<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Rahman anisur | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/anisur1969/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/anisur1969/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Rahman anisur.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 13 Jun 2026 17:34:58 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">7f92b01f6a133acc9256943d17b2b31e</guid>
				<title>মাহে রমজান
আনিছুর রহমান
রমজানে নাযিল হল পবিত্র কোরআন 
নিখিল ভূবন ধন্য হল পেয়ে এ বিধান।
মানুষের কল্যানে আসমানী কিতাব এল
সারা বিশ্ব শ্রেষ্ঠ বিধান পেয়ে ধন্য হলো।
লাইলাতুল কদরে নাযিল হল ফোরকান
সেই ওহি জিবরাইল নবীজিকে শোনান।
পড়ুন,ইকরা বিসমি রাব্বি কালাজি খালাক
দুরীভূত হোক তমসা উদিত হোক ফালাক।
রমজান ঈবাদত আর মাগফিরাতের মাস
ভাতৃত্ব বন্ধনে নিবির হোক নিখিল আবাস।
ত্যাগের মহিমায় হব সবে সৎ দৃঢ় বলীয়ান
সিজদায় লুটাবে জিন পরী সকল ইনসান।
ভোগ বিলাসে নাহি রবে মত্ত সারা জাহান
ঈবাদত সেজদায় মগ্ন রবে মমিন মুসলমান।
বিশ্বের সকল মুসলিম এক মোরা ভাই ভাই
নবাব বাদশা ফকির কোন ভেদা ভেদ নাই।
ঈদের নামাজ পড়বে সবে এক সাথে বসে
যাকাত ফিতরা আদায় করবে সাওম শেষে।
সম্পদ পবিত্র হয় মিসকিনকে দিলে যাকাত
এতিম দুস্হ খুশি হলে মিলবে আখিরাত।
কালিমা নামাজ রোযা হজ্জ্ব যাকাত মুল স্তম্ভ
সব কিছু ভুলে যেন না করি কেহ অতি দম্ম।
কষ্ট ঘুচাতে পারে যিনি অসহায় মানুষের ঘরে
প্রিয় রসুল (স) খুশি হয় সেই মমিনের তরে।
সিয়াম মানে আত্ব সংযম স্বচ্ছন্দ ভোগ নয়
মাহে রমজান সেই দীক্ষাই দেয় কিতাবে কয়।
রমজান হাসতে শেখায়, কষ্ট বুঝতে শেখায়
ভালোবাসতে শেখায়,ত্যাগের মহিমা শেখায়।

পুনঃ প্রকাশ 
১০/০৩/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196016/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Mar 2023 08:15:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাহে রমজান<br />
আনিছুর রহমান<br />
রমজানে নাযিল হল পবিত্র কোরআন<br />
নিখিল ভূবন ধন্য হল পেয়ে এ বিধান।<br />
মানুষের কল্যানে আসমানী কিতাব এল<br />
সারা বিশ্ব শ্রেষ্ঠ বিধান পেয়ে ধন্য হলো।<br />
লাইলাতুল কদরে নাযিল হল ফোরকান<br />
সেই ওহি জিবরাইল নবীজিকে শোনান।<br />
পড়ুন,ইকরা বিসমি রাব্বি কালাজি খালাক<br />
দুরীভূত হোক তমসা উদিত হোক ফালাক।<br />
রমজান ঈবাদত আর মাগফিরাতের মাস<br />
ভাতৃত্ব বন্ধনে ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-196016"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/196016/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">180b958f550c1705544f7cda1fea5343</guid>
				<title>সুখ দুঃখ
আনিছুর রহমান

দিন যায় ক্ষণ যায় 
আসে না আর ফিরে
রঙিন স্বপ্ন বুনে মানুষ
সুখের নীড় বাঁধে।
বুকে আশা নিয়ে মানুষ
বিভোর থাকে অবিরত
সব আশা পূর্ণ হয় না
কিছু হয় ব্যাহত।
জিবন সে তো বহমান
চলেনা রিমোট কন্ট্রোলে
সুখ দুঃখ জয় করে
কেহ থাকে আড়ালে।
জিবন টা নয় রঙিন
সাদা কালো ও হয়
এক ফ্রেমে রয়ে না বাঁধা
কখনো আলাদা হয়।
সুখ দুঃখ জটিল অঙ্ক
মেলে না জগৎ সংসারে
সুখের আশায় ঘুরে শেষে
যায় চলে অচিন পুরে।
০৪/০৩/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195425/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Mar 2023 15:58:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখ দুঃখ<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>দিন যায় ক্ষণ যায়<br />
আসে না আর ফিরে<br />
রঙিন স্বপ্ন বুনে মানুষ<br />
সুখের নীড় বাঁধে।<br />
বুকে আশা নিয়ে মানুষ<br />
বিভোর থাকে অবিরত<br />
সব আশা পূর্ণ হয় না<br />
কিছু হয় ব্যাহত।<br />
জিবন সে তো বহমান<br />
চলেনা রিমোট কন্ট্রোলে<br />
সুখ দুঃখ জয় করে<br />
কেহ থাকে আড়ালে।<br />
জিবন টা নয় রঙিন<br />
সাদা কালো ও হয়<br />
এক ফ্রেমে রয়ে না বাঁধা<br />
কখনো আলাদা হয়।<br />
সুখ দুঃ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195425"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195425/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bbefe511c1fa602f992a90f24219f5ea</guid>
				<title>পাখি কখন যেন উড়ে যায়
আনিছুর রহমান
পাখি কখন যেন উড়ে যায়
দুধ,কলা, দিয়ে পুষি তারে
তবু খাচায় সে ছটফটায়
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।।

অতি যতন করে তারে রাখি
দিবা নিশি সাথে থাকি 
তবু তাঁর মন রাখা দায়
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।

নিয়ে ঘুড়ি দেশ বিদেশে
সে যেন তবু খুশি থাকে
তবু সে ফাঁকি দিতে চায়
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।

আমি যত ভালোবাসি তারে
তবু তার মন নাহি ভরে
অকারনে সে আমাকে কাঁদায়
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।

ভালোবাসার কি এই প্রতিদান
সারাক্ষণ সে করে আনচান
এখন ভাবি সে আমার নয়
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।

জগতে খুব ভালোবাসলে তারে
একদিন সে কাঁদাবে সবারে
এটাই বিধির বিধানে কয়
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।

১৭/০২/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193828/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Feb 2023 15:20:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পাখি কখন যেন উড়ে যায়<br />
আনিছুর রহমান<br />
পাখি কখন যেন উড়ে যায়<br />
দুধ,কলা, দিয়ে পুষি তারে<br />
তবু খাচায় সে ছটফটায়<br />
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।।</p>
<p>অতি যতন করে তারে রাখি<br />
দিবা নিশি সাথে থাকি<br />
তবু তাঁর মন রাখা দায়<br />
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।</p>
<p>নিয়ে ঘুড়ি দেশ বিদেশে<br />
সে যেন তবু খুশি থাকে<br />
তবু সে ফাঁকি দিতে চায়<br />
পাখি কখন যেন উড়ে যায়।</p>
<p>আমি যত ভালোবাসি তারে<br />
তবু তার মন নাহি ভরে<br />
অকার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193828"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193828/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a6fa327c28ae203dab6f96dd44500304</guid>
				<title>&quot; ফাল্গুনের কবিতা&quot;
আনিছুর রহমান

ফাল্গুনে ভ্রমরের গুন গুন  
পাখির কলরব,
বৃক্ষ, তরুলতা,পত্রে
 সাঁজ সাঁজ ভাব ।

প্রেমিক প্রেমিকা যুগল 
হাত ধরে ঘুরে,
রোদ বৃষ্টি বাদলে 
এমুন দিনে কারো মন
নাহি রহে ঘরে।

নতুন পত্র,তরু, লতা 
সবুজ চারিদিকে
গাছে গাছে ফুল ফোটে,
যৌবনের গান চারিদিকে
উদাস উদাস ভাব,
প্রেমিক প্রেমিকার মনে ।

ফাল্গুনে রোদ্র তাপে
আগুন ঝরে বাতাসে
পাতা ঝরে চারিদিকে,
কোকিল কোকিলা ডাকে 
মধুর ও সুরে। 

কুহু কুহু কোকিল ডাকে
সকাল, দুপুর, বিকেলে
শিমুল,কৃষ্ণচুড়া,পলাশে 
লাল ফুল ফোটে।

প্রেমিক সেঁজে বেড়ায়
সাদা পাঞ্জাবি পড়ে
বাসন্তীরা ঘুরে বেড়ায়
ঠোটে লাল রঙ মেখে ।

১লা ফাল্গুন/১৪২৯.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193615/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Feb 2023 14:56:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221; ফাল্গুনের কবিতা&#8221;<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>ফাল্গুনে ভ্রমরের গুন গুন<br />
পাখির কলরব,<br />
বৃক্ষ, তরুলতা,পত্রে<br />
 সাঁজ সাঁজ ভাব ।</p>
<p>প্রেমিক প্রেমিকা যুগল<br />
হাত ধরে ঘুরে,<br />
রোদ বৃষ্টি বাদলে<br />
এমুন দিনে কারো মন<br />
নাহি রহে ঘরে।</p>
<p>নতুন পত্র,তরু, লতা<br />
সবুজ চারিদিকে<br />
গাছে গাছে ফুল ফোটে,<br />
যৌবনের গান চারিদিকে<br />
উদাস উদাস ভাব,<br />
প্রেমিক প্রেমিকার মনে ।</p>
<p>ফাল্গুনে র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193615"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193615/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4409d34bf4a8efe8f34d6952036e5def</guid>
				<title>ভালোবাসি
আনিছুর রহমান

ভালো বাসি নদী জল
গাছ পালা ফুল,ফল
আকাশের মেঘ,বৃষ্টি
ভালো লাগে সব সৃষ্টি। 

ভালো বাসি বাবা মা
আর স্বীয় গুরুজন
ভালো বাসি তরুলতা 
এবং প্রিয় আপন জন।

ভালোবাসি নদী সাগর
আকাশ আর বাতাস
ভালোবাসি পাহাড়,পর্বত
পশু,পাখি,জন্ম নিবাস।

ভালো বাসি প্রতিবেশী
নিকট আত্বীয় জন
নিজকে বেশি ভালোবাসি
 সুস্হ কামনা করি সারাক্ষণ।

ভালো বাসি খোদাকে
আর তাঁর প্রিয় রাসুল
সব কিছুর মালিক আল্লাহ
চিনতে করি না যেন ভুল।

১লা ফাল্গুন/১৪২৯.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193614/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Feb 2023 14:53:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসি<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>ভালো বাসি নদী জল<br />
গাছ পালা ফুল,ফল<br />
আকাশের মেঘ,বৃষ্টি<br />
ভালো লাগে সব সৃষ্টি। </p>
<p>ভালো বাসি বাবা মা<br />
আর স্বীয় গুরুজন<br />
ভালো বাসি তরুলতা<br />
এবং প্রিয় আপন জন।</p>
<p>ভালোবাসি নদী সাগর<br />
আকাশ আর বাতাস<br />
ভালোবাসি পাহাড়,পর্বত<br />
পশু,পাখি,জন্ম নিবাস।</p>
<p>ভালো বাসি প্রতিবেশী<br />
নিকট আত্বীয় জন<br />
নিজকে বেশি ভালোবাসি<br />
 সুস্হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193614"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193614/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">72dc52a4a6a10fecfcfb0e25d6d853e8</guid>
				<title>বালাখানা
আনিছুর রহমান
সারাদিন পড়ে নামাজ
ওহে মমিন মুসলমান
হারামের পিছনে ছুটে
তুমি হারাইয়াছ ঈমান।

সৎ হালাল ব্যবসা করে
বেঁচে থাকে যে হৃদয়বান
সুদ ঘুষ হারাম করেছে
হাদিস ও কোরআন।

অর্থ কড়ি ধন দৌলত
কারো সঙ্গে যাবেনা
মৃত্যু কালে সাদা কাপড়
ছাড়া কিছুই পাবে না।

ঐশ্বর্যের লাগিয়া তুমি
যত কর লাফা লাফি 
মরন কালে কয়েক খন্ড
কাপড় হবে তোমার সাথি।

যাদের লাগিয়া তুমি একদা
জিবন যৌবন করেছ শেষ
পাপের ভাগি কেউ হবে না
পূণ্যই সাথে যাবে শেষমেশ।

রঙ্গ রসে মত্ত হয়ে যেদিন
তুমি হারাইয়াছ আখিরাত
পরকালে কি জবাব দিবে
পাপ পুণ্য করনি তফাৎ।

পরের নারী পরের ধন 
যখন করেছ হনন
একবার ভাব নাই তুমি
নিজ কবর করেছ খনন।

স্ত্রী, কন্যা, ছেলে, ভাই, 
পারবে না কেউ বাঁচাতে
আজরাইল কড়া লাগাবে
কেউ পারবে না ঠেকাতে।

সময় থাকতে হে মমিন 
হও হুশিয়ার
দুনিয়াটা এক বালাখানা
চোখ বুজিলে আন্ধার।

০৩/০২/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192253/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Feb 2023 14:20:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বালাখানা<br />
আনিছুর রহমান<br />
সারাদিন পড়ে নামাজ<br />
ওহে মমিন মুসলমান<br />
হারামের পিছনে ছুটে<br />
তুমি হারাইয়াছ ঈমান।</p>
<p>সৎ হালাল ব্যবসা করে<br />
বেঁচে থাকে যে হৃদয়বান<br />
সুদ ঘুষ হারাম করেছে<br />
হাদিস ও কোরআন।</p>
<p>অর্থ কড়ি ধন দৌলত<br />
কারো সঙ্গে যাবেনা<br />
মৃত্যু কালে সাদা কাপড়<br />
ছাড়া কিছুই পাবে না।</p>
<p>ঐশ্বর্যের লাগিয়া তুমি<br />
যত কর লাফা লাফি<br />
মরন কালে কয়েক খন্ড<br />
কাপড় হবে তোমার স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192253"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192253/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d3e4e52721192d7a4179e55d65c8cbe7</guid>
				<title>তাঁতি
আনিছুর রহমান
আতাইকুলার হাটে গিয়ে 
তাঁতি বিকিয়ে লুঙ্গি,শাড়ি
রঙ,সুতা কিনে এনে
ফিরল সন্ধ্যায় বাড়ি।
এরপর গেল তাঁতি
সিরাজগঞ্জের হাটে
সানা,মাকু কিনে আনল
মাঝ দুপুরের আগে।
সকাল বেলা উঠে তাঁতি
ভিজিয়ে সুতা তেলে
রঙ বেরঙের সুতা লয়ে
শুকায় বাঁশের আড়ে।
নানা রঙের সুতা নিয়ে
কোলাহল তাঁতি পাড়া
মাড় লাগিয়ে লাটাই হবে
ববিনে জড়াবে তারা।
পাকিয়ে সুতা জড়াবে তাঁতি 
ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ড্রামে,
সানা বও শেষে কারিগর
কর্মে ব্যস্ত হবে।
ঠুন ঠুন মাকুর শব্দে
ব্যস্ত সবাই রবে 
কর্ম চঞ্চল হবে সবাই
তাঁতি পাড়া গ্রামে।
নোলি ভরে ব্যস্ত রবে
গাঁয়ের ছোট ছেলেমেয়ে
সুতা জরিয়ে তুলে দিবে
কারিগরের হাতে।
সারাদিন কাজ হবে
সকাল সন্ধ্যা সাঁজে
গায়ের ঘাম ঝড়াবে তাঁতি
সংসার লাভ তাতে।
কত রঙ কত ডিজাইন
হরেক রঙের শাড়ি 
নক্সা আর বুনন ভালো
মা বোনের শাড়ি।
সওদাগরে কিনবে শাড়ি
তাঁতির ঘরে বসে 
জ্যোষ্ঠ মাসে কাটে সুতা 
শাড়ি বুনাবে তাঁতি আষাঢ়ে।
বাড়ির কাছে তাঁতি ভাই
সারাবেলা কাজ করে
সওদাগরের রঙিন শাড়ি
ভালো করে বুনে দেবে।
 সেই কথা শুনিয়া তাঁতি
 মনে মনে হাসিতেছে
 কি-বা রঙের বুনবো শাড়ি
ছবি খান দেখাইয়া দে...।
২৫/০১/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190883/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Jan 2023 15:51:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তাঁতি<br />
আনিছুর রহমান<br />
আতাইকুলার হাটে গিয়ে<br />
তাঁতি বিকিয়ে লুঙ্গি,শাড়ি<br />
রঙ,সুতা কিনে এনে<br />
ফিরল সন্ধ্যায় বাড়ি।<br />
এরপর গেল তাঁতি<br />
সিরাজগঞ্জের হাটে<br />
সানা,মাকু কিনে আনল<br />
মাঝ দুপুরের আগে।<br />
সকাল বেলা উঠে তাঁতি<br />
ভিজিয়ে সুতা তেলে<br />
রঙ বেরঙের সুতা লয়ে<br />
শুকায় বাঁশের আড়ে।<br />
নানা রঙের সুতা নিয়ে<br />
কোলাহল তাঁতি পাড়া<br />
মাড় লাগিয়ে লাটাই হবে<br />
ববিনে জড়াবে তারা।<br />
পাকিয়ে সুত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190883"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190883/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e4caaeb5efc1e7476e5cd4e63f794bb</guid>
				<title>আরাধনা
আনিছুর রহমান
মানুষ ভজ,খোদা ভজ
ওরে আমার মন
এ জনমে খোদাকে না পেলে
পাবি আখেরাতে তাঁর দরশন।

ভক্তি কর বাবা মাকে
সদা যতন করে
তারা খুশি হলে এ জনমে
পরকালে জান্নাত মেলে।

নিরন্ন কে অন্ন দিলে
আল্লাহ খুশি হয়
বস্ত্রহীন কে বস্ত্র দিলে
তারা আনন্দ পায়।

সকল জীবে দয়া কর
কোরান হাদিসে বলে
প্রাণীকুল না থাকিলে
জীব বৈচিত্র যাবে চলে।

উপকারে তৃপ্তি মেলে
আছে যে কথায়
অসুস্হকে চিকিৎসা দিলে
সুখ মেলে তায়।

দরিদ্রকে সাহায্য করলে
প্রিয় নবী খুশি হয়
মাকে ভক্তি করলে 
জান্নাত মেলে হেথায়।

নামাজ রোযা করলে
আল্লাহকে পাওয়া যায়
মিথ্যা কথা বললে
দোজখে যেতে হয়।

সত্যের বাণী চির সুন্দর
হাদিছে রাসুল কয়
গীবত করলে পিছে
কবীরা গুনাহ হয়।

২২/০১/২০২৩</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190495/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Jan 2023 06:04:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আরাধনা<br />
আনিছুর রহমান<br />
মানুষ ভজ,খোদা ভজ<br />
ওরে আমার মন<br />
এ জনমে খোদাকে না পেলে<br />
পাবি আখেরাতে তাঁর দরশন।</p>
<p>ভক্তি কর বাবা মাকে<br />
সদা যতন করে<br />
তারা খুশি হলে এ জনমে<br />
পরকালে জান্নাত মেলে।</p>
<p>নিরন্ন কে অন্ন দিলে<br />
আল্লাহ খুশি হয়<br />
বস্ত্রহীন কে বস্ত্র দিলে<br />
তারা আনন্দ পায়।</p>
<p>সকল জীবে দয়া কর<br />
কোরান হাদিসে বলে<br />
প্রাণীকুল না থাকিলে<br />
জীব বৈচিত্র যাবে চলে।</p>
<p>উপকারে তৃপ্তি মে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190495"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190495/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed35c26cc88251bdf355a82d7c33d0ee</guid>
				<title>ইচ্ছে
আনিছুর রহমান

আমি যদি পাখি হতাম 
উড়তাম সারি সারি
আকাশে বাতাসে উড়ে শেষে
সাত সমুদ্র দিতাম পাড়ি।

আমি যদি রাখাল হতাম
বাঁশি লয়ে হাতে
সারা মাঠে গান গাইতাম
সন্ধ্যায় ফিরতাম বাটে।

আমি যদি ডানপিঠে হতাম
উড়াইতাম শুধু ঘুড়ি
মাঠে মাঠে ঘুরতাম শুধু
সুতা লাটাই দু&#039;হাতে করি।

আমি যদি নদী হতাম
সেই উঁচু ঢেউয়ের মত
কত নৌকা ভেসে বেড়াত
বালি হাঁসের মত।

আমি যদি ফাগুন হতাম
সোনাল পলাশ ফুলে
দক্ষিণা বাতাসে ঘুরে বেড়াতাম
তাল দিঘিতে দুলে।।

আমি যদি উদাস হতাম
বন বাদারে ঘুরে
কবির মত কবিতা লিখতাম
কোকিলের সেই সুরে।

আমি যদি কিশোর হতাম
ছোট বেলার মত
আপন মনে ঘুরে বেড়াতাম
সবুজ ঘাসে যত।।

আমি যদি দুরন্ত হতাম
হাটে মাঠে ঘুড়ে
বাবা মায়ের বকা খেতাম
এলে বাড়ি ফিরে।

২০/০১/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190381/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Jan 2023 15:37:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইচ্ছে<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>আমি যদি পাখি হতাম<br />
উড়তাম সারি সারি<br />
আকাশে বাতাসে উড়ে শেষে<br />
সাত সমুদ্র দিতাম পাড়ি।</p>
<p>আমি যদি রাখাল হতাম<br />
বাঁশি লয়ে হাতে<br />
সারা মাঠে গান গাইতাম<br />
সন্ধ্যায় ফিরতাম বাটে।</p>
<p>আমি যদি ডানপিঠে হতাম<br />
উড়াইতাম শুধু ঘুড়ি<br />
মাঠে মাঠে ঘুরতাম শুধু<br />
সুতা লাটাই দু&#8217;হাতে করি।</p>
<p>আমি যদি নদী হতাম<br />
সেই উঁচু ঢেউয়ের মত<br />
কত নৌকা ভেসে বেড়াত<br />
বালি হাঁসের মত।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190381"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190381/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f3fc0149aaecd2f7e09451c2d58ed22</guid>
				<title>কারখানা
আনিছুর রহমান

মরিচা পড়া কারখানা
চালায় অদক্ষ কারিগর
ভাল কিছু হয় না কলে
যা হয় সবি ক্ষতিকর।

কাজ শিখে কলে যারা 
নিজেরা মহা ব্যস্ত
শিক্ষা ছাড়া ফল চায়
টাকার নেশায় মত্ত।

রাজনীতি আর চাপাবাজি  
কারখানায় চলে হরদম
কেহ বাড়ি গাড়ির মালিক
আবার  কেহ  অধম। 

মাঝে মাঝে রক্ত ঝরে
শ্রমিক ভাইয়ের বুকে
হলি খেলায় মত্ত তারা
দুঃখী বাবা মা কাঁদে।
 
শত শত ছেলে মেয়ে
হচ্ছে পঙ্গু বেকার
কর্ম বিহীন জিবন সবার
কেউ হচ্ছে হকার।

কারখানায় ধরছে ঘুনে  
আর কি উপায় আছে
ঘুনে ধরা মানুষ হবে
দেশ চলবে কিসে।

আর কত হবে দলাদলি
কবে হবে সবাই ক্ষান্ত
দেশ যদি গোল্লায় যায়
জাতি হবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত।

১৬/০১/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189823/</link>
				<pubDate>Mon, 16 Jan 2023 14:39:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কারখানা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>মরিচা পড়া কারখানা<br />
চালায় অদক্ষ কারিগর<br />
ভাল কিছু হয় না কলে<br />
যা হয় সবি ক্ষতিকর।</p>
<p>কাজ শিখে কলে যারা<br />
নিজেরা মহা ব্যস্ত<br />
শিক্ষা ছাড়া ফল চায়<br />
টাকার নেশায় মত্ত।</p>
<p>রাজনীতি আর চাপাবাজি<br />
কারখানায় চলে হরদম<br />
কেহ বাড়ি গাড়ির মালিক<br />
আবার  কেহ  অধম। </p>
<p>মাঝে মাঝে রক্ত ঝরে<br />
শ্রমিক ভাইয়ের বুকে<br />
হলি খেলায় মত্ত তারা<br />
দুঃখী বাবা মা কাঁদে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189823"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189823/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">94b5c8239ce1d27fd4d2c744930bbc54</guid>
				<title>বন্ধু রব চিরদিন
আনিছুর রহমান

কিছু চাওয়া অমলিন
মুছে যায় না কোনদিন
রয় বেঁচে প্রতি দিন।

কিছু ব্যথা সীমাহীন
কিছু চাওয়া অর্থহীন
ভালোবাসা স্বার্থহীন।

জীবনটা হোক রঙিন
চাওয়া পাওয়া মুল্যহীন
পাশে থেকো অনেক দিন।

বন্ধুত্ব হোক অন্তহীন
নাহোক দেখা প্রতিদিন 
তবুও বন্ধু রব চিরদিন।

১৫/০১/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189671/</link>
				<pubDate>Sun, 15 Jan 2023 15:25:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধু রব চিরদিন<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>কিছু চাওয়া অমলিন<br />
মুছে যায় না কোনদিন<br />
রয় বেঁচে প্রতি দিন।</p>
<p>কিছু ব্যথা সীমাহীন<br />
কিছু চাওয়া অর্থহীন<br />
ভালোবাসা স্বার্থহীন।</p>
<p>জীবনটা হোক রঙিন<br />
চাওয়া পাওয়া মুল্যহীন<br />
পাশে থেকো অনেক দিন।</p>
<p>বন্ধুত্ব হোক অন্তহীন<br />
নাহোক দেখা প্রতিদিন<br />
তবুও বন্ধু রব চিরদিন।</p>
<p>১৫/০১/২০২৩.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eaef8f8b8b3441befb9c1468947c7af8</guid>
				<title>দেশ
আনিছুর রহমান

আমার দেশের মত
এমন সুন্দর দেশ 
আর কি কোথাও আছে,
যে দেশেতে সকাল বিকাল
দোয়েল,শালিক,ডাকে।

বুলবুলি,চড়ই,ঘুঘু ভোরে
ঘুম ভাঙিয়ে দেয়
কোকিল ডাকে মধুর সুরে
কিযে আনন্দ হয়।

সন্ধ্যা হলে হাঁস ডাকে
পুকুর খালে বিলে 
হুক্কা হুয়া শিয়াল ডাকে 
নিশি রাত দ্বি প্রহরে।

গ্রামের পাশে বিল ঝিল
শালুক,শাপলা ফোটে
সেই খানেতে ডাহুক,বক
থাকে মিলে জোটে।

কোরা পাখি নীড় বাঁধে
কাঁচা ধানের পাতায়
ডিম পাড়ে ধানের ক্ষেতে
 নতুন বাচ্চা ফুটায়।

খালে বিলে কলমী লতায়
বেগুনি ফুল ফোটে 
কচুরি শ্যাওলা এক সাথে
ভাসে নদীর স্রোতে।

কৃষক ভোরে মাঠে যায় 
লাঙল,জোঙাল কাঁধে নিয়ে
সারা দিন জমি চষে
সন্ধ্যায় আসে ফিরে।

নতুন ধানের মলন মলে
বধুঁরা বাতাসে উড়ায়
সারা দিন ক্লান্ত হয়ে
 নিশিতে ঘুমায়।

কৃষাণী ধান সিদ্ধ করে
শুকায় রোদে উঠানে
ঢেঁকিতে ধান ভানে
গল্প আর গানে গানে।

রাখাল ছেলে গরু চড়ায়
বাঁশি বাজিয়ে মাঠে
লাঠি খেলা শেষ হলে
গোসল করে ঘাটে।

জেলেরা সব মাছ ধরে
নানা জাল বর্ষি দিয়ে
সারা দিন রোদে পুড়ে 
বাসায় ফেরে সাঁঝে।

মাঝি ভাই নৌকা চালায়
রোদ বৃষ্টিতে ভিজে
এপার ওপার যায় তারা
সকাল দুপুর রাতে।

জ্যৈষ্ঠ মাসে আম,জাম 
আরও পাকে কাঁঠাল 
লিচু,তরমুজ পাকে তখন
রসে ভরা গ্রীষ্ম কাল।

গাছে ধরে আতা,আমড়া
পেয়ারা,জামরুল,কৎবেল,
পেঁপে,কলা ধরে বার মাস
 খুব মিষ্টি তাল,নারকেল।

আরও আছে মায়া,মমতা
মায়ের স্নেহ আদর
সেই আদরে তৃপ্ত হয়
ছেলে মেয়ের অন্তর।
১২/০১/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189288/</link>
				<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 15:12:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেশ<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>আমার দেশের মত<br />
এমন সুন্দর দেশ<br />
আর কি কোথাও আছে,<br />
যে দেশেতে সকাল বিকাল<br />
দোয়েল,শালিক,ডাকে।</p>
<p>বুলবুলি,চড়ই,ঘুঘু ভোরে<br />
ঘুম ভাঙিয়ে দেয়<br />
কোকিল ডাকে মধুর সুরে<br />
কিযে আনন্দ হয়।</p>
<p>সন্ধ্যা হলে হাঁস ডাকে<br />
পুকুর খালে বিলে<br />
হুক্কা হুয়া শিয়াল ডাকে<br />
নিশি রাত দ্বি প্রহরে।</p>
<p>গ্রামের পাশে বিল ঝিল<br />
শালুক,শাপলা ফোটে<br />
সেই খানেতে ডাহুক,বক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189288"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189288/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">22654f22fb27f92c1d077f17cae1aa82</guid>
				<title>জিবন নদী
আনিছুর রহমান
এই ছোট ছোট পায়ে 
চলে যাব একদিন
ঐ সে দুর আকাশে
কেউ খুঁজে পাবেনা সেদিন।

দিনের শেষে সন্ধ্যা হবে
রক্তিম সুর্য ডুবে যাবে
সবার দৃষ্টি সীমা পেরিয়ে 
পৌছে  যাব  অবশেষে।

অজানা  অচিন  দেশে
কেউ   রবে   না   পাশে 
আত্বীয় সন্তান  পরিজন
যত  হোক  আপনজন।

রবে না হৈচৈ কোলাহল
কাটাতে হবে অনন্তকাল
পুণ্য   রবে   শুধু  সাথে
আমল রবে ডান হাতে।

রোজ হাশরের ময়দানে
কোমল মাটি হবে তামার
একেক জন কে পাল্লায় দিবে
বিচার হবে সবার।

পূণ্য যাদের কম হবে
তাদের আগুনে নিবে
প্রিয় নবীর ঈশারায় কেউ
আবার স্বর্গলোকে যাবে।

নেকি মানুষ যারা রবে
তাঁরা পড়বে নূরের তাজ
বোরাকে সওয়ার হবে
পাড় হবে পুলসিরাত। 

আমরা গোনাহগার বান্দা 
তোমার দরবারে তুলি দু&#039;হাত
সকল গোনা মাফ করে দিও
ক্ষমা করে দিও সব অপরাধ।

০৬/০১/২০২৩.
মঙ্গলবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188203/</link>
				<pubDate>Fri, 06 Jan 2023 15:59:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জিবন নদী<br />
আনিছুর রহমান<br />
এই ছোট ছোট পায়ে<br />
চলে যাব একদিন<br />
ঐ সে দুর আকাশে<br />
কেউ খুঁজে পাবেনা সেদিন।</p>
<p>দিনের শেষে সন্ধ্যা হবে<br />
রক্তিম সুর্য ডুবে যাবে<br />
সবার দৃষ্টি সীমা পেরিয়ে<br />
পৌছে  যাব  অবশেষে।</p>
<p>অজানা  অচিন  দেশে<br />
কেউ   রবে   না   পাশে<br />
আত্বীয় সন্তান  পরিজন<br />
যত  হোক  আপনজন।</p>
<p>রবে না হৈচৈ কোলাহল<br />
কাটাতে হবে অনন্তকাল<br />
পুণ্য   রবে   শুধু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188203"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188203/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">902f11e0d3025eeb974762b425c0682d</guid>
				<title>মা 
আনিছুর রহমান

মা! ও মা!
সারাক্ষণ তোমার কথা
 মনে পড়ে,
যেখানে থাকি না কেন
তোমার স্মৃতি,
এ হৃদয়ে জাগে।
কত কষ্ঠ করে মাগো
করেছ মোদের মানুষ
নিজে অভুক্ত রয়ে 
মোদের দিয়েছ অন্ন
 রাখিনি আমরা খোঁজ।
কোন দিন হিসেব করনি
বাকি খাতা রাখ নি,
যা পেয়েছ তাই লয়ে
রয়েছ হাসিখুশি,
সন্তানের মঙ্গল কামনায়
ব্রত থাকতে বড্ড বেশি।
স্কুল হতে বাড়ি ফিরে
পাইনি খাবার রোজ
পাশের বাড়ির খাবার আনি
করাইয়াছ মোদের ভোজ।
চিন্তা করেছ সারাক্ষণ
মোদের লই
আমরা যেন সত্যিকার
ভালো মানুষ হই।
হাটে মুরগি,কলা,আম
বিক্রি করে টাকা
রেখেছ আঁচলে গুজি
বই খাতা কেনার জন্য
বাবার হাতে দিয়েছ সবি তুলি।
ছেলে তার কবে 
বড় মানুষ হবে,
একদিন ঋন শোধিবে 
বসে নিড়ালায় 
মা দিবানিশি ভাবে।
একদিন মা 
হঠাৎ চলে গেল
সব কিছু নিবে গেল
অন্ধকার হল জিবন 
আর কেউ হবেনা 
মায়ের মত আপন।
মা আমার পরশমণি
তার ছুঁয়ায় হয়
এ জিবন খনি
তাকে হারিয়ে এখন
দিবানিশি কাঁদি।

০৬/০১/২০২৩.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188198/</link>
				<pubDate>Fri, 06 Jan 2023 14:47:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>মা! ও মা!<br />
সারাক্ষণ তোমার কথা<br />
 মনে পড়ে,<br />
যেখানে থাকি না কেন<br />
তোমার স্মৃতি,<br />
এ হৃদয়ে জাগে।<br />
কত কষ্ঠ করে মাগো<br />
করেছ মোদের মানুষ<br />
নিজে অভুক্ত রয়ে<br />
মোদের দিয়েছ অন্ন<br />
 রাখিনি আমরা খোঁজ।<br />
কোন দিন হিসেব করনি<br />
বাকি খাতা রাখ নি,<br />
যা পেয়েছ তাই লয়ে<br />
রয়েছ হাসিখুশি,<br />
সন্তানের মঙ্গল কামনায়<br />
ব্রত থাকতে বড্ড বেশি।<br />
স্কুল হতে বাড়ি ফিরে<br />
পাইনি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188198"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188198/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5fba8c5da3b4a7729f54aba593a91776</guid>
				<title>বিদায় ২০২২ 
স্বাগতম ২০২৩.
আনিছুর রহমান 
২০২২ সাল 
ফিরে আসবে না আর কোনো কাল।
প্রিয় জন হারিয়েছে কত লোকে
দুঃখ কস্ট আর মুহ্যমান শোকে।
২০২৩ সাল
আমরা বুনব নতুন স্বপ্নের জাল।
দিপ্ত পায়ে এগিয়ে যাব মোরা
গড়ব স্বর্ণালী এক নতুন ধারা।
হয়তো কিছু পাব না হয় হারাব
ভাঙ্গা গড়ার মাঝে সারাক্ষণ রব।
যতটুকু পেয়েছি
তা যেন না হারায়,
যা পাইনি এখনো
তা যেন মোরে
না কাঁদায়। 
সহায় সম্পদ অর্থ বল
সব কিছু ঘুচায় কাল
আয়ু যেন শৈবাল 
আর কচু পাতার নীর।
৩১/১২/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186912/</link>
				<pubDate>Sat, 31 Dec 2022 16:39:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিদায় ২০২২<br />
স্বাগতম ২০২৩.<br />
আনিছুর রহমান<br />
২০২২ সাল<br />
ফিরে আসবে না আর কোনো কাল।<br />
প্রিয় জন হারিয়েছে কত লোকে<br />
দুঃখ কস্ট আর মুহ্যমান শোকে।<br />
২০২৩ সাল<br />
আমরা বুনব নতুন স্বপ্নের জাল।<br />
দিপ্ত পায়ে এগিয়ে যাব মোরা<br />
গড়ব স্বর্ণালী এক নতুন ধারা।<br />
হয়তো কিছু পাব না হয় হারাব<br />
ভাঙ্গা গড়ার মাঝে সারাক্ষণ রব।<br />
যতটুকু পেয়েছি<br />
তা যেন না হারায়,<br />
যা পাইনি এখনো<br />
তা যেন মোরে<br />
না কাঁদায়।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186912"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186912/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d584fe1ecf5a91e96f5671f54ca0769</guid>
				<title>টিকটক,ষ্টারজলসা
আনিছুর রহমান
টিকটক,ইউ টিউব,ফেসবুক
নষ্ট করল এবার বাংলার মুখ
স্মার্টটিভি,ষ্টারজলসা,জিবাংলা
ধ্বংস করছে সোনার বাংলা।
ফেসবুকে নতুন সংযোজন এবার রিল
কন্যা সন্তান বাবা মা&#039;র হয়েছে মুশকিল। 
ষ্টার জলসা,জিবাংলার সব নাটক গুলা 
জিবনের প্রতিচ্ছবি নয় তো,শধুই লিলা। 
ছেলে-মেয়ে, বউ,শাশুড়ী- শ্বশুর 
ঝগড়া করছে নাটকে সকাল দুপুর।
জামাই ছাড়ে বউ,বউ ছাড়ে জামাই
সমাজ,সংসার ধর্মের রীতিনীতি নাই।
টিভিতে শুরু হলে রম্য নাটক হৈ চৈ
মহিলারা নাটক দেখে সব কিছু ফেলে থুই।
মজার নাটক আগামীতে আসবে বলে
বউ ঝি&#039; বলে,নাটক ছাড়া কি জিবন চলে?
আগামীতে নতুন নাটক আসছে রঙ্গমালা
সেটা দেখে সবার আরো বাড়বে জ্বালা।

২৯/১২/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186634/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Dec 2022 07:59:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>টিকটক,ষ্টারজলসা<br />
আনিছুর রহমান<br />
টিকটক,ইউ টিউব,ফেসবুক<br />
নষ্ট করল এবার বাংলার মুখ<br />
স্মার্টটিভি,ষ্টারজলসা,জিবাংলা<br />
ধ্বংস করছে সোনার বাংলা।<br />
ফেসবুকে নতুন সংযোজন এবার রিল<br />
কন্যা সন্তান বাবা মা&#8217;র হয়েছে মুশকিল।<br />
ষ্টার জলসা,জিবাংলার সব নাটক গুলা<br />
জিবনের প্রতিচ্ছবি নয় তো,শধুই লিলা।<br />
ছেলে-মেয়ে, বউ,শাশুড়ী- শ্বশুর<br />
ঝগড়া করছে নাটকে সকাল দুপু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186634"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186634/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62396d668bf18378083a2e4a5aaba2eb</guid>
				<title>চাঁদের বুড়ি 
            যাচ্ছ কোথায়?
মেয়ের বাড়ি
             আনব সুতা 
বুনবো শাড়ি
              কাটব চড়কায়
তাড়া  তাড়ি। 
             শাড়ি কি হবে?
পড়ব আমি
              জ্যোৎস্না ছড়াব
নিশি রাত্রি।
               সবাই ডাকে 
আদর করে
               আমায় বুড়ি
আমি নই কিন্তু
                এত থুরথুরি।
সবাই আমার
               সুন্দর বলে
আমি তো নই
               অতি সুন্দরী 
 কলংক আছে
              বদনামও আছে 
 জগৎ  জুড়ি।
            আদর আমাকে
 সবাই করে
             আমি থাকি 
অনেক দুরে
             আমাকে ভালোবেসে
সবাই যায় ভুলে।
             চকোরিনী আমায় খোঁজে 
 কিন্তু থাকে দুরে
             আমায় না পেয়ে সে
নিত্য কেঁদে মরে।
২৭/১২/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186405/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Dec 2022 15:34:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চাঁদের বুড়ি<br />
            যাচ্ছ কোথায়?<br />
মেয়ের বাড়ি<br />
             আনব সুতা<br />
বুনবো শাড়ি<br />
              কাটব চড়কায়<br />
তাড়া  তাড়ি।<br />
             শাড়ি কি হবে?<br />
পড়ব আমি<br />
              জ্যোৎস্না ছড়াব<br />
নিশি রাত্রি।<br />
               সবাই ডাকে<br />
আদর করে<br />
               আমায় বুড়ি<br />
আমি নই কিন্তু<br />
                এত থুরথুরি।<br />
সবাই আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186405"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186405/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">43692f463dc03289cd6534a31fc8bb2e</guid>
				<title>&quot;বাল্য স্মৃতি&quot;
আনিছুর রহমান
হৃদয় পটে ভেসে উঠে
ছোট বেলার দুরন্ত পনা
ছবির মত মধুর স্মৃতি
সব বন্ধুদের মুখখানা।

বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি
আসা যাওয়া মধুর স্মৃতি
আম,জাম,কাঁঠাল বাগান
এক লাইনে সমান সমান
দেখেছি কত সারি সারি
খেজুর রসের মধুর হাঁড়ি। 

নারকেল,সুপারি,তাল,কলা
ঘুড়ি উড়িয়েছি বিকেল বেলা
কৃষ্ণচূড়া,গোকুল,বরই গাছে
বন্ধুরা উঠেছি সকাল সাঁঝে।

গাঁয়ের মধ্যে বাঁশ বাগান
উঁকি দেয় রোদ,আসমান
সন্ধ্যা হলে ঝিঝি ডাকে
বড় উঠান পুকুর পাড়ে।

নিঝুম রাতে পেঁচা ডাকে
মধ্য রাতে শিয়াল হাঁকে
দাদা দাদি খকখক কাশে
ঘরের মাঝে সকাল সাঁঝে। 

আস্তে আস্তে বড় হলাম
সময়ের স্রোতে সব হারালাম
হঠাৎ করে সংসার হল
বন্ধুরা সব হারিয়ে গেল।

বয়স কম থাকে যখন
বন্ধুরা পাশে থাকে তখন
বয়স ক্রমে যত বাড়ে
বন্ধুরা সব সরে পড়ে।

এখন শুধু ভাবি নিরালায় 
কথা রাখেনা কেউ অবেলায়
ফিফটি বয়স হয় যখন
বন্ধুর স্মৃতি মনে পড়ে তখন।।
২৫/১২/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186097/</link>
				<pubDate>Sun, 25 Dec 2022 09:54:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;বাল্য স্মৃতি&#8221;<br />
আনিছুর রহমান<br />
হৃদয় পটে ভেসে উঠে<br />
ছোট বেলার দুরন্ত পনা<br />
ছবির মত মধুর স্মৃতি<br />
সব বন্ধুদের মুখখানা।</p>
<p>বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি<br />
আসা যাওয়া মধুর স্মৃতি<br />
আম,জাম,কাঁঠাল বাগান<br />
এক লাইনে সমান সমান<br />
দেখেছি কত সারি সারি<br />
খেজুর রসের মধুর হাঁড়ি। </p>
<p>নারকেল,সুপারি,তাল,কলা<br />
ঘুড়ি উড়িয়েছি বিকেল বেলা<br />
কৃষ্ণচূড়া,গোকুল,বরই গাছে<br />
বন্ধুরা উ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186097"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186097/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7257ba3ba06ebcffa9e6420c27e663ab</guid>
				<title>ফুটবল উম্মাদনা
আনিছুর রহমান

জাপান ব্রাজিল কোরিয়া
সারা দেশে ফুটবল মেনিয়া
কাকে করব সমর্থন
ভাবছি তাই নিয়া।

কোয়াটার ফাইনালে
কে যাবে?
ব্রাজিল না কোরিয়া
গোলের খেলা ফুটবল
নিতে হবে মানিয়া। 

হয়তো যাবে ব্রাজিল 
না হয় মোদের কোরিয়া
আমরা সবাই দর্শক
কি হবে এত ভাবিয়া।

দর্শক সবে ভাই ভাই
ঝগড়া করে লাভ নাই
সবার মতামত এক হবেনা
মেনে নিতে হবে তাই।

কেহ চাইবে ব্রাজিল 
কেহ আর্জেন্টিনা
অন্য দেশ কাপ নিতে পারে
সেটা কেহ ভাবিনা।

সবার আশা পুরন হবেনা
কাপ নিবে এক দল
কিছু দর্শক খুশি হবে
বাকিরা সব রসাতল।

০৫/১২/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/182263/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Dec 2022 14:09:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফুটবল উম্মাদনা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>জাপান ব্রাজিল কোরিয়া<br />
সারা দেশে ফুটবল মেনিয়া<br />
কাকে করব সমর্থন<br />
ভাবছি তাই নিয়া।</p>
<p>কোয়াটার ফাইনালে<br />
কে যাবে?<br />
ব্রাজিল না কোরিয়া<br />
গোলের খেলা ফুটবল<br />
নিতে হবে মানিয়া। </p>
<p>হয়তো যাবে ব্রাজিল<br />
না হয় মোদের কোরিয়া<br />
আমরা সবাই দর্শক<br />
কি হবে এত ভাবিয়া।</p>
<p>দর্শক সবে ভাই ভাই<br />
ঝগড়া করে লাভ নাই<br />
সবার মতামত এক হবেনা<br />
মেনে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-182263"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/182263/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d8dc4d4fb22492ba55f583d802c6b857</guid>
				<title>অধম
আনিছুর রহমান
কথা বলতে পারি অনেক
শুনতে পারি কম
কোনো মতে বেঁচে আছি
হয়েছি এখন অধম।
রাজাধিরাজ বললে কথা
কোন অপরাধ নাই
আম জনতা বললে কথা
সঠিক হয় নাই।
অপ কথা শুনতে শুনতে
হয়েছে সবাই বধির
সুন্দর বচন শোনার জন্য
মানুষ রয়েছে অধীর।
কবে আসবে বাঁশিওয়ালা
শোনাবে মধুর বাঁশি
তাঁর জন্য সবাই এখন
রয়েছে খুব আগ্রহী।
আমরা সবাই সুখে আছি
তাহলে কে দুঃখী
ব্যথির ব্যথা দুঃখ-কষ্ট
আমরা কি বুঝি।
রাজা প্রজায় সুখ নাহলে
সুখ কি তাকে বলে
কেহ সুখি কেহ দুঃখি
কারো অন্তর জ্বলে।
০২/১২/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181264/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Dec 2022 09:54:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অধম<br />
আনিছুর রহমান<br />
কথা বলতে পারি অনেক<br />
শুনতে পারি কম<br />
কোনো মতে বেঁচে আছি<br />
হয়েছি এখন অধম।<br />
রাজাধিরাজ বললে কথা<br />
কোন অপরাধ নাই<br />
আম জনতা বললে কথা<br />
সঠিক হয় নাই।<br />
অপ কথা শুনতে শুনতে<br />
হয়েছে সবাই বধির<br />
সুন্দর বচন শোনার জন্য<br />
মানুষ রয়েছে অধীর।<br />
কবে আসবে বাঁশিওয়ালা<br />
শোনাবে মধুর বাঁশি<br />
তাঁর জন্য সবাই এখন<br />
রয়েছে খুব আগ্রহী।<br />
আমরা সবাই সুখে আছি<br />
তাহলে কে দুঃখী<br />
ব্যথির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-181264"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/181264/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9e253e7ea8238a12c10aaadd8a8b45ad</guid>
				<title>অব্যক্ত কথাগুলো
আনিছুর রহমান
লিখি কবিতা হয় না সবি তা
বুকে জমানো সব কথা গুলো 
ব্যক্ত করতে পারিনা কখনও
মনের গভীরে হয়ে থাকে ক্ষত।

এক হৃদয় হীনার কাছে 
হৃদয়ের মুল্য কতটুকু আছে
আমি জানি না,
জ্বলে পুড়ে ভস্ম হয়ে যাই
বলতে পারিনা।

দাম দিয়ে মন কেনার প্রয়োজন 
কতটুকু বুঝতে পারিনা
অপেক্ষিত প্রেম অপূর্ণ রয়
 কেউ তা ভাবে না।

ভালোবাসা কি কেনা বেঁচার পণ্য
হাট বাজারে পাওয়া যায়
হৃদয় দিয়ে হৃদয়ের মুল্য 
বুঝে নিতে হয়।

কাঁটা হয়ে কাঁটার মর্ম বুঝা দায়
ফুলে কাঁটা থাকে যখন
তাকে ভালো না বেসে
থাকতে পারে কি তখন।

কাঁদলে দুঃখ চলে যায়
অকারনে অশ্রু ফেললে
মুল্য হীন রয়ে যায়।

ভবের এই রঙ্গশালায় 
দুঃখ কষ্ট সেতো
পাশাপাশি রয়, 
হয়তো কিছু পাবে 
না হয় হারাবে
দুঃখ করো না সেথায়।

২৭/১১/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/179986/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Nov 2022 14:19:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অব্যক্ত কথাগুলো<br />
আনিছুর রহমান<br />
লিখি কবিতা হয় না সবি তা<br />
বুকে জমানো সব কথা গুলো<br />
ব্যক্ত করতে পারিনা কখনও<br />
মনের গভীরে হয়ে থাকে ক্ষত।</p>
<p>এক হৃদয় হীনার কাছে<br />
হৃদয়ের মুল্য কতটুকু আছে<br />
আমি জানি না,<br />
জ্বলে পুড়ে ভস্ম হয়ে যাই<br />
বলতে পারিনা।</p>
<p>দাম দিয়ে মন কেনার প্রয়োজন<br />
কতটুকু বুঝতে পারিনা<br />
অপেক্ষিত প্রেম অপূর্ণ রয়<br />
 কেউ তা ভাবে না।</p>
<p>ভালোবাসা কি কে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-179986"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/179986/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a4d28a9776ee57603afc49c14a74fd60</guid>
				<title>ছয় ঋতুর দেশে
আনিছুর রহমান
পৌষ মাসে শীত নামে ছয় ঋতুর এই দেশে
খেজুর গাছে হাড়ি ভরে সকালে মধুর রসে।
মাঘ মাসে কনকনে অনেক ঠান্ডা শীতে
বুড়াবুড়ি আগুন পোহায় বসে নিশি রাতে। 
খোকাখুকি বই পড়ে সকালে রোদে উঠানে
ভাপা পিঠা মোয়া মুড়ি খায় সকলে মিলে।
ফাল্গুনে ভোমরের গুন গুন পাখির কলরবে
মৌমাছি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায় মধু আহরণে।
চারিদিকে কৃষ্ণচূড়া শিমুল পলাশ ফোটে
কোকিল মধুর কণ্ঠে গান গেয়ে মুগ্ধ করে।
প্রেমিকা যুগল হাত ধরে ঘুরে রোদ বৃষ্টি বাদলে
এমুন দিনে মন নাহি বসে সবার ঘরেতে । 
আহা কি দারুণ প্রকৃতি নানা সাঁজে চারদিকে
নতুন পত্র পল্লবে ভরে উঠেছে বনে বৃক্ষেতে।
সবুজ তরু লতায় প্রাণের জোয়ার লাগে
সমীরণ বহে আমেজ জাগে সবার প্রাণে।
চৈত্র মাসে গরম হাওয়ায় ঘামে গা ভেজে
পথে ঘাটে তৃষ্ণায় সব প্রাণীর ছাতি ফাটে।
বৈশাখ মাসে আমের মুকুল ধরে গাছে গাছে
প্রখর রোদে কৃষক গরু পাল লয়ে যায় মাঠে।
জ্যৈষ্ঠ মাসে আম জাম কাঁঠাল নানা ফল পাকে
নাইওর নাইওরি মধুর মাসে বাপের বাড়ি আসে।
আষাঢ়ে বাদল নামে খালে বিলে মাঠে
মাঝি ভাই নৌকা চালায় খেয়া লয়ে ঘাটে। 
শ্রাবণ মাসে মেঘলা আকাশ সারাবেলা বৃষ্টি ঝড়ে 
উদাস উদাস লাগে দোলা দেয় প্রেম সবার হৃদয়ে।
ভাদ্র মাসে তাল পাকে পিঠাপুলি খায় মিলে সকলে
পথে ঘাটে হাঁটুজল ভিজে পাড়ি দেয় গাঁয়ের লোকে।
আশ্বিন মাসে সকালে শিশির ভেজা ঘাসে
নানা ফুলে ভরে যায় সোনা রোদে উষা হাসে।
কার্তিক মাসে সবার ক্ষেত ভরা পাকা ধানে
কৃষাণ কৃষাণী তাকিয়ে রয় খুশিতে মাঠ প্রাণে।
অগ্রহায়ণে গোলা ভরে উঠে সোনালী ধানে
নতুন চালের পিঠা খাবে গাঁয়ের নিমন্ত্রণে।

১৯/১১/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/176554/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Nov 2022 13:32:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছয় ঋতুর দেশে<br />
আনিছুর রহমান<br />
পৌষ মাসে শীত নামে ছয় ঋতুর এই দেশে<br />
খেজুর গাছে হাড়ি ভরে সকালে মধুর রসে।<br />
মাঘ মাসে কনকনে অনেক ঠান্ডা শীতে<br />
বুড়াবুড়ি আগুন পোহায় বসে নিশি রাতে।<br />
খোকাখুকি বই পড়ে সকালে রোদে উঠানে<br />
ভাপা পিঠা মোয়া মুড়ি খায় সকলে মিলে।<br />
ফাল্গুনে ভোমরের গুন গুন পাখির কলরবে<br />
মৌমাছি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায় মধু আহরণে।<br />
চারিদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-176554"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/176554/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1a75786200ce8c8865de79dcd82acb23</guid>
				<title>কৃচ্ছতা
আনিছুর রহমান

তিন বেলা না খেয়ে
খেতে হবে দু&#039;বেলা 
সঞ্চয় বাড়াতে হবে
একটু না করে হেলা।

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি
কৃচ্ছতা হবে কিসে
দাম বেড়েছে পণ্যের
অভাব বেড়ে গেছে।

কৃচ্ছতা কে করবে
জনগণ না সরকার
বিদ্যুতের লুকোচুরি 
আসে যায় বারবার।

জনগণ হবে মিতব্যয়ী
দেখছি সেটা উল্টো
জ্বালানি ছাড়া মিলে
উৎপাদন সব বন্ধ।

রিজার্ভ যাচ্ছে কমে
আমদানি হচ্ছে ব্যাহত
দূর্ভোগ বাড়তে পারে
তাই সবাই শংকিত।

কাজের পরিধি কমছে
বাড়ছে হত দরিদ্র
পকেট খালি সবার
মানুষ হচ্ছে অভদ্র।

২৭/১০/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/168310/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Oct 2022 15:16:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কৃচ্ছতা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>তিন বেলা না খেয়ে<br />
খেতে হবে দু&#8217;বেলা<br />
সঞ্চয় বাড়াতে হবে<br />
একটু না করে হেলা।</p>
<p>আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি<br />
কৃচ্ছতা হবে কিসে<br />
দাম বেড়েছে পণ্যের<br />
অভাব বেড়ে গেছে।</p>
<p>কৃচ্ছতা কে করবে<br />
জনগণ না সরকার<br />
বিদ্যুতের লুকোচুরি<br />
আসে যায় বারবার।</p>
<p>জনগণ হবে মিতব্যয়ী<br />
দেখছি সেটা উল্টো<br />
জ্বালানি ছাড়া মিলে<br />
উৎপাদন সব বন্ধ।</p>
<p>রিজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-168310"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/168310/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f0d922cef509e2fb66fedc779c944e4</guid>
				<title>হেমন্ত ঋতু
আনিছুর রহমান
সকালে শিশির ভেজা সবুজ ঘাসে
প্রকৃতিতে বেজে ওঠে নতুন সুর প্রাণ
ঐ ফিরে এল বছর ঘুরে হেমন্তু ঋতু
কৃষকের ঘরে ভরা নতুন পাকা ধান।


মাঠে মাঠে কৃষকের ক্ষেত ভরা সোনালী ধান
গরুর গাড়ি সাঁজিয়ে নিয়ে যায় বাড়ির উঠানে
শীতের আগমনী বার্তা দোলা দিয়ে যায় গায়ে
নতুন সজীবতা ফিরে আসে সবার দেহ মনে।


কৃষক কৃষাণির আনন্দে  প্রাণ ভরে উঠে
নতুন ধানের পিঠা পায়েস  খাবে সবাই
আনন্দে মেতে উঠবে সারা গাঁয়ের মানুষ
পাড়া প্রতিবেশি মিলেমিশে রবে ভালবাসায়।


খুব সকালে গাছি খেজুর গাছে হাড়ি পেতে
রস যোগাড় করবে গাছ হতে সকাল বিকাল
সেই রস জ্বালিয়ে নিপুন হাতে বানাবে গুড় 
খেজুর গুড়ের রসের গন্ধে চারদিক মাতাল।

  
মিষ্টি মধুর ঘ্রাণ আসে ভেসে কৃষকের ঘরে
চারদিকে শিউলি,কামিনী,মল্লিকা গন্ধ ছড়ায়
কে কে যাবি বল ফুল কুড়াতে শিউলী তলে
ফুলের মালা পড়বি সবে কে যাবি ছুটে আয়।


আয় দল বেঁধে ফুল কুড়াইব সকাল সাঁঝে
পড়ব ফুলের মালা রাখব গুজে খোপার চুলে 
গলে পড়ব ফুলের মালা আয় জলদি সবে ছুটে
হাতে পড়ব ফুলের বালা আয় সব দলে দলে।

২০/১০/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165094/</link>
				<pubDate>Thu, 20 Oct 2022 15:25:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হেমন্ত ঋতু<br />
আনিছুর রহমান<br />
সকালে শিশির ভেজা সবুজ ঘাসে<br />
প্রকৃতিতে বেজে ওঠে নতুন সুর প্রাণ<br />
ঐ ফিরে এল বছর ঘুরে হেমন্তু ঋতু<br />
কৃষকের ঘরে ভরা নতুন পাকা ধান।</p>
<p>মাঠে মাঠে কৃষকের ক্ষেত ভরা সোনালী ধান<br />
গরুর গাড়ি সাঁজিয়ে নিয়ে যায় বাড়ির উঠানে<br />
শীতের আগমনী বার্তা দোলা দিয়ে যায় গায়ে<br />
নতুন সজীবতা ফিরে আসে সবার দেহ মনে।</p>
<p>কৃষক কৃষাণির আনন্দে  প্রাণ ভরে উঠে<br />
নতুন ধা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165094"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165094/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">208b39b419f78a4a3a4ba6111cf93f17</guid>
				<title>সুখ- দুঃখ
আনিছুর রহমান
দুঃখ ভালো বাসলে
সুখ পাওয়া যায়
কষ্টকে জয় করলে
শান্তি মেলে তায়।

সজ্জনে কষ্টে ভোগে
নয় বহু দিন
অসৎ সুখে থাকে
অল্প কিছু দিন।

সাধনায় মুক্তি মেলে
শিক্ষায় হয় জ্ঞানী
কষ্টে কেষ্ট মেলে
মোরা সবাই জানি।

চকচক করলে 
সোনা হয় না
কাঁচা রঙের কাপড়ে
রঙ থাকে না।

শ্রমের মর্যাদা
চিরদিন রবে
বিনাশ্রমে সুখ
স্বল্প সময় থাকে।

সুখ-দুুঃখ পাশাপাশি 
রয় চিরকাল
দুঃখ বিনে সুখ লাভ
থাকুক চিরকাল। 
১৫/১০/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/163079/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Oct 2022 15:58:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখ- দুঃখ<br />
আনিছুর রহমান<br />
দুঃখ ভালো বাসলে<br />
সুখ পাওয়া যায়<br />
কষ্টকে জয় করলে<br />
শান্তি মেলে তায়।</p>
<p>সজ্জনে কষ্টে ভোগে<br />
নয় বহু দিন<br />
অসৎ সুখে থাকে<br />
অল্প কিছু দিন।</p>
<p>সাধনায় মুক্তি মেলে<br />
শিক্ষায় হয় জ্ঞানী<br />
কষ্টে কেষ্ট মেলে<br />
মোরা সবাই জানি।</p>
<p>চকচক করলে<br />
সোনা হয় না<br />
কাঁচা রঙের কাপড়ে<br />
রঙ থাকে না।</p>
<p>শ্রমের মর্যাদা<br />
চিরদিন রবে<br />
বিনাশ্রমে সুখ<br />
স্বল্প সময় থাকে।</p>
<p>সুখ-দুুঃখ পাশাপাশি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-163079"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/163079/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d5f7a3ebcf3bd94b68f51cc6764bfe33</guid>
				<title>রেলগাড়ি
আনিছুর রহমান

ব্রিটিশ বানিয়েছিল এক
আজব লোহার গাড়ি
গোল চাকা লম্বা দেহী
চলে এক লাইন ধরি
নাম তার রেল গাড়ি।

প্রথম চালিত রেল ঘোড়ায়
পরে পানির বাষ্পে
একদা চলেছে  কয়লায় 
এখন চলে ডিজেলে।

প্রথম উচ্চগতির রেল
বানাইলো জাপান
শত মাইল বেগে চলে
বিমানের সমান।

বুলেট রেল চলে জোড়ে
বহু দুর দেয় পাড়ি
আরাম দায়ক ভ্রমন
স্হলে,পাতালে লাইন ধরি।

মেট্রে রেল এক লাইনে
চলে আঁকা বাঁকা 
এপার ওপার দেয় পাড়ি
যাত্রী বোঝাই লয়ে যাত্রা।

বিদ্যুতেও রেল চলে
সাড়া শহর জুড়ে
আরো কত কিছু দেখব
অদুর ভবিষ্যতে।

১১/১০/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/160703/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Oct 2022 14:53:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রেলগাড়ি<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>ব্রিটিশ বানিয়েছিল এক<br />
আজব লোহার গাড়ি<br />
গোল চাকা লম্বা দেহী<br />
চলে এক লাইন ধরি<br />
নাম তার রেল গাড়ি।</p>
<p>প্রথম চালিত রেল ঘোড়ায়<br />
পরে পানির বাষ্পে<br />
একদা চলেছে  কয়লায়<br />
এখন চলে ডিজেলে।</p>
<p>প্রথম উচ্চগতির রেল<br />
বানাইলো জাপান<br />
শত মাইল বেগে চলে<br />
বিমানের সমান।</p>
<p>বুলেট রেল চলে জোড়ে<br />
বহু দুর দেয় পাড়ি<br />
আরাম দায়ক ভ্রমন<br />
স্হলে,পাতালে লাইন ধরি।</p>
<p>মেট্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-160703"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/160703/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8f44b95c56c27bc03c2f48e94fbabeea</guid>
				<title>শিক্ষা গুরুর মর্যাদা
আনিছুর রহমান 

শিক্ষা এখন বন্দি
                     কাগজ কলমে
শিক্ষার মান কমছে
                  কোচিং বাণিজ্যে।
গুরুর অভাব নাই
                    স্কুল,রাস্তা-ঘাটে 
গুরু ছাত্র একাকার
                      তফাৎ নাই তাতে।
গুরুর মর্যাদা শুধু
                     পড়ি কবিতায়
গুরু শিষ্য নাচে
                      রঙ্গমঞ্চ টায়।
সত্যিকার শিক্ষা
                     না পায় জাতি
যাবে রসাতলে
                     শিক্ষা লয়ে মাতামাতি।
পরীক্ষা হচ্ছে পাতানো
                        মান বাড়ে নাই
ফোনে ব্যস্ত সবাই
                        দুঃখের সীমা নাই।
গুরু শিষ্য সম্পর্ক
                       অন্তরে নাই
অর্থকে বাসে ভালো
                       শেখায় যা ইচ্ছা তাই।
উন্নত হোক আজি
                        শিক্ষা গুরুর শির
গুরু শিষ্যের সম্পর্ক
                       দৃঢ় থাকুক গভীর।
গুরুজনে কর নতি
                       এই হোক দীক্ষা
ভালো ছাত্র গড়বে
                       এটা হোক শিক্ষা।
০৬/১০/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157508/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 15:31:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিক্ষা গুরুর মর্যাদা<br />
আনিছুর রহমান </p>
<p>শিক্ষা এখন বন্দি<br />
                     কাগজ কলমে<br />
শিক্ষার মান কমছে<br />
                  কোচিং বাণিজ্যে।<br />
গুরুর অভাব নাই<br />
                    স্কুল,রাস্তা-ঘাটে<br />
গুরু ছাত্র একাকার<br />
                      তফাৎ নাই তাতে।<br />
গুরুর মর্যাদা শুধু<br />
                     পড়ি কবিতায়<br />
গুরু শিষ্য নাচে<br />
                      রঙ্গমঞ্চ টায়।<br />
সত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157508"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157508/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b887382afe0f4a0093e483e7365eb59b</guid>
				<title>কারখানা
আনিছুর রহমান

ঝং মরিচা পড়া কারখানা
চালায় অদক্ষ কারিগর
ভালো কিছু তৈরি হয় না
যা তৈরি হয় সেটা ক্ষতিকর।

যারা কাজ শেখে কারখানায়
দলা দলিতে মহা ব্যস্ত
শিক্ষা ছাড়া সার্টিফিকেট চায়
টাকার নেশায় তারা মত্ত।

রাজনীতি  আর  চাঁদাবাজি 
চলে কারখানায় হরদম
কেহ বাড়ি গাড়ির মালিক
আবার  কেহ  নিকৃষ্টতম। 

মাঝে মাঝে হকিষ্টিক চালায়
নিজ ভাই শ্রমিকের বুকে
হলি খেলায় আজ মত্ত তারা
মা ভাই বোন কাঁদে ধুঁকে। 

অনেক স্বাদের ছেলে মেয়ে
কারখানায় পাঠায় মা-বাবা
সত্যিকারের মানুষ হবে
প্রতিবেশি দিবে তাদের বাহবা।

কারখানাই যখন ঘুনে ধরা
আর কি উপায় আছে
সৃষ্টি হবে ঘুনে ধরা মানুষ
মান সম্মান চলে গেছে। 

আর কত হবে দলাদলি
কবে হবে তারা ক্ষান্ত
দেশ যদি গোল্লায় যায়
লাভ হবে না কারো কিন্তু।
২৯/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/153676/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Sep 2022 11:07:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কারখানা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>ঝং মরিচা পড়া কারখানা<br />
চালায় অদক্ষ কারিগর<br />
ভালো কিছু তৈরি হয় না<br />
যা তৈরি হয় সেটা ক্ষতিকর।</p>
<p>যারা কাজ শেখে কারখানায়<br />
দলা দলিতে মহা ব্যস্ত<br />
শিক্ষা ছাড়া সার্টিফিকেট চায়<br />
টাকার নেশায় তারা মত্ত।</p>
<p>রাজনীতি  আর  চাঁদাবাজি<br />
চলে কারখানায় হরদম<br />
কেহ বাড়ি গাড়ির মালিক<br />
আবার  কেহ  নিকৃষ্টতম। </p>
<p>মাঝে মাঝে হকিষ্ট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-153676"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/153676/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a9b15aeee2d3af0c2ebbf6dca1dcc9e</guid>
				<title>জিবন নদী।
আনিছুর রহমান

ছোট  ছোট  পায়ে 
চলে যাব একদিন
ঐ সে দুর আকাশে
কেউ খুঁজে পাবেনা সেদিন।

দিনের শেষে সন্ধ্যা হবে
রক্তিম সুর্য ডুবে যাবে
সবার দৃষ্টি সীমা পেরিয়ে 
পৌছে  যাব  অবশেষে।

অজানা  অচিন  দেশে
কেউ   রবে   না   পাশে 
আত্বীয় সন্তান  পরিজন
যত  হোক  আপনজন।

রবে না হৈচৈ কোলাহল
কাটাতে হবে অনন্তকাল
পুণ্য   রবে   শুধু  সাথে
নেক আমল রবে ডান হাতে।

রোজ হাশরের ময়দানে
কোমল মাটি হবে  তামার
একেক জন কে পাল্লায় দিবে
বিচার হবে সবার।

নেকি যাদের কম হবে
তাদের দোজখে দিবে
প্রিয় নবীর সাফায়াতে কেউ
আবার বেহেশ্তে যাবে।

নেকি লোক যারা রবে
তাঁরা পড়বে নূরের তাজ
বোরাকে সওয়ার হবে
পাড় হবে পুলসিরাত। 

আমরা গোনাহগার বান্দা 
তোমার দরবারে তুলি দু&#039;হাত
সকল গোনা মাফ করে দিও
ক্ষমা করে দিও সব অপরাধ।
২৮/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/153050/</link>
				<pubDate>Wed, 28 Sep 2022 14:07:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জিবন নদী।<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>ছোট  ছোট  পায়ে<br />
চলে যাব একদিন<br />
ঐ সে দুর আকাশে<br />
কেউ খুঁজে পাবেনা সেদিন।</p>
<p>দিনের শেষে সন্ধ্যা হবে<br />
রক্তিম সুর্য ডুবে যাবে<br />
সবার দৃষ্টি সীমা পেরিয়ে<br />
পৌছে  যাব  অবশেষে।</p>
<p>অজানা  অচিন  দেশে<br />
কেউ   রবে   না   পাশে<br />
আত্বীয় সন্তান  পরিজন<br />
যত  হোক  আপনজন।</p>
<p>রবে না হৈচৈ কোলাহল<br />
কাটাতে হবে অনন্তকাল<br />
পুণ্য   রবে   শুধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-153050"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/153050/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb4ce1bdd0b1cde4664c56a04330af64</guid>
				<title>সাফ ফুটবলে নারী
আনিছুর রহমান
সাফ ফুটবলে মোরা নারী
হারিয়ে সম্বল  ঘর বাড়ি
ভালো থাকার অভিলাষে 
সকাল সন্ধ্যা লড়াই করি।

বুকে আছে মোদের সাহস
পাই যদি ভালো বাসা
একদিন ঘরে আনব মোরা
বিশ্বকাপ পুরণ হবে আশা।

করিনা চক্ষু রাঙানোর ভয়
পারবে না মোদের দমাতে
তবু এগিয়ে যাব মোরা
কেউ পারবে না রুখতে।

প্রাণের প্রিয় ফুটবল খেলা 
অস্হি মজ্জাতে মিশে আছে
কাঁধে কাঁধ রেখে এগিয়ে যাব
পারবে না মোদের পিছু ফেরাতে। 

বুকে আছে সাহস প্রত্যায়
জয় করে সবার ভলোবাসা
মাটি মোদের প্রেরণা যুগায়
পুরণ  করব  সবার  আশা।

আমার সোনার বাংলা 
আমি তোমায় ভালো বাসি
লাল সবুজ পতাকা সবার হাতে
দেখবে একদিন  বিশ্ববাসী।
২৬/০৯/২০২২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151865/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 08:04:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাফ ফুটবলে নারী<br />
আনিছুর রহমান<br />
সাফ ফুটবলে মোরা নারী<br />
হারিয়ে সম্বল  ঘর বাড়ি<br />
ভালো থাকার অভিলাষে<br />
সকাল সন্ধ্যা লড়াই করি।</p>
<p>বুকে আছে মোদের সাহস<br />
পাই যদি ভালো বাসা<br />
একদিন ঘরে আনব মোরা<br />
বিশ্বকাপ পুরণ হবে আশা।</p>
<p>করিনা চক্ষু রাঙানোর ভয়<br />
পারবে না মোদের দমাতে<br />
তবু এগিয়ে যাব মোরা<br />
কেউ পারবে না রুখতে।</p>
<p>প্রাণের প্রিয় ফুটবল খেলা<br />
অস্হি মজ্জাতে মিশে আছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-151865"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/151865/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1af9d41279c006a74016abb62a0dbd7a</guid>
				<title>স্রষ্টার আরাধনা
আনিছুর রহমান

হে খোদা পরম দয়াময় 
মহান রাব্বুল আলামিন
কত সুন্দর করিয়া তুমি
বানাইছ আসমান জমিন।

তুমি রহিম তুমি করিম
শেষ বিচারের  স্বামী
মোদের জিবন করেছ দান
আমরা  পাপী তাপী।

পয়দা করলে জ্বিন ইনসান
তোমার ঈবাদতের লাগি
ভুলে গেল সব কিছু তারা
আনন্দে ধরণীতে মাতি।

গাহিয়া তোমার গুন গান
শেষ নাহি করা যায় সবে
তুমিই একমাত্র ইল্লাহ সবার 
তুমি ছাড়া নাই কিছু ভবে।

আমরা তোমার বান্দা
উম্মতে মোহাম্মদ রসুল
সব গোনাহ মোদের
তুমি করিও কবুল।

তুমি ছাড়া ইল্লাহ নাই 
সবার বাদশাহ তুমি
না যেন ভুলি তোমায়
দরবারে হাত তুলি।

তোমার শানে সৃষ্টি হল
সারা জগৎ জাহান
দু-জাহানের  মালিক
তুমি রহিম রহমান।

নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে তুমি
আছ সারাক্ষণ জিবনে
তোমায় যেনো না ভুলি
পাই অন্তিম নিঃশ্বাসে।

সব জীবে কর কল্যাণ
আমরা সব মহা পাপী 
মন্দ  করো না কবুল
এই  প্রার্থনা  জপি।

তুমি রহিম রহমান 
তুমি দয়ার ভান্ডার
একটু দয়া করলে
শেষ হবে না তোমার
২৬/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151864/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 08:02:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্রষ্টার আরাধনা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>হে খোদা পরম দয়াময়<br />
মহান রাব্বুল আলামিন<br />
কত সুন্দর করিয়া তুমি<br />
বানাইছ আসমান জমিন।</p>
<p>তুমি রহিম তুমি করিম<br />
শেষ বিচারের  স্বামী<br />
মোদের জিবন করেছ দান<br />
আমরা  পাপী তাপী।</p>
<p>পয়দা করলে জ্বিন ইনসান<br />
তোমার ঈবাদতের লাগি<br />
ভুলে গেল সব কিছু তারা<br />
আনন্দে ধরণীতে মাতি।</p>
<p>গাহিয়া তোমার গুন গান<br />
শেষ নাহি করা যায় সবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-151864"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/151864/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9ebc37ba7eed0de6f05085e3a093f2d</guid>
				<title>আমরা কল্যাণ কর সুন্দর এক পৃথিবী চাইঃ
আনিছুর রহমান

সমুদ্রের কাছে গেলে আমরা সবাই তার গভীর বিশালতা দেখে মুগ্ধ হই। সে তার পরম স্নেহ দিয়ে আমাদের কাছে টানে এবং মায়া মমতা দিয়ে আমাদের কে সিক্ত করে তোলে।

 যুগ যুগ ধরে তার এই প্রেম ভলোবাসা মায়া মমতা উদারতা সবাইকে আকৃষ্ট করে। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণির প্রাণী কুল এবং জলজ উদ্ভিদকে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কি ভাবে দিতে হয় তা জানার ও শেখার অনুপ্রেরনা যোগায়। সেই অনন্ত কাল হতে সমুদ্র তার নির্মল বাতাস ছড়িয়ে প্রকৃতি ও ধরণীকে  সিক্ত করে আসছে।

সাগরের বিশাল জল রাশি আমাদেরকে তার কোমল বুকে টেনে নিয়ে যেমন শীতল পরশ দেয় ঠিক তেমনি আমরা ভীত তটস্হ হই কখন যেন আমাদের দুমড়ে মুচড়ে গহিন সমুদ্রে আবার আছড়ে ফেলে সব কিছু ধ্বংশ করে দেয়। 

সাগরের বড় বড় ঢেউ আমাদের শক্ত কঠিন  হতে শেখায়, আবার ঝর ঝঞ্ঝা,বৃষ্টি বাদল, জোয়ার ভাটা,কখন যেন সবাই কে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সে জন্যে  আমরা সারাক্ষণ ভীত সন্ত্রস্ত থাকি।

সাগর এবং নদীর নিঃস্বার্থ ভালো বাসা মানুষকে উদার ও মহান করে গড়ে তোলে এব্য তার মত করে সবাইকে স্বার্থহীন ভালো বাসা বিলিয়ে উজাড় করে দেওয়ার জন্য। পাহাড় সাগর নদী সবাইকে তার বুকে টেনে নিয়ে পাক পবিত্র শুভ্র করে তোলে কিন্তু বিনিময়ে সে কিছুই পত্যাশা করে না।

পাহাড় পর্বতের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝর্ণার জলরাশি সারাক্ষণ প্রবাহিত হয়ে সাগরে মিশে চমৎকার এক সেতু বন্ধন সৃষ্টি করে। সেই জল ধারা পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিলা কণা বালু বহন করে এনে নদী বা সাগরের তলায় জমা করে।

প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য এটা তার বড় একটা প্রতিদান কেননা ঝর্ণাকে সাগর, পাহাড়,পর্বত তার বুকে স্বাধীন ভাবে চলা চলের নিশ্চয়তা দিয়েছে।

অপর দিকে ঝর্ণার জলধারা কে পাহাড় পর্বত তার বুকের উপর দিয়ে স্বাধীন ভাবে প্রতিনিয়ত চলাচলে ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিলা কণা উপহার দিতে বিন্দুমাত্র কার্পন্য করেনি।
আহা! কি যে এক অপরূপ সুন্দর নিবিড় সম্পর্ক তাদের মধ্যে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। 

আকাশ মেঘ সারা দিন এক সাথে লুকোচুরি খেলে..কখনও আলো.. কখনও অন্ধকার.., কখনো বৃষ্টি.., আবার কখনো ঘন মেঘ হাওয়ার সাথে মিশে মিতালী করে ভেসে বেড়ায়। প্রচন্ড গতি বেগে আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘ হাওয়ার নিত্য দিনের খেলা। 

আবার বর্ষায় বৃষ্টি বাদল মানুষের সকল নিরবতা ভেঙ্গে কল্পনার রাজ্যে সোনালী অতীত ভাবতে অবগাহন করতে ও স্মৃতি রোমোন্থন করতে শেখায়। মাঝে মাঝে  একাকিত্বে প্রিয় আপন মানুষটার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। অনেক সময় মনের আনন্দে প্রিয় মানুষ গুলোর কাছে যাওয়ার পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা., বাসনা জাগায়। 

মেঘ বৃষ্টি বাদল মানুষ কে ঘরে বন্দী করে রাখলেও তার মনকে কিন্তু বন্দী করে রাখতে পারেনা। কখনও কখনও বৃষ্টি মানুষকে কাঁদতে.. দুঃখ ভুলতে.. ও ভালো বাসতে শেখায়। আবার বৃষ্টি আমাদের সবাইকে ত্যাগের মহিমাও শেখায়। 

প্রকৃতিতে গাছ পালা আমাদের পরম বন্ধু। একজনের সাহায্য ছাড়া অন্যজন চলতে পারে না। গাছপালা আছে বলেই আমরা সবাই এখনও বেঁচে আছি। বৃক্ষরাজি, ছায়া, তরু,লতা পাতা, আমাদের একত্রে বসবাস করার কৌশল ও সবাইকে উপকার করার অনুপ্রেরনা যুগিয়ে থাকে। 

পৃথিবীর জন্ম লগ্ন হতে গাছপালা, গুল্ম, লতা পাতা খাদ্য যুগিয়ে ও নির্মল বাতাস দিয়ে আমাদের সকলকে বাঁচিয়ে রেখেছে। উদ্ভিদ প্রতিনিয়ত অক্সিজেন প্রদান করে আমাদের  বিশ্ব জগৎকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
এটা তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা প্রতিদান সমস্ত প্রাণী কুলের প্রতি।

ফুল,ফল, পাখি সারাজিবন মানুষকে বেঁচে থাকার জন্য সাহায্য করে আসছে। উদ্ভিদের সদ্য ফোটা ফুল জন্ম লগ্ন হতে পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গের জন্য মধু ও আহার যোগিয়ে মানুষকে নিঃশ্বার্থ ভাবে আনন্দ দান করে থাকে। তাদের এই সব অবদান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হলেও সব মিলিয়ে সীমাহীন ও মুল্যহীন আমাদের কাছে। পিপিলিকার মত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীও তাদের অনুকম্পা হতে কখনও বঞ্চিত হয় না।

মানুষ সামাজিক জীব ও আঠার হাজার মকলুকতের মধ্যে সব চেয়ে জ্ঞানী ও শেষ্ঠ জিব হিসেবে আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে মানুষকে প্রেরন করেছেন। মানুষকে আল্লাহ তায়ালা বিচার বিদ্যা বুদ্ধির বিবেচনায় সবার উপরে মর্যাদা দান করেছেন। 

ভালো মানুষের কাছ থেকে এবং প্রকৃতি থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার ও জানার আছে। একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে বুঝা যায় বিধাতা বা সৃষ্টিকর্তা নিঃস্বার্থ ভাবে আমাদের জন্য কত নিয়ামত সৃষ্টি করে রেখেছেন। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষকে সমাজ কে কতটুকু উপকার করতে পারছি।

 আমরা যারা মানুষ এই পৃথিবীতে আছি অর্থ বিনিময় ছাড়া নিঃস্বার্থ ভাবে কাউকে কিছুই দিতে পারি না। 

মায়া মমতা ও বন্ধনহীন পৃথিবী আমরা চাই না। আমরা চাই উদার ভালোবাসা মায়া মমতা জড়ানো এক বিস্ময় পৃথিবী। 

সকল সৃষ্টিকে রক্ষা করে নিবিড় বন্ধন অবাক করা এক পৃথিবী আমরা চাই.., যেখানে থাকবে না কোনো বৈষম্য.., অত্যা চার,জুলুম নির্যাতন, সবাই সবার বন্ধু হিসেবে নিঃস্বার্থ ভাবে সকলের উপকার ও সহযোগিতা করে যাবে।

আমাদের এই পৃথিবী ও সমাজকে অভিন্ন এক স্বর্গ রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে সমগ্র মানবকুল জীব ও উদ্ভিদ জগৎ নির্মল আনন্দ সমান ভাগাভগি করে কল্যাণ কর, শান্তিময় হিসেবে সবাই বসবাস করবে। 

এটাই হোক আমার আপনার সবার চিরো বাসনা। পৃথিবী প্রস্ফুটিত হোক এক উদার জন কল্যাণকর.., মানবিকতার মহান উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে। আমরা চাই সুন্দর নক্ষত্র ও তারকা রাজির মুখরিত অবাক করা এক সুন্দর পৃথিবী। যেটা মানুষের কাছে সব সময়  স্বর্গ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

২০/০৯/২০২২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/149422/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Sep 2022 16:20:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমরা কল্যাণ কর সুন্দর এক পৃথিবী চাইঃ<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>সমুদ্রের কাছে গেলে আমরা সবাই তার গভীর বিশালতা দেখে মুগ্ধ হই। সে তার পরম স্নেহ দিয়ে আমাদের কাছে টানে এবং মায়া মমতা দিয়ে আমাদের কে সিক্ত করে তোলে।</p>
<p> যুগ যুগ ধরে তার এই প্রেম ভলোবাসা মায়া মমতা উদারতা সবাইকে আকৃষ্ট করে। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণির প্রাণী কুল এবং জলজ উদ্ভিদকে নিঃস্বার্থ ভালোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-149422"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/149422/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cd2044347ac3925f471ec8701dbcd181</guid>
				<title>পৃথিবীতে মানুষের সৎ কর্ম ও ভাল কাজ গুলো যুগযুগ ধরে বেঁচে থাকে।
আনিছুর রহমান
কোনো নাম যশ খ্যাতি নয়, সৎ চিন্তা ভালো কর্ম আর উপলব্ধি গুলো সবার সামনে তুলে ধরাই হল মানুষের মহান কাজ। আমি চাই পৃথিবীতে আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সৃষ্টি অমর হয়ে বেঁচে থাকুক যুগ যুগ ধরে।  কেউ পছন্দ করুক আর নাই করুক।

সমাজে অনেক মানুষ অনেক কিছু পছন্দ করে না। তবু মানুষ হরেক রকমের পেশা নেশায় মত্ত থাকে। যেমন-লেখালেখি,গান বাজনা, সার্কাস, নাটক, ঘুরা ফেরা, যাত্রা, সিনেমা, ডিজিটাল যুগে আরও কত কি সেগুলোর নাম উল্লেখ নাই বা করলাম। কথায় বলে পৃথিবীতে বারো রকমের মানুষ আছে।

ছোট বেলা হতে গান শেখার ভীষন সখ ছিলো কিন্তু জন্মের পর সে রকম পরিবেশের সান্নিধ্য পাই নাই বলে আমার গান শেখা হয়নি। কিন্তু গুন গুন করে গান গাওয়া ও শোনার অভ্যাস এখনো ত্যাগ ও সংবরণ করতে পারি না।

এক সময় কবিতা লেখার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু ভালো লিখতে পারি না বলে আর লেখা হয়নি। আমি আমার শিক্ষালয়ে &#039;এ&#039; ক্লাশ খুব মেধাবী ছাত্র ছিলাম না মধ্যম &#039;বি&#039; সারির ছাত্র ছিলাম। মাঝে মাঝে দু&#039; একটি কবিতা গল্প যে লিখি নাই তা নয়। আমাদের সময়ে স্কুলে হামদ-নাত ও কবিতা লেখার প্রতিযোগিতা মাঝে মধ্যে অনুষ্ঠিত হত। 

সেই প্রতিযোগিতায় আমার লেখা &#039;একুশে ফেব্রুয়ারী&#039; ও হামদ- নাত প্রতিযোগিতায় একবার আমি প্রথম হয়েছিলাম। সেই অনেক আগে ৮১-৮২ সালের কথা বলছি। পুরস্কার হিসেবে স্কুল কতৃপক্ষ আমাকে একটি গল্প আর একটি কবিতার বই উপহার দিয়েছিলেন। গল্পের বইটির নাম ছিল &quot; মন ময়ুরী&quot;। 

১৯৮৬ সালে ঢাকা যখন আসি তখন বাড়িতে আমার লেখা কিছু কবিতা, মুল্যবান কিছু কাগজ পত্র রেখে এসেছিলাম। কিন্তু &#039;৮৮ সালের বন্যার পরে বাড়ি গিয়ে সেগুলো আর অবশিষ্ঠ পাই নাই। 

যদিও লেখা পড়া করে বড় কিছু হতে পারি নাই তবে নিজেকে সৎ চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। আমি সেটা কত টুকু অর্জন করতে পেরেছি বন্ধু বান্ধব পাড়া প্রতিবেশি এবং আমার একান্ত সান্নিধ্যে যারা এসেছেন তারাই খুব ভালো বলতে পারবেন।

যদিও আমি নিবন্ধিত কোনো বিদ্যালয়ের শিক্ষক নই তবুও আমার জিবনের প্রায় ২০ বছর ছাত্র ছাত্রীদের প্রাইভেট টিউশন  করিয়েছি। আমি ফিজিক্স,ক্যামেস্ট্রি,অংক, বাংলা ব্যাকরণ ও ইতিহাস বিষয়ে আমার  দক্ষতা রয়েছে। সময় পেলে এখনো আমার দুই ছেলেকে নিয়মিত পড়াই ও সময় দিয়ে থাকি। আমার দুই ছেলে কখনো কারো কাছে এ পর্যন্ত প্রাইভেট পড়ে নাই। বড় ছেলে অনার্স তৃতীয় বর্ষে জুলোজি বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ও ছোট ছেলে সরকারী মাধ্যমিক স্কুলে পড়াশুনা করছে। ওরা দু&#039; জনেই এক সময়ে বৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্র ছিলো।

 আজকে আমার এই লেখাটা যে জন্য সেটা পরিস্কার করার জন্য বলছি। অনেকে বলেন লেখালেখি করে কি হবে? কবি সাহিত্যিক তো কখনো হতে পারবি না। 

ছোট বেলা হতে আমার নিয়মিত পত্র পত্রিকা, দেশ বিদেশের টিভি নিউজ, বই পড়ার অভ্যাস ছিল এবং এখনো আছে। সময় পেলে অবসরে মোবাইল ফোনের নোটে লেখা লেখি করে থাকি এবং সেগুলো মোবাইল বা কম্পিউ টারে নোট করে রাখি। 

সেই নোট থেকে জমা কৃত আমার লেখা গুলো অনেক সময় পোষ্ট করে থাকি।  আমার সমসাময়িক বিষয়ে প্রায় ২০০ এর মত লেখা গল্প কবিতা রয়েছে। যদিও এ গুলোর মান বিবেচনায় খুব উচু নয়। তবে চেষ্টা করে করে যাচ্ছি এবং এখনো শিখছি।

সমাজের অসামঞ্জস্য প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া বিষয় ছাড়াও আমার স্কুল কলেজ জিবনের এবং ঢাকা শহরের অবস্হান কালে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বিষয়ে মাঝে মধ্যে লিখে থাকি।

আমি কোনো প্রোথিত যশা কবি লেখক নই। আমার মনের ভাব ও অভিব্যক্তি প্রকাশের জন্য আমি এই লেখা লেখি করে থাকি। আমি চাই মানুষ বেশি বেশি পড়াশুনা করে জ্ঞান অর্জন করুক। আর জ্ঞান আহরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে ভ্রমণ, বই,পত্রিকা, দেশ বিদেশ সম্বন্ধে বেশি বেশি জানা ও পড়া। 

সারা দুনিয়ার সব জ্ঞানী গুণী মনিষী গণ তাদের লব্ধ জ্ঞান বই পুস্তকে লিপি বদ্ধ করে গেছেন মানুষের এবং ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো ছড়ানোর অভিপ্রায়ে।

তাই সব শেষে বলতে চাই কারো প্রশংসা হাততালি পাওয়ার জন্য আমি লেখা লেখি করিনা। আমার মনের ভাব অভিব্যক্তি প্রকাশ করার জন্য ও সখ থেকে আমার অবসর সময় অতিবাহিত করার জন্য সামান্য লেখা লেখি করে থাকি। এটা এক প্রকার নেশা ও মনের খোরাক যোগানোর অভিপ্রায়ে যৎ সমান্য একটু লেখালেখি করে আনন্দ পেয়ে থাকি।

কিন্তু সমাজের কিছু দুষ্টু, ঠক, অসাধু পন্ডিত ব্যক্তিগণ এটা পছন্দ নাও করতে পারেন। তাতে আমার কিছু আসে যায় না। কেউ কোনো কাজ করলে ভালো মন্দ দুটি দিকই ফুটে উঠে।

মানুষের জিবনে নাম যশ খ্যাতি বড় কথা নয়, কোন কিছু প্রকাশ ও সেটা সমাজের সামনে তুলে ধরাই হল বড় কথা। আর জানা শুনা উপলব্ধি টাই মুল বিষয়। এই পৃথিবীতে আমার নাম থাকুক আর নাই থাকুক, আমি চাই আমার লেখনি বা সৃষ্টি বেঁচে থাকুক। কেউ পছন্দ করুক আর নাই করুক। সেটা তাদের একান্ত মনের বিষয়।  ধন্যবাদ সকলকে।

১৯/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148929/</link>
				<pubDate>Mon, 19 Sep 2022 07:45:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পৃথিবীতে মানুষের সৎ কর্ম ও ভাল কাজ গুলো যুগযুগ ধরে বেঁচে থাকে।<br />
আনিছুর রহমান<br />
কোনো নাম যশ খ্যাতি নয়, সৎ চিন্তা ভালো কর্ম আর উপলব্ধি গুলো সবার সামনে তুলে ধরাই হল মানুষের মহান কাজ। আমি চাই পৃথিবীতে আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সৃষ্টি অমর হয়ে বেঁচে থাকুক যুগ যুগ ধরে।  কেউ পছন্দ করুক আর নাই করুক।</p>
<p>সমাজে অনেক মানুষ অনেক কিছু পছন্দ করে না। তবু মানুষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148929"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148929/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2ee00374b99e1a1cde425d4c99f0d158</guid>
				<title>অর্থ, সম্পদ, জ্ঞান এবং করণীয় :
আনিছুর রহমান
অর্থ মানুষের জিবনে প্রয়োজন আছে কিন্তু সেই অর্থ যেন জিবনে কাল হয়ে না দাঁড়ায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনেক সময় অর্থ মানুষ কে অন্ধকারে নিমজ্জিত করে।অর্থের কারনে সন্তান পরিজন খারাপ পথে চলে যায়।

তোমরা কখনও অর্থ,প্রতিপত্তি,আত্বসম্মান  নিয়ে অহংকার করো না। অহংকার বড় খারাপ জিনিস। একজন মানুষের ছায়া যতদিন তার পায়ের তলায় আছে, মনে রাখবে ততদিন সবই আছে। যেমন-চন্দ্র,সূর্য মধ্য গগনে আছে তারা গতি পথ লঙ্গন করে না। কখনও তারা সীমা অতিক্রম করেনা। আর সীমা লঙ্গনকারী কে কেহ পছন্দ করে না।

 সব সময় একটি কথা মনে রাখা দরকার মানুষের ছায়া, মানুষের ক্ষমতা যেদিন মানুষের চেয়ে লম্বা হয়ে যাবে,সেদিন  সমাজ টা ধ্বংশ ও সূর্যটা অস্তমিত হয়ে যাবে। তাই প্রত্যেকের পিতৃ বংশ পরিচয় কল্যাণ কর কর্ম ও তার নিজের পরিচয়ই জিবনের আদর্শ হওয়া উচিৎ। আদর্শ হীন, লক্ষ্যহীন সমাজ কখনও বদলায় না। শুধু সময়ের সাথে চারদিকে ঘোর পাক খায়।

কেউ নিজের নাম জিজ্ঞাসা করলে নিজের নাম টাই বলা উচিৎ। বাবার ক্ষমতা, অর্থ, পেশীশক্তি দেখানোর জন্য নিজের নামের সাথে বাবার নাম প্রকাশ করা ঠিক না। তুমি তোমার নিজের নামে, নিজের গুণে, নিজের প্রতিভায় গুণান্বিত হও। দেখবে তোমাকে সবাই অনুসরন করবে ও ভালবাসবে।

আজকাল সন্ত্রাসী ছেলের পরিচয়ে বাবারা সমাজে পরিচিত হতে চায়। বিপদ পরলে সন্ত্রাসী ছেলের পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে পরিবারের সবাই পার পেয়ে যায়। এমুন কি ছেলে পুলিশে চাকুরী করে তার ভয় দেখিয়ে মানুষকে ক্ষতি করতে চায়। এগুলো ভালো মনের পরিচয় নয়। এগুলো সমাজে বন্ধ হওয়া দরকার। বাবা রাজনৈতিক দলের বড় নেতা বলে তার ছেলেরা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি করবে সেটাও কাম্য নয়।

অবশ্য সমাজে বাবার পরিচয়ে তার সন্তান গণেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরিচিত হন। কার ছেলে,অমুক নেতার ছেলে,অমুক রাজ নৈতিক পরিবারের সন্তান ইত্যাদি ইত্যাদি। মানুষের জ্ঞানকে, মেধাকে, মনন কে কেউ দাম দেয় না বা মুল্যায়ন করে না। ক্ষমতা অর্থই যেন মুখ্য হাতিয়ার।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় বিবে -চনায় নিয়োগ দেওয়া হয় ও বদলী করা হয়। যোগ্যতা বিবেচনায় কারো নিয়োগ হয় না।  তাই আজ সমাজের সকল ক্ষেত্রে এত বৈষম্য, জ্ঞানের মান, শিক্ষার মান এত নিচু। শিক্ষা সহ সব কিছু ভঙ্গুর দূর্বল সামান্য ধাক্কা লাগলে ভেঙ্গে যেতে চায়। শিক্ষার মান দিন দিন চলে যাচ্ছে তলানীতে। 

আগে ২য়, ও ৩য় শ্রেণিতে পাশ করা লোক জনের পান্ডিত্য, জ্ঞান গরিমার মান খুব উঁচু ছিল। তাদের মধ্যে ভদ্রতা মানবিকতা আবেগ ভালোবাসা ছিল। শিক্ষকগণ স্বার্থহীন ভাবে শিক্ষার আলো মানুষের ভিতরে ছড়িয়ে দিতে কার্পণ্য বোধ করত না। এখন অর্থ ছাড়া বিদ্যার্জন করা দুরহ হয়ে উঠছে। বিনা অর্থে জ্ঞান আহরণ সমাজে খুবই কঠিন ও দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছে। 

সারাদেশে জিপিএ-৫ ( A+)&#039; এ পাশ করা শিক্ষক ছাত্রছাত্রী গণ বাংলা বানান সঠিক ভাবে লিখতে পারে না। অথচ পরিতাপের বিষয় তারাই আজ দেশের সমাজের মানুষ গড়ার কারিগর।

এখন ছেলে মেযেদের লেখা পড়া ফেস বুক, ইমো, টিকটক, ম্যাসেঞ্জার, কমেন্ট বক্স, শেয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। ছাত্র ছাত্রীরা কারি কুলামের বাহিরে লেখাপড়া করতে চায় না বা ইচ্ছুক নয়। পৃথিবীর নামী দামী পন্ডিত ব্যক্তিদের জিবনী, তাদের চিন্তা ধারা,জ্ঞান বিজ্ঞান, অনুশীলন করতে শিক্ষার্থীরা একেবারেই আগ্রহী নয়। 

এখন আর সকাল সন্ধ্যায় গ্রাম গঞ্জের ছেলেমেয়েদের উচ্চ গলায় লেখাপড়ার আওয়াজ শুনা যায় না। কোনো বাসার
 ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করছে কি না সেটাও বুঝা যায় না। ছেলে মেয়েদের হাতে দামী ফোন আর কানে হেডফোন লাগিয়ে মিউ জিক শুনতে মহাব্যস্ত। তারা রাস্তা ঘাটে ভিডিও গেম আর ফেসবুক নিয়ে আড্ডা আর ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়।

আজ তাই সমাজের এত ক্ষত,এত হিংসা, বিদ্বেষ, হানা হানি ছড়িয়ে পড়েছে। সময় থাকতে আমাদের সমাজ পরিবর্তনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তাই করা অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে। তা না হলে এই সমাজ দেশ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

 সমাজের আমুল পরিবর্তন না হলে আমরা জাতি হিসেবে মানুষ হিসেবে কালের অতল গহ্বরে ক্রমেই হারিয়ে যাব।

আনিছুর রহমান
১৯/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148928/</link>
				<pubDate>Mon, 19 Sep 2022 07:44:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অর্থ, সম্পদ, জ্ঞান এবং করণীয় :<br />
আনিছুর রহমান<br />
অর্থ মানুষের জিবনে প্রয়োজন আছে কিন্তু সেই অর্থ যেন জিবনে কাল হয়ে না দাঁড়ায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনেক সময় অর্থ মানুষ কে অন্ধকারে নিমজ্জিত করে।অর্থের কারনে সন্তান পরিজন খারাপ পথে চলে যায়।</p>
<p>তোমরা কখনও অর্থ,প্রতিপত্তি,আত্বসম্মান  নিয়ে অহংকার করো না। অহংকার বড় খারাপ জিনিস। একজন মানুষের ছায়া যতদিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148928"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148928/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">60bb9c909a20cf5f730a94297cefd387</guid>
				<title>এক কাপ চা
আনিছুর রহমান

এক কাপ চা খেলে
ক্লান্তি দুর হয়
এক পেয়ালা দুধ পানে
শরীর সুস্হ রয়।
এক কাপ কফিতে
শরীর চাঙ্গা হয়
কয়েক মুঠো ভাতে
ক্ষুধা চলে যায়।
এক গ্লাস শরাব গিলে
রাজা মনে হয়
বেশি হলে পরে আবার
মাতাল বনে যায়।
এক ফোটা মধু পানে
অনেক উপকার হয়
এক ফোটা ঔষধ পানে
রোগ নিরাময় হয়।
শাক সবজি খেলে
রোগ প্রতিরোধ হয়
ঘি খেলে দেহে
বল বৃদ্ধি পায়।
একটা বই পড়লে
মন বড় হয়
একটু ঘুরাফেরা করলে
মন ভালো রয়।
একটা ফুল পেলে
প্রেমিক মনে হয়
অবহেলা করলে
মনে কষ্ট হয়।
ভালোবাসা পেলে
স্বার্থক মনে হয়
তিরস্কার পেলে
মরে যেতে ইচ্ছা হয়।
১৭/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/148325/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Sep 2022 16:13:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক কাপ চা<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>এক কাপ চা খেলে<br />
ক্লান্তি দুর হয়<br />
এক পেয়ালা দুধ পানে<br />
শরীর সুস্হ রয়।<br />
এক কাপ কফিতে<br />
শরীর চাঙ্গা হয়<br />
কয়েক মুঠো ভাতে<br />
ক্ষুধা চলে যায়।<br />
এক গ্লাস শরাব গিলে<br />
রাজা মনে হয়<br />
বেশি হলে পরে আবার<br />
মাতাল বনে যায়।<br />
এক ফোটা মধু পানে<br />
অনেক উপকার হয়<br />
এক ফোটা ঔষধ পানে<br />
রোগ নিরাময় হয়।<br />
শাক সবজি খেলে<br />
রোগ প্রতিরোধ হয়<br />
ঘি খেলে দেহে<br />
বল বৃদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-148325"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/148325/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9d17cffadf94558c8ba1955cb5a11f29</guid>
				<title>বৃষ্টির ছড়া
আনিছুর রহমান
রিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে
সারা বেলা ঐ
বৃষ্টির ছন্দে মন উতলা 
কেমন করে কই।
ঠান্ডা বৃষ্টির হাওয়ায়
গা ছম ছম করে
একলা বসে ঘরে আমার
মন উদাস লাগে।
বৃষ্টি তুমি আসলে তাই
বাহির দুয়ার বন্ধ
একলা ঘরে মন বসে না
মনে লাগে ছন্দ।
মেঘ বৃষ্টির শব্দে মন
ঘরে নাহি বসে
বৃষ্টির জলে তোমায় লয়ে
ভিজতে ইচ্ছা করে।
অবিরাম বৃষ্টির জলে
পথ ঘাট হল কাদা
কাদা মাটি হল খাঁটি 
যায় না তারে ফেলা।
টিনের চালে বৃষ্টি পরে
রিম ঝিমিয়ে সাঁঝে
ভুনা খিচুরি রান্না হবে
খাব ইলিশ ভেজে। 
অবেলায় বৃষ্টি ঝরে 
পথ ঘাট ডুবু ডুবু
মাঝি ভাই নৌকা লয়ে
নদীতে করে হাবুডুবু। 
১৫/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147502/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 14:31:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টির ছড়া<br />
আনিছুর রহমান<br />
রিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে<br />
সারা বেলা ঐ<br />
বৃষ্টির ছন্দে মন উতলা<br />
কেমন করে কই।<br />
ঠান্ডা বৃষ্টির হাওয়ায়<br />
গা ছম ছম করে<br />
একলা বসে ঘরে আমার<br />
মন উদাস লাগে।<br />
বৃষ্টি তুমি আসলে তাই<br />
বাহির দুয়ার বন্ধ<br />
একলা ঘরে মন বসে না<br />
মনে লাগে ছন্দ।<br />
মেঘ বৃষ্টির শব্দে মন<br />
ঘরে নাহি বসে<br />
বৃষ্টির জলে তোমায় লয়ে<br />
ভিজতে ইচ্ছা করে।<br />
অবিরাম বৃষ্টির জলে<br />
পথ ঘাট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147502"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147502/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e4323f8f2a4b4c837a7e48aaec4d7bb</guid>
				<title>তাঁতি
আনিছুর রহমান
আতাইকুলার হাটে গিয়ে 
তাঁতি বিকিয়ে লুঙ্গি,শাড়ি
রঙ,সুতা কিনে এনে
ফিরল সন্ধ্যায় বাড়ি।
এরপর গেল তাঁতি
সিরাজগঞ্জের হাটে
সানা,মাকু কিনে আনল
ঠিক দুপুরের আগে।
সকাল বেলা উঠে তাঁতি
ভিজিয়ে সুতা তেলে
রঙ বেরঙের সুতা লয়ে
শুকায় বাঁশের আড়ে।
নানা রঙের সুতা নিয়ে
কোলাহল তাঁতি পাড়া
মাড় লাগিয়ে লাটাই হবে
ববিনে জড়াবে তারা।
পাকিয়ে সুতা জড়াবে তাঁতি 
ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ড্রামে,
সানা,বও শেষে কারিগর
কর্মে ব্যস্ত রবে।
ঠুন ঠুন মাকুর শব্দে
ব্যস্ত সবাই রবে 
কর্ম চঞ্চল হবে সবাই
তাঁতি ভাইদের গ্রামে।
নোলি ভরে ব্যস্ত রবে
গাঁয়ের ছোট ছেলেমেয়ে
সুতা জরিয়ে তুলে দিবে
কারিগরের হাতে।
সারাদিন কাজ হবে
সকাল সন্ধ্যা সাঁজে
গায়ে ঘাম ঝড়াবে তাঁতি
সংসারে লাভ তাতে।
কত রঙ কত ডিজাইন
হরেক রঙের শাড়ি 
নক্সা আর বুনন ভালো
মা বোনের শাড়ি।
সওদাগরে কিনবে শাড়ি
তাঁতির ঘরে এসে 
জ্যৈষ্ঠে সুতা কাটে তাঁতি
শাড়ি বুনাবে আষাঢ়ে।
বাড়ির কাছে তাঁতি ভাই
সারাবেলা কাজ করে
সওদাগরের রঙিন শাড়ি
ভালো করে বুনে দে।
সেই কথা শুনিয়া তাঁতি
 মনে মনে হাসিতেছে
 কি-বা রঙের বুনবো শাড়ি
ছবি খান দেখায়া দে...।

১৩/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147058/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Sep 2022 08:03:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তাঁতি<br />
আনিছুর রহমান<br />
আতাইকুলার হাটে গিয়ে<br />
তাঁতি বিকিয়ে লুঙ্গি,শাড়ি<br />
রঙ,সুতা কিনে এনে<br />
ফিরল সন্ধ্যায় বাড়ি।<br />
এরপর গেল তাঁতি<br />
সিরাজগঞ্জের হাটে<br />
সানা,মাকু কিনে আনল<br />
ঠিক দুপুরের আগে।<br />
সকাল বেলা উঠে তাঁতি<br />
ভিজিয়ে সুতা তেলে<br />
রঙ বেরঙের সুতা লয়ে<br />
শুকায় বাঁশের আড়ে।<br />
নানা রঙের সুতা নিয়ে<br />
কোলাহল তাঁতি পাড়া<br />
মাড় লাগিয়ে লাটাই হবে<br />
ববিনে জড়াবে তারা।<br />
পাকিয়ে সুতা জড়াবে তাঁ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147058"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147058/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">742013c8b19055727e4c472fcdb06ea0</guid>
				<title>সে কাল আর এ কাল
আনিছুর রহমান
আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম অল্প অল্প বুঝতে শিখেছি তখন আমাদের দেশের ইসলাম প্রিয় বিশিষ্ট আলেম ওলামাদের মুখে বয়ান শুনেছি ছবি (ফটো) উঠা নাজায়েজ। ক্যামেরায় ছবি উঠা &#039;নাজায়েজ&#039; কথা টার অর্থ তখন আমরা ভালো ভাবে বুঝতাম না। 

কারন ক্যামেরা কি সেটাই আমরা গাঁয়ের মানুষ জানতাম না। তখন দুই একটি পরি বারে বাঁধাই করা ঝুলন্ত ছবি ঘরের মধ্যে দেওয়ালে দেখতে পেতাম৷। আর হাজিগণ যারা পানি পথে হজ্জ করতে যেতেন তারা ছবি উঠতেন। আমি ষাটের দশকের কথা বলছি ঐ সময় পাকিস্তান আমল ছিল এবং সে সময় মানুষ ঢিলেঢালা পোষাক আর ইসলামী ভাব গাম্ভীর্যের মধ্যে বাবা মায়ের কড়া শাসনে ছেলে মেয়েরা বেড়ে উঠত।

বাবার একটি শখের রেডীও ছিল বাড়িতে। সেই রেডীও তে তিনি নিয়মিত দেশ বিদেশের খবর শিল্পী আব্দুল আলিম, আব্বাস উদ্দিন,ফেরদৌসী রহমান,নীনা হামিদের কণ্ঠে গাওয়া পল্লী গীতি, ভাওয়াইয়া,মুর্শীদি গান শুনতেন। 

আমার বড় জেঠা মশাইয়ের কাছে শুনেছি ছোট বেলা বাবা দীলিপ কুমারের হিন্দি ছবি,পাকিস্তানের উর্দু সিনেমা,কমলা সার্কাস,যাত্রা পালা, নাটক এবং মাঝে মধ্যে নায়ক রাজ্জাকের ভালো রোমান্টিক সিনেমা দেখতেন। আমার বাবা মা ভাই সবাই বাড়ীতে নিয়মিত রেডিও শুনে বড় হয়েছি। দেশ স্বাধীনের পরে প্রতি মাসে নাটক মধু মালা,সুজন বাইদার ঘাট,যাত্রার পালা,দুর্বার, অনুরোধের আসর,আবাহনী মোহামেডান চিরো প্রতিদ্বন্দ্বি দুই দলের ফুটবল খেলার ধারা বিবরনী রেডীও তে নিয়মিত প্রচার হত এবং বিনোদন মুলক যে কোন অনুষ্ঠান আমরা শুনতাম।

আমার নানা বলতেন,রেডীও হল শয়তানের বাক্স। এগুলো শোনা হারাম কিন্তু গ্রামের অধিকাংশ মানুষের বাড়িতে রেডীও ছিল। তাই সবাই নিয়মিত না হলেও মাঝে মাঝে সন্ধ্যার পরে ও রাত্রে রেডিও শুনতেন।

 অন্যদিকে কিছু অভিজাত ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পরিবার গুলো নিজ বাসায় কলের গান শুনতেন। এক সময় গ্রামো ফোন আবিস্কার হলো এ গুলো যারা ধনীক শ্রেণির লোক তারা রেকর্ড বাজিয়ে বাড়িতে আসর বসিয়ে গান বাজনা শুনতেন। 

মৌলানা,আলেমগণ নিয়মিত মসজিদ, মাদ্রাসায় ফতোয়া প্রচার করতেন ও আমরা মুরব্বী দের কাছে শুনতাম গান বাজনা হারাম। সকল ধর্মীয় প্রান আলেম,উলামা, মোল্লা,মসজিদের ইমাম সবাই একই ধরনের ফতোয়া দিতেন এবং বুঝানোর চেষ্টা করতেন বাদ্য যন্ত্র, তবলা, ঢোল বাজিয়ে গান শুনা হারাম। শুধু মাত্র হামদ, নাত, ইসলামী গান শোনা হাদিসে জায়েজ আছে।

আমরা যখন ছোট বেলা নানা বাড়িতে যেতাম তখন খুব হিসেব করে পা ফেলতাম ও ভয়ে ভয়ে কথা বার্তা বলতাম পিছে নানা কিছু বলে বা কোনো প্রকার বেয়াদবি নানার চোখে ধরা পড়ে। নানা মেয়েদের শ্যালোয়ার কামিজ পড়া পছন্দ করতেন না। তিনি সব সময় শাড়ি ও ঢিলে ঢালা কাপড় চোপড় পরিধান করার পক্ষে ছিলেন। 

যারা লেখা পড়া করত না,পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকত না তাদেরকে তিনি পছন্দ করতেন না। বাড়ীতে উচ্চ স্বরে কথা বলা,হৈ হুল্লোর করা এগুলো নিষিদ্ধ ছিল। তিনি এগুলো ভালো চোখে দেখতেন না। অর্থাৎ তিনি ছিলেন কনজার্ভেটিভ ভাব ধারার একজন মানুষ। 

পুকুড়ে গোসল করার সময় লাফা লাফি পছন্দ করতেন না। মহিলাদের জন্য আলাদা ঘাট ছিল সে ঘাটে পুরুষ কে এলাও করা হত না। যেহুতু আমরা ছোট ছিলাম তাই মা খালা,নানীর সাথে মহিলাদের ঘাটে গোসল করতে কোনো অসুবিধে হত না। তিনি জুয়া খেলা, মার্বেল খেলা,নাচ, গান, মেলা, যাত্রা পালা, নাটক এগুলো মোটেই পছন্দ করতেন না। 

আমার বড় মামার ফিলিপ্সের ছোট একটি রেডীও ছিল চামড়া দিয়ে মোড়ানো- মামা যেহুতু প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন ছুটির পর বাসায় আসলে সন্ধ্যা পর খুব সঙ্গোপনে রেডীও শুনতেন। আর মামা যখন থাকত না তখন আমরা মামীর অনু মতি নিয়ে গোপনে গান শুনতাম। বড় মামা ছোট মামা নানার অগোচরে টিভিতে সিনেমা, মঞ্চ নাটক,গান বাজনা বছরে দু&#039; একবার পালিয়ে গোপনে রাত্রের বেলা দেখতে যেতেন।

সে আমলে শীতকালে গ্রামে গ্রামে ওয়াজ মাহফিল হত পুরো শীতকাল ধরে। তখন গ্রামের সবাই কমবেশী ইসলামী জালসা, ওয়াজ মাহফিল গ্রামের মানুষ রাত জেগে মধ্যরাত পর্যন্ত শুনতেন। তখন আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি ছিল এক ধরনের জুজু বুড়ির ভয়ের মত।

 বাড়ীতে বা ক্ষেতে নতুন কোনো শস্য এলে মোল্লা বা ইমাম সাহেবকে না খাওয়ানো পর্যন্ত তা কাউকে আগে খেতে দেওয়া হত না।  ধর্মীয় কুসংস্কার গুলি ছিল এ রকম যে কারো কবরকে আঙ্গুল দিয়ে দেখালে আঙ্গুলে কামড় দিয়ে ক্ষমা চাওয়া হত। 

দেশ স্বাধীনতার পরে আমাদের দেশে এলো মুভি ক্যমেরা, বাইস্কোপ,টিভি, ও ভিসি আর। যারা একটু সৌখিণ শেণির লোক ছিল তারা টিভি, ভিডিও ক্যামেরা সখ করে ব্যবহার করতেন। 

যুগের চাহিদা পুরনে ক্রমে ক্রমে মাইক, ক্যামেরা,ভিডিও ক্যামেরা,ক্যাসেট,টেপ রেকর্ডার,ভিসিপি,সবই এক সময় আমাদের সমাজে চালু হয়ে গেল ও হাতের নাগালে এসে পড়ল। এমুন কি ইসলামী গান বাজনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান রেকর্ড করে আলেম উলামা সবাই নিয়মিত বাজিয়ে ও শ্রোতাদের শোনাতেন। কেহ কেহ ভাড়া করে ওগোলো এনে বাড়িতে পরিবারের সাথে দেখতেন শুনতেন।

গ্রামের খুব অল্প সংখ্যক লোকের বাড়িতে টিভি ছিল। গ্রামের সবাই মাঝে মধ্যে তাদের বাড়িতে টিভি দেখতে যেতেন। মাঝে মধ্যে টিভির মালিকগণ বিরক্তি বোধ করতেন।

এখনো এ ধরনের ফতোয়া বিদ্যমান ও নিয়মিত শুনা যায়। কিন্তু সমাজের সবাই তা ফলো করে না। আবার অনেক পরিবার অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করে।এখন মানুষের ভিতরে ধর্মীয় বিষয়ে পড়া শোনা, হাদিছ,কোরআন শিক্ষা,কোরআন বিষয়ে বাংলায় তরজমা হাফেজী পড়াসহ এখন দেশে আধুনিক মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতি ও চরম প্রসার ঘটেছে ঘটছে।

সবাই এখন ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে। টিভি মিডিয়া, সংবাদ, বিনোদন, খেলাধুলা, মোবাইল, এনড্রোয়েট স্মার্ট ফোন, ক্যামেরা, সবই এখন মানুষের হাতের নাগালে। এগুলো ছাড়া দেশের নারী পুরুষ সব শ্রেণির মানুষ এমুন কি সারা দুনিয়া একে বাড়ে অচল।

মানুষের হাতে হাতে এখন মুঠোফোন রয়েছে। এই মুঠো ফোন সারা বিশ্বকে হাতের নাগালে নিয়ে এসেছে ঠিক তেমনি কিছু স্মার্ট ফোনের কারনে সমাজে অশান্তি বেড়ে গেছে।

আমাদের দেশের শতকরা ৯০% লোক মুসলমান। সবাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলবে এটাই স্বাভাবিক। স্বাধীনতা মানে এই নয় যে যা ইচ্ছা তাই করবে সবাই। রাষ্ট্রে ধর্মের প্রয়োজন আছে। ধর্ম ছাড়া মানুষ বিপথে চলে যায় সমাজে অশান্তি বেড়ে যায়। তাছাড়া মানুষ অসামাজিক কর্ম কান্ডে লিপ্ত হয় এবং সমাজে হানাহানি বেড়ে যায়। 

তাই রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতা মানে বেহায়াপনা নগ্নতা নয়। স্বাধীনতা মানে উশৃংখলতা নয়, যা খুশি তাই করা নয়। অন্যকে সম্মান দেওয়া নিজের সম্মান বাজায় রাখার নাম স্বাধীনতা।

১১/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/145648/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Sep 2022 08:29:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সে কাল আর এ কাল<br />
আনিছুর রহমান<br />
আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম অল্প অল্প বুঝতে শিখেছি তখন আমাদের দেশের ইসলাম প্রিয় বিশিষ্ট আলেম ওলামাদের মুখে বয়ান শুনেছি ছবি (ফটো) উঠা নাজায়েজ। ক্যামেরায় ছবি উঠা &#8216;নাজায়েজ&#8217; কথা টার অর্থ তখন আমরা ভালো ভাবে বুঝতাম না। </p>
<p>কারন ক্যামেরা কি সেটাই আমরা গাঁয়ের মানুষ জানতাম না। তখন দুই একটি পরি বারে বাঁধাই করা ঝুলন্ত ছবি ঘরের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-145648"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/145648/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8eb40283d4895226180f2050d1db68b1</guid>
				<title>ভালোবাসি
আনিছুর রহমান
তুমি যে আমার কত প্রিয়
সেটা তুমি জানো না,
তোমাকে ভালোবাসি
তা বলতে পারি না।
তোমাকে পাবার স্বপ্ন
কখনও ভাবি না
তোমার সাথে ঘর বাধার স্বপ্ন
কখনও দেখি না।
তুমি আমার কত আপন
সত্যিই ওগো জানো না
দুর থেকে ভালোবাসি
সেটা তুমি বুঝো না।
মন আছে তাই ভালোবাসি
হৃদয়ের গভীরে রাখি
দুর হতে সাথী ভাবী
তোমাকে পাবার যোগ্যতা 
হয়তো অর্জিত হয়নি।
ভালোবাসার স্বার্থকতা 
ভোগে নয় ত্যাগে
কুৎসিতের মচ্ছবে নয়
তা ভেবেছি আগে।
কামনার চরিতার্থে নয়
সুন্দরের অর্চনায়
তোমাকে ভালোবাসি
বাসনার যন্ত্রণায়।
০৯/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144826/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Sep 2022 08:40:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসি<br />
আনিছুর রহমান<br />
তুমি যে আমার কত প্রিয়<br />
সেটা তুমি জানো না,<br />
তোমাকে ভালোবাসি<br />
তা বলতে পারি না।<br />
তোমাকে পাবার স্বপ্ন<br />
কখনও ভাবি না<br />
তোমার সাথে ঘর বাধার স্বপ্ন<br />
কখনও দেখি না।<br />
তুমি আমার কত আপন<br />
সত্যিই ওগো জানো না<br />
দুর থেকে ভালোবাসি<br />
সেটা তুমি বুঝো না।<br />
মন আছে তাই ভালোবাসি<br />
হৃদয়ের গভীরে রাখি<br />
দুর হতে সাথী ভাবী<br />
তোমাকে পাবার যোগ্যতা<br />
হয়তো অর্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-144826"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/144826/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">710398d4ecdcfa13529938edf3891e14</guid>
				<title>বাবুদের তাল পুকুর।
আনিছুর রহমান
পাকিস্তান শাসন আমলের শেষের দিকে এবং আমাদের দেশ স্বাধীনতার গোড়ার দিকে কয়েকটি বড় বন্যায় সারা দেশে জানমাল ও ফসলের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই বন্যায় বহু মানুষ গৃহ হারা ও বন্যায় প্রচুর গবাদি পশুর প্রাণহানি ঘটে। ১৯৬৬, ৬৮, ৭০,৭৪ সাল পর্যন্ত প্রায় প্রতি বছর কম বেশি বন্যায় সারা দেশের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল।

 এর পরে যে দুটি বড় বন্যা দেখা দিয়েছিল সেটি হল ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের বন্যা। এই বন্যায় সারা দেশের মানুষের দুঃখ কষ্টের সীমা ছিল না। রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্হা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। তখন দেশে বন্যা হলে মানুষের দুঃখ দুর্দশা বেড়ে যেত আর দেশের নিম্নাঞ্চল ৫/৬ মাস পানির নিচে ডুবে থাকত। 

বর্ষাকালে চলাচলের প্রধান বাহক ছিল নৌকা,আর নদী পাড়াপাড়ের জন্য লঞ্চ, ষ্টিমার আর ছোট ছোট ফেরি ব্যবস্হা ছিল গাড়ি পড়াপাড়ের জন্য। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে কলা গাছের ভেলা, সাঁকো ছিল নিম্ন শ্রেণির লোকদের চলাফেরার মাধ্যম। বর্ষাকালে যেমন আনন্দ ছিল তেমনি দুঃখ কষ্ট ও ছিল। মানুষের দৈনন্দিন জীবিকা নির্বাহ খুব দুরূহ ছিল। চাল,ডাল,আটা ময়দা,মাছ পর্যাপ্ত পাওয়া যেত। কিন্তু মানুষের কর্ম সংস্হান থাকত না। 

তাই ঘরে টাকা পয়সার প্রচুর অভাব মানুষের মধ্যে দেখা দিত। সবাইকে ৩/৪ মাস ঘরে বসে বসে কর্মহীন সময় অতিবাহিত করতে হত। যারা ব্যবসা বাণিজ্য করত তারা নৌকা নিয়ে হাট বাজারে সওদা করত। গ্রামের মানুষ নৌকা ও কলা গাছের ভেলা নিয়ে হাট বাজার করে বাসায় ফিরতেন। অনেক কষ্টে মানুষ গরু বাছুর,ছাগল, হাস, মুরগী একত্রে নিয়ে অসহায় অবস্হায় গৃহস্হালির কাজ সম্পন্ন করতেন। 
অবস্হা সম্পন্ন লোকেরা একটু আরাম আয়েশের মধ্যে দিয়ে দিন কাটালেও গরীব মানুষের খুবই কষ্ট ছিল। সাধারণ মানুষ এবং জেলেরা জাল বুনে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করত। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বরষি ঠেলা জাল দিয়ে মাছ ধরে সারাদিন সাঁতার কেটে আনন্দে দিন পাড় করত। এছাড়া নৌকা বাইচ, পানিতে হ্যান্ডবল, লাটিম, লুডো, ষোল কড়ি, চার কড়ি, কুত কুত, চোর ডাকাত, বৌ ছি উঠানে ও ঘরে বসে খেলা ধুলা করে মানুষ সময় অতিবাহিত করত।

বর্ষাকালে থইথই পানি আর শুষ্ক মৌসুমে খালে বিলে প্রচুর পানি থাকত। আগেকার দিনে গ্রাম অঞ্চলে খালে বিলে প্রচুর পানি থাকলেও সুপেয় পানির বড় অভাব ছিল। প্রত্যেক গ্রামে দুই একটি সরকারি টিউব ওয়েল অবস্হা সম্পন্ন লোকদের বাড়িতে দেখা যেত। আর মধ্য বিত্ত লোকদের বাড়িতে কুয়া, ইন্দিরা (বড়কুয়া) খনন করে পানির সমস্যা দুর করা হত। অনেক সময় দুর দুরান্তে রাস্তা ঘাটে সু হৃয়বান লোকেরা কুয়া কেটে রাস্তায় চলাচল কারী পথিকের জন্য পানির ব্যবস্হা করতেন। 

কালের বিবর্তনে সে গুলো এখন আর দেখা যায় না। শীতকালে গ্রামের খাল বিলে পানি কমে গেলে মানুষ বড় বড় পুকুরে অনেক দুর গিয়ে গোসল করতেন। ব্রিটিশ আমলে আমাদের দেশে হিন্দু ও মুসলিম জমিদার গণ প্রজা সাধারণের গোসল ও চাষ আবাদের জন্য গ্রামে এবং জমিদার বাড়ির আশে পাশে একাধিক পুকুর খনন করতেন। 
এই সব পুকুরে মানুষ গোসল, থালা বাসন ধোয়া সহ দৈনন্দিন গৃহস্হালি কাজে পানি ব্যবহার করতেন।

যাদের বাড়ির আশে পাশে নদী খাল বিল জলাশয় ছিল তাদের পানির অভাব হত না।

আমাদের কাশিনাথ পুর অঞ্চলে ব্রিটিশ আমলে কাশি বাবু ও বীরেন্দ্র বাবু নামে দুই হিন্দু জমিদার বসবাস করতেন। ব্রিটিশ সরকার কতৃক নিযুক্ত হিন্দু জমিদার ছিলেন তারা। কাশিনাথপুর বাবু পাড়া বেশ কয়েকটি তাল পুকুর ছিল। বাবু রা গরীব জনগণের কথা চিন্তা করে এবং প্রজা সাধারণের কথা মাথায় রেখে এবং নিজেদের জমিদার পাইক, পেয়াদা, দাসী বাদী দের জন্য শুনা যায় এই পুকুর গুলো খনন করেছিলেন। 

আমাদের আশে পাশের গ্রামের লোক জন শুষ্ক মৌসুম ও শীতকালে এই পুকুরে  নিয়মিত গোসল করতেন। জমিদার বাড়ির চারদিকে কাঁচা রাস্তা ও পায়ে হাটার রাস্তাসহ ছিল জনগণের চলাচলের যাতায়াতের ব্যবস্হা। আমরা ছোট বেলায় এই পুকুরে গোসল করতাম। পুকুরের গভীরতা বেশি থাকায় বেশি দুর সাঁতার কাটার সাহস করতাম না। গ্রামের বৌ, ঝি, মহিলাদের জন্য ছিল পৃথক পুকুর ঘাট। বৌ, ঝিয়েরা থালা বাসন ধুয়ে গোসল করে এক হাড়ি পানি কাকে করে বাড়িতে ফিরতেন। এই পানি দিয়ে ডাল, ভাত রান্না করত। পুকুরের পানি আর নদীর পানিতে নাকি ডাল ভালো সিদ্ধ হয় দাদি নানিরা বলতেন। অনেকে আবার বৃষ্টির পানি ধরে রাখতেন রানরনা বান্না করার জন্য।
এই পুকুর গুলো দেখা শুনা করার জন্য কিছু সর্দার নিয়োগ করা হত। তারা মাঝে মাঝে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের হুমকি দিতেন তাড়াতাড়ি গোসল করে চলে যাওয়ার জন্যে।
পুকুরের চার পাশে তাল, নারকেল, সুপারি ও  আম, কাঁঠাল গাছে ভরা ছিল। আমরা &#039;সাটিয়াকোলা&#039; ডাব তলা হতে পূর্ব দিকে রেল লাইনের পাশ দিয়ে নিচু জমির আইল ধরে সোজা বাবু পাড়া পুকুরে যেতাম। গোসল শেষে সোজা মাঠের মধ্য দিয়ে বাড়িতে আসতাম। গোসল করে আসার পথে  জঙ্গলে গজে উঠা বড়ই গাছ হতে বড়ই সংগ্রহ করে বন্ধুরা মিলে সবাই খেতাম। আবার জমিতে চাষ করা ধুনে পাতা, ক্ষেত হতে পাকা ছোলা গাছ সহ তুলে এনে নারার আগুনে পুড়িয়ে খেতাম। এগুলো সবই  ক্ষেতের মালিকের অগোচরে করা হত। জমির মালিকগণ মাঝে মাঝে দেখে ফেললেও তারা তেমন কিছু বলতেন না। আবার মাঝে মধ্যে বাবু পাড়া পুকুরের ডাব ও কাঁঠাল রাতের অন্ধাকারে আমাদের কিছু বন্ধু পেড়ে আনতেন। এ সব ঘটনা ঠিক চুরির মত হলেও আগেকার দিনের মুরব্বীগণ উচ্চ বাচ্চ করতেন না। তাদের কারো কারো মুখে বলতে শুনেছি ছোট বেলায় তারাও এ সব করেছে। বাবুদের তাল পুকুর পাড়ে  তাদের কিছু জীর্ণশীর্ণ বিল্ডিংয়ের ভগ্ন অংশ দেখা যেত। সে গুলো জঙ্গলে ঘেরা থাকায় ভয়ে কেউ প্রবেশ করতে সাহস পেত না।
বর্ষাকালে বন্ধুরা সবাই মিলে কাশিনাথপুর ফায়ার সার্ভিসের সন্নিকটে মহা সড়কের উপর একটি ব্রীজ ছিল। সেখানে ব্রীজের দুই পাশে নোদাই মন্ডল বাবুর আলির জমির উপর বাঁশের তৈরি যন্ত্র দিয়ে বর্ষাকালে তারা প্রতিদিন মাছ ধরতেন। গাঁয়ের দুষ্টু ছেলেরা নিশি রাতে আখের খেত হতে আখ চুরি করে সেগুলো খেয়ে আবার নোদাই মন্ডলের মাছ চুরি করতেন।

বাড়িতে ফিরলে মা বাবা অনেক বকাঝকা করতেন। আমাদের লিডার ছিল আমার এক মামাতো ভাই মরহুম ফজলুল হক। খালাতো ভাই মরহুম হাবিল খুব সাহসি ছিলেন। 

আগেই উল্লেখ করেছি বাবু পাড়া বেশ কয়েকটি পুকুর ছিল। সে তাল পুকুর গুলো দেশ স্বাধীনের পরে কেউ কেউ ভূমি রেকর্ড করে নিজেদের নামে অনেকেই রেকর্ড (লিখে) নিয়েছেন। যারা আশে পাশে ছিলেন তাদের দখলে পুকুর গুলো খন্ড খন্ড হয়ে বদ্ধ কানা পুকুরে পরিণত হয়েছে। এক সময় জমির কোনো মুল্য ছিল না তাই প্রভাব শালীরা অনেকেই সে দিকে নজর দেন নাই। এখন ভুমির অনেক মুল্য হয়েছে তাই অনেকই জায়গা কিনে আধুনিক ইমারত নির্মান করেছেন। কাশিনাথপুর নতুন পাড়া ভাঙ্গা বিল্ডিং এর সামনের দিকে পূর্ব দিকে শাহা আলম, ছোরমান মেম্বর (সাবেক) দের বাড়ির দিকে যেতে ডান দিকে জনাব শহীদুল্লাহ ডাক্তার (হোমিওপ্যাথি) বাড়ির সামনে দিয়ে ৫০ গজ অগ্রসর হলে বাম দিকে সেই বড় তাল পুকুরটির অবস্হান। সান বাঁধা বড় দুইটি ঘাট একটি পূর্বদিকে আরেকটি পশ্চিম দিকে ছিল। আরেকটি পুকুর গাজী সেলিম ভাইদের বাড়ির পিছনে ছিল। তিন নম্বর পুকুরটি ছিল বর্তমান বাবু পাড়া মসজিদের বাম দিকে। চতুর্থ পুকুর টি  মরহুম সওদগর মোল্লার বাড়ির পাশে অবস্হিত ছিল। পঞ্চম পুকুর টি কাশিনাথ পুর স্কুল ও কলেজের প্রথম কেরাণি মরহুম রিয়াজ উদ্দিনের বাড়ির পাশে। মরহুম রিয়াজ উদ্দিন ছিলেন কাশিনাথপুর স্কুলের সাবেক শিক্ষক ও কেরাণি মরহুম রেজাউল স্যারের বাবা। ঐ পুকুরটি বর্তমান ব্যবহারের উপযোগি আছে কিনা তা এখন জানা নাই। এই হল কাশিনাথপুর বাবু পাড়া তাল পুকুরের অতীত গল্প। এখন হয়ত আর সে তাল পুকুর গুলো নেই। সেখানে চারি পাশে বড় বড় বাড়ি নির্মান করে অতীত ইতিহাস মুছে ফেলা হয়েছে। সত্যি কথা হল ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস কে অন্ধাকার দিয়ে ঢেকে ফেললেও সেই ইতিহাস অন্ধকার হতে আলোর দিকে মাঝে মাঝে উকি দেয়।

যবনিকা
০৫/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143195/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Sep 2022 14:39:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাবুদের তাল পুকুর।<br />
আনিছুর রহমান<br />
পাকিস্তান শাসন আমলের শেষের দিকে এবং আমাদের দেশ স্বাধীনতার গোড়ার দিকে কয়েকটি বড় বন্যায় সারা দেশে জানমাল ও ফসলের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই বন্যায় বহু মানুষ গৃহ হারা ও বন্যায় প্রচুর গবাদি পশুর প্রাণহানি ঘটে। ১৯৬৬, ৬৮, ৭০,৭৪ সাল পর্যন্ত প্রায় প্রতি বছর কম বেশি বন্যায় সারা দেশের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-143195"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/143195/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">584cd42625bcd49c57b0df8e524e13d7</guid>
				<title>একবিংশ শতাব্দী
আনিছুর রহমান
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে 
একবিংশ শতাব্দীতে এসে
স্বাধীন জাতি হিসেবে
আমরা কি পেলাম?
হতাশা, দুঃখ, কষ্ট ছাড়া
মনুষ্যত্ব,জ্ঞান,সব হারালাম।
চারিদিকে শুধু হাহাকার
দৌরাত্ম্যকারী আর বঞ্চনা
দুষ্টের চক্রে শৃংখলিত মানুষ
বিত্তই যেন সবার বাসনা।
মনুষ্যত্ব হারিয়ে সব মানুষ
খুঁজছে খাঁটি মানুষ রে
মানুষ নামের ফানুস আছে
 আজব এ পৃথিবী জুড়ে ।
অর্থের পিছে ছুটছে মানুষ
নাই তাদের একটু হুঁশ 
ঠকবাজ জনতা এখন
অর্থের লালসায় বেহুঁশ।
সভ্যতাকে বিক্রি করছে
আজ অসভ্য কিছু মানুষ
কষ্ট ভোগ করছে জনতা
নাই ওদের আফসোস। 
মাথা পিছু আয় বেড়েছে
সবার আয় বাড়েনি
কিছু লোকের বিত্ত হয়েছে
দুঃখীর অভাব ঘোচেনি।
রক্ষক যদি ভক্ষক হয়
তবে বলার কিছু নাই
আম জনতা জাগলে
করো কিন্তু রক্ষা নাই।
সব  উন্নয়নের জয়ধ্বনি
শোনায় ঢাক ঢোল পিটিয়ে
সঠিক সময়ে হয় না কাজ
অর্থ নেয় সবাই ভাগিয়ে।
আজ যাদের ভাবছ দূর্বল
কাল তারা দূর্বল নয়
সব জনতা ভাঙ্গে প্রাসাদ
নতুন সুর্য্য ও এনে দেয়।
বিশ্বজুড়ে শাসক শোষিত 
এক কাতারে মিলবে না
জনগণই মূল হাতিয়ার 
স্বৈরাচার মেনে নেয় না।
গণতন্ত্র দিতে কেউ চায়না
ত্যাগ,সংগ্রাম করতে হয়
বিনিময়ে যা পায় তারা
তাও নর্স্যাৎ মরিচিকায়।
প্রকৃতির অদ্ভুত স্বভাব 
মেনে নিতে হয়
তা না হলে জিব
বৈচিত্র ধ্বংস হয়ে যায়।
০৪/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/142728/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Sep 2022 16:18:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একবিংশ শতাব্দী<br />
আনিছুর রহমান<br />
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে<br />
একবিংশ শতাব্দীতে এসে<br />
স্বাধীন জাতি হিসেবে<br />
আমরা কি পেলাম?<br />
হতাশা, দুঃখ, কষ্ট ছাড়া<br />
মনুষ্যত্ব,জ্ঞান,সব হারালাম।<br />
চারিদিকে শুধু হাহাকার<br />
দৌরাত্ম্যকারী আর বঞ্চনা<br />
দুষ্টের চক্রে শৃংখলিত মানুষ<br />
বিত্তই যেন সবার বাসনা।<br />
মনুষ্যত্ব হারিয়ে সব মানুষ<br />
খুঁজছে খাঁটি মানুষ রে<br />
মানুষ নামের ফানুস আছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-142728"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/142728/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88d6aafc28a2f4c80db1bf6506397ee9</guid>
				<title>সমসাময়িক শিক্ষণীয় পোষ্ট-
ভালো ও মন্দ কাজের পুরস্কার:
চাঁদ,সুরুজ,গ্রহ,তাঁরা,আলো,বাতাস,পানি এ গুলো মহান আল্লাহ তায়ালার দান ও প্রকৃতিতে নিয়ামত হিসেবে পৃথিবীর সব জীব ও উদ্ভিদ কুলকে নিঃস্বার্থ ভাবে উপকার ও প্রতিনিয়ত সেবা করে আসছে।

বিনিময়ে তাদের কিছুই চাওয়া পাওয়ার  নাই। কিন্তু নশ্বর এই পৃথিবীর মানুষ কাজের বিনিময়ে সেবা প্রদানের জন্য  কিছু কাজ করার বিনিময়ে অনেক কিছু প্রত্যাশা করে। তাদের অফুরন্ত চাহিদা এবং চাহিদার যেন শেষ নাই। মানুষের বাড়ি গাড়ি নারি অর্থ অট্রালিকা প্রাসাদ সহ অনেক কিছু চাই। 

সোনা যেমন কয়লায় পুড়ে নিজেকে অলংকার তৈরির মাধ্যমে অন্যকে আনন্দ দেয় ঠিক তেমনি ধুপ নিজে পুরে গন্ধ হয়ে সুবাস ছড়ায়। ফুল নিজের জন্য ফোটে না কিন্তু অন্যের জন্য মালা হয়ে সৌন্দর্য  বর্ধন করে। তেমনি একজন সাধু ব্যক্তি নিজের ধন সম্পদ অন্যের হিতার্থে বিলিয়ে দিয়ে নিজে সুখি হন। এটাই ধর্ম এটাই সত্য।

বিনিময়ে কিছু নেয় না শুধু দিয়ে যায়।
কেহ কেহ বলে আমার বাবা, মা, ভাই বোন সকলের জন্য অনেক কিছু করেছি। হাঁ, ভালো করেছ এটা তাদের প্রাপ্য ছিল। একজন বাবা মা তার সর্বস্ব নিজ সন্তানের জন্য বিলিয়ে এক সময় নিস্ব হয়ে সন্তানের দিকে তাকিয়ে থাকে, তার সন্তান তার জন্য কি করেন। 

তাই বাবা মা আত্বীয় স্বজনের জন্য যা করা হোক না কেন এটা তাদের প্রাপ্য করুনা নয়। একটা পাখি ডিম ফুটিয়ে তার বাচ্চাকে তা দিয়ে খাবার দিয়ে বড় করে তোলেন। আবার বাচ্চগুলো বড় হয়ে মায়ের মত একই কাজ করেন। 

যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর সব পশু পাখি ও মানুষ একই শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে অপরের উপকার করে আসছে। এগুলো সব জীব পশু পাখি সন্তান মানুষের জন্য অনুকরণীয় শিক্ষণীয়। ইহার বিনিময়ে তুমি কোন কিছু আশা করতে পারবে না।

 তোমার নিজের গুণ দিয়ে সৌন্দর্য দিয়ে,কর্ম দিয়ে,সেবা দিয়ে তুমি অন্যের কাজ থেকে বেঁচে থাকার জন্য অল্প কিছু আশা করতে পার। অপরের গুনে গুনান্বিত হয়ে তুমি নিজে অন্যের জন্য কল্যানকর কিছু করে দেখাও তাহলে তোমাকে মানুষ অনুকরন করবে।বেশি কিছু আশা করতে পারো না তাহলে তোমাকে কস্ট পেতে হবে। যা পাওয়ার তুমি আপনা আপনি পেয়ে যাবে। 

আর খারাপ কিছু করলে সেটা নজির হয়ে সমাজে ক্ষত হয়ে থাকবে যেটা তোমাকে এক সময় কস্ট দিবে।

কারন তোমাকে কেউ না কেউ অনুকরণ করবে তখন তুমি নিজেকে প্রকাশ করতে পারবে না ভালো মানুষ হিসাবে। একটা বৃক্ষ তার নিজের ফল ভক্ষণ করেনা, নদী তার নিজের জল পান করেনা,গাভী তার নিজের দুগ্ধ অপরের জন্য বিলিয়ে দেয়।

 মানুষ হতে হলে সত্যিকারের মানুষ হওয়া প্রয়োজন যাতে করে তাকে এই পৃথিবীর মানুষ সব সময় স্মরণ করে সারা জিবন মনে রাখে। নিকৃষ্ট মানুষ অধম পশুর চেয়েও খারাপ। তাকে কেই মনে রাখে না। ভালো কাজের উত্তম পুরস্কার সব সময় মেলে। তাই সাধু সাবধান।

      ( Replies -  Believe it or not.)
আনিছুর রহমান
০১/০৯/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/140491/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Aug 2022 05:37:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সমসাময়িক শিক্ষণীয় পোষ্ট-<br />
ভালো ও মন্দ কাজের পুরস্কার:<br />
চাঁদ,সুরুজ,গ্রহ,তাঁরা,আলো,বাতাস,পানি এ গুলো মহান আল্লাহ তায়ালার দান ও প্রকৃতিতে নিয়ামত হিসেবে পৃথিবীর সব জীব ও উদ্ভিদ কুলকে নিঃস্বার্থ ভাবে উপকার ও প্রতিনিয়ত সেবা করে আসছে।</p>
<p>বিনিময়ে তাদের কিছুই চাওয়া পাওয়ার  নাই। কিন্তু নশ্বর এই পৃথিবীর মানুষ কাজের বিনিময়ে সেবা প্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-140491"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/140491/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b390ec3066436c4b980b1aaf6cf88d62</guid>
				<title>রূপ কথা নয়
১৫ই আগষ্ঠ,১৯৭৫ সালের সেদিনের সেই সকালের লোম হর্ষক নির্মম ঘটনা এখনো আমাকে পীড়া দেয়।
আনিছুর রহমান
১৫/০৮/২০২২.
আমাদের বাড়ির পাশেই ছিল মামাদের বাড়ি। সাটিয়াকোলা গ্রামের মধ্য দিয়ে কাঁচা সড়ক চলে গেছে বেঙ্গল মিট বটতলায় মুল পাকা রাস্তায়। রাস্তায় পূর্বপাশে আমাদের আর পশ্চিম পাশে  কাশিনাথপুর আব্দুল লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের একসময়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মরহুম আব্দুর রহমান প্রামানিক অর্থাৎ আমাদের মামা বাড়ি। প্রতিদিন ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে মামা বাড়ি অন্যান্য সদস্য সহ বাড়ির বড় উঠানে মাদুর পেতে আমরা এক সাথে পড়তে বসতাম। মামা বাড়িতে লজিং মাষ্টার ছিলেন তখনকার কাশিনাথপুর আব্দুল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শরীর চর্চা শিক্ষক মোঃ ফজলুল হক (ফিজিক্যাল স্যার)। আমাদের গ্রামের মরহুম নইম উদ্দিন ভাই মামা বাড়িতে এম,আর ডিলার এর খাতা পত্র দেখাশুনা করতেন আর মাঝে মধ্যে আমাদের পড়াতেন। তিনি ভালো ইংরেজী ও অংক জানতেন। সবুরন,সাহাতন,আঞ্জিলা,মঞ্জিলা,ছাত্তার মরহুম
ফজলুল হক,রফিক,গোলজার,আজিজল মামাতো ভাই সহ একত্রে ফিজিক্যাল স্যার আর নইম ভাইয়ের কাছে রোজ লেখাপড়া করতাম।
১৫ই আগষ্ঠ ভোর বেলা মামা বাড়ি উঠানে বসে সবাই পড়ছি। হঠাৎ আমাদের এক মামা মরহুম মজিবুর প্রামানিক তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুব ভক্ত ছিলেন। আমার মেঝ মামার সাথে বঙ্গবন্ধুর নামের মিল থাকায় তিনি বঙ্গবন্ধুকে খুব ভালোবাসতেন।
ফিজিক্যাল স্যার উঠানে টিনের ঘরে চেয়ার টেবিলে বসে ছিলেন। মেঝ মামা নিয়মিত আকাশবাণী ও বাংলাদেশ বেতারের খবর শুনতেন।
মেঝ মামা এসে স্যারকে বললেন, মাষ্টার মশাই খবর শুনেছেন কি? স্যার বললেন, না কিছু শুনি নি। মামা বললেন,গতকাল ভোর আনুমানিক ৪-৫টার দিকে সেনাবাহিনীর বিপদগামী একদল  সেনা অফিসার বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আক্রমন করে স্বপরিবারে তাদের কে হত্যা করেছে। খবরটি শুনে উপস্হিত সবাই হত বিহ্বল হয়ে পড়লেন। আমরা যারা পাশে মাদুরের উপর বসে পড়ছিলাম তারা একটু ভয় পেয়ে গেলাম। আমার সমস্ত শরীর ভয়ে ছম ছম করে উঠল। আমার বয়স তখন আনুমানিক ১০-১২ বছর হবে। স্যার বললেন, আজ তোমাদের সবার ছুটি। কালকে আবার পড়বে সবাই। ফিজিক্যাল স্যার বললেন, আনিছ তোমাদের রেডিওটি নিয়ে আসো আমি খবর শুনব। আমি দৌড়ে গিয়ে বাবাকে বলে রেডিও নিয়ে আসলাম।
রেডিও তে কিছু ক্ষণ পর পর নিয়মিত অনুষ্ঠান বন্ধ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারের নিহত হওয়ার ঘোষনা করছে। আর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল করেছে বলে ঘোষনা করছে। আমার কানে আজও সেই ঘোষণা ১৫ই আগষ্ট মাস আসলে এখনো ভেসে বেড়ায়। আমি এখনো ভুলতে পারিনি সেদিনের সেই লোম হর্ষক হত্যা কান্ডের ইতিহাস।

অপারেশন শেষ করে মেজর ডালিম ঢাকা বেতার কেন্দ্র দখল করেন এবং নিজেই বেতারে প্রচার করছেন ‘স্বৈরাচারী শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে।’ সকাল ৭টায় ঢাকা বেতারে ফারুক হোসেইনের নিয়মিত সংবাদ পাঠে জানা গেল খন্দকার মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট অতিপ্রতুষ্যে সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম-বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে দেশবাসী হতবিহ্বল ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল। বিক্ষিপ্ত কিছু প্রতিবাদ হলেও কার্যকর কোনো প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ গড়ে ওঠেনি- এটা সত্য ও বাস্তবতা। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘদিনের সহকর্মী খন্দকার মোশতাক আহমেদ-এর নেতৃত্বে তারই অন্যান্য সহকর্মীদের নিয়ে মন্ত্রীসভা গঠিত হলে দেশের সাধারণ জনগণ এমনকি রাজনৈতিক কর্মীরাও হন দিকবিভ্রান্ত। কোনো গুপ্ত আততায়ী গোপনে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি। ঘাতকরা রাষ্ট্র পরিচালিত বেতার ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যার দায় স্বীকার করে; তাদের সদম্ভ অপতৎপরতা ছিল অতিদৃশ্যমান।

২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ দখলদার রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ &#039;ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫&#039; জারি করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ ১৫ অগাস্টে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দায়মুক্তির পথ করে দেয়। শুরু হয় রাষ্ট্রীয় জীবনের এক কালো অধ্যায়, আত্মস্বীকৃত খুনীদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচারের সম্মুখীন না করার এক নজীরবিহীন অপসংস্কৃতি। পরবর্তীতে জেনারেল জিয়া ক্ষমতা দখল করে খুনের সাথে জড়িত প্রায় সকলকে বিদেশের কূটনৈতিক মিশনে চাকুরি প্রদান করে পুরস্কৃত করেন। আত্মস্বীকৃত ঘাতকদের পুরস্কৃত করার এমন নজীরও বিশ্বে বিরল।
ছবি সংগৃহীত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135866/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 05:25:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রূপ কথা নয়<br />
১৫ই আগষ্ঠ,১৯৭৫ সালের সেদিনের সেই সকালের লোম হর্ষক নির্মম ঘটনা এখনো আমাকে পীড়া দেয়।<br />
আনিছুর রহমান<br />
১৫/০৮/২০২২.<br />
আমাদের বাড়ির পাশেই ছিল মামাদের বাড়ি। সাটিয়াকোলা গ্রামের মধ্য দিয়ে কাঁচা সড়ক চলে গেছে বেঙ্গল মিট বটতলায় মুল পাকা রাস্তায়। রাস্তায় পূর্বপাশে আমাদের আর পশ্চিম পাশে  কাশিনাথপুর আব্দুল লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের একসময়ের সাবেক ম্যানেজিং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135866"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135866/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b94faf3834e41e473e9467f8f02623d6</guid>
				<title>নির্মম পৃথিবী
আনিছুর রহমান 
কথা বলতে পারি অনেক
শুনতে পারি একেবারে কম
খেতেও  পারি অনেক কিছু
কিন্তু পেটে হয় না হজম।
উচিৎ কথায় বন্ধু বেজার
কম কথায়ও হয় নাখুশ
মাঝে মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়
সেটা কি কারো দোষ।
তেলে মাথায় তেল দেওয়া
এটাই প্রকৃতির নিয়ম
শুকনো মাথায় হয় না তেল
ইহা সত্য   কিন্তু নির্মম।
ভাগ্যে যা কিছু আছে লেখা
মেনে নিতে হয় আলিঙ্গনে
কষ্ট হলেও হজম করতে হয়
চলতে হয় মিলে সাধারণে।
সালাম পৃথিবীর সব মানুষ 
তোমাদের সকলকে সালাম 
এ পৃথিবী টা করেছ তুমি
অর্থ আর সম্পদের গোলাম।
অর্থ সম্পদ ই সুখ নয়
মনের সুখ ই প্রকৃত সুখ
তবু মোরা বারে বারে
হই ঐ বিধাতার প্রতি বিমুখ। 
২০/০৮/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135865/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 05:24:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নির্মম পৃথিবী<br />
আনিছুর রহমান<br />
কথা বলতে পারি অনেক<br />
শুনতে পারি একেবারে কম<br />
খেতেও  পারি অনেক কিছু<br />
কিন্তু পেটে হয় না হজম।<br />
উচিৎ কথায় বন্ধু বেজার<br />
কম কথায়ও হয় নাখুশ<br />
মাঝে মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়<br />
সেটা কি কারো দোষ।<br />
তেলে মাথায় তেল দেওয়া<br />
এটাই প্রকৃতির নিয়ম<br />
শুকনো মাথায় হয় না তেল<br />
ইহা সত্য   কিন্তু নির্মম।<br />
ভাগ্যে যা কিছু আছে লেখা<br />
মেনে নিতে হয় আলিঙ্গনে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135865"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135865/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">91a64a7dd58d90ed646ef03e2ae65dbb</guid>
				<title>দূর্ভাগা দেশ ও জাতি
আনিছুর রহমান
ওগো মোর দূর্ভাগা দেশ
ওহে মোর দূর্ভাগা জাতি
বার বার আসে আঘাত
ভোগে নিম্ন স্বত্ব ভোগী। 
দু&#039;চোখে দেখ্ছি শত শত
কত মানুষের পরাজয়
নিয়তির দহনে করুন রোদনে
তিলে তিলে হচ্ছে কত ক্ষয়।
কত স্বপ্ন কত আশা 
তিমিরেই ঢেকে যায়
রোদ,বৃষ্টি,খরায় অকালে 
কত যে মুকুল ঝরে যায়।
রোজ তাজা খবর আসে
কত পত্রিকার পাতা ভরে
আরো কত খবর,করুন দৃশ্য 
রয়ে যায় মানুষের অগোচরে।
কেহ কি জানে না 
মনের আকুতি
বার বার সেকি চায়
স্বার্থ ফুরালে প্রিয়জন
কেন পর হয়ে যায়।
এই ভুবনে পাশাপাশি মানুষ
কেউ বুঝি কারো নয়
দুঃখের দহনে 
করুন রোদনে তিলে তিলে
তার ক্ষয়।
১৪/০৮/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/135864/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 05:23:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দূর্ভাগা দেশ ও জাতি<br />
আনিছুর রহমান<br />
ওগো মোর দূর্ভাগা দেশ<br />
ওহে মোর দূর্ভাগা জাতি<br />
বার বার আসে আঘাত<br />
ভোগে নিম্ন স্বত্ব ভোগী।<br />
দু&#8217;চোখে দেখ্ছি শত শত<br />
কত মানুষের পরাজয়<br />
নিয়তির দহনে করুন রোদনে<br />
তিলে তিলে হচ্ছে কত ক্ষয়।<br />
কত স্বপ্ন কত আশা<br />
তিমিরেই ঢেকে যায়<br />
রোদ,বৃষ্টি,খরায় অকালে<br />
কত যে মুকুল ঝরে যায়।<br />
রোজ তাজা খবর আসে<br />
কত পত্রিকার পাতা ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-135864"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/135864/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eacc1fa23097b4eff824f50e1167a0db</guid>
				<title>&quot;বাল্য স্মৃতি&quot;
আনিছুর রহমান
হৃদয় পটে ভেসে উঠে
ছোট বেলার দুরন্ত পনা
ছবির মত মধুর স্মৃতি
বন্ধুদের সব মুখখানা।

বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি
আসা যাওয়া ঘুরি ফিরি
আম,জাম,কাঁঠাল বাগান
এক লাইনে সমান সমান
দেখেছি কত সারি সারি
খেজুর রসের মধুর হাঁড়ি। 

নারকেল,সুপারি,তাল,কলা
উড়তে দেখেছি শিমুল তুলা
কৃষ্ণচূড়া,গোকুল,বরই গাছে
বন্ধুরা উঠেছি সকাল সাঁঝে

গাঁয়ের মধ্যে বাঁশ বাগান
উঁকি দেয় চাঁদ,আসমান
সন্ধ্যা হলে ঝিঝি ডাকে
বড় উঠান পুকুর পাড়ে।

নিঝুম রাতে পেঁচা ডাকে
মধ্য রাতে শিয়াল হাঁকে
দাদা দাদি খকখক কাশে
ঘরের পাশে সকাল সাঁঝে। 

আস্তে আস্তে বড় হলাম
সময়ের স্রোতে সব হারালাম
হঠাৎ চকুরি সংসার হল
বন্ধুরা সব হারিয়ে গেল।

বয়স কম থাকে যখন
বন্ধুরা থাকে পাশে তখন
বয়স ক্রমে যত বাড়ে
বন্ধুরা সব সরে পড়ে।
আবার,
ফিফটি বয়স হয় যখন
বন্ধুদের স্মৃতি মনে পড়ে তখন।।

০৬/০৭/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/123531/</link>
				<pubDate>Wed, 06 Jul 2022 11:27:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;বাল্য স্মৃতি&#8221;<br />
আনিছুর রহমান<br />
হৃদয় পটে ভেসে উঠে<br />
ছোট বেলার দুরন্ত পনা<br />
ছবির মত মধুর স্মৃতি<br />
বন্ধুদের সব মুখখানা।</p>
<p>বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি<br />
আসা যাওয়া ঘুরি ফিরি<br />
আম,জাম,কাঁঠাল বাগান<br />
এক লাইনে সমান সমান<br />
দেখেছি কত সারি সারি<br />
খেজুর রসের মধুর হাঁড়ি। </p>
<p>নারকেল,সুপারি,তাল,কলা<br />
উড়তে দেখেছি শিমুল তুলা<br />
কৃষ্ণচূড়া,গোকুল,বরই গাছে<br />
বন্ধুরা উঠেছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-123531"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/123531/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e28296e96545d0f250d5cf53b9cd24e1</guid>
				<title>কুকুর,গাধা ও চোরের গল্পঃ


বাড়িতে রাতে চুপি চুপি চোর ঢুকেছে! 
গাধা ও কুকুর পাশাপাশি বসে আছে এবং চোর ঢুকছে তা দু&#039;জন তাকিয়ে দেখছে। 
রশিতে বাঁধা গাধা মনে মনে ভাবছে কুকুর হয়তো চোরের বিরুদ্ধে একটা তরিৎ ব্যবস্থা নেবে। 
কিন্তু, না। কুকুর আনমনে চুপচাপ বসে আছে। 
কুকুরের নীরবতায় গাধার মনে খুব সন্দেহ দেখা দিলো। গাধা কুকুরের কাছে চুপি চুপি  এসে বললো ভাই, একটা কিছু করো,চোর তো বাড়ির গুদাম ঘরের তালা ভাঙ্গা শুরু করে দিয়েছে। গাধার কথায় কুকুর কর্ণপাত না করে বসে রইলো। 
হঠাৎ গাধা চেয়ে দেখলো কুকুরের সামনে হাড্ডি। হাড্ডির সাথে কিছু মাংসও আছে। 
গাধা নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছেনা। এটা কি করে সম্ভব! এ কি দেখছে সে? যে পাহাড়াদার কুকুরকে মালিক প্রতিদিন হাড় মাংস খেতে দেয়! কত আদর করে ভুরি ভোজন করায়। তার আজ হঠাৎ কি হল?
বাড়ির একমাত্র পাহারাদার মালিকের প্রিয় কুকুর ভাই কি শেষ পর্যন্ত ঘুষ খাওয়া শিখে ফেলেছে? তাও আবার ছিটকে চোরের মত দাগি বেইমান, বিশ্বাসঘাতক, নিকৃষ্ট মানুষের কাছ থেকে ?  
ছিঃ! ছিঃ!! ছিঃ!!!

এদিকে সব চোরেরা একে একে তালা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে। 
গাধা আর চুপ থাকতে পারলোনা,সে গগন বিদারী চেঁচামেচি শুরু করে দিলো। তার চিৎকারে বাড়ির মালিকের ঘুম ভেঙ্গে গেলো। 
মালিক খুব বিরক্ত হলো। সে ঘর থেকে বের হয়ে দেখলো কুকুর নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে, আর তার প্রিয় গাধাটি শুধু শুধু লাফাচ্ছে। 
মালিক ভাবলো হয়তো গাধাকে মশা,পোকা মাকড়ে ধরেছে অথবা পাগলামী করছে। 
তাই সে রাগান্বিত হয়ে লাঠি দিয়ে গাধার পিঠে বেশ কয়েকটা আঘাত করল। 
এতে গাধা খুবই ব্যথিত হলো। এখন গাধা কোথায় যাবে? মালিকের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে উল্টো মার খেতে হলো। অথচ চোর ধরা যার দায়িত্ব ছিলো, সে ঘুষ খেয়ে চুপ করে রয়েছে। আমার মত গাধার আর কি করার আছে!

আর গাধা অন্যের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অন্যের দায়িত্ব মাথায় নিয়ে অপরাধী হয়েছে। তখন গাধা মনে মনে ভাবছে আর চিন্তা করছে- সমাজের দায়িত্বশীলরা নষ্ট হয়ে গেলে করার কিছুই থাকেনা। এ সময় নিজ দায়িত্ব নিয়ে কিছু করতে যাওয়া বোকামী ছাড়া আর কিছু নয়। 

গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারত কিন্তু আমাদের ভাবনা এখান থেকেই শুরু। 

আমরা যারা চোরদের বিরুদ্ধে লেখালেখি, প্রতিবাদ করছি, তাদের অবস্থাও ঐ গাধার মতই। কথা বলে অপরাধী হচ্ছি। আর কুকুরগুলো টোপ গিলছে এবং শত কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হচ্ছে। তাই চোর ও কুকুরের গলাগলি,ঢলাঢলি  যতদিন থাকবে- ততদিন আমাদের মত গাধাদের চোখ বুজে সহ্য করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। 
সংগৃহীত
৩০/০৬/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122878/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jun 2022 14:10:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কুকুর,গাধা ও চোরের গল্পঃ</p>
<p>বাড়িতে রাতে চুপি চুপি চোর ঢুকেছে!<br />
গাধা ও কুকুর পাশাপাশি বসে আছে এবং চোর ঢুকছে তা দু&#8217;জন তাকিয়ে দেখছে।<br />
রশিতে বাঁধা গাধা মনে মনে ভাবছে কুকুর হয়তো চোরের বিরুদ্ধে একটা তরিৎ ব্যবস্থা নেবে।<br />
কিন্তু, না। কুকুর আনমনে চুপচাপ বসে আছে।<br />
কুকুরের নীরবতায় গাধার মনে খুব সন্দেহ দেখা দিলো। গাধা কুকুরের কাছে চুপি চুপি  এসে বললো ভাই,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122878"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122878/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6d3c5ffbb6bcde476829e3f9aa1ff2a</guid>
				<title>স্বপ্নের পদ্মা সেতু
আনিছুর রহমান

স্বপ্ন পুরনের দৃঢ় অঙ্গিকার
পদ্মা সেতু যার এক নাম
মাথা  উঁচু  করবে  জাতির
বিশ্বে ছড়াবে তার সুনাম।

দেশের মুখ উজ্জ্বল করে
আলো ছড়াবে ঘরে ঘরে
দুই পাড়ের মানুষের বন্ধন
রচনা করবে মহা মিলন
অপেক্ষার পালা হলো শেষ
খুলবে সেতুর দ্বার অবশেষ।

বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে
খড়কুটো অনেক পুড়িয়ে 
তিলে তিলে গড়ে উঠা
ছিলো দুর্যোগের ঘনঘটা
খুব সহজ ছিল না তথা
মোদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু
ভয় ও হারাবার নেই কিছু।

কত জল গড়িয়েছে নদীতে
সমালোচনার বাঁধা পেরিয়ে 
ষড়যন্ত্র আর যত অবিশ্বাস
বীর বাঙ্গালীর দৃঢ় বিশ্বাস
চলবে রেল আর মোটর গাড়ি
পাবে সুফল মানুষ তাড়াতাড়ি। 

এপার ওপার রবে না প্রভেদ
জল,স্হল, আকাশ সমেত
কিছু পেলে কিছু হারাতে হয়
এটাই তো প্রকৃতির নিয়ম
আনন্দে ভাসছে আজ জাতি
দুর করবে সকল অনিয়ম।

দেশের অর্থনীতি  চাঙ্গা হবে 
দেশ পদ্মা সেতুর সুফল পাবে
যোগাযোগ  সচল  হবে
দুর হবে সকল ব্যবধান 
এ ভাবে হবে সব সমাধান।

পদ্মা নদী আর পদ্মা সেতু
চির বন্ধনে থাকুক বাঁধা
মোরা করি সেই কামনা
সুখে থাক প্রাণীকুল সেই 
হোক ভাবনা।
২৪/০৬/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122233/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Jun 2022 15:25:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নের পদ্মা সেতু<br />
আনিছুর রহমান</p>
<p>স্বপ্ন পুরনের দৃঢ় অঙ্গিকার<br />
পদ্মা সেতু যার এক নাম<br />
মাথা  উঁচু  করবে  জাতির<br />
বিশ্বে ছড়াবে তার সুনাম।</p>
<p>দেশের মুখ উজ্জ্বল করে<br />
আলো ছড়াবে ঘরে ঘরে<br />
দুই পাড়ের মানুষের বন্ধন<br />
রচনা করবে মহা মিলন<br />
অপেক্ষার পালা হলো শেষ<br />
খুলবে সেতুর দ্বার অবশেষ।</p>
<p>বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে<br />
খড়কুটো অনেক পুড়িয়ে<br />
তিলে তিলে গড়ে উঠ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122233"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122233/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ad71aecd44a33c064fc9dd1078d7132</guid>
				<title>আষাঢ়ের কবিতা
আনিছুর রহমান
আষাঢ়ে বাদল নামে
মেঘ ডাকে ঐ দুর আকাশে
বিল জলাশয় পূর্ণ জলে
জলাময় কর্দমাক্ত পথেঘাটে।
বাদলের ধারা ঝরিছে অঝোরে
জমেছে মেঘ চারিদিকে 
আকাশ কালো ঘনঘোরে
আনন্দ জাগিয়েছে প্রাণেতে মোরে।
ঘন কালো মেঘ তরিৎ বেগে
নাচিছে পক্ষিপালক, বেঙ
ময়ূর পেখম তুলে
আজি যাত্রীদের ভীর নাই রে
খেয়াঘাটে মাঝি নাইরে।
নদীতে এসেছে প্রবল জোয়ার 
বিপুল জলরাশি স্রোতে,
উত্তাল ঢেউ চারিদিকে 
বন্ধ রয়েছে পথঘাট
খেয়া পারা পারে
কেমনে ওপারে যাব রে।
ফুঁসে উঠেছে তটিনী
রাতে জ্বলে তারা ঐ দূর আকাশে
জল বহে অবিরত মাঠে ঘাটে
যায় নি ক্ষেতে চাষিরে।
গাঁয়ের রাখাল নিয়ে গরুপাল
বৃষ্টিতে ভিজে আজিরে
চাষাবাদ বন্ধ আজিকে।
কোথায় যেন পড়েছে বাজ
গুরু গম্ভীর বিকট আওয়াজ
বেরোতে কেহ নাই আজ রাজিরে।
খেয়া পারাপার আজিকে
কোথায় গেল আজ মাঝিরে
মেঘ ডাকে ঐ শোন রে।
১৮/০৬/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121096/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Jun 2022 13:20:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আষাঢ়ের কবিতা<br />
আনিছুর রহমান<br />
আষাঢ়ে বাদল নামে<br />
মেঘ ডাকে ঐ দুর আকাশে<br />
বিল জলাশয় পূর্ণ জলে<br />
জলাময় কর্দমাক্ত পথেঘাটে।<br />
বাদলের ধারা ঝরিছে অঝোরে<br />
জমেছে মেঘ চারিদিকে<br />
আকাশ কালো ঘনঘোরে<br />
আনন্দ জাগিয়েছে প্রাণেতে মোরে।<br />
ঘন কালো মেঘ তরিৎ বেগে<br />
নাচিছে পক্ষিপালক, বেঙ<br />
ময়ূর পেখম তুলে<br />
আজি যাত্রীদের ভীর নাই রে<br />
খেয়াঘাটে মাঝি নাইরে।<br />
নদীতে এসেছে প্রবল জোয়ার<br />
বিপু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121096"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121096/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a6217f2f7142bb31a351e039f4a7ea3d</guid>
				<title>মুর্খ জ্ঞানী
আনিছুর রহমান
যে যত মহা জ্ঞানী; 
সে তত নিরহংকারী 
যার জ্ঞান কম যত;
অহংকারী সে তত।
জ্ঞানীর কর্মযজ্ঞ মহৎকর্মে
মুর্খের কর্মযজ্ঞ অসৎকর্মে। 
জ্ঞানীর কদর সর্বজন ব্যাপি
মুর্খ তর্কে জ্ঞান পাপি।
জ্ঞানীর পরিচয় ব্যবহারে
মুর্খের পরিচয় ফুটানিতে।
জ্ঞানী অজ্ঞকে চিনতে পারে
কারন সে জ্ঞানী
অজ্ঞ থাকে খোলস পড়ে
দেখায় সবাইকে মহাজ্ঞানী।
জ্ঞানী কখনও মুর্খ হয় না
বরং মুর্খ জ্ঞানী সাজে
জ্ঞানী লোকের সম্মান বেশি
কষ্ট পায়না মুর্খ কোন লাজে।

১৫/০৬/২০২২.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/120635/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Jun 2022 14:44:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> মুর্খ জ্ঞানী<br />
আনিছুর রহমান<br />
যে যত মহা জ্ঞানী;<br />
সে তত নিরহংকারী<br />
যার জ্ঞান কম যত;<br />
অহংকারী সে তত।<br />
জ্ঞানীর কর্মযজ্ঞ মহৎকর্মে<br />
মুর্খের কর্মযজ্ঞ অসৎকর্মে।<br />
জ্ঞানীর কদর সর্বজন ব্যাপি<br />
মুর্খ তর্কে জ্ঞান পাপি।<br />
জ্ঞানীর পরিচয় ব্যবহারে<br />
মুর্খের পরিচয় ফুটানিতে।<br />
জ্ঞানী অজ্ঞকে চিনতে পারে<br />
কারন সে জ্ঞানী<br />
অজ্ঞ থাকে খোলস পড়ে<br />
দেখায় সবাইকে মহাজ্ঞ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-120635"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/120635/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>