-
কন্যাকবি’র ধারাবাহিক সিরিজের তৃতীয় কবি ম্যেরিনা ইভানোভনা স্বেতায়্যেভা… কবিতা-সাহিত্যের এই ঐশ্বর্যময়ীর সঙ্গে আমার সুন্দর মনের কবি সাহিত্যিক বন্ধুদের’কে পরিচিত করানোর জন্যেই আজকের এই আয়োজন… আশা করছি সবাই লেখাটির সঙ্গে থাকবেন এবং আপনার মূল্যবান মতামত জানিয়ে আগামী পর্বে ভারতীয় কবি কমলা সুরাইয়া (৩১ মার্চ, ১৯৩৪ – ৩১ মে, ২০০৯) সম্পর্কে লেখার জন্যে আমাকে উৎসাহিত ক’রবেন… সবারই শুভ ও মঙ্গল হোক…

কন্যাকবি – ম্যেরিনা স্বেতায়্যেভা
ম্যেরিনা… নামতো নয় যেন এক অবিনাশী বশীকরণ মন্ত্র। গোপন মনন-দুহিতা মনমিতা অনেকের। তাঁকে আবিষ্কার করতে উন্মুখ হয়েছিলেন মার্কিন লেখিকা সুজ্যান স্যনট্যাগ, বাঙালি প্রবাসী কবি ও সমালোচক কেতকীকুশারী ডাইসন, ফাইনস্টাইন, ডেভিড ম্যাকডাফ্, বরিস পাস্তেরন্যাক প্রমুখ। কি রয়েছে এই অখ্যাত কবির জীবন ও কবিতায় যে জন্যে তাকে নিয়ে সাহিত্যিক মহলে এত কৌতুহল? ‘ভাবনার ভাষ্কর্য’ নামক গ্রন্থে সর্ব্ববাঙালি সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে ‘ম্যেরিনা’ নামের এই অনাদৃত কন্যাকবিকে পরিচিত করে তোলার জন্য কেতকী দেবী স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। কোনো কোনো কবি সাহিত্যিক তাঁর আত্মদর্শনের দর্পণে দৃশ্যমান মহীয়ান মানুষের অতুলনীয় কর্মযজ্ঞকে তুলে ধরে চিরস্মরণীয় হয়ে যান। কবি ও ঔপন্যাসিক ডোন্যাল্ড টমাস ম্যেরিনাকে নিয়ে লিখলেন এমন একটা বিষ্ময়কর কবিতা –
“Where shall we meet, Marina Tsvetayeva? Have you any suggestion for our rendezvous?…”
[Poem of Midway]

‘ম্যেরিনা ইভানোভনা স্বেতায়েভা’ ১৮৯২ সালে মস্কোর এক উচ্চশিক্ষিত সম্ভান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ছিলেন মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পকলা ইতিহাসের অধ্যাপক এবং মা বহুভাষাবিদ ও গুণী পিয়ানোবাদক। মা ক্ষয়রোগে মৃত্যুবরণ করার পর ম্যেরিনাকে জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করা হয়। স্কুলজীবনেই তাঁর কাব্য প্রতিভা’র স্ফুরণ ঘটতে শুরু করে। মায়ের পিয়ানোবাদনে ম্যেরিনা এতই প্রভাবিত ছিলেন যে তিনি হয়তো প্রখ্যাত পিয়ানোবাদকই হতেন কিন্তু মায়ের মৃত্যু তাকে এক অন্য জগতে নিয়ে যায়। মাত্র আঠারো বছর বয়সে নিজ উদ্যোগে প্রকাশিত প্রথম কাব্য সংকলন অভাবনীয় ভাবে রুশ কাব্যজগতকে নাড়া দেয়।

তাঁর চেয়ে বয়সে এক বছরের ছোট ক্যাডেট সের্গেই ইয়্যেফ্রনের সাথে পরিচয় হয় চিত্রকর বন্ধু ম্যাকসিমিল্যান ভোলোশিনের মাধ্যমে। তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এই বিয়েই ম্যেরিনা’র জীবনের অনাকাঙ্খিত ট্র্যাজেডির মূল উৎস। অপূর্ব সুন্দরী ম্যেরিনার জীবনে আরো কয়েকটি প্রেম এলেও ইয়্যেফ্রনই ছিল তার প্রাণের দেবতা।
রুশ বিপ্লবের উন্মাতাল ঝড়ো বাতাস ও অসহনীয় উত্তাপ ম্যেরিনার জীবনকে তছনছ করে দিয়ে গেল। ১৯১৭-এর বিপ্লবের পর গৃহযুদ্ধের সময় ইয়্যেফ্রন ‘শাদা’ দলে নাম লেখালে ১৯২২ পর্যন্ত ম্যেরিনাকে ইয়্যেফ্রনের সঙ্গ বর্জন করে বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করতে হয়। ম্যেরিনা তার ডায়েরিতে লিখেছেন, “যদি সৃষ্টিকর্তা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখেন, তাহলে তোমাকে আমি কুকুরের মত সেবা করবো…” এ যেন ভ্লাদিমির মায়াকভস্কির লেখা ‘Cloud in Pants’ এর সেই পংক্তি “আমি তোমাকে দেখাশোনা করবো সেইভাবে যেভাবে যুদ্ধাহত পঙ্গু একজন সৈনিক তার একটি অবশিষ্ট পায়ের সেবা করে” …
ম্যেরিনা স্বেতায়্যেভা ও সের্গেই ইয়্যেফ্রন
১৯১৯ থেকে ১৯২০-এ যখন মস্কোতে দূর্ভিক্ষ চলছিলো তখন দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে মহাবিপদে পড়লে ছোট কন্যাটিকে অনাথ আশ্রমে সমর্পণ করলে সেখানে সে অপুষ্টিতে ভুগে মারা যায়। ১৯২২ সালে ম্যেরিনার সাথে তার স্বামীর সাক্ষাত হয় এবং তাঁরা প্রাগে পালিয়ে যান। ১৯২৫ সালে তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। ভিনদেশের মাটিতে অনেক অভাব অসুবিধার মাঝেও ম্যেরিনা দেশী কবি বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতেন। স্বামী ইয়্যেফ্রন ইতোমধ্যে তার রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করে এবং স্পেন হয়ে ১৯৩৭ সালে কন্যাকে নিয়ে রাশিয়ায় প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি ট্রটস্কির পুত্র হত্যার দায়ে জড়িয়ে পড়েন। অন্যদিকে ম্যেরিনা প্রবাসে পুত্রকে নিয়ে একা এবং এসব ঘটনার বিন্দু বিসর্গও জানতে পারলেন না। চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে যখন ম্যেরিনা দেশে ফিরলেন তখন বুঝে গেলেন এখানে তার জায়গা নেই… জানলেন তার মেয়ে শ্রমশিবিরে বন্দী, তার বোনকে পাঠানো হয়েছে সাইবেরিয়ায় আর স্বামী প্রাণদন্ডে দন্ডিত। মা বাবা, স্বামী সন্তান, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজনহীন একাকীত্বের এক বিষন্ন বিমূর্ত ক্যানভাসের মতই তখন মারিনার জীবন…!
ম্যেরিনা তার পলায়নমুখী ছন্নছাড়া প্রবাসী উপদ্রুত ক্ষতবিক্ষত জীবনে বর্ণনাতীত দুঃচিন্তা, উদ্বেগ, আশঙ্কা আর অভাব অনটনের মাঝখানে নিজের হৃদপিন্ডচেরা রক্তে একে এক লিখে গেলেন “Exile”, “A Captive Spirit”, “After Russia”, “Black Earth, Earthly Signs: Moscow Diaries”, “Milestones”, “Bound for Hell” এর মত কালজয়ী সব কবিতা… তাঁর সাহিত্যকর্মকে অনেকেই গ্যেটের ধ্রুপদী রচনার সাথে তুলনা করে থাকেন।
তিনি কবিতাকে জীবনের উৎস হিসেবে দেখতেন। অনেকেই মনে করেন তার কবিতা অনুবাদ করা কঠিন, এবং এটি আংশিকভাবে তাঁর ভাষা দর্শন এবং কবিতার সাথে তার আত্মিক সম্পর্কের কারণে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে শব্দগুলির এর সারাংশের সরাসরি সংযোগ রয়েছে জীবন ও আত্মার। জোসেফ ব্রডস্কি একবার মন্তব্য করেছিলেন যে: “কথা এবং কর্ম, শিল্প এবং জীবনের মধ্যে, তার জন্য কোনও কমা ছিল না, হাইফেন ছিল না; ম্যেরিনা উভয়ের মধ্যে শুধু একটি সমান চিহ্ন রেখেছেন।” প্রকৃতপক্ষে, মারিনা স্বেতায়েভা কবিতাকে জীবনের উৎস হিসেবে ভেবেছিলেন:
⌠নির্বাসনের ঘ্রাণ⌡
কবিতা সূর্যের মতো উজ্জ্বল, ফুলের মতো সুন্দর,
সংসারে এই সৌন্দর্যের মূল্য নেই যদিও
স্বজনেরা শুধু তাদেরই প্রশংসা আশা করে,
তাহলে আমার কাছে কেন?
আমরা যেন গুহার মধ্যে ঘুমাই,
দৃষ্টিও সীমাবদ্ধ
আমাকে বোঝো হে বিশ্বজন
কবির স্বপ্ন প্রকাশ পায়
তারার চলাচলে, ফুলের গন্ধে।
ইংরেজি অনুবাদঃ Paul Smith, The Bitter Air of Exile
অনুবাদঃ আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
সুজ্যান স্যনট্যাগ বলেন, “ম্যেরিনা স্বেতায়্যেভার’র গদ্য লেখাগুলির একটা তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো নিজেকে খোঁজা, তাঁর নিজের কবিমানসের বর্ধন ও বিকাশের বিবৃতিদান, আপন কবিসত্ত্বার আলেখ্যাঙ্কণ, পরিচয়জ্ঞাপন”। তবে কি আছে তার সেই লেখার অন্দরমহলে যা প্রবলভাবে প্রাণিত করেছে নামী দামী কবি সাহিত্যিকদের? ম্যেরিনার কবিতায় লিরিক ও মেলোড্র্যামাটিক নন্দন, মনোলগ, চিন্তাচেতনের বিন্যস্ত জ্যামিতি এবং অবশ্যই চলচ্চিত্রিক আমেজ ও মেজাজ…
⌠নির্বাসন⌡
[ ক্যাসক্যান্ডো ]
সেই একই জীর্ণ স্মৃতিবিধুরতা
আমাকে আর আগের মত ভাবায় না
আমি ভিড়ের মাঝে একেবারে একা
রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে অপরিচিত ঘরে ফেরা
হাসপাতাল কিংবা সৈন্যশিবিরের মত
যেন এক বিস্তৃত সাফারি জঙ্গল জীবন
সবগুলো চোখ আমার করুণ বন্দী চেহারা দেখে
লোক প্রকৃতির ভিড়ের মধ্যেও অনিবার্যভাবে
আমি বিসর্জিত হই আমার একাকীত্বে…
মেরু ভল্লুক যেন বরফ চাপড়াবিহীন…
যেখানে আমি বেমানান, চেষ্টা করো না মানাতে
অপমান সইবার সীমারেখা যেন পার না হয়
আমাকে ভাঙিয়ো না, আমাকে রাগানো যাবে না
আমার ভাবনায় যদি আমি নিঃগৃহিত হই
তাতে আমার কিছু যায় আসে না
সংবাদপত্রগুলো শুধু নিন্দার ধুঁয়া ছড়াতেই ব্যস্ত
কেননা তারা বিশ শতকেই বাস করছে…
আমি আজকে নয় আগামী দিনে জন্মেছি
যখন চারপাশের সব অন্ধত্বের বিষ নিশ্বাস
আশপাশের মৃত মানুষগুলোর মত
আমার স্মৃতিগুলোও বাসি হয়ে গিয়েছে
অথচ সেগুলো কত মোহিনী ছিল
যেন আমি এখানে নয় অন্য কোথাও
অন্য কোনো সময়ে জন্ম নিয়েছি…
আমার এ সময়ের সব পরিচিতি উধাও
আমাকে কেউ চিনতে পারছে না
শত খোঁজের পরেও আমার ঠিকানার হদিস নেই
আমার চোখে সবাইকে ভিনগ্রহি মনে হচ্ছে
হয়তো… না অবশ্যই তাদের চোখে আমাকে’ও
শুধু রাস্তার ধারের ঐ অশ্বত্থ গাছটিকে
কেন যেন চেনা চেনা লাগছে…
[রাশ্যান থেকে ইংরেজি – স্যামুয়্যেল ব্যেকেট]
[ভাবানুবাদ – আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির]
⌠Exile⌡
[“the churn of stale words in the heart again”]
from ‘Cascando’ – Samuel Beckett
Nostalgia. That cliché !
It doesn’t matter to me where I am,
where I’m solitary, on what pavement
I heave my shopping back
to a home that doesn’t know it’s mine,
no more than a hospital, or barracks.
No difference to me, captive lion,
whose faces stare at my tormented self,
what crowd hurls me back, predictably
to the loneliness of my heart – I’m
like a polar bear without an ice-floe.
Precisely where I don’t fit in (don’t try to)
or where I’m humiliated,
it’s all the same – I won’t be seduced
by my mother-tongue, it’s milky lure.
It doesn’t matter in what language
I’m misunderstood by everyone,
(those readers gorging on newsprint,
hungry for a scandal). They all
belong to the twentieth century.
Born before time, I’m stunned
like the last remaining log when
the whole avenue’s been felled.
People are undistinguishable.
Nothing alters – and what’s most stale
are those reminders of my past,
of what was once so dear to me.
My dates have been erased –
I’m just someone born somewhere.
My country has such scant regard for me
that even the sharpest detective
could search my entire soul
and find no clue to where I’m from.
Everywhere is alien, every church is empty.
All is stagnant. But if I should glimpse
a rowan tree by the roadside…
‘ম্যেরিনা ইভানোভনা স্বেতায়্যেভা’ নামের এই উজ্জ্বল তারকা কবি’কে নিয়ে কিছু লিখতে পারা’ও অনেক ভাগ্যের ব্যাপার কারণ ইনি একে তো রাশ্যান তার উপর কাব্যে তাঁর যে ভাষার প্রয়োগ সেটা স্বয়ং রাশ্যান’রাই ঠিক মতো মর্মোদ্ধার করে উঠতে পারে না… শুধু চেষ্টা করেছি বাংলাদেশি সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে এই রুশ-তনয়ার কিছু কথা, বর্ণাঢ্য জীবনের কিছু ঘটনা ও একটি মাত্র কবিতা পৌছে দেয়ার…
এখনো পর্যন্ত বাংলা ভাষায় এই অসামান্য কবি’কে নিয়ে অত্যাল্প অনুবাদকর্ম সম্পাদন হয়েছে… ম্যেরিনা স্বেতায়্যেভা’র সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহ থাকলে এখানে ঘুরে আসুন… যদি ভালো লাগে তবে আমার এই লেখাটিকে আপনার বন্ধুমহলে শেয়ার ক’রে এক অজানা অচেনা কন্যাকবি’কে জানার সুযোগ ক’রে দিন… সবারই শুভ ও মঙ্গল হোক…
তথ্যসূত্রঃ
১] Marina Tsvetaeva – Selected Poetry – poetryfoundation,org
২] Marina Tsvetaeva – Life & Work – poets,org
৩] Marina Tsvetaeva- Where to start with her literature – calvertjournal,com
৪] Marina Tsvetaeva – Twenty-Four Poems – poetryintranslation.com
৫] Poems by Marina Tsvetaeva – ruverses.com
৬] Photo Credit: i) poetryfoundation,org ii) poetryintranslation,com iii) gstatic,com
_______________________________________________
সাম্প্রতিকতম –⌠নির্বাণ উপপাদ্য⌡
পূর্বের কন্যাকবি – এ্যাড্রিয়্যান রিচ্ ও ম্যেরি এলিজাবেথ ফ্র্যে
_________________________________________________________________
দ্রষ্টব্যঃ কপিরাইটের জন্য তুলটে প্রকাশিত প্রতিটি সাহিত্যকর্মই আংশিক আকারে প্রদর্শিত
[ Copyright © 2022 | Anwar Parvez Nur Shishir – All Rights Strictly Reserved ]9 Comments-
-
-
সত্যি! আশা নিয়ে ছিলাম “কন্যাকবি” নিয়ে আপনার নতুন লেখাটির জন্য। অনবদ্য লাগলো আপনার উপস্থাপনা! বিশ্বসাহিত্যের সাথে এভাবে পরিচয় হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে! জয় হোক কবি ও কবিতার!
-
অনেক অনেক শুভ ও মঙ্গল হোক প্রিয়… বাংলা ভাষায় অনুল্লেখিত অথবা স্বল্পচর্চিত নারী কবি-সাহিত্যকগণের জীবন ও সাহিত্যকর্ম পাঠের আত্মপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এই লেখা চলমান রাখতে চাই… আমি খুব আশা করি যেন আমার সুন্দর মনের কবি সাহিত্যিক বন্ধু’রা এ ধরণের লেখা গল্প ও কবিতার পাশাপাশি পাঠ করুক তবেই আমাদের মেধা ও মননের সর্বাঙ্গীন বিকাশ ঘটবে… আপনার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও প্রীতিমুগ্ধতা জানাই প্রিয়…
-
-
"চোখের জলের তবে এত ছিল রঙ
এত ছিল প্রেম...! তার এত প্রকরণ "
পারভেজ শাহনূর

আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
সেই স্পর্শ, সেই উষ্ণতার উৎস অনুসন্ধানের সমাপ্তি কোথায় জানা নেই... জানা নেই
পারভেজ শিশির মঞ্চ
![]()
তুলট পাঠকবন্ধুর প্রেম
মুক্তমঞ্চ
*
সংগীত আয়োজন
*
সূচীপত্র
- নাত-ই-রাসুল
সরোয়ার-ই-কায়্যেনাত
নবীজি লহ সালাম
হাবিব-ই-এলাহি
নূর-উল-মুলক
পূর্ণিমার আলো
নূর-ই-শাফিঈ
হাবিব-ই-রব্ব
বেহেশতি ফুল
সুপথ দিশারী
নূর-ই-এলাহি
পরম আপন
মরু বুলবুল
জীবন সাহারা
শুকতারা অমলিন
কাবার দুলাল
কন্যা কবি
ম্যেরি এলিজাবেথ ফ্র্যে
ম্যেরিনা স্বেতায়্যেভা
এ্যাড্রিয়্যান রিচ্ - সংগীত ভাবনা
একটি গান … সহস্র মুগ্ধতা [ ১ ]
একটি গান … সহস্র মুগ্ধতা [ ২ ]
একটি গান … সহস্র মুগ্ধতা [ ৩ ]
একটি গান ... সহস্র মুগ্ধতা [ ৪ ]
একটি গান ... সহস্র মুগ্ধতা [ ৫ ]
একটি গান ... সহস্র মুগ্ধতা [ ৬ ] * (ন্যেনে ভারুগিঁরে) - গল্প
- বিলম্বিত জবানবন্দী
কৃষ্ণকলি
বাদাম
সাপ্তাহিক সংকলণ
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১৮-০২-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১১-০২-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ০৪-০২-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ২৮-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ২১-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১৪-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ০৭-০১-২০২৩
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ৩১-১২-২০২২
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ২৪-১২-২০২২
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১৭-১২-২০২২
ফ্ল্যাশব্যাক অব দ্য উইক - ১০-১২-২০২২
অনুবাদ কাব্য
মহামায়া প্রশস্তি
ফেরা
পদ্মাবতী - প্রথম স্তবক – দ্বিতীয় পট
পদ্মাবতী - দ্বিতীয় স্তবক – দ্বিতীয় পট
পদ্মাবতী - তৃতীয় স্তবক – দ্বিতীয় পট
পদ্মাবতী - চতূর্থ স্তবক – দ্বিতীয় পট
কবিতা
'মা'
আব্বা
ঘুঁড়ি
হাত
তিল
স্পর্শ
পাঁজর
২০২২
ফেরারি
পরিচয়
শাশ্বতী
স্বপ্নপথ
স্থানান্তর
তেলাপোকা
ভবিতব্য
আত্মগর্ভা
সইনামা
দিগন্তিকা
চুড়ান্তিকা
অবগাহন
অতুলনীয়
বাংলাদেশ
সৃষ্টি বিলাস
আশা পরশ
জীবন জল
চৈত্রের গল্প
প্রলাপনামা
কাব্য ভাষ্য
মায়াকাঞ্চণ
অন্তর্লীণ
প্রাত্যহিকী
কাব্য দীক্ষা
অনিশ্চিহ্ন
চন্দ্রগ্রহণ
কালান্তিক
ইথার নির্বাণ
কথোপকথন
জীবনদ্রোহী
শূন্য বিভক্তি
অন্তিম স্পর্শ
মেঘলা বিরহ
সন্ধি বিচ্ছেদ
চির প্রার্থনীয়া
বিদায় স্বরলিপি
নগরে অরণ্য
কুয়াশা মোহন
'প্রণয় আরতি'
প্রণয় আরতি
বসন্ত আনন্দ
সহসা সম্বিত
প্রার্থনা-গীতি
হৃদয়-হৃতিকা
প্রত্যন্ত প্রতীক্ষা
সায়াহ্নের গান
মানসী মহুয়া
তিনটি প্রশ্ন
রেডিও সংবাদ
জীবন্ময়ের পাঠ
প্রণয় ক্ষণিকা
শূন্যগর্ভা প্রলাপ
আগুন জোনাকি
নির্ঘুম আততায়ী
মুহূর্তের দুর্ভাবনা
নির্বাণ উপপাদ্য
স্বাধীনতার দন্ড
জলরঙের গান
রূপোলি রঙ্গিনী
নিরন্তর নৈবদ্য
রজনীগন্ধা ব্যথা
প্রেমপুরের চিঠি
বিপ্রতীপ অরণ্যে
পরবাসে নিজ গৃহ
প্রিয়ম পিঞ্জিরা
বিমূর্ত বিস্ময়
নিশ্চিহ্ন নিখোঁজ
৩৭ নং এপিটাফ
প্রিয় কল্যানীয়াসু
জগত সমান্তরাল
অত্যাগসহন বন্ধু
বেখবর বায়সনামা
আমার কিছু নেই
আসামী গ্রেফতার
নৈর্ব্যক্তিক নির্বাসন
নিখোঁজ আলোকচিত্র
পরিযায়ী প্রতিশোধ
দ্বান্দ্বিক ক্যানভাস
সুদূরতমার উষ্ণতা
প্রতিধ্বনি নিরুত্তর
অনামিকা অরণ্যে
জীয়ন বিভীষিকা
সনির্বন্ধ নিবেদন
মহাশূন্যের শব্দিতা
মহাকাশের ডায়েরি
পায়ের নিচে কার্নিশ
অহর্নিশি ভালোবাসি
২০২৩ – শুভাশীর্বাদ
বহু কথায় প্রকাশ
দ্বারা দিয়া কর্তৃক
সর্বনাশের সিম্ফোনি
রিভার্সিব্যল রিয়্যাক্শ্যন
দূরত্ব ২৭৪ কিলোমিটার
স্বাধীনতার স্বগতোক্তি
অন্ধের আরশি দর্শন
ইয়্যেসেনিনের বেহালা
রাহুমুক্তির ইশ্তেহার
কোথায় তুমি, হিরণ্ময়ী?
একদিন মিলনোৎসব হবে
কবি’র প্রেম/প্রেমের কবি
- English Poetry
- The Mother
Autoventure
Liquid Glass Dream
Reflection on White Board
The Homecoming
MEHSOOS
~THE MOONCHILD~
~THE DREAM FAIR~
~THE FATHER~
The Runway
~FINAL WISH~
~ THE BLACK CROWS ~
~ The Souls ~
________________________
প্রকাশিত কাব্য সংকলন
"কাব্য শতদল"
শিমুল শুভ্র সম্পাদিত
প্রকাশকালঃ একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭
প্রকাশকঃ দাঁড়িকমা প্রকাশনী
ISBN: 978-984-92828-1-5
________________________
Contact: [email protected]



অসাধারণ । শুভকামনা জানবেন ।