<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ঠিকানাহীন অরণ্য | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/vobertale-aranna/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/vobertale-aranna/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ঠিকানাহীন অরণ্য.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 15:59:13 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a115aa76032dcc760dfd82a45dab03fb</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and পিউরা পিউ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/154813/</link>
				<pubDate>Sun, 02 Oct 2022 02:42:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d14ba535d8ec9debfb3869b0b68d4f77</guid>
				<title>অরণ্যের ডায়রী-

&quot;রিক্সায় রমনার পথে&quot;

&#039;সকাল আটটায় বাসার সামনে থেকো! এক সেকেন্ডও যেন লেট না হয়।&#039; 

বেলা এগারোটার সময় কল রিসিভ করে বলবে এই তো চলেই এসেছি। এর মাঝে আরো গোটা চারেক কাপ চা খাওয়া হয়ে যায়। 

&#039;এই নাও ধরো!&#039;
হাতে কয়েকটা ব্যাগ ধরিয়ে দেয় ও। খাবার দাবার রেধে নিয়ে এসেছে। 
&#039;এই তোমার সকাল আট টা? জানো কতক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম?&#039;

&#039;জানি, এটাই তোমার প্রেমের সবক, সারাজীবন অনেক প্রতীক্ষা করতে হবে।৷ এই ধরো আমি অসুস্থ, ঘুমিয়ে আছি আমার জন্য খাবার নিয়ে অপেক্ষা করতে হবে, আমি হাসপাতালে ভর্তি আছি তোমাকে মহিলা ওয়ার্ড এ ঢুকতে দিলোনা তো বাইরে সারারাত অপেক্ষা করতে হবে- এতো অপেক্ষা তুমি হুট করে তো করতে পারবেনা তাই এখন থেকেই সবক দিচ্ছি।&#039;

প্রথম ভাবতাম ও আটটায় আসতে বললে যাবো এগারোটায় কিন্তু একদিন আধ ঘন্টা দেরী হওয়াতে যা শুনতে হলো কিনা!

&#039;আমি সকালে উঠি, তোমার জন্য রান্না বান্না করি। পকেটে তো মাল নেই, বাইরে কি খাওয়াবে? তোমার যেন বাড়তি টাকা খরচ না হয় তাই খাবার নিয়ে আসি, তোমার জন্য সাজি,  তারপর সব ঠিক আছে কি না দেখে তারপর আসি&#039;

ওর প্রতি শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতায় মন ভরে যায়। আজকালকার প্রেমিকা তো পকেটের টাকার প্রেমে পড়ে, স্ট্যটাসের প্রেমে পড়ে, স্যলারীর প্রেমে পড়ে 
প্রেমিক মেয়ের রুপের প্রেমে পড়ে। এই যে রুপের আর পজিশনের বেচা কেনা তাতে কি সত্যই প্রেম থাকে? বোঝাপড়া থাকে? অপেক্ষা থাকে? অনুভূতি থাকে?
কিছুদিন স্বপ্ন দেখে বাচা, তারপর বাচ্চা হলে কি করবে তা ভাবা? তারপর বাচ্চার ডায়াপার আর ল্যাক্টোজেনের ব্যবস্থা করা? তারপর থেকে পজিশন ধরার যুদ্ধে লিপ্ত স্বামী আর কোচিং এর পেছনে ছুটতে থাকা স্ত্রী। 
নিজেদের জীবনের পাওনা টা কি?

রুটিন করে সারাদিন শেষে খাটে শোয়া ফের সকালে তড়িঘড়ি করে নাস্তা খেয়ে ছুট। জীবনকে একটু শান্তি দিতে হবে, সময় দিতে হবে। আমরা বিয়ে করি রুপকে, অর্থ আর বড় বড় পদবীকে। আখেরে অভিনয় করতে করতে যখন ক্লান্ত তখন বুঝি আসলেই নিজের বলে কিছু নেই। তখন নিজেকে অবহেলিত মনে হয়। সত্যই তো জীবনের ভারে রুপ যখন নুয়ে পড়ে, চাহিদার ভারে অর্থ যখন সংকীর্ণ হয়ে যায় তখন কমারশিয়াল সংসারের চালিকাশক্তি কে যোগাবে? 

ভালবাসাই তো নাই। মানুষকে মানুষের জন্য ভালোবাসা উচিৎ। আমার কোন যোগ্যতা নেই এটা জেনেও &#039;আমি&#039; নামক স্বত্মাকে উদ্দেশ্য ভালবাসা হচ্ছে সংসার। আর সংসার চালাতে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে একত্রে এগিয়ে নেয়াটা প্রকৃতির নিয়ম। সেগুলো বিধেয়। 

ও আমার রিক্ত হাত তুলে নিয়েছে হাতে। ভিটেহীন কাধে মাথা রেখে জোছনা রাতে টংয়ের দোকানে বসে চা খেয়েছে। আবছা আলোয় নদীর পাড়ে বসে ছবি তুলে আমাকে বুঝিয়েছে ও কতটা খুশী আমার উপস্থিতিতে। 

স্বভাবতই আমি রুক্ষ এবং ডানপিটে। এর যথেষ্ট কারনও ছিলো। আমাদের মতো মধ্যবিত্তেরা কিল ঘুষি খেতে খেতে কঠিন হয়ে যায়। জীবনে সরল হতে গিয়ে ঠকে ঠকে জটিল হয়ে যায়, স্বপ্ন দেখতে দেখতে আর সফলতার বানী শুনতে শুনতে আড়ষ্ট হয়ে যায়। এমনকি জীবন থেকে জীবনটাই হারিয়ে যায়। সে অবস্থা থেকে আশীর্বাদ হয়ে হঠাৎ যদি কেউ নিঃস্বার্থ ভালবাসা দিয়ে আমার উপস্থিতিকে এতো মহামূল্যবান করে তুলে তার জন্য অপেক্ষা কেন গোটা সমাজকে তুড়ি মেরে দেয়া যায়।

কিন্তু তবু শুন্যের উপর ভর করে জীবনে সফল হয় এ অমীয় পচা বানী শুনতে চাইনা। ভালবাসায় ফাগুন আসে স্বচ্ছলতায়, এটা ভালোবাসার অধিকার। নয়তো সময়ের অভাবে মনের মিল হবেনা, আর সময় দিলে অর্থ অভাবে সংসার চলবেনা। 
এই দুই বিপরীতমুখী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মোহনায় সেতুবন্ধন করতে পারে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা, একে অপরের স্মত্তাকে ভালবাসা।

সম্পর্ক একটা দরপন। যদি কেউ আপনাকে আত্মা থেকে ভালবাসে তবে তা আপনাকে বদলে দিবে, আপনিও ভালবেসে ফেলবেন, পরিবর্তন হবে স্বভাব ও চরিত্র,  বাড়বে বিশ্বাস ও ভক্তি, নতুন করে বেচে থাকার উচ্ছাস জাগবে মনে। আর যদি সেখানে জাগতিকতা চলে আসে, কমারশিয়াল স্বার্থ চলে আসে, প্রেমহীন কাম প্রবল হয় তবে তা সম্পর্কের দরপর চূর্ণ বিচূর্ণ করে ফেলে। আর কোনদিন সে সম্পর্ক জুড়েনা। তবু মানুষ সুখে থাকার অভিনয় করে চলে। কেউ বা আমন্ত্রন জানায় আগন্তুক অতিথিকে। 
সে অতিথি শূন্য জায়গাটাকে ভরিয়েও দিতে পারে আবার শুন্যতাকে পুজি করে কামিয়েও নিতে পারে। 

আমি কোনদিন দেয়া নেয়ার জড়বাদী সম্পর্কে বিশ্বাসী নই। কোনকিছুই জানলেন না হঠাৎ এক কাগজ এলো। পদবী আর মোটা অংকের বেতন দেখে শুক্কুর আল হামদুলিল্লাহ বলে শুরু হয়ে গেলো অদ্ভুত সম্পর্ক।  তো এই সম্পর্ক কি সত্যিই নিজেদের জন্য বাঁচে নাকি কোন বংশ পরম্পরা ও সমাজের চাহিদা পুরণ করতে টিকে থাকে?

যা চাইতাম তাই যেন অনুবাদ হয়ে বাস্তবরুপ নিয়েছে ওর বেশ নিয়ে। 

&#039;এই রিক্সা! &#039;
রিক্সা ওয়ালা এক চাচা।
তিনি আসলেন। একটা চাচা আগে ডেকেছিলেন কিন্তু রিক্সাওয়ালা সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করলেন না। 
চাচারাও সুন্দরী মেয়ে দেখে রিক্সায় তুলে চাকুরীর বিজ্ঞাপনের মতোই। &#039;অমুক প্রতিষ্ঠানে দুজন মহিলা রিসিপশনিস্ট নেয়া হবে। বিঃদ্রঃ আকর্ষণীয় ও সুন্দরী হতে হবে।&#039; 
রিক্সাওয়ালারা এই চিন্তা করে যে তারা কথা বার্তার ফাকে দু একটা তারিফ করে বাড়তি ভাড়া বাগিয়ে নিবে।
অন্তিকা তেমন নয়, আগে ফুরিয়ে নেয়। ও বলে আগের ঝামেলা ভালো পরে হওয়ার চে।
রিক্সায় বসে পড়লাম। 

&#039;আপা! কোথায় যাবো?&#039;
&#039;রমনায় চলেন&#039;

রিক্সা এগিয়্ব চলেছে। আমি গতানুগতিক প্রেমিকদের মতো তারিফ শুরু করলাম
&#039;অন্তিকা! যা লাগছে তোমাকে উফ! উচ্চ নথযুক্ত নাসিকার নীচে শোভিত পুষ্পিত ঠোঁট জোড়া, 
তিলের জোনাকী গালেতে তোমার
হরিনী লোচন নজরকাড়া!!&#039;

&#039;বলো! বলো! আমি বেশ আহ্লাদিত হচ্ছি&#039;
&#039;এই তো দিলে থামিয়ে!&#039;
&#039;সত্যি বলতে অরণ্য, তুমি তুমিই, তোমাকে এগুলো মানায়না। তোমার রুক্ষ সাদাসিধা ভাষায়, তোমার চোখে মুখে ও চাল চলনে যে ভালবাসা প্রকাশ পায় সেটাই আমার সম্পদ। অনেকে চায় বদলিয়ে দিতে। আমি চাই তুমি তোমারর মতোই থাকো!&#039;

সত্যিই, সম্পর্ক ও বোঝাপড়া ঠিক রাখতে যতটুকু পরিবর্তন প্রয়োজন তা ঠিক আছে কিন্তু মানুষের স্বত্মাগত কিছু বৈশিষ্ট আছে তা কারো জন্যই পরিবর্তন করা ঠিক নয়। কারন ওটাই প্রতিটি স্বতন্ত্র ব্যক্তির আলাদা সৌন্দর্য।

&#039;তবু তোমার মুখে তারিফ শুনতে ভালো লাগে কারন দিনশেষে আমিও একজন নারী,  এটা জেনেও যে তোমার স্বভাবে এটা যায়না। মাঝে সাঝে আমাদের ভালবাসা প্রকাশ করাও উচিৎ। একটু স্বগোতক্তি, একটু কৃতজ্ঞতা জানানো সম্পর্কে প্রেমের জোয়ার সৃষ্টি করে।&#039;

 &#039;আপা! নামেন, রমনায় আইসা পরসি।&#039;

দেখলাম ওর চোখদুটো ছল ছল করছে। আমার সাথে থাকলে ও পুরোই বাচ্চাদের মতো ইমোশনাল হয়ে যায়, হাসে, কাঁদে, কবিতা আবৃত্তি করে,  গান গায়।

কখনও কখনও আপনার সংগী বা সংগীনীর চাল চলন আপনাকে বলে দিবে আপনি কি আত্মার সেই সাথীটি হতে পেরেছেন কি না যে একমাত্র উদ্দেশ্য, যার উপস্থিতিই প্রেম, যার অনুভুতিই ভালবাসা, যাকে পাওয়াটাই বড় সম্পদ।

শুকরিয়া! তেমনি একজন তুমি- অন্তিকা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/146882/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 19:17:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অরণ্যের ডায়রী-</p>
<p>&#8220;রিক্সায় রমনার পথে&#8221;</p>
<p>&#8216;সকাল আটটায় বাসার সামনে থেকো! এক সেকেন্ডও যেন লেট না হয়।&#8217; </p>
<p>বেলা এগারোটার সময় কল রিসিভ করে বলবে এই তো চলেই এসেছি। এর মাঝে আরো গোটা চারেক কাপ চা খাওয়া হয়ে যায়। </p>
<p>&#8216;এই নাও ধরো!&#8217;<br />
হাতে কয়েকটা ব্যাগ ধরিয়ে দেয় ও। খাবার দাবার রেধে নিয়ে এসেছে।<br />
&#8216;এই তোমার সকাল আট টা? জানো কতক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম?&#8217;</p>
<p>&#8216;জানি, এটাই তোমার প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-146882"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/146882/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f15cc52fa2f349c41ff955134f703cc7</guid>
				<title>শৈশব থেকে অনন্তকাল 

ছত্রাক

ভুত বা জিনে অনেকে বিশ্বাস করেনা, না দেখে অনেকে অনেক কিছু বিশ্বাস করেনা, কিন্তু বিজ্ঞানী যদি আকাশের উপর কিছু বলে তা না দেখেই বিশ্বাস করাটাই বৈজ্ঞানিক হয়ে যায়- এ নিয়ে কিছু বললেই সেকেলে। 

করোনা ভাইরাস কেউ দেখেনা তবু মাস্ক পড়ে এমন বড় বড় চোখে তাকাতো যেন স্বয়ং যমদূত দেখতে পেয়ে গেছে। এই করোনা নিয়ে একটা মজার থিসিস আছে। নিজের মতো আর কি! অতি বৈজ্ঞানিক চোখে সাহিত্য, কবিতা বা গল্প চষতে যাওয়া ঠিক নয় তবে নির্মল জলে জোছনা কখনই দেখতে পাবেন না।

জ্বীনের বিষয়টাও তেমনি। খোদাই জানেন কি কি তিনি বানিয়েছেন। আমাদের সাধ্যি কোথায় আমরা অসীম হয়ে সসীমের কষ্টি উদ্ধার করবো? সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবো? প্রথমে তো ভুত বা জ্বীন বলতে আলাদীনের চেরাগের ভুত বা মনের আশা পুরণ করার ভুত জানতাম। আমাদের ছোট্ট বাড়ি আর ওটাকেই আমরা বাসাই বলি। বাড়ি বা বাসা যাই হোক টিনে ঘেরা। উপরে চার চালা টিন। দুটি রুম। একটায় বাবা মা, অপরটিতে আমি আর পিঠাপিঠি ভাইটি। লেখালেখিতে ছদ্মনাম দিতে আমার বেশ লাগে এতে সহজেই বকাবাদ্য করা যায়, বিতর্কিত চরিত্রদের সত্যটা বলা যায় কেস না খেয়েই৷ তাই ওর একটা ছদ্মনাম দেয়া দরকার। তাবরিজ। এটাই চলুক। 
এই নামটা আমার খুউব প্রিয়। মহামণিষী শামস তাবরিজীর নাম। 

বাড়ির পাশেই একটা জংগল। জংগল এর মাঝ দিয়ে গেছে খাল, তার দুপাশে বাঁশঝাড়। ভেতরে প্রবেশ করলে সুপারি গাছ, কড়ই গাছ, বটগাছ, নানা লতাপাতা চোখে পড়বে, তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও ভুতুড়ে করে তোলে খালের দু পাশে থাকা বাঁশঝাড়গুলো। বৃষ্টি খুউব হলে পাখিগুলো চুপসে কড়ই গাছ ও আশে পাশের গাছে আশ্রয় নেয়। আর বৃষ্টি থেমে গেলে পুরো ছবিই অন্যরকম।
খাল যেন খরস্রোতা নদীতে পরিণত হয়, গাছ গাছালীর নিম্নাংশ জলের নিচে। সব জলে একাকার। সেই সাথে যোগ দেয় বাঁশঝাড়ে বসে পেঁচার অদ্ভুত ডাক। 
সেই সময় আমি হেটে হেটে কোমর পরিমান জলে বাঁশঝাড়ের ধারে যেতাম।

ডালের দিকে তাকিয়ে ভাবতাম যদি একটা জ্বীনের সাথে পরিচিত হতে পারতাম, বন্ধুত্ব করতে পারতাম, তাহলে কাড়ি কাড়ি টাকা চেয়ে নিতাম, বাড়ি চেয়ে নিতাম। ছোট থেকেই আমাদের শেখানো হয় এটাই তুমি যা-ই হও না কেন টাকা-কড়ি থাকলে তুমি সেলাম পাবে, আত্মীয় স্বজনের সোহাগ ভাজন হবে, সবাই তোমার জন্য ভাববে, একটা ভালো বউ পাবে আহ কত কি! এইজন্যই তো আজকের ছিচকে চোর মার খায়, বড় চোর সেলাম পায়। আজকের মধ্যবিত্ত লম্পট ইভ টিজার, বা গরীব দেহের বিনিময়ে ক্ষুধা নিবারনকারীকে বলে বেশ্যা আর রুপালী পর্দায় যখন কেউ টিজ করে, অশ্লীল কাজ করে, প্রেম দেখাতে গায়ে হাত দেয় বা কাপড়ে টান দেয়, বিছানায় যায় বা অভিনয় করে তাকে আমরা বলি হিরো বা হিরোইন, সোজা বাংলায় নায়ক-নায়িকা। ছোট থেকে একটাই জিনিষ শেখানো হয় জীবনের উদ্দেশ্য বড়লোক হওয়া।
রাজকুমার হওয়ার গল্প, রানীকে পাওয়ার গল্প, হঠাৎ অর্থ লাভে সারাজীবন সুখে বসবাস করার গল্প। মূল কথা অর্থ থাকলে সারা জীবন শান্তিতে থাকতে পারবে। 

সেই স্বপ্ন দেখা আমি ডালে ডালে জ্বিন খুজতাম। তো একদিন প্রাইভেট টিউটরের কাছে যাচ্ছি, ভাবলাম এই জংগলের ভেতর দিয়েই যাবো। দেখি কড়ই গাছের ডালে একটা অদ্ভুত মহিলা বসে বই পড়ছে। জট বাধা চুল ধূসর চেহারার। বাস্তবে আলিফ লায়লা বা ভূতের সিরিয়ালগুলোর সাথে কোন মিল ই নাই। 
সে ভেবেছিলো আমি দৌড়ে পালাবো। কিন্তু একেতো বড়লোক হওয়ার ইচ্ছে। এই বয়সে টাকা পয়সা পেলে আর কিসের পড়া লেখা। উদ্দেশ্য তো মানুষ হওয়া নয়, শিক্ষিত হওয়া নয়৷ 
&#039;পড়ালেখা করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে&#039; - তা গাড়ি ঘোড়া যদি এখনই পেয়ে যাই পড়ে কি করবো?

আমি সেই গাছের দিকে এগিয়ে যেতেই মহিলাটি নড়ে উঠলো। তারপর ডালের নিচে গিয়ে কিছু বলতে যাবো দেখি কেউ নেই ওখানে। হয়তো তার জীবনে আমিই প্রথম যে নাকি তাকে দেখে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। আসলে চোখে মুখে যে স্বপ্ন তার একটা কেরামতি তো ছিলোই। আজো সেই কেরামতিই আমাদের জীবনকে যান্ত্রিক করে ফেলছে। প্রতিদিন আমরা চামড়ার মানুষ হয়েও যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি। &#039;আধুনিকতা&#039; নাম দিয়ে মানবতার শ্রাদ্ধ করে ডুগডুগি বাজাচ্ছি।

আমি ঠিক তো জগৎ ঠিক, কোন ঝাপড়ার কোন মানুষের জমি হরণ করা হচ্ছে, কোন ছেলেটি মামু কাকু না থাকার জন্য চাকুরী না পেয়ে নেশাখোর হচ্ছে, সুরসুরি ভরা সমাজে সিনেমার নায়ক হতে গিয়ে আখিয়ো সে গোলি মেরে জেলে বসে ছক কষছে কিভাবে মেয়েটার প্রতিশোধ নেয়া যায়।
জড়বাদি বিশ্ব আমাদের সেই স্বপ্নীল ধাধায় মোহিত করে কিন্তু এর নেপথ্যে থাকা ধ্বংশের খবর দেয়না।

একদিন এক অদ্ভুত লোক এলো পাতিলে একটা রুটি। ওটা রেখে দিলে নাকি আরেকটা রুটি হয়। সবাই উৎসুক। লোকটাকে খাওয়ালো, যত্ন করে একদিন রাখলো। পরেরদিন সবাই মিলে দেখতে এলো। কচি-কাচা থেকে শুরু করে মুরুব্বীরা পর্যন্ত ভীড় জমালো। 

এর মাঝে সগীর সাহেব, এটাও ছদ্ম নাম, কোন না কোন ভাবে সম্পর্কে মামা হোন, নেতাগোছ টাইপের। তিনি সবসময় চাইতেন সবার নজর তার উপর থাকুক, একটু আধটু ইংরেজিতে কথা বলতেন তো সকলেই পন্ডিত ভাবতো। এখনও সবখানে পন্ডিতি বুঝাতে ইংরেজি বুলি দিয়ে সাহেবের কদর বুঝানো হয়। আসলে আমরা স্বাধীন হলেও মানসিকভাবে দাসই থেকে গেলাম। এই দাসত্ব নিয়ে কোন একদিন কথা হবে।

সগীর সাহেব পরীক্ষা করে দেখলেন ও দেখালেন। সবাই রীতিমতো বিস্মিত হলো। আমরা বলতে লাগলাম রুটির বাচ্চা। সগীর সাহেব উপস্থিত সকলের কাছে টাকা উঠিয়ে অদ্ভুত রুটি কিনে নিলেন এবং লোকটাকে যথাযথ সম্মান করে বিদায় দিলেন।

এরপর যে কেউ আসতো, দেখানোর জন্য তিনি একটা ফি নিতেন। সবাই দেখে ফি না দিয়েই চলে যেতো। তাই তিনি মনস্থির করলেন কাওকে দিয়ে দিবেন। আহমদ সাহেব, তিনিও সম্পর্কে কোন দিক থেকে মামা, যেহেতু সবাই একসাথে থাকা হতো তো কোন না কোন সম্বোধন তো করতেই হতো। তিনি বাসার আংগিনায় যেদিন থেকে তিনি রাখা শুরু করলেন কেরামতি দেখালো রুটি। প্রতিদিন খুললেই আরেকটা রুটি। কিন্তু ভয়েই কেউ নিতোনা। জলের মাঝে রুটি। অদ্ভুত বলে কথা। 
পাড়ায় মহল্লায় ছড়িয়ে গেলে ভীড় আরো বাড়তে থাকলে সগীর সাহেবের মনে ধরলোনা। মানুষের ভীড় আহমদ সাহেবকে মনযোগের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে তুলছে তা কি সহ্য করা যায়। হঠাৎ তিনি কয়েকজন দিয়ে রটিয়ে দিলেন এটা জ্বীনের কাজ। তখন জ্বীনের দোহায় দিয়ে বহু পাপ করা হতো।
মেয়েকে জ্বীন ধরেছে আর কি না কি করেছে, জ্বীন নাকি ডোবায় মেরে পুতে দিয়েছে। এ কাহিনীগুলো ফের  একবার করোনা ভাইরাস মনে করিয়ে দিলো।

করোনা ভাইরাসের শুরুর দিকে হঠাৎই ইউরোপীয় অনুকরনে খালে বিলে মানুষ মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর রহস্য কি? এর নেপথ্যে কি তা আজো জানা সম্ভব হয়নি কারন তখন পোষ্টমোরটেমটাও হয়নি ভয়ে। আমাদের এ দেশে ময়লা শ্রমিক থেকে নিয়ে হরিজন পর্যন্ত কেউ বিশেষ আক্রান্ত হয়নি। যারা ভাইরাস রোধে বড় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তারা নিজেরাই প্রতিষেধক বিষে আক্রান্ত হয়ে মরেছে। আজো এর সঠিক লক্ষণ বের হয়নি, কিন্তু বানিজ্য কম হয়নি এর প্রতিষেধক ও ভ্যক্সিন নিয়ে। আগামী শতকের হাতে এ রহস্য অর্পন করে যাওয়া যাক রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষদের কাছে। 

কারো জায়গা নিয়ে সমস্যা, কেউ প্রবাসেই সংসার হারিয়ে ফেলেছিলো টের পায়নি, কেউ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ- বিশেষ করে মানুষ যখন কারো উপর বিশ্বাস করে ভালবেসে সে তখন এতোটাই অসহায় হয়ে যায় যে নিজের সবটুকু স্বত্মা অন্যের বিশ্বাসে সমর্পন করে দেয়। সেখানে কেউ পিঠে আঘাত করলে উহ বলার সময়টাও পায়না। এই জড়বাদি লোভী সমাজে আগেও জ্বীনের নামে অনেক কিছু হয়েছে, এখনও হচ্ছে। কেউ কালা জাদুর নামে বা কেউ করোনার সুযোগ নিয়ে।

বিষয়গুলোকে আমরা মেকী আধুনিকতার ন্যাকা রুপালী জোছনার আড়ালে ঢাকিয়ে ফোটোসেসানে উচ্চাবিলাসী সম্পর্কে দেখানো হাসি দিয়ে এড়িয়ে গেলেও অজান্তেই বাস্তবতা আমাদের কুড়ে কুড়ে খায়। 
আমরা সত্যিই ভালো নেই, তাই ভালো না থাকাটাকেই সমাজের সফলতা বানিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছি।

জ্বীনের রুটি কথাটা রটার সাথে সাথেই আশ পাশের লোকের চাপে রুটিগুলোকে পাতিল সমেত পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। 
ক বছর বাদে এক নানা, যিনি আবার আমার দিদার দুধ ভাই, তিনি একজন গণিতের প্রফেসার ছিলেন। তিনি শুনে বললেন যে ভয়ের কিছু নেই রুটিগুলো আসলে বড় ছত্রাক। এরা জলের মধ্যে বদ্ধ জায়গায় আরো ছত্রাকের জন্ম দেয়। 
কিন্তু সবগুলোই একই ধরনের রুটির মতো কেন হতো তা তিনি বলেন নি।

তিনি আসার আগ পর্যন্ত রাতে আমরা পুকুরের ধার দিয়ে সাবধানে যেতাম। অনেক পুকুরে নাকি রহস্য লুকিয়ে থাকে, প্রতিবছরই কেউ না কেউ ডুবে মরে। 
এরই ফাঁকে এক দুজন কে এও দাবী করতে শুনেছি তারা প্রায় এমন ফাদে পড়েছিলো। যেই নাকি ডুব দিয়েছে তখন কোথা থেকে একটা শেকল পায়ে প্রায় জড়িয়েই ফেলছিলো। এগুলো শুনে আমরাও ভয় পেতাম। তবে এটা ঠিক যেগুলো পুকুরে প্রতিবছর মানুষ মরে বিশেষ করে বাচ্চারা সেসব পুকুরে আজো নাকি প্রতিবছর রহস্যজনক ভাবে মানুষ মারা যায়। 

(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/146468/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 02:40:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শৈশব থেকে অনন্তকাল </p>
<p>ছত্রাক</p>
<p>ভুত বা জিনে অনেকে বিশ্বাস করেনা, না দেখে অনেকে অনেক কিছু বিশ্বাস করেনা, কিন্তু বিজ্ঞানী যদি আকাশের উপর কিছু বলে তা না দেখেই বিশ্বাস করাটাই বৈজ্ঞানিক হয়ে যায়- এ নিয়ে কিছু বললেই সেকেলে। </p>
<p>করোনা ভাইরাস কেউ দেখেনা তবু মাস্ক পড়ে এমন বড় বড় চোখে তাকাতো যেন স্বয়ং যমদূত দেখতে পেয়ে গেছে। এই করোনা নিয়ে একটা মজার থিসিস আছে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-146468"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/146468/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">302b473e2dc5151e19a84617aa87b9c7</guid>
				<title>অরণ্যের ডায়রী - 

সংজ্ঞা-হীন প্রেম 

&#039;ওই তোকে যে আমি এতো গাল দেই তোর মনে কি একটুও লাগেনা?&#039;

&#039;স্বাদ লাগে, মনে হয় চম চম খাচ্ছি। সত্যি বলতে তুই যখন রাগ করিস, গাল দেস, কথার খঞ্জর বসিয়ে দেস তখন যদি মন খারাপও হয় তবু আনন্দ পাই। আমাকে তোর এ আচরণ আশ্বস্ত করে যে আমিই তোর আছি। আমার কাছেই তোর যতো প্রেম, যতো রাগ, যতো অভিমান, যতো ভরসা, যতো বিশ্বাস! ক&#039;জনের ভাগ্যে জোটে বল?&#039;

&#039;হয়েছে, হয়েছে, কাঁদাসনে!&#039; 

আমরা কখনও বন্ধু, কখনও শত্রু। শত্রু শত্রু যেভাবে ঝগড়া লাগে সেভাবে আমাদেরও ঝগড়া হয়। সে নির্ভয়ে বলতে পারে &#039;যা! শান্তিতে থাক! আজ থেকে তোর রাস্তা তোর, আমার রাস্তা আমার। তোর মুখটাও যেন না দেখি!&#039;

পরেরদিন যেন কিছুই হয়নি। মুঠোফোনে নতুন বার্তা &#039;শুভ সকাল, কেমন আছো? 

বাইরের যে কেউ ভ্যপাচেকা খেয়ে যাবে। এরা কি দুশমন না বন্ধু? অতি সাধু ফের অতি ছ্যাবলা, অতি ভদ্র ফের অতি দুষ্ট, ভাজা মাছও উলটে খেতে জানেনা,  উহু! বেশী হয়ে গেলো, সংযত ফের বণ্য, হ্যা, এটাই ঠিক সংজ্ঞা। তা না হলে অন্তিকা কি অরন্যের কোলে মাথা রেখে সে ছোট্টকালে কাকে ভালবাসতো সে কথা বলে? 
কার চিঠির অপেক্ষা করতো, বা কে তাকে ভালবাসবে বলে প্রতারনা করেছে তা বলে অঝোরে কান্না করে দিতো? 

ও জানে এখন যার কোলে মাথা রেখে কথা বলছে সে এখন তার খুব কাছের বন্ধু। ট্রেন স্টেশনে আপনার সিটে আগে কে বসেছিলো তা ভেবে আপনার কি কাজ। এখন আপনার সিটে আপনি গন্তব্যে কিভাবে যাবেন সেটা আপনার কাজ। সিটটা এখন আপনার।

জীবন বাহনে মানুষ একা চলতে পারেনা। অনেক লোকের আনাগোনার মাঝে আপনার মনে হতেই পারে যে সে আপনার একান্ত আপন। কিন্তু হয়তো কেবল অভিনয়ের সম্পর্ক,  হয়তো কেবল লেনা দেনার সম্পর্ক,  আপনি তার কাগজের ভার দেখে বিয়ে বসেছেন আর সেও আপনার রুপ আর অনেক হিসেব নিকেষ কষে আপনাকে বাড়িতে এনেছে।
এখন আপনি ছাদের নিচে শুয়ে ভাবছেন তাকে খুশী করা আপনার দায়িত্ব। সেও ভাবছে আপনাকে খুশী করা দায়িত্ব। এ খুশী করার চক্বরে নানাজন নানা বানী দিয়ে, ওষুধি আর টোটকা ধরিয়ে দিয়ে গেছে। আপনারা কিছু না পেয়েও অনেক কিছু পেয়েছেন বলে আত্মপ্রতারণা করছেন।

আপনি কি মন খুলে সমর্পিত হতে পেরেছেন? আপনার চাওয়া পাওয়া কি বলতে পারেন? আপনি চুপ থেকেও কি তার কথা, ব্যথা, ও অনুভুতি বুঝতে পারেন?
রিক্সায় চড়ে হাতে হাত রেখে হারাতে পারেন ভালোবাসায়? 
না পারেন না, রোমান্স নেই, বন্যতা নেই।
বাচ্চা জন্ম দেয়াই সফল সংসার নয়।
বছরের পর বছর একসাথে থাকাই দাম্পত্য জীবন নয়।
আপনি এখনও আপনার কিছু ঐকান্তিক বিষয় লুকোতে হয়, পকেট কাটতে হয়, অন্যের পরামর্শ নিয়ে প্রভাব খাটাতে হয় অথবা অন্যের প্রভাবে আসতে হয়।

এগুলো হচ্ছে যান্ত্রিক সংসার। একজন সাথী আপনার খুব ভালো বন্ধু হতে হবে, একজন ভালো পরামর্শক হতে হবে, একটু ঝগড়াও ভালো কিন্তু- তবে কোনভাবেই ঝগড়া মেটানোর দায়িত্ব তৃতীয় কাওকে দেয়া যাবেনা। প্রয়োজনে কফি খেতে যান, বন্ধুর মতো মিটমাট করে ফেলুন।

ঘুরতে যান, নানা অভিনয়ে রোমান্স করুন। 
বন্যতা নিয়ে আসুন। তবে দেখবেন আপনার সাথী হাজারজনে ভালবাসা না খুঁজে আপনাকেই হাজার ভাবে ভালবাসবে।

বলে কয়ে এগুলো হয়না। আমি না খেয়ে আছি কি অসুস্থ এটা অন্তিকাকে বলে দিতে হয়না। ও আমাকে একটা দারুন জিনিষ শেখালো 
কেবল পুরুষই নারীর মন বুঝবে, সাহায্য করবে, এগিয়ে এসে বিপদে হাত ধরবে তা নয়। 
আত্মার সাথীর মতো নারীটিও প্রয়োজনে পুরুষের শক্তি হবে, সাহস হবে, ও সহযোগী হবে।
যে নারী পুরুষের উপর সব চাপায় সে স্বার্থপর, আর যে পুরুষ সামর্থ্য থাকা স্বত্তেও নারীর পাশে দাড়ায়না বরং নারীর উপর চলে সে কাপুরুষ।

সংসার এক সামঝোতা, মনের, শরীরের, আত্মার
এখানে অনেক কথাই না কয়ে বলতে হয়
অনেক ব্যথাই না অভিব্যক্তি প্রকাশ করে সয়ে যেতে হয়।
প্রেম থাকলে পরে সেখানে কষ্ট থাকেনা।

একবার ফাল্গুনে ও কমলা শাড়িতে এসেছিলো, রাস্তায় হাত ধরে হাটছি। ও জানে আমি বেকার। জেদ ধরে বসলো ও বেলী ফুলের মালা পড়বে। 
আমার চেহারা দেখে ও বুঝে যায়, কিন্তু বুঝতে দিতে চায়না। হাত ধরে নিয়ে গেলো ফুলের দোকানটায়। 

একটা বড় সাইজের মালা কিনে বললো ও পয়সা দিবে। 
আমি দিলাম, ফের খাওয়ালাম। 
&#039;মানিব্যাগ টা দাও&#039; 
আমি দিয়ে দিলাম, মোটেও প্রস্তুত ছিলামনা এর জন্য  সে এক হাজার টাকার নোট বের করে রেখে দিলো।

সে জানে, সে জানে 
সে বুঝে, সে ভালবাসে।

ন্যকা রোমিওর মতো ওয়ালেট টা সামনে রাখিনা। যদি ও চায় তবে আমি বলবো কেন নিতে চাইছো, ও টাকা দিবে আর আমি পকেটস্থ করে বলবো কি দরকার ছিলো এগুলোর?
না কোন ন্যকামো নেই আমাদের। পকেট ফাঁকা তো ফাঁকা।  এর মাঝেই সুখ খুজে নাওয়া। 
আমার কাছে থাকলে চেষ্টা করি যতোটা পারি ওকে দিতে। যাকে তুমি ভালবাসো তুমি চাও সে তোমার মন জুড়াক, চোখ জুড়াক।
আমিও চাই সে হাসুক, সে খুশী থাকুক, সে বাচ্চাদের মতো নেচে উঠুক, কথা বলার সময় হাত মুখ নাড়িয়ে এক স্বপ্নীল আভা ছড়িয়ে দিক।
যদি তুমি ভালোই চাও তবে তোমার থাকাটা বড় বিষয় নয় তার সুখে থাকাটা তোমার কাছে প্রাধান্য পাওয়া উচিৎ । এভাবে দুজন দুজনের ভাল থাকা কামনা করলে সেখানে অন্য কারো হস্তক্ষেপ সম্ভব নয়। তোমার সংগিনীকে তুমি সুন্দরী দেখতে চাও রাতের বেলায় তো তাকে ফিট ও সুন্দর রাখা তোমার দায়িত্ব। আবার একটা দুশো টাকার শাড়ীতে যদি ভালবাসা থাকে তবে তা নিয়ে সংগীকে তোমার খুশী দেখাও। এক্ষেত্রে ভালবাসা আর সামর্থ এর মাঝে এক সামঞ্জস্য থাকা উচিৎ আর তা করে দেয় বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব। 

আর সে যদি তোমাকে ভালো বাসে হাজার অভিযোগ সত্বেও সে আখেরে তোমারই থাকবে তোমাকেই ভালোবাসবে।

আইন-কানুন, ক্যামেরা, ও লোক লাগিয়ে আপনি হয়তো ধরতে পারবেন কিন্তু ভালবাসাকে তো আপনার নিজের করতে পারবেন না। তাই নিঃস্বার্থ ভালবাসা, যৌক্তিক বিশ্বাস, ও সুবিবেচক সিদ্ধান্ত তাকেও আপনাকেও ভালো রাখতে পারে।

প্রার্থনায় দিন শেষে একটাই চাওয়া। সুখে থাকুক সে, পুস্পমাল্য শোভিত হোক তার তিলে আকা ললাট। 
জানি সে ও আমার কথাই ভাবছে।
ঠিক মতো খাচ্ছি কি না, শরীরের ফিটনেস কেমন, বেশী শুকিয়ে যাচ্ছি কি না আরো কত কি!

এতা  ভালবাসা বুকে নিয়ে সে কল করবে আর শুরুতেই কষে একটা গাল দিবে। কত কি বলবে! 
ওমন একজন আত্মার সাথী, বন্ধু, প্রেমিকা, সোহাগিনী,  জীবনসঙ্গিনীর গাল মন্দগুলো কেন মিষ্ট হবেনা শুনি!

কাটা ক্ষতে যেমন একটু পর পর ব্যথায় চিন চিন করে উঠে তেমনি তোর দূরে থাকার বিরহের উত্তপ্ত কড়াইয়ে সেদ্ধ মনটা ছটফট করে উঠে। 

তোর গলার কন্ঠ শুনে ঠান্ডা হয়৷ তোর অনেকক্ষনের নিরবতায় আতংকিত হয়। আর চোখে চোখ পড়লে কি হয় বলতো? 
চুপ করে বলো!  শশশ! শশশ!
তুমি তো আবার একটুতেই......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/146257/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Sep 2022 13:23:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অরণ্যের ডায়রী &#8211; </p>
<p>সংজ্ঞা-হীন প্রেম </p>
<p>&#8216;ওই তোকে যে আমি এতো গাল দেই তোর মনে কি একটুও লাগেনা?&#8217;</p>
<p>&#8216;স্বাদ লাগে, মনে হয় চম চম খাচ্ছি। সত্যি বলতে তুই যখন রাগ করিস, গাল দেস, কথার খঞ্জর বসিয়ে দেস তখন যদি মন খারাপও হয় তবু আনন্দ পাই। আমাকে তোর এ আচরণ আশ্বস্ত করে যে আমিই তোর আছি। আমার কাছেই তোর যতো প্রেম, যতো রাগ, যতো অভিমান, যতো ভরসা, যতো বিশ্বা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-146257"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/146257/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ff7bd84af38b4a326cc0928cc39a3aa</guid>
				<title>শৈশব থেকে অনন্তকাল

ভাবনাগুলো - ঠিকানাহীন অরন্য

শাসনে ভারসাম্যও থাকা চাই। আমাদের সময়ে তা ছিলোনা। কেউ কেউ তো অতি আবেগে দুপুরে বের হতে পারবেনা, গেটের বাইরে যেতে পারবেনা, এটা মানতে হবে, সেটা মানতে হবে তা চাপিয়ে দিতে চেয়েছে। মানুষ মাত্রই বিদ্রোহী তা বড় হোক আর ছোটই হোক। আপনি ভয় দিয়ে কখনও মানুষকে জয় করতে পারবেন না, হয়তো সামান্যক্ষন কোন ভূমী ও সম্প্রদায়কে শাসন করতে পারবেন। হয়তো ভয়ের জন্য আপনার তোষামোদি করে যাবে লোকে। কিন্তু সুযোগ পেলেই আপনার ধূতি টেনে খুলে ফেলতে এক মুহুর্তও সময় নেবেনা। কিন্তু মন জয় করে সবকিছু করা যায়, অন্তত মানুষগুলো কিছু না করতে পারলেও পরম ভালবাসে, অনুপস্থিতি টের পায়, অবস্থানকে সমীহ করে, আদর্শকে সম্মান করে, ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা করে।

আমি মানব ধর্মে দুইখানা কথা শিখেছি, ভক্তি আর প্রেম থাকলে খোদা মিলে। যদি ভক্তি খোদার পথ হয় তবে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার করা আর নিরপেক্ষতা হচ্ছে সিদ্ধি লাভের বাহন। 
জাতীয়তাবাদ, সাদা-কালো, ছোট-বড়, উঁচু-নীচু, ও ধনী-গরীবের শেকল ভেংগে দেখো সবার মনেই প্রেম আছে, স্বপ্ন আছে, আবেগ-ভালবাসা-কষ্ট-অশ্রু সবটাই আছে, সবাই চায় একটু ভালবাসা, একটু মনের কথা শোনার লোক, একটু সম্মানজনক অবস্থান, একটু খাদ্য, বিশ্বাস, আর বাসস্থানের নিরাপত্তা, একটু ইনসাফ।
সবার রক্তই লাল, কেউ স্বর্ণ বা কেউ তামার মানুষ নয়- সবাই মাটির মানুষ। এ মাটিতেই বাস, এ মাটিতেই চাষ, এ মাটিতেই আশ। 

তুমি যখন সব শেকল ছিড়ে দিতে পারবে, তখনই তুমি স্বাধীন। জীবনের খুউব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন &#039;কে আমরা? কোথা থেকে এলাম? কোথায় যেতে হবে?৷ &#039;এতো কিছুর উদ্দেশ্য কি? প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবো। তখন মানুষের পেছনে আংগুল দেয়ার সময় পাওয়া যাবেনা। মনে হবে ক্ষণিকের জীবনে সবার দুঃখ -কষ্ট- ভালবাসা একে অপরে ভাগ করে নেয়াটাই সফলতা।
এটাই ধর্ম,  এটাই সিদ্ধি।
এই স্বভাব লাভের পথই সাধনা। এ পথের পথিক অবশ্যই সন্ধান পাবে পথের যদি সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে সবাইকে আপন করে সত্য খুজে নিতে পারে। 

এক ঢোকে বলে ফেললাম অনেক কিছু। এটাও জীবন থেকে শেখা। আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া নিয়ম আমরা মানিনি। কিন্তু যখন মনে বিবেকে সংযোগ হয়েছে তখন সব উপকরন কাছে পেয়েও আমরা তুলনামূলক ভালোটাই গ্রহন করেছি, কারো চাপিয়ে দিতে হয়নি।

তোমাকে কারো নাক-মুখ ভাংগার দরকার নেই ভালো করতে, ভালো পথে আনতে। তুমি তার ভালো চাও? ভাবছো সে ভুল করছে? তাকে ভালবেসে ফেলো, মন জয় করে নাও, তাকে ভাবতে দাও তুমি তার আপন, তার চিন্তাধারা থেকে সংকীর্ণতা দূর করে দাও। তাকে যাচাই করতে দাও কোনটা ভালো। প্রতিপক্ষ করে ফেলোনা। আজকাল এই যে &#039;কে সত্য, কে ঠিক&#039; এ নিয়ে তুমুল লড়াই, ধর্ম নিয়ে লড়াই, রাজ্য নিয়ে লড়াই- সবটাই অপরকে প্রতিপক্ষ বানানোর কারনে?

কে সেরা? তবে কে সে? যে সবাইকে একইভাবে রক্ত-মাংসে বানালেন? কে সে? কেন তিনি সেরা দাবী করা লোকদের সোনা দিয়ে বানাননি? কেন তার মাঝে কোন প্রতিযোগীতা নেই? 

কেন প্রাকৃতিক দূর্যোগ জাত পাত দেখে আসেনা? 

প্রশ্নগুলোর উত্তর পেত্ব হবে। কিন্তু জড়বাদি সমাজ সে উত্তর খোজার সময় কোথায় দিলো আর! দিনে অর্থ কামাতে বের হও, একটু ফুরসাত পেলেই উপড়ি কামাইয়ের পরামর্শ,  তারপর সংসার, ফের খাওয়ার চিন্তা, বাতকর্ম,  বংশ বিস্তার, ফের তাদেরকেও খাওয়ার জন্যই বড় করা। 
ভাবতে হবে, এই কুটিল জীবনের উপর মেকী জোছনার পর্দা টেনে আর কতদিন নিজেরাই নিজেদের সান্ত্বনা দেয়া? 

অতি মাত্রার শাসন বাচ্চাদের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে, নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস থাকেনা, নিজের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কেড়ে নেয়, এবং উৎপাদনশীলতা বিলুপ্ত করে। আবার একদম ঢিল দিয়ে দেয়া জীবনকে যান্ত্রিক ও ন্যকা করে তোলে। 
তাই সবকিছুতে অবশ্যই ভারসাম্য রাখা চাই। 

আজকাল অতি পরিমান ভাবুক হয়ে গেছি। এটা ভাবার কোন কারন নেই যে বুড়ো হয়ে গেছি। দিব্যি বলছি বিয়ে থাও সারা হয়নি। তবে, আশি শতকের শেষ হতে একবিংশ শতাব্দী তক যারা এসেছে তারা যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছে তা হয়তো আগে যারা চলে গেছেন আর পরে যারা আগত তাদের কেউ কোনদিন পাবেনা।

বলছিলাম আগে সারাদিন যেন উৎসবমুখর থাকতো সবকিছু। বাসা থেকে একটা ভাংগা টিউবলাইট চুরি করে নিয়ে গিয়ে কটকটি, শন পাপড়ী বা হাওয়াই মিঠাই খেতাম। আশ্চর্য কিন্তু সত্যি বাড়ির যে জিনিষটা একদম অকেজো ধরুন পুরনো বয়োম, অব্যবহৃত একটা প্লাস্টিকের বক্স বা যাই কিছু আপনি যখনই নানি-দাদি বা মায়ের কাছেই চাইবেন না কেন তারা হাত থেকে ছো মেরে নিয়ে বলবেন এটাই তারা খুজছিলেন তারপর আবার কোন এক জায়গায় গুজিয়ে রেখে দিবেন ভবিষ্যতে নাকি কাজে লাগবে। 
এখনও অনেক কিছু যা আমরা অপ্রয়োজনীয় মনে করে ফেলে রাখি বাইরে তা কিছুদিন পর দেখি কোন একটা জায়গায় যত্ন করে লুকিয়ে রাখা। 
শান্তনা পাই- যাক মা তো এখনও বেচে আছে। 
শুকরিয়া হে খোদা!
কত রাত তুমুল বৃষ্টিতে জল উঠে এসেছে বাড়ির ভেতর। আসবাব পত্র মা বাবা যেখানে ঘুমাতেন তার উপর উঠিয়ে তারা সারারাত খাটের উপর বসে। আমাদের মশারী টানিয়ে দিতেন। ঘুমাতাম আমাদের খাটটায়। 
জল কমলে তারা অবশিষ্ট জল সিচে তারপর ঘুমাতেন। 
সকালে উঠে মাকে দেখতাম ভাতের থাল হাতে আর বাবা কাজে গেছেন।
এটাই আমাদের অনেকের অতীত। 

(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/145897/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Sep 2022 19:55:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শৈশব থেকে অনন্তকাল</p>
<p>ভাবনাগুলো &#8211; ঠিকানাহীন অরন্য</p>
<p>শাসনে ভারসাম্যও থাকা চাই। আমাদের সময়ে তা ছিলোনা। কেউ কেউ তো অতি আবেগে দুপুরে বের হতে পারবেনা, গেটের বাইরে যেতে পারবেনা, এটা মানতে হবে, সেটা মানতে হবে তা চাপিয়ে দিতে চেয়েছে। মানুষ মাত্রই বিদ্রোহী তা বড় হোক আর ছোটই হোক। আপনি ভয় দিয়ে কখনও মানুষকে জয় করতে পারবেন না, হয়তো সামান্যক্ষন কোন ভূমী ও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-145897"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/145897/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cfccdb19b99c2bb9be87702e8dc969d7</guid>
				<title>শৈশব থেকে অনন্তকাল
(ধারাবাহিক আত্মস্মৃতি) 
ঠিকানাহীন অরণ্য 

আমাদের দলটায় আমরা ষোল-কুড়িজন ছিলাম, একটু বয়স্ক বড় ভাই, তিনি বয়সে দুই তিন বছরের বড় তাই তিনিই নেতা ছিলেন। বড়দের মধ্যে যে বেশি বাইরের জগৎ চিনে সে-ই নেতা।

বাইরের জগৎ বলতে আমরা এক অলিখিত সোসাইটির মধ্যে ছিলাম, এখানে টিভি ছিলোনা, টিভি দেখলে নাকি পোলাপান ইচড়ে পাকা হয়ে যায়। যারা বড় ছিলো তাদের দেখতাম ভি. সি. আর নামক ইয়া মোটা কালো কালো ক্যাসেট নিয়ে ভেতরে দরজা আটকিয়ে দেখছে। আজকাল এমন করলে মানুষ ভাববে হয়তো এডাল্ট মুভি দেখছে। আসলে তা নয়, 
বাইরে জানাজানির ভয়, এক কান দুই কান করে রটে যাবে এরা সিনেমা দেখছে। সিনেমা দেখা তো অমার্জনীয় অপরাধ! 

আমরা দল বেঁধে রুটিন করে টিভি দেখতে যেতাম। তারপর এসে এক ঘন্টা লাগতো ঘরে ঢুকতে। আমরা যে এসেছি তা জানান দিতে টিনের প্রাচীরে একটু ধাক্কা দিতাম। &#039;এই ক্যারে! কোথায় গেছিলিস জানি, কঞ্চি রেডি রাখা আছে, আজকে পিঠের চামড়া তুলে ফেলবো, পড়ালেখা নাই খালি ঘুরা আর টিভি দেখা!&#039;
আমরা সেখান থেকে ছুট লাগাতাম। তারপর রাত যখন অনেক হতো তখন মা বলতেন যে কাল থেকে আর যেন না হয়,  নে খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড় তোদের বাপ যেন না জানে। আমরাও খেয়ে দেয়ে চুপ করে শুয়ে পড়তাম। 
পরেরদিন ফজরের পরেই নিজেরাই পড়তে বসে যেতাম- ডাকাডাকি করতে হতোনা। 

একটু পরে দেখতাম বাবা আটানা দামের ডালপুরি নিয়ে এসেছে। 

সপ্তাহ গড়িয়ে সেই আবার আলিফ লায়লার রাত চলে আসতো, সিন্দবাদ কিংবা রবিনহুডের রাত আসতো। মনে আছে পিসি মানে ফুফুর বাড়িতে প্রতিদিন সিরিয়াল না দেখলে খাওয়াই হতোনা। 
কারমা, সুরাগ, শক্তিমান, জয় হনুমান, জয় গংগা মাইয়া, আহট! 
এমন গোগ্রাসে দেখতাম যে আজো মনে আছে! 

শাসন পেয়ে আমরা যে কুতুব হয়ে গেছি তা নয়, তবে শাসনের ফল এই যে আমরা অন্তত হাইব্রিড প্রজন্মের মতো ল্যক্টোজেন সম্প্রদায় হইনি। এরা জানেইনা বাবা মায়ের শাসন, শিক্ষকের বেতের মার, মহল্লায় আদবের সাথে চলা, গুরুজনকে সম্মান করা, একটু সিনিয়রদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ শ্রদ্ধা নিয়ে চলা।
আমরা এখনও এক দু বছরের বড়দের সামনে সিগারেট  ধরাইনা, হাতে থাকলে ফেলে দেই। আজকালের ছোয়ারা হাফ প্যান্ট পরে কানে এয়ারফোন দিয়ে দিব্যি সুখটান দিতে দিতে সামনে বাপের সমবয়সী কেউ আছে কি না আছে থোরাই কেয়ার করে।

এটা হচ্ছে ফানুশ আধুনিকতা।
সে যুগ আমাদের শচীন জন্ম দিয়েছে, ওয়াসিম আকরামের মতো সুইং বোলার জন্ম দিয়েছে, ইমরানের মতো লিডার বা কপিলের মতো অলরাউন্ডার জন্ম দিয়েছে। আজ তো সবটাই কমারশিয়াল। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত চরিত্র ও বেপরোয়া জীবন প্রভাবিত করছে নেতিবাচকভাবে।

এখনের ইয়ো ইয়ো জেনারেশান পার্কে বসে ব্যা ব্যা করে গায় আর এলো মেলো কাচি চালানো চুলের হেলানে ভেবে নেয় মস্ত গুনী। ক্যারাউকে যোগে সিদ্ধি পাওয়া গায়ক গায়িকা কিভাবে বুঝবে গুরুর সম্মান, রাগ, ছন্দ, লয়, তাল বা একতারা, হারমোনিয়ামের সাথে প্রেমের গুরুত্ব?

আজ চরম বিকাশের মধ্যেও সেই পুরণো স্মৃতিই দোলা দেয় মনে, জাগরিত করে উত্তাল ঢেউ, ফুরফুরে করে মেজাজ। যেন ফিরে যাই সেই অকৃত্রিম শৈশব-কৈশোর আর যৌবনের প্রারম্ভে।

বিকেলে ফুলের বাগানে প্রজাপতি ধরা, রাতে জোনাকী ধরা। রোদের আলোয় জানালা দিয়ে গাছ গাছালির ছবি বিছানার চাদরে প্রস্ফুটিত হওয়া। অসাধারন!

দ্যা সোর্ড অফ টিপু সুলতান সিরিয়াল দেখে একটা কাঠের তরবারী বানিয়েছিলাম আমরা। একবার খেলতে খেলতে আঘাতও পেয়েছিলাম। এরপর থেকে সেই সোর্ড আর পাওয়া হয়নি। টিপু সুলতানও হয়ে উঠা হয়নি। 

(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/145703/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Sep 2022 12:07:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শৈশব থেকে অনন্তকাল<br />
(ধারাবাহিক আত্মস্মৃতি)<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য </p>
<p>আমাদের দলটায় আমরা ষোল-কুড়িজন ছিলাম, একটু বয়স্ক বড় ভাই, তিনি বয়সে দুই তিন বছরের বড় তাই তিনিই নেতা ছিলেন। বড়দের মধ্যে যে বেশি বাইরের জগৎ চিনে সে-ই নেতা।</p>
<p>বাইরের জগৎ বলতে আমরা এক অলিখিত সোসাইটির মধ্যে ছিলাম, এখানে টিভি ছিলোনা, টিভি দেখলে নাকি পোলাপান ইচড়ে পাকা হয়ে যায়। যারা বড় ছিলো তাদে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-145703"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/145703/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4df044b6b9c9553efcd0a4b09f5d88e6</guid>
				<title>শৈশব থেকে অনন্তকাল
ঠিকানাহীন অরণ্য 


তখন তো আর আজকের মতো এতো ঘন ঘন ঘর বাড়ি ছিলোনা, আজকে যাকে শহর বলা হয় সেটা তখন গ্রামই ছিলো। 

আমরা প্রায় ষোল কুড়িজন ছেলে মেয়ে এক সাথে ছোয়াছুয়ি, লুকোচুরি, আর গাছের ডালে উঠে ঝোলাঝুলি  খেলতাম।

লোডশেডিং তখন আশির্বাদ মনে হতো। এই বাহানায় পড়ালেখা ছেড়ে রাতে রিক্সার পেছনে ঝুকে পাচ মাইল খেলতাম,কখনও লুকোচুরি তো কখনও জংগলে ঝোপ ঝাড়ের ভেতর সাপের মণি খোজার জন্য কয়েক ঘন্টা দল-বল বেধে দিব্যি কাটিয়ে দিতাম।

এই সাপের মনির চিন্তার জোগান দিতো আলিফ লায়লা নামক খুব জনপ্রিয় আরব্য রজনী টিভি সিরিয়াল হতে। সেখানে সাপের মনি দিয়ে কত কি করা যেতো তা মাথায় ঢুকে পড়েছিলো আমাদের। 
তাছাড়া নাগ-নাগিনী সিনেমাতেও যখন দেখতাম তখন এটাই বিশ্বাস ছিলো যে রাতে সাপ মাথায় করে মণি নিয়ে আসে, মণিতে নাকি আলো জলে আর সেই আলোতে সাপ পথ দেখে, রাতে যখন ঘুমায় তখন পাশে রেখে ঘুমায়, জংগল বা ডোবার আশে পাশে এরা ঘুমায় মানব চক্ষুর আড়ালে। আমরা ছালা বা পাতিল নিয়ে যেতাম এই বিশ্বাসে যে মণিটা ঢেকে দিলে সাপ আলো না পেয়ে খুজতে খুজতে মরে যাবে। রাতে পাহারা দিতে হবে, কারন অন্য কেউ যদি মণির খোজ পায় তাহলে বড়লোক হয়ে যাবে।

সে মণি কোনদিন পাওয়া হয়ে উঠেনি!

পরীক্ষার সময়ে মা হারিকেন জালিয়ে দিতেন, পাশে ছোট ভাই ও পড়তো। হ্যা, আমরা দু ভাই, আমার ছোট ভাই আমার একদম পিঠাপিঠি - তবু বড় হবার সুবাদে এক ক্লাশ উপরে পড়তাম। তখন হয়তো ক্লাশ থ্রি-ফোরে পড়ি। হাতপাখাই সম্বল। তখন তো মুঠোফোন, নেট আর এতো গিজগিজ ছিলোনা তাই হারিকেন, হাতপাখা আর বাইরের হাওয়াই ছিলো ভরসা।

পরীক্ষার দিনগুলোও ছিলো মজার, আমরা দুষ্ট প্রকৃতির ছিলাম, দুষ্ট মানে আজেকার ল্যাক্টোজেন বা ব্রয়লার প্রজন্মের মতো ওলে ওলে কিংবা অপদার্থ না। আজকে পরিবারে নৈতিক শিক্ষা নাই, ছোট্ট বেলায় মকতবে আদব শেখানো হতো -সেটাও নাই, আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশীর সাথে সদ্ভাব ও একটা সম্মানের বিষয় ছিলো- এখন সেটা তো দূর ছোট থেকেই একটাই লক্ষ্য ঠিক করে দেয়া চাকুরী বা অর্থ কামাইয়ের জন্য পড়ো, মানুষ হিসেবে মরো!
চোখ না ফুটতেই কিন্টার গারটেন, পাহাড়সম প্রেসার, উম্মত্ত জাগতিক প্রতিযোগিতা, জড়বাদি সফলতার বিষাক্ত যান্ত্রিক সমীকরণ। তারপর কোচিং, ভর্তি,  অর্থ ব্যয়, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, আত্মহত্যা
বাবা-মায়ের চোখে ঘুম নেই, পড়ার পয়সা জোগাতে শরীরে আরাম নেই, আরামের সময়ে শরীরে শক্তি নেই। কি এক অদ্ভুত কিছু পাওয়ার ফানুশ উড়িয়ে জীবনের ক্ষনিকের ক্ষণগুলোকে নিঃশ্বেষ করে দেয়া যেন জীবনের কোন উদ্দেশ্য নেই।

এখন কেউ কাওকে চেনেনা, কেউ কাওকে মান্য করেনা, কেউ রাস্তায় বয়স্কদের সাথে কিভাবে কথা বলবে জানেনা- কারন তাদের সামনে এক সফলতার স্বপ্ন।
এক পুচকে ছেলে বাবার গালে ঠাস করে থাপ্পড় বসিয়ে দিলো, তা দেখে মায়ের কি হাসি, &#039;দেখেছো! বাবাটা কি ফাস্ট হয়েছে?&#039; 
এই ফাস্ট বাবাদের কৈশোর ও যৌবন চলে যায় সফলতার ঢেকি ভাংতে ভাংতেই, একদিন চাকুরী হবে, বিয়ে করবে ব্যাস তারপর? জীবন কি সেখানেই শেষ?
জীবনের যান্ত্রিকতাকে আধুনিকতা, জীবিত মরে যাওয়াকে সফলতা, আর অনিয়ন্ত্রিত প্রজন্মকে এগিয়ে চলা সমাজ মেনে নিয়েই দিব্যি ছুটে চলছি আমরা
- 
জানিনা গন্তব্যের শেষ কোথায়? 

একটা একটা করে পরীক্ষা শেষ হয়ে যেতো। প্রথম সাময়িক, দ্বিতীয় সাময়িক, বার্ষিক- তারপর ছুটি। পরিবারের সাথে অমুক কাকুর বাড়ি যাও, অমুক মামার বাড়ি, ঘুরাঘুরি, শীত হলে পিঠে খাওয়া, গরমের ছুটিতে আম খাওয়া, জাম খাওয়া। 
আজ মনে হয় সুখ গুলো কেড়ে নিয়ে সেগুলোর ছবি মুঠোফোনে ঢুকিয়ে মুলো ধরিয়ে দিয়েছে আমাদের। 
সময় নেই কারো কাছে। 

পুকুরে দল বেঁধে সাতার শেখা, ডুবে ডুবে জল খেয়ে খেয়ে একদিন পুরো পুকুরে রাজত্ব করা। গাছের ফল চুরি করা, হাড়ি-পাতিল নিয়ে এসে একটু গাছ গাছালির ফাঁকে সহপাঠীরা মিলে ফিস্ট খাওয়া। 
সে কি যে মুহুর্ত গুলো।

রান্না তো করতো মুরুব্বী মহিলারা, আমরা ব্যস্ত দৌড়াদৌড়িতে, গাছে চড়া, লুকোনোতে
মেয়েরা দল বেঁধে কুত কুত খেলতো।
একটা ছক মাটিতে কষে একটা ছোট চার কোনা চ্যপ্টা পাথর বা ইটের টুকড়ো ছুড়ে মারতো, যে ঘরে পড়তো তা একদমে খেলার ব্যকরন মেনে নিয়ে আসতে হতো। ব্যকরনটা ভুলে গেছি কিন্তু সবাই একটাই দাবী করতো যে মেয়েটা একদমে আনতে পেরেছে সে নাকি মাঝখানে শ্বাস নিয়েছে। আর সে কসম-বিদ্যা করে বলতো সে নেয়নি।

খাবারের সময় খিচুড়ি, ডিম ভুণা, মুরগী। 
বড়রাই পাতে তুলে দিতেন। 
সব কিছুর মুল কেন্দবিন্দু এই খাওয়াটাই। 
কি ছোট কি বড়, কি বেড়াল, কি ইদুর- কি আচার কি অনুষ্ঠান, কি মেহমান, কি সভা
আকর্ষণ একটাই খাবার। 
কোথাও কাংগালী ভোজ, কোথাও আপ্যায়ন, কোথাও তাবারুক, তো কোথাও খানা। 

পেট আছে ক্ষুধা আছে তো খাবেই, কিন্তু বাচার জন্য খাওয়া আর খাওয়ার জন্য বাচা দুটোতে বিস্তর ফারাক আছে। আগের মানুষদের জীবনের আদর্শ ছিলো, লক্ষ্য ছিলো জীবন ও মানবিকতা কেন্দ্রিক, বীরত্ব ও ইতিহাস সৃষ্টিকারী।
আজকে ফটকাবাজী করে খাওয়া হচ্ছে চালাকী, ভেলকীবাজী করে খাওয়া হচ্ছে মানবতা, ধান্দা করে মারার নাম ব্যবসা, খাবারের জন্য বাচা হচ্ছে সফলতা। 

সে সাথে যুক্ত হয়েছে যুক্তিহীন যান্ত্রিকতা, বানিজ্যিক চিন্তা ভাবনা, এবং স্বার্থপর সম্পর্ক।

আগে যে ধোয়া তুলসীপাতা ছিলো তা নয়, তবু সমাজে কিছু আদর্শবান সুপুরুষ ছিলো যারা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছিলো, শিক্ষার জন্য পড়তো চাকুরীর জন্য নয়, জীবন ধারনের জন্য খেতো, খাওয়ার জন্য নয়, পরিবার ও আত্মীয়তার জন্য সম্পর্ক করতো, রুপ আর অর্থের জন্য নয়, আদর্শের জন্য জীবন গড়তো, বিলাসিতা নিশ্চিত করার জন্য নয়, মরনের পরের জীবন সুন্দর করাই লক্ষ্য হতো কেবল একটা চাকুরী, একটা পদবী, আর একটা বউ এর জন্য নয়।
জীবন এখানেই শেষ নয়,
একজন হুট করে পয়সাওয়ালা মেরুদণ্ডহীন হাইব্রিড প্রজন্ম অভিজ্ঞদের সামনে কথিত সফলতার চেয়ারে বসে জীবনের মানে ও সফলতা বোঝানো এটা সত্যিই এ বিশ্বের জন্য হুমকীস্বরুপ।

ছোটবেলা থেকেই একটু বেয়াড়াই চলতাম, সেটা মাস্তানী বা বখাটে ছেলের মতো নয় বরং দুষ্ট ও ডানপিটে ছেলের মতো। পড়াশোনা তো কয়েকটা বই, আজকাল এতো গাদা গাদা বই একটা শিশুদের ব্যাগে  থাকে যা আমাদের সময় ভাবাই যেতোনা। 
আগে শিক্ষা ছিলো জাতি গড়তে, কিন্তু এখন শিক্ষা হলো শিক্ষকের খাই খাইয়ের জীবন গড়তে- কমারসিয়াল!  
ক্লাশের পড়া শেষে সারাদিন খালি ঘুরাঘুরি, এদিক সেদিক, দিক- বিদিক

(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/145272/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Sep 2022 16:12:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শৈশব থেকে অনন্তকাল<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য </p>
<p>তখন তো আর আজকের মতো এতো ঘন ঘন ঘর বাড়ি ছিলোনা, আজকে যাকে শহর বলা হয় সেটা তখন গ্রামই ছিলো। </p>
<p>আমরা প্রায় ষোল কুড়িজন ছেলে মেয়ে এক সাথে ছোয়াছুয়ি, লুকোচুরি, আর গাছের ডালে উঠে ঝোলাঝুলি  খেলতাম।</p>
<p>লোডশেডিং তখন আশির্বাদ মনে হতো। এই বাহানায় পড়ালেখা ছেড়ে রাতে রিক্সার পেছনে ঝুকে পাচ মাইল খেলতাম,কখনও লুকোচুরি তো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-145272"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/145272/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c7604733366aaaa5af50025ce4439147</guid>
				<title>কেউ জানবেনা

কেউ কোনদিনও জানবেনা 
নির্লিপ্ততার অন্তরালে
প্রাণ বেরিয়ে এসেছিলো কষ্টে
ভিজেছিলো চোখ দুটো
অঝোরে,। নাহ, কেউ দেখেনি
দেখতে দেয়া উচিৎ ও নয়,
একেতো পুরুষের কান্না
দ্বীতিয়ত বড় বলে কথা,
আপনার টেকে মাল আছে
তো শত শত সমবেদনা আছে,
কারনে-অকারনে তেল দেয়ার লোক আছে,
পিঠ চাপড়ে দেয়ার লোক আছে,
আপনি তাদের কিছুই নন
এটা জেনেও কান্নার লোক আছে,
কারন আপনার মাল ই কেবল নয়,
কাকু, খালু, ও নেতার হাত আছে,

বলছিলাম, চোখ ভিজেছিলো কষ্টে
ছোট্ট বোনটি হয়তো দেখেইনি সে প্রেম
জানেও না কত ভালবাসা মনে বাস করে 
সবাই এটা জানে সময়ে কাজে আসেনি,
হাহ! যার জীবন কচুরিপানা 
সে কিভাবে সাজাবে দাস্তানা?

তোমরা কিন্তু শব্দগুলোতে ঢুকে
দু ফোটা অশ্রু ফেলতেও পারো
ফের নতুনত্বের খোজে ফেলে দিতে পারো
সবকিছুই স্মৃতির ভাগাড়ে,
কত রক্ত শব্দ হয়ে কবিতা তৈরী করে
কিন্তু কোন স্বভাব কবিই দাম পায়না
যারা পায়, কিন্তু মরনের পরে
কারন সেখানেও ক্ষমতা, টাকা, সম্পর্ক 
কাজ করে,

আমাদের ভালবাসা পাপ,
তাদের ভাগিয়ে নেয়াটা চালাকী,
বিয়ে তো এক কাগজের লেনদেন
কাবিন নামা, টাকা, আর সারটিফিকেটে আবদ্ধ
মন, চরিত্র, বংশ, কর্ম - এসব পুথিতে লেখা
আগে চাই সিভি- ওয়েটফুল হতে হবে কিন্তু!
তারপর রুপ খেয়ে অর্থ খেয়ে 
বিপদে চলে যাওয়া সম্পর্কের মাথা খেয়ে
আহা! কলিযুগ, ভালবাসা আজকাল নেই
নেই বিশ্বাস!
পুরুষেরা প্রতারক,
নারীরা বহুগামী! 
কে হতে পেরেছে আত্নার স্ত্রী
আর কে-ই বা হতে পেরেছে প্রাণের স্বামী?

একটা সত্য কথা,
কথায় পেট ভরেনা।
হয়তো একটু যান্ত্রিকতা কমালে পেট ভরে
কিন্তু চিত্ত ভরেনা
পাহাড়সম খাই খাই আরো চাই স্বভাব
সমাজ, আধুনিকতা ও কথিত
সফলতা
আমাদের জীবনে কেড়ে নিয়েছে প্রেম
সুখ, জীবন এবং প্রকৃতি 
সোনালী পর্দায় গ্রাম্য প্রকৃতি দেখে তাই
রোগে ভরা চার দেয়ালের জেলখানায়
সময় কাটাই! 

একটু নিরবতায় বসে 
আমি ধ্যানে আছি ডুবে কাব্য রসে
এ রসে সিক্ত হয়োনা আবার- পাগল হয়ে যাবে
তারপর কি খাবে?
ধেই ধেই নেচে কোন রকম টেকে মাল আসুক
জনতার ভীড় অটোগ্রাফের পেছনে নাচুক
দেখবে আজগুবি একটা কথাও 
স্বর্ণাক্ষর হয়ে অমর উক্তি হয়ে গেছে।

তুই ও জানবিনা
কতটা ভালবাসা আছে তোর জন্য
কতটা বন্ধু, কতটা লাজুক, কতটা বন্য
একের ভেতরে অনেক- বলতে গেলে সবটাই
আমাতে তুই- তোকে ঘিরে জীবনটাই
কিন্তু, এগুলোতে কি জীবন চলে?
কিছু স্বপ্ন দেখা যায়, কিছু আলপনা আকা যায়
টেকে মালটাই আসল, 
আত্মা- মন - বিশ্বাস এগুলো কথার কথা
যাই হোক এটাই নাকি থাকা নিরাপত্তায়

তোমাদের ন্যাকা জীবন নিয়ে থাকো! 
জীবনের অল্প সময়ে চোখদুটো অনেক দামী
তাই এগুলো মানুষ চিনতে সাহায্য করে
সমাজ, সংস্কৃতি, লোককথা ছেড়ে 
তাই তোকেই বারংবার ভালবাসে
যতনে রাখে অন্তরের অন্তপুরে,
টেকে কিছু মাল এলে 
দুজনেই পাড়ি দেই গরীব খেয়ায়
যার জন্য আমাদের প্রতীক্ষা
যে আমাদের জন্য বসে থাকে
তারপর চলে হেলেদুলে, 
একটু জল ছিটিয়ে 
হাত ধরে, 
দশ টাকার চীনেবাদাম খেয়ে
আরেকটা বকুল ফুলের মালা গলায় পড়িয়ে দিয়ে
যদি স্বর্গ হাতে পাওয়া যায়
যদি ভালবাসা যায়,
যদি প্রকৃতি দেখা যায়,
যদি আত্মার সাথে আত্মার সহবাস করা যায়
তাহলে নিকুচী করি তোমাদের সমাজ
তোমাদের সফলতা,
তোমাদের ন্যকা ভালোবাসা।
দরকার নাই আমার কান্না দেখার
কবিতা পড়ার,
আমি গাছতলায় মেঘলা আকাশের নীচে
বেয়ে চলা উত্তাল নদীর প্রেম দেখতে চাই!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/143463/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Sep 2022 07:08:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেউ জানবেনা</p>
<p>কেউ কোনদিনও জানবেনা<br />
নির্লিপ্ততার অন্তরালে<br />
প্রাণ বেরিয়ে এসেছিলো কষ্টে<br />
ভিজেছিলো চোখ দুটো<br />
অঝোরে,। নাহ, কেউ দেখেনি<br />
দেখতে দেয়া উচিৎ ও নয়,<br />
একেতো পুরুষের কান্না<br />
দ্বীতিয়ত বড় বলে কথা,<br />
আপনার টেকে মাল আছে<br />
তো শত শত সমবেদনা আছে,<br />
কারনে-অকারনে তেল দেয়ার লোক আছে,<br />
পিঠ চাপড়ে দেয়ার লোক আছে,<br />
আপনি তাদের কিছুই নন<br />
এটা জেনেও কান্নার লোক আছে,<br />
কারন আপনার ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-143463"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/143463/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">842278631e11cd1cdced280a230fd048</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and মিথিলা কনক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/129493/</link>
				<pubDate>Sat, 06 Aug 2022 15:12:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b4c3b1c769f65c03ef616b8696b7b25</guid>
				<title>আগে চলো মানুষ হই।


সাতমাইলের বটতলায়
রাম-রহিম মেতে ওঠে আড্ডায়
নানারকম গান আর মাঝে সাঝে
হুক্কা টেনে হারিয়ে যায় নেশার মাঝে

অজিতবাবু ইলিশ কিনে বাড়ী ফেরার পথে
দাওয়াত দিয়ে যায় সেলিমকে মুড়ি ঘন্টকের 
মাঠে গ্রামের বালিকারা বকুলের মালা গাঁথে
টং টং বাজে মন্দিরের ঘন্টা, সুর ভাসে আজানের।

হঠাৎ করেই সুখের হাওয়া উল্টো দিকে বইছে
মনুষত্ব ছেড়ে মানুষ এখন হিংসের নাও বাইছে
হাজারো বছরের সম্পৃতির এ মহান দেশে
ষড়যন্ত্রের কাছে একতার শক্তি পরাজিত অবশেষে?

আজ ভাটিয়ালি সুরের যেমন অভাব
বদলে গেছে তেমন করে মানুষের স্বভাব
সুখ দুঃখের আদান প্রদান করতে কেউ বসেনা
কাছের প্রতিবেশীকেও যেন আজ কেউ চেনেনা।

যান্ত্রিক মানুষগুলো অজানার পেছনে
ছুটে চলছে নির্বোধের মত এখানে সেখানে
অদৃশ্য শক্তি হিংসা ছড়ায় ধর্মের নামে 
মনুষত্ব ও সহিষ্ঞুতা বিক্রি হয় স্বল্প দামে।

ভুলে যেওনা রাম রহিমের রক্ত এখনও লাল
চলছে এখন ধর্মীয় বিভাজনের সুদূরপ্রশারী চাল
ক্ষমতার লোভে একে অপরকে বিপক্ষে করায়ে দাড়
মসনদে গিয়ে জনতার রক্ত পান করে বারবার।

রাম-রহিমের পেটের ক্ষুধা এখনও নিবারন হয়নি
অর্থাভাবে দুঃখী পিতা মেয়েকে বিয়ে দিতে পারেনি
অভাব-কষ্ট হিন্দু-মুসলিম বা জাত-পাত দেখে আসেনা
তবু এখনও বিভেদ ছেড়ে মানুষ হতে কেউ পারেনা।

সাতমাইলের বটতলা এখনও আছে রাম-রহিম আজ কই?
সব বিভাজনের চক্রান্ত রুখে দিয়ে আগে চলো মানুষ হই!

[It&#039;s a message ... if you think it sounds like a poem and you loved it then you are also requested to understand the depth of the message and convey it to others. No tolerance for the hate mongers!]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127523/</link>
				<pubDate>Mon, 01 Aug 2022 15:32:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আগে চলো মানুষ হই।</p>
<p>সাতমাইলের বটতলায়<br />
রাম-রহিম মেতে ওঠে আড্ডায়<br />
নানারকম গান আর মাঝে সাঝে<br />
হুক্কা টেনে হারিয়ে যায় নেশার মাঝে</p>
<p>অজিতবাবু ইলিশ কিনে বাড়ী ফেরার পথে<br />
দাওয়াত দিয়ে যায় সেলিমকে মুড়ি ঘন্টকের<br />
মাঠে গ্রামের বালিকারা বকুলের মালা গাঁথে<br />
টং টং বাজে মন্দিরের ঘন্টা, সুর ভাসে আজানের।</p>
<p>হঠাৎ করেই সুখের হাওয়া উল্টো দিকে বইছে<br />
মনুষত্ব ছেড়ে মানুষ এখন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127523"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127523/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">854c632ac15391a8fe0647be926c1452</guid>
				<title>দিচারিতা
(অন্যরকম কবিতা)
 
এফ বি তে মেয়ে সেজে লিখে ফেলি কবিতা 
কত শত রোমিও দেয় ভালোবাসার বারতা
ইনবক্সে কিড়াদের হুড়োহুড়ির যাঁতা তে 
ভালমানুষীর আড়ালে চায় তারা হাতাতে।

নয়তো ভানুরা কেন সাজে ভগবান 
কাছে আসার বাহানায় ফিতে ধরে দেয় টান 
ভাজ্ঞিস জানেনা কবিতা টা ছেলেদের 
দন্ড তা নুয়ে যেতো ধ্বজাধারী ব্যটাদের। 

নরমের খোঁজে তারা হামা দেয় খাঁজেতে 
মুখোশধারী নারীবাদী মরে যেন লাজেতে 
রংধনুর পতাকা হাতে যারা মাঠে গায় গান
দারীধারী হুজুরের লুঙ্গীতে দেয় টান।

ধর্ষন শিক্ষায়, সুরসুরি সমাজে 
আইনের পুথিমালা লাগবে কি কাজে
আঠেরো তে বিয়ে নয় মজা মারো ভয় নাই 
পূঁজিবাদি বিশ্বে মানবতা কোথা পাই?

পোস্টারে টিভিতে মেয়েগুলো পন্য 
নেতা ফেতা খেতাদের দিয়ে তারা ধন্য
খোলা মেলা দেহতে তীব্র আকর্ষন 
তাই আজ চারিদিকে উৎপিড়ন ধর্ষন।

শালীনতা পোশাকে শালীনতা মনেতে 
নয় বিভেদ কভু ছেলেতে মেয়েতে 
মেয়েরা মাল নয় সহোদরা ছেলেদের 
নৈতিকতা পারে বদলাতে চেহারা সমাজের।

পুরুষ হও মনেতে বীরত্বে শিক্ষায় 
ভালবাসো নীতিকে বাচো নৈতিকতায় 
যে তোমার আপনার ভালোবাসো বার বার 
বোন তোমারো আছে, নয় সে মাল খেলবার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127521/</link>
				<pubDate>Mon, 01 Aug 2022 15:24:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দিচারিতা<br />
(অন্যরকম কবিতা)</p>
<p>এফ বি তে মেয়ে সেজে লিখে ফেলি কবিতা<br />
কত শত রোমিও দেয় ভালোবাসার বারতা<br />
ইনবক্সে কিড়াদের হুড়োহুড়ির যাঁতা তে<br />
ভালমানুষীর আড়ালে চায় তারা হাতাতে।</p>
<p>নয়তো ভানুরা কেন সাজে ভগবান<br />
কাছে আসার বাহানায় ফিতে ধরে দেয় টান<br />
ভাজ্ঞিস জানেনা কবিতা টা ছেলেদের<br />
দন্ড তা নুয়ে যেতো ধ্বজাধারী ব্যটাদের। </p>
<p>নরমের খোঁজে তারা হামা দে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127521"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127521/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">43262b732130a3b7c5603283b714b178</guid>
				<title>অন্তরঙ্গ 
গদ্য কবিতা

বৃষ্টি, কাঁদা
রাস্তাটা যেন খানাখন্দভরা 
তবু ছন্দে ছন্দে চলা 
নুপুর পায়ে দিয়ে হাটাটা
নজরকাড়া।

প্রতিটি জীবনে একটি গোপন &#039;আমি&#039; থাকে
সেই &#039;আমি&#039; যখন অন্যের আত্মায় প্রবেশ করে
আর তা যখন ছুয়ে যায় হৃদয়ের প্রান্তরেখা
বিশ্বাস করো আর না-ই করো - জীবনে ফাগুন আসে-
কি বয়েস, কি সমাজ! 
শুস্ক নদী কাণায় কাণায় ভর্তি হয়ে যায় তারুণ্যে 
কুল কুল করে বয়ে চলে মনের স্রোত
শরীর, সময়, সমাজ তাতে সায় দিলো কি দিলোনা
তা নিয়ে কোন মাথা ব্যথাই থাকেনা।

ভয়ংকর ফ্যাকাসে আকাশ টা কি দেখেছো?
প্রলয়ের পূর্বাভাস - মরণ সন্ধিক্ষণে আমি
সেখানে একটু একটু করে তারায় সাজিয়ে দিলে
দিলে জোছনাভরা চাঁদ, এক কোমল মেঘের পরশ
সাজিয়ে দিলে অরণ্য, তরু-লতা প্রকৃতি দিয়ে 
খিলে উঠলো ভূবন- আমিও বাঁচতে চাই!
&#039;আমি&#039;-কে খুঁজে পেলাম নতুন করে ফের- 

জানি, শব্দের অন্তরালে পাথুরে পথ
বিয়োগ, সময়ের ব্যবধান আর বাস্তবতার কন্টক
হাজারো স্বপ্ন বুননের পরিকল্পনা 
সেই সাথে চাওয়া-পাওয়ার দাড় টেনে চলে বিধি
তবু, শত হোক তোমাতেই আমার বাস
আমাতে তোমার বাস 
দেখো, এক মুহুর্ত আমরা ছাড়া জীবনটা কতই না
উদাস! 

সম্পর্কটা যখন বিলীন করে দেয় একে অন্যতে 
কখনও প্রেম, কখনও বন্ধুত্ব কখনও সংসার
আপনি-তুমি- তুই তাকারিতে এলোমেলো সম্বোধন
বিশেষণ সেখানে আগন্তুক, সবটুকু একান্তই আপন!

মুখ ভার করে থাকা
অভিযোগ, কিছুটা রাগ 
অভিমান - মেজাজে তপ্ত আগ
তবু চোখ বুজে একটাই প্রার্থনা 
একে অপরের সুখ-শান্তি কামনা
এ কামনা কামের নয়, এ কাম ভোগের নয়
যতক্ষন অরণ্য নীড়ে না ফিরে যায়
অন্তিকা সজাগ!!!

অন্তরঙ্গ এ মিলনে তাড়াহুড়ো নেই 
নেই স্বার্থপর কামসাধন 
এ এক অন্তহীন সাধনা- নতুনত্ব আবিস্কার
এক  বাগিচার মালি হয়ে শত পুস্প লালন
এক আজলা জলে পংকিলতা মোচন
একে অপরের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার 
ভুবন মাতানো হাসির মুগ্ধতার
নিবিড় আলিঙ্গন।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/127273/</link>
				<pubDate>Sun, 31 Jul 2022 15:00:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্তরঙ্গ<br />
গদ্য কবিতা</p>
<p>বৃষ্টি, কাঁদা<br />
রাস্তাটা যেন খানাখন্দভরা<br />
তবু ছন্দে ছন্দে চলা<br />
নুপুর পায়ে দিয়ে হাটাটা<br />
নজরকাড়া।</p>
<p>প্রতিটি জীবনে একটি গোপন &#8216;আমি&#8217; থাকে<br />
সেই &#8216;আমি&#8217; যখন অন্যের আত্মায় প্রবেশ করে<br />
আর তা যখন ছুয়ে যায় হৃদয়ের প্রান্তরেখা<br />
বিশ্বাস করো আর না-ই করো &#8211; জীবনে ফাগুন আসে-<br />
কি বয়েস, কি সমাজ!<br />
শুস্ক নদী কাণায় কাণায় ভর্তি হয়ে যায় তারুণ্যে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-127273"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/127273/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">30ee8bcb5e1bd2fc9d527367558d3a1c</guid>
				<title>একের সাধনায় সিধ্যি সাধন
ন্যায় সত্য মুক্তি বাহন

- ঠিকানাহীন অরণ্য!  

মর্তের মানব- রক্ত মাংসে গড়া 
কত যে কান্না, অনাহারে মরা 
তবু বাঁধে লড়াই, পাহাড়সম বড়াই
কোন খোদা সেরা, কোথায় তাঁর বাস 
তাকওয়া মাপা, ফতোয়ায় চাপা
নীরব ছায়ায় কত দীর্ঘশ্বাস।

একের খেলায় এক আছে সদা 
পরীক্ষার পাঠশালায় দিলের খোদা 
তুমি নও স্বর্ণের, নই আমি খড়ের 
এক কারক, ধারক -বাহক নারী ও নরের
তাই একই রঙ রক্ত, একই অনুভূতি
মানুষ আজ খোদার নামে বড়ই আত্মঘাতী।। 

যে চোখের কান্না না করে নিবারণ 
সে মসজিদ- মন্দিরে কি করে ধারণ?
কিসের খোদা, কার খোদা, সবই আমীত্ব, সবই লোভ
এসবটাই মূর্তি, কেবল পাথরেরটাতেই এতো ক্ষোভ?

প্রকৃতি, পশুপাখি, মহাকাশ, ত্রিভুবন 
সবই এক উদ্দেশ্যে করছে বিচরন
সে স্রোতে জাগতিকতা দিয়ে বিসর্জন 
একেরে অন্তরে করে নাও বরণ।

মানুষেরে বুঝে নাও নিজের অন্তরে 
ঢেউ খেলাও প্রেম অনুভুতির সাগরে 
ন্যায়ের তরীতে দাও সংকীর্ণতার জলাঞ্জলী
এক সিজদায় হয়ে যাবে জগৎ ওলী।।

বণ্যার জলের সময় কই ধর্ম  দেখার 
কান্নার জল কি জাত দেখে বয় 
তবু কেন জাত-পাত,  কেন সংশয়
মানবতা ন্যায়ের নায়ে খোদা রয় 

পোশাকে স্বচ্ছতা অন্তরে বিষ
জালিমের তখতায় করে কূর্ণিশ 
মারে, কাটে, ধর্ম রক্ষায় যারা 
বিলাসিতার চাদরে আত্মহারা

জালিমের তখতার সাথে সহবাসে 
চোখ বুজে মেকী তপস্যায় ভাসে 
উপাসনালয় সাজে হিরে মতি দিয়ে 
অসহায় মাজলুমের রক্ত চুষে 

ন্যায়ের মালা জপে নাও ওহে শান্তিকামী
জালিমের তখতায় তালা দাও আজ
মানব সেবায় মিলে খোদ অন্তর্জামী
তারপর মাথায় দাও দরবেশী তাজ।।

যেথায় যাবে পাবে সাধের একেরে 
সাথে রবে পিপাসার্ত হাজারো সাধক
জীবনের ধূসর দর্পনের ধূলো যাবে সরে
বুঝবে এ জীবন নয় যে নিছক!!

হাজারো পথের মাথা গিয়ে মিলবে এক পথে 
যদি দিলে প্রেম, দর্শনে ন্যায় , সত্য থাকে সাথে
শেষে গিয়ে খুলবে রহস্যের অভিধান 
মিলে যাবে সাধনার ধন- একের সন্ধান!! 

বিলাসিতায় ঘেরা আলিসান উপাসনালয়ে 
যদি থাকে হিংসা আর ঘেন্নায় ভরা দিল
জালিমের তখতায় যদি মাথা ঠেকায়ে 
রক্তাক্ত করো যদি ন্যায়ের মঞ্জিল 
সেটাই তোমার মূর্তি -সেটাই মহাপাপ 
রক্ত পিপাসু সব যোগী, উম্মুক্ত খাপ

আজ তাই প্রয়োজন খাটি আত্মার 
মানুষ মানুষে সবাই সবার 
একের প্রেমে গড়া সৃষ্টি জগতে  
প্রেম হোক মানবতার পরতে পরতে 
&#039;ন্যায়&#039;  চাবি সিধ্যির, আলোকিত পরপার
দেখা পাবে এক -অদ্বিতীয় পরম স্বত্তার!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/124119/</link>
				<pubDate>Wed, 13 Jul 2022 16:43:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একের সাধনায় সিধ্যি সাধন<br />
ন্যায় সত্য মুক্তি বাহন</p>
<p>&#8211; ঠিকানাহীন অরণ্য!  </p>
<p>মর্তের মানব- রক্ত মাংসে গড়া<br />
কত যে কান্না, অনাহারে মরা<br />
তবু বাঁধে লড়াই, পাহাড়সম বড়াই<br />
কোন খোদা সেরা, কোথায় তাঁর বাস<br />
তাকওয়া মাপা, ফতোয়ায় চাপা<br />
নীরব ছায়ায় কত দীর্ঘশ্বাস।</p>
<p>একের খেলায় এক আছে সদা<br />
পরীক্ষার পাঠশালায় দিলের খোদা<br />
তুমি নও স্বর্ণের, নই আমি খড়ের<br />
এক কারক, ধা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-124119"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/124119/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8a1c4fec4e4013badc68994d755e55b3</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and ISMAT JAHAN LIPI are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122849/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Jun 2022 10:47:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e3d4b0b88e343f0adc76116a16818cc9</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and ruba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122552/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Jun 2022 08:45:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f3a47dfc804d776fc052bd040e281ed0</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and Nilufar Ghani are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122320/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Jun 2022 03:25:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6597fd0131ccd49f2048e6f25b777e38</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122319/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Jun 2022 03:12:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">37337ff8227b599ef140e72a5065aacc</guid>
				<title>সাধনা

ভবের ঘোরে প্রিয়ার নেশা - নিশাচর
হিয়ার টানে পাগলে ছাড়ে -বাড়িঘর
হঠাৎ কিসে যায়যে মিশে- ’ঘূর্ণিঝড়’?
তপ্ত রোদে বালুর গোর- অগোচর।

কায়ার মায়া লাগায় কিসে -’প্রহসন’?
মনের কথা জানতে চায় - কতজন?
স্বার্থ ছাড়া সঙ্গ লভে - কদাচিৎ
তাইতো একা গভীর ধ্যনে - সমাহিত।

সাধনা মোর আত্না নিয়ে-দুর্বার
হৃদয় ছাড়া প্রেমের খেলা-অনাচার
দেহের ভাঁজে পাইনা খুঁজে-অস্তিত্ব
দেখানো প্রেম, ন্যকামো মায়া-স্বতীত্ব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122291/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Jun 2022 19:01:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাধনা</p>
<p>ভবের ঘোরে প্রিয়ার নেশা &#8211; নিশাচর<br />
হিয়ার টানে পাগলে ছাড়ে -বাড়িঘর<br />
হঠাৎ কিসে যায়যে মিশে- ’ঘূর্ণিঝড়’?<br />
তপ্ত রোদে বালুর গোর- অগোচর।</p>
<p>কায়ার মায়া লাগায় কিসে -’প্রহসন’?<br />
মনের কথা জানতে চায় &#8211; কতজন?<br />
স্বার্থ ছাড়া সঙ্গ লভে &#8211; কদাচিৎ<br />
তাইতো একা গভীর ধ্যনে &#8211; সমাহিত।</p>
<p>সাধনা মোর আত্না নিয়ে-দুর্বার<br />
হৃদয় ছাড়া প্রেমের খেলা-অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122291"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122291/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b389a18f2350ea2c97bda540fd94472</guid>
				<title>অদৃশ্য বাহনে 


ধাবিত অবধারিত যাত্রায় 
আগত ভবিষ্যৎ 
গত হওয়া বর্তমান 
অতীত হয়ে একে একে নেয় বিদায়
কি সৎ -কি অসৎ
গন্তব্য জবাবদিহিতার কাঠগড়ায়। 

না চাইলেও নতুনের ঝাঁক এসে 
হটিয়ে দিয়ে ছিনিয়ে নেয় কেদারা 
ধুঁকতে থাকা পথিক, 
প্রহসনে ভরা জীবনে দেয় ধিক,
এদিকে জৌলস হারায় চেহারা 
একাকীত্ব ঘিরে ফেলে চতুর্দিক। 

অনুভুতিহীন সময় কাজে ব্যস্ত 
আগামীদিনের হাতে করে ন্যাস্ত
পাওয়া না পাওয়ার হিসেব কই হলো?
ঘোষণা না দিয়েই সময় চলে এলো।

মুছে যায় অস্তিত্ব ভুলে যায় নাম 
কি পেতে আজীবন এত খাটলাম!
ভাগশেষে বলি কি নিয়ে আসা হলো?
হাতখালি করে  বিধি একা রেখে গেলো
সঁপে দিলো এক আগন্তুক বাস্তবে 
জানা নেই আজ কি পরিণতি হবে? 

থেকে যায় তারা সদা সময় ডায়েরীতে
ভাসেনা যারা মেকী জীবন তরীতে 
জীবন একটাই তাই হিসেব কর এবে 
জীবন অন্তে তুমি কত সফল হবে?

অরণ্যের কথা জানি ধরবেনা মনে
তবু চলে যতে হবে চড়ে অদৃশ্য বাহনে
তুমি -আমি ধরনী সব হবে লয়
দৃশ্যের আড়ালে চালক সময়।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/122248/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Jun 2022 16:15:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদৃশ্য বাহনে </p>
<p>ধাবিত অবধারিত যাত্রায়<br />
আগত ভবিষ্যৎ<br />
গত হওয়া বর্তমান<br />
অতীত হয়ে একে একে নেয় বিদায়<br />
কি সৎ -কি অসৎ<br />
গন্তব্য জবাবদিহিতার কাঠগড়ায়। </p>
<p>না চাইলেও নতুনের ঝাঁক এসে<br />
হটিয়ে দিয়ে ছিনিয়ে নেয় কেদারা<br />
ধুঁকতে থাকা পথিক,<br />
প্রহসনে ভরা জীবনে দেয় ধিক,<br />
এদিকে জৌলস হারায় চেহারা<br />
একাকীত্ব ঘিরে ফেলে চতুর্দিক। </p>
<p>অনুভুতিহীন সময় কাজে ব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-122248"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/122248/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eefe95fd6ef8808c1daa3e49b5cbd53a</guid>
				<title>এ কথা মানিনা
[ঠিকানাহীন অরণ্য]
নশ্বর পৃথিবীতে ইশ্বর সাজার প্রতিযোগিতা
ইশ্বরের ভয়কে পুঁজি করে বিভাজিত হয় মানবতা
যুদ্ধবাজ হায়েনারা শান্তির পোষাকে খুন করে
নিরীহ দুর্বল মানুষ, নেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ট্যক্সের অর্থে কেনা বুলেট লুটেরাদের পাহারায়
আর খেটে খাওয়া মানুষ নিজেদের স্বজন হারায়
পত্রিকার হেডলাইনে সেই চিরচেনা ঘটনা
নিরীহরাই দোষী আর সত্য যতকিছু সব রটনা
তাই আমরা ভালো আছি- এ কথাটা  আর মানিনা।

আমার মত পেট নিয়ে আমার পেটে লাথি দেয়
কেউ আল্লাহর ওকালতী করে কেউ ভগবানের নাম নেয়
সবখানেই ব্রাহ্মণ-দলিত, খান- সৈয়দ জাত-পাতের খেলা
সকলেই মানুষ তবু সমাজে নারীর প্রতি অবহেলা
নারীকে কিভাবে চলতে হয় তা নিয়ে রোজ চর্চা
ওদিকে নারীর নীলাভ লোচন দর্শনে গোপনে পয়সা খর্চা
থানার বড়বাবুও নিরীহ পেয়ে ইশারায় কি যেন চায়
ইশ্বরের নামে ভিক্ষা করে চলে আর মানুষে মানুষে লড়া্য়
আমি সৃষ্টি তাই ইশ্বরে বিশ্বাসী - নাম কি তাঁর জানিনা
তোমার মত চললেই ধার্মিক এ কথাটা আর মানিনা।

আমি নিজের মনের কথা কবিতায় প্রকাশ করি
তোমাদের মত ব্যকরণ কিংবা নিয়মের ধার ধারিনা
স্বীকৃতি পেতে কি ইশ্বরকে গাল দিতে হবে জোর গলায়?
অথবা, উপরের কর্তাদের তুষ্ট করতে মেনে নেবো অন্যায়?
আমি মানুষ হয়ে শান্তির নামে মানুষ মারতে পারিনা
তোমার শেখানো সংজ্ঞা দিয়ে মানবতাকে আমি দেখিনা
তুমি আমার মতই স্বপ্ন দেখো, বাঁচতে চাও, ক্ষুধা অনুভব করো
কালের স্রোতে সবকিছু খুইয়ে আমার মতই নিঃস্ব হয়ে মরো
তবু ঐ চেয়ারটায় বসে তুমি ইশ্বর সেজে বসে যাও
মানুষ হয়ে মানুষকে তুমি দাস বানিয়ে মজা পাও
তোমার কর্মে মূল্যায়ন তোমার কি পদে আছো তা দেখিনা
তোমার কথাই আইন হয়ে যাবে- এ কথাটা আর মানিনা।
তুমিই দেশপ্রেমী, তুমিই স্বাধীনতা- এ কথাটাও আর মানিনা।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121861/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jun 2022 02:54:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এ কথা মানিনা<br />
[ঠিকানাহীন অরণ্য]<br />
নশ্বর পৃথিবীতে ইশ্বর সাজার প্রতিযোগিতা<br />
ইশ্বরের ভয়কে পুঁজি করে বিভাজিত হয় মানবতা<br />
যুদ্ধবাজ হায়েনারা শান্তির পোষাকে খুন করে<br />
নিরীহ দুর্বল মানুষ, নেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা<br />
ট্যক্সের অর্থে কেনা বুলেট লুটেরাদের পাহারায়<br />
আর খেটে খাওয়া মানুষ নিজেদের স্বজন হারায়<br />
পত্রিকার হেডলাইনে সেই চিরচেনা ঘটনা<br />
নিরীহরাই দোষী আর সত্য যতকিছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121861"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121861/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b0636c4b8b6b6279597adcfda852bc8d</guid>
				<title>জোছনা 
-&#039;আজ জোছনাটা কেন জোর করে জানালা ফুরে ভেতরে আসতে চাইছে জানো?&#039;
অন্তিকা জানে অরন্য কি বলবে, কি আর বলবে, অভিধানে পাওয়া যায়না এমন শব্দ আবিস্কার করে তা দিয়ে প্রশংসা মালা গাঁথবে যেমন ফুলের মালা গাঁথে বাছা ফুল দিয়ে একটা একটা করে। বেলীর মালা, উহুঁ! গাঁদা ফুলের মালা অন্তিকার দারুন পছন্দ।

কমলা শাড়িতে সেদিন এলিফেন্ট রোডের কোন এক অচেনা দোকান থেকে কেনা গাঁদা ফুলের খোপা কিনলো, অন্তিকা বলে এটা নাকি চুলের মালা, একবার বলে ফেলেছিলো মালা ব্যাস হয়েছে এখন সে আর খোপা বলবেইনা,উলটো ভাষাবিদদের এখন মালা বলতে হবে, খোপা বলা যাবেনা। ও খুব জেদী, অরন্য ছাড়া ওর আছেই বা কে! 

গাঁদা ফুলের খোপা মাথায় দিয়ে কমলা শাড়ি পড়ে যখন ও হাটছিলো তখন অরণ্য ওর দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়েছিলো। অরণ্যের জন্যই ওর সাজুগুজু করা। সমস্ত ভালো লাগাটুকু ও অরন্যকেই দিতে চায়। 
আকাশের বিশালতায় উড়তে থাকা নীলাভ ভাসমান মেঘমালার মতো সুন্দর করে অরন্য অন্তিকার দিকে তাকিয়ে থাকে। আসলে ওই মেঘমালাটা অন্তিকার মুখ ঠিকরেই যেন বের হয়! 

হাতটা বাংলা ছবির নায়কদের মতো দু পাশে মেলে দিয়ে অরন্য বলে &#039;ফিদা হয়ে গেলাম!&#039; 
মুখটায় লাস্যময়ী হাসি দিয়ে হুহ করে একটা বাঁকা চাহনী দেয় অন্তিকা। বয়েই গেছে ওর, এইতো কিছুলষন আগে একটা স্মার্ট ছেলে অন্তিকার দিকে তাকিয়ে &#039;জোশ&#039; বলে মন্তব্য করলো। সে যাই বলো হোক সত্য বা মিথ্যে প্রশংসা শুনতে কার না ভালো লাগে!

অন্তিকারও ভালো লাগছিলো। সূর্যাস্ত গড়িয়ে সন্ধে এলো। একফালি চাঁদ উঁকি দিয়ে নিজের আলোকে ঠেলে পাঠিয়ে দিলো বিস্ময়ের কাছে। অরন্য-অন্তিকা, দু&#039;জনেই মত্ত নদীর জলে স্নান করা জোছনার ছন্দের দোলায়। অজান্তেই দোলে উঠলো আলিংগনে আবদ্ধ আলপনার ঢেউ, হাওয়ার তালে তালে সুরভী ছড়িয়ে দিলো খোলা চুলগুলো। চোখাচোখি। অনেকটা কাছে। ঠান্ডাটা এখন লাগছেনা। 
রাতের কুয়াশা সরে গিয়ে তারাগুলো জায়গা করে নিয়েছে। কাঠে-লোহায় গড়া লঞ্চের কেবিনটায় অদ্ভুত যান্ত্রিক শব্দ হচ্ছে। আকাশের নিস্তদ্ধতাকে বিদ্ধ করছে জলের স্রোত। ভাসছে জোছনা, ভাসছে অরন্য আর অন্তিকা। 

লঞ্চের তলায় আছড়ে পড়ছে উত্তাল ঢেউ, অরন্যের খোলা বুকে ঢেউ তুলেছে অন্তিকার এলোমেলো চুল, আছড়ে পড়েছে আকাশ থেকে সজোরে নেমে আসা চিলের মতো, উত্তাল, উম্মত্ত, বন্য, নির্লজ্জ।

হঠাৎ করেই চুলে হাতের পরশে কেটে যায় ঘোর। অরন্য যখন প্রশংসায় ভাসায়, প্রেম নিবেদন করে, মেলে ধরে বাহুদ্বয় তখন অন্তিকা চোখ বন্ধ করে হারিয়ে যায় আত্মা মিলনে সাড়া দিতে। স্খলিত হয় বারেবার দুজনের জোছনাময় সংসার। 

&#039;না জানিনা, কেন?&#039;
&#039;কারন সে চায় তোমার রুপের আলোতে আলোকিত হয়ে অপার সৌন্দর্য লাভ করতে।&#039;
&#039;তাই বুঝি তুমি ইর্ষান্বিত হচ্ছো?&#039;
ন্যাকামো করে বললো অন্তিকা। 
অন্য সময় হলে ন্যাকামো করতোনা, ও এমন মেয়ে নয়, হৃদয়টা বিশাল হলেও মুখটা চাছাছোলা, সবসময় না আবার, যখন সে রেগে যায় তখন তার  গান, কন্ঠ আর চেহারার সাথে ভাষা ও শব্দচয়নের আকাশ-পাতাল ব্যবধান।  যাকগে, গোলাপ ফুল ছুঁতে গেলে কাঁটার আঁচর খেতেই হবে। অন্তিকাকে অরন্য বোঝে। ও জানে অন্তিকার বিশালতায় বিচরন করতে হলে ওর এই সামান্য আহ্লাদ, জেদ ও রাগকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবু তর্ক লাগেনা যে একদম তা নয়। 

ওদের রসায়নটা অন্তত এমন একটা বিশালতা অতিক্রম করেছে যে ওদের বিশ্বাস আর যাই হোক, ওরা একে অপরের জন্যই জন্মেছে। 

&#039;এই যে এতো স্মৃতি,  এতো খুনসুটি, এতো স্বপ্ন, এতো ভালোবাসা, এগুলো কি পরিণতি পায়? 
নিয়তি, সময়, পরিণতি, এ সবকিছুই আপেক্ষিক 
হয়তো খুব বেশী কাছে থাকা দুরত্বই সৃষ্টি করে আবার মাঝে সাঝে কষ্ট করে দেখা, সামান্য মুহুর্ত বিনিময়, ভালো লাগা বিনিময়, অনুভুতি বিনিময় হয়তো আজীবন ভালো বাসিয়েই যায়। এটাই ভালবাসা। এর ভালোবাসা পরিণতির উপর নির্ভর করেনা, কেবল ভালো বেসে যায়&#039; 

অন্তিকা কথাগুলো আপনমনে ভাবছিলো।
-কি বললাম উত্তর দিলেনা যে! হিংসা করছো?
- হিংসা তো জোছনা করছে, আমি কেন করবো? তুমিতো আমার কোলেই রয়েছো। 

অস্ফুট স্বরে গলা দিয়ে অন্তিকা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো। 
&#039;এই যে আমরা আর এই যে ক্ষণ জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি- এই! তুমি আমাকে ভুলে যাবেনা তো?&#039;

-&#039;না ভুলবোনা, কথা দিচ্ছি&#039;
-&#039;কথা সবাই দেয়, সময় সবকিছুই ছিনিয়ে নেয়, তবু জেনে রেখো আমি মন-মননে তোমারই ছিলাম, তোমারই থাকবো।&#039;
- ভরসা রেখো অন্তিকা!
-ভরসা তোমায় করি, তুমি কি বলতে পারো অনেক ভালোবাসা বুকে নিয়ে ঘর বাঁধা জুটিগুলো কেন বিচ্ছেদের অনলে শেষ হয়ে যায়?

বলতে পারেনা অরন্য, উত্তর জানা নাই অন্তিকারও
তবু অরন্য বুকের কাছে অন্তিকাকে চেপে ধরে বললো
&#039;শুনতে পাচ্ছো? ভালবাসি ঠিক এখান থেকেই, তোমাকে তোমার জন্যই ভালবাসি, তুমিই আমার নারী, হয়তো আমাদের রসায়নটাই অন্যরকম।&#039;
&#039;হয়তো! ভাল লাগছে অরন্য, আমাকে আরো জড়িয়ে নাও!&#039;
&#039;এসো!&#039;
&#039;ভালো লাগছে অরন্য, অনেক ভালো লাগছে 
কলিজা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে- অরন্য! অরন্য!&#039;
অরন্যের চোখ দিয়ে জল বেয়ে অন্তিকার ঠোঁটে পড়লো।
&#039;অন্তিকা, তোমার ভালবাসায় আমি জীবন ফিরে পেয়েছি, আমি সবুজ হয়েছি, সতেজ হয়েছি, তোমাকে ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ,  আমি নিস্তেজ, আমি মৃত।
ভালবাসি তোমাকে! 

দু&#039;জন দুজনকে যখন পরম পুলকে জড়িয়ে ধরলো ঠিক তখনই কোথা হতে মেঘ এসে ঢাকিয়ে দিলো চাঁদকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121860/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jun 2022 02:52:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জোছনা<br />
-&#8216;আজ জোছনাটা কেন জোর করে জানালা ফুরে ভেতরে আসতে চাইছে জানো?&#8217;<br />
অন্তিকা জানে অরন্য কি বলবে, কি আর বলবে, অভিধানে পাওয়া যায়না এমন শব্দ আবিস্কার করে তা দিয়ে প্রশংসা মালা গাঁথবে যেমন ফুলের মালা গাঁথে বাছা ফুল দিয়ে একটা একটা করে। বেলীর মালা, উহুঁ! গাঁদা ফুলের মালা অন্তিকার দারুন পছন্দ।</p>
<p>কমলা শাড়িতে সেদিন এলিফেন্ট রোডের কোন এক অচেনা দোকান থেকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121860"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121860/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c0271441102d4aac0fce3afb474c3fa1</guid>
				<title>ধ্যাত্তেরী

স্বপ্নের গলিতে কুত্তার ঘেউ 
জুতার তলায় ফুটো দেখে কি কেউ?
মধ্যবিত্তের কল্পনায় চিত্ত সাগর 
বন্ধ চোখে দাপিয়ে বেড়ায় রাজার বহর
বোকা হাসি প্রেয়সী কালচে কেশী
বাজারেতে বিয়ের দর একটু বেশী
দশ টাকার ফুচকা পঞ্চাশে খায় 
ঘরে এসে শুন্যতায় করে হায় হায়
সফলতার ঘোড়াটা একটু দূরে
ধরি ধরি করে করে যায় যে মরে 
ঘামে ভেজা বিলাসিতা অন্যে খায়
জীবনটা প্রহসনে শেষ হয়ে যায়।।।
ধ্যাত্তেরী! এই তরীর কেই বা সাওয়ার 
ধান্দার দোকানেতে সবাই খাবার 
দিন শেষে প্রশ্ন কে বা কাহার
যার যার তার তার, কেউ যার তার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121859/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Jun 2022 02:35:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধ্যাত্তেরী</p>
<p>স্বপ্নের গলিতে কুত্তার ঘেউ<br />
জুতার তলায় ফুটো দেখে কি কেউ?<br />
মধ্যবিত্তের কল্পনায় চিত্ত সাগর<br />
বন্ধ চোখে দাপিয়ে বেড়ায় রাজার বহর<br />
বোকা হাসি প্রেয়সী কালচে কেশী<br />
বাজারেতে বিয়ের দর একটু বেশী<br />
দশ টাকার ফুচকা পঞ্চাশে খায়<br />
ঘরে এসে শুন্যতায় করে হায় হায়<br />
সফলতার ঘোড়াটা একটু দূরে<br />
ধরি ধরি করে করে যায় যে মরে<br />
ঘামে ভেজা বিলাসিতা অন্যে খায়<br />
জীবন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121859"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121859/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e1b76338bd2128a1a5e4020ea3b9bb2</guid>
				<title>সফলতা এক জেলখানা

আমি মরে গিয়ে প্রমাণ করতে চাইনা আমি বেঁচে ছিলাম তাই আমি সমাজের বেঁধে দেয়া সফলতার সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত হতে চাইনা।

ইহ! নিজে কিছু করে দেখাতে পারেনা তাই কত কথা! আংগুর ফল টক! 

আমি যদি সে পথেই হাটি যে পথের সমালোচক আমি নিজেই তবে আমার আদর্শের প্রথম বিরোধী তো খোদ নিজেই হয়ে গেলুম।

আজকের সমাজ ছোট্ট বেলা থেকে শেখায় সফলতা মানে রাজকুমারের মতো কাড়ি কাড়ি পয়সা, ক্ষমতা আর বিলাসিতায় থাকা। একজন মেয়েকে ছোট থেকেই শেখানো হয় এভাবে এভাবে চললে ভালো জামাই পাবে। ভালো মানে পয়সাওয়ালা।
আজেকাল সব জায়গায় যেভাবে সিন্ডিকেট বসে, এহেন কোন রাস্তা নেই যে রাস্তার ওলিতে গলিতে আতি পাতি চাটুকার-বাটপার বসে নাই। উপরতলার বাবুরা বসে অন্তরালে- সিংহভাগ বচশা তারাই হজম করে মানবতার বাপ মা কিংবা নগর পিতা উপাধি পেয়ে জনগনের সেবক বনে যান। যেন নিজের বাপের টাকা দিয়ে জনগনের কাজ করছে।

মাছহীন পুকুরে ভুলে ভালে এক আধটা পোনা ধরা পড়ার মতো গুটি কয়েক ব্যতিক্রমী লোক আছে যারা খোদায়ী মদতে কিংবা বেশীরভাগ নিজের বাপ দাদার আশির্বাদে সবসময় সঠিক সুযোগ গ্রহন করতে পারে। আড়াল হয়ে থাকে মধ্যবিত্ত- নিম্ন মধ্যবিত্তদের মাঝে লুকিয়ে থাকা স্বপ্নবাহী প্রতিভাগুলো।
এরা মোটিভেশান শুনে মেকী সফলতা বা মেকী জ্ঞানী সাজ সেজে সমাজে নিজের কাছাটা বাঁচিয়ে চলে।

মাথাওয়ালা জনদরদী নেতা কিংবা জনতা পাওয়া মুশকিল, এদেশের পিতা মাতা থেকে শুরু করে শিক্ষা ধর্ম- সংস্কৃতি এবং উদ্দেশ্যে পচন ধরেছে। খাও-দাও, বাতকর্ম করো, বিবাহ করো, পয়দা করো, এবার খাওয়াও, পড়াও, ফের একই কাজ। চার দেয়ালে সারাজীবন খাদ্য সংগ্রহে ব্যস্ত কিংবা অধরা সফলতার ধাধায়। কেউ জানেনা সফলতা কি।
আপার গয়নার মতো গয়না পাওয়া কারো কাছে সফলতা, কারো কাছে কিছু ফলোয়ার এবং সাবস্ক্রাইবার পাওয়া সফলতা, কারো কাছে একটা চাকুরী পাওয়া ফের কারো কাছে সুন্দরী সাদিতাকে পাওয়াই হয়তো সফলতা।
তারপর অতৃপ্ত সফলতার আশায় নিজের জীবন বিসর্জন দেয়া, রোগ বাধানো, ডাক্তারবাবুকে পয়প্সা দিয়ে এসে ফের টেনশানে হৃদযন্ত্র বন্ধ হওয়াই যেন জীবনচক্র। 

অমুক ছেলে অমুক কোচিং এ পড়ে, আর যায় কোথায় পাছা কাছা বের করে সংসারটাকে কোচিংমুখী করে দেয়া,এদিকে মাস্টারমশাইদের ব্যবসা বাক বাকুম। 
জাতিগত ভাবে পিতা মাতার কোন বড় স্বপ্ন নেই, আজ মানুষের ইতিহাসের বড় বড় কাজ সমাধা করার স্বপ্ন মারা গেছে, সত্যিকার পুরুষ কেউ চচ্ছেনা, বীর কেউ হচ্ছেনা- চার দেয়ালে দাসত্য করা আর চুড়ি পড়ে সংসার করা লোক পুরুষ হতে পারেনা।

জাতিগত কোন ম্যানার নেই, আত্মসম্মান নেই, তাত্মিক দর্শন ও আদর্শ নেই, কোন গন্তব্য নেই, কোন দিক-নির্দেশনাও নেই। নেই বীরাঙ্গনা!  
আজ রুপালী পর্দায় অভিনয় করা লোকেরা বীর। এরা নীতি-নৈতিকতার অস্থিমজ্জা খেয়ে কলাকার হয়ে যাচ্ছে। পঞ্চাশ টাকায় পেটের ক্ষুধা মেটানো পতিতার কাজকে ঘেন্না করা হলেও কোটি টাকার চলচিত্রে একই কাজ সাহসিকতা বলে বাহবা পায়। আজকের নতুন প্রজন্ম এক বিকলাঙ্গ জারজ প্রজন্ম। হয়তো এদের জন্মে দোষ নেই কিন্তু এদের গঠনে দোষ। 

সমাজ, পরিবার, শিক্ষা, রাষ্ট্র, ও আইনে সবখানেই দেবতা করা হয়েছে বিলাসিতা, যৌনতা, ক্ষমতা এবং অর্থকে। তাই আজ মানুষ মানবতা, আদর্শ, এবং ন্যায়পবচার রক্ষায় বীর হতে পারছেনা,নেতৃত্ব দিতে পারছেনা কারন সে ধরনের নেতা নেই। 
খাই-খাই চিকিৎসা ব্যবস্থা, আইনী অবকাঠামো,  শিক্ষানীতি এবং জীবনের বাটখারা। 
মানুষের অন্তরাত্মা কাগজে বিক্রী, স্বত্মা উপাধিতে, বিবেক নিহত ক্ষমতায় আর ন্যায়বিচার খুন হয়েছে অনৈতিকতার খঞ্জরে। এখানে কোন ব্যক্তিকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। সমাজের গতিবিধি, আদর্শ এবং উদ্দেশ্যর আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আর সে মাপের বিপ্লবী আজকালের হাইব্রীড শিক্ষা, সমাজ, ও পরিবার তৈরী করতে ব্যার্থ। 

প্রবল স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে লোকে ভাবছে সফলতার পথ এটাই। আমাদের মতো যারা খড়কুটো আটকে ধরে রাখছে তাদেরকেও পেটের ক্ষুধা, স্বাভাবিক জৈবিকতা, এবং সমাজের কানপড়া স্রোতে ঠেলে দিচ্ছে।
হয়তো সামলে নেই কিন্তু মানুষের ভ্যাংচি বলে কথা। 
সববাই যা করছে তাই যেন করতে হবে। 

এই দুনিয়ার এতোকিছু- চোখ মুদলেও শেষ, এই একটি মাত্র জীবনে আধুনিক দাসত্ব নামের অর্থনৈতিক অসম বন্টন এবং শ্রমনীতি মানুষকে চাকুরের জাতাকলে নিঃশেষ করে দিয়েছে। কিছু ব্যক্তি ছাড়া প্রায় সিংহভাগ মানুষ নিজের স্বত্তাকে শিকে তুলে কয়েক হাজার টাকায় বিক্রী করেছে নিজের মেধা, প্রতিভা, ও শ্রমকে এলিটদের কাছে। এরা ভবিষ্যতের জন্যও কিছু করতে পারেনা- বা করতে করতে নিজেরাই বুড়িয়ে যায়।
এরপর সব খচ্চা করে চিকিৎসালয়ে। 
এটাও একটা দাসত্বের সফলতা। কেউ নিজের পছন্দের কাজ, যৌক্তিক পারিশ্রমকের বিনিময়ে, এবং স্বাধীনমত করতে পারছেনা। স্বাধীনতার ব্যনারেও একদল সিন্ডকেট কাজ করছে এবং সফল হতে চাওয়া ইদুরদের হ্যমিলনের বাশির পেছনে দৌড় করাচ্ছে।

সত্যিটা যখন বলা হবে তখন কেউ পরিবর্তনের কথা ভাববেনা, &#039;ইগ্নোর নেগিটিভিটি&#039;, ব্রিং পজিটিভিটি&#039; 
ভাসিয়ে দাও স্রোতে। ভাগ্যিস এ.পি.জে আব্দুল কালাম স্যার বলেছিলেন &#039;জব হচ্ছে আধুনিক দাসত্ব&#039; 
তিনি সারাজীবন বিলাসিতা বিসর্জন দিয়ে স্রোতের বিপরীতে চলেছেন। তিনি সফল বিধায় তার কথা এখন কোটেশান নইলে আজ প্রলাপ বলে চালিয়ে দিতো মোটিভেশন দেয়া উম্মাদ ব্যবসায়ীরা যারা নিজেরাও জানে যে সফল ব্যক্তিদের চেয়ে পরিশ্রমী ও প্রতিভাবান কিন্তু অসফল ব্যক্তিদের সংখ্যা কম নয়, বরং বেশীই, কালের স্রোতে এদের কেউ মনে রাখেনি- হ্যা এই বাস্তবতা কেউ তুলে ধরবেনা।
কেন চেষ্টার বেনিংটন আত্মহত্যা করলো? কেন সবচেয়ে উপরের পর্যায়ের ব্যক্তিরা এর চেয়ে উপরের দেবতাদের ইচ্ছের পুতুল হয়? সে আবরণটা সব সময় শয়তানের শিংয়ের ছায়ায় লুকোনো থাকে। তারপর রচিত হয় মানুষকে পণ্য, যান্ত্রিক, বিলাসী এবং উদ্দেশ্যহীন করার এক জড়বাদী মেকী সফলতার রোডম্যাপ। যার কোন দার্শনিক উদ্দেশ্য বা ভিত্তি নেই।

আমি স্রোতের বাইরে আসি  যেখানে একটু দম নিতে পারি,  দেখি বাইরে থেকে স্রোতের আসল রুপটা। হাজারো আশ্বাসে ভাসা এই স্রোতের ধারা গিয়ে পতিত হয়েছে অন্ধকার তলাহীন খাদে যাকে অতিক্রম করতে হয় মরণ দিয়ে। পরের কোন উত্তর জানেনা বা দিতে পারেনা এই সফলতার সংজ্ঞা। অতএব আমি জানি এর ছিটেফোঁটা আমার গায়েও লাগবে,এর প্রবলতা আমাকেও খাদে টানবে- তবু, তবু যদি এইটুকু বোধ, বিবেক, সরে থাকা এবং লিখনী খাদের শুরুতে একটা ডাল হয়ে ধরে রাখে পতিত হওয়া থেকে আর ফিরিয়ে নিয়ে আসে এক উদ্দেশ্যের দিকে যাতে রয়েছে মরণের পরের উত্তর, সেই জীবনের সফলতা এবং এই জীবনের আগত প্রজন্মের বিপ্লবী কোন বীরের বারতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121819/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Jun 2022 15:00:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সফলতা এক জেলখানা</p>
<p>আমি মরে গিয়ে প্রমাণ করতে চাইনা আমি বেঁচে ছিলাম তাই আমি সমাজের বেঁধে দেয়া সফলতার সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত হতে চাইনা।</p>
<p>ইহ! নিজে কিছু করে দেখাতে পারেনা তাই কত কথা! আংগুর ফল টক! </p>
<p>আমি যদি সে পথেই হাটি যে পথের সমালোচক আমি নিজেই তবে আমার আদর্শের প্রথম বিরোধী তো খোদ নিজেই হয়ে গেলুম।</p>
<p>আজকের সমাজ ছোট্ট বেলা থেকে শেখায় সফলতা মানে রাজকুম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121819"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121819/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">639524e87ef4ee00f26e759bd12af6b7</guid>
				<title>ধাঁধা

মনের কথায় পড়লো বাধা
মাত্রায় চরনে জটিল ধাঁধা
শ্রেষ্ঠ কবির কবিতা বুঝি
লিখিত কানুন কিতাব খুঁজি?

আবেগ নিরোধে আটকে থাকে
যাচাই পারদে মাপবে কাকে? 
লোহার শেঁকলে থমকে গতি 
স্বাধীন কলম হারায় জ্যোতি।।

স্বাধীন আকাশে উড়াই পাখি
প্রেমের মিলনে নাচাই সখি
হৃদয় সাগরে ভাসবো এবে
চাপানো নিয়ম নিধন হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/68979/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Dec 2021 17:13:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধাঁধা</p>
<p>মনের কথায় পড়লো বাধা<br />
মাত্রায় চরনে জটিল ধাঁধা<br />
শ্রেষ্ঠ কবির কবিতা বুঝি<br />
লিখিত কানুন কিতাব খুঁজি?</p>
<p>আবেগ নিরোধে আটকে থাকে<br />
যাচাই পারদে মাপবে কাকে?<br />
লোহার শেঁকলে থমকে গতি<br />
স্বাধীন কলম হারায় জ্যোতি।।</p>
<p>স্বাধীন আকাশে উড়াই পাখি<br />
প্রেমের মিলনে নাচাই সখি<br />
হৃদয় সাগরে ভাসবো এবে<br />
চাপানো নিয়ম নিধন হবে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b94e7c76432188986c7dd3bea765173</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/64140/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 18:32:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ad572f6284ad79af0bea39bf574e7e8</guid>
				<title>গন্তব্যহীন মনুষত্বে পিশাচের রাজত্ব।

রক্ত-অশ্রু, হাহাকার আর কোলাহল চুতর্দিক
পৃথিবীর বয়স এলো ফুরিয়ে নরপশু নির্ভীক
 বোকা বলে তাই, খাবি খেয়ে যাই, প্রতারক সংসারে
 কপট হাসিতে প্রগতির গতিতে রংধনু বিহারে।

শান্তির অভিনয়ে রক্তপান তবু সাদা পতাকা দেখায় হাতে
সকালের মানুষ ভোল পাল্টে পিশাচ হয়ে যায় রাতে 
স্বাধীনতার বড়শীতে আটকা পড়া নারী দেহ করে পান
লাশের গায়ে কয়লা দিয়ে লিখে দিয়ে যায় ’শয়তান’

আমি সেই রাস্তা এড়িয়ে চলতে গিয়ে দেখি
মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতর স্বাধীনতার ডানাহারা পাখি
অবিশ্বাস দেখি বিশ্বাস হয়ে প্রেম করে আর
পরকীয়ার বাজারে অর্থ উড়ে বিলাসী কারবার

কারো অভাবে, কারো স্বভাবে, প্রভূত্বের অহংকার
অসহায় যুবক বেঘোরে মরে-জনতা নির্বিকার
পেটের ক্ষুধা খুঁজে পেতে চায় দাসত্বে আশ্রয়
দেহের ক্ষুধার কাছে আত্না- বিশ্বাসের পরাজয়

প্রস্থান করি সেথা হতে দাগ বুঝি লাগে গায়
প্রেমের আবেগ দেহের উত্তাপ জল হয়ে বয়ে যায়
রক্তচোষা কালো টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হারামজাদা
কিনে নিয়ে আসে রুপসী পুতুল-সমাজের শাহজাদা।

স্বস্তা উপদেশ দিয়ে লোকে পায় যে কত মজা
ডাকুর শান্তির ছায়ার তলে ছিঁচকে চোর খোঁজা
এক লাথি দিয়ে মোঁচ বুলিয়ে বাহাদুর সেজে যাও?
দিওনা উপদেশ! পারলে বরং কাছাটুকুও কেড়ে নাও!

করবেই জানি সম্ভ্রমহানি  আর কেড়ে নেবে অধিকার
প্রতিটি বাড়ির সুপ্ত কাম়্ড়ায় অনাচার অবিচার 
লোক দেখানো ভদ্রতা আর বলো চলবে কতকাল?
রাতের পতিতা স্বতীত্ব রক্ষায় দিনে করে হরতাল। 

চাকুরী না পাওয়া বেকারটি আজ ভাঙ্গা থালি হাতে
’অর্থ চাইনা! দু বছরের অভিজ্ঞতা দাও পাতে’
চার দেয়ালে সারাজীবন স্যালারী ছ’সাত হাজার
প্যনসনহীন চাকুরী শেষে পাওনা মরনব্যধী সুগার

অর্থহীন অথর্ব দেহ- প্রেম থাকে আর কত!
বধুকে কেবল রাতেই দেখা- বারবণিতার মত
চিকিৎসায় জমি চলে যায়, সংসারও ভাঙ্গে আজ
আত্নার মিলন হতে দিলোনা আধুনিক দাসত্বের কাজ।

অমন সফল চাইনি হতে তাই গেলাম দুরে সরে
কালকের ব্যংকার আজকে বইয়ে ব্যঙের গল্প পড়ে
ময়লা পেটে ভুঁড়ি মোটা বাবুর হুংকারে ভরা হাঁক
চাষির বেটিকে চাকুরী দিবে তাই দেখছে প্রতিটি ফাঁক

উচিৎ কথা বলতে গিয়ে চিৎপটাং পড়ে রয়
সত্যবাদী লোকটা আজকাল একই সুরে কথা কয়
ধম্মো মানিনা বুলি দিয়ে যারা নিরপেক্ষতার গীত গায়
চাঁদ তারাকে বিদ্ধ করে মাতে সিঁদুর বন্দনায়

তুষ্ট করে যে ডলারের ফাঁকে মুখটি রাখো গুঁজে
তোমার চাহিদা শেষ হলে নেবে অন্য রমনী খোঁজে
উপাসনালয়ে ধম্মো ব্যপারীদের আঁতাত চোরদের
দুজনে মিলে ভাগ করে খায় সম্পদ অসহায় গরীবের

হঠাৎ ফসকে বলে দিলাম জোরে ভন্ড মোল্লা তুমি
সকলেই নাকি সত্যের বাহক স্বাক্ষী খোদ অন্তর্জামী
ব্যবসায় আঘাত পড়তেই হয়ে গেলাম খোদাদ্রোহী আমি
মোল্লার সাথে নেতা চিল্লায় এখনও কেন মরিনি।

সব ধম্মেই মোল্লা দেখি ইশ্বরের বাহানায়
সারাজীবন নিজেদেরই আঁখের গুছিয়ে যায়
সৃষ্টিকর্তার অমোঘ বানী মানবতার তরে
তবু কেন অসহায়ই দোষী হয় দরবারে?

মরতে চাইনা তাই ছুটে যাই ঘন এক জঙ্গলে
সুশীল পশুরা থাকতে দিলোনা পরিচয় ’মানুষ’ বলে
সুন্দর জঙ্গলে শান্তির নীড় পশুপাখিদের মেলা
কোত্থাও ধর্ষন রাহাজানী নেই, নেই বিশ্বাস নিয়ে খেলা।

নিরাশ হয়ে বন্ধুর দ্বারে উপস্থিত অবশেষে
বাড়ীর লক্ষী হেলেন হয়ে বন্ধুর সাথে আয়েশে
অসহায় তাকে কাছে টেনে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছিলাম
বন্ধুত্ব, প্রেম, বিশ্বাসের তাই শ্রাদ্ধ দেখে গেলাম।

রাতের ভূত নাকি দেবদূত কি দেখছি সব-ধূর!
বললো আমায়, ওহে শয়তান! আশা কর তুমি হুর?
লজ্জা পেয়ে জলের তলে চেপে ধরে রাখি কান
নেই শরগোল, নেই অশান্তি- বাঁচলো বুঝি সম্মান।

বাঁচার তাগিদে দোকান খুলেছি একদম খাঁটি মানবতার
শান্তির ব্যনারে ডাকুদের মেলা আর খদ্দের চাটুকার,
টাকা নাও গুঁজে সময় নেই এবার তবে আসি
তোমার স্বামীর চাইতেও আমি তোমাকেই ভালবাসি।

[সত্য ও বাস্তবতাকে তুলে ধরাই সাহিত্য। সাহিত্য তার নিজ গতিতে চলে। ভাবার্থ না বুঝলে লিংকে দেয়া পেইজে ইনবক্স করলে কবি জবাব দিবে]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/63310/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 07:08:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গন্তব্যহীন মনুষত্বে পিশাচের রাজত্ব।</p>
<p>রক্ত-অশ্রু, হাহাকার আর কোলাহল চুতর্দিক<br />
পৃথিবীর বয়স এলো ফুরিয়ে নরপশু নির্ভীক<br />
 বোকা বলে তাই, খাবি খেয়ে যাই, প্রতারক সংসারে<br />
 কপট হাসিতে প্রগতির গতিতে রংধনু বিহারে।</p>
<p>শান্তির অভিনয়ে রক্তপান তবু সাদা পতাকা দেখায় হাতে<br />
সকালের মানুষ ভোল পাল্টে পিশাচ হয়ে যায় রাতে<br />
স্বাধীনতার বড়শীতে আটকা পড়া নারী দেহ করে পান<br />
ল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-63310"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/63310/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9afe143b01ad3ee5ecd0531c60c7933e</guid>
				<title>স্বপ্নের সাথে দেখা 

স্বপ্নায় স্বপ্নের সাথে দেখা গোপনে
খুঁজে পাওয়া চন্দ্রিমা নিবিড় আলিঙ্গনে
তৃষ্ঞার্ত পেয়ালায় দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
ঢেউ খেলে জোয়ারে উম্মত্ত উচ্ছাস।

রুক্ষতা ভেসে যায় কোমনীয় ছোঁয়াতে
রহস্য খুঁজে চলে প্রেম কলম দোয়াতে
রক্ত লাল ললাটে কন্ঠে মধুর ছন্দ
বন্যতার দাপটে খুঁজে পায় আনন্দ।

পিপাসার প্রান্ত হাতড়ে বেড়ায় কিনারা
জলপ্রপাত ঠেকিয়ে দেয় বাস্তব চেহারা
ঘোর থেকে বেরিয়ে ভয় পাছে কিছু হয়
আত্নায় আত্নায় তাই বুঝি কথা কয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/61437/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Nov 2021 09:01:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নের সাথে দেখা </p>
<p>স্বপ্নায় স্বপ্নের সাথে দেখা গোপনে<br />
খুঁজে পাওয়া চন্দ্রিমা নিবিড় আলিঙ্গনে<br />
তৃষ্ঞার্ত পেয়ালায় দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস<br />
ঢেউ খেলে জোয়ারে উম্মত্ত উচ্ছাস।</p>
<p>রুক্ষতা ভেসে যায় কোমনীয় ছোঁয়াতে<br />
রহস্য খুঁজে চলে প্রেম কলম দোয়াতে<br />
রক্ত লাল ললাটে কন্ঠে মধুর ছন্দ<br />
বন্যতার দাপটে খুঁজে পায় আনন্দ।</p>
<p>পিপাসার প্রান্ত হাতড়ে বেড়ায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-61437"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/61437/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6aa595cdff0be23a83e6fa13b6c6d9b</guid>
				<title>গাঁজার ধোঁয়ায় পবিত্র প্রেম। 

কাঁধের উপর মাথা রেখে তন্ময়ের হাতের আলতো পরশ খেতে খেতে কবিতা আবৃত্তি করছে তনুশ্রী। 
’তোমার লাগি ঘর ছাড়িয়া পাড়ি দিবো মৃত্যু পাহাড়
 মিলাও আঁখি সব ভুলিয়া আজ বলে দাও তুমি আমার’

ছন্দ মেলাতে না পারলেও কথাগুলো খুব একটা খারাপ লাগলোনা। কিন্তু তন্ময়ের উত্তর সব সময় প্রস্তুতই থাকে। যতকিছুই হোক, মুড থাকুক বা না থাকুক, সবসময় বলতে হবে ‘বাহ! দারুন ছিলো। আরেকটা শোনাওনা প্লিজ!’
যদিও কখনও কখনও বিরক্ত লাগে তবুও এটাই একমাত্র উপায় তনুশ্রীকে নিবিড় আলিঙ্গনে পাবার। একটু ভুলভাল কিছু করলেই রাজ্যের সব অভিমান একত্রে করে উঠে চলে যাবে। 
তাই নিরাপদ হচ্ছে যদি ভালো নাও লাগে তাও তারিফ করে দাও। 
তনুশ্রী তারিফ শুনে বললো ‘হয়েছে, হয়েছে, আর বলতে হবেনা।’, কিন্তু মনে মনে অনেক খুশী। প্রশংসা শুনলে কঠিন করে রাখা মেয়েটাও আড়ালে আয়নার সামনে ধেই ধেই করে নাচে। এটা আমার কথা নয় প্রেম বিশেষজ্ঞদের বানী। তনুশ্রী এমনিতে যেঁচে আরো কিছু শোনাতো নিজে থেকেই কিন্তু যেহেতু তন্ময় বলেছে আরেকটা শোনাতে তাই আবারও সেই মেয়েলী ঢঙে বলে দিলো ‘উহুঁ, পারবোনা, &#x200d;মুড চলে গেছে’।
যদিও তনুশ্রীর প্রবল ইচ্ছা আরো শোনানোর কিন্তু ও চায় তন্ময়ের মনটাকে নিয়ে রহস্য করতে। চরম মাত্রায় পৌঁছিয়ে দিয়ে অধরা থাকার মজা নিতে। প্রেমকে ধরা দিতে নেই। একটু কাছে এসে সরে যাও দেখবে প্রেমিক এমনিই পিছু পিছু ছুটছে। তনুশ্রীর পেট ফুলে গেলেও মুখটাতে ন্যকামো একটা ভাব নিয়ে রাখলো। এ ক্ষেত্রে মেয়েরা যে নোবেল পাওয়ার উপযোগী তা বলাই বাহুল্য। 

মেয়েদের প্রতি প্রকৃতির এটাও একটা দান নয়তো ছেলেগুলো আজকাল যা লুইচ্চা হয় যদি মেয়েদের মনের আবেগগুলো চেহারায় প্রকাশ পেতো তাহলে যে কি হতো তা স্বয়ং খোদাই জানে। আর হবার কেই বা বাকি আছে?

পবিত্র প্রেমের নাম ভাঙ্গিয়ে কাশবনের ভেতর স্বর্গের চাবিকাঠি খুঁজতে থাকা কপোত-কপোতীরা যখন পবিত্রতার মাথা খেয়ে আবেগের শহর থেকে বিতাড়িত হয়ে বাস্তব জগতে পদার্পন করে তখন দেখে যে বেকার প্রেমিকের চেয়ে বি. সি. এস দেয়া ভাইয়াটার কাছে বেশী আরাম আয়েশে থাকা যাবে কিংবা প্রতিবেশী বিলাতে থাকা দাদার বিয়ে করা সুন্দরী বৌদির আকর্ষনটা রাতের ঘুম কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে তাই শুরু হোক বৌদি পটানো। যাই হোউক দাদার একাউন্টে যোগ হবে। যে সম্পর্কগুলো শুরু হয় চামড়া থেকে আর শেষ হয় অর্থের ঝাপটায় সেখানে পবিত্র প্রেম শব্দটা বড়ই বেমানান। তবে ঘুনে ধরা সমাজের উদ্দেশ্যহীন জীবনের কথিত সফলতার সংজ্ঞা পড়ে বড় হওয়া ছেলে মেয়েরা এগুলোর মানে বুঝবেনা। যেদিন বুঝে সেদিন নিজেকে দেবদাসের জায়গায় খুঁজে পায় আর এতদিনে ভালোবাসাকে অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে চলে যেতে দেখা যায়। কিংবা ডাস্টবিনে পবিত্র প্রেমের অবৈধ সন্তানকে ফেলে দেয়ার মাধ্যমে মাতৃত্বের চরম ধর্ষন করে মুখ রক্ষা করে পার পায়। কিন্তু মুখ রক্ষা করলেই কি আর মন রক্ষা করা যায়? একধরনের অস্থিরতা থেকে কেউ প্রেমকে গাল দেয় আর কেউ বা আত্নহুতী দেয়। কেউ বা আবার বিভিন্ন কোমলমনা ছেলে মেয়েদের নিজেদের ফাঁদে ফেলে নিজের আঘাতের প্রতিশোধ নেয়। 
এরকমই এক আঘাত খাওয়া দেবদাস ‘আনসার মিয়া’ যে কি না একদা একটা মেয়েকে খুউব ভালোবাসতো। মেয়েটা তাকে সওলমেট বলতো। আনসার মিয়া নিজে তথাকথিত মানুষ হবার চিন্তা বাদ দিয়ে শাহিদা আক্তারকে মানুষ করতে চেয়েছিলো। শাহিদার ক্যরিয়ার যদি সুন্দর হয় তবে ভবিষ্যতে বাচ্চা কাচ্চাকে মানুষ করতে পারবে। কিন্তু আখেরে একদিন যখন শাহিদা ম্যডিকেলে চান্স পেয়ে গেলো তখন নানান ব্যস্ততা দেখিয়ে আনসার মিয়াকে পাশ কাটাতে লাগলো। আনসার মিয়া যখনই দেখা করার জন্য বলতো তখনই নিত্য নতুন বাহানা দাড় করাতো শহিদা আক্তার।
’তুমি কি চাওনা আমি ডাক্তার হই? মানুষ হই? তুমি না বলতা যে আমি মানুষ হলে বাচ্চা কাচ্চাদের মানুষ করতে পারবো? তুমি দেখা করলে পরে আমার পড়াশোনায় কনসেন্ট্রেইট করতে সমস্যা হয়…কেন বুঝোনা তুমি আমাকে?’
কথা শুনে উল্টো আনসার মিয়ার নিজেকেই দোষী দোষী মনে হলো। আমতা আমতা করে ফিরে এলো। প্রতি মাসে টাকা পাঠায় আনসার মিয়া। সারাদিন কাজ করে আর সন্ধে বেলায় ঘামে ভেজা শরীরটা নিয়ে পুকুরে ডুব দিয়ে বলে ‘এইতো আর ক’টা দিন। আমার শাহিদা ডাক্তারী পাশ করলেই….।’
যৌবন তো আর ডাক্তারী বুঝেনা। হয়তো কোনরকমে প্রকৃতির করুনার মাধ্যমে স্বপ্ন হয়ে ভেসে যায়। কিন্তু শাহিদার এখন নতুন সমাজ হয়েছে আর নতুন নতুন জীবনের সংজ্ঞা শিখেছে। ফেইসবুকে এক হাই লিখলে দশ হাজার রিপ্লাই পায়। সেখানে আনসার মিয়া কোন চ্য…..র বা…। 
’ধুর! যে লোকটা আমাকে তিলে তিলে গড়ে তুললো, সে লোকটাকে গাল দেয়া অন্তত ঠিক নয়। কিন্তু তার মতো লোয়ার স্ট্যটাসের মানুষের সাথে সংসার তো করতে পারিনা’… 
সত্যিই চিন্তা ধারার আমূল পরিবর্তন শাহিদার। হয়তো মানুষগুলো আধুনিক শিক্ষায় আর তথাকথিত স্ট্যাটাস ওয়ালা সমাজে যখন অমানুষ ও অকৃতজ্ঞ হয়ে যায় সেটাকেই হয়তো সফলতা বলে। 
একদিন আনসার মিয়া মেডিকেলের কোনায় একটা বাগানে যখন শাহিদাকে দেখলো এক ছেলের সাথে কথা বলতে তখন আনসার মিয়া ইচ্ছে করেই আড়ি পাতলো। শাহিদা আরিফকে বলছে ‘তুমিই আমার প্রথম ও শেষ প্রেম। তোমাকে ছাড়া বাঁচবোনা। আসলে শাহিদা জানে আরিফের বাবা হচ্ছেন একজন বড় নেতা এবং প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। জীবনে উঠতে গেলে এরকম মই একটা দুটো ধরতেই হয়। আর মইগুলো ধরতে গেলে হয়তো পবিত্র প্রেমগুলো কাজে দেয়।
’এই কাছে এসোনা!’
শাহিদা আরিফের বুকে মাথা রাখলো। 
আরিফ দিগন্তের গোধুলী লক্ষ করে দৃষ্টি ছুড়ে দিলো। 
আনমনে মনে গানের কলি মুখ থেকে বেরোলো ‘ ইয়ে এক এয়সা পবিত্রা বন্ধন হেয়। যাহা একতারাফ তু অওর একতারাফ মেরা ধরকন হেয়।’

সেই দৃশ্যের পর থেকে আনসার মিয়া ঘোর পাগল এখন সে পার্কে থাকে। যে কোন কপোত কপোতী দেখলেই তেড়ে আসে। তনুশ্রী আর তন্ময়ের ভাগ্য হয়তো খারাপই। আনসার মিয়ার সাথে সরাসরি মোলাকাৎ।

’কি তোরা প্রেম করস? পবিত্র প্রেম তাইনা?’
’এই আপনি কে? আমাদের মধ্যে কি চান হ্যাঁ?’
’এই চিল্লাবিনা তাইলে কিন্তু ভিডিও ওঠায়া ছাইড়া দিমু।’ আজকাল পাগলও সেলফি আর ভিডিও তুলে ছাড়লে যে সবাই দেখে তা জানে। অনেকে বুঝে লাইক দেয় অনেকে না বুঝে তাতে কিছু আসে যায়না। কন্টেন্ট ই বড় কথা। আর এই মুহুর্তে তন্ময় আর তনূশ্রী হচ্ছে সেরা কন্টেন্ট।
তনুশ্রী ভয় পেয়ে গেলো। বাড়ির সবাই যদি দেখে! তাছাড়া ও যে প্রেম করে তা কেউ জানেনা। কেন কি হয়েছে জানলে? প্রেম কি খারাপ কিছু? কিন্তু প্রেমের কথা বললেই বাবা মা তেড়ে আসবেন। তাই ভয়ে প্রেমের কথা বলা হয়না। বাবা মা গুলোও আস্ত একটা বোকা। প্রথমে তারা কখনই মেনে নিবেনা কিন্তু যখন ছেলে মেয়ে পালিয়ে বিয়ে করে তখন একসময় মেনে নিতেই হয়। মধ্য থেকে কত কিছু সইতে হয়। 
তার চেয়ে ভালো বুঝালেই তো পারে ’দেখো মা! যে ছেলেটা তোমাকে ভালোবাসে সে কেন বিয়ে করতে চাইছেনা? যদি প্রকৃত ভালো বেসেই থাকো তাহলে বিয়ে করে কেন ক্যরিয়ার কন্টিনিউ করা যায়না? যে ছেলেকে ভালোবাসো ধরো আজকে যদি তুমি একসিডেন্ট করে একটা পা হারাও তবে কি সে তোমাকে বউ করে নেবে? কিন্তু যদি তুমি পবিত্র প্রেম কে সবকিছু দিয়ে দাও আর কাল তোমার এমনকিছু হয় সে তোমাকে বিয়ে করলোনা তখন কি হবে? আচ্ছা বাবা যে মেয়েটিকে তুই ভালোবাসিস সে মেয়েটা কি তোকে তখনও ভালোবাসবে যখন তোর কাছে টাকা থাকবেনা? কিংবা যখন্ কোন কারনে তুই পঙ্গু হয়ে গেলি?’
এগুলো বললে হয়তো পবিত্র প্রেম ও ভালোবাসার প্রকৃত রুপটা ছেলে মেয়েরা বুঝতে পারতো। হয়তো পবিত্র প্রেম কত বড় কঠিন দায়িত্ব তার অনুভূতি সৃষ্টি হতো, হয়তো প্রেমের নাম ভাঙিয়ে জীবনকে অহেতুক করে তুলতোনা কেউ। কিন্তু বাবা মা কখনও কি সন্তানের সাথে এমন কিছু বলে? 
অনেকে আবার যদিও ফ্রি কিন্তু এরা নিজের মেয়েকে পণ্যের মতো গড়ে তুলে। ছোট থেকেই কোন এক পয়সাওয়ালার ঘরনী করার জন্যই বড় করে। ‘প্রেম কর ঠিক আছে, কিন্তু বিয়ে করতে হবে আমাদের পছন্দ মতই।’ আবার ছেলেরা বড় হয় আত্নপরিচয়হীন ও মেরুদন্ডহীন হয়ে। ছোট থেকে একটাই কথা ‘পড়ালেখা করা নয়তো বউ পাবিনা। পড় মনযোগ দিয়ে তাহলে চাকুরী ভালো পাবি, একটা সুন্দরী বউ পাবি।’
মানুষের ছোটবেলা থেকে লক্ষই যখন মনুষত্বকে কেন্দ্র করে হয়না তখন মানুষের মত চেহারা নিয়ে এরা যে পরিমল কিংবা সমাজে ভালো সেজে থাকা পয়সাওয়ালা প্রবাসীর পতিতা বউ হবেনা তা কে বলতে পারে?
হয়তো সবাই সবটা বলতে পারেনা কিন্তু এই কথাগুলো একনাগাড়ে আনসার মিয়া বলে চললো তন্ময় ও তনুশ্রীকে লক্ষ করে। তন্ময় আনসার মিয়ার বিঁচি লক্ষ করে লাথ দিতে চেষ্টা করলো। কিন্তু তনূশ্রী তন্ময়কে বাঁধা দিলো।
’তন্ময়! মারছো কেন?’
’দেখোনা পাগলটা বক বক করে যাচ্ছে। কিন্তু এতক্ষন সহ্য করেছি আর নয়।
আমদের পবিত্র প্রেম নিয়ে মসকরা?’
’তন্ময়! ও পাগল হলেও কথা কিন্তু ঠিকই বলেছে। তুমি চিন্তা করে দেখো আমরা যদি পরস্পর ভালোই বাসি আর সারাজীবন একসাথেই থাকতে চাই তবে কেন অপরাধীর মতো এখানে বসে আছি?’
তন্ময় তনুশ্রীর মুখ থেকে এরকম কথা শুনবে আসা করেনি। কিন্তু তন্ময়ও পাগলটার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অনুভব করলো।
পাগলটাও তাদের আচরনে অবাক হলো। সবাই এতদিন ইট ছুড়ে মেরেছে। কিন্তু ওরাতো উল্টো ওকে খাওয়াতে চাইছে।
আনসার মিয়া তার বিখ্যাত এক ডায়লগ দিলো…’ভালোবাসলে বিয়া কর। পবিত্র প্রেম মারায়োনা। ভালা মাইনসে প্রেম করেনা..ফস্টি নস্টি করে।’
একটু পরে নিজেই আবার বলে উঠলো… ‘সত্যিকার প্রেমিকেরা কখনই তথাকথিত প্রেমের বাহানায় পবিত্রতা বিসর্জন দিবেনা। প্রেম একটা অঙিগকার, একটা সারাজীবন থাকার অলিখিত চুক্তি অতএব এ সম্পর্ককে যারা বিয়ের আগে কলুষিত করে তারা ভালো ছেলে বা মেয়ে হতে পারেনা।
দার্শনিকের মত কথাগুলো বললো অানসার মিয়া।
তনুশ্রী প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলো। কিন্তু কি যেন ভেবে আর প্রতিবাদ করলোনা। মনে হয় ও নিজেও ভাবছে কথাটার যৌক্তিকতা। সত্যিইতো যদি ভালোইবাসো তবে লুকোচুরি কেন। দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে একসাথে জীবন শুরু করা হোক…’

যা ভাবা তাই হলো। সমাজের তথাকথিত মান-সম্মান স্ট্যটাস জাত যাবে তাই মা বাবা কিছু্তেই মেনে নেবেনা। তন্ময় হচ্ছে সামান্য চাকুরেজীবি। সবমিলিয়ে আট হাজার টাকা উপার্জন করে। আর রনি, তনুশ্রীর কাজিন, লন্ডনে থাকে, তার কামাই হচ্ছে ডলারে। আহ কত ইচ্ছে! যদি একবার রনিকে দিয়ে তনূশ্রীকে বিয়ে করানো যায়। তবে লন্ডনের সেরা মার্কেট থেকে বেনারশী শাড়ি কিনবে। যতই হোক দেশী কিন্তু লন্ডন থেকে কেনাটাই বড় কথা। উহুঁ! বাচ্চা মেয়ের কথা কোন ভাবেই মানা যাবেনা।
এখানেই বাবা মায়েদের সমস্যা। বাচ্চা ছেলে মেয়েরা কখন প্রেমে পড়ে, কখন অবৈধ বাচ্চা পয়দা করে, কিংবা কখন হয়তো সুসাইড নোট লিখে আত্নহননের প্রতীক্ষায় খোঁজ রাখেননা কিন্তু বিয়ের কথা বললেই বাচ্চা মেয়ে। কিন্তু এই লন্ডনে থাকা রনিই যদি এই বাচ্চা মেয়েটাকে বিয়ে করতে চাইতো তখন একবছর বাড়িয়ে হলেও বিয়ের জন্য ব্যবস্থা করতো তখন হয়তো বলতো ‘প্রথমেই কি সব শেখা যায়, শ্বশুরবাড়ী যা, সব শিখে যাবি।’
সমাজ এক অদ্ভুত দৈত্য যা কখনই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেনা। সুতরাং সমাজের তখাকথিত জীবনের সংজ্ঞা দিয়ে হয়তো আত্নপ্রবঞ্চনা ক্রয় করে মেকী সুখের ভাব দেখানো যায় কিন্তু সুখী হওয়া যায়না। 
যাই হোক, যখন তনূশ্রী নাছোড়বান্দা যে সে পালিয়ে যাবে যদি তার পছন্দের তন্ময়ের সাথে বিয়ে দেয়া না হয়। 
বাবা- মা নিরুপায় হয়ে আত্নীয় স্বজনের দারস্থ হলেন। আত্নীয় স্বজনেরা তনূশ্রীকে নিয়ে ব্যস্ত আজকাল। জীবনে চলতে গেলে প্রেম দিয়ে হয়না চাই অর্থ, চাই আরাম-আয়েশ, আরো কতকিছু! অভাব এলে ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাবে। 
চামড়া আর অর্থের উপর দাড়ানো মোহের প্রলেপে মোড়ানো প্রেমের ভূত নামতে দেরী হলোনা। তনূশ্রী আজকাল তন্ময় থেকে কেমন যেন দুরে সরে যাচ্ছে। 

হঠাৎ একদিন তনূশ্রীর বাড়িতে বিয়ের গেট দেখে তন্ময় অবাক। কিচ্ছুই জানায়নি তনূশ্রী। গেটের উপর ডেকোরেটরের দোকানের এড দেয়া। শ্লার দোকানের নামও ‘পবিত্র প্রেম’। গরীব হয়ে প্রেম করছো যখন প্রকৃতির হাতেও বাঁশ খাবার জন্য প্রস্তুত থাকো! তন্ময় নিথর দাড়িয়ে কল্পনা করতে লাগলো কত শত প্রতিশ্রুতি, কত শত প্রেমের কবিতা --কোথায় এগুলো? 
পাশে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো তারই বন্ধু রফিক…
তন্ময় কে বিয়ের গেটের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে খুব খারাপ লাগলো ওর। কিছু না বলে পাশের একটা বিড়ির দোকান থেকে ’পাইলট’ কিনে তাতে আগুন ধরিয়ে তন্ময়ের ঠোঁটে গুঁজে দিলো। প্রেম মনে হয় এটাই, যে তন্ময় সিগারেট ধরতেও জানতোনা সে এমনভাবে কষে টান দিলো যেন সে মহা গাঁজাখোর…চেইন স্নোকার।
’মামা! কইছিলামনা এইগুলার মধ্যে যায়োনা। কি পাইলি? না পাইলি নিজের কইরা কয়েকটা রাত…… আর না পাইলি বিয়া করতে। এইজন্যই কয় পাখি ধইরা রাখতে হইলে আগেই বিড়াল মাইরা ফেলো…পরে দেখবা তোমার পিছন পিছন ঘুরবো।’
’মনে হয় তুই ই ঠিক ছিলিস।’
বিশুদ্ধ বাংলায় বললো তন্ময়। কন্ঠই বলে দিচ্ছে যে চরম মাত্রার কষ্টের মেঘ জমে অন্ধকার হয়ে রয়েছে চতুর্দিক যে কোন সময় ভয়ঙ্কর বর্ষন হতে পারে। 
একটা জোরে চিৎকার দিলো তন্ময়।
’চিৎকার দিয়া কি হইবো! কইছিলামনা আসল প্রেম এত সোজা না’
যখন মানুষ কষ্টে থাকে তাতে নুন ছিটিয়ে দিতে সবসময় কেউ কেউ স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসবে। কিন্তু আনসার মিয়া একটা ভালো লোক। মানে সমাজের চোখে পাগল হয়তো সত্যিই পাগল। এবং আসলেও সে পাগল… সবাই ঘৃণা করে তাকে কিন্তু কেউ তার পাশে গিয়ে তার কথা শুনেনি। আবার জোর গলায় আওয়াজ তুলে ‘মানুষ মানুষের জন্য’। সব ভণিতা, এডভারটাইজ আর পাবলিসিটি। নিকুচি করি এই সমাজকে। 
’দোস্ত! ভালা মাইয়্যা আর পোলারা প্রেম করেনা। এইযে তোর সাথে ও প্রেম করলো এখন সারাজীবন আরেকজনের লগে প্রেমের অভিনয় করবো…ও কি ভালা থাকলো?’
’বন্ধু! সবাইকে এক পাল্লায় মাপা ঠিক না..অনেকে প্রেম করে পবিত্র মনে।’ কষ্টকে কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে তন্ময় তাই হয়তো কথাটা বলতে পেরেছে।
’আমি পবিত্র টবিত্র বুঝিনা…আমি এতো রিস্কে যাইতে চাইনা।. আমার ভালা লাগলে প্রেম করমু ঠিক আছে কিন্তু আগে বিয়া কইরা লমু। তারপর যতখুশী ডেটিং করুম। তখন নিজেরে অপরাধিও মনে হইবোনা আর নিজের আত্নার কাছেও ফেরেশ থাকমু।’ রফিক অনেকটা ক্ষিপ্ত হয়ে বললো। রফিক এভাবেই ঠুসঠাস কথা বলে। তন্ময়ের কষ্টে রফিকও কষ্ট পেয়েছে। ’হুমম..’ সায় দিলো আনসার মিয়া।
তন্ময়ের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। রফিকও চুপ। আনসার মিয়া লুঙ্গির ভাঁজ থেকে একটা গাঁজার মসলা বের করে রোল করলো এবং তাতে আগুন ধরিয়ে টান দিলো। এই মুহুর্তে &#x200d;কিছু শোনার মুডে নেই তন্ময়। পরামর্শ কিংবা সহমর্মিতা প্রদর্শন করে লাভ হবেনা। এটা সকলেই দেয়। সস্তা মাল। আনসার মিয়াকে আগে কেউ পরামর্শ দিলে বলতো যে পরামর্শ না দিয়ে কিছু টাকা ধার দেন ব্যবসা করে শোধ করে দিবো। আনসার মিয়ার হয়তো কথাগুলো মনে পড়ে গেছে তাই কোন কথা না বলে একমনে গাঁজা টেনে যাচ্ছে। ও তন্ময়কে সাধবেনা। কারন তন্ময় সারাজীবন বলুক যে গাঁজা খাওয়া শিখিয়েছে আনসার মিয়া এই দায়ভার বহন করতে চায়না। এ মুহুর্তে আনসার মিয়া জাতে মাতাল তালে ঠিক প্রবাদ বাক্যের যথার্থ প্রয়োগ করে চলেছে। কিন্তু ও জানে যে এই মুহুর্তে তম্নয়কে এই কয়েকটা টানই দিতে পারে একটু প্রশান্তি, হয়তো তন্ময় তনুশ্রীকে ভুলে থাকতে পারবে কিছুটা সময় হলেও।
মনের কথাটা বোধ হয় তন্ময় বুঝে ফেলেছিলো। তাই হ্যচকা টান দিয়ে কেড়ে নিলো গাঁজার রোলটা আর তাতে কষে টান দিলো। কয়েকটা টান দিতেই কাশতে শুরু করলো। তবু টান দিয়ে গেলো। একসময় হাসতে শুরু করলো। হাহ হাহ হা।

দু বছর পর। তন্ময় রিতীমত গাঁজাখোর। সঙ্গী আনসার মিয়া। হঠাৎ মোবাইলের স্ক্রিনে ভেসে উঠলো সেই নাম ‘মাই জান’…. 
তনুশ্রীর ম্যসেজ ‘অর্থ হলেই সুখী হওয়া যায়না। পারলে ক্ষমা করে দিও।’
তন্ময় মোবাইলটা ছুঁড়ে মারলো মেঝেতে। মোবাইল দু টুকড়ো হয়ে গেলো।
অশ্রাব্য একটা গাল দিয়ে গাঁজায় অাবার টান দিতে শুরু করলো।

আনসার মিয়া গান ধরলো….
আমার কাছে নাই গো পয়সা
আমার কাছে নাই গো পয়সা
তাহার কাছে আছে
তাইতো আমি পাগল কুতুব
তুই তাহার পাছে।
যাহার লাইগা দিলাম পরান
রক্ত কইলজা সব হারাইলাম
দিন শেষে অবিশ্বাসের 
দিন শেষে অবিশ্বাসের
সর্প কাটলো দিলে
গাইঞ্জার টানে আশেক প্রেমিক
কষ্টের পাহাড় গিলে।

 ----------------------------------------</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/61075/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Nov 2021 14:24:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গাঁজার ধোঁয়ায় পবিত্র প্রেম। </p>
<p>কাঁধের উপর মাথা রেখে তন্ময়ের হাতের আলতো পরশ খেতে খেতে কবিতা আবৃত্তি করছে তনুশ্রী।<br />
’তোমার লাগি ঘর ছাড়িয়া পাড়ি দিবো মৃত্যু পাহাড়<br />
 মিলাও আঁখি সব ভুলিয়া আজ বলে দাও তুমি আমার’</p>
<p>ছন্দ মেলাতে না পারলেও কথাগুলো খুব একটা খারাপ লাগলোনা। কিন্তু তন্ময়ের উত্তর সব সময় প্রস্তুতই থাকে। যতকিছুই হোক, মুড থাকুক বা না থা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-61075"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/61075/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf18e1bc09d67c02c24d408c32cdf82f</guid>
				<title>কেন-?

অনেক কেন-র উত্তর না দিতে পেরে
নোনা জল গড়িয়ে পড়ে চোখ বেয়ে
চিন্তাকে শান্তনা দিতেই ঘুম আসে ধেয়ে
স্বপ্নতে প্রাপ্তি, সান্তনা বাস্তবতার ওপারে।

ধাঁধানো আলোয় বাস্তবতা ঘুম ভাঙ্গায়
কেন দিয়ে শুরু টিপ্পনীর কোন সমাধান হয়না
আশাগুলোর এই কেন-তে গিয়েই মুখ থুবড়ে যাওয়া
এই কেন-র খোঁজেই সৃষ্টি সাত আকাশ ছুঁইতে চায়।

পাওয়া না পাওয়ার জীবন খেলায় একদিন 
বেলা শেষে  সন্ধা নেমে স্বপ্নকে করে মলীন
নতুন ফাগুনে জন্ম নেয়া কলির তরে 
শুকিয়ে যাওয়া ফুলগুলো যায় ঝরে 

তাকিয়ে থাকে প্রকৃতি পিশাচ সুন্দর চোখে 
&#039;কেন&#039; ভাসে কিশোরের চোখে নব উদ্দমে
তবু ভুল পথেই ছুটে চলা বিভ্রান্ত পথিকের
কেন-র জবাব পেতেই ধ্যান সুফী-সাধকের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/60884/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Nov 2021 05:22:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেন-?</p>
<p>অনেক কেন-র উত্তর না দিতে পেরে<br />
নোনা জল গড়িয়ে পড়ে চোখ বেয়ে<br />
চিন্তাকে শান্তনা দিতেই ঘুম আসে ধেয়ে<br />
স্বপ্নতে প্রাপ্তি, সান্তনা বাস্তবতার ওপারে।</p>
<p>ধাঁধানো আলোয় বাস্তবতা ঘুম ভাঙ্গায়<br />
কেন দিয়ে শুরু টিপ্পনীর কোন সমাধান হয়না<br />
আশাগুলোর এই কেন-তে গিয়েই মুখ থুবড়ে যাওয়া<br />
এই কেন-র খোঁজেই সৃষ্টি সাত আকাশ ছুঁইতে চায়।</p>
<p>পাওয়া না পাওয়ার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-60884"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/60884/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b6e2b1558ed81a0d4f628ac053bb0243</guid>
				<title>কেন চলে যায়!

পাগল তুই ছুটে যাস কার লাগি রে ও পাগল!

ট্রেন টা যাচ্ছে যেন কলিজা ছিড়ে নিয়ে। ট্রেনের ভাষা থাকলে সে অবশ্যই অভিমান করতো কারন সে বুঝতে পারতো সে কোন উদ্দেশ্যই নয় এ খারাপ লাগার পেছনে। 

রাতে ঘুম হয়নি, যতটুকু হয়েছে তাও আবার অনেক দূর্বলতার জন্য। সকালে উঠেই কেমন যেন বুকটা খান খান করছিলো অরণ্যের। অথচ দু&#039;দিন অন্তিকার কাছাকাছিই ছিলো।  শিল্পীর তুলিতে আঁকা স্রষ্টার অনন্য শিল্প শৈলী পেড়িয়ে হৃদয়ের খুব কাছে মাথা রেখে তপ্ত শ্বাস বিনিময় করে এসেছে। তবু যেন এক সাগর তেষ্টা ফোঁপানো কান্না হয়ে চোখ ঝাপসা করে দিচ্ছে আত্মার তেষ্টা কিছুটা নিবারন করার জন্য। 

অন্তিকা কি বুঝে সেটা? খুব জেদী মেয়ে। অনেকটা হেয়ালীও। কখন কি ভাবে সে-ই জানে। কখনও স্বীকৃতি দেয় যে না অরন্যের চে কেউ তাকে ভালবাসেনা। আবার কখনও অরণ্যের চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধার করে যেন অরন্য একটা ভন্ড-প্রতারক।

কিছু বলা ঠিক না জেনেও অরন্য সামলাতে পারেনা নিজেকে। শ্লা, সেই ছোট থেকে একই কথা শুনে শুনে বড় হয়েছে। মানুষের কাছে হয় বদনাম আছে, নয় খোটা নয়তো উপদেশ। আরে ভাই, একটু নিরবতা চাই অথবা একটু সান্ত্বনা চাই। 
&#039;এটা করোনা-সেটা করোনা!&#039; 
&#039;কিছুই করতে পারবেনা, এটা ঠিক না, জানা আছে কিছুই হবেনা&#039;।
এগুলো শুনতে শুনতে নিজের বিকাশ ক্ষমতা ও ধৈর্য দুটোই যখন খোয়া গেছে আর সেই সাথে মানুষের উপস্থিতিও যখন বিরক্তিকর ঠেকেছে তখন অরণ্য বনে ছুটে যায় ভবঘুরে জীবনের বণ্যতায়। 

স্রষ্টা অবশ্যই চান না তাঁর সৃষ্টি একঘেয়ে জীবন কাটাক নিজের কল্পিত ছকে।  ছক টা তিনিই কষেন আর মানুষের সেই ছকেই চলতে হয় বুঝে হোক বা না বুঝে। 
অন্তিকার আগমন,ভালবাসা,প্রেম, আলিঙ্গন অনেকটাই সেরকম। অরন্য জানে যে এগুলো টেকেনা। জীবন ধারনে ভালবাসাই যথেষ্ট নয়।
একটা ভালো বাড়ি, কিছুটা আভিজাত্য, অনেকটাই আর্থিক নিরাপত্তাও জরুরী। আজকাল তো এগুলো অনিবার্য।  মানুষই এখন বিধেয় হয়ে গেছে। 
অরন্য জানে মানুষের সব কিছু পেয়েও না পাওয়ার ছোট্ট জায়গাটা বিশাল হয়ে দেখা দেয় যখন পেটে দানা থাকে। না থাকলে বুঝা যায় জীবন কাহাকে বলে। অন্তিকার প্রেমকে সে অনেকটাই জীবনের না পাওয়া অধ্যায়ের অংক মিলানোর মতই ভেবেছিলো। আর ভাবতে ভাবতেই নিজেকে হারিয়ে ফেললো অন্তিকার অন্তহীন গভীর ভালবাসায়। অতঃপর অনেক কিছুই হলো। 

অন্তিকা জানে কি না অরন্য কত টা ভালবাসে? জানলেও বুঝায়না। মেয়েরা মায়ের জাত আর এ উপমহাদেশের মায়েরা ধমক দিয়েই অভ্যস্ত আর সেটা প্রেমিকা বা স্ত্রী ওদের মাঝেও থেকে যায়। 
বললেই হয় &#039;দেখো, তুমি সাহস কেন হারাচ্ছো আমিতো আছিই, নিশ্চিন্তে এগিয়ে যাও, আমাকে সবসময়ই পাশে পাবে।&#039; এটা না বলে বলবে &#039;বুঝেছি তোমাকে দিয়ে কিছু হবেনা। নিজে একটা অকম্মার ঢেকী জো নেই সম্পর্ক সংসার রক্ষা করার আবার মুখে কত বাহাদুরি। আমি কার পাল্লায় যে পড়লাম! কি হবে আমার! হায়!&#039;
মহরমের শোকেও এতো হায় শোনা যায়না যতটা হায় এদের মুখে শোনা যায়। তাই বুঝি এরা প্রমিলা। হাসতেও পারে, কষ্ট করে পালতেও পারে আবার কান্না করে সকল টেনশন ভুলেও যেতে পারে। যতই অবলা বলা হোক না কেন এরা অত্যন্ত কঠিন ভাবে মনের চরম দূর্বলতায় আঘাতও হানতে পারে। 
এটা বলা যাবেনা, বললে সম্পর্কই থাকবেনা। 
অরন্যও জেদী কম নয়। কেবল আঁচল ধরে হাটার পুরুষ ও নয়। সে ভালবাসে অন্তর থেকেই আর বাসবেও। তাই বলে মিথ্যা কাল্পনিক আশ্বাস কে সত্য দেখিয়ে বাস্তবতাকে অস্বীকার করে কারো জীবন নষ্ট সে হতে দিবেনা।

তাই সে অন্তিকাকে নিজের গোপনীয়তা বিসর্জন দিয়ে আদ্যোপান্ত সবই বলেছে। আর সব জেনেও অন্তিকা অরন্যকেই ভালবেসেছে। অন্তিকার কথা হচ্ছে যা হয়েছে হয়েছে। অগুলো অতীত - তাই বলে কি এগোতে হবেনা!
অরন্যের কথা হচ্ছে শূন্য থেকে নীতিবান হয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য চাই পুজি। সামান্য পুজিতে এগিয়ে যাওয়ার পথে চাই ভরসা ও আশা জাগানিয়া একটা হাত। যে খোটা শুনতে শুনতে সে বিরক্ত সে একই খোটা অন্তত অন্তিকার থেকে শুনতে সে পারবেনা।
অন্তিকা বলে &#039;এটাই নাকি ভালবাসা&#039;।

দুজনই দুজনকে ভালবাসে কিন্তু যেহেতু দুজনের অস্তিত্বই আলাদা তাই দুজনের ঝগড়া, মতপার্থক্য ও ঝামেলা হওয়াটা স্বাভাবিক।  দেখার বিষয় কে কত তাড়াতাড়ি ভুলে মিলে যেতে পারে। এখানেই সম্পর্কের সার্থকতা। কিন্তু অন্তিকা নিজে ভুল করলেও সাফাই গাইতেই থাকবে। উলটো অরন্যেরই সব দোষ। সরি নামক ছোট্ট একটা কথা যা পাহাড়সম সমস্যাও সমাধান করে ফেলে এই ছোট্ট বাক্যটাও অন্তিকা বলবেনা। 

শুক্রবারের নামাজ যে ব্যাক্তি কোনদিনও নামাজ পড়েনা সেও সকালে স্নান করে আতর ফাতর লাগিয়ে সাদা একটা পাঞ্জাবী ও বগলে জায়নামাজ নিয়ে বড় মজ্জিদে ছুটে যায় আগে &#039;জুমার নামাজ টা পড়ে আসি ভাই&#039; &#039;ও আচ্ছা আমিও যাচ্ছি মিয়া ভাই, তো চলুন একসাথেই যাই&#039;। এমন একটা পরিবেশে যে অরন্য সবসময় নামাজ পড়ে সে কিভাবে নামাজ বাদ দেয়! 
অন্তিকা! এই তোমাকে যিনি উপহার দিলেন তিনি তো একটা সিজদাহ পেতেই পারেন। তিনি তো একটু দাসত্ব পেতেই পারেন! এতগুলো পাপের মাঝে আবশ্যক কিছু কাজ যদি করা হয় তবে এটা কি অপরাধ!
অরন্য চেয়ে চেয়ে ভাবে। 
অন্তিকা অরন্যের বুকে ছুড়ি মেরে রাস্তার মোড়ে রিক্সা নিয়ে চলে যায় চরমভাবে অপমান করে। 
এটা শাহরুখ খানের দিলওয়ালে দুলহানিয়া ছবি না যে হাতে যময় অনেক বেশী অরন্য অন্তিকার পেছনে ছুটে গান ধরবে। 

অন্তিকা পরে কিছু কথামালার মাধ্যমে উলটো গান ধরেছে যদিও। কেন অরন্য তার পেছনে গেলোনা! একটা প্রাইভেট ক্যাফেতে দশটা মিনিট অপেক্ষা করলে কি কেউ এসে উত্যক্ত করতো!
অরন্য তো কঠিন রোদে দাড় করায়ে রাখেনি! 
এমনও তো না অন্তিকা রাস্তা চিনেনা। না চিনলে রাগ করে কোথায় গেলো? হারিয়ে?
এভাবেই হারিয়ে যায় একটা সম্পর্ক 
টিকে থাকলেও আত্মায় প্রলেপ জন্মায়।

ইদানিং অন্তিকার চালচলনে ব্যাথিত অরন্য। কিন্তু অন্তিকা কেন যেন বুঝেনা। হয়তো অন্তিকা সময়ের না পাওয়া অধ্যায়ের হিসেব বুঝে ফিরতে চাইছে বাস্তবতায়। তাইতো এখন অরন্যের পাগলামো ওকে অতিষ্ঠ করে। ষোল বছরের মরুভুমিতে জল সিঞ্চনে উদয়মান গাছের ছায়ায় বসে অতীত জীবনকে স্বীকৃতি দিয়ে বললো &#039;ফ-ই নাকি ভালো ছিলো!&#039;
হয়তো একদিন অরন্য নামটাই থেকে যাবে কবিতা হয়ে। অরন্য হয়ে যাবে গল্প। পুলকিত করবে পাঠকদের আর অজান্তেই অভিযুক্ত করতেই থাকবে শব্দগুলো।
তখন অরন্য বা ভবঘুরে যাই বলো না কেন
এসে আর সাফাই গাইবেনা। 
অন্তিকারও আর অতিষ্ঠ হতে হবেনা
অভিযোগ করতে হবেনা।
হয়তো কবিতার অরন্য ঠিকই থাকবে কিন্তু ভবঘুরে কচুরিপানা হয়ে ভেসে যাবে অন্তিকার আগত বাস্তবতায়। মানিয়ে নিবে অন্তিকাও।
মেয়েরা সবখানেই সব পপরিস্থিতিতেই মানিয়ে নিতে পারে বলে কথা।

বিসর্জন যার চাষ 
অভিমানে যার বাস
অভিযোগে যার চরণ হয় সৃষ্টি
সে কি কখনও বুঝবে কান্না
কিভাবে ঝড়ায় অপারগতার 
রক্তবৃষ্টি? 

মানুষগুলো কেন চলে যায়?
হৃদয় কাগজের নোট
কিংবা বৈষয়িকতায় কেন বন্দী হয়?
কেন মানুষ ভালবাসতে গিয়ে একতরফা বিশ্লেষক হয়ে প্রতিযোগী হয়ে ওঠে?
কেন আমি-তুমির জোয়ারে ভেসে যায় একটু খানি ভরসার হাত যে কাঁধে হাত রেখে বলবে 
&#039;এগিয়ে যাও সোনা আমি আছি।&#039;? 

এগুলো হয়তো কেবল বইয়ের পাতার ভাঁজেই শোভা পায়। কারন শব্দগুচ্ছের পেট নেই-খেতে হয়না। জেদ নেই-জবরদস্তি করতে হয়না। মুখ নেই- খোটা দিতে হয়না।

অরণ্য জানে অন্তিকা হয়তো চায় অরন্যকে সবসময় নিজের করে রাখতে। অরন্যও তো চায়, এটা অন্তিকা বুঝেনা কেন? অরন্য কেন পারছেনা সেটা অন্তিকা ভালভাবেই জানে। তবু ভরসা না হয়ে দিল কোপানোর দায়িত্বটা ওই ভালোভাবেই নিয়েছে।

&#039;তুমি সিরিয়াস না নিলেই তো হয়&#039; 
&#039;তুমি আমার জীবনের সিরিয়াস অধ্যায়। নেহাত মজা নেয়া নয়। সব জেনেও যখন ঘা য়ের মধ্যে আঘাত করো তখন মুখ দিয়ে &#039;আহ&#039; শব্দ বেরোবেই। এখানে আমার কিসসু করার নেই&#039;।

সব শেষে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখবে এক নতুন কবিতা৷ অন্তিকা অরণ্যের ধ্বজা উড়িয়ে দিয়েছে। অপরদিকে ইনবক্সে গিয়ে অরন্য দেখবে রাগের কয়েকটা ইমোজি দিয়ে অন্তিকা লিখেছে &#039;ওই কুত্তা কোন ম্যাসেজ দিলিনা ক্যান?&#039; 

এটাই ওদের সমীকরণ। এটাই ওদের রসায়ন। 
এর উপর বসে অদৃষ্ট ছড়ি ঘুরাচ্ছে। 
বিস্তর গড়মিলের সংসারহীন সংসারের সমতার রেখার পরম মিলন নির্ভর করে আছে অদৃষ্টের স্রষ্টার উপর।

চলুক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/60499/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Nov 2021 15:59:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেন চলে যায়!</p>
<p>পাগল তুই ছুটে যাস কার লাগি রে ও পাগল!</p>
<p>ট্রেন টা যাচ্ছে যেন কলিজা ছিড়ে নিয়ে। ট্রেনের ভাষা থাকলে সে অবশ্যই অভিমান করতো কারন সে বুঝতে পারতো সে কোন উদ্দেশ্যই নয় এ খারাপ লাগার পেছনে। </p>
<p>রাতে ঘুম হয়নি, যতটুকু হয়েছে তাও আবার অনেক দূর্বলতার জন্য। সকালে উঠেই কেমন যেন বুকটা খান খান করছিলো অরণ্যের। অথচ দু&#8217;দিন অন্তিকার কাছাকাছিই ছিলো।  শিল্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-60499"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/60499/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b04b07d851354e6f6c9cc0cd25b59d2a</guid>
				<title>ভালোবাসা দিবস?


ভালোবাসার জন্য দিবস লাগে
কখনো শুনেছিলে আগে?
কিন্তু এখন কাগজী ফুলের বাগে
চকচকে মলাটে
রঙ করা ললাটে
ছকবাঁধা নিয়মে বন্দী
সব ভোগ্যবাদীদের ফন্দী
ছোট্ট শিশুকে দেখেও পৌরষ জাগে।

আত্নার প্রেম মানে বিসর্জন
কষ্টকে সয়ে নেয়ার মানসিকতা
অপেক্ষাকে সম্বল করে বিশ্বাস অর্জন
এক প্রতিশ্রুতিতে নির্ভেজাল পবিত্রতা
অদ্ভুৎ আধুনিকতার সংজ্ঞায়
ভাটা পড়েছে নৈতিক প্রজ্ঞায়
খালে পড়ে থাকে নিস্পাপ মানবিকতা।

প্রশংসার বানে কিংবা গানে গানে
কিংবা উচ্চাকাংখা পুরনের লালসায়
সামান্য উপহারের বড়শির টানে
কোন এক নিরিবিলিতে অতি সংগোপনে
সতিত্বের বিসর্জনের সাথে সাথে সকলে পালায়
অতপর যারা একসময় বিভিন্ন অভিনয়ে
কাছে টানতো দগ্ধ করতে কামনায়
সয়ে গেছো সতীত্ব হরণ তীব্র যন্ত্রনায়
চটকদার কথায় কথিত ভালোবাসার আশায়
তারাই আজ স্রাবের ভয়ে তোমা হতে পালায়।

কলংক যেন শুধুই তোমার
এ সমাজ যতই আধুনিক হোক না কেন তবু
তবু তোমার ঘাড়েই বদনামের বোঝা যত -কি আজব বিধি!
এতদিনের বিশ্বাস
প্রতিমুহুর্তের আশ্বাস
টিকে রয় ভোগের পরিণতি বিসর্জন অবধি।
অতপর নিরোধের মত ছুঁড়ে ফেলে দেয়া
সবকিছুই শেষ, কেবলই দেয়া-নেয়া
খুন হয় ভরসায় পরিপূর্ণ সমর্পন
ভালোবাসার কফিনে পুষ্পমাল্য অর্পন।

অথবা, বিক্রিত হওয়া পণ্যের মত
সদ্য মাসিক শেষ হওয়া পাগল কামিনীর মত
যত্র তত্র, সর্বত্র
সব যেন উপযুক্ত পাত্র
চাহিদা পুরনের চলন্ত নোটের যোগান দান
ছাদের উপর এক ছলনাপূর্ণ হাসি
তারপর সকল সন্ধানী যুবকের বুকে প্রেমের চাষ
বাবার ঘামের টাকায় একবার শুনতে চাওয়া
তুমি শুধুই আমার, তোমাকেই ভালবাসি
জীবন, পরিবার, আত্নার করে সর্বনাশ
মুঠোফোন হতে এক কথা পৌঁছে যায় সবার কাছে
এর মাঝে হয়তো একটি নিষ্পাপ আত্না
বিলিন করে দেয় নিজের সবটুকু সত্তা
ছুটে চলে ছলনাময়ীর দেখানো স্বপ্নের পিছে
তারপর মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে নেশার জগতে
লোকে তাকে দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয় ঘৃণা ভরে
আর স্বপ্ন দেখানো কণ্যাটি কোন এক ধনবানের ঘরে
বউ হয়ে সুখী সাজে, ভালোবাসছে যেন সব উজার করে

অথচ রাস্তার পাশে হাতে হাত রেখে
আজও হেটে চলে একজোড়া বুড়োবুড়ি
বুড়িটি চলেছে এখনও বুড়োর ভরসার কাঁধে হাত রেখে
চলছে মরন পানে, নেই কোন ছাড়াছাড়ি
তাদের ভালোবাসা চিরন্তন, বারো মাস, তিনশত পঁয়শট্টি দিন
হয়তো প্রায়শই একটি রক্তজবা হাতে
খোঁপায় গুঁজে দেয় বুড়ো প্রেমিক, সুখস্নৃতি মন্থন করে রাতে
তারা তাকিয়ে হাসে আর দেখে
দুজনের চোখে চোখ রেখে
আর শুনতে পায় সদ্য দম্পতির ঝগড়া আর হাতাহাতি
কোন এক ভালোবাসা দিবসে হয়তো তারা করেছিলো বিয়ে
হাজারো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আর স্বপ্নের ফানুশ উড়িয়ে

দাদু দিদাদের গভীর আলাপনে
চোখের পাঁপড়ির মৃদু কম্পনে
অতীত ভেসে ওঠে আর বলে যায় আপন মনে
সম্মান কর নর-নারীকে বেঁধে রেখো পবিত্র বন্ধনে
আত্নায় যতনে রেখে ভালোবাসো প্রতিদিন- ভালোবাসা অর্জনে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/60492/</link>
				<pubDate>Tue, 23 Nov 2021 15:47:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসা দিবস?</p>
<p>ভালোবাসার জন্য দিবস লাগে<br />
কখনো শুনেছিলে আগে?<br />
কিন্তু এখন কাগজী ফুলের বাগে<br />
চকচকে মলাটে<br />
রঙ করা ললাটে<br />
ছকবাঁধা নিয়মে বন্দী<br />
সব ভোগ্যবাদীদের ফন্দী<br />
ছোট্ট শিশুকে দেখেও পৌরষ জাগে।</p>
<p>আত্নার প্রেম মানে বিসর্জন<br />
কষ্টকে সয়ে নেয়ার মানসিকতা<br />
অপেক্ষাকে সম্বল করে বিশ্বাস অর্জন<br />
এক প্রতিশ্রুতিতে নির্ভেজাল পবিত্রতা<br />
অদ্ভুৎ আধুনিকতার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-60492"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/60492/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ae858a53636f983cd7d9d089df2aee6</guid>
				<title>আমার মত আর কেউ ভালোবাসবেনা।

তুমি কি আদৌ আমাকে রেখেছো মনে
এখনও যখন তখন মনের গহীন কোনে
তোমার ছবি ভেসে আসে 
মনে পড়ে যায়, 
স্নিগ্ধ সন্ধায়
গানে গানে উঠতো খেলে 
চুপ করে থাকা পদ্নটাও 
তোমার সুরভীতে উঠতো হেলে
তুমি বসতে আমার পাশে
দেখতাম এক পলকে আমি
মর্ত্তের মানুষ কি করে স্বর্গীয় হাসি হাসে।

ভুল হয়তো ছিলো আমার পারিনি তোমায় বোঝাতে
মাশুল আমি দিয়েই চলেছি একাকীত্বের ব্যথাতে
তুমিও কি একা একাই থাকো
নাকি অতীত করে দিয়ে আমায়
মনেতে অন্যের ছবি আঁকো?

আমি তিলে তিলে শেষ হয়ে গিয়ে তোমাকে হৃদয়ে রাখবো
তোমার স্নৃতিতে মালা পড়িয়ে তোমাকেই ভালবাসবো
তুমি হয়তো কখনও আসবেনা
ভাঙ্গা কুঁটিরে হাতটি ধরে হয়তো আর নাচবেনা
ভুলে যেতে পারবে কি তুমি জেগে থাকা রাতগুলো
তোমাকে ছাড়া জীবনটা আমার একদম এলোমেলো

ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে যেতে চাও যাও প্রতিশ্রুতিতে সাজানো সংসার
দুটি হৃদয়কে পরাজিত করলো কি তবে ভুল বোঝাবুঝি আর অহংকার?

হাত দুটো বাড়িয়ে দিলাম ওগো 
হাত দুটো বাড়িয়ে দিলাম ওগো!
এখনও কি কাছে আসবেনা?
আমার মতো করে তোমায় আর কেউ ভালোবাসবেনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/59796/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Nov 2021 13:20:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার মত আর কেউ ভালোবাসবেনা।</p>
<p>তুমি কি আদৌ আমাকে রেখেছো মনে<br />
এখনও যখন তখন মনের গহীন কোনে<br />
তোমার ছবি ভেসে আসে<br />
মনে পড়ে যায়,<br />
স্নিগ্ধ সন্ধায়<br />
গানে গানে উঠতো খেলে<br />
চুপ করে থাকা পদ্নটাও<br />
তোমার সুরভীতে উঠতো হেলে<br />
তুমি বসতে আমার পাশে<br />
দেখতাম এক পলকে আমি<br />
মর্ত্তের মানুষ কি করে স্বর্গীয় হাসি হাসে।</p>
<p>ভুল হয়তো ছিলো আমার পারিনি তোমায় ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-59796"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/59796/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">70c778588a70a7aa552543104e0222f3</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/59760/</link>
				<pubDate>Mon, 22 Nov 2021 10:42:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da533d18e10dd12802893497cc74a55e</guid>
				<title>আমি কবি 


আমি কবি 
ধারন করি  বৈচিত্র ছবি
আমি হাসি, কাঁদি, গাই, স্বপ্ন এঁকে যাই
কবিতার মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজেপাই।

আমি মানবতার বীজ বুনি নিজের মত করে
আমি আত্মার প্রেমিক অভিমানী ভবঘুরে
স্নারক চাইনা, মুকুট চাইনা আমার আমি নিজে 
চাটুকারিতার শ্রাদ্ধ করেছি- কি লাভ স্বীকৃতি খুঁজে

আমি ঠাটিয়ে চড় দিই ধম্মোব্যবসায় তাই
খোদার নামের দোকানেতে আমার কদর নাই
মুক্তমনা শয়তানগুলোর কাছা খুলে দিই যখন
ডলার কামাতে ব্যস্ত শান্তি আমায় শুনবে কখন?

চটকদার রংধনুর নামে খোদা সেজে বসে যারা
ভনিতা প্রেমের কাছে নিহত মূল্যবোধ সর্বহারা
আমি ভালবেসে যাই আমার মত সমাজের কেন জালা
একাকী আমি ভবের তালের বাজাই বেহালা। 

আমি কবি 
তাই ভাঙা হৃদয়ের অমানিশা কাটিয়ে 
উঠাই নতুন রবি 
আমি কবি।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/59402/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Nov 2021 14:11:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি কবি </p>
<p>আমি কবি<br />
ধারন করি  বৈচিত্র ছবি<br />
আমি হাসি, কাঁদি, গাই, স্বপ্ন এঁকে যাই<br />
কবিতার মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজেপাই।</p>
<p>আমি মানবতার বীজ বুনি নিজের মত করে<br />
আমি আত্মার প্রেমিক অভিমানী ভবঘুরে<br />
স্নারক চাইনা, মুকুট চাইনা আমার আমি নিজে<br />
চাটুকারিতার শ্রাদ্ধ করেছি- কি লাভ স্বীকৃতি খুঁজে</p>
<p>আমি ঠাটিয়ে চড় দিই ধম্মোব্যবসায় তাই<br />
খোদার নামের দোক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-59402"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/59402/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6173fa773ce8fd74239e3e08808a5620</guid>
				<title>নিরপেক্ষ মহামানব সমীপে


আমি নিরপেক্ষ হলাম 
লোভ, ভয়, লালসার উর্দ্ধে গিয়ে 
দেখি মহামানব হাতে মানবতার প্রদীপ নিয়ে
অপেক্ষায়, আর সংকীর্ণতায় ঘেরা পরিবেশে
কপট শান্তিতে রক্ত ঝরায় বিশ্ব মোড়ল বেশে 
কথিত মানবতায় প্রাণ হারায় মানুষ 
হায় আধুনিকতা, নিরপেক্ষতার ফানুশ!
আমি অস্বীকার করি ভেদাভেদ 
এড়িয়ে চলি ধম্মো, রাজনৈতিক মতভেদ
মানুষ হবার তরে শুরু করি পথ চলা 
তোমাদের ভাষায় পাগলের মত কথা বলা
হই নাস্তিক, সমাজবাদী, মুক্তবাদী দালাল
বুঝি সব ন্যকা! সবার হাতে মাখা রক্ত লাল
ঝাপ দেই অজানায়, নাহ চাইনা এ কপট শান্তি আর
ডুব দেই বিপ্লবে শয়তান যাকে বলে বাটপার 
দেখি বিশ্ব মানবতার অবতার 
বাতি নিয়ে বসে ন্যায়পরায়ণতার
তওহিদী মস্তুলে নিরপেক্ষতার প্রকৃত তরীতে
ফিরে পায় জীব-জন্তু, মানুষ, প্রকৃতি সত্যিকার  অধিকার 
মুখে নয় মাঠে, বক্তৃতায় নয় কর্মে
মানবতার মহামিলন ধর্মে ধর্মে
পুঁতে দেয়া মা বেচে উঠে ফের জন্ম দেয়
হাজারো গৌরবময় সন্তান 
এমন নিরপেক্ষ ন্যয়ের প্রতীক স্রষ্টায় সঁপে দেয় 
আরাধনা , খুন হয় শোষন, ইতিহাসই প্রমাণ
এমন একটি মানুষ পাবে কোথাও? 
যদি সত্যবাদী হয়ে থাক তবে বলে যাও!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/59401/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Nov 2021 14:03:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিরপেক্ষ মহামানব সমীপে</p>
<p>আমি নিরপেক্ষ হলাম<br />
লোভ, ভয়, লালসার উর্দ্ধে গিয়ে<br />
দেখি মহামানব হাতে মানবতার প্রদীপ নিয়ে<br />
অপেক্ষায়, আর সংকীর্ণতায় ঘেরা পরিবেশে<br />
কপট শান্তিতে রক্ত ঝরায় বিশ্ব মোড়ল বেশে<br />
কথিত মানবতায় প্রাণ হারায় মানুষ<br />
হায় আধুনিকতা, নিরপেক্ষতার ফানুশ!<br />
আমি অস্বীকার করি ভেদাভেদ<br />
এড়িয়ে চলি ধম্মো, রাজনৈতিক মতভেদ<br />
মানু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-59401"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/59401/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad8fe83c38a27257219bbb56914e0657</guid>
				<title>প্রেমের কবিতা


এ কেমন স্নিগ্ধ দিনটা!
অবগাহিত মনটা, 
তোমার কোমল পরশ তলে
সমাহিত নিবেদিত প্রাণটা। 

সে লোচনে শিহরিত হয় হোক না আজি সবটাই
বাধাহীন মনে সংকোচহীন কাটাহীন শিক্ত পথটাই
থেকে থেকে আসে পাগল হাওয়া বাজিয়ে দেয় বীণটা
তোমার চুলে খাবি খেতে খেতে করেই ফেলি ভুলটা 

ভালো লাগা বিকেলের ঝাপটা,
ধুমায়িত কফির কাপটা,
সোনারগাঁয়ের শূণ্য ক্যফেতে
 তোমার শেষ চুমুকটা 

সোহাগী ঠোঁটে অপরুপ হাসি তুলে দেয় উষ্ণ ঝড়
তোমার সুরভী নিয়ে আসে জীবনে  অমানিশা কাটিয়ে ভোর
বিষ্ময় ভরা ললাটের নীচে বেরিয়ে আসে যখন তিলটা
জ্ঞান হারায় উম্মাদ মন তোমায় টেনে নিতে চায় কাছে  বুকটা 

সন্ধের শেষ ভাগটা,
যেন হয়নি দেখা সবটা,
সারাদিন যেন নিমিষেই শেষ 
থেমে যাক সময় নামটা 

তবু বাস্তবতার বস্তায় বন্দী দিতে হয় তোমায় বিদায় 
জলাঞ্জলি দিতে হয় স্বপ্ন অজানা আগামীর আশায় 
প্রাণের বধু প্রতীক্ষায় রয় নিরাপদে ফেরা হলো কিনা
কি করে রবে তৃষ্ণার্ত আত্মা শুকনো তুমি বিনা 

আত্মাযুগলের মিলনটা,
বাজেনা শেষ ঘন্টা,
দেহের মিলন থাকে কতক্ষন
থাকে যতক্ষন যৌবনটা 
 
হারবেনা কভু সময়ের ভারে আত্মায় সাজানো প্রেমটা
মাদুলী হয়ে স্মরন করাবে আজিকের অভিমানটা 
সেদিনও তোমায় দেখতে থাকা চোখের পড়বেনা পলকটা
কফির জায়গা হয়তো নিয়ে যাবে সুপারী সাজানো পানটা 

এ কেমন স্নিগ্ধ দিনটা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58863/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Nov 2021 02:38:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেমের কবিতা</p>
<p>এ কেমন স্নিগ্ধ দিনটা!<br />
অবগাহিত মনটা,<br />
তোমার কোমল পরশ তলে<br />
সমাহিত নিবেদিত প্রাণটা। </p>
<p>সে লোচনে শিহরিত হয় হোক না আজি সবটাই<br />
বাধাহীন মনে সংকোচহীন কাটাহীন শিক্ত পথটাই<br />
থেকে থেকে আসে পাগল হাওয়া বাজিয়ে দেয় বীণটা<br />
তোমার চুলে খাবি খেতে খেতে করেই ফেলি ভুলটা </p>
<p>ভালো লাগা বিকেলের ঝাপটা,<br />
ধুমায়িত কফির কাপটা,<br />
সোনারগাঁয়ের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-58863"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/58863/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>19</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f64cac443b0f90f769812d3a6555c32</guid>
				<title>প্রতীক্ষায়

চেয়ে আছে নীল সোহাগী খোলা দরজায়
প্রাণের ভ্রোমর আসবে কবে খিল দেবে সেথায়
কতদিন আর বসে থাকা যায় সাজিয়ে বাসর 
রাতের পাখি জেগে বসে রয় উঁকি দেয় সেথা ভোর।

জীবনের এক মায়াবী প্রান্তে বসে বসে দিন গোনা
ধৈর্য আজ অধৈর্য বড়ই আর কত প্রবোধ শোনা?
তবু জানি সে আসবেই নীড়ে পাড়িয়ে দিবে ঘুম
কত রাত জেগে তার আশাতেই চোখদুটি নির্ঘুম। 

এসো এসো হে হৃদয় আমার দেখো এ বদনখানি!
তুমি ছাড়া নেই প্রানস্পন্দন এলোমেলো হই আমি
অনন্তকাল তোমাকে নিয়ে জীবন চলতে চায় 
বসে আছি তাই আঁচল বিছায়ে তোমার প্রতীক্ষায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58861/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Nov 2021 02:35:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রতীক্ষায়</p>
<p>চেয়ে আছে নীল সোহাগী খোলা দরজায়<br />
প্রাণের ভ্রোমর আসবে কবে খিল দেবে সেথায়<br />
কতদিন আর বসে থাকা যায় সাজিয়ে বাসর<br />
রাতের পাখি জেগে বসে রয় উঁকি দেয় সেথা ভোর।</p>
<p>জীবনের এক মায়াবী প্রান্তে বসে বসে দিন গোনা<br />
ধৈর্য আজ অধৈর্য বড়ই আর কত প্রবোধ শোনা?<br />
তবু জানি সে আসবেই নীড়ে পাড়িয়ে দিবে ঘুম<br />
কত রাত জেগে তার আশাতেই চোখদুটি নির্ঘুম। </p>
<p>এসো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-58861"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/58861/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">716e4061973b1c89b4ae38e29b146085</guid>
				<title>দেহ শৎকার

অন্ধত্ব হতে দাও মুক্তি
কর বন্ধ দু চোখ
ভেদ কর দুর্বেধ্য যুক্তি


নিমিষেই পাড়ি দাও সৃষ্টি
হও আরোহী অশরীরী অদৃশ্যের
খুলে যাক অন্তদৃষ্টি


ভেঙ্গে দাও অজ্ঞতার সংজ্ঞা
করো প্রজ্ঞা মানবেনা কভু
স্রষ্টাহীন সৃষ্টির আজ্ঞা


বন্দিশালায় আত্না অবরুদ্ধ
করে যুদ্ধ বিদ্ধ করো ইর্ষা
মারো বর্ষা আমিত্বকে, করো শুদ্ধ!


নির্জনে শেখো গর্জন
করো বর্জন অগ্নি উপার্জন
তবে নির্ভয়ে জয় হবে অর্জন।


ভাঙবে শেকল হবে বিকল দেহ যন্ত্র
ধকল ভুলে জপবে অসীম লাভের মন্ত্র
সূক্ষ জগৎে স্বাধীন যাত্রা যত্র -তত্র


সসীম সীমাবদ্ধতা থেকে পাবে নিস্তার
বিস্তার হবে ক্ষমতার ভক্তির শক্তিতে
সিক্ত হবে স্বত্তা, হবে প্রকৃত দেহ শৎকার।

©ঠিকানাহীন অরণ্য   #ভিটি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58558/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Nov 2021 04:52:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেহ শৎকার</p>
<p>অন্ধত্ব হতে দাও মুক্তি<br />
কর বন্ধ দু চোখ<br />
ভেদ কর দুর্বেধ্য যুক্তি</p>
<p>নিমিষেই পাড়ি দাও সৃষ্টি<br />
হও আরোহী অশরীরী অদৃশ্যের<br />
খুলে যাক অন্তদৃষ্টি</p>
<p>ভেঙ্গে দাও অজ্ঞতার সংজ্ঞা<br />
করো প্রজ্ঞা মানবেনা কভু<br />
স্রষ্টাহীন সৃষ্টির আজ্ঞা</p>
<p>বন্দিশালায় আত্না অবরুদ্ধ<br />
করে যুদ্ধ বিদ্ধ করো ইর্ষা<br />
মারো বর্ষা আমিত্বকে, করো শুদ্ধ!</p>
<p>নির্জনে শেখো গর্জন<br />
করো বর্জন অগ্নি উ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-58558"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/58558/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">561e97304a2b0f5463b0aa129ef87bd6</guid>
				<title>কষ্টহীন প্রেম চার আনা
----------------------------

কষ্টহীন প্রেমের দাম চার আনা
বিরহের জালায় জলে
পুড়ে পুড়ে কয়লা হলে
কাঁটার আঁচড় ছাড়া গোলাপ মিলেনা, মিলেনা।

প্রেম ছাড়া জীবন চলেনা
নাড়ি ছিঁড়ে নারীর কোলে
প্রেমের টানে কষ্ট ভুলে
সন্তান আসে দিয়ে যাতনা, যাতনা।

প্রেমের মালিক মুর্শিদের কামনা
বিধাতাকে করতে রাজি
সাধকের প্রেম যে পুঁজি
বিসর্জন ছাড়া সিদ্ধি  পাবেনা, পাবেনা

মিছে মায়া  প্রেমের বাসনা
দেহ হতে দেহ ধরে
অর্থের জালে ধরা পড়ে
কষ্টের সময় কেউ তো থাকেনা, থাকেনা।

ভবঘুরের হৃদয় জুড়ে মৃত্যুকামনা
চায়না থাকতে এ সংসারে
সবাই ব্যস্ত প্রাণ সংহারে
হায়রে কপাল মরন আসেনা, আসেনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58432/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Nov 2021 16:45:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কষ্টহীন প্রেম চার আনা<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-</p>
<p>কষ্টহীন প্রেমের দাম চার আনা<br />
বিরহের জালায় জলে<br />
পুড়ে পুড়ে কয়লা হলে<br />
কাঁটার আঁচড় ছাড়া গোলাপ মিলেনা, মিলেনা।</p>
<p>প্রেম ছাড়া জীবন চলেনা<br />
নাড়ি ছিঁড়ে নারীর কোলে<br />
প্রেমের টানে কষ্ট ভুলে<br />
সন্তান আসে দিয়ে যাতনা, যাতনা।</p>
<p>প্রেমের মালিক মুর্শিদের কামনা<br />
বিধাতাকে করতে রাজি<br />
সাধকের প্রেম যে পুঁজি<br />
ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-58432"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/58432/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">485e0b9171e43e759cd5eebd601c55bf</guid>
				<title>শান্তি এখন শেষ 
ঠিকানাহীন অরণ্য 

টিনের চালে বৃষ্টির ছন্দ তোলা সেই সুর
বিছানায় অলস বসে  মুখে  মুড়ি আর গুড়
হই রই করে বাচ্চাদের খালিগায়ে বৃষ্টিতে ভেঁজা
লুকোচুরি খেলায় সতীর্থদের একেক করে খোজা

পুকুরে মাছ ধরার আনন্দ ভাগ করে নেয়া
সাঁতারে সাঁতারে স্বর্গকে যেন হাতে পাওয়া
বন্ধুদের সাথে ডুব  আর চুবানো খেলা
অতীত হয়ে গেছে আমাদের সেই ছোটবেলা।

সিলিংয়ের উপরে লুকিয়ে রাখা প্রেয়সীর ছবি
গাছের নিচে বসে আনমনে সেজে যাওয়া কবি
নুপুরের শব্দ আর আলতার রঙে সাজতো কবিতা
কুপির  আলোয় প্রেয়সীর খোঁপায় শোভিত লাল ফিতা।

টর্চের আলো আকাশে লাগিয়ে তারা গুলো ছুঁতে চাওয়া
গরুর গাড়ীতে রাতের যাত্রায় হারিকেন জালিয়ে দেয়া
শানকিতে করে পান্তা খাওয়ার দিনগুলি ছিলো   বেশ
কথিত সফলতার  যান্ত্রিক জীবনে শান্তি এখন শেষ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/58430/</link>
				<pubDate>Thu, 18 Nov 2021 16:38:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শান্তি এখন শেষ<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য </p>
<p>টিনের চালে বৃষ্টির ছন্দ তোলা সেই সুর<br />
বিছানায় অলস বসে  মুখে  মুড়ি আর গুড়<br />
হই রই করে বাচ্চাদের খালিগায়ে বৃষ্টিতে ভেঁজা<br />
লুকোচুরি খেলায় সতীর্থদের একেক করে খোজা</p>
<p>পুকুরে মাছ ধরার আনন্দ ভাগ করে নেয়া<br />
সাঁতারে সাঁতারে স্বর্গকে যেন হাতে পাওয়া<br />
বন্ধুদের সাথে ডুব  আর চুবানো খেলা<br />
অতীত হয়ে গেছে আম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-58430"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/58430/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc1b1c8e0e60fefc29527dc5715d6972</guid>
				<title>কালো মেয়ে 

আচ্ছা! কালো হয়ে জন্ম নেয়া কি অপরাধ?
তাহলে কেন কালোদের সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দিতে হয়?
এমনকি বাড়ীর ভেতরেও কালো মেয়ে হলে
আচরনে আচরনে সকলেই যেন  ইশারায় বলে
তুমি কালো!  কেন কালো বলে কি আমার নেই কোন সাধ?

সাজ-গোজ করে বান্ধবীরা অনুষ্ঠানে যায়
কিছুদিন আগে আমিও তাদের সাথে এক বিয়েতে যাই
আঁড় চোখের চাহনী বুকেতে শেল  বিঁধায়
এখন কোথাও যেতে বললে বলে দেই হাতে সময় নাই
 কারন  বাড়ীর সব কাজ আমাকেই করতে হয় তাই।

এক ছেলেকে খুব ভালো লাগতো কিন্তু সাহস হয়নি এতদিন
সেদিন সাহস করে বলেই ফেললাম, এই এদিকে শোন!
তোমাকে আমি খুব ভালোবাসি - আছে কি পছন্দ অন্য কোন?
অট্টহাসিতে বন্ধুদের ডেকে বলে আমি না কি আলকাতরা লাগানো টিন
আচ্ছা আমার কি কোন হৃদয় নেই?  নর্দমাভরা ডাস্টবিন?

কোকিলও তো কালো কিন্তু তার সুরে করে ফাগুন আসে
আমার দু চোখেও তেমনি  ভালোবাসা পাওয়ার স্বপ্ন ভাসে
ভাবি,  সম্পর্কের বাজারে কি কেবল সুন্দর দেহের মূল্যই পাওয়া যায়?
আত্নার অস্তিত্ব, অনুভূতি আর ভালোবাসা কি ধুঁকে ধুঁকে প্রাণ হারায়?
কালো মেয়ের ভাগ্যগুনে বিয়ে হলেও পরিণত হতে হয় জীবন্ত লাশে

সেদিন এক মাঝবয়সী লোক বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে
লোকটি নাকি  অনেক টাকা যৌতুক দাবী করেছে
শুনে বাবাও বলে উঠলেন, ‘কপাল পোড়া মেয়ে!’
আমি কাঁদি আর বলি যখন জন্ম দিয়েছিলে নাওনি কেন চেয়ে
বিধাতার কাছে সুন্দরী এক মেয়ে? যাকে বিক্রি করতে অনেক টাকা দিয়ে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57879/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Nov 2021 07:28:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কালো মেয়ে </p>
<p>আচ্ছা! কালো হয়ে জন্ম নেয়া কি অপরাধ?<br />
তাহলে কেন কালোদের সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দিতে হয়?<br />
এমনকি বাড়ীর ভেতরেও কালো মেয়ে হলে<br />
আচরনে আচরনে সকলেই যেন  ইশারায় বলে<br />
তুমি কালো!  কেন কালো বলে কি আমার নেই কোন সাধ?</p>
<p>সাজ-গোজ করে বান্ধবীরা অনুষ্ঠানে যায়<br />
কিছুদিন আগে আমিও তাদের সাথে এক বিয়েতে যাই<br />
আঁড় চোখের চাহনী বুকেতে শেল  বিঁধায়<br />
এখন কোথাও যেত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57879"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57879/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">06718efe9441bfe2f40f22a53f531470</guid>
				<title>প্রেম এখন বাজারে
ঠিকানাহীন অরণ্য 

প্রেম এখন বাজারে,
পত্রিকার পাতায় ধর্ষনের কলামে
আর অপরাধ জগতের গলিতে
প্রেম এখন ইনবক্সে বিকৃত এক আহবানে,
আকর্ষনীয় অফারে, রুপ আর ইঞ্চির পারদে

প্রেম এখন পণ্যের আকর্ষনীয় প্যকেটে
অথবা বিত্তশালীদের নোটভর্তি পকেটে
প্রেম হারিয়েছে নেশায় আর গাজার টানে
প্রেম এখন রুপালী পর্দায় উলঙ্গ যৌনমিলনে
ভালোবাসা এখন সাদা রঙের দাস
দেহের প্রতিটি তিলের হিসেবে- আত্নাহীন লাশ
প্রেম এখন শরীর থেকে শরীরে যাওয়ার প্রতিযোগীতায়
প্রেম এখন মদের বারে, সুড়সুড়ি লাগানো ওর্কেস্ট্রায়।

প্রেম এখন বউকে রেখে অন্যের শাড়ির তলায়
প্রতিদিন বিশ্বাসের সতিত্ব হরণ আর ভণিতায়
প্রেম এখন মাইনের অঙ্কে আর দেহের দোলায়
প্রেম এখন প্রেমহীন সাজানো অবাধ বিলাসিতায়
প্রেম এখন পুতুলের সাথে সম্ভোগ দায়হীন জীবনে 
হৃদয় ’শিরোনামে’, লালসা আর স্বার্থপরতা বিবরণে।

©ভবের তালে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57717/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 18:02:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেম এখন বাজারে<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য </p>
<p>প্রেম এখন বাজারে,<br />
পত্রিকার পাতায় ধর্ষনের কলামে<br />
আর অপরাধ জগতের গলিতে<br />
প্রেম এখন ইনবক্সে বিকৃত এক আহবানে,<br />
আকর্ষনীয় অফারে, রুপ আর ইঞ্চির পারদে</p>
<p>প্রেম এখন পণ্যের আকর্ষনীয় প্যকেটে<br />
অথবা বিত্তশালীদের নোটভর্তি পকেটে<br />
প্রেম হারিয়েছে নেশায় আর গাজার টানে<br />
প্রেম এখন রুপালী পর্দায় উলঙ্গ যৌনমিলনে<br />
ভালোবাসা এখন সাদা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57717"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57717/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ae2867fa077d36f9ecba96a6d1169979</guid>
				<title>নতুন অস্তিত্বের দিকে-
-ঠিকানাহীন অরণ্য

বিশাল শুন্যতায়
কেবলই এক।
খেয়ালের পূর্ণতায়
অস্তিত্ববান ক্যনভাস,

রঙে রাঙ্গানো চতূর্দিক
অস্তিত্ববান সাগর-নদী ও বন-জঙ্গল
গ্যলাক্সী, চন্দ্র, তাাঁরা
সবকিছুতেই স্বর্গীয় কলমের দখল
একই কালিতে ভিন্ন সৃষ্টিধারা
জ্ঞান, বুদ্ধি, ও বিবেক।

যেন আয়নায় প্রতিবিম্বিত কল্পনা
মিশ্রিত তবু যোজন-যোজন পার্থক্য
ফুলে ফলে যৌবনে বিবর্তনের আধিক্য
একচ্ছত্র নিখুঁত শৈল্পিক আলপনা।

আলো থেকে আরেকটা আলো
সেই আলোয় উদ্ভাসিত অন্য জগৎ
প্রকাশিত রাতের কালো আঁধার সকালের আলো
এক ’বিন্দু’ থেকে জন্ম নেয়া শত শত ‘বৃহৎ’।

দৃশ্যের পট-পরিবর্তনে
নিত্য নতুন মুহুর্ত প্রতিটি ক্ষনে
জোয়ারের উম্মত্ত ঝাপটায়
নতুন সৃষ্টি অতঃপর লয়ের খেলায়
আদি-অন্তের অনন্তের কল্পিত ভুবনে

এক সুবিশাল উপন্যাসের গল্প
আলোর ছটায় বেগবান অস্তিত্ব
বাহারী প্রকৃতিতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্ব
চুড়া্ন্ত অধ্যায়ের দ্বারপ্রান্তে, সময় বড়ই অল্প।

এরপর অক্ষরগুলি কলমের ভেতর
ফিরে গিয়ে কালি হয়ে হবে বিলীন
ফের শুন্যতায় কেবলই এক-একেতেই সমাসীন
নির্বাক, নিস্তদ্ধ, লয়প্রাপ্ত তেপান্তর
সমর্পিত একের ইচ্ছায়
নতুন অস্তিত্বের প্রতীক্ষায়।

©ভবের তালে [সংরক্ষিত]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/57456/</link>
				<pubDate>Tue, 16 Nov 2021 03:55:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নতুন অস্তিত্বের দিকে-<br />
-ঠিকানাহীন অরণ্য</p>
<p>বিশাল শুন্যতায়<br />
কেবলই এক।<br />
খেয়ালের পূর্ণতায়<br />
অস্তিত্ববান ক্যনভাস,</p>
<p>রঙে রাঙ্গানো চতূর্দিক<br />
অস্তিত্ববান সাগর-নদী ও বন-জঙ্গল<br />
গ্যলাক্সী, চন্দ্র, তাাঁরা<br />
সবকিছুতেই স্বর্গীয় কলমের দখল<br />
একই কালিতে ভিন্ন সৃষ্টিধারা<br />
জ্ঞান, বুদ্ধি, ও বিবেক।</p>
<p>যেন আয়নায় প্রতিবিম্বিত কল্পনা<br />
মিশ্রি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-57456"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/57456/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">630fc38a32c0d3eba9d7d416ca778093</guid>
				<title>তুমি আছো তাই 
ঠিকানাহীন অরণ্য (ভবের তালে)

জীবন নাটকের কালো আসমানে ক্ষণিকের শুভ্র ছটা 
সামান্য রসদে গভীর জলে চলে যাবে দিন ক&#039;টা?
কাঁঠের মাস্তুলে ঘুন ধরেছে মরচে পড়েছে আশায়
আর কত পথ পাড়ি দিলে পরে পা রাখা হবে ডাঙায়

এই বুঝি শেষ হলো ঝড় বিশাল সমুদ্র মাঝে
হয়তো আর একটু গেলেই তটে পৌঁছুবো সাঝে
যত কাছে আসি, তত দুরে দেখি, সীমানা হারিয়ে যায়
নিয়তির ঘোর অমানিশায় দিক হীন অসহায়। 

চমকে ওঠে, ফের কি যেন, আশাগুলো প্রাণ পায়
আলোর দ্যুতি ছড়ায় সখী, যেন শুঁকতারা চমকায় 
থেমে যায় তুফান, জেগে ওঠে ধরা, প্রেয়সী ধরে গান
প্রাণের ফোয়ারায় আঁছড়ে পড়ে প্রকৃতির কলতান

ভবের তালে, ছুটে যাই সেথা, যেথা নিয়ে যায় সূর 
নিবিড় মিলনে, আত্মা মন্থনের স্খলন আহ্ কি মধুর! 
দেহ খাঁচাতে, বন্দী পেমিক, পায়না কভু সেই সুখ 
ভালবাসা নয়- মেকী প্রণয়, যত সব চামড়ার অসুখ।

চোখ না খুলে, না ছুৃঁয়ে দেহ, যদি মিলন না ঘটাতে পারো
হারিয়ে যাবে, সময় স্রোতে, কেউ হবেনা কখনই কারো
অনেক কথাই না বলেও মুখে ধ্যানে বলে দেয়া যায় 
আত্মার প্রেম এ মহৎ সাধনা, শুধু আত্মাই শুনতে পায়।

যন্ত্রের ভেতর দুটি আত্মার সংযোগ হয় যখন 
দেহতে আসে নতুন শক্তি চিরস্থায়ী আলোড়ন 
দুর সীমানা কাড়বেনা আর দুজনার বন্ধন 
জাগতিকতার নিধনে রয়েছে আত্মার সংশোধন। 

বুঝতে পারি প্রিয়া আমার বেঁচে থাকার সঞ্জীবন
তোমরা দেখি বলছো হেসে পাগলের আলাপন 
যদি না হও পাগল প্রেমে সব সাধনাই বিফলে 
একই ছাদে সারাজীবনের সবটুকুই রসাতলে।

আর কত পথ পাড়ি দিতে হবে নেই জানার দরকার
যদি থাকো পাশে হৃদয় কুঁটিরে তবে সাজবে সংসার 
চোখ মেলে দেখি অথৈ সাগরে জীবন যুদ্ধে রত
তুমি আছো তাই ঘোর অমানিশা আলোয় পরিণত।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56995/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 00:25:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি আছো তাই<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য (ভবের তালে)</p>
<p>জীবন নাটকের কালো আসমানে ক্ষণিকের শুভ্র ছটা<br />
সামান্য রসদে গভীর জলে চলে যাবে দিন ক&#8217;টা?<br />
কাঁঠের মাস্তুলে ঘুন ধরেছে মরচে পড়েছে আশায়<br />
আর কত পথ পাড়ি দিলে পরে পা রাখা হবে ডাঙায়</p>
<p>এই বুঝি শেষ হলো ঝড় বিশাল সমুদ্র মাঝে<br />
হয়তো আর একটু গেলেই তটে পৌঁছুবো সাঝে<br />
যত কাছে আসি, তত দুরে দেখি, সীমানা হারিয়ে যায়<br />
নিয়তির ঘ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56995"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56995/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8fad507ba5f8993a4022cf9f2d914ae4</guid>
				<title>একলা পাগল-ভবের তালের গান
ঠিকানাহীন অরণ্য

একলা পাগল গাঙ্গের কাছে ভাবছি বসে
 মানবতা যাচ্ছে কেমন করে ধ্বসে
হ্যমিলনের বাঁশির পিছে ছুটছে মানুষ পালে পালে
 করছে মানুষ, দেখছে যা তাই, চলছে সবাই ভবের তালে।

হৃদয় জুড়ে কল্পনার গল্প লিখি
তোমরা ডাকো পাগল বলে
কষ্ট আমি কোথায় রাখি ।।

স্বপ্নীল দুনিয়ায় *   উড়তে মন চায় ।।
শান্তির জীবনে  *   অযান্ত্রিক মানবতায়।

আজ আত্নার হয়েছে নিধন
বিশ্বাষ হয়েছে ধর্ষণ ।।

নীতিগুলো সব রুপকথা হয়ে হারিয়েছে অতীতকালে।

তুমিও কি আমার মত ভাবছো বসে?
পড়লে কেন আমার মত তুমিও রোষে? ।।

এসো বন্ধু এই পারে
মানবতার সংসারে।।

মিথ্যের মাঝে সত্যের ঠাঁই হয়েছে কি কোনকালে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56993/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 00:20:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একলা পাগল-ভবের তালের গান<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য</p>
<p>একলা পাগল গাঙ্গের কাছে ভাবছি বসে<br />
 মানবতা যাচ্ছে কেমন করে ধ্বসে<br />
হ্যমিলনের বাঁশির পিছে ছুটছে মানুষ পালে পালে<br />
 করছে মানুষ, দেখছে যা তাই, চলছে সবাই ভবের তালে।</p>
<p>হৃদয় জুড়ে কল্পনার গল্প লিখি<br />
তোমরা ডাকো পাগল বলে<br />
কষ্ট আমি কোথায় রাখি ।।</p>
<p>স্বপ্নীল দুনিয়ায় *   উড়তে মন চায় ।।<br />
শান্তির জীবনে  *   অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56993"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56993/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">585d4b74ed76de881c6bab6dc042df4e</guid>
				<title>বাবা এখন কেবলই আসে কল্পনায়
ঠিকানাহীন অরণ্য (ভবের তালে)

একা হাটতে হাটতে বারেবার হোঁচট খাই
সে কবে একটা ভরসার হাত ছিলো
স্নৃতি ঘাটতে ঘাটতে কৈশোরে ফিরে যাই
এই যেন বাবা ফিরে এলো।

বাবা! কতদিন তোমায় বাবা বলে ডাকা হয়না
জীবনের ধাপে ধাপে পড়ে গেলে কেউ আজ ওঠায়না
তুমি কি কিছুই দেখতে পাওনি?
তোমার পরিত্যক্ত কিছুই তারা দেয়নি
তারাতো তোমারই দাদা ছিলো!

আজ কত বড় হয়ে গেছি, তবু দেখো কত অসহায়
তুমি আমাকে অংক কষা শেখাতে
পানের পিকে লাল হয়ে যেতো বইয়ের পাতা
অল্প অল্প লজ্জা পেতাম যখন স্নান করাতে
নখ কেটে দিয়ে ঘুরতে নিয়ে যেতে আমায়।

কতদিন হলো প্রাণভরে তোমাকে আর দেখিনা
আজ আমার জীবনে তোমার বড় প্রয়োজন
বাবা! ও বাবা! ‘কাছে আয়’ বলে  জড়িয়ে একটু আদর করোনা!
তোমাকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে দেখ কত বড় আয়োজন।

সবাই যখন ডাকে বাবা বলে
চোখটা কেমন যেন ঝাপসা ঝাপসা লাগে
তোমার নামের শুরুতে ‘প্রয়াত’ লাগালে
কেন যেন মনে বিদ্রোহ জাগে
বাবা কি কখনও প্রয়াত হতে পারে?

যখন সিদ্ধান্তহীনতার সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি
কাছের অনেক মানুষের অর্থহীন চেহারাগুলো
বানী শুনিয়ে দিয়ে পালায় যেন সব দায়িত্ব সাড়া হলো,
তখন তোমাকে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে ডাকি।

বাবার চেহারা ধীরে ধীরে অস্পষ্ট হয়ে যায়
যেন কোন এক ইশারায় পিছু নিতে বলছে আমায়
সুবোধ বালকের মত অনুস্বরণ করে
হঠাৎ বাবাকে দেখি যায় যে সরে সরে
একসময় কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে যায়
কবরের পাশে আমি একা দাড়িয়ে ঠাঁয়।

একি স্বপ্ন ছিলো  না কি অদৃশ্য জগতের হাতছানি?
নাকি স্নৃতির সান্ত্বনা প্রদান?
যেন বলতে চায় বাবাকে একমুহুর্তও সে ভোলেনিি
নাকি পিতা-পুত্রের স্বর্গীয়  বন্ধনের টান?
যে টান আমাকে গোরস্থান পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়?
একা নিশ্চুপ দাড়িয়ে
দেখি প্রিয়জন যায় হারিয়ে
চোখের কোনে অজান্তেই বাঁধভাঙ্গা জল গড়ায়।
বাবা আমার কেবলই এখন আসে কল্পনায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56992/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Nov 2021 00:15:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাবা এখন কেবলই আসে কল্পনায়<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য (ভবের তালে)</p>
<p>একা হাটতে হাটতে বারেবার হোঁচট খাই<br />
সে কবে একটা ভরসার হাত ছিলো<br />
স্নৃতি ঘাটতে ঘাটতে কৈশোরে ফিরে যাই<br />
এই যেন বাবা ফিরে এলো।</p>
<p>বাবা! কতদিন তোমায় বাবা বলে ডাকা হয়না<br />
জীবনের ধাপে ধাপে পড়ে গেলে কেউ আজ ওঠায়না<br />
তুমি কি কিছুই দেখতে পাওনি?<br />
তোমার পরিত্যক্ত কিছুই তারা দেয়নি<br />
তারাতো তোমারই দাদা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56992"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56992/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0f028bdad75e898fc9ec972386c754b</guid>
				<title>আমি একটি কাগজ
ঠিকানাহীন অরণ্য (ভবের তালে)


আমি একটি কাগজ যাতে ডিগ্রীর সমাচার
 কিংবা নোটের সংখ্যায় আমার অবস্থান
আমি সমাজের পরিবর্তনশীল বিলাসের খাবার
একটি মরা লাশ. নির্বাক, উপেক্ষিত বর্তমান।

                                             
চাহিদার বাজারের দরে আমার উত্থান পতন
আমি দেখতে আমি কিন্তু অস্তিত্বে অন্যের প্রতিফলন
সমাজের আত্নঘাতী সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়ীত আমার জীবন
এক অজানা উদ্যেশ্যের দিকে ধাবমান আত্নাহীন দর্শন।

আমি আজো খুঁজে চলেছি আমার আত্নাকে
 ভবের তালে
শব্দহীন প্রথিবীতে তুমি- আমির খেলা হতে 
অনেক দুরে
লোক চক্ষুর আড়ালে আমি অশ্রু ঝড়াই,
 ঝড়ে পড়ি অকালে
পাগল আমার নাম, অবজ্ঞা লেখা এ কপালে,
 কষ্ট হৃদয় জুড়ে

একি পরিণয় নাকি লাশের সাথে ভালো থাকার অভিনয়?
সুখের দেয়া নেয়া,  কষ্টে ভালোবাসা থেকে অবসর গ্রহন?
চাইনা এ জীবন যেখানে কাগজের নোটে হৃদয় খুন হয়
যেখানে সুখের ভেলায় বিশ্বাস পালায় কেবলই প্রহসন।

                                                 
আমি সুস্থ হতে পারলামনা সমাজের কাছে কোন কালে
 আমি আজো খুঁজে চলেছি আমার আত্নাকে
 ভবের তালে।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56353/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 18:27:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি একটি কাগজ<br />
ঠিকানাহীন অরণ্য (ভবের তালে)</p>
<p>আমি একটি কাগজ যাতে ডিগ্রীর সমাচার<br />
 কিংবা নোটের সংখ্যায় আমার অবস্থান<br />
আমি সমাজের পরিবর্তনশীল বিলাসের খাবার<br />
একটি মরা লাশ. নির্বাক, উপেক্ষিত বর্তমান।</p>
<p>চাহিদার বাজারের দরে আমার উত্থান পতন<br />
আমি দেখতে আমি কিন্তু অস্তিত্বে অন্যের প্রতিফল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56353"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56353/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b5b1c76a5572a2729e4ff03e46c1aea</guid>
				<title>আগামীকালের আশায়
ভবের তালে

সেই পড়ন্ত বিকেলে কোন এক অজুহাতে
 রেখেছিলে ভরসার হাত আমার খোলা হাতে
স্বপ্ন রচনা আর কল্পনার অদৃশ্য জগতে
হৃদয় ছুঁয়ে লিখেছিলে সেই নাম
যার স্বাক্ষী ছিলো অনেকগুলো এলোমেলো রাত

                                                         
তুমি কখনই হৃদয় ছুঁতে চাওনি
যা চেয়েছিলে তাকি পেয়েছো আদৌ না এখনো পাওনি?
নাকি খুঁজে চলেছ প্রতিটি রাতে?
কখনও কি ছলনাভরা জীবনের ফাঁকে কোন এক সময়ে
হঠাৎ হৃদয়ে জেগে উঠে সেই কথা 
যে প্রতিশ্রুতিতে ছিলো তোমার আমার আগামীকাল?

সে আগামীকাল আজো আসেনি
আমি ছুটে যাই সেথা
যেখানে তোমার আমার হয়েছিলো দেখা
হয়তো আগামীকাল আসবে বলে 
আজো ছুটে যাই, গিয়ে বসে থাকি 
তারই অপেক্ষায়
তুমি কি কখনও বুঝবে বিরহের কি ব্যথা?

হয়তো বিজয়ের হাসিতে একেক করে 
তোমার ছলনার তরীতে 
তোমার দেখানো অধরা স্বপ্ন
কত আমি চায় ধরতে 
কত আমার নিরব আত্নহনন ঘটে যায় হৃদয় গহীনে।

তুমি ভাবছো জিতে গেছো তুমি 
আসলে জিতে গেছে প্রতারনা
আমার হৃদয়ের তোমাকে 
তুমিও কাড়তে পারবেনা
আমি একাকী বসে তাকিয়ে থাকি 
দুরেরও মোহনায়
তোমার আমার স্বপন্ দেখা আগামীকালের আশায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56087/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 10:00:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আগামীকালের আশায়<br />
ভবের তালে</p>
<p>সেই পড়ন্ত বিকেলে কোন এক অজুহাতে<br />
 রেখেছিলে ভরসার হাত আমার খোলা হাতে<br />
স্বপ্ন রচনা আর কল্পনার অদৃশ্য জগতে<br />
হৃদয় ছুঁয়ে লিখেছিলে সেই নাম<br />
যার স্বাক্ষী ছিলো অনেকগুলো এলোমেলো রাত</p>
<p>তুমি কখনই হৃদয় ছুঁতে চাওনি<br />
যা চেয়েছিলে তাকি পেয়েছো আদৌ না এখনো প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56087"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56087/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">de77e464663963c30014e2f74f5c9dac</guid>
				<title>আমি বেশ্যাকে ভালোবাসি।
ভবের তালে

আমি এক বেশ্যাকে ভালোবাসি
সমাজের দায়ে তাকে নামতে হয়
আর ফোঁটাতে হয় পরিবারের হাসি
ভাগ্যকে মেনে নিয়েই তার চলতে হয়।

মেয়েটা আজকাল ভালো হতে চায় 
কিন্তু একবার যদি কোন দাগ লেগে যায়
তবে সে দাগ মৃত্যু পর্যন্ত তাড়া করে
আর তিলে তিলে অন্তরাত্নাকে পিষে মারে।

একদিন ভুলেই যায় যে তারও মন ছিলো
স্বপ্ন ছিলো এবং স্বপ্নের মানুষও ছিলো
কিন্তু মনের মানুষকে পাথর চাপা দিয়ে
চলতে হয় কামনার স্পর্শ নিয়ে দেহ বয়ে

আজও কারো ভালোবাসায় অশ্রু ঝড়ে
কিন্তু সমাজ কি তাকে স্বাধীন ছাড়ে?
পুরুষরা হাজারোবার দেহ নিয়ে খেলে
তবুও কুমার হিসেবেই পরিচিতি মিলে।

অন্তত তাদের চেয়ে ঢেড় ভালো 
যাদের দেখানো কুমারিত্ব আর ভেতরে কালো
মিথ্যের চাদরে প্রতিদিন খুন করে হাজারো মন
পর্দার আড়ালে ভদ্র সেজে করে চলে মনোরঞ্জন।

ন্যকামোমুক্ত আমার হৃদয়ের নারী
ভালো হয়ে গিয়ে হতে চায় সংসারী
কেবল আমার জন্যই যে এখন বাঁচতে চায়
সমাজ কি বলে তাতে আমার কি এসে যায়?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56085/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 09:57:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি বেশ্যাকে ভালোবাসি।<br />
ভবের তালে</p>
<p>আমি এক বেশ্যাকে ভালোবাসি<br />
সমাজের দায়ে তাকে নামতে হয়<br />
আর ফোঁটাতে হয় পরিবারের হাসি<br />
ভাগ্যকে মেনে নিয়েই তার চলতে হয়।</p>
<p>মেয়েটা আজকাল ভালো হতে চায়<br />
কিন্তু একবার যদি কোন দাগ লেগে যায়<br />
তবে সে দাগ মৃত্যু পর্যন্ত তাড়া করে<br />
আর তিলে তিলে অন্তরাত্নাকে পিষে মারে।</p>
<p>একদিন ভুলেই যায় যে তারও মন ছিলো<br />
স্বপ্ন ছিলো এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-56085"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/56085/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a70d692925b255179146a0bec3de8e5</guid>
				<title>ঠিকানাহীন অরণ্য changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/56075/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 09:49:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>