<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ruba | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ruba91/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ruba91/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ruba.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 08 Nov 2026 21:51:56 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">50c539cfa7ea07604c070996f7b07e3b</guid>
				<title>লক্ষ কোটি আহ্লাদের ডাকে সাড়া না দিয়ে বলেছিলাম, ওগো প্রিয়ে তোমার সব প্রেমের ফুলে এই অভাগীর নামখানি লিখে মোর বাসর সাজিও।প্রিয় আমার রাতের আঁধারে সুখ বিলাসের সঙ্গী করে তার আগে-পিছে সকল দ্বারে তালা মেরে বললো, আমার কাছে এ-ই তোমার জন্য ছিলো রাখা।মোরে রুদ্ধ করিওনা তোমার বাঁধনে।
আমি জন্মেছি প্রেমের রাজা হয়ে, তোমাকে হারালে দুঃখ নেই সে প্রেমের তরে।
আজ আমি দুঃখ মাখি, দুঃখ পুষি, দুঃখে হাসি,দুঃখে বাঁচিবার তরে ছুটি দিবা-নিশি।
রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223630/</link>
				<pubDate>Sat, 07 Dec 2024 12:26:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লক্ষ কোটি আহ্লাদের ডাকে সাড়া না দিয়ে বলেছিলাম, ওগো প্রিয়ে তোমার সব প্রেমের ফুলে এই অভাগীর নামখানি লিখে মোর বাসর সাজিও।প্রিয় আমার রাতের আঁধারে সুখ বিলাসের সঙ্গী করে তার আগে-পিছে সকল দ্বারে তালা মেরে বললো, আমার কাছে এ-ই তোমার জন্য ছিলো রাখা।মোরে রুদ্ধ করিওনা তোমার বাঁধনে।<br />
আমি জন্মেছি প্রেমের রাজা হয়ে, তোমাকে হারালে দুঃখ নেই সে প্রেমের তরে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-223630"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/223630/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">deb900d31efa59bebd72352fef41adf3</guid>
				<title>যে নরম হাতের স্পর্শে মন শান্ত হয়ে যায়, যে মুখের হাসির জন্য লক্ষ বেদনায় পুড়ে বাঁচার মন চায়।সেই হাতের স্পর্শ আজকাল শক্ত অনুভূত হয়, ভয় লাগে সে কি হারিয়ে যাচ্ছে ? তার জন্য সব ত্যাগ কি শুধুই সময় ক্ষেপন?

রুবা//
০৪/১২/২৪।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223561/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Dec 2024 19:20:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যে নরম হাতের স্পর্শে মন শান্ত হয়ে যায়, যে মুখের হাসির জন্য লক্ষ বেদনায় পুড়ে বাঁচার মন চায়।সেই হাতের স্পর্শ আজকাল শক্ত অনুভূত হয়, ভয় লাগে সে কি হারিয়ে যাচ্ছে ? তার জন্য সব ত্যাগ কি শুধুই সময় ক্ষেপন?</p>
<p>রুবা//<br />
০৪/১২/২৪।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8cd787687737346b11a2ed6c53b0783e</guid>
				<title>প্রেমের শিরোনামহীন লাল গোলাপের কাঁটা শুধু রক্তপিপাসু নয়, কখনো কখনো সে শিরায় শিরায় আপন বিষাক্ত ছোবল দিয়ে বয়ে চলে রন্ধ্রে রন্ধ্রে।

এবার বলো, প্রেম আমায় পুরিয়ে যায় নাকি সেই বেদনায় শিহরিত করে নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে!

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222948/</link>
				<pubDate>Sat, 16 Nov 2024 12:40:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেমের শিরোনামহীন লাল গোলাপের কাঁটা শুধু রক্তপিপাসু নয়, কখনো কখনো সে শিরায় শিরায় আপন বিষাক্ত ছোবল দিয়ে বয়ে চলে রন্ধ্রে রন্ধ্রে।</p>
<p>এবার বলো, প্রেম আমায় পুরিয়ে যায় নাকি সেই বেদনায় শিহরিত করে নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে!</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">380f5c6a319d2499db864d6c4308551d</guid>
				<title>“সাওদা নামের সেই মেয়েটি”
রুবা/
০৫.১০.২৪ ইং

সেদিন ছিলো রমজান মাসের ১৭ তারিখ, সেহেরির শেষে ক্লান্ত বদনে ঘুমিয়ছিলো সারা গ্রাম।এরই মাঝে প্রসব যন্ত্রনায় তড়পাচ্ছিলো এক গ্রাম্য বধূ।ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছিলো বাড়ির সবার দীর্ঘ নয় ঘন্টার চিৎকার-চেঁচামেচিতে।
‌‌অবশেষে সকলের মুখে স্বস্তির হাসির দেখা দিলো একটি কান্নার শব্দে! জন্ম হলো একটি কন্যার, যে ছিলোনা তার বাবা কিংবা মায়ের মতো ধবধবে সাদা গাত্র বর্ণের।সে জন্ম নিলো তার দাদামশাইয়ের মতো কালো হয়ে।
বাবা তার নাম রাখলেন সাওদা যার অর্থ হলো ‘কালো’। ধীরে ধীরে বড়ো হলো সাওদা, তিন বোনের মধ্যে সে-ই পেলো কালো বর্ণ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  গন্ডি পেরুতেই শুরু হলো মহান মুক্তিযুদ্ধ।বাবা তার মাওলানা ছিলেন , চলে গেলেন স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। 
এক রাতে চুপি চুপি তার বাবা ফিরে এলেন! পালাতে চান পাকিস্তানে বউ আর তিন কন্যাকে নিয়ে।কিন্তু মাওলানা সাহেবের আপন পিতা আর স্ত্রী পালাতে চাইলেন না তার সাথে।অগত্যা তিনি একাই চলে গেলেন পরিবারের মায়া ত্যাগ করে। সাওদাদের পরিবার পিতৃহীন হলো। কিছুদিন পর মারা গেলেন তার বৃদ্ধ দাদামশাই।
সাওদার চাচাগণ ঠিক করলেন বয়স খুব বেশি না হলেও বিয়ে দেবেন তিন ভাতিজীর। কারন বেঁচে থাকাই ছিলো কঠিন স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে।সাওদার মা ছিলেন কঠিন কিন্তু নিরূপায়।অনিচ্ছাতেও তিনি বিয়ে দিতে রাজি হলেন তার মেয়েদের। বাধ সাজলো সাওদার গায়ের রং।সহজে কেউ তাকে বিয়ে করতে চাইলো না। আর তখনকার সময়ে বড় মেয়ের বিয়ের আগে ছোটদের বিয়ে হওয়া ছিলো একপ্রকার ‌অসম্ভব।অবশেষে সাওদার বড় চাচা একজন পাত্র পেলেন সাওদার জন্য। পাত্রের দাদা ছিলেন জমিদার, পাত্র বিপত্নিক এবং সাওদার চেয়ে দুই বছরের বড় তার একজন ছেলে আর সাওদার সমবয়সী তার একজন মেয়ে সন্তান রয়েছে।
নিজ বৃদ্ধ মাতার সেবা-যত্নের জন্য তিনি সাওদার মতো ১৫বছরের কালো মেয়েটিকে বাছাই করলেন। সম্পদের পাহাড় সমান চাকচিক্যের কাছে হেরে গেলো সকলের বিবেক বোধ।
আড়ালে কাঁদলেন কেবল তার জন্মদাত্রী মাতা, যিনি জানতেন তার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে তিনি মৃত্যুকূপে পাঠাচ্ছেন।
আর সাওদা বুঝতে পারলেন তিনি কালো তাই পণ্য হিসেবে তিনি খুবই কমদামী। বধূ হলেন বাবার বয়সী একজনের, যত্ন নিতে চেষ্টা করলে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা শাশুড়ির, ভালোভাবে পারতেননা বলে স্বামীর মারতো ছিলো নিত্যদিনের বিষয়। সতীনের ছেলে-মেয়ে কখনো ভালোবাসতো কখনো তারাও গায়ে হাত তুলতো।ভালোবাসতো কেবল সে-ই এক পায়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা তার বৃদ্ধ শাশুড়ি।
এমনি সময়ে সাওদার মাতা মারা গেলেন । বাবার বাড়িতে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেলো সাওদার।তবে সাওদা পরিণত হয়েছে ততদিনে, বুঝতে শিখেছে অনেক কিছু।তার কুলজুড়ে ততদিনে এসেছে ধবধবে সাদা রূপসী দুই মেয়ে।তার স্বামী আজকাল খুশি আর গায়ে হাত তুলেনা সাওদার।
সংসারে যেনো লক্ষী আসছিলো তার।তার বৃদ্ধ শাশুড়ী এক ভোরে বিদায় নিলেন ঘুমের মধ্যেই।মায়ের মৃত্যু যেনো মানতে পারলেন না সাওদার স্বামী! চারমাসের গর্ভবতী সাওদাকে রেখে বড়োছেলেকে সব বুঝিয়ে দিয়ে এক সপ্তাহ পরেই মারা গেলেন তার স্বামী ।
সাওদা এবার জন্ম দিলেন এক পুত্রের।কয়েক বছর ভালোই কাটছিলো ,কিন্তু ধীরে ধীরে শুরু হলো রেশারেশি। একদিন সতীনপুত্র জাকারিয়া একটি দলিল বের করে সবাইকে দেখিয়ে বললেন বাড়িখানা ছাড়া বাকিসব বাবা লিখে দিয়েছেন তার নামে।সাওদা মানতে নারাজ , ডাকলেন বড়ো উকিল, তাতে লাভ হলোনা । সব থাকতেও তার কিছুই রইলোনা, তবে জাকারিয়া তার ভরন-পোষনের ভার নিতে রাজি হলো। 
রইলোনা কোন কাজের লোক, রইলোনা কোন জমিদারী আভিজাত্য।সাওদা তিন সন্তান নিয়ে কোনঠাঁসা হয়ে পরলেন।কিন্তু এবার আর মেনে নিতে পারলেননা বোনেদের কাছে সন্তানদের দায়িত্ব দিয়ে চলে গেলেন নার্সিং এ ট্রেনিং নিতে।ট্রেনিং নিলেন , আল্লাহর রহমতে সরকারি চাকরি পেলেন।একসময় সন্তানদেরও নিয়ে গেলেন নিজের কোয়ার্টারে।
নিজেকে খুঁজে পেলেনে সকলের অবহেলার উর্দ্ধে, যেখানে বাকি সবাই তার গুরুত্ব বোঝে। ছেলে-মেয়েকে পড়াশোনা শেখালেন , সবাই নিজ নিজ জীবনে খুশি।সৎপুত্র নিজের ভুল শুধরাতে সম্পত্তির কিছু অংশ দিলো ভাই-বোনদেরকে।
সবকিছু ঠিকঠাক দেখে সাওদা যেনো অস্বাভাবিক বোধ করলেন, তাই অভিমানে বিদায় নিলেন এক দুপুরে। কিছু না বলেই। নিরবে, নিভৃতে চিরতরে।

সমাপ্ত//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222540/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Nov 2024 11:43:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“সাওদা নামের সেই মেয়েটি”<br />
রুবা/<br />
০৫.১০.২৪ ইং</p>
<p>সেদিন ছিলো রমজান মাসের ১৭ তারিখ, সেহেরির শেষে ক্লান্ত বদনে ঘুমিয়ছিলো সারা গ্রাম।এরই মাঝে প্রসব যন্ত্রনায় তড়পাচ্ছিলো এক গ্রাম্য বধূ।ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছিলো বাড়ির সবার দীর্ঘ নয় ঘন্টার চিৎকার-চেঁচামেচিতে।<br />
‌‌অবশেষে সকলের মুখে স্বস্তির হাসির দেখা দিলো একটি কান্নার শব্দে! জন্ম হলো একটি কন্যার, যে ছিলোন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-222540"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/222540/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4d4b5a0c03ad033e2c4e2d7b7c3ee1bd</guid>
				<title>হে নিরবতা,
যদি মৃত্যু হও ভয় নাই,
যদি শক্তি হও ক্ষয় নাই।
ইতিহাসের যে ধ্বংস নাই,
আজকে হাসো বুক চিতিয়ে,
কালকে তোমার রক্ষা নাই।
কপট হাসি থামবে তোমার,
বাংলায় সবুজ জাগবে আবার,
নামটি তোমার হবে কুলাঙ্গার,
হাতরে স্মৃতি দেখবে সবে,
সত্যের সেই জয় জয়কার।

রুবা//
১৮/০৭/২৪</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/218012/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Jul 2024 23:15:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হে নিরবতা,<br />
যদি মৃত্যু হও ভয় নাই,<br />
যদি শক্তি হও ক্ষয় নাই।<br />
ইতিহাসের যে ধ্বংস নাই,<br />
আজকে হাসো বুক চিতিয়ে,<br />
কালকে তোমার রক্ষা নাই।<br />
কপট হাসি থামবে তোমার,<br />
বাংলায় সবুজ জাগবে আবার,<br />
নামটি তোমার হবে কুলাঙ্গার,<br />
হাতরে স্মৃতি দেখবে সবে,<br />
সত্যের সেই জয় জয়কার।</p>
<p>রুবা//<br />
১৮/০৭/২৪</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">243878d88767b2cc7e21350c51c7035e</guid>
				<title>বৃষ্টির সাথে মন খারাপের খুব মিল, আবার নিরবতার আলস্যে নেতিয়ে পরা মনকে শান্ত করার জন্য ও বৃষ্টি খুব প্রয়োজন।কখনো ডুকরে কাঁদার স্বাদ হলে বৃষ্টিকে বেছে নেয়া যেতে পারে।
আমিতো বৃষ্টির প্রেমে পরে গেছি সেই ছোট্ট বেলাতেই।ছড়া আর কবিতা মুখস্ত করার প্রিয় সময় ছিলো বৃষ্টি বেলা।
কৈশোর আর যৌবনে বৃষ্টি হলো পরম বন্ধু আমার।গান শুনতে ভালো লাগে , বই পড়তেও ভালো লাগে। ঝাল ঝাল করে চিড়া, মুড়ি আর বাদাম ভাজা খেতে মন্দ নয়।
আরাম করে ঘুমানোতে বৃষ্টির জুড়ি নেই।
আমি বড়ো বৃষ্টি ভালোবাসি।তার রিনিঝিনি শব্দে আমি যেনো হারিয়ে যাই দুরে বহুদূরে!

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217689/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Jul 2024 20:03:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টির সাথে মন খারাপের খুব মিল, আবার নিরবতার আলস্যে নেতিয়ে পরা মনকে শান্ত করার জন্য ও বৃষ্টি খুব প্রয়োজন।কখনো ডুকরে কাঁদার স্বাদ হলে বৃষ্টিকে বেছে নেয়া যেতে পারে।<br />
আমিতো বৃষ্টির প্রেমে পরে গেছি সেই ছোট্ট বেলাতেই।ছড়া আর কবিতা মুখস্ত করার প্রিয় সময় ছিলো বৃষ্টি বেলা।<br />
কৈশোর আর যৌবনে বৃষ্টি হলো পরম বন্ধু আমার।গান শুনতে ভালো লাগে , বই পড়তেও ভা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217689"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217689/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8723acdf924974c1fb9cd5d562904fc7</guid>
				<title>“শেষাংশে শূণ্য”
 রুবা

প্রেমের বর্ণে সুখের সরোবর,
কুসুমের মতো স্নিগ্ধ কমল। 
ছন্দেরা করে মিষ্টি শোরগোল,
ধরনীর বুকে সুমধুর কোলাহল।
সে মূর্ছনায় মজে অবুঝ মন,
থরে থরে স্বপ্নে সাজে জীবন।
পিয়াসী প্রেম বর্ণে নেই আবহ,
নেই তার প্রেম অসুখের বিরহ।
দাঁড় বেয়ে যায় সখা সপ্ত সমুদ্র,
আসমান-জমিনে বিলীন সে চিত্ত।
প্রেম পূজিবে মোরে কোথায় সে প্রিয়!
রক্ত বরন হৃদয় তব হোক প্রেমে পুর্ণ।
প্রিয় সে মুখছবি আগলে রাখুক স্বপ্ন,
কান্না ভেজা প্রেমডোরে শেষাংশে শূণ্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/217375/</link>
				<pubDate>Wed, 10 Jul 2024 22:27:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“শেষাংশে শূণ্য”<br />
 রুবা</p>
<p>প্রেমের বর্ণে সুখের সরোবর,<br />
কুসুমের মতো স্নিগ্ধ কমল।<br />
ছন্দেরা করে মিষ্টি শোরগোল,<br />
ধরনীর বুকে সুমধুর কোলাহল।<br />
সে মূর্ছনায় মজে অবুঝ মন,<br />
থরে থরে স্বপ্নে সাজে জীবন।<br />
পিয়াসী প্রেম বর্ণে নেই আবহ,<br />
নেই তার প্রেম অসুখের বিরহ।<br />
দাঁড় বেয়ে যায় সখা সপ্ত সমুদ্র,<br />
আসমান-জমিনে বিলীন সে চিত্ত।<br />
প্রেম পূজিবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-217375"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/217375/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a1d352ee661a67d21bc52479e64bd3e4</guid>
				<title>চাঁদের হাট বসে,
রূপকথার গল্পে ,
বাস্তবের আকাশে,
আঁধার মেঘের মেলা।
এখানে বৃষ্টির নৃত্যে,
রিনিঝিনি ছন্দ নেই,
বজ্রপাত সারাবেলা।
ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে,
গতিহীন বিবর্ণ ধরা।
উত্তাল সাগরে ভাসে ,
মাঝিহীন সুখের ভেলা।
আপণেরা পরের ঘরে,
পরজন সদা অচেনা,
সাদাতেই কালো হাসে,
আলোতে ডাকে আলেয়া।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/215689/</link>
				<pubDate>Sun, 09 Jun 2024 02:11:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চাঁদের হাট বসে,<br />
রূপকথার গল্পে ,<br />
বাস্তবের আকাশে,<br />
আঁধার মেঘের মেলা।<br />
এখানে বৃষ্টির নৃত্যে,<br />
রিনিঝিনি ছন্দ নেই,<br />
বজ্রপাত সারাবেলা।<br />
ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে,<br />
গতিহীন বিবর্ণ ধরা।<br />
উত্তাল সাগরে ভাসে ,<br />
মাঝিহীন সুখের ভেলা।<br />
আপণেরা পরের ঘরে,<br />
পরজন সদা অচেনা,<br />
সাদাতেই কালো হাসে,<br />
আলোতে ডাকে আলেয়া।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">668daea5609415a0108e88d92346403b</guid>
				<title>“ভাটার টান”
রুবা

কানামাছি আর গোল্লাছুট ভুলেছে পাড়া,
বধূয়ার হাসি আর পায়ের মলে নেই সাড়া,
গুটি গুটি পায়ে বয়ে গেছে খুনশুটির বেলা,
ধূলোমাখা বাগানে নেই কনকচাঁপার মেলা।

বর্ষণ নৃত্যে বন্ধ আজ দখিণের জানালা,
মেঘবরণ চুলে গাঁথেনা কেউ বেলির মালা,
রাখাল বাঁশিতে নেই চেনা সে সুরের মায়া,
নবান্নের শূণ্য আসরে নিঃসঙ্গ উদাস ধরা।

অজানা শব্দে ভরা অবুঝ মনের খাতা,
বোবা সব কথামালা চুপিসারে হয় লেখা,
মাটির দেয়ালে ভাটা পরেছে সবুজ মায়া,
লাল নীল বেগুনী এক সম আঁধার কায়া।

সোজা আর বক্র পথের নেই সীমানা,
সহজ-সরল প্রেমে সবই আজ বাঁকা,
ছবির ভেতর হাজার ছবি রয় অদেখা,
সত্যের খোঁজে মেলে মিথ্যার ফোয়ারা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/215160/</link>
				<pubDate>Mon, 27 May 2024 15:54:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“ভাটার টান”<br />
রুবা</p>
<p>কানামাছি আর গোল্লাছুট ভুলেছে পাড়া,<br />
বধূয়ার হাসি আর পায়ের মলে নেই সাড়া,<br />
গুটি গুটি পায়ে বয়ে গেছে খুনশুটির বেলা,<br />
ধূলোমাখা বাগানে নেই কনকচাঁপার মেলা।</p>
<p>বর্ষণ নৃত্যে বন্ধ আজ দখিণের জানালা,<br />
মেঘবরণ চুলে গাঁথেনা কেউ বেলির মালা,<br />
রাখাল বাঁশিতে নেই চেনা সে সুরের মায়া,<br />
নবান্নের শূণ্য আসরে নিঃসঙ্গ উদাস ধরা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-215160"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/215160/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe98935748a1f296dfc0124064c9b871</guid>
				<title>“ভালো থাকা মানে”
রুবা 

ভালো থাকা মানে,
সাজানো খাবারের টেবিল।
ভালো থাকা মানে,
গোছানো সুন্দর বিছানা।
ভালো থাকা মানে,
সব আবদারে হেসে সায় দেয়া।
ভালো থাকা মানে,
কান্না ভুলে কেবল হাসা।
ভালো থাকা মানে,
আপনারে ভুলে বাঁচতে শেখা।
ভালো থাকা মানে,
নিরব উপাক্ষাণ আনমনে লেখা।
ভালো থাকা মানে,
হৃদয়ের স্পন্দনে হৃদয় না জাগা।
ভালো থাকা মানে,
জীর্ণ গায়ে হীরের প্রলেপ মাখা।
ভালো থাকায় আজ,
প্রতিবাদের বুকে শেকল বাঁধা।
ভালো থাকায় আজ,
কেবল বেঁচে থাকারই সাজা।


সমাপ্ত//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/214085/</link>
				<pubDate>Thu, 09 May 2024 18:08:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“ভালো থাকা মানে”<br />
রুবা </p>
<p>ভালো থাকা মানে,<br />
সাজানো খাবারের টেবিল।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
গোছানো সুন্দর বিছানা।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
সব আবদারে হেসে সায় দেয়া।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
কান্না ভুলে কেবল হাসা।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
আপনারে ভুলে বাঁচতে শেখা।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
নিরব উপাক্ষাণ আনমনে লেখা।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
হৃদয়ের স্পন্দনে হৃদয় না জাগা।<br />
ভালো থাকা মানে,<br />
জীর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-214085"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/214085/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec06993e43862cb596cf925d58a13f88</guid>
				<title>যেনো দুই বছর নয় হাজার বছর আমার দেশের মাটিকে  ছুঁইনা।আমার মায়ের গন্ধে ঘুম ভাঙে না,আমার বারান্দায় পাখির কিচিরমিচির শুনে মন ভরে না।আমার গোলাপ, কামিনি আর হাসনাহেনাগুলোর ঢেউ খেলানো নৃত্যও আজ নেই।
এখানে কেবল অপেক্ষা সময়ের, যা পালিয়ে বেড়ায় দলা পাকিয়ে ধুলো উড়িয়ে।যার মাঝে কেবল দীর্ঘশ্বাস, প্রাণের স্পন্দন ও এখানে মৃত্যুর মতন নিষ্প্রাণ।
অজানা আশায় ভর করে বেঁচে থাকি প্রতিদিন নাম না জানা নেশায়।

রুবা//
২৩/০৪/২৪</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213130/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Apr 2024 08:10:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যেনো দুই বছর নয় হাজার বছর আমার দেশের মাটিকে  ছুঁইনা।আমার মায়ের গন্ধে ঘুম ভাঙে না,আমার বারান্দায় পাখির কিচিরমিচির শুনে মন ভরে না।আমার গোলাপ, কামিনি আর হাসনাহেনাগুলোর ঢেউ খেলানো নৃত্যও আজ নেই।<br />
এখানে কেবল অপেক্ষা সময়ের, যা পালিয়ে বেড়ায় দলা পাকিয়ে ধুলো উড়িয়ে।যার মাঝে কেবল দীর্ঘশ্বাস, প্রাণের স্পন্দন ও এখানে মৃত্যুর মতন নিষ্প্রা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-213130"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/213130/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a60ad2d7600b59865609c6cd36b0d287</guid>
				<title>সূত্রঃ

ফেলে আসা অতীত,
ঝাপসা দেয়ালে লেখা,
বর্তমানের বসবাস,
ভালো-খারাপের মেলা,
প্রত্যাশায় সুন্দর আগামী ,
অজানা শঙ্কায় ঢাকা।
বেঁচে থাকার আশায়,
নিরাশার দমকা হাওয়া,
বন্য আর সভ্য সভা,
মরনের দলিলে বাঁধা।
পাতাল আর আকাশ,
সবই আজ খোলামেলা।
জ্ঞানী আর গুণীজনে,
ভরপুর সকল আস্তানা,
বেশিকমের ঘরে শূণ্য,
সমানে সমানে তুঙ্গে পাড়া।
কাজের ভারে কাগজের তাড়া,
যন্ত্রপাতিতে পরছে তালা।
মানব মন জ্ঞানের আঁধার,
যত্রতত্র হয় বিজ্ঞান চর্চা।
মরন আর জীবন গতিহীন,
যেনো সূর্য-চাঁদের অলিক মায়া।




রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212915/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Apr 2024 17:06:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সূত্রঃ</p>
<p>ফেলে আসা অতীত,<br />
ঝাপসা দেয়ালে লেখা,<br />
বর্তমানের বসবাস,<br />
ভালো-খারাপের মেলা,<br />
প্রত্যাশায় সুন্দর আগামী ,<br />
অজানা শঙ্কায় ঢাকা।<br />
বেঁচে থাকার আশায়,<br />
নিরাশার দমকা হাওয়া,<br />
বন্য আর সভ্য সভা,<br />
মরনের দলিলে বাঁধা।<br />
পাতাল আর আকাশ,<br />
সবই আজ খোলামেলা।<br />
জ্ঞানী আর গুণীজনে,<br />
ভরপুর সকল আস্তানা,<br />
বেশিকমের ঘরে শূণ্য,<br />
সমানে সমানে তুঙ্গে পাড়া।<br />
কাজের ভারে কাগজের তা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212915"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212915/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e7e13b66e6fca37757bbe9030e9dc44f</guid>
				<title>এমনি এক দিনে আমার বাবার বউ হয়ে এসেছিলেন এক ধনাড্য পরিবারের মেয়ে।যিনি আমার মা।আমার বাবার শিক্ষা আর ভদ্রতায় মুগ্ধ হয়ে কন্যাদান করেছিলেন আমার নানা(মায়ের মামা)।আমার মায়ের বাবা-মা ১৯৭১ সালের বিশাল যুদ্ধে অযাচিতভাবে প্রাণ হারান।মা আর তাঁর আরও দুই ভাই-বোন বড়ো হন নানার বাড়িতে।অর্থ আর প্রতিপত্তিতে ঠাঁসা ছিলো তাদের চৌদ্দ পুরুষ।
আর আমার বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা।পরবর্তীতে তিনি বি,এ, পাস করে সরকারি কর্মচারি হিসেবে যোগদান করেন।কিন্তু অভাব ছিলো তাঁর সংসারের নিত্যসঙ্গী।চার ভাই, দুই বোন আর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সব দায়িত্বই ছিলো বাবার কাঁধে।
মা যখন বউ হয়ে আসলেন আকাশ থেকে মাটিতে পরার মতো অবস্থা হলো তার।বিছানার চাদরতো দূর একটা তেল চিটচিটে বালিশ পেলেন কোনমতে।তিনি তখন নানাবাড়ি থেকে আনা নিজের শাড়ী বিছিয়ে দিলেন চাদড় হিসেবে আর বালিশে বিছালেন নিজের পেটিকোট।জানিনা সেটা কেমন বাসর রাত ছিলো!
তবে সুখী ছিলেন আরা আজীবন।বাবা-মায়ের প্রেম ছিলো অগাধ, যা আজও আমি বুঝতে পারি।আমার হাসিখুশি মা বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে যেনো হাসি ভুলে গেছেন।আজ তাদের বিবাহের ৩৬ বছর পার হলো।এর মধ্যে একজন চলে গেছেন।আরেকজন প্রতিদিন জানিনা কার পথ চেয়ে বসে থাকেন! তবে তারঁ মুখ চেয়ে বেঁচে থাকি আমরা প্রতি মুহুর্তে।

সুখপাখি ধরি ধরি করে
জীবন তরী যায় বুঝি ডুবে
কোথায় সে লক্ষীময়ীর ঘর
যেথা মানব অমর হয়ে রয়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/208293/</link>
				<pubDate>Fri, 29 Dec 2023 23:25:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এমনি এক দিনে আমার বাবার বউ হয়ে এসেছিলেন এক ধনাড্য পরিবারের মেয়ে।যিনি আমার মা।আমার বাবার শিক্ষা আর ভদ্রতায় মুগ্ধ হয়ে কন্যাদান করেছিলেন আমার নানা(মায়ের মামা)।আমার মায়ের বাবা-মা ১৯৭১ সালের বিশাল যুদ্ধে অযাচিতভাবে প্রাণ হারান।মা আর তাঁর আরও দুই ভাই-বোন বড়ো হন নানার বাড়িতে।অর্থ আর প্রতিপত্তিতে ঠাঁসা ছিলো তাদের চৌদ্দ পুরুষ।<br />
আর আমার ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-208293"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/208293/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5705d62692d2721938db4ca811961a1a</guid>
				<title>গল্প//
“ইঁদুর”

সারারাত ধানের গোলা থেকে আসা খুটখুট শব্দে ঘুম আসছেনা  লীলার।কিন্তু পাশেই নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে শাহীন।লীলা অস্থির হয়ে উঠে হাতে একটা কাঠের টুকরো নিয়ে ধানের মটকার পাশে একটা বাড়ি দিয়ে শব্দ করলো।শব্দ পেয়ে ভয়ে পালালো ইঁদুরদের কয়েকটি, বাঁকিগুলো হয়তো লুকিয়েছে কোথাও।
শব্দ একটু কমে যেতেই লীলা আবার ঘুমানোর চেষ্টা করলো। আবার  এলোপাতারি ভাবনা এসে তার ঘুম তাড়ানোর জন্য উঠেপরে লাগলো।এই যেমন ধানের অর্ধেক দিয়ে দিতে হয়েছে মালিককে। যা আছে তাতে ছয়মাস তো দূর ২মাস যায় কিনা সন্দেহ আছে।গতমাসে যা কিছু আলু আর সবজি তুলতে পেরেছিলো ঘরে তা বেচে বেচে কোনরকমে চলতেছে তাদের দিন।
শাহীনের এসব নিয়ে চিন্তা নাই। আল্লাহ্ ভরসা বলে বলে দিন পার করতেছে। লীলা কেন পারেনা সে নিজেও জানেনা।
বিয়ের তিন বছর পার হয়ে গেছে এখনো শাহীনকে না জানিয়ে গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট খায় সে।দুই পরিবারই তারা গরীব কিন্তু শাহীন পরিশ্রমী আর সৎ তাই তার বাবার মতে অখুশি নয় লীলা।
ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়েছে লীলা। ছাত্রীও ভালো ছিলো তবে বাবার অনিচ্ছা আর অভাবের কাছে পরাজিত হয়েছে তার লেখাপড়ার স্বাদ।শাহীনের দৌড় থেমেছে বাবার মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরে।সে পড়েছিলো ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত।
অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাবার কিছু জমি আর কিছু বর্গাচাষ করে সে মা আর চার ভাই-বোনের দেখাশোনা করে ।ভাই-বোনেরাও পড়াশোনা করতে পারেনি খুব একটা।মা মারা যাবার পর সবাই সবার মতো চলে গেলে লীলাকে নিয়ে ঘর বাঁধে শাহীন।
লীলার কোন চাওয়া নেই তেমন শুধু নিজেদের ছোট্ট একটা দোকান হলে বাজারে তবেই একটা ছোট্ট বুকের ধন চায় সে।
‌এই ভেবে অল্প ‌অল্প করে কিছু টাকা জমাচ্ছে সে। শাহীনের অতি সরল মানসিকতার জন্য সবাই তাকে ঠকায় ।মালিক ইচ্ছামতো ভাগের ফসল নিয়া যায় লীলা আর শাহীন চুপচাপ দেখে।লীলা কিছু বলতে চাইলে বাধা দেয় শাহীন।
এভাবে দিন দিন ভূমিদস্যুতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে মালিক।এতো খাটুনির পরেও অভাবই তাদের নিত্যসঙ্গী।তারপরে আবার ঘরে ইঁদুরের  উৎপাত! জীবনতো নয় যেনো নরক যন্ত্রনা ।
জমির মালিক আর ইঁদুরের যন্ত্রনায় তেমন পার্থক্য খুঁজে পায়না সে।
তার গরুর দুধ সে খেতে ভয় পায়, তার ঘরে তারই ঘুম আসেনা।কারন অভাব গ্রাস করে রেখেছে তাদের।
ভাবতে ভাবতেই দুইচোখ ঘুমে নুয়ে আসে লীলার ।কাঁধের উপরে শাহীনের হাত টের পায় সে।শাহীন তখন অস্ফুট স্বরে বলছিলো,
——-বউ আমি জানি তুই খুব কষ্ট করিস সারাদিন।সামনের মৌসুমে মালিক বলছে আমাগোরে বাজারে ঘর দিয়ে দিবো, শুধু মালিকেরে আমার জমিগুলার অর্ধেক ফসল আর মাসে দোকানের ভাড়া বাবদ কিছু টাকা দিলেই হইবো।
শুনেই ঘুম পালিয়ে যায় লীলার।ইঁদুরগুলো আবারও খুটখুট শব্দে ধান খাওয়া আরম্ভ করলো ততক্ষণে।প্রচন্ড সাহসের সাথে ইঁদুর লীলার সব জাল কেটে কুটি কুটি করেই যাচ্ছে দিন দিন! এবার তো তবে ধানের বেড়ের পাশে বিষ না ছিটিয়ে কোন উপায় দেখতে পেলোনা সে।


সমাপ্ত।


রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/208255/</link>
				<pubDate>Thu, 28 Dec 2023 01:02:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প//<br />
“ইঁদুর”</p>
<p>সারারাত ধানের গোলা থেকে আসা খুটখুট শব্দে ঘুম আসছেনা  লীলার।কিন্তু পাশেই নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে শাহীন।লীলা অস্থির হয়ে উঠে হাতে একটা কাঠের টুকরো নিয়ে ধানের মটকার পাশে একটা বাড়ি দিয়ে শব্দ করলো।শব্দ পেয়ে ভয়ে পালালো ইঁদুরদের কয়েকটি, বাঁকিগুলো হয়তো লুকিয়েছে কোথাও।<br />
শব্দ একটু কমে যেতেই লীলা আবার ঘুমানোর চেষ্টা করলো। আবার  এলোপাতারি ভাবনা এসে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-208255"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/208255/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">306f58cf9bdf21503a89713b603075cd</guid>
				<title>হাজার কলরবে যখন নিজে সামিল হওয়ার কেউ থাকেনা, তখন নিজের ভেতর থেকে ‌অট্টহাসিতে ফেটে পরে একাকিত্ব।
যাকে অবজ্ঞা করে আমরা মানুষরূপী কিছু ‌অবয়বের মাঝে নিজেকে বিসর্জন দেই।

নিজের জন্য নিজের সময়টা আসল, এতোটা প্রেম আর কারো কাছে নেই যতোটা আমার জন্য আমার আছে।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/205298/</link>
				<pubDate>Sat, 23 Sep 2023 09:54:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হাজার কলরবে যখন নিজে সামিল হওয়ার কেউ থাকেনা, তখন নিজের ভেতর থেকে ‌অট্টহাসিতে ফেটে পরে একাকিত্ব।<br />
যাকে অবজ্ঞা করে আমরা মানুষরূপী কিছু ‌অবয়বের মাঝে নিজেকে বিসর্জন দেই।</p>
<p>নিজের জন্য নিজের সময়টা আসল, এতোটা প্রেম আর কারো কাছে নেই যতোটা আমার জন্য আমার আছে।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">24a38ead83e356f868b746b9d0e4aaf9</guid>
				<title>মায়াবতী একটা ছিলো ঘর,
দেয়াল ফেটে করছে নড়োবড়,
আলো নাকি আঁধার সেথায়,
ধুকপুকুনি হৃদয় কোঠায়।

চোখগুলোকে কচলে তাকাই,
হঠাৎ কোন খবর বুঝি পাই,
মায়াময় সুর লয়- তালে,
খুকু হাসে খিলখিলিয়ে।

সেই হাসিতে দুঃখ ভুলে,
ডুগডুগি বাজায় কালবৈশাখে,
ভয়গুলো সব সাহস জোগায়,
আঁধার কেটে আলোক হাসে।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/204437/</link>
				<pubDate>Fri, 01 Sep 2023 08:23:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মায়াবতী একটা ছিলো ঘর,<br />
দেয়াল ফেটে করছে নড়োবড়,<br />
আলো নাকি আঁধার সেথায়,<br />
ধুকপুকুনি হৃদয় কোঠায়।</p>
<p>চোখগুলোকে কচলে তাকাই,<br />
হঠাৎ কোন খবর বুঝি পাই,<br />
মায়াময় সুর লয়- তালে,<br />
খুকু হাসে খিলখিলিয়ে।</p>
<p>সেই হাসিতে দুঃখ ভুলে,<br />
ডুগডুগি বাজায় কালবৈশাখে,<br />
ভয়গুলো সব সাহস জোগায়,<br />
আঁধার কেটে আলোক হাসে।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">43c27a9ab06679484fbcc4b23bc13978</guid>
				<title>ঐ দেখো বিষন্নতায় নেতিয়ে পরেছে ক্লান্ত নিশি,
ভোরের বেলা চলেছে দূরে জাগতে ভুলেছে রবি,
ক্রন্দনে মেতেছে বিশ্ব দিশাহীন আলোর চাবিকাঠি,
বিধাতার হাত আগলে নিদ্রা যায় মহান মানবজাতি।

আবেগ আর আহ্লাদে সবে আহার গেছি ভুলি,
বিশালতায় ক্ষু্দ্র নরক তবু সুখের গলায় দড়ি,
শ্রেষ্ঠ হয়ে গল্পে সাজি সম্মুখে ভয়ে ভয়ে চোখ বুঁজি,
এগোতে গিয়ে সদাই পিছাই কঠিন রহস্য ভারি।

হিসাবের খাতায় এলোমেলো অহেতুক দাপাদাপি,
হাজার জমিনে হাজার ফসল কিছু নাহোক খাঁটি,
বদ্ধ ঘরে দূরন্ত বিনোদন কপালে ঘামের নাচানাচি,
নিন্দুকেরা নিন্দা রটায় দাবা টানে জ্ঞানতাপস ঋষি।

সংক্ষিপ্ত ।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/203886/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Aug 2023 08:41:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঐ দেখো বিষন্নতায় নেতিয়ে পরেছে ক্লান্ত নিশি,<br />
ভোরের বেলা চলেছে দূরে জাগতে ভুলেছে রবি,<br />
ক্রন্দনে মেতেছে বিশ্ব দিশাহীন আলোর চাবিকাঠি,<br />
বিধাতার হাত আগলে নিদ্রা যায় মহান মানবজাতি।</p>
<p>আবেগ আর আহ্লাদে সবে আহার গেছি ভুলি,<br />
বিশালতায় ক্ষু্দ্র নরক তবু সুখের গলায় দড়ি,<br />
শ্রেষ্ঠ হয়ে গল্পে সাজি সম্মুখে ভয়ে ভয়ে চোখ বুঁজি,<br />
এগোতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-203886"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/203886/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2f4954a31b9783e2bc6b330f25a5442</guid>
				<title>“নির্ঘুম রাত”

শিশির স্নাত অনেক সকাল
লিখেছিলাম তোমার নামে
মিষ্টি মিষ্টি গোধূলি বেলায়
বসেছিলাম তোমায় ভেবে
নির্ঘুম শতো রজনীতে
জেগেছিলাম তোমার কল্পনাতে।
তুমি আসলেনাতো!
তবে পথ আগলে দাঁড়ালে
আমার যাত্রাপথের প্রতিটি দ্বারে।
আমি থেমে থাকতে থাকতে
ভুলে গেলাম চলার হাজার কৌশল।
তুমি হাসলে লোক হাসালে
বলে দিলে আমি পাগল তোমার প্রেমে।
শতো বাদ্য বাজিয়ে দামামা নাচিয়ে
করতালি করে আমাকে স্বাগত জানালে।
তবে কিসের ক্ষুধায় তুমি আজও পাশে?
রাস্তার মোড়ে মোড়ে পাগলেরা আখড়া করে
আমি নাহয় থেকে গেলাম তাদের ভিড়ে।
তুমি আজও পথ আগলাও অশান্ত হয়ে
তোমার শান্তি কাড়ে কেমনে এই সুখের নীড়ে!
আমি শান্তি পাই বোবা দেয়ালের ভাষা পড়ে
কল্পনায় ছোট্টটি হয়ে ফিরি মায়ের কোলে
নেতিয়ে পরি বাবার বুকে আবার ভাইয়ের কাঁধে।
মাঝরাতে দেয়ালগুলো কেঁপে উঠে ভয় পেয়ে,
শুনি তোমার ক্রন্দন অস্ফূট নাম ধরে,
তোমার নির্ঘুম রজনী লিখেছিলে কার নামে!

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/199822/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Apr 2023 20:29:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“নির্ঘুম রাত”</p>
<p>শিশির স্নাত অনেক সকাল<br />
লিখেছিলাম তোমার নামে<br />
মিষ্টি মিষ্টি গোধূলি বেলায়<br />
বসেছিলাম তোমায় ভেবে<br />
নির্ঘুম শতো রজনীতে<br />
জেগেছিলাম তোমার কল্পনাতে।<br />
তুমি আসলেনাতো!<br />
তবে পথ আগলে দাঁড়ালে<br />
আমার যাত্রাপথের প্রতিটি দ্বারে।<br />
আমি থেমে থাকতে থাকতে<br />
ভুলে গেলাম চলার হাজার কৌশল।<br />
তুমি হাসলে লোক হাসালে<br />
বলে দিলে আমি পা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-199822"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/199822/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63124316eb0fa628997a3ec1a662e200</guid>
				<title>আমার সুখের হাজার বায়না উড়ে বেড়ায় শূণ্যতায়।আমি উড়তে শিখিনি তাই দূর থেকে চেয়ে থাকি।এই নাগাল পাই আবার পাইনা।

হঠাৎ এলো ঝুম বৃষ্টি!

অপলক চোখে দেখি ধুয়ে মুছে যাওয়া কাদামাখা বায়নার লুটোপুটি।

এই বুঝি তন্দ্রা এলো! 
অনেক দিন মিষ্টি করে ঘুমাইনা।
আজ নাহয় তার ইতি হলো!

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/199689/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Apr 2023 05:23:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার সুখের হাজার বায়না উড়ে বেড়ায় শূণ্যতায়।আমি উড়তে শিখিনি তাই দূর থেকে চেয়ে থাকি।এই নাগাল পাই আবার পাইনা।</p>
<p>হঠাৎ এলো ঝুম বৃষ্টি!</p>
<p>অপলক চোখে দেখি ধুয়ে মুছে যাওয়া কাদামাখা বায়নার লুটোপুটি।</p>
<p>এই বুঝি তন্দ্রা এলো!<br />
অনেক দিন মিষ্টি করে ঘুমাইনা।<br />
আজ নাহয় তার ইতি হলো!</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ef008473caab041f3448af7c31ffd2f4</guid>
				<title>“নতুন আমেজে নবান্ন”
  রুবা


যখন ধানের শীষে হলুদ কিরণ আসে,
কিষাণ মুগ্ধ নয়নে স্বপ্নীল ক্ষণে হাসে,
মুক্ত চুম্বনে সে সুধা তার হৃদয় পূর্ণ করে,
সুখ সুখ দোলা লাগে অগোছালো সংসারে।

লাফিয়ে চলে কাজের তাড়া মনের আকাশ জুড়ে,
কখন হবে সাঙ্গ সব বেলা যে যায় বসে !
খুশিতে তারা ক্লান্তি ভুলে ঘর্ম স্নান করে,
নতুন ধানের গন্ধে সবার চোখ বুঁজে আসে।

চঞ্চল হয়ে লাউয়ের ডগা গা এলিয়ে পরে,
থরে থরে সাজায় কিশোরী তাহা এক্কাদোক্কার ঘরে।
সবুজে সাজে মায়ার বাঁধন নব উদ্যমে বারে বারে,
এ বুঝি নতুন সময় এলো নবান্নের আবাহনে।

আজকের নতুন সব আসে-যায় চুপিসারে,
লাউয়ের মাচা আর ধানগাছ নেইতো পেখম মেলে,
বদলেছে দিন তাই কিষাণ বধূ নেই কাজের ছলে,
আজিকে সবাই আনন্দে মাতে পুরনো স্মৃতি ধরে।

সবুজেরা সব একা হয়ে ম্লান হয়ে কাঁদে,
তার খবরে নেই কোন কিশোরী আজ বসে,
হয়না এখন চড়ুই ভাতি কচিকাঁচার আসরে,
হারিয়ে গেছে সব কংক্রিট আর মুঠোফোনের ফাঁদে।


১৪/০৪/২৩</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/199068/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Apr 2023 20:33:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“নতুন আমেজে নবান্ন”<br />
  রুবা</p>
<p>যখন ধানের শীষে হলুদ কিরণ আসে,<br />
কিষাণ মুগ্ধ নয়নে স্বপ্নীল ক্ষণে হাসে,<br />
মুক্ত চুম্বনে সে সুধা তার হৃদয় পূর্ণ করে,<br />
সুখ সুখ দোলা লাগে অগোছালো সংসারে।</p>
<p>লাফিয়ে চলে কাজের তাড়া মনের আকাশ জুড়ে,<br />
কখন হবে সাঙ্গ সব বেলা যে যায় বসে !<br />
খুশিতে তারা ক্লান্তি ভুলে ঘর্ম স্নান করে,<br />
নতুন ধানের গন্ধে সবার চোখ বুঁজে আসে।</p>
<p>চঞ্চল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-199068"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/199068/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8cb6c88849c537a92c1905a9d9fbd57d</guid>
				<title>কিছু মিথ্যে জেদ আর বাঁধাধরা আবেগ বিলাসবহুল জীবনে মূল্যবান,
কিন্তু সেখানে  অর্থনৈতিক জটিলতা থাকলে  অর্থপূর্ণ ভাবাবেগ ও কেবল ”দূর হতে তোমারেই দেখেছি” হয়ে আকাশ পানে চেয়ে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকেনা।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198970/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Apr 2023 09:31:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু মিথ্যে জেদ আর বাঁধাধরা আবেগ বিলাসবহুল জীবনে মূল্যবান,<br />
কিন্তু সেখানে  অর্থনৈতিক জটিলতা থাকলে  অর্থপূর্ণ ভাবাবেগ ও কেবল ”দূর হতে তোমারেই দেখেছি” হয়ে আকাশ পানে চেয়ে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকেনা।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5289c2e8c96d2980e29d53284f1a2fed</guid>
				<title>চঞ্চল আবেগে তোমার স্নিগ্ধ ছোঁয়া,
এলোমেলো স্বপ্নে সুখেরা আজ ধোঁয়া ধোঁয়া,
শতো আলাপন পাখি হয়ে মেলুক পাখনা,
শূণ্যে যাবো উড়ে ফেলে সব দূর্ভাবনা।।

ছুটে চলা দিনগুলো হারায় সীমানা,
তুমি এলে তাই মন পবণে প্রেম ঝর্ণা,
এ মিলন ক্ষণে সাজুক ফাগুন বেলা,
এসো সেই ভাবনায় ভাসি আজ দুজনা।।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198846/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Apr 2023 02:18:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চঞ্চল আবেগে তোমার স্নিগ্ধ ছোঁয়া,<br />
এলোমেলো স্বপ্নে সুখেরা আজ ধোঁয়া ধোঁয়া,<br />
শতো আলাপন পাখি হয়ে মেলুক পাখনা,<br />
শূণ্যে যাবো উড়ে ফেলে সব দূর্ভাবনা।।</p>
<p>ছুটে চলা দিনগুলো হারায় সীমানা,<br />
তুমি এলে তাই মন পবণে প্রেম ঝর্ণা,<br />
এ মিলন ক্ষণে সাজুক ফাগুন বেলা,<br />
এসো সেই ভাবনায় ভাসি আজ দুজনা।।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c5e23db464b12f497628d8d36007277</guid>
				<title>সেই কবে! মনে হয় হাজার যুগ আগে সুখ’ নামে একজন ভালোবেসে চুমু খেয়েছিলো ভালে।এখন
 এ পথে তার আনাগোনা চোখে দেখিনা।
ক্ষতি নেই! দুঃখ’ নামের অনুভূতিটি কম গভীর নয়।এখানে আবার কান্নাগুলো পথ ভুলেছে, তবে ভাবুক হয়ে পথ চাইতেও ভালোই লাগে।

কি অদ্ভুত অনুভূতি কোন উফ! আহ! শব্দ নেই, কান্নার অবিরাম বর্ষন নেই। কেমন চুপিচুপি ভাসিয়ে নিয়ে যায়- কখনো দুমরে-মোচরে কখনো বা টেনে-হিঁচড়ে।এ নিঃশব্দ পথ বড়োই গভীরের।কোন বিরাম নেই কেবল চলছে,আর চলছে।

“তোমাতে বসত চিরচেনা তাই হইয়োনা অচেনা আর এই অবেলায়,
পাখিরা ফিরুক নীড়ে আমি কেবল ঠিকানা হারাই,
যায় যাক ভেঙে তাসের ঘর আমি তার দিশা না পাই,
ক্ষয়ে যাক মরে যাক তুলসী বাগান জল যেথা নাই।”

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196447/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Mar 2023 12:23:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেই কবে! মনে হয় হাজার যুগ আগে সুখ’ নামে একজন ভালোবেসে চুমু খেয়েছিলো ভালে।এখন<br />
 এ পথে তার আনাগোনা চোখে দেখিনা।<br />
ক্ষতি নেই! দুঃখ’ নামের অনুভূতিটি কম গভীর নয়।এখানে আবার কান্নাগুলো পথ ভুলেছে, তবে ভাবুক হয়ে পথ চাইতেও ভালোই লাগে।</p>
<p>কি অদ্ভুত অনুভূতি কোন উফ! আহ! শব্দ নেই, কান্নার অবিরাম বর্ষন নেই। কেমন চুপিচুপি ভাসিয়ে নিয়ে যায়- কখনো দুমরে-মোচরে কখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-196447"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/196447/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f3c8659f2333d111fa990e6b61a481ba</guid>
				<title>ভালো লাগা দ্বন্দেরা সজীব বিশালতায়,
আর ভালো থাকায় দ্বন্দেরা তীরন্দাজ।
হাজারো দ্বন্দের মাঝে হারায় রাগ-অনুরাগ,
দ্বিধা আর দ্বন্দের কেবল নেই কাজ খই ভাজ।
আগে-পিছের ভাবনায় দ্বন্দ মনে নেই ভয়-লাজ,
অহেতুক সময়গুলো পালিয়ে হয় পগার পার।
গালে হাত রেখে রাত-দিনের নেই লয়-তাল,
বন্ধ মনের ঘরে উঁকি দেয় বর-কনে হওয়ার স্বাদ ।
চনমনে আবেগে নেই দ্বন্দময় আলো-আঁধার,
ছন্দে ছন্দে মাতে টগবগে আবেশে ভুলে বাছ-বিচার।
হয় হোক দ্বিধা-দ্বন্দের সঙ্গ সবুজে ঢাকুক আঁধার,
‌‌অপেক্ষায় অপেক্ষায় কাটুক মোদের মনের আষাঢ় ।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195977/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Mar 2023 22:38:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালো লাগা দ্বন্দেরা সজীব বিশালতায়,<br />
আর ভালো থাকায় দ্বন্দেরা তীরন্দাজ।<br />
হাজারো দ্বন্দের মাঝে হারায় রাগ-অনুরাগ,<br />
দ্বিধা আর দ্বন্দের কেবল নেই কাজ খই ভাজ।<br />
আগে-পিছের ভাবনায় দ্বন্দ মনে নেই ভয়-লাজ,<br />
অহেতুক সময়গুলো পালিয়ে হয় পগার পার।<br />
গালে হাত রেখে রাত-দিনের নেই লয়-তাল,<br />
বন্ধ মনের ঘরে উঁকি দেয় বর-কনে হওয়ার স্বাদ ।<br />
চনমনে আবেগে নেই দ্বন্দময় আলো-আঁধার,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195977"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195977/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">de4f026439621d4efc2881e5af0fd98c</guid>
				<title>‘নারী’ এমন একটা শব্দ যার জন্য প্রতিবন্ধকতাগুলো অশান্ত থাকে সারাক্ষণ।প্রতিনিয়ত প্রমাণ করতে হয় নারীর অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তা।
আসলে,
“আমরা নারী আমরা পারি” নয় 
“আমরা নারী তাই আমাদের পারতেই হবে” নামক প্রতিবন্ধকতা পৃথিবীর সকল নারীদের জন্ম থেকে 
মৃত্যু পর্যন্ত আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে।

তাই প্রথমে ‘নারী’র মুক্তি দরকার তার আপন মনোজগতের সেই চিরাচরিত শৃঙ্খল হতে।

যেখানে একজন নারী গর্বিত হয় ‘মানুষ’ হতে পেরে।
যা খুব স্বাভাবিক আর চিরাচরিত, যেখানে হতাশা নেই আবার দম্ভ ও নেই।

(জয় হোক মানব মনের সুন্দর চিন্তা আর আদর্শের)।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195812/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Mar 2023 20:38:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>‘নারী’ এমন একটা শব্দ যার জন্য প্রতিবন্ধকতাগুলো অশান্ত থাকে সারাক্ষণ।প্রতিনিয়ত প্রমাণ করতে হয় নারীর অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তা।<br />
আসলে,<br />
“আমরা নারী আমরা পারি” নয়<br />
“আমরা নারী তাই আমাদের পারতেই হবে” নামক প্রতিবন্ধকতা পৃথিবীর সকল নারীদের জন্ম থেকে<br />
মৃত্যু পর্যন্ত আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে।</p>
<p>তাই প্রথমে ‘না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195812"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195812/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0edb8d17efe98933e4ed8ed1d195f5b</guid>
				<title>আপনারে পর করে”
রুবা//

নিজের ভেতর নেই নিজস্বতা,
পরের কাঁধে আপনার বোঝা।

নিজ ভুবনে অচেনার আনাগোনা,
খুশিতে বিষম খায় লুকিয়ে কামনা।

কাজের নামে অকাজে তালবাহানা,
সময়ের ফোঁড়ে লেগে যায় ধূলোকণা।

লোভী মন চঞ্চল শুনতে রটনা,
আঁধার আর আলোর দম্ভ হটেনা।

দশমাস দশদিন লালন করে বাহানা,
উপদেশ নির্দেশে নেই তাহার চেতনা।

অন্যায় আবদারে নিয়তির ছলনা,
বাঁধ ভাঙা ঢেউয়ে বয় ভুলেদের বন্যা।

সৎ কভু অসৎ হয়ে হারায় ঠিকানা,
সুখী সুখী বেশে লুকায় দুঃখ-যন্ত্রনা ।

ঠিকঠাক পৃথিবীতে আচানক আগুণ লাগা,
আপনারে লয়ে আপন ঘরে আজব কল্পনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195378/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Mar 2023 11:12:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আপনারে পর করে”<br />
রুবা//</p>
<p>নিজের ভেতর নেই নিজস্বতা,<br />
পরের কাঁধে আপনার বোঝা।</p>
<p>নিজ ভুবনে অচেনার আনাগোনা,<br />
খুশিতে বিষম খায় লুকিয়ে কামনা।</p>
<p>কাজের নামে অকাজে তালবাহানা,<br />
সময়ের ফোঁড়ে লেগে যায় ধূলোকণা।</p>
<p>লোভী মন চঞ্চল শুনতে রটনা,<br />
আঁধার আর আলোর দম্ভ হটেনা।</p>
<p>দশমাস দশদিন লালন করে বাহানা,<br />
উপদেশ নির্দেশে নেই তাহার চেতনা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195378"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195378/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">544d2d378bb717533e2662353cf95d71</guid>
				<title>#সংক্ষিপ্ত গল্প
‘ফোকাস’
রুবা


সকাল সকাল গোছল করে ছেলেকে নিয়ে স্কুলের পথে হাঁটছে রেনু।জনা তাকে দেখে এগিয়ে এসে বললো,
––– কিরে তুই এতো সকালে এমন গুছিয়ে আসিস কিভাবে?
রেনুঃ আমি নিজেকে গুছিয়ে রাখতে ভালোবাসি।
জনাঃ হুম! ভাইয়া তোকে এতো ভালো রাখছে দেখে খুশিই লাগে, কয়টা মেয়ে এমন জামাই পায়!
রেনুঃ (হেসে আপ্লুত হয়ে) হ্যাঁ তা ঠিক বলেছিস।
জনা ও রেনু স্কুলে ঢুকে পরে।বাচ্চাদের ক্লাসে পাঠিয়ে তারা যার যার বাড়ি অভিমুখে রওয়ানা হয়।

রেনুর ফোনে তার স্বামী রফিকের কল আসে। রিসিভ করতেই শুনতে পায় অন্য কোন মেয়ে মানুষের হাসাহাসি, সাথে সাথেই কেটে যায়।রেনু কল করলে আর রিসিভ করেনা রফিক।
রেনু বাসায় ঢুকতেই সব ঠিকঠাক কোন গোলমাল নেই, কিন্তু যে গোলমাল মনের ভেতর তার কি হবে!
আর গতরাতের মোবাইল ফোনে কি ছিলো যা আড়াল করতে বাথরুমে ঢুকে গিয়েছিলো রফিক? 
রেনু হাত দিয়ে ধরে ফেলায় হাতের উপর বাথরুমের দরজা লাগিয়ে দিয়েছিলো সে তার সন্তান কোলে অবস্থায়।
যার কোন উত্তর রেনু পায়না! 
তবু রেনুর সুখের জোয়ারে সকলের সজাগ দৃষ্টি কিন্তু কাপড়ে ঢাকা বামহাতের বাহুটি কেউ দেখতে পায়না, যেখানে কালো ছুপ ছুপ অসংখ্য রক্তাক্ত দাগ আর প্রায় অকেজো হয়ে থাকা ঝুলে থাকা হাতটি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195019/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Feb 2023 00:23:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23স" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#স</a>ংক্ষিপ্ত গল্প<br />
‘ফোকাস’<br />
রুবা</p>
<p>সকাল সকাল গোছল করে ছেলেকে নিয়ে স্কুলের পথে হাঁটছে রেনু।জনা তাকে দেখে এগিয়ে এসে বললো,<br />
––– কিরে তুই এতো সকালে এমন গুছিয়ে আসিস কিভাবে?<br />
রেনুঃ আমি নিজেকে গুছিয়ে রাখতে ভালোবাসি।<br />
জনাঃ হুম! ভাইয়া তোকে এতো ভালো রাখছে দেখে খুশিই লাগে, কয়টা মেয়ে এমন জামাই পায়!<br />
রেনুঃ (হেসে আপ্লুত হয়ে) হ্যাঁ তা ঠিক বলেছিস।<br />
জনা ও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195019"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195019/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bfea1720367a151e7b06a62b79a6e487</guid>
				<title>এমন তোমাকে খোঁজার ইচ্ছা ক্লান্তিহীন।
সেই না চেনা পৃথিবীতে নিজের অস্তিত্ব অনুভবের সাথে সাথে।তারপর কৈশোর আর যৌবনের লালায়িত আভাসে ভেসে অস্তগামী সূর্যের পিছে অনেক দৌড়েছি।
কিন্তু তুমি থেকেছো তখনও নাগালের বাইরে।আমি অন্ধকারেও তোমাকে খুঁজেছি ঠিক আলোর অবয়ব ভেবে।
এখনো খুঁজি চেতনায় আবার অবচেতন মনে, কেবল তোমাকে।
ঠিক সেই তুমি যেমনটা সুন্দর গল্পের বই হয়, যেমনটা হয়  পলাশের লাল রং, যেমন স্নিগ্ধ হয় চাঁদের ঝলমলে আলো।যে নীলিমায় হারিয়ে যেতে মন চায় হাজার বার।যে সুরেলা কন্ঠের মায়ায় স্থির হয়ে যেতে ইচ্ছে করে।যেমন তোমাকে পেলে হাসিমুখে মরনকে বুকে টানা যায় আর জীবন হয়ে যায় পরিপূর্ণ।

এমন একটা তোমাকে খুঁজে চলেছি সেই দীর্ঘকাল ধরে।

তুমি আসো কোন মানব রূপ ধরে, আসো কোন সুন্দর দিন হয়ে, আসতে পারো কোন সাজানো বাগান হয়ে।

মুছে যাক সব অন্ধকার সকলের মন থেকে, হেসে উঠুক পৃথিবী তোমার সজীব স্পর্শে।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194994/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Feb 2023 19:00:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এমন তোমাকে খোঁজার ইচ্ছা ক্লান্তিহীন।<br />
সেই না চেনা পৃথিবীতে নিজের অস্তিত্ব অনুভবের সাথে সাথে।তারপর কৈশোর আর যৌবনের লালায়িত আভাসে ভেসে অস্তগামী সূর্যের পিছে অনেক দৌড়েছি।<br />
কিন্তু তুমি থেকেছো তখনও নাগালের বাইরে।আমি অন্ধকারেও তোমাকে খুঁজেছি ঠিক আলোর অবয়ব ভেবে।<br />
এখনো খুঁজি চেতনায় আবার অবচেতন মনে, কেবল তোমাকে।<br />
ঠিক সেই তুমি যেমনটা সুন্দর গল্পের বই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194994"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194994/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec53b3c90ca86b7a1a5576cb5b6f6172</guid>
				<title>#গল্প

সবুজ গাছের ছায়ায় ঢাকা গ্রামের রাস্তায় অনেক হেঁটেছি আমি।হালকা মিষ্টি বাতাস যখন চারপাশে।
কখনো রোদ এসে চড়াও হলেও আবার বৃক্ষরাজ এসে বাঁচিয়ে দেন।সে এক মিষ্টি অনুভূতি! আমার মনে হয় সবার ই হয় এমন অনুভূতি।

একদিনের কথা আজ মনে পরছে খুব!
এমন মিষ্টি আবহাওয়া থাকলে যদি সেদিনটি হয় ছুটির দিন আমি একা থাকতে ভালোবাসতাম খুব।যদিও আমার বাবা-মা কোনমতেই দিতে চাইতেন না।কিন্তু পরিশেষে আমার অনুভূতি তারা বুঝতেন, যেতে দিতেন আমাকে।
যাক্ মুল গল্পে আসি।
সেদিন আমি বের হলাম হাঁটবো বলে।সাথে বিস্কুট, পানি আর চিপ্স।আমি আবার খিদে সহ্য করতে পারিনা সেটা এক মহা ঝামেলা, যেমন টেনশনে আর ঝগড়া-ঝাটিতে আমার খুব খিদে পায়।
আমি হাঁটছি দুই গ্রামের মধ্যমনি একটি কাঁচা রাস্তা ধরে, যা আবার আমাদের স্থানীয় বাজারে গিয়ে থেমেছে।

হাঁটতে গিয়ে দেখলাম একজন লোক খুব কষ্ট করে জমি থেকে নতুন পেঁয়াজ উঠাচ্ছেন হাতে টেনে টেনে(রাতের বৃষ্টিতে জমিতে প্রচুর কাদা জমে গিয়েছিলো)।
তাঁর স্ত্রী জমির পাশ থেকে এক কিশোর বয়সী নাতিনের সহযোগীতায় সেগুলো বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলো।পাশেই তাঁদের বাড়ি।
আমার তাঁদের কাজ করা দেখতে কেমন জানি ভালো লাগছিলো।
আমি সেগুনগাছের পাতা বিছিয়ে বসে বসে ওদের কাজ দেখছিলাম আর কোনমতে আলাপ করার চেষ্টা করছিলাম।
তারাও আমার সাথে তাদের কৃষির পূর্ব ঐতিহ্যের কাহিনী বলতে লাগলেন।আমার খুব ভালো লাগছিলো।আমি ও অল্প করে তাদের ঝাঁপিতে পেঁয়াজ গুছিয়ে দিচ্ছিলাম আর আমাদের কি কি ফসল হয় তা বলে যাচ্ছিলাম।
আমার বাবার কথা শুনে তিনি চিনতে পারলেন। বলতে লাগলেন, “তোমার আব্বারে তো চিনি চাকরিজীবী মানুষ যেইটুক করেন এইটুকুই বেশি”।
শুনলাম উনার ছেলেরা দুইজন দেশের বাইরে আর একজন সেনাবাহিনীতে চাকরী করেন।উনার ছেলে রাতেই এসেছে কিন্তু ক্ষেতে-খামারে কাজ করতে ভালেবাসেনা, আর ছেলের বউ ও তেমন কাজ করেনা।
কিন্তু নাতি আর নাতনীরা সবসময় কাজে সহযোগীতা করে।
উনারা আমাকে খুব জোড় করে বাড়িতে নিয়ে গেলেন। দেখলাম উনাদের ঘরটি খুব সাধারণ পুরাতন টিন দিয়ে বাঁধা আর ছেলেরা যেগুলোতে থাকে সে ঘরগুলো আধাপাকা আর সুন্দর রং করা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, “আপনারা ঐগুলোতে থাকেন না কেন?”
দুজনেই বললেন, ঐ ঘরগুলোতে খুব গরম লাগে, ঘুম আসেনা”।
তবে দুজনের মুখ চাওয়া-চাওয়ির গভীরতা সেই অল্প বয়সেও আমার মনে খুব দাগ কেটেছিলো।

আমি কোনমতে উনার দুই নাতনীর(আমার সমবয়সী) হাতের সুমিষ্ট শরবত আর ঝালঝাল মুড়ি খেয়ে বাড়ির পথে রওয়ানা হলাম।

প্রকৃতি সেদিন সবুজ ছায়ার মধ্য দিয়ে নতুন এক অভিজ্ঞতা জাগিয়েছিলো আমার কিশোরী মনে।

আর তা হলো,
“আমি যতদূরেই থাকিনা কেন আমার বাবা-মাকে অবহেলা করবোনা, নিজেকেও অবহেলা করবো না।

যদিও জানিনা কতোটা পারবো!

সমাপ্ত//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194592/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Feb 2023 09:43:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23গল" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#গল</a>্প</p>
<p>সবুজ গাছের ছায়ায় ঢাকা গ্রামের রাস্তায় অনেক হেঁটেছি আমি।হালকা মিষ্টি বাতাস যখন চারপাশে।<br />
কখনো রোদ এসে চড়াও হলেও আবার বৃক্ষরাজ এসে বাঁচিয়ে দেন।সে এক মিষ্টি অনুভূতি! আমার মনে হয় সবার ই হয় এমন অনুভূতি।</p>
<p>একদিনের কথা আজ মনে পরছে খুব!<br />
এমন মিষ্টি আবহাওয়া থাকলে যদি সেদিনটি হয় ছুটির দিন আমি একা থাকতে ভালোবাসতাম খুব।যদিও আমার ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194592"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194592/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4b6489a5bac3356d03104873c3c6edf</guid>
				<title>তুমি প্রেমের গতিহীন অমিয় ধারা। 
না তোমাকে ছুঁই না হারাতে চাই,
মাঝখানে জীবন কেবল বয়ে যায়,
তোমার কান্না-হাসির গল্প শুনি বৃথাই।

কল্পনার দ্বারে সোহাগী হাত বাড়াও,
ডাকলে মুচকি হেসে ছায়া হয়ে যাও,
ওগো প্রেমপতি সদা শুভ্র প্রেমে ভাসাও,
অগোছালো স্বপ্নে আজও আড়চোখে চাও।
রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194378/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Feb 2023 21:16:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি প্রেমের গতিহীন অমিয় ধারা।<br />
না তোমাকে ছুঁই না হারাতে চাই,<br />
মাঝখানে জীবন কেবল বয়ে যায়,<br />
তোমার কান্না-হাসির গল্প শুনি বৃথাই।</p>
<p>কল্পনার দ্বারে সোহাগী হাত বাড়াও,<br />
ডাকলে মুচকি হেসে ছায়া হয়ে যাও,<br />
ওগো প্রেমপতি সদা শুভ্র প্রেমে ভাসাও,<br />
অগোছালো স্বপ্নে আজও আড়চোখে চাও।<br />
রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d4c61dcaa64874dd4c71f510a18c33d0</guid>
				<title>&quot;হিংসা&quot;/–
লেখা_&quot;রুবা&quot;
রচনা তারিখঃ–১৫/০২/২০২১

আমার মন খারাপের দেশে তুমি যাযাবর, 
আমার কান্নাভেজা চোখের দৃষ্টি আজ ধূসর –
সবার আনন্দে আজ আমার হিংসুটে মন।

আমার পাহাড়তলী গাঁয়ের ভাঙা মেঠোপথ, 
ডিঙিয়ে পাহাড় আমি জংলি হারিয়ে জনপদ। 
মিষ্টি কোলাহলে হিংসে আমার তাই নিরুত্তর। 

পাতার আড়ালে আমি মড়া শাখা বিশেষ, 
আমার জন্য নেই তাই কারো প্রেম নির্দেশ। 
বাগান বিলাসে তাই বিরক্ত মনের হিংসা-বিদ্বেষ।

সাঁওতাল পল্লীর শীর্ণকায় বধূর সজ্জা আমি,
রূপ হারিয়ে নিজের জন্য পাই ধোঁকার ফুলঝুরি,
পাশের পালঙ্কের সুখ নিদ্রায় করি হিংসার দাপাদাপি।

পাহাড় চূড়ায় ফোঁটা ফুল আমি গন্ধ নেই শরীরে, 
ভালোবাসা হয়ে যত্নে যাইনা কোন পুজোর মন্ডপে,
ধূলো জমে গায়ে আমার তাই আমি হিংসুটে। 

পরিচয়হীন নাম আমি এই ভরা সংসারে –
পরে আছি এক কোণে যেনো নষ্ট পেইন্টিং দেয়ালে,
ফুলদানির যত্ন দেখে তাই হিংসা আসে মনে।

সবুজ প্রান্তের মাঝে আমি বিশালতার নদী  –
এতো হিংসা প্রাণে তবু বয়ে চলি নিরবধি, 
সাগর জলে দুঃখ ধুয়ে লোনা জলের সঙ্গমে মাতি।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194112/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Feb 2023 12:29:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;হিংসা&#8221;/–<br />
লেখা_&#8221;রুবা&#8221;<br />
রচনা তারিখঃ–১৫/০২/২০২১</p>
<p>আমার মন খারাপের দেশে তুমি যাযাবর,<br />
আমার কান্নাভেজা চোখের দৃষ্টি আজ ধূসর –<br />
সবার আনন্দে আজ আমার হিংসুটে মন।</p>
<p>আমার পাহাড়তলী গাঁয়ের ভাঙা মেঠোপথ,<br />
ডিঙিয়ে পাহাড় আমি জংলি হারিয়ে জনপদ।<br />
মিষ্টি কোলাহলে হিংসে আমার তাই নিরুত্তর। </p>
<p>পাতার আড়ালে আমি মড়া শাখা বিশেষ,<br />
আমার জন্য নেই তাই কারো প্রেম নির্দেশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194112"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194112/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed4934b9382b2f1aa818c4c246c1cf41</guid>
				<title>অব্যক্ত বিস্তীর্ণ হলো সংসারের খুঁটিনাটি।ঠিক যেমন ঘরের চারকোণায় অসংখ্য অগোছালো জিনিস যা প্রতিদিন গোছাতে হয় নাহলে দেখতে ভয়ংকর অসহ্য লাগে।

সেই অগোছালো হাজার কাজের মেলোবন্ধনে যারা ধরা পরে গেছে তারা সংসারে বসবাস করে তীক্ষ্ন দৃষ্টি দিয়ে, যেনো একচুল ও নড়চড় না হয় কাজের।

কখনো ভালোবেসে কখনো দায়িত্ববান হয়ে পথচলা প্রতিদিন যার সীমানা হয়তো শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194024/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Feb 2023 17:27:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অব্যক্ত বিস্তীর্ণ হলো সংসারের খুঁটিনাটি।ঠিক যেমন ঘরের চারকোণায় অসংখ্য অগোছালো জিনিস যা প্রতিদিন গোছাতে হয় নাহলে দেখতে ভয়ংকর অসহ্য লাগে।</p>
<p>সেই অগোছালো হাজার কাজের মেলোবন্ধনে যারা ধরা পরে গেছে তারা সংসারে বসবাস করে তীক্ষ্ন দৃষ্টি দিয়ে, যেনো একচুল ও নড়চড় না হয় কাজের।</p>
<p>কখনো ভালোবেসে কখনো দায়িত্ববান হয়ে পথচলা প্রতিদিন যার সীমানা হয়তো শেষ ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3000e8a295d5d973d8a02c5463c58467</guid>
				<title>আমি নিরাসক্ত বাঙালি
রুবা
১৫/০২/২৩

আমি নিরাসক্ত বাঙালি,
আমি চেতনা খুঁজি দিবা-রাতি,
আমি মেঘের গর্জনে হাই তুলি,
আমি বিদ্যুৎ চমকালে থমকে যাই।

কে মোরে দেখাবে আগামীর প্রত্যয়?
কোন আশায় আমি চলবো পথ?
কোথায় সে অদম্য জনপদ?
যেথা ছিলো জাগরিত সব অগ্রজ।

সকলে মিলেমিশে যেথায় এনেছিলো নিশান,
বেজেছিলো একসুরে শতোকন্ঠে এক গান,
বাংলা চাই বাংলা চাই নাহয় যায় যাক প্রাণ,
আজিকের ধ্বনি কেবল কথামালার মৃত শাণ।

আমি নিরাসক্ত বাঙালি,
আমার নেই সে গর্বিত প্রাণ,
আমার আছে রংধনু ন্যায় কাঁধ,
সাহসী প্রশ্নেরা মরেছে যেথা নির্দ্বধায়।

যে মায়ের বুকে আজ কেবল অরণ্য,
সেথা দিকে দিকে হাজার বরেণ্য,
নেই কেবল বাঁচা-মরার আপন অধিকার,
যার তরে সকলের মনে গোপন ধিক্কার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193751/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Feb 2023 08:15:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি নিরাসক্ত বাঙালি<br />
রুবা<br />
১৫/০২/২৩</p>
<p>আমি নিরাসক্ত বাঙালি,<br />
আমি চেতনা খুঁজি দিবা-রাতি,<br />
আমি মেঘের গর্জনে হাই তুলি,<br />
আমি বিদ্যুৎ চমকালে থমকে যাই।</p>
<p>কে মোরে দেখাবে আগামীর প্রত্যয়?<br />
কোন আশায় আমি চলবো পথ?<br />
কোথায় সে অদম্য জনপদ?<br />
যেথা ছিলো জাগরিত সব অগ্রজ।</p>
<p>সকলে মিলেমিশে যেথায় এনেছিলো নিশান,<br />
বেজেছিলো একসুরে শতোকন্ঠে এক গান,<br />
বাংলা চাই বাং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193751"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193751/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">77f5fd2811c479a9c654eb50e7d65f33</guid>
				<title>থমকে যাওয়া প্রতিটি দিন আমি পথ চলতে শিখি 
কেটে যাওয়া দিনগুলোর হাত ধরে।আমি তার ছড়ানো উষ্ণতায় আজও দিশা পাই, শ্রান্ত হই তারই দেওয়া শীতলতায়।

আমি দূর্গমকে জয় করিনা আমাতেই বাস করি নিত্য।
আমি ক্লান্ত নই তার প্রেম পূজায় সদা সিক্ত।

রুবা//
১৩/০২/২৩</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193487/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Feb 2023 21:18:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>থমকে যাওয়া প্রতিটি দিন আমি পথ চলতে শিখি<br />
কেটে যাওয়া দিনগুলোর হাত ধরে।আমি তার ছড়ানো উষ্ণতায় আজও দিশা পাই, শ্রান্ত হই তারই দেওয়া শীতলতায়।</p>
<p>আমি দূর্গমকে জয় করিনা আমাতেই বাস করি নিত্য।<br />
আমি ক্লান্ত নই তার প্রেম পূজায় সদা সিক্ত।</p>
<p>রুবা//<br />
১৩/০২/২৩</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc3d95af53b839bf437ccc8bd3e248af</guid>
				<title>শ্রেণীকরণ আর শ্রেণীর সাথে শ্রেণীর বিকিরণ,
ভেবে কি হবে বলো! ভুলে ভুলে শ্রেণীর ও ব্যাপ্তি হলো।তবু হলোনা এ শ্রেণীর ভেদাভেদ আর বিবেকের সাথে আত্মার যুদ্ধের অবসান।
অসৎ আরও অসত্য বানালো লোকে তাতে হুমরি খেলো, চোখের সামনে সত্য আজও অধরা রয়ে গেলো।হাসির আড়ালে কেউ দুঃখ আবার কেউ বিরক্তি লুকালো।
ধমকে কেউ ভালোবাসা আবার কেউ প্রেম জাগালো।কেউ ভান করে ভালো থাকার কারও গল্পে কেবল দুঃখ।
আসলে জীবনের গল্পগুলো কেবল রহস্য যদিও তা খোলা কাব্য।
কেউ বলে ভাগ্য কপালে কেউ ভাবে হস্তরেখায়, কেউ আবার উপদেশ দেয় সুযোগ আছে ভাগ্য বদলাবার।
মেঘের গুড়গুড়ে কেউ ভাবে বৃষ্টি কেউ ঝড়ের ভয়ে দৌড়ায়।
আসলে জীবনটা মানবকে কেবল ভাবায় আর ভাবায়
আজন্ম কাল।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192837/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 22:53:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শ্রেণীকরণ আর শ্রেণীর সাথে শ্রেণীর বিকিরণ,<br />
ভেবে কি হবে বলো! ভুলে ভুলে শ্রেণীর ও ব্যাপ্তি হলো।তবু হলোনা এ শ্রেণীর ভেদাভেদ আর বিবেকের সাথে আত্মার যুদ্ধের অবসান।<br />
অসৎ আরও অসত্য বানালো লোকে তাতে হুমরি খেলো, চোখের সামনে সত্য আজও অধরা রয়ে গেলো।হাসির আড়ালে কেউ দুঃখ আবার কেউ বিরক্তি লুকালো।<br />
ধমকে কেউ ভালোবাসা আবার কেউ প্রেম জাগালো।কেউ ভান করে ভালো থা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192837"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192837/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8dc60d7a4db9c162759b1cc8281e1c0c</guid>
				<title>#গল্প
(চেষ্টার ভুল-ত্রুটিগুলো মাফ করবেন)!

“অচেনা”
রুবা
০৭/০১/২৩

চৈত্রের দাবদাহে কিংবা কনকনে শীতে বাচ্চাদের নিয়ে কোনমতে একটি ভাঙ্গাচোড়া পুরাতন বাড়িতে বসবাস করে শিউলি আক্তার।আর কিছুদিন পরে হয়তো বাড়িটিকে আর বাড়ি বলে মনে হবেনা।
স্বামী মারা যাবার পর দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাপের বাড়ির এই ভিটেখানিই সম্বল তার।ছেলে ছোট্ট একটা মুদির দোকান করে আর মেয়েটা কোনমতে সপ্তম শ্রেণী অব্দি পড়ে এখন বাড়িতেই আছে।
দিন আনে দিন খায় পরিবার মনে রাখতেই বোধহয় এই গ্রামে শিউলির পরিবারটি দাঁড়িয়ে আছে।মেয়ের বিয়ে হচ্ছেনা ছেলেটি পরিশ্রমে প্রতিদিন যেনো আরও বয়স্ক হয়ে যাচ্ছে।
শিউলি এসব দেখে আর দীর্ঘশ্বাস ফেলে!
একদিন এলাকার সম্মানিত কয়েকজন আসলেন তার মেয়েটিকে একটি ভালো পাত্রের হাতে তুলে দিতে চান তারা।শিউলির ভালো-খারাপ বিবেচনার উপায়ান্তর না থাকায় সে রাজি হলো।
কয়েকদিন পরেই অনারম্বর আয়োজনে পাশের গ্রামের বিপত্নীক কাওছারের সাথে শিউলির মেয়ে পারুলের বিয়ে হয়ে গেলো।
ছেলে মহসিন খুশি হলো না কষ্ট পেলো তা তার মুখ দেখে বুঝতে পারলোনা শিউলি।বোনকে বাপের বাড়ি আনতে বলবে ছেলের সে ক্ষমতা কোথায়।
অথচ এই ছেলেটি জন্মের পর তার বাবা বলেছিলো “ছেলে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে”,মেয়ে জন্মের পর বলেছিলো “চাঁদের মতো মেয়েটারে রাজবাড়ি ছাড়া হাতছাড়া করবো না”।
কিন্তু শিউলির প্রবাসী স্বামীর অবর্তমানে তার সন্তান আর তার জন্য স্বামীর বাড়ির দিনগুলো ছিলো বাঁচা-মরার এক যুদ্ধের মতো।
তার উঠান আর ঘরগুলো শুধু নামেই তার ছিলো।স্বামীর সবকিছুই ছিলো তার ভাই-বোনদের দখলে।দিনগুলো কাটছিলো তবুও হেসে-খেলেই।কিন্তু দূর্যোগটা এলো শিউলির স্বামী একেবারে দেশে ফিরে আসার পর।

সময়টা এখন থেকে ১৯ বছর আগে!
শিউলির স্বামী হিরণ ফেরত আসার পর ধীরে ধীরে নিজের সবকিছু নিজে দখল করতে গিয়েই পরেছিলো বিপদে।
তার আপন ভাই-ভাতিজা আর বোনেদের রোষানলে পরেছিলো সে।বাধ্য হয়ে মামলা-মোকদ্দমা পর্যন্ত করতে হয়েছিলো তাকে।একে একে সঞ্চয়ের সবকিছুই হারিয়েছিলো সে।
কিন্তু ভাই-বোনেদের তেমনকিছু হারাতে হয়নি।তারা হিরণের বিয়ের আগে পর্যন্ত হিরণের পাঠানো টাকায় ভালই জাঁকজমকে জীবন সাজিয়েছিলো।
একসময় মামলার পরিণতি আসার আগেই ভিটেমাটি ছাড়া বাকিসব হারিয়ে স্ট্রোক করে উপারে চলে গেলো।

যাওয়ার আগে কেবল বলে গেলো,
“যারা আমার রক্ত হয়ে এমন বেঈমানি করতে পারলো তারা যেনো কখনো পার না পায়”।

কিন্তু শিউলির সে সম্বল কোথায়! সন্তানদের বাঁচাতে সবকিছু ছেড়ে বাপের বাড়িতে ঠাঁই নিয়েছে সে।
একমাত্র ভাই তাকে দয়াকরে বাড়িটিতে তাকে থাকতে দিয়েছে।তবে তার ভাইটি হিরণের ভাই-বোনদের মতো পিষাচ নয়।

পুরনো কথা মনে করে আর লুকিয়ে কাঁদে শিউলি।আফসোস করে স্বামীর কথা না রাখতে পারার দুঃখে।

ছেলে মহসিন রাতের খাবার খেতে খেতে বলে, “আম্মা আব্বাতো এতো তাড়াতাড়ি মরতো না ওদের দেওয়া কষ্টেই মরে গেছে।শিউলি কিছুই বলতে পারেনা তার স্বর বন্ধ হয়ে আসে।

কিছুদিন পর পারুল আর কাওছার আসলো মা আর ভাইকে দেখতে ।ছেলেটি তার মেয়েকে ভালোই রেখেছে দেখে খুশি হলো সে।
শুয়ে শুয়ে কাওছার আর পারুলের কথাবার্তা ‌অল্প অল্প শুনতে পেলো সে।
কাওছার বলছিলো, “আমি ভাইজানের দোকানটা বড়ো করে দিবোনে।
শিউলি ঃ কেন দিবেন আপনি ভাইয়া যদি নিতে না চায়?
কাওছার ঃ ধার দিবো , শুধ করে দিবো ভাইজান পরে আমারে।
শিউলিঃ আচ্ছা আম্মারে জিগাই আগে, এখন ঘুমান।

শিউলি শুনে আর ভাবে চেনা লোকগুলো কেন এমন স্বার্থপর হয় ?
আর অচেনা মানুষেরা কিভাবে এতো কাছের হয়!

আসলে চেনা আর অচেনার পার্থক্যটাই বোধহয় শিউলি জানেনা!

সমাপ্ত//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192833/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 19:14:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>   <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23গল" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#গল</a>্প<br />
(চেষ্টার ভুল-ত্রুটিগুলো মাফ করবেন)!</p>
<p>“অচেনা”<br />
রুবা<br />
০৭/০১/২৩</p>
<p>চৈত্রের দাবদাহে কিংবা কনকনে শীতে বাচ্চাদের নিয়ে কোনমতে একটি ভাঙ্গাচোড়া পুরাতন বাড়িতে বসবাস করে শিউলি আক্তার।আর কিছুদিন পরে হয়তো বাড়িটিকে আর বাড়ি বলে মনে হবেনা।<br />
স্বামী মারা যাবার পর দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাপের বাড়ির এই ভিটেখানিই সম্বল তার।ছেলে ছোট্ট একটা মুদির দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192833"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192833/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dad1640366da7224ef2f958d23fc7ccd</guid>
				<title>আদর্শ সামাজিক জীব হতে হলে “দৃষ্টি” জ্ঞান থাকা জরুরি।
কখনো দৃষ্টি অবনত, কখনো সংযত আবার কখনো ঔদ্ধত।
এসবের সঠিক স্থান, কাল আর পাত্রের ভেদাভেদ না জানলে আপনি আপনার মতো করে মূল্যায়িত হবেন।

আবার পাশাপাশি আপনাকে তা মেনে নিতে বাধ্য থাকতে হবে।কারন আপনি সীমাবদ্ধ পরিসরে বসবাস করেন।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192211/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Feb 2023 08:07:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আদর্শ সামাজিক জীব হতে হলে “দৃষ্টি” জ্ঞান থাকা জরুরি।<br />
কখনো দৃষ্টি অবনত, কখনো সংযত আবার কখনো ঔদ্ধত।<br />
এসবের সঠিক স্থান, কাল আর পাত্রের ভেদাভেদ না জানলে আপনি আপনার মতো করে মূল্যায়িত হবেন।</p>
<p>আবার পাশাপাশি আপনাকে তা মেনে নিতে বাধ্য থাকতে হবে।কারন আপনি সীমাবদ্ধ পরিসরে বসবাস করেন।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1bcd5039028c051d6318e0bfd32db1fd</guid>
				<title>ওহে যৌবন ধারা,
বয়ে যাও আপন স্রোতে,
কভু যেনো থেমোনা ক্লান্ত নিশিথে,
হইওনা কভু স্থির প্রভাত সঙ্গীতে।
ছলাৎ ছলাৎ করে জাগো ধরনীতে,
আসুক যতোই ঝঞ্ঝা-ঝড় গতিপথে,
তুমি ছুটে যাও দিক-বেদিক ভুলে,
কখনো তা নতো শীরে অন্যায় কাব্যে।
যৌবনে পরে মন কাক হতে ময়ূর সাজে,
দিকে দিকে কলরব বীরপুরুষ এসে গেছে,
আজি কে রুখিবে তারে বীর গাঁথা হতে,
ইতিহাস নাহয় কিঞ্চিৎ ধিক্কার দেবে।
আছেন কতো মহাপুরুষ শিবসেনা হয়ে,
সেখানে মহাকাল কেবল চরিত্র বানাবে,
যৌবনাবতী দাঁড়াবে ফুল সমারোহে পথে,
মুচকি হেসে বলবে ছিলাম তোমারই অপেক্ষাতে।
যৌবন আবেশে পটল তুলুক বার্ধক্য ধরা হতে,
আনন্দ চাই আনন্দ আসুক বসুক গা ঘেঁষে,
কিছু দূর্গন্ধ আসুক পারা-পরশীর মুখ থেকে,
আমি কেবল ভেবে দেখি বার্ধক্য নেই ভালে।

রুবা//
২৯/০১/২৩</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191379/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Jan 2023 22:12:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ওহে যৌবন ধারা,<br />
বয়ে যাও আপন স্রোতে,<br />
কভু যেনো থেমোনা ক্লান্ত নিশিথে,<br />
হইওনা কভু স্থির প্রভাত সঙ্গীতে।<br />
ছলাৎ ছলাৎ করে জাগো ধরনীতে,<br />
আসুক যতোই ঝঞ্ঝা-ঝড় গতিপথে,<br />
তুমি ছুটে যাও দিক-বেদিক ভুলে,<br />
কখনো তা নতো শীরে অন্যায় কাব্যে।<br />
যৌবনে পরে মন কাক হতে ময়ূর সাজে,<br />
দিকে দিকে কলরব বীরপুরুষ এসে গেছে,<br />
আজি কে রুখিবে তারে বীর গাঁথা হতে,<br />
ইতিহাস নাহয় কিঞ্চিৎ ধি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191379"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191379/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a119893ccf7a2d4650e69b7d0bd5e975</guid>
				<title>দিনের শেষে সকল হতাশা আর যন্ত্রনাকে ভুলে গিয়ে নতুন করে সবকিছু মাথা পেতে নেওয়ার জন্য তৈরি হওয়াকে ‘সংসার’ বলে।
আর সংসারে “আমার তোমার” বলে কিছু নেই সব ‘আমাদের’ হয়ে যায়”।
যেখানে কষ্টে আহ্লাদে গদগদ হয় সবাই কারন সবাই এক সূতোয় বাঁধা।

রুবা/</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190144/</link>
				<pubDate>Wed, 18 Jan 2023 23:05:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিনের শেষে সকল হতাশা আর যন্ত্রনাকে ভুলে গিয়ে নতুন করে সবকিছু মাথা পেতে নেওয়ার জন্য তৈরি হওয়াকে ‘সংসার’ বলে।<br />
আর সংসারে “আমার তোমার” বলে কিছু নেই সব ‘আমাদের’ হয়ে যায়”।<br />
যেখানে কষ্টে আহ্লাদে গদগদ হয় সবাই কারন সবাই এক সূতোয় বাঁধা।</p>
<p>রুবা/</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9f1f69e95334cdfb63a7f2c9b3675494</guid>
				<title>বাবা/

ভেবেছিলাম তোমাকে ছাড়া বাঁচবোনা
তোমাকে ছেড়ে ‌সব হবে অচেনা
যেখানে তোমার ডাক নেই
আদর নেই আর সমবেদনা।
কিন্তু আমি দিব্যি বেঁচে আছি
হাসি কান্না আর অভিমানেরাও।
বিয়োগ বেদনায় অস্থির হইনি
তবে স্তব্ধ হয়েছি সহস্রবার।
এখন তোমাকে সঙ্গে নিয়ে চলি
হাটে হোক কিংবা রাস্তায়।
তোমাকে নিয়ে হেসে গড়াগড়ি খাই
কেঁদে কেটে বুক ভাসাই, 
অভিমানে চুপচাপ হই কখনো কখনো।
তুমি অবিকল আগের মতন,
ঘরের সামনে এসে দাঁড়াও।
নাম ধরে ডাকো, তাড়া দাও-
চেঁচাও, ভালোবেসে আগলে রাখো।
জীবন পথে আগের মতই পাশে থাকো।

রুবা//
11/01/23</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189237/</link>
				<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 07:33:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাবা/</p>
<p>ভেবেছিলাম তোমাকে ছাড়া বাঁচবোনা<br />
তোমাকে ছেড়ে ‌সব হবে অচেনা<br />
যেখানে তোমার ডাক নেই<br />
আদর নেই আর সমবেদনা।<br />
কিন্তু আমি দিব্যি বেঁচে আছি<br />
হাসি কান্না আর অভিমানেরাও।<br />
বিয়োগ বেদনায় অস্থির হইনি<br />
তবে স্তব্ধ হয়েছি সহস্রবার।<br />
এখন তোমাকে সঙ্গে নিয়ে চলি<br />
হাটে হোক কিংবা রাস্তায়।<br />
তোমাকে নিয়ে হেসে গড়াগড়ি খাই<br />
কেঁদে কেটে বুক ভাসাই,<br />
অভি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189237"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189237/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88b9ce181bfc443ac8f3a526994ecf06</guid>
				<title>একদম হাল্কা আর ঝরঝরে অনুভুতিরা জানিনা কেমন।তাদের সাথে আমার দেখা হয়নি কোনদিন।হয়তো আর নাও হতে পারে।তবে কোথাও গহীন বনের ভেতর কেউ যেনো আর্ত চিৎকার করে বলে আমায়, 

“তুমি আমার সকল হাল্কা অনুভূতিদের হত্যা করেছো, তুমি লোভী”।

যার সাথে দেখা হয়নি যাকে চিনিনা তাকেই খুন করার অপরাধে আমি দোষী ।সেতো জানেনা আমি এক নির্বাসিত পথহারা নাবিক।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188778/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 18:21:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদম হাল্কা আর ঝরঝরে অনুভুতিরা জানিনা কেমন।তাদের সাথে আমার দেখা হয়নি কোনদিন।হয়তো আর নাও হতে পারে।তবে কোথাও গহীন বনের ভেতর কেউ যেনো আর্ত চিৎকার করে বলে আমায়, </p>
<p>“তুমি আমার সকল হাল্কা অনুভূতিদের হত্যা করেছো, তুমি লোভী”।</p>
<p>যার সাথে দেখা হয়নি যাকে চিনিনা তাকেই খুন করার অপরাধে আমি দোষী ।সেতো জানেনা আমি এক নির্বাসিত পথহারা নাবিক।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">504d464818858b4b0cb76bd7d431328b</guid>
				<title>হিসাব কষিনি কখনো,
দশ দশটি বছর কিংবা দশ- বারোটি!
যাই হোক হঠাৎ দেখেছি তোমায়,
সেই হাসোজ্জল তুমি চিরচেনা ।
কথায় কথায় হাতড়ানো স্মৃতি,
‌চেনা হতে ‌অচেনা কোন জগতে,
যেখানে সব নতুন আর মনকাড়া।
আঙুলে আঙুল ঠেকানো বাচ্চামি,
অহেতুক কৌতুকে হেসে গড়াগড়ি,
এসবে আর মানায়না আমাদের।
এখন নিজেরে লুকাই নিজের ভেতর,
খোলে রাখি যেখানে ছুটে মানব হৃদয়,
বেসামাল হয়ে করে আত্নার রদ-বদল।
হাজারো দোষ—ত্রুটির বোবা ক্রন্দন,
হয়না কোন আনন্দের প্রলেপ লেপন,
তুমি আমি আছি ঠিক আগের মতন।
দোষী হয়ে সময়েরা ছুটুক বছর বছর,
রয়ে যাক নিরবে কিছু কন্টক প্রহর,
আসুক কিছু আশা নিরাশায় নিরন্তর।

রুবা//
18/12/22</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/185074/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Dec 2022 00:56:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হিসাব কষিনি কখনো,<br />
দশ দশটি বছর কিংবা দশ- বারোটি!<br />
যাই হোক হঠাৎ দেখেছি তোমায়,<br />
সেই হাসোজ্জল তুমি চিরচেনা ।<br />
কথায় কথায় হাতড়ানো স্মৃতি,<br />
‌চেনা হতে ‌অচেনা কোন জগতে,<br />
যেখানে সব নতুন আর মনকাড়া।<br />
আঙুলে আঙুল ঠেকানো বাচ্চামি,<br />
অহেতুক কৌতুকে হেসে গড়াগড়ি,<br />
এসবে আর মানায়না আমাদের।<br />
এখন নিজেরে লুকাই নিজের ভেতর,<br />
খোলে রাখি যে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-185074"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/185074/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c8c594076e39b24230078977fe46d86</guid>
				<title>আমার শুভচিন্তক বিবেক হতে আগত প্রতিটি উপদেশ বাণী,কেউ যখন পার্টি উৎসবে মদের পেয়ালায় ভরে বিরক্তির হাসি হাসে তখন উপদেশগুলোর সাথে সাথে নিজেকেও ততোটাই তুচ্ছ মনে হয়। দিনগুলো ঘুরেফিরে এভাবেই কেটে যায় কখনো বসন্তে, কখনো বর্ষায়।আমি কেবল ঘূর্ণায়মান সময় ক্ষেপণ করি এখানে, আমার সকল চিন্তা আর আদর্শকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পথ চলে আমার আপনজন।
আমি অপেক্ষা করি হয়তো পরিবর্তনের নাহয় মরনের! যেমন করে অপেক্ষা করে প্রতিটি তৃষিত হৃদয় ভিষণ গোপনে, একান্ত নিভৃতে।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/184878/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Dec 2022 01:41:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার শুভচিন্তক বিবেক হতে আগত প্রতিটি উপদেশ বাণী,কেউ যখন পার্টি উৎসবে মদের পেয়ালায় ভরে বিরক্তির হাসি হাসে তখন উপদেশগুলোর সাথে সাথে নিজেকেও ততোটাই তুচ্ছ মনে হয়। দিনগুলো ঘুরেফিরে এভাবেই কেটে যায় কখনো বসন্তে, কখনো বর্ষায়।আমি কেবল ঘূর্ণায়মান সময় ক্ষেপণ করি এখানে, আমার সকল চিন্তা আর আদর্শকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পথ চলে আমার আপনজন।<br />
আমি অপেক্ষা করি হয়ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-184878"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/184878/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d4c16c3d1bf939532b2b44066a4f0e4e</guid>
				<title>সকাল দৌড়ে গোধূলির পিছে,
গোধূলি গোছায় পাঠ সন্ধার পায়ে,
আঁধার ভেঙে কভু চাঁদ হাসে মিষ্টি করে,
কভু নিজেরে হারায় আঁধারের গায়ে।
মানব জাতি তলিয়ে যায় ঘুমের দেশে,
কেউ আবার ছুটে জীবিকার খোঁজে,
কেউ পেয়ে তৃপ্ত হয় কেউ ফেরে খালি হাতে,
ভ্রুক্ষেপ নেই তবু দিবা-রাতের কোন চলনে।
তুমি আমি আমরা আছি যদিও কোনমতে,
সময়টা ঠিক চলে একে একে সমান্তরালে,
আকাশ কি কভু নামে জমিনের মাঝে,
জমিনও ঠায় শুয়ে আছে জনম জনম ধরে।
জেগে থাকে ক্ষেপা মন অজানা শঙ্কাতে,
বুঝেনা অবুঝের বেলা যায় বয়ে বয়ে,
কে এলো কে গেলো ভেবে সব সাঙ্গ করে,
সকাল আর সন্ধারূপ দেখেনা চোখ মেলে।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/177678/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Nov 2022 09:21:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সকাল দৌড়ে গোধূলির পিছে,<br />
গোধূলি গোছায় পাঠ সন্ধার পায়ে,<br />
আঁধার ভেঙে কভু চাঁদ হাসে মিষ্টি করে,<br />
কভু নিজেরে হারায় আঁধারের গায়ে।<br />
মানব জাতি তলিয়ে যায় ঘুমের দেশে,<br />
কেউ আবার ছুটে জীবিকার খোঁজে,<br />
কেউ পেয়ে তৃপ্ত হয় কেউ ফেরে খালি হাতে,<br />
ভ্রুক্ষেপ নেই তবু দিবা-রাতের কোন চলনে।<br />
তুমি আমি আমরা আছি যদিও কোনমতে,<br />
সময়টা ঠিক চলে একে একে সমান্তরালে,<br />
আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-177678"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/177678/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d8f9014bba6fe60c2d297c1c4d3148b4</guid>
				<title>সবকিছুর বিসর্জন হয়, আবেগ অনুভূতির কোন বিসর্জন নেই।

এখানে শুধু দগদগে ঘায়ে ধৈর্যের প্রলেপ মেখে দাঁতে দাঁত চেপে মরনের অপেক্ষা করতে হয়।

রুবা//</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/166541/</link>
				<pubDate>Sun, 23 Oct 2022 18:33:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সবকিছুর বিসর্জন হয়, আবেগ অনুভূতির কোন বিসর্জন নেই।</p>
<p>এখানে শুধু দগদগে ঘায়ে ধৈর্যের প্রলেপ মেখে দাঁতে দাঁত চেপে মরনের অপেক্ষা করতে হয়।</p>
<p>রুবা//</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2226fa85a5b5887c85a6272a2f4e39ab</guid>
				<title>“মরমে মরন”
রুবা//
০৪/১০/২২

এ জগতে সহজে নিয়ত মৃত্যু হয়,
তবে মৃত্যুটা হৃদয়ের।
যেখানে কারো সহানুভূতির স্পর্শ নেই,
আছে কেবল তিরস্কার ধ্বনি।
হৃদয় যার দিকে ধাবিত হয়,
সে-ই মরন গর্তে  তাকে ছুঁড়ে ফেলে।
তারপর! থাকে শুধু অবয়বের নড়াচড়া।
যেনো হতাশা দিয়ে বাঁধা মৃত্যুর হাতকড়া।
নিঃশ্বাসেরা আপন কর্ম চালিয়ে যায়,
যতোদিন না আসে সে অমিয় ক্ষণ।
যেখানে সবুর করে অপেক্ষায় শান্তির বার্তা,
হতাশা, ক্ষোভ আর দুঃখেরা সেখানে অচল।
মানুষ যখন শান্তি চায় এগিয়ে আসে সে সময়,
কখনো খুব দ্রুত! কারোরটা আবার পিছিয়ে।
তবে সে নিরাশ করেনা কাউকে ,
সে আসে বুক ফুলিয়ে আপন বচন বাঁচাতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156234/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 05:12:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“মরমে মরন”<br />
রুবা//<br />
০৪/১০/২২</p>
<p>এ জগতে সহজে নিয়ত মৃত্যু হয়,<br />
তবে মৃত্যুটা হৃদয়ের।<br />
যেখানে কারো সহানুভূতির স্পর্শ নেই,<br />
আছে কেবল তিরস্কার ধ্বনি।<br />
হৃদয় যার দিকে ধাবিত হয়,<br />
সে-ই মরন গর্তে  তাকে ছুঁড়ে ফেলে।<br />
তারপর! থাকে শুধু অবয়বের নড়াচড়া।<br />
যেনো হতাশা দিয়ে বাঁধা মৃত্যুর হাতকড়া।<br />
নিঃশ্বাসেরা আপন কর্ম চালিয়ে যায়,<br />
যতোদিন না আসে সে অমিয় ক্ষণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156234"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156234/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">25024761d8c9c8d1c54bbbc4ae39a487</guid>
				<title>“হীরক রতন”
রুবা
২৮/০৯/২২


কাঁটাতারের বেড়ায় জড়ানো আঁচল,
শক্তির দাপটে রয়ে যাবে ছিন্ন বদন,
বদনের সম্ভ্রমে নত হোক শক্তির দাপট,
জয়ের নিশান আনবেই কীর্তিমান মানব।

হন্যে হয়ে খুঁজে মন সে হীরক রতন,
বিজয় স্লোগানে ভেসে যাবে ধরনী তল,
বীর বেশে আপন সম্ভ্রম বাঁচাবে আজীবন,
কোন কটু কথায় নয় প্রেম দিয়ে প্রেমের যতন।

পিছে পিছে চলে কেউ করে চলনের বদনাম,
তার জন্য মিছিল মিটিং কেবল জাতির দূর্নাম,
গহীন বনে জঙ্গলে কান্ডারী গড়তে পারে নিদর্শন,
তার তরে হলে হোক কোন মহাকালের সমর্পন।

যুগে যুগে ফিরবে যে রুখতে জাতির আবরণ,
শতো প্রার্থনায় সকলে চায় তাঁর প্রত্যাবর্তণ,
অনাদর-অনাহারে যে আনিবে অমৃত জল,
আসবে আবার ফিরে সেই ধীমান মানব রতন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/152861/</link>
				<pubDate>Wed, 28 Sep 2022 07:03:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“হীরক রতন”<br />
রুবা<br />
২৮/০৯/২২</p>
<p>কাঁটাতারের বেড়ায় জড়ানো আঁচল,<br />
শক্তির দাপটে রয়ে যাবে ছিন্ন বদন,<br />
বদনের সম্ভ্রমে নত হোক শক্তির দাপট,<br />
জয়ের নিশান আনবেই কীর্তিমান মানব।</p>
<p>হন্যে হয়ে খুঁজে মন সে হীরক রতন,<br />
বিজয় স্লোগানে ভেসে যাবে ধরনী তল,<br />
বীর বেশে আপন সম্ভ্রম বাঁচাবে আজীবন,<br />
কোন কটু কথায় নয় প্রেম দিয়ে প্রেমের যতন।</p>
<p>পিছে পিছে চলে কেউ করে চলনের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-152861"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/152861/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b6920cf8187fc6dd03710054d329f516</guid>
				<title>“হৃদয়ে নিবেদন”

নিভৃতে শুনি সদা অন্তর্ধানের ক্রন্দন,
বাঁচতে চাওয়ার তীব্র আস্ফালন।
বলে আমায় ওগো সাথী বাঁচাও মোরে,
আমিযে বহেছি তোমায় যুগ-যুগান্তরে।
লকলকিয়ে তুমি জুড়েছো সকলেরে,
আমারই সব নকল-আসল আবদারে।
কি নেবে তুমি খুঁজেছো তুমি তা নিজে,
আজ পর হবো তবে কেন এই নিঠুর ক্ষণে!
আসল-নকল বহি আমি আপন ধর্মজ্ঞানে,
শুধালেনা তুমি উন্মাদনার বেড়াজালে পরে।
চিৎকার করে আজ কাঁদি জীবন-মায়ায় বেঁধে,
যাবো কেমনে বলো তোমায় একা করে!
একই ডোরে বাঁধা মোরা জনম জনম ধরে,
পর করিবে কে বলো আজব নিয়ম ভেঙে!

(রুবা)
২৬/০৭/২২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/125855/</link>
				<pubDate>Tue, 26 Jul 2022 02:24:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“হৃদয়ে নিবেদন”</p>
<p>নিভৃতে শুনি সদা অন্তর্ধানের ক্রন্দন,<br />
বাঁচতে চাওয়ার তীব্র আস্ফালন।<br />
বলে আমায় ওগো সাথী বাঁচাও মোরে,<br />
আমিযে বহেছি তোমায় যুগ-যুগান্তরে।<br />
লকলকিয়ে তুমি জুড়েছো সকলেরে,<br />
আমারই সব নকল-আসল আবদারে।<br />
কি নেবে তুমি খুঁজেছো তুমি তা নিজে,<br />
আজ পর হবো তবে কেন এই নিঠুর ক্ষণে!<br />
আসল-নকল বহি আমি আপন ধর্মজ্ঞানে,<br />
শুধালেনা তুমি উন্মাদনার বেড়াজালে পরে।<br />
চিৎকার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-125855"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/125855/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2929b04ab8f314b45d4feb7cfca29e8f</guid>
				<title>আমি অন্তহীন আকাশে অপলক চেয়ে থাকলে 
কি হবে! দুঃখ নামের সূর্য তো ছেয়ে আছে তার চারপাশে।হুট করে যদি দু’ফোঁটা বৃষ্টি পরে ,তবে জ্বলতে থাকা হৃদয় কি এতো সহজে শান্ত হয়ে খুশিতে নেচে উঠবে? আমি পাইনা হাত বাড়ালে তোমার সেই নরম-কোমল স্পর্শ, যেখানে কেবল তুমি আর তোমার সেই বলতে না পারা নিবেদন।
আমি আনমনে আজও হারাই, সম্মতি দিয়ে বেড়াই তোমার সেই নিবেদনে ।

যা কেবল তোমার আর আমার মুগ্ধতার স্মৃতিতে ঘেরা//

(রুবা)
২৪/০৭/২২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/125324/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Jul 2022 08:32:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি অন্তহীন আকাশে অপলক চেয়ে থাকলে<br />
কি হবে! দুঃখ নামের সূর্য তো ছেয়ে আছে তার চারপাশে।হুট করে যদি দু’ফোঁটা বৃষ্টি পরে ,তবে জ্বলতে থাকা হৃদয় কি এতো সহজে শান্ত হয়ে খুশিতে নেচে উঠবে? আমি পাইনা হাত বাড়ালে তোমার সেই নরম-কোমল স্পর্শ, যেখানে কেবল তুমি আর তোমার সেই বলতে না পারা নিবেদন।<br />
আমি আনমনে আজও হারাই, সম্মতি দিয়ে বেড়াই তোমার সেই নিবেদনে ।</p>
<p>যা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-125324"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/125324/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d2be63276dd4efc8570edf353e038fcb</guid>
				<title>কান্নাগুলোয় ধুয়ে যাক—
দুঃখের ক্লান্ত সব ক্লেশ।
খুশিগুলো হাত বাড়াক,
পার হয়ে সব ভিনদেশ।
ওগো আলোর ছটা-
তুমি ছুটে ছুটে আসো,
ছড়াও তোমার সুখ রেশ।
জড়াগুলো আপন হোক—
যেথা চলেছে আঁধার দেশ।
নব উদ্যমে জাগো আজ—
সাম্যে সাজো সকল জাতি বিশেষ।

রুবা’
১৯/০৬/২২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121230/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jun 2022 06:46:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কান্নাগুলোয় ধুয়ে যাক—<br />
দুঃখের ক্লান্ত সব ক্লেশ।<br />
খুশিগুলো হাত বাড়াক,<br />
পার হয়ে সব ভিনদেশ।<br />
ওগো আলোর ছটা-<br />
তুমি ছুটে ছুটে আসো,<br />
ছড়াও তোমার সুখ রেশ।<br />
জড়াগুলো আপন হোক—<br />
যেথা চলেছে আঁধার দেশ।<br />
নব উদ্যমে জাগো আজ—<br />
সাম্যে সাজো সকল জাতি বিশেষ।</p>
<p>রুবা’<br />
১৯/০৬/২২</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>