• কবিতা দুটো আশাকরি ভালো লাগবে।

    মাটি ও ইমানের টানে

    যে মাটিতে প্রথম মেলেছি দুই আঁখি,
    যেখানে ভোরের পাখি
    ডাকে সুমধুর তান তুলিয়া সুরে,
    মাথার ওপর সঘন আকাশ নীল বহুদূরে।
    এই মাটিকে ভালোবাসি বুকের গভীর থেকে,
    যেথা আমার জীবনপ্রদীপ জ্বেলেছে বিধাতাকে ডেকে।

    ভোরের আজানে জাগে এ মাটির মেঠো পথ,
    মন্দিরে বাজে কাঁসর, পূজার মহা সংকল্প।…Read More

    2
    4 Comments
    • মাটি, সবুজ আর প্রার্থনার মিলনে স্বদেশ এখানে স্রষ্টার দয়ার এক পবিত্র ঠিকানা হয়ে উঠেছে…..🤍🖤

    • তাহমিনা মোরশেদ, “দেশপ্রেম আর ধর্মবোধ একই সূতোয় বাঁধা” এই লাইনটা পড়ার সময় খুব ভালো লাগল। আপনার লেখা কবিতা দুটোর মধ্যে এক ধরনের অদ্ভুত প্রশান্তি আছে যা খুব সহজেই মন ছুঁয়ে যায়। আমাদের এই শ্যামল বাংলাকে নিয়ে আপনার এমন সুন্দর চিন্তাগুলো আরও কি কি বিষয় নিয়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন?

    • দুটো কবিতাই ভালো লাগল। মাটির প্রতি ভালোবাসা, দেশপ্রেম আর স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসকে খুব সুন্দরভাবে এক সুতোয় গেঁথেছেন।

    • আপনার শব্দচয়ন এবং মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ এক অসাধারণ অনুভূতি তৈরি করেছে, যা পড়ার সময় হৃদয় ভরে ওঠে। প্রতিটি ছত্রে মিশে থাকা স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দেশপ্রেমের অপূর্ব মেলবন্ধন আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে। আপনি নিয়মিত এভাবে লিখে যান, আপনার লেখনী যেন এভাবেই পাঠকের মনে প্রশান্তি ছড়িয়ে দিতে থাকে।

  • [শ্রাবণ সন্ধ্যার কাব্য]

    [পর্ব – ৯]

    রাহা শুয়ে শুয়ে মার কথা ভাবছে। খুব মন খারাপ লাগছে আম্মার জন্য। আম্মা যে একা হয়ে গেলো। ঈশান বেলকনিতে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছে আর ভাবছে এ কি হয়ে গেলো তার জীবনে। কিছুতেই ঘুম আসছে না। সারারাত না ঘুমিয়েই পার করে দিলো ঈশান।

    সকালের আজান শুনে উঠলো রাহা। উঠে ওযু করে ফজরের নামাজ পরলো। মায়াকে…Read More

    2
    4 Comments
    • রাহার সরল মনে ঈশানের কঠোর কথায় ঝরে পড়ল প্রথম অশ্রিফুল…..🤍🖤

    • Nusrat jahan, আপনার গল্পের এই লাইনটি খুব সুন্দর ছিল যে, “সকালের হালকা হালকা আলো খুব ভালো লাগলো রাহার।” পুরো পর্বটিতে রাহার সরলতা আর নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার কষ্টটা খুব দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।

    • ফুল তুলতে গিয়ে রাহাকে এত কথা শুনতে হবে, ভাবিনি! মেয়েটার জন্য মায়া লাগছে।

    • আপনার রচনায় রাহার বাগানে ফুল ছিঁড়তে যাওয়ার মুহূর্তে যখন সে বুঝতে পারে, “ফুল সবার হাতে মানায় না”—এই অংশটি আমার খুব মনে ধরেছে এবং রাহার কোমল মনের ব্যাকুলতা ফুটে উঠেছে দারুণভাবে, তাই অনুরোধ রইল এমন সুন্দর অনুভূতিগুলো ধারাবাহিকভাবে লিখে যাওয়ার জন্য।

  • একটি অলিখিত ডাক

    …সিরাজুল ইসলাম

    সবাই তো খবর নেয় কাজের, হিসেবের,
    দিনশেষে কতটুকু বাঁচা হলো কার,
    কতটা বাড়লো দেনা, কতটা সঞ্চয়—
    অথচ কেউ আর সন্তর্পণে দরজায় দাঁড়িয়ে
    চোখ নামিয়ে বলে না,
    “কিছু মুখে দিবি না বাবা?

    এই শহরের নিয়ন বাতিগুলো বড় নিষ্ঠুর,
    তারা কেবল কাজের সময়টুকু মেপে রাখে।
    অফিসের কাঁচঘেরা টেবিলে,
    হাজারো মেকি হাসির ভিড়ে
    ক্লান…Read More

    1
    3 Comments
    • সিরাজুল ইসলাম, আপনার লেখাটা পড়ে একদম বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল, আমাদের যান্ত্রিক এই শহরে দিনশেষে এমন একটু মায়ার ডাক কি আসলে সত্যিই খুব বেশি পাওয়া যায়?

    • “তুই খেয়েছিস তো?”—কত ছোট্ট একটি প্রশ্ন, অথচ এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর সবটুকু মায়া।

    • সিরাজুল ইসলাম, আপনার লেখায় ফুটে ওঠা ‘ক্ষিদে তো আসলে শুধু পেটের হয় না, ক্ষিদে জমে থাকে অন্তরের গভীরেও’—এই লাইনটি ভীষণ গভীর ও হৃদয়স্পর্শী, আর আপনার এমন আবেগঘন লেখনী আমাদের সবার হৃদয়ে এক অদ্ভুত মায়া জাগিয়ে রাখে, তাই আপনার কলম যেন এভাবেই আমাদের আরও অনেক সুন্দর কিছু উপহার দিয়ে যায়।

  • সৎ মা
    মিজান পঞ্চায়েত

    যে সব শিশুর শৈশবে
    থাকে সৎ মা,
    তাদের জীবন হয়ে উঠে
    নুন মাখানো ঘা!

    সৎ মায়ের জিহ্বায় থাকে
    কাল নাগিনীর বিষ,
    সৎ সন্তানকে প্রতিক্ষণে
    করে হিস্ হিস্।

    নিজ সন্তানকে ক্ষণে ক্ষণে
    আদর যত্ন করে,
    সৎ সন্তানকে বিনা দোষে
    নানা আঘাত করে।

    সৎ সন্তানের দোষ খোঁজে
    প্রতি কাজে কাজে,
    অপবাদের ঢালা সাজায়
    সকাল বিকাল…Read More

    3
    5 Comments
    • অসাধারণ লিখেছেন প্রিয় কবি

    • মায়ার ঘরে বৈষম্যের বিষ ঢুকলে শিশুর শৈশব ফুল নয়, নীরব ক্ষতের বাগান হয়ে ওঠে…..🤍🖤

    • মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সৎ মায়ের কষ্ট নিয়ে আপনার এই কবিতাটি পড়ে খুব খারাপ লাগল। জীবনের এমন কঠিন বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিফলন ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

    • মা হওয়া শুধু পরিচয়ের বিষয় নয়, মমতা দিয়ে আগলে রাখার নামও।

    • আপনার এই লেখায় ‘নুন মাখানো ঘা’ উপমাটি এক গভীর কষ্টের চিত্র দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। পারিবারিক সম্পর্কের জটিল এই দিকটি আপনি বেশ সাহসিকতার সাথে তুলে ধরেছেন, যা পাঠকের মনে খুব সহজেই দাগ কাটে। আপনি নিয়মিত আপনার ভাবনার জগতকে এভাবেই শব্দের মালা দিয়ে সাজিয়ে তুলুন, আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  • উপকথা November: ৩

    মহাভোজের আগে

    (প্রিকুয়েল: ভিনগ্রহীদের আসর)

    ভূতেদের মহাভোজের ঠিক এক বছর আগের কথা। তখনো আশিক আর সিনা বেঁচে ছিল, আর পার্টি দেওয়ার শখটাও ছিল। সমস্যা ছিল একটাই: কেউ আসত না।

    গত ঈদে ওরা ত্রিশজনকে দাওয়াত দিয়েছিল। এসেছিল দুজন। একজন ভুল বাড়িতে, আরেকজন শুধু জানতে এসেছিল বিদ্যুৎ বিল কত এল। সিনা সেদিন ছাদে বস…Read More

    1 Comment
    • আশিক মোকামী, আপনার এই মহাজাগতিক ও আবেগঘন আখ্যানটি পড়ার সময় জর্বাক্স-৯ এর সেই ফর্মের জটিলতা থেকে শুরু করে টিক-টকের নিঃস্বার্থ চেষ্টার দৃশ্যগুলো বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল এবং ইলিশের ঘ্রাণ যেন কল্পনায় এক অদ্ভুত আবেশ তৈরি করেছিল।

  • উপকথা November: ২

    ভূতেদের মহাভোজ

    আশিক আর সিনার জীবনে বড় সমস্যা ছিল একটাই: জীবিত মানুষ ওদের পার্টিতে আসতে চাইত না। সিনা বলত, “লোকজন আমাদের এড়িয়ে চলে।” আশিক বলত, “তাহলে চল, এমন কাউকে ডাকি যাদের আর কোনো কাজ নেই।”

    ওদের একটা কুকুরও ছিল। নাম ভুলু। দেশি, বাদামি, এক কান খাড়া আর এক কান ঝুলে থাকা। ভুলুর বিশেষত্ব হলো, সে ভূত দে…Read More

    1
    3 Comments
    • মৃত্যুর ওপারেও বন্ধুত্ব, হাসি আর ভালোবাসা জীবনকে উৎসব করে তোলে…..🤍

    • আপনার গল্পের এই অংশটি পড়ে খুবই ভালো লাগল— “আশিক আর সিনার জীবনে বড় সমস্যা ছিল একটাই: জীবিত মানুষ ওদের পার্টিতে আসতে চাইত না।”

    • আশিক Mokami, আপনার এই লেখাটিতে জীবনের শেষ মুহূর্ত এবং পরকালের কল্পনার এক চমৎকার মিশেল খুঁজে পেলাম যা বেশ গভীর। বিশেষ করে, “এই কুকুরটাকেই আমি আমার উত্তরাধিকারী করব”—কথাটি দারুণ লেগেছে, কারণ এটি পুরো ঘটনায় এক অদ্ভুত মায়ার পরশ ছড়িয়ে দিয়েছে। আপনি আপনার শব্দের মাধ্যমে খুব সুন্দর একটি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তাই নতুন নতুন দারুণ সব আইডিয়া নিয়ে আপনার লেখ…Read More

  • উপকথা November: ৪

    তুমি যে দেখেছো আমাকে
    একেবারে মন থেকে
    তোমার মনের সিংহের গর্জন
    শেষে আমাকে ডাকে

    পদ্ম তুলতে যাই ঝিলে
    পদ্ম তুলতে যাই
    পায়ে দেখ—জোকে পেয়েছে
    তোমাকে ডাকি তাই!

    2
    2 Comments
    • আপনার লেখা কবিতাটা পড়ার সময় বেশ অদ্ভুত আর মিষ্টি একটা অনুভূতি কাজ করলো। শেষের লাইনটা পড়ে তো হাসিই পেয়ে গেল, খুব সুন্দরভাবে লিখেছেন আপনি।

    • Ashik Mokami, আপনার এই লেখায় পদ্মবনের চিত্রকল্পটি বেশ চমৎকার ফুটে উঠেছে যা এক অদ্ভুত মায়ার সৃষ্টি করেছে। শব্দের ব্যবহারের মাঝে আরেকটু ছন্দময় বিন্যাস থাকলে লেখাটি আরও প্রাণবন্ত মনে হতে পারে, আপনি দারুণ লিখছেন।

  • ফরাণ্ জ্বলের্ (অনুবাদসহ আঞ্চলিক কবিতা)
    — বিদ্রোহী নিশান

    আঁই তোয়াঁর নীলাকাশত্ চাঁন্দর মতো ভাসিয়ুম
    তোয়াঁর লগে নিশি রাইতত্ মননান্ খুলি আঁ-সিয়ুম।

    মনের কোণত্ জমা হতা বুঝাই হইয়ুম তোয়ারে
    আরা রাইত্তান্ হাড়াই দিয়ুম দুইজনে এক ফুঁয়ারে।
    তোয়ার লগে গল্প অইবো, লেইক্খম মনর মতো গান—
    তোয়াঁর ছোঁয়া মনর্ ঘরত্ জুরাই দিবো আঁর পরান।

    ন ভাপিয়ো দুরে আছি ভুলি গি…Read More

    2
    4 Comments
    • দূরত্ব পেরিয়ে প্রেমিক হৃদয় আজও প্রিয়জনের মায়াঘরে জ্বলে থাকা এক চিরন্তন চাঁদ…..🤍🖤

    • নিশান, আপনার লেখা কবিতাটার ভাব আর শব্দচয়ন একদম মনের ভেতর গিয়ে ধাক্কা দিল।

    • আঞ্চলিক ভাষার মাধুর্য আর প্রেমের অনুভূতি—দুটোই খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। আঞ্চলিক ভাষাটি কি সিলেটের? নাকি চট্টগ্রাম?

    • নিশান, প্রতিটি পঙক্তিতে ফুটে ওঠা ভালোবাসার আকুতি এবং হৃদয়ের নিভৃত বাসনাগুলো সত্যিই পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। আপনার লেখার এই আবেগঘন রূপটি পাঠকদের মনে গভীর এক ভালোলাগার ছাপ ফেলে যাবে, চাইলে ছন্দময় শব্দের গাঁথুনিতে আরও কিছুটা বৈচিত্র্য যোগ করতে পারেন। নিয়মিত এমন সুন্দর সব অনুভূতি আমাদের সাথে ভাগ করে নেবেন, আপনার লেখনীর ভুবন আরও আলোকিত হয়ে উঠুক।

  • || গোফতার ই দীল ||
    – (কালাম ০৪)

    আমায় যদি এই দুনিয়া বলে,
    প্রেমকে অন্য কোনো নামে ডাকো—
    তবে, হে প্রেমের সম্রাট!
    আমি নত মস্তকে, হাত জোড় করে,
    আপনারই নাম নেবো।

    – রাতিন আহমেদ

    [নীরব মনের না-বলা কথাগুলোকে শব্দের মালায় গেঁথে প্রকাশ করাই এই কাব্যধারা — গোফতার ই দীল।]

    3
    4 Comments
    • প্রেমের নাম বদলালেও হৃদয়ের রাজাসনে চিরকাল সেই এক ভালোবাসাই অধিষ্ঠিত থাকে…..🤍🖤

    • রাতিন আহমেদ, খুব চমৎকার আর গভীর অনুভূতির কিছু লাইন পড়লাম। আপনার এই কাব্যধারাটা এক কথায় দারুণ আর মনের খুব কাছে পৌঁছানোর মতো। এমন আরও সুন্দর সব লেখা নিয়মিত শেয়ার করবেন, ভালো থাকবেন।

    • অল্প কথায় প্রেমের প্রতি কী গভীর শ্রদ্ধা আর আত্মনিবেদন!

    • রাতিন আহমেদ, “আমি নত মস্তকে, হাত জোড় করে, আপনারই নাম নেবো” পঙ্‌ক্তিটিতে যে গভীর আত্মনিবেদনের সুর ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। মনের এমন নিবিড় অনুভূতিগুলো আপনার লেখায় যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে, তা পাঠকদের খুব সহজেই মুগ্ধ করে রাখবে। আপনি যদি মাঝে মাঝে অন্য সদস্যদের লেখায় লাইক ও কমেন্ট করে নিয়মিত সরব থাকেন, তবে আমাদের এই গ্রুপটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

  • হারিয়ে যাচ্ছে মানবিকতা

    মানুষ আছে চারপাশে,
    মানুষ কোথায় আজ?
    হাসির নিচে লুকিয়ে থাকে
    কত মনের লাজ।

    পাশের ঘরে মানুষ কাঁদে,
    চোখে জমে জল,
    নিজের সুখে ব্যস্ত সবাই,
    কে রাখে তার খোঁজ বল?

    পথের ধারে বৃদ্ধ মানুষ
    বসে থাকে একা,
    হাজার মানুষ পাশ কাটিয়ে
    কেউ ফেরে না দেখা।

    ক্ষুধার্ত শিশুর চোখের পানি
    ঝরে অবিরাম,
    নিজের পাতে খাবার রেখে
    ভুলে…Read More

    4
    7 Comments
    • মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া মমতাই আজ ক্ষুধার্ত চোখ ও নিঃসঙ্গ হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাস হয়ে ফিরে আসে…..🤍🖤

      • একদম ঠিক বলেছেন। 💔 মানুষের অভাব হয়তো সব সময় থাকে না, কিন্তু মমতার অভাব একজন মানুষকে ভেতর থেকে নিঃস্ব করে দেয়। আমরা যদি একটু করে মানুষের পাশে দাঁড়াই, তবে হয়তো অনেক ক্ষুধার্ত চোখে হাসি আর নিঃসঙ্গ হৃদয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে পারব। মানবিকতা বেঁচে থাকুক প্রতিটি হৃদয়ে। 🤍🌿

    • আপনার লেখাটির ‘নিজের সুখে ব্যস্ত সবাই, কে রাখে তার খোঁজ বল?’ লাইনটা একদম বর্তমান সময়ের বাস্তব চিত্র ফুটে তুলেছে। আজকাল কি আমরা যন্ত্রের মতো শুধু নিজের দিকেই বেশি তাকিয়ে থাকি?

      • আপনার উপলব্ধি আমার লেখার সার্থকতা। ❤️ আমরা হয়তো যন্ত্র হয়ে যাইনি, কিন্তু ব্যস্ততার ভিড়ে অনেক সময় মানুষের কষ্ট অনুভব করতে ভুলে যাচ্ছি। অথচ একটু সহানুভূতি, একটু খোঁজ নেওয়া কিংবা সামান্য সাহায্যও কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে। মানবিকতা বেঁচে থাকুক আমাদের প্রতিটি আচরণে—এটাই প্রত্যাশা। 🌿

    • পৃথিবীটা একটু সুন্দর হোক—মানুষ মানুষের দুঃখ বুঝুক, পাশে দাঁড়াক, ভালোবাসতে শিখুক।

      • আমীন। 🤍 পৃথিবীটা সত্যিই একটু সুন্দর হোক, মানুষের হৃদয়ে জাগুক মায়া-মমতা। কেউ যেন কষ্টে একা না থাকে, কেউ যেন ক্ষুধার্ত চোখে মানুষের অবহেলা না দেখে। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক—স্বার্থের জন্য নয়, নিখাদ মানবিকতার টানে। 🌿🖤

    • খাঁন মোঃ সুমন, আপনার এই লেখাটিতে মানবিকতার যে গভীর সংকট ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয় স্পর্শ করে যাওয়ার মতো। ব্যস্ততার আড়ালে হারিয়ে যাওয়া মমতা আর করুণার দৃশ্যগুলো আপনি খুব সুন্দরভাবে শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। এমন মানবিক ভাবনার প্রকাশ আপনার লেখনীকে আরো সমৃদ্ধ করুক এবং নিয়মিত লিখুন এই প্রত্যাশা রইল।

  • গীতি কবিতা-২৭৮৭.
    টিপ টিপ বৃষ্টি।

    টিপ টিপ সারা রাত বৃষ্টি
    ভেসে আসা জানালায়
    কাঁদা মাটি গন্ধ ;
    পাই কি ফিরে আর
    ফেলে আসা সেই দিন-
    কাঁদা মাটি নেই এই শহড়ে-
    মাটি যেনো কংক্রিট পাথরে,
    টিপ টিপ নেই চালে ছন্দ।

    বন্ধি আমি আজ চার দেয়ালে
    যেনো সভ্যতার যাঁতাকলে –
    চলতে পারি না তো
    নিজ খেয়ালে;
    পায়ে মাটি ঘাটে জল
    খোলা মাঠ প্রান্তর,
    আঙিনায় ভ…Read More

    2
    6 Comments
    • কংক্রিটের শহরে বন্দি মানুষ টিপটিপ বৃষ্টির সুরে হারানো মাটির শৈশব খুঁজে ফেরে…..🤍🖤

    • আপনার লেখা “মাটি যেনো কংক্রিট পাথরে” লাইনটা পড়ে একদম মনের ভেতর গেঁথে গেল, সত্যি শহরের যান্ত্রিকতায় আমরা আদিম সেই আনন্দটা খুব মিস করি। আপনার কি মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে সব ফেলে গ্রামবাংলার সেই কাদামাখা দিনগুলোতে হারিয়ে যেতে?

    • টিপটিপ বৃষ্টি, কাদামাটির গন্ধ, খোলা মাঠ আর পুকুরে ডিঙি নাও—সব মিলিয়ে হারিয়ে যাওয়া শৈশবের এক মায়াময় ছবি। শহরের কংক্রিটে দাঁড়িয়ে সেই দিনগুলোর জন্য মন কেমন করার অনুভূতিটা ভীষণ ছুঁয়ে গেল।

    • মো আলেফ শরীফ, আপনার এই লেখনীতে উঠে আসা বৃষ্টির ঘ্রাণ এবং কংক্রিটের শহরের মাঝে শৈশবের ফেলে আসা দিনগুলোর যে হাহাকার ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী; এমন স্নিগ্ধ অনুভূতির রেশ ধরে আপনি আরও অনেক সুন্দর কাজ আমাদের উপহার দেবেন—এই প্রত্যাশা রইল।

  • সংসার সংগ্রাম
    মানিকুল ইসলাম মানিক

    সূর্য ওঠার আগেই ওঠে তারা,
    সংসার নামের ঘানী টানে যারা।
    দিনে তারা ঘামের কেনাবেচা করে,
    রাতের আঁধারে স্বপ্নগুলো মরে।

    কেউ যায় মাঠে, কেউ যায় কারখানায়,
    জীবিকার আশায় কেউবা রিক্সা চালায়।
    কারও হাতে কোদাল, কারও হাতে হাতুড়ি,
    কারও কাঁধে দায়িত্বের বোঝা ভারী।

    সংসার সংগ্রামে সকাল-সন্ধ্যা জ্বা…Read More

    2
    4 Comments
    • জীবিকার কঠিন চক্রে শ্রমজীবী মানুষের ঘাম ঝরে, অথচ তাদের নীরব স্বপ্নগুলো প্রতিদিন অন্ধকারে হারিয়ে যায়…..🤍🖤

    • মানিকুল ইসলাম মানিক, “রাতের আঁধারে স্বপ্নগুলো মরে” এই লাইনটা পড়ে সত্যি খুব খারাপ লাগল। বাস্তব জীবনের এই কঠিন লড়াইয়ের চিত্রটা আপনি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই মানুষগুলোর জীবনমান উন্নয়নে আমাদের সমাজ কি আদৌ তেমন কিছু করছে বলে মনে হয় আপনার?

    • সংসার শুধু ভালোবাসার আশ্রয় নয়, অনেকের কাছে প্রতিদিনের এক কঠিন যুদ্ধও। সুন্দর লিখেছেন।

    • আপনার এই সুন্দর রচনায় সাধারণ মানুষের জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে খুব হৃদয়স্পর্শীভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা পড়ার সময় তাদের কষ্টগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। এই কথাগুলোর সাথে সুর মিলিয়ে জীবন সংগ্রামের গভীরতাকে আরও কিছুটা বিস্তারিত করতে পারলে লেখাটি পাঠককে হয়তো আরও বেশি আলোড়িত করত। মানুষের জীবনের এমন অব্যক্ত কথাগুলো নিয়মিত কলমে তুলে ধরুন, আপনার লেখনী আরও অ…Read More

  • কিছুদিন নিঃরবতার পর আবার ফিরে আসা
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ১৮ ই অক্টোবর ২০২৬ ইং

    ” জীবনের অসমাপ্ত ক্লাসরুম ও দৃষ্টিভঙ্গি”

    ​গভীর এক নীরবতা কাটিয়ে সাতটি দিন পর আবার প্রিয় ‘তুলট লেখকমঞ্চ’-এ ফিরলাম। কখনো কখনো নীরব থাকাটাও বোধহয় জরুরি—চারপাশের শিক্ষাগুলোকে নিজের ভেতর থিতু হতে দেওয়ার জন্য।…Read More

    3
    5 Comments
    • জীবন সত্যিই এক অসমাপ্ত পাঠশালা; প্রতিটি অভিজ্ঞতাই আমাদের নতুন করে শেখায়।

      • ধন্যবাদ বন্ধু সত্যিটা উপলব্ধি করার জন্য, নিরন্তর শুভকামনা আপনার জন্য 🌺🌺

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখায় জীবনের অভিজ্ঞতালব্ধ গভীর সত্যগুলো যে সহজ ও সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে তা পাঠক হিসেবে আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে এবং আপনি চাইলে এমন গঠনমূলক আলোচনার ধারা নিয়মিত বজায় রাখতে পারেন।

    • নীরবতার পাঠ পেরিয়ে মানুষ যখন নিজের গতকালের সঙ্গে লড়ে, তখনই জীবনের অসমাপ্ত শ্রেণিকক্ষে সত্যিকারের প্রজ্ঞা জন্ম নেয়…..🤍🖤

    • আপনার লেখাটা পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগল, বিশেষ করে ধৈর্য আর সহানুভূতির কথাগুলো একদম মনের মতো হয়েছে। নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার এই ভাবনাটা অনেকের জন্যই দারুণ অনুপ্রেরণা হতে পারে। আচ্ছা, প্রতিদিন নিজেকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার এই প্রক্রিয়ায় আপনি কোন অভ্যাসটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন?

  • আহ্বান******
    ————–

    আমি যুগে যুগে আসি,
    আসিয়াছি পুন: বিপ্লব হেতু..

    কাজী নজরুল। আগুনের ফুল
    কথা দিয়েছিলে তুমি
    যদি ডুবে যায় করাল থাবায়
    তোমার স্বদেশ ভুমি।
    বিদ্রোহের ই ঝান্ডা উচিয়ে
    কাধেতে কাধ রেখে
    বৈষম্যের ই প্রাচীর ভেঙে
    ন্যায্যতা দেবে এনে ।

    অপেক্ষাতেই আছি
    হে বিপ্লবী, হে বিদ্রোহী,
    হে বিধাতার…Read More

    4
    6 Comments
    • দারুণ প্রতিবাদী অথবা বিদ্রোহের কবিতা। যেন রক্তের মত তাজা প্রাণ, কতশত কথার নেশা, হুংকার সমস্তই এর মাঝে বিদ্যমান। চালিয়ে যান কবি… ভালোবাসা রইলো! 💐

    • এই বিদ্রোহের ভাষা আজ সবার মনের ভিতর যেন দাবানল হয়ে ফুঁসে উঠছে, দাবানল কখন গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটবে এটা কেউ জানেন, দারুণ লিখেছেন কবি।

    • নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক

    • আপনার লেখনীতে সমাজ পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা আর বঞ্চিত মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে, তাই আমি অনুরোধ করব আপনি যেন আপনার এই বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরকে এভাবেই নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে আরও শানিত করে তোলেন।

    • বঞ্চিত জনতার বুকের আগুন আজ নজরুলের বিদ্রোহী চেতনায় জেগে উঠে বৈষম্যের শিকল ভাঙার আহ্বান জানায়…..🤍🖤

    • Dhali Moin, আপনার লেখাটা পড়ে বর্তমান সময়ের অস্থিরতার কথা খুব বেশি মনে পড়ছে। সমাজের এই করুণ চিত্রগুলো যেভাবে তুলে ধরেছেন তা সত্যিই ভীষণ ভাবিয়ে তোলার মতো।

  • একটি যুগল প্রেমের রাত
    কবি ইমদাদ শাহ্

    আমরা তখন বেলিওরে, আটলান্টিক তীর ঘেঁষে
    তোমার চোখ দুটি জ্বলছিল নক্ষত্রের মতো হেসে

    সৃষ্টির সমস্ত প্রেম আজ দু জনার চোখে
    অনন্ত নীলিমার চোখে কালো কাজল মেখে
    আমরা ছুটে চললাম কোন অজানা গন্তব্যে
    উত্তাল ঝড়ের একটা ঝাপটার মধ্যে
    চাঁদ উড়ছিল রূপালী ডানায়
    নক্ষত্রের চোখেও প্রেম ছিল—অজানায়

    উপকূলী…Read More

    3
    4 Comments
    • কবি ইমদাদ শাহ্, আপনার লেখাটি পড়ে মনে হলো যেন এক মায়াবী স্বপ্নের ভেতর দিয়ে হেঁটে এলাম, তবে শেষ পর্যন্ত এমন একটা মিষ্টি স্বপ্নের ঘোর কি বাস্তবে পাওয়া সম্ভব?

    • কিছু স্বপ্ন সত্যি হয় না, তবু হৃদয়ে থেকে যায় আজীবন।

    • আপনার লেখা “তোমার চোখ দুটি জ্বলছিল নক্ষত্রের মতো হেসে” লাইনটি যেমন দারুণ মুগ্ধতা ছড়ায়, তেমনি পুরো রচনায় যে স্বপ্নের মতো অনুভূতির ছোঁয়া রয়েছে তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো, তাই এমন সুন্দর সব কল্পনা আপনি নিয়মিত আমাদের সাথে ভাগ করে নিতে পারেন।

    • স্বপ্নের সমুদ্রতীরে দুজনের নীরব চোখাচোখিতে প্রেম এক অনন্ত জোছনাময় রাত হয়ে জেগে থাকে…..🤍🖤

  • ঘড়িওয়াল বুড়োটা প্রতিদিনের মতো আজও তার চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে একটা প্রাচীন ম্যান্ডেল ক্লক ঠিক করায় মন দিয়েছেন। দোকানে থরে থরে সাজানো শত শত ঘড়ি কোনোটা চলছে টিকটিক শব্দে, কোনোটার কাঁটা কবেই থেমে গেছে। পথচলতি মানুষ বাইরে থেকে উঁকি দিয়ে দেখে আর ভাবে, বুড়োটা বুঝি কেবল লোহা-লক্কর আর মেকানিক্যাল যন্ত্রের হিসাব মেলাচ্ছে।

    কিন্তু দোকানের ভেতর…Read More

    2
    6 Comments
    • খাঁচা একদিন পড়ে থাকবে, পাখি উড়ে যাবে—তবু মানুষকে ভালোবাসার যে শিক্ষা লালন সাঁই দিয়ে গেছেন, তা কখনো ফুরোবার নয়। সাঁইজির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রণতি।

    • আপনার লেখাটির প্রতিটি ছত্রে ঘড়িওয়ালার ব্যস্ততা আর অচিন পাখির আকুতি যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। লালন সাঁইজির দর্শনের সাথে মানবজীবনের এই নশ্বরতার মেলবন্ধন আমাকে দারুণভাবে ভাবিয়ে তুলেছে, যা যেন এক পরম প্রশান্তির আবেশ তৈরি করে। এমন গভীর উপলব্ধিতে ভরা লেখা উপহার দেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ, আপনি একইভাবে মনের আয়ন…Read More

    • নশ্বর দেহের খাঁচায় আত্মার অচিন পাখিকে চিনে নেওয়াই জীবনের চরম সাধনা…..🤍🖤

  • কবিতা: কবিতা অথবা তুমি

    তুমি জিজ্ঞাসা করেছিলে..!
    আমার কাছে কে বেশি প্রিয়,
    তুমি নাকি কবিতা??
    আমি বলেছিলাম, “তুমিই আমার কবিতা”!

    আমি তোমাকে নিয়ে লিখি।
    তোমার চোখ, ঠোঁট, চুল, হৃদয়, মন, ভালোবাসা..
    সবকিছুই আমার কবিতার বাক্য।
    আর সমস্তটা মিলেই তুমি আমার কবিতা।

    যাকে দিনরাত ভেবে মুহূর্তেই প্রকাশ করতে পারি,
    যার খোলা চুলে, শাড়ি…Read More

    5
    10 Comments
    • মেহেদী মারুফ, আপনার লেখাটা পড়ে একদম মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ভালোবাসা আর কবিতার এমন দারুণ সংমিশ্রণ সচরাচর দেখা যায় না। শব্দগুলো সাজানোর ভঙ্গিটা ভীষণ ভালো লেগেছে।

    • যার ঠোঁটের উপর শিশির জমে ছন্দ খেলা করে এই লাইনটা জাস্ট ওয়াও।

    • প্রেম আর কবিতার এমন মায়াবী মেলবন্ধন সত্যিই মন ছুঁয়ে যায়।

    • আপনার এই লেখায় ‘যাকে দিনরাত ভেবে মুহূর্তেই প্রকাশ করতে পারি’—এই অনুভূতিটি অত্যন্ত গভীর এবং হৃদস্পর্শী, আর আমার মনে হয় আপনি যদি কোনো কোনো জায়গায় শব্দের বিন্যাস কিছুটা অদলবদল করে পরীক্ষা করে দেখেন, তবে হয়তো পাঠক আরও নিবিড়ভাবে এই ভালোবাসার সাথে মিশে যেতে পারবেন; আপনার কলম থেকে এমন চমৎকার সব আবেগ ঝরে পড়ুক, এই কামনা করি।

    • প্রিয় মানুষটি কবির কাছে এমন এক সৃষ্টিসত্তা, যাকে ছাড়া ভালোবাসা ও কবিতা দুটোই অসম্পূর্ণ…..🤍🖤

  • Load More Posts
Skip to toolbar