<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মীর রাফিদ হোসেন | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rafid567/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rafid567/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মীর রাফিদ হোসেন.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Jun 2026 18:02:56 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a0ba0c82e3836fe99c9e6d8f2a79413c</guid>
				<title>একাডেমিক পড়াশোনা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হলেও ভার্সিটি লাইফের শুরু থেকেই বিজনেস ডেভলপেন্ট, স্টার্ট আপ, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং নিয়ে আমার ছিল একটু বেশি আগ্রহ। যদি ওই আগ্রহটা মনের মধ্যে রাখার চেয়ে বাইরে প্রাকটিক্যালি ব্যবহার করতে এসে বুঝতে পারছিলাম জিনিসগুলো কিওয়ার্ড আকারে শুনতে যে রকম সুন্দর লাগে তেমনি এই ব্যাপারগুলো প্রাক্টিকাল প্রয়োগ অনেক বেশি জটিল। ভার্সিটি লাইফের দীর্ঘই সময়ে নিজের টুকটাক বিজনেসের পাশাপাশি স্টার্টআপ নিয়ে প্রচুর ঘাঁটাঘাটি করা হয়েছে। এই লাইনের মানুষের সাথে ওঠাবসাও করা হয়েছে প্রচুর। আজকে হঠাৎ করে মনে হল স্টার্টআপ জার্নি নিয়ে অনেক মানুষের সত্য জীবন কাহিনী আমার জানা । যেহেতু টুকটাক কন্টেন্ট লিখি আর আপাতত কাম কাজ নাই তাই এই মানুষগুলোর রিয়েল লাইফ নিয়ে কয়েকটি পর্বর স্টোরি আপনাদের সাথে শেয়ার করা যাক। 
ও হ্যাঁ আরেকটা জিনিস, সবার নাম পরিচয় গোপন রেখে গল্পগুলো সাজানো।
গল্প এক:
আমাদের সমাজে কিছু মানুষ থাকে ইংরেজিতে দারুন একটা ওয়ার্ডে এদের প্রকাশ করা হয়। ওয়ার্ডটা আপাতত মনে পড়তেছে না তাই বাংলা জিনিসটা বোঝানোর চেষ্টা করি । ধরেন, আপনার মধ্যে স্কিল আছে , আপনি নিজেও জানেন আপনার দৌড় কতদূর কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যেকোনো ছোট খাটো ব্যাপারকে আপনি অত্যন্ত বড় করে দেখেন। তেমনি একজন স্কিলফুল ছেলে আছে এদেশে । প্রোগ্রামিং আর কোডিং এ যার নলেজ  মারাত্মক লেভেলের। ছেলেটির এক মিউচুয়াল ফ্রেন্ড দারুন এক স্টার্টআপ আইডিয়া নিয়ে হাজির হলো ছেলেটির কাছে। ছেলেটি জানে ছেলেটি দৌড় কতদূর তাই ছেলেটি ছোট একটি আইডিয়াকে অনেক বড় করে নিজের মত করে সাজানো শুরু করল। আইডিয়া মাথায় ঘোরার সাথে সাথে ছেলেটি ধরেই নিল তার স্কিলের জোরে ইনভেস্টার পাওয়া কোন ব্যাপার না। পড়াশোনার পাশাপাশি মিউচুয়াল ফ্রেন্ডের টাকা আর নিজের স্কিলের জোরে কাজের দিকে আগতে থাকল দুইজন। কিন্তু সমস্যা হয়ে গেল আরেকটি জায়গায় ঐযে ছোট যে কোন জিনিসকে অনেক বড় করে দেখার ব্যাপারটা। নরমাল আইডিয়াকে ছেলেটি এত বিস্তারভাবে বাড়ানো শুরু করল যে এক বছর পর নিজেই নিজের স্কিলের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল। পার্টনার যখন যখন জানতে চাইল কাজের আপডেট হচ্ছে না কেন, তখন ছেলেটি খুব স্বাভাবিক ভাবেই জানালো : সে বাসার বড় ছেলে। তার বাবা কয়েক বছর যাবত বিছানা গত আছে। তাই একবারে বড় কাজ করলে আর বড় আইডিয়া নিয়ে ইনভেস্টরদের কাছে গেলে অনেক বেশি টাকা পাওয়া যাবে। সেই টাকা দিয়ে সে প্রথমে তার বাবাকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা করাবে।
এতক্ষণ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক ছিল কিন্তু প্রবলেম হলো আইডিয়া মাথায় আসার ২ বছর পরেও কোনো ইনভেস্টারদের কাছে পিচ করার জন্য  তাদের কাজ প্রস্তুত ছিল না। এদিকে সপ্তাহখানেক আগে ছেলেটির বাবা মারা গিয়েছে। বাবা মারা যাওয়ার পরে সংসারের সব দায়িত্ব পড়ে গিয়েছে ছেলেটির উপরে। বাসা থেকে এখন অনেক বেশি প্রেসার যে কোন একটা চাকরিতে ঢুকে সলিড টাকা সংসারে দেওয়ার। আপাতত স্টার্টআপ এর সব কাজ থমকে আছে।
টাকা পরিশ্রম এর রেজাল্ট কি ! সেটাও দুজনের কাছে এখন অজানা……..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/206619/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Oct 2023 15:48:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একাডেমিক পড়াশোনা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হলেও ভার্সিটি লাইফের শুরু থেকেই বিজনেস ডেভলপেন্ট, স্টার্ট আপ, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং নিয়ে আমার ছিল একটু বেশি আগ্রহ। যদি ওই আগ্রহটা মনের মধ্যে রাখার চেয়ে বাইরে প্রাকটিক্যালি ব্যবহার করতে এসে বুঝতে পারছিলাম জিনিসগুলো কিওয়ার্ড আকারে শুনতে যে রকম সুন্দর লাগে তেমনি এই ব্যাপারগুলো প্রাক্টিকাল প্রয়োগ অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-206619"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/206619/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f7914f6be78fb8967ff3d6be8a5d619f</guid>
				<title>যে মিথের সমাধান আজ পর্যন্ত হয়নি!
আপনি যদি বই পড়ুয়া মানুষ না হন তাহলেও হয়তো বেগম সুফিয়া কামলের নাম অবশ্যই শুনেছি। আর টুপটাক বই ঘাটাঘাটি করলে অবশ্যই সুফিয়া কামালের আত্মজীবনী ব্যাপারে এখন জানার কথা। সেই আত্মজীবনীতে উল্লেখিত একটা অমীমাংসিত মিথ নিয়ে কথা বলা যাক আজকে। যেই মিথ শুধু বাংলাদেশে নয় বরং পুরো পৃথিবী বিখ্যাত।
১৮৭৪ সাল, চন্দ্রদীপ (যা বর্তমানে বরিশাল) সেখানে সে সময়কার নামকরা ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন হেনরি বেভারিজ। একদিন রাতের বেলা হঠাৎ করে দ্রিম দ্রিম শব্দে কেঁপে উঠলো পুরো চন্দ্রদ্বীপ। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব কুঠিতে গিয়ে সৈন্যদের জাগিয়ে তুললেন। এই শব্দ যে পর্তুগিজদের আক্রমন তা বোঝার বিন্দুমাত্র অপেক্ষা থাকল না। কিন্তু কোথায় কি পর্তুগিজের হামলা তো দূরের কথা শব্দর কোন উৎসই খুঁজে পেল না ইংরেজরা। পরদিন শব্দের জের ধরে মোটামুটি পুরো এলাকা ছেয়ে গেল। সবাই নাকি রাত্রে বেলা সেই শব্দ শুনেছে। এক কান থেকে আরেক কান হয় ভারতবর্ষ থেকে খবর ব্রিটেন পর্যন্ত চলে গেল। শব্দের উৎপত্তি খোঁজার তদন্ত খোদ মহারানীর কাছে আসার পর থেকে পুরো চন্দ্রদ্বীপ গরম হয়ে গেল। দিনরাত এক করে পুরো ইংরেজরা তন্ন তন্ন করে খোঁজা শুরু করল শব্দের উৎস। কিন্তু শব্দের উৎস তো দূরের কথা এই শব্দের কোন হদিছও আর পাওয়া গেল না। ইংরেজিটা ধরে নিল। এই শব্দ কোন না কোন ভাবে পর্তুগিজদের মাধ্যমে এসেছে। তারাই কামানের হামলা করে আবার কোথাও লুকিয়ে গিয়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হলো যে সত্যান্বেষী কামানের শব্দের খবর দিতে পারবে তাকে দুই টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে। চারিদিকে এত এত খোঁজ খবরের পরেও এই রহস্য যেন গভীর রহসে ঘনীভূত হলো। শব্দের হদিস না পেয়ে এক সময় ইংরেজদের ধারণা হলো এই শব্দ নিশ্চয়ই বঙ্গোপসাগর থেকে এসেছে কিন্তু সমুদ্র থেকে শব্দ আসলে আশেপাশের অনেক মানুষই এই শব্দের ব্যাপারে জানত শুধুমাত্র চন্দ্রদ্বীপের মানুষ কামানের মত এই শব্দ কখনো শুনতে পারত না। আবার এক সময় ধারণা করা হলো এই শব্দের উৎপত্তি নিশ্চয় মাটির ভূ গর্ভস্থ থেকে। সেই ইংরেজ আমল থেকে আজ পর্যন্ত এত বড় বড় রিসার্চ, খোঁজ খবরের পরেও বরিশালের সেই রহস্যের সমাধান কখনো কেউ উদ্ধার করতে পারেনি। পরবর্তীতে পুরনো রহস্যকে গান্স অফ বরিশালে নামে আখ্যা দিলে তা মানুষের কাছে আরো বেশি পরিচিত লাভ করে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশিদের কাছে এর জনপ্রিয়তা এত বাড়তে থাকে যে,২০০৪ সালে আমেরিকার অত্যন্ত জনপ্রিয় ইন্সট্রুমেন্টাল ব্যান্ড দল তাদের নাম পরিবর্তন করে রাখে “গান্স অফ বরিশাল”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/204024/</link>
				<pubDate>Thu, 17 Aug 2023 15:07:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যে মিথের সমাধান আজ পর্যন্ত হয়নি!<br />
আপনি যদি বই পড়ুয়া মানুষ না হন তাহলেও হয়তো বেগম সুফিয়া কামলের নাম অবশ্যই শুনেছি। আর টুপটাক বই ঘাটাঘাটি করলে অবশ্যই সুফিয়া কামালের আত্মজীবনী ব্যাপারে এখন জানার কথা। সেই আত্মজীবনীতে উল্লেখিত একটা অমীমাংসিত মিথ নিয়ে কথা বলা যাক আজকে। যেই মিথ শুধু বাংলাদেশে নয় বরং পুরো পৃথিবী বিখ্যাত।<br />
১৮৭৪ সাল, চন্দ্রদীপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-204024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/204024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9aeaa27e3d6745b891509b9317f7e034</guid>
				<title>আচ্ছা আপনি কি কখনো শশীর মত হতে পারবেন?
হেডিং এর লাইনটি পরে হয়তো একটু ঘাবড়ে গেছেন, কে এই শশী আর আমরাই বা শশীর মত হতে যাব কেন! কোন বুক রিভিউ নয় বরং আজকে একটা গল্প শোনানো যাক আপনাদেরকে, যেই গল্প আমার আপনার আমাদের সকলের চেনা।
কোনো  এক গ্রামে খুব সুন্দর ভাবে বসবাস করতো 
একটি পরিবার। হঠাৎ করে একদিন পরিবারের কর্তাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেল। এই পরিবারে ছোট একটি মেয়ে ছিল। বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই মেয়ের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। ঠিক এই সময়ই মেয়েটির বোর্ড পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল।  বাবা জেলে বন্দি থাকার পরেও নিজের সাহসের পরিচয় দিয়ে পরীক্ষায় বসল মেয়েটি এবং পরীক্ষা শেষে আসার পরে যখন দেখতে পেল পুলিশ তার বাবার লাশ নিয়ে এসেছে ঠিক তখনই …..
(এখানে একটু ব্রেক দেওয়া যাক গল্পের এই পর্যন্ত পড়ে হয়তো আপনি ভাবছেন গল্পের নায়ক ছোট মেয়েটির বাবা যেহুতু মারা গেছে তাই গল্প বুঝি এখানেই শেষ)
সত্যি কথা বলতে গল্পের আসল টার্নিং পয়েন্ট এখান থেকেই শুরু। বাবার মৃত্যুর দিন থেকেই কোন না কোন ভাবে পুরো সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ে মেয়েটির কাঁধে। ধীরে ধীরে বয়স বাড়তে থাকে ছোট এই মেয়েটির। বয়স বাড়ার সাথে সাথে খুব কাছের মানুষগুলোকেও নিজ চোখে বদলে যেতে দেখে মেয়েটি। সময়ের সাথে সাথে মেয়েটির জীবনে নানারকম মানুষের আনাগোনা চলতে থাকে যে মানুষগুলোকে কখনো মেয়েটি বিশ্বাস করে ভুল করে আবার কখনো মানুষ গুলোর লুকানো সত্যি মেয়েটিকে আশাহত করে।
(এবার গল্পের সমাপ্তি টানা যাক, তবে আমি আমার গল্পে সমাপ্তি টেনেছি আব্দুল্লাহ আল ইমরানের বই “চন্দ্রলেখার” সমাপ্তি কিন্তু এখনও অনেক বাকি আছে)
এতক্ষণ উপরে যে গল্পটি আপনাদের শোনালাম সেটি আমাদের নিজেদের গল্প। বুঝতেই পারছেন সামাজিক মানের এই পুরো গল্পটি নেওয়া হয়েছে “চন্দ্র লেখা” বইটি থেকে। গল্পের ছোট যেই মেয়েটির কথা বললাম তার নাম শশী। পুরো উপন্যাস জুড়ে শশী ছাড়াও রয়েছে আরও বেশ কিছু শক্তিশালী ক্যারেক্টার। এই ক্যারেক্টারগুলোর গভীরতা জানতে আর শশীর সাথে শেষ পর্যন্ত কি হবে তা জানতে অবশ্যই পড়তে হবে আব্দুল্লাহ আল ইমরানের জনপ্রিয় উপন্যাস “চন্দ্রলেখা”
বই : চন্দ্রলেখা 
লেখক:আবদুল্লাহ আল ইমরান 
প্রচ্ছদ:সানজিদা পারভীন তিন্নি
 জনরা:সমকালীন / সামাজিক
প্রচ্ছদমূল্য:৪৭০ টাকা 
প্রকাশনী:অন্বেষা
 পৃষ্ঠা:২৬৪ টি
কেন আপনি এই বইটি পড়বেন?
সর্বশেষ এই প্যারাটিকে আমি খুব সহজেই পাঠ প্রতিক্রিয়ার নাম দিতে পারতাম তা না দিয়ে যেহেতু বলছি কেন আপনি এই বইটি পড়বেন তাহলে বুঝতেই পারছেন আমার কাছে বইটির লেখা আর বইটির মান ১০০/১০০ লেগেছে তাই সে ক্ষেত্রে আলাদা হবে কোন পাঠ প্রতিক্রিয়ায় না গিয়ে সরাসরি আপনাদেরকে বলছি আপনারা অবশ্যই বইটি পড়বেন। দেখেন সামাজিক উপন্যাসের উপর ইদানিংকালে আমাদের আসক্তি কতটা বেড়েছে কমেছে সেটা আমি বলতে পারব না কিন্তু গল্প যখন আমাদের নিজেদের জীবনের প্রেক্ষাপটে বানানো হয় তাহলে সেই গল্প আমাদের সবার পছন্দ হবেই এটা গ্যারান্টি সাথে বলতে পারছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201386/</link>
				<pubDate>Wed, 31 May 2023 04:53:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আচ্ছা আপনি কি কখনো শশীর মত হতে পারবেন?<br />
হেডিং এর লাইনটি পরে হয়তো একটু ঘাবড়ে গেছেন, কে এই শশী আর আমরাই বা শশীর মত হতে যাব কেন! কোন বুক রিভিউ নয় বরং আজকে একটা গল্প শোনানো যাক আপনাদেরকে, যেই গল্প আমার আপনার আমাদের সকলের চেনা।<br />
কোনো  এক গ্রামে খুব সুন্দর ভাবে বসবাস করতো<br />
একটি পরিবার। হঠাৎ করে একদিন পরিবারের কর্তাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেল। এই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201386"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201386/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">acc21b9bfee2071bc9d94fe37c73b0b2</guid>
				<title>লোভে পাপ আর পাপে “ফ্রাইডে”
আজকে রিভিউ টা একটু অন্যভাবে লিখলে কেমন হয়, ভাবতে পারেন হুর ভাই মুভি সিরিজের রিভিউ আবার ভিন্নভাবে কিভাবে লেখা যায়?
অন্যভাবে বলতে পুরো রিভিউতে অভিনয়/অভিনেতা, সিনেমাটোগ্রাফি, লাইট,ক্যামেরা, সাউন্ড সবকিছু বাদ দিয়ে শুধুমাত্র  স্ক্রিপ্ট আর গল্পের উপর সিরিজ রিভিউ করা হবে।
লোভ: গত পরশুদিন মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন এর 
দরিয়া-ই-নুর বইটা পড়া শেষ করলাম। বইটার একটা লাইন মারাত্মকভাবে আমাকে টেনেছে।’লোভ হইল পাগলা ঘোড়া, ছুটতেই থাকে…রাস্তা শেষ হইয়া যায় কিন্তু ছোটা শেষ হয় না। নতুন রাস্তা বানায়া ছুটে।’লোভ বলতে আপনি কি বোঝেন? টাকার লোভ, জমির লোভ, বাড়ির লোভ তাই তো। এই লোভের সংজ্ঞা শুরু থেকেই ‘ফ্রাইডে’এর গল্পের মধ্যে পাওয়া যাবে। গল্পের মধ্যে লোভ জিনিসটাকে হালকা থেকে শুরু করে একদম ডিপলি যেভাবে দেখানো হয়েছে সেটা আসলেই প্রশংসার যোগ্য।
জন্মদিন:আচ্ছা, জন্মদিন মানে একটা বিশেষ দিন, তাইনা?এই দিনটা আনন্দের জন্য বিশেষ। আমাদের সমাজের মুভি সিরিজের গল্পতে এই জন্মদিন মানেই প্রত্যাশিত কিছু খুশির দৃশ্য কিন্তু এই সিরিজের মেইন আকর্ষণ কিন্তু জন্মদিনের দিনটিতেই। যেখানে দর্শকরা একচেটিয়া দেখানো কিছু দৃশ্য থেকে মুক্তি পেয়ে অন্যরকম ভয়ংকর কিছুর স্বাদ পাবে এটা গ্যারান্টির সাথে বলতে পারি।
নারীক্ষুধা: চাইলে নারী ক্ষুধা নিয়ে ইয়া বড় এক সংজ্ঞা ডেসক্রিপশন দিয়ে শুরু করতে পারতাম কারণ সিরিজের শুরুর গল্পই থাকে নারী ক্ষুধা কেন্দ্রিক। আমাকে যদি বলা হয় গল্পের কোন অংশটি একদম চোখ বন্ধ করে পজিটিভ রিভিউ দিব তাহলে এক কথায় আমি সিরিজের মধ্যে দেখানো এই ‘নারীক্ষুধা ‘ শব্দ দুটির কথাই বলবো।
বাস্তব কাহিনী: কয়েক বছর আগে ঢাকার কদমতলীতে ট্রিপল মার্ডার ব্যাপক চাঞ্চল্যকর তৈরি করেছিল। এই পুরো লহমোর্ষক চাঞ্চল্যকর ঘটনা নিয়েই তৈরি করা হয়েছে ওয়েব সিরিজ“ফ্রাইডে”।
এতক্ষণে বুঝতেই পারছেন, বাস্তব কাহিনী-নারী ক্ষুধা-লোভ-জন্মদিন এই চারটি বিগ প্লট দিয়েই সাজানো হয়েছে পুরো সিরিজ। আগেই বলে রেখেছিলাম আজকে শুধু গল্প আর স্ক্রিপ্ট রেটিং দিব। সেই হিসাবে গল্পের স্ক্রিপ্টটিকে আমি রেটিং দিব ৮.৫/১০।
(সংবৃদ্ধিকরণের সতর্কীকরণ: আপনি দুর্বল চিত্তের হলে এই সিরিজটি ভুলেও দেখবেন না)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201186/</link>
				<pubDate>Fri, 26 May 2023 05:18:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লোভে পাপ আর পাপে “ফ্রাইডে”<br />
আজকে রিভিউ টা একটু অন্যভাবে লিখলে কেমন হয়, ভাবতে পারেন হুর ভাই মুভি সিরিজের রিভিউ আবার ভিন্নভাবে কিভাবে লেখা যায়?<br />
অন্যভাবে বলতে পুরো রিভিউতে অভিনয়/অভিনেতা, সিনেমাটোগ্রাফি, লাইট,ক্যামেরা, সাউন্ড সবকিছু বাদ দিয়ে শুধুমাত্র  স্ক্রিপ্ট আর গল্পের উপর সিরিজ রিভিউ করা হবে।<br />
লোভ: গত পরশুদিন মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন এর<br />
দরিয়া&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201186"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201186/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56f54a53ad0c1a67f864c24a851ff005</guid>
				<title>স্পিরিচুয়ালিজম দিয়ে কি আসলেই মৃত আত্মা ডাকা সম্ভব?
(লেখা শুরুর আগে একটা জিনিস ক্লিয়ার করে নেই পার্সোনাল ভাবে আমি কোনদিন কখনোই এই স্পিরিচুয়ালিজম সমর্থন করি নাই আর আমাদের ইসলামে এই স্পিরিচুয়ালিজম পুরোপুরি নিষিদ্ধ )
নেটফ্লিক্স এর লাস্ট ৬ মাসের মুভি সিরিজ যদি আপনি এনালাইসিস করেন তাহলে খেয়াল করবেন বেশিরভাগ জায়গায় কোন না কোন ভাবে এই স্পিরিচুয়ালিজমকে ঢুকানো হয়েছে। গত মাসে এক তামিল সিনেমায় স্পিরিচুয়ালিজম এর ভয়াবহতা লক্ষ্য করলাম আমি পুরো সিনেমায় প্লানচেটকে কেন্দ্র করে বানানো হয়েছে।
ও আচ্ছা, সবার জন্য একবার স্পিরিচুয়ালিজম ব্যাপারটা ক্লিয়ার করে নেওয়া যাক। মৃত ব্যক্তিদের আত্মার সঙ্গে যোগাযোগ করার চর্চাকে বলে স্পিরিচুয়ালিজম। এটির জন্ম হয়েছিল ১৮৫৯ সালে। আবার ফিরে আসা যাক তামিল সিনেমার কথায়, আমার লিখা যাদের নিউজফিডে আসে তারা খুব ভালোমতো জানেন আমি প্রচন্ড লেভেলে মুভিখোর একজন মানুষ। নেটফ্লিক্স থেকে শুরু করে আসামের মুভি সব কিছুই আমি আমার ছোটখাটো এই ব্রেনে রাখার চেষ্টা করি। আমার জানামতে গত কয়েক মাসে স্পিরিচুয়ালিজম নিয়ে কনটেন্ট এর কাজ বেশ ভালোমতো বাড়ছে তাই হঠাৎ করে নিজের পুরোপুরি মতের বিরুদ্ধে এসে হালকা-পাতলা পড়াশোনা শুরু করলাম এই স্পিরিচুয়ালিজম নিয়ে। এত কথাবার্তা পেঁচিয়ে আর কাউকে বিরক্ত না করে এবার মেইন কথায় আসা যাক,”স্পিরিচুয়ালিজম দিয়ে কি আসলেই মৃত আত্মা ডাকা সম্ভব?”
এর উত্তর জানতে আমি আপনাদের সাথে দুটো জিনিস শেয়ার করব।
১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চরম লেভেলের স্পিরিচুয়ালিজমে বিশ্বাসী ছিলেন 
“১৯২৯ সালে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে পরলোকচর্চা বা প্ল্যানচেটের একটি আসর বসেছিল। আসরের মধ্যমণি ৬৮ বছর বয়সী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এ রকম আসর মাঝেমধ্যেই বসত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর মৃত আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের আত্মাকে নামিয়ে আনতেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতেন।
১৯২৯ সালের ৬ নভেম্বরের ওই আসরে ছায়া ছায়া অন্ধকার ঘরে যাঁর আত্মাকে ডেকে আনা হয়েছিল, তিনি সত্যজিৎ রায়ের বাবা সুকুমার রায়। বছর সাতেক আগে ৩৬ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সুকুমার রায়ের আত্মার সঙ্গে অনেক বিষয়ে কথা হয় রবীন্দ্রনাথের। সত্যজিৎ রায়কে নিয়েও কিছু আলাপ হয়। যেমন সুকুমার রায় অনুরোধ করেন, সত্যজিৎ রায়কে যেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর বিশ্বভারতীতে স্থান দেন ছাত্র হিসেবে। এক জায়গায় রবীন্দ্রনাথ একটা অদ্ভুত বিষয়ে জানতে চান সুকুমার রায়ের কাছে। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, &#039;আর্থার কোনান ডয়েল শুনলুম পরলোক থেকে বার্তা পাচ্ছেন, কথা সত্যি?&quot; সুকুমার রায় জবাব দেন, &#039;সত্যি। 
২. এখান থেকেই শুরু হবে দুই নাম্বার ফ্যাক্ট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যার কথা জিজ্ঞেস করেছিলেন তার নাম হয়তো অনেকের অজানা হতে পারে কিন্তু তার সৃষ্টি কারো কাছে অজানা নয়। তিনি শার্লক হোমসেরের স্রষ্টা আর্থার কোনান ডয়েল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ভদ্রলোকের লেখা দেখে কোন না কোন ভাবে আন্দাজ করছিলেন তিনি কঠিনভাবে স্পিরিচুয়ালিজম চর্চা করছেন।এটা খুবই অদ্ভুত ব্যাপার যে শার্লক হোমসের মতো এমন যুক্তিনির্ভর, বিজ্ঞানমনস্ক একটি চরিত্রের স্রষ্টা কোনান ডয়েল পরলোকচর্চায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। কিন্তু ডয়েল শুধু এর চর্চাকারীই ছিলেন না, তিনি ইউরোপজুড়ে এ আন্দোলনের রীতিমতো নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। এ নিয়ে বিস্তর বইপত্র, প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছেন, আসরে আসরে বক্তৃতা দিয়ে বেরিয়েছেন। আর এসব করে তিনি তাঁর সুনাম যথেষ্ট পরিমাণে খুইয়েছেন। লোকে অবাক হয়েছে।
কাহিনী দুটি হয়তো আপনাদের মাথার মধ্যে একটু বেশি ঘুরপাক খাচ্ছে কিন্তু ঘটনা এখানে শেষ নয়। আরো অনেক বেশি রহস্য জড়িয়ে আছে সব কিছুর সাথে যা হয়তো আমারও জানার বাইরে। এই পর্বে স্পিরিচুয়ালিজম দিয়ে কি আসলেই মৃত আত্মা ডাকা সম্ভব এর উত্তর আমি দিবো না। ফেসবুকে এতক্ষণ ধরে নিউজফিড স্ক্রলিং বাদ দিয়ে আমার লেখাপড়ার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ জানাই আরো বেশি ধন্যবাদ জানাবো যদি 
স্পিরিচুয়ালিজম নিয়ে আমার পরবর্তী লেখাটি পড়েন।

পর্ব ২ আসছে….</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/200381/</link>
				<pubDate>Thu, 11 May 2023 07:01:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্পিরিচুয়ালিজম দিয়ে কি আসলেই মৃত আত্মা ডাকা সম্ভব?<br />
(লেখা শুরুর আগে একটা জিনিস ক্লিয়ার করে নেই পার্সোনাল ভাবে আমি কোনদিন কখনোই এই স্পিরিচুয়ালিজম সমর্থন করি নাই আর আমাদের ইসলামে এই স্পিরিচুয়ালিজম পুরোপুরি নিষিদ্ধ )<br />
নেটফ্লিক্স এর লাস্ট ৬ মাসের মুভি সিরিজ যদি আপনি এনালাইসিস করেন তাহলে খেয়াল করবেন বেশিরভাগ জায়গায় কোন না কোন ভাবে এই স্পিরিচুয&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-200381"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/200381/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">38f668a8ca1b217f45b74895b16a1687</guid>
				<title>প্রতিদিনর অন্য সব অভ্যাস গুলোর মধ্যে একটি অন্যতম অভ্যাস হচ্ছে সকালে উঠেই দিনের টপ টপ আইডিয়াগুলো একবার ঝালাই করে নেওয়া আজকে সকালে উঠেই চোখ একটু টনবড় হয়ে গেছিল কারণ লাস্ট মাসের বেস্ট ১০০ আইডিয়ার মধ্যে প্রথম আইডিয়া হয়েছে &quot;একটি ডেটিং অ্যাপ, যেখানে ডেটিংয়ের বাইরে ও আপনি চাইলে অনেক কিছু করতে পারবেন &#x1f642;
&quot; ব্যাপারটা আমার কাছে যতটা মজাদার লেগেছে ততটাই ব্যাপারটা নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে কারণ ৫ হাজারের অধিক মানুষ সেরা আইডিয়ার মতামত দিয়েছে এই ডেটিং এ্যাপটিকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/200321/</link>
				<pubDate>Wed, 10 May 2023 04:34:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রতিদিনর অন্য সব অভ্যাস গুলোর মধ্যে একটি অন্যতম অভ্যাস হচ্ছে সকালে উঠেই দিনের টপ টপ আইডিয়াগুলো একবার ঝালাই করে নেওয়া আজকে সকালে উঠেই চোখ একটু টনবড় হয়ে গেছিল কারণ লাস্ট মাসের বেস্ট ১০০ আইডিয়ার মধ্যে প্রথম আইডিয়া হয়েছে &#8220;একটি ডেটিং অ্যাপ, যেখানে ডেটিংয়ের বাইরে ও আপনি চাইলে অনেক কিছু করতে পারবেন &#x1f642;<br />
&#8221; ব্যাপারটা আমার কাছে যতটা মজাদার ল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-200321"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/200321/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">574f9284860e4585ff9b3b6a44c261ee</guid>
				<title>গুগল কেন এতদিন পরে তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স “BARD “ নিয়ে এলো?
Open AI আমি অনেকদিন ধরেই ব্যবহার করি কিন্তু যখনই তারা চ্যাট জিপিটিকে আমাদের সামনে পরিচয় করিয়ে দিল সাথে সাথে মাথার মধ্যে শুধু একটা জিনিসই ঘুরছিল কোথাকার কোন কোম্পানি এসে এত বড় আর্টিফিশিয়াল রেভুলেশন আমাদের সামনে নিয়ে আসলো কিন্তু আমাদের সবার পরিচিত সবচেয়ে বড় বিগ এলিফ্যান্ট টেক কোম্পানি google কিছুই করতে পারছি না কেন?
যেই ভাবনা সেই কাজ, মিড ডিফেন্সের পরে হালকা পাতলা পড়াশোনা শুরু করে দিলাম গুগলের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে। যদিও সবাই এখন জানি “BIRD” দিয়েই microsoft এর সাথে এআইয়ে টক্কর দিবে গুগল কিন্তু গুগলের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর যাত্রা কিন্তু আরো বহু বছর আগে থেকেই শুরু। পাঁচ বছর আগে গুগল রেস্টুরেন্টের জন্য খুব পাওয়ারফুল একটা চ্যাট বোট নিয়ে আসে কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ওই সময় মানুষজন রেস্টুরেন্টে কল করে রোবটের মত চ্যাট বোটের সাথে কথা বলবে এই ধারণায় অভ্যস্ত ছিল না । ফলসরুপ যেটা হবার কথা ছিল সেটাই হয় মারাত্মক রকমের সমালোচনার মুখে পড়ে এই রেস্টুরেন্ট চ্যাট বোট। এরপর আরেক দফায় প্যানটাগন এর সাথে ড্রোন ডিটেকশনে ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয় গুগলের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এরপর যখন সবকিছু গুছিয়ে ওঠার সময় হচ্ছিল ঠিক তখনই এক ধরনের ফেসিয়াল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেনসে মারাত্মক রকমের তোপের মুখে পড়ে যায় google সত্যি বলতে পড়বেই না কেন, ওই সময় কালো মানুষদেরকে ডার্ক স্কিনের জন্য মাত্র ৫ ডলার করে দিয়ে বারবার করে গুগল তাদের ছবির ডাটা ইনপুট নিচ্ছিল। এতগুলো মানুষের ফেসিয়াল প্রাইভেসির কারণে ওই টাইমেও গুগলর শেয়ার কমে যায়।
ও হ্যাঁ এবার আসল কথায় আসা যাক, প্রথমেই বলেছি গুগল আসলেই অনেক বড় বিগ এলিফ্যান্ট। আমরা সবাই গুগলকে চিনি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য কিন্তু এর বাইরে ও google অসংখ্য সার্ভিস আছে। সমস্যা হচ্ছে এই সার্ভিস গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি যদি সমালোচনার মুখে পড়ে তাহলে যে কোন কারণে গুগলের শেয়ার কমে যেতে পারে যেটাই বিগত কয়েক বছরে গুগল এআইতে হয়েছিল। যেই রিক্স চ্যাট জিপিটির আগ পর্যন্ত গুগল নিতে চাচ্ছিল না। কিন্তু সময় এখন হয়ে গেছে, microsoft এর সাথে গুগলের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর  টক্কর খুব শীঘ্রই চোখে পড়বে আমাদের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198985/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Apr 2023 16:21:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গুগল কেন এতদিন পরে তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স “BARD “ নিয়ে এলো?<br />
Open AI আমি অনেকদিন ধরেই ব্যবহার করি কিন্তু যখনই তারা চ্যাট জিপিটিকে আমাদের সামনে পরিচয় করিয়ে দিল সাথে সাথে মাথার মধ্যে শুধু একটা জিনিসই ঘুরছিল কোথাকার কোন কোম্পানি এসে এত বড় আর্টিফিশিয়াল রেভুলেশন আমাদের সামনে নিয়ে আসলো কিন্তু আমাদের সবার পরিচিত সবচে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198985"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198985/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">671a911ee0e2c489eacde8ea53b81465</guid>
				<title>অনেক সময় হয় না, চিন্তা করতে করতে আপনি একটু হায়ার লেভেলে চলে যান, নিজেকে নিজের কাছে অনেক মহৎ মনে হয়। তেমনি মাথার উপর দিয়ে চলে যাওয়ার মত ভাব জগত আর বস্তু জগত নিয়ে আজকে ইন্টারেস্টিং কিছু কথা বলা যাক।
যদিও এই পোস্ট পড়া বেশিরভাগ মানুষ হয়তো এই দুইটা শব্দ কি আর এগুলোর অর্থ কি এটাই জানে না।সবার জন্য জিনিস দুইটা আরেকটু সহজ করে দিচ্ছি প্রথমেই।
মনে করুন, আমাদের বাসায় পিঠা বানানো সাচ হচ্ছে ভাব জগত এবং পিঠা হচ্ছে বস্তু জগত।
এত টপিক থাকতে হঠাৎ করে বড় বড় দার্শনিকের মত কেন এই ভাব জগত আর বস্তু জগত নিয়ে লিখতে বসেছি এই জিনিসটা হয়তো অনেকেই কনফিউশনে ফেলতে পারে। সবার কনফিউশন দূর করার জন্য জানিয়ে দিচ্ছি এই দুই জগত নিয়ে মহান দুই দার্শনিক প্লেটো আর এরিস্টটলের কিছু দ্বিমত ছিল। জিনিসটা সবার কাছে স্বাভাবিক হলেও আমার কাছে অস্বাভাবিক কারণ এই দুজনের বেশ কিছু চিন্তা ভাবনা নিয়ে আমার হালকা পাতলা পড়াশুনা আছে। বেশিরভাগ বিষয়ই প্লেটোর ছাত্র এরিস্টটল তার গুরুর সম্মান রক্ষা করেছেন। বেশিরভাগ বিষয় দুজনের মতবাদ ছিল অভিন্ন। কিন্তু এই দুই জগত সম্পর্কে দুজনের মতবাদে হালকা অমিল ছিল।প্লেটো ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতকে Shadow World এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জ্ঞানকে অসম্পূর্ণ জ্ঞান বলেছেন।
কিন্তু প্লেটো যে ভুলটা করেছেন সেটা হলো, উনি ভাবজগত নিয়ে এতোটাই মগ্ন ছিলেন যে, উনি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে গেছেন।প্লেটো জগতকে চিন্তা করেছেন শুধুমাত্র ভাব জগত দিয়ে। কিন্তু, তার ছাত্র এরিস্টটল গুরুর ভুলটা শুধরে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “জগত সত্যি-ই দুটি, তবে তা একে অপরকে ছেড়ে বিরাজ করতে পারে নাহ&quot;।ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতকে কোন ভাবেই উপেক্ষা করা যাবে নাহ। কারন, এই জগত-ই আমাদের ভাব জগতের ধারণা দেয়।
এবার আরেকটু সহজ ভাবে বলি,পিঠার সাচ যদি পিঠা বানানোর উপাদানের কাছে না থাকে তবে পিঠা তৈরি হবে কি করে।

যাইহোক এত ভারি ভারি হাই থটের চিন্তাভাবনার ইতি আপাতত এখানেই টানা হোক</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198580/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Apr 2023 14:25:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেক সময় হয় না, চিন্তা করতে করতে আপনি একটু হায়ার লেভেলে চলে যান, নিজেকে নিজের কাছে অনেক মহৎ মনে হয়। তেমনি মাথার উপর দিয়ে চলে যাওয়ার মত ভাব জগত আর বস্তু জগত নিয়ে আজকে ইন্টারেস্টিং কিছু কথা বলা যাক।<br />
যদিও এই পোস্ট পড়া বেশিরভাগ মানুষ হয়তো এই দুইটা শব্দ কি আর এগুলোর অর্থ কি এটাই জানে না।সবার জন্য জিনিস দুইটা আরেকটু সহজ করে দিচ্ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198580"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198580/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b95e2ce11cbcb9ebd7152e405330756a</guid>
				<title>সকাল থেকেই মাথায় একটা জিনিস ঘুরপাক খাচ্ছে,
এই যে শয়তান ৬ লক্ষ বছর ধরে আল্লাহর ইবাদত করার পরেও, আল্লাহতালা যখন মানুষ সৃষ্টি করলো তখন কেন শয়তান এর প্রতিবাদ শুরু করল।
উত্তরটা ছোটবেলা থেকেই মাথার মধ্যে গাথা ছিল আর লাস্ট কয়েক বছরে এই ব্যাপার নিয়ে কিছু পড়াশোনা করতে গিয়ে এই জিনিসটি আরো ভালোমতো ক্লিয়ার হয়ে গেল।
ধরে নেওয়া যাক, আল্লাহ তায়ালার সবচেয়ে বেশি কাছের ছিল শয়তান। কিন্তু কেউ যদি পরিপূর্ণভাবে কারো ইবাদত করে অথবা তাকে ভালবাসে তাহলে কি কোন কিছু পাবার আশায় ভালবাসে?
শয়তানের আল্লাহর উপর ভালোবাসার পুরোটাই ছিল ধান্দাবাজি আর সেটা প্রকাশের জন্যই আল্লাহ তা&#039;আলা এই খেলাটা খেলেছে। নিজেকে এত মহৎ মনে করা শয়তান হয়তো আজ পর্যন্ত এই সিম্পল জিনিসটা ধরতে পারে নাই</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198491/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Apr 2023 06:24:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সকাল থেকেই মাথায় একটা জিনিস ঘুরপাক খাচ্ছে,<br />
এই যে শয়তান ৬ লক্ষ বছর ধরে আল্লাহর ইবাদত করার পরেও, আল্লাহতালা যখন মানুষ সৃষ্টি করলো তখন কেন শয়তান এর প্রতিবাদ শুরু করল।<br />
উত্তরটা ছোটবেলা থেকেই মাথার মধ্যে গাথা ছিল আর লাস্ট কয়েক বছরে এই ব্যাপার নিয়ে কিছু পড়াশোনা করতে গিয়ে এই জিনিসটি আরো ভালোমতো ক্লিয়ার হয়ে গেল।<br />
ধরে নেওয়া যাক, আল্লাহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198491"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198491/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a100f005b97fa636b56df90f817f77d9</guid>
				<title>একাডেমিক পড়াশোনা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হলেও ভার্সিটি লাইফের শুরু থেকেই বিজনেস ডেভলপেন্ট, স্টার্ট আপ, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং নিয়ে আমার ছিল একটু বেশি আগ্রহ। যদি ওই আগ্রহটা মনের মধ্যে রাখার চেয়ে বাইরে প্রাকটিক্যালি ব্যবহার করতে এসে বুঝতে পারছিলাম জিনিসগুলো কিওয়ার্ড আকারে শুনতে যে রকম সুন্দর লাগে তেমনি এই ব্যাপারগুলো প্রাক্টিকাল প্রয়োগ অনেক বেশি জটিল। ভার্সিটি লাইফের দীর্ঘই সময়ে নিজের টুকটাক বিজনেসের পাশাপাশি স্টার্টআপ নিয়ে প্রচুর ঘাঁটাঘাটি করা হয়েছে। এই লাইনের মানুষের সাথে ওঠাবসাও করা হয়েছে প্রচুর। আজকে হঠাৎ করে মনে হল স্টার্টআপ জার্নি নিয়ে অনেক মানুষের সত্য জীবন কাহিনী আমার জানা । যেহেতু টুকটাক কন্টেন্ট লিখি আর আপাতত কাম কাজ নাই তাই এই মানুষগুলোর রিয়েল লাইফ নিয়ে কয়েকটি পর্বর স্টোরি আপনাদের সাথে শেয়ার করা যাক। 
ও হ্যাঁ আরেকটা জিনিস, সবার নাম পরিচয় গোপন রেখে গল্পগুলো সাজানো।
গল্প এক:
আমাদের সমাজে কিছু মানুষ থাকে ইংরেজিতে দারুন একটা ওয়ার্ডে এদের প্রকাশ করা হয়। ওয়ার্ডটা আপাতত মনে পড়তেছে না তাই বাংলা জিনিসটা বোঝানোর চেষ্টা করি । ধরেন, আপনার মধ্যে স্কিল আছে , আপনি নিজেও জানেন আপনার দৌড় কতদূর কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যেকোনো ছোট খাটো ব্যাপারকে আপনি অত্যন্ত বড় করে দেখেন। তেমনি একজন স্কিলফুল ছেলে আছে এদেশে । প্রোগ্রামিং আর কোডিং এ যার নলেজ  মারাত্মক লেভেলের। ছেলেটির এক মিউচুয়াল ফ্রেন্ড দারুন এক স্টার্টআপ আইডিয়া নিয়ে হাজির হলো ছেলেটির কাছে। ছেলেটি জানে ছেলেটি দৌড় কতদূর তাই ছেলেটি ছোট একটি আইডিয়াকে অনেক বড় করে নিজের মত করে সাজানো শুরু করল। আইডিয়া মাথায় ঘোরার সাথে সাথে ছেলেটি ধরেই নিল তার স্কিলের জোরে ইনভেস্টার পাওয়া কোন ব্যাপার না। পড়াশোনার পাশাপাশি মিউচুয়াল ফ্রেন্ডের টাকা আর নিজের স্কিলের জোরে কাজের দিকে আগতে থাকল দুইজন। কিন্তু সমস্যা হয়ে গেল আরেকটি জায়গায় ঐযে ছোট যে কোন জিনিসকে অনেক বড় করে দেখার ব্যাপারটা। নরমাল আইডিয়াকে ছেলেটি এত বিস্তারভাবে বাড়ানো শুরু করল যে এক বছর পর নিজেই নিজের স্কিলের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল। পার্টনার যখন যখন জানতে চাইল কাজের আপডেট হচ্ছে না কেন, তখন ছেলেটি খুব স্বাভাবিক ভাবেই জানালো : সে বাসার বড় ছেলে। তার বাবা কয়েক বছর যাবত বিছানা গত আছে। তাই একবারে বড় কাজ করলে আর বড় আইডিয়া নিয়ে ইনভেস্টরদের কাছে গেলে অনেক বেশি টাকা পাওয়া যাবে। সেই টাকা দিয়ে সে প্রথমে তার বাবাকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা করাবে।
এতক্ষণ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক ছিল কিন্তু প্রবলেম হলো আইডিয়া মাথায় আসার ২ বছর পরেও কোনো ইনভেস্টারদের কাছে পিচ করার জন্য  তাদের কাজ প্রস্তুত ছিল না। এদিকে সপ্তাহখানেক আগে ছেলেটির বাবা মারা গিয়েছে। বাবা মারা যাওয়ার পরে সংসারের সব দায়িত্ব পড়ে গিয়েছে ছেলেটির উপরে। বাসা থেকে এখন অনেক বেশি প্রেসার যে কোন একটা চাকরিতে ঢুকে সলিড টাকা সংসারে দেওয়ার। আপাতত স্টার্টআপ এর সব কাজ থমকে আছে।
টাকা পরিশ্রম এর রেজাল্ট কি ! সেটাও দুজনের কাছে এখন অজানা……</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196844/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Mar 2023 10:12:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একাডেমিক পড়াশোনা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হলেও ভার্সিটি লাইফের শুরু থেকেই বিজনেস ডেভলপেন্ট, স্টার্ট আপ, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং নিয়ে আমার ছিল একটু বেশি আগ্রহ। যদি ওই আগ্রহটা মনের মধ্যে রাখার চেয়ে বাইরে প্রাকটিক্যালি ব্যবহার করতে এসে বুঝতে পারছিলাম জিনিসগুলো কিওয়ার্ড আকারে শুনতে যে রকম সুন্দর লাগে তেমনি এই ব্যাপারগুলো প্রাক্টিকাল প্রয়োগ অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-196844"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/196844/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6b9f9024e54b2e9d29a7e7a76ca41780</guid>
				<title>০২২ সালটা বেশ প্রোডাক্টিভ ভাবেই গিয়েছিল আমার । ব্রেনস্ট্রমিং এর একটা ভাইব খুঁজে পেতাম সবকিছুর মধ্যে । যেখানেই যেতাম সাথে করে  ছোট একটা নোটবুক রাখতাম। নতুন কোন আইডিয়া পেলেই ডিজাইনসহ ইমপ্লিমেন্ট করে রাখতাম নোটবুকে  । নতুন নতুন অনেক জায়গা ঘুরতে গিয়ে অনেকগুলো নতুন নতুন আইডিয়া মাথায় ঘুরত সবসম়য়। তার মধ্যে অন্যতম একটি ছিল &quot;হাওর প্রজেক্ট&quot;&#x1f4af;

আমার আইডিয়ার উপর ভিত্তি করে তিন বন্ধু মিলে একটা ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়া কম্পিটিশনে সাবমিট করেছিলাম আমাদের পুরো প্ল্যানটা। যদিও সেখান থেকে আর কোন মেইল পাইনি আমরা কিন্তু একটা বেসিক আইডিয়া থেকে কতদূর পর্যন্ত কি করা যায় তা শিখতে পেরেছিলাম ওই সময়। আইডিয়া আমার হলেও প্রেজেন্টেশন ক্রেডিট পুরোটাই আমাদের টিমমেটদের উপর</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196346/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Mar 2023 04:33:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>০২২ সালটা বেশ প্রোডাক্টিভ ভাবেই গিয়েছিল আমার । ব্রেনস্ট্রমিং এর একটা ভাইব খুঁজে পেতাম সবকিছুর মধ্যে । যেখানেই যেতাম সাথে করে  ছোট একটা নোটবুক রাখতাম। নতুন কোন আইডিয়া পেলেই ডিজাইনসহ ইমপ্লিমেন্ট করে রাখতাম নোটবুকে  । নতুন নতুন অনেক জায়গা ঘুরতে গিয়ে অনেকগুলো নতুন নতুন আইডিয়া মাথায় ঘুরত সবসম়য়। তার মধ্যে অন্যতম একটি ছিল &#8220;হাওর প্রজেক্ট&#8221;&#038;#x1f4&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-196346"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/196346/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c3cbcf7329a838e38102fcf57de548b</guid>
				<title>&quot;বই পড় না কেন??&quot;এই প্রশ্নটি করলে সবার কাছে কিছু কমন উত্তরেই কেন জানি বারবার পেতাম।
(আরে ভাই পড়ার বইয়ে পড়ার টাইম পাই না আর অন্য বই।ভাই কেন জানি না ,লকিন্তু ১০ মিনিট বই পড়লেই আমি আর পড়ার ধৈয্য পাই না।ভাই আমার হুমায়ুন আহমেদ এর বই খুব ভালো লাগে উনার সব বই পড়া শেষ উনি মারা যাওয়ার পর তাই আর কোনো নতুন বই পড়া হয় না।ভাই প্রেমের উপন্যাস ছাড়া আর কোনো বই কেন জানি ভাল লাগে না,ভাই বইয়ের দাম তো অনেক আর পিডিএফ এ ফিল পাই না।)
তারপর নিজেই ভেবে বের করলাম এভাবে বলতে বলতে মানুষকে কখনোই বই পড়ানো সম্ভব না ,তাই মানুষকে বই সম্পর্কে জানাতে হবে তাহলেই মানুষের আগ্রহ তৈরি হবে।এই প্রেক্ষিতেই খোলা বুক রিভিউ এর এই পেজটি ।বিভিন্ন ধরনের বই এ রিভিউ খুব অল্প সময়ের মধ্যে ভিডিও আকারে দেওয়া হবে এই চ্যানেলে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195031/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Feb 2023 04:22:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;বই পড় না কেন??&#8221;এই প্রশ্নটি করলে সবার কাছে কিছু কমন উত্তরেই কেন জানি বারবার পেতাম।<br />
(আরে ভাই পড়ার বইয়ে পড়ার টাইম পাই না আর অন্য বই।ভাই কেন জানি না ,লকিন্তু ১০ মিনিট বই পড়লেই আমি আর পড়ার ধৈয্য পাই না।ভাই আমার হুমায়ুন আহমেদ এর বই খুব ভালো লাগে উনার সব বই পড়া শেষ উনি মারা যাওয়ার পর তাই আর কোনো নতুন বই পড়া হয় না।ভাই প্রেমের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195031"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195031/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c09b15dda299371b4e0eb51ca49a716f</guid>
				<title>রেগুলার বুক রিভিউয়ের বাইরে আজকে অন্যভাবে একটা বইকে হাজির করলে কেমন হয়?
ভাবছেন হয়তো, এটা আবার কেমন কথা ! বুক রিভিউ হবে স্বাভাবিক বুক রিভিউ এর মত এখানে আবার ব্যতিক্রম, আলাদা এই জিনিসগুলো কিভাবে আসে!
&#x1f339;আরেকটু সহজ করে গুছিয়ে বলি, আসুন আজকে আমরা একজন লেখককে রিভিউ করব। একজন লেখক একটি বই লেখার আগে কি ধরনের পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায়, কি কি সিচুয়েশন তাকে ফেস করা লাগে এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আজকে একটু ঘাটাঘাটি করব। বইমেলার শুরু থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল এরকম একটা রিভিউ লিখার কিন্তু সমস্যা হচ্ছে একে তো প্রচুর বই তার উপরে এতগুলো বইয়ের মাঝে এনালাইসিস পার্ট। তবে ব্যাপারটা আমার কাছে অনেক বেশি সহজ করে দিছে তাশফিকাল সামি ভাইয়া নিজেই। রকমারিতে একদিন কাজের ফাঁকে গল্প হচ্ছিল তার বহুল আলোচিত বই “নব্বই দশকের ভালোবাসা “ নিয়ে। অবাক হয়ে জানতে পারলাম বইয়ের গল্পগুলো যখন লেখা হচ্ছিল তখন তিনি জীবনের সবচেয়ে প্রতিকূল দিন রাতের সাথে যুদ্ধ করেছে। একদিকে বাবার অপারেশনের জন্য দিনরাত হসপিটালে থাকা আরেকদিকে জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া। একটু চিন্তা করে দেখেন গল্পগুলো লেখার সময় টানা ১০ দিনে মাত্র ১০ ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পেয়েছে কিনা লেখক তার ঠিক নেই। ঠিক ওই মুহূর্তেই প্রচন্ড অস্থিরতা মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে তার মধ্য থেকে বেরিয়ে আসে অসাধারণ কিছু গল্পের আইডিয়া যেগুলো পড়লে হয়তো আমি আপনি যে কেউ বাস্তবের সাথে মিলিয়ে ফেলতে পারি। প্রত্যেকটি গল্পের পিছনেই রয়েছে লেখকের সেক্রিফাইসের অসাধারণ এক প্রতিচ্ছবি। লেখার উপর প্রচন্ড লেভেলের ডেডিকেশন না থাকলে এরকম মাস্টারপিস বের হওয়া আসলেই অসম্ভব &#x1f5a4;&#x1f5a4;
এবার আসা যাক বইয়ের পার্ট এ। মূলত পাঁচটি ছোট ছোট গল্প নিয়ে এই বইটি। প্রত্যেকটি গল্পের মধ্যেই এক ধরনের ম্যাজিক্যাল ফিলিংস আছে কারণ এই জেনারেশনে এসোও আপনি যখন ৯০ দশকের ভালবাসা পড়ছেন তখন মুগ্ধ না হয়ে যাবেন কোথায় আপনি?
“৯০ দশকের ভালোবাসা “, ”তোমার প্রথম বা দ্বিতীয় অথবা কেউ না”, “টোনা টুনির কাব্য” , “ভালোবাসার সমীকরণ “, “সাতরঙ হাহাকার “
এই পাঁচটি গল্প প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা প্লটে দেখা তাই গল্পগুলো পড়তে গিয়ে কোনোভাবেই বোরিং হওয়ার যে সুযোগ নেই সেটা গ্যারান্টি সাথে বলতে পারি। স্পয়লার না দিয়ে বলবো তাড়াতাড়ি বইটি সংগ্রহ করুন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194748/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Feb 2023 04:21:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রেগুলার বুক রিভিউয়ের বাইরে আজকে অন্যভাবে একটা বইকে হাজির করলে কেমন হয়?<br />
ভাবছেন হয়তো, এটা আবার কেমন কথা ! বুক রিভিউ হবে স্বাভাবিক বুক রিভিউ এর মত এখানে আবার ব্যতিক্রম, আলাদা এই জিনিসগুলো কিভাবে আসে!<br />
&#x1f339;আরেকটু সহজ করে গুছিয়ে বলি, আসুন আজকে আমরা একজন লেখককে রিভিউ করব। একজন লেখক একটি বই লেখার আগে কি ধরনের পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194748"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194748/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">73de2e4f9a47d251bc73dafee4290ef2</guid>
				<title>৮ ই ফাল্গুন


সকালের মিষ্টি রোদ নাকি বয়স্কদের কাছে অনেক আরামের আর পছন্দের হয় ,কিন্তু সাত্তার সাহেবের তার পায়ের কাছে পড়া এই মিষ্টি রোদ লাগছে না। তবে এর কারণ ,নাতির জন্যে দীর্ঘক্ষন অপেক্ষার জন্যও হতে পারে ।সাত্তার সাহেবের নাতির রোহান শহরে এক নামি দামী ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়ে । আসছে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে রোহানকে ভাষা আন্দোলন উপলক্ষে একটি আর্টিকেল জমা দিতে হবে । তাই ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে ভালো মত জানতে সাত্তার সাহেবের সাথে কথা বলতে ই সকাল-সকাল সাত্তার সাহেবকে ঘুম থেকে উঠিয়েছে রোহান যদিও দাদুকে ডেকে নিজেোো হাওয়া হয়ে গিয়েছে তাই অপেক্ষা করতে হচ্ছে সাত্তার সাহেবকে ।দশ মিনিট পর শুরু হল তাদের আলোচনা..
রোহান:দাদা,আমি ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে সব কিছুই জানি তারপরও বিস্তারিত আলোচনা জন্য এই মিটিং।
সাত্তার সাহেব: ঠিক আছে , তুই যা জানি সিরিয়াল বলা শুরু কর।
রোহান: তার আগে আর্টিকেল এর একটা ভালো নাম বল, মানে একটু পশ পশ ভাইব এর!
সাত্তার সাহেব: ৮ই ফাগুন রাখ।
রোহান: ৮ই ফাল্গুন আবার কি ?
সাত্তার সাহেব: ১৯৫২ এর একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলার ৮ই ফাল্গুন,১৩৫৮ ছিল।
রোহান: চলবে যদিও নামটার মধ্যে সেই রকম ভাইব ফিল নাই কিন্তু নামে আবার কি আসে যায় ।এবার তাহলে শুরু করি,ভাষাটা সমস্যা প্রথম শুরু হয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজি মদ্দিুদ্দিনের এক বক্তৃতার পরে ।
সাত্তার সাহেব: না, ঢাকা পল্টন ময়দানের ওই বক্তৃতার আরো কয়েক বছর আগে , ডক্টর. মোহাম্মদ শহীদল্লুাহর &quot;পাকিস্তানের ভাষা সমস্যা&quot; লেখনীর পর থেকেই ভাষার এই সমস্যা ধীরে ধীরে শুরু হয়।
রোহান :বক্তৃতার পরে একুশে ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত হয়।
সাত্তার সাহে ব: হরতালে র পরিকল্পনা পুরো মাস জুড়েই ছিল, কিন্তু ২০ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ফজললু হক হলের এক কামরায় বসে কিছু ছাত্র যখন চুপিচুপি শুনতে পেল &quot;হরতাল প্রত্যাহার করা হয়েছে &quot; তখনই সিদ্ধান্ত হয় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে
হরতাল করার।
রোহান: এই হরতালে শুধুঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নেয়।
সাত্তার সাহেব: না ,একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে আটটার মধ্যে ই ঢাকার শহরতলী থেকে স্কুলের ছাত্র জমায়েত হতে শুরু করে । বেলা সাড়ে এগরোটায় যার সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ থে কে ২৫ হাজারের মতো।
রোহান: আর এই হরতালেই পুলিশ গুলি চালায়।
সাত্তার সাহেব: (রোহানের কথা থামিয়ে .) প্রথমে নানাভাবেই হরতাল ছত্রভঙ্গ করে । এরপর কাঁদান গ্যাস ছোড়ে ।এরপর ঠিক বিকাল ৩ টা ১০ মিনিটে গুলি ছোড়ে আর ওদের গুলি ছোড়া এমন নৃশংস ছিল যে , মর্গে যখন শহীদ বরকতের লাশ আসে তখন দেখা যায় ,লাশটির মাথায় অর্ধেকটাই নেই ।ঘাড়ের পাশের মগজটুকু আলাদা করে রাখা।
রোহান: আর এই গুলি তে মারা যায় সর্বমোট ৫ জন।
সাত্তার সাহেব: না ,রাত আড়াইটার দিকে সশস্ত্র পুলিশ আর সেনাবাহিনীরা এসে জোর করে মর্গ থেকে ছাত্রদের লাশ নিয়ে যায়। আর গুলিতে আহত অবস্থায় অনেকেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায় যাদের পরবর্তীতে আর কোন খোঁজ পাওয়া
যায়নি ।
রোহান: (বিরক্তির স্বরে )You talk too much and give too unnecessary information.I don&#039;t need all of these.I went.

সাত্তার সাহেব তার নাতির ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে &quot;সবকিছু জানি &quot;এই কথাটা নিয়ে ভাবতে শুরু করলে ন,হঠাৎ করে তার পায়ে আবার সে ই মিষ্টি রোদ এসে লাগল কিন্তু এবারও তার এই মিষ্টি রোদ কেন জানি ভালো লাগছে না।

আচ্ছা তাহলে কি সাত্তার সাহেব এখনো বুড়ো হয়ে যাননি ??</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194221/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Feb 2023 06:07:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>৮ ই ফাল্গুন</p>
<p>সকালের মিষ্টি রোদ নাকি বয়স্কদের কাছে অনেক আরামের আর পছন্দের হয় ,কিন্তু সাত্তার সাহেবের তার পায়ের কাছে পড়া এই মিষ্টি রোদ লাগছে না। তবে এর কারণ ,নাতির জন্যে দীর্ঘক্ষন অপেক্ষার জন্যও হতে পারে ।সাত্তার সাহেবের নাতির রোহান শহরে এক নামি দামী ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়ে । আসছে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে রোহানকে ভাষা আন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194221"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194221/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1667ae3e70955ee2d58c6871856c21f7</guid>
				<title>আর্টিকেলটি পড়ার আগেই হয়তো এর সঙ্গে থাকা ছবিটির দিকে আপনাদের নজর কেড়েছে।
মনে মনে হয়তো ভাবছেন করোনার পর থেকে যেখানে সারাদেশের স্ট্যাটাস খাতে বিনিয়োগের স্রোত দেখা গেছে সেখানে আবার বিনিয়োগের বেহাল দশা হবে কিভাবে । কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে মাত্র এক বছরেই বিনিয়োগ কমেছে ৭৪%।
এই অনুপাত এতই বড় যে একটু পর যখন ডাটার হিসেবে আসা যাবে তখন হয়তো আমাদের সবার চিন্তা ভাবনায় স্টার্টআপ নিয়ে বড়োসড় একটি জোয়ার ভাটা নামতে পারে। দোষ যদি একেবারেই বিনিয়োগকারীদের দিয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু অনেক বড় ভুল হবে কারণ বিনিয়োগকারীরাও এখন দোটানায় আছে। সামনের পরিস্থিতি কি হতে পারে , যে প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হবে তারা কতটা টেকসই হতে পারে , কোন নীতিতে চলছে, মন্দা পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মানসিকতা প্রস্তুতি আছে কিনা এসব বিষয়ে যদি পর্যবেক্ষণ করেন তাহলে যে কারো পক্ষে হয়তো স্ট্যাটাপে বিনিয়োগ করা একটু পিছুটান হতে পারে।
এবার একটু ডাটার হিসেবে আসা যাক ।২০২১ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ৪১ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ পেয়েছিল যা স্থানীয় মুদ্রায় ৪ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকার মত প্রায়। কিন্তু মাত্র এক বছরেই অর্থাৎ ২০২২ সালে এর ৭৪ শতাংশ কমে ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলারের নেমে যায়। পুরো বিশ্বব্যাপী হিসাব করলে দেখা যায় ২০২১ সালে বিশ্বের স্টার্টআপ গুলোতে মোট বিনিয়োগ হয়েছিল ৬৩ হাজার কোটি ডলার, যা ২০২২ সালে কমে হয়েছে ৪৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।
বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ ছাড়াও পুরো পৃথিবী আরও একটি সমস্যার মধ্যে পড়েছে আর তা হল মূল্য স্মৃতির চাপ। সব মিলিয়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে স্টার্টআপ গুলো বিনিয়োগ টানতে হিমশিম খাচ্ছে। আরো গভীরভাবে চিন্তা করলে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি নানা শর্ত ও লোনের চাপে আছে । সে হিসেবে বাংলাদেশের জন্য বিনিয়োগ পাওয়া এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
এবার আরেকটি ব্যাপারে পয়েন্ট করা যাক,২০২২ সালে যেসব বিনিয়োগ এসেছে, তার কমে মাত্র ৮ শতাংশ ছিল দেশি বিনিয়োগকারীদের। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে ফিনটেক খ্যাত আর্থিক ও প্রযুক্তি খাতে। গত বছর সেখানেও বিনিয়োগ কমেছে। তবে বিনিয়োগ কিছুটা বেড়েছে শিক্ষা, লজিস্টিকস ও মোবিলিটি, ই-কমার্স ও রিটেইল এবং ভ্রমণ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশীয় বিনিয়োগকারী যে অনেকটাই কমে গেছে এটা এখন যে কেউ বলে দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্রাঞ্চবেজের প্রতিবেদনে উত্তর বিনিয়োগ আমেরিকার স্টার্টআপে বিনিয়োগ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, ২০২১ সালের চেয়ে ২০২২ সালে ৬৩ শতাংশ বিনিয়োগ কমেছে। সমস্যা দিয়ে শুধু দেশে নয় পুরো পৃথিবীতে তা এতক্ষণ ধরে আর্টিকেলটি পড়ে হয়তো অনেকেই টের পেয়ে গেছেন।
এই সমস্যা থেকে বের হবার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করা যা আরো বেশি বেশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আপনার কাছে টেনে আনবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193537/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Feb 2023 06:20:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আর্টিকেলটি পড়ার আগেই হয়তো এর সঙ্গে থাকা ছবিটির দিকে আপনাদের নজর কেড়েছে।<br />
মনে মনে হয়তো ভাবছেন করোনার পর থেকে যেখানে সারাদেশের স্ট্যাটাস খাতে বিনিয়োগের স্রোত দেখা গেছে সেখানে আবার বিনিয়োগের বেহাল দশা হবে কিভাবে । কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে মাত্র এক বছরেই বিনিয়োগ কমেছে ৭৪%।<br />
এই অনুপাত এতই বড় যে একটু পর যখন ডাটার হিসেবে আসা যাবে তখন হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193537"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193537/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a3c68bde97787a76c29da306bcac22b</guid>
				<title>আজকে আমি কথা বলব জিম ব্লাইথ এর “১০০ গ্রেট মার্কেটিং আইডিয়া “ এই বইটি নিয়ে। ব্যবসা মার্কেটিং এর ইতিহাস কিন্তু পুরো পৃথিবী জুড়ে আজকাল জুড়েই আছে। কিন্তু একটু বাংলাদেশের কথা চিন্তা করুন ,বাংলাদেশের মতো এত ছোট দেশেই অফিসিয়াল-অ্যান অফিসিয়াল ভাবে ৫০ লক্ষ্য ফেসবুক স্টোর আছে। এই সংখ্যাটি শুনলে যে কারো মনে একবার হলেও মার্কেটিং নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে কারণ এই ৫০ লক্ষ্য এফ কমার্স সাইটের মধ্যে আমাদের জানা রয়েছে হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি । এবার  প্রশ্ন আসবে, তাহলে বাকি ফেসবুক স্টোর গুলো কি হলো ? উত্তরটা খুব স্বাভাবিক, উপযুক্ত মার্কেটিং এর অভাবে এই সকল ছোট ছোট ব্যবসা আমাদের চোখের আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। “১০০ গ্রেট মার্কেটিং আইডিয়া “ এই বইটির মধ্যে লেখক ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টমিনিস্টারের মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর কিন্তু তাই বলে মনে করবেন না যে বইটি অনেক জটিল জটিল বিষয় লেখা যেন আসলে বইটি পুরোপুরি এর উল্টো। বইটি সাজানো হয়েছে পৃথিবী বিখ্যাত ১০০  টি মজাদার মার্কেটিং আইডিয়া নিয়ে যেগুলোর সবই মোটামুটি সাকসেসের মুখ দেখেছে। লেখক বইটির মধ্যে আইডিয়াগুলোর এত সুন্দর ব্যবহারিক  রূপ ও ইলাস্ট্রেশন, ছবি দেখিয়েছেন যাতে করে বইটি পড়ার সময় সব আইডিয়াগুলো আমাদের বুঝতেও করতে সুবিধা হয় । এতক্ষণ লেখাগুলো পড়ে আপনি ভাবতে পারেন ,”আরে আমার তো কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা এফ-কমার্স সাইট নেই তাহলে এই বই পড়ে আমার লাভ কি?”
উত্তরটা হচ্ছে: এই বইটিতে রয়েছে পৃথিবীর সেরা সেরা সব কোম্পানির ইউনিক মার্কেটিং আইডিয়া । যেই কোম্পানির প্রোডাক্টগুলোর সাথে আপনি  সারাটাক্ষন সময় ব্যয় করছেন সেই কোম্পানির মার্কেটিং আইডিয়াগুলো যে আপনার চিন্তার পরিধি ঘটাবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় আর আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে এখন আপনি ব্যবসা করছেন না কিন্তু ওদূর ভবিষ্যতে আপনি যে ব্যবসা করবেন না এটার তো কোন গ্যারান্টি নেই তাই আগেভাগেই  বিশ্বসেরা চমৎকার ইউনিক মার্কেটিং আইডিয়াগুলো জেনে আসুন বইটি পড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193251/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Feb 2023 04:25:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> আজকে আমি কথা বলব জিম ব্লাইথ এর “১০০ গ্রেট মার্কেটিং আইডিয়া “ এই বইটি নিয়ে। ব্যবসা মার্কেটিং এর ইতিহাস কিন্তু পুরো পৃথিবী জুড়ে আজকাল জুড়েই আছে। কিন্তু একটু বাংলাদেশের কথা চিন্তা করুন ,বাংলাদেশের মতো এত ছোট দেশেই অফিসিয়াল-অ্যান অফিসিয়াল ভাবে ৫০ লক্ষ্য ফেসবুক স্টোর আছে। এই সংখ্যাটি শুনলে যে কারো মনে একবার হলেও মার্কেটিং নিয়ে প্রশ্ন আস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193251"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193251/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f271aa835863ee25fbe2203284c554a9</guid>
				<title>“Attention Is All You Need “
লাস্ট এক সপ্তাহ ধরে কেগল, রিসার্চ গেট ,গুগল রিসার্চ এই কয়েকটা জায়গায় কিছুটা সময় ব্যয় করছি। এর মধ্যে যতবারই টাইম ব্রেকে  এসে ইউটিউবে ঢুকি ততোবারই দেশি-বিদেশি যেকোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চ্যাট জিপিটির উপর একটা করে ভিডিও দেখি। গত দুইদিন ধরে মাথার মধ্যে শুধু ঘুরতেছিল এই যে এত কথা ,কাজ ,রিসার্চ হচ্ছে চ্যাট জিপিটি নিয়ে কিন্তু এই জিনিসটি বানানো সম্ভব হলো কিভাবে ?
তখনই প্রথম জানতে পারলাম 
‘Transformers Indepth Architecture Understanding’ এই ব্যাপারটি সম্পর্কে । কিন্তু কোথা থেকে কি শুরু করব অথবা এই রিলেটেড পড়াশোনা করে আমারই বা কি লাভ এটা বুঝতেছিলাম না, ঠিক এই সময় এক ইউটিউবারের মুখে প্রথম শুনি আজকে থেকে ৬ বছর আগে google রিসার্চ এ পাবলিসএকটি পেপার সম্পর্কে। পেপারটির নাম “Attention Is All You Need “
শুরু থেকে একদম রিডিং এর মতো করে পেপারটি পড়া আরম্ভ করতেই বুঝতে পারলাম এই জিনিস আমার জন্য না কারণ এখানে যেসব টার্ম,ছবি ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো দেখেই আমার মাথার উপর দিয়ে গেল। তারপরও স্বেচ্ছায় একবার রিডিং দিয়ে গেলাম আর তখনই বুঝলাম
এই জিনিস যেনতেন কোনোকিছু না। বাঘা বাঘা সব রিসারচার, সাইন্টিস্ট মিলে এই পেপার তৈরি।
আবার শুরু করে দিল পেপারটি পড়া। এবার পেপারের মাত্র ৮-১০% জিনিস মাথার মধ্যে ঢুকলো। আসলে আজকে থেকে ছয় বছর আগে ট্রান্সফরমেশন নিয়ে মানুষজনের এরকম রিসার্চ আসলেই অবাক করার মত। এত বছর আগেও মানুষগুলোর ব্যাখ্যা আর বলার কৌশল সব মিলিয়ে ছিল অসাধারণ। পুরো পেপারটি ভালো মতো বোঝার জন্য আরেকটু ঘাটাঘাটি শুরু করলাম। এত সুন্দর ডিজাইন আর সহজ সাবলীল ছবির মাধ্যমে পেপারটি এই ভদ্রলোক বুঝিয়েছেন যে, যেকোন ননটেক স্টুডেন্ট এই ব্যাপারে ধারণা পেতে পারবে। এরপর আর একটু ঘাটতে গিয়ে এই ব্লগ বোঝানোর জন্য ইউটিউব ভিডিও খুঁজে পেলাম। কেউ যদি পড়তে পারেন তাহলে তো অনেক ভালো । যদি মনে হয় না এত বড় জিনিস আমাকে দ্বারা পড়া সম্ভব না তাইলে ছোট খাটো এই ব্লগটা পড়তে পারেন আর তারপরও যদি মনে হয় ধুর এত হাবিজাবি লেখা কিছুই বুঝতে পারছি না তাইলে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন ,

  এতক্ষণ ধরে এতগুলো কথা লেখার কারণ একটাই চ্যাট জিপিটির সাথে হাই লেভেলের কম্পিটিশন করার সামর্থ যে গুগলের আছে 
তার একটা নমুনা এই রিসার্চ পেপার। পার্সোনালি আমার নিজের কাছে মনে হয় সামনের দিনে গুগল হয়তো আরও বড় কিছু ইনভেন্ট করতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191514/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Jan 2023 16:59:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“Attention Is All You Need “<br />
লাস্ট এক সপ্তাহ ধরে কেগল, রিসার্চ গেট ,গুগল রিসার্চ এই কয়েকটা জায়গায় কিছুটা সময় ব্যয় করছি। এর মধ্যে যতবারই টাইম ব্রেকে  এসে ইউটিউবে ঢুকি ততোবারই দেশি-বিদেশি যেকোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চ্যাট জিপিটির উপর একটা করে ভিডিও দেখি। গত দুইদিন ধরে মাথার মধ্যে শুধু ঘুরতেছিল এই যে এত কথা ,কাজ ,রিসার্চ হচ্ছে চ্যাট জিপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191514"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191514/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e39f66df3d15931ee43def7c84e19f5d</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and MD-Shofi-Ahmed-Sohel are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190638/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Jan 2023 20:41:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1f95a2a33508d804ae87abd9d52f829c</guid>
				<title>রেস্টুরেন্ট নিয়ে আমার অনেকদিন ধরেই ঘাটাঘাটি চলছে, এমনিতে কোন কিছু করার আপাতত তেমন কোন প্ল্যান নেই কিন্তু রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, মার্কেটিং, গ্রোথ কেস স্টাডি পড়তে আমার ভীষণ ভালো লাগে। রংপুরে বাসা হওয়ার কারণে মোটামুটি রংপুরের সব লোকাল ছোট বড় রেস্টুরেন্ট হোটেলে খাওয়া টেস্ট করা হয়েছে আমার। বাবা বৃহত্তর জেলা রংপুর দোকান মালিক সমিতির “যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক” হওয়ায় অনেক রকম ব্যবসায়ীর সাথে ফ্রেন্ডলি কিছু কনভারসেশন এর সুযোগও পেয়েছি অনেক । আমার এই সীমিত জ্ঞানের জোটে ছোট একটি আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করছি , জানিনা কতদূর কি লিখব কিন্তু আমার মাথায় সারাদিন ঘুর ঘুর করে এমন অনেকগুলো পয়েন্ট থেকে তিনটি পয়েন্ট তুলে ধরলাম।
নাম্বার ওয়ান: জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন।
প্রথম শব্দটি শুনে হয়তো ভাবতে পারেন এটা আবার কি জিনিস। দেখুন রেস্টুরেন্টের কাস্টমারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমত ছেলে আর দ্বিতীয়ত মেয়ে। প্রথমে আসি মেয়েদের ক্ষেত্রে আমার যতটুকু মনে হয় বেশিরভাগ মেয়েরা চায় শহরের ভিতরে যাতে করে সেখানে যেতে বেশি কষ্ট পোহাতে না হয় এমন কোন রেস্টুরেন্ট। আর অবশ্যই অবশ্যই যাতে সেই রেস্টুরেন্ট হয় কিছুটা সেফ আর ছবি তোলার জন্য পারফেক্ট ইনভারমেন্ট। ছেলেদের ক্ষেত্রে সেফ ব্যাপারটা তেমন একটা পরোয়া করে না। মোটামুটি বাজেটের মধ্যে ভরপুর খাওয়া হলে সেটা হবে সবচেয়ে জোশ ব্যাপার। আবার ধরুন রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে যাওয়ার সময় যদি কোন অ্যাডভেঞ্চারাস ফিল পাওয়া যায় তাহলে তো কোন কথাই নেই। একটা সহজ উদাহরণ দেই, রংপুর শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বৈরাগীগঞ্জে গরুর মাংস অনেক বেশি ফেমাস হয়েছে। আমি নিজেও সেখানে দুইবার টেস্ট করেছি যদিও আমার কাছে তেমন আহামরি লাগে নাই কিন্তু রংপুর হিসেবে বেটার টেস্ট ছিল পাশাপাশি মোটরসাইকেলে সেখানে যাওয়ার পথটা ছিল জোস। আমার মনে হয় যে কোন রেস্টুরেন্ট মালিক যদি এই জেন্ডার ব্যাপারটা মাথায় নিয়ে কোন রেস্টুরেন্ট চালানো শুরু করে তাহলে ব্যাপারটা অবশ্যই পজিটিভ দিকে যাবে।
নাম্বার টু: কোয়ালিটি কি আপেক্ষিক?
কিছুদিন আগে ইউটিউবে একটা কেস স্টাডিতে প্রথম এই বাক্যটি শুনি। বাক্যটি আরেকটু ক্লিয়ার করা যাক। ধরেন আপনি ধানমন্ডির কোন লোকাল ছেলেকে রংপুরের একটি যেকোনো দোকানের বার্গার টেস্ট করালেন ধানমন্ডির সেই ছেলেটির রংপুরের বার্গার পছন্দ হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১০%। কারণ ধানমন্ডির বার্গারের সাথে রংপুরের বার্গারের অবশ্যই টেস্ট কোয়ালিটি ডিফারেন্স হবেই। আবার সেই বার্গার যদি একদম গ্রামের কোন ছেলেকে দ্বারা আপনি টেস্ট করান তাহলে বার্গারটি ভালো লাগার সম্ভাবনা ৯০%। কারণ হয়তো সেই গ্রামে এরকম বার্গার অ্যাভেলেবেল না তাই প্রথম টেস্টে বার্গারটি ছেলেটির ভালো লাগবে। আপাতত এই ছোট বর্ণনায় হয়তো কোয়ালিটি এই ব্যাপারটা যে একেক জায়গায় একেক রকম আপেক্ষিক ভাবে হতে পারে সেটা বোঝাতে পেরেছি।
নাম্বার থ্রি: লোকেশন কি খুব জরুরী?
জি হ্যাঁ লোকেশন খুব বেশি জরুরী। ধরেন আপনি মতিঝিলের মত জায়গায় অনেক আলিশান কফি কিংবা বার্গার দোকান দিয়েছেন কি মনে হয় সেখানে এই দোকান চলার সম্ভাবনা কতটুকু?
এই প্রশ্নের উত্তর ভাবতে ভাবতে আপনাদের জানিয়ে রাখি মতিঝিল মূলত অফিস আদালতের জায়গা এখানে সব মানুষ সব সময় রানিং থাকে ।রানিং বলতে কাজের মধ্যে, হাটার মধ্যে, ব্যস্ততার মধ্যে থাকে তারমানে সেখানে এমন হোটেল আছে রেস্টুরেন্ট দরকার যেগুলো খুব তাড়াতাড়ি আপনাকে খাবার সার্ভ করতে পারে আর অবশ্যই খাবারগুলো বাজেটের মধ্যে থাকে । আবার এরকম রানিং হোটেল বা রেস্টুরেন্টে আপনি যদি ধানমন্ডির দিকে দিতে চান তাহলে হয়তো ব্যবসা থুবড়ে পড়তে পারে।
আমার মাথায় ব্যবসা, মার্কেটিং,ডাটা নিয়ে দিনরাত আইডিয়া ঘুরতে থাকে। তাই এই ব্যাপারগুলো নিয়ে কিছুটা স্টাডি করি মাঝে মাঝে। আপনাদের কারো এই ব্যাপারগুলো নিয়ে কোনরকম নলেজ শেয়ার করে থাকলে অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে ওয়েলকাম।
আর হ্যাঁ, ব্যবসা-মার্কেটিং - ডাটা নিয়ে ভালো কোন বই পড়তে বা খুঁজতে আমার বুক রিভিউ চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190526/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Jan 2023 12:45:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রেস্টুরেন্ট নিয়ে আমার অনেকদিন ধরেই ঘাটাঘাটি চলছে, এমনিতে কোন কিছু করার আপাতত তেমন কোন প্ল্যান নেই কিন্তু রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, মার্কেটিং, গ্রোথ কেস স্টাডি পড়তে আমার ভীষণ ভালো লাগে। রংপুরে বাসা হওয়ার কারণে মোটামুটি রংপুরের সব লোকাল ছোট বড় রেস্টুরেন্ট হোটেলে খাওয়া টেস্ট করা হয়েছে আমার। বাবা বৃহত্তর জেলা রংপুর দোকান মালিক সমিতির “যু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190526"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190526/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">667b5ffd987dc13647793ecf48615e67</guid>
				<title>বাংলাদেশের চশমার মার্কেট নিয়ে অনেকদিন ধরেই লেখার ইচ্ছে ছিল। আমার মনে হয় বেশিরভাগ মানুষ এর  মনে হতে পারে চশমা মানে লাভজনক ব্যবসা কিন্তু আমার পরিবারের নিজের অভিজ্ঞতা আর বাংলাদেশে মজুদ থাকা বিভিন্ন ডাটা এনালাইসিস করলেই চিত্রটা ভালো মতো বোঝা যাবে।প্রথমে আসি রংপুরে অবস্থানরত আমাদের দোকান &quot;আখি অপটিশন&quot; নিয়ে। রংপুরের শহরে যতগুলো পুরাতন চশমার দোকান আছে তার মধ্যে অন্যতম আমাদের দোকান। আমাদের দোকানের বয়স ৩৫ বছরের উপরে কিন্তু চশমার দোকানে সবচেয়ে বড় যেটা সমস্যা সেটা হচ্ছে কাস্টমার।ধরেন আপনার এরিয়ায় কাস্টমার সংখ্যা ২০ জন এরা রেগুলার আপনার দোকান থেকেই চশমা কিনে কিন্তু এখন যদি আপনার দোকানের আশেপাশে আরো ৮-১০ টা দোকান বেশি হয় তাহলে কিন্তু আপনার রেগুলার কাস্টমারের সংখ্যা অবশ্যই কমে যাবে। রংপুর শহরের মধ্যেও শুধু চশমার দোকানে নয় বরং প্রত্যেকটা দোকানেই এরকম হচ্ছে।
এবার একটু ডাটার হিসেবে আসা যাক, গত এক বছরে দেশে চশমার আমদানি খরচ ২০ শতাংশের মতো বেড়েছে। আর বাজারে চশমার দামও ২০-৩০ বেড়েছে। তার বিপরীতে চশমার বিক্রি কমেছে ১৫-২০ শতাংশ। মনে করতে পারেন , চশমার বাজার তো বাংলাদেশে অনেক বড়। অনেক মানুষ চশমা ব্যবহার করছে। জিনিসটা যদি আরেকটু ভালো মতো লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যাবে দেশে বিক্রির খুচরা দোকান আছে ১০ হাজারের বেশি (অফিসিয়াল হিসাবে)। এর বাইরে বেশ কিছু অনলাইন স্টোরও এখন চশমা বিক্রি করছে। আর সব মিলিয়ে চশমার বার্ষিক বাজার সাড়ে ৮০০ কোটি টাকার। আমার বাবা রংপুর জেলা চশমা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তিনিও প্রায় কঠিনভাবে আমাকে বলে যে,&quot;দেশে চশমার বাজার চরম সংকটে পড়ছে&quot;। যাই হোক এখনো ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হয়তো কিছু কিছু ব্যবসায়ীর অবশ্যই আছে। আমার পার্সোনালি মনে হয় একমাত্র চশমার কোয়ালিটি এই সংকট থেকে রেহাই দিতে পারে।
প্রায় ৩৫ বছরের উপর ধরে রংপুর শহরের বেশিরভাগ মানুষের চশমার আস্থা আমাদের দোকান &quot;আখি অপটিশন&quot;। দোকানের নতুন করে একটি পেজ খোলা হয়েছে , আপনার চাইলে ভিজিট করে আসতে পারেন ।
দোকানের ঠিকানা: ধাপ জেল রোড, পপুলার ১ এর সামনে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190423/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Jan 2023 07:46:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংলাদেশের চশমার মার্কেট নিয়ে অনেকদিন ধরেই লেখার ইচ্ছে ছিল। আমার মনে হয় বেশিরভাগ মানুষ এর  মনে হতে পারে চশমা মানে লাভজনক ব্যবসা কিন্তু আমার পরিবারের নিজের অভিজ্ঞতা আর বাংলাদেশে মজুদ থাকা বিভিন্ন ডাটা এনালাইসিস করলেই চিত্রটা ভালো মতো বোঝা যাবে।প্রথমে আসি রংপুরে অবস্থানরত আমাদের দোকান &#8220;আখি অপটিশন&#8221; নিয়ে। রংপুরের শহরে যতগুলো পুরাতন চশমার দোকা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190423"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190423/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4eba94f4b3815e9c5e5164274496a039</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and Md Ashfak Sayed are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190389/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Jan 2023 20:51:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">49226dac37a9435ada09a66995430f78</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and Md Kawsar Miah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189820/</link>
				<pubDate>Mon, 16 Jan 2023 12:23:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a3e6b4474400e41c367f503310b83c7f</guid>
				<title>“প্রিয় সত্যজিৎ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ভারতের জয়পুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন আহমেদ রুবেল। “
আজকের প্রথম আলোর একটি কলামে এই লেখাটি দেখেই চোখ আটকে গেল আমার কারণ সত্যি বলতে আমি নিজেই “প্রিয় সত্যজিৎ” এই মুভিটি দেখে এতই চমৎকৃত হয়েছি যে আমার নোটবুকে অলরেডি মুভিটি নিয়ে ছোটখাটো কিছু লেখা শুরু করে দিয়েছিলাম তবে লেখাটি পড়ে আগের সব লেখা বাদ দিয়ে ডাইরেক্ট পোস্টে লেখা আরম্ভ করলাম কারন আমার মনে হচ্ছে এই মুভিটি নিয়ে সবার সাথে কথা বলা হয়তো খুব তাড়াতাড়ি দরকার।
আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছে যারা পথের পাঁচালীর অপু ইফেক্ট এর মধ্য দিয়ে যায়। ব্যাপারটা আরো খোলাখুলি বলতে গেলে, ধরুন আপনার জীবন এর কিছু ঘটনা অপু ত্রীয়লজির সাথে কোন না কোনো ভাবে মিলে যাচ্ছে,এই মিলে যাওয়াটা কিন্তু একদম অস্বাভাবিক না কারণ অপু ছিল সংসারের জীবিত বড় ছেলে আর সে ছোটবেলা থেকে একদম ম্যাচিউরটির সাথে যেভাবে তার জীবনকাল শুরু করেছিল এই জীবন কাল আমাদের বেশিরভাগ বাঙালির সাথে মিলে যাওয়া স্বাভাবিক।”প্রিয় সত্যজিৎ” এই ডকুমেন্টারি মুভির মাধ্যমে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে মুভির মধ্যে ব্যক্ত করা এই অপু ইফেক্ট। আমার মনে হয় এই মুভিটি অলরেডি যারা দেখেছেন অথবা যারা লেখাটি পড়ছেন তারা কোন না কোন ভাবে জিনিসটি নিজের সাথে রিলেট করতে পেরেছেন তবে হ্যাঁ যারা এখন পর্যন্ত পথের পাঁচালী কিংবা অপুর সংসার দেখেননি তাদের জন্য আসলে এই সিনেমা নয় আরেকটু ভালোভাবে বলতে গেলে কোন সিনেমাই আপনাদের জন্য নয় ।
সত্যজিৎ রায় এই মানুষটি আসলেই সেরা আর সেরা এই মানুষটির চরিত্রে অভিনয় করেছেন “আহমেদ রুবেল”। খুব সম্ভবত হুমায়ূন আহমেদের কোন এক বইয়ের উৎসর্গে পত্রে আহমেদ রুবেল কে উৎসরও করা হয়েছিল। উৎসর্গ পত্রের নিচে লেখা হয়েছিল ,
“অভিনেতা আহমদ রুবেল
অভিনেতা হিসেবে A+, মানুষ হিসেবে A++”
আমার মনে হয় আহমেদ রুবেল এই সিনেমাতে সত্যজিৎ রায়ের ভূমিকায়  A+++ অভিনয় করেছেন।
যেহেতু সিনেমাটা এখনও হলে আসেনি তাই চাইলেই হয়তো আপনার এখন দেখতে পারবেন না। আমি নিজেও অনেক সাইটে খুজা খুজির পরেও মুভিটি পাইনি। ভাগ্যক্রমে ঢাকা লিটারেচার ফেস্ট এ সিনেমাটির প্রদর্শনী চলার সুবাদে দেখে ফেলেছি।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভার সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে গত নভেম্বরে প্রিয় সত্যজিৎ-এর বা আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার হয়েছে। ছবিটি পরে ইতালির ফ্লোরেন্স ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও ভারতের কেরালা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়েছে; পেয়েছে বিশেষ পুরস্কার।
সত্যজিৎ রায়ের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন ডিরেক্টর “প্রসুন রহমান “। পুরো মুভি ক্রেডিট আমি এই একজন মানুষকেই সবচেয়ে দিব । এর কারণটা হয়তো আপনারা মুভিটি দেখলেই বুঝতে পারবেন।
মুভির নাম-প্রিয় সত্যজিৎ
পার্সোনাল রেটিং -৯/১০</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189066/</link>
				<pubDate>Wed, 11 Jan 2023 07:10:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“প্রিয় সত্যজিৎ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ভারতের জয়পুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন আহমেদ রুবেল। “<br />
আজকের প্রথম আলোর একটি কলামে এই লেখাটি দেখেই চোখ আটকে গেল আমার কারণ সত্যি বলতে আমি নিজেই “প্রিয় সত্যজিৎ” এই মুভিটি দেখে এতই চমৎকৃত হয়েছি যে আমার নোটবুকে অলরেডি মুভিটি নিয়ে ছোটখাটো কিছু লেখা শুরু করে দিয়েছিলাম তব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189066"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189066/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1ae97050679ab206d09bfbc0aae0ad9</guid>
				<title>ঢাকা লিট ফেস্ট এর দ্বিতীয় দিনে , “ পেন: মুক্তির পথ, লেখার স্বাধীনতা “ নামের একটি সেমিনারে 

বসেছিলাম হঠাৎ লক্ষ করলাম সামনে বসে থাকা অতিথি চারজন কিন্তু উপরে চেয়ার তোলা হচ্ছে ৫ টি । নিজে একবার সিডিউল চেক করলাম দেখলাম অতিথির সংখ্যা আসলেই ৪ জন মনের মধ্যে প্রশ্ন আসলো ব্যাপার কি, আরেকটি চেয়ার কার জন্য?

সেমিনারের এক পর্যায়ে  বিখ্যাত সাংবাদিক ও এনলাইটিকস সুদীপ চক্রবর্তী আমার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া  উত্তরটি দিল। তিনি বললেন,

“সেমিনারের শুরুতেই আমি একটি ফাঁকা চেয়ার এনে রেখেছি এই ফাঁকা চেয়ার টি পেন এর সকল সেশনে সেই সকল মানুষদের উৎসর্গ করা হয় যারা হয়তো সত্য কথা বলা কিংবা সাংবাদিকতার জেরে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে অথবা বন্দি কারাগার এর মধ্যে আছে। ফাঁকা চেয়ার টি দিয়ে আমরা বুঝাই তারাও আমাদের মধ্যে বেঁচে আছেন তারাও আমাদেরকে শুনছেন ”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188862/</link>
				<pubDate>Tue, 10 Jan 2023 06:00:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঢাকা লিট ফেস্ট এর দ্বিতীয় দিনে , “ পেন: মুক্তির পথ, লেখার স্বাধীনতা “ নামের একটি সেমিনারে </p>
<p>বসেছিলাম হঠাৎ লক্ষ করলাম সামনে বসে থাকা অতিথি চারজন কিন্তু উপরে চেয়ার তোলা হচ্ছে ৫ টি । নিজে একবার সিডিউল চেক করলাম দেখলাম অতিথির সংখ্যা আসলেই ৪ জন মনের মধ্যে প্রশ্ন আসলো ব্যাপার কি, আরেকটি চেয়ার কার জন্য?</p>
<p>সেমিনারের এক পর্যায়ে  বিখ্যাত সাংবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188862"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188862/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ec0be8fdd04d7c88608bb64a12ef83f</guid>
				<title>ঘোষ ভান্ডার 
আপনি রংপুর শহরে আছেন কিন্তু এই ঘোষ ভান্ডার অথবা নিপেনের  নাম শুনেননি এমনটা হতে পারে না । আজকে এই ঘোষ ভান্ডার নিয়ে একটি গল্প শোনা যাক , যেই গল্প তৈরি  ইতিহাস , ইমোশন  আর হালকা টুইস্টের  সংমিশ্রণে ।
রংপুরে আমরা এমনভাবে স্থানীয় যে ছোটবেলায় আব্বুর কাছে নতুন কোনো হোটেলে খাবার আবদার করলে ঘুরে ফিরে ওই ঘোষ ভান্ডারের কচুরি আর গরম সিঙ্গারাই জুটত। বাপ চাচাদের যুক্তির কারনটা খুব স্বাভাবিক ছিল যে আমার দাদুও নাকি আব্বুদেরকে একই হোটেলে খাওয়াতো । আমার কাছে ঘোষ ভান্ডারের ইতিহাস এভাবেই পরিচিত।
তো এই ঘোষ ভাণ্ডারে এক বয়স্ক লোক  ছিল নাম আব্দুল । ভদ্রলোকের বিশেষত্ব হচ্ছে আমি আমার শৈশবকালে ইনাকে যেমন দেখেছিলাম আমার যৌবনকালেও উনার চেহারার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। ভদ্রলোকের কাজ ছিল হোটেলের কাস্টমারদের পানি দেওয়া আর মাঝে মাঝে বিশেষ কাস্টমারদের হাত ধুয়ে দেওয়া।এই বিশেষ কাস্টমারদের মধ্যে আমি এবং আমার বাবাও ছিল। ঘটনা হলো আজ থেকে দুই বছর আগে হঠাৎ করে জানতে পারি আব্দুল কে হোটেল থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে । ব্যাপারটা আমার কাছে আসলেই ইমোশনাল ছিল কারণ ছোটবেলা থেকেই এই আব্দুল ঘোষ ভান্ডারে আমার সাথে সুপরিচিত ছিল । ব্যাপারটা আরো ইমোশনালে  পরিণত হলো যখন জানতে পারলাম আব্দুল নাকি এখন একজন ভিক্ষুক । ব্যাপারটা খুব বেশি অবাক করেছিল আমায়। বুঝতে দেরি হলো না হয়তো বয়সের জন্যই আব্দুল কে হোটেল ছাড়া করা হয়েছে।
এবার আসা যাক টুইস্ট পর্বে,এই কিছুক্ষণ আগেই ঘোষ ভান্ডার থেকে গুড়ের সন্দেশ কেনার সময় হঠাৎ করে হোটেল মালিকের সাথে কথা হচ্ছিল। কথার একপর্যায়ে আবদুলের টপিক যখন আসলো তখন আসলেই মাথা হ্যাং হয়ে গেল, কারণ এতদিন পর আব্দুলের আসল সত্য জানতে পারলাম,হোটেল মালিকের কাছে। শুনলাম আব্দুল নাকি স্বেচ্ছায় হোটেল থেকে বের হয়ে গিয়েছে।
তার শেষ কথা নাকি অনেকটা এমন ছিল,&quot;এই হোটেলের কাজ করে আর কয় টাকা পাই তার চেয়ে ভাল ভিক্ষা করি কারণ ভিক্ষা করেই আমার দিনে ৫০০ টাকা আসে।&quot;
আব্দুলের পেশা নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই কিন্তু আমার সমস্যা হচ্ছে আব্দুলের সিদ্ধান্ত নিয়ে। হোটেলের একটা সম্মানের পেশা ছেড়ে আবদুলের কি ভিক্ষা করা আসলেই ঠিক হয়েছে ??</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187584/</link>
				<pubDate>Tue, 03 Jan 2023 15:57:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘোষ ভান্ডার<br />
আপনি রংপুর শহরে আছেন কিন্তু এই ঘোষ ভান্ডার অথবা নিপেনের  নাম শুনেননি এমনটা হতে পারে না । আজকে এই ঘোষ ভান্ডার নিয়ে একটি গল্প শোনা যাক , যেই গল্প তৈরি  ইতিহাস , ইমোশন  আর হালকা টুইস্টের  সংমিশ্রণে ।<br />
রংপুরে আমরা এমনভাবে স্থানীয় যে ছোটবেলায় আব্বুর কাছে নতুন কোনো হোটেলে খাবার আবদার করলে ঘুরে ফিরে ওই ঘোষ ভান্ডারের কচুরি আর গরম সিঙ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187584"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187584/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e816de5eb2260916a705cccb4d322422</guid>
				<title>সত্যি বলতে  ২০২২ সালটা একদম রোলার কোস্টারের মতো গেছে ,এই রোলার কোস্টারের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে বিগত 
চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বই পড়া হয়েছে এবার ,কিন্তু ২০২৩ এ বই পড়ার একটা রেকর্ড অবশ্যই থাকবে ইনশাল্লাহ 
২০২২-
১. অলাতচক্র-তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
২. বাদশাই নামদার -হুমায়ূন আহমেদ
৩. রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি -মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
৪. রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো আসেননি - মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
৫. লেখালেখি-শাহাদুজ্জামান
৬. সমুদ্র বিলাস-হুমায়ূন আহমেদ
৭. উল্কা রহস্য-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ৮. পুঁজিবাদ-অরুন্ধতী রায়
৯. তোমাদের জন্য ভালোবাসা-হুমায়ূন আহমেদ
১০. মেঘের আড়ালে-তালহা মুনতাসির নাফি
১১. কানওয়ালার ফাঁদ - সৌমিক দে
১২. স্টিল লাইক আন আর্টিস্ট-অস্টিন ক্লেভন
১৩. মামলার সাক্ষী ময়না পাখি - শাহাদুজ্জামান
১৪. আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল-নিয়াজ যেহেদী
১৫.কিং সুলাইমান (আ.) এবং ৭২ জিন শয়তানের গল্প-কাজী ম্যাক
১৬. সহজ ভাষায় অ্যালগরিদম - এহসানুল ইসলাম
১৭. কালাপাহাড়-সমরেশ মজুমদার
১৮. তানজানিয়ার দ্বীপে -রাফিয়াত রশিদ মিথিলা
১৯.ইকিগাই -হেক্টর গর্শিয়া ও ফ্রান্সেস্ক মিরাসল
২০. খেলারাম খেলে যা - সৈয়দ শামসুল হক
২১. চিরকুট-শাহাদুজ্জামান
২২. ফিচার ব্লগ কন্টেন রাইটিং - জনি হোসেন কাব্য
২৩. ওঙ্কার -আহমেদ ছফা
২৪. আজ হিমুর বিয়ে -হুমায়ূন আহমেদ
২৫. জাপান কাহিনী ২য় খন্ড-আশির আহমেদ
২৬. শঙ্খমালা-আরিফুজ্জামান শৌখিন
২৭. জাপান কাহিনী ১ম খন্ড -আশির আহমেদ ২৮. জাপান কাহিনী ৩য় খন্ড-আশির আহমেদ
২৯. লীলাবতীর মৃত্যু -হুমায়ূন আহমেদ
৩০. মর্কট মঞ্জিল -মেহেদী মিরাজ
৩১.ইমা -হুমায়ুন আহমেদ
৩২. মিশর -রয় জ্যাকসন
৩৩. সূর্যতামসী -কৌশিক মজুমদার
৩৪. নীবারসপ্তক-কৌশিক মজুমদার
৩৫. কাশি কবিরাজের গল্প -বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৬. মুখোমুখি - হায়দার রিজভী
৩৭. সত্যজিৎ চর্চা -চট্টগ্রাম সাহিত্য চর্চা কেন্দ্রের মুখপাত্র
৩৮.জাপান - অন্তিক মাহমুদ
৩৯. হীরে মানিক জ্বলে -বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪০. ফেমিনিস্ট ঈমান ভঙ্গের দশ কারণ -শাইখ আব্দুল্লাহ আল মামুন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186838/</link>
				<pubDate>Sat, 31 Dec 2022 08:28:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সত্যি বলতে  ২০২২ সালটা একদম রোলার কোস্টারের মতো গেছে ,এই রোলার কোস্টারের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে বিগত<br />
চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বই পড়া হয়েছে এবার ,কিন্তু ২০২৩ এ বই পড়ার একটা রেকর্ড অবশ্যই থাকবে ইনশাল্লাহ<br />
২০২২-<br />
১. অলাতচক্র-তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
২. বাদশাই নামদার -হুমায়ূন আহমেদ<br />
৩. রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি -মোহাম্মদ নাজিম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186838"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186838/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c5701f73527dfbcf654a1cf736bd299f</guid>
				<title>জব উৎসব ২০২২ এর অভিজ্ঞতা,

জব উৎসবে প্রোগ্রামে দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি আমি এক দুটো কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম । তার মধ্যে থাকা একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ বোর্ড শেয়ার করা যাক আপনাদের সাথে।

কোম্পানিটি ছিল দেশের নামকরা একটি সফটওয়্যার ও ডাটা রিলেটেড কোম্পানি (কোম্পানির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক &#x1f636;) ।ভাইবা বোর্ডে বসেই সামনে থাকা এইচআর আমাকে জিজ্ঞাসা করল আপনার কাছে কলম আছে?

বললাম সরি স্যার নেই।

ভদ্রলোক আমার হাতে একটি কলম ধরিয়ে দিল আর বলল সেল মি দা পেন ।

ভদ্রলোকের কথা শুনে আমি একটু মুচকি হাসি দিয়ে উনাকে বললাম এই কাগজে আপনার নাম লিখুন।

ভদ্রলোক আমার কথা থামিয়ে বলল , এটা কি আপনি ‘The wolf of Wall Street ‘ এর টেকনিক অ্যাপ্লাই করছেন?

বললাম জি স্যার।

ভদ্রলোক বললো, আরেকটু চেষ্টা করুন।

সাথে সাথে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করার ভঙ্গিতে বললাম স্যার কলমটা আমি নিজেই কিনে নিচ্ছি , কলমটা নিজের কাছে নিজেই বিক্রি করলাম।

ভদ্রলোক এবার একটু গম্ভীর হয়ে বললেন, এটা কি আপনি ‘Baazar ‘মুভি থেকে বলছেন ।

একটু অবাক হয়ে সাহস নিয়ে বললাম জি স্যার, কিন্তু আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না আমি অ্যাপ্লিকেশন করেছি বিজনেস এনালাইটিক্স হিসেবে এখানে মার্কেটিং সেলিং এর কি কাজ।

ভদ্রলোক এবার হালকা মুচকি হাসি দিয়ে বললেন,

বাবা এটা বাংলাদেশ। এখানে বিজনেস এনলাইটিকস এর কাজ করতে হলে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট শিখতে হবে ।

(এই কনভারসেশন শেষেই ভদ্রলোক আমাকে পাইথন আর জুপিটারের বেশ কিছু টুলস নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, যেগুলো আসলেই অসাধারণ ছিল)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/184818/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Dec 2022 06:06:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জব উৎসব ২০২২ এর অভিজ্ঞতা,</p>
<p>জব উৎসবে প্রোগ্রামে দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি আমি এক দুটো কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম । তার মধ্যে থাকা একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ বোর্ড শেয়ার করা যাক আপনাদের সাথে।</p>
<p>কোম্পানিটি ছিল দেশের নামকরা একটি সফটওয়্যার ও ডাটা রিলেটেড কোম্পানি (কোম্পানির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক &#x1f636;) ।ভাইবা বোর্ডে বসেই সামনে থাকা এই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-184818"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/184818/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ef27c03c46f6e8224d5d81e87eb8494</guid>
				<title>বার: রোজ শুক্রবার 
আমার দেয়াল ঘড়িতে সময় হয়েছে,রাত ১২ টা ৫ মিনিট।
এই সময় আমার বয়সী হয়ত অনেকেই হয়ত মগ্ন হয়ে ফেইসবুক স্ক্রলে আছে, কেউ কেউ ল্যাপটপ নিয়ে বিভোর হয়ে টেবিলে বসে আছে, কেউ ব্যস্ত আছে কোডিং অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে । আমি জানিনা আজকের এই রাতটা কেন আমার কাছে এত স্পেশাল মনে হচ্ছে। ঢাকার রাতে পড়া হালকা ঠান্ডায় গায়ে কম্বল মুড়িয়ে আমি যখন বই পড়ছি তখন মাথার মধ্যে শুধু আসছে, আমার বয়সী যারা আজকের এই  রাতে  এই ওয়েদারে একটি বই পড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা আসলেই পৃথিবী থেকে মহামূল্যবান একটা জিনিস চিরতরের জন্য হারিয়ে ফেলছে। জানিনা কেন আমার কাছে খুব বেশি মনে হয় বই না পড়া মানুষ কোন না কোন দিক থেকে অবশ্যই আনস্মার্ট হয়। অবশ্য এটা আমার একদম ব্যক্তিগত অপিনিয়ন। কিন্তু কথা হচ্ছে বই না পড়ে আমরা যে জিনিসটা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি সেটা বুঝতে হলে একমাত্র উপায় আমাদের বই পড়া।
আজকের রাতটা স্পেশাল হওয়ার আরেকটা কারণ হতে পারে এই স্পেশাল বইটি।জীবনের এই ২৩টি বছরে ফেলুদার প্রত্যেকটি বই, সিনেমা, ডকুমেন্টারি পড়ে দেখে গিলে ফেলেছি আমি কিন্তু ফেলুদার বংশের উপর কখনো কোনদিন কোন কিছু পড়া হয়নি আজকের এই বইটি পড়ে কেন জানি মনে হচ্ছে কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে রজনী সেনের অলিতে কলিতে হেঁটে বেড়াচ্ছি আমি। ক্ষুধার্ত চোখে খুঁজছি একটি দোতলা বাড়ি, যেই বাড়িতে মগজ ধ্যানে ব্যস্ত আছেন একজন মানুষ। 
নাহ, আর লিখতে ভালো লাগছে না। অসাধারণ এই মুডে নোটবুকে বেশিক্ষণ থাকতে ইচ্ছে করছে না।  আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার কে নিয়ে  ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই বিশাল এক আর্টিকেল দেখতে পারবেন সবাই।
ফেলুদা &#x1f90d;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/183583/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Dec 2022 18:38:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বার: রোজ শুক্রবার<br />
আমার দেয়াল ঘড়িতে সময় হয়েছে,রাত ১২ টা ৫ মিনিট।<br />
এই সময় আমার বয়সী হয়ত অনেকেই হয়ত মগ্ন হয়ে ফেইসবুক স্ক্রলে আছে, কেউ কেউ ল্যাপটপ নিয়ে বিভোর হয়ে টেবিলে বসে আছে, কেউ ব্যস্ত আছে কোডিং অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে । আমি জানিনা আজকের এই রাতটা কেন আমার কাছে এত স্পেশাল মনে হচ্ছে। ঢাকার রাতে পড়া হালকা ঠান্ডায় গায়ে কম্বল মুড়িয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-183583"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/183583/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2bc9dc46bdd3c394cc1384955341c89</guid>
				<title>আজকে শেষ হলো ড্যাফোডিল জব উৎসব। টানা তিন দিন ধরে ২৫০+ কোম্পানির আনাগোনায় মুখরিত ছিল ক্যাম্পাস। আমার দায়িত্ব ছিল ইন্টারভিউ বোর্ড। সব মিলিয়ে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত থাকতাম বড় বড় সব কোম্পানিদের সাথে । এই কোম্পানিদের সাথে থেকে অনেক ধরেন নতুন নতুন আইডিইয়া এসেছে মাথায়।আবার অনেক সিভি নিয়ে কাজ করতে করতে সিভির ব্যাপারে অনেক খুঁটিনাটি ব্যাপারে এই প্রথম বুঝতে পেরেছি। যাই হোক জব উৎসব থেকে পাওয়া আমার সব অভিজ্ঞতা এক এক করে শেয়ার করব ভাবছি আপনাদের সাথে। সত্যি বলতে কর্পোরেট নিয়ে মনের মধ্যে যেসব জল্পনা-কল্পনা কাজ করতো তার বেশিরভাগ কেটেছে এবার বড় বড় কোম্পানিদের সাথে কথা বলে ও মিশে। আমার মনে হয় সবারই এই অভিজ্ঞতাগুলো অনেক বেশি দরকার &#x1f5a4;&#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181776/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Dec 2022 03:36:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজকে শেষ হলো ড্যাফোডিল জব উৎসব। টানা তিন দিন ধরে ২৫০+ কোম্পানির আনাগোনায় মুখরিত ছিল ক্যাম্পাস। আমার দায়িত্ব ছিল ইন্টারভিউ বোর্ড। সব মিলিয়ে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত থাকতাম বড় বড় সব কোম্পানিদের সাথে । এই কোম্পানিদের সাথে থেকে অনেক ধরেন নতুন নতুন আইডিইয়া এসেছে মাথায়।আবার অনেক সিভি নিয়ে কাজ করতে করতে সিভির ব্যাপারে অনেক খু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-181776"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/181776/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f27d89dfe0bb0e52200372763e55b39</guid>
				<title>ডাটা সাইন্স মেজর নেওয়ার পর থেকেই খুব বেশি আগ্রহ পেয়ে গিয়েছিলাম এই টপিকটার উপরে। একাডেমিক পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রিসার্চ পেপার, আর্টিকেল, ব্লগ নিয়ে ঘাটতে ঘাটতে বুঝলাম এই সাবজেক্টের পরিসীমা আমার আপনার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি। এরপর বিভিন্ন ছোট ছোট কোর্স করা আরম্ভ করলাম এই সাবজেক্টকে আরো ভালোভাবে বুঝার জন্য। এখনো হয়তো আমি ডাটা সাইন্সের ১০ ভাগও আয়ত্ত করতে পারিনি কিন্তু বেশ কিছু আইডিয়া নিয়ে অলরেডি কাজ করা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি ছিল &quot;Garbage Management System With Machine Learning&quot;. গতকাল ৩য় ডাটা সাইন্স সামিট এর আইডিয়া কম্পিটিশনে 
আমাদের এই আইডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন অনারেবল পুরস্কার পায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/179947/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Nov 2022 11:57:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ডাটা সাইন্স মেজর নেওয়ার পর থেকেই খুব বেশি আগ্রহ পেয়ে গিয়েছিলাম এই টপিকটার উপরে। একাডেমিক পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রিসার্চ পেপার, আর্টিকেল, ব্লগ নিয়ে ঘাটতে ঘাটতে বুঝলাম এই সাবজেক্টের পরিসীমা আমার আপনার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি। এরপর বিভিন্ন ছোট ছোট কোর্স করা আরম্ভ করলাম এই সাবজেক্টকে আরো ভালোভাবে বুঝার জন্য। এখনো হয়তো আমি ডাটা সাইন্সের ১০ ভাগও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-179947"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/179947/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b1a351a573f4ab8251d853b5ade74b34</guid>
				<title>আগের বইয়ের আলাপ করেছিলাম,”সফটওয়্যার ইজ ইটিং দা ওয়ার্ল্ড” সেখানে এই সফটওয়্যার কে খেয়ে ফেলবে কে?

-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (রকিবুল হাসান)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/176443/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Nov 2022 05:35:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আগের বইয়ের আলাপ করেছিলাম,”সফটওয়্যার ইজ ইটিং দা ওয়ার্ল্ড” সেখানে এই সফটওয়্যার কে খেয়ে ফেলবে কে?</p>
<p>-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (রকিবুল হাসান)</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b087434e881f456a2e377c979aa107a</guid>
				<title>একটা সময় আমি চিন্তা করতাম হার্ডকভার বই ছাড়া বই পড়া একদম অসম্ভব। এরপর আসলো পেপার কভার এর যুগ । তারপর পিডিএফ আর সর্বশেষ অডিও বুক। সত্যি কথা বলতে মাস ছয়েক আগেও মানুষজন বই পড়া ছেড়ে কানে হেডফোন গুজিয়ে অডিও বুক শুনবে এটা ভাবতেও আমার কেমন যেন খটকা লাগতো। আস্তে আস্তে নিজেই যখন এই টেকনোলজির সাথে আয়ত্ত হতে থাকলাম তখন ধীরে ধীরে বুঝতে পারছিলাম এই অডিও বুকেই আধুনিক পাঠকদের মধ্যে এক রেভুলেশন পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
তবে আমার মত আপনারা যারা এই অডিও বুককে নতুন টেকনোলজি হিসেবে ভাবছেন তাদেরকে স্মরণ করানো যাক,অডিও বুক প্রথম বের হয়েছিল ১৯৩২ সালে। তখন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বই রেকর্ডিং করতে শুরু করেছিল দ্য আমেরিকান ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থা।সে সময় অবশ্য এর নাম ছিল &#039;টকিং বুক&#039;। পরে ১৯৭০-এর দশকে অডিও ক্যাসেট আবিষ্কৃত হলে টকিং বুকের নাম হয় অডিওবুক। অডিও বুকের প্রভাব পাঠকদের মনে বর্তমানে কতটা স্থায়ী হচ্ছে সেটা জানার জন্য আসুন একটু ডাটার হিসেবে আসা যাক।
২০১০ সালের পর থেকে প্রতিবছরই অভিও বুকের গ্রাহক বেড়েছে।২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে অডিও বুকের বিক্রি ১৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল। ওই বছর অডিও বুক প্রকাশিত হয়েছিল ৫১ হাজার।সর্বশেষ গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫৯ মিলিয়ন অডিও বুক ডাউনলোড হয়েছে, যা আগের বছরের তুলায় ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ।২০২১ সালে অডিও বুক থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০২০ সালে যা ছিল ১০ দশমিক ৪ শতাংশ।পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরাত দিয়ে এ বছরের শুরুতে নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে
অডিও বুক থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১২ শতাংশ।করোনা মহামারি শুরুর আগে থেকেই অডিও বুলের বেচাবিক্রির ঊর্ধ্বগতি ছিল। করোনার সময় তা আরও ফুলেফেঁপে উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৭ সাল নাগাদ অডিও বুকের বাজার ১৯ বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হবে। (ডাটা রেফারেন্স: প্রথম আলো)
সত্যি বলতে, অডিও বুক থেকে রাজস্ব আয় হবে এই চিন্তা কোনদিন কখনোই আমার মাথার মধ্যে আসেনি কিন্তু এই জিনিস আসলেই হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশেও খুব বড় আকারে এই অডিও বুকের বিপ্লব ঘটবে এটা বোঝাই যাচ্ছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173691/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Nov 2022 04:56:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটা সময় আমি চিন্তা করতাম হার্ডকভার বই ছাড়া বই পড়া একদম অসম্ভব। এরপর আসলো পেপার কভার এর যুগ । তারপর পিডিএফ আর সর্বশেষ অডিও বুক। সত্যি কথা বলতে মাস ছয়েক আগেও মানুষজন বই পড়া ছেড়ে কানে হেডফোন গুজিয়ে অডিও বুক শুনবে এটা ভাবতেও আমার কেমন যেন খটকা লাগতো। আস্তে আস্তে নিজেই যখন এই টেকনোলজির সাথে আয়ত্ত হতে থাকলাম তখন ধীরে ধীরে বুঝতে পারছিলাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173691"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173691/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d9588ea3f263458a1830f64534c750c8</guid>
				<title>আমি প্রথম যখন ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ব্যাপারে শুনেছিলাম তখন আমার কাছে ব্যাপারটা কেমন যেন প্রাইভেসি ফ্যাক্ট টাইপের লাগছিল। মনে হচ্ছিল এটা খুব অস্বাভাবিক  কোন রোগ , হয়ত তখন ছোট ছিলাম তাই এই ক্যান্সারের ভয়াবহতা সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না। বড় হবার সাথে সাথে যখন এই রোগের ভয়াবহতার ব্যাপারগুলো সম্পর্কে অবগত হচ্ছিলাম তখন বুঝতে পারছিলাম কতটা মারাত্মক ধরনের রোগ এটি।
এবার একটু ডাটার হিসেবে আসা যাক । বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৫ হাজার মানুষ ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে।পুরো পৃথিবীর হিসাব মতে প্রতি ১০ মিনিটেই একজন নারী আক্রান্ত হচ্ছে এই ক্যান্সারে। একটু স্বাভাবিকভাবে যদি চিন্তা করা যায় যে সময়টায় আমি আপনি একটি বার্গার খাচ্ছি ঠিক সেই সময় একজন করে নারী এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাচ্ছে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এই রোগ নিয়ে কথা বলতে আমরা সবাই লজ্জা পাই। সামনের মানুষকে এই রোগের কথা শুনে কি প্রতিক্রিয়া দেবে এটাও ভাবতে হয় আমাদের দেশে। যার কারণে সঠিক সময়ে সঠিকভাবে রোগের উপর সচেতন না হওয়ার কারণে এই রোগ আরো ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে যাচ্ছে।
ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো হচ্ছে:
•স্তনে পিণ্ড বা পুরু হয়ে যাওয়া
•বোঁটা থেকে রক্ত পড়া
•চামড়া লালচে হওয়া
•স্তনের আকার পরিবর্তন হওয়া
•বোঁটা কুঁচকে যাওয়া 
ক্যান্সারের লক্ষণ গুলোর দিকে নজর দেওয়ার আগে আমাদের সবার উচিত সবার আগে এই রোগ প্রতিরোধের ব্যাপারগুলোতে সচেতন হওয়া। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনে ৮০ শতাংশ এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। গবেষকদের মতে ,৩০ শতাংশ ক্যান্সারের জন্য দায়ী খাদ্যাভ্যাস। 
এই ক্যান্সার প্রতিরোধে:
•প্রথম সন্তান ৩০ বছরের আগেই নেওয়া ভালো। 
•পরিমিত আহার ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন  ঠিক রাখুন। 
•তামাক, গুল, মদ্যপান ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।
•অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাদ্য, ফার্স্ট ফুড কমখেতে হবে।
•পর্যাপ্ত ফলমুল ও শাকসবজি খেতে হবে।
•শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।
বর্তমানে দেশে যেভাবে ব্রেস্ট ক্যান্সারে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে তার জন্য সবার উচিত আগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।
কাদের ঝুঁকি বেশি :
•পঁয়ত্রিশের বেশি বয়সীরা।
• অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক ব্যায়াম না করা ।
• মদ্যপান করা।
 • অল্প বয়সে মাসিক শুরুও দেরি করে অবসান। 
•বেশি বয়সে সন্তান ধারণ বা সন্তানহীনতা।
•বংশগত কারণ (মা-খালাদের ইতিহাস)।
•মেনোপজের পর হরমোন থেরাপি, রেডিয়েশন। 
দিনের পর দিন যেভাবে আমাদের মা বোনেরা এই ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে সেটাও দেখে শুনে হলেও আমাদের সকলকে উচিত এই ব্যাপারে এই মুহূর্ত থেকেই সচেতন হবার &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/171526/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Nov 2022 10:55:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি প্রথম যখন ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ব্যাপারে শুনেছিলাম তখন আমার কাছে ব্যাপারটা কেমন যেন প্রাইভেসি ফ্যাক্ট টাইপের লাগছিল। মনে হচ্ছিল এটা খুব অস্বাভাবিক  কোন রোগ , হয়ত তখন ছোট ছিলাম তাই এই ক্যান্সারের ভয়াবহতা সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না। বড় হবার সাথে সাথে যখন এই রোগের ভয়াবহতার ব্যাপারগুলো সম্পর্কে অবগত হচ্ছিলাম তখন বুঝত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-171526"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/171526/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d4adb6787a9e71ca62cb3341d26447cc</guid>
				<title>বই পড়ার উপকারিতা এই ব্যাপারে চিন্তা করতে করতে হঠাৎ মাথায় আসলো আমার কাছে বই পড়ার উপকারিতার চেয়ে বই না পড়ার অপকারিতা পয়েন্টই বেশি । এই পয়েন্টগুলো বর্ণনা করতে করতে হয়তো আমার ২ ঘন্টার একটি বড় কন্টেন্ট লিখতে হতে পারে কিন্তু সেই সময়টা আমার মনে হয় কোনো একটা বই পড়াতেই দেওয়া ভালো কারন বইয়ের প্রতি যদি আপনার যদি বিন্দুমাত্র ইন্টারেস্ট না থাকে তাহলে আমি বইয়ের না পড়ার অপকারিতা নিয়ে যত বড় কনটেন্টই লিখি না কেন আপনার সেটা পড়বেন না।
একটা জিনিস অবশ্যই লিখতে হচ্ছে আর সেটা হলো আমরা যারা বই পড়িনা তারা এই ছোট পৃথিবীর অমূল্য এক আনন্দ হতে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই ছোট পৃথিবীতে যদি আপনি যদি  শার্লক হোমসের একটি ডিটেকটিভ না পড়েন, বিভূতিভূষণের একটি উপন্যাস না পড়েন, সত্যজিতের থ্রিলার ছোটগল্প না পড়েন তাহলে এই আনন্দ এই সুখ থেকে আপনি নিজেই নিজেকে বঞ্চিত করে রাখছেন।
সবার সবার মাঝে বইকে আরো ভালোভাবে তুলে ধরতে এবং সবাইকে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করতে প্রায় ২.৫ বছর আগে একটি বুক রিভিউ চ্যানেল খুলি, যেখানে আপনাদের পছন্দমত বিভিন্ন বইয়ের শর্ট বুক রিভিউ নিয়ে কাজ করছি। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হচ্ছে আমার এই চ্যানেল খোলার পর থেকেই আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া সাপোর্ট আসলেই অনেক বেশি পজিটিভ। আমার বুকের বুক ভিডিও দেখে বই কিনেছেন এমন মানুষের সংখ্যা এখন পর্যন্ত অগণিত। সবার এরকম সাপোর্ট যদি আমি সব সময় পেতে থাকি তাহলে সামনের দিনগুলোতে আরো ভালো কিছু থাকবে আপনাদের জন্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/167684/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Oct 2022 05:44:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বই পড়ার উপকারিতা এই ব্যাপারে চিন্তা করতে করতে হঠাৎ মাথায় আসলো আমার কাছে বই পড়ার উপকারিতার চেয়ে বই না পড়ার অপকারিতা পয়েন্টই বেশি । এই পয়েন্টগুলো বর্ণনা করতে করতে হয়তো আমার ২ ঘন্টার একটি বড় কন্টেন্ট লিখতে হতে পারে কিন্তু সেই সময়টা আমার মনে হয় কোনো একটা বই পড়াতেই দেওয়া ভালো কারন বইয়ের প্রতি যদি আপনার যদি বিন্দুমাত্র ইন্টারেস্ট না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-167684"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/167684/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d0d1d22c97db3b398ee3ff74af686c3</guid>
				<title>ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পরিকল্পনা যেই দিন থেকে শুরু হয় সেদিন থেকে আশ্চর্য এক ধরনের ম্যাজিক্যাল ফিলিংস কাজ করা শুরু করে মনের মধ্যে। ট্রেনের টিকিট কাটা থেকে ট্রেনে পা দেওয়া পর্যন্ত চরম উত্তেজনা কাজ করতে থাকে সারা শরীরের মধ্যে। ট্রেনে উঠেই যখন পান সুপারির গন্ধে পুরো এসি কামরা রমরম করতে থাকে তখনই বুঝতে পারি ঠিক গন্তব্যতেই  যাচ্ছি আমি। উত্তরবঙ্গের মানুষগুলোর মধ্যে যে চরম লেভেলের আন্তরিকতা সেটা হয়তো একজন মানুষ উত্তরবঙ্গগামি কোনো ট্রেনে উঠলেই সবচেয়ে ভালো উপলব্ধি করতে পারবে। এই যেমন ধরুন আপনি অপরিচিত একটি লোকের সাথে ট্রেনে উঠেছেন লোকটি যে শুধু আপনাকে আপনার বাসা ঠিকানা জিজ্ঞেস করবে সেটা নয় পাশাপাশি লোকটি আপনাকে তার খাবার, ট্রেনের ভিতরে ঝাল মুড়ি, কফি এগুলোও অফার করা খুব একটা অস্বাভাবিকের কিছু না। ট্রেনগুলোতে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, ধরুন একদম অচেনা একজন মানুষের সাথে আপনি বসলেন হঠাৎ করে আপনাদের মধ্যে কথোপকথন শুরু হলো। এক পর্যায়ে আপনি জানতে পারলেন পাশে বসে থাকা ভদ্রলোক কোন না কোনভাবে আপনার দাদা বাড়ি কিংবা গ্রামের নানা বাড়ির আত্মীয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/161717/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Oct 2022 04:31:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পরিকল্পনা যেই দিন থেকে শুরু হয় সেদিন থেকে আশ্চর্য এক ধরনের ম্যাজিক্যাল ফিলিংস কাজ করা শুরু করে মনের মধ্যে। ট্রেনের টিকিট কাটা থেকে ট্রেনে পা দেওয়া পর্যন্ত চরম উত্তেজনা কাজ করতে থাকে সারা শরীরের মধ্যে। ট্রেনে উঠেই যখন পান সুপারির গন্ধে পুরো এসি কামরা রমরম করতে থাকে তখনই বুঝতে পারি ঠিক গন্তব্যতেই  যাচ্ছি আমি। উত্তরবঙ্গের মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-161717"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/161717/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7efeb7149925bd7a47d3a905e75deb6a</guid>
				<title>১১ বছর আগে শব্দ শৈলী প্রকাশনীর একটি বই বাজারে আসে। খুব সম্ভবত তখন আমি ক্লাস ৯-১০ এর ছাত্র। একদিন দুপুরবেলা খুব উৎসাহ নিয়ে চলে গেলাম টাউনহলের রংপুর বইমেলায়। একটি স্টলের কিছু বই ঘাটাঘাটি করতেই অসংখ্য বইয়ের মাঝে চোখে পড়ল এই বইটি। বইয়ের নাম &#039;নিজেই করো গোয়েন্দাগিরি&#039;।
ততদিননে আমার শার্লক হোমস ,ফেলুদা, কাকাবাবু পড়ে খেয়ে একদম গিলা হয়ে গেছে। তাই গোয়েন্দা শব্দটি চোখে পড়তেই চোখ বড় হয়ে গেল আমার। সঙ্গে সঙ্গেই একটু নেড়েচেড়ে কিনে ফেললাম বইটি। বাসায় এসে হুরমুড়  করে বইটি নাড়তেই বুঝে ফেললাম এক রাতে বইটি শেষ কর অসম্ভব কারণ বইটির প্রতি পাতায় পাতায় আছে কিছু রহস্যময় গল্প। যেগুলো সমাধান করতে হবে আমাকে নিজেই। কিছু গল্প খুনের, কিছু রহস্যময় সংকেতের, কিছু অস্বাভাবিক মৃত্যুর এভাবে সাজানো গল্পগুলি। প্রত্যেকটি গল্পের শেষে রহস্যের খোঁজ করতে হবে আমার নিজেকেই কারণ প্রত্যেকটি গল্পই রয়েছে অসমাপ্ত ভাবে। পুরো গল্প ভালোভাবে পড়ে বের করতে হবে কে আসল খুনি বা কে আসল অপরাধী।  বইয়ের শেষ পাতায় যুক্ত করা আছে সব রহস্যের সমাধানের উত্তর তবে নিজের মাথা না খাটিয়ে কেউ যদি সরাসরি উত্তর দেখার চেষ্টা করে তাহলে এটা হবে সবচেয়ে বড় বোকামো কারণ বইটির নাম &#039;নিজেই করো গোয়েন্দাগিরি&#039;।
এই যে এত অহরহ বইয়ে রিভিউ দেখি এর মাঝে এত অসাধারণ বইটির রিভিউ কেন চোখে পড়ে না , সেটা ভেবে অবাক লাগে মাঝে মাঝে।
ধন্যবাদ বইয়ের লেখক আর শব্দশৈলী প্রকাশনীকে আজ থেকে ১১ বছর আগেও আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি বই উপস্থাপন করার জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150797/</link>
				<pubDate>Sat, 24 Sep 2022 13:09:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>১১ বছর আগে শব্দ শৈলী প্রকাশনীর একটি বই বাজারে আসে। খুব সম্ভবত তখন আমি ক্লাস ৯-১০ এর ছাত্র। একদিন দুপুরবেলা খুব উৎসাহ নিয়ে চলে গেলাম টাউনহলের রংপুর বইমেলায়। একটি স্টলের কিছু বই ঘাটাঘাটি করতেই অসংখ্য বইয়ের মাঝে চোখে পড়ল এই বইটি। বইয়ের নাম &#8216;নিজেই করো গোয়েন্দাগিরি&#8217;।<br />
ততদিননে আমার শার্লক হোমস ,ফেলুদা, কাকাবাবু পড়ে খেয়ে একদম গিলা হয়ে গেছে। ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-150797"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/150797/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">784f53e96e705cc9edebf8141ffe4310</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149185/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 07:21:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ca15b16831a828f9d2737c9ae5e895f5</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149184/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 07:20:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0108c7ef228999d6d1aaceb937e9db49</guid>
				<title>&#039;শিলিগুড়ি বেঙ্গল সাফারি &#039;
এই জায়গায় একটি জিনিস আমার এত ভালো লেগেছে যে শেয়ার না করে পারলাম না, পাহাড়ের উপর বানানো বেঙ্গল সাফারির গেটে ঢোকার সময় আমাদেরকে জিজ্ঞেস করল ,&quot;আপনাদের কাছে প্লাস্টিকের কিছু আছে ?&quot;
বললাম-&quot;চিপস আর বিস্কুট আছে&quot;
এরপর  বলল -&quot;আপনারা কি এগুলো এখানেই খাবেন!&quot;
বললাম-হ্যাঁ 
সঙ্গে সঙ্গে বিস্কুট এবং চিপসের প্যাকেট খুলে 
ওদের কাছে থাকা কাগজের ব্যাগ এর মধ্যে আলাদা আলাদা করে চিপস বিস্কুট ঢেলে প্যাকেট করে দিল। আমাদেরকে বলল ভিতরে শুধু প্লাস্টিকের জিনিস নেওয়া বারণ নয় বরং প্লাস্টিকের কিছুতে কোন কিছু খাওয়াও নিষেধ ।
শিলিগুড়ি সরকারের এরকম কিছু উদ্যোগের কারণে বেঙ্গল সাফারির ভিতরে আমরা একটা ফোটা ময়লা আবিষ্কার করতে পারিনি । কোন পরিবেশ দূষণ নয়, শব্দ দূষণ নয় আশেপাশে শুধু ময়ূর, বানর, হরিণের শব্দে মহরীত এক পরিবেশ &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149183/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 07:18:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8216;শিলিগুড়ি বেঙ্গল সাফারি &#8216;<br />
এই জায়গায় একটি জিনিস আমার এত ভালো লেগেছে যে শেয়ার না করে পারলাম না, পাহাড়ের উপর বানানো বেঙ্গল সাফারির গেটে ঢোকার সময় আমাদেরকে জিজ্ঞেস করল ,&#8221;আপনাদের কাছে প্লাস্টিকের কিছু আছে ?&#8221;<br />
বললাম-&#8220;চিপস আর বিস্কুট আছে&#8221;<br />
এরপর  বলল -&#8220;আপনারা কি এগুলো এখানেই খাবেন!&#8221;<br />
বললাম-হ্যাঁ<br />
সঙ্গে সঙ্গে বিস্কুট এবং চিপসের প্যাকেট খুলে<br />
ওদে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-149183"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/149183/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ce100f25c31c972699a2d3137dd8841</guid>
				<title>&#039;শিলিগুড়ি বেঙ্গল সাফারি &#039;
এই জায়গায় একটি জিনিস আমার এত ভালো লেগেছে যে শেয়ার না করে পারলাম না, পাহাড়ের উপর বানানো বেঙ্গল সাফারির গেটে ঢোকার সময় আমাদেরকে জিজ্ঞেস করল ,&quot;আপনাদের কাছে প্লাস্টিকের কিছু আছে ?&quot;
বললাম-&quot;চিপস আর বিস্কুট আছে&quot;
এরপর  বলল -&quot;আপনারা কি এগুলো এখানেই খাবেন!&quot;
বললাম-হ্যাঁ 
সঙ্গে সঙ্গে বিস্কুট এবং চিপসের প্যাকেট খুলে 
ওদের কাছে থাকা কাগজের ব্যাগ এর মধ্যে আলাদা আলাদা করে চিপস বিস্কুট ঢেলে প্যাকেট করে দিল। আমাদেরকে বলল ভিতরে শুধু প্লাস্টিকের জিনিস নেওয়া বারণ নয় বরং প্লাস্টিকের কিছুতে কোন কিছু খাওয়াও নিষেধ ।
শিলিগুড়ি সরকারের এরকম কিছু উদ্যোগের কারণে বেঙ্গল সাফারির ভিতরে আমরা একটা ফোটা ময়লা আবিষ্কার করতে পারিনি । কোন পরিবেশ দূষণ নয়, শব্দ দূষণ নয় আশেপাশে শুধু ময়ূর, বানর, হরিণের শব্দে মহরীত এক পরিবেশ &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149182/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 07:17:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8216;শিলিগুড়ি বেঙ্গল সাফারি &#8216;<br />
এই জায়গায় একটি জিনিস আমার এত ভালো লেগেছে যে শেয়ার না করে পারলাম না, পাহাড়ের উপর বানানো বেঙ্গল সাফারির গেটে ঢোকার সময় আমাদেরকে জিজ্ঞেস করল ,&#8221;আপনাদের কাছে প্লাস্টিকের কিছু আছে ?&#8221;<br />
বললাম-&#8220;চিপস আর বিস্কুট আছে&#8221;<br />
এরপর  বলল -&#8220;আপনারা কি এগুলো এখানেই খাবেন!&#8221;<br />
বললাম-হ্যাঁ<br />
সঙ্গে সঙ্গে বিস্কুট এবং চিপসের প্যাকেট খুলে<br />
ওদে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-149182"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/149182/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e308c13d86513ece758cef36c594d800</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and Sam E Jahan Upoma are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148175/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Sep 2022 09:37:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ff97039638337bcd4f9c9b88cdbf8a3</guid>
				<title>শ্রী লেদারের এক জোড়া সেন্ডেল পায়ে দিয়ে হাটা ধরেছি কলেজ স্ট্রীটে।এই গলি থেকে ঐ গলি ,এই পাবলিশার্স থেকে ঐ পাবলিশার্স দেখে যাচ্ছি
ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে।মাঝের এক ঘণ্টায় ব্রেক নিয়েছি কফি হাউজে, সেখানে গরম গরম মাটন কাটলেট আর কফির সাথে লাঞ্চ সাড়া হয়ে গিয়েছে।তারপর শুরু হল নতুন পুরাতন বইয়ের দোকানে ঢু মারা।হেঁটে হেঁটে অর্জিনাল কিছু বইয়ের পৃষ্ঠা পাল্টানোর আনন্দ শুধুমাত্র একজন বই পড়ুয়াই হয়ত বুঝতে পারবে । অজস্র বই, ঝকঝকে নোট বুক আর পুরাতন ম্যাগাজিনের মধ্যে থাকা এক ধরনের অন্যরকম ফিলিংস কাজ করছে চারিদিকে।
আজকের এই দিন হয়ে থাকুক চিরন্তন বইময় &#x1f90d;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/146251/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Sep 2022 13:04:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শ্রী লেদারের এক জোড়া সেন্ডেল পায়ে দিয়ে হাটা ধরেছি কলেজ স্ট্রীটে।এই গলি থেকে ঐ গলি ,এই পাবলিশার্স থেকে ঐ পাবলিশার্স দেখে যাচ্ছি<br />
ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে।মাঝের এক ঘণ্টায় ব্রেক নিয়েছি কফি হাউজে, সেখানে গরম গরম মাটন কাটলেট আর কফির সাথে লাঞ্চ সাড়া হয়ে গিয়েছে।তারপর শুরু হল নতুন পুরাতন বইয়ের দোকানে ঢু মারা।হেঁটে হেঁটে অর্জিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-146251"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/146251/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">997744838f49e5aa27afd9124b24d9b0</guid>
				<title>&quot;বেচাকেনা কমি গেইচে। সবকিছুর দাম বাড়ি গেইচে। আগে যা বেচাকেনা হইচে, এলা তার অর্ধেক হয়। সিগারেট ছাড়া কোনো কিছুই আগের মতো বেচি হয় না। চাকরির শুরুতে যেমন যারা ১০টা ডিম আগে কিনত, তারা ৪টা ডিম কেনে। মানুষ চাউলও কম কেনে। বেচি না হইলে হামরা বাঁচি কেমন করি?&quot;গত ১৪ আগস্ট রংপুরের পার্ক মোড় এলাকায় এক  মুদিদোকানি কথাগুলো বলছিলেন।
প্রথম আলোর এই কলামটি পড়ে মাথা একটি ভাবনা আসলো। আচ্ছা আমরা যে জিনিসপত্রের দাম বাড়লে সরাসরি ব্যবসায়ীদের দোষ দেই এই ধারণা কি আমাদের মধ্যে ঠিক? আরেকটু খোলাখুলি ভাবে  আলোচনা করা যাক যেমন ধরেন অফসেট পেপারের দাম বাড়ছে তাই ফটোকপির দাম বেড়ে গেছে , কিন্তু ফটোকপি দোকানদার যদি এখন প্রতি কপিতে ১ টাকা করে বাড়ায় তাহলে আমরা কোনদিন সেটা মেনে নিতে পারব না তাই খেয়াল করে দেখবেন কাগজের দাম বাড়ার পরেও
অনেক ফটোকপি ব্যবসায়ী ফটোকপির দাম নির্দিষ্ট রেখেছে। ব্যাপারটা এমন নয় যে, ব্যবসায়ীরা খুব সাধু হয়। এদের মধ্যেও প্রচুর অসাধু রয়েছে যাদের কারণে হয়তো বাজার উঠা নামা করছে কিন্তু আসল কথা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের হাতের মুঠোয় সবকিছু থাকেনা, জিনিসপত্রের দাম বাড়লে ব্যবসায়ীরাও জিনিসপত্রের দাম বাড়াবে এই চিরন্তন সত্য আমাদের মেনে নেওয়া শিখতে হবে &#x1f5a4;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/145814/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Sep 2022 16:48:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;বেচাকেনা কমি গেইচে। সবকিছুর দাম বাড়ি গেইচে। আগে যা বেচাকেনা হইচে, এলা তার অর্ধেক হয়। সিগারেট ছাড়া কোনো কিছুই আগের মতো বেচি হয় না। চাকরির শুরুতে যেমন যারা ১০টা ডিম আগে কিনত, তারা ৪টা ডিম কেনে। মানুষ চাউলও কম কেনে। বেচি না হইলে হামরা বাঁচি কেমন করি?&#8221;গত ১৪ আগস্ট রংপুরের পার্ক মোড় এলাকায় এক  মুদিদোকানি কথাগুলো বলছিলেন।<br />
প্রথম আলোর এই কলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-145814"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/145814/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">160d4c5ad1dbbe37d0bd9b619340adce</guid>
				<title>( বড় বড় কোম্পানিগুলোর মার্কেটিং, বিজনেস আইডিয়া নিয়ে ঘাটাঘাটি করার স্বভাব আমার অনেক পুরোনো, নোটবুকগুলোর অনেক অনেক পেজ ভরানো হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। আজকে নোটবুকের পাতা থেকে একটা স্ট্যাটাস শেয়ার করব আপনাদের সাথে)
ফেসবুকের একটা স্ট্রাটেজি  আমার খুব বেশি জোস লাগে, সেটা হলো তাদের অর্গানিক রিচের ব্যাপার গুলো। মনে করেন আপনার ফেসবুকে ফ্রেন্ড এর সংখ্যা ১০০০ কিন্তু আপনার পোস্টে লাইক কমেন্ট করতেছে মাত্র কয়েকজন।যেখানে বছর দুই তিনেক আগেই আপনার লিস্টে থাকা ৪০০ জন ফ্রেন্ড এর মাধ্যমেই এখনকার তুলনায় দ্বিগুণ লাইক কমেন্ট আসতো। এখন আপনার মনে হওয়া খুব স্বাভাবিক যে আপনার এত ভালো কনটেন্ট দেওয়ার পরেও মানুষজন লাইক কমেন্ট করছে না এর কারণ হয়তোবা আপনার কনটেন্ট আগের মতো ভালো হচ্ছে না, অথবা মানুষজন ইচ্ছাকৃত আপনার এই ভালো কনটেন্টে লাইক কমেন্ট করছে না, অথবা আপনার ফ্রেন্ডের সংখ্যা কমে গেছে।
কিন্তু এই পুরো ব্যাপারটাই নির্ভর করে ফেসবুকের অর্গানিক রিচ স্ট্রাটেজির উপর। আরেকটু খোলামেলাভাবে হিসাব করা যাক,২০১৭ সালে ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের পোস্টের অর্গানিক রিচ ২০  শতাংশ কমিয়ে দিয়েছিল। সেখান থেকে ক্রমাগত কমতে কমতে এখন এমন জায়গায়  পৌঁছেছে যে অর্গানিক রিচ এখন ১ শতাংশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ আপনার বন্ধুতালিকায় থাকা ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন আপনার  পোস্ট দেখতে পান। ২০১২ সালে ফেসবুকের অর্গানিক পোস্টের রিচ ছিল ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ  প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১৬ জন আপনার পোস্ট দেখতে পেতেন। এখন দেখতে পান মাত্র একজন।
হেডিং এর শুরুতেই বলেছিলাম ফেসবুকের এই স্ট্রাটেজি জোস লাগে কারন খুব সুন্দর ভাবে এই স্ট্রাটেজি মানুষকে কনফিউশন করা শেখাচ্ছে, মানুষ  একদিকে কনফিউশন শিখছে আর অন্যদিকে নিজে নিজেই কনফিউশন হচ্ছে। এই তালিকায় আছি আমি আপনি আর আমরা সবাই।
(কে বলেছে ফেসবুক থেকে শেখার কিছু নাই। ফেসবুকের বিজনেস স্ট্রাটেজি, মেটার ফিউচার প্ল্যান, মার্কেটিং আইডিয়া গুলো একবার গুগলে সার্চ করে দেখুন। আমার আপনার চিন্তার বাইরে চলছে মেটার অসাধারণ সব পরিকল্পনা)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138172/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Aug 2022 12:31:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>( বড় বড় কোম্পানিগুলোর মার্কেটিং, বিজনেস আইডিয়া নিয়ে ঘাটাঘাটি করার স্বভাব আমার অনেক পুরোনো, নোটবুকগুলোর অনেক অনেক পেজ ভরানো হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। আজকে নোটবুকের পাতা থেকে একটা স্ট্যাটাস শেয়ার করব আপনাদের সাথে)<br />
ফেসবুকের একটা স্ট্রাটেজি  আমার খুব বেশি জোস লাগে, সেটা হলো তাদের অর্গানিক রিচের ব্যাপার গুলো। মনে করেন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138172"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138172/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">baccddf832d42b36e59f5a2ce78e828b</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and আশ্রাফুজ জামান তানবীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137566/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Aug 2022 08:05:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48c51d95783f8a2db1a265e2527d9216</guid>
				<title>এটা আসলেই হাই টাইম বাংলাদেশি নাটক নিয়ে প্রশংসা করার। দেশীয় কনটেন্ট গুলো আসলেই এখন হাই লেভেলে চলে গেছে। আমরা যারা খুব একটা বাংলা নাটক দেখি না কিংবা সামনের জন বাংলা নাটকের প্রশংসা করলে হালকা মুচকি হাসি দেই তাদের জন্য এই নাটকটি মাস্ট ওয়াচ।&quot;ষ&quot; সিরিজের পরে দেশীয় ভৌতিক নাটক নিয়ে আসলেই নাড়া চাড়া দিয়ে বসেছে দর্শক শ্রেণীর মানুষজন।
&#039;চম্পা হাউজ&#039;পুরাতন আমলের একটি বাড়ি কে কেন্দ্র করে ভৌতিক থ্রিলার ধাঁচের নাটক। নাটকের প্রথম অর্ধেক দেখে ভেবেছিলাম সমাপ্তি হয়তো ভুলভুলাইয়া সিনেমার মতো হবে কিন্তু নাটকের শেষের টুইস্ট আসলেই মুগ্ধ করার মত ছিল। পাশাপাশি মেহজাবিনের এত এত পারফেক্ট লুক আসলেই জোস ছিল।
পার্সোনাল রেটিং: ৮/১০</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137538/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Aug 2022 05:57:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এটা আসলেই হাই টাইম বাংলাদেশি নাটক নিয়ে প্রশংসা করার। দেশীয় কনটেন্ট গুলো আসলেই এখন হাই লেভেলে চলে গেছে। আমরা যারা খুব একটা বাংলা নাটক দেখি না কিংবা সামনের জন বাংলা নাটকের প্রশংসা করলে হালকা মুচকি হাসি দেই তাদের জন্য এই নাটকটি মাস্ট ওয়াচ।&#8221;ষ&#8221; সিরিজের পরে দেশীয় ভৌতিক নাটক নিয়ে আসলেই নাড়া চাড়া দিয়ে বসেছে দর্শক শ্রেণীর মানুষজন।<br />
&#8216;চম্পা হাউ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137538"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137538/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07c43516a0bb3dd1854aa40164e2173a</guid>
				<title>শুল্কপক্ষ নিয়ে গুগলের সার্চ করতেই চলে আসে, এর আসল মিনিং, মূলত অমাবস্যা থেকে পরের ১৫ দিন পর পূর্ণিমা। এই ১৫ দিনই হয় শুক্লপক্ষ ।
রিসেন্টলি রিলিজ পাওয়া চরকির কন্টেন্ট শুল্কপক্ষ নিয়ে বেশ হইচই শুরু হয়ে গেছে চারদিকে। কালকে রাতেই শেষ করলাম ভিকি জাহেদের &quot;শুল্কপক্ষ&quot;।
এবার আসা যাক গল্পে,
একটি শহরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একের পর এক মেয়ে গুম হয়ে যাচ্ছে প্রতি শুল্কপক্ষের রাতে। পুলিশ হাজারটা চেষ্টা করেও কোন ট্রেসপাচ্ছে না মেয়েগুলোর। হঠাৎ পুলিশ আবিষ্কার করতে পারল দেশে এরকম মেয়ে গুম হওয়ার কেস এর আগেও বেশ কয়েকবার হয়েছে কিন্তু এর আগের বারগুলোতে মেয়েদের লাশ অথবা কিছুটা হলেও ট্রেস পাওয়া গিয়েছে কিন্তু এবার তার ভিন্নতা। তাহলে কি মেয়েদের গুম হওয়ার পিছনে ভিন্ন মানুষদের উপস্থিতি আছে? কেনই বা গুম হচ্ছে একের পর এক মেয়ে? আর শুধুমাত্র শুল্কপক্ষের রাতেই মেয়েগুলো হারিয়ে যাচ্ছে কেন?
এই প্রশ্নের উত্তর গুলো খুঁজতে এবং জানতে দেখতে হবে ১ ঘন্টা ৩৯ মিনিটের এই মুভিটি।
মুভিটিকে রোম্যান্টিক থ্রিলার বলা হলেও কেন জানি আমার কাছে এটা সাইকো থ্রিলার মনে হয়েছে। অসাধারণ গল্প আর শেষ ১০ মিনিটের টুইস্ট আপনাকে সব ঘোর থেকে বের করতে বাধ্য করাবে।
মুভির কিছু জায়গায় ওভার অ্যাক্টিং মুভির দুর্বল দিক মনে হলেও পরিচালক দর্শকদের সাথে যেভাবে মাইন্ড গেম খেলে রহস্যের সমাধান দিয়েছেন তা আসলেই অসাধারণ। চরকিতে মুভির পোস্টারের কাজও লেগেছে অসাধারণ । মুভির অন্যতম আকর্ষণীয় দিক আমার কাছে লেগেছে , ফারুক আহমেদের সেই আম খাওয়ার দৃশ্য আর মুভির ক্যারেক্টার রাফসানের অভিনয় ।
যাই হোক একটি মাস্টার থ্রিলার উপভোগ করতে দেখে আসতে পারুন চরকির 
 #শুল্কপক্ষ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135594/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 16:05:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শুল্কপক্ষ নিয়ে গুগলের সার্চ করতেই চলে আসে, এর আসল মিনিং, মূলত অমাবস্যা থেকে পরের ১৫ দিন পর পূর্ণিমা। এই ১৫ দিনই হয় শুক্লপক্ষ ।<br />
রিসেন্টলি রিলিজ পাওয়া চরকির কন্টেন্ট শুল্কপক্ষ নিয়ে বেশ হইচই শুরু হয়ে গেছে চারদিকে। কালকে রাতেই শেষ করলাম ভিকি জাহেদের &#8220;শুল্কপক্ষ&#8221;।<br />
এবার আসা যাক গল্পে,<br />
একটি শহরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একের পর এক ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135594"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135594/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9999fb73379223271ec6c89ac2847890</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and Showmen Barua are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27825/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 16:15:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6fbe66991403a807ca0dbdd85d3b5bde</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and Aziza Mahbub Siddique are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/26927/</link>
				<pubDate>Thu, 12 Aug 2021 09:13:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6d0bbbe5c0f697de619eeb28f8b61fe</guid>
				<title>মীর রাফিদ হোসেন and Fahim Hasan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/26682/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Aug 2021 08:58:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>