<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Abul Hasan Tuhen | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/abulhasantuhen/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/abulhasantuhen/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Abul Hasan Tuhen.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jun 2026 19:07:54 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">d966ccde0066f1fcf8cd9bc447220499</guid>
				<title>বিচারপতির বিচার চাই 
-আবুল হাসান তুহিন 

বিচারপতির বিচার চাই 
দেয় যদি সে মিথ্যা রায়!
নিরপরাধ মানুষ যখন 
মিথ্যে কোন সাজা পায়! 
বিচারপতির বিচার চাই 
বিচারপতির বিচার চাই ।।

সবার জন্য আইন সমান 
কাটগড়াতে চায় যে প্রমাণ! 
যুক্তিতর্কে হার জিত 
এটাই নাকি আইনের ভীত!
বিনা দোষে দোষী হয় 
অপরাধীরা ছাড়া পায়।
বিচারপতির বিচার চাই 
বিচারপতির বিচার চাই ।।

কি করে হয় ন্যায়বিচার
সাক্ষীর কথাই হয় যে পার।
 উকিলের  জেরার ফাঁদে 
 নিরপরাধ মানুষ কাঁদে।
আইনের ফাঁকফোকরে 
অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, 
বিচারপতির বিচার চাই 
বিচারপতির বিচার চাই ।।

১৬/০৫/২০২৬/শনিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248431/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 07:02:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিচারপতির বিচার চাই<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>বিচারপতির বিচার চাই<br />
দেয় যদি সে মিথ্যা রায়!<br />
নিরপরাধ মানুষ যখন<br />
মিথ্যে কোন সাজা পায়!<br />
বিচারপতির বিচার চাই<br />
বিচারপতির বিচার চাই ।।</p>
<p>সবার জন্য আইন সমান<br />
কাটগড়াতে চায় যে প্রমাণ!<br />
যুক্তিতর্কে হার জিত<br />
এটাই নাকি আইনের ভীত!<br />
বিনা দোষে দোষী হয়<br />
অপরাধীরা ছাড়া পায়।<br />
বিচারপতির ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248431"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248431/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">25f7d214cd9a11fa399ba87e943d4f94</guid>
				<title>নাটক: মেঘ রোদ্দুর ( ২য় পর্ব)
রচনা: আবুল হাসান তুহিন 
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

দৃশ্য ।। ১৫।। দিন  ।। কিচেন  ।। ইনডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি, মিলি
[ ফ্রেমে দেখা যায় রুবি রান্নাঘরে কাজে সাহায্য করতে চায়, শাশুড়ি মিলি তাকে থামিয়ে দেয়]  
রুবি      : মা আপনি বিশ্রাম নিন। আমি রান্না যা বাকি আছে আমি করছি।
মিলি      : তুমি কিচেনে কেন এসেছো ? তুমি তো বই পড়া মেয়ে, রান্না-ঘর তোমার জন্য নয়। এসব আমাদের মতো মেয়েদের কাজ।( উপহাস করে) 
রুবি ‌     : না মা । রান্নার কাজে আমিতো আপনাকে সাহায্য করতে পারি। লেখাপড়ার সাথে রান্নাবান্নার কোন সম্পর্ক নেই। 
মিলি     : এ্যাঁ যতসব নেকামো , যাও বইয়ের মধ্যে ডুবে থাক,  রিক্সাওয়ালার মেয়ে হয়ে ডাক্তার হতে চাও? এই বাড়িতে এসব স্বপ্নের জায়গা নেই! যাও 
(ধাক্কা দিয়ে বের করে দেবে রুবি সামলে নিয়ে নিজের ঘরের দিকে যাবে)
রুবি     : (স্বগত)  নতুন জীবনে পা রেখেছি কিন্তু শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ আমার  জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ নয়। আমার অতীত ও স্বপ্নকে কেন্দ্র করে শুরু করছে অবহেল। না এভাবে মুখ বুজে সহ্য করা ঠিক হবে না।  Cut to 

দৃশ্য ।। ১৬।। রাত  ।। রাফির রুম ।। ইনডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি, 
[ ফ্রেমে দেখা যায় চিন্তা মগ্ন ভাবে রুবি বসে আছে রাফি রুমে ঢুকে কথা বলবে]
রুবি    :( একা ঘরে বসে, চোখে জল,) আব্বা তুমি বলেছিলে স্বপ্নকে না হারাতে কিন্তু এখানে তো স্বপ্নই অপরাধ...।
রাফি    :  (রাফি চুপচাপ দাঁড়িয়ে, কিছু বলার সাহস নেই।)
রুবি     :(স্বগত)আমি চেষ্টা করছি মানিয়ে নিতে। কিন্তু সবাই যেন আমাকে দূরে সরিয়ে রাখছে।(রুবি সামনে বই মেলে ধরে আছে, দু&#039;চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে) Cut to 

দৃশ্য ।। ১৬।। রাত  ।। রুবিদের বাড়ি ।। ইনডোর 
চরিত্র:  রুবি, মহিউদ্দিন, মিলি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় মহিউদ্দিন বসে আছে মিলি কলেজে যাওয়ার জন্য সামনের দিকে আসে]
মহিউদ্দিন : কোথায় চললে?
রুবি         : আব্বা কলেজে যাচ্ছি।
মহিউদ্দিন : নিজেরা বিয়ে করেছো, কিছু বলিনি, তোমার ফ্যামিলির সামনে পিছনে খোঁজ খবর না নিয়ে ঘরে তুলেছি। এখন ইচ্ছে হলো বাইরে গেলাম ইচ্ছে হলো ভিতরে আসলাম এটা চলবে না।
রুবি        : না মানে আব্বা, আমি তো ওভাবে বাইরে যাচ্ছি না আমি তো কলেজে যাচ্ছি।
মহিউদ্দিন : যে অছিলায় বাইরে যাওনা কেন একই কথা। প্রতিটা ফ্যামিলির কিছু নিয়মকানুন আছে সেটা মেনে তোমাকে চলতে হবে।
রুবি      : আমি তো নিয়মের বাইরে কোন কাজ করছি না!
মহিউদ্দিন : রাফির মা, রাফির মা এদিকে এসো? 
দেখো ওই মেয়েটা মুখে মুখে তর্ক করছে। (মিলি এগিয়ে আসে) 
মিলি      : কি ব্যাপার এত চিৎকার চেঁচামেচি করছ কেন? এই মেয়ে এইভাবে তুমি কোথায় যাচ্ছো?
মহিউদ্দিন : এই জন্য তো তোমাকে ডেকেছি , ভালো করে জিজ্ঞেস করো কলেজের নাম করে কোথায় যাচ্ছে? রুপ চেহারা দেখিয়ে আমার ছেলেকে ফাঁসিয়েছে এখন আবার কোথায় যাচ্ছে কে জানে!
মিলি   : থার্ড ক্লাস ঘরের মেয়েগুলো এরকমই হয়।যাও তোমার রুমে যাও।
রুবি   : মা আমি কলেজে যাচ্ছি সামনে আমার পরীক্ষা।
মিলি  : যাও ওসব পরীক্ষা-ফরীক্ষা দেওয়া লাগবে না সংসারের কাজ করে কুল পাবেন আবার পরীক্ষা যাও।(ধাক্কা দেয় বইখাতা পড়ে যায় রুবি রুমের দিকে চলে যায়) Cut to 

দৃশ্য ।। ১৭।। রাত  ।। রুবিদের বাড়ি ।। ইনডোর 
চরিত্র: হাসেম, জরিনা 
[ফ্রেমে দেখা যায়, হাসেম এবং জরিনা, রুবির কথা ভাবছে। অনেক দিন হলো মেয়েটা চলে গেছে]
জরিনা  : কতদিন হলো মেয়েটা শ্বশুর বাড়িতে গেছে, কি করছে, কি ভাবে আছে, জানতে পারলাম না।
হাসেম     : কি করবো কও, বড় ঘাটে নাউ বানলি  যে অবস্থা হয়। আমাদের মত গরিব মানুষ বড় লোকের বাড়ি কি করে যায় বল? উপযাচক হয়ে খোঁজ খবর নিতে গেলে অপমান অপদস্ত হতে হবে।
জরিনা   : প্রথম প্রথম কয়দিন মোবাইল করেছিল তারপরে তো আর মোবাইল করে না। হয়তো লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত আছে। এক কাজ করেনে কালকে মোবাইলে কয়ডা  টাকা পুরে আয়নেনে আমি ওর সাথে কথা কবো।
হাসেম   : ঠিক আছে আনবানে সব সময় আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করি ওর ইচ্ছা যেন পূরণ হয়।দেও চাড্ডে খাতি দাও খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়ি।
(জরিনা খাবার বাড়ার জন্য উঠে) Cut to

দৃশ্য ।। ১৮।। দিন  ।। রুবিদের বাড়ি ।। ইনডোর 
চরিত্র:  রুবি, মহিউদ্দিন, মিলি 
[ফ্রেমে দেখা যায় রবি তার বইপত্র এবং ব্যাগ  গুছিয়ে নিচ্ছে, রাফি চুপচাপ দেখেছে,]
রাফি    :(দ্বিধায়) তুমি একটু সময় দাও। মা একটু রক্ষণশীল। তুমি তো জানো, তারা চায় তুমি ঘরের কাজেই মন দাও।
রুবি    : ঘরের কাজ করতে আমার তো কোন আপত্তি নেই! আমি তো পড়াশোনা করব ঘরের কাজের বাইরে অবসর সময়ে। 
রাফি   : আমি... আমি আর পারছি না। মা বলেছে, তোমার আমার সম্পর্ক টিকবে না। তুমি পড়াশোনা করো, ডাক্তার হতে  চাও, তারা সেটা মেনে নেবে না।&quot;
রুবি   : (চোখে জল, কিন্তু গলা শক্ত):  তুমি আমাকে ভালোবাসো এই তার নমুনা? আমার পড়াশোনার ব্যাপারে তুমি সহযোগিতা করবে! এখন দেখছি সবাই উল্টো!  এখন আমার স্বপ্ন তোমার কাছে বোঝা! তবে শুনে রাখ যতই বাঁধা আসুক না কেন আমি পরোয়া করি না আমি ডাক্তারি পড়বো, আর সেটা হয়ে দেখাবো!
রাফি  : তোমার  বাড়াবাড়ির কারণে আমাকে তালাক দিতে বাধ্য করো না! 
রুবি  ‌ : তালাক দেবে কি দেবে না সেটা তোমার অভিরুচ্চির ব্যাপার। আমার আবিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমি সবকিছু ত্যাগ করতে পারি তোমার কাছে আমি ক্ষমা চাই। (রুবি ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে যায়, পেছনে রাফি দাঁড়িয়ে থাকে, মুখ নিচু) Cut to 

 দৃশ্য ।। ১৯।।দিন ।। রুবিদের বাড়ি ।। ইনডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি, 
[হাসেম উঠেন বসে আছে রুবি ব্যাগ হাতে প্রবেশ করে ]
হাসেম   : কিরে মা, খরব না দিয়ে চলে আসলি
রুবি     : আব্বা আমি ফিরে এসেছি। আমি হেরে যাইনি, শুধু একটু ভেঙে গেছি।&quot;
হাসেম   : (চোখে জল, মেয়েকে জড়িয়ে ধরে):  
তুই হারিসনি মা । তুই ফিরে এসেছিস নিজের কাছে। এখন আবার শুরু কর। আমি আছি তোর পাশে। প্রয়োজন হলে গ্ৰামে বাকি আমার যতটুকু জমি আছে তোর ডাক্তারি পড়াতে গেলে আমি সেটা বিক্রি করে দেব । দরকার হলে কালই যাব গ্রামে জমি বিক্রি করে আনব। যা,মা ঘর যা, ও রুবির মা দেখো কে এসেছে।ও তোর মা তো পাশের বাড়িতে গেছে। তুই ঘরে যা আমি রিকশা নিয়ে বের হবো। (হাসেম বাইরে দিকে যায় রুবি ঘরের ভিতর চলে যায়।) 
রুবি      : (ঘরে ঢুকে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আকাশের দিকে তাকিয়ে)  (স্বগত) আমি আবার শুরু করবো। আমার স্বপ্নকে কেউ থামাতে পারবে না। Cut to.
দৃশ্য।।২০।। চায়ের দোকান।। ইনডোর
চরিত্র: আসলাম, রাফি 
[ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক চালিয়ে এসে চা চাইবে, মিষ্টি কড়া চা ] 
আসলাম: (গান গাচ্ছে)  যে জন প্রেমের ভাব জানেনা তার সাথে নেই লেনাদেনা, কি ব্যাপার অনেকদিন তো দেখা সাক্ষাত নেই।
রাফি        :  আসলাম ভাই মিষ্টি কড়া করে চা দাও।
আসলাম : মিষ্টি কড়া চা, নেশায় ধরেছে নাকি! প্রেমে ছ্যাকা খেয়েছো? বুঝেছি, আমি বলেছিলাম না আমার মত প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে দেখো কেমন লাগে। 
রাফি      : আসলাম ভাই  আগে চা বানাও তো।( চা নিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়িয়ে চা খেতে থাকে। দূর থেকে দেখে রুবি কলেজের দিকে যাচ্ছে, রুবির এইচএসসি পরীক্ষা চলছে)

দৃশ্য।।২১।।দিন।। রুবিদের বাড়ি ।। ইনডোর
চরিত্র : হাসেম, রুবি, জরিনা 
[ফ্রেমে দেখা যায় হাসেম, রুবি, জরিনা বসে বসে কথা বলছে]
রুবি    : পরীক্ষাগুলো তো সে অনেক সুন্দর ভাবে  দিয়েছি এবারও আমি গোল্ডেন এ প্লাস পাব। আব্বা আমি  মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করবো তুমি কোন চিন্তা করো না আমি একটা টিউশনি পেয়েছি ঐ টাকা দিয়ে আমি কোচিং এর ফী দিতে পারব।
হাসেম  : মারে তোর চোখে আমি যে  আগুন দেখছি। এই আগুনে অঙ্গার হয়ে তুই ঠিকই ডাক্তার হবি। 
রুবি     : আমি হারতে চাই না, আব্বা আমি কালই কোচিং সেন্টারে ভর্তি হব। আমি প্রমাণ করতে চাই, মেয়েরাও বাবা মায়ের এবং নিজের স্বপ্ন স্বপ্ন পূরণ করতে  পারে। 
হাশেম  :  তুই শুধু আমার মেয়ে না, তুই আমার স্বপ্নের পূর্ণতা।
জরিনা   : খিদে পেটে বাপ মেয়ে শুধু স্বপ্ন দেখলে হবে না পেটে তো কিছু দিতে হবে না হলে স্বপ্ন দুর্বল হয়ে যাবে। (মায়ের কথা শুনে বাপ মেয়ে হেসে ওঠে) Cut to 

দৃশ্য ।।২২ ।। দিন।।রাফিদের বাড়ি।। ইনডোর
চরিত্র:  মহিউদ্দিন,  মিলি
[ফ্রেমে দেখা যায়, মহিউদ্দিন পেপার পড়ছে একটি নিউজে তার চোখ আটকে যায়] 
মহিউদ্দিন: আজকাল পত্রিকায় কি সব লেখে মনে হয় মনগড়া সংস্থা নিউজ, ভুল ধর্ষণ ছাড়া কোন কথাই নেই এক্সিডেন্ট ভালো কোন নিউজ নেই। 
একি রিক্সাওয়ালার মেয়ে ডাক্তারিতে চান্স। দেখে তো ভালো করে পড়ে দেখি। এটা দেখছি রাফি যে মেয়েটাকে বিয়ে করেছিল সে।রাফির মা এদিকে এসো।
মিলি     : কি ব্যাপার এত ধৈর্য্যর করে ডাকছো কেন?
মহিউদ্দিন : এই দেখো পত্রিকাটা ভালো করে দেখো কি লিখেছে রিক্সাওয়ালার মেয়ে ডাক্তারিতে চান্স পেয়েছে।
মিলি    : হতেই পারে এ আবার কি গোবরের পদ্মফুল। 
মহিউদ্দিন : লোকে বলে মেয়ে মানুষের বুদ্ধি কম ভালো করে পড়েছ ওখানে আসলে রিক্সাওয়ালার মেয়েটা কে? ও সেই মেয়ে রাফির বউ! আমাদের  উঁচু মুখে সিরিজ কাগজ দিয়ে ঘষে ভোতা করে দিলো। 
মিলি     : নাউ হয়েছে কেবলিতো চান্স পেয়েছে পাশ করে বের হোক তারপর বোঝা যাবে! দিল্লি বহুদূর। চা করে দিচ্ছি চা খাও মাথা ঠান্ডা করো ওসব ভেবে লাভ নেই। (মিলি কিচেনের দিকে চলে গেল মহিউদ্দিন পেপারের দিকে চোখ রাখল)

দৃশ্য।।২৩।।দিন।। রুবিদের বাড়ি ।। ইনডোর
চরিত্র : হাসেম, রুবি, জরিনা 
[রুবির মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে যাচ্ছে হাসেম আলী তাকে পৌঁছে দিতে চায়]  
হাসেম    :  মা তোকে এগিয়ে দিয়ে আসি 
রুবি     :  আব্বা, তুমি বিশ্রাম নাও। আমি নিজেই যেতে পারবো । আজ আমার যুদ্ধ বিজয়ের দিন।  আমি ডাক্তার হতে যাচ্ছি!
হাশেম   : (কাঁদতে কাঁদতে  জড়িয়ে ধরে)   তুই শুধু আমার মেয়ে না, তুই আমার স্বপ্নের কান্ডারি।
রুবি   : আব্বা তুমি টাকার জন্য চিন্তা করোনা আমার কানের দুলটা বন্ধক রেখেছি। সেই টাকা দিয়ে ভর্তি হব। 
হাসেম   : আমিও গ্রামের জমি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তুই যা সমস্যা নেই টাকা লাগলে আমাকে বলিস পাঠিয়ে দেবো। 

জরিনা : সাবধানে যাস মা তুই আমাকে ভুল বুঝিস না অভাব অনটনের সংসারে অতিষ্ঠ হয়ে তোকে অনেক সময় অনেক কথা বলেছি আমাকে ক্ষমা করে দিস। সত্যিই অসম্ভবকে সম্ভব করেচিছ!(রুবি একটা রিক্সা ডেকে উঠেপড়ে) Cut to 

দৃশ্য  ।।২৪।। দিন।।রাফিদের বাড়ি।। ইনডোর
চরিত্র:  রাফি
[ফ্রেমে দেখা যায় সে একটা ট্যাবলেটের পাতা থেকে বেশ কয়েকটি ট্যাবলেট খায়]
রাফি    : রুবি  আমি একটা প্রতারক,  আমার কথা রাখতে পারিনি , তোমার প্রতি অন্যায় করেছি। তুমি দেখিয়ে দিয়েছো, মানুষের ইচ্ছা শক্তি থাকলে সে অনেক কিছু করতে পারে। তোমাকে আঘাত দেওয়ার কষ্ট ভুলতে  এখন নেশার মধ্যে ডুবে থাকি। (নেশায় বুঁদ হয়ে যায়) Cut to 

 দৃশ্য ।। ২৫।।দিন ।। বাড়ির সামনে ।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম, মিরাজ, রহিম 
[হাসেম আলী রিক্সার হ্যান্ডেলে হাত রাখেন, কিন্তু শরীর কাঁপে, পা টলে যায়] 
হাশেম   : ( স্বগত ) এই চাকা তো আর ঘুরে না... শরীরও সায়  দেয় না। কিন্তু ঘরের ভাড়া, রিক্সার মালিকের ভাড়া —সবই তো চাই...হাশেম আলী তুমি এখন বৃদ্ধ। শরীর আর রিক্সা টানতে পারে না। মেয়েটা মেডিকেলে  পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত,। রিক্সার মালিক ও ঘরের মালিক চাপ দিচ্ছে। সমাজের মানুষ  তাচ্ছিল্য করে।

মিরাজ : ( চিৎকার করে)   বৃদ্ধ হয়ে গেছো, রিক্সা চালাতে পারো না, তবু রিক্সা নিয়ে বের হও কেন ? রিক্সার ভাড়া দিতে না পারলে কাল থেকে রিক্সা বন্ধ!&quot;
(ঘরের মালিক দরজায় এসে দাঁড়ায়)  
রহিম   : এই মাসের ভাড়া কোথায়? না দিলে ঘর ছাড়তে হবে!(হাসেম চুপচাপ মাথা নিচু করে, চোখে জল) শুনেছি তোমার  মেয়ে  ডাক্তার হয়েছে, তাও বাবাকে দেখছে না!&quot; 

  intercart
[রুবি মেডিকেল কলেজ থেকে ছুটি নিয়ে ফিরে এসেছে। বাবার দুর্দশা দেখে সে ভেঙে পড়ে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়—এবার সে বাবার জন্য দাঁড়াবে।]

মিরাজ  : তোমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে এখন বিশ্রামের পালা, ডাক্তার মেয়েটা তোমাকে  দেখছে না কেন!

(হঠাৎ রুবি এসে দাঁড়ায়, মেডিকেল ইউনিফর্মে, চোখে জল)  
রুবি     :  কে বলেছে আমি বাবাকে দেখি না? এই মানুষটার ঘামেই আমি আজ ডাক্তারি পাশ করবো। 
হাসেম   : (কাঁপা গলায় হাশেম আলী তাকিয়ে দেখে, রুবি সামনে দাঁড়িয়ে) &quot;তুই... তুই এসেছিস মা ?&quot;
রুবি   : (বাবাকে জড়িয়ে ধরে):  আমি এসেছি, আব্বা এবার আমি দায়িত্ব  নেবে  জীবন সংসারের । আপনি এখন থেকে ফুল রেস্ট।
(ঘরের মালিক ও রিক্সার মালিক সামনে এসে দাঁড়ায়)  
রহিম      :  ভাড়া তো এখনো বাকি... 
রুবি    : (চোখে দৃঢ়তা) আমাকে কিছু দিন সময় দিন সব মিটিয়ে দেবো। এখন থেকে আমার বাবার কোনো অভাব থাকবে না।
মিরাজ    : এই মেয়েটা সত্যিই আলাদা। বাবার জীবনটাই পাল্টে দিলো । ঠিক আছে মা তুমি ডাক্তার হলে  আমাদেরই গর্ব।
রহিম    : হাসেম ভাই তোমাকে অনেক বেশি কথা বলেছি  কিছু মনে করো না কেন অর্থের প্রয়োজন সবারই আছে। তোমার মত মেয়ে ঘরে ঘরে জন্ম হোক। (মিরাজ ও রহিম চলে যায়)  
রুবি    : আমার ইন্টানী চলছে ওটা শেষ হলে আমি হয়ে যাব একজন ডাক্তার। আমরা নতুন একটা ফ্লাট নেব সেখানে আমরা সবাই মিলে থাকবো।
হাসেম    : রুবির মা  রুবির মা কই গেলে দেখো কে এসেছে? দেখো আমাদের বাড়িতে ডাক্তার এসেছে। (জরিনা ঘর থেকে বের হয়ে আসে রুবি মাকে জড়িয়ে ধরে) freeze. 

                    ।। The End ।।/25/08/2025</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246792/</link>
				<pubDate>Tue, 05 May 2026 07:20:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাটক: মেঘ রোদ্দুর ( ২য় পর্ব)<br />
রচনা: আবুল হাসান তুহিন<br />
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)</p>
<p>দৃশ্য ।। ১৫।। দিন  ।। কিচেন  ।। ইনডোর<br />
চরিত্র: রাফি, রুবি, মিলি<br />
[ ফ্রেমে দেখা যায় রুবি রান্নাঘরে কাজে সাহায্য করতে চায়, শাশুড়ি মিলি তাকে থামিয়ে দেয়]<br />
রুবি      : মা আপনি বিশ্রাম নিন। আমি রান্না যা বাকি আছে আমি করছি।<br />
মিলি      : তুমি কিচেনে কেন এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246792"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246792/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">335dd09c7a482c37f66c00e670f399ec</guid>
				<title>নাটক:মেঘ রোদ্দুর (প্রথম পর্ব)

রচনা : আবুল হাসান তুহিন 

কাহিনী সংক্ষেপ: হাশেম আলী, একজন বৃদ্ধ রিক্সাওয়ালা। শহরের রোদে-ঘামে দিন কাটে তার, কিন্তু তার চোখে একটাই স্বপ্ন—মেয়ে রুবিকে মানুষ করা। রুবি তার একমাত্র সন্তান, যার চোখে জ্বলজ্বলে আগুন, যার বইয়ের পাতায় ভবিষ্যতের ছায়া। হাশেম আলী রিক্সা চালিয়ে, কষ্ট করে, মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করান। পাড়ার লোকজন হাসে, বলে “রিক্সাওয়ালার মেয়ে কি আর ডাক্তার হবে?” কিন্তু তিনি চুপচাপ স্বপ্ন বুনে যান।রুবি পড়াশোনায় অসাধারণ। স্কুলে GPA 5 পায়, শিক্ষকরা প্রশংসা করে, পাড়ার লোকজন অবাক। সেই আলো ছড়িয়ে পড়ে কলেজে, যেখানে এক সুদর্শন ছেলে রাফি তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। রুবির সরলতা, মেধা, আর আত্মবিশ্বাসে মুগ্ধ হয়ে রাফি তাকে ভালোবাসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এবং একদিন রাফি তার পরিবারকে রাজি করিয়ে রুবিকে বিয়ে করে।বিয়ের দিন হাশেম আলী চোখে জল নিয়ে মেয়েকে বিদায় দেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির বাস্তবতা ছিল কঠিন। রুবির অতীত, তার স্বপ্ন, তার রিক্সাওয়ালার বাবাকে ঘিরে শুরু হয় অবহেলা। রাফির মা বাবা তাকে তিরস্কার করে, রাফিও ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। একদিন, রুবিকে তালাক দিতে চায় রাফি। ভাঙা হৃদয়ে, কিন্তু আত্মসম্মানে অটল রুবি বাবার কাছে ফিরে আসে।হাশেম আলী তাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “তুই হারিসনি,  তুই ফিরে এসেছিস নিজের কাছে।” রুবি আবার পড়াশোনা শুরু করে, দিন-রাত এক করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। অবশেষে, সে ডাক্তারি চান্স পায়। শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে খবর—রিক্সাওয়ালার মেয়ে ডাক্তার হয়েছে।এদিকে হাশেম আলী বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন। শরীর আর রিক্সা টানতে পারে না। রিক্সার মালিক বকাঝকা করে, ঘরের মালিক ভাড়া চায়। রাস্তায় বসে থাকেন, কেউ রিক্সায় ওঠে না। সমাজ তাকে তাচ্ছিল্য করে। ঠিক তখনই রুবি ফিরে আসে—মেডিকেল ইউনিফর্মে, চোখে দৃঢ়তা।

সে বাবাকে নিয়ে যায় নিজের নতুন ফ্ল্যাটে। বলে, “এই ঘর আপনার, আব্বা। এবার আমি চালাবো আমাদের জীবন।” হাশেম আলী চোখে জল নিয়ে বলেন, “তুই আমার স্বপ্নের পূর্ণতা।”শেষ দৃশ্যে, রুবি একটি ছোট হাসপাতাল খুলেছে—“হাশেম আলী ফ্রি ক্লিনিক”। উদ্বোধনের দিন সে বলে, “এই হাসপাতাল আমার বাবার নামে, যিনি রিক্সা চালিয়ে আমাকে মানুষ করেছেন।” হাশেম আলী হুইলচেয়ারে বসে, মুখে শান্তির হাসি নিয়ে চোখ বন্ধ করেন। রিক্সার চাকা থেমে গেছে ঠিকই, কিন্তু সেই চাকার ঘূর্ণনেই এক জীবন ভাগ্য চাকা এগিয়ে গেছে, এক মেয়ে স্বপ্ন ছুঁয়েছে, আর এক পিতা ইতিহাস হয়ে গেছে।

                 চরিত্র লিপি



১।হাশেম আলী ৬০রিক্সাওয়ালা,রুবির বাবা 
২। রুবি- ২০ হাশেম আলীর মেয়ে,মেধাবী ছাত্রী 
৩।জরিনা -৫০- রুবির মা , সরল সোজা
৪।রাফি- ২৫ উচ্চবিত্ত , রুবির প্রেমিক ও স্বামী
৫। মিলি- ৪০ গৃহিণী, রাফির মা,অহংকারী
৬। রহিম -৪০- ঘর  মালিক , রুক্ষ, 
৭। মিরাজ -৩৫ রিক্সার মালিক 
৮। মহিউদ্দিন- ৫০রাফি বাবা &#124; কঠোর, 
৯। আসলাম- ৪৫ চা বিক্রেতা, সহানুভূতিশীল
১০। প্যাসেঞ্জার-১
১১। প্যাসেঞ্জার-২


দৃশ্য  :০১।। দিন।। রাস্তার মোড়ে।। আউটডোর 
চরিত্র: হাশেম
[ফ্রেমে দেখা যায় শহরের রাস্তায় হাশেম আলী রিক্সা চালিয়ে ফিরছে, বেশ গরম পড়ায় ঘামে ভেজা শরীর, মুখে ক্লান্তি, কিন্তু চোখে স্বপ্ন]
হাশেম ‌‌    : ( স্বগত):  
আজ প্যাসেঞ্জার ভালোই ছিল।দশটা ভালো ভাড়া টেনেছি।  রুবির পরীক্ষার ফি দেয়ার কথা মেয়েটা আমার লেখাপড়ায় ভালো কষ্ট হলেও লেখাপড়া খরচ আমার চালিয়ে যেতে হবে। ওর চোখে যে আলো, সেটা আমি হারাতে পারবো না। আজ যা  গরম পড়েছে শরীরে কুলোই উঠতি পারছি না, যাই বাড়ির দিকে যাই বিকেল বেলা আবার বের হব রিক্সা নিয়ে, রিক্সার মালিকের ভাড়াতো দিতে হবে।
(হাসেম আলী রিক্সা চালিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দেয়, রিকশা আস্তে আস্তে বেশ দূর পর্যন্ত চলে যাবে ) cut to 

দৃশ্য  :০২-ক।। দিন।। চায়ের দোকন।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, আসলাম 
[ফ্রেমে দেখা যায় রাফি মোটরসাইকেল নিয়ে তার দোকানের সামনে এসে দাঁড়াবে এবং চায়ের অর্ডার করবে, ওই পথ দিয়ে রুবি যাবে]
আসলাম : (আসলাম চিরকুমার চা বানাচ্ছে আর গান করছে) “প্রেম একবার এসেছিল জীবনে”
রাফি       : (রাফি মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে থামবে এবং চায়ের অর্ডার করবে) আসলাম ভাই,  তোমার মনে এখনো যে রং  আছে। এক কাপ চা দাও মালাইচা।
আসলাম  : এ কথা আর বলতে প্রেম তো করনি , প্রেম যে করেছে সেই মরেছে। আর যারা দাগা খেয়েছে সেই বোঝে। যাক সে কথা তুমি যেন কি চা বললে? 
রাফি       : এক কাপ মালাই চা। জলদি দাও । দেরি করলে লাইন কেটে যাবে।
আসলাম : দিচ্ছি।  মনে হচ্ছে খোকা বাবু লাভ লাইনে পড়েছে। চালিয়ে যাও। &quot;এক বুক জ্বালা নিয়ে, বন্ধু তুমি / কেন একা বয়ে বেড়াও”( গান  গাইবে চা বানাবে এবং রাফিকে  দেবে) 
রাফি      : (চা খাবে এবং রাস্তার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে নজর রাখবে inter cut রুবি  দূর থেকে আসবে) 
আসলাম ভাই, টাকা এসে দিচ্ছি। 
আসলাম : এগিয়ে যাও, লেট করলি দেরি হয়ে যাবে।(রাফি বাইক স্টার্ট দেবে এগিয়ে যায়)cut to 
## #intercart: হাসেম আলী রিকসা চালিয়ে যাচ্ছে।
দৃশ্য  :০২-খ।। দিন।। চায়ের দোকন।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ফ্রেমে দেখা যায় রুবি  হেঁটে আসছে , রাফি মটর সাইকেল চালিয়ে তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলবে]
রাফি   :  বাইকের  পিছনে উঠো , তোমার সাথে জরুরি কথা আছে।
রূবি    : বাইকে উঠতে হবে না, যা বলার এখানে বলেন।
রাফি   : এ ভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বললে খারাপ দেখায়। বাইকে ওঠো, কথা শেষে তোমার বাড়ির সামনে নামিয়ে দেব।
রুবি    : আপনার সাথে বাইকের পিছনে উঠলেও তো খারাপ দেখাবে। তাছাড়া —-।
রাফি   : আহা অযথা কথা বাড়িয়ে কি লাভ! ঝটপট বাইকে উঠো। প্লিজ লক্ষ্মী মেয়ের মতো বাইকে উঠো। ( রুবি বাইকে উঠে, রাফি বাইক চালিয়ে এগিয়ে যায়)
## intercart: হাসেম আলী রিক্সা চালিয়ে যাচ্ছে।

দৃশ্য  :০২-খ।। দিন।। চায়ের দোকন।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক চালিয়ে আসে পিছনে রুবি, বাইক থেকে নেমে ওরা কথোপকথন শুরু করে mute shot]
রুবি  : দেখুন আপনার সব কথা আমি শুনলাম আমার পারিবারিক অবস্থা সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। আপনার আমার মাঝে ব্যবধানটা অনেক। তাছাড়া আমি লেখাপড়া শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াবো। 
রাফি  : শোনো আমি সবকিছু জেনে বুঝে তারপর অগ্রসর হয়েছি তুমি লেখাপড়া শিখবে ভালো কথা তোমার সব ইচ্ছা আমি পূরণ করে দেব কোন সমস্যা হবে না। 
রুবি   :  আপনি বলেছেন আমি ভেবে দেখব তবে আপাতত একটা অনুরোধ আমার সামনে পরীক্ষা এর ভেতর আপনি আমাকে ডিস্টার্ব করবেন না প্লিজ। এখন আমাকে যেতে হবে (রবি সামনের দিকে এগিয়ে যায় রাফি ওকে থামাই)
রাফি   : ওকে তুমি যা বলেছ তাই হবে কিন্তু তোমাকে পৌঁছে দেই। প্লিজ রাগ করো না। কি হলো বাইকে ওঠো। (জোর করে বাইকে উঠিয়ে নেয়) Cut to 

দৃশ্য  :০৩।। দিন।। বাড়ির সামনে।। আউটডোর 
চরিত্র: হাশেম, রুবি, জরিনা 
[হাসেম আলী রিক্সা রেখে ঘরের সামনে এসে রুবিকে দেখে, সে স্কুলের ইউনিফর্ম পরে দাঁড়িয়ে আছে]

রুবি      : আব্বা, তুমি আজ সকাল সকাল বাড়িতে চলে আসলে যে, তোমার শরীর খারাপ হয়নি তো! আমার  ফরম ফিলাপের ফি  দিতে হবে।

হাশেম     :  (হাসি মুখে)  আজ সকাল থেকে ভালো প্যাসেঞ্জার ছিল বেশ কয়েকটা ভালো ভাড়া পেয়েছি। পরীক্ষার ফি টাকা জোগাড় হয়ে গেছে তাই চলে আসলাম। তুই তো আমার স্বপ্ন। তুই পড়বি, বড় হবি, এই রিক্সার চাকায় বদলে যাবে  ভাগ্যের চাকা।

জরিনা  : (একটু উপহাস করে)  বাপ মেয়ের যত সব আদিখ্যেতা, রিক্সাওয়ালার মেয়ে আবার ডাক্তার হয় নাকি? দিবা স্বপ্ন, মেট্রিক পাশ করলেই দেখে শুনে একটা বিয়ে দিয়ে দাও! ঝামেলার চুকে যাবে । এই তুই যা স্কুলের ড্রেসটা খোল আর তুমি হাত মুখ ধুয়ে  আসো খবার বেড়ে দিচ্ছি। (জরিনা গজ গজ  করতে করতে ঘরের ভেতর চলে যায়)

হাসেম : ( চুপ থাকে, চোখে জল আসে, কিন্তু মুখে হাসি ধরে রাখে)  শোন মা তোর মায়ের কোথায় মন খারাপ করিস নে তুই লেখাপড়া ভালো, আমার যতক্ষণ পর্যন্ত সাধ্য আছে তোকে লেখাপড়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব কোন চিন্তা করিস না যা, স্কুলের জামা পাল্টে ফেল। (রুবি ঘরেরভেতরে চলে যায়, হাশেম গামছায় মুখ মুছতে মুছতে হাত মুখ ধোয়ার জন্য সামনের দিকে যায়) cut to 

 দৃশ্য ।। ০৪।। দিন।।রাফিদের বাড়ি।। ইনডোর
চরিত্র: রাফি, মহিউদ্দিন,  মিলি
[সবাই ডাইনিং টেবিলে বসে চা নাস্তা খাচ্ছে]
মহিউদ্দিন: (বিস্ময় ভাবে) আজ সূর্য কোথা থেকে উঠেছে!  সারাদিন কোথায় থাকো কি কর তোমার তো দেখা সাক্ষাৎ পাওয়া যায় না!  ভাগ্যক্রমে তোমাকে নাস্তার টেবিলে পেয়ে গেলাম ব্যাপারটা কি?
রাফি      : না তেমন কিছু নয় আব্বু  এক জায়গায় যেতে হবে তাই সকাল সকাল উঠেছি। 
মহিউদ্দিন: পড়াশোনাটাও তো ঠিকমতো শেষ করতে পারলে না! কি করবে সেটাও বললে না ! এভাবে কতদিন পার করবে শুনি? 
রাফি     : তুমি তো আছো,  তুমি থাকতে আমার কিসের চিন্তা? 
মিলি      : ওর সাথে এত কথা না বলে ঘাড়ের পরে একটা জোয়াল উঠিয়ে দাও। দেখবে সুরসুর করে সোজা হয়ে গেছে। 
রাফি      : ঘাড়ের উপর জোয়াল কি মা?
মিলি    : নাও তোমার আদরের ছেলেরে এবার বুঝিয়ে দাও জোয়াল কি? 
মহিউদ্দিন: (একটু হেসে) আসলে তোর মা বলতে চাচ্ছে জোয়াল হচ্ছে দায়িত্ব‌ ।  গরু দিয়ে যখন লাঙ্গল চাষে তার ঘাড়ের পরে দেখিস না বাঁশ দিয়ে আটকে রাখে । এর মানে এটা হচ্ছে তার ঘাড়ের উপর  বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। 
রাফি    : এত ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে সরাসরি বললে তো হয়।
মিলি     : আমি বলেছি দেখে শুনে একটা বিয়ে দিয়ে দাও। আর একটা ব্যবসা ধরিয়ে দাও । ব্যাস ।
মহিউদ্দিন: বুঝতে পেরেছি মাঝে মাঝে দায়িত্ব  চাপিয়ে দিতে হয়। নাহলে নিজের স্বইচ্ছাই কেউ দায়িত্ব নেয় না।
রাফি      : (লজ্জা পেয়ে বেরিয়ে যায়) আমি বেরচ্ছি।
মিলি       :  ছেলে মনে হয় লজ্জা পেয়েছে।
মহিউদ্দিন: আমিও বের হচ্ছি। 
মিলি       : সাবধানে যেও।যেটা বললাম মাথায় রেখো। (মহিউদ্দিন বেরিয়ে যাবে) Cut to

দৃশ্য ।। ০৫।।দিন।। নির্জন স্থান।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম আলী, কয়েকজন 
[ফ্রেমে দেখা যায় হাসেম আলী রিক্সা নিয়ে বসে আছে কোন প্যাসেঞ্জার পাচ্ছে না]
হাসেম   : (স্বগত) মেয়েটা অনেক রাত পর্যন্ত লেখা পড়া করে তারে  ভালোমন্দ কিছু খেতে দেবো! কিন্তু টাকা পয়সা না হলে কোথা থেকে দেবো! এদিকে গত মাসের ঘর ভাড়া এখনো বাকি। বাড়িওয়ালা বারবার তাগাদা দেচ্ছে। এখন আমার রিক্সায়  সচরাচার কেউ উঠতে চায় না। (একজন প্যাসেঞ্জার আসে)
প্যাসেঞ্জারে-১ :  এই রিক্সা কি আপনার? কিছু মালামাল নিতে হবে। 
হাসেম        :  হ্যাঁ আমার, কোথায় কোথায় যেতে হবে? 
প্যাসেঞ্জারে-১: না থাক আপনিও মালামাল উঠানামা করতে পারবেন না। (অন্য একটা রিকশা ডেকে নিয়ে চলে যায়)
হাসেম         :  (আর একজন প্যাসেঞ্জার আসে) 
ভাই কোথায় যাবেন? আমার রিক্সায় আসেন ।

প্যাসেঞ্জারে-২: না আপনার রিক্সায় যাওয়া যাবে না বৃদ্ধ মানুষ। তাল সামলাতে পারবেন না কোথায় এক্সিডেন্ট করবেন তার ঠিক নেই, আমি অন্য রিক্সায় যাচ্ছি।
হাসেম        : (স্বগত)  বয়স হলে সবাই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। (হতাশায় চেয়ে থাকে) Cut to 

দৃশ্য ।। ০৬।।দিন।। রাস্তার মোড়।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রুবি পাশ কাটিয়ে চলে যায় , দুজনের শুধু চোখাচোখি হয়ে। কারণ ডিস্টার্ব করতে মানা]

দৃশ্য ।। ০৭।।দিন।। বাড়ির উঠান ।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম , রহিম
[রহিম ঘর ভাড়ার জন্য আসবে  বকাবকি করবে]
রহিম   : হাসেম ভাই আছো নাকি?
হাসেম  : কে ? (বাইরে এসে) ও আপনি? কই একটা চেয়ার দাও , রহিম ভাই এসেছে।
রহিম    : না বসতে আসিনি? দুই মাসের ঘর ভাড়া বাকি, টাকা দেন। আমি চলে যাই।
হাসেম   : কি করবো ভাই একটু বেকায়দায় পড়িছি, কয়েক দিন পরে দিয়ে দেবো।
রহিম    : আপনি মুরুব্বি মানুষ বেশি কথা বলতে পারব না দুই-একদিনের মধ্যে ঘর ভাড়া দিয়ে দেবেন আমারও তো চলতে হয়। 
হাসেম   : রাগ করবেন না ভাই আপনি না দেখলে দেখবে কে? শহরে আসার পর থেকেই  তো আপনাদের এখানে থাকি। সেই যে আপনার আব্বা বেঁচে থাকতে এসেছি। 
রহিম    : সে তো সব জানি কিন্তু কি করবো বলেন?
টাকাটা দেওয়ার চেষ্টা করেন আমি এখন আসি। 
(হাশেম অসহায়ের মত তাকিয়ে থাকে রহিম চলে যায়) cut to 

দৃশ্য ।। ০৮।।রাত।। রুম ।।ইনডোর 
চরিত্র: রাফি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বসে বসে ভাবছে]
রাফি    : (স্বগত) আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। রুবি নিশ্চয়ই ভালো ফলাফল করবে। রুবি খুব মেধাবী, ও চায় ওর স্বপ্ন পূরণ করতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে। আর আমি চাই ওকে একান্ত করে কাছে পেতে।  বিয়ে করে ঘরে আনতে। কিন্তু আমার বাবা-মা ওকে মেনে নেবে? আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যত বাঁধা বিপত্তি থাকুক না কেন আমি ওকে বিয়ে করবই। (Cut to)

দৃশ্য ।। ০৯।।দিন ।। বাড়ি ।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম, রুবি, জরিনা 
[ ফ্রেমে দেখা রুবি খুশিতে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করবে]
রুবি     : মা আব্বা তোমরা কোথায়? (হাসেম জরিনা ঘর থেকে বেরিয়ে) 
হাসেম   :  এই যে মা আমরা আছি। 
জরিনা :  কি পাশ করছিস।
রুবি      : কি বলছো মা শুধু কি পাস জিপিএ ৫ পেয়েছি আমি। 
জরিনা  : জিপি ফাইভ সে আবার কি রে বাবা? আগে আমরা জানতাম ফাস্ট ডিভিশন সেকেন্ড ডিভিশন পায় কি সব ফাইভ বলছিস তুই।
রুবি     : মা তুমি অতসব বুঝবে না এখন রেজাল্ট এভাবেই হয়। 
হাসেম  : তুই আমার মুখ উজ্জ্বল করেছিস রে মা। 
আজ আমি সত্যিই  নিজেকে একজন গর্বিত পিতা বলে মনে হচ্ছে। কত কষ্ট বুকের মধ্যে চাপা ছিল সেই কষ্টটা তুই আজ ভুলিয়ে দিলিরে মা ভুলিয়ে দিলি। (আনন্দে কাঁদবে)
রুবি    : ভুলে যাও আব্বা তোমার পিছনে যত কষ্ট আছে। আমি তোমার মুখ উজ্জ্বল করবো দেখে নিও আমি ডাক্তার হব।
জরিনা : গরিবের আবার ঘোড়ার রোগ একজনের মানুষ করে জমি জায়গা বেঁচে বিদেশে পাঠিয়েছে তার কোন খোঁজ নেই কোথায় কোন বড় লোকের মেয়ের বিয়ে করে ঘর সংসার করছে এখন আমাদেরকে চেনেই না আর একজন ডাক্তার হবে!
হাসেম  : হ্যাঁ একটু থামোই না মেয়েটার  খুশির সংবাদ  তাকে না হয় উৎসাহ দেবে তা না তুমি  ভর্ৎসনা না করছো এটা ঠিক না। আমি বিকেলে মিষ্টি কিনে এনে পাড়া প্রতিবেশীদের সবাইরে খাওয়াবো।
জরিনা  : গ্রামে বাকি যে জমিটুকু আছে সেগুলো বেঁচে আনো মেয়েকে ডাক্তার বানাও কোন কোন বড় লোকের ছেলের হাত ধরে চলে যাবে।আর আমাদের  না খেয়ে মরতে হবে দেখে নিও। (গজ গজ করতে করতে ঘরের মধ্যে চলে যায়, বাপ মেয়ে দুজনে হেসে ওঠে, হাসেম মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে সান্ত্বনা দেয়)
হাসেম  : তুই আমার আলো। তোর আলোতেই আমার অন্ধকার ঘরটা আজ আলোকিত। যা মা  হাত মুখ ধুয়ে  আয় আজ একসাথে বসে খাবো।       ( দুজনে হাত মুখ ধুতে চলে যায়) 
      Cut to
দৃশ্য ।। ১০।।রাত।। রুম ।।ইনডোর 
চরিত্র: রাফি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বসে বসে ভাবছে]
রাফি    :( স্বগত)  আগামীকাল রুবির সাথে দেখা করব আমার ফাইনাল ডিসিশনটা জানিয়ে দেবো। 
ও লেখাপড়া করছে করুক তাতে কোন সমস্যা নেই আমরা বিয়েটা করে রাখবো এবং আমি ওর লেখাপড়া করার সহযোগিতা করব। 
                 Cut to
দৃশ্য ।। ১১।।দিন ।। রাস্তার মোড়।।আউডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক থামিয়ে অপেক্ষা করছে, রুবি দূর থেকে হেঁটে আসছে] 
রাফি  :  কেমন আছো আমার হৃদয়ের রাণী, পরীক্ষার রেজাল্ট বের হলো, কলেজে ভর্তি হলে, এবার শর্তটা উইথড্র (Withdraw) করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। আমার আজ্ঞা মঞ্জুর করুন। 
রুবি    : এখনো আরো ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে অবুঝ যুবক। 
রাফি   : তা হয়না, মহারানী , আমার প্রেম জোয়ারে,
দোলা লেগেছে, সেই জোয়ারে ভাসিয়ে দেবো ময়ূরপঙ্খী নাউ, তুমি দাও সাঁড়া দাও।
রুবি    :  সাঁড়া না হয় দিলাম কিন্তু ময়ূরপঙ্খী নাউয়ে এখন উঠার সময় হয়নি যুবক। তোমার খেয়ালি মনে এটা শুধু আবেগের দোলা, শান্ত হও , হয়েও না উতলা। আমিতো আছি তোমার প্রেমের প্রদীপ হাতে। অন্ধকারের যাত্রাপথের বাঁধা পেরিয়ে তবেই তো আমি আসবো।
রাফি    : শোন এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে সব কথা বলা যায় না, চলো আমরা একটা রেস্টুরেন্টে যাই, আজকে তোমাকে মিষ্টিমুখ করাবো। তারপর ফাইনাল ডিসিশনটা জানাবো। বাইকে ওঠো। এত দ্বিধা কেন ?ওঠো। (রুবি বাইকে ওঠে, বাইক নিমিষেই দূরে চলে যায়)

দৃশ্য ।।১২ ।। দিন।।রাফিদের বাড়ি।। ইনডোর
চরিত্র: রাফি, মহিউদ্দিন,  মিলি
[সবাই ডাইনিং টেবিলে বসে চা নাস্তা খাচ্ছে]
মহিউদ্দিন :  কি ব্যাপার রাফি চারিদিকে তোমাকে নিয়ে কানাঘুষা শুনছি! বিষয়টা কি?
রাফি        : যা শুনেছো বিষয়টা সত্যি। আমি আর রুবি কোট মেরেজ করেছি।
মহিউদ্দিন : জাতপাত না দেখে এমন একটা কাজ করতে পারলে। এখন মানসম্মান নিয়ে টানাটানি।
রাফি        : সবদিক দিয়ে সবাই হানডেট পারসেন হয়না আব্বু। মেয়েটির দেখতে সুন্দর, সেই সাথে অত্যন্ত মেধাবী, একটু সাপোর্ট করলে অনেক দূর এগুতে পারবে।
মহিউদ্দিন : তুমি আবেগ এই ঘটনা ঘটিয়েছো, মোহ কেটে গেল, তখন আফসোস করবে।
মিলি        : কোথাকার কোন মেয়ে কে জানে শেষে পচা শামুকে পা কাটলে। এর খেসারত তিলে তিলে দিতে হবে।
রাফি      :  মা রুবি অনেক ভালো মেয়ে। তোমার পছন্দ হবে।
মহিউদ্দিন: ঘটনা যখন ঘটিয়ে ফেলেছো, বাড়িতে নিয়ে এসো। এখন ঘরে বসে থাকলে চলবে না কিছু তো করতে হবে।
রাফি     : রুবির  ইচ্ছা ডাক্তারী পড়া । ওকে ডাক্তারী পড়িয়ে আমি একটা প্রাইভেট হাসপাতাল তৈরি করব। সেখানে দুজন মিলে হাসপাতাল  পরিচালনা করবো।
মিলি    : গাছে কাঁঠাল আর গোঁফে তেল দিলে তো চলবে না আগে ঘরে তুলে আনো দেখি কোন বংশের মেয়ে কি স্ট্যাটাস তার পর দেখা যাবে। 
রাফি     : কালকে রুবিকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসবো। 
মহিউদ্দিন: আমি কোন আনুষ্ঠানিকতা করতে পারবো না তুমি নিজের মতো করেছো নিজের মত সব ব্যবস্থা করবে যাও। (রাফি বেরিয়ে যায়)
                Cut to 
দৃশ্য ।। ১৩।।দিন ।। রুমিদের বাড়ি ।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি, হাসেম, জরিনা 
[ ফ্রেমে দেখা যায়, একটি প্রাইভেট কার থেকে রাফি নামবে,  হাসেম একটি চেয়ারে বসে আছে, রাফি বাড়ির ভেতর আসবে সে রুবিকে নিতে এসেছে]
রাফি       : আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন?
হাসেম     : আলাইকুম সালাম, আলহামদুলিল্লাহ। রুবি মা এই দিকে আয় । দেখ কে এসেছে।
রুবি       : আসছি আব্বা।
হাসেম    : একটা চেয়ার আন,  ছেলেটাকে  বসতে দে। (রুবি একটা চেয়ার নিয়ে বাইরে আসে, হতভম্ব হয়ে যায়) 
রুবি       : কি ব্যাপার আপনি? মানে তুমি! 
রাফি      : তোমাকে নিতে এসেছি। বাড়িতে জানাজানি হয়ে গেছে। আব্বা মা তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন।
রুবি        : তা কি করে হয়। তাছাড়া আব্বা মাকে এ ভাবে ফেলে রেখে কিভাবে যাবো।
হাসেম     : ছেলেটা কি সব বলছে?
রুবি        : আব্বা আমরা একটা ভুল করে ফেলেছি, আমি আর ও কোর্ট ম্যারেজ করেছি।
হাসেম     : এত বড় একটা কথা গোপন করলি মা!
রুবি       :  (কাছে এসে):  আব্বা আমি জানি তুমি কষ্ট পেয়েছো। আমাদের ক্ষমা করে দাও ,  রাফি আমাকে সম্মান করে, ভালোবাসে। আমিও ওকে ভালোবেসে ফেলেছি। আমি ওর সঙ্গে সুখী হবো।
হাসেম     :  (চোখে জল)তুই সুখী হলেই আমার জীবন সার্থক। কিন্তু মনে রাখিস, নিজের স্বপ্নকে কখনো হারিয়ে ফেলিস না।
জরিনা    :  আমি বলেছিলাম না এই যে কষ্ট করে লেখা পড়া শিখাচ্ছো, একদিন বড় লোকের ছেলের হাত ধরে চলে যাবে। সত্যি হলো তো।
রুবি       : মা আমাকে ভুল বুঝোনা। তোমরা কথা বলো আমি ব্যাগ গুছিয়ে আনি। (ঘরের ভিতরে যায়)
রাফি     : আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন,
জরিনা  :  সন্তানের জন্য সব বাবা মা দোয়া করে।
আমার মেয়েটাকে দেখে শুনে রেখো বাবা।
(রুবি ব্যাগ নিয়ে বাইরে আসে) 
রাফি   : আমার উপর ভরসা রাখবেন। চলো রুবি। 
হাসেম   :(মেয়েকে বিদায় দিচ্ছেন) জীবনের তাগিদে রিক্সার চাকা অনেক দূর ঘুরিয়েছি, শুধু তোর জন্য। আজ তুই নিজের পথে হাঁটবি। আমি জানি, তুই হারবি না।&quot;
রুবি     :(রুবি কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে জড়িয়ে ধরে) আব্বা  তুমি আমার সবকিছু। আমি যতদুর থাকি না বাপ মেয়ের ভালোবাসা কখনো মলিন হবে না। মা আমার জন্য দোয়া করো। (বিদায় নিয়ে বাড়ির পাশে রাখা প্রাইভেট কারে উঠে, রাফি স্টার্ট দেয়। গাড়ি গাড়ি  দূরে মিলিয়ে যায়, হাসেম এবং জরিনা এক দুশ্চিন্ত চেয়ে থাকে) Cut to 

দৃশ্য ।। ১৪।। রাত  ।। রাফির রুম ।। ইনডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি, 
[ ফ্রেমে দেখা যায় চিন্তা মগ্ন ভাবে রুবি বসে আছে রাফি রুমে ঢুকে কথা বলবে]
রাফি     : কি ভাবছো? আমার বাবা-মায়ের কথায় কষ্ট পেওনা। আমরা যেহেতু নিজেরা বিয়ে করেছি কড়া কথা বলতে পারে। তোমার অতীত আমার গর্ব। তুমি শুধু আমার স্ত্রী না, তুমি আমার অনুপ্রেরণা।
রুবি    : (নিচু স্বরে) না তেমন কিছু মনে করিনি। 
রাফি   :   রাত অনেক হয়েছে। চলো ডিনার করে আসি। (দুজনে ডিনার করতে বেরিয়ে যায়) Cut to 


চলবে ----</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246790/</link>
				<pubDate>Tue, 05 May 2026 07:18:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাটক:মেঘ রোদ্দুর (প্রথম পর্ব)</p>
<p>রচনা : আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>কাহিনী সংক্ষেপ: হাশেম আলী, একজন বৃদ্ধ রিক্সাওয়ালা। শহরের রোদে-ঘামে দিন কাটে তার, কিন্তু তার চোখে একটাই স্বপ্ন—মেয়ে রুবিকে মানুষ করা। রুবি তার একমাত্র সন্তান, যার চোখে জ্বলজ্বলে আগুন, যার বইয়ের পাতায় ভবিষ্যতের ছায়া। হাশেম আলী রিক্সা চালিয়ে, কষ্ট করে, মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করান। পা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246790"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246790/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e1cd6cfb1b3f952a01f066168e6556c</guid>
				<title>কাজী নজরুল ইসলামের ‘লিচু চোর’ কবিতা অবলম্বনে
 গল্প:লিচু চোর 
রচনা: আবুল হাসান তুহিন 
এক।।
অয়নের নজর পড়ে বাবুদের তাল-পুকুরের কাছে থাকা একটি বিশাল লিচু গাছের ওপর। লিচুগুলোর লোভে সে একদিন চুপিচুপি একটা বড় কাস্তে নিয়ে সেই গাছের নিচে হাজির হয়। বাবুদের বাড়িতে একটা বিশাল কুকুর ছিল যার নাম হাবু। সেই ভয়ংকর কুকুরটি কিশোরটিকে তাড়া করলে সে কোনোমতে পুকুরের ধারের লিচু গাছটিতে চড়ে বসে।
গাছের উপরে উঠে সে যেই একটি ছোট ডাল ধরতে গিয়েছে, অমনি ডালটি ‘মড়াৎ’ করে ভেঙে যায় এবং সে ‘সড়াৎ’ করে নিচে পড়ে যায়। দুর্ভাগ্যবশত, সে সরাসরি গিয়ে পড়ে ওত পেতে থাকা মালীর ঘাড়ের ওপর। মালী ছিল প্রচণ্ড রাগী। সে কিশোরটিকে ধরে মনের সুখে কিল, ঘুষি আর চড় মারতে শুরু করে।
কোনোমতে মালীর হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে সে কাপড় গুছিয়ে এক দৌড় দেয়। সামনে থাকা দেয়াল ডিঙিয়ে সে ওপাশে লাফ দেয়। সেখানে গিয়ে সে দেখে এক শেয়াল দাঁড়িয়ে আছে! ভয় পেয়ে সে ভাবল শেয়াল বুঝি কামড়ে দেবে। কিন্তু পরক্ষণেই দেখল ওটা আসলে শেয়াল নয়, বাবুদের পোষা কুকুর ‘ভেলো’।
কুকুরটিও তাকে দেখে পিছু নেয়। এবার প্রাণ বাঁচাতে কিশোরটি ‘বাবাগো মাগো’ বলে চিৎকার করতে করতে পাঁচিলের এক ফোঁকর দিয়ে বোসদের ঘরে ঢুকে পড়ে। তবেই যেন তার ধড়ে প্রাণ ফিরে এল। মালী আর কুকুরের সেই মার ও তাড়া খেয়ে কিশোরটি একদম তওবা করে নেয় যে, সে আর কোনোদিন চুরি করতে যাবে না।
দুই।।
গ্রামের এক কোণে জরাজীর্ণ এক কুটিরে থাকত কিশোর অয়ন। বাবা নেই, মা অন্যের বাড়িতে ধান ভেনে যা পান তা দিয়েই কোনোমতে তাদের মা-ছেলের সংসার চলে। অভাবের সংসারে অয়নের ঠিকমতো খাওয়া হয় না, কিন্তু তার দুরন্তপনায় কোনো খামতি নেই। গ্রামের সবচেয়ে বড় বাগানটি ছিল ওই অঞ্চলের প্রতাপশালী জমিদার বিমলেন্দু বাবুর। চারদিকে উঁচু পাঁচিল ঘেরা সেই বাগানে শয়ে শয়ে লিচু, আম আর জামরুল ধরে থাকত।
জমিদার বিমলেন্দু বাবু ছিলেন অত্যন্ত কড়া মেজাজের মানুষ। তার জমিদারি কেবল ওই গ্রামেই নয়, পাশের তিন পরগনা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। প্রজারা তাকে যমের মতো ভয় পেত। তার বাগানের পাহারায় ছিল যমদূত সদৃশ এক মালী, যার নাম গগন। বিশাল গোঁফ আর হাতে লাঠি নিয়ে গগন সারাদিন বাগানের চারপাশে ঘুরে বেড়াত।
তবে সেই প্রাসাদে সবার মন একরকম ছিল না। জমিদারের একমাত্র মেয়ে ‘সুপ্তি’ ছিল একদম আলাদা। মায়ের আদরে বড় হওয়া সুপ্তি অনেকটা একাকী। বিশাল প্রাসাদের বারান্দায় বসে সে বাইরের জগৎ দেখত। একদিন লিচু চুরির চেষ্টায় মালি গগনের হাতে মার খেয়ে অয়ন যখন দেয়ালের আড়ালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল, সুপ্তি সেটা দেখে ফেলে।
পরদিন থেকে সুপ্তি অলক্ষ্যে অয়নের জন্য খাবার রেখে দিতে শুরু করে। কখনও নিজের টিফিনের মিষ্টি, কখনও বা লুকিয়ে নিয়ে আসা লিচু। অয়ন প্রথমে অবাক হলেও পরে বুঝতে পারে প্রাসাদের ওই ছোট্ট মেয়েটিই তার বন্ধু। জমিদার বাবা আর রাগী মালীর চোখের আড়ালে তাদের মধ্যে এক অদ্ভুত সক্ষতা গড়ে ওঠে। অয়ন তাকে গাছ থেকে বুনো ফুল পেড়ে এনে দেয়ালের ফুটো দিয়ে দেয়, আর সুপ্তি তাকে দেয় তার না পাওয়া শৈশবের স্বাদ।
অয়ন বুঝতে পারে, লিচু চোর হিসেবে গগনের হাতে মার খাওয়াটা যতটা কষ্টের ছিল, সুপ্তির এই বন্ধুত্বের পরশ তার চেয়েও বেশি মধুর। জমিদারবাড়ির সেই উঁচু দেয়াল তাদের সামাজিক দূরত্ব তৈরি করলেও, একটা ছোট্ট লিচু গাছের ছায়া আর সহমর্মিতা তাদের মধ্যে এক পাহারাদারহীন বন্ধুত্বের সেতু গড়ে দেয়।
তিন।।
অয়নের জীবন কেবল অভাবের ছিল না, ছিল অদম্য সাহসের। গ্রামের লোক তাকে ‘লিচু চোর’ বলে ক্ষ্যাপালেও তারা জানত—বিপদে অয়নই সবার আগে। কোনো গাছে আটকে যাওয়া বাছুর উদ্ধার করা হোক বা বর্ষায় বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হলে কাদা মেখে রাত জেগে তা মেরামত করা, অয়ন সবখানে থাকত। তার বুদ্ধি ছিল প্রখর এবং হাত ছিল জাদুকরী।
জমিদার বিমলেন্দু বাবু তখন এক মহাবিপদে। তার জমিদারি সেরেস্তায় এক বিশাল লোহার সিন্ধুক ছিল, যাতে ব্রিটিশ আমলের কারুকার্য করা তালা লাগানো। গুরুত্বপূর্ণ দলিলের সেই সিন্দুকের চাবি হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়। কলকাতার বড় বড় কারিগর এসে হার মানল, কিন্তু তালা ভাঙা গেল না। জমিদার চিন্তায় অস্থির, কারণ দলিল ছাড়া তার কয়েক একর জমি হাতছাড়া হতে পারে।
সুপ্তি চুপিচুপি অয়নকে খবর পাঠাল। অয়ন মাঝরাতে প্রাসাদে এল। সে কোনো হাতুড়ি বা শাবল ব্যবহার করল না। সে কেবল সরু লোহার তার আর সর্ষের তেলের বুদ্ধিতে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় ‘ক্লিক’ করে তালাটা খুলে ফেলল। জমিদার অবাক হয়ে দেখলেন, যে ছেলেকে তিনি চোর বলে জানতেন, সে তার সম্মান রক্ষা করল। খুশি হয়ে জমিদার তাকে কিছু ইনাম দিতে চাইলেন। অয়ন কেবল সুপ্তির দিকে একবার তাকিয়ে মৃদু হেসে বিদায় নিল।
কিন্তু এই ঘনিষ্ঠতা বেশিদিন চাপা থাকল না। মালী গগন একদিন সুপ্তিকে অয়নের হাতে লেখা একটি চিরকুট আর বুনো ফুলের তোড়া অদলবদল করতে দেখে ফেলল। খবর পৌঁছাল জমিদারের কানে। জমিদার রাগে ফেটে পড়লেন। তার আভিজাত্যে চরম আঘাত লাগল। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, অয়নকে গ্রাম থেকে বিতাড়িত করবেন এবং সুপ্তিকে পাশের  এক বয়স্ক জমিদারের সাথে বিয়ে দিয়ে দেবেন। অয়ন আর সুপ্তি বুঝতে পারল, এই কঠিন হৃদয়ের প্রাসাদে তাদের ঠাঁই হবে না। যে রাতে সুপ্তির বিয়ের কথা চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল, সে রাতেই অয়ন তার অসামান্য চতুরতায় পাহারাদারদের চোখে ধুলো দিয়ে প্রাসাদের অন্দরে ঢুকে পড়ল। এক ঘন অন্ধকার অমাবস্যার রাতে, বর্ষার ভরা নদী পাড়ি দিয়ে তারা দুজন গ্রাম ছেড়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল। জমিদারের সাজানো বাগান আর আভিজাত্য পেছনে পড়ে রইল, কেবল রয়ে গেল দুই স্বাধীন আত্মার এক নতুন দিগন্তের খোঁজে বেরিয়ে পড়া।
চার।।
গ্রাম ছেড়ে পালানোর পর অয়ন আর সুপ্তি যখন ক্লান্ত-বিধ্বস্ত, তখন তাদের আশ্রয় মেলে বহুদূরের এক অন্য পরগনায়। সেখানে এক বৃদ্ধ নিঃসন্তান জমিদার ছিলেন, যার বিশাল প্রতিপত্তি থাকলেও উত্তরাধিকারী না থাকায় তার জমিদারি ছিল অবিন্যস্ত ও বিশৃঙ্খল।
অয়ন আর সুপ্তিকে ছদ্মনামে এক অনাথ দম্পতি হিসেবে নিজের মহলে ঠাঁই দেন সেই বৃদ্ধ জমিদার। অয়নের উপস্থিত বুদ্ধি আর কাজের দক্ষতা জমিদারকে মুগ্ধ করে। যে জমিদারি লাটে উঠতে বসেছিল, অয়ন তার প্রখর বুদ্ধি দিয়ে সেখানে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে। কর আদায়ের নতুন নিয়ম থেকে শুরু করে প্রজাদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা—সবকিছুতেই সে তার অদম্য মেধার স্বাক্ষর রাখে। বৃদ্ধ জমিদার অয়নের মধ্যে নিজের হারানো পুত্রকে খুঁজে পান। মৃত্যুর আগে তিনি সমস্ত সম্পত্তি ও জমিদারি অয়নের নামে উইল করে দিয়ে যান।
অয়ন এখন কেবল একজন দুরন্ত কিশোর নয়, সে এখন এক প্রতাপশালী ও ন্যায়পরায়ণ জমিদার। ওদিকে সুপ্তির বাবার অহংকার আর বিলাসিতায় তার জমিদারি দেউলিয়া হওয়ার পথে বসেছিল। ঋণের দায়ে জর্জরিত হয়ে যখন বিমলেন্দু বাবুর সমস্ত সম্পত্তি নিলামে ওঠার উপক্রম হলো, তখন এক বেনামি ক্রেতা সমস্ত জমিদারি চড়া দামে কিনে নিল।
নিলামের পরদিন যখন নতুন জমিদার হিসেবে অয়ন সেই পুরনো চেনা গ্রামে পা রাখল, তখন পুরো গ্রাম থমকে গিয়েছিল। যে ছেলেকে একদিন ‘লিচু চোর’ বলে তাড়া করা হয়েছিল, সে আজ গোটা এলাকার মালিক। বিমলেন্দু বাবু নিজের মেয়ের পরিচয় এবং অয়নের সফলতায় স্তম্ভিত হয়ে গেলেন।
অয়ন তার পুরনো রাগ পুষে না রেখে তার শ্বশুরকে সসম্মানে সেই প্রাসাদে থাকার অনুমতি দিল। তবে এবার শাসনের ভার রইল অয়নের হাতে। এভাবেই এক লিচু চোর কিশোর তার মেধা আর সাহসের জোরে এক বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়ে নিজের ভাগ্যের চাকা সম্পূর্ণ বদলে দিল।
                   ১৯/০৪/২০২৬/ রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245253/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 06:17:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাজী নজরুল ইসলামের ‘লিচু চোর’ কবিতা অবলম্বনে<br />
 গল্প:লিচু চোর<br />
রচনা: আবুল হাসান তুহিন<br />
এক।।<br />
অয়নের নজর পড়ে বাবুদের তাল-পুকুরের কাছে থাকা একটি বিশাল লিচু গাছের ওপর। লিচুগুলোর লোভে সে একদিন চুপিচুপি একটা বড় কাস্তে নিয়ে সেই গাছের নিচে হাজির হয়। বাবুদের বাড়িতে একটা বিশাল কুকুর ছিল যার নাম হাবু। সেই ভয়ংকর কুকুরটি কিশোরটিকে তাড়া করলে সে কোনোমত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245253"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245253/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e48861883c324efd7491fbc4d2646db</guid>
				<title>পবিত্র আযহা উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা:ঈদ আনন্দ 

     রচনা   - আবুল হাসান তুহিন

উপস্থাপনা: ছেলে 

ছেলে : মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব একটা হচ্ছে ঈদুল ফিতর আর —--

মেয়ে   : অন্যটি হলো ঈদুল আযহা। যা কোরবানি ঈদ নামে পরিচিত। প্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা আজকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা__ঈদ আনন্দ/__________। গীতি নকশাটি গ্রন্থনা ও গীত রচনা করেছেন আবুল হাসান তুহিন। সুর এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন  আব্দুল্লাহ খান।  প্রযোজনা করেছেন_______________

ছেলে : ঈদুল আযহা বা কোরবানি ঈদ মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে উদযাপিত হয়।

মেয়ে   :হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মরণে এটি পালিত হয়।

ছেলে: যেখানে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানেরা গরু, ছাগল বা উট কোরবানি দিয়ে থাকেন।

মেয়ে : ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এই দিনে ঈদের নামাজ শেষে কোরবানি এবং আত্মশুদ্ধির চর্চা করা হয়।

ছেলে: বনের পশু কোরবানির মাধ্যমে মনের পশু কোরবানি দেওয়া হয়।

মেয়ে: ত্যাগের মাধ্যমে প্রকৃত সুখ লুকিয়ে থাকে। সেই আনন্দে আমরা একটি ঈদে গান শুনবো,

ছেলে  : গানটা গাইবেন শিল্পী ১।________________                       ২।____________

মেয়ে  : ঈদ মানে ভালোবাসা জাগে মনে ছন্দ, ঈদ আসে ঘুরে ফিরে  আনন্দ আনন্দ।

 
গান।।০১।। আধুনিক।। ছেলে, মেয়ে।।দলীয়।।

 ঈদ মানে ভালোবাসা 
জাগে মনে ছন্দ,
 ঈদ আসে ঘুরে ফিরে 
আনন্দ আনন্দ ॥

দোলা লাগে প্রাণে প্রাণে 
বাঁজে মনে সুর,
উচু নিচু ভেদাভেদ
 হয়ে যাবে দুর।
ভাগাভাগি করে নের
 যত ভালো মন্দ,
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে 
আনন্দ আনন্দ ॥

কোরবানি দাও মনের পশু
শান্তি খুঁজে পাবে, 
বুকের ভেতর জমা কালি 
দূর হয়ে যাবে,
খোদার রহম পেতে সবাই
ত্যাগ করি সব মন্দ, 
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে 
আনন্দ আনন্দ ॥

ভেঙ্গে ফেলি মত বাঁধা 
ফোঁটে মুখে হাসি, 
 ঈদ মানে মিলেমিশে 
ভালোবাসাবাসি।
কোলাকুলি করি এসো 
কেটে যাবে দ্বন্দ্ব, 
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে 
আনন্দ আনন্দ ॥

উপস্থাপনা: মেয়ে 

মেয়ে  : ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ-উল্লাস রঙবেরঙের পোষাক পরে নতুন সাজে সজ্জিত হওয়া।

ছেলে : ঈদ সংস্কৃতির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অন্যতম আকর্ষণ হলো ছোট ছোট ছেলে মেয়ে থেকে শুরু করে আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবার জন্যই নতুন পোষাক, ভালো ভালো খাবার আর আনন্দ বিনোদন।

মেয়ে: ঈদের নামাজ শেষে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে সবাই কোলাকুলি করে, এতে ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়।

ছেলে: মোবাইল ক্যমেরার ফ্রেমে বন্দি হয় অসংখ্য স্থিরচিত্র, বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়ের বাসায় বাসায় ঘোরাঘুরি, খাওয়া-দাওয়া, মজা করা ঈদ সেলামিতে পকেট ভর্তি করা ইত্যাদি ইত্যাদি। এছাড়া যারা কুরবানী দিয়ে থাকেন তারা আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবের বাড়িতে ঈদের মাংস পৌঁছে দিয়ে আসেন। 

মেয়ে: শুধু আত্নীয় স্বজন নয়, গরীর অসহায়দের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করেন। এই কারণে ঈদ মুসলমানদের জন্য মহা মিলন ও মহা আনন্দের দিন।

ছেলে : আনন্দের হিল্লোলে তোমাকে একটা কথা বলতে চাই।
মেয়ে   : কী কথা?

ছেলে  : গানে গানে বলি! তুমি বুঝতে পারো কিনা!

মেয়ে   : ভিতুর ডিম একটা। আচ্ছা গানের মাধ্যমে শুনি।

ছেলে : স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  ভালোবাসা আসে, স্বর্গ সুধায় ঘোর লাগে তাই হৃদয়ের চার পাশে। চমৎকার এই গানটি গেয়েছেন শিল্পী 
১।________________                               _২।_______________

গান।।০২।। আধুনিক।।ছেলে, মেয়ে।। ডুয়েট।। 

স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  
ভালোবাসা আসে, 
স্বর্গ সুধায় ঘোর লাগে তাই
হৃদয়ের চার পাশে ।।

স্বপ্নগুলো সোহাগ মাখে 
প্রজাপতির ডানায়, 
সাতটি রংয়ের রংধনুটা 
বাজায় সুখের সানাই।
চোখের কোনে নেশার কাজল
আবেগ নিয়ে হাসে,
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  
ভালোবাসা আসে ।।

স্বপ্নগুলো ডানা মেলে 
ফুল ফাগুনের সাথে 
বিভোর হয়ে মন ছুটে যায়
জোৎস্না মাখা রাতে।
বুকের মাঝে সোহাগ মেখে 
আশার খেয়ায় ভাসে,
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  
ভালোবাসা আসে ।।

৩১/১২/২০২৪ মঙ্গলবার  
                                        
উপস্থাপনা: ছেলে 

ছেলে: কিছু বুঝতে পারলে? আমি কী বলতে চেয়েছি!

মেয়ে :পরে বলবো। তবে একটা শর্ত আছে!

ছেলে : যে কোন শর্ত আমি মানতে রাজি।

মেয়ে  : বড় কোন শর্ত না। ঈদের দিন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসবে। 

ছেলে : আসবো না মানে একশত বার আসবো।

মেয়ে: এর আগেও তুমি কথা দিয়ে কথা রাখেনি!
চিট করলে খবর আছে!

 ছেলে : এই যে তোমার হাতটা ছুয়ে কথা দিলাম। 

মেয়ে  : মনে থাকবে!

ছেলে : নিশ্চয়ই থাকবে। 

মেয়ে  : দাওয়াত দিলাম ঈদের দিনে বন্ধু আমার বাড়ি,কইরো না কইরো না বন্ধু  তুমি বাড়াবাড়ি।

ছেলে : মাথা খারাপ!ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি 
আসবো তাড়াতাড়ি।

মেয়ে: আমার পক্ষ থেকে ঈদে দাওয়াত গানে গানে গাইতে আসবেন শিল্পী 
১।___________________                             ২।________________
 
গান।।০৩।। ফোক ।।ছেলে, মেয়ে।। ডুয়েট

দাওয়াত দিলাম ঈদের দিনে
বন্ধু আমার বাড়ি,
কইরো না কইরো না বন্ধু 
তুমি বাড়াবাড়ি,
ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি 
আসবো তাড়াতাড়ি।।

শাড়ি পইরা সাইজ্যা থেকো 
কপালে টিপ দিয়া, 
আইসক্রিম আর ফুচকা খাবো
তোমায় সাথে নিয়া।
সময় মত না আসিলে 
নেব আমি আড়ি।।
ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি 
আসবো তাড়াতাড়ি।।

 পোলাও কোরমা সেমাই খাইবা 
দেবো যতন করে, 
লজ্জা রাইখা খুশি মনে 
খাবো পেটটা ভরে।
তাই কোরবানের  গোস্ত আমি 
রানবো ভইরা হাঁড়ি
ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি 
আসবো তাড়াতাড়ি।।

০৮/০৪/২০২৬/ বুধবার 

উপস্থাপনা:মেয়ে

মেয়ে :১০ই জিলহজ সকালে মুসলমানেরা ঈদের ময়দানে বা মসজিদে জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন  নামাজের পর সামর্থ্যবান মুসলমানেরা গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া বা উট কোরবানি করেন।

ছেলে  : কোরবানির গোশত তিন ভাগে ভাগ করে থাকেন নিজের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে বণ্টন করা সুন্নাত। এটা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম।

মেয়ে: শুধু শিশু কিশোর রাই নয় বড়রাও ঈদের দিনে নতুন পোশাক পরেন, আত্মীয়দের বাড়িতে যান, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ করে থাকেন।

ছেলে : প্রতিটি ধর্মেই তার প্রধান ধর্মীয় উৎসব রয়েছে। আর সেই উৎসবের আমেজ বা আনন্দ সবার সাথে সমবন্টন করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে তোলে।

মেয়ে : যার ফলে মানব জাতির মধ্যে এক ভালোবাসার বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে।

ছেলে : তোমার আমার মাঝে একটা ভালোবাসার বন্ধন তৈরি হয়েছে!

মেয়ে: ও মা এ তো দেখছি তোতা পাখির মুখে বোল ফুটেছে! 

ছেলে : কি বলো ফুটবে না। তোমাকে কত নামে এখন ডাকতে ইচ্ছে করে।

মেয়ে : এই বলো না! নাম গুলো।

ছেলে : শুনবে? তাহলে শোন। কি নামে ডাকবো তোমায়  হলো চেনা জানা, 
 নজরুলের আশালতায়  পূর্ণ ষোলআনা । তোমার এই নাম গানের পাখির মতো গেয়েছেন শিল্পী 
____________________




গান।।০৪।। আধুনিক।। ছেলে।। একক

কি নামে ডাকবো তোমায় 
 হলো চেনা জানা, 
 নজরুলের আশালতায়  
পূর্ণ ষোলআনা ।।

ষোড়শী হও শরৎ বাবুর 
না হয়  চন্দ্রমুখী,
কিরণময়ী চারুলতা
যে  নামে   হও সুখী।
ডাকতে পারি সুচরিতা
না ডাকবো অনন্যা,
 নজরুলের আশালতায়   
পূর্ণ ষোলআনা ।।

 রবি ঠাকুরের নন্দিনী  হও
 সমরেশের হও দিপা
নিরুপমা ডাকবো তোমায় 
না ডাকবো জয়িতা। 
ঊর্মিলা শর্মিলা নামে
করো না  আর মানা 
নজরুলের আশালতা 
পূর্ণ ষোলআনা ।।

০৯/০৫/২০২৫
শুক্রবার


উপস্থাপনা: ছেলে 

ছেলে : পবিত্র ঈদুল আজহার অর্থ  আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকে জানিনা! &#039;ঈদ&#039; শব্দের অর্থ আনন্দ এবং &#039;আজহা&#039; শব্দের অর্থ কোরবানি বা ত্যাগ। তাই ঈদুল আজহা হলো ত্যাগের আনন্দ।

মেয়ে : মূলত আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, আনুগত্য ও ত্যাগের মহিমাকে স্মরণ করতেই এই উৎসবের প্রবর্তন। 

ছেলে : হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি দিতে উদ্যত হয়েছিলেন। আল্লাহর প্রতি তাঁর এই আত্মত্যাগ ও আনুগত্যের দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ঈদুল আজহার প্রচলন হয়।

মেয়ে : তুমি তো কিছুক্ষণ আগে গানের ভাষায় আমার অনেক নামের কথা জানালে। তুমি যে নামেই ডাকো না কেন সবার আগে থাকতে হবে বিশ্বাস। যতক্ষণ আছে  নিঃশ্বাস, ততক্ষণ করো  বিশ্বাস 
রেখ তুমি হাতটা ধরে, জীবনের উচ্ছ্বাসে, আমরন থেকো পাশে ভালোবাসো উজাড় করে। আমাদের বিশ্বাসকে আরো দৃঢ় করার জন্য এবার গান নিয়ে আসছেন শিল্পী_____________________ 


গান।।০৫।। আধুনিক।। মেয়ে।। একক।। 

যতক্ষণ আছে  নিঃশ্বাস, ততক্ষণ করো  বিশ্বাস 
রেখ তুমি হাতটা ধরে,
জীবনের উচ্ছ্বাসে, আমরন থেকো পাশে
ভালোবাসো উজাড় করে।।

যত বাঁধা অভিমান ,হয়ে যাবে অবসান 
হারাবো সুখের পথে,
মিলনের গান  গেয়ে, ইচ্ছের দাঁড় বেয়ে 
ভাসবো প্রেমের স্রোতে। 
অন্তরে থেকে যাবো, তোমাকে কাছে পাবো
আপন হয়ে চিরতরে,
জীবনের উচ্ছ্বাসে ,আমরন থাকবো পাশে
ভালোবাসো উজাড় করে।।

 যত ভুল ভ্রান্তি, আমি মুছে দেব ক্লান্তি 
তুমি শুধু পাশে থাকো, 
স্বর্গের সুখ চেয়ে , যাবো স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে
সারা জনম বেঁধে রাখো।
জীবনের  হাঁকডাক , সুখে দুখে কেটে যাক
দিও প্রেম  আঁচল ভরে, 
জীবনের উচ্ছ্বাসে , আমরন থাকবো পাশে
ভালোবাসো উজাড় করে।।

২৮/০৪/২০২৫
সোমবার

উপস্থাপনা: মেয়ে 

মেয়ে: কি বুঝলে? আমার হাতটা শক্ত করে ধরে রাখতে পারবে তো!

ছেলে : এত ধৈর্য হারা হলে চলে! 

মেয়ে : আমি ধৈর্য্য আর হয়নি শুধু আমার হাতটা ধরে রেখো জীবন মরণ পাশে থেকো!

ছেলে : ঠিক আছে, এই হাত ধরেছি যখন আমি 
ছাড়বো না কোন দিন, ভালোবেসে জীবন জুড়ে স্বপ্ন করবো রঙিন, তোমার আমার ভালোবাসা থাকবে চিরদিন। আমার না বলা কথা গানের মাধ্যমে তোমাকে জানতে আসছেন শিল্পী 
১।_________________________২____________________

গান।।০৬।। আধুনিক।। ছেলে, মেয়ে।। ডুয়েট 

এই হাত ধরেছি যখন আমি 
ছাড়বো না কোন দিন, 
ভালোবেসে জীবন জুড়ে 
স্বপ্ন করবো রঙিন,
তোমার আমার ভালোবাসা 
থাকবে চিরদিন।।

তাই অচেনা জগৎ জুড়ে 
করবো বিচরণ,
সুখে দুখে থাকবো পাশে 
আমি সারাজীবন।
ফাগুনের পরশ খুঁজে নিও
তুমি প্রতিদিন,
তোমার আমার ভালোবাসা 
থাকবে চিরদিন।।

তাই লুকানো আবেশ খুঁজি
এসো দু&#039;জন মিলে,
 সারা জনম থাকবে তুমি 
 এই হৃদয় মজ্ঞিলে।
বুকের ভিতর তোমার জন্য 
শুধু করে চিনচিন, 
তোমার আমার ভালোবাসা 
থাকবে চিরদিন।।

২৭/০২/২০২৬
শুক্রবার

ছেলে : যখন ইব্রাহীম (আঃ) আরাফাত পর্বতের উপর তার পুত্রকে কোরবানি দেয়ার জন্য গলদেশে ছুরি চালানোর চেষ্টা করেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়ে দেখেন যে তার পুত্রের পরিবর্তে একটি প্রাণী কোরবানি হয়েছে এবং তার পুত্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। ইব্রাহীম (আঃ) আল্লাহর আদেশ পালন করার দ্বারা কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। 

মেয়ে : দেখতে দেখতে হাতের সময়টা ফুরিয়ে এলো আমরা অনেকক্ষণ ঈদুল আযহার মাহাত্ম্য এবং ঈদ আনন্দ উপভোগ করলাম। তোমার আমার ভালবাসার কথা সবাই জেনে গেল! এবার বিদায় নেওয়ার পালা।

ছেলে : প্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা এতক্ষণ আপনাদের সাথে ছিলাম আমি _______________________

মেয়ে: আর আমি_______________

ছেলে : গীতি নকশাটির গ্রন্থনা ও গীত রচনা করেছেন স্বনামধন্য গীতিকার আবুল হাসান তুহিন 
সুর ও সংগীত পরিচালনায় ছিলেন আপনাদের সবার প্রিয় আব্দুল্লাহ খান। প্রযোজনা করেছেন ________________

কবিতা।। আবৃত্তি।।ছেলে, মেয়ে।।

কোরবানির এই পূর্ণতায় ত্যাগের মহিমা জাগে,
আনন্দের ধারা বয়ে যাক আজ সবার অনুরাগে।
কেবল উৎসবে পূর্ণ হবে না ঈদের প্রকৃত দান,
যদি না ঘুচাতে পারি আমরা ব্যথিতের ব্যবধান।
অত্যাচারের কষাঘাতে  যদি ম্লান হয় কারও হাসি,
তবে কি সার্থক হবে আমাদের উৎসব রাশি রাশি?
হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে যদি হই একপ্রাণ,
তবেই ধ্বনিত হবে গাইবে সাম্যের সুমধুর গান।
মৈত্রীর এক সমাজ গড়ি, যেখানে সবাই সমান,
অবহেলা নয় ক্ষুধার্তকে  কর অন্ন দান ।
দুঃখী-অভাবী ও ছিন্নমূলের পাশে এসে দাঁড়াই,
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে চলো মানবতার হাত বাড়াই।
কোরবানির মাংস  পৌঁছে যাক সবার ঘরে ঘরে?
গরিব দুঃখীর মুখে ফুটুক হাসি  ভালোবাসা থরে থরে।
খোদার রহম তোমারা সবাই পেতে যদি চাও 
মনের ভিতর পশুটাকে দাও কুরবানী দাও।।
ত্যাগের এই  দিনে ঘুচে যাক জমা যত শোক,
সবাই মিলে একসাথে বলি— ঈদ মোবারক!

                        ।। সমাপ্ত।।
রচনা কালঃ০৮/০৪/২০২৬ বুধবার

-আবুল হাসান তুহিন 
গীতিকার এবং নাট্যকার বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244064/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 16:54:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পবিত্র আযহা উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা:ঈদ আনন্দ </p>
<p>     রচনা   &#8211; আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>উপস্থাপনা: ছেলে </p>
<p>ছেলে : মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব একটা হচ্ছে ঈদুল ফিতর আর —&#8211;</p>
<p>মেয়ে   : অন্যটি হলো ঈদুল আযহা। যা কোরবানি ঈদ নামে পরিচিত। প্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা আজকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা__ঈদ আনন্দ/__________। গীতি নকশাটি গ্রন্থন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244064"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244064/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7c5a3ad0f3d466a9682bd3ffb1f3552a</guid>
				<title>।।হামদ।। (আল্লাহর প্রশংসা)-০২ 
গীতিকার -আবুল হাসান তুহিন 

আল্লা তুমি অন্তর্যামী  কর মেহেরবান,
তুমি অসীম তুমি রহিম তুমিই রহমান।
তুমি গাফফার, তুমিই জব্বার তুমি সুবহান,
তোমার প্রেমে মগ্ন থাকুক আমার সারা প্রাণ।।



বিপদ-দিনে তুমিই কেবল দাও গো শীতল ছায়া,
ভুবন জুড়ে ছড়িয়ে আছে তোমার অপার মায়া।
পাপের পাহাড় বুকের মাঝে আছে যত জমা, 
পাপী-তাপী গুনাহগার চাই সকলে  ক্ষমা। 
পূণ্য কাজে মনের মাঝে তুমি  বিরাজমান,
তোমার প্রেমে মগ্ন থাকুক আমার সারা প্রাণ।।

 

অন্ধকারে পথ হারানো আমি মুসাফির,
তোমার দয়ার আলোক পেলে হবো যে স্থির।
করো দিদার আল্লাহ তুমি আমায় কর রহমত,
তোমার নামের উসিলাতে বাড়ে যে বরকত। 
তুমি মালিক, তুমি খালিক, তুমিই যে মহান, 
তোমার প্রেমে মগ্ন থাকুক আমার সারা প্রাণ।।

০১/০৪/২০২৬/ বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244016/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 11:46:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।।হামদ।। (আল্লাহর প্রশংসা)-০২<br />
গীতিকার -আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>আল্লা তুমি অন্তর্যামী  কর মেহেরবান,<br />
তুমি অসীম তুমি রহিম তুমিই রহমান।<br />
তুমি গাফফার, তুমিই জব্বার তুমি সুবহান,<br />
তোমার প্রেমে মগ্ন থাকুক আমার সারা প্রাণ।।</p>
<p>বিপদ-দিনে তুমিই কেবল দাও গো শীতল ছায়া,<br />
ভুবন জুড়ে ছড়িয়ে আছে তোমার অপার মায়া।<br />
পাপের পাহাড় বুকের মাঝে আছে যত জমা,<br />
পাপী-তাপী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244016"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244016/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">233848cd2cfd4b70d3ef228a55dd56e8</guid>
				<title>।আল্লাহর প্রশংসা ।।হামদ।। ০১
গীতিকার -আবুল হাসান তুহিন 

তুমি আসমান তুমি জমিন 
তুমি অন্তরে বিরাজমান,
তোমার মহিমা  নিখিল জুড়ে
 তুমি দয়াময় রহমান।।

সাগর-নদী ঐ পাহাড়-গিরি 
সবই যে তোমার দান,
ফুলে ফুলে  সুবাস ছড়ায়  
পাখিরা গায় তোমার গান।
তোমার জন্য সূর্য ওঠে 
জ্যোৎস্না বিলায় চাঁদ,
তোমার করুণার নেই যে শেষ 
নেই কোনো বিবাদ।
কেমন করে ভুলে যাবো 
খোদা তোমার অবদান,
তোমার মহিমা নিখিল জুড়ে
  তুমি দয়াময় রহমান।।


তুমি আঁধার তুমি আলো 
তুমি মালেকুল মুলক,
তোমার নামে হৃদয় ভরে 
পাই সকলে মধুর সুখ।
তোমার নূরে পথ দেখিয়ে  
দূর করে দাও মনের কালো,
রক্ষা করো বিপদ থেকে
দাও গো তুমি জ্ঞানের আলো।
শুকরিয়া তাই জানাই তোমায় 
রক্ষা করো মোদের ঈমান,
তোমার মহিমা নিখিল জুড়ে  
তুমি দয়াময় রহমান।।

 ০১/০৪/২০২৬ বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244015/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 11:45:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।আল্লাহর প্রশংসা ।।হামদ।। ০১<br />
গীতিকার -আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>তুমি আসমান তুমি জমিন<br />
তুমি অন্তরে বিরাজমান,<br />
তোমার মহিমা  নিখিল জুড়ে<br />
 তুমি দয়াময় রহমান।।</p>
<p>সাগর-নদী ঐ পাহাড়-গিরি<br />
সবই যে তোমার দান,<br />
ফুলে ফুলে  সুবাস ছড়ায়<br />
পাখিরা গায় তোমার গান।<br />
তোমার জন্য সূর্য ওঠে<br />
জ্যোৎস্না বিলায় চাঁদ,<br />
তোমার করুণার নেই যে শেষ<br />
নেই কোনো বিবাদ।<br />
কেমন করে ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244015"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244015/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">daf54a31fe723c93dae6939426a83efe</guid>
				<title>নাটক:মেঘ রোদ্দুর 
(প্রথম অংশ )
রচনা : আবুল হাসান তুহিন 

কাহিনী সংক্ষেপ: হাশেম আলী, একজন বৃদ্ধ রিক্সাওয়ালা। শহরের রোদে-ঘামে দিন কাটে তার, কিন্তু তার চোখে একটাই স্বপ্ন—মেয়ে রুবিকে মানুষ করা। রুবি তার একমাত্র সন্তান, যার চোখে জ্বলজ্বলে আগুন, যার বইয়ের পাতায় ভবিষ্যতের ছায়া। হাশেম আলী রিক্সা চালিয়ে, কষ্ট করে, মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করান। পাড়ার লোকজন হাসে, বলে “রিক্সাওয়ালার মেয়ে কি আর ডাক্তার হবে?” কিন্তু তিনি চুপচাপ স্বপ্ন বুনে যান।রুবি পড়াশোনায় অসাধারণ। স্কুলে GPA 5 পায়, শিক্ষকরা প্রশংসা করে, পাড়ার লোকজন অবাক। সেই আলো ছড়িয়ে পড়ে কলেজে, যেখানে এক সুদর্শন ছেলে রাফি তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। রুবির সরলতা, মেধা, আর আত্মবিশ্বাসে মুগ্ধ হয়ে রাফি তাকে ভালোবাসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এবং একদিন রাফি তার পরিবারকে রাজি করিয়ে রুবিকে বিয়ে করে।বিয়ের দিন হাশেম আলী চোখে জল নিয়ে মেয়েকে বিদায় দেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির বাস্তবতা ছিল কঠিন। রুবির অতীত, তার স্বপ্ন, তার রিক্সাওয়ালার বাবাকে ঘিরে শুরু হয় অবহেলা। রাফির মা বাবা তাকে তিরস্কার করে, রাফিও ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। একদিন, রুবিকে তালাক দিতে চায় রাফি। ভাঙা হৃদয়ে, কিন্তু আত্মসম্মানে অটল রুবি বাবার কাছে ফিরে আসে।হাশেম আলী তাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “তুই হারিসনি,  তুই ফিরে এসেছিস নিজের কাছে।” রুবি আবার পড়াশোনা শুরু করে, দিন-রাত এক করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। অবশেষে, সে ডাক্তারি চান্স পায়। শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে খবর—রিক্সাওয়ালার মেয়ে ডাক্তার হয়েছে।এদিকে হাশেম আলী বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন। শরীর আর রিক্সা টানতে পারে না। রিক্সার মালিক বকাঝকা করে, ঘরের মালিক ভাড়া চায়। রাস্তায় বসে থাকেন, কেউ রিক্সায় ওঠে না। সমাজ তাকে তাচ্ছিল্য করে। ঠিক তখনই রুবি ফিরে আসে—মেডিকেল ইউনিফর্মে, চোখে দৃঢ়তা।
সে বাবাকে নিয়ে যায় নিজের নতুন ফ্ল্যাটে। বলে, “এই ঘর আপনার, আব্বা। এবার আমি চালাবো আমাদের জীবন।” হাশেম আলী চোখে জল নিয়ে বলেন, “তুই আমার স্বপ্নের পূর্ণতা।”শেষ দৃশ্যে, রুবি একটি ছোট হাসপাতাল খুলেছে—“হাশেম আলী ফ্রি ক্লিনিক”। উদ্বোধনের দিন সে বলে, “এই হাসপাতাল আমার বাবার নামে, যিনি রিক্সা চালিয়ে আমাকে মানুষ করেছেন।” হাশেম আলী হুইলচেয়ারে বসে, মুখে শান্তির হাসি নিয়ে চোখ বন্ধ করেন। রিক্সার চাকা থেমে গেছে ঠিকই, কিন্তু সেই চাকার ঘূর্ণনেই এক জীবন ভাগ্য চাকা এগিয়ে গেছে, এক মেয়ে স্বপ্ন ছুঁয়েছে, আর এক পিতা ইতিহাস হয়ে গেছে।
                 চরিত্র লিপি
৬। রহিম -৪০- ঘর  মালিক , রুক্ষ, 
১।হাশেম আলী ৬০রিক্সাওয়ালা,রুবির বাবা 
৭। মিরাজ -৩৫ রিক্সার মালিক 
২। রুবি- ২০ হাশেম আলীর মেয়ে,মেধাবী ছাত্রী 
৮। মহিউদ্দিন- ৫০রাফি বাবা &#124; কঠোর, 
৩।জরিনা -৫০- রুবির মা , সরল সোজা
৯। আসলাম- ৪৫ চা বিক্রেতা, সহানুভূতিশীল
৪।রাফি- ২৫ উচ্চবিত্ত , রুবির প্রেমিক ও স্বামী
১০। প্যাসেঞ্জার-১
৫। মিলি- ৪০ গৃহিণী, রাফির মা,অহংকারী
১১। প্যাসেঞ্জার-২




দৃশ্য  :০১।। দিন।। রাস্তার মোড়ে।। আউটডোর 
চরিত্র: হাশেম
[ফ্রেমে দেখা যায় শহরের রাস্তায় হাশেম আলী রিক্সা চালিয়ে ফিরছে, বেশ গরম পড়ায় ঘামে ভেজা শরীর, মুখে ক্লান্তি, কিন্তু চোখে স্বপ্ন]
 
হাশেম ‌‌    : ( স্বগত):  
আজ প্যাসেঞ্জার ভালোই ছিল।দশটা ভালো ভাড়া টেনেছি।  রুবির পরীক্ষার ফি দেয়ার কথা মেয়েটা আমার লেখাপড়ায় ভালো কষ্ট হলেও লেখাপড়া খরচ আমার চালিয়ে যেতে হবে। ওর চোখে যে আলো, সেটা আমি হারাতে পারবো না। আজ যা  গরম পড়েছে শরীরে কুলোই উঠতি পারছি না, যাই বাড়ির দিকে যাই বিকেল বেলা আবার বের হব রিক্সা নিয়ে, রিক্সার মালিকের ভাড়াতো দিতে হবে।
(হাসেম আলী রিক্সা চালিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দেয়, রিকশা আস্তে আস্তে বেশ দূর পর্যন্ত চলে যাবে ) cut to 

দৃশ্য  :০২-ক।। দিন।। চায়ের দোকন।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, আসলাম 
[ফ্রেমে দেখা যায় রাফি মোটরসাইকেল নিয়ে তার দোকানের সামনে এসে দাঁড়াবে এবং চায়ের অর্ডার করবে, ওই পথ দিয়ে রুবি যাবে]

আসলাম : (আসলাম চিরকুমার চা বানাচ্ছে আর গান করছে) “প্রেম একবার এসেছিল জীবনে”

রাফি       : (রাফি মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে থামবে এবং চায়ের অর্ডার করবে) আসলাম ভাই,  তোমার মনে এখনো যে রং  আছে। এক কাপ চা দাও মালাইচা।
আসলাম  : এ কথা আর বলতে প্রেম তো করনি , প্রেম যে করেছে সেই মরেছে। আর যারা দাগা খেয়েছে সেই বোঝে। যাক সে কথা তুমি যেন কি চা বললে? 
রাফি       : এক কাপ মালাই চা। জলদি দাও । দেরি করলে লাইন কেটে যাবে।

আসলাম : দিচ্ছি।  মনে হচ্ছে খোকা বাবু লাভ লাইনে পড়েছে। চালিয়ে যাও। &quot;এক বুক জ্বালা নিয়ে, বন্ধু তুমি / কেন একা বয়ে বেড়াও”( গান  গাইবে চা বানাবে এবং রাফিকে  দেবে) 

রাফি      : (চা খাবে এবং রাস্তার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে নজর রাখবে inter cut রুবি  দূর থেকে আসবে) 
আসলাম ভাই, টাকা এসে দিচ্ছি। 

আসলাম : এগিয়ে যাও, লেট করলি দেরি হয়ে যাবে।(রাফি বাইক স্টার্ট দেবে এগিয়ে যায়)cut to 

## #intercart: হাসেম আলী রিকসা চালিয়ে যাচ্ছে।

দৃশ্য  :০২-খ।। দিন।। চায়ের দোকন।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ফ্রেমে দেখা যায় রুবি  হেঁটে আসছে , রাফি মটর সাইকেল চালিয়ে তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলবে]

রাফি   :  বাইকের  পিছনে উঠো , তোমার সাথে জরুরি কথা আছে।
রূবি    : বাইকে উঠতে হবে না, যা বলার এখানে বলেন।
রাফি   : এ ভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বললে খারাপ দেখায়। বাইকে ওঠো, কথা শেষে তোমার বাড়ির সামনে নামিয়ে দেব।
রুবি    : আপনার সাথে বাইকের পিছনে উঠলেও তো খারাপ দেখাবে। তাছাড়া —-।
রাফি   : আহা অযথা কথা বাড়িয়ে কি লাভ! ঝটপট বাইকে উঠো। প্লিজ লক্ষ্মী মেয়ের মতো বাইকে উঠো। ( রুবি বাইকে উঠে, রাফি বাইক চালিয়ে এগিয়ে যায়)

## intercart: হাসেম আলী রিক্সা চালিয়ে যাচ্ছে।

দৃশ্য  :০২-খ।। দিন।। চায়ের দোকন।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক চালিয়ে আসে পিছনে রুবি, বাইক থেকে নেমে ওরা কথোপকথন শুরু করে mute shot]

রুবি  : দেখুন আপনার সব কথা আমি শুনলাম আমার পারিবারিক অবস্থা সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। আপনার আমার মাঝে ব্যবধানটা অনেক। তাছাড়া আমি লেখাপড়া শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াবো। 

রাফি  : শোনো আমি সবকিছু জেনে বুঝে তারপর অগ্রসর হয়েছি তুমি লেখাপড়া শিখবে ভালো কথা তোমার সব ইচ্ছা আমি পূরণ করে দেব কোন সমস্যা হবে না। 

রুবি   :  আপনি বলেছেন আমি ভেবে দেখব তবে আপাতত একটা অনুরোধ আমার সামনে পরীক্ষা এর ভেতর আপনি আমাকে ডিস্টার্ব করবেন না প্লিজ। এখন আমাকে যেতে হবে (রবি সামনের দিকে এগিয়ে যায় রাফি ওকে থামাই)

রাফি   : ওকে তুমি যা বলেছ তাই হবে কিন্তু তোমাকে পৌঁছে দেই। প্লিজ রাগ করো না। কি হলো বাইকে ওঠো। (জোর করে বাইকে উঠিয়ে নেয়) Cut to 

দৃশ্য  :০৩।। দিন।। বাড়ির সামনে।। আউটডোর 
চরিত্র: হাশেম, রুবি, জরিনা 
[হাসেম আলী রিক্সা রেখে ঘরের সামনে এসে রুবিকে দেখে, সে স্কুলের ইউনিফর্ম পরে দাঁড়িয়ে আছে]

রুবি      : আব্বা, তুমি আজ সকাল সকাল বাড়িতে চলে আসলে যে, তোমার শরীর খারাপ হয়নি তো! আমার  ফরম ফিলাপের ফি  দিতে হবে।

হাশেম     :  (হাসি মুখে)  আজ সকাল থেকে ভালো প্যাসেঞ্জার ছিল বেশ কয়েকটা ভালো ভাড়া পেয়েছি। পরীক্ষার ফি টাকা জোগাড় হয়ে গেছে তাই চলে আসলাম। তুই তো আমার স্বপ্ন। তুই পড়বি, বড় হবি, এই রিক্সার চাকায় বদলে যাবে  ভাগ্যের চাকা।

জরিনা  : (একটু উপহাস করে)  বাপ মেয়ের যত সব আদিখ্যেতা, রিক্সাওয়ালার মেয়ে আবার ডাক্তার হয় নাকি? দিবা স্বপ্ন, মেট্রিক পাশ করলেই দেখে শুনে একটা বিয়ে দিয়ে দাও! ঝামেলার চুকে যাবে । এই তুই যা স্কুলের ড্রেসটা খোল আর তুমি হাত মুখ ধুয়ে  আসো খবার বেড়ে দিচ্ছি। (জরিনা গজ গজ  করতে করতে ঘরের ভেতর চলে যায়)

হাসেম : ( চুপ থাকে, চোখে জল আসে, কিন্তু মুখে হাসি ধরে রাখে)  শোন মা তোর মায়ের কোথায় মন খারাপ করিস নে তুই লেখাপড়া ভালো, আমার যতক্ষণ পর্যন্ত সাধ্য আছে তোকে লেখাপড়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব কোন চিন্তা করিস না যা, স্কুলের জামা পাল্টে ফেল। (রুবি ঘরেরভেতরে চলে যায়, হাশেম গামছায় মুখ মুছতে মুছতে হাত মুখ ধোয়ার জন্য সামনের দিকে যায়) cut to 
 
 দৃশ্য ।। ০৪।। দিন।।রাফিদের বাড়ি।। ইনডোর
চরিত্র: রাফি, মহিউদ্দিন,  মিলি
[সবাই ডাইনিং টেবিলে বসে চা নাস্তা খাচ্ছে]

মহিউদ্দিন: (বিস্ময় ভাবে) আজ সূর্য কোথা থেকে উঠেছে!  সারাদিন কোথায় থাকো কি কর তোমার তো দেখা সাক্ষাৎ পাওয়া যায় না!  ভাগ্যক্রমে তোমাকে নাস্তার টেবিলে পেয়ে গেলাম ব্যাপারটা কি?

রাফি      : না তেমন কিছু নয় আব্বু  এক জায়গায় যেতে হবে তাই সকাল সকাল উঠেছি। 

মহিউদ্দিন: পড়াশোনাটাও তো ঠিকমতো শেষ করতে পারলে না! কি করবে সেটাও বললে না ! এভাবে কতদিন পার করবে শুনি? 

রাফি     : তুমি তো আছো,  তুমি থাকতে আমার কিসের চিন্তা? 
মিলি      : ওর সাথে এত কথা না বলে ঘাড়ের পরে একটা জোয়াল উঠিয়ে দাও। দেখবে সুরসুর করে সোজা হয়ে গেছে। 
রাফি      : ঘাড়ের উপর জোয়াল কি মা?

মিলি    : নাও তোমার আদরের ছেলেরে এবার বুঝিয়ে দাও জোয়াল কি? 

মহিউদ্দিন: (একটু হেসে) আসলে তোর মা বলতে চাচ্ছে জোয়াল হচ্ছে দায়িত্ব‌ ।  গরু দিয়ে যখন লাঙ্গল চাষে তার ঘাড়ের পরে দেখিস না বাঁশ দিয়ে আটকে রাখে । এর মানে এটা হচ্ছে তার ঘাড়ের উপর  বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। 

রাফি    : এত ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে সরাসরি বললে তো হয়।

মিলি     : আমি বলেছি দেখে শুনে একটা বিয়ে দিয়ে দাও। আর একটা ব্যবসা ধরিয়ে দাও । ব্যাস ।

মহিউদ্দিন: বুঝতে পেরেছি মাঝে মাঝে দায়িত্ব  চাপিয়ে দিতে হয়। নাহলে নিজের স্বইচ্ছাই কেউ দায়িত্ব নেয় না।

রাফি      : (লজ্জা পেয়ে বেরিয়ে যায়) আমি বেরচ্ছি।

মিলি       :  ছেলে মনে হয় লজ্জা পেয়েছে।
মহিউদ্দিন: আমিও বের হচ্ছি। 
মিলি       : সাবধানে যেও।যেটা বললাম মাথায় রেখো। (মহিউদ্দিন বেরিয়ে যাবে) Cut to

দৃশ্য ।। ০৫।।দিন।। নির্জন স্থান।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম আলী, কয়েকজন 
[ফ্রেমে দেখা যায় হাসেম আলী রিক্সা নিয়ে বসে আছে কোন প্যাসেঞ্জার পাচ্ছে না]

হাসেম   : (স্বগত) মেয়েটা অনেক রাত পর্যন্ত লেখা পড়া করে তারে  ভালোমন্দ কিছু খেতে দেবো! কিন্তু টাকা পয়সা না হলে কোথা থেকে দেবো! এদিকে গত মাসের ঘর ভাড়া এখনো বাকি। বাড়িওয়ালা বারবার তাগাদা দেচ্ছে। এখন আমার রিক্সায়  সচরাচার কেউ উঠতে চায় না। (একজন প্যাসেঞ্জার আসে)

প্যাসেঞ্জারে-১ :  এই রিক্সা কি আপনার? কিছু মালামাল নিতে হবে। 
হাসেম           :  হ্যাঁ আমার, কোথায় কোথায় যেতে হবে? 
প্যাসেঞ্জারে-১: না থাক আপনিও মালামাল উঠানামা করতে পারবেন না। (অন্য একটা রিকশা ডেকে নিয়ে চলে যায়)

হাসেম         :  (আর একজন প্যাসেঞ্জার আসে) 
ভাই কোথায় যাবেন? আমার রিক্সায় আসেন ।

প্যাসেঞ্জারে-২: না আপনার রিক্সায় যাওয়া যাবে না বৃদ্ধ মানুষ। তাল সামলাতে পারবেন না কোথায় এক্সিডেন্ট করবেন তার ঠিক নেই, আমি অন্য রিক্সায় যাচ্ছি।
হাসেম        : (স্বগত)  বয়স হলে সবাই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। (হতাশায় চেয়ে থাকে) Cut to 

দৃশ্য ।। ০৬।।দিন।। রাস্তার মোড়।। আউটডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রুবি পাশ কাটিয়ে চলে যায় , দুজনের শুধু চোখাচোখি হয়ে। কারণ ডিস্টার্ব করতে মানা]

দৃশ্য ।। ০৭।।দিন।। বাড়ির উঠান ।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম , রহিম
[রহিম ঘর ভাড়ার জন্য আসবে  বকাবকি করবে]

রহিম   : হাসেম ভাই আছো নাকি?

হাসেম  : কে ? (বাইরে এসে) ও আপনি? কই একটা চেয়ার দাও , রহিম ভাই এসেছে।

রহিম    : না বসতে আসিনি? দুই মাসের ঘর ভাড়া বাকি, টাকা দেন। আমি চলে যাই।

হাসেম   : কি করবো ভাই একটু বেকায়দায় পড়িছি, কয়েক দিন পরে দিয়ে দেবো।

রহিম    : আপনি মুরুব্বি মানুষ বেশি কথা বলতে পারব না দুই-একদিনের মধ্যে ঘর ভাড়া দিয়ে দেবেন আমারও তো চলতে হয়। 

হাসেম   : রাগ করবেন না ভাই আপনি না দেখলে দেখবে কে? শহরে আসার পর থেকেই  তো আপনাদের এখানে থাকি। সেই যে আপনার আব্বা বেঁচে থাকতে এসেছি। 

রহিম    : সে তো সব জানি কিন্তু কি করবো বলেন?
টাকাটা দেওয়ার চেষ্টা করেন আমি এখন আসি। 
(হাশেম অসহায়ের মত তাকিয়ে থাকে রহিম চলে যায়) cut to 

দৃশ্য ।। ০৮।।রাত।। রুম ।।ইনডোর 
চরিত্র: রাফি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বসে বসে ভাবছে]

রাফি    : (স্বগত) আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। রুবি নিশ্চয়ই ভালো ফলাফল করবে। রুবি খুব মেধাবী, ও চায় ওর স্বপ্ন পূরণ করতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে। আর আমি চাই ওকে একান্ত করে কাছে পেতে।  বিয়ে করে ঘরে আনতে। কিন্তু আমার বাবা-মা ওকে মেনে নেবে? আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যত বাঁধা বিপত্তি থাকুক না কেন আমি ওকে বিয়ে করবই। (Cut to)

দৃশ্য ।। ০৯।।দিন ।। বাড়ি ।। আউটডোর 
চরিত্র: হাসেম, রুবি, জরিনা 
[ ফ্রেমে দেখা রুবি খুশিতে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করবে]

রুবি     : মা আব্বা তোমরা কোথায়? (হাসেম জরিনা ঘর থেকে বেরিয়ে) 

হাসেম   :  এই যে মা আমরা আছি। 

 জরিনা :  কি পাশ করছিস।

রুবি      : কি বলছো মা শুধু কি পাস জিপিএ ৫ পেয়েছি আমি। 

জরিনা  : জিপি ফাইভ সে আবার কি রে বাবা? আগে আমরা জানতাম ফাস্ট ডিভিশন সেকেন্ড ডিভিশন পায় কি সব ফাইভ বলছিস তুই।

রুবি     : মা তুমি অতসব বুঝবে না এখন রেজাল্ট এভাবেই হয়। 

হাসেম  : তুই আমার মুখ উজ্জ্বল করেছিস রে মা। 
আজ আমি সত্যিই  নিজেকে একজন গর্বিত পিতা বলে মনে হচ্ছে। কত কষ্ট বুকের মধ্যে চাপা ছিল সেই কষ্টটা তুই আজ ভুলিয়ে দিলিরে মা ভুলিয়ে দিলি। (আনন্দে কাঁদবে)

রুবি    : ভুলে যাও আব্বা তোমার পিছনে যত কষ্ট আছে। আমি তোমার মুখ উজ্জ্বল করবো দেখে নিও আমি ডাক্তার হব।
জরিনা : গরিবের আবার ঘোড়ার রোগ একজনের মানুষ করে জমি জায়গা বেঁচে বিদেশে পাঠিয়েছে তার কোন খোঁজ নেই কোথায় কোন বড় লোকের মেয়ের বিয়ে করে ঘর সংসার করছে এখন আমাদেরকে চেনেই না আর একজন ডাক্তার হবে!

হাসেম  : হ্যাঁ একটু থামোই না মেয়েটার  খুশির সংবাদ  তাকে না হয় উৎসাহ দেবে তা না তুমি  ভর্ৎসনা না করছো এটা ঠিক না। আমি বিকেলে মিষ্টি কিনে এনে পাড়া প্রতিবেশীদের সবাইরে খাওয়াবো।
 
জরিনা  : গ্রামে বাকি যে জমিটুকু আছে সেগুলো বেঁচে আনো মেয়েকে ডাক্তার বানাও কোন কোন বড় লোকের ছেলের হাত ধরে চলে যাবে।আর আমাদের  না খেয়ে মরতে হবে দেখে নিও। (গজ গজ করতে করতে ঘরের মধ্যে চলে যায়, বাপ মেয়ে দুজনে হেসে ওঠে, হাসেম মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে সান্ত্বনা দেয়)

হাসেম  : তুই আমার আলো। তোর আলোতেই আমার অন্ধকার ঘরটা আজ আলোকিত। যা মা  হাত মুখ ধুয়ে  আয় আজ একসাথে বসে খাবো।       ( দুজনে হাত মুখ ধুতে চলে যায়) 
       Cut to

দৃশ্য ।। ১০।।রাত।। রুম ।।ইনডোর 
চরিত্র: রাফি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বসে বসে ভাবছে]

রাফি    :( স্বগত)  আগামীকাল রুবির সাথে দেখা করব আমার ফাইনাল ডিসিশনটা জানিয়ে দেবো। 
ও লেখাপড়া করছে করুক তাতে কোন সমস্যা নেই আমরা বিয়েটা করে রাখবো এবং আমি ওর লেখাপড়া করার সহযোগিতা করব। 
                  Cut to 

দৃশ্য ।। ১১।।দিন ।। রাস্তার মোড়।।আউডোর 
চরিত্র: রাফি, রুবি 
[ ফ্রেমে দেখা যায় রাফি বাইক থামিয়ে অপেক্ষা করছে, রুবি দূর থেকে হেঁটে আসছে] 

রাফি  :  কেমন আছো আমার হৃদয়ের রাণী, পরীক্ষার রেজাল্ট বের হলো, কলেজে ভর্তি হলে, এবার শর্তটা উইথড্র (Withdraw) করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। আমার আজ্ঞা মঞ্জুর করুন। 

রুবি    : এখনো আরো ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে অবুঝ যুবক। 
রাফি   : তা হয়না, মহারানী , আমার প্রেম জোয়ারে,
দোলা লেগেছে, সেই জোয়ারে ভাসিয়ে দেবো ময়ূরপঙ্খী নাউ, তুমি দাও সাঁড়া দাও।

রুবি    :  সাঁড়া না হয় দিলাম কিন্তু ময়ূরপঙ্খী নাউয়ে এখন উঠার সময় হয়নি যুবক। তোমার খেয়ালি মনে এটা শুধু আবেগের দোলা, শান্ত হও , হয়েও না উতলা। আমিতো আছি তোমার প্রেমের প্রদীপ হাতে। অন্ধকারের যাত্রাপথের বাঁধা পেরিয়ে তবেই তো আমি আসবো।

রাফি    : শোন এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে সব কথা বলা যায় না, চলো আমরা একটা রেস্টুরেন্টে যাই, আজকে তোমাকে মিষ্টিমুখ করাবো। তারপর ফাইনাল ডিসিশনটা জানাবো। বাইকে ওঠো। এত দ্বিধা কেন ?ওঠো। (রুবি বাইকে ওঠে, বাইক নিমিষেই দূরে চলে যায়)

দৃশ্য ।।১২ ।। দিন।।রাফিদের বাড়ি।। ইনডোর
চরিত্র: রাফি, মহিউদ্দিন,  মিলি
[সবাই ডাইনিং টেবিলে বসে চা নাস্তা খাচ্ছে]

মহিউদ্দিন :  কি ব্যাপার রাফি চারিদিকে তোমাকে নিয়ে কানাঘুষা শুনছি! বিষয়টা কি?

রাফি        : যা শুনেছো বিষয়টা সত্যি। আমি আর রুবি কোট মেরেজ করেছি।

মহিউদ্দিন : জাতপাত না দেখে এমন একটা কাজ করতে পারলে। এখন মানসম্মান নিয়ে টানাটানি।

রাফি        : সবদিক দিয়ে সবাই হানডেট পারসেন হয়না আব্বু। মেয়েটির দেখতে সুন্দর, সেই সাথে অত্যন্ত মেধাবী, একটু সাপোর্ট করলে অনেক দূর এগুতে পারবে।

মহিউদ্দিন : তুমি আবেগ এই ঘটনা ঘটিয়েছো, মোহ কেটে গেল, তখন আফসোস করবে।

মিলি        : কোথাকার কোন মেয়ে কে জানে শেষে পচা শামুকে পা কাটলে। এর খেসারত তিলে তিলে দিতে হবে।

রাফি      :  মা রুবি অনেক ভালো মেয়ে। তোমার পছন্দ হবে।

মহিউদ্দিন: ঘটনা যখন ঘটিয়ে ফেলেছো, বাড়িতে নিয়ে এসো। এখন ঘরে বসে থাকলে চলবে না কিছু তো করতে হবে।

রাফি     : রুবির  ইচ্ছা ডাক্তারী পড়া । ওকে ডাক্তারী পড়িয়ে আমি একটা প্রাইভেট হাসপাতাল তৈরি করব। সেখানে দুজন মিলে হাসপাতাল  পরিচালনা করবো।

মিলি    : গাছে কাঁঠাল আর গোঁফে তেল দিলে তো চলবে না আগে ঘরে তুলে আনো দেখি কোন বংশের মেয়ে কি স্ট্যাটাস তার পর দেখা যাবে। 

রাফি     : কালকে রুবিকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসবো। 

মহিউদ্দিন: আমি কোন আনুষ্ঠানিকতা করতে পারবো না তুমি নিজের মতো করেছো নিজের মত সব ব্যবস্থা করবে যাও। (রাফি বেরিয়ে যায়)
                Cut to 

অসমাপ্ত (বাকি অংশ দেখুন)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243395/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 15:31:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাটক:মেঘ রোদ্দুর<br />
(প্রথম অংশ )<br />
রচনা : আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>কাহিনী সংক্ষেপ: হাশেম আলী, একজন বৃদ্ধ রিক্সাওয়ালা। শহরের রোদে-ঘামে দিন কাটে তার, কিন্তু তার চোখে একটাই স্বপ্ন—মেয়ে রুবিকে মানুষ করা। রুবি তার একমাত্র সন্তান, যার চোখে জ্বলজ্বলে আগুন, যার বইয়ের পাতায় ভবিষ্যতের ছায়া। হাশেম আলী রিক্সা চালিয়ে, কষ্ট করে, মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করান।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243395"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243395/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf8216df3710253bae35433668aa1e0e</guid>
				<title>নাটক- মিলন তিথি
(২য় অংশ)
রচনা -আবুল হাসান তুহিন

কাহিনী সংক্ষেপঃ
মিলন এবং তিথি- একে অপরের সাথে  বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকে।একসময় ভালোবাসায় রূপ নেয়। ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে দুজন। মিলন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকায় যায়। কিন্তু সে ফেরত আসে না। তিথি হিসাব মিলাতে পারে না। এদিকে তিথির বাবা  বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে থাকে। তিথি এতে রাজি হয় না। তিথি মিলনের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকে। তিথি সংকল্প করে মিলনকে খুঁজে বের করবে। একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে মিলন কে নতুন রূপে আবিষ্কার করে। তারপর মিলনের ফিরে না আসার সমাধান হয়। আসলে মিলন বাস দুর্ঘটনায় একটি পা হারায়। এই কারণে তিথির  সঙ্গে  যোগাযোগ করেনি,   অনাকঙ্খিত দুর্ঘটনার জন্য মিলন দায়ী নয়, তিথি মিলনকে বিয়ে করতে বলে। মিলন তার বৃদ্ধ শিক্ষককে দেখাশোনা করতো, মিলন এবং তিথি বিয়ে করে বৃদ্ধ শিক্ষকের বাসায় ওঠে।

                 চরিত্র:
১। শিক্ষক- স্কুলের শিক্ষক -৬৫
২।মিলন   -  প্রাক্তন ছাত্র    -৩০
৩। স্ত্রী        - শিক্ষকের স্ত্রী   ৫৫
৪। তিথি    - প্রাক্তন ছাত্রের প্রেমিকা ২৫
৫। মা         -তিথির মা  -৪৫
৬। বাবা      - তিথির বাবা-৫৫
৭।মিতু        - বান্ধবী -২৫
৮। রিকশা চালক-২৫(নেপথ্য)


।। পটপরিবর্তন ।।  
দৃশ্য।।১১।। দিন।। রাস্তা।।
চরিত্রঃ তিথি রিক্সাচালক
(তিথি রিক্সায় করে যাচ্ছে রাস্তায় কোলাহলের শব্দ, গাড়ির হর্ন বাজছে)

তিথি      : মিতু না ! হ্যা,মিতু তো, ভাই   ,দাঁড়ান। 

রি:চালক: : (নেপথ্য) আপামনি  এখানে নামবেন?
 
 তিথি      : হ্যাঁ এখানে নামবো। এই নিন আপনার ভাড়া। মিতু এই মিতু এই যে আমি এখানে। 

মিতু          : কি ব্যাপার?  কোথায় যাচ্ছিস?

তিথি    :  তোদের বাড়িতে যাচ্ছিলাম। অনেক দিন দেখা হচ্ছে না। তাই।

মিতু       : ভালো করেছিস। শোন  অনেকদিন পার্কে যাই না তোকে নিয়ে আজ পার্কে বেড়াতে যাব। সেখানে সবুজ ঘাসের গালিচায়  বসে তোর সব কথা শুনবো। 

 তিথি     : ঠিক আছে , হেঁটে ই যাই।

মিতু        : সমস্যা নেই চল।


            ।।সামান্য পচ।।
দৃশ্য।।  ১২ ।।  নির্জনস্থান পার্ক
চরিত্রঃ মিতু , তিথি
(পার্কে এসে ওরা গল্প করবে)

মিতু       :পার্কের বসার বেঞ্চ গুলো অনেক উন্নত হয়েছে। এক কাজ করি  ঢোকার আগে কিছু বাদাম  কিনি।  বাদামের সাথে গল্পটা জমবে ভালো। 

তিথি      : ঠিক বলেছিস ,এক কাজ কর তুই বাদাম কিনে আন  , আমি ঐ পাশের বেঞ্চে গিয়ে বসি। 

মিতু         : আচ্ছা ঠিক আছে।

তিথি        :( স্বাগত) সময় কত দ্রুত গড়িয়ে যায়। কতদিন পর পার্কে আসতে হলো। একসময় নিয়মিত আসা যাওয়া করতাম আমি আর মিলন, এখন পার্কের প্রতিটা ঘাস লতাপাতা আমার দিকে শূন্য দৃষ্টিতে চেয়ে আছে। আমার ভেতরকার বোবা কান্না হয়তো ওরা বুঝতে পারছে। গাছপালা লতাপাতার অনুভূতি আছে হাসি কান্না আছে কিন্তু ওটা এত ক্ষীন শব্দ যে আমরা শুনতে পাই না। ওরা বলাবলি করছে তোমাকে চিনতে পেরেছি তুমি প্রতিদিন আসতে। মিলনের সাথে গল্প করতে।

                     ।।ফ্ল্যাশব্যাক।।
দৃশ্য।।  ১৩ ।।  নির্জনস্থান পার্ক
চরিত্রঃ মিলন, তিথি
(মিলন তিথি নির্জনস্থানে বসে গল্প করছে )

মিলনঃ  মেয়েদের হাসি দেখে  ছেলেরা প্রেমে পড়ে যায়।  প্রথম দেখায় মেয়েটির হাসি কেমন সে দিকেই ছেলেদের নজর বেশি থাকে।আর এই হাসির জন্য সে সবকিছু করতে রাজি ।

তিথি: সম্পর্ক শুরু হওয়ার পর সঙ্গী যখন নিয়মিত খবর রাখে তখন মেয়েরা খুব খুশি হয়। এখন কি করছো, দুপুরে খেয়েছো কি না, শরীর কেমন আছে প্রভৃতি বিষয়গুলো যদি ছেলেরা খেয়াল রাখে তাহলে মেয়েদের মন জয় করা খুব সহজ। ছেলেদের এই গুণ মেয়েরা খুব পছন্দ করে।


মিলন : মেয়েদের সুন্দর চোখ দেখে ছেলেরা আকৃষ্ট হয়। চোখে চোখ রেখে ভুলে যায় আপন ভুবন।

তিথি: সঙ্গীর কাছ থেকে উপহার পেতে মেয়েরা খুব পছন্দ করে। ছেলেদের এই গুণ মেয়েদের খুব তাড়াতাড়ি কাছে টানে। যখনই মেয়ে সঙ্গীর সঙ্গে দেখা করতে যাবে তখনই একটি গোলাপ কিংবা পছন্দের চকলেট কিংবা সাজগোজের কিছু উপহার দিতে হয় । এতে মেয়েরা বেশি আকৃষ্ট হয় ।


মিলন: মেয়েদের কড়া ঘ্রাণের সুগন্ধি ছেলেদের একেবারেই পছন্দ না। আবার গায়ের দুর্গন্ধও সহ্য করতে পারে না। 

তিথি: যেসব ছেলেদের বেশি বুদ্ধি থাকে তাদেরকে মেয়েরা পছন্দ করে। বোকাদের কেউই পছন্দ করতে চায় না। সুতরাং যাদের এই গুণ রয়েছে মেয়েরা খুব সহজে তাদেরকে কাছে টানে।

মিলন: মেয়েদের দাঁতের সৌন্দর্য মে কোন ছেলেকে আকৃষ্ট করে। হাসির অলংকার হচ্ছে দাঁতের সৌন্দর্য।

তিথি: ছেলেদের ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। তাই বলে অতিরিক্ত স্টাইল কিন্তু মেয়েদের একেবারেই অপছন্দ। ফ্যাশন সম্পর্কে অর্থৎ  স্মার্ট হতে হয়। সুন্দরভাবে পরিপাটি হয়ে মেয়ে সঙ্গীর সামনে আসতে হয় । এলোমেলো হয়ে থাকা ছেলেদের মোটেও পছন্দ করে না মেয়েরা। তাই ছেলেদের এই গুণ থাকা আবশ্যক।                                                                                                   


মিলন :  ছেলেরা মেয়েদের লম্বা চুল পছন্দ করে। দক্ষিণা বাতাসে উড়ে যায় ঘন কালো চুল। 

তিথি: মেয়েরা মুখে প্রকাশ করতে না পারলেও মনে মনে ছেলে সঙ্গীর কাছে হালকা আদর চায়। সঙ্গিনীর কপালে আলতো করে একটি চুম্বন কিংবা হাত ধরে চোখে তাকিয়ে থাকা ।  সঙ্গিনী এতেই অনেক বেশি খুশি হয় । এমনি গুণ মেয়েদের খুব পছন্দ।

মিলন: শুধু কথা শুনেই অনেক ছেলেরা মেয়েদের প্রেমে পড়ে যায়? মিষ্টি কণ্ঠ ছেলেদের আকৃষ্ট করে। তাই তাদের সামনে কর্কশ ভাষায় কথা না বলাই ভালো। তাহলে প্রেমে পরা তো দূরের কথা, দ্বিতীয় বার আপনার সঙ্গে আর দেখাই করবে না।

তিথি : প্রত্যেকে মেয়েই চায় এমন একজন সঙ্গী, যে তার মনের চাহিদাগুলো বুঝতে পারে বা মেটাতে পারে।

মিলন: কোনো ছেলের সঙ্গে প্রথম দেখা করতে গেলে অবশ্যই কী ধরনের পোশাক পরতে হবে  খেয়াল রাখা উচিত। হুট করে কেউ  কারো সঙ্গে দেখা করতে যায় না। নিশ্চয়ই তার সঙ্গে  কয়েকবার ফোনে কথা হওয়ার পর। সে কেমন প্রকৃতির মানুষ এটা কিছুটা হলেও আন্দাজ করতে পারা যায়। সেই অনুযায়ী পোশাক পরে দেখা করতে যেতে হয়। ছেলেরা নিজেদের পোশাকের ব্যাপারে অতটা সচেতন না হলেও মেয়েদের পোশাকটা কিন্তু তারা ঠিকই খেয়াল করে।

তিথি : মেয়েরা ভালো লাগার বিষয়গুলো সাধারণত মুখে প্রকাশ করতে চায় না, তবে ছেলেদের কিছু গুণই মেয়েদের না বলা কথা প্রকাশ করে দেয়। ছেলেরা সহজেই মেয়েদেরকে কাছে টানে কিন্তু মেয়েরা তেমন সহজেই ছেলেদের কাছে টানতে পারে না। ছেলেদের কিছু ভালো গুণ দেখেই মেয়েরা কাছে টানতে শুরু করে।

মিলন: ভালোবাসা চলে যায় এক মাস সতের দিন পর। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের এ কথাকে মিথ্যা প্রমাণ করে টিকে থাকে বহু ভালোবাসা। রোমান্টিক সম্পর্কের গবেষকরা ভালোবাসা টিকে থাকা আর টিকিয়ে রাখা নিয়ে গবেষণা করেছেন বহু। আমারও আলোচনা করলাম। এবার উঠতে হবে মহারানী।
তিথি : যথা আজ্ঞা মহারাজ। সন্ধ্যা নেমে এসেছে বাড়ি ফিরতে হবে।
(উভয়ে হাসতে হাসতে প্রস্তান)
                       
                     ।।  ফ্লাশ ইন ।।

মিতু         : কিরে ধ্যানে বসে গেলি মনে হয়। এই নে ধর।

তিথি       :  এত বাদাম ! তুই কি পাগল হয়ে গেলি নাকি। কতক্ষণ ধরে খাবি?

মিতু       : যতক্ষণ গল্প চলবে ততক্ষণ। যদি শেষ হয়ে যায় আবার কিনা আনবো।

তিথি      : আচ্ছা ঐ শেডের নিচে বেঞ্চে কি লেখা আছে? শুধু মাত্র বীদের বসিবার স্হান। অর্থটা কি বলতো?

মিতু       :  বলছি, এটা একটা ধাঁধার মত হয়েছে। এটা বদ ছেলেদেরই কাজ। ঐ &quot;বী&quot; অক্ষরের আগে একটু ফাঁকা জায়গা ওখানে অন্য কোন অক্ষর ছিল। 

 তিথি       : দাঁড়া দেখছি যদি &quot;প&quot;  অক্ষর হয়। তাহলে হবে পবী । আসলে ওটা বী নয় ওটা রী।
ওটা লিখলে পরী আর যদি &quot;ন&quot; লিখি তাহলে হবে নারী, হ্যাঁ পেরেছি ওটা হবে নারীদের বসিবার  স্থান।

মিতু        :  বাহ্ বেশ বেশ। বড় হলে তুই পন্ডিত হবি। হো হো হো (দুইজনে হেসে উঠে) এবার বল । আবার নতুন করে কি সমস্যায় পরেছিস।

তিথি   : আব্বা  আমার বিয়ে ঠিক করেছিল,সেটা পুরোপুরি ফাইনালের দিকে এগোচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হলেই বিয়েটা হবে।  এখন কি করবো বুঝে উঠতে পারছি না। মিলনকে কিভাবে খুজবো !

মিতু      :  মেয়েরা এমন পরিস্থিতির শিকার  সবচেয়ে বেশি। বাপ মায়ের মতামতের গুরুত্ব দিতে গিয়ে নিজেদের চাওয়া পাওয়াকে বলি দিতে হয়। মিলন ভাইকে পেলে সমাধান টা ছিল খুবই সহজ। নিজেরাই বিয়ের কাজটা সারতে পারতিস। আচ্ছা মিলন ভাইয়ের নিকট কোন আত্মীয়-স্বজনের কাছে খোঁজ নিলে হয় না।

তিথি       : নিকট আত্মীয় বলতে তো আমি কাউকে চিনি না। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় একটি ছেলে একটি মেয়ের দেখা-সাক্ষাৎ  হয় চুপিসারে। তখন এতকিছু মাথায় থাকে না।

 মিতু        : আমরা যে ভুলটা করে বসি সেটা হচ্ছে, পরিচিত মানুষের ব্যক্তিগত খোঁজখবর নিতে ভুলে যায়। পরিচয় হয় চেনা জানা হয় কিন্তু তার ব্যক্তিগত পরিচয় রাখা হয় না যখন ঠেকে যায় তখন এর মূল্য বুঝতে পারি।

তিথি       : যা হওয়ার তাই হয়েছে এখন  ভাসা ভাসা সূত্র ধরে আমাদের এগোতে  হবে। 
                              
মিতু     :  মিলন ভাইকে আমি একদিনই দেখেছিলাম । চেহারাটা যতটুকু মনে আছে, হুবহু মিলন ভাইয়ের মত দেখতে কনফেকশনারি দোকানের ওই ভাইটার মত। অনেকদিন তোকে বলবো বলবো বলে ভেবেছি কিন্তু বলতে পারিনি। কারণ উনার একটি পায়ে সমস্যা আছে। মিলন ভাইয়ের পায়েতো কোন সমস্যা ছিলনা। 

তিথি    : তাহলে আমাকে দেখতে হয়, মানুষের মত মানুষ হয় শুনেছি। পৃথিবীতে একই রকমের চেহারার মানুষ সাতজন থাকে।

মিতু       : হতে পারে আবার নাও হতে পারে । মনকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য তুই দেখতে পারিস।

তিথি      : চল দূর থেকে আমি দেখব।

মিতু       : তাহলে চল।

                       ।। সামান্য পচ ।।
দৃশ্য।। ১৪ ।।দিন।। রাস্তা ।।
চরিত্রঃ  তিথি,মিতু, মিলন 
(রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মিলনকে দেখবে, চারিদিক থেকে রিকশা গাড়ির শব্দ শোনা যাবে)

মিতু     :  ঐ যে কনফেকশনারির দোকান টা দেখতে পাচ্ছিস, হ্যা , ঐটা , যে ভাইটার দোকান হুবুহু মিলন ভাইয়ের মত দেখতে।

তিথি       : শোন, আমরা ওড়না হিজাবের মতো করে মুখ ঢেকে কেনা কাটা করবো। তুই কেনাকাটা করবি কথা বলবি । আমি ওর চালচলন লক্ষ্য রাখবো। 

মিতু       : আইডিয়াটা চমৎকার চল রাস্তা পার হয়ে দোকানের ভিতরে যাই।

তিথি     :  সাবধানে পার হতে হবে সহজে রিক্সা গাড়ির ব্রেক ধরতেই চায় না।এই দিগ থেকে না, ঐ জেব্রা ক্রসিং দিয়েই পার হই। 

মিতু     : দুজনে হাত ধরে পার হবো দেখবি রিক্সা গাড়ি ব্রেক ধরতে বাধ্য।

মিলন      :  আপা আপনাদের কি কি লাগবে ?

মিতু    : এক প্যাকেট ভাজা আর দুইটা কোল্ড ড্রিংকস।

মিলন  : আচ্ছা দিচ্ছি ,আপনারা ভিতরে আসেন? 

মিতু        : না আমরা এখানে ঠিক আছি। 

মিলন   : এই যে আপনাদের  এক প্যাকেট ভাজা , দুইটা কোল্ড ড্রিঙ্কস।

মিতু        : ঠিক আছে, টাকা রাখুন।

মিলন     : আচ্ছা।

মিতু      :  আচ্ছা ভাইয়া  আপনি কি মাস কাবারি  মালামাল দিতে পারবেন ?

মিলন    : হ্যাঁ পারবো কিন্তু আপনাদের পরিচয় তো জানতে হবে?

মিতু      : সামনের মোড়ে ভোজন বিলাস কফি শপ আছে ওখানে, প্রতিমাসের মুদি  মালামাল আপনাকে দিতে হবে, প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে আপনার পাওনা পরিশোধ করা হবে।

মিলন    : সমস্যা নেই দিতে পারব। মালামাল আপনাদের প্রতিদিন যা লাগবে লোক পাঠিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

মিতু        :  অবশ্যই লোক পাঠিয়ে নিয়ে যাবো। এক কাজ করেন আপনি দোকানটা দুপুরে তো বন্ধ করেন। বিকাল ৪ টায় আপনি ওখান থেকে ঘুরে যান, ওখানে বসেই যাবতীয় কথাবার্তা ফাইনাল করব।

মিলন      : দোকান একবারে রাতে বন্ধ হয় আমি দুপুর বেলা বাড়িতে ফ্রেশ হওয়ার জন্য যাই। ফেরার পথে  দেখা করে আসবো।

মিতু       : ঠিক আছে ওই কথাই রইল । আচ্ছা ভাইয়া একটা কথা জিজ্ঞেস করবো যদি কিছু মনে না করেন?

মিলন     : কেন নয়, অবশ্যই জিজ্ঞেস করতে পারেন।

মিতু     : আপনার পায়ের সমস্যাটা কি অনেক আগের?

মিলন     : না বেশিদিন আগের নয় এইতো বছর খানিক হবে। 

মিতু      : সরি ভাইয়া, , কিছু মনে করবেন না আসি। আসসালামু আলাইকুম।

মিলন      : অলাইকুম আসসালাম।

মিতু         : চল এবার পার্কে বসে বিস্তারিত কথা বলি।(প্রস্থান)

                         ।।সামান্য পচ।।
দৃশ্য।।  ১৫ ।। দিন।। পার্ক।।
চরিত্রঃ মিতু , তিথি
(পার্কে বসে কথা বলছে)

তিথি       : একসাথে আনন্দ এবং কষ্ট চেপে কঠিন সময় পান করলাম। সেই সাথে, তুই  কি চমৎকার করে বিষয়টি ফেস করলি।
 
মিতু       : হ্যাঁ করলাম কিন্তু তুই কি লক্ষ্য করলি ও কি মিলন ভাই!

তিথি       : পায়ের সমস্যা ছাড়া বাকি সব একশত ভাগ ,মিলন। 

মিতু       : তাহলে কি আমি এ ধরে নেব উনি আসলে মিলন ভাই।
                 
 তিথি      : অবশ্যই ধরে নেওয়া যায়। কারণ মিলনের গলা আওয়াজ আমার চির চেনা, আমি অন্ধ হলেও ওকে  চিনতে পারব ওর গলার ভয়েস শুনে ।  আচ্ছা ওই ভজন বিলাস কফি হাউসের কথা বললি ওটা কাদের?

মিতু         : তোকে তো বলাই হয়নি আসলে ওটা আমিই দিয়েছি। বাড়ির নিচ তলাটা কোচিং সেন্টার ছিল, ওটা উঠিয়ে দিয়ে কফি হাউস টা দিলাম।  তুই তো জানিস আমি তো বিজনেস ম্যানের ওয়াইফ। তাই ছোটখাটো ব্যবসা করে হাতপাখাচ্ছি। ( দুজনে হা হা করে হেসে)

তিথি     : মিতু তোকে অনেক ধন্যবাদ তুই মিলনকে খুঁজে পাওয়ার জন্য যে সহযোগিতা করলি আমি কোনদিন ভুলবো না।

মিতু      : ধন্যবাদের  কি আছে তুই হচ্ছি আমার সবচেয়ে কাছের।আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় কর। 

তিথি      : সে তো করবোই। আমার ধারণা মিলন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে আমার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

মিতু       : শোন বেলা বেড়ে যাচ্ছে বাড়ির দিকে চল। দুপুরে খেয়ে রেস্ট নিয়ে তারপর বিকেলে ভজন বিলাস কফি হাউসে কথা হবে। আর কি হবে? মিলনের সাথে মহামিলন হবে। (দুজনে হেসে ওঠ)।( প্রস্থান)

দৃশ্য।। ১৬ ।।দিন।। নির্জন স্থান।।
চরিত্রঃ  তিথি, বাবা, মা

[ বাবাও মা  চিন্তিত কারণ রাত হয়েছে তিথি বাড়িতে ফেরেনি। তিথি ফিরলে বকাবকি করবেন। ]

বাবা: তিথি মা তিথি জলদি এককাপ চা তৈরি করে নিয়ে আয়তো। কইরে। কি ব্যাপার কথার কোন উত্তর নেই।

মা      :তিথি বাড়িতে নেই।

বাবা     :কেন কোথায় গিয়েছে ? 

মা    :জানিনা , বলে যায়নি সেই সকালে বেরিয়েছে।

বাবা    :কোথায় আছে , জানা থাকলে এত টেনশন বাড়ে না।

মা    : দুপুরে আমি বেলকনিতে দাঁড়িয়েছিলাম দেখি তনু যাচ্ছে জিজ্ঞেস করলাম তিথির কথা ও  বললো মিতু নামে কোন এক বান্ধবীর বাড়িতে গেছে ।
                                                     
বাবা  :সবাই বুঝলাম । সন্ধ্যার আগেইতো বাড়িতে ফিরতে হবে। বাবা মা তাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে আজকালকার ছেলেমেয়েরা সেটা অনুভব করতে পারেনা। 

মা-    :আমরা তো একা একা বাইরে বেরোনোর সাহসই পেতাম না। (কলিংবেলের শব্দ) ঐ বোধহয় এসেছে। তুমি বকাবকি করবে না। 

বাবা   : আচ্ছা ঠিক আছে। যাও দরজা খুলে দাও। তার পর তিনি জনে একসাথে বসে চা খাবো।

মা     :কিরে এতক্ষণে তোর আসার সময় হলো। এদিকে আমরা চিন্তা করছি।

তিথি :(আনন্দে) খুঁজে পেয়েছি মা আমি মিলনকে খুঁজে পেয়েছি। 

মা       : কোথায় কীভাবে?

তিথি  : আগে ফ্রেশ হয়ে আসি। তারপর বলবো।



              ।। পটপরিবর্তনের।।

দৃশ্য।।১৭।।দিন।। নির্জন স্থান।।
চরিত্রঃ মিলন, তিথি
(মিলন ও তিথি নির্জনে বসে আবেগ ঘন কথাবার্তা বলছে।)

মিলন-  :তুমি আমাকে ভুলে যাও তিথি আমি তোমার যোগ্য নই, তারপরেও আমি যে পঙ্গু। এভাবে তোমার জীবনটা আমার সাথে জড়িয়ে নষ্ট করো না।

তিথি   :তুমি এসব কি বলছ ? ভুলে যেতে বললেই কি যদি ভোলা যায়। সামান্য একটা বিষয় নিয়ে তোমার আমার মাঝে দেয়াল তুলে দিতে চাও?

মিলন  :আমার এই পঙ্গুত্ববরণ কে সামান্য বলছো তোমার মতো সুন্দরী একটা মেয়ের স্বামী আমি হতে পারবোনা।

তিথি   :তোমার এই অঙ্গহানি ইচ্ছে করে তো হয়নি এটা অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা মাত্র।

মিলন-  :তার পরেও সামান্য একটা ছোট্ট দোকান এর উপর নির্ভরশীল। আমার তো অন্য কোন উপর্জন নেই। অভাবের সংসারে ভালোবাসার মূল্য থাকে না।  তাই-------

তিথি    :আমাকে ফিরিয়ে দিচ্ছ। কিন্তু আমি হেরে যাওয়ার মেয়ে নয়। তোমার একটি পায়ের সমস্যা কিন্তু আমার দুটি হাত দুটি পা আছে, দুজনের মিলিত শক্তিতেই আমরা সমস্ত বাঁধা অতিক্রান্ত করতে পারব। শুধু তুমি আমাকে ভালোবাসবে।

মিলন  :সবাই ভাববে তুমি আমাকে করুণা করেছ। আমি কারোর করুণার পাত্র হতে চাই না।

তিথি   :তুমি নিজেকে এত দুর্বল ভাবো কেন? শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা কখনো করুণা দিয়ে হয়না। আমি তোমাকে ভালোবাসি , তুমি আমাকে ভালোবাসো , দুজনের মিলিত এই ভালবাসাকে আমি শ্রদ্ধা করি। সমাজ-সংসারে আমি কাউকে ভয় করিনা। তাছাড়া আমি প্রাপ্তবয়স্ক একজন মেয়ে। আমার চাওয়া পাওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে। তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিতে পারো না।

মিলন   :তাহলে তাই হোক। আমাদের পবিত্র ভালোবাসা পরিপূর্ণতা পাক। তোমার সাহসী দৃঢ় মনোভাব আমাকে আরো সাহসী করে তুলেছে। আমরা আগামীকালই বিয়ে করবো।   তার আগে                                                                                          তোমার কাছে একটি সত্য অনুরোধ। আমার একজন শ্রদ্ধেয় স্যার আছেন, তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন, তার স্ত্রীও ভীষণ অসুস্থ । উনাদের শারীরিক কষ্ট দেখে আমি খুবই মর্মাহত। স্যারের দুটি মেয়ে ছিল তাদের বিয়ে হয়ে গেছে, স্ত্রী অসুস্থতার কারণে উনি বেশ বিপাকে পড়েছেন। তাই আমি চাই  বিয়ে করে তোমাকে স্যারের কাছে কিছুদিন রেখে দেবো তুমি উনাদের সেবা যত্ন করবে।

তিথি‌    : কি বলছ তুমি এটা তো কোন ব্যাপারই না ! তোমার শিক্ষককে তুমি শ্রদ্ধা করো আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি সেই শ্রদ্ধার মূল্য দেবো না! তাছাড়া বিয়ের পর সব মেয়েরাই তো শ্বশুর শাশুড়ির সেবা যত্ন করেন যেহেতু সেটা আমার কপালে নেই আমি তোমার শিক্ষকের সেবা-যত্ন করে আমার সেই আশাটা পূরণ করব।

মিলন   : আর দেরি নয় এখন সোজা কাজী অফিসে যাবো। 

তিথি    : আজ না কাল সকালে, তাছাড়া মিতুকে বলতে হবে, বাবা মাকে তোমাকে খুঁজে পাওয়ার কথা জানিয়েছি। বাবা-মা আপত্তি করবেন না।

              ।।   পট পরিবর্তন।।
দৃশ্য।। ১৮ ।। দিন।।ঘর।। 
চরিত্রঃ স্ত্রী, শিক্ষক, মিলন, তিথি
 (শিক্ষক অসুস্থ স্ত্রীর সেবা যত্ন করছেন, এরমধ্যে মিলন ও তিথি আসবে।)


শিক্ষক  :তুমি কাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছো। চারিদিকে এলোমেলো কোথায় যে বসতে দেই। 

মিলন   :স্যার ব্যস্ত হওয়ার দরকার নেই। এ হচ্ছে তিথি আমার স্ত্রী। তিথি স্যার কে সালাম করো। (তিথি স্যার কে সালাম করে)

শিক্ষক   :বেঁচে থাকো মা। 

মিলন   :স্যার আমার একটা অনুরোধ আছে আপনি না করতে পারবেন না।

শিক্ষক   :না করবো কেন ? কি অনুরোধ বলো।

মিলন  :স্যার আমি এবং তিথি আপনাদের দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে চাই।

শিক্ষক    :তাই কি হয় তোমাদের ঘর সংসার ফেলে রেখে আমাদের সেবা যত্ন করবে?

তিথি    : কেন হয় না স্যার আমার তো শ্বশুর-শাশুড়ি এখানে থাকেনা। তাদের সেবাযত্নের সৌভাগ্য আমার নেই। তাই আমারা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাদের সাথে থাকতে। আপনি, না করবেন না।

শিক্ষক  :আমি তোমাদের মানসিকতা দেখে অনেক মুগ্ধ হয়েছি বর্তমান যুগে যেখানে নিজের সন্তান রায় তার পিতা-মাতাকে দেখেনা সেখানে তোমরা আমার রক্তের কেউ না তারপরেও আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছো। না না থাকলেও তোমাদের কথাতে আমার প্রাণটা ভরে গেছে ঠিক আছে যা ভালো বোঝো করো আমার কোন আপত্তি নেই।

মিলন    :স্যার আমার বাড়িটা ভাড়া দিয়েছি আর আপনার বাড়িতে এসে আমরা থাকবো আপনাদের সেবা-যত্ন করবো ভাববেন  আমি আপনার একটা ছেলে আর এ হচ্ছে আপনার ছেলের বউ।

স্ত্রী       :(আবেগে আপ্লুত হয়ে শয্যা থেকে উঠে বসবে) এসো মা আমার কাছে এসো তোমাদের এই শ্রদ্ধাবোধ দেখে আমার শরীর অর্ধেক ভালো হয়ে গেছে তোমরা কিছুদিন আমার কাছে থাকলে আমি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাব। মিলন তিথি এসো আমার পাশে এসে বসো। তোমাদের ভালোবাসার জোরে এ যাত্রা বেঁচে গেলাম।

সকালে   : হা হা হা (হাসি)

                         ।।  সমাপ্ত ।।
                      ২০/০৪/২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242638/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 17:21:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাটক- মিলন তিথি<br />
(২য় অংশ)<br />
রচনা -আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>কাহিনী সংক্ষেপঃ<br />
মিলন এবং তিথি- একে অপরের সাথে  বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকে।একসময় ভালোবাসায় রূপ নেয়। ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে দুজন। মিলন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকায় যায়। কিন্তু সে ফেরত আসে না। তিথি হিসাব মিলাতে পারে না। এদিকে তিথির বাবা  বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে থাকে। তিথি এতে রাজি হয&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242638"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242638/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f763c4d684d3970cf761dc63b131916</guid>
				<title>নাটক- মিলন তিথি
 (প্রথম অংশ)
রচনা -আবুল হাসান তুহিন

কাহিনী সংক্ষেপঃ
মিলন এবং তিথি- একে অপরের সাথে  বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকে।একসময় ভালোবাসায় রূপ নেয়। ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে দুজন। মিলন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকায় যায়। কিন্তু সে ফেরত আসে না। তিথি হিসাব মিলাতে পারে না। এদিকে তিথির বাবা  বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে থাকে। তিথি এতে রাজি হয় না। তিথি মিলনের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকে। তিথি সংকল্প করে মিলনকে খুঁজে বের করবে। একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে মিলন কে নতুন রূপে আবিষ্কার করে। তারপর মিলনের ফিরে না আসার সমাধান হয়। আসলে মিলন বাস দুর্ঘটনায় একটি পা হারায়। এই কারণে তিথির  সঙ্গে  যোগাযোগ করেনি,   অনাকঙ্খিত দুর্ঘটনার জন্য মিলন দায়ী নয়, তিথি মিলনকে বিয়ে করতে বলে। মিলন তার বৃদ্ধ শিক্ষককে দেখাশোনা করতো, মিলন এবং তিথি বিয়ে করে বৃদ্ধ শিক্ষকের বাসায় ওঠে।

                 চরিত্র:
১। শিক্ষক- স্কুলের শিক্ষক -৬৫
২।মিলন   -  প্রাক্তন ছাত্র    -৩০
৩। স্ত্রী        - শিক্ষকের স্ত্রী   ৫৫
৪। তিথি    - প্রাক্তন ছাত্রের প্রেমিকা ২৫
৫। মা         -তিথির মা  -৪৫
৬। বাবা      - তিথির বাবা-৫৫
৭।মিতু        - বান্ধবী -২৫
৮। রিকশা চালক-২৫(নেপথ্য)



দৃশ্য।।০১।। দিন।। বাড়ি ।।                                               
চরিত্রঃ মা, তিথি, 
(মা কলিংবেলের শব্দ দরজা খুলবে, তিথি ঘরে প্রবেশ করবে)

মা         :  এতক্ষণে তোর ফেরার সময় হলো। কলেজ কি আজকাল দেরিতে ছুটি দেয়। কিরে কথা বলছিস না যে?

তিথি      : কি বলবো মা, তুমি তো জানো মা, আমি পায়ে হেঁটে চলাফেরা করি। কলেজ ছুটির পর  বন্ধু-বান্ধবের সাথে কথা বলতে বলতে একটু সময় পার হয়ে যায়। 

মা     : তাই বলে এত দেরি! কি জানি আজকালকার ছেলেমেয়েদের ভাবগতি বোঝাই দায়। 

তিথি         : মা তুই বড্ড বেশি চিন্তা কর। সব সময় ভাবো  আমি বুঝি হারিয়ে যাব।  আমি তো এখন একটু বড় হয়েছি।   

মা         : চিন্তা কেন যে করি সেটা তুই পরে বুঝবি, যখন আমার মত মা হবি তখন বুঝবি এ কথা কেন বলেছি।

তিথি      : মা তুমি আমাকে বেশি কেয়ার করো এবং ভালোবাসো তাই তোমার যত চিন্তা।

মা          : মার কাজ তো সন্তানকে কেয়ার করা, তাকে আগলে রাখা, সেই ছোট থেকে এই পর্যন্ত তোকে ছায়ার মত আগলে রেখেছি। আর বিনা বেতনে সংসারের গুরুদায়িত্ব  পালন করে করছি। 

তিথি     : মা বাবা সঠিক দায়িত্ব পালন না করলে  সন্তান বিপথে চলে যায় এটা আমি জানি মা। 

মা          : যা জলদি হাত মুখ ধুয়ে আয় খেতে হবে না আমিও তো না খেয়ে বসে আছি।

তিথি        : মা তুমি টেবিলে গিয়ে বসো আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।

               ।।পটপরিবর্তন।।
দৃশ্য।।০২।। দিন।।  নির্জনস্থান                                                
চরিত্রঃ মিলন, তিথি, 

(মিলন এবং তিথি নিজেদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছে।)


তিথি    : সৃষ্টি কর্তা মেয়েদের মনকে মোমবাতির মত নরম করে সৃষ্টি করেছেন। এই কারনে তোমার প্রেমের আগুনে আমি গলে গেছি।  

মিলন    :তাই বুঝি!  আসলেই কি মেয়েদের মন নরম ও কোমল হয়ে থাকে?  মেয়েরা কেউ হয় রুক্ষ, কেউ আবার বদমেজাজী। মেয়েদের চেনা খুব কঠিন।

তিথি   :কত গুলো মেয়ে কে তুমি চেনো? মেয়েদের ব্যাপারে তুমি বিশাল একটা সার্টিফিকেট দিলে।

মিলন    :আরে আমি কি মেয়েদের নিয়ে গবেষণা করি নাকি। এটা মনোবিজ্ঞানীদের কথা।

তিথি   : ও আই সি । মেয়েদের নিয়ে মনোবিজ্ঞানের গবেষণা বেশি করতে গেলে লোকজন পাগল উপাধি দেবে।
                                                   
মিলন     :শোন গবেষণা এবং বাস্তবতা সব ক্ষেত্রে মেলে না। তাছাড়া মেয়েদের ষোল কলার এক কলার রহস্য ভেদ করা দূসাধ্য ।

তিথি    :কত মুনি ঋষি গন  ষোল কলার অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেয়েছেন। আ হা হাহা ( হাসি) তুমি ও হাবুডুবু খাবে। 

মিলন    :আমি হাবুডুবু খেলে তোমাকেই হাত ধরে টেনে তুলতে হবে, গবেষণায় দেখা গেছে   কিছু গোপন করে অন্য কিছু প্রকাশের প্রবণতা মেয়েদের বেশী। সবসময়ে  একটা কিছু আড়াল করে। পরিবেশ বুঝে অন্য কিছু প্রকাশের চেষ্টা করে। এজন্য প্রায়ই তাকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়।

তিথি     : তাহলে মেয়েরা মিথ্যে কথা বলে?

মিলন  :না এটা আসলে ছলাকলার কথা বুঝানো হয়েছে। 

তিথি   : মশাই এতো গবেষণা করলে তুমি আমাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখবে !

মিলন    : তা দেখবো কেন? সন্দেহ প্রবণতা একটি রোগ। গবেষণার বিষয় যা বলছিলাম শোনো, প্রেমের ব্যাপারে  মেয়েরা  ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশী নিশ্চুপ। সে সব সময় তার আবেগের ব্যাপারে সচেতন থাকে। সে তার প্রেমের প্রকাশ খুব বেশি পছন্দ করে না। একটি ছেলের যদি একটি মেয়েকে পছন্দ করে তাহলে সে সবাইকে বলে বেড়ায় এবং অনেক বেশি আমোদী হয়। কিন্তু মেয়েরা এই ব্যাপারে একদমই চুপ থাকে ব্যাপারটা এমন যেন কিছুই হয় নি । সে তার প্রেমের বা প্রমিকের ব্যাপারে কোন নেতিবাচক কথা শুনতে একদম অপছন্দ করে।

তিথি      : আমার আচরণের মধ্যে তেমন কিছু আছে?
                                       

মিলন    : আছে মানে হানডেট পারসেন আছে এখনো পর্যন্ত তুমি আমাকে আই লাভ ইউ একথা টা বলতে পারোনি। তাছাড়া কথায় কথায় তুমি রেগে যাও। মেয়েরা সাধারনত বদমেজাজী হয়। যদি কখনো বৈপরীত্য দেখা দেয় তাহলে তারা খুব তাড়াতাড়ি রাগান্বিত হয়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় খুব তাড়াতাড়ি ক্ষেপে ওঠে এবং রাগ পড়তেও অনেক বেশী সময় লাগে। 

তিথি    : বুঝলাম মশাই  মেয়েরা বদমেজাজি এবং জেদী  হয়। আর মানসিকতার দিক থেকে কেমন হয়?

মিলন   : মেয়েদের মানসিকতা কেমন হয় শুনবে। তবে আমি বলছি না তুমি এমন। যদি একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের ভান করা হয় তাহলে সে নিশ্চিত ধরে নেবে যে ছেলেটি তার প্রেমে পড়়ছে। কিন্তু যদি  তাকে যদি বলা হয় যে  তার সাথে অভিনয় করা হয়েছে তাহলে সে অন্য  ব্যাখ্যা দেবে।

তিথি        : মেয়েরা বড্ড বেশি আবেগী হয় এটা জানতো ?

মিলন     :হ্যাঁ সত্যি , মেয়েরা অনেক বেশী আবগী হয়। যদি কোনো ছেলেকে তার ভাল লাগে আর সে ছেলে যদি আবেগী চোখে তার দিকে তাকায় তাহলে মেয়েটি সঙ্গে সঙ্গে আবেগী হয়ে যায় যদিও সে প্রথম অবস্থায় ধরা দেবে না। যদি কখনো ছেলেটির সঙ্গে আবেগী কোন ঘটনা ঘটে তাহলে সে কখনো তা ভোলে না।

 তিথি      : গবেষণায় আর কি পাওয়া যায়?

মিলন    :মেয়েরা সবসময় তার স্বপ্নের পুরুষকে আলাদাভাবে পেতে চায় এবং আলাদাভাবে অনুভব করে। কিন্তু এমন অভিনয় করে যেন সে সেই ছেলেটাকে মনেই করে না। একটি মাত্রই চুম্বন মেয়েটির ধ্যান-ধারনাকে আমূল পরিবর্তন করে দিতে পারে।

তিথি          :  মেয়েরা কি ধরনের চিন্তা করে?

মিলন   : গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েরা সবসময় তার স্বপ্নের পুরুষের প্রশংসা করতে এবং তার পছন্দকে গুরুত্ব দিতে পছন্দ করে। যদি ছেলেটিও সেই মেয়েটির ব্যাপারে অনেক সিরিয়াস হয় তাহলে অনেক কিছুই ঘটতে পারে।

তিথি       :আর কি কি সমস্যা মেয়েদের আছে?

মিলন    :মেয়েদের একটা  বড় সমস্যা হচ্ছে বেশি কথা বলা, তারা অপ্রোয়জনীয় কথা বলে সারাদিন পার করে দিতে পারে। খোশ-গল্প করে  সময় অতিবাহীত করা মেয়েদের একটা পছন্দনীয় কাজ। 

তিথি     : কী ধরনের গল্প খোশ গল্প করে মেয়েরা বলো একটু শুনি?

মিলন    : ধরো পূর্ব প্রেম, অন্য মেয়েদের প্রেমিক, ফ্যাশন, রূপচর্চা, পোশাক-আশাক ইত্যাদি তাদের আলোচনার কমন বিষয়। 

তিথি       : তাহলে মেয়েরা পরনিন্দা পরচর্চা নিয়ে ব্যস্ত থাকে! 

মিলন      : এ বিষয়ে আমি কোন তর্কে যাবনা আমি শুধু গবেষণার কিছু বিষয় তোমাকে বললাম  ঠিক আছে শোন সন্ধ্যা লেগে গেছে এখন উঠতে হবে পরে আবারো বসা যাবে এই বিষয় নিয়ে। 

তিথি       : ঠিক আছে চলো, বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে।   (প্রস্থান)
মিলন   :  দিতে হবে মানে আবশ্যই দেবো মহারানী।
তিথি।       : চলুন মহারাজ। হাঁ হাঁ হাঁ (হাসি)


দৃশ্য।‌।০৩।‌। রাত ।। বাড়ি ।।
চরিত্রঃ  মা ও বাবা
(বাবা, মা নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন)

বাবা       : দেখতে দেখতে সময় কত গড়িয়ে গেল তাইনা। ছেলেটাকে উচ্চশিক্ষার জন্য  অস্ট্রেলিয়াতে পাঠালাম। কিন্তু সে তো আর ফিরে এল না। দেশে আসার কথা বললেই কিছু টাকা পাঠিয়ে দিয়ে আমাদেরকে বুঝ দেয়।

মা            : কি আর করবে ছেলে মেয়ে বড় হলে মায়া ত্যাগ করতে হয়। এইটুকু সান্ত্বনা যে তাকে মানুষের মতো মানুষ করেছ উচ্চ শিক্ষিত করেছ।

বাবা         : মানুষ হওয়া কি এতই সোজা তিথির মা! শিক্ষিত বা উচ্চশিক্ষিত হলেই কি মানুষ হয়? এটাকে মানুষ হওয়া বলে না। প্রকৃত মানুষ হতে গেলে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হয়। থাকতে হয় দেশাত্মবোধ নৈতিক চরিত্র। এটা কয়জনের ভেতরে আছে।

মা         : তোমার ছেলে এখন বলে এদেশে থাকার কি পরিবেশ আছে! এদেশ বসবাসযোগ্য নয়। তার লেখাপড়ার যোগ্যতার মূল্যায়ন হবে না তাকে অর্থ দিয়ে কোন প্রতিষ্ঠান পুষতেও পারবে না ।
বাবা       : এই ঘটনা আজ নতুন নয় মেধা পাচারের ঘটনা অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। তবুও যদের ভেতরে দেশাত্মবোধ কাজ করে, আত্মীয় স্বজনের প্রতি দায়িত্ববোধ আছে তারা ফেরত আসে। যে দেশের পয়সা দিয়ে বিদেশে লেখাপড়া শেখা, সেই দেশকে অবমূল্যায়ন করা ঠিক নয়। যার কারণে উচ্চশিক্ষিতরাই  নিজেদের স্বার্থে  দেশকে পিছিয়ে রেখেছে। 

মা       : নিজের মেধা অন্য দেশের কাছে যারা বিক্রি করে তারা যদি সেই মেধা নিজের দেশে কাজে লাগাত তাহলে দেশ অনেক আগেই উন্নতির শিখরে পৌঁছে যেত।

বাবা     : বাহ্ তুমি তো দেখছি অনেক সুন্দর কথা বললে। ও হ্যা, যে প্রসঙ্গ নিয়ে তোমার সাথে কথা বলতে চেয়েছিলাম সেটা ভুলেই গেছি। দিন দিন মেয়েটার বয়স বাড়ছে । তোমাকে তো এর আগেও বলেছি সম্বন্ধটা এবার আর ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। তিথিকে বিষয়টা ভালোভাবে বুঝিয়ে বলো। আমি চাই মাস্টার্স ফাইনালের পর ওকে বিয়ে দিতে।

মা       : তুমি ওর সাথে খোলাখুলি আলাপ কর আমি অনেক বলেছি। টেবিলে পান রাখা আছে, চুন দেখে নিও। যেন গাল পুড়িওনা। আমি খাবার গুলো ফ্রিজে তুলে রাখতে গেলাম।

 বাবা      : আচ্ছা ঠিক আছে যাও।

 দৃশ্য।‌।০৪।‌। দিন।। কলেজ ক্যাম্পাস ।।
চরিত্রঃ  তিথি ও মিতু 
(কলেজ ক্যাম্পাসে বসে মিতু ও তিথি নিজেদের মধ্যে কথা বলছে)

মিতু     : তিথি আজ তোকে অনেক সুন্দর লাগছে। কি ব্যাপার এখনো বিশেষ কিছু নয় তো।

তিথি       : না তেমন কিছু না। স্টুডিওতে গিয়ে ছবি তুলবো তাই। 

মিতু         : একা নাকি, মিলন ভাইয়ের সাথে!

তিথি       : আমার কয়েকটা ছবি তুলতে হবে। পাত্রপক্ষ কে দিতে হবে। ছেলের মা বাবা আমাকে অনেক আগেই পছন্দ করে রেখেছেন ছেলে তো আমাকে দেখেনি। লন্ডনে ডাক্তারি  পড়তে গিয়েছে। তার কাছে ছবিগুলো পাঠাতে হবে। বাবা দিনরাত চাপ দিচ্ছেন।

মিতু    : বুঝলাম, শেষে বেচারা মিলন ভাইয়ের কি হবে? 

তিথি   : কিছুই হবে না, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা-মাতা সব সময় সুপাত্রের সন্ধান করেন। তবে এখানে কথা আছে যে প্রকৃত অর্থে সু-পাত্রের সন্ধান কি তারা পেয়ে থাকেন? সব ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই না।

মিতু       : বিয়ের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা সব সময় অর্থ এবং সামাজিক অবস্থানের নিরিখে বিচার করেন। এক্ষেত্রে তার চরিত্রের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করতে পারেন না। চরিত্রের ত্রুটি ধরা পড়ে বিয়ের পরে। আমাকে দেখ। বড় ব্যবসায়ী দেখে আমাকে বিয়ে দিয়েছেন! সে ব্যবসায়ের নাম করে বিভিন্ন-দেশে ঘুরে বেড়ায়। দেশে থাকলে মাতাল হয়ে গভীর রাতে বাড়ি ফেরে। প্রতিদিন পার্টি লেগেই থাকে। আমি বিয়ের পর কয়েকটি পার্টিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। এই সমস্ত পার্টির চলে অন্য কিছু। বিদেশি দামি মদ নেশায় বুঁদ হয়ে কারো হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। মৃদু আলোতে কে কার বউ, কেকার বান্ধবী ঠিক থাকে না। নিজেকে কৌশলে বাঁচিয়ে ফিরেছি। সব জানিয়েছি ওই সমস্ত পার্টি আমার পছন্দ নয়। রাগ করে চলে এসেছি।  পড়াশোনা শেষ না করে আর ঢাকাতে ফিরছিনা । ঢাকাতে গিয়ে একটা হ্যান্ডিক্রাফসের শোরুম দিব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিথি   : তোর ভিতরে এত কথা আমাকে এতদিন খুলে বলিস নি। আমি তো ভেবেছি তুই পরীক্ষা দেওয়ার জন্যই চলে এসেছিস।

মিতু     : পরীক্ষা দেবে এটা সঠিক কিন্তু ব্যবসায়ী হাজবেন্ডের কাছ থেকে ব্যবসা শিখেছি, তাই নিজে স্বাবলম্বী হতে হবে। সে তার মতই যাই করে বেড়াক না কেন একদিন ঠিকই গুটিয়ে আসতে হবে। নিজে স্বাবলম্বী হলে পায়ের নিচের ভীত শক্ত হয়। কোন ঝড় ঝাপটায় টলাতে পারে না।

তিথি      : ঐ তো ও এসে গেছে আমি উঠিরে।

মিতু       : আচ্ছা ঠিক আছে। শুধু একা নিজের ছবি তুলিস না সাথে মিলন ভাইয়ের সাথে কয়েকটা ছবি তুলে আস িস প্রেক্ষাপট যদি পাল্টে যায় তখন ছবি গুলো স্মৃতি হয়ে থাকবে।

তিথি      : সে কথা আর বলতে !

মিতু      : তাই বুঝি! (দুজনে হো হো করে হেসে ওঠে)

                         ।। পটপরিবর্তন।।
দৃশ্য।‌।০৫।‌। দিন।। বাড়ি ।।
চরিত্রঃ  তিথি ও বাবা
(বিয়ের বিষয়ে তিথির বাবা তিথির সাথে কথা বলছেন।)

বাবা      : শোন মা, আমি তোমার অনেক আবদার শুনেছি, এখন আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়। যে ছেলেপক্ষ তোমাকে দেখে রেখে ছিল। তারা ফাইনালি বিয়ের দিন তারিখ ধার্য করবেন।  তোমার ছবিগুলো তাঁরা ইংল্যান্ডে পাঠিয়েছিল ছেলে তোমার ছবি দেখে পছন্দ করেছে দেশে এসে তোমাকে সরাসরি দেখবে। এটা নড়চড় হবে না।

তিথি      : না বাবা আমি এই মূহুর্তে বিয়ে করতে পারবোনা । 

বাবা       : কেন পারবে না?

তিথি    : সেটা তোমাকে আমি বুঝাতে পারব না বাবা। আমিতো বড় হয়েছি। তাছাড়া আমার মতামতের একটা মূল্য তো আছে।

বাবা      : সেটার জন্য তোমাকে অনেক সময় দিয়েছি। আর না।  আমরা তোমার পিতা-মাতা আমরা যেটা ভালো মনে করি সেটাই তোমাকে মানতে হবে।

তিথি       : বাবা তোমার কথা রাখা  আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তুমি যতই  বিয়ের জন্য চাপ দাও না কেন আমি বিয়ে করতে পারবোনা।

বাবা       :তোমাকে এ বিয়েতে রাজি হতেই হবে।

তিথি    :তুমি যদি বেশি চাপ দাও তাহলে কিন্তু আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো।

 বাবা   :বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে যাও, একলা মেয়েমানুষ বাইরে বের হয়ে দেখ দুনিয়াটা কেমন কঠিন জায়গা।

তিথি   :বাবা আমি তোমাকে ইচ্ছে করে কষ্ট দিচ্ছি না তবে আমি  মেয়ে বলে কী আমার ভালো-মন্দ বিচার  বুদ্ধির অধিকার নেই! তুমি আমার মঙ্গল চাইছো এটা আমি মানি কিন্তু যে মঙ্গল আমাকে দুঃখ দেবে সেই মঙ্গল আমি মেনে নেব না বাবা।

বাবা        :এটাই তোমার শেষ কথা?

তিথি     :এটাই আমার শেষ কথা আমি ওর ফিরে আসার অপেক্ষাতেই থাকবো।

বাবা    :ফেরার অপেক্ষায় থাকব ? শোনো মেয়ের কথা। খোঁজ নিয়ে দেখো তোমাকে রেখে অন্য কোন মেয়েকে  বিয়ে করে, ঘর সংসার করছে অথচ তুমি আইবুড়ি&#039; হয়ে ঘরে  পড়ে আছো ! সেটা ভাবো !  থাকো তোমার জেদ নিয়ে। পিতা মাতার কথা না শুনলে তাদের কপালে দুঃখ নেমে আসে। রাত হয়েছে ঘুমিয়ে পড়ো। আমার মান সম্মানের দিকে খেয়াল রেখো। ( প্রস্তান)
                                                     

                        ।।সামান্য পচ   ‌।।
                       
তিথি  :(স্বগত) না এমন তো হওয়ার কথা ছিল না মানুষটা কি হারিয়ে গেল? কি জানি,   মনে হয়না সে আমাকে ভুলেই গেছে! সেই যে ঢাকাতে গেল আর ফিরলো না, কোন খোঁজ খবর পেলাম না, তার প্রতীক্ষায় বসে আছি বেশ অনেক দিন হয়ে গেল । কত আত্মীয় পরিজন বন্ধুবান্ধবের কাছে মিলনের খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করলাম কিন্তু কেউ তার খোঁজ দিতে পারল না,  আমি আজও ওর ফেরার অপেক্ষায়  বসে আছি।যদি সত্যি করে আমাকে ভালোবেসে থাকে আমার সেই ভালোবাসার টানে ওকে ফিরতেই হবে, সেদিন যে বলেছিল চাকরিটা পেলেই আমাদের বিয়ে হবে।

                         ।। ফ্লাশব্যাক।।

দৃশ্য।‌।০৬।‌। দিন।। রাস্তা।। 
চরিত্রঃ মিলন ও তিথি
মিলন তিথি কথা বলছে

তিথি   :কী ব্যাপার মশাই এভাবে উদাস হয়ে বসে থাকলে কেন?আকাশের শুভ্র মেঘের ভেলায় ভেসে যাচ্ছে কাশফুলে দুলছে বাতাস অথচ সেদিকে তোমার ভ্রুক্ষেপই নেই। আমার কথা না বাদই দিলাম। কি হয়েছে বলবে তো এমন মনমরা করে বসে থাকলে চলবে? আহা কথা বলছো না কেন?

মিলন   :কি বলবো বলো তুমি তো জানো আমি মা বাবাকে হারিয়েছি অনেক আগেই। লেখাপড়া শেষও হয়েছে কিন্তু এখনো কোন চাকরি-বাকরি জোগাড় করতে পারলাম না এদিকে তোমার আমার বিষয়টাও ঝুলে আছে। আগামীকাল চাকরির ইন্টারভিউ আছে ভাবছি চাকরিটা যদি পেয়ে যাই আমরা বিয়ে করবো।

তিথি   :এতে  ভাবনার কি আছে ? দুজনার দুটি পেট মাত্র কোনরকম চলে যাবে। চাকরি বাকরি যদি নাইবা জোটে , আমরা দুজন মিলে টিউশনি করব তাতেই আমাদের চলে যাবে।

মিলন  :জীবনটা এত সহজ নয় অনেক কঠিন বাস্তবতার বেড়াজালে যখন নিজে আবদ্ধ হবে তখন খুঁজবে এর থেকে মুক্তির উপায়? কথায় আছে অভাবে পড়লে ভালোবাসা নাকি জানালা দিয়ে পালায়।

তিথি  :সব কিছু মনের ব্যাপার। আমার কাছে ভালোবাসা অনুভব এর দুটি মানুষের মনের বন্ধন অভাবটা এখানে মুখ্য বিষয় নয় বিষয়টি হচ্ছে সম্পর্ক।

মিলন  :এ সম্পর্ক তুমি আমি মেনে নিলেও তোমার পরিবার এটা মেনে নেবে না তারা চাইবে একটু ভালো প্রতিষ্ঠিত ছেলে।  আমার মত ছেলেকে  পছন্দ করবে না।

তিথি   :আমার জীবন থাকতে আমি সেটা মেনে নেব না

মিলন  :তুমি চিন্তা করো না আজ নাইটে আমি ঢাকা রওনা দেবো চলো এবার উঠা যাক।

তিথি    :রাত কয়টার গাড়ীতে যাবে ?

মিলন   :রাত এগারোটায়।

তিথি  :ঠিক আছে চলো। যেতে যেতে সন্ধ্যা লেগে যাবে।    
                                                                        
                       ।।ফ্লাশইন।।
তিথি   :     না এভাবে হাত  গুটিয়ে বসে থাকলে বাবা আমাকে বিয়ে দিয়ে দেবেন। বিয়ের তারিখ নির্ধারণ হলে আর কোন উপায় থাকবে না।মিলনকে যে ভাবেই হোক খুঁজে বের করতে হবে।

দৃশ্য।‌।০৭।‌। দিন।। দোকান ।। 
চরিত্রঃ  মিতু ও মিলন
(মিতু রিক্সা থামিয়ে মিলনের দোকানে এসে কেনাকাটা করবে)

মিতু        : (স্বগত) বাড়িতে চিনি চাপাতি শেষ হয়েছে সাথে বিস্কুট কিনতে হবে। কোথা থেকে কেনা যায় ওই তো একটা কনফেকশনারী দোকান । ওখান থেকে কিনতে হবে। ভাই রিক্সাটা একটু থামান কিছু কেনাকাটা করব।

রিক্সাচালক  : আচ্ছা, আপা দাঁড়াচ্ছি । 

মিতু       : বেশিক্ষণ লাগবে না । সাইট করে দাঁড়ান।
রিক্সাচালক: সমস্যা নেই আপা দোকানের পাশে দাঁড়াচ্ছি।

মিলন        : আপু আপনার কি কি লাগবে?

মিতু        : ভাইয়া আমাকে এক প্যাকেট চিনি এক বক্স চা  এবং এক প্যাকেট ভালো মানের বিস্কুট দিবেন।

মিলন      : একটু অপেক্ষা করেন দিচ্ছি।

মিতু      : (স্বগত) খুব চেনা চেনা মনে হয় কোথায় যেন দেখেছি হ্যাঁ অনেকটা মিলন ভাইয়ের মত দেখতে। কিন্তু মিলন ভাইয়ের তো পায়ে সমস্যা ছিল না।এত সুন্দর হ্যান্ডসাম একটি ছেলে অথচ পায়ের সমস্যা।

মিলন     :  এইনিন আপু আপনার চা চিনি আর বিস্কুট।

মিতু        : ও হ্যাঁ। এই নিন আপনার টাকা। রিক্সাওয়ালা  ভাইটা কোথায় গেল?

রিক্সাচালক : এইতো আপা ওঠেন। (প্রস্থান)

                       ।। পট পরিবর্তন।।

দৃশ্য।‌।০৮।‌। দিন।। রাস্তা।। 
চরিত্রঃ  তিথি ও মা
তিথির মা, তিথির সাথে কথা বলছেন

মা -   :এই ভাবে ঘরের ভেতর মনমরা হয়ে বসে থাকলে চলবে? এটা কোন জীবন না ।  কোন ছেলের সাথে কি ছিল এসব নিয়ে ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। তোকে কতবার বুঝিয়েছি কিন্তু কোন কথায় ঠিকানা দিলিনা কত বিয়ের সম্বন্ধ হেলো স্বপ্ন ভেঙে দিলে আমাদের মান-সম্মান বলে একটা কথা আছে। লোকে কত কি বলছে।

তিথি   :লোকের কথায় কি এসে যায় মা, লোকেরা তো আমার দুঃখসুখের অংশীদার না তাঁরা আমাকে নিয়ে এতো মাথা ব্যাথা কেন?

মা-   :কিন্তু তিথি আমাদের তো একটা দায়িত্ব আছে মেয়ে হয়ে জন্মেছিস তোকে সুন্দর একটা পাত্র দেখে তারা তুলে দেবো তারপর আমারা নিশ্চিন্তে থাকতে পারবো।  যত দিন এর একটা সমাধান না হচ্ছে ততদিন আমাদের মাথা থেকে চিন্তা দূর হচ্ছে না।

তিথি  :মা তোমার কথা একদম ঠিক কিন্তু আমার তো ডিসিশন নেয়ার অধিকার আছে । জীবনটা আমার, তাই তোমাদের চিন্তা করতে হবে না লেখাপড়া শিখেছি ঠিক একটা চাকরী বাকরির জুটিয়ে নেবো, এতে তোমাদের এত ভাবনা কিসের ? আমি যদি  ছেলে হোতাম তাহলে তাকে নিয়ে এত মাথা ব্যাথা করতে না ।

মা     :এটা একদম ঠিক কথা বলেছিস, আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েদের অনেক সমস্যা রয়েছে।  এ যে তুই বিয়ে করছিস না তাতে কি ? কিন্তু চারিদিকে লোকের মুখতো  আটকে রাখা যায় না।

তিথি    :এই সমাজ ব্যবস্থার একটা পরিবর্তন হওয়া দরকার মেয়ে হয়েছি বলে আমাকে বিয়ে বসতে হবে ! কেন আমি বিয়ে করতে পারি না? আমি বিয়ে করবো  কী  করবো না এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি বিয়ে করব আমার ইচ্ছায়।  যাকে ইচ্ছা, এটা আমার অধিকার এবং স্বাধীনতা।

মা-     :সে স্বাধীনতা আমাদের দেশের মেয়েদের এখনো হয়নি।

তিথি   :আমাদের রুখে দাঁড়ালে কি সব সমাধান হবে।  আমাদের সমাজকে পাল্টাতে হবে যত কুসংস্কার সব কিছুর মূলে আঘাত করতে হবে।

মা     :ঠিক আছে তোর যা ভাল হয় তুই তাই করিস অনেক রাত হয়েছে খেয়ে শুয়ে পর খাবার টেবিলে রাখা আছে আমি গেলাম।

তিথি  : আচ্ছা , মা আজ আব্বার শরীরটা কেমন?

মা      : ঘরের মধ্যে বন্দি হয়ে থাকলে কি চলবে?  বাবার পাশে গিয়ে  তাঁর সেবা যত্ন করতে পারিস, এতে  তোর মনটাও ভালো লাগবে। সে ভাববে তাঁর মেয়ে তাকে সেবা যত্ন  করে সারিয়ে তুলতে চেষ্টা করছে, তোর প্রতি তাঁর  বিশ্বাসটা বাড়বে। মনটা ভালো হলে শরীর ভালো হয়ে যাবে।

তিথি     :আচ্ছা মা আব্বার সামনে আমি যেতে চাই না কারণ তিনি একই কথা বারবার বলতে থাকেন।  তিনি আমার বিয়েটা দিয়ে মরতে পারলে শান্তি পেতেন। একই শুনতে আমার ভালো লাগে না।   মা তুমি আব্বার কাছে যাও । চিন্তা করোনা আমি খেয়ে শুয়ে পড়ছি। (মায়ের প্রস্তান)
                                                  

দৃশ্য।‌।০৯।‌। দিন।। রাস্তা।।
চরিত্রঃবৃদ্ধ শিক্ষক, ছাত্র, পথচারী


 বৃদ্ধ শিক্ষক লাঠি ভর দিয়ে হেঁটে আসছে। তিনি রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করছেন। তার ছাত্র ছাত্রী পথচারী তাকে এড়িয়ে কেউ মুখ লুকিয়ে চলে যাচ্ছে। প্রাক্তন ছাত্র মিলন এসে তাকে পার করে দেবে। অথচ মিলনের একটি পা নেই।


শিক্ষক    : (রাস্তাদিয়ে হেঁটে এসে, স্বগত) এই বয়সে রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা বড়ই কষ্টের।কি করবো সাহায্য করার মতো কেউ নেই! কেউ যদি পার করে দিতো। কেউ তো এগিয়ে আসছে না। মানুষরে প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা ভালোবাসা দিন দিন উঠে যাচ্ছে। (দুইজন ছাত্র স্যার কে দেখে)

ছাত্র-১    :(নেপথ্য  )এই দেখ জলিল স্যার না?

ছাত্র-২    :(নেপথ্য)  হ্যা জলিল স্যারই তো ।পাশ কাটিয়ে যেতে হবে।

ছাত্র-১   :  (নেপথ্য )দেখে ফেললে বিপদ। বকবক শুরু করে দেবেন। কি করছ কোথায় থাকো। আরও রাজ্যের প্রশ্ন।

ছাত্র-২—     : (নেপথ্য)  স্যার এখন চোখে কম দেখেন মনে হচ্ছে।

ছাত্র-১ : (নেপথ্য )হ্যা ঠিকই,দেখ রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করছেন।

ছাত্র-২    :(নেপথ্য ) আস্তে করে সটকে পড়তে হবে। তাছাড়া দেখতে পেলে রাস্তা পার করে দিতে হবে।

ছাত্র-১     :(নেপথ্য) চল মলিরা অনেক ক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে। হ্যালো মলি , এই তো এখুনি আসছি।(দুজনে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে চলে যাবে।)

শিক্ষক  :(স্বগত) রাস্তায় প্রচন্ড ভীড়, ঝাপসা চোখে কোন দিনকে যাবো বুঝতে পারছি না। বাবারা আমাকে একটু পার করে দিতে পারো?   
(গাড়ির শব্দ লোকজনের কোলাহল ,কয়েকজন পথচারী আড়চোখে দেখে চলে যাবে। প্রাক্তন ছাত্র মিলন বিষয়টি দূর থেকে দেখবেন এবং সে  কাছে এগিয়ে আসবে  সালাম দেবেন)

মিলন    :শারিফ রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছে যাই সামনে এগিয়ে যায় উনি হয়তো চোখে ভালো করে দেখতে পান না বৃদ্ধ হয়েছেন তো।

 শিক্ষক   :কেউ কি আমাকে একটু পার করে দেবে একটা ওষুধের দোকানে যেতে হবে।

মিলন    :স্যার আমার সাথে চলেন। বেপরোয়া গাড়ি যেভাবে চলাচল করে আপনার এভাবে একা আসা উচিত হয়নি।

শিক্ষক :সব কাজ আমাকে করতে হয় দেখারতো কেউ নেই। দুই মেয়ে ছিল তাদের বিয়ে হয়ে গেছে যে যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত।

মিলন   :ঠিক আছে স্যার, পরে গল্প করা যাবে চলেন আগে আমরা রাস্তা পার হই। (রাস্তা পার হয়ে)

শিক্ষক   : ও হ্যা,চলো, তুমি কোন ব্যাচের ছিলে।

মিলন-  :স্যার ৯০ সালের। লেখাপড়া বেশিদূর এগোয়নি। ঐ মোড়ে আমার  ডিপার্টমেন্টাল স্টোর আছে ,স্যার আপনি কোথায় যাবেন?

শিক্ষক   :ওষুধ কিনতে হবে। ঘরে অসুস্থ স্ত্রী। গত রাতে ওষুধ শেষ হয়ে গেছে। 


                  ।।   ফ্ল্যাশ ব্যাক।।
দৃশ্য।।১০।। রাত।। ঘর।। 
চরিত্রঃ শিক্ষক ও তার স্ত্রী
 স্ত্রী বিছানায় শুয়ে আছে পাশে শিক্ষক তার সেবা করছে।


 স্ত্রী     : (অসুস্থ স্ত্রী কাতরাতে কাতরাতে বলবেন।) ওষুধগুলো শেষ হয়ে গেছে এগুলো কিনতে হবে।

শিক্ষক  :ঠিক আছে এখন তুমি ঘুমিয়ে পড়ো কালকে আমি সময় সুযোগ বুঝে কিনে আনতে যাব।

স্ত্রী      :এমন অসুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে মরে যাওয়াই ভালো ।আমি অসুস্থ আমার সেবা যত্ন করতে করতে তুমি আরও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছো।

শিক্ষক  :এটা আমার দায়িত্ব আমি অসুস্থ হলে তুমি তো আমার যত্ন করতে। এখন একটু ঘুমানোর চেষ্টা করো।

স্ত্রী      : ঘুমতো  আসে না , এই বয়সে নিকট জনের সেবা যত্নের আকাঙ্ক্ষা সবাই করে। কিন্তু বিছনা সজ্জা হলে সকল আপনজন হারিয়ে যায়। তুমি সবসময় বলতে ছেলের চেয়ে মেয়ে ভালো আসলে কে ভালো কে মন্দ এটা কেউ সঠিকভাবে বলতে পারেনা। মেয়েদের তোমার আদর্শ দিয়ে বড় করে বিয়ে দিয়েছো অথচ তারা যে যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত বাবা-মাকে দেখার সময় তাদের নেই। 

শিক্ষক    : তোমাকে পরিচর্যা করার জন্য একজন আয়া রাখতে হবে।

স্ত্রী               : কি করে রাখবে বল? পেনশনে যে কয়টা টাকা পাও তা দিয়ে আমার ওষুধ কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়। আয়া রাখতে গেলে তাকে বেতন দিতে হবে তিন বেলা খাওয়াতে হবে! সংসার খরচের জন্য তো আরও টাকার প্রয়োজন হবে ! 

শিক্ষক       :  খরচের দিকে তাকালে চলবে। প্রয়োজন বাড়িটা বিক্রি করে দেবো।

স্ত্রী               : সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে দুটি মেয়েকে ভালো জায়গায় বিয়ে দিয়েছো। তারা সুখেই আছে। এদিক থেকে তুমি চিন্তামুক্ত। এখন বাকি যা আছে তা আমার পিছনে প্রতিনিয়ত খরচ করছো। অথচ আমার শরীরের অবস্থার কোন উন্নতি হচ্ছে না। আর কতদিন তোমার ঘাড়ে বোঝা হয়ে থাকবো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মৃত্যু হলে বেঁচে যাই।

শিক্ষক        : অসুস্থ মানুষকে সেবা যত্ন করতে হয়। সেটা যেই হোক। তুমিতো আমার স্ত্রী একে অন্যের পরিপূরক। যতক্ষণ পর্যন্ত পারবো সেবা যত্ন করব। তারপর দেখা যাবে। এখন শান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ো। 


স্ত্রী        : আমি ঘুমানোর চেষ্টা করছি। তুমি লাইট নিভিয়ে  শুয়ে পড়ো।

শিক্ষক  : এইতো মশারী টাঙিয়ে লাইট নিভিয়ে, শুয়ে পড়ছি। কষ্ট করে রাতটা পার করো, আগামীকাল যে ভাবেই হোক তোমার ওষুধের  ব্যবস্থা করবো।

                  ।। ফ্লাশ ইন ।।

শিক্ষক  : সে যাক,  আমি এতক্ষণ ভালোভাবে  লক্ষই করিনি যে তোমার পায়ের সমস্যা ।তুমি পঙ্গু হয়ে আমাকে রাস্তা পার করে দিলে কত সুস্থ মানুষ আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেল কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি। তোমার পায়ের এ অবস্থা কি করে হলো?

মিলন   : একটা রোড এক্সিডেন্টে আমার পা টা-------ও সব কথা থাক স্যার। 

শিক্ষক  : থাকবে কেন ? না বলা কষ্ট বুকের মধ্যে থাকলে কষ্ট বেশি বাড়ে বললে, অনেকটা কমে যায়। 

মিলন    :  ওই দোকান থেকে  ওষুধ কিনবো। চলেন স্যার।

শিক্ষক  : সেটার দরকার নেই তুমি আমাকে রাস্তা পার করে দিয়েছো, এখন আমি নিজেই কিনতে পারব।

মিলন   : না স্যার সেটা আমার পক্ষে সম্ভব নয় ।আপনাকে এভাবে ফেলে যেতে পারবো না আমি ওষুধ কিনে আবার আপনাকে রাস্তা পার করে দিয়ে যাব। চলেন স্যার।

শিক্ষক   : হ্যা চলো ।

                 ।। সামান্য পচ।।
                                                                                                                                                            মিলন  : স্যার, এবার  আস্তে আস্তে রাস্তা পার হই। এইতো এই দিকদিয়ে। (দুজন ওষুধগুলো কেনে। ওষুধ কেনার পর আবার আস্তে আস্তে স্যারকে রাস্তা পার করে দেয়।)

শিক্ষক   :তোমাকে অনেক ধন্যবাদ

মিলন   :স্যার ধন্যবাদ দিয়ে লজ্জা দেবেন না। এটা আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্য বটে । 

শিক্ষক  :যারা গুরুজনদের সম্মান করে, তাদের কাছে  শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা ম্লান হয়না। 

চলবে -----------------</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242637/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 17:20:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner">
<p>নাটক- মিলন তিথি<br />
 (প্রথম অংশ)<br />
রচনা -আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>কাহিনী সংক্ষেপঃ<br />
মিলন এবং তিথি- একে অপরের সাথে  বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকে।একসময় ভালোবাসায় রূপ নেয়। ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে দুজন। মিলন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকায় যায়। কিন্তু সে ফেরত আসে না। তিথি হিসাব মিলাতে পারে না। এদিকে তিথির বাবা  বিয়ের জন্য চা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242637"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242637/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">85a057825e1bf38d0d68084412ad02c8</guid>
				<title>গীতি নকশা :এল নতুন দিন গ্রীষ্ম ঋতু ও নববর্ষ
রচনা : আবুল হাসান তুহিন

গ্রন্থনা নারী:
নারী    : চৈত্রের খরা বুকের মাঝে, মুখে কালো মেঘ চুপচাপ বসে আছে আমার মহাদেব
পুরুষ   : চুপ করে  বসে আছি বলেই তো তুমি হয়ে গেলে কবি!
নারী    : হাহাহাহা (হাসি) কিছুতেই একটা করতে হবে একটা কবিতা না হয় তোমার জন্য লেখা হলো দমকা বাতাসে মেঘ কন্যা হয়ে তোমার পাশে বসে আছি অথচ তুমি উদাসী।
পুরুষ  :তুমি আমার চৈত্রের রোদ্দুর সূর্যমুখী ফুল সবুজ মাঠে বাতাসের ঢেউ। তুমি আমের মুকুল।
নারী    : মেঘ কন্যা হয়ে তোমার পাশে। দু&#039;চোখের পাতায় বৈশাখী কামনা। প্রেমের রোদ নিয়ে আপন করে নাও না। কী নেবে না?
পুরুষ  : ঋতু চক্রের পালা বদল করে দিতে হয় বর্ষ বিদায় আসে নতুন বছর। বরণ করতে হয় নতুন দিনকে সেই সাথে তোমাকে বরণ করলাম।
নারী  : আজ চৈত্রের শেষ দিন আগামীকাল পহেলা বৈশাখ নতুন বছরকে ঘিরে কত আয়োজন। ব্যবসায়ীরা পুরাতন খেরো খাতা রেখে নতুন খাতা খোলে লাল মলাটের হালখাতা সারা মাস জুড়ে চলে হালখাতার উৎসব । মুছে ফেলে জীর্ণতা যত হাহাকার।

গান  ।।০১।। আধুনিক ।। পুরুষ।।

মুছে ফেলে জীর্ণতা  যত হাহাকার
নতুনের আহ্বানে খুলে যাবে দ্বার ।।

বুকে জমা যত গ্লানি দূর হয়ে যাবে
এসো অগ্নিস্নানে দিশা খুঁজে পাবে
রুচি হবে এ ধরা ভরবে সম্ভার।।

বুকে জমা যত আশা প্রাণ ফিরে পাবে
বৈশাখী আয়োজনে মন ভরে যাবে
খুশি হবে বসুন্ধরা পাবে অধিকার।।

গ্রন্থনা পুরুষ:
পুরুষ  : বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল শীতের শেষে আম কাঁঠাল লিচু জাম জামরুল আশ ফল গাছে ফুল ফোঁটে সেই ফুল থেকে ফল হয়। জৈষ্ঠ মাস কে বলে মধুমাস। বৈশাখ মাসে গাছে গাছে ফলের সমাহারও সেই সাথে মাঠে ধানের শীষে বাতাসে দোলে। কৃষক কয়েকদিন পর ধান কাটবে পাকা ধানের গন্ধে মন ভরে যায় কৃষকের। তরমুজ বাঙ্গি ফুটিয়ে রসালো ফল গরমের তৃষ্ণা মিটায়।
নারী  :ঝকঝকে রোদ চারিদিকে গাছে গাছে পাখিদের কল কাকলি। হাওয়ায় ভাসে বনফুলের গন্ধ। 
পুরুষ : বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেতে দেখি বাতাসের ঢেউ, মাঝে মাঝে আকাশে মেঘ রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলা।  বৈশাখী ঝড়ের আভাস। গ্রীষ্মকাল একদিকে বৈরী হিংস্র ঋতু সেই সাথে মধুভরা মাস একই অঙ্গে দুই রূপ। বৈশাখ মাসে গাছে গাছে লিচু কাঁঠাল ঝুলছে আমের গুটি।



গান ।। ০২।।পল্লীগীতি ।। নারী একক।।
গাছে গাছে লিচু কাঁঠাল ঝুলছে আমের গুটি,
বৈশাখী  আওলা বাতাস মনটা নিল লুটি।।

মেঘ রোদের লুকোচুরি ফসল ভরা মাঠে,
শ্যামল ছায়ায় দুচোখে জুড়ায় ক্লান্ত সময় কাটে।
গরম তাপে তৃষ্ণা মেটাই তরমুজ আর ফুটি।।

মেঘ কালো ইশান কোণে ঝড়ো বাতাস ছোটে
ধুলো উড়া পথের বাঁকে মনটা আঁতকে উঠে
জামের ডালে মৌমাছির চাক করছে ছোটাছুটি।।

গ্রন্থনা নারী:
নারী : ঐতিহাসিক গবেষক বিভিন্ন পণ্ডিতগণ বাংলা সনের প্রবর্তক হিসেবে নানা রাজা বাদশাহ বা সুলতানের নাম হাজির করেছেন ।ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহের বিচারে বিবেচনায় সম্রাট আকবর প্রবর্তিত এলাহী সনের আদলে মুঘল সুবাদার পরে নবাব মুর্শিদকুলি খান বাংলা অঞ্চলের কৃষকের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সন প্রবর্তন করেছেন এমন ধারণা পাওয়া যায়।

পুরুষ :যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে সম্রাট আকবর পরোক্ষভাবে এই সনের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
নারী  : মোগল সম্রাটরা কর আদায়ের জন্য সুবেদার মুর্শিদ কুলি খানের উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে নির্দেশ জারি করেন, কৃষিভিত্তিক বাংলায় “হিজরী সন” কৃষকের কাজ থেকে খাজনা আদায়ের জন্য প্রতি কুল।
পুরুষ : কারণ প্রতিবছর হিজরী সন সাড়ে দশ বা ১১ দিন পিছিয়ে যায়।
নারী : এ বিবেচনায় রেখে মুর্শিদকুলি খান সম্রাট আকবরের তারিখ- এ-এলাহী সূত্রের অনুসরণ করেই বাংলা হিজরী চন্দ্র এবং ভারতীয় সূর্য সনের  সমন্বয়ে বাংলা সন চালু করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

পুরুষ: মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহাসিক মুন্সি সলিমুল্লাহর ফারসি ভাষায় লেখা তারিখ- ই- বাংলা (১৭৬৩) গ্রন্থে উল্লেখ আছে নবাব মুর্শিদকুলি খান পয়লা বৈশাখের পূর্ণ উৎসব চালু করেন। এতে জাতীয় পুঁজির বিকাশ ঘটে ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নত হয় । ব্যবসায়ীরাই পূর্ণাহর আনুষঙ্গিক অনুষ্ঠান হিসাবে হালখাতা উৎসব চালু করেন।

নারী :কৃষি নির্ভর অর্থনীতির কৃষকের হাতে টাকা আসতো ফসল কাটার পরে। তাই বাধ্য হয়ে ব্যবসায়ীরা বাকিতে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস দিত।নতুন দিনের হালখাতার উৎসবে বকেয়া অর্থের পুরোটা বা আংশিক পরিশোধ করে হালখাতা বা নতুন খাতায় নাম লেখা হতো। বাকি আদায়ের জন্য বিলি করতো হালখাতার দাওয়াত পত্র। ফসল ভালো না হলে কৃষক পরতো মহা চিন্তায়। হালখাতার চিঠি দিলো রহিম উদ্দিন ভাই ক্ষেতে ফসল হয়নি এবার কি করে বুঝাই।

গান।। ০৩।।পল্লীগীতি।। পুরুষ।। একক

হাল খাতার চিঠি দিলো রহিম উদ্দিন ভাই,
ক্ষেতে ফসল হয়নি এবার কি করে বুঝাই।।

ধান হইছে যে কয় মন তা দিয়ে কি হবে,
বাকি টাকা শোধ না করলি তার পরাণ কী সবে।
 কনে পাবো বীজ ধান আর কার যে কাছে যাই,
ক্ষেতের ফসল হয়নি এবার কি করে বুঝাই।।

হালের বলদ কিনতি হবে চাষ দেবো মাঠে,
বউয়ের বাউটি বেঁচতি যাবো কালকে আমি হাটে।
সুদের টাকা দিতি গেলি পরাণ খাবি খায়,
ক্ষেতের ফসল হয়নি এবার কি করে বুঝাই।।

গ্ৰন্হনা পুরুষ:
পুরুষ  : নবাবেরা তাদের শাসনের স্বার্থেই প্রজাদের মন তুষ্টির জন্য পূর্ণাহ  হালখাতা ছাড়াও নানা লোক উৎসবের যোগদান করতেন লাঠি খেলা হাডুডু গরু দৌড় ঘোড়া দৌড়, নৌকা বাইচ, এসব নববর্ষের আঞ্চলিক উৎসব।

নারী : নানা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ উৎসবে ইংরেজ আমলে ইংরেজি নববর্ষের প্রভাব পড়ে তাই নতুন আদলে রূপ আঙ্গিক পরিগ্রহণ করে। ভারতবর্ষের স্বাদেশিকতার চেতনাও নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

পুরুষ বাংলাদেশে পাকিস্তান আমলের নববর্ষ উদযাপন বাঁধার মধ্যে পড়ে পূর্ব বাংলার বাঙালির জাতীয়বাদী চেতনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাওয়া নববর্ষ উৎসব প্রবাল তাড়নায় বৃদ্ধি পেতে থাকে।১৮৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৬৭ সাল থেকে নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক উৎসবের রূপদান করে। এই উৎসব প্রতি বছর বিশাল থেকে বিশাল তর হয়ে বাঙালি একটি সার্বজনীন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে।

নারী : গ্রামীণ গম্ভীরা যাত্রা-জারি লোকগীতি ছাড়াও রবীন্দ্র নজরুল সংগীত দেশাত্মবোধক গান এখন বাংলার নববর্ষের মূল উপাদান বৈশাখী মেলা বসে শহর বন্দর গ্রামে।

পুরুষ : বৈশাখী মেলায় যাব ঠিক করে নাও সাজ। জলদি করে নাও গুছিয়ে হাতের যত কাজ।

গান ।।০৪।। আধুনিক ।। নারী, পুরুষ

পুরুষ   : বৈশাখী মেলায় যাব
             ঠিক করে নাও সাজ
নারী     :জলদি করে নাও গুছিয়ে
           হাতের যত কাজ।
পুরুষ    :রাগ করো না লক্ষ্মীটি 
            চড়বো নাগর দোলায়,
নারী     :পুতুল নাচ আর যাত্রা পালায় 
            দেবো মনটা ভোলায়।।

পুরুষ    : ঝুরি ভাজা দানাদার 
            কিনবো পাঁপড় ভাজা,
নারী     : দুজন মিলে ঘুরবো মেলায় 
            মনটা হবে তাজা।
নারী-পুরুষ: স্বপ্নগুলো উড়িয়ে দেব 
         মেঠো পথের ধুলায়।।

পুরুষ  : লাল টিপ কাঁচের চুড়ি 
           দেবো কানের দুল,
নারী   : রঙ বাহারি চুলের ক্লিপ 
            আরো নাকের  ফুল।
নারী-পুরুষ: সাজ পোশাকের বাঙালিয়ানা 
           দেখে মাথা ঘুরায়।।

গ্রন্থনা নারী:

নারী  :প্রচন্ড গরমে হাঁপিয়ে উঠেছি আর পারছিনা!

পুরুষ :এক কাজ করি ওই পুকুর পাড়ে একটু বসি বাতাস পুকুরের গাছে যখন তোমার আমার গায়ে লাগবে তখন শীতল হবে দেহ মন আগে মেয়েরা রং বেরঙের কারু কাজে হাতপাখা তৈরি করত। সুতো এবং বাঁশের শলা দিয়ে তালের পাখা কদর কমও ছিল না ।লেখা থাকতো তালের পাখায় প্রাণের সখা 
হ্যাঁ তালের পাখা প্রানের সখা তখন হয়ে যায় বন্ধুর হাতের পরশ মাখা বাতাস যদি পায়।

গান ।।০৫।। পল্লীগীতি ।।নারী ,পুরুষ।।

পুরুষ : তালের পাখা প্রানের সখা 
          তখন হয়ে যায,
  নারী  : বন্ধুর হাতের পরশ মাখা 
          বাতাস যদি পায়।।

নারী   : গরমের ক্লান্তি ভুলে 
          মনটা উঠবে দুলে

পুরুষ : ভালোবাসা ছড়িয়ে যাবে
             আমার সারা গায়।।

নারী   : সোহাগের কোমল হাতে 
            মনটা তোমার সাথে
পুরুষ   :বুকে জমা স্বপ্নগুলো 
            সত্যি হয়ে যায়।।

নারী    : গরমে এমন দিনে 
            নিয়েছো বন্ধু চিনে
পুরুষ  : মনের মাঝে রঙিন আশা 
           উতাল-পাথাল বাই।।

গ্রন্থনা : পুরুষ:

পুরুষ  : এই নদী এই মাটি আকাশ পেরিয়ে পৌঁছে যাব বহুদূর।
নারী  : হাওয়ার তুফান ছোটে মনের সমুদ্দুর।

পুরুষ : আজ বৈশাখী ভালোবাসা ছড়িয়ে দিলাম তোমার মনের বাঁকে মাতাল হাওয়ায় দুটি মনে রঙিন স্বপ্ন আঁকে।

গান।। ০৬।। আধুনিক ।। পুরুষ একক

আজ বৈশাখে 
ভালোবাসা ছড়িয়ে দিলাম 
তোমার মনের বাঁকে,
 মাতাল হাওয়ায় দুটি মনে
 রঙিন স্বপ্ন আঁকে,
আজ বৈশাখে ।।

কালো মেঘের ভেলা দেখে
 পেওনা তুমি ভয়
বৈশাখের এই লীলা খেলায়
 ভয়ের কিছু নাই।
মেঘলা রাতে ফুটবে মুকুল
 মনের শাখে শাখে  
আজ বৈশাখে ।।

ঝড়ো বাতাস হঠাৎ করে 
যদি উঠে যায়,
তোমার মনের ভীরু কাঁপন 
দেবো বুকে ঠাই
দুটি হিয়া মিশে যাবে
 গুরু মেঘের ডাকে
আজ বৈশাখে ।।

গ্রন্থনা নারী:

নারী : গ্রাম বাংলার আবহমান ঐতিহ্য বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ।

পুরুষ  : বাঙালির এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে চিরকাল। এসো আমরা অবগাহন করি নারী পুরুষ শিশু বৃদ্ধ তরুণ তরুণী সবাই।।

নারী  : নতুন স্বপ্ন নিয়ে এলো নতুন দিন নতুন বছর।
বৈশাখী সকালবেলায় রং বেরঙের সাজ তাইতো বলতে ইচ্ছে করে চুলে চুলে খোঁপা ফুলে নানা রঙে সাজ লাল সাদা শাড়ি পরা মুখে আছে লাজ চুড়ি পরা হাত জুড়ে ছিমছম মেয়ে।।

গ্রন্থনা পুরুষ 
কবিতা ।।আবৃত্তি।। নারী, পুরুষ 

চুলে চুলে খোঁপা ফুলে নানা রঙে সাজ,
লাল সাদা শাড়ি পরা মুখে আছে লাজ।।

চুড়ি পরা হাতে জুড়ে ছিমছাম মেয়ে,
বৈশাখী মেলাতে আসে সব ধেয়ে,
মন খুলে নেচে গেয়ে প্রাণ ভরে আজ।
চুলে চুলে খোঁপা ফুলে নানা রঙে সাজ,
লাল সাদা শাড়ি পরা মুখে আছে লাজ।।


দিনভর হাসিখুশি নেই কোন ভয়,
ঝড়ো হাওয়া দূরে থাক দিন আলোময়,
বৈশাখী মাতামাতি নেই কোন কাজ।
চুলে চুলে খোঁপা ফুলে নানা রঙে সাজ,
লাল সাদা শাড়ি পরা মুখে আছে লাজ।।


একই স্রোতে মিশে যাবো সবকিছু ভুলে,
বাঙালির সাজ দেখে মন উঠে দুলে,
পান্তা ইলিশে হবে কারুকাজ।।
চুলে চুলে খোঁপা ফুলে নানা রঙে সাজ,
লাল সাদা শাড়ি পরা মুখে আছে লাজ।।


নয় ভুল এক চুল বৈষবী  দিনে,
হালখাতা নিয়ে বসি দায় দেনা ঋণে,
স্বপ্নের ডালি নিয়ে পড়ে নেব তাজ।
চুলে চুলে খোঁপা ফুলে নানা রঙে সাজ,
লাল সাদা শাড়ি পরা মুখে আছে লাজ।।

রচনা কাল ০৬/০৪/২০১৭</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242585/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 11:31:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গীতি নকশা :এল নতুন দিন গ্রীষ্ম ঋতু ও নববর্ষ<br />
রচনা : আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>গ্রন্থনা নারী:<br />
নারী    : চৈত্রের খরা বুকের মাঝে, মুখে কালো মেঘ চুপচাপ বসে আছে আমার মহাদেব<br />
পুরুষ   : চুপ করে  বসে আছি বলেই তো তুমি হয়ে গেলে কবি!<br />
নারী    : হাহাহাহা (হাসি) কিছুতেই একটা করতে হবে একটা কবিতা না হয় তোমার জন্য লেখা হলো দমকা বাতাসে মেঘ কন্যা হয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-242585"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/242585/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bec5b6507b70e772c56223b128e767aa</guid>
				<title>হেলে না আপন
 --আবুল হাসান তুহিন 

কষ্টের বোঝা বয়ে চলি 
আমি সারা জীবন,
এত ভালোবাসলাম তবু 
 হলে না আপন ।।

অদৃশ্য সেই ব্যথার মেঘে
 বর্ষা নামে চোখে, 
ফাগুন এসে থমকে যায় 
আমার ব্যথার শোকে।
চাঁদের বুকে আঁধার নামে 
 চোখে হারায়  স্বপন,
এত ভালোবাসলাম তবু 
 হলে না আপন ।

অতৃপ্ত এই মনের মাঝে 
আমি ভীষণ দুঃখী, 
তবু আমি দেখতে চাই 
তোমাকে যে সুখী।
প্রেম বিরহের জ্বরে আমার 
লাগে ভীষণ কাঁপন,
এত ভালো বাসলাম তবু 
 হলে না আপন ।।

৩১/০৫/২০২৫
শনিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237997/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 11:34:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হেলে না আপন<br />
 &#8211;আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>কষ্টের বোঝা বয়ে চলি<br />
আমি সারা জীবন,<br />
এত ভালোবাসলাম তবু<br />
 হলে না আপন ।।</p>
<p>অদৃশ্য সেই ব্যথার মেঘে<br />
 বর্ষা নামে চোখে,<br />
ফাগুন এসে থমকে যায়<br />
আমার ব্যথার শোকে।<br />
চাঁদের বুকে আঁধার নামে<br />
 চোখে হারায়  স্বপন,<br />
এত ভালোবাসলাম তবু<br />
 হলে না আপন ।</p>
<p>অতৃপ্ত এই মনের মাঝে<br />
আমি ভীষণ দুঃখী,<br />
তবু আমি দেখতে চাই<br />
ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237997"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237997/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0febb7fa0212ac680bd15609f85c10f</guid>
				<title>ভালোবাসতে চাই 
 - আবুল হাসান তুহিন 

মন্দ কথা বলুক লোকে 
যদি বদনাম লটে যায় 
কি এসে যায়, 
ধার ধারি না কারো কথা 
নিন্দুকেরা দিকনা ব্যথা
শুধু ভালোবাসতে চাই।।

না হয় কিছু দুঃখ পেলাম
ভালোবেসে অমর হলাম 
যদি বিচ্ছেদ হয়ে যায়,
ধার ধারি না কারো কথা 
নিন্দুকেরা দিকনা ব্যথা
শুধু ভালোবাসতে চাই।।

সকল বাঁধা পেরিয়ে যাবো 
কাছে তোমায় ঠিকই পাবো 
যতই আঘাত পেয়ে যাই
ধার ধারি না কারো কথা 
নিন্দুকেরা দিকনা ব্যথা
শুধু ভালোবাসতে চাই।।

১৬/০১/২০২৬
শুক্রবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237996/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 11:32:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসতে চাই<br />
 &#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>মন্দ কথা বলুক লোকে<br />
যদি বদনাম লটে যায়<br />
কি এসে যায়,<br />
ধার ধারি না কারো কথা<br />
নিন্দুকেরা দিকনা ব্যথা<br />
শুধু ভালোবাসতে চাই।।</p>
<p>না হয় কিছু দুঃখ পেলাম<br />
ভালোবেসে অমর হলাম<br />
যদি বিচ্ছেদ হয়ে যায়,<br />
ধার ধারি না কারো কথা<br />
নিন্দুকেরা দিকনা ব্যথা<br />
শুধু ভালোবাসতে চাই।।</p>
<p>সকল বাঁধা পেরিয়ে যাব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237996"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237996/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d1c5ba0f804193e1f4086a9e80c4b61f</guid>
				<title>ভালোবাসা 
-আবুল হাসান তুহিন 

এক মহাকাল ভালোবাসায় 
দেবো তোমায় ঢেকে, 
এই পৃথিবীর সব রঙের 
আল্পনাতে এঁকে ।।


হাজার রাতের জোছনা এনে
দেবো তোমার চোখে,
সাত সাগরের সুখের দোলা 
থাকবে জমা বুকে। 
স্রোতের দোলায় মন রাঙাতে 
যাচ্ছে সময় ডেকে, 
এই পৃথিবীর সব রঙের 
আল্পনাতে এঁকে ।।


হাজার রাতের প্রেমের কাব্য 
লিখবো দুজন মিলে,
আকাশ বাতাস ছন্দে বিভোর 
আপন করে নিলে।
জোছনা মাখা চন্দ্র  তারা 
সাক্ষী করে রেখে, 
এই পৃথিবীর সব রঙের 
আল্পনাতে এঁকে ।।
০৪/০৬/২০২৫
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237995/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 11:30:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসা<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>এক মহাকাল ভালোবাসায়<br />
দেবো তোমায় ঢেকে,<br />
এই পৃথিবীর সব রঙের<br />
আল্পনাতে এঁকে ।।</p>
<p>হাজার রাতের জোছনা এনে<br />
দেবো তোমার চোখে,<br />
সাত সাগরের সুখের দোলা<br />
থাকবে জমা বুকে।<br />
স্রোতের দোলায় মন রাঙাতে<br />
যাচ্ছে সময় ডেকে,<br />
এই পৃথিবীর সব রঙের<br />
আল্পনাতে এঁকে ।।</p>
<p>হাজার রাতের প্রেমের কাব্য<br />
লিখবো দুজন ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237995"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237995/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5be9240819a496c344bdb7296ee95610</guid>
				<title>পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা : ঈদ উল্লাস
  রচনা  - আবুল হাসান তুহিন

উপস্থাপনা: পুরুষ

পুরুষ : তুমি দ্রুত ইফতার করে ছাদে উঠে এলে, চাঁদের দেখা কী পেলে?

নারী   : না এখনো পাইনি। তুমিও এসে চোখ রাখো, দুজন মিলে একসাথে দেখি।

পুরুষ : তাই বুঝি? আমার জন্য কী চাঁদ লুকিয়ে আছে? (ঠাট্টা করে)

নারী   : আকাশের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে আমার ঘাড় ব্যথা করছে আর তুমি ঠাট্টা করছো!

পুরুষ : আমি তোমার কাছে আসলে চাঁদ ঠিকই উঠবে। এই যে আমি এসেছি, আর ঐ দেখো সাদা মেঘের পাশে। চিকন হয়ে চাঁদ উঠেছে।

নারী : ঐ সাদা মেঘের নীচে, তাইতো। আসলে আমি ঠিক মত দেখতে পাইনি। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর, পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ উঠেছে, সুপ্রিয় শ্রোতা রাত পোহালেই ঈদ। সবাইকে জানাচ্ছি ঈদ মুবাররক।

পুরুষ : কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা বিখ্যাত গান ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। ধর্মীয় ও আনন্দের উৎসব ঈদ-উল-ফিতর নিয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কালজয়ী গান। গানটি বাঙালি মুসলমানের ঈদ উৎসবের আবশ্যকীয় অংশ। কবির শিষ্য শিল্পী আব্বাস উদ্দিন আহমদ-এর অনুরোধে ১৯৩১ সালে কবি নজরুল ইসলাম এই গান রচনা ও সুরারোপ করেন।

নারী : একমাত্র এই গানটি যেন বাংলা ভাষায় ঈদের শ্রেষ্ঠ গান হয়েই থাকবে শতাব্দীরর পর শতাব্দী ধরে।

পুরুষ  : আমরা এমনই একটি গান শুনবো, রোজার শেষে এলোরে শোন এলো খুশির ঈদ—--

গান-০১।। ঈদের গান।। দলীয়।।
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ, 
নিজেকে আজ বিলিয়ে দিতে
 আছে যে তাগিদ।।

আজ সোনাদানা বাড়ি গাড়ি করে দে লিল্লাহ,
যাকাত ফিতরা গরিব দুঃখীর হবে যে হিল্লা।
মুমিম মুসলিম এক কাতারে ভেঙেছে যে নীদ
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ।।

পড়বি নামাজ ঈদগাহেতে ধনী গরিব মিলে,
নেই ভেদাভেদ উঁচু-নিচুর দিল মিলেছে দিলে।
খোদার রাহে জীবনটাকে করবি রে শহীদ, 
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ।।

শিরনি পোলাও খুশবুতে আজ ভাসছে চারিধার,
দাওয়াত খাবে জনে জনে রাখবি খোলা দ্বার।
আল্লা রাসুল হবেন খুশি  রাখ মনে উম্মীদ,
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ।।

উপস্থাপনা: নারী

নারী  : ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ-উল্লাস-রঙবেরঙের পোষাক পরে নতুন সাজে সজ্জিত হওয়া।

পুরুষ : ঈদ সংস্কৃতির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অন্যতম আকর্ষণ হলো ছোট ছোট ছেলে মেয়ে থেকে শুরু করে আবালবৃদ্ধবনিতা সবার জন্যই নতুন পোষাক, ভালো ভালো খাবার আর আনন্দ বিনোদন।

নারী : ঈদের নামাজ শেষে হিংসা বিদ্বেষ ভুল কোলাকুলি করে, এতে ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়।

পুরুষ : মোবাইল ক্যমেরার ফ্রেমে বন্দি হয় অসংখ্য স্থিরচিত্র, বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়ের বাসায় বাসায় ঘোরাঘুরি, খাওয়া-দাওয়া, মজা করা ঈদ সেলামিতে পকেট ভর্তি করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

নারী : ঈদ মুসলমানদের জন্য মহা মিলন ও মহা আনন্দের দিন।

পুরুষ : তাইতো ফিরে যেতে মন চাই ছোট্ট বেলার সেই দিনে, আজ সারাদিন নেই কোন কাজ                            করবো ছুটাছুটি,  ঘুরবো ফিরবো করবো মজা হেসে কুটি কুটি।।

গান-০২।। আধুনিক।। দলীয়।। 

আজ সারাদিন নেই কোন কাজ করবো ছুটাছুটি, 
ঘুরবো ফিরবো করবো মজা হেসে কুটি কুটি।।

বাঁধন হারা হবো সবাই যাবো অনেক দূরে, 
শাসন বারণ মানবো না কেউ বেড়ায় ঘুরে ঘুরে। 
ফুল-পাখিদের শুনবো গান স্বপ্ন লুটোপুটি, 
আজ সারাদিন নেই কোন কাজ করবো ছুটাছুটি।।

সবুজ ঘাসের হাসি মেখে ফুটবো তারা হয়ে,
 লতাপাতায় বাতাস নাচে খুশির ঝর্না বয়ে। 
আকাশ-মাটির গল্প গাঁথা সবাই মিলে লুটি, 
আজ সারাদিন নেই কোন কাজ করবো ছুটাছুটি।।
                                         
উপস্থাপনা: পুরুষ
পুরুষ : ইসলাম ধর্ম অনুসারে বছরে ঈদ দু&#039;বার আসে। প্রথমে ঈদ-উল-ফিতর, দান করার উৎসব।
তারপরে ঈদ-উল-আজহা, ত্যাগ করার উৎসব। 

নারী  : মহানবী হজরত মহম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরতের পরেই ঈদ-উল-ফিতর উৎসব পালন শুরু হয়।

পুরুষ : তারই ধারাবাহিকতায় রমজান মাসের শেষে সবাই একসঙ্গে মিলেমিশে ও আনন্দের সহিত পালন করে ঈদ-উল-ফিতর।

নারী  : চাঁদ তো দেখা হল মশাই এবার উঠতে হবে। কত কিছু গোছানো বাকি।

পুরুষ : আহা একটু বসো না, পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ ধন্য হয়ে যায় এ জীবন, 

গান ।।০৩।। আধুনিক।।নারী।।একক।। 
পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ
ধন্য হয়ে যায় এ জীবন, 
আকাশে লুকানো যে চাঁদ 
পেতেছে রূপেরই ফাঁদ,
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।

প্রনয়নের দীপশিখা জ্বেলে 
জোছনার মাধুরী ঢেলে, 
আমাকে করেছো আকুল
ফুটিয়ে আশার ও ফুল, 
হয়েছো আরো আপন
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।

প্রজাপতির ডানা মেলে 
জীবন রাঙাতে এলে,
 ভালোবার মায়াজাল 
বেঁধে রেখো চিরকাল, 
সুখে দুঃখে আমরণ
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।

উপস্থাপনা: নারী
নারী : বাংলাদেশ নামের সাথে জড়িয়ে আছে গৌরব, ঐতিহ্য আর ভালোবাসা।

পুরুষ  : এদেশ অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতির ও ভ্রাতৃত্ব পরায়ণের দেশ। এদেশে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে।

নারী : একে অপরের সাথে এক ভালোবাসার বন্ধন নিয়ে জীবন যাপন করছে।

পুরুষ : প্রতিটি ধর্মেই তার প্রধান ধর্মীয় উৎসব রয়েছে। আর সেই উৎসবের আমেজ বা আনন্দ সবার সাথে সমবন্টন করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে তোলে।

নারী : যার ফলে মানব জাতির মধ্যে এক ভালোবাসার বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে।

পুরুষ : সুখ যদি খুঁজে পাও
ভালোবাসা প্রেমে,স্বর্গ থেকে প্রেম আসে
পৃথিবীতে নেমে।।

গান ।।০৪ ।। আধুনিক।। পুরুষ।।একক।।
সুখ যদি খুঁজে পাও
ভালোবাসা প্রেমে,
স্বর্গ থেকে প্রেম আসে
পৃথিবীতে নেমে।।

প্রেমের আগুনে পুড়বো না 
যদি থাকো পাশে, 
তোমার আমার মিলন খেয়ায় 
 চাঁদ তারা হাসে।
সেই সুখে স্মৃতি গুলো 
বেঁধে রাখো ফ্রেমে, 
স্বর্গ থেকে প্রেম আসে
পৃথিবীতে নেমে।।

ভালোবাসা ফুরাবে না 
প্রেমে বেঁধে রাখো,
স্বপ্ন চোখে রাঙিয়ে নিতে 
হাত ধরে থাকো,
 দোদুল দোলায় সুখ সরোবর
যাবে না তো থেমে, 
স্বর্গ থেকে প্রেম আসে
পৃথিবীতে নেমে।।

উপস্থাপনা: পুরুষ

পুরুষ : ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র অভাবীদের মধ্যে বস্ত্র, অর্থ এবং খাবার বিতরণ করা হয়। এই দানকে যাকাতুল ফিতর বলা হয় এবং এটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

নারী : এই দিনে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয় এবং ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

পুরুষ : আমার মনের বার্তা তোমাকে দিলাম, জানিনা কেন বুঝলে না তুমি 
কত ভালোবাসি, কেন আমি তোমার কাছে 
বারবার  ফিরে  আসি।। 


গান-০৫।। আধুনিক ।। নারী।। একক
জানিনা কেন বুঝলে না তুমি 
কত ভালোবাসি, 
কেন আমি তোমার কাছে 
বারবার  ফিরে  আসি।। 

তোমার দুটি আঁখির কোণে 
আমার ছায়া পড়ে,
 লজ্জা রাঙা ঠোঁটের কোণে 
গোলাপ পাপড়ি নড়ে। 
তোমার রূপের ফাঁদে পড়ে 
 সুখের খেয়ায় ভাসি,
জানিনা কেন বুঝলে না তুমি 
কত ভালোবাসি।।

তোমার মুখে চাঁদের আলো 
ছড়ায় রূপের জ্যোতি,
চাঁদ কন্যা তুমি অনন্যা 
তুমি রূপবতী। 
পাগল করে রাখলে আমায়
দিলে প্রেমের ফাসি,
জানিনা কেন বুঝলে না তুমি 
কত ভালোবাসি।।

উপস্থাপনা: নারী

নারী : রমজান মাসকে অত্যন্ত পবিত্র মাস হিসেবে বিশ্বাস করা হয়। এইমাসে সৎকর্ম, মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ছড়িয়ে দেওয়া ও ধৈর্য ধরা হয়।

পুরুষ : সমস্ত মন্দ চিন্তা ও অভ্যাসকে দূরে সরানো হয়। আর, এই ঈদ-উল-ফিতরের মধ্য দিয়েই পবিত্র রমজানের সমাপ্তি হয়।

নারী : শোন আর সময় দিতে পারবো না। অনেক কাজ করতে হবে।

পুরুষ : ঠিক আছে, ঈদ উল্লাস সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।


গান-০৬।। ঈদের গান।। পুরুষ।। একক।।
খুশির দুয়ার খুলে আজ মন উঠেছে দুলে 
রোজার শেষে চাঁদটা হেসে 
কাড়লো চোখের নীদ,
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।

আকাশ জুড়ে  বাঁকা চাঁদের হাসি,
সবাই মিলে সুখের ডানায় ভাসি।
চারিদিকে উঠল বেজে মধুরও  সঙ্গীত,
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।

নতুন পোষাক আজকে সবার গায়ে
পড়তে নামাজ তাই যাবো ঈদগাহে।
কোরমা পোলাও খাবো করবো না কেউ জীদ
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।

আয়রে ছুটে আয়, যত বন্ধু স্বজন 
পাড়ায় পাড়ায় আজ ঈদের আয়োজন। 
শক্ত হবে তাই ভালোবাসার ভীত,
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।
                        ।। সমাপ্ত।।

লেখক: গীতিকার এবং নাট্যকার 
বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237966/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 05:34:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা : ঈদ উল্লাস<br />
  রচনা  &#8211; আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>উপস্থাপনা: পুরুষ</p>
<p>পুরুষ : তুমি দ্রুত ইফতার করে ছাদে উঠে এলে, চাঁদের দেখা কী পেলে?</p>
<p>নারী   : না এখনো পাইনি। তুমিও এসে চোখ রাখো, দুজন মিলে একসাথে দেখি।</p>
<p>পুরুষ : তাই বুঝি? আমার জন্য কী চাঁদ লুকিয়ে আছে? (ঠাট্টা করে)</p>
<p>নারী   : আকাশের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237966"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237966/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2b61cee9e26a25444b399573a7ab374</guid>
				<title>গীতি নকশাঃ আছি রণাঙ্গনে (২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস)
 রচনা: আবুল হাসান তুহিন
* সংগীতঃ নারী, পুরুষ * গ্রন্থনা: নারী, পুরুষ

গ্রন্থনা: নারী:
নারী   :কী ব্যাপার বলোতো। চারিদিকে এমন উদাস
নয়নে কী দেখছো? 
পুরুষ  : কেন তোমাকে।
নারী   :আমাকে দেখছো না ছাই। তুমি যদি আজাকে দেখতে তাহলে-
পুরুষ : তাহলে কী?
নারী  :না থাক, কিছু না। আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে। অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে। মনে হচ্ছে আমাকে তুমি চেনোই না (রোগকরে) ধুত ভাললাগেনা।
পুরুষ  : আহা রাগ করছো কেন ? এখানে তুমি ছাড়া কে আছে। প্রকৃতির এই রূপরস গন্ধ আমাকে বিমোহিত করে ঠিক যেন তোমার মতো। প্রকৃতি ও নারী যেন এক সুতোয় বাঁধা।
নারী  :সে কেমন?
পুরুষ :স্বাধীনতা তোমার ঐ কপালের লাল টিপ স্বাধীনতা আমার, মায়ের হাতের সন্ধ্যা প্রদীপ, নারী হয় কখনও মাতা, কখনও ভগ্নি, প্রেম ময়ী স্ত্রী কখনও প্রেমিকা, নারী যেন ষড় ঋতুর বাংলাদেশ। পুরুষের পাশে থেকে প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। সেই আদি থেকে চলবে অনন্ত কাল। নারী বাংলার রূপ এবং অলংকার। 

নারী : এই হলো কবিদের এক দোষ বের হয়েছি তোমার সাথে একাই ঘুরবো, তা না কবিতার অলঙ্কারে সাজিয়ে দিচ্ছো! আমি তোমার স্বাধীনাতা! এর পরে বলবে তুমি আমার বাংলাদেশ তুমি আমার কবিতা।

পুরুষ : হাঃ হাঃ (হাসি) এহতো বুঝে ফেলেছো।, তুমি আমি এই মুক্ত আকাশের নিচে বসে আছি! এটা সম্ভব হতো না; কারণ  ১৯৭১ সালে ২৬ শেষ মার্চ যদি পরাধীনতার শৃংখল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য শুরু না হতো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাস মুক্তির সংগ্রামে বিজয়ের যুদ্ধেই আজকের এই মুক্ত বাংলাদেশ।

নারী : পরাধীন থাকলে আমরা ঘুরতে পারতাম না ! দেখতে পেতাম না নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। ডানা মেলে পাখিদের উড়ে যাওয়া, বাঁধাহীন স্রোতে নদীর কলতান।

পুরুষ :  আমাদের আজকের বাংলাদেশ। তখন ছিল সাত কোটি মানুষের, নির্যাতন নিষ্পেষণ আর পরাধীনতার এক অধ্যায়। এখন আমাদের দেশ স্বর্গ সুখের দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ।
  
গান ০১ ।। আধুনিক।। নারী +পুরুষ ।। দলীয়

যে দেশেতে পল্লী কবির নকশী কাঁথার মাঠ,
 আঁকাবাঁকা পথের ধারে হিজল তলির হাট, 
যেন স্বর্গ সুখের দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ।।

কাজল কালো দিঘির জলে শাপলা-শালুক দোলে, সেই দেশের টানে উদাস বাউল আপন পথটা ভোলে। যেন রূপকথারই দেশ আমার প্রাণের বাংলাদেশ।।

যে মাটিতে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা, 
সেই দেশের মাটি আমার রক্ত  দিয়ে কেনা ।
 এ যে বীর শহীদের দেশ আমার স্বাধীন বাংলাদেশ।।

আকুল করা সাগর নদী সবুজ শ্যামল ভূমি, 
গাছের ডালে পাখির কুজন স্বর্গ গেছে চুমি। 
যেন স্বপ্ন সুখের দেশ আমার রুপসী বাংলাদেশ।।
০২/০৪/২০৯ বুধবার

গ্রন্থনা:  পুরুষ:

পুরুষ : পারাধীন দেশে, পরাধীন সমাজে ব্যক্তি কখনোই মানুষে পরিণত হয়না। মানুষকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়। সেই ব্যক্তি স্বাধীনতার হন্য বাঙালী সংগ্রামে নেমেছিল ৯৭১ ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে

নারী : প্রসিদ্ধ দার্শনিক ফ্রেডারিক হেগেল বলেছেন&quot; বিশ্ব ইতিহাস হলো স্বাধীনতার চৈতন্য উন্মোচনেরই ইতিহাস। জীবনের রঙিন ইচ্ছাগুলো সবাই সাজাতে চায়। কৃষক কৃষক  তাতী জেলে মজুর সবাই আঁকে ছবি, মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি উদাস বাউল কবি।

*গান: ২&quot; পল্লীগীতি ৷৷ পুরুষ, নারী

পুরুষ : কৃষক তাঁতী জেলে মজুর 
           সবাই আঁকে ছবি, 
নারী:মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি 
        উদাস বডিল কবি।। 

*পুরুষ:কিসের ধ্যানে কিসের জ্ঞানে
          কিসের সুখে ভাসে,  
নারী:কিসের আশা ভালোবাসা 
        প্রতিটি নিঃশ্বাসে।
পুরুষ,নারী:স্বাধীনতার সুখ খোঁজে তাই 
                 আকাশ বাতাস রবি,
                 মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি 
                 উদাস বডিল কবি।।


*পুরুষ: কিসের দ্রোহে কিসের মোহে
           বাঁধে সবাই বাসা,
 নারী : কিসের সুখে জাগায় বুকে 
         একই স্রোতে ভাসা।
নারী,পুরুষ: স্বাধীনতার মর্ম জ্ঞানে 
                আপন সবাই হোবি,
                মাঠের রাখাল ঘাটের মাঝি 
                উদাস বডিল কবি।।

গ্রন্থনা: নারী।।

নারী : ইতিহাসে আমাদের এই বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে নানা রাজ্য সত্তা বা রাজত্বের উল্লেখ দেখতে পাই। পাল,সেন  সুলতানি, এবং মোঘল, আমলের শেষ ভাগে স্বাধীন সুবেদার মুর্শিদ কুলি খা, আলিবর্দী  সিরাজউদ্দৌলা প্রমুখ। প্রকৃত পক্ষে এসব তথা কথিত রাজা বা নবাব গন স্বাধীন হলেও প্রজা বা ব্যক্তি গন ছিল পরাধীন।

পুরুষ : যাক তোমার আমার ইতিহাস তো কম নয়! যখন ইতিহাসের ঝাঁপি খুলেই দিলে তখন বলো—।

নারী : ঠাট্টা রাখো, ইতিহাস হচ্ছে বর্তমানের পাথেও, 

পুরুষ: কয়েক হাজার বছরের শোষিত বাংলা ৩০ লক্ষ মানুষের আত্মাহুতি দিয়েই, পশ্চিম পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে এনে দিল বাঙালির প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র। জনগনের রাষ্ট্র। প্রজাদের রাষ্ট্র, বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র।

নারী   :  ঠিক বলেছো!
পুরুষ : আমি এখনও দখল পেলাম না! কাজে হলনা প্রেমের মন্ত্রের! শূন্য আমার হৃদয় যন্ত্র!

 গ্রন্থনাঃ পুরুষ ।। (আবৃত্তি

সতেরেশো সাতান্ন থেকে উনিশ শত একাত্তর, 
পরাজয়ের গ্লানি মুছে এলো নতুন একটি ভোর,
এরনাম স্বাধীনতা, রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।

ফকির মজনু শাহ তিতুমিরের বাঁশের কেল্লা, 
বাঘা যতিন, খুদিরাম, হাজি শরীয়তুল্লা,
মুক্তিসংগ্রামে বেদনা গাঁথা, 
রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা। 

সিপাহী বিদ্রোহ বঙ্গভঙ্গ তেভাগা আন্দোলন, 
 নীলচাষে বাধ্য করে অতিষ্ঠ চাষির জীবন, 
ইংরেজ বিদায় নিল নত করে মাথা, 
রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।

সৃষ্টি হলো দুটি দেশ ভারত পাকিস্তান, 
বাংলা আবার শৃঙ্খলিত সবুজ ভূমি হলো শ্মশান! 
পঁচিশ বছর ঘুরালো নিষ্পেষণের যাতা, 
রক্তস্নাত ইতিহাসের পাতা।
                         “””””””””””

গ্রন্থনা: নারী।।

নারী : দ্বিজাতিতত্ত্বের  ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ, লাহোর প্রস্তাবের বিকৃতি করে বাঙালি জাতিকে প্রতারণার করে। সৃষ্টি হয় পাকিস্তান নামের একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। পাকিস্তানী শাসকেরা শুরু করে দমন নির্যাতন, পরিনত হয় স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে। আঘাত আনে ভাষার উপর। বঞ্চিত বাঙ্গালী নির্বাচিত হয়েও পায়নি দেশ পরিচালনারভার। ফুসে উঠে বাঙালি। ১৯৯৭১ সালে ২৫ মার্চ রাতে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের চুড়ান্ত বহি প্রকাশ ঘটায়। অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্বিচারে হত্যা করতে থাকে নিরীহ  মানুষদের। ঘুরে দাঁড়াই মুক্তি পাগল মানুষেরা শুরু হয় আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

পুরুষ : মুক্তি পাগল দামাল ছেলেরা ঘর ছেড়েমুক্তি যুদ্ধে অংশ নেয়। কেউ যায় বিছানায় পাশ বালিশ শুইয়ে রেখে। কেউ যায় রাতের অন্ধকারে পালিয়ে। অনেক ছেলে মায়ের কাছ থেকে নেয় শেষ বিদায়। মাগো তুমি দাওনা বিদায় রেখোনা গো দাবি।

*গানঃ ৩ &quot;পুরুষ ।। একক ॥

 মাগো তুমি দাওনা বিদায় রেখনা গো দাবি, 
 বিজয় মালা গলায় পরে আনবো সুখের চাবি, 
যুদ্ধে মাগো যাচ্ছি আমি স্বাধীনতার জন্য।। 


পাখির মতো মারছে মানুষ বল কিসের দোষে, 
দামাল ছেলে হয়ে মাগো থাকবো কেন বসে। 
পশুর চেয়ে অধম তারা তাই হয়েছে বন্য,
যুদ্ধে মাগো যাচ্ছি আমি স্বাধীনতার জন্য।। 

স্বাধীনতার সূর্য মাগো দেখবে প্রতিদিন, 
জীবন বাজি করে মাগো শোধ করবো ঋন 
এর আশাই অস্ত্র হাতে জীবন হবে ধন্য,
যুদ্ধে মাগো যাচ্ছি আমি স্বাধীনতার জন্য।। 

গ্রন্থনা: পুরুষ+নারী 

পুরুষ : প্রকৃতির আশীর্বাদ, কবির স্বপ্ন, নদীনালা শোভিত এই শ্যামল ভূখন্ড ও তার গতি কোটি বাঙালিকে আধুনিক মারণাস্ত্রের সাহায্যে একদল নরপিশাচ ঝলসে দিয়েছিল।

নারী  : নাপাম বোমার আগুনে থেমে গিয়ে ছিল সভ্যতার চাকা, সংস্কৃতি। গাঁয়ের সবুজ মাটি রক্তে রাঙা হলো, মসজিদ, মন্দির, হাসপাতাল চার্চের পত্রিতা টুকু রক্ষা পায়নি, রাক্ষসদের নখ এবং দাঁতের কামড় থেকে!

পুরুষ : সারা দেশে পচা গলা শবদেহ শকুনির খাদ্য হচ্ছিল। কে মরেনি? নরনারী, শিশু বৃদ্ধি, শ্রমিক কৃষক,, কে মরেনি? বুদ্ধিজীবী চাকুরে ব্যবসায়ী, কে মরেনি ?শিল্পী, সহিত্যিক, সাংবাদিক, অধ্যাপক।

নারী : দানবেরা মায়ের দুইস্তন কর্তনকরে রক্তের উচ্ছ্বাসিত ফোয়ারার মধ্যে অবোধ শিশুর মুখ চেপে ধরেছিল।

পুরুষ : আড়াই বছরের বাচ্চাকে কামানের সামনে দাঁড় করিয়ে গোলা ছুড়েছিল।

নারী :  ইজ্জত লুটের পর মা বোনদের শরীর সংগীন  দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে।

পুরুষ : পাকিস্তান টিকিয়ে রাখতে এদেশের কিছু কুচক্রি মহল রাজাকার, আলবদর, শান্তি কমিটি গঠন করে। পাকিস্তানীদের সাহায্য করে ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রামে।

নারী :নিজের জীবন স্ত্রীর জীবন বিপন্ন জেনেও ঐসমস্থ রাজাকার এবং পাকিস্তানী বাহিনীর মোকাবেলা করতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে আপামোর জনতা। অশ্রুসজল চোখে স্ত্রীর কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে স্বামী। শঙ্খিত স্ত্রী, যুদ্ধে যাচ্ছো প্রিয়তমা একলা থাকবো আমি। কবে তুমি আসরে ফিরে ও গো  প্রাণের স্বামী

গানঃ ৪ ।। আধুনিক ।। নারী, পুরুষ

নারী   : যুদ্ধে যাচ্ছো প্রিয়তম 
           একলা থাকবো আমি,
          করে তুমি আসবে ফিরে
           ও গো  প্রাণের স্বামী।
পুরুষ  : স্বাধীনতার রাঙা রবি 
           দেখ অস্তগামী 
নারী+ পুরুষ :  তোমার আমার প্রাণের চেয়ে 
                     স্বাধীনতা দামী।।

 নারী  : থাকবো একা কেমন করে
           যুদ্ধের ডামাডোলে, 
পুরুষ : বিরহের এই ব্যথা সয়ে
        যাচ্ছি যুদ্ধে চলে।
 নারী  : থাকলে বেঁচে দেখা হবে
          পথ ও চেয়ে আমি,
নারী+ পুরুষ :  তোমার আমার প্রাণের চেয়ে 
                     স্বাধীনতা দামী।।

 পুরুষ  : কষ্ট হবে জানি তোমার
           ওগো প্রানের প্রিয়,
নারী  : নতুন প্রভাত আলোর মাঝে
         আমার খবর নিও।
পুরুষ : শহীদ হলে গর্ব করো
            এটাই যে সম্মানী,
নারী+ পুরুষ :  তোমার আমার প্রাণের চেয়ে 
                     স্বাধীনতা দামী।।

গ্রন্থনাঃ নারী

নারী : ইতিহাসের পাতায় লাল সবুজ পতাকায়
সোনা রোদের মাখামাখি। দক্ষিণা বাতাসের দোলা।  এসব রঙিন স্বপ্ন বুকের মধ্যে জাগাতে নিজেদের রঙিন ইচ্ছাগুলো জলাঞ্জলি দিয়ে ছিল স্বাধীনতার জন্য।

পুরুষ : মানব প্রেমের চেয়ে, দেশ প্রেম বড় হয়ে ছিল। তাই মনে হয়েছিল স্বাধীনতা যদি নাইবা থাকে কী হবে অলোবাসা। 

গানঃ ৫ ।। অধুনিক ।। নারী, পুরুষ

নারী   : স্বাধীনতা যদি নাই বা থাকে 
          কী হবে ভালোবাসা ,
   হবেনা তো মধুর মিলন 
             ভঙ্গ হবে আশা।
 
পুরুষ :  ভালোবাসার কসম খেয়ে 
          যাচ্ছি যুদ্ধে চলে, 
        দেখা হবে বন্ধু আবার
        দেশটা স্বাধীন হলে ।। 

নারী : শকুনের চোখ মা বোনের 
         দিকে হচ্ছে তারা বলি,
পুরুষ  : নিষ্ঠুরতা মাত্রা ছেড়ে 
          খেলছে রক্ত হোলি।
পুরুষ  : শত্রুরা ঠিক জবাব পারে 
            যাচ্ছি বন্ধু বলে,
          দেখা হবে বন্ধু আবার
           দেশটা স্বাধীন হলে ।। 

নারী  : ফুলের গন্ধ পাখির কুজন 
           নিল যারা কেড়ে,
পুরুষ : পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে 
           যাবে দেশটা ছেড়ে। 
        স্বাধীন হবে বাংলাদেশ 
         উঠছি যখন জ্বলে,
        দেখা হবে বন্ধু আবার
        দেশটা স্বাধীন হলে ।। 

গ্রন্থনাঃ পুরুষ 


পুরুষ‌ : মায়ের অশ্রু স্ত্রীর ভালোবাসা, প্রিয়ার প্রেমকে বিসর্জন দিয়ে আমাদের এই স্বাধীনতা! তাদের আত্মত্যাগ প্রানের বিনিময়ে এই যে তুমি আমি হাত ধরে চলতে পারছি। তোমার ভালোবাসায় পৌঁছে যাব সেই—------!

 নারী  : কোথায় ?

পুরুষ : অনুভবে বুঝে নাও!

নারী : শুধু মিষ্টি কথায় আমি ভুলবো না। হাহা (হাসি)

পুরুষ : দীর্ঘ নয় মাস সংগ্রামী যুদ্ধে পরাস্ত হয় পাকিস্তানীরা! ৯৩ হাজার সেনা সদস্য আত্মসমর্পন করে।এই পরিত্র মাটির দিকে মাথা নত করে! পাকিস্তানের নিয়াজি আত্মসমর্পন দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় সূচিত হয়। 

নারী  :  তোমার আমার চূড়ান্ত বিজয় করে হবে?

পুরুষ : তুমি রাজি থাকলে আজই!

নারী :  হাঃ হাঃ হাঃ(দুজনে হাসি) তাহলে তো কাজী অফিসে যেতে হবে! 

পুরুষ : তোমার আমার হাতের মতো  মুক্তিযুদ্ধের  এই প্রেরণা কে আরও শক্তিশালী করার দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে জাগাতে হবে দেশপ্রেম! দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।

নারী : সফলতা হাতের মুঠোই উচ্ছ্বাস মনে জাগে অনুভবে প্রত্যয়নিয়ে প্রাণে দোলা লাগে। 

গানঃ ০৬ ।।আধুনিক ।। দলিয়।।

সফলতা হাতের মুঠোই উচ্ছ্বাস মনে জাগে  
অনুভবের প্রত্যয় নিয়ে প্রাণে দোলা লাগে, 
জয় আমাদের প্রতিদিন যুদ্ধ প্রতিক্ষণে 
দেশ গড়ার অঙ্গীকারে আছি রণাঙ্গনে ।।

স্বপ্ন আছে চোখের পাতায় বুকে নতুন আশা 
আলোর পথে নতুন সূর্য্য ছড়ায় ভালোবাসা। 
এগিয়ে যাওয়ার সময় এখন সাহস আছে মনে,
 দেশ গড়ার অঙ্গীকারে আছি রণাঙ্গনে।

দীপ্ত শপথ নিয়ে সবাই দেশটাকে আজ গড়ি 
বিজয় মালা গলায় পরে ভাসাই সুখেরতরী।
সোনার বাংলা ঠাঁই পেয়েছে বিশ্বের অঙ্গনে,
 দেশগড়ার অঙ্গীকারে আছি রণাঙ্গনে ।। 
                    ।।সমাপ্ত।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237965/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 05:30:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গীতি নকশাঃ আছি রণাঙ্গনে (২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস)<br />
 রচনা: আবুল হাসান তুহিন<br />
* সংগীতঃ নারী, পুরুষ * গ্রন্থনা: নারী, পুরুষ</p>
<p>গ্রন্থনা: নারী:<br />
নারী   :কী ব্যাপার বলোতো। চারিদিকে এমন উদাস<br />
নয়নে কী দেখছো?<br />
পুরুষ  : কেন তোমাকে।<br />
নারী   :আমাকে দেখছো না ছাই। তুমি যদি আজাকে দেখতে তাহলে-<br />
পুরুষ : তাহলে কী?<br />
নার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237965"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237965/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c53e9bd2d9c3ba7bc1efaa9334d8840a</guid>
				<title>গীতি নকশা: এলো বসস্ত 
  (বসন্ত ঋতু)
রচনা : আবুল হাসান তুহিন
১। গ্রন্থনা: নারী, পুরুষ
২। সংগীত: নারী, পুরুষ 

গ্রন্থনা: নারী।।

নারী   : অবুঝ চোখ যেন বাধা মানে না। এমন ভাবে চেয়ে আছো যেন আমাকে প্রথম দেখছো। এই, শোন। এই ভাবে চোখের নজর দিলে অসুখ করবে!

পুরুষ :  আঃ হাঃ হাঃ। (হাসি) ঠিকই বলেছো। অসুখতো করবে সেটা হলে মেয়ে 

নারী  : আসুখ,

পুরুষ :  বেশের অসুখই আসলসুখা যার প্রতিক্ষায় থাকে সবাই। ৷ যেমন প্রকৃতি প্রতিষ্ঠা করে বসন্তের।

নারী  :শীতের কুয়াশার হাল ছিন্ন করে, নতুন পাতার শোভা। নানা রঙের ফুল কোকিলের কুহু কুহু গানে বসন্ত আসে। ফুলে ফুলে মৌমাছি মুধু সংগ্রহ করতে ব্যস্ত। পুরুষ । বস্তু কালে বনের ফুল মনের ফুল দুটি

নারী : প্রাপির কলরব, যৌবনের উত্তালতা সবই যেন একাকার। এই বসন্ত কালে।

পুরুষ :  মনের রং প্রকৃতির রং। রঙে রঙে ভাল মাতাল যেন,


নারী  : এলো বসন্ত মন অশান্ত বুক কাঁপে সরসর ফুলের গন্ধে মন আনন্দে উঠে প্রেমর ঝড়ে।

গান: ০১৷৷ আধুনিক ।। নারী, পুরুষ 

নারী  : এলো বসন্ত মন অশান্ত
            বুক কাঁপে থর থর, 
পুরুষ  : ফুলের গন্ধে মন আনন্দে
           উঠে প্রেমের ঝড়

 নারী  : সুখের দেশে, যাবো ভেসে 
         কোকিল ডাকে বনে,

পুরুষ  : কাছ-এসে, ভালোবেসে 
          মিলবে আমার সনে, 

নারী-পুরুষ : তারই আশাই
           বুকটা ভাসাই সাজাই সুখের ঘর।।

নারী : বুকের মাঝে, সানাই বাজে
        স্বপ্ন জাগে মনে,

 পুরুষ‌ : সোহাগ দেবো, আদর দেবো
           এসো এমন ক্ষনে, 
নারী-পুরুষ :  জ্বালায় আগুন মাতাল ফাগুন
             প্রেমের সরোবর।।

গ্রন্থনা: পুরুষ

পুরুষ :  ষড় ঋতুর বাংলাদেশ। বসন্ত ষড় ঋতুর পুরুষ বেশষ ঋতু। ফাল্গুন এবং সে মার্স সিলে হয় বসন্ত ঋতু।

নারী :  বসন্ত ঋতুর আগমন ঘটে শীত চলে যাওয়ার পর, এবং গ্রীস্ম আসার আগে।

পুরুষ : বসন্ত কাল বাংলাদেশের প্রকৃতিতে রমনীয় শোভা বিস্তার করে। এ ঋতু প্রকৃতির সৌন্দार्य শোভিত করে আবির্ভূত হয়।

নারী : ফাগুনের প্রথমদিন বসন্ত বরণ উৎসব। পোষক এবং অনুষ্ঠানে রঙের প্রাধান্য।

পুরুষ : ফুল ও বালা হয়ে সখী, এসো ফাগুন বনে বসন্তেরই রানী সেজে রঙ দিও এহমনে।

গান।। 02 &#124;৷৷ আধুনিক &#124;&#124; পুরুষ।। একক

ফুলও বালা হয়ে সখী 
এসো ফাগুন বনে, 
বসন্তেরই রানী সেজে 
রঙ দিও এই মনে।।

ফুলের রেণু অঙ্গে মেখে 
যাওগো সুধা ঢালো, 
অলি হয়ে পরশ দেবো 
বাসবো কত ভালো। 
মাতাল হাওয়ায় মন দুলিয়ে 
মিলবো তোমার সনে ।।

ফুলের সুবাস ছড়িয়ে যাবে 
মিলন বাসর ঘরে,
কোকিল হয়ে গান শুনাবো 
যাবে হৃদয় ভরে,
আঁচল ভরা সোহাগ আদর
দিও সর্বক্ষণে।।
      ৭-২-১৮ বুধবার

গ্রন্থনাঃনারী

নারী  :  কৌশর পেরিয়ে প্রতিটি নরমারী যৌবনে পদাশমা করে।

পুরুষ : মানব মানবীর জীবনটা চির বসন্তকাল।

নারী : কখন যে কারমনে রঙ লেগে যায় কে জানে। যেমন তোমার মনেরও লেগেজ।

পুরুষ : তাই চেয়ে আছি তোমার পানে।

নারী  : বড় দুষ্ট তোমার চোখা

পুরুষ : চোখের ভাষায় একে অপর কে কাছে টানে।

নারী : অদৃশ্য স্বতার টানে আসে মনে ফাল্গুন, লাগে দোলা।

পুরুষ  : বনে যদি ফুলনা ফোঁটে মনে ফোঁটে ফুল। ভেবে নিও বসন্ত এসে করেছ আকুল।

গ্রন্থনা: পুরুষ ।। আবৃত্তি৷৷

 বনে যদি ফুল না ফোঁটে মনে ফোঁটে ফুল, 
ভেবে নিও বসন্ত এসে করেছে আকুল।।

প্রজাপতি মনটা তোমার মেলে যদি ডানা, 
ফুলে ফুলে মৌমাছিরা নাইবা দিল হানা।
 প্রেমের সুধা পান করতে করোনা তো ভুল, 
ভেবে নিও বসন্ত এসে করেছে আকুল।

 মন মহুয়ার গন্ধে মাতাল হয়ে যদি থাকো,
 মিলম নেশায় আপন করে কাছে মানুষ ডাকো।
 ভরিয়ে নিও বন বিথিকা হৃদয়ের দুকূল, 
ভেবে নিও বসন্ত এসে করেছে আকুল।

   ৯/২/১৮- শুক্রবার 

গ্ৰন্থনা: নারী

নারী : বসন্তকালে নানা রঙের ফুলে ছেয়ে যায় গাছ গাছালি।

পুরুষ :সেই রঙের প্রভাব পরে মানুষের সনে।

নারী : বনের কোকিল গেয়ে উঠে। সেই সাথে গেয়ে ডিবে হাজার পাখি।

পুরুষ পাখির কলতানে মুখরিত বন বিথিকা,

নারী :এসম মধুর দিনে বিরহি মন কেঁদে উঠে।

পুরুষ : ফাল্গুন আইলো  ফাল্গুন আইলো কোকিল গাইলো মনে বড়ই জ্বালা,    মিলন আশাই বুকটা ভাসাই নিঠুর বন্ধু কালা।

গান ॥০৩ ॥ পল্লীগীতি &#124;&#124; নারী একক

 ফাগুন আইলো কোকিল গাইলো 
মনে বড়ই জ্বালা,
 মিলন আশাত বুকটা ভাসাই
 নিঠুর বন্ধু কালা।।

এমন দিনে বন্ধু বিনে 
কেমনে থাকি ঘরে, 
নেই মনে সুখ কিসে অসুখ
 মরি প্রমের জ্বরে,
কান্দে পরান নেই কিরে টান
শুকায় ফুলের মালা।।

কেমন করে বন্ধু ওরে 
থাকলি একা দূরে,
আয় না কাছে পরাণ নাচে
বাঁধবো প্রেমের সুরে,
শিমুল রাঙা পলাশ রাঙা
সাজাই বরণ ডালা।
৯-২-১৮- শুক্রবার

গ্রন্থনা: পুরুষ

পুরুষ :  বসন্ত কালে বনের আগুন পালাশ ফুল। সেই সাথে ফোঁটে কৃষ্ণচূড়া, মাধবী লতা সন্ধ্যা মালতি, কাঁঠালিচাঁপা, আরো নানা বুনো ফুল 

নারী  : বসন্তে ফোঁটে আমের মুকুল। বনে বনে প্রজাপতি খেলা করে।

পুরুষ : প্রকৃতির রূপ লাবণ্যে মনহর। জীবন রাঙাতে আসে বসন্ত।

নারী : মনের মাঝে রঙ লেগে থাক সারা জীবন ভরে, আগুন লাগা ফাগুন থাকুক হৃদয় আলো করে।

গান ॥০৪৷ আধুনিক ।।পুরুষ একক

মনের মাঝে রঙ লেগে থাক
 সারা জীবন ভরে, 
আগুন লাগা ফাগুন থাকুক 
হৃদয় আলো করে।।

স্বপ্ন গুলো উড়বে তখন 
প্রজাপতির ডানায়, 
পলাশ ফুলের পাপড়ি দিয়ে 
দেবো হৃদয় রাঙায়, 
দক্ষিন বাতাস দেবে ধরা 
মিলন বাহু ডোরে।।

গল্প গুলো সত্যি হবে 
আসবে ছুটে অলি, 
আকুল করা সুবাস তখন
 ছড়ায় ফুলের কলি 
বিভোর হৃদয় হাত ছানি দেয়
 মিলন নেশার ঘোরে।।
 ৯/২/১৮ শুক্রবার

গ্রন্থনা: নারী,

নারী  : শোভিত প্রকৃতির মতো শোভিত মানুষের মন। বিকশিত হয়। হৃায় বনে ফোঁটে ফুল।

পুরুষ : তাই ফুল ছাড়া বসন্ত কাল কল্পনা অতীত। 

নারী  :পৃথিবীর বুকে সুন্দর মন নিয়ে বেঁচে
           থাকুক প্রতিটি মানুষ।

পুরুষ : সুন্দর ফুল সুন্দর প্রকৃতি।তাই বসন্ত  দিনের শুভেচ্ছা ভালোবাসা সবার জন্য।

নারী  : সকল বাঁধা পেরিয়ে মানুষ সুখ খোঁজে তেমনি, শীত  কুয়াশা  ছিন্ন করে নতুন পাতার শোভা। রঙ বে রঙের ফুলের বাহার দেখতে মনোলোভা।

পুরুষ :  সবার মনে থাক মনোলোভা সুখ। সেই সুখের খেয়ায় ভাসতে ভাসতে চলো  বিদায় নেয়া যাক।

গান ।।০৫। আধুনিক। নারী একক

 শীত কুয়াশা ছিন্ন করে
 নতুন পাতার শোভা,
 রঙবে রঙের ফুলের বাহার 
দেখতে মনোলোভা।।

 কুহু কুহু কোকিল ডাকে, 
মন নাচে তার তালে, 
ফাগুনেরই আগুন লাগে
 পালাশ শিমুলডালে। 
বসন্তেরই রূপে পাগল 
মন হয়ে যায় বোবা।।

মুহু মুহু ফুলের সুবাস 
মনে লাগে দোলা, 
মধু লোভি মৌমাছিরা 
হয় যে পথও ভোলা।
ডানা মেলা প্রজাপতির 
রমনীয় শোভা ।। 
রচনাকাল ।। ৯/০২/২০১৮ শুক্রবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237963/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 05:28:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গীতি নকশা: এলো বসস্ত<br />
  (বসন্ত ঋতু)<br />
রচনা : আবুল হাসান তুহিন<br />
১। গ্রন্থনা: নারী, পুরুষ<br />
২। সংগীত: নারী, পুরুষ </p>
<p>গ্রন্থনা: নারী।।</p>
<p>নারী   : অবুঝ চোখ যেন বাধা মানে না। এমন ভাবে চেয়ে আছো যেন আমাকে প্রথম দেখছো। এই, শোন। এই ভাবে চোখের নজর দিলে অসুখ করবে!</p>
<p>পুরুষ :  আঃ হাঃ হাঃ। (হাসি) ঠিকই বলেছো। অসুখতো করবে সেটা হলে মেয়ে </p>
<p>নারী  : আসুখ,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237963"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237963/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a9d2f73d59ebf70bca14284fc164d7ab</guid>
				<title>ঈদের গান
গীতিকার - আবুল হাসান তুহিন 

খুশির দুয়ার খুলে আজ মন উঠেছে দুলে 
রোজার শেষে চাঁদটা হেসে 
কাড়লো চোখের নীদ,
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।

আকাশ জুড়ে  বাঁকা চাঁদের হাসি,
সবাই মিলে সুখের ডানায় ভাসি।
চারিদিকে উঠল বেজে মধুরও  সঙ্গীত,
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।

নতুন পোষাক আজকে সবার গায়ে
পড়তে নামাজ তাই যাবো ঈদগাহে।
কোরমা পোলাও খাবো করবো না কেউ জীদ
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।

আয়রে ছুটে আয়, যত বন্ধু স্বজন 
পাড়ায় পাড়ায় আজ ঈদের আয়োজন। 
শক্ত হবে তাই ভালোবাসার ভীত,
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237914/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 18:16:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঈদের গান<br />
গীতিকার &#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>খুশির দুয়ার খুলে আজ মন উঠেছে দুলে<br />
রোজার শেষে চাঁদটা হেসে<br />
কাড়লো চোখের নীদ,<br />
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।</p>
<p>আকাশ জুড়ে  বাঁকা চাঁদের হাসি,<br />
সবাই মিলে সুখের ডানায় ভাসি।<br />
চারিদিকে উঠল বেজে মধুরও  সঙ্গীত,<br />
ঈদ মোবারাক ঈদ, ঈদ এসেছে ঈদ।।</p>
<p>নতুন পোষাক আজকে সবার গায়ে<br />
পড়তে নামাজ তাই যাবো ঈদগাহে।<br />
কোর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237914"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237914/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7bdae25a63cd8a38f837e7bcb24f08aa</guid>
				<title>ঈদের গান
গীতিকার - আবুল হাসান তুহিন 

রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ, 
নিজেকে আজ বিলিয়ে দিতে
 আছে যে তাগিদ।।

আজ সোনাদানা বাড়ি গাড়ি করে দে লিল্লাহ,
যাকাত ফিতরা গরিব দুঃখীর হবে যে হিল্লা।
মুমিম মুসলিম এক কাতারে ভেঙেছে যে নীদ
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ।।

পড়বি নামাজ ঈদগাহেতে ধনী গরিব মিলে,
নেই ভেদাভেদ উঁচু-নিচুর দিল মিলেছে দিলে।
খোদার রাহে জীবনটাকে করবি রে শহীদ, 
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ।।

শিরনি পোলাও খুশবুতে আজ ভাসছে চারিধার,
দাওয়াত খাবে জনে জনে রাখবি খোলা দ্বার।
আল্লা রাসুল হবেন খুশি  রাখ মনে উম্মীদ,
রোজার শেষে এলোরে শোন
এলো খুশির ঈদ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237913/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 18:14:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> ঈদের গান<br />
গীতিকার &#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>রোজার শেষে এলোরে শোন<br />
এলো খুশির ঈদ,<br />
নিজেকে আজ বিলিয়ে দিতে<br />
 আছে যে তাগিদ।।</p>
<p>আজ সোনাদানা বাড়ি গাড়ি করে দে লিল্লাহ,<br />
যাকাত ফিতরা গরিব দুঃখীর হবে যে হিল্লা।<br />
মুমিম মুসলিম এক কাতারে ভেঙেছে যে নীদ<br />
রোজার শেষে এলোরে শোন<br />
এলো খুশির ঈদ।।</p>
<p>পড়বি নামাজ ঈদগাহেতে ধনী গরিব মিলে,<br />
নেই ভেদাভেদ উঁচু-নিচুর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237913"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237913/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eb09d12a2cdd669628eba0841080d48d</guid>
				<title>একুশে ফ্রেব্রুয়ারি
 - আবুল হাসান তুহিন 

মা মাটি মাতৃভাষার 
শ্রেষ্ট ইতিহাস, 
রক্তে রাঙানো আমাদের
এই ফেব্রুয়ারী মাস।।

পলাশ শিমুল ফোঁটে 
ফাগুনের ছোঁয়া নিয়ে, 
ফেব্রুয়ারী ইতিহাস গাঁথা 
ভাইয়ের রক্ত দিয়ে। 
নর পশুরা পারিনি করতে 
ভাষার সর্বনাশ,
রক্তে রাঙানো আমাদের 
এই ফেব্রুয়ারী মাস।।

ভাষার জন্য এমন 
ত্যাগ আর কোথা নাই, 
পৃথিবী জুড়ে এই কাহিনী                                       
ছড়িয়ে দিতে চাই। 
মাতৃভাষা হোক সকলের 
জীবনের উচ্ছ্বাস, 
রক্তে রাঙানো আমাদের 
এই ফেব্রুয়ারী মাস।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237912/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 18:12:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একুশে ফ্রেব্রুয়ারি<br />
 &#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>মা মাটি মাতৃভাষার<br />
শ্রেষ্ট ইতিহাস,<br />
রক্তে রাঙানো আমাদের<br />
এই ফেব্রুয়ারী মাস।।</p>
<p>পলাশ শিমুল ফোঁটে<br />
ফাগুনের ছোঁয়া নিয়ে,<br />
ফেব্রুয়ারী ইতিহাস গাঁথা<br />
ভাইয়ের রক্ত দিয়ে।<br />
নর পশুরা পারিনি করতে<br />
ভাষার সর্বনাশ,<br />
রক্তে রাঙানো আমাদের<br />
এই ফেব্রুয়ারী মাস।।</p>
<p>ভাষার জন্য এমন<br />
ত্যাগ আর কোথা নাই,<br />
পৃথিবী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237912"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237912/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d4573716c4c6f44add61e62314289897</guid>
				<title>পাশে থেকো সারাক্ষণ 
-আবুল হাসান তুহিন 

পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ
ধন্য হয়ে যায় এ জীবন, 
আকাশে লুকানো যে চাঁদ 
পেতেছে রূপেরই ফাঁদ,
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।

প্রনয়নের দীপশিখা জ্বেলে 
জোছনার মাধুরী ঢেলে, 
আমাকে করেছো আকুল
ফুটিয়ে আশার ও ফুল, 
হয়েছো আরো আপন
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।


প্রজাপতির ডানা মেলে 
জীবন রাঙাতে এলে,
 ভালোবার মায়াজাল 
বেঁধে রেখো চিরকাল, 
সুখে দুঃখে আমরণ
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237707/</link>
				<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 03:48:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পাশে থেকো সারাক্ষণ<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ<br />
ধন্য হয়ে যায় এ জীবন,<br />
আকাশে লুকানো যে চাঁদ<br />
পেতেছে রূপেরই ফাঁদ,<br />
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।</p>
<p>প্রনয়নের দীপশিখা জ্বেলে<br />
জোছনার মাধুরী ঢেলে,<br />
আমাকে করেছো আকুল<br />
ফুটিয়ে আশার ও ফুল,<br />
হয়েছো আরো আপন<br />
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।</p>
<p>প্রজাপতির ডানা মেলে<br />
জীবন রাঙাতে এলে,<br />
 ভালোবার মায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237707"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237707/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad8e76e8a70f6164559e929d711412cf</guid>
				<title>পাশে থাকো সারাক্ষন 
- আবুল হাসান তুহিন 

পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ
ধন্য হয়ে যায় এ জীবন, 
আকাশে লুকানো যে চাঁদ 
পেতেছে রূপেরই ফাঁদ,
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।

প্রনয়নের দীপশিখা জ্বেলে 
জোছনার মাধুরী ঢেলে, 
আমাকে করেছো আকুল
ফুটিয়ে আশার ও ফুল, 
হয়েছো আরো আপন
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।


প্রজাপতির ডানা মেলে 
জীবন রাঙাতে এলে,
 ভালোবার মায়াজাল 
বেঁধে রেখো চিরকাল, 
সুখে দুঃখে আমরণ
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।
০৮/০২/২০২৬
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237660/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 16:40:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পাশে থাকো সারাক্ষন<br />
&#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ<br />
ধন্য হয়ে যায় এ জীবন,<br />
আকাশে লুকানো যে চাঁদ<br />
পেতেছে রূপেরই ফাঁদ,<br />
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।</p>
<p>প্রনয়নের দীপশিখা জ্বেলে<br />
জোছনার মাধুরী ঢেলে,<br />
আমাকে করেছো আকুল<br />
ফুটিয়ে আশার ও ফুল,<br />
হয়েছো আরো আপন<br />
পাশে থেকো সারাক্ষণ।।</p>
<p>প্রজাপতির ডানা মেলে<br />
জীবন রাঙাতে এলে,<br />
 ভালোবার মায়াজাল<br />
বেঁধে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237660"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237660/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0406df878d9d5b88a0e259889ab6c4d6</guid>
				<title>নাটিকা: মিতুর স্পেশাল গেস্ট
রচনা         : আবুল হাসান তুহিন 

চরিত্র বিন্যাস 
১।ইন্তাজ-   চেয়ারম্যান প্রার্থী - ৫০ বছর 
২। মিতু  -   ইন্তাজের মেয়ে    - ১৪ বছর 
৩। ফুলি -   প্রতিবেশী             -১৪ বছর 
৪। কালু -  ইন্তাজের লোক     - ৩৫ বছর 
৫ । হাবু -   ইন্তাজের লোক    ‌-  ৩০ বছর 
৬। সকেট- ধান্দাবাজ             - ৩০ বছর 
৭। মদন - সকেটের সহযোগী - ৩০ বছর 
৮। লিটন - গ্রাম্য ছেলে          - ১৪ বছর 

দৃশ্য।। ০১।। রুম  দিন।।ইনডোর।।
চরিত্র: ইন্তাজ, কালু, হাবু
[ফ্রেমে দেখা যায় ইন্তাজ বসে আছে হাবু ইন্তাজের মাথা টিপছে।]
ইন্তাজ : হাবু মাথাটা একটু ভালো করে মেসেজ কর। 
মাথাটা কেমন জানি জাম হয়ে গেছে একটু বুদ্ধি খুলে যাক। 
কালূ      :  ভাই আপনার তো  ইলেকশন করার খুব ইচ্ছা। 
ইন্তাজ   : এইটার ভাবনা তো সবসময় আমার মাথার মধ্যে থাকে। কিন্তু কি করবো। 
কালু     : যদি কিছু মনে না করেন,  ভাই আমি আপনারে একটা পরামর্শ দেব।
ইন্তাজ   :  কি পরামর্শ বলে ফেল।

কালু     :    এবারের ঈদে আপনি বড় বড় দুটি ষাঁড় কোরবানি দেবেন। চেয়ারম্যানী ইলেকশন বলে কথা, দশ গ্রামের সবার চেয়ে বড় গরু কোরবানি না দিলে মান সম্মান থাকবে?  কোরবানির ষাঁড় হতে পারে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ। 

ইন্তাজ : মাথায় বুদ্ধি থাকলে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো কোনো ব্যাপারই না। 

কালু     : হাট থেকে ফেরার পথে লোকজন যতবার ষাঁড়ের দাম জিজ্ঞাসা করবে ততবার আগামীর চেয়ারম্যান আপনার নাম উল্লেখ করে  দাম বললেই দারুণ একটা পাবলিসিটি হয়ে যাবে। তার পর বাজারে আপনার আড়োতের  সামনে। আপনার ছবিটাকে বড় করে নিচে ষাঁড়ের ছবি দিয়ে দাম লিখে দুটি প্যানাসাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিতে হবে।

ইন্তাজ     : বুদ্ধিটা ভালই। তাহলে দুই একদিনের মধ্যে  দুটো ষাঁড় আমাকে কিনতেই হবে। 

কালু     : ষাঁড় দুটো কোরবানি দিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে মাংস আপনি বিলিয়ে দেবেন।

ইন্তাজ :  ইলেকশনের পাশ করার জন্য জনগণের ইমোশন কে কাজে লাগিয়ে যত ফর্মুলা আছে প্রয়োগ করতে হবে।  সাব্বাস কালু।


দৃশ্য।। ০২ ।। নির্জোন স্থান।। দিন।। আউটডোর।।
চরিত্র: পকেট, লিটন 
[ফ্রেমে দেখা যায় ওরা বসে বসে মোবাইল ঘাটছে আর পরামর্শ করছে]

সকেট : মদন মোবাইল ফোনটা রাখবি যার জন্য এখানে বসেছি সেটা না শুনে তুই মোবাইলে গেম খেলেই যাচ্ছিস।

মদন   : বল শুনছি। 

সকেট  : এই পথ দিয়ে কেউ গরু কিনতে যাবে আবার কেউ গরু বিক্রি করে বাড়ি ফিরবে এটাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। 

মদন : সেটা তো বুঝলাম। কি করতে হবে তাই বল। 

সকেট : যারা কিনবে তাদের কাছেও থাকবে অনেক অনেক টাকা আর যারা গরু বিক্রি করবে তাদেরও কাছে থাকবে অনেক অনেক টাকা এই টাকা আমাদের হাতাতে হবে। 

মদন : তাহলে কি কিভাবে টাকা গুলো হাতাবি?

সকেট : আমাদের কাজ হচ্ছে এই ছলে বলে ওদেরকে অজ্ঞান করে টাকা নিয়ে কেটে পড়া। মনে কর কেউ পান খায় তাকে পানের ভিতরে অজ্ঞান করার ওষুধ দিতে হবে । কেউ সিগারেট খাই।  সিগারেট ধরিয়ে দেয়ার নাম করে নাকে রুমাল চেপে ধরবি। আর কিছু যদি না পাস তাহলে চোখে মলম লাগিয়ে দিয়ে টাকা নিয়ে কেটে পড়তে হবে। 

মদন : এটা কি এত সহজেই সম্ভব!

সকেট : আমরা এই রাস্তায়  বাইক চালাবো। আমি ড্রাইভার তুই প্যাসেঞ্জার। কি এবার বুঝলি তো। (দুজনে হেসে উঠবে)

দৃশ্য।। ০ ৩।। বাগান  ।। দিন।। আউটডোর।।
চরিত্র: মিতু, ফুলি
[ফ্রেমে দেখা যায় ফুলি  বসে আছে মিতু এগিয়ে আসে ]

মিতু    :  কি ব্যাপার ফুলি এখানে বসে আছো ?
ফুলি    :  তোমাদের বাগানে অনেক শুকনো পাতা পড়ে আছে , তুমি বললে আমি পাতাগুলো কুড়িয়ে নেবো। বাড়িতে রান্না করার কোন কাঠ নেই।
মিতু      :  সমস্যা নেই। তুমি সমস্ত পাতা কুড়িয়ে বাগানটাকে ঝকঝকে করে দেবে। সামনে তো  ঈদ। এতে বাগানটা পরিষ্কার হবে তোমারও রান্নার কষ্ট দূর হবে। সেইসাথে বাগানে সাপ পোকামাকড় থাকবে না। 

ফুলি   : তুমি কত ভালো। আমি এক্ষুনি সব কুড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছি। 

মিতু      : ধন্যবাদ , আর শোন, এই পাতা কুড়িয়ে বাগান পরিষ্কার করার জন্য, তোমাকে ঈদের দিন আমাদের বাড়িতে আসতে হবে, তুমি হবে আমার স্পেশাল গেস্ট।
ফুলি   : ঈদের দিন অবশ্যই আসব।( মিতু চলে যাবে ফুলি পাতা কুড়াতে থাকবে।)

দৃশ্য।। ০ ৪।। রাস্তায় ঝোপ  ।। দিন।। আউটডোর।।
চরিত্র: কালু  , হাবু
[ফ্রেমে দেখা যায় কালু হেঁটে আসবে ঝোপের মধ্যে বসে আছে হাবু , কালু এগিয়ে আসে ]

কালু    : কি ব্যাপার ঝেপটা নড়ছে কেন? দেখি কি আছে ! মানুষের মত মনে হচ্ছে। এই কিড়া ঝোপের  মদ্দি ক্রিড়া?

হাবু     : আমি হাবু ।

কালু   : তুই ঝোপের মদ্দি লুকিয়ে কি করতেছিস?

হাবু     : বের হোতি পারব না। ইজ্জতের পরে হামলা হয়েছে।

কালু     : মানে তুই  বিটি মানুষ নাকি? যে ইজ্জত লুণ্ঠন হয়েছে?

হাবু      : উপায় নেই। লজ্জা শরম বলে কথা। তোর জামাটা খুলে আমারে দে। না হলি বেরোতি পারব না।

কালু     :  এই নে জামা।( কালু জামা খুলে দেয়) এবার বেরিয়ে এসে বল কি হয়েছে। 

হাবু         :  ষাঁড়ের  দাম মিটাই দিয়ে তুমি আর ইন্তাজ ভাই চলে আসলে । ভিড় ঠেলে ষাঁড় দুটো হাট থেকে বের করতে গিয়ে রাস্তার কাদায় আর ঘামে ভিজে একেবারে নাস্তানাবুদ অবস্থা হলো।কিছুদূর যাওয়ার পরে রাস্তার পাশে বেঁধে রাখা একটা গাভি দেখে ষাঁড় দুটো হঠাৎ করেই সেদিকে দৌড় দিল। হাটের লোক দড়ি টেনে ধরেও ষাঁড় দুটোকে থামাতে পারল না।
কালু   : গুরু তাহলে বেশ তাগড়া। 

হাবু  : তাগরা মানে হাতির মতো শক্তি। আমিও দড়ি ধরেই ষাঁড়ের পিছে দৌড়াতে লাগলাম ষাঁড় আসছে দেখে ওই গাভিটাও ভয়ে দৌড়াতে লাগল। ষাঁড়ের পেছনে পেছনে দড়ি ধরে দৌড়াতে দৌড়াতে   আমার কোমর থেকে লুঙ্গি খুলে যাওয়ার উপক্রম। লুঙ্গি ধরবো না দড়ি ধরবে? দড়ি ধরবে, না লুঙ্গি ধরবো এসব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ গাছের একটা মরা ডালের সঙ্গে লেগে লুঙ্গিটা খুলে গেল। 

কালু : ঝাঁ। ব্যাপারটা তো বড্ডই—---।

হাবু   : আমি একেবারে জন্মদিনের পোশাকে বিষম লজ্জায় ষাঁড়ের দড়ি ছেড়ে দাঁড়ায় থাকলাম।

কালু    : সেকি ! তারপর কী হলো?

 হাবু     : ভটভুটি ওয়ালার  গামছা পড়ে বাড়ি পর্যন্ত আসলাম। ষাঁড়  নামিয়ে দেয়ার পর আচমকা আমার কোন কথা না শুনে গামছা খুলে নিলো, 
কালু    :  বড়ই অন্যায় । তার পর?
হাবু     : সেই থেকে ঝোপের মদ্দি আছি, কাউকে পেলে কিছুটা পড়ে বের হব, এই আশায়।

কালু    : যাক বাবা শুধু তো তোর লুঙ্গির মধ্যেই ঝড়টা গেছে ভাগ্যিস।( হোক হো করে হেসে উঠলো)

দৃশ্য।। ০৪ ।। রাত।। বাড়ির সামনে।। আউডোরে 
চরিত্র: ইন্তাজ, কালু, , হাবু, সকেট, মদন, লিটন 
[ফ্রেমে দেখা যায় হাবু গেটের সামনে বসে পাহারা দিচ্ছে সকেট এবং মদন প্রবেশের চেষ্টা করবে। হাবুকে অজ্ঞান করে ফেলবে।  লিটন গেট ফাঁকা দেখে ভিতরে প্রবেশ করবে , কালো এগিয়ে আসবে লিটনকে থেকে চোর চোর বলে চিৎকার করবে, লিটনকে ধরে পিটমুড়াতে বেঁধে রাখবে]

কালু     : শোন হাবলু  ঠিকমতো পাহারা  দিবি দুই দিন পর ঈদ।  

হাবু    : কোন চিন্তা করতি হবেনা আমি একাই একশো।

কালু      :  অত ভাব না দেখায় ঠিক মতো পাহারাদে। 
এলাকার মদ্দি সবচেয়ে দামী গরু কিনিছে ইন্তাজ ভাই।  দেখতেও যেমন, ওজনও তেমন।

হাবু      : দামের কথা নামের কথা বলবি না, একটাতো তোর নামের কালু–লু -লু  ।

কালু        :  চুপ থাক । চোখ কান খোলা রেখে পাহারা দে,  আমি বাড়ির ভেতর থেকে আসছি। 

হাবু           : আচ্ছা। (কালুর প্রস্থান সকেট এবং মদন এগিয়ে আসবে) 

সকেট     :  ইন্তাজ ভাই নাকি সবচেয়ে দামি দুটো গরু কিনেছে ? গরু দুটো বাগাতে পারলে একবছর কিছুই করা লাগবে না। শোন আমি ওর সামনে কথা বলবো তুই নাকে রুমালটা টুক করে  চেপে ধরবি আর অজ্ঞান করবি। কেল্লাফতে ।

মদন    :  চিন্তার কোন কারণ নেই তুই ,সামনে গিয়ে দাঁড়া আমি পিছন দিক থেকে রুমালটনাকে চেপে ধরছি। 

সকেট :  আরে হাবলু ভাই যে,  শুনলাম ইন্তাজ ভাই  সবচেয়ে দামি দুটো ষাঁড় কিনেছে।

হাবু     :  হ্যাঁ তুমি ঠিকই শুনেছ। কিন্তু তোমারে তো চিনতি পারলাম না তুমি কিডা।

সকেট     :  আমারে তুমি চিনবা না। চামড়ার ব্যবসা করিতো। শুনলাম এই বাড়ির লোক, বড় দুটো গরু কিনেছে, চামড়া দুটো কিনা যায় কিনা তাই আসলাম। (মদন কি সারাদিন চেপে ধরে ওরাঁকে) 

হাবু       : সমস্যা নেই তুমি ঠিকই শুনেছো , আমরাই ব্যবস্থা করে দিবানে।  চলে এসেনে  কুরবানীর দিন সকাল সকাল।

মদন     : ( রুমাল চেপে ধরে হাবু অজ্ঞান হয়ে যায়) ব্যাটা ধপাস। ধর সাইটে শোয়ায় রাখি। (এর মধ্যে লিটন এসে হাজির) 

লিটন : ঠিকানা  অনুযায়ী এই বাড়িটাই তো। আমার লালুরে এরা কিনে এনেছে । লালুরে ছাড়া  থাকতেই পারি না ,  বাড়ির ভিতরে গিয়ে একবার দেখে আসি। গেট ফাঁকা পেয়ে  লিটন প্রবেশ করবে। সাপের মতন দূরে পানি থাকবে) 

সকেট : এইটা আবার কিডা পুরনো পাগলে ভাত পায় না নতুন পাগলের আমদানি। মদন সটকে পড়।

মদন   : কাজের মদ্দি বাঁহাত।এইটাও কি ধপাস করে দেবো? ( কালুর প্রবেশ) 

কালু     : হাবলু। হাবলু, এই  ব্যাটা তুই কে ,চোর নাকি ? হাবলু চোর চোর চোর চোর। 

লিটন    : আমি চোর না আমি লিটন লিটন। 

কালু     :  চিৎকারে হাবুর  জ্ঞান ফিরে যাবে। 

হাবু      : চোর চোর। হ্যাঁ চোর ।( হাবু কষ্ট করে উঠে দাঁড়াবে, সকেট এবং মদনও এসে যোগ দেবে) 

সকেট :  মদন এই সুযোগে বেরিয়ে যেতে হবে চল আমরা ওই চোরের টাকে ধরি।

মদন    : হ্যাঁ সত্যি তো চোর । দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলো ও চোর চড় থাপড় মারলেই বোঝা যাবে। চোর। (লিটনকে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে রাখবে মদন ও সকেট পালিয়ে যাবে।)

লিটন : আমি চোর না , তোমরা বিশ্বাস করো ,আমি চোর না।( ইন্তাজের প্রবেশ)

ইন্তাজ  :  কি: ব্যাপারে একে এই ভাবে বেঁধে রেখেছো কেন? 

কালু    : ভাই চোর । গরু চুরি করতে আইছে। হাতেনাতে ধরিছি।
হাবু      : ভাই ও একা না ,সাথে আরো লোক আছে আমার নাকের মদ্দি কি যেন দিয়েছে। আমি অজ্ঞান হয়ে গিছিলাম। আমার বড্ড ঘুম পাচ্ছে। 

ইন্তাজ  : সত্যি করে বল তুই গরু চোর তোর সাথে আর কে কে আছে। 

লিটন   : না ভাই আমি চোর না আমি লিটন আপনারা যখন হাটের থেকে লালু কালু নামের গরুটা কিনলেন ,  তখন আপনাদের ঠিকানাটা আমি লিখে নিয়েছিলাম ,  সেই ঠিকান অনুযায়ী আমি চলে এসেছি ওই গরু দুটো আমি ছোটবেলা থেকে মানুষ করেছি। লালু নামের গরুটা আমার খুব প্রিয় ওকে আমি খুব ভালোবাসি ওকে ছাড়া আমি একদম থাকতে পারি না। গরু দুটো বিক্রির খুব কেঁদেছি। আজকে মনটা খুব খারাপ  ওকে দেখতে এসেছি । আমাকে চোর বলে মারবেন না। আমি শুধু লালুকে একবার দেখে চলে যাব।

ইন্তাজ : হ্যাঁ  , আমি চিনতে পেরেছি তুমি আমার কাছ থেকে ঠিকানাটা লিখে নিয়েছিলে। কালু ওর বাঁধন টা খুলে দে। ওকে তোরা মেরেছিস।

কালু  : না ভাই আমরা মারিনি বাইরে থেকে দুটো লোক এসে ওকে মেরেছে । এই  ওর বাঁধন খুলে দিলাম।

ইন্তাজ : আচ্ছা ঠিক আছে। কিছু মনে করো না লিটন। ওরা বুঝতে পারেনি। কালু ওকে বাড়ির ভিতরে নিয়ে গরুটা দেখিয়ে আন। 
কালু   : আচ্ছা যাচ্ছি। (কালু  লিটনকে নিয়ে বাড়িতে চলে যাবে।)

দৃশ্য।। ০০০।। দিন।। রুম ।। ইনডোরে 
চরিত্র: ইন্তাজ ,মিতু, জরিনা , ফুলি
[মিতু পিতার সাথে বসে আছে, গেষ্টের জন্য অপেক্ষা করছে।]

ইন্তাজ  :  কিরে মা তুই বলেছিলি তোর একজন  স্পেশাল গেস্ট আসবে। কই এখনও তো এলো না ।

মিতু          : আসবে আব্বা আসবে। তোমার কোন চিন্তা করতে হবে না, আমি একাই সামলে নেবো।

ইন্তাজ  :  সামনের নির্বাচনে আমি কনফার্ম চেয়ারম্যান। এখন থেকে হিসাব করে পা ফেলতে হচ্ছে।  এই  ঈদকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। তাই তোর গেস্টের সাথে একটু আলাপ আলোচনা করতাম । এক কাজে দুই কাজ।

মিতু           :  ও এই কথা।( জরিনার প্রবেশ)

জরিনা      :  কি ব্যাপার মিতু তোর গেস্টের কোন খবরই নেই। খাবার দাবার কখন রেডি করে রেখেছি।

মিতু         : মা চিন্তা করোনা স্পেশাল গেস্ট বলে কথা। সময় মত চলে আসবে। ( দরজয় কড়া নাড়ার শব্দ অথবা কলিং বেল বাজবে) ওই তো মনে হয় চলে এসেছে। আমি দেখছি দরজা খুলে দিচ্ছি। (দরজা খুলে দেবে ফুলি ঘরের ভেতর প্রবেশ করবে ) আব্বা, মা এ হচ্ছে ফুলি , আমার স্পেশাল গেস্ট।

ইন্তাজ      : এই তোর স্পেশাল গেস্ট! 

জরিনা      : মিতু মশকরা করার একটা মাত্রা থাকে। তোর স্পেশাল গেস্টের   জন্য আমি কত কিছু রান্নাবান্না করে রেখেছি আর এই হচ্ছে তোর স্পেশাল গেস্ট। যতসব। 

মিতু       : তোমরা রাগ করো না। একটা মানুষের বাড়িতে যে কেউ অতিথি হতে পারে এতে সমস্যার কি? চলো ফুলি আজকে আমি তোমাকে নিজ হাতে খাওয়াবো। 
জরিনা     : এর আদিখ্যেতা কত? ও রাস্তা থেকে লোক ধরে এনে স্পেশাল গেস্ট করেছে।

ইন্তাজ : আহা ক্ষান্ত হও ।এসব কথা বলোনা এখন আমার নির্বাচনী প্রচারণা চলছে । কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না। এতে   আমার নির্বাচনে সমস্যা হবে।( মিতু ফুলীকে নিয়ে খাবার টেবিলে অথবা খাবারের খাওয়ার জায়গায় বসাবে নিজ হাতে খাবার বেড়ে দেবে) 

মিতু       : ফুলি কোন লজ্জা করবি না, তোর যা মনে চায় তুই তাই খাবি। দেখ কত খাবার সাজানো আছে এগুলো সব তোর জন্য। 

ফুলি      :  এতো খাবার আমি খেতে পারবোনা।  
মিতু       : না বলা যাবেনা। আমি উঠিয়ে দিচ্ছি।
ফুলি      : আর দিওনা,  এত খাবার খাওয়ার অভ্যাস নেই।      

দৃশ্য ।। ০৫।। দিন।।বাড়ির সামনে ।।আউটডোর 
চরিত্র : কালু, হাবু
[ফ্রেমে দেখা যায়, লাইন করে লোক দাঁড়িয়ে আছে। কালু হাবু মাংস বিতরণ করছে। মাংস প্যাকেট করা থাকবে। ]
কালু      : শোন সগোলে গোস্ত নিয়ে যাচ্ছো ঠিকই ।  বেইমানি কিন্তু করবানা। অন্য বাড়ি থেকে দেচ্ছে হাড্ডিগুড্ডির  পিস। আমাদের ইন্তাজ তাই দেচ্ছে প্যাকেট করে। তার সন্মান বলে কথা।  সামনের নির্বাচনে সে চেয়ারম্যান প্রার্থী। 

লোক-১ :  খুবতো কচ্ছো  । ভোটের পরে ফচ করে না।
হাবু       :  শোন এহন থেকে এই বাড়িতে আসলি নাচানে  চা  ফ্রি। 
লোক -২ : বুঝিচি  , তার মানে ভোটের পরে আর নাচপে না।
কালু       : সবকিছুই নয় ইন্তাজ ভাইয়ের মতো দয়ালু মানুষ এই তল্লাটে আর কেউ নেই । এই যে তোমাদের জন্নি, এলাকার সবচেয়ে সেরা দুটো ষাঁড় জবাই দিয়ে তোমাদের মদ্দি বিলাই দিলো। কই তার নিজের জন্নি তো কিছু রাখল না। এখন গরুর মাংসের যে দাম। 
হাবু         : তিনি নিজের জন্নি কিছুই রাখেননি কিন্তু আমরা দুজন কিছু সাইট করে রাখিছি যাতে করে আমাকে মাসখানেক মাংস খাওয়া যাবে।
কালু       : চুপ , একদম চুপ, হাটে হাড়ি ভাঙবি না।

দৃশ্য।। ০৬।। দিন।। রুম ।। ইনডোরে 
চরিত্র: চেয়ারম্যান, মিতু, জরিনা , ফুলি
[মিতু ফুলিকে নিয়ে পিতার মাতার সামনে আসবে গায়ে নতুন সালোয়ার কামিজ]

জরিনা   : ব্যাপার কি মিতু , তোর  সালোয়ার কামিজ ওর গায়ে কেন?

ইন্তাজ     :  কিরে মা তোরে তো ঐ সালোয়ার কামিজ সেদিন কিনে দিলাম। ওকে পরিয়েছিস কেন? 

মিতু           :  শোন আব্বা, গত রোজার ঈদে যে সালোয়ার কামিজ আমাকে দিয়েছিলে তা এখনো নতুন আছে। এই দেখো পড়ে আছি। ওরা অনেক গরীব ওদের নতুন জামা কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই আর আমারা প্রয়োজন ছাড়া বেশি বেশি করে কাপড়চোপড় কিনি। তাই ভাবলাম ওকে নতুন স্যালোর কামিজটা উপহার দেই। মা দেখো কি কি সুন্দর মানিয়েছে কে বলবে ও গরিব আমরা বড়লোক। পোশাকের মাঝেই হারিয়ে গেছে গরিব বড়লোকের ব্যবধান। তাছাড়া আব্বা তুমি যে চেয়ারম্যানী  ইলেকশন করবে, ভোটে পাস করবে । কাদের জন্য এসমস্ত মানুষের জন্য। এদের পাশে যদি থাকো , ওদের মুখে যদি হাসি ফোটাতে পারো। তবেই তো তোমার চেয়ারম্যান ইলেকশন করা সার্থক হবে।
ইন্তাজ‌    :  সত্যিতো মা,  তুই সঠিক কথাই বলেছিস। 

                     ।।   সমাপ্ত।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230000/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Jun 2025 10:00:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাটিকা: মিতুর স্পেশাল গেস্ট<br />
রচনা         : আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>চরিত্র বিন্যাস<br />
১।ইন্তাজ-   চেয়ারম্যান প্রার্থী &#8211; ৫০ বছর<br />
২। মিতু  &#8211;   ইন্তাজের মেয়ে    &#8211; ১৪ বছর<br />
৩। ফুলি &#8211;   প্রতিবেশী             -১৪ বছর<br />
৪। কালু &#8211;  ইন্তাজের লোক     &#8211; ৩৫ বছর<br />
৫ । হাবু &#8211;   ইন্তাজের লোক    ‌-  ৩০ বছর<br />
৬। সকেট- ধান্দাবাজ             &#8211; ৩০ বছর<br />
৭। মদন &#8211; সকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230000"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230000/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d93722ad21d8ee7fa6c2789ccac733b3</guid>
				<title>ভালোবাসতে লাগে হৃদয়
-আবুল হাসান তুহিন 

ভালোবাসা  কল্পনাতে হয়না 
ভালোবাসা চোখে চোখে হয়,
ভালোবাসা অনুভবে নয়
ভালোবাসতে লাগে হৃদয়।।

ভালোবাসার জন্য আমি নিঃস্ব হতে পারি,
প্রেমের মর্ম না বুঝে তাই করলে ছাড়াছাড়ি। 
ভালোবাসা আমার কাছে মিছে খেলা নয়
ভালোবাসা অনুভবে নয়
ভালোবাসতে লাগে হৃদয়।।

ভালোবেসে তাইতো আমি পাগল হতে পারি,
আপন করে কাছে পেতে তোমার কাছে  হারি।
পাগলামি টা  করবো আমি হোক না সবই লয়,
ভালোবাসা অনুভবে নয়
ভালোবাসতে লাগে হৃদয়।।

০১/০৬/২০২৫
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229911/</link>
				<pubDate>Sat, 31 May 2025 20:05:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসতে লাগে হৃদয়<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>ভালোবাসা  কল্পনাতে হয়না<br />
ভালোবাসা চোখে চোখে হয়,<br />
ভালোবাসা অনুভবে নয়<br />
ভালোবাসতে লাগে হৃদয়।।</p>
<p>ভালোবাসার জন্য আমি নিঃস্ব হতে পারি,<br />
প্রেমের মর্ম না বুঝে তাই করলে ছাড়াছাড়ি।<br />
ভালোবাসা আমার কাছে মিছে খেলা নয়<br />
ভালোবাসা অনুভবে নয়<br />
ভালোবাসতে লাগে হৃদয়।।</p>
<p>ভালোবেসে তাইতো আমি পাগল হতে পার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229911"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229911/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d13d9ecebac5eb5aa9a0b2c9cda4c3b4</guid>
				<title>মায়ার বাঁধনে বাঁধি 
--আবুল হাসান তুহিন 

মায়ার অসুখে মরে যাইরে
কত যে যতনে রাখি হায়রে ,
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নাই
মায়ার বাঁধনে বাঁধি তাই।।

পারিনা তাকে ফিরে পেতে 
পারিনা তবু ছেড়ে যেতে, 
জুড়ে আছে হৃদয়ের আঙ্গিনায়,
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নাই
মায়ার বাঁধনে বাঁধি তাই।। 

পারবো না ফিরিয়ে দিতে 
পারবো না আপন করে নিতে, 
সিক্ত হয়ে আছে ভালোবাসায়,
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নাই
মায়ার বাঁধনে বাঁধি তাই।। 

০১/০৬/২০২৫
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229910/</link>
				<pubDate>Sat, 31 May 2025 20:04:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মায়ার বাঁধনে বাঁধি<br />
&#8211;আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>মায়ার অসুখে মরে যাইরে<br />
কত যে যতনে রাখি হায়রে ,<br />
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নাই<br />
মায়ার বাঁধনে বাঁধি তাই।।</p>
<p>পারিনা তাকে ফিরে পেতে<br />
পারিনা তবু ছেড়ে যেতে,<br />
জুড়ে আছে হৃদয়ের আঙ্গিনায়,<br />
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নাই<br />
মায়ার বাঁধনে বাঁধি তাই।। </p>
<p>পারবো না ফিরিয়ে দিতে<br />
পারবো না আপন করে নিতে,<br />
সিক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229910"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229910/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d19270dbaad5339eaa78cf100133d67f</guid>
				<title>হলে না আপন
- আবুল হাসান তুহিন 

কষ্টের বোঝা বয়ে চলি 
আমি সারা জীবন,
এত ভালোবাসলাম তবু 
হলে না আপন ।।

অদৃশ্য সেই ব্যথার মেঘে
বর্ষা নামে চোখে, 
ফাগুন এসে থমকে যায় 
আমার ব্যথার শোকে।
চাঁদের বুকে আঁধার নামে 
চোখে হারায়  স্বপন,
এত ভালোবাসলাম তবু 
হলে না আপন ।

অতৃপ্ত এই মনের মাঝে 
আমি ভীষণ দুঃখী, 
তবু আমি দেখতে চাই 
তোমাকে যে সুখী।
প্রেম বিরহের জ্বরে আমার 
লাগে ভীষণ কাঁপন,
এত ভালো বাসলাম তবু 
হলে না আপন ।।

৩১/০৫/২০২৫
শনিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229902/</link>
				<pubDate>Sat, 31 May 2025 07:49:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হলে না আপন<br />
&#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>কষ্টের বোঝা বয়ে চলি<br />
আমি সারা জীবন,<br />
এত ভালোবাসলাম তবু<br />
হলে না আপন ।।</p>
<p>অদৃশ্য সেই ব্যথার মেঘে<br />
বর্ষা নামে চোখে,<br />
ফাগুন এসে থমকে যায়<br />
আমার ব্যথার শোকে।<br />
চাঁদের বুকে আঁধার নামে<br />
চোখে হারায়  স্বপন,<br />
এত ভালোবাসলাম তবু<br />
হলে না আপন ।</p>
<p>অতৃপ্ত এই মনের মাঝে<br />
আমি ভীষণ দুঃখী,<br />
তবু আমি দেখতে চাই<br />
ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229902"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229902/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fd446d280dc6facbb39372d02d9bb5a6</guid>
				<title>প্রেম চির অন্ধ 
 --আবুল হাসান তুহিন 

প্রেম মানে না কোন বাঁধা 
কোন নিষেধ বারণ,
উঁচু নীচু ধনী গরিব, 
বোঝেনা সে কারণ।
যতই করো তুমি মনের দুয়ার বন্ধ,
জেনে রেখো প্রিয় প্রেমতো চির অন্ধ ।।

ভালোবেসে সূর্যটা আলো দিয়ে যায়, 
চাঁদের কিনারে বসে পৃথিবী ঘুমায়।
ভোরের স্নিগ্ধ কোমল বেঁধে দেয় ছন্দ, 
জেনে রেখো প্রিয় প্রেমতো চির অন্ধ ।।

ভালোবেসে নদী সাগরে মিশে যায়, 
আকাশ আর মাটি যেমন দিগন্তে হারায়।
নিজেকে বিলিয়ে ফুল তাই  ছড়ায়  গন্ধ, 
জেনে রেখো প্রিয় প্রেমতো চির অন্ধ ।।

৩০/০৫/২০২৫
শুক্রবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229868/</link>
				<pubDate>Fri, 30 May 2025 02:36:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেম চির অন্ধ<br />
 &#8211;আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>প্রেম মানে না কোন বাঁধা<br />
কোন নিষেধ বারণ,<br />
উঁচু নীচু ধনী গরিব,<br />
বোঝেনা সে কারণ।<br />
যতই করো তুমি মনের দুয়ার বন্ধ,<br />
জেনে রেখো প্রিয় প্রেমতো চির অন্ধ ।।</p>
<p>ভালোবেসে সূর্যটা আলো দিয়ে যায়,<br />
চাঁদের কিনারে বসে পৃথিবী ঘুমায়।<br />
ভোরের স্নিগ্ধ কোমল বেঁধে দেয় ছন্দ,<br />
জেনে রেখো প্রিয় প্রেমতো চির অন্ধ ।।</p>
<p>ভালো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229868"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229868/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2092ccb2f52694dd6fb05d2b6ae41c0a</guid>
				<title>মন পুড়ে  ছাই
-আবুল হাসান তুহিন 

  প্রহর জাগা চোখদুটো
  কাঁদে নিরালায়,
  প্রেমের  দহনে আমার
মন পুড়ে  ছাই।।

ভাষাহীন ব্যালকনি 
থাকতে যে দাঁড়িয়ে,
ইশারায় কথা হতো
হাত মুখ নাড়িয়ে।
প্রেমহীনা সেই পথে 
আমি  একা হেঁটে যাই,
প্রেমের  দহনে আমার 
মন পুড়ে  ছাই।।

রংহীন আঁধারে  
গেলে তুমি হারিয়ে,  
ভালোবেসে তুমি তাই 
ব্যথা দিলে বাড়িয়ে।
প্রেম ছাড়া মরুভূমি
হৃদয়ের  আঙিনায়,
প্রেমের  দহনে আমার
মন পুড়ে  ছাই।। 

২৮/০৫/২০২৫
বৃহস্পতিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229790/</link>
				<pubDate>Wed, 28 May 2025 18:51:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মন পুড়ে  ছাই<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>  প্রহর জাগা চোখদুটো<br />
  কাঁদে নিরালায়,<br />
  প্রেমের  দহনে আমার<br />
মন পুড়ে  ছাই।।</p>
<p>ভাষাহীন ব্যালকনি<br />
থাকতে যে দাঁড়িয়ে,<br />
ইশারায় কথা হতো<br />
হাত মুখ নাড়িয়ে।<br />
প্রেমহীনা সেই পথে<br />
আমি  একা হেঁটে যাই,<br />
প্রেমের  দহনে আমার<br />
মন পুড়ে  ছাই।।</p>
<p>রংহীন আঁধারে <br />
গেলে তুমি হারিয়ে, <br />
ভালোবেসে তুমি তাই<br />
ব্যথা দিলে বাড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229790"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229790/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">639cc9e31f8b6dbd40de2a43641708b1</guid>
				<title>মিথ্যে ভালোবাসা
---আবুল হাসান তুহিন 

মিথ্যে এই শহরে যেন 
মিথ্যে ভালোবাসা, 
মিথ্যে আশা মনের মাঝে 
বাঁধে তবু বাসা।।

তোমাকে ভুল করে কেন
বেসেছিলাম ভালো,
ভুলের মাসুল দিতে গিয়ে 
আমি নিভু আলো। 
তাই আঘাতে অপমানে 
পথে হল ভাসা,
মিথ্যে আশা মনের মাঝে 
বাঁধে তবু বাসা।।

তোমাকে ভুল করে কেন
আপন ভেবেছিলাম,
সেই না ভুলের অপরাধে 
দুঃখ বুকে নিলাম,
বেঁচে থাকা হলো আমার 
এখন যে দুরাশা,
মিথ্যে আশা মনের মাঝে 
বাঁধে তবু বাসা।।

২৮/০৫/২০২৫
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229789/</link>
				<pubDate>Wed, 28 May 2025 18:49:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মিথ্যে ভালোবাসা<br />
&#8212;আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>মিথ্যে এই শহরে যেন<br />
মিথ্যে ভালোবাসা,<br />
মিথ্যে আশা মনের মাঝে<br />
বাঁধে তবু বাসা।।</p>
<p>তোমাকে ভুল করে কেন<br />
বেসেছিলাম ভালো,<br />
ভুলের মাসুল দিতে গিয়ে<br />
আমি নিভু আলো।<br />
তাই আঘাতে অপমানে<br />
পথে হল ভাসা,<br />
মিথ্যে আশা মনের মাঝে<br />
বাঁধে তবু বাসা।।</p>
<p>তোমাকে ভুল করে কেন<br />
আপন ভেবেছিলাম,<br />
সেই না ভুলের অপরাধে<br />
দু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229789"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229789/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b2d1105720271715cb115fc117524300</guid>
				<title>শ্যামলা মেয়ে 
--আবুল হাসান তুহিন 

শ্যামলা মেয়ে হরিণ চোখে 
করে শুধু বায়না, 
তার রূপের দ্যুতি দেখবো আমি 
লাগবে না আর আয়না।।

আঁধার কালো চুলের বেনী 
ছন্দে নেচে ওঠে, 
ময়ূর যেন পাখনা মেলে 
প্রেম আবেগে ছোটে।
তার চোখের মাঝে চোখ রাখলে 
আর তো কিছু চাইনা, 
তার রূপের দ্যুতি দেখবো আমি 
লাগবে না আর আয়না।।

ভালোবাসার  বাষ্প  জমে  
নাকছাবিটার পাশে,
যেন মুক্ত কণা ছড়াই জ্যোতি
চাঁদ মুখটা হাসে।
কাঁপা ঠোঁটের নিরব ভাষা 
কভু ভোলা যায় না, 
তার রূপের দ্যুতি দেখবো আমি 
লাগবে না আর আয়না।।

২৩/০৫/২০২৫
শুক্রবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229575/</link>
				<pubDate>Sun, 25 May 2025 16:57:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শ্যামলা মেয়ে<br />
&#8211;আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>শ্যামলা মেয়ে হরিণ চোখে<br />
করে শুধু বায়না,<br />
তার রূপের দ্যুতি দেখবো আমি<br />
লাগবে না আর আয়না।।</p>
<p>আঁধার কালো চুলের বেনী<br />
ছন্দে নেচে ওঠে,<br />
ময়ূর যেন পাখনা মেলে<br />
প্রেম আবেগে ছোটে।<br />
তার চোখের মাঝে চোখ রাখলে<br />
আর তো কিছু চাইনা,<br />
তার রূপের দ্যুতি দেখবো আমি<br />
লাগবে না আর আয়না।।</p>
<p>ভালোবাসার  বাষ্প  জমে<br />
ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229575"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229575/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">adcac6751a8a0a40f674e8b8bde01c2b</guid>
				<title>বিধি তোর করবে যে বিচার 
-আবুল হাসান তুহিন 

অন্ধ মোহের মন্ত্র দিয়া 
আমারে পুতুল বানাইয়া 
দুঃখের বোঝা কইরা নিলি পার। 
আলোর পথের দিশা কইরা
সুখের লাগাম টাইনা ধইরা
ক্যান বন্ধ করলি দ্বার, 
অভিশাপ নাইবা দিলাম 
বিধি করবে তোর বিচার।।

আমার পিঠে সওয়ার  হইয়া 
কষ্ট দিলি বুকে, 
বলির পাঁঠা বানাই দিয়া 
কেমনে থাকবি সুখে। 
সুবিধাভোগী মানুষ যে তুই  
মন করলি ছারখার,
অভিশাপ নাইবা দিলাম 
বিধি করবে তোর বিচার।।

পাটনী কইরা  খেললি যে তুই
উজান ভাটির খেলা, 
জল তরঙ্গে সুর বেঁধে ক্যান 
করলি অবহেলা।
স্বার্থপর মানুষ যে তুই 
তাই করলি অবিচার,
অভিশাপ নাইবা দিলাম 
বিধি করবে তোর বিচার।
০৫/০১/২০২৫
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224607/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Jan 2025 07:06:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিধি তোর করবে যে বিচার<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>অন্ধ মোহের মন্ত্র দিয়া<br />
আমারে পুতুল বানাইয়া<br />
দুঃখের বোঝা কইরা নিলি পার।<br />
আলোর পথের দিশা কইরা<br />
সুখের লাগাম টাইনা ধইরা<br />
ক্যান বন্ধ করলি দ্বার,<br />
অভিশাপ নাইবা দিলাম<br />
বিধি করবে তোর বিচার।।</p>
<p>আমার পিঠে সওয়ার  হইয়া<br />
কষ্ট দিলি বুকে,<br />
বলির পাঁঠা বানাই দিয়া<br />
কেমনে থাকবি সুখে।<br />
সুবিধাভোগী মানুষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224607"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224607/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7d34a9591e93fdbdcff0e9cfff84db0e</guid>
				<title>জড়িয়ে তুমি নিলে 
- আবুল হাসান তুহিন 

 স্বর্গ সুখের আবির দিয়ে 
স্বপ্ন এঁকে দিলে,
গন্ধব ফলের   মোহ মায়ায় 
জড়িয়ে তুমি নিলে।।

 আবেশ খুঁজি চোখের ভাষায় 
কাঁপা ঠোঁটের মাঝে ,
দক্ষিণ বাতাস সোহাগ ছড়ায় 
তোমার শাড়ির ভাঁজে ।
ফাগুন চোখে আগুন লাগে
একটু ছোঁয়া দিলে, 
গন্ধব ফলের   মোহ মায়ায় 
জড়িয়ে তুমি নিলে।।

আবেগ মাখা  হাসির ঝিলিক
দিওনা তো ফাঁকি,  
আপন হতে বাধ মানে না
কেমনে দূরে থাকি।
লজ্জা রাঙা ইশারাতে 
 সাহস যখন দিলে ,
গন্ধব ফলের   মোহ মায়ায় 
জড়িয়ে তুমি নিলে।।

০৪/০১/২০২৫
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224600/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jan 2025 21:26:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জড়িয়ে তুমি নিলে<br />
&#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p> স্বর্গ সুখের আবির দিয়ে<br />
স্বপ্ন এঁকে দিলে,<br />
গন্ধব ফলের   মোহ মায়ায়<br />
জড়িয়ে তুমি নিলে।।</p>
<p> আবেশ খুঁজি চোখের ভাষায়<br />
কাঁপা ঠোঁটের মাঝে ,<br />
দক্ষিণ বাতাস সোহাগ ছড়ায়<br />
তোমার শাড়ির ভাঁজে ।<br />
ফাগুন চোখে আগুন লাগে<br />
একটু ছোঁয়া দিলে,<br />
গন্ধব ফলের   মোহ মায়ায়<br />
জড়িয়ে তুমি নিলে।।</p>
<p>আবেগ মাখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224600"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224600/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c126393ae827dbdd5517fea1ed3fa96c</guid>
				<title>অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া 
-আবুল হাসান তুহিন 

দুঃখ গুলো মিলে গেল 
ঐ আকাশের নীলে,
অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া 
যখন তুমি দিলে ।।


তারায় তারায় ভরে গেলো 
চাঁদ জোছনা কোলে,
 প্রেমের আসর ভরিয়ে দিলো
 মিটিমিটি জ্বলে। 
হাজার জনম থাকবো দুজন
 এমনি করে মিলে, 
 অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া 
যখন তুমি দিলে ।।

চোখের নেশায় যাবো ভেসে 
প্রেম সাগরের দ্বীপে,
ভালবাসার লাগবে দোলা 
তাই জীবন প্রদীপে।
 শঙ্খ ঝিনুক  হয়ে দুজন 
থাকবো সাগর নীলে,
অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া 
যখন তুমি দিলে ।।

০৩/০১/২০২৪
শুক্রবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224529/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jan 2025 19:26:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>দুঃখ গুলো মিলে গেল<br />
ঐ আকাশের নীলে,<br />
অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া<br />
যখন তুমি দিলে ।।</p>
<p>তারায় তারায় ভরে গেলো<br />
চাঁদ জোছনা কোলে,<br />
 প্রেমের আসর ভরিয়ে দিলো<br />
 মিটিমিটি জ্বলে।<br />
হাজার জনম থাকবো দুজন<br />
 এমনি করে মিলে,<br />
 অন্ধ প্রেমে আলোর ছোঁয়া<br />
যখন তুমি দিলে ।।</p>
<p>চোখের নেশায় যাবো ভেসে<br />
প্রে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224529"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224529/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bb5712f97e9615503d8c69ed04ecb25c</guid>
				<title>তোদের ক্ষমা নাই 
-আবুল হাসান তুহিন 

বাহাত্তরের সংবিধান ওরা কবর দিতে চাই, 
ত্রিশ লক্ষ শহীদের অপমান তোদের ক্ষমা নাই।
পুরাতন শত্রু নতুন লেবাসে এসেছে বাংলায়,
তোদের ক্ষমা নাই তোদের ক্ষমা নাই।।

রক্তের ঋণ মুছে দিয়ে ওরা মানচিত্র খাবে, 
 পতাকা রঙ সাদা করে বলো কোথায় যাবে। 
পালাবার পথ খুঁজে পাবে না সোনার বাংলায়
 তোদের ক্ষমা নাই তোদের ক্ষমা নাই।
পুরাতন শত্রু নতুন লেবাসে এসেছে বাংলায়,
তোদের ক্ষমা নাই তোদের ক্ষমা নাই।।

মুক্তিযোদ্ধা শেষ বয়সে ধিক্কার কেন পাবে,
তিন লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম বৃথাই চলে যাবে, 
রক্ত পিপাসু খুনি শয়তান তোদের রক্ষা নাই, 
তোদের ক্ষমা নাই তোদের ক্ষমা নাই।
পুরাতন শত্রু নতুন লেবাসে এসেছে বাংলায়,
তোদের ক্ষমা নাই তোদের ক্ষমা নাই।।

০২/০১/২০২৫
বৃহস্পতিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224467/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Jan 2025 18:48:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোদের ক্ষমা নাই<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>বাহাত্তরের সংবিধান ওরা কবর দিতে চাই,<br />
ত্রিশ লক্ষ শহীদের অপমান তোদের ক্ষমা নাই।<br />
পুরাতন শত্রু নতুন লেবাসে এসেছে বাংলায়,<br />
তোদের ক্ষমা নাই তোদের ক্ষমা নাই।।</p>
<p>রক্তের ঋণ মুছে দিয়ে ওরা মানচিত্র খাবে,<br />
 পতাকা রঙ সাদা করে বলো কোথায় যাবে।<br />
পালাবার পথ খুঁজে পাবে না সোনার বাংলায়<br />
 তোদের ক্ষমা নাই ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224467"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224467/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">95137e39804dc92ebe6bb8ddebcc0d82</guid>
				<title>সোনার বাংলা শ্মশান হলো 
আবুল হাসান তুহিন 

পুরানো শকুন লকলকিয়ে 
এলো সুযোগ পেয়ে,
সোনার বাংলা শ্মশান হলো 
আর থেকো না চেয়ে।।

করল হরণ পতাকার মান 
খেলে রক্ত চুষে, 
স্বাধীনতা   ভুলুণ্ঠিত 
 উঠলো তারা  ফুঁসে 
নৈতিকতার অবক্ষয়ে 
দেশটা নিল খেয়ে,
সোনার বাংলা শ্মশান হলো 
আর  থেকে না চেয়ে।।

করল হরণ দেশাত্মবোধ 
তাই রুদ্ধ সম্প্রীতি, 
ধ্বংস করল ঐতিহ্য আর
ইতিহাসের স্মৃতি। 
দেশ বাঁচাতে পেয়ো না ভয় 
এসো সবাই ধেয়ে, 
সোনার বাংলা শ্মশান হলো 
আর থেকো না চেয়ে।।

০১/০১/২০২৫
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224451/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Jan 2025 11:11:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সোনার বাংলা শ্মশান হলো<br />
আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>পুরানো শকুন লকলকিয়ে<br />
এলো সুযোগ পেয়ে,<br />
সোনার বাংলা শ্মশান হলো<br />
আর থেকো না চেয়ে।।</p>
<p>করল হরণ পতাকার মান<br />
খেলে রক্ত চুষে,<br />
স্বাধীনতা   ভুলুণ্ঠিত<br />
 উঠলো তারা  ফুঁসে<br />
নৈতিকতার অবক্ষয়ে<br />
দেশটা নিল খেয়ে,<br />
সোনার বাংলা শ্মশান হলো<br />
আর  থেকে না চেয়ে।।</p>
<p>করল হরণ দেশাত্মবোধ<br />
তাই রুদ্ধ সম্প্রীতি,<br />
ধ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224451"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224451/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">66b6e0f9d8627270c0871563bf64fc7c</guid>
				<title>সুখের কালে
--আবুল হাসান তুহিন

বাকুম বাকুম করে কইতর
 বন্ধু সুখের কালে,                               
কোকিল ডাকে কুহু কুহু
 বাড়ির কদম ডালে।।      
                            
শিমুল রাঙা পলাশ রাঙা 
মনটা রাঙা হয়,                                
বুকের মাঝে ফাগুন এসে 
মনের কথা কয়,                               
হাসির ঝিলিক জ্যোস্না ছড়ায়
 টোল ফেলা ঐ গালে।।    
              
ফাগুন রাঙা স্বপন রাঙা 
পিরিত রাঙা হয়,                                  
 পাগলা বাতাস আপন হতে 
কানে কানে কয়,                                   
পাগল হয়ে পরান ছোটে 
মিলন খেয়ার পালে।।                             ১৭/০৬/১৮/
রবিবার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224393/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 11:03:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>
সুখের কালে<br />
&#8211;আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>বাকুম বাকুম করে কইতর<br />
 বন্ধু সুখের কালে,<br />
কোকিল ডাকে কুহু কুহু<br />
 বাড়ির কদম ডালে।।      </p>
<p>শিমুল রাঙা পলাশ রাঙা<br />
মনটা রাঙা হয়,<br />
বুকের মাঝে ফাগুন এসে<br />
মনের কথা কয়,<br />
হাসির ঝিলিক জ্যোস্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224393"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224393/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7bbf2e79297bf7dc26d153fbcad229e0</guid>
				<title>অচিন পাখি 
-আবুল হাসান তুহিন 

 টুনি পাখি টুনি পাখি 
বুকের খাঁচায় বন্দী রাখি, 
তবু ছেড়ে যায়, 
সোনার খাঁচায় থাকে সুখে 
কষ্ট বাড়ায় তবু বুকে,
কি করে বুঝাই।। 

ভাব জমেনা তারই সাথে 
যতই ডাকি দিনও রাতে,
 দেবে কখন ফাঁকি, 
বসত করে পড়শী হয়ে 
তারই বোঝা যাই যে বয়ে, 
মিছে স্বপন আঁকি। 
হাসি খুশির এই না বাঁধন-
 ছিন্ন হয়ে যাবে কখন, 
বুঝা বড়ই দায়।। 

ভাব হলো না জনম ভরে- 
কেমনে তারে রাখবো ধরে, 
বুঝিনা চালাকি, 
মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে-
 শূন্য খাঁচা থাকবে পড়ে, 
মুদবে যখন আঁখি। 
কাঁদবে সবাই আমার দুখে 
আহাজারি করুন মুখে,
 আমি অসহায়।। 
০৯/০৬/২০১৮
শনিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224392/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 11:00:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অচিন পাখি<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p> টুনি পাখি টুনি পাখি<br />
বুকের খাঁচায় বন্দী রাখি,<br />
তবু ছেড়ে যায়,<br />
সোনার খাঁচায় থাকে সুখে<br />
কষ্ট বাড়ায় তবু বুকে,<br />
কি করে বুঝাই।। </p>
<p>ভাব জমেনা তারই সাথে<br />
যতই ডাকি দিনও রাতে,<br />
 দেবে কখন ফাঁকি,<br />
বসত করে পড়শী হয়ে<br />
তারই বোঝা যাই যে বয়ে,<br />
মিছে স্বপন আঁকি।<br />
হাসি খুশির এই না বাঁধন-<br />
 ছিন্ন হয়ে যাবে কখন,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224392"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224392/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d3d384c3fda577037fcb4bd0ee9b05e4</guid>
				<title>কাল ঘুম            
   -আবুল হাসান তুহিন
 
বাবুই বাবুই বাসা বোনো 
কত আশা করে,                              
 সুখের বাসা ছাড়তে হবে 
কাল ঘুমেরই ঘোরে।।     
              
স্বপ্নে বাঁধা সোনার জীবন 
যাবে মনা থেমে,                                    
চোখ ধাঁধানো রঙিন আলো 
আসবে আঁধার নেমে।           
  দূর ওপারের ঘুমের গাড়ি
 থামবে যখন দোরে,      
 সুখের বাসা ছাড়তে হবে 
কাল ঘুমেরই ঘোরে।।     
                                  
স্বপ্নে দেখা কাছের মানুষ 
হবে মনা পর,                                          
একলা পথের যাত্রি হয়ে 
মাটিই হবে ঘর।                         &#039;            
কেউ কারো নয় এই না ভবে       
 রাখরে শুনে ওরে,
 সুখের বাসা ছাড়তে হবে 
কাল ঘুমেরই ঘোরে।।     
                       
 ২৬/০৫/১৮</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224391/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 10:36:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>     কাল ঘুম<br />
   -আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>বাবুই বাবুই বাসা বোনো<br />
কত আশা করে,<br />
 সুখের বাসা ছাড়তে হবে<br />
কাল ঘুমেরই ঘোরে।।     </p>
<p>স্বপ্নে বাঁধা সোনার জীবন<br />
যাবে মনা থেমে,<br />
চোখ ধাঁধানো রঙিন আলো<br />
আসবে আঁধার নেমে।<br />
  দূর ওপারের ঘুমের গাড়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224391"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224391/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f49980e4228d7f3d55a413d18b21c02e</guid>
				<title>ভালোবাসা আসে 
-আবুল হাসান তুহিন 

স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  
ভালোবাসা আসে, 
স্বর্গ সুধায় ঘোর লাগে তাই
হৃদয়ের চার পাশে ।।

স্বপ্নগুলো সোহাগ মাখে 
প্রজাপতির ডানায়, 
সাতটি রংয়ের রংধনুটা 
বাজায় সুখের সানাই।
চোখের কোনে নেশার কাজল
আবেগ নিয়ে হাসে,
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  
ভালোবাসা আসে ।।

স্বপ্নগুলো ডানা মেলে 
ফুল ফাগুনের সাথে 
বিভোর হয়ে মন ছুটে যায়
জোৎস্না মাখা রাতে।
বুকের মাঝে সোহাগ মেখে 
আশার খেয়ায় ভাসে,
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে  
ভালোবাসা আসে ।।

৩১/১২/২০২৪ 
মঙ্গলবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224373/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Dec 2024 18:29:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> ভালোবাসা আসে<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে<br />
ভালোবাসা আসে,<br />
স্বর্গ সুধায় ঘোর লাগে তাই<br />
হৃদয়ের চার পাশে ।।</p>
<p>স্বপ্নগুলো সোহাগ মাখে<br />
প্রজাপতির ডানায়,<br />
সাতটি রংয়ের রংধনুটা<br />
বাজায় সুখের সানাই।<br />
চোখের কোনে নেশার কাজল<br />
আবেগ নিয়ে হাসে,<br />
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে<br />
ভালোবাসা আসে ।।</p>
<p>স্বপ্নগুলো ডানা মেলে<br />
ফুল ফাগুনের সাথে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224373"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224373/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f59b09a8b18612d12dea418ce352f9fa</guid>
				<title>আপন পর 
 -আবুল হাসান তুহিন 

কে আপন কে পর 
বুঝবি সবই দুদিন পর, 
ঠেকবি যেদিন বুঝবি সেদিন
একটু ওরে সবুর কর,
কে আপন কে পর।।

বিপদের দিনে যারা 
থাকবে যে তোর পাশে, 
সুখে দুখে সব সময় 
তারা ঠিকই আসে। 
বন্ধু চিনে বন্ধু ধর 
ঠেকবি যেদিন বুঝবি সেদিন
কে আপন কে পর।।

বিপদের দিনে যারা 
দূরে বসে হাসে, 
তাদের কে কোনদিন 
ডাকবি না আর পাশে। 
যত পারিস দূরে সর 
ঠেকবি যেদিন বুঝবি সেদিন 
কে আপন কে পর।।

 ৩০/১২/২০২৪
সোমবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224368/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Dec 2024 08:23:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আপন পর<br />
 -আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>কে আপন কে পর<br />
বুঝবি সবই দুদিন পর,<br />
ঠেকবি যেদিন বুঝবি সেদিন<br />
একটু ওরে সবুর কর,<br />
কে আপন কে পর।।</p>
<p>বিপদের দিনে যারা<br />
থাকবে যে তোর পাশে,<br />
সুখে দুখে সব সময়<br />
তারা ঠিকই আসে।<br />
বন্ধু চিনে বন্ধু ধর<br />
ঠেকবি যেদিন বুঝবি সেদিন<br />
কে আপন কে পর।।</p>
<p>বিপদের দিনে যারা<br />
দূরে বসে হাসে,<br />
তাদের কে কোনদিন<br />
ডাকবি না আর পাশে।<br />
যত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224368"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224368/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56f4689d40598a539dd444c5a4eb0f68</guid>
				<title>ওরে মধুর মা
 - আবুল হাসান তুহিন 

ওরে মধুর মা,
নিজের বেলায় ধামা ধামা
আমার বেলায় না,
ডাঁটের জ্বালায় ভাত রাইখে তুই 
খাসযে এখন চা,
ওরে মধুর মা ।।

কাজের কথা কলি পারে 
ফুরায় যে তোর দোম,
মোবাইল ঠেলিস রাত ভরে
কামাই করে ঘোম।
সংসারের ধার  না ধাইরে
এলাই রাখিস গা,
ওরে মধুর মা,
নিজের বেলায় ধামা ধামা
আমার বেলায় না।
ডাঁটের জ্বালায় ভাত রাইখে তুই  
খাসযে এখন চা,
ওরে মধুর মা ।।

গতর যে তোর আটার বস্তা 
সবাই কয় যে  মোটু,
কোমর দোলায় খেমটা নেচে 
 রিল বানাতি  পটু।
হুর পরী সাজতি যাইয়ে 
আমারে দাম দিলি না, 
ওরে মধুর মা,
নিজের বেলায় ধামা ধামা
আমার বেলায় না।
ডাঁটের জ্বালায় ভাতের চেয়ে 
খাসযে এখন চা,
ওরে মধুর মা ।।
২৯/১২/২০২৪
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224336/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Dec 2024 02:47:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ওরে মধুর মা<br />
 &#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>ওরে মধুর মা,<br />
নিজের বেলায় ধামা ধামা<br />
আমার বেলায় না,<br />
ডাঁটের জ্বালায় ভাত রাইখে তুই<br />
খাসযে এখন চা,<br />
ওরে মধুর মা ।।</p>
<p>কাজের কথা কলি পারে<br />
ফুরায় যে তোর দোম,<br />
মোবাইল ঠেলিস রাত ভরে<br />
কামাই করে ঘোম।<br />
সংসারের ধার  না ধাইরে<br />
এলাই রাখিস গা,<br />
ওরে মধুর মা,<br />
নিজের বেলায় ধামা ধামা<br />
আমার বেলায় না।<br />
ডাঁটের জ্বালায় ভাত রাইখে তুই<br />
খাসযে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224336"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224336/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fdf9e0a7c98f4fed3e3ea877242d94ef</guid>
				<title>লাজুক মেয়ের দৃষ্টি 
- আবুল হাসান তুহিন 

স্বপ্ন দেখা চোখের কোনে 
নামলো লাজুক বৃষ্টি, 
যে দেখেছে সে মরেছে 
কি অপরূপ সৃষ্টি, 
লাজুক মেয়ের দৃষ্টি 
কি অপরূপ সৃষ্টি ।।

সময় যেন থমকে গেল 
তোমার দিকে চেয়ে, 
দক্ষিণ বাতাস দিক হারালো 
এমন ক্ষণটি পেয়ে।
প্রেম যুগলে বন্দী হয়ে 
 ছড়িয়ে দিলাম কৃষ্টি,
লাজুক মেয়ের দৃষ্টি 
কি অপরূপ সৃষ্টি ।।

সময় যেন উঠল মেতে 
ফুল ফাগুনে গানে,
এতদিনে খুঁজে পেলাম 
চোখের ভাষায় মানে।
ফুটলো হাসি তোমার মুখে 
লাগলো বড়ই মিষ্টি, 
লাজুক মেয়ের দৃষ্টি 
কি অপরূপ সৃষ্টি ।।

২৮/১২/২০২৪
শনিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224312/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Dec 2024 09:31:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লাজুক মেয়ের দৃষ্টি<br />
&#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>স্বপ্ন দেখা চোখের কোনে<br />
নামলো লাজুক বৃষ্টি,<br />
যে দেখেছে সে মরেছে<br />
কি অপরূপ সৃষ্টি,<br />
লাজুক মেয়ের দৃষ্টি<br />
কি অপরূপ সৃষ্টি ।।</p>
<p>সময় যেন থমকে গেল<br />
তোমার দিকে চেয়ে,<br />
দক্ষিণ বাতাস দিক হারালো<br />
এমন ক্ষণটি পেয়ে।<br />
প্রেম যুগলে বন্দী হয়ে<br />
 ছড়িয়ে দিলাম কৃষ্টি,<br />
লাজুক মেয়ের দৃষ্টি<br />
কি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224312"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224312/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6e573e20bf8f8567cc4c6b04135e7f4e</guid>
				<title>রূপবতী মাইয়ারে তুই 
-আবুল হাসান তুহিন 

রূপবতী মাইয়ারে তুই 
করলি আমায় খুন, 
ভালোবাসার মধ্যে দিলি 
বেশি কইরা নুন।।

মধুর মধুর কথা শুইনা 
পইড়্যা ছিলাম ফান্দে,
তোর বিহনে এখন আমার 
শুধু পরান কান্দে। 
দই দেখলে তাইতো আমি 
 ভাবি সেটা চুন,
রূপবতী মাইয়ারে তুই 
করলি আমায় খুন, 
ভালোবাসার মধ্যে দিলি 
বেশি কইরা নুন।।

মধুর মধুর স্বপ্ন দেখায় 
করলি দুয়ার বন্ধ,
ছলোনার তীর মাইরা দিয়া  
 করলি আমায় অন্ধ। 
মনের ভিতর বিষে ভরা 
দেখাস রূপের  গুণ,
রূপবতী মাইয়ারে তুই 
করলি আমায় খুন, 
ভালোবাসার মধ্যে দিলি 
বেশি কইরা নুন।।

২৫/১২/২০২৪
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224240/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Dec 2024 07:48:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রূপবতী মাইয়ারে তুই<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>রূপবতী মাইয়ারে তুই<br />
করলি আমায় খুন,<br />
ভালোবাসার মধ্যে দিলি<br />
বেশি কইরা নুন।।</p>
<p>মধুর মধুর কথা শুইনা<br />
পইড়্যা ছিলাম ফান্দে,<br />
তোর বিহনে এখন আমার<br />
শুধু পরান কান্দে।<br />
দই দেখলে তাইতো আমি<br />
 ভাবি সেটা চুন,<br />
রূপবতী মাইয়ারে তুই<br />
করলি আমায় খুন,<br />
ভালোবাসার মধ্যে দিলি<br />
বেশি কইরা নুন।।</p>
<p>মধুর মধুর স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224240"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224240/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4945850eb77c40e41923e70a126eb8e8</guid>
				<title>আমাদের স্বাধীনতা কাঁদছে
- আবুল হাসান তুহিন 

আমাদের স্বাধীনতা  কাঁদছে 
পরাজিত হায়েনার আঁচড়ে, 
পতাকার বুকে আজ কালো ছায়া 
আঁধার সরিয়ে আজ বাঁচরে।।

নব্য শত্রুরা এসেছে দেশে 
দেশটাকে ধ্বংস করতে, 
বেহেস্তের প্রলোভনে এলো তাই
ধর্মের নামে তাঁরা  মরতে।
ধর্মান্ধের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে 
বিজয়ের হাসি সবে  হাসরে,
পতাকার বুকে আজ কালো ছায়া 
আঁধার সরিয়ে আজ বাঁচরে।।

নব্য হায়েনা আসলে তাঁরা 
বলছে তাদের মতো  চলতে, 
টুটি চিপে ধরছে বারবার
দিচ্ছেনা কোন কথা বলতে।
দেশ বাঁচাতে লড়তে হবে 
মুক্ত বিহঙ্গের মতো নাচরে,
পতাকার বুকে আজ কালো ছায়া 
আঁধার সরিয়ে আজ বাঁচরে।।

২৪/১২/২০২৪
মঙ্গলবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224212/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Dec 2024 09:11:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাদের স্বাধীনতা কাঁদছে<br />
&#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>আমাদের স্বাধীনতা  কাঁদছে<br />
পরাজিত হায়েনার আঁচড়ে,<br />
পতাকার বুকে আজ কালো ছায়া<br />
আঁধার সরিয়ে আজ বাঁচরে।।</p>
<p>নব্য শত্রুরা এসেছে দেশে<br />
দেশটাকে ধ্বংস করতে,<br />
বেহেস্তের প্রলোভনে এলো তাই<br />
ধর্মের নামে তাঁরা  মরতে।<br />
ধর্মান্ধের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে<br />
বিজয়ের হাসি সবে  হাসরে,<br />
পতাকার বুকে আজ কাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224212"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224212/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4c3dcf0075d1d67dd42a09d3983ed64c</guid>
				<title>মুক্তি সেনার অসম্মান 
আবুল হাসান তুহিন 

লক্ষ প্রাণের স্বাধীনতা 
করেনি তারা বরণ,
মুক্তি সেনার অসম্মান 
 হচ্ছে রক্ত ক্ষরণ,
তোপর ধ্বনি কুচকাওয়াজ 
করল তাঁরা হরণ।।

ফুলের মালা ছিন্ন করে 
দিচ্ছে জুতার মালা, 
প্রতিবাদে উঠছে না ঝড় 
সবাই অন্ধ  কালা।
রক্তের দায় ভুলে গেছে আজ 
তাই করেনি স্মরণ, 
তোপর ধ্বনি কুচকাওয়াজ 
করল তারা হরণ।।

পতাকার দাম না দিয়ে তাঁরা 
করছে উপহাস, 
মুক্তি যুদ্ধের গৌরব গাঁথা 
তাই করতে চায় বিনাশ। 
সূর্য শিখা জ্বলবে মাগো
 ধরছি তোমার চরণ,
তোপর ধ্বনি কুচকাওয়াজ 
করল তারা হরণ।।

২৪/১২/২০২৪
মঙ্গলবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224189/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Dec 2024 19:38:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মুক্তি সেনার অসম্মান<br />
আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>লক্ষ প্রাণের স্বাধীনতা<br />
করেনি তারা বরণ,<br />
মুক্তি সেনার অসম্মান<br />
 হচ্ছে রক্ত ক্ষরণ,<br />
তোপর ধ্বনি কুচকাওয়াজ<br />
করল তাঁরা হরণ।।</p>
<p>ফুলের মালা ছিন্ন করে<br />
দিচ্ছে জুতার মালা,<br />
প্রতিবাদে উঠছে না ঝড়<br />
সবাই অন্ধ  কালা।<br />
রক্তের দায় ভুলে গেছে আজ<br />
তাই করেনি স্মরণ,<br />
তোপর ধ্বনি কুচকাওয়াজ<br />
করল তারা হরণ।।</p>
<p>পতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224189"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224189/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c2b26c1f2bb5cc36e86c79d29adcff10</guid>
				<title>স্বপ্ন আঁকি বুকে 
-আবুল হাসান তুহিন 

স্বপ্ন দেখিনা চোখে আমরা 
স্বপ্ন আঁকি বুকে 
স্বপ্ন জয়ের  বিজয় কেতন 
উড়াই হাসিমুখে।।

আপন আলোয় আলোকিত 
ধারিনা করো ধার,
স্বপ্নলোকের মতো আমরা 
দূর করি আঁধার ।
আলোর দিশারী হেয়েছি 
কে আমাদের রোখে,
স্বপ্ন জয়ের  বিজয় কেতন 
উড়াই হাসিমুখে।।

আপন ভুবনে ধ্রুবতারা
মানবো নাতো হার,
দিগন্তে মেলেছি ডানা 
তাই রুখবে সাধ্য কার। 
সামনে চলার বাতি ঘরে
থাকবো মহা সুখে। 
স্বপ্ন জয়ের  বিজয় কেতন 
উড়াই হাসিমুখে।।

২৩/১২/২০২৪
সোমবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224188/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Dec 2024 17:39:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্ন আঁকি বুকে<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>স্বপ্ন দেখিনা চোখে আমরা<br />
স্বপ্ন আঁকি বুকে<br />
স্বপ্ন জয়ের  বিজয় কেতন<br />
উড়াই হাসিমুখে।।</p>
<p>আপন আলোয় আলোকিত<br />
ধারিনা করো ধার,<br />
স্বপ্নলোকের মতো আমরা<br />
দূর করি আঁধার ।<br />
আলোর দিশারী হেয়েছি<br />
কে আমাদের রোখে,<br />
স্বপ্ন জয়ের  বিজয় কেতন<br />
উড়াই হাসিমুখে।।</p>
<p>আপন ভুবনে ধ্রুবতারা<br />
মানবো নাতো হার,<br />
দিগন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224188"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224188/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ae8f0968c6b4f528a4a804db3cc752e</guid>
				<title>সুখের পায়রা হতে গিয়ে
 - আবুল হাসান তুহিন 

সুখের পায়রা হতে গিয়ে 
পড়লে শিকারির ফাঁদে, 
শিকল বন্দি খাঁচায় তুমি 
কাটে দিন আর্তনাদে ।।

ভালবাসা কড়া নাড়ে 
আমার অস্থিমজ্জায়, 
রক্তে কাঁপন লাগে তবু 
নিরবে একা শয্যায়। 
মরুভূমির বালু ঝড়ে 
তোমার স্বপ্ন কাঁদে, 
শিকল বন্দি খাঁচায় তুমি 
কাটে দিন আর্তনাদে ।।

ফেরারী অতীত করে খুনটুসি 
আমি মরি লজ্জায়,
তুমি তো আসো নি সত্যি 
আমার ফুলসজ্জায়।
প্রেমের উল্কা এসে পড়ল 
জ্যোৎস্না মাখা চাঁদে,
শিকল বন্দি খাঁচায় তুমি 
কাটে দিন আর্তনাদে ।।
১৬/১২/২০২৪
রবিবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224072/</link>
				<pubDate>Thu, 19 Dec 2024 10:46:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখের পায়রা হতে গিয়ে<br />
 &#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>সুখের পায়রা হতে গিয়ে<br />
পড়লে শিকারির ফাঁদে,<br />
শিকল বন্দি খাঁচায় তুমি<br />
কাটে দিন আর্তনাদে ।।</p>
<p>ভালবাসা কড়া নাড়ে<br />
আমার অস্থিমজ্জায়,<br />
রক্তে কাঁপন লাগে তবু<br />
নিরবে একা শয্যায়।<br />
মরুভূমির বালু ঝড়ে<br />
তোমার স্বপ্ন কাঁদে,<br />
শিকল বন্দি খাঁচায় তুমি<br />
কাটে দিন আর্তনাদে ।।</p>
<p>ফেরারী অতীত করে খুনটুস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224072"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224072/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">829ac4f73626069383f1cc12601be968</guid>
				<title>হয়নি কথা বলা 
-আবুল হাসান তুহিন 

তোমার সাথে চোখাচোখি শুধু 
হয়নি কথা বলা,
মুখোমুখি দেখা হয়েছে তবু 
হয়নি তো পথও চলা ।।

সম্পর্কটা হলোনা কারণ 
কথা বলেননি বলে ,
এই দোষেতে গেলে তুমি 
অনেক দূরে চলে ।
হোক না যতই তিতা মিঠা
উচিত কথা বলা,
 মুখোমুখি দেখা হয়েছে তবু 
হয়নি তো পথও চলা ।।

সম্পর্কটা  ছিন্ন হয় যে 
এমনি করে কত 
নিরব ব্যাথায় জ্বলে পুড়ে যায় 
শুকায় না তো ক্ষত
হটাৎ দেখা হলে আবার   
মন করে উতলা,
 মুখোমুখি দেখা হয়েছে তবু 
হয়নি তো পথও চলা ।।

১৮/১২/২০২৪
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224056/</link>
				<pubDate>Wed, 18 Dec 2024 17:52:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হয়নি কথা বলা<br />
-আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>তোমার সাথে চোখাচোখি শুধু<br />
হয়নি কথা বলা,<br />
মুখোমুখি দেখা হয়েছে তবু<br />
হয়নি তো পথও চলা ।।</p>
<p>সম্পর্কটা হলোনা কারণ<br />
কথা বলেননি বলে ,<br />
এই দোষেতে গেলে তুমি<br />
অনেক দূরে চলে ।<br />
হোক না যতই তিতা মিঠা<br />
উচিত কথা বলা,<br />
 মুখোমুখি দেখা হয়েছে তবু<br />
হয়নি তো পথও চলা ।।</p>
<p>সম্পর্কটা  ছিন্ন হয় যে<br />
এমনি করে কত<br />
নিরব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224056"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224056/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">595d4e387f247af32b35cd28f0daea36</guid>
				<title>ওরা ছিল বলে 
-আবুল হাসান তুহিন

ওরাই ছিল বলে আজকের
 এই বিজয়ের দিন,
 ওদের কথা ভুলবো না 
ভুলবোনা কোনদিন।।

 মুক্তি পাগল ছেলে গুলো 
দিয়েছিল বলে প্রাণ ,
বুক ভরে আজ নিঃশ্বাস নেই 
আমরা যে অফুরান।
ওদের কাছে জনম জনম 
আমরা যে থাকবো ঋণ,
ওদের কথা ভুলবো না 
ভুলবোনা কোনদিন।।

মুক্তির নেশায় বাঁধা মানেনি 
সত্যি সোনার ছেলে, 
গর্বে তাই বুক ভরে যায় 
বিজয় দিবস এলে। 
মুক্তির সাধ খুঁজে ফিরি তাই 
 আমরা তো প্রতিদিন,
ওদের কথা ভুলবো না 
ভুলবোনা কোনদিন।।

১৮/১২/২০২৪
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224040/</link>
				<pubDate>Wed, 18 Dec 2024 08:56:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ওরা ছিল বলে<br />
-আবুল হাসান তুহিন</p>
<p>ওরাই ছিল বলে আজকের<br />
 এই বিজয়ের দিন,<br />
 ওদের কথা ভুলবো না<br />
ভুলবোনা কোনদিন।।</p>
<p> মুক্তি পাগল ছেলে গুলো<br />
দিয়েছিল বলে প্রাণ ,<br />
বুক ভরে আজ নিঃশ্বাস নেই<br />
আমরা যে অফুরান।<br />
ওদের কাছে জনম জনম<br />
আমরা যে থাকবো ঋণ,<br />
ওদের কথা ভুলবো না<br />
ভুলবোনা কোনদিন।।</p>
<p>মুক্তির নেশায় বাঁধা মানেনি<br />
সত্যি সোনার ছেলে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224040"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224040/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">747b341a91a6b7cec05320dfa69dad68</guid>
				<title>ভালবাসা হোক 
- আবুল হাসান তুহিন 

ভালবাসা হোক তোমার আমার 
মিলনের উচ্ছ্বাস,
ভালোবাসা হোক হাজার জনম 
লক্ষ কোটি মাস।।

তোমার আমার ভালবাসায়
চমকে সবাই যাবে,
শিরি ফরহাদ লাইলি মজনু 
প্রাণ যে ফিরে পাবে। 
অমর প্রেমের স্বর্গ সুধা
তাই করবো আমারা চাষ ,
ভালোবাসা হোক হাজার জনম 
লক্ষ কোটি মাস।।

তোমার আমার চির বন্ধন
যেন পৃথিবী আর  চাঁদ, 
অমর প্রেমের ঝর্ণাধারায়
তাই পুরোন হলো স্বাদ।
ভালোবাসর রজকিনী তুমি 
আমি চন্ডীদাস ,
ভালোবাসা হোক হাজার জনম 
লক্ষ কোটি মাস।।

১৮/১২/২০২৪
বুধবার</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224007/</link>
				<pubDate>Tue, 17 Dec 2024 18:35:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালবাসা হোক<br />
&#8211; আবুল হাসান তুহিন </p>
<p>ভালবাসা হোক তোমার আমার<br />
মিলনের উচ্ছ্বাস,<br />
ভালোবাসা হোক হাজার জনম<br />
লক্ষ কোটি মাস।।</p>
<p>তোমার আমার ভালবাসায়<br />
চমকে সবাই যাবে,<br />
শিরি ফরহাদ লাইলি মজনু<br />
প্রাণ যে ফিরে পাবে।<br />
অমর প্রেমের স্বর্গ সুধা<br />
তাই করবো আমারা চাষ ,<br />
ভালোবাসা হোক হাজার জনম<br />
লক্ষ কোটি মাস।।</p>
<p>তোমার আমার চির বন্ধন<br />
যেন পৃথি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-224007"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/224007/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>