<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/md-zaker-hayat-khan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/md-zaker-hayat-khan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ].</description>
	<lastBuildDate>Mon, 07 Sep 2026 03:50:50 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">2686b4d2921a37c9dbd0ca941cff6b7d</guid>
				<title>চিঠি 

জাকের আদিত্য 

বন্ধু,  
আকাশ  জুড়ে  ক্রুদ্ধ  মেঘদল গর্জন  করছে। হয়তো আর কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি  হবে। একটা  সময়  ছিলো যখন বৃষ্টি  দেখলেই  আমি ঘর ছেড়ে  বেরিয়ে পড়তাম। বৃষ্টির সাথে  আমার দীর্ঘ দিনের সখ্যতা। 
অথচ  আজ কেমন এক নিরানন্দ ক্লান্তি।  আসলে দীর্ঘ দুই দশকের বাস্তবতায় আমি ক্লান্ত। আমি চাই ঘুমাতে, গভীর নিরবিচ্ছিন্ন  ঘুম।  মাতৃজঠরে যে রকম ঘুমিয়ে থাকে সন্তান অথবা কবরের অন্ধকার  যেভাবে  চিরশায়িত আমার সর্বপিতা। 
কিন্তু  ঘুম তো আমি  হারিয়েছি দুই  দশক আগে। কতো কিছু  হারিয়েছি। যেমন ধর চোখের  জল। প্রাপ্তি যে নেই  তা নয়। শুধু  হারানোর  কথা  বলবো কেন? প্রাপ্তির কথাও বলতে হবে। আমার খুব  ছোট ছোট যে স্বপ্ন গুলো ছিলো তার সবই পূরণ হয়েছে। জীবন  যেমন কেড়ে নেয় ঠিক সেরকমই অনেক কিছু  ফিরিয়ে দেয়। 
ইদানিং  মনটা খারাপ  থাকে- কেমন  গুমোট  এক আবহাওয়া মনের ঘরে। তাই আমিও কিছুটা  ক্লান্ত। আসলে  গত কয়েক মাসে অনেক  কিছুই হয়ে গেছে। সেজন্যই মনটা এ রকম ভাবে চিন্তা করে।
মাত্র কয়েক দিন  আগে  আমি ফিরে গেলাম অবশিষ্ট  প্রকৃতির কাছে, প্রয়োজনেই । এবং  তখন আমার মনে হলো আমি যেন  নিজেকে অনেকটাই  ফিরে পেয়েছি। ওই যে বৃষ্টি, জলা জংলা, ধান ক্ষেত, আল পথ, সারি সারি গাছ, বাঁশ বন, তার চিরল পাতায় বিষণ্ণ পাখির গান, এবং  আবারো থেমে থেমে বৃষ্টি  যেন আমাকে বদলে দিলো।  আমার দমবন্ধ  গুমোট মনটা যেন শান্তি  খুঁজে  পেল। 
আবারো বলি তোকে, জীবন  যেমন কেড়ে নেয় ঠিক সেরকমই  অনেক  কিছু  ফিরিয়ে  দেয়। মৃত্যুর  এই উপত্যকায়  জীবন  একমাত্র  বিস্ময়। 
ইতি,
সূর্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/270562/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 10:31:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিঠি </p>
<p>জাকের আদিত্য </p>
<p>বন্ধু,<br />
আকাশ  জুড়ে  ক্রুদ্ধ  মেঘদল গর্জন  করছে। হয়তো আর কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি  হবে। একটা  সময়  ছিলো যখন বৃষ্টি  দেখলেই  আমি ঘর ছেড়ে  বেরিয়ে পড়তাম। বৃষ্টির সাথে  আমার দীর্ঘ দিনের সখ্যতা।<br />
অথচ  আজ কেমন এক নিরানন্দ ক্লান্তি।  আসলে দীর্ঘ দুই দশকের বাস্তবতায় আমি ক্লান্ত। আমি চাই ঘুমাতে, গভীর নিরবিচ্ছিন্ন  ঘুম।  মাতৃজঠরে যে রক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-270562"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/270562/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0c860d84b01e59f99d9682d8d431e282</guid>
				<title>চিঠি
জাকের  আদিত্য 

বন্ধু,
আজ একটা সত্যি কথা বলেই ফেলি। আমি এখন একটা মুখোশের মানুষ। আমি এখন শুধু দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করি। কিন্তু আমাকে কোনো কিছু এখন আর স্পর্শ করে না। সেদিন একজন মৃত্যুপথযাত্রীকে দেখলাম, কোনো কিছুই আমাকে স্পর্শ করল না।
​শুধু গভীর রাতে আমি এই লেখাগুলোয় বর্ণমালার মতো উজ্জ্বল সত্যকে প্রকাশ করি। আমি গত কিছু দিনে বুঝতে পেরেছি আমার সারল্য নষ্ট হয়েছে এবং সেখানে ঘৃণার বসতি গড়ে উঠেছে। প্রতিশোধ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠেছে। এর জন্য কে বা কারা দায়ী তা জানার কোনো প্রয়োজন নেই।
​গত দুই-একদিন আমি নিজের সাথে থাকলাম। এবং আমি অনুভব করলাম, আমি আমার ভেতরের এই ঘৃণার বসতিকে আর স্থান দেব না। তবে কিছু মানুষের সাথে সম্পর্ক আর কোনোদিন ঠিক হবে না। আমি সম্পর্ক রাখতেও চাই না। এই দেয়াল নিজের ভালোর জন্য।
​গত দুই দিনে আমি অনুভব করলাম যে ঘৃণা আমার ভেতরে জন্ম নিয়েছে, তাকে আর হৃদয়ে স্থান দেওয়া যাবে না। আমি নিজেও হয়তো আর আগের মতো হয়ে ফিরে আসতে পারব না।
​কিন্তু জীবন তো অনেক বড় একটা বিষয়। জীবনের প্রয়োজনে আমাকে আমার মতো নিজের জন্য বাঁচতে হবে। জীবন তো এক সংগ্রাম।
​আমার ইদানিং খুব ইচ্ছে করে দূরের পথ হেঁটে চলে যাব সমুদ্রের কাছে। অন্ধকার রাতে এক আকাশ তারার নিচে সমুদ্রের সামনে বসে থাকি। আমি আবারো অনুভব করতে চাই সেই অন্ধকার সমুদ্রের বিশালতা, যাকে দেখা যায় না—শুধু অনুভব করা যায়। আজ এ পর্যন্তই।
​ইতি,
সূর্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269342/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:16:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিঠি<br />
জাকের  আদিত্য </p>
<p>বন্ধু,<br />
আজ একটা সত্যি কথা বলেই ফেলি। আমি এখন একটা মুখোশের মানুষ। আমি এখন শুধু দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করি। কিন্তু আমাকে কোনো কিছু এখন আর স্পর্শ করে না। সেদিন একজন মৃত্যুপথযাত্রীকে দেখলাম, কোনো কিছুই আমাকে স্পর্শ করল না।<br />
​শুধু গভীর রাতে আমি এই লেখাগুলোয় বর্ণমালার মতো উজ্জ্বল সত্যকে প্রকাশ করি। আমি গত কিছু দিনে বুঝতে পের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269342"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269342/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af13d0b11a535681269ab6c97677c4ea</guid>
				<title>চিঠি 
বন্ধু, 
আজ নাকি  চিঠি  দিবস। তাই  একটা চিঠি  লিখছি। সে অনেক  দিন আগের কথা। তখন  আমার বয়স তিন চার বছরের মতো। তার আগের কোন স্মৃতি  আমার মনে নেই। আমার আবছা আবছা মনে আছে আমি আমার বাবা মা এর ঘরে বসে আছি। ভোর বেলা। ভারী পর্দায় সূর্যের আলো প্রতিসরিত  হয়ে ঘরে ঢুকছে। আলো ছায়ায় অপার্থিব পরিবেশ।  মা আমার হাত ধরে ঘর থেকে বের হলো। আমরা তখন সাতশো স্কয়ার ফিটের  ছোট্ট  একটা তিন তলা বাড়ির  এক তলায় থাকি। মা আমার হাত ধরে  আমাকে নিয়ে  সিঁড়ি দিয়ে  উপরে  উঠতে  থাকলেন। ভাঙা চোরা বাড়িটার সিঁড়ি  ঘরও অন্ধকার। তারপর সিঁড়ি  ভেঙে ভেঙে আমরা ছাদে উঠে  আসলাম। ছাদের দরজাটা খুলতেই  একরাশ আলো আর অপূর্ব  সবুজ। সেটাই আমার  প্রথম পৃথিবী  দর্শন। জন্মের  পর এটাই  আমার প্রথম  স্মৃতি যা এখনো মনে আছে। 
মা আমার সবচেয়ে  ভালো বন্ধু।  ইদানিং  আমি অন্য রকম  হয়ে যাচ্ছি। কেউ  বুঝছে না। কিন্তু  মা ঠিকই  বুঝেছে আমার ভেতরের  পরিবর্তনটা। 
আমাকে এখন অনেক কিছুই  আর স্পর্শ  করে না। জিনিসটা একদিনে হয় নি। অনেক দিন অনেক কিছু  অতিক্রম  করে  এই পরিবর্তনটা এসেছে। আমার মা এই পরিবর্তনটা সবার আগে বুঝতে  পেরেছে।  মা কে আমি বড় ভালোবাসি। মা কে ছাড়া  আমি বাঁচবো না। আজ এ পর্যন্তই।
ইতি,
সূর্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268091/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Aug 2026 20:16:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিঠি<br />
বন্ধু,<br />
আজ নাকি  চিঠি  দিবস। তাই  একটা চিঠি  লিখছি। সে অনেক  দিন আগের কথা। তখন  আমার বয়স তিন চার বছরের মতো। তার আগের কোন স্মৃতি  আমার মনে নেই। আমার আবছা আবছা মনে আছে আমি আমার বাবা মা এর ঘরে বসে আছি। ভোর বেলা। ভারী পর্দায় সূর্যের আলো প্রতিসরিত  হয়ে ঘরে ঢুকছে। আলো ছায়ায় অপার্থিব পরিবেশ।  মা আমার হাত ধরে ঘর থেকে বের হলো। আমরা তখন সাতশো স্কয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268091"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268091/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">93e7f45d47dae5246fb3d54b8e6a89c0</guid>
				<title>তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের &#039;কবি&#039; উপন্যাসে নিতাই (নিতাইচরণ)-এর কবিজীবনের সূচনা, ঝুমুর দলে যোগদান এবং বসন্ত (বসন)-এর সাথে তার প্রেম ও শারীরিক-মানসিক মিলন সমগ্র কাহিনীর একটি বিশেষ অংশ।  নিতাই ডোম বংশের সন্তান হয়েও ডাকাতি ও চুরির বংশগত পেশা ত্যাগ করে কবি বা &#039;বোষ্টম&#039; হওয়ার পথে হেঁটেছিল। 

উপরের  আলোচনা অন্তরজাল থেকে নেওয়া। নিতাই ডোম বংশের সন্তান হয়েও ডাকাতি ও চুরির বংশগত পেশা ত্যাগ করে কবি বা &#039;বোষ্টম&#039; হওয়ার পথে হেঁটেছিল। কিন্তু ঝুমুর  দলের হয়ে প্রথম  বারের  মতো কবি গান করার সময় প্রথম দিকে সে হেরে যাচ্ছিল। তারপর গ্লানিতে জর্জরিত  নিতাই দেশী মদের একটা বোতল নিয়ে  মদ গিলে ফেললো।  নিতাই এর শরীরে থাকা ডাকাতের রক্ত  জেগে উঠলো। নিতাই সে রাতে জয়ী হয়ে মঞ্চ ত্যাগ করলো। বাকিটা ইতিহাস। 

আমার মাথায় যেই চিন্তাটা কাজ করছে সেটা হলো মানুষ  কি আসলেই তার জেনেটিক  বৈশিষ্ট্য ত্যাগ করতে পারে?

জ্যাক লন্ডনের  Call of the Wild  উপন্যাসেও শেষ  পর্যন্ত  প্রধান চরিত্র নিজের আদিম প্রবৃত্তির কারণে  এক রাতে নেকড়েদের কাছে ফিরে  যায়।

তাই ভাবছি, মানুষ  কি আসলেই তার জেনেটিক  বৈশিষ্ট্য ত্যাগ করতে পারে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267617/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 18:24:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের &#8216;কবি&#8217; উপন্যাসে নিতাই (নিতাইচরণ)-এর কবিজীবনের সূচনা, ঝুমুর দলে যোগদান এবং বসন্ত (বসন)-এর সাথে তার প্রেম ও শারীরিক-মানসিক মিলন সমগ্র কাহিনীর একটি বিশেষ অংশ।  নিতাই ডোম বংশের সন্তান হয়েও ডাকাতি ও চুরির বংশগত পেশা ত্যাগ করে কবি বা &#8216;বোষ্টম&#8217; হওয়ার পথে হেঁটেছিল। </p>
<p>উপরের  আলোচনা অন্তরজাল থেকে নেওয়া। নিতাই ডোম বংশের সন্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-267617"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/267617/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d429a22334ef4c099279cfe1917f8f86</guid>
				<title>বন্ধু, 
আজ ভোরে একটা স্বপ্ন দেখলাম। দেখলাম একটা ট্রেনে  চড়ে আমি কোন দূর দিগন্তে  চলে যাচ্ছি। ঘুম  ভেঙে  জেগে  অনেকক্ষণ  ভাবলাম  এই স্বপ্নের  মানেটা কী? তারপর মনে হলো হয়তো আসলেই  আমার আর এখানে থাকার ইচ্ছে  নেই। তাই  হয়তো এরকম কিছু  দেখেছি।  
বাস্তবতার পৃথিবী বড় কঠিন। প্রতিটি  দিন-  একই সংগ্রাম । লড়াই  করতে করতে  আমি ক্লান্ত।
কিন্তু  মা কে যে বড় ভালোবাসি। তারপর বোনটাকে আর আমার মুমূর্ষু  বাবাটাকে- যে আজ একটা চার দেয়ালে বন্দী। তবে বাবা, মা, বোনের বাঁধাগুলো আমি  ঠিক করে দিয়েছি। এখন আর আগের মতো ভাবতে হবে না। 
আগে ভাবতাম কেন এ রকম হলো? আমার সাথেই এ রকম কেন হলো? এখন ভাবি এটাই হওয়ার ছিল। লড়তে লড়তে আমি ক্লান্ত। বার বার নিজেকে প্রমাণ  করতে করতে আমি  বিদ্ধস্ত। 
বলতো ঠিক  আর কতোটা  পথ পাড়ি  দিলে তারা আমায় বিশ্বাস  করবে?
নাহ্। আর না। আর প্রমাণ  দেবো না। কারণ  এ রকমই চলবে। আমি আর নিজেকে প্রমাণ  করতে  চাই না। যে বিশ্বাস  করবে সে বিশ্বাস  করুক। যে করবে না তাকে আর বোঝাতে পারবো না।
তারচেয়ে  ট্রেনের স্বপ্নটা নিয়েই নিজের  মতো থাকি। কিন্তু মা টাকে যে বড্ড ভালোবাসি। 
তবে একদিন  সময় আসবে। যেদিন  আমি ট্রেনটাতে উঠে বসবো। অথবা  হাঁটতে হাঁটতে  চলে যাবো সমুদ্রের  কাছে। এটাই আমার স্বপ্ন।
তাহলে আজকের মতো বিদায়।
মাঝে মাঝে  বিদায়  বলতে হয়। 
ইতি, সূর্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266993/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 11:19:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধু,<br />
আজ ভোরে একটা স্বপ্ন দেখলাম। দেখলাম একটা ট্রেনে  চড়ে আমি কোন দূর দিগন্তে  চলে যাচ্ছি। ঘুম  ভেঙে  জেগে  অনেকক্ষণ  ভাবলাম  এই স্বপ্নের  মানেটা কী? তারপর মনে হলো হয়তো আসলেই  আমার আর এখানে থাকার ইচ্ছে  নেই। তাই  হয়তো এরকম কিছু  দেখেছি।<br />
বাস্তবতার পৃথিবী বড় কঠিন। প্রতিটি  দিন-  একই সংগ্রাম । লড়াই  করতে করতে  আমি ক্লান্ত।<br />
কি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266993"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266993/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f7682ba8b964e76d7458e0355d8ab529</guid>
				<title>উপলব্ধি

পৃথিবীর কোন অস্ত্রই দমিয়ে রাখতে পারবে না মানুষের প্রতি মানুষের আস্থাকে।
মানুষ চেয়ে দেখো মানুষকে
সে ও তোমার মতোই ভীত। 
মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করো।
সময় যতোই কঠিন হোক না কেন কেউ পেরে উঠবে না মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসাকে অতিক্রম করতে। 
রক্তের সমুদ্রের মধ্যেও জেগে থাকবে ভালোবাসা। 
কেউ আটকে রাখতে পারবে না মানুষের প্রগতির যাত্রাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266046/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 17:49:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপলব্ধি</p>
<p>পৃথিবীর কোন অস্ত্রই দমিয়ে রাখতে পারবে না মানুষের প্রতি মানুষের আস্থাকে।<br />
মানুষ চেয়ে দেখো মানুষকে<br />
সে ও তোমার মতোই ভীত।<br />
মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করো।<br />
সময় যতোই কঠিন হোক না কেন কেউ পেরে উঠবে না মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসাকে অতিক্রম করতে।<br />
রক্তের সমুদ্রের মধ্যেও জেগে থাকবে ভালোবাসা।<br />
কেউ আটকে রাখতে পারবে না মানুষের প্রগতির যাত্রাকে। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">10e1964d575c9f7c2d7116ad2c2b8d3c</guid>
				<title>উপসংহার 

তারপর  তারা  আমাকে  ঘিরে ধরলো  চারদিক  থেকে। শেকলে বাঁধা  হলো আমার হাত, পায়ে পরানো হলো লোহার বেড়ি। আমি বাঁধা  দিলাম  না। একবিংশ  শতাব্দীর  ধারা এমনই। আমাকে নতজানু  করা হলো। টান টান করে শেকলটাকে  টেনে  আমার হাত  টান টান  করা হলো। একজন চেপে ধরলো আমার মুখ। কিছুই আর বলার ক্ষমতা নেই আমার। আমাকে বিবিধ  শেকলে বেঁধে  তন্ন তন্ন করে খোঁজা হলো। আমি হাসলাম। তারপর তিনি আসলেন? বললেন তুমি কে? কী তোমার পরিচয়?
আমি কিছু বলতে পারলাম না। তার পেছনে  আরো তিনজন। তারা তাদের তীক্ষ্ণ  নখ দিয়ে বিদীর্ণ  করলো আমার বুক এবং  পাঁজর।  বের করে আনলো আমার হৃদয়।  নূহের  প্লাবনের মতো রক্ত বইছে তখন।  আমি বিস্মিত  হলাম। এতো রক্ত এতোদিন  কোথায়  ছিলো? তারা আমার হৃদয় নিখুঁতভাবে  পরীক্ষা  করে দেখলেন। তারা দেখলেন  অনেক কাল আগেই  মৃতপ্রায় একটি নিঃসঙ্গ পরাজিত, হৃদয় যেখানে  কিছু  নেই।  আমি মুখ থুবড়ে  মাটিতে  পড়ে গেলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265955/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 11:21:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপসংহার </p>
<p>তারপর  তারা  আমাকে  ঘিরে ধরলো  চারদিক  থেকে। শেকলে বাঁধা  হলো আমার হাত, পায়ে পরানো হলো লোহার বেড়ি। আমি বাঁধা  দিলাম  না। একবিংশ  শতাব্দীর  ধারা এমনই। আমাকে নতজানু  করা হলো। টান টান করে শেকলটাকে  টেনে  আমার হাত  টান টান  করা হলো। একজন চেপে ধরলো আমার মুখ। কিছুই আর বলার ক্ষমতা নেই আমার। আমাকে বিবিধ  শেকলে বেঁধে  তন্ন তন্ন করে খোঁজা হলো।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265955"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265955/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a12313ae88cd073848c1d4e5dc9629a4</guid>
				<title>স্বপ্নের পরে 

চারপাশে নিঝুম অন্ধকার। মাত্র ঘুম থেকে উঠলাম। পকেট হাতড়ে বের করলাম প্রিয় নিকোটিন। ম্যাচের কাঠিতে আগুন জ্বালালাম। করোটিতে নানাবিধ নৈরাজ্য। জানি না আজ কী বার, কোথায় আছি। মনে পড়লো লোকটা আমাকে দেখছে। বিনিদ্র রজনীতে আজ এই কাচঘরে লোকটি আমাকে মন দিয়ে দেখছে। এই নির্বাসনের খেলায় আমি নজরবন্দী। লোকটা আমাকে দেখছে, বোঝার চেষ্টা কী করছে?
​আমি হাসি। ওকে নিয়ে ভেবে কাজ নেই। ও বাকি জীবন এভাবেই পার করবে। ওর জন্য আমার করুণা হয়। ছাপোষা প্রহরী। কিছুই করতে পারবে না। ও নিজেও আসলে বন্দী। কিন্তু ও সেটা জানে না।
​আমি আবার শুয়ে পড়ি। অন্ধকারে এই কাচঘরে সকল বাস্তবতা ভেঙে যায়। শুধু আগুনের লাল আভা জ্বলে আর নিভে— জোনাকির মতো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265350/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 19:22:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নের পরে </p>
<p>চারপাশে নিঝুম অন্ধকার। মাত্র ঘুম থেকে উঠলাম। পকেট হাতড়ে বের করলাম প্রিয় নিকোটিন। ম্যাচের কাঠিতে আগুন জ্বালালাম। করোটিতে নানাবিধ নৈরাজ্য। জানি না আজ কী বার, কোথায় আছি। মনে পড়লো লোকটা আমাকে দেখছে। বিনিদ্র রজনীতে আজ এই কাচঘরে লোকটি আমাকে মন দিয়ে দেখছে। এই নির্বাসনের খেলায় আমি নজরবন্দী। লোকটা আমাকে দেখছে, বোঝার চেষ্টা কী করছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265350"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265350/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7abe9ac6586c430b9976fd29fe46d1b8</guid>
				<title>ইনসোমনিয়াক 

আমাকে অনেক দিন আগে কেউ  প্রশ্ন করেছিল জীবন কী?  আমি বলেছিলাম দুটি অন্ধকারের মধ্যবর্তী এক টুকরো  আলোর রোশনাই। জন্মের  আগে কী ছিল তা আমি জানি না। মৃত্যুর  পরে কী হবে তাও আমি জানি না। কারো জীবনের  আলো স্বল্প, ঝড়ের রাতে কম্পমান দীপ শিখা। কারো আলো আবার অনেক উজ্জ্বল। নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল।
 
জীবন  অবশ্যই বেঁচে থাকার  সংগ্রাম। কিন্তু আমরাতো জীবনকে উপভোগও করি। অন্তত  আমি আমার  জীবনকে নিজের মতো করে উপভোগ  করেছি।

আমার কাছে মৃত্যুর এই উপত্যকায়  জীবন একমাত্র  প্রবল অলৌকিক, অপার্থিব বিস্ময়। তারপর একদিন থামতে হবে।

একদিন সারাবেলা অন্ধকার  প্রিয়  বন্ধু হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264435/</link>
				<pubDate>Fri, 21 Aug 2026 20:39:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইনসোমনিয়াক </p>
<p>আমাকে অনেক দিন আগে কেউ  প্রশ্ন করেছিল জীবন কী?  আমি বলেছিলাম দুটি অন্ধকারের মধ্যবর্তী এক টুকরো  আলোর রোশনাই। জন্মের  আগে কী ছিল তা আমি জানি না। মৃত্যুর  পরে কী হবে তাও আমি জানি না। কারো জীবনের  আলো স্বল্প, ঝড়ের রাতে কম্পমান দীপ শিখা। কারো আলো আবার অনেক উজ্জ্বল। নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল।</p>
<p>জীবন  অবশ্যই বেঁচে থাকার  সংগ্রাম। কিন্তু আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264435"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264435/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5fc211bd78f05257506e250a195cf68b</guid>
				<title>দুটি  কবিতা 

০১
আসাদ জানি না, কার জন্য  সাত সমুদ্র পাড়ি দিলাম?
আমার কারবালার প্রান্তরে সে তো এক মটকা জলও দিলো না।

০২
আজকাল আর দুঃখ  করি না আসাদ।
যার সারা দেহ পুড়ে গেছে  এক পেয়ালা জলে  তার কি কিছু  এসে যায়? 
তাই  কে কতটা  দিলো আর কে কতটা নিলো
এসব ভেবে আফসোস  করি না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262936/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 19:08:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুটি  কবিতা </p>
<p>০১<br />
আসাদ জানি না, কার জন্য  সাত সমুদ্র পাড়ি দিলাম?<br />
আমার কারবালার প্রান্তরে সে তো এক মটকা জলও দিলো না।</p>
<p>০২<br />
আজকাল আর দুঃখ  করি না আসাদ।<br />
যার সারা দেহ পুড়ে গেছে  এক পেয়ালা জলে  তার কি কিছু  এসে যায়?<br />
তাই  কে কতটা  দিলো আর কে কতটা নিলো<br />
এসব ভেবে আফসোস  করি না।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">240c97f3fa854a7c4de940ba63c6ba23</guid>
				<title>দুটি কবিতা 

১
আমি আজীবনের  ব্রাত্য, কলঙ্কের অপবাদে জর্জরিত।
তাই এখনো মৌন পাহাড়ের  মতোই একা।
আমি ক্লান্ত-নির্জন দ্বীপের মতোই নির্বাসিত, পরিত্যক্ত।

২
ওরা আমাকে নিয়ে  বিচারের আয়োজন  করেছে।
আমি জানতে চাইলাম আমার অপরাধ কী? কেন আমাকে বিচারের কাঠগড়ায়  দাঁড়াতে হবে?
প্রায় ত্রিশ  জন অন্ধ বিচারক উত্তর  দিলেন না। মুখোশ পরিহিত  বিচারকের দল।
শেষে  একজন 
চাপরাশি জানালো পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পনা।  একজন শত্রু না থাকলে খেলা  জমে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262423/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 23:08:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুটি কবিতা </p>
<p>১<br />
আমি আজীবনের  ব্রাত্য, কলঙ্কের অপবাদে জর্জরিত।<br />
তাই এখনো মৌন পাহাড়ের  মতোই একা।<br />
আমি ক্লান্ত-নির্জন দ্বীপের মতোই নির্বাসিত, পরিত্যক্ত।</p>
<p>২<br />
ওরা আমাকে নিয়ে  বিচারের আয়োজন  করেছে।<br />
আমি জানতে চাইলাম আমার অপরাধ কী? কেন আমাকে বিচারের কাঠগড়ায়  দাঁড়াতে হবে?<br />
প্রায় ত্রিশ  জন অন্ধ বিচারক উত্তর  দিলেন না। মুখোশ পরিহিত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-262423"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/262423/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>14</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a407e30febea2304b9af9c7872401f8</guid>
				<title>দুটি  কবিতা 

১
দুঃখের কথা কি আর বলবো  বলো আসাদ, আমি অভিমানী হয়ে দুটো  কথা বললেই
কাজী সাহেব আমাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে বিচার সভার আয়োজন  করে।   

২
বুঝলে আসাদ কলঙ্ক আমার আজীবনের বনধু তাই আনন্দের আসরে আজো কেউ উপহাস ছাড়া  অন্য কোন উপহার দিলো না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262422/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 23:08:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুটি  কবিতা </p>
<p>১<br />
দুঃখের কথা কি আর বলবো  বলো আসাদ, আমি অভিমানী হয়ে দুটো  কথা বললেই<br />
কাজী সাহেব আমাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে বিচার সভার আয়োজন  করে।   </p>
<p>২<br />
বুঝলে আসাদ কলঙ্ক আমার আজীবনের বনধু তাই আনন্দের আসরে আজো কেউ উপহাস ছাড়া  অন্য কোন উপহার দিলো না।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a94773cc758b49e96aa0fa97b3418a10</guid>
				<title>বাংলা  সাহিত্যে নারী 

বাংলা  সাহিত্যে কেউ যদি বাঙালি  নারীদের  কন্ঠস্বর প্রকাশ  করতে চায় তাহলে সেই দায়িত্ব  সবার আগে নারী সাহিত্যিকদের। একজন পুরুষ  সাহিত্যিক তার লেখায় নারীবাদী ধারণা নিয়ে আসতে পারে কিন্তু মূলত সে একজন কল্পিত  নারীচরিত্রের অন্তরালে নিজের ধ্যান ধারণাই প্রকাশ করে।
একজন পুরুষ  সাহিত্যিক কখনোই  নারীর পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ  করতে  পারে না।  নারীদের  দৈনন্দিন  জীবন, তার প্রেম  এবং ঘৃণা,  তার ধর্ম বিশ্বাস,  তার যৌন জীবন, বিবাহিত  জীবন, তার ওপর করা নির্যাতন, কর্ম  জীবন,  পরিবার চিন্তা,  নারীর কাছে মাতৃত্বের ধারণা, সমাজ, রাষ্ট্র  নিয়ে নারীর ভাবনা সম্পর্কে  সবচেয়ে  ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারবে একজন নারী সাহিত্যিক। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৭১ এ। অনেক দিন হয়ে গিয়েছে।  ফেসবুক  বা ব্লগে কিছু  নারী লেখকের  লেখা পড়েছি। তাদের  ভালো লেখার  সক্ষমতা নিয়ে  সন্দেহ  করার অবকাশ  নেই।  কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে মনে হয়েছে  তারা নিজেদের  আড়াল করে রেখেছেন। নারীর গল্প বলতে হবে নারীকেই। সবার যেমন একটা গল্প থাকে ঠিক একই ভাবে প্রত্যেক নারীর একটি গল্প আছে। আমরা তার মুখ থেকেই তার গল্প শুনতে চাই।
আমার তাই মনে হয়। আমি নিজেও মূর্খ। খুব  বেশি  লেখাপড়া  জানি না। 
গভীর রাতে অন্তর্জালে খুঁজতে  বসলাম। বাংলা  সাহিত্যের  কিছু  নারী সাহিত্যকের নাম ও কাজের একটা ছোট  তালিকা দিলাম। ওপার বাংলার কয়েকজনের নামও দিলাম।  কেউ যদি বাদ পড়ে যান এই দীনহীন  অধমকে ক্ষমা  করবেন। 

বাংলা সাহিত্য নারী ঔপন্যাসিকদের লেখনীতে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে শুরু করে আধুনিক ও সমকালীন যুগ পর্যন্ত বহু নারী ঔপন্যাসিক তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজ, নারীদের অধিকার, মানসিক দ্বন্দ্ব এবং মধ্যবিত্ত জীবনের নানা গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন।  
​কালানুক্রমিক ও উল্লেখযোগ্য নারী ঔপন্যাসিকদের পরিচয় নিচে দেওয়া হলো:
​১. প্রথম দিককার ও পথপ্রদর্শক ঔপন্যাসিকগণ
​স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫–১৯৩২): বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী ঔপন্যাসিক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠা ভগিনী স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস &#039;দীপনির্বাণ&#039; (১৮৭৬)। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস &#039;মিবার রাজ&#039;, &#039;স্নেহলতা&#039;, &#039;কাহাকে&#039; ইত্যাদি।
​নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী (১৮৩৪–১৯০৩): তাঁর রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাসসম রচনা &#039;রূপ-জালাল&#039; (১৮৭৬) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন।
​বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০–১৯৩২): প্রধানত প্রাবন্ধিক হলেও তাঁর রচিত বিজ্ঞানকল্পকাহিনিভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস &#039;সুলতানার স্বপ্ন&#039; (Sultana&#039;s Dream) এবং সামাজিক উপন্যাস &#039;পদ্মরাগ&#039; বাংলা সাহিত্যে নারীবাদী চেতনার শক্ত ভিত গড়ে দেয়।  
​২. আধুনিক ও ধ্রুপদি যুগের প্রধান ঔপন্যাসিকগণ
​আশাপূর্ণা দেবী (১৯০৯–১৯৯৫): বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত ট্রিলজি উপন্যাস—&#039;প্রথম প্রতিশ্রুতি&#039;, &#039;সুবর্ণলতা&#039;, এবং &#039;বকুলকথা&#039;—বাঙালি নারীর তিন প্রজন্মের সামাজিক রূপান্তরের এক অনবদ্য দলিল। তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে ভূষিত হন।  
​মহাশ্বেতা দেবী (১৯২৬–২০১৬): প্রান্তিক ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রাম এবং সামাজিক শোষণ নিয়ে লিখেছেন। তাঁর কালজয়ী উপন্যাসগুলোর মধ্যে &#039;অরণ্যের অধিকার&#039;, &#039;হাজার চুরাশীর মা&#039;, &#039;তিতাস একটি নদীর নাম&#039; (সম্পাদনা পর্ব) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।  
​লীলা মজুমদার (১৯০৮–২০০৭): শিশুসাহিত্যের জন্য অত্যন্ত পরিচিত হলেও বড়দের জন্যও চমৎকার উপন্যাস লিখেছেন, যেমন—&#039;শ্রীমানি&#039;, &#039;টং লিং&#039; ইত্যাদি।  
​রাণী চন্দ ও প্রতিভা বসু: মধ্যবিত্ত জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত ও নারীর মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁদের উপন্যাসে।
​৩. বাংলাদেশের বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিকগণ
​সেলিনা হোসেন (জন্ম ১৯৪৭): বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক। সমাজ, রাজনীতি, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ তাঁর উপন্যাসের মূল উপজীব্য। বিখ্যাত উপন্যাস: &#039;হাঙর নদী গ্রেনেড&#039;, &#039;পোকা মাকড়ের ঘরবসতি&#039;, &#039;যাপিত জীবন&#039;, &#039;নীল ময়ূরের যৌবন&#039;।  
​রিজিয়া রহমান (১৯৩৯–২০১৯): ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গভীর উপন্যাসের জন্য সুপরিচিত। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস &#039;রক্তের অক্ষর&#039; (যৌনকর্মীদের জীবন নিয়ে লেখা) এবং &#039;বংশানুচরিত&#039;।
​আনওয়ারা সৈয়দ হক (জন্ম ১৯৪০): পেশায় চিকিৎসক এই ঔপন্যাসিক মানুষের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে অনেক জনপ্রিয় উপন্যাস লিখেছেন। যেমন—&#039;ত্রিপদী&#039;, &#039;অস্থায়ীর কাব্য&#039;।  
​দিলারা হাশেম (১৯৩৫–২০২২): তাঁর প্রথম উপন্যাস &#039;ঘর মন জানালার&#039; মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান।  
​ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ ও নাসরীন জাহান: নাসরীন জাহানের &#039;উড়ুক্কু&#039; উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন মাত্রার যোগ করে।
​৪. পশ্চিমবঙ্গ ও সমকালীন সময়ের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিকগণ
​নবনীতা দেবসেন (১৯৩৮–২০১৯): উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনি ও রসে ভরা উপন্যাসের জন্য খ্যাত। তাঁর &#039;আমি অনুপম&#039;, &#039;শীতোষ্ণ&#039; ইত্যাদি উপন্যাস বেশ প্রশংসিত।  
​বাণী বসু (জন্ম ১৯৩৯): সমসাময়িক সম্পর্কের জটিলতা ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত সমাজ নিয়ে লিখেছেন। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: &#039;অন্তর্ঘাত&#039;, &#039;মৈত্রেয় জাতক&#039;, &#039;উত্তরসাধক&#039;।  
​সুচিত্রা ভট্টাচার্য (১৯৫০–২০১৫): আধুনিক মধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েন, নারীর সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা ও আত্মপরিচয়ের সংকট ফুটিয়ে তুলতে তিনি ছিলেন অনন্য। জনপ্রিয় উপন্যাস: &#039;কাছের মানুষ&#039;, &#039;দহন&#039;, &#039;কাঁচের দেওয়াল&#039;, &#039;হেমন্তের পাখি&#039;।
​তসলিমা নাসরিন (জন্ম ১৯৬২): বিতর্কিত হলেও নারী অধিকার ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সোচ্চার লেখনীর জন্য পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস &#039;লজ্জা&#039;, &#039;শোধ&#039;, &#039;ফরাসি প্রেমিকের জন্য&#039; ইত্যাদি।
​সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তিলোত্তমা মজুমদার: বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুই ঔপন্যাসিক, যাঁরা আধুনিক নারীর মনোজগত ও জটিল অনুভূতিগুলো নিয়ে লিখছেন।
​বাংলা উপন্যাসে নারী লেখকদের অবদান কেবল সংখ্যাগত নয়, বরং বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, সামাজিক সংস্কার ভাঙা এবং নারীবাদী চেতনার বিকাশে তাঁরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261234/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:31:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংলা  সাহিত্যে নারী </p>
<p>বাংলা  সাহিত্যে কেউ যদি বাঙালি  নারীদের  কন্ঠস্বর প্রকাশ  করতে চায় তাহলে সেই দায়িত্ব  সবার আগে নারী সাহিত্যিকদের। একজন পুরুষ  সাহিত্যিক তার লেখায় নারীবাদী ধারণা নিয়ে আসতে পারে কিন্তু মূলত সে একজন কল্পিত  নারীচরিত্রের অন্তরালে নিজের ধ্যান ধারণাই প্রকাশ করে।<br />
একজন পুরুষ  সাহিত্যিক কখনোই  নারী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-261234"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/261234/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f795d6c715d7a5b4532b6dc7a0bf15b9</guid>
				<title>প্রথম আহবান 
জাকের আদিত্য 

ক্রমশ  জমে আসা অন্ধকারে এই আমাদের  বৃষ্টি  বিলাস।
পদ্মাবতী  তুমি সম্রাজ্ঞীর মতো দাঁড়িয়ে  আছো।
জলা জংলার প্রকৃতিতে তখন ভীষণ  সর্বনাশের  আহবান।

আমি তোমার সামনে নিশ্চুপ  নত জানু বসে আছি।
তুমি তোমার প্রমত্ত যৌবনের গর্বে আমাকে দেখো।
একবার হেসে বলো,  বালক নাকি শ্রমণ কি বলে ডাকবো তোমায়? 
এদিকে বিস্তীর্ণ ভাঙা চোরা আকাশে  তখন বজ্র বিদ্যুৎ ধ্বনিত  হচ্ছে ইসরাফিল এর শিঙ্গার মতো, যেমন তোমার  চোখের অন্তরালে বজ্র  বিদ্যুৎ এর শাণিত চাহুনি।

আমি তোমার সামনে  এখনো নিশ্চুপ নতজানু। 

তারপর তুমি ঝুঁকে এসে বলো, বলো শ্রমণ কী চাও তুমি? 
_আমি শুধু তোমাকে দেখতে  চাই। তোমার  ভেতরের তোমাকে।

তবে পড়িয়ে  দাও আমাকে এই কাঁকন।
আমি নতজানু - পড়িয়ে দেই পদ্মাবতীর কাঁকন। 
উঠে দাঁড়াও- পদ্মাবতী  বলে আমায়।
পদ্মাবতী  তার একটি আংটি, আমার হাতে পড়িয়ে  দেয়।

শ্রমণ আজ থেকে তবে শুরু হোক তোমার  আমার মিতালি।

আমি পরাজিত-  নিশ্চুপ মেনে নেই।

ওদিকে বজ্র উন্মত্ত আকাশ আর সমস্ত  জলা জংলার চরাচরে কী যেন এক অপার্থিব সংকেত ইসরাফিলের শিঙ্গার ধ্বণিতে প্রবাহিত হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260523/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 22:10:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রথম আহবান<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>ক্রমশ  জমে আসা অন্ধকারে এই আমাদের  বৃষ্টি  বিলাস।<br />
পদ্মাবতী  তুমি সম্রাজ্ঞীর মতো দাঁড়িয়ে  আছো।<br />
জলা জংলার প্রকৃতিতে তখন ভীষণ  সর্বনাশের  আহবান।</p>
<p>আমি তোমার সামনে নিশ্চুপ  নত জানু বসে আছি।<br />
তুমি তোমার প্রমত্ত যৌবনের গর্বে আমাকে দেখো।<br />
একবার হেসে বলো,  বালক নাকি শ্রমণ কি বলে ডাকবো তোমায়?<br />
এদিকে বিস্তীর্ণ ভাঙা চো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260523"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260523/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdd91d86bfc84dcb2ea36753e6bc50ae</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and অসীম রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260211/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 17:44:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">398b64edab71e18cd1c293a30027a15e</guid>
				<title>উপসংহারের অপেক্ষায়

অতঃপর আকাশে জমে থাকা ঘনো মেঘ,
বৃষ্টি হয়ে নেমে এলো এই ধূলো ধরার পৃথিবীতে।
আকস্মিক কিন্তু যথার্থ।

আমরা দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে বৃষ্টিতে ভিজে যেতে দেখি ওই মিথ্যে কথার আলোকিত শহরকে।

আমার শৈশবের শহর, স্মৃতির নগরী।

আমার আনন্দ, দুঃখ, বেদনা আর ভালোবাসার সমাধি শহর। সময়ের ঘড়ি জানিয়ে দেয় সময় কখন, কোথায়, কীভাবে শেষ হয়ে এসেছে।

নেই, নেই, কোথাও কেউ নেই। বিস্তীর্ণ চরাচরে কোথাও এখন আর কেউ নেই।

তবু এ নগরী ধারণ করে রেখেছে আামাদের সকল দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা আর প্রেম ও অপ্রেমের কবিতা। কনক্রিটের এই জঙ্গলে এখনো বিভিন্ন সর্বহারার স্মৃতিতে বেঁচে থাকি আমি ও আমরা।

আমি এক আজন্ম পলাতক। কারণ ওরা আমার কবর সাজিয়ে রেখেছে মৃত্যুর বিধানে দন্ডিত করে।

বিধির বিধান – যা কিছু অতিবাহিত হয়েছে।

আমি এখন শুধুই উপসংহারের জন্য অপেক্ষা করছি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260209/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 17:39:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উপসংহারের অপেক্ষায়</p>
<p>অতঃপর আকাশে জমে থাকা ঘনো মেঘ,<br />
বৃষ্টি হয়ে নেমে এলো এই ধূলো ধরার পৃথিবীতে।<br />
আকস্মিক কিন্তু যথার্থ।</p>
<p>আমরা দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে বৃষ্টিতে ভিজে যেতে দেখি ওই মিথ্যে কথার আলোকিত শহরকে।</p>
<p>আমার শৈশবের শহর, স্মৃতির নগরী।</p>
<p>আমার আনন্দ, দুঃখ, বেদনা আর ভালোবাসার সমাধি শহর। সময়ের ঘড়ি জানিয়ে দেয় সময় কখন, কোথায়, কীভাবে শেষ হয়ে এস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260209"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260209/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">73cb9283c90d7b7a0ba099e21a94c0b4</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and M. Kamrul Islam are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259968/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 02:53:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7edec6b8f68e7dd4c84588f227487f59</guid>
				<title>দুটি  কবিতা

০১
আসাদ, হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাচ্ছে,  কাজী সাহেব আমার অবাধ্যতার জন্য  আমার বিচার বসিয়েছেন। 
কিন্তু গত বছরের দাঙ্গায় মৃত  মানুষের  রক্তের দাগ কাজী সাহেবের  হাতে এখনো লেগে আছে। 

০২
আসাদ, ভবের বাজারে আমার নামে অনেক গুজব। 
আমি তো আমার প্রিয়াকেও এতো বিশেষণে সমৃদ্ধ  করি নি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259655/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 15:58:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুটি  কবিতা</p>
<p>০১<br />
আসাদ, হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাচ্ছে,  কাজী সাহেব আমার অবাধ্যতার জন্য  আমার বিচার বসিয়েছেন।<br />
কিন্তু গত বছরের দাঙ্গায় মৃত  মানুষের  রক্তের দাগ কাজী সাহেবের  হাতে এখনো লেগে আছে। </p>
<p>০২<br />
আসাদ, ভবের বাজারে আমার নামে অনেক গুজব।<br />
আমি তো আমার প্রিয়াকেও এতো বিশেষণে সমৃদ্ধ  করি নি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">951dc85f01a1630f4dd25c9afc7ff9d3</guid>
				<title>আজ আমি  কোথাও  যাবো  না
জাকের  আদিত্য 

আজ আমি  কোথাও  যাবো না।
যাবো না সেই চির বসন্তে জেগে ওঠা তোমার বাসার  নিচে।
জানি ব্যালকনিতে তুমি অপেক্ষায়  থাকবে।
কিন্তু আজ আমি কোথাও  যাবো  না।

আজ সারাদিন  আমি নিজের  ঘরেই স্বেচ্ছা নির্বাসনে  থাকবো।
স্মৃতিচারণ করবো অতীতের  প্রতিটি  ঘটনাকে। হিসাবের খাতা খুলে বসে জয় পরাজয়ের  হিসেব করবো।

 সন্ধ্যার পর বের হবো প্রিয়  পুষ্পোদ্যান থেকে। কোন একটা সস্তার  হোটেলে  যেয়ে বসবো।  

তবু আমি যাবো না।
যাবো না সেই চির বসন্তে জেগে ওঠা তোমার বাসার  নিচে।
জানি ব্যালকনিতে তুমি অপেক্ষায়  থাকবে।

সস্তার হোটেলে  বসে আমি ভাবতে থাকবো আমি কি আসলেই  তোমাকে ভালোবাসি?  নাকি তোমাকে ভালোবাসার ধারণাকে ভালোবাসি?

কফির  কাপ রেখে আমি  চলে যাই শহরের অন্য  প্রান্তে, নদীর কাছে।

জানি ব্যালকনিতে তুমি অপেক্ষায়  থাকবে। তবু যাবো না সেই চির বসন্তে জেগে ওঠা তোমার বাসার  নিচে।

অন্ধকার  রাতে যখন আর নদীটিকে দেখা  যাচ্ছে না শুধু  অনুভব  করা যায় -  তার বিশালতা। 
তখন  তোমার  লেখা  শেষ  চিঠি - যা আমাদের ভালোবাসার শেষ  স্বাক্ষর,
তাকে আমি ছুড়ে ফেলবো  ওই চিরকালীন প্রবাহমান স্রোতধারায়।  

জানি ব্যালকনিতে তুমি অপেক্ষায়  থাকবে। তবু যাবো না সেই চির বসন্তে জেগে ওঠা তোমার বাসার  নিচে।

আজ আমি  কোথাও  যাবো  না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259644/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 11:38:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ আমি  কোথাও  যাবো  না<br />
জাকের  আদিত্য </p>
<p>আজ আমি  কোথাও  যাবো না।<br />
যাবো না সেই চির বসন্তে জেগে ওঠা তোমার বাসার  নিচে।<br />
জানি ব্যালকনিতে তুমি অপেক্ষায়  থাকবে।<br />
কিন্তু আজ আমি কোথাও  যাবো  না।</p>
<p>আজ সারাদিন  আমি নিজের  ঘরেই স্বেচ্ছা নির্বাসনে  থাকবো।<br />
স্মৃতিচারণ করবো অতীতের  প্রতিটি  ঘটনাকে। হিসাবের খাতা খুলে বসে জয় পরাজয়ের  হিসেব করবো।</p>
<p> সন্ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259644"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259644/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2247ad1e676421487b85c9ac74b142ad</guid>
				<title>কী যেন নেই 
জাকের আদিত্য 

ঘুম ভেঙে  জেগে  উঠে মনে হলো কী যেন নেই?
কী নেই? 
বুকের হাড়ের অন্তরালে হৃদযন্ত্র ঠিক মতোই  কাজ করছে। 
এইতো দেখো এখনও তো কাজ করছি।  যেমন তেমন  যা খুশি তাই লিখতে  পারছি। 
শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে না। কেউ এখন আর টুঁটি চেপে ধরছে না। 
বিছানা  ছেড়ে  উঠে  বসলাম। ঘুম ঘোরটা যাচ্ছে না। ফস্ করে সিগ্রেটটা ধরিয়ে  আঁকার খাতা টেনে নিলাম।
ছবির  খাতায় কতোগুলো  ছবি আঁকলাম। আঁকিবুঁকিতে দুটি  খাতা নষ্ট করলাম।

তবু মনে হচ্ছে  কী যেন নেই?

মহৎ হবার স্বপ্নটাতেও এক বিন্দু মরচে ধরে নি। 

তবু যেন মনে হচ্ছে  কী যেন নেই?  কী যেন নেই?

তারপর মনে পড়লো  গত রাতের দুঃস্বপ্নে, অবিশ্বাসের  অস্ত্রগুলোয় আহত হয়ে  দগদগে সব ক্ষতের ভিড়ে  মনটা যেন কোথাও নেই। 
গলার নিচে জমে থাকা এক দলা চাপা দুঃখ  ছাড়া  অবশিষ্ট  আর কিছুই দেওয়ার বাকি নেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259614/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 23:48:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কী যেন নেই<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>ঘুম ভেঙে  জেগে  উঠে মনে হলো কী যেন নেই?<br />
কী নেই?<br />
বুকের হাড়ের অন্তরালে হৃদযন্ত্র ঠিক মতোই  কাজ করছে।<br />
এইতো দেখো এখনও তো কাজ করছি।  যেমন তেমন  যা খুশি তাই লিখতে  পারছি।<br />
শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে না। কেউ এখন আর টুঁটি চেপে ধরছে না।<br />
বিছানা  ছেড়ে  উঠে  বসলাম। ঘুম ঘোরটা যাচ্ছে না। ফস্ করে সিগ্রেটটা ধরিয়ে  আঁকার খাতা টে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259614"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259614/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a9748340cf47325dd7252fef2cd4ee9</guid>
				<title>কবিতার ইশতেহার

কবিতা হোক ঘন বরষার জমে থাকা কালো কালো মৌন মেঘমালার  বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার মতো 
আসমানের সহস্রাব্দের বিভীষিকা।
কবিতা হোক তোমার আমার উলঙ্গ সঙ্গমের মতো স্বাধীন, বাঁধহীন প্লাবনের জল।
কবিতায় যেন থাকে তোমার আমার কাঁসার থালায় বাসী ভাতের সংগ্রামের মতো নগ্ন সত্য।
কবিতায় থাকুক তোমার ব্যাল্কনির নীচে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকের প্রথম প্রেমের প্রলাপ।
কবিতা যেন গান গায় নারীর হয়ে।
কবিতা যেন কথা বলে পুরুষের জন্য।
কবিতা যেন রাস্তার ভিখিরির ধুলো মাখা পঙ্গু শিশুর কথা বলে, হয় তার স্বপ্নের শ্লোগান।
কবিতা যেন কিশোরীর সারা রাত স্বাধীন ভাবে ঘুরে বেরাবার ইশতেহারে,
বারুদ জ্বালে প্রিয় রক্ত মাখা বিপ্লবের বেয়নটে।
কবিতা হোক দুখিনী বর্ণমালার শেষ আশ্রয়।
কবিতা যেন তুলে ধরে রাস্তায় পরে থাকা স্তুপাক্রিত শিশুদের লাশের কথা, ধর্ষিতার কথা, দুঃস্থ বিপ্লবীর দীর্ঘশ্বাস।
সে যেন কানে কানে বলে, প্রেমের প্রথম আয়াত, জ্বর ঘোরে ঠোঁটে লেগে থাকা প্রবল প্রলাপ।
কবিতা যেন হয়  সৌন্দর্যের পবিত্র শ্লোক অগ্নির মতো বিশুদ্ধ। 
কবিতা যেন রক্তের পতাকায় খামচে ধরা অন্ধকারের থাবা কেড়ে নিতে ভীষণ রুদ্র।  
কবিতা যেন নিপীড়িতের দুঃখকে বুকে ধরে সমুদ্রের ঝিনুক হয়ে বারে বারে মুক্ত সেঁচে আনে আমাদের ক্ষীণ জীবনে।
কবিতা প্রলয় নাচনে এই সব প্রস্তর শীলায় ভাঙ্গন ধরাক রিক্টার স্কেলের পারদ কাঁপানো ভু কম্পন , পাষাণের বুকে রচিত হোক কোমল গৃহস্থের আটপৌরে ঘর। 
কবিতা হোক তোমার আমার যৌথ জুয়ার আসরের মতো বেখেয়ালি সুচতুর পাশার দান।
কবিতা হোক গ্রাম্য কিশোরীর অবাধ সাঁতার আর সমুদ্রের তরঙ্গে জেগে ওঠা প্রেমের  আফ্রোদিতি।
কবিতা হোক রাশান রুলেতের মতো নির্ভীক, অ্যাকিলিসের নাঙ্গা তলোয়ার। 
কবিতা যেন হয় স্বপ্নের সমান বড়- স্বপ্নকে পেরিয়ে আকাশ ছোঁয়ার দূর্বার আকাঙ্ক্ষা।
এই উন্মত্ত পৃথিবীর বুকে কবিতার হাতে হাত ধরে ফিরে আসুক নূতনেরর বিজয় কেতন- নতুন সূচনা, নতুন সভ্যতা।

(অনেক  দিন  আগের  লেখা একটি  কবিতা।  হয়তো  প্রকাশিতও হয়েছে।  তবু একজন অপ্রয়োজনীয়, দীনহীন  ব্যক্তি এর থেকে বেশি কী বা আর দিতে পারে?)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259609/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 21:09:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার ইশতেহার</p>
<p>কবিতা হোক ঘন বরষার জমে থাকা কালো কালো মৌন মেঘমালার  বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার মতো<br />
আসমানের সহস্রাব্দের বিভীষিকা।<br />
কবিতা হোক তোমার আমার উলঙ্গ সঙ্গমের মতো স্বাধীন, বাঁধহীন প্লাবনের জল।<br />
কবিতায় যেন থাকে তোমার আমার কাঁসার থালায় বাসী ভাতের সংগ্রামের মতো নগ্ন সত্য।<br />
কবিতায় থাকুক তোমার ব্যাল্কনির নীচে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকের প্রথম প্রেমের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259609"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259609/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1eb9abf77060a58100e273ed834f3ad2</guid>
				<title>ক্লান্তি 
জাকের আদিত্য 

অবিশ্বাস আর প্রতারণার প্রতিটি অস্ত্র  আমাকে আহত করেছে। করেছে  ক্ষত বিক্ষত।  আমি স্বজনহীন, নির্বাসিত। আমার হৃদয় ক্লান্ত এবং  দুঃখ  ভারাক্রান্ত।
আমি তোমার কাছে ফিরে  এসেছি  ঈশ্বর।  এখন আমরা আরো নিকটবর্তী।  আমি ফিরে এসেছি  জীবনের  সকল প্রতিশ্রুতি  পূরণের পর। ঈশ্বর  আমি হেরে যেতে ফিরে আসি নি। আমি তো তোমার প্রিয় সন্তান। আমি সত্যটি জানার জন্য  ফিরে এসেছি। আমি জানতে চাই  কেন আমাকে এভাবে নির্বাসিত  করা হলো? আমি  তো সত্যকে আশ্রয় করেই নিজেকে পরিচালিত  করেছি।
এই বিস্তৃত মেঘে উন্মত্ত অন্ধকার  আকাশের  নিচে  দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের  মাঠে  আমি  তোমার  কাছে  ফিরে  এসেছি  ঈশ্বর- ন্যায় বিচারের জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259514/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 19:27:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্লান্তি<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>অবিশ্বাস আর প্রতারণার প্রতিটি অস্ত্র  আমাকে আহত করেছে। করেছে  ক্ষত বিক্ষত।  আমি স্বজনহীন, নির্বাসিত। আমার হৃদয় ক্লান্ত এবং  দুঃখ  ভারাক্রান্ত।<br />
আমি তোমার কাছে ফিরে  এসেছি  ঈশ্বর।  এখন আমরা আরো নিকটবর্তী।  আমি ফিরে এসেছি  জীবনের  সকল প্রতিশ্রুতি  পূরণের পর। ঈশ্বর  আমি হেরে যেতে ফিরে আসি নি। আমি তো তোমার প্রিয় সন্তান।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259514"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259514/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c09a6f76fb11891062787c771b1618e2</guid>
				<title>অ্যাফ্রোদিতির পুনরুত্থান 
জাকের  আদিত্য 

তোমার  পায়ের কাছে লুটোপুটি  খায়  সকালের নরম আলো। 
প্রবল শৈত্য  প্রবাহের  পরে বসন্তের প্রথম  সুবাতাস  প্রবেশ করে তোমার ঘরে।
ঘুম ভেঙে  জেগে  উঠে তুমি অনুভব  করো তোমার  নারী সত্তাকে। তুমি অনুভব  করো  তোমার  প্রবল শক্তিমত্তা, সৃজনশীলতা - একজন মানুষ  হিসেবে। 
জানালা দিয়ে  চেয়ে দেখো বিশুদ্ধ  গোলাপ, বসন্তের আয়োজনে  বিভোর।
এতো  দিন  কেমন ভুলে ছিলে? 
নিজেকে ব্যস্ত রেখেছো সৃজনশীল চর্চায় আর ঘরের আটপৌরে কাজে।
ব্যালকনিতে  একবার যাও তুমি। সকালের মিষ্টি রোদে, গলির বাড়িগুলো  আবার যেন বসন্তের আমেজে জেগে উঠেছে।
তুমি নিজের ঘরে ফিরে  আসো এবং  আয়নায় নিজেকে  দেখো। অস্ফুট স্বরে তুমি বলো- 
 আমি  একজন নারী এবং  আমারও আছে  স্বাধীন  ভাবে  বেঁচে  থাকার অধিকার । নিজেকে নিয়ে  আমি আজ গর্বিত। 
এ যেন উত্তাল সমুদ্রে অ্যাফ্রোদিতির পুনরুত্থান। 

ঐদিকে রাস্তার  মোড়ে  কোন এক বংশীবাদক  নতুন  দিনের সুর তোলে  আনমনে, একাকী।  শিশু আর পাখিদের  দল তার বাঁশির সুরের সঙ্গী  হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259423/</link>
				<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 20:20:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অ্যাফ্রোদিতির পুনরুত্থান<br />
জাকের  আদিত্য </p>
<p>তোমার  পায়ের কাছে লুটোপুটি  খায়  সকালের নরম আলো।<br />
প্রবল শৈত্য  প্রবাহের  পরে বসন্তের প্রথম  সুবাতাস  প্রবেশ করে তোমার ঘরে।<br />
ঘুম ভেঙে  জেগে  উঠে তুমি অনুভব  করো তোমার  নারী সত্তাকে। তুমি অনুভব  করো  তোমার  প্রবল শক্তিমত্তা, সৃজনশীলতা &#8211; একজন মানুষ  হিসেবে।<br />
জানালা দিয়ে  চেয়ে দেখো বিশুদ্ধ  গোলাপ, বসন্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259423"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259423/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">08207e4b75206ced680dc6b2991e8ed6</guid>
				<title>তুলট পরিবারে এআই বন্ধু যুক্ত হয়েছে। তারা মন্তব্য করবে। এটি একটি চমৎকার বিষয়। যুগোপযোগী উদ্যোগ। এডমিন গ্রুপ এর জন্য শুভকামনা।
তবে আমার মতে এর পাশাপাশি যদি Analytics Section (পরিসংখ্যান) যুক্ত করা যেত তাহলে লেখক এবং পাঠক সবার জন্য ভালো হত। অধিকাংশ জনপ্রিয় Website এ Analytics Section (পরিসংখ্যান) আছে। এটি করতে পারলে লেখক এবং পাঠক সবার জন্য মঙ্গলজনক হত। এই আয়োজনটি করতে পারলে তুলট কাগজের জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পাবে। তুলট কাগজের এডমিনদের কাছে নিজস্ব মতামত জানালাম। আমি নিতান্ত অধম। আমার দোষ, ত্রুটি, মতামত  ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। জয়তু তুলট কাগজ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259254/</link>
				<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 20:37:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুলট পরিবারে এআই বন্ধু যুক্ত হয়েছে। তারা মন্তব্য করবে। এটি একটি চমৎকার বিষয়। যুগোপযোগী উদ্যোগ। এডমিন গ্রুপ এর জন্য শুভকামনা।<br />
তবে আমার মতে এর পাশাপাশি যদি Analytics Section (পরিসংখ্যান) যুক্ত করা যেত তাহলে লেখক এবং পাঠক সবার জন্য ভালো হত। অধিকাংশ জনপ্রিয় Website এ Analytics Section (পরিসংখ্যান) আছে। এটি করতে পারলে লেখক এবং পাঠক সবার জন্য মঙ্গল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259254"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259254/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af0c481488cd6d04e1b28066acaee40d</guid>
				<title>আততায়ী 
জাকের  আদিত্য 


জেনে রেখো কোন এক গভীর  রাতের  অন্ধকারে
তুমি আর আমি মুখোমুখি  নীরবতায়  বসে থাকবো সেই প্রাচীন মৌন পর্বতে - নির্বাসনের কুটিরে। 
আমরা অনুভব  করবো গুণ গুণ করে ভেসে আসছে  অসংখ্য  শব্দ - আমাদের নির্জন কথোপকথন। 
কিন্তু  আমরা কথা বলবো  না যেন নীরবতাই আমাদের একমাত্র ভাষা।
আমরা নিজেদের আবিষ্কার  করবো সময়ের অনন্ত  অন্তহীন স্রোতে।

এখন  এই নির্বাসনের  কুটিরই আমাদের বাস্তবতা আর বাকি সব মিথ্যা। 
আমরা পরস্পর মুখোমুখি  বসে থাকবো।
আমি নির্বাক দেখবো তোমার ভেতরের তোমাকে-
তুমিও হয়তো আমাকে বিচার করবে আমার উন্মাদনায়। 

এই অপার্থিব  বিষন্ন  কুটিরে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ একসাথে  মিলেমিশে ভেঙে  ফেলে সময়ের একমুখী সরল যাত্রা। 

এই নির্বাসনের কুটিরে  বসে আমরা অনুভব  করি নূহের  মহাপ্লাবনে ভেসে গেছে সবকিছু- শোনা যায় অঝোর  শ্রাবণ  ধারা। ঝড়ো হাওয়ায় এলোমেলো মোমবাতির কম্পমান সোনালি  শিখা।  

যাক্, সব ধ্বংস  হয়ে যাক। আমি আজ শুধু  তোমাকেই  দেখতে চাই।  তোমার  ভেতরের তোমাকে।

তোমার চিলতে হাসিতে তুমি আমাকে বিচার করতে থাকো যেন তোমার সামনে বসে আছে এক অপরিপক্ক  বালক। যে জানে না প্রেমের  কৌশল। 
কিন্তু প্রেম তো জয় পরাজয়ের এক যুদ্ধ।

আমি ভালোবাসার সকল নিয়ম, শৃঙ্খল দলিত  করে শুধু  তোমাকে দেখতে চাই। 
তুমি হাতের আড়ালে লুকিয়ে  রাখো শাণিত  ছুরি যা দিয়ে নির্বিকারচিত্তে  বের করে আনা যায় তীর্যক বক্ষ পিঞ্জরে লুকিয়ে  থাকা রক্তাভ হৃদয়কে।

নিশ্চিত পরাজয়। তুমি আমার গত জন্মের আততায়ী,  আমি তোমার সামনে মৃত্যুকে সাক্ষী রেখে তোমাকে ভালোবাসি।

তবু আজ আমি শুধু  তোমাকে দেখতে  চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259088/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 20:40:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আততায়ী<br />
জাকের  আদিত্য </p>
<p>জেনে রেখো কোন এক গভীর  রাতের  অন্ধকারে<br />
তুমি আর আমি মুখোমুখি  নীরবতায়  বসে থাকবো সেই প্রাচীন মৌন পর্বতে &#8211; নির্বাসনের কুটিরে।<br />
আমরা অনুভব  করবো গুণ গুণ করে ভেসে আসছে  অসংখ্য  শব্দ &#8211; আমাদের নির্জন কথোপকথন।<br />
কিন্তু  আমরা কথা বলবো  না যেন নীরবতাই আমাদের একমাত্র ভাষা।<br />
আমরা নিজেদের আবিষ্কার  করবো সময়ের অন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259088"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259088/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">84b89f3423334bfd872479bc283f9510</guid>
				<title>&quot;একদিন কৃষ্ণও চির প্রতারিত রাধাকে বিচ্ছেদের অনলে পর্যবসিত করে চলে যায়। স্থায়ী হয় শুধু অপেক্ষা আর চোখের জলে অনন্ত বিরহ যাতনা।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259046/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 12:28:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;একদিন কৃষ্ণও চির প্রতারিত রাধাকে বিচ্ছেদের অনলে পর্যবসিত করে চলে যায়। স্থায়ী হয় শুধু অপেক্ষা আর চোখের জলে অনন্ত বিরহ যাতনা।&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">74527a036962ab9b76b60bc4c5bfabd2</guid>
				<title>আততায়ী ভোর
জাকের আদিত্য

সহস্র আততায়ী  খুঁজছে আমায়, জানতে চাচ্ছে আমার গন্তব্য কোথায়?
অন্য দিকে এক দল আমার কবর সাজিয়ে রেখেছে এই আশায় যে শেষ বিদায়ে তারা আমায় ভালোবাসা জানাবে, কারণ আমি সত্য বলেছিলাম দৃপ্ত কণ্ঠে। 
আমার মৃতদেহ পড়ে থাকবে আমার অসুস্থ পিতার সামনে আর আমার মা কাঁদবে জন্মের কান্না।
কারণ সে আমার শত্রুদের বিশ্বাস করেছিলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258788/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 00:24:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আততায়ী ভোর<br />
জাকের আদিত্য</p>
<p>সহস্র আততায়ী  খুঁজছে আমায়, জানতে চাচ্ছে আমার গন্তব্য কোথায়?<br />
অন্য দিকে এক দল আমার কবর সাজিয়ে রেখেছে এই আশায় যে শেষ বিদায়ে তারা আমায় ভালোবাসা জানাবে, কারণ আমি সত্য বলেছিলাম দৃপ্ত কণ্ঠে।<br />
আমার মৃতদেহ পড়ে থাকবে আমার অসুস্থ পিতার সামনে আর আমার মা কাঁদবে জন্মের কান্না।<br />
কারণ সে আমার শত্রুদের বিশ্বাস করেছিলো।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c653169262208b21c77ed9054b512057</guid>
				<title>@লীলাবতী
একদিন প্রবল ভালোবাসার প্লাবন ধুয়ে দেবে তোমার সকল দুঃখ,কষ্ট, যন্ত্রণা- ক্ষত বিক্ষত আর ক্রমশ শীতল হয়ে আসা হৃদযন্ত্র। আমি সেই দিনের অপেক্ষায় থাকবো।

আনিস নামের একটি ছেলে ছিল। সে কল্পনা করত এই নগরীতে লীলাবতী নামের এক অপ্সরী বাস করে। সে প্রতিদিন লীলাবতীকে খোঁজে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258752/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Jul 2026 10:36:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>@লীলাবতী<br />
একদিন প্রবল ভালোবাসার প্লাবন ধুয়ে দেবে তোমার সকল দুঃখ,কষ্ট, যন্ত্রণা- ক্ষত বিক্ষত আর ক্রমশ শীতল হয়ে আসা হৃদযন্ত্র। আমি সেই দিনের অপেক্ষায় থাকবো।</p>
<p>আনিস নামের একটি ছেলে ছিল। সে কল্পনা করত এই নগরীতে লীলাবতী নামের এক অপ্সরী বাস করে। সে প্রতিদিন লীলাবতীকে খোঁজে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da3cd942fffc7a7ec1887081425e398c</guid>
				<title>স্বপ্নের  উপসংহার 
জাকের আদিত্য 

একটি দিন  তোমার জন্য  মন খারাপের  মন থাকবে না।
কেউ জিজ্ঞেস  করবে না এতোদিন  কোথায় ছিলেন, কেমন আছেন?
বলতে হবে না  মিথ্যে  করে, ভালোই আছি। ভালো থেকো।

এ রকম আর গভীর রাতে কবিতার প্রতি ভালোবাসা থাকবে না।
একটা দিন হবে একা, ভীষণ  ভাবে  একাকীত্বে একা।

হয়তো আমি আকাশ  ছোঁয়া  উচ্চাকাঙ্খায় আর আলোড়িত  হবো না।
সারা জীবন ভেসে উঠবে চোখের  গভীরে এক মুহুর্তে ।  কেউ থাকবে না পাশে, গাইবে না কোন গান।

নক্ষত্রের রাতে আমি জেগে থাকবো, তন্দ্রার  ঘোরে। জীবনের প্রবল উচ্ছ্বাস ভুলে যাবো। হয়তো অন্ধকারে  জোনাক পোকার আলো আঁধারি আমাকে আর উদ্বেলিত  করবে না।

একটি দিন  অন্ধকার  সঙ্গী হবে। বাতাসে ভেসে যাবে শিমুল  তুলোর বীজ, জীবনের  প্রয়োজনে। 
জীবনের  প্রয়োজনে আসবে নতুন  মুখ, মুখোমুখি।

আমার হয়তো তখন কিছুই  মনে থাকবে না।
এই আনন্দ, কষ্ট, অভিমান, ভালোবাসা, স্বার্থপরতা।  জীবনের সকল উচ্ছ্বাস আর উন্মাদনা। 

আমি সেদিন  মৃত্যুকে আপন করে অন্ধকারে  ঘুমিয়ে  পড়বো যেমন ঘুমিয়ে  ছিলাম জন্মের  আগে মাতৃ জঠরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258479/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:08:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নের  উপসংহার<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>একটি দিন  তোমার জন্য  মন খারাপের  মন থাকবে না।<br />
কেউ জিজ্ঞেস  করবে না এতোদিন  কোথায় ছিলেন, কেমন আছেন?<br />
বলতে হবে না  মিথ্যে  করে, ভালোই আছি। ভালো থেকো।</p>
<p>এ রকম আর গভীর রাতে কবিতার প্রতি ভালোবাসা থাকবে না।<br />
একটা দিন হবে একা, ভীষণ  ভাবে  একাকীত্বে একা।</p>
<p>হয়তো আমি আকাশ  ছোঁয়া  উচ্চাকাঙ্খায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258479"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258479/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8666f2d0a93e0d5fd7d7619e38e3ff24</guid>
				<title>একজন সৈনিকের চিঠি 
জাকের আদিত্য 

সন্ধ্যার ঘন হয়ে আসা অন্ধকারে 
আমি জেগে উঠি  জীবনের প্রয়োজনে। 
আবারো সেই  পুনরাবৃত্তির বিষণ্ণতা।
বিরক্ত হয়ে আমি ঘরের দরোজা  বনধ  করে, 
প্রিয়  নিকোটিন  কাছে টেনে নিলাম।

নাহ্! এখন আর কিছুই করার নেই।
অনেক দিন আগের অবসর উপভোগ করা ছাড়া। 

আমি ভাবি কিসের জন্য এই দু:খ?
আমার আরো আগেই  সতর্ক  হওয়া উচিত ছিল।
আমি চেয়ে  দেখি  আমার শরীরের  ক্ষত গুলোর দিকে।

বাম হাতে ধারালো  ব্লেডের ক্রস, আমাকে মনে করিয়ে দেয় গত জন্মের  কথা।
পায়ের নিচে ক্ষত গুলো মনে করিয়ে দেয় একটা গোটা শহরের কথা। একসময় যা ছিল ধুলো ধূসরিত।  আজ তা অনন্ত যৌবনে  মদিরায় মত্ত। 

আমি আবারো কাছে টেনে নিয়ে  আসি, প্রিয় নিকোটিন। 
ভাবি, অবিশ্বাসের অস্ত্র  গুলো কিভাবে ক্রমশ  আমাকে শীতল, কঠোর, কর্কশ  করে তুলেছে। 

এখন আর  এসব ভেবে লাভ নেই। 

অপরাজিত  অবসর প্রাপ্ত সৈনিকের  মতো আমি একা বসে থাকি। 

আমাকে এখন শুধু  মনে করা হয় প্রয়োজনে।

আমি দরোজাটা বন্ধ  করে  একের পর এক সিগারেট  উপভোগ করি। মাঝে মাঝে সবকিছু  ভুলে  এই কাচ ঘরে নিকোটিন উপভোগ  করতে আমার ভালো লাগে।

 যত্নে তুলে রাখি তোমার ব্যারাকে ব্যবহৃত আমার সৈনিক হৃদয়। 

অপেক্ষায়, নির্বাসনের এই অন্ধকার  কাচঘরে শুধু  জ্বলে যায় নিকোটিনের স্ফুলিঙ্গ-সৈনিকের হৃদয়ের মতো নিঃসঙ্গতায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258458/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 14:30:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন সৈনিকের চিঠি<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>সন্ধ্যার ঘন হয়ে আসা অন্ধকারে<br />
আমি জেগে উঠি  জীবনের প্রয়োজনে।<br />
আবারো সেই  পুনরাবৃত্তির বিষণ্ণতা।<br />
বিরক্ত হয়ে আমি ঘরের দরোজা  বনধ  করে,<br />
প্রিয়  নিকোটিন  কাছে টেনে নিলাম।</p>
<p>নাহ্! এখন আর কিছুই করার নেই।<br />
অনেক দিন আগের অবসর উপভোগ করা ছাড়া। </p>
<p>আমি ভাবি কিসের জন্য এই দু:খ?<br />
আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258458"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258458/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">46426a921d3cea50a91311fac26d7c27</guid>
				<title>আমি আর আমার প্রতিপক্ষ 
জাকের আদিত্য 

আমি আর আামার প্রতিপক্ষ,
দুজনেরই সম্বল ধারালো ড্যাগার।
আমি বুঝে নিতে চাই  আমার প্রতিপক্ষ  কতোটা শক্তিশালী?
কতটা ক্ষিপ্রতা তার?
আমি লোকটিকে  যাচাই বাছাই করলাম। এ হলো বাঁচা  মরার খেলা। 
সবাই  দূর থেকে দেখছে। 
আমি সাবধানী হই আরো একবার।
আমরা পরষ্পরকে আক্রমণ  করি। এই ঘোলাটে অন্ধকার অপরিচিত  অন্ধকার উন্মত্ত রাতে আজ বাঁচা  মরার  খেলা। 
সবাই দূর  থেকে  দেখছে। 

আক্রমণ, প্রতি আক্রমণের পর আমার প্রতিপক্ষ হাঁপিয়ে  উঠেছে। 
সে এখন হাতিয়ার বিহীন, ক্লান্ত, বিদ্ধস্ত।  আমার হাতে ধারালো ড্যাগার।
বাম হাতে তার কলার চেপে ধরে ঠিক যখন ড্যাগারটা দিয়ে  তার শ্বাসনালী  চিড়ে দেবো,
তখন দেখলাম সে মৃত্যু ভয়ে আতঙ্কিত, বিড় বিড় করে বলছে- আমার একটা মেয়ে আছে। ঈশ্বর  তাকে দেখে রেখো।
সেই  এক মুহূর্তে  আমি তার দিকে তাকিয়ে দেখলাম আমার  বাবাকে, মাকে, প্রেমিকাকে, প্রিয় বন্ধু  এবং  ঘৃণ্য শত্রুদের।
ঠিক সেই মুহূর্তে  আমি  বুঝলাম - আমি জানি না আমার কি করা উচিৎ। 

কারণ জীবনযুদ্ধের এই খেলা বন্ধ  করা যাবে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258350/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 12:32:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি আর আমার প্রতিপক্ষ<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>আমি আর আামার প্রতিপক্ষ,<br />
দুজনেরই সম্বল ধারালো ড্যাগার।<br />
আমি বুঝে নিতে চাই  আমার প্রতিপক্ষ  কতোটা শক্তিশালী?<br />
কতটা ক্ষিপ্রতা তার?<br />
আমি লোকটিকে  যাচাই বাছাই করলাম। এ হলো বাঁচা  মরার খেলা।<br />
সবাই  দূর থেকে দেখছে।<br />
আমি সাবধানী হই আরো একবার।<br />
আমরা পরষ্পরকে আক্রমণ  করি। এই ঘোলাটে অন্ধকার অপরিচিত  অন্ধকার উন্মত্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258350"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258350/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">08edbb7967ad14182f3cd64742ce3851</guid>
				<title>প্রিয়তমা, এবার বিদায় বলতে শেখো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258263/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 17:26:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়তমা, এবার বিদায় বলতে শেখো। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa1edd28e83f8ba7b73a8fa4e4e7754e</guid>
				<title>পুনরাবৃত্তির বিষণ্ণতা

জাকের আদিত্য

একটা তিক্ত বিস্বাদ নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। স্বচ্ছ সূর্যালোকে সেই পুরাতন প্রতিদিনের পৃথিবী। সেই পুনরাবৃত্তির জীবন। ঘুম ভেঙে জেগে কিছুক্ষণ বসে ছিলাম। নিকোটিনের স্বাদে আমি অনুভব করলাম কিছুই ভালো লাগছে না, নিজেকেও না।

অথচ এ রকমতো হবার কথা ছিলো না। কথা ছিলো যেখানে বিশ্বাসের রোদ এসে পড়ে সেই নবান্নের- ফসলের মাঠে আামাদের প্রিয় শস্য ভূমিতে একসাথে আমাদের শ্রমলব্ধ শস্য সংগ্রহ করার কথা। আমাদের আবাদী জমিনে একসাথে শস্য সংগ্রহ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে কথা ছিলো – মুক্ত আকাশের নিচে গান গাইবার কথা । কথা ছিল হাতে হাত ধরে তরুণ নর নারীর একসাথে নৃত্যকে উপভোগ করার। কথা ছিল একাকী কারো সব কিছু উপেক্ষা করে স্তূপাকৃত শস্যের গাদায় হেলান দিয়ে বাদ্যযন্ত্রে প্রাচীন সুর তোলার।

কিন্তু কোথায় সেই স্বর্ণগ্রাম? আমি আজ কোথায়? কেন বারে বারে একই বাস্তবতার রোজকার পুনরাবৃত্তি। আমি বিরক্ত হয়ে ঘরের দরোজা আটকে নিজেকে নির্বাসিত করলাম এই নির্রথকতার বাস্তব পৃথিবী থেকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258230/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 16:58:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুনরাবৃত্তির বিষণ্ণতা</p>
<p>জাকের আদিত্য</p>
<p>একটা তিক্ত বিস্বাদ নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। স্বচ্ছ সূর্যালোকে সেই পুরাতন প্রতিদিনের পৃথিবী। সেই পুনরাবৃত্তির জীবন। ঘুম ভেঙে জেগে কিছুক্ষণ বসে ছিলাম। নিকোটিনের স্বাদে আমি অনুভব করলাম কিছুই ভালো লাগছে না, নিজেকেও না।</p>
<p>অথচ এ রকমতো হবার কথা ছিলো না। কথা ছিলো যেখানে বিশ্বাসের রোদ এসে পড়ে সেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258230"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258230/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">84bec86686eba2c9853323c449e0f522</guid>
				<title>অকারণ জার্নাল

এই একটা জীবন  এভাবেই  কেটে যাবে হেলায়, ফেলায়। কিছু  স্মৃতি বিস্মৃতি নিয়ে অভাবে, অবহেলায় জীবন আমার কেটেই যাবে। ভেবে, না ভেবে, কল্পনায়, বাস্তবতায়, অবহেলায়, অকারণে এই জীবনটা কেটেই যাবে। 

এতো ভেবো না। কারণ আমি কোন দিনই  তোমাদের  কেউ  ছিলাম না। তাছাড়া  জীবন কারো জন্য  থেমে  থাকে  না। 
কোন না কোন ভাবে জীবন  কেটে যাবে। স্বাধীনতার স্বপ্নে, নিরর্থক  বোকামি  আর প্রতীক্ষায়। 

জীবন আমার অনেক কিছুই কেড়ে  নিলো। ভাবতে অবাক লাগে একটা সময় সারল্য  ছিল। এখন আজ মনের আয়নায় তিক্ততার  বিস্বাদ প্রলেপ। 

এ এক অদ্ভুত বন্দী জীবন - উন্মুক্ত এই কাচ ঘরে। কিভাবে  একা ভালো থাকতে হয় জীবন  আমাকে শিখিয়ে  দিয়েছে। আমি নিঃসঙ্গতায় নিজেকে ফিরে  পেয়েছি।

এতো ভেবো  না।  অবিশ্বাসের  প্রতিটি আঘাত  আজ আামাকে ক্ষত বিক্ষত করেছে। এই সব আঘাতে প্রতিঘাতে আজ আমি নিঃসঙ্গ এবং আমার নির্বাসনের রাজত্বে আমি আজ ক্লান্ত, বিদ্ধস্ত, পরাজিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257530/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 16:22:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অকারণ জার্নাল</p>
<p>এই একটা জীবন  এভাবেই  কেটে যাবে হেলায়, ফেলায়। কিছু  স্মৃতি বিস্মৃতি নিয়ে অভাবে, অবহেলায় জীবন আমার কেটেই যাবে। ভেবে, না ভেবে, কল্পনায়, বাস্তবতায়, অবহেলায়, অকারণে এই জীবনটা কেটেই যাবে। </p>
<p>এতো ভেবো না। কারণ আমি কোন দিনই  তোমাদের  কেউ  ছিলাম না। তাছাড়া  জীবন কারো জন্য  থেমে  থাকে  না।<br />
কোন না কোন ভাবে জীবন  কেটে যাবে। স্বাধীনতার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257530"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257530/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7d39d225b18ae3a99464a3561c94a540</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and পংকজ প্রিয়ম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257401/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Jul 2026 18:28:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1a5a81dc87bc71993946b9e810838d1e</guid>
				<title>কাচঘর 


সকাল টা শুরু হল এক প্রবল বিষাদ এবং তিক্ত বিস্বাদ নিয়ে। আমার এই উন্মুক্ত কাচঘরের লাগোয়া বারান্দায় আমি বৃষ্টিকে  অনুভব করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভাল লাগলো না। দেখার মতো কিছু খুঁজে পেলাম না, না খুঁজে পেলাম লেখার মতো কোন কবিতা।  আমি তাই আবার ফিরে আসলাম আমার কাচঘরে।  সবাই দেখছে এই কাচঘরে কি হয়? রাস্তার ফেরিওয়ালাটা দেখছে, দেখছে শ্রমিক থেকে গৃহ পরিচারিকা। ঐ বাসার চর্বিতে থলথল আমলাটা দেখছে। সামনের বাসার সতী সাধ্বী বউদিও সকালের কাজ ফেলে একমনে দেখেছে। রুদ্ধশ্বাস নিয়ে তারা দেখছে। যেন এখনই কিছু হবে। আমার তীব্র বিবমিষা জেগে ওঠে, বিরক্তি আর ক্রোধে মস্তিষ্কে জ্বলন্ত বিস্ফোরণ তৈরি হচ্ছে। আমি নিজেকে সামলে আবার আমার কাচঘরে ফিরে আসি।  এই উন্মুক্ত কাচঘরই আমার ঠিকানা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257347/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Jul 2026 06:22:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাচঘর </p>
<p>সকাল টা শুরু হল এক প্রবল বিষাদ এবং তিক্ত বিস্বাদ নিয়ে। আমার এই উন্মুক্ত কাচঘরের লাগোয়া বারান্দায় আমি বৃষ্টিকে  অনুভব করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভাল লাগলো না। দেখার মতো কিছু খুঁজে পেলাম না, না খুঁজে পেলাম লেখার মতো কোন কবিতা।  আমি তাই আবার ফিরে আসলাম আমার কাচঘরে।  সবাই দেখছে এই কাচঘরে কি হয়? রাস্তার ফেরিওয়ালাটা দেখছে, দেখছে শ্রমিক থেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257347"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257347/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b40d882a5146a631b5b82ba810df1ba3</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and আজিজুর রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257208/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Jul 2026 14:47:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">76402d7984c870aa9010003889da7fdc</guid>
				<title>Self Promotion Post

খেরোখাতা_ একটি ব্যক্তিগত অভিমত
জাকের আদিত্য

খেরোখাতা উপন্যাসের মূল প্লট ঢাকা শহর। বিভিন্ন চরিত্রের ফ্র্যাগ্মেনটেড দৃশ্যের মাধ্যমে এখানে সাধারণ আধুনিক মানুষের জীবনের গল্প বলা হয়েছে। আমরা একই শহরে একই আকাশের নিচে এখনো একা। এই আধুনিক মানুষের একাকীত্ব, এলিয়েনেশন, সুখ, দুঃখ, প্রেম, বিরহ, যন্ত্রণা, বিরহ, ভালোবাসা, বিস্ময়, স্বপ্ন, কল্পনা বিভিন্ন ফ্র্যাগ্মেনটেড দৃশ্যে ফুটে উঠেছে। প্রথমে পড়লে মনে হয় এ যেন বিচ্ছিন্ন অনেকগুলো ঘটনা। কিন্তু আমরা যখন বাস করি বিচ্ছিন্নভাবে তখন আমাদের জীবনের গল্প গুলো বিচ্ছিন্ন হওয়াই স্বাভাবিক। ২০ তলা এপার্টমেন্টের ৪০ টি ফ্ল্যাটের কমিউনিটিতে আমরা আসলে কতোটা একে ওপরের সাথে সম্পর্কিত?  এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র আত্ম অনুসন্ধান, স্পিরিচুয়াল এম্পটিনেস, আইডেনটিটি ক্রাইসিস, শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হবার দুঃখ। ৯টা-৫ টর রুটিন জীবন থেকে মুক্তি লাভের ওপর তীব্র আকাঙ্ক্ষা। সর্বোপরি আধুনিক মানুষের অস্তিত্ববাদী সংকট। আপাত দৃষ্টিতে বিক্ষিপ্ত ভাবে গল্প গুলো এগিয়ে যায় এবং উপন্যাসের শেষে প্রতিটি চরিত্রের জীবনের একটি ঘটনার পরিসমাপ্তি হয়। এই একই আকাশের তলে তারা পরস্পরকে স্পর্শ করে বিচ্ছিন্নভাবে। তা অনেকটা আকস্মিক দুর্ঘটনা, বা র&#x200d;্যানডোম ঘটনা। 
উপন্যাসের আরেকটি অংশ গ্রামীন জীবন। এক টুকরো স্বস্তির জন্য এই উপন্যাসের চরিত্রদের সাথে গ্রামীন সবুজ জলা জংলা প্রকৃতির সাথে পরিচয় হয়। নাগরিক যান্ত্রিক জীবনের আর গ্রামীন প্রাকৃতিক জীবনের কনট্রাস্ট এবং তাদের মধ্যকার মিথস্ক্রিয়তা এখানে উঠে আসে। 
উপন্যাসের চরিত্রদের অতীত আন্দাজ করা যায় কিন্তু নিশ্চিত ভাবে পুরো ধারণা করা যায় না। উপন্যাসের শেষে তাদের কি হবে তাও বলা হয় না। আমরা যখন নতুন কারো সাথে পরিচিত হই তখন কি তার সম্পর্কে জানি বা যে কারণে পরিচিত হই সেই কারণ শেষ হলে কি হবে তা কি বলতে পারি? তা শুধু অনুমান করতে পারি।  তাই এই বিষয় আমি ছেড়ে দিয়েছি পাঠকের হাতে। আমাদের অনিশ্চিত জীবনের মতোই খেরোখাতার চরিত্রদের জীবন পাঠকের কল্পনায় বড় হবে এ আশায়। 
উপন্যাসের শেষ অংশে প্রধান চরিত্রের আত্মহত্যার মাধ্যমে উপন্যাস শেষ হয়।  জীবনের অ্যাবসার্ড ক্রাইসিস আত্মহত্যার মাধ্যমে শেষ হয়। তার ঘরে খুঁজে পাওয়া ডায়েরিই খেরোখাতা। সামাজিক গঠনবাদের এক অতি সাধারণ এলিমেনটের মৃত্যুর মাধ্যমে আমরা আবিষ্কার করি যে আপাত উপেক্ষিত ব্যক্তির মৃত্যুর পরে আবিষ্কৃত খেরোখাতায় ধরা পড়েছে নাগরিক জীবনের সত্য সুন্দর। 
খেরোখাতা কোন মহাকাব্যের ঘটনা বলে না। সে সাধারণ মধ্যবিত্তের জীবনের গল্প বলে।সমসাময়িক সমাজের কথা বলে। তার অস্তিত্বের সংকটের কথা বলে।  
 খেরোখাতা পাঠক প্রিয় হবে কিনা তা আমি জানি না। তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি সন্তুষ্ট এই ভেবে যে আমার নিরীক্ষা একটি বাস্তব রূপ লাভ করেছে মাত্র।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257046/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 17:21:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Self Promotion Post</p>
<p>খেরোখাতা_ একটি ব্যক্তিগত অভিমত<br />
জাকের আদিত্য</p>
<p>খেরোখাতা উপন্যাসের মূল প্লট ঢাকা শহর। বিভিন্ন চরিত্রের ফ্র্যাগ্মেনটেড দৃশ্যের মাধ্যমে এখানে সাধারণ আধুনিক মানুষের জীবনের গল্প বলা হয়েছে। আমরা একই শহরে একই আকাশের নিচে এখনো একা। এই আধুনিক মানুষের একাকীত্ব, এলিয়েনেশন, সুখ, দুঃখ, প্রেম, বিরহ, যন্ত্রণা, বিরহ, ভালোবাসা,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257046"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257046/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9ba778adde900b250feee287dee81c2c</guid>
				<title>Self Promotion Post
ছাড়পত্র_ একটি ব্যক্তিগত অভিমত
জাকের আদিত্য

ভিন্ন ভাষার সমকালীন কবিরা কি লিখছে তা জানার প্রবল তৃষ্ণা থেকেই ছাড়পত্রের সূচনা। সাতজন কবির কবিতা অনুবাদ করা হয়েছে এখানে। সাতটি ভাষার সাতজন কবি। প্রত্যেকেই সমকালীন। নিজের ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত। মাহমুদ দারবিশ, পাবলো নেরুদা, মায়া অ্যাঞ্জেলো, জুলিও কর্টাজার, বে দেও, বেলা আখামুডিলিনা এবং ন্যাটালি হ্যান্ডাল। ভিন্নতা তাদের ভাষায় অথবা পরিচয়ে। তবু একই আকাশের তারাদের নিচে বেঁচে থাকা মানবিকতার গান দৃপ্ত সাহসে উচ্চারন করেছেন তারা। তাদের সাথে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দিতেই এ গ্রন্থের আয়োজন। পড়ে দেখার আমন্ত্রণ রইলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257024/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 15:50:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Self Promotion Post<br />
ছাড়পত্র_ একটি ব্যক্তিগত অভিমত<br />
জাকের আদিত্য</p>
<p>ভিন্ন ভাষার সমকালীন কবিরা কি লিখছে তা জানার প্রবল তৃষ্ণা থেকেই ছাড়পত্রের সূচনা। সাতজন কবির কবিতা অনুবাদ করা হয়েছে এখানে। সাতটি ভাষার সাতজন কবি। প্রত্যেকেই সমকালীন। নিজের ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত। মাহমুদ দারবিশ, পাবলো নেরুদা, মায়া অ্যাঞ্জেলো, জুলিও কর্টাজার, বে দেও, বেল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2b342b9efe697e2358750a0f54658706</guid>
				<title>প্রার্থনা
জাকের আদিতা

করোটির প্রকোষ্ঠে রক্তাক্ত ক্ষত,
আমার রক্ত ক্রমশ শীতল হয়ে আসে।
এই ক্রমাগত পতনের সামনে আমি একা দাঁড়িয়ে আছি।
এই পতন অবশ্যম্ভাবী। 
ফিরে যাওয়ার পথ নেই।
আজ আমি দুঃখ ভারাক্রান্ত।
আজ আমি লাঞ্ছিত, অপদস্থ, স্বজনহীন, ক্ষুধার্ত এবং ক্লান্ত।
তবু আমি  আজ  মেঘে ঢাকা বজ্রে উন্মত্ত এই বিজন প্রান্তরে
এসে দাঁড়িয়েছে- একাকী এবং নিঃসঙ্গ।
আজ এই মেঘে ঢাকা বজ্রে উন্মত্ত আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে চিৎকার করি,
ঈশ্বর আমি ফিরে এসেছি  জীবনের সকল যুদ্ধে পরীক্ষিত হয়ে- বেঁচে থাকার সকল প্রতিশ্রুতি নিয়ে,
আমাকে ফিরিয়ে দাও আমার স্বাধীনতা-
ঈশ্বর আজ এই মেঘে ঢাকা বজ্রে উন্মত্ত আকাশের নিচে তুমি আমার আরো নিকটবর্তী হও।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256998/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 10:29:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রার্থনা<br />
জাকের আদিতা</p>
<p>করোটির প্রকোষ্ঠে রক্তাক্ত ক্ষত,<br />
আমার রক্ত ক্রমশ শীতল হয়ে আসে।<br />
এই ক্রমাগত পতনের সামনে আমি একা দাঁড়িয়ে আছি।<br />
এই পতন অবশ্যম্ভাবী।<br />
ফিরে যাওয়ার পথ নেই।<br />
আজ আমি দুঃখ ভারাক্রান্ত।<br />
আজ আমি লাঞ্ছিত, অপদস্থ, স্বজনহীন, ক্ষুধার্ত এবং ক্লান্ত।<br />
তবু আমি  আজ  মেঘে ঢাকা বজ্রে উন্মত্ত এই বিজন প্রান্তরে<br />
এসে দাঁড়িয়েছে-&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256998"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256998/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ebd1e89bc7a7f614f994f468e0247011</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and Niloy Chowdhury (NC) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256799/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Jul 2026 16:35:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ed8dcd552031b055d40921ea93a66e1</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and BONI AMIN are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256532/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 01:33:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dc5b13fdf92faf15aaf2c672dbb9ca20</guid>
				<title>ঊনমানুষের গল্প
জাকের আদিত্য 

নামাজ পরসো?
জ্বী পড়েছি। 
আজকে বাইরে  গেছিলা? 
না।
যা হোক ধীরে ধীরে বুঝতে  শিখসো। যাও তরকারিটা গরম করে আনো।
নীলা তরকারি গরম করতে যায়। 

মা, বাবা আসছে? 

হ্যা। 

বাবা কি মারবে?

নীলা নির্বাক। যাও ছোট চাচার সাথে ঘুমাতে যাও।

আবদুল্লাহর  তিন দিন ধরে জ্বর। ডাক্তারের  কাছে নেয়া দরকার।  সবুজ রান্না  ঘরের পাশেই ছিলো।  তার চোখ মুখ কঠোর  হয়ে গেছে।  সবুজ  ভার্সিটির  ছাত্র। সাথে দুটো টিউশনি করে। 

ভাবী, আজ আমি বড়ভাইকে ছাড়বো না।

সবুজ  তুমি এসব নিয়ে  ভেবো না। ঘুমাতে যাও। 

সবুজ  নিজের ঘরে ফিরে যায় আবদুল্লাহকে নিয়ে। 

আবদুল্লাহর বাবা খাওয়া শেষ  করে। খাওয়া শেষে এক খিলি পান খায়।

 নীলা বলে, আবদুল্লাহর তিন দিন ধরে  জ্বর  চলছে। ডাক্তার দেখানো উচিৎ। 

তিন দিন আগে জামাল আবদুল্লাহকে পিটিয়েছে। তারপর আবদুল্লাহর জ্বর চলে আসলো। আবদুল্লাহ  সে রকম কিছুই  করে নি। এলাকার একটা বাসায় গল্প করতে গিয়েছিলো। জামাল এ কারণে  আবদুল্লাহকে পিটিয়েছে। সারা দিন ফাজলামি।  আবদুল্লাহ  এলাকার একটা বাসায় যায়। সমবয়সীদের  সাথে খেলতে। জামাল তা পছন্দ করে না। এতো টাকা দিয়ে  মাসের পর মাস পড়াচ্ছে আর ছেলে গেছে  জাদু দেখতে। ঐ বাসার বড় ছেলেটা ভালো ম্যাজিক দেখায়। হাত সাফাই এর খেলা। আবদুল্লাহর ইচ্ছে  সে জাদু শিখবে। মাকে নিয়ে  রূপকথার  দেশে চলে যাবে। যেখানে মা কে কেউ মারবে না। 

জামাল ওদের দেখতে পারে না। ওদের  অনেক টাকা। তাছাড়া  ভালো মতো নামাজও পরে না। তন্ত্র, মন্ত্র  জানে বোধ হয়। গভীর রাতে ম্যাজিশিয়ানটা গান শোনে। হারাম টাকার মালিক এর চেয়ে  বেশি  কি আর করবে? টাকা পয়সা অনেক। হারাম পথের টাকা। সেই জন্য সে তিন দিন  আগে  ছেলেকে মেরেছে।

নীলা আবার বলে, আবদুল্লাহর  অনেক জ্বর। ডাক্তার  দেখাতে  হবে।

জামাল বলে,  এমনিতেই পাপের সন্তান।  জ্বর তো হবেই। 

নীলার বুক ফেটে  কান্না আসে। আর কতোবার এই প্রসঙ্গ তোলা হবে? নীলা এই এলাকায়  আসার পর ঐ বাড়িতে গিয়েছিল। পরিচিত  হতে। বাড়ি ফিরে  অনেক প্রশংসাও করেছিল। তখন থেকেই জামালের সন্দেহ। নীলার তাই ঐ বাড়িতে  যাওয়া নিষিদ্ধ।  

যাই হোক জামাল বলে চলো ঘুমাতে যাই। নীলার আবারো কান্না আসে। জামাল এখন মদ খাবে আর নীলাকে বলবে নাচতে। সম্পূর্ণ  উলঙ্গ  হতে হবে নীলাকে।  তারপর জামাল তাকে গালি দেবে। যদি মেজাজ ভালো না থাকে নীলাকে  মারবে, নোঙরামি করবে। নীলার পালিয়ে  যেতে ইচ্ছে করে কিন্তু  সে জামালের দাসী। সে আগে একটা চাকরি করতো। আবদুল্লাহর জন্মের পর কাজ ছাড়তে হলো। 

জামাল বললো, ঘরের কাজ করো। অফিসে যাও তো বসের সাথে নষ্টামি করতে। পর্দা করো। তোমার তো কোনই শরম নেই, চরিত্রহীন বেশ্যা।

 নীলা মাথার হিজাব  খুলে ফেলছে। একে একে পোশাক খুলছে। তার চোখ ফেটে জল আসছে। জামাল এখন পুরো নেশাগ্রস্থ।  নোঙরা ভাষায়  খিস্তি করছে। সারা এলাকা শুনছে.....

গল্পটা  আর লিখতে ইচ্ছে করছে না। গত সাত বছর ঢাকা শহরের নাম না জানা কোন এক গলিতে প্রতিদিন প্রতিরাত একই গল্পের পুনরাবৃত্তি  হচ্ছে......এর উপসংহার  পাঠক নিজে বেছে  নিবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256520/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 20:24:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঊনমানুষের গল্প<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>নামাজ পরসো?<br />
জ্বী পড়েছি।<br />
আজকে বাইরে  গেছিলা?<br />
না।<br />
যা হোক ধীরে ধীরে বুঝতে  শিখসো। যাও তরকারিটা গরম করে আনো।<br />
নীলা তরকারি গরম করতে যায়। </p>
<p>মা, বাবা আসছে? </p>
<p>হ্যা। </p>
<p>বাবা কি মারবে?</p>
<p>নীলা নির্বাক। যাও ছোট চাচার সাথে ঘুমাতে যাও।</p>
<p>আবদুল্লাহর  তিন দিন ধরে জ্বর। ডাক্তারের  কাছে নেয়া দরকার।  সবুজ রান্না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256520"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256520/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5bc60eb2b91152b5b518d539eb88dfb5</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and TARIN are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256511/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 17:00:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dd1bf06112793938dbfa0e06054c250e</guid>
				<title>দুটি কবিতা

০১

আসাদ কি আর বলবো বলো?
কাজী সাহেব  আমাকে শায়েস্তা  করতে পেয়াদা দিয়ে  আমায় করেছে নজরবন্দী। 
আর এদিকে কাজী সাহেবের  মেয়ে সুরাইয়া  সুযোগ বুঝে  সবাইকে  বোকা বানিয়ে তার মাজনুকে নিয়ে ঘর ছেড়েছে।

 
০২

আসাদ, দুর্নামের অভিযোগে ক&#039;দিন রঙ এর বাজারে   যাই না,
এই সুযোগে পাশের বাসার লোকটি আজ দুপুরে ফুল হাতে আমার জানাযা পড়তে গেলো।
যাওয়ার সময় আমায় আবার  বলে গেলো,  কবি সাহেব  বড় ভালো মানুষ ছিলেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256426/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jul 2026 15:50:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুটি কবিতা</p>
<p>০১</p>
<p>আসাদ কি আর বলবো বলো?<br />
কাজী সাহেব  আমাকে শায়েস্তা  করতে পেয়াদা দিয়ে  আমায় করেছে নজরবন্দী।<br />
আর এদিকে কাজী সাহেবের  মেয়ে সুরাইয়া  সুযোগ বুঝে  সবাইকে  বোকা বানিয়ে তার মাজনুকে নিয়ে ঘর ছেড়েছে।</p>
<p>০২</p>
<p>আসাদ, দুর্নামের অভিযোগে ক&#8217;দিন রঙ এর বাজারে   যাই না,<br />
এই সুযোগে পাশের বাসার লোকটি আজ দুপুরে ফুল হাতে আমার জানাযা পড়তে গেলো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256426"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256426/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">85511f50fe80846fdef34d79e9b38269</guid>
				<title>কথোপকথন 

সুহৃদ  আপনি কি জানেন  এই পলি ভূমিতে কি হচ্ছে?

এর যথাযথ উত্তর তো আপনার কাছেই  আছে।

এখানে  বিশৃঙ্খলাই নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রজাগণ নৈরাজ্যের  শিকার হয়েছে। দুই দশকের রাজত্বে  প্রজাগণ হয়েছে প্রতারিত।  রাজন্য বর্গ তাদের সম্পদ  লুন্ঠন  করে নিজেদের  করে নিয়েছে। প্রজাগণ হারিয়েছে  স্বাধীনতা এবং  সার্বভৌমত্ব। তাই তারা বাধ্য  হয়ে বিদ্রোহ করেছে। তারপর প্রজাগণের বিপ্লব লুণ্ঠিত  হলো নতুন  রাজণ্যবর্গের কাছে। বিপ্লবকে ব্যবহার করে তারা এক নৈরাজ্যের শাসন  প্রতিষ্ঠা করেছিলো। তারাও পূর্ববর্তী রাজণ্যবর্গের পথ অনুসরণ  করে প্রজাগণের সম্পদ লুন্ঠন  করলো। যাদের ওপর এই জনপদ আস্থা রেখেছিলো তারাই করেছে বিশ্বাস ঘাতকতা। তারপর জনগণের  দাবীর মুখে তারা একটি নির্বাচন  করলো। প্রজাগণ ক্ষমতা তুলে দিলো পুরোনো  রাজণ্যবর্গের হাতে যারা হয়েছিলো নির্বাসিত। প্রজাগণের হাতে আর কোন উপায় ছিল  না। অন্ধকারের নৈরাজ্য  থেকে বাঁচার  আকুতিতে তারা ফিরিয়ে  নিয়ে এলো পুরোনো রাজণ্যবর্গ। কিন্তু এই নির্বাচিত রাজণ্যবর্গকে কড়ায় গন্ডায় গত দুই  দশকের খেসারত  দিতে হচ্ছে অগ্নি আসনে বসে। 

আর কি হয়েছে?  

গত দুই  দশকের  নৈরাজ্যের  ফসল অধর্ম প্রতিষ্ঠা হয়েছে।এখানে কেউ নিরাপদ  নয়। ধর্মতন্ত্র  নাগেশ্বরর মতো তার বিষধর ফণা  প্রকাশ করেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত  ধর্ষণের, মৃত্যু  বরণের শিকার হতে হচ্ছে  ধর্মের নামে। ধর্মের  নামে তাদের পাপ পুণ্যে পরিণত হচ্ছে।  চলছে  অজ্ঞতার চর্চা। কিন্তু ঈশ্বরের  কাছে তারা খারিজ  হয়ে গেছে। নির্বাচিত  রাজণ্যবর্গের বিরুদ্ধে  ক্রমাগত  ষড়যন্ত্র  চলছে।  কিন্তু প্রজাগণ নিজের জীবন বাজি রেখে  অন্যায়ের প্রতিবাদ  করে  চলেছে। আজ এই শষ্য, সুফলা মাতৃভূমি হয়ে গেছে এক জন মানবহীন গোরস্থান। 

সুহৃদ  তোমার সকল কথাই শুনলাম। কিন্তু এর মধ্যে  একটি ভালো বিষয় আছে। 

ভালো বিষয় কি আছে?

তা হলো প্রজাগণ ক্রমশ তাদের  ক্ষমতা চিনতে শুরু করেছে। মনে রেখো সমস্যা  না থাকলে সমাধান  খুঁজে  পাওয়া যায় না। মনে হচ্ছে তোমরা দুটি  দলে বিভক্ত। প্রজাগণ আর রাজণ্যবর্গ। তাই আশা হারিয়ো না। অনাগত ভবিষ্যতেই সত্য প্রকাশিত  হবে। সময়ই  বলে দেবে এই পলিভূমি ভবিষ্যতে কোন পথে হাঁটবে। আশা হারিয়ো  না। বিদায় সুহৃদ। 

বিদায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256425/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jul 2026 15:48:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কথোপকথন </p>
<p>সুহৃদ  আপনি কি জানেন  এই পলি ভূমিতে কি হচ্ছে?</p>
<p>এর যথাযথ উত্তর তো আপনার কাছেই  আছে।</p>
<p>এখানে  বিশৃঙ্খলাই নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রজাগণ নৈরাজ্যের  শিকার হয়েছে। দুই দশকের রাজত্বে  প্রজাগণ হয়েছে প্রতারিত।  রাজন্য বর্গ তাদের সম্পদ  লুন্ঠন  করে নিজেদের  করে নিয়েছে। প্রজাগণ হারিয়েছে  স্বাধীনতা এবং  সার্বভৌমত্ব। তাই তারা বাধ্য  হয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256425"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256425/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">82748379c480d838d9395125d11f86c4</guid>
				<title>Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] and কাজী আনিসুল হক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256408/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jul 2026 11:11:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d894bfb0de43dc4d45552e1bf3222b3</guid>
				<title>ফাঁকা  থিয়েটারে
জাকের আদিত্য 

আমরা দুজন থিয়েটার হলে বসে আছি।  এখানে দর্শক পালন করছে  অভিনয়শিল্পীর দায়িত্ব।  আমরা দুজন স্পেশাল  গেস্ট। আমরা আজকের  প্রদর্শনী  দেখবো। আমাদের দায়িত্ব হলো  নাটকের শেষ  দৃশ্য  অনুমান করতে হবে। যে সঠিক  অনুমান  করবে সে বুলেটের আঘাতে আহত হবে না। প্রদর্শনীর অনেকটুকু  অংশ  পেরিয়ে  গেছে।

আমার পাশে বসে থাকা লোকটি আমার গত জীবনের শত্রু। তাকে আমার পছন্দ  নয়। তবে আজ সে বিনীত। মনে হচ্ছে সে প্রদর্শনীর কিছুই  বুঝতে পারছে না। সে একপর্যায়ে  আমাকে জিজ্ঞেস  করলো, নাটকের রচয়িতা  কে? সে কি এখানে আছে। আমি বললাম,  এসব বলে বিব্রত  করবেন না। এই নাটক দলের লোকেরা খুবই  ভয়ংকর। আপনার এসব কথায়  তারা আমাদের  অবস্থা  শোচনীয়  করে তুলবে। পাশের ব্যক্তি চুপ হয়ে গেল। সাধারণ চেহারার এক লোক। বলার মতো কোন কারণ ছাড়াই এতোদিন সে আমার সাথে শত্রুতা করেছে, আমার সম্পদ কুক্ষিগত  করেছে। 

আমি তাকে নিয়ে  ভাবা বন্ধ  করে নাটকে  মনোনিবেশ করলাম। জটিল অংকের নাটক।

পাশের  লোকটি একটু পর বলে উঠলো, আমার একটি মেয়ে আছে। সারাবছর  অসুস্থ  থাকে। তাছাড়া পঙ্গু। ওর চিকিৎসার খরচ অনেক।

আমি তাকে  কথা বলতে নিষেধ করলাম। মনে হচ্ছে,  আমি নাটকের সমাপ্তি অনুমান করতে পারছি।

এই পর্যায়ে  আমার পাশে বসে থাকা  শত্রু কেঁদে  উঠলো- আমি কিছুই  বুঝতে  পারছি না। আমার মেয়ে......

নাট্যকর্মীরা এক পলক দেখলো। একটু হাসলোও। তাদের চোখ জ্বলজ্বল করছে। তারা তাদের  কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শেষ  দৃশ্যের আগে  নাটকদল বিরতিতে  গেলো। নাট্যকর্মীরা মঞ্চ  ছেড়ে বের হয়ে গেলো। এবার উপসংহার  বলতে হবে আমাদের। ফাঁকা  থিয়েটারে এখন তিনজন। আমি, আমার শত্রু আর নাটক রচয়িতা।  আমি উপসংহার বুঝে ফেলেছি। এখন শুধু  তা বলতে হবে। আমার শত্রু মাটিতে বসে কাঁদছে।  বলছে, আমি কিছুই  বুঝি নি। আামার মেয়ে... আমার পর কে তাকে দেখবে? নাট্যকার আমার দিকে তাকিয়ে বললো, বলুন- তার হাতে রিভলবার।  

আমার শত্রু কাঁদছে, সে প্রায় উন্মাদ। আমি উপসংহারে পৌঁছে  গেছি।  নাট্যকার বললেন, বলুন...

আমি জানি না আমি কি বলবো?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256290/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Jul 2026 17:57:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফাঁকা  থিয়েটারে<br />
জাকের আদিত্য </p>
<p>আমরা দুজন থিয়েটার হলে বসে আছি।  এখানে দর্শক পালন করছে  অভিনয়শিল্পীর দায়িত্ব।  আমরা দুজন স্পেশাল  গেস্ট। আমরা আজকের  প্রদর্শনী  দেখবো। আমাদের দায়িত্ব হলো  নাটকের শেষ  দৃশ্য  অনুমান করতে হবে। যে সঠিক  অনুমান  করবে সে বুলেটের আঘাতে আহত হবে না। প্রদর্শনীর অনেকটুকু  অংশ  পেরিয়ে  গেছে।</p>
<p>আমার পাশে বসে থা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256290"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256290/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">396cffdc1c29995317a18f626499d7c8</guid>
				<title>দুইটি কবিতা

১.
কি আর বলবো আসাদ, বলো;
কোন এক মন খারাপের রাতে,
সে আমায় ডেকে নিলো রূপের জ্যোৎস্না হয়ে।

২.
আসাদ, দু্র্নামের বাজারে আমার নামে শোরগোল রটে গিয়েছে,
অথচ আমি তো লায়লার সন্ধান করতে গত রাতে শুঁড়িখানায় সাকীর পাত্রে মগ্ন ছিলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256062/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Jun 2026 15:09:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুইটি কবিতা</p>
<p>১.<br />
কি আর বলবো আসাদ, বলো;<br />
কোন এক মন খারাপের রাতে,<br />
সে আমায় ডেকে নিলো রূপের জ্যোৎস্না হয়ে।</p>
<p>২.<br />
আসাদ, দু্র্নামের বাজারে আমার নামে শোরগোল রটে গিয়েছে,<br />
অথচ আমি তো লায়লার সন্ধান করতে গত রাতে শুঁড়িখানায় সাকীর পাত্রে মগ্ন ছিলাম।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5565da40e805957e5c4c9b7fece8fd72</guid>
				<title>গত জন্মের গল্প। এ লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিলো ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা সূর্যাক্ষরে।

মাটির ঢেলা ও অগ্নি

এক তাল মাটি পরে ছিলো প্রান্তরে। প্রথম ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। কোমল মৃত্তিকা দেখে তার মনে এক অসাধারণ স্বপ্নের সঞ্চার হলো। তিনি ঠিক করলেন এই তাল তাল মাটিকে তিনি একটি দৃঢ়চিত্ত মানবের রূপ দেবেন। সে প্রান্তরের দক্ষিন কোণে বসে একটু একটু করে তাল তাল মাটিকে মানবরূপে গড়ে তুলতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে তাল তাল স্তুপাকৃত মৃত্তিকা মানবে পরিণত হচ্ছিলো। ঠিক এমন সময় ভাস্করের মনে পড়লো তার তো একটি সভায় যাবার কথা।। তিনি নিজেকে কটূক্তি করলেন এবং ভাবলেন অনর্থক সময় আর নষ্ট করা যাবে না। এখনই নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করতে হবে। প্রথম ভাস্করের প্রস্থান ঘটলো। মাটির ঢেলা অর্ধ মানব রূপে প্রান্তরে পরে রইলো। 
কিছুকাল পরে দৃশ্যপটে দ্বিতীয় ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। অর্ধ মানব কোমল মৃত্তিকা দেখে তার মনে এক অসাধারণ স্বপ্ন আসলো। তিনি ঠিক করলেন এই তাল তাল মাটিকে তিনি একটি দেবদূতে রূপ দেবেন। তিনি প্রান্তরের দক্ষিন কোণে বসে মানবাকৃতির মাটির ঢেলায় পাখা বসাতে শুরু করলেন। ঠিক এমন সময় ভাস্করের মনে পড়লো গৃহে তার শিশুটি একা। তিনি আপন অস্থিরতায় প্রস্থান করলেন । প্রস্থানের সময় তার হাত থেকে পরে যাওয়া মাটির ঢেলার একটি পাখা ভেঙে গেলো। মাটির ঢেলা অর্ধ মানব অর্ধ দেবদূত রূপেই প্রান্তরে পরে রইলো।
কিছুকাল পর দৃশ্যপটে তৃতীয় ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। পরে থাকা মাটির মূর্তি দেখে তিনি চিন্তায় নিমগ্ন হলেন। এই অর্ধ মানব অর্ধ দেবদূতরূপী মাটির পুতুল দেখে তার মনে প্রশ্নের উদ্রেক ঘটলো। তিনি ভেবে বসলেন হয়তো বা এর স্রষ্টা একে স্বর্গচ্যুত অপরাধী দেবদূত রূপে সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, যা কোন কারনে শেষ হয় নি। তার মনে হলো এই সৃষ্টিকে শেষ করার মহান দায়িত্বটি তার। তাই সে অর্ধমানব অর্ধ দেবদূতরূপী কোমল মৃত্তিকার ঢেলাটিকে ধীরে ধীরে পাশবিক উদ্ধত স্বর্গচ্যুত মূর্তিতে পরিবর্তিত করতে শুরু করলেন। কাজ প্রায় শেষের দিকে এমন সময় প্রান্তরের পূর্ব পাশে অবস্থিত উপাসনালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীতে মুগ্ধ হয়ে ভাস্কর অর্ধ মানব অর্ধ দেবদূত অর্ধ শয়তানরূপী মাটির ঢেলাকে ছুঁড়ে ফেলে উপাসনালয়ের দিকে যাত্রা করলেন।

ধীরে ধীরে বিকেল গড়িয়ে এলো। প্রান্তরের সবুজ ঘাসে মাটির মূর্তি পরেই ছিলো নিমগ্ন নির্জনে। একদল দুরন্ত বালক হঠাৎ করে তাকে আবিষ্কার করলো। তারা তাদের মতো মাটির ঢেলা নিয়ে খেলতে শুরু করলো। তারা মাটির ঢেলার বিভিন্ন অংশে আঘাত করে তাকে আরো কিম্ভুতকিমাকার করে তুললো। একসময় তারা মাটির ঢেলার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেললো এবং প্রান্তরের দক্ষিণ কোণে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করে নিজেদের মতো যে যার ঘরে চলে গেলো।
কোমল মাটি অগ্নির বন্ধনে দৃঢ় আবদ্ধ হয়ে পুড়তে পুড়তে শক্ত ও কালো হয়ে উঠলো। সেই কোমল মৃত্তিকা পুড়ে পুড়ে খাঁক এক অদ্ভুত মূর্তির আকার লাভ করলো এবং বন্ধু হিসেবে অগ্নিকেই বেছে নিলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255986/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Jun 2026 03:41:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গত জন্মের গল্প। এ লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিলো ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা সূর্যাক্ষরে।</p>
<p>মাটির ঢেলা ও অগ্নি</p>
<p>এক তাল মাটি পরে ছিলো প্রান্তরে। প্রথম ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। কোমল মৃত্তিকা দেখে তার মনে এক অসাধারণ স্বপ্নের সঞ্চার হলো। তিনি ঠিক করলেন এই তাল তাল মাটিকে তিনি একটি দৃঢ়চিত্ত মানবের রূপ দেবেন। সে প্রান্তরের দক্ষিন কোণে বসে একট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255986"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255986/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>