<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মাহমুদুর রহমান মনা | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/monamilkygmail-com/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/monamilkygmail-com/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মাহমুদুর রহমান মনা.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 19:51:09 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">257e900066e1452d7b532046d05c8701</guid>
				<title>ভালোবাসার দিনে রম্য কবিতা

আজি আকাশে বাতাসে বাজিতেছে বাঁশি
ভালোবাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি
ধরণিতলে এহেন ভালোবাসা দেখে
বিস্ময়ে বিমূঢ় রবিচ্ছবি।

জগত-জুরে আজ মেতেছে সবাই 
ভালোবাসার স্বর্গে ভাসিবে তারা
প্রোজ্জ্বল হবে মনের মশাল
কঞ্জনয়নীর দৃষ্টি মেলে থাকবে প্রিয়তমাসু।

কোটি কোটি টাকার ফুল হবে বিলি
অপ্রেমিক/প্রেমিকার হাতে পড়লে ফুল
বসন্তের ধূলিধূসর পথে থাকবে পড়ে
আবিদ্ধ হবে ফুলের স্বপ্ন।

মধ্য আকাশে মুচকি হাসে শশী
নিশান্তে দেখতে চায় ভালোবাসার রং
কাঞ্চনপ্রভা যাবে হারিয়ে
কর্পূরের মতো উড়ে যাবে ভালোবাসা।

নির্মুক্ত আমি নিশাত্যেয় অপেক্ষায়
ভ্যালেন্টাইন ডেতে হয়েছি ভলান্টিয়ার
আজিকার দিনে দিকে দিকে শুধু শুনি
ভালোবাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/226369/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Feb 2025 10:02:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসার দিনে রম্য কবিতা</p>
<p>আজি আকাশে বাতাসে বাজিতেছে বাঁশি<br />
ভালোবাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি<br />
ধরণিতলে এহেন ভালোবাসা দেখে<br />
বিস্ময়ে বিমূঢ় রবিচ্ছবি।</p>
<p>জগত-জুরে আজ মেতেছে সবাই<br />
ভালোবাসার স্বর্গে ভাসিবে তারা<br />
প্রোজ্জ্বল হবে মনের মশাল<br />
কঞ্জনয়নীর দৃষ্টি মেলে থাকবে প্রিয়তমাসু।</p>
<p>কোটি কোটি টাকার ফুল হবে বিলি<br />
অপ্রেমিক/প্রেমিকার হাতে পড়লে ফুল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-226369"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/226369/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dfac75dc9d95c09330e034e3ac9863d5</guid>
				<title>মেসির কোনো খবর নেই
রমজান আলী। মফস্বল শহরের পত্রিকার হকার। অন্যদের চেয়ে দ্রুত পত্রিকা বিক্রির কৌশল হিসাবে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য সংবাদের শিরোনাম পরিবর্তন করে তার মতে শিরোনাম তৈরি করে চিৎকার করতে থাকেন। ফলে অনেকেই তার দেওয়া শিরোনাম শোনে পত্রিকা কিনে নেয়।
২০১৮ সালে বিশ্বকাপে তলা থেকে আর্জেন্টিনাকে মূলত একাই মেসি চূড়ান্ত পূর্বে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সব পত্রিকার শিরোনাম হয় মেসি। সেসব শিরোনাম নিজের মতো করে বেশ পত্রিকা বিক্রি করছিল রমজান আলী।
একদিন কোনো পত্রিকায় মেসির সংবাদ ছিল না। চিন্তায় পড়ে যায় রমজান। কিভাবে এতো পত্রিকা বিক্রি করবেন তিনি। এদিকে বাসায় কুটুম এসেছেন। তাদের জন্য ভাল মন্দ বাজার করতে হবে। চিন্তা করতে করতে তার মাথায় একটি বুদ্ধি আসে। তিনি চিৎকার করতে থাকেন, &#039;মেসির কোনো খবর নেই, মেসির কোনো খবর নেই।&#039; ব্যস! মুহূর্তে সব পত্রিকা শেষ। পরে পাঠকরা ক্ষিপ্ত হয়ে রমজানকে বলে কোথায় তোমার মেসির খবর।
রমজান উত্তর দেয়, প্রতি দিন তো মেসির খবর থাকে। আজ তার কোনো খবর নেই। এজন্য আমি বলতে থাকি মেসির কোনো খবর নেই।
পাঠকরা অবাক হয়ে রমজান মিয়ার  দিকে তাকিয়ে থাকে। আর রমজান মিয়া গুন গুন করে গান গিয়ে বাজারের দিকে চলে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223060/</link>
				<pubDate>Mon, 18 Nov 2024 12:23:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেসির কোনো খবর নেই<br />
রমজান আলী। মফস্বল শহরের পত্রিকার হকার। অন্যদের চেয়ে দ্রুত পত্রিকা বিক্রির কৌশল হিসাবে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য সংবাদের শিরোনাম পরিবর্তন করে তার মতে শিরোনাম তৈরি করে চিৎকার করতে থাকেন। ফলে অনেকেই তার দেওয়া শিরোনাম শোনে পত্রিকা কিনে নেয়।<br />
২০১৮ সালে বিশ্বকাপে তলা থেকে আর্জেন্টিনাকে মূলত একাই মেসি চূড়ান্ত পূর্বে নিয়ে যায়। এরপর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-223060"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/223060/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1f4015350543d77d3faa854ff7f9103e</guid>
				<title>অন্ধকার
শত শত বছর ধরে অন্ধকারে আছি
একদিন জ্যোৎস্না এসে বলল
দরজা খুলে দাও
আমি এসেছি আলোকিত করতে।
আলোয় নয়, অন্ধকার কাটবে বিশ্বাসে
জানালাম আমি
জ্যোৎস্নার অভিমানে নেমে এলো
অমাবশ্যা, ঘোর অন্ধকার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/219963/</link>
				<pubDate>Sat, 31 Aug 2024 07:33:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্ধকার<br />
শত শত বছর ধরে অন্ধকারে আছি<br />
একদিন জ্যোৎস্না এসে বলল<br />
দরজা খুলে দাও<br />
আমি এসেছি আলোকিত করতে।<br />
আলোয় নয়, অন্ধকার কাটবে বিশ্বাসে<br />
জানালাম আমি<br />
জ্যোৎস্নার অভিমানে নেমে এলো<br />
অমাবশ্যা, ঘোর অন্ধকার।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8bbca311f844cff5b39215d012e06d8d</guid>
				<title>চুরি করা আইডিয়াই ফেসবুক!

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে’ সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক। অথচ একটু চিন্তা করলে দেখা যাবে চুরি করা আইডিয়া থেকে ফেসবুক সৃষ্টি!
আমরা যদি ‘এনালগ ওয়ার্ল্ডে’ দিকে ফিরে তাকাই তাহলে দেখা যাবে তৎসময়ে সামাজিক তথা ব্যক্তি যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল ‘পত্রমিতালি’ বা ‘পেনফ্রেন্ড’। ৭০ এবং ৮০ দশকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিল পত্রমিতালি। নিশ্চয়ই পত্রমিতালি প্রজন্মদের বিষয়টি শিহরিত করে।
পত্রমিতালি যুগে দৈনিক, সাপ্তাহিক, অর্ধমাসিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক, বার্ষিক, যাবতীয় ম্যাগাজিন, সংকলন প্রকাশ হয়েছে, সেখানে ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন বিভাগে পত্রমিতালি চাই ছিল খুবই জনপ্রিয়। সেখান থেকে ঠিকানা সংগ্রহ করে হরেক রকমের খাম এবং রঙিন রাইটিং প্যাডে মনের অপ্রকাশিত কথা লেখে চিঠি লেখা হতো। যা ফেসবুকের ভাষায় ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট। এরপর পত্রপ্রেরক (প্রাপক নারী) প্রতিদিন সোনালী স্বপ্ন নিয়ে পোস্ট অফিসে গিয়ে পিওনের অপেক্ষায় থাকতেন। প্রতিদিন ব্যর্থ হয়ে অবশেষে প্রেরক পেলেন কাঙ্খিত চিঠি। তার সেকি আনন্দ! সেকি উল্লাস!! ফেসবুকের ভাষায় বলা হয় ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট একসেপ্ট।
ডিজিটাল ও এনালগ যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বেশ কিছু মিল রয়েছে। যেমন ফেসবুকে একজন ছেলে মেয়ের নাম ও ছবি ব্যবহার করে। তেমনি এনালগ যুগে এক ছেলে মেয়ের নাম ব্যবহার করে পত্রমিতালির আহ্বান করতো। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দুই যুগে মিল রয়েছে। সম্ভবত পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগ পর্যন্ত এ অবস্থা বিদ্যমান থাকবে।
কেই বিশ্বাস করুক বা না করুক পত্রমিতালির আইডিয়া থেকেই ফেসবুক সৃষ্টি। এটা আজকের প্রজন্মরা শুনে হাসবে কিন্তু পত্রমিতালি প্রজন্মরা বিষয়টি নিয়ে পুলকিত হবেন। এখানে মৌলিক পার্থক্য হলো ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম আর পত্রমিতালি ছিল ব্যক্তি যোগাযোগের মাধ্যম। 
পত্রমিতালির বিষয়টি অনুধাবন করে কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি করে ফেসবুক। এতে হারিয়ে যায় এনালগ যুগের জনপ্রিয় এ যোগাযোগ মাধ্যমটি। সাথে হারিয়ে যেতে বসেছে পোস্ট অফিসও।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217187/</link>
				<pubDate>Sun, 07 Jul 2024 16:52:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চুরি করা আইডিয়াই ফেসবুক!</p>
<p>ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে’ সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক। অথচ একটু চিন্তা করলে দেখা যাবে চুরি করা আইডিয়া থেকে ফেসবুক সৃষ্টি!<br />
আমরা যদি ‘এনালগ ওয়ার্ল্ডে’ দিকে ফিরে তাকাই তাহলে দেখা যাবে তৎসময়ে সামাজিক তথা ব্যক্তি যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল ‘পত্রমিতালি’ বা ‘পেনফ্রেন্ড’। ৭০ এবং ৮০ দশকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217187"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217187/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">237a3b3c4b2f6c5506161b5979b65c7c</guid>
				<title>অণুরম্য গল্প
‘বৃদ্ধ পার্টির’ আত্মপ্রকাশ

বাংলাদেশ বিশেষায়িত বৃদ্ধ পার্টির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন চলছে। পার্টির চেয়ারম্যান লোকমান হেমিক ( আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নন, হাকিমকে হেকিমে রূপান্তর করেছেন তিনি)। 
শত পার্টির দেশে বৃদ্ধ পার্টির গঠন ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে রাজনৈতিক সংগঠনের ছাত্র, যুব,কৃষক, শ্রমিকসহ নানা পেশায় সংগঠন রয়েছে। এতে দেখা যায় ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছে যুবরা। যুব সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছে মধ্যবয়সীরা। আবার মূল দলের নেতৃত্বে অপেক্ষাকৃত তরুণদের প্রভাব রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধদের নিয়ে তাদের কোনো ভাবনা নেই। এ ধারনা থেকে বিশেষায়িত বৃদ্ধ পার্টির আত্মপ্রকাশ।
তিনি আরো বলেন, বৃদ্ধ পার্টির কর্মীদের সন্ত্রাস-সহিংসতা করার সামর্থ নেই। তারা হরতাল ডাকতে পারবে কিন্তু পিকেটিং করতে পারবে না। শিক্ষাঙ্গনে তারা সন্ত্রাস চালাতে পারবে না, কেন না তারা শিক্ষার্থী নন। চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করার শক্তি এ পার্টির কর্মীদের নেই। মোট কথা শান্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিটি শব্দের সঙ্গে তারা জড়িয়ে থাকবে।
পার্টির সদস্য হতে চাইলে ন্যুনতম বয়স ৬৫ হতে হবে উল্লেখ করে হেকিম বলেন, কর্মজীবন থেকে যারা অবসর নিয়েছেন, তাদের জন্য আদর্শ রাজনৈতিক প্লাটফরম হচ্ছে বৃদ্ধ পার্টি। এছাড়া সারাদেশে যত বৃদ্ধ-বৃদ্ধা রয়েছেন তারা এ পার্টির সদস্য হতে পারবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে সদ্য আত্মপ্রকাশ করা পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, পার্টির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে শ্রেণিচ্যুত নেতৃত্ব বদলে দেওয়া। সংগঠন যাদের নেতৃত্ব তাদের।
সংবাদ সম্মেলনে লোকমান হেকিম পার্টি নিয়ে নানা ভাবনার কথা জানান। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পার্টিকে আন্তর্জাতিক পার্টিতে রূপান্তর করা হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213683/</link>
				<pubDate>Thu, 02 May 2024 12:09:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অণুরম্য গল্প<br />
‘বৃদ্ধ পার্টির’ আত্মপ্রকাশ</p>
<p>বাংলাদেশ বিশেষায়িত বৃদ্ধ পার্টির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন চলছে। পার্টির চেয়ারম্যান লোকমান হেমিক ( আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নন, হাকিমকে হেকিমে রূপান্তর করেছেন তিনি)।<br />
শত পার্টির দেশে বৃদ্ধ পার্টির গঠন ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে রাজনৈতিক সংগঠনের ছাত্র, যুব,কৃষক, শ্রমিকস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213683"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213683/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">46383240346627415ca06302daf255d8</guid>
				<title>অণুরম্য গল্প
পাগল তৈরির জীবাণু

মধ্যপ্রাচ্যের এক দেশের প্রেসিডেন্ট মানসিক হাসপাতাল (পাগলা গারদ) পরিদর্শনে গেছেন। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের হালনাগাদ নিয়ে খবর নিচ্ছেন। এমন সময়ে এক ওয়ার্ডে কয়েক পাগল উৎসুক দৃষ্টিতে প্রেসিডেন্টকে দেখছেন। তারা এ সময় সাহস করে বলেন, মান্যবর, আপনি কে?
প্রেসিডেন্ট: আমি দেশের প্রেসিডেন্ট
পাগলরা একগাল হেঁসে বলেন, ও তাই বলুন।
প্রেসিডেন্ট: মানে?
পাগলরা: এখানে যারা আসে, তারা প্রথমে প্রথমে নিজেদেরকে প্রেসিডেন্ট মনে করেন।
বিব্রত প্রেসিডেন্ট দ্রুত ওয়ার্ড ত্যাগ করেন।
এরপর প্রেসিডেন্ট আরেক ওয়ার্ডে গিয়ে দেখতে পান একজন, আর বিয়ে করবো না বাবা, আর বিয়ে করবো না মা বলে চিৎকার করছে।
প্রেসিডেন্ট অবাক হয়ে হাসপাতালের সুপারকে জিজ্ঞেস করে, ব্যাপার কি? লোকটা কে
হাসপাতাল সুপার: স্যার উনি শিরি বেগমের স্বামী। বিয়ের তিন মাস পর উনার এ অবস্থা হয়েছে। উনার নাম আব্দুল্লাহ বিন কাসেম।
প্রেসিডেন্ট: বেচারা!
আরেক ওয়ার্ডে গিয়ে দেখতে পান একজন বিলাপ বকছেন। তিনি শুধু বলছেন, হায় শিরি বেগম, হায় শিরি বেগম।
প্রেসিডেন্ট আবার হাসপাতাল সুপারকে জিজ্ঞেস করে, ইনি কে?।
হাসপাতাল সুপার: স্যার ইনি ওই শিরি বেগমের প্রেমিক। নাম ফরহাদ।
প্রেসিডেন্ট: উনার এ অবস্থা কি করে হলো।
হাসপাতাল সুপার: ভালবেসে শিরি বেগমকে না পেয়ে উনি পাগল হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট: আশ্চর্য, একজন বিয়ে করে পাগল হলো আর একজন ভালবেসে পাগল হলো।
হাসপাতাল সুপার: আরও ঘটনা আছে স্যার।
প্রেসিডেন্ট: যেমন।
হাসপাতাল সুপার: আমাদের কাছে খবর আছে, শিরি বেগমকে ভালবেসে এবং তাকে না পেয়ে আরও পাঁচ জন আমাদের এখানে আসার পাইপলাইনে আছেন। স্থানীয়ভাবে পাগলের চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই তাদেরকে এই হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।
প্রেসিডেন্ট: পাগল তৈরির এই জীবাণু শিরি বেগম কে? উনার বাবা কি করেন?
হাসপাতাল সুপার: শিরি বেগম অষ্টমবারে মতো উচ্চ মাধ্যমিক ফেল করেছেন। উনার বাবার নাম হেকমত আলী জাহাজি।
প্রেসিডেন্ট: জাহাজি! এটা আবার কেমন নাম।
হাসপাতাল সুপার: উনি আগে ছিলেন আদার ব্যাপারি। এখন মেয়ের কল্যাণে হয়েছে জাহাজের মালিক। সেই কারণে নামের শেষে জাহাজি ব্যবহার করেন।
মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি পাগল তৈরির জীবাণুর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকায় প্রেসিডেন্ট পরিদর্শন সংক্ষিপ্ত করে হাসপাতাল দ্রুত ত্যাগ করেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213415/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Apr 2024 12:11:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অণুরম্য গল্প<br />
পাগল তৈরির জীবাণু</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যের এক দেশের প্রেসিডেন্ট মানসিক হাসপাতাল (পাগলা গারদ) পরিদর্শনে গেছেন। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের হালনাগাদ নিয়ে খবর নিচ্ছেন। এমন সময়ে এক ওয়ার্ডে কয়েক পাগল উৎসুক দৃষ্টিতে প্রেসিডেন্টকে দেখছেন। তারা এ সময় সাহস করে বলেন, মান্যবর, আপনি কে?<br />
প্রেসিডেন্ট: আমি দেশের প্রেসিডেন্ট<br />
পাগলরা এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213415"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213415/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d2f9d84059a0d9b66a6509cc71c99e8a</guid>
				<title>অণুরম্য গল্প
ঝাড়ের বাঁশ ঘাড়ে
 
সামনে নির্বাচনী মৌসুম। আক্কাস আলী ব্যাপারির খায়েস হয়েছে নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন। সেই লক্ষ্যে তিনি গণসংযোগ, সমাবেশ শুরু করেছেন।
এমনি এক সমাবেশে তার অনুগতরা বক্তব্য দিয়ে চলছে। তারা আক্কাস আলী ব্যাপারিকে ফুলের চেয়েও পবিত্র ভূষিত করে বক্তব্য দিচ্ছে। সমাবেশে স্বয়ং উপস্থিত রয়েছেন আক্কাস। নিয়ম অনুযায়ী শেষ বক্তার বক্তব্য রাখবেন আক্কাস কিন্তু তার হাটের বেলা হওয়ায় মাঝ সময়ে বক্তব্য দিতে শুরু করেন।
আক্কাস আলী বলেন, এলাকায় জনপ্রতিনিধিরা উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি। তাই আমি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাই। মনে রাখবেন, এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বাঁশ বিশেষ প্রয়োজন। আপনারা জানেন আমি বাঁশের কারবার করি। তাই উন্নয়নের প্রতীক হচ্ছে বাঁশ, আমার প্রতীক বাঁশ। আপনারা বাঁশ মাকাঁয় ভোট দিবেন। আমি ঝাড়ের বাঁশ ঘাড়ে তুলে নিয়েছি। নির্বাচনে জিতলেও আমি আপনাদের বাঁশ দিব আর হারলেও বাঁশ দিব। বাঁশ আমি বরাবর আপনাদের দিয়ে যাব। কেননা আমি বাঁশের কারবারি।
আক্কাস আরও বলেন, আমার যা বলার ছিল তা পূর্বের বক্তারা বলে গেছেন। আর যেটুকু বলার আছে তা পরের বক্তারা বলবেন। আমার হাটের বেলার সময় হয়েছে। সেখানে প্রচুর বাঁশ নেওয়া হয়েছে। তাই এখন আমার সেখানে যেতে হচ্ছে। অনেকেই অপেক্ষা করছেন। তাদের বাঁশ দিতে হবে। আমি ফের বলছি, ঝাড়ের বাঁশ ঘারে নিয়েছি। ভোট আপনারা বাঁশ মার্কায় দিবেন। এতে আপনারা শান্তিতে থাকবেন আর আমি আপনাদের বাঁশ দিয়ে যাব। বাঁশ ছাড়া দেশের শান্তি নেই।
বি.দ্র. অনেকেই ঝাড়ের বাঁশ ঘারে (বিশেষ ক্ষেত্রে পরোপকার) নিয়ে জীবন যাপন করছেন। এটি এমন একটি বাঁশ যা ঝেড়ে ফেলা যায় না, আবার বহনও করা যায় না। তাই ঝাড়ের বাঁশ ঝাড়ে রেখে পথ চলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213352/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Apr 2024 12:03:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অণুরম্য গল্প<br />
ঝাড়ের বাঁশ ঘাড়ে</p>
<p>সামনে নির্বাচনী মৌসুম। আক্কাস আলী ব্যাপারির খায়েস হয়েছে নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন। সেই লক্ষ্যে তিনি গণসংযোগ, সমাবেশ শুরু করেছেন।<br />
এমনি এক সমাবেশে তার অনুগতরা বক্তব্য দিয়ে চলছে। তারা আক্কাস আলী ব্যাপারিকে ফুলের চেয়েও পবিত্র ভূষিত করে বক্তব্য দিচ্ছে। সমাবেশে স্বয়ং উপস্থিত রয়েছেন আক্কাস। নিয়ম অনুযায়ী শেষ বক্তার ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213352"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213352/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9434a56d0d8179bba34605770f642894</guid>
				<title>অণুরম্য গল্প
ভালোবাসার সন্ধানে গুগল

ভালোবাসার আজিকার এই দিনে চারিদিকে শুধু বাজছে বাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি।ভালোবাসার এই মহোৎসবের দিনে ভগলু মিয়ার মনে অনেক আনন্দ। তার মনটা এমন নরম যে কোনো মেয়ে তার দিকে তাকিয়ে হাসলে মনটা মাখনের মতো গলে যায়। মহল্লায় তার পরিচয় বিশ্ব প্রেমিক হলেও নিজেকে সে একধাপ এগিয়ে অর্থাৎ একুশ শ প্রেমিক মনে করেন।
সকালে ভগলু স্মরণ করলো গুগল মিয়াকে (গুগল)। গুগল ত্বরিতগতিতে ছুটে এসে শুধালো বলুন জনাব।তবে খুব পেরেশানের মধ্যে আছি। বলতে পারেন খুব ব্যস্ত। ভালোবাসার আজিকার এইদিনে ভালোবাসার প্রমাণ স্বরূপ সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করতে করতে একবারে নাজেহাল। একজন সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করছে একাধিক জনের জন্য।
মানে? প্রশ্ন ভগলুর। গুগলের উত্তর, একজন মেয়ে তার তার পাঁচ প্রেমিকের জন্য একই বার্তা দিচ্ছে কিংবা একজন ছেলে তার পাঁচ প্রেমিকার জন্য অভিন্ন বার্তা চাচ্ছি। খুব মুস্কিলে আছিরে ভাই। তবে জনাব একটির বেশি চাইতে পারবেন না। বলুন?
মঙ্গলগ্রহের হ্রদের একটি জ্যান্ত ছবি আমাকে দাও। আমি বিশ্বে দেখে দিতে চাই ভালোবাসা কাহাকে বলে এবং কত প্রকার ও কিকি? জানায় ভগলু।
নারে ভাই, এখন তা সম্ভব নয়। এমনিতে দিনকাল ভালো যাচ্ছি না। চারিদিকে চলছে যুদ্ধ। গোলার আঘাতে যদি নেট নষ্ট হয়ে যায় তাহলে মহাকাশে আজীবন আটকে থাকবো। তার চেয়ে অন্য কিছু চাও-উত্তর গুগলের।
বেশ। আমি সখিনাকে অনেক ভালোবাসি । সখিনাও আমারে ভালোবাসে বলে মনে হয়। তুমি তোমার ইঞ্জিন দিয়ে সার্চ করে তার মনের খবর এনে দাও- জানায় ভগলু।
গুগল বেশ কিছু সময় চুপ করে থাকলো। পরে মৃদু সুরে জানায় মঙ্গলমূলুক থেকে লবণাক্ত না মিষ্টি পানির হ্রদের জ্যান্ত ছবি আনতে হবে তা জানান জনাব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213216/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Apr 2024 08:45:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অণুরম্য গল্প<br />
ভালোবাসার সন্ধানে গুগল</p>
<p>ভালোবাসার আজিকার এই দিনে চারিদিকে শুধু বাজছে বাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি।ভালোবাসার এই মহোৎসবের দিনে ভগলু মিয়ার মনে অনেক আনন্দ। তার মনটা এমন নরম যে কোনো মেয়ে তার দিকে তাকিয়ে হাসলে মনটা মাখনের মতো গলে যায়। মহল্লায় তার পরিচয় বিশ্ব প্রেমিক হলেও নিজেকে সে একধাপ এগিয়ে অর্থাৎ একুশ শ প্রেমিক মনে কর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213216"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213216/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d3e07ff6be0e4516cd9f6bd455e586c</guid>
				<title>বড্ড খিদে লাগেরে

প্রবল বেগে ধেয়ে আসা সুনামি সহসা গেল থেমে
কালবৈশাখীর মরণ ছোবল স্থির
বয়ে যাওয়া সময় দীর্ণ আজ
আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে ভেসে আসছে
মায়ের কণ্ঠ ‘বড্ড খিদে লাগেরে’।

পাখিদের কোলাহল আর নেই
অবাক বিস্ময় মনুষ্য ছাড়া সকল প্রাণীকুল
রাগে ক্ষোভে নিজেদের জীবন বির্সজন দিয়ে
অক্সিজেন বন্ধ করার ঘোষণা গাছপালার
বিদীর্ণ করুন কণ্ঠে ভেসে আসছে ‘বড্ড খিদে লাগেরে।’

বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে খেতের ফসল
আর নয় শস্যদানা,অলোক অবস্থান তাদের
ক্ষিপ্ত নক্ষত্রলোক, ক্ষিপ্ত কিরণময়, অন্ধকার ঊষাকাল
গগনচুম্বী আর্তনাদ ‘বড্ড খিদে লাগেরে’
চিরতুষার মানবতা, দীর্ঘস্থায়ী অন্তর্জ্বালা।

মহাপ্রাণতা বিমুখ জগত
নষ্ট মানবিকতায়, নষ্ট ধর্ম, নষ্ট ধরণি
নষ্ট স্নেহ নষ্ট মায়া মমতা 
ঠাকঠমকের কাছে লুণ্ঠক ভালোবাসা
কালসমুদ্রে হারিয়ে যাবে নিগড়।

আমি দেখেছি জীর্ণশীর্ণ হাড়সর্বস্ব মাকে
চোখ দিয়ে ঝরছে শ্রাবণের বর্ষণ
আমি শুনেছি তার কণ্ঠ,ক্ষুধা করেছে তাকে গ্রাস
নির্মুক্তি প্রহরে মোহশূন্য জীবন
আত্মবিস্মরণ আমি, নেই আলোকসংকেত।

১০ নভেম্বর,২০২৩</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/206948/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Nov 2023 17:29:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বড্ড খিদে লাগেরে</p>
<p>প্রবল বেগে ধেয়ে আসা সুনামি সহসা গেল থেমে<br />
কালবৈশাখীর মরণ ছোবল স্থির<br />
বয়ে যাওয়া সময় দীর্ণ আজ<br />
আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে ভেসে আসছে<br />
মায়ের কণ্ঠ ‘বড্ড খিদে লাগেরে’।</p>
<p>পাখিদের কোলাহল আর নেই<br />
অবাক বিস্ময় মনুষ্য ছাড়া সকল প্রাণীকুল<br />
রাগে ক্ষোভে নিজেদের জীবন বির্সজন দিয়ে<br />
অক্সিজেন বন্ধ করার ঘোষণা গাছপালার<br />
বিদীর্ণ করুন কণ্ঠে ভেসে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-206948"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/206948/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6b6d3799cf903a64a14a8bf4d61a0004</guid>
				<title>ভালোবাসার দিনে রম্য কবিতা

আজি আকাশে বাতাসে বাজিতেছে বাঁশি
ভালোবাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি
বিস্ময়ে বিমুঢ় রবিচ্ছবি
ধরণিতনে এহেন ভালোবাসা দেখে।

জগত-জুরে আজ মেতেছে সবাই 
ভালোবাসার স্বর্গে ভাসিবে তারা
প্রোজ্জ্বল হবে মনের মশাল
কঞ্জনয়নীর দৃষ্টি মেলে থাকবে প্রিয়তমাসু।

কোটি কোটি টাকার ফুল হবে বিলি
অপ্রেমিক/প্রেমিকার হাতে পড়লে ফুল
বসন্তের ধূলিধূসর পথে থাকবে পড়ে
আবিদ্ধ হবে ফুলের স্বপ্ন।

মধ্য আকাশে মুচকি হাসে শশী
নিশান্তে দেখতে চায় ভালোবাসার রং
কাঞ্চনপ্রভা যাবে হারিয়ে
কর্পূরের মতে উবে যাবে ভালোবাসা।

নির্মুক্ত আমি নিশাত্যেয় অপেক্ষায়
ভ্যালেন্টাইন ডেতে হয়েছি ভলান্টিয়ার
আজিকার দিনে দিকে দিকে শুধু শুনি
ভালোবাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193576/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Feb 2023 10:43:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসার দিনে রম্য কবিতা</p>
<p>আজি আকাশে বাতাসে বাজিতেছে বাঁশি<br />
ভালোবাসি ভালোবাসি আর ভালোবাসি<br />
বিস্ময়ে বিমুঢ় রবিচ্ছবি<br />
ধরণিতনে এহেন ভালোবাসা দেখে।</p>
<p>জগত-জুরে আজ মেতেছে সবাই<br />
ভালোবাসার স্বর্গে ভাসিবে তারা<br />
প্রোজ্জ্বল হবে মনের মশাল<br />
কঞ্জনয়নীর দৃষ্টি মেলে থাকবে প্রিয়তমাসু।</p>
<p>কোটি কোটি টাকার ফুল হবে বিলি<br />
অপ্রেমিক/প্রেমিকার হাতে পড়লে ফুল<br />
বসন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193576"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193576/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd34eaa8f6182c34083040f400f6c677</guid>
				<title>সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান মনার অণুরম্য গল্পগুচ্ছ ‘দেবুদার আত্মাহুতি’ পাওয়া যাচ্ছে বইমেলা ২০২৩ দেশ পাবলিকেশন্সে। স্টল নম্বর ৪১৭, ৪১৮, ৪১৯।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192773/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 10:26:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান মনার অণুরম্য গল্পগুচ্ছ ‘দেবুদার আত্মাহুতি’ পাওয়া যাচ্ছে বইমেলা ২০২৩ দেশ পাবলিকেশন্সে। স্টল নম্বর ৪১৭, ৪১৮, ৪১৯।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a04d0bcb798ec4b110701142191a21c0</guid>
				<title>মজনু মিয়ার বিয়ের তিনকাল

অমর প্রেমিক জুটি লাইলী-মজনুর বিয়ে না হলেও আধুনিক যুগে মজনু মিয়া ও লাইলী বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ে পরবর্তী তাদের কেমন কেটেছে তা তিনকাল বিভক্ত করে সারাংশ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
প্রথমকাল- বিয়ের পর নাস্তার টেবিলে লাইলী বেগমের চোখ ও নাক দিয়ে শ্রাবণধারা বইছে। মজনু বিষন্নমনে নাস্তা খেয়ে চলছে। 
লাইলী হিসেব করে বলে, অফিসে ৮ ঘণ্টা, যেতে আসতে দুই ঘণ্টা, রাস্তায় প্রত্যাশিত জ্যামে আরও দুই ঘণ্টা। মোট ১২ ঘণ্টা তোমাকে ছাড়া থাকতে হবে। এ যন্ত্রণার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল।
দুঃখ করো না প্রাণেশ্বরী, প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দিয়ে সার্বক্ষণিক সঙ্গ দিব তোমায়, বলে মজনু।
তাহলে খাব কি, বাড়ি ভাড়া কোথায় থেকে দিব- বলতে বলতে কেঁদে উঠে লাইলী।
এ রকম গভীর থেকে গভীরতর ভালোবাসায় কেটে যায় তাদের প্রথমকাল।
দ্বিতীয়কাল- সকালে নাস্তার টেবিলে এসে দেখে মজনু খাবারে মাছি উড়ছে। প্রাণেশ্বরী লাইলী বেগম নেই। ড্রয়িংরুমে উঁকি মেরে মজনু দেখতে পায় তার প্রাণেশ্বরী টিভিতে ভারতের সিরিয়াল দেখছে।
অফিসের যাওয়ার সময় হয়েছে, নাস্তা করতে হবে- বলে মজনু।
নাস্তা সাজানো রয়েছে, খেয়ে নাও, আমাকে ‘ভালোবাসার ভিন্ন রঙ’সিরিয়াল দেখতে দাও- বিরক্ত হয়ে বলে লাইলী।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে মজনু মিয়া মাছি উড়া খাবার না খেয়ে অফিসে চলে যায়।
এ জাতীয় আরও ঘটনার মধ্য দিয়ে তাদের দ্বিতীয়কাল চলে যায়।
তৃতীয়কাল-রাতে প্রচণ্ড গোলযোগ। এটা পাইনি, ওটা পাইনি অভিযোগে লাইলী বেগমের ঝগড়া। এরপর তৈজসপত্র ভাংচুর ইত্যাদি।
সকালে নাস্তা টেবিলে এসে মজনু দেখতে পেল নাস্তা নেই। লাইলী বেগম সিরিয়াল দেখছে।
নাস্তা কোথায়? ক্ষিপ্তকণ্ঠে মজনু বলে।
কোথাও করে নেও, আমার সময় নেই। সিরিয়ালের ফাটাফাটি পর্ব চলছে- বলে লাইলী।
আমি চললাম-বলে মজনু।
সড়ক দুর্ঘটনায় যদি না মরো তাহলে পারলে বাড়িতে এসো- ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলে লাইলী।
বুকে একরাশ ব্যথা নিয়ে মজনু বাসে চেপে বসে। তার অন্তরের অন্তস্থল থেকে মান্নাদের বিখ্যাত গান’ তুমি কি সেই আগের মত আছো, নাকি অনেক খানি বদলে গেছে, খুব জানতে ইচ্ছে করছে’ গাইছে।
এ সময় মজনু মিয়ার ছেলেবেলায় চিড়িয়াখানা দর্শণের কথা মনে পড়ে। বাবার সাথে চিড়িয়াখানায় গিয়ে একটি খাঁচার সামনে এসে সে বাবাকে বলে- উঠা কি? গাধা- উত্তর দেয় বাবা। গাধার পাশে কে- আবার প্রশ্ন মজনুর। গাধার বউ- উত্তর বাবার। গাধারা বিয়ে করে- অবাক হয়ে মজনু জিজ্ঞেস করে। হ বাবা গাধারাই বিয়ে করে- বিষন্নকণ্ঠে বলে বাবা।
এরপর শেষকাল কিভাবে কাটবে তা ভাবতে পারে না মজনু মিয়া।
বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ}  লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192264/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Feb 2023 15:31:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মজনু মিয়ার বিয়ের তিনকাল</p>
<p>অমর প্রেমিক জুটি লাইলী-মজনুর বিয়ে না হলেও আধুনিক যুগে মজনু মিয়া ও লাইলী বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ে পরবর্তী তাদের কেমন কেটেছে তা তিনকাল বিভক্ত করে সারাংশ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।<br />
প্রথমকাল- বিয়ের পর নাস্তার টেবিলে লাইলী বেগমের চোখ ও নাক দিয়ে শ্রাবণধারা বইছে। মজনু বিষন্নমনে নাস্তা খেয়ে চলছে।<br />
লাইলী হিসেব করে বলে, অফিসে ৮ ঘণ্টা, যে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192264"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192264/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a4cd94185e59940b15e0fcd7e7736381</guid>
				<title>কাটছাঁট স্বপ্ন
বধূ সাজে কি অপূর্ব লাগছে তোমায়
যে কাননেই থাকো না কেন
সৌরভ ছড়াও জগতময়।
আকাশছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে তুমি অগ্রপথিক
অনিমিষ দৃষ্টি আমার, উপশান্ত তুমি
কথা ছিল অবনিতলে সঙ্গী হবে আমার।
ঐক্যের অভাব নয়, অমোঘ ছিল ভালোবাসা
উন্মাদনা ছিলে তুমি, গতায়ু আমি
দিব্যনদীতে হারিয়ে যায় নতনয়ন।
পূর্বাহ্ণিকের অনুপ্রাণনা অপরাহ্ণে হয় না
এখন আমি তা জানি
প্রদ্যোতিত তুমি সংসৃষ্ট।
ঘণ্টায় ষাট মিনিট বেগে ছুটছি মৃত্যুরপানে
এরই নামেই জীবন, যখন আমি জীবন্ত
ক্রমেই অপস্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছি।
আবর্তমেঘের ছায়ায় তুমি
ভাবনায় চলে না জবরদখল
তাই শালপ্রাংশু স্বপ্নকে করলাম কাটছাঁট।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189489/</link>
				<pubDate>Sat, 14 Jan 2023 12:43:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাটছাঁট স্বপ্ন<br />
বধূ সাজে কি অপূর্ব লাগছে তোমায়<br />
যে কাননেই থাকো না কেন<br />
সৌরভ ছড়াও জগতময়।<br />
আকাশছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে তুমি অগ্রপথিক<br />
অনিমিষ দৃষ্টি আমার, উপশান্ত তুমি<br />
কথা ছিল অবনিতলে সঙ্গী হবে আমার।<br />
ঐক্যের অভাব নয়, অমোঘ ছিল ভালোবাসা<br />
উন্মাদনা ছিলে তুমি, গতায়ু আমি<br />
দিব্যনদীতে হারিয়ে যায় নতনয়ন।<br />
পূর্বাহ্ণিকের অনুপ্রাণনা অপরাহ্ণে হয় না<br />
এখন আমি তা জান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189489"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189489/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7886b51963656703962a30602afb6360</guid>
				<title>অমানুষ
আগ্নেয়াদ্রি ভস্ম করছে জীবন
নিশান্তে জাগবে না অরুণচ্ছটা
আভাসিত পঙতিমালা মিলিয়ে যাবে নক্ষত্রমালায়
কালাতিক্রম করবে না জগদ্দল।
ধরণীতলে মানুষের সন্ধান করছি
ঝটিকাবর্তে নিমেষহীন দৃষ্টিতে
কখনও কখনও উষ্ণতার তীব্র স্রোতে
মানুষের মত দেখতে নয়,মানুষ খুঁজছি। 
ক্লান্ত চোখে ভর করেছে ধূম্রালোক
অনুরথ্যা দিয়ে হয় না চলার শেষ
হারিয়ে যাচ্ছে বজ্রনির্ঘোষ
মনকর্ষণ মহাযাত্রার পথে।
অবশেষে অবেলায় মিলল অনেক মানুষ
উল্লসিত আমি, পেলাম অরুণোপাল
প্রদীপ্ত হবে তোমার জীবন
অন্তর্নিহিত থাকল অরিত্র।
কল্পিত অশুভ হারিয়ে গেল ক্রান্তিবৃত্তে
পশ্চিমে অস্তায়মান রবির আলোকচ্ছটা
মহাবিস্ময়ে ঘটল কিরণপাত
মানুষ পেয়ে নিজেই হয়ে গেলাম অমানুষ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188306/</link>
				<pubDate>Sat, 07 Jan 2023 12:23:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অমানুষ<br />
আগ্নেয়াদ্রি ভস্ম করছে জীবন<br />
নিশান্তে জাগবে না অরুণচ্ছটা<br />
আভাসিত পঙতিমালা মিলিয়ে যাবে নক্ষত্রমালায়<br />
কালাতিক্রম করবে না জগদ্দল।<br />
ধরণীতলে মানুষের সন্ধান করছি<br />
ঝটিকাবর্তে নিমেষহীন দৃষ্টিতে<br />
কখনও কখনও উষ্ণতার তীব্র স্রোতে<br />
মানুষের মত দেখতে নয়,মানুষ খুঁজছি।<br />
ক্লান্ত চোখে ভর করেছে ধূম্রালোক<br />
অনুরথ্যা দিয়ে হয় না চলার শেষ<br />
হারিয়ে যাচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188306"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188306/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">73e860a19bfa1e3858766fe080511cf3</guid>
				<title>নববর্ষের অঙ্গীকার

নববর্ষের জয় জয় হোক
জয় জয় হোক মানবতার
জয় জয় হোক  বাঙ্গালির আর
আমার বাংলাদেশের।
আর নয় কণ্টকময় জীবন
ধরণীতলে জাগবো আমরা
দুঃস্বপ্নের রাত হবে শেষ
রক্তবর্ণ আভায় জেগে উঠবে রবি।
অনিন্দ্য সৌন্দর্যে ছেয়ে গেছে দিন
জলস্রোতে ভেসে যাক গ্লানি
আত্মপরায়ণতা নয়
আমরা আছি মানুষের জন্য।
অভিশপ্ত বছরের জীবনকে
পাঠিয়েছি কৃষ্ণগহ্বরে 
চিহ্ন থাকল শরীরে
যা আবেক্ষণ করা যাবে দিনভর।
জগদ্বরেণ্য আমরা
উঠে আসছে নবকিশলয়
বসুন্ধরায় গড়বে তারা স্বপ্নের মানবতা
নববর্ষের এই হোক অঙ্গীকার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187184/</link>
				<pubDate>Mon, 02 Jan 2023 07:34:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নববর্ষের অঙ্গীকার</p>
<p>নববর্ষের জয় জয় হোক<br />
জয় জয় হোক মানবতার<br />
জয় জয় হোক  বাঙ্গালির আর<br />
আমার বাংলাদেশের।<br />
আর নয় কণ্টকময় জীবন<br />
ধরণীতলে জাগবো আমরা<br />
দুঃস্বপ্নের রাত হবে শেষ<br />
রক্তবর্ণ আভায় জেগে উঠবে রবি।<br />
অনিন্দ্য সৌন্দর্যে ছেয়ে গেছে দিন<br />
জলস্রোতে ভেসে যাক গ্লানি<br />
আত্মপরায়ণতা নয়<br />
আমরা আছি মানুষের জন্য।<br />
অভিশপ্ত বছরের জীবনকে<br />
পাঠিয়েছি কৃষ্ণগহ্বরে<br />
চিহ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187184"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187184/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c435c18f6db209754e4650b1a7c2022c</guid>
				<title>ছয় ঋতুর ভালবাসা

গ্রীষ্মে আকাশে জমেছে কালো মেঘ
রুদ্র প্রকৃতি, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী
তুমি থেকো পাশে, অশনির এই সংকেতে।

বর্ষায় বৃষ্টি না ঝরলে কষ্ট পায় মেঘেরা
উড়ে বেড়ায় নীলাকাশে
ব্যথিত হয় তাদের প্রত্যাশা।

শরতে শিশির না থাকলে
সিক্ত হয় না জমিন
অপূর্ণ থেকে যায় চাওয়া-পাওয়ার ক্ষণ।

হেমন্তের নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে
মাঠ জুড়ে ধানের প্রাচুর্য, সবুজ স্বপ্ন দুলে
তুমি না থাকলে হবে না নবান্ন।

শীতের রাতে উষ্ণ কম্বলে
তুমি যদি না থাকো পাশে
উদাস হয় শীতল এই প্রহর।

বসন্তে তুমি যদি ঘুমিয়ে পড়ো
অভিমানে ফুটবে না কৃষ্ণচূড়া
দীর্ঘশ্বাস মুছে দিও কালের দর্পণ থেকে।

তুমি হাসলে হেসে উঠে প্রকৃতি
তুমি কাঁদলে অচেনা অন্ধকার দেখে 
আঁতকে উঠে অমাবশ্যা
তুমি পাশে থেকো ছয় ঋতুজুড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186380/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Dec 2022 12:47:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছয় ঋতুর ভালবাসা</p>
<p>গ্রীষ্মে আকাশে জমেছে কালো মেঘ<br />
রুদ্র প্রকৃতি, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী<br />
তুমি থেকো পাশে, অশনির এই সংকেতে।</p>
<p>বর্ষায় বৃষ্টি না ঝরলে কষ্ট পায় মেঘেরা<br />
উড়ে বেড়ায় নীলাকাশে<br />
ব্যথিত হয় তাদের প্রত্যাশা।</p>
<p>শরতে শিশির না থাকলে<br />
সিক্ত হয় না জমিন<br />
অপূর্ণ থেকে যায় চাওয়া-পাওয়ার ক্ষণ।</p>
<p>হেমন্তের নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে<br />
মাঠ জুড়ে ধানের প্রাচুর্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186380"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186380/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb779d4f4a42459c13fa0485fc677be6</guid>
				<title>অংশুময় জীবন

কোথায় যেন হারিয়ে গেল অংশুময় জীবন
থেমে থাকেনি কালস্রোত, গোলকধাঁধায় ছিন্ন নক্ষত্রনাথ
দর্শনেন্দ্রিয় বুঝে না প্রহেলিকা
ভূবলয়ে চলছে রুপদক্ষের কলহাস্য।

শ্রেষ্ঠকালে তুমি ছিলে অরুণিমা চন্দ্রপ্রভ
চরিতাখ্যান ছিল কালজয়ী
অবারিত ভালোবাসা হয়েছে চিরন্তন
সুষমা তুমি, বর্ণিকায় ফুটে উঠে প্রতিচ্ছবি।

ঝরনাতলায় তারুণ্য তুমি অনমিত
কালশশী থাকে মাথার উপর
জগদবিখ্যাত মায়াবী হাসি
ভালোবাসি তোমায়, ভালোবাসি।

অনুপ্ত হওয়ার আগে গম্যহীন আমি
নীলাকাশে হারিয়ে যায় মায়া মুখ
জলস্ফীতি ঘটে ধরণীতলে
অর্গলিকা দিয়ে আটকানো থাকে দুটি চোখ।

নিযুত বজ্রনাদে বহিরিন্দ্রিয় অসার
উপশ্লেষ করে কল্লোলিত মেদিনী
অন্তহীন জীবন এখন বিষমকাল
মহানিশায় উড়ে যায় মুক্তছন্দ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/185006/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Dec 2022 11:06:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অংশুময় জীবন</p>
<p>কোথায় যেন হারিয়ে গেল অংশুময় জীবন<br />
থেমে থাকেনি কালস্রোত, গোলকধাঁধায় ছিন্ন নক্ষত্রনাথ<br />
দর্শনেন্দ্রিয় বুঝে না প্রহেলিকা<br />
ভূবলয়ে চলছে রুপদক্ষের কলহাস্য।</p>
<p>শ্রেষ্ঠকালে তুমি ছিলে অরুণিমা চন্দ্রপ্রভ<br />
চরিতাখ্যান ছিল কালজয়ী<br />
অবারিত ভালোবাসা হয়েছে চিরন্তন<br />
সুষমা তুমি, বর্ণিকায় ফুটে উঠে প্রতিচ্ছবি।</p>
<p>ঝরনাতলায় তা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-185006"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/185006/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29f17e50eebf4b5cf852ddf703b8164e</guid>
				<title>অণুরম্য গল্প
কবিতায় বিপত্তি

ফরহাদ মিয়া। বয়স চল্লিশের কোঠা অতিক্রম করেছে। চাকরি করেন বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে। তাকিয়ে আছেন হাফ সেঞ্চুরির জন্যে। নিজেকে তিনি শিরির ফরহাদ মনে করেন।
এমন এক ব্যক্তির শখ হলো কবিতা লিখবেন। জুনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট কবি হিসাবে যাত্রা শুরু করলেন। লিখলেন প্রেমের কবিতা। পত্রিকায় তা ছাপা হলো না। দমে না গিয়ে তিনি ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিলেন। এতে তিনি বেশ তৃপ্ত-বোধ করলেন। এরপর শুরু হলো বিপত্তি। বাড়িতে গিন্নির সাথে চললো কুরুক্ষেত্র। স্ত্রীর দাবি ফরহাদ প্রেমে পড়েছে। কবি কবি ভাবটা তার গায়েব হওয়ার পথে। স্ত্রীকে তিনি কিছুতে বুঝাতে পারলেন না কবিতা ইজ কবিতা। এরপর ফরহাদ ব্যর্থ প্রেমের কবিতা লেখে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন। এতে স্ত্রী আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো। তারমতে প্রেম করে ছাঁকা খেয়ে ফরহাদ কবিতা লিখছে। বেচারা ফরহাদ মহা বিপাকে পড়ে গেল। এবার তিনি অসহায় বোধ করলেন। লিখলেন বিদ্রোহী কবিতা। এতে আরও বিপদে পড়লেন ফরহাদ। এবার তার স্ত্রী কান্নাকাটি শুরু করলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলতে লাগলেন এবার পুলিশ এসে ফরহাদকে ধরে নিয়ে যাবে। পরে তাকে গুম করা হবে। পরে ব্যঙ্গ করে বলে পুরাতন পাগল ভাত পায় না, নতুন পাগলের ছড়াছড়ি।
স্ত্রীর মুখে এমন অমরবাণী শুনে বেচারা হবু কবি ফরহাদ রাগে দুঃখে অভিমানে কবিতা লেখা ছেড়ে দিলেন। তিনি ভাবতে লাগলেন এভাবে কবির কলম রুদ্ধ করা হলো। তার আজন্ম শখ জুনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট কবি থেকে কবি হওয়া। কিন্তু তা হলো না। মাঝ পথে থেমে গেল কবিতা চর্চা। সামনে আসছে বই মেলা। লক্ষ কবির গায়েব হওয়া পরিণতির সাথে নিজেকে যুক্ত করলেন।

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ৪৭
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/184730/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Dec 2022 09:55:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>
অণুরম্য গল্প<br />
কবিতায় বিপত্তি</p>
<p>ফরহাদ মিয়া। বয়স চল্লিশের কোঠা অতিক্রম করেছে। চাকরি করেন বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে। তাকিয়ে আছেন হাফ সেঞ্চুরির জন্যে। নিজেকে তিনি শিরির ফরহাদ মনে করেন।<br />
এমন এক ব্যক্তির শখ হলো কবিতা লিখবেন। জুনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট কবি হিসাবে যাত্রা শুরু করলেন। লিখলেন প্রেমের কবিতা। পত্রিকায় তা ছাপা হলো না। দমে না গিয়ে তিনি ফেসবু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-184730"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/184730/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bb8299e8c3a142395fe6ece5312105e2</guid>
				<title>অরুণোদয়

ভালোবাসা অপ্রাপ্তিতেই পায় পূর্ণতা
অপরিমেয় থাকে সে নিরভিমান
কোষকাব্য মিলিয়ে যায় জলাবর্তে
ত্রৈকালিক জাগে উদ্ভ্রম।

স্বার্থোন্মত্ত ভালোবাসা হয় কণ্টকময়  
দিনের নিশান্তে মিলিয়ে যায় নীলাকাশে
পক্ষীকূজন ডাকে না আর
নর-নারীর এ ভালোবাসা হয় বিষিত।

আমার ওমে ঝরে পড় ধরণীতলে
অভিনিবিষ্ট ভালোবাসা হয় একাকার
নারী-পুরুষ নয় মানুষে মানুষে সে ভালোবাসা
আভাসিত হয়, জেগে থাকে অনন্তকাল।

জ্বলে উঠা আলেয়া যায় হারিয়ে
তিমিররাত্রিতে জ্যোৎস্নালোকিত হয় জীবন
আত্মশ্লাঘা আলোর আবছায়ায় বিমুক্ত
চিত্রকর আমি ক্যানভাসে আসে প্রিয় মুখ।

চিরচেনা কুহর থেকে আসে কিন্নরকণ্ঠ
চিন্ময় আমি, তপনতপ্তে বহে বসন্তপবন
বিস্ময়বিমূঢ় অরুণোদয়, বিমলতা তুমি অভ্রপুস্প
ধ্রুবতারা আমি, ভালোবাসি তোমায়, ভালোবাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/183929/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Dec 2022 06:11:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অরুণোদয়</p>
<p>ভালোবাসা অপ্রাপ্তিতেই পায় পূর্ণতা<br />
অপরিমেয় থাকে সে নিরভিমান<br />
কোষকাব্য মিলিয়ে যায় জলাবর্তে<br />
ত্রৈকালিক জাগে উদ্ভ্রম।</p>
<p>স্বার্থোন্মত্ত ভালোবাসা হয় কণ্টকময়<br />
দিনের নিশান্তে মিলিয়ে যায় নীলাকাশে<br />
পক্ষীকূজন ডাকে না আর<br />
নর-নারীর এ ভালোবাসা হয় বিষিত।</p>
<p>আমার ওমে ঝরে পড় ধরণীতলে<br />
অভিনিবিষ্ট ভালোবাসা হয় একাকার<br />
না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-183929"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/183929/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9466deaa2d84ce3d0d854d2ee791126c</guid>
				<title>তোমাকে মনে পড়ে

তোমাকে মনে পড়ে
বড্ড বেশি মনে পড়ে
সকাল, দুপুর, রক্তিম গোধূলিতে
তোমাকে মনে পড়ে
বড্ড বেশি মনে পড়ে।

তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে আমি পরিচিত
কোন নিঃশ্বাসে হতাশা
কোন নিঃশ্বাসে আনন্দ 
কোন নিঃশ্বাসে বেদনা 
তা তোমার মুখের দিকে তাকালে অনায়াসে বলতে পারি।

আমি আকাশের দিকে তাকালে দেখতে পাই 
কোন তারার মধ্যে তোমার দুঃখ লুকিয়ে আছে
কোন তারা আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে 
আমি সব জানতে পারি
বুঝতে পারি, অনুভব করতে পারি।

তোমার অঙ্কিত প্রতিমূর্তি
নানা রঙের নকশাযুক্ত
চিত্রায়ন করি জোনাকীর আলোতে প্রবহমানতায়
তখনই তোমাকে মনে পড়ে
বড্ড বেশি মনে পড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/182247/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Dec 2022 12:53:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমাকে মনে পড়ে</p>
<p>তোমাকে মনে পড়ে<br />
বড্ড বেশি মনে পড়ে<br />
সকাল, দুপুর, রক্তিম গোধূলিতে<br />
তোমাকে মনে পড়ে<br />
বড্ড বেশি মনে পড়ে।</p>
<p>তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে আমি পরিচিত<br />
কোন নিঃশ্বাসে হতাশা<br />
কোন নিঃশ্বাসে আনন্দ<br />
কোন নিঃশ্বাসে বেদনা<br />
তা তোমার মুখের দিকে তাকালে অনায়াসে বলতে পারি।</p>
<p>আমি আকাশের দিকে তাকালে দেখতে পাই<br />
কোন তারার মধ্যে তোমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-182247"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/182247/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dcd76fb3c60c1158f8cfe77f8a46c375</guid>
				<title>অণুরম্য গল্প
সাংবাদিক-রাজনীতিক দম্পতির ঝগড়া

সাংবাদিক স্ত্রী: গতকাল বিকেলে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে এক নারীর কোলে মাথা রেখে তোমাকে বাদাম চিবুতি দেখা গেছে। এই সময় ওই নারী কোন আইসক্রিম খাচ্ছিল। পরে একদল স্থানীয় ‘সন্ত্রাসী’ চাঁদার দাবিতে তোমাদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে থাকা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
রাজনীতিক স্বামী:  মিথ্যা, ঘোড়ার ডিমের মতো ডাহা মিথ্যা কথা।
স্ত্রী: একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকেলে মোটরসাইকেল নিয়ে তুমি ওই নারীকে নিয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে যাও। সেখানে লেকের ধারে ওই নারীর কোলে মাথা রেখে তুমি শুয়ে থেকে তিন কোয়া বাদাম খাচ্ছিল। সেটা টিভির HD চ্যানেলের মতো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং ঝকঝকে সেই দৃশ্য দেখা যায়।
স্বামী: ষড়যন্ত্র, গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার আমি। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
স্ত্রী: নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ওই নারীর কয়েক প্রতিবেশি জানায়, সপ্তাহে দুই দিন তুমি ওই নারীর বাড়িতে যাও। সেখানে দীর্ঘ সময় থাকার পর বের হয়ে আসো। যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
স্বামী: আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার প্রতিপক্ষরা আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মিথ্যা এ কাহিনীর প্রতিবাদে প্রয়োজনে লাগাতার অবরোধ- হরতাল দিয়ে দেশ অচল করে দেওয়া হবে। দেশবাসী এ কাহিনী কোনোদিন বিশ্বাস করবে না।
স্ত্রী: আমার বন্ধু সন্ধানী রহমান তার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ‘ইয়ে ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র’ প্রসঙ্গটা উঠে এসেছিল। তখন তুমি প্রতিবাদ করলেও কর্তৃপক্ষ তা প্রকাশ করেনি। কেননা তাদের হাতে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল।
স্বামী: আমি শতভাগ নির্দোষ। এ সব ঘটনা তদন্তে আমি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি করছি। পাশাপাশি বলতে চাই দেশে কি পুলিশ নেই। তারা এসব ঘটনার প্রতিকার করল না কেন?
স্ত্রী: ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রহমত আলী এ ‘লীলাখেলা’র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বি:দ্র: এরপর কী হতে পারে তা সম্মানিত পাঠকগণ, আপনারা নিজে লেখে নিজেদের মধ্যে ধারণ করে উপসংহার টানবেন।

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ৩২
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181638/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Dec 2022 14:58:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অণুরম্য গল্প<br />
সাংবাদিক-রাজনীতিক দম্পতির ঝগড়া</p>
<p>সাংবাদিক স্ত্রী: গতকাল বিকেলে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে এক নারীর কোলে মাথা রেখে তোমাকে বাদাম চিবুতি দেখা গেছে। এই সময় ওই নারী কোন আইসক্রিম খাচ্ছিল। পরে একদল স্থানীয় ‘সন্ত্রাসী’ চাঁদার দাবিতে তোমাদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে থাকা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-181638"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/181638/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">de0ad55612995d3d1b971462005b9373</guid>
				<title>কালবেলা


অভিমানী নক্ষত্রের অনন্ত-রাশির সন্ধান মেলে না
জ্যোৎস্নাকে অবলুপ্ত করে অমাবস্যা
দিব্যোদক আহরিত করে না কালসমুদ্র
মহাযাত্রায় মিলিয়ে যায় আন্তরিক্ষ।

জগন্ময়-জুড়ে চলছে বিস্ময়াকুল ক্ষয়ঙ্কর
ছেঁটে ফেলা হয়েছে বিহঙ্গের পালক
প্রস্তুত সুচিত্রক,প্রস্তুত ঝটিকাবর্ত
কালবেলাও মোহমুক্ত হয় না এক জীবন। 

পিছনে বিদ্ধ হওয়া বুলেট বুক চিরে বেরিয়ে যায়
ব্যথা পেলাম বুলেটে নয় দুরাত্মার আঘাতের ধরনে
তখনও চলছে নিঃশ্বসন,বহ্নিসংস্কার আসন্ন
বেপথুমান ধরণীতল,ব্রীড়িত নক্ষত্র।

বিমূর্ত আমি, চারিদিকে জলতরঙ্গ
নিবিষ্টচিত্তে দিয়ে যাই জয়টিকা
সন্নিকৃষ্ট চিরশান্ত, শৈল-গহ্বরে অবস্থান
মণিদীপ্ত হয় না যুগলক্ষণ।

মনশ্চক্ষু খুঁজে পায় না ভূলোক
অণু-মাত্রিক বিরহ অপ্রসন্ন,সংশপ্তক আমি
প্রস্থিত যাত্রায় দেখিবে না মুখ
অসংশয় জন্মনক্ষত্র, অরুণচ্ছটা মিলবে পূর্ণ-শশীতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181482/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Dec 2022 06:51:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কালবেলা</p>
<p>অভিমানী নক্ষত্রের অনন্ত-রাশির সন্ধান মেলে না<br />
জ্যোৎস্নাকে অবলুপ্ত করে অমাবস্যা<br />
দিব্যোদক আহরিত করে না কালসমুদ্র<br />
মহাযাত্রায় মিলিয়ে যায় আন্তরিক্ষ।</p>
<p>জগন্ময়-জুড়ে চলছে বিস্ময়াকুল ক্ষয়ঙ্কর<br />
ছেঁটে ফেলা হয়েছে বিহঙ্গের পালক<br />
প্রস্তুত সুচিত্রক,প্রস্তুত ঝটিকাবর্ত<br />
কালবেলাও মোহমুক্ত হয় না এক জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-181482"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/181482/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e90df8400295dd33affd98c5f6224b1c</guid>
				<title>প্রলয়মেঘ

ধূমকেতুর ভালোবাসা হয় কপোলকল্পিত 
শূন্য থেকে এসে শূন্যেই হয় অন্তর্হিত
ভাসমান থাকে অব্যক্ত পঙতিমালা
যা বৃষ্টি হয়ে ঝরে ধরণীতলে।

চন্দ্রকে আলোকিত করে অরুণসারথি
মেঘের সাথে মাটির রয়েছে সখ্যতা
গাছের সাথে জীবনের
চিরন্তন অর্হণীয় এ ভালোবাসা।

যে মেঘ বৃষ্টি ঝরায় না
নিমেষে নিয়ে যায় কালান্তরে
ম্রিয়মাণ হয় একজীবন, মিলিয়ে যায় আলেয়া
তপাত্যয় এইকালে আত্মবিস্মরণ জাগে না।
 
নষ্ট এ সময়,নষ্ট কিরণময়
ক্রমাগত ঘর্ষণে নিত্যপ্রলয় ঘটে
গিলোটিনের আঘাতে ছিন্ন নবকলিকা
অন্তর্হাসে ছড়িয়ে পড় নির্মায়িক প্রেতাত্মা।

কৃষ্ণগহ্বর এখন করাল
চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে পঞ্চকোষ
সারি সারি অশ্বত্থের ছায়া
জমছে প্রলয়মেঘ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/180180/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Nov 2022 06:47:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রলয়মেঘ</p>
<p>ধূমকেতুর ভালোবাসা হয় কপোলকল্পিত<br />
শূন্য থেকে এসে শূন্যেই হয় অন্তর্হিত<br />
ভাসমান থাকে অব্যক্ত পঙতিমালা<br />
যা বৃষ্টি হয়ে ঝরে ধরণীতলে।</p>
<p>চন্দ্রকে আলোকিত করে অরুণসারথি<br />
মেঘের সাথে মাটির রয়েছে সখ্যতা<br />
গাছের সাথে জীবনের<br />
চিরন্তন অর্হণীয় এ ভালোবাসা।</p>
<p>যে মেঘ বৃষ্টি ঝরায় না<br />
নিমেষে নিয়ে যায় কালান্তরে<br />
ম্রিয়মাণ হয় একজীবন, মিলিয়ে যায় আলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-180180"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/180180/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">01ca0d77288faf42d2342630368b2e03</guid>
				<title>আমি দেখেছি

আমি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি
আমি দেখেছি মাকে পুকুরে নেমে কাঠ কচু তুলতে
যা খেয়ে কেটেছে নয় মাস
আমি দেখেছি প্রথম বিজয় দিবস।

আমি দেখেছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে
আমি দেখেছি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সোনার বাংলাকে
আমি দেখেছি গণকবর, দেখেছি ঘাতকদের
আমি দেখেছি চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ।

আমি দেখেছি সাম্যবাদের পতন,বুর্জোয়া শ্রেণির উল্লাস
আমি দেখেছি পচা এক টুকরো মাংসের 
দখল নিয়ে কয়েক কুকুরের লড়াই
আমি শুনেছি শোষিত মানুষের আর্তনাদ।

আমি দেখেছি মহা অহংকার নক্ষত্রদের পতন
আমি দেখেছি জগন্নাথ হলের ছাদ ধসে শিক্ষার্থীদের মৃত্যু
আমি দেখেছি রানা প্লাজা ধসে হাজারো মৃত্যু
আমি দেখেছি হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা।

এতকিছু দেখার পরও অপেক্ষায় আছি নতুন কিছু দেখতে
আমি দেখতে চাই তোমার অরুণিমা,চিত্রকাব্য
আমি গুনতে চাই আমার ঢালশুমারি
প্রণিহিত হোক সকল বৈসাদৃশ্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/179576/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Nov 2022 08:15:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি দেখেছি</p>
<p>আমি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি<br />
আমি দেখেছি মাকে পুকুরে নেমে কাঠ কচু তুলতে<br />
যা খেয়ে কেটেছে নয় মাস<br />
আমি দেখেছি প্রথম বিজয় দিবস।</p>
<p>আমি দেখেছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে<br />
আমি দেখেছি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সোনার বাংলাকে<br />
আমি দেখেছি গণকবর, দেখেছি ঘাতকদের<br />
আমি দেখেছি চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ।</p>
<p>আমি দেখেছি সাম্যবাদের পতন,বুর্জোয়া শ্রেণির উল্লাস<br />
আম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-179576"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/179576/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db48261ec0cede7e4d2bd66457befd45</guid>
				<title>এক রত্তি ভালোবাসা

এক রত্তি ভালোবাসার জন্য উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরুতে ঘুরেছি
সাগর থেকে মহাসাগর, মরুভূমি থেকে গহীন অরণ্যে
কত রাজপথ জনপথ ঘুরলাম
চিরানন্দ কাঙ্ক্ষণীয় ভালোবাসা কোথাও পেলাম না।

অনেকটা অপ্রগলভাবে আকাশকে বললাম
আমায় একরত্তি নীল দাও, ভালোবাসবে সে
অন্তরীক্ষ জানায়, অলীক কল্পনা তোমার, ফিরে যাও
তুষারমৌলি মন নিয়ে ফিরে এলাম।

একবার ভালোবাসার দৌড় প্রতিযোগিতায় নেমেছিলাম
অনেকটা খরগোশ আর কচ্ছপের মতো
জিতিয়েও গিয়েছিলাম, পরে ছলকপট করা হলো
অক্ষমতার অভিযোগে ফল বাতিল করা হয়।

এক রত্তি ভালোবাসার জন্য পাহাড় কেটে তৈরি করেছিলাম নির্ঝর
সেখানে বইছিল বসন্ত প্রবন, আত্ম-বিহ্বল হয়েছিলাম  
একদিন উৎসমুখে দিলে পাথরচাপা 
কালসমুদ্র হয়ে থাকলো দুরাকাঙ্ক্ষা।

আত্মনিষ্ঠ সম্পর্ক হয় পানসে অনেকটা আধিদৈবিক
কুহকী ছিন্ন হলে খড়কুটোর মত উড়ে যায় মহাসাগরে
ভাসমান আবলুশ খড়িকে দেখে মনে হয় চন্দ্রালোকিত
মেদিনীতে আর ফিরে না দ্বিজন্মা।

ভালোবাসার অঙ্কুরোদ্গম আবিদ্ধ করেছো 
অস্তায়মান রবির রক্তিম আভায় মিলে যায় বরিষ
তপ্তকাঞ্চন হারায় ধ্রুববিশ্বাস, মিলিয়ে যায় পূতাত্মা
ভস্মীভূত করলাম এক রত্তি ভালোবাসাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/178424/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Nov 2022 09:25:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক রত্তি ভালোবাসা</p>
<p>এক রত্তি ভালোবাসার জন্য উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরুতে ঘুরেছি<br />
সাগর থেকে মহাসাগর, মরুভূমি থেকে গহীন অরণ্যে<br />
কত রাজপথ জনপথ ঘুরলাম<br />
চিরানন্দ কাঙ্ক্ষণীয় ভালোবাসা কোথাও পেলাম না।</p>
<p>অনেকটা অপ্রগলভাবে আকাশকে বললাম<br />
আমায় একরত্তি নীল দাও, ভালোবাসবে সে<br />
অন্তরীক্ষ জানায়, অলীক কল্পনা তোমার, ফিরে যাও<br />
তুষারমৌলি মন নিয়ে ফিরে এলাম।</p>
<p>এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-178424"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/178424/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe352626249b48123755fc5acb3194cd</guid>
				<title>স্ফিংস বধ

শরীরে বাসা বেধেছে নরকের রক্ষাকর্তা স্ফিংস
অনেকটা অসংক্রামক ব্যধির মতো
নীরবে নিঃশব্দে তার অবস্থান
হৃদপিণ্ড থেকে ঘাতক শুষে নিচ্ছে তাজা রক্ত।

স্ফিংসের পেছনের অংশ সিংহের মত হুংকার দিচ্ছে
পাখির মতো বড় ডানা মিলে উড়ছে
মুখমণ্ডল মানুষের মুখ সদৃশ হওয়ায় মিশে যাচ্ছে দ্রুত
ভয়ংকর নরকের এই প্রহরীর মনুষ্যলোকে আগমন ঘটেছে।

নির্মায়িক স্ফিংস এখন আরও কুৎসিত
পথশ্রান্ত আমি পদপল্লব ক্ষতবিক্ষত
নেই কোনো অমিত শক্তি
তবে কি ধ্বংস হবে প্রকৃতিবাদ?

আমার মধ্যে আমি বলে
জেগে উঠো রবি, সময় হয়েছে
মহাবিশ্ব আমায় দেয় প্রেরণা
ঘুম দেবতা চলে যায় বিশ্রামে।

পৌরাণিক স্ফিংসকে বধ করেছিল ইডিপাস, আজ সে নেই
জগজ্জীবন উদ্বিগ্ন, দিচ্ছে ক্রোধযুক্ত ভর্ৎসনা
গ্রীষ্মকালে ফুটবে তাম্রপুষ্প
সেখানে বাড়ছে স্ফিংস বধ মন্ত্র।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/177663/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Nov 2022 09:00:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্ফিংস বধ</p>
<p>শরীরে বাসা বেধেছে নরকের রক্ষাকর্তা স্ফিংস<br />
অনেকটা অসংক্রামক ব্যধির মতো<br />
নীরবে নিঃশব্দে তার অবস্থান<br />
হৃদপিণ্ড থেকে ঘাতক শুষে নিচ্ছে তাজা রক্ত।</p>
<p>স্ফিংসের পেছনের অংশ সিংহের মত হুংকার দিচ্ছে<br />
পাখির মতো বড় ডানা মিলে উড়ছে<br />
মুখমণ্ডল মানুষের মুখ সদৃশ হওয়ায় মিশে যাচ্ছে দ্রুত<br />
ভয়ংকর নরকের এই প্রহরীর মনুষ্যলোকে আগমন ঘটেছে।</p>
<p>নির্মায়িক স্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-177663"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/177663/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">413c90bc437c570024e5697a8ee736ee</guid>
				<title>ছয় ঋতুর ভালবাসা

গ্রীষ্মে আকাশে জমেছে কালো মেঘ
রুদ্র প্রকৃতি, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী
তুমি থেকো পাশে, অশনির এই সংকেতে।

বর্ষায় বৃষ্টি না ঝরলে কষ্ট পায় মেঘেরা
উড়ে বেড়ায় নীলাকাশে
ব্যথিত হয় তাদের প্রত্যাশা।

শরতে শিশির না থাকলে
সিক্ত হয় না জমিন
অপূর্ণ থেকে যায় চাওয়া-পাওয়ার ক্ষণ।

হেমন্তের নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে
মাঠ জুড়ে ধানের প্রাচুর্য, সবুজ স্বপ্ন দুলে
তুমি না থাকলে হবে না নবান্ন।

শীতের রাতে উষ্ণ কম্বলে
তুমি যদি না থাকো পাশে
উদাস হয় শীতল এই প্রহর।

বসন্তে তুমি যদি ঘুমিয়ে পড়ো
অভিমানে ফুটবে না কৃষ্ণচূড়া
দীর্ঘশ্বাস মুছে দিও কালের দর্পণ থেকে।

তুমি হাসলে হেসে উঠে প্রকৃতি
তুমি কাঁদলে অচেনা অন্ধকার দেখে 
আঁতকে উঠে অমাবশ্যা
তুমি পাশে থেকো ছয় ঋতুজুড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/177119/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Nov 2022 05:29:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছয় ঋতুর ভালবাসা</p>
<p>গ্রীষ্মে আকাশে জমেছে কালো মেঘ<br />
রুদ্র প্রকৃতি, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী<br />
তুমি থেকো পাশে, অশনির এই সংকেতে।</p>
<p>বর্ষায় বৃষ্টি না ঝরলে কষ্ট পায় মেঘেরা<br />
উড়ে বেড়ায় নীলাকাশে<br />
ব্যথিত হয় তাদের প্রত্যাশা।</p>
<p>শরতে শিশির না থাকলে<br />
সিক্ত হয় না জমিন<br />
অপূর্ণ থেকে যায় চাওয়া-পাওয়ার ক্ষণ।</p>
<p>হেমন্তের নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে<br />
মাঠ জুড়ে ধানের প্রাচুর্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-177119"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/177119/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">114faf7ee3734b79e6457cf24c7d2818</guid>
				<title>স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন.

ঘুমিয়ে ছিলাম, কতকাল জানি না
ঘুম ভাঙতেই আয়নায় নিজের প্রতিভূ দেখতে চাইলাম
দেখলাম জীর্ণ অপরিচিত এক অতিথি, যেন অন্তরিক্ষবাসী
আশপাশে তাকালাম, না অন্য কেউ নেই
একি!নিজের প্রতিচ্ছবি, কে আমি? উত্তররহিত থাকল।

একটি স্বপ্নকে রক্তাক্ত করে 
নতুন শতাব্দীতে চড়া মূল্যে এনেছিলাম নয়া স্বপ্ন
সাথে ছিল আলোকলতা আর বিদ্যুৎপ্রভ
মায়ারাজ্যে কল্পিত রথে যাত্রী আমরা
কখন, কবে জীবনোচ্ছ্বাসের ইতি ঘটেছে টের পাইনি।

রুদ্র বৈখাশে প্রচণ্ডবেগে বইছে ঝঞ্ঝাবর্ত, সঙ্গে বজ্রপাত
অরিত্র ধরেছিলে তুমি, গগন কাঁপানো আওয়াজে প্রায় বধির আমি
মুহূর্তে প্রলয়কাণ্ড , নরকে মহা-উল্লাস
নিমেষে ধ্বংস হয়ে গেল বহুমূলক
চোখ মেলে তাকালাম, দেখলাম তুমি নেই।

চারিদিকে  অন্ধকারাচ্ছন্ন, অমাবস্যা লজ্জায় মুখ ঢাকে
জগত-জুড়ে অন্বীক্ষণ করলাম আলোর জন্য
পূর্ণিমা চাঁদের কাছেও গেলাম, চাইলাম একমুঠো আলো
বললাম এই আলোয় আলোকিত হবে জীবন
দেরি হয়েছে, অরুণোদয় জাগবে এখন -জানায় স্নিগ্ধ আলোর সাম্রাজী।

রক্তাক্ত স্বপ্ন মগ্নগিরি থেকে উড়ে যায় প্রচ্ছায়ায়
অভিশংসিত জগত, চক্ষুষ্মত্তা তার
নিরবকাশ জীবনে নেই কোনো পূর্বাভাষ
আয়নায় দেখলাম এ সমস্ত প্রতিচিত্ত
পুনশ্চ স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখবো এমন দুঃসাহসও নেই আমার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/176485/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Nov 2022 08:32:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন.</p>
<p>ঘুমিয়ে ছিলাম, কতকাল জানি না<br />
ঘুম ভাঙতেই আয়নায় নিজের প্রতিভূ দেখতে চাইলাম<br />
দেখলাম জীর্ণ অপরিচিত এক অতিথি, যেন অন্তরিক্ষবাসী<br />
আশপাশে তাকালাম, না অন্য কেউ নেই<br />
একি!নিজের প্রতিচ্ছবি, কে আমি? উত্তররহিত থাকল।</p>
<p>একটি স্বপ্নকে রক্তাক্ত করে<br />
নতুন শতাব্দীতে চড়া মূল্যে এনেছিলাম নয়া স্বপ্ন<br />
সাথে ছিল আলোকলতা আর বিদ্যুৎপ্রভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-176485"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/176485/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b7e5267964d29177da6ce76a6bb92624</guid>
				<title>দেবুদার আত্মাহুতি


দেবদাস রায় ওরফে দেবুদা বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত প্রেমিক। মাধুরীকে সে দীর্ঘদিন ধরে ভালবাসে। দু’জনের মধুময় সম্পর্ক। দেবুদা মাধুরীকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে। সেই মাধুরী একখান পত্র দেবুদা হাতে দিয়ে পালিয়ে গেলেন।
পত্রখানা গভীর আগ্রহে দেবুদা পড়তে শুরু করলেন। কিন্তু একি! নিজের চোখকে দেবুদা বিশ্বাস করতে পারছে না। মাধুরী লিখেছেন, দেবুদা তোমাকে আমি আর ভালবাসি না। আমি মনের মত একজনকে খুঁজে পেয়েছি। এবার তুমি বিদায় হও---ইত্যাদি।
পত্রখানা পড়ে জলপ্রপাতের ন্যায় দেবুদা চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে তাকে। অতঃপর দেবুদা সিদ্ধান্ত নেয় সে আত্মাহতি দেবে।
সেই মোতাবেক দেবুদা গৃহ থেকে বের হয়ে বিদ্যুতের তারের উপর ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে দেবুদা একটি ভবনের উঠে বিদ্যুতের তারের উপর ঝাপ দেয়। কিন্তু একি! তারে তো বিদ্যুৎ নেই। পরে এলাকাবাসীর কাছ থেকে দেবুদা জানতে পারে গত তিন দিন ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ নেই।  
পরে দেবুদা সিদ্ধান্ত নেয় ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করবেন। সুযোগ মতে ফাঁকা জায়গায় রেললাইনের উপর দেবুদা শুয়ে পড়েন। পরে ঘুমিয়ে পড়ে দেবুদা স্বপ্ন দেখেন, স্বর্গে মাধুরীর সঙ্গে তার দেখা। এ সময় চিৎকার শুনে দেবু দার ঘুম ভেঙে যায়। চোখ মেলে দেখতে পায় কিছু লোক তাকে দেখে হাসছে। কেই চিৎকার করে অন্যদের ডাকছে। দেবুদা জিজ্ঞেস করে আমি কোথায়? উত্তরে লোকগুলো বলে বিশেষদ্রব্য খেয়ে তুমি কি এখানে ঘুমালে? উত্তরে দেবুদা বলে, প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে আমি আত্মাহুতি দিতে চেয়েছি। বয়স্ক এক লোক বলে, বাবারে তিনদিন ধরে ট্রেনের দেখা নেই। তুমি অন্যত্র চেষ্টা করো। সব শুনে দেবুদার দুঃখটা আরো বিস্তৃতি লাভ করল।
অতঃপর দেবুদা সিদ্ধান্ত নিল নদীতে ঝাপ দিয়ে মহান এই কর্ম সারবে।
নদীর সন্ধানে চলতে থাকে দেবুদা। পেয়েও যায় একটি নদী। তারপর দিল ঝাপ। কিন্তু একি! নদীতে জল কোথায়। হাটুর নিচে জল। এ সময় দেবু দা একজন ছড়াকার হয়ে গেলেন। ছড়াটি হলো, আমাদের ছোট নদী, চলে বাঁকে বাঁকে, ফারাক্কার ধাক্কায় হাটুজল থাকে।
আত্মাহতির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দেবুদা গৃহের পথ ধরলেন। গৃহে এসে দেখতে পেলেন মাধুরীর বোন কাজল একখানা পত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দেবুদাকে পত্রখানা দিয়ে অধিকতর লাজুক ভঙ্গিতে দৌড়ে পালিয়ে গেল কাজল।
দেবুদা দুঃখ চেপে পত্রখানি পাঠ করতে শুরু করলেন। মাধুরী লিখেছে, ‘‘ ও প্রাণের দেবুদা আমার ভুল হয়েছে। আমায় ক্ষমা করো। আমি তোমাকে ছাড়া ই্হজগতে আর কারো কথা ভাবতে পারি না----ইত্যাদি ‘’
পত্রখানা পাঠ করে খুশির চোটে দেবুদা হার্টফেল করে পটোল তুললেন।

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ৯
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/175209/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Nov 2022 13:03:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেবুদার আত্মাহুতি</p>
<p>দেবদাস রায় ওরফে দেবুদা বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত প্রেমিক। মাধুরীকে সে দীর্ঘদিন ধরে ভালবাসে। দু’জনের মধুময় সম্পর্ক। দেবুদা মাধুরীকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে। সেই মাধুরী একখান পত্র দেবুদা হাতে দিয়ে পালিয়ে গেলেন।<br />
পত্রখানা গভীর আগ্রহে দেবুদা পড়তে শুরু করলেন। কিন্তু একি! নিজের চোখকে দেবুদা বিশ্বাস করতে পারছে না। মাধুরী লিখে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-175209"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/175209/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a13cda483bea97336d17dd06e455ae82</guid>
				<title>আমি শূন্য

আমি শূন্য,আমি মহাশূন্য,আমি অসীম,আমি অন্ধকার
অকুণ্ঠিত-চিত্তে বলতে চাই, আমি সর্বহারা,আমি করপদ্ম
আমার নেই কোনো হারানোর ভয়
সংখ্যার ডানে বসলে আমি মহা পরাক্রমশালী।

ডিজিটাল দুনিয়াই যা কিছু সৃষ্টি তার অর্ধেক আমার
আমি না চাইলে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটবে না
আমি ঐন্দ্রজালিক করলে অচল হবে বাইনারি
ধরণীতলে ঘটবে কিরণপাত, বন্ধ হবে পঙ্কিলতা।

চিরায়ত অধ্যার জীবনবেদের মৃত্যু আসন্ন
ছদ্মবেশি নিষ্করুণ পিশাচের ঠাকঠমক উল্লাস
দিব্যনেত্র দেখছি দৈত্যাকৃতি অসুরের প্রতিচিত্র
আমি শূন্য,নির্ণিমেষে খুঁজছি নবাঙ্কুর এককে।

আকাশের মতো নির্লিপ্ত আমি, এখন গতক্লম হয়েছে
আমার আকৃতিতে হারিয়ে যায় রবি পশ্চিম মহাসাগরের অতলান্তিকে
পরদিন জেগে উঠে কোনো এক মরুভূমির বুক চিরে
সব্যসাচী আমি, ছড়িয়ে দেই সূর্যকরোজ্জ্বল।

কালাকাল প্রহরে তুমি বা তোমরা আমায় করো ব্যবহার
অনেকটা গাঙচিলের মতো আর বিকুণ্ঠ
জেনে রেখো যেকোনো সৃষ্টির গণনা আর শেষে আমি
প্রতিদিন আমার মৃত্যু আছে, জন্ম আছে আর আছে ঘূর্ণাবর্ত।

আমি চিরতুষার,অহিংসক আর ঐকপত্য
আমি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মৌলিক আবিষ্কার
পৃথিবীর অনেক প্রাচীন সভ্যতায় রয়েছে আমার উপস্থিতি
তুমি বা তোমরা আমায় ভালো না বাসলেও জ্বলিত হবো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174789/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Nov 2022 17:37:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি শূন্য</p>
<p>আমি শূন্য,আমি মহাশূন্য,আমি অসীম,আমি অন্ধকার<br />
অকুণ্ঠিত-চিত্তে বলতে চাই, আমি সর্বহারা,আমি করপদ্ম<br />
আমার নেই কোনো হারানোর ভয়<br />
সংখ্যার ডানে বসলে আমি মহা পরাক্রমশালী।</p>
<p>ডিজিটাল দুনিয়াই যা কিছু সৃষ্টি তার অর্ধেক আমার<br />
আমি না চাইলে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটবে না<br />
আমি ঐন্দ্রজালিক করলে অচল হবে বাইনারি<br />
ধরণীতলে ঘটবে কিরণপাত, বন্ধ হবে প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174789"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174789/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">234cab3acbe7437e1d47a8796c2be05d</guid>
				<title>হিরা

হিরণ্যদা থেকে এক খণ্ড হিরা এনেছিলাম
যা আলোয় আলোকিত ছিল জগত
আঁধার হয়েছিল ম্লান 
বহু স্রোত বয়েছিল বহমান নদীতে।

গোলাপের পাপড়ির ন্যায় দুটি ঠোট 
কানে স্পর্শ করে বলেছিলে ভালোবাসি ভালোবাসি
চোখ মেলে দেখি কোথাও কেউ নেই
প্রশ্নবিদ্ধ শুকতারা।

দুর্গপতি আমি নির্বস্তুক
অযত্নে অবহেলায় পড়েছিল হিরা
সেখানে ছিল না কবিতা 
ছিল না প্রত্যুজ্জীবন,কেটে যায় অনেক বছর।

একদিন কৃষ্ণপক্ষে প্রকৃতির আহ্বানে
অসীম আকাশে দিলে উড়াল
পড়ে রইল তুমি ভালোবাসাহীন নির্মধু
প্রত্যুৎপন্ন বধির, কিংকর্তব্যবিমূঢ় আমি।

এখন কয়েক আলোকবর্ষ দূরে তুমি
মহাকাশযান ভেঙে দিয়েছি
ফিরে বার পথ নেই
অভিমানে ঝরে পরছে নক্ষত্র।

রীতিসিদ্ধ যুগক্ষয়, বিপ্রযুক্ত আমি
যূথভ্রষ্ট জীবন তাকিয়ে থাকে গগনপ্রান্তে
অরুণোদয়ে তুষার মানব আমি তূষ্ণীম্ভূত
শেষ বেলায় জানাই বিদায় হিরা বিদায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174078/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Nov 2022 10:02:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হিরা</p>
<p>হিরণ্যদা থেকে এক খণ্ড হিরা এনেছিলাম<br />
যা আলোয় আলোকিত ছিল জগত<br />
আঁধার হয়েছিল ম্লান<br />
বহু স্রোত বয়েছিল বহমান নদীতে।</p>
<p>গোলাপের পাপড়ির ন্যায় দুটি ঠোট<br />
কানে স্পর্শ করে বলেছিলে ভালোবাসি ভালোবাসি<br />
চোখ মেলে দেখি কোথাও কেউ নেই<br />
প্রশ্নবিদ্ধ শুকতারা।</p>
<p>দুর্গপতি আমি নির্বস্তুক<br />
অযত্নে অবহেলায় পড়েছিল হিরা<br />
সেখানে ছিল না কবিতা<br />
ছিল না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174078"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174078/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a089942a29af8fa4ed53137296999206</guid>
				<title>মাহমুদুর রহমান মনা and ISMAT JAHAN LIPI are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173870/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Nov 2022 17:42:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5bc7f818888db706da73e7ef6ddc39a0</guid>
				<title>বিখ্যাত ৭ ফুটবলারের নামের নেপথ্যে
(অণুরম্য গল্প)

পেলে: ছেলেবেলায় স্কুলে বিরতি বা ছুটি ‘পেলে’ই ফুটবল নিয়ে মাঠে দৌড় দিত। এ কারণে তার বন্ধুরা তাকে পেলে বলে ডাকতো। পরে তার নামই হয়ে গেল পেলে।
ম্যারাডোনা: ছেলেবেলায় ‘ডান’পিটে এ ছেলেটি খেলার সময় শুধু ‘মার’পিট করতো। এ কারণে তার নাম হয়ে গেল ম্যারাডোনা।
মেসি: প্র্যাকটিসের সময় ছেলেটি অনুপস্থিত থাকায় কোচ চিৎকার করে বলে ‘মেসে’ থাকা ওই ছেলেটি এখনও নেই কেন? ব্যস এরপর থেকে তার নাম হয়ে গেল মেসি।
রোনালদো: খেলার রণকৌশল ঠিক করার সময় ছেলেটি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ খবর প্রচার হতে হতে এক সময় তার নাম হয়ে গেল রোনাল (রণ) দৌড় (দো)।
নেইমার: ছেলেবেলায় প্র্যাকটিসের সময় অমনোযোগী হওয়ায় ক্যাপ্টেন সবাইকে মারতে থাকে। ছেলেটি তার সামনে এসে রাগতস্বরে বলে ‘নে মার’। ব্যস এরপর থেকে তার নাম হয়ে গেল নেইমার।
কাকা: ছেলেবেলায় শুধু জুনিয়রদের সঙ্গে ফুটবল খেলতো। যার কারণে সবাই তাকে কাকা বলে ডাকতো। পরে বড় হয়ে কাকা নামই থেকে গেল তার।
থমাস মুলার: ছেলেটি ছোটবেলায় শুধু মুলা খেত। একদিন তার বাবা রাগ করে বলে এবার ‘থাম’ ‘মুলা’ খাওয়া। এরপর থেকে তার নাম হয়ে গেল থমাস মুলার।

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ১১
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173766/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Nov 2022 09:25:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিখ্যাত ৭ ফুটবলারের নামের নেপথ্যে<br />
(অণুরম্য গল্প)</p>
<p>পেলে: ছেলেবেলায় স্কুলে বিরতি বা ছুটি ‘পেলে’ই ফুটবল নিয়ে মাঠে দৌড় দিত। এ কারণে তার বন্ধুরা তাকে পেলে বলে ডাকতো। পরে তার নামই হয়ে গেল পেলে।<br />
ম্যারাডোনা: ছেলেবেলায় ‘ডান’পিটে এ ছেলেটি খেলার সময় শুধু ‘মার’পিট করতো। এ কারণে তার নাম হয়ে গেল ম্যারাডোনা।<br />
মেসি: প্র্যাকটিসের সময় ছেলেটি অনুপস্থিত থাকায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173766"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173766/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">deb3eb8646fce50c7484984ee7e07cf0</guid>
				<title>স্বপ্ন দেবতার দহনক্রিয়া

ওহে স্বপ্ন দেবতা
এবার রণে ভঙ্গ দাও
অপনোদন করো তোমার আফিম ব্যবসা।

অর্ধনিদ্রিত জগতে
অধরাকে ধরিয়ে দাও তুমি
মুহূর্তে প্রশান্ত,চিরন্তন নেশা। 

কালের যাত্রার আগে মানুষ
তোমার আফিমের প্রভাবে বিভোর 
ফুটে উঠে কলহাস্য তোমার মুখে।

বন্ধ করো বহমানের এ খেলা
জ্বলে উঠবে এই জনপথ
দাবানলে পুড়বে সাড়া জগত।

বেলা শেষে অনেক অভিমান
নিত্যসহচর স্মৃতি বিস্মৃতির প্রান্তর পেরিয়ে
তোমার দহনক্রিয়া সম্পন্ন করলাম হে স্বপ্ন দেবতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173525/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Nov 2022 09:01:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্ন দেবতার দহনক্রিয়া</p>
<p>ওহে স্বপ্ন দেবতা<br />
এবার রণে ভঙ্গ দাও<br />
অপনোদন করো তোমার আফিম ব্যবসা।</p>
<p>অর্ধনিদ্রিত জগতে<br />
অধরাকে ধরিয়ে দাও তুমি<br />
মুহূর্তে প্রশান্ত,চিরন্তন নেশা। </p>
<p>কালের যাত্রার আগে মানুষ<br />
তোমার আফিমের প্রভাবে বিভোর<br />
ফুটে উঠে কলহাস্য তোমার মুখে।</p>
<p>বন্ধ করো বহমানের এ খেলা<br />
জ্বলে উঠবে এই জনপথ<br />
দাবানলে পুড়বে সাড়া জগত।</p>
<p>বেলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173525"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173525/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf1783b917e050e495095c82210f92f3</guid>
				<title>ধাওয়া
(অণুরম্য গল্প)

কুকুর, বিড়াল ও ইঁদুর। এই তিন প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট হলো বড়রা ছোটদেরকে যেখানে দেখা পায় সেখানেই ধাওয়া (স্থায়ী) দেয়। এ নিয়ে বিশিষ্ট ধাওয়া বিশেষজ্ঞ ড. মেরামত আলী চিন্তিত। ইতিপর্বে তিনি ধাওয়া ( অস্থায়ী) কত প্রকার এবং কি কি তা উদাহরণ সহকারে বিশ্লেষণ করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণায় ছিল বিখ্যাত সালাউদ্দিন দৌড় (ধাওয়া), রাজনীতি ধাওয়া, পুলিশের দাওয়া, পুলিশকে ধাওয়া, ব্যবসায়ী-জনতা ধাওয়া ইত্যাদি। এরপর থেকে তিনি তামাম দুনিয়ায় বিশিষ্ট ধাওয়াবিদ হিসাবে পরিচিত।
কুকুর, বিড়াল ও ইঁদুরের এই ধাওয়া নিয়ে ড. মেরামত আলী বিস্তর গবেষণা শুরু করেন। বিভিন্ন সূত্র আর তথ্য নিয়ে তিনি ঘাটতে থাকেন। দেশে-বিদেশে প্রাণীদের জাদুঘরে গিয়ে গবেষণা চালাতে থাকেন। বেশ কয়েক বছর পর মিশরের একটি জাদুঘরে হিব্রুভাষায় একটি সূত্র পান তিনি। সেই সূত্র ধরে তার গবেষণা চালাতে থাকেন। এক পর্যায়ে সফলতাও পান ড. মেরামত আলী।
তার সূত্র মতে, প্রাগৈতিহাসিক যুগের কথা। তখন ডায়নোসররা রাজত্ব করতো। এমনি এক জায়গায় রাজা ছিল কুকুর। তার মন্ত্রী ছিল বিড়াল ও প্রধান সেনাপতি ছিল ইঁদুর। একদিন কুকুর মনমরা হয়ে বসেছিল। এ সময় বিড়াল এসে প্রশ্ন করে কি হয়েছে শাহানশাহের? উত্তরে কুকুর বলে, মন ভাল নেই। বিনোদনের জন্য কোথাও যেতে চাই। বিড়াল বলে, অতি উত্তম মালিক।
একদিন সকালে রাজা কুকুর বিনোদনের উদ্দেশে নিরুদ্দেশ হলো। যাওয়ার সময় রাজ্যের সমস্ত ভার বিড়ালকে দিয়ে গেল।
এদিকে রাজা কুকুর চলে যাওয়ার পর মন্ত্রী বিড়ালের মনটা আনচান করতে থাকে। নতুন বিয়ে করা ৩৭ নং বউটারে বাড়িতে রেখে এসেছে, অনেকদিন হয়ে গেল দেখা নেই।
বিড়াল প্রধান সেনাপতি ইঁদুরকে ডেকে নেয়। পরে সে বলে বউ অসুস্থ। জরুরিভাবে তাকে বাড়ি যেতে হচ্ছে। এতে ইঁদুর সম্মতি সূচক জানায়। পরদিন বিড়াল চলে যায়।
এদিকে ইঁদুরের মনে অনাবিল আনন্দের ঢেউ খেলে যায়। রাজা নেই, মন্ত্রী নেই। অনেকদিন হয়ে গেলে গেদির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাত নেই। তাকে আর পায় কে। সকাল না হতে দৌঁড়।
এদিকে অরক্ষিত শষ্যক্ষেত। রাজ্যের পাঁখিরা প্রথমে অবাক হয়ে যায়। পরে বুঝতে পারে ঘটনা কি! ব্যস নিমিষেই সাবাড় করে দিল শষ্যক্ষেত।
প্রায় তিন মাস পর রাজা ফিরল রাজ্যে। কিন্তু একি! মাঠের পর মাঠ জমি খাঁ খাঁ করছে। কিন্তু ফসল নেই। রাজা তীব্র ক্ষোভে হুংকার দিল, মন্ত্রী, মন্ত্রী কোথায়?
ইতোমধ্যে মন্ত্রী ফিরেছে। রাজার সামনে এসে কুশল বিনিময়ে করতে রাজা ফের হুংকার দিয়ে বলে উঠে, জমিতে ফসল নেই কেন?
মন্ত্রী জমির দিকে তাকিয়ে মুখটা শুকিয়ে গেল। পরে সামলে নিয়ে রাজার চেয়েও অধিক জোরে হুংকার দিল, প্রধান সেনাপতি?
ইঁদুরও সবেমাত্র ফিরেছে। গেদির মায়ের সঙ্গে থাকার স্মৃতি রোমন্থন করছে। এমনি সময়ে হুংকার শুনে দরবারে চলে আসে। মন্ত্রী ভয়ানক ক্ষিপ্ততার সাথে জানতে চায় জমির ফসল কোথায়? উত্তরে ইঁদুর হেসে জানায়, ফসলতো থাকে জমিতে।
তোমার মাথা! জমিতে দেখ ফসল আছে কি না, বলে মন্ত্রী।
ইঁদুর জমির দিকে তাকাতেই আঁতকেই উঠে। ভয়ে ভয়ে একবার রাজার দিকে আরেকবার মন্ত্রীর দিকে তাকায়। এ সময় তাদের চোখ দেখে ইঁদুরের মনে হলো, চোখ যেন নয় প্রখর রৌদ্রে জ্বল জ্বল করছে সূর্য। ফের জমির দিকে তাকিয়ে ভোঁ দৌঁড় দিল ইঁদুর। বিড়ালতো দেখলো মহাবিপদ। একবার রাজার দিকে তাকিয়ে দিল ধাওয়া ইঁদুরকে। রাজা দেখলো মন্ত্রী পালাল। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বিড়ালকে দিল ধাওয়া।
ব্যস! সেই থেকে এই তিন প্রাণীর মধ্যে চলছে স্থায়ী ধাওয়া। যা আজও বিদ্যমান।
ড. মেরামত আলীর এ তত্ত্ব সারাবিশ্বে হৈচৈ পড়ে যায়। দুনিয়া কাঁপানো বাঘা বাঘা সংবাদপত্র, টিভি আর অনলাইনে ফলাও করে এ তত্ত্ব প্রকাশ-প্রচার করে। কয়েকটি সংবাদপত্রে বিশেষ সম্পাদকীয় প্রকাশ করে। ২/১ একটি সংবাদপত্র দাবি তুললো ড. মেরামত আলীকে এবার গবেষণার জন্য নোবেল প্রাইজ দেওয়া হোক।
অবশ্য ড. মেরামত আলীর এসব নিয়ে ভাববার সময় নেই। তিনি এখন সম্পূরক বিষয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। এবার তার গবেষণার বিষয়, এলিয়েনদের জগতে এই তিন প্রাণী রয়েছে কী না। থাকলে তাদের মধ্যে এই ধাওয়া চলে কী না।  

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ২৩
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173202/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Nov 2022 13:25:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধাওয়া<br />
(অণুরম্য গল্প)</p>
<p>কুকুর, বিড়াল ও ইঁদুর। এই তিন প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট হলো বড়রা ছোটদেরকে যেখানে দেখা পায় সেখানেই ধাওয়া (স্থায়ী) দেয়। এ নিয়ে বিশিষ্ট ধাওয়া বিশেষজ্ঞ ড. মেরামত আলী চিন্তিত। ইতিপর্বে তিনি ধাওয়া ( অস্থায়ী) কত প্রকার এবং কি কি তা উদাহরণ সহকারে বিশ্লেষণ করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণায় ছিল বিখ্যাত সালাউদ্দিন দৌড় (ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173202"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173202/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f2065f950a4ab2c4eedc774b4c25957</guid>
				<title>প্রহসন

উদীয়মান সূর্য বলল তোমার জীবন আলোকিত করতে এসেছি
পূর্ণিমার চাঁদ যোগ করে স্নিগ্ধ আলোয় ভরিয়ে দিব মন
সব অন্ধকার শুষে নিব, বলে অমাবস্যা
আমি বিশ্বাস করি না।
দক্ষিণা হাওয়া বলে শীতল বাতাসে ক্লান্ত দুর করবো
স্থলপদ্ম বলে ধরণীর সব সুন্দর এনে দিব
নক্ষত্র বলে আর ঝরে পড়ব না
আমি বিশ্বাস করি না।
বহমান নদী বলে তোমায় নীলাম্বুতে নিয়ে যাব
অজস্রধারাবর্ষী ঝরনা বলে আনন্দে আমার সাথে মিশে যাও
অত্যুষ্ণ মরুভূমি বলে তোমায় বৃষ্টি এনে দিব
আমি বিশ্বাস করি না।
শরতের কাশফুল বলে দেখো আমি কতো রঙ্গিন
কুহুকণ্ঠে কোকিল বলে বসন্তের আগমন ঘোষণা করবো না
গিরিমাটি বলে আমিতো জমিনের
আমি বিশ্বাস করি না।
অতিপ্রাকৃত বলে, ভালোবাসা বদলায় না, বদলায় রং
স্বার্থহীন ভালোবাসা হয় অতিক্ষণিক
সৃষ্টির আদিকাল থেকে অস্তিত্বশীল এ সত্য 
আমি এখন বিশ্বাস করি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172893/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Nov 2022 09:45:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রহসন</p>
<p>উদীয়মান সূর্য বলল তোমার জীবন আলোকিত করতে এসেছি<br />
পূর্ণিমার চাঁদ যোগ করে স্নিগ্ধ আলোয় ভরিয়ে দিব মন<br />
সব অন্ধকার শুষে নিব, বলে অমাবস্যা<br />
আমি বিশ্বাস করি না।<br />
দক্ষিণা হাওয়া বলে শীতল বাতাসে ক্লান্ত দুর করবো<br />
স্থলপদ্ম বলে ধরণীর সব সুন্দর এনে দিব<br />
নক্ষত্র বলে আর ঝরে পড়ব না<br />
আমি বিশ্বাস করি না।<br />
বহমান নদী বলে তোমায় নীলাম্বুতে নিয়ে যাব<br />
অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-172893"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/172893/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">447ebf045731b3b0d4fd0664e663e062</guid>
				<title>মাহমুদুর রহমান মনা changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172441/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Nov 2022 16:47:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">932766546c5705de82bc66851f9c3d10</guid>
				<title>আত্মস্তুতি

আমায় সার্বক্ষণিক তাড়া করে ক্লিষ্ট নীলবর্ণ মুখ
অশ্রু-ভেজা চোখে কষ্টকল্পিত জগত
ধ্বংসোন্মুখ প্রকৃতিতে প্রলয়কাণ্ডের নিশান
আমি পালিয়ে যাই দিগন্তে।
পর্বতসংকুল থেকে এনেছিলাম রক্ত-কুমুদ
আলোকরশ্মির নানা বর্ণে বর্ণিল ছিল জগত
ভূতধারিণীতে বিঘ্ননাশন হলো 
বিস্ময়াভিভূত তুষের আগুন।
আমি হাঁটছি সাগরের সৈকত দিয়ে
আমি হাঁটছি তপ্ত মরুভূমির উপর দিয়ে
আমি হাঁটছি হিংস্র জন্তুর বনের ভিতর দিয়ে
আমি এখন বিশ্লিষ্ট হয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ায়।
দুঃস্বপ্নের রাত হয় না শেষ
আলো নেভে দেয় জোনাকিরা
চাঁদমুখ লুকায় মেঘের আড়ালে
পুবের আকাশে রক্তবর্ণ আভায় জেগে উঠছে রবির কিরণ।
নরকে চলছে মহা-উল্লাস
আমায় সাদর সম্ভাষণ জানানোর জন্য প্রস্তুত ধরণিসুত
সাজানো হয়েছে মঞ্চ,খ্যামটা-তালে চলছে নৃত্য
আলোকিতও করা হয়েছে, শেষ হবে আত্মস্তুতি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172208/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Nov 2022 08:26:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আত্মস্তুতি</p>
<p>আমায় সার্বক্ষণিক তাড়া করে ক্লিষ্ট নীলবর্ণ মুখ<br />
অশ্রু-ভেজা চোখে কষ্টকল্পিত জগত<br />
ধ্বংসোন্মুখ প্রকৃতিতে প্রলয়কাণ্ডের নিশান<br />
আমি পালিয়ে যাই দিগন্তে।<br />
পর্বতসংকুল থেকে এনেছিলাম রক্ত-কুমুদ<br />
আলোকরশ্মির নানা বর্ণে বর্ণিল ছিল জগত<br />
ভূতধারিণীতে বিঘ্ননাশন হলো<br />
বিস্ময়াভিভূত তুষের আগুন।<br />
আমি হাঁটছি সাগরের সৈকত দিয়ে<br />
আমি হাঁটছি তপ্ত মরুভূমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-172208"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/172208/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">72858f48be0944d519c1168bbb63dd3e</guid>
				<title>প্রত্যাঘাত

উত্তাল সাগরের দানব ঢেউ আকাশ ছুঁই ছুঁই করছে
প্রলয়ংকরী সাইক্লোন আঘাত হেনে চলছে
নিমেষে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত যাত্রী নিয়ে জাহাজ
অনিবার্য মৃত্যু দ্বারপ্রান্তে।

আমি দেখছি তলিয়ে যাচ্ছো তুমি
অকুণ্ঠিত-চিত্তে বাড়িয়ে দিয়ে রেখেছো দুটি হাত
দু’চোখ খুঁজছে আমার বিশ্বস্ত, বিশ্বাসযোগ্য দুটি হাত
নির্লিপ্ত-ভাবে তাকিয়ে বাড়িয়ে দিলাম হাত।

আহ কি আনন্দ তোমার চোখে
বেঁচে যাওয়ার উচ্ছ্বাস ফুটে উঠছে মুখে
উপরে তাকিয়ে স্মরণ করছো ঈশ্বরকে
আরও ভয়ংকর হয়ে আঘাত হানছে সাইক্লোন।

অকস্মাৎ দেখলে আমার দুটি হাত আর নেই তোমার হাতে
হতবিহবল রাজ্যের সমস্ত অবিশ্বাস তোমার চোখে
তাতে নেই কোনো আতঙ্ক, নেই কোনো মৃত্যু ভয়
বিশ্বাসযোগ্য মানুষের অবিশ্বাসে মুখ নীল তোমার।

আমি দেখছি নীলবর্ণ মুখ আর অবিশ্বাসী দুটি চোখ
সাগরের অতলান্তিকে হারিয়ে গেল
নিয়তি মিটি মিটি হাসছে,বলছে দেখি না সে কি করে।

বিংশশতাব্দীর এ নাটক
নতুন করে মঞ্চস্থ হলো একবিংশশতাব্দিতে
তবে এবার কুশীলব পরিবর্তিত হয়েছে
বন্ধ হলো নিয়তির হাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/171700/</link>
				<pubDate>Sat, 05 Nov 2022 06:52:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রত্যাঘাত</p>
<p>উত্তাল সাগরের দানব ঢেউ আকাশ ছুঁই ছুঁই করছে<br />
প্রলয়ংকরী সাইক্লোন আঘাত হেনে চলছে<br />
নিমেষে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত যাত্রী নিয়ে জাহাজ<br />
অনিবার্য মৃত্যু দ্বারপ্রান্তে।</p>
<p>আমি দেখছি তলিয়ে যাচ্ছো তুমি<br />
অকুণ্ঠিত-চিত্তে বাড়িয়ে দিয়ে রেখেছো দুটি হাত<br />
দু’চোখ খুঁজছে আমার বিশ্বস্ত, বিশ্বাসযোগ্য দুটি হাত<br />
নির্লিপ্ত-ভাবে তাকিয়ে বাড়িয়ে দিলাম হাত।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-171700"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/171700/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a575819d652f923986b73ec78652597</guid>
				<title>নাম করণে যদি এমন হতো

নোয়াখালী : অত্র অঞ্চলের কিছু মানুষ তামাম দুনিয়ায় &#039;খালি নাউরি&#039; (কাজের সন্ধানে) খেতে যেত। ঘটনাক্রমে খালি নাউরি থেকে উৎপত্তি ঘটে আধুনিক সমৃদ্ধ নোয়াখালির।
বরিশাল: এই অঞ্চলে দুইজন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন। এদের মধ্যে একজন এলোপ্যাথিক, অন্যজন আয়ুবের্দিক। তারা সব ধরনের রোগীদের বড়ি ও সালসা খেতে দিতেন। বড়ি + সালসার জন্য এলাকা বিখ্যাত হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই এলাকার নামও হয়ে যায় বরিশাল।
চট্টগ্রাম: এক সময়ে অত্র এলাকার প্রায় প্রতিটি গ্রামে ছিল চটের কারখানা। স্থানীয় সওদাগররা সেই চট জাহাজযোগে রফতানি করত। ফলে ওই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় চট্টগ্রাম।
পাবনা: এক সময়ে কিছু মানুষ পাগল হয়ে বুক চাপড়াতে চাপড়াতে বলতে থাকে, হায় তাকে কি পাব না, হায় তাকে কি পাব না। এভাবে তারা দিনে রাতে রাস্তায় চলতে থাকে। দৃশ্যটি লক্ষ্য করে মুরুব্বিরা পাগলদের অমর বাণী &#039;পাব নার&#039; ভিতর থেকে স্পেস তুলে দিয়ে এলাকার নামকরণ করেন পাবনা।
রংপুর: এককালে এ উপমহাদেশে রংয়ের বিরাট মোকাম ছিল এখানে। যারা রং কিনতে আসতো তারা এর নামকরণ করেন রংপুর।
রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জ: মুর্শিদাবাদ জেলার কাছে অবস্থান এই অঞ্চল। এক সময় মুর্শিদাবাদ বাংলা, বিহার উড়িষ্যার রাজধানী ছিল। এই কারণে রাজা, বাদশা, শাহী,নবাব নামের প্রভাবে এই অঞ্চলে নাম হয়ে যায় রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জ।
বাগেরহাট: সুন্দরবনের পাশে এই অঞ্চল। এক সময়ে এখানে বিরাট গরু-ছাগলের হাটের মতো বাঘের হাট বসতো। ফলে সঙ্গত কারণে এই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় বাগের হাট।
খুলনা: লোককাহিনী কমলা সুন্দরী এক দিন স্বামীর উপর রাগ করে দরজা বন্ধ করে গোসা ঘরে অবস্থান করে। বেচারা স্বামী দরজা খোলার জন্য গান গায়, দ্বার খোল খোল কমলা, আমি তোমার সোয়ামী...। কিন্তু কমলা দরজা &#039;খুলল না&#039;। এতে স্বামী উচ্চ রক্তচাপ জনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে পটল তুলে। পরে স্থানীয়রা দরজা না খোলার কারণে এই অঞ্চলের নাম করণ করেন খুলনা।
ঢাকা: এককালে জলদস্যুরা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মালামাল লুট করে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢেকে রেখে সংরক্ষণ করতো। তাই কালক্রমে এই অঞ্চলের নাম হয়ে গেল ঢাকা।
টাঙ্গাইল, ঘাটাইল, বাসাইল ও নান্দাইল: ‘ইল’ শব্দ নিয়ে গবেষণা করে জানা গেল শব্দটি মুলত ইংরেজদের সম্পর্কে ব্যবহার হয়েছে। ইংরেজ শব্দ থেকে উৎপত্তি ইল! ব্রিটিশ আমলে এই এলাকায় এক গর্ভনর ছিলেন। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা একদিন ওই গর্ভনরকে বাসা থেকে আটক করে। এরপর ওই এলাকার নাম হয় বাসাইল। পরে তাকে সড়ক (ঘাটা, বগুড়ার আঞ্চলিকভাষা) দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ কারণে সেই জায়গার নাম হয় ঘাটাইল। পরে তাকে এক অঞ্চলে টাঙানো হয়। এরপর ওই এলাকার নাম হয় টাঙ্গাইল। এ খবরে আরেক অঞ্চলের মানুষ আনন্দে নাচ-গান শুরু করে। ফলে সেখানকার নাম হয়ে নান্দাইল।
বান্দরবান: এলাকাটি বিশেষ খ্যাতি ছিল বান্দর (বানর) ও বনের জন্য। এই দুই খ্যাতি যোগ করে এলাকার নামকরণ হয়ে যায় বান্দরবান।
নামকরণে এলাকার বিখ্যাত ব্যক্তির নামে গঞ্জ কিংবা পুর রয়েছে। যেমন মানিকগঞ্জ, জামালপুর, ফরিদপুর, গাজীপুর। আবার গাইবান্ধার গাই, ঘোড়ামারা ঘোড়া, হাতিবান্ধার হাতি রয়েছে। এসব নামকরণে গবেষণার প্রয়োজন।
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: লেখাটির সাথে বাস্তবে কোনো মিল নেই কিংবা মিল থাকারও কথা নয়। এরপরও কেউ যদি মিল খোঁজার চেষ্টা করেন, দয়া করে তা নিজ দায়িত্বে করবেন। এর জন্য জুনিয়র সাব এ্যাসিসটেন্ট  এই লেখক দায়ী নন।

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ৪২
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/171507/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Nov 2022 08:34:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাম করণে যদি এমন হতো</p>
<p>নোয়াখালী : অত্র অঞ্চলের কিছু মানুষ তামাম দুনিয়ায় &#8216;খালি নাউরি&#8217; (কাজের সন্ধানে) খেতে যেত। ঘটনাক্রমে খালি নাউরি থেকে উৎপত্তি ঘটে আধুনিক সমৃদ্ধ নোয়াখালির।<br />
বরিশাল: এই অঞ্চলে দুইজন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন। এদের মধ্যে একজন এলোপ্যাথিক, অন্যজন আয়ুবের্দিক। তারা সব ধরনের রোগীদের বড়ি ও সালসা খেতে দিতেন। বড়ি + সালসার জন্য এলাকা বিখ্যাত হয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-171507"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/171507/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5df13f00332f87f88a353101aafabfd3</guid>
				<title>প্রস্ফুটিত ভালবাসা

যে মেরুতে থাকো না কেন
আমি জানি আজও  ভালোবাসো আমায়
আরও জানে অন্তর্যামী আর ছয় ঋতু
অভিগ্রস্ত হয়নি তোমার ভালোবাসা।
আমায় আজও  ভালোবাসো বলেই
বসন্তে কৃষ্ণচূড়া আভা ছড়ায়
কোকিলরা আনন্দে গেয়ে উঠে গান
অহঃপতি কিরণ দিয়ে দূর করে অন্ধকার।
তোমার ভালোবাসার সংশয় প্রকাশ করলে
রুদ্র হয়ে উঠে গ্রীষ্ম
দাবদাহে পুড়িয়ে দেয় জনপথ
আঘাত হানে কালবৈশাখী, সৃষ্টি করে উৎত্রাসন।
আমায় আজও  ভালোবাসো বলেই 
বর্ষার বাদল দিনে ফুটে কদম ফুল
শ্রাবণে অজস্র বর্ষণে
ধরণিতল শান্ত কমল হয়ে যায়।
আমায় আজও  ভালোবাসো বলেই 
শরতে চোখ মেলে কাশবন
দিবাশয় ভাঙে নীল অন্তরিক্ষ সাথে সফেদ মেঘ
বিমোহিত হয় ভালোবাসা।
আমায় আজও  ভালোবাসো বলেই 
হেমন্তে পাকা ধান মউ মউ গন্ধ ছড়ায়
নবান্নের উৎসবে মেতে উঠে এই জনপথ
কৃষকের মুখে ছড়িয়ে পড়ে প্রাণবন্ত হাসি।
আমায় আজও  ভালোবাসো বলেই 
শীতে সপ্তসমুদ্র অবাক-পানে চেয়ে থাকে
সুরম্য সকালে কাঁচা রোদে উষ্ণ হয় জীবন
আমার প্রস্ফুটিত ভালবাসা তখনই পূর্ণতা পায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/170863/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Nov 2022 17:46:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রস্ফুটিত ভালবাসা</p>
<p>যে মেরুতে থাকো না কেন<br />
আমি জানি আজও  ভালোবাসো আমায়<br />
আরও জানে অন্তর্যামী আর ছয় ঋতু<br />
অভিগ্রস্ত হয়নি তোমার ভালোবাসা।<br />
আমায় আজও  ভালোবাসো বলেই<br />
বসন্তে কৃষ্ণচূড়া আভা ছড়ায়<br />
কোকিলরা আনন্দে গেয়ে উঠে গান<br />
অহঃপতি কিরণ দিয়ে দূর করে অন্ধকার।<br />
তোমার ভালোবাসার সংশয় প্রকাশ করলে<br />
রুদ্র হয়ে উঠে গ্রীষ্ম<br />
দাবদাহে পুড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-170863"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/170863/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">34404a8b5712043b98f8bf390925571c</guid>
				<title>কে কোন মিডিয়ার সাংবাদিক!

একটি পত্রিকার সম্পাদক তাদের ফটো সাংবাদিককে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে যান। আয়োজকরা সম্পাদককে অভ্যর্থনা জানালেও দেখা যায় ফটো সাংবাদিককে নিয়ে অনুষ্ঠানে লোকজন বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কেন না তাদের ধারনা ফটোগ্রাফাররাই প্রকৃত সাংবাদিক।এতে সম্পাদকসহ অন্যরা বিব্রত বোধ করতে থাকেন।
তবে বর্তমানে দিন পাল্টে গেছে।প্রিন্টের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।এ ক্ষেত্রে কে কোন মিডিয়ার সাংবাদিক তা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখলে পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।
ধরা যাক জনস্বার্থে জরুরি অনুষ্ঠান চলছে। গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রায় সকল মিডিয়ার সাংবাদিকরা রয়েছেন।দেখবেন কয়েকজন সাংবাদিক অনুষ্ঠান কভার করছেন। এদের পোশাক দেখে বোঝা যায় বেশ স্মাট তারা।মুখমণ্ডলও বেশ পরিষ্কার।নিঃসন্দেহে মনে করতে পারেন তারা টিভি সাংবাদিক।
আবার কয়েকজন দেখবেন বেশ ছটফট করছেন।তারা ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছেন।বেশ উত্তেজিত তারা।তাদের মুখ দিয়ে প্রায় উচ্চারণ হচ্ছে ইস! ইস! জাতীয় শব্দ।নিঃসন্দেহে মনে করতে পারেন তারা অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক। তারা মনে করেন সব খবর সবার আগে দিতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কিছুটা বিপত্তি ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। হয়তো তাদের অ্যাডমিন প্যানেল কাজ করছে না কিংবা সার্ভার পাচ্ছে না।অথবা নেট স্লো থাকার কারণে ছবি লোড হচ্ছে না। আবার হয়তো কোথাও ভুল হয়েছে তা সংশোধন করে সেভ হচ্ছে না ইত্যাদি কারণ থাকতে পারে। তবে যে কারণই হোক না কেন তারা সব সময় ফাস্ট হতে চায়।
এখানে একটি অভাবনীয় দৃশ্য দেখতে পাবেন।কয়েকজন সাংবাদিক অলস ভাবে বসে আছেন।এদের মধ্যে ২/১ জন ঝিমুচ্ছে।নিঃসন্দেহে মনে করতে পারেন তারা প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক।ঘটনাস্থলে তাদের মধ্যে তেমন তাগিদ নেই।কেন না আজকের এ খবর আগামীকাল প্রকাশ হবে।তারা দুপুরে খেয়ে বিকেলে অফিসে যাবে। অফিসে গিয়ে গফুরের হাতে চা খাবে। এরপর খবর লেখে চিফ রিপোর্টারের কাছে জমা দেবে।

বই : দেবুদার আত্মাহুতি (অণুরম্য গল্পগুচ্ছ} পৃ: ১৩
লেখক : মাহমুদুর রহমান মনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/170715/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Nov 2022 06:27:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কে কোন মিডিয়ার সাংবাদিক!</p>
<p>একটি পত্রিকার সম্পাদক তাদের ফটো সাংবাদিককে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে যান। আয়োজকরা সম্পাদককে অভ্যর্থনা জানালেও দেখা যায় ফটো সাংবাদিককে নিয়ে অনুষ্ঠানে লোকজন বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কেন না তাদের ধারনা ফটোগ্রাফাররাই প্রকৃত সাংবাদিক।এতে সম্পাদকসহ অন্যরা বিব্রত বোধ করতে থাকেন।<br />
তবে বর্তমানে দিন পাল্টে গেছে।প্রিন্টে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-170715"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/170715/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">062fdc04a5e36288ce48e39f96f822bd</guid>
				<title>মাহমুদুর রহমান মনা changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/170551/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Nov 2022 18:38:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">198a829381bda0df283d774a86498f3d</guid>
				<title>অবিশ্বাস্য

টাইম মেশিনে চড়ে নিরাতঙ্ক ভবিষ্যৎ দেখার ইচ্ছা জাগল
চললাম মেশিনে, মুহূর্তে পৌঁছে গেলাম
দেখলাম সমস্ত কর্মফলের প্রাপ্তি
ভাল লাগলো না, প্রাপ্তিগুলি জানা। 

শখ হলো জন্মের ঋণ শোধ করার পর প্রতিক্রিয়া দেখার 
দেখলাম, গতানুগতিক অনুরণিত
অনুষ্ণ দৃষ্টিতে দেখলাম প্রিয়ার চোখ ছলছল করছে
অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম! 

তুমিও তাকিয়ে আছো অপরোক্ষ দৃষ্টিতে
অর্গলিকা দিয়ে আটকানো রয়েছে দুটি চোখ
দৃষ্টিতে নেই পূজনীয় বা আরাধ্য
আবেষ্টিত রয়েছে চারিদিকে ছায়াঢাকা।

অনেকটা কাঁপা-কণ্ঠে জানতে চাইলাম কুশল
নিরুত্তর তুমি যেন কালসমুদ্র
চারিদিকে বইছে ঘূর্ণিবৃষ্টি, শোনা যাচ্ছে জলকল্লোল
নিরঞ্জনা তুমি, চেয়ে থাকে ধরিত্রী।

নির্মুক্তিতে অভিমান পঙক্তিমালা
প্রত্যুষে  তারা আসবে না ফিরে কবিতায়
বিনিদ্রতে কাটবে রজনী, জাগবে না মায়াপ্রপঞ্চ
দ্রুত ফিরলাম এই ধরণীতলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/170527/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Nov 2022 17:48:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অবিশ্বাস্য</p>
<p>টাইম মেশিনে চড়ে নিরাতঙ্ক ভবিষ্যৎ দেখার ইচ্ছা জাগল<br />
চললাম মেশিনে, মুহূর্তে পৌঁছে গেলাম<br />
দেখলাম সমস্ত কর্মফলের প্রাপ্তি<br />
ভাল লাগলো না, প্রাপ্তিগুলি জানা। </p>
<p>শখ হলো জন্মের ঋণ শোধ করার পর প্রতিক্রিয়া দেখার<br />
দেখলাম, গতানুগতিক অনুরণিত<br />
অনুষ্ণ দৃষ্টিতে দেখলাম প্রিয়ার চোখ ছলছল করছে<br />
অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-170527"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/170527/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>