<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | অনিক ভট্টাচার্য্য | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/cholechi-udoyer-pathdhore/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/cholechi-udoyer-pathdhore/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for অনিক ভট্টাচার্য্য.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 15 Sep 2026 05:54:43 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">45e1ce56be17a8ef0557b9896d1701d0</guid>
				<title>তিতলি&quot;
অনিক ভট্টাচার্য্য

তিতলি, পেছন থেকে ডাক শুনে হটাৎ চমকে স্নিগ্ধা পেছন ফিরে তাকায়, দেখে কেউ নেই, সব সময় রাব্বি যাওয়ার পর থেকে শুধু লাগে, এই বুঝি রাব্বি ডাকলো, এখনো বিশ্বাস করতে পারছেনা, রাব্বি আর কোনদিন ফিরে আসবে না, আজ প্রায় বছর গড়াতে লাগলো রাব্বি নেই, সেই দিনটির কথা মনে পড়লে উন্মাদের মতো কাঁদতে থাকে স্নিগ্ধা, ছুটে চলে আসে বাড়ির পাশের এ ছোট্ট পার্কটিতে তারপর একাকি বেঞ্চিতে বসে সামনের ফোয়ারা দেখতে দেখতে হারিয়ে যায় সেসব দিনগুলোতে, এখানেই তাদের প্রথম আলাপ ,খুব প্রিয় জায়গা দুজনের ছিলো, বিকেল বেলা হাত ধরাধরি করে বাগানের এ বেঞ্চিতে বসে সামনের ফোয়ারাটার দিকে তাকিয়ে ,কতো গল্প করতো, কতো স্বপ্ন বুনতো আগামীর জন্য, কতো ঝগড়া ,মান অভিমান হতো ,প্রায় ঝগড়া হলে রাব্বি বলতো দেখিস আমি চলে যাবো আর ফিরবো না, তখন হাজারো রাগ থাকলেও
তিতলি নিজের থেকেই সরি বলে উল্টো মানাতো এতে তিতলির কোন দোষ না থাকলেও, এর জন্য মাঝে মধ্যে রাব্বির রাগ কমার বদলে বেড়ে যেতো কারন রাব্বি সবসময় যে ভুলটা করেনি তার জন্য এবং কোন বিষয়ে তিতলি সরি বলুক বা মাথা নত করুক পছন্দ করতো না, দুজন দুজনার সাথে ঝগড়া ,মারামারি আবার একজন অন্যকে ছাড়া চলতে পারতো না, যতকষ্ট‌ই হোক বা যত গোপন হোক বা যায় হোক একে অন্যের কাছে কিছু লুকোত না, তারা ঠিক করে  রাব্বি একটু নিজ পায়ে দাঁড়ালে দুজন দুজনার ঘরে তাদের সম্পর্কের কথা বলবে, তাহলে বিয়েতে বাঁধা আসবেনা, দরকার হলে অপেক্ষা করবে, কিন্তু পালিয়ে বা পরিবার কে আঘাত দিয়ে বিয়ে করবেনা, বার বার চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে মন খারাপ করে ফিরে আসতো রাব্বি সেদিন কোন কথা বলতো না, কারো ফোন ধরতো না, শেষে স্নিগ্ধা ই খুঁজে আনতো , কোন না কোন পার্কে একাকী চুপচাপ বসে থাকতো, বারবার স্নিগ্ধা অনুপ্রেরণা দিয়ে স্বাভাবিক হতো, অনেক কিছুর পর সে কাঙ্খিত দিনটি এসেই গেলো, একটা প্রেশার কুকার কোম্পানির চাকরি, অনেক উঁচু পোস্ট ,এটা দেখেই রাব্বি বাদ দিয়ে দেয় কারন সাধারণ মাপের চাকরিই হচ্ছে না, তো এটা কি করে হবে? স্নিগ্ধা জোর করে এই বলে পাঠালো এমনি তে বাকি গুলোতে বাদ যায় আর এটা তো জানেই বাদ যাবে তাই এটাতে চাপ নেওয়ার ব্যাপার‌ই নেই, গেলে লাভ না হোক ক্ষতি তো হচ্ছেনা, তাই মন খারাপের ও কিছূ নেই, এভাবে খুব সাধারণ ভাবে, আশা ছাড়ায় যায় তাই কোন প্রস্তুতি ই নিলো না,যাওয়ার সময় কম করে তিন চার বার দাঁড়িয়ে পেছন ফিরে স্নিগ্ধা কে ডাকে, &quot;তিতলি&quot; বলে, স্নিগ্ধার এ নাম টা রাব্বির দেওয়া, চঞ্চলতার জন্য স্নিগ্ধাকে ভালোবেসে রাব্বি তিতলি ডাকতো,কিন্তু অবাক করার ব্যপার হলো অপ্রত্যাশিত ভাবে সে চাকরি সে পেয়ে যায়, লাখ টাকা মাইনে, এতো খুশিতে মোবাইল টা ইন্টারভিউ টেবিলে ফেলে আসে, অফিস থেকে দ্রুত বের হয়ে, রাস্তা পার হয়ে গাড়িতে উঠতে যাবে, তখন মাথায় এলো একটা ফোন করে জানায়, পকেটে হাত দিতেই মনে পড়ে, অফিসে ফেলে আসার কথা, তারাহুরো করে আবার রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুত গতিতে আসা বাস খেয়াল করেনি , প্রচন্ড গতিতে আসা বাস মুহূর্তে পিষে দিয়ে চলে যায়,ছিটকে পরে স্বপ্নের চাকরির নিয়োগ পত্র, সহ তার সক্ষমতার মান পত্র গুলো যা এতো দিন কারো কাছে মুল্য ছিলোনা, আর মূল্যবান হয়েও ছিটকে গেলো, হাসপাতাল নেওয়ার আগেই সব শেষ, রক্তাক্ত রাব্বির দেহ দেখে, স্নিগ্ধা কাঁদতে ভুলে যায় অনেকক্ষণ পাথর হয়ে যায়, তারপর থেকে স্নিগ্ধা এখনো মানতে চাইনা রাব্বি সত্যি বারবার যায়যায় বলতে সত্যি এবার চলে গেলো, বারবার লাগে পেছন থেকে এই বুঝি রাব্বি ডাকলো&quot;তিতলি&quot; এই তিতলি পিছনে তাকা , মনে হয় স্বপ্ন দেখছে, এক্ষুনি রাব্বি এসে ডাকবে &quot;তিতলি&quot; এ্যাই তিতলি ওঠ , কুম্ভকর্ণ আর কতো ঘুমোবি?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/107763/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Apr 2022 20:13:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তিতলি&#8221;<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>তিতলি, পেছন থেকে ডাক শুনে হটাৎ চমকে স্নিগ্ধা পেছন ফিরে তাকায়, দেখে কেউ নেই, সব সময় রাব্বি যাওয়ার পর থেকে শুধু লাগে, এই বুঝি রাব্বি ডাকলো, এখনো বিশ্বাস করতে পারছেনা, রাব্বি আর কোনদিন ফিরে আসবে না, আজ প্রায় বছর গড়াতে লাগলো রাব্বি নেই, সেই দিনটির কথা মনে পড়লে উন্মাদের মতো কাঁদতে থাকে স্নিগ্ধা, ছুটে চলে আসে বাড়ির প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-107763"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/107763/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">10e225da42f29df6e97519d4519bec0d</guid>
				<title>&quot;সুখ পাখি&quot;
অনিক ভট্টাচার্য্য

রাজু আজ অফিস গেলো না, এর জন্য ছুটিও নিলো না, সারাবছর রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে কেউ কোনদিন অফিসে ছুটি বা ফাঁকি নিতে দেখেনি, প্রচন্ড অসুখেও এমন‌ও দিন গেছে যে ছুটি নেয়নি তার ওপর একটানা ওভারটাইম করে গেছে, কিন্তু প্রতিবছর ২৩শে সেপ্টেম্বর সে অফিসে আসবেনা, দুনিয়ার যায় হোক, এদিন ও অন্যজগতে চলে যায়, অফিসে দীর্ঘদিন থাকার ফলে বস সহ প্রত্যেকে জানে তাই শুরু শুরুতে জানতে চাইলেও এখন আর জানতে চাই না, যে সারাবছর ফাঁকি না দিয়ে কাজ করে চলেছে যার ডায়েরীতে ফাঁকি দেওয়াটা নেই সে যদি একদিন না আসে তাতে ক্ষতি কি? তাঁর থেকেই বোঝায় যায় দিনটির গুরুত্ব কতখানি রাজুর কাছে, আজ‌ও তার ব্যতিক্রম হলোনা, সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে সাদা শার্ট,কালো প্যান্ট এটি চয়নিকার খুব প্রিয়, চয়নিকা বলতো এমন পোশাকে  তাকে অর্থাৎ রাজুকে খুব দারুন লাগে, তাই যখন‌ই তাদের দেখা হতো , রাজু সাদা শার্ট কালো প্যান্ট আর চয়নিকা সাদা সেলোয়ার পরতো, বিশেষ করে ২৩শে সেপ্টেম্বর এ দিনটি রাজুর জন্য খুব স্প্যশাল, আজকের দিনে চয়নিকার জন্মদিন, কাকতালীয় ভাবে আজকেই চয়নিকার সাথে প্রথম দেখা বাস স্ট্যন্ড এ, দুজনেই এক‌ই অফিসে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছিলো কিন্তু তখনো কেউ কাউকে চেনেনা, ইন্টারভিউ তে রাজু সুযোগ পেলেও চয়নিকা বাদ পরে যায়, খুব কান্না করছিলো অফিসের বাইরে, রাজু বের হতেই চোখে পরে, অফিসের বাইরে বসে বসে কাঁদতে সামনে যেতেই জিজ্ঞেস করে , এর পর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব হয়, এর কিছুদিন পর আরেকটি অফিসে চয়নিকার ইন্টারভিউ হয়, এবার চয়নিকার সাথে রাজু যায়, বারবার সাহস জোগাতে থাকে, এবার চয়নিকার চাকরিটা হয়ে যায়, চাকরি পেয়ে চয়নিকা খুব খুশি, প্রায় ১৫/২০ টা ইন্টারভিউর পর‌ও হয়নি, এবার হয়ে গেলো, মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা মরা ,দুটো বোন, এর দায়িত্ব একা কাঁধের উপর মা ও অসুস্থ তাই চাকরি টা খুব দরকার ছিলো, চয়নিকা এর জন্য মনে করে রাজুর সৌভাগ্য আর মোটিভেশন কাজ করেছে, এর পর থেকে রাজু আর চয়নিকা আরো কাছে আসতে থাকে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে, প্রতিবছর এ দিনটি রাজুর জন্য খুব স্প্যাশাল, দুনিয়ার যত্তো কাজ থাক আজকের দিনে রাজু তৈরী হয়ে ঠিক সকাল ১১টাই &quot;অবন্তিকা পার্কে&quot; সাদা অর্কিড নিয়ে রাজু আসবেই , এটা আজ দীর্ঘ ৪/৫ বছরের অভ্যেস ,সাদা অর্কিড চয়নিকার খুব প্রিয়, এটা পেলে খুব খুশি হতো, কিন্তু কোন কিছু চাইতো না, শুধু রাজুর বুকে মাথা রেখে চুপচাপ বসে থাকতো,আজ‌ও ব্যতিক্রম হলো না, চয়নিকার প্রিয় সাদা অর্কিড নিয়ে সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরে &quot;অবন্তিকা পার্কে&quot; এলো, সব ঠিকঠাক শুধু আজ চয়নিকা নেই, পরে আছে সেই পার্কের ব্যঞ্চ যেখানে চয়নিকা রাজুর বুকে মাথা রেখে চুপচাপ বসে থাকতো, আর মাঝে মাঝে সাদা অর্কিড এনে রাজু সারপ্রাইজ দিতো,সাদা অর্কিড পেয়ে খুব খুশি হয়ে যেতো, সেদিন‌ও ছিলো ২৩শে সেপ্টেম্বর, চয়নিকার জন্মদিন, রাজুর প্রমোশন হলো আগের দিন কিন্তু বলেনি ভেবেছে সেদিন বলবে, আর বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেবে, পার্কে এসে সময় মতো অপেক্ষা করতে করতে , প্রায় এক প্রকার অধৈর্য্য হয়ে গেলো ঠিক তখনই  পকেটের ফোন টা বেজে উঠলো হাতে নিয়ে দেখলো, &quot;সুখ পাখি&quot; চয়নিকাকে রাজু ভালোবেসে &quot;সুখ পাখি&quot;ডাকতো, ফোন তুলতেই একটা অচেনা গলা, হাসপাতাল থেকে ফোন, গাড়ি দুর্ঘটনায় একজন মেয়ে মারা গেছে, তার চেহারা দুর্ঘটনায় এতোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চেনার উপায় নেই, হাতের মোবাইল টা পেয়ে ফোন করেছে হাসপাতাল থেকে সর্বশেষ নম্বরটি ছিলো রাজুর, ফোন পেয়ে পাগলের মতো ছুটে গেলেও বিশ্বাস করেনি দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিটি তার &quot;সুখ পাখি&quot; অন্য কেউ হয়তো ফোনটি চুরি করেছে, আর রাজুর নম্বর সেভ নেই তাই হয়তো কল করতে পারছেনা, ও কোথাও গেছে , ঠিক আসবে, সেদিন থেকে প্রায় প্রতিদিনই অফিস সেরে সোজা অবন্তিকা পার্কের সেই ব্যঞ্চিতে বসে অপেক্ষা করে, রাজু, আর জন্মদিনে  প্রিয় অর্কিড ফুল নিয়ে , সাদা শার্ট ,কালো প্যান্ট পরে এক‌ই জায়গায় অপেক্ষা করে ঠিক সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত সময় আসে আর যায়, শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষাও গিয়ে ফিরে আবার আসে, কিন্তু আসেনা খালি রাজুর আদরের &quot;সুখ পাখি&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/107762/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Apr 2022 20:12:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;সুখ পাখি&#8221;<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>রাজু আজ অফিস গেলো না, এর জন্য ছুটিও নিলো না, সারাবছর রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে কেউ কোনদিন অফিসে ছুটি বা ফাঁকি নিতে দেখেনি, প্রচন্ড অসুখেও এমন‌ও দিন গেছে যে ছুটি নেয়নি তার ওপর একটানা ওভারটাইম করে গেছে, কিন্তু প্রতিবছর ২৩শে সেপ্টেম্বর সে অফিসে আসবেনা, দুনিয়ার যায় হোক, এদিন ও অন্যজগতে চলে যায়, অফিসে দীর্ঘদিন থা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-107762"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/107762/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dc979b25806e58faf762cea4a06f4d2b</guid>
				<title>অপর্ণা

 অনীক ভট্টাচার্য্য

ট্রেনটা চলে যাচ্ছে, অপর্ণা দাঁড়িয়ে নিষ্পলক ভাবে চেয়ে আছে, অজান্তেই তাঁর চোখ ভিজে গিয়ে ফোঁটা দুচারেক গড়িয়ে রেলের মেঝেতে শত সহস্র ধুলিকণার সাথে মিশে গেলো ঠিক মুহুর্তেই যেমন রাব্বি দীর্ঘ ২৫ বছর পর সামনে এসে হারিয়ে গেলো, অপর্ণা তার স্বামী অর্কজীত কে বাড়িয়ে দিতে আসছিলো, অফিসের কাজে বাইরে যাবে , তাই এই শীতের রাতে অপর্ণা তার ছেলেকে নিয়ে , ট্রেনে তুলে দিতে এলো, ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার বাঁশি বাজতেই , অর্কজীতকে হাত নাড়িয়ে বিদায় দিতে দিতে হঠাৎ চোখ পড়লো, অর্কজীতের গাড়ির কামরার দরজার সামনে , কালো জ্যাকেট পড়া একটা ছেলে , ঠাঁই তার দিকে তাকিয়ে আছে, প্রথমটা চিনতে না পারলেও হটাৎ চিনতে পারলো, গোঁফ, দাঁড়িতে ভরা লোকটা আর কেউ না, রাব্বি, আজ অনেকটা বছরে অনেক কিছুর সাথে রাব্বিও বদলেছে,সেই প্যাঁকাটি মার্কা শরীর আর নেই, বেশ ওজন আর ভরিক্কি এসছে বয়েসের তাই চট করে এতো বছর পর চিনতে পারেনি,ট্রেনটা চলতে শুরু করতেই লোকটি অপর্ণার দিকে একটু মুচকি হেসে বলল ভালো আছো অপু? অপর্ণাকে রাব্বি ভালোবেসে অপু ডাকতো, কলেজের এক বছরের সিনিয়র ছিলো রাব্বি , কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে সেখানে কথা বার্তা , আলাপ, ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব প্রেম, সব সময় কলেজ ফাঁকি দিয়ে লালদীঘির পাড়ের ডায়মন্ড এর চায়ের দোকানে বসে চা আর কাটলেট, সঙ্গে ভালো লাগা, ভালোবাসার স্বপ্ন বোনা, কখনো বা বাসে বাদুর ঝোলা ঝুলতে ঝুলতে নেভাল যাওয়া, নদী-সমুদ্রের মোহোনার পাশের রাস্তায় হাতে হাত রেখে ঘোড়া ,কতো চিঠি, একে অপরকে দিতো, চিঠি গুলোতে ভর্তি ছিলো আগামীর স্বপ্ন , শিক্ষাজীবন শেষে একটা চাকরি করে , বিয়ে করে সুন্দর ছোট্ট একটা দুজনার দুনিয়া গড়ার, সেদিন ছিলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে, আগের থেকে সব ঠিক ঠাক করা ছিলো , সারাদিন কিভাবে কাটাবে? কলেজের সারাবছরের খরচ বাঁচিয়ে রেখেছিলো , ভালোবাসা দিবসে কিছু দেওয়ার জন্য, খুব সুন্দর লাল জামা, এক জোড়া পায়ের নূপুর, এগুলো সারপ্রাইজ পেলে অপর্ণার অনুভূতি কি হবে সেটা ভাবতে ভাবতে গভীর চিন্তায় ডুবে গেলো, অপেক্ষা করতে করতে সকাল থেকে বিকেল বিকেল থেকে সন্ধ্যা, শেষে এক বুক হতাশা নিয়ে রাব্বি চলে গেলো, বর্তমান সময়ের মতো এতোটা মোবাইল এর প্রচলন বা ব্যবহার তখন ছিলো না, যে সারা রাত চ্যাট করবে, বা তার না আসার কারন জানা যেতো, হয়তো শরীর খারাপ তাই আসেনি অথবা অনেক কারন থাকতে পারে, এর পর থেকে প্রতিদিন সেই জায়গায় এসে অপর্নার জন্য অপেক্ষা করতে থাকলো, সময় গড়িয়ে যায়, অপর্ণার আর দেখা পাওয়া যায়না, হটাৎ একদিন অপর্ণা কাঁদতে কাঁদতে এসে রাব্বিকে বলল আমার সামনে সপ্তাহে বিয়ে, ছেলে বড়ো কোম্পানী তে কাজ করে, আর রাব্বির বেকারত্বের জন্য অপর্ণার মা বাবা পছন্দ করে না, শেষ বাড়ের মতো রাব্বিকে জড়িয়ে ধরতে এসেছিলো, রাব্বি অপর্ণার বিয়েতে যায়, অপর্ণাকে বিবাহের  শুভেচ্ছা দিয়ে বের হয়ে হাড়িয়ে যায় অজানায়।।।কোন বন্ধুও খুঁজে পাওয়া যায় খুঁজে পায়নি,সব অতীত স্মৃতি অপর্ণার সামনে এসে স্মৃতির অতল গহ্বরে তলিয়ে নিয়ে যায়, ছেলের হটাৎ ডাকে , সম্বতি ফিরে পাই, ট্রেনটাও রাতের  আধাঁরে কুয়াশার মধ্যে হারিয়ে যেতে লাগলো, অতীত এবং বর্তমানকে নিয়ে।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/107761/</link>
				<pubDate>Sat, 30 Apr 2022 20:11:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপর্ণা</p>
<p> অনীক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>ট্রেনটা চলে যাচ্ছে, অপর্ণা দাঁড়িয়ে নিষ্পলক ভাবে চেয়ে আছে, অজান্তেই তাঁর চোখ ভিজে গিয়ে ফোঁটা দুচারেক গড়িয়ে রেলের মেঝেতে শত সহস্র ধুলিকণার সাথে মিশে গেলো ঠিক মুহুর্তেই যেমন রাব্বি দীর্ঘ ২৫ বছর পর সামনে এসে হারিয়ে গেলো, অপর্ণা তার স্বামী অর্কজীত কে বাড়িয়ে দিতে আসছিলো, অফিসের কাজে বাইরে যাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-107761"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/107761/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">52cde30d271b66f6a488fd728b8d4c05</guid>
				<title>আর ফেরা হবেনা
অনিক ভট্টাচার্য্য
একটু পর ট্রেন টা ছেড়ে দেবে , চলে যাচ্ছি দূর অনেকদূর , যেখানে এ শহরের যন্ত্রনা, কষ্ট থাকবেনা, এ শহরটা এক সময় প্রানের শহর ছিলো, প্রান দিয়ে ভালোবেসেছি, শহর বা দেশের বাইরে গেলে মনটা ছটফট করতো, শহরের দিকে যতো আসতাম আলাদা এক উত্তেজনা কাজ করতো, এ শহরের বুকে স্কুল করেছি, কবিতা লিখেছি, কলেজ করেছি, কফি হাউসে , কলেজস্ট্রীটে দাবড়ে বেড়িয়েছি, রাত জেগে সিনেমা দেখেছি, প্রেম করেছি, দূর্গাপুজোয় হুল্লোর করেছি, ভোর বেলা মাঠে ক্রিকেট খেলেছি, কতো সোনালী স্মৃতি ভালোবাসার প্রতিটি মুখের বাস এ শহরে, যাদের দেখে বেড়ে  উঠেছি, যাদের শাসন, আদরে এতো কিছু হলাম, যাদের সাথে সুখ দুঃখ ভাগাভাগি তে ছিলাম , আজ চলে যাচ্ছি তাদের ছেড়ে , অনেক অভিমান , অনেক যন্ত্রনা বুকে নিয়ে, ভালোবাসার শহরটি হটাৎ করে কষ্টের , আঘাতের শহর হয়ে গেলো, আপন মুখ গুলো ছেড়ে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছে , প্রানের চেয়ে প্রিয় ঘরটির বাইরে পা রাখলাম জানি আর ফিরে যাওয়া হবেনা, ফেলে এলাম পাড়াটি , সবাই এখনো ঘুমে আচ্ছন্ন , আমি চলে যাচ্ছি প্রিয় রাস্তা , প্রিয় রাস্তার চায়ের দোকানের গন্ধ বা ভোরের খেলার মাঠটি ছেড়ে, আর খেলার জুতো গুলোয় পা গলানো হবেনা, বল গুলো ,ব্যাট টা আর মাঠে গড়াবে না, মেট্রো স্টেশনের নিচে, বা পাটুলির আইল্যান্ড ধরে হাঁটা হবেনা, ছেড়ে চলে যাচ্ছি সবাইকে ছেড়ে, জানি হয়তো কখনো আবার আসবো , কিন্তু আর থাকা হবেনা, আর বিকেলে হাঁটা হবেনা, কলেজস্ট্রীটে আর কফি হাউজের আড্ডা আর হবেনা, কারন আড্ডার সাথীরা আর থাকবেনা , প্রিয় বাজারে মাছ ,সবজি বা মুরগি কিনতে যাবো না, বা পেটাই পরটা তরকা খাওয়া হবেনা , সব বাঁধন ছিন্ন করে চলে যাচ্ছি ট্রেনে দূর বহুদূরে।।।।যেখান থেকে আর ফেরা হবেনা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/106876/</link>
				<pubDate>Thu, 21 Apr 2022 02:33:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আর ফেরা হবেনা<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য<br />
একটু পর ট্রেন টা ছেড়ে দেবে , চলে যাচ্ছি দূর অনেকদূর , যেখানে এ শহরের যন্ত্রনা, কষ্ট থাকবেনা, এ শহরটা এক সময় প্রানের শহর ছিলো, প্রান দিয়ে ভালোবেসেছি, শহর বা দেশের বাইরে গেলে মনটা ছটফট করতো, শহরের দিকে যতো আসতাম আলাদা এক উত্তেজনা কাজ করতো, এ শহরের বুকে স্কুল করেছি, কবিতা লিখেছি, কলেজ করেছি, কফি হাউসে , কলেজস্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-106876"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/106876/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f70bc3043b09de3d2824369dc4d2ab4</guid>
				<title>আসবো আবার ফিরে
অনিক ভট্টাচার্য্য
আসবো আবার ফিরে, আজ‌ যাচ্ছি আমি চলে,
আজ আমার খোঁজ রাখবেনা কেউ যদি যায়  চলে।
খুব মেতেছি, খুব বকেছি, আপন  যাদের ভেবে,
তাদের কাছে দর হারালাম অতি সস্তা ভেবে।
যাচ্ছি আমি চলে , বলে হয়তো যাবো না, 
বলে গেলেও তাতে বিশেষ কিছু হবে না।
এতো কাল তো ছিলাম আদরে আবদারে আপন ভেবে,
আসলে ভাবিনি তারা ছিলো‌ আমার কাছে প্রয়োজন ভেবে।
আজ কদর নেই , নেই ভালোবাসা,
আজ তাই শেষ ট্রেনে যাচ্ছি চলে 
নিয়ে মনে কষ্ট আর একটু আশা।
কারো প্রতি রাগ নেই , নেই কোন অভিমান।
যাচ্ছি আজ ,আসবো ফিরে ,‌নিয়ে নিজের মান আর সম্মান।
কখনো করেছি আদর, কখনো বা স্নেহ ,
ভালোবেসে ‌বুকে টেনেছি , সেটাও খারাপ ভেবেছে কেহ।
আজ কদর কমেছে আমার দোষে,
কাছে টেনে বুকে জড়ানোর দোষে।
নিজের সুদিন ফিরলো বলে, তাচ্ছিল্য হলাম শেষে।
আজ কথায় কথায় অবহেলা,
বিরক্ত আর কাজ থাকে নাকি মেলা।
তাই সবার জন্য সময় থাকে আমার বেলায় কাজ ।
আমার দিবস ফুরিয়ে এলো নেমেছে যে সাঁঝ।।
আবার আসবো কোন‌ এক ভোরে,
তখন জানি ছুঁড়ে ফেলা মানুষ গুলোই নেবে আপন করে।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/106646/</link>
				<pubDate>Mon, 18 Apr 2022 15:11:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আসবো আবার ফিরে<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য<br />
আসবো আবার ফিরে, আজ‌ যাচ্ছি আমি চলে,<br />
আজ আমার খোঁজ রাখবেনা কেউ যদি যায়  চলে।<br />
খুব মেতেছি, খুব বকেছি, আপন  যাদের ভেবে,<br />
তাদের কাছে দর হারালাম অতি সস্তা ভেবে।<br />
যাচ্ছি আমি চলে , বলে হয়তো যাবো না,<br />
বলে গেলেও তাতে বিশেষ কিছু হবে না।<br />
এতো কাল তো ছিলাম আদরে আবদারে আপন ভেবে,<br />
আসলে ভাবিনি তারা ছিলো‌ আমার কাছে প্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-106646"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/106646/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a586df40685f27dfd3d3721283475c5</guid>
				<title>মা কে বড্ড মনে পড়ছে,‌

অনিক ভট্টাচার্য্য

আজ বাংলা বর্ষের শেষ দিন, সারাদিন তাই অফিসে অনেক কাজ ছিলো, চাপ বিশাল কাল আবার ছুটি, টানা এদ্দিন কাজে কর্মে কখন যে সময়টা এলো আর গেলো টেরই পেলাম না, আজ বেশ সন্ধ্যের পর হলো অফিস থেকে বের হতে, সকাল বেলা এই যে অফিসে ঢোকা ,সারাদিন লোড শেডিং এর সাথে আদ্দি কালের কম জোরি ফ্যান এর নিচে এতো সময় কাজ করতে করতে প্রান যাওয়া উপক্রম, ছুটির পর রাস্তায় নেমেও নিস্তার নেই, আকাশ গুমোট হয়ে থাকায় একটা শ্বাসের ও কষ্ট হচ্ছে , তার ওপর বাতাস ও নেই, আর এক জ্বালা হলো শহুরে গাড়ি ঘোড়া এমনিতে তাদের উৎপাতে, ভীড়ে সারাটা দিন বিরক্ত লাগে আর এদিকে খুঁজতে গেলে পাত্তা নেই, সন্ধ্যের পর সব গাড়ি শর্ট ভাড়া মারার ধান্দায় থাকে তাই পেতে কষ্ট , অনেক কষ্টে ঘন্টা আর্ধেক এর চেষ্টায় পেলাম , কোনমতে, ঘরে ঢুকতেই আরেক জ্বালা কারেন্ট নেই, অনেক কষ্টে হাতরে মোমবাতি, দেশলাই টা নিয়ে বাতি ধরালাম একা মানুষ সব নিজেকে করতে হয়, বিয়ে শাদীও করিনি যে, কেউ আমার অপেক্ষায় বসে থাকবে, এর পর হাত মুখ ধুয়ে, রান্না চাপিয়ে একটু বসলাম, আজ রান্না করতে মন চাইছে না, শরীর টা আর টানছে না। ইশ্‌ মা যখন ছিলো রাজপুত্রের মতো রাখতো , কতো চিন্তা ,খোকা আসতে দেরী কেন? খোকার জন্য এই করি ঐ করি, আজ‌ও মনে পরে প্রথম যখন চাকরি টা পাই , মা খুশি হ‌ওয়ার বদলে করতেই দিতে চাইনি , ছেলের কষ্ট হবে তাই , আসলে বাবা চলে যাওয়ার পর মার জগৎটা আমাকে ঘিরেই ছিলো, সব মা গুলো কি এমন হয়?লোকে এমন আচরন কে স্বার্থপর বলে , আমার খোকা দুনিয়ার সব জানে, সব পারে, সবার আগে আমার খোকাকে পেতে হবে, অন্যদের আগে, মায়েরা একটু হয়তো স্বার্থপর‌ই হয়, এতোটা আদর মাঝে মাঝে বিরক্ত লাগতো, একটু বাইরে আড্ডা সময় কাটানো কোনটাই করা যেতো না, অফিস থেকে ফিরতে দেরী হলে ফোনের পর ফোন, আজতো আবার বছরের শেষ দিন, এদিন সারা ঘর নিম পাতা আর নীল ফুল দেবে, আর নিরামিষ রাঁধবে, স্নান করার জন্য সকাল সকাল নিম, হলুদ, সর্ষেএকসাথে বেটে স্নানের জন্য রাখতো, মঙ্গল নাকি। আজ খুব মনে পরছে, সময়ের নিষ্ঠুর গতীতে আজ বছর পাঁচ মা কে ছাড়া চলে গেলো, আজ সত্যি অত্যাচার গুলো খুব মিস করি, এখন আর দুপুরে লাঞ্চ টাইমে ফোনের পর ফোন আসেনা খেলাম কিনা খবর নিতে , অফিসে দেরী হলে উদ্বিগ্ন হয়ে পায়চারি করার কেউ নেই, আমার আসার পথটি চেয়ে কেউ পথ চেয়ে বসে থাকে না, ক্লান্ত হয়ে অফিস ফিরে এক হাতে গ্লাসে জল ,অন্যহাত মাথায় বুলিয়ে আর জিজ্ঞেস করেনা কেউ , খুব কাজের চাপ পড়ছে খোকা? যা হাত মুখ ধুয়ে আয় তোর পছন্দের কাতলা মাছের কালিয়া ,আর মটন করেছি , এখন আর খাবার খাওয়া না খাওয়া , বছর শেষে ঘর পরিষ্কার এর ব্যস্ততা , বা নিম , হলুদ, সর্ষের স্নান , নিরামিষ খাওয়া বা নতুন বছরে বিশেষ খাওয়া এসব আর হয়না , যেভাবে চলার চলে,আমার শরীর খারাপ হলে আর কেউ পাগলের মতো ছটফট করা দূর, খবর নেওয়ার ও নেই , আজ আর আড্ডা মারি না, ছুটে ঘরে  আসি , আজ‌ও অভ্যেস টা কাটাতে পারিনি , মাঝে মাঝে আজ‌ও ভুলে কাজ শেষে ছুটে আসি মা চিন্তা করবে ভেবে, অথবা দুপুরের টিফিনে কল না এলে ভুলে মা কে কল দিতে গিয়ে মনে পরে, ফোন তো শেষ বার মায়ের করা শেষ দুপুরের কল এর পর বন্ধ হয়ে যায়, আর ফোন আসেনা ফোনটা থেকে, আজ সত্যি সবসময় মাকে বড্ড মনে পরে, বিশেষ করে রাত পোহালেই বর্ষ বরন এখন মা কে বড্ড মনে পরছে।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/106418/</link>
				<pubDate>Sat, 16 Apr 2022 19:04:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা কে বড্ড মনে পড়ছে,‌</p>
<p>অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আজ বাংলা বর্ষের শেষ দিন, সারাদিন তাই অফিসে অনেক কাজ ছিলো, চাপ বিশাল কাল আবার ছুটি, টানা এদ্দিন কাজে কর্মে কখন যে সময়টা এলো আর গেলো টেরই পেলাম না, আজ বেশ সন্ধ্যের পর হলো অফিস থেকে বের হতে, সকাল বেলা এই যে অফিসে ঢোকা ,সারাদিন লোড শেডিং এর সাথে আদ্দি কালের কম জোরি ফ্যান এর নিচে এতো সময় কাজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-106418"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/106418/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">36f57e7d140944363b7b805aded86c97</guid>
				<title>সেদিনও বৃষ্টি ছিলো,
অনিক ভট্টাচার্য্য

আজ ১৫ই এপ্রিল , আজ‌ও বাইরের আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নেমেছে, কটা দিন কড়া গরমের পর আজ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নেমেছে, বৃষ্টির ঝাঁট এতো বেশি কাঁচের জানালা বন্ধ করে দিতে হলো,‌ স্বচ্ছ কাঁচের জানালা দিয়ে , রাস্তা দেখা যাচ্ছে , একে অনেক রাত, তার ওপর ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, তাই পুরো রাস্তা ফাঁকা, রাস্তার ধারের বন্ধ দোকান গুলোর চালা বেয়ে জল ধারা গড়িয়ে রাস্তায় পরছে, আজ সারা শরীরে প্রশান্তি খেলে গেলো,আজ খুব মনে পড়ছে &quot;সৃজা&quot;র কথা , খুব ঝগড়া করতাম দুজন , পান থেকে চুন খসলেই কেউ কাউকে ছাড়ার মানুষ ছিলাম না, খুব চঞ্চল ছিলাম দুজনেই আর তার রাগ যেন সব সময় নাকের ডগায় থাকতো , কথায় কথায় রাগ , রাগ করে সব সময় বলতো আমি চলে গেলে বুঝতে পারবি, দেখিস আমি বলতাম তুই চলে গেলেই বাঁচি, এতো জ্বালাস তুই, সব ব্যাপারে তোর কথামতো হতেই হবে, কেন আমার কোন স্বাধীনতা নেই? পাগলি টা তখন বলতো এখন বুঝবিনা , যেদিন আমি সত্যি চলে যাবো আমার কদর সেদিন বুঝবি, আমি তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলতাম , তুই জমের‌ও অরুচি, তুই মুখে বলিস দেখি তো যা না সত্যি সত্যি , কথা গুলো রাগের মাথায় হলেও মন থেকে বলতাম না, কিন্তু ওর মনে বেশ দাগ কাটতো বুঝতেই, রাগ ভুলে গিয়ে পাগলি টাকে মানাতে বসতাম, আকাশ পাতাল চাহিদা নেই, কক্ষনো‌ আমার কাছে কিছু চাইতোনা উল্টো আমি যদি টাকা এদিক ওদিক খরচ করতাম , ও খুব রাগ করতো, ও নিজের জন্যেও খরচ করতে দিতো না, ওর চাহিদা শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা , পাগলি টা এতো ফুচকা পাগল ছিলো, পুরো বাচ্চার মতো হয়ে যেতো, একদিন পাগলি টার প্রচন্ড মাথা ব্যাথা ওঠে , ভেবেছিলাম সেরে যাবে, সেও বলতো প্রায়‌ই হয়, শেষে এমন পর্যায়ে যায় হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়, অনেক কষ্ট হয়েছিল হাসপাতাল ভর্তি করাতে ও ভয় পেয়েছিলো , যদি কিছু হয়? বারবার আমাকে হাসপাতালে জাপটে ধরতো সবার সামনে , কিন্তু কাজের জন্য প্রতিদিন যাওয়া হতো না, আজ‌ও মনে পরে , হাসপাতালে ভর্তি হতে যাওয়ার সময় বলেছিলো, টাটা , এবার দেখিস আমি আর ফিরবো না,
১৫ই এপ্রিল আমাকে কাজে অনেক টা দূর যেতে হয়, বৃষ্টি তার ওপর গত কয়েকদিন ওর শরীরের অবস্থাও ক্রমান্বয়ে জটিল হচ্ছিলো, কিছুতেই মন বসাতে পারিনি, সারাদিন হাত পা কাঁপছিলো, যেখানে গেছিলাম সেখানে ফোনের টাওয়ার ও নেই , খবর‌ও‌ নিতে পারিনি, আর না পারতে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে আসি, এসে দেখি হাসপাতে ভীড় , স্বজন সবাই , আমার বুকটা অজানা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে, রুমে যেতেই ডাক্তার বললো বারবার নাকি আমাকে খুঁজছে, আমি কাছে যেতে অনেক কষ্টে চোখ খুলে আমাকে সেদিন আর জাপটে পারেনি, শক্তি নেই ওঠার ,হাতটা ধরে বললো একটু বুকে নিবি? আমি আস্তে আস্তে তুলে জড়িয়ে ধরলাম, স্যালাইন, এর লাইন এর জন্য ভালো করে জড়িয়ে ধরতে পারছেনা, আমি সাবধানে বুকে নিতে, চোখ বেয়ে ওর জল গড়াতে লাগলো, আর বলতে লাগলো, নিজের যত্ন নিবি, পয়সা জমাবি, না হলে বিপদে কষ্ট পাবি, আজ থেকে হয়তো আর জ্বালাবো না, কিন্তু তুই আজ থেকে আমাকে পাবি তোর মধ্যে , আজ আর অভিমান না, সত্যি সত্যি আজ চলে যেতে হচ্ছে , কিন্তু আজ অনেক বাঁচতে ইচ্ছে হচ্ছে তোর সাথে, কিন্তু।।।।।।। কথা আর শেষ করার আগেই চুপ আমার কোলে মাথা রেখে যেভাবে অঘোর ঘুমে হারিয়ে যেতো, সেভাবেই শেষ বারের মতো চির ঘুমে হারিয়ে গেলো ,‌
 ওর শান্তিতে বন্ধ চোখ জোড়া মনে হচ্ছে বৃষ্টির আমেজে ঘুমোচ্ছে, আজকের মতো সেদিনও বৃষ্টি ছিলো।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/106358/</link>
				<pubDate>Sat, 16 Apr 2022 06:51:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেদিনও বৃষ্টি ছিলো,<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আজ ১৫ই এপ্রিল , আজ‌ও বাইরের আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নেমেছে, কটা দিন কড়া গরমের পর আজ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নেমেছে, বৃষ্টির ঝাঁট এতো বেশি কাঁচের জানালা বন্ধ করে দিতে হলো,‌ স্বচ্ছ কাঁচের জানালা দিয়ে , রাস্তা দেখা যাচ্ছে , একে অনেক রাত, তার ওপর ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, তাই পুরো রাস্তা ফাঁকা, রাস্তার ধারের বন্ধ দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-106358"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/106358/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4d113231e6da0007df9da90edf16f759</guid>
				<title>&quot;সুখ পাখি&quot;
অনিক ভট্টাচার্য্য

রাজু আজ অফিস গেলো না, এর জন্য ছুটিও নিলো না, সারাবছর রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে কেউ কোনদিন অফিসে ছুটি বা ফাঁকি নিতে দেখেনি, প্রচন্ড অসুখেও এমন‌ও দিন গেছে যে ছুটি নেয়নি তার ওপর একটানা ওভারটাইম করে গেছে, কিন্তু প্রতিবছর ২৩শে সেপ্টেম্বর সে অফিসে আসবেনা, দুনিয়ার যায় হোক, এদিন ও অন্যজগতে চলে যায়, অফিসে দীর্ঘদিন থাকার ফলে বস সহ প্রত্যেকে জানে তাই শুরু শুরুতে জানতে চাইলেও এখন আর জানতে চাই না, যে সারাবছর ফাঁকি না দিয়ে কাজ করে চলেছে যার ডায়েরীতে ফাঁকি দেওয়াটা নেই সে যদি একদিন না আসে তাতে ক্ষতি কি? তাঁর থেকেই বোঝায় যায় দিনটির গুরুত্ব কতখানি রাজুর কাছে, আজ‌ও তার ব্যতিক্রম হলোনা, সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে সাদা শার্ট,কালো প্যান্ট এটি চয়নিকার খুব প্রিয়, চয়নিকা বলতো এমন পোশাকে  তাকে অর্থাৎ রাজুকে খুব দারুন লাগে, তাই যখন‌ই তাদের দেখা হতো , রাজু সাদা শার্ট কালো প্যান্ট আর চয়নিকা সাদা সেলোয়ার পরতো, বিশেষ করে ২৩শে সেপ্টেম্বর এ দিনটি রাজুর জন্য খুব স্প্যশাল, আজকের দিনে চয়নিকার জন্মদিন, কাকতালীয় ভাবে আজকেই চয়নিকার সাথে প্রথম দেখা বাস স্ট্যন্ড এ, দুজনেই এক‌ই অফিসে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছিলো কিন্তু তখনো কেউ কাউকে চেনেনা, ইন্টারভিউ তে রাজু সুযোগ পেলেও চয়নিকা বাদ পরে যায়, খুব কান্না করছিলো অফিসের বাইরে, রাজু বের হতেই চোখে পরে, অফিসের বাইরে বসে বসে কাঁদতে সামনে যেতেই জিজ্ঞেস করে , এর পর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব হয়, এর কিছুদিন পর আরেকটি অফিসে চয়নিকার ইন্টারভিউ হয়, এবার চয়নিকার সাথে রাজু যায়, বারবার সাহস জোগাতে থাকে, এবার চয়নিকার চাকরিটা হয়ে যায়, চাকরি পেয়ে চয়নিকা খুব খুশি, প্রায় ১৫/২০ টা ইন্টারভিউর পর‌ও হয়নি, এবার হয়ে গেলো, মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা মরা ,দুটো বোন, এর দায়িত্ব একা কাঁধের উপর মা ও অসুস্থ তাই চাকরি টা খুব দরকার ছিলো, চয়নিকা এর জন্য মনে করে রাজুর সৌভাগ্য আর মোটিভেশন কাজ করেছে, এর পর থেকে রাজু আর চয়নিকা আরো কাছে আসতে থাকে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে, প্রতিবছর এ দিনটি রাজুর জন্য খুব স্প্যাশাল, দুনিয়ার যত্তো কাজ থাক আজকের দিনে রাজু তৈরী হয়ে ঠিক সকাল ১১টাই &quot;অবন্তিকা পার্কে&quot; সাদা অর্কিড নিয়ে রাজু আসবেই , এটা আজ দীর্ঘ ৪/৫ বছরের অভ্যেস ,সাদা অর্কিড চয়নিকার খুব প্রিয়, এটা পেলে খুব খুশি হতো, কিন্তু কোন কিছু চাইতো না, শুধু রাজুর বুকে মাথা রেখে চুপচাপ বসে থাকতো,আজ‌ও ব্যতিক্রম হলো না, চয়নিকার প্রিয় সাদা অর্কিড নিয়ে সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরে &quot;অবন্তিকা পার্কে&quot; এলো, সব ঠিকঠাক শুধু আজ চয়নিকা নেই, পরে আছে সেই পার্কের ব্যঞ্চ যেখানে চয়নিকা রাজুর বুকে মাথা রেখে চুপচাপ বসে থাকতো, আর মাঝে মাঝে সাদা অর্কিড এনে রাজু সারপ্রাইজ দিতো,সাদা অর্কিড পেয়ে খুব খুশি হয়ে যেতো, সেদিন‌ও ছিলো ২৩শে সেপ্টেম্বর, চয়নিকার জন্মদিন, রাজুর প্রমোশন হলো আগের দিন কিন্তু বলেনি ভেবেছে সেদিন বলবে, আর বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেবে, পার্কে এসে সময় মতো অপেক্ষা করতে করতে , প্রায় এক প্রকার অধৈর্য্য হয়ে গেলো ঠিক তখনই  পকেটের ফোন টা বেজে উঠলো হাতে নিয়ে দেখলো, &quot;সুখ পাখি&quot; চয়নিকাকে রাজু ভালোবেসে &quot;সুখ পাখি&quot;ডাকতো, ফোন তুলতেই একটা অচেনা গলা, হাসপাতাল থেকে ফোন, গাড়ি দুর্ঘটনায় একজন মেয়ে মারা গেছে, তার চেহারা দুর্ঘটনায় এতোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চেনার উপায় নেই, হাতের মোবাইল টা পেয়ে ফোন করেছে হাসপাতাল থেকে সর্বশেষ নম্বরটি ছিলো রাজুর, ফোন পেয়ে পাগলের মতো ছুটে গেলেও বিশ্বাস করেনি দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিটি তার &quot;সুখ পাখি&quot; অন্য কেউ হয়তো ফোনটি চুরি করেছে, আর রাজুর নম্বর সেভ নেই তাই হয়তো কল করতে পারছেনা, ও কোথাও গেছে , ঠিক আসবে, সেদিন থেকে প্রায় প্রতিদিনই অফিস সেরে সোজা অবন্তিকা পার্কের সেই ব্যঞ্চিতে বসে অপেক্ষা করে, রাজু, আর জন্মদিনে  প্রিয় অর্কিড ফুল নিয়ে , সাদা শার্ট ,কালো প্যান্ট পরে এক‌ই জায়গায় অপেক্ষা করে ঠিক সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত সময় আসে আর যায়, শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষাও গিয়ে ফিরে আবার আসে, কিন্তু আসেনা খালি রাজুর আদরের &quot;সুখ পাখি&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/99709/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Mar 2022 06:20:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;সুখ পাখি&#8221;<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>রাজু আজ অফিস গেলো না, এর জন্য ছুটিও নিলো না, সারাবছর রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে কেউ কোনদিন অফিসে ছুটি বা ফাঁকি নিতে দেখেনি, প্রচন্ড অসুখেও এমন‌ও দিন গেছে যে ছুটি নেয়নি তার ওপর একটানা ওভারটাইম করে গেছে, কিন্তু প্রতিবছর ২৩শে সেপ্টেম্বর সে অফিসে আসবেনা, দুনিয়ার যায় হোক, এদিন ও অন্যজগতে চলে যায়, অফিসে দীর্ঘদিন থা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-99709"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/99709/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">567e4b37117c4f19f992027e0dc21869</guid>
				<title>জঙ্গলীই ভালো ছিলাম।
অনিক ভট্টাচার্য্য

আধুনিক আমরা হতে চাইনা, জঙ্গলীই ভালো ছিলাম।
তখন আমরা পেটের খিদে মেটাতাম,
গাড়ি ছিলো না, ছিলোনা ঘোড়া তাই দলবেঁধে সকলকে নিয়ে চলতাম ।
দলবেঁধে শিকার, ভাগ করে খেতাম,
একে অন্যের জন্য প্রান বাজি রাখতাম।
আধুনিক না পুরাতন‌ই ভালো ছিলাম,
কিসের জন্য শিক্ষা,? কি সেই সভ্যতার মানে?
যে শিক্ষা সৃষ্টি না শুধু ধ্বংস‌ই জানে?
আদরের বদলে মারতে জানে,
যারা মধুর সুর ভালোবাসেনা,
ওরা সব নিজের চাই, কাউকে ভাগ দেয়না।
শিশুর কান্না জ্বালা ধরে,
খেতে চাইলে গুলি করে।
কিসের আধুনিক? কিসের সভ্য জাতী?
এর থেকে ঢের ভালো ছিলো আদিম অসভ্য জাতি।
রাগ, ক্ষোভ অপমানে,
কথায় কথায় মারতে জানে।
আধুনিক আমরা হতে চাইনা, জঙ্গলীই ভালো ছিলাম।
হোক না আদিম তবুও তখন  তখন মানুষ ছিলাম।
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,
স্রষ্ঠার নাকি সেরা জীব।
মানুষ মানে প্রেম, বুদ্ধি  আর নতুন সৃষ্টি,
মানুষ মানে মনুষ্যত্বের অনন্য সৃষ্টি।
সেসব আদী কথা, যখন আমরা পুরাতন ছিলাম,
স্বল্প আরাম, স্বল্প বসন , তবুও আমরা সুখি ছিলাম,
চাহিদা ছিলো এক ফোঁটা স্নেহ ছিলো আকাশ সম,
এখন চাহিদা সাগর সম , ক্ষুদ্র হলো আদর স্নেহ।
যতো পাই ,তত চাই ,সবখানে খাইখাই,
তাইতো আমার সব থেকেও অন্যেরটাও আমার চাই‌।
চাইবা মাত্র দিতে হবে,
নাহলে প্রান ছাড়তে হবে।
এখন সব আছে, নেই শুধু সুখ,
কথায় কথায় কষ্ট আর সহজেই অন্যকে দুখ।
আধুনিক আমরা হতে চাইনা, জঙ্গলীই ভালো ছিলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/99138/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Feb 2022 18:54:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জঙ্গলীই ভালো ছিলাম।<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আধুনিক আমরা হতে চাইনা, জঙ্গলীই ভালো ছিলাম।<br />
তখন আমরা পেটের খিদে মেটাতাম,<br />
গাড়ি ছিলো না, ছিলোনা ঘোড়া তাই দলবেঁধে সকলকে নিয়ে চলতাম ।<br />
দলবেঁধে শিকার, ভাগ করে খেতাম,<br />
একে অন্যের জন্য প্রান বাজি রাখতাম।<br />
আধুনিক না পুরাতন‌ই ভালো ছিলাম,<br />
কিসের জন্য শিক্ষা,? কি সেই সভ্যতার মানে?<br />
যে শিক্ষা সৃষ্টি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-99138"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/99138/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">af86ad4af04903e07fc576bcf17e4942</guid>
				<title>আজ দীর্ঘ ২০ বছর পর &quot;অনন্ত&quot; &quot;আরশিনগর&quot; এ আবার এলো, অনেক সময় ধরে আসবে আসবে করে সাহস করতে পারছেনা, দেশের বাইরে চলে যাওয়ার পর প্রতিদিন প্রতিরাত শুধু &quot;আরশিনগর&quot; আর প্রিয় মুখ গুলোর কথা মনে পড়তে কেঁদেছে, চরম অভিমান আর মনের কষ্টে  &quot;আরশিনগর&quot; চেয়েছিল অনন্ত , ছোট্ট বেলা থেকে প্রানের চেয়েও বেশি ভালোবাসার জায়গা, এক কালে বিশাল পরিবার ছিলো, মা, বাবা , চাচা, চাচী, চাচাতো, ভাই, সব ,এর পর সময়ের পালাক্রমে জীবনে  এলো &quot;ময়ুরী&quot; স্কুলের পাঠ চুকিয়ে শহরের কলেজে  পড়তে গিয়ে আলাপ, , সেও গ্রাম থেকে শহরে পড়তে আসছে,ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব এর পর প্রেম , লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে গ্রামেই একটা ব্যবসা করে &quot;অনন্ত&quot; তার ওপর খেত খামার আছে, চাচা চাচী, বাবা মা সবার বয়স‌ও হচ্ছে তাই আর শহরে থাকার চেষ্টা করেনি, সময়ের চাকা ঘুরতে থাকে, এক সময়ে পারিবারিক বিবাদে চাচা , বাবা সবাই আলাদা হয়ে যায়,সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা তে অনন্তরা ভাগে বেশি পাই, অনন্ত এক ছেলে হ‌ওয়ায় , এতে চাচা রা অসন্তুষ্ট বেশি হয়, সম্পর্কের তিক্ততা এতোটা চরমে পৌঁছাই , চাচার পরিবার সব সময় চেষ্টা করতে থাকে , যেকোন দুর্বলতা খুঁজতে থাকে &quot;অনন্ত&quot;দের ক্ষতি করার , এর‌ই মাঝে &quot;অনন্ত&quot;আর ময়ুরীর বিয়ে হয়, বেশ ভালোই চলছিলো সুখে, নিজেদের জগতে অনন্তরা , এর‌ই মাঝে নেমে এলো এক কালো মেঘের তিব্র ঝড়, নৌকা করে পাশের গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় নৌকা ডুবিতে অনন্তর মা বাবা মারা যায়, অনন্তর তখন সন্তান হবে, সে খুশির খবরটা সেদিন‌ই ব‌উকে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে জানতে পারলো, কিন্তু এতো বড়ো খুশির খবর &quot;অনন্ত&quot;তার মা বাবাকে দিতে পারলো না, তার আগেই খুশি টা দু‌ঃখে পরিনত হলো, এভাবে শোক , দুঃখের সাথে সঙ্গী করে অনন্ত আবার ভেঙ্গে যাওয়া থেকে সবে পূণরায় দাঁড়াতে চেষ্টা করছে, এমন সময় চাচাতো ভাইয়েরা মিলে &quot;অনন্ত&quot;র জায়গা দখল করতে ঝামেলা শুরু করে নানা ভাবে, প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু সমস্যা তৈরী করে , অনন্তকে ফাঁসাতে চাই, একদিন চাচাতো ভাইয়েরা মিথ্যে মামলা করে বলে অনন্তর বাবা তাদের থেকে অনেক গুলো টাকা ধার নিয়েছিল যা শোধ করেনি,তার বদলে সম্পত্তি বন্ধক করেছিলো এমন নকল দলিল করে দেখায় প্রমান হিসাবে, অনেক মামলা মোকাদ্দমা করেও লাভ হয়নি, প্রায় সব কিছুই কেড়ে নেয় তারা, আর তাদের শেষ সম্বল বাড়ির ওপর‌ও নজর পরে, তারা রটিয়ে দেয় পুরো গ্রামে, অনন্ত আর তার স্ত্রী, গোপনে মানুষের ক্ষতি করার জন্য তাবিজ করে,গ্রামে ছোট বড়ো যতো গুলো দূর্ঘটনা , খরা, মৃত্যু সব‌ই অনন্ত আর তার স্ত্রীর কারনে,  এ খবর ছড়াতেই, &quot;অনন্ত&quot;র দোকানে মানুষ আসা বন্ধ হয়ে যায়, পুরো গ্রাম এ তাদের সাথে আস্তে আস্তে সম্পর্ক ছিন্ন করতে থাকে ,এক প্রকার এক ঘরা করে দেয়, একদিন হটাৎ &quot;ময়ুরী&quot;মানে অনন্তর স্ত্রীর প্রসব বেদনা ওঠে,  কোন ভাবেই একা স্ত্রীকে নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়া যাচ্ছেনা, কারন মাটি কাটার ফলে রাস্তায় বড়ো বড়ো গর্ত, আর এতো চিৎকারেও কোন মানুষ এগিয়ে আসেনা, শেষে উপায় না দেখে , অনন্ত  রাস্তায়  আসে কিন্তু রাস্তাঘাট ফাঁকা কোথাও কেউ নেই, আধ ঘন্টা চেষ্টা করেও না পেরে শেষে অসহায় হয়ে ঘরে ফিরে আসে , এসে দেখে ,ব‌উ তার আর চিৎকার করছেনা, চুপচাপ, মাটিতে পড়া রক্ত গড়িয়ে যাচ্ছে, ডেকেও সারা নেই, শেষে উপায় না পেয়ে নিজেয় কষ্ট করে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসে কিন্তু অনেক দেরী হয়ে যায়, স্ত্রী আর পেটে নবাগত অতিথি তার সন্তান দুজনেই আর বেঁচে নেই, এ আঘাতে উন্মাদের মতো হয়ে যায়, এর কিছুদিন পর বিদেশ থেকে &quot;অনন্ত&quot;র বন্ধু দেখা করতে আসে, সব দেখে শুনে এক প্রকার জোর করে নিজের সাথে করে বিদেশ নিয়ে যায়, কারন এখানে থাকলে অনন্তকে বাঁচানো যাবেনা, বিদেশে গিয়েও প্রানের গ্রাম, বাড়ি ঘর ,স্ত্রী, মা বাবার কবর এক বারের জন্য ও ভুলতে পারেনা, আজ বাড়ির সামনে এসে সব মনে পরে যেতেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে গেল, বাড়িটি এখন আধুনিকতার ছোঁয়া পেলো, চাচাতো ভাইয়েরা সেটিও দখল করে নিজেদের করে নিলো, শুধু দখল করতে পারলো না, খানিকটা দূরে চরম অবহেলিত, গাছ গাছালি, আগাছায় ভরা &quot;অনন্ত&quot;র মা, বাবা, স্ত্রীর কবর গুলোর জমি , হয়তো পাড়ার কবর বলে পারেনি, নিজস্ব জমিতে হলে সেগুলো ও আর থাকতো না।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97493/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Feb 2022 15:47:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ দীর্ঘ ২০ বছর পর &#8220;অনন্ত&#8221; &#8220;আরশিনগর&#8221; এ আবার এলো, অনেক সময় ধরে আসবে আসবে করে সাহস করতে পারছেনা, দেশের বাইরে চলে যাওয়ার পর প্রতিদিন প্রতিরাত শুধু &#8220;আরশিনগর&#8221; আর প্রিয় মুখ গুলোর কথা মনে পড়তে কেঁদেছে, চরম অভিমান আর মনের কষ্টে  &#8220;আরশিনগর&#8221; চেয়েছিল অনন্ত , ছোট্ট বেলা থেকে প্রানের চেয়েও বেশি ভালোবাসার জায়গা, এক কালে বিশাল পরিবার ছিলো,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97493"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97493/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c6d9668898a74176a983ef4d2390e598</guid>
				<title>মায়ের আত্ম ত্যাগ 
অনিক ভট্টাচার্য্য

অনেকদিন ধরে সৌরভের মনটা কেমন অস্বস্থি হচ্চে মাস খানেক হয়ে গেলো মা আর ফোন করেনি,এতো ব্যাস্ততার মধ্যে মনেই পড়েনি মা ফোন করেনি,হয়তো করেছে ,এ কদিন তো হাসপাতালেও ছোটাছুটি কম হয়নি বিদেশে এলো আজ মেরেকেটে বছর দশেক হবে, আসার পর থেকেই নানা ভাবেই এতো ব্যাস্ততায় ডুবে যায় , নিজের ক্যারিয়ার গড়তে আর দুনিয়াজারীর কোন খবর ছিলোনা, তার মধ্যে বছরখানেক আগে বিয়েও করলো, সব কিছু ভালোয় এগোচ্ছে , দিনে সব কিছুই ভালো লাগে , শুধু বিরক্ত লাগে , অপ্রত্যাশিত ভাবে দেশ থেকে মায়ের ফোন, অফিসের মাঝে, মিটিং এর মাঝে, কত্তোবার কল কাটে , কতোবার বিরক্ত হয়ে বকাঝকা ও করেছে , তবুও করে, আর কথা বলতে শুরু করলে তো কথায় নেই, লম্বা চলে, কখনো কখনো, সৌরভ ভাবে , হয়তো ছেলের থেকে পয়সার জন্য বারবার ফোন করে, আজ হটাৎ কেন জানি মায়ের জন্য খারাপ লাগছে, আসলে হাসপাতালে , স্ত্রীর পাশে , নিজের সন্তানকে দেখে হটাৎ মায়ের কথা মনে পড়লো, এতো কষ্ট নিয়ে দশমাস , পেটে নানা যন্ত্রনা নিয়ে, এর পর এতো ভয়ানক অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করেও , কি অবলীলায় হাসছে, যেন কোন কষ্ট‌ই হয়নি, আচ্ছা এভাবে তো তার মা ও তার জন্য কতো কষ্ট করলো,অথচ তার সন্তান হ‌ওয়ার সংবাদ দূরে থাক বিয়ের সংবাদ টা জানানো দরকার বলে ভাবেনি,অথচ অল্প বয়সে বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই হাজারো , ঝড়-ঝাপটা সামলেও শত অভাবের স্বত্বেও লড়াই করে , ছেলেকে মানুষ করে তোলে বিদেশে পাঠায়, সত্যিই তো সৌরভ ছাড়া তো , উনার আর কেউ নেই, প্রতিদিন একটু কথা বলার জন্য বারবার শত অপমান সহ্য করেও ফোন দেয়, কিন্তু টাকার জন্য না, একটু কথা বলার জন্য, আজ এ প্রথমবার মাকে ফোন দেওয়ার জন্য , টেলিফোনে কল দিলো &quot;চৌধুরী বাড়িতে&quot;, গ্রামের একমাত্র তাদের ঘরেই ফোন আছে, সেখানে সব সময় বসে থাকে সৌরভের ফোন আসবে সে আশায় সৌরভের মা, কারন সৌরভ ফোনের কল এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বলতো পরে কল ব্যাক করবে, কিন্তু আর করেনা, ফোন টা রিং যাচ্ছে , কিন্তু কেউ তুললো না, আবার ফোনে কল দিলো,‌এবার চৌধুরী বাড়ির বড়ো মেয়ে ফোন ধরলো, এর পর পরিচয় দেওয়াতে চিনলো এর পর সৌরভ বললো &quot;একটু মা কে ডেকে দেবে? আসলে আজ আমার বাচ্চার জন্ম হলো , খুশির খবর টা দিই, কিছুক্ষণ চুপ থেকে মেয়েটা বললো , &quot;তুমি কিছু জানো না?&quot; আজ প্রায় দিন দশেক হলো দীর্ঘদিন অসুখে ভোগার পর মারা গেছেন, তোমাকে জানাতে ফোন ও করা হয় কিন্তু ফোন সুইচ অফ ছিলো,শেষ মুহূর্তে ও তোমার সাথে কথা বলতে চাইলো, কিন্তু আমাদের কাউকে কল দিতে দিলো না, &quot;বললো সৌরভের কাজ এর মাঝে কল করলে ওর কাজের সমস্যা হবে, এভাবে আর কাউকে ফোন এ কল দিতে দিলো না, ফোনটা হাতে থেকে রেখে সৌরভ পাথরের মত শক্ত হয়ে গেলো, শুধু দু চোখ বেয়ে পানি পরতে লাগলো,আর ভাবতে লাগলো &quot; মায়েরাই পারে নিজের স্বর্বস্য দিয়েও সন্তানের কাছ থেকে কিছু‌ই চান না,সন্তান জন্মের পর থেকে মা ছাড়া কেউ ই বেশি কাছের হয়না, কিন্তু সন্তানরা বড়ো হলে তাদের কতো অবহেলা করি, তাদের অনুভূতি, তাদের আত্মত্যাগ তখন‌ই বুঝি যখন নিজেরায় সন্তানের মাতা-পিতায় হয়।।।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97492/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Feb 2022 15:46:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মায়ের আত্ম ত্যাগ<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>অনেকদিন ধরে সৌরভের মনটা কেমন অস্বস্থি হচ্চে মাস খানেক হয়ে গেলো মা আর ফোন করেনি,এতো ব্যাস্ততার মধ্যে মনেই পড়েনি মা ফোন করেনি,হয়তো করেছে ,এ কদিন তো হাসপাতালেও ছোটাছুটি কম হয়নি বিদেশে এলো আজ মেরেকেটে বছর দশেক হবে, আসার পর থেকেই নানা ভাবেই এতো ব্যাস্ততায় ডুবে যায় , নিজের ক্যারিয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97492"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97492/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ac819101a60d5ecea5b49adf879816e6</guid>
				<title>অপর্ণা

 অনীক ভট্টাচার্য্য

ট্রেনটা চলে যাচ্ছে, অপর্ণা দাঁড়িয়ে নিষ্পলক ভাবে চেয়ে আছে, অজান্তেই তাঁর চোখ ভিজে গিয়ে ফোঁটা দুচারেক গড়িয়ে রেলের মেঝেতে শত সহস্র ধুলিকণার সাথে মিশে গেলো ঠিক মুহুর্তেই যেমন রাব্বি দীর্ঘ ২৫ বছর পর সামনে এসে হারিয়ে গেলো, অপর্ণা তার স্বামী অর্কজীত কে বাড়িয়ে দিতে আসছিলো, অফিসের কাজে বাইরে যাবে , তাই এই শীতের রাতে অপর্ণা তার ছেলেকে নিয়ে , ট্রেনে তুলে দিতে এলো, ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার বাঁশি বাজতেই , অর্কজীতকে হাত নাড়িয়ে বিদায় দিতে দিতে হঠাৎ চোখ পড়লো, অর্কজীতের গাড়ির কামরার দরজার সামনে , কালো জ্যাকেট পড়া একটা ছেলে , ঠাঁই তার দিকে তাকিয়ে আছে, প্রথমটা চিনতে না পারলেও হটাৎ চিনতে পারলো, গোঁফ, দাঁড়িতে ভরা লোকটা আর কেউ না, রাব্বি, আজ অনেকটা বছরে অনেক কিছুর সাথে রাব্বিও বদলেছে,সেই প্যাঁকাটি মার্কা শরীর আর নেই, বেশ ওজন আর ভরিক্কি এসছে বয়েসের তাই চট করে এতো বছর পর চিনতে পারেনি,ট্রেনটা চলতে শুরু করতেই লোকটি অপর্ণার দিকে একটু মুচকি হেসে বলল ভালো আছো অপু? অপর্ণাকে রাব্বি ভালোবেসে অপু ডাকতো, কলেজের এক বছরের সিনিয়র ছিলো রাব্বি , কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে সেখানে কথা বার্তা , আলাপ, ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব প্রেম, সব সময় কলেজ ফাঁকি দিয়ে লালদীঘির পাড়ের ডায়মন্ড এর চায়ের দোকানে বসে চা আর কাটলেট, সঙ্গে ভালো লাগা, ভালোবাসার স্বপ্ন বোনা, কখনো বা বাসে বাদুর ঝোলা ঝুলতে ঝুলতে নেভাল যাওয়া, নদী-সমুদ্রের মোহোনার পাশের রাস্তায় হাতে হাত রেখে ঘোড়া ,কতো চিঠি, একে অপরকে দিতো, চিঠি গুলোতে ভর্তি ছিলো আগামীর স্বপ্ন , শিক্ষাজীবন শেষে একটা চাকরি করে , বিয়ে করে সুন্দর ছোট্ট একটা দুজনার দুনিয়া গড়ার, সেদিন ছিলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে, আগের থেকে সব ঠিক ঠাক করা ছিলো , সারাদিন কিভাবে কাটাবে? কলেজের সারাবছরের খরচ বাঁচিয়ে রেখেছিলো , ভালোবাসা দিবসে কিছু দেওয়ার জন্য, খুব সুন্দর লাল জামা, এক জোড়া পায়ের নূপুর, এগুলো সারপ্রাইজ পেলে অপর্ণার অনুভূতি কি হবে সেটা ভাবতে ভাবতে গভীর চিন্তায় ডুবে গেলো, অপেক্ষা করতে করতে সকাল থেকে বিকেল বিকেল থেকে সন্ধ্যা, শেষে এক বুক হতাশা নিয়ে রাব্বি চলে গেলো, বর্তমান সময়ের মতো এতোটা মোবাইল এর প্রচলন বা ব্যবহার তখন ছিলো না, যে সারা রাত চ্যাট করবে, বা তার না আসার কারন জানা যেতো, হয়তো শরীর খারাপ তাই আসেনি অথবা অনেক কারন থাকতে পারে, এর পর থেকে প্রতিদিন সেই জায়গায় এসে অপর্নার জন্য অপেক্ষা করতে থাকলো, সময় গড়িয়ে যায়, অপর্ণার আর দেখা পাওয়া যায়না, হটাৎ একদিন অপর্ণা কাঁদতে কাঁদতে এসে রাব্বিকে বলল আমার সামনে সপ্তাহে বিয়ে, ছেলে বড়ো কোম্পানী তে কাজ করে, আর রাব্বির বেকারত্বের জন্য অপর্ণার মা বাবা পছন্দ করে না, শেষ বাড়ের মতো রাব্বিকে জড়িয়ে ধরতে এসেছিলো, রাব্বি অপর্ণার বিয়েতে যায়, অপর্ণাকে বিবাহের  শুভেচ্ছা দিয়ে বের হয়ে হাড়িয়ে যায় অজানায়।।।কোন বন্ধুও খুঁজে পাওয়া যায় খুঁজে পায়নি,সব অতীত স্মৃতি অপর্ণার সামনে এসে স্মৃতির অতল গহ্বরে তলিয়ে নিয়ে যায়, ছেলের হটাৎ ডাকে , সম্বতি ফিরে পাই, ট্রেনটাও রাতের  আধাঁরে কুয়াশার মধ্যে হারিয়ে যেতে লাগলো, অতীত এবং বর্তমানকে নিয়ে।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/92874/</link>
				<pubDate>Sun, 23 Jan 2022 06:27:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপর্ণা</p>
<p> অনীক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>ট্রেনটা চলে যাচ্ছে, অপর্ণা দাঁড়িয়ে নিষ্পলক ভাবে চেয়ে আছে, অজান্তেই তাঁর চোখ ভিজে গিয়ে ফোঁটা দুচারেক গড়িয়ে রেলের মেঝেতে শত সহস্র ধুলিকণার সাথে মিশে গেলো ঠিক মুহুর্তেই যেমন রাব্বি দীর্ঘ ২৫ বছর পর সামনে এসে হারিয়ে গেলো, অপর্ণা তার স্বামী অর্কজীত কে বাড়িয়ে দিতে আসছিলো, অফিসের কাজে বাইরে যাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-92874"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/92874/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1f82db0d196a714c90b25efed00c6617</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and বাধন অধিকারী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75824/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Dec 2021 06:37:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">70c2c8c8b7d844ab644ebaf4312b9bdd</guid>
				<title>অপেক্ষা

 অনিক ভট্টাচার্য্য

ছোট্ট একটি কুটির যার নেই কোন বাতি ,
আধো আলোই থাকে দিন কিবা রাতি ।
দিনে কএক ছটাক আলো আসে দিয়ে চালের ছাতি ।
সন্ধ্যে নামতেই ম্রিয়মান অল্প পিদিম বাতি।।
 
একসময় পিদিমের তেল তাও যাই ফুরিয়ে ,
সে আঁধারে অল্প দেখা বুড়ি থাকে পথ চেয়ে ।
এই বুঝি খোকা এলো মেঠো পথ দিয়ে ,
ভুল বুঝে মাঝে মধ্যে বুড়ি  হাঁক পারে ।
কি রে খোকা তুই এবার এলি রে ???

নিসশব্দতাই বোঝে খোকা আজো আসেনি ,
মায়ের কাছে যক্ষের ধন আজো আসেনি ।।
পথ চেয়ে চেয়ে একসময় ঘুমিয়ে পরে বুড়ি , 
একরাশ আশা দিনান্তে  ভেঙ্গে হই গুরি -গুরি । 

দেখতে দেখতে বুড়ির শেষ দিন আসে ,আসেনা শুধু ছেলে,
শেষ দেখার স্বাদ রয়েই যাই ঘরে ফেরেনা ছেলে ।
বুড়ি আজ অতীত ছেলে ফিরছে ঘরে ।
অনেকদিন সময় এর পরে ।

 ছোট্ট কুটিরে জ্বলছে পিদিম ক্ষণিক কাঁপুনির পর ,
দূর থেকে মা যেন আছে দাঁড়িয়ে সেই তাঁর সাদা কাপড়,
এগোলে দেখে চোখের বিরট এক ভুল ,  
গাছের ডাল কে ভেবে করেছে ভুল ।

কিন্ত মা ??? ও মা ??? কই তুই ??
দ্যাখ তোর খোকা এলো সাড়া দে না তুই ??
মা নেই আছে শুধু সেই আধ জ্বলা পিদিম 
মায়ের সাথে পথ চেয়ে জ্বলত সে পিদিম 

হইত মা ই বলে গেল আমি নিভে গেলেও নিভভিনা তুই।
খোকা ফিরবে ্‌, আমার বেলা শেষ পথ চেয়ে থাক তুই ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75622/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Dec 2021 17:33:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপেক্ষা</p>
<p> অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>ছোট্ট একটি কুটির যার নেই কোন বাতি ,<br />
আধো আলোই থাকে দিন কিবা রাতি ।<br />
দিনে কএক ছটাক আলো আসে দিয়ে চালের ছাতি ।<br />
সন্ধ্যে নামতেই ম্রিয়মান অল্প পিদিম বাতি।।</p>
<p>একসময় পিদিমের তেল তাও যাই ফুরিয়ে ,<br />
সে আঁধারে অল্প দেখা বুড়ি থাকে পথ চেয়ে ।<br />
এই বুঝি খোকা এলো মেঠো পথ দিয়ে ,<br />
ভুল বুঝে মাঝে মধ্যে বুড়ি  হাঁক পারে ।<br />
কি রে খ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-75622"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/75622/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c014dde87aa4c8d097132e1125e1307f</guid>
				<title>শেষ যাত্রা ।।
অনিক ভট্টাচার্য্য

 আমার  বাবু করতো বায়না হবে নাকি রাজা ...
ললাটে পরবে চন্দন টিপ যেনো মহারাজা।।
গলাই থাকবে সুবাসিত মালা...
ঠিক যেমনটি সাজ সাজে যাত্রা-পালা।।

হতাম আমি হেসে খুন ।।
শুনে এহেন রাজার গুন ।।
বলতাম আমি আরে বোকা ছেলেটি আমার ।।
আসল রাজা সাজেনা এখন, সেসব ছিল অতীত বার।।

এ সাজ শুধু সাজে, হই যখন যাত্রা-পালা,
নচেৎ বর বেশে বিয়ের বেলা।। 
ছেলে তখন  সুর- চরাত এ কথা টি কয়ে ,
তাহলে বেশ,সাজব বর করব আমি বিয়ে ।।

আরেক প্রস্ত হতাম খুন হাসতে -হাসতে ।।
ছেলের কাছে সব ই সমান বর আর রাজাতে।।
দেখতে দেখতে সে ছোট্ট আজ অনেকখানি বাড়ন্ত , 
সময় জেন ছুটছে ধাবমান গাড়ি চলন্ত ।।

ডিগ্রি পেলো ,চাকরী পেলো বয়েস ও যথেষ্ট হোল,
এবার বুঝি রাজার সাজে ,বিয়ে করার সময় এলো।।
কিন্ত হাই ,একি হোল আমার ??
কি দোষ ছিল প্রভু ?? কিসের দোষে ? কি দোষ আমার? 

চন্দন সাজে, সাজাচ্ছি ,ফুলের মালা দিচ্ছি ।।
কিন্ত এভাবে তো সাজাবো বলিনি ,যা এখন সাজাচ্ছি 
এ সাজা কে জানতো শেষ সাজা সাজাবো??
আগে যদি জানতাম আজ এ সাজ সাজাবো??

তবে আশাই বুক বাঁধতাম না ,এতো আশা দেখাতাম না,
স্বপ্নের বালুচরে ঘর আমি বাঁধতাম না।।
বিয়ের গাড়ী ছোটার কথা, ছুটছে আজ অন্য গাড়ি।।
বরযাত্রী যাওয়ার কথা যাচ্ছে লাশের গাড়ি।।
যাওয়ার কথা বর যাত্রা, তার বদলে আজ খোকার শেষ যাত্রা ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75621/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Dec 2021 17:32:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ যাত্রা ।।<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p> আমার  বাবু করতো বায়না হবে নাকি রাজা &#8230;<br />
ললাটে পরবে চন্দন টিপ যেনো মহারাজা।।<br />
গলাই থাকবে সুবাসিত মালা&#8230;<br />
ঠিক যেমনটি সাজ সাজে যাত্রা-পালা।।</p>
<p>হতাম আমি হেসে খুন ।।<br />
শুনে এহেন রাজার গুন ।।<br />
বলতাম আমি আরে বোকা ছেলেটি আমার ।।<br />
আসল রাজা সাজেনা এখন, সেসব ছিল অতীত বার।।</p>
<p>এ সাজ শুধু সাজে, হই যখন যাত্রা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-75621"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/75621/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0aec55080afe6a4f77619e6ac5df8c8c</guid>
				<title>আজ আমাকে ঘুমোতে দে।।
অনিক ভট্টাচার্য্য

আজ আমাকে ঘুমোতে দে ।।খুব ক্লান্ত,
সারা পথ হেঁটে আজ খুব ক্লান্ত।।
কতো রাত চোখের পাতা মেলেনি পরস্পর।
কতো বর্ষা ,ঠাণ্ডা ,গরম কেটেছে ।।
কতো যন্ত্রণার রাতকে - রাত কেটেছে ।।

আর পারছিনা এবার শরীর ছেড়েছে।।
জীর্ণ - শীর্ণতা গ্রাস করেছে।।
খুব ক্লান্ত একটু নরম বালিশ টা দে ।।
একটু হাল্কা হাওয়া, হাল্কা আঁধারে ঘুমোতে দে ।।
আজ একটু ঘুমোতে দে ।।একটু ঘুমোতে দে।।

আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে নামবে হইত বারি ।।
ক্লান্তিতে ঢুলছে চোখ এবার যদি ঘুমোতে পারি।।
দূর বোনে হাঁক পেরেছে শিয়াল হূক্কা -হুয়া বোলে ,
ওকে থামতে এ ঘুম ভাঙলে আসবে একবার গেলে চলে।।

আসবে আবার কষ্ট আসবে বেদনা ।।
এসব এ ক্লান্ত আজ নিতে আর পারছিনা ।।
চারদিক অন্ধকার করে দে ।।
চারিদিক চুপচাপ করে দে ।।
আজ অন্তত একটু ঘুমোতে দে ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75620/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Dec 2021 17:31:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ আমাকে ঘুমোতে দে।।<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আজ আমাকে ঘুমোতে দে ।।খুব ক্লান্ত,<br />
সারা পথ হেঁটে আজ খুব ক্লান্ত।।<br />
কতো রাত চোখের পাতা মেলেনি পরস্পর।<br />
কতো বর্ষা ,ঠাণ্ডা ,গরম কেটেছে ।।<br />
কতো যন্ত্রণার রাতকে &#8211; রাত কেটেছে ।।</p>
<p>আর পারছিনা এবার শরীর ছেড়েছে।।<br />
জীর্ণ &#8211; শীর্ণতা গ্রাস করেছে।।<br />
খুব ক্লান্ত একটু নরম বালিশ টা দে ।।<br />
একটু হাল্কা হাওয়া, হাল্কা আঁধা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-75620"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/75620/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">53439f20fb52d1565ce53105260507a4</guid>
				<title>একটি অপেক্ষা

অনিক ভট্টাচার্য্য 
আচ্ছা বলতে পারো মৃত্যু সুখের না এর অপেক্ষা???
যে চাই বাঁচতে তাঁর মরনে সুখ না যে মরতে চাই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষা??
অপেক্ষা তো কতো হই, পরীক্ষার আগের রাত জাগা অপেক্ষা,
ফলাফলের আশঙ্কার অপেক্ষা,আছে সাথে প্রিয়জনের অপেক্ষা।

কখনো দেখেছো মৃত স্বজনের দেহে পাওয়ার অপেক্ষা??
মা এর আর্তনাদের সাথে সন্তানের শেষ মুখ অপেক্ষা??
কখনো হাসপাতাল এর রাত জাগা অপেক্ষা দেখেছো?? 
ভোর হতে হতে হইনা, সে আতঙ্ক দেখেছো??

রাতের জম ককিল পাখির ডাকে আঁতকে উঠতে দেখেছো??
যার প্রিয়জনের বাছা-মরা সেই ৭২ ঘণ্টার অপেক্ষা দেখেছো??
সর্বস্ব হারিয়ে আবার বাঁচার শেষ বারের সেই অপেক্ষা দেখেছো??
দেখেছো কি?? যে জানে সে মরবে তাঁর দিন গোনা??
একদিন যাওয়া তাঁর আতঙ্ক গোনা??

আমি করছি সেই অপেক্ষা , সেই অন্তিম পরিনতির,
বিশ্বাস করো আমি চাইনি এই পরিনতি
আমি কি বাঁচতে চাইনা???
আমার কি বাঁচার স্বাদ হইনা??

তবুও আমি করছি এক অন্তিম অপেক্ষা.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/64092/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 18:08:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি অপেক্ষা</p>
<p>অনিক ভট্টাচার্য্য<br />
আচ্ছা বলতে পারো মৃত্যু সুখের না এর অপেক্ষা???<br />
যে চাই বাঁচতে তাঁর মরনে সুখ না যে মরতে চাই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষা??<br />
অপেক্ষা তো কতো হই, পরীক্ষার আগের রাত জাগা অপেক্ষা,<br />
ফলাফলের আশঙ্কার অপেক্ষা,আছে সাথে প্রিয়জনের অপেক্ষা।</p>
<p>কখনো দেখেছো মৃত স্বজনের দেহে পাওয়ার অপেক্ষা??<br />
মা এর আর্তনাদের সাথে সন্তানের শেষ মুখ অপেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-64092"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/64092/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1439081a0ec374e878e1c605ea293d4e</guid>
				<title>তোকে আমি ভুলেযাবো
অনিক ভট্টাচার্য্য 

তোকে আমি ভুলে যাবো,
যেদিন শেষ পাখিটা শেষ গান করে থেমে যাবে,

তোকে আমি ভুলে যাবো
যেদিন শেষ সূর্যটা শেষবার অস্তমিত যাবে।

তোকে আমি ভুলে যাবো,
যেদিন শেষবার বসন্ত হাওয়া দিয়ে থেমে যাবে।

তোকে আমি ভুলে যাবো,
যেদিন সমুদ্রের শেষ ঢেউ বেলাভূমি ছোঁবে ।

তোকে আমি ভুলে যাবো,
যেদিন শেষ বারের মত বর্ষা এসে ভিজিয়ে থেমে যাবে।

তোকে আমি ভুলে যাবো,
 যেদিন শেষবারের মত জোয়ারভাটা হবে।

তোকে আমি ভুলে যাবো,
 যেদিন শেষবার পূর্ণিমার চাঁদটি ডুববে।

তোকে সেদিন ভুলে যাবো ,
যেদিন আমার শ্বাস আমার দেহ ছেড়ে দেবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/64087/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 18:08:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোকে আমি ভুলেযাবো<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য </p>
<p>তোকে আমি ভুলে যাবো,<br />
যেদিন শেষ পাখিটা শেষ গান করে থেমে যাবে,</p>
<p>তোকে আমি ভুলে যাবো<br />
যেদিন শেষ সূর্যটা শেষবার অস্তমিত যাবে।</p>
<p>তোকে আমি ভুলে যাবো,<br />
যেদিন শেষবার বসন্ত হাওয়া দিয়ে থেমে যাবে।</p>
<p>তোকে আমি ভুলে যাবো,<br />
যেদিন সমুদ্রের শেষ ঢেউ বেলাভূমি ছোঁবে ।</p>
<p>তোকে আমি ভুলে যাবো,<br />
যেদিন শেষ বারের ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-64087"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/64087/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">15a11d83afaaa5bee312205a2334930d</guid>
				<title>আমি অভিনয় করছি, 
অনিক ভট্টাচার্য্য।
আমি অভিনয় করছি,
হ্যাঁ আমি অভিনয় করছি।
মরে গিয়েও বেঁচে থাকার অভিনয় করছি,
হ্যাঁ আমি অভিনয় করছি।
কষ্ট চেপে সুখি হ‌ওয়ার নাটক করছি,
হ্যাঁ আমি অভিনয় করছি।
কান্না থামিয়ে হাসার অভিনয় করছি,
ভালোবাসার মানুষকে ঘৃণার অভিনয় করছি।
তাকে ছুঁড়ে ফেলার অভিনয় করছি।।
তোকে বড্ড ভালোবাসি,
কিন্তু তোকে অভিশাপ দে‌ওয়ার নাটক করছি।
দিনরাত তোর সর্বনাশ চাচ্ছি।।
ফাটছে বুক, তবুও মুখ ফুটছে না,
মনের কথা তবুও বাইরে আসছে না।
লুকিয়ে, আড়ালে-আবডালে কাঁদছি,
কিন্তু সামনে আমি হাসছি।
হা-হা- দেখ চেয়ে আমি হাসছি।।
ভাঁড়ের মতো আমি হাসছি,
তোকে পাবোনা যেনেও আমি বোকার মতো অপেক্ষায় আছি,
আমি ভালো আছি, বলে দেখাচ্ছি।
প্রতিদিন নাটক করে যাচ্ছি,
আগে না পারলে ও এখন পারছি।
বিশ্বাস কর আমি খুব ভালো আছি।।
হাসছি,খেলছি, ঠাট্টা করছি,
দিন শেষে চুরি করে তোকে ভাবছি।।
বাইরে সুখি হ‌ওয়ার অভিনয় করছি।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/64076/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 18:07:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি অভিনয় করছি,<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য।<br />
আমি অভিনয় করছি,<br />
হ্যাঁ আমি অভিনয় করছি।<br />
মরে গিয়েও বেঁচে থাকার অভিনয় করছি,<br />
হ্যাঁ আমি অভিনয় করছি।<br />
কষ্ট চেপে সুখি হ‌ওয়ার নাটক করছি,<br />
হ্যাঁ আমি অভিনয় করছি।<br />
কান্না থামিয়ে হাসার অভিনয় করছি,<br />
ভালোবাসার মানুষকে ঘৃণার অভিনয় করছি।<br />
তাকে ছুঁড়ে ফেলার অভিনয় করছি।।<br />
তোকে বড্ড ভালোবাসি,<br />
কিন্তু তোকে অভিশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-64076"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/64076/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">84b3008cb8af65b96fdc7f83739e7f3d</guid>
				<title>জানি দেখা হবে ......।

অনিক ভট্টাচার্য্য

অপেক্ষাই দিন গুনব না, জানি দেখা হবে,
আজ না হোক কাল জানি দেখা হবে।
বিচ্ছেদের পর যদি মিলনের সুখ থাকে জানি দেখা হবে ,
রাতের পর দিন যদি থাকে জানি দেখা হবে ।

আজ, কাল না পরশু জানিনা কবে দেখা হবে ?,
শুধু এটুকু জানি তোর সাথে আমার দেখা হবে ।
বিদায়ের আগে , মিলন আমাদের হবে ,
শেষ বারের মতো জানি আবার দেখা হবে ।

এ জন্মে যদি দেখা নাও হই জানি পর-জন্মে দেখা হবে ,
না দেখে বিদাই নিলে সে বিদাই হবে না, দেখা আবার হবে।
সমুদ্রের কোলে যদি নদীর ঠাঁই হই , 
তোর কোলেও হবে আমার ঠাঁই ।

শেষ বারের মতো চির ঘুমে যাওয়ার আগে দেখা হবে ,
শেষ বিদায়ের শেষ আলাপ তোর সাথেই হবে ।
যেতে যদি হই তবে যাবো আমি চলে ,
যাবো আমি আবার তোর কাছে ফিরবো বলে ।

জানি দেখা হবে , তাই আমি নিরাশ নই এ বিদায়ে ,
ফিরবো আবার সহসা কোন সূর্যোদয়ে ।
প্রভাতির প্রথম কিরনের সোনালী আলোয় দেখা হবে ,
নিরাশ হস না , চলে গেলেও  দেখা হবে ।
জানি আবার তোর সাথে আমার দেখা হবে...।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57613/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 13:42:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জানি দেখা হবে &#8230;&#8230;।</p>
<p>অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>অপেক্ষাই দিন গুনব না, জানি দেখা হবে,<br />
আজ না হোক কাল জানি দেখা হবে।<br />
বিচ্ছেদের পর যদি মিলনের সুখ থাকে জানি দেখা হবে ,<br />
রাতের পর দিন যদি থাকে জানি দেখা হবে ।</p>
<p>আজ, কাল না পরশু জানিনা কবে দেখা হবে ?,<br />
শুধু এটুকু জানি তোর সাথে আমার দেখা হবে ।<br />
বিদায়ের আগে , মিলন আমাদের হবে ,<br />
শেষ বারের মতো জানি আবার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57613"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57613/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b110f7b7f4a42d89b2c47d0420c7389d</guid>
				<title>বেলা শেষে 
অনিক ভট্টাচার্য্য 

   কবিতা লিখতে বসিনা সুদীর্ঘ ক্ষণ ,
বেলাশেষে রাত্রি এলো অনেক্ষন ।
কই সাঁঝ বাতি গুলো তো আজ জ্বলে নি??
রাতের আবেশি আলো গুলো জ্বলে নি??

আজ প্রকৃতি বড্ড ঢুলুঢুলু নেশা খোর মাতাল যেন,
আজ চারদিক স্তব্ধ -আঁধার মুক-বধির যেন।।
আজ আমি চারদিক তাকাই ফেলি এক দীর্ঘশ্বাস,
হাত বাড়ালেই পাবো সবাইকে ছিলো বিশ্বাস ।।

স্বজন হারার প্রথম সত্যি দেখে নির্বাক আজ আমি,
এর পর ও আরও হবে?? সব কিছুর সাক্ষী আমি??
ক্ষান্ত দাও মরে এতো ভার দিও না প্রভু।
আর শোকের ভার নিতে অক্ষম প্রভ।।

আজও শিউরে উঠি অভিশপ্ত সে ভোরের ভাবে,
সেদিন টি আমার হটাৎ বদলালো কি ভাবে??
জন্ম দাতার শেষ মুখটি হইনি কো আর দেখা।
জ্বলছে চিতা শ্মশানে তাঁর এক ছিলিমও রেখা,

গেছি তবে বড্ড দেরি করে,
এই দেরির ক্ষতি পূরণ হবে না সব করে।
গিয়ে পেলাম শুধু ছিতাভস্ম আগুন তখন নিভু নিভু,
শেষ মুখটি দেখিনি,আর দেখবনা কভ।

বেলা শেষে আজ শীতের প্রাক ক্ষণে বসে ভাবি শু।
চেনা কতো মুখ হারাবে এবার পরে রইব একা শুধু ।।
সাঁঝের বাতি জ্বলবে হইত ক্ষণিক পর ,
আমার আলো জ্বলবে না কভু শত দিনের পর।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57612/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 13:41:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বেলা শেষে<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য </p>
<p>   কবিতা লিখতে বসিনা সুদীর্ঘ ক্ষণ ,<br />
বেলাশেষে রাত্রি এলো অনেক্ষন ।<br />
কই সাঁঝ বাতি গুলো তো আজ জ্বলে নি??<br />
রাতের আবেশি আলো গুলো জ্বলে নি??</p>
<p>আজ প্রকৃতি বড্ড ঢুলুঢুলু নেশা খোর মাতাল যেন,<br />
আজ চারদিক স্তব্ধ -আঁধার মুক-বধির যেন।।<br />
আজ আমি চারদিক তাকাই ফেলি এক দীর্ঘশ্বাস,<br />
হাত বাড়ালেই পাবো সবাইকে ছিল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57612"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57612/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">769f74d180a1358fb8a83e534fb950c9</guid>
				<title>সময় ও আমি 
অনিক ভট্টাচার্য্য

নগ্ন পায়ে সমুদ্রের ঢেউ এর পরশ, 
ভোরের শিশিরের কোমল পরশ । 
হাতে হাত ধরে গোধূলি দেখা এক প্রানে  ,
আজো সব পরে এসব মনে ।।

আজ হারিয়েছে সময় হারাচ্ছে সবাই ,
হারানো স্রোতের মতো ফিরবেনা সবাই ??
একটা একটা করে চেনা পর্দা আজ হারাচ্ছে 
চেনা পথ হারাচ্ছে , প্রিয় মুখগুলো ও হারাচ্ছে। 

ও স্রোতের মতো চলা সমই ,একটু শোন না , 
যাচ্ছিস তো কিন্ত কাউকে নিস না ।
আমি প্রিয় বাড়ি, প্রিয় মানুষ দের ভালোবাসি , 
তাদের দেখে বাঁচতে চাই , দেখতে চাই তাদের হাসি ।

যাস না নিয়ে কাউকে নিলে আগে আমাই নে ,
প্রিয় লোকগুলো বাঁচুক দীর্ঘদিন নিলে আমাই নে ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57611/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 13:41:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময় ও আমি<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>নগ্ন পায়ে সমুদ্রের ঢেউ এর পরশ,<br />
ভোরের শিশিরের কোমল পরশ ।<br />
হাতে হাত ধরে গোধূলি দেখা এক প্রানে  ,<br />
আজো সব পরে এসব মনে ।।</p>
<p>আজ হারিয়েছে সময় হারাচ্ছে সবাই ,<br />
হারানো স্রোতের মতো ফিরবেনা সবাই ??<br />
একটা একটা করে চেনা পর্দা আজ হারাচ্ছে<br />
চেনা পথ হারাচ্ছে , প্রিয় মুখগুলো ও হারাচ্ছে। </p>
<p>ও স্রোতের মতো চলা সমই ,একটু শোন না ,<br />
যাচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57611"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57611/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63ab034d5a621f4ea6e5c80c67010cdf</guid>
				<title>মা 
অনিক ভট্টাচার্য্য

আকাশের দিকে তাকিয়ে ছোট্ট হৃদয়,
আজ মেঘলা তাই ভার তার ছোট্টো হৃদয়।
বাবা এসে বলল &quot;কি হোল &quot;??
হৃদয় কাঁদছে তাই পারছেনা ঠিক মত বলতে ,
 থামিয়ে কান্না  বলল শেষে মা আজ আসেনি রাতে 

চকিত ভাবে বলল বাবা&quot; মা আসবে কি করে ??&quot; 
সে তো আর আসবে না গেছে অনেকটা দূরে ।
হৃদয় বলে কে বলেছে মা গেছে দূরে ??
মা আছে ওই চাঁদ -তাঁরার পারে ।
মা বলেছে আমাই ,কোনদিন যদি মা মা কে খুঁজে না পাই। 
আকাশ পানে খুঁজলেই পাবো তাঁকে ওই চাঁদ -তাঁরাই । 

যে তাঁরাটি দেখবো করছে বেশি জ্বলজ্বল ,
ওটাই মা  ওখানে মায়ের অঞ্চল ,
মায়ের যেদিন জ্বর ছিল করছিলো লাল রঙের বমি ।
কাছে ডাকতেই চুপিচুপি গেলাম আমি,
যেন বুড়ো ডাক্তার না দেখে তাকাচ্ছিলাম বারবার ,
এলে খুব বকত , মায়ের পাশে না যেতে করেছে খবরদার ,

সেদিন বেলাই ছিলোনা ডাক্তার ছিলেনা তুমি ,
কত্ত কথা বললাম মা আর আমি ।
একসাথে দুপুরে মা কে জড়িয়ে ঘুমিয়েছিলাম,
সন্ধ্যে বেলা একা জেগেছিলাম আমি 
 কত্ত ডেকেছি জানো বাবা , মা  আর জাগেনি , 

তোমরা মা কে ঘুমের মাঝে বেড়াতে নিলে আমাই নিলেনা 
আমি গেলে জানো বাবা মা হারাতনা ।
তুমিই ত বলেছিলে মা গেছে দূরে আসবে মা তাড়াতাড়ি ,
কৈ মা তো এলনা , কত্ত হোল দেরি ।
কবে আসবে বাবা মা বলনা বাবা ওয় তাঁরার দেশ থেকে ?? 
বাবা আমি কি যাবো ?? আনবো ওখান থেকে ??</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57225/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 12:50:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আকাশের দিকে তাকিয়ে ছোট্ট হৃদয়,<br />
আজ মেঘলা তাই ভার তার ছোট্টো হৃদয়।<br />
বাবা এসে বলল &#8220;কি হোল &#8220;??<br />
হৃদয় কাঁদছে তাই পারছেনা ঠিক মত বলতে ,<br />
 থামিয়ে কান্না  বলল শেষে মা আজ আসেনি রাতে </p>
<p>চকিত ভাবে বলল বাবা&#8221; মা আসবে কি করে ??&#8221;<br />
সে তো আর আসবে না গেছে অনেকটা দূরে ।<br />
হৃদয় বলে কে বলেছে মা গেছে দূরে ??<br />
মা আছে ওই চাঁ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57225"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57225/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eed9cee5e7b707d86707033bab7ae376</guid>
				<title>মা আমি আসছি...
অনিক ভট্টাচার্য্য

ফেব্রুয়ারি মাস টা শেষ হলনা এরই মধ্যে ভয়ানাক গরম পরতে শুরু করেছে, কি পাগলা ঋতু ,কখনো ঠাণ্ডা ,কখন ফুরফুরে হাওয়া, সাথে হটাৎ ঘামানো গরম ,সব কিছু মিলিয়ে বোঝা দাই আদৌ কোন ঋতু চলছে ,?  সকাল বেলা মা&#039;র ফোন টা পেয়ে ঘুম ভাংলো, বলল আমার বাছচা,আমার সোনা, খোকা ভালো আছিস তো??? আমার মার হটাৎ এ আচরণে অবাক হলাম, পরক্ষনে বুঝলাম ফোন এর ওপ্রান্ত থেকে মা কাঁদছে , আমি বললাম কি হোল মা কাঁদছো কেন?? মা অনেক কষ্টে কান্না থামিয়ে বলল , বাবু কিছু না রে তোর সাথে কথা বলতে মন চাইল তাই ফোন করলাম, আমি বুঝলাম মা কিছু একটা লুকচ্ছে অনেক পীড়াপীড়ি তে শেষে বলল একটা খারাপ স্বপ্ন দেখল আমার নাকি  গাড়ি দুর্ঘটনা হোল , এর পরের টা আর বলতে চাইনি...। আমি বুঝলাম তাই জিজ্ঞেস  করে মা র মনে কষ্ট দিলাম না ,এখন দেশে অনেক রাত এখানে দিন, বিদেশ বিভূঁই তে থাকলেও মন পরে থাকে দেশে , মার ও মন পরে থাকে সন্তানের কাছে ,মা বলল আমার লক্ষ্মী সোনা জানি তোর চাকরি খুব কড়াকড়ি তবুও আজ যাস না কোথাও , আমার সত্যি আজ দরকারি কাজ ছিল তবুও মার শান্তির জন্যে বললাম ঠিক আছে যাবো না, এর পর টাটা বলে ফোন টা রাখলাম। ফোন টা পেয়ে মা র জন্যে খারাপ লাগলো মনটা তাই সত্যি সত্যি ই গেলাম না , ঘুমিয়ে পরলাম  ঘণ্টা চারেক পর আবার ফোন বেজে উঠল , এক সহকর্মীর , মোবাইল এ করলো , করে বলল কি রে ভালো আছিস?? ঠিক আছিস তো?? আমি অবাক হয়ে বললাম কেন??আমার আবার কি হবে?? বলল তুই আজ অফিস যাসনি?? আমি বললাম না তো ??? ও বলল তোদের পিক আপ করা গাড়িটা তো খাদে পরে গেছে, আমি আজ অফিস যাইনি, অফিস থেকে ফোন আসাতে জানলাম...। আর কিছু বললাম না ...রাখি বলে রেখে দিলাম... 

অবাক হয়ে ভাবলাম মার টান আর ভালবাসার শক্তির মার বারন না হলে আজ আমি জেতাম অফিসে হইত আর ফিরতাম না , 

তক্ষুনি ঠিক করলাম না  আর না, মার কোলে ফিরে যাই , পয়সা চাইনা , মা কে আগলে কাটিয়ে দেব বাকি জীবন...... মা আমি আসছি...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57224/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 12:49:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা আমি আসছি&#8230;<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>ফেব্রুয়ারি মাস টা শেষ হলনা এরই মধ্যে ভয়ানাক গরম পরতে শুরু করেছে, কি পাগলা ঋতু ,কখনো ঠাণ্ডা ,কখন ফুরফুরে হাওয়া, সাথে হটাৎ ঘামানো গরম ,সব কিছু মিলিয়ে বোঝা দাই আদৌ কোন ঋতু চলছে ,?  সকাল বেলা মা&#8217;র ফোন টা পেয়ে ঘুম ভাংলো, বলল আমার বাছচা,আমার সোনা, খোকা ভালো আছিস তো??? আমার মার হটাৎ এ আচরণে অবাক হলাম, প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57224"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57224/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8f77303c27f28d5f1c57e8832e6f168e</guid>
				<title>সময় 
অনিক ভট্টাচার্য্য
বড্ড গোলমেলে তুই ,চিন্তেই পারিনা,
হ্যাঁ রে সত্যি গোলমেলে তাই বুঝিনা। 
কখনো এমন খুশির সাগরে ভাসাস,
আবার কখনো অপ্রত্যাশিত ভাবে কাঁদাস।

সময় আচ্ছা বল তো তুই কি চাস ? 
তুই কার বিরুদ্ধে?? কাকে তুই চাস??
আশাই থাকি কখন তুই বদলাবি??
দুঃসময় এর সাগর এর পার ধরে কদ্দিন হাঁটাবি??

কখনো কাঙ্ক্ষিত সময়ের জন্যে হন্নে হয়েও আশাহত হই,
কখনো ভয়ার্ত রাতের ভোরের আশাই বসে রই
ভোরের পর আসে কাঙ্ক্ষিত সুখ ,
আবার আসে অনাকাঙ্খিত দুখ।

রাত শেষে কখনো কারো ঘর গড়ে আর আর কারো ভাঙ্গে,
সময়ের শেষে কেউ খুঁজে পাই প্রিয় কে , কারো আবার মন ভাঙ্গে।
বল না তোর মূল্য কতো? কতো টাকাই পাবো তোকে?
কতো সম্পদ দিলে আপন করে পাবো তোকে? 

 ভয়াবহ ঝড় থেকেও ভয়ানক তোর ধাক্কা,
কখনো সফলতার চূড়ান্ত কখনো বিফলতার চরম ধাক্কা।
সময় যা করার আমার সাথে কর প্রিয়দের খাস না,
মারলে আমাকে মার ওদের মারিস না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57223/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 12:48:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সময়<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য<br />
বড্ড গোলমেলে তুই ,চিন্তেই পারিনা,<br />
হ্যাঁ রে সত্যি গোলমেলে তাই বুঝিনা।<br />
কখনো এমন খুশির সাগরে ভাসাস,<br />
আবার কখনো অপ্রত্যাশিত ভাবে কাঁদাস।</p>
<p>সময় আচ্ছা বল তো তুই কি চাস ?<br />
তুই কার বিরুদ্ধে?? কাকে তুই চাস??<br />
আশাই থাকি কখন তুই বদলাবি??<br />
দুঃসময় এর সাগর এর পার ধরে কদ্দিন হাঁটাবি??</p>
<p>কখনো কাঙ্ক্ষিত সময়ের জন্যে হন্নে হয়েও আশা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57223"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57223/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8a95a45ebb4a619b1e4c666d0e624f24</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Anamul Haque Sakib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36444/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Sep 2021 23:37:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a6f8ec1b3974e4945199b0d5da4674e</guid>
				<title>কথাকলি,
অনিক ভট্টাচার্য্য
সেদিন অফিস থেকে ফিরছিলাম, দীর্ঘদিন দেশে মহামারীর জন্য সবকিছু বন্ধ আছে,অফিসও দুদিন খোলে দু দিন বন্ধ,বেশিরভাগ সময় ওয়ার্ক এট হোমে অভ্যস্ত হয়ে পরেছি আমরা,অনেককিছু বদলে গেলো কতচেনা মুখ হারিয়ে গেলো স্কুল কলেজও বছর পেরিয়েও বন্ধ,গাড়ি ঘোরাও পেতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে,রাস্তায় কড়াকড়ির জন্য যৎসামান্য গাড়ি ঘোরা পাওয়া গেলেও যে পরিমান ভাড়া তা দিয়ে নিত্য চলাচল করলে বেতনের পুরোটাই চলে গিয়েও কম পরবে,তাছাড়া যত কম যানবাহন ব্যবহার করা যায় তত ভালো, ধিরে ধিরে হাঁটতে বাড়ির দিকে এগোতে লাগলাম,আর দৃষ্টি কোন যানবাহন পায় কিনা সেদিকে,বাড়ি থেকে অফিস আহামরী দূর না,কিন্তু দীর্ঘ সময় ঘর থেকে Work at home করতে করতে,তাছাড়া বাড়ি থেকে পারতপক্ষে খুব একটা বের না হওয়ায় অনভ্যেসে পরিনত হলো,হাঁটতে হটাৎ একটা রিক্সা চোখে পরলো,যেন আকাশের চাঁদ পেলাম। খুশি তে দাঁড় করালাম,দরাদরি শেষে উঠতে যাবো এমন সময় “অনিক স্যার”বলে কে যেন পেছন থেকে ডাক দিলো,এদিক ওদিক তাকিয়ে কাউকে না দেখে ভাবলাম ভুল শুনেছি,নিজের ভূল সংশোধন করতে যাবো এমন সময় আবার ডাক। এবার চোখে ঐ রাস্তার ওপারে বাচ্চা একটা মেয়ে,কোলে বাচ্ছা নিয়ে হাত দিয়ে আমাকে ডাকছে,সন্ধ্যে হয়ে এলো রাস্তার হলুদ বাতির আলোই চেহারা ততটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছেনা,কে হতে পারে?ভাবতে ভাবতে ততক্ষণে বাচ্ছা মেয়েটি রাস্তা পেরিয়ে এ পারে আসতেই আমাকে দেখে মিষ্টি একটি হাসি দিলো,কোলের বাচ্চাটি বড়োজোড় মাস ছয়েক হবে,মেয়েটির পরনে মলিন জামা,বাচ্ছাটির গায়ে জামা নেই,কিন্তু মেয়েটিকে কেমন চেনা চেনা লাগছে,বেশি কষ্ট করতে হয় সে নিজেই নিজের পরিচয় দিলো, মেয়েটির নাম কথাকলি,বছর দুয়েক বা তিনেক হবে,একটি পথশিশু নিকেতনে পড়াতে যেতাম,সেটি মূলতঃ মেয়ে পথশিশুদের পূনর্বাসন দেওয়া হতো,যাদের এ দুনিয়ায় কেউ নেই অথবা অর্থের অভাবে পথকেই ঘর বানিয়েছে অথবা কন্যা সন্তান বলে মা বাবা ত্যাগ করেছে তেমন হাজারো ধরনের মেয়ে শিশুদের পথ থেকে উদ্ধার করে আশ্রয় দেওয়া হতো,তাদের শিক্ষা দিক্ষা সব কিছুতেই পারোদর্শী করে তোলা হতো,এরপর ওদের পরিবার নিয়ে যেতে এলে তাদের কাছে দেওয়া হতো স্বাবলম্বী করে,আর যাদের কেউ থাকতোনা তাদের যোগ্য পাত্রের সাথে বিয়ে অথবা কর্ম ক্ষেত্রে স্বাবলম্বী চরে গড়ে তোলা হতো,সেখানে আমার কোন এক সূত্র ধরে পড়ানোর সুযোগ ঘটে,সেখানেই অনেক শিশুর মধ্যে “কথাকলি”ও ছিলো তখন বয়স ৬/৭হবে এখন ৯/১০ এর বেশি হবেনা,দু বছরে একটু পরিবর্তনও হলো তাই চট কর চিনতে পারিনি,কিন্তু ও এখানে?তাও এ মহামারীর সময়?না কোন মাস্ক,না কোন আত্মসুরক্ষার ব্যবস্থা নেই,শিশুটিরও নেই,এমন অবস্থায় এখানে?চোখ মুখে বলে দিচ্ছে বেশ ক্ষুদার্থও,তাই সামনের একটি খাবার হোটেলে নিয়ে বসলাম,হোটেল ফাকাঁ এ অবস্থায় কেউ বের হয়না,রাস্তাঘাটেও লোকজন নেই,আগে চট করে “কথাকলি”র জন্য ভাত,মাংস,অর্ডার দিলাম। খুব তৃপ্তি ভরে খেলো কোলে শিশুটিকে বসিয়ে,বোঝায় যাচ্ছে বেশ কয়েকদিন পর পেটে কিছু গেলো। খাওয়া দাওয়া শেষে আমি আমার আর ওর জন্য চা নিলাম,এবার বলতে বললাম,আসলে ওখানে আসার পর থেকে আর যোগাযোগ ই রাখা হয়নি ব্যস্ততার কারনে,তাই অনেক কিছুই জানিনা,এতক্ষন চুপ থাকারপর “কথাকলি বলতে শুরু করলো,““স্যার আমার বাবা কিসের জন্য জেল গেছিলো জানি না,মনে নেই চেহারাটা শুধু মনে আছে একদিন মা খুব কান্নাকাটি করছিলো বাবাকে নাকি পুলিশ গুলি করে মেরে ফেলেছে
বাবা নাকি জেল থেকে পালাতে গেছিলো,এর কিছুদিন পর মা বিয়ে করে আবার কিন্তু লোকটার সাথে বেশিদিন ছিলোনা একদিন কি নিয়ে ঝগড়া হচ্ছিলো খুব মা নতুন বাবার মাথায় হাতুরী দিয়ে জোরে মারে,ওখানেই ছটফট করতে করতে বেহুঁস হয় এরপর আমাকে নিয়ে পালিয়ে যায় মা,এরপর একদিন পুলিশ ঠিক খুঁজে বের করে আমাদের নতুন বাবা নাকি ঐ আঘাতে মারা যায়,আমাকে ফেলে মাকে ধরে নিয়ে যায়,তার পর আমি খাবার অভাবে পথে পথে ভিক্ষে করতাম,একদিন আমি যেখানে থাকতাম আপনি আমাদের পড়াতেন ওখানে পুলিশ দিয়ে আসে,এরপর আস্তে আস্তে পড়াশুনো করি একটু একটু বড়ো হয়,আপনি ওখানে পড়াতেন আমাদের সবাই আপনাকে ভালোবাসতো,আমরা খুব আনন্দ পেতাম অনেক কিছু শিখতাম আপনার থেকে একদিন,আপনিও আসা বন্ধ করে দেন,আপনি যাওয়ার কিছুদিন পর মা ছাড়া পাই জেল খোঁজ থেকে আমাকে নিতে আসে সাথে রাখবে,কিন্তু আমি স্বপ্নেও ভাবিনি আমার মা আমাকে নিয়ে বেচেঁ দেবে,একটা লোকের হাতে বেচেঁ,আমাকে বিয়ে না করে আমাকে তার কাছে রাখে ,অনেক কষ্ট হতো ,আমাকে অনেক কষ্ট দিতো ঘরে মানুষ আসতো প্রতিদিন,অনেক কষ্ট দিতো তাদের কথা না শুনলে খুব মারতো আমাকে,কি সব ওষুধ খেতে দিতো আমার খেতে কষ্ট হতো বলে ফেল দিতাম,একদিন আমার শরীর খারাপ হয়ে যায়,বমি মাথা ঘুরিয়ে পরে যায়,ডাক্তার পরীক্ষা  করে জানাই আমি মা হচ্ছি,শুনে লোকটা অনেক মারে বাড়ি নেওয়ার পর,ওষুধ গুলো খাইনি তাই নাকি এমন হলো,এরপর রাতে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমার আর দরকার নেই বলে,বৃষ্টির মধ্যে,এরপর আমার এ বাচ্চার জন্ম হয়,এখন মানুষের বাড়িতে কাজ করে পেট চালাই,কিন্তু মহামরীর জন্যে এখন কেউ ডাকেনা,এখন রোগের ভয়েও কেউ কাছেও আসেনা,”” এতো গলো কথা গরগর করে বলছিলো এতোক্ষন ,বলতে বলতে কেমন আনমনা হয়ে গেলো,হটাৎ বাচ্চাটা কেঁদে উঠতেই হুঁশ ফিরলো,দীর্ঘশ্বাস ফেলে সোজা হোটেল থেকে বেড়িয় গেলো কিছু না বলে,এতক্ষণ এসব বলেছে বলে হয়তো লজ্জা পেলো,অজান্তে প্রিয় স্যারকে পেয়ে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না,বলে দিলো এরপর হয়তো খেয়াল হলো স্যার ও তাকে আগের মতো স্নেহ করবেনা,উল্টো নোংরা ভাব্বে,আমিও পেছন থেকে ডাকলাম না,রাস্তার ধারের দোকান,দেখতে পাচ্ছি আকাশে বিদ্যুৎ
চমকাচ্ছে,হাওয়া দিচ্ছে তার মাঝে হলুদ হেলোজেনের আলো মাখা প্রায় ফাঁকা রাস্তা ধরে পার হয়ে শিশুটি নিয়ে কথাকলি আবার আধাঁরে হারিয়ে গেলো, মিশে গেলো নিকষ কালো অনিশ্চিত পথে,জানিনা এভাবে কতো কথাকলির মতো কলি ঝরে যায় আমরা তথাকথিত সভ্য সমাজ তাদের খবরও রাখিনা,রাখার প্রয়োজনও মনে করিনা,পশু নির্যাতন নিয়ে যতো সচেতন,মানব শিশু নির্যাতন নিয়ে খবরও রাখিনা,কথা কলিরা মানুষ না হয়ে পশু হলে ভালো হতো,,,,,,</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36296/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Sep 2021 10:48:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কথাকলি,<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য<br />
সেদিন অফিস থেকে ফিরছিলাম, দীর্ঘদিন দেশে মহামারীর জন্য সবকিছু বন্ধ আছে,অফিসও দুদিন খোলে দু দিন বন্ধ,বেশিরভাগ সময় ওয়ার্ক এট হোমে অভ্যস্ত হয়ে পরেছি আমরা,অনেককিছু বদলে গেলো কতচেনা মুখ হারিয়ে গেলো স্কুল কলেজও বছর পেরিয়েও বন্ধ,গাড়ি ঘোরাও পেতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে,রাস্তায় কড়াকড়ির জন্য যৎসামান্য গাড়ি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-36296"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/36296/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f5180a38e150834aca9d87cc3d0fae1</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Bimal Saha are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/32648/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Sep 2021 04:25:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ee9b368c41d4f1f46d134ca8fdaa4272</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and সাদ্দাম হোসেন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/32245/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Sep 2021 07:22:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5253a1c67b89a7e311dedf3fbb34a803</guid>
				<title>কাঁচের ঐ রাস্তা
অনিক ভট্টাচার্য্য

কাঁচের পরে কাঁচ জমে তৈরী হলো রাস্তা,
চেয়ে দ্যাখ কতো দূর গেছে সে রাস্তা। 
পাবিনা খুঁজে রাস্তার শেষ কিনারা,
যেখানে গড়ে উঠেছে অন্যরকম পাড়া। 

ইচ্ছে জাগে একদিন হারিয়ে  যেতে ওপারে...
পা বাড়াতেই হোচঁট খাই। ,ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝড়ে। 
তবুও  দূরান্তের পাড়া হাত দিয়ে ডাকেনা,
যদি ডাকতো ছুটে যেতাম,এ পাড়ের পথ আর মারাতাম না। 
ও দিগন্তে হারাতাম ভুলে সব যন্ত্রনা,
হাজারো দুখ শেষে সুখ এলো এই ভেবে পেতাম শান্তনা। 
এ পাড়ের স্মৃতিতে শুধু কষ্ট আর ঝড়েছে রক্ত,
যতোই বেসেছি ভালো তত শুনেছি কথা শক্ত। 
 আপন করে যতন করে ভরিয়েছি ভালোবাসায়,
দিনান্তে পেলাম শুধু কষ্ট মরেছি তাচ্ছিল্যের জ্বালায়। 
 সুখসুখ করে ঢের হলো আশায় বুক বাধাঁ,

দিনের শেষে জীবনখাতা রইলো পড়ে সাদা। 
কাঁচের ওপাটটি খোলোনা গো একটি বার,
যেতে দাও তোমার পাড়ে,চাইনা ফিরতে এ পাড়ে আর। 
শক্ত কাচেঁর ওপাড়ে আছে শক্ত পুরু দেয়াল,
চাইনা ফিরতে এ পাড়ে ভেঙ্গে সে দেয়াল  ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31997/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Sep 2021 22:36:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাঁচের ঐ রাস্তা<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>কাঁচের পরে কাঁচ জমে তৈরী হলো রাস্তা,<br />
চেয়ে দ্যাখ কতো দূর গেছে সে রাস্তা।<br />
পাবিনা খুঁজে রাস্তার শেষ কিনারা,<br />
যেখানে গড়ে উঠেছে অন্যরকম পাড়া। </p>
<p>ইচ্ছে জাগে একদিন হারিয়ে  যেতে ওপারে&#8230;<br />
পা বাড়াতেই হোচঁট খাই। ,ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝড়ে।<br />
তবুও  দূরান্তের পাড়া হাত দিয়ে ডাকেনা,<br />
যদি ডাকতো ছুটে যেতাম,এ পাড়ের পথ আর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-31997"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/31997/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4ab848a3a15126bdda23d0ba42c4ee5</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Dhruba Roy are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30365/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Sep 2021 09:59:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3a6b3cbc1b02187d40c251ace005dfe</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Md. Arif Hossain are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30325/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Sep 2021 07:57:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">04007887b8f6d25f1793ca0d659df903</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30308/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Sep 2021 07:28:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5eb26e38df62713edd3f43bb3051dd88</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Umme Tabassum Taiyeba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30137/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Aug 2021 18:24:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b9280c644c8dcd4bd092db03ade8e647</guid>
				<title>&quot;মা&quot; কে হারাতে চাইনা
অনিক ভট্টাচার্য্য

আমার টাকা চলে যাক ভাবিনা ,
আমার ঘর বাড়ি চলে যাক ভাবিনা,
আমার ক্ষমতায় সব গড়বো আবার, তাই ভাবিনা। 
শুধু মা হারালে,তাকে আর পাবোনা,
দুনিয়ার সব সম্পদ দিয়ে তাকে পাবোনা। 
টাকা দিয়ে বালিশ পাবো মায়ের কোল পাবোনা। 
টাকা দিয়ে ঘর পাবো  পাবোনা বাসা,
যে বাসায় ছড়িয়ে থাকে মায়ের ভালোবাসা। 
একদিন মহল গড়বো,চড়বো দামি গাড়ি,
কিন্তু  টাকায় পাবোনা মায়ের গন্ধ মাখা শাড়ি। 
বছর গড়িয়ে একে সব যায় চলে ,
এইতো সেদিন বাবা গেলো চলে। 
ভয় হয় একদিন যদি উঠে দেখি শুন্য পরে বিছানা,
শূন্য পরে ঘর, নেই কোথাও মায়ের মুখখানা। 
সেদিন ভয় পেলে কোথায় যাবো?
মন খারাপে কার আদর পাবো?
মা আমাকে ভালোবাসে কিন্তু বলেনা। 
শত কষ্টেও মা কোনদিন কাঁদেনা। 
সব সময় হাসিমাখা মুখ,
দুষ্টুমি আর সরলতায় ভরা মুখ। 
মা আমায় আগলে রাখতে চায় বুকের মাঝে,
আমার সাথেই বকবক দিবা  থেকে সাঁঝে। 
আমার বন্ধু বটে সে ছোট্ট বেলা থেকে,
 কষ্টের মাঝেও হাসতে দেখেছি সেই ছোট্ট বেলা থেকে। 
আমার কাছে টাকা ,গাড়ি সব মূল্যহীন,
মা ছাড়া সব আলোই আমার জন্য ক্ষীন। 
বাবা যেদিন গেলো চলে,হুট করে না বলে,
জলের ধারা ঝরতে দেখেছি চোখ থেকে গালে। 
জন্মের পর এটাই প্রথম মায়ের চোখে জল। 
সব হারিয়ে মা আমার হয়েছিলো নিশ্চল। 
সেদিন কষ্টেও ভয়ে কুকঁড়ে গেছি,
মায়ের দিকে চেয়ে ভয় পেয়েছি। 
দেখেছি ভবিষ্যতের ভয়াল রেখা,
যা আমার অদৃষ্টের রেখা। 
মাকে কোনদিন চাইনা হারাতে তাইতো এতো ডড়াই,
মা যেন থাকে আমার কাছে,আর কিছু না চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29743/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 23:58:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;মা&#8221; কে হারাতে চাইনা<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আমার টাকা চলে যাক ভাবিনা ,<br />
আমার ঘর বাড়ি চলে যাক ভাবিনা,<br />
আমার ক্ষমতায় সব গড়বো আবার, তাই ভাবিনা।<br />
শুধু মা হারালে,তাকে আর পাবোনা,<br />
দুনিয়ার সব সম্পদ দিয়ে তাকে পাবোনা।<br />
টাকা দিয়ে বালিশ পাবো মায়ের কোল পাবোনা।<br />
টাকা দিয়ে ঘর পাবো  পাবোনা বাসা,<br />
যে বাসায় ছড়িয়ে থাকে মায়ের ভালোবাসা।<br />
একদিন মহল গড়বো,চড়বো দাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29743"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29743/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4baaa731f0b1727a0ffb02d08b0af3af</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29711/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:51:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">49fdb497970d31f89925d2cd0973cbcd</guid>
				<title>প্রিয়
ভালো আছিস?
অনিক ভট্টাচার্য্য

প্রিয়
ভালো আছিস
শুনলাম তোর নাকি ফুটফুটে এক সন্তান হলো?তুই তাহলে এখন মা হলি?প্রতিদিন নানা ক্লান্তির পর একাকী যখন বারান্দায় একলা অলস দুপুরে,দাঁড়াস ,যখন হাঁক দেয় ফেরিওয়ালা,তা ছাড়া আর কোন শব্দ নেই,যখন হালকা শেষ দুপুরের সোনালী আলো তোর নরম গালে ছুঁয়ে যায়,মনে পরে ফেলে আসা অতীত?ফেলে যাওয়া আমায়?জানি তোর এখন প্রকাশ্যে ভাবাও অন্যায়। আমাদের একান্তের ভালোবাসার নগরী আজ নিষিদ্ধ নগরী,তবু মনের অতি গভীরে কোথাও কি স্মৃতি বিস্মৃতি মাঝে মধ্যে তোর স্মরনে উঁকি দেয়?মনের অজান্তে উহঁ করে কেঁদে ওঠে?  বা চেনা পথ,চেনা দোকান দিয়ে যেতে যেতে কখনো থমকে যাস?বের হয় দীর্ঘস্বাস?
বহু বছর পেরিয়ে গেলো তবুও আজও বৃষ্টি হয়,শীতের কাপুঁনি ধরে,গরমের তেজ আজও আছে,সবই একই আছে যেমনটি তুই ছেড়ে গেছিলি, তখন বলেছিলি সময়ের সাথে সব বদলাবে,কৌই বদলায়নিতো কিছু!বদলেছিস শুধু তুই,চাকরিটা আমি পাইনি বলে বেলা বোসের মতো বদলেছিস তুই,আচ্ছা শুনেছি নাকি তুই এখন বৃষ্টিতে ভিজতে পারিস না?কাঁপুনি দিয়ে নাকি জ্বর আসে?মনে পরে সে স্কুল শেষে বাড়ি ফিরতাম আনা দুয়েকের বস্তা আইস্ক্রীম্ খেতে খেতে পিঠে ব্যাগ,ঝমঝমিয়ে কাক ভেজা হয়ে দুজন হাত ধরাধরি করে সেই লাল দীঘির মাজার লাগোয়া দিঘীর ধারে তাকিয়ে দেখতাম দীঘির জল,আর বুনতাম স্বপ্ন,অথবা স্কুল পেরিয়ে কলেজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ডায়মন্ডের ছোট্ট চায়ের দোকানে জমিয়ে চা আর আড্ডা,কতো শীতে নেভালের পাড়ে ডিভাইডারে পা দুলিয়ে তোর মাথা কাঁধে রেখে সুর্যাস্ত দেখেছি,বুনেছি আগামীর স্বপ্ন, সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে,প্রায়ই শপথ নিতিস দুনিয়া বদলে গেলেও  আমরা যেন না বদলায়,দেখ দুনিয়া একই আছে শপথ ও আমার আজও একই আছে বদলে গেলি শুধু তুই। দীর্ঘ বছরের বড়ো হওয়া,স্কুল থেকে কলেজ তাই তোর সাথেই সবটা,বন্ধু বল প্রেমিকা বল,অন্য কোথাও মনোনিবেশের ধারনাও ছিলো না,কল্পনাতেও ছিলোনা তুইও বদলাতে পারিস?একটু ভালো চাকরী,একটু সময়ের কমতিতে আমার অক্ষমতা কতো সহজে বুঝলি। সেদিন মনে হলো এতো বছরে আমার ভরসা শক্তি আত্মবিশ্বাস সব ভুল। আমার ওপর ভরসা ছিলোনা তোর। আজ আমি সত্যিই প্রতিষ্ঠিত। না তোকে টাকার গরম বা অহঙ্কার না,শুধু বলা সেদিনের আমাকে চেনাটা,তোর ভুল চেনা ছিলো,মজার ব্যাপার এক সময়ে যে অর্থের ,ভালো চাকরির অভাব ছিলো বলে দীর্ঘ ভরসা ভালোবাসা ছিন্ন করে চলে গেছিলি,আজ এগুলো দেখে কতোজন আমাকে পাওয়া ধন্যি মনে করে,কিন্তু আমি পারিনা,ঋতুর মতো বদলে যেতে,বদলাবো না আমি বদলাবিনা তুই  এমন‌ই বারবার বলতিস কিন্তু দেখ পৃথিবী ঠিকই আছে বদলে গেলি তুই,কিন্তু আমি ভালোবাসার  শপথ ভাঙ্গিনি,কেনো জানিস?তাহলে যে মানুষ ভালোবাসা তে বিশ্বাস করবেনা,তবে আমি খুব খুশি তোর কাছে হেরে,আমার ভালোবাসা হারেনি,কারন ভালোবাসার  মানুষটির সুখের মাঝে,জিৎ লেখা থাকে। এ জন্মে তো আমার কাছে আসবি না,ভালোবাসবি না,পরের জন্মে তোর অপেক্ষাতে থাকবো,আর এ জন্মের মতো দেরী করবোনা সফল হতে,কারন তোকে যে হারাতে চাইনা,ভালো থাকিস প্রিয়
। জানি অন্য সকল চিঠির মতো এটিও আমার টেবিলের ড্রয়ারে জমা হবে,আমার মৃত্যুর পর যখন তালা ভাঙ্গা হবে,খুঁজে পাওয়া যাবে এগুলো,হয়তো অবহেলায় হারিয়ে যাবে,তোর কাছে পৌঁছোবেনা,পৌঁছালেও তোর কাছে মূল্যহীন রয়ে যাবে, 

আচ্ছা পরে আবার লিখবো এখন ঘুমোবো ভোরের আলো ফুটতে চলেছে,

ইতি,
তোর অপ্রিয়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29636/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 16:09:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়<br />
ভালো আছিস?<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>প্রিয়<br />
ভালো আছিস<br />
শুনলাম তোর নাকি ফুটফুটে এক সন্তান হলো?তুই তাহলে এখন মা হলি?প্রতিদিন নানা ক্লান্তির পর একাকী যখন বারান্দায় একলা অলস দুপুরে,দাঁড়াস ,যখন হাঁক দেয় ফেরিওয়ালা,তা ছাড়া আর কোন শব্দ নেই,যখন হালকা শেষ দুপুরের সোনালী আলো তোর নরম গালে ছুঁয়ে যায়,মনে পরে ফেলে আসা অতীত?ফেলে যাওয়া আমায়?জা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29636"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29636/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">22edc995b4db0e423e3639bfce72a31c</guid>
				<title>সুখে আছি
অনিক ভট্টাচার্য্য
রিং।।।। রিং।।।।। রিং।।।।।

হ্যালো কে পুজন??? 
পুজন: হ্যারে রাকেশ , আমি পুজন,

রাকেশ: কি রে ??কেমন আছিস? বন্ধু দেখা, সাক্ষাৎ নেই, 

পুজন: ভালো আছি রে, তা তোর কি অবস্থা?? কেমন আছিস?

রাকেশ: এই চলছে, আর কি, ভালো নেই,এক প্রকার, এখন, প্রচন্ড গরমে অফিস থেকে ফিরে এসে, লোডশেডিংয়ে আধাঁরে বসে আছি, সন্তানটা পড়তে পারছে না, কারেন্ট কবে আসবে ঠিক নেই, আইপিএস, ইনভার্টার, এসব কেনার সামর্থ্য ও নেই যে কিনবো, সারাদিন পরিবার টা কষ্টে থাকে, বাবার অবসর জীবন, মায়ের ও বয়েস হলো, এদিকে আমিও বিয়ে করলাম, সন্তান ও আছে,একা আমার উপার্জনের ওপর, চলে খরচ বেড়েছে, উপার্জন কমেছে, স্ত্রী সন্তান‌ও কষ্ট পায়?

পুজন: কেন?

রাকেশ: দ্যাখ গরীবের জ্বালা তোরা বুঝবি না,কতো শখ হয়, ব‌উ বাচ্চাদের নিয়ে  একটু ঘুরতে যায়, পুজোর ও আর দিন বেশি নেই,

পুজন: তাই?(কাশতে কাশতে) দেখতে দেখতে পুজো ও চলে এলো?
সময় কিভাবে চলে যাচ্ছে,আজ কাল বোঝায় যায় না,

রাকেশ: হুম।।।তা বল কি করছিস?
পুজন: এই তো কিছুনা,ক্লান্তি লাগছে আর ঘুম ও পাচ্ছে, ঘুমোচ্ছিলাম।

পুজন ( হাসতে হাসতে বললো) ঠিক বললি,তা ওসব ছাড় ,আমার কপাল ভালো আর কি করা যাবে?,তোর খারাপ কি বা করার আছে?তা বল এদ্দিন পর? কি মনে করে?

রাকেশ: আসলে কি করে বলি? ইয়্যো মানে, কিছু টাকার ধার হবে? তোকে  মাস খানেক পর দিয়ে দেবো, আসলে সামনে পুজো,বাবা,মা,ব‌উ,বাচ্চা, এদের শপিং এর জন্য টাকা লাগবে,এবার বোনাস দেবে দেরিতে, ততদিনে পুজো শেষ,জানিস তো চাকরির কি হাল?বেতন বোনাস সবটাই এতো কম একটু সুখে থাকা যায়না, না পারছি বাপ মাকে খুশি করতে,না পারছি ব‌উ, বাচ্চাকে ভালো রাখতে, সংসার চালাতে চালাতে, রীতিমত মরে যাওয়ার জোগাড়, তোর মতো যদি ভাগ্যবান হতাম,তবে সব সুখ কিনে নিতাম,(দীর্ঘ শ্বাস)

পুজন: (হেসে হেসে) তা ঠিক বললি,আমি অনেক ভাগ্যবান, তোর থেকে অনেক সুখি,

রাকেশ:ব্যঙ্গ করছিস?

পুজন:(কাশতে কাশতে) না না ব্যঙ্গ কেন করবো?

রাকেশ:ইয়ে বলছি, শোন না, টাকা টা বেশি দরকার, পারবি?

পুজন: হম্ কবে নিবি? এক কাজ কর ,কাল নিয়ে যাস,
রাকেশ: ঠিক আছে আমি কাল তোর বাড়ি আসছি,আর সময় মতো টাকা ফেরত পেয়ে যাবি, চিন্তা করিস না,ভরসা রাখতে পারিস,

পুজন: সে ভাবছি না, আর হ্যাঁ বাড়িতে আসিস না পাবিনা, st. teresa hospital 6th floor 654 নম্বর কেবিনে আসিস, এটা আমার বর্তমান ঠিকানা,

রাকেশ: (ইতস্তত। হয়ে বললো, ) মানে?ওখানে কে? কার শরীর খারাপ?
পুজন: আমি

রাকেশ:কেন?
পুজন: এতক্ষণ তুই বললি, এবার আমি বলি, বছর চারেক আগে রোড এক্সিডেন্টে মা বাবা মারা যায়, সারা শরীর পুরে ছাই হয়ে যায়, মা বাবার মুখাগ্নিও করতে পারিনি, সে শোক কাটতে না কাটতে স্ত্রীর ক্যান্সার ধরা পরলো,লাস্ট স্টেজ, চোখের সামনে তিল তিল করে মরেছে, সন্তান আমাদের হ‌ওয়ার সুযোগ‌ও হয়নি, এক নিমিষেই পরিবার, বংশ সব শেষ ,স্ত্রীও ছেড়ে চলে গেলো দুনিয়া থেকে, মুখাগ্নী করার সময় মাথা ঘুরিয়ে পরে যায় আমি, সবাই ভেবেছিল শোকে ,এমন হলো,ডাক্তার দেখানোর পর পরীক্ষা শেষে দেখা গেলো আমার ও ব্রেন ক্যান্সার লাস্ট স্টেজ,প্রায় প্রতিদিন মাথা যন্ত্রনায় বেঁহুস হয়ে পরি, ইঞ্জেকশন দিয়ে ঘুম পাড়ানো হয় দিনের খুব কম সময় জেগে থাকি, তাই ঘুম ঘুম পাই, কড়া ঔষধে, প্রায় সময় আইসিউ তে লড়াই চলে, বাঁচিয়ে তোলার জন্য, ঐ যে বললাম সুর্যের আলো দেখিনা কারন জেগে থাকি কম, আর হসপিটাল বলেই লোডশেডিংয়ের ঝামেলা নেই, শেষ কবে বাইরের জগত দেখেছি জানিনা, আর দেখবো কিনা তাও জানি না, প্রতিদিন গুনি ঐ যে বললি আমার অনেক পয়সা ,সব কেনা যায়, প্রতিদিন,সত্যি একটু একটু বেঁচে থাকা কিনি,ঐ যে বললি মরতে চাস?মরাটা সহজ , বাঁচা টা কঠিন, গলায় দড়ি দিয়ে মারা যাওয়ার আগেও মানুষ ছটফট করে, দড়ি খোলার জন্য বাঁচার জন্য, 

তাই বন্ধু একটা কথায় বলবো, 
কাউকে বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায়না, সে কতটা সুখি না দুখি আছে?আমি আগামীর স্বপ্ন দেখি না,দেখি আগামী কালকের, একটা দিন বাচাঁর ,কারন প্রতিদিন জানিনা পরের দিন চোখ আর খুলবো কিনা?দিন গুনিই,ফুড়িয়ে যত‌ই যাচ্ছে সময় , ততটা ই বাচঁতে চাচ্ছি আরো একদিন বেশি, (হটাৎ শ্বাস কষ্ট) আচ্ছা রাখি খুব কষ্ট হচ্ছে মাথায়, এতোক্ষণ কারো সাথে কথা বলতে পারিনা ,রাখছি, কাল বেঁচে থাকলে দেখা হবে,যেতে যেতে একটা কথা বলি, কেউ ই জানেনা কোন মানুষ কতটা সুখি?।।আর কতটা দু:খি? কিন্তু আমরা আমাদের দুঃখ গুলো এতো বড়ো ভাবি সামনের জনের টা কম মনে হয়,
****************************************************************************************</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29584/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 14:38:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখে আছি<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য<br />
রিং।।।। রিং।।।।। রিং।।।।।</p>
<p>হ্যালো কে পুজন???<br />
পুজন: হ্যারে রাকেশ , আমি পুজন,</p>
<p>রাকেশ: কি রে ??কেমন আছিস? বন্ধু দেখা, সাক্ষাৎ নেই, </p>
<p>পুজন: ভালো আছি রে, তা তোর কি অবস্থা?? কেমন আছিস?</p>
<p>রাকেশ: এই চলছে, আর কি, ভালো নেই,এক প্রকার, এখন, প্রচন্ড গরমে অফিস থেকে ফিরে এসে, লোডশেডিংয়ে আধাঁরে বসে আছি, সন্তানটা পড়তে পারছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29584"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29584/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d9c232dfe279996e88913a5af316b494</guid>
				<title>আঙ্গুরলতা
অনিক ভট্টাচার্য্য

ফেলে আসা হাত ডাকলো বলে পিছু চাই,
চেয়ে দেখি আ‌ঙ্গুরলতা আর নাই,
নেই তার সেই ললাট রা‌ঙ্গা সিঁদুরের ঘটা,
নেই তার হাতের আ‌ঙ্গুরীবালাটা।
আছে শুধু মোনালিসার মতো ছবি হয়ে,
আছে স্রষ্ঠার তুলির ক্যানভাসে ভাসে জাদু হয়ে।
আঙ্গুরীবালারা চিরকাল আড়ালেই থাকে,
চোখের কোনে রাত্রি কালো কাজল,
অগোছালো হয়ে দোল খেলো মলিন আঁচল।
আঙ্গুরলতা বেঁচে থাক শিল্পীর ক্যনভাসে ,
বাস্তবের নির্মমতা গিলে খাবে নচেৎ গোগ্রাসে,
কখনো বাস্তবের আঙ্গুরীবালা স্বপ্ন দেখে আকাশ ছোঁয়ার,
কত কি খোঁজে মনের অগোচরে পাওয়ার।
দিন শেষে জমে ওঠে দীর্ঘ শ্বাস,
মন ভাঙে হারিয়ে বিশ্বাস।
বেঁচে থাকে আঙ্গুরলতারা শেষ শ্বাসে,
বেঁচে থাকা শুধু চলাচলের নিঃশ্বাসে,
মরন হয় মনের,মরন হয় স্বপ্নের,
শুধু শ্বাস চলে অপেক্ষায় আনুষ্ঠানিক মরনের।
চোখে কাজলের কালো থাকার বদলে কষ্টের কালো মেঘ জমে,
বারংবার আরশী পানে চেয়ে শ্বাস জমে,
স্রষ্ঠার‌ও মন ভাঙ্গে বুক ফাটে,
শুষ্ক হয়ে মনের বাষ্প ভাসে চৌচির মন-ঘাটে,
দিন শেষে আঙ্গুর লতা আর মোনালিসা এক হয়,
স্থান কাল পাত্র ভেদে এক হয়।
চিৎকারে মুক্তি চাই একটু ভালোবাসার,
এ চিৎকার আসলে সৃষ্টির না, স্রষ্ঠার,
এক অমোঘ গল্প লিখে যায় ক্যানভাসের তুলিতে,
উপন্যাস রচিত হয় কল্পনার ঝুলিতে।
স্রষ্ঠার কাঁপা কাঁপা হাতে তুলি থামে,
মনের পাড়ে পলি জমে।
অগোচরে ক্ষরন হয় রক্তিম ধারা,
ক্যানভাসের তুলির রং হয়ে গড়ে ওঠে ছবির পাড়া।
আঙ্গুরলতা বলে যায়, স্রষ্টার কষ্ট গাঁথা,
যা প্রোথিত থাকে স্রষ্টার মনে গাঁথা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29580/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 14:31:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আঙ্গুরলতা<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>ফেলে আসা হাত ডাকলো বলে পিছু চাই,<br />
চেয়ে দেখি আ‌ঙ্গুরলতা আর নাই,<br />
নেই তার সেই ললাট রা‌ঙ্গা সিঁদুরের ঘটা,<br />
নেই তার হাতের আ‌ঙ্গুরীবালাটা।<br />
আছে শুধু মোনালিসার মতো ছবি হয়ে,<br />
আছে স্রষ্ঠার তুলির ক্যানভাসে ভাসে জাদু হয়ে।<br />
আঙ্গুরীবালারা চিরকাল আড়ালেই থাকে,<br />
চোখের কোনে রাত্রি কালো কাজল,<br />
অগোছালো হয়ে দোল খেল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29580"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29580/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a7fdaceb8feeb3ffd915a0bdda15c03e</guid>
				<title>রাখবো না তোকে বেঁধে আর,
অনিক ভট্টাচার্য্য

আমি তোকে বারবার হারিয়ে ফেলি,
আঁকড়ে ধরতে চেয়ে তোকে হারিয়ে ফেলি।
কতোবার ভাবি আর হয়তো যাবিনা হারিয়ে,
তবুও তোকে ফেলি হারিয়ে,
আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই কিন্তু পারিনা,
চিৎকার করে বলতে চাই,ভালোবাসি কিন্তু পারিনা।
যতবার‌ই কাছে আসতে চেয়েছি দূরে গেছিস ততবার,
যতো বার ভালোবেসেছি, দূরে ঠেলেছিস ততবার।
কতোবার তোর একফোঁটা ভালোবাসা চেয়েছিলা,
নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি।
বিনিময়ে শুধু অবহেলা পেলাম,
প্রানভরা ভালোবাসার বদলে তাচ্ছিল্য পেলাম।
তোকে আর আঁকড়ে রাখবো না,
তোকে ভালবাসি বলবো না।
যদি তুই আমার হোস আসবি ফিরে একদিন,
আমাকে ভালোবাসিস ঠিক ফিরবি একদিন।
যতোবার বেঁধেছি ততবার ছুটেছে,
ভালোবাসার অপরাধে যন্ত্রনা জুটেছে।
আমি যাকেই আঁকড়ে ধরেছি বাঁচবো বলে,
সেই আমায় ছেড়ে গেছে, স্রোতের তালে।
যাকে ঘিরে স্বপ্ন গড়েছি বাঁচবো বলে,
দিন শেষে সবার আগে সেই ছেড়ে গেছে চলে।
তোকে আজ দিলাম ছেড়ে যা উড়ে পাখি,
না চাইলে কি করে তাতে আটকে রাখি?
ভালোবাসার মন্ত্র জালে পরিস যদি একবার,
জানি আমি সেই টানে আমার কাছে আসবি ফিরে আবার।
আসতে যদি হয় দেরী,
দিই যদি ওপার পাড়ি।
আসবো ফিরে ঠিক আবার,
হয়তো অন্যরুপে আরেক বার।

আমি তোকে বারবার হারিয়ে ফেলি,
আঁকড়ে ধরতে চেয়ে তোকে হারিয়ে ফেলি।
তাই এবার রাখবো না তোকে বেঁধে আর,
ফেরার হলে ঠিক ফিরবি আবার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29568/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 14:20:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাখবো না তোকে বেঁধে আর,<br />
অনিক ভট্টাচার্য্য</p>
<p>আমি তোকে বারবার হারিয়ে ফেলি,<br />
আঁকড়ে ধরতে চেয়ে তোকে হারিয়ে ফেলি।<br />
কতোবার ভাবি আর হয়তো যাবিনা হারিয়ে,<br />
তবুও তোকে ফেলি হারিয়ে,<br />
আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই কিন্তু পারিনা,<br />
চিৎকার করে বলতে চাই,ভালোবাসি কিন্তু পারিনা।<br />
যতবার‌ই কাছে আসতে চেয়েছি দূরে গেছিস ততবার,<br />
যতো বার ভালোবেসেছি, দূরে ঠেলেছিস ততবার।<br />
ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29568"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29568/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">388a945fbfc8ce777fd72b5afe1c6574</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and Sharbanam Gupta are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29566/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 14:18:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">388a945fbfc8ce777fd72b5afe1c6574</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29565/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 14:18:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">388a945fbfc8ce777fd72b5afe1c6574</guid>
				<title>অনিক ভট্টাচার্য্য and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29564/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 14:18:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>