<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Anik Uddin | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/anik123uddin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/anik123uddin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Anik Uddin.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 10 Jun 2026 19:13:00 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">37d493bd042f8f31b345cf4faf091e1e</guid>
				<title>হে সম্রাট, কত বিষন্ন বিকেলের ক্লান্ত বাতাস
       শিষ দিয়ে, দোলা দিয়ে যায় 
          পলেস্তারা ঝরা প্রাসাদের চারপাশ।
সরসীর দীর্ঘ সোপানের &#039;পরে ঝংকার
         তোলে না ইরানী নুপুরের।
শৈবাল শৈলীর কারুকাজ মৃত্তিকার পাড়
জুড়ে জড়িয়ে আছে সুর তটিনীর।

 একা তোমার অনিমেষ দৃষ্টি আকাশ সীমান্তে 
                  কোন বিস্মৃত স্মৃতিতে
         ম্রিয়মান, টলমল, একাকী সুদূর?
      একা তোমার বুক শুভ্র উত্তরীয় তলে
কাকে খুঁজে এতকাল যে সুখ লুকালে
                 তারে কি পেলে?

তারে কি পেলে জীবনের কবিতার পাতায়? 
        শুধু দীর্ঘশ্বাস বৃহৎ আকাশে 
     থাকুক,  সাম্রাজ্যের কিনারে কিনারে 
আর বয়ে যাক কার্তিকের সুর সন্ধ্যার অবকাশে।
 জ্বলে যাওয়া প্রদীপের শিখায় 
      চেয়ে দেখো পতঙ্গের আহুতি,
     চেয়ে দেখো নিজ ছায়া দেয়ালের গায়
পুরোনো হয়ে আছে,নিভে যায় গলিত মোমের জ্যোতি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237236/</link>
				<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 07:31:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হে সম্রাট, কত বিষন্ন বিকেলের ক্লান্ত বাতাস<br />
       শিষ দিয়ে, দোলা দিয়ে যায়<br />
          পলেস্তারা ঝরা প্রাসাদের চারপাশ।<br />
সরসীর দীর্ঘ সোপানের &#8216;পরে ঝংকার<br />
         তোলে না ইরানী নুপুরের।<br />
শৈবাল শৈলীর কারুকাজ মৃত্তিকার পাড়<br />
জুড়ে জড়িয়ে আছে সুর তটিনীর।</p>
<p> একা তোমার অনিমেষ দৃষ্টি আকাশ সীমান্তে<br />
                  কোন বিস্মৃত স্মৃতিতে<br />
         ম্রিয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237236"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237236/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf8ee997ad48ad2071b80a0477fa05fb</guid>
				<title>হারানো নক্ষত্র

সেই যে আকাশে কবে
নিশিথ আঁধারে চোখ জ্বালা নক্ষত্রেরা জেগে রবে,
আদিম অলস ভোরের কুয়াশায় ধীরে চলে যায় যদি,
গাছের ছায়ার তলে কেঁদে এই ফিরে চলে যায় নদী,
তারারা আবার গগনের তটে দেখা দিবে নিরবধি,
তখন প্রিয় হাতে হাত রেখে দু চোখে তাকিও তবে। 

সেই নীরবতার কত ভাষা
আকাশ নীলিমা মৌন তটে ছুঁয়ে যায় যত আশা,
ওই সুদূরের অধর রাঙানো রবির কিরন রেখা,
প্রিয়ার চিবুক ছুঁয়ে যায় যেন দালিমের ফুল আঁকা,
অলক কপোল ছুুঁয়ে নুয়ে থাকে চিবুকের কাছে বাঁকা,
সহস্র আঁখি দেখে তবু মেটেনা মরিচিকাসম তৃষা। 

তুমি তাই মরুভূ কিনারে হারালে
লু হাওয়া যখনি বাড়ালো হাত তুমি চলে গেলে আড়ালে,
কত প্যারিসের ভেজা ঘ্রাণ দিয়েছিলো প্রাণ তোমারে,
ব্যাবিলনের ভগ্ন প্রাসাদ জেগে আঁধারে সাগর পাড়ে,
কোথাকার অশরীরী আমার শীতল চোখ খুঁজে ফিরে 
তোমাকে তন্দ্রাহারা গগনের নীল নীহারিকা জালে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237137/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 17:13:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হারানো নক্ষত্র</p>
<p>সেই যে আকাশে কবে<br />
নিশিথ আঁধারে চোখ জ্বালা নক্ষত্রেরা জেগে রবে,<br />
আদিম অলস ভোরের কুয়াশায় ধীরে চলে যায় যদি,<br />
গাছের ছায়ার তলে কেঁদে এই ফিরে চলে যায় নদী,<br />
তারারা আবার গগনের তটে দেখা দিবে নিরবধি,<br />
তখন প্রিয় হাতে হাত রেখে দু চোখে তাকিও তবে। </p>
<p>সেই নীরবতার কত ভাষা<br />
আকাশ নীলিমা মৌন তটে ছুঁয়ে যায় যত আশা,<br />
ওই সুদূরের অধর রাঙানো রবির কি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237137"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237137/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d778ab88c2ef598966cd856d801a91b</guid>
				<title>শেষ প্রান্ত 

বর্ষার হাসি এলো আমার আকাশ অঙ্গনে;
পাতায় পাতায় কেঁপে বনানীকন্যা কিঙ্কিনিকঙ্কনে
দিগন্তরে ছড়ালো নক্ষত্রকণা। আজ দেখি চোখে
কোন মুক্ত নতুনের তরুণ আলোকে।
যেন আমি তীর্থ বেদুইন সুদূর ভবিষ্যত হতে
মন্ত্রের কুহকে এসেছি ভেসে। উজান স্বপ্নের স্রোতে
হঠাৎ এলাম ফিরে বর্তমান যুগের ঘাটে
যেন এই ক্ষনেই। নীরবে চেয়ে বেলা মোর কাটে।

আমাকে আমি দেখি অন্তরে বাইরে, যেন আমি
প্রাচীন শতাব্দীর কোনো অজানিত, সদ্য গেছে নামী
আত্মা হতে নিত্যের আচ্ছাদন; অনন্ত বিষ্ময়
যার চোখে চোখ তুলি তারে যেন জড়ায়ে রয়
কুসুম কেশরে ভ্রমরের মত। এই অবসর কাল-
সর্বাঙ্গ হতে সরে গেল অভ্যাসের কালো জাল,
বিমূর্ত চিত্ত মগ্ন হলো সমস্তের মাঝে। মনে ভাবি
প্রাচীনের দূর্গ দুয়ারে মৃত্যু যেন খুলে দিলো চাবি, 
নবীন বাইরে এলো; তুচ্ছতার শীর্ণ উত্তরীয়
পোড়ালো সে; সত্তার প্রকৃত মূল্য কি অভাবনীয়
বিকাশ পেল তার স্পর্শে, যামিনীর নিবিড় সুবিপুল
প্রদোষের গানে সে মিলায়ে দিল; কৃষ্ণ তার চুল
অস্তদিগন্তপাড়ে নামহীন অরণ্যনীলে
প্রকাশ করল রহস্য নিবিড়।

আজ মুক্তি মিছিল গায়
আমার বুকের গভীরে দূরের বাউলচিত্ত মম,
সংসার রথের যাত্রার প্রান্তে সহমণের বধূ-সম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217612/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Jul 2024 08:36:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ প্রান্ত </p>
<p>বর্ষার হাসি এলো আমার আকাশ অঙ্গনে;<br />
পাতায় পাতায় কেঁপে বনানীকন্যা কিঙ্কিনিকঙ্কনে<br />
দিগন্তরে ছড়ালো নক্ষত্রকণা। আজ দেখি চোখে<br />
কোন মুক্ত নতুনের তরুণ আলোকে।<br />
যেন আমি তীর্থ বেদুইন সুদূর ভবিষ্যত হতে<br />
মন্ত্রের কুহকে এসেছি ভেসে। উজান স্বপ্নের স্রোতে<br />
হঠাৎ এলাম ফিরে বর্তমান যুগের ঘাটে<br />
যেন এই ক্ষনেই। নীরবে চেয়ে বেলা মোর কাটে।</p>
<p>আমাকে আমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217612"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217612/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cccdf535511724cbab1c9e35613b5087</guid>
				<title>আমার অন্ধকূপে আলোর শিখা কে জ্বালালো আজ,
নগ্ন শিরে কে পড়ালো স্বর্ন শোভার তাজ?
বন্ধু তুমি বন্ধু বলে আসলে কি কৌশলে? 
আত্মার সাথে তোমার আত্মা গোপনেই কথা বলে ...

তাই বলে বন্ধু সকালে এসে বিকেলে গেলে চলে!
কত কি ছিলো কথা প্রণয়ের নিবিড়ের বসন্ত,
নিঃশব্দ বিরহী দুঃখ যে রয়ে গেল অনন্ত,
মিশে গেলে দূর হতে শাসনের যাঁতাকলে
দেখলে না এখানে বুকের রক্ত ঝরছে যে আড়ালে। 

অন্তহীন ব্যথার নিগূঢ় কটাক্ষে কোন অজানার ব্যথা,
তরঙ্গ হিল্লোলে টলমল করে ভাষাহীন শত কথা। 
আবার যদি দেখা হয় কোনদিন,
চেয়ে দেখো আমার আঁখিতে যে ব্যথা অশ্রুহীন
নিশিথ পঙ্কজ সম টলমল করে সরসীর জলে,
সে শুধু তোমার শেষ কথাখানি যা আমায় বলেছিলে। 

হৃদয়ের সিংহাসনে তোমাকে রেখেছি রাজা করে,
সে কথা ভুলো না যদি কখনো আমায় মনে পড়ে। 
সুখে থেকো দূর হতে শুধু এই কামনাটি করি,
আমি ঝরে যাই তব হাতে থাকুক বিজয়ের রণভেরী।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217605/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Jul 2024 08:31:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার অন্ধকূপে আলোর শিখা কে জ্বালালো আজ,<br />
নগ্ন শিরে কে পড়ালো স্বর্ন শোভার তাজ?<br />
বন্ধু তুমি বন্ধু বলে আসলে কি কৌশলে?<br />
আত্মার সাথে তোমার আত্মা গোপনেই কথা বলে &#8230;</p>
<p>তাই বলে বন্ধু সকালে এসে বিকেলে গেলে চলে!<br />
কত কি ছিলো কথা প্রণয়ের নিবিড়ের বসন্ত,<br />
নিঃশব্দ বিরহী দুঃখ যে রয়ে গেল অনন্ত,<br />
মিশে গেলে দূর হতে শাসনের যাঁতাকলে<br />
দেখলে না এখানে বুকের রক্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217605"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217605/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4da1f5d6c473e52f256e7d93114bc0f2</guid>
				<title>সে
অনিক উদ্দিন

কবে কোন আদিম প্রভাতে আমি তাকে দেখলাম,
ভালোবাসা নামক বিপুল পুলিনে হারালাম
নিমিষেই নীরবে। 

তার চোখের গভীরতা আমাকে টেনে নিয়ে গেল
অনেক গভীরতম নীরবতায়।
আমি আর দেখলাম না পৃথিবীর আলো!
ওই সবুজাভ চোখের মাঝে স্বর্গীয় আলো পেলাম
বহুযুগ পরে,
আমি রহস্যের জালে জড়ালাম চিরতরে। 

কতকাল বিমুগ্ধ রজনী শুধু করে গেছি পার,
শুধু কল্পনাবিহারী চাতকের মত,
মেঘের পাশ দিয়ে উড়ে উড়ে চলে গেছি
সেই গিরিপর্বতের পানে,
জানি সেখানে সে দাঁড়িয়ে শ্বেত শুভ্র শাড়ি পরিহিতা,
যুগান্তের যত ভালোবাসা চোখে নিয়ে।

শুধু দেখা দিলো সে কল্পনায়,
চারদিক লাল মেঘেদের দল 
আর ধূসর মাটির পর্বত, 
মাঝে সে দাঁড়িয়ে, উত্তরীয় তার উড়ে উড়ে
যায় বাতাসে।
আমি হাত বাড়িয়ে ধরতে যাই
দেখি সে সেখানে নাই …...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217242/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Jul 2024 17:02:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সে<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>কবে কোন আদিম প্রভাতে আমি তাকে দেখলাম,<br />
ভালোবাসা নামক বিপুল পুলিনে হারালাম<br />
নিমিষেই নীরবে। </p>
<p>তার চোখের গভীরতা আমাকে টেনে নিয়ে গেল<br />
অনেক গভীরতম নীরবতায়।<br />
আমি আর দেখলাম না পৃথিবীর আলো!<br />
ওই সবুজাভ চোখের মাঝে স্বর্গীয় আলো পেলাম<br />
বহুযুগ পরে,<br />
আমি রহস্যের জালে জড়ালাম চিরতরে। </p>
<p>কতকাল বিমুগ্ধ রজনী শুধু করে গেছি পার,<br />
শুধু কল্প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217242"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217242/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42c7f87e2eef7cd7e6baf5326678e06d</guid>
				<title>দগ্ধ অশ্রু হার
অনিক উদ্দিন 


এখনো বহু পথ বাকি?
বুকেতে আসার আগে বুঝি হায় নিমিলিত হল আঁখি!
অনন্ত সৌরলোকে অনন্তকাল কেঁদেছি তোমার লাগি, 
সেই অশ্রু ফোঁটা তারা হয়ে আজও আকাশে রয়েছে জাগি।

চিরজনমের প্রিয়তমা, চেয়ে দেখো সুদূর নীল আকাশে, 
উল্কার ঝড়ের মত কোটি গ্রহ তারা ছুটি আসে
তোমার মুখের পানে। ওরা কি ভুলতে পারে?
তোমারে খুঁজতে আজও ওরা ঘুরে অসীম অন্ধকারে!

শতবার জীবন প্রদীপ শিখা নিভে নিভে যায়, প্রিয়া, 
নেভেনি আমার আঁখি তারকা তোমায় দেখার আশা নিয়া।
আমার মৃত্যু হয়েছে, মরেনি আঁখি, প্রিয়তমা দেখো চাহি ,
তোমারে খুঁজতে খুঁজতে ওরা পেরেশান, ওদের নিদ্রা নাহি।
ওরা জোতিষ্ক নয় বিবাগী আত্মার অভিশপ্ত আঁখি! 
আনীল আকাশে ছুটে বেড়ায়, নীড় হারা পাখি। 
আমার নয়নে সাগরের মত ভরা অশ্রুজল, 
তাই তারা আজো মৃত্যুঞ্জয়ী জুড়ে আছে নভঃতল।

বাহুডোরে জড়াতে কভু, এ রিক্ত পাষান কোনদিন, 
নয়নের মত এ তনু হত অনন্ত মৃত্যুহীন! 
তোমার অধরের সঞ্জিত সুধা পান করতাম যদি ,
আমার কাব্য সুষমা সংগীতে বয়ে যেত অমৃত নদী!
কুসুমের মালা কন্ঠে জড়ায়ে রাখো, জানো কি কারন তার?
শত জনমের ওরা যে আমার দগ্ধ অশ্রু হার!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217240/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Jul 2024 17:00:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দগ্ধ অশ্রু হার<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>এখনো বহু পথ বাকি?<br />
বুকেতে আসার আগে বুঝি হায় নিমিলিত হল আঁখি!<br />
অনন্ত সৌরলোকে অনন্তকাল কেঁদেছি তোমার লাগি,<br />
সেই অশ্রু ফোঁটা তারা হয়ে আজও আকাশে রয়েছে জাগি।</p>
<p>চিরজনমের প্রিয়তমা, চেয়ে দেখো সুদূর নীল আকাশে,<br />
উল্কার ঝড়ের মত কোটি গ্রহ তারা ছুটি আসে<br />
তোমার মুখের পানে। ওরা কি ভুলতে পারে?<br />
তোমারে খুঁজতে আজও ওরা ঘু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217240"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217240/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7c21421eb647e37b6c1ffed4183371b6</guid>
				<title>Anik Uddin changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217239/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Jul 2024 16:56:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">70efa45c10b3ab7d43477a516c916c10</guid>
				<title>নদী
অনিক উদ্দিন

কতকাল ধরে এমনি তরঙ্গ লীলায় চলেছি উদাসীন,
জানি না আরো কতকাল এ গতি হবে না লীন
পৃথিবীর বুকে, দু পাড় ভেঙে নিয়ে যাবো সাথে
অশান্ত গর্জন কলরব ভরা গভীর আঁধার রাতে।
জানি না কোথায় জন্ম আমার কোন গিরি কন্যার কোলে,
জন্মমাত্র চলেছি আত্নহারা উদ্ভ্রান্ত কোলাহলে।
পলাতক শিশু আমি চরণে নাই শৃঙ্খল বাঁধা অপমান,
বুকের পাঁজরে বাঁধা পড়ে নাই ভাটির নিশিথ টান।
জননীরে আজ ভুলে কোথায় অজানার কোন প্রান্তে,
দিবস রজনী খুঁজে বেড়াই তার স্রোতধারাকে আনতে,
কোথায় আমার বুকের মাঝে মিলে যাবে কবে
সেই স্রোতধারার আকুল পরশ,আকাঙ্ক্ষার আলিঙ্গন রবে,
অন্তরে অপার পুলকে চির বিশ্বাসের আশা নিয়ে।
স্রোতস্বিনী মা আমার! তরঙ্গের কিরীটে হিন্দোলা দিয়ে
এক বৈশাখী রাতে তার পেলাম দেখা
কপালে আমার এঁকে দিলো সে নীল তিলকের রেখা।
কোলে নিল বুকে নিল চুমু দিলো সর্বাঙ্গে আমার,
আমি উদ্দাম,উন্মত্ত স্রোতে আনন্দে দুর্নিবার
কলেবরে ছুটে চলি দিশাহীন, দুপাড় ভেঙে পড়ে
আমার আনন্দের উচ্ছ্বাসে, অসহায় মৃত্তিকা তীরে
ক্রন্দন রোল পড়ে যায়, ওঠে অভিশাপ হাহাকার,
আমি পেয়েছি স্রোতস্বিনী মাকে! আমি নির্বিকার
মাকে নিয়ে ছুটে চলি অশান্ত উন্মাদ গর্জনে,
এতকাল পরে মা কোলে নিল! আকাশ নীল নির্জনে
উঠলো দামিনীর বিষজ্বালা দিগন্ত ছোঁয়া নীল চুম্বন,
ভুলে গেলাম আমি সব ব্যথা জ্বালা অভিশাপ ক্রন্দন।
আমি আমার আমিকে চিনলাম কতকাল পরে!
দিলাম পৃথিবীকে পরিচয় তরলের গরল গর্জন স্বরে।
আমি জানলাম আমার পথের শেষ নাই সীমা নাই,
আমি চলবো, ভাঙ্গবো, গড়বো চিরন্তন পরমাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147552/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 16:06:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নদী<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>কতকাল ধরে এমনি তরঙ্গ লীলায় চলেছি উদাসীন,<br />
জানি না আরো কতকাল এ গতি হবে না লীন<br />
পৃথিবীর বুকে, দু পাড় ভেঙে নিয়ে যাবো সাথে<br />
অশান্ত গর্জন কলরব ভরা গভীর আঁধার রাতে।<br />
জানি না কোথায় জন্ম আমার কোন গিরি কন্যার কোলে,<br />
জন্মমাত্র চলেছি আত্নহারা উদ্ভ্রান্ত কোলাহলে।<br />
পলাতক শিশু আমি চরণে নাই শৃঙ্খল বাঁধা অপমান,<br />
বুকের পাঁজরে বা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147552"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147552/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30926c2220ed3b57b57bef128bf3d319</guid>
				<title>মারীভয়
অনিক উদ্দিন 

কাব্যের আনীল গগনে অশিব তিক্ত হেতু,
কোন এক ফাগুন নিশিথে অকল্যাণের আমি ধুমকেতু!
উদার নভ প্রাঙ্গণে এনেছিল মোর বহ্নি মোহের স্বাদ,
দেখেছি সেথায় মত্ত শত বিধি না সাধার বাঁধ!
কোটি নক্ষত্রের বিপুল মেলায় যেথা অনন্ত ভীড়,
অশুভ শক্তি আমি এনু ছুটে ধনুর্মুক্ত তীর!

বিস্ময়ে লাল শোণিতের রেখা বুকে উঠল দিগঙ্গনা,
আকাশবিহারী বলাকার দল উড়ে গেল উন্মনা! 
অস্ত আকাশ অলিন্দে রুদ্র ললাটে অগ্নি-লেখা 
লিখে গেল আমার রক্ত মলিন রুধির শীতল রেখা!
সেদিন কত গগনবিহারী অলক পথের নিভৃত নভোচারী, 
এসেছিল দেখতে আমায় তাঁরা বৈতরণী ঢেউ পাড়ি।

তাদের পানে লজ্জায় আমি পারিনি উঠাতে মুখ,
ধরনীর ধনসম্ভার আমার, শেলসম ছিলো সুখ ।
আলোক দানের বিপুল স্পর্ধা নিয়ে তোমাদের মাঝে, 
এসেছিনু তাই বিদায়ের ঘন্টা বুঝি প্রান্তর বীনায় বাজে!
ধরনী মাতার কোল জুড়ে মত হীরা মানিক জহরত,
আপন আলোয় চলতে পারে না, ঘিরে রাখে সব পথ।

তেমনি ঘুমায় হৃদয় দেবতা, ফুল বৃথা ঝরে যায়, 
আঁধারে মলিন পূজার দীপালি একাকী অসহায়,
জ্বলে যায় ধীরে, বিষাদ বাস্প ধূসর অশ্রু নিয়ে,
সৌর তারকা শ্বেত-চন্দন চর্চিত থির অম্বরে বিস্ময়ে 
রয় চেয়ে! ধরার বুকে কতকাল ধরে
এমনি চৈত্র নিশিথে কেন ঝরে
যায় অশ্রু নদীর ঢেউ?
তিমির ময়ুর বীজন করছে,অন্ধকারে কি কেউ? 

দীপ শুধু নিভে যায় ঘুম পাড়ানিয়া গানে,
অকল্যাণের আমি খঞ্জর হাতে নৃশংস আকর্ষণে,
বিষ ছড়ায়ে বিশ্বে,
লুন্ঠন করি ত্রাস জাগায়ে নিরন্ন যত নিঃস্বে!
ক্ষুধার অন্ন আকাশে তাক তাক করে রাখা!
গুন্ঠন খোলে মারীভয় দেখি বিশ্ব-ললাটে মাখা!

অভয় অনন্ত বিভিষিকা জয়ের উল্লাসে,
ময়দান জুড়ে হাহাকার পড়ে আমার বিষাক্ত নিঃশ্বাসে!
প্রাণহীন আমি,বিবেক শূন্য, পরানে শঙ্কা,
পাষাণ হাতে তড়তড় গড়ি স্বর্ন শোভিত লঙ্কা!
অশোক কানন শোকে ভরে যায় কেঁপে ওঠে মেদিনী,
অহির ফনা ধরতে আসে মর্ মর্ করে বেদিনী!
অসহ পীড়ন করাল লেহনে শোষক দৈত্য হরণে,
দেউলে আরতি কেঁদে যায়, দেবতা আসে না লগ্নে।

হেথা নিপীড়িত নীরব লক্ষী ধরনীর কান্তারে,
আর্ত বুকের আকুতি জানায় শূন্য অন্ধ আন্ধারে।
হরিৎ-শস্য, ধূসর ক্লান্ত বেদনা বিষাদ রাতে,
স্বপনে চমকে জেগে ওঠে কেঁপে মৃদু সমীরণ পেতে।
দেবতা ঘুমায় নীরব চিত্তে, যখন প্রসাদ প্রভাত লগ্নে,
পূজার থালায় আসবে তখন বিচার কি পাপ পূন্যে!

দেবতার মত অসুরও যখন অমরতা পায় স্বর্গে,
কচি কচি প্রাণ ঘুমায় তখন হাসপাতালের মর্গে!
নিসাড় স্বর্গ, সুখ সম্ভারে নিত্য হতেছে ভারী,
ধরনীর বুকে আমি পাতি আড়ি,
শুনতে পাই কে যেন করছে ক্রন্দন,
গতকাল রাতে তার বাগিচাতে হয়নি কেন যে বর্ষন!
বিধাতার কাছে তারই ফরিয়াদ ব্যাকুল অশ্রু চোখে,
আমি অসুরের হাসি, হাসি শুধু তারই প্রতিঘাত দেখে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/146267/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Sep 2022 13:31:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মারীভয়<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>কাব্যের আনীল গগনে অশিব তিক্ত হেতু,<br />
কোন এক ফাগুন নিশিথে অকল্যাণের আমি ধুমকেতু!<br />
উদার নভ প্রাঙ্গণে এনেছিল মোর বহ্নি মোহের স্বাদ,<br />
দেখেছি সেথায় মত্ত শত বিধি না সাধার বাঁধ!<br />
কোটি নক্ষত্রের বিপুল মেলায় যেথা অনন্ত ভীড়,<br />
অশুভ শক্তি আমি এনু ছুটে ধনুর্মুক্ত তীর!</p>
<p>বিস্ময়ে লাল শোণিতের রেখা বুকে উঠল দিগঙ্গনা,<br />
আকাশবিহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-146267"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/146267/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ca36d2094b3db5fe5c799ebb31b958fd</guid>
				<title>মাঝ সাগরের মাঝে
অনিক উদ্দিন 

কোন সে নাবিক স্রোতের মুখে ভাসান দিলি তরী
কোন দুরাশায় নামলি হেথায় রাতের আঁধার ধরি,
একলা যখন সাগর বুকে অসীম অজানাতে
ভোরের রবি ছবির মতন যাকে চাইলি ছুঁতে। 
যে রক্তরাগের ফাগ ফালুদা আগুন ঝরা জরি।
ওরে নাবিক ক্ষনিক পরে নীল গগনের তলে
ভোরের রবি সিঁদুর মাখা কেমন করে জ্বলে,
তখন কি আর ধরবি তারে পাবি নাগাল তার
চোখ পুড়ে যে মাঝ দরিয়ায় নীল আকাশের পাড়।
তুই পাবি তার বহ্নিশ্বাস সাগর ঢেউয়ের তালে? 
রাতের শশী মেঘের কোণায় বরফ হাসির ভাঁজে
সাদাকালোর গোপন খেলায় যখন খুশি সাজে,
তোর তরীটি মাঝ সাগরে কেন রে আজো ভাসে
যে ঢেউটি কূলে নিবে তাই যদি সে আসে 
সেই প্রতীক্ষায় আজো কি তুই মাঝ সাগরের মাঝে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144503/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 13:33:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাঝ সাগরের মাঝে<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>কোন সে নাবিক স্রোতের মুখে ভাসান দিলি তরী<br />
কোন দুরাশায় নামলি হেথায় রাতের আঁধার ধরি,<br />
একলা যখন সাগর বুকে অসীম অজানাতে<br />
ভোরের রবি ছবির মতন যাকে চাইলি ছুঁতে।<br />
যে রক্তরাগের ফাগ ফালুদা আগুন ঝরা জরি।<br />
ওরে নাবিক ক্ষনিক পরে নীল গগনের তলে<br />
ভোরের রবি সিঁদুর মাখা কেমন করে জ্বলে,<br />
তখন কি আর ধরবি তারে পাবি নাগাল তার<br />
চোখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-144503"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/144503/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dae22b941456bb0887aee300430afea0</guid>
				<title>শেষ অবদান
অনিক উদ্দিন
 
নীল নির্জন আকাশ ললাটে অশনির জ্বালা কার
বুকের মাঝারে বিনিদ্র হেথা জ্বলে যায় অনিবার।
প্রতিবার ক্রোধে রক্তিম আঁখি অনিন্দ্য অভিলাষে
জানি না কারে মত্ত করে উদ্দাম ভালোবাসে।
আকাশে আকাশে বিজলীর মালা আমার কন্ঠ খালি
মাথা পেতে আমি যে এখানে তুমি এসে দাও ঢালি। 

আমি অনন্ত আনন্দ নিয়ে মৃত্যুর নাগপাশে আজ,
তুমি এসে পরাও শিয়রে বিজলী জ্বালার তাজ।
ঝড়ের বাতাসে আকাশে আকাশে যে মৃত্যুর পরোয়ানা,
আমার বুকের মাঝে টানিয়েছে রক্তিম শামিয়ানা
যে গান লেখা চির জীবনের বিষাদ কুহেলির অক্ষরে , 
অস্তপাড়ের তারার সাথে সে গান আমি গাই চিৎকারে। 

কতকাল প্রভু প্রভাতে দেখিনা সোনালি তপন
কতকাল প্রভু ধূসর রয়েছে উর্দ্ধে আনীল গগন,
কেন এই অবহেলা এই ক্ষুদ্র প্রাণের প&#039;রে 
এখনো যে পাপের দরিয়া সাঁতরে উঠিনি পাড়ে।
এখনো যে অনেক বাকি জীবনে চলার পথে
তিমির পোহাতে কুটিল পিশাচ আসবে আমার সাথে,
কত ঝড় এখনো ঈশানে বিষান হাতে লয়ে
চমকিত রবে বসে আছে জীবনের আয়ু ক্ষয়ে। 

তাই গাই চিৎকারে জীবনে বাঁচার অন্তিম গান,
বিশ্বের প্রাণ বাঁচুক প্রভু ,দাও শেষ অবদান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143593/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Sep 2022 13:23:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ অবদান<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>নীল নির্জন আকাশ ললাটে অশনির জ্বালা কার<br />
বুকের মাঝারে বিনিদ্র হেথা জ্বলে যায় অনিবার।<br />
প্রতিবার ক্রোধে রক্তিম আঁখি অনিন্দ্য অভিলাষে<br />
জানি না কারে মত্ত করে উদ্দাম ভালোবাসে।<br />
আকাশে আকাশে বিজলীর মালা আমার কন্ঠ খালি<br />
মাথা পেতে আমি যে এখানে তুমি এসে দাও ঢালি। </p>
<p>আমি অনন্ত আনন্দ নিয়ে মৃত্যুর নাগপাশে আজ,<br />
তুমি এসে পরাও শিয়রে বি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-143593"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/143593/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d47bc3bde2c323692995a0972838e73</guid>
				<title>ঝড়ের রুদ্র হাওয়া
অনিক উদ্দিন

বহুদিন পরে,
এমনি বাদল বৈশাখী রাতে যদি মনে পড়ে,
কোন একদিন বর্ষা মুখর আঁধার সন্ধ্যা বেলায়,
বর্ষার জল শিলা নিয়ে হাতে মেতেছিল কেউ খেলায়।
অনেক দিনের আগে,
জীবনের পশ্চাতে মনে সাদা কালো ছবি জাগে,
তখন মনে পড়ে প্রিয় 
এমনি বাদল অশ্রুতে ভিজিয়ে উত্তরীয় ,
মুছে দিয়ে ছিলে আঁখি,
আঁখি মেলে দেখি কবে উড়ে গেছে দেয়ার ঝড়ের পাখি।
এখনো নিবিড় নিশীথে নিভে যায় যে বাতি
দমকা বাতাসে, আরো নিকষ আঁধারে আসে যে রাতি
দুঃস্বপ্নের মত;
সে যে চিরজনমের হৃদয় চেরা বিষাদের বেদনা ক্ষত। 
তারে আজ আর আমি রাখি নাই গোপনে
হাজার বছরের কালিমা ধুয়েছি বৈশাখী বর্ষার স্নানে।
অদূরে কোথায় রাত জাগা পাখি ,
ক্লান্ত কণ্ঠে ফিরেছে এখনো হারানো সাথীরে ডাকি, 
আমারই মত ঝড়ের বাতাসে ঘরের প্রদীপ নিভায়ে হায়
উড়ে উড়ে আঘাতে আঘাতে বিটপীর শাখায়
দাগ কেটে যায় তার চঞ্চুর ক্ষুদ্র ছোঁয়া,
কেউ দেখে না তারে 
শুধু তোলপাড় করে ঝড়ের রুদ্র হাওয়া।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143206/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Sep 2022 14:56:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝড়ের রুদ্র হাওয়া<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>বহুদিন পরে,<br />
এমনি বাদল বৈশাখী রাতে যদি মনে পড়ে,<br />
কোন একদিন বর্ষা মুখর আঁধার সন্ধ্যা বেলায়,<br />
বর্ষার জল শিলা নিয়ে হাতে মেতেছিল কেউ খেলায়।<br />
অনেক দিনের আগে,<br />
জীবনের পশ্চাতে মনে সাদা কালো ছবি জাগে,<br />
তখন মনে পড়ে প্রিয়<br />
এমনি বাদল অশ্রুতে ভিজিয়ে উত্তরীয় ,<br />
মুছে দিয়ে ছিলে আঁখি,<br />
আঁখি মেলে দেখি কবে উড়ে গেছে দেয়ার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-143206"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/143206/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8e1fcb2f78d2147ae06dfcc04bf2ac2</guid>
				<title>তার খোঁপার ফুল
অনিক উদ্দিন 

আসল যখন আকাশ চেরা বৃষ্টিধারা ধরার বুকে
হাসল তরু জীর্ন পাতা রাতারাতি নবীন সুখে,
ধূসর মাটির জ্বর কমে আজ শীতল হলো নিখিল ধরা,
নতুন করে প্রাণ এলো আজ শ্যামল হলো তরুর জরা।

সবুজ চোখে নীলের বুকে কৃষ্ণ মেঘের আনাগোনা,
তপ্ত শ্বাসে উদাস হাসে পৃথ্বী কূলের লাঞ্চনা।
আজ বৃষ্টিমাখা রোদগন্ধ ছন্দ তোলে ফোঁটা ফোঁটা,
কানন বুকে পড়লো ঝরে শিউরে ওঠা কদম বোঁটা।

প্রিয়ার হাতের তপ্ত ছোঁয়া অধর ভেজা লাল যে চুমা,
থাকুক পরে অন্তঃপুরে ফের বর্ষায় রইল জমা।
আজ লাগুক নীপের বুকে পরম সুখে বৃষ্টিকাদা,
কদম রতি কামুক অতি মাটির সনে দিসনে বাঁধা।

জানলা ভেজা বৃষ্টিহাসি পেঁজা মেঘের অন্তরালে,
প্রিয়া বুঝি আসল খুঁজি ফুলটি হাতে সিক্ত চুলে।
তাই এনেছে পাগলী আমার কদম কলি হাতে নিয়ে,
আর কি আমি থাকতে পারি দেখব তারে খোঁপায় দিয়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/142432/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Sep 2022 05:21:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তার খোঁপার ফুল<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>আসল যখন আকাশ চেরা বৃষ্টিধারা ধরার বুকে<br />
হাসল তরু জীর্ন পাতা রাতারাতি নবীন সুখে,<br />
ধূসর মাটির জ্বর কমে আজ শীতল হলো নিখিল ধরা,<br />
নতুন করে প্রাণ এলো আজ শ্যামল হলো তরুর জরা।</p>
<p>সবুজ চোখে নীলের বুকে কৃষ্ণ মেঘের আনাগোনা,<br />
তপ্ত শ্বাসে উদাস হাসে পৃথ্বী কূলের লাঞ্চনা।<br />
আজ বৃষ্টিমাখা রোদগন্ধ ছন্দ তোলে ফোঁটা ফোঁটা,<br />
কানন ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-142432"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/142432/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">03eb60d0d6c74de99b77f229b28c2c75</guid>
				<title>স্নেহহীন
অনিক উদ্দিন 

আমাদের শেষ নিবেদন 
অস্তাচলের স্তব্ধ তপন দিলাম তোমাদের হাতে,
আর দিবো না ব্যথার অর্ঘ্য বিদায়ের সওগাতে। 
আজ হতে হলো বন্ধ আমার অন্ধ ঘরের দুয়ার
এখানে আলো আসবে না গোধূলির পরে আর,
দীপ কেউ জ্বালাবে না নিভৃতের নিশিথে কভু
চোখের অশ্রু আঁধারে ঢাকা থাকবে গো প্রভু,
তবু কেন এই প্রবঞ্চনা জীবনের সাথে তবে,
মৃত্যুর হাতে না মরে মেরেছে ভালবাসা মোরে কবে।

তাই কি নদীর কূলে কূলে আজো জোনাকির মত,
চকিত আলোর ঝলকানি জ্বালায় হৃদয় মাঝের ক্ষত।
কত বিচিত্র কোলাহলে আজ পৃথিবীর মৃত্যু অরণ্যে,
ভালবাসাহীন আমরা এখনো বেঁচে আছি কার জন্যে?
বল তোমরা বল, আজ আঁধারে গভীর মৃত্যু পিশাচ
অনন্ত বিস্ময়ের হাতছানি দিয়ে করে অবিশ্বাস,
আমাদের ধরনীর শত শত সীমাহীন ভালবাসা।
হায় অবাক অলস চোখে দেখে কুটিল সর্বনাশা 
হৃদয়ের বিকৃত বাঁচার স্নেহহীন উচ্ছ্বাস,
স্নেহহীন চোখ দেখে আমাদের পিতামাতার বিশ্বাস।

অসহায় তারা এখন, কোথায় জীবনের শেষ পথে
গুমরে কেঁদে মরে লাঞ্চনার অন্তহীন যাতায়াতে। 
এর শেষ কবে হবে 
শেষ হয়েও শেষ হবেনা যখন মৃত্যুর উৎসবে,
আমাদের স্নেহহীন কোলাহল,
অন্ধ চোখের আড়ালে যখন তিক্ত নীল গরল
টলমল করে ঝলমল করে গলিত সোনার মতন,
মরণের হাতে না মরে হয় বিবেকের হাতে মরণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139734/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Aug 2022 14:46:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্নেহহীন<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>আমাদের শেষ নিবেদন<br />
অস্তাচলের স্তব্ধ তপন দিলাম তোমাদের হাতে,<br />
আর দিবো না ব্যথার অর্ঘ্য বিদায়ের সওগাতে।<br />
আজ হতে হলো বন্ধ আমার অন্ধ ঘরের দুয়ার<br />
এখানে আলো আসবে না গোধূলির পরে আর,<br />
দীপ কেউ জ্বালাবে না নিভৃতের নিশিথে কভু<br />
চোখের অশ্রু আঁধারে ঢাকা থাকবে গো প্রভু,<br />
তবু কেন এই প্রবঞ্চনা জীবনের সাথে তবে,<br />
মৃত্যুর হাতে না মরে মেরেছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-139734"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/139734/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6331a7ad3fee66d5f88dee52cce5d2aa</guid>
				<title>আমাদের নজরুল (নজরুল স্মরণে)
অনিক উদ্দিন 
বিদ্রোহী কবি পৃথিবীর বুকে বারবার সেকি আসে
আসে তার খালি প্রয়াণ দিবস অনাহুত উচ্ছ্বাসে,
যার প্রয়াণের বিষাদ বাস্প ধূসর অশ্রু চোখে
পৃথিবীর সুখ দুঃখের পাথারে বারেবারে পড়ে ধুঁকে।

হে বিদ্রোহী বীর
কর নি কো ভয় রক্ত আঁখিকে সত্যের অপমানে
ধূমকেতু সম এসেছিলে তুমি মুক্ত রনাঙ্গণে,
তুমি ছিলে যেন ধু্র্জটি শিব প্রলয় নৃত্যে রত
তোমার নৃত্য দাপটের সাথে ধূলি গেছে উড়ে কত।

ধূলিতে আকাশ ছেয়েছিল যেন বৈশাখী কালো মেঘে
তোমার ঝাকরা অলক দোলায় লুটিয়েছে তা বেগে,
তুমি ছিলে যেন উন্মাদ তাজি দুরন্ত পথচলা
লু হাওয়া পেত না নাগাল তোমার তুমি তাই আত্নভোলা।

ছুটেছিলে যেন অবিশ্রাম কোন অজানা লক্ষ্য পানে
ছুটেছিলে তুমি, পেয়েছিলে কোন অজানা ভাষার মানে,
পেয়েছিলে যেন আবে হায়াত তোমার লেখনী শীর্ষ দিয়া
যে সুধা সিক্ত আজো করে মোর রিক্ত বুকের হিয়া।

শার্দুল সম সে চলার গতিকে কদাচ করেছে ক্ষান্ত
নিপীড়নের নীল কারাগার, হওনি উদভ্রান্ত,
অবিচল থেকেছ শৌর্য সমেত হৃদয়ে রেখেছ গেঁথে
সত্যের শিখা অনির্বান চির অন্ধ কুটিল রাতে।

হে মুক্ত প্রানের চির বিদ্রোহী বীর
পারেনি পরাতে তোমারে কখনো ত্রাসনের জিঞ্জির,
অলিম্পাসের চূড়ায় বসে অত্যাচারী যে জিউস
চেয়েছে করতে রুদ্ধ তোমাকে, তুমি সেই প্রমিথিউস।

শৃঙ্খলগত সিংহের মত দিয়েছ হুংকার সত্যের
তোমাকে বিচার করতে এসে পলায়েছে বানী বিচারের, 
পারেনি রুদ্ধ করতে তোমার প্রানের বুলবুলি
শ্বাশত গান গেয়েছিলে তুমি অগ্নিবীনায় সুর তুলি।

ঝঞ্ঝা ক্ষুব্ধ সিন্ধুর মাঝে তুমি ছিলে নির্ভীক
অঙ্গুলী তুলি দেখিয়েছ তুমি সত্য পথের দিক,
সত্যেরে তুমি বেসেছিলে ভাল, সত্যে দিয়েছ প্রাণ
পরাধীন জাতি পেয়েছিল তোমার পরশে পরিত্রান।

গেয়েছিলে তুমি সাম্যের গান মানুষেরে ভালবেসে
কুলি ও মজুর ভাই হয়ে তোমার থেকেছিল পাশে পাশে,
নিপীড়িত প্রানে যে ব্যথা ছিল তুমি ছিলে তার ভাগি
ফির নি কো কভু একা তুমি তাই সুখের পাপিয়া লাগি।

তোমার বিপুল বক্ষে ছিল যে স্নেহ প্রেম দয়া মায়া
বিলায়েছ শেষ কনাটুকু তার রিক্ত করে সে হিয়া,
চির নিঃস্বের কাতারে দাঁড়ায়ে তুমি ছিলে বড় দাতা
করে নি লুব্ধ কখনো তোমাকে না পাওয়ার আকুলতা।

যে দারিদ্র্য ছিল তোমার চির জীবনের সহচরী
কর নি আজাদ তারে তুমি রেখেছ আঁচলে ধরি,
কর নি ছিন্ন পরশ তার বিধাতার দান বলি
লাস্য অধরে করেছ বরন দারিদ্র্যের অঞ্জলি।

হও নি ক্ষুন্ন তুমি তাতে কোন না পাওয়ার বেদনায়
শত গঞ্জনা একা সহেছিলে নিভৃতে স্বেচ্ছায়,
সহিলে না শুধু স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার অপরাধ
দ্বীপ্ত দম্ভে করেছিলে তাই মসী হাতে প্রতিবাদ।

তোমার তীক্ষ্ণ বাক্যবানের পাশুপত সম আঘাতে
জালিম রাজার অশুভ কুটিল ভিত্তি টুটেছে তাতে,
জুলুমের মাঝে তুমি ছিলে যেন ধ্বংস লীলার ধূমকেতু
তোমার জাগরনে উড়েছিল নতুন করে সে রনকেতু। 

সকলের দেওয়া হেমলক তুমি করেছ গ্রহণ নির্দ্বিধায়
কূট সমাজের হলাহল রাশি করেছিলে পান সর্বদাই,
করেছ ধারন কন্ঠে গরল রাখতে মুক্ত স্বাধীন দ্বীপ
অসুরের মাঝে দেবতার সম তুমি ছিলে নব বিপ্রতীপ।

বহু মহারথী সাথে মরন সমরে তুমি ছিলে বীর অভিমুন্য
রথীগন যবে ত্যাজিল তোমারে, হও নি কো তাতে ক্ষুন্ন,
একাকী হে বীর দারুণ দাপটে করেছিলে মহা যুদ্ধ
জান তুমি পিছনে ফেরার পথ চিরতরে রুদ্ধ।

হওনি তাতে হতাশ সমরে লড়েছিলে বীর অকুতোভয়ে
অবাক ধরনী দেখেছে তোমাকে নিদারুন নব বিস্ময়ে।
তুমি ছিলে বীর, হে উদার প্রেমিক, অসাম্প্রদায়িক কবি
ধর্মের কূপমুন্ডক সম ছিলে না কখনো দ্রবী।

মানুষকে তুমি রেখেছ উর্দ্ধে, ধর্ম রেখেছ পরে
সকল ধর্ম লীন হয়ে যায় এক মানুষের তরে।
করেছিলে এই সত্য ভাষন মরমের বানী নিয়া
কর নি আড়াল মানুষেরে তুমি ধর্মের বেড়া দিয়া।

নিখিল মানব সকলের তরে একই কল্যাণ সুর
বেজেছিল তোমার অগ্নিবীনায় শ্বাসত্ব সুমধুর।
খুঁজে ফিরেছ সকল ধর্মে যা আছে যত মিল
অমিল নিহারি কর নি কো সিয়া তোমার শুভ্র দিল।

অচেতন প্রানে চেতন এসেছে জাগরণী সুর বেজে
শ্যামা সংগীতে যাঞ্চা চাহে দেবতা স্বয়ং নিজে,
তাওহীদ তুমি অটুট রেখেছ গজলের সুর থেকে
হামদ ও নাতে শ্রদ্ধা ঝরত অবনত মস্তকে।

তোমার কোরাসে তরুনের বুক উদ্বেল হয়ে ওঠে
শোনিত ধারায় শিরায় শিরায় অগ্নি ফুলকি ছোটে,
বুকের পাঁজর ঝারা দিয়ে ওঠে তপ্ত তোমার ডাকে
শোনিতের গতি দ্রুত হয় প্রতি শিরা ধমনির বাকে।

ব্যবধানহীন নর ও নারীর যে পৃথিবী দেখেছ চোখে
তুমি ছিলে যার অগ্র নায়ক, তোমার কবিতা থেকে
উঠেছিল জেগে বিভেদ আকাশে সাম্যের অরুনিমা,
ব্যপ্ত করেছে নিখিল মানব হৃদয়ের শেষ সীমা। 

তুমি হে বীর, সকল মানব সকল জাতির কবি
তোমার মাঝে খুঁজে পাই মোরা সাম্য সরল ছবি,
তোমার বজ্র শিখার মশালে পথ হেরি মোরা
তুমি হে বীর একাকী আকাশে উজ্জ্বল ধ্রূবতারা। 

সত্য পথের দিশারী স্বরুপ তোমার অমিয় বানী
যুগে যুগে সব মানুষের মনে কল্যাণ সুর আনি
গেঁথেছ এক মিলনের মালা,একই সুতোয় বেঁধে
যা আছে সত্য দীপ্ত বানীতে কোরান, বাইবেল ও বেদে।

তুমি নাই, তোমার ক্ষেতের ফসল আজো ঘরে তুলি
তোমার ফসল লুট করে খায় আমারই প্রানের বুলবুলি,
ধরনী ত্যজিয়া ঘরনি পেতেছ যে মহান সুরালোকে
পাও কি দেখতে মর্ত্য কাঁদছে তোমারি বিরহ শোকে।

তুমি নাই শুন্যতা সেই ধরনীর মহাপ্রাঙ্গন মাঝে
ব্যথিত কাতর হৃদয়ে নিশিদিন শুধু বিরাজে।
তুমি চলে গেছ সপ্ত সিন্ধু সেতু পার
রেখে গেছ বেঁধে বেদনার নীল কারাগার
আমার বুকের সাথে বড় নির্মম হেম জিঞ্জিরে,
পারিনি আজাদ করতে আমি কখনো যে তারে।

বিষাদের ঘন নিদাঘের ঝড় হৃদয়ের অতি মাঝে
লভিছে জন্ম তীব্র পুনঃ উষর মরুর সাজে,
যেটুকু দিয়াছ আরো চাই বলে বাড়াব কোথায় হাত
শুন্য সকলি শুন্য কামনা শুন্য রহে যে পাত।
এই দোয়া করো, হে মহান চির বিদ্রোহী কবি
আমাদের মাঝে খুঁজে পাই যেন তোমারই প্রতিচ্ছবি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138627/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 09:39:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাদের নজরুল (নজরুল স্মরণে)<br />
অনিক উদ্দিন<br />
বিদ্রোহী কবি পৃথিবীর বুকে বারবার সেকি আসে<br />
আসে তার খালি প্রয়াণ দিবস অনাহুত উচ্ছ্বাসে,<br />
যার প্রয়াণের বিষাদ বাস্প ধূসর অশ্রু চোখে<br />
পৃথিবীর সুখ দুঃখের পাথারে বারেবারে পড়ে ধুঁকে।</p>
<p>হে বিদ্রোহী বীর<br />
কর নি কো ভয় রক্ত আঁখিকে সত্যের অপমানে<br />
ধূমকেতু সম এসেছিলে তুমি মুক্ত রনাঙ্গণে,<br />
তুমি ছিলে যেন ধু্র্জটি শি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138627"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138627/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">778fada1b7ae4633a66c5238a3bece1d</guid>
				<title>লুকোচুরি
অনিক উদ্দিন 

রোদের লুকোচুরি দরজার আড়ালে
আর আমার ঘরের কাঁচের দেয়ালে
তারই প্রতিচ্ছবি,
ওগো প্রিয় কবি,
দেখে যাও, লিখে যাও কোন কবিতা
দিয়ে যাও আমাকে সেই নির্মম দৃঢ়তা,
গ্রহণের পানে যেন পারি তাকাতে,
আলো আঁধারের লুকোচুরি খেলাতে
আমি যেন জিতে যাই। 
আমি যেন খুঁজে পাই
সেই আবে হায়াতের কুপ। 
জনম জনম ধরে যে রুপ
দু চোখের তৃষ্ণা মিটাতে পারে নি,
আঁধারের মাঝে আজ হঠাৎ অশনি,
হঠাৎ দেখা দিল কেন
সেই ছায়ামানবী, যেন
অনন্ত গভীরের অন্ধকার 
থেকে উঠে আসা
কোন অতৃপ্ত আত্না,
যাকে আমি খুঁজি নাই আর
বহু বছরের পর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138470/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 05:32:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লুকোচুরি<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>রোদের লুকোচুরি দরজার আড়ালে<br />
আর আমার ঘরের কাঁচের দেয়ালে<br />
তারই প্রতিচ্ছবি,<br />
ওগো প্রিয় কবি,<br />
দেখে যাও, লিখে যাও কোন কবিতা<br />
দিয়ে যাও আমাকে সেই নির্মম দৃঢ়তা,<br />
গ্রহণের পানে যেন পারি তাকাতে,<br />
আলো আঁধারের লুকোচুরি খেলাতে<br />
আমি যেন জিতে যাই।<br />
আমি যেন খুঁজে পাই<br />
সেই আবে হায়াতের কুপ।<br />
জনম জনম ধরে যে রুপ<br />
দু চোখের তৃষ্ণা মিটাতে পার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138470"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138470/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f439b8c612f5913f29be7cf9c105a068</guid>
				<title>বৈতরনীর পাড়ে
অনিক উদ্দিন

আমার হৃদয় কারাগার ভেঙে কে তুই এলি আজ
আকাশ বসুধা কাঁসর ঘন্টার বজ্রের আওয়াজ
নিয়ে,রক্তের প্রতি কণায় কণায় কিসের আহ্বানে
আনলি ঝড়ের তুফান ডাকা বিষান ঢেউয়ের বানে
ধরনী কাঁপানো সেই প্রলয় ঝড়, যার অপেক্ষায়
আমার দিন রাতের প্রতিটি ক্ষন কেঁদে যায়।

এ যে সেই প্রহল্লাদ তাথৈ তাথৈ নৃত্যের উচ্ছ্বাসে 
দু হাতে ঝলকে উঠে তরবারি ঝঞ্ঝার বাতাসে,
ঝঞ্ঝার বাতাস কেঁটে নাঙ্গা তরবারি শাই শাই
হাসে,ও হাসি নয়, রক্তিম বাসনার অনন্ত পরমাই। 
উদ্ভ্রান্ত অস্থির এ হৃদয় আজ কার তরে
ওরে বারবার হাসে, কাঁদে দূর্নিবার কলেবরে।

পাহাড় ভাঙা নির্ঝর আজ দু চোখের বন্যায়
কেন বারবার এসে আমাকে নিয়ে যায়
সেই গিরি প্রপাতের তলে, যার নির্মম শীতলতা 
আমাকে শুনায় গভীর অরণ্যে বৈতরনীর বারতা।
আমার আমি কোন শত বর্ষের পথে
পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত হয়েছে।কত যে উল্কা ঝরা রাতে 
ক্ষত বিক্ষত হয়েছে হৃদয় বাহির। ধূসর পৃথিবীরে
ত্যাগ করে চলে গেছি অনন্ত গভীরের অন্ধকারে।

আমি জানি না,জানি না কবে এর শেষ,
কবে জীবনের পাড় থেকে মহাশূন্যের অবশেষ
আলোখানি নিয়ে যাবো। নিয়ে যাবো বহুদূরে
বহুদূরের কুয়াশায় ঘেরা বৈতরনীর পাড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138127/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Aug 2022 06:39:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৈতরনীর পাড়ে<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>আমার হৃদয় কারাগার ভেঙে কে তুই এলি আজ<br />
আকাশ বসুধা কাঁসর ঘন্টার বজ্রের আওয়াজ<br />
নিয়ে,রক্তের প্রতি কণায় কণায় কিসের আহ্বানে<br />
আনলি ঝড়ের তুফান ডাকা বিষান ঢেউয়ের বানে<br />
ধরনী কাঁপানো সেই প্রলয় ঝড়, যার অপেক্ষায়<br />
আমার দিন রাতের প্রতিটি ক্ষন কেঁদে যায়।</p>
<p>এ যে সেই প্রহল্লাদ তাথৈ তাথৈ নৃত্যের উচ্ছ্বাসে<br />
দু হাতে ঝলকে উঠে তরবার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138127"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138127/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">79af5abc30740fa5640e57944a21b1d3</guid>
				<title>ক্ষুধিত সিন্ধু
অনিক উদ্দিন 

ওই বুকে চিরকাল কোন বিরহ বিধুর
অশান্ত ক্রন্দনে তীরে হানে বেদনার সুর?
কোন নীলিমা প্রিয়ার ময়ুরকন্ঠী হারে
তোমার উর্মির হিন্দোলা, বাঁধা পড়ে বারেবারে।

ওই নীল আঁখি অশ্রু স্রোতে,
কোন সুর আদিকাল হতে
তরঙ্গের বাঁকা তলোয়ারে,
রহস্যের জাল কেঁটে চলেছে
তোমার বক্ষের উপরে। 

তুমি কি জানো কত দুর্মদ দুরাশা,
এই তটে জাগায় আকাঙ্ক্ষার উল্লাস পিপাসা।
ওই ঢেউ,ওই ব্যথা বিষের আস্ফালন,
ওই ত্রাস হাসি অশ্রু জাগায় স্বপন
এই ক্ষুধাতুর প্রাণে। রিক্ত বাসনার 
উলঙ্গ চোখ ধূসর কুহেলি আঁধার,
তটে খোঁজে পূজাথালা হাতে,
কোন বেদনার পিরামিড সাথে
নিয়ে আসে কোন বালা কোন সন্ধ্যায়,
যাকে যুগ যুগ ধরে খুঁজেছো উগ্র তপস্যায়।

যার বুকে বিষমাখা শরের তীব্র যাতনা,
অনন্ত ভুখারি, হে সিন্ধু তোমার কামনা
সে যাচে নাই এই নিশিথ অবেলায়।
তবু তুমি নৃত্যের উল্লাসে কে চায়, কাকে চায়,
গান গাও, হর্ষ বিষাদের সনে,
ঝরা পাতা, ভগ্ন নীড় যার উঠান অঙ্গনে।

যার বুকে মাথা রেখে শুনিয়েছ গান,
তার বুকে আজ দিয়েছ গেঁথে বিষাদ সিন্ধুর বান।
তোমার আকাঙক্ষার অগ্নি চিতা দিয়া
আজো দুচোখে সে বাসর সাজায় 
ওগো সিন্ধু ,ওগো ক্ষুধার্ত প্রিয়া .........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137774/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Aug 2022 15:18:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্ষুধিত সিন্ধু<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>ওই বুকে চিরকাল কোন বিরহ বিধুর<br />
অশান্ত ক্রন্দনে তীরে হানে বেদনার সুর?<br />
কোন নীলিমা প্রিয়ার ময়ুরকন্ঠী হারে<br />
তোমার উর্মির হিন্দোলা, বাঁধা পড়ে বারেবারে।</p>
<p>ওই নীল আঁখি অশ্রু স্রোতে,<br />
কোন সুর আদিকাল হতে<br />
তরঙ্গের বাঁকা তলোয়ারে,<br />
রহস্যের জাল কেঁটে চলেছে<br />
তোমার বক্ষের উপরে। </p>
<p>তুমি কি জানো কত দুর্মদ দুরাশা,<br />
এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137774"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137774/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">799678a048445a84632551e2952704c7</guid>
				<title>আমার ঝড়
অনিক উদ্দিন 

আমার আঙিনা ঘিরে ঝড়ের বাতাস আসে,
ভাঙনের বুক চিরা 
উচ্ছ্বাস ভরা 
অজগর নিঃশ্বাসে।
পৃথিবীর বুক খালি 
ঝড় দেয় করতালি,
জীবনের অলিগলি 
ধুলো দিয়ে ভরে দেয় হুতাশে।


জানি না কোথায় কার
অন্তরে হাহাকার,
ব্যথা নীল কারাগার 
কেঁদে যায় অনিবার।
তবু আমি হাসি কাঁদি ঝঞ্ঝার উল্লাসে।

তবু হেথা একাকী 
কত পথ আছে বাকি,
ঈশানের বৈশাখী 
   জীবনে আবার ডাকি,

পৃথিবীর সুখ ত্যাজি 
যুদ্ধের সাজে সাজি,
নিঃশ্বাসে রাখি বাজি 
হারবার ভয় নাই বিশ্বাসে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137547/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Aug 2022 07:59:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার ঝড়<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>আমার আঙিনা ঘিরে ঝড়ের বাতাস আসে,<br />
ভাঙনের বুক চিরা<br />
উচ্ছ্বাস ভরা<br />
অজগর নিঃশ্বাসে।<br />
পৃথিবীর বুক খালি<br />
ঝড় দেয় করতালি,<br />
জীবনের অলিগলি<br />
ধুলো দিয়ে ভরে দেয় হুতাশে।</p>
<p>জানি না কোথায় কার<br />
অন্তরে হাহাকার,<br />
ব্যথা নীল কারাগার<br />
কেঁদে যায় অনিবার।<br />
তবু আমি হাসি কাঁদি ঝঞ্ঝার উল্লাসে।</p>
<p>তবু হেথা একাকী<br />
কত পথ আছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137547"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137547/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e60ebaca019efbaac6c4df2239e545ec</guid>
				<title>মাথাপিছু আয়
অনিক উদ্দিন 
এখন হাঙর জলে নয় স্থলে বাস করে, 
লোলুপ করাল প্রতিটি ক্ষুধার্ত কামড়ে
আদমশুমারী কঙ্কালে পরিণত, 
হাতের সেলাম আজ মস্তকে অবনত।

প্রান্তিক চাষী ক্ষেতের আইলের বাঁধ
এখনো বাঁধে, কিছুটা জাগে স্বাদ
নতুন ধানের খসখসে পরশ পেতে।
তবুও হতবুদ্ধি প্রতিটি ঘামের ফোটাতে
শুধু পাই লবনের আঠালো ছোঁয়া,
সেখানে মূল্য, মামীর হাতের মোয়া!

ছেঁড়া লুঙ্গি গামছা ,ধান ক্ষেতের আগাছা
রোদে পোড়া পিঠ ,মাথায় শনের বোঝা,
বহু পুরাতন এই কাব্যিক দৃশ্য বাংলার মাঠে
ডিএসএলআর ক্যামেরায় সুন্দর ফুটে ওঠে।

নৈসর্গিক দারুন উপমায় কবিমন্ডলী
খাতা কলম হাতে বড় বড় বুলি।
এসি রুমের বিশাল টেবিলে যথা
উন্নতি প্রগতি জোয়ার প্রভৃতি কথা,
ব্যাপক আলোচনা, নতুন সরকার,
মাথাপিছু আয় বাড়ে,কত কি দরকার,
নতুন প্রযুক্তি যাবে কৃষকের হাতে
কৃষক লাভবান তো আমরা মূল্যবান তাতে।

সব ঠিক আছে শুধু জমিখানি নাই
মেয়ের বিয়েতে বেচে দিয়ে তাই, 
এখন অন্যের জমি চই।
শরীর গিয়েছে ভেঙে, কই
বাজার দর কমেছে? হুমমমম!!!
মাথাপিছু আয় বেড়েছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137117/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Aug 2022 12:16:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাথাপিছু আয়<br />
অনিক উদ্দিন<br />
এখন হাঙর জলে নয় স্থলে বাস করে,<br />
লোলুপ করাল প্রতিটি ক্ষুধার্ত কামড়ে<br />
আদমশুমারী কঙ্কালে পরিণত,<br />
হাতের সেলাম আজ মস্তকে অবনত।</p>
<p>প্রান্তিক চাষী ক্ষেতের আইলের বাঁধ<br />
এখনো বাঁধে, কিছুটা জাগে স্বাদ<br />
নতুন ধানের খসখসে পরশ পেতে।<br />
তবুও হতবুদ্ধি প্রতিটি ঘামের ফোটাতে<br />
শুধু পাই লবনের আঠালো ছোঁয়া,<br />
সেখানে মূল্য, মামীর হাতের মোয়া!</p>
<p>ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137117"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137117/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1618af23988706163940ec375f6ed17a</guid>
				<title>অতিথি
অনিক উদ্দিন 

গগন দ্বীপ্ত করে
যখন তপন উদয় হল হেথায়,
সুখের স্বপন ভোরে,
আলোকপিয়াসী পৃথিবীর সুখ জলসায়।

এসো এসো কবি নব সৃষ্টির গানে
সুর দিয়ে যাও সকল জীর্ণ প্রাণে,
নতুন ছন্দ নতুন উত্থান দিয়ে
ভরাও ভূবন রঙের নিবিড়ে নিয়ে
নতুন যুগের আনন্দ উৎসব মেলায়।

পৃথিবীর যত সুখ সম্ভার 
দিয়ে দাও কবি দুহাতে তার,
দেখাও তারে নতুন করে সৃষ্টির উল্লাস।
যে আসে আলোর অপার জগতে
যে প্রাণ পায় নতুন সুর সঙ্গীতে,
বিপুল ধ্বংসের মাঝে যে খোঁজে বাঁচার নির্যাস।

নির্মোক ভেঙে যে চকিতে চমকে আসে
জীর্ণতার মাঝে যে অনাহুত ভালোবাসে,
যে সীমা খুঁজে পায় সীমাহীন নীলাকাশে,
তারে বসাও কবি নতুন জগত সভায়
বরন করো নব আলোকের সিক্ত প্রভাত বেলায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/137115/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Aug 2022 12:13:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতিথি<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>গগন দ্বীপ্ত করে<br />
যখন তপন উদয় হল হেথায়,<br />
সুখের স্বপন ভোরে,<br />
আলোকপিয়াসী পৃথিবীর সুখ জলসায়।</p>
<p>এসো এসো কবি নব সৃষ্টির গানে<br />
সুর দিয়ে যাও সকল জীর্ণ প্রাণে,<br />
নতুন ছন্দ নতুন উত্থান দিয়ে<br />
ভরাও ভূবন রঙের নিবিড়ে নিয়ে<br />
নতুন যুগের আনন্দ উৎসব মেলায়।</p>
<p>পৃথিবীর যত সুখ সম্ভার<br />
দিয়ে দাও কবি দুহাতে তার,<br />
দেখাও তারে নতুন করে সৃষ্টির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-137115"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/137115/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa98d1964c4c7cd75247bbcf62e7973a</guid>
				<title>আমি তো সেই অভিমুন্য
অনিক উদ্দিন

আমি তো সেই অভিমুন্য
যাকে ঘিরেছে সাত মহারথী
মহামরনের বিপুল উৎসবে।
বানের পর বান উজার
করেছে তূনীর অশান্ত কলরবে।
অজানা জয়ের অদ্ভুত নেশায়
আমার শোনিতের প্রতিটি বিন্দু
ক্রমাগত আগ্নেয়গিরির লাভা সম
টগবগ করছে ....
বানের পর বান আসছে...
আমি মহাউৎসবে মরনের
তান্ডব নৃত্যে ডমরু বাজাচ্ছি
শংকর সম।
তীব্র বিষের ব্যথা জর্জরে
আমি ক্লান্ত নই। নই আমি ভীত।
আমি শুধু আমার আমিতে নাই।
আমি উন্মাদ, উদ্ভ্রান্ত
অশান্ত চির অক্লান্ত।
বানের পর বান আসছে....
আমি দেখি তা বৃষ্টির ফোটা
শরীর ভিজিয়ে দেয়
রক্ত স্রোতে মহানন্দে।
মহাবিজয়ের রনকেতু আমার
বামকরে। আমি রক্তাক্ত তরবারি
উঁচু করে ধরে দেখছি...
ক্লান্ত মহারথীর দল শূন্য
তূন খুঁজে ফিরছে। বান নাই,
এখন গদা হাতে নেমেছে রথ হতে।
আয় রে আয় মৃত্যু...
মহাবিজয়ের মৃত্যু!
বড় কাঙ্খিত রক্ত সুখের
শয্যায় বাসর সাজাব আজ।
নববধূ রক্তচেলী পড়ে
রক্তাক্ত সমরাঙ্গনে নাঙ্গা পায়
হেঁটে আসছে ....
আমি অবাক চেয়ে আছি...
কি দারুণ নির্লিপ্ত তার চাহনি,
দু চোখের কোনায় কাজলের
দীঘল রেখা টানা।
আমি তার হাত ধরে
ধীরে ধীরে ব্যথার নীল সাগরে
ডুবে যাচ্ছি।
বানের পর বান আসছে ....
বানের পর বান আসছে.....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/136573/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Aug 2022 14:12:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি তো সেই অভিমুন্য<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>আমি তো সেই অভিমুন্য<br />
যাকে ঘিরেছে সাত মহারথী<br />
মহামরনের বিপুল উৎসবে।<br />
বানের পর বান উজার<br />
করেছে তূনীর অশান্ত কলরবে।<br />
অজানা জয়ের অদ্ভুত নেশায়<br />
আমার শোনিতের প্রতিটি বিন্দু<br />
ক্রমাগত আগ্নেয়গিরির লাভা সম<br />
টগবগ করছে &#8230;.<br />
বানের পর বান আসছে&#8230;<br />
আমি মহাউৎসবে মরনের<br />
তান্ডব নৃত্যে ডমরু বাজাচ্ছি<br />
শংকর সম।<br />
তীব্র বিষের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-136573"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/136573/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c996ef6cbd194b5c201440f15dd330d</guid>
				<title>বাবা
অনিক উদ্দিন

অনেক বৃষ্টির আড়ালে 
যখন বহু পতনের শব্দে,
আরো অনেক শব্দ বিলীন হয়ে যায়,
যেমন -বাবা। 

শুনতে কি পাও আমি ডাকছি তোমায়,
বহু দুর থেকে আমি অনন্ত আকাশের বুকে
খুঁজছি তোমায়। 
আজ আমি শ্মশান সংসারের সীমানার প্রহরী,
নিরবতার নির্ঘুম যামিনীর সাক্ষী ,
বাবা...
আর একবার ফিরে আস
আর একবার দেখি তোমার মুখখানি,

কতদিন দেখি নাই
কতদিন ধরি নাই তোমার হাতখানি ,
কতদিন শুনি নাই তোমার কথা। 

কতবার বাবা ডাকি,
সব শূন্য প্রতিধ্বনি করে আসে ফিরে
আমার মহাশ্মশানের সীমাহীন প্রান্তরে। 
আজ আমি হাজারো মানুষের ভিড়ে
একাকী দাঁড়িয়েছি-সঙ্গী নাই ,স্বজন নাই
নাই বাবা তোমার ছায়া,
বিদগ্ধ জীবনের পরাজিত সৈনিক আজ দাঁড়িয়েছে
চোখে নিয়ে জীবনের চরম হতাশা,
গ্লানির কিরীট পরিহিত পদাহত সৈনিক
এসেছি চরম নিবেদন নিয়ে। 

কোথা তুমি ,কোথায় তোমার মুখ
কোথায় খুঁজি, কোথায় তোমারে পাই
কে আমাকে দেখাবে পথ
এই অনন্ত তিমিরের মাঝে।

সীমাহীন আকাশের বুকে
এত তারকার ভিড়ে,
মনের ভুলের বাতিকে
একবার ও কেন দেখি না 
তোমার মুখ।

দেখিনা স্নেহ মাখা করুনা ঢালা
চির আশ্বাসে ভরা মহান দুটি চোখ।

আকণ্ঠ হতাশায় নিমগ্ন আমি
অতি অসহায় বাবা,
রিক্ত প্রাণ বারবার কেঁদে ওঠে গুমরে
জীবনের আশাহত অনিকেত প্রান্তরে। 
তোমার ছায়া নাই, কথা নাই, কিছু নাই
আছে শুধু স্মৃতি, আছে শুধু ব্যথা,
আছে শুধু গোপন ক্রন্দনের 
অভিমানী সলিল রাশি। 

দিবসের প্রদীপ আত্নদান দিতে আসে
নীল নদের গহীন বারিধারায়,
আমিও আসব বাবা,
ভাগ্যলিপির খসড়া নিয়ে,
তোমার চরণ ছুঁতে
ঐ অলিম্পাসের চূড়ায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135862/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 05:00:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাবা<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>অনেক বৃষ্টির আড়ালে<br />
যখন বহু পতনের শব্দে,<br />
আরো অনেক শব্দ বিলীন হয়ে যায়,<br />
যেমন -বাবা। </p>
<p>শুনতে কি পাও আমি ডাকছি তোমায়,<br />
বহু দুর থেকে আমি অনন্ত আকাশের বুকে<br />
খুঁজছি তোমায়।<br />
আজ আমি শ্মশান সংসারের সীমানার প্রহরী,<br />
নিরবতার নির্ঘুম যামিনীর সাক্ষী ,<br />
বাবা&#8230;<br />
আর একবার ফিরে আস<br />
আর একবার দেখি তোমার মুখখানি,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135862"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135862/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c361c827b749c4c33f57068635742565</guid>
				<title>শূন্য স্বপ্ন
অনিক উদ্দিন

রংমহলের তাকিয়া ছেড়ে চিরচেনা এই অরণ্যে
বিজন আসরে নির্ঝর তলে সে কার জন্যে
একাকী ব্যাকুল আসন পেতেছে বহুকাল ধরে,
সুরার সুষমা বিলীন করে বিশীর্ণ নীল কান্তারে,
সেদিনও যে ছিলো বাঞ্ছিত কুসুমের মালা নিয়ে। 
নিত্য আঁধার সন্ধ্যায় সেই সাগরের তট দিয়ে,
শাল্মলি তরু শিকড়ে যার আঁচলের পাড় ছুুঁয়ে
গোধূলি অরুণ ঘুমে যেত চলে গগন বাগিচা থুয়ে। 
আজ এখানে নীহার ভেজানো মাঘের গভীর শ্বাস,
কেঁদে যায় আহা কান্তার মাঝে শীতে জড় বুনোহাঁস। 
রিক্ততা ঘেরা আঁখির অশ্রু ফিরে চায় বারেবারে,
বহু পুরাতন কুসুমের সখী পিছনে কি এলো ফিরে?

একাকী শীতল বায়ু বয়ে যায় কৃষ্ণ মেঘের কূলে,
তার তরে নিশিথে জোনাকি এখনো গিরিকন্দর মূলে 
জেগে আছে যেন চিত্রপটে জ্যোতিষ্কের নীল কণা,
উজানী ঢেউয়ে ভেসে আসে তাই তারার খচিত সোনা।
ক্ষ্যাপা বাউলের সুরখানি আজ হৃদয়ের মাঝে আসি,
ব্যথার তোড়নে কড়া নেড়ে যায় বাঁকা সে ঠোঁটের হাসি
দিয়ে চলে যায় ফের সীমান্ত সুদূর পাড়ে,
বুকের দরিয়া তোলপাড় করে শুন্য স্বপ্ন ভরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135480/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Aug 2022 08:27:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শূন্য স্বপ্ন<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>রংমহলের তাকিয়া ছেড়ে চিরচেনা এই অরণ্যে<br />
বিজন আসরে নির্ঝর তলে সে কার জন্যে<br />
একাকী ব্যাকুল আসন পেতেছে বহুকাল ধরে,<br />
সুরার সুষমা বিলীন করে বিশীর্ণ নীল কান্তারে,<br />
সেদিনও যে ছিলো বাঞ্ছিত কুসুমের মালা নিয়ে।<br />
নিত্য আঁধার সন্ধ্যায় সেই সাগরের তট দিয়ে,<br />
শাল্মলি তরু শিকড়ে যার আঁচলের পাড় ছুুঁয়ে<br />
গোধূলি অরুণ ঘুমে যেত চলে গগন বাগিচা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135480"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135480/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b29a770aebf18b28cd53b3ff06d73a97</guid>
				<title>শিশুর দৃষ্টি
অনিক উদ্দিন


 
যে শিশু আজ জেগেছে ঘুম থেকে,
অন্তর শূণ্য; বিষাদের পঙ্কিলতাকে
দূরে রেখে দেখছে বিশ্বের প্রান্তর।
সে শিশুর বোধ কাজ করে যাযাবর
এই পৃথিবীর মানুষ ; মশকে একটু পানি,
মরুভূমির মত জলন্ত কলিজাখানি
বহুকাল পরে নেমেছে মৃতের সাগরে,
যখন শোণিত ঝরছে নিভৃত আঁধারে। 

সে শিশু ঘুম থেকে ওঠে নাই
দুঃস্বপ্নের মত; হৃদয় ভাঙার দোহাই
নিয়ে পৃথিবীর অটবির কিনারে
ঘুম ঘুম চোখে দেখে পাতাগুলো ঝরে।
পাতাগুলো ভূমিতে পঁচে যাবে 
বর্ষার অগনিত আন্দোলন উৎসবে।
সে শিশু হাত ধরে নাই কারো
যদিও সীমাহীন স্নেহ নাই ; আরো
ভয়ের বিষাক্ত কোলাহলে
টলমল শিশু, উদ্ভ্রান্ত উৎরোলে
শহর থেকে দূরে বহুদূরে চোখ দেখে
আনীল আকাশের প্রান্তে হাত রেখে। 

এই বিষাক্ত বোধ মগজের চারপাশে,
নিত্য করাতের মত যায় আর আসে।
একাকী জীবনের শুরু দিনের আলোকে,
শিশু উল্লাসহীন হাতে বিদায়ের ছবি আঁকে।
যে শিশু আজ ঘুম থেকে জেগেছে
ক্ষয়িষ্ণু জীবনের তরল তলানি কাঁধ বেয়ে নেমেছে ;
তখন শিশু চোখ তুলে দেখে সেই কাঁধ
তার পিতার ; বিচিত্র সাদাকালো স্বাদ
বাঁচার তাগিদে, নিঃস্ব পিতা
আজ হাত ধরে মুছে কুচকানো চোখের পাতা।

 বিচিত্র নিয়মে প্রকৃতির নির্মল
বর্ষার ঝরে পড়া জল,
চলে আসে আমাদের চোখে।
অবুঝ শিশু চোখ তুলে দেখে
ভিতর বাহির বর্ষায় টলমল;
চোখের মনিতে আগুন জ্বলজ্বল ও বর্ষার জল
একসাথে মিশে আছে; কঠিন ধাঁধা,
বোঝা যায় না কে কার থেকে আলাদা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135020/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Aug 2022 14:44:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিশুর দৃষ্টি<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>যে শিশু আজ জেগেছে ঘুম থেকে,<br />
অন্তর শূণ্য; বিষাদের পঙ্কিলতাকে<br />
দূরে রেখে দেখছে বিশ্বের প্রান্তর।<br />
সে শিশুর বোধ কাজ করে যাযাবর<br />
এই পৃথিবীর মানুষ ; মশকে একটু পানি,<br />
মরুভূমির মত জলন্ত কলিজাখানি<br />
বহুকাল পরে নেমেছে মৃতের সাগরে,<br />
যখন শোণিত ঝরছে নিভৃত আঁধারে। </p>
<p>সে শিশু ঘুম থেকে ওঠে নাই<br />
দুঃস্বপ্নের মত; হৃদয় ভাঙার দোহাই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135020"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135020/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">77a47e8ad2c55b2b2ad798a38698a5a6</guid>
				<title>সুখের বার্তা
অনিক উদ্দিন

একাকী অন্ধ সন্ধ্যা আঁধার এই নদী কূলে আর
বিরহী পবনে নীল হয়ে কেন কেঁদে যায় বারেবার?
চারদিকে কোন হতাশ নিশ্বাস গুল্ম লতার ফাঁকে,
জোনাকি আলোর ক্ষীণ রশ্নি কার নাম ধরে ডাকে?
কে জানে নদীর স্রোতের কিরীটে কার নাম আছে লেখা,
কে জানে আকাশ দরিয়ার বুকে সন্ধ্যাতারার রেখা
আজ ও মলিন চোখের ভাষায় নীরবে কাঁদে যে একা।
আমি জানি না, আমার ধ্বংস হৃদয় শতাব্দীর কালো
অন্ধকারে বাঁধা পড়া যাকে খোঁজে না ভোরের আলো।

শতপাকে জিঞ্জির মালা কন্ঠে যে চিরকাল
আঁধার অন্তরীক্ষে যথা ফেলেছে যে মহাজাল।
কূট হলাহল কন্ঠে রেখেছি নীলকন্ঠের মত
বিষাদের তীর আকাশ চিরে আমায় করেছে ক্ষত
বারেবারে, কেন কে জানে কোন অপরাধে
পিছমোড়া করে সুখ পায়রার পাখা কেন যে বেঁধে
জীবনের কোলাহল সব এইখানে গেল থেমে?
ক্লেদাক্ত বিক্ষত হৃদয় কালো ধোঁয়ায় উঠেছে ঘেমে।

অশান্ত জীবনের বিষাক্ত ঠাট্টা কৌতুক ভরা গালি
তিল তিল করে তালি লাগানো জামায় পড়েছে কালি,
দেখে তা জীবনের লাল দাঁতগুলো উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে,
তাই দেখে তপ্ত রোদের হাসি আরো উত্তাপ নিয়ে ঝরে।
বড় নির্মম কশাঘাত! বুকের পাঁজরে আঁকা আছে
শতাব্দীর কালো হাসি কালো মৃত্যুর যবনিকা পাছে।
কেহ কি বোঝে নাই? কোন মিথ্যা মোহের উদ্ভ্রান্ত
আশা রশি দিয়ে টেনে নেয়, স্বর্গ ভূমির প্রান্ত 
দেখিয়ে ছুঁড়ে দেয় ফের সাহারা মরুর মাঝে।
মৃত্যু ঘন্টা ঢংঢং করে যে তখনও হৃদয় কোটরে বাজে,
কে রাখে খোঁজ? ক্ষুধার্ত পেটে নিত্য সুখের জোয়ার
কল্পনা করে বাজি রাখে জীবন ফের হারবার।

তবুও উঠে দাঁড়াই, তবুও আলোর রেখাখানি খুঁজি
অন্ধ আঁধারে ভগ্ন বুকের আশার অশ্রু রুজি
নিয়ে চেয়ে থাকি দূর আনীল আকাশে,
যেথায় শুভ্র বলাকা সুখের বার্তা নিয়ে আসে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131850/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 05:27:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখের বার্তা<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>একাকী অন্ধ সন্ধ্যা আঁধার এই নদী কূলে আর<br />
বিরহী পবনে নীল হয়ে কেন কেঁদে যায় বারেবার?<br />
চারদিকে কোন হতাশ নিশ্বাস গুল্ম লতার ফাঁকে,<br />
জোনাকি আলোর ক্ষীণ রশ্নি কার নাম ধরে ডাকে?<br />
কে জানে নদীর স্রোতের কিরীটে কার নাম আছে লেখা,<br />
কে জানে আকাশ দরিয়ার বুকে সন্ধ্যাতারার রেখা<br />
আজ ও মলিন চোখের ভাষায় নীরবে কাঁদে যে এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131850"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131850/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1de64b5e60b72ebfd229da7f96bffbe</guid>
				<title>বৃষ্টি
অনিক উদ্দিন 

তুমি এসেছ বহু পতনের শব্দে রিম ঝিমঝিম ,
সে কান্নার সুর ছুঁয়ে যায় ধরনীলোকের অসীম
অজানা পথে, কোথাকার কোন বন্দিনী রাজকন্যার
বুক ভাঙা ক্রন্দন সুর বৃষ্টির পসরা হয়ে আবার
এলো পৃথিবীর এইপাড়ে, হাজার জিঞ্জির ঝনঝন
করে হাতেপায়, তার অসহায় অবুঝ ক্রন্দন 
পাথরের কঠিন কারাগার ভেঙে এলো আজ বাইরে। 
কোথায় কোন মরুভূমির লু হাওয়া তার কান্নার সুরে
তপ্ত নিঃশ্বাস সম আমার চুলের &#039;পরে ফেলে নিঃশ্বাস
অজান্তেই হাহাকার করে শূন্য ওয়েসিস হুতাশ
হৃদয়ে, শুকনো খর্জুর রসহীন মরুভূমি নির্বাক,
ধূসর ধূলির নির্জীব তপ্ত অবসাদ ভরা অবাক 
মৃতের মত স্থির স্পন্দহীন অসহায় চাহনি,
বৃষ্টির অনেক ভালোবাসায় বহুকালের ক্লান্ত অবনী
প্রাণ পেয়ে হেসে ওঠে সবুজের উদ্দাম উচ্ছ্বাসে,
শীতল উচ্ছল প্রভঞ্জন মেঘের শিবিকায় চড়ে আসে। 
রাজকন্যা তার অশ্রু সাগরে পৃথিবীর উত্তাপ
নিয়ে চলে যায় দূরে যেখানে হেডিসের অভিশাপ 
স্পর্শ করেনা সাজানো স্বপ্নীল মেদিনীর সবুজ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/131849/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 05:26:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টি<br />
অনিক উদ্দিন </p>
<p>তুমি এসেছ বহু পতনের শব্দে রিম ঝিমঝিম ,<br />
সে কান্নার সুর ছুঁয়ে যায় ধরনীলোকের অসীম<br />
অজানা পথে, কোথাকার কোন বন্দিনী রাজকন্যার<br />
বুক ভাঙা ক্রন্দন সুর বৃষ্টির পসরা হয়ে আবার<br />
এলো পৃথিবীর এইপাড়ে, হাজার জিঞ্জির ঝনঝন<br />
করে হাতেপায়, তার অসহায় অবুঝ ক্রন্দন<br />
পাথরের কঠিন কারাগার ভেঙে এলো আজ বাইরে।<br />
কোথায় কোন মরুভূমির লু হাওয়া তার ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-131849"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/131849/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">548a11f141d0bfcbd5656116d4939314</guid>
				<title>হৃদয়ের খুন
অনিক উদ্দিন

তুমি ভুলেছো আমাকে তাই সত্য হোক
তাই তোমার দেউলে জ্বলেছে আঁধারে আলোক।
দেবতা তোমার প্রণতি করেছে গ্রহণ অবশেষে,
তাই আমার অঞ্জলি বেদী অশ্রুতে গেছে ভেসে।
প্রিয় যে দু চোখে দিয়েছিলে স্বপ্ন বিভোর,
ভুল কি ছিলো তা না দুঃস্বপ্নের আঁচর?

আজো বুঝি নি, আজো বুঝি নি সেদিন সন্ধ্যায়
ক্ষীণ দীপালি আলোকে কাজল ধুয়েছিল সলিল বন্যায়
কার তরে, কি অভিমানে চোখ দুটি করেছিলে আড়াল
অন্ধকারে। অভাজন আমি, আমার উত্তাল
প্রেম সাগরের ঢেউ বুঝি ছুঁয়েছিলো তোমার তরীকে,
ডুবে কি যাবে অতল অশান্ত সাগরের বুকে 
এই ভয় ছিলো মনে মনে। তাই বুঝি কেঁপেছিলো আঁখি,
অশ্রুভাঙা কন্ঠে গেয়েছিলে গান। বিদায়ের রাঁখি
বেঁধেছিলে তোমার আমার হৃদয়ের বন্ধনে।
আজ তার আর কিছু কি নাই মনে?

কোনো স্মৃতির পৃষ্ঠা বাতাসে ভুল করে ওড়ে নাকো
অচেতন মনে? খুঁজে দেখো কি কোথায় এখনো
কেউ আঁধারে আকাশের নক্ষত্র দেখে ভাবে
সেও বুঝি এমনি আঁধারে চেয়ে আছে এভাবে?
না, না, ভুল সবই ভুল। পৃথিবীর এ প্রান্তে
যে সংকীর্ণ জীবন তা ফেলেনি দাগ তোমার হাসিতে। 

তুমি অটুট, জীবনের বিস্তৃর্ন টলমল জলরাশি মাঝে
নিত্য ভেসে চলেছো দ্বীধাহীন সুবর্ণ উষসীর সাঝে। 
কোথা থেকে কোথায় চলেছে তোমার তরী কার তরে,
বন্ধু দেখো নি একবার ফিরে কোন বন্দী শিবিরে,
একখানি শ্বেতশুভ্র পালের আশায় নিত্য বালুচরে
একাকী আগুন জ্বালিয়ে জীবনের সীমাহীন সাগরে
পাড়ি দিতে বসে আছে। তুমি আগুন দেখো নি,
দেখেছো ধোঁয়া ঢাকা দুরত্বের অনিশ্চয়তার অবনি।

নিস্প্রান পাষাণ দেবী, পলকহীন অশ্রুহীন ওই চোখ,
যারে ভালোবেসে আমি নিভিয়েছি দীপালি আলোক
গভীর অন্ধকারে। কেবলই অনন্ত দুরাশা,
হৃদয়ের অভ্যন্তরে কুহকের মত ভেসে আসা
আকুতি গুলি দীর্ঘ মরুভূমির মাঝে তপ্ত অরুণ ,
যার বহ্নি নিঃশ্বাসে আরো তপ্ত হয়ে যায় হৃদয়ের খুন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/130024/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Aug 2022 05:03:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হৃদয়ের খুন<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>তুমি ভুলেছো আমাকে তাই সত্য হোক<br />
তাই তোমার দেউলে জ্বলেছে আঁধারে আলোক।<br />
দেবতা তোমার প্রণতি করেছে গ্রহণ অবশেষে,<br />
তাই আমার অঞ্জলি বেদী অশ্রুতে গেছে ভেসে।<br />
প্রিয় যে দু চোখে দিয়েছিলে স্বপ্ন বিভোর,<br />
ভুল কি ছিলো তা না দুঃস্বপ্নের আঁচর?</p>
<p>আজো বুঝি নি, আজো বুঝি নি সেদিন সন্ধ্যায়<br />
ক্ষীণ দীপালি আলোকে কাজল ধুয়েছি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-130024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/130024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">45dde2f7d2fe38f5bbdb6334e68ee461</guid>
				<title>(পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে রচিত) 
বীরত্বের ইতিহাস
অনিক উদ্দিন

অভিমুন্য সেই অভিমুন্য
যার কবজায় কড়া পড়ে গেছে তলোয়ার মুঠো ঢলে,
যার পদভারে রণভূমি ত্রস্ত ওঠে দোলে। 
জীবনের মহাপরীক্ষা মহারণে আজ উদ্দাম ঝড়ে, 
মহাকাব্যের পান্ডুলিপি পান্ডু শিবিরে শোনিতের অক্ষরে
লেখা হল চিরদিনের বীরগাঁথা।
অভিমুন্য নিয়ে এলো সেই বারতা। 
সেই দূর্বার প্রানস্রোতে টগবগে তরুণ, 
একহাতে নাঙ্গা তরবারী আর হাতে অস্ত অরুণ,
মহাউল্লাসে রুধির নদীতে সমর্পণ 
করে বীর ,বীরের মত যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষন
দেখালো পৃথিবীকে নব নব বিস্ময়ের চোখে।
স্বর্গ মর্ত্য উভয়ই নির্বাক চেয়ে দেখে।

অভিমুন্য সেই অভিমুন্য
যার চলার দাপটে কর্তিত শিরগুলো চূর্ণ চূর্ণ
হয়ে মরমর করে শত্রুর জিগরে দেয় বাড়ি।
শত্রু উদ্ভ্রান্ত ,অস্থির ভীতির চূড়ান্তে তুবড়ি
সুরে মত্ত হয়ে বিষের ক্লেশে মোচড়ে মোচড়ে, 
নীল হয়ে কেঁপে ওঠে বারেবারে।

হায় হায় হায় এক বালক বধের নিমিত্তে
ছয় মহারথী তাকে বেষ্টন করে কৃপাণ হাতে!
সেকি বালক উন্মত্ত অসীম মহাপরাক্রমে
শত্রু ব্যূহ মাঝে জাগল মারীভয় মরমে মরমে!
একি এতো নয় বালক এতো শত্রুর মহাঅভিশাপ,
কাল দুষ্ট গ্রহের অনিষ্টের দুর্মদ উত্তাপ!
সেকি তীব্র তীক্ষ্ণ চাহনি রক্তচক্ষু জ্বলজ্বল করে, 
সাতশ নরকের কালাগ্নি দুচোখ বেয়ে উন্মত্ত ঝরে!
প্রচন্ড ক্রোধের লাভায় কোশলরাজ কোথায় ভেসে যায়,
দূর্যোধন সূত লক্ষন শির তার বর্শা আগায় শোভা পায়!
কত রথী মহারথী ষোলো বছরের কাছে ধূলার মত,
শূন্যে মিলিয়ে যায় চোখের পলকে অবিরত!
ষোলো বছরের তান্ডব স্বর্গলোকেও হানা দেয় বিস্ময়ে,
দেবতার চোখ স্থির, জল পড়ে গেছে শুকিয়ে।

বসুধা বুকও আজ দ্বিধা হয়ে যায় রণক্ষেত্র হতে,
তার উন্মত্ত উদ্দাম প্রান জোয়ারের স্রোতে।
দ্রোন কৃপ কর্ন অশ্বত্থামা বৃহদ্বল কৃতবর্মা,
বালকের বিক্রমে সম্ভ্রম বিসর্জন দিল ছয় অকর্মা, 
অন্যায় রণে নিপীড়িত করে বীরের মুখোশে 
কৌরব শিবিরে চোরের মতন ফিরে আসে।
ধিক্ ধিক্ ধিক্ শত ধিক্ কাপুরুষের দল,
এক বালকের সাথে ছয় পুরুষের বীরত্বের ছল,
স্বর্গ দেখেছে মর্ত্য দেখেছে অসুর হেসেছে দেবতা কেঁদেছে, 
রক্তের কালিতে বীরত্বের ইতিহাস কুরুক্ষেত্র রচেছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128820/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 06:02:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>(পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে রচিত)<br />
বীরত্বের ইতিহাস<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>অভিমুন্য সেই অভিমুন্য<br />
যার কবজায় কড়া পড়ে গেছে তলোয়ার মুঠো ঢলে,<br />
যার পদভারে রণভূমি ত্রস্ত ওঠে দোলে।<br />
জীবনের মহাপরীক্ষা মহারণে আজ উদ্দাম ঝড়ে,<br />
মহাকাব্যের পান্ডুলিপি পান্ডু শিবিরে শোনিতের অক্ষরে<br />
লেখা হল চিরদিনের বীরগাঁথা।<br />
অভিমুন্য নিয়ে এলো সেই বারতা।<br />
সেই দূর্বার প্রান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128820"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128820/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5fcab110bd656790783d3e093f7d588d</guid>
				<title>উদ্ভ্রান্ত মন
অনিক উদ্দিন

ঝড়, প্রলয় অশনি হুংকার ডাকা ঝড়
উঠেছে আমার বুকের আহত পাঁজর &#039;পর,
নীলিমা নীলের আঁচল আবার ছিঁড়ে
জেগেছি পুনঃ বজ্রশিখার প্রবল ছোবল মেরে,
ওই মহাকাশ ম্লান অনলশিখা ছুটবে বীর্যহারা
আমি যে এসেছি প্রলয় ঝড়ের প্রহরী তন্দ্রাহারা।

কন্ঠে আমার বজ্রনেশার ধমক চূর্ণ গুঁড়া,
জিউসও হেথায় চুপ মেরে যায় অলিম্পাসের চূড়া 
কেঁপে যায় আমার একটি ধমক শুনে,
পাশুপত আজ তূনীরে নয় আমার রক্ত তুনে।
কোথা মার্তন্ড ডুব মেরেছে আঁধার সিন্ধুর কূলে ,
আমি এসেছি জিঞ্জির হাতে বাঁধবো আমার চুলে
তারে আজ, অগ্নি তিলক পরবো ললাটে ফের
বহ্নিলাভায় ছেয়ে যাবে তবে চারদিক বিশ্বের। 

জাগুক ঘুমন্ত নির্জীব তথা শুকনো খড়ের দল
হেথা জলন্ত আগুনে ফুটুক রক্ত অশ্রু জল।
হেথা বিনিদ্র চোখ জ্বলে যায় কপট আঁধার রাতে
রাতের তারারা ভেসে যায় নীল আমার অশ্রু স্রোতে।
কোথা থেকে কালধূমকেতু হৃদয় দেয়ালে আজ,
অভিশাপ আঘাতে তরল গরলে সাজালো রঙিন সাজ।

চারদিকে দাবানল
কৃষ্ণ পাবক শিখায় ফুটলো তপ্ত বুকের জল।
টগবগ করে ওঠে,ফুটন্ত ভিসুভিয়াস বুকের পাঁজর তলে,
উল্কা মুখের তীব্র জ্বালায় শিশিশিশি করে জ্বলে।
বড় উদ্ভ্রান্ত, উন্মাদ আজ এ বুকের কোলাহল,
নির্ঝর চাই, কোথা খুঁজে পাই নায়াগ্রা প্রপাত তল।
তপ্ত ব্যথার বিষের আগুনে ভরে গেছে চারদিক,
শীতল নিঁদের অনুরাগ খোঁজে আঁধার আটলান্টিক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128501/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Aug 2022 05:06:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>উদ্ভ্রান্ত মন<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>ঝড়, প্রলয় অশনি হুংকার ডাকা ঝড়<br />
উঠেছে আমার বুকের আহত পাঁজর &#8216;পর,<br />
নীলিমা নীলের আঁচল আবার ছিঁড়ে<br />
জেগেছি পুনঃ বজ্রশিখার প্রবল ছোবল মেরে,<br />
ওই মহাকাশ ম্লান অনলশিখা ছুটবে বীর্যহারা<br />
আমি যে এসেছি প্রলয় ঝড়ের প্রহরী তন্দ্রাহারা।</p>
<p>কন্ঠে আমার বজ্রনেশার ধমক চূর্ণ গুঁড়া,<br />
জিউসও হেথায় চুপ মেরে যায় অলিম্পাসের চূড়া<br />
কেঁপে য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128501"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128501/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dffb4a468c7f6af02d085dc6987abbf8</guid>
				<title>মহাসেনাপতি 
অনিক উদ্দিন

কতকাল পার হয়ে গেছে, খোলো নি কেন এ দুয়ার? 
উঠেছে অরুন হিমাদ্রি শিরে ভয় নেই কোন আর। 
চেয়ে দেখ আজ দ্বাপর যুগের মৃত্যু কপাট খুলে,
এসেছে সব্যসাচী,প্রাচীর চূড়ায় প্রভাত সূর্য তুলে।
গৌরী শিখরে সফেদ তুহিন রুধির নেশার লালে, 
চুমা খায় যেন গভীর আবেশে তরুণ রবির গালে।

আজ পার্থ রথ থেকে নেমে গান্ডীব টংকারে, 
ওপারের সব আত্না ডেকেছে মহাভারতের পাড়ে। 
যুগে যুগে যত মহাপ্রান মহাপ্রলয়ের মাঝে এসে, 
দিয়েছে প্রাণ,মরণের ভিতে মানুষেরে ভালোবেসে,
পার্থ ডেকেছে তাদের দেখাতে ফের এই ছায়াছবি,
এখানে দেউলের ফূর্তি পূজারী শিশমহলের কবি!

দূর্যোধনের কালছায়া এখনো রাহুর গ্রাসের মত,
দূঃশাসনের চোখ দিয়ে দেখে অন্ধকারের ক্ষত। 
শকুনি এখনো মন্ত্রনা দেয় পাশার গুটির চালে,
বহু যুধিষ্ঠির জড়বৎ হয় পুতুল খেলার তালে। 
এখনো তাদের লালসার লোল ধরনী মাতার বুকে
ক্ষুধিত নেত্রে হামাগুড়ি দেয় আমিষ গন্ধ শুঁকে।
বস্ত্রহরন দ্রৌপদীর এখনো নিত্য দিনের সাথী,
কলিকালের জের জামানার ফের পার্থের সারথী! 
চক্র তার বক্র হয়ে কোন ভাঙ্গারি দোকানে থামে,
হেথায় মায়ের রক্ত বিকায় শনপাপড়ির দামে! 

এসো গো সব্যসাচী,
নরকের কীট আদিকাল হতে সকলের চির চেনা,
মরণের সাথে মিটাবে সকল উৎপীড়িতের দেনা।
কত দধীচি কত হাড় দিল বিদ্যুৎ রচনাতে,
তবুও দানবদমন হয় নাই এই অসুরের পৃথিবীতে।
এখনো হেথায় লঙ্কা সায়রে বন্দিনী সতী সীতা,
আসেনি রাম,জ্বলেনি সেথায় রাবনের লাল চিতা।
রক্তঅশ্রু বৃথা ঝরে যায় স্বাধীনতার চোখ বোজা, 
যুগের দালাল শিখন্ডী সাথে সকলকে করে খোজা! 
খোজারা জানালো বিশ্বসভায় ধেই ধেই করে নেচে,
সীতারে দিয়েছি রাবনের কাছে কয়লার দামে বেচে!
মহাউল্লাসে দাঁত বের করে ব্যঙ্গের ভ্রুকুটি,
সিল করে দিল পিতামহদের ডালকুত্তার রুটি!

ক্লীবের নিলজ্জতায় অতলে আমরা যখন
তখনো কবিতায় হাঁশফাঁশ করে নির্জীব দর্শন! 
লম্বা কথার ভোঁতা বুলি খালি পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়,
হাতের কলম চুপ থাকে শুধু সত্যের বারতায়।
ইনিয়ে বিনিয়ে সোজা কথা ধূলিচাপা দিয়ে,
বাচালের দল সমঝায় যেন ফণি মনসার বিয়ে।
তখনো প্রেম দিঘীর কিনারে মরালীর গলা ধরে,
অমর কাব্য রচে যায় হীন চোরের পোশাক পরে! 
আর পারি না কো নেহারি এই ন্যাকামীর দালালী,
দেখতে দেখতে চোখের তলায় পড়ে গেছে আজ কালি!

যুগে যুগে আসো সব্যসাচী এই ভূত ভাগানোর ভীড়ে,
তোমার গান্ডীবে টংকার আজ অচেতন সমরে,
তোলো হে ধনঞ্জয়! 
শ্রীভগবান যখন তোমার রথের সারথী,
বড় প্রয়োজন তোমার আগমন আজ মহাসেনাপতি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128148/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Aug 2022 05:33:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মহাসেনাপতি<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>কতকাল পার হয়ে গেছে, খোলো নি কেন এ দুয়ার?<br />
উঠেছে অরুন হিমাদ্রি শিরে ভয় নেই কোন আর।<br />
চেয়ে দেখ আজ দ্বাপর যুগের মৃত্যু কপাট খুলে,<br />
এসেছে সব্যসাচী,প্রাচীর চূড়ায় প্রভাত সূর্য তুলে।<br />
গৌরী শিখরে সফেদ তুহিন রুধির নেশার লালে,<br />
চুমা খায় যেন গভীর আবেশে তরুণ রবির গালে।</p>
<p>আজ পার্থ রথ থেকে নেমে গান্ডীব টংকারে,<br />
ওপারের সব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128148"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128148/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">10d048db7989613ea2af03d001418d71</guid>
				<title>ঝড়ের আলিঙ্গন
অনিক উদ্দিন

আবার এসেছিস ঈশান কোণের ঝড়
প্রলয়ের শেষ শিখাটি নিয়ে আমার বুকের &#039;পর।
অগ্নি পাঁজর পাষাণে বাঁধানো আমার বুকের মাঝে
মার্তন্ডের ধূপদানি সম প্রলয় শিবের সাঝে,
আমি দাঁড়িয়েছি বুক পেতে আজ অশনির শনি হয়ে, 
জ্বালা দেখি তোর ধ্বংস মশাল আমার পাঁজর দিয়ে।

আমি কি এসেছি ভগ্ন বুকের রুগ্ন কপাট মেলে?
বাজা বাজা তোর প্রলয় বিষান তুরগ নাচন খেলে।
তোর বজ্রঝুটির মুঠি ধরে আজ একটি আছাড় মেরে,
বসুধা বুকের নিভৃত কোল দীর্ন তিরস্কারে 
ব্যথার নীল অশ্রু গরলে ডুবাবো যে বারেবারে।
নেশার নাগিনী ছোবল মেরেছে মস্তক শিরো &#039;পরে।

বারেবারে আসিস রুক্ষ রুষ্ট ঝড়
উড়াতে আমার মলিন বেড়ার ভগ্ন সাধের ঘর।
উড়ে গেছে তোর বাতাসের তোড়ে ঘুনেধরা সেই বেড়া,
কি আছে আমার তোর তরে আজ চড়ের আঘাত ছাড়া!
আয় আমার নিকটে আয়রে আরো আরো আরো কাছে
ঝড়ের সাথে মিলন আমার দেখে ফেলে কেউ পাছে,
ভয় নাই তোর মেদিনীর শিকড় উপড়ে ফেলেছি আজ,
আয় বজ্রের জ্বালা নিয়ে আয় আমার বুকের মাঝ।

বড় সুখ পাই তোকে ছুঁয়ে
বড় সুখ পাই তোর বুকে মাথা থুয়ে,
তুই যে আমার ধ্বংস লীলার প্রিয়ার আলিঙ্গন,
তুই যে আমার মরণের পরে বাঁচার শেষ স্ফুরণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128015/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Aug 2022 17:59:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝড়ের আলিঙ্গন<br />
অনিক উদ্দিন</p>
<p>আবার এসেছিস ঈশান কোণের ঝড়<br />
প্রলয়ের শেষ শিখাটি নিয়ে আমার বুকের &#8216;পর।<br />
অগ্নি পাঁজর পাষাণে বাঁধানো আমার বুকের মাঝে<br />
মার্তন্ডের ধূপদানি সম প্রলয় শিবের সাঝে,<br />
আমি দাঁড়িয়েছি বুক পেতে আজ অশনির শনি হয়ে,<br />
জ্বালা দেখি তোর ধ্বংস মশাল আমার পাঁজর দিয়ে।</p>
<p>আমি কি এসেছি ভগ্ন বুকের রুগ্ন কপাট মেলে?<br />
বাজা বাজা তোর প্রলয় বিষান তুরগ ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128015"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128015/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>