<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md. Mynuddin Hawlader | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mynuddin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mynuddin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md. Mynuddin Hawlader.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 20:36:09 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ec2eb25b50bbb1bad45e0e8e9a8d47b2</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-217
মো: মাঈনউদ্দিন
যার ঘরে নাই খাওয়ার অন্য মাথাতে নাই ছাওনি চালা
তারটুকুও নিচ্ছো কেরে তোমার এতই খুধার জ্বালা।
আসো আমার ঘরে আসো দেখো আমার সয়ন পাটি
অঢেল সোকেজ নাই বাসাতে খাওয়ার সুধু একটি বাটি।
দুইটি জামা ঝুলায়ে রাখা বাষের চেরির আলনা করে
মেকাপ আমার এক সিসি তেল সুরমা আতর তাকের পরে
দুইটি বাগার খোচা দেখ রান্নাঘরের বেরার সাথে
আলগা দুয়ার চাপায়ে রেকে নিরাল্লায় ঘুম ঘুমাই রাতে।
বধুর বাহুর মধুর পরশ নিশিত রানী সোহাক করি
নিকশ কালো অন্ধকারের ভিত আরালে বুকে ধরি।
স্বর্গ প্রিয়ার পরম শান্তি ছরায় তনুর শিরায় শিরায়
নিশিত বাসর কিট পতঙ্গে-সানাই বাজায় প্রেম-মদিরায়।
লক্ষটাকার খাট বসানো টাইলস করা ফ্লাট চকচকা রুম
মার্কিনি সব নাইট স্লিপিং গ্যজেট ভরা রমরমা ধুম।
কাশ্মিরি সব উলের বিছান তুলতুলে পিলো কম্ফোটার
ফ্লোর খাটিয়ায় ফোম মেট্রেস মাথার কাছে হেরিপর্টার।
টি টেবিলে ফলের জুসে খোরমা খাজুর চুবায় রাখি
অষ্ট্রেলিয়ান হেড মেসেজার ঠান্ডা পাউডার দেহে মাখি।
এমনি নিজুত উপাদানের স্বর্গ সমান সোয়ার রুম
কি বলিস ভাই অবাক খবর তার পরও তোর হয়না ঘুম।
চিত্ত জ্বলে হাজার জ্বালায় মগজ বুকে চিনচিনানি
সুপ্তি মদির ফুল বাগানে যন্ত্রনা কিটের বিনবিনানি।
বধু তোমার পাশেই থাকে স্বর্গ-নহর রোধ করিয়া
কি বল ভাই আজব খবর এমনি মানুষ বাচে মিয়া?
এমন করেই জীবন তোমার যায় গরিয়ে ভবের পরে
সবছেরে তুই বাচতে মানুষ আয় চলে আয় আমার ঘরে।
অধুন ধরার রঙ তামাসায় নিজেরে আর না জরিয়ে
আপন প্রানে মানুষটারে ভুল ব্যভুলে না ফিরিয়ে।
আয় চলে আয় বুকের পাটায় দিল খোলা বুক সংগে নিয়া
দিলছেদিলের উদার দানে সব সুনবুক যায় ভরিয়া।
মাটির পরে পাতা পাটির শীতল পরশ প্রাণে টানি
কি সুমধুর স্বর্গ হুরি অপার শান্তি দিচ্ছে আনি।
বন বিজনের স্নিগ্ধ সমীর কি অপরুপ পরশ মাখি
নও বধুয়ার আলিঙ্গনে করবে সবাই ডাকাডাকি।
দেখবিরে তোর পরান খানি যে বেদনায় জ্বলছে পুরি
নিমেসে সব ফুরায়ে আবে নতুন হাওয়া গগন জুরি।
নতুন জোয়ার নতুন গ্রহন নতুন ঋতুর উল্কি খারি
বনবিজনের শাখায় শাখায় নতুন পাতার পুলকি ছারি।
কি অপরুপ অপার সোভা গগন বিজন নিত্যি খোঁজে
জগৎ ছাড়া একটি কোনে কোন আবেশে আছে মজে।
বুঝবি সেদিন আয় ছেরেআয় জলকাদার এই সোদ্যাল ভুমে
প্রাণের মাঝে প্রাণের তৃপ্তি কি মহিমায় নিতুই চুমে।
কার কাছে কার নাইরে গোপন সব প্রাণেই যে উদার ভুমি
কি অমল হাসির রেখা স্বর্গ দুয়ার নামছে চুমি।
স্যম, কালো আর গৌরি ধলো স্বচ্ছ প্রাণের আরশি ছবি
গাইছে গিতি মন-দুবলায় কলঙ্কহিন চাদের কবি।
নয়ন পরে নয়ন পাতি মন গভিরের বিপুল কথা
দেখবি যখন সেই গভিরে কি অভুতক অমলতা।
বুঝবি তখন কেন মগন এত কঠিন দেহের চাপে
শেষ তিথিয়ার চাদে কেন সোনার বারায় পরান ছাপে।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193542/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Feb 2023 07:41:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-217<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
যার ঘরে নাই খাওয়ার অন্য মাথাতে নাই ছাওনি চালা<br />
তারটুকুও নিচ্ছো কেরে তোমার এতই খুধার জ্বালা।<br />
আসো আমার ঘরে আসো দেখো আমার সয়ন পাটি<br />
অঢেল সোকেজ নাই বাসাতে খাওয়ার সুধু একটি বাটি।<br />
দুইটি জামা ঝুলায়ে রাখা বাষের চেরির আলনা করে<br />
মেকাপ আমার এক সিসি তেল সুরমা আতর তাকের পরে<br />
দুইটি বাগার খোচা দেখ রান্নাঘরের বেরার সাথে<br />
আলগা দুয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193542"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193542/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e77756b71dfbb4e0eba5eab9249f9660</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-139
মো: মাঈনউদ্দিন
সখের খাচার মুরগিগুলি জল ভিজিয়া করুন কাতর
বাচবেনা তাই জবাই করে বুকে বেধে কঠিন পাথর।
মায়রে ডেকে বলেরে মা মুরকা দিলি সেষ করিয়া
বুকের কাদন বাধতে নারি ভাবছি যদি যায় মরিয়া।
দুই চোখে তার অঝরে জল তাই দেখে মা হেসে পাগল
সোহাগ ভরে থুতনি তোলে তুই দেহিদি পুরাই ছাগোল।
তোর পোলা যে নাতি আমার অয়তো এমন বেকুব নারে
একটা মুরকা জবা দিলে মানুস এমন কানতে পারে?
তুই যদি মা বুঝতি আমি কত মায়ায় পালছি এডা
কত কষ্টে শহর থেকে আনছি কিনে কইবো কেডা।
রাতের পর রাত নৌকা বাইয়া মংলা বাজর ঘুরে ঘুরে
না পেয়ে যাই খুলনা সিটির প্রত্যন্ত গার বহুত দুরে।
কিনতে গেলে চাইয়া দেখি শতেক জনায় হাকিছে দর
এক নজরে লাগলো ভালে তাই সইলোনা কোনই ওজর।
বাবার বাওয়া গুলুই দ্বারের নৌকাটা মোর বিকায়ে দিয়া
সবার উপর টাকা ঢালি মুরকাটা মুই লই কিনিয়া।
সে সব যদি যানতি মা তুই বুঝতি আমার পরান ব্যথা
গাঙ্গের পারের জীবন নিয়া কেউ কেনরে কয়না কথা।
টিভিত কত খবর দেখি মোবিল ভরা হাজার ভিডু
কোথাও কভু দেখিনা কেন এরম দু:খের খবর ইডু।
কেমনে বোঝাই মা তোমারে কইজাডা মোর যাচ্ছে পুরে
দেখ দেখ ওডা ধুমকেতু না মুরহাডা মোর যাচ্ছে উরে।
বলে বলে পাগলা বেলাত নয়ন নিরে মরছে ডুবি
ছেলের কথায় মা জননী দিলে আঘাত পেলেন খুবি।
মমত্বে তার নয়ন ভরি উৎলে ওঠে জলের ধারা
হৃদয় দরদ গুমলে ওঠে ব্যথার গগন হানছে খারা।
বুঝিনাইরে বাজান আমি তোর দিলে যে এমনি মায়া
এমন গভির অনুভবে রখতি যে তুই এডার ছায়া।
যাক ফেলেদে নদীর মাঝে রাধবোনা আর খাওয়ার লাগি
দরকার হলে কালকে আবার আনিস কিনে এমন পাগি।
বোঝ এবারে একটা পাখি মায়া করে পালিস বলে
হারায়ে গেলে জম-বেদনায় কেমন তর কইজা জ্বলে।
তুইতো আমার পেডের পোলা আমার দেহের নতুন চারা
বুঝিস এবার তোরে নিয়া মায় কেন হই পাগোল পারা।
বাজনরে তুই যেথায় যাবি মায়রে খালি কইয়া যাবি
যতই সতানি করিস বাজান সময় মতো বাড়ি আবি।
আর কিছুতোর লাগবেনা বাপ তোর কাছে মোর নাই আর দাবি
ক মাথা ছুই ক আমারে সময় মত বাড়ি আবি?
হঠাৎ করে বেলাত ঘুরে মায়ের পায়ে জরায় ধরি
হু হু করে কাইন্দা বলে মা দিসোসনি ক্ষমা করি।
মায়ের পরান উজার করি উথাল দরদ ঢেলে দিয়া
নয়ন নিরে ভাষলো সাগোর মা-ছেলেরে বুকে নিয়া।
সেই হতে আজ বেলাত মিয়া জীবন নদীর বাকে বাকে
বন্যস্বাপদ সংঙ্কুল ময় দুর্বিপাকের ডাঙ্গায় থাকে।
নিজুত ঝরে বিপন্নপ্রায় গাঙ্গের চরে সেলাম করি
চলছে অথৈ সাগর পানে কঠিন হাতে হালটি ধরি।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193138/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Feb 2023 04:39:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-139<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
সখের খাচার মুরগিগুলি জল ভিজিয়া করুন কাতর<br />
বাচবেনা তাই জবাই করে বুকে বেধে কঠিন পাথর।<br />
মায়রে ডেকে বলেরে মা মুরকা দিলি সেষ করিয়া<br />
বুকের কাদন বাধতে নারি ভাবছি যদি যায় মরিয়া।<br />
দুই চোখে তার অঝরে জল তাই দেখে মা হেসে পাগল<br />
সোহাগ ভরে থুতনি তোলে তুই দেহিদি পুরাই ছাগোল।<br />
তোর পোলা যে নাতি আমার অয়তো এমন বেকুব নারে<br />
একটা মুরকা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193138"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193138/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3525d6a364b8241bb4393871b81ebf32</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-203
মো: মাঈনউদ্দিন
দিবস নিশি জতন করে জল ও কাদার নায়ের বেরি
সাগর- ডাকুর হুঙ্কার মোর অদম্য মন যাচে্ছে হেরি।
পাহার সমান ভিত রোলিংয়ে নায়ের পাটার বারির চোটে
 শান্তকরা সায়র তটে কুন্ঠিত প্রাণ উছলে ওঠে।
এমনি করে জীবন ভরি আমার সাথের সাথি হয়ে
কত দুলঙ দুস্তর পথ পারায়ে এল আমায় লয়ে।
কত কঠিন সময় গুলি পার করি বাপ আমায় নিয়া
ক্লান্ত কাতর সেই সাথিরে অবহেলায় যাছ ফেলিয়া।
যে বাপ করে গোর শ্বষানে মৃত্যদেহের পারাপার
সে বাপ জানে জগৎ মাঝে সবচেয়ে বেশি কিসের ভার।
যে মা হারায় সদ্য সজিব কচি সবুজ সোনার ধন
সে মাই যানে মানব প্রাণে সবচেয়ে বেশি কিসের টান।
দুই খোরাতে দুই কোষা জল নোনা মিঠা ক্যনসাকব
না পিয়ে বাপ যেমনি করে যায়না করা অনুভব।
এযে তেমন মনের সুতায় বেধে প্রাণে প্রাণের মায়া
মহান মওলা কোন ছলনায় জুরে পরস্পরের কায়া।
নিচ্ছে টেনে জীবন ঘানি নির্যাসে তার সুখ অনুভব
যায় হারিয়ে এক নিমেসে দু:খ ব্যথা যন্ত্রনা সব।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192639/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Feb 2023 10:30:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-203<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
দিবস নিশি জতন করে জল ও কাদার নায়ের বেরি<br />
সাগর- ডাকুর হুঙ্কার মোর অদম্য মন যাচে্ছে হেরি।<br />
পাহার সমান ভিত রোলিংয়ে নায়ের পাটার বারির চোটে<br />
 শান্তকরা সায়র তটে কুন্ঠিত প্রাণ উছলে ওঠে।<br />
এমনি করে জীবন ভরি আমার সাথের সাথি হয়ে<br />
কত দুলঙ দুস্তর পথ পারায়ে এল আমায় লয়ে।<br />
কত কঠিন সময় গুলি পার করি বাপ আমায় নিয়া<br />
ক্লান্ত ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192639"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192639/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bddf6eee5a3151d49350a4a5d2bde7e5</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-142
মো: মাঈনউদ্দিন
পিছা দিয়া পিডাইম যদি মাছের লাগি থাকিস বইয়ে
বৃষ্টি হইলে হুনছি যদি বসে ছিলি নায়ের ছইয়ে।
হুনছি যদি খাওন না খাই আড্ডা দিসোস পরার গুনে
বোজোস না ক্যান হুনলে এডি কিরাম লাগে আমার মুনে।
বাজান আমার মাছ লাগেনা লাগবেনা চাল মন কে মন
যে টুকু পাছ যেটুকু দেয় ঠগায় জিতায় চর মহাজন।
অটুক লইয়াই সোনা আমার সময় মত আসিস বাড়ি
হাওয়ার ঘুল্লি কেনসা লাগে আসিস কিন্তু তারাতারি।
দুর আকাশে ভার হয়ে যায় দমকালো মেঘ দলে দলে
সংঙ্কা-পাথর পাহার সমান জমে মায়ের ব্যকুল ভালে।
তার পরও যে গোয়ার ছেলে শোনেনা মার হাজার বারন
বৃথাই বকে যায় জননী নদে না’জার লক্ষ কারন।
ওই চেয়ে দেখ চরের খারি কত উচায় উঠে এল
চরের সকল পাক পাখালি গভির বনে মুখ লুকাল।
বাতাসটা দেখ কেমন যেন ঠান্ডা হিমের আভাস আনে
বায়ের ঘুল্লি ফুসফুসিয়ে ক্ষনে ক্ষনে বলছে কানে।
নদির জোয়ার প্রবল হয়ে ছুটছে কেমন প্রতাপ ঝাড়ি
জাসনের বাপ আয় ফিরে আয় মাঝিরেকয়ে চলরে বাড়ি।
কে সোনে কার বারন রোদন মায়া বাধন অসার করি
গোয়ার ছেলে ছুটলো নায়ে জমবেতানির ঘারে চরি।
কালুগাজির গান জুরিয়ে ও দরিয়া আইরে আমি
ফুলনদেবির পুত মন্দিরে সালাম করে জাইগো স্বামী।
হাত উচিয়ে অভয় দিয়া মায়েরে বলে জাসনা বাড়ি
কাদিসনা তুই মাছ না পাইলে চইলা আসমু তারাতারি।
দুরহতে মা ঢিলের মত ছুরিয়া কয় চাদুর নিছোস
ঘারে পিঠে ঘাওগুলিতে মলমডা কি লাগায়ে দিছোস।
তেলগুলি কি ঠিক আছে দেখ নুনায় ধরলে চামর পরে
সুই সুতা দেখ আছেতো সব কাপর সিলবি কেমন করে।
এমনি করে উদাস ছেলের শতেক খুতের খবর দিয়া
বারে বারে জ্বালায় তারে কাজ অকাজের খবর নিয়া।
তাই বেলায়েত কঠিন গলায় ঝারির স্বরে মরগিয়া তুই
গুলুইর ঢালে দারায়ে জলে কাঁদমাটির পাদুটি ধুই।
সঙ্গ সবায় এক করিয়া দুহাত তুলি প্রভুর কাছে
তোর ভরসায় জাইরে মালিক তুইছারা আর কেডা আছে।
প্রাণ গলিয়ে মন গলিয়ে চিত্য সপি প্রভুর দায়ে
ব্যকুল মনে নয়ন জলে ছুটলো মাঝি দক্ষিন বায়ে।
জালের কাছিত সালাম করে আরেক সালাম মায়ের পায়
ধুপধুপিয়ে মেশিন ছেড়ে গভির জলের দিকে ধায়।
ব্যর্থমাতা নয়ন ভরি দৃষ্টি সিমার সুদুর পারে
দিক মিসালে ছেলের ছায়া গগন-বেরায় বারে বারে।
অধির হয়ে আকুল প্রাণে বায়েভাসা নায়ের সারা
ক্ষনে ক্ষনে আনছে বয়ে ঝঞ্জাবেগে বায়ুর ধারা।
দরাজ গলায় আওয়াজ করে যাচ্ছে সায়র বুক দাপিয়ে
বায়ুর মাথাল হানছে দারুন বনবিজনের ভিত কাপিয়ে।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191884/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Feb 2023 09:03:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-142<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
পিছা দিয়া পিডাইম যদি মাছের লাগি থাকিস বইয়ে<br />
বৃষ্টি হইলে হুনছি যদি বসে ছিলি নায়ের ছইয়ে।<br />
হুনছি যদি খাওন না খাই আড্ডা দিসোস পরার গুনে<br />
বোজোস না ক্যান হুনলে এডি কিরাম লাগে আমার মুনে।<br />
বাজান আমার মাছ লাগেনা লাগবেনা চাল মন কে মন<br />
যে টুকু পাছ যেটুকু দেয় ঠগায় জিতায় চর মহাজন।<br />
অটুক লইয়াই সোনা আমার সময় মত আসিস বাড়ি<br />
হাওয়ার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191884"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191884/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b072bb376b7f3393e2341480ff76567d</guid>
				<title>বন্ধন পর্ব-112
মো: মাঈনউদ্দিন
ভিক্ষারি আসিয়া বড় মুখকরে তোমার দুয়ারে চায়
শূন্য হাতে কখনো করোনা তাহারে বিদায়।
জানিও তাহার নয়নে তোমায় বড় মনে হয় তাই
প্রভুত আসায় হাতটি বাড়ায় ফিরায়ে দিওনা ভাই।
যাই তুমি পার যতটুকু পার তোমার সাধ্যমত
আশাখানি তার পুরন করিয়ো আশারুপ-সংগত।
দেখিও তখন প্রাণখানি তার কতটা শান্তি পায়
কতটা স্রদ্ধা ভরিয়া তোমায় মাওলারে বলে যায়।
চোখ মুখে তার ভরিয়া ওঠে কতটা তৃপ্তি-ছোয়া
তৃপ্ত-প্রাণের অমল কাকুতি সেইতো কবুল দোয়া।
হাততুলি পথে কাঁদা লাগেনাতো কিংবা ছুপান মুখে
হাতবুলায়ে মাথায় চোখে কিংবা আদুল বুকে।
নয়ন ভরিয়া অশ্রু ফেলিয়া গলায় ধরিয়া কয়
সুখে দুখে তোমার পাশে যে আমার মাওলা রয়।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191335/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Jan 2023 08:53:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন পর্ব-112<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
ভিক্ষারি আসিয়া বড় মুখকরে তোমার দুয়ারে চায়<br />
শূন্য হাতে কখনো করোনা তাহারে বিদায়।<br />
জানিও তাহার নয়নে তোমায় বড় মনে হয় তাই<br />
প্রভুত আসায় হাতটি বাড়ায় ফিরায়ে দিওনা ভাই।<br />
যাই তুমি পার যতটুকু পার তোমার সাধ্যমত<br />
আশাখানি তার পুরন করিয়ো আশারুপ-সংগত।<br />
দেখিও তখন প্রাণখানি তার কতটা শান্তি পায়<br />
কতটা স্রদ্ধা ভরিয়া তোমায় মাওলারে ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191335"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191335/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e9bfc7ff92fe40a6364a832c2ff6fadc</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-39
মো: মাঈনউদ্দিন
আমনে আমায় কেমনে চিনেন? চিনেন বদন ধাম?
গগন জলায় চরে হাওয়ায় ঘোরে আমার নাম।
নাম নিশানার চিহৃ ধরি কোন সুদুরের লোক
আমার খোঁজে আসে কারা বোঝে আমার চোখ।
জীবন দিলাম শেষ করিয়া সাধন নাই বা হয়
গায়ের সবাই এইটা লইয়া নানান কথা কয়।
চোখ-সিকারি আমি নাকি গভীর জলের মাছ
মন-পরিয়া যে খায় যেমন দিতাম পারি ভাজ।
কেউবা সুখে পক্ষকরে মেধার গুনন গায়
কেউবা হিংসে জলেপুলে নিন্দায় বলে যায়।
রাখেন সেসব ফাও প্যচালি কাজের কথা কন
কাগজ পাতি টাকা করি কত আনছেন লন।
কোটকাচারির ব্যপার এডি উকিল মহরি
ধরতে হইবো এমন যেগুন আসল জহুরি।
ভোলা কোডের খুশবু উকিল বারের সভাপতি
তারেদিয়া করাইমু কাম বিরাট মহারথি।
বড় হাতির পাল্লা ভারি টানও লাগে বড়
খরচা পাতি চালায়ে নিবা তোমরা যেমনে পার।
কোট কাচারি থরথরাইয়া তাহার নামে কাপে
সে যদি নেয় পাল্লা আমার জিতবো কোনবাপে।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190422/</link>
				<pubDate>Sat, 21 Jan 2023 07:26:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-39<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
আমনে আমায় কেমনে চিনেন? চিনেন বদন ধাম?<br />
গগন জলায় চরে হাওয়ায় ঘোরে আমার নাম।<br />
নাম নিশানার চিহৃ ধরি কোন সুদুরের লোক<br />
আমার খোঁজে আসে কারা বোঝে আমার চোখ।<br />
জীবন দিলাম শেষ করিয়া সাধন নাই বা হয়<br />
গায়ের সবাই এইটা লইয়া নানান কথা কয়।<br />
চোখ-সিকারি আমি নাকি গভীর জলের মাছ<br />
মন-পরিয়া যে খায় যেমন দিতাম পারি ভাজ।<br />
কেউবা সুখে পক্ষকরে মেধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190422"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190422/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0bf5286015851a6ed8fd289c3765b6f5</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-107
মো: মাঈনউদ্দিন।
সন্ধা আবার ভোরেতে আসিয়া মিলিত প্রনয় রাগে
ঘরেতে আমার প্রানপ্রিয় বধু-তৃষিত-ব্যকুলি জাগে।
ভাঙ্গাঘরে আসি চান্দের আলো মোদের সজ্জাতল
সোনার আবিরে রাঙ্গিয়া রাখিত বিরহীর-শতদল।
মাঝে মাঝে আসি ধন্যকরিয়া কপালেতে খেয়ে চুম
আসাতে বিধিয়া কহিয়াছি সোন শেষ হলে মৌসুম।
ঘুরায়ে আনিব সকল জায়গায় যেথা যেতে চায় মন
জানিতাম মনে স্বরলার সাথে করি কি প্রভঞ্চন।
এমনি করিয়া মিথ্যা ছলেতে জীবন করিয়া পার
পেয়েছি মিজির মিষ্টিবোলের তিক্ত পুরুস্কার।
স্বরল প্রাণে আঘাত করিলে সে আঘাত জমে রয়
ঘুরিয়া ঘুরিয়া আসিবে ফিরিয়া জানিও সুনিশ্চয়।
সন্ধা তারার অমোঘ নয়নে আমারে হেরিয়া বৌ
যেীবন সুধা রানীর পরানে-জমাট বাধিত মৌ।
সাঝের আকাশে গম গম করে নিরেফেরে সুখ-পাখী
পরানের ব্যথা খুলিয়া বলিছে তাহাদের কাছে ডাকি।
সোন তোরা সবে ভাইজান কবে তোদেরি মতন করি
অল্পকিছুতে সুখি হবে সে আমারে বুকেতে ধরি।
চািইনাতো আমি মোঘল রাজ্য স্বর্নলঙ্কার হার
দুমোঠো ভাতেই মিটিবে তৃপ্তি আমার কলিজার।
একটু আদরে চোখে চোখ রাখি মায়াভরে যদি কয়
তুইতো আমার জীবন মরন আর কোন দাবি নয়।
সারা জনমের দু:খ বেদনা সহিব নিরবে প্রাণে
বলিস গিয়া কানে কানে তারে সে বুঝি নাহি জানে।
দুফোটা অশ্রু চঞ্চুতে করি নিয়ে যা ভাই না ভালা !
বলিস গিয়া মরিছেযে প্রিয়া সইতে নাপেরে জ্বালা।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189845/</link>
				<pubDate>Mon, 16 Jan 2023 18:40:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-107<br />
মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
সন্ধা আবার ভোরেতে আসিয়া মিলিত প্রনয় রাগে<br />
ঘরেতে আমার প্রানপ্রিয় বধু-তৃষিত-ব্যকুলি জাগে।<br />
ভাঙ্গাঘরে আসি চান্দের আলো মোদের সজ্জাতল<br />
সোনার আবিরে রাঙ্গিয়া রাখিত বিরহীর-শতদল।<br />
মাঝে মাঝে আসি ধন্যকরিয়া কপালেতে খেয়ে চুম<br />
আসাতে বিধিয়া কহিয়াছি সোন শেষ হলে মৌসুম।<br />
ঘুরায়ে আনিব সকল জায়গায় যেথা যেতে চায় মন<br />
জানিতাম মনে স্বরলার স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189845"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189845/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f0a346935b2777b74af6759b06d59f81</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-117
মো: মাঈনউদ্দিন
কত বাদশা, রাজা মহারাজা নবাব মন্ত্রি-বল
মিশিয়া গিয়াছে ধরনির সাথে ম্যনখেকো শতদল।
লক্ষ ঘোড়ার টগবগি পায় উন্মাদ বিরভুম
ঢালতলোয়ারের টিংটাং ঘায়ে হারেরেরে ধুম।
ধরনি করেছে প্রকম্পিত যার চিৎকার হাকডাক
সেই উন্মাদ সকল আজিকে গোরগায়ে নির্বাক।
যাহার দেহতে একটি মশাও ভিরিবার পারেনায়
তাহার দেহরে সামান্য কিট ছিরিয়া ছিরিয়া খায়।
সোনার পালকি সয়ন যাহার মতির সিংহাসন
সেই মোঘলের পোশাক হয়েছে দুইটাকার কাফন।
গির্জা প্যগোডে ধন রত্নে ভরিয়া নিয়াছে যে
খুরিয়া দেখ আজ যেমনি দিয়াছো তেমনি আছে।
ফেরাউনরা তুতেন খামনের দিয়াছে যে দম্ভোগ
চার সহস্র বছর ধরেও করিতে পারেনি ভোগ।
আমরা তো ছাড় দিন দরিদ্র নাই ক্ষমতা ধন
তার বলেতেই হাফলাফ দেই বৃথাই আস্ফালন।
যাহারা সবে প্রভুর সাথে পাল্লা দিয়াছে ভাই
তাহারা সবাই মাটিতে বিলীন ভুবনে কেহ নাই।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189464/</link>
				<pubDate>Sat, 14 Jan 2023 08:41:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-117<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
কত বাদশা, রাজা মহারাজা নবাব মন্ত্রি-বল<br />
মিশিয়া গিয়াছে ধরনির সাথে ম্যনখেকো শতদল।<br />
লক্ষ ঘোড়ার টগবগি পায় উন্মাদ বিরভুম<br />
ঢালতলোয়ারের টিংটাং ঘায়ে হারেরেরে ধুম।<br />
ধরনি করেছে প্রকম্পিত যার চিৎকার হাকডাক<br />
সেই উন্মাদ সকল আজিকে গোরগায়ে নির্বাক।<br />
যাহার দেহতে একটি মশাও ভিরিবার পারেনায়<br />
তাহার দেহরে সামান্য কিট ছিরিয়া ছি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189464"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189464/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">75ce3cfd29feed294e29c4d195352134</guid>
				<title>বন্ধন-পব-67
মো: মাঈনউদ্দিন
কাগজ লইয়া হাতের পরে তালুকদারে কয়
ঠান্ডা মাথায় সেলির ঘরে তোরা দুইজন বয়।
উল্টেপাল্টে দলিল পত্র তাবিজ কবজ ব্যেক
জেমনে যা আছে নথি পত্র দাগ খতিয়া লেখ।
কোমরে তার পেন্সিল কাগজ গিরা দেয়াই থাকে
যখন যেমন তথ্য পাইবে ওমনি টুকিয়া রাখে।
উকিলবাবু ডিগ্রিধারি বহুত জ্ঞানের সার
দলিল পত্রের নাম পরিবার জুরি নাইতো তার।
বৃটিশ হালের ডাকটিকেট আর দলিলের সিন-জামা
রেজিষ্টারের সিল সাক্ষর আর অজ্ঞাত সই-নামা
পানসাবিবি চানগাজি আর আম্বিয়া রুপচান
মোসলেউদ্দিন মোসলা মিয়া রুপালি রুপবান।
সদরদ্দিন বদরদ্দিন আকিলদ্দিন আকন
কোন ফাকে হয় মোল্লা পুরুত মালানসাব আর মাখন।
খোদজা বিবি কেমনে করে হইলো খোতির মা
জালালুদ্দিন কেমনে হইলো ফকির জালু-দা।
চেহারার মা চেক্কি হইয়া ভেটকি মারে জত
লক্ষনামের প্যাচপ্যাচালি তাহার ওষ্ঠাগত।
বোঝাই কঠিন সে অদারুন জাগ জমিনের মোক
সেই সুকঠিন কাজের কাজি এক অদারুন লোক।
কোন দলিলে কোটুক জমি কোন দাগে কয়আনা
যুগের পর যুগ খাচ্ছে যারা তাদেরও নাই যানা।
পাডারি ভিটা বুরির ভিটা পুয়ের মোল্লা-বিল
চৈদারের বাট নাইবের বাট হাওলাদারের মিল।
মাউল্লা বাড়ি জাইল্লা বাড়ি সওদাগরের খিটা
শিরাজ মিয়া নজু মিয়া আকুমিয়ার ভিডা।
কোনখানে কোন কবর পোতা শ্বষান গোরস্থান
কোনখানে কোন কবলা নামা মন্দির মজিদ-দান।
খাস হালটের চিহৃ টুকু ধুসর কালের চাপে
আজও সেজন দরাজ হাতে নকসা-দিব্যি মাপে।
সরকারি-খাস, সি এমপি আর কোন জামায় কি রিট
চার জরিপে কোনটা ঘুরে কত নম্বর ছিট।
যমি জমার নার নক্ষত্র আদ্যোপান্ত সব
হাজার প্যচের সামাল লাগি একাই পঞ্চরব।
(আঞ্চলিক শব্দগুলি অর্থ
বয়-বস, ব্যাক- সব, গিরা- গিট্টু, জ্ঞানের সার- জ্ঞানের অধিকারি, ভেটকি- ভেংচি, জাগ জমিনের মোক- জায়গা জমির সমস্যা, বাট- এলাকা, খিটা- বাড়ির উঠোন, ভিডা- ঘরের ভিটি, কবলানামা- দানকরা জমি, পঞ্চরব- জাকজমক পূর্ন উপস্থিতি )
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189246/</link>
				<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 10:06:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পব-67<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
কাগজ লইয়া হাতের পরে তালুকদারে কয়<br />
ঠান্ডা মাথায় সেলির ঘরে তোরা দুইজন বয়।<br />
উল্টেপাল্টে দলিল পত্র তাবিজ কবজ ব্যেক<br />
জেমনে যা আছে নথি পত্র দাগ খতিয়া লেখ।<br />
কোমরে তার পেন্সিল কাগজ গিরা দেয়াই থাকে<br />
যখন যেমন তথ্য পাইবে ওমনি টুকিয়া রাখে।<br />
উকিলবাবু ডিগ্রিধারি বহুত জ্ঞানের সার<br />
দলিল পত্রের নাম পরিবার জুরি নাইতো তার।<br />
বৃটিশ হালের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189246"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189246/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c2d7aa51cc25e87c484291f942517c05</guid>
				<title>বন্ধন-পর্ব-11
মো: মাঈনউদ্দিন
দেহেন কাকু গরিব মানুষ নাই কলমের জ্ঞান
পাতাদিয়া আন্ধারে কয় বুইজ্জা পাইছোস ক্যন?
আন্ধা মানুষ আন্দাজে কই পাইছি মিয়াভাই
চক্ষু আলার কাছে গেছি হে কয় কিছু নাই।
ভইন বনাইরে হাতায়ে লইয়া কাগজ কইরা জাল
লেইক্ষ্যা লইছে হালাদারসাব আমারে দিয়া হাল।
কি আর করুম দুনিয়া দারির মিয়াগোইতো ঝুলি
আমরা খালি ঝাড়ুর আগার ঘিন-অপয়া-ধুলী।
আজন্মপাপ জন্ম আমার চক্ষু দেয়নি মোর
চক্ষু আছে দেইক্ষ্যা কইলেন সব কিছুইতো তোর।
হেনকালে দালাল সাহেব দেখেন লাগছে কাম
পার্টিতো নয় শূণ্যটায়ার ধুমছে দিলেন পাম।
আমি দেখুম আপনার যমি কেমনে হাওলাদার
বাপের ওয়ারিশ ছেলেরে ছাড়ি দখন নিছে তার।
দুইকলমের শিক্ষা দিয়া ধরমেরে দিয়া ফাঁকি
মুরখ দেইক্ষা ঠকায়ে খাইবো কথা হইলোনাকি
দুনিয়াতে মাওলা পাকে মানুষ রাখছে মিয়া
নাইলে কবে ধ্বংষ হইতো এই দিন-দুনিয়া।
মরমু যদিও বেচে ধরায় হাজার বছরও থাকি
পরউপকার পরপারের এইতো খোরাকি।
মরলে যদি দুই চারিজন নাম নাহি নেয় ভাই
দুনিয়াতে বাইচ্চা থাকার কোনই লাভ নাই।
কাগজ পাতি যত্ন করি রাখবা নিজের কাছে
ওয়ারিশ সনদ, হালের রশিদ জেমনে যাকিছু আছে।
জন্ম সনদ, ভোটার আইডি চেয়ারম্যনের সই
ব্যংক বিমা আর এনজিওর সব কিস্তি সোধের বই।
পুরান দলিল, খতিয়ান নকশা, খেবট, নামজারি
খেয়াল রাখবা কোট কাচারিত সবকিছু দরকারি।
কখন কোনটা কোন কামেজে লাইগ্যা পরে ভাই
এডি এমন ভেজাইল্যা কাম কোনই হদিস নাই।
হাতে থাকলে সময় মতো লাগবো কামের কালে
নাইলে কিন্তু দৌরাইয়া সার পাইবানা ভাই ডালে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188724/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 09:37:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পর্ব-11<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
দেহেন কাকু গরিব মানুষ নাই কলমের জ্ঞান<br />
পাতাদিয়া আন্ধারে কয় বুইজ্জা পাইছোস ক্যন?<br />
আন্ধা মানুষ আন্দাজে কই পাইছি মিয়াভাই<br />
চক্ষু আলার কাছে গেছি হে কয় কিছু নাই।<br />
ভইন বনাইরে হাতায়ে লইয়া কাগজ কইরা জাল<br />
লেইক্ষ্যা লইছে হালাদারসাব আমারে দিয়া হাল।<br />
কি আর করুম দুনিয়া দারির মিয়াগোইতো ঝুলি<br />
আমরা খালি ঝাড়ুর আগার ঘিন-অপয়া-ধুলী।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188724"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188724/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3e13859897d8415e540c55e3d42107d6</guid>
				<title>বন্ধন-পব-27
মো: মাঈনউদ্দিন
বহুদিন আগে মামলা হারিয়া ওয়ারেন্টের ভয়
একদা ঝড়ো নিশিত রাতে ওরা বাড়িছাড়া হয়।
বহুদিন ধরে নিখোজ রহিল কোনই হদিস নাই
আত্বিয় সবে কোর্টে গিয়া আমায় করিয়া দাই।
মার্ডার কেসের মামলা করিলো খুনের দায়ে ফাঁসি
লটকাবে এবার লোহার করায় বলিতেছে হাসি হাসি।
কেদেকেদে বলে মা বাপ তার পথেপথে জনেজনে
সেই সোকদেখি মোর প্রতি ক্ষোব আমজনতার মনে।
মোর বিরুদ্ধে গায়ের সকলে এক হয়ে করে সোক
তার পর বাবা পোহায়েছি কত হাজার দুর্ভোগ।
রাস্তা ঘাটে পথে প্রান্তরে বাজার কিংবা ঘরে
সকল জায়গায় সমানভাবে মোরে অপমান করে।
কেউ বলে মিয়া পাঞ্জাবি টুপি ছাড়িয়া পরেন সার্ট
লজ্জাথাকলে কেমনে করেন েএমন ঠাটবাট।
দুধের মত পোলাডারে খাইয়া দিছেন মিয়া
আমনেরে বাপু শিক্ষাদিতে হয় দুইগালে জোতা দিয়া।
সময় থাকতে কইছি বেকে এই এলাকা ছাড়
নাইলে কিন্তু ভালো হইবোনা শেষ কথা আমার।
এমনি কত হুঙ্কার গিলে অপমান সয়ে মনে
সেই কথা বাপ কেমনে বোঝাবে তোমারে কিছুক্ষনে।
দুনিয়া ঘোরে সময় ঘোরে ঘোরের ভাগ্যলিখা
দুই হাতে ডালি লইয়া আসিল প্রভুর চলন্তিকা।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187991/</link>
				<pubDate>Thu, 05 Jan 2023 10:16:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন-পব-27<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
বহুদিন আগে মামলা হারিয়া ওয়ারেন্টের ভয়<br />
একদা ঝড়ো নিশিত রাতে ওরা বাড়িছাড়া হয়।<br />
বহুদিন ধরে নিখোজ রহিল কোনই হদিস নাই<br />
আত্বিয় সবে কোর্টে গিয়া আমায় করিয়া দাই।<br />
মার্ডার কেসের মামলা করিলো খুনের দায়ে ফাঁসি<br />
লটকাবে এবার লোহার করায় বলিতেছে হাসি হাসি।<br />
কেদেকেদে বলে মা বাপ তার পথেপথে জনেজনে<br />
সেই সোকদেখি মোর প্রতি ক্ষোব আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187991"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187991/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">53a7a46ed58c621dd820cc66de5db653</guid>
				<title>বন্ধন পর্ব-42
মো: মাঈনউদ্দিন
আলি আকবর জমদ্দারের চাচতো ভাইয়ের ছেলে
হাজার কাজের পাঠ চুকিয়া শেষমেস বাড়ি এলে।
দায় দেনাদার ঘরবারি তার দখল লইয়া যায়
বৌ ছাওলপাল যে যার যার পেটেরি ধান্দায়।
নানান দিকে নিরুদ্যেশে একলা করি তারে
সংসার দায় ছারিয়া পালায় তাহার একার ঘারে।
দিবস নিশি দাদা পিশি এনজিওর লোকজন
ফোসফাস করে দুয়ারে আসিয়া জখন তখন।
দায়দেনাতে যযরিত কুলহারা বৈরাগি
নানান জনার পায়ে পায়ে ঘোরে নানান কাজের লাগি।
তখন আমার ভাটায় খাটে লেবার শতেক জন
একজন এসে বলে আমারে আকবরেরে লন।
কোন আকবর জিজ্ঞাসিনু হয়ে মতান্তিত
ভাতিজা মোর সুনে অবাক আমি হচকিত।
আমার বাড়ির আমার ঘরের পাশেই তাহার ঘর
নিশ্বাস তার ফেলিলে পরে আমার নাকের পর।
তাহার খবর জানতে আমার ভায়া জানতে হয়
েএরচেয়ে বড় আশ্চর্য আর কোন ব্যপার নয়।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187575/</link>
				<pubDate>Tue, 03 Jan 2023 15:04:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন পর্ব-42<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
আলি আকবর জমদ্দারের চাচতো ভাইয়ের ছেলে<br />
হাজার কাজের পাঠ চুকিয়া শেষমেস বাড়ি এলে।<br />
দায় দেনাদার ঘরবারি তার দখল লইয়া যায়<br />
বৌ ছাওলপাল যে যার যার পেটেরি ধান্দায়।<br />
নানান দিকে নিরুদ্যেশে একলা করি তারে<br />
সংসার দায় ছারিয়া পালায় তাহার একার ঘারে।<br />
দিবস নিশি দাদা পিশি এনজিওর লোকজন<br />
ফোসফাস করে দুয়ারে আসিয়া জখন তখন।<br />
দায়দেনাত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187575"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187575/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9347ef26eb5a3efc1a3b4f06c150adc8</guid>
				<title>বন্ধন পর্ব-52
মো: মাঈনউদ্দিন
অবশেষে বলি বিনিত নয়নে যদি বলবার দেন
একটি বিষয় জানাতেন যদি বেয়াদবি না নেন।
প্রশ্নটা সুনি স্বকৌতুলে বলেন স্নেহের স্বরে
বল বল কোন সমস্যানাই বাধাহীন অন্তরে।
দ্বিধা সংকোচ ফেলিয়া পিছনে উদ্যত স্বরে বলি
গরিব ঠকানো ঠিকনা কাকা গরিবেরে দিয়া চলি।
সারা দিন রাত পশুর শ্রমে খাটিয়া কাটিছে ইট
বুমের ছ্যকায় হাত পা পুরিয়া রৌদ্রে পুরিয়া পিঠ।
সংসারে যার নিতু হাহাকার পরান ঝলসে রয়
তাদের টাকা কাজ শেষে হওয়ার সাথে সাথে দিতে হয়।
অথচ তাদের দিনের পর দিন ঘোরান সুনলাম আজ
বেতনও দেন সবার চেয়ে কম এইটা কেমন কাজ।
কথাটা সুনি মৃদু হেসে বলে আলিআকবরে কয়
এই ফিল্ডের সকলেই বলে আকবরে একা নয়।
মৃদু হাসি হেসে কাকা বলে শেষে সোনবা গল্পখানি
বুঝবা তখন তপ্ত বাতাসের নিঝুম-গুনগুনানি।
তপ্তস্বাসে বাস্প উরিয়া ধরনীর বুকের পর
কেমন করিয়া জমিয়া ওঠে সাগরেতে মহাঝর।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187177/</link>
				<pubDate>Mon, 02 Jan 2023 05:04:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধন পর্ব-52<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
অবশেষে বলি বিনিত নয়নে যদি বলবার দেন<br />
একটি বিষয় জানাতেন যদি বেয়াদবি না নেন।<br />
প্রশ্নটা সুনি স্বকৌতুলে বলেন স্নেহের স্বরে<br />
বল বল কোন সমস্যানাই বাধাহীন অন্তরে।<br />
দ্বিধা সংকোচ ফেলিয়া পিছনে উদ্যত স্বরে বলি<br />
গরিব ঠকানো ঠিকনা কাকা গরিবেরে দিয়া চলি।<br />
সারা দিন রাত পশুর শ্রমে খাটিয়া কাটিছে ইট<br />
বুমের ছ্যকায় হাত পা পুরিয়া রৌদ্রে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187177"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187177/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7526247fe3501dcda72489b1d28237dc</guid>
				<title>প্রাইভেট মাষ্টার
মো: মাঈনউদ্দিন

পিংকি,চেরি, অর্কষ্ট্রা ও আন্টি ঘোরতর অপমান করে রহমানকে বাড়ি থেকে বের করে দিল। রহমান এমনিতেই সম্মান রক্ষা করে চলে তার পাবলিকলি অপমানের কারনে সে প্রচন্ডরকমের মানষিক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পরেছে। যারা তাহাকে যথেস্ট ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে যানিত তারা সকলেই কেমন যেন আশ্চর্য রকম ভাবে আর চোখে দেখতে শুরু করছে। এই মানষিক যন্ত্রনা সইতে না পেরে সে নিজেকে বদলানোর জন্য একটি আশ্চর্য রকম সিদ্ধান্ত নিয়া বসিল। সে মনে মনে ভাবিল যাকে যেভাবে সন্তুষ্ট করা যায়া সে তার সাথে সে ভাই ব্যবহার করবে সে হোক ভালো কিংবা মন্দ। এই সিদ্ধান্ত রহমানেকে নতুন জীবনাচরন দান করলো সে সবার কাছেই ভালো পাত্র হিসেবে আস্তে আস্তে আবার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠলো। মানুষ তাকে আবার নতুন করে ব্যপক ভাবে গ্রহন করতে শুরু করলো। সময়ের পরিক্রমায় রহমান আবার পিংকিদের বাসার লজিং মাস্টার হিসেবে চাকরি নিল। যে রহমানকে তারা বিরক্তিকর, একগুয়ে বলে জানতো যার যে মানুষটার চোখের ভাষা বোঝার ক্ষমতা নাই তাকে ওদের কাছে যন্ত্রনা দায়ক লাগতো আজ তারি চোখের ভাষা তাদের কাছে পরম প্রশান্তির লাগতেছে, দেহভাব বেশ আবেশি, প্রলুব্ধ লাগতেছে। রহমানের এই পরিবর্তিত রুপ ঘরের সবার কাছে বেশ গ্রহনযোগ্যতা পাইলো তাই সকলে তাকে স্বাদরে গ্রহন করলো। আজ রহমান ঘরে ঢুকিলে ভাবগম্ভিরভাবে সম্ভ্রান্ত রুপে সালাম করেনা বেশ স্বতস্ফুর্ত ও কৌশলি ভঙ্গিমায় মেনেজ করিয়া কথা বলে। কাকিমাকে হাসি হাসি মুখে আন্টি বলিয়া কাকাকে আঙ্কেল বলে আর সবাইকে হায় হ্যেলো বলিয়া মেনেজ করে।
আজ প্রথম দিন একটি টি সার্ট  আর একটি ট্রাউজার পরে চাকরিতে রওনা দিল। বাসায় পৌছিলে চেরি বলিল ওয়ায়ায়াও দারুন লাগছে আপনাকে স্যার। আগে আমরা স্যারদের সম্মান করতাম সালাম দিয়ে শ্রদ্ধাভরে আর এখন স্যারদের সম্মান করে ওয়াাাাাও দিয়ে রোমাঞ্চভরে।  সার্টের কার্তুজ ধরিয়া একটু নিচে টানার ভঙ্গিতে পারফেক্ট স্টাইলে রহমান বললো হেব্বি তাইনা। চেরি ট্রাউজারটির দিকে কয়েকবার তাকিয়ে বেশ খিদি খিদি ভঙ্গমায় আরচোখে একবার চেয়ে বাসার ভিতরে চলে গেলো। আন্টি, পিংকি, অর্কস্ট্রা রহমানকে দেখে এমন ভঙ্গিতে সামনে দারিয়েছে স্পষ্ট বোঝাগেল যে তাদের সবারি বেশ মনপুত হয়েছে। অর্থৎ রহমানের স্ট্যাটাসটা তাদের পর্যায় এসেছে। আন্টি বললেন হেই তুমিতো বেশ স্মার্ট তাহলে আগে এমন ভাবে চলতে  কেনো দেখতে ভালো লাগতোনা। এখন মনে হয় আমাদের ফ্যমিলিতে তুমি পারফেক্ট। রহমান বেশ মেচিউরড ভঙ্গিতে বললো নতুন শহরেতো তাই অনেক কিছু শিখতে হয়ছে। শহরে যে সবার চোখে চোখ রেখে কথা বলাটা কত বড় মেচিউরিটি আমি সেটা আগো বুঝিনাই। আন্টি বেশ অর্থবহ ভাবে বললেন ইয়েস, গো এহেড। শহর রহমানের চোখ দুটিকে এমনভাবে বদলে দিয়েছে যেন একটি সাদা কাগজ অপর চোখে যখন যে ছবি দেখে তারি ছাপ পরে যায় বোঝাযায় যে ও চোখ কি বলছে। রহমান এগুলো আগেও বুঝতো কিন্তু কেউ পাছে বুঝে ফেলে যে সে বোঝে তাই নিজেকে ভদ্রতার আরালে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করতো কিন্তু নব্যশহরিয়া হালচাল দেখে ও বুঝতে পারলো নিজেকে লুকিয়ে রাখাতো চরম বোকামি এখানে তাই একটু মেলে ধরতে চায় প্রকাশ করতে চায় যে আমিও তোমাদের চোখের ভাষা বুঝি। শহরে যে চোখে চোখ রেখেই চলতে হয় চোখের ভাষা না বুঝলেতো চলেনা। চোখে চোখ রাখা বলতে সাহসিকতাকে বোঝাতে চাচ্ছি।  আজ প্রাইভেটের প্রথম দিন তাই পরার কথাবার্তার বদলে মেকাপ ড্রেসআপনিয়েই বেশি কথা হল আর পরিচয় ওদের আগও ছিল রহমান ওদের গত বছর পরিয়েছিল তাই পরিচয়ের আলাপ তেমন হয়নাই। 
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186878/</link>
				<pubDate>Sat, 31 Dec 2022 11:53:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রাইভেট মাষ্টার<br />
মো: মাঈনউদ্দিন</p>
<p>পিংকি,চেরি, অর্কষ্ট্রা ও আন্টি ঘোরতর অপমান করে রহমানকে বাড়ি থেকে বের করে দিল। রহমান এমনিতেই সম্মান রক্ষা করে চলে তার পাবলিকলি অপমানের কারনে সে প্রচন্ডরকমের মানষিক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পরেছে। যারা তাহাকে যথেস্ট ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে যানিত তারা সকলেই কেমন যেন আশ্চর্য রকম ভাবে আর চোখে দেখতে শুরু করছে। এই মানষিক যন্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186878"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186878/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b751d7f4c67e776836072d21b7873a2b</guid>
				<title>ভুখারি
মো: মাঈনউদ্দিন।
আধো আধো খেয়ে পায়েষ সুজি মোগলাই জর্দা
আপেল কমলা নাশপতি খেজুর অররি করমচা।
পেপে পেয়ারা আঙ্গুর ডালিম ইটালিয়ান স্ট্রবেরি
বারমাসি আম কাঠাল ডাব আর ইক্ষু মিশ্টি চেরি
পেয়ালা ভরিয়া থরে থরে লয় দেশ বিদেশি জুস
জাফরান ছিটা নবাবি বোখারা দেশি ফুট তরমুজ।
দেখিয়া বোধ হয় বহু দাওয়াতির বিরাট আয়োজন
অথচ খাচ্ছে ঘরের সকলে হাতে গোনা কয়জন।
এটা হতে কিছু স্বাদ চুষে দেখে এককামর ওটা হতে
সবগুলি তার রাহুর লালায় এদো করে জিবে ঘেটে।
অথচ ভুখারি বাহিরে দারায়ে কাদিছে নিরন্তর
অনাহারি শিশু ঘরেতে রাখিয়া ঘুরিছে পথের পর।
পায়ে পায়ে তার হস্ত মাঘিছে ক্ষুধার অন্য ভাই
এদো খাবার হতে কিছু দিবে কেউ সে অবসর নাই।
হাত বারায়ে বলিছে ভিক্ষারি আজিকে ঈদের দিন
ছাওয়ালটা মোর ক্ষুধার জ্বালায় কাদিছে অন্তহীন।
যদি কিছু দেন পোলাডারে মোর খাওয়াইতে পারি স্যার
ছোট মানুষ ও পারেকি সইতে মোর মত অনাহার।
কত কিছু দেখি বাটিতে বাটিতে আপনার টেবিলে
আমায় একটু কিছু দিলেই পোলার খুধাটা মিটিবে।
হেনকালে স্যার তেজিয়া ওঠে ডাকিল বারির লোক
ফকিন্নি তুই কোন সাহসে খাবারে দিছিস চোখ।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186333/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Dec 2022 04:11:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভুখারি<br />
মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
আধো আধো খেয়ে পায়েষ সুজি মোগলাই জর্দা<br />
আপেল কমলা নাশপতি খেজুর অররি করমচা।<br />
পেপে পেয়ারা আঙ্গুর ডালিম ইটালিয়ান স্ট্রবেরি<br />
বারমাসি আম কাঠাল ডাব আর ইক্ষু মিশ্টি চেরি<br />
পেয়ালা ভরিয়া থরে থরে লয় দেশ বিদেশি জুস<br />
জাফরান ছিটা নবাবি বোখারা দেশি ফুট তরমুজ।<br />
দেখিয়া বোধ হয় বহু দাওয়াতির বিরাট আয়োজন<br />
অথচ খাচ্ছে ঘরের সকলে হাতে গোনা কয়জন।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186333"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186333/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">970bda42d4b081ae19923cac739898cc</guid>
				<title>Md. Mynuddin Hawlader and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/185002/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Dec 2022 10:36:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db2eb0881e37cccd7c7ddd7a5608e281</guid>
				<title>দৃষ্টি (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন

এমনি একটি গ্রামিন গেরুয়া-সোনালী রংয়ের রাস্তার উপরদিয়া নিলীমা বাহির হইলো। চাদনীরাত বাগানের হালকা অন্ধকারের দিকে তাকাইলে মনেহয় চাদের আলো আর অন্ধকার জোরাজুরি করিয়া রস্তাহইতে অন্ধকারকে জোর করিয়া ঢেলিয়া বাগানের সাথে চেপে রেখেছে আর তারি ফাকদিয়া নিলীমা হাটিয়া হাটিয়া জাইতেছে আর কিছু কিছু জায়গায় অন্ধকার আলোকে চাপিয়া রাখিয়াছে যার ছায়া নিলীমার গায়ে পরিতেছে। বহুবছর আগে আসিলেও এই গায়ের কয়েকজনের বাড়ি নিলীো চিনিত আর সেই সময়ের মতই রাস্তাঘাট অপবির্তীত রহিয়াছে তাই খুব সহজেই শাহজল কাকার বাড়ি পৌছিল। শাহাজল কাকা নাই সে মারাগিয়াছে আট দশ বছর হইলো কাকা ছাড়া আর কেউ নিলিমাকে চিনিতোনা। জিনু, রিনা, রিঙ্কু কেউ তাকে চিনেনা তবে পোশাক আসাক আর চেহারা দেখিয়া বুঝিয়াছিল যে সে হাওলাদার বাড়ির কেউ কারন এইরকম সম্ভ্রান্ত ছাপ এই গায়ে তাহাদের ছাড়া আর কারো ভিতরে পাওয়া যায়না। তরিঘরি করিয়া ঘড় হইতে চেয়ার আনিয়া দিল, সোকেস হইতে ফ্যান নামাইয়া দিল, আর সকলেই আর সকলেই অশ্চর্য ও ভিত হইয়া নানান রকম কয়ারি মূলক প্রশ্ন করিতে লাগিল। নিলিমা বিষয়টা বুঝিয়া তাহার পরিচয়ের সকল বৃত্তান্ত বলিল। অবশেষে সবাই চিনিয়া তাহার প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা আরো বহুগুনে বারিয়া গেল। খাবার দাবার অনেক কিছুর আয়োজন হইলো। অবশেষে এক এক করিয়া নিলিমা শাহাজল কাকুর বৌর কাছে এলাকার একশত জন মানুষের বৃত্তান্ত জানিল। আর কথাচ্ছলে অনুভবের ছলে কাহাকে যেন বুকের পিঞ্জরে ঢাকিয়া বিক্ষিপ্ত নয়নে তাহাকে দেখিবার চায় তাহার বৃত্তান্ত জানিবার চায়। কিন্তু নিলীমার  এই গভির ইঙ্গিত বুঝিবার মত কেউ এখানে ছিলনা। অবশেষে জাইবার কালে চেক্কির মা বলিল অনেকের কথাইতো জানলেন রহমানের কথাদি জিগাইলেননা। নিলীমা অবাক হইলো সাথে রোমাঞ্চিতও হইলো পাশে ডাকিয়া নিয়া বলিল আপনি কেমনে জানেন দাদু। বিশ বছর আগে আমি শুধু একদিনের জন্য এই বাড়িতে আসিয়া ছিলাম আরতো আসিনাই। শুধু একটি বারের জন্য ওর সাথে আমার পরিচয় হইয়া ছিল ওকে আমি দেখেছিলাম আরতো দেখিনাই। ওকে আমি কিছু বলিনাই আমাকেও ও কিছু বলেনাই তাহলে আপনি কিভাবে বুঝলেন। ভালোবাসায় ভরা টইটুম্বুর ভারি আর আবেগপুর্ন কাদো কাদো গলায় জিজ্ঞাসা করে ও এখন কোথায়? ব্যকুলের মত একের পর এক ওর বৃত্তান্ত জানিতে চায়। বিশ্বাষ করেন এই বিষটি বছর আমি ওকে দেখিনাই কিন্তু ওর ঐদৃষ্টিখানি এতটা স্পষ্ট দেখিতে পাই ওর চোখের কোথায় কোন শিরাগুলো কিভাবে দেখেছিলাম তা মাইক্রোসস্পোপের মত বিবর্ধিত স্পষ্ট ক্রিষ্টাল ক্লিয়ার দেখতে পাচ্ছি। আমার পঞ্চিইদ্রিয় অবগুন্ঠিত করিয়া রহমানের হৃদয়ভারাবনত দৃষ্টিখানি সকল কালেরকিট হইতে ওভালের মত সংরক্ষিত ও পবিত্র রাখিয়াছে আমাকে। আমার চোখে ও আমাকে পাইয়াছেকিনা জানিনা কিন্তু ওর চোখে আমি আমাকে পাইয়াছিলাম। আমি ওর চোখে আমার মৃত্যু দেখেছি আমার সারাজীবনের সুখ দেখেছি, স্বগের অমরত্ক দেখেছি। ওর সহজ স্বরল অমল মনের তৃপ্তি আমি পেতেচাই, এই একটি দৃষ্টিতে ও আমার মাঝে যা খুজেছিল আমি ওকে তার সব দিতেচাই।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/185000/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Dec 2022 10:32:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দৃষ্টি (গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন</p>
<p>এমনি একটি গ্রামিন গেরুয়া-সোনালী রংয়ের রাস্তার উপরদিয়া নিলীমা বাহির হইলো। চাদনীরাত বাগানের হালকা অন্ধকারের দিকে তাকাইলে মনেহয় চাদের আলো আর অন্ধকার জোরাজুরি করিয়া রস্তাহইতে অন্ধকারকে জোর করিয়া ঢেলিয়া বাগানের সাথে চেপে রেখেছে আর তারি ফাকদিয়া নিলীমা হাটিয়া হাটিয়া জাইতেছে আর কিছু কিছু জায়গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-185000"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/185000/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e45d7ce955a05f0a5671e0ed5d98c61</guid>
				<title>মনির (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন
রক্ত মাংষের একটি বুলডোজারের অপর নাম মনির। যেমনি বাহু তেমনি ছাতি আগাগোরা সিলমাছের মত ভরা মাংসল, সুঠাম, মজবুত। গলার আওয়াজ খরখরে ব্যগ্র হিংস্র কোন পিচ্চি পাচাচা সুনিলে হৃদপিন্ড সমেত দেহখানি ধক ধক করিয়া কাপিয়া ওঠে। তবে খুবি ভদ্র ও পবিত্র স্বভাবের মন মানসিকতা নির্মল সুভ্র ও সুন্দর। সুধু এই একটি কারনেই ওকে আমার খুব ভালোলাগে, মনিরের আরেকটা গুন ছিল স্বার্থ সংক্রান্ত কোন কৌশল ও পছন্দ করিতোনা। সম্ভ্রন্ত ঘরের ছেলে হইলেও পারিবারিক যৌলসের ছিটে ফোটাও ওর ভিতর ছিলোনা। সবার সাথে সব পরিবেশে মিশিবার মত অদ্ভুত ব্যপারটা ওর ভিতরে ছিল। কৃষককে ভাই বলিয়া বুকে ধরার ভিতর কোন নাটকিয়তা থাকতোনা কিংবা ডিসিকে স্যার বলিয়া সম্বেধন কারার ভিতর কোন ভিরুতা ছিলনা। একনিষ্ঠ সমান্তরাল ওর মানসিকতা। সেকারনে পরিবারের কিংবা বংষের কেউ ওকে সহজ্য করিতে পারিতোনা। এলাকার ভেতর ওর পরিবারের একটা প্রভাব প্রতিপত্তি ও ঐতিহ্য ছিল। যে কারনে ওর পরিবার চলাফেরা কথা বার্তায় সমাজ-মিশ্রনে ব্যপক সংসোধন আনিতে প্রমত্তা হইয়া ছিল কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নাই। সেই মাটির মনির মাটির সাথে মিসিয়াই নরমচরম, শিতল, উর্ব্র দাক্ষিনাত্যের হাতের মত দির্ঘ হইয়া উঠিল।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/184524/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Dec 2022 15:46:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনির (গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
রক্ত মাংষের একটি বুলডোজারের অপর নাম মনির। যেমনি বাহু তেমনি ছাতি আগাগোরা সিলমাছের মত ভরা মাংসল, সুঠাম, মজবুত। গলার আওয়াজ খরখরে ব্যগ্র হিংস্র কোন পিচ্চি পাচাচা সুনিলে হৃদপিন্ড সমেত দেহখানি ধক ধক করিয়া কাপিয়া ওঠে। তবে খুবি ভদ্র ও পবিত্র স্বভাবের মন মানসিকতা নির্মল সুভ্র ও সুন্দর। সুধু এই একটি কা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-184524"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/184524/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e28fa1802a882a2724947d5ab8f99cd0</guid>
				<title>অবসর (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন
কিন্তু ওর ঐ একটি অস্ফুট ভাব গভির বেদনার মত আমার অন্তরে প্রোথিত হইয়া যায়। শত চেষ্টাকরিয়াও ঐ ব্যথাটুকুরে নির্মুল করিতে পারিনাই। সাতটি বছর গত হইলো কত সৃতি কত ঘটনার ভিতর দিয়া গেছি কত কিছুর মনমুগ্ধকর ধারা হৃদয়ের অস্টোকোঠরে প্রবেশ করিয়াছে কিন্তু মনিকোঠায় কিছুই পৌছাইতে পারেনাই। যে বাস্তবতার শিক্ষা, জীবন ধারার শিক্ষা, সমাজবোধের শিক্ষা আমাকে তিলে তিলে দারকরিয়েছে সেই সকলকিছুই অলিক আপেক্ষিক মনে হইতে থাকে। অনেক অর্থবৃত্ত অর্জন করেছি সামাজিক মূল্যবোধের জায়গায় পৌছেছি যাহার জন্য ব্যগ্রোহৃদয় হাহাকার করিতো তাহার সবিই পাইলাম তার পরও অন্তরস্থিত গুপ্ত ব্যথাটুকু সরাইতে পারিনাই। 7 বছর শেষ হইলে আমি ফিরিয়া আসি। ঢাকা শহরে আগে যেই সংকির্ন অগোছালো রাস্তাগুলো দেখিয়া গিয়াছি আজ আর সেগুলি নাই অবারিত বক্ষবিস্তার করিয়া দিগ্বিদিক একে অপরকে মুষ্টিবদ্ধ করিয়া আরো দ্বির আরো প্রাঞ্জল ভাবে শহরটির এক অনবদ্য রুপ সৃজন করিয়াছে। শুধু আগের যে পথের ধার, পার্কের পাশ, কিংবা খুপরি দোকান বলিয়া যে যায়গাগুলোকে সম্বোধন করা হইতে সেই গুলি নাই। সবধুলিসাৎ হইয়া গিয়াছে। কিন্তু না কিছু কিছু প্রকৃতির কোন পরিবর্তন হয়নাই বরং তাহার লাবন্যে সমস্তসহর ভরিয়া উঠেছে। কোকাকোলা হইতে বিশ্বরোড পর্যন্ত যে সবুজ অ্যরোট গাছগুলোকে দেখিতাম তাহা আজ পুরোঢাকার সোভাবিস্তারে ব্যবহার করা হইতেছে। খুব ভালো লাগিল যে স্থানটার তরুলতা আমার হৃদয়ে প্রোথিত হইলো তাহার বিস্তার সর্বময় দেখিয়া যার পরনাই আনন্দিত হইলাম। সন্ধা 7টা সেই ব্রেকটাইম গারি ধিরে ধিরে নতুন বাজার অতিক্রম করিলো আগেরমত কিছুই চোখে পরেনা সব কিছুই নতুন। হাতের বামপার্শ্বের যে সংকেতটি আমার ছিল আজ তাহা নাই। রাস্তা চেনাযায় কিন্তু সংকেতাংকিত স্থানটুকু চেনা যায়না। নতুন বাজার হইতে কোকাকোলার দিকে চাইলে অবারিত আকাশ তলে নত মস্তকের ভবন গুলো আজ আর ছোট নাই। এক একজনের শির-ঘার উন্নত হইয়া শহরাভিমুখের স্নিগ্ধ কোমল চাদের আলোকে রুখিয়া দিতেছে। একমুখি রাস্তাগুলি ফোরলেন হওয়াতে চলন্তগারি হইতে ডিভাইডারের রেখাগুলোর দিকে তাকাইলে মনে হয় একটি তেজালো সার তার বড় বড় অক্ষিগোলকের হিংস্রোতা লইয়া রুক্ষভাবে ছুটিতেছে। আমরা ছোটবেলায় যখন ডানোর ডিব্বগুলি দিয়া গারি চালাইতাম তখন ডিব্বার নিচের গোলাকৃতির রেতিকরা রেখাগুলি দেখিলে যেমন মনে হইতো ঠিক তেমন। 
ধিরে ধিরে সামনে এগুতে থাকি এখানকার হাওয়া বাতাসে বহুকাল চাপাপরা সৃতিগুলো ভাষ্মর হইয়া উঠিতেলাগিল। সেই সময়কার এলডিইডির ডিভাইডারের রেখাগুলি এখনো আছে, গাইড ওয়ালে গ্লামার ওয়ার্ডের এডটা এখনো আছে শুধু সময়ের প্রভাবে ধুসর হইয়া গিয়াছে। সরকের সমতল বুকখানি আপনার ভিতর কি যেন রোমাঞ্চের অর্বুদ ফাসিয়া উচু হইয়া ছিল আজও ঠিক তেমনি আছে। দুইধারে সিটিকর্পোরেশনের ড্রেনের ভাঙ্গাচোরা ক্যাচা ক্যাচা স্লাবগুলো দাতভাঙ্গা রাক্ষুসির মত এখনো হা.. করিয়া আছে। যায়গাটিতে আসিলেই একটা অদ্ভুত অনুভুতি অনুভব করিলাম। সেই বটগাছ সেই সিতল বাতাস এখনো লাগে। চতুর্পাশের পরিবর্তনের ধারাগুলি মহাসরক হইয়া, আইলেনার হইয়া, বিলবোর্ড হইয়া চতুর্দিকে দৃশ্যমান হইয়াছে কিন্তু এই বটগাছটির একটুও পরিবর্তন করিতে পারেনাই। স্পস্ট বোঝাযায় অনেক ঝড় ঝঞ্জাকে মোকাবেলা করিয়া সে তার যায়গাই স্থির অবিচল হইয়া টিকিয়া আছে।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/183951/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Dec 2022 08:42:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অবসর (গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
কিন্তু ওর ঐ একটি অস্ফুট ভাব গভির বেদনার মত আমার অন্তরে প্রোথিত হইয়া যায়। শত চেষ্টাকরিয়াও ঐ ব্যথাটুকুরে নির্মুল করিতে পারিনাই। সাতটি বছর গত হইলো কত সৃতি কত ঘটনার ভিতর দিয়া গেছি কত কিছুর মনমুগ্ধকর ধারা হৃদয়ের অস্টোকোঠরে প্রবেশ করিয়াছে কিন্তু মনিকোঠায় কিছুই পৌছাইতে পারেনাই। যে বাস্তবতার শিক্ষা, জীবন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-183951"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/183951/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">95d24deadbf26f9ec9468c5d05749a03</guid>
				<title>মাটির ভাষা
মো: মাঈনউদ্দিন

মা বাবা তার গ্রাম হতে আসে হাজিতে লইয়া ফল
ঘানি ভাঙ্গা খাটি শরষের তেল,সোনারুপার পরা জল।
আউসের চাল কেজি দশেক আর নারিকেল কয় জোরা
বেগুন এনেছে হালি তিনেক তার মাটির চুলায় পোরা।
এদ্যো ডোবা তার সেচিয়া এনেছে দেশি তাজা জিওল
বিচি কলার থোর ডজন খানেক ভরিয়া লয়েছে খোল।
খেজুরের রস সুকায় লয়েছে করিয়া সানি-মিঠাই
ডেগা সুপারি রসেতে জালদিয়া ছারায়ে লয়েছে লাই।
তালের সুকনো বড়া লয়েছে দুই হাড়ি ভরিয়া
চরের খাটি মহিষের দই দশটালি কিনিয়া।
দত্তের ঘরের রষমালাই সহ ছানা পনির আর পিঠা
পরানের সব আবেগ গুলারে একে একে করি ভার
এক গাদি ভরি লইয়া চলিল সাহেবের উপহার।
(সংক্ষেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/183273/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Dec 2022 10:24:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাটির ভাষা<br />
মো: মাঈনউদ্দিন</p>
<p>মা বাবা তার গ্রাম হতে আসে হাজিতে লইয়া ফল<br />
ঘানি ভাঙ্গা খাটি শরষের তেল,সোনারুপার পরা জল।<br />
আউসের চাল কেজি দশেক আর নারিকেল কয় জোরা<br />
বেগুন এনেছে হালি তিনেক তার মাটির চুলায় পোরা।<br />
এদ্যো ডোবা তার সেচিয়া এনেছে দেশি তাজা জিওল<br />
বিচি কলার থোর ডজন খানেক ভরিয়া লয়েছে খোল।<br />
খেজুরের রস সুকায় লয়েছে করিয়া সানি-মিঠাই<br />
ডেগা সুপারি রসেতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-183273"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/183273/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09938017a43f8e72da62a876373afab7</guid>
				<title>মো: মাঈন উদ্দিন
আমিওতো দেখি কি কঠিন যায় প্রতিটি দিবস তার
তুমি কি ভাব এই ছবি দেখে কাদেনা বুক আমার।
কাদেরে কাকা কাদে বুক খানি ছল ছল করে চোখ
মন চায় কাকা সব দেই তারে রুখে দেয় পাছে সোক।
আমিযে ভেতরে কতটা নরম বুঝিবেনা কোন দিন
এ ব্যথাটুকু সুধু  এই ব্যথাটুকু মনেতে ধরায় ঘিন।
তাই আপনারে পারিনা গলাতে রুক্ষ অনির্দয়
তোমার মতই গায়ের সকল মানুষে আমারে কয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/180179/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Nov 2022 06:47:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈন উদ্দিন<br />
আমিওতো দেখি কি কঠিন যায় প্রতিটি দিবস তার<br />
তুমি কি ভাব এই ছবি দেখে কাদেনা বুক আমার।<br />
কাদেরে কাকা কাদে বুক খানি ছল ছল করে চোখ<br />
মন চায় কাকা সব দেই তারে রুখে দেয় পাছে সোক।<br />
আমিযে ভেতরে কতটা নরম বুঝিবেনা কোন দিন<br />
এ ব্যথাটুকু সুধু  এই ব্যথাটুকু মনেতে ধরায় ঘিন।<br />
তাই আপনারে পারিনা গলাতে রুক্ষ অনির্দয়<br />
তোমার মতই গায়ের সকল মানুষে আমারে কয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cff7a07eb616ab113753e63efad824e</guid>
				<title>মো:মাঈনউদ্দিন
ওদিকে কচি মেয়েটির মনে উত্থিত আবেগ অনুভুতি গুলি লাউয়ের ডগার শিরাগুলির মত অমলের মূর্তশাখায় অঙ্গুলি আকরে তিলে তিলে বড় হইতে লাগিল। রাতবিরাতে কল্পজলে সুখের হাওয়া তিলোত্তমা তিল তিল করিয়া আপনার দেহ পরানে যৌবন ভরিয়া ভরিয়া উঠিতেছে। আগে যেমন দেখিলেই ভালো লাগিত এখন হাত ধরিতে ইচ্ছে করে, একান্তে বসিয়া তাহার চোখে চোখ রাখিয়া নিরব ভাষায় কথা বলিতে ইচ্ছে করে। আগে যেমন কোন অপরাধের জন্য কোন অনুসোচনা কাজ করিতোনা এখন বিছানায় সুইয়া নিজের বোকামির কথা স্বরন করিয়া লজ্জায় খুন হইয়া জাইতে ইচ্ছে করে। তিলে তিলে তাহার কল্পনায় রসবোধের শক্তি আরো তিব্র ও প্রখর হইয়া উঠিতে লাগিল। আগের যেমন আয়নার সামনে দারাইলে বদন পরের ব্রনের দাগ আর সৃষ্টি কর্তার শিল্পসত্যার নানান অসামঞ্জস্যতা চোখে বাধিত এখন মনে হয় কে যেন তাহার পিছনে দারিয়ে আছে আর মনে আক্ষেপ যাগে তাহার অকুণ্ঠিত বাহুপাশ কেন আমাকে ঝাপটে ধরেনা। এমনি করিয়া চিন্তাবোধের ভিতর দিয়া চলিতে চলিতে মেয়েটি দেহ ও মনে যুবতি হইয়া উঠিতে লাগিল। এখন মাঝে মাঝে আয়নার সামনে দারাইয়া দুচোখে কাজল টানিয়া ওরনা খানি নেকাব করে নিজেকে অমলের দৃষ্টি দিয়া দেখিতে থাকে আর মনে মনে ভাবে এই রুপে অমলের সামনে গেলে ওর পরান খানি ভরিবে কিনা। আয়নার সামনে নানান অ্যঙ্গেল থেকে নানান ভঙ্গিমা করিতে থাকে। দিন যায় মাস যায় অমলের সংরক্ষিত অভয়ারন্যে দক্ষিনা বাতাসের মত মেয়েটির অবাধ বিচরন সুরু হইয়া যায়। পৃথিবীর সকল কিছুকে রোধ করতে পারলেও উন্মুক্ত প্রান্তরে বাতাস কে রোধ করা সম্ভব নয়। মাঝে মাঝে দক্ষিনা বাতাস দমকা হাওয়ার মত এ ডালের কয়েকটি পাতা ছিরিয়া ও ডালের কিছু ফুল ছিরিয়া অমলের প্রকৃতিটাকেই উল্পে পাল্টে দিতে লাগিল। আর অমলও অফিসে তাহার দির্ঘদিনের ভাব মুর্তিহইতে বিচ্যুত হইয়া জাইতে লাগিল। এখন অফিসে অমলকে দেখিলে অনেকেই রসিকতার ছালে হেসে বলে ভাই বলছিলাম না মনের মত মানুষ পাইলে কোন দিনও নিজেকে ধরে রাখা সম্ভব না। তো ভাবিকে একদিন দেখান। দেখি কে আপনার মত মানুষকে জয় করে ফেললো। অমল কাকে দেখাইবে এমন একজনের সংকেত বিসংকেত গুলি তাকে ভাবায় সেই কথা কলিগদের বলিলে সবাই ছি ছি করিবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/177562/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Nov 2022 05:57:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো:মাঈনউদ্দিন<br />
ওদিকে কচি মেয়েটির মনে উত্থিত আবেগ অনুভুতি গুলি লাউয়ের ডগার শিরাগুলির মত অমলের মূর্তশাখায় অঙ্গুলি আকরে তিলে তিলে বড় হইতে লাগিল। রাতবিরাতে কল্পজলে সুখের হাওয়া তিলোত্তমা তিল তিল করিয়া আপনার দেহ পরানে যৌবন ভরিয়া ভরিয়া উঠিতেছে। আগে যেমন দেখিলেই ভালো লাগিত এখন হাত ধরিতে ইচ্ছে করে, একান্তে বসিয়া তাহার চোখে চোখ রাখিয়া নিরব ভাষায় কথা বলি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-177562"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/177562/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea0e14b06b8daf679926ab9e6d5b9747</guid>
				<title>অসহায় (শিল্পি আকবরকে নিয়ে লেখা)
মো: মাঈনউদ্দিন
হালের খবর শিল্পি আকবর অসুস্থ অসহায়
কিযে নিদারুন দু:খ কস্টে প্রতিটি দিবস যায়।
পচন ধরিয়া শরিরের আধেক পচিয়া গিয়াছে তার
নানান ব্যধির আখরা হয়েছে চামরার খোলে যার।
বয়সেতে নয় রোগে সোকে সে অকাল প্রয়ান পথে
কাদিয়া কাদিয়া বলিছে সবারে সহায় সরিক হতে।
সামান্য কিছু অর্থের লাগি দারে দারে পেতে হাত-
হাসপাতালের সজ্জায় পরে কোকাচ্ছে দিন রাত।
মিডিয়ার যুগ টিভি ফেজবুক খবর হয় ভাইরাল
দেশ বাসি সব জেনেও নিরব অদ্ভুদ হালচাল।
কারো কোষ হতে দুই টাকা খসে যায়নাতো তার হাতে
সংসারে তার চলে হাহাকার নিশিদিন হা-ভাতে।
ফেজবুক আর ইউটিউবে দেখি নিদারুন সৃতি-তার
জগৎ মাঝারে, অথৈ পাথারে আসলেই কে কার।
ধন জন মান রহিবে যখন বুঝিবেনা মানু কি?
শূন্য হাতে ঘুরিলে বুঝিবে মিথ্য যা দেখি।
নিশিথ মরুতে উলের বসন জরায়ে তনু গায়
হিমের প্রকপ কতটা কঠিন সেটাকিরে বোঝাযায়।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/176796/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Nov 2022 04:22:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অসহায় (শিল্পি আকবরকে নিয়ে লেখা)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
হালের খবর শিল্পি আকবর অসুস্থ অসহায়<br />
কিযে নিদারুন দু:খ কস্টে প্রতিটি দিবস যায়।<br />
পচন ধরিয়া শরিরের আধেক পচিয়া গিয়াছে তার<br />
নানান ব্যধির আখরা হয়েছে চামরার খোলে যার।<br />
বয়সেতে নয় রোগে সোকে সে অকাল প্রয়ান পথে<br />
কাদিয়া কাদিয়া বলিছে সবারে সহায় সরিক হতে।<br />
সামান্য কিছু অর্থের লাগি দারে দারে পেতে হাত-&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-176796"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/176796/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aadd31e32ee9868006ddf310d932ef3c</guid>
				<title>বিরহ
মো: মাঈনউদ্দিন
কাজলের রেখা কাতর হয়েছে মলিন নয়ন পরে
শরষের তেলে চিকচিকে কেশ সুকায়ে মরমরে।
আক্ষেপে ভেঙ্গে চুর্ন করিছে দুবাহুর ভরা চুরি
হৃদয়ের আভা রক্তিম হয়ে গগনে রয়েছে ভরি।
লক্ষ তারার আতিসজ্জায় প্রণয় বাষরি রাত
পাতিয়া সয়ন রয়েছে মগন কপালে টিপিয়া চাদ।
ভোরের সুর্যি কাপা- আলয় করিতেছে ধুকফুক
কেমনে দেখনা আলগা করিছে আধার রানীর বুক ।
কিকরে সোহাগে দিচ্ছে টানিয়া নিশিথির দেহ বাস
ধরনীর প্রাণে যৌবন-সুধা-ঘর্মে ভিজিছে ঘাস।
তাহার মনেতে বাসনা নাইরে নাই বুঝি তার প্রাণ
নিরস নিকস দেহ ভুমে নাই যৌবনের উত্থান।
দক্ষিনা পবনে দেখেনা দিঘলে শিউরে ওঠেরে জল
দক্ষিন গিরি মন্দিরোও হয় লালকামা-চঞ্চল।
এত কিছু হেরি নয়নে নয়নে পরানের খুধা বারি
পথ চেয়ে চেয়ে অধির হয়ে রই কখন ফিরিবে বাড়ি।
আকাশের বুকে ধরনি রানীর অমল মৈথুন
পারছিনা আর তাহারে আসিয়া করে যেতে কও খুন।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/176383/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Nov 2022 03:58:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিরহ<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
কাজলের রেখা কাতর হয়েছে মলিন নয়ন পরে<br />
শরষের তেলে চিকচিকে কেশ সুকায়ে মরমরে।<br />
আক্ষেপে ভেঙ্গে চুর্ন করিছে দুবাহুর ভরা চুরি<br />
হৃদয়ের আভা রক্তিম হয়ে গগনে রয়েছে ভরি।<br />
লক্ষ তারার আতিসজ্জায় প্রণয় বাষরি রাত<br />
পাতিয়া সয়ন রয়েছে মগন কপালে টিপিয়া চাদ।<br />
ভোরের সুর্যি কাপা- আলয় করিতেছে ধুকফুক<br />
কেমনে দেখনা আলগা করিছে আধার রানীর বুক ।<br />
কিকর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-176383"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/176383/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42eeeee515239a8b2ea48e13855f3db4</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন
পর্ব-14
গভির ভাবে মাথানেরে বলে সেই ভাবিতেছি বাপ
তোরা না থাকলে কি আর করার বিক্রিকরিব সব।
ইদানিং কালে ব্লগ করে যারা দেখি নানা সমাচার
কত মনহর রুপ ধরনির আর মানব সভ্যতার।
বিপুল পৃথিবী অজানা কতকি দেখিবার স্বাধ হয়
বড় বড় যত শহর নগর বিশ্বের বিস্ময়।
কত নৃসংস ইতিহাস লেখা ভুবনেতে থরে থরে
কত সোনালী ভোরের তাসবীর সময়ের বিভরে।
প্রোথিত রয়েছে ধরনীর পরে স্বর্গ নরক রুপ
কত শহরেতে কোলাহল করে কতখানে নিশ্চুপ।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174630/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Nov 2022 05:05:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন<br />
পর্ব-14<br />
গভির ভাবে মাথানেরে বলে সেই ভাবিতেছি বাপ<br />
তোরা না থাকলে কি আর করার বিক্রিকরিব সব।<br />
ইদানিং কালে ব্লগ করে যারা দেখি নানা সমাচার<br />
কত মনহর রুপ ধরনির আর মানব সভ্যতার।<br />
বিপুল পৃথিবী অজানা কতকি দেখিবার স্বাধ হয়<br />
বড় বড় যত শহর নগর বিশ্বের বিস্ময়।<br />
কত নৃসংস ইতিহাস লেখা ভুবনেতে থরে থরে<br />
কত সোনালী ভোরের তাসবীর সময়ের বিভরে।<br />
প্রোথিত রয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174630"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174630/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">16bbf5e632917aa41921ac4eb2185460</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন
&#060;----- পরে

আজ তুমি সেই গাওগেরামের নতুন পেন্টু ওয়ালা
ছাতাভরা চামে আলতা ঘসিয়া হয়েছো দুধেল ধলা।
বোগলে লাগাও লুবনান সেন্ট গায়ে পর ইনফিনিটি
শহরে কিনিছো পাচরাঙ্গা ফ্লাট বেচিয়া বাপের ভিটি।
গোরারে কাটিয়া অধুনা জগতে নিজেরে বিলালে ভাই
একবারো মনে জন্মের মাটির স্নেহ মায়া আসেনাই?
যেথায় ভুমিতে হাতপা ছিটায়ে কেদেছো পেহলি বার
সেই সোনাভুমি তোমার পরানে তোলেনাই ঝঙ্কার।
যেথায় তোমারে পারা পরশিরা নয়নের মনি করি
কোলে কোলে আর বুকে বুকে বাধি জীবন দিয়াছে গরি।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173403/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Nov 2022 04:06:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন<br />
&lt;&#8212;&#8211; পরে</p>
<p>আজ তুমি সেই গাওগেরামের নতুন পেন্টু ওয়ালা<br />
ছাতাভরা চামে আলতা ঘসিয়া হয়েছো দুধেল ধলা।<br />
বোগলে লাগাও লুবনান সেন্ট গায়ে পর ইনফিনিটি<br />
শহরে কিনিছো পাচরাঙ্গা ফ্লাট বেচিয়া বাপের ভিটি।<br />
গোরারে কাটিয়া অধুনা জগতে নিজেরে বিলালে ভাই<br />
একবারো মনে জন্মের মাটির স্নেহ মায়া আসেনাই?<br />
যেথায় ভুমিতে হাতপা ছিটায়ে কেদেছো পেহলি বার<br />
সেই সোনাভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173403"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173403/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">25e40c7d04ff61c9f5725af3eedd4475</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন
দেনা (অংশ বিশেষ)
দেনার দায়ে পরিয়াছো কভু বোঝকি দেনার জ্বালা
ভেতরে মানুষ কতটা কঠিন বাহিরে সবাই ভালা।
মস্তক মন সকল কিছুরে অচল করিয়া দেয়
দেহধামে ভরা ঘুমের তৃপ্তি ছিন্ন করিয়া নেয়।
গভির রজনি সকলি নিরব নিথর দুনিয়া দারি
নিদহিন রাত বুকেতে চাপিয়া করেসুধু আহাজারি।
এত ব্যথাবিষ এত যন্ত্রনা পাইনি কখনো আগে
ছুরির ফলাটি বুকে বিধে দেখি তারচে মধুর লাগে।
ক্ষতবিক্ষত তনুবাহি ঝড়ে দুচোখ ভরিয়া জল
মোর ব্যথাবিষে কালোহয়ে ওঠে নিশিথ রজনীতল।
মনষার বিষ জেমনি দুধেরে কৃষ্ণ বর্ন করে
তেমন ভিষন যন্ত্রনা রেখা আমার ভুবন ধরে।
সইতে নারি কেহ হেসে হেসে বিষ পিয়ে নিদ যায়
কেহবা সহসা দরি দিয়ে গলে দুনিয়া ছাড়িছে হায়।
তুমিতো বাজান সোনার চামুছ মুখে নিয়ে আছো তাই
অভাবির ঘরে কিযে চলে বাবা বুঝিবার পারনাই।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172101/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Nov 2022 04:23:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন<br />
দেনা (অংশ বিশেষ)<br />
দেনার দায়ে পরিয়াছো কভু বোঝকি দেনার জ্বালা<br />
ভেতরে মানুষ কতটা কঠিন বাহিরে সবাই ভালা।<br />
মস্তক মন সকল কিছুরে অচল করিয়া দেয়<br />
দেহধামে ভরা ঘুমের তৃপ্তি ছিন্ন করিয়া নেয়।<br />
গভির রজনি সকলি নিরব নিথর দুনিয়া দারি<br />
নিদহিন রাত বুকেতে চাপিয়া করেসুধু আহাজারি।<br />
এত ব্যথাবিষ এত যন্ত্রনা পাইনি কখনো আগে<br />
ছুরির ফলাটি বুকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-172101"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/172101/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a80eb922352e34f635ce83c1c76398eb</guid>
				<title>প্রতিদিন ইন করে, কোট টাই পেন্ট পরে
লাগেনা ভালো আর চলা।
চাকরি বাকরি কিছু নাই, শুধু ভাব নিয়ে বেরাই
মুখ ফুটে হয়না কিছু বলা।
মোবাইল আছে বলে, ঘড়ির চেনের দোলে
জীবনের রং দুলে যায়।
অরংয়া পরাণখানি, মুখে সুখ টেনে আনি
জোর করে হাসছে ব্যথায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/164044/</link>
				<pubDate>Tue, 18 Oct 2022 02:34:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রতিদিন ইন করে, কোট টাই পেন্ট পরে<br />
লাগেনা ভালো আর চলা।<br />
চাকরি বাকরি কিছু নাই, শুধু ভাব নিয়ে বেরাই<br />
মুখ ফুটে হয়না কিছু বলা।<br />
মোবাইল আছে বলে, ঘড়ির চেনের দোলে<br />
জীবনের রং দুলে যায়।<br />
অরংয়া পরাণখানি, মুখে সুখ টেনে আনি<br />
জোর করে হাসছে ব্যথায়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fcd3e477a15c0349d58e87063c170138</guid>
				<title>মহব্বত (কবিতার অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন

একদা বিকালে এসে
বলেছিল ভাই কিছু টাকা হবে জির্ন মলিন ব্যসে।
চেয়ে দেখি মোর এলাকার ভাই একি অবস্থা তার
ওকে দেখে মোর দুচোখের জল রাখতে পারিনি আর।
আবেগ ভরিয়া দুবাহুর বাধে বুক করি শিতল
গর্ব ভরিয়া বলেছিরে আয় চলরে বাসায় চল।
পিছটান দিয়া দারায়ে পরেছে হাত জোর করে কয়
এই অবস্থায়,  না না ভাইয়া তোমার বাসায় নয়।
চেয়েদেখি ওর সাদা মনটাতে আমার মূল্যবোধ
হেলিয়া রয়েছে অসিম অভেদ যেন মহাপর্বত।
বোঝাবো কি করে দুচোখের জলে সয়লাব দুটি মন
হেনকালে বুঝি ধ্রব সাচা নয় রক্তের বন্ধন।
তারচেয়ে আপন আরো আপন আছে চোখ মেলে চিনেলও
বিপদ আপদে একটু এগিয়ে তার কাছা কাছি হও।
পাথরের কথা রাস্তার পরে  বুঝিবার যদি পারো
সুনিবে সেথায় হাজার জনমের ব্যথা বাজে কারো কারো।
নিতুই ব্যথার অশ্রুপ্লাবনে হিমালয় ক্ষয়ে যায়
তিলে তিলে তার জীবন বিলায় পদ্মায় গঙ্গায়।
মোরাতো মানুষ বিরাট বিশাল আমাদের হিম্মত
যদি রয় বুকে দিলছে দিলের অমল-মহব্বত।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/161740/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Oct 2022 05:10:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মহব্বত (কবিতার অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন</p>
<p>একদা বিকালে এসে<br />
বলেছিল ভাই কিছু টাকা হবে জির্ন মলিন ব্যসে।<br />
চেয়ে দেখি মোর এলাকার ভাই একি অবস্থা তার<br />
ওকে দেখে মোর দুচোখের জল রাখতে পারিনি আর।<br />
আবেগ ভরিয়া দুবাহুর বাধে বুক করি শিতল<br />
গর্ব ভরিয়া বলেছিরে আয় চলরে বাসায় চল।<br />
পিছটান দিয়া দারায়ে পরেছে হাত জোর করে কয়<br />
এই অবস্থায়,  না না ভাইয়া তোমার বাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-161740"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/161740/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6761b06ddc7e248d8644e46a4276191c</guid>
				<title>ক্ষনিকা (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন।
&#060;-------- পর
বাড়ির উঠনে যে পায়ের আওয়াজ গুলি কচি কোমল ছিল আজ তার আওয়াজ অনেক ভারি অনেক গম্ভির হইয়া উঠিয়াছে। যে গাছপালা সজিব ও নবীন ছিল তাহারা আজ গেরুয়া ও ঝরোয়া হইয়া উঠিয়াছে। যে দিঘির জল নিটোল ও ঘোলাটে ছিল তাহা আজ স্বচ্ছ ও টলটলে হইয়া উঠিয়াছে। ওদের আগমনে বাড়ির আকাশ বাতাস ও প্রকৃতির মাঝে অন্যরকম একটা উচ্ছাস বিরাজ করিতেছে। কিন্তু বাড়ির সিমানায় যে তালগাছটি নাফিজা দেখিয়া গিয়াছিল তাহা আজ প্রায় মৃত। এইগাছটিই একমাত্র দেখার যা নাফিজা সুদুর ঢাকাহইতে দেখিবার পন্য পরান উদ্বেলিত হইয়া থাকিত। কিন্তু আসিয়া দেখিবার মত এতটুকু সময় সুযোগ কিছুই হইতোনা। কিন্তু এইবার অজস্র সময় ও অফুরন্ত সুযোগ লইয়া ওরা আসিয়াছে কিন্তু গাছটি মৃতপ্রায়। বাড়ির সবার খোজখবর হইলো একে একে সেইছোটবেলার ফুপাতো ভাই ফুপাতো বোন, মামাত ভাই মামাত বোন সবার সাথেই পরিচয় হইলো কিন্তু নাফিজা যেন কোন আত্বিয়ের পরিচয়েই তৃপ্ত হইতে পারিতেছিলনা। মনে মনে কোন এক অনাত্বিয়কে খুজিতে ছিল। অনেক বছরের কথা বিষ বছর কোন কিছুর ব্যপক পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট সময় এই বিষটা বছর। তাই আজ তাহাকে চেনা  দুইশ কিলোমিটার মরুভুমির অপরসিমানায় টিকটিকে লোকটির চেহার চেনার মতই অসম্ভব। হয়তো অবয়ব দেখিয়া কল্পনা করিয়া তাহাকে আঁকিয়া লইতে হইবে। ইহা ছাড়া আর কোন ভাবেই সম্ভব নয়।  হয়তো সে আর সে সময়কার হেলাদোলা, স্বরল সুকনো, পিঞ্জরদৃষ্ট বাবুটি নেই হয়তো সে সময় তাহাকে আরো দৃর, আরো কঠোর ও গম্ভির শ্বাষক হিসেবে প্রতিষ্ঠত করিয়াছে কিন্তু তেমন কোন লক্ষন নিলিমা কাহারো মধ্যে দেখিতে পাইলোনা। 
রাত্রি হইলো বিবাহপুর্ব মজমা বেশ জম্পেস বেশ ফলপ্রসূ হইতে লাগিল। বিবাহের আলোচনার ফলাফলের দিকে ওর ভ্রুক্ষেপ নাই সোজা ভাষায় বলিয়া দিল অনেক করেছি এবার তোমরা যা করবে আমি তাতেই রাজি, শুধু পাগল ছাগল আইনোনা। নিলিমার কথাটিতে সবাই সন্তুষ্ট হইলো আর প্রাণের গভির থেকে থেঙ্কইউ বলিল। বাহিরের আকাশখানি অজশ্র বাতিখচিত সামিয়ানার মত মাথার উপর টানানো হইল। চাদ যেন নীলিমার প্রসস্ত কপালে একটি সোনার টিপের মত লাগিয়া আছে। মাঝে মাঝে কোথাহইতে প্রশস্ত আলোর রেখা আকাশের বুকখানিকে এফোরওফোর করিয়া উল্কাপিন্ডের মত বাহির হইয়া যাইতেছে। তাহারি তলে বসিয়া নিলীমা অপনার মনে পৃথিবীটাকে দেখিতেছে। কি অবারিত তার বুক কি অপার সৌন্দর্যভরা তার তনু। মিটিমিটি তারকারাজী যেন কত জনমের কথা বার বার বলিতে চাহিয়াও পারেনা। পোকামকরগুলো রাতে  নিরন্তর বংষিবাদকের মত ডাকিতে থাকে নিলীমা তাদের সাথে সুরে সুর মিলাইয়া মাঝে মাঝে গুনগুনিয়ে গানগায় “আমি এসেছি এসেছি তোমার পরানে চোখদুটি খোল প্রিয়, তোমার যেমন ইচ্ছে তেমন করেই আমাকে সাজা দিও তবু চোখদুটি খোল প্রিয়”। মাঝে মাঝে বিমানের লাইটের আলো মনে হয় তাহার পরানের কথাগুলি লোডকরিয়া বহিয়া নিয়া যায়। কিন্তু কোথায় নিবে কারকাছে পৌছাইবে নিলীমা সুধু এটুকুই জানেনা। হঠাৎকরিয়া একটা ঝরোবাতাস আসিল দক্ষিনের বাতাস বেশ আবেশি দেহের সকল শিরা উপশিরা গুলোতে লাগিয়া দেহটা শিতল করিয়া দিল। হঠাৎকরে দক্ষিনা বাতাতে কেযেন আসিয়া গ্রামখানি ঘুরে দেখার জন্য নীলিমার মনটাকে অস্থির আর প্রবল করিয়া চলিয়া গেল তাই হালকা  অন্ধকারে পিছনের দরজাদিয়া ও বাহির হইলো। শহরের মেয়ে কোনদিন এমন নিস্তব্দ অন্ধকারাচ্ছন্য রাস্তায় একা চলেনাই কিন্তু কি যেন এক অদ্ভুত সাহসের অনুভুতিতে বের হইলো। ওর মনে হইল কে যেন কোথা হইতে ওকে ডাকিতেছে, হাসিতেছে, তাহার সাথে হাসিবার তাহার হাতখানি ধরিবার অদ্ভুত অনুভুতি ওকে নিশিথ বিপদসংঙ্কুল রাস্তায় নামাইয়া আনিল। পূর্নতিথিয়ার চাদ একেবারে ঝলমলে সোনালী আলোয়ে ভরপুর। মাঝে মাঝে শাখাচ্যুত চন্দ্রালোক  এস এস পাইপের দোলনার কার্নিশে পরিয়া হিরার মত চকচক করিয়া ওঠে। চোখে দেখিলে হঠাৎ করিয়া ভ্রোম হয় যেন সপ্তরাজার সম্পদ পাইলাম। এখানে ওখানে ছোট ছোট ডোবাগুলোর ভিতরে দক্ষিন হাওয়ার মৃদু তরঙ্গে একটি চাদ লক্ষচাদে রুপান্তর করিয়া দিতেছে। মেঠোরাস্তার দুইপাশ্বে রাত্রীর পোকামাকর স্বাদরগীতের মত চি..চি..ঝি..ঝি শব্দে আওয়াজ করিতেলাগিল। নিলীমার মানসপটে যদি রাস্তাখানিরে দেখিতে পাইতাম তাহলে হয়তো মনেহইতো কোন এক স্বর্গপুরের চিত্রশিল্পি সোনালী, কালো, সবুজ ইত্যাদি নানান রকম অনুজ্জল রঙ্গেিএকটি গ্রামের ছবি আকিয়া রাখিয়াছে যার যায়গায় যায়গায় তোরন লাগানো। এমনি একটি গ্রামিন গেরুয়া-সোনালী রংয়ের রাস্তার উপরদিয়া নিলীমা বাহির হইলো। চাদনীরাত বাগানের হালকা অন্ধকারের দিকে তাকাইলে মনেহয় চাদের আলো আর অন্ধকার জোরাজুরি করিয়া রস্তাহইতে অন্ধকারকে জোর করিয়া ঢেলিয়া বাগানের সাথে চেপে রেখেছে আর তারি ফাকদিয়া নিলীমা হাটিয়া হাটিয়া জাইতেছে আর কিছু কিছু জায়গায় অন্ধকার আলোকে চাপিয়া রাখিয়াছে যার ছায়া নিলীমার গায়ে পরিতেছে। বহুবছর আগে আসিলেও এই গায়ের কয়েকজনের বাড়ি নিলীো চিনিত আর সেই সময়ের মতই রাস্তাঘাট অপবির্তীত রহিয়াছে তাই খুব সহজেই শাহজল কাকার বাড়ি পৌছিল। শাহাজল কাকা নাই সে মারাগিয়াছে আট দশ বছর হইলো কাকা ছাড়া আর কেউ নিলিমাকে চিনিতোনা। জিনু, রিনা, রিঙ্কু কেউ তাকে চিনেনা তবে পোশাক আসাক আর চেহারা দেখিয়া বুঝিয়াছিল যে সে হাওলাদার বাড়ির কেউ কারন এইরকম সম্ভ্রান্ত ছাপ এই গায়ে তাহাদের ছাড়া আর কারো ভিতরে পাওয়া যায়না।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/159472/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Oct 2022 05:18:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্ষনিকা (গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
&lt;&#8212;&#8212;&#8211; পর<br />
বাড়ির উঠনে যে পায়ের আওয়াজ গুলি কচি কোমল ছিল আজ তার আওয়াজ অনেক ভারি অনেক গম্ভির হইয়া উঠিয়াছে। যে গাছপালা সজিব ও নবীন ছিল তাহারা আজ গেরুয়া ও ঝরোয়া হইয়া উঠিয়াছে। যে দিঘির জল নিটোল ও ঘোলাটে ছিল তাহা আজ স্বচ্ছ ও টলটলে হইয়া উঠিয়াছে। ওদের আগমনে বাড়ির আকাশ বাতাস ও প্রকৃতির মাঝে অন্যরকম একটা উচ্ছা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-159472"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/159472/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6cce4a9046a6687c0be1ab1a62bb97db</guid>
				<title>আদর্শ (কবিতার অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন
যে নবীর দোয়া গগন উপারি জল নেমে আসে ভাই
সেই নবি কেন জলের তৃষ্না মিটাইতে পারেনাই।
যার আদেশে লক্ষ সেনা স্বর্গের সুরা পিয়ে
একগ্লাস জল খায়নিকে তারা মোদের দিয়াছে গিয়ে।
নবিন বধুর মদ ছুরেফেলে নবীন যে সেনা দল
নবির ডাকে আসিয়াছে ছুরে ফুলেল সজ্জাতল।
যেই নবিরে বেইমানরা সব বিশ্বাষি বলে ডাকে
কোন কারনে কি কারনে একবার ভাবো তাকে।
আপন দুর্গে গচ্ছিত মালে ভরসা যারা না পায়
আমার নবির সত্রুরা এসে বাড়িতে রাখিয়া যায়।
দুইহাতে ধরি বুকেতে বলে জানিরে মোহাম্ম্দ
তুমি শুধু এই আমাদেরি না ধরনির সম্পদ।
সেই নবিরি ওয়ারীশ মোরা বিশ্ব-বিজয়ী বির
আদর্শ সব ছারিয়া পরেছি সয়তানের জিঞ্চির।
পাঞ্জাবি, টুপি, তশবী, দারির করিতেছি অপমান
ধর আদর্শ নইলে এবার খবর আছে সয়তান।
মতলব ছেড়ে খোলামেলা দিলে যেমনি করেছে নবি
তেমন করিয়া শুরু কর আবার নইলে যাইবে সবি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157229/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 07:03:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আদর্শ (কবিতার অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
যে নবীর দোয়া গগন উপারি জল নেমে আসে ভাই<br />
সেই নবি কেন জলের তৃষ্না মিটাইতে পারেনাই।<br />
যার আদেশে লক্ষ সেনা স্বর্গের সুরা পিয়ে<br />
একগ্লাস জল খায়নিকে তারা মোদের দিয়াছে গিয়ে।<br />
নবিন বধুর মদ ছুরেফেলে নবীন যে সেনা দল<br />
নবির ডাকে আসিয়াছে ছুরে ফুলেল সজ্জাতল।<br />
যেই নবিরে বেইমানরা সব বিশ্বাষি বলে ডাকে<br />
কোন কারনে কি কারনে একবার ভাবো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157229"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157229/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">addeeaaad10787a0f9840570005b92c5</guid>
				<title>দৃষ্টি (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো:মাঈনউদ্দিন
নাফিজার বিয়েকরা নিয়া ওদের বাড়ি ব্যপক একটা গোলযোগ পাতিল। সুধু গোলযোগিই নয় রিতিমত মারামারিতে গিয়া ঢেকিল। বহুদিন ধরিয়াই ওর বিবাহের কথা চলিতেছে কিন্তু ও কিছুতেই রাজি হইতেছেনা। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, জজ, উকিল সহ সুযোগ্য নানান পাত্রকে একেবারে অবলিলায় প্রত্যাখ্যান করিয়া বহুদিন কুমারি ছিল। এই কুমারিত্ব নাফিজার সহ্য হইলেও পরিবারের আর কারো সহজ্য হচ্ছিলনা। মা বাবা নাতি নাতনি দেখিবার জন্য, দাদা দাদি পুন্তি দেখিবার জন্য আর ভাই বোনেরা বোনপো, ভাগ্নি দেখিবার জন্য অসহ্য মাত্রায় পিরা পিরি সুরু করিয়াছে। এই বার জদি ও বিয়ে না করে তাহলে ওকে আমরা ত্যজ্য করেদিব এই বলিয়া বাড়ির সবাই একপক্ষ হইলো আর নাফিজা অন্যপক্ষ হইলো্। যখন স্কুলে পরিয়াছে ও অনেক ছোট বলিয়া পারপাইয়াছে যখন কলেজে উঠেছে তখন ইঞ্জিনিয়ার হইবার প্রবল আক্রোসের কারনে ছাড় পাইয়াছে যখন ইঞ্জিনিয়ার হইয়াছে তখন একটু সময় দেও একটু গুছিয়ে উঠি বলিয়া পিছপা হইয়াছে এখন কোন ছুতার আর খোজ মিলেনা। তাই একেবারে বিদেশি ডিগ্রি নেবে বলিয়া দেশ ছাড়িল তার পরও বিয়ের খরগ তার পিছু ছারিতেছেনা। আর ঐদিকে নানান ছুতার অসার নির্ভরতা সহজ্য করিতে করিতে পরিবার বর্গ এতটা উত্তেজিত হইয়া গেল যে ত্যজ্য করিবার মত সিদ্ধান্তে তারা উপনিত হইলো। এই দিকে নাফিজা বিদেশি ডিগ্রি লইয়া বাড়ি আসিলে সবাই জম ধরা ধরিলো। তোর পছন্য অনেক দেখিয়াছি এইবার আমরা জার সাথে তোকে বিয়ে দিব তুই তাকেই মেনে নিবি বলিয়া সকল কন্ঠই ঐক্যবধ্য হইলো। নাফিজা ঈদের দাওয়াতে বাড়ি আসিয়া অনিবার্জ শিকারের মত কোন কিছু বুঝিবার আগেই হঠাৎ করিয়া লৌহ খাচায় আবদ্ধ হইয়া পরিলো। যাহারা তার আপনজন কারো চোখেমুখে নমনিয়তার ছাপমাত্র সে দেখতে পায়নাই। তাই বেশ চিন্তিত ও বিমর্স হইয়া পরিলো। নাফিজার প্রতি সবার এ রুক্ষতার জথেষ্ট কারন রহিয়াছে সে এই বিয়ে নিয়া পরিবারের সবাইকে কম অপমান অপদস্ত করেনাই কিন্তু কোথাও থিতু হয়নাই শুধুশুধুই সবাইক ঘুরাইয়াছে। সবাই যে যার মত সর্বোচ্চ চেষ্টা করিয়া যোগ্য পাত্র খুজিয়া আনিল কিন্তু নাফিজার কাছে কেহই যোগ্য হইলোনা। ওকে বহুবার জিজ্ঞাসা করা হইয়াছে কারো সাথে সম্পর্ক আছেকিনা ও তাও এমন সচ্ছভাবে অস্বিকার করিলো যে সবাই ওর প্রত্যেকটা আস্তস্বতায় একরকম নিশ্চত ছিল সময় মত ও ঠিকি বিবাহ করিবে। কিন্তু সময় জাইয়া অসময় বিপুলবলয়ে আচ্ছাদন করিয়া ফেলিয়াছে অর্থাৎ ওর সাথের সকল মেয়েদের বাচ্চা কাচ্চা স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে পা দিয়াছে তার পরও ওর মতিগতির কোন পরিবর্ত হয়না এটা আসলে কোন পরিবারিই মানিয়া লইতে পারেনা। নাফিজা এইবার বুঝিয়াছে যে তার বিবাহ ছাড়া কোন পথনাই। এইবার ওরা বাড়ি আসিলে বাড়ির সবাই একটু আশ্চর্যই হইলো কারন সচরাচর ওরা বাড়ি আসেনা। সেই ছোট বেলায় আসিয়াছিল আর এইবার, মাঝখানে প্রায় পনেরো থেকে বিষটি বছর পার হইয়াছে। বাড়ির উঠনে যে পায়ের আওয়াজ গুলি কচি কোমল ছিল আজ তার আওয়াজ অনেক ভারি অনেক গম্ভির হইয়া উঠিয়াছে। যে গাছপালা সজিব ও নবীন ছিল তাহারা আজ গেরুয়া ও ঝরোয়া হইয়া উঠিয়াছে। যে দিঘির জল নিটোল ও ঘোলাটে ছিল তাহা আজ তাহা স্বচ্ছ ও টলটলে হইয়া উঠিয়াছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156901/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Oct 2022 10:50:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দৃষ্টি (গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো:মাঈনউদ্দিন<br />
নাফিজার বিয়েকরা নিয়া ওদের বাড়ি ব্যপক একটা গোলযোগ পাতিল। সুধু গোলযোগিই নয় রিতিমত মারামারিতে গিয়া ঢেকিল। বহুদিন ধরিয়াই ওর বিবাহের কথা চলিতেছে কিন্তু ও কিছুতেই রাজি হইতেছেনা। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, জজ, উকিল সহ সুযোগ্য নানান পাত্রকে একেবারে অবলিলায় প্রত্যাখ্যান করিয়া বহুদিন কুমারি ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156901"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156901/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e29b548b669fd9a47b1af1e1740b5938</guid>
				<title>ধারাবাহিক ভাবে লিখার জন্য আমি একটি ব্লগ খুলেছি । আশারাখি সবাই দোয়া করবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156401/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 15:09:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> ধারাবাহিক ভাবে লিখার জন্য আমি একটি ব্লগ খুলেছি । আশারাখি সবাই দোয়া করবেন।</p>
<p>ধন্যবাদ সবাইকে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">edb8813ebe39eefe60c6dd6651307bb2</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন।
হাওলাদারসাব ধন জন মান কিছুতে কমতি নাই
অথচ পরের বদলা দিচ্ছে তাহারি আপন ভাই।
বাড়িঘর সব হালের তুফান মোঘলাই জমিদার
সানসওকত রসনা বিলাস তুঘলকি কারবার।
ধুলির তখত প্রনাম করিছে শতধিক শতবার
অন্তপুরে ঝুমঝুম করে মনিকাঞ্চন হার।
গোলাব জলে গুলেল ফোয়ারা স্নান করিছে সবে
আঙ্গুরিবাগে আঙ্গুর চোষে স্বর্গ পসিয়া ভবে।
রাজ্য ভরিয়া বাজিতেছে তার যৌলস ঝঙ্কার
সাদামরমর পাথরে বাজিছে মোঘলিয়া ওঙ্কার।
দুইধারে তার গুলবাগিচার স্বচ্ছ জলের ধারা
রসটসটসা পত্নিরা সব নাচছে বাধনহারা।
শতেক দাসি শান্তকরিছে উদ্দত তার মন
হাওলাদার সাব যেমন মানুষ তেমনি আয়োজন।
হেন কালে হেরি হার চির চিরে কেয়েকটা লোক আসি
লঙ্গরখানে বসিয়াছে এসে তাহাদের পাশা পাশি।
দেখিয়া সাহেব গম্ভির ভাবে আঙ্গুলি হেলে কয়
সবার সাথে মিলেমিছে গিয়া দস্তর খানে বয়।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156302/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 08:48:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
হাওলাদারসাব ধন জন মান কিছুতে কমতি নাই<br />
অথচ পরের বদলা দিচ্ছে তাহারি আপন ভাই।<br />
বাড়িঘর সব হালের তুফান মোঘলাই জমিদার<br />
সানসওকত রসনা বিলাস তুঘলকি কারবার।<br />
ধুলির তখত প্রনাম করিছে শতধিক শতবার<br />
অন্তপুরে ঝুমঝুম করে মনিকাঞ্চন হার।<br />
গোলাব জলে গুলেল ফোয়ারা স্নান করিছে সবে<br />
আঙ্গুরিবাগে আঙ্গুর চোষে স্বর্গ পসিয়া ভবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156302"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156302/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9d5b82552707af394d6a859745588613</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন
(সংখেপিত)
দেনার দায়ে বিদ্ধ হইয়া কাদছে দুয়ারে বসি
টিটকারি পারে দিনের সুর্য রাতের সোনার শশি।
তার পরও কেউ করুনা করিয়া দেয়না একটু আলো
দিনে দিনে তার পত্র বিটপ সবকিছুই সুকালো।
মরিয়া শেষহয় সাধের জীবন তিলে তিলে ধুকে ধুকে
যায়না এগিয়ে একটুখানি কেউতো কারো দু:খে।
এইঘড়ে রাধে কোরমা পোলাও ম ম করে বায়ূ
আরঘরে কার অনাহারে বেরয় প্রাণের আয়ু।
একটু খানি দেয়না কেহ কারো ঘরের পর
এমনি করেই সময় চলে সবার জীবন ভর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/154572/</link>
				<pubDate>Sat, 01 Oct 2022 10:27:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন<br />
(সংখেপিত)<br />
দেনার দায়ে বিদ্ধ হইয়া কাদছে দুয়ারে বসি<br />
টিটকারি পারে দিনের সুর্য রাতের সোনার শশি।<br />
তার পরও কেউ করুনা করিয়া দেয়না একটু আলো<br />
দিনে দিনে তার পত্র বিটপ সবকিছুই সুকালো।<br />
মরিয়া শেষহয় সাধের জীবন তিলে তিলে ধুকে ধুকে<br />
যায়না এগিয়ে একটুখানি কেউতো কারো দু:খে।<br />
এইঘড়ে রাধে কোরমা পোলাও ম ম করে বায়ূ<br />
আরঘরে কার অনাহারে বেরয় প্রাণের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-154572"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/154572/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e5efde8d6ba3066834e2a96dc81a9343</guid>
				<title>Md. Mynuddin Hawlader and SM Eftakhar Sazzad are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/153403/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Sep 2022 05:11:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">86857db8b1662d4d43683187c9df230d</guid>
				<title>একটি মৃত্যু(কবিতার অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন
শুরু করিলেন আজ থেকে নয় তিরিশটা বছর আগে
এমনি একাজ করি নারে বাবা বলিতেযে  ব্যথা লাগে।
তখন আমার বাবা মারা গেছে কি করি ভেবে না পাই
চার ভাই বোনের অন্য যোগাতে বাড়িছেরে চলে যাই।
বহু অঞ্জলে ঘুরিয়া ঘুরিয়া করিয়াছি নানা কাজ
খুধার জ্বালায় হাল চাষিয়াছি ছেড়ে দিয়ে মান, লাজ।
বাবা ছিল ভবে ঘরের সুতাটি ধরিয়া চাইনি কভু
সেই আমাকে ধরনীর চাপে আনিয়া ফেলেছেন প্রভু।
সুখ সোভা নিয়ে ছেটে ছিলে দিয়ে কঠিন করছে দেহ
ধনবানরুপ চিক্কন সোভাতে নিদারুন অবলেহ।
সংসার মোর রুপ রস সোভা সকলি নিয়াছে চুষি
তার পরও রাত মস্তকে তুলি আমি এক প্রত্যুষি।
বংশে সবার ছোটা ছিলাম আদর পেয়েছি বটে
বুঝিনি মহান প্রভু কি ক্ষোতে এমনি লিখেছে ঘটে।
বাবার ছায়ার ভিত ছিল মোর রুক্ষ অবনী ত্রাস
সরেগেলে মোর সেই ছায়া করে ধরনী নিঠুর ঘ্রাস।
একে একে সুনি সকলি তাদের আমাদের কিছু নাই
জমি জমা ঘর দরজা জাকিছু সবকিছু ফাও খাই।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/152830/</link>
				<pubDate>Wed, 28 Sep 2022 05:09:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি মৃত্যু(কবিতার অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
শুরু করিলেন আজ থেকে নয় তিরিশটা বছর আগে<br />
এমনি একাজ করি নারে বাবা বলিতেযে  ব্যথা লাগে।<br />
তখন আমার বাবা মারা গেছে কি করি ভেবে না পাই<br />
চার ভাই বোনের অন্য যোগাতে বাড়িছেরে চলে যাই।<br />
বহু অঞ্জলে ঘুরিয়া ঘুরিয়া করিয়াছি নানা কাজ<br />
খুধার জ্বালায় হাল চাষিয়াছি ছেড়ে দিয়ে মান, লাজ।<br />
বাবা ছিল ভবে ঘরের সুতাটি ধরিয়া চাইন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-152830"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/152830/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e3f6637f62151ef9e5c1654eced0958d</guid>
				<title>ডালপুরি (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন
ধিরে ধিরে সামনে এগুতে থাকি এখানকার হাওয়া বাতাসে বহুকাল চাপাপরা সৃতিগুলো ভাষ্মর হইয়া উঠিতেলাগিল। সেই সময়কার এলডিইডির ডিভাইডারের রেখাগুলি এখনো আছে, গাইড ওয়ালে গ্লামার ওয়ার্ডের এডটা এখনো আছে শুধু সময়ের প্রভাবে ধুসর হইয়া গিয়াছে। সরকের সমতল বুকখানি আপনার ভিতর কি যেন রোমাঞ্চের অর্বুদ ফাসিয়া উচু হইয়া ছিল আজও ঠিক তেমনি আছে। দুইধারে সিটিকর্পোরেশনের ড্রেনের ভাঙ্গাচোরা ক্যাচা ক্যাচা স্লাবগুলো দাতভাঙ্গা রাক্ষুসির মত এখনো হা.. করিয়া আছে। যায়গাটিতে আসিলেই একটা অদ্ভুত অনুভুতি অনুভব করিলাম। সেই বটগাছ সেই সিতল বাতাস এখনো লাগে। চতুর্পাশের পরিবর্তনের ধারাগুলি মহাসরক হইয়া, আইলেনার হইয়া, বিলবোর্ড হইয়া চতুর্দিকে দৃশ্যমান হইয়াছে কিন্তু এই বটগাছটির একটুও পরিবর্তন করিতে পারেনাই। স্পস্ট বোঝাযায় অনেক ঝড় ঝঞ্জাকে মোকাবেলা করিয়া সে তার যায়গাই স্থির অবিচল হইয়া টিকিয়া আছে। পার্শ্বেদিয়া একটি বাস ফোস করিয়া চলিয়াগেলে তার গতির বাতাসে বুরোবৃক্ষটির মৃতপ্রায় পরান খানি দুলিয়া উঠিল। হেনকালে তার পত্রহিন কঙ্কালসার শাখা প্রশাখাগুলি আমাকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া কি যেন বলিয়া উঠিল আমি তাহা বুঝিতে পারিনাই। আমি বোকার মত অথর্বের মত নিচের দোকানটির বেঞ্চিতে বসিলাম। সাসা ধাধা করিয়া গারিগুলি আসা জাওয়া করে আর তাদের গতিরবাতাস ঘুর্নিঝরের মত আসিয়া আমার দেহে লাগিতেছে। ক্ষনকালে আমার মনেহইলো কোন এক অদৃশ্যলোকের একটি খুনেরপারায় এক প্রেমপিয়াশি ভাগ্যগুনে বাচিয়া গিয়াছিল যে আজ গারির সো-সো সা-সা গতি হইয়া তাহার ভালোবাসার মানুষকে দিগ্বিদিক তন্ন তন্ন করিয়া খুজিতেছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/152493/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Sep 2022 14:42:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ডালপুরি (গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
ধিরে ধিরে সামনে এগুতে থাকি এখানকার হাওয়া বাতাসে বহুকাল চাপাপরা সৃতিগুলো ভাষ্মর হইয়া উঠিতেলাগিল। সেই সময়কার এলডিইডির ডিভাইডারের রেখাগুলি এখনো আছে, গাইড ওয়ালে গ্লামার ওয়ার্ডের এডটা এখনো আছে শুধু সময়ের প্রভাবে ধুসর হইয়া গিয়াছে। সরকের সমতল বুকখানি আপনার ভিতর কি যেন রোমাঞ্চের অর্বুদ ফাসিয়া উচু হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-152493"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/152493/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8781a8e034f56aba65a4fc659708f8bb</guid>
				<title>Md. Mynuddin Hawlader and মো: আরাফাত বিন সিদ্দিকী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/152004/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 12:09:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6d0e03240dc7521654eccb7cb867dd5</guid>
				<title>Md. Mynuddin Hawlader and নীল মাছি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151838/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 07:39:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eebe62bce8524c4d016091e5724d5642</guid>
				<title>Md. Mynuddin Hawlader and পার্থসারথি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151707/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 05:21:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a7f0712d2fca03a4fdbb63e83f35016a</guid>
				<title>আমি কবিতা লিখি কবি হবো বলে ভাই
নাকি লিখি এমনি শখে।
কেউ বোঝে কেন লিখি কেউ কিছু বোঝেনা
নাবুঝিয়া ধুমছে বকে।
পারেনাতো লাঠি দিয়া
দেয় বারি মাথায় মিয়া
আমি ভাবি হইছে কিয়া
বাচিনাতো প্রিয়ার ধকে।
নাবুঝিয়া ধুমছে বকে।
কারো সখ ছবি দেখা কারো সখ গান দেখা
আমার সখ কবিতা লেখা।
যে যারটা করে ঠিকি আমারটা আমি করলেই
হয়ে যায় মাজাটা বেকা।
বড়রা বলে পথের পর
পরাশোন শেষ কর
চাকরি বাকরি আগেধর
এই পোকা তোর মাথায় দিছেরে ক কে
নাবুঝিয়া ধুমছে বকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151692/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 05:04:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি কবিতা লিখি কবি হবো বলে ভাই<br />
নাকি লিখি এমনি শখে।<br />
কেউ বোঝে কেন লিখি কেউ কিছু বোঝেনা<br />
নাবুঝিয়া ধুমছে বকে।<br />
পারেনাতো লাঠি দিয়া<br />
দেয় বারি মাথায় মিয়া<br />
আমি ভাবি হইছে কিয়া<br />
বাচিনাতো প্রিয়ার ধকে।<br />
নাবুঝিয়া ধুমছে বকে।<br />
কারো সখ ছবি দেখা কারো সখ গান দেখা<br />
আমার সখ কবিতা লেখা।<br />
যে যারটা করে ঠিকি আমারটা আমি করলেই<br />
হয়ে যায় মাজাটা বেকা।<br />
বড়রা বলে প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-151692"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/151692/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ba188516bfab7631ba6845989ceaf69</guid>
				<title>একটি দৃষ্টি(গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন।
রাত্রি হইলো বিবাহপুর্ব মজমা বেশ জম্পেস বেশ ফলপ্রসূ হইতে লাগিল। বিবাহের আলোচনার ফলাফলের দিকে ওর ভ্রুক্ষেপ নাই সোজা ভাষায় বলিয়া দিল অনেক করেছি এবার তোমরা যা করবে আমি তাতেই রাজি, শুধু পাগল ছাগল আইনোনা। নিলিমার কথাটিতে সবাই সন্তুষ্ট হইলো আর প্রাণের গভির থেকে থেঙ্কইউ বলিল। বাহিরের আকাশখানি অজশ্র বাতিখচিত সামিয়ানার মত মাথার উপর টানানো হইল। চাদ যেন নীলিমার প্রসস্ত কপালে একটি সোনার টিপের মত লাগিয়া আছে। মাঝে মাঝে কোথাহইতে প্রশস্ত আলোর রেখা আকাশের বুকখানিকে এফোরওফোর করিয়া উল্কাপিন্ডের মত বাহির হইয়া যাইতেছে। তাহারি তলে বসিয়া নিলীমা অপনার মনে পৃথিবীটাকে দেখিতেছে। কি অবারিত তার বুক কি অপার সৌন্দর্যভরা তার তনু। মিটিমিটি তারকারাজী যেন কত জনমের কথা বার বার বলিতে চাহিয়াও পারেনা। পোকামকরগুলো রাতে  নিরন্তর বংষিবাদকের মত ডাকিতে থাকে নিলীমা তাদের সাথে সুরে সুর মিলাইয়া মাঝে মাঝে গুনগুনিয়ে গানগায় “আমি এসেছি এসেছি তোমার পরানে চোখদুটি খোল প্রিয়, তোমার যেমন ইচ্ছে তেমন করেই আমাকে সাজা দিও তবু চোখদুটি খোল প্রিয়”। মাঝে মাঝে বিমানের লাইটের আলো মনে হয় তাহার পরানের কথাগুলি লোডকরিয়া বহিয়া নিয়া যায়। কিন্তু কোথায় নিবে কারকাছে পৌছাইবে নিলীমা সুধু এটুকুই জানেনা। হঠাৎকরিয়া একটা ঝরোবাতাস আসিল দক্ষিনের বাতাস বেশ আবেশি দেহের সকল শিরা উপশিরা গুলোতে লাগিয়া দেহটা শিতল করিয়া দিল। হঠাৎকরে দক্ষিনা বাতাতে কেযেন আসিয়া গ্রামখানি ঘুরে দেখার জন্য নীলিমার মনটাকে অস্থির আর প্রবল করিয়া চলিয়া গেল তাই হালকা  অন্ধকারে পিছনের দরজাদিয়া ও বাহির হইলো। শহরের মেয়ে কোনদিন এমন নিস্তব্দ অন্ধকারাচ্ছন্য রাস্তায় একা চলেনাই কিন্তু কি যেন এক অদ্ভুত সাহসের অনুভুতিতে বের হইলো। ওর মনে হইল কে যেন কোথা হইতে ওকে ডাকিতেছে, হাসিতেছে, তাহার সাথে হাসিবার তাহার হাতখানি ধরিবার অদ্ভুত অনুভুতি ওকে নিশিথ বিপদসংঙ্কুল রাস্তায় নামাইয়া আনিল। পূর্নতিথিয়ার চাদ একেবারে ঝলমলে সোনালী আলোয়ে ভরপুর। মাঝে মাঝে শাখাচ্যুত চন্দ্রালোক  এস এস পাইপের দোলনার কার্নিশে পরিয়া হিরার মত চকচক করিয়া ওঠে।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151420/</link>
				<pubDate>Sun, 25 Sep 2022 13:48:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি দৃষ্টি(গল্পের অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
রাত্রি হইলো বিবাহপুর্ব মজমা বেশ জম্পেস বেশ ফলপ্রসূ হইতে লাগিল। বিবাহের আলোচনার ফলাফলের দিকে ওর ভ্রুক্ষেপ নাই সোজা ভাষায় বলিয়া দিল অনেক করেছি এবার তোমরা যা করবে আমি তাতেই রাজি, শুধু পাগল ছাগল আইনোনা। নিলিমার কথাটিতে সবাই সন্তুষ্ট হইলো আর প্রাণের গভির থেকে থেঙ্কইউ বলিল। বাহিরের আকাশখানি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-151420"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/151420/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">72225132c1062ea18d16d254cc0e4b2b</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন
এইতো এমনি করে ভেবে দিন যায়
নিজেরে জাহির করি নানান কথায়।
রুপ সোভা, জামা কাপর ধন-জনতায়
যাহারে যেভাবে বলে ছোট করা যায়।
রুচি নাই বংশ নাই নাই শিক্ষা
অথচ আমি এক রুচি ওয়ালা করি ভিক্ষা।
বান্ধবিরে বলি দোস কিছু টাকা দে
বন্ধুর থেকে নিয়ে পরশু পাবে-
এই ভাবে করে করে সময় কাটাই
আমার সাথের সবে দারিয়েছে ভাই।
আমি সুধু পরে আছি ভভঘুরে হয়ে
তার পরও অপরের দোষ কয়ে কয়ে।
কিযে মজা পাই মনে মাওলা যানে
এমন কাজিই করি যার নেই মানে।
আমি শুধু একানই বহু জনিই দেখি
আমার মতই করে তাই ছড়া লিখি।
(চলবে.....)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150700/</link>
				<pubDate>Sat, 24 Sep 2022 05:57:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন<br />
এইতো এমনি করে ভেবে দিন যায়<br />
নিজেরে জাহির করি নানান কথায়।<br />
রুপ সোভা, জামা কাপর ধন-জনতায়<br />
যাহারে যেভাবে বলে ছোট করা যায়।<br />
রুচি নাই বংশ নাই নাই শিক্ষা<br />
অথচ আমি এক রুচি ওয়ালা করি ভিক্ষা।<br />
বান্ধবিরে বলি দোস কিছু টাকা দে<br />
বন্ধুর থেকে নিয়ে পরশু পাবে-<br />
এই ভাবে করে করে সময় কাটাই<br />
আমার সাথের সবে দারিয়েছে ভাই।<br />
আমি সুধু পর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-150700"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/150700/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">410e1356813cd7332dfd1299d804f086</guid>
				<title>এমন কাজিই করি যেটা কেউ করেনা
একাজে কিহবে কেন মনে ধরেনা।
নিজের ভাবনায় নিজে পাগল হয়ে রই
এটা হবে সেটা হবে কত কথা কই।
নগদে চলেনা মোর এক কাপ চা
চালানচোতা শুধু মুখের কথা।
ক্ষনপরে মনে হল সবাই সবার-
কাজসেরে হেথা আসে আমিই বেকার
কাজখুজি হেথা এসে এটা বড় ভুল</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150523/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Sep 2022 17:26:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এমন কাজিই করি যেটা কেউ করেনা<br />
একাজে কিহবে কেন মনে ধরেনা।<br />
নিজের ভাবনায় নিজে পাগল হয়ে রই<br />
এটা হবে সেটা হবে কত কথা কই।<br />
নগদে চলেনা মোর এক কাপ চা<br />
চালানচোতা শুধু মুখের কথা।<br />
ক্ষনপরে মনে হল সবাই সবার-<br />
কাজসেরে হেথা আসে আমিই বেকার<br />
কাজখুজি হেথা এসে এটা বড় ভুল</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">796cd67d0d2539a4a67c2f7bba9e55be</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন।
তুলটের অনলাইনে আমি একা ভাই
দেখে খুব হাসি পেল, তাই লিখে যাই
সোলকোটি বাংগালির আমি এক জন
কবি হব তাই হেথা করছি সাধন
বহুকবি আসে যায় এটা কবিরহাট
হায় এমন হলকেন আমার ললাট
আসে পাশে কেউ নাই হতযগি পুর
নিরর্থক একি করি পগলামি ধুর।
ভেঙ্গেগেল মনটাযে যার কাজ নাই
সেজন এগুলি করে আমি কেন ভাই
লেখা দিয়ে বসে বসে ভাবি মনে মনে
রিএক্ট করছে লেখা দেখি কত জনে।
কারো যদি পজেটিভ কমেন্ট দেখি
মনটাযে ভরে ওঠে খুশিতে লেখি
থেঙ্কইউ, ধন্যবাদ, হে কবীপ্রিয়
বেষ্ট অফ লাক এবং সুভেচ্ছানিয়।
আরো ভাবি মনে মনে আমি নয়ারবী
কতজন ভাবিতেছে কত বড় কবি
এইতো সুখেতো মোর সময় বিলাই
সারাদিন খেটেমরি কানাকরি নাই।
সকালে বেরয় আসি ঝোলানো পকেট
সাজেফিরি তাও দেখি ভাঙ্গা ছকেট
ফেরদিন যাব সেই চার্জতো না পাই
তবুওযে কেন আসি জানিনারে ভাই।
কেউ যদি জান তবে বলিও আমারে
তাবিজ লাগাবে হাতে যেন ভুতে ছাড়ে।
(চলবে…….)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150180/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Sep 2022 17:55:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
তুলটের অনলাইনে আমি একা ভাই<br />
দেখে খুব হাসি পেল, তাই লিখে যাই<br />
সোলকোটি বাংগালির আমি এক জন<br />
কবি হব তাই হেথা করছি সাধন<br />
বহুকবি আসে যায় এটা কবিরহাট<br />
হায় এমন হলকেন আমার ললাট<br />
আসে পাশে কেউ নাই হতযগি পুর<br />
নিরর্থক একি করি পগলামি ধুর।<br />
ভেঙ্গেগেল মনটাযে যার কাজ নাই<br />
সেজন এগুলি করে আমি কেন ভাই<br />
লেখা দিয়ে বসে বসে ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-150180"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/150180/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3d2c14ef4de3616f489b075e488e0cc</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন
কবর কবিতা আমরা যারা পরেছি তারা কেউ শুধু কবিতা পরেছি, কেউ কবিতা উপলব্দি করেছি,  যারা পরেছি তারা ছন্দের স্বাদ পেয়েছি আর যারা উপলব্দি করেছি তারা কেঁদেছি। একিই লেখনির ধারা দুইটি একটি সৌন্দর্য আর একটি অনুভুতি। কবিতার সৌন্দর্য হচ্ছে বাহ্যিকতা আর  অনুভুতি হচ্ছে আত্যিকতা। এখন বাহ্যিক সৌন্দর্যের মধ্যেপরে ছন্দের গাথুনি, শব্দবিন্যাস আর চরন বিন্যাস। আর আত্যিকতা হচ্ছে কবির মনের ভাবের সাথে পাঠকদের জীবনে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা বা উপলব্দির সাথে মিলে যাওয়া কোন বিষয়। তবেই পাঠক সে লেখার প্রকৃত স্বাদ উপলব্দি করেন। আমি লেখক হিসেবে প্রতিদিন নিজেকে ভেঙ্গেচুরে নতুন করে গরার চেষ্ট করি। যে লেখাটা আমি এখন লিখি মনে হয় বাহ কি অসাধারন লেখাই না লিখলাম আবার যখন আমার লেখাটার খুটি নাটি বড় বড় লেখকদের লেখার সাথে মেলাই তখন মনে হয় আমি এগুলি কি লিখছি। একা একা হাসি মানুষের নিজের সৃষ্টিটাকে অসাধারন ভাবার এই সূক্ষকৌশলটির মধ্যেই মহান আল্লাহতায়ালা মানুষকে সসীম করে রেখেছেন।
(চলবে)......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150171/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Sep 2022 17:04:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন<br />
কবর কবিতা আমরা যারা পরেছি তারা কেউ শুধু কবিতা পরেছি, কেউ কবিতা উপলব্দি করেছি,  যারা পরেছি তারা ছন্দের স্বাদ পেয়েছি আর যারা উপলব্দি করেছি তারা কেঁদেছি। একিই লেখনির ধারা দুইটি একটি সৌন্দর্য আর একটি অনুভুতি। কবিতার সৌন্দর্য হচ্ছে বাহ্যিকতা আর  অনুভুতি হচ্ছে আত্যিকতা। এখন বাহ্যিক সৌন্দর্যের মধ্যেপরে ছন্দের গাথুনি, শব্দবিন্যাস আর চর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-150171"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/150171/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a374ff5bc04e90fa233602a942977175</guid>
				<title>একটি মৃত্যু (কবিতার অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিন
পথে পথে ঘুরে অপমানে পুরে ঘর্মে ভিজায়ে তনু
নিজের জীবন নিজেই গরেছি শুনবে সে কথা মনু?
বহুজনি ছিল বহুটাকাওয়ালা কারো কাছে জাইনাই
তোমার কাকির একটাই দাবি জীবনে যেন না যাই।
আমাদের যখন বিয়ে হয়েছিল দুজনার ছাত্রকাল
বড় ফ্যমিলির অসার সত্য ফেলেছে নিঠুর জাল।
ভেবে ছিনু মনে বাড়িহতে গিয়ে কোথাও না কোথায়
পেয়েই যাব কারোনা কারো এতটুকু আশ্রয়।
বুঝিনিরে বাবা পথেনেমে দেখি সকলি অন্ধকার
স্বপ্নগুলি চোখের সামনে মরেগেছে আমার।
এক এককরিয়া সকল অত্বিয়ের দুয়ার হইতে ফিরি
নিঠুর পৃথিবীর নতুন ঘাটেতে অসহায় হয়ে ভিরি।
কারো বাসাপরে ঠাই হয়নিতো কারো মায়াবাধে মন
শিতল হয়নি পুরেগেছে দেখে রক্ত চোখের কোন।
হঠাৎ করেকি তাজ্জব ভাবে একোন ভুতুরে ছবি
আপন মানুষে আকিয়া চলিল নিষ্ঠুর মহাকবি।
পরতে পরতে টানিয়া চলিল বন্যস্বপদ কুল
কোমল ঘাসের গেয়োপথটাতি বিষবৃক্ষের হুল।
(সংখেপিত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150027/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Sep 2022 09:29:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি মৃত্যু (কবিতার অংশ বিশেষ)<br />
মো: মাঈনউদ্দিন<br />
পথে পথে ঘুরে অপমানে পুরে ঘর্মে ভিজায়ে তনু<br />
নিজের জীবন নিজেই গরেছি শুনবে সে কথা মনু?<br />
বহুজনি ছিল বহুটাকাওয়ালা কারো কাছে জাইনাই<br />
তোমার কাকির একটাই দাবি জীবনে যেন না যাই।<br />
আমাদের যখন বিয়ে হয়েছিল দুজনার ছাত্রকাল<br />
বড় ফ্যমিলির অসার সত্য ফেলেছে নিঠুর জাল।<br />
ভেবে ছিনু মনে বাড়িহতে গিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-150027"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/150027/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a4f4e0bd936c3a303793789f92122fa</guid>
				<title>মো: মাঈন উদ্দিন
(সংখেপিত কবিতা)
মোরে দান মাহাত্বে মহৎ কর
এ আকাঙ্খা নয়
ঝাটাও মানের মানিক ধুলায়
যা যমা সংসয়।
অতি সরল প্রেমিক সাজে
সমুদ্রতট মরুর মাঝে
কাটাও রবির আখির কুটিল
নীখিল আকাশ ময়।
যেন সবখানে মোর স্বরল বেগে
গর্ব অচল হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149782/</link>
				<pubDate>Wed, 21 Sep 2022 15:49:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈন উদ্দিন<br />
(সংখেপিত কবিতা)<br />
মোরে দান মাহাত্বে মহৎ কর<br />
এ আকাঙ্খা নয়<br />
ঝাটাও মানের মানিক ধুলায়<br />
যা যমা সংসয়।<br />
অতি সরল প্রেমিক সাজে<br />
সমুদ্রতট মরুর মাঝে<br />
কাটাও রবির আখির কুটিল<br />
নীখিল আকাশ ময়।<br />
যেন সবখানে মোর স্বরল বেগে<br />
গর্ব অচল হয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c5ee6b3b900f182b988878bae18b82ba</guid>
				<title>মো: মাঈনউদ্দিন।
সারাদিন গিয়া সন্ধা ঘনাইয়া আসিলে বাড়ির কে কোথায় আছে খোজ নেয়ার আবশ্যক মনে করিলেন অমলের নানি। বুড়িরর বয়স হইয়াছে বটে আসলে সে বাদরের হাড্ডি। হাটলে চলিলে মনে হয় মনুষ্যমুরত আকা একটি গেরুয়া কুচকানো চামরার ব্যগেকিছু সুকনো হাড্ডি ভরিয়া বোধ হয় প্রভু কোন অদৃশ্য জিনের বদৌলতে এখান থেকে ওখানে টানিয়া হেচরাই আনানেওয়া করিতেছেন। মাঝে মাঝে ধপাস করিয়া মেঝেতে আছার মারিতেছেন। আছার খাইয়াও কুচকি বুড়ি নানন রকম রম্যরষে প্রভু সহ প্রভুর সৃস্টিলোকের অপাঙ্কিত ভুলগুলি নিয়া ঠাট্রাবিদ্রুপ করিয়া থাকেন। আজকেও অমনি করিতে ছারেননাই ঘরের ভিতর আছার খাইয়া অমল আর নির্মলাকে একের পর এক অভিষাপ দিতে লাগিলেন। আল্লাহ আমি বাচিয়া থাকিতে ওদের যেন সংসার দেখি, একটায় আরেকটারে মারতে দেখি, আবার একটায় আরেকটারে হাতে ধরিয়া উঠাইতে দেখি, চোখের পানি মুছিয়া দিতে দেখি, চোখের জল ঝড়াইতে দেখি। এগুলিকি অভিষাপ নাকি দোয়া আমি বুঝিতে পারিলামনা তবে তাহার মনের ক্ষোব দুরকরিবার ধরনটাই ছিল এরকম। যে কারনে তার ছেলে সন্তান নায়নাতকুরের মধ্যে ভালবাসার কমতি ছিলোনা। মাঝে মাঝে তা অভিষাপ হইয়া যাইতো আবার মাঝে মাঝে তা দোয়া হইয়া যাইত। এগুলি অভিষাপ বা দোয়াই হোক তবে তাহা সুনিবার বা বুঝিবার মত নিস্তব্দ গৃহমাঝে দুচারটা মসা, মাছি আর তেলাপোকারা ছাড়া কেউ ছিলনা। এদের কাছে কুচকো বুড়ির কথাগুলি নিছক আবোলতাবোল আর গুরুত্বহীন  মনে হইলো তাই মশাগুলি ভোন ভোন করিয়া রক্তখাইতে আর মাঝিগুলি সো সো করিয়া চিত্ত জালাইতে প্রবিত্ত হইলো। আর তেলাপোকাগুলি তার মরা কুচকানো চামরাগুলি খাইতে চেষ্টা করিতেছিল। আর মাঝখানে বুড়ি আরাহুডা পানিকাউলফার ডগার মত হাতদুটি দিয়া তাহাদের প্রতিহত করিতেছিলেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149427/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 16:41:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মো: মাঈনউদ্দিন।<br />
সারাদিন গিয়া সন্ধা ঘনাইয়া আসিলে বাড়ির কে কোথায় আছে খোজ নেয়ার আবশ্যক মনে করিলেন অমলের নানি। বুড়িরর বয়স হইয়াছে বটে আসলে সে বাদরের হাড্ডি। হাটলে চলিলে মনে হয় মনুষ্যমুরত আকা একটি গেরুয়া কুচকানো চামরার ব্যগেকিছু সুকনো হাড্ডি ভরিয়া বোধ হয় প্রভু কোন অদৃশ্য জিনের বদৌলতে এখান থেকে ওখানে টানিয়া হেচরাই আনানেওয়া করিতেছেন। মাঝে মাঝে ধপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-149427"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/149427/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>