br />
আমার এ আরজি<br />
কবুল হবে কি না—<br />
খোদা জানেন,<br />
শুধু খোদাই জানেন।<br />
তবু বলি,<br />
তোমার মুখের একটুখানি হাসি<br />
যদি সেদিন সঙ্গী হয়,<br />
তবে জাহান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269362"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269362/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f35bb6e266ba905bf5531e5157eef5c</guid>
				<title>রবিউল আলম মাজেদ and চিন্তাতরঙ্গিনী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257546/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 18:57:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2bfb0dd3b50d1abe0949abf5a7540e69</guid>
				<title>রয়ে যাবে তুমি
অপরাধী মাজেদ 

তুমি আমায় স্মরণে রাখো বা না রাখো,
আমি তোমায় রাখবো—
যেমন শুকিয়ে যাওয়া নদীর আঁকাবাঁকা ক্ষতচিহ্ন
বলে যায়, এখানে একদিন যৌবনভরা স্রোত ছিল।
পাহাড়ের বুকে ক্ষয়ে যাওয়া খাদগুলো
সাক্ষ্য দেয়—
কত উচ্ছ্বাসে একদিন
ঝর্ণারা নেমে আসত পাথরের গা বেয়ে।


যেমন পরিত্যক্ত ঘাটের ভাঙা সিঁড়িগুলো
আজও জলের পদচিহ্ন খোঁজে,
ধসে পড়া সেতুর মরিচাধরা কাঠামো
আজও বহন করে বহু যাতায়াতের স্মৃতি।

ঠিক তেমনি—
আবহমান কাল ধরে
আমার স্মৃতির গভীরে
রয়ে যাবে তুমি।

ঘড়িটা থেমে আছে সেই বিকেলেই,
যেদিন তুমি বলেছিলে— “ভালো থেকো।”
মনের দরজাটা এখনো খোলা,
তোমার ফিরে আসার অপেক্ষায়।

পুন্ড্রনগরের নাম শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে
জাঁকজমকপূর্ণ এক প্রাচীন রাজধানী,
ধ্বংসস্তূপের ভাঁজে আজও লুকিয়ে থাকে
বিস্মৃত কোনো সভ্যতার কাহিনী।

ঠিক তেমনি—
কেউ আমায় দেখলে
হয়তো খুঁজে পাবে
তোমার স্মৃতি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247551/</link>
				<pubDate>Tue, 12 May 2026 21:06:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রয়ে যাবে তুমি<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>তুমি আমায় স্মরণে রাখো বা না রাখো,<br />
আমি তোমায় রাখবো—<br />
যেমন শুকিয়ে যাওয়া নদীর আঁকাবাঁকা ক্ষতচিহ্ন<br />
বলে যায়, এখানে একদিন যৌবনভরা স্রোত ছিল।<br />
পাহাড়ের বুকে ক্ষয়ে যাওয়া খাদগুলো<br />
সাক্ষ্য দেয়—<br />
কত উচ্ছ্বাসে একদিন<br />
ঝর্ণারা নেমে আসত পাথরের গা বেয়ে।</p>
<p>যেমন পরিত্যক্ত ঘাটের ভাঙা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247551"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247551/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b17a93e66186a50022e3f06a20dbd7b8</guid>
				<title>নীরব হাহাকার 
অপরাধী মাজেদ 


নেতা মোদের ভীষণ মহৎ
গরিব দুঃখীর কথা কয়,
মোদের ভোটে তাই তো নেতা
পেলো বিশাল জয়।
সংসদ কাঁপাবে মোদের নেতা
জনগণের তরে—
এখন দেখি নেতা শুধু
কথার ভেতর ঝরে।
ছিল স্বপ্ন, ছিল দাবি,
ছিল অনেক আশা,
সংসদে গিয়ে নেতা বলবে
আমাদেরই ভাষা।
মোদের স্বপ্ন অতিবৃষ্টিতে
বন্যার জলের নিচে,
চেতনার সেই মিষ্টি কথায়
দুঃখের চিড়া ভিজে।
নেতা আমার ভীষণ ব্যস্ত
চেতনারই ব্যবসায়,
আমি এখন ডুকরে কাঁদি
স্বপ্ন ডুবার বেদনায়।
কৃষকের চোখ বন্যায় ভাসে,
চারদিকে আজ হাহাকার,
পবিত্র ওই সংসদজুড়ে
আলোচনায় শুধু রাজাকার।
তলিয়ে গেলে আমার স্বপ্ন
বলো, কারোই বা কী,
তাইতো আমি ধিক্কার জানাই—
ছি! বাংলাদেশ ছি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246836/</link>
				<pubDate>Tue, 05 May 2026 23:53:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নীরব হাহাকার<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>নেতা মোদের ভীষণ মহৎ<br />
গরিব দুঃখীর কথা কয়,<br />
মোদের ভোটে তাই তো নেতা<br />
পেলো বিশাল জয়।<br />
সংসদ কাঁপাবে মোদের নেতা<br />
জনগণের তরে—<br />
এখন দেখি নেতা শুধু<br />
কথার ভেতর ঝরে।<br />
ছিল স্বপ্ন, ছিল দাবি,<br />
ছিল অনেক আশা,<br />
সংসদে গিয়ে নেতা বলবে<br />
আমাদেরই ভাষা।<br />
মোদের স্বপ্ন অতিবৃষ্টিতে<br />
বন্যার জলের নিচে,<br />
চেতনার সেই মিষ্টি কথায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246836"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246836/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09cfde03e91d07738a6fb67ef445c563</guid>
				<title>আমাকে রাবণ হতেই হবে
অপরাধী মাজেদ 

যে লঙ্কায় যাই
সেই রাবণ হতে চাই
সিংহাসন পেয়ে আমি স্বৈরাচার হতে চাই।

ধ্বংস করতে চাই গণতন্ত্র,
ছিন্নভিন্ন হবে গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র।
আমাকে স্বৈরাচার হতেই হবে
জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়েও
আমাকে স্বৈরাচার হতে হবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি
দুর্নীতি আর হানাহানির মোড়কে সাজাতে হবে।

যারা সত্য বলতে চায়-
বাকরুদ্ধ করতে হবে তাদেরকে,
থামিয়ে দিতে হবে তাদের কণ্ঠস্বর-
যেন আমার বিরুদ্ধে তারা আওয়াজ তুলতে না পারে।
আমাকে রাবণ হতেই হবে।

সিংহাসন ঠিক রাখতে হলে
অবশ্যই আমাকে রাবণ হতে হবে।

নির্লজ্জের মতো বেফাঁস মন্তব্য করে,
মাতিয়ে রাখতে হবে দেশের বোকা জনগণকে।

ক্ষমতার প্রতিটি স্তরে স্তরে
খুঁটি গেড়ে বসতে হবে,
ক্ষমতাকে উপভোগ করতে হবে,
যেভাবেই হোক আমাকে রাবণ হতেই হবে।

নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম বানাতে চাই
বিচার বিভাগ এবং আইন বিভাগকে,
প্রয়োজনে ধ্বংস করতে হবে
স্বাস্থ্য খাত আর শিক্ষা খাতকে।
আমাকে রাবণ হতেই হবে।

তৈল মর্দনে ব্যস্ত কুকুরগুলোকেও
পুরস্কৃত করতে চাই,
দিতে চাই তাদের অন্ধ উচ্ছ্বাস।

কথায় আছে মানিকে মানিক চেনে
শুয়োরে চেনে কচু,
অন্যায়-অবিচারের কাছে
সত্য-ন্যায়ের মাথা নিচু।

বাহ্যিক প্রকল্পের মাধ্যমে
হরিলুটের খেলায় মত্ত থাকতে হবে।

সৎ সাহসী কণ্ঠগুলোকে স্তব্ধ করে,
আমাকে, আমাকে রাবণ হতেই হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245586/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 18:25:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাকে রাবণ হতেই হবে<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>যে লঙ্কায় যাই<br />
সেই রাবণ হতে চাই<br />
সিংহাসন পেয়ে আমি স্বৈরাচার হতে চাই।</p>
<p>ধ্বংস করতে চাই গণতন্ত্র,<br />
ছিন্নভিন্ন হবে গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র।<br />
আমাকে স্বৈরাচার হতেই হবে<br />
জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়েও<br />
আমাকে স্বৈরাচার হতে হবে।</p>
<p>দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি<br />
দুর্নীতি আর হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245586"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245586/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">881b33afebab94d91fa31624575dc317</guid>
				<title>না পাওয়ার বেদনা 
অপরাধী মাজেদ 


সিগারেট মুখে নিয়া 
যখন সুখ টান দিতে যাই,
তখন তার বিষাক্ত ধোঁয়া 
আমার উপর রাগ দেখাইয়া কইতে থাকে—
তোমার একলা থাহনের কথা 
আমারে কইয়া লাভ নাই।
আমি অবাক হইয়া ভাবতে থাকি—
তোমারে না পাওয়ার বেদনা 
আমারে নীরবে সইয়া যাইতে অইবো।
কারণ এই কাহিনি-
সিগারেটের ধোঁয়াও শুনতে পছন্দ করেনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245120/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 17:45:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>না পাওয়ার বেদনা<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>সিগারেট মুখে নিয়া<br />
যখন সুখ টান দিতে যাই,<br />
তখন তার বিষাক্ত ধোঁয়া<br />
আমার উপর রাগ দেখাইয়া কইতে থাকে—<br />
তোমার একলা থাহনের কথা<br />
আমারে কইয়া লাভ নাই।<br />
আমি অবাক হইয়া ভাবতে থাকি—<br />
তোমারে না পাওয়ার বেদনা<br />
আমারে নীরবে সইয়া যাইতে অইবো।<br />
কারণ এই কাহিনি-<br />
সিগারেটের ধোঁয়াও শুনতে পছন্দ করেনা</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f0cbba181f4e2b5fdcd5597c51d2cef9</guid>
				<title>মনে রেখো 
অপরাধী মাজেদ 



মাজেদ তুমি একটা আহাম্মক
সদা নিজের গুনগান করে গেলে
আর কবে মানুষ হবে তুমি
প্রাণ পাখি উড়ে গেলে

সময় এখন ভীষণ খারাপ
বিষাদ নিশি বেড়ে যায়
কভু কি তা ফিরে পাবে
চিরতরে যা হারিয়ে যায়


আফসোস করে লাভ নেই 
একদিন চলে যেতেই হবে 
হিসাব দিতে প্রস্তুত হও, মাজেদ!
যা পাপ করেছ এ ভবে 

অহংকারের উঁচু মাচায় বসে 
করছো বুনিয়াদি উল্লাস 
মনে রেখো, মাজেদ 
মাটির দেহ পড়ে রবে, হয়ে যাবে লাশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244472/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 17:04:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনে রেখো<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>মাজেদ তুমি একটা আহাম্মক<br />
সদা নিজের গুনগান করে গেলে<br />
আর কবে মানুষ হবে তুমি<br />
প্রাণ পাখি উড়ে গেলে</p>
<p>সময় এখন ভীষণ খারাপ<br />
বিষাদ নিশি বেড়ে যায়<br />
কভু কি তা ফিরে পাবে<br />
চিরতরে যা হারিয়ে যায়</p>
<p>আফসোস করে লাভ নেই<br />
একদিন চলে যেতেই হবে<br />
হিসাব দিতে প্রস্তুত হও, মাজেদ!<br />
যা পাপ করেছ এ ভবে </p>
<p>অহংকারের উঁচু মাচায&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244472"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244472/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be7e7d0c0ff17e2dcf641546e87e234f</guid>
				<title>জীবন চলার পথে, বাড়িয়াছে বহু দেনা 
শোধ করিয়াছি কিছু, বাকি রহিয়াছে অনেক ঋণ 
ক্ষমা করো মোরে,,  নেত্রকোনার প্রিয় আইরিন 
নীলাম্বরীর নীলাভ রং ঢেকে যায় 
কালো মেঘের সাজে
মোর   হৃদয় গহীনে  আজ 
বিরহের বীণা বাজে 
শুনিতে কি পাও
এই করুণ সুরের বীণ 
ওগো মোর প্রিয়সী
প্রিয়তমা আইরিন 


তোমায় দেখিতে এ মন
করে শুধু আনচান 
এই দেহ খানা ছাড়িয়া 
উড়ে যেতে চাই মোর প্রাণ
দেখা পাব কি আর কোনদিন 
বল হে প্রিয়সী, প্রিয়তমা আইরিন 

তাই, দেখা দাও, দেখা দাও 
দেখা দাও মোরে 
প্রায়শ্চিত্তের লাগি আজ 
এ মন ঘুরে দ্বারে দ্বারে 
ক্লান্ত হইয়া লুটাইয়া পরে 
এ মন নিদ্রাহীন 
ক্ষমা করে মোরে,  বুকেতে টানিয়া লো
হে মোর, প্রিয়তমা আইরিন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244077/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 18:22:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন চলার পথে, বাড়িয়াছে বহু দেনা<br />
শোধ করিয়াছি কিছু, বাকি রহিয়াছে অনেক ঋণ<br />
ক্ষমা করো মোরে,,  নেত্রকোনার প্রিয় আইরিন<br />
নীলাম্বরীর নীলাভ রং ঢেকে যায়<br />
কালো মেঘের সাজে<br />
মোর   হৃদয় গহীনে  আজ<br />
বিরহের বীণা বাজে<br />
শুনিতে কি পাও<br />
এই করুণ সুরের বীণ<br />
ওগো মোর প্রিয়সী<br />
প্রিয়তমা আইরিন </p>
<p>তোমায় দেখিতে এ মন<br />
করে শুধু আনচান<br />
এই দেহ খানা ছা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244077"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244077/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48cf15f31aefcdaed2496abdda2debb6</guid>
				<title>নিঃসঙ্গতার দহন 
অপরাধী মাজেদ 

হে প্রিয়তমা,
তুমি এসেছিলে কিছুদিনের জন্য—
হৃদয়ের এই মরুভূমিতে
সুজলা-সুফলা স্বপ্ন ফলাতে,
জনশূন্য এই নির্জন ভূমিকে
গড়ে তুলতে মানুষের আবাসস্থল।

কিন্তু এই হৃদয়ভূমির নির্মমতা কত,
তুমি তা জানতে না—
এই নিঃসঙ্গতার পরিধি
তোমার জানা ছিল না।
এই শুষ্ক হৃদয়ের তীব্র দহনেই
তুমি ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে গেলে।

একাকিত্বের গহীন যন্ত্রণায়
জেগে ওঠা অগ্নিঝড়
হৃদয়ের প্রতিটি কোষে কোষে
দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে।

পৃথিবীর সবুজতম অরণ্যও
পুড়ে ছাই হয়ে যাবে একদিন,
এই নিঃসঙ্গতার দহনে—
তুমি তো মানুষ মাত্র, প্রিয়তমা।

তবুও এই ছাইয়ের নিচে কোথাও
লুকিয়ে থাকে একফোঁটা জীবন,
হয়তো কোনো এক অচেনা ভোরে
আবার জন্ম নেবে সবুজ কোনো স্বপ্ন।

কিন্তু তুমি থাকবে না, প্রিয়তমা,
এই পুনর্জন্মের সাক্ষী হতে—
তুমি এসেছিলে ক্ষণিকের জন্য,
আর আমি পুড়ছি অনন্তকাল ধরে।

বিঃদ্রঃ ভুল ক্রুটি সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কবিতার ভাব, রস, রুপ এবং শব্দচয়নে ভুল হলে আশা করি আপনারা সুন্দর পরামর্শ দিবেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240766/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 18:01:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিঃসঙ্গতার দহন<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>হে প্রিয়তমা,<br />
তুমি এসেছিলে কিছুদিনের জন্য—<br />
হৃদয়ের এই মরুভূমিতে<br />
সুজলা-সুফলা স্বপ্ন ফলাতে,<br />
জনশূন্য এই নির্জন ভূমিকে<br />
গড়ে তুলতে মানুষের আবাসস্থল।</p>
<p>কিন্তু এই হৃদয়ভূমির নির্মমতা কত,<br />
তুমি তা জানতে না—<br />
এই নিঃসঙ্গতার পরিধি<br />
তোমার জানা ছিল না।<br />
এই শুষ্ক হৃদয়ের তীব্র দহনেই<br />
তুমি ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে গেলে।</p>
<p>একাকিত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240766"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240766/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c655750d824479e3fe429349a96aa25</guid>
				<title>সত্যের সন্ধান 
অপরাধী মাজেদ 


মাজেদ তুমি বড়ই আজব 
নিজের মনে হিংসা রেখে 
যেথায় সেথায় শান্তি খোঁজো 
তা কি হয়?
মনের দুয়ার তালা দিয়ে 
মসজিদ ঘরে আল্লাহ খোঁজো 
তিনি সেথায় রয়? 

ওরে ও মন, আমি শুধাই 
সত্যের সন্ধান কোথায় পাই 
সত্য মিথ্যার দ্বিধা দ্বন্দ্বে 
শান্তি আজও নাহি পাই</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240161/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 15:08:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সত্যের সন্ধান<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>মাজেদ তুমি বড়ই আজব<br />
নিজের মনে হিংসা রেখে<br />
যেথায় সেথায় শান্তি খোঁজো<br />
তা কি হয়?<br />
মনের দুয়ার তালা দিয়ে<br />
মসজিদ ঘরে আল্লাহ খোঁজো<br />
তিনি সেথায় রয়? </p>
<p>ওরে ও মন, আমি শুধাই<br />
সত্যের সন্ধান কোথায় পাই<br />
সত্য মিথ্যার দ্বিধা দ্বন্দ্বে<br />
শান্তি আজও নাহি পাই </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d52bcacd5358e6ff29e33d5180c285be</guid>
				<title>রবিউল আলম মাজেদ and অসীম রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239744/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 17:11:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3790d53bdc116ddbccdaa61bef724279</guid>
				<title>রবিউল আলম মাজেদ changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239358/</link>
				<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 11:10:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be84dd8d80764b84e4e1f1a93b1f692e</guid>
				<title>বিষন্নতা
অপরাধী মাজেদ 


বিষন্নতা,
তোমাকে ধন্যবাদ—
আমার একাকিত্বের মুহূর্তে
তোমার আবির্ভাব সত্যিই প্রশংসনীয়।
নিঃসঙ্গতার অতল গহ্বরে
যখন আমি হারিয়ে যাচ্ছিলাম,
ঠিক তখনই দেবদূত হয়ে
আমার পাশে এলে তুমি।
কথা দাও, বিষন্নতা—
কভু ছেড়ে যাবে না আমায়।
আমার এই ছোট্ট জীবনে
তোমায় খুব প্রয়োজন।
অস্থিরতার অন্তিম মুহূর্তে,
যখন আমি বিদায়ের শেষ প্রস্তুতি নেব,
ঠিক তখন অবধি তুমি
আমার পাশে থেকো—
বিষন্নতা, পাশে থেকো।
জীবনের চলার পথে
কত সাথী-স্বজন পেয়েছি,
কেউ বেশি দূর
একসাথে চলেনি।
পাশাপাশি হাঁটেনি,
হাতে হাত রাখেনি—
আমায় একা করে
চলে গেছে সবাই।
একাকিত্বের মাঝে
আমি তলিয়ে গেছি বহুবার।
যখন তোমার দেখা পেয়েছি, বিষন্নতা,
মনে হয়েছে—
চিরসাথী পেলাম আমি।
আমি আশাবাদী—
অন্তহীন আশাবাদী,
তুমি কভু
আমায় ছেড়ে যাবে না।
বলো তো, বিষন্নতা—
আর কতকাল
আমার সাথে চলবে?
অস্থিরতার কত গল্প আমার—
তুমি শুনবে নীরবে,
নিঃশব্দ সাথী হয়ে।
বিষন্নতা,
তুমি কভু আমায় ছেড়ে যেও না।
তুমি ছেড়ে গেলে
আমি শেষ হয়ে যাবো—
হারিয়ে ফেলবো
নিজেকেই,
আমার অস্তিত্বটুকু।
তোমায় খুব ভালোবাসি, বিষন্নতা—
খুব ভালোবাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239357/</link>
				<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 11:05:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষন্নতা<br />
অপরাধী মাজেদ </p>
<p>বিষন্নতা,<br />
তোমাকে ধন্যবাদ—<br />
আমার একাকিত্বের মুহূর্তে<br />
তোমার আবির্ভাব সত্যিই প্রশংসনীয়।<br />
নিঃসঙ্গতার অতল গহ্বরে<br />
যখন আমি হারিয়ে যাচ্ছিলাম,<br />
ঠিক তখনই দেবদূত হয়ে<br />
আমার পাশে এলে তুমি।<br />
কথা দাও, বিষন্নতা—<br />
কভু ছেড়ে যাবে না আমায়।<br />
আমার এই ছোট্ট জীবনে<br />
তোমায় খুব প্রয়োজন।<br />
অস্থিরতার অন্তিম মুহূর্তে,<br />
যখন আমি বিদায়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-239357"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/239357/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>