Profile Photo

আনোয়ার পারভেজ নূর শিশিরOffline

  • Anwar-Parvez-Nur-Shishir
  • ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ⌠কথোপকথন⌡
    “তোমার ভালোবাসায় এখনো ভালো আছি…
    ​ ​ ​ ​ এতদিন ঢাকায় ছিলাম, শীতে যশোরে এসেছি…
    আমার সব ইতিবৃত্ত তোমাকে বৈদ্যুতিক ডাকে জানাবো,
    ​ ​ ​ ​ ভেতর ও বাহির সব… তুমি কেমন রয়েছো?
    আমাকে এখনও ভুলে যাওনি জেনে আনন্দ হলো…
    ​ ​ ​ ​ তুমি আর আমি আর আমি আর তুমি
    দুটি শব্দের একই অনুরণন… ”
    ​ ​ ​ ​ “কাঁ হু মাজ্ঞানা, কাস্‌ কাঁ সাম্‌জানা,
    ​ ​ ​ ​ লাগি রেঁ হ্যে তুঝে মোহানা স্বারাণা…!
    ​ ​ ​ ​ মুরালী সা সুর্‌ জ্বালেত জীয়া জ্বালেত,
    ​ ​ ​ ​ পাল্‌ কাঁহে না পুরেনা… কান্‌হা…!”

    “আমি জানি না, আমি বুঝি না
    শুধু তোমাকে মোহিনী স্বর্ণের মত লাগে
    তোমার বাঁশীর সুরের জ্বালায় মন জ্বলে
    শুধু অপেক্ষার সময় কাটে না, কান্‌হা”

    “রোকো রোক্কো ইয়ার, এমন করে লিখোনা…
    ​ ​ ​ ​ ভয় হয় পাছে ঘরণী দেখে ফেলে এই মন্তব্য”
    তোমার এমনধারা কথায় আমার খুব
    ​ ​ ​ ​ অলকানন্দা দশা হয়েছে, জানো…!
    কেউ’কে ভালোবেসে তাঁর প্রাণময়ী’কে নীলক্তকারী,
    ​ ​ ​ ​ অশরীরী কেউকেটার মত গরলধারী কিন্তু বাবা আমি নই…!
    মাইন্‌কা জোড়া ‘হাসি হাসি’ ‘খুশি খুশি’ আমিও যে
    ​ ​ ​ ​ অপ্রতুল দেখেছি প্রায়ঃশই শ্যাড্‌ওয়্যেল্‌ থেকে
    ভিক্টোরিয়্যা যেতে আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রেনে,
    ​ ​ ​ ​ ডাবল্‌ ড্যেকার লাল বাসে, ম্যান…!
    সো ডোন্‌ য়্যু ওঅ্যরি অ্যাব্যাট্‌ ইট্‌ মাচ্‌…
    ​ ​ ​ ​ শ্যিট্‌ হ্যাপেন্‌স এ্যভ্‌রি হ্যোয়ায়্যল…!”

    “কী করে ঘরণী’কে বোঝাবো,
    শিশিরের অন্যদুটো নাম আনোয়ার আর পারভেজ;
    কোনোটাই মেয়েদের নাম নয় !
    ​ ​ ​ ​ সত্যিই বড্ড ইয়্যে ব্যাপার… নয়!
    “কান্‌হা? ন্না, এই আরাধ্য শব্দটা আগে কখনো শুনিনি,
    ​ ​ ​ তবে অষ্টম অবতার বিষ্ণু নামটা চেনা চেনা লাগে,
    কেমন যেন ন্যাপথ্যালিন্‌ খঁচিত
    ​ ​ ​ (যেটা কিনা একটি উর্ধ্বপাতিত পদার্থ
    এবং সাদা দানাদার স্ফটিক) তন্ময় গন্ধযুক্ত !
    ​ ​ ​ তুমি কী এইসব বুঝবে?
    কি জানি তোমার নৃতাত্ত্বিক গবেষণায়
    কেমিক্যাল ইঞ্জিনীয়ারিং দ্রবাদি কাজে লেগেছিলো কিনা…!”

    “আচ্ছা, কান্‌হার কথা কি বলি বলো তো প্যাল…!
    ​ ​ ​ ​ তুমি যদি বলো যে এই আরাধ্য নাম তুমি শোনোনি
    তবে তো তাতে আমার চক্ষু কর্ণ মস্তিষ্কের বিবাদ
    ​ ​ ​ ​ কিছুতেই ভঞ্জন হতে চাইছে না ব্রো…!
    য়্যু ন্যো হ্যোয়াট্‌, যাকেই কেবল এমন কাতরভাবে বলা যায়,
    ​ ​ ​ মান্‌ মোহানা, “ছ্যোড়’কে আপ্‌নে কাশী মাথুরা,
    ​ ​ ​ ​ আ’কে বাসাও ম্যোরে ন্যেনা,
    ​ ​ ​ ​ তুম্‌ বিন্‌ পা’উ ক্যেসে চ্যেনা…
    ​ ​ ​ ​ কান্‌হা… তার্‌সু তুমহি’কো দিন র‍্যেনা …”

    অথবা
    ​ ​ ​ ​ “রাস্‌ রাচাইয়্যা বৃন্দাবান্‌’কি গোকুল’কে বাসী,
    ​ ​ ​ ​ রাঁধা তুম্হ‌রি দাসী, দার্শান্‌’কো হ্যে পিয়্যাসী”…

    “এই কান্‌হা’ই আসলে তোমার সেই ক্রিস্ট্যাল সাব্‌লাইম
    ​ ​ ​ ​ যার বিমূর্ত সুরভি’তে এ জাহানে’র গৃহতিয়াগী রাঁধা’রা
    উন্মাতালী হয়ে রক্তমাংসের দেহে থেকে’ও
    ​ ​ ​ ​ কর্পূরের মত উবে যেতে সুব্‌হা সন্ধ্যে কাঙ্খা ক’রে যায়…
    যার ব্রহ্মবাঁশীর সুরের জ্বালা’য় হৃদপদ্ম
    ​ ​ ​ ​ জলে থেকে জ্ব’লে যায় ,
    যার আরাধনায় আদ্যান্ত সময় কাল থেমে যায়…!
    আর বার বার বলে যায়,
    ​ ​ ​ ​ “ঘ্যে তুঝাচ্‌ সাওয়ালিতে, কান্‌হা…”
    ​ ​ ​ ​ “ওগো প্রাণপ্রতিম…
    ​ ​ ​ ​ তোমার প্রচ্ছায়া’য় আমাকে সমাবৃত করো…”
    বটেই আমার কাল্‌চারাল এ্যান্‌থ্রোপোলোজির রিসার্চে
    এমন হরেক সাব্‌লাইমের প্লাজ্‌মিক প্রত্যাবেশ রয়েছে বৈকি…”

    “শোনো, আদুরে গলায় বলছি, আমি ‘বৈদ্যুতিক ডাক’ বলতে
    ​ ​ ​ ​ ইলেক্‌ট্রনিক মেইল বুঝাতে চেয়েছিলুম,
    সুতরাং মনে হয় না, সাব জিরো আর্কটিক ঝড়ের ভেতরে
    ​ ​ ​ ​ তোমার জানালা খুলে রাখা লাগবে,
    তাই বিরহী পথহারা কার্ডিনাল আর রবিনেরও
    ​ ​ ​ ​ তোমার জানালার শীতল কাঁচে মুখ থুবড়ে পড়তে হবে না…
    আহঃ শীতসঙ্কুল কুসুমিত পাখি,
    ​ ​ ​ ​ তোমরা আমার উষ্ণ বুকে ভালো থাকো…”

    “তোমাকে যদি কখনও সামনে পাই তবে
    ​ ​ ​ ​ সেদিন আমি আর তুমি এসব জ্বলুনির গ্র্যাফিটি
    মধ্যরাতের চন্দ্রাভায় জমকালো রাশম্যোরের দেয়ালে
    ​ ​ ​ ​ এঁকে এঁকে রাখবো…
    কিভাবে, কেন এসব প্রশ্নের কোনো চারা নেই,
    ​ ​ ​ ​ কোনোদিনই থাকবে না…”
    “নিশ্চয়ই ভোলোনি এ কথা…
    ​ ​ ​ ​ শুধু দু’বার কেনো, অর্বুদ’বার ফিরে ফিরে এসে
    তোমার নামের ‘স্মিতস্নিগ্ধ মায়ামধু’ পান করে যাবো,
    ​ ​ ​ ​ যেখানে বলবে সেখানেই আর এখানে
    আর ঐখানে আর সম্ভাব্য অসম্ভাব্য সবখানেই…
    ​ ​ ​ ​ জ্বলুক না হয় আরও কিছু মহাকাল
    আমাদের হৃদয়দুয়ারী’র সতিনী’রা…”
    _________________________________
    “দুটি ভিন্ন মহাদেশের ভিন্ন আবহাওয়ায় বসে
    দুই কবিবন্ধু’র এই অসংলগ্ন কথোপকথন
    ক্রমশঃ পাঠে যখন বিষ্ময়বিমুগ্ধ চোখ
    আর অপ্রতিরোধ্য আবেগে স্বতঃচর্বিত নোখ
    আসলে এ আর কিছু নয়, দীর্ঘ কাব্যপ্রেমের অবশেষে
    কাব্যপ্রেমী’র মনচিন্তনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিরীক্ষণ”
    ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ⌠আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির⌡
    _________________________________
    সাম্প্রতিকতম – ⌠ শূন্য বিভক্তি ⌡ ও ⌠ শ্যাওলা ⌡
    __________________________________________________________
    দ্রষ্টব্যঃ কপিরাইটের জন্য তুলটে প্রকাশিত প্রতিটি সাহিত্যকর্মই আংশিক আকারে প্রদর্শিত
    [ Copyright © 2022 | Anwar Parvez Nur Shishir – All Rights Strictly Reserved ]

    15
    18 Comments
"চোখের জলের তবে এত ছিল রঙ
এত ছিল প্রেম...! তার এত প্রকরণ "

পারভেজ শাহনূর

আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির

সেই স্পর্শ, সেই উষ্ণতার উৎস অনুসন্ধানের সমাপ্তি কোথায় জানা নেই... জানা নেই

পারভেজ শিশির মঞ্চ
  তুলট পাঠকবন্ধুর প্রেম
মুক্তমঞ্চ
*
সংগীত আয়োজন



*

সূচীপত্র

কবিতা
'মা'
আব্বা 
ঘুঁড়ি
হাত
তিল
স্পর্শ
পাঁজর
২০২২
ফেরারি
পরিচয়
শাশ্বতী
স্বপ্নপথ
স্থানান্তর
তেলাপোকা
ভবিতব্য
আত্মগর্ভা
সইনামা
দিগন্তিকা
চুড়ান্তিকা
অবগাহন
অতুলনীয়
বাংলাদেশ
সৃষ্টি বিলাস
আশা পরশ
জীবন জল
চৈত্রের গল্প
প্রলাপনামা
কাব্য ভাষ্য
মায়াকাঞ্চণ 
অন্তর্লীণ
প্রাত্যহিকী
কাব্য দীক্ষা
অনিশ্চিহ্ন
চন্দ্রগ্রহণ
কালান্তিক
ইথার নির্বাণ
কথোপকথন
জীবনদ্রোহী
শূন্য বিভক্তি 
অন্তিম স্পর্শ
মেঘলা বিরহ
সন্ধি বিচ্ছেদ
চির প্রার্থনীয়া
বিদায় স্বরলিপি
নগরে অরণ্য
কুয়াশা মোহন
'প্রণয় আরতি'
প্রণয় আরতি
বসন্ত আনন্দ
সহসা সম্বিত
প্রার্থনা-গীতি
হৃদয়-হৃতিকা
প্রত্যন্ত প্রতীক্ষা
সায়াহ্নের গান
মানসী মহুয়া
তিনটি প্রশ্ন
রেডিও সংবাদ
জীবন্ময়ের পাঠ
প্রণয় ক্ষণিকা
শূন্যগর্ভা প্রলাপ
আগুন জোনাকি
নির্ঘুম আততায়ী
মুহূর্তের দুর্ভাবনা
নির্বাণ উপপাদ্য
স্বাধীনতার দন্ড
জলরঙের গান
রূপোলি রঙ্গিনী
নিরন্তর নৈবদ্য
রজনীগন্ধা ব্যথা
প্রেমপুরের চিঠি
বিপ্রতীপ অরণ্যে
পরবাসে নিজ গৃহ
প্রিয়ম পিঞ্জিরা
বিমূর্ত বিস্ময়
নিশ্চিহ্ন নিখোঁজ
৩৭ নং এপিটাফ
প্রিয় কল্যানীয়াসু
জগত সমান্তরাল
অত্যাগসহন বন্ধু
বেখবর বায়সনামা
আমার কিছু নেই
আসামী গ্রেফতার
নৈর্ব্যক্তিক নির্বাসন
নিখোঁজ আলোকচিত্র
পরিযায়ী প্রতিশোধ
দ্বান্দ্বিক ক্যানভাস
সুদূরতমার উষ্ণতা
প্রতিধ্বনি নিরুত্তর
অনামিকা অরণ্যে
জীয়ন বিভীষিকা
সনির্বন্ধ নিবেদন
মহাশূন্যের শব্দিতা
মহাকাশের ডায়েরি 
পায়ের নিচে কার্নিশ 
অহর্নিশি ভালোবাসি
২০২৩ – শুভাশীর্বাদ
বহু কথায় প্রকাশ
দ্বারা দিয়া কর্তৃক
সর্বনাশের সিম্ফোনি
রিভার্সিব্যল রিয়্যাক্‌শ্যন
দূরত্ব ২৭৪ কিলোমিটার
স্বাধীনতার স্বগতোক্তি
অন্ধের আরশি দর্শন
ইয়্যেসেনিনের বেহালা
রাহুমুক্তির ইশ্‌তেহার 
কোথায় তুমি, হিরণ্ময়ী?
একদিন মিলনোৎসব হবে
কবি’র প্রেম/প্রেমের কবি

________________________

প্রকাশিত কাব্য সংকলন
"কাব্য শতদল"
শিমুল শুভ্র সম্পাদিত
প্রকাশকালঃ একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭
প্রকাশকঃ দাঁড়িকমা প্রকাশনী
ISBN: 978-984-92828-1-5
________________________
Contact: [email protected]

Skip to toolbar