-
মোঃ মাহফুজুর রহমান and
বিষণ্ন সুমন are now friends
-
ক্ষুধিত মানুষ
কোন একদিন ভালবাসা চেয়েছিলে।
হৃদয়ের এক কোণে
সামান্যতম আশ্রয় নিলে।
একসময় কি যে হলো
সমস্ত বুক জুড়ে
একরাশ যন্ত্রণার মত এল ভালবাসা।ভালবাসাই যদি নেবে
তবে দূরে থেক।
অক্লান্ত অনুভবের ভীড়ে
আমায় জড়িয়ে রেখ।আমার বিশ্বাসটুকু গুড়িয়ে দিতে
তুমি কাছে এলে।
বুকের বাম দিকে এঁকে দিলে
দুঃসহ ক্ষতচিহ্ন।…Read More3 Comments -
ক্ষুধার নিবৃত্তি
মাঝ রাত্তিরে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল ময়নার। সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলো। এখানে-ওখানে মারের চোটে চামড়া ফেটে কালসিটে পড়ে গেছে। ফাটা জায়গাগুলো খুব জ্বালা করছে। তারপরেও এই ব্যথা তাকে তেমন একটা কাবু করতে পারছে না। সেই ছোট বেলা থেকে এখন পর্যন্ত এই জীবনে কম মার তো খায়নি। তাই এসব এখন গা সওয়া হয়ে গেছে। তার জন্মের চার বছরের মাথা…Read More
3 Comments -
আমি কতটুকুই করতে পারি
ইদানীং আমার কি যে হয়েছে আগের মত আর লিখতে পারিনা। লিখতে গেলেই কলম থেমে যায়। কিন্তু না লিখলে তো চলবে না। রানা ভাইকে কথা দিয়েছি, বিজয় দিবস সংখ্যায় লেখা জমা দেব। আর আমার স্বভাবে কথা দিয়ে তা না রাখার কোন দৃষ্টান্ত নেই। তাছাড়া এর সাথে অর্থের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ সংখ্যা বলে কথা। সন্মানীটা একেবারে ফেলনা নয়। এখানে-ওখানে…Read More
1 Comment -
ধুসর স্বপ্নের আখ্যান
এক
মেয়েটা পা ঝুলিয়ে গাছের ডালে বসে আছে।
গেরস্ত বাড়ীর বৈঠক ঘরের গোড়া ঘেসে গজিয়ে উঠা লিকলিকে পেয়ারা গাছ। ওটার একমাত্র পোক্ত ডালটি ধনুকের মত বাঁকা হয়ে বাড়ীর সামনে দিয়ে চলে যাওয়া পথের উপর উঠে গেছে। মেয়েটি বাঁকানো ডালটির ঠিক মাঝখানে বসে পরম আনন্দে দোল খাচ্ছে। ভারসাম্য রক্ষার জন্য দু’হাত দিয়ে উভয় দিকের…Read More7 Comments -
তোমার চাহনি
বদলে যাবার মিছিলে এখন তুমিও।
ঘাসের ডগাগুলো সব গেছে নুয়ে।
সবুজের জমিনে জড়ানো বাদামী প্রলেপ
অমলিন সরলতায় আঁকে বয়সী আস্তরণ।
হুমড়ি খেয়ে যায় সতেজ শিশির
ঝড়ে পড়ার ফেরে তাই কুয়াশার মরণ।এক রত্তি পায়ে হাঁটা পথকেও দেখি
তকতকে কার্পেটের শোভায় যায় মুড়ে।
চার চাকায় চলার গতিময় স্পন্দন
খুঁজে ফেরে এঁদো গলি স্…Read More4 Comments -
অপত্য আকাংখ্যা
কখনো কখনো বুকের ভেতরটা কঁকিয়ে উঠে।
সমান্তরাল চেতনায় মাছের পিঠের মত
কষ্টের উর্বর ভুমির জেগে উঠা টের পাই।
একটা অতল সাগরে খাবি খাবার ছলে
বেঁচে থাকার অমিয় সম্ভাবনা নিয়ে
ক্রমশঃ মাথা উঁচু করে অনূভূতির ব-দ্বীপ।আকাশ কুসুম চিন্তার পরিসরে
জীবনের ছবি যতই রাঙ্গানো হোক।
অথৈ সমুদ্রে ডিঙ্গি নৌকোর অবগাহন
অপরিসীম সত্যের মত…Read More2 Comments -
কৈফিয়ত
আমি বুঝতে পারিনা
তোমার কিসের এত অহংকার।
শালিনতার আবরণটুকু সরিয়ে নিলে
তুমি তো বিধাতার আর সব সৃষ্টির মতই সাধারণ।
তারপরেও মুগ্ধ ক্ষুধিত দৃষ্টিগুলো
তোমায় যে কেন ঘিরে থাকে
আমি সত্যিই জানিনা।তোমার নিরাভরন দেহে আকর্ষণ থাকতে পারে
কিন্তু তাতে ভালবাসা জাগে না।
তোমার নারীত্বে আনন্দ আছে
কিন্তু সততা নেই।জানি তোমার সানি্নধ্যে আসতে…Read More
2 Comments -
যে জলে তৃষ্ণা মেটেনা
আজ দুইদিন যাবত টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে আমাদের বাড়ীর চারপাশ মাঠ-ঘাট ডুবে একাকার। যেদিকেই তাকাই শুধুই পানি আর পানি। এরকম বৃষ্টিতে মানুষের জীবনযাত্রা বিশেষ করে গ্রামীন জনপদ একদম স্থবির হয়ে যায়। আমাদের অবস্থাও তাই। মা তো কেবল লাগোয়া রান্নাঘর আর বড় ঘর এই দু’য়ের মাঝে দৌড়াদৌড়ি করেই সময় পার করছেন। বাড়ীর উঠো…Read More
-
বাবার জন্য ভালোবাসা
বয়স হলেই মরে যায় মানুষ।
তারপরেও বেঁচে থাকে কেউ।
বেঁচে থাকে আড্ডায়। মননে।
কিম্বা আমাদের ভাবনায়।কখনো কি দেখেছো বাবাকে
দেওয়ালে টাঙ্গানো ছবি হতে ?
বাবার ছবি আমি রাখিনি কোথাও।
আমার মনেও পড়েনা কখনো
বাবা নেই।আমার একটা আকাশ ছিল।
ইচ্ছেমত ওড়ার শখ ছিল।
আমি কখনো পাখি হতে পারিনি।
তারপরেও ওড়েছি দিগ্বিদিক।…Read More2 Comments -
বাবা
এক রত্তি আকাশ
ছুঁয়েছো কি কখনো?
হাতের আংগুল নাড়িয়ে
কখনো কি পাল্টেছো
একটা গোটা দৃশ্যপট।ছবির মত করে পাল্টেছে জীবন
দিন মাস বছর ধরে অবিরত।
কখনো ছন্দপতন ঘটেনি
কিংম্বা ঘটলেও তুমি টের পাওনি।তুমি ছিলে লুকানো থলের ভেতর
একটা অসম্পূর্ণ সাজানো পুতুল।সযতনে গড়েছে তোমায়
আবার নেড়েছে অতীব সাবধানে।
বহুবিধ আলোর ছটায়
তোমায় সাজিয়েছে অবল…Read More2 Comments -
তোমাতে-আমাতে
মনে রেখো
এই যুদ্ধ তোমার আমার।তোমার বুকে ভাঙ্গনের গান।
দৃষ্টিতে শ্রাবণ নিনাদ।
বিধ্বংসী আকাংখা বয়ে যায়
আঘাতে এবং আঘাতে তোমার।অথচ আমি যেন অনমনীয় ভালোবাসা।
নিরলস হাতুড়ি পিটিয়ে
হৃদয়ের ভগ্নপ্রায় স্বপ্নগুলো
এক এক করে জুড়ে দেই।
যতবার তুমি আঘাত হানো
ততবার আমি উঠে আসি।
নিখুঁত চাদর বোনার মত করে
গোটা গোটা স্বপ্ন বুন…Read More11 Comments-
-
-
-
-
শেষ লাইনের
“মাত্র দু’জন খেলোয়াড়”
এই নিঃসঙ্গ পরিপূর্ণতাটুকু দীর্ঘক্ষণ মনে থাকে
একজন ভাঙে, আরেকজন গড়ে
-
-
আত্মার বেসাতি
কষ্টের সুতীব্র দহনে পুড়ছে হৃদয়।
পুড়ছে চোখের নোনাজল
লুকানো আশ্বাস
আকুল প্রহর
সব কিছু।বুকের ভেতর আগুন লেগেছে।
কোমল সাগরে এখন ঝড়ের মাতম।
অন্ধকার মৃত্যুবৃত্তের লোভনীয় হাতছানি
সহসা জীবন ছুঁয়ে যায়।
বুকের রক্তাক্ত গভীরে
নারকীয় উল্লাসের আর্তনাদ শুনি।
বাহিরে মিথ্যার আকাশ।
বিবস্ত্র বেশ্যার বু…Read More10 Comments -
-
একটি দুঃস্বপ্নের মৃত্যু
আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম…
ফজরের আজান হচ্ছে। এই আজান শুনে অনেকেই ঘুম থেকে জেগে উঠবে।
কিন্তু আমাদের ঘরে কেউ জাগবে না। কেননা গতরাতে আমাদের ঘরে কেউ একরত্তি ঘুমায়নি।
সবাই এমনিতেই জেগে আছে। জেগে থাকবার একজন যাও ছিল, সেই এখন চিরতরে ঘুমিয়ে আছে।
তার আর কোনোদিন জাগবার জো রইলো না।খুব বেশি দূরে নয়।
আমি এখন যেখানে বসে আ…Read More6 Comments -
ফেরা
রুপসীর পেয়ালায় সৌন্দর্যের ভাপ উঠে
ক্রমশঃ মিলিয়ে যায় রুপোলী ক্যানভাসে।
অসীম তৃপ্ততায় পরিশেষের ঢেকুর তুলে
অবলিলায় মজে থাকি মগ্ন বিলাসে।একরত্তি চোখ শেষ কবে হয়েছিল কামুক
তার ইতিহাস বেচে চলে ছন্দের বিকিকিনি।
ফুলের পাপড়িতে জুটে কলংকের আচড়
অলির পদভারে তবু নবজীবনের আশ্বাস শুনি।শিল্পির তুলিতে আঁকা স্বপ্নের ছবি
আজ তু…Read More7 Comments -
ব্যাধি
ইদানীং নিজেকে খুব প্রেমিক মনে হয়।
মনে হয় নতুন করে প্রেমে পড়ছি।যদিও আমি বরাবরই প্রেমে পড়তে ভয় পাই।
আমার ধারোনা
প্রেম একটা ভীষন মানসিক ব্যাধি।অহর্নিশ ভেতরটা পোড়ায়।
পুড়ে পুড়ে খাঁক করে দেয়
একটা গোটা জীবন।আপনারা আমার চোখ দেখুন।
দেখবেন ওখানে একটা সুন্দর মুখ
দিব্যি হাসি মুখে আলো ছড়াচ্ছে।আপনারা আমার নাড়ি টিপ…Read More
2 Comments -
শিকার
ঘুম থেকে জেগেই আসমার প্রথম যে অনুভুতিটা জাগলো, তা হলো ক্ষুধার। অপুষ্টিতে ভোগা রোগা শরীর। এমনিতে চৌকি থেকে নামতে তার যথেষ্ট বেগ পোহাতে হয়। তবুও কি এক শক্তি বলে সে বেশ দ্রুতই বিছানা থেকে নেমে গেল। ত্বরিৎ এগিয়ে গেল ঘরের এক কোণে বসানো মাটির চুলাটার দিকে। ওটার উপর চড়িয়ে রাখা ঢেবা-ঢোবা পাতিলটা দৃষ্টি আকর্ষণ করল ওর। হাতের এক ঠেলায় পাত…Read More
7 Comments -
-
ক্ষুধার নিবৃত্তি
মাঝ রাত্তিরে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল ময়নার। সারা শরীরে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করলো। এখানে-ওখানে মারের চোটে চামড়া ফেটে কালসিটে পড়ে গেছে। ফাটা জায়গাগুলো খুব জ্বালা করছে। তারপরেও এই ব্যথা তাকে তেমন একটা কাবু করতে পারছে না। সেই ছোট বেলা থেকে এখন পর্যন্ত এই জীবনে কম মার তো খায়নি। তাই এসব এখন গা সওয়া হয়ে গেছে। তার জন্মের…Read More
2 Comments -
পথ খোঁজ না বন্ধু
তোমার হয়তো পথ জানা নেই
এ পথ তো জানে থামবে কোথায়।
বিশ্বাষের তরে যাওনা এগিয়ে
বন্ধু জন সব পথেই মিলায়।তোমার ঈপ্সিত পথের পিঠে
ফনিমনসা’রা লুটোপুটি খায়।
অকল্যাণ ছেড়া ফুলঝুড়ি ছুটে
নহবত বাজে দেখ আঙিনায়।মলিন ছেড়া-ফোড়া এলো বাতাস
তুবড়ি বাজিয়ে যায় যে সহসা।
রোদে ভেজা সফেদ বালুকা বেলা
শোষে নেয় অমৃত ঘন তমসা।অকস্মাতের তীরে তর…Read More
8 Comments-
-
-
“হাল ছেড়োনা কভু আপন ভুলে
হৃদয় তুলিতে আঁকো যে সমন” এই লাইনটা পড়ে মনে একটা শক্তি অনুভব করলাম! “ফনিমনসা”, “নহবত”, “তমসা” এই শব্দ বাছাইয়ে একটা পরিশীলিত রুচি আছে যা কবিতাটাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে! -
-
-
ভান করেই না হয় থাকি
ইদানীং কেউ কেউ সত্যের মত করে মিথ্যে বলে।
মুখচোরা আমি বুঝতে পারলেও কিছু বলতে পারি না।ছোটবেলায় রুপকথার দঁতাল দৈত্য দানোর কথা শুনে খুব ভয় পেতাম।
রাতের বেলা ঘুমুতে পারতাম না মোটেই।এখন ঘুমুতে পারি ঠিক
কিন্তু রাতের ভয়টা কাটেনি এখনো।
এক পরাক্রমশালী ক্ষুদ্র দানো
ঘুম কেড়ে নিয়েছে সবার।অসহায় পতঙ্গের মত মরছে মানুষ।
আবার…Read More3 Comments - Load More Posts
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন
ডিজাইনার
স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
Friends
মোঃ মেহেদী হাসান মুন্না
@mehedihasanmunna
Shah Fakhrul Islam
@shahfakhrulislam
1 Sen
@1sen
Imamul Islam
@imamul-islam
শায়লা এ্যামিন
@shaylaaemin945gmail-com
saad bin
@saadbin
atif ac
@atifac
আব্দুল্লাহ আল আমিন
@abdullahalamin
Tanvir Ahamed
@tanvirahamed





বুকের বাম দিকে এঁকে দেওয়া সেই দুঃসহ ক্ষতচিহ্নের দাগ যেন পড়ার সময়ও অনুভব করা যাচ্ছিল।