Profile Photo

Kanej-RoksanaOffline

  • Kanej-Roksana
  • ইদুর বিতং

    সকালের খাবারের জন্য কী খাবে এসব ভাবতে ভাবতেই শফিক পিসির সামনে বসে পরলো। ঘন্টা খানেক ফেইসবুকে কাটিয়ে দেখে নেট নেই। কিছুক্ষণ নিজের বুদ্ধিতে এদিক সেদিক গুতাগুতি করলো না কোনভাবে ব্রডব্যান্ড এর কানেকশন পাওয়া যাচ্ছেনা। ব্রডব্যান্ড সরবরাহ করা প্রতিষ্ঠানটিতে ফোন করে সে গেল রান্নাঘরে। ফ্রিজে থাকা দুধ গরম করে তাতে ওটস দিয়ে খ…Read More

    3
    1 Comment
    • একদম ঠিক বলেছেন —ভাই-বোন, বাবা-মায়ের সঙ্গে কাটানো দিনগুলো আসলেই জীবনের সবচেয়ে মধুর স্মৃতি হয়ে থাকে। তখনকার ছোট ছোট ঘটনা, হাসি-ঠাট্টা, একসাথে খাওয়াদাওয়া, ঝগড়া-অভিমান—সবকিছুই পরের জীবনে ফিরে তাকালে মনে হয় অমূল্য ধন।

  • হাসির নাটক

    নীলের কেমন অস্থির অস্থির লাগছে। সে পাতিলে পানি গরম করতে দিয়ে গ্যাসের চুলা অন করে। চা না কফি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় নীল। চা’ই তার পছন্দ। নীল চা নিয়ে বিছানায় বসে পা ঝুলায়। অস্থিরতা কমানোর চেষ্টায় সিগারেট টানে। একটু পরে ছাদে যায়। এই সেক্টরে একটা পার্ক আছে সেখানে লেখার প্যাড আর কলম নিয়ে গেলে কেমন হয় ভাবতে ভাবতে সে হাটতে থাকে। বারো নমবর সেক্…Read More

    4
    1 Comment
    • জীবনের বাস্তব প্রয়োজন মেটাতে অনেক সময় একজন শিল্পীকে তার আদর্শের সঙ্গে আপস করতে হয়।………………এরচেয়ে বড় আফসোস আর নাই

  • চাঁদ
    মেঝেতে শুয়েছি আমি আজ
    মনে মনে ডেকেছি চাঁদ।
    ও চাঁদ আমার সাথে শুবি তুই রাতে
    সারারাত জেগে থাকি
    ঘুম হয়না আজকাল ঠিক মতোন
    মার্বেল পাথরের মেঝেতে
    জড়িয়ে শোব তোকে।
    ঘুম ভেংগে গেলে তোর
    চাঁদ মুখখানা দেখে হব পরম নিশ্চিন্ত।

    2
    1 Comment
    • এই কবিতাটি গভীর আবেগ এবং বিষণ্ণতার এক সুন্দর প্রকাশ।

  • বুনন
    ও বাবুই বউ বুনন শেখাও
    এক কাপড়ে এসেছি ছানা দুটি নিয়ে।
    চড়ুইর সঙ্গে প্রবাদিত ঘটনা সকল
    তুমি তুলে নিও তোমার ঘরেতে।
    আমার সকল বুনে নিও শীতল পাটিতে
    ছাউনিটুকু বুনতে পারি যদি আর
    ছানা দুটি উড়তে শেখে
    কিছু শান্তি হয় মনে।

    3
    2 Comments
  • প্রথম দিককার কবিতা। নাম দেয়া হয়নি।

    অযথাই দোলনচাপা দোপাটি বনে চুল ছড়ায়ে বসো
    আমি তাকে বলেছিলাম তোমার ব্যাপারগুলো নিয়ে বসব ছুটির দিনে।
    জল ছড়ায়ে ছড়ায়ে ছুটে যায় নদী
    সেও চোখ দিল জলে।
    নদী নিজেই ঘাটে ফিরছিল ছপ ছপ বৈঠায়।
    তাকেও ফিরতে হলো দীর্ঘ দুই চোখে
    আজ সে গুছিয়ে বসেছে আমার পাশে।

    4
    1 Comment
    • প্রকৃতির উপমা আর ব্যক্তিগত আবেগ একসঙ্গে মিলেমিশে গেছে। দোলনচাপা, দোপাটি, নদী—সবকিছু যেন মানুষের অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠেছে।

  • এক বিকেল

    দুপুরে রান্না করে খেয়ে রশীদ সাহেবের কেমন যেন লাগছে। পুরো রান্নার সময়টাতে যোগানদার হিসেবে ছিলেন পাশের বাড়ি আকবর নামে এক বৃদ্ধ। আকবরের স্ত্রী রশীদ সাহেবের সঙ্গে লেগে থাকাটা পছন্দ করেনা। কিন্তু আকবর সারাক্ষণ রশীদ সাহেবের সঙ্গে ছিলেন। রান্নাটাও মূলত আকবর করেছেন। রশীদ সাহেব পাশে দাঁড়িয়ে একটু নেড়ে চেড়ে দিয়েছেন। মাছ কেটেকুটে দিলেন আকবর…Read More

    3
    1 Comment
    • গল্পটি পড়ে বোঝা যায়, এটি রশীদ সাহেবের এক নিঃসঙ্গ, একঘেয়েমি কিন্তু নরম হৃদয়ের দিনের একটি ছোট্ট চিত্র। এখানে শুধু দৈনন্দিন জীবনই নয়, বরং স্মৃতির ভার, সময়ের প্রবাহ, একাকীত্ব এবং নাতি আরাফাতের সাথে স্নেহময় সম্পর্কের স্পর্শকাতর অনুভূতিগুলোও ফুটে উঠেছে।

  • হলুদ ফ্রিজ

    ঘুম থেকে উঠেই বাবুই’র এই কালো আর ছাই রংয়া ফ্রিজটা দেখে মন খারাপ হয়ে যায়। আজ শুক্রবার স্কুল নেই। বাবুই অনেক দিন থেকেই ভাবছে ফ্রিজের পাশের দেয়ালে একটা হলুদ রংয়ের ফ্রিজ একে লাগিয়ে রাখবে। বাবুই’র এখন নয় বছর বয়স। আরো ছোট্ট বয়সে সে দেয়ালে আকাআকি করতো আর মা খুব বকতো।

    বাবুই কারো বাসায় হলুদ রংয়ের ফ্রিজ দেখেনি কখনো। হলুদ রংয়ের ফ্রিজ কেন হয়না…Read More

    3
    1 Comment
  • জোমাত

    গ্রামের শেষ প্রান্তে যে মোল্লা বাড়ি আছে সেখানেও দাওয়াত পৌঁছে দেয় হাবিব। বংশ তাদের এক। এখন বাড়িগুলো ছড়িয়ে গেছে শুধু। বাড়ির মেঝ বৌটা মারা গেছে আজ দুই দিন। সেই বৌয়ের নামে জোমাত খাওয়া। বড় ভাই একটা গরু জবাই করতে বলেছে। খরচ হিসেবে বিশ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। অন্য ভাইয়েরাও কিছু কিছু দেবে। হাবিব পান চিবুতে চিবুতে হালকা পায়ে হেটে চলে। শেষ পর্য…Read More

    4
    1 Comment
  • শ্রোতা

    রিমি যাস্ট “কিউরিওসিটি” শব্দটা বলেছে।
    “নাওয়ালের কিউরিওসিটি কম।”
    তখনই ঠিক তখনই শাহেদ শব্দটা পিক করে নিয়ে কথার তুবড়ি ছোটাতে লাগলো।
    “ইন্টারনেটের কারণেই লোকের এখন কিউরিওসিটি নাই। ইন্টারনেটে তারা যা দেখে তাই সত্যিই বলে মনে করে। আসলে কিন্তু সেটা সত্যি না। আসলে লোকে যা দেখাতে চায় তাই আমরা দেখি। লোকে ভাবে আরে সুইজারল্যান্ড! ইন্টারনেটে আ…Read More

    3
    1 Comment
  • অপেক্ষা

    নুরুল হক সাহেবের জ্বরের দিনগুলোতে খুব কৈ মাছের দোপিয়াজি খাওয়ার ইচ্ছে হলো। তিনি জ্বরের দিনগুলোতে তেমন কিছুই খেলেন না। ফ্রিজে দুধ ছিল। বুয়াকে ব্রেড কিনে আনতে বলেছিলেন। জ্বরের দিনগুলোতে ব্রেড তাওয়ায় সেকে আর দুধ গরম করে সেই দুধে ব্রেড চুবিয়ে খেয়ে নিলেন।

    অনেক দিন আগে তার বোনের কালা জ্বর হয়েছিল। কবিরাজ তাকে না খাওয়ার বিধান দিয়ে…Read More

    3
    4 Comments
    • অসাধারন

      • কেন বলবেন? জানতে ইচ্ছে করে।

      • এই যে কিশোর বয়েসে কই মাছ খাবার ইচ্ছেটা অন্য কিশোরকে খাওয়ানোর ব্যপারটা হৃদয় ছুয়ে যাওয়ার মতো না?

    • “অপেক্ষা” একটি অন্তর্মুখী ও সংবেদনশীল গদ্য, যেখানে নুরুল হক সাহেব নামের এক নিঃসঙ্গ, মধ্যবয়সী কলেজশিক্ষকের জ্বরাবস্থায় কৈ মাছের জন্য আকুলতা থেকে একটি গভীর মানবিক অপেক্ষা তৈরি হয়। কৈ মাছ রান্না কেবলমাত্র খাবার নয়, এটি তার শৈশব, স্মৃতি ও হারানো সম্পর্কের প্রতি এক অন্তর্গত টান।

      গল্পের মধ্যে একদিকে যেমন আছে ব্যক্তিগত স্মৃতির কোমলতা—বোনের মৃত্যুর যন্ত্…Read More

  • মা

    “ও আফা, আজকে না আব্দুর রহমান কী করছে জানেন?” মুখ ভর্তি হাসি নিয়ে মাহমুদা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ছেলেটাকে আমার বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আব্দুর রহমানের কীর্তি বর্ণনা করে মাহমুদা।
    মাহমুদা আমার ফুপাতো বোন। বিয়ে হয়েছে আমার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে।

    “আব্দুর রহমানরে জিগাই ও রহমান, তুই কোন জামাডা পরবি? ও দেহাইয়া দেয় লালডা। যেই আমি ওরে ছাপার জামাডা…Read More

    2
    1 Comment
  • নবধারা জলে

    লিপি তটস্থ হয়ে ওঠে। তার শিল্পী স্বামী বাথরুম থেকে চিৎকার করছে। একটু আগেই বাথরুম থেকে রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা যাচ্ছিল। রবীন্দ্র সঙ্গীতের পরেই এই বেমানান চিৎকারের উৎস খুঁজতে খুঁজতে স্বামীর কাপড় নিয়ে হাজির হয় লিপি। খাবার টেবিলে আরেক দফা চিল্লাচিল্লি।
    তুচ্ছ লবন নিয়ে চিৎকার করে খাবার না খেয়েই উঠে পরে নীল। এতক্ষণে বোধোদয় হয় লিপির।…Read More

    2
    1 Comment
    • গল্পটি পড়ে, অদ্ভুত ধরনের যন্ত্রণা অনুভব করছি। প্রচন্ড রাগ, সাথে কষ্টের অনুভূতি টের পাচ্ছি।

  • ছবি

    আমার বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার, ছেলের বউও ইঞ্জিনিয়ার, ছোট ছেলে বিসিএস ক্যাডার, ছোট বউমা জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আসোসিয়েট প্রফেসর। ছেলে আট বছর ধরে আছে অস্ট্রেলিয়ায়, পিএইচডি করছে। বউমা ছয় বছর হলো গিয়েছে। এই নিয়ে কয়েকবার কথাগুলো বলে ফেলেছেন রবিন সাহেব। “নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ করলে বড় হওয়া যায়। আমিতো শুধু ছেলেদের পড়ালেখার উপর গুর…Read More

    3
    4 Comments
  • প্যাপিরাসের কালো মূর্তি

    শাহবাগে যে আজিজ মার্কেট আছে তার কোনার ছোট গেট দিয়ে ঢুকে পাঠক সমাবেশের পরেই প্যাপিরাস। প্যাপিরাসের তখন মুখোমুখি দুটো দোকান ছিল। একটি দোকানে একজন ছেলে আরেকটি দোকানে এক মেয়ে বসতো। প্যাপিরাসের মালিক সজ্জন ব্যক্তি। প্রথমে মালিক ও ছেলে মেয়ে দুটি এক দোকানে ছিল। ছোট দোকানটিতে এতো মানুষ ছিল যে তখন প্যাপিরাসে যেতাম না। আম…Read More

    4
    3 Comments
    • কখনো কখনো নিজেকে ক্ষমা করতে শিখতে হয়। To err is human

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 23 June 2025 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

  • মিনিয়েচার কৃষক

    রিয়াজ সাহেবের অনেক দিনের ইচ্ছা তিনি কৃষি কাজ করবেন। পাথরঘাটায় তার নানার বিশাল জমিদারি ছিল। কৃষি কাজ বরাবরই তার কাছে অনেক ভালো লাগে। যখনই তিনি গ্রাফিক্সের কাজ করতে করতে বিরক্ত হয়ে যেতেন তখনই পিসিতে কৃষি বিষয়ক নানা ইউটিউব ভিডিও দেখতেন। এমনি করে মনে মনে তিনি কখনো মাল্টার চাষ করতেন, কখনো ড্রাগন ফলের চাষ করতেন। মনে কৃষক হওয়…Read More

  • সুখ

    খুব সকালে দুই বাচ্চাকে বাথরুমে পাঠানোর পরে স্কুল ড্রেস পরে নিতে বলে। লুনা নিজেও ড্রেস বদলে ডাইনিং টেবিলে যায়। ডাইনিং টেবিলে স্যান্ডউইচ আর কফি দেওয়া আছে। গপাগপ খেয়ে টিফিনবক্স দুটোতে সসেজ ভরে নেয়। ইদানিংকালের বাচ্চারা ভেজিটেবল একদমই খেতে চায় না এসব কথা ভাবতে ভাবতেই জুতো পরে দরজা খুলে ও বন্ধ করে দুই বাচ্চা নিয়ে লিফটে উঠে পরে লুনা।

    ব…Read More

    3
    1 Comment
  • গল্প
    অভিরুচি সিনেমা হল থেকে বের হয়ে অনেক্ক্ষণ হাটলাম। সবুজ সিগারেটের জন্য উশখুশ করছিল। আমার অতো নেশা চড়েনি। আমার ভালো লাগছিল বরিশালের পুরানো বাড়িগুলো দেখতে। একেকটা বাড়ি সুচিত্রা সেনের মতো অভিজাত কিন্তু অনেক পুরানো যাকে বলে জীর্ণ। তাও তাদের এককালীন আভিজাত্য দেখার মতো। এসব বাড়ির সামনে আমার একটু দাঁড়াতে ইচ্ছে করে। রাতের বরিশাল হেটে হ…Read More

    5
    3 Comments
    • বাহ! গল্পের শুরুটা দারুন। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকবো।

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 19 May 2025 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

  • রতন দা

    “আজকালকার মেয়েরা যে কি না! সেদিন কি হয়েছে জানেন?” আমি রতনদার দিকে তাকালাম। রতনদা আমার পাশে এক কাপ চা নিয়ে বসেছিলেন উদ্যানে। চায়ে চুমুক দিয়ে বলতে শুরু করলেন-
    “আপনার বৌদি সেদিন না আমাকে পা ছুয়ে প্রণাম করলো। তারপরে যে কী হলো!” এই কথা বলে রতনদা মুখটাকে রহস্যময় করে ঘুরিয়ে নিয়ে হাসতে লাগলেন। বৌদি যে এরপরে কি করলেন তা আমাকে কল্পনা কর…Read More

    6
    5 Comments
    • শেষটায় এসে কেনো যেন ছোখটা ছলছল করে উঠলো………………………

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 16 May 2025 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

  • স্কার্টের সঙ্গে ঝগড়া
    স্কার্টটা দুই দিন হলো পরা শুরু করেছি। স্কার্টটা পরে অনেক আরাম পাচ্ছি। পিটন এন্ড পার্কারের স্কার্ট। ব্র‍্যান্ডের জিনিস পরার মজাই আলাদা। তবে স্কার্টটার সঙ্গে আমার ঝগড়া চলছেই। আমি তাকে বলেছিঃ

    খুব ছোট দুইটা ফুটা থাকার কারণে তুমি ভদ্র হয়ে রাস্তায় এসে পরেছ। তোমার দাম অনেক কমে গেছে। সেজন্যই তোমাকে…Read More

    4
    1 Comment
  • Load More Posts
Skip to toolbar