-
৩৭ কাব্যত্রয়ী সর্বপ্রথম একসাথে – ১ ঘন্টা অথবা ১ যুগের পাঠ
⌠৩৭ নম্বর এপিটাফ⌡
নিথর পান্ডুর কতগুলো মুখোশ,
ভাঙ্গা আয়নার মত চেয়ে থাকে
ধুলোর কার্পেটে বেদানার
থকথকে আঠালো রক্ত
কয়েক মুহুর্ত আগের অনিবার্য আর্ত চিৎকারে…
ঘন পেট্রোলের ধোঁয়া নিরেট নিস্তব্ধ
অযত্নে আঁচড়ানো দূর্বাঘাসে
দেহের চুমু একাকার
অবিন্যস্ত সাহসী নিহত অসংখ্য চোখ
ঝুলছে আঙুর বাঁগিচায় থোকায় থোকায়…
যান্ত্রিক কারখানা চলমান অথচ জন্মান্ধ
উৎপাদিত দ্রব্যাদি শিকেয় তুলে রাখে
‘কুকুর হতে সাবধান’ কালো সাদায়
কি জানে জনান্তিকে কি শেখাতে চেয়েছে?
হাতে হাতে মেলে তোয়াজের নজরানা
শূন্য হাতের অবিমিশ্রিত আশ্রয়
ভেসে ভেসে চলে সিন্দাবাদের সাম্পান
আনে ক্ষেদ, ক্ষুব্ধ রক্তকণিকায়
চেরনোবিলের মাটিখেঁকো উত্তাপ
শিয়রে দেয়াল ঘড়িতে অপেক্ষারত
অধৈর্য কাল সময়…
বাসের জানালায় ঝুলে থাকে কাটা হাত
সবুজ রক্ত ফোঁটা টুপ টুপ টুপ
শিশিরের মত ঝরে
তবুও থেমে যায় না কিছুতে নিরীক্ষা অভিযান
খোঁজাখুঁজি শেষে ১টা উন্মুখ
‘ভুলো না আমায়’ রুমাল কেবল মেলে
সূর্য ওঠে দেহের দেহের ১৮ মোকামে,
ক’রে ছিদ্র অন্বেষণ
সফেদ আলোয় কিছু পতঙ্গ
শুধু যায় আর আসে আর আসে আর যায়…
পিচ্ তলতলে রাস্তায় দাবানল জ্বালিয়ে রেখে
সৃজনশীল মোডে চলে যায় ওস্তাদ
মরণঘাতী মুহূর্তগুলো কাঠপোকার মত
খাটের চালনি খালি ক’রে ফেলে
মরচে ধরা সরল লোহার রডে
অসতর্ক হৃদপিন্ড এফোঁড় ওফোঁড়
৪পাশে বায়োবটগুলো পুনঃ পুনঃ ফিরছে
কাঁচ-প্রাসাদে প্রচন্ড ধাতব ধাক্কা খেয়ে…
পরবর্তী গণিত মেলানো যায় না সহজে
ঘুলূট পাকিয়ে যায়…
দূর্বিষহ গরাদের ভিতরে পাহাড় পাহাড় দেয়াল
মুক্তির দিন গোনার ট্যালিতে
নোখের দৈর্ঘ্য খাটো, আরো খাটো হয়ে আসে
পরিব্রাজক সামরিক কায়দা জানে না
প্রশ্বস্থ অথচ নির্বান্ধব রাজপথে
চলতে থাকে ১এর পর ১ অধর্তব্য ট্যির্যানি
ঘোড়ার ঘরে মুদ্রিত হয়ে চলে
শিফন্ শাড়ির চিল্লার
১টা আদিম অতলস্পর্শী কূঁয়ো
কেঁদে কেঁদে শুধু হয়রান
পাত্র হাতে জল তোলে মন ফকিরা,
তুলে যায়, তুলে যায়
শাঁখের করাতে কেটে টসটসে মৌচাক
ফিরে আসে, খালি হাতে ফিরে আসে
২ মাথাওয়ালা ও রোমশ কিছু উলঙ্গ উজবুক লোকেরা…
__________________________________________________
৩৭ নং এপিটাফ-এর কৈফিয়ত
পরাবাস্তবতায় নিমগ্ন কিছু কাল, কিছু মুহূর্ত কাটে বিলীন অবচেতনে… হয় এখানেই সব খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা না… উপাদানের সাথে উপযোগিতা কখনো কখনো গিয়ে উঠতে পারে না অথবা সচেতনভাবে যায় না… কবি ওমর শাম্স এর কথায় – “ভাষা, চিত্রকল্প, বাগভঙ্গির অপারম্পার্য এগুলোই কবিতায় ব্যবহৃত হতে থাকে সব সময় অবচেতন চিহ্নিত না করা যেতে পারলেও। আমরা কি নির্ঘাত বলতে পারি যে, “পাখির নীড়ের মতো চোখ” অবচেতন থেকে উঠে এসেছে…! পারি বা না পারি, এই বর্ণনা আমাদের বোধকে গভীরতায় টানে, আরো সংবেদনশীল করে।”… যানবাহন, সড়ক এবং দূর্ঘটনা কখনই কোনোটি এক জায়গায় বাস করে না, এদের উৎপত্তিস্থলও এক নয় আবার এগুলো কতই না একীভূত…! রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র শব্দে – “চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয়… চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে, আমার না-থাকা জুড়ে…”
____________________________________________________
“জ্যোৎস্না কী? – না, জ্যোৎস্না হয় জল্লাদের ডিমের মতো চুলহীন জলবায়ুহীন মুণ্ডু, জোড়া-জোড়া চোখ, সাতটি আঙুলের একমুষ্টি হাত, রক্তকরবীর অন্ধকার, এবং একগুচ্ছ ভুল শিয়ালের সদ্যোমৃত যুবতীকে ঘিরে জ্বলজ্বলে চিৎকার।”
[আব্দুল মান্নান সৈয়দ
জ্যোৎস্না | জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ]
___________________________________
⌠৩৭ নম্বর আলোকচিত্র⌡
বাইফোকাল চশমার লেন্সের
সামনেই অনড় কিছু পিলার
কাল্চে নীল আকাশকে মাথায়
ক’রে কাঁটাতারে বাঁধা, ঘর্মাক্ত আর
ভ্যাবাচ্যাকা শহর যেন ভ্রু-কুঞ্চিত
চোখে আমায় দেখছে…
আর আমি যেন এক
দলছুট অত্যাশ্চর্য চিড়িয়া,
এমনভাবে শহরের সমস্ত
দোকানের, হর্নবিহীন গাড়ির,
‘কাগজ বাড়ি’র লাইটবাল্ব,
হেডলাইট আর জানালাগুলো
আমার দিকে নির্লজ্জভাবে
তাকিয়ে আছে…
কী জানতে বা জানাতে
চায় এই নিষ্প্রাণ
জ্বলো-জোনাকগুলো
নির্জ্ঞান আমার কিছুই বোঝা
হয়ে উঠছে না…
কোনো শাব্দিক কথোপকথন
নেই ব’লে যেন
এই আগুনমুখো আলোক
উৎসগুলো,
ক্রমেই মহা বিরক্তিকর
হয়ে উঠছে আমার বয়স্ক চোখে…
কংক্রিটের একটা দেয়াল
একচোখ অফ-হোয়াইট
আলো নিয়ে
আমায় হঠাৎ জিজ্ঞেস করে –
আমি কী আর কোনদিন অন্ধকার দেখবো না?
জ্বলে জ্বলে তো শেষই হ’লাম
শুধু! একটু কী আঁধার পাওয়া
যাবে আর কোনদিন?
বিমূঢ় চোখে ও কানে দেখে
শুনে ৯০ ডিগ্রি হতে ডানে,
আমার পতন হতে চ’লেছিল…
আমি নিরুপায়,
না হ’লে পতন নিশ্চিত…
এই ফাঁঙ্গাস পড়া, সবুজ
ভেলভেটের দেয়ালই শুধু নয়,
সব কিছুর ‘সব কিছু’
আমাকে এবার আষ্টেপৃষ্ঠে,
অচিন্তনীয়ভাবে অসহনীয়
বিষাক্ত আলোর সূঁচ ফোটাতে শুরু ক’রলো –
“কোথায় একটু আঁধার পাওয়া যাবে? কোথায়…
একটু আঁধার পাওয়া যাবে?”
ভিসুভিয়াসের মত
অনিবার্যভাবে অনেকক্ষণ
রক্তবমি করে,
আমাকে কন্ঠচেরা
চিৎকার করে বলতেই হলো –
“এ নগর ফিরিয়ে নাও,
চলো অরণ্যে বাসা বাঁধি…
____________________________
“ঘুম দেব আমি এক মুহূর্ত,
এক মুহূর্ত, একটি মিনিট, এক শতাব্দী;
কিন্তু সবাই জেনে রেখো আমি এখনো মরি নি”
– ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকা (Gacela of the Dark Death)
(কালো মৃত্যুর গজল – অনুবাদঃ সাজ্জাদ শরিফ)
____________________________________________
প্রাকবকবক্…
এসব পাঠযোগ্য লেখা নয়, সে আমি জানি তবে কেন জানিনা মাঝে মাঝে বিষাক্ত আলোর সূঁচ ফুটতে থাকে চোখে…!!! আসলে কি কোনোদিনও কোনোভাবে এ পৃথিবী বাসযোগ্য ছিল? বৈষম্যই কেবল এর বৈচিত্র, আর কিছু নয়, সবই মরিচীকা… ধু ধু মরূভূমির জলসঞ্চারী মায়া মাত্র… Bad Shakespeare…!
আমি এই পৃথিবীতে কোনোদিন আসিনি, শুধু নাক্ষত্রিক চোখ দিয়ে এর অমানিশা’র সুষমা দেখতে চেয়েছি, অনন্তকাল চেয়ে থাকতে চেয়েছি… (লেখাটি পূর্বে ‘নিখোঁজ আলোকচিত্র’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু এটির প্রকৃত শিরোনাম ‘৩৭ নম্বর আলোকচিত্র’)
___________________________________
⌠৩৭ নম্বর জলরঙ⌡
আসার পথের লাইটপোস্টের
সবগুলো বাল্ব ভেঙ্গে, অন্ধকারে,
এই মুহূর্তে আমি, ওর নিষিদ্ধ প্রীতম, বসে আছি,
রেল-লাইনের স্লিপারে,
দু’পা ইংরেজি উলটো ওয়াই…
জেট-ব্ল্যাক রাত্রি,
দু’ধারে অ্যাফ্রিক্যান নিগার বাবলা গাছ,
হাতে এক তালু সিদ্ধি, সাথে বাদামী-চিনি
মনে মনে যতই ফকির হই না কেন !
নির্জলা ভিখারী…!
হাতের কব্জির সুইস-ওয়াচ্
আমাকে সাময়িক রেখেছে…
ওরে পাগল! বনের বাঘে খায়নি আমায়,
মনের বাঘে খেয়েছে…
দুপাশে ছড়ানো ভাঁঙ্গা পাথরের নীচে,
মুদ্রাস্ফীতির আস্ফালনে
লাল পিঁপড়েরা তৈরি;
নিমন্ত্রণ আছে যে আজ ওদেরও…
আজ মহা ধূঁমো-ভোজ হবে!
মন ফর্সা করতে ঝেড়ে কাশি;
নিখোঁজ আমি অতিথি
এবং আমিই আপ্যায়ণকারী !
যা যা ভাবছি তা সব পরিস্কার, স্পষ্ট, নিরবিচ্ছিন্ন…
এসি রুমে যে চিন্তা, এখানেও তাই,
সমান্তরাল রেল-লাইন
‘ও’ কেন না বলে,
আমাকে নিষিদ্ধ করে চলে গেলো!
কোথায়, কোন্ অপরিচিত জনারণ্যে
আমাকে বিসর্জন দিল সে…
প্রশ্নটা আমার, উত্তরটা আমাকেই জানতে হবে!
কে জানাবে তা অধর্তব্য…
মোমবাতি জালিয়েছি, সিদ্ধি আর কষ্ট
একসাথে পিষে নিয়ে কল্কে প্রস্তুত;
(মশায় রক্ত খাচ্ছে!)
নিখুঁত রাংতার প্যানে
বাদামী-চিনি চড়বে একটু পরেই
লেভি’স-এর কোমরে আঁড়-বাঁশী,
আমার ঠোঁটের একশো চুমুতে ও নারী হবে…
কল্কে ফেটে গেলো, চিনির স্টক শেষ প্রায়,
সহস্রাকাঙ্খিত হৃদপ্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে…
রাত্রির কালো অন্ধকার
ক্রমান্বয়ে নীল হতে শুরু করেছ…
একটা অত্যুজ্জ্বল আলোর ফোঁটা
চোখে এসে পড়লো,
ধীরে ধীরে সে আলো আর কিছুতেই
চোখে নেয়া অসম্ভব হয়ে উঠছে…
কুমারী বাঁশী মুহূর্মুহূ কাঁদছে যন্ত্রণায়, নির্বিঘ্নে ,
আর সে কান্না আরেকটা কান্নার সাথে সমতানে উঠলো হঠাৎ!
ইস্পাত-তীক্ষ্ণ কান্না…
এ কোন্ বেঘরের আর্তনাদ !
…একটা ভীষণ ধাতব-ধাক্কা,
হাড়, মন, মাংস – গুড়িয়ে, ভেঙে, কচ্লে তালগোল;
বাঁশী থামেনি …………………………………………………
আমার কানে অপার্থিব স্বরে কে বলল যেন,
যাচ্ছি / চলে যাচ্ছি / আর খুঁজো না / দেখা হবে না / বি…দা…য়
কালো আলোয় দেখলাম,
আমার মনের ঘর, চোখের জান্লা দিয়ে উড়ে চলে যাচ্ছে…দূরে কোথাও…
উত্তরায়ণঃ
নীল-বিষাচ্ছন্ন কেউ তার আশংকিত মনের প্রাক-দূর্ভাবনা সমূহ একে একে বর্ণনা করে যাচ্ছে আর মুখোমুখি উপবিষ্ট তার অনন্যোপায় সহগামী নির্বাক শ্রোতা হয়ে কাল-রাত্রিক্ষেপণ করছে। পার্থিব মায়া-মোহগ্রস্থ উত্তরাধুনিকতায় কি অজানিত বিষয়ের অবতারনা হতে পারে এ তারই কল্প-চিত্র, এ স্থলে মাঝ-রাত্রির সালোক-রেল এবং তাৎক্ষণিক দূর্ঘটনা সকলই মেঘের উপর মেঘ… সকলেই যদি নীল-কন্ঠ হবে, সর্বত্রই যদি দর্শক-শ্রোতাকে কুশীলবের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয় তবে তো কাব্য-কারিগরের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হওয়া নিশ্চিতপ্রায় … এই পরাবাস্তব লেখ-চিত্র-কর্মখানি আমারই এক উহ্য সত্তার প্রয়োজনাতীত দুষ্কর্মকান্ডের অনতিবিলম্ব বিবরণ, বাস্তবের কোনো স্থান, কাল ও পাত্রের সাথে এর বিন্দুমাত্র কোনো প্রকার সংশ্রব অবর্তমান …
_______________________________________________________
দ্রষ্টব্যঃ কপিরাইটের জন্য এখানে প্রকাশিত প্রতিটি সাহিত্যকর্মই আংশিক আকারে প্রদর্শিত
N.B.: Some stanzas here have been masked to avoid copyright infringement
[Copyright © 2022-2023 | Anwar Parvez Nur Shishir – All Rights Strictly Reserved]2 Comments
"চোখের জলের তবে এত ছিল রঙ
এত ছিল প্রেম...! তার এত প্রকরণ "
পারভেজ শাহনূর

আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
সেই স্পর্শ, সেই উষ্ণতার উৎস অনুসন্ধানের সমাপ্তি কোথায় জানা নেই... জানা নেই
পারভেজ শিশির মঞ্চ
![]()
তুলট পাঠকবন্ধুর প্রেম
মুক্তমঞ্চ
*
সংগীত আয়োজন
*
সূচীপত্র
- নাত-ই-রাসুল
সরোয়ার-ই-কায়্যেনাত
নবীজি লহ সালাম
হাবিব-ই-এলাহি
নূর-উল-মুলক
পূর্ণিমার আলো
নূর-ই-শাফিঈ
হাবিব-ই-রব্ব
বেহেশতি ফুল
সুপথ দিশারী
নূর-ই-এলাহি
পরম আপন
মরু বুলবুল
জীবন সাহারা
শুকতারা অমলিন
কাবার দুলাল
কন্যা কবি
ম্যেরি এলিজাবেথ ফ্র্যে
ম্যেরিনা স্বেতায়্যেভা
এ্যাড্রিয়্যান রিচ্ - সংগীত ভাবনা
একটি গান … সহস্র মুগ্ধতা [ ১ ]
একটি গান … সহস্র মুগ্ধতা [ ২ ]
একটি গান … সহস্র মুগ্ধতা [ ৩ ]
একটি গান ... সহস্র মুগ্ধতা [ ৪ ]
একটি গান ... সহস্র মুগ্ধতা [ ৫ ]
একটি গান ... সহস্র মুগ্ধতা [ ৬ ] * (ন্যেনে ভারুগিঁরে) - গল্প
- বিলম্বিত জবানবন্দী
কৃষ্ণকলি
বাদাম
সাপ্তাহিক সংকলণ
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১৮-০২-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১১-০২-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ০৪-০২-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ২৮-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ২১-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১৪-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ০৭-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ৩১-১২-২০২২
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ২৪-১২-২০২২
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১৭-১২-২০২২
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১০-১২-২০২২
অনুবাদ কাব্য
মহামায়া প্রশস্তি
ফেরা
পদ্মাবতী - প্রথম স্তবক – দ্বিতীয় পট
পদ্মাবতী - দ্বিতীয় স্তবক – দ্বিতীয় পট
পদ্মাবতী - তৃতীয় স্তবক – দ্বিতীয় পট
পদ্মাবতী - চতূর্থ স্তবক – দ্বিতীয় পট
কবিতা
'মা'
আব্বা
ঘুঁড়ি
হাত
তিল
স্পর্শ
পাঁজর
২০২২
ফেরারি
পরিচয়
শাশ্বতী
স্বপ্নপথ
স্থানান্তর
তেলাপোকা
ভবিতব্য
আত্মগর্ভা
সইনামা
দিগন্তিকা
চুড়ান্তিকা
অবগাহন
অতুলনীয়
বাংলাদেশ
সৃষ্টি বিলাস
আশা পরশ
জীবন জল
চৈত্রের গল্প
প্রলাপনামা
কাব্য ভাষ্য
মায়াকাঞ্চণ
অন্তর্লীণ
প্রাত্যহিকী
কাব্য দীক্ষা
অনিশ্চিহ্ন
চন্দ্রগ্রহণ
কালান্তিক
ইথার নির্বাণ
কথোপকথন
জীবনদ্রোহী
শূন্য বিভক্তি
অন্তিম স্পর্শ
মেঘলা বিরহ
সন্ধি বিচ্ছেদ
চির প্রার্থনীয়া
বিদায় স্বরলিপি
নগরে অরণ্য
কুয়াশা মোহন
'প্রণয় আরতি'
প্রণয় আরতি
বসন্ত আনন্দ
সহসা সম্বিত
প্রার্থনা-গীতি
হৃদয়-হৃতিকা
প্রত্যন্ত প্রতীক্ষা
সায়াহ্নের গান
মানসী মহুয়া
তিনটি প্রশ্ন
রেডিও সংবাদ
জীবন্ময়ের পাঠ
প্রণয় ক্ষণিকা
শূন্যগর্ভা প্রলাপ
আগুন জোনাকি
নির্ঘুম আততায়ী
মুহূর্তের দুর্ভাবনা
নির্বাণ উপপাদ্য
স্বাধীনতার দন্ড
জলরঙের গান
রূপোলি রঙ্গিনী
নিরন্তর নৈবদ্য
রজনীগন্ধা ব্যথা
প্রেমপুরের চিঠি
বিপ্রতীপ অরণ্যে
পরবাসে নিজ গৃহ
প্রিয়ম পিঞ্জিরা
বিমূর্ত বিস্ময়
নিশ্চিহ্ন নিখোঁজ
৩৭ নং এপিটাফ
প্রিয় কল্যানীয়াসু
জগত সমান্তরাল
অত্যাগসহন বন্ধু
বেখবর বায়সনামা
আমার কিছু নেই
আসামী গ্রেফতার
নৈর্ব্যক্তিক নির্বাসন
নিখোঁজ আলোকচিত্র
পরিযায়ী প্রতিশোধ
দ্বান্দ্বিক ক্যানভাস
সুদূরতমার উষ্ণতা
প্রতিধ্বনি নিরুত্তর
অনামিকা অরণ্যে
জীয়ন বিভীষিকা
সনির্বন্ধ নিবেদন
মহাশূন্যের শব্দিতা
মহাকাশের ডায়েরি
পায়ের নিচে কার্নিশ
অহর্নিশি ভালোবাসি
২০২৩ – শুভাশীর্বাদ
বহু কথায় প্রকাশ
দ্বারা দিয়া কর্তৃক
সর্বনাশের সিম্ফোনি
রিভার্সিব্যল রিয়্যাক্শ্যন
দূরত্ব ২৭৪ কিলোমিটার
স্বাধীনতার স্বগতোক্তি
অন্ধের আরশি দর্শন
ইয়্যেসেনিনের বেহালা
রাহুমুক্তির ইশ্তেহার
কোথায় তুমি, হিরণ্ময়ী?
একদিন মিলনোৎসব হবে
কবি’র প্রেম/প্রেমের কবি
- English Poetry
- The Mother
Autoventure
Liquid Glass Dream
Reflection on White Board
The Homecoming
MEHSOOS
~THE MOONCHILD~
~THE DREAM FAIR~
~THE FATHER~
The Runway
~FINAL WISH~
~ THE BLACK CROWS ~
~ The Souls ~
________________________
প্রকাশিত কাব্য সংকলন
"কাব্য শতদল"
শিমুল শুভ্র সম্পাদিত
প্রকাশকালঃ একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭
প্রকাশকঃ দাঁড়িকমা প্রকাশনী
ISBN: 978-984-92828-1-5
________________________
Contact: [email protected]


থকথকে আঠালো রক্ত…।