-
“ প্রয়োজন বোধ করিনি।”
আবরারের এমন কথা যেন ছোটখাটো একটা বিস্ফোরণ ঘটায় ড্রয়িংরুমে। ততক্ষনে সেখানে এসে উপস্থিত হয়েছেন রাবেয়া বেগমও। হতভম্ভ হয়ে তাকিয়ে থাকেন তিনিও। যেই আবরার কিনা জীবনে কোনোদিন বড় ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে একটা প্রতিবাদ করেনি, সে কিনা আজ এভাবে কথা বলছে তার সাথে! আশ্চর্যের বিষয় বৈকি!
“ তুই আমার সাথে এভাবে কথা বল…Read More
-
এত বছরের সংসার ফেলে চলে যেতে হয় সেদিন খাদিজা বেগমকে। চোখ ভরে কান্না আসে তার। মা কে হারিয়ে শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই তার শেষ স্মৃতিটুকুও হারিয়ে ফেলেন যে! ইন্তিহা মেয়েটার জন্য খারাপ লাগছে খুব। রাবেয়া তো আগে থেকেই দেখতে পারতো না তাকে। আবরারও তো থাকে না সবসময় বাড়িতে। নিশ্চয়ই কথা শুনায় খুব।
কেটে গেছে বেশ কিছু দিন। রাবেয়…Read More
4 Comments-
তিতা ফুল, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর শেষমেশ প্রিয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে মানবিক ছবি আপনি এঁকেছেন, তা সত্যিই হৃদয়ে দাগ কাটার মতো। সংসারের অন্দরমহলের ছোটখাটো তিক্ততা পেরিয়ে আত্মসম্মান নিয়ে নতুন করে পথ চলার এই সাহসী সিদ্ধান্ত এবং আপনাদের কথোপকথনের সহজ-সরল ভঙ্গিটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। দারুণ লিখেছেন, সামনের দিনগুলোতে এভাবেই জীবনের গল্পগু…Read More
-
“আপনি কি আর ঠিক হবেন না?”
“কি করলাম আমি আবার?”
অবাক নেত্রে চায় আবরার। অবশ্য অবাক-টবাক কিছুই না, অভিনয় করছে সে।বউটাকে জ্বালাতে প্রচুর ভালো লাগে কিনা! কটমট চোখে একবার তাকিয়ে চোখ সরিয়ে নেয় ইন্তিহা। লোকটার সাথে আর পারা গেলো না। সারাক্ষন ওর পিছনেই লেগে থাকে।
সেদিনের পর কেটে গেছে অনেকগুলো মাস। মৃত আসমা বেগমের শোক ভুলতে বসেছে…Read More
13 Comments-
-
-
গল্পটা দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, প্রতিটি চরিত্র বেশ জীবন্ত মনে হচ্ছে। ইন্তিহা আর আবরারের খুনসুটির মাঝেও যে পারিবারিক অশান্তির আঁচ পাচ্ছি, সেটা বেশ রহস্যময়। পরবর্তী পর্বে কী হতে যাচ্ছে তা জানার জন্য বেশ অপেক্ষায় থাকলাম!
-
-
আপনার এই লেখনীটি পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা এবং মানবিক টানাপোড়েনের এক দারুণ প্রতিফলন, বিশেষ করে “এ বাড়িতে যে একটা বড়সড় ঝড় আসতে চলেছে, সে ব্যাপারে তো সন্দেহ নেই কোন” বাক্যটি গল্পের আবহকে অত্যন্ত জীবন্ত করে তুলেছে। সম্পর্কের গভীরতা আর ছোটখাটো অভিমানগুলোর মাধ্যমে আপনি চরিত্রের যে সংঘাত ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বাস্তব জীবনের নাটকীয় পরিস্থিতির…Read More
-
-
তিতা ফুল and
Fazilatun Nesa are now friends
-
-
-
-
লা’শ নিয়ে আসতে আসতে মাগরিবের সময় হয়ে যায়। এদিকে আবরারদের আত্মীয় স্বজন সবাই চলে এসেছে প্রায়। অনেকে আসার পথে আছে এখনো। বাড়িতে মানুষ অনেক। পাড়া প্রতিবেশী থেকে শুরু করে চেনা অচেনা অনেক মানুষের আনাগোনা।
খাদিজা বেগম অজ্ঞান হয়েছেন দুইবার। মাথায় তেল মালিশ করা হচ্ছে উনার। এদিকে আসমা বেগমকে গোসল করানো হচ্ছে মাত্র। এশারের পর জানাজা হবে।সারাদিন কিছুই…Read More3 Comments -
“ মেয়েটা বুদ্ধিমতী, তবে বেয়াদব। আমরা আসার সময় সালামও দিলো না!”
ঠিক এই কথাটাই বলা হয়েছিলো আমার ব্যাপারে। আমি আসলে বুঝতে পারছিলাম না, যারা বিদায়ের সময় পাত্রীর কাছ থেকে সালাম না পেয়ে পেছনে গিবত করতে পারে, তারা পরবর্তীতে কি করবে?
যাই হোক, কথা আর আগায়নি সেখানে। আমার আর চিন্তার কারন ছিল না। তবে দিনে দিনে তাদের পছন্দ, পাত্র নির্বাচন দেখে আমি কথ…Read More
8 Comments-
-
আপনার লেখাটা পড়ে মনের ভেতর খুব খারাপ লাগা কাজ করছে, বিশেষ করে এই লাইনটি খুব গভীর ছিল— “কেন আমি তাদের সব কথাকে সিরিয়াস ভাবে নিচ্ছিলাম? কেন এতোটা বিশ্বাসের সাথে পান করেছিলাম মিথ্যা আশার বিষ!”। পরিবার ও সমাজের এই দ্বিমুখী আচরণ যে কতটা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করতে পারে, তা আপনার লেখায় খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। সামনের পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম, আপনি অন…Read More
-
-
“ আপনি কোনোদিন ছেড়ে যাবেন না আমাকে।”
“ যাবো না!”
“ ভুল বুঝবেন না কখনো।”
“ বুঝবো না!”
“ ওয়াদা করুন?”
“করলাম। শান্ত হও এবার।”
ইন্তিহা তবুও শান্ত হতে পারে না। আবরার ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে বসে আছে। হোটেলে এসে পৌঁছেছে আধ ঘণ্টাও হয়নি এখনো। তখন ট্রেনের মধ্যে কিছু একটা হয়েছে মেয়েটার। তার পর থেকে এ…Read More
8 Comments-
-
প্রিয় লেখক, আপনার এই রচনায় ইন্তিহা ও আবরারের মধ্যকার পারস্পরিক নির্ভরতা এবং টানাপোড়েনের মুহূর্তগুলো খুব গভীর ও হৃদয়স্পর্শী হয়ে ফুটে উঠেছে। আপনারা যারা এই প্ল্যাটফর্মে লিখছেন, তাদের প্রত্যেকের লেখার প্রতি একটু সদয় নজর রেখে নিয়মিত লাইক ও কমেন্টের মাধ্যমে একে অপরকে উৎসাহিত করলে আমাদের এই বাগানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
-
-
আগে ভাবতাম, বিবাহ উপযুক্ত অবস্থায়, যখন অহরহ পাত্রপক্ষ দেখতে আসে, বিয়ের কথাবার্তা চলে, এইসময়টা একটা মেয়ের সবচেয়ে সুন্দর সময়। পড়াশুনার চাপ নেই, ঘরে কোন কাজ করতে হয় না হয়তো, আবার নতুন নতুন সব অনুভূতির সাথে পরিচিত হতে থাকে। ইসস, কবে যে আমারও এমন সময় আসবে! কবে যে আমিও এতো সুন্দর একটা সময় পার করবো!
পরিবারের মানুষগুলো তখন হয়তো…Read More
11 Comments-
-
-
মেয়েটার আর্ট করার শখটা এমনে থামায়া দেওয়ার জায়গাটায় কষ্ট লাগলো খুব
পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম লেখা চালায়া যান -
ভালো লাগল বেশ। আপনার এই গল্পে এসে লেখার ধরণ একেবারে বদলে গেল আগের সিরিজ থেকে। এই স্টাইল চেইঞ্জ করতে পারাটা খুব প্রশংসনীয়। বলতেই হবে শক্তিসালী লেখনীর অধিকারী আপনি। ২ স্টাইলই ভালো লাগছে। এই সিরিজটাও পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
-
-
“মুড নেই, এখন বলতে পারবো না!”
আবরারের নির্লিপ্ততায় বাকহারা হয় মেয়েটা। এসব কি ধরনের মজা? তাই বলে এমন একটা ব্যাপার নিয়ে মজা করবে লোকটা?তিনি কি জানেন, কি নিয়ে কথা বলছেন, সেটা ওর কাছে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ!
আবরার উঠে চলে যেতে নিলে হাত টেনে ধরে মেয়েটা। হাতের দিকে একবার তাকিয়ে সরাসরি ওর চোখে চোখ রাখে লোকটা।ভ্রু উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘…Read More5 Comments-
আবরার লোকটা যেমন পাজি, তেমনই কেয়ারিং! বউকে জ্বালাতন করার কৌশলগুলো দারুণ। আর ইন্তিহার এই অবুঝ অভিমান আর কৌতূহল গল্পটাকে বড্ড মায়াবী রূপ দিয়েছে।
-
আপনার লেখা এই অংশটিতে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মান-অভিমানের যে সহজ-সুন্দর চিত্র ফুটে উঠেছে, তা বেশ উপভোগ্য এবং পাঠকদের মনে কৌতুহল জাগিয়ে রাখার মতো। বিশেষ করে ‘পৃথিবীর সব মেয়েরাই সুন্দরী, তবে আমার চোখে তো আর না!’—আবরারের এই একটি বাক্য সত্যিই চমৎকার, যা চরিত্রটির ব্যক্তিত্ব ও ইন্তিহার প্রতি তার ভালোবাসাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি মুহ…Read More
-
“আপনি একটা অসভ্য!”
“ আরে আরে চলে যাচ্ছো কেনো? খাবারটা শেষ তো করে যাও।”
ফেরে না মেয়েটা। এমন দুষ্টু বর থাকলে শান্তি আছে কোনো? রান্নাঘরের কাছে এসে বুকে হাত রেখে হাঁপাতে থাকে সে। চাপা হাসিতে লাল হয় অবয়ব। তবে পাশ থেকে কারো হাসির শব্দে মুছে যায় সে হাসি।
“কি? কেমন চলছে দিনকাল, হুম হুম? সব ঠিকঠাক তো? নাকি…!”
মেঝো জা’য়…Read More
7 Comments-
দাম্পত্যের সবচেয়ে সুন্দর প্রেমগুলো হয়তো ‘ভালোবাসি’ শব্দে নয়—এক প্লেট ভাত ভাগ করে খাওয়ানো, অসুস্থ রাতে মাথায় পানি ঢালা আর নীরবে পাশে বসে থাকার মধ্যে লুকিয়ে থাকে। গল্পটি মন ছুয়ে যাচ্ছে।
-
-
-
“প্রেমে পড়েছো বুঝি?”
আবরারের এমন প্রশ্নে থতমত খায় মেয়েটা।এ আবার কেমন প্রশ্ন?ভালো হবে না এই ছেলে। কাকে ভালো বলছিলো ও এতক্ষন! এ তো আস্ত একটা পাজি।এদিকে ওর থেকে কোন জবাব না পেয়ে হাসি আরো গাঢ় হয় তার। মেয়েটাকে লজ্জায় ফেলতে ভালোই লাগে বেশ।জানে এখন আর কোন কথা বলবে না বউ তার।তাই নিজে থেকেই প্রশ্ন করে ফের,
“কি ম্যাডাম? কোন দুনিয়ায় হারিয়ে…Read More
5 Comments-
-
খুনসুটির আড়ালে দায়িত্ব, অভিমানের আড়ালে ভালোবাসা—ইন্তিহা ও আবরারের সম্পর্কটি ধীরে ধীরে দারুণ মায়াময় হয়ে উঠছে।
-
“কে কি বলেছে তোমায়?”
আবরারকে অমন রেগে থাকতে দেখে ঘাবড়ে যায় ইন্তিহা। লোকটা কি জানে কিছু? ওর থেকে কোন প্রতিউত্তর না পেয়ে আবরার রান্নাঘরের দিকে যেতে নিলে তড়িঘড়ি গিয়ে থামায় লোকটাকে। অযথা বিষয়টা বাড়তে দেয়া যায় না।
“আপনি রুমে আসুন, কিছু হয়নি।”
“কিছু না হলে কান্না কেন করছিলে তুমি? আমি বেঁচে থাকতে এই বাড়িতে কেউ তোমাকে অসম্মা…Read More
4 Comments-
-
তিতা ফুল, আপনি চমৎকার মায়ার বুনন আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতির এক অনন্য চিত্রপট ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে ইন্তিহার মনের দ্বন্দ্ব আর আবরারের নিঃশব্দ যত্নের মুহূর্তগুলো হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করে যায়। প্রতিটি সংলাপের আড়ালে যে মানসিক টানাপোড়েন আপনি তুলে ধরেছেন, তা যে কোনো পাঠকের হৃদয়ে অনুরণন তুলবে; আর সেই সাথে সংসারের ছোট ছোট ঘটনার মধ্যে দিয়ে জীব…Read More
-
-
“ স্বামীর জন্য খুব চিন্তা হচ্ছিলো বুঝি বউ?”
গম্ভীর পুরুষালী কণ্ঠস্বরে চমকে পেছনে ফিরে ইন্তিহা। আবরারকে এভাবে আশা করেনি একদমই সে। এই লোকটা এমন কেন? হুটহাট এমনভাবে এসে দাঁড়াবে না, কবে যেন ভয় পেয়েই পটল তুলে মেয়েটা।খানিক রাগ লাগছে বৈ কি। তবে ওর কিছু বলার আগেই পুনরায় শব্দের ঝংকার তুলে অধৈর্য পুরুষটি।
“ এভাবেই দাড় করিয়ে রাখবে নাকি সারারাত? স্…Read More
8 Comments-
-
দাম্পত্যের লুকোচুরি মিষ্টি প্রেম, হালকা অভিমান আর বাইরের জগতের কঠিন বাস্তবতার এক অনবদ্য মিশেল এই চমৎকার গল্পাংশটি। একদিকে আবরারের নাটকীয় আচরণ ও ইন্তিহার ভেতরে গড়ে ওঠা গভীর অনুভূতির সুবিন্যস্ত রূপ, আর অন্যদিকে পরিবারের সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে পাঠককে সম্পর্কের গভীরতার এক দারুণ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।
-
-
তিতা ফুল, লেখাটা পড়তে পড়তে একদম হারিয়ে গিয়েছিলাম, বিশেষ করে আবরারের ‘আমাকে কি আজকে একটু বেশিই সুন্দর লাগছে?’—এই অংশটা পড়ে তো হাসিই আটকাতে পারলাম না। আপনার বর্ণনা ভঙ্গিটা এত চমৎকার যে মনে হচ্ছিল সিনেমার দৃশ্য চোখের সামনে দেখছি। ইন্তিহার মতো এমন শান্ত আর আবরারের মতো পাজি চরিত্রের কেমিস্ট্রিটা আপনি দারুণ ফুটিয়ে তুলেছেন। পরের পর্বে আবরার কি তার…Read More
-
“এই চা কে বানিয়েছে?”
আবরারের মুখভঙ্গী দেখে ভয় পেয়ে যায় মেয়েটা। চা তো ঠিকঠাকই বানালো, খারাপ হওয়ার কথা না।
“খুব বেশি খারাপ হয়েছে নাকি?”
“নিজেই খেয়ে দেখো! “
যদিও ও চা তেমন পছন্দ করে না, তবুও আবরারের কথা শুনে কাপ তুলে নেয়।
“ভালোই তো হয়েছে, চিনি, লবন সবকিছু ঠিকঠাক।”
আবরার সাথে সাথে চায়ের কাপটা তুলে। ওর দিকে তাকিয়ে চুমুক…Read More
4 Comments-
-
আপনার উপস্থাপিত এই রচনাটি বেশ চমৎকার এবং এর চরিত্রগুলোর মধ্যকার খুনসুটি ও কথোপকথন পাঠক হিসেবে আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে ইন্তিহা ও আবরারের মধ্যকার আবেগপ্রবণ মুহূর্তগুলো এবং তাদের লুকোচুরি করার ধরণ খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এমন সুন্দর একটি গল্পের ধারা আপনি অনায়াসেই অব্যাহত রাখতে পারেন, যা আমাদের মতো পাঠকদের জন্য অনেক আনন্দের খোরাক জোগাবে।
-
-
“ তোমার হাতে কি ওটা দেখি তো?”
পেছন থেকে অমন গম্ভীর কণ্ঠস্বরে কেঁপে উঠে মেয়েটার সর্বাঙ্গ। দ্রুত ওড়নার নিচে লুকিয়ে ফেলে ডায়েরিখানা। চোখমুখ খিঁচে বন্ধ করে ফেলে তৎক্ষণাৎ।মানে, এই লোকটার কি কোন সময়জ্ঞান নেই নাকি, এখনি আসতে হবে, আশ্চর্য! ইন্তিহা পেছনে ফিরে না, যেভাবে ছিল সেভাবেই দাঁড়িয়ে থাকে। এদিকে আবরার বুঝে যায়, মেয়েটা নিশ্চয়ই ওর কাছে থেকে কিছু…Read More
9 Comments-
-
আপনার লেখাটা এত মিষ্টি আর ইন্তিহা-আবরারের খুনসুটিগুলো পড়তে খুব ভালো লাগছিল, এখন বলেন তো পরবর্তী পর্বে কি চায়ে লবন ছিল যে আবরারের মুখ এমন হয়ে গেল?
-
-
-
-
তিতা ফুল and
Ashik Mokami are now friends
-
- Load More Posts
Friends
Md.Mohsin Ali
@fivertrading007gmail-com
Redowan Hussain
@redowanhussain
নৈশান
@noishan
Hashem Molla
@hashemmolla
Kazi Mahabubur Rahman
@kazimahabuburrahman
mithila jannat
@mithilajannat
Sk Sagor
@sksagor
Md. Ashraful Alam
@md-ashrafulalam
Fazilatun Nesa
@fazilatun-nesa








ভালোবাসার সাহসে ইন্তিহা ও আবরার কঠিন সংসার ছেড়ে নতুন আশ্রয়ের স্বপ্ন বুনল…🖤