<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | অয়ন আবদুল্লাহ | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ayonpuran09/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ayonpuran09/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for অয়ন আবদুল্লাহ.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 07 Jun 2026 13:53:19 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">aa9bfa1cd7cf2e06bef3d14fd6554f41</guid>
				<title>সাইনাস
&#x2660;
কিছু কিছু জিনিষ কখনোই পরিষ্কার নয়।
এই যেমন তোমার অভিমান, আমার অভিযোগ 
আর রাষ্ট্রের সংবিধান।
পরিষ্কার নয় বেলা বোস,
আঁচলে তার বিষণ্ণ বিষাদ।
যেমনটা পরিষ্কার নয় মালার সংসার
রুবি রায়ের উদাসীনতা
অথবা সীমান্তের অলিখিত বিরোধ।
পরিষ্কার নয় গাজার বিপ্লব
জাতিসংঘে দীর্ঘ সম্মেলন।

জাতিসংঘ?
ওটা নিয়েও তো অনেক সংশয় আছে।
থাক বাদ দাও
সংশয় তো আরো কতকিছুতেই আছে।
এই যে এত মিছিলের পরেও
টনক নড়ছে না জনতার
এতকিছুর পরেও পান্তা ইলিশের পেছনে
পুঁজিপতিদের বেয়াড়া খরচ,
লিঙ্গযুক্ত কুকুরের ঘেউ ঘেউ
সামন্তপতীদের নিরব অনুমোদন
অন্ধকার রাতে অন্ধের মতোন হায়েনাদের আক্রমণ
কতকিছু নিয়েই তো সংশয়।

দিনরাত্রির পালাবদলে এইসব সংশয় আর
অস্পষ্ট ইস্যুগুলো একসময় মিলিয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত কি টিকে থাকে?
জানা নেই-
বৃষ্টি শেষে অনেক কেঁদেছি বলে কেঁদে ওঠে প্রেমিক; 
প্রেমিকাকে রোমন্থন করে ঘুমিয়ে পড়ে অ্যাসপিরিন খেয়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201277/</link>
				<pubDate>Sun, 28 May 2023 06:27:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাইনাস<br />
&#x2660;<br />
কিছু কিছু জিনিষ কখনোই পরিষ্কার নয়।<br />
এই যেমন তোমার অভিমান, আমার অভিযোগ<br />
আর রাষ্ট্রের সংবিধান।<br />
পরিষ্কার নয় বেলা বোস,<br />
আঁচলে তার বিষণ্ণ বিষাদ।<br />
যেমনটা পরিষ্কার নয় মালার সংসার<br />
রুবি রায়ের উদাসীনতা<br />
অথবা সীমান্তের অলিখিত বিরোধ।<br />
পরিষ্কার নয় গাজার বিপ্লব<br />
জাতিসংঘে দীর্ঘ সম্মেলন।</p>
<p>জাতিসংঘ?<br />
ওটা নিয়েও তো অনেক সংশয় আছে।<br />
থাক বাদ দাও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201277"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201277/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b43939a33d8f78ff447be26eaed6f72a</guid>
				<title>অনুতপ্ত অভিশাপ
 &#x2660;
অলঙ্ঘিত রয়েছে যতোটা বেদনা,
তারও অধিক লঙ্ঘিত হয়েছে সুখ।
এই দীর্ঘ যাপনে যেটুকু বাসনা-
দিনশেষে শুধু প্রিয় হাসিমুখ

বিষাদের গলি পেরিয়ে বিভ্রান্ত পথে
হেঁটে চলেছি কাঙ্খিত ঠিকানায়।
কিছুটা আঁধার কিছুটা মৃদু আলোতে
থমকে গিয়েছি সময়ের বাহানায়।

রাতের পকেটে জমে থাকা যে জীবন,
তাই নিয়ে বাজি মৃতের পানশালায়।
অনুমতিহীন সকল অনুধাবন
মুক্তির খোঁজে স্বর্গ ছেড়ে পালায়। 

এখনো এখানে কিছু বাকি আছে রোদ,
শরীরে আছে তাই কিছুটা অনুতাপ।
কবিতার সাথে মিশে যায় আরো ক্রোধ,
অনুনয়গুলো লিখে তাই অভিশাপ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201117/</link>
				<pubDate>Thu, 25 May 2023 08:09:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনুতপ্ত অভিশাপ<br />
 &#x2660;<br />
অলঙ্ঘিত রয়েছে যতোটা বেদনা,<br />
তারও অধিক লঙ্ঘিত হয়েছে সুখ।<br />
এই দীর্ঘ যাপনে যেটুকু বাসনা-<br />
দিনশেষে শুধু প্রিয় হাসিমুখ</p>
<p>বিষাদের গলি পেরিয়ে বিভ্রান্ত পথে<br />
হেঁটে চলেছি কাঙ্খিত ঠিকানায়।<br />
কিছুটা আঁধার কিছুটা মৃদু আলোতে<br />
থমকে গিয়েছি সময়ের বাহানায়।</p>
<p>রাতের পকেটে জমে থাকা যে জীবন,<br />
তাই নিয়ে বাজি মৃতের পানশা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201117"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201117/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">636d612bb641e793529b19abc1f0c9d0</guid>
				<title>চুমু
&#x2660;
আকাশে মেঘ জমতেছে, 
বৃষ্টির ঘ্রাণ ভাসতেছে বুকের জমিনে;
দ্যাখো,
চোখের দরজা ভাইঙা যাইতেছে কারো অভিমানে।

মরণ, 
অভিযোগ নিয়া ফিরা যায় খোদার কাছে;
জীবন হাসে, 
যদিও অনেক সুখের খবর হারায়া গেছে।

তাও তো, আমার আছে স্মৃতির কাফন,
তোমার ভিতর নিজেরে করছি দাফন।

তুমি ছাড়া ব্যস্ততা নাই।
তুমি ছাড়া অবসর নাই।
তুমি ছাড়া...

জমিনে শুইয়া থাকে আকাশ,
বাতাসে ভাসে ঠোঁটের ফিসফাস।

গতরভর্তি গোলাপের যেই ঘ্রাণ,
তার লেইগা শহরের সব জঙ্গল ধুলায় মিশা যায়।
শুধু খোদায় জানলো না-
চুমুর থিকা অধিক শক্তি নাই কোনো প্রার্থনায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/200656/</link>
				<pubDate>Wed, 17 May 2023 04:57:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চুমু<br />
&#x2660;<br />
আকাশে মেঘ জমতেছে,<br />
বৃষ্টির ঘ্রাণ ভাসতেছে বুকের জমিনে;<br />
দ্যাখো,<br />
চোখের দরজা ভাইঙা যাইতেছে কারো অভিমানে।</p>
<p>মরণ,<br />
অভিযোগ নিয়া ফিরা যায় খোদার কাছে;<br />
জীবন হাসে,<br />
যদিও অনেক সুখের খবর হারায়া গেছে।</p>
<p>তাও তো, আমার আছে স্মৃতির কাফন,<br />
তোমার ভিতর নিজেরে করছি দাফন।</p>
<p>তুমি ছাড়া ব্যস্ততা নাই।<br />
তুমি ছাড়া অবসর নাই।<br />
তুমি ছাড়া&#8230;</p>
<p>জমিনে শুইয়া থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-200656"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/200656/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1cf9b66f4e3744faa6d43122c6c5d148</guid>
				<title>অবশেষে তোমার ঠোঁটে সন্ধ্যা নেমে এলে,
আমি খুলে দেই কবিতার দোর।
কিছুটা দোলাচলে আঁচলে দাগ লেগে থাকে
মাদক চুম্বনে কেটে যায় অবসাদের ঘোর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/200613/</link>
				<pubDate>Tue, 16 May 2023 12:07:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অবশেষে তোমার ঠোঁটে সন্ধ্যা নেমে এলে,<br />
আমি খুলে দেই কবিতার দোর।<br />
কিছুটা দোলাচলে আঁচলে দাগ লেগে থাকে<br />
মাদক চুম্বনে কেটে যায় অবসাদের ঘোর।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e1fb62ecee14f1632d9a78cacb1aad0c</guid>
				<title>তাহাজ্জুদের পরে
&#x2660;
মাঝে মইধ্যে মনে হয়-
দীর্ঘ আশাহীন এই জীবনডারে
ভাতের থালায় নিয়া গিল্লা ফেলাই।
ঘুম থেইকা পালায়া গিয়া
নদীর বুকের ভিতর ঢুইকা পড়ি
অথবা
আকাশে ঝুইলা থাকি একখান ম্যাড়ম্যাইড়া সূর্যের লাহান।
সকালের চায়ের কাপে
উড়তে থাকি অক্লান্ত ধুঁয়ার শক্তি নিয়া।
অথচ
দেখি, ঘরের বাইরে একটুখানি রোইদ
আত্মস্থ করতেছে জীবনানন্দ।
উপাসনালয়ের ভিতরে দীর্ঘ প্রার্থনার লাইন;
এর মাঝে আমারে খুঁইজা পাইতেছেন না ঈশ্বর।
তাই
মাঝে মইধ্যে ইচ্ছা করে, বুকের ভিতর থিকা
একটানে বাইর কইরা ফেলি হৃদপিণ্ডটা।
এরপর শরাবে ভিজাইয়া তুইলা দেই পুরোহিতের মুখে।
সমস্ত দিনের শ্যাষে ফুরায়া যাওয়া শব্দগুলা
আবার পড়তে থাকি রাইতের জায়নামাজে।
এই খুচরা খুচরা দুঃখগুলা জাহান্নামের আগুনে
পুড়ায়া দিতে ইচ্ছা করে, ভগবান!
তয়, আমি জানি-
চোখের আগুনের থেইকা আর কোনো আগুনেরই
এত শক্তি নাই।
বুকের নদীর থিকা আর কোনো নদীতেই এতো গভীরতা নাই।
কবিতার থিকা আর কোনো প্রার্থনাতে এতোটা শান্তি নাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/200557/</link>
				<pubDate>Mon, 15 May 2023 09:38:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তাহাজ্জুদের পরে<br />
&#x2660;<br />
মাঝে মইধ্যে মনে হয়-<br />
দীর্ঘ আশাহীন এই জীবনডারে<br />
ভাতের থালায় নিয়া গিল্লা ফেলাই।<br />
ঘুম থেইকা পালায়া গিয়া<br />
নদীর বুকের ভিতর ঢুইকা পড়ি<br />
অথবা<br />
আকাশে ঝুইলা থাকি একখান ম্যাড়ম্যাইড়া সূর্যের লাহান।<br />
সকালের চায়ের কাপে<br />
উড়তে থাকি অক্লান্ত ধুঁয়ার শক্তি নিয়া।<br />
অথচ<br />
দেখি, ঘরের বাইরে একটুখানি রোইদ<br />
আত্মস্থ করতেছে জীবনানন্দ।<br />
উপাসনালয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-200557"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/200557/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">df04f3cc3c7b4e46e97438a6bd5339aa</guid>
				<title>অনিবন্ধিত কবিতা
-
মাননীয় রাষ্ট্র,
আপনি রেখে দিলেন চারটি আঙ্গুল,
একটি পরিচয়।

আর কি চাই, বলুন?

জমির দলিল? আমার রুহ?

তাও দিয়ে দেবো।

শুধু ঘোষনা করে দিন-
আমিই সু-নাগরিক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/199922/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Apr 2023 07:06:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনিবন্ধিত কবিতা<br />
&#8211;<br />
মাননীয় রাষ্ট্র,<br />
আপনি রেখে দিলেন চারটি আঙ্গুল,<br />
একটি পরিচয়।</p>
<p>আর কি চাই, বলুন?</p>
<p>জমির দলিল? আমার রুহ?</p>
<p>তাও দিয়ে দেবো।</p>
<p>শুধু ঘোষনা করে দিন-<br />
আমিই সু-নাগরিক!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d79bcebcdc79d79791682e346ce32609</guid>
				<title>খাল কাটিয়া আনছে কুমির,
গাছ কাটিয়া গরম।
ফাল পাড়িয়া কানছে এখন,
নাই বাঙালির শরম?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/199402/</link>
				<pubDate>Tue, 18 Apr 2023 05:54:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খাল কাটিয়া আনছে কুমির,<br />
গাছ কাটিয়া গরম।<br />
ফাল পাড়িয়া কানছে এখন,<br />
নাই বাঙালির শরম?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">542165ff97d89e04e9fc0a97595c6d0d</guid>
				<title>ঘাসজল
&#x2660;
নাচো,
যেভাবে নাচানো হচ্ছে তোমাকে।
বলো তাদের কথা নিজস্ব অনুবাদে।
এক তীব্র হতাশা ধূসর কুয়াশার মতো
তোমাকে ঘিরে রেখেছে।
যাকে চুমু খাচ্ছো, জানো না
তার বুকের খবর।
এই কালো গাঢ় পথে ডুব দ্যায় বিষাদ কপোতাক্ষ,  নিঃস্পৃহ করতোয়া।
তুমি, যে কিনা ভুলে যাচ্ছো ফসলের ঘ্রাণ,
ভুলে যাচ্ছো কালো রক্তের বুভুক্ষ মিছিল,
তোমার প্রভুর কসম-
একদিন তোমার এপিটাফে লেখা হবে
একটি মিথ্যে।
ঘর থেকে পালিয়ে তুমি
যাবে কোথায়, কতদূর?
একদিন ঠিকই জানালায় তোমার
এসে বসবে একটি নিঃসঙ্গ চড়ুই।
তোমার চাতক স্বভাব পড়ে থাকবে
কারো একাকিত্বের চৌকাঠে।
তুমি, যদি সত্য হও, তবে
ঘরের আলো জ্বালিয়ে সুর কোরে পড় কবিতা।
যদি সত্য হও,
শেখো প্রেমিকার অন্তর্বাস খোলার সঠিক পদ্ধতি।
আমাদের মৃত নদীতে ঢেউ তুলুক
তোমার সরল স্বীকারোক্তি-
মিথ্যে বলতে বলতেই কখনো মানুষ
চরম সত্যটা বুঝে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198780/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Apr 2023 04:55:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঘাসজল<br />
&#x2660;<br />
নাচো,<br />
যেভাবে নাচানো হচ্ছে তোমাকে।<br />
বলো তাদের কথা নিজস্ব অনুবাদে।<br />
এক তীব্র হতাশা ধূসর কুয়াশার মতো<br />
তোমাকে ঘিরে রেখেছে।<br />
যাকে চুমু খাচ্ছো, জানো না<br />
তার বুকের খবর।<br />
এই কালো গাঢ় পথে ডুব দ্যায় বিষাদ কপোতাক্ষ,  নিঃস্পৃহ করতোয়া।<br />
তুমি, যে কিনা ভুলে যাচ্ছো ফসলের ঘ্রাণ,<br />
ভুলে যাচ্ছো কালো রক্তের বুভুক্ষ মিছিল,<br />
তোমার প্রভুর কসম-<br />
একদিন তোমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198780"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198780/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ff3524fdc240be3bffdf010207c7df38</guid>
				<title>বিশ্বাস করুন অথবা না করুন
কবি একজন মৃত্যুর কারিগর;
সে বিশ্বাসের কফিনে শুয়ে থাকে অনন্তকাল।
মানুষের ভ্রান্তি নিয়ে সে হাঁটে,
প্রেমিকার বুকে মানচিত্র আঁকে,
বন্ধুর চোখে ঝুলিয়ে দ্যায় পতাকা।
রোজ রাতে সে ঈশ্বরের অলক্ষ্যে
স্বর্গের দুয়ার ভেঙ্গে বের হয়ে আসে।
বিশ্বাস করুন অথবা না করুন
কবি একজন ধ্বংসের কারিগর;
তার বুলেটের মতো শব্দ 
মানুষের মগজ ফুঁড়ে সরাসরি
আঘাত হানে বিবেকের দেয়ালে।
সে কাঁটাতার গিলে খায় ক্ষুধায়,
সীমান্তে দাঁড়িয়ে মন্ত্র আওড়ায় সমতার,
পুঁজিবাদ থেকে তুলে আনে বিপ্লব।
বিশ্বাস করুন অথবা না করুন
কবি একজন শ্রেষ্ঠ কারিগর;
আস্ত একটা নরককে হেসে খেলে স্বর্গ
বানিয়ে দিতে একমাত্র কবি-ই পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198482/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Apr 2023 04:29:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিশ্বাস করুন অথবা না করুন<br />
কবি একজন মৃত্যুর কারিগর;<br />
সে বিশ্বাসের কফিনে শুয়ে থাকে অনন্তকাল।<br />
মানুষের ভ্রান্তি নিয়ে সে হাঁটে,<br />
প্রেমিকার বুকে মানচিত্র আঁকে,<br />
বন্ধুর চোখে ঝুলিয়ে দ্যায় পতাকা।<br />
রোজ রাতে সে ঈশ্বরের অলক্ষ্যে<br />
স্বর্গের দুয়ার ভেঙ্গে বের হয়ে আসে।<br />
বিশ্বাস করুন অথবা না করুন<br />
কবি একজন ধ্বংসের কারিগর;&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198482"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198482/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">70291e12435a2c58283513fae15f99d3</guid>
				<title>যার কিছু নাই
&#x2660;
যার কিছু নাই, তার আসলে কিছুই নাই;
তার প্রেম নাই, বিরহ নাই,
কান্দনের মতোন দুঃখ নাই,
হাসার মতোন আনন্দ নাই ,
ভুলার মতোন স্মৃতি নাই,
চুমু নাই, আদর নাই, প্রেমিকার আলিঙ্গন নাই।
যার কিছু নাই, তার আসলে কিছুই নাই;
বন্ধু নাই, শত্রু নাই,
যাওনের কোনো ঠিকানা নাই,
মরণের কোনো ভাবনা নাই,
বাঁচার কোনো আশা নাই,
রাষ্ট্র নাই, পতাকা নাই, মানচিত্র নাই।
যার কিছু নাই, তার আসলে কিছুই নাই;
ঈশ্বর নাই, ধর্ম নাই,
বস্তাপঁচা বিশ্বাস নাই,
নিঃশ্বাসে কোনো আশ্বাস নাই,
ভোটের অধিকার নাই,
নিয়ম নীতির বালাই নাই,
আছে খালি ক্ষুধা, শূন্য থালাভর্তি একদলা ক্ষুধা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198252/</link>
				<pubDate>Mon, 03 Apr 2023 07:17:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যার কিছু নাই<br />
&#x2660;<br />
যার কিছু নাই, তার আসলে কিছুই নাই;<br />
তার প্রেম নাই, বিরহ নাই,<br />
কান্দনের মতোন দুঃখ নাই,<br />
হাসার মতোন আনন্দ নাই ,<br />
ভুলার মতোন স্মৃতি নাই,<br />
চুমু নাই, আদর নাই, প্রেমিকার আলিঙ্গন নাই।<br />
যার কিছু নাই, তার আসলে কিছুই নাই;<br />
বন্ধু নাই, শত্রু নাই,<br />
যাওনের কোনো ঠিকানা নাই,<br />
মরণের কোনো ভাবনা নাই,<br />
বাঁচার কোনো আশা নাই,<br />
রাষ্ট্র নাই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198252"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198252/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a14cd09048f5e0d0e553bacc2c7f3b37</guid>
				<title>মনুষ্যত্বের দাবি
&#x2660;
এই জন্মে ভুলে গিয়েছি গত জন্মের পাপ।
জন্ম নিয়েছি মরণের দেশে, এটাই অভিশাপ।
অনাহারে আছে পুরোটা পৃথিবী, রাষ্ট্র-পিতারা নীরব।
ভরা পেটে ঢেকুর তুলে মোল্লা-পুরুত সরব।
আমাদের চুপ থাকতে হবে, ওরাই বলবে কথা।
যুদ্ধ লাগবে অন্ন জ্বালায়, লাগুক যথা তথা।
ভাতের জন্য হাহাকার হবে, আগুন জ্বলবে ঘরে।
রাষ্ট্র নামক জ্বলন্ত চিতায় ফুলগুলো ঝরে পড়ে।
আমাদের কথা আমরা বলি না, বলে রাষ্ট্রীয় নীতি।
ধর্মজীবীরা কিনে নিয়েছে ভালোবাসা, সম্প্রীতি।
মসজিদে নাই, মন্দিরে নাই মানুষের আনাগোনা।
ওখানে কেবল গোলামেরা যাবে, বাকিদের যাওয়া মানা।
আমরা কেবল লিখতে জানি মানুষের অধিকার।
মানুষ হয়েও মানুষেরা আজ মনুষ্যত্বের দাবিদার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/198113/</link>
				<pubDate>Sun, 02 Apr 2023 05:18:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনুষ্যত্বের দাবি<br />
&#x2660;<br />
এই জন্মে ভুলে গিয়েছি গত জন্মের পাপ।<br />
জন্ম নিয়েছি মরণের দেশে, এটাই অভিশাপ।<br />
অনাহারে আছে পুরোটা পৃথিবী, রাষ্ট্র-পিতারা নীরব।<br />
ভরা পেটে ঢেকুর তুলে মোল্লা-পুরুত সরব।<br />
আমাদের চুপ থাকতে হবে, ওরাই বলবে কথা।<br />
যুদ্ধ লাগবে অন্ন জ্বালায়, লাগুক যথা তথা।<br />
ভাতের জন্য হাহাকার হবে, আগুন জ্বলবে ঘরে।<br />
রাষ্ট্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-198113"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/198113/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">74cdd029043472cb50f7bedfe131c155</guid>
				<title>ইস্যু
&#x2660;
ইস্যুর ভীড়ে হারায়ে যায় ইস্যু।
প্রার্থনাতে নাই ভগবান, যিশু।
খোদার কসম, কই নাই আমি কিছু।
তবু, রাষ্ট্র ঠিকই লাগছে আমার পিছু।

আত্মীয়তা চলে অনাত্মীয়ের সাথে।
সঙ্গম চলে তার লগেই দিনে-রাইতে।
তবু, মুখের ভেতর ফুলের সুবাস নিয়া
চলতেছি, ফিরতেছি- আশা ছাইড়া দিয়া।

যখন তখন আড্ডাবাজের দলে,
যদি বা কিছু কই কথার ছলে;
পরক্ষণেই শঙ্কায় বুক দুরু দুরু-
আমি-ই না হই নয়া ইস্যুর শুরু!

হাড়-হাভাইত্যা মধ্যবিত্ত আমি,
কইরা যাই পুঁজি&#039;র গোলামি।
সবই বুঝি- আমি কি আর শিশু!
দ্যাশটাই আইজ বিশাল একটা ইস্যু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/197939/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Mar 2023 08:52:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইস্যু<br />
&#x2660;<br />
ইস্যুর ভীড়ে হারায়ে যায় ইস্যু।<br />
প্রার্থনাতে নাই ভগবান, যিশু।<br />
খোদার কসম, কই নাই আমি কিছু।<br />
তবু, রাষ্ট্র ঠিকই লাগছে আমার পিছু।</p>
<p>আত্মীয়তা চলে অনাত্মীয়ের সাথে।<br />
সঙ্গম চলে তার লগেই দিনে-রাইতে।<br />
তবু, মুখের ভেতর ফুলের সুবাস নিয়া<br />
চলতেছি, ফিরতেছি- আশা ছাইড়া দিয়া।</p>
<p>যখন তখন আড্ডাবাজের দলে,<br />
যদি বা কিছু কই কথার ছলে;<br />
পর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-197939"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/197939/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b35c6d675b2aba1f6f4cdfa6feedf910</guid>
				<title>স্তব্ধতা,
তোমার চিৎকার খুব পীড়া দেয়
নীরবতা,
তোমার হাহাকার বুকে নাড়া দেয়
বেদনা,
বেঁধো না আমাকে যাতনার নাগপাশে
একাকীত্ব
ঘুরে ফিরছে অচেনা পৃথিবীর চারপাশে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196362/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Mar 2023 10:29:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্তব্ধতা,<br />
তোমার চিৎকার খুব পীড়া দেয়<br />
নীরবতা,<br />
তোমার হাহাকার বুকে নাড়া দেয়<br />
বেদনা,<br />
বেঁধো না আমাকে যাতনার নাগপাশে<br />
একাকীত্ব<br />
ঘুরে ফিরছে অচেনা পৃথিবীর চারপাশে</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a2bc3188ec94238051c0299b02e9d8d2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196349/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Mar 2023 04:37:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">488d5212a29f90cc566adeb3bbfeb41a</guid>
				<title>বিশ্বাস রেখো
&#x2663;
প্রজন্মের ঘোড়ায় চড়ে উড়ে যাচ্ছে মাছি,
প্রতি বিষ্যুদবার আমরা সেই চিত্র উপভোগ করি।
মহল্লায় মহল্লায় গান গেয়ে যায় মানুষ,
জোড়া শালিকের ভ্রান্ত ধারণা প্রতারণা করে যায় নিয়তই-
তবু বিশ্বাস হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের মলাট, আমরা আঁকড়ে ধরে বসে আছি।
যখন মা বলে, বাবা ফিরবি কবে?
আমি বলি বিশ্বাস রেখো।
যখন বাবা বলে, এবার কিছু একটা করো;
আমি বলি বিশ্বাস রেখো।
যখন বোন বলে, কেন এমন করিস বল তো?
আমি নিশ্চুপ থাকি, 
অনন্ত এক দুঃখী পাতা যেন-
খসে গ্যাছে শীতের হাওয়ায়।
পরানের গহীনে ডুবসাঁতার দ্যায় এক প্রার্থিত নারী।
বিশ্বাসের ভেতর তাকেও ধরে রাখি।
এক মিথ্যে পাখির গানে প্ররোচিত সুর দেই।
জানি, ফিরিয়ে নেয়া হবে না আমাকে।
জানি, ভুলিয়ে দেয়া যাবে না আমাকে।
তবু, জানাশোনার বাইরে দাঁড়িয়ে আমি চেনাজানা মানুষের গল্প পড়ি।
মাছেদের অরাজকতা নদীর জলে।
আমি মুখস্ত করি বিষাক্ত কবিতা,
প্রতি ফাল্গুনে সেটাই আবৃত্তি করি।
বন্ধুরা যারা আছে, বলে- এবার শান্ত &#039;হ।
আমি হাসি, হাসতে হাসতে ভেঙ্গে পড়ি।
দুই পায়ের উপর দাঁড়িয়ে মাছিদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেই।
পোকাদের মৃত্যু দেখে আগুনকে অভিশাপ দেই।
তবু ফাগুন এলে সেই আগুনকেই বুকে তুলে নেই।
মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফিরে যাই।
ইচ্ছে হয় বাবাকে তার আশ্বাসটুকু ফিরিয়ে দেই।
মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বলি- ক্ষুধা পেয়েছে মা, খেতে দাও।
কিন্তু বারেবার প্রার্থনায় উঠে আসে কবিতা।
বারেবার কবিতায় উঠে আসে প্রেম।
বারেবার প্রেমে ফিরে আসে বিপ্লবের মন্ত্র।
তাই, সাপের ফণার মতো জীবন নিয়ে আমি ঘুমাই পরাজিত কবরে।
সাময়িক মৃত্যুর আগে প্রতিবার একটাই সান্ত্বনার বুলি আউড়াই-
বিশ্বাস রেখো।
বিশ্বাস রেখো।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/196269/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Mar 2023 11:53:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিশ্বাস রেখো<br />
&#x2663;<br />
প্রজন্মের ঘোড়ায় চড়ে উড়ে যাচ্ছে মাছি,<br />
প্রতি বিষ্যুদবার আমরা সেই চিত্র উপভোগ করি।<br />
মহল্লায় মহল্লায় গান গেয়ে যায় মানুষ,<br />
জোড়া শালিকের ভ্রান্ত ধারণা প্রতারণা করে যায় নিয়তই-<br />
তবু বিশ্বাস হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের মলাট, আমরা আঁকড়ে ধরে বসে আছি।<br />
যখন মা বলে, বাবা ফিরবি কবে?<br />
আমি বলি বিশ্বাস রেখো।<br />
যখন বাবা বলে, এবার কিছু একট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-196269"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/196269/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f33b9b2b3880395bfa13616aed092b0</guid>
				<title>এশার ওয়াক্তের পরে
&#x2660;
কান্দনের পর আমি আর চোখে পানি রাখি না;
সমুদ্র ঘুমায়া যায় ঘুটঘুইটা আন্ধারে।
বসনে জইমা থাকে কারো শ্যাষ নিঃশ্বাস,
প্রলোভনে ভুইলা যাই, মানুষ ছিলাম নাকি ফেরেশতা।

ফুরায়া যাইতাছে দুয়া,
অভিশাপে ভইরা যাইতাছে শহরের দেয়াল।
চিক্কুর দিয়া বলি-
মানুষ হইয়া আর জন্মাইতে চাই না প্রভু।

আসমান জুইড়া সংসার পাতছে খোদা।
জমিন জুইড়া সংসার পাতছে মানুষ।
এর মাঝামাঝি আমি কোথাও ঝুইলা আছি-
সেইটা কোনো স্বর্গ না, নরকের সীমান্ত হইতে পারে।

যাই হোক,
এই যে কবিতা লিখতেছি,
এই যে হাসতেছি অমানুষের মতোন,
এই যে মইরা গিয়া আবার জন্মাইতে চাইতেছি-
এর কোনো কারণ নাই;
কেবলমাত্র মানুষ না হওনের আক্ষেপটাই রইয়া গ্যালো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195390/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Mar 2023 12:34:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এশার ওয়াক্তের পরে<br />
&#x2660;<br />
কান্দনের পর আমি আর চোখে পানি রাখি না;<br />
সমুদ্র ঘুমায়া যায় ঘুটঘুইটা আন্ধারে।<br />
বসনে জইমা থাকে কারো শ্যাষ নিঃশ্বাস,<br />
প্রলোভনে ভুইলা যাই, মানুষ ছিলাম নাকি ফেরেশতা।</p>
<p>ফুরায়া যাইতাছে দুয়া,<br />
অভিশাপে ভইরা যাইতাছে শহরের দেয়াল।<br />
চিক্কুর দিয়া বলি-<br />
মানুষ হইয়া আর জন্মাইতে চাই না প্রভু।</p>
<p>আসমান জুইড়া সংস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195390"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195390/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f73107fdf6ff82dce00264d6ff2aadca</guid>
				<title>মাগরিব ওয়াক্তের পর
&#x2660;
জ্বলতে জ্বলতে নিভা গ্যাছে আমাগো সব;
বিবেকের ছাই উড়াইয়া দিছি হাওয়ায়,
দমের ভিত্রে নিঃশ্বাস লয় লুসিফার-
হ্যালালুইয়া, হ্যালালুইয়া।

ঘরের উপরে আকাশ ছাদ হইয়া ঝুলে,
মাথার কাছে টিমটিম কইরা জ্বলে খিদা।
অনন্তকাল সেই আলো নিয়াই সঙ্গমে মাতে মানুষ,
শ্যাষম্যাশ মইরাও যায়।

মানুষ তার জিন্দেগীতে কখনো শিখতে পারে না;
শিখার জন্যে তারে আবার জন্মাইতে হয়,
বারেবারে জন্মাইতে হয়।
তবু ইচ্ছা হইলেও উপায় নাই- একটাই জীবন
তাই নিয়াই আস্তাগফিরুল্লাহ&#039;র সান্ত্বনা।

তওবা জপতে জপতে আর পাপ করতে করতে
মানুষ তার হাঁড়ের গন্ধ নিয়া ইতিহাস লিখে।
মাঝে মাঝে ভাবি- কিচ্ছু না নিয়াই যদি যাইতে হয়,
তাইলে ক্যান আমি খিদারে জায়নামাজে তুইলা সিজদা দিতাছি?

তাইলে আমার পাপ কিসে?
এই মানবজন্মে?
নাকি এই নরকবাসে?
নাকি মানুষ হইয়া আরেকবার জন্ম নেওনের খায়েশে?

সব উইড়া যাইতেছে-
সব ছাই হইয়া যাইতেছে-
সব বিলীন হইয়া যাইতেছে-
শুধুমাত্র হাওয়ায় ভাসতেছে হ্যালালুইয়া, হ্যালালুইয়া।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195284/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Mar 2023 11:26:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাগরিব ওয়াক্তের পর<br />
&#x2660;<br />
জ্বলতে জ্বলতে নিভা গ্যাছে আমাগো সব;<br />
বিবেকের ছাই উড়াইয়া দিছি হাওয়ায়,<br />
দমের ভিত্রে নিঃশ্বাস লয় লুসিফার-<br />
হ্যালালুইয়া, হ্যালালুইয়া।</p>
<p>ঘরের উপরে আকাশ ছাদ হইয়া ঝুলে,<br />
মাথার কাছে টিমটিম কইরা জ্বলে খিদা।<br />
অনন্তকাল সেই আলো নিয়াই সঙ্গমে মাতে মানুষ,<br />
শ্যাষম্যাশ মইরাও যায়।</p>
<p>মানুষ ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195284"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195284/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">612a7e3a41cf04a1a1f4ae840a73c5b5</guid>
				<title>বইমেলা শেষে
&#x2660;
বইমেলা শেষ হোলে কবিরা বাড়ি ফেরে,
কেউ কেউ বাড়ি ফেরার আগে
শেষবারের মতোন পিছনে ফিরে দ্যাখে-
কিছু ফেলে গ্যালো কি না।
কেউ কেউ হাপ ছেড়ে বাঁচে,
কেউ কেউ দীর্ঘশ্বাসে বুক ভরায় আর ভাবে-
আগামী বছর নিজের একক বই...
আমাদের বইমেলা বছর ঘুরে আসে,
আমাদের রোমন্থিত স্মৃতিতেই সেই আমেজ শেষ হয়ে যায়।
লক্ষ লক্ষ পদচারনার শব্দ তখনো বাতাসে,
কোটি কোটি শব্দের সোদা ঘ্রাণ তখনো মগজে
ভালোবাসাগুলো তখনো উড়ে বেড়ায় বুকের ভেতর...
বইমেলা শেষ হয়ে গ্যালে প্রকাশক পর্ষদ
লাভ লোকসানের হিসাবে মত্ত,
বইমেলা শেষ হয়ে গ্যালে
অস্থায়ী ঠিকানাগুলো উপড়ে ফেলা হয়,
বইমেলা শেষ হয়ে গ্যালে সংকটে পড়ে প্রেমিক যুগল,
চলে যায় সবাই যে যার মতোন।
শুধু কেউ কেউ থেকে যায়- 
টিএসসি&#039;র ভিড়ে নতুন কোরে খোঁজে অপরিচিত প্রিয় মুখটিকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195142/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Mar 2023 06:46:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বইমেলা শেষে<br />
&#x2660;<br />
বইমেলা শেষ হোলে কবিরা বাড়ি ফেরে,<br />
কেউ কেউ বাড়ি ফেরার আগে<br />
শেষবারের মতোন পিছনে ফিরে দ্যাখে-<br />
কিছু ফেলে গ্যালো কি না।<br />
কেউ কেউ হাপ ছেড়ে বাঁচে,<br />
কেউ কেউ দীর্ঘশ্বাসে বুক ভরায় আর ভাবে-<br />
আগামী বছর নিজের একক বই&#8230;<br />
আমাদের বইমেলা বছর ঘুরে আসে,<br />
আমাদের রোমন্থিত স্মৃতিতেই সেই আমেজ শেষ হয়ে যায়।<br />
লক্ষ লক্ষ পদচারনার শব্দ তখনো বাতাসে,<br />
কো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195142"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195142/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d04e52109431b94da280f2de015fb3f</guid>
				<title>আসর ওয়াক্তের পর
&#x2663;
বলতে বলতে ফুরাইয়া যাইতাছে আমাদের কথা,
চলতে চলতে ফুরাইয়া যাইতাছে সব পথ,
আমরা মুখস্ত আউড়াইয়া যাইতাছি খোদারে;
আড়ালে লুট হইয়া যাইতাছে আমাগো বিশ্বাস।

নিঃশ্বাসের সাথে সাথে বাইর হইয়া যাইতাছে জীবন,
তাও মৃত্যুর কাফেলায় নির্বিচারে হাঁইটা যাইতাছি।
কাফনের কাপড়ে দেনার ঘ্রাণ মৌ মৌ করতেছে,
ভগবানের দ্যাশে তবুও মানুষ হাসতেছে অবলীলায়। 

ঝুইলা থাকতে থাকতে ভাইঙ্গা পড়তেছে ঘর,
মুখের দিকে তাকাইয়া বেশরমের মতোন তবু হাসতেছে যিশু।
বলে, আমারে নিয়া যাও তোমার বিশ্বাসে
আমারে নিয়া যাও তোমার সমস্ত পথে, সমস্ত সত্তায়।

পতিতার কামনা ক্ষুধা হইয়া কান্দে মন্দিরে।
নেশার বোতলে স্লোগান ডুবাইয়া গান হয় গির্জায়।
সত্য বলতে বলতে টুপি পইরা মিথ্যা ঢুইকা যায় মসজিদে।

ওয়াক্ত ফুরাইয়া গ্যালে
আমরা সবাই হিসাব মিলাইতে থাকি জীবনের।
অথচ, কেউ কইতে পারি না
বে-হিসাব অংকটা শূন্যের গতিপথে কই যায়া মিলে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195080/</link>
				<pubDate>Tue, 28 Feb 2023 12:19:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আসর ওয়াক্তের পর<br />
&#x2663;<br />
বলতে বলতে ফুরাইয়া যাইতাছে আমাদের কথা,<br />
চলতে চলতে ফুরাইয়া যাইতাছে সব পথ,<br />
আমরা মুখস্ত আউড়াইয়া যাইতাছি খোদারে;<br />
আড়ালে লুট হইয়া যাইতাছে আমাগো বিশ্বাস।</p>
<p>নিঃশ্বাসের সাথে সাথে বাইর হইয়া যাইতাছে জীবন,<br />
তাও মৃত্যুর কাফেলায় নির্বিচারে হাঁইটা যাইতাছি।<br />
কাফনের কাপড়ে দেনার ঘ্রাণ মৌ মৌ করতেছে,<br />
ভগবানের দ্যাশে তবুও মানুষ হাসতেছে অবলীলা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195080"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195080/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">24e46eaa4b5354b5fc1bc34a69e606aa</guid>
				<title>যোহর ওয়াক্তের পর
&#x2660;
উনুনের হাউশে জ্বলতাছে মাছের চোখ;
দ্যাখবার খায়েশ আছিলো নদীর দুঃখ,
মনের খরায় সবকিছু মিশা যাইতাছে।
দয়া নাই, তবু ভগবানের কৃপা নিয়া মরার সাধ জাগে।

কেমন মানুষ তুমি?
আড়ালে লুকাইয়া রাইখা নিজেরে, খুঁজবার চাও খোদারে?
মুষিকের ল্যাজে পাও দিয়া নিজেরে ভাবতেছো বাঘ,
অথচ বিড়াল স্বভাব তোমার-
সুযোগ পাইলেই হামলাইয়া পড়ো।

একদিন দুইদিন তিনদিন
মশার আয়ু নিয়া বাঁইচা আছো তুমি,
লশকর আঙ্গুলে ঠুকাও পৃথিবীর দরজা।

কি জীবন, কি মৃত্যু-
উৎসবের রঙ বদলাইতে সময় লাগে না তোমার।

তো বলো,
এই যে দুপুরবেলায়, নিজেরেই চাবায়া খাইতেছো,
নদীর স্বাদ কি পাইতেছো?
নাকি আলুর ঝোলে মিশাইয়া খাইয়া ফেলছো পূর্বপুরুষের রক্ত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194928/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Feb 2023 10:11:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যোহর ওয়াক্তের পর<br />
&#x2660;<br />
উনুনের হাউশে জ্বলতাছে মাছের চোখ;<br />
দ্যাখবার খায়েশ আছিলো নদীর দুঃখ,<br />
মনের খরায় সবকিছু মিশা যাইতাছে।<br />
দয়া নাই, তবু ভগবানের কৃপা নিয়া মরার সাধ জাগে।</p>
<p>কেমন মানুষ তুমি?<br />
আড়ালে লুকাইয়া রাইখা নিজেরে, খুঁজবার চাও খোদারে?<br />
মুষিকের ল্যাজে পাও দিয়া নিজেরে ভাবতেছো বাঘ,<br />
অথচ বিড়াল স্বভাব তোমার-<br />
সুযোগ পাইলেই হামলাইয়া পড়ো।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194928"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194928/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3726fc0d7ec0453edd08e890a01fd667</guid>
				<title>অভিজিৎ রায় স্মরণে
&#x2660;
ধরো, কোনো এক সন্ধ্যেবেলায়
আমাকেও দ্বিখণ্ডিত করে
ফেলে দেয়া হলো ভাগাড়ে;
তারও আগে কেউ
চুপিসারে এসে বলে গেলো- সামনে বিপদ, পালা।
আমি পিছনে দেখবো না-
ওদিকে অন্ধকার, আলো আছে বন্দী, সামনেই।
তাকে মুক্ত করতে
এভাবেই যদি চলে যেতে হয়, তবে তাই হোক।
যদি এতে ঈশ্বর হেসে ওঠে মানুষের বুকে,
আমি কেন রবো পড়ে বিষণ্ণ অসুখে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194817/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Feb 2023 10:50:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিজিৎ রায় স্মরণে<br />
&#x2660;<br />
ধরো, কোনো এক সন্ধ্যেবেলায়<br />
আমাকেও দ্বিখণ্ডিত করে<br />
ফেলে দেয়া হলো ভাগাড়ে;<br />
তারও আগে কেউ<br />
চুপিসারে এসে বলে গেলো- সামনে বিপদ, পালা।<br />
আমি পিছনে দেখবো না-<br />
ওদিকে অন্ধকার, আলো আছে বন্দী, সামনেই।<br />
তাকে মুক্ত করতে<br />
এভাবেই যদি চলে যেতে হয়, তবে তাই হোক।<br />
যদি এতে ঈশ্বর হেসে ওঠে মানুষের বুকে,<br />
আমি কেন রবো পড়ে বিষণ্ণ অসুখে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96f3974e7725a058ef9f36004f086f60</guid>
				<title>ফজর ওয়াক্তের পর
&#x2660;
ফুরাইয়া যাইবার আগেই মনের ভিত্রে
জন্মাইতে থাকে একটা খায়েশ-
ছাই হইয়া উইড়া যামু না এতো সহজেই।

ফিরা না আসলেই ভাইবেন না যে
মইরা গ্যাছি আপনাগো অবহেলায়। 
আগুনের কসম-
ভাতের থালে ফিরা আসুম খিদা হইয়া।
চোখের ভিতর জ্বইলা উঠুম স্লোগান নিয়া।

মনে করতে পারেন, আমি অভাবে নষ্ট হইয়া গ্যাছি;
তয় স্বভাবে আমি কিন্তু প্রতারক না,
তবুও প্রতারিত হইতে হইতে ঘেন্না করতে শিখছি।
মিথ্যা শুনতে শুনতে সত্য ভুইলা গ্যাছি।

খয়রাতের জীবনটারে খুব ভালোবাসছি,
মনের ভিত্রে একটা মিথ নিয়া 
তসবি গুইনা গুইনা স্বর্গের গল্প শুনছি।

তয়, সত্যি কই-
আমার প্রেমিকস্বভাব শুইয়া গ্যাছিলো বন্ধুর কবরে।
আমার নীরবতা কপাল ঠুকতেছিলো মায়ের জায়নামাজে।

এইসব শ্যাষ হইয়া যাইবো একদিন।
অথবা কোনোদিনই হয়তো হইবো না।
তবু, 
প্রতিরাইতে ঘুম ভাইঙ্গা গ্যালে একটাই প্রশ্ন জাগে;
আর কতগুলা মৃত্যুর পর মানবজনম সফল হইবো, কইতে পারেন?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194769/</link>
				<pubDate>Sun, 26 Feb 2023 06:46:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফজর ওয়াক্তের পর<br />
&#x2660;<br />
ফুরাইয়া যাইবার আগেই মনের ভিত্রে<br />
জন্মাইতে থাকে একটা খায়েশ-<br />
ছাই হইয়া উইড়া যামু না এতো সহজেই।</p>
<p>ফিরা না আসলেই ভাইবেন না যে<br />
মইরা গ্যাছি আপনাগো অবহেলায়।<br />
আগুনের কসম-<br />
ভাতের থালে ফিরা আসুম খিদা হইয়া।<br />
চোখের ভিতর জ্বইলা উঠুম স্লোগান নিয়া।</p>
<p>মনে করতে পারেন, আমি অভাবে নষ্ট হইয়া গ্যাছি;<br />
তয় স্বভাবে আমি কিন্তু প্রতারক না,<br />
তবুও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194769"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194769/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63981edd033f383dcd1cac28f6b46e2e</guid>
				<title>আমার সব সময় দেরি হয়ে যায়
মূল: মুনির নিয়াজি
ভাবান্তর: অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2663;
জরুরি কোনো কথা বলতে,
শপথের মিছিলে ছুটে চলতে,
কাউকে একান্তে কাছে টানতে
কারো অভিমানের কারণ জানতে
আমার দেরি হয়ে যায়,
সব সময় দেরি হয়ে যায়।

কারো একটু পাশে থাকতে,
ভরসার ক্ষীণ আলো জ্বালতে,
দূর পথ ধরে ছুটে যেতে যেতে
ভালোবেসে কাউকে এক নজর দেখতে
আমার দেরি হয়ে যায়,
সব সময় দেরি হয়ে যায়।

বদলে যাওয়া সময়ের সাথে সাথে
আমার মনকে বদলে দিতে,
স্মৃতির ফ্রেমে কাউকে বাঁধিয়ে নিতে
অথবা, চুপচাপ কাউকে ভুলে যেতে
আমার দেরি হয়ে যায়।
সব সময় দেরি হয়ে যায়।

প্রিয় কারো অন্তিম যাত্রাপথে
শোকের চাদর পুড়িয়ে দিতে,
সত্য যা ছিলো, সব আছে ভ্রান্তিতে-
সে কথা কাউকে বলে দিতে
আমার দেরি হয়ে যায়,
সব সময় দেরি হয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194327/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Feb 2023 10:18:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার সব সময় দেরি হয়ে যায়<br />
মূল: মুনির নিয়াজি<br />
ভাবান্তর: অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2663;<br />
জরুরি কোনো কথা বলতে,<br />
শপথের মিছিলে ছুটে চলতে,<br />
কাউকে একান্তে কাছে টানতে<br />
কারো অভিমানের কারণ জানতে<br />
আমার দেরি হয়ে যায়,<br />
সব সময় দেরি হয়ে যায়।</p>
<p>কারো একটু পাশে থাকতে,<br />
ভরসার ক্ষীণ আলো জ্বালতে,<br />
দূর পথ ধরে ছুটে যেতে যেতে<br />
ভালোবেসে কাউকে এক নজর দেখতে<br />
আমার দেরি হয়ে যায়,<br />
সব সম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194327"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194327/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">078a492d300914b54152a1a25e745344</guid>
				<title>সকালের খবর
&#x2660;
আমাকে রেখে দিতে পারো এই শহরের রাস্তায়
অথবা বেচে দিতে পারো তুমি খুব সস্তায়।
আমার যা ছিলো দিয়ে দিয়েছি রাষ্ট্রীয় আস্থায়,
এখন যা আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।

আমার শরীর জুড়ে দৌড়ে বেড়ায় তীব্র শব্দজট,
মাথার ভেতর গুলিয়ে যাওয়া কথারা উদ্ভট।
আমার নস্টালজিক অতীত এখন স্যাটায়ার হয়ে যায়
আর যা আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।

আমার মিছিল ছিলো, ছিলো বিপ্লব, উন্নয়নের আশা,
কবিতা ছিলো, রংতুলি ছিলো, ক্যানভাসে ভালোবাসা।
আকাশের ওই রামধনুতে ছিলো স্বপ্নেরা ভরসায়
যতটা আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।

রাত করে ফেরা গল্পগুলো ছিলো উল্লাসে ভরা,
ফেরারী চোখের দিপ্তী ছিলো সূর্যের চেয়ে কড়া।
হাত ধরা কিছু কথা দেয়া ছিলো বিকেলের জলসায়
বাকি যা আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।

পুরোনো গিটারে সুর করা ছিলো বিষণ্ণ সংসার,
কিছু গান ছিলো আমাদের আর দু-একটি আমার।
ইচ্ছেগুলো জমতে জমতে ভিজেছিলো বরষায়
যতটুকু আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।

আমার বুকের ভেতর জিইয়ে ছিলো তোমাদের সব শোক,
আজ তাইই নিয়ে যদি পারো, তবে একটি কবিতা হোক।
আমি বলতে চেয়েছি মানুষ মানেই অধিকার তার চাই,
দিতে যদি না পারো, রাষ্ট্র তুমি কেবলই উড়ো ছাই।
আমি বাঁচতে চাইনি, বাঁচাতে চেয়েছি আমার তোমার দেশ,
তবু চাইছো যখন- থাকবো না আর, চলে যাওয়াটাই বেশ।
এই পক্ষাঘাতে বেঁচে থাকাটাই বেঁচে থাকা যদি বলো,
ঈশ্বর বুকে, নির্বাক মুখে জাহান্নামে চলো।

সেই বহুবার বলে যাওয়া কথা, স্বাধীনতা তুমি কার?
দঙ্গলে ভরা জঙ্গলে আজ শঠতার সরকার।
কিছুটা তোমরা ভুলে গিয়েছো নব্য কারবালায়।
যতটুকু আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193963/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Feb 2023 05:16:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সকালের খবর<br />
&#x2660;<br />
আমাকে রেখে দিতে পারো এই শহরের রাস্তায়<br />
অথবা বেচে দিতে পারো তুমি খুব সস্তায়।<br />
আমার যা ছিলো দিয়ে দিয়েছি রাষ্ট্রীয় আস্থায়,<br />
এখন যা আছে, খবর হবে সকালের নাস্তায়।</p>
<p>আমার শরীর জুড়ে দৌড়ে বেড়ায় তীব্র শব্দজট,<br />
মাথার ভেতর গুলিয়ে যাওয়া কথারা উদ্ভট।<br />
আমার নস্টালজিক অতীত এখন স্যাটায়ার হয়ে যায়<br />
আর যা আছে, খবর হবে সকালের ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193963"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193963/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b7accd289ae17c4cb5ce43471d5f402e</guid>
				<title>এইসব বসন্তে
&#x2663;
ইচ্ছে ছিলো হলুদ শাড়িতে
তোমাকে দেখে বলবো, পুড়ে গেছি।
আগুনের মতো টিপ আর কাজল রাঙ্গা চোখে
তোমাকে দারুণ মানায়।
একগাছি লাল চুড়ি কিনে দিতে পারলে
আরো ভালো লাগতো।
খুব অল্প কিছু
কিন্তু, সামান্য তো নয়।

ইচ্ছে ছিলো আমি তুমি মিলে
খুব ঘুরে বেড়াবো
টি এস সি, কার্জন হল, চারুকলা অথবা রবীন্দ্র সরোবর।
ইচ্ছে ছিলো ঐদিন আমি কোনো মিথ্যে অযুহাত দেবো না।
ফুচকা, চটপটি আর মাঝে মাঝে 
তোমার বেখেয়ালে সোনাপাতায় কষে টান।

একটা গোলাপ দেবার ইচ্ছে ছিলো।
একটা সাবধানী চুমু খাবার ইচ্ছে ছিলো।
একটা অবাধ্য আলিঙ্গনের ইচ্ছে ছিলো।

তুমি চাইলে, দুজন মিলে আকাশ কিনে নিতাম।
আকাশ তোমার খুব প্রিয়।
এইসব বসন্তে আকাশ হয়ে যেতে ইচ্ছে করে আমার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193511/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Feb 2023 05:08:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এইসব বসন্তে<br />
&#x2663;<br />
ইচ্ছে ছিলো হলুদ শাড়িতে<br />
তোমাকে দেখে বলবো, পুড়ে গেছি।<br />
আগুনের মতো টিপ আর কাজল রাঙ্গা চোখে<br />
তোমাকে দারুণ মানায়।<br />
একগাছি লাল চুড়ি কিনে দিতে পারলে<br />
আরো ভালো লাগতো।<br />
খুব অল্প কিছু<br />
কিন্তু, সামান্য তো নয়।</p>
<p>ইচ্ছে ছিলো আমি তুমি মিলে<br />
খুব ঘুরে বেড়াবো<br />
টি এস সি, কার্জন হল, চারুকলা অথবা রবীন্দ্র সরোবর।<br />
ইচ্ছে ছিলো ঐদিন আমি কোনো মিথ্যে অযুহা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193511"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193511/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8c7a99b726705ca30f32d337ac1263ca</guid>
				<title>মনের অসুখ
&#x2660;
বহুদিন হইলো, আমি নাই!
বহুদিন হইলো, সে-ও নাই!

থাকার মধ্যে যেটুকু আছে,
একটা তীব্র যন্ত্রণা;
মানুষ সেই যন্ত্রণা নিয়া ঘুমায়!
সময় সেই যন্ত্রণা নিয়া ঘুরে!

তবু, কিছু একটা তো আছে!

সংলাপে তিক্ততা বাড়ে;
তবুও মানুষ 
কথা কইতে চায়
হাত ধরতে চায়
চুমু খাইতে চায়
বাঁইচা থাকতে চায়!

বুকের মধ্যে ঘৃণা নিয়াও
মানুষ ভালোবাসে!
অথচ, আমি ভালোবাসতে শিখি নাই
ভালোবাইসা কইতে পারি নাই-
যায়ো না, থাকো।

তবুও সে থাকে,
আমারে আগলায়া রাখে।
আমারে ভালোবাসতে গিয়া
নিজেরে ভুইলা যায়।

তারে দেখি,
আমার ভিতর জ্বলতেছে!
তারে নিভাইতে গিয়া
আমি নিজেই ভস্ম হইয়া যাই।

থাক, তবে!
আগুনেই যদি সুখ থাকে,
বাড়তে থাকুক মনের অসুখ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193272/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Feb 2023 10:26:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনের অসুখ<br />
&#x2660;<br />
বহুদিন হইলো, আমি নাই!<br />
বহুদিন হইলো, সে-ও নাই!</p>
<p>থাকার মধ্যে যেটুকু আছে,<br />
একটা তীব্র যন্ত্রণা;<br />
মানুষ সেই যন্ত্রণা নিয়া ঘুমায়!<br />
সময় সেই যন্ত্রণা নিয়া ঘুরে!</p>
<p>তবু, কিছু একটা তো আছে!</p>
<p>সংলাপে তিক্ততা বাড়ে;<br />
তবুও মানুষ<br />
কথা কইতে চায়<br />
হাত ধরতে চায়<br />
চুমু খাইতে চায়<br />
বাঁইচা থাকতে চায়!</p>
<p>বুকের মধ্যে ঘৃণা নিয়াও<br />
মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193272"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193272/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d9a79546112719a610730ec6e7b9bb91</guid>
				<title>চাঁদ ডুবে গ্যালে
&#x2663;
একদিন চাঁদ ডুবে গ্যালে
শেয়ালেরা বাড়ি ফিরবেই।
যদিও বনেদী কুকুরগুলো
বিদ্রোহে কোরে উঠবে চিৎকার।

যেমনটা আমি ভেবেছিলাম,
অতোটাও সহজ নয় কবিতা।
তবু চাঁদ ডুবে গ্যালে
পালকের শরীর থেকে খসে পড়ে বিষণ্ণতা।

কি অদ্ভুত মায়ায় ফেলেছে আমায়;
ঘরের চৌকাঠ মাড়িয়ে
এক ভুল পৃথিবীতে চলে আসি রাতে।
হাতে থাকে ঝুলন্ত জীবন
আর ঈশ্বরের ভ্রান্তিময় দীর্ঘশ্বাস।

অপলকে চেয়ে থাকি গোলকধাঁধার দিকে,
যেন বুঝেছি না বুঝেও অনেক কিছু।

চাঁদ ডুবে গ্যালে
পানশালায় হিড়িক পড়ে কবিদের
বেশ্যালয়ে ছুটে যায় অলৌকিক আলো
আর নাভিমূলে টান টান উত্তেজনা নিয়ে
ঘুমিয়ে পড়ে বেহেশতি হুর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192570/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Feb 2023 05:25:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চাঁদ ডুবে গ্যালে<br />
&#x2663;<br />
একদিন চাঁদ ডুবে গ্যালে<br />
শেয়ালেরা বাড়ি ফিরবেই।<br />
যদিও বনেদী কুকুরগুলো<br />
বিদ্রোহে কোরে উঠবে চিৎকার।</p>
<p>যেমনটা আমি ভেবেছিলাম,<br />
অতোটাও সহজ নয় কবিতা।<br />
তবু চাঁদ ডুবে গ্যালে<br />
পালকের শরীর থেকে খসে পড়ে বিষণ্ণতা।</p>
<p>কি অদ্ভুত মায়ায় ফেলেছে আমায়;<br />
ঘরের চৌকাঠ মাড়িয়ে<br />
এক ভুল পৃথিবীতে চলে আসি রাতে।<br />
হাতে থাকে ঝুলন্ত জীবন<br />
আর ঈশ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192570"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192570/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07186d79bc5703b06f29af032f6dae65</guid>
				<title>বিষাদ মোহিনী
- অয়ন আবদুল্লাহ

তোমার সিঁথিতে যেই রং লেগে আছে মোহিনী,
ওটা কী বিশুদ্ধ প্রেম?
নাকি এক বিষাদী গোধূলির আভা?
নাকি কোনো বিস্মৃত চুমুর নেপথ্যে
লুকিয়ে থাকা বেদনার্ত লাভা।

বলো মোহিনী-
এই যে পরযায়ী সুখ নিয়ে হেঁটে যাচ্ছো রোজ,
তোমাকে কোন পথে নিয়ে যাবে?
আমার গোপন দলিলে লেখা আছে ইতিহাস,
একদিন ঠিকই তুমি তার ঠিকানা পাবে।

তবু আলো ফিরে গ্যালে অন্ধকারে
মন খারাপের যেই শিষ বাজাই রোজ,
তার খবর নিয়েছে কে কবে,
তুমিও কী নিয়েছো খোঁজ?

শাহবাগ থেকে প্রতিদিন ফিরে যাই ঘরে
একা, আসলেই কী একা হওয়া যায়?
বলো মোহিনী-
যে বিষাদ প্রতিরাতে তুলে নেই মুখে
তা হোতে কখনো কী মন ছুটি পায়?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192436/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Feb 2023 04:49:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষাদ মোহিনী<br />
&#8211; অয়ন আবদুল্লাহ</p>
<p>তোমার সিঁথিতে যেই রং লেগে আছে মোহিনী,<br />
ওটা কী বিশুদ্ধ প্রেম?<br />
নাকি এক বিষাদী গোধূলির আভা?<br />
নাকি কোনো বিস্মৃত চুমুর নেপথ্যে<br />
লুকিয়ে থাকা বেদনার্ত লাভা।</p>
<p>বলো মোহিনী-<br />
এই যে পরযায়ী সুখ নিয়ে হেঁটে যাচ্ছো রোজ,<br />
তোমাকে কোন পথে নিয়ে যাবে?<br />
আমার গোপন দলিলে লেখা আছে ইতিহাস,<br />
একদিন ঠিকই তুমি তার ঠিকানা পাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192436"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192436/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">de9b714213bcfe0facd441d108e82b3c</guid>
				<title>দেখা হবে, হয়তো
&#x2660;
হয়তো একদিন অদেখা তোমাকে
যুগান্তরের বিষাদ নিয়ে দেখবো।
হয়তো একদিন ঝলমলে নিয়ন সন্ধ্যায়
তোমার একলা থাকার গল্প শুনে বলবো-
পাশেই আছি, ছিলাম-
তবু কেন এত শূন্যতা নিয়ে আছো?
চিঠির প্রয়োজন এখনও ফুরোয়নি,
তবু ভাবি কি লিখবো তোমায়-
সবটাই তো জানো।
পুরো পৃথিবী দেখতে চেয়েছিলাম-
তুমি হেসে উঠেছিলে।
সমুদ্রের স্রোত দেখতে চেয়েছিলাম-
তুমি হেসে উঠেছিলে।
বয়সের আঙ্গুলে গুনে গুনে শব্দ নিয়েছি,
ভাবনার গভীরতায় সে সব তুচ্ছ ভীষণ।
তবু, অনুভবের পরিধি তো আর সংকির্ণ হচ্ছে না।
তাই, স্মরণ কোরছি, বলতে চাইছি- পাশে এসে বসো।
চোখে চোখ রেখে জমে থাকা নীল বেদনার কাব্য করো।
পরস্পর আমরা আমাদের অনুভব কোরতে শিখেছি।
আমরা বুঝে গ্যাছি- 
এই না দেখার মাঝে এক অপলক মুহূর্তের দুঃখ জমে আছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192064/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Feb 2023 07:47:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেখা হবে, হয়তো<br />
&#x2660;<br />
হয়তো একদিন অদেখা তোমাকে<br />
যুগান্তরের বিষাদ নিয়ে দেখবো।<br />
হয়তো একদিন ঝলমলে নিয়ন সন্ধ্যায়<br />
তোমার একলা থাকার গল্প শুনে বলবো-<br />
পাশেই আছি, ছিলাম-<br />
তবু কেন এত শূন্যতা নিয়ে আছো?<br />
চিঠির প্রয়োজন এখনও ফুরোয়নি,<br />
তবু ভাবি কি লিখবো তোমায়-<br />
সবটাই তো জানো।<br />
পুরো পৃথিবী দেখতে চেয়েছিলাম-<br />
তুমি হেসে উঠেছিলে।<br />
সমুদ্রের স্রোত দেখতে চেয়েছিলাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192064"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192064/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">21265d6df574326391ab405973219ea7</guid>
				<title>ফিসফাস গল্প
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2660;
(শেষ পর্ব)
একটা ঘর, যেইখানে তারা শান্তিমতো ঘুমাইতে পারতো। কিন্তু শুধু শান্তি দিয়া কি হইবো। ভালো হইতো, যদি দুইশ টাকার চরস টাইনা সকালে আরামসে উইঠা বাড়তি এক টাকা কোনো মাজারে খয়রাত করতে পারতো।
ভাবতে ভাবতে বড়ভাই চিৎকার দিয়া উঠলো’ “ধুর বাল!”
ছোটভাই ঘাবড়ায়া জিগাইলো, “টায়ার পাংচার হয়া গেছে নাকি, ভাই?”
বড়ভাই জবাব দিলো, “না, ভাই। আমি আমার ঘিলুটারে পাংচার করার চেষ্টা করতেছি।”
ছোটভাই বুঝতে পারলো। কইলো, “হইছে, অখন তাড়াতাড়ি ঘরে চলো।”
বড়ভাইয়ের বিরক্তি আরো বাইড়া গেলো।
“বাড়ি গিয়া কী করবি? বাল ফালাবি?”
ছোটভাই মেন্টাল রোগীর মতো হাসতে লাগলো। এই হাসি বড়ভাইয়ের মেজাজ আরো খারাপ কইরা দিলো।
“চুপ কর। হাসবি না!”
এরপর অনেক্ষণ ধইরা দুই ভাই চুপচাপ দূরত্ব রাইখা চলতে লাগলো। এই মুহূর্তে তারা সেই মরিচা পড়া লোহার মতো রাস্তার উপর দিয়া যাইতেছে।
বড়ভাই সাইকেল থামায়া মুখের বাতাস দিয়া হাত গরম কইরা কইলো, “খুব ঠাণ্ডা লাগতেছে।”
ছোটভাই তখন মজা কইরা কইলো, “সেই হুইস্কি কই?”
বড়ভাইয়ের মনে চাইলো ছোটভাইরে সাইকেল সমেত তুইলা একটা আছাড় মারে। কিন্তু নিজেরে সামলায়া জবাব দিলো, “জাহান্নামে গেছে, যেইখানে সারা রাইত লুটপাট হয়, অথবা এখনো শুরু হয় নাই।”
এইকথা বইলা সে একটা বিদ্যুতের খাম্বার পাশে খাড়ায়া পেশাব করতে লাগলো। এমন সময় ছোটভাই ডাক দিয়া কইলো, “দ্যাহো ভাই, কে আসতেছে।”
বড়ভাই পিছনে তাকায়া দেখে একটা মাইয়া তাদের দিকেই আসতেছিলো। মাইয়াটা ঠান্ডায় কাঁপতেছিলো। কাছাকাছি আসতেই তারা বুঝলো মাইয়াটার বয়স কম আর সে চোখে দেখতে পারে না। এতো কাছে থাইকাও দুইভাইরে সে দেখতে তো পাইতেছিলোই না, বরং হাঁটতে হাঁটতে বারবার খাম্বায় বাড়ি খাইতেছিলো।
বড়ভাই মনযোগ দিয়া মাইয়াটারে দেখলো। মাইয়াটা যুবতি, ষোলো সতেরো বছর বয়স হইবো। পুরানা, ছিড়া কাপড় ভেদ কইরা যেই যৌবন বাইর হইয়া আসতেছে, সেইটা দেখলে কোনো পুরুষের পক্ষে হুশ ঠিক রাখা সম্ভব না। ছোট ভাই জিগাইলো, “কই যাইতেছো?”
মাইয়াটা চাপা গলায় জবাব দিলো, “আমি রাস্তা ভুইলা গেছি। বাসার জন্য কাঠ নিতে বের হইছি।”
বড়ভাই জিগাইলো, “তোমার বাসা কোনখানে?” 
আন্ধা মাইয়াটা কইলো, “আমি জানি না। মনে হইতেছে, পিছনে ফেলায়া আসছি।”
বড়ভাই মাইয়াটার হাত ধইরা কইলো, “আমার সাথে আসো।”
সে মাইয়াটারে নিয়া রাস্তার অন্যপাশে একটা পুরানা বাতিল ইটের ভাটায় নিয়া গেলো। মাইয়াটা বুঝলো পথ চিনানো লোকটা তারে নিয়া যাইতেছে। কিন্তু সে কোনোরকম প্রতিবাদ করলো না; মনে হয় এই রাস্তাটা তার চেনা।
মনের খেদ মিটানোর একটা সুযোগ পাইয়া বড়ভাই সেই খুশি। কোনোরকম বাঁধা দেয়ারও কেউ নাই। গায়ের ওভারকোটটা খুইলা সে মাটিতে পাইতা দিলো। এরপর সে আর আন্ধা মাইয়াটা বইসা কথা বলতে শুরু করলো।
মাইয়াটা জন্ম থেইকাই আন্ধা না। যুদ্ধের সময় শিখরা যখন তার গেরামে হামলা করছিলো, সেই সময় মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার ফলে তার জীবনে আন্ধার নাইমা আসে।
বড়ভাই মন থেইকা মাইয়াটার জন্য সহানুভূতি দেখাইলো। যদিও অতীত নিয়া তার মাথাব্যথা নাই। সে পকেট থেইকা দুইটা টাকা বাইর কইরা মাইয়াটার হাতে দিয়া কইলো, “মাঝে মাঝে দেখা সাক্ষাৎ কইরো। তোমার জন্য ভালো কিছু জামা কাপড় বানায়া দিমু নে।”
মাইয়াটা খুব খুশি হইলো। যখন চকচকা দৃষ্টি নিয়া দেখতেছিলো আর হাত দুইটা দিয়া মাইয়াটার শরীরে হাতাইতেছিলো তখন বড় ভাইও খুব মজায় ছিলো। এমন সময় হুট কইরা ছোট ভাইয়ের কর্কশ গলা শুনা গেলো।
“ভাই! ও বড়ভাই!”
বড়ভাই জিগাইলো, “কী হইছে?”
ছোটভাই সেইখানে হাজির হইলো। আতঙ্কিত হইয়া কইলো, “ভাইজান, দুইজন হাবিলদার এইদিকে আসতেছে।”
বড়ভাই এক ঝটকায় ওভারকোটটা টান দিলো, যেইটার উপর মাইয়াটা বইসা ছিলো। হ্যাচকা টানে আন্ধা মাইয়াটা একটা খাদে গিয়া পড়লো যেইখানে ইট শুকায়া রাখা হইতো। পড়তে পড়তে ব্যথায় সে চিৎকার কইরা উঠলো, কিন্তু দুই ভাই ততক্ষণে সেইখান থেইকা চইলা গেছে।
চিৎকার শুইনা হাবিলদার দুইটা সেইখানে হাজির হইলো আর আন্ধা মাইয়াটারে গর্ত থেইকা বাইর করলো। তার মাথা ফাইটা রক্ত বাইর হইতেছিলো। কিছুক্ষণ পর মাইয়াটার হুশ ফিরা আইলো আর হাবিলদারদের দেইখা এমন ভয় পাইলো, যেন ভুত দেখতেছে। তারপর হুট কইরা পাগলের মতো চিৎকার করতে লাগলো, “আমি দেখতেছি, সব দেখতেছি, আমার চোখ ফিরা পাইছি!!”
বলতে বলতে অন্ধ মাইয়াটা সেইখান থেইকা চইলা গেলো আর তার হাত থেইকা যেই দুই টাকা পইড়া গেছিলো, সেইটা হাবিলদার দুইজন চুপচাপ পকেটে ভইরা ফেললো। 
(সমাপ্ত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191606/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jan 2023 05:20:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফিসফাস গল্প<br />
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো<br />
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2660;<br />
(শেষ পর্ব)<br />
একটা ঘর, যেইখানে তারা শান্তিমতো ঘুমাইতে পারতো। কিন্তু শুধু শান্তি দিয়া কি হইবো। ভালো হইতো, যদি দুইশ টাকার চরস টাইনা সকালে আরামসে উইঠা বাড়তি এক টাকা কোনো মাজারে খয়রাত করতে পারতো।<br />
ভাবতে ভাবতে বড়ভাই চিৎকার দিয়া উঠলো’ “ধুর বাল!”<br />
ছোটভাই ঘাবড়ায়া জিগাইলো, “টায়ার পাংচার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191606"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191606/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2c5978558bf999c35397ffe7b8a06d18</guid>
				<title>ফিসফাস গল্প
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2660;
(দ্বিতীয় পর্বের পর)
ফাঁক বুইঝা দুই ভাই সাইকেল নিয়া ভাইগা গেলো। একটু আগে বৃষ্টি পড়তেছিলো, এখন থাইমা গেছে। কিন্তু ঠাণ্ডা বাতাসের দাপট সমানে চলতেছে। হিরাবাজার থেকে বের হওয়ার মুখেই দুইভাই তাদের অফিসের এক বড়সাহেবরে দেখতে পাইলো। দুইভাই তারে এড়াইতে চাইলেও সম্ভব হইলো না, সে তাদের দেইখা ফেললো।
“কই যাও?”, বড়সাহেব জিগাইলো।
তারা জবাব দিলো না।
“আরে, কই যাও?” বড়সাহেব আবার জিগাইলো।
এই অবস্থায় আর এড়ানো যায় না। দুইভাই সাইকেল থামানের পর বড় অফিসার জিগাইলো, “কি, খুব মজা করলা মনে হয়?”
ছোটভাই কইল,”জি”। বড়ভাই কইলো, “না”।
বড়সাহেব মজা পাইয়া খুব হাসলো। এরপরে ভদ্রতা কইরা কইলো, “আমার মজা এখনও পুরা হয় নাই। তোমাদের কাছে কি টাকা আছে?”
এইবার বড়ভাই কইলো, “জি আছে” আর ছোট ভাই কইলো, “না,স্যার।”
বড়সাহেব আরেকবার খুবজোরে হাইসা কইলো, “আমার একশ টাকার বেশি লাগবো না।“  
বড়ভাই যন্ত্রের মতোন ১০০ টাকা বাইর কইরা ছোটভাইরে দিলো। ছোটভাই টাকাটা দিতেই বড়সাহেব “ধন্যবাদ” বইলা তাদের পথ ছাইড়া দিলো।
দুইভাই বেশ কিছুক্ষণ চুপ থাকলো। তারপর বড়ভাই তার কপাল থাবড়াইতে থাবড়াইতে কইলো, “আজ সকালে যে কার মুখ দেখছিলাম, আল্লাই জানে।”
ছোটভাই বাজে একটা গালি দিয়া কইলো, “কার মুখ আবার, যেই লোক আজকে দুইশ এক টাকা দিছিলো, সেই শুয়োরের বাচ্চার।
বড়ভাইও সেই লোকরে মন ভইরা গালি দিলো। এরপর কইলো, “আমার মনে হয় সব দোষ ঐ বাড়তি এক টাকার যেইটা সে তার মনের শান্তির জন্য আমাগোরে উপহার দিছিলো।”
“অথবা সকাল বিকাল আমরা যার পিছে খাড়ায়া নামাজ পড়ি।”
“অথবা, সেই শুয়োরটা, যে আমাদের মদ চুরি করছিলো।”
“কপাল ভালো যে পুলিশে ধরছে। নাইলে আজকে ওয় আমার হাতেই মরতো।”
“কিছু পাইতে হইলে কিছু দিতে তো হইবোই।”
“ওরে দিতেও হইতো, নিতেও হইতো। আল্লায় জানে, বড়সাহেব কোইত্থিকা যে নাজিল হইছিলো!”
“তয় কপাল ভালো। ১০০ টাকার বিনিময়ে ইজ্জত রক্ষা হইছে।”
“সেইটাও ঠিক। তয় আজকে আমাদের পকেটের উপর মারাত্মক লুটপাট হইছে।”
“চল ভাই, আবার কোনো ঝামেলা আসার আগেই ফিরা যাই।”
এরপর দুই ভাই সাইকেলে চইড়া হিরাবাজার থেইকা বাইর হয়া গেলো।
 
অফিস থিকা বাইর হওয়ার সময় বড়ভাই মনে মনে ঠিক করছিলো, দুই-তিন পেগ স্কচ খাওয়ার পর শীদানরে ওর ছোট বোনটারে ডাকতে কইবো। শীদান ওর ছোট বোনের খুব সুনাম করতো। সে দেখতে নাকি খুবই সুন্দরী আর বয়সেও কচি, গেরামের হাওয়া বাতাস খায়া বড় হইছে। কয়েক মাস আগে নিজের ধান্দাও শুরু করছে।
স্কচ, হুইস্কি আর শীদান ছাড়া আর কিছু সুন্দর আসলেই আছে কি না, সেইটা দেখার খুব খায়েশ ছিলো। কিন্তু বড়ভাইয়ের মনের সেই গুপ্ত খায়েশ গুপ্তই থাইকা গেলো।
ছোটভাইয়ের মনের মধ্যেও রঙ্গলীলা জাইগা উঠতেছিলো। এমন দারুণ মরসুমে হুইস্কি আর শাদীন ওরে খুশি কইরা দিতে পারতো। এতোটাই খুশি কইরা দিতে পারতো যে, টানা ১৫-২০ দিন আর কোনো মৌজমাস্তি করার দরকারই হইতো না।
দুইজনের মাথা আর মন, দুইটাই ভারী হইয়া গেছিলো। তারা যেমনটা ভাবছিলো, দিনটা তেমন যায় নাই। স্কচের প্রথম বোতলটা পানওয়ালা চুরি কইরা নিছিলো, দ্বিতীয় বোতলটা রাস্তায় পইড়া ভাঙছিলো, তৃতীয়টায় ভাগে কম পড়ছিলো, কারণ শাদীনের আসরে আইজকা লোক বেশিই ছিলো। চতুর্থবার যখন মদ আনাইলো তখন দেখলো মদের থিকা পানির পরিমাণই বেশি। আর পঞ্চমবার যখন মদ কিনার কথা ভাবতেছিলো, তখনই বড়সাহেব আইসা ১০০ টাকা ছিনতাই কইরা নিয়া গেলো।
বড়ভাই খুব বেশিই রাইগা আছিলো। এতোটাই রাইগা আছিলো যে, তার মাথার মধ্যে আজিব আজিব চিন্তা আসতেছিলো। সে কিছু একটা করতে চাইতেছিলো, যেমন কুকুরের মতোন জোরে জোরে ঘেউ ঘেউ করা, অথবা সাইকেলটারে তুইলা আছাড় মাইরা গুড়াগুড়া কইরা দেওয়া, অথবা শরীরের সব কাপড় খুইলা উদাম হইয়া কুয়ার মধ্যে ঝাঁপ দেওয়া। যেই পরিস্থিতি তারে তামাশা করছে, সেই তামাশা সে ফিরায়ে দিতে চাইতেছিলো। কিন্তু সেই সময়টা এখন চাইলেও আর হিরামন্ডি থেইকা উইড়া আসবো না। এইসব ভাইবা নিজেরে খুব অসহায় লাগতেছিলো।
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191400/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Jan 2023 04:41:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফিসফাস গল্প<br />
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো<br />
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2660;<br />
(দ্বিতীয় পর্বের পর)<br />
ফাঁক বুইঝা দুই ভাই সাইকেল নিয়া ভাইগা গেলো। একটু আগে বৃষ্টি পড়তেছিলো, এখন থাইমা গেছে। কিন্তু ঠাণ্ডা বাতাসের দাপট সমানে চলতেছে। হিরাবাজার থেকে বের হওয়ার মুখেই দুইভাই তাদের অফিসের এক বড়সাহেবরে দেখতে পাইলো। দুইভাই তারে এড়াইতে চাইলেও সম্ভব হইলো না, সে তাদের দেইখা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191400"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191400/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1265667e08601b0140c0adb40d035488</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190980/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Jan 2023 05:05:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">78fe53a2b67696cacd83c48bb3016fe5</guid>
				<title>ফিসফাস গল্প
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2660;
(১ম পর্বের পর)

ছোটভাই তাড়াতাড়িই ফিরলো, কিন্তু মুখ গোমরা কইরা ফিরলো। ছোটভাইয়ের পিছনে সাইকেলের ক্যারিয়ারে একটা লোক বইসা ছিলো। বড় ভাইয়ের মনে সন্দেহ দেখা দিলো- নিশ্চয়ই বড়সড় কোনো ঘাপলা হইছে। সাইকেল থেইকা নাইমা ছোট ভাই বিস্তারিত কইলো।
নতুন বোতল নিয়া যখন সে মদের দোকান থিকা বাইর হইলো, দেখলো একদফা বৃষ্টি হইয়া গেছে। রাস্তাঘাট পুরাই ভিজা। দ্রুত ফিরা যাইতে সে খুব জোরে সাইকেল চালাইতে লাগলো। কিন্তু হঠাৎ কইরা চাকা পিছলায়া গেলে সে সামলাইতে পারে নাই। খোলা রাস্তার উপরে সাইকেল নিয়া পইড়া যাওয়ায় নতুন বোতলটা চুরমার হইয়া গেছে।
ছোটভাই পুরা ঘটনা বর্ণনা কইরা কইলো- আল্লাহ’র দয়ায় আমি বাঁইচা ফিরছি। যদি ভাঙ্গা বোতলের টুকরা কাপড় ছ্যাদা কইরা আমার শরীরে ঢুকতো, তাইলে এইখানে আসার পরিবর্তে আমারে হাসপাতালে যাইতে হইতো।
বড়ভাই হাভেভাবে আল্লাহ’র শুকরিয়া আদায় করার কোনোরকম ইচ্ছা দেখা দিলো না। যেই লোক ছোট ভাইয়ের সাথে আসছিলো, তার কাছে আরেক বোতল মদ ছিলো। সেই বোতল দুই ভাইয়ের কাছে বেইচা দিয়া পানের দোকানের দিকে তাকায়া একটা গালি দিলো। তারপর কইলো- শালার দোকানটারে পুড়ায়া দে!
দুই ভাই জানতো তারা কই যাইবো। চকের এইদিকে একটা কাবাব ঘরের উপরের তলার একটা কামরায় এই দুই ভাই তাদের দুই নম্বরি টাকা উড়াইতো। সেই ঘরে এক মহিলা থাকতো, যে খাইতে খুব ভালোবাসতো। অভ্যাসের দিক থিকা সে বেশ্যার চাইতে কেরানি ছিলো বেশি। দুই ভাইয়ের এই কারণেই তারে অধিক পছন্দ করে। মদ খায়া টাল হওয়ার পর দুই ভাই অফিসের প্যাচাল পাড়তো। হেড ক্লার্কের বর্তমান অবস্থা, বড়সাহেব কী করে, তার কাজের লোকটার বদঅভ্যাস। অফিসের সবার অতীত বর্তমান নিয়া টিপ্পনী মারতে মারতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাইটা যাইতো আর সেই মহিলা খুব মনযোগ দিয়া তাদের কথা শুনতো।
মহিলাটা দেখতে খুব সুন্দরী। দুই ভাই তার গান এমন গভীর মনযোগ দিয়া শুনতো, যেন তাদের কানে মধুবর্ষণ হইতেছে। কিন্তু আজ গান গাওয়ার সময় সে খেয়াল করলো, দুই ভাইয়ের এইদিকে যেন কোনো খেয়ালই নাই। তাই সে গান বন্ধ কইরা যতটুকু মদ বাকি ছিলো, সেইটা খাওয়ায় মন দিলো।
মহিলার নাম ছিলো শীদান। সে খুব কম মদ খাইতো। কিন্তু আজ যখন দুই ভাই গানে না মইজা মদে বেশি ডুব দিলো, তখন ভাঙ্গা মন নিয়া সে-ও গিলতে শুরু করলো।
বড় ভাইয়ের মেজাজ খারাপ ছিলো, কিন্তু ছোট ভাইয়ের মন ভালো দেইখা সে চুপচাপ মদ খাইতেছিলো। কিন্তু এই অবস্থা বেশিক্ষণ থাকলো না। যখন ছোটভাই আবার মদের বোতলটা হাতে নিলো, দেখলো সেইটা পুরা খালি। এইবার দুই ভাইয়ের মন একসাথে খারাপ হইলো।
বড়ভাই ছোটভাইয়ের সাথে পরামর্শ করার দরকার মনে করলো না। খিস্তি মাইরা কইলো, “যা, দৌ দিয়া একটা জিমখানা হুইস্কি নিয়া আয়।”
তৃতীয় ব্যক্তি পয়সা পকেটে ঢুকায়া কইলো, “হুজুর এইখানে শুধু কালাপানি পাওয়া যায়।”
দুই ভাইয়ের মেজাজ চরমে উঠলো। জিদের ঠেলায় বড়ভাই একটা পানির বোতল হাতে তুইলা নিলো। তার মন চাইতেছিলো বোতলটা বেঈমান মদ বিক্রেতার মাথায় ভাঙ্গে। কিন্তু সাথে সাথেই তার মনে পড়লো, যে তার কাছে লাইসেন্স নাই। তাই, আর কিছু না বইলা সে চুপ হয়া গেলো।
ছোটভাই আর শাদীন অনেক চেষ্টা কইরা তারে শান্ত রাখলো। খাওয়া দাওয়ার পরে শাদীন হুক্কা টানতে বসলো, আর দুই ভাই তখন আর সেইখানে থাকা উচিৎ হইবো না ভাইবা সাইকেল নিয়া বাইর হইয়া গেলো। তারা কিছুক্ষণ ‘হিরামন্ডি’র অলি-গলিতে সেই দোকানদাররে খুঁজতে লাগলো। সারাদিনে এতো কাহিনী হইছে যে, শেষে শরীর আর নিতে পারতেছিলো না। দুই ভাই বাড়ি ফিরার জন্য যেই রওনা দিবো, তখনই এক ঘটনা দেখলো। দুইভাই এতো গিলছে যে, মাথা আর ঘাড়ের ব্যথায় সামনে তাকাইতে পারতেছিলো না। ভাবলো, আগে থাইমা একজন আরেকজনরে মালিশ কইরা দিবো। কিন্তু তখনই একটা হাবিলদার আইসা সেই লোকটারে ধইরা থানায় নিয়া গেলো, যে তাদের মদ চুরি কইয়া খায়া টাল হয়া আছিলো।  
ছোটভাই কইলো, “ভাই, অহন তামাশা দেখবা।”
বড়ভাই জিগাইলো, “কার তামাশা দেখমু?”
ছোটভাই- কার তামাশা মানে?
বড়ভাইয়ের মুখে একটা অর্থবোধক হাসি দেখা দিলো। 
“কেউ যদি আমাদের চিনবার পারে বা আমাদের মুখে যদি কেউ মদের গন্ধ পায়, তাইলে আমরাই তামাশার বিষয় হইয়া যামু।”
ছোটভাই বড়ভাইয়ের কথায় ঘাবড়ায়া গিয়া কইলো, “ভাই চলো পালাই। বাড়ি ফিরা যাই।” (
চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190976/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Jan 2023 04:45:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফিসফাস গল্প<br />
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো<br />
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2660;<br />
(১ম পর্বের পর)</p>
<p>ছোটভাই তাড়াতাড়িই ফিরলো, কিন্তু মুখ গোমরা কইরা ফিরলো। ছোটভাইয়ের পিছনে সাইকেলের ক্যারিয়ারে একটা লোক বইসা ছিলো। বড় ভাইয়ের মনে সন্দেহ দেখা দিলো- নিশ্চয়ই বড়সড় কোনো ঘাপলা হইছে। সাইকেল থেইকা নাইমা ছোট ভাই বিস্তারিত কইলো।<br />
নতুন বোতল নিয়া যখন সে মদের দোকান থিকা ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190976"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190976/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1571e9e95cc518dedeedb4bcd4d4a230</guid>
				<title>ফিসফাস গল্প
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2660;
সময়টা কনকনা শীতকাল।
রাইত তখন দশটা। শালামার বাগ থেইকা লাহোর যাওয়ার রাস্তাটা নির্জন আর অন্ধকার ছিলো। চাইরপাশে ঘন কুয়াশার মেঘ, সেইসাথে জব্বর বাতাস।
আশেপাশের সবকিছু য্যান ঠান্ডায় জইমা আছে। রাস্তার ধারের দুইটা নিচু বাড়ি আর গাছগুলারে দেখাই যাইতেছে না ঠিকমতো। দূরের বিদ্যুতের খাম্বাগুলারে দেইখা বনে হইতেছে অতিরিক্ত শীতে কুঁজা হয়া পড়তেছে। চারিদিকে এক বিষণ্ণ নীরব পরিবেশ। শুধুমাত্র পাগলা বাতাস তার উপস্থিতি জানান দেওনের বৃথা চেষ্টা করতেছে।

দুই সাইকেলচালক যখন সেইখানে আসলো, তখন তারা নিজেদের ওভারকোটের কলার ঠিক করতেছিলো। দমকা হাওয়া তাদের কানে বাড়ি মারতেছিলো, ঠাণ্ডায় কথাও বলতে পারতেছিলো না। সাইকেলচালক দুইজনের প্যাডেল মারতে খুব কষ্ট হইতেছিলো। কিন্তু তারা সেই কষ্ট গ্রাহ্য না কইরা একে অপরের ছায়া হইয়া শালামার বাগের দিকে আগায়া যাইতেছিলো। দূর থেইকা দেখলে মনে হইবো, সাইকেল দুইটা স্থির হয়া খাড়ায়া আছে আর মরিচা ধরা পাতের মতো রাস্তাটা সেইগুলার চাকার তলা দিয়া পিছলায়া যাইতেছে।

কিছুক্ষণ পাশাপাশি চলার পরে একজন সাইকেল থামায়া নিজের হাত দুইটা গরম করার জন্য মুঠ কইরা মুখে ভাপ দিতে লাগলো আর ঘষতে লাগলো। তার সঙ্গীও সাথে সাথে ব্রেক মাইরা দাড়াইলো। হাসতে হাসতে জিগাইলো, “ভাই, সেই… সেই হুইস্কিডা কই গেলো?”
“জাহান্নামে গেছে, যেইখানে সারা রাইত লুটপাট হয়, অথবা এখনো শুরু হয় নাই।”
ঐ দুইজন আপন ভাই ছিলো, যারা শরীয়তবিরোধী পাপগুলা একলগেই করতো। সকালে তারা ঠিক করছিলো, দুপুর দুইটার কাছাকাছি সময়ে অফিস থিকা বাইর হইয়া যেই অবৈধ টাকাগুলা পাইবো সেইগুলা সহীহ উপায়ে কেমনে খরচ করবো, সেই বিষয়ে একসাথে বইসা ভাববো।
কিন্তু ঘুষদাতা তাড়াহুড়া করায় সেই টাকা দুইটার আগেই তারা পায়া গেছিলো। টাকাগুলা বড় ভাই ভালো কইরা পরীক্ষা কইরা নিছিলো, কোনো দাগটাগ আছে কি না চেক করার লেইগা। বেশি টাকা না, মাত্র দুইশ এক টাকা। কথা হইছিলো দুইশ টাকার, উপহার হিসাবে সেই লোক ১ টাকা বেশি দিছে। ছোট ভাইয়ের পরামর্শে বড় ভাই বাড়তি টাকাটা এক আন্ধা ফকিররে দান কইরা দিছে। এই মুহূর্তে দুই ভাই হীরাবাজারের দিকে যাইতেছে।
ছোট ভাইয়ের পকেটে স্কচের বোতল ছিলো, বড়টার পকেটে ছিলো দুইটা থ্রী-ফাইভের ডিব্বা। এমনিতে তারা গোল্ড ফ্লেক খায়, কিন্তু ঘুষের টাকা পকেটে আসলে তাদের দামী ব্র্যান্ড ছাড়া চলে না।  
হীরাবাজারে পৌঁছানোর একটু আগে, বাদশাহী মসজিদে আযান হইলো। বড়ভাই ছোটভাইরে কইলো, “চল ভাই, নামাজটা পইড়া নেই।”
ছোটভাই নিজের ফুইলা থাকা পকেট দেখাইয়া কইলো, “এইডা কি করমু, ভাই?
বড়ভাই একটু ভাইবা কইলো, “চিন্তা করিস না, একটা বুদ্ধি বাইর করছি।”
পাশেই একটা জর্দাপানের দোকান ছিলো। বড়ভাই একটা বড় কাগজে বোতলটা পেচায়া দোকানদাররে দিলো। দোকানের পাশে নিজের আর তার ভাইয়ের সাইকেলটা রাইখা দোকানদাররে কইলো, “আমরা নামাজ পড়তে আসছি।”
দোকানদার হাসলো।
দুই ভাই নামাজ পড়তে মসজিদে ঢুকলো। জামাতে নামাজ পইড়া সাথে দুই রাকাত নফল নামাজ পইড়া দুইজন বাইর হয়া দেখলো জর্দাপানের দোকানটা বন্ধ। পাশের আরেকটা দোকানের দোকানদাররে জিগাইলে সে কইলো, “আমি পূজা করতে গেছিলাম।”
দুই ভাইয়ের অবস্থাটা তখন দেখার মতো হইলো।
পাশের দোকানদার হাইসা কইলো, “মাঝে মাঝে বছরে চার মাস পরপর তার দেখা পাই।”
দুই ভাই আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলো। তবুও যখন সেই দোকানদার আসলো না, বড়ভাই ছোটভাইরে কইলো, “কপালে শনি আছিলো দেইখাই আমি ওই জারজটারে বিশ্বাস করছিলাম। যা, আরেক বোতল কিনা আন।”
বড়ভাইয়ের কাছ থেইকা টাকা নিয়া ছোটভাই কইলো, “জিনিসটা আমার পকেটে থাকলে কী সমস্যা হইতো?”
“বাদ দে ভাই। এইটা নিয়া ভাইবা আর লাভ নাই। বোতলটা হারায়া গেছে দেইখা আমার মন খারাপ হয় নাই, ওইটা হাত থেইকা পইড়া ভাইঙ্গাও যাইতে পারতো…! আফসোস হইতাছে এই ভাইবা যে, হারামিটা চুরির মাল মজা নিয়া খাইতাছে।
সাইকেলে উঠতে উঠতে ছোটভাই জিগাইলো, “তুমি এইখানেই থাকবা নাকি?”
বড়ভাই মন ভার কইরা কইলো, “হ, আমি এইখানেই অপেক্ষা করমু। মাল খায়া টাল হয়া বদমাইশটা ফিরা আসতেও পারে। কিন্তু তুই আবার দেরি করিস না। 
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190794/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Jan 2023 04:46:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফিসফাস গল্প<br />
মূল: সাদাত হোসেন মান্টো<br />
অনুবাদ: অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2660;<br />
সময়টা কনকনা শীতকাল।<br />
রাইত তখন দশটা। শালামার বাগ থেইকা লাহোর যাওয়ার রাস্তাটা নির্জন আর অন্ধকার ছিলো। চাইরপাশে ঘন কুয়াশার মেঘ, সেইসাথে জব্বর বাতাস।<br />
আশেপাশের সবকিছু য্যান ঠান্ডায় জইমা আছে। রাস্তার ধারের দুইটা নিচু বাড়ি আর গাছগুলারে দেখাই যাইতেছে না ঠিকমতো। দূরের বিদ্যুতের খা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190794"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190794/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d48abc95206745c0c42cd5a03dea712</guid>
				<title>মাধবী
&#x2660;
মাধবী, 
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।
মধ্যাহ্নে ডুবে গ্যাছে অসংখ্য চাঁদ,
সিঁথিতে গেঁথে রেখেছো গনগনে দুপুর।
এইভাবে আলোখেকো পোকার মতোন
আমিও গিলে খেয়েছি ভয়।
মাধবী,
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।
অস্ফুট উচ্চারণে পড়েছি প্রস্থানের মন্ত্র,
হাসিমুখে তুলে নিচ্ছি বুকে ঈশ্বরের ক্ষোভ।
কথায় কথায় মিলিয়ে নিচ্ছি পবিত্র শব্দ;
নীরবতা, সে এক প্রচণ্ড বিস্ময়।
মাধবী,
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।
দুয়ারে জানালায় ঢেকে আছে দিনের আলো,
গভীরে ফুটে আছে এক বিষাদ গোলাপ।
পাখির চোখের মতোন দৃষ্টি নিয়ে
দেখি এক মৃত লোকালয়।
মাধবী,
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।
পড়ে থাক বিকলাঙ্গ দিন, নির্ভার হাওয়ার বালিশে
লুকিয়ে আছে প্রচণ্ড একগুয়ে চুমু।
উন্মুক্ত করো, দেখি ত্রস্ত এক উন্মাদ নদী।
নেশার লাটিম ঘুরছে;
ঘুরে ঘুরে এভাবেই থেমে যেতে হয়।
মাধবী,
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190693/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Jan 2023 04:49:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাধবী<br />
&#x2660;<br />
মাধবী,<br />
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।<br />
মধ্যাহ্নে ডুবে গ্যাছে অসংখ্য চাঁদ,<br />
সিঁথিতে গেঁথে রেখেছো গনগনে দুপুর।<br />
এইভাবে আলোখেকো পোকার মতোন<br />
আমিও গিলে খেয়েছি ভয়।<br />
মাধবী,<br />
উনুনে জ্বলছে হৃদয়।<br />
অস্ফুট উচ্চারণে পড়েছি প্রস্থানের মন্ত্র,<br />
হাসিমুখে তুলে নিচ্ছি বুকে ঈশ্বরের ক্ষোভ।<br />
কথায় কথায় মিলিয়ে নিচ্ছি পবিত্র শব্দ;<br />
নীরবতা, সে এক প্রচণ্ড বিস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190693"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190693/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">581ed31d8cb724242cecc729dc748ebb</guid>
				<title>পরিমার্জিত বেদনা
&#x2660;
চুলখোলা সন্ধ্যায়, বালুর শহরে
কেউ হাঁইটা যায়, অনুভূতির ঘরে।
যেইখানে মেঘ, অনাদরে ঘোলা
তপ্ত আবেগ, হাওয়া দেয় দোলা;

আমি ভাবি, এইতো চলতেছে দিন;
ভাঙ্গা চাবি, তালামারা গুমোট কফিন।
তবু শোনা গ্যালো, গোধূলি বিকাল
খেয়ে নিছে আলো, কাল-মহাকাল।

জং ধরা হাত, পুরোনো জামা ঘড়ি,
হারায়ে যাওয়া রাত জড়ায়া ধরি।
যেন পিপাসায় কাতর শোকার্ত ঠোঁটে
কবিতার আশায় গোলাপেরা ফোঁটে।

ভাঙ্গা আয়না, চুরমার হওয়া কিছু কথা
বোবা বায়না, চাইপা থাকা নীরবতা;
পাখিদের স্বর বন্দী অখন এমন খাঁচায়-
কথার ভিতর অকথ্য সব শব্দ বাঁচায়।

সেই কথারা আজন্ম সব পড়ছে চাপা,
সেই ব্যথারা ভীষণ গভীর, যায় না মাপা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190528/</link>
				<pubDate>Sun, 22 Jan 2023 12:51:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরিমার্জিত বেদনা<br />
&#x2660;<br />
চুলখোলা সন্ধ্যায়, বালুর শহরে<br />
কেউ হাঁইটা যায়, অনুভূতির ঘরে।<br />
যেইখানে মেঘ, অনাদরে ঘোলা<br />
তপ্ত আবেগ, হাওয়া দেয় দোলা;</p>
<p>আমি ভাবি, এইতো চলতেছে দিন;<br />
ভাঙ্গা চাবি, তালামারা গুমোট কফিন।<br />
তবু শোনা গ্যালো, গোধূলি বিকাল<br />
খেয়ে নিছে আলো, কাল-মহাকাল।</p>
<p>জং ধরা হাত, পুরোনো জামা ঘড়ি,<br />
হারায়ে যাওয়া রাত জড়ায়া ধরি।<br />
যেন প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190528"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190528/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>20</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">334579bffacab3d0d35df7a7cd9b4e57</guid>
				<title>অকথ্য
- অয়ন আবদুল্লাহ
(হারুকি মুরাকামির &#039;The kingdom that failed&#039; গল্পের ছায়া অবলম্বনে)
&#x2660;
ধুপখোলা গ্রামের পাশ ঘেঁইষা একটা ছোট্ট নদী। নদীর নাম চাপাডাঙ্গা। টলটলে আর স্বচ্ছ পানির সেই নদীতে নানান পদের মাছ। শ্যাওলা আর পোকামাকড় খাইয়া মাছগুলা বাঁইচা আছে। তারা নিজেদের মর্জিমতো থাকে, সেই গ্রামের কি হইলো না হইলো- সেসব নিয়া তারা ভাবে না। সেখানে কি রাজার শাসন চলে, নাকি সরকারের সেইটা নিয়া তাদের মাথাব্যথা নাই। তারা না দেয় ভোট, না ভরে ট্যাক্স- তাই গ্রামের কোনো বিষয়েই কোনো ভ্রুক্ষেপ নাই তাদের।
আমি নদীর জলে পা ধুয়া নিলাম। ঠাণ্ডা পানির ছোঁয়া পাইয়া মনটা খুশী হয়া গেলো। নদীর পাড় থেইকা গ্রামের পুরানা জমিদার বাড়িটা দেখা যায়। কয়েক বছর আগে এইখানে একটা মাইয়ারে ধইরা আইনা ধর্ষন করছিলো স্থানীয় মেম্বারের পোলা হারুন। অভাগী মাইয়াটার ওড়নাটা একটা বাঁশের লগে বাইন্ধা দিয়া হারুন পালায়া যায়। নদীর ধার দিয়া লোকজন যাওয়ার সময় ওড়নাটার দিকে তাকায়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে; এইটুকু ছাড়া আর কিছুই তো করার নাই তাদের।
হারুন আমার বন্ধু, অথবা বলা যায় একটা সময়ে আমরা বন্ধু ছিলাম। বন্ধুরা যেমন হয় আর কি, তেমন সম্পর্ক দশ বছর আগেই চুইকা বুইকা গেছে। সেই কারণেই ছিলাম শব্দটা ব্যবহার করলাম। গল্পটা আসলে এই হারুনকে নিয়াই।
কোনোকিছু বুঝাইতে গেলে যেইখানে আমি ঠিকঠাক উদাহরণ দিতে পারি না, সেইখানে হারুনের চরিত্র মানুষের কাছে তুইলা ধরাটা আমার কাছে একটা চ্যালেঞ্জের মতোই লাগে। আর আমি যতোই চেষ্টা করি, ততোই নিরাশ হইতে থাকি, হইতেই থাকি, হইতেই থাকি।
কিন্তু গল্পটা বলা দরকার, তাই যতটুকু পারি সহজে বলতেছি।
হারুন আর আমি একই বয়সের, কিন্তু আমার থেইকা সে হাজার গুন বেশি সুদর্শন আর ব্যক্তিত্বপূর্ণ আছিলো। সে চাপা স্বভাবের বা অহংকারি আছিলো না। কেউ যদি তারে ঝামেলাতেও ফেলতো তবুও সে রাইগা যাইতো না। উলটা বলতো- ও, আচ্ছা। আমি নিজেও বহুবার এমন করছি। কিন্তু, আসলে তাকে কারো অপকার করতে কখনোই দেখি নাই।
হারুন খুব ভালো পরিবারের ছেলে আছিলো, ধুপখোলা গ্রামের অন্যতম পশ পরিবারের একটায় ও পয়দা হইছিলো। ওর দাদা আছিলো একজন ডাক্তার, যার মফস্বল শহরে নিজের ক্লিনিক আছিলো। বাপের আছিলো জমি-জিরাতের কারবার। এর মানে হইতেছে হাত খরচার জন্য কখনোই বাপের কাছে ওর হাত পাততে হইতো না। খুব যে খরচ করতো এমনটাও না। ওর পোশাক আশাকও আছিলো রূচিশীল আর খেলাধুলাতেও আছিলো ওস্তাদ। আন্তঃফুটবল প্রতিযোগিতায় সেন্টার ব্যাক আছিলো। প্রতিদিন এই নদীতেই সাঁতার কাটতে আসতো। মাঝে মাঝে আমিও আসতাম। রাজনীতি করতো না, কিন্তু সেই বিষয়ে জ্ঞান আছিলো খুব। পরীক্ষার ফলাফল খুব দারুণ না হইলেও খারাপ আছিলো না। পরীক্ষার জন্য হারুনরে কখনোই বই খাতা নিয়া দৌড়ঝাঁপ করতে দেখতাম না, কিন্তু কখনোই ফেইল মারতো না। স্যাররা যা পড়াইতো, খুব মন দিয়া শুনতো।
হারুন খুব ভালো বাঁশি বাজাইতে পারতো। নিজের ফোনে চৌরাসিয়া আর বারী সিদ্দিকীর বাজনা সেভ কইরা রাখআছিলো। প্রচুর বইও পড়তো, - জীবনানন্দ আর নজরুল ওর পছন্দের আছিলো খুব। মাঝে মইধ্যে অন্যদের লেখাও পড়তো। সমালোচনাগুলোও করতো একদম লাইন ধইরা ধইরা।
মাইয়ারা ওরে খুব পছন্দ করতো। কিন্তু, সে আসলে “আজ একটা কাল আরেকটা” টাইপের ছেলেদের মতোন আছিলো না। তার একটাই প্রেমিকা আছিলো, মহিলা কলেজে পড়তো। প্রত্যেক রবিবারে তারা এই নদীর ধারে ঘুরতে আসতো।
এই হইলো সেই হারুন, যারে আমি চিনতাম। সংক্ষেপে কইতে গেলে, তার চরিত্রে কোনো দাগ আছিলো না।
আমাদের পাশের বাড়িতেই হারুনরা থাকতো। স্কুলের গণ্ডি পার হইয়া কলেজে আমাদের পরিচয়, আর তারপরে বন্ধুত্ব। দোস্তালি হবার পর আমরা সবসময় আড্ডা দিতাম। কখনো আমার ঘরে, কখনো ওর ঘরে আড্ডা চলতো। আড্ডা দিতে দিতে হারুনের বাঁশি শুনতাম, মুড়িভাজা চা খাইতাম। একবার হারুন আর আমি কক্সবাজার ঘুরতে গেছিলাম। এরপর কলেজ শেষ কইরা আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইলাম। আর হারুন একটা অকাম কইরা পালায়া গেলো গ্রাম থেইকা।
আবার যখন হারুনরে দেখলাম, দশ বছর পার হয়া গেছে। ঢাকা শহরের শেরাটন হোটেলের সুইমিং পুলের পাশে বইসা বইসা একটা বই পড়তেছিলাম। হারুন আমার পাশের একটা ডেক চেয়ারে আইসা বসলো। ওর লগে আছিলো দারুণ সুন্দরী কম বয়সী একটা মাইয়া। মাইয়াটার পরনে ছিলো একটা সবুজ কাতানের শাড়ি, লগে ম্যাচিং করা ব্লাউজ। চুলগুলা পিঠের উপরে ছড়ানো আর কপালের মাঝামাঝি একটা মিডিয়াম সাইজের কালো টিপ।
এত বছর পরেও আমি ঠিকই হারুনরে চিনতে পারছিলাম। আগের মতোই ওকে সুদর্শন লাগতেছিলো। আর এখন ত্রিশ বছরে পরে আইসা তার চরিত্রে বিশেষ কিছু ভদ্রতা যোগ হইছে, যা আগে আছিলো না। কম বয়সী সুন্দরী মাইয়াটারে আস্তে কইরা কিছু একটা বললো।
পাশে থাকার পরেও আমারে ও খেয়াল করে নাই। এমনিতেই আমার চেহারা গোবেচারা টাইপের সাধারণ লোকের মতো, তার উপর সানগ্লাস পইরা ছিলাম। বুঝতে পারতেছিলাম না ওর সাথে সাইধা কথা বলতে যাওয়া ঠিক হইবো কি না, পরে সেই চিন্তাটাই বাদ কইরা দিলাম। সুন্দরী মাইয়াটার সাথে জরুরি কোনো আলাপে ব্যস্ত আছিলো আর তাদের মাঝে বাগড়া দিতে আমার মন সায় দিতেছিলো না। এমনিতেও আলাপের আছেই বা কি?
… “মনে আছে, তোরে একবার বাঁশি কিন্যা দিছিলাম?”
“হ্যাঁ, আর আমিও তোরে একবার বই দিছিলাম একটা, আছে না হারায়া ফেলছোস।“
নাহহ… আলাপের বিষয়বস্তু খুবই সস্তা হয়া যাইবো, এর থেইকা মুখ বুইজা বইয়ে মনোযোগ দেওয়াটাই ভালো।
আমি না চাইলেও হারুন আর তার সুন্দরী বান্ধবির আলাপ শুনতে পারতেছি। খুবই গোপনীয় ব্যক্তিগত আলাপ। একটা শব্দ শুইনা কৌতুহল হইলো খুব। শেষমেশ আর না পাইরা বই থেইকা মনটা ওদের আলাপের দিকে ঠেইলা দিলাম।
মেয়েটি বললো, “অসম্ভব, তুমি আমার সাথে তামাশা করছো?”
হারুন বললো, “আমি জানি তুমি কি বলবে। কিন্তু বিষয়টা আমার দিক থেকেও ভাবো। আমি নিজেও এটা চাই না। আমার উপরেও লোক আছে, তারা কি চাইছে- সেটাই তোমাকে বলছি। তাই দয়া করে ওভাবে আমার দিকে তাকিয়ো না।
“হ্যাঁ, ঠিকই তো!” মেয়েটি বললো।
হারুন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো।
তাদের দীর্ঘ আলাপের সারমর্মটা হইলো- হারুন এখন একটা টিভি চ্যানেল অথবা এমন কিছু একটার ডিরেক্টর হয়া গেছে আর মেয়েটা হইতেছে এক আধুনিক জনপ্রিয় গায়িকা অথবা মডেল গোছের কেউ একজন। কিছু একটা ঝামেলার জন্য অথবা কোনো একটা কেলেঙ্কারিতে ফাইসা যাওয়ায় একটা প্রজেক্ট থেইকা তাকে বাতিল করা হইছে। অথবা এমনটাও হইতে পারে সম্প্রতি তার জনপ্রিতায় ভাটা পড়ছে যেই কারণে প্রজেক্টে তাকে রাখতে আগ্রহী না উপর মহলের হর্তাকর্তারা। হারুনের উপর দায়িত্ব পড়ছে মাইয়াটারে বুঝায়া সুঝায়া শান্ত করা, কারণ দৈনিক কাজের তদারকি বা দেখাশোনা করা হারুনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। বিনোদন জগত সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুবই অল্প, তাই সঠিক কারণটা আমি বুঝতে পারলাম না। কিন্তু মূল বিষয়টা যে এমনই কিছু একটা সেটা ঠিক বুঝতে পারতেছি।
যা শুনলাম, মনে হইলো হারুন তার দিক থেইকা মাইয়াটারে বুঝানোর সর্বোচ্চ চেষ্টাই করতেছে।
“স্পন্সরদের সাহায্য ছাড়া আমরা কিছুই করতে পারবো না”, হারুন বললো, “তোমাকে সবকিছু ভেঙে বলার দরকার নেই, তুমি ভালোই জানো এইসব ব্যাপারে।“
“তার মানে বলতে চাচ্ছো, এই বিষয়ে তোমার দায়িত্ব বা কর্তব্য কিছুই নাই?
“তেমন কিছু আমি বলছি না। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার ক্ষমতাও সীমিত।“
তাদের আলাপ ভিন্ন দিকে মোড় নিয়া একদম গলির শেষ মাথায় আইসা ঠেকছে। মাইয়াটা জানতে চায় হারুন তার জন্য কতোটা করছে। হারুন বললো, সে তার সাধ্যমতো পুরাটাই করেছে, কিন্তু সেটার কোনো প্রমাণ তার কাছে নাই। মাইয়াটা বিশ্বাস করলো না, ওর জায়গায় থাকলে আমি নিজেও হারুনরে বিশ্বাস করতাম না। যতই হারুন বিষয়গুলায় আলো জ্বালানের চেষ্টা করতেছিলো, ঠিক ততই অদৃশ্য একটা কুয়াশার স্তর আইসা সেইগুলো যেন আড়াল কইরা দিতেছিলোলো। কিন্তু এইটা হারুনের দোষ না, আসলে এইটা কারোরই দোষ না। সেজন্যই এই আলাপ কোনো সমাধানে গিয়া ঠেকলো না।
আমি বুঝতে পারছিলাম, মাইয়াটা হারুনরে পছন্দ করে, অন্তত এই আলাপের আগে পর্যন্ত তাদের সম্পর্ক অটুট আছিলো। কিন্তু, এখন মাইয়াটা রাইগা গেলো এবং শেষ পর্যন্ত অসহায় হইয়া হাল ছাইড়া দিলো।
“ঠিক আছে, “ মাইয়াটা বললো, “আমাকে একটা কোক কিনে দেবে?”
এইটা শুনতে পাইয়াই হারুন একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেইলা কোক আনতে চইলা গেলো। মাইয়াটা সানগ্লাসটা চোখে দিয়া সামনে তাকায়া থাকলো। এইটুকু সময়ে আমি হাতে থাকা বইটার একটাই লাইন কয়েকশ বার পইড়া ফেলছি।
হারুন একটা ট্রেতে দুইটা বড় কাগজের কাপ নিয়া ফিরা আসলো। একটা কাপ মাইয়াটারে দিয়া সে তার আগের জায়গায় বইসা পড়লো।
“এ নিয়ে এতোটা হতাশ হয়ো না,” হারুন বললো, “যেকোনো দিন তুমি-“
হারুন কথা শেষ করতে পারলো না, মাইয়াটা তার হাতের কাপটা হারুনের দিকে ছুইড়া মারলো। কাপে থাকা কোকাকোলা হারুনের মুখে পড়লো, কিছুটা আমার শরীরেও পড়লো। কোনো কথা না বইলা মাইয়াটা উইঠা দাঁড়াইলো। তারপর কোমরে তীব্র ঝড় তুইলা, একবারও পিছনে না তাকায়া চইলা গেলো। পনেরো সেকেন্ডের জন্য আমি আর হারুন স্তব্ধ হইয়া বইসা থাকলাম। আশেপাশের লোকেরা অবাক চোখে আমাদের দেখতেছিলো।
হারুন-ই প্রথম কথা কইলো।
“দুঃখিত,” ও আমার দিকে একটা টাওয়েল আগায়া দিলো।
“না, না, ঠিক আছে। আমি এখনই গোসল করতে যেতাম।“
কিছুটা লজ্জা নিয়া সে টাওয়েলটা দিয়া নিজের মুখ পরিষ্কার করলো।
“অন্তত, আপনার বইটার জন্য কিছু টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমাকে দিতে দিন।” হারুন বললো।
এইটা ঠিক যে আমার বইটা ভিজা গেছিলো। কিন্তু বইটা খুব আহামরি কিছু আছিলো না, খুবই সস্তা গল্পের পেপারব্যাক একটা। যে এই বইটায় কোক ঢাইলা দিছে, সে আসলে নিজের অজান্তেই আমার একটা উপকার করছে। সেই কথাটা হারুনরে বলতেই ওর মুখ সেই পুরানা দারুণ হাসিতে উজ্জ্বল হয়া উঠলো।
হারুন আরো একবার দুঃখ প্রকাশ কইরা সেইখান থেইকা চইলা গেলো। আমি বইসা বইসা ভাবতে লাগলাম। ও কখনোই জানবো না, সেইদিন ওই সুইমিং পুলে আমিই ছিলাম, যেমনটা ছিলাম সেই রাইতে ধুপখোলা গ্রামের জমিদার বাড়িতে, ওর প্রেমিকার লগে…</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190176/</link>
				<pubDate>Thu, 19 Jan 2023 07:07:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অকথ্য<br />
&#8211; অয়ন আবদুল্লাহ<br />
(হারুকি মুরাকামির &#8216;The kingdom that failed&#8217; গল্পের ছায়া অবলম্বনে)<br />
&#x2660;<br />
ধুপখোলা গ্রামের পাশ ঘেঁইষা একটা ছোট্ট নদী। নদীর নাম চাপাডাঙ্গা। টলটলে আর স্বচ্ছ পানির সেই নদীতে নানান পদের মাছ। শ্যাওলা আর পোকামাকড় খাইয়া মাছগুলা বাঁইচা আছে। তারা নিজেদের মর্জিমতো থাকে, সেই গ্রামের কি হইলো না হইলো- সেসব নিয়া তারা ভাবে না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190176"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190176/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ef49e8e383cb3d2db0134e05a435d749</guid>
				<title>বিশ্বস্ত ছুরিটি
&#x2660;
বিশ্বাস নেই, প্রতারক মনে তবু ভালোবাসা আছে;
চোখের ভেতর সাজিয়ে রেখেছি অন্ধত্ব,
লাটিম শৈশবের মতোন অস্থির অনন্ত জীবন।
বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে এক মিথ,
যা বিশ্বাস করে সত্য শুয়ে আছে অন্ধকার কবরে।
যাপনের হালখাতায় লিখে রাখা প্রায়শ্চিত্ত মুছে দিতে চাই;
অথচ দুয়ারে মিছিল দাঁড়িয়ে, এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব।
বিশ্বস্ত ছুরিটিকে অপেক্ষায় রেখে আসি মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে;
অন্ধকার, গাঢ় হয় বুকের ভিতর; ভয়ের তসবি জঁপি নিশিদিন।
আশ্বাসের প্রতারনায় কেটে যায় সময়;
তবুও মুখে আঁকি সুখ
তবুও বুকে রাখি সুখ
পাকস্থলিতে অভুক্ত পৃথিবীর শোরগোল
আর
নিঃশ্বাসে মৃত্যুর অমৃত স্বাদ নিয়ে
একদিন ফিরে এসে দেখি- 
সিলিঙে ঝুলে আছে বিশ্বস্ত ছুরি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189886/</link>
				<pubDate>Tue, 17 Jan 2023 06:12:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিশ্বস্ত ছুরিটি<br />
&#x2660;<br />
বিশ্বাস নেই, প্রতারক মনে তবু ভালোবাসা আছে;<br />
চোখের ভেতর সাজিয়ে রেখেছি অন্ধত্ব,<br />
লাটিম শৈশবের মতোন অস্থির অনন্ত জীবন।<br />
বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে এক মিথ,<br />
যা বিশ্বাস করে সত্য শুয়ে আছে অন্ধকার কবরে।<br />
যাপনের হালখাতায় লিখে রাখা প্রায়শ্চিত্ত মুছে দিতে চাই;<br />
অথচ দুয়ারে মিছিল দাঁড়িয়ে, এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব।<br />
বিশ্বস্ত ছুরিটিকে অপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189886"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189886/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">06935e7cceb790eecaa95b9d5ee8fea0</guid>
				<title>ভদ্রলোকের ব্রাশ
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহ
(শেষ পর্ব)
&#x2660;
কাকতালীয়ভাবে, আমার শ্যালক যে অমৃতসরের অনারারি কীসের এক ম্যাজিস্ট্রেট ছিলো, আল্লা মালুম- তারই সাথে একটা পার্টিতে যাইতে হইছিল। নয়া জেলা প্রশাসক নিয়োগরে কেন্দ্র কইরা কি যেন অনুষ্ঠান ছিল তা এখন ভালোভাবে মনে নাই। সেইখানে এই লোকরে দেখলাম, একই কালো পোশাক পইরা সম্মানিত ও অভিজাত ব্যক্তিদের চারপাশে ঘুইরা বেড়াইতেছিলো। আধ ঘন্টার মধ্যে, কোনোরকম অভদ্রতা না কইরা, চিকন চিকন আঙ্গুল দিয়া সে বাইছা বাইছা কয়েকটা রুশের কোট পরিষ্কার করলো। সে কারো কলার থেইকা  চুল উঠাইতাছিলো, কারো কোটের পেছন থেইকা। আবার কারো কারো বক্তব্য বুঝতে না পারলেও রুমাল দিয়া ধুলো ঝাইড়া সবার কাছ থেইকা ধন্যবাদ আদায় করতেছিলো।
অনেক সাহস নিয়া সে জেলা প্রশাসক বাহাদুরের কাছে গিয়া প্যান্ট পরিষ্কার কইরা দিলো। জেলা প্রশাসক সাহেব ছিলেন ইংরেজ। তিনি তার হৃদয়ের গভীর থেইকা ভদ্রলোকের ব্রাশকে ধন্যবাদ জানাইলেন।
তারপর একদিন রাইতের বেলা। হালকা বৃষ্টি হইতেছিলো আর হাফিজ পেইন্টারের দোকানে আমরা হুইস্কি পান করতে করতে ফটোগ্রাফার মাশুক আলীর গান শুনতেছিলাম। এমন সময় হঠাৎ দোকানের দরজা খুইলা গেল আর ভদ্রলোকের ব্রাশকে দেখা গেলো। তিনি আমাদের সবাইকে সালাম দিয়া বললেন, &quot;আমি পাশ দিয়াই যাইতেছিলাম। গানের আওয়াজ শুনতে পাইয়া আসলাম। ...মাশাআল্লাহ খুব দারুণ সুর। বিনা আমন্ত্রণে আসাটা আসলে ঠিক হয় নাই। কিন্তু...আপনারা যদি আমাকে অনুমতি দেন, আমি কি কিছুক্ষণের জন্য আপনাদের পার্টিতে যোগ দিতে পারি?&quot;
হাফিজ পেইন্টার আর ফটোগ্রাফার সমস্বরে কইলো- অবশ্যই, আসেন আসেন!
মুবারাক বললো, “সাবধানে আসেন, আমার পাশে বসেন। এই সুরের ভুবনে আপনি আমাদের সেবা গ্রহণ করেন।” 
সেবা বলতে মুবারাক হুইস্কি বুঝাইতেছে। কিন্তু ভদ্রলোকের ব্রাশ বললো, “না, ভাই। আমি ঈশ্বরের এই দয়া থেইকা বঞ্চিত।”
একটা সময় সবার অনুরোধে সে-ও গান গাইতে শুরু করলো। মাতোদির সুরে সে আমাদের আচ্ছন্ন কইরা রাখছিলো। গান শেষ কইরা সবার কাছ থেইকা বিদায় নিলেন। আমরা সবাই মদে চুর হয়া ছিলাম, ভুইলাই গেছিলাম যে বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হইতেছে। কিন্তু ভদ্রলোকের ব্রাশ দরজা খুলতেই কেউ একজন কইলো, “জনাব, বাইরে বৃষ্টি হইতাছে, যাবেন কেমনে?”
আবলুস ব্রাশের ঠোঁটে একটা হাসি ফুইটা উঠল। &quot;চিন্তা কইরো না, এখনই লালা জগৎ নারায়ণ কম্বলের গাড়ি আসবে আমারে নিতে...তোমরা আনন্দ করতে থাকো, চালায়া যাও। ধন্যবাদ!” 
এই বইলা সে দোকানের দরজা ভিড়াইয়া দিয়া চইলা গেলো।
এক ঘন্টা পরে বৃষ্টি থামলে আসর ভাইঙ্গা গেলো। আমরা যখন বাইরে আসলাম, তখন আমরা দেখলাম কাদার মধ্যে কেউ একজন অবস্থায় পইড়া আছে। আমি ভাল করে তাকাইলাম এবং চিৎকার কইরা বললাম, &quot;আরে, এইটা তো ভদ্রলোকের ব্রাশ। &#039;&#039; 
হাফিজ জড়ায়া জড়ায়া বলল, &quot;আহারে, ভদ্রলোকের এমন হাল! চলো ভায়ারা, সবাই যার যার ঘরে চলো।&#039;&#039; 
সবাই এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত হইল। কিছুক্ষণ পরে যখন তারা চইলা গেল, তখন নিষ্কলঙ্ক কালো জোব্বা পরা সেই লোকটা, যে কিনা রুশেদের কোট পরিষ্কার করছিল, হুশ ফিরা পাইলো। তার পোশাক কাদায় মাখামাখি ছিল, কিন্তু সেইটা পরিষ্কার কইরা দেওয়ার মতো আশেপাশে কেউ ছিল না।
(সমাপ্ত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189774/</link>
				<pubDate>Mon, 16 Jan 2023 08:17:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভদ্রলোকের ব্রাশ<br />
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো<br />
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহ<br />
(শেষ পর্ব)<br />
&#x2660;<br />
কাকতালীয়ভাবে, আমার শ্যালক যে অমৃতসরের অনারারি কীসের এক ম্যাজিস্ট্রেট ছিলো, আল্লা মালুম- তারই সাথে একটা পার্টিতে যাইতে হইছিল। নয়া জেলা প্রশাসক নিয়োগরে কেন্দ্র কইরা কি যেন অনুষ্ঠান ছিল তা এখন ভালোভাবে মনে নাই। সেইখানে এই লোকরে দেখলাম, একই কালো পোশাক পইরা সম্মানিত ও অভি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189774"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189774/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7154879afa96236765e23facd7ed279a</guid>
				<title>ভদ্রলোকের ব্রাশ
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহ
(দ্বিতীয় পর্বের পর)
&#x2660;
একদিন আমি তারে আবার দেখলাম। বাজারের মধ্যে দুই লালচুলা লোকের সাথে খাড়ায়া কথা বলতেছিলো আর মাঝেমধ্যেই তাঁদের পরিষ্কার কোট থেইকা অদৃশ্য ময়লা ঝাড়া দিতেছিলো। সেইদিনের সেই কালা পোশাকটাই তাঁর পরনে ছিলো। তাঁর কাপড়ের চকচকা ভাব দূর থেইকাই বুঝা যাইতেছিলো, আর সেইরকম পোশাক আমি আগে কখনোই দেখি নাই। আমার মনে হইতেছিলো, তাঁর ব্রাশের মতোন, সে নিজেও হইতেছে ভদ্রলোকের ব্রাশ।
রাস্তায় পরিচিত এক বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ হইয়া গেলো। তারে জিগাইলাম, “কালা লোকটা কে, বলতে পারো?”
সে আশ্চর্য হইয়া জবাব দিলো, “কোন কালা লোক… ও, তাঁর কথা জিগাইতেছো? কিন্তু তুমি তারে কালো বললা যে, সে যদি শুনতে পায়?
আমি একটু তীক্ষ্ণভাবে বললাম, “এই লোকটা আমাদের অনেক সামনে আছে, আর কালো শুধু মানুষের গায়ের রঙই না, কাঠের টুকরার রঙও হইতে পারে।”
&quot;কাঠ কি এইভাবে হাঁটে-চলে?&quot; 
&quot;আরে, তা না। আবলুস কাঠের রঙ কালো, লোকটাও কালো কাপড় পরছে আর আল্লাহর দয়ায় তাঁর গায়ের রংটাও খুব কালো, তাই আমি তাকে কালো বলছি। &#039;&#039; 
বন্ধুটা হাইসা কইলো, &quot;আরে, তুমি তারে জানো না, তার নাম হইতাছে ভদ্রলোকের ব্রাশ। &#039;&#039;
“আমি এইটা জানি।”
“তাইলে আর কি জানতে চাও?”
আমি জানতে চাইলাম, “সে করেটা কী?”
বন্ধুটা হাসলো, “কেন, দেখো নাই? ভদ্র মানুষের কাপড় পরিষ্কার কইরা দেয়!”
“সেইটা তো বুঝলাম। কিন্তু তাঁর খাওয়া-পরা কেমনে চলে?”
বন্ধুটা জবাব দিলো, “কাদের সাথে চলে দেখছো…! তাছাড়া লোকটা ভালো গানও নাকি জানে!”
আমি তারে জিগাইলাম, “তুমি তাঁর গান শুনছো কখনো?”
“না, কিন্তু তাঁর খুব সুনাম আছে।
আমরা কথা শেষ কইরা দেখলাম, লালচুলা দুইটার কোট ঝাড়তে ঝাড়তে ভদ্রলোকের কালো ব্রাশ বহুদূর চইলা গেছে। 
কিছুক্ষণ পরে আমার বন্ধু জরুরি কাজ আছে বইলা চইলা গেলো, না হইলে তাঁর কাছ থিকা আরো কিছু বিষয় জানা যাইতো।
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189588/</link>
				<pubDate>Sun, 15 Jan 2023 04:26:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভদ্রলোকের ব্রাশ<br />
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো<br />
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহ<br />
(দ্বিতীয় পর্বের পর)<br />
&#x2660;<br />
একদিন আমি তারে আবার দেখলাম। বাজারের মধ্যে দুই লালচুলা লোকের সাথে খাড়ায়া কথা বলতেছিলো আর মাঝেমধ্যেই তাঁদের পরিষ্কার কোট থেইকা অদৃশ্য ময়লা ঝাড়া দিতেছিলো। সেইদিনের সেই কালা পোশাকটাই তাঁর পরনে ছিলো। তাঁর কাপড়ের চকচকা ভাব দূর থেইকাই বুঝা যাইতেছিলো, আর সেইরকম পোশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189588"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189588/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07810cb5ec50f3429ef10022fa88cb1d</guid>
				<title>ভদ্রলোকের ব্রাশ
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2660;
(প্রথম পর্বের পর)

ছোট বড় বেবাক গায়করাই এইখানে গান গাইছে। কারণ, এইটা ছিলো চিরসবুজ একটা জায়গা। এমনকি, কেউ কাউরে খোঁচা মারলেও, সে কিছু মনে করতো না।
একদিন সকাল দশটায়, কানের ওষুধ কিনতে ওষুধের দোকানে 
যাইতেছিলাম। হাফিজ পেইন্টারের দোকানের সামনে দিয়া যাওয়ার সময় সে আমারে ডাক দিলো। তাঁর কানে একটা তুলি গুজা আছিলো, যার মানে হইতেছে আমারে তাঁর কথা এখন শুনতেই হইবো।
ওর দোকানের সামনে খাড়ায়া জিগাইলাম, “কি বিষয় হাফিজ মিয়াঁ?” 
হাফিজ তাঁর কানে তুলিটা ভালো কইরা আইটা দিয়া বললো, বিষয়টা হইতেছে, আজ রাইতে হইবো আগামীর গান। গান গাইবো মচ্ছর খান আর বাসে খান। আমি তাওয়াককুলের ব্যাপারটা আগে শুনি নাই, কিন্তু নয়া চিন্তাধারার লোকেরা খুব নাকি পছন্দ করতেছে। কম বয়েসি ছেলেপেলেরা নাকি বলে- এই খানেরা নাকি শ্রদ্ধা আর সাহসের সাথে গান গায়।
খবরটা শুইনা ভালো লাগলো। “আমি অবশ্যই অবশ্যই আসবো… কিন্তু কি জানি নাম বললা, মশা খান, তারে কি মশারীর মধ্যে ঢুকাইবা?
হাফিজ একটা অট্টহাসি দিয়া বললো, “আরে, না মিয়াঁ, এইটা তাঁর অভ্যাস। বিষয়টা হইতেছে, যখন লম্বা টান দিয়া সুর ধরার পরে মাঝে মাঝে যখন থামে তখন উরুতে খুব জোরে চাপড় দেয়, যেন গান গাইতাছে না, মশা মারতেছে। এই জন্যেই তাঁর নাম দিছি মচ্ছর খান।
আমি হাফিজরে বললাম, &quot;ঠিক আছে, আইজকা তার মশা মারা দেখমু। কিন্তু যদি সে আইজ রাইতে মশা না মারে, তাইলে নিশ্চিত থাকো, সে আর্ট স্টুডিও থেইকা জান নিয়া বাইর হইতে পারবো না। &#039;&#039; 
হাফিজ পেইন্টার আরেকদফা হাইসা কান থেইকা ব্রাশটা নামায়া বোর্ড আঁকতে আঁকতে কইলো, “যাও ভাই, যেইখানে যাইতাছিলা। আমার টাইমের দাম আছে। কাজটা তাড়াতাড়ি শেষ করতে হইবো।”
আমি আবার হাঁটা ধরলাম। দোকান থেকে ওষুধ নিয়া বাইর হওয়ার সময় দেখলাম, দুইজন লোক দোকানের পাশে দাঁড়ায়ে শেখ সাহেবের সাথে কথা বলতেছিলো। শেখ সাহেব এলাকার এক গণ্যমান্য নেতা। আমি তারে সালাম দিলাম। শেখ সাহেবের লাঠিতে ভর কইরা চলার অভ্যাস ছিলো। সেই লাঠিটা দিয়া সে সামনের খাম্বাটায় একটা বাড়ি দিলো, এর মানে হইতাছে- আমি সালাম দেওয়ায় সে খুব খুশি হইছে। শেখ সাহেব আমারে জিগাইলো &quot;দিনকাল কেম যায়? সব ঠিকঠাক? &#039;&#039; 
আমি জবাব দিলাম, &quot;আপনার দোয়ায় চলতেছে আর কি। &#039;&#039; 
শেখ সাহেব যাদের সাথে কথা বলতেছিলেন তারা দুইজনেই কালো আর তাঁদের জামার রঙ তাদের থেইকাও বেশি কালো ছিল। 
এই দুইজনের মধ্যে একজন ছিলো রোগা, যার মুখ আছিলো উজ্জ্বল তামাইট্যা রঙের। শেখ সাহেব যখন হাঁটতে শুরু করলো, তখন এই কালা মাংসের ডিপোটা শেখ সাহেবের কোটের পিছনে হাত দিয়া প্রচণ্ড বিনয় নিয়া ঝাড়তে শুরু করলো। শেখ সাহেব গরম হয়া লোকটারে জিগাইলো, &quot;কি ব্যাপার?&quot; 
লোকটা চিকন স্বরে জবাব দিল, &quot;হুজুর, অল্প অল্প ময়লা আর ধুলা লাইগা আছিলো। &#039;&#039;
শেখ সাহেব লোকটারে ধন্যবাদ দিয়া বললো, “ঠিক আছে, কাইল সকালে আমার বাসায় আইসো”। এই কথা বইলাই সে খাম্বায় আরেকটা বাড়ি দিয়া কোম্পানির বাগানের দিকে হাঁটা ধরলো।
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189226/</link>
				<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 05:02:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভদ্রলোকের ব্রাশ<br />
মূলঃ সাদাত হাসান মান্টো<br />
অনুবাদঃ অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2660;<br />
(প্রথম পর্বের পর)</p>
<p>ছোট বড় বেবাক গায়করাই এইখানে গান গাইছে। কারণ, এইটা ছিলো চিরসবুজ একটা জায়গা। এমনকি, কেউ কাউরে খোঁচা মারলেও, সে কিছু মনে করতো না।<br />
একদিন সকাল দশটায়, কানের ওষুধ কিনতে ওষুধের দোকানে<br />
যাইতেছিলাম। হাফিজ পেইন্টারের দোকানের সামনে দিয়া যাওয়ার সময় সে আমারে ড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-189226"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/189226/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9258e9c21ab0e7c14236242ca9c688a0</guid>
				<title>ভদ্রলোকের ব্রাশ
মূল- সাদাত হাসান মান্টো
অনুবাদ- অয়ন আবদুল্লাহ
&#x2663;
বিশ বছর আগে, তখন আমার বয়স ২১/২২ হইবো, কমও হইতে পারে। দিন-বয়স-মাস, এইসব আমার ঠিকঠাক স্মরণ থাকে না।  আমার বন্ধু মহলের অনেকেই আমার থেকে বয়স্ক ছিলো, কিন্তু দেখলে মনে হইতো আমার ছোট।
হল বাজারের সাথেই বিদ্যুৎ চত্বরের বাম পাশে হাফিজ পেইন্টারের দোকানে আমরা সবাই বইসা ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করতাম। আমি লেখাপড়া ছাইড়া দিছিলাম, মোবারকও তার চাকরিতে লাথি মাইরা অমৃতসরে ফিরা আসে। ব্যাটা সরকারের গোলাম ছিলো। হাফিজ পেইন্টারের বাবার প্রতি রাগ ছিল, তাই সে একটা আলাদা বড় দোকান চালাইতো। দোকানটা আগে ছিলো এক কমিউনিস্ট শিখের, যে গ্রামোফোনের ডিলার ছিলো। খায়ের দ্বীন মসজিদের লগে ঘেঁষা দোকানটা হল বাজারে হইলেও ভালো জায়গাতেই ছিল। বলা যায়, হল বাজারের মাঝখানে এবং মসজিদের ছায়ার নিচে থাকা স্বত্তেও প্রচলিত নিয়মের ধার ধারা লাগতো না। সেই জন্যেই দোকানটা তাঁর এত পছন্দ হইছিলো। আজান হইলেও সেইখানে রেকর্ড বাজানো হইতো, কিন্তু এইটা নিয়া কোনো দাঙ্গা কখনো বাঁধে নাই। তবে ছোটখাটো বিষয় নিয়া রক্তা রক্তি বাইধা যাইতো।
মুসলমান আর হিন্দুদের দুইটা গুণ্ডাবাহিনী হুটহাট কইরাই মাঝেমাঝে হাজির হইয়া আবার ফেনার মতো মিলাইয়া যাইতো। তর্কাতর্কি, মাগিবাজি করার পাশাপাশি এরা নিজেদের মধ্যে খুনাখুনিও করতো। কেউ কারো ছায়া মাড়াইলেই অসহায় ভেড়ার মতো কাটা পড়তো। কিন্তু আমি বুঝি না, যখনই জীবনে একটু শান্তি আসে, তখনই এদের নিরীহ মানুষের কল্লা কাটার শখ ক্যান জাগে!
অমৃতশহর শহরটা ছিলো খুবই অদ্ভুত। সেই সময় সব ধরনের জিনিসই পাওয়া যাইতো। চলতো মদের কাড়াকাড়ি থেইকা শুরু কইরা সরকারী বাহিনীর বাড়াবাড়ি। পাবলিকও ছিলো সেইরকম ম্যান্দা।  লালা তাঁর বাজারের দোকানগুলিতে হাঁইটা হাঁইটা তদারকি করতো আর তাঁর চেলাগুলা পাবলিকের একটু আনন্দ দিতে আতশবাজি ফুটাইতো। দাঙ্গাবাজির পাশাপাশি সে সমাজসেবা করতো, সে ছিলো ঈশ্বরের একান্ত অনুগত আবার সেই সঙ্গে এক নম্বরের দস্যু আর পাপি। মসজিদ আর মন্দির ছিলো। সেইগুলা পাপের পাশাপাশি পূণ্যও কামাইতো প্রচুর।
এইসবে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মধ্যে মধ্যে অনেক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও সচল ছিলো। নিজেদের মধ্যেই অনেক বিদ্রোহী লড়াই করতো। মুসলমান আর কাদিনিদের মধ্যে বিবাদ হইতো, যার মধ্যে কিছু বিখ্যাত পণ্ডিতরাও থাকতো। মহিলারা ঝগড়া করতো, মহামারী হইতো। জালিয়ানালার বিখ্যাত সেই দুর্ঘটনায় বহু মুসলমান, শিখ আর হিন্দু মরলো, কিন্তু অমৃতসর তেমনই থাকলো। 
হাফিজ পেইন্টারের দোকানে দুনিয়ার সব রাজনৈতিক, সামাজিক, আর অর্থনৈতিক বিষয় নিয়া অকথ্য আলাপ চলতো। যদিও তারা সবাই আর্টিস্ট ছিলো। রুসনিম যাও, গান বাজনায় তাঁর আগ্রহ ব্যাপক ছিলো । কেউ তাঁরে তবলা, সেতার, বাঁশি বা খঞ্জনী দিলে সে মিয়াঁ তোড়ি, মালকো বা ভাগড়া বাজাইতে শুরু করতো।
এইখানে গাঁজাও খাওয়া হইতো, সিদ্ধি ভইরা সিগারেট এর সঙ্গে প্রায়ই মদ খাওয়া চলতো। কারণ দিনটা এত বড় ছিল না। সাড়ে আট টাকায় আস্ত এক বোতল স্কচ হুইস্কি আসতো । হাফিজ সন্ধ্যায় তার দোকানের ভারী দরজা বন্ধ করলে আমরা মাদুরের উপর বইসা আস্তে আস্তে মদের মজা নিতাম। তারপর মাঝরাইতে আশেপাশের সব দোকানপাট বন্ধ হয়া গেলে শুরু হইতো গানের আসর।
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188926/</link>
				<pubDate>Tue, 10 Jan 2023 12:37:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভদ্রলোকের ব্রাশ<br />
মূল- সাদাত হাসান মান্টো<br />
অনুবাদ- অয়ন আবদুল্লাহ<br />
&#x2663;<br />
বিশ বছর আগে, তখন আমার বয়স ২১/২২ হইবো, কমও হইতে পারে। দিন-বয়স-মাস, এইসব আমার ঠিকঠাক স্মরণ থাকে না।  আমার বন্ধু মহলের অনেকেই আমার থেকে বয়স্ক ছিলো, কিন্তু দেখলে মনে হইতো আমার ছোট।<br />
হল বাজারের সাথেই বিদ্যুৎ চত্বরের বাম পাশে হাফিজ পেইন্টারের দোকানে আমরা সবাই বইসা ঘণ্টার পর ঘণ্টা গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188926"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188926/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eb516fa70b92e6cb5790309e60208c86</guid>
				<title>এক জনমের গান
&#x2660;
জং ধরা শরীরে চাইপা বসে আজব ভীতি
নিঃশব্দে এড়ায়ে যাই অতীতের সব স্মৃতি
যেন
নজরে আসলেই গিলা খাইবো অদৃশ্য দ্যুতি
এই ভাইবা অবুঝ মন মার্জনায় গায়া যায় স্তুতি
অথচ, নিকটেই রাখা আছে স্বর্গীয় মোহ
তার পাশে পইড়া আছে মিছিল আর দ্রোহ
দ্যাখো,
চাইরপাশ ভইরা গ্যাছে শোকার্ত রবে
এইসব দেখি না আমি মিথ্যা গৌরবে
একদিন সব পাতারেই ঝইরা যাইতে হয়
অন্যায়ের প্রতিবাদে তবু লইড়া যাইতে হয়
আদতে
শিকড়ে লাইগা আছে তার প্রাচীন স্লোগান
বাতাসে ভাইসা বেড়ায় এক জনমের গান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/188655/</link>
				<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 04:33:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক জনমের গান<br />
&#x2660;<br />
জং ধরা শরীরে চাইপা বসে আজব ভীতি<br />
নিঃশব্দে এড়ায়ে যাই অতীতের সব স্মৃতি<br />
যেন<br />
নজরে আসলেই গিলা খাইবো অদৃশ্য দ্যুতি<br />
এই ভাইবা অবুঝ মন মার্জনায় গায়া যায় স্তুতি<br />
অথচ, নিকটেই রাখা আছে স্বর্গীয় মোহ<br />
তার পাশে পইড়া আছে মিছিল আর দ্রোহ<br />
দ্যাখো,<br />
চাইরপাশ ভইরা গ্যাছে শোকার্ত রবে<br />
এইসব দেখি না আমি মিথ্যা গৌরবে<br />
একদিন সব পাতারেই ঝইরা যাইতে হয়<br />
অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-188655"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/188655/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cfcf0d28d784cf1fd4dae564857e1d37</guid>
				<title>যা কিছু থাইকা যায়
&#x2660;
কোথাও যায় না পথ,
তবুও ঠিকানা জানে ঠিক।
যদি খুঁজবার পারো-
পাইবা তারে নিকটে অধিক;
যেইখানে আলাপ জমায়া রাখো
খুচরা পয়সার মতোন।
যেইখানে স্মৃতির তসবি হাতে
দুঃখরা হইতে চায় চিরন্তন।
নাই, তবুও থাকে 
দূরে অথবা কাছে;
যেমন রোদ আর বৃষ্টির ভিতর
হাওয়ার পরশ আছে।

কোথাও যায় না মানুষ,
মিছা কেন বলো-
ফিরা আসো, ফিরা আসো!
মানুষ ফিরে না,
থাকে পথের মতো স্থির,
তবুও, কেন ভালোবাসো?
দেখো- বেহাগের রঙে, সমস্ত অঙে
সময়ের তরজমা চলে।
কোথাও যায় না কেউ,
স্থির হইয়া শুধু
পথের ঠিকানা বলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187966/</link>
				<pubDate>Thu, 05 Jan 2023 07:42:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যা কিছু থাইকা যায়<br />
&#x2660;<br />
কোথাও যায় না পথ,<br />
তবুও ঠিকানা জানে ঠিক।<br />
যদি খুঁজবার পারো-<br />
পাইবা তারে নিকটে অধিক;<br />
যেইখানে আলাপ জমায়া রাখো<br />
খুচরা পয়সার মতোন।<br />
যেইখানে স্মৃতির তসবি হাতে<br />
দুঃখরা হইতে চায় চিরন্তন।<br />
নাই, তবুও থাকে<br />
দূরে অথবা কাছে;<br />
যেমন রোদ আর বৃষ্টির ভিতর<br />
হাওয়ার পরশ আছে।</p>
<p>কোথাও যায় না মানুষ,<br />
মিছা কেন বলো-<br />
ফিরা আসো, ফিরা আসো!&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187966"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187966/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2131b477b24d55f75546acccddfefc33</guid>
				<title>প্রেয়সীর লালিমা
&#x2660;
কপোলে তোমার গোলাপের ভাঁজ
মৃদু হাস্যে ফোটে
মুগ্ধতার স্রোতরাশি আঘাত করে
হৃদয় নদীর তটে

হিমাংশুর শুভ্রতা যামিনীর অমা
যতটুকু দূর করে
তোমার টোলে মনালয়ে মোর
তারও অধিক ঝরে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187693/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Jan 2023 05:58:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেয়সীর লালিমা<br />
&#x2660;<br />
কপোলে তোমার গোলাপের ভাঁজ<br />
মৃদু হাস্যে ফোটে<br />
মুগ্ধতার স্রোতরাশি আঘাত করে<br />
হৃদয় নদীর তটে</p>
<p>হিমাংশুর শুভ্রতা যামিনীর অমা<br />
যতটুকু দূর করে<br />
তোমার টোলে মনালয়ে মোর<br />
তারও অধিক ঝরে&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7db4cb9832234d344c77976143a9627c</guid>
				<title>গোধূলির সুর
- অয়ন আবদুল্লাহ
মূল: আফটারনুন সং (শার্ল বোদলেয়ার)
&#x2660;
প্রশ্নবিদ্ধ স্বভাবে যদিও
দুষ্টু ভ্রুজোড়া ডাকে ইশারায়;
নচ্ছার দুনিয়ার যতো কুবুদ্ধি নিয়ে
ডাকিনী চোখের মুগ্ধতায়।

বিষম বোকা আবেগগুলোকে
তবুও করি আলিঙ্গণ;
ভক্তিতে নতজানু হই,
সেজদারত বিশ্বাসী যেমন।

অগোছালো খোঁপায় লুকানো
মরুর ঘ্রাণ, সতেজ বন;
অচেনা অবয়বের সীমানা জুড়ে
অপ্রকাশিত এক আমন্ত্রণ।

তনয়া শরীরের সুগন্ধি প্রবাহ
ধুপের মতো ভাসে চারিধারে;
প্রতারিত বিশ্বাস ডুব দেয়
সন্ধ্যের তৃষ্ণার্ত জলাধারে।

শরাবের তীব্রতাও হার মানে
সেই কামার্ত আলস্যের কাছে;
ঠোঁটের অধিকার নিয়ে বাঁচে
মৃত্যুর প্রত্যাশী যারা আছে।

নগ্ন পিঠ আর স্তনের সাথে
নিতম্বের গহীন দোলা;
অবসন্ন সে প্রণয়লগ্ন
যায় না কখনো ভোলা।

আজীবন সে ক্ষুধা
অতৃপ্তির উম্মাদনায় মত্ত;
সংগমের করাল থাবায়
বিস্মিত আমি, ক্ষত বিক্ষত।

বর্বর সে প্রেমে আমি
পাগল হয়েছি, হয়েছি ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন
অতঃপর, চাঁদের কোমলতার মতোন
গভীর দৃষ্টি শোষিত হৃদয়কে করেছে আচ্ছন্ন

চামড়ার হাইহিলে মোড়ানো
রেশমী সেই পদতলে আছে নিষ্ঠ
আমার সমস্ত আনন্দ,
সকল প্রতিভা আর আমার অদৃষ্ট

আমার আত্মা জেগে ওঠে
আলোর উজ্জ্বল আহবানে;
শহরের আঁধার কেটে ছুটি
রাত্রীর রঙ্গিন অভিযানে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187508/</link>
				<pubDate>Tue, 03 Jan 2023 11:23:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গোধূলির সুর<br />
&#8211; অয়ন আবদুল্লাহ<br />
মূল: আফটারনুন সং (শার্ল বোদলেয়ার)<br />
&#x2660;<br />
প্রশ্নবিদ্ধ স্বভাবে যদিও<br />
দুষ্টু ভ্রুজোড়া ডাকে ইশারায়;<br />
নচ্ছার দুনিয়ার যতো কুবুদ্ধি নিয়ে<br />
ডাকিনী চোখের মুগ্ধতায়।</p>
<p>বিষম বোকা আবেগগুলোকে<br />
তবুও করি আলিঙ্গণ;<br />
ভক্তিতে নতজানু হই,<br />
সেজদারত বিশ্বাসী যেমন।</p>
<p>অগোছালো খোঁপায় লুকানো<br />
মরুর ঘ্রাণ, সতেজ বন;<br />
অচেনা অবয়বের স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187508"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187508/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">192fbecd634d594145322d78e689a65d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187203/</link>
				<pubDate>Mon, 02 Jan 2023 11:27:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">437b8bda7808b970066f8ef04b59ff38</guid>
				<title>শেষযাত্রা
&#x2660;
অস্থীর গভীরে লুকিয়ে আছে এক নারী;
অনাবৃত চোখে তার ডুবে গ্যাছে সন্ধ্যের বেদনা।
দুপুরের বৈরী রোদে থেমে যাওয়া পথের মতোন
সে-ও লুটিয়ে পড়ে নীরবতার গালিচায়।

যৌবন হারানো নদীটিকে 
বুকে নিয়ে উড়ে যায় শুভ্র বিকেল।
পাতার মর্মরে লুকিয়ে আছে এক বিষাদ কবিতা
দৃষ্টির সীমানায় সূতোকাটা ঘুড়ির অভিশাপ নিয়ে।

ক্লান্তি, বহুযুগ ধরে ঝুলে আছে শরীরে;
দ্বিধাগ্রস্ত পা হেঁটে যাচ্ছে অনন্তের পানে।
যেখানে বৈরী রোদ চুমু খায় নদীর বুকে
আর পথের উপর ঝরে পড়ে পড়ে অভিশপ্ত বৃক্ষপল্লব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/187197/</link>
				<pubDate>Mon, 02 Jan 2023 10:10:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষযাত্রা<br />
&#x2660;<br />
অস্থীর গভীরে লুকিয়ে আছে এক নারী;<br />
অনাবৃত চোখে তার ডুবে গ্যাছে সন্ধ্যের বেদনা।<br />
দুপুরের বৈরী রোদে থেমে যাওয়া পথের মতোন<br />
সে-ও লুটিয়ে পড়ে নীরবতার গালিচায়।</p>
<p>যৌবন হারানো নদীটিকে<br />
বুকে নিয়ে উড়ে যায় শুভ্র বিকেল।<br />
পাতার মর্মরে লুকিয়ে আছে এক বিষাদ কবিতা<br />
দৃষ্টির সীমানায় সূতোকাটা ঘুড়ির অভিশাপ নিয়ে।</p>
<p>ক্লান্তি, বহুযুগ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-187197"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/187197/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6bb49ce289f332173df0465fc212296a</guid>
				<title>মৃত্যুর শুভ্রতা
-  অয়ন আবদুল্লাহ
(মূল কবিতা: ব্লুম এন্ড পাস অ্যাওয়ে- সার্গেই ইয়েসেনিন)
&#x2660;
কোনো আফসোস নয়, নয় চোখের জল
সব বিলীন হবে, জমে থাকা কুয়াশার মতোন।
শুভ্রতা হারিয়ে মলিন হবে যা কিছু উজ্জ্বল,
যৌবন ফিরে হায় আসবে না তখন।

শীতল স্পর্শে আমি করেছি অনুভব
এতোটা দারুণ আগে লাগেনি কভু।
সবুজ ঘাসের বুকে হেঁটে যাওয়া এইসব
আনন্দগুলো আর বিস্মিত করে না, প্রভু!

যাযাবর হৃদয়; সে তো কখনোই আর
আলোড়ন তুলবে না ঠোঁটের আগুনে।
আমার পবিত্রতা গলে যায় বারবার
প্রবল দৃষ্টি আর আবেগী ফাগুনে।

এখন আর আমি অতো হই না ব্যাকুল,
জীবনটা এতো দ্রুত কি যাবে ফুরিয়ে?
মনে হয় এইতো ফুটেছে সকালের ফুল;
দুরন্ত ঘোড়া ছুটছে অতীতের ধুলো উড়িয়ে।

অনুগ্রহের আশায় এগিয়ে যাচ্ছি ধ্বংসের পানে;
সতেজ পাতা যেমন, ধূসরতায় ঢেকে যায় ধীরে ধীরে।
তোমরা আজীবন ডুবে থাকো মুক্তির গানে,
আলো নিয়ে এসেছিলে যারা এই মৃত্যুর ভিড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186594/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Dec 2022 06:12:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মৃত্যুর শুভ্রতা<br />
&#8211;  অয়ন আবদুল্লাহ<br />
(মূল কবিতা: ব্লুম এন্ড পাস অ্যাওয়ে- সার্গেই ইয়েসেনিন)<br />
&#x2660;<br />
কোনো আফসোস নয়, নয় চোখের জল<br />
সব বিলীন হবে, জমে থাকা কুয়াশার মতোন।<br />
শুভ্রতা হারিয়ে মলিন হবে যা কিছু উজ্জ্বল,<br />
যৌবন ফিরে হায় আসবে না তখন।</p>
<p>শীতল স্পর্শে আমি করেছি অনুভব<br />
এতোটা দারুণ আগে লাগেনি কভু।<br />
সবুজ ঘাসের বুকে হেঁটে যাওয়া এইসব<br />
আনন্দগুলো আর বিস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186594"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186594/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e1f5686fd536f4a69424a29c681a3b2</guid>
				<title>অ-বিকৃত
&#x2660;
একদিন তো আমরাও ছিলাম
তোমাদের মতোন ঈশ্বরের পুত্র।
আজ তবে কেন বলো
সমাপ্তির রেখা ধরে সরে যাও দূরে।
কেন প্রকাশিত নির্জনতা জেঁকে বসে থাকে?
কেন এমন রং বদলে যায় ফাগুনের?
সবাই ভুলে যায়, 
কিছুই আর থাকে না স্মৃতির তলানিতে। 

তবু, সাইরেন বাজে-
বহুদূর থেকে ডেকে ওঠে ভগবান।
বলে- দ্যাখো, ক্ষুধা সাজিয়ে রেখেছি পাতে।
দ্যাখো, পিপাসায় ভরে গ্যাছে তোমার চোখ।
সময়ের জলসাঘরে নেচে ওঠে তনয়া শরীর,
সেই ঝঙ্কারে ঘুম ভেঙে জেগে ওঠে খোদা।
মসজিদে মানুষ ডেকে নিয়ে,
নিজে ঢুকে পড়ে নরকের পানশালায়।

হায়, এভাবেই মানুষ কি তবে ধোকা খেয়ে যাবে?
এভাবেই কি ফুরিয়ে যাবে বিশ্বাসের আকাশ?
নাও তবে, খুলে দিলাম স্বর্গের ছিপি।
পান কোরে বলো রক্তের স্বাদ কেমন-
নোনতা নাকি মিষ্টি?

মুখ নিচু কোরে রেখে লাভ নেই;
জানি বিক্রি হয়ে গ্যাছে তোমাদের স্বাদ, গন্ধ আর স্পর্শ।
জানি তুমি এবং তোমরা খুঁজে পেয়েছো পথ।
সে পথ কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা, 
সে পথ পেরোতে পারে কেবল বিস্মৃত বোকারা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186481/</link>
				<pubDate>Wed, 28 Dec 2022 10:10:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অ-বিকৃত<br />
&#x2660;<br />
একদিন তো আমরাও ছিলাম<br />
তোমাদের মতোন ঈশ্বরের পুত্র।<br />
আজ তবে কেন বলো<br />
সমাপ্তির রেখা ধরে সরে যাও দূরে।<br />
কেন প্রকাশিত নির্জনতা জেঁকে বসে থাকে?<br />
কেন এমন রং বদলে যায় ফাগুনের?<br />
সবাই ভুলে যায়,<br />
কিছুই আর থাকে না স্মৃতির তলানিতে। </p>
<p>তবু, সাইরেন বাজে-<br />
বহুদূর থেকে ডেকে ওঠে ভগবান।<br />
বলে- দ্যাখো, ক্ষুধা সাজিয়ে রেখেছি পাতে।<br />
দ্যাখো, পিপাসা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186481"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186481/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>