<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Nazmul Huda Parvez | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/nibadito/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/nibadito/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Nazmul Huda Parvez.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jun 2026 17:27:43 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">817306a78a97157bb0163fb02decaa08</guid>
				<title>কবিতা-
       “গণতন্ত্রের চিরকুট” 
                   - নাজমুল হুদা পারভেজ
আমাকে সাজিয়ে দাও
আবার আমার ডাক পরেছে
কোথায় যাবে তুমি?
রাজপথে।
কেন? 
আমাকে মিছিলে যেতে হবে।
কীসের মিছিল ?-জানতে চায় গৃহবধূ রোমেনা।
গণতন্ত্রের মাঠে শকুন পরেছে
আবার হায়নারা দখল করেছে উর্বর জমি।
গণতন্ত্র কি?
ওটা খায় না মাথায় দেয় ?
বিরক্ত মাইজুদ্দিন,মূর্খ মানবী-
সেটা তুমি বুঝবে না
আমাকে সাজিয়ে দাও
এখনই যেতে হবে রাজপথে।
রাজপথে মিছিল হবে-
রণ সজ্জায় আমাকে সাজিয়ে দাও
হাতে তুলে দাও, স্বাধীনতার পতাকা।
মুক্ত মানব আমি, কৃষকের প্রতিনিধি
মুক্ত মানব আমি, শ্রমিকের কণ্ঠস্বর
মুক্ত মানব আমি, নিরন্ন জনতা।
আমি ভাষা আন্দোলন, আমিই স্বাধীনতা
আমি সরকার, আমিই স্বৈরাচার,
আমি নির্বাচন, আমিই নির্যাতন
আমার সৌভাগ্য গণতন্ত্র
আমিই এখন হতভাগ্য।
আমি কাঁদি- তাই গণতন্ত্র কাঁদে
আমি হাসি- তাই গণতন্ত্র হাসে
গণতন্ত্র বিপন্ন -তাই আমি প্রতিবাদী।
কারণ আমার অস্থিতে বাংলাদেশ
কারণ আমার ঠিকানায় বাংলাদেশ।
আমাকে রণ সজ্জায় সাজিয়ে দাও
ডাক এসেছে, মিছিলে যেতে হবে।
অবশ্য বদলে গেছে স্বদেশের প্রেক্ষাপট
গণতন্ত্র রক্ষার দাবিতে মিছিল
চারিদিকে সাঁজ সাঁজ রব,
সংসদের ভিতরে- বাহিরে আন্দোলন
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত ভিতর-
বাহিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন
সকলে গণতন্ত্রের পূজারি-গণতন্ত্র চায়, অথচ-
গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় আজ জাতি দ্বিধাবিভক্ত।
আজ আবারও গণতন্ত্র রক্ষার মিছিল হবে
এ দেশে বারবার গণতন্ত্রের জন্য মিছিল হয়।
গুলি হয় মিছিলে,লাশ পড়ে রাজপথে
তাজা রক্তে ধুয়ে যায় শকুনের চোখ তবু-
প্রকৃত গণতন্ত্র আসে না দেশে।
এবার নাকি প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় মিছিল,
প্রতিবাদী জনতা আবারও নামবে রাজপথে
তবুও মানুষ আসবে মিছিলে
দাবি আদায়ের বজ্র মিছিলে
কেঁপে উঠবে রাজপথ।
আজ রাজপথে মিছিল হবে
রাজপথে ভেসে আসা জনতার ঢল
ওদের কণ্ঠে প্রতিবাদ, মুষ্টিবদ্ধ হাত
জনতার ভিড়ে মাইজুদ্দিনও আছে ।
ফুল হাতা শার্ট আর মাল-কাছা মারা
গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী  যেন
বারবার মাইজুদ্দিনরা ফিরে আসে রাজপথে।
মিছিল এগিয়ে চলে জিরো পয়েন্ট অভিমুখে
বুটের শব্দে ভারী রাজপথ, একই রূপে ফিরে আসা
পুলিশ ভ্যান আর জল কামান চলে পিছু পিছু
পোশাকের ভিতরের মনিুষটা শুধু বদলে গেছে
খানের পরিবর্তে বাঙালি  পুলিশ অফিসার।
মিছিলের ধরনটা বদলে গেছে-
স্বাধীনতার পরিবর্তে গণতন্ত্র
বদলায়নি শুধু মাইজুদ্দিন , রাজপথ আর-
দাবি আদায়ের মিছিল।
হঠাৎ পুলিশ ভ্যানের গতি বেড়ে যায় পূর্বের মতো
চাকার তলে পিষ্ট হয় মাইজুদ্দিন। 
রাজপথে পরে থাকে লাশ- রক্তে ভিজে জ্যাবজ্যাবে।
সাদা শাড়িতে লাশ শনাক্ত করতে আসে রোমেনা
মাইজুদ্দিনের শার্টের পকেটে খুঁজে পায়
লাল রক্তে ভেজা একটি চিরকুট।
চিরকুটে অনিপুণ হাতে কালো কালিতে লেখা
“গণতন্ত্র মুক্তি পাক”।
==========</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144273/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 02:33:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
       “গণতন্ত্রের চিরকুট”<br />
                   &#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
আমাকে সাজিয়ে দাও<br />
আবার আমার ডাক পরেছে<br />
কোথায় যাবে তুমি?<br />
রাজপথে।<br />
কেন?<br />
আমাকে মিছিলে যেতে হবে।<br />
কীসের মিছিল ?-জানতে চায় গৃহবধূ রোমেনা।<br />
গণতন্ত্রের মাঠে শকুন পরেছে<br />
আবার হায়নারা দখল করেছে উর্বর জমি।<br />
গণতন্ত্র কি?<br />
ওটা খায় না মাথায় দেয় ?<br />
বিরক্ত মাইজুদ্দি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-144273"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/144273/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eb3da13e3993be60e8d35ed1e9f90949</guid>
				<title>রাজবংশী ভাষায় আধুনিক কবিতা
কবিতা-
পিড়িতি কিনবেন কাঁইও
-নাজমুল হুদা পারভেজ
লেখার তারিখঃ-০৮-০৭-২০২২ ইং।
তাগড়া জুয়্যান মুই সেলা, ফুরফুরা যৈবইন
চাইরোপাকে ডিবডিবা নাল ফুলোতে ভরি গেইছে,
গাছের ডালোত, শাখাত- পাতাত, বসন্তের মৌবন
কৃষ্ণচুড়্যা, পলাশ, শিমুল ফুলোত পক্কিরা মাতিছে।
বাসন্তী হাওয়া আসি নাগিল মোর মোনোত
যিতি তাকাঁও দেহং, হরেকঅকম পাকপক্কির মেলা,
কাজল টানা ডাগর চোখ, যৈবইন উচ্ছ্বলে দেহোত
তাক দেকিয়া মোর মোনোত নাগিল দোলা।
যার গালাত দিনু পেরথম পিড়িতির মালা
সুখের স্বপন বাসা বাঁন্দিল, দোনোজনের মনোত
একদন্ড থাইকপ্যার নাপায়, বুকোত দারুন জ্বালা
ট্যাকাক বিয়্যাও করিল, মোক পাঠাইল বনোত।
বুকোত কষ্ট ধরি, একলায় কাটানু জীবন
শোনোও পিড়িতি কেনাবেচা হয়, সাঁঝের বেলা
একচুয়্যাল,সেক্সচুয়্যাল,কমার্শিয়াল নানা পিড়িতির ধরণ
দুনিয়াডা পিড়িতির বিকিকিনির হাট সেটা জাননু এল্যা।
পিড়িত যদি নকল হয়, হয় বেচাকেনা-
মুই এলাও কারবাদে ঘাটারদিকি থাকোঁ চায়া?
মোর পিড়িতর কি কোনো দামে নাই?
পিড়িতি বেচাইম মুই, বেচাইম মোর হিয়া।
পিড়িতি কিনবেন কাঁইও, নাইগব্যার নায় ধন
ফর্মালিন বিহীন, হাইব্রিড নোয়ায়, প্রকৃতির দান
ট্যাকা ছাড়া পাইবেন, নাইগবে সোন্দর মন
যে পিড়িতি দেবে হৃদয়ের দাম- সন্মান।।
                  ==========
প্রমিত ভাষায় শব্দার্থঃ পিড়িতি= ভালোবাসা বা প্রেম , কিনবেন=ক্রয় করবেন, কাঁইও=কেহ ,তাগড়া=সুঠাম, জুয়্যান= যুবক, সেলা=তখন, ফুরফুরা= টগবগে,যৈবইন= যৌবন, চাইরোপাকে= চারিদিকে, ডিবডিবা= টকটকে, নাল= লাল,ফুলোতে= ফুলে ফুলে, ভরি= পূর্ণ, গেইছে= হয়েছে,
পক্কিরা= পাখিরা, মাতিছে=মত্ত হওয়া বা খোলয় মত্ত থাকা,নাগিল= লাগলো,মোনোত= মনে,যিতি= যে দিকে, তাকাঁও = তাকাই, দেহং= দেখতে পাওয়া, হরেকঅকম= নানা রকম, পাকপক্কির= বহু পাখি,উচ্ছ্বলে= উপচে পড়া, দেহোত = দেহ বা শরীর,মোনোত= মনে, নাগিল= লাগলো,গালাত= গ্রীবা বা ঘাড়ের বিপরীত দিকের অংশ,  দিনু পেরথম= প্রথম,বাঁন্দিল= জড়িয়ে যাওয়া,, দোনোজনের = দু’জনের, একদন্ড= ক্ষণকাল, থাইকপ্যার  নাপায়=থাকতে না পারা,পাঠাইল = পাঠানো, বনোত=  অরণ্যে নির্বাসন,একলায় = একা, কাটানু= সময়  অতিক্রম করা,জাননু = জানা ,এল্যা= এখন,কারবাদে= কার জন্য ঘাটারদিকি= পথ পাণে চেয়ে, থাকোঁ= থাকা বা অপেক্ষা করা, চায়া= চেয়ে থাকা.দামে= মূল্য,বেচাইম= বিক্রি করতে চাওয়া,নাইগব্যার = লাগবে, নায়= না, ধন= টাকা , নোয়ায়= নয়,সোন্দর= সুন্দর,।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/123823/</link>
				<pubDate>Fri, 08 Jul 2022 20:07:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাজবংশী ভাষায় আধুনিক কবিতা<br />
কবিতা-<br />
পিড়িতি কিনবেন কাঁইও<br />
-নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
লেখার তারিখঃ-০৮-০৭-২০২২ ইং।<br />
তাগড়া জুয়্যান মুই সেলা, ফুরফুরা যৈবইন<br />
চাইরোপাকে ডিবডিবা নাল ফুলোতে ভরি গেইছে,<br />
গাছের ডালোত, শাখাত- পাতাত, বসন্তের মৌবন<br />
কৃষ্ণচুড়্যা, পলাশ, শিমুল ফুলোত পক্কিরা মাতিছে।<br />
বাসন্তী হাওয়া আসি নাগিল মোর মোনোত<br />
যিতি তাকাঁও দেহং, হরেকঅ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-123823"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/123823/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">505132eaed9bee30922c446ac30fca38</guid>
				<title>কবিতা-
কবিতা হয়ে এসো
              কলমে- নাজমুল হুদা পারভেজ
হৃদি, একটু বসো-মনে আছে তোমার- 
তোমাকে নিয়ে একটা, কবিতা লিখতে বলেছিলে?
চেয়ে দেখো,চারিদিকে বন্যার জল থৈ থৈ করছে
যে দিকেই তাকাও ,দেখবে নীল আকাশ-
যেন দিগন্ত ছুঁয়েছে। 
বন্যা বাঁধের উঁচুতে ঘাসে বসে-
ব্রহ্মপুত্র নদকে খুব কাছে থেকে দেখা যায়।
অপূর্ব সবুজ প্রকৃতি- চারিদিক বন্যার জলে প্লাবিত।
আধা ডোবা ঘর গুলির মানুষেরা- 
এখন নতুন নামে পরিচিতি পেয়েছে- ওরা বানভাসি।
বাঁধে, রাস্তায়, রেললাইনে, আশ্রায়নে-
হাজার হাজার বুভুক্ষু মানুষ।
বাতাসে লাশের গন্ধ, ক্ষুধায় কাতরাচ্ছে-
কোলের শিশু মোমেনা আর বৃদ্ধ কেরামত আলী।
ত্রাণের আশায় সকাল থেকে সন্ধ্যা-
ক্ষুধা পেটে অপেক্ষার প্রহর গুনে
ফাতেমা, জহুরা, মমতাজ আর আমেনারা,
মন্ত্রী সাহেব আসবেন বলে, 
সারাদিন বসে থাকে ত্রাণের অপেক্ষায়।
যেখানে গরিব মানুষের সময়ের মূল্য নেই,
ক্ষুধা আর বঞ্চনাকে উপেক্ষা করে,
যেখানে বেঁচে থাকার লড়াই চলে-
সেখানেই তো আমার কবিতার সংগ্রাম,
জীবন কাব্য আর কবিতার উপপাদ্য।

হৃদি, যেও না, একটু শুনে যাও
আমার চোখের দিকে তাকাও।
ভাল করে দেখ, আমার হৃদয় গহিনে।
 ভালোবাসার বন্যার জলে-
তুমি তলিয়ে যাচ্ছ ক্রমাগত।
এখনও আমি তোমার ঠোঁটে এঁকে দিইনি মধু চুম্বন,
এখনও তুমি হৃদয়ে হৃদয় মিলিয়ে-
নিশ্বাসে- বিশ্বাসে বিলীন হয়ে যাওনি ।
অথচ অনেক চাওয়ার আছে আমার, 
যা দিতে পারবে না, তা কখনও চাইব না ।
শুধু চাওয়া, নির্মল, স্বার্থহীন ভালোবাসা। আর-
তোমার প্রেমের অহিংস নায়ক হওয়া।
হৃদি, চলে যাবে ? ঠিক আছে যাও-
যে যেতে চায়, তাকে যেতে দিতে হয়।
যাবার কালে ,একটা অনুরোধ রাখবে ?
তোমার ভালোবাসার বাতাবরণে আবদ্ধ করো-
বানভাসি মেহনতি মানুষকে-আমেনাদেরকে।
আমার সমস্ত ভালোবাসা যে সখিনাদের জন্য-
শুধু তোমার একটি হৃদয়ে বন্দি করো না আমায়। 
বরং মানবতার মানসী হয়ে ওঠো তুমি।
হাতে হাত রেখে বলো আমাকে- 
চল ওদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। 
আবার অন্য রকম একটা পড়ন্ত বিকেলে-
তুমি ফিরে এসো এই খানে, নতুন কোন বন্যায়,
ব্রহ্মপুত্র নদের বাঁধের, এই উঁচু স্থানে-
আমার সেই কবিতা হয়ে,
যে কবিতা আজও লেখা হয়নি।
সেই কবিতা লিখব সেদিন, 
তোমাকে নিয়ে, কথা দিলাম।
==========</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122416/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Jun 2022 18:51:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
কবিতা হয়ে এসো<br />
              কলমে- নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
হৃদি, একটু বসো-মনে আছে তোমার-<br />
তোমাকে নিয়ে একটা, কবিতা লিখতে বলেছিলে?<br />
চেয়ে দেখো,চারিদিকে বন্যার জল থৈ থৈ করছে<br />
যে দিকেই তাকাও ,দেখবে নীল আকাশ-<br />
যেন দিগন্ত ছুঁয়েছে।<br />
বন্যা বাঁধের উঁচুতে ঘাসে বসে-<br />
ব্রহ্মপুত্র নদকে খুব কাছে থেকে দেখা যায়।<br />
অপূর্ব সবুজ প্রকৃতি- চারিদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122416"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122416/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c31113d1b8e2c95b3cf004ec9308c214</guid>
				<title>পিয়াসি ভালবাসা
                       কলমে- নাজমুল হুদা পারভেজ
তুমি সাগর হবে? 
আমি একটা সাগর খুঁজছি।
আমি  বহমান একটা নদ-
সেই আাদিকালে জন্ম আমার।
অতঃপর কালহরণ না করে আমি,
বন-জঙ্গল, পাহার, পর্বত ডিঙ্গিয়ে 
গেঁয়ো পথ ধরে-
তোমাকে কাছে পাবার জন্য 
ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছি,ভেঙ্গেছি জনবসতি, 
জনপদ, শহর-নগর,বন্দর সবকিছু।
সাগর সঙ্গমের অতৃপ্ত উন্মাদনায়  
ঘনান্ধকারে- আমি বয়ে চলেছি একা,  
সীমাহীন  আঁকা বাঁকা পথে-
তোমাতে মিশে যাবার আশায় 
অন্তরঙ্গ আলীগঙ্গনে।
তুমি সাগর হবে? 
সীমাহীন সাগর?
তোমার বুকের বিশালতা- 
আকাশকে স্পর্শ করবে।
নীল প্রকৃতি ছুঁয়ে যাবে- 
তোমার অপূর্ব সৌন্দর্যকে।
জিষ্ণু হয়ে তোমাকে জয় করবো- 
আমি ইন্দ্র কিংবা অর্জুনের মতো।
চন্দ্রালোকে ভালোবাসার দীপ্তি ছড়িয়ে 
আমি শান্ত করবো-  
তোমার অশান্ত বুকের জ্বালা।
তুমি সাগর হবে ? 
সত্যি,  একটা সাগর খুঁজছি আমি।
অতৃপ্ত , বিষাদে ভরা একটি কষ্টের সাগর।
যেখানে আমার তনু-মন শুধু- 
তোমার জীবনের দীপাবলি শুনবে।
ভালোবাসার দৈব্যশক্তিতে দূর করবো, 
তোমার হৃদয়ের সমস্ত কষ্ট।
মহামিলনে আমার ভালোবাসা 
ছড়িয়ে পরবে তোমার ধমনীর- 
শিরা- উপশিরায়, হৃদয়ের রন্ধ্রে রন্ধ্রে।
       ==========
তারিখঃ-২৫-০৬-২০২২ ইং।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122301/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Jun 2022 21:44:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পিয়াসি ভালবাসা<br />
                       কলমে- নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
তুমি সাগর হবে?<br />
আমি একটা সাগর খুঁজছি।<br />
আমি  বহমান একটা নদ-<br />
সেই আাদিকালে জন্ম আমার।<br />
অতঃপর কালহরণ না করে আমি,<br />
বন-জঙ্গল, পাহার, পর্বত ডিঙ্গিয়ে<br />
গেঁয়ো পথ ধরে-<br />
তোমাকে কাছে পাবার জন্য<br />
ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছি,ভেঙ্গেছি জনবসতি,<br />
জনপদ, শহর-নগর,বন্দর সবকিছু।<br />
সাগর সঙ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122301"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122301/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">422d4a4427ff97b810ea71488b9b45db</guid>
				<title>কবিতা-
“ নাই কোন অ্যানসার ”
	                      -নাজমুল হুদা পারভজে
কাজ চাও? ঘুষ হলে- সব পাই
সিসি ক্যামেরা অফিসে,বাইরে চলো যাই ।
ঘুষ নাই, কেমনে কাজ হবে  তোমার ?
ঘুষ যে মিশে গেছে  রক্তে আমার ।।

তোমরা জনগণ ?  অদ্ভুত তোমাদের মন
কখনো  শুনো নাই, ডাক্তাররে কোন কথন ?
ভাতে ফ্যাট বাড়ে ব্যায়ামের সময় নাই
অফিসে  বসে তাই, ফ্যাটহীন ঘুষ খাই ।

দুদক- র‌্যাবের ভয় ? আছে আমার নিশ্চয়ই
কিন্ত ওদের মাঝেও, ঘুষখোরের অভাব কই ?
অফিস-আদালতে যেখানেই তুমি যাও-
টাকা ছাড়া ফাইলটা , নড়ে না এক পাও ।

চালনি সুইকে বলে , তলায় কেন ফুটো ?
উত্তরে সুই বলে, তুমি নিজেই ঠুঁটো,
আদালতের ইট,মাটি ,সবকিছুই  টাকা চায়
ঘুষের বিনিময়ে সেথায় ,অনিয়ম চলে সদায়।

ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায়,  আদালতে জনতা যায়
পায়কি সঠিক বিচার ? ভুক্তভোগীরা জানে সবাই।
উকিল, মুহুরি , সেরেস্তা - আছে যত পেশকার
সবখানে টাকা চাই, নাই কোন নিস্তার ।

বিচারের দীর্ঘসূত্রতায়, বিচার প্রার্থীরা বিপদে পরে 
আদালতরে মন্থরতায়, অনেক আসামি জেলেই মরে।
আসামির লাশ  যখন-  নিজ বাড়িতে ফিরে,
দাফনের জায়গা নাই, মামলা নিয়েছে কেড়ে  ।

ছোট- বড় ছিদ্রতে দেশটার কর্ম সারা
সরকার ব্যস্ত তাই, হয়ে যেন দিশেহারা।
বন্ধ করবে কাকে দিয়ে, সবখানেই  ছিদ্র
ঘুষ চাই-এটা তাই,  বুনিয়াদি মিত্র।

সত্যটা হারিয়ে আজ মিথ্যের শুধু জয়জয়কার
মানুষের মাঝে তাই, অবক্ষয় বাড়ছে মানবতার  ।
আইনের ফাঁকফোকর ধরে, প্রশাসনের চাকা ঘোরে
ট্যাক্স -ভ্যাটের যাতাকলে,জনতা শূলে চড়ে ।

ঘুষ, দূর্নীতি, ধর্ষণ- আজ অনাবৃত কালচার
মাদকে আক্রান্ত সমাজ, হয়ে গেছে আলসার,
বদলায় না কেউ, দেয়  শুধু  লেকচার,
জনতা খুঁজে সত্যটা, নাই কোন অ্যানসার ।
   ====================</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122150/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Jun 2022 22:47:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
“ নাই কোন অ্যানসার ”<br />
	                      -নাজমুল হুদা পারভজে<br />
কাজ চাও? ঘুষ হলে- সব পাই<br />
সিসি ক্যামেরা অফিসে,বাইরে চলো যাই ।<br />
ঘুষ নাই, কেমনে কাজ হবে  তোমার ?<br />
ঘুষ যে মিশে গেছে  রক্তে আমার ।।</p>
<p>তোমরা জনগণ ?  অদ্ভুত তোমাদের মন<br />
কখনো  শুনো নাই, ডাক্তাররে কোন কথন ?<br />
ভাতে ফ্যাট বাড়ে ব্যায়ামের সময় নাই<br />
অফিসে  বসে তাই, ফ্যাটহীন ঘুষ খাই ।</p>
<p>দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122150"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122150/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">384ff64d70ac5352e50dc53232c19f65</guid>
				<title>কবিতা-
“ কি নামে ডাকবো তোমায়”?
	কলমে- নাজমুল হুদা পারভেজ
	সময়-রাত ১২টা ৩৯ মিনিট।
	তারিখঃ- ০৬/০৬/২০২২ইং

অনামিকা, তুমি বলো না আমায়
জুঁই,বেলি, নাকি মাধবী লতায়?
আমি বিমোহিত, কাজল কালো চোখের মুগ্ধতায়
কি নামে বলো, আমি ডাকবো তোমায়?

আঁধারের বুকে ওই জ্বলে জোনাকি
তোমার রূপের ছটা করে ঝিকিমিকি।
তুমি কেন ফোটো নাকো- তাঁরা হয়ে?
আমার হৃদয় আকাশে, প্রেমের শাখায় -পাতায় ।

ঝরা ফুলের নেই কোন সমাদর
পদতলে দলিত হওয়াই তার আদর।
কখনো ঝরে গেলেও, করব না অনাদর
আমৃত্যু ভালোবাসার চাদরে রাখব জড়িয়ে তোমায়।  


ফুল হয়ে ফোটো  হৃদয় কাননে
ভালোবাসা ছড়িয়ে দেবো তোমার ভুবনে।
তুমি ঝরে গেলে- আমি মরে যাব
কেমনে লিখব কবিতা বলো, জীবন খাতায়।

অনামিকা, এই কবিতাটি খোলা চিঠি
তোমার চরণে ভালোবাসার অর্ঘ্য নিবেদন।
সত্যি তুমি কি আমাকে ফিরিয়ে দেবে?
কি নামে ডাকলে বুকে জড়াবে আমায়?

আমার বিজয় কেতন তোমাতে সর্মপিত
দেবী,  আঁখি খোল, তাকও আমাতে।
হৃদয়ের সুবাসিত অনেক ফুল এনেছি আজ
কোনটা নেবে, সে নামেই ডাকবো তোমায়।
              =======</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118914/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Jun 2022 19:28:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
“ কি নামে ডাকবো তোমায়”?<br />
	কলমে- নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
	সময়-রাত ১২টা ৩৯ মিনিট।<br />
	তারিখঃ- ০৬/০৬/২০২২ইং</p>
<p>অনামিকা, তুমি বলো না আমায়<br />
জুঁই,বেলি, নাকি মাধবী লতায়?<br />
আমি বিমোহিত, কাজল কালো চোখের মুগ্ধতায়<br />
কি নামে বলো, আমি ডাকবো তোমায়?</p>
<p>আঁধারের বুকে ওই জ্বলে জোনাকি<br />
তোমার রূপের ছটা করে ঝিকিমিকি।<br />
তুমি কেন ফোটো নাক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-118914"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/118914/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e083f9bd30a673ad4197d056dc9f0568</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (সবুজ) সিকদার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118715/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Jun 2022 14:05:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7eaad930fb0e384161b03e05c004de3f</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and বশির আহমদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118449/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jun 2022 18:35:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9802e63fb99bbd52c10932ff0b28694a</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and শোয়েব ইবনে শাহীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118433/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jun 2022 18:05:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8f068f770287a6a45c91d2353cae8c47</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and Abu Taher are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118404/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jun 2022 16:55:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db68b35e8baccd15d4a159f1dc9d53e4</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and Rahman anisur are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118392/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jun 2022 14:23:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">226d6a3da3f63214b69351c55453ac37</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and Ismail Mozumdar are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118269/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jun 2022 07:36:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a8d377c7a0490cb814c16ff6d90a74e</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118199/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 19:56:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">475e7f82d05aa5ae65900596309a53bd</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and রফিকুল ইসলাম বাঁধন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118159/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 16:53:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e562143d858920a8fd85a750e39f8c50</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118154/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 16:43:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63575c5d2885a2c2cd4032980995a2c6</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and অরিন্দম সাইফুল্লাহ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118153/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 15:55:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b0a7a1b5c4633eebbb3de9c31aee00ed</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and Showrav Ghosh are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118142/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 15:08:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">422e5a8d3c86be17b5781fd2d54fb340</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and M. Kamrul Islam are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118134/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 14:31:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e2893394f3f7d58b84fc5c6ac9c3272</guid>
				<title>Nazmul Huda Parvez and Nilufar Ghani are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118129/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 13:45:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b7033539e674f363777e648183df4e59</guid>
				<title>বন্ধুরা,
ক্ষমা চাচ্ছি আমার নিজের ভুলের জন্য। অনেকেই আপনারা আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছিলেন। এ্যাকসেপ্ট করতে গিয়ে  ভুলে অনেককেই আনফ্রেন্ড করে ফেলেছি। মনে কিছু না নিয়ে আরেক বার তাদের কাছে রিকোয়েষ্ট পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানচ্ছি, যারা আমার  বন্ধু হওয়ার  জন্য বন্ধুত্ব রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছিলেন।
পারভেজ
০৩-০৬-২২ ইং</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118119/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jun 2022 12:47:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধুরা,<br />
ক্ষমা চাচ্ছি আমার নিজের ভুলের জন্য। অনেকেই আপনারা আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছিলেন। এ্যাকসেপ্ট করতে গিয়ে  ভুলে অনেককেই আনফ্রেন্ড করে ফেলেছি। মনে কিছু না নিয়ে আরেক বার তাদের কাছে রিকোয়েষ্ট পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানচ্ছি, যারা আমার  বন্ধু হওয়ার  জন্য বন্ধুত্ব রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছিলেন।<br />
পারভেজ<br />
০৩-০৬-২২ ইং</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c59874a9d914a30ffc1ae58f724ae66f</guid>
				<title>কবিতা-
             অবিনাশী আত্মা               
		 -নাজমুল হুদা পারভেজ
                  লেখার তারিখঃ- ০৩-০৬-২০২২ইং
                  সময়ঃ- রাত ২টা ৪৫ মিনিট
প্রকৃতির মাঝেই আমার অস্তিত্ব- হই আবর্তিত  
রূপান্তরিত আত্মা হয়ে, বারবার ফিরে আসি
পূর্ব-দখিনা কিংবা উত্তর- পশ্চিমা হাওয়ায়
প্রকৃতির উঠোনকে তাই, আমি বড্ড ভালোবাসি।

পূর্ব দীগন্তের রবি আমি, উদিত উদ্ভাসিত
জীবনের চাকায় ঘুরতে ঘুরতে হারাই পশ্চিমে,
আমি  ভোরের আলোতে রোদ ঝলসানো সকাল
ভালোলাগার কেন্দ্রে বসবাস করি, সকলের অন্তরালে।

আমি  শিউলি ঝরা- দূর্বাঘাসে শিশিরের ফোঁটা
আমি নদী তীরের কাশফুলের এলোকেশের দোলায়
পূর্ণিমার রাতে শাপলা-শালুকের ফুটন্ত বিলে-
আমাকে খুঁজো, নীল আকাশের  মেঘের ভেলায়।

আমি উত্তপ্ত ধরণিতে ফাটল ধরা জল শূন্যতায়
জল হয়ে আসি- মেঘে ঢাকা আকাশটায়
হেমন্তের সোনালি ডানায় ভর করে আসি
কুয়াশার চাদরে ভেসে আসি হিমেল হাওয়ায়।

আমি অমাতেই ফিরে আসি নতুন করে
ফুলে ফুলে সাজাই নিজেকে পাখির কলতানে
আমি প্রকৃতির সন্তান বলেই  ফিরি বারবার
শীতের পাতা ঝরা বৃক্ষে যৌবনের গানে।

আমাকে আগলাতে পারবে না হে নারী
আমার প্রতিক্ষায় লাভ নেই, ফিরব সেখানে
অবিনাশী আমি, মৃত্যুর পরে চলে যাব-
পরমাত্মার কাছে, আত্মার বিনাশ নাই যেখানে।
                  ====</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118026/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jun 2022 21:37:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
             অবিনাশী আত্মা<br />
		 -নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
                  লেখার তারিখঃ- ০৩-০৬-২০২২ইং<br />
                  সময়ঃ- রাত ২টা ৪৫ মিনিট<br />
প্রকৃতির মাঝেই আমার অস্তিত্ব- হই আবর্তিত<br />
রূপান্তরিত আত্মা হয়ে, বারবার ফিরে আসি<br />
পূর্ব-দখিনা কিংবা উত্তর- পশ্চিমা হাওয়ায়<br />
প্রকৃতির উঠোনকে তাই, আমি বড্ড ভালোবাসি।</p>
<p>পূর্ব দীগন্তের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-118026"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/118026/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d17e811f1a3f872d5278f7251af1423e</guid>
				<title>কবিতা-
          
সর্বত্র ক্যান্সার    

        -নাজমুল হুদা পারভেজ
	তারিখঃ-২৮-০৫-২০২২ ইং।
	সময়ঃ ভোর ৪টা ৫২ মিনিট।

অনেক ক্ষোভ, পাওয়া- না পাওয়ার কষ্ট,
হৃদয়ে অনেক যন্ত্রণা- দুঃখ মনে স্পষ্ট।
তপ্ত আকাশ, কৃষকের ধান খরায় পুড়ে 
হঠাৎ বন্যার ঢল নামে- সারাদেশ জুড়ে ।

ইন্টারনেটের কু-প্রভাবে হৃদয়ের আবেগ কই?
তবুও মানুষ ভালোবাসে, দেহের টানে নিশ্চয়ই!
বিয়ে হয়-বিয়ে করে, অবিশ্বাসের দোলাচলে-
বাঁধে  ঘর-সংসার, ভেঙে যায় নিত্যই।

ইন্টারনেটে প্রতিদিন জন্ম নেয়, সংবাদপত্র-সাংবাদিক
পেটের ধান্দায় তেলমারে , আমলাদের তোলে পিক।
সাংবাদিক হতে এখন, লেখাপড়ার নাই বালই-
অ্যাড্রোয়েড মোবাইল  হলেই, বড় সাংবাদিক তারাই।

সংবাদ লিখে কেউ, খোঁড়া কোনো কলমে
নাম বদলায় কপিবাজ,লিখতে পারেনা জীবনে।
সংবাদটা এলে পত্রিকায় , পোস্ট দেয় ফেসবুকে
লক্ষ্য  সংবাদটা যেন,আমলাদের চোখে আসে।

র্দূনীতিবাজ আমলারা. তেল দেয়া সংবাদ দেখে
কপিবাজ সাংবাদিককে বড্ড ভালোবেসে, কাছে ডাকে।
আমলাদের দুর্নীতির সংবাদের, তদন্ত থেমে যায়-
তদন্ত করবে কে? সর্বত্র দূর্নীতিবাজ আমলারাই।

দূর্নীতির টাকায় হলুদ সাংবাদিকদের চলে সংসার
পচন ধরেছে সর্বত্র, নৈতিকতা আর দেশটার।
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ -দূর্নীতির ক্যান্সার
পচন সারাবে কে?-নেই কোন অ্যানসার। 
 
এমপি,মন্ত্রীদের অনেকের বসবাস, মাদকের রাজ্যে  
দেশে মাদক নির্মূলে,  ওরাই সোচ্চার মঞ্চে। 
পুলিশের ডাইরেক্ট অ্যাকশনে, ধরা খায় চুনোপুঁটি  
মাদকের ব্যবসায় অনেকেই, বুনে গেছে কোটিপতি।

ওলট-পালট হচ্ছে সবই, রুগ্ন গণতন্ত্রে-
দ্রব্যমূলের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতি,বলো কার মন্ত্রে?
দায়-এড়াতে,মন্ত্রীদের বক্তব্য শুনছে জনগণ 
যা-কিছু ঘটছে,  বিরোধী দলের  ষড়যন্ত্রেরই কারণ ।

চিপে প্যান্ট পরা গরিবের অনেক সন্তান
বোঝে না রাজনীতি,  ক্যাডার সেজে যান।
নেতাদের নিকট ওরা,গুরুত্বটাও বেশি পান
রাজনৈতিক দলে ভিড়ে,বেনসন ওরা খান।

ছাত্র রাজনীতিতে চর্চা নেই দলীয় দর্শনের,
আছে শুধু চাঁদাবাজি,ক্যাডার রাজনীতি -অ্যাকশনের
মেধা শূন্য  রাজনীতি , রাজনীতি বিমুখ মেধাবীরা
রক্তে অর্জিত দেশটাকে,  আগামীতে চালাবে কারা?
              ========</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/115632/</link>
				<pubDate>Sat, 28 May 2022 00:35:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-</p>
<p>সর্বত্র ক্যান্সার    </p>
<p>        -নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
	তারিখঃ-২৮-০৫-২০২২ ইং।<br />
	সময়ঃ ভোর ৪টা ৫২ মিনিট।</p>
<p>অনেক ক্ষোভ, পাওয়া- না পাওয়ার কষ্ট,<br />
হৃদয়ে অনেক যন্ত্রণা- দুঃখ মনে স্পষ্ট।<br />
তপ্ত আকাশ, কৃষকের ধান খরায় পুড়ে<br />
হঠাৎ বন্যার ঢল নামে- সারাদেশ জুড়ে ।</p>
<p>ইন্টারনেটের কু-প্রভাবে হৃদয়ের আবেগ কই?<br />
তবুও মানুষ ভালোবাসে, দেহের ট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-115632"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/115632/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ddf187205cbb4dba7f03d220382e4d8c</guid>
				<title>আমার দেশ- আমার পৃথিবী
                   -নাজমুল হুদা পারভেজ
                    লেখার তারিখঃ-২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ইং।
                    সময়- দুপুর ৩টা ২৩ মিনিট।

আমি একটা সুন্দর কবিতা লিখতে চাই-
শব্দের পর শব্দ বসিয়ে, ছন্দের পর ছন্দ সাজিয়ে
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের মতো. তাল গাছের কবিতা।
“ তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে
        সব গাছ ছাড়িয়ে
       উঁকি মারে আকাশে।
মনে সাধ, কালো মেঘ ফুঁড়ে যায়.
       একে বারে উড়ে যায়
       কোথা পাবে পাখা সে।”

কিন্ত  লিখতে পারি না। মনের কল্পনায় শব্দ সাজাতে সাজাতে-
ঘুমিয়ে পরি, গভীর ঘুমের অসচেতনতার মাঝে স্বপ্নে দেখতে পাই-
তাল গাছ কেটে ফেলার দৃশ্য, দেখতে পাই নির্বিচারে অরণ্য বিনাশ-
বিপন্ন পশুর চারণভূমি, ভোরের বাতাসে শুনতে পাই না 
কলকাকলীর তান, বুক ভরে নিতে পারি না বিশুদ্ধ অক্সিজেন।
কালো ধোঁয়ায় আবর্তিত আমার সোনালি পৃথিবী
কার্বনই অক্সাইডের বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তিত জলবায়ু
দিনে দিনে বাড়িয়ে তুলছে মানবিক সংকট।

সুন্দর কবিতাটি, যা আমি বার বার লিখতে চেষ্টা করেও
লিখতে পারিনি- কলম হাতে লিখতে বসলেই
চোখের সামনে ভেসে উঠে, শুকিয়ে যাওয়া নদী করতোয়া, আই বুড়ি,
আত্রাই, ইছামতি, কর্ণঝরা, কপোতাক্ষ, ধরলা, ধলাই, ধলেশ্বরী ও ধানসিড়ি।
আরও কত শত নদী। যে নদীকে ঘিরে রচিত হয়েছিল শত শত কবিতা- 
গান ও কাব্য। যে নদী গুলো পরিচয় করিয়ে দিতো নদীমাতৃক বাংলাদেশকে।
নদী শুকিয়ে যাওয়ায় আজ, প্রভাব পড়েছে এ দেশবাসীর দেহ মনে-
প্রভাব পড়েছে সাহিত্যে -কাব্যে, উৎসব-অনুষ্ঠানে।

আমি সুন্দর একটা কবিতা লিখতে চাই- কিন্তু লিখতে পারি না,
স্বপ্নের মাঝে আমি শুধু ছটফট করি- 
আমি স্পষ্ট দেখতে পাই,
তপ্ত দুপুরে ইট ভাঙ্গা  নারী শ্রমিকের কপালের ঘাম
আমি দেখতে পাই, অ্যাসিডে ঝলসানো জেরিন আক্তারের মুখ।
দেখতে পাই, রাজপথে গার্মেন্টস শ্রমিকদের  দাবি আদায়ের মিছিল,
দেখতে পাই, পাট শ্রমিকের আমরণ অনশনে অংশ নেয়া অসুস্থ বৃদ্ধের মুখ। 
আমি দেখতে পাই,আগুনে পুড়ে হত্যা করা নুসরাতের  বীভৎস মুখাবয়ব
আমি দেখতে পাই, চলন্ত বাসে ধর্ষিতা সেবিকা তানিয়ার  মৃত দেহ,
আমি দেখতে পাই, বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যার প্রতিবাদে মৌন মিছিল।
আমি দেখতে পাই,বন্ধুর হাতে বন্ধুর খুন হওয়া রাসেলের পচা লাশ,
দেখতে পাই, নিজ শিশু কন্যাকে ধর্ষণকারী- 
ঘৃণিত কুলাঙ্গার পিতা আইনালের মুখ।
আমি দেখতে পাই-
মানবতা বর্জিত অস্থির সমাজের প্রতিচ্ছবি।
স্বপ্নের মাঝে আমি দেখতে পাই, 
কারা যেন আমার কণ্ঠনালী চেপে ধরতে চায়,
কারা যেন আমাকে হত্যা করতে চায়,  
বন্ধ করতে চায় আমার কবিতা লেখা।
স্বপ্নের মাঝে আমি চিৎকার করে উঠি- 
হারিয়ে ফেলি ছন্দের মালা,
ছন্দ হারিয়ে, আমার কবিতা হয়ে যায় গদ্য কবিতা
ছন্দ হারিয়ে, তালগাছটি এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে, 
কখনই ছুঁতে পারে না আকাশ।

আমি কবিতা লিখতে চাই, মানুষের জন্য
আমি কবিতা লিখতে চাই, প্রকৃতির জন্য।
আমি কবিতা লিখতে চাই, মানবতার জন্য,
আমি কবিতা লিখতে চাই, ভালোবাসার জন্য।

যে কবিতায় উঠে আসবে, আমার আদি জন্মভূমি ,
গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট্ট তিস্তা নদী।
রাখালের বাঁশির সুর আর মহিষের বাথান,
নূপুর পায়ে কলসি কাঁখে গ্রাম্য রমণীর,
কলসিতে  জল বয়ে নেয়ার দৃশ্যের বর্ণনা।
তপ্ত দুপুরে বিষন্ন হাওয়ায়-
 দুষ্টু ছেলে-মেয়েদের ঘুড়ি উড়ানো,
ডাংগুলি খেলতে খেলতে বেলা বয়ে যাওয়া সন্ধ্যা।
যে কবিতায় থাকবে- 
বাঁশ বাগানের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া মসৃণ মেঠো পথে
একদল কিশোরের মার্বেল খেলা কিংবা শূন্য সরিষা ক্ষেতে
ছেলে মেয়েদের দাঁড়িয়া বাধা খেলা 
অথবা কানামাছি খেলার গল্প।

যে কবিতায় থাকবে-
শীতের সকালে বাড়ির উঠোনে বসে 
শীতের পিঠা  কিংবা মুড়ি-গুড় খেতে খেতে দাদুর গল্প শোনা।
যে কবিতায় থাকবে- 
ব্রহ্মপুত্র নদের জলে পাল তোলা নৌকা বয়ে যাওয়া
আর মাঝি -মাল্লার কণ্ঠ উঁচিয়ে- 
মুজিব বাঁইয়া যাও রে- গান গাওয়া।

আমি কবিতা লিখতে চাই, যে কবিতা হবে-
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মোনালিসার ভালোবাসা থেকে আলাদা
যে কবিতায় থাকবে না ,রবীন্দ্রনাথের লাবণ্যের প্রেম কাহিনী
কিংবা জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেনের দৃষ্টি নন্দিত এক জোড়া চোখ।
যে কবিতায় থাকবে না, ট্রয়নগরী ধংসের নায়িকা হেলের কথা, 
যে কবিতায় থাকবে না,দৌলত উজির বাহা রাম খানের-
লাইলী - মজনুর রোম্যান্টিক প্রণয়  উপাখ্যান কিংবা-
নিজামি গঞ্জবির শিরি- ফরহাদের ভালোবাসার গল্প।

আমি কবিতা লিখতে চাই- ভালোবাসার কবিতা-
যে কবিতা হবে না সুন্দর কোন রমণীর পায়ের পায়েল,
আমার কবিতা হবে,গাঁয়ের অখ্যাত কোন রমণীর কপালের লাল টিপ।
আমার কবিতা হবে,আমার কল্পনার নায়িকা “হৃদির” কাজল দেয়া  
এক জোড়া কালো হরিণী চোখ,যে চোখ জোড়া 
আমার সৃষ্টির সংগ্রামের পথ দেখাবে অনন্তকাল।
ভালোবাসবে আমার কবিতাকে, ভালোবাসবে নিরন্ন মানুষকে,
ভালোবাসবে আমার স্বপ্ন গুলি - আমাদের সংস্কৃতিকে।
আমার ভালোবাসার রজনিগন্ধা রেখে দিয়েছি শুধু তারই জন্য
কল্পনায় নাম রেখেছি“ হৃদি”-তারই অপেক্ষায় লিখছি কবিতা।
যে আমাকে ভালোবাসবে, ভালোবাসবে আমার পৃথিবী 
এবং আমার এই দেশ, বাংলাদেশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/114748/</link>
				<pubDate>Tue, 24 May 2022 20:55:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার দেশ- আমার পৃথিবী<br />
                   -নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
                    লেখার তারিখঃ-২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ইং।<br />
                    সময়- দুপুর ৩টা ২৩ মিনিট।</p>
<p>আমি একটা সুন্দর কবিতা লিখতে চাই-<br />
শব্দের পর শব্দ বসিয়ে, ছন্দের পর ছন্দ সাজিয়ে<br />
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের মতো. তাল গাছের কবিতা।<br />
“ তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে<br />
        সব গাছ ছাড়িয়ে<br />
       উ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-114748"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/114748/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b1035e4ce7d1eab9de30dd5a1754581</guid>
				<title>মধ্যরাতের কবিতা-
“ সুখী হও তুমি”
- নাজমুল হুদা পারভেজ
সময়ঃ-রাত তিনটা ৫ মিনিট
তারিখঃ-২১-০৫-২০২২ইং।
স্বজনদের আহাজারি, লবানের গন্ধে বিদগ্ধ পৃথিবী
কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে ঘরে সুরেলা কণ্ঠে-
বড়ই পাতার গরম জলে মশারির ভিতর-
শবদেহটাকে পবিত্র করা হচ্ছে ধর্মীয় তন্ত্রে।
আত্নার মৃত্যু নেই বলেই দেখছি আয়োজন
বিদায়বেলা বিষন্ন বদনে আমাকে দেখছে স্বজন,
আমি দেখছি ওদেরকে,আমাকে দেখছেনা ওরা
আমার শবদেহের সামনে কাঁদছে আপন জন।
বন্ধু-শত্রু, গ্রামবাসীরাও অমাকে দেখতে এসেছে
সকলকে ছেড়ে চলে যাচ্ছি- বিধির লিখন,
বন্ধুদের বুকে আপনজনদের মতোই কষ্টের দীর্ঘশ্বাস
শত্রæদের মনের কথাগুলো,পড়তে পাচ্ছি এখন।
একী ফাল্গুনী ? দেখতে এসেছে? বড্ড অবেলায়
বুকের ভিতরে ক্ষয়ে যাচ্ছে কষ্টের কান্না,
আমার অন্তর্ধানের খবর শুনে এসেছে ও-
শত চেষ্টাতেও চোখের জল আটকাতে পারছেনা।
পরনে নীল শাড়ি,কপালে নীল টিপ
নীলকে পছন্দ করতাম জেনেই এ ভূষণে
আমাকে শেষ বিদায় জানাতে ফাল্গুনী এসেছে
বলেছিলাম ওকে কষ্ট পেওনা আমার মরণে।
ওর বাড়ির সামনে দিয়ে নেবে গোরস্থানে
যাবার সময় শেষ দেখাটা দেখতে পেতো,
তবুও কেন কাছে থেকে দেখতে আসা?
তবে কি সত্যিই ও আমাকে ভালোবাসতো?
আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছি
একই পাড়ায় বসবাস, ছোট থেকেই মাখামাখি,
ক্যাম্পাসে হাতে হাত রেখে ঘুরে বেড়াতাম.
দু’জনায় বুকে স্বপ্নের বাসা বাঁধতাম আঁকিবুকি।
আমি আমির আলী হলে ও সামছুন্নাহার হলে
আমার অসুস্থতার খবর পেলেই ছুটে আসতো
অস্থির ফাল্গুনী, কেন জ্বর এলো সুধাতো
আমার মাথা কোলে নিয়ে পাশে বসতো।
জ্বরে শরীর পুড়ে, প্রশ্নে পোড়ে মন
বলেছিলাম তোমার কোলেই যেন হয় মরণ.
মুখে হাত চেপে বলেছিল, বলতে নেই
এসব কুলক্ষুনে কথা বলতে করেছিল বারণ।
বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে আসার পর বদলে গেছে
আমি গরিব ছিলাম,কৃষকের সন্তান বলে
ওর অভিভাবকরা অমাদের ভালোবাসা মেনে নেয়নি
পিতৃতান্ত্রিকতায় অসহায় ফাল্গুনী ,ছেড়ে গেল চলে।
সময়ের ব্যবধানে ফাল্গুনী অনেক বদলে গেছে
নীল শাড়িটা বদলিয়েছে কতো শত বার
বদলাতে পারিনি আমি,সাদা রং বদলায়না
সাদা কাপড়ে চলে যাচ্ছি, ফিরবোনা আর।
আমার নিকট আজ উপেক্ষিত ফাল্গুনীর অশ্রু
আমার মা,স্ত্রী, সস্তান- কাঁদছে যারা,
পৃথিবীকে জানাচ্ছি চিরবিদায়, ছেড়ে যাচ্ছি একা
দগ্ধ হৃদয়ে অচিনপুরে, যাচ্ছি সকলকে ছাড়া।
জানাজা শেষে আমাকে খাটলিতে তোল হলো
চার কাঁধে, ওরা বলছে, গোরস্থানে চলো-
বিদায় স্বজন , বিদায় হে প্রিয় ধরা
পথে ফাল্গুনীকে দেখলাম, চোখে অশ্রু ভরা।
আমার প্রিয় নীল শাড়ি জড়িয়ে এসেছিলে 
বিদায় জানাতে নাকি উপহাস করতে আমায়?
সুখে থেকো ফাল্গুনী, অনেক সুখী হবে তুমি
তিরোধানে যাবার প্রাক্কালে আশীর্বাদ করে গেলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/113993/</link>
				<pubDate>Sun, 22 May 2022 17:28:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মধ্যরাতের কবিতা-<br />
“ সুখী হও তুমি”<br />
&#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
সময়ঃ-রাত তিনটা ৫ মিনিট<br />
তারিখঃ-২১-০৫-২০২২ইং।<br />
স্বজনদের আহাজারি, লবানের গন্ধে বিদগ্ধ পৃথিবী<br />
কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে ঘরে সুরেলা কণ্ঠে-<br />
বড়ই পাতার গরম জলে মশারির ভিতর-<br />
শবদেহটাকে পবিত্র করা হচ্ছে ধর্মীয় তন্ত্রে।<br />
আত্নার মৃত্যু নেই বলেই দেখছি আয়োজন<br />
বিদায়বেলা বিষন্ন বদনে আমাকে দেখছে স্বজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-113993"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/113993/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e5b318ad99897bded8c66ecd9e6fe81</guid>
				<title>মধ্যরাতের কবিতা-
“তোমাদেরকে ক্ষমা করবে না”
		-নাজমুল হুদা পারভেজ
		তারিখঃ-১৯ মে২০২২ইং
		সমযঃ- রাত ২টা ৫৬ মিনিট।



আমি পৃথিবী বলছি, আজ আমি, আমার কথা বলব
আমার বুকটা . বুকের আঙিনাটা- মহাজাগতিক স্থান.
এই আঙিনায় তোমারা নানা বর্ণের মানুষ বসবাস কর
নীলগ্রহ নামে তোমরা অমাকে ডাকো , করো গুন গান।

আমার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে তোমরা বিমোহিত হও
আমার নদী-সাগর-পাহাড় আদিম মমতায় তোমাকে ডাকে,
আমার নয়নাভিরাম দৃশ্য,রূপ,রং,বিচিত্রতা, সবুজ মাঠ
তুমি ছুটে আসো, মনের অজন্তেই ব্যস্তময় জীবনের ফাঁকে।

৪৫৪ কোটি বছর পূর্বে আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছিল, এরপর-
এক বিলিয়ন বছরের মধ্যেই আমি গর্ভবতী হয়েছিলাম,
আমার বুকে মানুষসহ নানা প্রজাতির প্রাণী বিচরণ করবে ভেবে
আমার ওজন ক্ষমতা দিয়ে ক্ষতিকর সৌরবিকিরণ ঠেকিয়ে দিলাম।

আমার বুকে প্রাণের বিকাশ ঘটার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছি
পঞ্চাশ কোটি বছর আমি তোমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে পারব.
অমরত্ব নিয়ে আমাকে সৃষ্টি করা হয়নি,আমি তো নিজেকে জানি-
আমাকে দীর্ঘ জীবন দেয়া হয়েছে বটে, তারপরও আমি মরব। 

আমার উপরিতল ভুত্বকীয় শক্ত পাত দিয়ে তৈরি করা হয়েছে
আমার বুকের একাত্তর ভাগ জুড়ে লবণাক্ত জলের মহাসাগর
আমার অবশিষ্ট অংশটা তোমাদের  বসবাসের জন্য-
শুধু তোমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখতেই,আমার বুকের উপর নদী-হাওড়।

আমার গর্ভে তোমাদের জন্ম বলেই তোমাদের রক্তে লবণাক্ততা
আমার মেরুদ্বয় আর্কটিক সামুদ্রিক বরফের চাদরে ঢাকা,
মহাবিশ্বের আটটি গ্রহের মধ্যে আমার স্থান পঞ্চম, সূর্য ও চন্দ্র?
ওরা, আমার বড় ভাই-বোন,কখনো আমাকে থাকতে দেয় না একা।

অমার আপু চাঁদ মণি, আমাকে ওর কোলে তুলে দোল দেয়
তখন আমি আনন্দের জোয়ার-ভাটায় মেতে উঠি,
কিন্ত সূর্য ভাইয়াটা ভীষণ রাগী, বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পূর্বে
সামান্য দোষে আপুর সাথে সংঘর্ষ বাধিয়েছিল, এটাই ভাইয়ার ত্রুটি

পূর্বেই বলেছি,আমি জন্মাইনি,আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে
আমার মৃত্যুর সময় না হতেই তোমরা আমাকে বাঁচতে দেবে না
পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে তোমরাও মরবে আমকেও মারবে-
জেনে রেখো,আমার মৃত্যু হলে, স্রষ্ট্রা তোমাদেরকে ক্ষমা করবে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/113105/</link>
				<pubDate>Thu, 19 May 2022 13:39:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মধ্যরাতের কবিতা-<br />
“তোমাদেরকে ক্ষমা করবে না”<br />
		-নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
		তারিখঃ-১৯ মে২০২২ইং<br />
		সমযঃ- রাত ২টা ৫৬ মিনিট।</p>
<p>আমি পৃথিবী বলছি, আজ আমি, আমার কথা বলব<br />
আমার বুকটা . বুকের আঙিনাটা- মহাজাগতিক স্থান.<br />
এই আঙিনায় তোমারা নানা বর্ণের মানুষ বসবাস কর<br />
নীলগ্রহ নামে তোমরা অমাকে ডাকো , করো গুন গান।</p>
<p>আমার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে তোমরা বিমোহিত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-113105"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/113105/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>13</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">093412ceac5c3760ae07f26f2b82fc57</guid>
				<title>কবিতা-
“হবে হবে, সব হবে”
- নাজমুল হুদা পারভেজ

হবে হবে সব হবে
টাকা হবে-নারী হবে
গাড়ি হবে-বাড়ি হবে।
হবে ভাগ্নে সব হবে।

মামা এসব কেমনে হবে ?
মন্ত্রীদের সাথে সেলফি তুলেছি
প্রতিমন্ত্রীর সাথে লাইন দিয়েছি
এমপিদের সাথে চুক্তি আছে
তুই কি ভেবেছিস সব বৃথা যাবে?

হবে - ভাগ্না সবই হবে-
পিঁয়াজ ব্যবসার পারমিট হবে
পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হবে
ভাগ্না তোরও  চাকরি হবে
চিন্তা করিস কেন তবে?

হবে হবে সব হবে-
তোর মামা এমপি হবে
এমপি থেকে মন্ত্রী হবে
বিদেশে একদিন লোক পাঠাবে
দেশের টাকা পাচারও  করবে।

হবে হবে সব হবে-
ঢাকায় ক্যাসিনোর  জুয়া হবে
দেশে  ইয়াবার ব্যবসা হবে
আমার নিজের হাসপাতাল হবে
মিথ্যা চিকিৎসার ব্যবসাও হবে।

তোমার তো মামা শিক্ষা নেই?
হবে হবে সেটাও হবে
ভূয়া সার্টিফিকেটের ব্যবসা হবে
তোর মামা ডক্টর হবে-
সার্টিফিকেটে ঘর ভরে যাবে।

হবে হবে সব হবে-
সমাজ সেবায় পদক হবে
মন্ত্রীরা নিজ হাতে  দেবে
হোটেলে দেহ ব্যবসা হবে
মহারথীরা সবাই  যাবে।
মদ দিয়ে গলা ভেজাবে
মডেলরা সেখানে ভিড় জমাবে
বস্ত্রবিহীন নৃত্য হবে।
হবে হবে সব হবে।
র‌্যাব কি মামা বসে রবে?
বড় জোড় ধরে জেলে দেবে
তাতে আমার কি হবে ?
জেল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে পাঠাবে।
জেলে শুধু নামটা রবে।

সাংবাদিকরা কি বসে রবে?
ওরা, হে- হে-হে
মাদক স উপাধি দেবে।
সেটাও আমার জন্য হবে
দেশবাসী  চিনতে পাবে
বিনা টাকায় প্রচার হবে।

মামা, তোমার যদি  বিচার হয়?
হবে হবে সেটাও হবে
ব্যারিস্টাররা  সব কোর্টে যাবে
আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে
আমায় ওরা ছাড়িয়ে নেবে।

তোমার  বিরুদ্ধে যদি আন্দোলন হয়?
বোকা ছেলে -?
আন্দোলনে কে যাবে?
মাদক দিয়ে ঘুমিয়ে রাখব-
যুবকরা নাক ডেকে ঘুমাবে।
তাহলে দেশটার কি হবে?

হবে হবে সবই হবে-
দেশটা দেশের মতোই রবে
আমি যেদিন বদলে যাব-
সেদিন দেশটা এগিয়ে যাবে।
=============</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/111257/</link>
				<pubDate>Sun, 15 May 2022 21:06:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
“হবে হবে, সব হবে”<br />
&#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ</p>
<p>হবে হবে সব হবে<br />
টাকা হবে-নারী হবে<br />
গাড়ি হবে-বাড়ি হবে।<br />
হবে ভাগ্নে সব হবে।</p>
<p>মামা এসব কেমনে হবে ?<br />
মন্ত্রীদের সাথে সেলফি তুলেছি<br />
প্রতিমন্ত্রীর সাথে লাইন দিয়েছি<br />
এমপিদের সাথে চুক্তি আছে<br />
তুই কি ভেবেছিস সব বৃথা যাবে?</p>
<p>হবে &#8211; ভাগ্না সবই হবে-<br />
পিঁয়াজ ব্যবসার পারমিট হবে<br />
পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-111257"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/111257/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bc91bf734e054d97babf81a6a448b205</guid>
				<title>কবিতা-
 বুঝল না অমায়
		- নাজমুল হুদা পারভেজ
		লেখার সময়ঃ- রাত ০২টা ০৯ মিনিট।

বিষন্নতায় হৃদয়ের আকাশটা মলিন
চারিদিকে বৃষ্টি ঝরছে অঝোরে।
এ যেন প্রকৃতির কান্না নয়, আমারই।
তবে কি আমিও-
প্রকৃতিতে হয়েছি বিলীন?

আমাকে তো কাঁদিয়েছে সে,
ও যে পথে হাঁটতে চেয়েছিল 
সে পথে আমি হাঁটিনি বলে।
বুক ভরা অভিমান নিয়ে-
আমাকে না বুঝেই, 
আমাকে একা ছেড়ে গেছে চলে।
আমি পাহাড়, নদী, সাগরকে ভালোবাসি
সে কি নদী? 
তবে কেন ওর কাছে যেতে চাই?
আমি নীল আকাশ,সবুজ প্রান্তরকে ভালোবাসি।
সে কি আকাশ? 
সেতো অনেক দূরে ,কাছে নাই।

ভোরের শিশির ভেজা 
বকুল ফুল দ’পায়ে মাড়িয়ে,
পায়েলের রিনিঝিনি নিক্বণ তুলে  
হৃদয় কাননে সে,
এঁকে  গেছে পদ চিহ্ন।
আমার নদী - আকাশ 
অবশেষে গেছে হারিয়ে।

যে পথে সে হাঁটতে চেয়েছিল, 
সে পথে আমি হাঁটিনি।
আমি হাঁটতে চেয়েছিলাম সেই পথ ধরে-
যে পথে কেউ কখনো,কাউকে নিয়ে হাঁটেনি। 
যে পথে কেউ  কখনও
কারও হৃদয় কাননে আঁকেনি পদ চিহ্ন।
ও বুঝল না আমায়- 
বুঝল না, আমার প্রকৃতি- 
আর দশ জনের প্রকৃতি থেকে ভিন্ন।
          =============</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110854/</link>
				<pubDate>Sat, 14 May 2022 20:21:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
 বুঝল না অমায়<br />
		&#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
		লেখার সময়ঃ- রাত ০২টা ০৯ মিনিট।</p>
<p>বিষন্নতায় হৃদয়ের আকাশটা মলিন<br />
চারিদিকে বৃষ্টি ঝরছে অঝোরে।<br />
এ যেন প্রকৃতির কান্না নয়, আমারই।<br />
তবে কি আমিও-<br />
প্রকৃতিতে হয়েছি বিলীন?</p>
<p>আমাকে তো কাঁদিয়েছে সে,<br />
ও যে পথে হাঁটতে চেয়েছিল<br />
সে পথে আমি হাঁটিনি বলে।<br />
বুক ভরা অভিমান নিয়ে-<br />
আমাকে না বুঝেই,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110854"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110854/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c6e5b4ff62cbab1e30837e5f60be142</guid>
				<title>তুমি কেমন আছ?
 - নাজমুল হুদা পারভেজ
           তারিখ-৩মে’২০২২ইং
           সময়-রাত ৪টা ১৫ মিনিট।
কেমন আছ তুমি ?
বেশ ভালো আছি।
সত্যি বলছ তো?
অবাক হলাম আমি!!
কেমন ভালো আছ?
আমার পাশে বসো।
এবার কথা বলো-
চোখে জল কেন?
বলেছি ভালো আছি
সুখী নারীদের সাথি
হাজারে একজন আমি
সুখে তাই কাঁদি।
জীবনে যা চেয়েছি
সব কিছু পেয়েছি।
মিথ্যে বলছ তবু-
একথা মানিনা কভু।
চারিদিকে শোষিত জনগণ
গৃহবন্দী নারী নির্যাতন,
কঙ্কালসার কৃষক মরে
নাই খাদ্য ঘরে।
তোমার হাতে লাকড়ি
পাওনি কোথাও চাকরি।
অভাবী সংসারের  দুঃখে
পূর্ণতায় কেমনে সুখে?
পুঁজিবাদ বনাম সমাজতন্ত্র
চলছে অর্থনৈতিক দ্বন্ধ।
ইউক্রেনে মানুষ মরে
ওরা প্রক্সিযুদ্ধ  করে।
অস্ত্র করে বেচাকেনা
শুধু স্বার্থের বাহানা
গণতন্ত্রের ছত্র ছায়ায়
অনেকে কোটিপতি বনে যায়।
বিপর্যস্ত  আজ মানবতা
আছে প্রতিবাদী কথা।
আন্দোলন হয় বেচাকেনা
একথাও সাবারই জানা।
রুপ যৌবন বিক্রিকরে
অর্থ-  ক্ষমতা ধরে,
প্রাসাদে  মদের আড্ডা
সখিনারা অনাহারে মরে।
ঈদ নাকি কাল?
তেল, ডাল, চাল
আছে কি প্রতিটি ঘরে?
কেউ, নাই তো অনাহারে?
ক্রয় ক্ষমতা নাই
দ্রব্যের উচ্চমূল্য তাই,
রমজান গেল সবে
বাকি দিনে কি হবে ?
এরপরও  ভালো আছ?
কেন মিথ্যে প্রবঞ্চনা ?
তবে প্রশ্ন করো কেন
সবিতো তোমার জানা।
আমি ভালো নেই
তুমিও ভালো নেই
ভাল থাকার অভিনয়ে
জীবনটা যাচ্ছে ক্ষয়ে।
=========</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110222/</link>
				<pubDate>Fri, 13 May 2022 11:52:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি কেমন আছ?<br />
 &#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
           তারিখ-৩মে’২০২২ইং<br />
           সময়-রাত ৪টা ১৫ মিনিট।<br />
কেমন আছ তুমি ?<br />
বেশ ভালো আছি।<br />
সত্যি বলছ তো?<br />
অবাক হলাম আমি!!<br />
কেমন ভালো আছ?<br />
আমার পাশে বসো।<br />
এবার কথা বলো-<br />
চোখে জল কেন?<br />
বলেছি ভালো আছি<br />
সুখী নারীদের সাথি<br />
হাজারে একজন আমি<br />
সুখে তাই কাঁদি।<br />
জীবনে যা চেয়েছি<br />
সব কিছু পেয়েছি।<br />
মিথ্যে বলছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110222"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110222/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96e95df26f6d48e52d7e0944c485f437</guid>
				<title>কবিতা-
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ
 -নাজমুল হুদা পারভেজ
ভালোবাসার বাতাবরণে হৃদয় গহিনে 
ছেয়ে গিয়েছিল মন ও প্রাণ,
যৌবনের উষালগ্নে যেমনটা হয়-
ঠিক তেমনি, প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ ছিলাম
প্রিয়ার জন্য উৎসর্গ করে দেব জান ।
কে যেন চুপি চুপি এসে বলেছিল
এখন যৌবন তোমার, 
শ্রেষ্ঠ সময় বয়ে যায়।
মনে তুফান উঠেছিল,উঠেছিল ঝড়-
সারাক্ষণ  থাকি যেন করও অপেক্ষায়।
নিদ্রা দেবীর কোলে মাথা রেখে 
স্বপ্ন দেখি-
কে যেন নিদ্রার ঘোরে বলছে আমায়.
তোমার প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।
মাধবীলতা আসছে, 
ভালোবাসা বিলাতে তোমায়।
অবশেষে দেবী আসল, 
শঙ্খ বাজল মন্দিরে।
হৃদয় কাননের অপ্রস্ফুটিত কলি,
ফুটল এক এক করে,
তপ্ত হৃদয় শীতল হল।
হৃদয় জমিনে তখন-  
লাল, নীল নানা রং এর স্বপ্ন।
আমার প্রীতি অর্ঘ্যে 
দেবী তৃপ্ত হয়ে বলল-
থাকব তোমার পাশে সারা জীবন।
অকৃত্রিম প্রেমের অর্ঘ্য-
ঢেলে দিলাম দেবীর চরনে।
ওর চোখে চোখ রেখে দেখলাম-
এক সামুদ্রিক পৃথিবী।
আমার বেকারত্ব আর দারিদ্রতায় 
দেবী অতৃপ্ত হল.
মারুতি গাড়িতে চড়তে চেয়েছিল,
পারিনি সে গাড়িতে তুলতে
বুঝলাম অবশেষে,  
শুধু দারিদ্রতার অপরাধে- 
তার হৃদয় কানন থেকে, 
আমি দ্বীপান্তরিত হয়েছিলাম।
সত্যি সত্যি একদিন, 
আমার হৃদয় মন্দির থেকে বেড়িয়ে
হৃদয়ের ফুলগুলি পদদলিত করে,
অন্যের হাত ধরে,একটি লাল- 
মারুতি গাড়িতে গিয়ে উঠল,
ফেলে রেখে গেল শূন্য মন্দিরে 
আমাকে একা করে।
সেই থেকে-
হৃদয়ে  রক্তক্ষরণ নিয়ে আমি 
বেঁচে থাকা একজন মৃত মানুষ।
       =======</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/110221/</link>
				<pubDate>Fri, 13 May 2022 11:51:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ<br />
 -নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
ভালোবাসার বাতাবরণে হৃদয় গহিনে<br />
ছেয়ে গিয়েছিল মন ও প্রাণ,<br />
যৌবনের উষালগ্নে যেমনটা হয়-<br />
ঠিক তেমনি, প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ ছিলাম<br />
প্রিয়ার জন্য উৎসর্গ করে দেব জান ।<br />
কে যেন চুপি চুপি এসে বলেছিল<br />
এখন যৌবন তোমার,<br />
শ্রেষ্ঠ সময় বয়ে যায়।<br />
মনে তুফান উঠেছিল,উঠেছিল ঝড়-<br />
সারাক্ষণ  থাকি যেন করও অপেক্ষায়।<br />
নিদ্রা দেবী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-110221"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/110221/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f83a4cdc52ed659675a51c9f775316b4</guid>
				<title>কবিতা-৩
শিখা অনির্বাণ
	- নাজমুল হুদা পারভেজ
              শেষ পর্ব        
আমাকে দেবে মা সেই প্রদীপ্ত শিখা
যে শিখা তুমি দিয়েছিলে -
ব্রিটিশ বিরোধী  অগ্নিপুরুষদের হাতে
১৭৮২ সালে যে শিখা তুমি তুলে দিয়ে ছিলে
সিলেটের  হাদা  মিয়া  আর মাদা মিয়ার হাতে।
তোমার সেই দীপ্ত-মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে-
যে দু’ ভাই সর্ব প্রথম ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে 
অস্ত্র তুলে নিয়ে ছিল হাতে।
তোমাকে ভালোবাসার মূল্য দিতে গিয়ে ব্রিটিশ 
কালেক্টর রবার্ট লিন্ডসের গুলিতে নিহত হয়েছিল তারা।
কিন্তু তোমার দীপ শিখা নেভাতে পারেনি ব্রিটিশরা।
আবারও সেই দীপ শিখা হাতে জ্বলে উঠেছিল-
কমল নাথ তিওয়ারী, অরুণা আসফ আলী,
অরবিন্দ ঘোষ, চন্দ্র শেখর আজাদ,ক্ষুদিরাম বসু,
 জতীন্দ্র নাথ দাস, সুভাস চন্দ্র বসু, 
মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী,হাকিম আজমল খাঁ, 
মওলানা শরিয়াতুল্লাহ, মওলানা আজাদ, 
ফকির মজনু শাহসহ তিতুমীরা।
 রক্তের গঙ্গা বইয়ে দিয়ে- 
অবশেষে ওরা ব্রিটিশ তাড়িয়ে ছিল
তোমার বুক থেকে। 

আমি সেই শিখার কথা বলছি মা-
যখন তোমার মুখের ভাষা 
কেড়ে নিতে চেয়েছিল পাকিস্তানীরা।
তখন যে শিখা তুমি জ্বালিয়ে ছিলে, 
বরকত, জব্বার, রফিক, সালাম,
আউয়াল অহিউল্লাসহ এক জন 
অজ্ঞাত বালকের চোখে,
আমি সে শিখা চাই মা।

যে শিখা তুমি জ্বালিয়েছিলে,  
মাত্র ১২ বছর বয়সী রংপুরের শঙ্কু সমজদারের চোখে।্
যে বালকটি ১৯৭০এর তিন মার্চ অসহযোগ 
আন্দোলনের বিক্ষোভে, স্বাধীনতা আন্দোলনের-
প্রথম শহীদ হয়েছিল পাকিস্তানীদের গুলিতে।্
যার রক্তে শপথ নিয়ে শুরু হয়েছিল স্বাধীনতা যুদ্ধ।
কোটি কোটি বাঙ্গালীর চোখে-
সেদিন যে অগ্নিশিখা তুমি জ্বালিয়ে দিয়েছিলে,
যে অগ্নি শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাকিস্তানীরা,
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে যে শিখা আজ অনির্বাণ,
আমাকে সেই শিখা দাও মা।

ঘুমিয়ে থাকা ছাত্র-জনতার চোখের ঘুম ভাঙ্গাতে হবে-
এখন সময় বয়ে যায় ঘুম ভাঙানোর,
আমি আমার প্রেমিকার চোখে জ্বালাবো সে শিখা
শুধু আমাকে নয়, দেশকে ভালোবেসে-
সে আমার পাশে এসে দাঁড়াবে, হাতে হাত ধরে-
৭১’র কিংবা ৯০’র মতো,
আমার সাথে নামবে রাজপথে, আবার আন্দোলন হবে।
এ আন্দোলন সমাজ সংস্কারের,
এ আন্দোলন সন্ত্রাস, অন্যায়,দুর্নীতি আর-
 নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে।
এ আন্দোলন হবে, মাদক, ক্যাসিনো,গুম ,হত্যা
জঙ্গিবাদ আর অপহরণের বিরুদ্ধে।
এ আন্দোলন হবে, নিজেকে বদলানোর আন্দোলন।
এ আন্দোলন হবে , সুস্থ সংস্কৃতি ও আমাদের কাক্সিক্ষত
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আর-
জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97197/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Feb 2022 17:41:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-৩<br />
শিখা অনির্বাণ<br />
	&#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
              শেষ পর্ব<br />
আমাকে দেবে মা সেই প্রদীপ্ত শিখা<br />
যে শিখা তুমি দিয়েছিলে &#8211;<br />
ব্রিটিশ বিরোধী  অগ্নিপুরুষদের হাতে<br />
১৭৮২ সালে যে শিখা তুমি তুলে দিয়ে ছিলে<br />
সিলেটের  হাদা  মিয়া  আর মাদা মিয়ার হাতে।<br />
তোমার সেই দীপ্ত-মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে-<br />
যে দু’ ভাই সর্ব প্রথম ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে<br />
অস্ত্র তুলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97197"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97197/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3639cc8ae6089eaaabcef1e3db3173dd</guid>
				<title>প্রকৃতির প্রতিশোধ
	কবি-নাজমুল হুদা পারভেজ
	
বিয়ের পূর্বেই মোবাইলে আলাপচারিতা -
কিছুই থাকেনা বাকি যখন 
শুধু কলেমা টুকু তো? 
অভিভাবক- সামাজিকতার নেই প্রয়োজন।
মা-বাবা’র স্বপ্ন সাধ-
উবে যায়- উবে যাক,
জীবনটা  যখন কেবলি তাদের
দোয়া দরকার নেই অভিভাবকের।
সারাটা জীবন- রবে একসাথে
ওদের চাওয়া-পাওয়াটাই মুখ্য,
বুকের ভিতরে  কষ্ট চেপে-
অভিভাবকের নেই কোন দুঃখ।
দাও ছেলের পছন্দটাকেই গুরুত্ব
নচেৎ সময়েরটানে  বাড়বে দূরত্ব।
বৌ- ঘরে তুলতে হবে- 
বুকে কষ্ট চাপা দিয়ে।

মা এখন হয়েছে বৃদ্ধা-
যৌবনকালে স্বামী গেছে তিরোধানে
একমাত্র পুত্রকে বুকে জড়িয়ে,
বিয়ে করেনি যৌবনের টানে।
ছেলে ধরেছে সংসাবেব হাল
বয়সের ভারে মা বেসামাল,
পুত্রবধূ  অবসর দিয়েছে তাকে
বলেছে, এখন তাদের কাল
চিকিৎসা নেই, ঔষধ নেই
অযত্নের কথা বলেনা বাছারে,
ছেলে থাকে দোতলার উপরে
মা থাকে গোয়াল ঘরে।
সকাল,বিকাল,সন্ধ্যা রাত
কেটে যায় তার অন্ধকারে,
নাতি-নাতনি ব্যস্ত সবাই-
কেউ দেখতে আসেনা তারে।

মা থাকে  গরুর সাথে 
গরু দেখার মানুষ আছে,
প্রস্রাব- পায়খানায় গড়াগড়ি যায়
কেউ তাকে দেখার নাই।
কাজের মেয়ে রেখেছে ওরা
ভাত দেয় দু বেলা
ছেলে বুঝেনা-পশুরা বুঝে
ওরা কাঁদে, দেখে অবহেলা।
একদিন শীতের সকাল বেলা
মা গোয়ালে  মরে  আছে,
সংবাদ শুনে সকলে যেন 
হাফ ছেড়ে প্রাণে বাঁচে।

কিছুদিন পরে, কুলাঙ্গারের ঘরে
অর্থ, সুখ ,উচ্ছলে পরে,
নাতি-নাতনি হয়েছে ডাক্তার
বিদেশে থাকে সকলকে ছেড়ে।
প্রকৃতির নিষ্ঠুর প্রতিশোধ আসে
সন্তানরা, মরে প্লেন ক্রাশে,
ক্যান্সারে আক্রান্ত কুলাঙ্গার ছেলে
পুত্রবধূকে ধরলো অজ্ঞাত পিশাচে।
দু’জনার চিকিৎসার অর্থ জোগাতে
জমা-জমি, বেচে  ফকিরবেশে।
প্রকৃতি কখনো ক্ষমা করেনা-
বুঝল মৃত্যুর কালে অবশেষে।
=========</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97047/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Feb 2022 18:42:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রকৃতির প্রতিশোধ<br />
	কবি-নাজমুল হুদা পারভেজ</p>
<p>বিয়ের পূর্বেই মোবাইলে আলাপচারিতা &#8211;<br />
কিছুই থাকেনা বাকি যখন<br />
শুধু কলেমা টুকু তো?<br />
অভিভাবক- সামাজিকতার নেই প্রয়োজন।<br />
মা-বাবা’র স্বপ্ন সাধ-<br />
উবে যায়- উবে যাক,<br />
জীবনটা  যখন কেবলি তাদের<br />
দোয়া দরকার নেই অভিভাবকের।<br />
সারাটা জীবন- রবে একসাথে<br />
ওদের চাওয়া-পাওয়াটাই মুখ্য,<br />
বুকের ভিতরে  কষ্ট চেপে-<br />
অভিভাবকের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97047"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97047/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">71b36ad2ea62c93108ecc6b61c06b839</guid>
				<title>রাজবংশী ভাষায় কবিতা-
     ভোট সমাচার
	কবি-নাজমুল হুদা পারভেজ
	
কামবাজি গেইছে বাহে- শোনেন দিয়া মন
৩১ জানুয়ারি হইবে চিলমারীত ইউপি নির্বাচন,
মানুষক যদি  চিনব্যার চান, নির্বাচনোত খাড়ান
ভোটোত না খাড়াইলে ,মানুষ চিনব্যার নান।

কপাল ভালা হইলে, ভোটোত জিতব্যার পান
ট্যাকার তেইশ মাইরবে, ভোট চাবার যান।
হাইরলে বুইঝবেন, মাইনষের, চরিত্র কাক কয়?
ট্যাকারড্যাও  শ্যাও হইবে- কতা মিছা নোয়ায়।

 
দিন বদলি গেইছে-  হইছে আরেক মতোন
ট্যাকার নোবে মানুষ এল্যা, হইছে এইদোন।
মিডাকতা কয়্যা ভোট নিয়া হইবে চেয়ারম্যান
ইলিপের চাউল বুলি গেইলেও, কইবে ট্যাকাদেন।

প্রতিবন্দি ভাতার কাড, তাহো ব্যাচে খায়
গরীবের সরকারী ঘর, মাগনায় দিব্যার নায়।
ঠইক্তে ঠইক্তে গরীবেরা- চালাক বুনি গেইছে
 সেইবাদে নগদ ট্যাকায় ভোট ব্যাচা শিখছে।


এল্যা বাহে, গোটা  দ্যাশোত হইতোছে নির্বাচন
ট্যাকা ছাড়া ভোট?-না পাইবেন মন 
গরীবের ট্যাকা খাবার নান, যতোয় ভগ্ভগান
বিশ্বাস হারেগেইছে , কতাত দিব্যার নায় কান।

ভোট চাইপলে কামলারা, কামোত যাবার নায়
হাঁটি ব্যাড়ে. ফ্যাদলা পারি,  ট্যাকা কামায়। 
প্রার্থীর বাড়িবাড়ি  গেইলে ট্যাকা যদি পায়
মিছাও ক্যানে তামরা, কষ্ট কইরব্যার যায়?

প্রার্থীক সিদায় কয় , ট্যাকা দিলে ঝাপি
না দিলে,মিছাও  তোমার পাছোত নাঝাপি,
নগত ট্যাকা নিয়া, নিজের ভোট বেঁচায়
কাঁই যোগ্য ? তাক, দেকার সময় নাই।

ভোটের দিন আইলে, প্রার্থীর কি হইবে?
বিয়্যান থাকি প্রার্থীগুল্যার, প্রেসার বারি যাইবে
জিতপে ভোটোত যাঁই, তাঁইতো গান গাইবে
হারু প্রার্থী  তড়ায় শিক্শিক্যা নাগি যাইবে।

ভোটত হারিয়্যা যেলা, বাড়িত ফিরি যাইবে
ট্যাকার ঝানঝানিতে বিছন্যাত, ন্যালন্যালা হয়্যা শুইবে
ভোটের হিস্যাব কইরতে নিন্দ হারাম হইবে
ক্যানে ভোটোত খাড়ানু, মনে মনে পছতাইবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93123/</link>
				<pubDate>Sun, 23 Jan 2022 21:39:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাজবংশী ভাষায় কবিতা-<br />
     ভোট সমাচার<br />
	কবি-নাজমুল হুদা পারভেজ</p>
<p>কামবাজি গেইছে বাহে- শোনেন দিয়া মন<br />
৩১ জানুয়ারি হইবে চিলমারীত ইউপি নির্বাচন,<br />
মানুষক যদি  চিনব্যার চান, নির্বাচনোত খাড়ান<br />
ভোটোত না খাড়াইলে ,মানুষ চিনব্যার নান।</p>
<p>কপাল ভালা হইলে, ভোটোত জিতব্যার পান<br />
ট্যাকার তেইশ মাইরবে, ভোট চাবার যান।<br />
হাইরলে বুইঝবেন, মাইনষের, চ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-93123"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/93123/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3edddd2ac7d84c33bf22c3304f9937a</guid>
				<title>ভেজাল 
           কবি - নাজমুল হুদা পারভেজ
একী কান্ড দেশে-?
খ্যাতের  বেড়াই, বেগুন, খাচ্ছে অনায়াসে-
চোর ধরার বড় পদে থেকে, করছে বেগুন চুরি,
ঘুষ- দুর্নীতির এ দেশ আমার,নাইতো কোন জুড়ি
ডিআইজি মিজান আর দুদক বছির, কত বড় পদে থেকে,
ঘুষ লেনদেনের অনন্য রেকর্ড গড়ল অবশেষে।
রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের “ বালিশ কান্ড দেখে ”
ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালের ডাক্তাররা, “পর্দা”-কেনা শেখে।
বালিশের দাম প্রায় ৬ হাজার টাকা হলে, পর্দার দাম হবে কতো?
ডাঃ গনপতি বিশ্বাস,মনিক্ষা চাকমা আর নুরুল ইসলাম মিলে,
ক্যালকুলেটারে হিসেব করে তারা সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা গিলে।
শুধু পর্দা নয়, কলেজের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি কেনাকাটা শেষ করে,
৪১ কোটি টাকা মেরে খেলো তারা, হাতে হাত ধরে।
ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল দিতে দিতে যখন, দিশেহারা জনগণ
অবৈধ ভাবে গ্যাসের সংযোগ দিয়ে, টাকা কামাচ্ছে কত জন,
বন বিভাগের সহযোগিতায়, পটুয়াখালীর দশমিনায়.
অভিযোগ উঠে বন নিধনের, সেদিকে কারো দৃষ্টি নাই।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে, দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে
শিক্ষার পরিবেশ ফিরাতে শিক্ষার্থীরা, মানববন্ধন করে,
ইছামতি নদী দখল করে নেয় নদী খেকোরা যখন-
খাদ্য নিরাপদ রাখতে সরকারের নাভিশ্বাস উঠে তখন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন সংস্কৃতি “ র&#x200d;্যাগিং”-এর রোষানলে
বুয়েটের ছাত্র আবরার’রা তখন, নৃশংস ভাবে মরে।
বিষাক্ত ওষুধ দিয়ে পাকায় ফল,ফরমালিনে সয়লাব দেশ,
কলকাতার জামাইদের আদর উৎসবে পদ্মার ইলিশ শেষ।
যে ওষুধ জীবন বাঁচায়, সেটাও নকলে ভরা-
নাগালের বাহিরে পিঁয়াজের মূল্য, ভীষণ দাম চড়া,
চাষাবাদের খরচ মিটিয়ে, ধান বেচে যে দাম পায়
কৃষকদের অভাবী সংসার, চলে না সে টাকায়।
নামে-বেনামে সুদের ব্যবসা সারাদেশ আজ জুড়ে
ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় না কৃষকরা,শুধুই জমিতে খেটে মরে।
টাকার পাহাড় গড়ে মহাজন- মধ্য স্বত্বভোগী-
গরিব যেন, আরও গরিব হয়, দিনে দিনে বাড়ে দুঃখী।
এনামুল হক আর রুপন ভূঁইয়া, দু’সহোদর মিলে
“ক্যাসিনোর”- ব্যবসা করে, তারা দেশটাকে খেল গিলে,
ক্যাসিনো সাঈদ উধাও হলেও, নির্বাচনের মাঠে-
সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলার প্রার্থী ছিল বটে।
জঙ্গি আস্তানায় ভরে গেছে দেশ, কোথায় জঙ্গি নাই?
বিস্ফোরকসহ  আইন প্রয়োগকারীর হাতে ধরা পরে সদাই।
শেয়ার বাজারে চলছে দর পতন, কারো কোন মাথা ব্যথা নাই,
বিনিয়োগকারীদের কষ্টার্জিত টাকা, হাওয়া হচ্ছে তাই।
ধর্ষণ বেড়েছে সারা দেশ জুড়ে , সে কথা নতুন নয়
ইশ্বরগঞ্জের মেধাবী ছাত্রী তিথি মরে ট্রাক চাপায়।
বলাৎকার, ধর্ষণ আর নির্মম হত্যার, টার্গেটে শিশুরা ভাই
চারিদিকে আজ নৈতিক অবক্ষয় , কোথাও মানবতা নাই।
জাতীয় সংসদে ধর্ষকের বিরুদ্ধে, সোচ্চার হয়েছে সবাই
সে কারণে আজ  সাংসদদেরকে স্বাগত জানাই।
ধর্ষকের বিচার কারাদন্ড নয়, মৃত্যু দন্ড চাই.
দেশ জুড়ে আজ সে দাবি উঠেছে, ধর্ষকের নিস্তার নাই।
বন্ধুক যুদ্ধে নিহতের ঘটনা, এখন সয়ে গেছে জনতার
বিচার বিহীন হত্যাকান্ড শুধু বিশেষ বাহিনীর অধিকার,
ভালো কথা মুখে সবাই বলে,কে শোনে এসব প্যাচাল
ভেজালে ভরে গেছে দেশ, শুধু ভেজাল বানানে নাই ভেজাল।
                 ==============</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91939/</link>
				<pubDate>Wed, 19 Jan 2022 20:44:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভেজাল<br />
           কবি &#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
একী কান্ড দেশে-?<br />
খ্যাতের  বেড়াই, বেগুন, খাচ্ছে অনায়াসে-<br />
চোর ধরার বড় পদে থেকে, করছে বেগুন চুরি,<br />
ঘুষ- দুর্নীতির এ দেশ আমার,নাইতো কোন জুড়ি<br />
ডিআইজি মিজান আর দুদক বছির, কত বড় পদে থেকে,<br />
ঘুষ লেনদেনের অনন্য রেকর্ড গড়ল অবশেষে।<br />
রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের “ বালিশ কান্ড দেখে ”<br />
ফরিদপুর মেডিকেল হা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91939"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91939/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">16ad2cb3b23ad9c7a3d2abc1ff11acbe</guid>
				<title>কবিতা-
শিখা অনির্বাণ
	- নাজমুল হুদা পারভেজ
	
	শেষ পর্ব        
আমাকে দেবে মা সেই প্রদীপ্ত শিখা
যে শিখা তুমি দিয়েছিলে -
ব্রিটিশ বিরোধী  অগ্নিপুরুষদের হাতে
১৭৮২ সালে যে শিখা তুমি তুলে দিয়ে ছিলে
সিলেটের  হাদা  মিয়া  আর মাদা মিয়ার হাতে।
তোমার সেই দীপ্তমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে-
যে দু’ ভাই সর্ব প্রথম ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে 
অস্ত্র তুলে নিয়ে ছিল হাতে।
তোমাকে ভালোবাসার মূল্য দিতে গিয়ে ব্রিটিশ 
কালেক্টর রবার্ট লিন্ডসের গুলিতে নিহত হয়েছিল তারা।
কিন্তু তোমার দীপ শিখা নেভাতে পারেনি ব্রিটিশরা।
আবারও সেই দীপ শিখা হাতে জ্বলে উঠেছিল-
কমল নাথ তিওয়ারী, অরুণা আসফ আলী,
অরবিন্দ ঘোষ, চন্দ্র শেখর আজাদ,ক্ষুদিরাম বসু,
 জতীন্দ্র নাথ দাস, সুভাস চন্দ্র বসু, 
মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী,হাকিম আজমল খাঁ, 
মওলানা শরিয়াতুল্লাহ, মওলানা আজাদ, 
ফকির মজনু শাহসহ তিতুমীরা।
 রক্তের গঙ্গা বইয়ে দিয়ে- 
অবশেষে ওরা ব্রিটিশ তাড়িয়ে ছিল
তোমার বুক থেকে। 

আমি সেই শিখার কথা বলছি মা-
যখন তোমার মুখের ভাষা 
কেড়ে নিতে চেয়েছিল পাকিস্তানীরা।
তখন যে শিখা তুমি জ্বালিয়ে ছিলে, 
বরকত, জব্বার, রফিক, সালাম,
আউয়াল অহিউল্লাসহ এক জন 
অজ্ঞাত বাালকের চোখে,
আমি সে শিখা চাই মা।

যে শিখা তুমি জ্বালিয়েছিলে,  
মাত্র ১২ বছর বয়সী রংপুরের শঙ্কু সমজদারের চোখে।্
যে বালকটি ১৯৭০এর তিন মার্চ অসহযোগ 
আন্দোলনের বিক্ষোভে, স্বাধীনতা আন্দোলনের-
প্রথম শহীদ হয়েছিল পাকিস্তানীদের গুলিতে।্
যার রক্তে শপথ নিয়ে শুরু হয়েছিল স্বাধীনতা যুদ্ধ।
কোটি কোটি বাঙালীর চোখে-
সেদিন যে অগ্নিশিখা তুমি জ্বালিয়ে দিয়েছিলে,
যে অগ্নি শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাকিস্তানীরা,
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে যে শিখা আজ অনির্বাণ,
আমাকে সেই শিখা দাও মা।

ঘুমিয়ে থাকা ছাত্র-জনতার চোখের ঘুম ভাঙ্গাতে হবে-
এখন সময় বয়ে যায় ঘুম ভাঙ্গানোর,
আমি আমার প্রেমিকার চোখে জ্বালাবো সে শিখা
শুধু আমাকে নয়, দেশকে ভালোবেসে-
সে আমার পাশে এসে দাঁড়াবে, হাতে হাত ধরে-
৭১’র কিংবা ৯০’র মতো,
আমার সাথে নামবে রাজপথে, আবার আন্দোলন হবে।
এ আন্দোলন সমাজ সংস্কারের,
এ আন্দোলন সন্ত্রাস, অন্যায়,র্দূনীতি আর-
 নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে।
এ আন্দোলন হবে, মাদক, ক্যাসিনো,গুম ,হত্যা
জঙ্গিবাদ আর অপহরণের বিরুদ্ধে।
এ আন্দোলন হবে, নিজেকে বদলানোর আন্দোলন।
এ আন্দোলন হবে , সুস্থ সংস্কৃতি ও আমাদের কাক্সিক্ষত
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আর-
জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  
স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91252/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Jan 2022 20:19:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
শিখা অনির্বাণ<br />
	&#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ</p>
<p>	শেষ পর্ব<br />
আমাকে দেবে মা সেই প্রদীপ্ত শিখা<br />
যে শিখা তুমি দিয়েছিলে &#8211;<br />
ব্রিটিশ বিরোধী  অগ্নিপুরুষদের হাতে<br />
১৭৮২ সালে যে শিখা তুমি তুলে দিয়ে ছিলে<br />
সিলেটের  হাদা  মিয়া  আর মাদা মিয়ার হাতে।<br />
তোমার সেই দীপ্তমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে-<br />
যে দু’ ভাই সর্ব প্রথম ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে<br />
অস্ত্র তুলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91252"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91252/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7247ac48d7215d71497330c7b2a55766</guid>
				<title>কবিতা-
শিখা অনির্বাণ
 - নাজমুল হুদা পারভেজ
 পর্ব-২ 
ঘর থেকে যখন বাহিরে যাব বলে দরজা খুলি-
কোলের ছোট সন্তানটি জিজ্ঞেস করে 
“ কখন ফিরবে , বাবা?”
আমি নির্বাক থাকি, উত্তর দিতে পারি না।
চোখের সামনে ভেসে উঠে, পত্রিকা  কিংবা  টিভির সংবাদ।
নিরাপদ সড়ক  আন্দোলন বলছে-
২০১৯ সালে সড়ক র্দূঘটনায় নিহত হয়েছে ৫২২৭জন মানুষ।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে-
গত বছর ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪১৩ জন নারী,
স্বামীর হাতে নির্যাতিত হয়ে নিহত হয়েছে ২০০ জন নারী।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন বলছে-
২০১৯ সালে শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৯০২ জন শিশু,
এমনকি নিজ পিতার হাতে ধর্ষিতার্  হয়েছে তার শিশু কন্যা।
মাগো তুমি দেখছ  না? তুমি ঘুমিয়ে আছ কেন?
চোখ মেলে দেখো  মা-
বড় বড় পদের আমলারা কীভাবে র্দূনীতির রেকর্ড গড়ছে।্
বালিশ কান্ড, পর্দা কান্ডসহ কত কান্ড ঘটছে দেশে,
দিন-দুপুরে হচ্ছে পুকুর চুরি, বিপন্ন পরিবেশ।
শিক্ষাঙ্গনে নেই শিক্ষার পরিবেশ-
সারাদেশের  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে 
র‌্যাগিং সংস্কৃতি ছড়িয়ে পরেছে।
মায়ের চোখের সামনে র‌্যাগিং এর শিকার হচ্ছে, 
তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া মেয়ে।
ওষুধে ভেজাল, খাদ্যে ভেজাল, নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে 
পিঁয়াজ, রশুন, আদাসহ নিত্য প্রয়োজনীয়  পণ্যের দাম।
কৃষকরা আজ শোষিত হচ্ছে মহাজন, 
দাদন ব্যবসায়ী আর মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা।
ক্রিকেট খেলার বাজি ধরতে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে যুবকরা,
প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে ক্যাসিনোর ব্যবসা
জঙ্গিতে ভরে গেছে দেশ, তোমার সংস্কৃতি আজ ধ্বংসের মুখে,
আকাশ সংস্কৃতি গিলে খাচ্ছে তোমার স্বকীয়তা-
মাদকে ছেঁয়ে গেছে দেশ, তোমার সোনার ছেলেদেরকে-
মাদক সেবন করিয়ে ঘুমিয়ে রেখেছে একটি স্বার্থান্বেষী  মহল।
ছাত্র-ছাত্রীরা রাত জেগে এখন বই পড়ে না,
তারা ইন্টারনেটে আসক্ত,ফেসবুকে রাত জাগে।
ইন্টারনেটের কুফল  ছড়িয়েছে খেলাধুলার মাঠে, 
সুস্থ সংস্কৃতির  মঞ্চে- করোনা ভাইরাসের মতো।
বরগুনায় প্রকাশ্য দিবালোকে 
হত্যা করা হয়েছে রিফাত শরীফকে।
আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে-
ফেনীর নুসরাতকে,
গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে রেনুকে-
বুয়েটে পড়তে এসে লাশ হচ্ছে আবররা।
মানবতা হারিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত-
শুকিয়ে যাওয়া নদীর মতো মানুষের হৃদয় থেকে।
                  (চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91251/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Jan 2022 20:18:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
শিখা অনির্বাণ<br />
 &#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
 পর্ব-২<br />
ঘর থেকে যখন বাহিরে যাব বলে দরজা খুলি-<br />
কোলের ছোট সন্তানটি জিজ্ঞেস করে<br />
“ কখন ফিরবে , বাবা?”<br />
আমি নির্বাক থাকি, উত্তর দিতে পারি না।<br />
চোখের সামনে ভেসে উঠে, পত্রিকা  কিংবা  টিভির সংবাদ।<br />
নিরাপদ সড়ক  আন্দোলন বলছে-<br />
২০১৯ সালে সড়ক র্দূঘটনায় নিহত হয়েছে ৫২২৭জন মানুষ।<br />
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91251"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91251/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed86b33adc8642b9f466038c238e9ba2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/90939/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Jan 2022 20:04:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c441c1fe2cb070840079f645905057e3</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/90938/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Jan 2022 20:03:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf7be3823922b7773ea3a946200aa7fc</guid>
				<title>কবিতা-
শিখা অনির্বান
 - নাজমুল হুদা পারভেজ
 পর্ব-১ 
মাগো. একটা প্রদীপ দেবে?
এটা কি দিলে মা?
এই প্রদীপটার আলো আছে বটে, কিন্তু শিখা নেই।
আমি অগ্নিগিরির  জ্বলন্ত শিখা চাই মা।
কেন চাইছি? সেটা একটু পরে বলছি মা, 
তার আগে বলো-
তোমার মলিন ঘরের দুয়ারে ওটা কি ঝুলিয়ে রেখেছ মা?
কি বললে, গণতন্ত্র ?
তোমার ঝুলিয়ে রাখা গণতন্ত্রটা এতো রুগ্ন কেন?
দেখে মনে হচ্ছে,
পুষ্টিহীনতায় শুকিয়ে যাওয়া একটা মূলা ঝুলছে।
তোমার গণতন্ত্রের একী হাল হয়েছে  মা?
মাগো ,তুমি কি ঘুমিয়ে পরেছ ? চোখ মেলে দেখো-
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায়- 
কি অপূর্ব  গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে আজ।
গণতন্ত্রের  চর্চা করতে করতে 
ভোটাররা বড্ড ক্লান্ত হয়ে পরেছে মা।
ভোট কেন্দ্র বিমুখ হয়ে এখন ওরা ঘরে বসে থাকে।
টিভির পর্দায় দেখে জন-মানব শূন্য ভোট কেন্দ্রের দৃশ্য।
ভোটাররা  ঘরে বসে থাকলেও, দিন শেষে-
ভোটের  গণনায়-কোন কমতি নেই মা, 
আত্নতুষ্টিতে ভোগে নির্বাচন কমিশনার, 
যদিও বা মুখ ফসকে-
দু’ একটা সত্য কথাও বেড়িয়ে আসে তার মুখ থেকে।
তাতে কি আসে যায়? গণতন্ত্র বলে কথা।  অথচ-
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদের  নির্বাচনে 
ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতির হার ছিল ৫৭.৬৮ ভাগ।
১৯৭৩ সালে এই হার ছিল ৫৪.৯১ ভাগ। 
১৯৯৭ থেকে ২০০১ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত
ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন বাদ দিয়ে বাকি তিনটি নির্বাচনে
ভোটারদের ভোট প্রদানের গড় হার ছিল ৬৮.৬৬ ভাগ,
এক-এগারোর পর সংসদ নির্বাচনে -
৮৬.৩৪ ভাগ ভোট পরেছিল মা।
আর এখন ? সে’কথা থাক মা- অন্য কথা বলি।
                  (চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/90937/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Jan 2022 20:02:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-<br />
শিখা অনির্বান<br />
 &#8211; নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
 পর্ব-১<br />
মাগো. একটা প্রদীপ দেবে?<br />
এটা কি দিলে মা?<br />
এই প্রদীপটার আলো আছে বটে, কিন্তু শিখা নেই।<br />
আমি অগ্নিগিরির  জ্বলন্ত শিখা চাই মা।<br />
কেন চাইছি? সেটা একটু পরে বলছি মা,<br />
তার আগে বলো-<br />
তোমার মলিন ঘরের দুয়ারে ওটা কি ঝুলিয়ে রেখেছ মা?<br />
কি বললে, গণতন্ত্র ?<br />
তোমার ঝুলিয়ে রাখা গণতন্ত্রটা এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-90937"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/90937/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0d8b690d81e3c20f50100eb1df6b37ec</guid>
				<title>কবিতা
আমার দেশ- আমার পৃথিবী
নাজমুল হুদা পারভেজ
আমি একটা সুন্দর কবিতা লিখতে চাই-
শব্দের পর শব্দ বসিয়ে, ছন্দের পর ছন্দ সাজিয়ে
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের মতো. তাল গাছের কবিতা।
“ তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে
        সব গাছ ছাড়িয়ে
       উঁকি মারে আকাশে।
মনে সাধ, কালো মেঘ ফুঁড়ে যায়.
       একে বারে উড়ে যায়
       কোথা পাবে পাখা সে।”
কিন্ত লিখতে পারি না। মনের কল্পনায় শব্দ সাজাতে সাজাতে-
ঘুমিয়ে পরি, গভীর ঘুমের অসচেতনতার মাঝে স্বপ্নে দেখতে পাই-
তাল গাছ কেটে ফেলার দৃশ্য, দেখতে পাই নির্বিচারে অরণ্য বিনাশ-
বিপন্ন পশুর চারণভূমি, ভোরের বাতাসে শুনতে পাই না 
কলকাকলীর তান, বুক ভরে নিতে পারি না বিশুদ্ধ অক্সিজেন।
কালো ধোঁয়ায় আবর্তিত আমার সোনালি পৃথিবী
কার্বন-ডাই-অক্সাইডের বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তিত জলবায়ু
দিনে দিনে বাড়িয়ে তুলছে মানবিক সংকট।
সুন্দর কবিতাটি, যা আমি বার বার লিখতে চেষ্টা করেও
লিখতে পারিনি- কলম হাতে লিখতে বসলেই
চোখের সামনে ভেসে উঠে, শুকিয়ে যাওয়া নদী করতোয়া, আইবুড়ি,
আত্রাই, ইছামতি, কর্ণঝরা, কপোতাক্ষ, ধরলা, ধলাই, ধলেশ্বরী ও ধানসিড়ি।
আরও কত শত নদী। যে নদীকে ঘিরে রচিত হয়েছিল শত শত কবিতা- 
গান ও কাব্য। যে নদী গুলো পরিচয় করিয়ে দিতো নদীমাতৃক বাংলাদেশকে।
নদী শুকিয়ে যাওয়ায় আজ, প্রভাব পড়েছে এ দেশবাসীর দেহ মনে-
প্রভাব পড়েছে সাহিত্যে -কাব্যে, উৎসব-অনুষ্ঠানে।
আমি সুন্দর একটা কবিতা লিখতে চাই- কিন্তু লিখতে পারি না,
স্বপ্নের মাঝে আমি শুধু ছটফট করি- 
আমি স্পষ্ট দেখতে পাই,
তপ্ত দুপুরে ইট ভাঙ্গা  নারী শ্রমিকের কপালের ঘাম
আমি দেখতে পাই, অ্যাসিডে ঝলসানো জেরিন আক্তারের মুখ।
দেখতে পাই, রাজপথে গার্মেন্টস শ্রমিকদের  দাবি আদায়ের মিছিল,
দেখতে পাই, পাট শ্রমিকের আমরণ অনশনে অংশ নেয়া অসুস্থ বৃদ্ধের মুখ। 
আমি দেখতে পাই,আগুনে পুড়ে হত্যা করা নুসরাতের বিভৎস্য মুখাবয়ব
আমি দেখতে পাই, চলন্ত বাসে ধর্ষিতা সেবিকা তানিয়ার  মৃত দেহ,
আমি দেখতে পাই, বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যার প্রতিবাদে মৌন মিছিল।
আমি দেখতে পাই,বন্ধুর হাতে বন্ধুর খুন হওয়া রাসেলের পচা লাশ,
দেখতে পাই, নিজ শিুশু কন্যাকে ধর্ষণকারী- 
ঘৃিণত কুলাঙ্গার পিতা আইনালের মুখ।
আমি দেখতে পাই-
মানবতা বর্জিত অস্থির সমাজের প্রতিচ্ছবি।
স্বপ্নের মাঝে আামি দেখতে পাই, 
কারা যেন আমার কণ্ঠনালী চেপে ধরতে চায়,
কারা যেন আমাকে হত্যা করতে চায়,  
বন্ধ করতে চায় আমার কবিতা লেখা।
স্বপ্নের মাঝে আমি চিৎকার করে উঠি- 
হারিয়ে ফেলি ছন্দের মালা,
ছন্দ হারিয়ে, আমার কবিতা হয়ে যায় গদ্য কবিতা
ছন্দ হারিয়ে, তালগাছটি এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে, 
কখনই ছুঁতে পারে না আাকাশ।
আমি কবিতা লিখতে চাই, মানুষের জন্য
আমি কবিতা লিখতে চাই, প্রকৃতির জন্য।
আমি কবিতা লিখতে চাই, মানবতার জন্য,
আমি কবিতা লিখতে চাই, ভালোবাসার জন্য।
যে কবিতায় উঠে আসবে, আমার আদি জন্¥ভূমি ,
গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট্ট তিস্তা নদী।
রাখালের বাঁশির সুর আর মহিষের বাথান,
নূপুর পায়ে কলসি কাঁখে গ্রাম্য রমণীর,
কলসীতে  জল বয়ে নেয়ার দৃশ্যের বর্ণনা।
তপ্ত দুপুরে বিষণ্ণ হাওয়ায়-
 দুষ্টু ছেলে-মেয়েদের ঘুড়ি উড়ানো,
ডাংগুলি খেলতে খেলতে বেলা বয়ে যাওয়া সন্ধ্যা।
যে কবিতায় থাকবে- 
বাঁশ বাগাানের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া মসৃণ মেঠো পথে
একদল কিশোরের মার্বেল খেলা কিংবা শূন্য সরিষা ক্ষেতে
ছেলে মেয়েদের দাড়িয়া বাধা খেলা 
অথবা কানামাছি খেলার গল্প।
যে কবিতায় থাকবে-
শীতের সকালে বাড়ির উঠোনে বসে 
শীতের পিঠা  কিংবা মুড়ি-গুড় খেতে খেতে দাদুর গল্প শোনা।
যে কবিতায় থাকবে- 
ব্রহ্মপুত্র নদের জলে পাল তোলা নৌকা বয়ে যাওয়া
আর মাঝি -মাল্লার কণ্ঠ উঁচিয়ে- 
মুজিব বাঁইয়া যা ওরে- গান গাওয়া।
আমি কবিতা লিখতে চাই, যে কবিতা হবে-
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মোনালিসার ভালোবাসা থেকে আলাদা
যে কবিতায় থাকবে না ,রবীন্দ্রনাথের লাবণ্যের প্রেম কাহিনি
কিংবা জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেনের দৃষ্টি নন্দিত এক জোড়া চোখ।
যে কবিতায় থাকবে না, ট্রয়নগরী ধংসের নায়িকা হেলের কথা, 
যে কবিতায় থাকবে না,দৌলত উজির বাহা রাম খানের-
লাইলী - মজনুর রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান কিংবা-
নিজামি গঞ্জবির শিরি- ফরহাদের ভালোবাসার গল্প।
আমি কবিতা লিখতে চাই- ভালোবাসার কবিতা-
যে কবিতা হবে না সুন্দর কোন রমণীর পায়ের পায়েল,
আমার কবিতা হবে,গাঁয়ের অখ্যাত কোন রমণীর কপালের লাল টিপ।
আমার কবিতা হবে,আমার কল্পনার নায়িকা “হৃদির” কাজল দেয়া  
এক জোড়া কালো হরিণী চোখ,যে চোখ জোড়া 
আমার সৃষ্টির সংগ্রামের পথ দেখাবে অনন্তকাল।
ভালোবাসবে আমার কবিতাকে, ভালোবাসবে নিরন্ন মানুষকে,
ভালোবাসবে আমার স্বপ্ন গুলি - আমাদের সংস্কৃতিকে।
আমার ভালোবাসার রজনিগন্ধা রেখে দিয়েছি শুধু তারই জন্য
কল্পনায় নাম রেখেছি“ হৃদি”-তারই অপেক্ষায় লিখছি কবিতা।
যে আমাকে ভালোবাসবে, ভালোবাসবে আমার পৃথিবী 
এবং আমার এই দেশ, বাংলাদেশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/90363/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Jan 2022 18:04:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা<br />
আমার দেশ- আমার পৃথিবী<br />
নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
আমি একটা সুন্দর কবিতা লিখতে চাই-<br />
শব্দের পর শব্দ বসিয়ে, ছন্দের পর ছন্দ সাজিয়ে<br />
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের মতো. তাল গাছের কবিতা।<br />
“ তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে<br />
        সব গাছ ছাড়িয়ে<br />
       উঁকি মারে আকাশে।<br />
মনে সাধ, কালো মেঘ ফুঁড়ে যায়.<br />
       একে বারে উড়ে যায়<br />
       কোথা পাবে পাখা সে।”<br />
কিন্ত লিখতে পারি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-90363"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/90363/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">987524d604f97057bdc507a27a4ab987</guid>
				<title>রাজবংশী ভাষায় কবতিা-০২
সোন্দর বদলা
-নাজমুল হুদা পারভজে
দিন আনি দিন খায়, টানাটানির সংসার 
তিন ব্যাটা এক বেটি ছমির মিঞার। 
খানেওয়ালা ছয় জন, ছোড সোউগ ছাওয়ারা 
মাটি কাটা পেশা তার,নাম মাটিকাটা কামলা। 
গেরস্তের ডাক পাইলে কাম জোটে কপালোত- 
কাম না জুইটলে, ভাত জোটে না থালোত।
মাছ-গোস্ত জোটে না কপালোত কচু ভর্তা খায়
আল্লার রহমতে বউ-ছাওয়ার ওগ বালাই নাই।
হোসেন আলী বড় গেরস্ত, গোটা গ্রাম জুরি 
বাপ-দাদার জমা-জমি নিয়া, করে বাহাদুরি।
নেহাপড়া নাই তার ,তবু সবায় তাক মানে 
গ্রামের মোড়ল হইছে তাঁই, ট্যাকার কারণে।
কামলা নিব্যার ডাকিল একদিন হোসেনের বাড়িত 
কোদাল কান্দে ছমির গেইল হোসেনের নাহারীত।
কি কাম ভাইজান, ক্যানে ডাকাইছেন,খুলি কন মোক 
পুশকুনির পাড়ত মাটি কাটবু, নাইগবে যহন ভোক 
দুপুরোত মোর বাড়িত খাবু,ভাবা না নাইগবে তোক।
কোদাল হাতোত ছমির মিঞা, কামোত নাগি যায় 
দুপুর গড়ায়্যা আছর বাদে তাক, ভাত খাবার ডাহায়। 
আন্দোন ঘরোত, জলচকিত হোসেন আলী বইসে 
ছমিরের বইস্যার জইন্যে, পীড়া একখ্যান দিছে।
কামলা খাটা ছমির মিঞার গাও ধোয়া-ধুয়ি নাই
প্যাটের ভোকে হাতখ্যান ধুইয়্যা,খাবার বইসে তাঁই।
বাড়িওয়ালী ভাত বারি দেয়, ঘোমটা মাতাত দিয়া ‘ 
কাতল মাছের কাল্লা দিলে, ছমিরের পাতোত তুলিয়া। 
তাক দেকিয়া, আগিয়া হোসেন , বউওক দিলে ডাং 
কামলাক দিলু মাছের কাল্লা ? তাড়াতাড়ি হিতি আন। 
বউ ব্যাচারী অবলা নারী উপায় তার নাই-
ছমিরের পাতের কাল্লা তুলি দিলে ভাতারের থালায়। 
খাদক হোসেন মাছের কাল্লাখ্যান চিবি চিবি খায় 
শোন বউ, মাছের কাল্লা কামলার জইন্যে নোওয়ায়। 
সুরুয়্যা দিয়া ভাত খায় ছমির, চোখের পানি ফেলি 
মনে মনে খোদাক কয়, ক্যানে মোক গরীব করলি? 
ছমির মিঞার জমা - জমি কিছুই যহন নাই
কামলা দিয়া ছাওয়াগুল্যাক নেহাপড়া শিখায়। 
তিন বেটা এল্যা চকরি করে, বেটিক বিয়াও দিছে
জমা-জমি কিনি এ্যালা অনেক ধনী হইছে।
দুই যুগ বাদে- 
হোসেন আলী পড়ি যায় নিয়তির ফাঁন্দে 
করাল গ্রাসী ব্রহ্মপুত্র আক্ষসী উপ ধরি 
জমা-জমি, ভিটা-মাটি সব নিলে কাড়ি।
আল্লার দুনিয়াত কাঁই কয়, বিচার নাই? 
হোসেন সোউগ হারেয়া, কামলা দিয়া খায়।
আসিল ফিরি দিন-
ছমির মিঞা কামলা নিবে, হোসেনের ডাক পরিল
কোদাল কান্দোত হোসেন ছমিরের বাড়িত যায়। 
কি কাম কইরবে, পুচকরিয়া তাক জাইনব্যার চায় ?
পুশকুনির পাড়ত মাটি কাইটমো শক্ত কাম নোয়ায়। 
দুনিয়ার ধার- দুনিয়াত শোধ হয়,দুপুর গড়ে যায় 
আসরের পর হোসেন আলীক ভাত খাবার ডাহায়। 
ঘাময়ালা হোসেন আলী, বাড়ির ভেতরোত ঢোকে 
হাত-ঠ্যাং ধুইয়্যা,ঘর উট্কায়, খাবার বইসপে কডে ? 
খাঁরে ক্যানে হোসেন ভাই, বিল্ডিং ঘরোত আইসো
পাও তুলিয়া ভাল্ করি, চকির উপরোত বইসো। 
হোসেন আলী কি কইরবে, বুইঝব্যার না পারে
কাদো পায়ে, মইলা গায়ে, বইসে ছমিরের ধারে। 
কাঁসার দুইখ্যান থালি, দুই জনের সামনোত দিয়্যা
ছমিরের বউ গরম ভাত দেয় থালিত পশ্যিয়্যা। 
কাতল মাছের কাল্লাখ্যান সোয়ামির পাতোত দেয় 
বড় একখ্যান মাছের চাকা হোসেন আলীও পায়।
ছমির আলী কাব্ড়ে ওডে,বৌ বেজায় করলু ভুল 
ভাইয়ের পাতোত থাকি এ্যালায়, মাছের চাকা তোল। 
হোসেন ভাই কামলা নোয়ায়,তাঁই মোর মেজবান 
মাছের কাল্লাখ্যান খাইবে তাঁই, তাক দ্যাও সম্মান।
খায়্যা উঠি হোসেন আলী বাড়ির বাইরোত যায় 
ভেজা দুইখ্যান চোক মেলিয়্যা আসমানের দিকি চায়। 
মনে মনে কয়, খোদা এ্যত্দিন চেনোংঁ নাই তোমায় 
ট্যাকা-পয়সা,জমা-জমি কিচ্ছুই হামার নোয়ায়।
এইদ্যোন সময় ছমির আলী বাড়ির বাইরোত আইসে 
অজগবিতে দুই হাত ধরি হোসেন বোগলোত বইসে 
মাপ করি দ্যাও ছমির ভাই, মুই মহা পাপ কইরছোঁ 
নিজের ভুল আইজ স্যানে, নিজে নিজে বুঝচোং। 
তোমরা মাপ না কইরলে আল্লা মাপ কইরব্যার নায়
বুঝচোং আরো, মাইনষোক কষ্ট দিলে, আল্লাহ কষ্ট পায়। 
=========================
নীচে প্রমিথ ভাষায় শব্দার্থ দেয়া হল ঃ-
(টানাটানি= অভাবঅনটন, ব্যাটা =পুত্র, বেটি= কন্যা,
বাদে= পরে, খানেওয়ালা= খোরপোশ যাদেরকে দিতে
হয়, গোটা গ্রাম জুরি= সমস্ত গ্রাম মিলে, নেহাপড়া=
লেখাপড়া, নিব্যার= নেয়া, ডাকিল=ডাকা, 
নাহারীত= বৈঠকখানা.ক্যানে= কি জন্যে,
ডাকাইছেন= ডেকেছেন, পুশকুনির= পুস্করিণী বা
ছোট জলাশয়/পুকুর, কাটবু= খোঁড়া/খনন, নাইগবে=
দরকার, ছোড= ছোট, সোউগ= সব, ভোক= খিদে,
কামোত=কাজে, নাগি যায়= শুরু/ আরাম্ভ করা, গড়ায়্যা=
অতিবাহিত, ডাহায়= ডাকা, আন্দোন ঘরোত=রান্নাঘর,
জলচকিত=তক্তপোশ, বইসে=বসা, ছাওয়ারা= বাচ্চারা/
শিশু সন্তান, কামলা=দিনমজুর, গেরস্তের=গৃহস্থ,
কপালোত=ভাগ্যে, বাড়িওয়ালী=গৃহকত্রী, মাতাত=
মাথায়, বারি=বেড়ে দেয়া, কাল্লা=মুÐু, পাতোত=
আহারের জন্য পাত বিছানো,আগিয়া= রাগ হয়ে,
বউওক= স্ত্রীকে, ডাং= মারা, হিতি=এদিকে, ভাতারের=
স্বামীর, খাদক=ভক্ষক, চিবি= পেষণ করা, নোওয়ায়=
নহে, সুরুয়্যা=ঝোল, ক্যানে= কি জন্য, নিয়তির=
ভাগ্যের, ফাঁন্দে= অনিষ্ট/ভাগ্যের বিড়ম্বনা, আক্ষসী=
রাক্ষসী, উপ=রূপ, কাঁই= কে, সোউগ= সব, কান্দোত=
কাঁধে, নোয়ায়= নয়, ঘাময়ালা= ঘামযুক্ত,ভেতরোত=
ভিতরে, ঠ্যাং= পা, ধুইয়্যা= ধোয়া, কডে= কোথায়,
কাদো= কাদা, পশ্যিয়্যা=বন্টনকরা, কাব্ড়ে ওডে=
চিৎকার করে ওঠা, ‘বেজায়= সাংঘাতিক, এ্যালায়=
এখনি, নোয়ায়= কিছু নয়, মেজবান= অতিথি,
খায়্যা উঠি= খেয়ে ওঠা, বাইরোত= বাহিরে, মেলিয়্যা=
মেলে ধরা/তাকানো, এ্যত্দিন= এতদিন, চেনোংঁ=
চেনা/পরিচিত, এইদ্যোন= এ রকম, অজগবিতে=
হঠাৎ, বোগলোত= কাছে, বুঝচোং= বুঝতে পারা,
মাইনষোক= মানুষকে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/88194/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Jan 2022 20:13:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাজবংশী ভাষায় কবতিা-০২<br />
সোন্দর বদলা<br />
-নাজমুল হুদা পারভজে<br />
দিন আনি দিন খায়, টানাটানির সংসার<br />
তিন ব্যাটা এক বেটি ছমির মিঞার।<br />
খানেওয়ালা ছয় জন, ছোড সোউগ ছাওয়ারা<br />
মাটি কাটা পেশা তার,নাম মাটিকাটা কামলা।<br />
গেরস্তের ডাক পাইলে কাম জোটে কপালোত-<br />
কাম না জুইটলে, ভাত জোটে না থালোত।<br />
মাছ-গোস্ত জোটে না কপালোত কচু ভর্তা খায়<br />
আল্লার রহমতে বউ-ছাওয়ার ওগ বাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-88194"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/88194/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29e50cc6fd86e2c0eaa9d21c1c7e1c78</guid>
				<title>প্রিয় পাঠক, রাজবংশী ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। রংপুর- দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষের প্রাণের ভাষা। মাতৃভাষায় ( রাজবংশী ভাষায় ) লেখা আমার জীবনের প্রথম কবিতা এটি। কেমন হয়েছে জানালে, বাংলা সাহিত্যে আমাদের ভাষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যেতে চাই।

কবিতা-
 এলাও মন কাঁন্দে
     -নাজমুল হুদা পারভেজ

রাইতোত যেলা আকাশোত চাঁন ওঠে
ঝলমল করি দুনিয়াডাত  আলো ফোডে,
উঠানোত এ্যাকখ্যান পাটি বিছি তাতে শুতিয়া
কতো আও করোঁ মুই, তাঁরার  দিকি চায়্যা। 
তোমার কতা সেলা মনোত উঠিয়্যা
কষ্টোতে মোন মোর, ফাঁটি যায় হিয়া।
মুই জানোঁ, বাঁচি আছেন ,বুকোত পাষাণ বান্দিয়া 
আইজও ঘাটার দিকি চায়্যা থাকেন মোর নাগিয়া।
সেইদিন ক্যানে মাইনষের হাতোত, দিছলেন তুলিয়া
এলা ক্যানে উট্ক্যান মোক, নদীর ঘাটোত যায়্যা?
ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপাড়োত, বন্ধু তোমার বাড়ি
এপাড়োত বাস করোঁও মুই  অসহায়া এক নারী।
নিশি আইতোত নদীর পাড়োত বাজান বাঁশির সুর
বাতাসোত ভাসি আইসে তাক, নাগে সুমধুর।
এক নদী হাজার ক্রোশ, মোর নাই কোনো নাও
সুর শুনিয়্যা মোনটায় কয়, তোমার ঠাঁই যাঁও।
এ্যালাও মোর মনোত ভাসে, সেই আইতের আও
নিশি আইতত নদীর পাড়োত যেলা, তোমার ঠাঁই যাঁও।
আন্দারী আলোত হাঁটোং মুই ,ঢাকিয়া মোর গাও 
কাঁইব্যান দ্যাকে, কি ব্যান হয়, মনোত ভয় পাঁও।
আকাশোত তাঁরার মেলা, জোছনা ঝরা আইতোত
কনু ,বাজান মোক বিয়া দিবে অন্য মাইনষের সাথোত।
কাঁন্দি কাঁন্দি কনু তোমাক, হাডো পালে যাই-
তোমরা শোউগ শুনি গেইলেন, মুখোত আও নাই।
ধনী বর জোটাইছে বাজান, আছে তার তিনখ্যান নাও
টিনের চাইর খ্যান ঘর আছে ,তাও শুইনব্যার পাঁও।
আগের দুইখ্যান বউ আছে, ফির কইরবে বিয়্যা
নেকা করি নিয়্যা যাইবে মোক, গালাত হার দিয়া।
পিড়িত করিয়া দিছোঁ মন, ট্যাকা মুই কি করোঁ?
তোমরা যদি মোক না করেন বিয়াও,হইবে মোর মরণ।
সোউগ কতা শুনিয়া মোর, আও কইরলেন শ্যাষে-
কি দেকিয়া দেবে তোর বাপে , তোক মোর  কাছে?
কি আছে মোর? কিছুই নাই  , একখ্যান ঘর ছাড়া
নদী সোউগ কাড়ি নিছে মোর, হইছোঁ সর্বহারা।
কিছুই চাঁও না, তোমার ঠাঁই, দুই বেলা খাবার দেন
পিড়িতির ঘর বানাইম মুই, তোমরা সুখে থাইকপেন।
মোর কতা শুনিয়া, শুস্ক হাসিয়া কইলেন, সখি যাও-
তোমাক নিব্যার আইনছে বরে , পঙ্খিরাজ একখ্যান নাও।
তোমার আও শুনিয়া মোর, বুক ফাঁটি কাঁন্দন বেড়ায়
চোখের পানি ফেলি উঠনু  মুই পঙ্খিরাজ নায়।
বিয়ানায় নৌকা ছাড়িল, হামার ঘাট থাকি
সোউগ আশা শ্যাষ হইলে মোর, থাকিল না কিছু বাকি।
সেই থাকি বগিলা কান্দিয়্যা মরে, নদীর এই পাড়ে
নদীর ওই পাড়ে, কষ্টে বগা, ডানা ঝাপটেয়া মরে,  ।
===============
বিঃদ্রঃ প্রমিত বাংলা শব্দ তুলে ধরলাম। রাইতোত -রাত্রিতে, যেলা- যখন, উঠানোত-আঙিনায়, একখ্যান-একটি, পাটি- মাদুর, বিছি- পেতে বসা যায় এমন, শুতিয়া- শয়ন করা, চায়্যা- কোন দিকে তাকান, দেখা ইত্যাদি, নাও- নৌকা, নেকা-বিবাহ, সেলা- তখন, ফাঁটি- বিদীর্ণ হওয়া, জাঁনো- পূর্ থেকে অনুমান , জানা ইত্যাদি, ঘাটা- রাস্তা, নাগিয়া- জন্যে, ক্যানে- কেন, উটক্যান- খোঁজা, এ্যালাও- এখনো, গালাত- গলায় মালা  দেয়া,সোউগ- সব কিছু, বানাইম-তৈরী করার ইচ্ছা, নিব্যার- নিতে আসা, বা নেওয়া,কাঁন্দন- কান্না, বগিলা- “বক”- এর স্ত্রী রুপ, ঝাপটেয়া- ঘনঘন আলোড়িত করা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87666/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Jan 2022 14:00:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয় পাঠক, রাজবংশী ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। রংপুর- দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষের প্রাণের ভাষা। মাতৃভাষায় ( রাজবংশী ভাষায় ) লেখা আমার জীবনের প্রথম কবিতা এটি। কেমন হয়েছে জানালে, বাংলা সাহিত্যে আমাদের ভাষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যেতে চাই।</p>
<p>কবিতা-<br />
 এলাও মন কাঁন্দে<br />
     -নাজমুল হুদা পারভেজ</p>
<p>রাইতোত যেলা আকাশোত চাঁন ওঠে<br />
ঝলমল করি দুনিয়াডাত  আলো ফ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-87666"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/87666/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>17</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">933aa2efb46e9986d9fa5da2a6805bc4</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87653/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Jan 2022 13:43:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">50ee8caa10103c371c6c27d4a2a1ef84</guid>
				<title>কবিতা-

নবাব সিরাজউদ্দৌলার দরবার-এক
“গোলাম হোসেনের মিনতি”
	-নাজমুল হুদা পারভেজ
	লেখার সময়- রাত ১টা ৬ মিনিট।
	তারিখঃ-০৩/০১/২০২২ ইং।
গোলাম হোসেন-----
জি হুজুর,
চুপ করে আছ কেন?
বাংলার খবর কিছু বল
এতো উন্নয়ন করছি দেশের,
তবু -তোমার চোখ কেন জল-ছল?
হুজুর, আমার গুরুত্ব এখন নাই,
কষ্টের কথা,কি করে বলি আপনায় ?
চারিদিকে আমলা- চামচারা করছে গলাবাজি
বলতে কথা, ভয় লাগে। যায় যদি চাকরি?
নতুন-পুরাতন কত চামচা, সব লুটে-পুটে খাচ্ছে
আপনার সাফল্য, সকল অর্জন,ভেস্তে চলে যাচ্ছে।
বলছ কি গোলাম হোসেন?
আমি সবকিছু ঠিকঠাক জানতে চাই।
নির্ভয়ে বলো, তোমার কোন ভয় নাই।
হুজুর, খবর আছে, জবর খবর।
অভয় দিলেন যখন, বলি তাহলে এখন।
উত্তরের প্রজারা সব মরে অনাহারে,
তাদের অভাব ঘরে ঘরে।
দক্ষিণের প্রজারা সবাই,
আছে ভীষণ ক্ষ্যাপা
পাতালপুরীর দৈত্যরা সব,
রাখছে তাদের চাপা।
পূর্ব দেশের প্রজারা, করছে ভীষণ যুদ্ধ
হুজুর, কি বলি, গোলমাল দেশ শুদ্ধ।
পশ্চিমের প্রজারা সব মরে করোনায়
বৈদ্য, ওষুধ নাইকো তাদের-
নাই কোন থাকার ঘর,
হুজুর, ওদের প্রাণ করে ধড়ফড়।
ধড়ফড়? বলছ কি গোলাম হোসেন?
ঘর, ঔষধ সবই দিচ্ছি, এ সব যায় কোথায়?
হুজুর,পর্দা-বালিশ কিনতে টাকা শেষ,
জনগণ কিছু পায় নাই।
সাংবাদিক মরে সারাদেশে,
তারা বিচার পায় নাই
এমপিও ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকরা,
জাতীয় করণ চায়।
বিরোধী-দল করছে মিছিল,
বলছে এ দেশে গণতন্ত্র নাই।
ওদের এসব মিথ্যে কথা- গোলাম হোসেন,
সারাদেশে হচ্ছে নির্বাচন, ভোট দিচ্ছে জনগণ।
গোলাম হোসেন-?
জি, হুজুর।
জনগণের ভোটেই তো আমি নবাব হয়েছি,
তুমিই বলো, আমি মিথ্যে কিছু বলছি ভাই ?
হুজুর, তবুও ওরা বলছে,
আপনি নাকি ভোট চুরি করেছন তাই
জনগণ আপনাকে ভোট দেয় নাই।
বলবেই তো, ওরা রাজাকার,
স্বাধীনতা বিরোধী বলে-
জনগণ ওদের ভোট দেয় না
তাই ওরা সর্বদাই, বিলাপ বকে চলে ।
অন্য খবর বলো, গোলাম হোসেন?
বলো, আমি কি করি নাই?
সড়ক-সেতু হচ্ছে দেশে, নিজেদের টাকায়।
অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছি,
বিশ্বমারী চলমান করোনায়,
মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে,
বেড়েছে জনতার গড় আয়।
থামুন হুজুর, খবর শুনুন, বলতে দিন আমায়-
চাল,ডাল,তেল,মাছের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে,
ক্রয় ক্ষমতা জনগণের নাগালের বাইরে গেছে।
উৎপাদিত কৃষি পণ্যের দাম কমেছে,
গরিব আরও গরিব হয়েছে।
সড়কে ছাত্র মরছে বাস-ট্রাকের চাকায়-
ক্ষোভ দিন দিন বেড়েই চলেছে,
দেশে কিছু লোক হঠাৎ করেই
আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে।
হুজুর,খোঁজ-খবর রাখেন তাদের,
ওরা গাড়ি-বাড়ি কিনছে ঢাকায় ?
গোলাম হোসেন-
আমার হাতে দুদক আছে,
মিথ্যে ভয় পাচ্ছ তুমি,
দৈত্যরা সব থাকতে সাথে,
কে, কি করে, বলো আমায়?
সুযোগ দিয়েছি দ্বিগুণ হারে,
আমলারা জনগণের কামলা দিচ্ছে।
টাকার সাগরে ভাসছে তারা,
দেশে-বিদেশে বাড়ি কিনছে।
সব কিছুই ঠিকঠাক চলছে,
গোলাম হোসেন, কোনও চিন্তা নাই
সুতরাং আমি আছি, আমিই থাকব,
এসব অযথা ভাবছ ভাই।
রাগ করবেন না হুজুর,
একটা কথা বলতে চাই-
বাংলার জনগণ ব্রিটিশ তাড়িয়েছে-
পাকিস্তানীদের করেছে বিদায়।
বেয়াদবি মাফ করবেন হুজুর ,
আমি বড্ড ভলোবাসি তোমায়
আজ তাই মিনতি জানাই -
সতর্ক থাকবেন,-সদা সর্বদা
দেশে কিন্ত মীরজাফরের অভাব নাই।
=======</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87472/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Jan 2022 20:02:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা-</p>
<p>নবাব সিরাজউদ্দৌলার দরবার-এক<br />
“গোলাম হোসেনের মিনতি”<br />
	-নাজমুল হুদা পারভেজ<br />
	লেখার সময়- রাত ১টা ৬ মিনিট।<br />
	তারিখঃ-০৩/০১/২০২২ ইং।<br />
গোলাম হোসেন&#8212;&#8211;<br />
জি হুজুর,<br />
চুপ করে আছ কেন?<br />
বাংলার খবর কিছু বল<br />
এতো উন্নয়ন করছি দেশের,<br />
তবু -তোমার চোখ কেন জল-ছল?<br />
হুজুর, আমার গুরুত্ব এখন নাই,<br />
কষ্টের কথা,কি করে বলি আপনায় ?<br />
চারিদিকে আমলা-&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-87472"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/87472/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>