-
রু মর্গে খুন
মূল: এডগার এলেন পো
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহপর্ব – ১
১৮৪০ সাল, প্যারিস।
সময়টা ছিল গ্রীষ্মকাল। এখানেই পরিচয় হয় অদ্ভুত সেই যুবক অগাস্ট ডুপিনের সাথে। একটি প্রখ্যাত পরিবারের সন্তান ছিলো সে; পরিবারটি একসময় প্রচুর বিত্তশালী এবং জনপ্রিয় ছিল। যদিও ডুপিনের এসবের ধার ধারতো না। টাকা পয়সার বিষয়ে সে ছিলো উদাসীন; কেবলমাত্র জীবন ধারণের জন্…Read More3 Comments -
একটি সাদা মানিব্যাগ
অথবা একজন সান্তাক্লজশেষ পর্ব
১৩.
রিক্সাওয়ালার বয়স পঞ্চাশ কি পঞ্চান্ন হবে। গায়ে জোর বেশি নেই মনে হয়। রিক্সা টানতে তার বেশ কষ্ট হচ্ছে। তার উপর একটু পর পর কাশছে। শান্ত রিক্সাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলো, কী মামা? আপনার কি রিক্সা চালাতে কষ্ট হচ্ছে? নেমে যাবো?
রিক্সাওয়ালা ঝট করে পেছন দিকে বললো, না মামা… কোনো সমস্যা হইতেছে না।…Read More7 Comments -
একটি সাদা মানিব্যাগ
অথবা একজন সান্তাক্লজ
(দ্বিতীয় পর্ব)৯.
সকালে নাশতা করেই আবার বের হয়ে গেলো শান্ত। মানিব্যাগটা একটা ব্যাকপ্যাকে ঢুকিয়ে কাঁধে করে চলে এলো রমনায়। বসে রইলো সেই বেঞ্চটায়। যদি বৃদ্ধ আসে, সেই আশা করে দুপুর পর্যন্ত বসে রইলো সে। এলো না বৃদ্ধ। নিরাশ হয়ে সেখান থেকে বের হয়ে চলে এলো শান্ত সাফার বাসায়।
এখন বিকেল। সাফা মানিব্যাগটা নেড়ে…Read More4 Comments -
একটি সাদা মানিব্যাগ
অথবা একজন সান্তাক্লজ১.
সকাল ৮টার সময় ঘুম ভাঙলো সাঈদুর রহমান শান্তর। ঝটপট উঠে পড়ে ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নিলো। সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট আর কালো টাই ঝুলিয়ে রুম থেকে বের হয়েই দেখতে পেলো খাবার টেবিলে নাশতা সাজাচ্ছেন মা রাশেদা কামাল। বাবাকেও দেখতে পেলো শান্ত। খাবার টেবিলে বসেই পত্রিকা পড়ছেন নিমগ্ন চিত্তে।
রাশেদা স্বাম…Read More6 Comments-
-
বেকারত্বের এই কষ্টটা আমাদের দেশের অনেক ছেলেরই বাস্তব জীবন।
দেখা যাক মানিব্যাগটা নিয়ে কী হয়!
চালিয়ে যান, আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল!
-
-
তাহাজ্জুদের পর
♠
মাঝে মইধ্যে মনে হয়-
দীর্ঘ আশাহীন এই জীবনডারে
ভাতের থালায় নিয়া গিল্লা ফেলাই।
ঘুম থেইকা পালায়া গিয়া
নদীর বুকের ভিতর ঢুইকা পড়ি
অথবা
আকাশে ঝুইলা থাকি একখান ম্যাড়ম্যাইড়া সূর্যের লাহান।
সকালের চায়ের কাপে
উড়তে থাকি অক্লান্ত ধুঁয়ার শক্তি নিয়া।অথচ
দেখি, ঘরের বাইরে একটুখানি রইদ
আত্মস্থ করতেছে জীবনানন্দ।
উপাসনালয়ের ভিতরে দী…Read More3 Comments -
এশার ওয়াক্তের পর
♠
কান্দনের পর আমি আর চোখে পানি রাখি না;
সমুদ্র ঘুমায়া যায় ঘুটঘুইটা আন্ধারে।
বসনে জইমা থাকে কারো শ্যাষ নিঃশ্বাস,
প্রলোভনে ভুইলা যাই, মানুষ ছিলাম নাকি ফেরেশতা।ফুরায়া যাইতাছে দুয়া,
অভিশাপে ভইরা যাইতাছে শহরের দেয়াল।
চিক্কুর দিয়া বলি-
মানুষ হইয়া আর জন্মাইতে চাই না প্রভু।আসমান জুইড়া স…Read More
8 Comments -
মাগরিব ওয়াক্তের পর
♠
জ্বলতে জ্বলতে নিভা গ্যাছে আমাগো সব;
বিবেকের ছাই উড়াইয়া দিছি হাওয়ায়,
দমের ভিত্রে নিঃশ্বাস লয় লুসিফার-
হ্যালালুইয়া, হ্যালালুইয়া।
ঘরের উপরে আকাশ ছাদ হইয়া ঝুলে,
মাথার কাছে টিমটিম কইরা জ্বলে খিদা।
অনন্তকাল সেই আলো নিয়াই সঙ্গমে মাতে মানুষ,
শ্যাষম্যাশ মইরাও যায়।
মানুষ তার জ…Read More6 Comments -
হিন্দি নাকি উর্দু
মূল প্রবন্ধ- সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদ- অয়ন আবদুল্লাহহিন্দি আর উর্দু নিয়ে বহুদিন ধরে একটা দ্বন্দ্ব চলছে। মৌলভী আব্দুল হক সাহেব, ডঃ তারা চাঁদ জি এবং মহাত্মা গান্ধী এই দ্বন্দ্বটি বোঝেন। কিন্তু আমি মনে করি, বিষয়টার এখনও কোনো ফয়সালা হয়নি। যথাসাধ্য চেষ্টা করেও আমি এর অর্থ উপলব্ধি করতে পারিনি। হিন্দুরা কেন হিন্দি…Read More
1 Comment -
অমিত and
অয়ন আবদুল্লাহ are now friends
-
আসর ওয়াক্তের পর
♣
বলতে বলতে ফুরাইয়া যাইতাছে আমাদের কথা,
চলতে চলতে ফুরাইয়া যাইতাছে সব পথ,
আমরা মুখস্ত আউড়াইয়া যাইতাছি খোদারে;
আড়ালে লুট হইয়া যাইতাছে আমাগো বিশ্বাস।নিঃশ্বাসের সাথে সাথে বাইর হইয়া যাইতাছে জীবন,
তাও মৃত্যুর কাফেলায় নির্বিচারে হাঁইটা যাইতাছি।
কাফনের কাপড়ে দেনার ঘ্রাণ মৌ মৌ করতেছে,
ভগবানের দ্যাশে তবুও মানুষ হাসতেছে অবলীলা…Read More9 Comments-
-
আঞ্চলিক ভাষার মাধ্যমে মানব জীবনের মরণ-বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছেন। শুভেচ্ছাসহ ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে ।
-
-
-
-
ত্রিকাব্য
সান্ত্বনা
সংগত অনুযোগে আমি
ধ্বনিত হয়েছি বহুকাল,
তবু
এই বিখন্ড অবসরে
আমি দেখেছি পাতার দাহকাল।পুড়ে যাওয়া পথে
গলিত গন্তব্যের ঘ্রাণ
নাও;
যেহেতু একটু বেদনা
তোমাকেও দিতে পারে সান্ত্বনা।ভাঙনের সংসার
নদীতটে ছায়াময় সভা
মানুষের হাটে বেজায় হল্লা;
মৌন ফড়িং উড়ে যাচ্ছে
ঐ তো ঘাসের হৃদয় ভেঙে।তুমি তেমনই, আমিও এম…Read More
2 Comments-
তিনটি কবিতাই আলাদা আলাদা অনুভূতির জগৎ, অথচ একটা সুতোয় বাঁধা! “একটু বেদনা তোমাকেও দিতে পারে সান্ত্বনা” এই উপলব্ধিটা অনেক গভীর! আর শেষের কবিতায় “আবার মানুষ হলে তোমার সাথেই হোক দেখা” এটুকু পড়েই বুকের ভেতর কোথায় যেন একটা জল তরঙ্গ হল, অসাধারণ লিখেছেন কবিপ্রিয়!
-
-
যোহর ওয়াক্তের পর
♠
উনুনের হাউশে জ্বলতাছে মাছের চোখ;
দ্যাখবার খায়েশ আছিলো নদীর দুঃখ,
মনের খরায় সবকিছু মিশা যাইতাছে।
দয়া নাই, তবু ভগবানের কৃপা নিয়া মরার সাধ জাগে।কেমন মানুষ তুমি?
আড়ালে লুকাইয়া রাইখা নিজেরে, খুঁজবার চাও খোদারে?
মুষিকের ল্যাজে পা দিয়া নিজেরে ভাবতেছো বাঘ,
অথচ বিড়াল স্বভাব তোমার-
সুযোগ পাইলেই হামলাইয়া পড়ো।8 Comments -
-
ফজর ওয়াক্তের পর
– অয়ন আবদুল্লাহ
ফুরাইয়া যাইবার আগেই মনের ভিত্রে
জন্মাইতে থাকে একটা খায়েশ-
ছাই হইয়া উইড়া যামু না এতো সহজেই।ফিরা না আসলেই ভাইবেন না যে
মইরা গ্যাছি আপনাগো অবহেলায়।
আগুনের কসম-
ভাতের থালে ফিরা আসুম খিদা হইয়া।
চোখের ভিতর জ্বইলা উঠুম স্লোগান নিয়া।মনে করতে পারেন, আমি অভাবে নষ্ট হইয়া গ্যাছি;
তয় স্বভাবে আমি কিন্তু প্রতার…Read More8 Comments-
এ আসরে আমি লেখা পোস্ট করি কিন্তু এটা,সত্যি কথা এ আসরের কবিদের কবিতা আমার পড়া হয় না। আপনার এ লেখাটা নজরে পড়লো।
আমাকে আকৃষ্ট করলো এটা। মুগ্ধও হলাম। দোয়া ও ভালোবাসা রইলো আপনার প্রতি। -
“ভাতের থালে ফিরা আসুম খিদা হইয়া / চোখের ভিতর জ্বইলা উঠুম স্লোগান নিয়া”—এই লাইন দুটি অভাবী মানুষের অস্তিত্বের এক চরম ও সাহসী ঘোষণা। অনবদ্য প্রতিবাদী লেখনী!
-
-
-
-
নেতাদের থেকে ভারতকে বাঁচাও
মূল প্রবন্ধ- সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদ- অয়ন আবদুল্লাহঅনেক দিন ধরেই একই ধরনের ক্যাওয়াজ শুনে আসছি- “ভারতকে এটা থেকে বাঁচাও, ওটা থেকে বাঁচাও। কিন্তু আসল কথা হলো, ভারতকে ঐসব লোকদের হাত থেকেই বাঁচাতে হবে যারা এই ধরনের ক্যাওয়াজ তৈরি করছে। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই যে, ক্যাওয়াজ করার ব্যাপারে এই লোকগুলো বে…Read More
3 Comments -
-
Syed Farah and
অয়ন আবদুল্লাহ are now friends
-
বিশ্বস্ত কিছুই নয়
–যতটুকু গভীর আশ্বাস লুকিয়ে থাকে চোখের ভিতর
তারও অধিক লুকায়িত খঞ্জরের ধারে।
এরপরও আমি জানি
কারও কারও কথা, কারও কারও ব্যথা
জ্বলে আজীবন, জ্বালায় আজীবন।ঐ পাখিজীবন নিয়ে
যে সাঁতরায় মাছেদের সাথে,
জলের বিবাদে মাতে রঙিন জলসায়-
প্রশ্ন আসে- বিলুপ্ত ডায়নোসরের মতো
মানুষের বিশ্বাসে।কে হাসে?
কে আসে
ধীরপায়ে এগিয়ে হাত…Read More11 Comments-
-
খুব সুন্দর ও ভাবনা জাগানো লেখা! অবিশ্বাসের এই যুগে বিশ্বাসী হতে চাওয়ার এই আকুতি গভীরভাবে হৃদয় ছুঁয়ে যায়! আপনার শব্দগুলো অবশ্যই কোনো না কোনো হৃদয়ে আলো জ্বালাবে কবিপ্রিয়, ভালবাসা নেবেন!
-
আপনার কবিতাটি মূলত ক্ষয় আর অমরত্বের লড়াই। একদিকে “পচে যাওয়া মানুষের কোলাহল,” অন্যদিকে “কবিতা পড়ে মিছিলের প্রেমিকা” হওয়ার স্বপ্ন—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে কবিতাটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত হয়েছে। বিশ্বাসের অভাবের কথা বলতে বলতে আপনি আসলে মানুষের প্রতি এক গভীর দায়বদ্ধতার কথাই প্রকাশ করেছেন।
আপনার ভেতরের এই হাহাকার আর শিল্পের সমন্বয়টি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। অবিরত লিখে যান!
-
“এই পচে যাওয়া মানুষের কোলাহলে।” ___খুবই স্পর্শকাতর হৃদয়ের উপলব্ধি ফুটে উঠেছে আপনার রচিত এই পঙক্তিতে।
-
-
খুলে দাও
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহঅমৃতসর থেকে বিশেষ ট্রেনটি দুপুর দুইটায় যাত্রা শুরু করে আট ঘণ্টা পরে মুঘলপুরায় পৌঁছায়। পথিমধ্যে বহু পুরুষ মারা গেছে, অনেকে আহত হয়েছে আর কেউ কেউ বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে গেছে।
সকাল ১০ টা। ক্যাম্পের ঠাণ্ডা মাটিতে শুয়ে থাকা সিরাজউদ্দিন চোখ খুলে যখন তার চারপাশে পুরুষ, নারী ও শি…Read More2 Comments -
অয়ন আবদুল্লাহ and
ইফতিশা খানম are now friends
-
abrar and
অয়ন আবদুল্লাহ are now friends
-
ফিসফাস গল্প
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহসময়টা কনকনে শীতকাল।
রাত তখন দশটা। শালামার বাগ থেকে লাহোর যাওয়ার রাস্তাটা নির্জন আর অন্ধকার ছিলো। চারপাশে ঘন কুয়াশার মেঘ, সেইসাথে জব্বর বাতাস।
আশেপাশের সবকিছু যেন ঠাণ্ডায় জমে আছে। রাস্তার ধারের দুটো নিচু বাড়ি আর গাছগুলোকে দেখাই যাচ্ছে না ঠিকমতো। দূরের বিদ্যুতের খুঁটিগু…Read More5 Comments-
শীতের কুয়াশা আর হীরামন্ডির অন্ধকার গলি—গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা বিষণ্ণ আবহ কাজ করেছে। দারুণ কাজ! অনুবাদও হয়েছে চমৎকার
-
গল্পটা পড়ে মাথা ঘুরে গেল… মান্টোর অনুবাদ করা সহজ কাজ নয়, কারণ তাঁর ভাষায় যে তীক্ষ্ণ বিদ্রূপ আছে সেটা ধরে রাখা কঠিন। কিন্তু আপনি সেটা চমৎকারভাবে করেছেন… 💙❤
-
- Load More Posts
Friends
মো: মনিরুজ্জামান সারজিল
@zaman2802
Shafi Hoque
@shafi-hoque
সারোয়ার -ই-কায়নাত
@mohammadsarwar-ekaynat
Eagles Dance Company
@eaglesdancecompany
BONI AMIN
@boniamin
TARIN
@tarin
আরাফাত অভি
@arafatavi
Hafez Abdullah Abdullah
@hafezabdullahabdullah
Sanaullah Al-Mubin
@sanaullahal-mubin






শুধু খুনের গল্প নয়; যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও মানবমনের কার্যপ্রণালী নিয়ে এক অনন্য সাহিত্যভ্রমণ।