<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/md-zaker-hayat-khan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/md-zaker-hayat-khan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ].</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 04:18:52 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">4ef3a0242a261e5467467839883c862e</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and সাব্বির হোসেন। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252769/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 09:17:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2457c982e7fb2c7893f52b7a644d252</guid>
				<title>আমি একটি নিরবিচ্ছিন্ন  অন্ধকার  করিডোরের  শেষ  প্রান্তে  দাঁড়িয়ে  আছি। পেছনে স্মৃতির  হাহাকার।  একটা টিম টিমে লাল বাতি আমাকে মনে করিয়ে দেয় এখানে  আমার থাকার কথা ছিল না।  অন্য কোথাও থাকার  কথা  ছিল আমার। কিন্তু বিধির নিষ্ঠুর পঙক্তি মালায় এই নির্বাসনের কাচ ঘরে আজ আমি একা। আমার জন্ম হয়েছিলো স্বাধীনতার আঁতুড় ঘরে। অন্য কোন নির্জন  প্রান্তরে থাকার স্বপ্ন ছিল আমার। অন্য কোথাও  আর অন্যদের স্মৃতিতে। 

বিষন্নতার স্বরলিপি
জাকের আদিত্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252603/</link>
				<pubDate>Sun, 31 May 2026 20:56:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি একটি নিরবিচ্ছিন্ন  অন্ধকার  করিডোরের  শেষ  প্রান্তে  দাঁড়িয়ে  আছি। পেছনে স্মৃতির  হাহাকার।  একটা টিম টিমে লাল বাতি আমাকে মনে করিয়ে দেয় এখানে  আমার থাকার কথা ছিল না।  অন্য কোথাও থাকার  কথা  ছিল আমার। কিন্তু বিধির নিষ্ঠুর পঙক্তি মালায় এই নির্বাসনের কাচ ঘরে আজ আমি একা। আমার জন্ম হয়েছিলো স্বাধীনতার আঁতুড় ঘরে। অন্য কোন নির্জন  প্রান্তরে থাকার স্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252603"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252603/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f03938d91cca54c23d36d815b86cfe9b</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and প্রাপ্তি রোজারিও are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252390/</link>
				<pubDate>Fri, 29 May 2026 08:48:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88c5456280a2f846244da642c2182d34</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and নিখোঁজ- Missing ⋆≛⃝ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251663/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 07:44:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d3dfbe4a5ae7da8b2ec6782873468ef</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and মিহির চৌধুরী ইমন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251273/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 09:53:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">24510c32560b6c1d0603b77dd9e85e79</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Puja Chakrabartty are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250839/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 06:44:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0909bcc737dfaca7e67cc1944dfaef6</guid>
				<title>আমি  আজ সকল দুঃখ, বেদনা,  অসুস্থতা গায়ে মেখে এই মেঘাচ্ছন্ন, বজ্র  উন্মত্ত আকাশের নিচে ঈশ্বরের কাছে ফিরে  এসেছি  জীবনের সকল প্রতিশ্রুতি  নিয়ে।  হে ঈশ্বর- আমি আহত, স্বজনহীন, ব্রাত্য, প্রেমহীন, দুঃখিত -  খুঁজে  নিতে এসেছি  জীবনের সকল প্রতিশ্রুতি। আমি হেরে যেতে আসি নি। আমি তোমার কাছে ফিরে এসেছি  প্রতিটি  মুহূর্তের  পরীক্ষায় নিজেকে প্রমাণ করে, প্রতিটি  যুদ্ধে জয়ী হয়ে। আমাকে তুমি ভুলে যেতে পারো না। পারো না উপেক্ষার অন্তরালে পরাজিত  করতে। আমি তোমার সন্তান তোমার কাছে ফিরে  এসেছি  এটুকু  বলতে আমি হেরে যেতে  ফিরে  আসি নি। আমিই সে। আমিই সেই মানুষ। 

জাকের আদিত্য 
২১ মে, ২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249804/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 19:45:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি  আজ সকল দুঃখ, বেদনা,  অসুস্থতা গায়ে মেখে এই মেঘাচ্ছন্ন, বজ্র  উন্মত্ত আকাশের নিচে ঈশ্বরের কাছে ফিরে  এসেছি  জীবনের সকল প্রতিশ্রুতি  নিয়ে।  হে ঈশ্বর- আমি আহত, স্বজনহীন, ব্রাত্য, প্রেমহীন, দুঃখিত &#8211;  খুঁজে  নিতে এসেছি  জীবনের সকল প্রতিশ্রুতি। আমি হেরে যেতে আসি নি। আমি তোমার কাছে ফিরে এসেছি  প্রতিটি  মুহূর্তের  পরীক্ষায় নিজেকে প্রমাণ করে, প্রতিট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249804"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249804/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2915e092bc16a73f828b32902e68d873</guid>
				<title>এতো বছর পরেও এই দেশে জীবনের মূল্য নেই। একটা শিশুর সাথে এ  রকম করা যায়? দূর দিগন্তে চারিপাশে নেই কোন দিক চিনহহীন মানবতা।  কোন কোন দিন আমার মনে হয় যথেষ্ট হয়েছে। 
আমার মেয়ে
বইঃ বিক্ষিপ্ত
লেখকঃ জাকের আদিত্য
আমার মেয়ে সে কি ভীষণ কোমল। তার ওই দুই চোখে আটকে আছে সমস্ত পৃথিবীর বিস্ময়। এক সন্ধ্যায় সে আমায় বললো, আমি সব কিছু দেখতে চাই। আমি বললাম এখন আর দেখার মতো কিছুই বাকি নেই। সে রেগে তার শোবার ঘরে চলে যায়। আমি জানি তার অদম্য কৌতূহল আমার বাঁধা মানবে না। সে রাতে সে তার বিছানার চাদর দিয়ে দড়ি পেচিয়ে তার জানালা খুলে ঘরের বাইরে চলে গেলো। আমি সারা দিন ভীষণ ছট ফট করলাম। সন্ধ্যায় ফিরে এসে বলল, আমি দেখে এসেছি ওই রাজপথের ওপারে কি আছে? আমি হেসে বলি কি আছে? সে বলে, ওই বিশাল অট্টালিকার আড়ালে বস্তির ঘরে ওরা শীতের রাতে আগুন জালিয়ে ওম নেয়। একজন নতুন মা তার বুকের দুধ পাণ করায় ওদের শিশুদের। কি জীর্ণ তাদের শরীর। আমি দেখেছি কিভাবে ওই উলঙ্গ ছেলে মেয়েদের দল লেকের জলে ঝাপিয়ে পরে ব্রিজের ওপর থেকে। বড় রাস্তায় একটা বাচ্চা মেয়ে মরা গোলাপ বিক্রি করে কয়েক পয়সার বিনিময়ে। আমি দেখেছি ওইসব লোকদের যারা পালিয়ে যায় সব কাঁটাতার ভেদ করে। আর ওই কোনের অট্টালিকায় একজন সুন্দর তরুণী আয়নার সামনে নিজের জামা খুলে নিজেকে আয়নায় দেখে আর কাঁদে। ওর শরীরে ক্ষত চিনহ। আমি আরো দেখেছি কিভাবে একটা পাগল অদ্ভুত জামা পরে রাস্তায় রাস্তায় নেচে বেড়ায়। সবাই শুধু মুখ টিপে হাসে। আর দেখেছি কত গুলো ছেঁড়া প্যান্টের ছেলে কিভাবে ডাস্টবিনে খাবার খোঁজে। তারপর আমি শহর ছেড়ে চলে যাই গ্রামে যেখানে কৃষকের দল ফসলের চাষ করে আর সর্ষে ফুলের হলুদ রঙ। আর ওদের বউরা মাটির ঘরে মাটি লেপে। তারপর আমি চলে যাই পাহাড়ে। সেখানে এক বৃদ্ধ ধ্যান করে। সে আমাকে শিখিয়েছে কিভাবে বাতাসের সাথে কথা বলতে হয়। সেই বাতাস কথা বলে মেঘের সাথে যা দূরে যেয়ে কাঁদে। তারপর মিশে যায় সমুদ্রের সাথে । সেই সমুদ্র গান শোনায় ওই নক্ষত্রের আকাশকে। অসংখ্য তারা কথা বলে গুন গুন করে সকল পৃথিবীর সাথে। তারপর আমি ফিরে আসি এক নির্জন দ্বীপে,যেখানে একটা বোকা ছেলে তার মায়ের জন্য চিঠি লিখে বোতলে ভরে ভাসিয়ে দেয় সমুদ্রে। সে চিঠি চলে যায় জেলেদের জালে যারা মাছ ধরে। তাদের মাছের সুস্বাদু খাবার খেতে খেতে একটা ছেলে আর একটা মেয়ে দুজন দুজনকে চুমু খায়। মেয়েটার গাল লাল হয়ে ওঠে । তারপর ওরা রেস্তোরা থেকে বের হয়ে বেলুন কিনে উড়িয়ে দেয় ওই অসীম আকশে। সেই বেলুন পরিযায়ী পাখিদের সাথে ভেসে যায়। আমি তাদের অনুসরন করে তোমার কাছে বারে বারে ফিরে আসি।
আমার দুরন্ত অসাধারণ মেয়ে, যে বৃক্ষ আর পাখিদের সাথে কথা বলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249643/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 08:47:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এতো বছর পরেও এই দেশে জীবনের মূল্য নেই। একটা শিশুর সাথে এ  রকম করা যায়? দূর দিগন্তে চারিপাশে নেই কোন দিক চিনহহীন মানবতা।  কোন কোন দিন আমার মনে হয় যথেষ্ট হয়েছে।<br />
আমার মেয়ে<br />
বইঃ বিক্ষিপ্ত<br />
লেখকঃ জাকের আদিত্য<br />
আমার মেয়ে সে কি ভীষণ কোমল। তার ওই দুই চোখে আটকে আছে সমস্ত পৃথিবীর বিস্ময়। এক সন্ধ্যায় সে আমায় বললো, আমি সব কিছু দেখতে চাই। আমি বললাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249643"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249643/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">348dc7d083e4229834f78973868bc0aa</guid>
				<title>হঠাৎ  করেই এই এখন রাস্তায়  বৃষ্টিতে রিকশায় আসতে আসতে একটা ঘটনা মনে পড়লো। তখন আমি  কুমিল্লা  থেকে বের হয়ে আসছি। ইজি বাইকে উঠেছি। কাঁধে  ব্যাগ, মাথায় ছক কাটা ক্যাপ। পেছনে  ছয়জন বসে। আমার বিপরীতে  দুই বৃদ্ধা নাতি নাতনি নিয়ে দুজনে বসে আছে।  একজনের কপালে সিঁদুর।  একজন হিন্দু তো অন্য জন মুসলমান। দুজনেরই সম্ভবত বের হওয়া হয় না। ঈষৎ  বিব্রত। পরিস্থিতির কারণে দুজন একটা দুটো  কথা বলছে নিজেদের ভেতর।  ধর্মের পরিচয়টা  কমে আসছে। বরং  বাস্তবতার আয়োজন  বেড়েই চলেছে। মনে হয় শতাব্দীর সাম্য দুই বৃদ্ধা নিজেদের মানুষ  হিসেবে  চিনে নিতে চাইছে।
আমার ইজি বাইক  গন্তব্যে চলে এসেছে।  আমাকে যেতে হবে অন্য কোথাও। 

জাকের আদিত্য 
১৩-০৫-২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247593/</link>
				<pubDate>Wed, 13 May 2026 12:26:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হঠাৎ  করেই এই এখন রাস্তায়  বৃষ্টিতে রিকশায় আসতে আসতে একটা ঘটনা মনে পড়লো। তখন আমি  কুমিল্লা  থেকে বের হয়ে আসছি। ইজি বাইকে উঠেছি। কাঁধে  ব্যাগ, মাথায় ছক কাটা ক্যাপ। পেছনে  ছয়জন বসে। আমার বিপরীতে  দুই বৃদ্ধা নাতি নাতনি নিয়ে দুজনে বসে আছে।  একজনের কপালে সিঁদুর।  একজন হিন্দু তো অন্য জন মুসলমান। দুজনেরই সম্ভবত বের হওয়া হয় না। ঈষৎ  বিব্রত। পরিস্থিতির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247593"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247593/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c8a5122d681d028b9c5952c40c7cc88</guid>
				<title>নিরর্থক  স্বরলিপি

এই অনন্ত নক্ষত্র বীথি, এই জলে ভেজা শহর, 
এইসব আলো ছায়া, মায়া মাখা মানুষেরা,
তাদের অতিক্রম  করে  আমি ফিরে যাই  সেই  চেনা বাড়িটায়, যেখানে  কিছু  ধার করা স্মৃতি  ফিকে হয়ে আসে।
এখানেই  আমার জন্ম, শৈশবের  অবহেলা, করুণ  বিকেল, গভীর রাতের জোনাক পোকা। 
উঠোনে মাদুর বিছিয়ে আমি দেখি আলোক বর্ষ দূরের  নীহারিকা। 
কালকেই  এই পুরোনো স্মৃতির হারানো  ক্যানভাস  নষ্ট  হবে   আধুনিকতার পণ্য  বাজারে।
স্মৃতি  বিক্রি  হবে ভাঙারির দোকানে কেজি দরে।
নসটালজিক হবো ঠিকই। মায়া মাখা মানুষেরা বুকের পাঁজর  ভেঙে  হারিয়ে যাবে নির্রথক  শূণ্যতায়। আমি পরাজিত  একজন-  দাঁড়িয়ে   দেখবো নিজের অক্ষমতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247543/</link>
				<pubDate>Tue, 12 May 2026 16:04:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিরর্থক  স্বরলিপি</p>
<p>এই অনন্ত নক্ষত্র বীথি, এই জলে ভেজা শহর,<br />
এইসব আলো ছায়া, মায়া মাখা মানুষেরা,<br />
তাদের অতিক্রম  করে  আমি ফিরে যাই  সেই  চেনা বাড়িটায়, যেখানে  কিছু  ধার করা স্মৃতি  ফিকে হয়ে আসে।<br />
এখানেই  আমার জন্ম, শৈশবের  অবহেলা, করুণ  বিকেল, গভীর রাতের জোনাক পোকা।<br />
উঠোনে মাদুর বিছিয়ে আমি দেখি আলোক বর্ষ দূরের  নীহারিকা।<br />
কালকেই  এই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247543"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247543/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">90220730df6e1512140ce9dcd2bb9c1d</guid>
				<title>দেবী দর্শন

 রাত গভীর হতেই আমি জেগে উঠি। নগরের অধিকাংশ বাসা বাড়িতে আলো নিবিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে সকল অভাজন। আমার কাঁচ ঘরে একগুচ্ছ জোনাক পোকা। আলোকিত করে রাখে এই অন্ধকার। এরই মাঝে ভেসে আসে নূহের প্লাবন। বৃষ্টির বৃক্ষ অনেক আগেই বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ নিয়ে এসেছে এই নগরে। আমি বারান্দার দরোজাটা খুলে আকাশের পাণে চেয়ে দেখি বৃষ্টি এখন কোথায়, কেমন? চক্রাকারে আবর্তিত মেঘমালা ভেসে যায় কোন দূর দিগন্তে। হঠাৎ একদল পরিযায়ী পাখির দল ছুটে যায় বজ্রের ঝিলিকের মতো তীরের শাণিত ফলার মতো। আমাদের পরাবাস্তবতার পৃথিবীতে এখনো বেঁচে আছে ইন্দ্রজালের সৌরভ। সামনের ফ্ল্যাটের পর্দা সরানো চার তলায় জ্বলছে নিয়ন আলো। স্পষ্ট দেখা যায় একটি অপূর্ব সুন্দর মেয়ে রক্তের মতো জমাট বাঁধা লাল শাড়িতে পারদের প্রলেপের আয়েনার সামনে বসে আছে। কপালের টিপটা ঠিক করে এঁকে নিচ্ছে। প্রতিদিন রাতের পরিচিত দৃশ্য। এই সব আলো আঁধারির ছায়া ঘেরা ঘরগুলোতে মেয়েটি যেন নিবেদন করছে আয়েনার কারো কাছে। মেয়েটি সব ভুলে চেয়ে রয় ঐ আয়েনার কাছে। কার কাছে নিবেদন করে সে নিজেকে? আমি মনে মনে বলি, উর্বশী। মেয়েটি উঠে দাঁড়ায়। মুহূর্তের মধ্যে সবগুলো রক্তের শিখা শাণিত ছুড়ির ফলার মতো আয়েনার প্রলেপ ভেদ করে অন্য কোন জগতে চলে যায়। কি তাঁর উদ্দেশ্য? আমি অবাক হয়ে কাঁচঘরে জোনাকের আলোতে একা দাঁড়িয়ে থাকি। নেই, নেই, কোথাও কেউ নেই।

এই আমার প্রথম দেবী দর্শন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247447/</link>
				<pubDate>Mon, 11 May 2026 17:09:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেবী দর্শন</p>
<p> রাত গভীর হতেই আমি জেগে উঠি। নগরের অধিকাংশ বাসা বাড়িতে আলো নিবিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে সকল অভাজন। আমার কাঁচ ঘরে একগুচ্ছ জোনাক পোকা। আলোকিত করে রাখে এই অন্ধকার। এরই মাঝে ভেসে আসে নূহের প্লাবন। বৃষ্টির বৃক্ষ অনেক আগেই বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ নিয়ে এসেছে এই নগরে। আমি বারান্দার দরোজাটা খুলে আকাশের পাণে চেয়ে দেখি বৃষ্টি এখন কোথায়, কেমন? চক্রাকা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247447"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247447/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a9958b1c73a11e9ceffb671bb3283fa</guid>
				<title>আজ এতো দিন, এতো দিন পর মনে হয় শত সংগ্রামে, হাজার কষ্টে জীবন আমাকে পরাজিত করতে পারে নি। জীবনের বন্ধুর পথে অযত্নে বেড়ে ওঠা ঘাসফুলের যে শক্তি তা উথাল পাথাল বিক্ষুব্ধ ঝড়ে পরাজিত হয় না। আহ! এখনো বেঁচে আছি। গানে, গল্পে, কবিতায়, বন্ধুতায়, ভালবাসায় বেঁচে আছি। আহ! জীবন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247281/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 16:38:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ এতো দিন, এতো দিন পর মনে হয় শত সংগ্রামে, হাজার কষ্টে জীবন আমাকে পরাজিত করতে পারে নি। জীবনের বন্ধুর পথে অযত্নে বেড়ে ওঠা ঘাসফুলের যে শক্তি তা উথাল পাথাল বিক্ষুব্ধ ঝড়ে পরাজিত হয় না। আহ! এখনো বেঁচে আছি। গানে, গল্পে, কবিতায়, বন্ধুতায়, ভালবাসায় বেঁচে আছি। আহ! জীবন।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a0452a75fc34bf84ad8dc8fbac3512c3</guid>
				<title>নারী অধিকার
প্রাচীন যুগে মানব সভ্যতার সূচনার আগে মানুষ পশু শিকার করতো। সে সমাজ ছিল সাম্যবাদী সমাজ। নারীরা ঘরের বাইরে বিচরণ করতো এবং ফল, মূল সংগ্রহ করতো। নারীরা প্রথম আবিস্কার করলো বীজ থেকে ফসলের জন্ম হয়। যত্ন করলে এবং প্রয়োজনীয় পানির ব্যবস্থা থাকলে বীজ থেকে ফসল তৈরি করা যায়। তখন আদিম বর্বর মানুষ নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে সভ্যতার সূচনা করলো। তারা পশু শিকার থেকে বের হয়ে এসে কৃষিজীবী সমাজ প্রতিষ্ঠা করলো। কিন্তু কৃষিজীবি সমাজে আগমন ঘটলো সম্পদের ধারণা। এক গোত্রের সাথে আরেক গোত্রের যুদ্ধ শুরু করলো। পুরুষেরা আবিষ্কার করলো শারীরিক ভাবে তারা শক্তিশালী। তখন তারা কৃষি কর্মের আবিষ্কারক নারীদের গৃহবন্দী করলো। মানব সমাজের যেকোন সভ্যতায় নারীর গৃহবন্দী হবার ঘটনাটি একই রকম। তারপর হাজার বছর ইতিহাসের বারংবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। গত শতকে এসে প্রথম নারীদের ভোটাধিকার দেয়া হল। যদিও তা সেরকম কোন অর্থ বহন করে না। নারীরা সবসময়ই পদদলিত এবং বাক শক্তি হীন। নারীর কোন দেশ নেই, নেই কোন আত্ম পরিচয়। সে শুধুই এক ভোগ্য পণ্য। কিন্তু সময় এসেছে বদলে যাবার। আমি নারী বাদী নই কিন্তু আমি মনে করি নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলা মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলা। নারী নয় কোন ভোগ্য পণ্য অথবা মাংসের পিণ্ড। সে একজন স্বাধীন সত্ত্বা। সুযোগ দিলে নারীরা পুরুষের চেয়ে কোন দিক থেকে কম নয়। সেটা তারা বারংবার প্রমাণ করেছে।
[একজন মূর্খ লেখকের অপ্রয়োজনীয় লেখা।] See less</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246967/</link>
				<pubDate>Thu, 07 May 2026 06:50:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী অধিকার<br />
প্রাচীন যুগে মানব সভ্যতার সূচনার আগে মানুষ পশু শিকার করতো। সে সমাজ ছিল সাম্যবাদী সমাজ। নারীরা ঘরের বাইরে বিচরণ করতো এবং ফল, মূল সংগ্রহ করতো। নারীরা প্রথম আবিস্কার করলো বীজ থেকে ফসলের জন্ম হয়। যত্ন করলে এবং প্রয়োজনীয় পানির ব্যবস্থা থাকলে বীজ থেকে ফসল তৈরি করা যায়। তখন আদিম বর্বর মানুষ নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে সভ্যতার সূচনা করলো। ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246967"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246967/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b6918850fd033c4bf7d5114d5dfd9396</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and সাম্য রায় are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246766/</link>
				<pubDate>Tue, 05 May 2026 04:59:34 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c76a7dfb29a81facea1d19ebf8592a54</guid>
				<title>নগরের অতল অন্ধকারে
জাকের আদিত্য
২৫/৪/২০২৬

নগরের প্রাসাদে তখন চলছিলো উৎসব আর অতল অন্ধকার।
সে সময় তুমি এগিয়ে এলে শতাব্দীর ক্ষুধা নিয়ে।
আকাশের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় তুমি প্রতীক্ষারত।
এই যাযাবর শহরে তখন রাতের আলোর জাদুর রোশনাই।
আজ সকালেই তোমার প্রিয় পরিজন কেঁদেছে অঘোরে।
তোমার স্ত্রীর সতী দাহ পূর্ণ হয়েছে বাজারের স্বল্প মুল্যের বিষে।
তোমার আদরের মেয়েটা  শুধু কাঁদে।
এই এক বছর আগেও ও চাল কুমড়ার লকলকে ডগা দেখে বলেছিল এই বুঝি সবুজ।

তুমি এক ক্লান্তিহীন কৃষক।
জীবন তোমাকে করেছে প্রতারিত, পরাহত।
তাই আজ আমাদের আনন্দের নগরীতে তোমার আগমন।
মেয়েটার চেহারাই ভুলতে বসেছ।
তাকিয়ে দেখছ জীবনের নিষ্ঠুরতা, কাফনের কাবিনে।
তোমার লোহার মতো পা দুটির ভরসায় তুমি মেনে নিয়েছ একটি পতন উন্মুখ বিধির বিধান।
আজ এখানে তুমি আমাদের মাঝে প্রশ্ন নিয়ে এসেছ।
যদিও তোমার কিছু বলতে হয় না।
দু বছর আগের নদী ভাঙ্গন,- ফসলের ক্ষেতে বন্যার উল্লাস।

দার্শনিক আর কবিদের আড্ডায় উন্নয়ন বনাম গণতন্ত্র।
সে সময় তুমি এগিয়ে এলে শতাব্দীর ক্ষুধা নিয়ে।
আকাশের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় তুমি প্রতীক্ষারত। প্রতারিত,পরাহত।


তুমি গভীর রাতে তাই ঈশ্বরকে চিৎকার করে বললে ,
আমি তোমার কাছে ফিরে এসেছি বেঁচে থাকার সকল প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
তোমার কাছেই ওরা শিখেছে কিভাবে অন্যায়ে অন্যায়ে 
আমার সোনার ধান পাচার করা হয় মহাজনের গোলা বাড়িতে।
মসজিদের মাওলানা বলেছে ঈশ্বরকে ভুলো না।
কিন্তু আজ  আমার স্ত্রী, কন্যা মৃত আর ধর্মের ঢাকে শোনা যায় অশ্লীলতার আরজি।
সকলে কিভাবে ভুলে যায় একসাথে এতো অন্যায়।
আমি তোমার কাছে ফিরে এসেছি বেঁচে থাকার সকল প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
আমি অভুক্ত, গৃহহীন, স্বজনহীন, পরিচয়হীন সেই মানুষ,
আমি হেরে যেতে  ফিরে আসি নি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245908/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Apr 2026 18:14:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নগরের অতল অন্ধকারে<br />
জাকের আদিত্য<br />
২৫/৪/২০২৬</p>
<p>নগরের প্রাসাদে তখন চলছিলো উৎসব আর অতল অন্ধকার।<br />
সে সময় তুমি এগিয়ে এলে শতাব্দীর ক্ষুধা নিয়ে।<br />
আকাশের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় তুমি প্রতীক্ষারত।<br />
এই যাযাবর শহরে তখন রাতের আলোর জাদুর রোশনাই।<br />
আজ সকালেই তোমার প্রিয় পরিজন কেঁদেছে অঘোরে।<br />
তোমার স্ত্রীর সতী দাহ পূর্ণ হয়েছে বাজারের স্বল্প মুল্যের বিষে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245908"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245908/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f17c4dfe5ef917f494f9ad736d85f026</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and প্রিন্স ঠাকুর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245465/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 11:56:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb8efedf04fe0d74033a5c93e7f4926e</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Hridoyesh Nashit are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245450/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 08:26:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6e20add807d491e818b42ae22cb69e62</guid>
				<title>মানুষ  নিজেকে  আয়নায় দেখতে পছন্দ  করে। এই আয়নায় সে যে প্রতিবিম্ব  দেখে সেটাই  অহং। এটা শুধু  পারদের প্রলেপের  আয়না নয় এই আয়নায় সমাজ থাকে, পরিবার, পরিজন থাকে। প্রতিবিম্ব  দেখে সে নিজের সম্পর্কে  একটা ধারণা  তৈরি  করে  এবং  অন্যদের সাথে  তার পার্থক্য কি ধরনের  তা বোঝার চেষ্টা  করে।  এই আয়নার প্রতিবিম্ব তাকে তৈরি  করে, তার আচরণ  নিয়ন্ত্রণ  করে। এটা ইমেজারি কিনতু এটি তার বাস্তব বা রিয়েল নয়। এটি তার রিয়ালিটির একটা অংশ।  তার রিয়ালিটির আরেকটা অংশ  হলো ভাষা, সমাজ এবং  অন্যান্য উপাদান  যা সিম্বলিক। ইমেজারি এবং  সিমবলিক ধারণা গুলো মানুষের  রিয়েলিটি  তৈরি  করে। কিন্তু গল্পটি এতো সহজ নয়। প্রত্যেকের ভেতর  একটি অংশ  আছে যা হলো রিয়েল। এই রিয়েল কে মানুষ  নিজেই চিনতে পারে না। মানুষ  তাই সামাজিক হলেও বাস্তবিক ভাবে একা। যে নিজেকেই  প্রকৃত চিনতে পারে না তাকে অন্যরা কিভাবে চিনবে? রিয়েল অংশটি প্রকাশিত হয় বিকার গ্রস্থ অবস্থায়। তার স্বপ্নে বা দুঃস্বপ্নের সময়, তার অস্তিত্বের  সংগ্রামের সময়। 

রাত বাড়ছে, ইনসমনিয়া  তার সাথে পাল্লা দিয়ে  বাড়ছে। অনেক দিন আগের কিছু স্মৃতি  কাজ করছে। আমারও একটা আয়না ছিল যেটাকে সচেতন  ভাবে ভেঙে  ফেলা হয়েছিল। সেই  সময়টায় আমি অল্প কিছু  মানুষের  সহোযোগিতা পেয়েছিলাম এবং  আজ পর্যন্ত  তারাই সবচেয়ে  কাছের মানুষ। 
 

জীবন সহজ ছিলো না। এখনো আমার অতীত আমাকে ছায়ার মতো অনুসরণ  করে।  আজো তার প্রভাব আমি অনুভব  করি।  তবে এটা ঠিক  আমি আমার দুর্বলতাকে শক্তিতে পরিণত  করেছি।  এখন  নিজের আয়নায় নিজেকে দেখতে ইচ্ছে করে না বরং অন্যের আয়নায়  নিজেকে দেখতে চাই।

জীবন  আপনাকে হত্যা করবে। করবে আহত বা নিহত। এই সহজ সত্যকে মেনে নিতে শিখুন। এই সত্য  যদি মেনে নিতে না পারেন দুঃখই হবে একমাত্র  বন্ধু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245400/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 20:20:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষ  নিজেকে  আয়নায় দেখতে পছন্দ  করে। এই আয়নায় সে যে প্রতিবিম্ব  দেখে সেটাই  অহং। এটা শুধু  পারদের প্রলেপের  আয়না নয় এই আয়নায় সমাজ থাকে, পরিবার, পরিজন থাকে। প্রতিবিম্ব  দেখে সে নিজের সম্পর্কে  একটা ধারণা  তৈরি  করে  এবং  অন্যদের সাথে  তার পার্থক্য কি ধরনের  তা বোঝার চেষ্টা  করে।  এই আয়নার প্রতিবিম্ব তাকে তৈরি  করে, তার আচরণ  নিয়ন্ত্রণ  করে। এটা ই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245400"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245400/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0d8b133cfeddc9c53ea4b298d4e8607e</guid>
				<title>বহুদিন  আগের লেখা।  আগেও  হয়তো প্রকাশিত  হয়েছিল।  তবু আবার দিলাম।


স্বরলিপির সাক্ষ্য

মৃত্যু বড় অদ্ভুত। সে জানে না ওই উচ্ছল যুবতীর কণ্ঠে কি মাদকতা? কিভাবে এক জন পিতা তার সন্তানকে কাঁধে বসিয়ে হেঁটে যায় সহস্র মাইল, যখন মিলের সাইরেন বেজে ওঠে। সে জানে না ওই জনহীন শস্য ক্ষেতের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধা কিভাবে তার হারিয়ে যাওয়া ছেলের জন্য অপেক্ষা করে? কিভাবে রাত্রি যাপন করে ওই বিধবা রমণী? সে জানে না ওই ছেলেগুলো কি এক বেখেয়ালে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পরেছিল। 
মৃত্যু বড় অদ্ভুত। সে জানে না কিভাবে নাবিকেরা তারার গতিপথ দেখে ফিরে যেতে চায় বন্দরের প্রেমিকার কাছে। সে জানে না ওই মেয়েটি এখনো হাঁটতে শেখে নি।
মৃত্যু বড় অদ্ভুত। সে এক অন্ধকার। অন্ধকারের নীতি ক্ষুধা। ক্ষুধার অনলে সে সব কিছু গ্রাস করে। মৃত্যুই অন্ধকার। তার করাল গ্রাসের অন্ধকার থেকে কেউ পালাতে পারে না। সে বেখেয়ালি এবং সমতায় বিশ্বাসী। সে সম্রাট এবং পাড়া গাঁয়ের কবিদের একই সমান্তরালে নিয়ে আসে। মানুষ মৃত্যুকে ঘৃণা করে। তাই সে জীবনের ঐশ্বর্য আঁকে শব্দে, ছন্দে, গানে এবং স্মৃতিতে। মৃত্যুকে পরাজিত করার অদম্য সাহসে সে মৃত্যুকে তাচ্ছিল্য করে। তারপর কফিনের পাশে কালো পোশাকে এক দল উপস্থিত হয় কোন বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়। মানুষ পরিণত হয় ভস্মে অথবা মিশে যায় রাজাদের হাড় কবিদের হাড়ের সাথে, মৃত্তিকার গভীরে পরস্পরকে আলিঙ্গন করে। তবু মানুষ গান গায়, জীবনের গান। সে তার সবটুকু হৃদয় দিয়ে জীবনকে আলোকিত করতে চায়, তাকে অনুভব করতে চায়। মৃত্যুর সহজাত ধর্মের বিরুদ্ধাচারন করে এবং প্রজন্ম  থেকে প্রজন্ম স্মৃতিতে বেঁচে থাকে চতুর কৌশলে। 
প্রিয় বন্ধু মৃত্যুতে সব কিছু শেষ হয়ে যায় না। আমরা বেঁচে থাকি স্মৃতিতে,শতাব্দী পুরাতন  মহাজাগতিক নীহারিকাদের নিবিড় অস্তিত্বে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245183/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Apr 2026 13:13:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বহুদিন  আগের লেখা।  আগেও  হয়তো প্রকাশিত  হয়েছিল।  তবু আবার দিলাম।</p>
<p>স্বরলিপির সাক্ষ্য</p>
<p>মৃত্যু বড় অদ্ভুত। সে জানে না ওই উচ্ছল যুবতীর কণ্ঠে কি মাদকতা? কিভাবে এক জন পিতা তার সন্তানকে কাঁধে বসিয়ে হেঁটে যায় সহস্র মাইল, যখন মিলের সাইরেন বেজে ওঠে। সে জানে না ওই জনহীন শস্য ক্ষেতের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধা কিভাবে তার হারিয়ে যাওয়া ছেলের জন্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245183"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245183/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3bfe02d0208201c8f87dfbc936dc6452</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and অরণ্য are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245095/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 15:56:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa47343c46818ff53bdef1b4eaf58197</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Syed Farah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244634/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 20:02:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e9de2f04529081cc800ca9fe9759147</guid>
				<title>আমি নিজে মূর্খ। মূর্খদের মাথায় অদ্ভুত  প্রশ্ন আসবে এটাই স্বাভাবিক।  গত বছর  দেশে বিদেশে  বইটি পড়েছি। বইটি পড়ে মনে হল এখন  যারা সাহিত্যের  সাথে  সম্পৃক্ত  তারা কেউই  আমাদের  পূর্বসূরীদের কাতারে নেই।  নিজেকে  বোঝালাম,  কিছুই  তো জানি না। জানার চেষ্টাও করি না। এতটাই মূর্খ।  দুই পৃষ্ঠা  লিখে  নিজের  নাম প্রচারে ব্যস্ত। আমাদের নিজেদেরই কোন স্ট্যান্ডারড নেই। কোন বোধ  নেই।
বইটিতে লেখক  এক জায়গায় বলেছেন যদি স্থায়ী হতে চাও তাহলে সরল ভাষায়  লেখো। আমি যখন  বিশ্বের বিভিন্ন  দেশের কবিতা  অনুবাদ করার চেষ্টা  করেছি  তখন দেখলাম  বড়ো  কবিরা খুব  সহজ ভাষায় লিখছে। মাহমুদ  দারবিশ জীবনের  এক  গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে  সাধারণ  ভাষা নিয়ে  আসছেন।  অন্য  কবিরাও তা করছেন। বাক্যকে সহজ করে তুলছেন। পাঠককে  চিন্তা, কল্পনা এবং  প্রশ্ন করার অধিকার  দিচ্ছেন। হুলিও কোর্তাজার আবার জটিল  ভাষায় লিখছেন।  তাঁর  লেখায় প্রচুর অ্যবসারডিটি। 
তিনি চাচ্ছেন  পাঠককে আরো বেশি  মনোযোগী করে তুলতে। অনুবাদ  করতে  যেয়ে আমি দেখলাম আধুনিক  কবিদের  ভাষা সহজ হলেও এই কথাগুলিই  মনের দরোজায় দাগ কাটছে। 

এবার আসি আমাদের  তিন প্রধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়।  তারাই বাঙলা  উপন্যাসের হিসাব  পাল্টে দিচ্ছেন।  তাদেরকে  দেখানো পথেই বাঙলা উপন্যাস দিক খুঁজে  নিচ্ছে।  বাঙলা  সাহিত্যের  দিক পরিবর্তিত হচ্ছে। ব্রাত্য  অচ্ছুৎ,  পতিত ব্রাহ্মণ, একাকী isolated  সমাজ গোষ্ঠীর  কথা উঠে  আসছে। 
আমাদের  পরবর্তী  সাহিত্যের  ধারা হয়ে গেল প্রান্তিক  জনগোষ্ঠীর  জীবন।  অবশ্যই তা জানা  দরকার। এর বাইরে উল্লেখযোগ্য  আরেকটি ধারা হলো মুক্তি যুদ্ধ। 

   হুমায়ুন  আহমেদ  সাহিত্যকে মধ্যবিত্ত এর কাছে নিয়ে এসেছেন।  কেউ যদি  বাঙালি  মধ্যবিত্তকে বুঝতে  চায় তাকে হুমায়ূন  আহমেদ  পড়তে হবে। 

ব্যতিক্রমি লেখক ও যোগ্য সাহিত্যিক আছেন। তারা তাদের  চিন্তার পরিবর্তন তুলে ধরেছেন এবং  আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। 

কিন্তু আমার যেটা সমস্যা সেটা হলো বাঙলা উপন্যাসে
সামাজিক রাজনৈতিক  চিন্তার বাইরে থেকে  কেউ  সেভাবে  লিখছেন না। আমরা সোশিও পলিটিকাল  আলোচনার  থেকে বের হতে পারছি না। কিন্তু এর বাইরেও  জীবন  আছে। আমরা তার খোঁজ  নেই  না। আমাদের  লেখার প্যাটারণের বাইরে বের হতে পারছি  না।  এটা আমাদের  সাহিত্য  বলয়কে বৃহৎ  করে তুলছে না।

এই আলাপটা  হওয়া জরুরি।  আমরা কি নিজেদের একটা গন্ডিতে  লুকিয়ে  রাখছি।  লেখার ক্ষেত্রে  আমাদের  প্যাটারণ এক হয়ে যাচ্ছে। লেখার স্টাইল  এ পরিবর্তন  আসছে না। আমাদের  সমাজে যেমন প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আছে তেমনি একটি হাই ক্লাস এলিট সোসাইটি  আছে।  চলচিত্রের মাধ্যমে  আমরা তাদের  সাথে  সামান্য পরিচিত হয়েছি কিন্তু  সাহিত্যের  মাধ্যমে  নয়। 

 আমি সেদিন  মিজান  ভাই এর  সাথে  এই কথা গুলো বলছিলাম। তিনি বললেন  এখানে ক্লাসের একটা উপাদান  আছে।  এমনকি সাহিত্য  অনেক  সময় পলিটিক্স  দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।  তিনি আরো বললেন  যে সমাজের গল্প আমরা বলতে চাই  সেই সমাজ থেকেই লেখক তৈরি  করতে হবে। নয়তো আমরা ভালো লেখা  পাবো না। মিজান ভাই  বললেন নারীবাদী  সাহিত্য  লিখতে হবে নারীকেই। কয়টা পুরুষ  নারীদের  সমস্যা বোঝে। আমি পুরুষ  হিসেবে নারীর মুখ দিয়ে সংলাপ  দিচ্ছি, কিন্তু একজন নারীর সমস্যা আমি আসলে বুঝি না। নারীর সমস্যা নারী সবচেয়ে  ভালো  বোঝে।

 যাই হোক আবার পুরোনো আলোচনায় ফিরে  আসি।  দেশে বিদেশে  পড়ার পর মনে হলো আমাদের  শুধু  অনুন্নতি  হচ্ছে। আমরা নতুনরা কিছুই  পারি না। অবশ্যই আমরা মূর্খ। আমরা সমালোচনায়  ওস্তাদ  কিন্তু কাজের বেলায়  শূণ্য। 
পৃথিবী  বদলে যাচ্ছে  কিন্তু  আমরা কি যুগোপযোগী  লেখা  লিখছি? কয়েক জন  হয়ত ব্যতিক্রম। কিন্ত তারাও সংখ্যায় অল্প।   আমার মনে হয় আমরা একটা পতনের  দিকে এগুচ্ছি। আমার আলোচনায় ভুল  থাকতে পারে। তাছাড়া  আমি নিজেই এক মূর্খ। নিজেই জানি না কিছু।  ক্ষমা সুন্দর  দৃষ্টিতে  দেখবেন।  ভুল থাকলে জানাবেন।
অধমকে ক্ষমা করবেন। 

রাত  গভীর   হতে থাকে আর আমার করোটিতে প্রশ্ন জমতে থাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244415/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 21:13:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি নিজে মূর্খ। মূর্খদের মাথায় অদ্ভুত  প্রশ্ন আসবে এটাই স্বাভাবিক।  গত বছর  দেশে বিদেশে  বইটি পড়েছি। বইটি পড়ে মনে হল এখন  যারা সাহিত্যের  সাথে  সম্পৃক্ত  তারা কেউই  আমাদের  পূর্বসূরীদের কাতারে নেই।  নিজেকে  বোঝালাম,  কিছুই  তো জানি না। জানার চেষ্টাও করি না। এতটাই মূর্খ।  দুই পৃষ্ঠা  লিখে  নিজের  নাম প্রচারে ব্যস্ত। আমাদের নি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244415"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244415/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a19329b7503817090fd3de419b634701</guid>
				<title>বাংলাদেশে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুধু ২৪ এ হয় নাই। ৯০ এ ও হয়েছে। কিন্তু ৭১ শুধুমাত্র বাংলাদেশের। ৭১ কে তারাই অস্বীকার করে যারা ৭১ এর বিরোধী শক্তি। ৭১ কে ছাড়া বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নয়। অনেকে বলেন ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ মুলত শুরু হয়েছিলো ১ জুন। মুক্তি যুদ্ধে এ ধরণের রেকর্ড ও আছে যে একজন মেয়ে চুল কেটে ছেলে সেজে যুদ্ধ করেছে।
আপনি কি জানেন পাপ বাহিনী বাঙ্কারে কি করত? একটি ছোট উদাহরণ দেই। ভারতীয় সৈনিকদের হাতে ধরা পড়ার পর এক পাক সেনা বলেছিলো, জানো একটা বুলেট দিয়ে কয়টা মানুষ মারা যায়? মিত্র বাহিনীর সৈনিকেরা অবাক হয়েছিলো। ঘটনা খুব সাধারণ। বাঙ্গালিদের এক লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। তারপর পাক বাহিনীর সৈনিকেরা পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে রিভালবার নিয়ে প্রথম জনের মাথায় গুলি করতো। সেই গুলি একজনের মাথা ভেদ করে আরেকজনের মাথায় প্রবেশ করত। 
বাংলাদেশের গনহত্যা সারা পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বৃহত্তর। 
মিত্র বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী বাঙলি নারীদের বাঙ্কারে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হতো। কারণ পাক বাহিনীর অন্যতম একটি ধারণা ছিল এই বহুল ধর্ষণের পর বাঙলি জাতির রেস সিস্টেম চেঞ্জ হবে। এধরনের ঘটনা আরেকটি যুদ্ধে হয়েছিলো যা করেছিলো নাৎসি বাহিনী। মিত্র বাহিনীর অসংখ্য ইন্টার্ভিউ ইউটিউব পাওয়া যায়। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত এই গণহত্যাকে গণহত্যা  হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় আর সবার কপালে চোখ উঠে যায়।  একবার মুক্তি যুদ্ধ যাদুঘর ঘুরে আসুন। যে নিজের পূর্ব পুরুষকে চেনে না সে ভবিষ্যতেও নতুন কিছু দিতে পারবে না। 
জীবনে অনেকে আমাকে বলেছে আমি নাকি চেতনার পুজারি। অনেকে বলেছে নীতির পুরোহিত। কিন্তু রাষ্ট্রের ধারনাটাই যখন কাল্পনিক তখন চেতনা অবশ্যই প্রয়োজনীয়।
 কোন ভুল তথ্য দিলে ক্ষমা করবেন।
I repeat I don&#039;t align my self with war criminals. 
লাল সবুজের পতাকাই আমার এক মাত্র পাসপোর্ট। 

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243822/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 09:33:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংলাদেশে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুধু ২৪ এ হয় নাই। ৯০ এ ও হয়েছে। কিন্তু ৭১ শুধুমাত্র বাংলাদেশের। ৭১ কে তারাই অস্বীকার করে যারা ৭১ এর বিরোধী শক্তি। ৭১ কে ছাড়া বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নয়। অনেকে বলেন ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ মুলত শুরু হয়েছিলো ১ জুন। মুক্তি যুদ্ধে এ ধরণের রেকর্ড ও আছে যে একজন মেয়ে চুল কেটে ছেলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243822"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243822/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">82ce5c2b4f51b6b4d8bbadb8352bbe32</guid>
				<title>এই শহরের গল্প
জাকের আদিত্য

তোমার এই শহরটা তৈরি করেছিলো শ্রমিকেরা, সেলাই দিদিমণিরা। আর একদল খ্যাপাটে সৈনিকেরা। ঈশ্বরকে আমরা খুঁজে পাই নি উপাসনালয়ে। তাকে আমরা খুঁজে পেয়েছি শ্রমজীবী মানুষের আনন্দে, দুঃখে, কষ্টে, কামে এবং ক্রোধে। এবং তাদের অশ্রুতে। এই মিথ্যে কথার শহরের শত শত গল্পে। এক সময় এই শহরটা কিছু ছিল না। সেই ধুলোময় শহরটিকে ঢেলে সাজিয়েছি আমরা। যাদেরকে বিদ্রুপ করা হয়েছিলো এবং তাদের মুখের ভাষাকে কেড়ে নেয়া হয়েছিলো। মৃত লাশের সুঘ্রাণ নিতে নিতে আমাদের তৈরি করেছি আমাদের প্রিয় শহরটিকে। আমরা এই শহরের জনপদ বুঝে নিতে এসেছি আমাদের প্রাপ্য সাম্রাজ্য। আমাদের সেই সিংহাসন যা রুদ্ধ করে রেখেছিল ক্ষমতার প্রভুরা। তারা আমদের ক্ষ্যাপা বলে ছুঁড়ে ফেলেছিল। এই শহরটা কোন রাণী এসে দুইদিনে বানিয়ে দেয় নি। এই শহর গড়ে উঠেছে স্মাধারণ মানুষের ঐকান্তিক ইচ্ছায়, পরিশ্রমে। কোন ক্ষমতাবাণ প্রভুর ইশারায় এই শহর গড়ে উঠে নি। এই শহর গড়ে তুলেছি সব হারভাঙ্গা মানুষের ত্যাগে। সময় এসেছে সত্যের। ইতিহাস তুমি কথা বল। ওরা আমাদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছে, বঞ্চিত করেছে আমাদের সকল প্রাপ্য অধিকার থেকে। আমরা ফিরে এসেছি আমাদের প্রাপ্য অধিকার বুঝে নিতে। হে মহারাজ নেমে এসো আমাদের সমতলে।

বাংলাদেশ পারাদক্স
বাংলাদেশ প্যারাডক্স (Bangladesh Paradox) বলতে মূলত দেশটির উন্নয়ন ও শাসনের মধ্যকার এক অদ্ভুত ও স্ববিরোধী সম্পর্ককে বোঝানো হয়। অর্থনীতিবিদ এবং সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সাধারণত কোনো দেশের সুশাসন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব নয়, কিন্তু বাংলাদেশ এই ধারণাকে অনেকটা চ্যালেঞ্জ করেছে।

এই প্যারাডক্সের মূল বিষয়গুলো হলো:
দুর্বল শাসন কিন্তু উচ্চ প্রবৃদ্ধি: বাংলাদেশে শাসনের মান (যেমন—দুর্নীতি, দুর্বল বিচারব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা) বৈশ্বিক সূচকে নিচের দিকে থাকা সত্ত্বেও দেশটি গত কয়েক দশকে ধারাবাহিকভাবে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
সামাজিক উন্নয়ন: মাথাপিছু আয় কম থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য, শিক্ষা (বিশেষ করে নারী শিক্ষা) এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসের মতো সামাজিক সূচকগুলোতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় ভালো করেছে।
রাজনৈতিক বৈপরীত্য: ১৯৯০-এর দশকে গণতান্ত্রিক উত্তরণ শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়েছে, কিন্তু উন্নয়নের গতি তাতে থেমে থাকেনি।
আরএমজি খাতের ভূমিকা: তৈরি পোশাক (RMG) খাতের অভাবনীয় সাফল্য এই প্যারাডক্সের একটি বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা দুর্বল ব্যবসায়িক পরিবেশের মধ্যেও টিকে থেকেছে এবং উন্নতি করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মডেলটি কতদিন টেকসই হবে তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের অভাব এই ‘প্যারাডক্স’ বা উন্নয়ন মডেলে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিস্তারিত আলোচনার জন্য সেলিম রায়হান এবং অন্যদের সম্পাদিত “Is the Bangladesh Paradox Sustainable?” বইটি দেখা যেতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243684/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 02:32:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই শহরের গল্প<br />
জাকের আদিত্য</p>
<p>তোমার এই শহরটা তৈরি করেছিলো শ্রমিকেরা, সেলাই দিদিমণিরা। আর একদল খ্যাপাটে সৈনিকেরা। ঈশ্বরকে আমরা খুঁজে পাই নি উপাসনালয়ে। তাকে আমরা খুঁজে পেয়েছি শ্রমজীবী মানুষের আনন্দে, দুঃখে, কষ্টে, কামে এবং ক্রোধে। এবং তাদের অশ্রুতে। এই মিথ্যে কথার শহরের শত শত গল্পে। এক সময় এই শহরটা কিছু ছিল না। সেই ধুলোময় শহরটিকে ঢেলে সাজিয়েছি আমর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243684"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243684/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf0b7b036c5fbdf1c6bc88e4065edacb</guid>
				<title>আজ মন ভাল নেই।
জাকের আদিত্য
কিছুই আমার ভাল লাগছে না। গভীর নক্ষত্রের রাত, পূর্ণিমা সন্ধ্যা অথবা অমাবস্যার অন্ধকার। ভাল লাগছে না জোনাকের দল অথবা গ্রামের মহল্লায় এক সাথে বেজে ওঠা জিকিরের ধ্বনি। সবকিছুই আমার নিরর্থক মনে হচ্ছে। খাবার ভাল লাগছে না, না ভাল লাগছে প্রেমিকার সতেজ যৌবন। আমার কবিতায় সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, জীবনের বিশালতা আমাকে আজ স্পর্শ করছে না। এমনকি এতো সাধের মুক্ত বাজার অর্থনীতি, গণতন্ত্র ভাল লাগছে না। জানি না কেন ভাল লাগছে না । আমার এখন একটাই ইচ্ছে আমি এক বৃদ্ধ বটের গাছের ঝুড়ির আড়ালে নিজেকে নির্বাসিত করবো এবং সকল খেলার অবসান ঘোচাবো। প্রয়োজনে আমিই হবো নিষ্ঠুর। কৃষ্ণের বাঁশির যাদুতে রাধাকে পাগল করে বলব তোমাকে আমার ভাল লাগছে না। আমি বেঁচে আছি অবিশ্বাসে, বন্দিত্বে, হতাশায়। এক সময় মুক্তির স্বপ্ন দেখতাম আজো তা বাস্তব হল না। না, না, কিছুই আমার ভাল লাগছে না।আমার সকল স্বপ্ন ভেষে গেছে আমার অপার্থিব দুঃখে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243330/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 09:36:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>
আজ মন ভাল নেই।<br />
জাকের আদিত্য<br />
কিছুই আমার ভাল লাগছে না। গভীর নক্ষত্রের রাত, পূর্ণিমা সন্ধ্যা অথবা অমাবস্যার অন্ধকার। ভাল লাগছে না জোনাকের দল অথবা গ্রামের মহল্লায় এক সাথে বেজে ওঠা জিকিরের ধ্বনি। সবকিছুই আমার নিরর্থক মনে হচ্ছে। খাবার ভাল লাগছে না, না ভাল লাগছে প্রেমিকার সতেজ যৌবন। আমার কবিতায় সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, জীবনের বিশালত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243330"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243330/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f014c0478cc7e57ff26c739373d7e511</guid>
				<title>আমি খেরোখাতা লেখার সময় কিছু  সিদ্ধান্ত  নিয়েছিলাম, এখানে  সেটাই  জানাচ্ছি।  আমাদের জীবন  লিনিয়ার  প্যাটার্ণে চলে না। একই ঘটনার বিভিন্ন  নেরেটিভ দেয়ার প্রবণতা  আমাদের  স্বভাব। তাই  আমি লিনিয়ার  বর্ণনায় যাই নি। আমরা সবাই  একই শহরে একই আকাশের  সমতলে  থাকি, কিন্তু কেউ কাউকে  চিনি না। আমার বই এর নায়ক  নায়িকারা সাধারণ এবং  যান্ত্রিক  জীবনে তারা আইসোলেটেড।  একটা সাধারণ  কেরানির চাকরি তাদের বাধ্য করে নিজেদের  অস্তিত্ব  নিয়ে প্রশ্ন করতে। তারা এই ধারাবাহিক  আ্যবসারড জীবনে জীবনের  অর্থ  খুঁজছে।  স্বপ্ন দৃশ্যের বর্ণনা আমি দিয়েছি কারণ আমার মনে হয় একজন মানুষকে  জানতে হলে তার স্বপন গুলোও জানতে হবে। এই নাগরিক  মানুষেরা নিজেদের অস্তিত্বকে জানতে চায়। আশ্রয়  নেন গ্রামের  সৌন্দর্যে।  তারা না পারে চাকরি  জীবনের আ্যবসারডিটিকে গ্রহণ  করতে আবার না পারে গ্রামের  সাধারণ  মানুষের  সাথে মিশতে। পুঁজিবাদী সমাজ মানুষকে  করেছে বিচ্ছিন্ন  এবং  একাকী।  একই আকাশের সমতলে  প্রত্যেক একা, নিজের মতো। তাদের মধ্যে  আছে এক অদ্ভুত  অস্তিত্ববাদী সঙকট। তাদের মধ্যে আছে  স্পিরিচুয়াল এম্পটিনেস। তারা নিজেদের জীবন এর অর্থ জানতে চায়। তাই কবি গালিবের লেখায় ফুটে ওঠে  প্রাচীন  এক  আরজ  কবির জীবন। গালিবদের মতো তারাও খুঁজেছিলো জীবনের অর্থ। আমার লেখায়  মৃত্যুর  গল্প আছে। আমি নিজের জীবনে মৃত্যু  দেখেছি।  হাসপাতালের  আই সি ইউতে অসহায় রাত যাপন করেছি। খেরোখাতা  বক্তব্য  নির্ভর  নয় বরং  নায়ক নায়িকাদের  মনের ওপর নির্ভরশীল। তাই এখানে  পাঠকের  নিজের মতো করে চিন্তা করার জায়গা আছে। আমি  লিনিয়ার  লাইনে লিখি নি। আমি চেয়েছিলেন  পাঠক যেনো বারবার পড়ে খেরোখাতা কে অনুভব  করার চেষ্টা  করে। খেরোখাতায়  আমি প্রধান  চরিত্রটিকে হত্যা করেছি। কারণ মৃতই স্বাভাবিক।  আমরা মৃত্যুকে স্বাভাবিক  চোখে দেখি না। কিন্তু আসল অলৌকিকতা জীবনে, মৃত্যুতে নয়।আমি স্বপ্ন , বাস্তবতা  সবকিছু ই আনার চেষ্টা  করেছি।  এবং  সত্য হলো উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কে হত্যা করতে আমার নিজের অনেক কষ্ট  হয়েছে। কারণ এক বছর ধরে লেখা উপন্যাসটি আমার অস্তিত্বের  সাথে মিশে ছিল। 
খেরোখাতার দুর্বল  দিক যেটি তা হলো নারী চরিত্রের সমপূর্ণতার বিষয়টি। এবং  সংলাপের  দূর্বলতা। এটা আমি স্বীকার  করি। খেরোখাতার অনেক দৃশ্যই বাস্তব। নিজের অভিজ্ঞতা  থেকে লেখা। 
আমার নিজের জানাশোনা,  বই পড়ায় প্রচুর  ঘাটতি আছে। লেখক  হিসেবেও আমি অপরিপক্ক।  কিন্তু এই উপন্যাসটির সাথে আমার জীবন  মিশে আছে। পড়ে দেখার  আমন্ত্রণ রইলো।  হয়তো ভালো  হয় নি। কিন্তু লেখার কাজটা আমার কাছে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার মতোই জীবন  এর একটি  দিক। 
আমার লেখা বই গুলি পাবেন রকমারি ডট কমে।
সকলের জন্য  শুভকামনা। 
জাকের  আদিত্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242346/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 11:17:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি খেরোখাতা লেখার সময় কিছু  সিদ্ধান্ত  নিয়েছিলাম, এখানে  সেটাই  জানাচ্ছি।  আমাদের জীবন  লিনিয়ার  প্যাটার্ণে চলে না। একই ঘটনার বিভিন্ন  নেরেটিভ দেয়ার প্রবণতা  আমাদের  স্বভাব। তাই  আমি লিনিয়ার  বর্ণনায় যাই নি। আমরা সবাই  একই শহরে একই আকাশের  সমতলে  থাকি, কিন্তু কেউ কাউকে  চিনি না। আমার বই এর নায়ক  নায়িকারা সাধারণ এবং  যান্ত্রিক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242346"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242346/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3359f65495fd657ea1c2de6c9ea7f99a</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and চিন্তাতরঙ্গিনী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241074/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 17:15:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f801188c95d83973676228afe585e7a</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and রবিউল আলম মাজেদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240746/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 17:03:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">957055e5677522eae2f8d97a14e125f3</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and রাইহান খালিদার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240633/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 17:16:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">32f813c45775a01d67bd0b1408aab666</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and JAKIUL ANTO are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240071/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 09:59:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c78248ad1df0471c947f80eae3916c0c</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and ভাস্কর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239792/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Mar 2026 03:51:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c0b637206a37fdaec567bee3096fa466</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Shafi Hoque are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239779/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 20:34:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">60381f35b0d10fea3bdf7c22a9f6fdcd</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Abcde gh. are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239695/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 11:45:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4cfc64a7d8d7beee5ebf5efc1af4b0aa</guid>
				<title>নির্জন স্বাক্ষর

এবং সেই পরিচিত রাত......
গভীর অরণ্যের ছায়া বুকে নিয়ে আমি ফিরে আসি এই পরিচিত নগরে...
সবুজের অরণ্য থেকে সেই নিত্য দিনের ইট, কাঠ, কনক্রিটের শহরে।
চোখটা শুধুই পুড়ে পুড়ে যায়।
আমার তিন দশকের ইতিহাস স্মৃতি হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই শহুরে গলি পথে।
একদিন যে কিশোর নতুনের আহবানে ঘর ছেড়েছিল,
আজো সে ঘরে এসে বুঝতে পায় সে- তার আর ঘর ফেরা হয় নি।
এক আকাশ তারাদের স্বাক্ষী রেখে অন্নত নক্ষত্রবীথির
জলতিথি গানের আসর তার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা। 
নিরর্থকতার বিপুল আয়োজনে এই একাকী পথ চলা, উন্নত অক্ষরে নিজের স্বাক্ষর রেখে যাওয়াই 
তার একমাত্র অর্থময়তা- আলো আধারির প্রহেলিকায় একমাত্র আলোড়ন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237495/</link>
				<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 05:29:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নির্জন স্বাক্ষর</p>
<p>এবং সেই পরিচিত রাত&#8230;&#8230;<br />
গভীর অরণ্যের ছায়া বুকে নিয়ে আমি ফিরে আসি এই পরিচিত নগরে&#8230;<br />
সবুজের অরণ্য থেকে সেই নিত্য দিনের ইট, কাঠ, কনক্রিটের শহরে।<br />
চোখটা শুধুই পুড়ে পুড়ে যায়।<br />
আমার তিন দশকের ইতিহাস স্মৃতি হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই শহুরে গলি পথে।<br />
একদিন যে কিশোর নতুনের আহবানে ঘর ছেড়েছিল,<br />
আজো সে ঘরে এসে বুঝতে পায় সে- তার আর ঘর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237495"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237495/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a27882cb6264d488dd4671ef6f9afae</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Anik Uddin are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237220/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 10:30:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f055d44578326662da678ed329988dc8</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and নাজমুল হক জুয়েল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236868/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jan 2026 19:41:13 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">59bb0c12c803680013dc0107f391e4a8</guid>
				<title>ইকারুসের যাত্রা 

আচ্ছা, সমাজের পরিবর্তন হয় কখন? অনেকে মনে করে মানুষ  জেগে উঠলেই সমাজের পরিবর্তন  সম্ভব।  কিন্তু সমাজ মূলত পরিবর্তিত  হয়  প্রযুক্তির  কল্যাণে। মানুষ  যখন আগুনের ব্যবহার শিখলো তখন তার খাদ্যাভাসে পরিবর্তন  আসলো। বিবর্তিত  হলো তার মস্তিষ্ক।  আগুনের  ব্যবহার প্রযুক্তির  প্রথম  সূচনা। যখন সে বিশ হাজার বছর আগে জঙলি ঘাস জাতীয়  উদ্ভিদ  যেমন গম, যব, বার্লি, ধানকে গৃহপালিতকরণ করতে শিখলো তখন নদী গুলোর পাশে গড়ে  উঠলো কৃষি  সভ্যতা।  ছয় হাজার বছর আগে  ভাষা এবং  গণিতকে, বর্ণমালা এবং  প্রতীকের  মাধ্যমে  উপস্থাপন  করার প্রযুক্তি আবিষ্কার  মানুষকে  প্রাচীন সভ্যতা তৈরিতে সাহায্য  করেছিলো। যদিও  তা বার্লির হিসাব  রাখার প্রয়োজনীয়তার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।  কিন্তু লিখিত  বর্ণমালা তাকে এক ধাক্কায় অনেকটা  এগিয়ে  দিলো। এক প্রজন্মের  অর্জিত তথ্য  সহজেই  পৌঁছে  গেলো ভিন্ন প্রজন্মে। তার বিশ্বাস বংশ পরম্পরায়  প্রবাহিত  হলো। সভ্যতার সূচনা হলো। পরবর্তীতে  সব প্রজন্মেই আমরা দেখবো বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তি  মানুষের  সমাজকে বদলে দিচ্ছে। হোক সে টেলিস্কোপ, স্টিম ইন্জিন বা পেনিসিলিন।  মাত্র সোয়াশো বছর আগে তার গড় আয়ু ছিলো মাত্র চল্লিশ  বছর।  সে বাস করতো বিচ্ছিন্ন  নগরগুলোতে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তাকে পরিণত করেছে  আধুনিক  মানুষে। সমাজতন্ত্র  থেকে গণতন্ত্র  সবকিছুই  সম্ভব  হয়েছে বিজ্ঞান  ও  প্রযুক্তির কারণে।  এবং  এই বিজ্ঞান  ও  প্রযুক্তিই তার ভবিষ্যৎ  নির্মাণ  করবে। তৈরি  করবে নতুন সমাজ। 

আমরা এক অপূর্ব  সময়ে বাস করছি। এখন তথ্য সবচেয়ে  সহজলভ্য যে কোন অতীতের  থেকে। গবেষণার  ক্ষেত্র সবচেয়ে  অনুকূল  অতীতের  থেকে।  আমাদের  প্রযুক্তি  আমাদের  সাধারণ  জীবন  গ্রাস করেছে। কৃত্রিম  বুদ্ধিমত্তা  ভবিষ্যতের সমাজ নির্মাণে বিশাল ভূমিকা  রাখবে। বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তিকে আমরা আর অস্বীকার  করতে পারি না। কারণ এই লেখাটাই  লিখছি  মুঠোফোনে বাইনারি  কোডে যা সাধারণ  মানুষ  ত্রিশ  বছর  আগেও কল্পনা  করতে  পারে নি। ভবিষ্যত পৃথিবীর  রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি সবকিছুই  নির্ধারিত হবে  প্রযুক্তির  মাধ্যমে। 

দুর্বিনীত  ইকারুস  ভবিষ্যতের সূর্যকে ছুয়ে দেখার যাত্রায়। প্রমিথিউসের অগ্নি  শিখায় সে প্রদীপ্ত। অলিম্পাসের প্রবীণ দেবতাদের পায়ের ভিত কেঁপে  উঠেছে।  সময়ই বলে দেবে ইকারুস  কি সূর্যকে অতিক্রম  করে আরো বিস্তীর্ণ  মহাকাশে এগিয়ে  যেতে পারবে কি না?

সত্যরে লও সহজে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236695/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 09:34:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইকারুসের যাত্রা </p>
<p>আচ্ছা, সমাজের পরিবর্তন হয় কখন? অনেকে মনে করে মানুষ  জেগে উঠলেই সমাজের পরিবর্তন  সম্ভব।  কিন্তু সমাজ মূলত পরিবর্তিত  হয়  প্রযুক্তির  কল্যাণে। মানুষ  যখন আগুনের ব্যবহার শিখলো তখন তার খাদ্যাভাসে পরিবর্তন  আসলো। বিবর্তিত  হলো তার মস্তিষ্ক।  আগুনের  ব্যবহার প্রযুক্তির  প্রথম  সূচনা। যখন সে বিশ হাজার বছর আগে জঙলি ঘাস জাতীয়  উদ্ভিদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236695"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236695/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2503654bd6fe06db43d3a2b41dff68da</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236671/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 06:20:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6350f74bd228278d4748c065e3538e21</guid>
				<title>সত্যকথন

আমি  বেঁচে  আছি। কাম, ক্রোধ, কামনা, বাসনা, লোলুপ ভালোবাসা, প্রেম, ঘৃণা এবং  সকল মহৎ ও ক্ষুদ্র  অনুভূতি এবং  অনুভব  নিয়ে  বেঁচে  আছি।  সকল পাপ ও পুণ্যের পৃথিবীতে আমার অস্তিত্বের  স্বর তীব্র  দাম্ভিক  উচ্চারণে  জানান দিয়েই বেঁচে  আছি।  জীবনের মোহ আমি উপেক্ষা  করতে পারি নি। আমার ভালো লাগে নিরলস আলস্য, আমার ভালো লাগে সবাইকে  পরাজিত  করে জিতে যাবার আনন্দ।  আবার সবকিছু  জুয়ার আসরে  বাজি রেখে হেরে যাওয়া সর্বহারা  আমি ধার করে নিয়ে আসা শেষ পাইটি নিয়ে দাঁতে  দাঁত  চেপে জুয়ার আসরে ফিরে যেতে যেতে একরোখা  উত্তেজনার আনন্দ উপভোগ  করি।

আকাশ আমার বড় প্রিয়। ইকারুসের ডানায় ভর করে আমি ছুঁতে  চাই অনন্ত নক্ষত্ররাজি। আমার তীব্র  উচ্চাকাঙ্খা  আমাকে করেছে দুর্নিবীত। উচ্চাকাঙ্খার আকাঙ্খা  আমাকে একটা আপোষহীন, গোঁয়ার  যন্ত্রে পরিণত করেছে। ব্যর্থতা আমাকে হতাশা এনে দেয়। আমি আবার শূণ্য  থেকে শুরু করি। উপেক্ষায় আড়ালে রাখি লীলাবতীর দুঃখ। সাফল্য আমাকে আনন্দের পর নিয়ে যায় নির্রথকতায়। সবকিছু  শূণ্য  মনে হয়। প্রার্থনার সকল সময় শূণ্য  মনে হয়, সকল শ্রম পন্ড মনে হয়। তারপর আমি ঘরের দরোজা  বন্ধ করে নিকোটিন বন্ধু  করে অবসর অনুভব করি। আমার উচ্চাকাঙ্খা  আমাকে  নতুন সৌরলোকের স্বপ্ন দেখায়। আমি নিজেকে প্রস্তুত করি শাণিত  ছুরির মতো। আমি বাস্তবতা, নশ্বরতাকে অতিক্রম  করার প্রবল দৈব অভিশাপ ও অভিলাসে একাকী পুড়তে থাকি। 

হঠাৎ  অনুভব করি হাতের আঙুলে গরম আলোরণ। নিকোটিন ছুড়ে  ফেলি। ঘরের জানালায় চোখ  রাখি। বাইরের  পৃথিবীতে  হয়তো দুঃখ,  জড়া, যুদ্ধ, মৃত্যু। কিন্তু এই চার দেয়ালের ঘরটাই হয়তো মহাবিশ্বের  একমাত্র  বাস্তবতা। বাইরের পৃথিবীর জৈবিকতা হয়তো ছায়ার মতো অলীক বাস্তবতা।

মৃত্যুকে আমি একই সাথে ঘৃণা করি আবার ভালোবাসি। হয়তো মৃত্যুর  পর এই ভাষার বুননে আমি বেঁচে  থাকতে পারি কয়েক সহস্রাব্দ। সম্পূর্ণ  ভিন্ন মানুষের মননে। 

তারপর আমার মনে পড়ে মাতৃগর্ভের কোন স্মৃতিই আমার মনে নেই। মৃত্যুর  পরও হয়তো  কোন কিছুর প্রয়োজন হবে না, মনে থাকবে না। ভাবনার বুনণে যে অমরত্বের  ছবি আমি আঁকছি  তা হয়তো শূণ্য  হবে যেদিন  আর একটাও জীবিত  মানুষ  থাকবে না পৃথিবীতে অথবা যখন এই গোলাকার গ্রহটি অগ্নিপিন্ডে পরিণত হবে। কিন্তু এই অর্থহীন ভাবনা এবং  নির্রথক অস্তিত্ব  আমাকে তীব্র  আনন্দ  দিচ্ছে। যেন মহাকালের এক নির্রথক আলোকছটা। তবু আমি হাসছি, নতুন করে ভালোবাসছি। কি অদ্ভুত  জীবনের এই আলোড়ন। এখানেই হয়তো নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের শুরু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236650/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 19:47:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সত্যকথন</p>
<p>আমি  বেঁচে  আছি। কাম, ক্রোধ, কামনা, বাসনা, লোলুপ ভালোবাসা, প্রেম, ঘৃণা এবং  সকল মহৎ ও ক্ষুদ্র  অনুভূতি এবং  অনুভব  নিয়ে  বেঁচে  আছি।  সকল পাপ ও পুণ্যের পৃথিবীতে আমার অস্তিত্বের  স্বর তীব্র  দাম্ভিক  উচ্চারণে  জানান দিয়েই বেঁচে  আছি।  জীবনের মোহ আমি উপেক্ষা  করতে পারি নি। আমার ভালো লাগে নিরলস আলস্য, আমার ভালো লাগে সবাইকে  পরাজিত  করে জিতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b11300ab72bd8a9c86d5f68e2fa3797e</guid>
				<title>মৃত্যু উপত্যকায়  চার দিন
জাকের আদিত্য 

এখানে সব সম্ভব। 
প্রেম, কবিতা অথবা মৃত্যু। 
শীতল রক্তের আততায়ী  দিন গুনছে,
ঘড়ির  কাঁটায় বারোটা বাজলেই তোমার করোটি ছেদ করবে একটি  হিমশীতল  বুলেট।
এখানে  সব  সম্ভব।
ধর্ম,  বিশ্বাস  অথবা মৃত্যু। 
সময় হলেই  ভুল বাহানায় জ্বালানো হবে তোমার জীবন্ত চিতা।
এখানে  সব সম্ভব।
অহংকার , ইতিহাস  অথবা মৃত্যু। 
মৃত্যুর  বিনিময়  প্রথায় ভুলে যাওয়া  মাস দেড়েক আগের 
আরো একটি ব্যর্থ অভ্যুদয়। 
বিশ্বাস  করুন  সকালে অফিসের  কথা বলে বের হওয়া  আপনি ফিরে নাও আসতে পারেন।
আপনার মেয়ে গানের স্কুল  থেকে হতে পারে নিখোঁজ। 
আপনার ছেলের লাইব্রেরি  পুড়ে যেতে পারে বাগদাদের পাঠাগারের মতোন।
আপনার স্ত্রী  হারাতে পারে সম্ভ্রম  আপনার সামনেই। 
আপনি হয়তো আমার লাশ বহন করবেন।
আমি হয়তো আপনার শবের খাটিয়া। 
কিন্তু  এখানে সব সম্ভব, মৃত্যুর  মতো সাধারণ। 
শুধু  সম্ভব  নয় জীবন এবং  মানুষের  মতো বেঁচে  থাকার  অধিকার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236367/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 15:50:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মৃত্যু উপত্যকায়  চার দিন<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>এখানে সব সম্ভব।<br />
প্রেম, কবিতা অথবা মৃত্যু।<br />
শীতল রক্তের আততায়ী  দিন গুনছে,<br />
ঘড়ির  কাঁটায় বারোটা বাজলেই তোমার করোটি ছেদ করবে একটি  হিমশীতল  বুলেট।<br />
এখানে  সব  সম্ভব।<br />
ধর্ম,  বিশ্বাস  অথবা মৃত্যু।<br />
সময় হলেই  ভুল বাহানায় জ্বালানো হবে তোমার জীবন্ত চিতা।<br />
এখানে  সব সম্ভব।<br />
অহংকার , ইতিহাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236367"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236367/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be1522a424f5c82a485490033f6f54e6</guid>
				<title>শীতের রাত এক বুক নিঃসঙ্গতা নিয়ে আসে। 
স্মৃতির মতই আবছায়া কুয়াশার চাদরে তোমার মায়া মাখা মুখ কেমন শিশিরের মতো মিশে থাকে। 

এসব শীতের রাতে আগুনের ওম গায়ে মেখে মেখে আমরা হারিয়ে যাই এইসব আলো ছায়া, বিষণ্ণ শীতের ভাঙা গড়া নগরে।    
।।নস্টালজিয়ার গন্তব্যে।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236045/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 18:25:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শীতের রাত এক বুক নিঃসঙ্গতা নিয়ে আসে।<br />
স্মৃতির মতই আবছায়া কুয়াশার চাদরে তোমার মায়া মাখা মুখ কেমন শিশিরের মতো মিশে থাকে। </p>
<p>এসব শীতের রাতে আগুনের ওম গায়ে মেখে মেখে আমরা হারিয়ে যাই এইসব আলো ছায়া, বিষণ্ণ শীতের ভাঙা গড়া নগরে।<br />
।।নস্টালজিয়ার গন্তব্যে।। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">471e8dc61cef5824351abeb767b4a46e</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Anika are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235879/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 16:42:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c789e519f96bc1a2211e002a0bab5c0</guid>
				<title>ঘুম ভেঙে  জেগে  থাকা  সূর্যের নির্লজ্জ  আলোয় পৃথিবী  কী করুণ, দিগভ্রান্ত, ভিখিরির মতো নিঃস্ব। রোদের  তির্যক প্রখর  আলোতে; মানবের গত রাতের ক্লেদ মাখা  কাম, ক্লান্তির লোল, নিরাশার লালসা লুকিয়ে  অর্থহীনতায় বেমালুম  ছুটে চলা। কি অবশ্যম্ভাবি নিরর্থকতা চারপাশে-  আশাহীন লুটোপুটি  খায় ধুলোধরার সাধারণ  জৈবিক  পৃথিবীতে। 
।।সকালের প্রথম  চেতনা।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235816/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 17:05:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘুম ভেঙে  জেগে  থাকা  সূর্যের নির্লজ্জ  আলোয় পৃথিবী  কী করুণ, দিগভ্রান্ত, ভিখিরির মতো নিঃস্ব। রোদের  তির্যক প্রখর  আলোতে; মানবের গত রাতের ক্লেদ মাখা  কাম, ক্লান্তির লোল, নিরাশার লালসা লুকিয়ে  অর্থহীনতায় বেমালুম  ছুটে চলা। কি অবশ্যম্ভাবি নিরর্থকতা চারপাশে-  আশাহীন লুটোপুটি  খায় ধুলোধরার সাধারণ  জৈবিক  পৃথিবীতে।<br />
।।সকালের প্রথম  চেতনা।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">23b37c98b08a0d880869f724ccd42d5c</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Hujaifa Muhammad are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235296/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 07:26:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dcfa2bc70a59751ac06e669aa2eb61ec</guid>
				<title>আনমনে... অপেক্ষায়... 

এখন গভীর রাত। বাইরে নিস্তরঙ্গ নির্জনতা। সারাদিনের কামে ক্রোধে অসুখে ভোগা এই প্রাচীন শহর এখন একটা কালো কুকুরের মতো ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি জানালা খুলে দেখি বাইরে বৃষ্টির ঘ্রাণ। অনেক ওপরের আকাশে চক্রাকারে জমে ওঠে ক্রুদ্ধ মেঘদল। দূরবর্তী দিগন্তে লাল, নীল, বেগুনি বিদ্যুৎছটা। বৃষ্টি আসবে। আমি জ্বলন্ত নিকোটিনে শেষ টান দিয়ে সিগারেটের মোথাটা বাইরে ছুঁড়ে ফেলি। টুপ, টুপ করে উপরের আকাশ থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় বৃষ্টির জল শিশিরের মতো নেমে আসছে। পাশের বাসার বারান্দায় ভেসে আসে কোন এক রমনীর জমাট বাঁধা দুঃখ বিলাপ। নিচের তলায় কেউ একজন বলে, পানি। আমি জানালাটা হালকা ভেজিয়ে এই গাঢ় অন্ধকারের বিছানায় শুয়ে পরি। শীতল বাতাসে ভেসে যায় আমার ঘর। ঘরটা যেন এখন এক জাহাজের ভাসমান কামরা। আমি আরেকটা সিগেরেট ধরাই। এই সব আঁধারের মাঝে লাল স্ফুলিঙ্গ দব দব করে ওঠে। আমি চোখ বুজে অনুভব করি আমার একাকীত্ব। একা...এখানে এত ভিড়ে কেমন একা! আমার মনে হয় আজ হাওয়ারা ভাসিয়ে নিয়ে যাবে, বৃষ্টির জ্বলে প্লাবিত হবে নূহের সিনাই পর্বত। আমি চোখ বুজে ভাবি। ভাবি জঠরের স্মৃতি। সেখানে অন্ধকার। গাড় অন্ধকার। আমার আঁধার মনে হঠাৎ একটা দ্বীপ শিখা জ্বলে ওঠে। তার পর একে একে তেরোটি পিদিম। সেই পিদিমের আলোতে কার মুখ দেখা যায়? লাল পাড়ের শাদা শাড়িতে সে এখনো এক গুচ্ছ পিদিমের সামনে বসে থাকে একা। আনমনে... অপেক্ষায়...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234700/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 21:23:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আনমনে&#8230; অপেক্ষায়&#8230; </p>
<p>এখন গভীর রাত। বাইরে নিস্তরঙ্গ নির্জনতা। সারাদিনের কামে ক্রোধে অসুখে ভোগা এই প্রাচীন শহর এখন একটা কালো কুকুরের মতো ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি জানালা খুলে দেখি বাইরে বৃষ্টির ঘ্রাণ। অনেক ওপরের আকাশে চক্রাকারে জমে ওঠে ক্রুদ্ধ মেঘদল। দূরবর্তী দিগন্তে লাল, নীল, বেগুনি বিদ্যুৎছটা। বৃষ্টি আসবে। আমি জ্বলন্ত নিকোটিনে শেষ টান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234700"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234700/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">61fa0924b4b4f46bee2a9c6e09fc45ae</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234151/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 15:08:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4dfa5ce52c87fe027982f29c3c3567ce</guid>
				<title>০৮ অক্টোবর@ মৃত্যুর যাত্রী

গত রাতে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমি অনুভব করলাম-
একাকীত্ব।
সমগ্র মহাবিশ্বে আমি একা, একটি একক সত্ত্বা,
চরাচরে কেউ নেই। 
শুধুই অন্ধকার।
আমার হাতে সময় আছে একটি বার্তা পাঠানোর।
প্রথমেই আমার মনে পড়ল একটি প্রিয় মুখ, যাকে ভালোবাসি-
তারপর মনে হল বিষয়টা হবে ছেলে মানুষী।
আমার পিতা জীবন যুদ্ধে পরাজিত তাই তার কথা আমার মনে পড়ে নি।
কারণ সে যুদ্ধাহত, অবসরে আছে।
আমার দুখিনী মায়ের কথা আমার মনে পড়ল-
কিন্তু তাকে আর দুঃখ দেয়া ঠিক হবে না।
আমার বোনের স্মৃতি ভেসে উঠলো-
কিন্তু সে তখন অনেক দূরে।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমার হঠাৎ মনে পড়ল- আমি দীর্ঘ দিন 
একটা একাকী ক্লান্তিকর জীবন বয়ে বেড়াচ্ছি।
আমার স্রষ্টার কথা মনে পড়ল- জানি না তাকে কি বলব!
তখন আমি দাঁতে দাঁত চেপে মৃত্যুর চোখে চোখ রাখলাম।
এবং আরেকবার মৃত্যুকে প্রতারিত করে আমি আমার বদ্ধ কারাগারে ফিরে এলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233856/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 19:35:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>০৮ অক্টোবর@ মৃত্যুর যাত্রী</p>
<p>গত রাতে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমি অনুভব করলাম-<br />
একাকীত্ব।<br />
সমগ্র মহাবিশ্বে আমি একা, একটি একক সত্ত্বা,<br />
চরাচরে কেউ নেই।<br />
শুধুই অন্ধকার।<br />
আমার হাতে সময় আছে একটি বার্তা পাঠানোর।<br />
প্রথমেই আমার মনে পড়ল একটি প্রিয় মুখ, যাকে ভালোবাসি-<br />
তারপর মনে হল বিষয়টা হবে ছেলে মানুষী।<br />
আমার পিতা জীবন যুদ্ধে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233856"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233856/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d1cf327a22ec64cb90170c7283d170ef</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Diponkor Sharma Partho are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233536/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 05:01:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa273819df138fbb625caa95402da063</guid>
				<title>অপার্থিব বরষায় স্বপ্নভঙ্গ

একটি  দোতলা বারান্দায়  দাঁড়িয়ে  দেখি কীভাবে  অপরের অশ্রু  বৃষ্টির মতো ঝরে  যায়। অতীতের  হ্যালোজেন ল্যাম্পের সুরিয়াল আলোর- আর কোন অবশেষ নেই।  ল্যাম্পপোস্টের স্বচ্ছ  শাদা আলোয় কেটে যায়  অতীতের স্বপ্ন ভঙ্গের  স্বপ্ন  ঘোর।  কাকভেজা বরষায় ভিজে যায় এই স্বচ্ছ  সরল,  করুণ  শহর। আমি ঘরের দরোজাটা আটকে দিয়ে  ফিরে  যাই ওই অপার্থিব  জাদু বাস্তবতার পৃথিবীতে।  বাইরের ক্ষুধার্থ শহর এক পেট ক্ষুধা  নিয়ে কালো কুকুরের  মতো ভিজে যায়। ল্যাম্প পোস্টের  স্বচ্ছ  শাদা  আলোয়  আর কোন অস্পষ্টতা  নেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233470/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 20:07:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপার্থিব বরষায় স্বপ্নভঙ্গ</p>
<p>একটি  দোতলা বারান্দায়  দাঁড়িয়ে  দেখি কীভাবে  অপরের অশ্রু  বৃষ্টির মতো ঝরে  যায়। অতীতের  হ্যালোজেন ল্যাম্পের সুরিয়াল আলোর- আর কোন অবশেষ নেই।  ল্যাম্পপোস্টের স্বচ্ছ  শাদা আলোয় কেটে যায়  অতীতের স্বপ্ন ভঙ্গের  স্বপ্ন  ঘোর।  কাকভেজা বরষায় ভিজে যায় এই স্বচ্ছ  সরল,  করুণ  শহর। আমি ঘরের দরোজাটা আটকে দিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233470"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233470/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d2da6c445178827122e0a2779b43daf</guid>
				<title>একটা জীবন@ লীলা

আমি এক অভুক্ত কিশোর। সারাটা দুপুর একলা কেমন কেটেই গেলো। কেউ জানে না, কেউ বোঝে না। সারাটা রাত না ঘুমিয়ে ঘুমের ঘোরে পেরিয়ে গেলো। কেউ দেখে না, কেউ জানে না। সারাটা জগত ঘুরে এসে  এলাম নীলকান্ত মণি নিয়ে। তবু তার মন ভরে না, মনে পড়ে না। শ্মশান জুড়ে পুড়ল শুধু আমার হৃদয়। প্রতীক্ষাতে পার হল একলা থকার দেড়শো বছর। তবু সে আজ অবধি মনের ভুলে, মনের খবর- জানলো  না। বন্ধু আমার বন্ধু হল না। 
এই একটা জীবন, একলা জীবন ছন্ন ছাড়া কেটেই যাবে। তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন নিয়ে রাত গুলো সব একাই রবে। আর কোনদিন কাছে রবে না। না হয় থাকলে অতি দূরে- ঐ সুদূর, আলোক তারার নীহারিকা। আমি তবু কাঁদবো না। মন খারাপের মন খারাপ হলে- কারো কিছুই আসবে না, যাবে না। বন্ধু আমার বন্ধু হবে না।  
এই একটা জীবন  এমনভবেই হেলায় ফেলায় সুখ দুখেরই অভিনয়ে, ঘুমের ঘোরে একা কেঁদে কেটেই যাবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233083/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Sep 2025 17:14:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটা জীবন@ লীলা</p>
<p>আমি এক অভুক্ত কিশোর। সারাটা দুপুর একলা কেমন কেটেই গেলো। কেউ জানে না, কেউ বোঝে না। সারাটা রাত না ঘুমিয়ে ঘুমের ঘোরে পেরিয়ে গেলো। কেউ দেখে না, কেউ জানে না। সারাটা জগত ঘুরে এসে  এলাম নীলকান্ত মণি নিয়ে। তবু তার মন ভরে না, মনে পড়ে না। শ্মশান জুড়ে পুড়ল শুধু আমার হৃদয়। প্রতীক্ষাতে পার হল একলা থকার দেড়শো বছর। তবু সে আজ অবধি মন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233083"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233083/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>