<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | নাদিম হোসাইন | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/nadim-hossain/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/nadim-hossain/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for নাদিম হোসাইন.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 03:52:31 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">db44352591256732e82aa5e41b7b8fe0</guid>
				<title>২০১০ সালে আমার প্রথম লেখা গল্প। তখন সদ্য SSC পাশ করা একটি ছেলে আমি৷ তখন লিখেছিলাম &quot;অপেক্ষা&quot; নামের একটি গল্প। ভাবছি আমার তুলট পরিবারে সেই গল্পটি শেয়ার করবো৷।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237655/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 10:06:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২০১০ সালে আমার প্রথম লেখা গল্প। তখন সদ্য SSC পাশ করা একটি ছেলে আমি৷ তখন লিখেছিলাম &#8220;অপেক্ষা&#8221; নামের একটি গল্প। ভাবছি আমার তুলট পরিবারে সেই গল্পটি শেয়ার করবো৷।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b604b8602e5aa153d6d89b45ae359cab</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ শেষ পর্ব
——————————————————————————————————————
চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। লোকমান সাহেব আজ গভীর ঘুমে মগ্ন। সন্ধ্যায় আজ তিনি তার ড্রাইভারকে নিয়ে তার বাংলোতে এসে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি জানেন না কি হবে তার সাথে। কিন্তু দশটা বাজতেই তার গভীর ঘুম পায়। সে ঘুমিয়ে পরে। হটাৎ কিসের যেন আওয়াজ হচ্ছে। আওয়াজ এর শব্দ লোকমান সাহেবের কানে আসতেই তার ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। সে তাকিয়ে তার ঘড়িটার দিকে তাকালেন। রাত দুটো বিশ। কিসের যেন একটা আওয়াজ ভেসে আসছে। তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি ধীরে ধীরে উঠে বসলেন। তিনি কান খাড়া করে শব্দটা শোনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বোঝা যাচ্ছে না। তিনি চুপচাপ বসে রইলেন। একটুপর তিনি বুঝতে পারছেন কেউ যেন তাকে ডাকছে। হ্যা আসলেই তো তাকে সাহেব বলে কেউ ডাকছে। কন্ঠটা খুব চেনা মনে হচ্ছে। একটু পর কন্ঠটা আরও স্পষ্ট হলো। তিনি এবার চিনতে পারছেন। এটা তো সখিনার কন্ঠ। কিন্তু সখিনার তো মৃত্যু হয়ে গেছে। তাহলে ডাকছে কে? তিনি আজ আর ভয় পাচ্ছেন না। তিনি বিছানা থেকে অনেক কষ্টে নেমে নিচে দাড়ালেন। তারপর রুম থেকে বের হলো। চারদিকে খুব অন্ধকার। কিছু দেখা যাচ্ছে না। আজ লোকমান সাহেব এর একটুও ভয় করছেনা। শুধু শোনার চেষ্টা করছে আওয়াজটা কোথা থেকে ভেসে আসছে। সখিনাকে তার বাংলোর পাশেই কবর দেয়া হয়েছে। সখিনার পাশের কবরটা তার হাসবেন্ড কুদ্দুস এর। কিন্তু একি আওয়াজটাতো মনে হচ্ছে ঐখান থেকেই ভেসে আসছে। তাহলে কি তারা তাকে ডাকছে। তাহলে কি আজ তিনি চিরতরে বিদায় নেবেন। নাকি আজও একটা ভয় তার ভেতরে বসিয়ে দেবেন। কি আছে তার কপালে। লোকমান সাহেব হটাৎ লক্ষ করলেন, কবরের পাশে দুজন বসে আছে। কারা তারা!! লোকমান সাহেব এইবার প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি দাড়াতে পারছিলেন না। তার বুকের ভেতরটা চিন চিন করে ব্যাথা করছে। তাহলে কি তার আজ হার্ট এট্যাক করে মৃত্যু হবে। এবার কবরের পাশে বসে দুজন মানুষ একসাথে তাকে ডাকলো। 

	সাহেব।। ও সাহেব।। এইখানে আসেন।। এইখানে আসেন সাহেব। 

লোকমান সাহেব কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। তিনি তার বুকের উপর হাতটা চেপে ধরে রাখলেন। তারপর চোখটা বন্ধ করলেন কয়েক সেকেন্ডের জন্য। তিনি ভাবলেন তিনি আজ আর পিছু ফিরে যাবেন না। যা হবার হবে। আজ তিনি তার এই ভয়ের মোকাবিলা করবেন। তিনি চোখ খুললেন। ধীরে ধীরে তার পা দুটো’কে সামনের দিকে বাড়ালেন। যা হবার হবে। তার মাথাটা হটাৎ ভারি হয়ে উঠছে। বুকের ব্যাথাটাও বাড়ছে। তিনি হাত দু’টো দিয়ে বুকে জোরে চেপে ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আজ তার সপ্নীল কারাগার থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছেন। তিনি জানেন না কি হবে আজ তার সাথে। তুবও তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন তো এগিয়ে যাচ্ছেন। আজ আর পিছু ফিরে যাবেন না।।

 	                                                            সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237613/</link>
				<pubDate>Sat, 07 Feb 2026 18:22:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ শেষ পর্ব<br />
——————————————————————————————————————<br />
চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। লোকমান সাহেব আজ গভীর ঘুম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237613"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237613/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">18ab3c56a645639e66dfbf86924cbd2a</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১৮
——————————————————————————————————————
সকাল ৭:৩২ বাজে। আজ ভার্সিটিতে যাবে না অর্পিতা। কারন আজ আবীর এর সাথে তার বাসর হবে। কি অদ্ভুত একটা বিয়ে করলো তারা। অর্পিতা তার জানালার পাশে দাড়িয়ে প্রকৃতিটা দেখছে। আজ সকালটা অনেক সুন্দর মনে হচ্ছে তার কাছে। কিন্তু কেন মনে হচ্ছে সেটা সে জানে না। তবে আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর থেকেই সে শুধু আবীর কে নিয়ে ভাবছে। আবীর এখন তার বর। তবে এমন একটা বর যে কিনা আমার থেকেও ছোট। কিন্তু সে আমাকে অনেক ভালোবাসে। উফফফ এই কথাটা ভাবতেই খুব ভালো লাগছে। কিন্তু আমি অনেক কষ্ট দিয়েছি। কিন্তু আর না। এখন থেকে শুধু ভালোবাসবো, অনেক ভালোবাসবো। আচ্ছা আবীর কি এত সকালে জেগে আছে..!! মনে হয়না। আচ্ছা একটা ফোন দেবো..!!! নাহহহ এখন না, একটু পর দেবো।। আবীরকে কখনও বলতে পারিনি আমি ওকে কতটা ভালোবাসি। আজ আমাদের বাসর ঘরেই আমি তাকে বলবো, তাকে আমি কতটা ভালোবাসি। কিন্তু আবীরকে কি আমি আগেও ভালোবসতাম..?? হ্যা ভালোবাসতাম। কিন্তু বুঝতে পারিনি কখনও। এখন আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, “ আবীর আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।” কিন্তু আমাদের বাসরটা যদি আমরা রাতে করতে পারতাম, তবে বেশি ভালো হতো। কিন্তু যত সমস্যা আমার পরিবার নিয়ে। একটি রাতও আমাকে রাতে ছাড়বে না। ধুর বাসর তো বাসরই। সেটা দিনে হোক কিংবা রাতে। আচ্ছা আবীরকে আজ একটা গিফট দিতে হবে। হাজার হোক আজ আমাদের বাসর বলে কথা। কিন্তু কি গিফট দেয়া যায়..!! আবীরকে আজ পর্যন্ত কখনও কিছু দেওয়া হয়নি। আজ ওকে কিছু একটা গিফট দিয়ে বাসরটাকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে। আল্লাহ্ ভালো জানে আজ আবীর আমার জন্য কি কি প্লান করে রাখছে। ও হয়তো আমাকে সারপ্রাইজ করতে অনেক কিছুই ভেবে রাখছে। সময়তো এখন কিছু ঘন্টার মাত্র। কিন্তু সকালটা কেন যেন কাটতে চাইছে না। মনে হচ্ছে সময়টা থেমে আছে। তবে আজ থেকে আমি বলতে পারবো আমার হাসবেন্ড সেরা। ফেসবুকে এ তো কালই স্টাটাস পরিবর্তন করে Married দিয়েছি। আজ আবীর এর সাথে কাপল ছবি তুলে সেটা আপলোড দিয়ে দিবো এবং লিখে দিবো, “He is my husbend and I love him so much.” আচ্ছা আবীর কি স্টাটাস পরিবর্তন করেছে। তবে আজ থেকে আবীর এর সাথে ভদ্র আর নম্রভাবে কথা বলতে হবে। হাজার হোক সে এখন থেকে আমার বর বলে কথা। ওর পায়ের নিচেই আমার জান্নাত। ধুর ছাই, কিসব ভাবছি সেই কখন থেকে। যত্তসব আজেবাজে চিন্তা। নাহ আমি আর পারছি না। আবীরকে একটা কল দেই। দেখি ওকি ঘুমিয়ে আছে নাকি জেগে আছে। কিন্তু যদি ও বিরক্ত হয়। নাহ ওকে কোন বিরক্ত করা যাবে না। ও একটু শান্তি মত ঘুমাক। ওর সকল চিন্তা শেষ। এখন থেকে শান্তি মত ঘুমাবে ও।। 

অর্পিতার ফোনটা বেজে উঠলো। অর্পিতার ভাবনাগুলো থেমে গেলো। সে মনে মনে ভাবছে নিশ্চই আবীর ফোন করেছে। সে জানালার কাছ থেকে সরে তার খাটের দিকে এগিয়ে গেল। খাটের উপর মোবাইলটা ছিল। মোবাইলটা হাতে নিল। কিন্তু কি ব্যাপার এতো আবীর না। তার বান্ধবী রেশমার ফোন। সে ফোনটা রিসিভ করেই বলল…..
	Good Morning বন্ধু।।
	কোথায় আছিস তুই..??
	বাসায় আছিরে।
রেশমা খুব অস্থির স্বরেই বলছে….
	তুই এক্ষুনি ভার্সিটির গেটে আয়। 
	নাহহ রে দোস্ত আমি আজ ভার্সিটি তে যাবো না। 
রেশমা এবার আবার অস্থির স্বরে বলছে…
	প্লিজ অর্পিতা, তুই পাঁচ মিনিটের মধ্যে আয়। তোকে ক্লাসে যেতে হবে না। আর আমরা ক্লাসে কেউ যাবো না। 
অর্পিতা একটু অবাক হয়ে বলল….
	ওহহহ। কিন্তু কেন রে.. কোথাও যাবার প্লান করছিস নাকি। তাহলে আমি একেবারে রেডি হয়ে আসি। জানিসতো আজ আমার আবীর এর সাথে……
রেশমা কথা শেষ করতে না দিয়ে একটু রেগে বলছে….
	প্লিজ দোস্ত।। তুই একটু জলদি আসবি। তোর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। 
অর্পিতা একটু হকচকিয়ে গেল। সে বলল….
	ওহহহ।। কেন কি হয়েছে দোস্ত। তোর কি কোন বিপদ হয়েছে নাকি!!!
	দোস্ত, তোকে আমি সব বলছি। কিন্তু তুই প্রশ্ন না করে একটু জলদি বের হ। তু্ই আসলেই সব জানতে পারবি। দেরি করিস না। রাখলাম।।

রেশমা ফোনটা কেটে দিল। অর্পিতা একটু বিষন্ন হয়ে গেল। যাই হোক যাওয়ার পথে মার্কেট থেকে আবীর এর জন্য একটা গিফট কিনে নিয়ে আসবো। আবীরকে কি একটা ফোন দেবো!! ওহহহহহ আবার আবীর। নাহ এই ছেলেটাতো আমার মাথাটা নষ্ট করে দিল মনে হয়। 
অর্পিতা চুলটা ঠিক করে আর ড্রেসটা Change করে বেরিয়ে পড়লো। সে গিয়ে দেখলো রেশমা সহ তার আরও কিছু বান্ধবী দাড়িয়ে আছে। অর্পিতা আসতেই তারা একটা রিক্সায় উঠে পড়লো অর্পিতাকে নিয়ে। অর্পিতা প্রশ্ন করলো কি ব্যাপার কোথায় যাচ্ছিস, কিছু কি হয়েছে। কিন্তু রেশমা শুধু বলল, চল তো ভাই। গেলেই দেখতে পারবি। অর্পিতা আর কিছু বলল না। তবে তার মেজাজটা একটু গরম হয়ে গেছে। কিছু বলতে পারছে না। কারন রেশমা তাকে অনেক সাহায্য করেছে। চুপ চাপ রিক্সায় বসে থাকা ছাড়া আর কোন উপায়ও নেই। 

একটু পর রিক্সাটা আবীর এর বাসার সামনে থামলো। অর্পিতা কিছু বলার আগেই রেশমা ভাড়া দিয়ে ভেতরে ঢুকলো অর্পিতাকে নিয়ে। অর্পিতা ভেতরে ঢুকতেই অবাক হয়ে গেল এবং ধীরে ধীরে সামনে এগুলো। সে বুঝতে পারছে না এখানে এত ভীড় হবার কারন কি..? রেশমার ছোট ভাই এগিয়ে আসলো। তারপর তাদের নিয়ে সামনে এগিয়ে গেল। অর্পিতা কিছুটা সামনে গিয়ে থেমে গেল। সে আর যেতে পারলো না। মনে হচ্ছে তার পা আর চলছে না। সে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। কারন সামনে আবীর এর নিথর দেহ পরে আছে। অর্পিতা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। কিন্তু কিছু বলতে বা বুঝতে পারছে না। একজন ভদ্র মহিলা সামনে এগিয়ে আসলেন। তারপর হাউমাউ করে কাদতে কাদতে অর্পিতাকে জড়িয়ে ধরলেন। আর কাদঁতে কাদঁতে বলছেন…..
	মা’রে!! আমার ছেলেটা নেইরে মা। আমার সোনার টুকরো ছেলেটা নেইইইই।।।।
অর্পিতার শরীরে কোন শক্তি পাচ্ছে না। কেমন যেন বুকের ভেতরটায় খুব যন্ত্রনা দিচ্ছে। মনে হচ্ছে ভেতরটা খালি খালি লাগছে। তার চোখ যেন সরতে চাইছে না আবীর এর থেকে। আবীর এর মা আবার বলছেন…..
	আমি পারলাম না আমার ছেলেকে তার পছন্দের বাইকটা দিতে।। আমি পারলাম না। ( বলেই আবার কান্না করতে থাকলেন।))
অর্পিতা বুঝতে পারলেন ইনি আবীর এর মা। কিন্তু আবীর মরতে পারে না। কাল রাতেও তার সাথে কথা হয় আমার। কিভাবে সম্ভব এটা। কাল রাতে অনেকটা সময় আমরা একসাথেই ছিলাম। এ হতে পারে না। শানু বেগম অর্পিতাকে নিয়ে নিস্তেজ শরীর এর পাশে গিয়ে বসলেন। অর্পিতা তার হাতটা ধীরে ধীরে আবীর এর মুখে স্পষ করলো। তারপর বলতে থাকলো…….
	আবীর….. এই আবীর…. উঠো না। কি হয়েছে তোমার। আমি এসেছি তো। দেখো তুমি। অনেক হয়েছে…. এখন উঠো। আজ আমরা বাসর করবো। তোমাকে বিরক্ত করিনি আজ সকালে। উঠ প্লিজ সোন। উঠো না। আমি আজ তোমাকে ঘুমাতে দিয়েছি সকালে। কিন্তু এতক্ষন নয়। উঠো প্লিজ। (অর্পিতা এইবার কাদঁতে থাকলো আর বলতে থাকলো।) এই আবীর, আমি যে তোমাকে এখনও বলতেই পারলাম না, তোমাকে আমি কতটা ভালোবাসি। প্লিজ উঠো। তোমাকে আমার অনেক কথা বলার আছে। আজ তোমাকে আমি আমার মনের সব কথা বলবো তো। উঠো না গো। 
শানু বেগম কাদঁতে কাদঁতে বলছেন…
	মা’রে তোর আবীর যে মারা গেছে মা। ও আর উঠবে না। (শানু বেগম আরও হাউমাউ করে কাদঁতে থাকলেন আর বলছেন) ওর বোন বলেছিল আজ ওকে শাষন করবে। কিন্তু তা আর হলো না। তুই কান্না কর মা। তুই কান্না কর। কান্না কর……..

একথা শেষ না হতেই অর্পিতা শানু বেগমকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কান্না শুরু করে দিল। যেন তার পৃথিবীতে আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। কাদঁতে কাদঁতে অর্পিতা জ্ঞান হারিয়ে ফেলল…
তার আর স্বামীর সোহাগ পাওয়া হলো না। যাকে এত ভালোবাসলো সে আজ তার চোখের সমনে মৃত। 
একটু দুরে একটা চেয়ারে হেলানো অবস্থায় পড়ে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন লোকমান সাহেব। তার চোখ দিয়ে নীরবে পানি ঝড়ছে। তার শরীর-এ একটু শক্তি নেই যে উঠে এসে ছেলেকে জড়িয়ে ধরবে। শুধু তাকিয়ে দেখছে তার প্রিয় ছেলেটার নিস্তেজ দেহ। আজ তার কারনেই হয়তো রোড এক্সিডেন্ট-এ মারা গেল তার ছেলে। তার পাপের ফল এটা। তার আর বেচেঁ থাকার আশা নেই। সে আর কিছু ভাবতে পারছে না। শুধু তাকিয়ে আছে তার ছেলের মায়া ভরা মুখের দিকে। আজ তার সন্তান তার আগেই চলে গেল। সে ভাবতেই পারছে না। চুপচাপ শুধু তাকিয়ে আছেন।। 
 
To be continue....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237267/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jan 2026 19:42:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১৮<br />
——————————————————————————————————————<br />
সকাল ৭:৩২ বাজে। আজ ভার্সিটিতে যাবে না অর্পিতা। কারন আজ আবীর এর সাথে তার বাসর হবে। কি অদ্ভুত একটা বিয়ে করলো তারা। অর্পিতা তার জানালার পাশে দাড়িয়ে প্রকৃতিটা দেখছে। আজ সকালটা অনেক সুন্দর মনে হচ্ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237267"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237267/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b752e2cdc10ded3b5aafefae74409ac</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১৭
——————————————————————————————————————
 চারদিকে খুব অন্ধকার। কালো ঘুটঘুটে অন্ধকার। অন্ধকারে হাটার মজাটাই অন্যরকম। এটা তো আগে বোঝা যায়নি। কিন্তু চারদিকে কোন মানুষ নেই। হাটছি তো হাটছি। ঐতো কিছুদুরে ল্যাম্প পোষ্ট দেখা যাচ্ছে। কিন্তু বাতির নিচের লোকটা দৌড়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেল। কোথায় গেল লোকটা। হাটার মাঝে লোকটা থাকলে ভালই সঙ্গি হতো। ঐতো আরেকটা লোক দেখা যাচ্ছে। লোকটাও যেন খুব দ্রুত কোথাও চলে যাবে মনে হচ্ছে। কিন্তু এই অন্ধকারে সবাই কোথায় যাচ্ছে। লোকটাকে ডাকা দরকার। জানতে হবে সবাই কোথায় যাচ্ছে। সাত পাঁচ ভাবা যাবে না। লোকমান সাহেব কিছুটা চিৎকার করেই ডাকলেন।।
	এইযে ভাই, শুনছেন। 
লোকটা পেছনে ফিরে তাকালেন না। কিন্তু দাড়িয়ে পড়লো। লোকমান সাহেব লোকটার সামনে গেলেন। তারপর বললেন….
	কোথায় যাচ্ছেন..? মনে হচ্ছে খুব তাড়া আছে আপনার। 
লোকটা মাথা উপর নীচ করে হ্যা সুচক মাথা নাড়লেন। লোকমান সাহেব আবার প্রশ্ন করলেন।
	আসলে আমি কি আপনার সাথে যেতে পারি!!
লোকটা আবার মাথা উপর নিচ করে হ্যা সূচক মাথা নাড়লেন। লোকমান সাহেব লোকটার সাথে হাঁটা শুরু করলেন। লোকটার চেহারা বোঝা যাচ্ছে না। তবে কালো এটা ঠিকই বোঝা যাচ্ছে। তবে অনেকটা অদ্ভুত ধরনের। লোকমান সাহেব আবার প্রশ্ন করলেন, 
	আসলে কিছু মনে করবেন না। আমরা কোথায় যাচ্ছি। 
লোকটা এবার নিরবতা ভেঙ্গে বললেন……
	চলেন। গেলেই দেখতে পারবেন। 
	নাহ্। আসলে জানতে ইচ্ছে করছে তো তাই। 
	কইলাম না। গেলেই দেখতে পারবেন। 
লোকমান সাহেব আর কিছু বলার সাহস পেলেন না। চুপচাপ হাটতে শুরু করলেন। কিছুদুর যেতে না যেতেই লোকটা থেমে গেলেন। লোকমান সাহেবও থেমে গেলেন। লোকমান সাহবে প্রশ্ন করলেন….
	কি ব্যাপার। থামলেন কেন.??
লোকটা অদ্ভুত ভঙ্গিতে বললেন। তবে নিচের দিকে তাকিয়ে 
	যা তরা। সইরা যা। আমি আছি। তরা সইরা যা কইতাছি। 
লোকমান সাহেব একটু অবাক হলেন। লোকটা কি বলছেন। লোকমান সাহেব নিচে তাকালেন। তারপর তিনি যা দেখলেন, তা দেখার জন্য তিনি মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না। চারটে সাপ ফোনা ফুলিয়ে বসে আছেন। লোকমান সাহেব প্রচন্ড ভয় পেলেন। তার মুখ থেকে কোন কথা বের হলোনা। তিনি চুপ করে কিছুক্ষন দেখলেন। তবে মনে হচ্ছে সাপগুলো তার দিকেই দৃষ্টি দিয়ে আছে। তার এখন আরও ভয় লাগছে। লোকটার কথা শুনে সাপগুলো মাথা নিচু করে কোথায় যেন হারিয়ে গেল। এইবার লোকটাকে খুব ভয় করছে। লোকটা কে, তার কথা শুনে সাপগুলো কোথায় চলে গেল। লোকমান সাহেব লোকটার পেছনে পেছনে আবার হাটঁছেন। তবে এবার তার প্রচন্ড ভয় করছে। কিছুদুর অনেকগুলো মানুষের ভিড়। লোকমান সাহেব এবার বুঝলেন সবাই তাহলে এখানেই আসছিল। লোকমান সাহেব হটাৎ দেখলেন তার পাশের লোকটা নেই। তিনি খুব অবাক হলেন। লোকটা কোথায় গেলেন। বেশ তো ছিলেন এতক্ষন। হয়তো তিনি ভিড়ের মধ্যে ডুবে গেছেন। লোকমান সাবেহও ভিড়ের মাঝে ঢুকলেন। সবাই কি দেখছে সেটা দেখার জন্য। কিন্তু এখানে তো একটা লাশ পড়ে আছে। কিন্তু কার লাশ বোঝা যাচ্ছে না। চোহারাটা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু একি!! আবীর এখানে কেন?? লোকমান সাহবে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে বললেন।
	আ..বীর।। বাবা তুই এখানে কেন?? এই লাশের পাশে বসে তুই কাদঁছিস কেন??
আবীর খুব ধীরে ধীরে মাথা উচু করলো। তারপর কান্নাজড়িত কন্ঠে বলছে…..
	আব্বু… আব্বু…..তুমি চলে যাও। আব্বু গো… ওহ আব্বু তুমি চলে যাও। ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। আব্বু তুমি চলে যাও। 
লোকমান সাহেব তার ছেলের দিকে যেতে চাইলেন। কিন্তু একি!! সে তো সামনে যেতেই পারছে না। কারা যেন তাকে পেছন থেকে ধরে রেখেছে। লোকমান সাহেব চিৎকার করে বলছেন…
	তোমরা আমাকে ছারো। আবীর আমার সন্তান। ও কাদঁছে। প্লিজ তোমরা আমাকে আমার ছেলের কাছে যেতে দাও। ছারো তোমরা আমাকে।। ছেড়ে দাও আমাকে তোমরা।
লোকমান সাহেব কাদঁতে কাদঁতে বলে যাচ্ছিলেন কথাগুলো। তার চোখের পানি কিছুতেই সামাল দিতে পারছেন না। আবীর কান্নাজড়িত কন্ঠে উঠে দাড়াল। আর তাকেও পেছন থেকে কারা যেন ধরে রাখলো। আবীর কান্না জড়িত কন্ঠে বলে উঠলো। 
	তোমরা আমাকে ছেড়ে দাও। আমাকে আমার আব্বুর কাছে যেতে দাও। আমি আমার আব্বুর কাছে যাবো। তোমরা আমাকে ছাড়ো। আব্বু….. আব্বু….. আব্বু তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরো।। আব্বু …. আব্বু… আব্বু…. আব্বু…… আব্বু…..
ওরা আবীরকে টেনে কোথায় যেন নিয়ে যাচ্ছে। লোকমান সাহেব তার সমস্ত শরীর দিয়ে চেষ্টা করছেন সামনে যেতে। কিন্তু কিছুতেই পারছেন না। তিনি চিৎকার করে ডাকছেন। কিন্তু কেও তার চিৎকার শুনছেন না। তার &#x200d;দু’চোখ বেয়ে শুধু পানি ঝড়ছে। নিজের চোখের সামনে তার প্রিয় সন্তানকে কেউ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ তিনি কিছুই করতে পারছেন না। শুধু চিৎকার করছেন আর বলছেন….
	তোমরা আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও। তোমরা আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও। 
লোকমান সাহেব লাফ দিয়ে উঠে পড়লেন। তার পুরো শরীর ঘামছে। তিনি এটা কি দেখলেন। এটাকি স্বপ্ন ছিল। লোকমান সাহেব পাশে তার স্ত্রিকে দেখলেন না। তার গলা শুকিয়ে গেছন। তার গলা দিয়ে কোন কথাই বের হচ্ছেন। তিনি কান্না করতে চাইছেন না। তবুও তার চোখ বেয়ে অশ্রু ঝড়ে পড়ছে। এমন স্বপ্ন কেন দেখলেন? তার বুকটা খালি খালি লাগছে। মাথাটা প্রচন্ড ঘুরছে। খুব পিপাসা পাচ্ছে। কিন্তু গ্লাসে পানিও নেই। শরীর মন যেন স্বপ্নটাকে মানতে পারছে না। তিনি আগে তো এমন কোন স্বপ্ন দেখেন নি। নাহ্ আর নয়। তিনি যাবেন তার সেই বাংলোতে। এভাবে আর নয়। তিনি স্বপ্নের সাথে আর যুদ্ধ করতে পারছেন না। এভাবে বেচেঁ থাকা যায়না। কালই তিনি রওনা দেবেন। 

To Be Continue…..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236641/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Jan 2026 19:02:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১৭<br />
——————————————————————————————————————<br />
 চারদিকে খুব অন্ধকার। কালো ঘুটঘুটে অন্ধকার। অন্ধকারে হাটার মজাটাই অন্যরকম। এটা তো আগে বোঝা যায়নি। কিন্তু চারদিকে কোন মানুষ নেই। হাটছি তো হাটছি। ঐতো কিছুদুরে ল্যাম্প পোষ্ট দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236641"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236641/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ddda1e438996060f0dc4b37c4a9feb86</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১৬
——————————————————————————————————————
শাকিলা সকালেই চলে আসছে। লোকমান সাহেবের অবস্থা দেখে তো রীতিমতো কান্নায় প্রায় সারাদিন কাটলো। বাবার এই রকম অবস্থা সে মেনে নিতে পারে নি। রাত আটটা বাজে। মেয়ের সাথে বসে বসে গল্প করছেন শানু বেগম। শাকিলা বলছেন……
	আম্মু.. আব্বু কি এইটা ঠিক করলো।
	কোনটার কথা বলছিস..?
	ওইযে, সন্ধ্যায় তার ম্যনেজার এসে যে বাইকটা দিয়ে গেল। এটা কি ঠিক হলো। আবীর এর কি বাইক চালাবার বয়স হয়েছে..!!
শানু বেগম একটু হেসে বললেন……
	তোর ভাই কিন্তু এখন ছোট নয়। তাছাড়া তুই তো জানিস আবিরকে একটু বেশি ভালোবাসে তোর বাবা। 
	তা ঠিক আছে। আবির কোথায় গেল..?? দেখলাম বিকালে তোমার সাথে কি সব বলল। তারপর আবার চলে গেল। 
শানু বেগম মুচকি হাসতে হাসতে বলছেন…..
	বিয়ে করতে গেছে তোর ভাই। 
	কি সব বলছো তুমি।।
	হুম ঠিক বলছি। 
	আম্মু তুমি কি সত্যি বলছো..!!!
	শোন এসব কথা ছার। তুই কি আবীরকে ফোন দিয়েছিস নাকি।
	নাতো…!!!!! কিন্তু কেন..??
	ওকে বলিস না যে ওর জন্য বাইক কেনা হয়েছে। ওকে একটু সারপ্রাইজ দেবার জন্যই এটা করা হয়েছে। ছেলেটার মুখের হাসিটা………. 
শানু বেগম শেষ করতে পারলেন না। শাকিলা বলে উঠলো…..
	মা তুমিও!!!  তুমি কেন বোঝনা বাইক ভালো না। যত্তসব দুর্ঘটনা কিন্তু বাইক এর কারনে। 
	ধুর, কিসব বলছিস। এসব কথা মুখেও আনতে নেই। 
	মা।। ও আমার আদরের ভাই। ছোটবেলা আমার অবুঝ বন্ধু ছিল কি ওই। 
শানু বেগম একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন….
	জানিরে মা। আচ্ছা তোর মেয়েটা কোথায়?? 
	কোথায় আবার, কম্পিউটার এর সামনে হবে হয়তো। 
শানু বেগম এর ফোনটা বেজে উঠলো।। শানু বেগম ফোন রিসিভ করলেন। তারপর হুম জাতীয় কিছুটা বললেন। তারপর একটু চুপ করে রইলেন। এবং অপরদিকের কথা শুনলেন। তারপর শেষে বললেন। 
	তাড়াতাড়ি বাসায় আয়। আমিও আজ তোকে একটা গিফট দেবো। 
শাকিলা বুঝতে পারলেন আবির ফোন দিয়েছে। শাকিলা বলল…
	কি ব্যাপার মা। কোথায় আবীর..??
	বন্ধুদের সাথে আছে। যে কাজ করতে গিয়েছে সেটা মাত্র শেষ করলো। একটু পরই নাকি চলে আসবে। 
	কি জানি বাবা। তোমার আর তোমার ছেলের কত গোপন বিষয়। আমার জেনে লাভ নেই। আমাকে তো বিয়ে দিয়ে দিয়েছো। আমি তো অনেকটা পর এর মতই। 
শানু বেগম একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন। 
	শোন তাহলে। তোর ভাই আজকে বিয়ে করতে গিয়েছে। 
	কি সব বলছো মা তুমি।। 
	শোন, যা বলছি ঠিক বলছি। মেয়েটা ভালো। তবে সম্ভবত একটু গরিব ফ্যামিলি। আর মজার বিষয় হলো তোর ভাইয়ের থেকেও দু বছরের বড়। 
শাকিলা এবার একটু অবাক হয়ে চোখ দুটো বড় বড় করে বলছেন…
	আম্মু!! তুমি কি ঠিক বলছো। তোমার মাথা ঠিক আছে তো!! 
	তোর কি মনে হয় আমি তোর সাথে ফাজলামি করছি। 
	কিন্তু আম্মু। এই মেয়ে তো কোন দিক দিয়ে ঠিক হয়না। তুমি মেনে নিলে কিভাবে। 
	দেখ। আল্লাহ্ তো অনেক দিয়েছেন। টাকা পয়সা দিয়ে কি ছেলের সুখ পাবো।
	সব ঠিক আছে আম্মু। তাই বলে পালিয়ে। একমাত্র ভাই আমার। আমার তো একটু সখ আছে নাকি। 
	আরে বাপরে। শোন.. মেয়েকে আমরা অনুষ্ঠান করেই তুলে আনবো। আমারও তো একটাই ছেলে। আমার কি কোন সখ নেই। 
শাকিলা এবার একটু রাগ্বানিত স্বরে বললেন….
	নাহ্ মা। আজ আমি আবিরকে কিছু একটা বলবো। আজ আমি ওকে একটু শাষন করবো। 
	আচ্ছা করিস। শোন। আমি একটু দেখে আসি। তোর বাবা কি এখনও জেগে আছে নাকি ঘুমিয়ে আছে। 
শানু বেগম উঠে গেলেন। আর শাকিলা কিছুটা রেগে বসে রইলো। বোঝাই যাচ্ছে আজ খবর আছে আবীর এর। 

To be continue......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236305/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 21:10:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১৬<br />
——————————————————————————————————————<br />
শাকিলা সকালেই চলে আসছে। লোকমান সাহেবের অবস্থা দেখে তো রীতিমতো কান্নায় প্রায় সারাদিন কাটলো। বাবার এই রকম অবস্থা সে মেনে নিতে পারে নি। রাত আটটা বাজে। মেয়ের সাথে বসে বসে গল্প করছেন শানু বেগম।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236305"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236305/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a764260167a6d2a7edb84a4e0ff6deed</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন and পি.কে. সরকার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236158/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 08:39:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ca2cf19e74576366b34068f301e78fba</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১৫
——————————————————————————————————————
আবীর এখনও আসছে না। কেন আসছে না। নাকি আমি আগে চলে আসলাম। ধুর, আর কত সময় বসে থাকবো? পাক্কা ১০ মিনিট বসে আছে। কিন্তু ওর আসার কোন খবর নাই। ওকে কি একটা ফোন দিব! ধুর না, ফোন দেয়াটা কি ঠিক হবে!! কেন ঠিক হবেনা। At least আমি ওর হবু বউ। বাহ্ দারুন, এখনই হবু বউ ভাবছি। ওতো আমাকে ভালোবাসে, আর এখন কি আমিও ওকে ভালোবাসি?? হ্যা আমিও ওকে ভালোবেসে ফেলেছি। কিন্তু ওকে জানানো যাবে না। তাহলে Advantage নিবে। মনের কথা মনের মধ্যে রাখতে হবে। কিন্তু আমার আজকের সিদ্ধান্ত কি ও মেনে নিতে পারবে, যদি ও না পারে, তাহলে কি হবে?  আচ্ছা আবিরটা এখনও আসছে না কেন?
অর্পিতা বসে বসে এসব ভাবছে আর আবীর এর জন্য অপেক্ষা করছে। এরই মধ্যে আবীর ক্যাফেতে চলে এসেছে। দুজন বিপরীত মুখি হয়ে বসেছে। অর্পিতা আবিরকে উদ্দেশ্য করে বলছে,
	কয়টা বাজে আবীর? কখন আসতে বলেছি আর তোমার এই আসার সময়। নাকি আমি আসতে বলেছি বলে সব শোধ নিচ্ছ।
আবীর এর ঠোটের কোনে একটা কিঞ্চিত হাসি ফুটি উঠলো, আবীর বলল
	অর্পিতা আমি কি কিছু বলবো। 
	কি বলবে? রাস্তায় জ্যাম ছিল। বাসায় কাজ ছিল…….
	অর্পিতা।।। আমার কথাটা আগে শোন। তুমি ঘড়ি দেখ। তুমি আমাকে চারটায় আসতে বলেছো। এখন তিনটা পঞ্চাশ বাজে। 
অর্পিতা ঘড়ির দিকে তাকালো। আসলেই তো । তবুও অর্পিতা বলে উঠলো। 
	আমি তোমাকে পৌনে চারটা বলেছি। তুমি শুনতে ভুল করেছো।।
আবীর এবার নিচের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসতে থাকলো। অর্পিতা বলল…
	কি ব্যাপার তুমি হাসছো কেন??
	নাহ্। হয়েছে কি, আমি আজ জানতে পারলাম যে আমার কানে সমস্যা রয়েছে। যাই হোক,  তুমি বলো তো হটাৎ এতটা জরুরিভাবে তলব করার কারন টা কি??
	কেন তোমার কি তাড়া আছে। যদি তাড়া থাকে তাহলে চলো উঠি।
	আহা। আমি কি তা বলেছি। আচ্ছা Sorry. 
অর্পিতার এবার মুচকি হেসে দিল। তারপর সে বলল। 
	আবীর তুমি সেদিন আমাকে বলেছ। আমার জন্য সব করতে পারবে। সেটা কি সত্য। 
আবীর তার ডানপাশের চোখের ভুরু কুচকে উত্তর দিল
	তোমার কি মনে হয়। আমি কি তোমাকে মিথ্যা বলেছি। 
অর্পিতা কিছুটা চুপ থেকে আবার বলল,,
	শোন, প্লিজ ভেবো বলো। আমি তোমাকে এমন কিছু বলব যেটা হয়তো তোমার রাখা পসিবল হবে না।
আবীর একটু মুচকি হেসে বলল
	শোন অর্পিতা তুমি যেটা বলেছো সেটাই কিন্তু আমি সবসময় করার চেষ্টা করেছি। আর ভবিষ্যতেও তাই হবে তুমি যেটা বলবে। 
আবির এর কথা শেষ করার আগেই অর্পিতা বলে উঠলো….
	আমাকে আজকের বিয়ে করতে পারবে???
আবীর অবাক হয়ে গেল। সে অর্পিতার মুখের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মুখ থেকে কোন কথা বের হচ্ছে না। অর্পিতা আবার বলল
	কি হলো, বলো।। তুমি আমাকে আজকে বিয়ে করতে পারবে কি না??
	অর্পিতা…… তুমি কি বলছো। তোমার মাথা কি ঠিক আছে!!!
	আমার মাথা ঠিক আছে। তাই প্রথমেই বলেছিলাম ভেবো বলো। 
আবীর চুপ করে রইলো। মাথা নিচু করে বসে রইলো। কি বলবে সে অর্পিতাকে। সে কল্পনাতেও ভাবতে পারেনি তাকে এমন কিছু বলবে। আবীর মাথা উচু করে বলল
	তুমি কি মজা করছো আমার সাথে। 
	আমি মজা করছি না। আমি সিরিয়াস। তুমি এক্ষুনি সিদ্ধান্ত নাও। 
	দেখো অর্পিতা এই মুহুর্তে আমার Family কে রাজি করাবো কিভাবে। 
	আরে গাধাঁ। আমি কি বলেছি তুমি তোমার Family কে জানাও। আমারা কাউকে না জানিয়ে করে ফেলবো। 
আবীর এবার হেসে দিল। আবীর হেসে হেসে বলছে। 
	অর্পিতা। আসলেই তোমার মাথা ঠিক নাই। 
অর্পিতা এবার একটু রেগে উঠলো। তার মেজাজটা একটু গরম হয়ে গেল। সে উঠে দাড়ালো। এবং বলল….
	আবীর আমি চলে গেলাম। তুমি আমার সাথে আর যোগাযোগ করবে না। আর হ্যা আমি আমার মোবাইল এর নম্বরটাও পরিবর্তন করে ফেলবো। দয়া করে আমার সাথে আর যোগাযোগ করবে না। 
আবীর একটু অস্থির হয়ে বলল
	Please অর্পিতা বসো। তুমি যেওনা। একটু বসো। একটু ভাবো। এটা সম্ভব কি করে। 
	আবীর আমি জানিনা। তুমি বলেছো আমার জন্য তুমি সব করতে পারবে। আচ্ছা Bye ভালো থাকবে। 
অর্পিতা এগিয়ে যেতে লাগলো। আবীর বলে উঠলো। 
	অর্পিতা অর্পিতা। শোন শোন, আমি তোমাকে আজকেই বিয়ে করবো। 
অর্পিতা দাড়িয়ে পরলো। আবীরও অর্পিতার সামনে এসে দাড়ালো। অর্পিতা আবীর এর দিকে তাকিয়ে বলল…..
	Are you serious, কোন মজা করছো নাতো। 
	নাহ্। তবে আমাকে এক ঘন্টা সময় দাও। আমি আমার মাকে বলবো। কারন মা’কে আমি সবকিছু বলি। প্লিজ।।।
	তোমার মা যদি নিষেধ করে। 
	মা কখনও আমাকে বাধা দিবে না। কারন মা তোমার ব্যাপারে সব জানে। মা তোমাকে খুব পছন্দ করে। তাছাড়া আমার পকেটে সেই পরিমান টাকাও নাই। মা’র কাছ থেকে টাকা আনতে হবে। 
	আচ্ছা ঠিকাছে। যাও তবে এক ঘন্টা। মনে থাকে যেন। 
	ওকে মনে থাকবে। কিন্তু বিয়ে করে তুমি কোথায় যাবে। 
অর্পিতা আবীর এর দিকে বড় বড় চোখ করে বলে উঠলো
	কোথায় যাবো মানে। আমি আমার বাসায় যাবো আর তুমি তোমার বাসায় যাবে। 
আবীর মাথা নিচু করে ধীরে ধীরে বলল…
	আমরা কি বাসর ঘর করবো না। 
অর্পিতা এবার একটু হেসে বলল…
	জানিনা। তুমি যাও তো। পরে সব কথা হবে। 
অর্পিতা এবং আবীর দুজনেই বের হলো। দুজনের মধ্যেই এক অন্যরকম আনন্দ বিরাজ করছে। দুজনেই অনেকটা উত্তেজনা নিয়ে তারা বের হয়ে গেল। 

To Be Continued…..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235941/</link>
				<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 21:32:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১৫<br />
——————————————————————————————————————<br />
আবীর এখনও আসছে না। কেন আসছে না। নাকি আমি আগে চলে আসলাম। ধুর, আর কত সময় বসে থাকবো? পাক্কা ১০ মিনিট বসে আছে। কিন্তু ওর আসার কোন খবর নাই। ওকে কি একটা ফোন দিব! ধুর না, ফোন দেয়াটা কি ঠিক হবে!! কেন ঠি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235941"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235941/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">715c63968c00349ad97a0a8d83de63ae</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন and শরীফ এমদাদ হোসেন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235849/</link>
				<pubDate>Fri, 28 Nov 2025 13:01:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">025eb6fdfa3f826c3baf15d7be6c1d10</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১৪
——————————————————————————————————————
লোকমান সাহেবের শরীর এখন প্রায় নিস্তেজ হয়ে আছে। এখন আর কোন দুঃস্বপ্ন তাকে ভর করেনা। কিন্তু তার মনের মধ্যের ভয়টা এখন তাকে কুড়ে কুড়ে শেষ করছে। রফিক সাহেব এসেছেন। প্রায় মিনিট পনেরো হয়েছে। লোকমান সাহেব তাকে ডেকেছেন। আজ রফিক সাহেব কোন বিরক্তি নিয়ে বসে নেই। কারন তার ছোটবেলার একমাত্র বন্ধু লোকমান এখন ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে হেটেঁ যাচ্ছেন। কিন্তু তার ডাক্তারী বিদ্যাও তাকে বাচাঁতে পারছেনা। নিরবতা ভেঙ্গে লোকমান সাহেব বললেন….
	কিরে তুই কি বিরক্ত হচ্ছিস??
রফিক সাহেব ঠান্ডা আর শান্ত গলায় উত্তর দিলেন,
	নাহ্। তুই কি যেন বলবি। সেটা বল আমাকে!!
লোকমান সাহেব চোখ খুললেন এবং একটা দীর্ঘনিঃস্বাস ছাড়লেন। তারপর বললেন……
	তোর কি মনে আছে, (কিছুটা থেমে আবার বলতে শুরু করলেন) বিমল, রাজু, আসাদের কথা। 
	হ্যা। কেন মনে থাকবে না। 
	ওদের মৃত্যুর কারনগুলো তোর কি মনে আছে। (লোকমান সাহেবের কথাগুলো শেষ করতে খুব কষ্ট হলো।)
	হ্যা….। খুব মনে আছে। কিন্তু হটাৎ এসব কেন বলছিস??
	ওরা.. প্রত্যেকে খুব যন্ত্রনার মৃত্যুস্বাদ গ্রহন করেছে।
একটু চুপ করে রইলেন রফিক সাহেব। মাথা নিচু করে রাখলেন কিছুক্ষন। তারপর বললেন….
	হুম্। ঠিক বলেছিস। কিন্তু &#x200d;ওেদর মৃত্যুর কারনগুলো আমাকে এখনও ভাবিয়ে তোলে। 
লোকমান সাহেব কিছু সময় চুপ থেকে ভারি কন্ঠে বললেন…..
	আমার মৃত্যুটাও তোকে ভাবিয়ে তুলবে। 
রফিক সাহেব একটু অবাক হয়ে লোকমান সাহেব এর দিকে তাকিয়ে বললেন
	মানে!! আমি তোর কথা ঠিক বুঝলাম না। 
লোকমান সাহেব আরও কিছুক্ষন চুপ করে বসে রইলেন। তারপর আবারও বলতে শুরু করলেন।
	মনে আছে তোর। কলেজ লাইফ শেষ করে তুই চলে গেলি দেশের বাহিরে MBBS করতে। 
	হ্যা। সব মনে আছে। কিন্তু আজ এসব কেন বলছিস। 
	তুই চলে যাবার পর আমি বিমল, আসাদ আর রাজু আমাদের পুরনো বাংলোতে একদিন রাত কাটিয়েছিলাম। 
	হুম বুঝলাম। সেটাতো তোরা প্রায়ই কাটাতি। সেটা তো নতুন কিছু ছিল না তোদের জন্য। 
	আমাদের বাংলোর পুরনো কেয়ারটেকার কুদ্দুস আর তার বউ সখিনার কথা মনে আছে তোর। 
	খুব মনে আছে। কিন্তু কুদ্দুস যে এত জঘন্য ছিল সেটা কখনও বোঝা যায়নি।
লোকমান সাহেব একটু রেগে গিয়ে বলে উঠলেন….
	কুদ্দুসকে কোন দিক থেকে জঘন্য বললি। 
	যেই ব্যক্তি নিজের বউকে ব্যবসা করায় এবং তাকে খুন করে সে কখনও ভালো মানুষ বলে কি তোর মনে হয়। 
লোকমান সাহেব চোখ বন্ধ করে কিছু সময় চুপ করেই বসে রইলেন। তারপর একটু ঠান্ডা আর শান্ত কন্ঠে বললেন…..
	কুদ্দুস ভালো লোক ছিল। ও আসলেই ভালো লোক ছিল। 
রফিক সাহেব অবাক হয়ে বললেন…
	কিভাবে তিনি ভালো লোক ছিলেন। এসব কাজ কখনও কি কোন ভালো মানুষের কাজ হতে পারে??
লোকমান সাহেব কেন যেন খুব বিরক্ত হয়ে গেলেন। তার কাছে কেন যেন এখন রফিককে খুব বিরক্ত লাগছে। বিরক্তি বোধ যেন এখন রাগে পরিণত হচ্ছে তার। লোকমান সাহেব বলছেন…
	রফিক তুই এখন যা। আমি তোর সাথে পরে কথা বলবো। 
এই কথায় রফিক সাহেব যেন কিছুটা অপমানিত বোধ করলেন। তিনি উঠে পড়লেন। রফিক সাহেব রুম থেকে বের হয়ে ড্রইংরুমে প্রবেশ করে দেখতে পেলেন লোকমান সাহেবের স্ত্রী শানু বেগম সোফায় বসে আছেন। তিনি রফিক সাহেবকে বসতে বললেন। রফিক সাহেব বসতে চাননি। কিন্তু ভাবী কি এক কথা বলবে তাই বাধ্য হয়ে বসতে হলো। শানু ভাবী বলছেন…
	দেখুন ভাই। আপনার বন্ধুর উপর রাগ করবেন না। আসলে ও খুব যন্ত্রনায় ভুগছে। 
	না ভাবী। আসলে ওর কথা বাদ দিন। আসলে ওর কপাল যে, ও আপনার মত স্ত্রী পেয়েছে। 
শানু বেগম এর চোখ কিছুটা ঘোলা হয়ে আসলো। কন্ঠটাও কিছুটা ভারী হয়ে উঠলো। &#x200d;ূ
	আপনার বন্ধুর না বলা কথাগুলো আমি আপনাকে বলছি। তাহলে বুঝতে পারবেন ও কেন কাউকে কিছু বলতে পারছে না। 
	বলুন শুনি কি কথা।
	আপনার বন্ধুকে যেই ফকির দেখিয়েছিলাম, পরবর্তীতে আমি একা ওনার কাছে গিয়েছিলাম। তখন তিনি আমাকে সব কিছু বলেছেন। 
	ফকির!! ভাবী কি বলছেন!! কি বলেছে ফকির??
শানু বেগম তার সেই ভারী কন্ঠে আবার বললেন…
	কলেজের পর ওরা ভার্সিটিতে যখন উঠলো, তখন ওরা চার বন্ধু মিলে ওদের পুরনো বাংলোতে যায়। 
	হুম সেখানে আমরা প্রায়ই যেতাম। 
	কিন্তু সেদিন সম্ভবত আপনি ছিলেন না। 
	হুমমম। আমি তখন বিদেশে চলে গিয়েছিলাম। MBBS টা শেষ করতে গেলাম তখন আমি। 
শানু বেগম কিছুটা সময় নিয়ে আবার বললেন…
	শুনেছি সেখানে এক কেয়ারটেকার ছিল কুদ্দুস। ওর নাকি ফাঁসি হয়েছে। 
	হ্যা আপনি ঠিকই শুনেছেন। আসলে কুদ্দুস মানুষ খুব খারাপ ছিলেন। 
শানু বেগম এর গলা দিয়ে যেন শব্দ বের হতে এখন খুব কষ্ট হচ্ছে, তার চোখের কোনে হটাৎ করেই পানি চলে আসলো। তিনি চোখ মুছতে মুছতে বললেন….
	আসলেই। কুদ্দুস এর জন্য আজ লোকমান মানে আমার স্বামী বেঁচে আছেন। 
	ভাবী আপনার কথা ঠিক আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। 
	আপনার চার বন্ধু মিলে সেই রাতে কুদ্দুস এর বউ সখিনাকে রেপ করে ভাই। এবং সেই রাতে রেপ করা অবস্থায় সখিনা মারা যায়য়য়য়য়য়য়…….
শানু বেগম মাথা নিচু করে তার ওরনায় মুখ গুজে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে শুরু করলেন। রফিক সাহেব অবাক হয়ে রইলেন। তিনি কি বলবেন বা কি করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না। রফিক সাহেব বলছেন….
	ভাবি আপনি এসব কি বলছেন। এটা কি করে সম্ভব?? লোকমান তো এরকম না। 
শানু বেগম চোখ মুছতে মুছতে মাথা তুললেন। এবং চোখ মুছতে মুছতে বললেন….
	আসলে দেখুন ভাই। মানুষের উপর এর দিক দেখে কখনও তার ভেতরকার কথা বলা মুশকিল। আর কথায় আছে না, সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে। সে না চাইতেও হয়ে গিয়েছে। হয়তো সে নাও করতে পারে কিন্তু সে সেই পাপকে প্রশ্রয় তো দিয়েছে। 
	কিন্তু ভাবী কুদ্দুস এর শাস্তী কিভাবে হলো। 
	আসলে কুদ্দুস তো গরিব ছিল। সে চাইলে কিছুই করতে পারতো না। তারা চার জন কুদ্দুস এর সন্তানের দায়িত্ব নেয়। এবং বাংলো বাড়িটি কুদ্দুস এর ছেলে এবং মেয়েকে দিয়ে দেবার প্রতিশ্রুতি দেয়। 
	কিন্তু কুদ্দুস মেনে নিল কেন…??
	আচ্ছা আপনার কি মনে হয়, কুদ্দুস কি পারতো আপনার চার বন্ধুর সাথে। 
	তা অবশ্যই ঠিক বলেছেন। কিন্তু ভাবী……..
শানু বেগম রফিক সাহেবকে থামিয়ে নিজে বলতে শুরু করলেন…..
	আপনার বন্ধু আর বাচঁবে না। সে ..সে…….
শানু বেগম আর কথা বলতে পারলো না। তিনি কান্না শুরু করলেন। রফিক সাহেব যেন বোবা দর্শক। তিনি কাকে কি বলবেন। কিছুই তার মাথায় ঢুকছে না। তবুও তিনি শান্তনা দেবার জন্য বললেন…..
	ভাবী প্লিজ কান্না করবেন না। দেখবেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। 
শানু বেগম কান্নার পরিমান আরও একটু বাড়িয়ে দিয়ে বললেন…. নাহ্। আপনি জানেন তো ওর তিন বন্ধু কিভাবে মারা গিয়েছে। শুধু বাকি ছিল ও। কথায় আছে ভাই, পাপ ছাড়েনা তার বাপকেও…..
কথা শেষ না করেই আবারও কান্না শুরু করলেন। রফিক সাহেব বেশ কিছুক্ষন চুপ করে বসে রইলেন। তার মাথায় এখন শুধু নানারকম কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। শানু বেগম আর কিছু বললেন না। তিনি কাদঁতে কাদঁতে চোখ মুছছেন এবং আবার কান্না করছেন। রফিক সাহেব খুব ভালো করে বুঝতে পারছেন, শানু বেগমের মানুষীক অবস্থা। এক সাথে দুইটি ঝড়। প্রথমত স্বামীকে হাড়িয়ে ফেলার ভয়। অন্যদিকে স্বামীর অপকর্ম। রফিক সাহেব যেন নিজেই মেনে নিতে পারছেন না।। তিনি শানু বেগম এর থেকে বিদায় নিয়ে                                                                                                                                                                                                                                                                                                          চলে গেলেন।

To be continue......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235758/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 06:02:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১৪<br />
——————————————————————————————————————<br />
লোকমান সাহেবের শরীর এখন প্রায় নিস্তেজ হয়ে আছে। এখন আর কোন দুঃস্বপ্ন তাকে ভর করেনা। কিন্তু তার মনের মধ্যের ভয়টা এখন তাকে কুড়ে কুড়ে শেষ করছে। রফিক সাহেব এসেছেন। প্রায় মিনিট পনেরো হয়েছে। লোকম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235758"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235758/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4fb2b78345b07438c7962c981eee36d2</guid>
				<title>লোকমান সাহেব এক স্বপ্নের বেড়াজালে বন্দী, অন্যদিকে আবীরকে কি অর্পিতা আপন করবে শেষ পর্যন্ত।। কি হবে আসলে।। একজন প্রবীণ এবং একজন যুবক এর সাথে। নাকি কোন না কোন ভাবে দুইজনে একই জায়গা মিলিত হবে। 
১৩ তম পর্ব প্রকাশিত হয়ে গেল। এখনও পড়ে না থাকলে পড়তে বসে পরুন &quot;স্বপ্নীল কারাগার&quot;।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235739/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 08:51:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লোকমান সাহেব এক স্বপ্নের বেড়াজালে বন্দী, অন্যদিকে আবীরকে কি অর্পিতা আপন করবে শেষ পর্যন্ত।। কি হবে আসলে।। একজন প্রবীণ এবং একজন যুবক এর সাথে। নাকি কোন না কোন ভাবে দুইজনে একই জায়গা মিলিত হবে।<br />
১৩ তম পর্ব প্রকাশিত হয়ে গেল। এখনও পড়ে না থাকলে পড়তে বসে পরুন &#8220;স্বপ্নীল কারাগার&#8221;।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f93b7c871c9befa5679a76061dbea7c2</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১৩
——————————————————————————————————————
অর্পিতা ও তার কিছু বান্ধবী ভার্সিটি থেকে বের হলো। অর্পিতা হটাৎ দেখতে পেল কিছু দুরে আবীর দাড়িয়ে আছে। অর্পিতা দেখেও না দেখার ভান করে রইলো এবং হাটতে থাকলো। একটু পর তার মোবাইলটা বেজে উঠলো। সে মোবইলটা ব্যাগ থেকে বের করলো এবং সে দেখলো আবীর এর নাম্বার থেকে কল আসছে। কেন যেন এই প্রথম আবীর এর ফোন কল দেখে তার আজ খুব খুশি লাগছে। অর্পিতা ফোনটা রিসিভ করে বলল…
	হ্যালো।
আবীর বলছে…. হ্যালো.. কেমন আছো অর্পিতা??
	তোমার কি মনে হচ্ছে। আমি কি খারাপ আছি। আমি ভালো আছি।
	ন.. না.. না.. আসলে তুমি কি বাসায় যাচ্ছো??
	হ্যা। কেন তোমার কি মনে হয়? আমি কি কোথাও আড্ডা দিতে যাচ্ছি। 
আবীর এর মুখটা আবার ফ্যাকাশে হয়ে গেল। মুডটা নষ্ট হয়ে গেল। বিষন্ন কন্ঠে আবার বলল…
	বলছিলাম যে, চলনা আমরা কোথাও গিয়ে বসি। 
	ওরে বাবারে। সখ কত!!! আমার হাতে সময় নেই। আমি পারবো না। 
	ওকে …. তাহলে আমি তোমাকে বাসা পর্যন্ত দিয়ে আসি। 
বাসা আমি চিনি। দিয়ে আসতে হবে না। (একটু থেমে আবার বলল অর্পিতা) কোথায় যাবে??
আবীর হকচকিয়ে গেল এই কথা শুনে। সে কি বলবে বুঝে উঠতে পারলো না। সে বলে উঠলো।
	আমি ঠিক বুঝলাম না। 
	দেখো মেজাজ গরম করবে না বলে দিলাম। 
আবীর এর মুখে হাসি ফুটে উঠলো। সে কিঞ্চিত হাসি মাখা কন্ঠে বলে উঠলো…..
	তুমি যেখানেই যেতে চাইবে আমি ও সেখানেই যেতে চাইবো।
	ওকে। তুমি তাহলে এক কাজ করো। ক্যাফেটেরিয়ায় গিয়ে বসো। আমি আসছি। 
আবীর এর বুকের ভেতর কেমন যেন কাপাকাপি শুরু করে দিল। সে উত্তেজিত কন্ঠে বলে উঠলো। 
	আচ্ছা ঠিকাছে। আমি এখুনি যাচ্ছি। 
ফোনটা কেটে দিয়ে আবীর খুব দ্রুত সেখানে চলে গেল। সে গিয়ে একটা ভালো টেবিল দেখে বসলো। পাশে জানালা। মৃদু হাওয়া আসছে। মনটা কেমন যেন অস্থির অস্থির লাগছে। কেমন যেন নার্ভাস লাগছে। এবং সময় যত যাচ্ছে বুকটা বারে বারে কাপছে তার। মিনিট পাচেক এর মধ্যে চলে আসলো অর্পিতা। আবীর মুগ্ধ হয়ে শুধু দেখতে থাকলো তাকে। অর্পিতা এসে আবীর এর মুখোমুখি বসলো। আবীর বলে উঠলো…
	বলো কী খাবে??
অর্পিতা অন্যদিকে তাকিয়ে কিছুটা অভিমানের সুরে বলল…
	তার আগে বলো এতদিন কোথায় ছিলে??
	কোথাও না তো। বাসায় ছিলাম।
	দ্যাখো এইরকম ন্যাকা টাইপের কথা বলবে না। 
	আসলে হয়েছে কি। আমার চাচ্চুরা চলে গেল। সেখানেই আসলে একটু ব্যাস্ত ছিলাম। আর…….
	আর কি বলো। থামলে কেন বলো। 
আবীর একটু দীর্ঘনিঃস্বাস নিয়ে বলল….
	আসলে তুমি বলেছিলে না। বাইক চালাবার কথা। 
অর্পিতা আবীর এর দিকে হটাৎ বড় বড় চোখ করে বলল…
	হুম তো….. এটার সাথে দেখা না করার কি সম্পর্ক??
	আসলে এই কদিন আমি সাইকেল এবং বাইক চালানো শিখেছি। 
অর্পিতা অবাক হয়ে বলল… বলো কি.. সত্য বলছো। 
	হুম। আর আজকে জানতে আসলাম, তোমার জন্য আর কি কি করতে হবে।
অর্পিতার চোখের কোনে পানি চলে আসলো। সে মুগ্ধ হয়ে আবীরকে দেখলো, আর ভাবতে থাকলো ছেলেটা তাকে কতটা ভালোবাসে। এত ভালোবাসা তাকে কেউ কোনদিন বাসেও নাই। হয়তো বাসতেও পারবে না। অর্পিতা অন্যদিকে তাকিয়ে নিজের চোখের পানি সামলে নিল। একটু সময় নিয়ে ধীর কন্ঠে বলল…
	আবীর তোমাকে একটা প্রশ্ন করি?
	হুম করো। 
	তুমি এত বছর ধরে আমার পেছনে ঘুরছো। অথচ আমি তোমাকে কত অপমান করেছি। তারপরেও তুমি আমার পেছনে কেন পরে আছো। 
আবীর বড় একটা শ্বাস নিল। কিছুক্ষন এর জন্য চুপ হয়ে গেল। একটু সময় নিয়ে বলল…
	আসলে সত্যি কথা বলতে জানো কি। আমি নিজেও জানি না। শুধু এতটুকু জানি তোমাকে আমার প্রচন্ড ভালো লাগে। আর এটা যদি ভালোবাসা হয়। তবে তাই। তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো কিনা জানিনা। কিন্তু তোমার পছন্দের সবকিছু আমি করতে পারবো। শুধু এতটুকুই জানি। 
	আমি যা পছন্দ করি তুমি তাই করতে পারবে!! কিন্তু কেন করবে?
	কারন তাতে তুমি খুশি হবে। আর তোমাকে পাই বা না পাই। তোমাকে খুশি করতে পারাটাই যেন আমার তোমাকে পাওয়ার শামিল। 
	তোমাকে না বলেছি কোন রকম ফিল্মি ডায়ালগ বলবে না। এসব আমার একদম পছন্দ না। 
অবীর আবারও একটা বড় নিঃশ্বাস নিয়ে বলল…
	দেখো অর্পিতা, এগুলো ফিল্মি ডায়ালগ না। সবকিছু আমার মনের চিন্তাধারা। 
অর্পিতা কিছুক্ষন চুপ করে বসে রইলো। সে বুঝে উঠতে পারছে না সি কি বলবে। সে ভাবতে থাকলো। আবীর এর মত দ্বিতীয় আর কাউকে সে খুজে পাবে না। একমাত্র আবীর পারবে তাকে সারাটাজীবন হ্যাপি রাখতে। অর্পিতা যখন এসব ভাবছিল ঠিক তখনি আবীর আবার বলে উঠলো…
	কি হলো অর্পিতা!! কিছু বলছো না কেন??
	হুম। আচ্ছা আবীর আমি তোমাকে একটা প্রশ্ন করবো??
	হুম করো।
	তুমি আমার জন্য কি করতে পারবে?
	তুমি যা বলবে। আমি তাই করতে পারবো। 
	দেখো আবীর, ভেবে চিন্তে বলো। আমি কিন্তু অনেক কঠিন কিছু বলতে পারি। 
	আহা বললাম তো, সব পারবো। শুধু তোমাকে ভুলতে বলো না। সেটা করতে পারবো না। 
অর্পিতা এবার আরও কিছুটা সময় চুপ করে রইলো। কিছু একটা ভেবে আবার বলল…
	তোমার বাবা মা কেমন আছে?
আবীর একটু মর্মাহত কন্ঠে বলল…
	আসলে বাবার শরীরটা ভালো না। আর যত দিন যাচ্ছে তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে। সেটা নিয়েই দুশচিন্তা। 
	কেন কি হয়েছে?
	না তেমন কিছু না। বাদ দাও। এখন বলো তুমি যে, আমাকে আর কি কি করতে হবে। 
	নাহ। এখন নয়। আমি তোমাকে ফোন করে যেখানে আসতে বলবো সেখানে চলে এসো। এখন আমি যাই। 
	চলে যাবে। আর একটু বসো না প্লিজ। 
অর্পিতা একটু মৃদু হাসি দিয়ে বলল…
	আজ না। আর একদিন সময় নিয়ে আসবো। আর তুমিও উঠো আমাকে আমার বাসা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এসো। 
আবীর যেন এবার আরও অবাক হয়ে বসলো। মনে হচ্ছে যেন সে আজ অন্য অর্পিতাকে দেখছে। এই অর্পিতা যেন তার জন্যই তৈরি হয়েছে। সে অনেক খুশি হয়ে গেল। তার মনের মধ্যে খুশির ফোয়ারা বইতে থাকলো। সে কিছু বুছে উঠতে পারছেনা। সে ভাবছে শুধু কি বাইক চালানো শিখাতেই কি অর্পিতা তার এত কাছে চলে এসেছে। আর যদি তার একটা বাইক থাকে। তাহলে তো অর্পিতা তাকে ভালোবেসে ফেলবে। সে আজই গিয়ে তার বাবাকে গিয়ে বলবে যেন তাকে একটা বাইকের ব্যবস্থা করে দেয়। আবীর এসব ভাবতে ভাবতে আবীর এর সাথে বেড়িয়ে পড়লো।।।

 To be continue.......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235727/</link>
				<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 22:52:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>
========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১৩<br />
——————————————————————————————————————<br />
অর্পিতা ও তার কিছু বান্ধবী ভার্সিটি থেকে বের হলো। অর্পিতা হটাৎ দেখতে পেল কিছু দুরে আবীর দাড়িয়ে আছে। অর্পিতা দেখেও না দেখার ভান করে রইলো এবং হাটতে থাকলো। একটু পর তার মোবাইলটা বেজে উঠলো। সে মোবইলটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235727"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235727/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bfe86e6022a2587a488b2d5eb97c66bb</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বারঃ ১২
——————————————————————————————————————
লোকমান সাহেব, তার মেয়ের জামাই এবং শানু বেগম গাড়ি থেকে নামলো। তারা আজ এক ফকির বাবার কাছে এসেছে। লোকটার নামটাও খুব অদ্ভুত। ফকির বাবার নাম তাবিজ বাবা। এই এলাকায় খুব নামিদামী ফকির। শানু বেগম তার স্বামীকে ধরে ধরে হাটছেন। লোকমান সাহেব যেন হাটার শুক্তি পাচ্ছে না। লোকমান সাহেবের মেয়ের জামাই কিছু দুর হেটে যাচ্ছে আবার থেমে অপেক্ষা করছে আবার হাটা শুরু করছে। কিছু দুরে এক টঙ্গ দোকান, সেখানে গিয়ে সে জিজ্ঞেস করছে,
	এই যে ভাই, তাবিজ ফকির এর বাসাটা কোথায়?
দোকানদার বলল…
	এই হান দিয়া সোজা হাডেন। এরপর সামনে একটা মসজিদ পাইবেন। হেইডার বাম মুরার বাসাডা তাবিজ ফকিরের। 
	ভাই কিছু মনে কইরেন না। এইখান থেকে যাইতে কত সময় লাগবো??
	হেইডা দরেন দুই তিন মিনিট লাগবো। 
সে আর দোকানদারকে কিছু বলল না। সোজা হাটতে থাকলো। শানু বলছে…
	জামাই, অনেক দুরে নাকি?
	নাহ্ আম্মা। বেশি দুরে না। বলল তো দুই তিন মিনিট লাগবো যাইতে। 
আকাঁবাকা রাস্তাগুলো উচু নিচু এবং সুরকিযুক্ত রাস্তা। হাটা চলায় খুব সমস্যা হয়। তবে খুব বেশি খারাপ লাগছে না। সকাল ১০টা বাজে। রোদ উকিঁ দিচ্ছে। কিছুটা সময় লাগছে। প্রায় পাচঁ মিনিট ধরে হাটার পর একটা মসজিদ পড়লো। তার বাম পাশে একটা বেড়ার ঘর দেখা যাচ্ছে। তিনজনে দাড়ালেন। লোকমান সাহেবের জামাই একটা ছেলেকে দেখতে পেলেন। তিনি ছেলেটাকে ডাকলেন। ছেলেটি সামনে আসলেন…
	স্যার কন। 
	তাবিজ ফকির কোথায়….?
ছেলেটা মুখটা গম্ভির করে ফেলল। মনে হচ্ছে কিছুটা বিরক্ত হলো। বিরক্ত মাখা মুখ নিয়ে বলল…
	বাবা বলেন। ফকির বাবা বলেন। হেরে এমনে ডাকবেন না। তাইলে অমঙ্গল হইবো। 
	আচ্ছা ঠিকাছে। ডাকবো &#x200d;না। এখন কও উনি কোথায়..??
	আহেন, আমার লগে আহেন। 
ছেলেটার পিছে পিছে তারা হেটে যেতে লাগলো। কিছুটা যাবার পর একটা বিশাল বট গাছ। ঐ বটগাছে প্রতিটা ডালে শুধু তাবিজ আর তাবিজ। মনে হচ্ছে তাবিজ এর ভার বটগাছ যেন আর সইতে পারছে না। যার ফলে ডালপালা গুলো নুইয়ে পড়েছে। বটগাছের পাশে একটা ঘর। মোটামুটি প্রায় অনেক লোক। সবাই এই বাবার কাছেই এসেছে। তারা এক পাশে সিরিয়াল ধরে বসে রইলো। লোকমান সাহেব অনেক কষ্টে বসে আছেন। তিনি বসে বসে ভাবছেন এমনও সময় গেছে যে, তার কাছে এসে সাক্ষাৎ করার জন্য অনেকে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে ছিল। কিন্তু তিনি দেখা দিতেন না। কিন্তু আজ তিনি বসে অপেক্ষা করছেন সামান্য একটা ফকিরের সাথে দেখা করার জন্য। ভাগ্য মানুষকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যায়। আসলে মানুষ বলে বিধাতার লিলা খেলা বোঝা বড় দায়। কথাটা আসলেই সত্য। আজ বোঝা যাচ্ছে অপেক্ষার পালা কতটা ভারি হয়। প্রায় বিশ মিনিট পর তারা ভেতরে প্রবেশ করলো। 
লোকমান সাহেব বুঝতে পারলেন তার নাম কেন তাবিজ বাবা রাখা হয়েছে। তার ডান এবং বাম হাতের পুরোটা কায়তন পেচিয়ে তার উপর তাবিজ লাগানো। গলায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি তাবিজ ঝুলানো। তিনি মনে মনে ভেবে নিলেন এই ফকির পুরো ভুয়া। তাবিজ ঝুলিয়ে শুধু মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করেছেন। এর কাছে শুধু শুধু আসতে হয়েছে তার। লোকমান সাহেবকে বাবার সামনে বসালেন। লোকমান সাহেবের জামাই কিছু বলতে গেলেন তখনি ফকির বাবা হাত ইশারা করে চুপ থাকতে বললেন। ফকির বাবা বললেন...
	আপনারা দুইজনে বাইরে যান। রোগীর সাথে আমি একা কথা কইতাছি। 
শানু বেগম বললেন
	বাবা…. কিছু মনে কইরেন না। ওতো আসলে বসে থাকতে পারবে না। 
বাবা বললেন, 
	সমস্যা নাই। আপনারা বাইরে যান, তার কিছুই অইবো না। এইখানে বইতে পারবো।
তারা আর কিছু না বলে বাইরে চলে গেলেন। তারা যখন বাইরে গেলেন ঠিক তখন ফকির বাবা হেসে হেসে বললেন…
	লোকমান সাহেব। ভালো আছেন। 
লোকমান সাহেব অবাক হয়ে বললেন…
	আপনি আমার নাম জানেন!!! আপনি কি আমাকে চেনেন!!!
ফকির বাবা আবার একটু হেসে বললেন…
	নাহ্। আমি কাউরে চিনি না। শুধু ওই ওপর ওয়ালারে চিনি। 
	তাহলে আমার নাম জানলেন কিভাবে??
	হেইডা আপনের জাইন্যা লাভ নাই। কিন্তু আপনে তো আর বাচঁবেন না। 
লোকমান সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন। হটাৎ এমন কথা শুনে তার কপালে ভাজ ফেলে বললেন….
	কি..কিসববব উল্টা পাল্টা কথা বলেন। 
	হ্। আমি যা কইতাছি হাঁচা কইতাছি। এহনও সময় আছে। সেই বাড়িতে ফিরা যান। ঐখানে আপনেরে ওরা মারবো। 
	মানে কি? কে আমাকে মারবে? কোথায় যাবো? 
	দ্যাহেন আমি যা কইতাছি। সব সত্য কইতাছি। আপনে যদি সেই বাড়িতে ফিরা না যান, তাইলে ওরা আপনের প্রিয় জিনিস গুলা আপনের থেইক্যা লইয়্যা যাবো। 
	ওরা কারা? কাদের কথা বলছেন আপনি? আপনি কি পাগল হইছেন?
ফকির একটু হেসে বললেন….
	হ্। আমি পাগল। তয় আপনে যদি না যান তবে সপ্তাহের মইধ্যে টের পাইবেন। 
লোকমান সাহেবের মাথা ধরে গেল। তিনি ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি কিছুটা শান্তভাবে বললেন….
	এইটার কি কোন প্রতিকার নাই। আপনি কি কিছুই করতে পারবেন না। 
	আফনে অনেক দেরী কইরা ফালাইছেন। এহন ওরা শুধু আপনেরে চায়। আফনে আগে আইলে কিছু করতে পারতাম। কিন্তু এহন আমি কিছুই করতে পারুম না। 
লোকমান সাহেব এবার সব বুঝতে পারলেন। তবে তার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। তিনি মোলায়েম কন্ঠে বলছেন….
	আমি কি তাহলে চলে যাবো। 
	হ্। আমারে মাফ কইরা দিয়েন। আফনের লাইগ্যা আমি কিছুই করতে পারলাম না। 
লোকমান সাহেব উঠে দাড়ালেন। তিনি দরজা পর্যন্ত এগিয়ে গেলেন। ফকির বাবা হটাৎ বললেন….
	লোকমান সাহেব। মনে রাখবেন। পাপ ছাড়েনা তার বাপেরে। আর আপনে আমারে অবিশ্বাস করছেন তারপরও আমি কিছু মনে করি নাই। তয় আবার কই তারাতারি ফিরা যান। নাইলে কিন্তু সব কিছু হারাইবেন। 
লোকমান সাহেব বেরিয়ে গেলেন। আর অবাক হলেন লোকটার ক্ষমতা দেখে। তিনি বড্ড ভুল করেছেন। যদি মেয়ের জামাই এর কথামত আরও আগে আসতেন। তবে হয়তো আজ তিনি বেঁচে যেতেন। শানু আর তার জামাই অনেক কিছু জিজ্ঞাসা করছেন। কি বলেছে ফকির। কিন্তু তিনি কিছু বলছেন না। শুধু বললেন…
	তেমন কিছুনা। শুধু বললেন রেস্ট নিতে তবে সব ঠিক হয়ে যাবে। 
গাড়িতে বসে লোকমান সাহেব চুপ করে মাথা হেলিয়ে চোখ বন্ধ করে থাকলেন। আর শুধু ভাবতে থাকলেন সেই অভিশপ্ত রাতের কথা। কি যে হয়েছিল। সেই যে রাত আর তার ফল তাকে ভুগতে হচ্ছে। শানুকে খুব বলতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু বলা যাবে না। হয়তো স্বামীর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা সব চলে যাবে। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো বলা লাগবে। তিনি যাবার আগে বলে যাবেন। কিন্তু কাকে? হ্যা তার ডাক্তার বন্ধু রকিবকে বলা যায়। সেই এখন তার একমাত্র বন্ধু। হ্যা রকিবকে সব বলে যেতে হবে। শুধু রকিব বুঝবে সব পরিস্থিতি। 

To be continue……</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235650/</link>
				<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 20:54:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখকঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বারঃ ১২<br />
——————————————————————————————————————<br />
লোকমান সাহেব, তার মেয়ের জামাই এবং শানু বেগম গাড়ি থেকে নামলো। তারা আজ এক ফকির বাবার কাছে এসেছে। লোকটার নামটাও খুব অদ্ভুত। ফকির বাবার নাম তাবিজ বাবা। এই এলাকায় খুব নামিদামী ফকির। শানু বেগম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a9bd73043583ef443d5052e6f2bc3ab5</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ঃ ১১
——————————————————————————————————————

প্রায় সপ্তাহ দুই হলো আবীর অর্পিতার সাথে যোগাযোগ করেনি। এই কয়দিনে আবীরকে দেখেওনি অর্পিতা। অর্পিতার এখন মনে হচ্ছে সে মনে হয় আবীরকে আসলেই ভালোবাসে। কিন্তু কিভাবে, কেন সে এতদিন বুঝতে পারেনি। কেন যেন আবীরকে খুব মিস করছে। এসব ভাবতে ভাবতে অর্পিতা মোবাইলটা হাতে নিল আবীরকে একটা ফোন কল করার জন্য। কিন্তু কি যেন চিন্তা করে আর দেয়া হলো না। কিন্তু আবীরতো এতদিন যোগাযোগ না করে থাকে না। তবে কি আবীর এর মধ্যে পরিবর্তন চলে এসেছে। আসতেই পারে। ছেলে খুবই মেধাবী, বড়লোক, স্মার্ট, হ্যান্ডসাম। সবকিছুই তো ঠিক আছে। সেই তুলনায় আমি ওর যোগ্য নই। ছেলেটাকে কি পরিমান জ্বালিয়েছি। সারাক্ষন শুধু বকাঝকা করেছি। কখনো একটু ভালো করে কথাও বলিনি। তাছাড়া ওর সাথে সেদিন যে মেয়েটা ছিল, সেও তো কম সুন্দরী নয়। অন্তত আমার থেকে অনেক বেশি সুন্দর। 
এসব ভাবতে ভাবতে নিজের অজান্তেই অর্পিতার চোখ থেকে পানি ঝড়া শুরু করলো। আজ তার বুকটা কেমন যেন ফাকা ফাকা লাগছে। খুব ই্চ্ছে করছে আবীরকে খুব করে জড়িয়ে ধরে চিৎকার দিয়ে বলতে, ”আবীর আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আর সেটা আমি আজ বুঝতে পারছি।” কিন্তু আজ আর তা হয়তো সম্ভব নয়। আবীর হয়তো আর তার আগের আবীরটা নেই। অর্পিতা শুধু ভাবতেই থাকলো। হটাৎ করে তার মনে হলো আচ্ছা আবীর এর আবার কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি তো। ছিঃ ছিঃ ছিঃ আমি এসব কি ভাবছি। কিন্তু হতেও তো পারে।
কেন যেন এখন তার খুব অস্থীর লাগছে। সে এখন কি করবে বুঝেই উঠতে পারছে না। সে চোখের পানি মুছলো। কি করা যায় সে ভাবতে শুরু করলো। মোবাইলটা হাতে নিল। হটাৎ মনে পড়লো তার ফ্রেন্ড রেশমার ছোট ভাইতো আবীর এর বন্ধূ। সে দ্রুত রেশমাকে ফোন দিল। রিং বাজছে আর এই প্রথমবার তার বুকটা কেমন যেন কেপে কেপে উঠছে। কি এক ভয় যেন তার উপর ভর করেছে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে। সে নিজেও জানে না। অন্যদিকে রেশমাটা ফোন কল রিসিভও করছে না। কেন যেন মেজাজটা খুব গরম হচ্ছে। ফোনটা কেটে গেলে। রেশমা ফোনটা রিসিভ করলো না। অর্পিতা আবার ফোন করলো। রিং বেজেই যাচ্ছে। কিন্তু কেউ ওপাশ থেকে কেন রিসিভ করছে না। ওপর প্রান্ত থেকে হটাৎ রেশমার কন্ঠশর…
	হ্যালো অর্পিতা। 
অর্পিতা দ্রুততার সহিত বলতে গিয়ে থেমে গেল। সে মাথা ঠান্ডা রেখে শান্ত গলায় বলছে….
	কিরে রেশমা। কেমন আছিস। খবর কি তোর বলতো।
	এইতো রে ভালো আছি। আর একটু বিজি আছি আরকি। কিছু বলবি..??
	হুম.. আসলে তোকে না আমার একটা হেল্প করতে হবে। পারবি বন্ধু। 
	আমি!! কি সাহায্য বলতো। দেখি পারি কিনা।
অর্পিতা কিছুটা লজ্জা পাচ্ছিল। কয়েক সেকেন্ড চুপ রইল। তারপর বলল….
	আসলে তোর ছোট ভাইকে আমার একটু প্রয়োজন ছিল।
	রবিনকে! আচ্ছা। কিন্তু কেন বলতো???
	Please রেশমা কোন কারন জিজ্ঞেস করিস না। আমি এই মুহুর্তে তোকে কিছুই বলতে পারবো না। 
	আচ্ছা তুই লাইনে থাক। আমি ওকে ডেকে দিচ্ছি। 
অর্পিতার  বুকটা কাপছে। প্রতি সেকেন্ড যাচ্ছে আর যেন তার বুকের ধুকধুকানি যেন বেড়েই যাচ্ছে। সে কিভাবে কতাটা বলবে সেটা যেন বুঝে উঠতে পারছে না। এসব ভাবতে ভাবতে ওপর প্রান্ত থেকে রবিনের কন্ঠ….. হ্যালো!
অর্পিতা হাসি মুখ নিয়ে বলছে…. হ্যালো রবিন! কেমন আছো?
	ভালো আছি আপু। আপনি কেমন আছেন?
	ভালো। আচ্ছা ভাইয়া তুমি কি আমার একটা হেল্প করে দিতে পারবে?
	কি হেল্প বলেন তো আপু। 
	শোন। একটু গোপন কিন্তু । কাউকে কিছু বলা যাবে না। এক কথায় তুমি আর আমি জানবো।
ক্ষনিকের জন্য রবিনের মাথায় যতসব উল্টাপাল্টা চিন্তা এসে ভর করছে। রবিন ভাবতে পারছে না কি এমন গোপন কথা। রবিন কিছুটা Exited হয়ে গেল। রবিন প্রশ্ন করলো….
	কি বলবেন আপু। বলেন তো!!
	আসলে ছোট ভাই তুমি। কিন্তু আমার জানা দরকার তাই বলছি….
রবিন আরও এক্সাইটেড হয়ে বলল…. না না ঠিকাছে। আমি কাউকে কিছু বলবো না। আপনি কি চান বলেন। আপনার জন্য আমি সবই করতে পারবো। সবকিছু গোপন রাখবো। 
	Thank you. আসলে তুমি শুধু আমাকে এটা বলো যে, আবীর কেমন আছে? ওর কোন কিছু হয়নি তো??
রবিনের মনটা পুরোপুরি ভেংগে গেল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সে কতকিছু চিন্তা করে ফেলেছে। অথচ এই বিষয়!! সে মনটা খারাপ করে বলল….ওহ আবীর। ওর কিছুই হয়নি। ভালোই আছে। 
	আচ্ছা ওর সাথে কি তোমার রোজ দেখা বা কথা হয়। 
	নাহ্। রোজ হয়না। 
	আজ হয়েছে??
	হুম বিকেলে দেখা হয়েছে। 
অর্পিতার ভেতরটা যেন কি এক যন্ত্রনা অনুভব করতে থাকলো। অর্পিতা আবার জিজ্ঞেস করলো।
	আচ্ছা আবির কি মন খারাপ করে বসে থাকে, নাকি হাসিখুশি থাকে ??
	নাহ। ও মন খারাপ করে থাকবে কেন। ওকে দেখে তো মনে হয়নি ওর মন খারাপ। বরং আজ ও সবচেয়ে বেশি খুশি মনে হল।
অর্পিতা আর কিছু বলতে পারলো না। সে আর কথা না বলে ফোনটা কেটে দিল। সে এখন ধরেই নিয়েছে আবীর আর সেই আগের আবীর নেই। তার খুব কান্না পাচ্ছে। বুকের ভেতরটা কেমন যেন ফাকা ফাকা লাগছে। একেমন যেন এক ব্যাথা। মনে হচ্ছে হৃদয়টা কেউ ছুরি দিয়ে বার বার আঘাত করছে। তার চোখ দিয়ে পানি পরতে শুরু করলো। সে নিজেকে খুব গালাগাল দিতে লাগলো। কেন সে আবীর এর সাথে এতদিন খারাপ ব্যাবহার করেছে। এখন কেন সে নিজেকে সামলাতে পারছে না। সে এখন বুঝতে পারছে আবীর আসলে এতদিন কত পরিমান কষ্ট তার কাছ থেকে পেয়েছে। সে এই কথাটাই ভাবতেই যেন কান্না আরও বেড়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে অনেক দিনের জমে থাকা পানি আজ ঝড়ে পরছে। হয়তো আজ থেকে কান্না করা ছাড়া তার আর কিছুই করার নেই। যতই ভাবছে ততই চোখ দিয়ে পানি পরছে। কান্না পাচ্ছে আর কান্না পাচ্ছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235101/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 20:35:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ঃ ১১<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>প্রায় সপ্তাহ দুই হলো আবীর অর্পিতার সাথে যোগাযোগ করেনি। এই কয়দিনে আবীরকে দেখেওনি অর্পিতা। অর্পিতার এখন মনে হচ্ছে সে মনে হয় আবীরকে আসলেই ভালোবাসে। কিন্তু কিভাবে, কেন সে এতদিন বুঝতে পারেনি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235101"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235101/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3f6e467ab13e156a57ce70fb95b5244</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ঃ ১০
——————————————————————————————————————

দিন যতই যাচ্ছে, লোকমান সাহেবের অবস্থা ততই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এখন তার কাছে শুধু পুরনো কথা মনে পরে। সেই ছোটবেলার কথা। আচ্ছা আমার কি মরন চলে এসেছে। আমার কি সময় শেষ। আমার বয়স কত হলো? হ্যা বয়স তো অনেক হয়েছে। 
লোকমান সাহেব যখন এসব কথা ভাবছে, ঠিক তখন তার সহধর্মীনি শানু এসে তার রুমে ঢুকলো। লোকমান সাহেব খাটে শুয়ে ছিলেন। তিনি শানুকে দেখে কাছে ডাকলেন। শানু নিচু এবং শান্তভাবে স্বামীর পাশে এসে বসলেন। লোকমান সাহবে এবটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ছাড়লেন। তারপর শানুর দিকে তাকালেন। এবং শান্ত গলায় আস্তে আস্তে বলছেন……
	আচ্ছা শানু!! একটা প্রশ্ন করবো? উত্তর দেবে?
	কি প্রশ্ন?
	প্রশ্নটা যাই হোক উত্তরটা যেন সঠিক হয়। 
শানু একটু স্বামীর দিকে তাকাল, তারপর যেন কিছু বলতে চাইলো। কিন্তু কেন যেন বলতে পারলো না। শুধু বলল…..
	জিজ্ঞেস করো।
লোকমান সাহেব একটু চুপ করে রইলেন। মনে হচ্ছে যেন ভাবছেন। কিভাবে প্রশ্ন করতে হয়। তারপর বলতে শুরু করলেন…..
	আমরা সংসার জীবনে এতগুলো বছর পার করলাম। অথচ আমি কতটা অপদার্থ ছিলাম যে, কখনও বুঝতে পারি নাই। যার সাথে জীবনটা চলে যাচ্ছে তার কি পছন্দ বা অপছন্দ। সেই সম্পর্কে জানাই হলো না। আচ্ছা তুমি কি আমার উপর সংসার জীবনে খুব বিরক্ত??
	আজ এত গুলো বছর পর এসব বলছো কেন??
একটা ছোট নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন..
	সত্যি বলতে কি, আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আমি আর বেশিদিন বাচঁবো না। 
শানু একটু উচু গলায় বললো….
	কি সব বলছো তুমি। চুপ করো তো??
	না শানু আমাকে বলতে দাও। আমি মরে গেলে আমাকে গ্রামে কবর দিও। আর হ্যা আমার ছেলেটার প্রতি একটু খেয়াল রেখো। তুমি তো জানো আমি ওকে একটু বেশি ভালোবাসি। 
এসব বলতে বলতে লোকমান সাহেবের চোখের কোনে পানি চলে আসলো। কন্ঠটাও ভারি হয়ে গেল।। শানু আবার বললো।
	শোন  তুমি এসব ভেবো না। আচ্ছা তোমাকে একটা কথা বলবো..??
লোকমান সাহেব চোখ মুছতে মুছতে বলছেন…
	বলো কি বলতে চাইছো। 
	জামাই বলছিল.. ওর কাছে নাকি খুব ভালো একটা কবিরাজের সন্ধান আছে। 
লোকমান সাহেব এবার একটু মৃদু হেসে দিলেন। তারপর বললেন….
	তুমি যে কি বলোনা। তোমার মেয়ের জামাই হচ্ছে একটা পাগল। তুমি ওর কথা শুনছো… (বলেই মৃদু হাসলেন আবার)
শানু এবার একটু নরম সুরে বললেন…
	দেখো। অনেক তো ডাক্তার দেখানো হলো। Please একবার চলো। এবার একটু ভিন্ন কিছু চেষ্টা করে দেখি। Please চলো।
লোকমান সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন শানুর দিকে। এই বুড়ো বয়সে তিনি ফিল করতে পারছেন তার স্ত্রী অনেক চমৎকার। তার স্ত্রী তার প্রতি যত্নশীল যেটা তিনি আজ ফিল করতে পারছেন। কখনো শানুর কথা এভাবে মনোযোগ দিয়ে শোনাই হয়নাই। কেন যেন খুব আফসোস হচ্ছে তার। কেন তিনি এতদিন টাকার পেছনে ছুটে টাকা কামিয়েছেন। তিনি একটু নরম কন্ঠে বললেন…..
	আচ্ছা ঠিকাছে যাবো। কবে যাবে বলো..??
শানু একটু উত্তেজিত হযে বললেন….
	আমি তাহলে জামাই এর সাথে কথা বলবো। তুমি থাকো। আমি জামাইকে এখনি একটা ফোন করে আসি।। 
লোকমান সাহেব একটু আহত কন্ঠে বললেন….
	শানু একটু বসো না প্লিজ…..
.
শানু বুঝতে পারলো তার স্বামী তাকে আরও কিছুক্ষন কাছে চাইছে। সে উঠলো না। স্বামীর পাশে বসে রইলো। কেন যেন পুরনো সেই দিনগুলো তার চোখের সামনে ভাসতে শুরু করলো। এই কি সেই মানুষ। যাকে প্রথম দেখেই তার ভালো লেগেছিল। যেই মানুষটা কখনো স্থির ছিলনা। কতবার যে তার ইচ্ছে করছিল তার সাথে মন খুলে বিকেলের বেলকনিতে বসে একসাথে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কথা বলবে। কিন্তু সেই সময় তো এখন আর পাওয়া যাবে না। কিন্তু আজ তার স্বামী এই বয়সে এসে তাকে কিছুটা সময় দিতে চাইছে। তার সাথে কিছুটা সময় একান্তে কথা বলতে চাইছে। যদি এই সময়টাকে স্টপ করে দেওয়া যেত। এসব ভাবতে ভাবতে তার চোখের কোন কখন যেন ভিজে যাচ্ছিল সেটা তিনি খেয়াল করেননি। কিন্তু এই অশ্রু আনন্দ অশ্রু হয়ে আজ এসেছে। 

To be continue…..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234955/</link>
				<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 20:04:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ঃ ১০<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>দিন যতই যাচ্ছে, লোকমান সাহেবের অবস্থা ততই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এখন তার কাছে শুধু পুরনো কথা মনে পরে। সেই ছোটবেলার কথা। আচ্ছা আমার কি মরন চলে এসেছে। আমার কি সময় শেষ। আমার বয়স কত হলো? হ্যা বয়স তো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234955"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234955/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">892999e9056a8fd6a2a89bc9f9f8819c</guid>
				<title>&quot;সপ্নীল কারাগার&quot; গল্পটি একদম শেষের দিকে। লোকমান সাহেব কি পারবে তার সপ্নের ব্যাখ্যা খুজে বের করতে। কেন দেখছেন তিনি এমন সপ্ন। 
আজ প্রকাশিত হবে তার ১০ম পর্ব। আশা করছি গল্পের সাথেই থাকবেন। 
ধন্যবাদ।। &#x2763;&#xfe0f;&#x1f636;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234938/</link>
				<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 10:30:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;সপ্নীল কারাগার&#8221; গল্পটি একদম শেষের দিকে। লোকমান সাহেব কি পারবে তার সপ্নের ব্যাখ্যা খুজে বের করতে। কেন দেখছেন তিনি এমন সপ্ন।<br />
আজ প্রকাশিত হবে তার ১০ম পর্ব। আশা করছি গল্পের সাথেই থাকবেন।<br />
ধন্যবাদ।। &#x2763;&#xfe0f;&#x1f636;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">10335f5da9c478a72f49d5c6ee6f7ca6</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৯
——————————————————————————————————————

রিপন, শিপন এবং লোকমান সাহেব। তিনজনে ঘরে বসে আছে। কতদিন পর তিনভাই একসাথে। সেটাও মনে হয় তারা ভুলে গেছে। তবে তাদের কথা বলার টপিকটা শুধু লোকমান সাহেবকে ঘিরেই। যেমন শিপন বলছেন,

	ভাইজান শুধু একটা স্বপ্নে এত বেশি কাবু হয়ে গেছেন, আমারতো বিশ্বাস হয়না। 
লোকমান সাহেব বলছেন,
	কেন!! তোর এমনটা মনে হবার কারনটা কি??
	না ভাইজান!! ছোট বেলায় আপনে যেই সাহসী ছিলেন। রিপন তোর মনে আছে, সেই পোড়বাড়ির কথা। 
রিপন বলে উঠলো…..
	মনে থাকবে না আবার। ভাইজান সেই রাতে এত সাহস কই পাইছিল কে জানে।
শিপন বলে উঠলো…..
	সেই থেইক্যা গ্রামের সব লোক ভাইয়েরে ডাকতো সাহসীরাজা।।

লোকমান সাহেব দুই ভাইয়ের কথার ফাঁকে ডুবে গেলেন সেই সময়ে। সত্যিই তো কি সাহস না সেদিন সে দেখিয়েছে। যেই পোড়াবাড়িতে মানুষ দিনের বেলা যেতে ভয় পেত আর সেখানে সে রাত ১২টার পর গিয়েছে। আর সেই লোকমান সাহেবকে একটা দুঃস্বপ্ন এভাবে কাবু করে ফেলেছে। শুধু ০১টা স্বপ্ন যার ফলে লোকমান সাহেবের চোখের ঘুম সরে গেছে। কিন্তু কেন এরকম হচ্ছে। এরকম তো হবার কথা নয়। তবে কেন তার সাথে আজ এমন হচ্ছে। এটা কি তবে নিয়তির লেখা হতে পারে। লোকমান সাহেব দুই ভাইয়ের কথাতে আবার মনোযোগ দিলেন।
লোকমান সাহেব লক্ষ্য করলেন দুই ভাই বিদেশ থেকেছে, কিন্তু বাংলা ভাষার মধ্যে চলিত এবং সাধু দুটো মিশ্রিত রেখেছে। দুজনে আগেও এভাবে কথা বলতো। ভালোই লাগছে দুই ভাইয়ের কথা শুনতে। 
.
.



আবীর এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আবীর ভালো রেজাল্ট করেছে। আবীর বরাবর ভালো ছা্ত্র ছিল এসএসসি তে সে গোল্ডেন এবং এইবার এইচ এস সি তে এ+ পেয়েছে। আবীর খুব খুশি। আবির অর্পিতাকে ফোন করেছিল। কিন্তু সে ফোন রিসিভ করেনি। কয়েকবার রিসিভ না করায় সে একটা এসএমএস সেন্ড করেছে। আবীর তার মা-বাবাকে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে। আবীর শিলাকে নিয়ে তার বড় বোন শাকিলার বাসায় রওনা হলো। এবং কিছুক্ষনের মধ্যেই পৌছে গেল। আবীর এর বোন দরজা খোলার সাথে সাথে আবীর বলে উঠলো…….
	দেখতো আপা চিনতে পারিস কিনা!!
শাকিলা বললো……
	নাম বলতে পারবো না, তবে মনে হচ্ছে মেজো চাচ্চুর মেয়ে।
আবীর হতভম্ব হয়ে প্রশ্ন করলো…..
	তুই বুঝলি কিভাবে..???
	আরে বোকা আন্দাজ করলাম।
শিলা এবার একগাল হাসি দিয়ে বলল….
	আপু আমি হচ্ছি শিলা। 
রিয়া অবশ্য পাশেই ছিল সে আবীরকে ডাকলো। আবীর নীচু হলো এবং তারপর বলল….
	কি হয়েছে মামা। কিছু বলবে..??
রিয়া আস্তে করে আবীর এর কানের সামনে মুখ নিয়ে জিজ্ঞেস করলো ….
	মামা !!! ইনি আমার কি হন??
	ইনি!!! ইনি তোমার খালামনি হন।
	ইনি কি খুব রাগী??
আবীর একটু হাসি মুখে বললো…..
	তোমার কি মনে হচ্ছে???
রিয়া এবার একটু বিরক্ত চোখ নিয়ে বলল…..
	Please মামা Extra talking করবে না। Just answer I….
আবীর হাসতে হাসতে বলল
	নাহ !! সে খুব ভালো।। 
ঠিক তখনি আবীর এর ফোন বেজে উঠলো। সে দেখলো অর্পিতা কল করেছে। তার মনটা খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠে। সে ফোনটা নিয়ে আড়ালে চলে গেল। তারপর ফোনটা রিসিভ করলো। আবীর নম্র এবং শান্ত ভাবেই বলল…..
	হ্যালো অর্পিতা।।
ওপাশ থেকে রাগ্বানিত কন্ঠে…
	তোমার কি মনে হয় অন্য কেউ।।
আবীর একটু হকচকিয়ে যায় এবং তৎক্ষনাত বলল….
	না.. না।। আমি তা বোঝাতে চাইনি আসলে…. ( আবীরকে থামিয়ে দিয়ে বলল….)
	Best of Luck &#038; Congratulation. 
আবীর একদম চুপ হয়ে গেল। মনে হচ্ছে আবীর যেন সবসুখ পেয়ে গেছে। তার মনটা খুশিতে নাচতে শুরু করলো। সে কি বলবে সেটা বুঝতে পারছিল না। যেন কোন ভাষা খুজে পাচ্ছে না। সে বলল….
	Thank you অর্পিতা। 
অর্পিতা সে তার কর্কশ কন্ঠে প্রশ্ন করলো….
	তা, মেয়েটা কে?? তোমার নতুন Girlfriend…???
আবীর পুরো চমকে গিয়ে বলল…
	কোন মেয়েটা..??
অর্পিতার এবার প্রচন্ড রাগ হতে লাগলো। সে আরও কঠোর হয়ে বলল…
	দেখো আবীর। আমি নাটক করা পছন্দ করিনা। আর দয়া করে আমার সামনে নাটক করবে না। আর আমার কাছে লুকাবার কিছু নেই। আর আমি তোমাকে ভালো ও বাসি না। Just friend হিসেবে প্রশ্ন করেছি। যদি Answer দিতে ইচ্ছে হয় বলবা নয়তো নাটক করবে না। 
আবীর চুপচাপ শুনলো এবং কথা বলার মত ভাষা খুজে পাচ্ছিল না। তার ভেতর থেকে কান্না পাচ্ছিল এবং বুকটা &#x200d;কেমন যেন খালি খালি লাগছে। সে ভাবতেই পারছে না অর্পিতা তাকে Just Friend ছাড়া আর কিছুই না। সে তবুও শান্ত কন্ঠে উত্তর দিল। 
	She is my cousin. বিদেশ থেকে এসেছে। আবার চলে যাবে। 
	ভালো তো। দেখতে সুন্দর। তোমার সাথে দারুন মানাবে। তাছাড়া আমি তো তোমার সিনিয়র। আমার সংগে তোমাকে বেমানান লাগবে। 
আবীর এর ইচ্ছে হচ্ছে ফোনটা কেটে দিতে। কিন্তু কেটে দিলে সে তো আর কথা বলতে পারবে না। কিন্তু তার যে এসব শুনতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আবীর বলল….
	অর্পিতা তোমাকে একটা প্রশ্ন করবো!! উত্তর দিবে..??
	হুম… চেষ্টা করবো। 
আবীর ঠিক আগের মতই শান্ত সুরে বলল…
	তোমার আসলে কেমন ছেলে পছন্দ আমাকে কি বলা যাবে..??
অর্পিতা এবার আরও খানিকটা রাগ নিয়ে বলল….
	আমি যেমন ছেলে পছন্দ করি, সেরকম তুমি কখনও হতে পারবে না।
আবীর একটু হতাশ কন্ঠে আবার বলল….
	তুমি কি বলবে একটু।
	শোন আমি এমন এক ছেলে চাই যে আমার চেয়ে সিনিয়র হবে। এবং সে আমাকে বাইকে করে সারা শহর ঘুরাবে। আর হ্যা.. সে যেন তোমার মত বোকা না হয়। 
আবীর শান্ত এবং আহত কন্ঠে উত্তর দিল….
	তুমি ঠিকই বলেছো। এই তিনটি যোগ্যতা আমার মধ্যে নেই। হয়তো দ্বিতীয় যোগ্যতা হাসিল করতে পারবো। কিন্তু তার সাথে আমার ০১টা বড় যোগ্যতা আছে। আর যেটা সবার থাকে না। 
অর্পিতা কিছুটা ব্যঙ্গসুরে বলল……
	তুমি তো সাইকেল চালাতে পারো না। আর বাইক কি করে চালাবে!!! আর তোমার বড় যোগ্যতাটা কি শুনি..?? 
আবীর একটা বড় দীর্ঘ নিঃস্বাস ফেলে বলল….
	আমার বড় যোগ্যতা হচ্ছে, আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। পাগলের মত ভালোবাসি। 
অর্পিতা কিছুটা রাগ্বনিত কন্ঠে বলল…..
	তোমাকে না কতবার বলেছি। এইসব ফিল্মী টাইপের ডায়ালগ বলবে না। আমি এইসব নাটকী কথা একদম পছন্দ করি না। আর তুমি আমাকে আর ফোন দিবে না। ফোন রাখলাম।।
সঙ্গে সঙ্গে ফোনটা কেটে দিল। আবীর লক্ষ করলো তার চোখ জ্বলছে। সে বুঝতে পারলো এখনই তার চোখ দিয়ে পানি ঝড়বে। কিন্তু সে কাদঁতে চাইছে না। কিন্তু সে চোখের পানি থামাতেও পারছে না। সে দ্রুত ওয়াশ রুমের পথে রওনা হলো।

To Be Continue……….</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234824/</link>
				<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 20:47:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৯<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>রিপন, শিপন এবং লোকমান সাহেব। তিনজনে ঘরে বসে আছে। কতদিন পর তিনভাই একসাথে। সেটাও মনে হয় তারা ভুলে গেছে। তবে তাদের কথা বলার টপিকটা শুধু লোকমান সাহেবকে ঘিরেই। যেমন শিপন বলছেন,</p>
<p>	ভাইজান শুধু একটা স্বপ্নে এত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234824"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234824/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b54221c95c30f260d52a2f02f68c2c9a</guid>
				<title>========================প্রেমেরই জখম==========================
পর্ব: ০১
লেখক: নাদিম হোসাইন।
——————————————————————————————————————
আজকের সকালটাই অন্যরকম মনে হচ্ছে।। কিন্তু কেন অন্যরকম সেটা বুঝতে পারছি না। নাকি বোঝার চেষ্টা করছি না। আচ্ছা আজ সকালে তো হালকা বৃষ্টি হয়েছিল। তার জন্য কি আজকের সকালটা অন্যরকম। সবকিছুই গোলমেলে লাগছে কেন। কত কিছু যে ভাবছি, কিন্তু সবই উল্টাপাল্টা চিন্তা। কাল রাতে দেরি করে ঘুমানোর ফল হলো এগুলো। এছাড়া আর কিছুনা। আজকে বাসটা আসতেও দেরি করছে। আর সেই বিষয়টিও খুব খারাপ লাগছে। অথচ অন্যান্য দিন এই বিষয়টি খুব স্বাভাবিক মনে হত আমার।। কেও কি আমাকে ডাকছে?? মনে তো হচ্ছে। কিন্তু মাথা ঘুরাতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু ধীরে ধীরে কন্ঠটা আরও কাছে চলে এসেছে। নিশ্চই এখন সে আমার একেবারে সামনে চলে এসেছে। 
=&#062; কি ব্যাপার শান্ত।। সেই কতক্ষন ধরে ডাকছি। তুমি কি শুনতে পাওনা নাকি!!
=&#062; তুমি আজ বাস স্টপে।। আগে তো কখনও &#x200d;দেখি নাই। আর আমি আসলে একটু অন্যমনস্ক ছিলাম তো তাই খেয়াল করিনি।।
=&#062;আহা!! আজ বাইকটা রেখে এসেছি। বাইক এর কিছূ কাজ করাতে হবে। তাই ভাইয়াকে বলেছি সে যেন বাইকটা সারিয়ে নিয়ে আসে।।
শান্ত এর কাছে রবিনের কথাগুলো খুবই বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। কেন যেন তাকে বলতে ইচ্ছে করছে, ভাই তুই তোর এইসব বড়লোকি কথা আমার সামনে না বলে অন্য কোথাও গিয়ে বল। আমার ভালো লাগছে না। কিন্তু সেটা তো আর কা্রও মুখের উপর বলা যায়না।। রবিন আবার বলে উঠলো।
=&#062; আচ্ছ শান্ত। কাল দেখলাম তুমি আর নিলু একসাথে দাড়িয়ে কি যেন নিয়ে সেই লেভেলের গল্প করছিলে।।
শান্ত এর বুকের ভেতরটা মোচর দিয়ে উঠলো। সে যেন তার সকল প্রশ্নের উত্তর খুজে পেতে শুরু করেছে। কেন আজকের সকালটা তার কাছে অন্য সকল সকাল এর চেয়ে অনেক আলাদা মনে হচ্ছে। কারন ভার্সিটির মধ্যে যার সাথে কথা বলার জন্য তার ভেতরটা সবসময় ছটফট করতো, ঠিক সেই মানুষটি কাল নিজে থেকে তার সাথে কথা বলেছে। সেই বিষয়টি নিয়ে সারারাত নির্ঘুম রাত কেটে যায়। আর তাকে এক পলক দেখার জন্য হৃদয়টা যেন দুমরে মুচরে যাচ্ছে।। রবিন আবার বলছে,,,
=&#062; কিরে ভাই কই হারায়ে গেলি?? 
শান্ত নিজেকে একটু সামলে নিয়ে বলল, আরে নাহ। তেমন কোন কথা হয়নি। সে আমার কাছে এসে বলল সে কোন এক ব্যাচে নাকি প্রাইভেট পরবে। আর সেখানে নাকি তারা নিজেরা ক্লাসের বেস্ট ছাত্র আর ছাত্রীদের নিয়ে শুরু করতে চাইছে। এই আরকি।
=&#062; তাহ তুই কি বললি??
শান্ত খেয়াল করলো রবিন তাকে তুমি থেকে সরাসরি তুই করে বলছে। শান্ত একটু বিরক্তি নিয়ে বলল, আমি বলেছি আমার প্রাইভেট এর প্রয়োজন পরবে না। আর যদি কখনও পরে তবে তাকে অবশ্যই জানাবো।। এইতো।।
রবিন বলল, সামান্য এতটুকু কথাকি এতক্ষন ধরে বলছিলি। 
=&#062; নাহ। আর কিছু কনভারসেশন হয়েছে। কিন্তু তুমি এতকিছু কেন জিজ্ঞাসা করছো।।
=&#062; আরে নিলু তো ছেলেদের থেকে একশ হাত দুরে থাকে।। আমি কখনো দেখি নাই কারও সাথে তেমন কথা বলতে। কিন্তু তোমার সাথে কাল যে পরিমান গল্প করছিল। কম করে হলেও ০৫ থেকে ০৭ মিনিট তো হবেই। তাই ভাবলাম কি এমন বিষয়। 
শান্তু যদিও বিষয়টি বুঝলো না। তবুও বললো, ও আচ্ছা।।
রবিন একটু জোরে এবার শান্ত এর পিঠে একটা চাপর দিয়ে বলল, শান্ত আমি তোকে তুই করে বলছি আর তুই আমাকে তুমি তুমি করে বলছিস কেন??
শান্ত মুখটা কলো করে পিঠে হাত দিয়ে বলল, নাহ এমনি। 
=&#062; শোন শান্ত। আমি কিন্তু বন্ধু হিসেবে অসাধারন। আজ থেকে তুই আমার ক্নোজ বন্ধূদের  মধ্যে একজন। 
শান্ত একটু অবাক হয়ে রবিন এর দিকে তাকিয়ে ভাবছে। মাত্র কয়েকমিনিটের কাথার মধ্যেই সে একজনের ক্নোজ বন্ধূ হয়ে গেল। বিষয়টি কি বারাবারি হয়ে গেল না। নাকি ছেলেটা এমনি। তবে হলে মন্দ হয়না ।। কারন ভার্সিটির মধ্যে এখন পযর্ন্ত তার কোন ভালো বন্ধু হয় নাই। আসলে ভালো বন্ধু বাদ। তার তেমন কোন বন্ধু হয় নাই। অথচ এক মাস হয়ে গেল। রবিন আবার বলল,
=&#062; কিরে তুই একটু পরপর কোথায় হারিয়ে যাস বলতো। 
=&#062; ক....ই। নাতো।।
=&#062; ঐতো বাস চলে এসেছে। চল চ্ল।।
রবিন শান্ত এর হাতটা টেনে বাসের দিকে রওনা করলো।। শান্ত এর ভেতরে কেমন যেন একটা ভালো লাগা কাজ করছে। এখন তার মনে হচ্ছে আসলে এমন একজন বন্ধু আসলেই খুব দরকার।। তার ভেতরে সকাল থেকে যে অস্স্তিবোধ কাজ করছিল সেটা একনিমিষেই কেটে গেল ।। দুজনেই বাসে উঠে পরলো। ব্যস্ত ঢাকার জানজট পেরিয়ে চলে যাচ্ছে বাস।। কখনো থামছে কখনো চলছে।। 


২য় পর্ব আসবে খুব শিগ্রই............................</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229795/</link>
				<pubDate>Wed, 28 May 2025 20:39:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================প্রেমেরই জখম==========================<br />
পর্ব: ০১<br />
লেখক: নাদিম হোসাইন।<br />
——————————————————————————————————————<br />
আজকের সকালটাই অন্যরকম মনে হচ্ছে।। কিন্তু কেন অন্যরকম সেটা বুঝতে পারছি না। নাকি বোঝার চেষ্টা করছি না। আচ্ছা আজ সকালে তো হালকা বৃষ্টি হয়েছিল। তার জন্য কি আজকের সকালটা অন্যরকম। সবকিছুই গোলমেলে লাগছে কেন। কত কিছু যে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229795"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229795/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc6cee34700cdc5ad6433dbd5a5b0a1b</guid>
				<title>শখ কোন তুচ্ছ করার বিষয় না।।
মানুষ আর বাচেঁ কয়দিন।।
ফট করে একদিন আজরাইল এসে বলবে
চল ব্যাটা যাই।।
শখই যদি মেটাতে না পারলাম 
তাহলে মানুষ হয়ে জন্মে আর কি লাভ।।
নেরি কুত্তা হয়ে জন্মালে ক্ষতি কি ছিল।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229793/</link>
				<pubDate>Wed, 28 May 2025 19:41:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শখ কোন তুচ্ছ করার বিষয় না।।<br />
মানুষ আর বাচেঁ কয়দিন।।<br />
ফট করে একদিন আজরাইল এসে বলবে<br />
চল ব্যাটা যাই।।<br />
শখই যদি মেটাতে না পারলাম<br />
তাহলে মানুষ হয়ে জন্মে আর কি লাভ।।<br />
নেরি কুত্তা হয়ে জন্মালে ক্ষতি কি ছিল।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">503aacd831eaf11ab796dedc447859fa</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৯

আসিতেছে খুব শিগ্রই।।।

যারা পুরনো পর্ব গুলো পরেননি, তারা এখনি পরে নিন যাতে করে গল্পের সাথে থাকতে পারেন।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229756/</link>
				<pubDate>Tue, 27 May 2025 18:47:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৯</p>
<p>আসিতেছে খুব শিগ্রই।।।</p>
<p>যারা পুরনো পর্ব গুলো পরেননি, তারা এখনি পরে নিন যাতে করে গল্পের সাথে থাকতে পারেন।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">90ba58aaa39311c2ea3af252e4b1dbe2</guid>
				<title>নতুন করে লিখতে শুরু করেছি নতুন গল্প।।
গল্পের নাম ”প্রেমেরই জখম”।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229755/</link>
				<pubDate>Tue, 27 May 2025 18:44:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নতুন করে লিখতে শুরু করেছি নতুন গল্প।।<br />
গল্পের নাম ”প্রেমেরই জখম”।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">66216dd5ecf5217154838f9d07a70eea</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229754/</link>
				<pubDate>Tue, 27 May 2025 18:29:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2582df52185cf74f71220d0d9954a571</guid>
				<title>সংসার ধর্ম নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত হয়ে গিয়েছি যে, লেখালেখির সময় পাওয়াটা বড় দুস্কর।। তবে কাগজে কলমে এখনও মাঝে মাঝে কিছু না কিছু লিখছি।। কেন যেন মনে হচ্ছে আমি যেই লেখালেখিটা এত ভালোবাসতাম, যেটাতে আমাকে হাজারো প্রশান্তি দিত। সেটাকে মনে হয় আমি গলা টিপে হত্যা করছি। তাই ভাবলাম আর নয়। এটাকে চালিয়ে যেতে হবে। 
আমার প্রিয় বাকি লেখক এবং পাঠক বন্ধুরা কি আমার পাশে থাকবেন????</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229751/</link>
				<pubDate>Tue, 27 May 2025 18:21:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সংসার ধর্ম নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত হয়ে গিয়েছি যে, লেখালেখির সময় পাওয়াটা বড় দুস্কর।। তবে কাগজে কলমে এখনও মাঝে মাঝে কিছু না কিছু লিখছি।। কেন যেন মনে হচ্ছে আমি যেই লেখালেখিটা এত ভালোবাসতাম, যেটাতে আমাকে হাজারো প্রশান্তি দিত। সেটাকে মনে হয় আমি গলা টিপে হত্যা করছি। তাই ভাবলাম আর নয়। এটাকে চালিয়ে যেতে হবে।<br />
আমার প্রিয় বাকি লেখক এবং পাঠক বন্ধুরা কি আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229751"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229751/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea5868d8bc6f19b581e62aedf501b693</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৮
——————————————————————————————————————

আজ প্রায় দেড় মাস হয়ে গেল।  তবুও লোকমান সাহেব সুস্থ হতে পারেননি। তার দুঃস্বপ্নগুলো তার পেছনে ছাড়ছেনা। তাকে আঁকড়ে ধরে আছে। দিন দিন তার শরীর অত্যন্ত শুকিয়ে গেছে। তিনি এখন আর স্বাচ্ছন্দ নিয়ে কথা বলতে পারেন না। তার সারা শরীর সারাক্ষণ ব্যথা করে। গত কিছুদিন হয়েছে তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে । ডাক্তারি সব ধরনের চেকআপ, এক্সরে করানো হয়েছে। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। কোনো অসুস্থতা বা কোন রোগ ধরা পড়েনি। সকলে বলছেন এটা একটা মানসিক রোগ। তিনি প্রচণ্ড ভয় পেয়েছেন আর সেই ভয়টা এখনো তার মনের মধ্যে বিচরণ করছে এবং এরই ফলে তার এখন পর্যন্ত জ্বর দূরীভূত হয় নি। কিন্তু লোকমান সাহেব কাউকে বলছেন না তিনি কি ধরনের দুঃস্বপ্ন দেখছেন অথবা কেন দেখছেন। তিনি হয়তো কোন কিছু গোপন করতে চাচ্ছেন।
 লোকমান সাহেবের কোন বোন নেই। শুধু দুই ভাই আছে। দুই ভাই দুদিন হয়েছে বাংলাদেশে এসেছেন। লোকমান সাহেব কে দেখতে দুই ভাই এসেছে। দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট ভাইয়ের নাম রিপন আর মেজ ভাইয়ের নাম শিপন। মেজ ভাইয়ের দুটি মেয়ে আর ছোট ভাইয়ের একটি মেয়ে আর একটি ছেলে। মেজ ভাই শিপন এর  মেয়ের নাম শিলা এবং ছোট মেয়ের নাম নিলা। নিলা দুই বছরের ছোট । শীলা আর আবির তিন মাসের ছোট বড়।
 আর ছোট ভাই রিপন এর বড় ছেলের নাম সীমান্ত এবং ছোট মেয়ের নাম সোমা। সোমা ক্লাস ফাইভে এবং সীমান্ত ক্লাস নাইনে পড়ে। তবে এদের মধ্যে  আবির অবশ্য কিছুটা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। চাচাতো ভাইবোন সবাই যেন আবির কে খুঁজে। আবির প্রায় তাঁদের নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছে। সারা বাড়ির মধ্যে যেন একটা উৎসব মুখর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
 বেলা দশটা বাজে। আবির পাঞ্জাবি আর জিন্স পড়ে রেডি হচ্ছে।  এমন সময় শিলা ঘরে ঢুকলো। আর বলছে,
=&#062; কিরে কোথায় যাচ্ছিস?
 আবির উত্তর দিল
=&#062;  বাহিরে যাচ্ছি।
=&#062; তাতো বুঝতে পারছি। কিন্তু বাহিরে কোথায় যাবি?
=&#062; আজ আমার রেজাল্ট দিবে তা জানতে যাচ্ছি।
=&#062; আমি কি তোর সঙ্গে যেতে পারি।
আবির চোখগুলো বাঁকা করে কি যেন ভাবলো তারপর বলল,
=&#062; তুই আমার সঙ্গে সত্যিই যাবি!!
=&#062; না যদি কোন সমস্যা থাকে, তবে থাক।
=&#062; ধুর কিসের সমস্যা। চলতো।
=&#062; ঠিক আছে। আমি রেডি হয়ে আসি।
=&#062; তাড়াতাড়ি করিস। দেরি করিস না যেন।
 শিলা রেডি হতে বের হল। আবির চিন্তা করল, সে তার বাবার সাথে দেখা করে তারপর যাবে। সে তার বাবার রুমে গেল। সে দেখতে পেল লোকমান সাহেব তার ক্লান্ত শরীরটাকে বিছানায় হেলান দিয়ে আছেন। বাবাকে এই অবস্থায় দেখে আবিরের মনটাই খারাপ হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে বাবার নিকট এগুলো। তারপর বাবার পাশে গিয়ে বসলো। তারপর ধীর কণ্ঠে বলল,
 =&#062; আব্বু,, তুমি কি ঘুমাচ্ছ?
 লোকমান সাহেব আলতো করে চোখ খুললেন। অনেক কষ্ট করে বললেন,
=&#062; না ঘুমাইনি।
=&#062; আব্বু আজ আমার রেজাল্ট দেবে। দোয়া করো।
 লোকমান সাহেব বলছেন,
=&#062; যাও।। কোন টেনশন করো না।।
 এতোটুকু বলতেই লোকমান সাহেবের খুব কষ্ট হয়েছে। তার মুখ দেখে তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। আবির চিন্তা করল বাবার সাথে আরো কিছুক্ষণ কথা বলবে। কিন্তু তা আর হয়ে উঠলো না। কারন সে বুঝল তার বাবা অত্যন্ত কষ্ট করে এই কথাগুলো বলেছেন। সে উঠে বেরিয়ে গেল।
 শিলা আর আবির রিকশায় করে কলেজে যাচ্ছিল। শিলা বলছে,
=&#062; কিরে তুই একদম চুপ করে বসে আছিস কেন?
=&#062; তাহলে কি করব বল।
=&#062; আশ্চর্য!! আমার সঙ্গে কথা বলবি।
=&#062; কি কথা বলব?
=&#062; কত রকম কথা আছে। শুধু খুঁজে বের কর।
=&#062; ঠিক আছে। এই গুরুদায়িত্ব টা আমি তোকে দিতে চাই।
 শিলা একটু কেশে নিল ।। তারপর বলছে,
=&#062; আমি যখন তোকে প্রথম দেখি। ভেবেছি তুই একটা গাধা।
=&#062; তাহলে এখন কি ভাবিস?
=&#062; এখন মনে হয়,, আসলেই বাঙালি খুব চালাক।।
=&#062; কিন্তু আমি তোকে  দেখে ভাবতে পারিনি তুই এমন।।
=&#062; আমি আবার কেমন!!
=&#062; সে কথা যদি মুখে বলতে পারতাম,, ভালোই হতো।
=&#062; দেখ উলটাপালটা কথা বলবি না।
=&#062; না না আমি উল্টোপাল্টা কথা বলছি না। সত্যি বলছি আমিতো ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম।
=&#062; কি হয়েছে বল।। নয়তো তোকে খামচি দেবো।।
=&#062; বোকা মেয়ে, তোর কথাবার্তা শুনে।
=&#062; মানে!!  আমার কথাবার্তায় কি।।
 =&#062; তুই বিদেশ থেকে এত সুন্দর বাংলা বলিস কিভাবে??
 শিলা সজোরে হেসে উঠলো।। আবির শিলার দিকে তাকালো।। সে দেখল শিলার হাসিটা অত্যন্ত চমৎকার।। শিলা হাসলে গালে টোল পড়ে এবং সেটা তার হাসিকে অত্যন্ত চমৎকার করে তুলেছে। শিলা অত্যন্ত চমৎকার একটি মেয়ে দেখতে। খুবই সুন্দর এবং চঞ্চল প্রকৃতির মেয়ে। খুবই ফর্সা, চেহারাটাও কেমন মায়াবী। চুলগুলো অসাধারণ। সবচেয়ে বড় কথা হল কোন দিক দিয়েই ফেলা যাবে না। তবে কথায় আছে চাঁদ অনেক সুন্দর তবুও তার কলঙ্ক আছে।  শিলাও সে দিক থেকে ধরতে গেলে ঠিকঠাক। তবে সমস্যা  সে খুবই বেটে। কিন্তু সেটা চোখে পড়ার মতো নয়। যাই হোক আবির আর শিলা রিক্সা থেকে নেমে কলেজের ভিতরে প্রবেশ করলো। তার অন্যান্য বন্ধুবান্ধব সবাই একত্রে দাঁড়িয়ে আছে। আবির ওদের সামনে গিয়ে শিলাকে তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল। শিলা একটা নতুন মেয়ে, দেখতে সুন্দর, স্মার্ট এক কথায় অসাধারণ অথচ আবিরের কোন বন্ধুর শিলার প্রতি কোনপ্রকার আগ্রহ নেই। আবির একটু অবাকই হল।
 আবির যে কলেজে পড়ে সেইখানে আবার অর্পিতা স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। অর্পিতা ভার্সিটি থেকে বের হয়ে দেখল আবির এবং তার বন্ধুরা সাথে একটি সুন্দরী মেয়ে। অর্পিতার পুরো শরীরে আগুন ধরে গেল। সে চেয়েছিল আজ আবিরকে বেস্ট অফ লাক জানাবে এবং রেজাল্ট দেয়ার পর কোথাও যাবে। কিন্তু এখন তার মাথা প্রচন্ড গরম হয়ে আছে। অর্পিতা হাঁটা শুরু করল। আবির অর্পিতাকে এতক্ষণ পর দেখল। সে ডাকলো অর্পিতা, অর্পিতা।।
 কিন্তু অর্পিতা দ্রুত হেঁটে চলে গেল। বেচারা আবির আবার আহত হল। সে যতবারই অর্পিতার নিকট যাবে ঠিক ততোবারই আহত হবে। হয়তো আবিরের কপালে এটাই লেখা আছে।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/125717/</link>
				<pubDate>Mon, 25 Jul 2022 15:53:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৮<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>আজ প্রায় দেড় মাস হয়ে গেল।  তবুও লোকমান সাহেব সুস্থ হতে পারেননি। তার দুঃস্বপ্নগুলো তার পেছনে ছাড়ছেনা। তাকে আঁকড়ে ধরে আছে। দিন দিন তার শরীর অত্যন্ত শুকিয়ে গেছে। তিনি এখন আর স্বাচ্ছন্দ নিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-125717"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/125717/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">89bf3c501f58abc61762ff0fd9d32fa0</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/124705/</link>
				<pubDate>Wed, 20 Jul 2022 02:20:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7dce035f9a1b1d2ea94638a91ef90fb0</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৭
——————————————————————————————————————

প্রতিদিনের চেয়ে আজকের দিন টা একটু ব্যতিক্রম হলো। দেখা যেত প্রতিদিন অর্পিতা আসতো দেরি করে । কিন্তু আজ অর্পিতা তাড়াতাড়ি চলে এসেছে । আবীর গত তিন-চার দিন ধরে কোন খোঁজ খবর ছাড়া উধাও ছিল। তাই আজ অর্পিতা নিজের ফোন দিয়ে আবির কে আসতে বলেছে । অর্পিতা মোবাইলটা বের করল। আবীরকে ফোন দেয়ার জন্য। সে দেখতে পেল আবীর আসছে। সে মোবাইলটা আবার তার ব্যাগে ভরে রাখে। আবীর ঠিক তার কাছে  চলে আসলো। আবীর  বলছে,
=&#062;  সরি একটু দেরি হয়ে গেল
 অর্পিতা কিছু বলল না সে অন্যদিকে তাকিয়ে রইল। আবির কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে উঠলো,
=&#062;  সরি । আসলে…………..
 আবির কথাটি শেষ করতে পারলো না।
=&#062; থাক কোনো অজুহাত দেখাতে হবে না।
 আবার মুখ গোমড়া করে বসে রইল। সে কিছু বলার সাহস পেলো না। অর্পিতা সেই  রাগী কন্ঠ বলে উঠল,
 =&#062; নতুন কোন গার্লফ্রেন্ড পেয়েছো।
 আবির চোখ দুটো বড় বড় করে বলে উঠলো,
=&#062; মানে। আমার নতুন। কি যে বল!
 =&#062; তিন চার দিন কোথায় ছিলে। তোমার বন্ধুদের সাথেও কোন যোগাযোগ নেই।
 =&#062; না আসলে বাসায় একটু সমস্যা চলছে।
 =&#062; বলা যাবে।
 =&#062; হ্যাঁ । বাবা প্রচন্ড অসুস্থ।
 =&#062; কি হয়েছে?
=&#062;  বাবা কি একটা দুঃস্বপ্ন দেখছে। আর সেটা দেখে প্রচন্ড জ্বর। গত কয়েকদিন ধরে 103 ডিগ্রি জ্বর। একটু কমছে না ।
=&#062; ডাক্তার দেখিয়েছো।
=&#062;  হ্যাঁ  কোন লাভ হচ্ছে না। কি যে করি বুঝে উঠতে পারছিনা।
অর্পিতা খুবই নরমাল ভাবে শান্ত কন্ঠে বলল,
 =&#062; অন্য কোনো চিকিৎসা??
=&#062;  হ্যাঁ আম্মু কোন এক হুজুরের পানি পড়া এনেছিল। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি।
 =&#062; তাহলে তো খুবই ভয়ের বিষয়।
 আবির হঠাৎ কান্না জড়িত কন্ঠে বলতে শুরু করল,
 =&#062; জানো,  আমি যাদের প্রচন্ড ভালোবাসি। তারা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চায়।
 অর্পিতা এবার একটু রেগে গেল এবং রাগান্বিত কন্ঠে সে বলে উঠলো,
=&#062; মেয়েদের মত  কাঁদছো কেন। আর তোমাকে ভালোবাসে এমন মানুষ খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে।
 =&#062; তা অবশ্য সত্যিই বলেছ। তবে কি জানো।
=&#062; কি জানতে চাও
 =&#062; তুমি আজ বুঝবেনা। সেদিন বুঝবে। তোমাকে আমি কত ভালোবাসি।
 =&#062; কোন দিন বল। আমি সেই দিনের অপেক্ষায় থাকবো।
 =&#062; তুমি মজা করছ। করো মজা করো।
  =&#062; না হ  আমি খুবই সিরিয়াস। আমি মজা করবো কেন।
 আবির আর কিছু বলল না।  চুপ করে রইলো।  একটু পর অর্পিতা বলছে,
=&#062; আমি গেলাম
 অর্পিতা উঠে দাঁড়ালো।  আবির বলে উঠলো,
=&#062;  তুমি চলে যাবে??
=&#062;  নাহ।  বসে বসে বাংলা সিনেমার ডায়লগ শুনবো।
 অর্পিতা  দ্রুত গতিতে হেঁটে চলে গেল। আবির চুপ করে বসে রইল। সে কিছুই বলল না। শুধু কেন যেন একধরনের বিষন্নতা তার মনে ভর করল।।

 শান্ত আর রিয়া লোকমান সাহেবের পাশে বসে গল্প করছে। প্রচন্ড জ্বর এর মধ্যেও তার গল্প করতে খুবই ভালো লাগছিল। রিয়া বলছিল,
=&#062; নানা ভাই। চলনা একদিন ঘুরে আসি।
 লোকমান সাহেব বলছেন,
=&#062; কোথায় যেতে চাও বলো?
 শান্ত খুবই গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
=&#062; একদম না। কোথাও ঘুরতে যাওয়া যাবে না।
 লোকমান সাহেব বললেন, 
=&#062; কেন।  কি জন্য??
=&#062; আগামীকাল আমরা চলে যাবো। আগামী পরশু স্কুল খোলা।
 লোকমান সাহেব বলছেন,
=&#062; ও কোথায়। আমিতো কিছুই শুনলাম না।
=&#062; তোমাকে বলা হয়নি।
লোকমান সাহেব বলছেন,
=&#062; তোমাদের খারাপ লাগবে না। আমাকে ছেড়ে চলে যেতে।
রিয়া বলে উঠলো তার  সেই কাঁচাপাকা ইংলিশ মুখে,
=&#062; সরি নানা।  মিস বলেছেন পড়ালেখা না করলে কেউ ভালোবাসবে না। দেখো তুমি, তুমি তো আমাকে ভালোবাসো কারণ আমি পড়ালেখা করি তাই না।
 লোকমান সাহেব একটু হেসে বলে উঠলেন,
=&#062; হ্যাঁ। কথা বড় সত্য।
 শান্ত বলে উঠলো,
=&#062; মিথ্যে বলছো কেন। আমি জানি নাতি নাতনি কে সবাই ভালবাসে।
 রিয়া বলছে,
=&#062; ইউ নট নো দিস সাবজেক্ট।
=&#062; তুই চুপ কর। খালি ভুলভাল ইংলিশ বলিস।
=&#062; তুই তো বলতেই পারিস না।
=&#062; তোকে বলেছে। আমি ইচ্ছা করে বলি না।
=&#062; তুই পারলে তো বলবি।
=&#062; সঠিকটা না পারলে বলা ঠিক নয়।
=&#062; ইউ লায়ার। মিথ্যা। আমাদের মিস বলেছেন ভুল করলেই মানুষ শিখে।
=&#062; দেখ তুই কথায় কথায় শুধু মিসকে টেনে আনছিস কেনো।
=&#062; কারণ আমাদের মিস সবসময় সত্যিটা বলে।
=&#062; দেখ তুই কিন্তু এখন মার খাবি।
 লোকমান সাহেব  বুঝলেন দুজন খুবই রেগে গেছে। এতক্ষণ চলছিল বাকযুদ্ধ কিন্তু চলে যাচ্ছে মারামারি যুদ্ধ। তাই তিনি বললেন,
=&#062; হয়েছে।  চুপ থাকো। অনেক হয়েছে।
 শান্ত বলছে,
 =&#062;জানো না। ও সব সময় আমার সাথে ঝগড়া করে।
  রিয়া বলছে,
=&#062; আমি তোর সাথে ঝগড়া করি না। তুই আমার সাথে ঝগড়া করিস।
 লোকমান সাহেব বলছেন,
=&#062; হ্যাঁ হয়েছে। দুজনে চুপ। আর কোন কথা বলতে হবে না।
 শান্ত উঠে চলে গেল লোকমান সাহেব কিছুই বললেন না। তবে লোকমান সাহেবের মাথাটা প্রচন্ড ব্যথায় কাতরাচ্ছে। তাই তিনি হেলান দিয়ে নিলেন। রিয়া ও ততক্ষণে উঠে চলে যায়। লোকমান সাহেবের শরীরটা দিনদিন যে খারাপ হতে চলেছে সেটা তিনি বুঝতে পারছেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/124348/</link>
				<pubDate>Sat, 16 Jul 2022 12:09:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৭<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>প্রতিদিনের চেয়ে আজকের দিন টা একটু ব্যতিক্রম হলো। দেখা যেত প্রতিদিন অর্পিতা আসতো দেরি করে । কিন্তু আজ অর্পিতা তাড়াতাড়ি চলে এসেছে । আবীর গত তিন-চার দিন ধরে কোন খোঁজ খবর ছাড়া উধাও ছিল। তাই আজ অর্প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-124348"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/124348/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a08831d9736d1546a0126493de377453</guid>
				<title>অনেকদিন পর তুলটে আসলাম।। এত বেশি ব্যস্ততার মাঝে আছি যে আসবো আসবো করে আর আসা হচ্ছে না।। আজ থেকে নিয়মিত থাকবো আবার।। &#x1f642;
”সপ্নীল কারাগার” লেখাটি শেষ করতে পারিনি।। &#x200d;আজ থেকে প্রতিদিন একটি করে পর্ব দেবার চেষ্টা করবো।।
আশা করি সবাই পাশে থাকবেন।। ভালো লাগলে বা মন্দ লাগলে আমাকে জানাবেন।। কারন প্রতিটি ভুল আমার কাছে এক একটি শিক্ষা।।
ভালোবাসা অবিরাম সবাইকে।।&#x2764;&#xfe0f;&#x2764;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122808/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jun 2022 05:54:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেকদিন পর তুলটে আসলাম।। এত বেশি ব্যস্ততার মাঝে আছি যে আসবো আসবো করে আর আসা হচ্ছে না।। আজ থেকে নিয়মিত থাকবো আবার।। &#x1f642;<br />
”সপ্নীল কারাগার” লেখাটি শেষ করতে পারিনি।। &#x200d;আজ থেকে প্রতিদিন একটি করে পর্ব দেবার চেষ্টা করবো।।<br />
আশা করি সবাই পাশে থাকবেন।। ভালো লাগলে বা মন্দ লাগলে আমাকে জানাবেন।। কারন প্রতিটি ভুল আমার কাছে এক একটি শি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122808"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122808/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">464f4a775359f1476751ccfd126b9729</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৬
——————————————————————————————————————

প্রচন্ড জ্বরে ভুগছেন লোকমান সাহেব। তার জ্বরটা কিছুতেই থামতেই চাইছে না। এরমধ্যে তার পরিবারে সকলে খুব টেনশনে পড়ে গিয়েছেন। কেউ বুঝতে পারছেন না হঠাৎ কেন এত জ্বর আসলো। শানু বেগম প্রতিদিন নামাজ শেষ করে তব্জি পড়েন এবং স্বামীকে বিভিন্ন রকম ফুফা দিচ্ছেন। এছাড়া রফিক সাহেব দিনে কয়েকবার এসে দেখে যান। অনেক ওষুধ দিয়ে গেছেন কিন্তু কিছুতেই জ্বর থামতে চাইছে না। এর মধ্যে শাকিলারাও যেতে পারছে না। বাবার এমন অবস্থায় কিভাবে যাবে। শাকিলার হাজব্যান্ড আজ চলে যাবে। কারণ তার অফিসে বেশি দিন ছুটি মঞ্জুর করবে না। তাই সে শশুরের পাশে এসে বসলেন। যদিও শাকিলার হাজবেন্ডের কথাগুলো শুনতে অনেকটা কৌতুকের মতো শোনায়।  আর তিনি এটা খুব ভাল করেই জানেন। তারপরও তিনি চেষ্টা করেন যতটা সম্ভব সিরিয়াসনেস ধরে রাখার জন্য।  তিনি তার শশুরকে বলেছেন খুবই নম্র-ভদ্র কন্ঠে,,,
=&#062; আব্বা।। আপনার শরীরটা কি বেশি খারাপ??
 লোকমান সাহেব শান্ত গলায় উত্তর দিলেন,,
=&#062; সেটা ডাক্তার ভালো বলতে পারবে।।
=&#062; আব্বা একটা কথা বলি কিছু মনে কইরেন না।
=&#062;হুম, বল।
=&#062; আব্বা,, আমার মনে হয় আপনারে উড়পি বাতাসে ধরছে।
 =&#062;উড়পি বাতাস মানে!!
শাকিলার হাজবেন্ড একটা দীর্ঘ-নিঃশ্বাস ছেড়ে বলছেন,,
=&#062; আব্বা,,আমরা এখনকার মানুষ। আমরা এখন এইসব বিশ্বাস করি না।  তবে একটা কথা সত্য। পৃথিবীতে অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটে। সেটা আমরা হয়তো কল্পনাও করতে পারি না।
=&#062; আমি আসলে তোমার কথার অর্থ বুঝতে পারলাম না।
=&#062; আব্বা,, আমার মনে হয় আপনার এ জ্বিনে বা ভুতে ধরছে।
 লোকমান সাহেব একটি মৃদু স্বরে হাসলেন। তারপর আবার বলছেন,,
=&#062; তুমি কি এসব বিশ্বাস করো!!
=&#062; আব্বা,, আসলে আমরা এখন অনেক কিছুই বিশ্বাস করতে চাইনা।। কিন্তু পৃথিবীতে এসব তো আর আমাদের বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মধ্যে থাকে না।।
=&#062; হ্যাঁ।। তা তুমি ঠিক বলেছ।। তুমি কি এই যুগে এমন কোন দৃঢ়ল প্রমান পেয়েছ??
সে তার চোখ দুটোকে এবার বড় বড় করে উৎসাহ নিয়ে একটু জোড়ালো কন্ঠে বলছেন,
=&#062; জ্বে আব্বা।। এইতো সেদিন আমার অফিসের কলিগ।। আহারে বেচারা!! জ্বরে একদম শুকনা কাঠ হইয়া গেল।। কোন ঔষধ পত্রেই কাজ হইলো না।। শেষ পর্যন্ত কোন এক ফকির বাবার কাছ থেকে পানি পড়া খাইলো।। ব্যাস সুস্থ হইয়া গেল।।
=&#062; তুমি কি বলতে চাইছো আমি কোন ফকির বা কবিরাজ দেখাবো।।
 =&#062; আব্বা,,দেখাইলে তো কোন সমস্যা নাই। চেষ্টা করতে দোষ কি।।
=&#062; আচ্ছা,, দেখি কি করা যায়।। তা তুমি কি আজকেই চলে যাবে।।
=&#062; জ্বে।। আমাকে আজকে যেতে হবে।। কারণ বস খুব বদ মেজাজী।।
=&#062; হুম।। তা তুমি একাই যাচ্ছো??
=&#062; জ্বে।। আমি একাই যাচ্ছি।। ওরা নাকি থাকবে।।
=&#062; আচ্ছা।। কখন যাবে??
=&#062; এইতো আব্বা।। বিকালেই  চইলা যাব।।
=&#062; তাহলে সপ্তাহে এসো।।
=&#062; জ্বে আব্বা।। আসবো।। আমি তালে উঠি আব্বা।।
=&#062; উঠবে।। আচ্ছা ঠিক আছে।। সাবধানে যেও বাবা।।
=&#062; জ্বে আব্বা।। আচ্ছা আব্বা আমি কি  তাহলে কথা বলব??
=&#062; কথা বলবে!! কি কথা??
=&#062; ওই যে বললাম না।। আমার কলিগ জ্বরে ভুগছিল….. 
লোকমান সাহেব থামিয়ে &#x200d;দিয়ে বললেন,,,
=&#062; না…না.. কথা বলার দরকার নেই।। আর কিছু দিন দেখিনা।।
=&#062; আচ্ছা আব্বা।। তবে বিষয়টা একটু ভাইবা দেইখেন।। আসি তাহলে আব্বা।। আসসালামু আলাইকুম।।

 লোকমান সাবেক চোখ বন্ধ করে শুয়ে ছিলেন।। বিকেলে রফিক সাহেব আসলেন।। তিনি এসে আগে প্রেসার জ্বর  সবকিছু মাপলেন তারপর বলছেন,,
=&#062; কি ব্যাপার জ্বর দেখছি কিছুটা কমেছে।।
=&#062; হুম।। আমারও তাই মনে হয়।।
 রফিক সাহেব একটু বিরক্ত হয়ে বললেন,,
=&#062; কমেছে!! সকালে ছিল 102 ডিগ্রি আর এখন 103°।।
 লোকমান সাহেব একটু হেসে বললেন,,
=&#062; কি করি বল।। তুই মজা করলি তাই আমিও একটু মজা করলাম।।
 রফিক সাহেব বলছেন,,
=&#062; আচ্ছা তুই কি জানিস।। আমার তোকে খুব বিরক্ত লাগে।।
=&#062; হ্যাঁ।। খুব ভালো করেই জানি।।
 রফিক সাহেব আরো বিরক্ত  হয়ে বলছেন,,
=&#062; এটাতো একটা চাপা মারলি।।
=&#062; তুই কি বলতে চাস।। আমার চুল বাতাসে পেকেছে।। আমি কিছু বুঝতে পারি না।।
=&#062; হ্যাঁ তুই তো সবই বুঝিস।। পারলে বলতো কেন তোকে বিরক্ত লাগে।।
=&#062; খুবই কঠিন প্রশ্ন।। শোন পৃথিবীতে সকলে শিল্পী,, কিন্তু ক&#039;জন প্রতিষ্ঠা পায়।।
=&#062; তোর যত্তসব প্যাচ মারা কথা।। তুই মানুষই একটা প্যাঁচের।। এজন্য তোর অসুখটা ও প্যাচের মত।।
=&#062; হু।। তুই কিন্তু কথাটা খারাপ বলিস নি।। ঠিকই বলেছিস।। আমি তোকে সাপোর্ট করি।।
=&#062; আশ্চর্য।। আমি যা বলব তাই কি  তুই সাপোর্ট করবি।।
=&#062; না।। আমি তো তা  বলিনি।। শুধু বলেছি এই কথাটাকে সাপোর্ট করি।। তাই বলে সব কিছু নয়।।
=&#062; ও তাই।। কোনটাতে তুই আমার দ্বিমত।।
=&#062; তুই তো এমনিতেই খুব ক্ষেপে আছিস।। এটা বললে তুই আরো ক্ষেপে যাবি।।
=&#062; বল তুই আমি ক্ষেপবোনা।।
=&#062; ঠিক আছে শোন তাহলে।। আমার সবচাইতে বেশি বিরক্ত লাগে।। মানে আমি সাপোর্ট করি না তোর ডাক্তার  গিরি করাটাকে।।
 রফিক সাহেব এবার কিছুটা রাগান্বিত হলেন।। তিনি বললেন,,
=&#062; আচ্ছা শোন।। আমি গেলাম।। আমার কাজ আছে।। আর ওষুধগুলো ঠিকঠাক মত খেয়ে নিস।।

 রফিক সাহেব উঠে চলে গেলেন। লোকমান সাহেব বুঝতেই পারলেন রফিক সাহেব যে কিছুটা রাগান্বিত হয়েছেন।। তিনি কিছুই বললেন না।। চুপ করে আবার চোখ বন্ধ করে হেলান দিয়ে শুয়ে রইলেন।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/100414/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Mar 2022 16:32:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৬<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>প্রচন্ড জ্বরে ভুগছেন লোকমান সাহেব। তার জ্বরটা কিছুতেই থামতেই চাইছে না। এরমধ্যে তার পরিবারে সকলে খুব টেনশনে পড়ে গিয়েছেন। কেউ বুঝতে পারছেন না হঠাৎ কেন এত জ্বর আসলো। শানু বেগম প্রতিদিন নামাজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-100414"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/100414/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30f8d9908df98691f35553bf120b4580</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৫
——————————————————————————————————————

লোকমান সাহেব আজ তিনদিন চারদিন পর অফিসে আসলো । কিন্তু অফিসে আসাতে আরো বেশি ক্লান্ত মনে হচ্ছে। সে তাই দুপুরে বাসায় চলে যাবার জন্যে গাড়ি বের করতে বললেন। ঢাকা শহরের রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম আর পড়েছেও প্রচন্ড গরম। তার ওপরে ভর দুপুর। রোদের মাত্রাটাও যেন আজকে অনেক বেশি। লোকমান সাহেব বাহিরে তাকালেন। গাড়ির গ্লাস বন্ধ। তার ওপরে আবার জ্যাম লাগলে অনেক ভিক্ষুক দৌড়ে আসে তাই তিনি গ্লাস বন্ধ করে রেখেছেন। তিনি দেখছেন দুটো বাচ্চা শিশু ফুটপাতে বসে গল্প করছে। তাদের শরীরে শুধু ময়লা দুটো হাফ প্যান্ট। দেখলেই মনে হবে কয়েক বছর প্যান্টটা ধোয়া হয়নি এবং শিশু দুটি উদোম। একজন অন্যজনের কান ধরে আবার অন্যজন তার নাক ধরে। তারপর যে কি হাসি। লোকমান সাহেবের এই খেলাটা খুব ভালো লাগলো। তিনি মুগ্ধ হয়েই দেখছিলেন বাচ্চা দুটির খেলা। তার মাথাটা আবার ব্যথা শুরু করল। সে একটু হেলান দিয়ে বসেন এবং চোখটা বন্ধ করলেন।

 অবশেষে জ্যাম ছুটল গাড়ি ছুটেছে। গাড়ি ছুটছে যেন তার নিজের গতিতে। কেমন যেন অন্যরকম লাগছে। তার বুকের ভিতর কেমন যেন অস্থিরতা বেড়ে চলছে। কেন যেন তার ইচ্ছে করছে বাহির একটু তাকাতে। তিনি চোখ খুললেন এবং বাহিরে তাকালেন। তিনি দেখছেন অনেকগুলো মেয়ে বসে কাঁদছে। তিনি আরো দেখলেন,  মেয়েরা সবাই একই পোশাক পরা এবং তারা সবাই লাইন ধরে বসে কান্না করছে।তিনি  ড্রাইভারকে গাড়ি থামাতে বললেন। তারপর তিনি গাড়ি থেকে নামলেন। তার কেমন যেন অস্থিরতা বেড়েই চলছে। তিনি সাতপাঁচ না ভেবে সামনের দিকে অগ্রসর হলেন এবং খুবই ধীর গতিতে সামনে এলেন। তিনি মেয়েগুলোর সামনে গেলেন এবং যারা কান্না করছিল তাদের মধ্য থেকে একজনকে জিজ্ঞাসা করলেন, খুবই ভীত কন্ঠে,,
=&#062; আচ্ছা…আপনার এখানে বসে কাঁদছেন কেন??
 মেয়েটা কোন উত্তর দিলেন না শুধু হাত নাড়িয়ে সামনে দেখালো। লোকমান সাহেব সামনের দিকে তাকালেন। তিনি দেখলেন সামনে প্রচুর মানুষ। খুবই ভিড় এবং সবাই মেয়ে। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যজনক  ব্যাপার হল রাস্তাঘাটে একটা  গাড়িও নেই। সম্পূর্ণ ফাঁকা।। তিনি ধীরে ধীরে সামনে অগ্রসর হলেন। তিনি যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাগুলো সরে যাচ্ছিল। তিনি ধীরে ধীরে আরো সামনে অগ্রসর হলেন। তার অস্থিরতা আরো বেড়ে চলছিল। তারপর তিনি সামনে গিয়ে যা দেখলেন,, তা অত্যন্ত বিশ্রী একটি বিষয়। একটা মেয়ের চোখ দিয়ে রক্ত ঝরছে এবং সে সম্পূর্ণ উলঙ্গ। তার শরীরে কোন প্রকার জামা  বা কাপড় নেই।। লোকমান সাহেব বলে উঠলেন,,
=&#062; কি হলো!! ওকে জামা পড়াও।। ছিঃ
তারপর সেই উলঙ্গ মেয়েটা তার মাথা উপরে উঠালো এবং বলে উঠল,,
=&#062; আমারে কে জামা দিব স্যার।। আফনেই  তো সব লইয়া গেছেন।।
 লোকমান সাহেব একটু  ভয়ে ভয়ে বলছেন,,
=&#062; কি সব বাজে কথা বলছ। আমি  নিতে যাবো কেন??
 মেয়েটা আবার  কান্না করতে করতে বলছে,,
=&#062;  আফনে  আমারে ভুইলা গেছেন।। হইবো না,, এইডা হইতেই পারেনা।। আমার নাম  সখিনা।। মনে কইরা দেখেন তো স্যার।।
লোকমান সাহেব লক্ষ্য করলেন আসলেই তো,  সখিনার মতোই লাগছে।।। তিনি চিৎকার করে বলছেন,,
=&#062; না এ হতে পারে না।। তুমি বাঁচবে কিভাবে।।
লোকমান সাহেব সেখানে থেকে দৌড় দিলেন।।  কিন্তু তিনি দৌড়াতে পারছেন না শুধু পড়ে যাচ্ছেন। কয়েকবার তিনি রাস্তার মাঝে পড়ে যান।। আবার উঠে দাঁড়ান এবং এভাবেই বহুকষ্টে তিনি গাড়িতে উঠলেন।। ড্রাইভারকে বললেন,,
=&#062; গাড়ি চালাও।। তাড়াতাড়ি।।
 কিন্তু ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট করল না।। চুপ করে বসে রইল।।  লোকমান সাহেব আবার চিৎকার দিয়ে বললেন,,
=&#062; ড্রাইভার গাড়ি চালাও।। ওরা দৌড়ে আসছে।। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে তাড়াতাড়ি।।
ড্রাইভার এবার মুখ ঘোরালেন।। লোকমান সাহেব দেখলেন,, এ হচ্ছে কুদ্দুস ।। তিনি বলে উঠলেন,,
=&#062; তুমি বেঁচে আছো কিভাবে??
 কুদ্দুস হাসি  দিয়ে বলে উঠল,,
=&#062; স্যার আফনে আমারে চিনছেন।। আমি কেমনে মরি কন।। আফনেতো আমারে মারতে পারেন নাই।।
 =&#062; আ..আ.. আমি তোমাকে মারতে পারি নাই।। মানে কি!!
 কুদ্দুস এবার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে উঠলো,,
=&#062; স্যার।। আফনের লাইগ্যাই তো আমার ফাঁসি হইছে।।
 লোকমান সাহেব বলছেন,,
=&#062; দেখো আমাকে মেরো না প্লিজ।। আমাকে ছেড়ে দাও।। প্লিজ আমাকে মেরো না।।

 লোকমান সাহেব ক্রমাগত  বলেই চলছেন একই কথা,,
=&#062; আমাকে মেরো না।। ছেড়ে দাও আমাকে।। প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও।। 
হঠাৎ কেউ একজন জোরে জোরে বলছে,,
=&#062; স্যার আপনি কি কইতাছেন?? কে আপ্নারে ধরছে??
লোকমান সাহেব চোখ খুলে তাকালেন। তারপর তিনি হতভম্ব হয়ে গেলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন, তার পুরো শরীর ঘামে ভিজে গেছে। তার বুকের ভেতর এক অন্যরকম অস্থিরতা বৃদ্ধি  পেয়েছে এবং তিনি ভাবতে পারছেন না তিনি এরকম স্বপ্ন  কেন দেখলেন।। তিনি খুবই আজ আরও বেশী ভয় পেলেন।।।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/100059/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Mar 2022 15:56:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৫<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>লোকমান সাহেব আজ তিনদিন চারদিন পর অফিসে আসলো । কিন্তু অফিসে আসাতে আরো বেশি ক্লান্ত মনে হচ্ছে। সে তাই দুপুরে বাসায় চলে যাবার জন্যে গাড়ি বের করতে বললেন। ঢাকা শহরের রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-100059"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/100059/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fdb603f9cfa1a4c682728fc4f218ed7b</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৪
——————————————————————————————————————

 লোকমান সাহেব গত দুই তিন দিন হল খুবই অসুস্থ । তার অসুখটা এখনও সারেনি। রফিক সাহেব তাঁকে পূর্ণাঙ্গ রেস্টে থাকতে বলেছেন। কিচ্ছু করার নেই। ম্যানেজার প্রতিদিন বাসায় আসছে। তাছাড়া লোকমান সাহেব খুব বুদ্ধিমান। তার ব্যবসা এর কোন প্রকার ক্ষতি হবে না। লোকমান সাহেব কে দেখার জন্য তার দুই নাতি, মেয়ে এবং মেয়ের জামাই এসেছে। সম্পূর্ণ বাসাটা একটা চমৎকার কোলাহলে ভরপুর। খুব ভালো লাগছে। বিশেষ করে নাতনি টাকে তার খুবই ভালো লাগছে। ভালো লাগার একটা বিশেষ কারণ রয়েছে। আর তা হলো নাতনিটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ালেখা করে। সে ভুল ইংরেজি বলে। শুনতে খুব ভাল লাগে। যেমন প্রথম দিনে সে বলে উঠলো,,
=&#062; নানা ভাই । Your fever is coming…..
 সকলেই খুব হেসে উঠলো। তখন সে আবার বলল,,,
 =&#062; Why you are smile???
 এরকম আরও অনেক কথা। যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়। 
=&#062; তোমাকে কে বলেছে ইংরেজিতে কথা বলতে।
 তখন সে বলে,,
=&#062; স্কুলে মিস বলেছে ইংলিশে কথা বলতে।
 আর বড় নাতি হচ্ছে একটু গম্ভীর টাইপের। সে খুব কম কথা বলে। যে কোনো কথা সে ভেবে উত্তর দিবে। তবে সে মানুষের প্রচুর ভুল ধরে। সে হয়েছে অনেকটা তার বাবার মত। আজ সকালে আবির বলল,,
=&#062; শান্ত নাস্তা করেছ।
 শান্ত মাথা উঁচু করে বলল, না।
=&#062; কি ব্যাপার সকাল দশটা বাজে,, এখনো নাস্তা করোনি??
=&#062;সরি মামা!! কথাটা হবে তুমি নাস্তা খেয়েছো??
 আবির তখন চুপসে বলল,, সরি।

 লোকমান সাহেবের মেয়ের নাম হচ্ছে শাকিলা।  সে দেখল যে তার বাবা বারান্দায় শুয়ে আছে ইজিচেয়ারে। সে বাবার পাশে গিয়ে বসলো। সে তার বাবাকে বললো,,
=&#062; আব্বু তুমি কি ঘুমাচ্ছ??
=&#062; না। কি বলবি বল।
=&#062; না আব্বু। কিছু না। তোমার কি  অসুখটা বেড়েছে??
=&#062; না তেমন বাড়েনি। তবে রাতে ঘুমাতে পারি না। তাই সকালে প্রচন্ড খারাপ লাগে।
=&#062; আব্বু ।। চলনা কোথাও থেকে ঘুরে আসি।
=&#062; নারে মা। সেই সময় নেই। দেখি কাল একটু অফিসে যাবার চেষ্টা করব।
=&#062; তোমারি শরীর নিয়ে অফিসে যাবার কোন প্রয়োজন নেই।
=&#062; নারে যেতে হবে। গত কয়েকদিন হল অফিসে যাওয়া হয়নি।
=&#062;আগে নিজে বাঁচো। পরে অফিসে যেও।
 লোকমান সব কিছুই বললেন না। চুপ করে রইলেন।

 সানু বেগম রান্নাবান্নায় খুব ব্যস্ত। মেয়ের জামাই নাতি-নাতনি সবার জন্য একটা না একটা রান্না আছে। সব মিলিয়ে খুবই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি।

 বিকেলে আবির বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে বের হচ্ছিল। ঠিক তখন তার ভাগ্নি রিয়া বলছে,,
=&#062; মামা, I go with you…
 আবির একটু হেসে বলছে,,
=&#062; আমি তো ঘুরতে যাচ্ছি না।
=&#062; জানিনা I go with you…
 =&#062; আহা ঠিক আছে। তুমি যাবে। কিন্তু তুমিতো মজা পাবে না।
=&#062; পাব তুমি নিয়ে চলো না।
=&#062; ঠিক আছে চলো।
 বাধ্যতামূলক আবির রিয়াকে নিয়ে বের হলো। রিয়া বলছে,,
=&#062; Where we going??
=&#062; We are goin to the beautiful place.
রিয়া একটু চুপ করে কি যেন ভাবলো। তারপর বলছে,,
=&#062; মামা প্লিজ রাগ করোনা, একটা প্রশ্ন করি।
=&#062; করো।
=&#062; আচ্ছা মামা Place কথাটার মানে কি??
=&#062; ও,,place কথাটার অর্থ হচ্ছে  স্থান বা জায়গা।
রিয়া আর তেমন কিছু বলল না। রিয়া আর আবির রিকশা থেকে নামল। রিয়া দেখল তার মামার মত কিছু ছেলে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আবির সামনে এগিয়ে গেল তারপর বলছে,,
=&#062; কিরে তোরা এখানে দাঁড়িয়ে কি করছিস।
 একটা ছেলে বলে উঠলো,,
=&#062; কি আর করব। তোর আশায় পথ চেয়ে ছিলাম।
 শুকনা পাতলা একটা ছেলে বলে উঠলো,,
=&#062; কিরে দোস্ত। এটা কে??
 আবির উত্তর দিল,,
=&#062; এ হচ্ছে রিয়া। আমার ভাগ্নি।
 পাশ থেকে চুল বড় বড় এই টাইপের একটা ছেলে বলল,,
=&#062; দোস্ত। ওই টা অর্পিতা না।।
 আবির মাথা ঘুরিয়ে দেখল আসলেই তো অর্পিতা। তার বুকের ভিতর একটা খুশি আর অন্যরকম এক আনন্দ ভর করছে। কিন্তু অর্পিতা এই সময় এখানে একা। সে বুঝে উঠতে পারল না। তাই সে সামনে এগিয়ে গেল। রিয়া ও তার মামার পেছনে নিল। আবির পেছন থেকে বলল,,
=&#062; অর্পিতা তুমি এখানে!! এই সময়!!
 অর্পিতা পেছনে ঘুরে দেখল আবিরকে। সেও কিছুটা অবাক হল। তারপর সেই কর্কশ কন্ঠে উত্তর দিল,,
=&#062; কেন?? আমি কি এখানে আসতে পারি না??
 আবিরের তখন মুখটা গোমরা হয়ে গেল। সে  গোমরা মুখ নিয়ে বলল,,
=&#062; না। আমি তা বলিনি।
=&#062; তুমি কি আমায় সন্দেহ করছো??
=&#062; না ছিঃ।। কক্ষনো না।।
 অর্পিতা রিয়ার  দিকে খেয়াল করল।। তারপর সে বলছে,,
=&#062; এটা কে??
 আবির সেই গোমরা মুখে নিয়েই বলছে,,
 =&#062; আমার ভাগ্নি।
 অর্পিতার মুখের  কোনে ছোট একটা হাসি নিয়ে বলছে,,
=&#062; তোমার নাম কি??
 অর্পিতাকে  রিয়া বলল,,
=&#062; আমি কি বাংলায় বলবো নাকি ইংলিশে বলব??
 অর্পিতা রিয়াকে কাছে টেনে নিল। তারপর বলছে,,
=&#062; ইংলিশে বল শুনি।।
=&#062; My name is Riya. 
=&#062; বাহ খুব সুন্দর নাম তো।  কোন ক্লাসে পড়ো তুমি।।
=&#062; I read in class two.
=&#062; তাই নাকি। Very good. আচ্ছা তোমার মামা টা কেমন??
=&#062; সত্যি বলব নাকি মিথ্যা বলব!!
=&#062; আচ্ছা মিথ্যা বলো।
=&#062; আমার মামা অনেক ভালো।।
 অর্পিতা প্রচন্ড জোরে হেসে উঠলো। সেই হাসি থামতেই চায় না। অর্পিতা হেসে আবার বলছে,,
=&#062; আর সত্যিটা কি হবে।
=&#062; সত্যি হলো মামা অনেক পচা। কোথাও নিয়ে যেতে চায় না। শুধু একা একা ঘুরতে বের হয়।
 অর্পিতা আবিরের দিকে তাকিয়ে হাসতে থাকলো। আবিরের ঠোটের কোনায় হাসির রেখা ফুটে উঠলো এবং সে মুগ্ধ চোখে অর্পিতার এই হাসি উপভোগ করতে থাকলো।  সে ভাবছে অর্পিতা যদি সব সময় এই হাসিটা মুখে নিয়ে তার সাথে কথা বলতো। তাহলে হয়তো তার চেয়ে সুখি আর কেউ হত না।।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/99431/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Mar 2022 16:05:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৪<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p> লোকমান সাহেব গত দুই তিন দিন হল খুবই অসুস্থ । তার অসুখটা এখনও সারেনি। রফিক সাহেব তাঁকে পূর্ণাঙ্গ রেস্টে থাকতে বলেছেন। কিচ্ছু করার নেই। ম্যানেজার প্রতিদিন বাসায় আসছে। তাছাড়া লোকমান সাহেব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-99431"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/99431/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf3b99dcc85c3a25f0ef9f462b962469</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০৩
——————————————————————————————————————


সকাল 9 টা বাজে আবির নাস্তা শেষ করে ফেলেছে। সে তবুও টেবিলের সামনে বসে আছে। সে তার মাকে বলছে,
=&#062; কি ব্যাপার আম্মু। তোমার মুখটা আজ এরকম লাগছে কেন।
 শানু বেগম ছেলের কথায় কোনরকম উৎসাহ প্রকাশ করলেন না। শুধু ছোট্ট করে বললেন,
=&#062; না কাল রাতে ঘুম হয়নি।
=&#062; কেন তোমার শরীর কি অসুস্থ।
=&#062; না। তোর আব্বু একটা দুঃস্বপ্ন দেখেছেন। তাই সে জেগেছিল।
=&#062; ও ও ও। তাই বুঝি তুমিও জেগে ছিলে।
=&#062; হু।
 আবির এবার মুখে একটু হাসি নিয়ে বলছে,
=&#062; আচ্ছা আম্মু, তুমি আব্বুকে অনেক ভালোবাসো।
 শানু বেগম ছেলের মুখে এমন কথা শুনে একটু লজ্জা পেল। তিনি ঠোঁটের কোনায় ছোট হাসি নিয়ে বলছে,
 =&#062;পাকা কথা শিখে গেছিস।
আবির  এবার একটু জোরে হাসি হাসলো তারপর বললো,
=&#062; জানো আম্মু, তোমাকে  এখন   19 শতকের আমলের মেয়েদের মত লাগছে।।
 ছেলেরা এমন কথায় তিনি একটু হাসলেন তারপর হাসিমুখে বলছেন,,
=&#062; হয়েছে।। এখন বল অর্পিতার খবর কি???
আবির এবার হাসি থামিয়ে নিয়ে যেন লজ্জায় মরে যাচ্ছিল। সে ভাবতে পারেনি তার মা হঠাৎ এই প্রসঙ্গ তুলে আনবেন। আবির ছোট্ট করে বলল,,
=&#062; ভালো।
=&#062; তোদের মধ্যে কি এখনো সম্পর্ক আছে??
=&#062; আম্মু!! তুমি কি যে বলো। আচ্ছা আমি এখন উঠি।।
আবির লজ্জা পেয়ে গেছে। সে উঠে চলে গেল। তার মা আর তেমন কিছুই বলল না। তিনি বুঝতে পেরেছেন তার ছেলে লজ্জা পেয়েছে। তিনি একটু ছোট্ট করে হাসলেন এবং তিনি ঘরের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।


আবির দেখল অর্পিতা আসছে। সে শার্টের কলার টেনে একটু ঠিক করে নিল। অর্পিতা সামনে এসে দাঁড়ালো। আবির ঠোঁটের কোনে ছোট্র হাসি নিয়ে বলছে,,
 =&#062; কি খবর ভালো আছো।।
 অর্পিতা একটু বিরক্ত সুরেই বলছে,
=&#062; বেহুদা কথা রাখো। কেন ডেকেছো সেটা বল??
আবিরের মুখের হাসিটা নিমিষেই ম্লান হয়ে গেল। সে বলছে,
=&#062; আচ্ছা তুমি সবসময় এভাবে কথা বলো কেন??
=&#062; কারণ তোমার সাথে ফালতু প্যাচাল পারতে আমার একদম ইচ্ছে করে না।
আবির আরো আহত হল সে আহত গলায় বলল,,
=&#062; আমি তোমার জন্য এতক্ষণ অপেক্ষা করছি। কারণ তোমার সঙ্গে একটু কথা বলব। তোমাকে একটু দেখবো। কিন্তু তুমি………….
অর্পিতা আবিরের দিকে তাকালো তারপর আবার কড়া কন্ঠে বলছে,,
=&#062; দেখেছো!! নাকি আরো দেখবে!! কথা তো শেষ।। তাই না!! তাহলে এখন যাই।।
কেন জানি আবিরের আর একটুও ভালো লাগছেনা।। অর্পিতার সবসময়ই তার সঙ্গে এই রকম ব্যবহার করে।। আবির মাথা নিচু করে রেখেছে। সে কি বলবে বুঝতে পারছে না। অর্পিতা আবার তার কর্কশ কন্ঠে বলল,,
=&#062; কি ব্যাপার!! মাথা নিচু করে রেখেছো কেন?? আমাকে কি সম্মান করছো?? নাকি মাথা নিচু করে গালাগাল দিচ্ছ।।
আবির মাথা উঠালো এবং খুবই নম্রভাবে বলল,,
=&#062; না। আমি এমনি মাথা নিচু করে রেখেছি।
 আবির আর কিছুই বলল না। অর্পিতা বলছে,,
=&#062; আচ্ছা শোনো। আমার ক্ষুধা লেগেছে। চলো  কোন ফাস্টফুডে যাই।
আবিরের চোখ জ্বলজ্বল করে জ্বলে উঠলো। সে কথা বলার কোনো ভাষাই খুঁজে পাচ্ছিল না। সে শুধু ছোট্ট করে বলল,,
=&#062; ঠিক আছে চলো।
দুজনে হাটতে হাটতে রেষ্টুরেন্টে ঢুকলো। দুজন দুজনের বিপরীতমুখী চেয়ারে বসলো। তারপর অর্পিতা হালকা অর্ডার করলো। আবির কোন কথা বলল না। চুপচাপ বসে রইলো। অর্পিতা এবার  নম্রভাবে বলছে,
=&#062; আবির দেখো।। তুমি বুদ্ধিমান ছেলে।। তোমাকে বোঝালে তুমি বুঝবে।। তাই বলছি এই পাগলামি বন্ধ করো।।
আবির অর্পিতার দিকে বড় বড় দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলছে,,
=&#062; তুমি কোন পাগলামির কথা বলছ??
=&#062;  তুমি সেটা খুব ভালো করে জানো।। কারণ তোমার আর আমার প্রেম মানায় না।।
=&#062; কেন মানাবে না?? সমস্যাটা কোথায়??
=&#062; সমস্যা শুধু একটাই।। তুমি আমার থেকে ছোট।।
 =&#062; মাত্র তো দুই বছরের ছোট।। তাতে কি!!
=&#062; কিন্তু এটা তোমার কাছে মাত্র,, আর আমার কাছে বিশাল কিছু।।
=&#062; তুমি দেখো,, এসব কথা বাদ দাও।।
 =&#062; আচ্ছা শোনো।। এগুলো বাদ দেয়ার মত কথা নয়।। যদি বাদ দেয়ার মত কথা হতো,, তবে অবশ্যই বাদ দিয়ে দিতাম।।
 আবির বলছে,,
=&#062; আমার ফ্যামিলিতে তো কোন সমস্যা নেই।। তবে চিন্তা কি??
=&#062; তোমার ফ্যামিলিতে কোন সমস্যা নেই।। কিন্তু আমার ফ্যামিলিতে সমস্যা আছে।। তারা কখনও এটা মেনে নেবে না।।
=&#062; আশ্চর্য আমি তোমার জন্য আমার ফ্যামিলিকে ম্যানেজ করব।। কিন্তু তুমি তোমার ফ্যামিলিকে মানাতে পারবে না।।
অর্পিতা এবার রেগে গেল। সে রাগান্বিত কন্ঠে বলল,  
=&#062; না পারবো না।।
আবির এবার মনটা খারাপ করে বললো,,
=&#062; আচ্ছা অর্পিতা তুমি আমাকে একটা কথা বলতো।। তুমি কি আমাকে ভালোবাসো???

অর্পিতার মেজাজ এবার প্রচন্ড গরম হয়ে গেল।। সে কিছু না বলে টেবিল ছেড়ে উঠে চলে গেল।। আবিরের মনটা মর্মাহত অবস্থায় পড়ে রইল।। আর দৃষ্টি টা পড়ে রইল অর্পিতার যাওয়ার পথের দিকে……………….</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/99006/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Feb 2022 17:39:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০৩<br />
——————————————————————————————————————</p>
<p>সকাল 9 টা বাজে আবির নাস্তা শেষ করে ফেলেছে। সে তবুও টেবিলের সামনে বসে আছে। সে তার মাকে বলছে,<br />
=&gt; কি ব্যাপার আম্মু। তোমার মুখটা আজ এরকম লাগছে কেন।<br />
 শানু বেগম ছেলের কথায় কোনরকম উৎসাহ প্রকাশ করলেন না। শুধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-99006"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/99006/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">701e5a3178d54725f73cd47ab0c1b7b8</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০২
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

ঔষধ খাওয়ার পর লোকমান সাহেব যেন আজ জেগেই থাকতে পারছেন না ।  তার দুচোখ ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে ।  তিনি তাড়াতাড়ি বিছানায় চলে গেলেন । ঘুমটা যেন আজ প্রবল ধরেছে ।

 অন্ধকার গলি । শুধুমাত্র একটা ল্যাম্প লাইট জ্বলছে চারদিকে । একটা মানুষ পর্যন্ত নেই । কিছুটা দূরে আরো একটা লাইট জ্বলছে । লোকমান সাহেব ধীর পায়ে সামনে এগোচ্ছেন । হঠাৎ তার পা থমকে গেল । সে দেখছে চারটি কুকুর দাঁড়িয়ে আছে , এবং তারা লোকমান সাহেবের নিকট এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেন মনে হচ্ছে এরা যেন তারই অপেক্ষা করছিল । লোকমান সাহেব সামনে যাওয়ার চিন্তা করলেন না আবার তিনি পেছনে তাকাবার সাহস পাচ্ছেন না । মনে হচ্ছে কেউ যেন তার ঘাড়টা ধরে রেখেছে । লোকমান সাহেব এক-পা  পেছাতেই দেখলেন কুকুরগুলো এক-পা  সামনে এগোলো । তার ভেতর একটা ভয় কাজ করছে মনে হচ্ছে এটা একটা যুদ্ধের ময়দান । চারটা কুকুরের সাথে একটা মানুষের লড়াই । লোকমান সাহেবের সারা শরীর দিয়ে ঘাম ঝরছে । তিনি বহু সাহস করে মাথাটা পেছনে ঘোরালেন ।  তিনি লক্ষ্য করলেন তার পেছনে থাকা ল্যাম্প লাইটের একটু দূরেও কিছু কুকুর । তিনি ঘুরে দেখলেন সেখানেও চারটি কুকুর । তিনি এবার প্রচন্ড ভয় পেলেন এবং সেই কুকুর গুলো ঠিক একইভাবে তার নিকট তাকিয়ে আছে । তিনি কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না । তার ইচ্ছা করছে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে বলতে, আমাকে বাঁচাও!! বাঁচাও আমাকে!! 
কিন্তু কে আসবে, শেষে হিতে বিপরীতও হতে পারে । তিনি হঠাৎ লক্ষ্য করলেন সাদা শাড়ি পরা কেউ একজন কুকুরগুলোর পেছনে দাঁড়িয়ে আছে । অন্ধকার থাকায় মুখটা দেখা যাচ্ছে না । এবার তিনি যেন আধমরা হয়ে যাচ্ছেন । তিনি ভেবে পাচ্ছেন না কি করবেন । অনেক কষ্টে তিনি তার জিভ দিয়ে ঠোঁট দুটো ভিজিয়ে নিলেন । তারপর বলছেন, 
=&#062; কে আপনি 
কিন্তু সাদা শাড়ি পরা সেই মেয়েটির মুখ থেকে কোনপ্রকার কথা বের হল না । লোকমান সাহেব আবারও বলছেন,
=&#062; আপনি কি আমায় ভয় দেখাচ্ছেন??
 কিন্তু কোনো প্রতি উত্তর আসলো না । লোকমান সাহেব লক্ষ করলেন তার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে । মনে হচ্ছে এক সমুদ্র পানিতেও যেন তার কিছু হবে না । তিনি আবারও বুকভরা প্রচন্ড সাহস নিয়ে বলছেন,
=&#062; আপনি কে?? কি চান??
 লোকমান সাহেব লক্ষ করলেন একটু শীতল বাতাস বইতে শুরু করেছে এবং সাদা শাড়ি পরা মেয়েটা একটু আলোতে চলে এসেছে । তার চুলগুলোও উড়তে শুরু করেছে । মেয়েটা ল্যাম্প লাইটের  আলোতে আসায় লোকমান সাহেব মেয়েটাকে স্পষ্ট দেখতে পারছেন ।  তিনি মেয়েটিকে দেখে আরো বেশী ভয় পেলেন । মেয়েটির মুখ পুরোপুরি বিকৃত । যেন মনে হচ্ছে তাঁর মুখ থেকে গোশত গুলো সব ঝুলে পড়ে যাবে এবং তার চোখ দুটো রক্তাক্ত লাল । তার মুখোমন্ডলে রক্তে মাখামাখি । মেয়েটাকে দেখে লোকমান সাহেব এর পা ঢুলছেন ।  তিনি তবুও আরেকটু সাহস সঞ্চার করে বললেন,,
 =&#062; কে তুমি?? কি চাও??
 মেয়েটা এবার বলছে ,
=&#062;আমাকে তুই ভালো করে চিনিস । আমি তোকে চাই।। 
কথা শেষ হবার পরই হঠাৎ মেয়ের চোখ দিয়ে লাল রক্তের মতো করে অশ্রু ঝরে পড়ছে । লোকমান সাহেব দেখলেন দুটো কুকুর ধীরে ধীরে তাদের চোয়াল গুলো বের করছেন এবং ঠিক তখনি একটা কুকুর হঠাৎ তাকে আক্রমণ করার জন্য দৌড়ে আসছেন।।

 লোকমান সাহেব লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠে বসে পড়লেন । তিনি দেখলেন তাঁর স্ত্রী পাশে ঘুমিয়ে আছেন । তিনি লক্ষ করলেন তার সারা শরীর জুড়ে ঘাম । মনে হচ্ছে যেন এইমাত্র গোসল সেরে এসেছেন । কেন জানি প্রচন্ড ভয় করছে তার । তিনি কি করবে ভেবে উঠতে পারছেন না । তিনি সাতপাঁচ না ভেবে তার স্ত্রীকে ডাকতে শুরু করলেন।।
 =&#062; শানু!! শানু শুনছো!!
স্বামীর ডাকে শানুর ঘুম ভেঙে গেল । সে দেখল লোকমান সাহেব বসে আছেন । তিনি উঠে বসেন,, তারপর বলছেন
 =&#062; কি ব্যাপার !! তুমি ঘুমাওনি??
=&#062; তুমি বাতিটা জ্বালা। আর আমাকে এক গ্লাস পানি দাও তো।।
শানু বেগম আর কিছু বললেন না ।  তিনি উঠে বাতি জ্বালালেন এরপর স্বামীকে পানি দিলেন । তারপর স্বামীর পাশে বসলেন । তিনি দেখছেন তার স্বামীর শরীর ঘামে ভরা ।  শানু বুঝতে পেরেছেন নিশ্চয়ই কোন দুঃস্বপ্ন দেখেছেন তার স্বামী।। তিনি বলছেন,
=&#062; খারাপ কোনো স্বপ্ন দেখেছো??
 লোকমান সাহেব দেখলেন তাঁর সহধর্মিনী তাকে এই বয়সেও পরম ভালোবাসায় জিজ্ঞাসা করলেন,,  কেমন স্বপ্ন দেখেছো ?? লোকমান সাহেব প্রতিউত্তরে বলছেন,,
=&#062; হ্যাঁ,,খুব বাজে একটি স্বপ্ন দেখেছি।
 লোকমান সাহেব হঠাৎ বলছেন,,
=&#062; শানু, চলনা একটু বারান্দায় গিয়ে বসি।।
শানু বুঝতে পারল  তার স্বামী প্রচণ্ড ভয় পেয়েছে।। তাই একা যেতে চাইছে না । তিনি কিছু বললেন না দুজনে বারান্দার পথে হাটা ধরলেন।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/98787/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Feb 2022 16:19:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০২<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-</p>
<p>ঔষধ খাওয়ার পর লোকমান সাহেব যেন আজ জেগেই থাকতে পারছেন না ।  তার দুচোখ ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে ।  তিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-98787"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/98787/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7654fdb62d81cfd81c24f4459a3f22f5</guid>
				<title>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।
পর্ব নাম্বার ০১
———————————————————————————————————————-




 লোকমান সাহেব গত কিছুদিন ধরে একটা দুশ্চিন্তায় মগ্ন । একটি ভয়ানক স্বপ্ন দেখেছেন এবং সেটা তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না । তিনি এই স্বপ্নের মানে খুঁজে পাচ্ছেন না এবং তিনি এই স্বপ্নটাকে মন থেকে সরাতে পারছেন না । তিনি অফিসে বসে আছেন ঠিক এমন সময় কেউ একজন দরজা আলতো করে খুলে  বলছে 
=&#062; May I come in??
লোকমান সাহেব তাকালেন তিনি দেখলেন তার ডাক্তার বন্ধু ডক্টর রফিক উল্লাহ তিনি এসেছেন ।  লোকমান সাহেব বলে উঠলো 
=&#062; আয় ভেতরে আয় 
রফিক সাহেব ভেতরে ঢুকলেন । তারপর তিনি বলছেন, 
=&#062;  কি অবস্থা বল দেখি ।
=&#062;  কোন অবস্থার কথা বলছিস।
=&#062;  তোর ব্যবসা । 
লোকমান সাহেব চেয়ারে হেলান দিয়ে বললেন 
=&#062; আছে কোনরকম । তা কি মনে করে আসলি ।
=&#062;  না ভাবী বলল তুই নাকি বুড়ো বয়সে ভাব ধরেছিস।
লোকমান সাহেব আলতো হাসি মুখে নিয়ে বললেন,
=&#062;  বুড়ো কি আমি একা হয়েছি তুইও তো হয়েছিস।
 রফিক উল্লাহ সাহেব একটু বিরক্তি নিয়ে বলছেন,
=&#062;  তোকে একটা প্রশ্ন করলাম আর তুই ঠাট্টা করছিস।
 লোকমান সাহেব একটু হাসি দিয়ে বললেন,
=&#062; Sorry।। কি যেন বলছিলি, বল। 
রফিক সাহেব কপালে ভাজ ফেলে বলছেন,
=&#062; ভাবী বলল তোর নাকি রাতে ঘুম হয় না । সারারাত নাকি বারান্দায় বসে কাটাশ।।
লোকমান সাহেব শান্ত ভাবে বলছেন,
=&#062; কই না তো, আমি তো ঘুমাই।। তবে, ঘুমটা শেষ রাতে আসে ।।
=&#062; আচ্ছা ঠিক আছে, আমি কিছু ওষুধ দিয়ে যাই।। এগুলো রাতে খাবার পর খেয়ে ঘুমাস।।
 লোকমান সাহেব  এবার ঠাট্টার সুরে বলছেন,
=&#062; এই তোরা ডাক্তাররা সমস্যাকে বিশাল বড় বানিয়ে দিস।। আর কিছু না পেরে শুধু ঔষধ আর ঔষধ।।
রফিক সাহেব কিছু বললেন না। তিনি ব্যাগ থেকে ওষুধ বের করলেন। তারপর বললেন,
=&#062; এই নে।। আর আমি যাচ্ছি।। যদি পারি কাল আবার আসবো।।
রফিক সাহেব উঠে দাঁড়ালেন।।  লোকমান সাহেব বলছেন,,
=&#062; কি ব্যাপার উঠছিস কেন  চা খেয়ে যা ।।
রফিক উল্লাহ সাহেব কোন কথা না বলে উঠে চলে গেলেন।।  লোকমান সাহেব খুবই বোরিং একজন মানুষ।। রফিকুল্লাহ লোকমান সাহেবের খুব কাছের একজন বন্ধু।।  লোকমান সাহেব আরো একটু আরাম আয়েশে বসেন।। তারপর চোখের পাতা দুটো নামিয়ে  নিলেন।। মনে হচ্ছে সকল ক্লান্তি এসে তার চোখে ভর করেছে।।
 হঠাৎ একটা আওয়াজে লোকমান সাহেব চোখ খুললেন।। তিনি দেখলেন তাঁর ছেলে এসেছে।। তার ছেলে বলছে,
=&#062; আব্বু কিছু টাকা লাগবে।।
 লোকমান সাহেব সোজা হয়ে বসলেন।। তারপর প্রশ্ন করলেন,,
=&#062; কেন??
=&#062; না, কাল আমার এক বন্ধুর বার্থডে ।। তাই সবাই চাঁদা তুলছে।।।
=&#062; তা বাবা, প্রতি মাসেই কি তোর চাঁদার টাকা দিতে হয়।।
আবির নিজেকে সামলিয়ে বলছে,,
=&#062; না আসলে,, প্রতিমাসেই একটা না একটা বন্ধুর বার্থডে থাকে ।।
=&#062; যাক,,  তা তোমার বার্থডে তে কেউ চাঁদা তুলে না।।
=&#062; আব্বু দাও না।। আমাকে আবার বের হতে হবে তো।।
 লোকমান সাহেব আর কিছু বললেন না ।। তিনি ছেলেকে টাকা দিয়ে দিলেন।। ছেলে হাসিমুখে বের হয়ে গেল।। লোকমান সাহেবের একটা মাত্র ছেলে,  আর এক মেয়ে।। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে।। ছেলে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে এখন শুধু ফলাফলের অপেক্ষা ।। তিনি তার ছেলেটাকে একটু বেশী ভালোবাসেন।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/98396/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Feb 2022 14:49:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>========================স্বপ্নীল কারাগার==========================<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।।<br />
পর্ব নাম্বার ০১<br />
———————————————————————————————————————-</p>
<p> লোকমান সাহেব গত কিছুদিন ধরে একটা দুশ্চিন্তায় মগ্ন । একটি ভয়ানক স্বপ্ন দেখেছেন এবং সেটা তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না । তিনি এই স্বপ্নের মানে খুঁজে পাচ্ছেন না এবং তিনি এই স্বপ্নটাকে মন থেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-98396"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/98396/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">682d62569bd9d3ac11f371b8efb4ef0f</guid>
				<title>স্বার্থ যেখানে শেষ,
বদনাম সেখান থেকেই শুরু...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/98257/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Feb 2022 16:17:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বার্থ যেখানে শেষ,<br />
বদনাম সেখান থেকেই শুরু&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">339d1e7a752b542ae78c56a1324d1652</guid>
				<title>যদি মনে হয় তুমি সব হারিয়ে ফেলছ । মনে রেখো গাছেরাও তাদের পাতা হারায় প্রতি বছর তবু দারিয়ে থাকে আগামীর শুভদিনের প্রতীক্ষায় ।&#x263a;&#xfe0f;&#x1f642;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/98256/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Feb 2022 16:17:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যদি মনে হয় তুমি সব হারিয়ে ফেলছ । মনে রেখো গাছেরাও তাদের পাতা হারায় প্রতি বছর তবু দারিয়ে থাকে আগামীর শুভদিনের প্রতীক্ষায় ।&#x263a;&#xfe0f;&#x1f642;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">930455bebd137c7ba289197d2968e1e2</guid>
				<title>দাসত্ব  যখন কারও অভ্যাসে  পরিণত হয়,
তখন সে তার নিজস্ব  শক্তি  ভূলে যায়।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/98255/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Feb 2022 16:15:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দাসত্ব  যখন কারও অভ্যাসে  পরিণত হয়,<br />
তখন সে তার নিজস্ব  শক্তি  ভূলে যায়।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0117d4ce875896f28dba78e50ea1c893</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97620/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Feb 2022 18:44:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f9f611713b8a2a3e4efb467f8e10fde</guid>
				<title>বেচেঁ থাকুক ভালোবাসা।।
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।

হায়রে আমার ভালোবাসা
মনে জাগায় কত আশা।
সবি নাকি সর্বনাশা
কেউবা আবার বলে নেশা।।

ভালোবাসার এত ভাষা
ভাবলে লাগে সব ধোঁয়াশা।
পাল্টে যাবে দাবার পাশা
যদি তুমি হও নিরাশা।।

ভালোবাসি ভালোবাসি 
বলতে বড়ো ভালোবাসি।
এত কিছুর পরেও দেখো
তাইতো সবাই কাছে আসি।।


ভালোবাসার পাগলেরা,
ভালো থাকুক যেন তারা।।
বেচেঁ থাকুক ভালোবাসা
জয় হোক ভালোবাসা।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/97484/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Feb 2022 11:37:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বেচেঁ থাকুক ভালোবাসা।।<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন।</p>
<p>হায়রে আমার ভালোবাসা<br />
মনে জাগায় কত আশা।<br />
সবি নাকি সর্বনাশা<br />
কেউবা আবার বলে নেশা।।</p>
<p>ভালোবাসার এত ভাষা<br />
ভাবলে লাগে সব ধোঁয়াশা।<br />
পাল্টে যাবে দাবার পাশা<br />
যদি তুমি হও নিরাশা।।</p>
<p>ভালোবাসি ভালোবাসি<br />
বলতে বড়ো ভালোবাসি।<br />
এত কিছুর পরেও দেখো<br />
তাইতো সবাই কাছে আসি।।</p>
<p>ভালোবাসার পা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-97484"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/97484/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6814e208ecf1a1f8d6723961b979a365</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন and সাইফুন নেসা সীমা। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87100/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Jan 2022 15:49:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">61c5b96f3db3f2e0159f1a0da5762561</guid>
				<title>আহত প্রজাপতি
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন হৃদয়

কেমন আছো প্রজাপতি 
ভেবে নিলাম, হয়তো অনেক ভালোই আছো।।
থাকবেই বা না কেন
ভালো মানুষগুলো ভালোই থাকে।।

আজ ২৩শে শ্রাবন,
তাইতো তোমাকে মন করছে খুবই স্মরন।।

এই দিনটিতে তুমি আমাকে প্রথম জানালে 
তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো।।
আার আমি কি বোকা ছিলাম, তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছি।।

কিন্তু তুমি বারবার সেই আমার পিছু পিছু ছুটতে।।
আর সারা ক্যাম্পাস জুড়ে শুধু আমাকে খুজতে।।

সেই দিনগুলো ছিল খু্বই রং্গিন।।
হয়তো ভালোবাসতাম, কিন্তু বুঝতে পারিনি সেদিন।।

তুমি আমাকে ডাকতে কি মনে আছে।।
হুম.. ভাবওয়ালা একটা হাতি।।
তাই তোমাকে আমি ডাকতাম আহত প্রজাপতি।।

তুমি কি জানতে, তোমাকে &#x200d;নিয়ে মেছে কত কথা হতো।। 
কেউ কেউ আমাকে আবার কাপুরুষ বলে আখ্যা দিত।।

বেশ কয়েকদিন শোনার পর, জেদ জমে যায় মনে।।
পুরুষত্ব দেখাবো বলে, ভেতরের পশুটা জেগে উঠে পরক্ষনে।।

কেউ ছিলনা রুমের ভিতর. দুজন মিলে করছিলাম এক সুখের বাসর।।
সাক্ষি ছিল সেই দেয়ালগুলো, মন থেকে উড়ে গেল বিবেকের ধুলো।।

অনেক কেদেঁছিলে তুমি, যখন বললাম নরমাংসের স্বাদ পেতে করেছি সব নাটক।। 
আজ দেখো ক্যান্সার নামক জিবাণু আমাকে করেছে আটক।।

মেস মেম্বারদের কাছে পুরুষ হতে গিয়ে হয়ে গেলাম এক পশু।।
বিস্বাস করো. এমনটা ছিলাম না আমি।। 
২৫ বছর বয়সেও আমাকে অনেকে ডাকতো অবুঝ শিশু।।

জানো এখন জানি, তোমার মত আর কেউ নেই।।
তাইতো মৃত্যুকে সংিগ করে প্রতিটা রাত এখন জেগে রই।।
জীবনের এই শেষ বেলায়, যদি একবার তোমার দেখা পাই।।
এই ভেবে কাদি প্রতিটা রাতি।।

জানি ক্ষমার যোগ্য নই আমি।।
তবুও বলছি, বড্ড ভালোবেসে ফেলেছি গো।।
ক্ষমা করে দিও আমায়।। 

SORRy আহত প্রজাপ্রতি।।
SORRy আহত প্রজাপ্রতি।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/84718/</link>
				<pubDate>Fri, 31 Dec 2021 13:17:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আহত প্রজাপতি<br />
লেখক ঃ নাদিম হোসাইন হৃদয়</p>
<p>কেমন আছো প্রজাপতি<br />
ভেবে নিলাম, হয়তো অনেক ভালোই আছো।।<br />
থাকবেই বা না কেন<br />
ভালো মানুষগুলো ভালোই থাকে।।</p>
<p>আজ ২৩শে শ্রাবন,<br />
তাইতো তোমাকে মন করছে খুবই স্মরন।।</p>
<p>এই দিনটিতে তুমি আমাকে প্রথম জানালে<br />
তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো।।<br />
আার আমি কি বোকা ছিলাম, তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছি।।</p>
<p>কিন্তু তুমি বারবার সেই আমার প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-84718"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/84718/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">76d2a1c3f60a4a54e93f651175860261</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন and Nilufar Ghani are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/83206/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Dec 2021 07:48:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e863692a9529e769b7511bce1faf957</guid>
				<title>ভালোবাসার জয়।
লেখক : মো :নাদিম হোসাইন

আমায় তুমি ডাক দিওনা তোমার মধুর সুরে,
চলে গেছি তোমার থেকে অনেক খানি দুরে।
আবেগের সব মাখামাখি ভাল লাগেনা আজ,
চাইনা তোমায় নিয়ে গড়তে ভালো বাসার তাজ।
ভাবছো বুছি কেমন করে এমন হলাম আমি,
অবহেলায় আজ আমাকে করেছো এমন তুমি ।

চেয়েছিলাম তোমায় নিয়ে সুখের বাসা গড়বো,
ইশারাতে বুঝিয়ে দিলে অন্য-বাসায় উড়বো।
মাঝে আমায় মনে হত জলে ভাসাফুল,
ভেবে পাইনা কোথায় ছিল এই আমারি ভুল। 
হয়তো ছিল এটাই সে ভুল বেশি খেয়াল রাখা,
হেসে আমায় অনেকে বলে খেয়েছি নাকি ছ্যাকা।

মনে রেখো আমার মত আর হবেনা কেউ,
তোমার মনে জাগিয়েছিল যে ভালোবাসার ঢেউ।
এখন না আর জল আসেনা আমার দুটি চোখে,
অর্থের সব পাহাড় নিয়ে থাকো অনেক সুখে।
তোমার কাছে হয়েছে যেমন প্রেমের পরাজয়,
আমার কাছে ঠিক বিপরীত ভালোবাসার জয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/83035/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Dec 2021 18:10:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসার জয়।<br />
লেখক : মো :নাদিম হোসাইন</p>
<p>আমায় তুমি ডাক দিওনা তোমার মধুর সুরে,<br />
চলে গেছি তোমার থেকে অনেক খানি দুরে।<br />
আবেগের সব মাখামাখি ভাল লাগেনা আজ,<br />
চাইনা তোমায় নিয়ে গড়তে ভালো বাসার তাজ।<br />
ভাবছো বুছি কেমন করে এমন হলাম আমি,<br />
অবহেলায় আজ আমাকে করেছো এমন তুমি ।</p>
<p>চেয়েছিলাম তোমায় নিয়ে সুখের বাসা গড়বো,<br />
ইশারাতে বুঝিয়ে দিলে অন্য-বাসায় উড়বো।<br />
মাঝ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-83035"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/83035/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea3c0328bb02eb66c09e58fce21015be</guid>
				<title>নাদিম হোসাইন and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/83028/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Dec 2021 17:59:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>