<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | আফরিন ইনায়াত কায়া | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/inayatkaya55/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/inayatkaya55/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for আফরিন ইনায়াত কায়া.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 21 Jun 2026 02:53:21 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b16f7fc26d490a1df9d423d6d4ac0213</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট২২
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
সামনে থাকা লোকটাকে দেখে উঠে দাড়ায় ইনা।মুহুর্তের মধ্যে যেন তার সব কিছু থেমে গেছে।তার মানে কি তার অতীত ফিরে এসেছে?পাচ বছর আগের সেই স্মৃতি কি আবার তাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিবে?মিটেও কি মিটবে না তার কলঙ্কের দাগ?এক ফোটা পানি গড়িয়ে পরল ইনার চোখ দিয়ে।
-ইনা তুই? তুই এখানে?
ইনা কিছু বলতে যাবে এমন সময় দেখল আরদ্ধ কেবিনের দিকে আসছে।চট জলদি নিজের চোখের পানি আড়াল করে নিল সে।
-ইনা উনি মি.ইয়াজেদ।তোমার ম্যানেজার।আর মি.ইয়াজেদ শি ইজ মাই ওয়াইফ এন্ড আপনাদের বস ইনায়াত আফরিন।ইনা আমি ভুলে আমার ফোনটা ফেলে গেছলাম।ইউ গাইস কন্টিনিউ প্লিজ। 
বলে আরদ্ধ চলে গেল।ইনা চুপচাপ নিজের চেয়ারে বসল।সে যথাসম্ভব নিজেকে শান্ত রাখার চেস্টা করছে।ল
-ইয়েস মি.ইয়াজেদ।বলুন কীভাবে সাহায্য করতে পারি আপনাকে?
-ইনা আই এম সরি ম্যাডাম আমি পরে আসছি।
ইয়াজেদ আর কিছু বলেন নি।বের হয়ে সোজা নিজের কেবিনে চলে যান।ইনাও চুপচাপ নিজের কাজ শুরু করে। কোন কাজেই মন বসছে না তার।ফোনের টোনে মোবাইলের দিকে তাকাল সে।আরদ্ধের ম্যাসেজ।
.
.
-লাঞ্চ টাইম ডিয়ার।খেয়ে নেও।লাভ ইউ হানি।
ইনা মুচকি হেসে রিপ্লাই দিল
-লাভ ইউ টু ডিয়ার স্বামী।
.
.
দুপুরে আর খাওয়া হয় নি ইনার।পুরোটা সময় চিন্তাতেই কেটে গেছে তার।বিকেলের দিকে আরদ্ধ আবার ম্যাসেজ দেয়। অফিস শেষে নিতে আসবে সে।
অফিস শেষে নিচে দাড়িয়ে আছে ইনা।শাড়ির আচল দিয়ে মুখটা ঢেকে দাড়িয়ে আছে।পাছে কেউ দেখে না ফেলে সেই ভয়ে। আরদ্ধটাও যে কোথায় এত দেরী কেন করছে সে?মনে মনে কথাগুলো ভাবছে সে।
হঠাত চোখ গেল পাশের চায়ের দোকানে।মধ্যবয়সী দুই জন লোক বসে আডডা দিচ্ছে।এক হাতে চা আর আরেক হাতে সিগারেট।গল্পের ফাকে ফাকে রাস্তা দিয়ে যাওয়া অল্প বয়সী আর মাঝ বয়সী মেয়েদের নোংরা চোখে দেখছে।সেই পুরানো চোখ, সেই বিশ্রী হাসি,সেই জঘন্য স্বভাব।মুহুর্তের মধ্যে শিউরে উঠল ইনা।পাচ বছর আগের সেই ঘটনাটা সিনেমার মত ভাসছে তার চোখের সামনে।হাত পা থরথর করে কাপতে শুরু করেছে তার।লোকগুলোর চোখ ইনার উপর পড়বে তার আগেই আরদ্ধ গাড়ি নিয়ে হাজির।গাড়ির কাচ নামিয়ে বলল
-হেই বিউটিফুল।ওয়ানা হ্যাভ আ লিফট?ঠোটে দুষ্টু হাসি ঝুলিয়ে বলল আরদ্ধ।
ইনার খেয়াল নেই সেদিকে। কোন রকমে গাড়িতে উঠে বসল সে।দরজাটাও ঠিকভাবে লাগায় নি সে। থরথর করে কাপছে সে।আরদ্ধ থ মেরে ইনার কান্ড দেখছে।
-ইনা আর ইউ ওকে?
-হ্যা???? হ্যা!!!আমি ঠিক আছি।
-দরজাটা তো ঠিক ভাবে লাগাও।
-আরদ্ধ প্লিজ বাসায় চল। 
আরদ্ধ আর কোন কথা বলে নি ইনাকে। চুপচাপ ড্রাইভ করে বাসায় যায় সে।ঘরে ঢুকেই ইনা ওয়াশরুমে চলে যায়। পাক্কা দেড় ঘন্টা পর বেরিয়েছে সে।চোখদুটো ফুলে টমেটোর মত লাল হয়ে আছে।আরদ্ধ পাশের রুম থেকে ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে গিয়েছে।প্লেটে ভাত নিয়ে এসে দেখে ইনা সবেমাত্র মাগরিবের নামাজ শেষ করে উঠেছে।চোখদুটো এখনো ফুলে আছে তার।
.
.
-কি চাইলে আল্লাহর কাছে?
ইনাকে বেশ শান্ত লাগছে এখন।হাসি মুখে ইনা জবাব দিল
-তোমার সুস্থতা আর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমার সাথ।
-ব্যাস?আর কিছু না?
-উহু। আমার জন্য তুমি দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
-কিন্তু আমার মুল্যবান জিনিসটা যে অযত্নে আছে সেটার কি হবে?
-মানে?
-মানে আপনি যে দুপুর থেকে না খেয়ে আছেন &#x1f644;&#x1f644;
ইনা কোন কথা বলে নি। চুপচাপ মাথা নিচু করে আছে।ইনা প্লিজ আমার প্রচুর খিদা পেয়েছে। এগুলা ব্লাশিং সিন পরে করি?আরদ্ধের কথায় চমকে উঠে ইনা।
-তার মানে তুমিও খাও নি?
মাথা নাড়ায় আরদ্ধ।ইনা চটজলদি হাত ধুয়ে ভাত মেখে আরদ্ধের মুখের সামনে ধরে।
-আর কখনো এমনটা করবা না। 
ইনার হাত চেপে ধরে আরদ্ধ। 
-কথাটা কিন্তু আমার বলার দরকার।
-সরি।
আরদ্ধ আর ইনা খাওয়া শেষে ব্যালকনিতে গিয়ে বসল।দুজনের হাতে ধোয়া উঠা কফির মগ।
-তা এমডি সাহেবা কেমন গেল আপনার প্রথম দিন?
মুহুর্তের মধ্যে ইনার মাথায় রাজ্যের চিন্তা ভীড় করল।
-জানো ইনা আমার অফিসের ফার্স্ট ডে তে.....
আরদ্ধ নিজের মত করে কথা বলছে। ইনার সেদিকে মন নেই।সে ভাবছে কিভাবে সব কিছু সামলাবে?পারবে কি সে তার অতীতের ছায়া বর্তমান থেকে মুছতে?পারবে সব কিছুকে ভুলে যেতে?সে জানেনা কি অপেক্ষা করছে তার জন্যে নতুন ভোরে.....
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/96877/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Feb 2022 15:18:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট২২<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
সামনে থাকা লোকটাকে দেখে উঠে দাড়ায় ইনা।মুহুর্তের মধ্যে যেন তার সব কিছু থেমে গেছে।তার মানে কি তার অতীত ফিরে এসেছে?পাচ বছর আগের সেই স্মৃতি কি আবার তাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিবে?মিটেও কি মিটবে না তার কলঙ্কের দাগ?এক ফোটা পানি গড়িয়ে পরল ইনার চোখ দিয়ে।<br />
-ইনা তুই? তুই এখানে?<br />
ইনা কিছু বলত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-96877"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/96877/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b1461f85cffe9613a9452cd32e51a16d</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট২১
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
আরদ্ধ ইনার কোমড় পেচিয়ে নিয়ে গেল সামনে।তারপর ইনার চোখের বাধন খুলে দিয়ে ইনার কানে ফিসফিস করে বলল
-সারপ্রাইজ জান।
কায়ার বুক ধুকপুক করছে।সে জানে না কি হচ্ছে কি হবে। আরদ্ধ কি সারপ্রাইজ রাখছে তার জন্যে। মনের মধ্যে একটা অজানা ভয় জেকে বসেছে। পাচটা বছর মনের মধ্যে কষ্টগুলোকে লুকিয়ে রেখেছে।আরদ্ধ চোখ থেকে কাপড় সরিয়ে দিয়েছে।
-ইনা ওপেন ইওর আইস বেবি।
ইনা চোখ খুলে পুরো থমকে আছে।অনেক মানুষ ভীড় জমিয়ে আছে তার সামনে।নতুন একটা বিল্ডিং এর সামনে দাড়িয়ে আছে তারা। তার উপর বড় করে সাইনবোর্ড লাগানো আছে &quot;ইনায়াত ইন্ডাস্ট্রিজ&quot;।
ইনা কিছু না বলে পিছন ফিরে আরদ্ধকে জড়িয়ে ধরল।আশেপাশের সবাই তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। সেদিকে তার খেয়াল নেই।সে তার আরদ্ধতে মত্ত।
-ইনা সবাই দেখছে।রিলাক্স বেবি।
আরদ্ধের কথায় ইনার হুশ ফিরল।লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে আছে সে। আরদ্ধ ইনার হাতে কাচি ধরিয়ে দিল।ইনা আরদ্ধের দিকে তাকিয়ে হেসে লাল ফিতা কেটে উদ্ভোদন করল।আরদ্ধ ইনার হাত ধরে ভিতরে নিয়ে গেল।
-লেডিস এন্ড জেন্টেল ম্যান শি ইজ মাই বিউটিফুল ওয়াইফ এন্ড ইনায়াত ইন্ডাস্ট্রিজ এর ওনার ইনায়াত আফরিন।আজ থেকে উনি আপনাদের বস এন্ড ইনা উনারা তোমার এমপ্লয়ি। প্লিজ ওয়েল্কাম হার।
.
.
সবাই হাততালি দিয়ে ইনাকে ওয়েলকাম জানাল।ইনা মুগ্ধ চোখে আরদ্ধকে দেখছে। কিভাবে পারে ছেলেটা? কেন এত ভাল সে?
সবার অগোচরে আরদ্ধ টুপ করে ইনার কোমড় পেচিয়ে নিল। ইনা বার বার আরদ্ধের হাত ছাড়ানোর চেস্টা করছে।কিন্তু ইনা যতই চেস্টা করছে আরদ্ধ আরও জোরে চেপে ধরছে ইনাকে।
.
.
-আরদ্ধ!!!হচ্ছে টা কি?
-কি আবার আমার বউ কে আমি ধরেছি।কার কি?
-আরদ্ধ সবাই দেখছে।(দাতে দাত চেপে)
-ওওওওও। তুমি যখন ড্যাবড্যাব করে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলে তখন বুঝি কেউ দেখছিল না?
আরদ্ধের কথা শুনে ইনা লজ্জায় মাথা নামিয়ে নিল। আরদ্ধ সবার সাথে ইনার পরিচয় করিয়ে দিল।লাঞ্চ শেষে ফার্ম হাউজে ফিরে এলো তারা।
.
.
-সো ম্যাডাম কেমল লাগল সারপ্রাইজ?
-অনেক ভাল।বাট আরদ্ধ এখানে আসার দরকার কি ছিল?এটাতো ঢাকাতেও করা যেত।
-আমারো ইচ্ছা তাই ছিল।কিন্তু ঢাকাতে টেন্ডার পাশ করতে প্রচুর ঝামেলা হচ্ছিল। সেজন্য এইখানে।
ইনা আর কিছু বলার সুযোগ পায় নি। আরদ্ধ ওয়াশরুমে চলে গেল।ইনা সোফায় বসে ঘরটাকে দেখছে।পুরো ঘরটা সুন্দর করে সাজানো।ঘরের ওয়ালগুলো লাল সাদা রঙ করা।একপাশের ওয়ালে অনেকগুলো ওয়াল পেইন্ট ঝুলছে।আর এক পাশে ওয়াল আলমারি।অপর পাশের দেওয়ালে টিভি লাগানো আছে।ছোট একটা টেবিলের উপর অনেকগুলো ক্যান্ডেল আছে।পুরো ঘরটাকে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।ইনার মাথায় হঠাত করে বুদ্ধি খেলে গেল।
.
.
আরদ্ধ ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে চমকে গেল।পুরো ঘর অন্ধকার হয়ে আছে।
-কারেন্ট চলে গেল নাকি?নাহ তাহলে তো ওয়াশরুমের লাইট জ্বলত না।ফিউজ উড়ে গেল নাকি?না তবুও তো ওয়াশরুমের লাইট জ্বলত না।মনে মনে ভাবছে আরদ্ধ।
-ইনা কোথায় তুমি?আর ইউ ওকে?ইনা!!!!
.
.
ঘরের এক কোনে একটা মোমবাতি জ্বলে উঠল।ধীরে ধীরে পুরো ঘরের সব কয়টা মোমবাতি জ্বলে উঠল।পুরো ঘরটা লাল আলোয় আলোকিত হয়ে গেছে।আরদ্ধ হা হয়ে ইনাকে দেখছে।ইনা পাতলা জর্জেটের শাড়ি পরে আছে। সাথে স্লিভলেস ব্লাউজ। শাড়ির ফাক দিয়ে ইনার সাদা পেটটা দেখা যাচ্ছে।লাল আলোয় ইনাকে পুরা মায়াময়ী লাগছে।ইনা ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে আরদ্ধের কাছে।আরদ্ধ এখনো ঘোর লাগা ভাবে তাকিয়ে আছে ইনার দিকে।ইনা এগিয়ে এসে আরদ্ধের গলা জরিয়ে ধরে তার গালে ডিপ করে একটা চুমু খেল।আরদ্ধ পুরাই শকড।আরদ্ধ ইনার কোমড় পেচিয়ে কাছে টেনে নিল। ইনাকে কিস করতে যাবে ইনা তখনি তার ঠোটের মধ্যে হাত দিয়ে চেপে ধরল।
-মি.হাসবেন্ড আজকে আপনি না আমি আপনাকে আদর করব।
আরদ্ধ কিছু বলার আগেই ইনা আরদ্ধের ঠোটদুটো দখল করে নিল।আরদ্ধ ইনাকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেল। ইনায়াত তার আরদ্ধকে নতুন করে নিজের করে নিচ্ছে। 
.
.
....................
সকালে নাস্তা সেড়ে বেরিয়ে পরে ইনা আর আরদ্ধ। গাড়ি থেকে নামার আগে ইনা আরদ্ধের হাত টেনে বলে
-থ্যাংকিউ আরদ্ধ ফর এভরিথিং।
-থ্যাংকিউ ফর বিয়িং মাই লাইফ। 
ইনার কপালে আলতো করে চুমু খেল আরদ্ধ।অফিসে ঢুকে ইনাকে সব বুঝিয়ে দিয়ে বের হয়ে গেল আরদ্ধ।ইনা সব কিছুকে ছুয়ে দেখছে।প্রতিটা মানুষের স্বপ্ন থাকে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার।নিজের ক্যারিয়ার গড়ার।সমাজে মাথা উচু করে বাচার। ইনাও এইরকম স্বপ্ন নিয়ে একদিন পাড়ি জমিয়েছিল মায়ানগরে।কিন্তু কে জানতো সেই  #মায়ানগরের_প্রেম আজ তার জীবনটাকে এভাবে পাল্টে দিবে।তার সব স্বপ্ন পূরন করে দিবে?
.
.
কেউ একজন নক করল কেবিনের দরজায়।ইনা সোজা হয়ে বসে বলল
-কাম ইন।
-গুড মর্ণিং ম্যাম।আমি আপনার.....।ইনা তুই?
সামনে থাকা লোকটাকে দেখে উঠে দাড়ায় ইনা।মুহুর্তের মধ্যে যেন তার সব কিছু থেমে গেছে।তার মানে কি তার অতীত ফিরে এসেছে?পাচ বছর আগের সেই স্মৃতি কি আবার তাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিবে?মিটেও কি মিটবে না তার কলঙ্কের দাগ?এক ফোটা পানি গড়িয়ে পরল ইনার চোখ দিয়ে।.......
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/96663/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Feb 2022 14:24:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট২১<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
আরদ্ধ ইনার কোমড় পেচিয়ে নিয়ে গেল সামনে।তারপর ইনার চোখের বাধন খুলে দিয়ে ইনার কানে ফিসফিস করে বলল<br />
-সারপ্রাইজ জান।<br />
কায়ার বুক ধুকপুক করছে।সে জানে না কি হচ্ছে কি হবে। আরদ্ধ কি সারপ্রাইজ রাখছে তার জন্যে। মনের মধ্যে একটা অজানা ভয় জেকে বসেছে। পাচটা বছর মনের মধ্যে কষ্টগুলোকে লুকিয়ে রেখেছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-96663"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/96663/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">65e9701721b150b95c4581d849f0faf2</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট২০
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
-আরদ্ধ না গেলে হয় না?প্লিজ আরদ্ধ!
আরদ্ধ এক হাত স্টেয়ারিং এ দিয়ে আরেক হাত দিয়ে ইনার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। 
-ইটস আ স্পেশাল সারপ্রাইজ জান। কয়েকটা দিনেরই তো ব্যাপার 
.
.
ইনা আর কিছু বলে নি। চুপচাপ বসে গাড়ির জানালা দিয়ে দেখছে।
সকালে উঠে ইনাকে ব্যাগ প্যাক করতে বলেই চলে যায় অফিসের কাজে। ইনার খেয়াল নেই সেদিকে।রাজশাহী যাওয়ার কথা শুনার পর থেকেই সে আনমনা হয়ে আছে।কোন কিছুতেই তার খেয়াল নেই।আরদ্ধ বাসায় ফিরে দেখে ইনা বারান্দায় বসে আকাশ দেখছে।ইনাকে কিছু না বলে ব্যাগ প্যাক করে নেয় সে তার আর ইনার জন্যে।লাঞ্চ করে বেরিয়ে পরে ইনাকে নিয়ে।ইনা অনেক বার মানা করেছে।কিন্তু আরদ্ধ তার জেদে অটল।
.
.
রাত ১১ টার দিকে তারা রাজশাহী পৌছে যায় তারা।আরদ্ধের ফার্ম হাউসে পৌছাতে সময় লাগে আরও আধা ঘন্টা।আরদ্ধ আগে থেকেই সব ঠিক করে রেখেছিল।গাড়ি থেকে নেমে যখন ইনাকে ডাকতে যাবে তখন দেখে ইনা ঘুমুচ্ছে।ইনার কপালের উপর বেশ কয়টা অবাধ্য চুল তাকে বার বার বিরক্ত করছে।আরদ্ধ হালকা হেসে ইনাকে কোলে তুলে নিল।ইনা তখনো বেঘোরে ঘুমাচ্ছে।আরদ্ধ ইনাকে নিয়ে এসে রুমে শুইয়ে দিল।সার্ভেন্টরা এক এক করে সব ব্যাগ ঘরে দিয়ে গেল।আরদ্ধ ফ্রেশ হয়ে এসে ইনা পাশে বসল।জার্নি করে বেশ ক্লান্ত সে। লাইট অফ করে দিবে এমন সময় দেখল ইনার শাড়ির ভাজ খুলে পুরো শাড়ি গায়ে পেচে গেছে।আরদ্ধ ইনার শাড়িটা ঠিক করার চেস্টা করছে।কিন্তু যতই চেস্টা করছে শাড়ি ততই পেচে যাচ্ছে।শেষে এক প্রকার বিরক্ত হয়ে সে শাড়িটা খুলে ফেলল।ইনার সাদা মসৃন পেটটা জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।
.
.
ফযরের আযানের কিছু পরে ইনার ঘুম ভাঙল।চোখ মেলে দেখে আরদ্ধ তাকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে আছে। একে বারে বাচ্চার মত লাগছে ছেলেটাকে।আরদ্ধের কপালে হালকা চুমু খেয়ে উঠে পরে ইনা।কাল রাতে গাড়িতে মাথা ব্যাথা করছিল খুব।ডাক্তার বলেছে ইনা যাতে সামান্যতম স্ট্রেস ও না নেয়।কিন্তু ইনা দুই রাত থেকে চিন্তা করে হয়রান হচ্ছে।
উযূ করে এসে নামাজটা সেরে নিল সে। চারদিকে সবে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে।হালকা হালকা শীত করছে। ইনা মৃদু মন্দ বাতাসে ব্যালকনিতে হাত ঘসছে।হঠাত করে দুটো উষ্ম হাত তাকে বুকের মাঝে জড়িয়ে নিল।স্পর্শটা পেয়ে ইনা চোখ বুজে নিল।এটা তার বহু চেনা স্পর্শ।তার ভালবাসার তার আরদ্ধের।
-উঠে গেলে যে।
-আমার ঘুম তো আপনি নিয়ে বসে আছেন বিবি সাহেবা।
-আর আমি যখন থাকব না?
আরদ্ধ প্রচুর রেগে যায় ইনার এমন কথায়।এক ঝটকায় ইনাকে ঘুড়িয়ে এক হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে।
-এই বার বার কেন আমি থাকব না আমি থাকব না বলিস রে?তুই বুঝিস না আমি তোকে কতটা ভালবাসি?জানিস না তুই আমার জান?আমার কি কোন ভ্যালু নেই তোর কাছে?থাকবেই বা কেন?আমি তো কুকুর। তুই যতবার তাড়ায় দিবি আমি বার বার তোর কাছে ঘুরে আসব।তোকে ছাড়া যে আমার চলে না।
এক নাগাড়ে কথাগুলো বলে ইনাকে ছেড়ে দিল আরদ্ধ।জোরে জোরে হাপাচ্ছে সে।কথা বলার সময় ওর চোখদুটো চকচক করছিল।আরদ্ধের প্রতিটা কথা ইনার বুকে জ্বালা ধরিয়ে দিয়েছে। আরদ্ধের কাধে হাত রাখতেই সে মাথা তুলে তাকায়।ইনা আর দেরী করে নি।ঠোট ডুবিয়ে দেয় আরদ্ধের ঠোট দুটোতে।ইনার এই কাজে আরদ্ধ অনেক অবাক হয়ে যায়।এত দিন সেই ইনাকে কিস করেছে।আজ প্রথম ইনা তাকে ভালবাসছে।আরদ্ধ আর পারে নি নিজেকে সামলাতে। ইনাকে জড়িয়ে ধরে সেও রেস্পন্স করতে শুরু করে। 
.
.
বেশক্ষানিক খন পর ইনা আরদ্ধের ঠোট ছেড়ে দেয়।আরদ্ধ মাথা নিচু করে আছে।
-আম সরি ইনা।
-আই লাভ ইউ।
-আম রিয়েলি সরি 
-আই লাভ ইউ সো মাচ। 
আরদ্ধ ইনার দিকে তাকাতেই ইনা তাকে চোখ টিপ মারে।যেটা দেখে হেসে দেয় আরদ্ধ।
.
.
নাস্তা সেড়ে কাজে বেরিয়ে পরেছে আরদ্ধ।আজ সে একা বের হয় নি।ইনাকে নিয়ে এসেছে।অই যে সারপ্রাইজ।যার জন্যে সে ইনার বারন সত্ত্বেও ছুটে এসেছে এখানে।ইনার চোখ লাল কাপড়ে বাধা।প্রায় ১১০বার আরদ্ধের কাছে কোথায় যাচ্ছি?- প্রশ্ন করেও সে উত্তর না পেয়ে এখন মৌন ব্রত পালন করছে।ইনা যতবার আরদ্ধকে জিজ্ঞেস করেছে আরদ্ধ একটাই উত্তর দিয়েছে 
-ইটস সারপ্রাইজ
.
.
ইনা মুখ ফুলিয়ে আছে। তা দেখে আরদ্ধ মাঝে মাঝে হাসছে।এক জায়গায় এসে গাড়ি থামল।আরদ্ধ হাত ধরে ইনাকে নামাল।
-বেবি এবার কোনদিকে না দেখে সোজা হাটতে থাক।
-চোখ খুলা থাকলে না কোন দিকে তাকাব।(রেগে)
-ওহ সরি
-আরদ্ধ প্লিজ চোখ খুলে দেও না।
-এই তো হানি। চলে এসেছি।
আরদ্ধ ইনার কোমড় পেচিয়ে নিয়ে গেল সামনে।তারপর ইনার চোখের বাধন খুলে দিয়ে ইনার কানে ফিসফিস করে বলল
-সারপ্রাইজ জান।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/96484/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Feb 2022 15:25:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট২০<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
-আরদ্ধ না গেলে হয় না?প্লিজ আরদ্ধ!<br />
আরদ্ধ এক হাত স্টেয়ারিং এ দিয়ে আরেক হাত দিয়ে ইনার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল।<br />
-ইটস আ স্পেশাল সারপ্রাইজ জান। কয়েকটা দিনেরই তো ব্যাপার<br />
.<br />
.<br />
ইনা আর কিছু বলে নি। চুপচাপ বসে গাড়ির জানালা দিয়ে দেখছে।<br />
সকালে উঠে ইনাকে ব্যাগ প্যাক করতে বলেই চলে যায় অফিসের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-96484"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/96484/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fde8f9009b2f04963cf543f9302d8c0a</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৯
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
আরদ্ধ বেশ বুঝতে পারছে ইনা বেশ স্ট্রেসে আছে। যেটা এ মুহুর্তে তার জন্যে অনেক হার্মফুল।ইভেন তার লাইফের রিস্কও হতে পারে।আরদ্ধ কোন ভাবেই পারছে না ইনাকে শান্ত করতে।আরদ্ধ বাধ্য হয়ে ইনায়াতের ঠোট দুটোকে দখল করে নিল।এক হাতে ইনার হা দুটো ধরে অপর হাতে তার কোমড় জড়িয়ে নিল।ইনা এখনো হিচকি তুলছে।চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে।কিছুক্ষন পর ইনা নিজেকে সামলে নিলে আরদ্ধ তার হাত ছেড়ে দিয়ে দু হাতে ইনাকে জড়িয়ে ধরল।তার ঠোট দুটো এখনো ইনার ঠোটকে বন্দি করে রেখেছে।পুরো ১০ মিনিট পর আরদ্ধ ইনাকে ছেড়ে দিল।ইনা শান্ত হয়ে বিছানার উপর বসে আছে।আরদ্ধ হাটু গেড়ে বসল ইনার সামনে। হাতদুটো মুঠো করে নিল।
.
.
-ইনা ছেড়ে যাওয়ার জন্যে আমি তোমার হাত ধরিনি। ভালবাসি তোমাকে অনেক বেশি ভালবাসি।আমি কখনো তোমাকে ছেড়ে যাব না। তুমি চাইলেও না।
ইনা কোন কথা না বলে আরদ্ধকে জড়িয়ে ধরল।আরদ্ধ ইনাকে কোলে তুলে নিয়ে শাওয়ারের নিচে দাড় করিয়ে দিল।ইনার হাতে টাওয়েল ধরিয়ে দিয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে আসল।প্রায় ১৫ মিন পর ইনা ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসল।তার ভেজা চুল দিয়ে টপটপ করে পানি ঝরছে।আরদ্ধ এতক্ষন বসে ফোন টিপছিল।ইনাকে দেখে সে থমকে গেল।অনেক শুভ্র লাগছে তার রাতপরিকে। ঠোট দুটো পানিতে ভেজার কারনে গোলাপি হয়ে আছে। আরদ্ধ ইনাকে জড়িয়ে ধরে মুখ গুজে দিল তার ভেজা চুলে।তার হাত খেলা করছে ইনার খোলা পেটে।চোখ মুখ শক্ত করে আছে ইনা। আচমকা আরদ্ধ কোলে তুলে নিল ইনাকে।বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আরদ্ধ নিজের ভর ছেড়ে দিল তার উপর।আরদ্ধ মুখ ডুবাল ইনার গলায়।তোয়ালাটা টেনে ছূড়ে ফেলে দিল মাটিতে।ইনা একটা দুটো করে আরদ্ধের শার্টের বোতাম খুলে শার্টটা খুলে নিল।আরদ্ধের কাধ জড়িয়ে নিজেকে আড়াল করে নিল সে।
.
.
.
.
প্রতিটা মানুষের ইচ্ছা থাকে জীবনে এমন একটা সুবর্ন সকাল দেখার যা তার জীবন পাল্টে দিবে। তার জীবনে খুশি ভরে দেবে।ইনা যেন তার জিবনের সেই সকালের সন্ধান পেয়ে গেছে।ইনা আর আরদ্ধের বিয়ের প্রায় পাচ মাস হয়ে গেছে।এই কমাসে তারা নিজের মত করে লাইফকে গুছিয়ে নিয়েছে।ইনাও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।আরদ্ধ সব সময় চেস্টা করে ইনাকে হাসি খুশি রাখার।সামান্যতমও স্ট্রেস ও সে নিতে দেয় না রাতপরীকে। ইনাও তার সবটা উজার করে দিয়েছে আরদ্ধের ভালবাসায়।আরদ্ধের খাওয়া ঘুমানো সবটাই আরদ্ধের শর্তমেনে চলছে।ইনা বেশ ইনজয় করে আরদ্ধের জেদী ভালবাসাকে।কয়েকদিন আগেই আরদ্ধ আর ইনা ফিরেছে হানিমুন থেকে।ফ্রান্স,অস্ট্রেলিয়া আর সুইটজারল্যান্ড এ প্রায় ১৮ দিন কাটিয়ে এসেছে তারা।ইনাকে অনেক উতফুল্ল লাগছে।তার সব সপ্ন আরদ্ধ পুরা করেছে।
.
.
বেলকনিতে বসে তারা গুনছে ইনা।মাঝে মাঝে শুটিং স্টার দেখছে।আরদ্ধ সোফায় বসে অফিসের কাজ সামলাচ্ছে।এই ক দিনে বেশ কাজ জমেছে তার।কাজ শেষ করে ইনার পাশে এসে বসল সে।
-একটা সারপ্রাইজ আছে আমার রাতপরীর জন্যে।
-আমি আমার লাইফের সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ পেয়ে গেছি আরদ্ধ।
-কি?(অবাক হয়ে)
-তোমাকে।
আরদ্ধ নিজের বাহুডোরে ইনাকে আবদ্ধ করে নিল।
-এটা তোমার জন্যে স্পেশাল সারপ্রাইজ। ব্যাগ গুছিয়ে নেও।
-আবার কোথায়?
-রাজশাহী
আরদ্ধের কথা শুনে আতকে উঠল ইনা।
-রা..রা..রাজশাহী?ও...ও...ওখানে কেন?
-তোমার সারপ্রাইজের জন্যে।
-কিন্তু সারপ্রাইজ তো এখানেও দিতে পারবে তাই না?এই এই শহরটা অনেক মায়াময় তাই না?এখানেও তুমি সারপ্রাইজ দিতে পারবা।
-ইনা এই শহরটা আসলেই মায়ানগর।এই  #মায়ানগরের_প্রেম থেকেই তোমার আমার পথ চলা।কিন্তু তোমার সারপ্রাইজটা ওখানেই আছে।আর ওখান থেকেই ওটা তোমাকে নিতে হবে।
-কিন্তু আরদ্ধ..
-কোন কিন্তু না। তুমি প্যাকিং করে নেও আমরা পরশু রওয়ানা দিব।
ইনাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আরদ্ধ কোলে তুল্র নিল তাকে।লাইট অফ করে বুকে জড়িয়ে নিল তার রাতপরীকে.....
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/96483/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Feb 2022 15:24:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৯<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
আরদ্ধ বেশ বুঝতে পারছে ইনা বেশ স্ট্রেসে আছে। যেটা এ মুহুর্তে তার জন্যে অনেক হার্মফুল।ইভেন তার লাইফের রিস্কও হতে পারে।আরদ্ধ কোন ভাবেই পারছে না ইনাকে শান্ত করতে।আরদ্ধ বাধ্য হয়ে ইনায়াতের ঠোট দুটোকে দখল করে নিল।এক হাতে ইনার হা দুটো ধরে অপর হাতে তার কোমড় জড়িয়ে নিল।ইনা এখনো হিচকি তুলছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-96483"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/96483/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db5d03ed75dd6f0461976d22c2131fd8</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৮
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
-আরেকটু ক্লোজ হলে সিনটা পার্ফেক্ট হতো।
কথাটা শুনে চমকে উঠে আরদ্ধ।পাশ ফিরে তাকিয়ে দেখে ইনা দাড়িয়ে আছে। দুই চোখ লাল হয়ে আছে। এক হাতে মুঠো করে শাড়িটা খামচে ধরে আছে সে।
একপা দুপা করে আরদ্ধের দিকে এগিয়ে গেল ইনা।একবার আরদ্ধের দিকে তাকিয়ে লিয়াসার দিকে ফিরে তাকাল।লিয়াসা তখনো আরদ্ধের কলার ধরে আছে।লিয়াসার হাত থেকে কলারটা ছাড়িয়ে ঠিক করে দিচ্ছে সে।ঠোটে একটা বাকা হাসি লেগে আছে তার।
.
.
-তুমি এখানে কি করছ?
-সেটা তো আমার আপনাকে জিজ্ঞেস করা উচিত মিস লিয়াসা।বিয়ে আমার রিসিপশন আমার যে জিনিসটা আপনি নষ্ট করার চেস্টা করছেন সেটা আমার।(দাত চাবিয়ে)।বারে আপনি আমার জিনিসে হাত দিবেন আর আমি চুপ করে থাকব বুঝি।
-আরদ্ধ তোমার না।আমার ভালবাসা। আমি আরদ্ধকে ভালবাসি আরদ্ধ আমাকে ভালবাসে। তুই মাঝখানে কথা বলার কে রে?
-আরদ্ধের স্ত্রী।তিন বার কবুল বলে বিয়ে করা স্ত্রী।রেজিস্টি পেপারে সাইন করে আইনানুযায়ী আরদ্ধের অর্ধাঙ্গিনী। 
-স্ত্রী মাই ফুট।আমি আরদ্ধ কে ভালবাসি।যেকোন মূল্যে আরদ্ধকে নিয়ে যাব।
-ওকে ফাইন। আরদ্ধ যদি আপনার সাথে যেতে চায় আমি হাসি মুখে তাকে আপনার সাথে যেতে দিব।আস্ক হিম ইফ হি ওয়ান্টস টু 
.
.
লিয়াসা একরাশ আশা নিয়ে আরদ্ধের দিকে তাকাল
কিন্তু সাথে সাথে আরদ্ধ অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
-আরদ্ধ প্লিজ আমার দিকে তাকাও।প্লিজ আরদ্ধ।
লিয়াসা আরদ্ধের দিকে হাত বাড়াতে যাবে তখনি ইনায়াত তার হাতটা চেপে ধরে।
-লিয়াসা আমার ছোট বেলার অভ্যাস আমি আমার ফেভারিট জিনিস গুলো কখনো কারো সাথে শেয়ার করি না। এর পরেও কেউ যদি আমার জিনিসে হাত দেয় তবে আমি জিনিসটা ছুড়ে ফেলি নাইলে হাত গুরিয়ে দেই।আরদ্ধ আমার অনেক প্রিয়।ওকে আমি চাইলেও দূরে সরাতে পারব না। কিন্তু ওর দিকে আসা প্রতিটা হাতকে ভেঙে গুড়িয়ে দিতে পারব।
কথাটা সুনে আরদ্ধ ইনার কাধে হাত দিয়ে তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে নেয়।
-তুই আমার আরদ্ধকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিলি তাই না?আই উইল সি উই।
-ইউ অলরেডি ডুয়িং।
.
.
রাগে গজরাতে গজরাতে লিয়াসা সেখান থেকে চলে গেল।
-ইনা থ্যা..
আরদ্ধ কিছু বলার আগে ইনা ধুপ করে মাটিতে বসে পরে।
-ইনা কি হল?এই ইনা
-আমি বাসায় যাব প্লিজ(চাপা কন্ঠে)
-ওকে।
আরদ্ধ আর এক মিনিটও সেখানে থাকে নি।গাড়ি নিয়ে সাথে বেরিয়ে পরে।ম্যানেজারকে ফোন করে জানিয়ে দেয় সব সামলে নেবার জন্যে।বাসায় এসে ইনাকে বিছানায় বসিয়ে ফ্রেস হতে যায় আরদ্ধ।ওয়শরুম থেকে বেরিয়ে দেখে ইনা বিছানার চাদর খামচে আছে আর চোখ দিয়ে পানি পরছে অনবরত।আরদ্ধ মনে মনে ভাবছে আজকে একটুর জন্যে হয়তো সে ইনাকে আবার হারিয়েই ফেলেছিল।ইনার জায়গায় সে হলে ইনাকে কোন ছেলের সাথে দেখলে ছেলেটার তো ব্যান্ড বাজাতোই দুই চারটা ইনাকেও লাগাত।অথচ ইনা কত সুইফটলি ব্যাপারটা হ্যান্ডেল করল। কোন মেয়েই সহ্য করবে না নিজের রিসিপশনের দিন তার বরকে অজানা কোন মেয়ে কিস করার ট্রাই করলে।
ইনার সামনে হাটু গেরে বসল আরদ্ধ।
-ইনা লুক আসলে লি..
-আরদ্ধ তুমি আমাকে ছাড়ে যাবা নাতো? বল না আরদ্ধ প্লিজ আমাকে ছেড়ে চলে যাবে না তো?আমার তুমি ছাড়া কেউ নেই। আমি মরে যাব তোমাকে ছাড়া। (পাগলের মত বিহেব করতে লাগল ইনা)
-ইনা কি আবল তাবল বকছ এসব। আমি কোথাও যাব না।
-তু...তু...তুমি আমার সব নিয়ে নেও হ্যা?সব(নিজের শাড়ির আচল ফেলে কুচি খুলতে খুলতে)।বাট প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেও না প্লিজ।আমি থাকতে পারব না তোমাকে ছাড়া।(কাদতে কাদতে)
আরদ্ধ বেশ বুঝতে পারছে ইনা বেশ স্ট্রেসে আছে। যেটা এ মুহুর্তে তার জন্যে অনেক হার্মফুল।ইভেন তার লাইফের রিস্কও হতে পারে।আরদ্ধ কোন ভাবেই পারছে না ইনাকে শান্ত করতে।আরদ্ধ বাধ্য হয়ে ইনায়াতের ঠোট দুটোকে দখল করে নিল।এক হাতে ইনার হা দুটো ধরে অপর হাতে তার কোমড়৷ জড়িয়ে নিল।ইনা এখনো হিচকি তুলছে।চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে।কিছুক্ষন পর ইনা নিজেকে সামলে নিলে আরদ্ধ তার হাত ছেড়ে দিয়ে দু হাতে ইনাকে জড়িয়ে ধরল।তার ঠোট দুটো এখনো ইনার ঠোটকে বন্দি করে রেখেছে।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/95120/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Feb 2022 14:15:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৮<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
-আরেকটু ক্লোজ হলে সিনটা পার্ফেক্ট হতো।<br />
কথাটা শুনে চমকে উঠে আরদ্ধ।পাশ ফিরে তাকিয়ে দেখে ইনা দাড়িয়ে আছে। দুই চোখ লাল হয়ে আছে। এক হাতে মুঠো করে শাড়িটা খামচে ধরে আছে সে।<br />
একপা দুপা করে আরদ্ধের দিকে এগিয়ে গেল ইনা।একবার আরদ্ধের দিকে তাকিয়ে লিয়াসার দিকে ফিরে তাকাল।লিয়াসা তখনো আরদ্ধের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-95120"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/95120/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cfb40332d5db63d3adcb415f48baf4d4</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৭
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
আরদ্ধ মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে আছে ইনার দিকে।কিভাবে পারে মেয়েটা এত সুন্দর করে সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করতে?&#x1f60d;
ইনায়াত হাসি মুখে সবার সাথে পরিচিত হচ্ছে কথা বলছে।হঠাত করে সব লাইট অফ হয়ে গেল।শুধু একটা লাইট জ্বলে উঠল।পিছনে ফিরে তাকাল ইনা।আরদ্ধ দাড়িয়ে আছে মাইক হাতে।ইনার দিকে নেশাভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে।
.
.
-লেডিস এন্ড জেন্টেল ম্যান। আপনারা হয়তো সবাই জানেন I recently have got married। আজকের পার্টিটা আমার রিসিপশনের।নাউ লেট মি ইনট্রোডিউস মাই হার্টবিট মাই বিউটিফুল ওয়াইফ ইনায়াত।
বলে আরদ্ধ একটা হাত বাড়িয়ে দিল ইনার দিকে।সঙে সঙে একটা লাইট গিয়ে পরল ইনায়াতের উপর। ইনা ভেবে পাচ্ছে না কি করবে সে।কিছুক্ষন পর সে আরদ্ধের কাছে গিয়ে তার হাতে হাত রাখল।আরদ্ধ হ্যাচকা টানে ইনাকে নিজের সাথে মিশিয়ে নিল।একহাত দিয়ে ইনার কোমড় জড়িয়ে নিল।
.
.
-Enjoy the party guyz.
ইনার দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলল সে। আহাম আর ইয়াদ চেচিয়ে উঠল কাপল ড্যান্সের জন্য।ইনায়াত লজ্জা পেয়ে সরে আসতে চাইলে আরদ্ধ তার হাত টেনে ধরল।গান বাজতে লাগল
.
.
Aj phir tumpe peyar aya hain
Aj phir tumpe peyar aya hain
Behat aur beshumar aya hain
Tute to tute teri bahon main eyse
Jeyse shakkonse patte behaya
Bikhre tujhi main aur simte tujhi main
Tuhi mera sab le geya 
Na fikar na saram na lijaz ek bar ayya hain
Phir jarre jarre main didar aya hain 
Phir jarre jarre main didar aya hain 
Behat aur beshumar aya hain
Tuhi meri awargi tuhi duya har sham ki
Tu khamkha tu lajmi tuhi raja tuhi kami
Aur tu hi boh khurak hain bo 
Aye silsilone jise pass laya hain
Hotho main tere izhar aaya hain
Behat aut beshumar aya hain
Aj phir tumpe peyaar aya hain 
Behat aur beshumar aya hain
.
.
কাপল ডান্সের সময় আরদ্ধ পুরোটা টাইম ইনায়াতের দিকে তাকিয়ে ছিল।গান শেষে আরদ্ধ ইনায়াতকে বুকে জড়িয়ে নেয়।ইনাও লজ্জা পেয়ে স্বামীর বুকে মুখ লুকায়।নাচ শেষে খেতে বসে তারা।ইনায়াতকে বসিয়ে তার সামনে বসে পরে আরদ্ধ।আরদ্ধ খাচ্ছে আর ইনায়াতকে দেখছে। ইনাকে বেশ হাসি খুশি দেখাচ্ছে।তাকে দেখে কেউ বলবে না যে সে এত বড় একটা অপারেশন সেড়ে এসেছে।
.
.
-ক্যান আই সিট হেয়ার?
একজন মেয়ের ভয়েস শুনে মাথা তুলে তাকাল আরদ্ধ।সাথে সাথে তার মুখে বিরক্তির ভাব ফুটে উঠল।আরদ্ধ কিছু বলার আগেই ইনা বলে উঠল 
-প্লিজ বি সিটেড।
আরদ্ধ কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারল না।
-আমি না আসতেই পার্টি শুরু করে দিয়েছ আরদ্ধ?একটু অপেক্ষা করতে পারলে না আমার জন্যে? বাকা হেসে বলল সে।
-আপনি?(ইনা)
-ও লিয়াসা। আমার বিজনেস পার্টনার মি.রোকনের একমাত্র মেয়ে।আর আমার হেড্যাক(বিড়বিড়িয়ে বলল শেষের কথাটা)
-আরদ্ধ ডার্লিং হু ইজ শি?
-মাই ওয়াইফ।ইনায়াত।ইয়ানাত আরদ্ধ রেওয়াত।
।কথাটা শুনে লিয়াসার হাত থেকে পানির গ্লাস টা পরে গেল।কোন রকমে নিজেকে সামলে নিল সে।বার বার আরদ্ধের দিকে তাকাচ্ছে লিয়াসা ব্যাপারটা চোখ এড়ায় নি ইনার৷ খাওয়া শেষ করে উঠে গেল আরদ্ধ।লিয়াসা ফোন কলের বাহানা দিয়ে কেটে পড়ল সেখান থেকে।
ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসছে আরদ্ধ।হঠাত করে কেউ তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল।আরদ্ধের কপালে ভাজ পড়ল।হাত দুটো টেনে এনে সামনে এনে দেখে সে আর কেউ না বরং লিয়াসা।দুচোখে পানি টলটল করছে তার।
-লিয়াসা তুমি এখানে?
-আমি ছাড়া আর কাকে খুজছ?
-ইনা কোথায়?
মুহুর্তে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে লিয়াসা।আরদ্ধের শার্টের কলার চেপে ধরে সে।
-ইনা?কিসের ইনা?আরদ্ধ দেখ আমি। লিয়াসা।আরদ্ধ তু..তুমি জানো না আমি তোমাকে ক.কতটা ভালবাসি?
-লিয়াসা প্লিজ স্টপ ইট আম মেরিড।ইনা আমার ওয়াইফ।
-ইনা ইনা ইনা।কি আছে ইনার মধ্যে যে আমার মধ্যে নাই? প্লিজ আরদ্ধ ডোন্ট লিভ মি। আমি অনেক ভালবাসি তোমাকে?
লিয়াসা পাগলের মতো বিহেব করছে।আর আরদ্ধকে জড়িয়ে ধরার চেস্টা করছে।আর আরদ্ধ বার বার তাকে ছাড়ানোর চেস্টা করছে।
-আরদ্ধ কি আছে অই ইনার মধ্যে যে আমার মধ্যে নাই?প্লিজ আরদ্ধ ও তোমাকে সুখী করতে পারবে না।আমি.. আমি তোমাকে বিছানায় ওর চেয়েও বেশি সুখ দিতে পারব প্লিজ আরদ্ধ লাভ মি ওয়ান্স।
লিয়াসার নোংরা কথাগুলো শুনে আরদ্ধ আর ঠিক থাকতে পারে নি৷ ঠাটিয়ে একটা চড় লাগায় তার গালে।লিয়াসা চড়ের আঘাতে ছিটকে গিয়ে মাটিতে পড়ে।কিন্তু জেদ যখন মাথায় চড়ে তখন হিতাহিত জ্ঞান ভুলে মানুষ পাগলের মত বিহেব করে। লিয়াসা এবার উঠে গিয়ে আরদ্ধকে কিস করার চেস্টা করতে থাকে। 
.
.
-আরেকটু ক্লোজ হলে সিনটা পার্ফেক্ট হতো।
কথাটা শুনে চকমে উঠে আরদ্ধ।পাশ ফিরে তাকিয়ে দেখে ইনা দাড়িয়ে আছে। দুই চোখ লাল হয়ে আছে। এক হাতে মুঠো করে শাড়িটা খামচে ধরে আছে সে।......
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93853/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Jan 2022 16:08:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৭<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
আরদ্ধ মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে আছে ইনার দিকে।কিভাবে পারে মেয়েটা এত সুন্দর করে সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করতে?&#x1f60d;<br />
ইনায়াত হাসি মুখে সবার সাথে পরিচিত হচ্ছে কথা বলছে।হঠাত করে সব লাইট অফ হয়ে গেল।শুধু একটা লাইট জ্বলে উঠল।পিছনে ফিরে তাকাল ইনা।আরদ্ধ দাড়িয়ে আছে মাইক হাতে।ইনার দিকে নেশাভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-93853"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/93853/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">883841df99fd31b4c21fe106b072b5e7</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৬
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
নাস্তা সেড়ে কিচেনের দিকে পা বাড়াল ইনা।উদ্দেশ্য লাঞ্চ রেডি করার।আজকে এ বাড়িতে তার প্রথম দিন। প্রথম রান্না। তাই স্পেশাল কিছু রাধতে চায় সে।ইরিন আন্টি তাকে সব কিছু বুঝিয়ে দিয়েছে। আরদ্ধ বার কয়েক পানি খাওয়ার নাম করে কিচেন থেকে ঘুরে গেছে। ইরিন আন্টি মুখ টিপে টিপে হাসছেন।
হঠাত করে ইনা কাধের উপর কারো গরম নিশ্বাসের অস্তিত্ব পেল। দুটো হাত তার পেট জড়িয়ে আছে।
-আরদ্ধ।
-উম্মম..
ইনার কাধে ডিপলি চুমু&#x1f618; খেয়ে সাড়া দিল সে।ইনা আবেশে চোখ বন্ধ করে নিল। তার দুই হাতেই আটা মাখা মাখি। হুট করে ইনা আরদ্ধের গালে আটা মাখিয়ে দিল।আরদ্ধ ইনাকে ছেড়ে দিয়ে পিছনে দাড়াল।রাগী চোখে ইনায়াতকে দেখছে সে।&#x1f621;ইনায়াত বাচ্চাদের মত খিলখিল করে হাসছে।তার হাসি আরদ্ধের কলিজায় যেন ঠান্ডা পানি ঢেলে দিচ্ছে।&#x1f60d;
-জানেন আপনাকে এখন কিসের মত লাগছে?পুরো ধলা বিড়াল &#x1f923;&#x1f923;&#x1f923;&#x1f923;
ইনা কোন রকমে কথাগুলো বলেই আবার হাসিতে ফেটে পড়ল।তার সাথে আরও একজন হাসিতে যোগ দিল। আরদ্ধ ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখল ইরিন আন্টি।তার হাতে কিসের যেন বাটি। স্টোর রুম থেকে ফিরে দরজার কাছে আসতেই আরদ্ধ কে দেখে হেসে ফেলেন তিনিও।
আরদ্ধ এবার লজ্জা পেয়ে যায়।মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলে
-আন্টি আজকে রাতে রিসিপশনের পার্টি আছে।ওকে রেডি করে দিয়েন প্লিজ।
বলেই আরদ্ধ বের হয়ে চলে গেল।ইরিন আন্টি আর ইনা মিলে সবটা গুছিয়ে নিল।
.
.
বিকাল বেলা ইনা নামাজ পরে বেলকনিতে গিয়ে দারাল।আরদ্ধ ল্যাপটপে বসে অফিসের কাজ করছে।ব্যালকনিটা অনেক সুন্দর করে সাজানো।এক পাশে বেশ কয়েকটা ফুলের গাছ লাগানো আছে।অপর পাশে একটা ডুয়েল সোফা পাতানো।সোফায় গিয়ে বসল ইনা।হালকা বাতাসে বেশ ভাল লাগছে তার।কিছুক্ষন পর আরদ্ধ ইনার পাশে এসে বসল।ইনার বাম হাতটা নিজের হাতের মাঝে নিয়ে নিল।ইনা তখনো খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।আরদ্ধ ইনায়াতের কাধে মাথা রেখে চোখ দুটো বন্ধ করে নিল।
-জানেন আরদ্ধ জীবনটা অনেক অদ্ভুত। কখন কি কেরে নেয় আর কি উপহার দেয় কেউ জানে না।(উদাস হয়ে)
-হ্যা যেমন আমাকে আমার রাতপরীকে উপহার দিয়েছে।
আরদ্ধর কথায় লজ্জা পেয়ে যায় ইনা।আরদ্ধ ইনার হাতে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দিয়ে বলল 
-রেডি হয়ে নাও।আমি ইরিন আন্টিকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
.
.
আরদ্ধ রুম থেকে চলে গেলে ইনা প্যাকেটটা খুলে দেখতে লাগল।গোলাপি সাদা জর্জেট শাড়ি তার উপর স্টোন বসানো। শাড়ির আচলটা পুরোটা লাল।ইনা হালকা হেসে শাড়িটা নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল।চেঞ্জ করে বের হয়ে দেখে ইরিন আন্টি কিছু জুয়েলারির বক্স হাতে দাড়িয়ে আছেন।
-আরে আন্টি আপনি ও খানে দাড়িয়ে কেন?ভেতরে আসুন।
-এই গহনা গুলো জলদি পরে নেও তো মা।আরদ্ধ আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে তোমাকে সাজানোর। দেরী হলে আবার চিল্লিয়ে বাড়ি মাথায় তুলবে।
.
.
নিজের রুম থেকে বের হয়ে আরদ্ধ পাশের রুমে চলে যায়।সেখানে পার্টিতে পরে যাওয়ার ড্রেস আগে থেকেই বের করে রাখা আছে।আরদ্ধ রেডি হয়ে আয়নার সামনে গিয়ে দাড়াল।সাদা শার্টের উপর ব্লাক কোর্ট। গায়ে পারফিউম মেখে হাতে ব্রান্ডেড ঘরিটা এটে নিল।নিজেকে আরেকবার চেক করে নিল আয়নায়। তারপর পা বাড়াল নিজের রুমের দিকে।
রুমে ঢুকতেই আরদ্ধের চোখ যেন কপালে উঠার যোগার।অসম্ভব সুন্দর লাগছে ইনাকে।চোখ সরাতেই পারছে না সে।শাড়িটা বেশ মানিয়েছে ইনাকে । যেন তার জন্যেই তৈরী।ইনাও আরদ্ধের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।রাজপুত্তুর লাগছে তার বরটাকে।
আরদ্ধ ইনার কাছে এসে দাড়াল। 
- কেমন লাগছে আমায়?
-নিজেকে কন্ট্রোল করা কঠিন হচ্ছে জান 
আরদ্ধের কথা শুনে ইনার গাল গুলা টমেটোর মত লাল হয়ে গেল। আরদ্ধের প্রচুর হাসি পাচ্ছে ইনার এ অবস্থা দেখে। আলতো করে ইনার গালগুলো টেনে দিল
-চল দেরী হচ্ছে।
.
.
পার্টিতে পৌছে আরদ্ধ সবার সাথে ইনার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। আরদ্ধর অফিসের সবাই প্রায় এসেছে পার্টিতে।ইনাও হাসিমুখে সবার সাথে পরিচিত হচ্ছে।ব্যাপারটা আরদ্ধের কাছে বেশ ভালো লাগছে।ফ্রেন্ড সার্কেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় আরদ্ধের এক ফ্রেন্ড বলে উঠল
-ভাবি তো সেই সুন্দরী এন্ড হট৷তা ভাবী আমাদের দিকেও একটু নজর দেন। আমরাও আরদ্ধের চেয়ে কম কিসে?
ছেলেটার কথায় নোংরামির আভা ফুটে উঠছিল যেটা ইনায়াত ভালভাবেই বুঝতে পেরেছিল।এরকম পরিস্থিতি কিভাবে হ্যান্ডেল করতে হয় সেটা সে ভাল করেই জানে। হাসিমুখে উত্তর দিল
-তা না হয় দিলাম ভাইয়া।কিন্তু আমার আবার একটা অভ্যাস আছে কারো উপর আমার নজর পরে গেলে তাকে খালি থাপ্পড় মারতে মন চায়। একবার তো একটা ছেলের উপর নজর পরেছিল। ওর গালগুলা এতই গোলুমোলু ছিল যে টানা পাচটা থাপ্পড় মেরে তবেই শান্তি পেয়েছিলাম।আরে ভাইয়া আপনার গালগুলাও কি সুন্দর কিউট। আপ..
-ভা....ভাবী আমি একটু ওয়াশরুম থেকে আসছি।
বলেই ছেলেটা পালাল।
ইনায়াতসহ আরদ্ধের বাকি বন্ধুরা সবাই হেসে ফেলল।
-ভাবি যা দিলেন না।বেচারা আর নিজের বঊএর নজরে কোনদিন পরতে চাই বে না। (আহাম)
-হ্যা ভাবী উচিত শিক্ষা দিয়েছেন।ব্যাটা লুচু খুব (ইয়াদ)
আরদ্ধ মুগ্ধ হয়ে ইনাকে দেখছে। কীভাবে পারে মেয়েটা এত সুন্দর করে সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করতে?
চলবে....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93309/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Jan 2022 13:59:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৬<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
নাস্তা সেড়ে কিচেনের দিকে পা বাড়াল ইনা।উদ্দেশ্য লাঞ্চ রেডি করার।আজকে এ বাড়িতে তার প্রথম দিন। প্রথম রান্না। তাই স্পেশাল কিছু রাধতে চায় সে।ইরিন আন্টি তাকে সব কিছু বুঝিয়ে দিয়েছে। আরদ্ধ বার কয়েক পানি খাওয়ার নাম করে কিচেন থেকে ঘুরে গেছে। ইরিন আন্টি মুখ টিপে টিপে হাসছেন।<br />
হঠাত করে ইনা কাধের উপর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-93309"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/93309/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f1b7283d3d3c217cf517259781401e9</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৫
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
ওয়াশরুম থেকে মাথা বের করে উকি মারছে ইনা।আরদ্ধ উল্টো দিকে মুখ করে ঘুমুচ্ছে।টাওয়েল টা পেচিয়ে পা টিপে বেরিয়ে আসল।ব্লাউজ আর পেটিকোটটা পরে টাওয়েলটা বুকে জড়িয়ে শাড়ি পরছে।
-উহ ওভাবে ধরো না কুচি খুলে যাবে।
.
.
কথাটা শুনেই চমকে উঠে ইনা।পাশ ফিরে তাকিয়ে দেখে আরদ্ধ হাতের উপর মাথা দিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে।ইনায়াত হা করে তাকিয়ে আছে আরদ্ধের দিকে। তার চোখ আটকে আছে আরদ্ধের লোমহীন বুকটার দিকে।
.
.
আরদ্ধ বিছানা ছেড়ে ইনায়াতের দিকে আসতে লাগল।আরদ্ধ নেশাতুর দৃষ্টিতে ইনায়াতের দিকে তাকিয়ে আছে।আরদ্ধের চোখকে অনুসরণ করে ইনায়াত দেখল তার বুকের উপর থেকে টাওয়েল টা অনেক আগেই পরে গেছে।আরদ্ধের দুই চোখ সেখানেই নিবদ্ধ।ইনায়াত দু হাতে বুক ঢেকে উল্টো দিকে ঘুরে দাড়াল।আরদ্ধ এসে ইনায়াতের পিছনে দাড়াল।চুল থেকে টাওয়েল টা খুলে দিল।ভেজা চুলগুলো ছড়িয়ে পরল ইনার পিঠের উপর।তাই দেখে সে ভেজা চুলে নাক গুজল।অনেক গল্পে পরেছে মেয়েদের ভেজা চুলের গন্ধ নাকি মাতাল করা।কথাটা সত্যি কিনা নিশ্চিত করতে চায় সে। তার দুই হাত ইনার দুই কাধ বেয়ে নেমে হাতের উপর এসে থামল।ইনায়াতের পেট চেপে ধরে নিজের সাথে মিশিয়ে নিল সে।ইনার ভেজা চুলের পানিতে তার বুক ভেসে যাচ্ছে।ইনা যেন মুর্তির মত অনড় হয়ে আছে।এক চুল ও নড়ার শক্তি পাচ্ছে না সে।আরদ্ধ একহাত দিয়ে ইনায়াতের পেটে স্লাইড করছে।অনেক কস্টে গলা দিয়ে বের করল
-আ...আ..আরদ্ধ। ক..কি করছেন আপনি???
.
.
-শসসসস।তুমি জানো ইনা তুমি একটা নেশা। প্রচন্ড কড়া নেশা। ইচ্ছে করে সারাদিন তোমার নেশায় বুদ হয়ে থাকি। খুব ভালবাসি ইনা খুব বেশিই ভালবাসি।
.
.
নেশাগ্রস্থ কন্ঠে কথাগুলো বলে ইনায়াতের কানের লতিতে আলতো করে চুমু খেল আরদ্ধ।তার প্রতিটা কথা ইনায়াতের বুকে তোলপাড় শুরু করে দিয়েছে।আবেশে সে আরদ্ধের গায়ে হেলে পরল। আরদ্ধের গা খামচে ধরে বলল 
-আমিও ভালবাসি আপনাকে আরদ্ধ।
আরদ্ধ মুচকি হেসে ইনায়াতের বুকে শাড়ির আচলটা তুলে শাড়িটা ঠিক করে দিল। তারপর টাওয়ালটা নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল।
.
.
ইনায়াত চুলগুলো আচড়ে নিয়ে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াল। শহীদুল চাচা বাজার করতে গেছেন।ইরিন আন্টি আসবেন ১০টার পর। পুরো রান্নাঘর ফাকা।ইনায়াত টুপ করে রান্নাঘরে ঢুকে গেল।খুজে খুজে হাতের কাছে পাতিল আর কফি পেয়ে গেল।চুলোয় পানি চড়িয়ে চারপাশে চোখ বুলাচ্ছে।অনেক গুছানো সব কিছু। এই সংসারটা এখন তার। আগলে রাখবে সে তার সংসারটাকে।কিন্তু পরক্ষনেই মনে হল আরদ্ধ কি তাকে সংসারের দায়িত্ব দিবে?
.
.
কফি বানিয়ে রুমে ঢুকে ইনা।আরদ্ধ মাত্র ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে এসে চুল মুছছে।ইনাকে দেখে তার চোখ মুখ কালো হয়ে গেল।রাগী কন্ঠে জিজ্ঞেস করল
-কই ছিলে?
-কিচেনে এ গিয়েছিলাম। 
-কেন?
-কফি বানাতে।
-কিচেনে কেউ ছিল না?
ইনা মাথা এদিক দুলায়। রাখো ওখানে। টেবিলের দিকে ইশারা করে।
ইনায়াত কফির মগ রাখতেই আরদ্ধ তার দিকে টাওয়েলটা এগিয়ে দিয়ে ধুপ করে বিছানায় বসে পরল।
ইনায়াত টাওয়েলটা হাতে নিয়ে আরদ্ধের চুল মুছতে লাগল।আরদ্ধ ইনায়াতের পেটে মাথা হেলান দিল।আরদ্ধের ছোট ছোট চুলগুলো ইনায়াতের পেটে সুড়সুরি দিতেই খিলখিল করে হেসে উঠল।
আরদ্ধ একটানে ইনাকে কোলের উপর বসিয়ে নিল।তার মুখে এখনো হাসির রেশ লেগে আছে।
-কি হলো হাসছ কেন?
-আপনার চুল আমার পেটে শুড়শুরি লাগছিল বলেই আবার খিলখিল করে হেসে উঠল।
ইনাকে হাসলে অনেক সুন্দর লাগে। এই প্রথম সে ইনাকে হাসতে দেখছে।
আরদ্ধ রাগীভাবটা ধরে রেখে বলল
-এই মেয়ে শুনো আমার সাথে থাকতে হলে আমার কথা শুনতে হবে।
মুহুর্তেই ইনার মুখটা কালো হয়ে গেল।
-কি কথা?
-রোজ ঘুম থেকে উঠে যেন তোমার মুখটা দেখি।আমি গোসল করে বের হলে আমার চুল মুছে দিবা।রোজ সকালে আমার জন্যে কফি বানাবা।আমি অফিস যাওয়ার সময় আমাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিবে।অফিস থেকে ফিরলে আমাকে জড়িয়ে ধরবে।ইনফ্যাক্ট আমি যখনই বাসায় ফিরব আমাকে জড়িয়ে ধরবে আর.....
-আরু বাবা
ইনায়াত মনযোগ দিয়ে আরদ্ধের কথাগুলো শুনছিল।হঠাত কারো আওয়াজ পেয়ে সে উঠে দাড়াল।শাড়ির আচলটা মাথায় তুলে নিল।
-আরু বাবা নাস্তা কি ইরিন আফা বানাইছে?
-ইরিন আন্টি তো ১০টার আগে আসেন না।
শাহেদ চাচার মুখটা এবার ফ্যাকাশে হয়ে গেল।আরু বাবা আমি বাজার করতে গেছলাম। আসে দেখি নাস্তা রেডি।তাহলে নাস্তা...
-নাস্তা আমি বানিয়েছি।
ইনার কথায় ঘুরে তাকাল আরদ্ধ।
কোন কথা না বলে আরদ্ধ আলমারি থেকে শার্ট বের করে পরতে লাগল।
শাহেদ চা হা হয়ে ইনাকে দেখছে।গতকাল ছুটিতে থাকার কারনে ইনায়াতের সাথে তার পরিচয় হয় নি।
-ইনায়াত উনি শাহেদ চাচা।আর চাচা ও আপনার বউ মা।আজ থেকে এই সংসারের সব দায়িত্ব ইনার। কখন কি হবে না হবে কোন জিনিশ কোথায় থাকবে। কখন কি রান্না হবে সব কিছু আজ থেকে আপনার বউমার হাতে।আপনি যান।আমরা আসছি।
.
.
শাহেদ চাচা হাসিমুখে চলে গেলেন।ইনা হা হয়ে এতক্ষন কথাগুলো শুনছিল।শাহেদ চাচা চলে যেতেই আরদ্ধকে জড়িয়ে চোখের পানি ছেড়ে দিল।
-আরে আরে কাদছ কেন?আমি যখন তোমার তখন এই সংসারটা তো তোমার হবেই।ইনা আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।আরদ্ধ দুষ্টু হেসে বলল
-একটা শর্ত কিন্তু বলা হয় নি?
ইনা মুখ তুলে বলল
-কি?
-সকাল আর রাতে আমাকে স্পেশাল মিষ্টি দিতে হবে কিন্তু।বলেই চোখ টিপ মেরে আরদ্ধ বেরিয়ে গেল।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93117/</link>
				<pubDate>Sun, 23 Jan 2022 20:51:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৫<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
ওয়াশরুম থেকে মাথা বের করে উকি মারছে ইনা।আরদ্ধ উল্টো দিকে মুখ করে ঘুমুচ্ছে।টাওয়েল টা পেচিয়ে পা টিপে বেরিয়ে আসল।ব্লাউজ আর পেটিকোটটা পরে টাওয়েলটা বুকে জড়িয়ে শাড়ি পরছে।<br />
-উহ ওভাবে ধরো না কুচি খুলে যাবে।<br />
.<br />
.<br />
কথাটা শুনেই চমকে উঠে ইনা।পাশ ফিরে তাকিয়ে দেখে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-93117"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/93117/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4de3f63761beab30467ffb9eb4f874ce</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৪
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
আরদ্ধের গরম নিশ্বাস ইনাকে পাগল করে তুলছে।আরদ্ধ ইনাকে কোলে তুলে নিল।বিছানায় নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিল।ড্রিমলাইটের আলোতে ইনায়াতকে স্নিগ্ধ লাগছে।থেকে থেকে কেপে উঠছে ঠোটজোড়া।আরদ্ধ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। ঠোট ডুবাল ইনায়াতের ঠোট জোড়ায়।বউটাতো তারই।রাতপরীকে একটু আদর করলে ক্ষতি কি!
ইনায়াত আবেশে চোখ মুখ বন্ধ করে আছে সে।জীবনে প্রথম কেউ তাকে এত গভীরভাবে স্পর্শ করছে।ভালোবাসছে।তার উপর সেকিনা তার ভালবাসার মানুষ।ইনায়াতের ঠোট জোড়া ছেড়ে দিয়ে আরদ্ধ গলায় মুখ ডুবাল।চুমুতে ভরিয়ে দিতে লাগল তার রাতপরীকে। আরদ্ধের ভালবাসা পেয়ে ইনায়াতের গায়ে কাটা দিয়ে উঠছে।মাথাটা চিনচিন ব্যাথা করছে।একহাত দিয়ে মাথা চেপে আছে আরেক হাত দিয়ে আরদ্ধের চুল খামচে ধরেছে। আরদ্ধ মুখ তুলে ইনায়াতের দিকে তাকিয়ে দেখে সে চোখ মুখ খিচে রয়েছে। ব্যাথার আভা খুব ভালোভাবেই ফুটে উঠেছে চেহারায়।চোখের কোনায় হালকা পানি জমেছে।আরদ্ধ ইনায়াতকে ছেড়ে দিয়ে তরিঘরি করে উঠে বসল।
-ইনায়াত আর ইউ ওক?আম সরি তুমি অসুস্থ আমার এমন করাটা ঠিক হয় নি। তুমি ঘুমাও 
বলে আরদ্ধ উঠে চলে যাচ্ছিল।ইনায়াত আরদ্ধের হাতটা টেনে ধরে। 
-ডোন্ট লিভ মি আরদ্ধ।আই নিড ইউ।আই রিয়েলি নিড ইউ।
অনেকটা আহত কন্ঠে কথাগুলো বলল ইনায়াত।কিছুদিন আগে সেও ওভারব্রীজের উপর এইভাবে ইনায়াতকে মিনতি করেছিল। সেদিন ইনায়াত তাকে ফেলে যায় নি।আজ সেও পারবে না তার রাতপরীকে দূরে ঠেলে দিতে।আরদ্ধ এক টানে ঘুরে গিয়ে ইনায়াতের ঠোটে ঠোট ডুবাল।শুষে নিতে থাকল সব মিষ্টতা।শাড়ির আচলটা ফেলে দিয়ে পাগলের মত চুমু খেতে লাগল তার গলা আর ঘাড়ে।শুরু হচ্ছে এক নতুন অধ্যায়।ইনায়াত আর আরদ্ধের ভালবাসার অধ্যায়।
.
.
.
সকালে একটু দেরীতে ঘুম ভাঙে ইনায়াতের।মাথাটা হালকা ভারী হয়ে আছে।জানালা ভেদ করে রোদ ঘরে ঢুকেছে।দিনের আলোয় রুমটাকে আরও মায়াবী লাগছে।ঘাড় ঘুরিয়ে পুরো ঘরটাকে একবার দেখে নিল ইনা। ইনায়াত উঠতে যাবে এমন সময় বুকে ভারী কিছুর অস্তিত্ব টের পেল।সেটা আর কিছু না স্বয়ং আরদ্ধ।ইনায়াতের বুকে মাথা দিয়ে বাচ্চাদের মত তাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে।হঠাত করে সেদিন রাতের কথা মনে পরে যায়।আরদ্ধের সফট চুলগুলোতে হাত বুলাতে গিয়ে তাকে নিজের সাথে কতই না দিধা দন্দ পোহাতে হয়েছিল।অথচ আজ পুরো মানুষটাই তার।কথাগুলো ভাবতেই একগাল হেসে নিল ইনা।আরদ্ধের মাথায় খুব সফটলি বিলি কাটছে যাতে আরদ্ধের ঘুম ভেঙে না যায়।কতটা পাগল ছিল সে যে আরদ্ধ তাকে জানের চেয়েও বেশি ভালবাসে তাকেই কিনা ছেরে যেতে চেয়েছিল। 
আরদ্ধের কপালে আলতো করে চুমু খেয়ে বলল
-ভালোবাসি আপনাকে আরদ্ধ।অনেক বেশি ভালবাসি।কোথাও ছেড়ে যাব না আপনাকে কখনো না।আই লাভ ইউ। 
-লাভ ইউ টু জান।
ছোট থেকেই আরদ্ধের ঘুম পাতলা। হাল্কা বাতাসেও তার ঘুম ভেঙে যায়।অনেক রাত থেকে সে শান্তি করে ঘুমায় নি। কিন্তুএত দিন পর যেন সে শান্তির ঘুম ঘুমিয়েছে।ইনায়াতের আলতো স্পর্শে ঘুম ভেঙে যায় তার।তবুও চোখ না খুলে ঘুমের ভান ধরে থাকে।সকাল সকাল রাতপরীর মুখে এমন ভালবাসা ভরা কথা শুনে যেন তার দিনটা ভাল হয়ে গেল।ইনায়াতের কথার জবাব দিয়ে তার বুকে মুখ ঘসে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল আরদ্ধ।
ইনায়ার স্বামীর এমন সোহাগে শিঊরে উঠল।আরদ্ধের প্রতিটা স্পর্শ তার বুকে তোলপাড় তুলে দেয়।
-আরদ্ধ আপনি জেগে আছেন?
-উহ মাত্র জাগলাম(ঘুম জড়ানো কন্ঠে)
-উঠুন ফ্রেশ হবেন।
-উহ এখন না। 
-এখনি প্লিজ আরদ্ধ উঠুন।(আরদ্ধকে ছাড়ানোর চেস্টা করছে ইনা)
-উঠব এক শর্তে
-কি?
মুহুর্তের মধ্যে উঠে আরদ্ধ ইনার উপর উঠে হাত দুটো বিছানার সাথে চেপে ধরল।হঠাত করে এমন করায় ইনা ভয় পেয়ে চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলল।আরদ্ধ ইনায়াতের চোখদুটোতে হাল্কা করে ফুদিল।ইনায়াত চোখ খুলে দেখল আরদ্ধ তার উপর ঝুকে রয়েছে।নেশাতুর দৃষ্টিতে তার ঠোটের দিকে তাকিয়ে আছে।ইনা কাপাকাপা গলায় বলল
-কি শর্ত?
-ইউ হ্যাভ টু কিস মি রাইট নাউ।
-কি?(চোখ দুটো দুটো বড় বড় করে)
-কিস করতে বলছি ম্যাডাম চোখ দেখাতে বলিনি। 
-আ..আমি পারব না।
-সারারাত আমাকে এত আদর দিয়ে এখন সকালে আমকে ভুলে গেলা?এটা মানব না।চাই মানে চাই।
আরদ্ধের কথাগুলো শুনে ইনায়াতের চোখ মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেল।পারলে সে এখনি লুকায়৷ কিন্তু আরদ্ধটা যে তাকে চেপে রেখেছে।আরদ্ধ দেখল ইনায়াত ব্লাশ করছে।ঠোটদুটোতে গোলাপি আভা ছড়াচ্ছে।সময় নষ্ট না করে সে ঠোট দুটোতে ঠোট ছোয়ালো।ধীরে ধীরে রাতপরীর ঠোটগুলো নিজের দখলে নিয়ে পাগলের মতো কিস করতে লাগল।ইনায়াতও সমান তালে আরদ্ধকে রেস্পন্স করছে।ঠোটের বাধন সামান্য হাল্কা হতেই ইনায়াত আরদ্ধকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। গায়ে চাদর জড়িয়ে ছুট লাগালো ওয়াশরুমের দিকে। পিছন থেকে আরদ্ধ হাসতে হাসতে চেচিয়ে বলল 
-আমার কিন্তু এই মিষ্টিটা রোজ চাই।....
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/92701/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Jan 2022 14:22:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৪<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
আরদ্ধের গরম নিশ্বাস ইনাকে পাগল করে তুলছে।আরদ্ধ ইনাকে কোলে তুলে নিল।বিছানায় নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিল।ড্রিমলাইটের আলোতে ইনায়াতকে স্নিগ্ধ লাগছে।থেকে থেকে কেপে উঠছে ঠোটজোড়া।আরদ্ধ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। ঠোট ডুবাল ইনায়াতের ঠোট জোড়ায়।বউটাতো তারই।রাতপরীকে একটু আদর করলে ক্ষতি কি!<br />
ইনায়াত আবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-92701"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/92701/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">61a295488969d62b96613d69ebf63889</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১৩
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
-জানতে চাই না তোমার অতিত। আমি শুধু জানি আমি তোমার বর্তমান আর আমিই তোমার ভবিষ্যত। তোমার সবকিছুতে শুধু আমার অধিকার শুধুইইইই আমার।এক আল্লাহ ছাড়া তোমাকে আমার থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। কেউ না।
এক নিশ্বাসে চিতকার করে কথাগুলো বলে আরদ্ধ হাপাতে লাগল।দুই হাত দিয়ে ইনায়াতের গাল ধরে তার কপালের সাথে কপাল ঠেকিয়ে জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে সে।
ইনায়াত কিছু বলতে চেয়েও চুপ হয়ে গেল।যে শুনতে চায় না তাকে বলে কি লাভ।আচমকা আরদ্ধ ইনায়াতকে কোলে তুলে নিল।ইনায়াতও এমন করায় ভয় পেয়ে আরদ্ধকে জড়িয়ে ধরল।আরদ্ধ ইনাকে কোলে নিয়ে সিড়ি বেয়ে নিচে নেমে এল।নিজের রুমের সামনে এসে সিকিউরিটি চেকার ডিভাইসের সামনে দাড়াল।আরদ্ধের রেটিনা স্ক্যান হওয়া মাত্রই দরজা খুলে গেল।ইনায়াত তখনো আরদ্ধের বুকে মাথা গুজে আছে।ইনাকে কোল থেকে নামিয়ে দিল।ইনা তখনো চোখ দুটো বন্ধ করে আছে।
-Welcome to my world my love.
আরদ্ধের এমন কথায় চোখ মেলে তাকাল ইনা।চোখ খুলে যেন সে জীবনের সেরা সারপ্রাইজ পেল।তার সামনে পুরো রুম সাজানো।বিছানায় লাল পাপড়ি ছরানো।আলমারিগুলো লাল গোলাপ আর রজনীগন্ধা ফুলের মালা জড়ানো।বেড সাইড টেবিলে ফুলদানিতে রাখা আছে টকটকে লাল তাজা গোলাপ।জায়গায় জায়গায় লাল আর ভ্যানিলা মোমবাতি জ্বলছে।আর ফ্লোরে ছড়ানো হার্ট শেপের লাল আর সাদা বেলুন।বিছানার উপর ওয়ালে আরদ্ধের একটা বড় ছবি টাঙানো আছে।ইনায়াত যত দেখছে তত মুগ্ধ হচ্ছে। অবাক চোখে সবটা দেখছে ইনায়াত।
ঘরের এক কোনায় একটা টেবিলে বড় পিতলের বাটি রাখা আছে।আরদ্ধ ইনায়াতের হাত ধরে সেখানে নিয়ে গেল। বাটিটাতে সাদা পানির উপর অনেকগুলো গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো।ইনায়াত আরদ্ধের দিকে তাকাল।
-ওটা দুধ পানি। ওর ভিতরে একটা আংটি রাখা আছে। ইরিন আন্টি বলেছেন যে আগে আংটিটা খুজে পাবে এবংং নিজের কাছে রাখতে পারবে সেই জয়ী হবে আর সংসার সবসময় তার কথা মতই চলবে।
আরদ্ধ ইনায়াতকে একটা চেয়ারে বসিয়ে নিজে তার পাশে বসল।তারপর দুজনেই হাত ডুবিয়ে আংটি খুজতে লাগল।আরদ্ধের হাত পানিতে ডুবা থাকলে চোখ দুটো ইনায়াতের মায়ায় ডুবে আছে।মাঝে মাঝে আরদ্ধ ইনায়াতের হাত চেপে ধরছে দুষ্টুমি করে আর ইনায়াত বলে উঠছে
-আরদ্ধ আপনি কিন্তু চিটিং করছেন
আরদ্ধ মুচকি হেসে ইনায়ায়েত হাত ছেড়ে দেয়।ইনায়াত বেশ আগ্রহ নিয়ে খুজছে।হঠাত ইনায়াত হাত উঠিয়ে নিল।আরদ্ধ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল 
-কি ব্যাপার হাত গুটিয়ে নিলে কেন?
-আমি পেয়ে গেছি?
-কই দেখাও তো?
-ইনায়াত হাত পেতে আংটিটা দেখায়। যেই আরদ্ধ তার হাত থেকে আংটিটা নিতে যাবে সেই ইনায়াত হাত মুষ্টিবদ্ধ করে নেয়।
-এটা কি হল?
-খেলার নিয়ম কিছু আমিও জানি।(ঠোট টিপে হেসে)
আরদ্ধ কপট রাগ দেখিয়ে বলল 
-বারে মেরি বিল্লি মুঝিসে মেও। দাড়াও দেখাচ্ছি।বল আরদ্ধ ইনায়াতের হাত থেকে আংটি নেওয়ায় চেস্টা করতে লাগল।কিন্তু পারছে না।ইনা বেশ শক্ত করেই আংটিটা ধরে রেখেছে।শেষ মেষ আরদ্ধ ইনায়াতের হাত ছেরে দিল।ইনায়াত জিতে গেল আর আংটিটা আবার পানিতে ফেলে দিল।এভাবে তিনবার খেলল তারা। পরপর দুইবার ইনায়াত জিতে গেল।তৃতীয়বারের বেলায় আংটিটা ইনায়াতের একটা আংগুলে চেপে বসেছে। আরদ্ধ সেটাকে কেড়ে নেওয়ার চেস্টা করছে।হঠাত করে ইনা চেচিয়ে উঠল
-আহ....
আরদ্ধধ ইনায়াতের হাতটা ছেড়ে দিল।সাথে সাথে ইনার হাত থেকে আংটিটা পরে গেল। আরদ্ধের চোখ গেল ইনার হাতের উপর।আংটিটা যেখানে চেপে বসেছিল সে জায়গাটা লাল হয়ে আছে।আরেকটু হলে হয়তো কেটেই যেত।আরদ্ধ সাথে সাথে আঙুলটা মুখে পুরে নিল।
-আম সরি ইনা।আম রেলি সরি।আমারই ভুল। আমার সাবধান থাকা উচিত ছিল।আরেকটু হলেই হাতটা কেটে যেত।তুমি বসো আমি ফার্স্ট এইড বক্স নিয়ে আসছি।
আরদ্ধ উঠে যেতে লাগলে ইনায়াত তার হাত টেনে ধরে।
-আমি ঠিক আছি আরদ্ধ।আপনি বসুন।
-আর ইউ শিওর?
ইনা মাথা নাড়ায়।আরদ্ধ পানিতে হাত ডুবিয়ে আংটিটা তুলে ইনার হাতে পরিয়ে দিয়ে আলতো করে হাতের পিঠে চুমু খেল।আরদ্ধের স্পর্শ পেয়ে ইনা কেপে উঠল।
-আজ থেকে এই সংসার তোমার।এই সংসারকে গুছিয়ে রাখার দায়িত্ব তোমার। আমার সবকিছুতেই আমার আগে তোমার অধিকার।আর তোমার ঠোটে হাসি ধরে রাখার দায়িত্ব আমার।
কথাগুলো বলে আরদ্ধ নেশাতুর দৃষ্টিতে ইনায়াতের দিকে তাকিয়ে আছে।ইনায়াত বেশ লজ্জা পেয়ে যায় আরদ্ধের চাহুনিতে।
-রাত অনেক হয়েছে। চলেন ঘুমাবেন।
ইনায়াত উঠে গিয়ে আয়নার কাছে দাঁড়ায়।সেখানে তার দরকারি সবকিছুই রাখা আছে।
আরদ্ধ ইনায়াতকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে তার কাধে মুখ গুজে।
-বাসর রাতে কি কেউ ঘুমায় নাকি?তোমার তো কত্ত শখ ছিল বাসর রাতে বরের সাথে পুর্নিমা দেখবে রাত জেগে গল্প করবে তাকে আদর করবে।
-আ..আপনি কিভাবে জানলেন?
-তোমার ডায়রী থেকে।
আমার ডায়রী সেটা তো ওর লাগেজে ছিল যেটা সে স্টেশনে ফেলে এসেছিল।তার মানে আরদ্ধ সেই ডায়রিটা পরেছে?মনে মনে ভাবছে ইনা।
-তোমার লাগেজের সাথে ডায়রীটা পেয়েছিল আমার লোকেরা যেখানে তোমার বরকে নিয়ে তোমার উইশ লিস্ট লিখা ছিল।জানো ইনা সেদিন যখন তুমি চলে যাচ্ছিলে আমার মনে হচ্ছিল কেউ আমার কলিজা টা ছিড়ে নিয়ে যাচ্ছিল।তোমার অপারেশনের দিন আমি কতটা টেনশন এ ছিলাম তুমি জানো?ডাক্তার বলেছিল তুমি নাকি আমাকে ভুলে যাবে আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।আমিও সেদিন ঠিক করে নিয়েছিলাম তুমি আমাকে ভুলে গেলেও আমি তোমাকে নিজের করে নিব।পারব না তোমাকে ছেড়ে থাকতে।অনেক ভালবাসি তোমাকে ইনা অনেক ভালবাসি।
আরদ্ধ শক্ত করে ইনায়াতকে জড়িয়ে ধরে কথাগুলো বলছে।ঘাড়ের মধ্যে গরম কিছুর উপস্থিতি টের পেয়ে ইনায়াত চোখ তুলে তাকাল।এতক্ষন নিচের দিকে তাকিয়ে ছিল সে।আরদ্ধের চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে।ছেলেরা খুব কম কাদে।আর যখন কাদে তখন পাথর গলে যায়।আরদ্ধের চোখের পানি দেখে ইনায়াতের বুকটা হুহু করে উঠে।ঘুরে সে আরদ্ধকে জড়িয়ে ধরে।দুই হাত দিয়ে আরদ্ধের শেরওয়ানি খামচে ধরেছে ইনায়াত।
-আমিও ভালবাসি আপনাকে আরদ্ধ।অনেক বেশি ভালবাসি। 
আরদ্ধ ইনায়াতকে ছেড়ে দিয়ে কপালে আলতো করে চুমু খেল।
-আজকে যদি রাতপরীকে নিজের করে চাই রাতপরী কি বাধা দেবে? 
-অধিকার চেয়ে নয় আদায় করে নিতে হয়।
আর কিছু বলার প্রয়োজন হয় নি ইনার।যা বুঝার বুঝে নিয়েছে আরদ্ধ।ইনাকে ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসিয়ে দুই হাত থেকে চুড়ি গুলো খুলে নিল।চুলগুলো সরিয়ে পিঠের মধ্যে গভীর ভাবে চুমু খেল।হুক খুলে গলার হারটা নামিয়ে বক্সে ভরে রাখল।কানের দুলগুলো খুলে পাশে রাখল।আরদ্ধের গরম নিশ্বাস ইনাকে পাগল করে তুলছে।আরদ্ধ ইনাকে কোলে তুলে নিল।বিছানায় নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিল।ড্রিমলাইটের আলোতে ইনায়াতকে স্নিগ্ধ লাগছে।থেকে থেকে কেপে উঠছে ঠোটজোড়া।আরদ্ধ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। ঠোট ডুবাল ইনায়াতের ঠোট জোড়ায়।বউটাতো তারই।রাতপরীকে একটু আদর করলে ক্ষতি কি!
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91250/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Jan 2022 19:39:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১৩<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
-জানতে চাই না তোমার অতিত। আমি শুধু জানি আমি তোমার বর্তমান আর আমিই তোমার ভবিষ্যত। তোমার সবকিছুতে শুধু আমার অধিকার শুধুইইইই আমার।এক আল্লাহ ছাড়া তোমাকে আমার থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। কেউ না।<br />
এক নিশ্বাসে চিতকার করে কথাগুলো বলে আরদ্ধ হাপাতে লাগল।দুই হাত দিয়ে ইনায়াতের গাল ধরে তার কপালের সাথে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91250"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91250/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b2c2225347cce119f1b18033b338728</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১২
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
আরদ্ধের শান্ত ভঙিমায় আগ্নেয়গিরির লাভা লুকিয়ে ছিল যেটা আর কেউ না বুঝলেও ইনায়াত ঠিকি বুঝতে পেরেছিল।কথা না বাড়িয়ে ইনায়াত কবুল বলে ফেলল।সাক্ষি হিসেবে সাইন করল শায়েদ চাচা আর ডাক্তার।ইনায়াতের হয়ে দুই জন নার্স সাইন করল।হাসপাতালের সব ফর্মালিটিস পুরন করে আরদ্ধ ইনায়াতকে নিজের বাসায় নিয়ে আসে।পুরো রাস্তায় ইনায়াত চুপটি করে বসে ছিল।আরদ্ধও আগ বাড়িয়ে কোন কথা বলে নি।
.
.
বাসায় ঢুকার সময় ইনায়াত গুটিগুটি পায়ে ভিতরে ঢুকে চারপাশে চোখ বুলাতে লাগল।হঠাত করে মনে হল সে যেন শূন্যে উঠে যাচ্ছে।
-ছাড়ুন আরদ্ধ করছেন কি?
-কিছু না জাস্ট ট্রেডিশন ফলো করছি।আমেরিকাতে বিয়ের পর নববধূ বাড়িতে এলে বর তাকে কোলে করে নিয়ে যায়।
-বিয়ের কথা শুনে ইনায়াতের মুখটা আবার ভার হয়ে যায়।সে তো ভুলেই গিয়েছিল এখন সে আর সিঙেল নয় ডবল। ইনা চুপ করে আরদ্ধের গলা জড়িয়ে নিল।
.
.
আরদ্ধ একটা রুমে গিয়ে বিছানার উপর ইনায়াতকে বসালো।মাথার ব্যান্ডেজ করা জায়গায় আলতো করে চুমু দিয়ে বলল
-ফ্রেশ হয়ে নেও। এই প্যাকেটে কাপড় আছে(একটা প্যাকেট ধরিয়ে দিয়ে)।চেঞ্জ করে নেও।আমি আসছি।
ইনায়াতকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই আরদ্ধ বেরিয়ে গেল।ইনায়াত এখনো ঠায় বসে আছে।
.
.
-বাহ মেয়েতো মাশাল্লাহ সুন্দরি। আরু বাবার পছন্দ আছে বলতে হবে।
কথাগুলো শুনে মাথা তুলে তাকাল ইনা।
-আসসালামু আলাইকুম ইরিন আন্টি।
-ওয়ালাইকুম আসসালাম মা।
ইনায়াতের মুখে নিজের নাম সুনে অবাক বনে গেলেন ইরিন আন্টি।
-মা তুমি তো আমাকে দেখোনি কখনো তাহলে আমাকে চিনলে কিভাবে?
ইনায়াত হালকা হেসে বলল
-আপনার জন্যেই উনি টিকে আছেন।মায়ের ভালবাসা আপনার কাছ থেকেই পেয়েছে।
-থাক মা ওসব কথা। তুমি ফ্রেশ হয়ে আস।ইনায়াতের হাতে একটা শাড়ি ধরিয়ে দিলেন ইরিন আন্টি।
কিছুক্ষন পর ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে আসল ইনা।ইরিন আন্টি ইনাকে বসিয়ে সাজগোজ করতে লাগলেন।
-এসব কেন আন্টি?
-ওমা তুমি নতুন বউ।সাজগোজ করতে হবে না?আজ তোমাদের বাসর রাত।আমি জানি না তোমাদের বিয়েটা অনেক টা বেমানান পরিবেশে হয়েছে।প্রতিটা মেয়েরই বিয়ে নিয়ে আলাদা স্বপ্ন থাকে।তুমি চিন্তা করো না মা আমার আরু তোমার সব ইচ্ছা পূরন করবে।অনেক ভালোবাসে সে তোমাকে মা।
ইনায়াত প্রতিউত্তরে হাল্কা হাসে শুধু।ইরিন আন্টি ইনায়াতকে সাজগোজ করিয়ে বিছানায় বসিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।
.
.
বিছানার মাঝে পা গুটিয়ে বসে আছে ইনা।কিছুক্ষন পর দরজা খুলার শব্দে চোখ তুলে তাকাল সে।আরদ্ধ লাল রঙের শেরওয়ানি পরে আছে।তার সাথে মিষ্টি কালারের পায়জামা।পুরাই রাজপুত্তুর যেন।ইনায়াত এক নজর আরদ্ধকে দেখে সালাম দিল।আরদ্ধ গম্ভীর ভাবে বলল
-ঊযূ করে এস।নামাজ পরব।ইনায়াত ওয়াশরুমে গিয়ে উযূ করে আসে।তারপর দুজনে নফল নামাজ আদায় করে নিল।
আরদ্ধ এতক্ষনে এক বারেও ইনায়াতের দিকে ঠিক ভাবে তাকায় নি।মোবাইল দেখায় ব্যস্ত সে।ব্যাপারটা ইনায়াতের চোখ এড়ায় নি। আরদ্ধের অবহেলা পোড়াচ্ছে খুব করে তাকে।কেন বিয়ে করেছে সে? সে কি ইনায়াতকে দয়া দেখাচ্ছে?
.
.
আরদ্ধ ইনায়াতের হাত ধরে ছাদে নিয়ে গেল।পুরো ছাদটা চাদের আলোতে ঝলমল করছে।চাদের আলোতে তার বউটাকে অনেক স্নিগ্ধ লাগছে।আরদ্ধ অবাক চোখে তাকিয়ে আছে ইনায়াতের দিকে।বার বার সে তার রাতপরীর মায়ায় ডুবে যাচ্ছে।
.
.
তোমার খুব ইচ্ছে ছিল না বাসর রাতে চাদের আলোয় গা ভেজানোর?
আরদ্ধের কথায় ঘোর ভাঙল ইনায়াতের। 
-আপনি কিভাবে জানলেন?
-তোমাকে তোমার থেকে বেশি আমি জানি জানেমন।
-জানেন না আপনি কিছুই জানেন না। না আমার অতিত না বর্তমান না ভবিষ্যত। কিচ্ছু না। আরদ্ধের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে অনেকটা চেচিয়ে কথাগুলো বলল ইনা।
-জানতে চাই না তোমার অতিত। আমি শুধু জানি আমি তোমার বর্তমান আর আমিই তোমার ভবিষ্যত। তোমার সবকিছুতে শুধু আমার অধিকার শুধুইইইই আমার।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/90852/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Jan 2022 16:04:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১২<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
আরদ্ধের শান্ত ভঙিমায় আগ্নেয়গিরির লাভা লুকিয়ে ছিল যেটা আর কেউ না বুঝলেও ইনায়াত ঠিকি বুঝতে পেরেছিল।কথা না বাড়িয়ে ইনায়াত কবুল বলে ফেলল।সাক্ষি হিসেবে সাইন করল শায়েদ চাচা আর ডাক্তার।ইনায়াতের হয়ে দুই জন নার্স সাইন করল।হাসপাতালের সব ফর্মালিটিস পুরন করে আরদ্ধ ইনায়াতকে নিজের বাসায় নিয়ে আসে।পুরো রা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-90852"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/90852/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">293f08d73e4b68e5ca0524ac231df943</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১১
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
ছাদের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে ইনা।চাদের আলো তার মুখের উপর পরেছে।চারপাশের পরিবেশটাকে স্নিগ্ধ লাগছে অনেক।আরদ্ধ ইনায়াতের হাত ধরে ছাদের একপাশে থাকা দোলনায় কাছে নিয়ে আসল।ইনায়াতকে বসিয়ে নিজেও বসে পরল তার পাশে।ইনায়াতকে পেছন থেলে জড়িয়ে ধরল সে।শাড়ির ফাক গলিয়ে এক হাত দিয়ে পেট আরেক হাত দিয়ে বুক বরাবর আড়াআড়িভাবে জড়িয়ে ধরে ইনায়াতের খোলা চুলগুলোতে মুখ ডুবাল।একটা মিষ্টি গন্ধ ভেসে আসছে ইনায়াতের চুল থেকে।আরদ্ধ মাতালের মত সেই ঘ্রান নিচ্ছে।তার মনে হচ্ছে ইনায়াতের চুলের সুবাস যেন পৃথিবীর যেকোনো পারফিউমকে হার মানাতে বাধ্য।
.
.
ইনায়াত স্তব্ধ হয়ে বসে আছে।সব কিছুই এত আচমকা হচ্ছে যে সে বুঝে উঠার সময়ই পাচ্ছে না।স্টেশনে জ্ঞান হারানোর পর নিজেকে সে আবিষ্কার করে হাসপাতালের বেডে।চোখ খুলে দেখতে পায় এক নার্স তার পাশে বসে রিপোর্ট চেক করছে।
-নার্স আমি এখানে কেন? আমি তো স্টেশনে ছিলাম....।আরদ্ধ! আরদ্ধ কোথায় নার্স?আমি এখানে..
-আপনি এত হাইপার হবেন না প্লিজ। রিসেন্টলি আপনার ব্রেইনের অপারেশন হয়েছে। এই সময় মেন্টাল স্ট্রেস নেওয়াটা আপনার জন্য খুব হার্মফুল।প্লিজ শুয়ে পরুন।
অপারেশনের কথা শুনে ইনায়াত হা হয়ে গেল।তার অপারেশন হয়ে গেল অথচ সে টেরও পেল না।কিন্তু অপারেশন তো অনেক এক্সপেন্সিভ ছিল। তার কাছে তো এত টাকা ছিল না। সে তো চলে যাচ্ছিল।হাজার প্রশ্ন ওর মাথায় ভিড় জমাচ্ছে।চাইলেও নিজেকে স্ট্রেস ফ্রি রাখতে পারছে না।
.
.
হঠাত করে তার চোখ গেল দু হাতের উপর।দুই হাতে খুব সুন্দর করে মেহেদি রাঙানো অনেক দূর পর্যন্ত।ইনায়াত নিজের হাত দেখছে অবাক হয়ে।ইনায়াতকে দেখে নার্স হাসি মুখে বলল
-ওহ আপনাকে তো বলাই হয় নি আজকে আপনার বিয়ে।সেজন্যে আপনার হাসবেন্ড আপনার অপারেশনের পর ডিজাইনার এনে আপনার হাতে মেহেদি লাগিয়ে দিয়েছে।আপনি অনেক লাকি আপনার হাসবেন্ড আপনাকে অনেক ভালবাসেন।আপনার যখন অপারেশন হচ্ছিল উনি খুব টেনশন এ ছিলেন।ছোট বাচ্চা গুলার মত ছটফট করছিলেন।আপনার আপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে শুনে উনি পুরো হসপিটালে সবাইকে মিষ্টি মুখ করিয়েছেন।আপনি সত্যিই অনেক লাকি।
.
.
কথাগুলো বলে নার্স হাসতে হাসতে বেরিয়ে পরল।কথাগুলো যেন ইনায়াতের মাথার সাড়ে তিন ফুট উপর দিয়ে গেল।তার অপারেশন হয়েছে।আবার আজকে তার বিয়ে। অথচ এসবের কিছুই সে জানে না।কার সাথে বিয়ে কেন করছে সে এসব,অপারেশনের টাকাই বা কে দিল?সব কিছু আরদ্ধ করেনি তো?মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা করছে ইনার।দুই হাত দিয়ে মাথা চেপে ধরে আছে সে।
.
.
দরজা খুলার শব্দে মাথা তুলে তাকাল ইনায়াত।দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে আরদ্ধ।ডার্ক ব্লু কালারের প্যান্ট, শাদা শার্টের সাথে ডার্ক ব্লু কোর্ট,তার মধ্যে বা পাশে গোল্ডেন কালারের ব্রুশ লাগানো।চোখের নিচে কালির দাগ।চোখে মুখে ক্লান্তির দাগ স্পষ্ট।তার পিছনে একজন হুজুর গোছোর লোক হাতে খাতা নিয়ে দাঁড়ানো।ইনায়াত কিছু বলতে যাবে তার আগেই আরদ্ধ কিছু ইশারা করল।সাথে সাথে একজন নার্স এসে লাল রঙের ভারী ডিজাইনের একটা ওড়না ইনায়াতের মাথায় পেচিয়ে দিয়ে গেল।ইনায়াত কিছু বলার সুযোগই পাচ্ছে না।হুজুর লোকটা ইনায়াতের পাশের চেয়ারে গিয়ে বসলেন।আর আরদ্ধ বসল অপর পাশে।
.
.
ইনায়াত মুখ খুলতে যাবে তখনই লোকটা বিয়ে পরানো শুরু করে দিলেন।ইনায়াতের আর বুঝতে বাকি থাকল না লোকটা কে আর তার সাথে কি হচ্ছে।ইনায়াত এবার স্তব্ধ হয়ে গেল।তার জীবনের এত বড় একটা মুহুর্ত অথচ এই ভাবে এই জায়গায়।প্রতিটা মেয়েরই বিয়ে নিয়ে কিছু নিজস্ব স্বপ্ন থাকে মতামত থাকে।কিন্তু ইনায়াতের কাছে কোনটাই জানতে চাওয়া হচ্ছেনা।নিজেকে তার মাটির পুতুল মনে হচ্ছে।
যখন কবুল বলার সময় আসল কাজী সাহেব বলে উঠলেন
- কবুল বলেন।
ইনায়াত যেন শুনেও শুনছে না। চুপটি করে বসে আছে।আরদ্ধ অলরেডি তিনবার কবুল বলে ফেলেছে।এখন শুধু ইনায়াতের পালা।অথচ ইনা কথা বলাই যেন ভুলে গেছে।আরদ্ধ ইনায়াতের সামনে এসে বসল।শান্ত দৃষ্টিতে ইনায়াতের দিকে তাকিয়ে বলল
-কবুল বল।
আরদ্ধের শান্ত ভঙিমায় আগ্নেয়গিরির লাভা লুকিয়ে ছিল যেটা আর কেউ না বুঝলেও ইনায়াত ঠিকি বুঝতে পেরেছিল।কথা না বাড়িয়ে ইনায়াত কবুল বলে ফেলল।সাক্ষি হিসেবে সাইন করল শায়েদ চাচা আর ডাক্তার।ইনায়াতের হয়ে দুই জন নার্স।..
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/89947/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Jan 2022 17:13:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১১<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
ছাদের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে ইনা।চাদের আলো তার মুখের উপর পরেছে।চারপাশের পরিবেশটাকে স্নিগ্ধ লাগছে অনেক।আরদ্ধ ইনায়াতের হাত ধরে ছাদের একপাশে থাকা দোলনায় কাছে নিয়ে আসল।ইনায়াতকে বসিয়ে নিজেও বসে পরল তার পাশে।ইনায়াতকে পেছন থেলে জড়িয়ে ধরল সে।শাড়ির ফাক গলিয়ে এক হাত দিয়ে পেট আরেক হা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-89947"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/89947/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b70a7989f469e53e4457b7589029c784</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট১০
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
মি.আরদ্ধ আপনি এত বড় একজন বিজনেস আইকন হয়েও ইনার মত এক জন মেয়ের সাথে...
-Wait a minute doctor. What do u mean by ইনায়াতের মত মেয়ে?
-আসলে মি আরদ্ধ মিস ইনায়াতের ব্রেইনে একটা টিউমার আছে।যেটা দিনে দিনে বড় হচ্ছে।অপারেশন করলে মিস ইনায়াত বেচে গেলেও উনার মেন্টাল স্টেট বিগড়ে যেতে পারে।এমনকি উনি তার পুরো মেন্টাল ব্যালেন্স ও হাড়িয়ে ফেলতে পারেন।
.
.
ডাক্তারের কথা শুনে আরদ্ধের যেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে।কি শুনছে ও? সত্যি কি ইনায়াত......?
.
.
-আমি জানি না উনি আপনাকে কেন বিষয়টা জানায় নি বাট
-এক সেকেন্ড ডক্টর।ইনায়াত কি আগে থেকেই জানতো?
-ইয়েস মি.আরদ্ধ।ছয় মাস আগে উনি একবার চেকাপ করার জন্যে এসেছিলেন।তখন উনার রোগটা ধরা পরে।তবে তখন সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল।আমি উনাকে কিছু মেডিসিন প্রেসক্রাইব করেছিলাম।সেগুলো রেগুলার কন্টিনিউ করলে হয়তো আজকে এত বড় আকার ধারন করতো না।আর এই বিষয় সম্পর্কে মিস ইনা খুব ভাল ভাবেই জানতেন। ইনফ্যাক্ট দুই দিন আগেও তিনি চেকাপ করার জন্যে এসেছিলেন।আমি উনাকে অপারেশন এর কথা বললে উনি বললেন
.
.
-যখন বাচার ইচ্ছা ছিল না তখন বেচে থাকা ছাড়া উপায় ছিল না।এখন বেচে থাকতে চাচ্ছি কিন্তু উপায় আমার সাধ্যের মধ্যে না।
.
এক নাগাড়ে কথাগুলো বলে থামলেন ডাক্তার।এতক্ষনে যেন আরদ্ধের কাছে সব কিছু পরিস্কার হয়ে গেল।কেন ইনা সেদিন বার বার তাকে এড়িয়ে যাচ্ছিল,কেন তার কাছে সময় চেয়েছিল আর কেনই বা লুকিয়ে চলে যাচ্ছিল।
মাথা ঘুরাচ্ছে আরদ্ধের।শুধু মাথা না পুরো দুনিয়াটাই যেন ঘুরাচ্ছে তার। সবকিছু পেয়েও যেন হারিয়ে ফেলছে সে।
.
.
মাথা তুলে ডাক্তারের দিকে তাকাল আরদ্ধ।
-আপনি অপারেশনের ব্যবস্থা করেন।
-কিন্তু মি.আরদ্ধ এটা অনেক এক্সপেন্সিভ। আর...
-ডক্টর আপনি হয়তো ভুলে যাচ্ছেন আমি কে।যত টাকা লাগে আমি দিব। দরকার হলে বিদেশ থেকে এক্সপার্ট সার্জন দিয়ে অপারেশনের ব্যবস্থা করেন।কিন্তু ইনায়াত কে আমি সুস্থ দেখতে চাই।আর একটা কথা মাথায় রাখবেন ইনায়াত আমার অস্তিত্ব।আর আমার অস্তিত্বের সামান্যতম ক্ষতি হলে আপনার অস্তিত্ব আমি মিটিয়ে দিব।কথাটা মনে থাকে যেন।
.
.
কথাগুলো বলে চোখে সানগ্লাস এটে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসল আরদ্ধ।ইনায়াতের কেবিনের জানালা দিয়ে দেখল মেয়েটা গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে। স্ট্রেস নিতে নিতে মেয়েটা যেন হাপিয়ে উঠেছে।সেখান থেকে সরে এসে সোজা বাসায় চলে আসল আরদ্ধ।বাসায় এসে জ্যাকেটটা খুলে সোফায় ছুড়ে ফেলে সোজা চলে গেল শাওয়ার নিতে।
একঘন্টা যাবত পানির নিচে দাঁড়িয়ে আছে।ঝরনার পানির সাথে ওর চোখের পানি একাকার হয়ে যাচ্ছে।চিতকার করে কাদতে ইচ্ছা করছে তার।বার বার একটা কথাই মনে মনে আওরাচ্ছে যাই হোকনা কেন সে ইনায়াতকে ছাড়বে না।ইনা যদি মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলে তবুও সে তাকে ভালবাসবে।তাকে আগলে রাখবে তার ভালবাসায়।কোথথাও যেতে দিবে না সে তার রাতপরীকে।
.
.
শাওয়ার নিয়ে বেরিয়ে আসতে না আসতেই আরদ্ধের ফোন বেজে উঠল।
-জ্বি ডাক্তার বলেন।
-মি আরদ্ধ আমেরিকার কিছু এক্সপার্ট ডক্টর রাজি হয়েছেন মিস ইনায়াতের কেসটা হ্যান্ডেল করতে।কিন্তু তারা কাল্কেই অপারেশনের কথা বলছেন।
-Do what is best.আমি ইনায়াতকে সুস্থ দেখতে চাই। আর টাকার কথা ভাববেন না। টাইমলি পেমেন্ট হয়ে যাবে।
-ওকে।আমি অপারেশনের প্রিপারেশন নিচ্ছি তাহলে।
ফোনটা কেটে দিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাড়াল আরদ্ধ।হাতে কফির মগ।কফির মগটাকে বারান্দার রেলিং এর উপর রেখে দু হাতে রেলিং এ ভর দিয়ে দাড়াল।হালকা বাতাসে আরদ্ধের ভেজা চুলগুলো মাঝে মাঝে নড়ে উঠছে।আরদ্ধ আজ আনমনে শহরটাকে আকছে।ল্যাম্পপোস্ট এর আলোয় চারদিকে কেমন একটা মায়াময় পরিবেশ তৈরী হয়েছে।ইনায়াত ঠিকি বলে শহরটা আসলেই মায়ানগর।যে মায়ানগর বার বার বাধ্য করে নিজের প্রেমে পরতে।এই মায়ানগরেই তো আরদ্ধ তার রাতপরীকে খুজে পেয়েছিল।ভাবতে ভাবতে কফির মগে চুমুক দিল।
-ইয়াক ছি। এটা কফি হল?শায়েদ চাচা শায়েদ চাচা
চেচিয়ে উঠল আরদ্ধ।
আরদ্ধের চিতকার শুনে শায়েদ চাচা দৌড়ে এলেন। -জ্বি ছোট বাবা
-কফি এরকম হয়েছে কেন?কফিতে চিনি নেই কেন?আর কফির টেস্ট এত তিতা কেন?
শায়েদ চাচা কিছুক্ষন হা হয়ে আরদ্ধের দিকে তাকিয়ে থেকে বলে উঠল
-ছোট বাবা আপনি তো এমনই কফি খান। গাঢ় লিকারের সুগার ফ্রি কফি।
কথাটা শুনেই আরদ্ধ চুপ হয়ে গেল।
-আচ্ছা ঠিকাছে আপনি আসেন।
শায়েদ চাচা চলে যেতেই আরদ্ধ আবার বেলকনিতে আসল।সত্যিই ইনায়াত তার লাইফে না আসতেই তার জীবনটাকে কতটা বদলে দিয়েছে।রঙে ভরে দিয়েছে।সেদিন ইনায়াতের হাতে বানানো মিডিয়াম সুগারের লাইট কফি যেন এখনো আরদ্ধের মুখে লেগে আছে।এতটুকু সময়েই সে অভ্যস্ত হয়ে গেছে রাতপরীর অভ্যাসে।কিভাবে পারবে সে তার রাতপরীকে ছেড়ে থাকতে?
উহ পারবে না সে।এক মুহুর্তও পারবে না সে রাতপরীকে ছাড়া।ভাল হোক বা মন্দ ইনায়াতকে তার চাইই।রাত পোহালে কাল দুপুরে ইনায়াতের অপারেশন।ভাবতেই আরদ্ধের বুকটা কেপে উঠছে।ইনা কি আরদ্ধকে ভুলে যাবে?ভুলে যাবে তার ভালবাসা?
না ইনায়াত চাইলেও আরদ্ধ তাকে ভুলতে দিবে না। তার ভালবাসায় মনে করিয়ে দেবে বার বার।আল্লাহ তার সাথে কখনো খারাপটা করবে না। আল্লাহর উপর পুরো ভরসা আছে তার।ভাবতে ভাবতেই রাত কেটে যায় আরদ্ধের।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/88835/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Jan 2022 18:50:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট১০<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
মি.আরদ্ধ আপনি এত বড় একজন বিজনেস আইকন হয়েও ইনার মত এক জন মেয়ের সাথে&#8230;<br />
-Wait a minute doctor. What do u mean by ইনায়াতের মত মেয়ে?<br />
-আসলে মি আরদ্ধ মিস ইনায়াতের ব্রেইনে একটা টিউমার আছে।যেটা দিনে দিনে বড় হচ্ছে।অপারেশন করলে মিস ইনায়াত বেচে গেলেও উনার মেন্টাল স্টেট বিগড়ে যেতে পারে।এমনকি উনি তা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-88835"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/88835/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7dd5470d8e51282e0920eb322df1177f</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৯
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
ষ্টেশন এ বসে আছে ইনা।নিজেকে কালো বোরখায় আবৃত করে রেখেছে।কষ্ট হচ্ছে তার এই মায়ানগরকে ছেড়ে যেতে।তার চেয়েও বেশি কষ্ট হচ্ছে আরদ্ধকে ছেড়ে যেতে।চাইলেও পারবে না সে আরদ্ধের কাছে ফিরে যেতে।তার মায়ায় জড়াতে।চোখগুলো ঝাপসা হয়ে আসছে তার। অনেক বছর পর আবার সে হাহাকার অনুভব করছে নিজের মাঝে।বছর পুরোনো লুকানো কষ্টগুলো যেন আজ বৃষ্টি হয়ে ঝড়তে চাইছে।সহ্য হচ্ছে না তার এত কষ্ট।ইচ্ছে করছে সবকিছু ভেঙে গুড়িয়ে দিতে।
.
.
ইনায়াত....
.
.
কোন একজনের গলায় নিজের নাম শুনে চমকে উঠল ইনা।ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখল সে আর কেউ না আরদ্ধ।আহত বাঘের মত দেখাচ্ছে তাকে।থেকে থেকে ইনার নাম নিয়ে হুংকার ছাড়ছে।কিন্তু সে এখানে কিভাবে পৌছালো?ইনাতো ফোন অফ করে সিম ভেঙে ফেলেছে।আরদ্ধকে দেখে ইনা মাথার ঢাকনাটা নামিয়ে নিল।থেকে থেকে কেপে উঠছে সে।
.
.
এদিকে আরদ্ধ পাগলের মত ইনায়াতকে খুজছে।মনে হচ্ছে কেউ তার কলিজাটা ছিড়ে নিয়ে যাচ্ছে।ইনায়াতের লোকেশন ট্রেস করা মাত্রই সে লোক দিয়ে ঢাকা থেকে বাইরেগামী সব ট্রেন বন্ধ রেখেছে সে।যেসব যাত্রীদের জরুরী প্রয়োজন তাদেরকে ফ্লাইটে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে।টাকা থাকলে আর প্রশাসনের উপর মহলের সাথে ভাল সম্পর্ক থাকার সুবাদে এসব আরদ্ধের বাম হাতের খেলা।আর দরকারে নিজের ক্ষমতাটাকে কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সেটা আরদ্ধ ভাল করেই জানে।
.
.
আরদ্ধ খুজতে খুজতে ইনায়াতের সামনে এসে দাড়াল।চোখ বুলিয়ে চারদিকে খুজতে লাগল।কিছুক্ষন থেমে অন্যদিকে চলে গেল সে।ইনায়াতের যেন এতক্ষন দম বন্ধ হয়ে আসছিল।আরদ্ধ তার সামনে।কিন্তু চাইলেও সে ধরা দিতে পারছে না আরদ্ধের কাছে।
.
.
আচমকা টানে কারো বুকের উপর গিয়ে পড়ল সে।ভয়ে চোখগুলো বন্ধ করে আছে সে।বুকটা কাপছে তার।ভয়ে ভয়ে চোখ খুলে আরদ্ধকে দেখেই ইনার কলিজার পানি শুকিয়ে আসল।আরদ্ধ চোখ মুখ শক্ত করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।রাগে তার গা জ্বলে যাচ্ছে।চোখ দুটো লাল হয়ে আছে তার।ইচ্ছে হচ্ছে ঠাটিয়ে দুটো চড় মারতে। পত্রমিতালীর ভুত নেমে যেত তার মাথা থেকে।কিন্তু চাইলেও পারবে না সে তার রাতপরীকে আঘাত করতে।তাকে সামান্যতম আচড়টুকুও দিতে।তার গায়ে লাগা প্রতিটা আঘাত যে আরদ্ধের বুকে কাটার মত বিধে।বড্ড বেশি ভালবেশে ফেলেছে সে রাতপরীকে।
.
.
আরদ্ধকে দেখে ভয়ে জড়সড় হয়ে আছে ইনা।সে ভেবেছিল বোরখা পরে থাকলে হয়তো আরদ্ধ তাকে চিনতে পারবে না।আরদ্ধ একটানে ইনার মুখের নেকাবটা সরিয়ে তার হাত ধরে টানতে লাগল।ইনা বার বার আরদ্ধকে থামানোর চেস্টা করছে।কিন্তু আরদ্ধ ইনার কোন কথাই শুনছে না।
-আরদ্ধ ছাড়ুন প্লিজ। আরদ্ধ আমার কথাটা শুনুন আগে।let me explain Aroddho please.
.
.
আরদ্ধ টানতে টানতে ইনাকে নিয়ে যাচ্ছে।ইনার কথার প্রতি কোন মনোযোগ নেই তার।হঠাত করে হাতটা ঢিলে অনুভব করতেই পিছনে ফিরে তাকাল সে।মাটিতে লুটিয়ে পরেছে ইনায়াত।ইনাকে সেন্সলেস দেখে ভয় পেয়ে গেল সে।দৌড়ে গিয়ে ইনার মাথাটা কোলে নিয়ে দুহাতে ইনাকে ঝাকাচ্ছে।
-ইনা কি হল তোমার?প্লিজ চোখ খুল।কথা বল ইনা।ফর গডস সেক ওপেন ইওর আইজ।
ইনায়াতের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে কোলে তুলে নিল।স্টেশন থেকে বের হয়ে ইনায়াতকে গাড়ির ব্যাক সিটে শুইয়ে দিল।তারপর ড্রাইভ করে সোজা হসপিটাল চলে এল।
.
.
ইনার কেবিনের সামনে বসে আছে আরদ্ধ।দুই হাটুর উপর ভাড় দিয়ে দুই হাতে মুখ গুজে আছে সে।বার বার আল্লাহর নাম নিচ্ছে।তার রাতপরীর যেন কিছু না হয়।
এক জন নার্স এসে আরদ্ধের সামনে এসে দাড়াল।
-এই কেবিনের পেশেন্ট এর সাথে কি আপনি এসেছেন?
-জ্বি
-কে হন আপনি উনার?
নার্সের কথাটা শুনে আরদ্ধ চুপ হয়ে গেল।খানিকক্ষণ ভেবে বলল
-She is my would be wife.আগামী মাসে আমরা বিয়ে করব।
আরদ্ধের কথা শুনে নার্স চমকে গেলেন।হাতে থাকা বোর্ডটা থেকে মাথা তুলে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আরদ্ধের দিকে তাকাল।যেন সে কোন চিড়িয়া দেখসে।কোন কথা না বাড়িয়ে আরদ্ধের সাইন নিয়ে চলে গেল।
এদিকে প্রায় ৩ ঘন্টা হয়ে আসছে।ইনায়াতের জ্ঞান এখনো ফেরে নি।আরদ্ধ চিন্তায় শেষ হয়ে যাচ্ছে।এর মধ্যে একজন নার্স এসে আরদ্ধকে ডাক্তারের কেবিনে যেতে বলল।
.
.
ডাক্তারের কেবিনে ঢুকে আরদ্ধ বলে উঠল
-গুড ইভনিং ডক্টর।
-আরে আপনি ফেমাস বিজনেস টাইফুন আরদ্ধ রেওয়াত না?
-জ্বি আমিই আরদ্ধ।
-নার্স বলল আপনি নাকি মিস ইনায়াতকে বিয়ে করছেন।
-জ্বি ঠিক শুনেছেন।(আরদ্ধের ভাবলেশহীন উত্তর)
-দেখুন মি.আরদ্ধ আপনি এত বড় একজন বিজনেস আইকন হয়েও ইনার মত এক জন মেয়ের সাথে...
-Wait a minute doctor. What do u mean by ইনায়াতের মত মেয়ে?
-আসলে মি আরদ্ধ মিস ইনায়াতের........
চলবে
(গল্প দিতে দেরী হওয়ায় আমি দুঃখিত। আমি কয়দিন খুব অসুস্থ ছিলাম। ইনশাল্লাহ এবার থেকে রেগুলার গল্প দিব :))</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/88078/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Jan 2022 15:59:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৯<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
ষ্টেশন এ বসে আছে ইনা।নিজেকে কালো বোরখায় আবৃত করে রেখেছে।কষ্ট হচ্ছে তার এই মায়ানগরকে ছেড়ে যেতে।তার চেয়েও বেশি কষ্ট হচ্ছে আরদ্ধকে ছেড়ে যেতে।চাইলেও পারবে না সে আরদ্ধের কাছে ফিরে যেতে।তার মায়ায় জড়াতে।চোখগুলো ঝাপসা হয়ে আসছে তার। অনেক বছর পর আবার সে হাহাকার অনুভব করছে নিজের মাঝে।বছর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-88078"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/88078/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">29a0e1bedd16fd1e04f21f62f90d5cb3</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৮
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যায় আরদ্ধের।আজকে সে ইনায়াতকে আনতে যাবে।রাতপরীকে নিজের করে নিবে।ফ্রেশ হয়ে নিচে নেমে আসল আরদ্ধ।ডার্ক ব্লু জিন্স,অফ হোয়াইট শার্ট, তার উপর চকলেট কালারের জ্যাকেট,হাতে গোল্ডেন চেনের ঘড়ি। সব মিলিয়ে পুরাই হিরো। ইনায়াত তাকে দেখে আজ চোখ ফিরাতে পারবে না।নাস্তা সেড়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পরল আরদ্ধ।
.
.
প্রায় দেড় ঘন্টার জ্যাম ঠেলে ইনায়াতের বাসায় পৌছল আরদ্ধ।কিন্তু সেখানে পৌছেই বড়সড় রকমের একটা ধাক্কা খেল।বাসায় একটা তালা ঝুলানো।ইনা কি বাইরে না অফিসে গেছে?কিন্তু কেন?সে তো জানতো আজ আরদ্ধ আসবে।মনে মনে কথাগুলো আওরাচ্ছে আরদ্ধ।
পকেট থেকে ফোন বের করে মি.আহমাদকে ফোন দিল।তিনি জানালেন ইনা আজকে অফিসে আসে নি।ইনফ্যাক্ট গতকালই ইনা তার রেজিগনেশন লেটার তাকে মেইল করে পাঠিয়েছে।কেন কিসের জন্য কোন কিছুই বলে নি।
.
.
মি.আহমাদের কাছ থেকে ইনায়াতের নাম্বার নিয়ে তাতে কল দিল আরদ্ধ।কিছুক্ষন পর যন্ত্রমানবী বলে উঠল
-The number you have dailed is currently switched off.
.
.
কিছু ভাবতে পারছে না আরদ্ধ।রাগে মাথা ফাটে যাচ্ছে।কলটা কেটে দিয়ে কাউকে টেক্সট করল।ইনায়াতের বাড়ি থেকে বের হতে যাবে এমন সময় পা লেগে একটা ফুলের টব উলটে গেল। তার পাশেই একটা কাগজ দেখতে পেল আরদ্ধ।কাগজটা হাতে নিয়ে ভাজ খুলল।তারপর পরতে লাগল
.
.
ভালবাসা....
শব্দটা অনেক মায়াময় জানেন আরদ্ধ।আপনার মুখে শব্দটা শুনার পর মনে হয়েছিল আমারো ভালবাসার অধিকার আছে।ভালবাসা পাওয়ার অধিকার আছে।সেদিন যখন বলেছিলেন আপনি আমাকে ভালবাসেন আমার মনেও তখন খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিল।আমার হৃদয় মরুভূমিও যে খা খা করে আছে ভালবাসা পাবার আশায়।কিন্তু জানেন তো আরদ্ধ মরুভূমি যতই খা খা করুক সেখানে কখনো বৃষ্টি হয় না।হয় শুধু ঝড়।ভেবেনিয়েন এমনি এক ঝড়ে আপনার আর আমার দেখা।আর এই ঝড়ের মাঝেই আমার হারিয়ে যাওয়া।
আরদ্ধ আপনি সত্যি অনেক ভাল মানুষ।আমাকে পতিতা পল্লিতে যেতে দেখেও আপনি আমাকে ভালবেসেছেন।আমার অতীত ভবিষ্যত না জেনেই আমার বর্তমানকে নিয়ে মেতে উঠতে চাইছেন।আপনার জায়গায় অন্য কেউ হলে হয়তো জোর করে আমাকে উঠিয়ে নিয়ে যেত।কিন্তু আপনি তা করেন নি।আমার মতামতকে প্রাধান্য দিয়েছেন।কিন্তু আরদ্ধ আমি পারব না আপনার চাওয়া পাওয়া পূরন করতে।প্রকৃতি আমাকে সেই অধিকার দেয় নি।তাই আজ থেকে আমার প্রতিটা নিশ্বাস আপনার নামে লিখে দিলাম।আমার প্রতিটা হৃদস্পন্দনে আপনার অধিকার থাকবে।যতদিন বাচব শুধু আপনাকে ভালবেসে যাব।
ভুলে যাবেন আমায়।জানেন এই শহরটা  #মায়ানগর।যে কেউ এই  #মায়ানগরের_প্রেমে পরতে বাধ্য।এই মায়ানগরের মায়ায় অন্য কোন রাতপরীকে খুজে নিবেন যে আপনাকে গুছিয়ে নিবে।ভালোবাসবে
ইতি
মায়ানগরের রাতপরী।
.
.
চিঠিটা পড়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইল আরদ্ধ।তার মানে সে কি তার রাতপরীকে হারিয়ে ফেলল?পেয়েও পেল না তার ভালবাসাকে?
ঘোর ভাঙল ফোনের রিংটনে।কল এই রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বলে উঠল
-লোকেশন ট্রেস করা হয়ে গেছে স্যার। আপনার ফোনে এড্রেস টেক্সট করে দিচ্ছি।
-গুড।
চিঠিটা দুমরে মুচরে গাড়ির ব্যাক সিটে ছুড়ে দিল আরদ্ধ।তারপর গাড়ি ঘুরিয়ে সোজা বেরিয়ে পরল ম্যাসেজ করা লোকেশন এর উদ্দেশ্যে।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/86720/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Jan 2022 15:02:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৮<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যায় আরদ্ধের।আজকে সে ইনায়াতকে আনতে যাবে।রাতপরীকে নিজের করে নিবে।ফ্রেশ হয়ে নিচে নেমে আসল আরদ্ধ।ডার্ক ব্লু জিন্স,অফ হোয়াইট শার্ট, তার উপর চকলেট কালারের জ্যাকেট,হাতে গোল্ডেন চেনের ঘড়ি। সব মিলিয়ে পুরাই হিরো। ইনায়াত তাকে দেখে আজ চোখ ফিরাতে পারবে না।নাস্তা সেড়ে গাড়ি নিয়ে বেরি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-86720"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/86720/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4ebb157b8817cebec1a116ceea1558d</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৭
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
-প্রশ্নটা ঘুরে ফিরে সেখানেই এসে দাঁড়ায় মি. আরদ্ধ। এত মেয়ে থাকতে আমিই কেন?আপনি ভদ্র,শিক্ষিত,রিচ,ড্যাশিং। যেকোন মেয়ে আপনার জন্যে পাগল হতে দ্বিতীয় বার ভাববে না।
-তার মানে আপনিও আমার জন্যে পাগল হবেন?ঠোটে বাকা হাসি ঝুলিয়ে জিজ্ঞেস করল আরদ্ধ&#124;
-জ্বি না।আমি অন্যদের মত না।
-আপনার প্রশ্নের উত্তরতা আপনি নিজেই দিয়ে দিলেন মিস ইনা।
আরদ্ধের ঠোটে বাকা হাসিটা এখনো ঝুলে আছে।স্তব্ধ হয়ে আছে ইনা।আরদ্ধের কথার জালে আটকে যাচ্ছে সে।পারছে না সে কোনভাবে আরদ্ধকে ঠেকাতে।হঠাত করে আরদ্ধ ইনার সামনে হাটু গেড়ে বসল।ইনার একটা হাত নিজের দুই হাতের মুঠোয় নিয়ে বলল
.
.
-মেয়েরা পাগল তবে আমার জন্যে না।তারা আমার পিছনে ছোটে কিন্তু শুধুমাত্র আমার টাকার জন্যে।আমার নামের জন্যে।কিন্তু আপনি পরিচয়হীন একটা ছেলেকে ঘরে তুলে এনেছেন।ইনায়াত আমি চাই আপনি আমাকে ভালবাসেন।আমার লাইফটাকে গুছিয়ে দিন।আমার আর কিছুই চাই না ইনায়াত শুধু আপনার একটু ভালবাসা চাই।
.
.
আরদ্ধের মুখে ভালবাসার কথা শুনে ইনার বুকটা হাহাকার করে উঠল।সে তো নিজেও ভালবাসার কাঙাল।সেও তো তৃষ্ণার্ত।সামান্য একটু ভালবাসা পাবার আশায় তার হৃদয় মরুভূমিও খা কজা করে আছে।কিন্তু এখন যে বড্ড দেরী হয়ে গেছে।সে পারবে না আরদ্ধের সাথে নিজেকে জড়াতে।পারবে না তাকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে
.
.
আরদ্ধের হাত থেকে নিজের হাতটা ছাড়িয়ে নিল ইনা।
-দেখুন আরদ্ধ। জোর করে ভালবাসা হয় না।
-আমি জানি ইনায়াত।কিন্তু তুমি অন্য কাউকে ভালবাস না।চাইলেই পারবে তুমি আমাকে অনুভব করতে।আমার ভালোবাসা তোমাকে বাধ্য করবে আমাকে ভালবাসতে।
.
.
ইনা বেশ বুঝতে পারছে সে আরদ্ধের সাথে পেরে উঠবে না।যে বুঝতে চায়না তাকে শত চেস্টাতেও বুঝাতে পারবে না।তাছাড়া ইনার মনেও কোথাও না কোথাও আরদ্ধের নামটা অজান্তেও গেথে গেছে।দুচোখে পানি চিক চিক করছে।
-আমার দুই দিন সময় চাই আরদ্ধ।i need time. 
.
.
ইনার কথা শুনে আরদ্ধের চোখে মুখে খুশির আভা ফুটে উঠল। 
-ok then.আজ আমি আসি।দুই দিন পর আসব তোমার জবাব শুনতে আসব।
বলে উঠে চলে গেল আরদ্ধ।দরজার কাছে গিয়ে থেমে গেল সে।ঘাড় ঘুড়িয়ে বলল
.
.
-তোমার যতটা সময় লাগে তুমি নিতে পার।কিন্তু উত্তরটা আমি হ্যা অথবা অবশ্যই হ্যা চাই।
এতটুকু বলেই আরদ্ধ হনহন করে বের হয়ে গেল।
.
ইনা চুপচাপ বসে আছে।সে চাইলেও আরদ্ধকে তার কাঙখিত উত্তর দিতে পারবে না।সে যে বড্ড অসহায়।নিয়তি যেন আজ তাকে যেন সব দিয়েও কেড়ে নিল।
আলমারি খুলে কাপা হাতে ফাইলটা নিল।ফাইলটা খুলতেই চোখ বেয়ে শ্রাবনের বারিধারা নামতে লাগল।কেন সবসময় এমনটাই হয় তার সাথে? খুশি যেন তার ভাগ্যে এক বিরল ঘটনা।
.
.
**********
ইনায়াতের বাসা থেকে সোজা অফিসে এসেছে আরদ্ধ।অনেক ফ্রেশ লাগছে তাকে।অফিসের সব কাজ আজ তার সময়েই আগে শেষ হয়ে যাচ্ছে।সময় যেন আর কাটতেই চাচ্ছে না।দুইদিন তার কাছে দুই মাসের মত মনে হচ্ছে।ভাবতেই ভাললাগছে কেউ একজন তার ঘরে থাকবে।তার সবকিছুতেই তার অধিকার থাকবে।তার ঘর,সব জিনিশ গুছিয়ে রাখবে।সে সারাদিনের ক্লানি শেষে অফিস থেকে ফিরে আসলে শাড়ির আচলে ঘাম মুছে দিবে।মাঝরাতে খারাপ স্বপ্ন দেখে আতকে উঠলে কেউ একজন তাকে শক্ত করে বুকের মাঝে জড়িয়ে নিবে।ভাবতেই ঠোটের কোনে হাসি ফুটে উঠল।আরদ্ধ বুঝতে পারছে সে ইনায়াতের প্রেমে পরে যাচ্ছে।যেন তেন না। এ এক ভালবাসার গভীর অনুভুতি। কিন্তু ইনা যদি না করে দেয়?কি করবে তখন সে?না ইনা না করবে না।কি যা তা ভাবছে।ইনা তার শুধুই তার।নিজেই নিজেকে শান্তনা দিচ্ছে আরদ্ধ।
.
.
.
সময় বহমান।কথায় বলে অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হয়।দুটো দিন যেন কেটেও কাটছে।মাঝে মাঝে নিজেকে রাগ দেখাচ্ছে। কি দরকার ছিল ইনায়াতকে টাইমটা দেওয়ার তাহলে আজকে এই অপেক্ষা টা করতে হত না।
উহু এই অপেক্ষাটা করছে বলেই ইনায়াতের প্রতি তার ভালবাসা গাঢ় হচ্ছে।দুই দিনের সাধনায় সে ইনায়াতকে সারাজীবনের জন্যে নিজের করে পাবে।আই লাভ ইউ ইনায়াত। রিয়েলি লাভ ইউ এ লট।
নিজের মনে কথাগুলো আরদ্ধ ভাবছে আর হাসছে। বাড়ির কাজের লোকগুলোও আরদ্ধের ব্যবহার দেখে অবাক। যে আরদ্ধ সারাদিন মুখ গোমরা করে থাকত,কাজে একটু ভুল হলেই চিল্লিয়ে বাড়ি মাথায় তুলতো অথচ সেই আরদ্ধ কিনা এখন হেসে খেলে গুনগুনিয়ে বেরাচ্ছে।
.
.
সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যায় আরদ্ধের।আজকে সে ইনায়াতকে আনতে যাবে।রাতপরীকে নিজের করে নিবে।ফ্রেশ হয়ে নিচে নেমে আসল আরদ্ধ।ডার্ক ব্লু জিন্স,অফ হোয়াইট শার্ট, তার উপর চকলেট কালারের জ্যাকেট,হাতে গোল্ডেন চেনের ঘড়ি। সব মিলিয়ে পুরাই হিরো। ইনায়াত তাকে দেখে আজ চোখ ফিরাতে পারবে না।নাস্তা সেড়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পরল আরদ্ধ।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/86003/</link>
				<pubDate>Mon, 03 Jan 2022 12:49:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৭<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
-প্রশ্নটা ঘুরে ফিরে সেখানেই এসে দাঁড়ায় মি. আরদ্ধ। এত মেয়ে থাকতে আমিই কেন?আপনি ভদ্র,শিক্ষিত,রিচ,ড্যাশিং। যেকোন মেয়ে আপনার জন্যে পাগল হতে দ্বিতীয় বার ভাববে না।<br />
-তার মানে আপনিও আমার জন্যে পাগল হবেন?ঠোটে বাকা হাসি ঝুলিয়ে জিজ্ঞেস করল আরদ্ধ|<br />
-জ্বি না।আমি অন্যদের মত না।<br />
-আপনার প্রশ্নের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-86003"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/86003/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47ae116d2f90fe3ba8a43c69933b62b9</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৬
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়া তখন কষ্টকর হচ্ছিল।কৌতূহল দমাতে না পেরে একরাতে মেয়েটার পিছু নিলাম।রাতের মায়ায় হঠাত সে পতিতাপল্লিতে হারিয়ে গেল।আমি ভিতরে ঢুকতে যাব এমন সময় একজন দালাল টাইপের লোক এসে মুখে নোংরা হাসি ঝুলিয়ে বলল
.
.
-আসেন স্যার আসেন। কেমন মাল চাই বলেন।ছোট,বড়,চিকন মোটা নাকি ভার্জিন।(চোখ টিপ মেরে)
-একটু আগে কালো শাড়ি পড়া একজন মেয়ে ঢুকল।কোথায় উনি?
কথাটা শুনামাত্র লোকটার মুখটা কালো হয়ে গেল।কথা এড়িয়ে বলতে লাগল
-আরে স্যার এইদিকে আসেন। এইদিকে অনেক ভাল মাল আছে।অনেক সুন্দর সুন্দর মাইয়া আছে।আপনে খালি পছন্দ করেন। এক্ষনি হাজির করুম।
লোকটার কথাশুনে প্রচন্ড বিরক্ত লাগছিল।কোন রকমে রাগ সামলিয়ে বললাম
-যেটা বলছি সেটার উত্তর দেন।অহেতুক কথা আমার পছন্দ না।(দাত কটমটিয়ে)
-না ইয়ে মানে... স্যার এইদিকে
-Just Shut up.যেটা জানতে চাচ্ছি সেটা বলেন।কোথায় উনি?(রেগে)
-স্যার আসলে উনি আমাদের গলির না। আফামনি অনেক ভাল মাইয়া।
-আপনাদের গলির না? তবে উনি এখানে এত রাতে কি জন্যে এসেছেন।আমি প্রায় দেখি উনাকে এখানে আসতে।
-আসলে স্যার উনি একজনের সাথে দেখা করার লাইগ্যা আসেন।
-কোথায় উনি?আমাকে নিয়ে চলুন। আমি দূর থেকে দেখব।
-ইয়ে স্যার আফামনি তো কাউরে যাইতে মানা করছে তয় আপনি যদি......হেহে বলে লোকটা হাত চুলকাতে লাগল।
পকেট থেকে একটা এক হাজার টাকার নোট বের করে তার দিকে বারিয়ে দিতেই সে খুশিতে গদগদ হয়ে গেল।বত্রিশটা দাত বের করে বলল
-আসেন স্যার এইদিকে।
একটা রুমের জানালার কাছে গিয়ে লোকটা দাড়াল।ভিতরে উকি দিতে দেখলাম একজন এলোকেশী সাত আট মাসের একটা বাচ্চাকে কোলে নিয়ে খেলছে।কখনো গান গাইছে।পুরো রুমে ঘুরে বেরাচ্ছে।তার পাশে একজন অসুস্থ মহিলা বিছানায় শুয়ে আছেন।সম্ভবত তিনি বাচ্চাটার মা।তার মুখে প্রশান্তির হাসি।মুগ্ধ চোখে আমি দৃশ্যটা দেখছিলাম।যেন ভুলেই গিয়েছি আমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছি । ঠিক তখনি আমি ঠিক করেছিলাম এই মেয়েকে আমার চাই।এই মেয়েই পারবে আমাকে গুছিয়ে নিতে।ভালোবাসতে।
কথাগুলো বলে ইনার সামনে এসে বসল সে।কফির মগটা টেবিলের উপর রেখে ইনার দিকে খানিকটা ঝুকে বলল
-মেয়েটা কে জানেন?
ইনা চোখ তুলে একবার তাকে দেখে নিল।বুকটা হালকা কাপছে।হাজারো প্রশ্ন ভীড় জমাচ্ছে তার মনে।রাজ্যের কৌতুহল তার চোখে মুখে।
-মেয়েটা আপনি।
-কিন্তু আমিতো বোরখা ছাড়া রাতে বের হইনা।তবে আমাকে চিনলেন কি ভাবে?তড়িত গতিতে প্রশ্ন করে ইনা।
চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে পায়ের উপর পা তুলে বসল ছেলেটা।যেন সে আগে থেকেই জানতো এমন একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হবে।
-রেওয়াত গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ এর বিজনেস পার্টিতে মিস্টার আহমেদ একজন রাতপরীকে নিয়ে এসেছিলেন।ছোট থেকেই শুনে এসেছি কালো অশুভের প্রতীক।কিন্তু কালো শাড়িতে মোড়ানো সেই রাত পরীকে আমার কাছে সবচেয়ে স্নিগ্ধ আর পবিত্র মনে হয়েছিল। ওয়েস্টার্ন ড্রেস পড়া মেয়েদের ভীরে আমার অবাধ্য চোখ দুটো কেবল তার শাড়ির আচলে আটকে ছিল।
মুহুর্তের মধ্যে হচকচিয়ে উঠল ইনা।সেদিনের পার্টিতে অনেক বার না করা সত্ত্বেও আহমেদ স্যারের জোড়াজুড়িতে যেতে হয়েছিল। কালো শাড়ির সাথে এক জোড়া ছোট কানের দুল।ব্যাস এইটুকই তার সাজ ছিল।কিন্তু পার্টি তো এরেঞ্জ করেছিল....।
-তার মানে আপনি আরদ...
থমকে গেল ইনা। কথা বের হচ্ছে না তার মুখ থেকে।
-জ্বী। আমি আরদ্ধ রেওয়াত।রেওয়াত গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ এর মালিক।
একদৃষ্টিতে ইনা তাকিয়ে আছে আরদ্ধের দিকে।পৃথিবীর প্রতিটা পুরুষের প্রতি তার বিতৃষ্ণা কাজ করে। একটা ঘটনা তার পুরো জীবনকে পালটে দিয়েছে। সেজন্যে সেদিন পার্টিতে আরদ্ধকে দেখার প্রয়োজন মনে করেনি সে। এখন বুঝতে পারছে কত বড় বোকামি করেছে।সেদিন আরদ্ধকে দেখলে আজকে এই ঝামেলায় পরতে হতো না।
-প্রশ্নটা ঘুরে ফিরে সেখানেই এসে দাঁড়ায় মি. আরদ্ধ। এত মেয়ে থাকতে আমিই কেন?আপনি ভদ্র,শিক্ষিত,রিচ,ড্যাশিং। যেকোন মেয়ে আপনার জন্যে পাগল হতে দ্বিতীয় বার ভাববে না।
-তার মানে আপনিও আমার জন্যে পাগল।ঠোটে বাকা হাসি ঝুলিয়ে জিজ্ঞেস করল আরদ্ধ।
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/85342/</link>
				<pubDate>Sat, 01 Jan 2022 17:25:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৬<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়া তখন কষ্টকর হচ্ছিল।কৌতূহল দমাতে না পেরে একরাতে মেয়েটার পিছু নিলাম।রাতের মায়ায় হঠাত সে পতিতাপল্লিতে হারিয়ে গেল।আমি ভিতরে ঢুকতে যাব এমন সময় একজন দালাল টাইপের লোক এসে মুখে নোংরা হাসি ঝুলিয়ে বলল<br />
.<br />
.<br />
-আসেন স্যার আসেন। কেমন মাল চাই বলেন।ছোট,বড়,চিকন মোটা নাকি ভার্জিন।(চ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-85342"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/85342/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cbd6e79dfb4d12c48a78946b35c202ad</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৫
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
বাবার এরকম ব্যবহারে আমি ভয় পেয়ে যাই। ইরিন আন্টিকে জড়িয়ে ধরে কাদতে থাকি।বারবার জিজ্ঞেস করতে থাকি আমার আম্মু কোথায়?আম্মু কেন আমাকে দেখতে আসেন না।ইরিন। আন্টি আমার চোখ মুখ মুছে দিলেন।তারপর যেটা বললেন সেটা শুনে আমার পুরো দুনিয়াটা থমকে গেল।
.
.
ইনা উতকন্ঠা নিয়ে জিজ্ঞেস করল
-কি বলেছিলেন উনি?
-আমার বাবা পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন।(নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিল)।
.
.
তার অফিসের সুন্দরী সেক্রেটারির প্রতি দূর্বল হয়ে পরেছিলেন।যদিও বাবা মায়ের বিয়েটা লাভ ম্যারেজ ছিল।ব্যাপারটা মায়ের কানে যাওয়ার পর মা মেনে নিতে পারেন নি।সিদ্ধান্ত নেন ডিভোর্সের।বাবা অনেক চেস্টা করেছিলেন মাকে ফেরানোর।কিন্তু মা তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।তার ধারনা যে একবার বিশ্বাস ভাঙতে পারে দ্বিতীয় বার সেটা করা তার কাছে কঠিন কিছুই না।মা আমার কাস্টাডি নেওয়ার চেস্টা করেছিলেন। কিন্তু বাবার টাকা আর ক্ষমতার কাছে হেরে যান।বাবা ভেবেছিলেন আমাকে রেখে দিলে মা তার কাছে ফিরে আসবেন।কিন্তু বাবার ধারনাকে ভুল প্রমান করে ডিভোর্সের এক সপ্তাহের মাথায় আমার জন্মদাত্রী মা বিদেশে পাড়ি জমান। আমার কথা ভুলেও তার মনে পরে নি। তবে বাবা মায়ের চিন্তার বাস্তবায়ন করে দুই মাস পর নিজের নতুন জীবনসঙ্গিনীকে বিয়ে করে আনেন।নতুন মা আমাকে কখনো আদর করেন নি।তবে কখনো দুর্ব্যবহার ও করেন নি।তারও একটা বিশেষ কারন ছিল।ডিভোর্সের সময় বাবা তার সমস্ত প্রোপার্টি আমার নামে করে দেন।যাতে আল্যুমনিতে মায়ের কাছে কিছু খোয়াতে না হয়। উইল মোতাবেক বাবার দ্বিতীয় সন্তান হলে অর্ধেক সম্পত্তি তার নামে আমাকে ট্রান্সফার করে দিতে হবে।সেই থেকে শুরু হল নতুন অধ্যায়।
.
.
সময় কাটতে লাগল।সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে লাগল বাবার অবহেলা আর উদাসীনতা। আমি খেয়েছি কিনা ঘুমিয়েছি কি না সেটা দেখার অবসর তার কখনোই হয় নি।কখনো কেউ রাতের বেলা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় নি।আমি অসুস্থ হলে কেউ রাত জেগে সেবা করে নি।সব কিছু থেকেও আমার কাছে কিছুই ছিল না।
.
কথাগুলো বলার সময় গলাটা ধরে আসছিল ছেলেটার।নিজেকে সামাল দিয়ে আবার বলতে লাগল
.
.
-আমার বিশ বছর বয়সে বাবা পরপারে পাড়ি জমালেন। নতুন মা হাতে দলিল ধরিয়ে সাইন করার জায়গাটা দেখিয়ে দিলেন।তার কয়েকদিন পরেই উনি উনার ছেলেকে নিয়ে আমেরিকায় সেটেল হয়ে গেলেন।আমি আবার এতিম হয়ে গেলাম।আমার শৈশব আমার অতীত আবার আমার সামনে ফিরে আসল।তবে ততদিনে আমি নিজেকে সামলে নিয়েছি।একা থাকতে শিখে গেছি।অন্ধকার রাত আমাকে আর ভাবায় না।নিসঙ্গতা আমাকে আর পোড়ায় না।সব সময় চেস্টা করি নিজেকে ব্যস্ত রাখার। কিন্তু দিনশেষে একটা শূন্যতা থেকেই যায়।খুব করে ইচ্ছে হয় কেউ একজন আমার জীবনে আসুক। আমাকে ভালোবাসুক।আগলে রাখুক।গুছিয়ে দিক আমার অগোছালো জিবনটাকে।
.
.
এতটুকু বলেই সে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।ইনা যেন থমকে আছে।মানুষ বড়ই বিচিত্র।বুকে হাজার কষ্ট লুকিয়ে ঠোটে হাসি রাখার অভিনয়টা সে কখনোই কারো কাছে শিখে না।পরিস্থিতি শিখিয়ে দেয়।তবে ইনার প্রশ্নটা এখনো রয়েই গেছে।
.
.
-কিন্তু এতকিছুর মাঝে আপনি আমাকে বেছে নিলেন কেন?
.
.
কফির মগটাতে চুমুক দিল সে।ঠোটে হাল্কা হাসির রেখা ফুটিয়ে বলতে লাগল
-অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সেদিন জ্যামের কারনে অন্য রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাত চোখ গেল রাস্তার পাশের এক ফার্মেসীর দোকানে।একটা মেয়ে বেবি ডায়পার,বেবি ফুড আর কিছু মেডিসিন নিয়ে পতিতাপল্লিতে গিয়ে ঢুকল।ব্যাপারটা একটু খটকা লাগল আমার।সেই গলিতে সন্তান জন্ম দিতে গিয়েই কত কাঠ খড় পোড়াতে হয় সেখানে এক্সপেন্সিভ বেবি ফুড ডায়পার। ব্যাপারটা হজম করা কষ্ট হচ্ছিল।তবে সেদিন খুব একটা আমলে নেই নি ব্যাপারটা। মাথা থেকে কথাটা ঝেড়ে ফেলার আগেই আবার সেই দৃশ্য দেখতে গেলাম।অন্য আরেকদিন সেই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আবার তাকে দেখতে পেলাম।ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়া তখন কষ্টকর হচ্ছিল।কৌতূহল দমাতে না পেরে একরাতে মেয়েটার পিছু নিলাম।রাতের মায়ায় হঠাত সে পতিতাপল্লিতে হারিয়ে গেল।আমি ভিতরে ঢুকতে যাব এমন সময় একজন দালাল টাইপের লোক এসে বলল....
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/84771/</link>
				<pubDate>Fri, 31 Dec 2021 16:16:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৫<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
বাবার এরকম ব্যবহারে আমি ভয় পেয়ে যাই। ইরিন আন্টিকে জড়িয়ে ধরে কাদতে থাকি।বারবার জিজ্ঞেস করতে থাকি আমার আম্মু কোথায়?আম্মু কেন আমাকে দেখতে আসেন না।ইরিন। আন্টি আমার চোখ মুখ মুছে দিলেন।তারপর যেটা বললেন সেটা শুনে আমার পুরো দুনিয়াটা থমকে গেল।<br />
.<br />
.<br />
ইনা উতকন্ঠা নিয়ে জিজ্ঞেস করল<br />
-কি বলেছিলেন উনি?&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-84771"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/84771/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ce6b24c858b558b1a05ffb8efacad25f</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৪
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
তাহিয়া কিছু না বলে শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চলে গেল।ইনা উঠতে গেলেই হাতে টান পড়ল।ছেলেটা ঠিক এখনো তাকে শক্ত করে ধরে রেখেছে।ইনা তার মাথার কাছে গিয়ে বসল।হালকা হাতে ছেলেটার চুলগুলো হাতাচ্ছে ইনা।অনেক সফট চুলগুলো। তবে যত্নের অভাবে রুক্ষ। অনেকটা ঘোর লাগা চোখে ইনায়াত চেয়ে আছে তার পানে।
.
.
চোখের উপর তীব্র কিছুর অনুভুতি পেয়ে চোখ খুলল ইনা। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে সকাল ৮টা বাজে।জানালা ছাপিয়ে সোনালী রোদ ঘরের ভিতর আলোকিত করছে।মায়ানগরীরে শুরু হচ্ছে যান্ত্রিকতা।আশেপাশে চোখ বুলাতে লাগল ইনায়াত।এত সকাল সকাল কোথায় গেল ছেলেটা?ধ্যান ভাঙল ওয়াশরুমের দরজা খোলার শব্দে। তাকে বের হতে দেখে ইনায়াত বলে উঠল
-আরে আপনি এত সকালে ঘুম থেকে উঠলেন যে।ডাক্তার বলছে আপনার রেস্ট দরকার।আপনি বসুন আমি ব্রেকফাস্ট নিয়ে আসছি।
ছেলেটা ইনার সামনে এসে দাড়াল।
-বাহ। কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আমার ট্রিটমেন্ট ও করে ফেলেছেন দেখছি।
ইনা এবার না হেসে পারল না।।
-আমি কিছু করিনি।আমার প্রতিবেশি তাহিয়া আপু। উনি একজন ডাক্তার। আপনার কন্ডিশন খুব একটা ভাল ছিল না। তাই গতকাল রাতে উনাকে ইনফরম করি।উনি এসে আপনার চেকাপ করেছেন।আপনি অসুস্থ। রেস্ট নিন।আমি আসছি।
বিছানা ছেরে ওয়াশরুমের দিকে পা বাড়াল ইনায়াত।তখনি আবার পেছন থেকে হাতে টান পড়ল।ঘাড় ঘুড়িয়ে পিছনে তাকাল।
-অচেনা একটা মানুষের এতো সেবা যত্ন কেন করছেন?
-অসুস্থ মানুষের সেবা করলে আমার আল্লাহর নির্দেশ। 
শুধু এতটুকু বলেই হাতটা ছারিয়ে নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল ইনায়াত।ফ্রেশ হয়ে এসে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াল।কিছুক্ষন পরেই একটা ট্রেতে হালকা নাস্তা আর দুই মগ কফি নিয়ে রুমে আসল সে।ছেলেটা এতক্ষন ইনার ঘরটাকে ঘুরে ঘুরে দেখছিল।ঘরটা খুব সিম্পিল ভাবে সাজানো।কিন্তু দেখে এক প্রকার মুগ্ধতা কাজ করে হালকা সবুজ রঙের দেওয়ালের যেন এক স্নিগ্ধ প্রকৃতির ছোয়া।
.
.
ইনাকে রুমে ঢুকতে দেখে সে সোফায় বসে পড়ল।ইনা টি টেবিলে ট্রেটা রেখে ধোয়া ওঠা কফির মগ এগিয়ে দিল তার পানে।তারপর নিজে থেকেই জিজ্ঞেস করল
-আপনার নামটাই তো জানা হল না।
-অথচ কয়েকঘন্টা আগেও আপনাকে কিনতে চেয়ে যে মানুষটা আপনার হাত ধরেছিল তার সেবাযত্মে আপনি বিন্দু মাত্র ত্রুটি রাখেন নি।
.
কফির মগে কেবল চুমুক দিবে এমন সময় কথাটা শুনে বিষম খেল ইনা।চোখ দুটো সরু করে জিজ্ঞেস করল
-খোটা দিচ্ছেন?
-উহুম। খোটা দিচ্ছিছি না।ভাবলাম আপনি হয়তো আমার অসুস্থতার কথা শুনে বিষয়টা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেছেন।তাই মনে করিয়ে দিলাম।
- ভুলিনি আমি।কিন্তু এরকম প্রস্তাব দেওয়ার মানে টা কি?
কফির মগটা হাতে নিয়ে ধীর পায়ে জানালার দিকে এগিয়ে গেল ছেলেটা।জানালার দুপাশে সাদা আর নীল রঙের পর্দা ঝুলানো।মৃদু বাতাসে পর্দাগুলো উড়ছে।কফির মগে একবার চুমুক দিয়ে বলল
-তোমাকে আমার চাই।
-আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনিই বরং রাতের কথাগুলো ভুলে গিয়েছেন।আপনার প্রশ্নের উওর আমি আগেও আপনাকে দিয়েছি।i am not for sale.
-তোমাকে কিনতে নয়। নিজের করে নিতে চাই।কর্তৃত্ব নয় অধিকার চাই।
-মানে?
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ছেলেটা বলতে শুরু করল
.
.
-আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি।বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট হাতে বাসায় ফিরে দেখি মা ব্যাগ গুছাচ্ছেন।মাকে গিয়ে বললাম মা আমরা কোথায় যাচ্ছি?নানু বাড়ি?বল না মা?মা কোন কথা না বলে নিজের মত করে কাপর গুছাচ্ছেন আর কাদছেন।
কিছুক্ষন পর মা বলে উঠল
-আরু নিজের ঘরে গিয়ে কাপড় গুছিয়ে নেও।আমরা আর এ বাড়িতে থাকব না।পিছন থেকে বাবা বলে উঠলেন
-আমার ছেলে কোথাও যাবে না। ওকে আমি তোমার সাথে নিয়ে যেতে দিব না।
-কখনো না। আমি ভুলেও আমার ছেলেকে এই বাড়িতে রেখে যাব না। তোমার সাথে থাকে সেও তোমার মতো..... ছি ভাবতেও ঘৃনা লাগে।
-দেখো স্নিগ্ধা যা হয়েছে ভুলে যাও।আমি তো বলছি ভুল হয়ে গেছে।প্লিজ সব ভুলে যাও।
-চাইলেই সব কিছু ভুলা যায় না। আমি আর এক মুহুর্তও এই বাড়িতে থাকব না।আর আরুও আমার সাথেই যাবে।
কথায় কথায় বাবা মায়ের মধ্যে তুমুল ঝগড়া বেধে গেল।এক পর্যায়ে মা ব্যাগ হাতে নিয়ে কাদতে কাদতে চলে গেলেন।বাবা নিজের ঘরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলেন।আমি যেন মূহুর্তের মধ্যে অস্তিত্বহীন হয়ে গেলাম তাদের কাছে।আমার আট বছরের মস্তিষ্ক পুরো ব্যাপারটাকেই একটা সিনেমা হিসেবে দেখছিল।রেজাল্ট শীটটা নিয়ে গিয়ে বিছানায় ম্যাট্রেসের নিচে রেখে দেই। কখনো ভাবি নি জীবনে প্রথম ফার্স্ট হওয়ার বিনিময় বাবা মা আমাকে এরক্কম কিছু উপহার দিবেন।এতটুকু বলেই সে শান্ত হল।একদৃষ্টিতে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে সে।
.
.
-তারপর কি হল?জিজ্ঞেস করে ওঠে ইনা।
.
.
সন্ধ্যায় ইরিন আন্টি এসে আমাকে ঘুম থেকে তুললেন।আমাদের বাসায় কাজ করতেন উনি। হাত মুখ ধুয়ে আমাকে খাবার খাইয়ে দিলেন।রাতে বাবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম
-বাবা মামনি কোথায় চলে গেল?কবে আসবে আবার?
বাবা কোন কথা বলেন না। শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন
-আরদ্ধ রাত অনেক হয়েছে ঘুমিয়ে পর।
দিন নিজের মত গড়াতে লাগল।বেশ কয়দিন কেটে গেল।নতুন ক্লাস্র উঠলাম। একদিন স্কুল থেকে ফিরে সোফায় বসে টিভি দেখছি।বাবা কোথা থেকে যেন উদ্ভ্রান্তের মত এসে নিজের রুমে ঢুকে দরজা লাগায় দিলেন।
বাবার এরকম ব্যবহারে আমি ভয় পেয়ে যাই। ইরিন আন্টিকে জড়িয়ে ধরে কাদতে থাকি।বারবার জিজ্ঞেস করতে থাকি আমার আম্মু কোথায়?আম্মু কেন আমাকে দেখতে আসেন না।ইরিন। আন্টি আমার চোখ মুখ মুছে দিলেন।তারপর যেটা বললেন সেটা শুনে আমার পুরো দুনিয়াটা থমকে গেল।
.
.
ইনা উতকন্ঠা নিয়ে জিজ্ঞেস করল
-কি বলেছিলেন উনি?
-আমার বাবা.....
চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/84371/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Dec 2021 20:24:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৪<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
তাহিয়া কিছু না বলে শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চলে গেল।ইনা উঠতে গেলেই হাতে টান পড়ল।ছেলেটা ঠিক এখনো তাকে শক্ত করে ধরে রেখেছে।ইনা তার মাথার কাছে গিয়ে বসল।হালকা হাতে ছেলেটার চুলগুলো হাতাচ্ছে ইনা।অনেক সফট চুলগুলো। তবে যত্নের অভাবে রুক্ষ। অনেকটা ঘোর লাগা চোখে ইনায়াত চেয়ে আছে তার পানে।<br />
.<br />
.&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-84371"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/84371/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9851fcac0cada534b68c3c8fb31a1501</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০৩
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
.
কানে ফোনটা রাখতেই ওপাশ থেকে একজন ঘুম জড়ানো কন্ঠে বলে উঠল
-কিরে ইনা?এতো রাতে কল দিলি যে!কোন সমস্যা হল নাকি?
-আপু তুমি আসতে পারবে এখন প্লিজ? খুব ইমারজেন্সি।
-আচ্ছা থাম আমি এখুনি আসছি।
কান থেকে ফোনটা নামিয়ে বিছানার পাশের টেবিলটার উপরে রাখল ইনা।মনে মনে ভাবতে লাগল ভাইয়া আপত্তি না জানালে ৫ মিনিটের মধ্যেই আপু চলে আসবে।ভাইয়া রাজি না হলেও তাহিয়া আপু ঠিকি তাকে ম্যানেজ করে নিবে।তাহিয়া আপুর বাসা ইনার বাসা থেকে দুইটা বাড়ি পরেই।পায়ে হাটলে বড়জোড় মিনিট পাচেক এর রাস্তা।পিছন থেকে খুট করে দরজা খুলার শব্দ পেল
-ইনা কোথায় তুই(তাহিয়া)
-আমি বেডরুমে আপু ভিতরে চলে এস।
-এত রাতে কি হলো তোর?সব ঠিক.....
কথাগুলো বলতে বলতে ভিতরে ঢুকার সময় তাহিয়ার চোখ গেল বিছানার উপরে।অজানা একটা ছেলে ইনার বিছানায় শুয়ে আছে।ইনা তার পাশে বসে আছে।ছেলেটা এক হাতে ইনার একটা হাত জরিয়ে আছে।
কে এই ছেলেটা!এত রাতে সে ইনায়াতের বাসায় কি করছে।ইনা তো ওরকম মেয়ে নয়।তাহলে ছেলেটা কি করছে এত রাতে?নানান রকম প্রশ্ন জটলা বাধছে তাহিয়া আপুর মনে।
.
.
তাহিয়াকে চুপ থাকতে দেখে ইনা নিজেই বলতে লাগল
-আমার কলিগ।কয়েকদিন আগেই অফিস জয়েন করেছেন।আজকে একটু প্রেশার বেশি ছিল। কাজ শেষ করে বের হওয়ার সময় হঠাত উনি অসুস্থ হয়ে পরলেন।তাই...
ইনা আর কথা শেষ করতে পারল না। তার আগেই তাহিয়া বলতে লাগল
-তাই তুই অজানা একজনকে হুট করে বাসায় নিয়ে আসবি?তাও এত রাতে?লোকে কি বলবে?
.
.
কথাটা শুনা মাত্রই ইনায়াতের চোখ মুখ শক্ত হয়ে গেল।নিজেকে যথাসাধ্য শান্ত রাখার চেস্টা করে ঠোটে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে বলল
-কোন লোকের কথা বলছ আপু?আর কোন সমাজের দোহাই দিচ্ছ?কোথায় ছিল তোমার সমাজ যখন ফিরোজ নামের সেই নরপশুটা তোমাকে বেধরক পেটাতো?স্বামির অধিকার খাটিয়ে দিনের পর দিন নির্যাতন করত?তখন তো তোমার সমাজ বলেছিল মেয়ে হয়ে জন্মেছ।এতটুকু তো সহ্য করতেই হবে।সেদিন যদি আয়াজ ভাইয়া তোমার পাশে না দাড়াত তবে আজকে তোমার সমাজে অস্তিত্ব কোথায় হত তুমি ভেবে দেখ তো।শান্তস্বরে ইনা কথাগুলো বলল।
.
.
মুহূর্তেই যেন থমকে গেল তাহিয়া।লোকমুখে এত দিন অনেক কথাই শুনেছে তাহিয়া।কিন্তু আজ যেন ইনায়াতের কথাগুলো তার কলিজায় তীরের ফলার মত বিধছে।সত্যিই তো আয়াজ না থাকলে সে হয়তো কবেই নিজেকে শেষ করে দিত।কবেই হারিয়ে যেত সমাজের অতল গহ্বরে।
.
.
তাহিয়াকে চুপ থাকতে দেখে ইনা আবার ঘাড় ঘুরিয়ে বলতে লাগল
-তোমার অতীত নিয়ে খোচা দেওয়ার কোন অধিকার আমার নেই আপু।আমি চাই ও না।আমি জানি আয়াজ ভাইয়া তোমাকে অনেক ভালোবাসে।মানব সেবার যে মহান ব্রত থেকে তুমি ডাক্তারিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলে সেই মানবতা থেকেই তোমাকে আমি ডেকেছি।এখন তুমি যদি তাতে আপত্তি জানাও তাহলে তুমি আসতে পারো।ভাইয়া অপেক্ষা করছে তোমার জন্যে।কথাগুলো ফেলে দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়ল ইনা।তাহিয়ে কোনরকমে নিজেকে আড়াল করে চোখ মুছে নিল।তেতো হলেও ইনার বলা কথাগুলোর সত্যতা সে অস্বীকার করতে পারবে না।নিজেকে স্বাভাবিক করে বলল
-হয়েছে আর লেকচার দিতে হবে না।সর দেখি কি হয়েছে।
.
.
ইনায়াতের পাশে বসে তাহিয়া ছেলেটাকে চেকাপ করতে লাগল।
-সিরিয়াস কিছু না। তবে মনে হয় কয়েক রাত ঘুমায় নি।খাওয়া দাওয়াও ঠিক ভাবে করে না।মেন্টাল স্ট্রেস বেশি হলে যা হয় আরকি।দুই এক দিন রেস্ট নিলেই ঠিক হয়ে যাবে।এখন ঘুমাক।he needs rest.কথাগুলো বলে তাহিয়া উঠে দাড়াল।ইনা মুচকি হেসে মাথা নাড়াল।
-আমি যাই এখন। দেরী হলে তোর ভাইয়া রাগ করবে।
যাওয়ার আগে ইনার কাধে হাত রেখে বলল
-সাবধানে বোন।দুনিয়াটা অনেক কঠিন।
ইনা একটা রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল
-যে নিজেই খারাপ তার আর খারাপ কি হবে।
তাহিয়ে কিছু না বলে শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চলে গেল।ইনা উঠতে গেলেই হাতে টান পড়ল।ছেলেটা ঠিক এখনো তাকে শক্ত করে ধরে রেখেছে।ইনা তার মাথার কাছে গিয়ে বসল।হালকা হাতে ছেলেটার চুলগুলো হাতাচ্ছে ইনা।অনেক সফট চুলগুলো। তবে যত্নের অভাবে রুক্ষ। অনেকটা ঘোর লাগা চোখে ইনায়াত চেয়ে আছে তার পানে।
চলবে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/83973/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Dec 2021 13:42:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০৩<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
.<br />
কানে ফোনটা রাখতেই ওপাশ থেকে একজন ঘুম জড়ানো কন্ঠে বলে উঠল<br />
-কিরে ইনা?এতো রাতে কল দিলি যে!কোন সমস্যা হল নাকি?<br />
-আপু তুমি আসতে পারবে এখন প্লিজ? খুব ইমারজেন্সি।<br />
-আচ্ছা থাম আমি এখুনি আসছি।<br />
কান থেকে ফোনটা নামিয়ে বিছানার পাশের টেবিলটার উপরে রাখল ইনা।মনে মনে ভাবতে লাগল ভাইয়া আপত্তি না জানাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-83973"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/83973/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">18b93c3821db230f4da34238b33f9061</guid>
				<title>#মায়ানগরের_প্রেম
 #পার্ট০২
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া
.
ছেলেটার কথায় ইনা প্রচন্ড বিব্রত অনুভব করছে।কি করবে সে এখন?কীভাবে ছাড়া পাবে এই ঝামেলা থেকে।আস্তে আস্তে ছেলেটার কথাগুলো জড়িয়ে আসছে। ধীরে ধীরে জড়িয়ে পরল ইনার কাধে।বুঝতে পারল ছেলেটা জ্ঞান হারিয়েছে।নিজের কাধে ভর দিয়ে ছেলেটাকে নিচে নামাল।তারপর একটা সিএনজি ভাড়া করে রওয়ানা হল বাসার দিকে।
ছেলেটার মাথা নিজের কাধে রেখে ইনা আনমনে বাইরে তাকিয়ে আছে।হালকা বাতাসে খোলা চুলগুলো উড়ছে।কিছু অবাধ্য চুল উড়ে গিয়ে ছেলেটার মুখের সাথে লেপ্টে যাচ্ছে।ইনার চুলের ঘ্রানে বেহুশ হয়েও মাতাল হয়ে যাচ্ছে সে।ইনার। কাধে হালকা করে নাক ঘষে হাতটা আরও শক্ত করে চেপে ধরল।ইনা ঘাড় ঘুরিয়ে এক পলক দেখে নিল তাকে।ছেলেটার জ্ঞান হারালেও হাতের বাধন টা ঢিলে হয় নি।এমন ভাবে হাতটা ধরে আছে যেন ছেড়ে দিলেই বুঝি সে কোন দিন আর ইনাকে পাবে না।
ইনা প্রথমে ভেবেছিল ছেলেটা হয়তো অভিনয় করছে।ছলে কৌশলে তাকে পাওয়ার চেস্টা করছে।কিন্তু সবটা ভুল প্রমানিত হল যখন সে পালস রেট চেক করল।স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম।তাই দ্বিতীয় বার ভাবেনি ছেলেটাকে সাথে নিতে।মুহুর্তের মধ্যে সব চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ইনা আবার বাইরে মন নিবেশ করল।
.
অটোওয়ালা অটো চালাচ্ছে আর লুকিং গ্লাসে বার বার আড় চোখে ইনাকে দেখছে ব্যাপারটা ইনার নজর এড়ায়নি। ঘাড় ঘুরিয়ে ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল
-অফিস থেকে ফিরতে না ফিরতেই জোড় করে মার্কেটে নিয়ে গেলাম।কেনাকাটা তো হলোই না উলটো উনি ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে গেলেন।আসলে বিয়ের পর সব ছেলেরাই পালটে যায়।অফিস আর কাজ ছাড়া যেন কিছুই চিনে না।এই যে মামা আপনিও যে এত রাত অব্দি অটো চালাচ্ছেন।বলি বাসায় কি কেউ নেই নাকি অপেক্ষা করার?
ইনার কথা শুনে অটোচালক অপ্রস্তুত হয়ে গেল। লজ্জার চোখ নামিয়ে নিল।তারপর কোন রকমে একটা দোষ লুকানো হাসি দিয়ে বলল
-সবই পেটের দায় আফা।আমি গরীব মানুষ।
ইনা আর কথা বাড়াল না। হালকা হেসে আবার বাইরের পানে চেয়ে রইল।
.
.
মিনিট দশেক পরেই পৌছে গেল গন্তব্যে। ভাড়া মিটিয়ে বাসায় ঢুকল ইনা।ছেলেটাকে নিয়ে গিয়ে শোয়ালো নিজের বেডের উপর।পুরো বাসায় এই একটাই বেড রুম।হবেই না বা কেন। একলা মানুষের জেগে থাকা রাতের হিসেব থাকে না।
ছেলেটাকে শুইয়ে দিয়ে বিছানার পাশের টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালালো। আলো পরায় ছেলেটাকে এখন সে ভালো ভাবে দেখতে পেল।ছেলেটার চেহারাটা বেশ মায়াবী।যেকোন মেয়ে প্রেমে পরতে বাধ্য।কিন্তু মায়াবী চেহারাটা যেন বিষন্নতায় মাখা।মলিনিতা চেহারার উজ্জ্বলতাকে কমিয়ে দিয়েছে।রাত জাগার কারনে হালকা কালি জমেছে চোখের নিচে।হয়তো বড় কোন কষ্ট প্রতিনিয়ত তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। হয়তোবা সে বাবা মায়ের বখে যাওয়া সন্তান।সবটাই যেন এখন রহস্যাবৃত। হয়তোবার অধ্যায়টা আপাতত বন্ধ রেখে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলল সে।কানে ফোনটা রাখতেই ওপাশ থেকে একজন ঘুম জড়ানো কন্ঠে বলে উঠল
-কিরে ইনা?এতো রাতে কল দিলি যে!কোন সমস্যা হল নাকি?
-আপু তুমি আসতে পারবে এখন প্লিজ? খুব ইমারজেন্সি।
চলবে.......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/83613/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Dec 2021 14:00:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ম" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ম</a>ায়ানগরের_প্রেম<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23প" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#প</a>ার্ট০২<br />
 <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আফর" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আফর</a>িন_ইনায়াত_কায়া<br />
.<br />
ছেলেটার কথায় ইনা প্রচন্ড বিব্রত অনুভব করছে।কি করবে সে এখন?কীভাবে ছাড়া পাবে এই ঝামেলা থেকে।আস্তে আস্তে ছেলেটার কথাগুলো জড়িয়ে আসছে। ধীরে ধীরে জড়িয়ে পরল ইনার কাধে।বুঝতে পারল ছেলেটা জ্ঞান হারিয়েছে।নিজের কাধে ভর দিয়ে ছেলেটাকে নিচে নামাল।তারপর একটা সিএনজি ভাড়া করে রওয়ানা হল বাসার দিকে।<br />
ছেলেট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-83613"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/83613/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">64854eeafaec86851972bbdad596179a</guid>
				<title>-Excuse me.রেট কত আপনার?
.
.
সাঝের মায়া কাটিয়ে চারিদিকে আধার নেমেছে।গাড়িগুলো হলুদ বাতি জ্বালিয়ে ছুটে চলছে আপন গন্তব্যে। রাস্তার সোডিয়াম বাতিগুলো আপ্রান চেষ্টা করছে পথচারীদের পথ দেখাতে।ফুট ওভারব্রিজের উপর এক কোনায় দাঁড়িয়ে আনমনে শহরটাকে একে যাচ্ছে ইনা।পুরো নাম ইনায়াত আফরিন।খোলা চুলে গায়ে পাতলা একটা চাদর জড়িয়ে শহরের যান্ত্রিকতাকে মাপতে ব্যস্ত।অন্যদের কাছে শহরটা যান্ত্রিক কিন্তু ইনার কাছে শহরটা মায়া নগরী।রাতের আধারের মাঝে একঠায়ে দাঁড়িয়ে থাকা ল্যাম্পপোস্টগুলো শহরটাকে আরও মায়াময়ী করে তোলে।ইনার খুব ইচ্ছে হয় এই মায়া নগরীর মায়ার হারিয়ে যেতে।চিন্তায় ছেদ পরে হঠাত এক পুরুষালী কন্ঠস্বর শুনে। পাশ ফিরে তাকিয়ে দেখে সাদা শার্ট আর কালো প্যান্ট পরিহিতা ২৪/২৫ বছরের এক সুদর্শন যুবক তার দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে চেয়ে আছে।শার্টের দুই হাতের স্লিভ কনুই পর্যন্ত ফোল্ড করা।হাতে দামী ব্রাণ্ডের ঘড়ি। চুলগুলো স্পাইক করা তবে হালকা উষ্কখুষ্ক।দেখে ধনী পরিবারের ছেলে মনে হলেও চেহারায় মলিনতার ছাপ স্পষ্ট। চোখে মুখে বিরাজ করছে এক রাশ ক্লান্তি। কিন্তু এরকম একটা প্রশ্ন কেন করে বসল সেটা এখন ইনার কাছে মুখ্য।উত্তর খুজতে আশেপাশে চোখ ফেরাতেই ব্যাপারটা বোধগোম্য হল ইনার।ওভারব্রিজের উপর কয়েক হাত দূরে দূরে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকজন সুন্দরী মহিলা।চোখে গাঢ় কাজল,ঠোটে কড়া লিপস্টিক ভারী মেকাপ আর শাড়ির আচল দুলিয়ে রাস্তায় হেটে যাওয়া পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেস্টা করছে।তাদের কামাতুর দৃষ্টি দেখে কোন কোন পুরুষ তাল সামলাতে না পেরে আত্মসমর্পণ করছে।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল কাটা গুলো ১২ সংখ্যা পার করেছে সবে।যান্ত্রিকতা বিলীন হয়ে প্রকৃত অর্থেই শহরটাকে মায়ানগর মনে হচ্ছে।সেই সাথে খন্ডাংশে গ্রাস করছে নিকষ কালো আধার। যেমনটা বিরাজ করছে বর্তমানে এই ওভারব্রিজের উপর।মায়ানগরের মায়ার ডুবে থাকতে কখন সময় বয়ে গেছে ইনা টেরই পায় নি।
ইনাকে বেশ খানিকক্ষন চুপ থাকতে দেখে ছেলেটা আবার বলে উঠল
-কি হল?কথা বলছেন না কেন?what&#039;s your rate?
 কথাটার মাঝে কোন বিরক্তি বা রাগ ছিল না। ছিল আগ্রহ আর সামান্য আশঙ্কা।
.
.
.
কথাটা শুনে ইনার হালকা অস্বস্তি লাগল।যথাসম্ভব নিজেকে সামাল দিয়ে ঠোটে হাসির রেখা ফুটিয়ে বলল
-Sorry. I&#039;m not for sale.অন্যকাউকে খুজে নিন।
কথাটা বলেই ইনা ছেলেটাকে পাশ কাটিয়ে চলে আসতে চাইল।কিন্তু হঠাত করেই হাতে টান পড়ল। পিছনে ঘুরে দেখে ছেলে হাটু গেড়ে বসে আছে।মাথাটা সামনে ঝোলানো।বাম হাত দিয়ে তার ডান হাতটা শক্ত করে চেপে আছে।মুখটা নিচের দিকে করেই বিড়বিড় করে বলছে
-I need u. plz don&#039;t leave me..
কথাগুলো ইনার বোধগোম্য হলেও সে কোন ভ্রুক্ষেপ করছে না।মাতালদের জন্য এসব কথা জাতীয় ডায়লগ।নিজের হাতটা ছাড়ানোর চেস্টা করতে লাগল ইনা।
.
-হাতটা ছাড়ুন প্লিজ।
.
কিন্তু ছেলেটা হাত ছাড়ার বদলে আরো শক্ত করে হাতটা চেপে ধরে একই বুলি আওরাতে লাগল।ইনা বেশ কিছুক্ষন যাবত হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছে।কিন্তু শেষমেশ না পেরে চেঁচিয়ে উঠল
-কথা কানে যাচ্ছে না আপনার? হাত ছাড়ুন আমার।I said leave my hand.
.
.
.
ইনা ভাবল ছেলেটা হয়তো এবার তার হাত ছেড়ে দিবে।কিন্তু ঘটল হিতের বিপরীত।হুড়মুড় করে উঠে ছেলেটা তাকে জড়িয়ে ধরল।ইনার যেন এবার ভয় করতে শুরু করল।মধ্যেরাতে এমন একটা পরিস্থিতিতে পরবে সে কখনো ভাবে নি।অচেনা অজানা একটা ছেলে এইভাবে তাকে জড়িয়ে আছে।একনাগাড়ে সে বলেই চলছে
-প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেও না। আই নিড ইউ।ডোন্ট লিভ মি প্লিজ।
ছেলেটার কথায় ইনা প্রচন্ড বিব্রত অনুভব করছে।কি করবে সে এখন?কীভাবে ছাড়া পাবে এই ঝামেলা থেকে।আস্তে আস্তে ছেলেটার কথাগুলো জড়িয়ে আসছে। ধীরে ধীরে জড়িয়ে পরল ইনার কাধে।বুঝতে পারল ছেলেটা জ্ঞান হারিয়েছে।নিজের কাধে ভর দিয়ে ছেলেটাকে নিচে নামাল।তারপর একটা সিএনজি ভাড়া করে রওয়ানা হল বাসার দিকে।
চলবে
  #পার্ট০১ 

 #মায়ানগরের_প্রেম
  #আফরিন_ইনায়াত_কায়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/82990/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Dec 2021 16:23:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>-Excuse me.রেট কত আপনার?<br />
.<br />
.<br />
সাঝের মায়া কাটিয়ে চারিদিকে আধার নেমেছে।গাড়িগুলো হলুদ বাতি জ্বালিয়ে ছুটে চলছে আপন গন্তব্যে। রাস্তার সোডিয়াম বাতিগুলো আপ্রান চেষ্টা করছে পথচারীদের পথ দেখাতে।ফুট ওভারব্রিজের উপর এক কোনায় দাঁড়িয়ে আনমনে শহরটাকে একে যাচ্ছে ইনা।পুরো নাম ইনায়াত আফরিন।খোলা চুলে গায়ে পাতলা একটা চাদর জড়িয়ে শহরের যান্ত্রিকতাকে মাপতে ব্যস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-82990"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/82990/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1eb8d1e050537f2aa1de227e5dd749ff</guid>
				<title>ভার্সিটির ক্লাস করে বাসায় ফিরছি এমন সময় দেখলাম আমার বফ আরদ্ধ শাহী মামার মজাদার চটপটির দোকানে বসে ফুচকা খাচ্ছে।আশ্চর্যের বিষয় হল সে একা না একটা মেয়ের সাথে বসে ফুচকা খাচ্ছে।মেয়েটা ওকে ফুচকা খাওয়ায় দিচ্ছে আর সেও কুমিরের মত বড় মুখ করে খেয়ে যাচ্ছে।খাওয়া দাওয়া শেষে বিলটাও সে দিল।এবার আমার কাদতে ইচ্ছা করছে।আমি ফুচকা খাইতে চাইলে তার সোজা সাপ্টা জবাব
-ওসব অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে লাভ নেই। তার চেয়ে বাড়ি গিয়ে বরং পেট ভরে ভাত খেও।
রাগে দুখে কোন দিন ওকে টেনে হিচরে দোকানে নিয়ে গেলে ফুচকা কেন টকটাও চেটে দেখে না তার উপর টাকাও আমাকেই দিতে হয়। আর আজ কিনা রাক্ষসের মত গপগপ করে খাচ্ছে আর বিলও সে দিল। 
ফুচকার দোকান থেকে বের হয়ে বফ মেয়েটার সাথে যাচ্ছে।এক মিনিট। বফ অই দিক যায় কেন?বফের বাড়ি তো এইদিক।সামথিং ইজ কালা ইন দ্যা ডাল।আমার মাথায় এখন একটা কথাই আসছে আর সেটা হল সি আইডির এসিপির ডায়লগ দয়া পাতা লাগাও।আমি মুখে ওড়নাটা পেচিয়ে নিলাম তারপর হাটা ধরলাম বফের পিছন পিছন। বফ কি সুন্দর মেয়েটার হাত ধরে হাটছে আর দাত কেলাচ্ছে।রাগে গা আমার গা জ্বলে যাচ্ছে। এরে পাই আগে আমি। কাচা মরিচের ছিলকা দিয়ে এরে আমি ভর্তা করে খাব।আর এই শাক চুন্নি বা কেমন। বলি দুনিয়াতে আর ছেলে দেখা পাস নি?আমার সহজ সরল বফটার পিছনে পড়তে হয়????&#x1f612;&#x1f612;&#x1f62d;&#x1f62d;&#x1f62d;&#x1f62d;।
বফ দেখলাম শাকচুন্নিটাকে নিয়ে পার্কে ঢুকল। আমিও প্রোফেশনাল জাসুসের মত ওদের পিছন পিছন একটা গাছের পিছনে লুকালাম।গাছটা একটু দূরে হওয়ায় ওদের কথা আমি শুনতে পারছি না।একটি পর দেখি বফ বাদাম কিনল। তারপর নিজে হাতে ছিলে মেয়েটাকে খাওয়াচ্ছে। মাথার মধ্যে একটা আইডিয়া আসল।বাদামওয়ালা ছেলেটাকে ডেকে ওকে বললাম ২০ টাকার বাদাম দিতে।বাদাম নিয়ে ওকে ৫০ টাকার একটা নোট হাতে দিয়ে বললাম 
-অই যে ভাইয়াটাকে দেখছিস(বফ কে ইশারা করে)।ওকে যায়ে বলবি ভাই আজকের আপুটা ভাল না। কাল্কের টা ভাল ছিল। আজকেরটা কে গো?নতুন নাকি?
ছেলেটা মাথা নাড়িয়ে চলে গেল।আমি গাছের তলায় বাদাম চিবুচ্ছি আর দাড়িয়ে দেখছি কখন ছেলেটা গিয়ে কথাগুলো বলবে আর মেয়েটা ওকে থাপ্পড় মারবে। 
কথা মত ছেলেটা গিয়ে বলল দেখলাম বফ রেগে গিয়ে ছেলেটাকে গালি দিয়ে ভাগিয়ে দিল।তারপর মেয়েটাকে ঘুরে কিছু বলল।মেয়েটা বফের ঘাড়ে মাথা এলিয়ে দিল। এবার খুব রাগ উঠছে আমার।নিজের চুল নিজে ছিড়তে ইচ্ছা করছে।দাড়াও বাচ্চু।আমার সাথে পাঙা??উচিত শিক্ষা দিব তোমাকে।সোজা গিয়ে দাড়ালাম বফের সামনে।
-এসব কি আরদ্ধ।তোমার না আমার সাথে নিউ মার্কেটে দেখা করার কথা ছিল।এইখানে কি করছ?আর এই মেয়েটা কে?
আমাকে হঠাত করে দেখে আরদ্ধ ভুত দেখার মত চমকে উঠল।কোনরকমে নিজেকে সামলিয়ে বলে উঠল
-ইনা তুমি যাও এইখান থেকে। আমি তোমার সাথে পরে কথা বলব।
-কেন আমি যাব কেন?আর মেয়ে কে?ও বুঝি তোমার নতুন গফ?ও নতুন কাউকে পেয়ে আমাকে এখন তাড়ায় দিচ্ছ না?
এই বলে ভ্যা ভ্যা করে কাদতে বসে গেলাম। আরদ্ধ আমাকে থামানোর চেস্টা করছে।আমার কান্না দেখে আশেপাশের কয়েকজন কাপল আর বাচ্চার বাবা মা তাদের বাচ্চা সহ দৌড়ে এলেন।
-কি হয়েছে আপু???(পার্কের একজন)
-আর বইলেন না ভাইয়া এয়্য্য্য্যায়া।এই ছেলেটার সাথে আমার ৪ বছরের প্রেম(ডাহা মিথা পরিচয় হয়েছে এক বছর হবে না)।গত মাসেই আমাকে ভালবাসার দোহাই দিয়ে রুম ডেট করে। এখন আমি তিন মাসের প্রেগন্যান্ট।এইটা জানার পর সে অন্য একটা মেয়েকে নিয়ে ডেট করে বেরাচ্ছে।
আরদ্ধ হা হয়ে আমার কথা গুলা গিলছে।ওর পাশের মেয়েটা ড্যাবড্যাব করে দেখছে। 
-আরে আপু আপনি না বললেন গত মাসে রুম ডেট করেছেন?তবে তিন মাসের প্রেগন্যান্ট কেমনে হইলেন?(এক আপু)
যাহ শালা কি বলতে কি বলে ফেলেছি
-না...না...না মানে গত মাসে লাস্ট।এর আগেও অনেকবার ব্লাকমেইল করে রুম ডেট করেছে।বলেই আবার ভ্যা ভ্যা করে কাদতে লাগলাম।সাথে সাথে আরেকটা আপু তার বফের দিকে তাকিয়ে কিড়মিড় করে বলে উঠল 
-সব ছেলেরাই এরকম।তুমি চিন্তা করো না আপু। আমরা তোমার বিয়ের ব্যবস্থা করব।
সাথে সাথে সবাই তালে তাল মিলাল।বিয়ের কথা শুনে আমি পুরা থতমত খেয়ে গেলাম।আরদ্ধের দিকে তাকিয়ে দেখি আরদ্ধ ট্যারা চোখে আমার দিকে তাকায় আছে।রাগে পুরা লাল হয়ে আছে।তারপর সবাই আমাদেরকে ধরে বেধে কাজী অফিসে নিয়ে গিয়ে বিয়ে পড়িয়ে দিল।আরদ্ধ রেগে আছে পুরা।পারলে এক্ষুনি আমাকে গিলে খাবে।আমার কি হুহ।আমি নিজেকে বাহ বা দিতে লাগলাম মেয়েটাকে উচিত শিক্ষা দিতে পেরে। কাজী অফিস থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসল আরদ্ধ। আমিও ওর পেছন পেছন আসলাম। এমন সময় মেয়েটা পিছন থেকে এসে বলে উঠল
-ভাইয়া এখন বাসায় কিভাবে যাবি কিছু ভেবেছিস?
মেয়েটার মুখে ভাইয়া ডাক শুনে আমি পুরাই আবুল। 
-ক..ক..কি বললে?ভাইয়া???
আরদ্ধ আমার দিকে তাকিয়ে দাতে দাত চেপে বলল
-হ্যা ভাইয়া।আমার মায়ের পেটের বোন আয়শা।
আমি ক্যাবলা মার্কা একটা হাসি দিয়ে মেয়েটার দিকে তাকাতেই বলে উঠল
-তুমি কিছু চিন্তা করো না ভাবী। ভাইয়া ঠিকি একটা উপায় বের করে নেবে।
শ্বশুড় বাড়ির রাস্তা ধরে আগাচ্ছি।ভাই বোন হাত ধরে হাটছে আর ঘুটুর ঘুটুর করে কি জানি বুদ্ধি করছে।আমি পিছন পিছন বাদাম চিবুচ্ছি আর ওদের কথায় মাঝে মাঝে উকি দিচ্ছি।শুনলাম শ্বশুর মহাশয় নাকি রাগীলোক।সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্যে। 
 #উকি
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/79505/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Dec 2021 17:10:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভার্সিটির ক্লাস করে বাসায় ফিরছি এমন সময় দেখলাম আমার বফ আরদ্ধ শাহী মামার মজাদার চটপটির দোকানে বসে ফুচকা খাচ্ছে।আশ্চর্যের বিষয় হল সে একা না একটা মেয়ের সাথে বসে ফুচকা খাচ্ছে।মেয়েটা ওকে ফুচকা খাওয়ায় দিচ্ছে আর সেও কুমিরের মত বড় মুখ করে খেয়ে যাচ্ছে।খাওয়া দাওয়া শেষে বিলটাও সে দিল।এবার আমার কাদতে ইচ্ছা করছে।আমি ফুচকা খাইতে চাইলে তার সোজা সাপ্টা জবাব<br />
-ওস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-79505"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/79505/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a12166662e55850d2042096300f51b95</guid>
				<title>২০ মিন ধরে জ্যামে আটকে আছি।রিক্সায় বসে বসে চুল ছিড়া ছাড়া কোন উপায় নেই।চুলের কথা মনে পরতেই মাথায় হাত দিলাম। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় চুলে জেল দিয়ে সুন্দর করেরে স্টাইল করে এসেছিলাম।কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তেলের সাথে পানি মিশিয়ে মাথায় ঢেলে দিয়েছে কেউ।এই গরমে কালো শার্ট পরে আমার জান যায় অবস্থা। প্রখর রোদ জেনেও আজকে ইচ্ছে করেই কালো শার্ট টা পরে আসছি।কারন ইনায়াতের কালো শার্ট খুব পছন্দ।আমাকে নাকি কালো শার্ট পরলে খুব মানায়।ইনায়াতের সাথে দেখা করার কথা ছিল ১১টায় এখন বাজে ১০:৫০।এই পর্যন্ত যতবারই দেখা হয়েছে ইনায়াত আমার আগেই হাজির হয়েছে।সবাই বলে মেয়েরা নাকি কোথাও যাওয়ার আগে দুই ঘন্টা সাজবে তারপর একঘন্টা পিক তুলে ফেসবুকে আপলোড দিবে তারপর বাসা থেকে বের হবে।কিন্তু ইনায়াতের বেলায় উলটা।দেখা করার দিনে সবসময় সে সময়মতো হাজির হয়েছে। প্রতিবার আমারই কোন না কোন ভাবে দেরী হয়ে যায়। ইচ্ছে ছিল আজকের দিনটা অন্তত আগে যাব।কিন্তু শালার জ্যামের জন্যে মনে হচ্ছে আজকের দিনটাও ভেস্তে যাবে।মনে মনে আল্লাহর কাছে চাইছি আল্লাহ আগে না হোক অন্তত টাইমে যাতে যেতে পারি।দেখলাম জ্যাম ছুটে গেছে। মনে মনে আল্লাহকে শুকরিয়া জানিয়ে রিক্সাওয়ালা মামাকে বললাম
-মামা জলদি চলেন
রিক্সাওয়ালা প্যাডেল দিতে লাগল জোরে জোরে। কিন্তু বলে না অপেক্ষার প্রহর কাটে না।আমি বার বার রিক্সাওয়ালাকে তাগাদা দিতে লাগলাম জোরে চালানোর জন্যে।হুট করে রিক্সাওয়ালা রিক্সা থামিয়ে দিলেন।এক রাশ বিরক্তি নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম
-কি হল মামা?আপনাকে জোরে চালাইতে বললাম আর আপনি রিক্সা থামিয়ে দিলেন কেন?
রিক্সাওয়ালা চোখ মুখ কুচকে বলল
-মামা এইডা রিস্কা।হেলিকাপ্টার না যে উইড়া নিগামু আপ্নারে।মন চাইলে চলেন না চাইলে অইযে হেলিকাপ্টার(আকাশের একটা হেলিকপ্টার উড়ে যাচ্ছিল সেইটা দেখিয়ে) হেইডাতে চইড়া যান।রিক্সাওয়ালার কথা শুনে আর কিছু বলতে পারলাম না।এমনি দেরি হয়ে গেছে যদিও আর রাস্তা বেশি নেই কিন্তু হেটে যাওয়া সম্ভব না। মুখ গোমরা করে বললাম
-আচ্ছা মামা চলেন।রিক্সাওয়ালা মনের সুখে টানতে টানতে দুই মিনিটের রাস্তা পাচ মিনিটে পারি দিলেন।ভাড়া মিটিয়ে পার্কে ঢুকে দেখি ইনায়াত আসে নি এখনো। যাক বাবা বাচা গেল। আজকে অন্তত ভাব নিতে পারব যে আমি আগে এসেছি।পার্কের বেঞ্চটাতে বসে চুল ঠিক করছি কেউ একজন আমার পাশে বসে বলল
-তুমি কি সারা জীবন লেটুস পাতা থেকে যাবা?আজকের দিনটা কি একটু তাড়াতারি আসা যেত না?
কন্ঠ শুনে বুঝলাম আমার পাশে বসা ব্যাক্তি আর কেউ না ইনায়াত ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আমি বেলুনের মত চুপসে গেলাম কাটায় কাটায় ১৫মিন লেট। ভাবলাম আগে গিয়ে কোথায় একটু ভাব নিব তা আর হলো না।উলটো ম্যাডাম রেগে আছেন আজকে।অন্যদিন রাগ না করলেও আজকে কথাগুলোতে যে রাগ আর অভিমান মিশে আছে তা স্পষ্ট । থাকবেই বা না কেন।আজকের দিনটা যে স্পেশাল ।কথা ঘুরানোর জন্যে বললাম
-আরে ইনায়াত তুমি কখন এলে?
-পুরোপুরি ১১টায়।
কথাটা বলে ইনায়াত চুপ হয়ে গেল।কিভাবে ওর রাগ ভাঙাবো মনে মনে সেই ফন্দি আটতে লাগলাম।নীরবতা ভেঙে সেই আগে বলা শুরু করল
-আজ কোন অযুহাত দিলে না যে?দেরি কেন হল তোমার ফার্স্ট গার্লফ্রেন্ড নাকি সেকেন্ড গার্লফ্রেন্ড এর জন্যে?
(দেরি করে আসাতে একদিন ইনায়াতকে বলেছিলাম ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়ে গেছে।উঠে দেখি ফোনে চার্জ নেই।সেদিন থেকে ইনায়াত বলে ঘুম আমার ফার্স্ট গফ আর ফোন সেকেন্ড গফ।সেই থেকেই তার অভিযোগ সে আমার থার্ড গার্লফ্রেন্ড আর এই জন্যে নাকি আমি তার বেলায় অবহেলা করি)
-না মানে আজকে রাস্তায় জ্যাম ছিল তাই...
- থাক আর বলতে হবে না।
-সরি ইনা
-হু
-ইনা
-বল
-চলো না একটু হাটি।
-চলো 
বলেই ইনা পা বাড়াল।
পাশে বসে থাকলেও আমি এতক্ষন ভালভাবে ওর দিকে তাকাই নি।আজকে হালকা গোলাপী রঙের একটা থ্রিপিছ পরেছে।কানে ম্যাচিং ছোট দুল,চোখে হালকা কাজল, ঠোটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক পুরাই পিংক ওয়াইন লাগছে।পিংক কোন ওয়াইন হয় কিনা আমার জান নেই।কিন্তু ওকে যত দেখছি পুরো নেশা ধরে যাচ্ছে।এক দৃষ্টিতে ইনাকে দেখে আছি।যত দেখছি তত যেন কোন ঘোড়ের মধ্যে চলে যাচ্ছি।হাতে হঠাত টান পড়াত পিছনে ফিরে তাকালো।আমি হাটু গেড়ে ওর সামনে বসে আছি।হাতে ছোট একটা রিং বক্স।
-Happy birthday Ina.তোমার আরো ১০০টা বার্থডে এভাবে তোমার সাথে সেলিব্রেট করতে চাই।দিবে কি সেই সুযোগ?
ইনা হাতটা এগিয়ে দিল।আমি বিশ্বজয়ের হাসি দিয়ে রিংটা ওর হাতে পরিয়ে দিলাম।মনে মনে হালকা ভয় কাজ করছে ও যদি বুঝে যায়।ওর দিকে তাকালাম। ওকে দেখে মনে হচ্ছে না খুশি হয়েছে।রিংটা বিশেষ করে রিংএর উপরের পাথর টা খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছে।
-রাজ
-হম বল
-আংটিটার দাম কত?
ওর প্রশ্ন শুনে আমি বিষম খেলাম।তোতলাতে তোতলাতে বললাম
-কেন ইনা কি হয়েছে?আংটিটা পছন্দ হয় নি?
আমার দিকে একবার আড় চোখে তাকিয়ে বলতে লাগল
-রাজ তুমি ভাল করেই জানো এত দামি গিফট আমার পছন্দ না।তারপরেও তুমি ডায়মন্ডের রিং কেন আনছ?
যা ভাবলাম তাই হল।আমি ভেবেছিলাম ইনায়াত বুঝতে পারবে না সে জন্যেই দোকানদারকে বলে সবচেয়ে ছোট পাথরের কিন্তু দামী আংটিটাই নিয়েছিলাম।কিন্তু ইনা যে এক দেখাতেই বুঝে যাবে এটা আমি কখনোই ভাবি নি।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বললাম
-ইনা কিসের ডায়মন্ড এটা তো....
-রাজ আমি ছোট বাচ্চা না যে ডায়মন্ড আর নরমাল পাথরের মধ্যে পার্থক্য বুঝবো না।
আমি হেসে বললাম
-বাদ দেও না ইনা প্লিজ।আমার তো পাচটা দশটা না একটা মাত্রই গার্লফ্রেন্ড তার জন্যে এতটুকু তো করতেই পারি।
-একটা না তোমার তিনটা গার্লফ্রেন্ড। আর আমি তিন নাম্বার।বলেই হাটতে লাগল।আমি দৌড়ে গিয়ে ওর হাত ধরে হাটতে লাগলাম।
-ইনা প্লিজ রাগ করো না।আচ্ছা বল তোমার কি বার্থডে গিফট চাই। আম সেটাই দিব তোমাকে।
-আমি যেটা চাইব সেটা তুমি দিতে পারবে না।
-পারব।আল্লাহ আমাকে সেই সামর্থ্য দিবেন ইনশাল্লাহ।যত দামই হোক তার আমি তোমাকে এনে দিব।
-উহু। পারবে না তুমি অনেক দামী
-আরে বাবা বলেই দেখ না।আমি যেখান থেকেই হোক তোমাকে এনে দিব। 
চোখ সরু করে বলল
-পারবা তো দিতে?
-ইনশাআল্লাহ পারব(হাসি মুখে)
হঠাত করে আমার হাত দুটো দুই পাশে উঠিয়ে আমার বুকে ঝাপিয়ে পরল।ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতবাক।ইনায়ত কখনো আমাকে তার হাতটা ঠিক ভাবে ধরতে দেয় না।আমিও এই ব্যাপারে তাকে কখনো জোর করিনি।আজ সেই কি না আমাকে জড়িয়ে ধরে আছে তাও এই ভর দুপুরে পার্কের মাঝে।
আমার বুক থেকে মাথা তুলে ইনায়াত বলল
-বলেছিলাম না দিতে পারবে না।প্রেমিকা বুকের মধ্যে কোথায় নিজের বাহুডোরে বন্দি করবে না উনি হ্যাবলা কান্তের মত দারিয়ে আছেন
ইনায়াতের কথা শুনে নিজেই কিছুটা লজ্জা পেলাম। সত্যিই তো মেয়েটা কত সাবলীলভাবে আমার বুকের মধ্যে হামলে পরল আমি অথচ তাকে জড়িয়ে না ধরে  হা করে দাঁড়ায় আছি।মাথা চুল্কাতে চুলকাতে বললাম
-আরেকটা সুযোগ দেয়া যায় না কি?
আমার কথাটা শেষ হওয়ার আগেই সে আবার আমার বুকে মুখ লুকালো।আম পরম আবেশে তাকে নিজের করে নিলাম।
-একবার না হাজারবার সুযোগ দিতে রাজি।আমার শুধু তোমাকে চাই। আমার প্রতিটা বার্থডে তোমার সাথে কাটাতে চাই।তুমি আমার পাওয়া বেস্ট বার্থডে গিফট।
  #বার্থডে গিফট
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/78501/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Dec 2021 15:40:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২০ মিন ধরে জ্যামে আটকে আছি।রিক্সায় বসে বসে চুল ছিড়া ছাড়া কোন উপায় নেই।চুলের কথা মনে পরতেই মাথায় হাত দিলাম। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় চুলে জেল দিয়ে সুন্দর করেরে স্টাইল করে এসেছিলাম।কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তেলের সাথে পানি মিশিয়ে মাথায় ঢেলে দিয়েছে কেউ।এই গরমে কালো শার্ট পরে আমার জান যায় অবস্থা। প্রখর রোদ জেনেও আজকে ইচ্ছে করেই কালো শার্ট টা পরে আসছি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-78501"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/78501/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c739f8782c87ebbf028381727551bc5f</guid>
				<title>-স্যার মাইয়াডা তো কিছুই কয় না।একটু আগে মরা কান্না কাইন্দা এখন পাগলের মত হাসতাছে।
কন্সটেবল রফিক গোয়ালের কথা শুনে কেস ফাইল থেকে চোখ উঠালেন এস পি জাহেদুর আলম।
পিছনে ঝুকে আয়েশ করে বসে জিজ্ঞেস করলেন
-রফিক সাহেব আপনার নামটা গোয়ালা কেন জানি দেওয়া হয়েছিল!?
জাহেদ সাহেবের কথা শুনে কন্সটেবল রফিক পান চাবানো কালো দাতগুলো কেলিয়ে বলল
- আমার আব্বার বড় গোয়াল ঘর আছিল স্যার।পুরা গেরামে আমাদের চেয়ে বেশি গরু কারও ছিলনা।ছোট থেকে মানুষের থাইকা গরুর সাথে খেলছি বেশি।এক দিন একটা জংলী গরু স্কুলের মাঠে আইয়া পরছিল। সবাই ভয়ে এদিক ওদিক ছুডাছুডি করতে লাগল। গরুর ভয়ে কেউ বাড়ি ফিরতে পারতেছিল না।আমি তখন একলায় যায়ে গরুটারে থামাইছিলাম।সেই থেকেই সবাই আদর করে আমাকে রফিক গোয়ালা ডাকে।
শেষ কথাটা গর্ব সহকারে বলে রফিক গোয়ালা একটা শ্বাস নিয়ে বুক ফুলিয়ে দাড়ালেন।এস পি জাহেদুর রহমান সোজা হয়ে বসে বললেন
-বুঝলেন তো রফিক সাহেব।আপনি গরুই সামলাতে পারবেন ভালো।মানুষ সামলানো আপনার কাজ না।
কথাটা শোনা মাত্রই রফিক গোয়ালার গর্বভরা বুকটা নিমিষেই চুপসে গেল।জাহেদুর রহমান হালকা বিরক্তি নিয়ে  নিজের চেয়ার ছেড়ে উঠে সেলের দিকে পা বাড়ালেন।তার পিছন পিছন ছুটলেন রফিক গোয়ালা।
.
.
সেলের ভিতর ঢুকেই আগে নিজের হাত ঘড়িটা চেক করলেন জাহেদূর রহমান।ঘড়ির কাটা বিকাল ৪টা জানান দিচ্ছে।বাইরে এখন ঝলমলে রোদ। কিন্তু চারদেওয়ালে ঘেরা এই সেলে রাতের আধার বিরাজ করছে।মাঝখানে একটা টেবিলের উপর ১০০ ওয়াটের একটা এনার্জি বাল্ব ঝুলছে।এক পাশে একটি চেয়ারে কচু পাতা রংগের একটা শাড়ি পরে বসে আছে ২৭/২৮ বছরের এক সুন্দরী তরুনী।দু গালে লেগে থাকা স্বচ্ছ পানির দাগ আর লেপ্টে যাওয়া কাজল জানান দিচ্ছে এতক্ষন বেশ কান্নাকাটি করেছে মেয়েটা।কিন্তু এখন সে পাগলের মত হাসছে।
তার ঠিক বিপরীত দিকের চেয়ারে বসে কন্সটেবল সালমা তাকে প্রশ্ন করছিলেন।জাহেদুর রহমানকে দেখে তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ালেন।জাহেদুর রহমান বেশ কিছুক্ষন তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে থেকে ডান হাত বাড়ালেন।কন্সটেবল সালমা তার হাতে প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো একটা চাকু দিলেন।জাহেদুর রহমান সামনের চেয়ারটা টেনে বসে চাকুটা প্যাকেট থেকে বের করে টেবিলের উপর রাখলেন।চাকুটার দিকে নজর পড়তেই মেয়েটার চোখ দুটো বিস্ফরিত হয়ে উঠল।প্রচন্ড ভয়ে কাপতে লাগল তার শরীর।হাত পা গুটিয়ে কুকড়ে উঠল
-স..স....সরাও ওটা আমার সামনে থেকে।সরাও।ও আমাকে মেরে ফেলবে।সরাও।
বলে চেচিয়ে উঠল সে।
জাহেদুর রহমান শান্ত স্বরে জিজ্ঞেস করলেন 
- কে মেরে ফেলবে?
মেয়েটা হাত পা কুকড়ে হাটুতে মুখ গুজে  বলল
-প্রিমা।
পেছন থেকে সালমা বলে উঠলেন
-উনি ভিক্টিম এর ওয়াইফ স্যার।
জাহেদুর রহমান আবারো শান্ত স্বরে জিজ্ঞেস করলেন 
-প্রিমা কেন মারবে তোমাকে?
-কারন ও জানতে পেরেছিল  রুদ্র আমাকে ভালোবাসত।কিন্তু বিশ্বাস করেন স্যার বিয়ের পর থেকে রুদ্রের সাথে আমার কোন যোগাযোগ ছিল না। প্রিমা সন্দেহ করত  যে রুদ্র আর আমার এখনো সম্পর্ক আছে।তাই সে আমার রুদ্রকে মেরে ফেলেছে।
কথাটা বলেই আবার মেয়েটা ডুকরে কেদে উঠল।
জাহেদুর রহমান শান্ত স্বরে আরও বেশ কয়েকটা প্রশ্ন করলেন। কিন্তু ওপাশ থেকে ডুকরে কাদা ছাড়া আর অন্য কোন শব্দ পাওয়া গেল না।
প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হচ্ছে জাহেদুর রহমানের।ইচ্ছা করছে মেয়েটার কানের নিচে কষে দুইটা লাগিয়ে দিতে। কিন্তু নিজের রাগ দমন করে বাকি জিজ্ঞাসাবাদের দায়িত্ব সালমার ঘাড়ে দিয়ে উনি বের হয়ে গেলেন সেল থেকে।
.
. 
নিজের চেম্বারে বসে সিগারেটে আগুন জ্বালিয়েছেন এমন সময় ইন্সপেক্টর রাজীব দরজায় নক করলেন।
-স্যার আসব?
-আসুন রাজীব সাহেব।বলেন কি আপডেট?
-স্যার পুরো কেসটার একটা রিপোর্ট রেডি করেছি।
ভিক্টিমের নাম রুদ্র আহমেদ।বাসা মোহাম্মাদপুরের ডেলফেনিয়ামে।উনার ওয়াইফ প্রিমা।দেঢ় বছর হচ্ছে উনারা বিয়ে করেছেন।হ্যাপি কাপল।কিন্তু ঝামেলা বাধে গত মাস ছয়েক আগে থেকে।আকস্মিক চাকরিচ্যুত হন মি.রুদ্র।মাস সাতেক আগে তার কোম্পানির ফান্ডের টাকা গন্ডগোল এর দায় তার ঘাড়ে।যদিও মি.রুদ্র বরবারই অস্বীকার করে গেছেন ব্যাপারটা। শেষ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত হওয়ার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি ঘটে।এক মাসে মি.রুদ্র বেশ কয়েক জায়গায় তার সিভি প্রেজেন্ট করে।মাস শেষ হতে না হতেই চাকরী পান মি.রেওয়াজের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে।স্যালারিও বেশ ভালো।সব কিছুই ভালো চলছিল কিন্তু চাকুরি সুবাদে দিন কয়েক পর দেখা হয় মিসেস রেওয়াজ অর্থাৎ মিস কায়ার সাথে।কায়া মি.রেওয়াতের কোম্পানির ৪০% শেয়ার হোল্ডার।কাকতালীয়ভাবে মিস কায়া ছিলেন মি.রুদ্রের প্রাক্তন।দীর্ঘদিন প্রেম সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন তারা।কিন্তু পারিবারিক চাপে মি.রুদ্র শেষ পর্যন্ত প্রিমাকে বিয়ে করতে বাধ্য হন।এখন পর্যন্তও কোন বিপত্তি ছিল না।ঝামেলা বাধে মাস তিনেক আগে মি.রেওয়াজের একটা বিজনেস পার্টিতে।নতুন প্রোজেক্ট লঞ্চ করার খুশিতে স্টাফরা সবাই তাদের ফ্যামিলিসহ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সেই পার্টিতে প্রিমা কায়া আর রুদ্রকে একসাথে দেখে পিলে চমকে ওঠেন।পার্টির এক কোনায় টেনে নিয়ে থ্রেট করেন কায়াকে। লোক চক্ষু থেকে  আড়াল করলেও আড়াল করতে পারেন নি সিসি টিভি ক্যামেরা থেকে।
সেদিন রাতের পর থেকে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন কায়া। তবে এটা প্রথমবার না।রুদ্রের সাথে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘ সময় মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি।মি.রেওয়াজের সাথে বিয়ের পর ধীরে ধীরে সব ভুলে সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি।কিন্তু পুরোনো ক্ষততে আবার আঘাত সহ্য করে উঠতে পারেন নি।ধীরে ধীরে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে থাকে সেই সুপ্ত ব্যাধি।মাস দুয়েক যাবত উনি রেগুলার সাইকাইট্রিক এর শরনাপন্ন হন।এই যে স্যার তার রিপোর্ট। 
বলে একটা কাগজ জাহেদুর রহমানের দিকে এগিয়ে দিলেন রাজীব।
জাহেদুর রহমান রিপোর্ট চেক করতে করতে আবার রাজীবের কথায় মন দিলেন। 
-স্যার মি.রুদ্রের প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন বেশ কয়েকদিন থেকে আহমেদ দম্পত্তির ঝগড়া লেগেই আছে।মিসেস আহমেদ এর স্টেটমেন্ট নিয়েছি আমরা।উনি জানিয়েছেন
- অন্য দিনের মত সংসারের যাবতীয় কাজ শেষ করে শোবার ঘরে যাচ্ছিলেন প্রিমা।রুমে ঢুকে ভুত দেখার মত চমকে উঠেন উনি।মাথায় প্রচন্ড আঘাতে জ্ঞান হারান উনি।জ্ঞান ফিরে নিজেকে হাত পা বাধা অবস্থায় পান ।চোখ খুলে তাকাতেই ভুত দেখার মত চমকে উঠেন তিনি।  উনার বিছানায় চাকু হাতে বসে আছে কায়া৷ মি.রুদ্র  ঘুমে কুপোকাত৷প্রিমা কিছু বলে উঠার আগেই রুদ্রের গলায় ছুড়ি চালিয়ে দেয় কায়া। কিন্তু ক্ষত গভীর না হওয়ায় বেচে যান রুদ্র।প্রচন্ড ছটফটানি নিয়ে চোখ খোলার চেস্টা করেন কিন্তু তার চোখ দুটো সুপার গ্লু দিয়ে আটকানো ছিল। যার ফলে চোখ খুলতে ব্যর্থ হন তিনি।কায়া এর পর তার হাতের আংগুলগুলো কাটতে থাকেন একটা একটা করে।প্রচন্ড কষ্টে গোঙ্গিয়ে উঠেন রুদ্র।কায়া চাকু দিয়ে রুদ্রর শার্ট ছিড়ে ইচ্ছামত কাটতে থাকে চাকু দিয়ে।শুরু হয় প্রচন্ড রক্তক্ষরন।রুদ্রর রক্তে ভেসে যেতে থাকে চারপাশ। প্রিমা নিজেকে ছাড়ানোর চেস্টা করতে থাকেন কিন্তু বার বার ব্যর্থহন।এরপর কায়া রুদ্রের রক্তের উপর দিয়ে হেটে রান্নাঘরে গিয়ে কাটাচামুচ নিয়ে আসেন আর সবেগে রুদ্রর চোখে ঢুকিয়ে উপড়ে আনেন রুদ্রর চোকদুটো।শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করার আগে  চাকু দিয়ে চিরে দেন রুদ্রর গাল দুটো। এই বিভৎস দৃশ্য দেখার পর পুনরায়  জ্ঞান হারান প্রিমা।সকালে নিজেকে মুক্ত অবস্থায় পেয়ে থানায় করেন উনি।
কথাগুলো এক নাগাড়ে বলে থামলেন রাজীব। একটা দম নিয়ে বললেন
-প্রিমার  স্টেটমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে আমরা কায়াকে ধরে নিয়ে এসেছি।কায়ার সাইকাইট্রিস্ট জানিয়েছেন কাল রাত ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত উনি সেশনে ছিলেন।অথচ প্রিমা জানিয়েছেন রাত ১২ টার কিছু পরে কায়াকে সে নিজের বেডরুমে দেখেছে।এত কম সময়ে কায়ার পক্ষে নিজের বাসা থেকে রুদ্রর বাসা যাওয়া প্রায় অম্ভব কাজ।রুদ্রের বাসার সিসিটিভি ফুটেজে কায়ার যাওয়া আসার কোন প্রমান পাওয়া যায় নি।এমনকি তাদের ফ্লাটের দরজাও ভেতর থেকে লক করা ছিল যখন পুলিশ সেখানে গিয়ে পৌছায়।তাছাড়া  রদ্রর বেডরুম থেকে রান্নাঘর পর্যন্ত যাওয়া আসার ফুট প্রিন্ট পাওয়া গেছে।আর কাটাচামুচেও ফিংগার প্রিন্ট পাওয়া গেছে।চাকুটা রক্তের মধ্যে পরে থাকার কারনে ফিংগার প্রিন্ট নষ্ট হয়ে গেছে।
জাহেদুর রহমান হাত বাড়িয়ে ফিংগারপ্রিন্ট রিপোর্টগুলো নিলেন।নিমিষেই তার সব দ্বিধাদন্দ দূর হয়ে গেল। 
.
.
.
ধানমন্ডির নিজের বাসায় বসে সূর্যাস্ত দেখছে কায়া।আচমকা রেওয়াজের পেছন থেকে জড়িয়ে ধরায় বেশ বিরক্ত হল কায়া।কিন্তু চোখে মুখে প্রকাশ করল না।রেওয়াজ কায়ার কাধের চুলগুলো সরিয়ে আলতো করে একটা চুমু খেল।কায়া শান্ত কন্ঠে জিজ্ঞেস করে উঠল
-কাজ হয়ে গেছে?
-হ্যা সব ঝামেলা মিটে গেছে।পুলিশ রুদ্রর বাসায় তোমার যাওয়া আসার কোন প্রমান পায় নি।তুমি যে পাশেফ বিল্ডিং এর ছাদ টপকে সেখানে পৌছেছ এইটা তারা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারবে না।তাছাড়া ফুট প্রিন্ট আর কাটাচামচে প্রিমার হাতের ছাপ পেয়ে পুলিশ আর কেস বাড়ায় নি।পুলিশ ধরে নিয়েছে নিজের স্বামীকে প্রাক্তনের সাথে দেখে ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে প্রিমা হিতাহিতজ্ঞান হারিয়ে তার স্বামীকে খুন করে।তারপর উলটা পালটা গল্প বানায় যাতে খুনের দায় সম্পূর্ন তোমার ঘাড়ে চলে আসে।
রুদ্রর ফ্যামিলি মেম্বাররাও এটাকে সত্য ভেবে প্রিমার ফাসি দাবী করেছেন।
শেষ কথাটা শুনে কায়ার ঠোটে বাকাহাসি ফুটে উঠল।
-কিন্তু সুইটহার্ট একটা জিনিস বুঝলাম না।সাইকাইট্রিস্ট কেন মিথ্যা বলল?আমি তো তাকে এটার জন্যে টাকা দেইনি। 
রেওয়াজের প্রশ্ন শুনে কায়ার চোখে মুখে একরাশ বিরক্তি এসে বিরাজ করল।
-সেটা তোমার না জানলেও চলবে।
রেওয়াজ বায়না ধরে বলল
- আহ হা বলো না!
- সাইকাইট্রিস্ট মিথ্যে বলেন নি।আমি সেশন করেছিলাম।রুদ্রের গ্লাসে আমি আগেই ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলাম।আমি ছিলাম বারান্দায়।তাই প্রিমা কোন শব্দ শুনতে পায় নি।প্রিমা ফিরে আসার আগেই আমি সেশন শেষ করে ফেলেছিলাম।
রেওয়াজ কয়েক সেকেন্ড স্তম্ভিত হয়ে থেকে বলল
-ব্রিলিয়ান্ট মাই লাভ।
কায়াকে ছেড়ে দিয়ে রুমে গিয়ে বসল সে।কিছুক্ষন পর রহিম চাচা চা দিয়ে গেলেন।কায়া এসে রেওয়াজের পাশে বসল।চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে রেওয়াজের চিন্তা মিশ্রিত কন্ঠ শোনা গেল
- কায়া এত কিছু না করলেও পারতে।
কায়া চায়ের কাপ হাতে নিয়ে চুমুক দিবে মাত্র। রেওয়াজের কথা শুনে থেমে গেল।চায়ের কাপটা রেখে উঠে দরজার কাছে গিয়ে দাড়াল।গলা ভারী হয়ে আসছে তার।কান্নার দলা গিলে বলল
-রুদ্রকে আমি সেই ছোট থেকেই ভালোবাসি রেওয়াজ।কলেজ লাইফ থেকেই আমাদের প্রনয়।একসাথে পড়াশুনা শেষ করলাম দুজনে।আমাদের দুইজনের ফ্যামিলিতেই আমাদের সম্পর্কের কথা জানতো।চাকরী পাওয়ার পর পরিবার থেকে বিয়ে ঠিক করা হয় আমাদের।কার্ড ছাপা হয়ে গিয়েছিল।আমার হাতে৷ রুদ্রের নামের মেহেদী পড়ানো হয়ে গিয়েছিল।কিন্তু রঙ বসার আগে রুদ্রর চিঠি এল।
-সরি কায়া আমি জানি তুমি আমাকে অনেক ভালোবাসো।কিন্তু আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না। পারলে আমাকে মাফ করে দিও। 
বিয়ের আগের রাতে মেয়ের বিয়ে ভেংগে যাওয়ার কষ্ট মেনে নিতে পারেন নি বাবা।হার্ট এট্যাক করে মারা যান উনি সে রাতেই।একসাথে দুটো ধাক্কা সামলাতে না পেরে আমি তখন পাগলপ্রায়।তার দুই মাস পর রুদ্র প্রিমাকে বিয়ে করে ফিরল।আমার অবস্থা আরও খারাপের দিকে যেতে লাগল।তখন আমার জীবনে আশার আলো হয়ে তুমি এলে।আমাকে বিয়ে করলে।তারপর রেওয়াজ চাকরী হারিয়ে আমাদের কোম্পানিতে জব নিল।বিশ্বাস কর রেওয়াজ তখনো সব ঠিকছিল।আমি ভালো ছিলাম।প্রিমা যদি পার্টিতে সেদিন আমার মুখের উপর শ্যাম্পেইন ছুড়ে না মারত আমি কিছুই করতাম না।যতই দিন যাচ্ছিল আমি রুদ্রর প্রতি আবার দূর্বল হয়ে যাচ্ছিলাম।এই জন্যে আমি ওকে মেরে ফেলি।জানো রেওয়াজ  ওর হাতের আংগুলগুলো আমার খুব পছন্দের ছিল। সে জন্যে আমি খুব যত্ন করে ওর হাতের আংগুলগুলো কেটেছি।জানোতো রেওয়াজ আমি কারও ঋন রাখি না।রুদ্রকে মেরে আমি ওর ভালোবাসার ঋন শোধ করে দিলাম।
.
.
রেওয়াজ আবার পেছন থেকে এসে কায়াকে জড়িয়ে ধরল। 
-আর আমার ভালোবাসার প্রতিদান?
কথাটা বলেই রেওয়াজ তার হাত দুটো কায়ার শাড়ি ভেদ করে ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।কায়ার পেটের মধ্যে রেওয়াজের হাত অবাধে বিচরন করছে।হঠাত ফোনটা বেজে উঠায় রেওয়াজের মনযোগে ছেদ পড়ল।ভ্রু কুচকে পকেট থেকে ফোনটা বের করল সে।
-হ্যা সাজিদ বল।
-স্যার আমাদের সাভার সাইট টাতে একটু ঝামেলা হয়ে গেছে।আপনাকে এক্ষুনি আসতে হবে স্যার।
-আচ্ছা আমি আসছি।
কায়া উতসুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে রেওয়াজের দিকে। রেওয়াজ ফোন পকেটে ঢুকাতে ঢুকাতে বলে উঠল
-তেমন কিছু না সাইটে একটু ঝামেলা হয়েছে।আমি মিটিয়ে আসছি।ওকে?You take care.
কথাটা বলে কায়ার কপালে একটা চুমু একে বেরিয়ে গেল রেওয়াজ। 
রেওয়াজ বেরিয়ে গেলে কায়া গিয়ে আলমারি থেকে একটা অ্যালবাম বের করল।একেবারে শেষ পাতায় একটা ছবি আছে দুজন মানুষের।দুজনেরই মুখে লাল মার্কার দিয়ে ক্রস চিহ্ন দেওয়া।ছবির মানুষ দুটো হল রেওয়াজ আর প্রিমা।
হ্যা রেওয়াজ আর প্রিমা খালাতো ভাই বোন।ভার্সিটি প্রথম দেখাতেই রেওয়াজ কায়াকে ভালোবেসে ফেলে।কিন্তু কায়া আর রুদ্র তখন একে অপরের প্রেমে মগ্ন। রেওয়াজ অনেক চেস্টা করে কিন্তু কোন ভাবেই কায়া আর রুদ্রকে আলাদা করতে পারছিল না।অবশেষে প্রিমাকে দিয়ে সে কার্যউদ্ধার করে।রুদ্র চলে যাওয়ার পর রেওয়াজ কায়াকে বিয়ে করে।কায়াও সব ভুলে রেওয়াজের সাথে সংসার গোছানোয় ব্যস্ত হয়ে পরেছিল।কিন্তু প্রকৃতি কখনো কারও ঋন রাখে না।একদিন রেওয়াজের ফোন ঘাটতে গিয়ে ম্যাসেঞ্জারে তার আর প্রিমার কথপোকথন দেখতে পায় সে।ঠিক সেই মুহুর্তে যেনপায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল তার।কায়া জানতো রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সব সময় ভুল হয়। তাই সে ঠান্ডা মাথায় সব কিছু প্লান করে।
এক ফ্রেন্ডের সাহায্যে ফান্ডের টাকা গন্ডগোল করে রুদ্রের চাকরি নষ্ট করে সে।তার পর থেকে রুদ্রর মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটা কাজ সে খুব ঠান্ডা মাথায় নিখুত ভাবে করেছে। তার দুই জন অপরাধী মৃত্যু যাত্রী হয়ে গেছে।এখন তৃতীয় জনের পালা।রেওয়াজ আর প্রিমার ছবিটাতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে সে।আগুনের লেলিহান শিখা প্রিমাকে পুড়িয়ে ক্রমশ রেওয়াজের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
নিজের পারসোনাল কার ড্রাইভ করে সাইটে যাচ্ছে রেওয়াজ।হঠাত কাটা বিধে পেছনের চাকাটা লিক হয়ে গেল।কোন কিছু করার আগেই ব্যালেন্স সামলাতে না পেরে গাড়ি গিয়ে ধাক্কা খেল একটা গাছের সাথে।স্টিয়ারিং এর সাথে আঘাত লেগে মাথার এক কোনা ফেটে  গেছে তার। গলগল করে রক্ত পরছে সেখান থেকে।অন্ধকারে হাতড়ে পেছন থেকে পানির বোতলটা খুজে পেল সে।ঢাকনা খুলে মুখে ঢালতেই তার বিকট চিতকারে আকাশ বাতাস কেপে উঠল।বোতলের ভেতরের গাঢ় সালফিউরিক এসিড তার গতিপথের সব অংগ জ্বালিয়ে দিয়ে যাচ্ছে।ঠিক দুসেকেন্ড ব্যবধানে একটা ভারী ট্রাক এসে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দিল রেওয়াজের গাড়িটাকে।মাঝারি বিস্ফোরণে মুহুর্তের জন্যে আলোকিত হয়ে উঠল চারপাশ। 
.
.
এয়ারপোর্টে বসে আছে কায়া।একটু পর তার ফ্লাইট। আজকে সে  বাংলাদেশ ছেড়ে আজীবনের জন্যে আমেরিকা চলে যাচ্ছে।সেল ফোনটা বন্ধ করার ঠিক আগ মুহুর্তে খুদ্র একটা বার্তা এল।
-ম্যাডাম স্যার কার এক্সিডেন্ট করেছেন।গাড়ি খুজে পাওয়া গেছে কিন্তু এখনো ডেড বডি খুজে পাওয়া যায় নি।
ফ্লাইট টেক অফ করেছে।ফোন সুইচ অফ করার জন্যে বার বার তাড়া দিচ্ছে।এখন আর পেছনে ফেরা সম্ভব না।কায়া ফোনটা বন্ধ করে পকেটে ঢুকিয়ে রাখল।দৃষ্টি কাচের গ্লাস ভেদ করে বাইরে রেখে বিড়বিড় করে বলল
-তুমি প্রতিদান চেয়েছিলে না রেওয়াজ! এটাই ছিল তোমার প্রতিদান
 #প্রতিদান
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/78052/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Dec 2021 16:00:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>-স্যার মাইয়াডা তো কিছুই কয় না।একটু আগে মরা কান্না কাইন্দা এখন পাগলের মত হাসতাছে।<br />
কন্সটেবল রফিক গোয়ালের কথা শুনে কেস ফাইল থেকে চোখ উঠালেন এস পি জাহেদুর আলম।<br />
পিছনে ঝুকে আয়েশ করে বসে জিজ্ঞেস করলেন<br />
-রফিক সাহেব আপনার নামটা গোয়ালা কেন জানি দেওয়া হয়েছিল!?<br />
জাহেদ সাহেবের কথা শুনে কন্সটেবল রফিক পান চাবানো কালো দাতগুলো কেলিয়ে বলল<br />
&#8211; আমার আব্বার বড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-78052"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/78052/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c61e28955ddb7838b91c9a8dee58f41</guid>
				<title>আমার সামনে চেয়ারে বসে আছে ফায়াজ।একদম উলঙ্গ হাত পা বাধা অবস্থায়।ওর হাত দুটো সাটা আছে চেয়ারের হাতলের সাথে। আর পা দুটো মাটিতে আটকানো।উহ দড়ি দিয়ে নয়। হাত দুটো কাটা দিয়ে গাথা আছে চেয়ারের হাতলের সাথে।আর পায়ের পাতা সুপার গ্লু দিয়ে ফ্লোরের সাথে আটকানো।ঠোট দুটো আমি শক্ত ফাইবারের সুতা দিয়ে সেলাই করে দিয়েছি।ফায়াজ চোখ বড় বড় করে আমার হাতের ব্লেডটার দিকে তাকিয়ে আছে। লাইটের আলোতে ব্লেডটা চকচক করছে।আর ফায়াজের চোখদুটো চকচক করছে ভয়ে।ফায়াজ কিছু বুঝে উঠার আগেই ওর বুক বরাবর একটা টান দিলাম।শক্ত পুরুষালি বুক একখানা।এই বুকে শুয়ে কত রাত শান্তির ঘুম ঘুমিয়েছি তার হিসেব নেই।দুই হাতে আরও দুইটা পোচ দিলাম।চামড়া ফেটে।টুপ টুপ করে রক্ত ঝরা শুরু হল।ফায়াক ভিতরে ভিতরে গগন বিদারী চিৎকার দিচ্ছে।কিন্তু এক ফোটা শব্ধ মুখ দিয়ে বের হচ্ছে না। শুধু হাল্কা গোঙ্গানির মত শুনা যাচ্ছে।নড়চড়া করার উপায়ও বেচারার জন্যে বন্ধ।ধকল সামলাতে না পেরে বেচারা জ্ঞান হারালো।
আমি আবার ওর সামনের চেয়ারটাতে গিয়ে বসলাম।ভালবেসে বিয়ে করেছিলাম ফায়াজকে।টানা দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর টোনা টুনির ছোট্ট সংসার পেতেছিলাম।কিন্তু আমি কখনো ভাবিনি প্রমোশন পাবার লোভে অফিসের বসের সুন্দরী বউএর সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হবে।
বেশ খানিকটা সময় কেটে গেছে ফায়াজ জ্ঞান হারিয়েছে।না এতক্ষন সময় দেওয়া যাবে না। হাত্র আরও কাজ আছে তো।
একদলা মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিলাম ওর বুকের মধ্যে। যে বুককে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তির যায়গা ভাবতাম সেই বুকেই আজ আমি অসহ্য যন্ত্রনা বাধিয়ে দিয়েছি।প্রচন্ড কষ্টে চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল ফায়াজ।ওর দিকে খানিকটা ঝুকে বললাম
-তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে তাই না ফায়াজ।কি করব বল তুমি তো জানোই আমি নিজের জিনিস কারো সাথে শেয়ার করি না।আর কেউ যদি আমার জিনিস ব্যবহার করে তাহলে সেটাকে আমি নষ্ট করে দেই।
ফায়াজের দিকে তাকিয়ে দেখি ওর চোখে মুখে আশঙ্কা স্পষ্ট।দুই চোখে পানি টলমল করছে।ওর গালে হাত দিতে যাব চট করে মনে পড়ল ওর অবহেলার কথা।ভুল করে বসের ওয়াইফের গায়ে ড্রিংক পরে গিয়েছিল বলে ভরা পার্টিতে সে আমাকে থাপ্পড় মেরেছিল।চোখ দুটোতে আবার রাগের আগুন দপ করে জ্বলে উঠল।হাতে থাকা চাকুটা দিয়ে গলা থেকে নাভি পর্যন্ত চিড়ে দিলাম।তারপর চিমটা দিয়ে চামড়াটা ছিড়ে দুই পাশে সুই দিয়ে গেথে দিলাম।বৃষ্টির মত রক্ত ঝড়ে পরছে।ফায়াজ আপ্রান চেস্টা করছে নিজেকে ছুটানোর কিন্তু পারছে না।
-কষ্ট হচ্ছে না বেবি?এই তো আর কষ্ট দিব না।
ফায়াজের প্যান্টের পকেট থেকে ফোনটা বের করে হানি নামে সেভ করা নাম্বারটাতে ম্যাসেজ দিলাম
-আমার ওয়াইফ আজকে বাপের বাড়ি গেছে হানি।তুমি তাড়াতাড়ি চলে আস।Waiting for u.
ফোনটা পাশে রেখে ওর দিকে তাকিয়ে একটা ভুবল ভুলানো হাসি দিলাম।বা হাতে থাকা চিমটাটা সজোড়ে ঢুকিয়ে দিলাম ওর চোখে। চাকুটা চালিয়ে দিলাম গলা বরাবর।ব্যাস টুপটুপ করে রক্তের বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।ফোনটা হাতে নিয়ে আরেকটা নাম্বার এ কল দিলাম।দুই পা ওর রক্তে ডুবিয়ে হেচরিয়ে হেচরিয়ে ওয়াশরুমে গেলাম।
.
.
.
.
কক্সবাজার সি বীচে বসে আছি।সাগরের মাতাল হাওয়ায় চুল গুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।আমি বারবার সেগুলোকে ঠিক করছি।হাতের পাশে পরে থাকা নিউজ পেপারটা হাতে নিলাম।ফ্রন্ট পেজে বড় বড় করে লিখা পরকীয়া প্রেমের কথা ফাস হয়ে যাওয়ায় স্বামী স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন স্বামীর বসের স্ত্রী।পুলিশ জানিয়েছেন বনানীতে বাসকারী আহমেদ ফায়াজের স্ত্রী ঘটনার দিন রাতে ফোন করে জানান উনাকে কেউ মেরে ফেলার চেস্টা করছেন।পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছালে সেখানে উনার বসের স্ত্রীকে হাতে নাতে ধরা পান।উনি ফায়াজ সাহেবের সাথে কাটানো তার কিছু অন্তরঙ মুহুর্তের ছবি নিয়ে পালানোর সময় ধরা পরেন।উনার বাথরুমের বাথ টাবে হাইডোফ্লোরিক এসিড আর রক্তের দাগ দেখে ধারনা করা হচ্ছে ফায়াজ সাহেবের স্ত্রীকে সেই মহিলা এসিডে ঝলসিয়ে হত্যা করেছেন।আদালত তার ৭দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।পেপারটা পাশে রেখে চোখে সানগ্লাস এটে বস্লাম।পাশ থেকে এক দম্পত্তির খোশ গল্প কানে আসছে।
-চল না জানু আজকের রাতটাও কাটিয়ে দেই এখানে।
-উহ না আমার স্বামীকে কি বলব?
-বলে দিবে পুরোনো ফ্রেন্ড এর সাথে দেখা হয়ে গেছে। যেতে দেরী হবে।আমিও আমার ওয়াইফকে বলে দিব অফিস ট্যূরে আসছি। কয়দিন পর যাব।
বলেই তারা হোটেলের রুমের উদ্দেশ্যে হাটা ধরল।আমি পেপারটা হাতে এগিয়ে গেলাম সাগর পানে।এখনো অনেক শাস্তি বাকি আছে।
 #শাস্তি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/73361/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 16:24:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার সামনে চেয়ারে বসে আছে ফায়াজ।একদম উলঙ্গ হাত পা বাধা অবস্থায়।ওর হাত দুটো সাটা আছে চেয়ারের হাতলের সাথে। আর পা দুটো মাটিতে আটকানো।উহ দড়ি দিয়ে নয়। হাত দুটো কাটা দিয়ে গাথা আছে চেয়ারের হাতলের সাথে।আর পায়ের পাতা সুপার গ্লু দিয়ে ফ্লোরের সাথে আটকানো।ঠোট দুটো আমি শক্ত ফাইবারের সুতা দিয়ে সেলাই করে দিয়েছি।ফায়াজ চোখ বড় বড় করে আমার হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-73361"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/73361/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">64cef505a6a3930e72d23dfa3766e586</guid>
				<title>আফরিন ইনায়াত কায়া changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/73355/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 16:23:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2a8a9601ce742de8f993fcde5a97fec</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/73354/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 16:22:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a881d0f32b1479b30052879d62749f9</guid>
				<title>বিছানায় অর্ধনগ্ন হয়ে শুয়ে মোবাইল ঘাটছে আবির।তার উপরে এলোচুলে লেপ্টে আছে সাথী।দুই জনে এক অবাধ্য ঘনিষ্টতায় লিপ্ত।হোম পেজ স্ক্রল করতে করতে টুং করে একটা ম্যাসেজ এল আবীরের ফোনে। রিফাতের ম্যাসেজ-&quot;কই তুই?জলদি আয় ক্লাসে।আজকে লাস্ট ক্লাস&quot;।
ম্যাসেজ টা সীন করে উঠে পড়ল আবির। তাড়াহুড়ো করে শার্ট প্যান্ট গায়ে জড়িয়ে জুতো খুজতে লাগল সে।সাথি তখনো আধঘুমে ঢুলছে।ঘুম ঘুম কন্ঠে কোন রকমে বলে উঠল
-কোথায় যাচ্ছ এত সকাল সকাল?
আবির মানিব্যাগটা পকেটে গুজতে গুজতে জবাব দিল 
- লাস্ট ক্লাস আজকে।
- না গেলে হয় না? 
-উহু।ক্লাস শেষ করে সবাই মিলে লাঞ্চ এ যাবে।
সাথী কিছু বলার আগে আবির তার ঠোট দুটোতে ঠোট ডুবাল। রুম থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগে আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিল সাথির শরীরের ভাজগুলোতে।
.
.
আবির আর সাথীর প্রেম বছর খানেক হচ্ছে।ভার্সিটির এক আন্দোলনে পরিচয় তাদের। সেই থেকে কথা বলা আর তারপর প্রেম।বেশ ভালোই চলছে তাদের জিবন যাপন।মাস দুয়েক হচ্ছে আবির আর সাথি লিভ ইন এ আছে ।সারাদিনের  সব ধকল আবিরের নিমিষেই মিটে যায় সাথীর আলিংগনে।
ক্লাস শেষ করে সবাই রেস্টুরেন্টে বসেছে।খাবার দাবারের পাট চুকিয়ে গল্পে ব্যস্ত সবাই।প্যান্টের বা পকেটে ফোন টা কেপে ঊঠল আবিরের।মোবাইল বের করে দেখে স্ক্রীনে এক খুদে বার্তা। 
&quot;কখন আসবে তুমি? &quot;-সাথী। 
ছোট একটা হাসি দিয়ে ফোনটা আবার পকেটে ঢুকিয়ে রাখল আবির।আড্ডা শেষে বিল মিটিয়ে সবাই রেস্টুরেন্ট ছাড়বে ঠিক তখনই পিছন থেকে একজন চেচিয়ে উঠল।সবাই ঘুরে তাকিয়ে দেখে ওহী মাটিতে হাটু গেড়ে বসে আছে।ফোনটা হাত থেকে পরে ছিটকে গেছে দূরে।বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে আছে সামনে। সবাই গিয়ে ধরাধরি করে বসাল।কেউ একজন ফোন কানে তুলে নিয়ে হ্যালো হ্যালো করছ। কিন্তু ততক্ষনে লাইন কেটে গিয়েছে। ওহী ধাতস্ত হতে মিনিট দুয়েক সময় নিল।তারপর চোখ তুলে আবীরের পানে চেয়ে বলল
-নিশি সুইসাইড করেছে। 
ওহীর কথা শুনে সবাই কেপে উঠল।মুহুর্তেই পিন পত্তন নিরবতা ছেয়ে গেল সবার মাঝে।
আবির কিছু বলা উঠার আগেই ওহী আবার বলল
- সদর হাসপাতালের মর্গে লাশ রাখা আছে।পুলিশ তোকে খুজছে।
আবিরের মাথায় যেন আকাশ ভেংগে পড়ল শুনে। নিশি সুইসাইড করেছে?তার নিশি সুইসাইড করেছে?এই মাত্র মাস চারেক আগেই না নিশির সাথে সে ব্রেকাপ করল!মাত্র সপ্তাহ খানেক আগেও না মেয়েটা রেস্টুরেন্টে চেক ইন দিয়ে ডে দিল। কোন ভাবেই কিছু মেলাতে পারছেনা আবির৷ কোন কথা না বলে এক ছুটে গিয়ে পৌছাল হাসপাতালে।মর্গের দিকে আগাতেই একজন পুলিশ তার পথ আটকালো 
-এক্সকিউজমি কোথায় যাচ্ছেন?
আবিরের মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না। কোন রকমে বলে উঠল
- নিশি। 
ইন্সপেক্টর ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করল ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করল
-আপনি কি মি.আবির?
আবির মাথা নেড়ে সায় দিল।ইন্সপেক্টর একটা দীর্ঘ  নিশ্বাস ছেড়ে পকেট থেকে একটা চিরকুট বের করে ধরিয়ে দিল আবিরের হাতে। আবির কাপা হাতে চিঠিটা খুলল।গুটি গুটি অক্ষরে সাজিয়ে লেখা 
-&quot;আমার জিবনটা হয়তো এভাবেই শেষ হওয়ার ছিল।বাবা মা তোমাদের প্রতি এত গুলো ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা আমাকে আদর যত্নে বড় করার জন্যে। আমি তোমাদের স্বপ্ন পূরন করতে পারিনি।পারলে আমাকে মাফ করে দিও। আবির তোমার প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই। আমি সব টা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছি। তোমার বিচার সেই করবেন। আমার সুইসাইডের জন্যে কেউ দায়ী না।সবাই ভালো থাকবেন। আমাকে মনে রাখবেন।
-ইতি
নিশি&quot;
চিঠিটা পরে ডুকরে কেদে উঠল আবির। মেয়েটা অনেক বেশিই ভালো বাসতো তাকে।টানা দুই বছরের সম্পর্ক ছিল তাদের।হাত ধরে ঘুরে বেড়ানো,রাত জেগে পূর্নিমা দেখা,নদীর ধারে বসে নানা কাজের গল্প করা,অসুখ হলে সারারাত জেগে জলপট্টি দেওয়া কোনটাই বাকি রাখেনি মেয়েটা।সবকিছুই ভালো চলছিল।কিন্তু সাথীর সাথে দেখা হওয়ার পর থেকে যেন সব পালটে গেল আবিরের জীবনে।ধীরে ধীরে সাথীর প্রতি তার উইকনেস কাজ করতে লাগল।নিশি শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট মেয়ে।নিজের ভালোবাসার প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস।চোখের সামনেও তাই আবির আর সাথির ঘনিষ্ঠতা তার মনে তেমন দাগ কাটতে পারেনি।ব্যাপারটা বুঝতে পারে আবির অবহেলার বেড়াজাল বুনল। দূরত্ব বেড়াতে লাগল নিশির সাথে। ভেবেছিল ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়ে সম্পর্কটা শেষ করে দিবে।টুপ করে সব দোষ চাপিয়ে দিবে নিশির ঘাড়ে।নিশি দু একদিন কেদে এগিয়ে যাবে সামনে। কিন্তু বিধি বাম।হুট হাট করে নিশি সুইসাইড করে বসল।
 কথাগুলো ভাবতে ভাবতে নিজের রুমে ফিরে এল আবির। পুরো মেস ফাকা। কেউ নেই। সবাই নিশিকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছে।কিন্তু হাসপাতাল অথরিটি কাউকে লাশ দেখতে দিচ্ছে না। সুইসাইড করার কারনে নাকি লাশের চেহারা প্রচন্ড রকমভাবে বিকৃত হয়ে গিয়েছে।কথা গুলো ভাবতে ভাবতে রুমের দরজা নক করল আবির। ভেতরে সাথী থাকার কথা৷ বার দুয়েক ধাক্কাতেই দরজা আপনা আপনি খুলে গেল। রুমের ভেতরটা অন্ধকার।জায়গায় জায়গায় পানির মত কিছু তরল পরে আছে।আবির রুমের লাইট জ্বালানোর চেস্টা করল।কিন্তু লাইট জ্বলছে না। আবির বাধ্য হয়ে পকেট থেকে মোবাইল বের করে টর্চ জ্বালালো।পুরো  রুমের জিনিসপত্র ওলট পালট করা।যেন কোন ধস্তাধস্তি হয়েছে।পুরো মেঝে জুড়ে ছড়িয়ে আছে রক্তের বন্যা।আতকে উঠল আবির।কাপা কাপা হাতে উতসের দিকে আলো ফেলতেই তার পায়ের তলা থেকে যেন মাটি সরে গেল। রুমের এক কোনায় নিশি পড়ে আছে।তার গায়ে অসংখ্যা ক্ষতের চিহ্ন।যেন কেউ প্রচন্ড বাজেভাবে আঘাত করেছে তাকে। মাথার এককোনা টেবিলের সাথে লাগানো। হয়তো আছাড় খেয়ে সেখানে ধাক্কা খেয়েছে।মাথার এক কোনায় ফুটো হয়ে সেখান থেকে চুয়ে চুয়ে রক্ত ঝরছে।আবির এগিয়ে গিয়ে সাথীর কাছে গিয়ে বসল।দুহাতে তার মাথাটা নিয়ে বেশ করে ঝাকাল।কিন্তু সাথীকে একচুলও নাড়াতে পারল না। উঠে দাড়াতে যাবে ঠিক তখনি কিছু একটা প্রচন্ড বেগে আঘাত করল আবিরের মাথায়। নিমিষেই যেন আধার ঘনিয়ে আসল চোখের সামনে।
.
.
প্রচন্ড মাথা ব্যাথা নিয়ে আবির চোখ খুলে নিজেকে আবিষ্কার করল একটা ঝুপড়ি ঘরে।ঘরটার চারদিকে টিনের বেড়া দেওয়া। মাথার উপর ঝুলছে লো পাওয়ারের একটা বাল্ব।আরো ভালোভাবে চারদিকে তাকাতেই বুঝতে পারল তার হাত পা বাধা।চিতকার করবে তারও উপায় নেই।মুখে কাগজ গোজা।নিজেকে ছাড়ানোর চেস্টা করতে লাগল আবীর। কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না।উলটো হাত পা ছিলে গিয়ে রক্ত ঝড়া শুরু হয়ে গেল।ক্লান্ত হয়ে দম নিতে লাগল আবির।ঠিক তখনি একটা ধারালো কিছু চলে গেল পিঠ বরাবর।ব্যাথায় কেকিয়ে উঠল সে।কিন্তু তাতে ক্ষত কমল না উলটো বাড়তে লাগল।সেই সাথে বাড়তে লাগল হিলের খটখট শব্দ। হাতের ব্লেড চালাতে চালাতে সামনে ঝুকে দারাল একটা নারীমুর্তি।ভুত দেখার মত চমকে উঠল আবির।নিজের চোখকে বিশ্বাস হচ্ছেনা তার।ভাষা খুজে পাচ্ছেনা আবির। আবির কে চমকে দিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল নিশি। হাসি থামিয়ে বলে উঠল
-কি ভাবছ?ভুত?না আমি ভুত না। আমি রক্তে মাংসে গড়া মানুষ।ভাবছ আমি মারা গেছি তাইনা?কাম অন আবির। টাকা দিলে  মানুষ পর্যন্ত গুম হয়ে যায় একটা লাশ জোগার করা কোন ব্যাপার!!দুই বছর তোমার সাথে থেকেছি৷ প্রতারনা না হোক।কিন্তু নিজের পাওয়ার কে কাজে লাগানো বেশ করে শিখেছি।
আবির চোখ বড় বড় করে নিশির দিকে তাকিয়ে আছে। নিশি এগিয়ে গিয়ে পাশের টেবিলের উপর থেকে একটা চিমটা আর বেশ কিছু সুচ নিয়ে আসল।ডান হাতের ব্লেড টা দিয়ে একনাগারে আবীরের  পুরো শরীরে ইচ্ছামত পোচ দিল।ভেতরে ভেতরে গগন বিদারী চিতকার দিয়ে উঠল আবির। কিন্তু বাইরে শুধু শোনা গেল হালকা গোংগানী।নিশি চিমটা দিয়ে চামড়াটা টেনে টেনে তুলে লাগল আর সুচ দিয়ে গেথে দিল পাশে।
আবিরের চোখ ছলছল হয়ে আছে। অনেক কথা বলতে চাচ্ছে সে। কিন্তু সুযোগ হচ্ছে না তার। নিশির চোখ দুটো চকচক করছে খুশিতে। ঠোটে ঝুলছে বাকা হাসি।
-তোমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। তুমি হাজারটা মেয়ের সাথে রাত কাটাও তাতেও আমার কোন আপত্তি নেই।কিন্তু আমার সাথে চিট করার কি দরকার ছিল তোমার!আমাকে জানাতে পারতে  যে আমাকে তোমার দরকার নেই।
কথাটা বলতে বলতে ডান হাতের পাচটা আংগুল এ কোপ বসালো নিশি।একে একে সবগুলো আংগুল খসে পরে গেল হাত থেকে।মুহুর্ত দেরী না  করে আবার কোপ বসালো বাম পায়ের গোড়ালিতে।বার বার ব্যাথায় কেকিয়ে উঠছে আবির।প্রচন্ড আর্তনাদ আর চিতকার এ তার প্রান পাখি খাচা ছাড়ার উপক্রম। টুপটুপ করে রক্ত ঝড়ে পরছে তার শরীর থেকে।চিৎকার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে সে।কিন্তু নিশি এখনো থামে নি।একটা কাটা চামুচ নিয়ে আবিরের চোখে সজোরে ঢুকিয়ে দিল সে।শেষ রক্ষে টুকু হলো না আবিরের।মুহুর্তেই সামনে ঘনিয়ে এল নিকষ কালো আধার।
.
.
-Excuse me Ma&#039;am. Please turn your phone off.
-yeah sure.just a moment please.
এয়ার হোস্ট্রেসের কথা শুনে ওপাশ থেকে ওহী বলে উঠল
-তুই কানাডা পৌছে আমাকে কল দিস।
-হ্যা তা দিব। ওপাশে সিব ঠিক তো?
-হ্যা সব কিছু প্লান মাফিক হয়ে গেছে।সবাই রুমে ফিরে আবিরের রুমে সাথির লাশ দেখে পুলিশ কে ইনফর্ম করে।পুলিশ রুমের ফিংগারপ্রিন্ট আর বাকি সব কিছু থেকে কনফার্ম করেছে আবির অতিরিক্ত ড্রাগ নেওয়ায় ব্যালেন্স হারিয়ে সাথীকে মার্ডার করে।রেল লাইনের উপর তার ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখে সবাই এটাই ধরে নিয়েছে হয়তো সে সুইসাইড করেছে otherwise it was an accident. So case closed. আর মেডিক্যালি তুই   ডেড সো তোর উপরে কোন দোষ আসে নি।that&#039;s it.
- great.thanks ohi.i owe you a lot.
-উহু।এটা তার প্রাপ্য ছিল।আবির শুধু তোর না আমার বোনেরও জীবন নষ্ট করেছে।ওর জন্যে আমার বোন এখন মানসিকভাবে অসুস্থ।আবির যা পেয়েছে সেটা তার প্রাপ্য। হালকা হেসে ফোন রাখল নিশি।প্লেন উড়ল দিল নতুন ঠিকানায়। 
 #প্রাপ্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/55339/</link>
				<pubDate>Thu, 11 Nov 2021 17:30:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিছানায় অর্ধনগ্ন হয়ে শুয়ে মোবাইল ঘাটছে আবির।তার উপরে এলোচুলে লেপ্টে আছে সাথী।দুই জনে এক অবাধ্য ঘনিষ্টতায় লিপ্ত।হোম পেজ স্ক্রল করতে করতে টুং করে একটা ম্যাসেজ এল আবীরের ফোনে। রিফাতের ম্যাসেজ-&#8220;কই তুই?জলদি আয় ক্লাসে।আজকে লাস্ট ক্লাস&#8221;।<br />
ম্যাসেজ টা সীন করে উঠে পড়ল আবির। তাড়াহুড়ো করে শার্ট প্যান্ট গায়ে জড়িয়ে জুতো খুজতে লাগল সে।সাথি তখনো আধঘুমে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-55339"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/55339/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e20d5911bd456d0c62ff34d7e6c6d2b</guid>
				<title>প্রথম ব্রেকাপের পর ফাহাদের চোখগুলো উপড়ে ফেলেছিলাম। ছেলেটার মায়াবী চোখদুটো দেখে যে কেউ প্রেমে পরতে বাধ্য।প্রায় ২ মাস হসপিটালাইজড থাকার পর মারা যায় সে।দ্বিতীয় ব্রেকাপের পর আবীরকে আর কেউ খুজে পায় নি।সবাই ভেবেছিল হয়তো সে সবকিছু ছেড়ে কোথাও চলে গিয়েছে নয়তো আত্মহত্যার করেছে।কিন্তু আমি জানি ওর শরীরটা আমি টুকরো টুকরো করে বস্তা ভরে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিলাম।তৃতীয় বার বেশি কিছু করিনি। টগবগে ফুটানো গরম পানিতে মরিচের গুড়া মিশিয়ে হাত পা বেধে ঢেলে দিয়েছিলাম নীরবের গায়ে।পোড়া চামড়া আর গলা খসে পড়া মাংস গুলোতে ধানী লঙ্কা গুড়ো ছিটিয়ে দিয়েছিলাম।
আরহাম,রায়েদ,আয়াজ আর নিলয়ের বেলায় একটু ভিন্নতা ছিল। কারো শরীর এসিড ঢেলে ঝলসে দিয়েছিলাম,কারো চামড়া তুলে মাংসের মধ্যে পোকামাকড় ছেড়ে দিয়েছিলাম,কারো বা শরীরের মাংস কেটে কুচি কুচি করে তার চোখের সামনেই কুকুরকে খাইয়েছি।
অভ্রর ঠোটদুটো খুব সুন্দর ছিল।প্লেবয় হলেও ছেলেটা কখনো স্মোক করেনি।ওর ঠোট দুটো প্রথমে সেলাই করে দিয়েছিলাম তারপর ব্লেড দিয়ে পুরো ঠোট টা কেটে উঠিয়ে নেই।আহান এর সারা শরীরে অসংখ্য পেরেক গেথে দিয়েছিলাম।প্রতিটা পেরেকের মাথায় সায়ানাইড মেশানো ছিল।ড্রিল মেশিনের আঘাত সহ্য করতে পারেনি বেচারা রেহান।মাথার মধ্যে মেশিন চালানোর ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ঘেলু বের হয়ে মারা গিয়েছিল সে।
এতটুকু লিখেই কলমটা নামিয়ে রাখলাম। আর লিখতে ইচ্ছা করছে না।ডায়েরীটা বন্ধ করে কফির মগটা হাতে নিয়ে ব্যালকনিতে গিয়ে দাড়ালাম।ঠান্ডা বাতাসে বেশ ভালোলাগছে এখন।মৃদু বাতাসে চুলগুলো উড়ছে। কখনো বা আছড়ে এসে মুখের উপর পড়ছে।আমি আনমনে সেগুলো ঠিক করছি আর ডায়েরিতে লিখা ছেলেগুলোর কথা ভাবছি। তাদের কারো সাথেই আমার কোন সম্পর্ক ছিল না।তাদের কারো কারো ফুল নামটা পর্যন্তও জানি না আমি।গার্লস গ্রুপে একবার এক মেয়ে ব্রেকাপের পোস্ট দিয়েছিল।টানা দশ বছর প্রনয়ের পর ছেলে অতীত ভুলে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছে।রাগে সেদিন কমেন্ট করেছিলাম 
-এমন জানোয়ারদের মেরে ফেলা উচিত।
আমার কমেন্টের রিপ্লাই না দিয়ে সেদিন সে ইনবক্সে নক দিয়ে বলেছিল যাভাবেই হোক সে ফাহাদকে মারতে চায়। আমি যেন সব ব্যবস্থা করে দেই।হঠাত একটা প্রস্তাবে প্রথমে বেশ ভড়কে গিয়েছিলাম আমি।ফেক আইডি চালানোর সুবাদে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় কেউ জানত না। সেই সুযোগে আমিও রাগ মিটিয়ে নেই ফাহাদের উপর।আমি ভেবেছিলাম হয়তো এইখানেই শেষ। কিন্তু না! ফাহাদকে মারার পর ব্যাপারটা ব্যাপক আকার ধারন করতে লাগল।কারো দীর্ঘ সম্পর্কের ব্রেকাপ হলেই আমাকে জানাতো।রীতমতো ট্রেন্ড হয়ে দাড়িয়েছিল।আমি কে,কি করি,কোথায় থাকি তার চেয়ে বেশি ব্রেকাপের পর কিভাবে মারব, ডেড বডি পাবে কি না এসব নিয়ে কৌতুহলের মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল।ধীরে ধীরে গ্রুপের বাইরেও ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে গেল।কিন্তু এসব কে করে বা কিভাবে হয় কেউ জানতে পারেনি হয়তো বা কেউ জানায় নি ।ইদানীং ব্রেকাপের সংখ্যা কমে এসেছে। যেকোন ছেলেই এখন ব্রেকাপ করার আগে দুইবার ভাবে।ব্রেকাপের পরে এরকম পরিনতির কথা কল্পনা করলে যে কারোরই রূহ কেপে উঠবে।যতই হোক ব্যক্তিগত ইমোশন নিয়ে খেলার অধিকার কেউ কাউকে দেয় নি,কখনো দিবেও না ।কফির মগে শেষ চুমুকটুকু দিয়ে রুমে আসতেই ফোনটা কেপে উঠল।ছোট ছোট দুইটা কম্পন ক্ষুদে বার্তার আগমন জানান দিচ্ছে।ফোন হাতে নিয়ে ম্যাসেজ বক্স ওপেন করতেই দুই লাইনের একটা বার্তা চোখের সামনে ভেসে উঠল
-আমি আর তোমার সাথে রিলেশনে থাকতে পারব না।আমাকে ক্ষমা করে দিও। 
আড়াই বছরের সম্পর্কটাকে রুদ্র এভাবে মাঝপথে ছেড়ে চলে গেল ভাবতেই চিনচিন করে একটা তীব্র ব্যাথা অনুভব করলাম নিজের মধ্যে।ফোনটা রেখে কলমটা হাতে নিলাম আবার।রুদ্রের হাতের আঙ্গুলগুলো আমার খুব পছন্দ ছিল।ভাবছি ওর হাতদুটো কেটে বয়ামে ভরে রাখব।ডায়েরিটা খুলে একটা নতুন পাতায় কয়েকটা শব্দ গুছিয়ে নিলাম।একফোটা পানি গড়িয়ে পরল চোখ বেয়ে।
.
.
.
.
 #ব্রেকাপ_সামাচার
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21928/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Jul 2021 15:24:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রথম ব্রেকাপের পর ফাহাদের চোখগুলো উপড়ে ফেলেছিলাম। ছেলেটার মায়াবী চোখদুটো দেখে যে কেউ প্রেমে পরতে বাধ্য।প্রায় ২ মাস হসপিটালাইজড থাকার পর মারা যায় সে।দ্বিতীয় ব্রেকাপের পর আবীরকে আর কেউ খুজে পায় নি।সবাই ভেবেছিল হয়তো সে সবকিছু ছেড়ে কোথাও চলে গিয়েছে নয়তো আত্মহত্যার করেছে।কিন্তু আমি জানি ওর শরীরটা আমি টুকরো টুকরো করে বস্তা ভরে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21928"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21928/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">225ad4cc93823f8887218103cd351cdb</guid>
				<title>প্রথম খুন করেছিলাম একটা বিড়ালকে৷একমাত্র টিউশনটা ছুটে যাওয়ায় নানা দুশ্চিন্তা ঝাক বেধে বসেছে মাথায়।সিগারেটে সুখটান দিতেই যেন মাথাটা হালকা হয়ে গেল।একটু ঝিমঝিম করেও উঠল বটে।বেশ শান্তিতেই সিগারেটটা শেষ করে বাকিটুকু ছুড়ে ফেলে দিলাম দূরে।উঠতে যাব তখনি দেখি একটা ছোট বিড়ালের বাচ্চা পায়ের কাছে বসে মেও মেও করছে।বিড়ালটাকে দেখে বড্ড মায়া হল আমার।কিন্তু এখন ওসব মায়া টায়া করার সময় নেই।পার্ক থেকে বের হয়ে মেইন রোডের দিকে হাটতে শুরু করলাম।কি আশ্চর্য! বিড়ালটাও আমার পিছনে পিছনে হাটছে।বার দুয়েক তাড়িয়ে দেওয়ার পরেও সে গেল না।মৃদু স্বরে মেও মেও করে পিছু আসতে লাগল।আমার বিরক্তি চরম সীমায় পৌছে গেল।চুপচাপ গিয়ে পাশের একটা অন্ধকার গলিতে ঢুকে গেলাম।মাটিতে হাটুগেড়ে বসতেই বিড়ালটা লেজ নাড়িয়ে এগিয়ে এল।আমি বিলি কেটে দিলাম ওর মাথায়। আবেশে চোখে বন্ধ করে নিল সে।আহা!ক্ষুদ্র জীবটা জানতোই না যে আর সে কখনো চোখ খুলতে পারবে না।পাশে পরে থাকা একটা পাথরের টুকরা দিয়ে সোজোরে বারি মারলাম বিড়ালটার মাথায়।চোখ থেতলে গলগলিয়ে রক্ত বের হতে লাগল মাথার পাশ দিয়ে।কিন্তু কেবল তো শুরু।পাথরটা দিয়ে আস্তে আস্তে করে ধর থেকে মাথাটা আলাদা করে দিলাম। তার পর দু হাত পা ধরে চিরে দুই টুকরো করে ফেলে দিলাম দুই দিকে।এক রাশ শান্তি বয়ে গেল পুরো শরীর জুড়ে।
তখন থেকেই খুন করার প্রতি কেমন একটা টান অনুভব করতে লাগলাম।কুকুর বিড়াল মেরে একটা অন্য রকম শান্তি পাচ্ছিলাম।কুকুর বিড়াল মারতে মারতে এলাকা প্রায় প্রানী শূন্য হয়ে গেল।রাস্তার কোন কুকুর বিড়াল আমাকে দেখলেই ভয়ে উলটো দিকে দৌড়ে পালাত।কেন কি জানি !হয়তো তারা বুঝতে পেরেছিল আমিই তাদের জাতিকে বিনাশের কাজে লেগেছি।এক সময় কুকুর বিড়াল মেরেও আর শান্তি হচ্ছিল না। কথায় বলে মানুষ্য হৃদয় কখনো সন্তুষ্ট নয়।আমার বেলায়ও ব্যতিক্রম হলো না। কোন মানুষকে মারার জন্য হাত নিষপিস করতে লাগল।কিন্তু কাকে মারব!হুট হাট তো যাকে তাকে খুন করা যায় না।অবশেষে একদিন সেই সুযোগ পেলাম।সেদিন অফিসে আজহার সাহেবের সাথে ছোট একটা বিষয় নিয়ে তুমুল ঝগড়া বেধে গেল।ষাট উর্ধ্ব এক বৃদ্ধার পেনসনের ফাইল আটকে রেখেছেন তিনি। চা পানির টাকা ছাড়া কোনভাবেই ফাইল ছাড়তে নারাজ।এইদিকে বৃদ্ধার সামর্থ্য বিশ কিনে খাওয়ারও অনুকূলে না।বৃদ্ধার উপর বেশ মায়া জাগল আমার।আজহার সাহেবকে খুব করে অনুরোধ করলাম বৃদ্ধার ফাইলটা ছেড়ে দিতে। কিন্তু উনি কিছুতেই রাজী হলেন না।উলটো আমাকে যাচ্ছেতাই বলে গালাগালি করতে লাগলেন।আমি কিছু না বলেই চুপচাপ বেরিয়ে এলাম সেখান থেকে।
ঘটনার দুদিন পর অফিস শেষে পিছু নিলাম আজহার সাহেবের।ভদ্র লোক হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে উনার সময় ঘনিয়ে এসেছে।তাই নিজ থেকেই দেরী করলেন।রাস্তায় গাড়ি ঘোড়া কম থাকার পরেও উঠে গেলেন ওভার ব্রীজে।আমার কাজ যেন ইজি হয়ে গেল।পিছু পিছু চললাম ভদ্র লোকের। মাঝামাঝি আসার পরে যেন ভদ্র লোকের টনক নড়ল।চলতে চলতে হঠাত করে থেমে গেলেন।সেকেন্ড কয়েক মূর্তিমান থেকে আচমকা পিছনে ফিরে তাকালেন।হঠাত এখানে আমাকে দেখে আজহার সাহেব বেশ অবাক হলেন। কিন্তু পরক্ষনেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন
-আপনি এখানে?এত রাতে?
আমি তার উত্তরে হালকা হেসে বললাম
-আরে আজহার সাহেব কতক্ষন ধরে ডাকছি শুনছেন না কেন?
আমার কথায় উনি বেশ অবাক হলেন। ভ্রু কুচকে বললেন
-ফাযলামো করছেন আমার সাথে? এত বড় একটা দামড়া মানুষ আমাকে ডাকল আর আমি শুনিনি?
আমি হাসিটা আরও প্রসারিত করে বললাম
-রাত দুপুরে কেন মিথ্যা বলব বলুন তো মশাই?চলুন হাটতে হাঁটতে কথা বলা যাক ।
রাত ঘনিয়ে আসছে।আমি এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখলাম আশেপাশে কেউ  নেই ।একটা গাড়ী ওভার ব্রীজের নিচ দিয়ে ছুটে গেল ঝরের বেগে।সবকিছু নিশ্চিত করে কথা পাড়লাম
-আজহার সাহেব সেদিনের কাজটা আপনি ঠিক করেন নি।
আজহার সাহেব বিদ্রুপের হাসি হেসে বললেন
-কোন টা ?অই বুড়িটাকে সাইন না দেওয়া!এতো তো আর .....আহ।
কিছু বলার আগেই নতুন কেনা চাকুটা ঢুকিয়ে দিলাম তার পেট বরাবর।দুহাতে বাচার আকুতি নিয়ে এগিয়ে দিল আমার দিকে আজহার সাহেব।চোখে ফুটে আছে এক রাশ বিষ্ময় ।আমার ঠোটে তখন বাকা হাসি।আমি বা হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলাম পাশে।হালকা ঝুকে বললাম
-আমার বাবা মা তুলে কথা বলাটা মোটেও ঠিক হয় নি আপনার।
কথাটা বলে পেছন ফিরে প্রায় চলেই এসেছিলাম।কিন্তু কেমন একটা অস্বস্তি লাগছিল ।ফিরে গিয়ে আবার চাকু হাতে ঝুকে বসলাম আজহার সাহেবের লাশটার উপরে।এক এক করে হৃদপিন্ড আর চোখ দুটো উপড়ে তুলে ফেললাম।ইটের টুকরা দিয়ে থেতলে চেহারা নষ্ট করে দিলাম।লাশের অবস্থা এতটাই বিকৃত হয়েছিল যে পুলিশ পর্যন্ত লাশ দেখে ভয়ে কেপে উঠেছিল।বডি শনাক্ত করা হয়েছিল আইডি কার্ড দেখে। সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম শুধু খুন করা নয়,লাশকে টুকরো টুকরো করার মধ্যেই আসল পৈশাচিকতা বিরাজ করে।নিহিত থাকে দুর্লভ সুখ।
.
.
আজহার সাহেবের মৃত্যুর খবর বেশ ঝড় তুলল জনমনে।কেউ কেউ খুনের নৃশ্ংসতা দেখে ভয়ে কেপে উঠল,কেউ বা সুখ হাসি দিল আজহার সাহেবের নিদারুন পরিনতি দেখে।আজহার সাহেবের কিছু শুভাকাংখী তার মৃত্যুর জন্যে আমাকে সন্দেহভাজন তালিকায় রেখেছিল।কিন্তু আমার অসুস্থতা আর অফিসের সবার সাথে ভালো সম্পর্ক  বজায় রাখার সুনাম থাকায় পুলিশ সেই তালিকা থেকে আমার নাম কেটে দিল।তবে এই ঘটনা ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল আন্ডারওয়ার্ল্ডে।ধনী কুবেররা টাকার বান্ডিল নিয়ে খুজতে লাগল খুনিকে।ভাগ্য যেন সহায় হল আমার উপর।পরিচয় গোপন করে পাড়ি জমালাম অন্ধকার দুনিয়ায় ।তখন থেকেই ছোট বড় ,কালো সাদা,নারী পুরুষ যে কাউকে মারতেই আমার হাত দ্বিতীয়বার কাপে নি।শুধু খুন করেই ক্ষান্ত হইনি ।প্রতিটা লাশের এতটাই মর্মান্তিক অবস্থা করেছি যে যে কেউ দেখলে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে তার।হয়তো সেজন্যেই সিরিয়াল কিলার হিসেবে বেশ খ্যাতি পেয়েছিলাম আমি।খুন করার আগে যে খুন হবে তার ছবি আর আমার ঠিকানা আমার ডার্ক ওয়েবসাইটে সেন্ড করে দেওয়া হত।কাজ শেষ হলেই হাতে চলে আসত মোটা অংকের টাকা।কে কাকে কেন খুন করছে এসব আমার জানার বিষয় ছিল না।আমি শুধু খুশি হতাম খুনের সুপারিশ পেলে,আমার নেশা র খোরাক যোগালে চাহিদা দিন দিন বাড়িতেই লাগল আমার ।সব কিছু ঠিকভাবেই চলছিল।। এ পর্যন্ত ৯৭৯ জন কে মেরেছি আমি ।কিন্তু বিপত্তি ঘটল ৮০ তম জনে।
হঠাত করেই আমার কাছে একদিন একটা ছবি এল ।ছবিটা দেখেই যেন আমার পায়ের তলা থেকে মাটী সরে গেল।নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।গোপন আইডী ব্যবহার করায় কে পাঠিয়েছে,কেন পাঠিয়েছে কিছুই জানতে পারছিলাম না।কি করব না করব কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।অবশেষে অনেক চিন্তা করে একটা সিদ্ধান্তে পৌছলাম।তোমাকে খুন  করব।
এতটুকু বলে থামল রুদ্র।তার সামনে হাত পা বাধা অবস্থায় পরে আছে কায়া।কায়ার চোখ দিয়ে টপটুপ করে পানি ঝরছে।যে মানুষটাকে সে ভালোবেসে বিয়ে করেছে ,যে মানুষটার সাথে এতদিন সংসার করছে আজ সেই কিনা তাকে মারতে উদ্যত হয়েছে।এক তীব্র ব্যাথা ছড়ীয়ে আছে তার চোখ মুখ জুড়ে ।
রুদ্র খানিকটা সময় নিশ্চুপ ভাবে কায়ার দিকে তাকিয়ে থাকল।ঘোর ভেঙ্গে একটূ ঝুকে বলল
-বিশ্বাস কর কায়া।তোমাকে মারতে আমার একটূও ভাল্লাগছে না।কিন্তু কি করব বল! আমাকে যে করতেই হবে এটা। 
এক গভীর আবেগ ফুটে উঠেছে রুদ্রর কন্ঠে ।কিন্তু চোখ দুটো যেন চকচক করছে এক নতুন নেশায় ।
কায়া কিছু বলার চেস্টা করছে বেশক্ষানিকখন থেকে কিন্তু মুখ বাধা থাকার  কারনে বলতে পারছে না।গলায় ছুড়ি চালানোর আগে রুদ্র কায়ার মুখের বাধন খুলে দিল।বুক ভরে নিশ্বাস নিল কায়া।সে ভালো করেই বুঝতে পেরেছে রুদ্রকে ফেরানোর কোন উপায় নেই তার ।ছলছল চোখে রুদ্রর দিকে তাকিয়ে বলল
-আমাকে এক বার চুমু খাবে প্লিজ?
প্রিয়তমা স্ত্রীর শেষ ইচ্ছাটুকু ফেলতে পারল না রুদ্র।টুক করে ঠোট ডুবিয়ে দিল প্রিয়তমার ঠোটে।ব্যাস সেটাই যেন কাল মুহুর্ত হয়ে দারাল তার জন্যে।প্রেয়সীর চোখে সর্বনাশ দেখেওনি এমন মানুষের সংখ্যা নেহায়েতই কম আছে ।কিন্তু রুদ্রর সর্বনাশ ডেকে আনল প্রিয়তমার ঠোট।প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে ছিটকে পড়ল দূরে ।কায়ার ঠোটে ফুটে উঠ বাকা হাসি।দড়ীর বাধন খুলে উঠে দাঁড়াল সে।একে একে সব বাধন খুলে আড়মোড়া ভাঙ্গল সে।রুদ্র যেন বিষ্ময়ের সর্বোচ্চ সীমায় পৌছে গেছে।চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে কায়ার দিকে।
কায়া পাশের টেবিল থেকে রুমাল নিয়ে ঠোট মুছতে মুছতে রুদ্রর দিকে তাকিয়ে বলল
-হ্যা ঠিক ধরেছ ।আমার লিপস্টিকে বিষ ছিল।কি!অবাক লাগছে তাই তো? লাগারই কথা।ভাবছো তোমার কাছে কন্ট্রাক্ট ছিল আমাকে মারার জন্যে কিন্তু আমি কেন তোমাক মারছি ? 
আমাকে মারার কন্ট্রাক্ট টা যে আমিই তোমাকে দিয়েছিলাম ।
বিষ্ময় যেন সীমা ছাড়িয়ে ফেলেছে রূদ্রর ।দুই হাত দিয়ে গলা চেপে হাপাচ্ছে সে।
রুদ্রকে ছটফটাতে দেখে কায়া বলল
-রিলাক্স মাই লাভ।যত প্যানিক করবে তত তাড়াতাড়ি আর পেইনফুলি মরবে।keep calm and you’ll get a less painful death.
রুদ্র অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত করে বলে উঠল
- কে... কে  তুমি?
-Good Question. কে আমি?আমিও তোমার মত একজন সিরিয়াল কিলার ।তোমার মত আমারও কিলিং প্যাশন শুরু হয়েছিল অভাবের তাড়নায়।খুব অল্প সময়ে আন্ডারোয়ার্ল্ডে আমি নাম কামিয়েছিলাম।তোমার মত কুকুর বিড়াল না  মানুষ মেরেই শুরু করেছিলাম এই যাত্রার।একের পর এক ক্লিন মাডার যোগ হতে থাকল সিরিয়াল কিলিং এর খাতায় ।কন্ট্রাক্ট এতই বেশি হয়ে গিয়েছিল যে খুজে বাছে কাজ নিতে লাগলাম আমি।বাকিরা কাজ করাতে না পেরে বিকল্প রাস্তা খুজতে লাগলেন।ঠিক সেই মূহুর্তে মাথা চাড়া দিলে তুমি ।ধীরে ধীরে আমার কাজ কমতে লাগল ।পরিচয় গোপন করায় তোমার পর্যন্ত পৌছানো কঠিন ছিল আমার জন্যে। তাই ফন্দি আটতে লাগলাম তোমাকে মারার ।এর মধ্যে আগুনে ঘি ঢাললেন এক ক্লাইন্ট ।তার বেশ কয়েকজন লোককে মারায় সে আমাকে কন্ট্রাক্ট পাঠিয়েছে তোমাকে খুজে বের করে মারার জন্যে।তারপর আর কি !দিন ক্ষন ঠিক করে তোমাকে আমার ছবি পাঠালাম ।পরক্ষন থেকেই আমি সর্বোচ্চ সিকিউরিটী মেইন্টেইন করতে লাগলাম।তোমার উপর সন্দেহ হয়েছিল সেদিন তোমার ল্যাপটপ ঘাটতে গিয়ে ।তোমার ব্রাউজার চেক করতে গিয়ে তোমার উপর সন্দেহ হয়েছিল।নজর রাখতে শুরু করলাম তোমার উপরে। দু দিনের মধ্যেই বুঝতে পারলাম হন্য হয়ে যাকে খুজছি সে আমার ঘরেই আশ্রয় নিয়ে আছে।তারপর বাকিটা তোমার সামনে।
এক নাগাড়ে কথাগুলো বলে ঘড়ির দিকে তাকালো কায়া।
-আর বেশিক্ষন না মাত্র দুই মিনিটের মেহমান তুমি।চিন্তা করোনা ।আমি তোমার জন্যে ভায়োলেন্স পছন্দ করিনা ।আমার প্যাশন খুন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।
হিলের খটখট আওয়াজ তুলে রুম থেকে বের হয়ে যেতে লাগল কায়া।রুদ্র কায়াকে চলে যেতে দেখে অনেক কষ্টে  বলে উঠল
-Kaya .Please save me.আমি তোমাকে অনেক্ ভালোবাসি।
রুদ্রর কথা শুনে থেমে দাড়াল কায়া ।ঘাড় ঘুড়িয়ে বলল
-Killers only kill .They don’t feel for the target.
কথাটা বলেই বের হয়ে চলে গেল কায়া।মাটিয়ে লুটীয়ে পড়ল রুদ্রর নিথর দেহ।সমাপ্তি ঘটল একজন সিরিয়াল কিলারের ।
 #সিরিয়াল_কিলার
 #আফরিন_ইনায়াত_কায়া</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21406/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jul 2021 20:20:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রথম খুন করেছিলাম একটা বিড়ালকে৷একমাত্র টিউশনটা ছুটে যাওয়ায় নানা দুশ্চিন্তা ঝাক বেধে বসেছে মাথায়।সিগারেটে সুখটান দিতেই যেন মাথাটা হালকা হয়ে গেল।একটু ঝিমঝিম করেও উঠল বটে।বেশ শান্তিতেই সিগারেটটা শেষ করে বাকিটুকু ছুড়ে ফেলে দিলাম দূরে।উঠতে যাব তখনি দেখি একটা ছোট বিড়ালের বাচ্চা পায়ের কাছে বসে মেও মেও করছে।বিড়ালটাকে দেখে বড্ড মায়া হল আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21406"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21406/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdfa8a189114bde0699a8f6213af97ec</guid>
				<title>আফরিন ইনায়াত কায়া and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21404/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jul 2021 20:17:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdfa8a189114bde0699a8f6213af97ec</guid>
				<title>আফরিন ইনায়াত কায়া and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21403/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jul 2021 20:17:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdfa8a189114bde0699a8f6213af97ec</guid>
				<title>আফরিন ইনায়াত কায়া and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21402/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jul 2021 20:17:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdfa8a189114bde0699a8f6213af97ec</guid>
				<title>আফরিন ইনায়াত কায়া and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21401/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jul 2021 20:17:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>